Friday, February 28, 2014
সাকিব, ক্রিকেট ও অন্যান্য
![]() |
| বাংলাদেশের ক্রিকেট দল |
আনিসুল হক: সাহিত্যিক ও সাংবাদিক।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখানো মানুষটি
![]() |
| এবিএম মূসা |
মতিউর রহমান চৌধুরী: সম্পাদক, দৈনিক মানবজমিন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মাতৃভাষায় জুমার খুতবা
মাতৃভাষায় জুমার খুতবার আগে সমাজে প্রচলিত অন্যায়-অবিচার, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, রাহাজানি, সুদ, ঘুষ, দুর্নীতি, মাদকাসক্তি, মজুতদারি, কালোবাজারি, মুনাফাখোরি, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, বোমাবাজি, হত্যাকাণ্ড ইত্যাদি সামাজিক অনাচার ও রাজনৈতিক অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হতে এবং দুর্লঙ্ঘ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে অথবা গরিব-মিসকিন, অনাথ আত্মীয়স্বজন, অভাবগ্রস্ত পাড়া-প্রতিবেশী, অভুক্ত অনাহারী ও আর্তমানবতার সেবায় এগিয়ে আসতে সামর্থ্যবানদের সহযোগিতার দিকনির্দেশনা প্রদান করা দরকার। সামাজিক বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে, পরিবার পরিকল্পনায়, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় ও অর্থনৈতিক যাবতীয় বৈষম্য বা বেকারত্ব দূরীকরণে আত্মকর্মসংস্থানের বাস্তব কোনো রূপরেখা, কর্মপদ্ধতি, সতর্কবাণী বা কোনো আভাস-ইঙ্গিত জুমার খুতবার আগে সাধারণ আলোচনায় স্থান দিতে হবে। সমাজে বিশ্বমানবতার ঐক্য, ভ্রাতৃত্ব, সাম্য, মৈত্রী, আন্তধর্মীয় সম্প্রীতি ও সাম্প্রদায়িক সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠামূলক উদারনৈতিক উপদেশ ইমাম-খতিবদের সাপ্তাহিক বক্তব্যে বা ভাষণে থাকা একান্ত বাঞ্ছনীয়। মানুষকে সৎকাজের নির্দেশ এবং অসৎকাজ থেকে বিরত থাকার পবিত্র কোরআনের অমোঘ নির্দেশ বাস্তবায়নে দেশের তিন লাখ মসজিদের ইমাম-খতিবকে বিশেষ ভূমিকা পালন করতে হবে।
করা অত্যাবশ্যক।
ড. মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান: বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক, গবেষক ও কলাম লেখক।
dr.munimkhan@yahoo.com
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাজী শাহেদ আহমেদের জীবনের মোড়ক উন্মোচন by ড. রফিকুল ইসলাম
একজন মানুষ পৃথিবীতে জন্ম নেন এবং স্বাভাবিক জীবনে তিনি শৈশব, কৈশোর, যৌবন এবং বার্ধক্যকে অতিক্রম করে যান বিচিত্র অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে। সেই দীর্ঘ জীবনের স্মৃতি থেকে গ্রহণ বর্জনের মধ্য দিয়ে একজন তার জীবন কথা তুলে ধরেন। এ কাজে জীবনের কোন অভিজ্ঞতাকে তিনি তুলে ধরবেন, কতটা বাদ দেবেন সেটা নির্ভর করে জীবনস্মৃতি রচয়িতা মানুষটির শিক্ষাদীক্ষা, রুচি ও সাহসের ওপর। পাশ্চাত্যে একজন শিল্পী, সাহিত্যিক বা দার্শনিক অবলীলায় তার জীবনের ইতিবাচক এবং নেতিবাচক দিকগুলো তুলে ধরতে পারেন, যা পাঠক সহজভাবে গ্রহণ করেন। কিন্তু প্রাচ্যে বিশেষত