Wednesday, July 2, 2014
‘ধস থেকে শিক্ষা নিয়ে ব্যাংক খাতকে ঢেলে সাজানো যেতো’ -ড. মুহাম্মদ ইউনূস
ড. ইউনূস বলেন, আমাদের পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় যার টাকা আছে তাকেই অর্থের জোগান দেয়া হয়। যার টাকা নেই সে সুযোগ পায় না। প্রচলিত ব্যবস্থায় ব্যাংকগুলোও যার অর্থ নেই, তাকে ঋণ দেয় না। এ অবস্থা ভেঙ্গে দিতে হবে। সামাজিক ব্যবসা তহবিল গঠন করতে হবে। সমাজের সমস্যা চিহ্নিত করে তরুণরা যে উদ্যোগ গ্রহণ করবে, এ তহবিল থেকে তাদেরকে সহায়তা করতে হবে। এটি সম্ভব হলে আয়ের বৈষম্য কমবে, বেকারত্ব দূর হবে। এলাকাভিত্তিক সামাজিক ব্যবসা তহবিল গঠন করা হলে সমাজের-মানুষের সমস্যা নিরসন হবে। ফলে সৃষ্টি হবে বেকারবিহীন বিশ্ব, যেখানে গরীব বলে কেউ থাকবে না। তিনি বলেন, আমাদের তরুণরা কিছুটা হতাশ। তার নিজের ভবিষ্যত, সমাজের ভবিষ্যত ঠিকভাবে দেখতে পায় না। সামাজিক ব্যবসার ধারণা তাকে স্বস্তি দিয়েছে। নিজেদের যোগাযোগ-সৃষ্টিশীলতার ক্ষমতা ব্যবহারের সুযোগ তারা এ ব্যবসায় কাজে লাগাতে চায়। এটি বাস্তবায়িত হলে সমাজেও ব্যপক পরিবর্তন আসবে। দেশে-বিদেশে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা নিজেরা উদ্যোগী হয়ে ‘সামাজিক ব্যবসা’ কোর্স পড়তে চাইছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
স্বপ্ন পূরণ হলো না সোনাক্ষি সিনহার

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সার্টিফিকেটের ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার বিজ্ঞানীরা কি করবেন? by শামীমুল হক
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বেহাল সড়ক মহাসড়ক by আহমেদ জামাল
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জঙ্গিদের ‘খিলাফত’ প্রতিষ্ঠার ঘোষণা
![]() |
| বাগদাদের কাছে জারফ আল-শাখার শহরে গতকাল জঙ্গিদের সঙ্গে সংঘর্ষের একপর্যায়ে দেয়ালঘেরা জায়গায় আশ্রয় নেন ইরাকি বাহিনীর সদস্যরা। রয়টার্স |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এক বক্তৃতায় হিলারি পাবেন ২২৪০০০ ডলার!
![]() |
| হিলারি ক্লিনটন |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
লিবার্টি মেডেল পেল মালালা
![]() |
| মালালা ইউসুফজাই |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বুলেট রুখবে মাকড়সার সুতো
![]() |
| বুলেটপ্রুফ এই পোশাকের বদলে আসবে মাকড়সার সুতোর পোশাক |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রিহানার অভিনব উদ্যোগ

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ব্রাজিলিয়ান দর্শকের বেশির ভাগই শ্বেতাঙ্গ


About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মেসির চমকেই আর্জেন্টিনা কোয়ার্টার ফাইনালে
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ আইন
দেশে ফরমালিনের অপব্যবহার মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে যাওয়ায় এ ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণে একটি কঠোর আইন প্রণয়ন ও তার প্রয়োগ বর্তমানে জনদাবিতে পরিণত হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগ ও জাতীয় ভোক্তা সমিতির এক যৌথ প্রতিবেদনের তথ্যমতে, দেশে প্রায় ৪০০ টন ফরমালিন দুধ, মাছ, সবজি, ফল ইত্যাদিতে মেশানো হচ্ছে। ফরমালিনের অন্যান্য ব্যবহার থাকলেও অসাধু ব্যবসায়ীরা মূলত খাদ্যদ্রব্যকে টার্গেট করেই বেশি ফরমালিন আমদানি করছে। ফরমালিন ব্যবহারযোগ্য ক্ষেত্রগুলোয় সম্মিলিতভাবে বছরে যেখানে ১০০ টনেরও কম পরিমাণ ফরমালিন ব্যবহৃত হয়, সেখানে আমদানি করা হয় প্রায় ৫০০ টন ফরমালিন। এ থেকেই বোঝা যায় খাদ্যদ্রব্যে মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর ফরমালিনের কতটা অপব্যবহার হচ্ছে। কাজেই এর আমদানি ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত জরুরি। বিষয়টি অনুধাবন করে সরকার ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়ন করতে যাচ্ছে, এটি নিঃসন্দেহে একটি ভালো উদ্যোগ। তবে আইনটি এমন হওয়া উচিত যাতে এতে কোনো ফাঁকফোকর না থাকে, যার সুযোগে কেউ ভিন্ন নামে ফরমালিন আমদানি করতে পারে।
জানা যায়, সরকার গত কয়েক বছরে ফরমালিন আমদানিতে নজরদারি বাড়ানোর কারণে অসাধু ব্যবসায়ীরা ফরমালিনের পরিবর্তে আমদানি করছে ফরমালডিহাইডসহ এমন কিছু রাসায়নিক দ্রব্য, যেগুলো ফরমালিনের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হয়। উল্লেখ্য, ফরমালডিহাইড পানিতে মেশালেই পরিণত হয় ফরমালিনে। ফরমালিনের বিকল্প হিসেবে আরও যেসব রাসায়নিক দ্রব্য আমদানি করা হয় সেসবের মধ্যে রয়েছে ফরমালডিহাইড সলিউশন, মিথানল, মিথানল সলিউশন, মিথাইলডিহাইড, মিথাইলডিহাইড সলিউশন, প্যারাফরমালডিহাইড, প্যারাফরমালডিহাইড সলিউশন, প্যারাফর্ম, ফর্মাজিন ইত্যাদি। ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ আইনের প্রয়োগ ফলপ্রসূ করতে চাইলে ভিন্ন নামে ফরমালিন আমদানির এ সুযোগ বন্ধ করতে হবে। খাবারে কোন মাত্রার ফরমালিন থাকলে তা অপরাধ হিসেবে আমলে নেয়া যাবে, আইনে তারও উল্লেখ থাকা প্রয়োজন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞা বলেছেন, আইন হওয়ার পর আরও বিধি তৈরি করে এর আওতা নির্ধারণ করা হবে। সেক্ষেত্রে আইনের সব ফাঁকফোকর বন্ধের বিষয়টি নিশ্চিত করা যাবে, এটাই কাম্য। নয়তো আরও অনেক আইনের মতো এ আইনের কার্যকারিতা নিশ্চিত করাও কঠিন হয়ে যাবে। কেননা দুর্জনের ছলের অভাব হয় না। অসাধু ব্যবসায়ীরা আইনের ফাঁক খুঁজবেই। ফাঁক রেখে আইন করে কোনো লাভ নেই।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞা নির্ধারণে আইন হচ্ছে by বিএম জাহাঙ্গীর
এ প্রসঙ্গে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কেএইচ মাসুদ সিদ্দিকী মঙ্গলবার যুগান্তরকে বলেন, মুক্তিযোদ্ধার সনদ প্রদান নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে নানা বিতর্ক চলে আসছে। কিছু কিছু অভিযোগ যে একেবারে অসত্য, তা নয়। ইতিমধ্যে কিছুসংখ্যক ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা চিহ্নিত করে তাদের সনদ বাতিলসহ গেজেট থেকে নামও বাদ দেয়া হয়েছে। এ অবস্থায় একটি বিতর্কমুক্ত স্বচ্ছ ও নির্ভুল প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার তালিকা করার ক্ষেত্রে আইনের মাধ্যমে সংজ্ঞা নির্ধারণের কোনো বিকল্প নেই। এজন্য এ সংক্রান্ত আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
সূত্র জানায়, খসড়া প্রস্তাবে মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞায় মুক্তিযোদ্ধার উপাধি বা সনদ পাওয়ার জন্য প্রাথমিকভাবে আট ধরনের যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, যেসব ব্যক্তি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশের সীমানা অতিক্রম করে ট্রেনিং ক্যাম্পে নাম অন্তর্ভুক্ত করেছেন। মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে মুুক্তিযোদ্ধাদের উৎসাহ দিতে যেসব শিল্পী, সাহিত্যিক, খেলোয়াড়, চিকিৎসক, লেখক, সাংবাদিক বিদেশে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অবদান রেখেছেন। যারা মুজিবনগর সরকারের কর্মকর্তা-কর্মচারী হিসেবে ভূমিকা রাখা ছাড়াও বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেছেন। মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে যারা বিভিন্ন মুক্তিবাহিনীর সদস্য ছিলেন। যেমন- কাদেরিয়া বাহিনী, হেমায়েত বাহিনী, আনসার বাহিনী প্রভৃতি। আশ্রয়প্রার্থী হিসেবে ভারতের ত্রাণশিবিরে অবস্থান করলেও পরবর্তীতে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছেন এমন ব্যক্তি। মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী পুলিশ, আনসার ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা। মুুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী অথবা মুজিবনগর সরকারের সঙ্গে সম্পৃক্ত সব গণপরিষদ সদস্য। সবশেষে বিশ্ব জনমত গঠনে সক্রিয় বাংলাদেশী নাগরিকরা।
এদিকে মুক্তিযোদ্ধাদের বিষয়ে আরও কিছু সিদ্ধান্ত আইনে উল্লেখ থাকবে। এগুলো হল মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক মুক্তিযোদ্ধার নামের সঙ্গে বীর মুক্তিযোদ্ধা খেতাব প্রদান। মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠনকে জনমত গঠন, রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন, সাংবাদিক, লেখক, গায়ক, শিল্পী, খেলোয়াড় ও আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় অভিযুক্তদের রাষ্ট্রীয় খেতাব প্রদান করা। মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়া সরকারি ও বেসরকারি ব্যক্তিদের অবদান বিবেচনা করে খেতাব প্রদান। বিদেশী বন্ধুদের সম্মাননা প্রদান অব্যাহত রাখা। জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন এবং ২ বছরের মধ্যে আপিল নিষ্পত্তির বাধ্যবাধকতা নির্ধারণ করে দেয়া। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নের জন্য সেল গঠন এবং এই সেলের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কিত গল্প, প্রবন্ধ, নাটক, কবিতা পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা। নাটক, সিনেমা, মুভি, স্মৃতিকথা, গান লেখার জন্য সেল গঠন (মুক্তিযুদ্ধ, ভাষা আন্দোলন, ৬ দফা, ১১ দফা ইত্যাদি আন্দোলন), অসাম্প্রদায়িক চেতনা বাস্তবায়ন, পাকিস্তানি শাসকদের শোষণ, অত্যাচার, বৈষম্য, সঙ্গীত, নাটক রচনায় সরকারি অনুদান প্রদান। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় শিশু, কিশোর, যুব, পেশাজীবী সংগঠন গঠন করা এবং অসাম্প্রদায়িক রাজনীতির ফাউন্ডেশন-কর্তৃপক্ষ গঠন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফরমালিন কতটা ক্ষতিকর by ড. মুনীর উদ্দিন আহমদ
