Wednesday, December 8, 2010
আলোচনা- 'উইকিলিকসে বাংলাদেশ, তারপর?' by মাসুদা ভাট্টি
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আলোচনা- 'ওয়াংগালাঃ গারোদের জাতীয় উৎসব' by নেহাল আদেল
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
স্মরণ- 'বাঘা যতীনঃ অগ্নিযুগের মহানায়ক' by রফিকুল হাসান
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সবুজ মাঠ পেরিয়ে by শেখ হাসিনা
বারান্দায় দাঁড়ালেই দৃষ্টি চলে যায় সবুজ মাঠ পেরিয়ে রাস্তায়, যে রাস্তা দিয়ে অনবরত ছুটে চলেছে গাড়ি। কত মানুষ হেঁটে যাচ্ছে। খুব সকালে অনেক গাড়ি থাকে, যারা প্রাতর্ভ্রমণ করতে আসে তাদের গাড়ির ভিড়।
রাস্তা পার হলেই গণভবন। চোখের দৃষ্টি প্রসারিত করলেই রাস্তার ওপারে ঘন গাছের সারি। অনেক উঁচু লম্বা গাছ। গাছের ফাঁকে ফাঁকে নারকেলগাছ। আর নারকেলগাছের পাতার ফাঁক দিয়ে গণভবন, যেন উঁকি মারছে। রাতের বেলা গাছের পাতায় আলোর ঝিলিমিলি। ভোরবেলা শালিক আসত। ক্যাঁচক্যাঁচানি পাখিরাও আসত। একটা বানর ছিল হূষ্টপুষ্ট। সে রোজ আসত আমার কাছে। কখনো সকাল ১০টা-১১টা, কখনো বেলা আড়াইটায়। কলা ও অন্যান্য ফল খেতে দিতাম। একবার জ্বর হওয়ায় আমি খেতে দিতে পারিনি। কারারক্ষী মেয়েদের হাতে খেতে চাইল না। তখন একটা পেঁপেগাছে উঠে পেঁপে খেয়ে কারারক্ষী মেয়েদের ভেংচি কেটে চলে গেল। ফজরের নামাজ পড়ে বারান্দায় বসে কোরআন শরিফ পড়তাম। তারপর পায়চারি করতাম। একটা বাতাবি লেবুর গাছ ছিল, সেখানে বসে পাখিরা খুব চেঁচামেচি করত। আমি দেখে বলতাম, ওরাও আন্দোলনে নেমেছে। ওদের দাবি মানতে হবে। ওদের খাবার দিতে হবে। খাবার দিতাম, ওরা খেয়ে চলে যেত।
আমি মাঠের এপারে কারাগারে বন্দী। সংসদের একটা বাড়িকে সাব-জেল করা হয়েছে। আমি এপারে কারাগার ভবনে, আর ওপারেই গণভবন। গণভবনে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পাঁচ বছর ছিলাম, ১৯৯৬-২০০১ সাল পর্যন্ত। ছিলাম গণভবনে, এখন আছি কারাগার ভবনে। ছিলাম ক্ষমতায় প্রধানমন্ত্রী, আর এখন আসামি। আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ? অভিযোগ হলো চাঁদাবাজি।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নাকি চাঁদাবাজি করেছিলাম—১০ বছর পর আবিষ্কার করা হলো। মাঝখানে ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপির নেতৃত্বে চারদলীয় জোট ক্ষমতায় ছিল। আমার বিরুদ্ধে তারা অনেক মামলা দিয়েছে, কিন্তু চাঁদাবাজির মামলা দিতে পারেনি। মামলাবাজ জোট সরকার থেকেও বড় আবিষ্কারক তত্ত্বাবধায়ক সরকার। এ তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করার জন্য আমিই আন্দোলন করেছিলাম। ৬৮ জন মানুষ জীবন দিয়েছে বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাসী ও পুলিশ বাহিনীর হাতে। আমাদের আন্দোলনের লক্ষ্য ছিল একটা অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন, যে নির্বাচনে জনগণ স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারবে। চারদলীয় জোটের ভোট কারচুপির নীলনকশা প্রতিহত করার জন্যই আন্দোলন করেছিলাম। জনগণের ভোটের অধিকার রক্ষা করে গণতন্ত্রকে সুসংহত করতে চেয়েছিলাম। নির্বাচনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে চেয়েছিলাম।
ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু জনগণ হবে। প্রজাতন্ত্রের মালিক জনগণ। কে ক্ষমতায় থাকবে, কে থাকবে না—তারাই নির্ধারণ করবে। জনগণের এই মৌলিক, সাংবিধানিক ক্ষমতা জনগণের হাতে ফিরিয়ে দিতে চেয়েছিলাম। জনগণ স্বাধীনভাবে ভোট দেবে। নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠিত হবে। স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা থাকবে। ভোট চুরি হবে না। রেজাল্ট পাল্টাবে না, কেন্দ্র দখল হবে না, নির্বিঘ্নে ভোটাররা ভোট দিয়ে তাঁদের মত প্রকাশ করবেন। একটা অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচনের ক্ষেত্র প্রস্তুত করার জন্য কতগুলো পদক্ষেপ আমরা দল ও মহাজোটের পক্ষ থেকে গ্রহণ করেছিলাম।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংস্কার ও নির্বাচন কমিশন সংস্কার-প্রস্তাব আমি মহাজোটের পক্ষ থেকে ঘোষণা করি। এই ঘোষণার উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য অত্যন্ত স্পষ্ট ছিল। তা হলো, সংবিধান সমুন্নত রাখা। গণতন্ত্র সুসংহত করা এবং জনগণের সাংবিধানিক অধিকার সুরক্ষিত করা। বারবার যে অধিকার ছিনতাই হয়ে যাচ্ছে, বারবার জনগণ অন্ধকারে নিমজ্জিত হচ্ছে, তাদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হচ্ছে, তা যেন চিরতরে বন্ধ হয়ে যায়। জনগণের মুখের গ্রাস কেড়ে নিয়ে বিলাসব্যসনে গা ভাসিয়ে চলছে ক্ষমতাসীনেরা।
চারদলীয় জোট সরকারের অপশাসন, ক্ষমতার দাপট, দুর্নীতি, লুটপাট, অত্যাচার-নির্যাতনে মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। মানুষের সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে গেছে। পাশাপাশি চাল, ডাল, তেল, লবণসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম এমনভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে যে মানুষ দিশেহারা হয়ে গেছে। তারা একটা পরিবর্তন চায়। তবে এ পরিবর্তন গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ভোটের মাধ্যমে হতে হবে, অন্য কোনো পন্থায় নয়। জনগণের এই আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য অবাধ ও নিরপেক্ষ স্বচ্ছ নির্বাচনের দাবি নিয়ে আন্দোলন করেছি। জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে সাড়া দিয়েছে, আন্দোলনে শরিক হয়েছে। আন্দোলন সফল হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টার পদ থেকে রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ পদত্যাগ করেছেন। সশস্ত্র বাহিনী জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে ফখরুদ্দীন সাহেব শপথ নিয়েছেন। আমরা সে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকেছি, সমর্থন দিয়েছি; বিএনপি ও জামায়াত বয়কট করেছে, উপস্থিত থাকেনি। আমরা আশা করেছি, আমাদের গৃহীত সংস্কার-প্রস্তাব বাস্তবায়ন করা হবে। অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে। জনগণের প্রতিনিধিত্বকারী সরকার গঠন করা হবে। জনগণের সমস্যা সমাধান হবে। কিন্তু আজ কী দেখি, জনগণ সেই বঞ্চিতই রয়েছে। নির্বাচনের কথা মুখে বলে কীভাবে নির্বাচন পিছিয়ে নেবে, সেই ধান্দায় ব্যস্ত। নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করা হয়েছে, দুই বছর পর নির্বাচন হবে। আদৌ নির্বাচন হবে কি না, মানুষ সন্দিহান হয়ে পড়েছে।
ক্ষমতার চেয়ারে গ্লু দিয়ে আটকে গেছে মনে হচ্ছে। নতুন নতুন দল গঠন হচ্ছে। ‘বাপে খেদানো মায়ে তাড়ানো’ কিছু লোক সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ও জনগণের অর্থ যা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা, তার অপব্যবহার করে কিছু দল সৃষ্টি করছে। সুদখোর, কালো টাকার মালিকেরা টাকা সাদা করেই মাঠে নেমে পড়েছে। বিশেষ করে, জনগণের ভোটে যাদের জেতার কোনো সম্ভাবনাই নেই। অতীতে যারা জামানত হারিয়েছে, সেই জামানত হারানোর রেকর্ডধারীরাই বেশি তৎপর। যাদের ভেতরে স্বচ্ছতা আছে, সততা আছে, তারা গোয়েন্দাদের জালে ধরা পড়ে না, ধরা দেয় না। যাদের ভেতরে ঘাপলা আছে, তারাই দ্রুত ধরা দেয়। তারা হয়ে যায় সাধু, সৎ। কী বিচিত্র এই দেশ!
আরেক দল আছে, যারা সুযোগের অপেক্ষায় থাকে—যেমন, ডাস্টবিনের গায়ে লেখা থাকে ‘Use me’ ‘আমাকে ব্যবহার করুন’—এরা সেই শ্রেণীর। অন্যের হাতে ব্যবহূত হতে সদা তৎপর। যখন যার তখন তার। হায় রে হায়, হায় রে হায়! এরা সবাই সৎ ও সাধু হয়ে গেছে!
আন্দোলন করে দাবি পূরণ করলাম, তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্গঠন করলাম। যেই দ্রুত নির্বাচনের কথা বললাম, সেই আমি চাঁদাবাজ হয়ে গেলাম, দুর্নীতিবাজ হয়ে গেলাম। আমার স্থান হলো কারাগারে। পাঁচটি বছর চারদলীয় জোট তন্ন তন্ন করে খুঁজেছে আমার ও আমার পরিবারের দুর্নীতির কোনো কিছু পায় কি না। পায়নি। পেয়েছে ফখরুদ্দীন সরকার।
আবিষ্কার করেছে চাঁদাবাজি করেছি তাঁর কাছ থেকে, যাঁকে আমার দল নমিনেশন দিয়েছে। যে সিটে এই প্রার্থী নমিনেশন পেয়েছিলেন, সেই একই সিটে অন্য এক প্রার্থী নমিনেশন চেয়েছিলেন এবং নির্বাচনী ফান্ডে ৫০ কোটি টাকাও দিতে চেয়েছিলেন। তাঁকে নমিনেশন দিইনি। ৫০ কোটি টাকা ফিরিয়ে দিলাম, আর পাঁচ কোটি চাঁদা নিলাম—এটা কি হতে পারে? ৫০ কোটি টাকার লোভ সংবরণ করতে পারলাম, আর পাঁচ কোটি টাকার লোভ সামলাতে পারলাম না। ৫০ কোটি টাকা বাদ দিয়ে পাঁচ কোটি টাকা চাঁদা নিয়েছি—এই আবিষ্কার করেছে। বাহ্, চমৎকার আবিষ্কার!
একটা বিষয় লক্ষণীয়, যাঁদের দিয়ে মামলা করিয়েছে তাঁদের আগে ধরে নিয়ে গেছে অজ্ঞাত স্থানে। কোথায় আছেন, কীভাবে আছেন পরিবারও জানতে পারেনি। হন্যে হয়ে খুঁজেও পায়নি। কাউকে পাঁচ দিন, ১০ দিন, ২০ দিন—বাগে আনতে যত দিন লেগেছে বন্দী করে নির্যাতন করেছে।
প্রথম চাঁদাবাজির মামলা দিল তিন কোটি টাকা একটা ছোট ব্রিফকেসে ভরে দিয়ে গেছে গণভবনে। ৫০০ টাকার নোট তিন কোটি টাকার ওজন হয় ৬৯ কেজি। তিনটা ৩০ ইঞ্চি সাইজের স্যামসোনাইট স্যুটকেস লাগে তিন কোটি টাকার ৫০০ টাকার নোট ভরতে কিন্তু এমনই জাদু জানে যে একটা ব্রিফকেসেই ভরে এনে দিল তিন কোটি টাকা। এটা কি যে-সে আবিষ্কার! মনে হয় জাদুটোনাও জানে!
যাঁরা মামলা করেছেন, তাঁরা ভালো করেই জানেন যে এঁদের কাছে আমি কোনো দিন চাঁদা চাইনি। এঁদের চিনিও না। আমি আমার জীবনে কোনো দিন কারও কাছে কোনো টাকা চাইনি। কারও কাছে কিছু চাওয়া আমার স্বভাববিরুদ্ধ। আমি কোনো দিনই কারও কাছে টাকাপয়সা চাই না। ব্যক্তিগত জীবনেও কোনো কিছু চাওয়ার অভ্যাস আমার নেই। আমার যেমন আছে, আমি তেমনই চলতে পছন্দ করি। ধার করে ঘি খাই না, চুরি করে ফুটানি দেখাই না।
সারা দেশে এমন একটা আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি করে রেখেছে যে যাকে খুশি তাকে দিয়েই যা খুশি তা বলাতে পারে। আর না বললেই নির্যাতন—এটা তো সম্পূর্ণ মানবাধিকার লঙ্ঘন করা। শুধু আমাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে সাজা দিয়ে নির্বাচনে যাতে অংশ নিতে না পারি, সেই ব্যবস্থা করার জন্যই এসব করা হচ্ছে। কারণ তারা জানে, নির্বাচন হলে জনগণ আমাকে ভোট দেবে। আমি জয়ী হব, সরকার গঠন করব। জনগণের আকাঙ্ক্ষা, আমি সরকার গঠন করি। কিন্তু জনগণের সে আকাঙ্ক্ষা পদদলিত করতে চায়। এ তো গেল যাঁরা মামলার বাদী হয়েছেন, তাঁদের কথা।
এখন আসি বিচারকদের কথায়। মামলা চলাকালীন বিচারকদের কী অবস্থায় দেখেছি। কোর্টে টাস্কফোর্স ও গোয়েন্দার লোক গিজগিজ করছে। কেউ ক্যাপ পরে চেহারা ঢাকতেও চেষ্টা করে। চেহারা ঠিক না, মাথা ঢাকা দেয়।
সব সময় একটা চাপ যেন আদালতে রয়েছে। আমার শুধু মনে হয়, এই বিচার হচ্ছে? এত প্রহসন, বিচারের নামে প্রহসন চলছে। বিচারকেরা কি তাঁদের বিবেক, চিন্তা, জ্ঞান ও বুদ্ধি বিবেচনা দিয়ে বিচার করতে পারেন? বিচারকেরা তো সংবিধান মোতাবেক শপথ নিয়ে থাকেন, সেই শপথ কি রক্ষা করতে পারেন?
