Thursday, July 16, 2026
মধ্যপ্রাচ্যের ‘সব স্থাপনা’ গুঁড়িয়ে দেয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের
গত মঙ্গলবার রাতে ফক্স নিউজকে দেয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, আগামী সপ্তাহের মধ্যে কূটনৈতিক অগ্রগতি না হলে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র, সেতু এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলা চালাবে।
তিনি বলেন, আগামী সপ্তাহ তাদের জন্য খুবই খারাপ হবে। আমরা তাদের সব বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংস করে দেবো। সব সেতু গুঁড়িয়ে দেব- যদি তারা আলোচনার টেবিলে না আসে।
এর জবাবে বৃহস্পতিবার সকালে বার্তা আদান-প্রদানের মাধ্যম টেলিগ্রামে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ইরানের সর্বোচ্চ সামরিক কমান্ডের একজন মুখপাত্র বলেন, ট্রাম্পের হুমকি বাস্তবায়িত হলে মধ্যপ্রাচ্যে এখনো যা অক্ষত রয়েছে- অর্থাৎ সব ধরনের অবকাঠামো- ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর শক্তিশালী আঘাতে ধ্বংস হয়ে যাবে, সেগুলোর কোনো চিহ্নই আর থাকবে না।
তিনি আরও বলেন, কোনো অবস্থাতেই এবং কোনোভাবেই আমরা যুক্তরাষ্ট্রের মতো বহিরাগত কোনো দেশকে হরমুজ প্রণালিতে হস্তক্ষেপ করতে দেবো না। এটি ইরানের অলঙ্ঘনীয় রেড লাইন।

About: Mids
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইরানে আরেকটি ‘চিরস্থায়ী যুদ্ধের’ ঝুঁকিতে ট্রাম্প
সমালোচকদের মতে, ইরানের ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও একই পরিস্থিতিতে পড়তে পারেন।
ট্রাম্প নির্বাচনী প্রচারণায় বলেছিলেন, তিনি নতুন যুদ্ধ শুরু করবেন না, বরং যুদ্ধ শেষ করবেন। বিশেষ করে তিনি মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধে জড়াতে চান না। কিন্তু এখন তার নীতিই তাকে ইরানের সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের দিকে নিয়ে যেতে পারে।
ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র শক্তিশালী হামলা চালিয়ে যুদ্ধ শুরু করে। পরবর্তীতে কখনো আলোচনা অথবা আবার হামলা পর্যায়ক্রমনে চলছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত তারা ট্রাম্পের ঘোষিত লক্ষ্য—ইরানের সরকার পরিবর্তন বা দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ—কোনোটিই অর্জন করতে পারেনি। বরং যুদ্ধের ফলে নতুন একটি বড় সমস্যা তৈরি হয়েছে। আর তা হলো হরমুজ প্রণালি কার্যত অচল হয়ে গেছে।
কূটনৈতিক আলোচনা আপাতত ব্যর্থ হওয়ায় ট্রাম্প নিজেকে পুনরায় যুদ্ধের ময়দানে দেখতে পাচ্ছেন। যুদ্ধবিরতি ভেঙে গেছে, হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ, আর যে সমঝোতা স্মারককে সফল বলেছিলেন, সেটিও এক মাসের মধ্যেই ভেঙে পড়েছে।
বিশ্লেষক আলি ভাইজ বলেন, দুই পক্ষই এই সমঝোতাকে শান্তির সেতু হিসেবে নয়, বরং যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার আরেকটি উপায় হিসেবে দেখেছে। তাই দীর্ঘমেয়াদি শান্তির পরিকল্পনা না থাকলে এই যুদ্ধও ‘চিরস্থায়ী যুদ্ধ’ হয়ে যেতে পারে।