অসাধু ব্যবসায়ীরা মাছ ও খাদ্যদ্রব্যে ফরমালিন মেশান- এটি সত্যি হলেও মূল সমস্যাটা সেখানে নয়। কী মাত্রায় ফরমালিন মেশানো হয়েছে সেটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। মাছ, ফলমূল এবং অন্যান্য খাদ্যদ্রব্যে বিভিন্নভাবে ফরমালিন প্রয়োগ করা যায়। ইনজেকশনের মাধ্যমে মাছের মধ্যে ফরমালিন প্রয়োগ করা ছাড়াও স্প্র্রে করাসহ ফরমালিনে ডুবিয়ে মাছ, ফলমূল বা খাদ্যদ্রব্য সতেজ রাখা যায়। স্বল্পমাত্রায় ফরমালিন শরীরের ক্ষতি করার কথা নয়। মাছ, মাংস, ফলমূল ও অন্যান্য খাদ্যদ্রব্যে প্রাকৃতিক উপাদান হিসেবেই ফরমালডিহাইড উপস্থিত থাকে। প্রতি কিলোগ্রাম আপেলে ৬.৩ থেকে ২২.৩ মিগ্রা, কলায় ১৬.৩ মিগ্রা, বিটে ৩৫ মিগ্রা, পেঁয়াজে ১১ মিগ্রা, ফুলকপিতে ২৭ মিগ্রা, আঙ্গুরে ২২.৪ মিগ্রা, নাশপাতিতে ৩৮.৭-৬০ মিগ্রা, গরুর মাংসে ৪.৬ মিগ্রা ফরমালডিহাইড থাকে। প্রতিদিন আমরা প্রকৃতি ও পরিবেশ থেকে কম-বেশি ফরমালডিহাইড শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে গ্রহণ করি। কলকারখানা থেকে নির্গত ধোঁয়া ও বাষ্পের মধ্যেও ফরমালিন থাকে, যা প্রতিনিয়ত আমাদের শরীরে ঢুকছে। সিগারেটের ধোঁয়া, এমনকি বৃষ্টির পানিতেও ফরমালডিহাইড থাকে। ফরমালডিহাইড শরীরের জন্য অতি প্রয়োজনীয় একটি প্রাকৃতিক উপাদান। তবে মাত্রাতিরিক্ত ফরমালডিহাইড বিষাক্ত। ফরমালিনের কারণে কার কতটুকু ক্ষতি হবে, তা নির্ভর করে ফরমালিনের মাত্রার ওপর।
প্রিয় পাঠক, এবার আপনাদের অবগতির জন্য ফরমালিনের একটি সংক্ষিপ্ত পরিচিতি উপস্থাপন করতে চাই। ফরমালিন বর্ণহীন তীব্র ঝাঁজালো এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ। ফরমালডিহাইড পানিতে সহজে দ্রবণীয়। পানিতে ৩৭ শতাংশ ফরমালডিহাইড এবং ০.১৫ শতাংশ মিথানলের দ্রবণকে ফরমালিন হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। ফরমালডিহাইড শরীরে পুঞ্জীভূত হয় না। ফরমালডিহাইড হল একটি মধ্যবর্তীকালীন রূপান্তরিত রাসায়নিক পদার্থ এবং প্রতিটি কোষেই ফরমালডিহাইড উৎপন্ন হয়। ফরমালডিহাইড অত্যন্ত ক্রিয়াশীল এবং প্রোটিন ও নিউক্লিক অ্যাসিডের সঙ্গে বন্ধনে মিলিত হয়। রক্তে ফরমালডিহাইডের হাফলাইফ (যে সময়ের মধ্যে কোনো রাসায়নিক পদার্থের পরিমাণ বা মাত্রা অর্ধেকে নেমে আসে) মাত্র ৯০ সেকেন্ড। ফরমালডিহাইড অক্সিডাইজড (রাসায়নিক রূপান্তর) হয়ে অতিদ্রুত ফরমিক অ্যাসিডে রূপান্তরিত হয়, যা প্রস্রাবের মাধ্যমে এবং কিছু অংশ কার্বন-ডাই-অক্সাইডে রূপান্তরিত হয়ে নিঃশ্বাসের মাধ্যমে শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। তাছাড়াও ফরমালডিহাইড শরীরে প্রোটিন ও নিউক্লিক অ্যাসিড সংশ্লেষণের আবশ্যকীয় উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়। মুখ ও শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে ফরমালিন আমাদের দেহে প্রবেশের সুযোগ পায়।
মানুষ ও জীবজন্তুর মধ্যে দেখা গেছে- গলাধঃকরণ করা হলে ফরমালিন বিষাক্ত হতে পারে। আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে বা আকস্মিক ভুল-ভ্রান্তির কারণে ফরমালডিহাইড ব্যবহারে মুখ, গলা, অন্ত্র জ্বলে গিয়ে ক্ষত সৃষ্টি করতে পারে। ফরমালডিহাইড শরীরে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে যকৃতে (লিভার) ফরমিক অ্যাসিডে রূপান্তরিত হয়ে মেটাবলিক অ্যাসিডোসিস (রক্তের অম্লত্ব বৃদ্ধি) উৎপন্ন করে। ফরমিক অ্যাসিড শ্বাস-প্রশ্বাস প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটানো ছাড়াও যকৃত ও কিডনি ধ্বংস করতে পারে। পরিস্থিতি তীব্র হলে শরীরে খিচুনি ও কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রেও বিষাদগ্রস্ততার (ডিপ্রেশন) কারণে মানুষের মৃত্যু হতে পারে। ৩১৭-৪৭৫ মিলিগ্রাম ফরমালিন ৭০ কিলো ওজনের একজন মানুষের মৃত্যু ঘটাতে পারে। ফরমালিনে মিথালনের উপস্থিতি মানুষের শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি ঘটায়। ফরমালিনের ছিটা চোখে পড়লে অস্বস্তি ছাড়াও চোখের দৃষ্টিশক্তি লোপ পেতে পারে।
ফরমালডিহাইড মানবদেহে ক্যান্সার সৃষ্টি করে। ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি ফর রিসার্চ অন ক্যান্সার পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর উপসংহারে এসেছে যে, বারবার ও দীর্ঘ সময়ের জন্য ফরমালডিহাইডের সংস্পর্শে মানবদেহের নাক, ফুসফুস, গলায় ক্যান্সার উৎপন্ন করে। ফরমালডিহাইড নিজে ক্যান্সার উৎপন্ন করে অথবা এ মরণঘাতী রোগ সৃষ্টিতে সহায়কের ভূমিকা পালন করে। ইঁদুর ও কুকুরের মধ্যে পরীক্ষা চালিয়ে দেখা গেছে, ফরমালিনের কারণে পাইলোরাসে অ্যাডেনোকারসিনোমার মতো অন্ত্রের ক্যান্সার সৃষ্টি হয়। অন্যান্য পরীক্ষাও দেখা গেছে, শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে ফরমালিন গ্রহণের কারণে গার্মেন্ট শ্রমিকদের গলা, সাইনাস, নাকের ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে। প্রতি লিটারে ০.৫-২.০ মিগ্রা ফরমালিন চোখ, নাক, গলার সংস্পর্শে এসে জ্বালা-যন্ত্রণা সৃষ্টি করে। প্রতি লিটারে ৩-৫ মিগ্রা ফরমালিন চোখে পানি আনতে পারে। ১০-২০ মিগ্রা ফরমালিনের কারণে শ্বাস-প্রশ্বাসের কষ্ট বাড়ে। ২৫-৩০ মিগ্রা ফরমালিন শ্বাসনালীতে মারাত্মক ক্ষত সৃষ্টি করে। ১০০ মিগ্রা ফরমালিন স্বাস্থ্য ও জীবনের জন্য বিপদ বয়ে আনতে পারে। শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে ফরমালডিহাইড শরীরে প্রবেশ করাটা যেমন বিপজ্জনক, গলাধঃকরণ তেমনি বিপজ্জনক। চামড়ার সংস্পর্শে ফরমালিন এলে চামড়া পুড়ে যেতে পারে এবং বিভিন্ন ধরনের এলার্জির উপদ্রব দেখা দিতে পারে। বেশিমাত্রায় ফরমালিন শরীরে ঢুকলে কোষের প্রতিটি উপকরণের সঙ্গেই তা বিক্রিয়া করার ক্ষমতা রাখে এবং এর ফলে কোষ তথা প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের স্বাভাবিক কর্মকাণ্ডে বিঘ্ন ঘটায়।
ফরমালিনে মিথানলের উপস্থিতি ফরমালডিহাইডের প্রতিক্রিয়ার মাত্রা বৃদ্ধি করে পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটায়। কারণ মিথানলও লিভারে রাসায়নিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রথমে ফরমালডিহাইড এবং পরে ফরমিক অ্যাসিডে রূপান্তরিত হয়, যা রক্তের অম্লত্বের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। রক্তে অম্লত্ব বৃদ্ধি কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের ওপর প্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে শ্বাস-প্রশ্বাসের মারাত্মক অবনতি ঘটাতে পারে। ফরমালডিহাইড দ্রবণে থাকলে তা ফরমিক অ্যাসিডে রূপান্তরিত হয়। ফরমিক অ্যাসিড ক্ষত সৃষ্টিকারী বস্তু। সুতরাং ফরমালডিহাইড ও ফরমিক অ্যাসিড মাত্রাভেদে শরীর-চামড়ার সংস্পর্শে এলে জ্বালা-পোড়া ছাড়াও স্থায়ী ক্ষতচিহ্ন রেখে যেতে পারে। ক্ষয়িষ্ণু বলে ফরমালিন চোখেও বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। ফরমালিনের মতো ক্ষয়িষ্ণু পদার্থ চোখের দৃষ্টিশক্তির অবনতি ঘটানো ছাড়াও দৃষ্টি কেড়ে নিতে পারে।
ফরমালিন থেকে অব্যাহতি লাভের জন্য কোনো ম্যাজিক ফর্মুলা নেই। ফরমালিনের ব্যবহার আমাদের জন্য এক মহাবিপর্যয় হিসেবে দেখা দিয়েছে। তারপরও ছোটখাটো কিছু পরামর্শ হয়তো পাঠকদের ফরমালিনের মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করতে পারে।
এক. আমদানিকৃত মাছে ফরমালিন মেশানোর সম্ভাবনা বেশি থাকে। সুতরাং বিদেশ থেকে আমদানিকৃত মাছ কেনার ব্যাপারে সতর্ক থাকা উত্তম।
দুই. পরিচিত বাজার বা দোকানদারের কাছ থেকে মাছ বা ফলমূল কিনলে ফরমালিনমুক্ত মাছ বা ফলমূল পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
তিন. মাছ টিপে দেখুন। আঙুল দিয়ে টিপলে অস্বাভাবিক শক্ত মনে হলে তাতে ফরমালিন থাকার সম্ভাবনা বেশি। মাছ নাকের কাছে নিয়ে শুকে দেখতে পারেন, ঝাঁজালো গন্ধ নাকে লাগে কি-না। ফরমালিন ঝাঁজালো হয়।
চার. মাছ বা ফলমূল কিনে এনেই পানিতে ডুবিয়ে রাখুন বেশ কিছুক্ষণ। দরকার হলে দু’-একবার পানি বদলে নিতে পারেন। মাছ বা ফলমূলের গায়ে ফরমালিন থাকলে তা পানিতে অনেকটা দ্রবীভূত হয়ে যাবে। সম্ভব হলে মাছ বা ফলমূল ভালো করে ঘষেমেজে ধুয়ে নিন কাটার আগে।
পাঁচ. ফরমালডিহাইডযুক্ত মাছ বা ফলমূল ধোয়া পানি যেন শরীরের সংস্পর্শে না আসে। এ ব্যাপারে শিশুদের প্রতি সতর্ক থাকতে হবে।
ছয়. স্বল্প পরিমাণ ফরমালিন শরীরে মেটাবলাইজড (রাসায়নিক রূপান্তরের মাধ্যমে নিষ্ক্রিয় পদার্থে পরিণত করা) করতে পারে, যা শরীরের জন্য তেমন ক্ষতিকর নাও হতে পারে।
সাত. সুষম পুষ্টিকর খাবার ও ব্যায়ামের মাধ্যমে শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ান। শরীরে ঢুকলে আমাদের শরীরের সহজাত প্রতিরোধ ক্ষমতা ফরমালিনের মতো বিষাক্ত ও ক্ষতিকর উপাদান প্রতিরোধ বা নিষ্ক্রিয় করে দিতে পারে।
আট. মাছ ৫ শতাংশ ভিনেগার (এক লিটার পানিতে ৫০ মিলিলিটার ভিনেগার) দ্রবণে ১৫ মিনিট ডুবিয়ে রাখলে ফরমালিনমুক্ত হতে পারে।
নয়. ভ্রাম্যমাণ আদালতের তদারকি বাড়ালে ফরমালিনের অপব্যবহার অনেক কমে যাবে
দশ. ফরমালিনের ব্যবহারের বিরুদ্ধে গণসচেতনতা সৃষ্টি করুন এবং তা প্রতিহত করার জন্য সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করুন। স্বস্তির ব্যাপার হল- সরকার ফরমালিন নিয়ন্ত্রণে কঠোর আইন প্রণয়ন করতে যাচ্ছে। এ প্রচেষ্টাকে আমরা সাধুবাদ জানাই।
এগার. ভয়ভীতি নয়; উপস্থিত বুদ্ধি, জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা থেকে ফরমালিন সমস্যার সমাধান করতে হবে।
বার. স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়ানোর জন্য সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আমাদের কিছু পড়াশোনাও দরকার।
ড. মুনীরউদ্দিন আহমদ : অধ্যাপক, ফার্মেসি অনুষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
drmuniruddin@gmail.com
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
৫ই জানুয়ারির নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রক্তপাত এড়ালো ব্রাজিল গুলি ও বোমার ঘটনা ফাঁস
কিন্তু কিছুই ঘটলো না। এতবড় উত্তেজনা কাকপক্ষী টের পেলো না। বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচকে কেন্দ্র করে দু’টি চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে সাও পাওলোর শীর্ষস্থানীয় পত্রিকা ফোলহা দ্য এস. পাওলো। একটি বোমা পাতার ষড়যন্ত্র। অন্যটি সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে গুলি করার পরিকল্পনা।
জাঁকজমকপূর্ণ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে ১২ই জুনের ম্যাচটি চলছিল। ম্যাচটি উপভোগ করছিলেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট দিলমা রুসেফ। তাঁর পাশে জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন এবং ফিফা প্রেসিডেন্ট সেফ ব্লাটার ও অন্য অতিথিবৃন্দ। নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত স্পেশাল ফোর্সের কাছে আগেই ইঙ্গিত ছিল যে, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বোমা বিস্ফোরণের আশঙ্কা আছে। সেকারণে নিরাপত্তাকর্মীদের একটি চৌকস দল মঞ্চ ঘিরে একটি বিশেষ নিরাপত্তা ব্যূহ তৈরি করে। হঠাৎ একজন স্নাইপার (গুপ্তঘাতক) ‘সন্দেহভাজন’ অস্ত্রধারী ব্যক্তির গতিবিধি লক্ষ্য করেন। তিনি দেখেন যে পুলিশের পোশাক পরা রহস্যজনক অস্ত্রধারী প্রেসিডেন্ট দিলমা রুসফের কাছাকাছি অগ্রসর হচ্ছেন।

গত ২৮শে জুন ফোলহা যখন প্রথম খবরটি প্রকাশ করে তখন তারা বলেছিল গুপ্তঘাতক ওই অস্ত্রধারীকে গুলি করে হত্যা করার অনুমতি চেয়ে ঊধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের নির্দেশের অপেক্ষায় ছিল। কিন্তু দ্রুতই এই রুদ্ধশ্বাস নিরাপত্তা নাটকের অবসান ঘটে যখন জানা যায় যে, ওই অস্ত্রধারী ব্যক্তি একজন পদস্থ নিরাপত্তা কর্মকর্তা। তাঁর টিমের কাছে খবর ছিল যে দিলমা রুসেফের কাছাকাছি বোমা পোঁতা হয়েছে। তাই তিনি কড়া নজরদারি চালাচ্ছিলেন। তবে এটা নিয়ে অঘটন না ঘটলেও বিষয়টিকে নিরাপত্তাগত ব্যর্থতা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ফোলহার প্রতিবেদনমতে, এ নিয়ে গত কয়েক দিন ধরে পুলিশ বিভাগ ও সাও পাওলো স্টেট পুলিশের মধ্যে সঙ্কট দেখা দিয়েছে। কারণ তারা ঘটনাস্থলে গুপ্তঘাতকের উপস্থিতি নিয়ে দু’ধরনের ব্যাখ্যা দিচ্ছেন। পুলিশ বিভাগের স্পেশাল রেসকিউ টিমের স্নাইপার সদস্য বলছেন, তিনি সন্দেহ করেছেন যে, ট্যাকটিকাল অ্যাকশন টিমের (গ্যাট) ইউনিফর্ম পরা অফিসারকে তিনি সন্দেহ করেন। কারণ, ওই সময়ে সেখানে থাকার জন্য তিনি অনুমোদিত ছিলেন না। গুপ্তঘাতক রেডিওতে তাঁর উপর মহলকে জানিয়েছিল যে, একজন সন্দেহভাজন অস্ত্রধারীকে মঞ্চের খুব কাছে ঘোরাঘুরি করতে দেখা যাচ্ছে। স্টেডিয়ামের কমান্ড সেন্টারে এই খবর পৌঁছানোর পর তারা নিশ্চিত করে যে, এই সময়ে গ্যাটের কোন কর্মকর্তার সেখানে থাকার কথা নয়। আসলে গ্যাটের কেউ নেই। তখন সন্দেহ গভীর হয় যে, লোকটি আসলে অফিসারের উর্দি পরা হলেও প্রকৃতপক্ষে একজন ক্রিমিনাল। তখনই তাকে গুলি করার পরিকল্পনা করা হয়। উপর মহলের কাছে অনুমতি চাওয়া হয়। অনুমতি আসতে বিলম্ব ঘটছিল। কারণ হুকুমদাতারা শলাপরামর্শ করছিলেন যে, এখন গুলি চালানোর পরিণতি কি হতে পারে। ম্যাচ ভ-ুল না হলেও বিশাল একটি আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়বে। বিশেষ করে প্রেসিডেন্ট, ভাইস প্রেসিডেন্ট ও জাতিসংঘ মহসচিবের উপস্থিতিতে গুলি বর্ষণ এবং একজনকে হত্যার ঘটনা ঘটালে ব্রাজিল আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় নেতিবাচক শিরোনাম হবে। আবার একই সঙ্গে তাদের নিরাপত্তার বিষয়টিকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়ার বিষয় ছিল।

গুলি চালানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা না করা নিয়ে স্টেডিয়ামের কমান্ড কন্ট্রোল, যেখানে ওই দুই পুলিশ বাহিনী ছাড়াও সেনাবাহিনীর অফিসাররা ছিলেন, যারা উদ্বোধনী ম্যাচের অপারেশনের দায়িত্বে ছিলেন তারা ঘামছিলেন। সময় যতই গড়াচ্ছিল, ততোই তারা দিশাহারা হচ্ছিলেন, তবে অল্পকালের মধ্যেই টিভি মনিটরের ইমেজ বিশ্লেষণে একজন পুলিশ কর্মকর্তা এগিয়ে আসেন। তাঁর নাম প্রকাশ করা হয়নি। তবে তিনি শনাক্ত করেন যে, সন্দেহভাজন অস্ত্রধারী আসলে আর কেউ নন, একজন গ্যাট অফিসার। তবে এই অফিসারটিকে সেদিন খুব সমম্ভবত ঘটনাস্থল ত্যাগ না করতে বলা হয়েছিল।
ফোলহার এই রিপোর্ট প্রকাশের পর মিডিয়ায় এটা ঝড় উঠেছে। দু’দিন আগে ফক্স স্পোর্টসকে এক ই-মেইলে সাও পাওলো কর্তৃপক্ষ বলেন, কখনওই গুপ্তচর ওই অফিসারকে গুলি করার অনুমতি চাননি। ফক্স স্পোর্টস বলেছে, এটা তাদের আগের অবস্থানের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
এদিকে পাবলিক সিকিউরটি সেক্রেটারি ফার্নান্দো গ্রেলা ভিয়েলা উভয় পুলিশ প্রধানের কাছে বিস্তারিত প্রতিবেদন চেয়েছেন। সত্যিই কি ঘটেছিল, তার বিবরণ এখনও অপ্রকাশিত। চারদিকে আলোড়নের মধ্যে পুলিশ বিভাগ স্বীকার করেছে, সেদিন যেটা ঘটেছে সেটা একটি নিরাপত্তা ব্যর্থতা তবে গুরুতর কিছু নয়। যোগোযোগ সংক্রান্ত একটি ব্যবধান তৈরি হয়েছিল। তবে বড় ধরনের কিছু ঘটার আগেই সেটা সামলানো সম্ভব হয়েছে।
ফোলহা লিখেছে, একটি বোমা পোঁতার হুমকি ওই সময়ে সেখানে ছিল কিনা, গ্যাটের ওই অফিসারের ওই সময়ে সেখানে উপস্থিতি স্বাভাবিক ছিল কিনা তার কোন ব্যাখ্যা এখনও দেয়া হয়নি। এমনকি কোন বিষয়ে তদন্ত এখনও চলমান কিনা সে বিষয়ে তারা নীরব রয়েছে। ফোলহা সেনাবাহিনীর প্রতিক্রিয়া জানতে যোগাযোগ করেছিল। কিন্তু তার কোন জবাব আসেনি। এটাও পরিষ্কার যে, ওই সময়ে ওই গ্যাট কর্মকর্তার সেখানে থাকার জন্য অনুমোদিত ছিলেন না। বোমার সন্ধানে তিনি সেখানে ছিলেন, এই দাবি করা হলেও কারা কিভাবে বোমা হামলার খবর দিল, তা-ও রয়ে গেছে অপ্রকাশিত।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারত নয়, আওয়ামী লীগই দায়ী- সাক্ষাৎকারে বেগম খালেদা জিয়া

প্রশ্ন: সুষমা স্বরাজের সঙ্গে সাক্ষাৎ কেমন ছিল?
এটা ছিল খুবই বন্ধুত্বপূর্ণ সাক্ষাৎকার। সুষমা খুব চমৎকার মানুষ। আমরা দ্বিপক্ষীয় বিভিন্ন ইস্যুতে কথা বলেছি। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, সীমান্ত হত্যাকা-ের মতো বিষয়। এ বিষয়ে সুষমা বলেছেন, তারা এ হত্যাকা- শূন্যতে নামিয়ে আনতে কাজ করে যাবেন। তিস্তা ও সীমান্ত চুক্তির বিষয়ে তিনি নিশ্চয়তা দিয়েছেন যে, এটা বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্কের বিষয়ে কথা বলেছেন। কথার মধ্যে এমন সব প্রসঙ্গ এসেছে। শীতের সময় পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত করা হয়, তখন জনসাধারণ পানি না দেয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে ভারতের বিরুদ্ধে। ভারতকে একটি বড় প্রতিবেশীসুলভ আচরণ করতে হবে। আমাদের রয়েছে দীর্ঘ সীমান্ত। ফলে সেখানে সমস্যা থাকতেই পারে। কিন্তু তাই বলে মানুষ হত্যা করা হলে তাতে জনসাধারণ ক্ষিপ্ত হয়, বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। তিনি আমাদের উদ্বেগের বিষয় মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন। তিনি শুনেছেন আমাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের যেসব বিষয় এখনও সমাধান করা হয় নি তা নিয়ে উদ্বেগের কথা এবং জনগণ টু জনগণ সম্পর্ক শক্তিশালী করা নিয়ে আমার প্রস্তাব।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের প্রতি নরেন্দ্র মোদি সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি কেমন বলে আপনি মনে করছেন?
এখনও তাদের অবস্থান পরিষ্কার নয়। আমি নরেন্দ্র মোদির কাছে দু’টি চিঠি লিখেছি। একটি লিখেছি নির্বাচনে তার বিজয়ের পর। আরেকটি চিঠি লিখেছি তার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেয়ার পর। কারও প্রত্যাশা হতে পারে নতুন সরকার দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক সম্পর্ক শক্তিশালী করতে দূরদৃষ্টিসম্পন্ন পন্থা খুঁজবে। নরেন্দ্র মোদি তার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে সার্কের নেতাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে তার শুভ উদ্যোগ ও দূরদৃষ্টির প্রকাশ পেয়েছে। এটা মেনে নেয়া হয় যে, আমার প্রয়াত স্বামী প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এখন থেকে তিন দশকেরও বেশি আগে সার্ক প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এখন মোদি এ ব্যাপারে আগ্রহ দেখিয়েছেন। আমরা মনে করি এটা এ অঞ্চলের জন্য একটি ভাল উদ্যোগ। আমরা চাই আমাদের দেশের উন্নয়ন। পাশাপাশি আমরা ভারতেরও উন্নয়ন চাই।
প্রশ্ন: একজন নেতা হিসেবে মোদির বিষয়ে আপনি কি ভাবছেন?
মোদিকে বিচারের দায়িত্ব ভারতের জনগণের। তার সুশাসন ও অর্থনীতি যদি ভারতের জনসাধারণের জন্য হয় তাহলে তাকে তারা স্বাগত জানাবেন।
প্রশ্ন: তিনি কি আপনাকে ভারত সফরে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন?
হ্যাঁ। আমি তাকে যখন অভিনন্দন জানিয়েছিলাম তখন আমাদের মধ্যে কথা হয়েছে। তিনি আমাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
প্রশ্ন: আপনি কি ভারত সফরে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন?
আপনি জানেন দেশের এখন কি পরিস্থিতি। আমি এখন ভীষণ ব্যস্ত। এ দেশে গণতন্ত্র নেই। শতকরা ৯৫ ভাগ মানুষ আমাদের সঙ্গে আছেন। তারা চাইছেন অবাধ, সুষ্ঠু, পক্ষপাতহীন ও সবার অংশগ্রহণমূলক একটি নির্বাচন।
প্রশ্ন: এ দেশে নির্বাচনের সময় ভারতের সাবেক সরকার আপনাকে সমর্থন করে নি বলে কি আপনি হতাশা বোধ করেন?
তাদের পররাষ্ট্র সচিব সুজাতা সিং বাংলাদেশে এসেছিলেন। তিনি প্রকাশ্যে বলেছেন, এইচ এম এরশাদের নির্বাচনে অংশ নেয়া উচিত। অন্যথায় নির্বাচন হবে না। পাশাপাশি মৌলবাদীরা ক্ষমতায় আসবে। তিনি আমাদেরকেও বোঝানোর চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু পারেন নি। আমরা কেন নির্বাচনে অংশ নিতে পারবো না সে বিষয়ে আমরা তাকে বলেছি। আমরা একটি রাজনৈতিক দল। আমরা আন্ডারগ্রাউন্ডের কোন সংগঠন নই। কিন্তু নির্বাচন যদি অবাধ না হয় তাহলে এতে অংশ নেয়ার কোন অর্থই থাকতে পারে না। পরে এরশাদ প্রকাশ্যে বলেছেন, তিনি নির্বাচনে অংশ নেবেন না। তারও পরে কেন কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন সরকার একটি ভূমিকা রাখলো তা আমি বুঝতে পারি না। এরশাদ বলেছেন, ভারতের পররাষ্ট্র সচিব তার ওপর চাপ সৃষ্টি করেছিলেন। এক্ষেত্রে নির্বাচনকে যারা স্বীকৃতি দিয়েছে তাদের মধ্যে ভারত-ও রয়েছে। এমনকি কমনওয়েলথ ও জাতিসংঘ বলেছে তারা একদলীয় নির্বাচন সমর্থন করে না। নির্বাচনে কোন পর্যবেক্ষক ছিল না। তাই তারা এ নির্বাচনকে মেনে নিতে পারে নি। এদেশের মানুষও এ নির্বাচনকে মেনে নেয় নি। তাই এ সরকার অবৈধ। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় তাদেরকে শিগগিরই নতুন নির্বাচন দেয়ার আহ্বান জানাচ্ছে।
আওয়ামী লীগ বুঝতে পেরেছে যে, দেশের ভিতরে ও বাইরে তাদের কোন বৈধতা নেই। আওয়ামী লীগ আমাদেরকে বলছে যে, প্রথমে তোমরা আমাদেরকে বৈধ সরকার বলে স্বীকৃতি দাও তারপরে আমরা আলোচনায় যাবো। সুতরাং তারা যে অবৈধ তা প্রকাশ হয়ে পড়েছে। আমি সুষমা স্বরাজকে বলেছি যে, কোন দেশই এমন নির্বাচন প্রত্যক্ষ করে নি যেখানে ৩০০ আসনের পার্লামেন্টে ১৫৪ জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। এমন হতে পারে ২ জন, ৪ জন বা ৫ জন। তাই বলে ১৫৪ জন? মন্ত্রিপরিষদের সব মন্ত্রীই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। শেখ হাসিনার ক্ষেত্রে কোন প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল না। সেখানে একজন ডামি প্রার্থী দাঁড় করানো হয়েছিল এটা দেখাতে যে, নির্বাচনে তার আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে।
প্রশ্ন: কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ও বিজেপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের মধ্যে পার্থক্য কি বলে আপনি মনে করেন?
এত অল্প সময়ের মধ্যে একটি সরকারের বিচার করা কঠিন। এ বিচার করার দায়িত্ব ভারতের জনগণের এ কথা আমি আগেও বলছি। তবে যে কোন পরিবর্তন ভাল কিছুর আশা জাগায়। আমাদের আগ্রহ হলো এটা দেখা যে, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে কি ঘটছে। এ অঞ্চলে কি ঘটছে। মোদি সরকার জোর দিয়েছে প্রতিবেশী দেশগুলোর জনসাধারণের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলতে। এখানে উল্লেখ করার মতো পরিবর্তন হলো- তারা বিশেষ কোন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পর্কে জোর দেয় নি।
প্রশ্ন: আপনি কি মনে করেন কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন সরকার বাংলাদেশকে দেয়া প্রতিশ্রুতি রাখতে পারে নি?
এটা বাংলাদেশের জনমানুষের ধারণা। বস্তুত ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যে সব বড় বড় সমস্যা রয়ে গেছে তা সমাধান করতে না পেরে বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষায় আমাদের সরকার ব্যর্থ হয়েছে। তাদের সদিচ্ছার অভাব ছিল।
প্রশ্ন: আপনি কি মনে করেন ভারতের ওই সরকার আওয়ামী লীগ সরকারের খুব বেশি ঘনিষ্ঠ ছিল এবং এতে বাংলাদেশের শুভ হয় নি?
আবারও বলি এটা এখানকার মানুষের ধারণা। বাংলাদেশের মানুষ আসলে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখায় আন্তরিক। কোন বিশেষ দল বা ব্যক্তি নয়, এ সম্পর্ক হওয়া উচিত দু’দেশের মানুষের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে। আমি কাউকে দায়ী করতে চাই না। কিন্তু আওয়ামী লীগ তাদেরকে এমনটা করতে বাধ্য করেছে। তাই ভারত সরকার তাদেরকে সমর্থন দিয়েছে। এমনকি এখনও এ বিষয়ে কথা বলেন এরশাদ। তিনি বলেন, তিনি নির্বাচনে যান নি। তাকে নির্বাচনে যেতে চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল। এ জন্য তিনি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের চিঠি লিখেছিলেন। কিন্তু তার সেই চিঠি গৃহীত হয় নি। তাই ধারণা প্রচলিত আছে যে, ভারত সরকার ওই নির্বাচনে একটি ভূমিকা পালন করেছিল।
প্রশ্ন: পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তিস্তা চুক্তিতে বিরোধিতা করেছেন। তার এ ভূমিকাকে আপনি কিভাবে দেখেন?
ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের ঢাকা সফরের সময় ঘোষণা দেয়া হয়েছিল যে, তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে, যদিও বাংলাদেশের মানুষ এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে পারে নি। শেষ মুহূর্তে ওই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় নি মমতার বিরোধিতার কারণে। বাংলাদেশের মানুষ প্রকৃতপক্ষেই কিছু জানতে পারে নি যে, আসলে কি ঘটেছে। মমতার সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ হয় নি। আমি জানি না কে এ চুক্তিতে বাধা দিয়েছেন। আমাদের সরকার মমতার কথা বলে। হাসিনা-ও তাই বলেন।
প্রশ্ন: আপনি কি মনে করেন যে, সীমান্ত চুক্তি সামনে এগিয়ে নিতে পার্লামেন্টে তা তুলতে সক্ষম হবে বিজেপি, অথবা আবারও মমতা এতে বাধা সৃষ্টি করবেন অথবা বিজেপির আসাম ইউনিট এতে বাধা সৃষ্টি করবে?
ওই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল ১৯৭৪ সালে। বাংলাদেশ তা ওই বছরেই অনুমোদন করেছে। কিন্তু ভারত এখনও তা করতে পারে নি। ছিটমহলের মানুষগুলো অপরিসীম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। দীর্ঘদিন তারা অনিশ্চিত এক অবস্থায় বসবাস করছেন। দু’দেশের ওপরই এতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। এখন ব্যাপক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় বিজেপি। এটা আশা করা যায় যে, এ সমস্যার সমাধান হবে শিগগিরই।
প্রশ্ন: আপনি দু’দফায় যখন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তখন আপনি দেখেছেন ভারতের তিনজন প্রধানমন্ত্রী। আপনি কিভাবে পিভি নরসিমা রাও, অটল বিহারী বাজপায়ী ও মনমোহন সিংয়ের মধ্যে রেটিং করবেন?
তারা সবাই চমৎকার মানুষ। মনমোহন সিং অতিশয় ভদ্র মানুষ। অতি বিনয়ী। বাজপায়ী একজন সিনিয়র ব্যক্তিত্ব। তার সঙ্গে আমার মতবিনিময় হয়েছে। আমি ভারত সফরকালে নরসিমা রাওয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। আমি বলতে চাই না কে ভাল কে মন্দ। তারা সবাই ও ভারতে বর্তমানে মোদির অধীনে নতুন সরকার সবাই বলেছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে যে সব ইস্যু এখনও সমাধান করা যায় নি তা সমাধান করা উচিত।
প্রশ্ন: কিন্তু তারা তো এসব ইস্যুর কোন সমাধান দিতে সক্ষম হন নি?
এখনও তারা সেটা করতে পারেন নি। তাই আমরা আশা করছি যে, আগের সরকার যা করতে পারে নি পূর্ণাঙ্গ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে নরেন্দ্র মোদি তা করতে পারবেন।
প্রশ্ন: বিএনপির বিগত সরকারের সময়ে ভারতবিরোধী সন্ত্রাসী কর্মকা- নিয়ে একটি উদ্বেগ ছিল। আপনি ভারতকে কিভাবে আশ্বস্ত করবেন?
এ উদ্বেগ ভুল বোঝাবুঝি নিয়ে। বিএনপি সম্পর্কে একটি ভ্রান্ত ধারণা সৃষ্টি করতেই উদ্দেশ্যমূলকভাবে এই প্রচারণা চালানো হয়েছিল। ভারত বা যে কোন প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে আমরা কখনওই বাংলাদেশের ভূখ-কে ব্যবহার করতে দেবো না। এটা আমাদের প্রতিশ্রুতি। আমরা এর প্রমাণও দিয়েছি।
আরেকটি উদ্বেগ রয়েছে বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের অধিকার নিয়ে।
আমি সংখ্যালঘু শব্দটি ব্যবহার করি না। আমি বলি, বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের রয়েছে সমান অধিকার। বিএনপি সরকারের সময়ে তারা ভাল ছিলেন। কিন্তু আওয়ামী লীগের ক্ষমতার সময়ে সেই পরিস্থিতির অনেক অবনতি হয়েছে। ধ্বংস করা হয়েছে মন্দির। কেউই নিরাপদ নয়। যখন বাবরি মসজিদ ধ্বংস করা হয়েছিল তখন আমি ছিলাম বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। তখন যারা সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা সৃষ্টির চেষ্টা করেছিল অনতিবিলম্বে আমি তাদের দমন করেছিলাম। বাবরি মসজিদ ধ্বংসের টেলিভিশন কভারেজ বন্ধ করেছিলাম। হিন্দু সম্প্রদায়কে নিরাপত্তা দিতে আমার মন্ত্রীরা কাটিয়েছেন বিনিদ্র রজনী।
প্রশ্ন: মোদি সরকার অবৈধ অভিবাসীদের বিষয়ে যে অবস্থান নিয়েছেন তাতে কি আপনি উদ্বিগ্ন?
নির্বাচনী প্রচারণা থেকে অনেক বার এ কথা আমরা শুনেছি। এ কথা আমরা অতীতেও শুনেছি। কেউই অকাট্য প্রমাণ দিতে পারেন নি যে, ভারতে বাংলাদেশের অবৈধ অভিবাসী রয়েছেন। সুষমা স্বরাজ এ ইস্যুটি উত্থাপন করেন নি। নির্বাচনের সময় মানুষ অনেক কথাই বলেন জেতার জন্য। আমরাও অনেক কথা বলি। কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে, তার সব কিছুই বাস্তবায়ন করতে হবে। আমি মনে করি না যে, অনেক বাংলাদেশী ভারতে যান। তারা তো এখানেই ভাল আছেন।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের রাজনীতিতে দু’টি পরিবার প্রাধান্য বিস্তার করে আছে। আগামী বছরগুলোতেও কি এ ধারা অব্যাহত থাকবে?
এটা ঠিক না। যেহেতু মুজিবুর রহমানের অবদান আছে, জিয়াউর রহমানের অবদান আছে তাই তাদের পরিবার সম্মান পায়। এ জন্যই জনগণ তাদের ওপর আস্থা রাখেন। দেখুন, এটা শুধু রাজনীতির জন্যই নয়। একজন ব্যারিস্টারের ছেলে ব্যারিস্টার হন। ডাক্তারের ছেলে হন ডাক্তার। ব্যবসায়ীর ছেলে হয় ব্যবসায়ী। তাই রাজনীতিও পরিবারের আগ্রহী সদস্যদের মধ্যে সঞ্চারিত হয়। তারপর তা যায় জনগণের কাছে। যাকে তারা গ্রহণ করেন। এটাই হলো মূল কথা। জনগণ যদি গ্রহণ না করেন তাহলে তারা তো রাজনীতিতে ঠাঁই পাবে না।
প্রশ্ন: বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে সম্পর্ক কি রকম?
আদর্শগত কোন মিল নেই। আমরা কট্টর ডান বা বামপন্থি নই। আমরা মধ্যপন্থি। আপনি যদি অতীত ইতিহাসের দিকে যান তাহলে দেখবেন ১৯৮৬ সালে এরশাদ যখন নির্বাচন দিতে চাইছিলেন তখন জামায়াতের সঙ্গে হাতে হাত রেখে চলেছে আওয়ামী লীগ। বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে এখন যে সহযোগিতা তা হলো নির্বাচনকেন্দ্রিক। তারা কোন কোন আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। আমরা কিছু আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করি। এর বাইরে কিছু নেই। তারা তাদের আদর্শ অনুসরণ করে। আমরা আমাদেরটা।
প্রশ্ন: গত ছয় বছরে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে হাসিনার চেয়ে আপনি আলাদা কি করেছেন?
আওয়ামী লীগ সরকারের মতো আমরা নই। আমরা সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ করার ক্ষেত্রে সার্কের অধীনে যে বিধান আছে তার আলোকে সব ইস্যুতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে করার জন্য জোর আহ্বান জানিয়েছি। আমি এ ইস্যুতে খুব জোর দিচ্ছি যে, দু’দেশের মানুষের মধ্যে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে। বিভক্তি ও ঔপনিবেশিক শাসন আতঙ্ক ও অনাস্থা সৃষ্টি করেছে। আমাদের দু’দেশের মধ্যেই এমন কিছু অংশ আছে যারা অব্যাহতভাবে আতঙ্ক সৃষ্টি এবং তা অব্যাহত রাখে। তাই এটা অত্যাবশ্যক যে, নতুন একটি ভিত্তি তৈরি করতে আমাদেরকে একত্রে কাজ করতে হবে। এর প্রথম পদক্ষেপ হলো, আমাদেরকে আলোচনায় বসতে হবে। পারস্পরিক গ্রহণযোগ্য সমাধান বের করতে হবে। বিএনপি যদি সরকার গঠন করতে পারে তাহলে জনগণ টু জনগণ সম্পর্ক উৎসাহিত করবে। সার্কের মতো সংগঠনকে ব্যবহার করে আঞ্চলিক ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বিস্তৃত করতে হবে। সমস্ত ক্ষেত্রে বাড়াতে হবে সহযোগিতার হাত।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আবারও মেসি চমক by তালহা বিন নজরুল

সাও পাওলোতে আরেনা করিন্থিয়ান্স-এ বিশ্বকাপ ফুটবলের দ্বিতীয় রাউন্ডের খেলায় আর্জেন্টিনা সুইজারল্যান্ড খেলায় ৯০ মিনিটে কোন দলই গোল করতে না পারায় অতিরিক্তি সময়ে খেলা গড়ায়। এবার দ্বিতীয় পর্বের সাত খেলার মধ্যে চারটিই শেষ হলো অতিরিক্ত সময়ে, যার দু’টি নিস্পত্তি হয় টাইব্রেকারে। বেশ কয়েকবার গোলের সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি। সুযোগ পেয়েছিল সুইজারল্যান্ডও। দুই দলের খেলোয়াড়দের ফাউল করে খেলার প্রবণতা খেলার সৌন্দর্য নষ্ট করে দেয়। আগুয়েরোর পরিবর্তে মাঠে নামেন লাভেজ্জি। ম্যারডোনাকে মাঠে দেখা না গেলেও উপস্থিত ছিলেন ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি পেলে। দেখে মনেই হয়নি এই সুইজারল্যান্ড দল প্রথম পর্বে ফ্রান্সের কাছে ৫-২ গোলে হেরেছিল। উল্টো প্রথমার্ধে অন্তত দুটি আসল সুযোগ পেয়েছিল সুইজারল্যান্ডই। আর্জেন্টিনা ৪-৩-৩ পদ্ধতিতে আর সুইজারল্যান্ড ৪-৫-১ পদ্ধতিতে খেলা শুরু করে। আর্জেন্টিনার আক্রমণে ডান দিকে ছিলেন লাভেজ্জি। আর বামে ছিলেন হিগুয়াইন। আর মাঝেখানে মেসি স্বয়ং। মাঝমাঠে ডি মারিয়া, সেন্টার মিডফিল্ডে মাসকেরানো আর গাগো ছিলেন। তবে সবচেয়ে বেশি সক্রিয় দেখা গেছে ডি মারিয়াকে। তিনি অপ্রতিরোধ্য গতি ও শৈলীতে ব্যাতিব্যস্ত রাখেন সুইস রক্ষণভাগকে। তবে এক হিসাবে দেখা ৯০ মিনিটে তার পা থেকে বল বেদখল হয়েছে ৩৭ বার। যদিও শেষ কাজটি করেছেন সেই ডি মারিয়া।
৬৭ মিনিটে মেসি একটা সুযোগ তৈরি করেও সফল হতে পারেন নি। বঙের ওপরে বুক দিয়ে নামিয়ে হাফ ভলি মারেন মেসি। কিন্তু তার তীব্র শটের বল বারের উপর দিয়ে চলে যায়। এর ১০ মিনিট পর বঙের ভেতরে ক্ষিপ্রতার সঙ্গে ঢুকে বাঁ পায়ে তীব্র শট নিয়েছিলেন মেসি। কিন্তু বেনাগলিও শুয়ে পড়ে তা আটকে দেন। বিরতির পরপরই হিগুয়াইনের তীব্র হেডের বল চমৎকারভাবে বারের উপর দিয়ে পাঠিয়ে দেন সুইস গোলরক্ষক দিয়েগো বেনালিও। ৩৪ মিনিটে সুইসরা আরেকটি সুযোগ পায় ফি কিক পেলে। কিন্তু শাকিরির বাঁকানো শট রোমেরো ফিরিয়ে দেন। ৩৯ মিনিটের সময় একটা সহজ সুযোগ কাজে লাগাতে পারেন নি সুইস আক্রমণভাগের জসিপ দারমিচ। পাল্টা আক্রমণ থেকে বল পেয়ে ছুটছিলেন তিনি। আর্জেন্টিনার সব ডিফেন্ডার পেছনে পড়ে গিয়েছিলেন। সামনে কেবল গোলরক্ষক রোমেরো। কিন্তু দ্রুত ধাবমান জসিপ বঙের কোনা থেকে বলটি সোজা তুলে দেন রোমেরোর হাতে। প্রথম ৫ মিনিটে মেসিকে দেখাই যায়নি। আর্জেন্টিনাও শুরু করে বেশ শান্ত ও ধীরে। যেন তাড়াহুড়োর কি আছে। আমরাই তো জিতবো। মেসির আসল টান দেখা যায় খেলা ১৫ মিনিটের সময়। কাগজে কলমে ২০,০০০ আর্জেন্টাইন সমর্থক খেলা দেখতে ঢুকলেও পুরো গ্যালারি জুড়েই দেখা গেছে তাদের জার্সি। আর্জেন্টাইন সমর্থক হবে প্রায় ৪০,০০০। দু’তিন জায়গায় দেখা যায় লাল জার্সি গায়ে সুইস সমর্থক। তবে আসনসংখ্যা ছিল ৬২৩২২, যার অনেকই শুন্য পড়ে ছিল।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইরাকে পার্লামেন্টে বিশৃঙ্খলা, স্পিকার নির্বাচন হয়নি
মার্কিন কংগ্রেসের উদ্দেশে লেখা এক চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ওবামা বলেন, ‘বাগদাদের নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে আমি সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস, পৃষ্ঠপোষক ব্যবস্থা ও বিমানবন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আরও ২০০ সেনা পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছি। মার্কিন নাগরিক ও সম্পত্তি রক্ষার জন্য এসব সেনা মোতায়েন করা হবে। তারা প্রয়োজনে লড়াইয়ের জন্যও প্রস্তুত থাকবে।’

>>আইএসআইএল জঙ্গিরা ইরাক ও সিরিয়ার অধিকৃত এলাকা নিয়ে ‘খিলাফত’ প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিলে সোমবার সিরিয়ার রাক্কার রাস্তায় ট্যাংক নিয়ে উল্লাস করে জঙ্গিরা l রয়টার্স
ইরাকি পার্লামেন্টের অধিবেশন শুরু: গত এপ্রিলে নির্বাচিত পার্লামেন্টের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়েছে গতকাল। বিশ্বনেতারা ও ধর্মীয় নেতারা জঙ্গিসংকট মোকাবিলায় ইরাকের বিভিন্ন গোষ্ঠীকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানালেও গতকাল পার্লামেন্টে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। তাঁরা সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কাজটিও পূরণ করতে পারেননি। পারেননি পার্লামেন্টের স্পিকার নির্বাচন করতে।
এর আগে অধিবেশনে পার্লামেন্টের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার মেহদি আল-হাফিদ আইনপ্রণেতাদের উদ্দেশে বলেন, দেশকে ‘সঠিক’ পথে চালিত করতে স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনা দরকার। ইরাকে এখন যে নিরাপত্তা বিপত্তি দেখা দিয়েছে, তা অবশ্যই বন্ধ করতে হবে।
দেশকে নৈরাজ্য থেকে রক্ষার জন্য একটি সমন্বিত নতুন সরকার গঠনের লক্ষ্যে ইরাকি পার্লামেন্টের চলতি অধিবেশন শুরু হয়েছে। সুন্নি জঙ্গিরা ইরাকে ‘খিলাফত’ প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিয়েছে। গেরিলা যোদ্ধা আবু বকর আল-বাগদাদিকে ‘খলিফা’ উল্লেখ করে আইএসআইএলের জঙ্গিরা নিজেদের অধিকৃত এলাকায় ‘খিলাফত’ প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিয়েছে।
স্বাধীনতার জন্য কুর্দিদের গণভোট হবে: ইরাকের কুর্দি সম্প্রদায় স্বাধীনতার জন্য কয়েক মাসের মধ্যেই গণভোটে অংশ নেবে। তাদের নেতা মাসুদ বারজানি গতকাল এই ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেন, ভোটের জন্য এখনই সঠিক সময়। কারণ, স্বঘোষিত ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ইরাকে ইতিমধ্যেই বিভক্তি দেখা দিয়েছে।
বারজানি বলেন, ‘কুর্দিস্তানে আমরা গণভোটের আয়োজন করব এবং জনগণের সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান জানাব। আমি গণভাটের তারিখ নির্ধারণ করতে পারছি না। অবশ্যই এতে কয়েক মাস লেগে যাবে।’
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
খাদ্যে বিষাক্ত রাসায়নিক- অভিযান হতে হবে নিখুঁত
পুলিশ অবশ্য বসে নেই। সম্প্রতি অভিযান চালিয়ে অনেক আম ধ্বংস করেছে। কিন্তু এ সময় জানা গেল, আম, লিচু ও আপেলের ছয়টি নমুনা পরীক্ষা করে বিএসটিআই ফরমালিন পায়নি। এক মাস আগের এ পরীক্ষার ফলাফল যাচাই-বাছাইয়ের আগেই পুলিশের অভিযানে বোঝা যায়, সরকারের অন্তত এ দুটি সংস্থার মধ্যে সমন্বয় নেই। এভাবে চলতে থাকলে মানুষ আশ্বস্ত হবে কীভাবে? আর বিএসটিআইয়ের পরীক্ষায় ফরমালিন ধরা না পড়লেও নির্লিপ্ত থাকা যাবে না। আজ নেই, কাল যে থাকবে না, তার কী নিশ্চয়তা আছে? স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্য মেশানো বন্ধের জন্য যা কিছু করা দরকার, করতে হবে।
বিশেষজ্ঞদের হিসাব অনুযায়ী দেশে বিভিন্ন রাসায়নিক পরীক্ষাগারে, আসবাবশিল্পে ও অন্যান্য সুনির্দিষ্ট কাজে ফরমালিন ব্যবহারের চাহিদা মাত্র ১০০ টন, অথচ দেশে আমদানি করা হয় ৫০০ টন। এ ছাড়া বিভিন্ন নামে হাজার হাজার টন ফরমালডিহাইড আমদানি হয় বলেও খবর পাওয়া গেছে।এক শ্রেণির অসাধু আমদানিকারক অতিরিক্ত ফরমালিন আমদানি করে খোলাবাজারে ছাড়ে বলেই এর অপব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। তাই আমদানি পর্যায়ে ব্যবস্থা নিতে হবে। এ ছাড়া বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্যে যেসব রং ব্যবহার করা হয়, তা স্বাস্থ্যসম্মত কি না, তা-ও পরীক্ষা করে দেখা দরকার। অতিমুনাফার লোভে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী খাদ্যে নির্বিচারে আসবাবে ব্যবহারের রং মেশায় বলে অভিযোগ রয়েছে।
পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলোকে আইন প্রয়োগ করতে হবে দক্ষতার সঙ্গে। একবার নকল ওষুধ ধরতে গিয়ে মিটফোর্ডে ওষুধের পাইকারি বাজারে শুরু হয় ধর্মঘট। এবার আমে ফরমালিন রোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ায় হলো ফলের বাজারে ধর্মঘট। এ রকম অপ্রীতিকর পরিস্থিতি কাম্য নয়। আইনের প্রয়োগ হতে হবে নিখুঁত। একদিকে যেমন পরীক্ষা-নিরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন, অন্যদিকে এমন কড়া নজরদারি থাকতে হবে, যেন ফরমালিন বা অন্য ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্য মেশানোর সময় হাতেনাতে অপরাধীদের ধরা যায়। সুনির্দিষ্ট অভিযোগের বিষয়ে সাক্ষ্যপ্রমাণসহ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে কারও কোনো আপত্তি থাকবে না। বাড়াবাড়ির কারণে অভিযান ব্যর্থ হলে ফরমালিনের অপব্যবহারকারীরাই উৎসাহিত হয়। তাই এসব ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা বাঞ্ছনীয়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ক্ষমতার তোরণ থাকবে, আইন থাকবে না?- সাংসদ কামাল মজুমদার
একজন আইনপ্রণেতা যদি আইন ভঙ্গ করে সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির তোরণ নির্মাণ করেন, তাহলে সেই আইনপ্রণেতাকে কি আইন ছাড় দেবে? তিনি শুধু অবৈধ তোরণ নির্মাণের নির্দেশই দেননি, পুলিশের কাজে বাধা দিয়েছেন।জনগণের ভোগান্তি রোধে তিনটি তোরণ অপসারণের প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ করে জনগণের আরও ভোগান্তি ঘটিয়েছেন।আইনে এ ব্যাপারে অস্পষ্টতা ও রহস্য নেই। সুস্পষ্টভাবেই সাংসদ কামাল আহমেদ মজুমদার দুই দফায় আইন লঙ্ঘন করেছেন।একবার তোরণ নির্মাণ করে, দ্বিতীয়বার সড়ক অবরোধ করে।তিনি যদি সঠিক হন, তাহলে পুলিশ ভুল।আর পুলিশ যদি সঠিক কাজ করে থাকে, তাহলে অবশ্যই কামাল আহমেদ মজুমদার আইনের চোখে দোষী।এখন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কী করবে?
আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীসহ সারা দেশে হাজার হাজার তোরণ, ফেস্টুন, ব্যানার, বিলবোর্ড, পতাকা ইত্যাদি তৈরি করা হয়। প্রায় সব সড়ক ও সড়কের মোড়ে এগুলো স্থাপনও করা হয়। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হওয়ার পাঁচ-ছয় দিন পরও এগুলো রাখার কোনো প্রয়োজন ছিল না। চোখের যন্ত্রণার কথা বাদই থাক, রাস্তার ওপর তোরণ বানানো হলে যান চলাচলে অসুবিধা হয়। ঢাকার অসহনীয় যানজটকে তা আরও দুঃসহ করে তোলে। এসবের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের প্রতিবাদের কোনো সুযোগই নেই। মাত্র একটি ক্ষেত্রে (মিরপুরে) পুলিশের দায়িত্ব পালনে যে বাধা আসে, তা বুঝিয়ে দেয় যে এই বাংলাদেশে আইনের নিজের গতিতে চলার অবস্থা নেই।
কামাল আহমেদ মজুমদার পুলিশ ও জনগণের বিরুদ্ধে যে ঔদ্ধত্য দেখিয়েছেন, এর আইনানুগ বিহিত না হলে পুলিশের পক্ষে সরকারদলীয় নেতা-কর্মীদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো কঠিন হবে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এখনো বিবিসি ভরসা- বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্ক by আলী ইমাম মজুমদার

কয়েক দিন আগে হঠাৎ করে দু-একটি সংবাদপত্র বিবিসি বাংলার সূত্রে খবর দিল, ভারতের অঙ্গরাজ্য ত্রিপুরায় ১০ হাজার টন চাল-গম পাঠাতে ট্রানজিট দিয়েছে বাংলাদেশ। এ দেশের নৌপথ ও আশুগঞ্জ বন্দর ব্যবহার করে এ খাদ্যশস্য ৪৫ কিলোমিটার সড়কপথ পেরিয়ে আগরতলা যাবে। ত্রিপুরার খাদ্য ও গণবণ্টন দপ্তরের মুখ্য সচিবের বক্তব্য উল্লেখ করে বিবিসি খবরটি প্রচার করে। ভারতীয় পক্ষ আশা প্রকাশ করেছে এ ব্যবস্থা সফল হলে এভাবেই ত্রিপুরায় যাবে ভারতের অন্য অঞ্চলের পণ্যসামগ্রী। এ প্রক্রিয়ায় ট্রানজিট ফি বা অন্য কোনো মাশুল নেওয়া হবে কি না, এর কোনো জবাব দেয়নি ভারতীয় পক্ষ। ত্রিপুরায় চাল-গমের চালান পাঠানোতে বাংলাদেশ ভূখণ্ড ব্যবহারে নীতিগত কোনো আপত্তি তেমন কেউ করার কথা নয়। তবে এ সম্পর্কে বাংলাদেশ সরকারের সম্পূর্ণ নীরবতা প্রক্রিয়াটিকে অস্বচ্ছ আর প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলছে। অতীতেও ত্রিপুরায় পণ্যসামগ্রী ট্রানজিটে একই পথে একই ধরনের অস্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় নেওয়া হয়েছিল। আর এরূপ হতে থাকলে অকারণ সন্দেহ আর বিভ্রান্তি সৃষ্টির আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। ট্রানজিট কোনো ছোটখাটো বিষয় নয়। একটি সার্বভৌম অধিকারের ওপর অন্যকে শরিকদার করতে দেশের জনগণকে সুস্পষ্টভাবে জানানো দরকার।
ত্রিপুরা আমাদের অতি নিকট প্রতিবেশী একটি ছোট ভারতীয় রাজ্য। ১৯৭১ সালে এর লোকসংখ্যা ছিল সাড়ে ১৫ লাখ। সে সময়ে এ রাজ্য বাংলাদেশ থেকে যাওয়া ১৬ লাখ শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছিল। এ বিবেচনায় ত্রিপুরাবাসী বাংলাদেশের কাছে কিছু বেশি দাবি করতেই পারে।বাংলাদেশও এ বিষয়ে সংবেদনশীলতার পরিচয় দিয়েছে সময়ে সময়ে। আগে একবার খাদ্যশস্যের চালান গেছে বিনা মাশুলে।গেছে সে রাজ্যে ৭৬৩ মেগাওয়াট একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের অতি ভারী মালামাল। এসব মালামাল দুর্গম পাহাড়ি পথে আনা প্রায় অসম্ভব ছিল। ২০১১ সালে সহযোগিতার হাত বাড়াল বাংলাদেশ।এ ধরনের ওভার ডাইমেনশনাল বিপুল পরিমাণ কার্গো পার করার জন্য কয়েকটি বিকল্প রাস্তা করা হয়। আখাউড়া রেলসেতু-সংলগ্ন স্থানে তিতাস নদের মূল স্রোতোধারায় বাঁধ দিয়ে ৪৫০ মিটার রাস্তাও নির্মিত হয়। কয়েক মাসব্যাপী চলে বিনা মাশুলে এ মালামাল পারাপারের কাজ। ২০১৩ সালের জুনে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি চালু হয়।অতিসম্প্রতি সুষমা স্বরাজের সফরকালে সিদ্ধান্ত হয়েছে এ বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বাংলাদেশ ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কিনতে পারবে।সিদ্ধান্তটি ইতিবাচক।
এখানে উল্লেখ করা যায় যে আশুগঞ্জ থেকে ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলার দূরত্ব ৪৫ কিলোমিটার। আর কলকাতা থেকে গুয়াহাটি হয়ে এর দূরত্ব এক হাজার ৬৫০ কিলোমিটার। এমনকি স্থলপথেও বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে কলকাতা থেকে আগরতলার দূরত্ব ৩৫০ কিলোমিটার। তাহলে সহজে অনুমান করা যায়, বাংলাদেশকে ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার করলে ত্রিপুরায় পণ্য পরিবহন ব্যয় ও সময় অনেকাংশে কমে যাবে। অন্যদিকে এ দেশের রাস্তা, বন্দর ও নৌপথ রক্ষণাবেক্ষণের খরচ বাড়তে থাকবে। নৌপথে জলযানের নির্গত বর্জ্য পরিবেশের ক্ষতি করবে। বাংলাদেশের কিছুটা প্রশাসনিক ব্যয়ও হবে। এসব দিক বিবেচনায় বেঁচে যাওয়া খরচের একটি অংশ ট্রানজিটের মাশুল হিসেবে ধার্য করা অত্যন্ত যৌক্তিক।শুভেচ্ছার নিদর্শন হিসেবে দু-একবার বিনা মাশুলে যেতে দেওয়া যায়। কিন্তু এ রকমই চলতে থাকা অযৌক্তিক ও অস্বাভাবিক।বাংলাদেশের মানুষ প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক চায়। তবে এটাও চায় যে তা হবে ন্যায্যতা ও বাস্তবতার আলোকে। ত্রিপুরার বিদ্যুৎ আমাদের বাজারমূল্য দিয়েই কিনতে হবে। তাই স্বাভাবিক। এ দুর্লভ জিনিস ভারত দিচ্ছে, তার জন্য আমরা অবশ্যই কৃতজ্ঞ। ঠিক তেমনি ট্রানজিটও একটি বিরল সুযোগ। এর বাজারমূল্য নির্ধারণ খুবই কঠিন। তবে খোলা মনে বাস্তবতার আলোকে আলোচনার মাধ্যমে একটি ন্যায়সংগত মাশুল ধার্য করতে আর বিলম্ব করা উচিত নয়। তদুপরি বৃহত্তর পরিসরে তা করতে হলে আগে অবকাঠামো জোরদার করা অত্যাবশ্যক।
এমনিতে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে কিছুটা টানাপোড়েন আছে। উভয় দেশে এমন কিছু লোক আছে, যারা দেশ দুটোর মাঝে ভালো সম্পর্কের প্রতিকূলে থাকে। সুযোগ পেলেই তারা মাঠে নেমে পড়ে।বৃহৎ শক্তিশালী এ প্রতিবেশীর সঙ্গে ভালো সম্পর্ক বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজন। ঠিক তেমনি সাতটি পার্বত্য রাজ্যের মধ্যে ১৬ কোটি মানুষের বাংলাদেশও ভারতের কাছে একইভাবে প্রাসঙ্গিক।১৯৭৪ সালের ইন্দিরা-মুজিব চুক্তি কার্যকর করতে কিছু আইনি ব্যবস্থা ৪০ বছরেও নেওয়া হয়নি। ৫৪টি অভিন্ন নদীর পানি সমতা ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে বণ্টনের কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেই। এর একটি তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তিও চূড়ান্ত হয়ে তিন বছর ঝুলে আছে। সীমান্তে তুচ্ছ কারণে ভারতীয় রক্ষী বাংলাদেশি নাগরিক হত্যা করছে। পৃথিবীর অনেক দেশের নাগরিক ভারতে পৌঁছে ভিসা নেওয়ার সুবিধা পান। কিন্তু যাঁরা সেটা পান না, তাঁদের মধ্যে আমরাও আছি। অতিসম্প্রতি বাংলাদেশ সফর করেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি এ বিষয়গুলো বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছেন নতুনভাবে। তাঁদের সরকার সবেমাত্র ক্ষমতায় এল। আমরা আশা করতে থাকব, তাঁরা সমস্যাগুলোর প্রতি দ্রুত মনোযোগ দেবেন। অবশ্য সাম্প্রতিককালে ভারত থেকে আমরা ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কিনতে পারছি। ত্রিপুরা থেকে আরও ১০০ মেগাওয়াট পাওয়ার আশ্বাস মিলেছে। কিন্তু মূল সমস্যাগুলো সমাধানে বারবার আশ্বাসের অতিরিক্ত আর কিছুই মিলছে না। তা সত্যেও আমরা চাই, দুটো দেশের মাঝে সম্পর্ক জোরদার হোক। কেটে যাক সব বিঘ্ন। এবারের সুষমা স্বরাজের সফরের পর উভয় পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে একটি চমৎকার সূচনা হয়েছে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের। সূচনা শুভ হোক, এ প্রত্যাশা রইল।
দক্ষিণ এশিয়ায় ভারত সবচেয়ে বড় দেশ। সুতরাং প্রতিবেশীদের প্রতি তাদের দায়িত্ব বেশি। সহযোগিতার ডালি নিয়ে তাদেরই এগিয়ে আসার কথা। ভারতের একসময়কার প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত ইন্দর কুমার গুজরাল প্রতিবেশী দেশগুলোর প্রতি তাঁদের ভূমিকা সম্পর্কে পাঁচ দফার একটি ঘোষণা দিয়েছিলেন। এর নীতিগুলো সমন্বিতভাবে গুজরাল ডকট্রিন নামে পরিচিত। এর প্রথম দফাটাই হচ্ছে ভারত তার প্রতিবেশীকে যতটুকু পারে দিয়ে যাবে। এর জন্য পারস্পরিক লেনদেনের কোনো বিষয় থাকবে না। সজ্জন এ প্রয়াত নেতার বাস্তবধর্মী নীতি ভারতের সরকারগুলো খুব কম ক্ষেত্রেই অনুসরণ করে। বরং আমরা ছোট প্রতিবেশী হয়েও পারস্পরিক লেনদেনের ধার না ধেরেই যতটুকু পারি তা দিয়ে যাচ্ছি। গুজরাল ডকট্রিনের দ্বিতীয় তত্ত্বটি হচ্ছে, কোনো দক্ষিণ এশীয় দেশ তার ভূখণ্ডকে অন্য রাষ্ট্রগুলোর পক্ষে ক্ষতিকারক কোনো কাজে ব্যবহার করতে দেবে না। অতীতে যা-ই হোক, ২০০৯ সাল থেকে বাংলাদেশ অবিচলভাবে এ নীতি অনুসরণ করছে।
বাংলাদেশ সরকারের ভারতনীতি বিশেষ করে ট্রানজিটের ব্যাপারে জনমনে তেমন নেতিবাচক কোনো মনোভাব নেই। কিন্তু সংশয় দেখা দেয় যখন এসব সিদ্ধান্ত হয় অস্বচ্ছ প্রক্রিয়ায়। মালামাল পরিবহনের জন্য বারবার কোনো মাশুল না নেওয়ার নীতিও প্রশ্নবিদ্ধ। এ-বিষয়ক চুক্তি বা সম্মত যৌথ কার্যবিবরণী হওয়ার খবর সরকার আমাদের গণমাধ্যমকে সরাসরি দেয়নি। এটা বিস্ময়কর ঠেকে যখন এ খবর পেতে আমাদের বিবিসির ওপরই ভরসা করতে হয়।
আলী ইমাম মজুমদার: সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
majumder234@yahoo.com
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘বিহারি’সহ সব সংখ্যালঘুর কাছে ক্ষমা চাই by মহিউদ্দিন আহমদ

দুই.
এই পল কনেট দম্পতির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছে ম্যারিয়েটা—ম্যারিয়েটা প্রকোপে। দীর্ঘাঙ্গী, সুন্দরী অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির মেধাবী ছাত্রী, ’৭১-এ তাঁর লন্ডনের বাড়িটিই দিয়ে দিয়েছিেলন ম্যারিয়েটা, যেখানে স্থাপিত হলো কনেট দম্পতির ‘অ্যাকশন বাংলাদেশ’-এর অফিস—বেশির ভাগ ব্রিটিশকে নিয়ে একটি সংগঠন। এই ম্যারিয়েটা আত্মহত্যা করেলন বাংলাদেশ থেকে ঘুরে গিয়ে ১৯৭২-এর প্রথম দিকে। ম্যারিয়েটাকে নিয়ে আমার কয়েকটি লেখার একটি ছাপা হয়েছিল এই প্রথম আলোতে, কয়েক বছর আগে, এক ডিসেম্বরে।
মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য বাংলাদেশের বিদেশি বন্ধুদের শেখ হাসিনার আগের সরকার সম্মাননা দিল কয়েক দফায়, কিন্তু পল কনেট বা তাঁর স্ত্রীকে কোথাও খুঁজে পাচ্ছিলাম না। ব্যর্থতা ও হতাশাটা আমার বেশি মনে হচ্ছিল। কারণ, ’৭১-এ আমরা ঘনিষ্ঠ ছিলাম এবং আমাদের সরকারের গঠিত সম্মাননা কমিটির একজন সদস্য আমিও।
তারপর হঠাৎ সৌভাগ্য আমাদের। কয়েক বছর আগে, ‘অব অল প্লেসেজ’, কানাডায় এক ট্রেন জার্নিতে পল কনেটকে আবিষ্কার করলেন লে. জেনারেল হারুন–অর–রিশদ, আমাদের এক সাবেক সেনাপ্রধান। তাঁদের সম্মাননা জানানো হলো সিরিজের শেষ অনুষ্ঠানটিতে গত অক্টোবরের প্রথম দিকে। তখন পল ও ইলিন কনেটের আগ্রহে তাঁদের দেখিয়ে আনা হলো যশোর জেলও, যেখানে ইলিন জেল খেটেছেন।
আমাদের সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, শামসুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী মানিক, ব্যবসায়ী শিল্পপতি আবদুল মজিদ চৌধুরী, একাত্তরে যুক্তরাজ্যে ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের প্রধান এ জেড মোহাম্মদ হোসেন এবং একাত্তরের লন্ডনে আমাদের ‘ফকির সমিতি’র সদস্যরা পল কনেট ও ইলিনকে সংবর্ধনা দিলেন এক সন্ধ্যায় ঢাকার কে এম দাস লেনের রোজ গার্ডেনে, যেখানে ১৯৪৯-এর ২৩ জুন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা হয়েছিল। আমি এই সংবর্ধনায় থাকতে পারিনি। কারণ, জাতিসংঘে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের একজন সদস্য হিসেবে আমি তখন আলাদাভাবে নিউইয়র্কের পথে প্লেনে। তবে পরে, গত বছরের ৬ অক্টোবরের প্রথম আলোতে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে তাঁদের জন্য দেওয়া আরেক সংবর্ধনায়, এখন প্রবীণ, এই যুগলের ছবিসহ ‘তারা বাংলাদেশের বন্ধু’ শিরোনামের খবরটি নিউইয়র্কে ইন্টারনেটে পড়েছি।
তিন.
পলের কণ্ঠ গম্ভীর, গত কয়েক মাসের পরিচিত ‘চিয়ারফুলনেস’-এর অভাব, তাঁকে বিচলিত মনে হচ্ছিল। বলেলন, মহিউদ্দিন, তোমাদের ওপর পাকিস্তানি গণহত্যার প্রতিবাদে আমার ও ইলিনের ভূমিকা তুমি সম্যক অবহিত। মার্চের প্রথম থেকে আমরা বরফ, তুষারপাতেও লন্ডনের পাকিস্তান হাইকমিশনের সামনে মোমবাতি হাতে ‘ভিজিল’ দিয়েছি। এখন মনে হচ্ছে, তোমাদের হাইকমিশনের সামনেও আমাদের দুজনকে ‘ভিজিল’ দিতে আবার আসতে হবে। আমাকে প্রশ্ন করার সুযোগ না দিয়ে তিনি বলতে থাকেলন, ব্রিটিশ পত্রপত্রিকা এবং টিভি-রেডিওতে খবর পাচ্ছি, খুলনাতে বিহারিদের ওপর তোমাদের বাঙালিরা খুন ও নির্যাতন শুরু করেছে। পল কনেট আরও বলতে থাকেলন, আমরা কিন্তু সব গণহত্যা, হত্যা, অগ্নিসংযোগ, ধর্ষণ, নির্যাতনের বিরুদ্ধে। আমরা বাঙালিদের ওপর গণহত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন, অগ্নিসংযোগের বিরুদ্ধে ছিলাম, আমরা বাংলাদেশে সব অবাঙালি, বিহারিদের ওপর হত্যা, নির্যাতনের বিরুদ্ধেও থাকব।
পল কনেটকে সাক্ষাৎ করার জন্য দুপুরে মরহুম তসাদ্দুক আহমেদের পিকাডিলির ‘গঙ্গা’ রেস্টুরেন্টে লাঞ্চের দাওয়াত দিলাম। বললাম, তখন আরও কথা বলা যাবে। আর দ্রুত নতুন ডেপুটি হাইকমিশনার ফারুক চৌধুরীকে বিষয়টি জানালাম। পল কনেটকে গুরুত্ব দেওয়ার জন্য বা হয়তো আমার ওপর আস্থার অভাবের কারণে ফারুক চৌধুরী বিষয়টা ‘টেক-ওভার’ করলেন, পল কনেটকে তিনিই লাঞ্চে দাওয়াত দিলেন এবং সেদিনের মতো পল কনেটকে সামাল দিলেন।
চার.
আমি কিছুতেই মেনে নিতে পারি না, সেদিন বিকেলে গণভবনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাঁর চীন সফরের অর্জন এবং সাফল্যের ওপর প্রেস কনফারেন্স করলেন; কিন্তু মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে, তাঁর গণভবন থেকে মাত্র দুই মাইল দূরে, একটি পরিবারের নয়জনকে এমনভাবে পুড়িয়ে মারা হলো, আর তিনি সমবেদনার একটি হরফও উচ্চারণ করলেন না!! যাদের পুড়িয়ে মারা হয়েছে তারা যদি পৈতৃক সূত্রে বিহারি অবাঙালি হয়েও থাকে, তারা কি মানুষ নয়? তাদের জন্য কি সহানুভূতি-সমবেদনা থাকতে নেই?
বিহারিরা, অবাঙালিরা ’৭১-এ মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছে; তো চীনারাও তো প্রবলভাবেই আমাদের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছে। ইয়াহিয়া খানকে দেওয়া তাদের অস্ত্র দিয়ে কত হাজার বাঙালিকে হত্যা করা হয়েছে। চীনের ভেটোর কারণেই তো আমরা ’৭২-এ জাতিসংঘের সদস্য হতে পারলাম না। আর চীন তো বাংলাদেশকে বঙ্গবন্ধুর জীবদ্দশায় স্বীকৃতি দিলই না। স্বীকৃতি দিল বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার ১৫ দিন পর, ৩১ আগস্ট, ১৯৭৫-এ; স্বীকৃতিদানকারী দেশগুলোর তালিকার সর্বশেষ দেশ হিসেবে। চীনের আমরা এখন এত ঘনিষ্ঠ বন্ধু, চীনের সব অতীত অপরাধ আমরা মাফ করে দিতে পারলাম। আর যারা ’৭১-এ জন্মায়নি বা শিশু ছিল, তাদের কেন পুড়িয়ে, গুলি করে মারা হচ্ছে!
মিরপুরের এসব ঘটনার জন্য অভিযুক্ত মিরপুরের সাংসদ ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লাহ কয়েক বছর আগে পুলিশ সার্জেন্ট শরিফুল ইসলামকে মারধর করেছিলেন। শরিফুল ইসলামের অপরাধ, ইলিয়াস মোল্লাহর রাস্তায় আটকে থাকা গাড়িটি বের হওয়ার জন্য অন্য সব গাড়িকে সরিয়ে রাস্তা করে দেননি। তখন ইলিয়াস মোল্লাহকে আসামি করে যখন এই পুলিশ সার্জেন্ট থানায় মামলা করলেন, তখনকার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন মন্তব্য করেছিলেন—মামলা করতে গেলেন কেন তিনি। আমাদের বললেই তো মীমাংসা করে দিতাম। কী তামাশাই না করলেন সাহারা খাতুন!
মহিউদ্দিন আহমদ, সাবেক সচিব, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মোজাম্বিকে গণতন্ত্রের সংগ্রাম by মশিউল আলম

>>জোয়াকিম শিজানো, মোজাম্বিকের সাবেক প্রেসিডেন্ট
সদ্য স্বাধীন মোজাম্বিকের রাষ্ট্রক্ষমতায় অধিষ্ঠান ঘটে ফ্রেলিমোর। সংগঠনটি ইতিমধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ রাজনৈতিক দলের রূপ নেয়। প্রথম প্রেসিডেন্ট সামোরা মাশেলের নেতৃত্বে শুরু হয় দেশগঠন, জাতীয় সংহতি প্রতিষ্ঠার পালা। রাজনৈতিক আদর্শ ও অর্থনৈতিক কর্মসূচি হিসেবে ফ্রেলিমো বেছে নেয় সাম্যবাদী বা সমাজতান্ত্রিক ধারা। তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন ও কিউবাসহ সমাজতান্ত্রিক শিবিরের দেশগুলো তাদের প্রতি বাড়িয়ে দেয় সমর্থন-সহযোগিতার হাত। কিন্তু বিরুদ্ধতা ও বৈরিতা শুরু হয় বিতাড়িত ঔপনিবেশিক শাসকেরাসহ পশ্চিমা পুঁজিবাদী দেশগুলোর তরফ থেকে। মোজাম্বিক ও অ্যাঙ্গোলার সমাজতন্ত্র-অভিমুখী যাত্রায় বিরাট চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে যান দক্ষিণ আফ্রিকা ও রোডেশিয়ার সংখ্যালঘু শ্বেতাঙ্গ বর্ণবাদী দক্ষিণপন্থী শাসকেরা। অ্যাঙ্গোলা ও মোজাম্বিকের অনুসরণে ওই দেশ দুটিতেও কৃষ্ণাঙ্গ সংখ্যাগরিষ্ঠদের শোষণমুক্তির আন্দোলন বেগবান হয়ে ওঠে। এমন পরিস্থিতিতে মোজাম্বিকে ফ্রেলিমো জাতীয় সংহতি প্রতিষ্ঠা ও দেশগঠনের প্রয়োজনে একদলীয় শাসনব্যবস্থা ও ব্যাপক জাতীয়করণের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে। প্রেসিডেন্ট সামোরা মাশেল একদলীয় শাসনব্যবস্থা জারি করেন, পশ্চিমা ধারার বুর্জোয়া গণতান্ত্রিক পথ পরিত্যক্ত হয়। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকা ও রোডেশিয়ার বর্ণবাদী শাসকদের মদদে মোজাম্বিকে ফ্রেলিমো সরকারের বিরুদ্ধে শুরু হয় প্রবল প্রতিরোধ। অচিরেই তা সহিংস রূপ ধারণ করে এবং ১৯৭৭ সালে শুরু হয় এক ভয়াবহ গৃহযুদ্ধ। পরবর্তী ১৬ বছর ধরে সহিংসতা ও অনাহারে প্রাণ হারায় ১০ লাখের বেশি মানুষ, বাস্তুচ্যুত হয় ৫০ লাখ। অর্থনীতি বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে, বেড়ে যায় দারিদ্র্য, অনাহার, অপুষ্টি। স্বাধীনতার স্বপ্ন পরিণত হয় এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্নে। সুখী-সমৃদ্ধ, শান্তিময় ও সমতাপূর্ণ দেশ গঠনের স্বপ্ন হয়ে যায় সুদূরপরাহত।
সেদিন জোয়াকিম শিজানোকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, ‘আপনারা একদলীয় শাসনব্যবস্থা চালু করার সিদ্ধান্তটি নিয়ে যে ভুল করেছিলেন, তা কি এখন উপলব্ধি করেন?’ স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে হেসে তিনি বললেন, ‘না, ওটা কোনো ভুল ছিল না। ওটা ছিল ওই সময়ের বাস্তবতা। একদলীয় শাসন পশ্চিমা প্রচারযন্ত্রের দেওয়া নাম। আসলে মোজাম্বিকে তখন ফ্রেলিমো ছাড়া আর কোনো রাজনৈতিক দলই তো ছিল না। ফ্রেলিমোই ছিল একমাত্র রাজনৈতিক সংগঠন, যা মানুষের মধ্যে রাজনৈতিক সচেতনতা সৃষ্টি করেছিল। বহুদলীয় গণতন্ত্রের কথা বলা যায় তখন, যখন অনেকগুলো রাজনৈতিক দল থাকে। মোজাম্বিকে তা ছিল না।’
কিন্তু তাহলে ফ্রেলিমো সরকারের বিরুদ্ধে যারা গৃহযুদ্ধ শুরু করেছিল, তারা কারা? কী চেয়েছিল তারা?