হাইকোর্টের একজন বিচারপতি তো প্রকাশ্যে বলেই দিলেন, শপথ মোতাবেক কাজ করতে পারছেন না। উচ্চ আদালতের যদি এ অবস্থা হয়, তাহলে নিম্ন আদালতের কী অবস্থা হতে পারে, তা অনুধাবন করা যায়। খুব ঢাকঢোল পিটিয়ে বিচার বিভাগ স্বাধীন করা হলো, কিন্তু তা মুখের কথায় ও কাগজে-কলমেই। বিচারকদের ওপর গোয়েন্দাদের চাপ অব্যাহতভাবে রয়েছে, তা দেখাই যায়। হাইকোর্ট রায় দিলেই তা যদি পক্ষে যায়, সুপ্রিম কোর্ট স্থগিত করে দেন। শেষ পর্যন্ত কোর্টও বদলে যায়। প্রধান বিচারপতির সঙ্গে দেখা করে সরকারের বিশেষ দূত নিজেই নাকি আমাকে জামিন দিতে নিষেধ করেছিলেন। সুপ্রিম কোর্টকেই যদি নির্দেশ শুনতে হয়, সর্বোচ্চ আদালত যদি স্বাধীন না হন, তাহলে নিম্ন আদালতের অবস্থা কী, তা তো অনুধাবন করা যায়।
মামলার রায় কী হবে, তার ‘ওহি নাজেল’ হয়, যা নির্দেশ দেওয়া হবে, তা-ই রায় দেবে। ১ নভেম্বর ২০০৭ বিচার বিভাগ নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক করা হয়েছে। আমার প্রশ্ন, ১ নভেম্বরের আগে বিচার বিভাগের অবস্থা ও পরে অর্থাৎ বর্তমানের অবস্থা তুলনা করলেই বের হয়ে যাবে বিচার বিভাগ কতটুকু স্বাধীনতা পেয়েছে। মানুষের সঙ্গে এ প্রহসন কেন?
আমি গণভবনে ছিলাম, এখন কারাভবনে আছি। যাঁরা আজ ক্ষমতায়, তাঁদেরও ভবিষ্যতে কারাগারে থাকতে হবে না—এই গ্যারান্টি কি পেয়েছেন? ক্ষমতার মসনদ ও কারাগার খুব কাছাকাছি।
পাকিস্তানে প্রেসিডেন্ট মোশাররফ এখন সম্মানের সঙ্গে বিদায়ের পথ খুঁজছেন। কাদের কাছে, যাঁদের একদিন অপমান করে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিয়েছিলেন। সবার ওপরে আল্লাহ আছেন, তাঁর লীলা বোঝা ভার। তাঁর হুকুমেই আজ যে রাজা, কাল সে ভিখারি, কেবল মানুষ ক্ষমতার মোহে অন্ধ হয়ে যায় বলে ভুলে যায়।
এই বাড়িটাকে যদি আবার কোনো দিন সাব-জেল করা হয়, তাহলে কে আসবেন? সেই দিন দেখার অপেক্ষায় রইলাম।
কারাভবনের এই বাড়িটায় অনেক গাছ ছিল। বরইগাছ, শজনেগাছ। এ ছাড়া দেয়াল ঘেঁষে বড় বড় গাছ সব কেটে ফেলেছে। দেয়ালের বাইরের গাছও কাটা হয়েছে। আর বাইরের দিকটা কাঁটাতার দিয়ে ঘিরে দিয়েছে। ছাদের ওপর দুটো বাংকার করেছে, সেখানে র্যাব ও পুলিশ পাহারা দেয়, আর নিচে পুলিশ ও কারারক্ষীরা পাহারায় থাকে। দোতলা বাসা, সিঁড়িতে ওঠার মুখেই লোহার কলাপসিবল গেট, গেটে বড় তালা লাগানো থাকে সারা দিন। ওপরে পশ্চিম দিকের কোনার কামরায় আমার থাকার ব্যবস্থা। এই ঘরের জানালা দিয়েও সবুজ মাঠ ও গণভবন দেখা যায়। এই মাঠে ছেলেরা বল খেলতে আসত, কারাগার হওয়ার পর বন্ধ।
সমস্ত বাসাটা অত্যন্ত ময়লা ও নোংরা। পুরোনো গদি ছেঁড়া কাপড়চোপড়, পুরোনো কাগজপত্র সব ছড়ানো। পুব দিকের একটা কামরা এত নোংরা, মনে হলো যেন ময়লা ফেলার জায়গা। ঘরের মেঝে থেকে দেয়াল পর্যন্ত সবই ময়লা-ধুলায় ভরা, এমনকি যে টেবিল-চেয়ার আছে, সেগুলোতেও ধুলা-ময়লা ভরা। জেলখানায় নিয়ম আছে, পারসোনাল অ্যাকাউন্টে টাকা রাখা যায়, যাকে পিসি বলে। আমার সঙ্গে যে টাকা ছিল, সেই টাকা আমি পিসিতে জমা করলাম। অর্থাৎ, জেলারের হাতে দিলাম, এটাই নিয়ম। নিজেই টাকা খরচ করে তোয়ালে, গামছা, ভিম, হারপিক, ব্রাশ, ঝাড়ু ইত্যাদি কিনতে দিলাম। এই পিসির টাকা দিয়ে নিজের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনা যায়, তবে সেখানেও কিছু নিয়ন্ত্রণ আছে। যা-ই হোক, আমাকে আমার ফরমায়েশমতো জিনিসগুলো কিনে দিল। একটা খাট, আমি বসার সঙ্গে সঙ্গেই ভেঙে পড়ে গেল। একখানা সোফার সেট, অত্যন্ত ময়লা ও নোংরা। বিছানার চাদর একদিকে ইঁদুরে কাটা, ছেঁড়া তোশকও অত্যন্ত ময়লা। মনে হয়, সব যেন গোডাউনে পড়ে ছিল। তবে তিনখানা করে নতুন চাদর ও তোয়ালে দেওয়া হয়েছে। তারই একটা চাদর সোফার ওপর বিছিয়ে রাত কাটালাম। পরদিন বললাম, ভাঙা খাট বদলে দিতে হবে। অথবা সরিয়ে ফেলতে হবে, আমি মাটিতেই ঘুমাব। কারণ আগের দিন, খাট ভেঙে গেলে ডিআইজি হায়দার সিদ্দিকী নির্দেশ দিয়েছিলেন, খাটের নিচে ইট দিয়ে ঠিক করে দিতে এবং তা-ই করা হয়েছিল। কিন্তু তাতেও খাটখানা ব্যবহারের উপযুক্ত হয় না। যা-ই হোক, এক দিন পর খাটখানা বদলে দেয় এবং তা ঘটা করে পত্রিকায়ও প্রচার করে। আমার খাবার আসত কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে। মাঝেমধ্যে খাবার আসতে দুপুর গড়িয়ে বিকেল হতো। আর খাবারের মেন্যু—যাক, সে বিষয়ে কিছু বলতে চাই না। আমাকে তো তিন বেলা খাবার দিচ্ছে, কিন্তু কত মানুষ এক বেলাও খাবার পায় না। আল্লাহ যখন যেভাবে যাকে রাখেন, সেটাই মেনে নিতে হয়। আমার আব্বা যখন জেলে যেতেন, তাঁকেও তো কষ্ট সহ্য করতে হয়েছে। আমি তো তাও একটা বাসায়, একটা ভালো কামরায় আছি, যদিও ড্যাম্প পড়া স্যাঁতসেঁতে। আব্বাকে তো জেলখানায় সেলের ভেতরে রাখা হতো। সারা জীবন কত কষ্ট তাঁকে সহ্য করতে হয়েছে এবং বাংলার মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য তিনি আজীবন সংগ্রাম করেছেন আর এই কষ্ট সহ্য করেছেন। পাকিস্তানের মিয়ানওয়ালি জেলে গ্রীষ্মকালে যেমন গরম, তেমন শীতের সময় শীত। রুটি-ডাল ছাড়া তো কিছুই পেতেন না খেতে, যে খাবার আব্বা কখনোই পছন্দ করতেন না। তার পরও তাঁর মুখ থেকে কোনো দিন কোনো কষ্টের কথা আমরা শুনিনি। আমাদের কাছে তিনি কখনো বলতেন না। মাঝেমধ্যে কথার পিঠে কথা বের ুুহতো, অথবা মাকে কিছু কিছু বলতেন। নিজের কষ্টের কথা তিনি সব সময় চেপেই রাখতেন।
কারাগার থেকে পুব দিকে জানালায় দাঁড়ালে সংসদ ভবন দেখি। উত্তর দিকে গণভবন। রোজ সকাল-বিকেল যখনই মনে হয়, জানালায় দাঁড়াই। সবুজ মাঠ পেরিয়ে রাস্তায় জনগণের চলাফেরা দেখি। একদিন জানালায় দাঁড়িয়ে আছি, দেখি মোটাসোটা বাঁদরটা মাঠ পার হয়ে উত্তর দিকে চলে যাচ্ছে। এই বাঁদরটা প্রতিদিন দক্ষিণের দেয়ালে এসে দাঁড়াত। আমি কিছু খাবার ওপর থেকে ছুড়ে দিলেই নিয়ে যেত, দিনে দু-তিনবার আসত। কিন্তু আজ ও চলে যাচ্ছে। অত বড় মাঠ ধীরেসুস্থে হেঁটে হেঁটে পার হচ্ছে। আমি লক্ষ করলাম, কিছু দূর হেঁটে যায়, তারপর থামে, একবার পেছনে, একবার ডানে, একবার বাঁয়ে তাকায়। আবার হাঁটে। বারবার থেমে থেমে মাঠ পেরিয়ে লেকের পারে গাছের দিকে চলে গেল; যেদিকে গণভবন, সেই দিকে। বাঁদরটা মুক্ত, তাই হেঁটে হেঁটে মাঠটা পার হয়ে চলে গেল। আমি তো বন্দী, দোতলায় একদম একা, আমি ইচ্ছে করলেও মাঠ পেরিয়ে হেঁটে যেতে পারব না। আমার সে স্বাধীনতা নেই। কিন্তু আমার মনটা তো স্বাধীন, আমার মনটাকে তো বেঁধে রাখতে পারবে না, মনের কল্পনাতেই আমি সবুজ মাঠ পেরিয়ে যাচ্ছি, যাচ্ছি আর যাচ্ছি।
গণভবন ৬ মার্চ, ২০১০
গণভবনে প্রথম সকাল। গতকাল যমুনা থেকে গণভবনে এসে উঠেছি। এখানে এসেই প্রথমে দক্ষিণের জানালা খুলে দাঁড়ালাম। সংসদ ভবনের যে বাড়িটায় আমাকে বন্দী করে রেখেছিল, সেটা দেখা যায় কি না! গাছের ফাঁক দিয়ে বাড়িটা দেখা যাচ্ছিল।
২০০৭ সালের ১৬ জুলাই আমাকে বন্দী করে ওই বাড়িতে রাখা হয়। সাব-জেল হিসেবে ঘোষণা দেয়। সংসদ ভবনের অন্যান্য বাড়িতে স্পেশাল কোর্ট বসায়। একটার পর একটা মামলা দিয়ে হয়রানি করতে থাকে। ওই বাড়ির উত্তর দিকের জানালা দিয়ে গণভবন দেখা যেত।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় আবিষ্কার করা হলো, সবচেয়ে বড় দুর্নীতিবাজ আমি। তাই প্রথমে দেশের বাইরে রাখার চেষ্টা করা হলো। কিন্তু সফল হলো না। পরে মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার করে বিনা ওয়ারেন্টে টেনেহিঁচড়ে কোর্টে নিয়ে গেল। তারপর সাব-জেলে ১১ মাস বন্দী করে রাখল। সম্পূর্ণ একাকী নিঃসঙ্গ বন্দিখানায় ছিলাম। ওই বন্দিখানা থেকেই গণভবন দেখতাম। পূর্ব দিকে সংসদ ভবন আর উত্তর দিকে গণভবন।
আজ গণভবনে প্রথম সকাল হলো। যথারীতি সকাল পাঁচটায় ঘুম ভেঙে যায়। সাড়ে পাঁচটায় উঠে নামাজ পড়ি। জাতীয় পতাকা তোলার বিউগলের সুর শুনি। কোরআন তিলাওয়াতের জন্য লাইব্রেরিতে আসি। আগের বার যখন ছিলাম, এই পূর্ব দিকের ঘরটা লাইব্রেরি করেছিলাম। এখন আর সেসব বই নেই। সব বুকশেলফ সরিয়ে ফেলা হয়েছে। আমার কাছে লাইব্রেরি হিসেবে এটা পরিচিত। একটা শেলফ বসানো হয়েছে। আরও একটা বসিয়ে আবার লাইব্রেরি বানানোর ইচ্ছা আছে। যা-ই হোক, কোরআন তিলাওয়াতের পর ভাবলাম, একটু ঘুরে দেখি। তখনো ভালো করে আলো ফোটেনি। পাখির কলকাকলিতে মুখরিত গণভবন। আপন নিলয়ে পাখিরা ডানা ঝটপট করছে। এখনই উড়ে যাবে খাবারের সন্ধানে। গণভবনে প্রচুর গাছ ও পাখি। দক্ষিণের জানালা খুললাম। গাছে গাছে ভরা দূরে তেমন কিছু দেখা যায় না। তবে কারাগার থেকে যে নারকেলগাছটা সব সময় দেখতাম, সেটা আছে। এই গাছের পাতা বাতাসে নড়ে উঠত, তারই ফাঁকে ফাঁকে রাতের বেলা গণভবনে আলো দেখা যেত। দিনের বেলা কোনো কোনো অংশ দেখা যেত। এখান থেকে কারাগারের দেয়াল দেখা যায়। এখন ওই বাড়িতে হুইপ লিটন চৌধুরী থাকেন। ওই বাড়িতে ওঠার আগে আমাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, উঠবেন কি না? সাব-জেল হিসেবে ব্যবহূত ওই বাড়িতে আমি বন্দী ছিলাম, সে কারণেও একটু দ্বিধাগ্রস্ত ছিলেন। পরে আমার অনুমতি পেয়ে উঠেছেন। গাছের ফাঁকে পতাকাটা দেখতে পেলাম। দালানের কিছু অংশ দেখলাম। সোফিয়া ও তার মা খুব সকালে উঠে বসে আছে। তাদের কামরায় গেলাম। জয় ঘুমাচ্ছে। জয়, জয়ের বউ ও মেয়ে ঢাকায় আছে। ওদের নিয়েই গতকাল উঠেছি। মাগরিবের পর একটা মিলাদ পড়ালাম।
আল্লাহ সবই পারেন। গণভবনের মাঠ, তারপর রাস্তা, পাশে লেক, তার পরই বিশাল খেলার মাঠ। ওই মাঠের পাশেই বাড়িটায় বন্দী ছিলাম। আর এখন সেই সবুজ মাঠ পেরিয়ে যে গণভবন, সেখানে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উঠেছি। ১৯৯৬ সালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে গণভবনে ছিলাম। লতিফুর রহমানের নেতৃত্বে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়। সাহাবুদ্দীন সাহেব রাষ্ট্রপতি। ক্ষমতা হস্তান্তরের পরের দিন ১৬ জুলাই ২০০১ সালে গণভবনের সব টেলিফোন লাইন কেটে দেয়। বিদ্যুৎ লাইন বন্ধ করে দেয়, যা কোনো দিন করতে পারে না। বাসা বদলাতেও সময় লাগে। এসএসএফ এই বাসায় থাকলে সিকিউরিটি ভালোভাবে নিশ্চিত করতে পারবে বলে জানায়। সরকারি আইন করা হয়, জাতির পিতার কন্যা হিসেবে সরকারি বাড়ি এবং পূর্ণ নিরাপত্তা সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হবে। গণভবনে আমার থাকার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। সুধা সদনের ভাড়াটে চলে যাওয়ার পর কিছু মেরামতের কাজ চলছিল। আমি মাস খানেক গণভবনে থেকে ওখানে চলে যাব, সিদ্ধান্ত নিই। কিন্তু এ ধরনের অপমান কীভাবে করে! অনেকে তো রাষ্ট্রপতি যে বাড়িতে থাকতেন, সে বাড়ি এক টাকার বিনিময়ে লিখে নিয়েছেন। আমার বাবাও তো রাষ্ট্রপতি থাকা অবস্থায় শাহাদাতবরণ করেন। তার পরও তো আমি এক টাকার বিনিময়ে কোনো সরকারি বাড়ি লিখে নিইনি।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে ক্ষমতা ছেড়ে দিয়ে পাঁচ বছর পর ধানমন্ডির সুধা সদনে যাই। ২০০১ সালের ১৬ আগস্ট গণভবন ছেড়ে যাই। ২০১০ সালের ৫ মার্চ গণভবনে ফিরে এলাম। আল্লাহ যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা দেন, আবার কেড়ে নেন, আবার দেন। পবিত্র কোরআন শরিফের সূরা আল ইমরানের ২৬ আয়াতে পড়লাম: ‘কুলিল্লা-হুম্মা মা লিকাল্ মুলকি তু’তিল মুলকা মান তাশা-উ ওয়া তানযি’উল মুল্কা মিম্মান্ তাশা-উ ওয়া তু’ইযযু মান তাশা-উ অতু যিল্লু মান্ তাশা-উ; বিইয়াদিকাল খাইর।’ বলুন, হে আল্লাহ, রাজ্যের মালিক তো আপনিই! যাকে ইচ্ছা রাজত্ব দেন, আর যার কাছ থেকে ইচ্ছা কেড়ে নেন। ইচ্ছামতো সম্মান দেন, আর ইচ্ছামতো লাঞ্ছিত করেন। আপনার হাতেই সব কল্যাণ নিহিত।
