Thursday, March 17, 2011

আর্সেনালের কাছে বার্সেলোনার হার

চ্যাম্পিয়নস লিগের গত মৌসুমে বার্সেলোনার কাছে হেরেই কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল আর্সেনালকে। এবারের মৌসুমে তার জবাবটা বেশ ভালোমতোই দিল গানাররা। প্রথমে পিছিয়ে পড়লেও দুর্দান্ত ফর্মে থাকা বার্সেলোনাকে শেষ পর্যন্ত তারা হারিয়েছে ২-১ গোলে।
মৌসুমটা খুব একটা ভালোভাবে শুরু করতে পারেনি আর্সেনাল। প্রিমিয়ার লিগে অনেকখানি পিছিয়ে ছিল শিরোপার দৌড়ে। কিন্তু মাঝপর্যায়ে এসে তারা বেশ ভালোভাবেই ঘুরে দাঁড়িয়েছে। এখন ২৬ ম্যাচ পরে শীর্ষে থাকা ম্যান ইউয়ের সঙ্গে তাদের পয়েন্ট ব্যবধান মাত্র ৪। আর গতকাল চ্যাম্পিয়নস লিগের নকআউট পর্বের লড়াইটাও বেশ ভালোমতোই শুরু করল গানাররা। অন্যদিকে স্প্যানিশ লিগে টানা ১৬ জয়ের রেকর্ড গড়া বার্সেলোনার জয়যাত্রা থামিয়েছিল স্পোর্টিং গিজন। আর তারপরই ইউরোপ-সেরার লড়াইয়ে আর্সেনালের কাছে শুরুতেই হেরে গিয়ে কিছুটা চাপের মধ্যেই পড়ে গেল কাতালানরা।
প্রথমার্ধের ২৬ মিনিটের মাথায় বার্সেলোনাকে এগিয়ে দিয়েছিলেন ডেভিড ভিয়া। সেই গোলটাই খেলার ফলাফল নির্ধারণী গোল হিসেবে বজায় ছিল অনেকটা সময়। ৭৮ মিনিটে রবিন ভন পার্সি খেলায় সমতা ফেরান। আর সাত মিনিট পরেই অধিনায়ক সেস ফ্যাব্রিগাসের পাস থেকে আর্সেনালকে জয় উদযাপনের সুযোগ করে দেন মিডফিল্ডার আন্দ্রে আরশাভিন।
অসাধারণ এ জয়ের পরেও অবশ্য খুব বেশি আত্মতুষ্টিতে ভুগতে চাচ্ছেন না গানার অধিনায়ক সেস ফ্যাব্রিগাস। তিনি এ জয়টাকে দেখছেন শুধুই হাফটাইমে এগিয়ে থাকা হিসেবে। কারণ, শেষ আটের টিকিট পেতে হলে ৮ মার্চ দ্বিতীয় লেগে তাদেরকে আবার দাড়াতে হবে বার্সেলোনার মুখোমুখি। আর এবারের লড়াইটা হবে ন্যু ক্যাম্পে। বার্সার মাঠে। আর নিজেদের মাটিতে কাতালানরা যে বরাবরই ভয়ংকর, সেটা তো খুব ভালোমতোই জানা আছে ফ্যাব্রিগাসের। তিনি বলেছেন, ‘আমার দৃষ্টিতে বার্সেলোনা এ মুহূর্তের সবচেয়ে ভালো দল। আমরা খুবই দারুণ একটা জয় পেয়েছি। কিন্তু এতে খুব বেশি আনন্দে ডোবার কিছু নাই। আমরা এখানে জিতলাম, কিন্তু দ্বিতীয় লেগে ন্যু ক্যাম্পে যদি জিততে না পারি, তাহলে এর কোনো মূল্যই থাকবে না।’

এক দিন পর আবার ঊর্ধ্বমুখী পুঁজিবাজার

রোববার দরপতনের পর গতকাল সোমবার আবার দেশের পুঁজিবাজার ঊর্ধ্বমুখী হয়। এদিন দুই স্টক এক্সচেঞ্জে বেশির ভাগ শেয়ারের দাম বাড়ায় মূল্যসূচকও বাড়ে। তবে লেনদেন কিছুটা কমে।
বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, পাঁচ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের অনিশ্চয়তার একটি সংবাদ গতকাল বাজারে বিরূপ প্রভাব ফেলেছিল। তবে ওই তহবিল গঠনে অনিশ্চয়তা নেই বলে আইসিবির পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আশার সঞ্চার করে। এর প্রভাবে বাজার ঊর্ধ্বমুখী হয়।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল দিন শেষে সূচক ২৭৮ দশমিক ৪৬ পয়েন্ট বেড়ে ছয় হাজার ৪৫৮ পয়েন্টে দাঁড়ায়। ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৫৪টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২৩৯টির দাম বাড়ে, কমে ১২টির এবং অপরিবর্তিত থাকে একটি প্রতিষ্ঠানের দাম।
ডিএসইতে গতকাল এক হাজার ৫৯ কোটি টাকার লেনদেন হয় যা রোববারের চেয়ে ২০৭ কোটি টাকা বেশি। রোববার ডিএসইতে এক হাজার ২৬৬ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়।
অন্যদিকে গতকাল চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক ৭৯৩ দশমিক ১৯ পয়েন্ট বেড়ে ১৮ হাজার ১৯০ দশমিক শূন্য ৩৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। মোট ১৮৮টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে বেড়েছে ১৭৩টির এবং কমেছে ১৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে দুটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। সিএসইতে গতকাল মোট ১১৬ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে।