Saturday, May 31, 2025
হারেৎজ পত্রিকার বিশ্লেষণ: নাটকীয় যুদ্ধবিরতির ঘোষণাকে ঘিরে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন by আমির তিবোন
শেষ পর্যন্ত সকাল নাগাদ প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যুদ্ধবিরতি মেনে নেওয়ার ঘোষণা দেন। তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই ইরান থেকে ছোড়া দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ইসরাইলের উত্তরের বাসিন্দাদের আবারও বোমা আশ্রয়কেন্দ্রে পাঠাতে বাধ্য করে। এর জবাবে ইসরাইলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাটজ বলেন, আইডিএফ (ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী) জোরালো প্রতিশোধ নেবে এবং তেহরানের কেন্দ্রে শাসকগোষ্ঠীর টার্গেটগুলোর ওপর শক্তিশালী হামলার প্রতিশ্রুতি দেন।
অতএব, এই যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎ এবং ইসরাইল, ইরান ও আঞ্চলিক অন্যান্য শক্তিগুলোর ওপর এর প্রভাব নিয়ে এখনো অনেক অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। এখানে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলে ধরা হলো, যেগুলো আগামী দিনের বাস্তবতা নির্ধারণে মুখ্য ভূমিকা রাখবে।
১. যুদ্ধবিরতির নির্ভুল শর্তগুলো কী?
আগে আন্তর্জাতিক আলোচনা মানে ছিল অভিজ্ঞ কূটনীতিক ও আইনজীবী প্রণীত দলিল। সেই যুগ শেষ। যেমন ভারত-পাকিস্তানের মধ্যকার সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতির চুক্তি সামাজিক মাধ্যমে ট্রাম্পই ঘোষণা দেন। এখানেও তাই হয়েছে। ট্রাম্পের বর্ণনা ছিল সরল— উভয় পক্ষ গুলি ছোড়া বন্ধ করবে, যুদ্ধ শেষ। তবে আমরা জানি, তিনি এই পোস্ট দেওয়ার আগে ওয়াশিংটন ও জেরুজালেমের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা চলেছে। পাশাপাশি, কাতার সরকার হোয়াইট হাউস ও তেহরানের মধ্যস্থতা করেছে। এই আলোচনার প্রকৃত বিষয়বস্তু এখনো গোপন। যুক্তরাষ্ট্র ইসরাইলকে কী প্রতিশ্রুতি দিয়েছে? কাতার ইরানকে কী দিয়েছে? কোনো পক্ষ কি ভবিষ্যতে নিজেদের আচরণ সীমিত করতে সম্মত হয়েছে? যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ হলে প্রতিশোধের কোনো সীমা নির্ধারণ হয়েছে? ইরান কি তার পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কোনো ছাড় দিয়েছে? এসব প্রশ্ন এখনো অন্ধকারে রয়ে গেছে। ট্রাম্প বলেছেন, এই যুদ্ধবিরতি চিরদিন চলবে এবং ইসরাইল-ইরান আর কখনো যুদ্ধ করবে না। কিন্তু শর্তাবলী না জেনে তার এই দাবি সন্দেহজনকই বলা চলে।
২. ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর ক্ষতি কতটা?
ইসরাইল যুদ্ধ শুরু করে মূলত এক লক্ষ্য নিয়ে— ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি রুখে দেওয়া। এই উদ্দেশ্যেই ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় প্রথম আঘাত, এরপর পারমাণবিক স্থাপনায় নিখুঁত হামলা এবং পরে ট্রাম্পের নির্দেশে ফরদো, নাতাঞ্জ ও ইসফাহানে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রগুলোতে বোমাবর্ষণ করা হয়। তবে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি যে এসব স্থাপনার কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে এবং সেগুলো পুনর্গঠনে ইরানের কত সময় লাগবে। ইরান দাবি করেছে, ফরদোর স্থাপনায় কেবল সামান্য ক্ষতি হয়েছে। অন্যদিকে ট্রাম্প প্রশাসন বলছে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ধ্বংস হয়েছে। এই দুই দাবি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, তাই সাবধানতা অবলম্বন করাই ভালো। পারমাণবিক পর্যবেক্ষক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ক্ষতি হয়েছে বটে, কিন্তু সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়। যদি কোনো উপাদান রক্ষা পেয়ে থাকে এবং ইরান তা ব্যবহার করে পারমাণবিক কর্মসূচি এগিয়ে নেয়, তবে শান্তির সময়সীমা হয়তো খুবই অল্প হবে।
৩. ইরানের ৬০ ভাগ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম কোথায়?