আল্লাহর ওপর সব সময় ভরসা রেখেছি। আজ তাই গণভবনে আবার ফিরে এসেছি। অনেক স্মৃতি আমাদের এই গণভবনকে ঘিরে। আব্বা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এখানে ছিলেন। যদিও থাকতেন ধানমন্ডি ৩২ নম্বর বাড়িতে। কিন্তু গণভবনে অফিস করতে আসতেন। দুপুরের খাবার এখানেই খেতেন, বিশ্রাম নিতেন। বিকেলে হাঁটতেন। মানুষের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতেন। আমার ভাই ক্যাপ্টেন শেখ কামাল ও লে. শেখ জামাল—দুই ভাইয়ের বিয়ে হয় এখানে। সামনে লেক, এই লেকে রাসেল মাছ ধরত। মাছ ধরে আবার ছেড়ে দিত। জয় ছোটবেলায় রাসেলের সঙ্গে প্রায় প্রতিদিন বেড়াতে আসত। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ছিল এই গণভবন। প্রখ্যাত আর্কিটেক্ট লুই কানের ডিজাইন অনুসারে গণভবন তৈরি করা হয়েছে।
আর এখন আমি গণভবনে। সাব-জেল দেখছি। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এই বাড়িতে গতকাল এসেছি। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নির্বাচন হয়েছে। অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন। যে নির্বাচনে ধর্ম-বর্ণ-দলমত-নির্বিশেষে সব শ্রেণী ও পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়েছেন। এক কোটি ২৩ লাখ ভুয়া ভোটার ছিল আগের ভোটার লিস্টে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়ন করে। আমাদের সশস্ত্র বাহিনী এই তালিকা তৈরি করে দেয় দ্রুততম সময়ে। অসাধ্য সাধন তারা করেছে। ন্যাশনাল আইডি কার্ড ও ছবিসহ ভোটার তালিকা করা বেশ দুরূহ কাজ ছিল। তবে এটা করার মধ্য দিয়ে জনগণের ভোট নিয়ে খেলা করার যে প্রক্রিয়া সামরিক শাসকেরা চালু করেছিল, তারই অবসান হলো।
এবারের নির্বাচনের সবচেয়ে লক্ষণীয় বিষয় ছিল মানুষের ভোট দেওয়ার আকাঙ্ক্ষা। এ দেশের উচ্চবিত্ত, যাঁদের আমরা এলিট শ্রেণী বলি, তাঁরা খুব কমই ভোটকেন্দ্রে যান ও ভোট দেন। এবারে তাঁরা তাঁদের বাড়ির কাজের বুয়া থেকে শুরু করে সবাইকে নিয়েই ভোট দিতে ভোটকেন্দ্রে গিয়েছিলেন এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেছেন, ভোট দিয়েছেন। ওই লাইনে আশপাশের বস্তির লোকেরাও এসেছেন। পাশাপাশি লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করতেও দেখা গেছে। হিন্দু-খ্রিষ্টান-বৌদ্ধ সব ধর্মের মানুষ শান্তিপূর্ণ পরিবেশে, নিরাপদে ভোট দিতে পেরেছেন, যা ২০০১ সালের নির্বাচনে দেখা যায়নি। বাড়ির গেটে তালাও দেওয়া হয়েছে, যাতে বাড়ি থেকে বের হতে না পারেন, ভোটকেন্দ্রে যেতে না পারেন। এ ছাড়া মারধর, অত্যাচার তো ছিলই। কিন্তু এবারের চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন।
এভাবে যদি প্রতিটি নির্বাচন প্রতিবার অনুষ্ঠিত হয় এবং মানুষ স্বাধীনভাবে ভোট দিয়ে সরকার নির্বাচন করতে পারে, তাহলে এ দেশ থেকে অন্যায়-অত্যাচার, দুর্নীতি, সন্ত্রাস দূর হবে। সরকারের স্বচ্ছতা, জবাবদিহি নিশ্চিত হবে। সব থেকে বড় কথা হলো, দ্রুত দেশের উন্নতি হবে। সাংসদ ও মন্ত্রীরা তৎপর থাকবেন। কারণ, ভোটের জন্য জনগণের কাছে গিয়ে হাত পাততে হবে না। তাঁদের এ কথাটা মনে রেখেই কাজ করতে হবে। এ জন্য নির্বাচন কমিশনকে সম্পূর্ণ স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে হবে।
ধীরে ধীরে আলো ফুটেছে। এখন রোদ ঝলমল করা সকাল, দখিনা বাতাসে শীতল কোমল আবেশ। পাখির কলকাকলিতে মুখরিত পরিবেশ। বাংলাদেশের জনগণের কাছে আমি কৃতজ্ঞ। জনগণের ভাগ্য পরিবর্তন করে উন্নত জীবন নিশ্চিত করতে আমি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। তাদের ভালোবাসার প্রতিদান আমাকে দিতেই হবে। জনগণের জন্য একটা সুন্দর, উন্নত জীবন উপহার দেব—এই আমার প্রতিজ্ঞা।
আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি।
শেখ হাসিনা: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মিল্ক ভিটা তরল দুধ
এই মুহূর্তে দুধের দাম বাড়ানোর কোনো কারণ নেই, তাই দাম বাড়ানোর উদ্যোগটি বাতিল করা হয়েছে। এর আগেও আমরা দেখেছি, মিল্ক ভিটা হঠাৎ করে দাম বাড়ায়, কাউকে কিছু জানানোর প্রয়োজনও বোধ করে না। এক সকালে দোকানে কিনতে গিয়ে ক্রেতা জানতে পারে যে দুধের দাম বাড়ানো হয়েছে। এর আগে ছিল লিটারপ্রতি ৪৬ টাকা। এখন ৪৮ টাকা। কয়েক বছর আগে ছিল ২৮ টাকা লিটার। এরপর হঠাৎ দফায় দফায় দাম বাড়ানো হতে থাকে।
এটা ঠিক যে বাজারে অনেক জিনিসের দাম বছর বছর বাড়ে। কিন্তু অন্তত সরকারের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের উৎপাদিত পণ্যের দাম যেন খেয়ালখুশিমতো বাড়ানো না হয়, সেটা নিশ্চিত করা দরকার। কারণ সরকারই যদি দাম বাড়ায়, বেসরকারি মালিকেরা কেন বাড়াবেন না?
মিল্ক ভিটা নিয়ে অনেক অভিযোগ রয়েছে। আগে হিসাব নেওয়া হোক প্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যয়ে সামঞ্জস্য আছে কি না, প্রতিষ্ঠানটির দুর্নীতি ও অনিয়ম বন্ধ হয়েছে কি না। মিল্কভিটা সদ্য সমাপ্ত ২০০৯-১০ অর্থবছরে প্রায় ১৬ কোটি টাকা মুনাফা অর্জনের রেকর্ড করেছে। কাজেই এই মুহূর্তে মিল্ক ভিটাকে লাভজনক করার জন্য দাম বাড়ানোর কোনো যৌক্তিকতা থাকতে পারে না। দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করা হলে মিল্ক ভিটার লাভের অভাব হওয়ার কথা নয়। আমরা আশা করব, ভবিষ্যতে দাম কমানোর বিষয়টি সরকার সক্রিয় বিবেচনায় নেবে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গ্রামীণ ব্যাংক বিতর্ক
সম্প্রতি নরওয়ের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে ক্ষুদ্রঋণের ওপর নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রচারের পর এই বিতর্কের সূচনা হয়েছে। ওই প্রামাণ্যচিত্রের বরাত দিয়ে দেশের বিভিন্ন পত্রপত্রিকা ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৯৭ সালে গ্রামীণ ব্যাংককে নোরাডের দেওয়া ১০ কোটি ডলারের তহবিল এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ কল্যাণে স্থানান্তর করেছেন, যা নিয়ে নরওয়ে সরকারের সঙ্গে তাঁর মতবিরোধ দেখা দিয়েছিল। এ খবর প্রকাশিত হওয়ার পর গ্রামীণ ব্যাংকের পক্ষ থেকে একটি ব্যাখ্যাও দেওয়া হয়েছে। তারা বলেছে, বিষয়টি ১৯৯৮ সালেই নিষ্পত্তি হয়ে গেছে এবং নরওয়ে সরকার তাদের যুক্তি মেনে নিয়েছে।
রোববার সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেভাবে বিষয়টি উপস্থাপন করেছেন, সেটি অনভিপ্রেত। তদন্তের আগেই কাউকে দোষারোপ করা যায় না। এ ব্যাপারে সরকারের মন্ত্রী ও ক্ষমতাসীন দলের নেতারাও পরস্পরবিরোধী বক্তব্য রেখেছেন। জাতীয় সংসদের আইন দ্বারা পরিচালিত গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পরিষদে ক্ষুদ্র গ্রাহক প্রতিনিধিদের পাশাপাশি সরকারেরও তিনজন প্রতিনিধি আছেন। প্রতিষ্ঠানটি যদি এতই অনিয়ম করে থাকে, সরকার আগে তদন্ত করল না কেন? প্রশ্ন হলো, তহবিল স্থানান্তরে কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না, কিংবা এর মাধ্যমে মুহাম্মদ ইউনূস ব্যক্তিগত সুবিধা নিয়েছেন কি না? তহবিল স্থানান্তর করে তিনি সুবিধা নিয়েছেন, সেই দাবি কিন্তু নরওয়ের টেলিভিশন বা প্রামাণ্যচিত্রের নির্মাতাও করেননি।
দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে ক্ষুদ্রঋণের উপযোগিতা নিয়ে মতভেদ থাকতে পারে এবং আছেও। তবে স্বীকার করতে হবে, প্রচলিত ব্যাংকিং ব্যবস্থায় যাঁরা ঋণ পাওয়ার যোগ্য নন, গ্রামীণ ব্যাংক তাঁদেরই ঋণ দিয়ে থাকে। গ্রাহকদের ৯০ শতাংশ নারী বলে তাঁদের ক্ষমতায়নেও বিরাট ভূমিকা রেখেছে প্রতিষ্ঠানটি। বর্তমানে দেশে এই মডেলে বহু আর্থিক প্রতিষ্ঠান ঋণসেবা দিয়ে যাচ্ছে। উন্নয়নশীল দেশ তো বটেই, ইউরোপ-আমেরিকার বহু দেশে গ্রামীণ ব্যাংক মডেল জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।
প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ ব্যাংকের তহবিল স্থানান্তরসহ সব বিষয়ে তদন্ত হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন। মুহাম্মদ ইউনূসও প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, ‘আমরাও মনে করি, অভিযোগগুলো নিয়ে তদন্ত হোক এবং তদন্তের মাধ্যমে বিতর্কের অবসান হোক।’ এখন সরকারের দায়িত্ব হবে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা। কাজটি অভিভাবক প্রতিষ্ঠান হিসেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকও করতে পারে। যেই প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে লাখ লাখ মানুষের জীবনজীবিকা ও দেশের ভাবমূর্তি জড়িত, সেই প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে অহেতুক বিতর্ক কাম্য নয়। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যত দ্রুত সম্ভব এই বিতর্কের অবসান হওয়া উচিত।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মালয়েশিয়ায় বেত্রাঘাতের ঘটনা মহামারির রূপ নিয়েছে
অ্যামনেস্টির এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের পরিচালক সাম জারিফি বলেছেন, ‘বেত্রাঘাতের এসব ঘটনা আমরা খতিয়ে দেখেছি। তাতে ভয়াবহ চিত্র ধরা পড়েছে। যেকোনো বিচারে এ ধরনের শাস্তি অমানবিক ও নিষ্ঠুর। যেকোনো পরিস্থিতিতে বেত্রাঘাত করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।’
প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০০২ সালে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অপরাধে সে দেশের পার্লামেন্টে বেত্রাঘাতের শাস্তি অনুমোদন করে। এরপর থেকে হাজার হাজার অভিবাসী শ্রমিক ও আশ্রয়প্রার্থী ভয়াবহ বেত্রাঘাতের শিকার হয়েছেন।
অ্যামনেস্টির প্রতিবেদক ল্যান্স লেটিগ জানান, মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষ প্রতিবছর ১০ হাজারের বেশি মানুষকে বেত্রাঘাত করে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বেত্রাঘাতে দক্ষতা অর্জনের জন্য কারা কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। কারাবন্দীদের প্রতিটি বেত্রাঘাতের বিনিময়ে কারা কর্মকর্তারা বাড়তি অর্থ পায়।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নরেন্দ্র মোদিকে হত্যার পরিকল্পনা করেছিল লস্কর-ই-তাইয়েবা
ওই তারবার্তায় বলা হয়, শফিক খাফা নামের লস্করের এক জঙ্গি ওই হামলার পরিকল্পনা করেছেন। হুসেন ও সমির নামের দুই স্থানীয় জঙ্গির সহায়তায় ওই হামলা চালানোর পরিকল্পনা করা হয়। তারবার্তায় এ ব্যাপারে ভারতকে সতর্ক করে দেওয়া হয়।
এর আগে ভারতীয় গোয়েন্দারাও খবর পায় বিজেপির নেতা লালকৃষ্ণ আদভানি, নরেন্দ্র মোদিসহ বিজেপি ও আরএসএসের কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় নেতাকে হত্যার পরিকল্পনা করছে লস্কর-ই-তাইয়েবা।
ওই তারবার্তায় আরও বলা হয়, লস্কর-নেতা শফিক গত বছরের জুনের শেষে তিনটি কাজের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। প্রথমত, মোদিকে হত্যা করা। দ্বিতীয়ত, দক্ষিণ ভারতে লস্কর-ই-তাইয়েবার জঙ্গিদের জন্য প্রশিক্ষণ শিবির খোলা। তৃতীয় কাজটি সম্পর্কে স্পষ্ট করে উল্লেখ নেই। তবে বলা হয়েছে, ওই কাজে গাড়ি ব্যবহার করতে হতো।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
খবর, কালের কণ্ঠের- আগেই ধ্বংস মহাস্থানগঃ হাইকোর্টের নির্দেশে কাজ বন্ধ
এর আগে হাইকোর্ট এক রিটের পরিপ্রেক্ষিতে ঐতিহাসিক এই স্থান ও এর আশপাশে নির্মাণকাজ বন্ধ করার নির্দেশ দেন। বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী ও শেখ মো. জাকির হোসেনের বেঞ্চ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নির্দেশ বাস্তবায়নের জন্য শিবগঞ্জ থানার ওসিকে নির্দেশ দেন।About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তিরস্কার আর ভর্ৎসনায় সাদ্দাম হোসেনের ফাঁসি কার্যকর হয়
ওয়েবভিত্তিক সংবাদমাধ্যম উইকিলিকসে প্রকাশিত গোপন মার্কিন তারবার্তা থেকে এ কথা জানা গেছে। এতে দেখা গেছে, ফাঁসি কার্যকরের সময় বাইরের লোকজনের উপস্থিতি নিষিদ্ধ থাকলেও সেখানে অন্তত ২০ থেকে ৩০ জন উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা সাদ্দাম হোসেনের ফাঁসি কার্যকরের দৃশ্য মুঠোফোনের ক্যামেরায় ধারণ করেন।
মুঠোফোনের ক্যামেরায় ধারণ করা ফাঁসি কার্যকরের এসব দৃশ্য পরে ইন্টারনেটে ছাড়া হয়। সেখানে দেখা যায়, সাদ্দামের ফাঁসি কার্যকরের আগে ও কার্যকরের মুহূর্তে তাঁকে তিরস্কার করছেন উপস্থিত লোকজন।
উইকিলিকসের ফাঁস করা একটি বার্তায় দেখা যায়, এ অবস্থায় ইরাকে নিযুক্ত তখনকার মার্কিন রাষ্ট্রদূত জালমেই খলিলজাদ আশঙ্কা প্রকাশ করেন, সাদ্দাম হোসেনের নিরপেক্ষ বিচার নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টির ক্ষেত্রে তাঁর সমর্থকেরা ফাঁসির সময়কার এই বাজে পরিবেশকে অজুহাত হিসেবে খাড়া করতে পারেন।
২০০৬ সালের ডিসেম্বরে সাদ্দাম হোসেনের ফাঁসি কার্যকর হয়। ২০০৭ সালের জানুয়ারিতে তাঁর ফাঁসি কার্যকরের দৃশ্য ইন্টারনেটে প্রকাশ পায়।
উইকিলিকসে প্রকাশিত একটি বার্তা অনুযায়ী, মার্কিন রাষ্ট্রদূত খলিলজাদের সঙ্গে এক বৈঠকে ইরাকের ডেপুটি কৌঁসুলি মনকিথ আল-ফারুন বলেন, সাদ্দামকে পাহারা দিয়ে ফাঁসির মঞ্চে নিয়ে যাওয়ার সময় একজন কারারক্ষী তাঁকে ভর্ৎসনা করে বলেন, ‘নরকে যাও’।
কৌঁসুলি ফারুন আরও বলেন, ফাঁসি কার্যকরের স্থানে মুঠোফোনের ব্যবহার নিষিদ্ধ থাকলেও সাদ্দাম হোসেনের ফাঁসি কার্যকরের সময় সেখানে উপস্থিত অনেক কর্মকর্তা মুঠোফোনের ক্যামেরায় এই দৃশ্য ধারণ করেন। তিনি বলেন, ফাঁসির আগে সাদ্দাম হোসেন নামাজ পড়েন। এ সময় সেখানে উপস্থিত এক ব্যক্তি বলেন, ‘মুকতাদা, মুকতাদা, মুকতাদা’। এমনকি সাদ্দামের ফাঁসি কার্যকরের অন্তিম মুহূর্তেও ফাঁসি কার্যকরের দায়িত্বে নিয়োজিত সদস্যদের কয়েকজন ‘মুকতাদা, মুকতাদা, মুকতাদা’ বলে ওঠেন।
প্রসঙ্গত, সাদ্দাম হোসেনের শাসনের পতনের পর শিয়া ধর্মীয় নেতা মুকতাদা আল-সদর ইরাকের রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তার শুরু করেন।
নাম প্রকাশ না করে গোপন একটি বার্তার বক্তাকে বরাত দিয়ে উইকিলিকস জানায়, সাদ্দামের ফাঁসি কার্যকরের সময় সেখানে উপস্থিত কর্মকর্তাদের তালিকা বেশ কয়েকবার পরিবর্তন হয়। শেষ পর্যন্ত সেখানে ২০ থেকে ৩০ জন কর্মকর্তা হাজির হন। অথচ আইন অনুযায়ী শুধু একজন কৌঁসুলি, একজন বিচারক, একজন ধর্মীয় নেতা ও কারা পরিচালকের সেখানে উপস্থিত থাকার কথা ছিল।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কলম্বিয়ায় ভূমিধসে চাপা পড়েছে ২০০ মানুষ
কলম্বিয়া রেডক্রসের উপপরিচালক সেজার উরুয়েনা বলেন, ‘ প্রায় ২০০ জন নিখোঁজ রয়েছে। আমরা ইটপাথরের টুকরো সরিয়ে দেখার চেষ্টা করছি কেউ জীবিত আছে কি না।’ তিনি জানান, মাটির নিচে চাপা পড়া বাড়িগুলো তিনতলা। ধারণা করা হচ্ছে, প্রতিটি বাড়িতে গড়ে ১৫ থেকে ২০ জন লোক ছিল। ঘটনার পরপরই প্রতিবেশীরা ছুটে এসে চাপা পড়া লোকজনকে উদ্ধারের চেষ্টা চালান। এ সময় তাঁরা ইটপাথরের টুকরো সরানোর কাজে উদ্ধারকর্মীদের সহায়তা করেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাকিস্তানে আত্মঘাতী বোমা হামলায় নিহত ৪০
কর্মকর্তারা জানান, ইসলামাবাদের ১৭৫ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে আফগান সীমান্তের কাছে উপজাতি অধ্যুষিত মোহমান্দ জেলার ঘালালনাইয়ে স্থানীয় একটি প্রশাসনিক ভবনে ওই হামলা চালানো হয়। এ সময় সেখানে ১০০ জনেরও বেশি সরকারি কর্মকর্তা ও তালেবানবিরোধী উপজাতি নেতারা বৈঠক করছিলেন।
একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা জানান, ‘প্রথমে দুটি মোটরসাইকেলে করে দুজন হামলাকারী ওই ভবনের সামনে আসে। এরপর একজন হামলাকারী প্রশাসনিক ভবনের প্রবেশপথে এবং অন্যজন ভবনের ভেতরে বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আইভরি কোস্টে রাজনৈতিক সংকট অব্যাহত
এর আগে জাতিসংঘ, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ও আইএমএফ ওয়াতারাকে বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করে এবং জিবাগবোকে পদত্যাগ করার আহ্বান জানান। তবে জিবাগবো পদত্যাগের আন্তর্জাতিক প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছেন। এ ছাড়া দক্ষিণ অফ্রিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট থাবো এমবেকি দুই নেতার মধ্যে মধ্যস্থতা করার জন্য গত রোববার দুই পক্ষের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। গতকালও তাঁর বৈঠক করার কথা ছিল।
এমবেকির সঙ্গে আলোচনার পর ওয়াতারা সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমিই আইভরি কোস্টের প্রেসিডেন্ট। আর প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচনে পরাজয়ের পর জিবাগবোকে পদত্যাগ করতে আহ্বান জানানোর জন্য এমবেকিকে বলেছি।’
এদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক প্রধান ক্যাথেরিন অ্যাশটন বলেছেন, যাঁরা আইভরি কোস্টে রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখছেন, তাদের বিরুদ্ধে অবরোধ আরোপ করা হবে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কন্টিনেন্টাল এয়ারলাইনসকে ফ্রান্সের আদালতে জরিমানা
মামলার রায়ে বলা হয়, ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে ওই দুর্ঘটনার জন্য কন্টিনেন্টাল এয়ারলাইনস দায়ী। কারণ, দুর্ঘটনার দিন ওই সংস্থার ডিসি-১০ বিমান থেকে একটি ধাতব টুকরো রানওয়েতে পড়ে। পরে ওই ধাতব টুকরোর কারণে কনকর্ড বিমানটির টায়ার ফেঁসে যায় এবং এতে সৃষ্ট অগ্নস্ফুিলিঙ্গ বিমানের জ্বালানির ট্যাংকে ঢুকে বিস্ফোরণ ঘটায়।
আদালত এ জন্য কন্টিনেন্টাল এয়ারলাইনসকে দুর্ঘটনার ক্ষতিপূরণ হিসেবে দুই লাখ ডলার এবং এয়ার ফ্রান্সের ক্ষতিপূরণের জন্য এক কোটি ইউরো জরিমানা পরিশোধের নির্দেশ দেন।
রায়ে ত্রুটিযুক্ত টাইটেনিয়াম স্ট্রিপ প্রস্তুত ও সংযোজনের অপরাধে কন্টিনেন্টাল এয়ারলাইনসের কর্মকর্তা জন টেইলরের বিরুদ্ধে ১৫ মাসের স্থগিত কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে। তবে টেইলরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা স্ট্যানলি ফোর্ড এবং ফ্রান্সের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের তিন কর্মকর্তাকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
কন্টিনেন্টাল এয়ারলাইনসের আইনজীবী অলিভিয়ার মেৎজনার বলেছেন, এ রায়ে তাঁরা সুবিচার পাননি। এর মাধ্যমে কেবল ফ্রান্সের স্বার্থ রক্ষা করা হয়েছে। তাঁরা এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবেন।
নিউইয়র্কগামী ফ্লাইট ৪৫৯০ প্যারিসের শার্ল দ্য গল বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের পরপরই নিকটবর্তী একটি হোটেলের সঙ্গে ধাক্কা খায়। এর আগেই অবশ্য কনকর্ড বিমানটিতে আগুন ধরে যায়। দুর্ঘটনায় বিমানের ১০০ যাত্রী, নয়জন ক্রু এবং ঘটনাস্থলে থাকা আরও চার ব্যক্তি নিহত হন। ওই দুর্ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ২০০৩ সালে গিয়ে কনকর্ডের উড্ডয়ন পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জেনেভায় পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা শুরু
সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, জেনেভায় জাতিসংঘ মিশনের কাছেই বৈঠক হচ্ছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক প্রধান ক্যাথেরিন অ্যাশটনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্য যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, ফ্রান্স ও ব্রিটেন এবং জার্মানির প্রতিনিধিরা যোগ দেন। ইরানের পক্ষ থেকে এতে অংশ নেন সে দেশের পরমাণুবিষয়ক প্রধান আলোচক সায়িদ জলিলি।
বিশ্লেষকেরা বলেন, এ বৈঠকে সমাধানে আসা যাবে এমন কোনো সম্ভাবনা তাঁরা দেখছেন না। বড়জোর এখান থেকে পরবর্তী কোনো নতুন বৈঠকের তারিখ ঘোষিত হতে পারে। আলোচনায় যোগ দেওয়া একজন কূটনীতিক বলেছেন, এ আলোচনা থেকে বড় কিছু আশা করা উচিত হবে না।
ইরানের পরমাণু প্রধান আলি আকবর সালেহি সে দেশের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে বলেন, ইরানের নয় বরং অন্য দেশগুলোর স্বার্থ রক্ষায় জেনেভা বৈঠক হচ্ছে। তিনি বলেন, ইরান তার গাচিন খনি থেকে তোলা কাঁচামাল থেকে নিজ প্রযুক্তি দিয়ে ইউরেনিয়ামের ইয়েলো কেক (ইউরেনিয়াম উৎপাদনের কাঁচামাল) বানাতে সক্ষম হয়েছে। পরিশোধিত ইউরেনিয়াম উৎপন্ন করতে সেগুলো ইসফাহান কারখানায় পাঠানো হয়েছে।
আলি আকবরের এ ঘোষণা সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের মুখপাত্র মাইক হ্যামার বলেছেন, ইরানের এ ঘোষণা অপ্রত্যাশিত ছিল না। এ ঘোষণার ফলে তেহরানের পরমাণু কর্মসূচির উদ্দেশ্য সম্পর্কে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বাড়তি সন্দেহ তৈরি হওয়া খুবই স্বাভাবিক।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অ্যাসাঞ্জকে যে কারণে গ্রেপ্তার করতে চায় সুইডেন
অ্যাসাঞ্জের বিরুদ্ধে সুইডেনে দুজন নারী বেশ কয়েকটি অভিযোগ আনেন, যার মধ্যে জোর করে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের অভিযোগও রয়েছে। তবে সেগুলোর কোনোটিই গুরুতর অপরাধ নয়। মূলত ওই অভিযোগগুলোতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অ্যাসাঞ্জকে পেতে চাইছেন সুইডেনের কর্মকর্তারা। কিন্তু এ জন্য আন্তর্জাতিক বা ইউরোপীয় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির কোনো প্রয়োজনীয়তা আছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অ্যাসাঞ্জের আইনজীবীরা।
অ্যাসাঞ্জের আইনজীবীরা জানান, সেপ্টেম্বরে সুইডেনের প্রথম যে তদন্ত কর্মকর্তা অভিযোগগুলোর তদন্ত করেছিলেন, তিনি পর্যাপ্ত প্রমাণ না পাওয়ায় মামলাটির কার্যক্রম থামিয়ে দেন। পরে ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা তথ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা করে ওই মামলা আবার চালু করেন। অবশ্য অ্যাসাঞ্জের দাবি তিনি কোনো অপরাধ করেননি। গত গ্রীষ্মে অ্যাসাঞ্জ সুইডেন ত্যাগ করেন। ওই সময় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি। কিন্তু নভেম্বরে আবার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। ধারণা করা হয়, তিনি যুক্তরাজ্যে লুকিয়ে আছেন।
যুক্তরাজ্য ও সুইডেনে অ্যাসাঞ্জের আইনজীবীরা অভিযোগ করেন, তাঁদের মক্কেলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করার দরকার ছিল না। কারণ অ্যাসাঞ্জ বিদেশে সুইডেনের যেকোনো দূতাবাসে অথবা অনলাইনে জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে রাজি।
বেশ কয়েকজন আইন বিশেষজ্ঞ জানান, অ্যাসাঞ্জের বিরুদ্ধে যে মামলা রয়েছে, সুইডেনের তদন্ত কর্মকর্তারা তার তদন্ত ভুলভাবে শুরু করেছেন। তাঁরা উল্লেখ করেন, গত সপ্তাহে ব্রিটেনের সংস্থা স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের কাছে যে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা পাঠানো হয়, তা কার্যকর করতে রাজি হয়নি সংস্থাটি। কারণ ওই পরোয়ানায় শুধু ধর্ষণের অপরাধে কারাদণ্ডের মেয়াদের কথা উল্লেখ করা আছে। ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ সব অপরাধে কত বছর কারাদণ্ড হতে পারে, তা জানতে চেয়েছে।
