Thursday, September 10, 2020
স্মৃতির অতলে ঢাকার ‘টাকার হাট’ by শফিক রহমান
ঢাকার প্রাণকেন্দ্র গুলিস্তানের কাপ্তানবাজার মোড় থেকে সদরঘাটমুখী নাবাবপুর সড়ক ধরে দুই পাশের ইলেক্ট্রিক ও ইলেক্ট্রনিক্স পণ্যসহ বিভিন্ন যন্ত্র ও যন্ত্রাংশ বিক্রির দোকানগুলো পেছনে ফেলে সামনে এগুলেই ২০৫নং এবং ২০৬নং হোল্ডিংয়ের মাঝ দিয়ে পশ্চিম দিকে চলে গেছে সরু একটি লেন। বসত-বাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠা এবং ছোট ছোট দোকানে ঠাসা লেনটি ভেতরে একটু ঘুরে আবার নবাবপুর সড়েকে এসে শেষ হয়েছে। ছোট এই লেনটিই সবার কাছে আজ ‘টেকের হাট লেন’ হিসেবে পরিচিত। দোকানগুলোর সাইনবোর্ডেও লেখা তাই।
লেন ধরে একটু এগুলেই ২৪নং টেকের হাট লেন। দোতলা এই স্থাপনাটির কার্নিশে এখনও ঝুলছে নকশা ও কারুকার্য খচিত কাঠের কাজ। যার অধিকাংশ ভেঙ্গে পড়েছে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে। ভবনটির দেয়াল ঘেষে ডান দিকের পথ ধরে এগুলে মোঘল স্থাপনা রীতিতে নির্মিত আরও কয়েকটি ছোট ছোট ঘর। যেগুলোর দেয়ালের চুন-সুরকির পলেস্তারা খসে পরে বেড়িয়ে গেছে পাতলা ইটের গাঁথুনি। ভেঙ্গে পড়েছে কার্নিশগুলোও।
বলা হচ্ছে এই স্থাপনাগুলো ঘিরেই ছিল ঢাকার ঐতিহাসিক ‘টাকার হাট’। স্থানীয়দের মুখে মুখেও রটে বেড়াচ্ছে মুদ্রা বেচা-কেনার ইতিহাস ও গল্প। তবে এর স্বপক্ষে জোর যুক্তি তুলেন আরবান স্টাডি গ্রুপের (ইউএসজি) প্রধান নির্বাহী স্থপতি তাইমুর ইসলাম। গত দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে পুরান ঢাকার ইতিহাস ঐতিহ্য সংরক্ষণ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থাকা এ স্থপতি সাউথ এশিয়ান মনিটরকে বলেন, ‘ফিজিক্যাল এভিডেন্স যা পাওয়া যায় তার ভিত্তিতে বলা যায় এখানে মুদ্রা বিনিময়ের একটি কেন্দ্র ছিল।’
তিনি বলেন, ঢাকার মোঘলরা যখন চলে গেলেন, বিশেষ করে এখান থেকে ক্যাপিটাল শিফট করে মুর্শিদাবাদের নেয়া হলো। তার পরও প্রায় ৫০ বছর ধরে ঢাকায় একটি ভাইব্রেন্ট ইকোনমিক একটিভিটিস ছিল। ওই সময়ে ঢাকায় ৭ ধরনের মুদ্রা ব্যবহারের কথা জানা যায়। সেগুলো বিনিময় হতো কোথায়? খুব সম্ভবত এই টাকার হাটে।
এদিকে তাইমুর ইসলামের বক্তব্যের পক্ষে প্রামাণ পাওয়া যায় এশিয়াটিক সোসাইটি অব বাংলাদেশ আয়োজিত একটি সেমিনারের কার্যবিবরণীতে। ১৯৯৩ সালের ১৭ এপ্রিল অনুষ্ঠিত ‘আর্কিটেকচারাল কনজারভেশন’ শীর্ষক এক সেমিনারের ওই কার্যবিবরণীতে মীর মোবাশ্বের আলীসহ ফারুক এ ইউ খান, শাহেদা রহমান ইমাম, মহিবুল আরেফিন খান এবং এম শহীদুল আমীনের ‘Early 20th century mansions of Dhaka city: Contextual concepts’ শিরোনামের একটি লেখায় উল্লেখ করা হয়, ওই সময় প্রত্যেক অঞ্চলের নিজস্ব মুদ্রা ছিল। ১৭৮৭ সালের দিকে বিশেষ করে ঢাকাতে ৭ ধরনের মুদ্রার প্রচলন ছিল।
