Thursday, May 19, 2016

দ. আমেরিকার ‘বাম দুর্গ’ ভাঙার মিশনে আমেরিকা

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সিআইএ’র থাবায় রক্তাক্ত হয়েছিল আফ্রিকা। আর এখন এনএসএ’র দাবার প্রতিটা চালেই থাকে উত্তর আমেরিকা। হ্যাঁ, এটাই সত্য। সদ্যই প্রকাশিত হয়ে পড়েছে এ তথ্য। লাতিন আমেরিকায় একক আধিপত্য বিস্তারের জন্য পাঁচ বছর মেয়াদি কূটপরিকল্পনা করেছিল মার্কিনিরা। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা এনএসএ’র ‘গোপন মিশনসংক্রান্ত’ ফাঁস হওয়া নথি থেকে জানা যায়- এবার বাম দুর্গে একক আধিপত্য চায় আমেরিকা। সম্প্রতি এ সংক্রান্ত ১৬৬টি নথি ‘দি ইন্টারসেপ্ট ডটকমে’ প্রকাশ করা হয়েছে। ওয়েবসাইটটির মালিক পুলিৎজার পুরস্কারপ্রাপ্ত সাংবাদিক গ্রেন গ্রিনওয়ার্ল্ড মঙ্গলবার নথিগুলো আপলোড করেন। সিআইএ’র সাবেক কর্মী অ্যাডওয়ার্ড স্নোডেনের ফাঁস করা ২০১৩ সালের তথ্যগুলো থেকেই এই গোপন নথিগুলো সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।
সিডটুডে ফাইলস : দি ইন্টারসেপ্ট ডটকমে ‘স্নোডেন আর্কাইভ-দ্য সিডটুডে ফাইলস’ নামে প্রথম ধাপের নথি প্রকাশ করা শুরু হয়েছে। ‘দ্য সিডটুডে’ হল এনএসএ’র গোপন নিউজ লেটার যা শুধু অভ্যন্তরীণ তথ্য বিনিময়ের জন্যই ব্যবহার করা হয়। ২০০৩ সালের ৩১ মার্চ এটি যাত্রা শুরু করে। ঠিক শুরুর দিন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত এ নিউজ লেটারের সব গোপন নথি প্রকাশিত হয়ে পড়েছে। নথিগুলো পর্যবেক্ষণ করে আপলোডকৃত আর্কাইভের ভূমিকাতে গ্রিনওয়ার্ল্ড বলেন, ‘বন্দিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এনএসএ’র কৌশল ও ধারাবাহিক পর্যালোচনা, ইরাকে মার্কিন অভিযান, বিভিন্ন শক্তিশালী সংস্থা এবং রাষ্ট্রের নতুন নেতৃত্ব নিয়োগের বিষয়ে মার্কিন তৎপরতাসংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য আছে এখানে। এ ছাড়া জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিভিন্ন ব্যক্তির মোবাইল, ইন্টারনেট ও কম্পিউটার ডিভাইস নজরদারির ব্যাপারে এনএসএ’র জড়িত থাকার স্পষ্ট প্রমাণ আছে।’
লাতিন আমেরিকায় অস্থিরতা সৃষ্টিতে দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা : লাতিন আমেরিকার দেশগুলোতে সমাজতন্ত্রবিরোধী অবস্থানকে শক্তিশালী করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা করেছিল এনএসএ। শুধু তাই নয়, লাতিন আমেরিকায় মার্কিন স্বার্থ অক্ষুণœ রাখতে বিশেষ বাহিনীকে নিয়মিতই প্রশিক্ষণ দিত সংস্থাটি। এমনকি এনএসএ’র কর্মকর্তাদেরও লাতিন আমেরিকা বিষয়ে দক্ষ করে তোলার জন্য ‘স্কুল অব আমেরিকা’য় বিশেষ প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। ‘লাতিন