অ্যাসাঞ্জের সুইডিশ আইনজীবী বোয়োর্ন হার্টিং বলেন, ‘ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে এটা খুবই অপেশাদারসুলভ কাজ। আপনি যদি অ্যাসাঞ্জের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো খেয়াল করেন, তাহলে বুঝবেন তাঁর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করাটা অত্যন্ত কঠোর সিদ্ধান্ত। কেন এই তড়িঘড়ি? সম্ভবত বাইরের কোনো চাপের কারণে এটি করা হয়েছে। কোনো কর্তৃপক্ষ হয়তো অ্যাসাঞ্জকে ধরতে চায় সুইডেনে এবং তাঁকে সেখান থেকে নিজেদের কর্তৃত্বে নিতে চায়।’
তবে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পক্ষে সমর্থন জানিয়ে সুইডেনের প্রধান তদন্ত কর্মকর্তা বলেছেন, সুইডেনের আইন অনুযায়ী দেশের বাইরে কোনো স্থানে আসামিকে জেরা করা যায় না। তাই অ্যাসাঞ্জের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
এদিকে আত্মগোপনে থাকা অ্যাসাঞ্জ প্রভাবশালী ব্রিটিশ পত্রিকা গার্ডিয়ানকে জানিয়েছেন, তিনি আততায়ীর হামলার আশঙ্কায় আছেন। তিনি আরও বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে যে যৌন হয়রানির অভিযোগ আনা হয়েছে, সেটা সহিংস প্রকৃতির নয়। গত সপ্তাহে আড়াই লাখ মার্কিন গোপন কূটনৈতিক নথি প্রকাশ করে উইকিলিকস। এর পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্র সরকার ওয়েবসাইটটির কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে উঠেপড়ে লেগেছে। ইতিমধ্যে ওয়েবসাইটে হামলা চালানো হয়েছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অর্থবছরের পাঁচ মাসে প্রবাসী-আয় কমেছে ৩ শতাংশ
আগের অর্থাৎ ২০০৯-১০ অর্থবছরের একই সময়ে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছিলেন ৪৬৬ কোটি ডলার। গতকাল সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ প্রস্তুত তথ্যে দেখা যায়, নভেম্বর মাসে প্রবাসীরা ৯৪ কোটি ৬০ লাখ ডলার দেশে পাঠিয়েছেন, যা আগের বছরের নভেম্বরের তুলনায় প্রায় ১০ কোটি ডলার কম। তবে চলতি বছরের অক্টোবরের তুলনায় নভেম্বরে রেমিট্যান্স-প্রবাহ কিছুটা বেড়েছে।
ঈদুল আজহার কারণে নভেম্বর মাসে রেমিট্যান্স-প্রবাহ বেড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ঈদের খরচ মেটাতে প্রবাসীরা প্রিয়জনদের কাছে সাধারণভাবেই বেশি বেশি টাকা পাঠিয়ে থাকেন।
তবে সূত্রগুলো বলছে, সামগ্রিকভাবে বিশ্বমন্দার কারণে বিভিন্ন দেশ থেকে প্রবাসীরা দেশে ফিরে আসায় রেমিট্যান্স-প্রবাহ কমে আসছে।
এর আগে চলতি অর্থবছরের জুলাই মাসে ৮৫ কোটি ৭৩ লাখ ১০ হাজার, আগস্টে ৯৬ কোটি ৩৯ লাখ ২০ হাজার, সেপ্টেম্বরে ৮৩ কোটি ৭৭ লাখ ১০ হাজার এবং অক্টোবরে ৯২ কোটি ৩২ লাখ ৮০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।
দেশে চলতি অর্থবছরের শুরু থেকেই রেমিট্যান্স-প্রবাহ গত বছরের তুলনায় কমে যায়।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
১ জানুয়ারি থেকে বিশ্ববাণিজ্যে সংশোধিত নীতিমালা কার্যকর
ইনকোটার্মস ২০১০-এর ওপর ইনটারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স, বাংলাদেশ (আইসিসিবি) আয়োজিত এক কর্মশালার উদ্বোধনকালে এর সভাপতি মাহবুবুর রহমান এ তথ্য জানান। কর্মশালা পরিচালনা করেন খ্যাতনামা বাণিজ্য অর্থায়ন বিশেষজ্ঞ ভিনসেন্ট ও. ব্রায়ান। এতে সিটিব্যাংক এনএর কান্ট্রি অফিসার এবং আইসিসিবির ব্যাংকিং স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান মামুন রশিদ বক্তব্য দেন।
গতকাল সোমবার আইসিসিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও রপ্তানিমুখী কোম্পানি থেকে ১২৬ জন কর্মশালায় যোগ দেন। দেশের রপ্তানিকারকদের জন্য আজ ঢাকায় ইনকোটার্মস ২০১০ বিষয়ে পরবর্তী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় মাহবুবুর রহমান বলেন, ইনকোটার্মস নীতিমালার সংশোধনী চলতি সময়ের বাণিজ্যিক কার্যক্রমকে পরিষ্কার ও নির্ভুলভাবে প্রতিফলিত করবে।
আইসিসিবির সভাপতি দেশের রপ্তানি খাতকে ইনকোটার্মস ২০১০-এর নতুন নীতিমালাগুলো উপলব্ধি করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, নতুন এই নীতিমালার যেকোনো ধরনের বিচ্যুতির কারণে এলসির বিপরীতে পেমেন্ট পাওয়া বাতিল অথবা স্থগিত হয়ে যেতে পারে।
আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে মাল খালাসের ক্ষেত্রে ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি দূর করার লক্ষ্যে ১৯৩৬ সালে প্রথম ইনকোটার্মস নীতিমালা প্রবর্তন করা হয়। ইনকোটার্মস নীতিমালা ২০১০-এর আগে সর্বশেষ সংশোধন হয় ২০০০ সালে।
মামুন রশিদ বলেন, ‘বাংলাদেশে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক সব ইনকোটার্মস অনুমোদিত নয়, যা আমাদের প্রয়োজন।’ তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ কর্মশালার মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনে সক্ষম হবেন। ফলে তাঁরা সুবিধা ও অসুবিধাগুলো বিচার-বিবেচনা করতে পারবেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঢাকায় চিকিৎসাসামগ্রীর তিন দিনের প্রদর্শনী বৃহস্পতিবার শুরু
‘মেডেক্সপো ২০১০’ শীর্ষক এই প্রদর্শনীতে ভারত, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, চীন ও স্বাগতিক বাংলাদেশের মোট ৪০টি প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসাবিষয়ক যন্ত্রপাতি ও সেবা প্রদর্শন করবে।
ট্রিউন এক্সিবিশন অ্যান্ড ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সার্ভিসেস লিমিটেড (টিমস) এই প্রদর্শনীর আয়োজন করবে। মেলার প্রিমিয়ার পার্টনার হিসেবে রয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় গৃহস্থালি ও মেডিকেল আসবাবপত্র প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান অটবি লিমিটেড।
মেলার বিস্তারিত জানাতে গতকাল সোমবার সোনারগাঁও হোটেলে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে বক্তব্য দেন মেডেক্সপোর চেয়ারম্যান কাজী ওয়াহিদুল আলম ও অটবি লিমিটেডের কাস্টমার রিলেশনশিপ ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রধান আবু তারেক জিয়া চৌধুরী।
এই মেলা শনিবার পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত চলবে। এটি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শেয়ারবাজারে কারসাজিকারীদের ফাঁদে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা
বুল কার্টেল চক্র ঢাকা শহরের পাঁচতারকা হোটেলগুলোতে বিভিন্ন কোম্পানির সঙ্গে বৈঠক করে তাদের সম্পদের পুনর্মূল্যায়ন, বোনাস শেয়ার ইস্যু বা রাইট শেয়ার ইস্যুর মতো বিষয়গুলোও গোপনে নির্ধারণ করিয়ে নেয়। এসব বিষয়ে কী ঘোষণা দিতে হবে, তারও দিকনির্দেশনা দেয় এই চক্র। তাদের নড়াচড়ার ওপরই এখন নির্ভর করে প্রতি সপ্তাহে দেশের শেয়ারবাজার কেমন যাবে এবং কোন খাতের শেয়ার বেশি কেনাবেচা হবে। এই জালে আটকা পড়ে প্রতিদিনই সর্বস্বান্ত হচ্ছেন অনভিজ্ঞ ও নতুন অনেক ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী।
বেশ কয়েক দিন ধরেই দেশের শেয়ারবাজার ছিল চড়া। বদৌলতে একের পর এক লেনদেন ও সূচক বাড়ার রেকর্ড হতে থাকে। কিন্তু গতকাল সোমবার শেয়ারবাজারে সম্পূর্ণ উল্টো পরিস্থিতি দেখা গেছে। এদিন প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক ১৪৭ পয়েন্ট পড়ে যায়। যে কারণে দিনশেষে ব্রোকারেজ হাউসগুলো থেকে অনেক ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীকে বিমর্ষ অবস্থায় বাড়ি ফিরে যেতে দেখা যায়।
এ ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) নির্বাহী পরিচালক আনোয়ারুল কবির ভূঁইয়া প্রথম আলোকে বলেন, ‘এ ধরনের খবর আমাদের কানেও এসেছে। তবে এগুলো প্রাথমিকভাবে তদন্ত করে দেখার দায়িত্ব ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের। তারা এসব যোগসাজশকারীকে চিহ্নিত করে নিয়ন্ত্রণ সংস্থার কাছে পাঠালে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
উল্লেখ্য, যারা শেয়ারের দাম কৃত্রিমভাবে বাড়িয়ে তা থেকে ফায়দা লুটতে চায়, তারা আন্তর্জাতিকভাবে বুল কার্টেল হিসেবে স্বীকৃত। বাংলাদেশে বেশ কয়েকজন বড় ব্যবসায়ী, বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সাবেক ও বর্তমান উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, ব্রোকারেজ হাউসের মালিক ও প্রতিনিধি এই বুল কার্টেল চক্র গড়ে তুলেছেন। বাংলাদেশের শেয়ারবাজারে বর্তমানে এ ধরনের ১০ থেকে ১৫টি চক্র সক্রিয় রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই বুল কার্টেলের বেশ কয়েকজন ১৯৯৬ সালেও দেশের শেয়ারবাজারে ঘটিত কেলেঙ্কারির অভিযুক্ত আসামি।
বাজারের কয়েকটি সূত্র নিশ্চিত করেছে, এই বুল কার্টেলের সঙ্গে আরও কয়েকটি মধ্য স্তরের জুয়াড়ি চক্র বর্তমানে ব্যাপক মাত্রায় সক্রিয়। তাদের মাধ্যমেই প্রতিদিন সন্ধ্যার পর কার্ব মার্কেটে বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ারের বড় বড় ক্রেতা বা বিক্রেতা কারা, সেই তালিকা বাজারে চলে আসছে। কোম্পানির শেয়ার বিভাগে হাত মিলিয়ে একটি কালোবাজারি চক্র এসব গোপন তথ্য বাজারে ছাড়ছে।
শেয়ারবাজারের প্রবৃদ্ধি অর্থনীতির প্রকৃত খাতের বিকাশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হওয়ায় এবং এসব প্রবণতা চালু থাকার পরও সরকারের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিস্ময়করভাবে নিশ্চুপ রয়েছে।
এ ব্যাপারে মার্চেন্ট ব্যাংকার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরাও একমত পোষণ করেছেন। তাঁরা মনে করেন, মাঝে মাঝে বিভিন্ন শেয়ারের অস্বাভাবিক দাম বাড়ার পেছনে একটি চক্রের হাত রয়েছে।
এই সংগঠনের প্রেসিডেন্ট আরিফ এ খান প্রথম আলোকে বলেন, ‘এই মুহূর্তে সবচেয়ে জরুরি বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে বাজারের ওপর শক্ত নজরদারি রাখা। এ কাজে এসইসি, বাংলাদেশ ব্যাংক ও স্টক এক্সচেঞ্জকে একযোগে কাজ করতে হবে। এ ছাড়া কোন বিও হিসাব থেকে নিম্নমানের শেয়ার উচ্চমূল্যে লেনদেন হচ্ছে, তা চিহ্নিত করার কাজ জোরদার করতে হবে। এতে কোনো অনিয়ম ধরা পড়লে এসইসি যদি শক্ত ব্যবস্থা নেয়, তাহলে বাজারের অস্থিরতা কিছুটা হলেও কমবে।’
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এসইসির বয়স ১৭ বছর অতিক্রম করতে চললেও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষায় এবং বাজারের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এই সংস্থার নিজস্ব কোনো সার্ভেইল্যান্স সফটওয়্যার নেই। এ ধরনের একটি সফটওয়্যারের ব্যয় তিন লাখ ডলার বা দুই কোটি টাকা। এ জন্য এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) কারিগরি সহায়তা ও অর্থ দিতেও রাজি আছে। তবে এ ব্যাপারে কমিশন নিজেই কিছুটা ধীরে চলছে।