আমাদের দেশের সমাজ মানুষের জীবনের অনেক অভিজ্ঞতাকেই প্রকাশ্যে গ্রহণ করতে পারে না। এমন একটা অবস্থায় কাজী শাহেদ আহমেদ তার জীবন স্মৃতিতে শুধু জীবনীর মোড়ক উন্মোচন করেননি, জীবনের আবরণকেও পাঠকের কাছে অনেকটা অপসারণ করেছেন। বিশ শতকের চল্লিশ দশক থেকে শুরু করে একুশ শতকে সূচনাকাল পর্যন্ত ব্রিটিশ, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ আমলে যাপিত জীবনের যে চিত্র কাজী শাহেদ আহমেদ এ গ্রন্থে চলচ্চিত্রের মতো তুলে ধরেছেন তা কেবল একজন ব্যক্তির কথাই নয়, একটি পরিবর্তনশীল সময়ের কথাও বটে। এ ক্রান্তিকালের ব্যক্তি ও সমষ্টিগত অভিজ্ঞতাকে কাজী শাহেদ আহমেদ অকপটে বর্ণনা করে গেছেন। বর্ণিত হয়েছে তার পূর্বপুরুষ, শৈশব, শিক্ষাজীবন, সামরিক জীবন বিশেষত একাত্তর সালে মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে পাকিস্তানে বাঙালি সামরিক অফিসারদের ভয়াবহ দিনগুলোর কথা। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর পাকিস্তানের বন্দি শিবিরে আটক যুদ্ধবন্দিদের অবস্থা বর্ণিত হয়েছে। স্বাধীন দেশে প্রত্যাবর্তনের পর তাদের ভাগ্যে যা জুটেছিল সেটাও ছিল অনাকাক্সিক্ষত। সামরিক বাহিনী ছেড়ে দেওয়ার পর কাজী শাহেদ আহমেদের স্বাধীন কর্মজীবন বিশেষত নির্মাণ ও ব্যবসা প্রয়াসের পাশাপাশি সাংবাদিক ও রাজনৈতিক জীবন এবং শিল্পপতিরূপে আত্মপ্রকাশ চমকপ্রদ বললে অত্যুক্তি করা হবে না। কাজী শাহেদ আহমেদের এই দ্বিতীয় জীবনের সফলতা ও ব্যর্থতাকে তিনি সহজ ও সাবলীলভাবে তুলে ধরেছেন।
পারিবারিক জীবনে কাজী শাহেদ আহমেদ স্ত্রী, পুত্র, পুত্রবধূ এবং নাতি-নাতনিদের নিয়ে এক অনাবিল আনন্দময় জীবনযাপন করেছেন। যেমনটি তিনি করেছিলেন তার পিতামাতা ও ভাইবোনদের সঙ্গে। এ নিবিড় পারিবারিক বন্ধন তাকে সর্বদা অনুপ্রেরণা ও শক্তি জুগিয়েছে। আর তিনি এক প্রয়াসে এক সফল কর্মময় জীবন গড়ে তুলেছেন, তবে তার উদ্ভাবনী শক্তি এবং তা বাস্তবায়নের ক্ষমতা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বাস্তবিকই বিস্ময়কর। স্বল্প সময়ের মধ্যে তিনি বাংলাদেশের উন্নয়নে এমন কিছু সংযোজন করেছেন যা অভিনব। উদাহরণস্বরূপ বিদ্যুতের কংক্রিট পোল, জৈবিক চা বাগান এবং সংবাদপত্র জগতে দৈনিক ‘আজকের কাগজ’ আর আধুনিক উচ্চ শিক্ষাক্ষেত্রে ইউনিভার্সিটি আর লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার উল্লেখ যথেষ্ট।
কাজী শাহেদ আহমেদের মতো একজন সফল ব্যক্তি যখন তার কর্মময় জীবনের কথা সহজ-সরলভাবে তুলে ধরেন কিংবা পরিণত বয়সে একজন উপন্যাসিক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন তখন তার জীবনের রহস্য সমাজের কাছে পরিস্ফুট হয়ে ওঠাটা জরুরি হয়ে দাঁড়ায়। সেই প্রয়োজন মিটিয়েছে কাজী শাহেদ আহমেদ নিজেই তার ‘জীবনের শিলালিপি’ গ্রন্থের মাধ্যমে। এ গ্রন্থটি প্রকাশের আগে লেখক তার ঘনিষ্ঠ চারজনকে দিয়ে পরিশীলিত করে নিয়েছেন বলে তিনি উল্লেখ করেছেন। কিন্তু যারা কাজী শাহেদ আহমেদের ‘জীবনের শিলালিপি’ প্রকাশনার আগে পরীক্ষা করে তাদের সতর্ক রায় দিয়েছেন তারা যে কাজী শাহেদ আহমেদের চেয়ে সাহসী নন সে কথা নির্দ্বিধায় বলা যায়। তবুও ওই পরীক্ষকদের সেন্সরশিপ মেনে নিয়ে কাজী শাহেদ আহমেদ যেভাবে নিজেকে প্রকাশ করেছেন তার তুলনা এ সময় আমাদের সমাজেও বিশেষ পাওয়া যাবে না। ‘জীবনের শিলালিপি’ শুধু কাজী শাহেদ আহমেদের নয়, আমাদের দেশের মানুষের জীবনের এক অস্থির সময়ের প্রতিলিপিও বটে।