আমেরিকান ভবিষ্যৎ প্রজেক্ট’ নামে একটি কোর্স খুলে সেখানে আন্দিজ পর্বতাঞ্চলের দেশসমূহ এবং ব্রাজিলের ব্যাপারে পাঁচ বছর মেয়াদি পরিকল্পনা পেশ করে তা অধ্যয়ন করানো হয়েছে তাদের। তারপর পাঠানো হয়েছে নিজ নিজ দায়িত্ব বাস্তবায়নে। ভেনিজুয়েলা, আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, ইকুয়েডর, কলম্বিয়া, চিলি এবং পেরুতে মার্কিন স্বার্থ প্রতিষ্ঠা করার জন্য সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে বলে তথ্য প্রকাশ হয়ে পড়েছে। এ অঞ্চল থেকে ক্রমেই বামপন্থার উচ্ছেদ এবং মার্কিনপন্থী নেতাদের ক্ষমতায়নের ব্যাপারেও বলা হয়েছে। লাতিন আমেরিকাসংক্রান্ত এ প্রকল্পটিকে আধুনিককালের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন প্রজেক্ট বলা যাবে কি-না তা নিয়ে ইন্টারসেপ্টার ওয়েবসাইটে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
ইউরেশিয়ায় ‘রাশিয়া ফ্যাক্টর’ মার্কিন মাথাব্যথা : মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট এনএসএ’র কাছে রাশিয়ার অপরাধ চিত্র এবং অপরাধীদের ব্যাপারে বারবার তথ্য চেয়েছে বলেও সাক্ষী দিচ্ছে নথিগুলো। এদিকে বুধবারের সিবিএস নিউজ বলছে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে দেশটির মাফিয়া ডন কুমারিনের কোনো সম্পর্ক আছে কিনা সে ব্যাপারেও দীর্ঘদিন সময় ব্যয় করেছে এনএসএ।
ইরাকে ‘আবু গারিবে’ নারকীয় তৎপরতার পটভূমি রচনা : ইরাকে মার্কিন অভিযানের একপর্যায়ে সেনাবাহিনী এবং সিআইএ’র সঙ্গে যৌথভাবে জড়িয়ে পড়ে এনএসএ। ২০০৩ সালের ডিসেম্বরে ইরাকের বিদ্রোহীদের সঙ্গে নিয়ে বাগদাদে একজন সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষজ্ঞ নিয়োগ এবং সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদের ব্যাপারে পরামর্শ দেয় এনএসএ। এ ছাড়া আবু গারিব কারাগারে বন্দিদের কাছ থেকে তথ্য পেতে নির্মমতম উপায় অবলম্বনের সুপারিশ করেছে সংস্থাটি। সে বছর জুন মাসের নিউজ লেটারে দেখা যায়, মেজর জেনারেল রিচার্ড জে কোয়ের্ক আবু গারিবকে বন্দি নির্যাতনের গবেষণাগার বানানোর পরিকল্পনা ব্যক্ত করেছেন।
গুয়ানতানামো কারাগারে বিভীষিকা ছড়ানোর প্রস্তুতি : নথি থেকে দেখা যায় যে, কিউবার গুয়ানতানামো কারাগারের জিজ্ঞাসাবাদ এবং নির্যাতন পদ্ধতিকে এনএসএ’র এক কর্মকর্তা নিজেই ‘দুঃস্বপ্ন এবং বিভীষিকাময়’ বলে অভিহিত করেছেন। এনএসএ’র সরাসরি নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ‘এফবিআই ও সিআইএ সবাই একসঙ্গে বন্দিদের জিজ্ঞাসাবাদে অংশগ্রহণ করো।’ প্রত্যুত্তরে এক এফবিআই কর্মকর্তা সেখানকার নির্যাতনের যে বর্ণনা দিয়েছেন তা হল- ‘বন্দিদের গলায় শিকল পরিয়ে কুকুর ভঙ্গিমা করানো, পেটানো, পানি থেরাপি প্রয়োগ, উচ্চ শব্দ, আলো ও তাপ দিয়ে অভিনব পন্থায় জিজ্ঞাসাবাদ চালানো হচ্ছে।’