‘ফরএভার ওয়ার’ চিরস্থায়ী যুদ্ধের ধারণাটি মূলত ৯/১১-এর পর শুরু হয়। তখন যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তান ও ইরাকে দীর্ঘ সময় ধরে যুদ্ধ চালায়। শুরুতে সেদেশের সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করা হলেও পরে বিদ্রোহ দমন ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার চেষ্টায় বহু বছর কেটে যায়। শেষ পর্যন্ত বিপুল অর্থ ও প্রাণহানির পরও স্পষ্ট সাফল্য আসেনি।
যুদ্ধ বিশেষজ্ঞ লরেন্স ডি. ফ্রিডম্যান বলেন, শক্তিশালী দেশগুলো প্রায়ই মনে করে তারা খুব দ্রুত যুদ্ধ জিতে যাবে। কিন্তু তারা সামরিক শক্তির সীমাবদ্ধতা বুঝতে পারে না। ফলে যুদ্ধ অনেক দীর্ঘ হয়।
তিনি বলেন, ট্রাম্প যেমন ইরানে, তেমনি ইউক্রেনের ক্ষেত্রে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন নিজেদের সামরিক শক্তির সীমাবদ্ধতা উপলব্ধি করতে ব্যর্থ হন। তাই তারা এমন লক্ষ্য নির্ধারণ করেন যা দ্রুত অর্জন করা সম্ভব ছিল না।
শুধু শক্তিশালী সেনাবাহিনী থাকলেই যুদ্ধ জেতা যায় না। যুদ্ধক্ষেত্রের সাফল্যকে স্থায়ী রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সাফল্যে রূপ দিতে একটি সুস্পষ্ট পরিকল্পনা দরকার। ট্রাম্পের ক্ষেত্রে সমস্যা আরো বেশি, কারণ তিনি স্থলবাহিনী পাঠাতে চান না; শুধু বিমান ও নৌবাহিনীর ওপর নির্ভর করছেন।
১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধে প্রেসিডেন্ট জর্জ এইচ. ডব্লিউ. বুশের লক্ষ্য ছিল সীমিত—কুয়েত থেকে সাদ্দাম হোসেনের বাহিনীকে বের করে দেওয়া। তাই সেই যুদ্ধ দ্রুত শেষ হয়। কিন্তু তার ছেলে জর্জ ডব্লিউ. বুশ পরে ইরাকে সরকার পরিবর্তনের চেষ্টা করেন, যা শেষ পর্যন্ত ইরানের প্রভাবই বাড়িয়ে দেয়। আফগানিস্তানেও তালেবানকে সরানোর পর নতুন সমাজ গড়ার চেষ্টা ব্যর্থ হয়। পরে তালেবান আবার ক্ষমতায় ফিরে আসে।
কোনো কোনো বিশ্লেষকের মতে, ট্রাম্প মনে করেন তিনি ১৯৭৯ সালের ইরানি বিপ্লব ও মার্কিন জিম্মি সংকটের পর থেকে চলে আসা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বিরোধের অবসান ঘটাতে চেয়েছিলেন।
জনস হপকিন্স স্কুল অফ অ্যাডভান্সড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের অধ্যাপক ভ্যালি নাসর বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের এই ‘চিরস্থায়ী যুদ্ধ’ হলো এমন একটি সংঘাতেরই আরেকটি পর্যায়, যা কখনো উত্তপ্ত হয়েছে, আবার কখনো ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তির মতো সমঝোতাও হয়েছে। কিন্তু ট্রাম্প ২০১৮ সালে সেই চুক্তি বাতিল করেন।
কার্নেগি এনডাউমেন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল পিসের সিনিয়র ফেলো অ্যারন ডেভিড মিলার বলেন, ইসরাইলের প্ররোচনায় ট্রাম্প আরেকটি দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে গভীরভাবে জড়িয়ে পড়েছেন। এই সংঘাত লেবানন, ফিলিস্তিন ও ইয়েমেনে ইরানের মিত্র গোষ্ঠীগুলোর মাধ্যমেও চলছে।
ট্রাম্প চাইলে এখনো তাঁর সমর্থকদের কাছে এই যুদ্ধকে একটি বিজয় হিসেবে তুলে ধরে সরে আসতে পারেন। কিন্তু তিনি বরং আরো বেশি জড়িয়ে পড়ছেন, অথচ শান্তি প্রতিষ্ঠার স্পষ্ট কোনো পরিকল্পনা নেই। আর হরমুজ প্রণালি খোলা রাখার মার্কিন প্রতিশ্রুতি এবং এই জলপথের ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার অবস্থান—দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘ সামরিক সংঘাতের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
তবে এই যুদ্ধ আফগানিস্তান বা ইরাকের যুদ্ধের মতো নয়। সেখানে বহু বছর ধরে হাজার হাজার মার্কিন সেনা দীর্ঘ সময় ধরে অবস্থান করেছে। সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের মদতপুষ্ট নতুন সরকারগুলোর বিরোধী মিলিশিয়া ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে লড়াই করে মার্কিন সেনারা। কিন্তু ইরানের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র মূলত একটি শক্তিশালী রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে লড়ছে।
এছাড়া ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহে বড় প্রভাব ফেলতে সক্ষম। এর মাধ্যমে তারা যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্ব অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। তাই ইরান সহজে এর নিয়ন্ত্রণ ছাড়বে না।
ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনের বৈদেশিক নীতি বিষয়ক পরিচালক সুজান মালোনি বলেন, যুদ্ধের আগের পরিস্থিতিতে আর ফেরা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, ইরাকের মতোই, মার্কিনিদের অনুমান ও ভুল ধারণা এই অঞ্চলের ক্ষমতার ভারসাম্য বদলে দিয়েছে। এখন হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাধামুক্ত যান চলাচলের দিন সম্ভবত শেষ হয়ে গেছে।
তিনি বলেন, এখন হয়তো একটি ‘নতুন স্বাভাবিক’ পরিস্থিতি তৈরি হবে, যেখানে হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রকে মধ্যপ্রাচ্যে আরো বেশি সামরিক উপস্থিতি রাখতে হবে।
ভ্যালি নাসরের মতে, এই যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ ইরানের তুলনায় কম। তাই সময়ের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহ কমে যেতে পারে, কিন্তু ইরান একই মাত্রার লড়াই চালিয়ে যেতে প্রস্তুত থাকবে।
সবশেষে আলি ভাইজ বলেন, আপাতত আলোচনার মাধ্যমে যুদ্ধ শেষ হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। কারণ দুই পক্ষ একটি সমঝোতা স্মারকও ধরে রাখতে পারেনি। যদি এমনই চলতে থাকে, তাহলে মাঝেমধ্যে সংঘর্ষের বদলে এটি সত্যিই একটি ‘চিরস্থায়ী যুদ্ধে’ পরিণত হতে পারে।
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
About: Kutubdia News
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ব্যর্থ অভ্যুত্থানচেষ্টা যেভাবে পাল্টে দিল তুরস্ককে
ব্যাপক শুদ্ধি অভিযান
তুর্কি সরকারের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইসলামপন্থি ধর্মগুরু ফেতুল্লাহ গুলেনের নেটওয়ার্ক এই অভ্যুত্থানের পরিকল্পনা করেছিল। তবে ২০২৪ সালে মৃত্যুর আগপর্যন্ত গুলেন এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। ওই ঘটনার পর দেশটিতে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়, যা ২০১৮ সাল পর্যন্ত বলবৎ ছিল।
এই সময়ে তুরস্কের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় শুদ্ধি অভিযান চালানো হয়। গুলেন নেটওয়ার্কের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে হাজার হাজার সেনাসদস্য, বিচারক, পুলিশ, শিক্ষাবিদ ও সরকারি কর্মচারীকে গ্রেফতার বা বরখাস্ত করা হয়। বন্ধ করে দেওয়া হয় শত শত স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়।
তবে সমালোচকদের দাবি, গুলেনপন্থিদের দমনের নামে এই অভিযান মূলত ভিন্নমত স্তব্ধ করতে ব্যবহার করা হয়েছে।
এরদোয়ানের হাতে ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ
ব্যর্থ অভ্যুত্থানের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক প্রভাব ছিল প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের হাতে ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ। ২০১৭ সালের গণভোটে সামান্য ব্যবধানে সংবিধানে বড় পরিবর্তন আনা হয়। এর মাধ্যমে সংসদীয় ব্যবস্থা বিলুপ্ত করে শক্তিশালী নির্বাহী রাষ্ট্রপতিশাসিত ব্যবস্থা চালু করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর পদ বিলুপ্ত করে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা বাড়ানো হয়।
সমর্থকদের মতে, এই ব্যবস্থা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণে সাহায্য করেছে।
তবে ফ্রিডম হাউজের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর মতে, এতে আইনপ্রণেতাদের ক্ষমতা দুর্বল হয়েছে এবং রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান একচ্ছত্র ক্ষমতার অধিকারী হয়েছেন।
ইস্তানবুল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক দোগান চেতিনকায়া বলেন, নতুন এই প্রেসিডেন্সিয়াল ব্যবস্থা মূলত খামখেয়ালিপনা ও অস্পষ্ট প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো দ্বারা চিহ্নিত।
শুদ্ধি অভিযানের পর তুরস্কের বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বেড়েছে। হাজার হাজার বিচারক-প্রসিকিউটরকে অপসারণ করায় বিচার বিভাগ স্বায়ত্তশাসন হারিয়েছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। ২০২৬ সালের রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্সের বিশ্ব সংবাদমাধ্যম স্বাধীনতা সূচকে ১৮০টি দেশের মধ্যে তুরস্কের অবস্থান ১৬৩তম। সম্প্রতি প্রেসিডেন্টকে অপমানের অভিযোগে একজন জনপ্রিয় কমেডিয়ানও গ্রেফতার হয়েছেন।
রাজনৈতিক অঙ্গনেও এর প্রভাব স্পষ্ট। ২০২৫ সালের মার্চে রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের প্রধান রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী ও ইস্তানবুলের মেয়র একরেম ইমামোগলুকে দুর্নীতিসংক্রান্ত অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়। ২০২৬ সালের মে মাসে আদালতের আদেশে প্রধান বিরোধী দল সিএইচপি-এর নেতৃত্বেও হস্তক্ষেপ করা হয়, যাকে বিরোধীরা ‘বিচারিক অভ্যুত্থান’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।
তবে সরকারের দাবি, জাতীয় নিরাপত্তা ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করতেই এই পদক্ষেপগুলো নেওয়া হয়েছে।
রাজনীতিতে সামরিক হস্তক্ষেপের অবসান