জীবনের শিলালিপী ।। লেখক কাজী শাহেদ আহমেদ ।। প্রচ্ছদ এ.জি আরিফ ।। প্রকাশক আগামী প্রকাশনী
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
খেয়াল গানের আধুনিক রূপকার নিয়ামত খাঁ সদারঙ্গ by মোবারক হোসেন খান
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফজল আমার আত্মার আত্মীয় by আল মাহমুদ
ফজল যখন পোস্ট অফিসে চাকরি করতেন তখনও সে অফিসে আমাদের আড্ডা হতো। দৈনিক বাংলার উল্টোদিকে হারুন এন্টারপ্রাইজ তো ছিল আমাদের প্রাণভূমি। প্রায় দুপুরে আমাদের খাওয়া হতো। ফজলই ডাক পাঠাতেন। ফজল নেই সেসব স্মৃতি এখন চোখের সামনে ভেসে বেড়াচ্ছে। আমাদের সবাইকে এক দিন চলে যেতে হবে। এটাই প্রকৃতির নিয়ম। কিন্তু ফজলের এই চলে যাওয়াটাকে আমি কিছুতেই মেনে নিতে পারছি না। তিনি আমার চেয়ে সবল ছিলেন। তার বড় কোনো অসুখের কথা কখনও শুনিনি। হঠাৎ ব্রেনস্ট্রোক তারপর অল্পদিনের মধ্যেই মৃত্যু- এ সত্যিই যেন এক অসম্ভব ঘটনা, যা আমি কিছুতেই মেনে নিতে পারছি না।
ফজল ছিল আমাদের আত্মার আত্মীয়। তার মৃত্যু আমাকে আত্মাহীন আত্মীয়হীন করেছে। অনেক দিন হৃদয়ে এমন তীব্র বেদনাবোধ করিনি। ফজলের লিরিকধর্মী কবিতার বই হে নীল সমুদ্র হে বৃক্ষ সবুজ-এর শেষে বইটি নিয়ে আমার একটি ছোট্ট লেখা ছাপা হয়েছিল। লেখাটিতে আমি লিখেছিলাম-
একজন কবি নিজেকে আবিষ্কার করেন অকস্মাৎ দৈবভাবে। বহু পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্যে ফেটে বেরোয় এমন একটা আঙ্গিকরীতি, যাতে হৃদয় উদ্ভাসিত হয়ে ওঠে। ফজল শাহাবুদ্দীনের বর্তমান ক্ষুদ্র কবিতার বই হে নীল সমুদ্র হে বক্ষ সবুজ পাঠ করে আমার মনে হল এ এক আশ্চর্য স্ফুরণ, কবি হৃদয়ের এক সময়োচিত আবিষ্কার কিংবা আন্তরিক উৎসার। ফজলের কবিতা যে এমন আধ্যাত্মিক বিষয়ের সঙ্গে লগ্ন হবে তা কবিতার পাঠক হিসেবে আমার ধারণার বাইরে ছিল। আমি ফজল শাহাবুদ্দীনকে এক নির্বিরোধ গভীর প্রেমের কবি হিসেবেই জেনে এসেছি এমনকি প্রকৃতির কবি হিসেবেও। এখন দেখছি তার কবিতায় আছে অন্য এক গূঢ় রহস্য, যা আমাদের কবিতার জন্য একান্ত দরকার। আকস্মিক চিত্রকল্প বা ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র অনুভব যে এমন দীর্ঘস্থায়ী কল্পনাসঞ্চারী হতে পারে কবির এই টুকরো কবিতাগুলো আস্বাদন না করলে আমি হয়তো সে সম্বন্ধে অজ্ঞই থেকে যেতাম। এ দিক দিয়ে কবি ফজল শাহাবুদ্দীন অনেকেরই চোখ খুলে দিতে পেরেছেন বলে আমি মনে করি।