যাকে মূলত ‘কারেন্সি ক্যাওয়াস’ হিসেবেই উল্লেখ করেন মীর মোবাশ্বের আলীসহ তাঁর সহলেখকরা।
তাঁরা আরও জানান, প্রত্যেকটি মুদ্রার নিজস্ব মূল্য ছিল এবং সেগুলোর একটির সঙ্গে আরেকটির বিনিময় প্রক্রিয়ায় কতগুলো নিয়ম মানা হতো।
এদিকে টাকার হাটের উপস্থিতি প্রমাণের জন্য ১৯১০ সাল থেকে ১৯১৭ সালের মধ্যে প্রকাশিত ঢাকার সিএস (ক্যাডাস্ট্রাল সার্ভে-১৮৮৫ সালের বঙ্গীয় প্রজাতন্ত্র আইনানুসারে সিলেট ও পার্বত্য জেলা বাদে সারা দেশে পরিচালিত জরিপ) ম্যাপের প্রসঙ্গ হাজির করেন স্থপতি তাইমুর ইসলাম। তিনি বলেন, এখন পুরো এলাকাটি নানা ধরনের স্থাপনায় ভরে গেলেও সিএস ম্যাপে ওই স্থাপনাটিকে কেন্দ্র করে প্রায় এক একর সম পরিমান আয়তাকার একটি ফাঁকা জায়গা দেখা যাচ্ছে। তাতেও অনুমান করা যায় এলাকাটি জুড়ে ওই ধরনের একটি কর্মকাণ্ড ছিল।
এদিকে বৃটিশ আমলে ‘নবাবপুর’ নাম নেয়া এলাকাটির পূর্বনাম ছিল ওমরাও পাড়া। তারও আগে এর নাম ছিল পুরানা মোঘলটুলি। ইতিহাস অনুসন্ধানে জানা যাচ্ছে, এই এলাকারই আরেকটি অংশে ছিল ‘মহাজনপুর’। বলা হয়, মোঘল আমলের শেষদিকে এবং ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি আমলে ঋণ প্রদান আর বন্ধকী ব্যবসা এবং সোনা-রুপা টাকায় পরিবর্তনের কাজ কারবার হতো টাকার হাট এলাকায়। আর মহাজনপুরে ছিল ওইসব ব্যবসায় অর্থ বিনিয়োগকারী তথা মহাজনদের বাসস্থান।
তাইমুর ইসলাম বলেন, অবহেলা এবং সংরক্ষণের উদ্যোগের অভাবে ইতোমধ্যে অনেক কিছু ধ্বংস গেছে। অনেক ঐতিহাসিক নিদর্শন আমরা হারিয়ে ফেলেছি। এখন সবার আগে দরকার সংরক্ষণ এবং পাশাপাশি গবেষণা। কারণ, বইয়ের পাতায় কিংবা গবেষণা পত্রে মানুষ যেই জিনিসটি জানতে পারবে সেটা যখন বাস্তবে এসে দেখতে পারবে তখনই ইতিহাস-ঐতিহ্যের সঙ্গে মিল হবে বাস্তবের।
তিনি আরও বলেন, আরবান স্টাডি গ্রুপের করা এক রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে হাই কোর্ট ২০১৮ সালে পুরান ঢাকার ২২০০ ঐতিহ্যবাহী ভবন ও স্থাপনার ধ্বংস, পরিবর্তন ও পরিবর্ধনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন। রায়ে অবিলম্বে এই ভবনগুলোকে এসেসমেন্ট করে তালিভুক্ত করতে কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে এবং প্রতি তিন মাস পর পর অগ্রগতি প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে বলা হয়েছে। টাকার হাটের স্থাপনাগুলোও ওই তালিকাভুক্ত। কিন্তু আদালতের ওই আদেশ বাস্তবায়নের কোন উদ্যেগ আমরা দেখছি না। সেটা যেমন আদালতের রায়ের বরখেলাপ তেমনি রায়কে অমান্য করেই ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে অনেক ভবন। ধ্বংস করা হচ্ছে ঐতিহাসিক নিদর্শন সমূহ।