তুর্কি রাজনীতিতে এই ঘটনার অন্যতম বড় ইতিবাচক পরিবর্তন হলো সামরিক বাহিনীর ওপর বেসামরিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা। ধারাবাহিক কাঠামোগত সংস্কারের মাধ্যমে সশস্ত্র বাহিনীকে দৃঢ়ভাবে সরকারের অধীনে আনা হয়েছে। মিলিটারি একাডেমি ও হাসপাতালগুলো পুনর্গঠন করা হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, আধুনিক তুর্কি ইতিহাসে প্রথমবারের মতো জনগণ সক্রিয়ভাবে সামরিক হস্তক্ষেপ প্রতিরোধ করেছে, যা রাজনীতিতে সেনাবাহিনীর অভিভাবকত্বের যুগের অবসান ঘটিয়েছে।
নিরাপত্তাকেন্দ্রিক বৈচিত্র্যময় পররাষ্ট্রনীতি
ব্যর্থ অভ্যুত্থানের পর তুরস্কের পররাষ্ট্রনীতিতে বড় পরিবর্তন আসে। অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার স্বার্থে উত্তর সিরিয়ায় ইসলামিক স্টেট ও কুর্দি গোষ্ঠী ওয়াইপিজি-র বিরুদ্ধে তিনটি বড় সামরিক অভিযান চালায় আঙ্কারা।
একই সঙ্গে নেটের সদস্য হওয়া সত্ত্বেও তুরস্ক রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করে। রাশিয়ার তৈরি এস-৪০০ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনার কারণে ওয়াশিংটনের সঙ্গে আঙ্কারার বিরোধ তৈরি হয়। এর জেরে যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে এবং তুরস্ককে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান কর্মসূচি থেকে বাদ দেয়। তবে সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ইঙ্গিত দিয়েছেন। অন্যদিকে, ২০১৮ সাল থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগ দেওয়ার বিষয়ে তুরস্কের আলোচনা কার্যত স্থগিত রয়েছে।
সূত্র: বিবিসি বাংলা
![]() |
| অভ্যুত্থানচেষ্টাটি মাত্র কয়েক ঘণ্টা স্থায়ী হয়েছিল, কিন্তু এর পরিণতি গত এক দশকে তুর্কি রাজনীতিকে পুনর্গঠন করেছে। ছবি: বিবিসি |
About: Kutubdia News
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইরানের ক্যানসার হাসপাতালে ‘বর্বরোচিত’ মার্কিন হামলা
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, “স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের ওপর ইসরাইলের নৃশংস হামলার কথা মনে করি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের এই হামলা। তিনি বলেন, বর্বরোচিত এই হামলায় হাসপাতালে ভর্তি শিশুদের চরম ভোগান্তি ও আতঙ্কের মুখে পড়তে হয়েছে।”
তিনি জানান, হাসপাতাল থেকে কেমোথেরাপি নেওয়া ২১১ জন রোগীকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে হয়েছে।
তবে ইরানের এ অভিযোগের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি যুক্তরাষ্ট্র।

About: Kutubdia News
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শতবর্ষী করচের জলাবনে যেতে যেতে কত কী চোখে পড়ে
শীতে আরেক প্রকৃতি। দিগন্তজুড়ে শুধু বিস্তীর্ণ সবুজ। উড়ে যায় পরিযায়ী পাখির ঝাঁক। এই অন্তেহরি গ্রামকে ছুঁয়ে শত বছরের পুরোনো করচগাছে নীরবে-নিভৃতে তৈরি হয়েছে এক টুকরা ‘জলাবন’। ওখানে জলে শরীর ডুবিয়ে পুরো বর্ষাটাই পার করে এই গাছেরা।
মৌলভীবাজার শহরতলির মৌলভীবাজার-কুলাউড়া সড়কের চাঁদনীঘাট থেকে উত্তর দিকে একাটুনা-জগৎপুর হয়ে অন্তেহরির দিকে গেছে একটি পাকা সড়ক। অন্তেহরির ওই জলাবনের দিকে ‘যেতে যেতে পথে’ কাদিপুরে তখন মৌসুমি মাছের হাট জমে গেছে। এখানে হাটের মানুষ, ঘাটের মানুষ খুব বেশি না হলেও একরকমের প্রাণ আছে। কেউ রাতে কাউয়াদিঘি হাওর থেকে ধরা মাছ নিয়ে এখানে এসেছেন। কেউ এসেছেন পাইকারি দরে মাছ কিনে শহরে নিয়ে যেতে, কেউ গ্রামে গ্রামে ফেরি দিয়ে ওই মাছ বিক্রি করবেন। কিছু ক্রেতাও আছেন, যাঁরা হাওরের টাটকা মাছ কিনতে এখানে ছুটে এসেছেন।