তার এই ক্ষুদ্র কবিতাগুলোতে রয়েছে এক ধরনের গভীর ভাবব্যঞ্জনা, যা পাঠককে একজন দ্রষ্টার দার্শনিক উপলব্ধির কাছে নিয়ে যায়। যেন কাম প্রেম ও প্রকৃতির পর্দাকে ভেদ করতে গিয়ে কবি অন্য এক সত্যকে উদঘাটন করে দিচ্ছেন। যার নাম দিতে পারি আমরা আস্থা বা বিশ্বাস।
ফজলের কবিতার এই মোড় পরিবর্তন সামগ্রিক বিচারে আধুনিক বাংলা কবিতারই অনাস্বাদিত এক দিগন্তে উপনীত হওয়া। এ অভিজ্ঞতা সমকালীন কবি মাত্রকেই প্রভাবিত করবে। অন্তত আমি তো অভিভূত হয়েছি।
আমার স্মৃতি আর আগের মতো কাজ করে না। আমি ফজলের কবিতা নিয়ে অনেক কিছু লিখতে পারতাম কিন্তু বয়স আমাকে নিরুৎসাহিত করল তাই বাধ্য হয়ে পুরনো লেখার উদ্ধৃতি দিতে হল।
কবি খ্যাতি নিয়ে কোনো দ্বন্দ্ব আমাদের মধ্যে ছিল না, তবে একটু প্রতিযোগিতা একটু ঈর্ষা তো ছিলই কিন্তু তা কখনও আমাদের বন্ধুত্বে ফাটল ধরাতে পারেনি। মাঝে মধ্যে মান-অভিমান হতো তবে তা সাময়িক। ক্ষণিক পরেই সে মেঘ কেটে যেত। ফজলের মতো বন্ধু বৎসল মানুষ আমি খুব কম দেখেছি। আমি নিজেও আড্ডা পছন্দ করি কিন্তু ফজলের মতো আড্ডাপ্রিয় মানুষ এ সমাজে খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। আমি ফজলকে ভালোবাসতাম তার হৃদয় খোলা আচরণের জন্য। তার পছন্দ অপছন্দকে সে ঢেকে রাখতে পারত না এতে করে অনেকেই তার ওপর রাগ হতো কিন্তু আমরা যারা তাকে চিনেছি তারা তার হৃদয়কে বুঝতাম আর বুঝতাম বলেই তার কথায় কখনও কিছু মনে করতাম না।
ফজলের এবারের অসুস্থতার সংবাদটি আমি জানতে পারি কবি শাহীন রেজার কাছ থেকে। সে আমার এবং ফজলের দুজনেরই খুব প্রিয় পাত্র। শুনে খুব খারাপ লেগেছিল। শাহীনকে বলেছিলাম আমি ফজলকে দেখতে যাব। কিন্তু আমিওতো শারীরিকভাবে সুস্থ নই, তাই যেতে পারিনি। ৪ ফেব্র“য়ারি ফজলের জন্মদিনে শাহীন এসেছিল সঙ্গে কামরুজ্জামান, কিন্তু সেদিন আমার শরীর ছিল ভয়ানক রকম খারাপ। বিছানা থেকেই উঠতে পারছিলাম না। ওরা আমার অবস্থা দেখে আমাকে না নিয়েই ফিরে গেল। আজ খুব আফসোস হচ্ছে। যদি সেদিন শরীরটা বেশি রকম খারাপ না হতো তাহলে ফজলকে অন্তত শেষ দেখাটা দেখতে পারতাম।
আগেই বলেছি ফজল চলে গিয়ে আমাকে আরও একা করে দিয়ে গেলেন। ফজলের মৃত্যুতে শুধু আমারই ক্ষতি হল না, ক্ষতি হল বাংলার কবিতারও। ফজল তার লেখার মধ্য দিয়ে বেঁচে থাকুন অনন্তকাল।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আমাদের আসবাব ছিল রাশি রাশি বই by বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
বই এবং নিসর্গ শাদা পিরহানের তরঙ্গের মতো আমাকে ডাক দিত, আমি বইয়ের মধ্যে পথ হারাতাম, আমি নিসর্গের মধ্যে পথ হারাতাম নিজের ঠিকানার খোঁজে। এভাবেই বইয়ের মধ্য দিয়ে নিসর্গে প্রবেশ করেছি আর নিসর্গের মধ্য দিয়ে বইয়ে ফিরে এসেছি। দুই ভুবন হাত ধরাধরি করে আমাদের ঘিরে রেখেছে। নিসর্গ কিংবা বই শেষ পর্যন্ত শান্তি নয়; এই বোধের ধাক্কা কয়েকটি ঘটনার দরুন নিদারুণভাবে আমাকে সজাগ করেছে।
