Monday, January 1, 2018
জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে পুরো রাখাইন- উপগ্রহ তথ্য থেকে রয়টার্সের গ্রাফিক্স
![]() |
লাল রং চিহ্নিত স্থানগুলো পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে
|
গেল ২৫ শে আগস্ট থেকে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা মুসলিম জনগোষ্ঠীর ওপর নির্মম অভিযান শুরু করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। নিপীড়নের মুখে প্রাণ বাঁচাতে গেল চার মাসে ভিটেমাটি ছেড়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে আনুমানিক ৬ লাখ ৫৫ হাজার রোহিঙ্গা।
প্রাণে বেচে আসা সবার মুখেই বর্মী বাহিনীর হত্যাযজ্ঞ, ধর্ষণ আর অগ্নিসংযোগের একই বর্ণনা শোনা গেছে। এর আগে নিউ ইয়র্ক ভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বিভিন্ন সময়ে উপগ্রহ চিত্র প্রকাশ করে জানিয়েছে, রোহিঙ্গাদের গ্রামগুলো পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে।
রাখাইনের বিভিন্ন এলাকার ওপর থেকে নেয়া ওই উপগ্রহ চিত্রগুলোতে স্পষ্ট দেখা যায় যে, গ্রামগুলো ভস্মীভূত করে দেয়া হয়েছে।
এবারে, ইউনোস্যাটের উপগ্রহ তথ্য-উপাত্ত পুরো রাখাইনের ম্যাপে পুড়িয়ে দেয়া গ্রামগুলোকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এতে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে, কত বিস্তৃত এলাকায় নির্মূল অভিযান চালিয়েছে বর্মী সেনারা। জাতিসংঘের শীর্ষ কর্মকর্তারা বার বার মিয়ানমারের এ বর্বর অভিযানকে আখ্যা দিয়েছে জাতিগত নিধনযজ্ঞ হিসেবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তেলের দাম বাড়ালো সৌদি সরকার
২০১৮ সালের শুরুতেই সৌদি আরবে আরো এক ধাপ বাড়নো হলো জ্বালানি তেলের দাম। রাজস্ব সংকটের কারণে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সৌদি সরকার। আর্থিক প্রতিষ্ঠান ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জ্বালানি খাতে ভর্তুকি হ্রাস ও অর্থনীতি শক্তিশালী করতে এ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। অভ্যন্তরীণ বাজারে পেট্রল ও জেট ফুয়েলের দাম বাড়াবে সৌদি আরব।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সৌদি আরবে পেট্রলের দাম প্রায় ৮০ শতাংশ বাড়ানো হবে। পাশাপাশি জেট ফুয়েলের দাম বাড়িয়ে আন্তর্জাতিক দামের সমপরিমাণ করা হবে। অন্যান্য ধরনের জ্বালানি ও বিদ্যুতের শুল্কও ধাপে ধাপে বাড়ানো হবে।
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমার কারণে কয়েক বছর ধরেই রাজস্ব সংকটসহ অর্থনৈতিক মন্দা চলছে সৌদি আরবে। তাই এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে সরকারের কোনো ভাষ্য পাওয়া যায়নি।
সৌদি আরবের রাজস্ব আয়ের ৯০ শতাংশই আসে জ্বালানি তেল রপ্তানি থেকে। দাম ক্রমান্বয়ে ৫০ ডলারেরও নিচে নেমে যাওয়ায় দেশটির রাজস্ব আয়ে ধস নামে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কেনিয়ার আকাশে ফেঁসে গেল গুগল বেলুন!
জেইন নিয়াকারুমা নামের এক কেনীয় কর্মকর্তার মতে, বেলুনটি ৬ মাসের জন্য পরীক্ষামূলকভাবে ওড়ানো হয়েছিল। মেয়াদ শেষ হয়েছে বলেই এটি মাটিতে থুবড়ে পড়েছে।
এর কলকব্জা ভালো করে দেখবার জন্য থুবড়ে পড়া বেলুনটির খুব কাছে যারা গিয়েছেন, তাদের কেউ কেউ প্রচণ্ড মাথাব্যথার শিকার হবার কথা জানিয়েছেন।
২০১৭ সালে বেলুনগুলো ওড়ানোর আগে গুগল বলেছিল আকাশের খুব উঁচু দিয়ে উড়তে সক্ষম বেলুনের সাহায্যে বিশ্বের সবচেয়ে প্রত্যন্ত আর দুর্গম এলাকাগুলোতেও তারা উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধা ছড়িয়ে দিতে চায়।
গুগল প্রজেক্ট লুন-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গবেষকরা জানিয়েছেন, তাদের হাতে এমনসব যন্ত্র বা বেলুন আছে যেগুলো উড়ন্ত অবস্থায় অনেক উঁচু থেকে কোনো একটি নির্দিষ্ট এলাকার আবহাওয়া কেমন হবে না হবে, তা নিখুঁতভাবে বলে দিতে পারবে। উচ্চাভিলাষী এই লুন প্রজেক্টের আওতায় গুগল যেসব বেলুন আকাশে উড়িয়েছে সেগুলো আকারে খুব একটা বড় নয়। এগুলো মাটি থেকে প্রায় ১১ মাইল ওপর দিয়ে ওড়ে। এগুলোর গতিপথ নিয়ন্ত্রণ করা বা বদলানো যায়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রশ্নফাঁস ও নকলকে ‘না’ শিক্ষার্থীদের
পরে সচিব সোহরাব হোসাইন, সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে অসাধু পন্থা থেকে তাদের দূরে রাখতে অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানান।
সচিব বলেন, নকল বা ফাঁসকৃত প্রশ্ন দিয়ে আপনার সন্তানেরা হয়তো রেজাল্ট ভাল করবেন, কিন্তু পরবর্তী জীবনে কিছুই করতে পারবে না। একটি মহল প্রশ্ন ফাঁস দিয়ে আমাদের মেধাবী ছেলে-মেয়েদের ভবিষ্যতকে গলা টিপে খুন করছে।
এসময় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শুধু জ্ঞান বা প্রযুক্তি দিয়েই নয়- সততা, নৈতিক শিক্ষা সর্বোপরি একজন ভাল মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে আগামী প্রজন্মকে। আর সে দায়িত্ব মনযোগ দিয়ে পালন করতে হবে শিক্ষকদের।
শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন, প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের কথা মাথায় রেখে ব্রেইল পদ্ধতিতে এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জন্য তাদের ভাষায়ও পাঠ্যবই প্রণয়ন ও মুদ্রণ করা হয়েছে। বিগত দিনের ভুল ভ্রান্তি সংশোধন করা হচ্ছে। পাঠ্যবই আধুনিকীকরণ করা হচ্ছে। এরপর শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দেন শিক্ষামন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, নতুন বই হাতে পেয়ে খুশি শিক্ষার্থীরাও। তবে পাঠ্যবইয়ে ভুল দেখতে চায় না তারা। এবছর বিভিন্ন স্তরের ৪ কোটি ৩৭ লাখ ৬ হাজার ৮৯৫ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৩৫ কোটি ৪২ লাখ ৯০ হাজার ১৬২ কপি বই বিতরণ করা হবে।
রাজধানীর কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠানের পাশাপাশি দেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে স্তরের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ উৎসব পালিত হয়।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গতবারের চেয়ে এবার ১০ লাখ ৭০ হাজার ৯৬৬ জন শিক্ষার্থী বেড়েছে ফলে এবার ৭১ লাখ ৯৩ হাজার ৩৬৯টি বই বেশি ছাপানো হয়েছে।
এবারই প্রথমবারের মতো প্রাথমিক স্তরের পাঁচটি ভিন্নজাতি গোষ্ঠী চাকমা, মারমা, গারো, সাঁওতাল ও ত্রিপুরার শিক্ষার্থীদের জন্য মাতৃভাষায় বই ছাপানো হয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ব্রিটেনের রানির সম্মাননা পেলেন বাংলাদেশের পপি
অফিসার অব দ্য অর্ডার অব দ্য ব্রিটিশ অ্যাম্পায়ার (ওবিই) খেতাবপ্রাপ্ত পপি মেন্টাল হেলথ ফাস্ট এইড ইংল্যান্ডের চিফ এক্সিকিউটিভ। লন্ডনভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠানটি দেশব্যাপী মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা গড়ে তুলতে বিভিন্ন ধরনের প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে থাকে এবং প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। গত আট বছর ধরে এ প্রতিষ্ঠানে রয়েছেন সুলতানা পপি জামান।