একটা স্বল্পস্থায়ী হাট জমে কাদিপুরের ওই স্থানে। কারও ডোলায় চিংড়ি মাছ, কারও ডোলায় পুঁটি–টেংরাসহ বারো জাতের মাছ। কারও ডোলায় শিং-মাগুর, চ্যাং, কৈ, ভেদা, নানা রকম গুঁড়া মাছ।
কাদিপুর থেকেই অন্তেহরি গ্রামের শত বছর বয়সী করচগাছগুলোকে চোখে পড়ে। সেই কবে গাছগুলো এখানে মাথা তুলতে শুরু করেছিল, তা বলার মতো কেউ আর বেঁচে নেই। স্থানীয় মানুষেরা জানেন, তাঁদের বাপ-দাদারাও যেমন এই গাছগুলো দেখে গেছেন, এখন তাঁরাও দেখছেন। স্থানীয় লোকজনের ধারণা, এই গাছ কেউ রোপণ করেনি। হাওরপারে প্রকৃতির আপন নিয়মে জলাভূমির অন্য সব গাছের মতো এরাও এখানে কোনো এক সময় শিকড় পুঁতেছে। তারপর ধীরে ধীরে বাতাসের বুকে ডালপালা মেলেছে। সেই যে সংসার পেতেছে তারা, এখনো আছে। আগে অনেক গাছ ছিল। নানা দুর্যোগ-দুর্বিপাকে অনেকটাই হারিয়ে গেছে। তারপরও সব কটা একেবারে বাস্তুহারা হয়ে পড়েনি।
এখনো বর্ষা এলে এই করচগাছগুলো এক টুকরা জলাবন হয়ে ওঠে। বৈশাখের সময় থেকে কাউয়াদিঘি হাওরে পানি বাড়তে থাকে, তখন হাওর ভরা অবাধ জলের থইথই। তখন করচের গাছগুলো পানির তলায় ডুবতে থাকে। পানি যত বেশি, তাদের শরীরও ততই ডুবে। অনেকেই একপশলা শান্তির সন্ধানে ওই জলাবনের কাছে কখনো দুপুর, কখনো বিকেলের সময়টিকে পার করতে ছুটে আসেন।
স্থানীয় লোকজন জানালেন, এবার এই আষাঢ়েও কাউয়াদিঘি হাওরে খুব বেশি পানি হয়নি। অন্য বছর এই সময়ে যতটা পানি হতো, এবার তার চেয়ে অনেক কম পানি হয়েছে। কিছু কিছু করচগাছের গোড়া অনেকটা শুকনা মাটিতে ভেসে আছে। অন্য বছর এই সময়ে গাছগুলো সারা শরীর ডুবিয়ে থাকে, এবার এখনো সে রকম পানি হয়নি। তবে নৌকা নিয়ে জলাবনে ভেসে বেড়াতে কোনো সমস্যা নেই। ওখানে জলের সঙ্গে জলের খেলা চলছে। ‘কালের যাত্রার ধ্বনি’ কেউ শুনছে কি শুনছে না, ওখানে হাওর-জলের ইতিহাস সঙ্গে করে ‘জলাবন’ স্থির হয়ে থাকে।
![]() |
| এক টুকরা জলাবনে এখনো মানুষকে কাছে টানবার আকর্ষণ করচের আছে। মৌলভীবাজারের কাউয়াদিঘি হাওরপারের অন্তেহরিতে। ছবি: প্রথম আলো |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘রুহ’টা ভারতে! মাহি কেন লিখলেন এমন কথা
সন্তান জন্মের পর অভিনয় কমিয়ে দিয়েছিলেন। মাহির জীবনের পুরোটা সময় ছেলেকে ঘিরেই ছিল। কখনো ফারিশের হাত ধরে হাঁটা, কখনো খেলাধুলা, আবার মাঝেমধ্যে ভিডিওতে ধরা সেই হাসিখুশি মুহূর্ত—সবকিছু যেন এক অমূল্য ছিল। এখন সেই স্মৃতিগুলোই তাঁকে বাঁচিয়ে রাখে, আবার কষ্টও দেয়।
ছয় মাসের বেশি সময় ধরে মাহিয়া মাহি আছেন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে। আজ শনিবার মাহিয়া মাহি তাঁর ফেসবুক পেজে একাধিক স্থিরচিত্র পোস্ট করে কান্নার ইমোজি দিয়ে ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘আমার রুহটা ইন্ডিয়ায়, আর আমি আমেরিকায়।’ জানা গেছে, ভারতে বাবার কাছে আছে ফারিশ। মা–ছেলের যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম মেসেঞ্জার ও হোয়াটসঅ্যাপে ভিডিও কল। ফারিশ পর্দায় হাসলে মাহির চোখ ভিজে ওঠে। কখনো আবার কথার মধ্যেই থেমে যান তিনি। মাহি বলেন, ‘ছেলেটাকে খুব ছুঁয়ে দেখতে মন চায়। জড়িয়ে ধরে আদর করতে ইচ্ছা করে। কিন্তু ভিডিও কলে কি আর তা সম্ভব! মনটা চায়, দৌড়ে গিয়ে ছেলেটাকে বুকের ভেতর শক্ত করে জড়িয়ে ধরি।’