এই প্রশ্নটি আগের প্রশ্নের সরাসরি ধারাবাহিকতা। ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের বোমাবর্ষণের আগেই কিছু ইউরেনিয়াম সরিয়ে ফেলা হয়েছে বলে উভয় পক্ষ এবং ইরানই দাবি করেছে। কিন্তু কতটা সরানো হয়েছে এবং তা কোথায় রাখা হয়েছে — সেটি এখনো অজানা। ইরান রক্ষা পাওয়া ইউরেনিয়ামকে বিজয়ের প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করতে চাইবে। অন্যদিকে, নেতানিয়াহু ও ট্রাম্পের জন্য এটি একটি কৌশলগত বিপদ। কারণ, যদি স্বীকার করতে হয় যে ইউরেনিয়াম ধ্বংস হয়নি, তাহলে তাদের বিজয় ঘোষণার ভিত্তিই ভেঙে পড়বে। ইসরাইল ইরানের ভেতরে গোয়েন্দা অভিযান চালিয়ে এসব তথ্য জানার চেষ্টা করবে— এমনকি ইউরেনিয়াম জব্দ বা ধ্বংসও করতে পারে। এতে আবার যুদ্ধ শুরু হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
৪. যুদ্ধবিরতিতে ইয়েমেনের হুতিরাও কি অন্তর্ভুক্ত?
১২ দিনের ইসরাইল-ইরান যুদ্ধে হুতিরা বেশিরভাগ সময় নিষ্ক্রিয় ছিল। তাদের ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন ব্যবহার করতে হয়নি, কারণ ইরানই পুরো ইসরাইলের ঘুম হারাম করে দিয়েছিল। তবে এখন যুদ্ধ শেষ হলেও গাজার যুদ্ধ চলছেই। তাই প্রশ্ন উঠেছে— ইয়েমেন থেকে আবারও ক্ষেপণাস্ত্র আসবে কি না। হুতিরা, যদিও ইসরাইলের সবচেয়ে দুর্বল শত্রু, গত ২০ মাসে উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক ক্ষতি করেছে। এলাত বন্দর বন্ধ করে দিয়েছে, বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে একটি ক্ষেপণাস্ত্র পড়ার পর অনেক বিদেশি বিমান সংস্থা সরে গেছে। তাই হুতিরা এই যুদ্ধবিরতির অংশ কি না— এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ইসরাইলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ঘাটতির কথা মাথায় রেখে।
৫. গাজার যুদ্ধের ওপর কী প্রভাব পড়বে?
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সম্ভবত এটি। ইরান ফ্রন্ট সাময়িকভাবে বন্ধ হলেও, এখন ইসরাইল পুরোপুরি গাজার দিকে মনোযোগ দেবে, যেখানে হামাস এখনো ৫০ জন জিম্মি ধরে রেখেছে— যাদের মধ্যে অন্তত ২০ জন জীবিত বলে ধারণা। ট্রাম্প কি নেতানিয়াহুর কাছ থেকে গাজায় যুদ্ধ শেষ করার প্রতিশ্রুতি পেয়েছেন ইরান হামলার অনুমতির বিনিময়ে? ইসরাইল কি অবশেষে তাদের ইতিহাসের দীর্ঘতম যুদ্ধ শেষ করতে রাজি হবে?
একটি তত্ত্ব হলো— ইরানের দুর্বলতা দেখে হামাস আরও নমনীয় হবে। কিন্তু জিম্মিদের পরিবারের মধ্যে এক ভয় আছে— তারা আশঙ্কা করছে, আমেরিকা-ইসরাইল মিলে যেভাবে ইরানকে ফাঁকি দিয়েছে, তা দেখে হামাস আরও অবিশ্বাসী হয়ে পড়বে।
মিলিয়ন মিলিয়ন মানুষের জীবন এখন অনিশ্চয়তার মাঝে ঝুলে আছে।
(অনলাইন হারেৎজ থেকে অনুবাদ)

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইসরায়েলকে ঠেকাতে ছেলেকে পাঠিয়ে ইরানকে সতর্ক করল সৌদি বাদশা!