২০০৩-০৪ সাল পর্যন্ত পপি পোর্টসমাউথ প্রাইমারি কেয়ার ট্রাস্টে কর্মরত ছিলেন তিনি। ২০০৭ সালে তাকে ইংল্যান্ড জুড়ে মেন্টাল হেলথ ট্রেনিং উন্নয়নের জন্য দায়িত্ব দেয়া হয়। মেন্টাল হেলথ ফার্স্ট এইড ট্রেনিংয়ের জনপ্রিয়তার কারণে অলাভজনক এ প্রতিষ্ঠানটিকে সোশ্যাল এন্টারপ্রাইজ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন পপি জামান।
বিগত বছর নিজ নিজ খাতে অবদানের জন্য নতুন বছরের প্রথম দিন এই পুরস্কার দেয়া হয়। মূলত নতুন বছর উদযাপনের অংশ হিসেবে কমনওয়েলথভুক্ত ১৬টি দেশের মানুষ এই সম্মাননা দিয়ে থাকেন ব্রিটেনর রানি।
পপির পরিবার মৌলভীবাজার সদর উপজেলার আদি বাসিন্দা। তবে ৪১ বছর বয়সী পপির জন্ম ব্রিটেনের পোর্টসমাউথে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নববর্ষ নিয়ে কী বললেন টালিউড তারকারা
ভারতীয় বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা দেব বলেন, সবাইকে জানাই নববর্ষের শুভেচ্ছা। সবাইকে অনুরোধ করবো বাংলা সিনেমা দেখুন। বাংলা চলচ্চিত্রের সঙ্গে থাকুন।
অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় বলেন, ২০১৭ সাল আমার ভালো-মন্দ মিলিয়ে কেটেছে। আশা করি, সকলেরই তাই। ২০১৮ সাল যেন সকলের ভালো কাটে। বাড়ির সবাই, বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজন সবাই যেন সুস্থ থাকে। ভালো কাজ যেন করতে পারি।
সোহিনী সরকার বলেন, নতুন বছর মানে নতুন উদ্যোগ। নতুন বছরে ভালো থাকাটাই আমার একমাত্র ইচ্ছে। অর্পিতা চট্টোপাধ্যায় বলেন, নতুন বছর সবার অনেক ভালো কাটুক।
আবির চট্টোপাধ্যায় বলেন, নতুন বছরে সবাই ভালো থাকুন। আরো বেশি করে ভালোবাসা ছড়িয়ে দিন। সবার জন্য শুভকামনা।
বিক্রম ঘোষ বলেন, নতুন বছরে আরো বেশি করে ভালো কাজ করতে চাই। পল্লবী শর্মা বলেন, নতুন বছরে মনের মতো জায়গায় ঘুরতে চাই। বছরজুড়ে সবচেয়ে পছন্দের খাবারগুলো খেতে চাই।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আজ দেশে জন্ম নেবে ৮ হাজার ৩৭০ শিশু : ইউনিসেফ
ইউনিসেফের তথ্য অনুযায়ী আজ সারাবিশ্বে জন্ম নেবে ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৭৯৩ নবজাতক।আর এ সংখ্যার অর্ধেক শিশু জন্মাবে ৯টি দেশে। এর মধ্যে ভারতে ৬৯ হাজার ৭০, চীনে ৪৪ হাজার ৭৬০, নাইজেরিয়ায় ২০ হাজার ২১০, পাকিস্তানে ১৪ হাজার ৯১০, ইন্দোনেশিয়ায় ১৩ হাজার ৩৭০, আমেরিকায় ১১ হাজার ২৮০, কঙ্গোতে ৯ হাজার ৪০০, ইথিওপিয়ায় ৯ হাজার ২০ ও বাংলাদেশে ৮ হাজার ৩৭০ শিশু জন্ম নেবে।
ইউনিসেফ আরও বলছে, ২০১৬ সালে বছরের প্রথমদিন জন্ম নেয়া শিশুদের মধ্যে মারা যায় প্রায় ২ হাজার ৬০০ শিশু। প্রায় ২০ লাখ শিশুর ক্ষেত্রে জন্মের প্রথম সপ্তাহ হয়ে যায় জীবনের শেষ সপ্তাহ। সব মিলিয়ে ২৬ লাখ শিশু জন্মের প্রথম মাস পূর্ণ করার আগেই মারা যায়। তাদের মধ্যে ৮০ শতাংশের মৃত্যুর কারণ প্রিম্যাচিউর বার্থ, প্রসবকালীন জটিলতা, নিউমোনিয়া ও সেপিস রোগে আক্রান্ত হওয়া। পাঁচ বছরের নিচে মারা যাওয়া শিশুদের ৪৬ শতাংশেরই মৃত্যু হয় জন্মের প্রথম মাসে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জাহিদ হাসানের ‘দাড়ি’ রহস্য উন্মোচন
বিষয়টি অনেকের মনে কৌতূহল জাগায়। এই নতুন লুকের কারণ কী? এবার জানা গেলো জাহিদ হাসানের দাড়ি রাখার আসল কারণ। মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর নতুন চলচ্চিত্র ‘শনিবার বিকেল’-এ অভিনয় করবেন জাহিদ হাসান। এজন্যই দাড়ি রাখতে হয়েছে।
ছবিটিতে একজন ব্যবসায়ীর চরিত্রে দেখা যাবে জাহিদ হাসানকে। মেডিকেলের নানা সামগ্রী আমদানি করেন। মানুষকে ভালোবাসেন। কিছু ঘটনার কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মুসলমানদের নানাভাবে নির্যাতন করা হচ্ছে। এ খবর শুনে কষ্ট পান। জাহিদ বলেন, মেকআপ দিয়ে আসল লুক তৈরি হয় না। তাই অরিজিনাল লুক নিয়ে অভিনয় করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি।
‘শনিবার বিকেল’ ছবিতে আরো অভিনয় করবেন নুসরাত ইমরোজ তিশা ও ফিলিস্তিনের অভিনেতা ইয়াদ হুরানি। জাহিদ হাসান ক্যামেরার সামনে দাঁড়াবেন ৫ জানুয়ারি। ছবির বাজেট ধরা হয়েছে চার কোটি টাকা। বাংলা ও ইংরেজি দুই ভাষায় নির্মিত হবে ছবিটি।
এছাড়া ভারতীয় বাংলা চলচ্চিত্র ‘সিতারা’তে অভিনয় করছেন জাহিদ হাসান। এই ছবিতে দাড়িওয়ালা ও দাড়ি ছাড়া দুইভাবেই দেখা যাবে তাকে। জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসে ‘সিতারা’র জন্য ক্যামেরার সামনে দাঁড়াবেন জাহিদ।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাহিত্যিক আবুল বাশারের ‘ভোরের প্রসূতি’ উপন্যাস অবলম্বনে এই সিনেমার চিত্রনাট্য তৈরি করা হয়েছে। পরিচালনা করবেন আশীষ রায়। সিনেমাটি বাংলা ও তেলেগু ভাষায় তৈরি হবে। এই ছবিতে অভিনয় করবেন নন্দিনী, রাইমা সেন ও নাসির হোসেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দুই মাস বন্ধ থাকবে কাঁকড়া আহরণ
তিনি বলেন, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি এই দুই মাস কাঁকড়ার প্রজনন মৌসুম। এসময় মা কাঁকড়া প্রচুর ডিম দেয়। সেই ডিম ফেটে বের হয় নতুন প্রজন্মের কাঁকড়া। তাই বছরের এ সময়ে সুন্দরবন থেকে কাঁকড়া আহরণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ কাঁকড়া রপ্তানি নীতিমালা অনুযায়ী ১৯৯৮ সাল থেকে নিয়মটি চালু হয়ে আসছে বলেও জানান ডিএফও।
এ ব্যাপারে মংলা কাঁকড়া ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লি. এর সভাপতি বিদ্যুত কুমার মণ্ডল বলেন, মংলা থেকে প্রতি মাসে ১৫ লাখ টাকার কাঁকড়া ঢাকায় রপ্তানি করা হয়।
এ রপ্তানি করা কাঁকড়ার ৯৯ শতাংশ সুন্দরবন থেকে আহরণ করায় জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি এ দুই মাসে রপ্তানি শূন্যের কোঠায় নেমে আসে। ফলে এর সঙ্গে জড়িত কয়েকহাজার মানুষ এ সময়টা একদম বেকার হয়ে পড়েন। সরকারের তরফ থেকেও কোনো সাহায্য সহযোগিতা পায় না তারা।
জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি দুই মাস কাঁকড়ার প্রজনন মৌসুম সরকারের এ সিদ্ধান্তে দ্বিমত পোষণ করে এ কাঁকড়া ব্যবসায়ী বলেন, সরকারের বিষয়টি নিয়ে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
কারণ হিসেবে তিনি বলেন, চিংড়ির সঙ্গে কাঁকড়ার অনেক সাদৃশ্য রয়েছে। মে জুন মাস চিংড়ির প্রজনন মৌসুম। ওই সময় আমরা কাঁকড়ার ডিমও বেশি পাই। বিষয়টি সরকারকে বিবেচনার আহ্বান জানান তিনি।
জানতে চাইলে মংলা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. ফেরদৌস আনসারী বলেন, কাঁকড়া সবসময় ডিম পাড়ে। তবে জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি এ দুই মাস কাঁকড়ার প্রজননের পিক আওয়ার। সরকার সঠিক পথেই হাঁটছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চট্টগ্রামে গাড়িচাপায় বড়তাকিয়ার চালক নিহত
চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহর থানাধীন চুনা ফ্যাক্টরি এলাকায় গ্যারেজে গাড়ি রেখে বের হওয়ার সময় আরেকটি গাড়ির নিচে চাপা পড়ে মো. শাহিন (২৩) নিহত হয়েছেন।
রোববার দিনগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সাতকানিয়ায় দুইশতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন বই বিতরণ
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মধ্যপ্রাচ্যে বিভিন্ন দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভয়ঙ্কর কিছু ঘটবে ২০১৮ সালে?