মধ্যরাতে বসনিয়ায় অভিযান : ২০০২ সালে বসনিয়ার রাজধানী সারায়েভোতে মার্কিন দূতাবাসে হামলার অভিযোগে ৬ নাগরিককে তুলে নিয়ে যায় আমেরিকা। বসনিয়ার আদালতে নির্দোষ প্রমাণিত হলেও আমেরিকার চাপে তাদেরকে সারায়েভো শহর ত্যাগ করতে নিষেধাজ্ঞা দেয় বসনিয়া সরকার। পরে একদিন মাঝরাতে সারায়েভোতে অতি গোপন এক সামরিক অভিযান চালিয়ে তাদেরকে তুলে নিয়ে যায় আমেরিকা। এই ৬ বন্দির স্থান হয় গুয়ানতানামো কারাগারে।

উত্তরের উনের সঙ্গে দেখা করতে চান ট্রাম্প

উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনের সঙ্গে দেখা করতে চান মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সম্ভাব্য রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। পিয়ংইয়ংয়ের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে উনের সঙ্গে উন্মুক্ত আলোচনা করতেই সাক্ষাৎ করতে চান ট্রাম্প। মঙ্গলবার ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম রয়টার্সকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ডোনাল্ড ট্রাম্প উত্তর কোরিয়ার বিষয়ে তার আগ্রহের কথা জানান। ট্রাম্প বলেন, ‘আমি তার (কিম জং উন) সঙ্গে কথা বলতে চাই। তার সঙ্গে কথা বলতে আমার কোনো সমস্যা নেই।’ এদিকে, ট্রাম্পের বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট মনোনয়নপ্রত্যাশী হিলারি ক্লিনটন। তিনি বলেছেন, ‘বিশ্বের প্রভাবশালী নেতাদের প্রতি ট্রাম্পের বিশেষ আগ্রহ রয়েছে।’ তবে উত্তর কোরীয় নেতা কিম জং উনের সঙ্গে আলোচনার আগ্রহকে ট্রাম্পের ‘অর্থহীন কর্মকাণ্ডেরই অংশ’ বলে মনে করেন হিলারি। বিশেষজ্ঞদের বরাত দিয়ে বিবিসি জানায়,
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সম্ভাব্য দুই প্রার্থীর মধ্যে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে কূটনীতি নিয়ে বিতর্ক থাকলেও উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা দেশটির প্রতি মার্কিন নীতির আমূল পরিবর্তন ঘটাতে পারে। রয়টার্সকে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে পূর্ব ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক পদক্ষেপেরও সমালোচনা করেন তিনি। এছাড়া জলবায়ু সম্মেলনের বিষয়েও নিজের আগ্রহের কথা জানান ট্রাম্প। অপর এক খবরে বিবিসি জানায়, চলতি বছর নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠেয় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগেই ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাজ্য