![]() |
| এমনি গলি ও ভবনের আড়ালে হারিয়ে গেছে পুরনো ঢাকার ‘টাকার হাট’। টেকের হাট লেনে’র ২৪ নং স্থাপনার একটি অংশ, ছবি: দিপংকর হালদার |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
'ব্রেস্টফিডিং বিষয়ে চারটি বিষয় যদি আগে জানতাম'
![]() |
| বুকের দুধ খাওয়ানো খুব সহজ এমনটা ভাবার কারণ নেই |
![]() |
| রাতের পর রাত একলা জেগে থাকা |
![]() |
| সব সময় নিজেকে দোষী মনে করা |
![]() |
| প্রায় প্রতিটা শিশুর জন্য প্যাকেট-জাত খাবার রয়েছে, আপনি টাকা দিয়ে কিনবেন বিনিময়ে কিছু সময়ের জন্য অব্যাহতি পাবেন। |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মাতৃত্বকালীন ছুটি শেষে কেন উদ্বেগে থাকেন বাংলাদেশের কর্মজীবী মায়েরা by সানজানা চৌধুরী
যখন অফিস শুরু করবেন তখন তার সন্তানকে কার কাছে রেখে যাবেন-এমন আরও নানা বিষয় নিয়ে উদ্বিগ্নতায় ভোগেন এই মায়েরা।
তেমনই একজন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা সাইদা হক।
তার মাতৃত্বকালীন ছুটি শুরু হয়েছে সন্তান জন্ম দেয়ার কয়েকদিন আগে থেকেই।
কিন্তু এখন থেকেই তিনি দুশ্চিন্তা করছেন যে এই ছুটি শেষ হওয়ার পর তার সন্তানের দেখভাল কিভাবে হবে।
মাতৃত্বকালীন ছুটি পর্যাপ্ত না থাকা সেইসঙ্গে সন্তানকে কার কাছে রেখে যাবেন সেটাই যেন এখন তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
![]() |
| যখন অফিস শুরু করবেন তখন তার সন্তানকে কার কাছে রেখে যাবেন-এমন আরও নানা বিষয় নিয়ে উদ্বিগ্নতায় ভোগেন কর্মজীবী মায়েরা |
"সবাই ডে কেয়ার সেন্টারের কথা বলছে, কেউ বলছে গভর্নেস রাখতে। কিন্তু কোনটাতেই ভরসা পাচ্ছিনা। আবার চাকরিও ছাড়া সম্ভব না। কিন্তু কোন না কোনভাবে ম্যানেজ তো করতেই হবে।"
একই ধরণের দুশ্চিন্তার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছিল ঢাকার একটি বেসরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তা নাদিয়া নদীকে।
স্বামীর পরিবার বা কর্মস্থল থেকে প্রয়োজনীয় সাপোর্টের অভাব সেইসঙ্গে পর্যাপ্ত ডে কেয়ার সেন্টার না থাকা, এছাড়া যে কয়েকটি ডে কেয়ার সেন্টার রয়েছে, সেগুলোর সময়সূচী, কর্মস্থলের সময়সূচীর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হওয়ায় মাতৃত্বকালীন ছুটি শেষ হতেই সন্তানের দেখাশোনা করতে রীতিমত হিমশিম খেতে হয় তাকে।
এমন অবস্থায় দ্বিতীয় সন্তানের পরিকল্পনা থাকলেও সেটা নিয়ে এখন যেন তিনি ভাবতেই পারছেন না।
"ম্যাটারনাল লিভ শেষ হওয়ার পর কষ্টটা বাচ্চাটার যেমন, তেমনি মায়েরও। বাচ্চাকে আমার শ্বশুড় শাশুড়ির কাছে যে রেখে যাব, সেই সুযোগ আমার ছিল না।। আর আজকাল যা দেখছি, বিশ্বস্ত মানুষ পাওয়া ভীষণ কঠিন। "