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সহিংসতা নয়, সমালোচনার সুযোগ দেয়ার অঙ্গীকার ইরানি প্রেসিডেন্টের

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সুন্নি-শিয়া নামে ধর্ম নেই, ধর্ম একটাই, সেটা হলো ইসলাম : এরদোগান

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নতুন বছরে বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
একটি সবজি অনেক রোগ থেকে বাঁচায়

চলুন জেনে নেয়া যাক কী রয়েছে গোলগাল লাল রঙের এই সবজিতে-
কম ক্যালোরি
এতে রয়েছে আলুর প্রায় অর্ধের ক্যালোরি। তাছাড়া শর্করার পরিমাণও অনেক কম। সবজি, সালাদ বা স্যুপ হিসেবে লাল বিট খেতেও খুব ভালে। এছাড়া স্বাস্থ্য সচেতনদের জন্য এটা সত্যিই এক উপযুক্ত খাবার, যাতে পেট ভরবে কিন্তু ওজন বাড়বে না।
কাশির জন্য উপকারী
খুব হালকা টক, তেতো আর মিষ্টির সংমিশ্রণে ভিন্ন স্বাদের সবজি বিট কাশির জন্যও খুব উপকারী। তাছাড়া এর মধ্যে ব্যাকটেরিয়া বিরোধী উপাদান রয়েছে, যা শীতকালীন ঠাণ্ডা লাগা থেকেও দূরে রাখবে আপনাকে।
‘ফুল অফ পাওয়ার’
লাল টুকটুকে রঙের এই সবজিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে গ্লুকোজ। এর কারণে স্বাদে বিট একদিকে যেমন একটু মিষ্টি-মিষ্টি, তেমনই অন্যদিকে শরীরে শক্তি যোগাতেও এর জুড়ি নেই। তাই তো অনেকে চকলেটের বদলে কাঁচা বিট চিবিয়ে খান। তার ওপর এতে বিভিন্ন ভিটামিনও কম নেই!
শরীরকে ভেতর থেকে সুরক্ষা করে
লাল বিটে থাকা উপাদান অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে শরীরকে ভেতর থেকে সুরক্ষা করে। বিশেষ করে, পরিবেশের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে যেসব রোগ হয় তা প্রতিরোধ করে বিট। আর বিভিন্ন সংক্রমণ রোগ থেকেও রক্ষা করে লাল রঙের এই সবজি।
ভিটামিন ও মিনারেলে ভরপুর বিট
নানা রোগ থেকে মুক্তি পেতে প্রাচীনকালে গ্রিক ও রোমানরাও নিয়মিত বিট খেতেন। রক্তের মতো রঙের বিটের জুস রক্তস্বল্পতা দূর করে। এমনকি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করে হজমশক্তিও বাড়ায় বিট।
বিটপালং
যাদের শরীরে আয়রনের ঘাটতি আছে, তাদের জন্য বিট এবং বিটপালং প্রয়োজনীয় খাবার। বিট উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ রাখে। সহজ কথায় বললে শরীরে জন্য লাল বিটের কোনো ক্ষতিকারক দিক নেই।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মহিউদ্দিন চৌধুরীর স্মরণসভা বুধবার
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নতুন করে একই ভুল করতে যাচ্ছি by ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ

ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ : সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নতুন বছরের সংকল্প রক্ষা করা কঠিন by শিশির মোড়ল

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শীতের দুর্লভ ফুল

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হোটেল ওলিওতে বিস্ফোরণ: বোমা প্রস্তুতকারী গ্রেপ্তার

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নির্যাতনের ৭৭ শতাংশই পারিবারিক পরিসরে

বেশির ভাগ নির্যাতনই পারিবারিক পরিসরে
ব্র্যাকের প্রতিবেদন বলছে, চলতি বছরে নথিভুক্ত হওয়া নির্যাতনের ঘটনার মধ্যে ৬ হাজার ৪৮৫টি বা ৭৭ শতাংশই ঘটেছে পারিবারিক পরিসরে। স্বামীর মাধ্যমেই বেশির ভাগ ঘটনা ঘটেছে। যৌতুককে কেন্দ্র করে নির্যাতনের ঘটনা ঘটে ৩২ শতাংশ। পারিবারিক সংঘাতের ঘটনা ছিল ২৪ শতাংশ। বহুবিবাহ এবং বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের কারণেও পারিবারিক পরিসরে নির্যাতনের ঘটনা বাড়ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। নির্যাতনের শিকার নারীদের মধ্যে প্রায় ৮২ শতাংশ ছিলেন বিবাহিত এবং তিন-চতুর্থাংশই ছিলেন গৃহিণী। নির্যাতনের শিকার নারীদের মধ্যে ৬৬ শতাংশই ছিলেন দরিদ্র নারী। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধূরী প্রথম আলোকে বলেন, পারিবারিক নির্যাতনের ঘটনা ঘটলে ভুক্তভোগী বা কোনো না কোনো মাধ্যমে তা নথিভুক্ত হচ্ছে। এটি একটি ইতিবাচক দিক। তিনি বলেন, যৌন নির্যাতন ও হয়রানির বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হওয়া আন্দোলন হ্যাশট্যাগ মি টু (#MeToo) এবার টাইম ম্যাগাজিন–এর ‘পারসন অব দ্য ইয়ার’ (বর্ষসেরা ব্যক্তি) হয়েছে। পারিবারিক নির্যাতনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে কাজে লাগিয়ে এ ধরনের সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে, যার নেতৃত্ব দেবে তরুণ সমাজ। দেশের ৪২ জেলায় ১২ লাখ চেঞ্জমেকারের মাধ্যমে পারিবারিক নির্যাতনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে আমরাই পারি পারিবারিক নির্যাতন প্রতিরোধ জোট। জোটের কো-চেয়ার এম বি আখতার প্রথম আলোকে বলেন, বর্তমানে পারিবারিক নির্যাতনের পরে সমাজের মানুষেরাই প্রতিবাদ করছেন, সোচ্চার হচ্ছেন, আইনি পদক্ষেপও নিচ্ছেন অনেকে।
বড় উদ্বেগ শিশু ধর্ষণ
ব্র্যাকের প্রতিবেদন বলছে, বছরটিতে কন্যাশিশুদের ক্ষেত্রে বেশি ধর্ষণের ঘটনা ঘটে (মোট ধর্ষণের ঘটনার ৭০ শতাংশ)। ধর্ষণের ঘটনায় প্রাপ্তবয়স্কদের চেয়ে শিশুর সংখ্যা দ্বিগুণের বেশি ছিল। এক বছরের কম বয়সী থেকে ৫ বছর বয়সীদের মধ্যে ৪৪ জন, ৬-১০ বছর বয়সীদের মধ্যে ১১১ জন, ১১-১৭ বছর বয়সীদের মধ্যে ৩৩৭ জন ধর্ষণের শিকার হয়। তথ্য বলছে, প্রতিদিন ১ দশমিক ৭ জন শিশু ধর্ষণের শিকার হয়।
আইনি সহায়তা নেওয়ার হার কম
বছরের ১০ মাসে ৩৭০টি হত্যার ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। ধর্ষণ, গণধর্ষণ ও ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনা নথিভুক্ত করা হয় ৭০৭টি। বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণ করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্যাতনের শিকার নারীরা পারিবারিক, সামাজিক ও আইনগত নানা জটিলতার কারণে আইনি সহায়তা নিতে চান না। কর্মসূচির অধীনে নির্যাতনের তথ্য জানার পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কর্মীরা যেসব তথ্য নথিভুক্ত করেন, সে অনুযায়ী নথিভুক্ত ঘটনার মাত্র ১৯ শতাংশের ক্ষেত্রে মামলা হয়েছিল। ৮ শতাংশ মামলা সালিসের মাধ্যমে মীমাংসা হয়। ৩২ শতাংশ ঘটনায় কোনো আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গুম ভবিষ্যতের ইতিহাস by শাহদীন মালিক
![]() |
| নিখোঁজ বাবা সাজেদুল ইসলামের অপেক্ষায় মেয়ে আরওয়া ইসলাম। ছবি: সাজিদ হোসেননিখোঁজ বাবা সাজেদুল ইসলামের অপেক্ষায় মেয়ে আরওয়া ইসলাম। ছবি: সাজিদ হোসেন |
২. আমাদের বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড প্রথমে হয় দেশ স্বাধীন হওয়ার পরপরই। গত শতাব্দীতে যুদ্ধ করে যেসব দেশ স্বাধীন হয়েছে, তার প্রতিটিতেই যুদ্ধ-পরবর্তী কিছু সময় অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা, খুনখারাবি, লুটপাট ইত্যাদি ছিল। যুদ্ধ করে স্বাধীন হওয়া কোনো দেশই এর থেকে রেহাই পায়নি। এর পরের বেশি সংখ্যায় বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড এ দেশে ঘটে ২০০২-এর অক্টোবর থেকে ২০০৩-এর জানুয়ারি পর্যন্ত। পুলিশ, সেনা ও অন্যান্য বাহিনীর যৌথ অভিযানে তিন মাসে নিহত হন প্রায় ৬০ জন নাগরিক। সাম্প্রতিককালের মধ্যে এটি স্বল্প সময়ে সর্বাধিকসংখ্যক বিচারবহির্ভূত ও পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। ২০০৩ সালে জাতীয় সংসদ আইন পাস করে যৌথ বাহিনীকে সেই সময়ের হত্যাসহ অন্য সব অপরাধ থেকে দায়মুক্তি দিয়েছিল। হাইকোর্ট বিভাগ এই আইনকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে বাতিল করেছেন। অতএব এই সময়ের অপরাধগুলোর বিচার একদিন হবে। বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের দায়মুক্তির অধ্যাদেশটি ১৯৯৬ সালের ১৪ নভেম্বর তারিখে দ্য ইনডেমনিটি অ্যাক্ট, ১৯৯৬-এর মাধ্যমে বাতিল করা হয় এবং পরে অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের বিচার হয়, অনেকের শাস্তি কার্যকর হয়।
৩. ২০১৭ সালে অনেকেই নিখোঁজ ও গুম হয়েছেন। বছরের শেষের দিকে দুই-চার মাস আগে ‘নিখোঁজ’ হওয়া কয়েকজন ফিরে এসেছেন। অনেকের ফেরার অপেক্ষায় আছে তাঁদের স্বজনেরা। যাঁরা ফিরে এসেছেন, তাঁদের সবার ঘটনা প্রায় একই রকম; যে একই বর্ণনা শুনে আসছি ২০০৪ সাল থেকে, ক্রসফায়ার বা বন্দুকযুদ্ধগুলোর ঘটনায়। প্রায় সব বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডেই কথিত সন্ত্রাসীর ওত পেতে থাকা দোসররা গভীর রাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের ওপর গুলি ছোড়ে, তাঁরা পাল্টা গুলি ছোড়েন। আটককৃত ব্যক্তিটি দুই পক্ষের গোলাগুলির মধ্যে পড়ে নিহত হন। নিখোঁজ হয়ে ফিরে আসা ব্যক্তিদের গল্পগুলোও প্রায় একই রকমের: কে ধরে নিয়ে গিয়েছিল তা বলতে পারেন না, কারণ চোখ বাঁধা ছিল। তাঁকে কোথায় আটকে রাখা হয়েছিল, সেটাও জানেন না। কেন ছেড়ে দিল, তা-ও জানেন না। অতএব উপসংহার: গুমের জন্য দায়ী একটা গোষ্ঠী এবং তাদের পারদর্শিতা ও দক্ষতার নমুনা আমরা কিছুটা হলেও পেয়েছি নারায়ণগঞ্জের সাত হত্যাকাণ্ডের মামলা থেকে।
৪. বিভিন্ন দেশে গত শতাব্দীর ৭০, ৮০ ও ৯০-এর দশকে সংঘটিত বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও গুমের বিচার হচ্ছে। আন্তর্জাতিক সনদও হয়েছে। বিচারগুলো এ জন্যই হচ্ছে যে প্রতিটি দেশ ও সমাজ ক্রমে বুঝতে পারছে যে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও গুম কোনো সমাজেরই কল্যাণ বয়ে আনেনি। দায়ী ব্যক্তিদের বিচার না করলে রাষ্ট্র কল্যাণকর রাষ্ট্রে উন্নীত হতে পারে না। যে দেশে যখন বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও গুম বেড়ে যায়, তখন সে দেশে অদ্ভুত ধরনের ব্যক্তিরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্বশীল পদগুলোতে থাকেন। পরে তাঁরা বিচারের সম্মুখীন হন এবং শাস্তি পান। এখন শাস্তি ভোগ করছেন নিকট অতীতের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, পুলিশের মহাপরিদর্শক, এনএসআইয়ের প্রধানসহ অন্যরা। ২০ বছর পর যখন ইতিহাস লেখা হবে, সেই ইতিহাস হবে চিলি, আর্জেন্টিনা, চাঁদ ও অন্যান্য দেশে আজকে যে রকম ইতিহাস লেখা হচ্ছে, সে রকম। ২০ বছর পরে ২০১৭ সালে সংঘটিত গুমের শাস্তির ইতিহাস যদি আমরা লিখতে না পারি, অর্থাৎ চলে যাওয়া বছরে গুমের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিচার ও শাস্তির ইতিহাস যদি রচিত না হয়, তাহলে ২০৩৭ সালে হয়তো বাংলাদেশ হবে একটা দুর্বল রাষ্ট্র, যেখানে খুন, রাহাজানি, সন্ত্রাস, নির্যাতন, গণহত্যা ইত্যাদিই হবে আইন। কিন্তু এই রাষ্ট্রকে আমরা কোনো মতেই ব্যর্থ রাষ্ট্র হতে দেব না। তাই বিচারের ইতিহাস অবশ্যই লেখা হবে। এবং লেখা হবে খুব শিগগিরই।
ড. শাহদীন মালিক: অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট; আইনের শিক্ষক, ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মার্কিনদের একচেটিয়া শাসনের অবসান by কামাল গাবালা