সফরে যেতে পারেন। ধারণা করা হচ্ছে, জুলাইয়ে রিপাবলিকান সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ঘোষিত হওয়ার পরই তিনি এ সফরে যাবেন। যুক্তরাষ্ট্রে মুসলমান নিষিদ্ধে ট্রাম্পের ঘোষণার তীব্র সমালোচনা করেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন এবং সম্প্রতি নির্বাচিত লন্ডনের মেয়র সাদিক খান। এ পরিপ্রেক্ষিতে চলতি সপ্তাহের শুরুতে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘যুক্তরাজ্যের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো নাও হতে পারে।’ বিবিসি, রয়টার্স।

প্রথম হ্যাটট্রিক শরীফের

বৃষ্টির লুকোচুরিতে শেষই হল না ম্যাচটা। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শেখ জামাল ২৯ ওভারে তিন উইকেটে ১২০ রান করতেই বৃষ্টি শুরু হয়। বৃষ্টির কারণে ঘণ্টাখানেক খেলা বন্ধ থাকে। এরপর আবার খেলা শুরু হলে ম্যাচ নেমে আসে ৩৮ ওভারে। নির্ধারিত ৩৮ ওভারে শেখ জামাল ১৬৮ রান করে। কিন্তু ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে গাজী গ্রুপ ক্রিকটার্সের লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৯৬। ১৬.১ ওভারে তারা তিন উইকেটে ৮৩ রান করতেই আবার বৃষ্টি। এরপর আর খেলা শুরু করা যায়নি। কাল যেখানে শেষ হয়েছে, আজ রিজার্ঢ ডে’তে সেখান থেকেই ম্যাচটি শুরু হবে। ২১.৫ ওভারে বাকি সাত উইকেট নিয়ে গাজীর প্রয়োজন ১১৩ রান।
তবে বৃষ্টির সঙ্গে দিনটা নিজের করে নিয়েছেন গাজীর অভিজ্ঞ পেসার মোহাম্মদ শরীফ। এবারের ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেট লীগে প্রথম হ্যাটট্রিক করেছেন এই ডান-হাতি পেসার। মাহমুদউল্লাহ তখন বিপজ্জনক হতে শুরু করেছেন। আগের ওভারেই ছক্কা মেরেছেন বাঁ-হাতি স্পিনার মইনুল ইসলামকে। প্রথম স্পেলে পাঁচ ওভারে ৩২ রান দিয়ে উইকেটশূন্য ছিলেন শরীফ। দ্বিতীয় স্পেলে ফিরে মাহমুদউল্লাহকে ফিরিয়েই শুরু করেন শিকার। তার স্লোয়ারে তুলে মারতে গিয়ে শেখ জামাল অধিনায়ক (৩০) ক্যাচ দেন সাঈদ আনোয়ার জুনিয়রের হাতে। পরের বলেই বোল্ড উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান জাবিদ হোসেন (১৩)। ফিল্ডিং যেভাবে সাজানো হয়েছিল তাতে মনে হয়নি হ্যাটট্রিকের পরিকল্পনা রয়েছে শরীফের। হ্যাটট্রিক ডেলিভারির মুখোমুখি হয়েছিলেন অভিজ্ঞ বাঁ-হাতি ব্যাটসম্যান নাজমুস সাদাত। অভিজ্ঞতার লড়াইয়ে জিতেছেন শরীফ। এলবিডব্লুর আবেদনে আম্পায়ারের আঙুল উঠতেই উল্লাসে মাতেন ৩২ বছর বয়সী এই পেসার। উইকেট পড়েছে পরের বলেও। তবে সেটি জমা হয়নি শরীফের ঝুলিতে। রানআউট হন মুক্তার আলি। টানা চার বলে উইকেট, তিন উইকেটে ১৪৯ থেকে মুহূর্তেই শেখ জামালের স্কোর সাত উইকেটে ১৪৯!