এসইসি বর্তমানে ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সফটওয়্যার ব্যবহার করে নজরদারি করে থাকে। এ ক্ষেত্রে সংস্থাটির কারিগরি সামর্থ্য ও জনবলের রয়েছে চরম ঘাটতি। মাত্র দুজন লোক দিয়ে কমিশন প্রতিদিনের বাজার নজরদারি করে থাকে। বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরেই শেয়ারবাজারে সুশাসন আনতে নজরদারি ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করার কথা বলে আসছেন। এডিবির পক্ষ থেকেও দীর্ঘদিন ধরে কমিশনকে তাগাদা দেওয়া হচ্ছে। সম্প্রতি তাদের এক প্রতিবেদনে সংস্থাটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘প্রতিদিনের শেয়ারবাজারের লেনদেনকে নজরদারির জন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা বা স্টক এক্সচেঞ্জ—কারোরই পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই।’
এদিকে নজরদারি-ব্যবস্থার দুর্বলতার বিষয়টি উল্লেখ করে কয়েকবার সরকারের শীর্ষ মহলকে অবহিত করেছে একটি গোয়েন্দা সংস্থা। তারা মন্তব্য করে, শেয়ার কেনাবেচার পদ্ধতি কম্পিউটারভিত্তিক হয়েছে। কিন্তু এ জন্য কোনো ডিজিটাল নজরদারি ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়নি। এডিবি ২০০৭ সালে বাজারে নজরদারি ব্যবস্থাপনা, প্রশিক্ষণ ও আরও কিছু উন্নয়নের জন্য ৩০ লাখ ডলার বা ২১ কোটি টাকার একটি কারিগরি সহায়তা দেওয়ার জন্য সরকারের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়। কিন্তু আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় এর বেশির ভাগ অর্থই এখন অব্যবহূত অবস্থায় পড়ে আছে।
এ ব্যাপারে এসইসির বক্তব্য হচ্ছে, এডিবির প্রকল্পটির কাজ চলছে। সার্ভেইল্যান্স সফটওয়্যারটি কেনার জন্য বিভিন্ন জায়গা থেকে দর ও গুণগত মান যাচাই করা হচ্ছে।
তবে এ ব্যাপারে ডিএসইর সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক সালাহউদ্দিন আহমেদ খান বলেন, ‘এখন আর সময় বিলম্ব না করে সরবরাহ বাড়ানোর পাশাপাশি পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতা আনতে যেসব সংস্কার ও প্রযুক্তিগত উন্নতির কথা ভাবা হচ্ছে, সেগুলো বাস্তবায়ন করা দরকার। না হলে আবারও একটি বড় ধরনের অঘটনের দিকে যেতে পারে দেশের শেয়ারবাজার।’
গতকাল সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক ১৪৭ পয়েন্ট পড়েছে। মোট লেনদেন হয়েছে দুই হাজার ৭১০ কোটি টাকার। এদিন ডিএসইতে ২৪৪টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়। এর মধ্যে আগের চেয়ে দরপতন ঘটে ১৮১টির, বাড়ে মাত্র ৬৩টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) গতকাল ২০০টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়। মোট লেনদেন হয় ৩০৯ কোটি টাকার। এর মধ্যে আগের চেয়ে দাম বেড়েছে ৫৪টির, কমে ১৪২টির এবং অপরিবর্তিত থাকে মাত্র চারটি কোম্পানির শেয়ারের দাম।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বেশির ভাগ খাতের দরপতন মিউচুয়াল ফান্ডে চাঙা ভাব
খাত অনুযায়ী বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, মিউচুয়াল ফান্ড খাতের ৩১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২৮টির শেয়ারের দাম বেড়েছে। একই সঙ্গে এই খাতের তিনটি প্রতিষ্ঠান মূল্যবৃদ্ধিতে শীর্ষ ১০-এর তালিকায় স্থান করে নেয়। এর মধ্যে আইসিবি এএমসিএল প্রথম মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটের দাম ৭ দশমিক ০২ শতাংশ বা ৪৭ টাকা ২৫ পয়সা, ফিনিক্স ফিন্যান্স প্রথম মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটের দাম ৮ দশমিক ৫৩ শতাংশ বা এক টাকা ১০ পয়সা এবং আইএফআইসি প্রথম মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটের দাম ৫ দশমিক ১৯ শতাংশ বা ৭০ পয়সা বৃদ্ধি পায়।
অন্য খাতগুলোর ক্ষেত্রে ব্যাংক খাতের ৩০টির মধ্যে ২৮টির দাম কমে যায়। এ ছাড়া সিমেন্ট খাতের পাঁচটির মধ্যে সব কটির, সিরামিক খাতের পাঁচটির মধ্যে চারটির, প্রকৌশল খাতের ২১টির মধ্যে ১২টির, আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতের ২১টির মধ্যে ২০টির, খাদ্য খাতের ১৩টির মধ্যে সব কটির, জ্বালানি খাতের ১১টির মধ্যে সাতটির, বিমা খাতের ৪৪টির মধ্যে ৪১টির, আইটি খাতের পাঁচটির মধ্যে পাঁচটির, বিবিধ খাতের নয়টির মধ্যে ছয়টির, ওষুধ খাতের ১৯টির মধ্যে ১৩টির, টেলিকমিউনিকেশন খাতের একমাত্র প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন এবং বস্ত্র খাতের ২২টির মধ্যে ১৫টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম কমেছে।
দাম কমে যাওয়া শীর্ষ ১০ তালিকার শীর্ষে ছিল আজিজ পাইপ। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারের দাম ১৪ দশমিক ৯৯ শতাংশ বা ১০০ টাকা ৫০ পয়সা কমে যায়। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিটি শেয়ার ৫৬৯.৭৫ থেকে ৬১০ টাকার মধ্যে লেনদেন হয়। সর্বশেষ মূল্য ছিল ৫৬৯.৭৫ টাকা।
দাম কমে যাওয়া শীর্ষ ১০ তালিকার দ্বিতীয় স্থানে থাকা বস্ত্র খাতের প্রতিষ্ঠান দেশ গার্মেন্টসের শেয়ারের দাম ১৪ দশমিক ৯৭ শতাংশ বা ১০৪ টাকা ৭৫ পয়সা কমে যায়। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিটি শেয়ার ৫৯৫ থেকে ৬৩০ টাকার মধ্যে লেনদেন হয়, যার সর্বশেষ মূল্য ছিল ৫৯৫ টাকা।
তৃতীয় স্থানে থাকা বস্ত্র খাতের তাল্লু স্পিনিংয়ের শেয়ারের দাম ১২ দশমিক ৮৪ শতাংশ বা ১২৪ টাকা ৭৫ পয়সা কমে যায়। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিটি শেয়ার ৮৪৬.৫০ থেকে ৮৯৮.৫০ টাকার মধ্যে লেনদেন হয়।
চতুর্থ স্থানে থাকা সিরামিক খাতের প্রতিষ্ঠান স্ট্যান্ডার্ড সিরামিকের শেয়ারের দাম ১০ দশমিক ৬২ শতাংশ বা ৬০ টাকা ৫০ পয়সা কমে। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিটি শেয়ার ৪৯৫ থেকে ৫৫০ টাকার মধ্যে লেনদেন হয়।
পঞ্চম স্থানে থাকা বস্ত্র খাতের প্রতিষ্ঠান সিএমসি কামালের শেয়ারের দাম ৯ দশমিক ৬৯ শতাংশ বা ২৩ টাকা ৮০ পয়সা কমে। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিটি শেয়ার ২০৪ থেকে ২৩০ টাকার মধ্যে লেনদেন হয়।
এ ছাড়া গতকাল ষষ্ঠ স্থানে থাকা এমবি ফার্মার শেয়ারের দাম ৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ, সপ্তম স্থানের রিপাবলিক ইনস্যুরেন্সের দাম ৯ দশমিক ১৯ শতাংশ, অষ্টম স্থানের সোনালী আঁশের দাম ৯ দশমিক ১৭ শতাংশ, নবম স্থানের প্রভাতী ইনস্যুরেন্সের দাম ৯ দশমিক ১০ শতাংশ এবং দশম স্থানে থাকা প্যারামাউন্ট ইনস্যুরেন্সের শেয়ারের দাম ৮ দশমিক ৬৭ শতাংশ কমেছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
খবর, কালের কণ্ঠের- কেয়ার্নের সঙ্গে স্বার্থবিরোধী চুক্তির পেছনেও জ্বালানি উপদেষ্টা
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এশিয়ান বিচ গেমসে মহিলা কাবাডি
কাবাডি দলের বাজে পারফরম্যান্সের কারণে বর্তমান কমিটি ভেঙে দেওয়া হচ্ছে বলে গুঞ্জন। গত ডিসেম্বরে দায়িত্ব নেয় মুনীর হোসেনের নেতৃত্বাধীন বর্তমান অস্থায়ী কমিটি। কিন্তু কমিটির অন্তঃকলহ ক্রমেই প্রকাশ্য হয়ে পড়ছে। জানা গেছে, নির্বাহী সদস্য আমির হোসেন পাটোয়ারীকে সাধারণ সম্পাদক বানানোর চেষ্টা করছে কমিটির ভেতরেরই আরেকটি গ্রুপ।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গেরহার্ড নিজেই সরে গেলেন
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফ্লাডলাইট কেলেঙ্কারি খতিয়ে দেখবে বিসিবি
বিসিবির মিডিয়া কমিটির প্রধান জালাল ইউনুস কাল বলেছেন, ‘বিশ্বকাপের স্থানীয় আয়োজক কমিটি আমাদের জানিয়েছিল, ১ ডিসেম্বরের মধ্যে ফ্লাডলাইট খেলা চালানোর জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত হয়ে যাবে এবং ৬ ডিসেম্বর অনায়াসে ম্যাচ আয়োজন করা যাবে। তার পরও কেন এই ঘটনা ঘটল, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে সেটা খুঁজে বের করতে বলেছেন বোর্ড সভাপতি।’ ফ্লাডলাইট কেলেঙ্কারির জন্য বিসিবির দায় স্বীকার করলেও তিনি বলেছেন, ‘কারও না কারও কাছ থেকে নিশ্চিত হয়েই তো আমরা জিম্বাবুয়ের সফরসূচিতে দিবারাত্রির একটি ম্যাচ রেখেছিলাম। তারা কী ভেবে এমন ভুল নিশ্চয়তা দিয়েছিলেন, সেটা জানা দরকার।’
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
টুকরো টুকরো ছবি
দিবারাত্রির ম্যাচ, রাতের শিশিরে স্পিনারদের সমস্যার কথা ভেবে টসটাকে মহাগুরুত্বপূর্ণ বলেছিলেন প্রসপার উতসেয়া। দিবারাত্রির ম্যাচ শেষ পর্যন্ত শুধু দিনের হয়ে গেছে। তবে সবুজের ছোঁয়া থাকা উইকেট আর মেঘলা আকাশ মিলিয়ে টসটা গুরুত্বপূর্ণই ছিল। সেই টস জিতলেন উতসেয়া, প্রত্যাশামতো বাউন্সও পেয়েছেন পেসাররা। সিরিজে তাই প্রথমবারের মতো দেখা গেল দুই স্লিপ আর এক গালি!
অবাকপর্ব: ১
ইনিংসের প্রথম বলেই জোরালো এলবিডব্লুর আবেদন থেকে বেঁচে যান তামিম ইকবাল। টিভি রিপ্লে দেখাল, বল যাচ্ছিল লেগ স্টাম্পের বাইরে। ওভারের শেষ বলে পায়ে লাগার পর আবারও জোরালো আবেদন, এবার আঙুল তুলে দিলেন আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা। তামিমকে দেখে মনে হলো, জীবনে এতটা অবাক হননি! প্রচ্ছন্ন একটা হাসিও খেলে গেল ঠোঁটের কোণে।
অবাকপর্ব: ২
বলটা মারারই ছিল, জুনায়েদ সিদ্দিকের টাইমিংও হয়েছিল দারুণ। গুলির বেগে বেরিয়ে যাওয়া বলটিকেই স্কয়ার লেগে দুর্দান্ত এক ডাইভিং ক্যাচ বানালেন ছোটখাটো গড়নের উতসেয়া। হতভম্ব হয়ে ফিল্ডারের দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকলেন জুনায়েদ, এরপর হাঁটা দিলেন ড্রেসিংরুমের দিকে।
রানআপে গন্ডগোল
৬ ওয়ানডের ছোট্ট ক্যারিয়ারে এই প্রথম ওভারপ্রতি ৭ রানের কম দিলেন শিঙ্গিরাই মাসাকাদজা। তবে হ্যামিল্টন মাসাকাদজার ছোট ভাই শুরুতে ঝামেলায় পড়েছিলেন বোলিং রানআপ নিয়ে। রানআপ না মেলায় প্রথম চার ওভারেই বল ডেলিভারির ঠিক আগ মুহূর্তে থেমে গেলেন পাঁচবার!
প্রাইসের পণ্ডশ্রম
উতসেয়ার বল সুইপ করতে গিয়ে ব্যাটে-বলে হলো না রকিবুলের। প্যাডে লেগে বল চলে গেল বাউন্ডারির দিকে। প্রাণপণ দৌড়েও চার ফেরাতে পারলেন না রে প্রাইস। বল কুড়িয়ে উল্টো ঘুরে দেখেন সতীর্থরা ব্যস্ত উদ্যাপনে, অনেক আগেই যে রকিবুলকে এলবিডব্লু দিয়ে দিয়েছেন আম্পায়ার!
ফুটবল কোচ!
টাচ লাইনে দাঁড়িয়ে শিষ্যদের নির্দেশনা দিতে দেখা যায় ফুটবল কোচদের, ক্রিকেট কোচদের সঙ্গে ব্যাপারটা ঠিক যায় না। তবে কাল ক্ষণিকের জন্য ফুটবল কোচ হয়ে গেলেন অ্যালান বুচার। সাকিব-মুশফিকুরের জুটিতে মাঠে যখন অসহায় জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটাররা, চিৎকার করে ও বাউন্ডারি লাইনের কাছের ফিল্ডারদের কাছে গিয়ে পরামর্শ দিচ্ছিলেন বুচার।
নড়াইল এক্সপ্রেসের ফেরা
আবেদন করতে করতে বসে পড়েছিলেন মাশরাফি, কিন্তু সাড়া দিলেন না আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা। পরের ওভারে আবারও জোরালো আবেদন, এবারও হতাশ মাশরাফি। পরে টাটেন্ডা টাইবুকে বোল্ড করে মাশরাফি পেয়েছেন কাঙ্ক্ষিত উইকেটের দেখা। চোট কাটিয়ে ফিরেছেন সিরিজের প্রথম ম্যাচেই, কিন্তু মাশরাফি স্বরূপে ফিরলেন কাল। উইকেট পেয়েছেন একটি, কিন্তু পাওয়ার কাছাকাছি গেছেন অনেকবার। প্রথম স্পেলে টানা ৮ ওভার বোলিং করে দিয়েছেন ফিটনেসের প্রমাণও। গত জুলাইয়ে এজবাস্টনে সর্বশেষ প্রথম স্পেলে ৮ ওভার বোলিং করেছিলেন। কালকের মতো সেদিনও ১৭ রান দিয়ে ১ উইকেট, শুধু সেদিন মেডেন ছিল দুটি, কাল একটি।
অন্য শফিউল
প্রতিশ্রুতিশীল বোলার, সাদাসিধে ছেলে—শফিউলকে এভাবেই চেনে বাংলাদেশ ক্রিকেট। কাল দেখা গেল অন্য শফিউলকে। রে প্রাইসকে আউট করে তেড়েফুঁড়ে গেলেন যে শফিউল, তাঁর শরীরী ভাষা সত্যিকারের ফাস্ট বোলারের মতো। শুধু শফিউল নন, পুরো বাংলাদেশ দলের উদ্যাপনটাই যেন একটু অন্যরকম হলো। পরে ব্যাপারটা ব্যাখ্যা করলেন আবদুর রাজ্জাক, ‘বোলিংয়ের সময় প্রাইসের শরীরী ভাষা সব সময়ই আক্রমণাত্মক থাকে। সুযোগ পেয়ে আমরাও একটু ফিরিয়ে দিলাম!’