অনুবাদ: প্রতীক বর্ধন।
কামাল গাবালা: মিসরীয় সাংবাদিক।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘পারমাণবিক বোমার বোতাম আমার টেবিলেই’

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আমাদের সামনে অনেক ঝুঁকি: আকবর আলি খান

আকবর আলি খান: শুভ নববর্ষ! শুভ নববর্ষ মানে হচ্ছে আমরা আশা করছি যে এই বছর আমাদের গত বছরের চেয়ে ভালো হবে। সুতরাং আমাদের নিশ্চয়ই অনেক অপূর্ণতা রয়ে গেছে। সবচেয়ে বড় অপূর্ণতা হলো, বাংলাদেশে মানবাধিকার সম্পূর্ণরূপে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। এখানে আমাদের ঘাটতি রয়েছে, সুশাসনের অনেক ঘাটতি রয়েছে; কিন্তু সব ঘাটতি সত্ত্বেও আমাদের অর্থনীতি পৃথিবীর অন্য অনেক দেশের তুলনায় মোটামুটি সাফল্য অর্জন করেছে। সুতরাং বলা যায়, আমাদের অর্থনৈতিক কার্যকলাপ এ বছর সন্তোষজনক ছিল।
মশিউল আলম: তাহলে এখানে এমন একটা প্রশ্ন কেউ কেউ তুলতে পারেন যে আমাদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড যদি সন্তোষজনক হয়, তাহলে মানবাধিকারের অপূর্ণতাটাকে কি একটু ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখা যায় না?
আকবর আলি খান: না, সেভাবে দেখা যায় না। কারণ, মানবাধিকার আগে, অর্থনৈতিক উন্নয়ন তার পরের বিষয়। মানবাধিকারের প্রশ্নে আপস করার কোনো সুযোগ নেই। দেখা গেছে, যেসব রাষ্ট্রে মানবাধিকার ক্ষুণ্ন করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল, সেখানে টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব হয়নি। গরিব মানুষের জন্য গণতন্ত্রের অপরিহার্যতা নিয়ে নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনের বিখ্যাত উক্তির কথা স্মরণ করা যেতে পারে। যেখানে গণতন্ত্র নেই, সেখানে দুর্ভিক্ষ পর্যন্ত হতে পারে। সে রকম উদাহরণ দেখিয়ে তিনি বলেছেন যে গণতন্ত্র মানুষের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। অর্থনীতিবিদেরা অমর্ত্য সেনের এই মতই মোটামুটিভাবে গ্রহণ করে থাকেন। এর কিছু ব্যতিক্রম দেখা গিয়েছিল সিঙ্গাপুরে কিংবা মালয়েশিয়ার মতো রাষ্ট্রে। কিন্তু সেখানকার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন।
মশিউল আলম: বাংলাদেশে মানবাধিকার ক্ষুণ্ন হওয়ার যে কথা আপনি বলছেন, তার কিছু দৃষ্টান্ত কি দিতে পারেন? কারণ সরকার তো বলছে, আমাদের মানবাধিকার পরিস্থিতি ঠিক আছে।
আকবর আলি খান: প্রথমত মানুষ গুম হয়ে যাচ্ছে এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে অভিযোগ উঠেছে সরকারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা সংস্থার লোকজন এসবের সঙ্গে জড়িত। এটা গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন। এ ছাড়া শাসকগোষ্ঠীর বিভিন্ন মহল বিভিন্ন ক্ষেত্রে যেসব তৎপরতা চালাচ্ছে, তাতে শুধু যে সাধারণ মানুষের জীবনই বিঘ্নিত হচ্ছে তা নয়, তাদের নিজেদের মধ্যেও খুনখারাবি হচ্ছে। সরকারের পক্ষে এগুলো বন্ধ করা সম্ভব হয়নি। সুতরাং এদিক থেকে মানবাধিকার পরিস্থিতি মোটেও সন্তোষজনক নয় এবং এই পরিস্থিতির অবশ্যই উন্নয়নের প্রয়োজন রয়েছে।
মশিউল আলম: গেল বছর ব্যাংকিং খাতের লুটপাট নিয়ে প্রচুর আলোচনা হয়েছে। ব্যাংক ব্যবস্থার মাধ্যমে লুটপাট অবিশ্বাস্য রকমের উচ্চ মাত্রায় পৌঁছেছে, এটা কীভাবে সম্ভব হচ্ছে?
আকবর আলি খান: এটা সম্ভব হয় তখনই, যখন সরকার এই ব্যবস্থাকে উৎসাহিত করে। সরকার যখন দৃঢ় ব্যবস্থা গ্রহণ করে তখন ব্যাংকে এ ধরনের লুটপাট সম্ভব হয় না। সরকার এই ব্যবস্থাকে উৎসাহিত করেছে মূলত তিনভাবে। একটা হলো, বেসরকারি ব্যাংক খোলার লাইসেন্স যাদের দেওয়া হয়েছে, তাদের অনেকের ব্যাংক পরিচালনার কোনো অভিজ্ঞতা নেই। লাইসেন্সগুলো দেওয়া হয়েছে মূলত রাজনৈতিক স্বার্থে রাজনীতিকদের। এই রাজনীতিবিদেরা ব্যাংকগুলো রাজনৈতিক স্বার্থে এবং ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহার করেন। এটা হলো প্রথম সমস্যা। দ্বিতীয় সমস্যা হলো, যে সরকারি ব্যাংকগুলো আছে, সেগুলোর পরিচালনা পর্ষদেও রাজনীতিবিদদের মনোনয়ন দেওয়া হয়। রাজনীতিবিদেরা অনেক ভালো কাজ করতে পারেন, কিন্তু ব্যাংক চালানোর অভিজ্ঞতা তাঁদের নেই। এবং অনেক রাজনীতিবিদ এটাকে ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের উপায় হিসেবে গণ্য করেন। সুতরাং এই অবস্থার জন্য সরকার অনেকাংশে দায়ী। তৃতীয়, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বাধীনতাও ক্ষুণ্ন করা হয়েছে। কারণ, কেন্দ্রীয় ব্যাংক যেখানে আরও ব্যাংকের লাইসেন্স দিতে চাইছে না, সেখানে সরকার কেন্দ্রীয় ব্যাংককে জোর করে অতিরিক্ত লাইসেন্স দিতে বাধ্য করছে। আমার মনে হয় না দেশে এতগুলো ব্যাংকের প্রয়োজন আছে। এই ব্যাংক ব্যবস্থা সম্পর্কে সরকার যদি অবিলম্বে সজাগ না হয়, তাহলে তার দুটি খারাপ পরিণতি দেখা দেবে। একটি হলো আমানতকারীদের স্বার্থ বিঘ্নিত হবে এবং তারা নিরুৎসাহিত হবে। আরেকটি হলো, দেশে সত্যিকারের বিনিয়োগ হবে না; যারা পয়সা নিয়ে পয়সা ফেরত দেবে না, তারাই ব্যাংক থেকে ঋণ পাচ্ছে এবং পাবে। দেশের বিনিয়োগ পরিস্থিতি বাধাগ্রস্ত হবে। সুতরাং অর্থনীতির স্বার্থে এই ব্যবস্থা অবিলম্বে পরিবর্তনের জন্য সরকারকে উদ্যোগ নিতে হবে।
মশিউল আলম: মানবাধিকার প্রসঙ্গে আরেকটি প্রশ্ন যুক্ত করা যায়, সেটা হচ্ছে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও নাগরিকদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা। এ বছর দেখা গেল, অনেকগুলো ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তারপর বিরুদ্ধ মত বা সরকারের সমালোচনা করে যাঁরা ফেসবুকে বা অন্যত্র লেখালেখি করেন, তাঁরা কেউ নিখোঁজ হয়ে যাচ্ছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে ৫৭ ধারায় মামলা হচ্ছে। এসব কারণে ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এবং মূলধারার সংবাদমাধ্যমে একধরনের সেল্ফসেন্সরশিপ দেখা দিয়েছে। এটা কিসের লক্ষণ এবং এটা কোন দিকে যাচ্ছে?
আকবর আলি খান: এটা খুবই খারাপ লক্ষণ। এর একটি উপাদান হলো, আইনের অপব্যবহার করা হচ্ছে। অন্যদিকে অভিযোগ আসছে যে সরকারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতেই লোকজন গুম হচ্ছে। এ ধরনের অভিযোগ আমরা সংবাদপত্রে দেখতে পাচ্ছি। এটাও আরেকটা উদ্বেগের কারণ। তিন নম্বর হলো, বিভিন্ন দলের মধ্যে যে অন্তর্ঘাতমূলক সংঘাত হচ্ছে, এতেও লোকজন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই সমস্ত মিলে আমাদের দেশে আসলে একটা গুমোট পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। এবং এখানে কথা বলার স্বাধীনতা অনেকাংশে ক্ষুণ্ন হচ্ছে। এ অবস্থা পরিবর্তনের জন্য সম্ভবত সিভিল সমাজকেও উদ্যোগ নিতে হবে, দেশের সব নাগরিককে উদ্যোগ নিতে হবে। যদি না নেওয়া হয় এবং এ পরিস্থিতি দীর্ঘদিন বিরাজ করে, তাহলে এখানে স্বেচ্ছাচারী শাসন প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পথ সুগম হতে পারে।