এ বার্তা তার ছোট ছেলে ও দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমানের মাধ্যমে সরাসরি তেহরানে পৌঁছে দেওয়া হয়। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, গত ১৭ এপ্রিল তেহরানে ইরানের প্রেসিডেন্ট ভবনে এক গোপন বৈঠকে এ বার্তা পৌঁছে দেন প্রিন্স খালিদ।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান, সেনাপ্রধান মোহাম্মদ হোসেইন বাঘেরি এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি।
সৌদি ও ইরানি সূত্র জানায়, বাদশা সালমান উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, ইরান যদি যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত পরমাণু চুক্তিকে গুরুত্ব না দেয়, তবে দেশটি ইসরায়েলি সামরিক হামলার মুখে পড়তে পারে। গোপন এ বার্তায় সৌদি বাদশা আরও ইঙ্গিত দেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ধৈর্য সীমিত এবং তিনি দ্রুত চুক্তিতে পৌঁছাতে চান।
সূত্রগুলো জানায়, খালিদ বিন সালমান ইরানকে সরাসরি সতর্ক করে বলেন, যদি কূটনৈতিক আলোচনার পথ বন্ধ হয়ে যায়, তবে ইসরায়েল তেহরানের পরমাণু স্থাপনায় হামলা চালাতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গাজা ও লেবাননে ইসরায়েলের লাগাতার হামলায় ইরানের মিত্র হামাস ও হিজবুল্লাহ দুর্বল হয়ে পড়েছে। সিরিয়ায় বাশার আল-আসাদ সরকারের নিয়ন্ত্রণ কমে যাওয়া এবং পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কারণে আঞ্চলিকভাবে ইরানের অবস্থানও তুলনামূলকভাবে দুর্বল। এই প্রেক্ষাপটে সৌদি আরব তাদের কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়িয়ে দিয়েছে।
কার্নেগি মিডল ইস্ট সেন্টার-এর ইরান বিষয়ক বিশ্লেষক মোহনাদ হেজ আলি বলেন, তেহরানের দুর্বলতা সৌদি আরবকে কূটনৈতিকভাবে প্রভাব খাটানোর সুযোগ দিয়েছে। সৌদি আরব স্পষ্টভাবে যুদ্ধ এড়াতে চায়, কারণ তা তাদের অর্থনীতি ও ভিশন ২০৩০ পরিকল্পনার ওপর বড় আঘাত হানতে পারে।
প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালে চীনের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ বছরের তিক্ততা পেরিয়ে সৌদি আরব ও ইরান কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপন করে। তবে দুই দেশের মধ্যে বিশ্বাসের সংকট এখনো পুরোপুরি কাটেনি। তাই তেহরানে প্রিন্স খালিদের সফরকে অনেকেই মধ্যপ্রাচ্যের কূটনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে দেখছেন।
এ বিষয়ে সৌদি আরব কিংবা ইরান এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।
![]() |
| ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির সঙ্গে সৌদি যুবরাজ এবং পাশে দেশটির সেনাপ্রধান। ছবি : সংগৃহীত |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাজার মানুষেরা জোরপূর্বক অনাহারের শিকার, বিবিসিকে জাতিসংঘের কর্মকর্তা
বিবিসির পক্ষ থেকে ফ্লেচারের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, এ ‘জোরপূর্বক অনাহার’ যুদ্ধাপরাধের পর্যায়ে পড়ে কিনা। উত্তরে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, এটা যুদ্ধাপরাধ হিসেবেই বিবেচিত হয়ে থাকে। অবশ্যই, এ বিষয়ে আদালত চূড়ান্ত রায় দেবেন। আর শেষ পর্যন্ত ইতিহাসই এর বিচার করবে।’
ফ্লেচার সম্প্রতি গাজা পরিস্থিতি নিয়ে তাঁর করা সাম্প্রতিক একটি মন্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি সম্প্রতি বলেছিলেন, সহায়তা না পৌঁছালে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গাজায় ১৪ হাজার শিশু মারা যেতে পারে। পরে জাতিসংঘের পক্ষ থেকে এ তথ্য সংশোধন করা হয়। ফ্লেচার স্বীকার করেছেন, ভাষা ব্যবহারে ‘নির্ভুল’ হওয়া জরুরি।
হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চলাকালে গত ২ মার্চ থেকে গাজায় কোনো ত্রাণ প্রবেশ করতে দিচ্ছিল না ইসরায়েল। প্রায় তিন মাসের অবরোধের পর গত সপ্তাহে উপত্যকাটিতে সীমিত পরিসরে খাবার, ওষুধ, জ্বালানি এবং আশ্রয় সামগ্রীর মতো ত্রাণগুলো সরবরাহের অনুমতি দেয় তারা। এরই মধ্যে ১৮ মার্চ থেকে যুদ্ধবিরতি ভেঙে গাজায় নতুন করে নির্বিচার হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল।
ইসরায়েল বলছে, গাজায় এখনো আটক থাকা ৫৮ জন জিম্মিকে মুক্ত করার জন্যই তারা চাপ প্রয়োগের এ কৌশল নিয়েছে। ধারণা করা হয়, ৫৮ জিম্মির মধ্যে অন্তত ২০ জন এখনো জীবিত।
অবরোধ শিথিল করার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সমর্থিত সংস্থা—গাজা হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশনের পরিচালনাধীন ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রগুলোতে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়। জাতিসংঘ বলেছে, চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে গাজায় ত্রাণ দেওয়ার একটি জায়গায় ভিড়ের মধ্যে পড়ে ৪৭ জন আহত হয়েছেন। হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশনের সঙ্গে কাজ করতে জাতিসংঘ অস্বীকৃতি জানিয়েছে।
জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা বিষয়ক প্রধান টম ফ্লেচার বিবিসিকে বলেন, ‘আমরা দেখছি সীমান্তে খাবার রাখা হয়েছে। কিন্তু সীমান্তের ওপারে গাজার মানুষেরা অনাহারে দিন কাটালেও, সে খাবার সেখানে পৌঁছাতে দেওয়া হচ্ছে না। আমরা শুনছি যে ইসরায়েলি মন্ত্রীরা বলছেন, গাজার মানুষদের ওপর চাপ তৈরি করার জন্য এমনটা করা হচ্ছে।’
সম্প্রতি ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ বলেন, ‘গাজার বাসিন্দারা যেন পুরোপুরি নিরুপায় হয়ে বুঝতে পারে যে তাদের কোনো আশা নেই, কিছুই পাওয়ার নেই। এবং তারা যেন অন্য কোথাও গিয়ে নতুন জীবন শুরু করার কথা ভাবতে শুরু করে।’
ফ্লেচার মনে করেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর উচিত স্মোট্রিচের বক্তব্যকে প্রত্যাখ্যান করে বিবৃতি দেওয়া। তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করি, বিশ্বের সব সরকারই আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের পক্ষে দাঁড়াবে—এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক সমাজের অবস্থান অত্যন্ত স্পষ্ট।’
জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা বিষয়ক প্রধান টম ফ্লেচার বলেন, ‘আমরা দেখছি সীমান্তে খাবার রাখা হয়েছে কিন্তু সীমান্তের ওপারে গাজার মানুষেরা অনাহারে দিন কাটালেও সে খাবার সেখানে পৌঁছাতে দেওয়া হচ্ছে না। এবং আমরা শুনছি যে ইসরায়েলি মন্ত্রীরা বলছে গাজার মানুষদের ওপর চাপ তৈরি করার জন্য এমনটা করা হচ্ছে।ইসরায়েলের যুদ্ধ পরিচালনা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে সমালোচনা বাড়ছে। গত মঙ্গলবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ কূটনীতিক কাজা কালাস বলেন, গাজায় হামাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য যতটুকু হামলা করা প্রয়োজন তার চেয়ে বেশি মাত্রায় হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল। এর আগে জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মেৎর্স বলেন, ইসরায়েলের লক্ষ্য কী, তা তিনি এখন আর বুঝতে পারছেন না।