"আবার চাইলেই আপনাকে অফিস ছুটি দেবে না। একজন ওয়ার্কিং মাদার কখনোই ওভাবে কো অপারেশন পায়না।"
বাংলাদেশে সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য মাতৃত্বকালীন ছুটি ছয় মাস নির্ধারিত থাকলেও বাংলাদেশ শ্রম আইনানুযায়ী বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে মাতৃত্বকালীন ছুটি কেবল ১৬ সপ্তাহ, অর্থাৎ চার মাসেরও কম সময়।
তবে এই সব প্রতিষ্ঠানের নারীদের মাতৃত্বকালীন ছুটি শেষে কর্মক্ষেত্রে চিন্তাহীনভাবে যোগ দেয়া রীতিমত অসম্ভব হয়ে পড়ে।
![]() |
| মাতৃত্বকালীন ছুটি শেষ হওয়ার পর সন্তানকে কার কাছে রেখে যাবেন সেটাই এখন মায়েদের বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। |
তিনি বলেন, "ম্যাটারনিটি লিভ শেষ হওয়ার পরে মায়েরা যেন নিশ্চিন্তে কর্মস্থলে ফিরতে পারে সেজন্য সরকার দেশব্যাপী ডে কেয়ার সেন্টার স্থাপন করছে সেইসঙ্গে কেউ যদি ব্যক্তিগত পর্যায়ে ডে কেয়ার সেন্টার স্থাপনের উদ্যোগ নেয়, তাদের উৎসাহিত করতে সরকার শিগগিরই একটি আইন প্রণয়ন করতে যাচ্ছে।"
সেই আইনে প্রাথমিকভাবে বলা হয়েছে যে, কেউ যদি ব্যক্তিগত উদ্যোগে অথবা ব্যবসায়িক স্বার্থে ডে কেয়ার সেন্টার চালু করতে চান তাহলে সরকার তার সহজ অনুমোদন দেবে।
মিস্টার খায়ের বলেন, বাংলাদেশে প্রায় একশটি ডে কেয়ার সেন্টার রয়েছে। এরমধ্যে ঢাকা শহরে রয়েছে ৬০টির মতো।
![]() |
| মিসেস নাদিয়া নদীর মতে, "ওয়ার্কিং মাদার কখনোই ওভাবে কো অপারেশন পায়না।" |
তবে সব প্রতিকূলতা সামাল দিয়ে সদ্য মায়েদের ক্যারিয়ার নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার নজিরও কম নেই।
তবে সেজন্য অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয় বলে জানান নাদিয়া নদী।
"আমি আমার বাচ্চাকে মা আর বোনের কাছে রেখে যেতাম। তারা আবার দুজনই চাকরি করতো। সময়টা এমনভাবে ঠিক করেছিলাম যেন বাই রোটেশনে কেউ না কেউ তার সাথে থাকে। তারপর একটা ডে কেয়ার সেন্টার খুঁজে বের করি। এজন্য খরচ অনেক বেড়ে গেলেও কিছু করার ছিলনা।"
মাতৃত্বকালীন ছুটির পর শিশুর দেখভালের বিষয়টিকে যদি অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও, সরকারি বেসরকারি পর্যায়ে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হতো, তাহলে মায়েদের এমন মানসিক চাপ অনেকটাই কমে যেতো বলে জানান মিসেস নদী।
![]() |
| সব প্রতিকূলতা সামাল দিয়ে সদ্য মায়েদের ক্যারিয়ার নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার নজিরও কম নেই। |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1330)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ▼ 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...