মশিউল আলম: সিভিল সোসাইটিও তো নিরপেক্ষ ভূমিকায় নেই...
আকবর আলি খান: সিভিল সোসাইটি বাংলাদেশে অনেক দুর্বল, ক্রমশ আরও দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। কারণ সিভিল সোসাইটির মধ্যেই অনেক দ্বন্দ্ব রয়েছে, সিভিল সোসাইটির অনেক অংশ রাজনৈতিক প্রভাবে পড়েছে। তবুও যা আছে, সেটাও যদি সংগঠিত করা যায়, তাহলে অন্তত ক্ষীণ প্রতিবাদ হতে পারে। কিন্তু এই পরিস্থিতিতে দেশে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা। যদি গণতন্ত্র সত্যিকার অর্থে প্রতিষ্ঠিত হয়, তাহলে এ ধরনের পরিবেশ বিরাজ করতে পারে না।
মশিউল আলম: এ বছর আমরা বড় ধরনের বন্যার মুখোমুখি হয়েছিলাম, ব্যাপক ফসলহানি ঘটেছে। এর পরিণতিতে হোক, বা খাদ্য ব্যবস্থাপনার ঘাটতি, অদক্ষতা বা পরিকল্পনাহীনতার কারণে হোক, চালের দাম অস্বাভাবিক মাত্রায় বেড়েছে। গত প্রায় এক দশকের মধ্যে চালের দাম সর্বোচ্চ হয়েছে।
আকবর আলি খান: এটা ঠিক যে দেশে চালের দাম বেড়েছে, আবার এটাও ঠিক যে দেশে খাদ্য উৎপাদনও অনেক বেড়েছে। ১৯৭০ সালে আমরা যেখানে প্রায় ১ কোটি টন খাদ্য উৎপাদন করতাম, সেখানে এখন ৩ কোটি ৮০ লাখ টন বা তার চেয়েও বেশি খাদ্য উৎপাদন করছি। কিন্তু খাদ্য উৎপাদন বাড়লেও একটা বড় সমস্যা আমাদের রয়ে গেছে। কারিগরি পরিবর্তনের ফলে খাদ্য উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে, কিন্তু উৎপাদন খরচ চাষিরা পাচ্ছেন না। এঁদের জন্য খাদ্যের যে দাম নিশ্চিত করা দরকার, সেটা সরকার করতে পারছে না। এর ফলে বিরাট সমস্যা দেখা দিচ্ছে এবং সরকারের খাদ্য ব্যবস্থাপনার মধ্যেও দুর্বলতা রয়েছে। সরকার বলে যে তারা ইনসেনটিভ প্রাইসে কৃষকদের কাছ থেকে খাদ্য কিনছে, কিন্তু কৃষকেরা এই ইনসেনটিভ প্রাইসের সুফল পায় না। এটা ভোগ করছে মধ্যস্বত্বভোগীরা। কাজেই এই মধ্যস্বত্বভোগীদের ক্ষমতা হ্রাস না করলে এবং কৃষকদের ন্যায্যমূল্য পাওয়ার ব্যবস্থা করা না হলে কৃষিব্যবস্থাতেও খারাপ প্রভাব পড়বে এবং খাদ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে আনা যাবে না। এই ক্ষেত্রে সরকারের অনেক কাজ করা দরকার। সবার সঙ্গে পরামর্শ করে এ সম্বন্ধে নীতি নির্ধারণ করা প্রয়োজন।
মশিউল আলম: এই বছর প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। তাদের নিয়ে আমরা বিরাট সমস্যায় পড়েছি এবং এই সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার আশঙ্কাই বেশি। এ বিষয়ে আপনি কী ভাবেন?
আকবর আলি খান: রোহিঙ্গাদের যে ট্র্যাজেডি, এটা একবিংশ শতাব্দীর একটা উল্লেখযোগ্য ঘটনা। এই ঘটনা বাংলাদেশ সৃষ্টি করেনি, কিন্তু তা বাংলাদেশের ওপর চেপে বসেছে। এই ঘটনা মোকাবিলার কোনো সহজ সমাধান নেই। সরকার বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মহলের সহযোগিতা পেয়েছে, আবার অনেক বড় রাষ্ট্রের সহযোগিতা পায়নি। এর কারণ যে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর তৎপরতা, সেই বাহিনীর কাছে যাদের স্বার্থ রয়েছে, তারা তাদের সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। যেমন চীন ও রাশিয়া, এমনকি ভারতও। যদিও পৃথিবীর অধিকাংশ দেশের সমর্থন আমরা পেয়েছি, কিন্তু যাদের সমর্থন প্রয়োজন তাদের সমর্থন পেতে পারিনি। সে জন্য আমাদের সামরিক দিক থেকে আরও তৎপর হতে হবে। তাদের সামরিক বাহিনী যে ধরনের আগ্রাসী মনোভাব নিয়ে কাজ করছে, সেটাকে দমন করার মতো শক্তি যদি আমরা অর্জন করতে পারি, তাহলে তাদের কিছুটা বোধোদয় হতে পারে।
মশিউল আলম: জনপ্রশাসনের অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে, জনগণ সঠিকভাবে সেবা পাচ্ছে না, দুর্নীতি বেড়ে গেছে। কিন্তু আবার আমলারা নিজেদের বেতন-ভাতা, সুযোগ-সুবিধা বাড়িয়ে নিচ্ছেন। এ রকম কেন হচ্ছে? এটা থেকে বেরোনোর পথ কী?
আকবর আলি খান: অল্প কথায় এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়া বেশ শক্ত ব্যাপার। এ বিষয়ে আমি একটা বই লিখেছি, সে বইয়ের নাম গ্রেশামস ল সিনড্রোম। এ বইয়ের মধ্যে বিস্তৃত বর্ণনা আছে আমাদের প্রশাসনের কী অবক্ষয় ঘটছে এবং কেন অবক্ষয় ঘটছে। আসলে বাংলাদেশের কোনো রাজনৈতিক দলই এ দেশের প্রশাসনিক সমস্যা বুঝতে পারেনি। ব্রিটিশরা বাংলাদেশে যে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তুলেছিল সেটা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য অনুপযুক্ত। আমাদের উচিত ছিল সেটাকে নতুন করে ঢেলে সাজানো, কিন্তু তা না করে ব্রিটিশদের ফেলে যাওয়া ব্যবস্থায় অল্পস্বল্প পরিবর্তন করে, সেটা অভিযোজন করে আমরা চালাতে গিয়েছি। এটা এভাবে চালানো সম্ভব নয়। শুধু তা-ই না, ব্রিটিশরা যে ধ্যানধারণার ওপরে কাজ করেছিল, সেসব ধ্যানধারণা থেকে এক শ বছর আগে যেসব কাজ করা হতো আমরা সেসব কাজ এখন করছি। পৃথিবীর কোথাও এ ধরনের প্রশাসন আছে বলে আমাদের জানা নেই। যেমন নিয়োগের কথা যদি ধরেন, বাংলাদেশে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, কৃষিবিদ, কূটনীতিক, প্রশাসক এঁদের সবাইকে একই পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া হয়। পৃথিবীর কোথাও এ ধরনের কাণ্ড হয় না। এবং আমাদের দেশে ২৫৭টি কোটা চালু করা হয়েছে, পৃথিবীর কোনো দেশে ২৫৭টি কোটা নেই এবং ২৫৭টি কোটা থাকলে বানরের পিঠা ভাগের মতো চাকরিবাকরি ভাগাভাগি করা হয়। এখন ভালো ছেলেরা আদৌ প্রশাসনে আসছে না এবং প্রশাসন সম্বন্ধে অনভিজ্ঞভাবে দেশ চালানোর ফলে আরও দুটি মারাত্মক কাজ হচ্ছে। একটি কাজ হলো, প্রশাসনিক কাজের ধাপগুলো ক্রমশ বাড়ানো হচ্ছে। পাকিস্তান আমলে চারটি ধাপ ছিল—সেকশন অফিসার, ডেপুটি সেক্রেটারি, জয়েন্ট সেক্রেটারি ও সেক্রেটারি। অ্যাডিশনাল সেক্রেটারি ছিল অল্প কয়েকটি মন্ত্রণালয়ে, যেখানে সেক্রেটারির কাজ খুব বেশি ছিল। সেই চারটি ধাপ এখন আটটি হয়েছে। আগে সেকশন অফিসার প্রথম নোট লিখতেন। এখন সেকশন অ্যাসিস্টেন্ট প্রথম নোট লেখেন। অ্যাডিশনাল সেক্রেটারি বাংলাদেশ হওয়ার পরও অল্প কয়েকটি মন্ত্রণালয়ে ছিল, আর বড় বড় করপোরেশনের চেয়ারম্যানরা ছিলেন। এখন প্রতিটি মন্ত্রণালয়ে তিন-চারজন করে অ্যাডিশনাল সেক্রেটারি করা হয়েছে এবং নিয়ম করা হয়েছে যে অ্যাডিশনাল সেক্রেটারি হয়ে ফাইল যেতে হবে। সুতরাং আরেকটা স্তর হলো, সেটা হলো পঞ্চম স্তর এবং ষষ্ঠ স্তরে হলো সেক্রেটারি। সেক্রেটারির পরে, আগে ডেপুটি মিনিস্টারের কাছে কোনো ফাইলই যেত না। তাঁরা পার্লামেন্টে সেক্রেটারির কাজ করতেন, তাঁদের দায়িত্ব ছিল পার্লামেন্টে প্রশ্নের জবাব দেওয়া। এখন ডেপুটি