আরিফুল ইসলাম
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অস্ট্রেলিয়ার ভরসা হাসি আর আকাশ
বৃষ্টি মাঝেমধ্যে সহায় হতে ‘চাইছে’, তার পরও অ্যাডিলেডে কোণঠাসা স্বাগতিকদের লড়াইটা মনে হয় শুধুই হার এড়ানোর! কাল ৫ উইকেটে ইংল্যান্ড ৬২০ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করলে পিঠে ৩৭৫ রানের বিশাল বোঝা নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করে অস্ট্রেলিয়া। ওয়াটসন, ক্যাটিচ, ক্লার্ক ও হাসি দুর্দান্ত লড়াইয়ে ম্যাচ বাঁচানোর খানিক আশা জাগিয়ে তুলেছিলেন। কিন্তু ইংল্যান্ডের ব্যাটিং-নায়ক কেভিন পিটারসেন বল হাতেও শেষ বিকেলে একটা জাদু দেখিয়ে অস্ট্রেলিয়ার মাথার ওপর ফিরিয়ে এনেছেন পরাজয়ের খড়্গ।
উইকেটে দুই মাইকেল—ক্লার্ক ও হাসি বাড়তি বিপদের দরজাটা যখন দিনের জন্য বন্ধ করে দিয়েছেন বলে মনে হচ্ছিল, তখনই ‘বোলার’ পিটারসেনের আঘাত। তাঁর একটি বল ক্লার্কের ব্যাটের কানা ছুঁয়ে প্যাডে লেগে উঠে যায় ওপরে। শর্ট লেগে তা লুফে নেন অ্যালিস্টার কুক। ইংলিশ ফিল্ডারদের আবেদনে আম্পায়ার টনি হিল অবশ্য সাড়া দেননি। কিন্তু নাছোড় ইংল্যান্ড রেফারেল চাইলে কপাল পোড়ে ক্লার্কের। ১১টি চার সমেত ৮০ রান করে যখন আউট হলেন অস্ট্রেলিয়ার সহ-অধিনায়ক তখন দিনের খেলার বাকি ছিল মাত্র ৪ বল! ক্লার্কের আউটই ইংল্যান্ডের ম্যাচ জয়ের স্বপ্নকে করে তুলেছে রঙিন।
কাল দিনের শুরুতেই ইনিংস ঘোষণা করে দিলে নিজের সর্বোচ্চ ইনিংস খেলার গৌরবে ভাসতে পারতেন না পিটারসেন। কিন্তু আরও ৯ ওভার ব্যাট করেছে অ্যান্ড্রু স্ট্রাউসের দল, তাতে বাঁহাতি স্পিনার জেভিয়ার ডোহার্টির শিকার হয়ে থামার আগে, আগের দিনের ২১৩ রানকে নিজের ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ ইনিংস (২২৭) বানিয়ে ফেলেছেন তিনি। এর আগে ২০০৭ সালে লিডসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২২৬ রানই ছিল তাঁর সর্বোচ্চ।
বড় রানে পিছিয়ে থাকায় বেশ সতর্কভাবেই দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করেছিল অস্ট্রেলিয়া। ইতিবাচক মানসিকতা নিয়ে শেন ওয়াটসন ও সাইমন ক্যাটিচ উদ্বোধনী জুটিতে করেন ৮৪ রান। তবে আত্মবিশ্বাস ফিরে পাননি পন্টিং। ‘চশমা’ এড়াতে পারলেও দুই অঙ্ক ছোঁয়ার আগেই গ্রায়েম সোয়ানের অফ ব্রেকের শিকার হন অস্ট্রেলীয় অধিনায়ক (৯)। ওয়াটসনও ফিরে গেলে লাঞ্চের আগে বিনা উইকেটে ৭৮ রান পর্যন্ত যাওয়া অস্ট্রেলিয়া পরিণত হয় ১৩৪/৩। এরপরই উইকেটে ক্লার্ক ও হাসির প্রতিরোধ। এবং দিনের খেলা শেষের আগ মুহূর্তে অস্ট্রেলিয়াকে ম্যাচ বাঁচানোর স্বপ্ন দেখানো ১০৪ রানের জুটি। কিন্তু ক্যারিয়ারের মাত্র পঞ্চম টেস্ট উইকেটটি পেতে পিটারসেন এই জুটিকেই বানালেন লক্ষ্য।
ব্রিসবেনে একমাত্র ইনিংসে ১৯৫ রান করা হাসি এখনো ভরসা হয়ে আছেন উইকেটে। কিছুটা ভরসা দিচ্ছে অ্যাডিলেডের আকাশও। কাল চা-বিরতির পর বৃষ্টির কারণে এক দফা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল খেলা। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাসে বৃষ্টির সম্ভাবনা ছিল কাল রাতেও। কিন্তু ইংল্যান্ডকে জয়বঞ্চিত করতে পারে মনে হয় অ্যাডিলেডের আকাশ ভেঙে নামা বৃষ্টি।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মাশরাফিকেও খুঁজে পেলেন সাকিব
প্রথম ম্যাচটা হারলেও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের জন্য জয়টাই প্রত্যাশিত ফলাফল। পরপর দুই ম্যাচে সে প্রত্যাশা পূরণের পর দলটা যখন কাঙ্ক্ষিত সিরিজ জয়ের দিকে, জয়-টয় নিয়ে বেশি আদিখ্যেতা না দেখিয়ে ম্যাচ-উত্তর সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়কের কাছে ওই প্রশ্নটা তো থাকেই! তা সাকিব আল হাসান সেই অন্য ইতিবাচক দিকটার কথা বললেনও কাল। সেটা হলো মাশরাফি বিন মুর্তজার নিজেকে ফিরে পাওয়া।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তো বটেই, নিজেদের কন্ডিশনে যেকোনো দলের বিপক্ষেই বাংলাদেশের বোলিংয়ের মূল অস্ত্র স্পিন। তার পরও নতুন বলে বল করার একটা ব্যাপার থাকে। আর দলের জোরে বোলাররা ক্ষুরধার আগ্রাসী চেহারা নিয়ে আগে-পিছে না দাঁড়ালে স্পিন দিয়ে কতক্ষণ সামলানো যায়? বাংলাদেশ দলের এই পেস বোলারদের প্রসঙ্গে মাশরাফির আলোচনাটাই ওঠে সবার আগে। ইনজুরিতে তার মাঠের বাইরে চলে যাওয়ার সুযোগে যে পেসার যত ভালো বলই করুক, অপেক্ষা থাকে মাশরাফি কখন ফিরবেন। এটা যেন একটা বিশ্বাসই হয়ে দাঁড়িয়েছে, মাশরাফি থাকলে অন্য যেকোনো পেসারের চেয়ে তাঁর বোলিংটাই বেশি পোড়াবে প্রতিপক্ষকে।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম দুই ম্যাচে সেই মাশরাফিকে খুঁজে পাওয়া গেল কই? প্রথম ওয়ানডেতে ৬ ওভার বল করে ৩৬ রান দিয়ে উইকেটশূন্য। পরের ম্যাচে বল করলেন মাত্র ৩ ওভার, রান দিলেন ১৭, কোনো উইকেট নেই। কোচ, অধিনায়ক তার পরও ইনজুরি-ফেরত মাশরাফির ওপর আস্থা রাখলেন এই ভেবে, আর কয়টা ম্যাচ খেললেই হয়তো ফিরে আসবে তাঁর আসল রূপ। ‘কয়টা’ নয়, মাশরাফি আস্থার প্রতিদান দিলেন পরের ম্যাচেই। কেবল ১০-১-২০-১ বোলিং বিশ্লেষণেই পুরোপুরি বোঝা যাবে না মাশরাফির কালকের বোলিংটাকে। কন্ডিশনের সাহায্য থাকলে স্পিন-সহায়ক উইকেটেও যে বাংলাদেশের পেসাররা সাফল্য পেতে পারেন, সেটা শফিউল ইসলামের ৪ উইকেট যেমন দেখিয়েছে, জিম্বাবুয়ের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে ভয় ধরানো মাশরাফির বোলিংও তার একটা প্রমাণ। ইনজুরির ঝুঁকি এড়াতে এই সিরিজে মাশরাফিকে বিশ্রাম দিয়ে খেলানোর পরিকল্পনাটি আপাতত হয়তো তুলেই রাখতে হবে টিম ম্যানেজমেন্টকে। মাশরাফি তো কেবল কলি ছড়ালেন, বাকি দুই ম্যাচে নিশ্চয়ই ফুল হয়ে ফুটবে তাঁর দুরন্ত গতি।
সাকিব সেই আশাতেই ছিলেন, আছেনও, ‘মাশরাফি ভাইয়ের ভালো বল করাটাই এ ম্যাচে সবচেয়ে পজিটিভ দিক। আগের ম্যাচের পরও বলেছিলাম, উনি কয়েকটা ম্যাচ খেললেই আগের অবস্থায় ফিরে আসবেন। আজকে (গতকাল) ওনার জন্য ভালো একটা দিন ছিল। যত বল করবেন, ততই উনি নিজেকে ফিরে পাবেন।’ মাশরাফির নিজেরও তা-ই মনে হচ্ছে, ‘এর চেয়েও ভালো বল করা সম্ভব আমার পক্ষে। খেলতে খেলতেই রিদম আসবে। প্রথম দুই ম্যাচে যেমন রিদম খুঁজে পাচ্ছিলাম না, লাইন লেংথ ঠিক থাকলেও সুইং নিয়ন্ত্রণ করতে পারছিলাম না। আজ (গতকাল) চার নম্বর ওভার থেকেই রিদম আর সুইংয়ে নিয়ন্ত্রণ এল।’
বোলারদের জন্য উইকেট পাওয়াটাই সবচেয়ে বড় প্রণোদনা। ভালো বল করেও মাশরাফি কাল তা থেকে বঞ্চিতই থেকে যাচ্ছিলেন প্রায়। টাটেন্ডা টাইবুকে সুইংয়ে বিভ্রান্ত করে আরাধ্য সেই উইকেট পেলেন নিজের অষ্টম ওভারের প্রথম বলে। তবে ওয়ানডেতে উইকেট পাওয়ার চেয়ে রান কম দেওয়াটাই মাশরাফির দর্শন, ‘ওয়ানডেতে রান চেক দেওয়াটাই গুরুত্বপূর্ণ। রান কম দিলে ব্যাটসম্যানরা চাপে থাকে, তখন অন্য কেউ এসে হলেও উইকেট পাবে। উইকেটের জন্য তাই বল করিনি। জানতাম, রান না দিলে উইকেট আসবে। আর কম রান দিলে বোলিংয়ে আত্মবিশ্বাসটাও বাড়ে।’
মাশরাফির মতো মুশফিকুর রহিমের ৬৩ রানের ইনিংসটাকেও ইতিবাচক দিক ধরতে পারেন সাকিব। গত মার্চে ঢাকায় ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৭৬ রানের ইনিংস খেলার পর ১৪ ম্যাচে একটিও ফিফটি পাননি বাংলাদেশের উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান। জয় দিয়ে সিরিজে এগিয়ে যাওয়া, পাওয়ার প্লের ব্যাটিংয়ে কিছুটা হলেও উন্নতি কিংবা মাশরাফি-মুশফিকুরের ফেরা—ফ্লাডলাইট কেলেঙ্কারির পর কালকের এই প্রাপ্তিগুলো কিছুটা হলেও সুখের পরশ বোলাচ্ছে বাংলাদেশের ক্রিকেটে।
চাঁদের কলঙ্কের মতো কিছু ভুলত্রুটি-অতৃপ্তি তার পরও লুকিয়ে থাকে সাফল্যের রন্ধ্রে। ভালো শুরু করেও বড় ইনিংস খেলতে না পারা বা পাওয়ার প্লের ব্যাটিংয়ে আরও কিছু রানের আক্ষেপ সে রকম অতৃপ্তির উদাহরণ।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চলছে রাজ্জাক-রাজ
প্রথম ম্যাচে ৪ উইকেট নিয়ে ছুঁলেন মাশরাফিকে, বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশিবার (৬ বার) ইনিংসে চার বা তার বেশি উইকেট নিয়ে। দ্বিতীয় ম্যাচে ৫ উইকেট, বাঁহাতি স্পিনার হিসেবে ওয়ানডে ইতিহাসে প্রথম হ্যাটট্রিক। কাল আবার ৪ উইকেট নিয়ে ছুঁলেন আরেকটি বিশ্ব রেকর্ড—টানা তিন ম্যাচে চার বা তার বেশি উইকেট নেওয়া মাত্র ষষ্ঠ বোলার তিনি এবং অবশ্যই প্রথম বাঁহাতি স্পিনার!
এই কীর্তি ছয় বোলারের হলেও টানা তিন ম্যাচে চার বা তাঁর বেশি উইকেট নেওয়ার ঘটনা আছে আটটি। ওয়াকার ইউনুস একাই যে নিয়েছেন তিনবার! মাঝে একবার টানা তিন ম্যাচে ৫ উইকেট নেওয়ার রেকর্ডও আছে। তালিকার বাকি চারজনের দুজন দুই সময়ের দুই লেগ স্পিনার—নরেন্দ্র হিরওয়ানি ও শেন ওয়ার্ন। অবাক করতে পারে বাকি দুটি নাম, ওয়েস্ট ইন্ডিজের ভেসবার্ট ড্রেকস ও কানাডার খুররম চৌহান! ড্রেকসের কীর্তি বাংলাদেশের বিপক্ষেই, আফগানিস্তান ও কেনিয়ার বিপক্ষে খুররম।
তবে রেকর্ডগুলোকে এক পাশে সরিয়ে রাখলে এই সিরিজে বাংলাদেশের সেরা প্রাপ্তি রাজ্জাকের ছন্দে ফেরা। বাংলাদেশের রণপরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাজ্জাকের, অধিনায়কের বড় সহায় তিনি। শুরুতে উইকেট পড়েনি? ডাকো রাজ্জাককে। শুরুতে উইকেট পড়ার পর চাপ ধরে রাখা দরকার? ভরসা রাজ্জাক। স্লগ ওভারে রান আটকানো প্রয়োজন? রাজ্জাক আছে না! নতুন বলে স্পিন দিয়ে শুরু করা? তাও তো রাজ্জাকই! জিম্বাবুয়ে কোচ অ্যালান বুচার তো কাল ঘোষণাই দিয়ে দিলেন, ‘আমাদের স্পিনাররাও ভালো বোলিং করছে, কিন্তু ম্যাচ জেতানো পারফরম্যান্স দেখা যাচ্ছে না। যেটা করছে রাজ্জাক। প্রতিদিনই শুরুতে উইকেট তুলে নিচ্ছে, দুই দলের মাঝে মূল ব্যবধানটা ওই গড়ে দিচ্ছে।’
তিন ম্যাচে ১৩ উইকেট, বল হাতে এমন জাদু দেখাচ্ছেন যে রাজ্জাকের সংবাদ সম্মেলনগুলোও হচ্ছে কেমন যেন জাদুময়। টানা তৃতীয় ম্যাচে ম্যাচ-সেরা হতে চান কিনা কিংবা বাকি দুই ম্যাচেও কাঁড়ি কাঁড়ি উইকেট পাবেন কি না—এমন অদ্ভুত সব প্রশ্নেও অবাক লাগছে না, মনে হচ্ছে যেন সবই সম্ভব! বোলিং অ্যাকশন নিয়ে বারবার সমস্যা, ছন্দ হারিয়ে ফেলা এমন সব দুঃসময় কাটিয়ে এসেছেন বলেই হয়তো এমন সাফল্যেও রাজ্জাকের মাথা ঘুরে যাচ্ছে না। ‘মিরপুরের তো আপনাকে উজাড় করে দিচ্ছে’—এটুকু বলতেই প্রশ্নকর্তাকে থামিয়ে বললেন, ‘মাঠ তো আর দেয় না, সব নিজেরই করে নিতে হয়।’
ফিরতি ক্যাচ ছেড়ে ৫ উইকেট হাতছাড়া করেছেন বলে অধিনায়কের রসিকতাভরা ‘খোঁচা’ শুনলেন। তবে পরের ম্যাচ শেষেও আবার লিখতে হতে পারে রাজ্জাকের ইতিহাস! ওয়ানডেতে টানা চার ম্যাচে চার উইকেটের ইতিহাস যে হাতছানি দিচ্ছে তাঁকে!