চলতি মাসের শুরুতে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও কানাডার নেতারা গাজায় সামরিক অভিযান বন্ধ এবং অবিলম্বে গাজায় মানবিক সহায়তা প্রবেশের অনুমতি দিতে ইসরায়েল সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন। এর জবাবে নেতানিয়াহু অভিযোগ করেন, এসব নেতা হামাসের পক্ষ নিচ্ছেন।
![]() |
| অবরোধ শিথিল হওয়ার পর খাবারের জন্য ফিলিস্তিনিরা গাজার হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশন পরিচালিত সাহায্য বিতরণ কেন্দ্রগুলোতে ভিড় জমায়। ছবি: রয়টার্স ফাইল ছবি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভেঙে পড়েছে আইনশৃংখলা, গাজায় অকল্পনীয় দৃশ্য: ‘সংকট নিরসনে পদক্ষেপ না নিলে ইসরাইলিদের নিষেধাজ্ঞা দেবে ফ্রান্স’
ওদিকে স্থানীয় চিকিৎসা সংশ্লিষ্টরা ও উদ্ধারকর্মীরা বলেছেন বৃহস্পতিবার গাজাজুড়ে হামলায় কমপক্ষে ৪৪ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে শুধু বুরেইজ শরণার্থী শিবিরেই মারা গেছেন ২৩ জন। এর একদিন আগে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি জানায়, বুভুক্ষু মানুষ দিয়ের আল বালাহতে তাদের একটি গুদামে জোর করে ঢুকে পড়েন। তারা লুটেপুটে নিয়ে যান সেখানে জমা করা ত্রাণ সামগ্রী। এ সময় গুলিতে কমপক্ষে দু’জন নিহত হয়েছেন। তবে কে তাদেরকে গুলি করেছে তা পরিষ্কার নয়।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল সমর্থিত গাজা হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশন (জিএইচএফ)-এর একটি নতুন ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রে হাজার হাজার মানুষ হামলে পড়ার পর তাদের ওপর গুলি চালানো হয়। এতে কমপক্ষে ৫০ জনকে গুলি করা হয়। তাতে কতজন নিহত ও আহত হয়েছেন তা স্পষ্ট নয়। মঙ্গলবারের ওই ঘটনা সম্পর্কে ইসরাইলি সেনাবাহিনী বলেছে, তারা সতর্কতামূলকভাবে ফাঁকা গুলি ছুড়েছে।
ওদিকে বৃহস্পতিবার গাজার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা পুলিশকে আল সারায়া সংযোগস্থলে একটি মার্কেটের কাছে সশস্ত্র অবস্থায় দেখা গেছে। সেখানে অল্প কিছু দোকানে খাদ্য ও শাকসবজি বিক্রি করে। ওদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভয়াবহ কিছু ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। তাতে দেখা যায় ছিন্নভিন্ন দেহ, রক্ত এবং তাদের ব্যবহৃত জিনিসপত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়, ইসরাইলের হামলায় এমন ঘটনা ঘটেছে। বিবৃতিতে বলা হয়, ইসরাইলি দখলদাররা বেশ কিছু পুলিশ কর্মকর্তাকে টার্গেট করে বিমান থেকে হামলা চালায়। এ সময় ওই পুলিশ কর্মকর্তারা লুটপাট বন্ধে দায়িত্ব পালন করছিলেন। হামলায় তাদের বেশ কয়েকজন শহীদ হয়েছেন। সঙ্গে বেসামরিক লোকজনও আছেন। এ বিষয়ে ইসরাইলি সেনাবাহিনী সরাসরি কোনো উত্তর দেয়নি।
গত বছর থেকে গাজায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে হামলা শুরু করে ইসরাইল। তখন থেকেই গাজায় ক্রমশ আইনশৃংখলার অবনতি ঘটতে থাকে। জানুয়ারিতে এক হামলায় ওই অঞ্চলের পুলিশ প্রধান ও তার ডেপুটি নিহত হন। ইসরাইলের এমন আচরণে বৃহস্পতিবার গাজার সব জায়গা আইন শৃংখলা ভেঙে পড়ে। মানুষ খাদ্যের জন্য পাগলের মতো আচরণ করতে থাকেন। রাফার কাছে জিএইচএফের ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রে গিয়েছিলেন এমন একজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেছেন, ভোর থেকেই সেখানে ত্রাণের আশায় জমায়েত হন হাজার হাজার মানুষ। তারা ত্রাণ পাওয়ার জন্য ওই কেন্দ্রের গেট দিয়ে প্রবেশ করার চেষ্টা করেন। এতে গেট ভেঙে যায়। স্থানীয় সময় সকাল আটটায় ইসরাইলি সেনারা ড্রোন ব্যবহার করে এসব মানুষকে সতর্ক করে। ঠিক ১০ মিনিটে সব ঠিক হয়ে আসে। কিন্তু আবারও মানুষের ঢল নামে গেটে। তারা ভিতরে প্রবেশ করে ত্রাণভর্তি বাক্স, আটার বস্তা নিয়ে যেতে থাকে।