মিনিস্টারদের কাছে ফাইল যায়, স্টেট মিনিস্টারদের কাছে ফাইল যায়, তারপরে মন্ত্রীর কাছে ফাইল যায়। এই আট দফায় ফাইল যদি উপরের দিকে যায় এবং নিচের দিকে নামে, তাহলে যদি সবাই অনেস্ট হয়, তবুও কমপক্ষে ১৬ দিন লেগে যাবে শুধু ফাইল ওঠানামা করতে। এ ছাড়া সমস্ত ক্ষমতা মন্ত্রীদের হাতে কেন্দ্রীভূত করা হয়েছে। সব ফাইল প্রকৃতপক্ষে মন্ত্রীদের কাছে চলে যায়। এর ফলে কোনো সিদ্ধান্ত তাড়াতাড়ি পাওয়া সম্ভব হয় না। সিঙ্গাপুরের সরকারের কাছে যদি আপনি চিঠি লেখেন, হয়তো আপনি তিন দিন কিংবা চার দিনের মধ্যে জবাব পাবেন, বাংলাদেশে তিন মাসের মধ্যেও জবাব পাবেন কি না সন্দেহ আছে এবং কয় দিনে জবাব পাবেন এটা কেউ বলতে পারবে না। আমরা হাজার হাজার লোককে প্রমোশন দিয়েছি; হাজার হাজার লোককে প্রমোশন দিলে নিচের দিকের পদগুলো শূন্য হয়ে যায়। সচিবালয়ে এখন অতিরিক্ত সচিবেরা গড়াগড়ি খাচ্ছেন, যুগ্ম সচিবেরও কোনো অভাব নেই, কিন্তু নিচের দিকের পদে দেখা যাবে লোক নেই। অনেক জায়গায় দেখা যাবে অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার ল্যান্ড রেভিনিউ নেই। অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার ল্যান্ড রেভিনিউ কাজ করলে তো ফাইল ওপরের দিকে আসবে। নিচের দিকে কাজ করার লোক নেই, ওপরের দিকে সব লোকজন ফাইলের প্রত্যাশায় বসে আছে। এই এক অদ্ভুত ধরনের প্রশাসন; যাঁরা প্রশাসন সম্বন্ধে জানেন, তাঁরা এ ধরনের প্রশাসন মোটেও সমর্থন করবেন না। আমাদের এখানে যে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে, সেটাও চাকরি দেওয়ার জন্য করা হচ্ছে। এত পদেরও কোনো দরকার নেই। বিশেষ করে বিসিএস অ্যাডমিনে যে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে, এত নিয়োগের কোনো প্রয়োজন বাংলাদেশে নেই। কাজ নেই, কিন্তু পদ সৃষ্টি করা হচ্ছে। কাজ ছাড়া পদ সৃষ্টি করলে শুধু টাকার অপচয়ই হয় না, প্রশাসনিক দক্ষতাও কমে যায়।
মশিউল আলম: তাহলে কি আমরা বলতে পারি যে প্রশাসন একটা সেলফ-সার্ভিং করপোরেট গোষ্ঠীতে পরিণত হয়েছে?
আকবর আলি খান: হ্যাঁ, এবং এদের বেতন অনেক বাড়ানো হয়েছে, এবং আমি ডেপুটি সেক্রেটারিদের গাড়ি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হওয়ার আগে হিসাব করে দেখেছিলাম, সরকারের বছরে দেড় শ-দুই শ কোটি টাকা অপচয় হচ্ছে। এখন যদি তাঁদের সবাইকে গাড়ি দেওয়া হয় এবং গাড়ির জন্য অ্যাডভান্স দেওয়া হয়, তাহলে সরকারের হাজার কোটি টাকার ওপরে অতিরিক্ত ব্যয় হবে, যেটার কোনো প্রয়োজন ছিল না। এভাবে একদিকে সরকারের অর্থের অপচয় হচ্ছে, অন্যদিকে সরকারের প্রশাসনিক অবক্ষয় ঘটছে। এগুলো হচ্ছে এ জন্য যে মূল সমস্যা যেগুলো সেগুলো কেউ দেখছে না। এবং জুডিশিয়ারির ক্ষেত্রেও একই রকম অবস্থা হয়েছে। জুডিশিয়ারিতে ৭৫০ খণ্ডকালীন ম্যাজিস্ট্রেটের বদলে ৭০০ ফুলটাইম জুডিশিয়াল অফিসার নিয়োগ করা হয়েছে। কিন্তু দেখা গেল জুডিশিয়ারিতে মামলার জট বাড়তেই আছে, আজও কমছে না। এসব সমস্যা নিয়ে আমি বিস্তারিত আলোচনা করেছি। আমার মনে হয় এগুলো নিয়ে সব দলের চিন্তাভাবনা করার প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তু কোনো দলই এই সমস্যাগুলো নিয়ে চিন্তা করছে না। এ জন্য বাংলাদেশের প্রশাসনে অদূর ভবিষ্যতে কোনো উন্নতি হবে বলে আমি আশা করি না। যাঁরা আমলাতন্ত্রে আছেন, তাঁরা এই ব্যবস্থার সুবিধা ভোগ করছেন, তাঁরা এই ব্যবস্থার কোনো পরিবর্তন চাইবেন না। আর সরকারের দিক থেকে যদি দূরদর্শী নেতা না থাকে তাহলে এই ব্যবস্থার কোনো পরিবর্তন হবে না। দল পরিবর্তন হতে পারে, সরকার পরিবর্তন হতে পারে, কিন্তু প্রশাসন পরিবর্তনের কোনো চিহ্নই এখন পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে না।
মশিউল আলম: প্রশাসনকে দিয়ে দেশ চালিয়ে সরকার টিকে থাকে। এদের খুশি রাখার জন্য এরা যা চায় সরকার তাই করে...
আকবর আলি খান: না, শুধু যা চায় তাই যে করে তা নয়, তাদের দিয়ে যেসব কাজ করানো হচ্ছে, এগুলো তাদের কাজ নয়। আবার তাদের সমস্ত ক্ষমতা এবং তাদের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হচ্ছে। বর্তমান ব্যবস্থায় সমস্ত ক্ষমতা মূলত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে কেন্দ্রীভূত এবং তারপরে মন্ত্রীদের অফিসে কেন্দ্রীভূত। আমলাতন্ত্র অনেক দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু তাদের তবু পয়সা দিয়ে খুশি রাখা হচ্ছে এ জন্য যে তাঁদের অনেকে নির্বাচনের সময় রিটার্নিং অফিসার এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট রিটার্নিং অফিসারের কাজ করেন। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে সরকার এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে পারে, কিন্তু প্রশাসনিক দৃষ্টিকোণ থেকে বর্তমানে যে ধরনের প্রশাসন চালু আছে, এটার কোনোই যৌক্তিকতা নেই।
মশিউল আলম: এখন আমরা একটু রাজনীতির প্রসঙ্গে আসি। বাংলাদেশে তো কয়েক বছর ধরে, বিশেষ করে ২০১৪ সালের নির্বাচনের পরে বিরোধী রাজনৈতিক শক্তি যেটাকে বলে, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় যেটা কাজ করে, সরকারের ভুলত্রুটির সমালোচনা, প্রতিবাদ, একটা বিরুদ্ধ মত, সেটা রাজনৈতিক অঙ্গনে নেই বললেই চলে। প্রধান প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দল বিএনপি অভিযোগ করে তাদের রাস্তায় নামতে দেওয়া হয় না, জনসভা করতে দেওয়া হয় না, তারা কোণঠাসা। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচনের বছর চলে এল। তো সামনে কী হতে যাচ্ছে?
আকবর আলি খান: বাংলাদেশে সংঘাতের রাজনীতি বিরাজ করছে এবং বাংলাদেশে যে বর্তমান পরিস্থিতি, এটার জন্য দুটি দলই দায়ী। বর্তমানের সরকার বিএনপিকে কাজ করতে দিচ্ছে না, আবার বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল তখন তারাও আওয়ামী লীগকে একইভাবে অত্যাচার করেছে, কাজ করতে দেয়নি। সুতরাং এই ব্যাপারে আমাদের কারও ওপরেই আশা করার কারণ নেই। তবে আশার কারণ দেখা যাচ্ছে দুটি। একটি হলো, গত নির্বাচন যখন সরকার করে, তখন শতকরা ৫০ ভাগের বেশি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচন হয়েছে। এটা গণতন্ত্রের কোনো লক্ষণ নয়। যদিও আদালত বলেছেন যে এই সরকার বৈধ এবং আদালতের আদেশ আমাদের সকলের জন্য বাধ্যতামূলক, কিন্তু নৈতিকভাবে এটা সরকারের একটা বড় পরাজয়। আমার মনে হয় সরকার এটা বুঝতে পেরেছে এবং সে জন্য সরকার চাচ্ছে যে বিরোধী দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক। আর বিরোধী দল নির্বাচন বয়কট করে বর্তমানে খুব খারাপ আছে। প্রকৃতপক্ষে মোট ভোটারের সংখ্যার ভিত্তিতে যদি আমরা দেখি, তাহলে বাংলাদেশে বিরোধী দল হওয়ার কথা বিএনপির, জাতীয় পার্টির নয়। কিন্তু সেই আসনে জাতীয় পার্টি বর্তমানে বসে আছে। বিএনপি অনেক সুযোগ-সুবিধা হারাচ্ছে এবং তাদের অসুবিধা হচ্ছে। সুতরাং বিএনপি সম্ভবত কিছুটা ছাড় দিয়ে হলেও কমপক্ষে বিরোধী দলের আসন পাওয়ার ব্যাপারে উৎসাহিত হবে। এই দুটিই হলো আশার লক্ষণ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কী হবে, এটা শেষ মুহূর্ত ছাড়া বলা যাবে না। যদি নির্বাচনের একটা মোটামুটি আবহাওয়া সৃষ্টি করা হয় এবং সেই আবহাওয়ায় যদি দুই দল অংশ নেয় এবং সরকার যদি বিরোধী দলকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে দেয়, তাহলে হয়তো নির্বাচন হবে। এবং এটা হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। কিন্তু হবেই, এটা নিশ্চিতভাবে ভবিষ্যদ্বাণী করা সম্ভব নয়।