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পিসিবিকে বিশ্বকাপ দল ঘোষণার আহ্বান আফ্রিদির
খুব দ্রুতই বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুতি শুরু করা উচিত মন্তব্য করে আফ্রিদি বলেছেন, ‘বিশ্বকাপ খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা প্রতিযোগিতা। আর এবার আবার কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হোক—এটা আমরা চাই না। বিশ্বকাপের জন্য খুব দ্রুতই আমাদের কাজে নেমে পড়া উচিত’।
ওয়ানডে দলের অধিনায়ক হিসেবে বিশ্বকাপে পাকিস্তানের নেতৃত্বের ভার আফ্রিদির কাঁধেই আসার কথা। কিন্তু অধিনায়ক হিসেবে নিজের পারফরমেন্স নিয়েও সন্তুষ্ট নন আফ্রিদি। কোনো রাখঢাক না রেখেই তিনি বলেছেন, ‘হ্যাঁ, আমি গত এক বছরে আমার ফর্ম নিয়ে খুব চিন্তিত। জাতীয় দলের জন্য আমি যেভাবে ব্যাটিং বা বোলিং করেছি তাতে আমি মোটেও সন্তুষ্ট না।’ দলকে অনুপ্রাণিত করার জন্য অধিনায়কের ভালো পারফরমেন্স দেখানোটা খুবই জরুরি বলে মনে করেন তিনি। আর সে জন্যই সম্প্রতি কঠোর অনুশীলনে নেমে পড়েছেন এই অলরাউন্ডার।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অস্ট্রেলিয়াকে উড়িয়ে প্রথম জয় ইংল্যান্ডের
প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার ২৪৫ রানের জবাবে অসি বোলারদের নখ-দন্তহীন বোলিংকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে কেভিন পিটারসেনের ২২৭ আর অ্যালিস্টার কুকের ১৪৮ রানের সুবাদে ৬২০ রানের পাহাড় গড়েছিল ইংল্যান্ড। দ্বিতীয় ইনিংসেও ম্যাচ বাঁচানো ইনিংস খেলতে পারেননি কোনো অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যানই। ২৩৮ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চুতর্থ দিন শেষ করার পর আজ পঞ্চম দিনে গ্রায়েম সোয়ানের ঘূর্ণির মুখে মাত্র ২০ ওভারের মধ্যেই বাকি ছয়টি উইকেট হারিয়েছে তারা।
চতুর্থ দিনের শেষ বলে ৮০ রান করা মাইকেল ক্লার্ককে ফিরিয়ে দিয়ে ইংল্যান্ডের জয়ের পথটা অনেকটাই সুগম করে দিয়েছিলেন কেভিন পিটারসন। আজ পঞ্চম দিনে অস্ট্রেলিয়ার লেজ গুটিয়ে দিতে খুব বেশি বেগ পেতে হয়নি ইংলিশ বোলারদের। দিনের ষষ্ঠ ওভারেই আগের দিনের আরেক অপরাজিত ব্যাটসম্যান মাইক হাসির উইকেট তুলে নেন স্টিভেন ফিন। কয়েক ওভার পরে পরপর দুই বলে ব্রাড হাডিন আর হ্যারিসকে সাজঘরমুখী করেন জেমস অ্যান্ডারসন। বাকি কাজটা শেষ করেছেন গ্রায়েম সোয়ান। অল্প সময়ের মধ্যেই মার্কাস নর্থ, জাভিয়ের ডোহার্টি আর পিটার সিডলের উইকেট তুলে নিয়ে ইংল্যান্ডের জয় নিশ্চিত করেন এই ডানহাতি অফ স্পিনার। ক্যারিয়ার-সেরা ২২৭ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচ-সেরা হয়েছেন কেভিন পিটারসন।
১৬ ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে অ্যাশেজ সিরিজের তৃতীয় টেস্ট।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
অস্ট্রেলিয়া (প্রথম ইনিংস)—২৪৫ (অল আউট)
মাইক হাসি-৯৩, ব্রাড হাডিন-৫৬, শেন ওয়াটসন-৫১। জেমস অ্যান্ডারসন-৫১/৪
ইংল্যান্ড (প্রথম ইনিংস)—৬২০/৫ (ডিক্লেয়ার)
কেভিন পিটারসন-২২৭, অ্যালিস্টার কুক-১৪৮, ইয়ান বেল-৬৮*। রায়ান হ্যারিস ৮৪/২
অস্ট্রেলিয়া (দ্বিতীয় ইনিংস)—৩০৪ (অল আউট)
মাইকেল ক্লার্ক-৮০, শেন ওয়াটসন-৫৭, মাইক হাসি-৫২
গ্রায়েম সোয়ান ৯১/৫
ইংল্যান্ড ইনিংস ও ৭১ রানে জয়ী।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইনজুরিতে সাইমন ক্যাটিচ
শুধু অ্যাশেজ সিরিজই নয়, নতুন এই ইনজুরির ফলে ৩৫ বছর বয়সী ক্যাটিচ আবার টেস্ট ক্রিকেটে ফিরতে পারবেন কিনা তা নিয়েও আশঙ্কা প্রকাশ করেছে অনেকেই। তবে সেসব কথায় কান দিচ্ছেন না, এ বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। এই ইনজুরির কারণে তাঁর টেস্ট ক্যারিয়ার শেষ হয়ে যাবে না আশা প্রকাশ করে তিনি বলেছেন, ‘আমার বয়সটা অবশ্যই একটা বড় ব্যাপার, কিন্তু আমি সেটা নিয়ে ভাবতে চাই না। কারণ, গত আড়াই বছর ছিল আমার ক্যারিয়ারের সেরা সময়। কাজেই এটাকে আমি আমার ক্যারিয়ারের শেষ হিসেবে দেখছি না। আবার টেস্টে ফেরার সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে আমার।’
সিরিজে পিছিয়ে পড়ার মাঝে মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা সাইমন ক্যাটিচের চোট। পুরো ব্যাপারটিকেই অসি অধিনায়ক রিকি পন্টিং বর্ণনা করেছেন ‘অপূরণীয় ক্ষতি’ হিসেবে। বাকি তিনটি টেস্টে সাইমন ক্যাটিচের জায়গায় তরুণ ব্যাটসম্যান ফিলিপ হিউজ দলে জায়গা করে নিতে পারেন বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন পন্টিং।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শেষ হলো ২৪ বছরের অপেক্ষা
ব্রিসবেনে প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে ব্যাটসম্যানদের বাজে পারফরম্যান্সের পরেও দ্বিতীয় ইনিংসে সেই ব্যাটসম্যানদের কল্যাণে ঘুরে দাঁড়ানোই ইঙ্গিত দিয়েছিল পরিবর্তিত ইংলিশ দলের। সেই টেস্টে অ্যালিস্টার কুকের অসাধারণ ব্যাটিং একটি সম্ভাব্য পরাজয়ের হাত থেকে দলকে রক্ষা করার পরেই গোটা ইংল্যান্ডই এখন অন্য গ্রহের এক দল। অ্যাডিলেড টেস্টের পুরো পাঁচ দিন সেটাই হাতে-নাতে প্রমাণ করেছেন স্ট্রাউস, পিটারসেন, কুক, সওয়ান আর ব্রডরা। যার সম্মিলিত ফলাফল অ্যাডিলেড টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে উড়িয়ে দেওয়া। অস্ট্রেলিয়ার মাটি থেকে অ্যাশেজ পুনরুদ্ধারের এ মিশনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য দলের সম্মিলিত পারফরম্যান্স আর বোলিং সাফল্যের জয়গান ঘুরে ফিরেই চলে আসছে ইংলিশ অধিনায়কের কণ্ঠে।
অ্যান্ড্রু স্ট্রাউস মনে করেন, এই অ্যাডিলেডেই চার বছর আগে অস্ট্রেলিয়ার কাছে দুঃখজনক পরাজয়ের স্মৃতি এবারের বিজয়ে অনেকটা প্রভাবকের কাজ করেছে। স্ট্রাউস বলেন, ‘চার বছর আগে এক দুঃসহ পরাজয়ের শিকার হতে হয়েছিল ইংল্যান্ড দলকে। এবার তাই আগে থেকেই প্রস্তুতি ছিল আমাদের। আমরা সব সময় ভেবেছি প্রথম ইনিংসে বাজে ব্যাটিংয়ের পরেও অস্ট্রেলিয়া টেস্টে ফিরে আসতে পারে। আমরা সম্মিলিতভাবে চমৎকার পারফরম্যান্স দিয়ে সেই সম্ভাবনার পথগুলোকেই বন্ধ করে দিয়েছি।’
স্ট্রাউসের মতে, প্রথম ইনিংসে ব্যাটসম্যানদের রান উৎসব অ্যাডিলেডে জয়ের ভিত্তি গড়ে দিয়েছিল। বোলাররা সেই ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে অসাধারণ বোলিংয়ের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়াকে হার মানতে বাধ্য করেছে। স্ট্রাউস বলেন, ‘গোটা দুই দিন ধরে একই জায়গায় বল করে যাওয়ার ব্যাপারটি মুখে বলা যত সহজ, কাজে পরিণত করা ঠিক ততটাই কঠিন। ক্রিস ব্রড, গ্রায়েম সওয়ানেরা সেই কাজটিই করেছেন অসাধারণ দক্ষতায়। সওয়ান সব সময় অসি ব্যাটসম্যানদের ব্যতিব্যস্ত করে রেখেছিল। ব্যাটসম্যানরা যখন রান করতে পারে না, তখন সে খুবই বিব্রতকর অবস্থায় থাকে, ভুলটা সেই সময়ই করে বসে সে। অ্যাডিলেডে ঠিক এ ব্যাপারটিই ঘটিয়েছে আমাদের বোলাররা।’
অ্যান্ড্রু স্ট্রাউস পুরো দলের প্রশংসা করতে গিয়ে আলাদাভাবে কেভিন পিটারসেনকে বাহবা দিতে ভোলেননি। পিটারসেনের অসাধারণ পারফরম্যান্স যে এ অসাধারণ জয়ের অন্যতম অনুষঙ্গ, তা স্মরণ করেছেন কৃতজ্ঞতার সঙ্গেই। তিনি বলেছেন, ‘পিটারসেন অনেক দিন ধরেই রানে ছিল না। তবে অ্যাশেজ সিরিজের প্রস্তুতিমূলক ম্যাচগুলোতে সে ফর্মে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছিল। ভালো লাগছে, সে তাঁর ধ্রুপদী ছন্দে ফিরেছে। পিটারসেন ফর্মে থাকলে কী হতে পারে, তা দেখেছে অ্যাডিলেডের দর্শকেরা।’
অস্ট্রেলিয়াতে ২৪ বছর পর টেস্ট জয়ের এ অনন্য মুহূর্ত আনন্দে-উৎসবেই কাটাতে চায় ইংলিশ খেলোয়াড়েরা। অধিনায়ক স্ট্রাউসেরও পূর্ণ সায় রয়েছে তাতে। বলেছেন, ‘আজ সত্যিই অন্য রকম একটি দিন। অনেক দিনের পরিশ্রমের পর এমন একটি মুহূর্ত এসেছে আমাদের সামনে। এ রাতটি আনন্দ করেই কাটাতে চাই আমরা।’
সত্যিই এ আনন্দ উদযাপন ইংলিশদেরই মানায়!
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
খবর, প্রথম আলোর- উইকিলিকস জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের আত্মসমর্পণঃ সাত দিনের রিমান্ড
গতকাল মঙ্গলবার স্থানীয় সময় বিকেলে লন্ডনের ওয়েস্টমিনস্টার ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে হাজির করার পর অ্যাসাঞ্জের আইনজীবীরা তাঁর পক্ষে জামিনের আবেদন করলে বিচারক হাওয়ার্ড রিডল তা নামঞ্জুর করে তাঁকে রিমান্ডে নেওয়ার নির্দেশ দেন। এর আগে সকালে ব্রিটিশ পুলিশের কাছে অ্যাসাঞ্জ আত্মসমর্পণ করলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। খবর বিবিসি, এএফপি ও এপির।About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিশেষ আলোচনা- সবুজ মাঠ পেরিয়ে by শেখ হাসিনা
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আলোচনা- 'আরো অনুদানের টাকা সরিয়েছিলেন ইউনূস' by মজুমদার বাবু
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1402)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
-
▼
2010
(9402)
-
▼
December
(884)
-
▼
Dec 08
(36)
- আলোচনা- 'উইকিলিকসে বাংলাদেশ, তারপর?' by মাসুদা ভাট্টি
- আলোচনা- 'ওয়াংগালাঃ গারোদের জাতীয় উৎসব' by নেহাল আদেল
- স্মরণ- 'বাঘা যতীনঃ অগ্নিযুগের মহানায়ক' by রফিকুল হ...
- সবুজ মাঠ পেরিয়ে by শেখ হাসিনা
- মিল্ক ভিটা তরল দুধ
- গ্রামীণ ব্যাংক বিতর্ক
- মালয়েশিয়ায় বেত্রাঘাতের ঘটনা মহামারির রূপ নিয়েছে
- নরেন্দ্র মোদিকে হত্যার পরিকল্পনা করেছিল লস্কর-ই-তা...
- খবর, কালের কণ্ঠের- আগেই ধ্বংস মহাস্থানগঃ হাইকোর্টে...
- তিরস্কার আর ভর্ৎসনায় সাদ্দাম হোসেনের ফাঁসি কার্যকর হয়
- কলম্বিয়ায় ভূমিধসে চাপা পড়েছে ২০০ মানুষ
- পাকিস্তানে আত্মঘাতী বোমা হামলায় নিহত ৪০
- আইভরি কোস্টে রাজনৈতিক সংকট অব্যাহত
- কন্টিনেন্টাল এয়ারলাইনসকে ফ্রান্সের আদালতে জরিমানা
- জেনেভায় পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা শুরু
- অ্যাসাঞ্জকে যে কারণে গ্রেপ্তার করতে চায় সুইডেন
- অর্থবছরের পাঁচ মাসে প্রবাসী-আয় কমেছে ৩ শতাংশ
- ১ জানুয়ারি থেকে বিশ্ববাণিজ্যে সংশোধিত নীতিমালা কার...
- ঢাকায় চিকিৎসাসামগ্রীর তিন দিনের প্রদর্শনী বৃহস্পতি...
- শেয়ারবাজারে কারসাজিকারীদের ফাঁদে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকা...
- বেশির ভাগ খাতের দরপতন মিউচুয়াল ফান্ডে চাঙা ভাব
- খবর, কালের কণ্ঠের- কেয়ার্নের সঙ্গে স্বার্থবিরোধী চ...
- এশিয়ান বিচ গেমসে মহিলা কাবাডি
- গেরহার্ড নিজেই সরে গেলেন
- ফ্লাডলাইট কেলেঙ্কারি খতিয়ে দেখবে বিসিবি
- টুকরো টুকরো ছবি
- অস্ট্রেলিয়ার ভরসা হাসি আর আকাশ
- মাশরাফিকেও খুঁজে পেলেন সাকিব
- চলছে রাজ্জাক-রাজ
- পিসিবিকে বিশ্বকাপ দল ঘোষণার আহ্বান আফ্রিদির
- অস্ট্রেলিয়াকে উড়িয়ে প্রথম জয় ইংল্যান্ডের
- ইনজুরিতে সাইমন ক্যাটিচ
- শেষ হলো ২৪ বছরের অপেক্ষা
- খবর, প্রথম আলোর- উইকিলিকস জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের...
- বিশেষ আলোচনা- সবুজ মাঠ পেরিয়ে by শেখ হাসিনা
- আলোচনা- 'আরো অনুদানের টাকা সরিয়েছিলেন ইউনূস' by মজ...
-
▼
Dec 08
(36)
-
▼
December
(884)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...