জিএইচএফের ওই কেন্দ্র থেকে ধারণ করা ফুটেজে দেখা গেছে বৃহস্পতিবার ভোর থেকেই হাজার হাজার ফিলিস্তিনি ছুটে যাচ্ছেন সেখানে। কেউ ঘোড়ায় চালিত গাড়ি নিয়ে ছুটেছেন। কেউ বাইসাইকেলে। তাদেরকে আটা, ময়দা, ত্রাণ নিয়ে ছুটে যেতে দেখা যায়। কেউ বা মাথায় নিয়ে ছুটছিলেন।
‘গাজার সংকট নিরসনে পদক্ষেপ না নিলে ইসরাইলিদের নিষেধাজ্ঞা দেবে ফ্রান্স’
গাজার মানবিক সংকট নিরসনে ইসরাইল পদক্ষেপ না নিলে দেশটির নগারিকদের ওপর নিষেধাজ্ঞার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রন। শুক্রবার সিঙ্গাপুর সফরকালে এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। বলেছেন, তেল আবিবের সরকার গাজার মানবিক সংকট নিরসনে সাড়া না দিলে ইসরাইলিদের বিরুদ্ধে ‘নিষেধাজ্ঞা’ আসতে পারে। এমন এক সময় ফরাসি প্রেসিডেন্টের হুঁশিয়ারি আসলো যখন ইসরাইলের তিন মাসব্যাপী অবরোধে প্রবল ক্ষুধার সম্মুখীন হচ্ছে গাজাবাসী। দুর্ভিক্ষের সতর্কবার্তা দিয়েছে মানবাধিকার সংস্থাগুলো। এ খবর দিয়ে অনলাইন আল জাজিরা বলছে, ফরাসি প্রেসিডেন্টের এমন মন্তব্যে ইসরাইলের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ বাড়িয়েছে। ম্যাক্রন বলেছেন, ক্রমবর্ধমান ক্ষুধায় দুর্ভিক্ষের মুখোমুখি হচ্ছে গাজাবাসী। এমন পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় নিষ্ক্রিয় থাকতে পারে না।
সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী লরেন্স ওংয়ের সঙ্গে এক যৌথ সেমিনারে এসব মন্তব্য করেছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট। বলেছেন, মানবিক সাহায্য বন্ধ করে দিয়ে গাজাবাসীর যে পরিণতি করা হয়েছে তা অসহনীয়। তিনি আরও বলেন, মানবিক পরিস্থিতির সঙ্গে সামাঞ্জস্য রেখে আগামী দিনগুলোতে যদি কোনো প্রতিক্রিয়া না পাওয়া যায় তাহলে আমাদের সম্মিলিত অবস্থান আরও কঠোর হবে। ফ্রান্সে ইসরাইলি নাগরিকদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা বিবেচনা করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক চাপের কাছে নতি স্বীকার করছে ইসরাইল। সম্প্রতি তারা এ বিষয়টি স্বীকার করে গাজায় ন্যূনতম খাদ্য ও ওষুধ সরবারের অনুমতি দিয়েছে। তবে এরমধ্যেও তাদের হামলা অব্যাহত রয়েছে।
গাজায় ইসরাইল সমর্থিত মার্কিন যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব প্রত্যাখান করেছে হামাস
গাজায় নতুন যুদ্ধবিরতি ও জিম্মি মুক্তি চুক্তির জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ প্রস্তাব প্রত্যাখান করেছে হামাস। স্বাধীনতাকামী সংগঠনটির এক জৈষ্ঠ কর্মকর্তা বিবিসিকে এ তথ্য জানান। বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসের তরফে জানানো হয়, মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের পরিকল্পনায় স্বাক্ষর করেছে ইসরাইল এবং এ বিষয়ে হামাসের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় রয়েছে তারা। এদিকে ইসরাইলি গণমাধ্যম জানিয়েছে, ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি ও ইসরাইলি কারাগারে আটক ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তির বিনিময়ে দুটি পর্যায়ে ১০ জন জীবিত ও ১৮ জিম্মির লাশ হস্তান্তর করবে হামাস। তবে হামাস কর্মকর্তা জানান, প্রস্তাবটি যুদ্ধের অবসানসহ মূল দাবিগুলো পূরণ করেনি। ইসরাইল সরকার অবশ্য হামাসের বক্তব্য নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।