মশিউল আলম: তাহলে দেখা যাচ্ছে, এ বছর বড় বন্যায় ব্যাপক ফসলহানি, বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গা শরণার্থীর আশ্রয়, মানবাধিকার লঙ্ঘন ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার সংকোচন, নির্বাচনের বছর কিন্তু রাজনীতিতে তেমন কোনো পরিবর্তন নেই বলে নির্বাচন হবে কি না বা হলে কেমন নির্বাচন হবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তা—এই সমস্ত কিছুর পটভূমিতে আমরা একটা নতুন বছরে পদার্পণ করছি। এই পরিস্থিতিতে আমাদের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ কী হতে পারে? কারণ এগুলোর সবই আমাদের জাতীয় অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলে।
আকবর আলি খান: আপনি যেগুলো বললেন, এগুলো অবশ্যই উপাদান। বাংলাদেশে গত এক দশকের বেশি সময় ধরে যে অর্থনৈতিক অগ্রগতি হচ্ছে তা বেশ সন্তোষজনক। ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হচ্ছে না ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হচ্ছে এ নিয়ে মতবিরোধ থাকলেও যদি ৬ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি হয় তাহলে এটা নিশ্চয়ই একটা সাফল্যের স্বাক্ষর, কারণ পৃথিবীর অধিকাংশ দেশে এত দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে না। কিন্তু এই পরিবর্তনের পেছনে অবদান রয়েছে বাংলাদেশের কৃষকদের, পোশাকশ্রমিকদের এবং যাঁরা বিদেশে কাজ করে দেশে অর্থ পাঠাচ্ছেন তাঁদের। মূলত এই তিনটি গোষ্ঠীই বাংলাদেশের অর্থনীতির নিয়ন্তা। যদিও অর্থমন্ত্রীরা দাবি করেন যে তাঁদের নীতির জন্যই এই সাফল্য অর্জিত হচ্ছে, আমার মনে হয় যে কথাটা পুরোপুরি সত্য নয়। ৭৫ ভাগ অবদান এই তিনটি গোষ্ঠীর আর ২৫ ভাগ অবদান সরকারের। এই তিনটি গোষ্ঠীরই ভিন্ন ভিন্ন সমস্যা রয়েছে। এই তিনটি গোষ্ঠীর সমস্যা সম্পর্কে আমরা যদি সজাগ না হই, তাহলে অর্থনীতি ঝুঁকির মুখে পড়বে। বিদেশে যাঁরা কাজ করছেন, বিশেষত মধ্যপ্রাচ্যে, সেখানে যে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকট দেখা দিয়েছে, তার ফলে সেখান থেকে প্রেরিত অর্থের পরিমাণ কমে যাবে। যদি কমে যায়, তাহলে এটা আমাদের অর্থনীতির অগ্রগতিকে শ্লথ করবে। বিশেষ করে গৃহায়ণ খাতে ধস নামার এবং দেশি শিল্পপণ্যের চাহিদা কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এগুলো সম্বন্ধে সরকারকে সতর্ক থাকতে হবে। দুই নম্বর হলো, কৃষি খাতে কৃষকেরা উৎপাদন করছেন কিন্তু পণ্যের দাম পাচ্ছেন না। সুতরাং এই সমস্যার যদি সমাধান না করা হয়, তাহলে বছরের পর বছর কৃষকেরা লোকসানের বোঝা টানতে পারবেন না। সুতরাং সেখানেও ঝুঁকি রয়েছে। আর পোশাকশিল্প মূলত বৈদেশিক বাজারের ওপর নির্ভরশীল; কিন্তু পোশাকশিল্পের একটা বড় সংকট অদূর ভবিষ্যতে আসবে। সেটা হলো পোশাকশিল্পে কম্পিউটার প্রযুক্তি ব্যবহার করে অনেক সস্তায় নিজেদের মাপ অনুসারে পোশাক তৈরি করা সম্ভব। ইংরেজিতে এটাকে বলে ‘কাস্টোমাইজড ড্রেস’। এখন যে ধরনের পোশাক আমরা বিদেশে পাঠাচ্ছি, সেগুলো কতকগুলো বড় মাপের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়, যেগুলো সবার গায়ে লাগে না। সবার গায়ে লাগে এমন পোশাক প্রযুক্তি প্রয়োগ করে উন্নত দেশে তৈরি করা সম্ভব। এর ফলে পোশাক খাতে যাঁরা বিদেশে কারিগরি পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তৈরি করতে পারবেন না, তাঁরা বিপদের সামনে পড়বেন। এ ছাড়া বিদেশি প্রতিযোগিতা বাড়ছে এবং অর্থনৈতিক উন্নতির ফলে আমাদের দেশে মজুরি বাড়ছে। এই ঝামেলাগুলো ছাড়া আর তিনটি বড় ঝামেলা আমাদের হয়েছে। প্রথমটি হলো আমরা অবকাঠামো খাতে অনেকগুলো বড় প্রকল্প নিয়েছি। আমাদের বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতা সীমিত এবং আমাদের দেশে বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে গিয়ে প্রায়ই দুর্নীতি ও অর্থ অপচয়ের অভিযোগ আসে। আমরা যেসব প্রকল্প পিপিপিতে এবং অন্যান্য খাতে গ্রহণ করেছি, এগুলোর অর্থনৈতিক দায় বিদেশি মুদ্রায় পরিশোধ করতে হবে। সুতরাং আমরা যদি ঠিকমতো প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে না পারি, তাহলে আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার ওপরে প্রচণ্ড চাপ পড়বে। এসব ঝুঁকি আগামী তিন থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে দৃশ্যমান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই সমস্যাগুলো সম্পর্কে যদি সরকার সতর্ক থাকে এবং ব্যবস্থা নেয়, তাহলে আমাদের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশ থেকে বাড়ানো সম্ভব। দ্বিতীয়ত ব্যাংক খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা না হলে দেশে বিনিয়োগের পরিবেশ বিঘ্নিত হবে। তৃতীয়ত, প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর জন্য অবশ্যই সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে। সুশাসন নিশ্চিত করতে না পারলে এখানে বৈদেশিক বিনিয়োগ আসবে না। আমরা এখন যে বৈদেশিক বিনিয়োগ পাই, সেগুলো তাদের অতিরিক্ত সুবিধা দেওয়ার ফলে পাই। কিন্তু যেসব দেশে সুশাসন নেই সেসব দেশে এসব বিদেশি বিনিয়োগ আসে না। সুতরাং আমাদের সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে।
মশিউল আলম: না হলে আমাদের অর্থনীতির ঝুঁকি...
আকবর আলি খান: আগামী বছরেই হয়তো নয়, কিন্তু আগামী তিন থেকে পাঁচ বছরের মধ্যেই এই ঝুঁকিগুলোর প্রভাব আমাদের অর্থনীতিতে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অনেক ঝুঁকিই আমাদের নাড়িয়ে দিতে পারে, সে ক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধি অনেক শ্লথ হয়ে যেতে পারে।
মশিউল আলম: আপনাকে ধন্যবাদ।
আকবর আলি খান: ধন্যবাদ।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তারেক, বাবরসহ ৪৯ জনের মৃত্যুদণ্ড চেয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চলছে বই উৎসব