মাঝেমধ্যে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে মাহির মন খারাপ হয়। ছোট্ট ছেলেটার কথা খুব মনে হয়। দূরদেশে একা বিছানায় শুয়ে তিনি কাঁদেন নিঃশব্দে। তারপর ধীরে ধীরে নিজের চোখ মোছেন, কথা প্রসঙ্গে এমনটাই জানা গেল। মাহি বলেন, ‘আর কিছুদিন, তারপরই ছেলের কাছে ফিরব।’
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়া নিয়ে নানা গুঞ্জন ছড়ালেও মাহির কথা স্পষ্ট, কিছু প্রয়োজনীয় কাজ শেষ করতেই তাঁর এই দূরে থাকা। নিউইয়র্কে যাওয়ার পর প্রথম দিনের ছবির ক্যাপশনে লিখেছিলেন, ‘ঠিক আছে, ধন্যবাদ, বিদায়।’ মানুষ ভেবেছিল, তিনি হয়তো দেশত্যাগ করছেন চিরতরে। অথচ তাঁর মন তো আটকে ছিল ছেলের কাছে, বাংলাদেশের স্মৃতিতে।
নিজের জীবনের নানা ঝড়ঝাপটা পেরিয়ে এসেছেন মাহি। অভিনয় ক্যারিয়ারের উত্থান–পতন, সম্পর্কের ভাঙাগড়া, ব্যক্তিগত জীবনের সংকট—সবকিছুই যেন তাঁকে আরও সংবেদনশীল ও দৃঢ় করে তুলেছে।
২০১২ সালে ‘ভালোবাসার রঙ’ ছবিতে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে ঢালিউডে অভিষেক ঘটে মাহিয়া মাহির। শাহীন সুমন পরিচালিত এই ছবিতে মাহির বিপরীতে অভিনয় করেন বাপ্পী চৌধুরী। সর্বশেষ মাহি অভিনয় করেন হিমেল আশরাফ পরিচালিত ‘রাজকুমার’ ছবিতে। এই ছবিতে তাঁকে শাকিব খানের মায়ের চরিত্রে দেখা গেছে। এতে অভিনয়ের এক পর্যায়ে মাহি প্রেম করে সিলেটের পারভেজ মাহমুদ অপুর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। ২০২১ সালের জুনে তাঁদের বিচ্ছেদ ঘটে। এরপর তিনি ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে গাজীপুরের ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ রাকিব সরকারকে বিয়ে করেন।
২০২৩ সালের ২৮ মার্চ তাঁদের সংসারে পুত্রসন্তান ফারিশের জন্ম হয়।
দেড় বছর আগে চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি বলেছিলেন, রাজনীতিবিদ স্বামী রাকিব সরকারের সঙ্গে তাঁর বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে। গণমাধ্যমে দেওয়া সেই ঘোষণার পর স্বামীর সঙ্গে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি মাহিকে। দুজন দুজনের মতো করেই ব্যস্ত ছিলেন। মাসখানেক আগে হঠাৎ স্বামী ও সন্তানের সঙ্গে দুটি স্থিরচিত্র পোস্ট করেন মাহি। ভালোবাসার ইমোজি দিয়ে মাহি সেই ছবির ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘মাশা আল্লাহ।’ এর ঠিক এক ঘণ্টা আগে একই স্থিরচিত্র পোস্ট করেন রাকিব সরকারও। মাহি ও রাকিবের কাছাকাছি সময়ে স্থিরচিত্র পোস্ট করা নিয়ে রহস্য তৈরি হয়েছে। পরে মাহি জানান, ‘রাগের মাথায় তখন বিচ্ছেদের কথা বলেছিলেন। আসলে তাঁদের বিচ্ছেদ হয়নি।’
![]() |
| মাহিয়া মাহি। ছবি : মাহির সৌজন্যে |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ▼ 2026 (1475)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...