পরে ইনিংসের শেষ বলে শফিউল ইসলামকেও বোল্ড করেছেন শরীফ। ৪৩ রানে নিয়েছেন ৪ উইকেট। ৩৮ ওভারে শেখ জামাল করেছে নয় উইকেটে ১৬৮। সর্বোচ্চ ৬৯ রান করেন ওপেনার আবদুল্লাহ আল মামুন। এদিকে লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে বাংলাদেশের কোনো ক্রিকেটারের এটি সপ্তম হ্যাটট্রিক। এর চারটি হয়েছে আন্তর্জাতিক ওয়ানডেতে। ২০০৬ সালে হারারেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করেন শাহাদাত হোসেন। ২০১০ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেই মিরপুরে হ্যাটট্রিক করেন আবদুর রাজ্জাক। ২০১৩ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে রুবেল হোসেন। আর ২০১৪ সালে অভিষেকে হ্যাটট্রিকের প্রথম কীর্তি গড়েন তাইজুল ইসলাম, সেই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। এর বাইরে লিস্ট ‘এ’তে বাংলাদেশের আগের দুটি হ্যাটট্রিকই হয় ২০১৩ সালে ঢাকা প্রিমিয়ার লীগে একই দিনে! রুবেল হোসেন ও তাপস বৈশ্য হ্যাটট্রিক করেন। ১৯৬ রান তাড়া করতে নেমে ৮৩ রানে তিন উইকেট হারিয়েছে গাজী গ্রুপ। এনামুল হক ৩৬ এবং অধিনায়ক অলক কাপালী ১৪ রানে অপরাজিত রয়েছেন। আরাফাত সানি দুটি উইকেট নিয়েছেন।

কান নিয়ে কানাকানি

বরাবরের মতো আকর্ষণীয় গাউন পরেই এবারের কানের লালগালিচায় পা রাখেন সোনম কাপুর। রালফ অ্যান্ড রুশোর হাতাকাটা সাদা গাউনে বেশ আলো ছড়িয়েছেন এ বলিউড কন্যা। ব্যতিক্রমী গাউনের কারণে সবার নজর কাড়লেও বেশ হাসাহাসিও হয়েছে তার পোশাক নিয়ে। এ হাসাহাসির কারণ ছিল তার পরিহিত গাউনটি রুটি, তাঁবু কিংবা রাজহাঁসের পেটের পালকের মতো দেখানোর ফলে। এবারের কানে পোশাকটি নিয়ে বেশ বিব্রতই থাকতে হয়েছে তাকে। এবারের ৬৯তম কান আসরের উদ্বোধনী দিনেই লালগালিচায় হেঁটেছেন ভারতীয় হট নায়িকা মল্লিকা শেরওয়াত। নিজের হাঁটার স্টাইল পোশাক কিংবা চেহারার কারুকাজে হলিউডের সুন্দরী অভিনেত্রী, মডেল কোনো অংশে কম আলো ছড়াননি। নিজের হলিউড ছবি ‘টাইম রেইডার্স’ ছবির প্রচারমূলক কাজের জন্যই এবারের কানে নিজেকে সাজিয়ে এনেছিলেন এ তারকা।
প্রতিবার মল্লিকার কানে হাজির হওয়া নিয়ে চলে ব্যাপক হাসাহাসি। এ হাসির কারণও বেশ হাস্যকর। মূলত আমন্ত্রণ ছাড়াই এখানে হাজির হন এ বলিউড সেক্সি কন্যা। এ নিয়ে সমালোচনা হলেও কোনো কিছুতেই পাত্তা দেননি। কানের লালগালিচায় খালি পায়ে হেঁটে সাড়া ফেলে দিলেন হলিউডের ‘প্রিটি ওম্যান’ জুলিয়া রবার্টস। বৃহস্পতিবার উৎসবটির ৬৯তম আসরের দ্বিতীয় দিনে এ দৃশ্য চোখে পড়ে। তার পায়ে জুতা না থাকায় সবার চক্ষু চড়কগাছ! এটা কীভাবে সম্ভব? কিন্তু এ অসম্ভবকেই সম্ভব করে দেখালেন এ বিশ্ব তারকা। তবে জুতা ছাড়া লালগালিচায় জুলিয়া পা মাড়ানোর ফলে এর জৌলুস বেড়েছে বৈ কমেনি। এ বিষয়ে ফরাসি একটি ম্যাগাজিন তার ভূয়সী প্রশংসা করে লিখেছে, ‘দৃঢ় নারীবাদের প্রকৃত উদাহরণ এটি।’ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারেও তাকে প্রশংসার বন্যায় ভাসিয়েছেন ভক্তরা। তাই বলা যায়, উৎসবে দ্বিতীয় দিনের সন্ধ্যার সব আলো চুরি করে নিয়েছেন জুলিয়া! আরমানির ডিজাইন করা কালো গাউনে দারুণ লেগেছে ৪৮ বছর বয়সী এ অভিনেত্রীকে। তার গলায় ছিল পান্না দিয়ে বানানো হার।