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাণিজ্য মেলার মূল ফটক পদ্মা সেতুর আদলে

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
উন্নয়নশীল দেশের পথে যাত্রা

পদ্ধতি
স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে তিনটি বিষয় বিবেচনা করা হয়। এগুলো হলো মাথাপিছু আয়, মানবসম্পদ ও অর্থনৈতিক ঝুঁকি। এসব সূচকে আগের তিন বছরের গড় পয়েন্ট হিসাব করা হয়। উন্নয়নশীল দেশ হতে কমপক্ষে দুটি সূচকে ‘গ্র্যাজুয়েট’ হতে হবে। সিডিপির সর্বশেষ ২০১৫ সালের পর্যালোচনায় বাংলাদেশ একটি সূচকে উত্তীর্ণ হয়েছিল। ২০১৮ সালের পর্যালোচনায় যোগ্যতা অর্জন করলে পরের তিন বছর সূচকগুলোতে একই অবস্থা বজায় রাখতে হবে। এরপর উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের সুপারিশ করবে জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কাউন্সিল (ইকোসোক)। আরও তিন বছর পর ২০২৪ সালে জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা দেওয়া হবে।
মূল্যায়ন
২০১৫ সালের সিডিপির মূল্যায়নে দেখা গেছে, অর্থনৈতিক ঝুঁকি সূচকে বাংলাদেশের ২৫ দশমিক ১ পয়েন্ট রয়েছে। উন্নয়নশীল দেশ হতে এ সূচকে ৩২ পয়েন্ট বা তার নিচে থাকতে হবে। মানবসম্পদ সূচকে ৬৬ বা এর বেশি পয়েন্ট পেতে হবে। বাংলাদেশের রয়েছে ৬৩ দশমিক ৮ পয়েন্ট। মাথাপিছু আয় ১ হাজার ২৪২ মার্কিন ডলার থাকতে হবে। বাংলাদেশের রয়েছে ৯২৩ ডলার। মাথাপিছু আয় হিসাবটি জাতিসংঘ করেছে অ্যাটলাস পদ্ধতিতে। অন্যদিকে জাতিসংঘের সিডিপির সঙ্গে সরকারের বৈঠকে যেসব তথ্য-উপাত্ত দেওয়া হয়েছে, তাতে দেখা গেছে ২০১৮ সালে মানব উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশের অর্জিত পয়েন্ট হবে ৭২ দশমিক ৮। অর্থনৈতিক ঝুঁকি সূচকে ২৫ পয়েন্ট। আর মাথাপিছু আয় দাঁড়াবে ১ হাজার ২৭২ ডলার। সেই হিসাবে তিন সূচকেই উত্তীর্ণ হবে বাংলাদেশ।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1331)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
-
▼
2018
(7025)
-
▼
January
(1086)
-
▼
Jan 01
(70)
- জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে পুরো রাখাইন- উপগ্রহ তথ্য থেকে ...
- একটি ঐতিহাসিক দুর্লভ ছবি
- তেলের দাম বাড়ালো সৌদি সরকার
- কেনিয়ার আকাশে ফেঁসে গেল গুগল বেলুন!
- প্রশ্নফাঁস ও নকলকে ‘না’ শিক্ষার্থীদের
- ব্রিটেনের রানির সম্মাননা পেলেন বাংলাদেশের পপি
- নববর্ষ নিয়ে কী বললেন টালিউড তারকারা
- আজ দেশে জন্ম নেবে ৮ হাজার ৩৭০ শিশু : ইউনিসেফ
- জাহিদ হাসানের ‘দাড়ি’ রহস্য উন্মোচন
- দুই মাস বন্ধ থাকবে কাঁকড়া আহরণ
- চট্টগ্রামে গাড়িচাপায় বড়তাকিয়ার চালক নিহত
- সাতকানিয়ায় দুইশতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন বই বিতরণ
- মধ্যপ্রাচ্যে বিভিন্ন দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ট্রাম্...
- ভয়ঙ্কর কিছু ঘটবে ২০১৮ সালে?
- সহিংসতা নয়, সমালোচনার সুযোগ দেয়ার অঙ্গীকার ইরানি প...
- সুন্নি-শিয়া নামে ধর্ম নেই, ধর্ম একটাই, সেটা হলো ইস...
- নতুন বছরে বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম
- একটি সবজি অনেক রোগ থেকে বাঁচায়
- মহিউদ্দিন চৌধুরীর স্মরণসভা বুধবার
- নতুন করে একই ভুল করতে যাচ্ছি by ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ
- নতুন বছরের সংকল্প রক্ষা করা কঠিন by শিশির মোড়ল
- শীতের দুর্লভ ফুল
- হোটেল ওলিওতে বিস্ফোরণ: বোমা প্রস্তুতকারী গ্রেপ্তার
- নির্যাতনের ৭৭ শতাংশই পারিবারিক পরিসরে
- গুম ভবিষ্যতের ইতিহাস by শাহদীন মালিক
- মার্কিনদের একচেটিয়া শাসনের অবসান by কামাল গাবালা
- ‘পারমাণবিক বোমার বোতাম আমার টেবিলেই’
- আমাদের সামনে অনেক ঝুঁকি: আকবর আলি খান
- তারেক, বাবরসহ ৪৯ জনের মৃত্যুদণ্ড চেয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ
- চলছে বই উৎসব
- বাণিজ্য মেলার মূল ফটক পদ্মা সেতুর আদলে
- উন্নয়নশীল দেশের পথে যাত্রা
- সূচকের উত্থানে লেনদেন পুঁজিবাজারে
- দাম নিয়ন্ত্রণে যেসব পদক্ষেপ প্রয়োজন
- ‘শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচন মানে তঁাকেই ক্ষমতায় রাখা’
- আধুনিক আমেরিকার সবচেয়ে অজনপ্রিয় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প
- কেনিয়ায় বাস-লরি সংঘর্ষে নিহত ৩৬
- প্রবাসীদের সমস্যা শুনতে দূতাবাসে উন্মুক্ত আলোচনা
- অবরোধেও পণ্য আমদানি বেড়েছে কাতারে
- শয্যাশায়ী থেকেই স্কুল পরিচালনা প্রধান শিক্ষিকার
- আফগানিস্তানে আজ ‘সবার’ জন্মদিন
- খেল দেখালেন সৌদি প্রিন্স সালমান
- আইএসের পতন
- সৌদি আরবে সংস্কারের ঘোষণা
- ট্রাম্প বললেন, জেরুজালেম ইসরায়েলের রাজধানী!
- পদত্যাগে বাধ্য নওয়াজ শরিফ
- মার্কিন প্রেসিডেন্টের শপথগ্রহণ
- সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণতন্ত্রের নিরাপত্তা by সা...
- উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে এশিয়ার শহরগুলো
- লেখাপড়া করেও কেন চাকরি পাই না? by সোহরাব হাসান
- চিকিৎসকেরা কেন গ্রামে থাকেন না
- শুভ নববর্ষ
- সফর আলীরা আবার কেন আসছেন? by ফারুক ওয়াসিফ
- আমি পেঁয়াজ বলছি... by সারফুদ্দিন আহমেদ
- ২০১৭ সালের আলোচিত কিছু শব্দ by কামাল আহমেদ
- যুক্তরাষ্ট্র থেকে রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠিয়েছে ফিলিস...
- ইরানের এই রিভোলিউশনারি গার্ডস আসলে কারা?
- কোস্টারিকায় বিমান বিধ্বস্ত, সব আরোহী নিহত
- আসামের দুই কোটি মুসলমান রাষ্ট্রহীন হয়ে পড়ার আশঙ্কা
- ভারতে ভণ্ডগুরুদের দ্বিতীয় তালিকা প্রকাশ
- বয়সের খোজে
- কেটে যাক এই ঘোর
- নতুন বছর এলে by মুস্তাফা জামান আব্বাসী
- আজ আট হাজারের বেশি শিশু জন্ম নেবে বাংলাদেশে
- রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে রাখাইনে ক্যাম্প নির্মাণ
- চৌগাছায় নির্মাণাধীন খাদ্য গুদামের ছাদ ধসে ৫০ শ্রমি...
- খামেনির ছবিও পোড়াচ্ছে ইরানের বিক্ষোভকারীরা
- আজ বিনামূল্যের পাঠ্যপুস্তক উৎসব
- যন্ত্রবিজ্ঞানী আমির হোসেনের নতুন উদ্ভাবন স্লো মোশন...
- প্রধান দুই দল দুই মেরুতে
-
▼
Jan 01
(70)
-
▼
January
(1086)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...