এই প্রশ্নের উত্তরে শিজানো বলেন, ‘ওটা গৃহযুদ্ধ ছিল না। পশ্চিমা প্রচারযন্ত্র ওটাকে গৃহযুদ্ধ বলে। আমরা বলি অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির যুদ্ধ। গৃহযুদ্ধ বাধে ঘরের ভেতরে, নিজেরাই যখন পরস্পরকে হত্যা করে। কিন্তু আমাদের দেশে ওটা শুরু করা হয়েছিল বাইরে থেকে। দক্ষিণ আফ্রিকা আর রোডেশিয়ার শ্বেতাঙ্গ সংখ্যালঘু সরকার সেটা করেছিল। তারাই রেনামো (মোজাম্বিকান ন্যাশনাল রেজিস্টেন্স) সৃষ্টি করেছিল, তাদের অর্থ ও অস্ত্র জুগিয়েছিল, প্রশিক্ষণ দিয়েছিল এবং আমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামিয়েছিল।’
স্নায়ুযুদ্ধের সেই যুগে মোজাম্বিক যে একটা প্রক্সি যুদ্ধের কবলে পড়ে গিয়েছিল, শিজানোর কথায় তা আবারও স্মরণে আসে। তাঁকে বললাম, একইভাবে ফ্রেলিমো পেয়েছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের সমর্থন-সহযোগিতা। জানতে চাইলাম, মোজাম্বিকের ওই ভ্রাতৃঘাতী ‘গৃহযুদ্ধ’ বা ‘অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির যুদ্ধ’ যে আসলে ছিল দ্বিমেরু বিশ্বব্যবস্থার দুই শিবিরের মধ্যকার লড়াইয়েরই একটা অংশ, সে কথা ভেবে আজ তাঁর কী অনুভূতি হয়। তিনি বললেন, অতীত নিয়ে তাঁর ও তাঁর সহযোদ্ধাদের কোনো আক্ষেপ-অনুশোচনা নেই। ভুলভ্রান্তি নিশ্চয়ই হয়েছে, কিন্তু বৈশ্বিক পরিস্থিতির ফেরে সেগুলো হয়তো অনিবার্য ছিল। ‘স্বাধীনতার পরে আমরা পশ্চিমা বিশ্বের কাছেও সমর্থন-সহযোগিতা চেয়েছিলাম। কিন্তু তারা আমাদের সমর্থন দেয়নি। আমাদের মুক্তি আন্দোলন ছিল তাদের স্ট্যাটাস কোর জন্য একটা চ্যালেঞ্জ। সোভিয়েত ইউনিয়নসহ সমাজতান্ত্রিক শিবির আমাদের সমর্থন-সহযোগিতা দিয়েছিল। কিন্তু সে জন্য আমরা তাদের বশংবদ হয়ে চলিনি। তারা পিরিস্ত্রোইকা শুরু করার আগেই আমরা আমাদের সংস্কার শুরু করেছি। কারণ আমরা বুঝতে পেরেছিলাম, সোভিয়েত স্টাইলের সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থার মধ্যে অনেক দুর্বলতা আছে। আমরা বাজার অর্থনীতি গ্রহণ করেছি সোভিয়েতদের আগেই।’
জানতে চাইলাম, ‘গৃহযুদ্ধ’ বা ‘অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির যুদ্ধ’ শেষ হলো কীভাবে? শিজানো বললেন, ‘সেটা ছিল ভীষণ কঠিন এক কাজ। সহিংসতা চলেছে কত বছর ধরে! হানাহানির মধ্যে যে শিশুর জন্ম হয়েছে, সে এখন তরুণ। হয়তো তার বাবাকে মেরে ফেলা হয়েছে, জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে তাদের ঘরবাড়ি। এখন তাকে যদি বলি, তোমার বাবাকে যারা মেরে ফেলেছে, তাদের ক্ষমা করে দিতে হবে, তুমি কি রাজি? কে রাজি হয়, বলুন? কেউ মানে না আমাদের কথা। কাউকেই বোঝানো যায় না যে ক্ষমা করতে হবে, আবার মিলেমিশে একসঙ্গে বসবাস করতে হবে। নইলে শান্তি আসবে না, ক্ষুধা-দারিদ্র্য দূর হবে না। দু-তিন বছর ধরে আমরা মানুষকে বোঝানোর চেষ্টা করি এবং শেষ পর্যন্ত সফল হই। মানুষ বুঝতে পারে, ক্ষমা করতে হবে, সন্তানসন্ততিদের জন্য একটা বাসযোগ্য শান্তিময় দেশ গড়তে হলে অতীতের তিক্ত বৈরিতা ভুলে যেতে হবে।’
ইতিমধ্যে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতেও বিরাট পরিবর্তন ঘটে যায়, স্নায়ুযুদ্ধের অবসান ঘটে। ১৯৯২ সালে মোজাম্বিকের ভ্রাতৃঘাতী হানাহানির পরিসমাপ্তি ঘটে। তারও দুই বছর আগে ১৯৯০ সালে দেশটি নতুন সংবিধান প্রণয়ন করে বহুদলীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা, বাজার অর্থনীতি, প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের নীতি গ্রহণ করে। দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গেও মোজাম্বিকের ফ্রেলিমো সরকারের সমঝোতা হয়, দক্ষিণ আফ্রিকা রেনামোর গেরিলাদের মদদ দেওয়া বন্ধ করে। ১৯৯৪ সালে বহুদলীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, জোয়াকিম শিজানো প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন, ফ্রেলিমো পার্লামেন্টেও সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।
তার পর থেকে মোজাম্বিকে স্থিতিশীলতা বজায় রয়েছে। শিজানো ১৯৯৯ সালের নির্বাচনেও দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। সংবিধান অনুযায়ী মোজাম্বিকে একই ব্যক্তি পর পর তিনবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন, কিন্তু ২০০৫ সালের নির্বাচনে তিনি আর প্রার্থী হননি। নেতৃত্ব ছেড়ে দিয়েছেন দলের পরবর্তী পর্যায়ের নেতার কাছে। সে নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট হন ফ্রেলিমোর আরেক নেতা আরমান্দো গুয়েজুবা। এখনো তিনিই দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করছেন। মোজাম্বিক আয়তনে বাংলাদেশের প্রায় দ্বিগুণ, কিন্তু লোকসংখ্যা মাত্র দুই কোটি ৪০ লাখ। প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ, কিন্তু দারিদ্র্য ব্যাপক। ১৯৭৫ সালে যখন স্বাধীনতা লাভ করে, তখন দেশটির প্রায় ৯২ শতাংশ মানুষ ছিল অতিদরিদ্র। নিরক্ষরতার হার ছিল প্রায় ৯৫ শতাংশ। এখন শিক্ষার হার বেড়েছে অনেক, দারিদ্র্য কমেছে। জলবিদ্যুৎ গেছে গ্রাম পর্যন্ত। শিজানো জানালেন, ৩০ শতাংশের বেশি নারী সদস্য আছেন পার্লামেন্টে। জাতীয় প্রবৃদ্ধির হার কয়েক বছর ধরে ৮ শতাংশের ওপরে।
সবচেয়ে বিস্ময়কর হলো, যে দেশে একদলীয় শাসন চলেছে প্রায় দুই দশক ধরে, যে দেশের মানুষ নিজেদের মধ্যে লিপ্ত ছিল ১৬ বছর ধরে, সেই দেশে দুই দশক ধরে কার্যকর রয়েছে বহুদলীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা। পার্লামেন্ট কাজ করছে, সরকারি দল ও বিরোধী দলগুলোর মধ্যে আলোচনা-বিতর্ক হচ্ছে। মোট কথা, একটা সচল রাজনৈতিক ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলেছে আফ্রিকার এই দরিদ্র দেশ, যেখানে বাংলাদেশের মতো রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামের ঐতিহ্য নেই। বাংলাদেশে তো গৃহযুদ্ধ হয়নি, বড় দুই দলের কর্মী-সমর্থকেরা তো লাখে লাখে পরস্পরকে হত্যা করেনি। এই দেশে কেন গণতান্ত্রিক রাজনীতি দীর্ঘ আড়াই দশকেও কার্যকর হলো না?
মশিউল আলম: সাংবাদিক৷
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1373)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
-
▼
2014
(9799)
-
▼
July
(592)
-
▼
Jul 02
(26)
- ‘ধস থেকে শিক্ষা নিয়ে ব্যাংক খাতকে ঢেলে সাজানো যেতো...
- স্বপ্ন পূরণ হলো না সোনাক্ষি সিনহার
- সার্টিফিকেটের ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার বিজ্ঞানীরা কি কর...
- বেহাল সড়ক মহাসড়ক by আহমেদ জামাল
- জঙ্গিদের ‘খিলাফত’ প্রতিষ্ঠার ঘোষণা
- এক বক্তৃতায় হিলারি পাবেন ২২৪০০০ ডলার!
- লিবার্টি মেডেল পেল মালালা
- বুলেট রুখবে মাকড়সার সুতো
- রিহানার অভিনব উদ্যোগ
- ব্রাজিলিয়ান দর্শকের বেশির ভাগই শ্বেতাঙ্গ
- মেসির চমকেই আর্জেন্টিনা কোয়ার্টার ফাইনালে
- ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ আইন
- মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞা নির্ধারণে আইন হচ্ছে by বিএম জ...
- ফরমালিন কতটা ক্ষতিকর by ড. মুনীর উদ্দিন আহমদ
- ৫ই জানুয়ারির নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ
- রক্তপাত এড়ালো ব্রাজিল গুলি ও বোমার ঘটনা ফাঁস
- ভারত নয়, আওয়ামী লীগই দায়ী- সাক্ষাৎকারে বেগম খালেদা...
- আবারও মেসি চমক by তালহা বিন নজরুল
- ইরাকে পার্লামেন্টে বিশৃঙ্খলা, স্পিকার নির্বাচন হয়নি
- খাদ্যে বিষাক্ত রাসায়নিক- অভিযান হতে হবে নিখুঁত
- ক্ষমতার তোরণ থাকবে, আইন থাকবে না?- সাংসদ কামাল মজ...
- এখনো বিবিসি ভরসা- বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্ক by আলী ইম...
- ‘বিহারি’সহ সব সংখ্যালঘুর কাছে ক্ষমা চাই by মহিউদ্দ...
- মোজাম্বিকে গণতন্ত্রের সংগ্রাম by মশিউল আলম
- চাল আমদানি নিয়ে লুকোচুরি কেন? by আবদুল লতিফ মন্ডল
- আওয়ামী লীগ পারে, আওয়ামী লীগ পারে না! by সোহরাব হাসান
-
▼
Jul 02
(26)
-
▼
July
(592)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...