বৃহস্পতিবার ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জিম্মিদের পরিবারকে জানান, তিনি উইটকফের পরিকল্পনা মেনে নিয়েছেন। বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটন ডিসিতে এক সংবাদ সম্মেলনে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিভিটকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি, বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হামাসের কাছে একটি যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব জমা দিয়েছেন। যা ইসরাইল সমর্থন করেছে। হামাসের কাছে পাঠানোর আগে ইসরাইল ওই প্রস্তাবে স্বাক্ষর করেছে। আমি নিশ্চিত, এই আলোচনা অব্যাহত আছে এবং আমরা আশা করি গাজায় একটি যুদ্ধবিরতি হবে। যাতে আমরা সব জিম্মিকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনতে পারি।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মেয়েকে ওঝার কাছে বিক্রি, এক নারীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
বিশেষ করে মি. ভ্যান ও মিসেস স্মিথকে তিরস্কার করেন। তিনি বলেন, তারা তাদের কৃতকর্মের জন্য মোটেও অনুতপ্ত নয়। তাদের শাস্তি কম করার কোনো উপায় তারা রাখেনি। এছাড়া তাদের কর্মকাণ্ডে সালদানহার বাসিন্দাদের ওপর যে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে সে বিষয়েও বলেন ওই বিচারক। স্থানীয় জনগণ যাতে রায় শুনতে পারেন এ জন্য সালদানহার একটি ক্রীড়াকেন্দ্রে বিচারের রায় দেয়া হয়। ওই সময় স্মিথ বা তার সহযোগিরা কোনো প্রকার প্রতিক্রিয়া দেখায়নি। তবে জশলিন স্মিথের মর্মান্তিক ঘটনায় কান্নায় ভেঙে পড়েন সেখানে উপস্থিত সবাই। ওয়েস্টার্ন কেপ পুলিশ কমিশনার থেম্বিসাইল পাতেকিলে বলেন, শিশুটিকে অনুসন্ধানের অভিযান অব্যাহত থাকবে। প্রয়োজন হলে দেশের বাইরেও অনুসন্ধান চালানো হবে। যতক্ষণ না তাকে পাওয়া যাবে ততক্ষণ আমরা অভিযান অব্যাহত রাখবো। আমরা দিন-রাত পরিশ্রম করছি।
এদিকে মেয়ের কাছে পুনরায় নাতনির সন্ধান চান জশলিনের নানি আমান্দা স্মিথ-ড্যানিয়েলস। তিনি বলেন, হয় তাকে ফিরিয়ে দাও নাহলে বলো সে কোথায় আছে। তিনি আরও বলেন, তাদেরকে যেই সাজায় দেওয়া হোক না কেন, তা তার নাতনিকে ফিরিয়ে আনতে পারবে না। ড্যানিয়েলস বলেন, জশলিন নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে তার পরিবারটি ভেঙে পড়েছে। এ সময় মেয়ের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, অন্যকে দোষারোপ করা বন্ধ করো। যা করার তুমিই করেছো। রায় দেয়ার সময় কমপক্ষে ৩০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। র্যাকেল স্মিথ ও তার সহযোগিরা অবশ্য তাদের পক্ষে কোনো সাক্ষীকে ডাকতে অস্বীকৃতি জানায়। সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দেন, র্যাকেলের বন্ধু ও প্রতিবেশী লরেন্টিয়া লম্বার্ড। তিনি অভিযোগ করেন, র্যাকেল তাকে বলেছিলেন, আমি একটি বোকামি করেছি, জশলিনকে বিক্রি করে দিয়েছি। লম্বার্ড বলেন, জশলিনকে যার কাছে বিক্রি করা হয়েছে, সে তার চোখ ও চামড়ার জন্য তাকে ক্রয় করে। একজন স্থানীয় পাদ্রি সাক্ষ্য দেন যে, তিনি ২০২৩ সালে তিন সন্তানের জনক র্যাকেলকে তার সন্তানদের বিক্রির বিষয়ে বলতে শোনেন। প্রত্যেকের মূল্য হাকান ১ হাজার ১০০ ডলার। জশলিনের শিক্ষক অভিযোগ করেন, র্যাকেল একবার বলেছিলো, জশলিন একটি কন্টেইনারে আছে। আমরা জাহাজে করে পশ্চিম আফ্রিকায় যাচ্ছি।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1403)
- ▼ 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...