আমার কৈশোর কেটেছে ১৯৪০ থেকে ১৯৪৭ সময়কালের মধ্যে। আমাদের বাড়িতে দুধ সরবরাহ যিনি করতেন তার পুত্র আজিজ ভাই শহরের ঈর্ষার পাত্র। দীর্ঘদেহী, উজ্জ্বল ছাত্র, পড়া ও ফুটবলে অগ্রগণ্য আজিজ ভাই ভোট শহরে পাঠাগার আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন। আর আমাকে করেছিলেন গ্রন্থাগারিক। দুটো কেরোসিন কাঠের শেলফ ভর্তি বই, একটি পড়ো টিনের বাড়ির পেছন দিকে। পড়োবাড়ির উঠোনে আমরা জাম্বুরা দিয়ে বল খেলতাম আর মধ্যে মধ্যে বই পড়তাম। সংগ্রহের মধ্যে গল্পের বই ছিল : রবীন্দ্রনাথ এবং শরৎচন্দ্র, আর ছিল ছোট ছোট পুস্তিকা রাজনীতি ও অর্থনীতির। মধ্যে মধ্যে আজিজ ভাই আসতেন জেলা শহর বরিশাল থেকে, আমাদের ডেকে নিয়ে গল্প করতেন। জোর গলায় বলতেন ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের মৃত্যু হবে। ব্রিটিশরা আমাদের দেশকে শাসন ও শোষণ করেছে। আমাদের মান সম্মান নষ্ট করেছে। আমাদের তাই স্বাধীন হতে হবে এবং গড়তে হবে সমাজতন্ত্রী ভবিষ্যৎ। সমাজতন্ত্র শব্দটা বুঝতাম না, ছোটদের অর্থনীতির বই খুলে তিনি বোঝাতেন, আর বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা হতো, সন্ধ্যার অন্ধকারে হারিকেন লণ্ঠন জ্বেলে আমরা কয়েকজন আজিজ ভাইয়ের হাত ধরে ভবিষ্যৎ সমাজতন্ত্রের দিকে পা ফেলে ফেলে এগোতাম।
এর মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়েছে, মহাযুদ্ধ, একপক্ষে ইংল্যান্ড, আমেরিকা, সোভিয়েত রাশিয়া, ফ্রান্স ও চীন, অন্যপক্ষে জার্মানি আর জাপান। জাপান নাকি সমুদ্র পেরিয়ে যে কোনো দিন বরিশাল মুলুকে এসে যাবে। তালগাছগুলোর আগা কেটে কেটে কামান বানানো হল। থানার সামনের মাঠে জেলেদের নৌকা ধরে ধরে এনে গেরেফতার করা হল হোগলা বন পর্যন্ত। জাপানিদের নৌকা ব্যবহার করতে দেয়া হবে না। আজিজ ভাইয়ের সমাজতন্ত্র পাঠ আর মহাযুদ্ধের পদধ্বনির মধ্যে চালের দাম বাড়তে শুরু করে, বাজার থেকে উধাও হয়, আব্বা শূন্য হাতে চালের আড়ত থেকে একদিন ফিরে আসেন। আগামীকাল ভাত খাওয়া হবে না। এই অবস্থার মধ্যে আমাদের রক্ষা করেন আজিজ ভাইয়ের বাবা, দু’ডোলা চাল দিয়ে যান। এর মধ্যে একদিন সকালবেলা হৈ চৈ শুনে ঘুম ভাঙে, টিন ছাওয়া বারান্দায় এসে দেখি আজিজ ভাইকে কোমরে দড়ি বেঁধে থানায় নিয়ে যাচ্ছে। দৌড়ে আসি থানায়, লোকজনের ভিড়, আজিজ ভাই বিষণ্ন মুখে বসে আছেন দেয়ালে ঠেস দিয়ে। আমাকে দেখে হাসলেন। পরে আব্বার কাছে শুনি আজিজ ভাই সোসালিস্ট পার্টি করেন, তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি কয়েক জনের সঙ্গে মিলে টেলিগ্রাফের তার কেটেছেন ইংরেজের যুদ্ধ প্রচেষ্টায় বাধা দেয়ার জন্য। আজিজ ভাইকে জেলা শহরে চালান করা হয়। তার দুধওয়ালা বাবা, আব্বাকে ধরে কাঁদতে লাগলেন, ছেলেকে যেভাবেই হোক ছাড়িয়ে আনতে হবে মাস্টার সাব।
এক সপ্তা পরে জেলা সদর থেকে এক লোক এলেন গোয়েন্দা বিভাগ থেকে। তার মুখটা আমার পছন্দ হল না। তিনি আমাকে জেরা শুরু করলেন পাঠাগার আন্দোলন সম্বন্ধে। পাঠাগারের সদস্যদের তালিকা আমার কাছ থেকে নিলেন। সদস্যদের বয়স জিজ্ঞেস করলেন, বাবাদের জীবিকা জানতে চাইলেন। তিনি আমার সঙ্গে পাঠাগারে এসে বাক্সবন্দি করলেন বইগুলো আর জেলা সদরে চালান দিলেন। লাইব্রেরি বন্ধ হল। আমাদের ‘বাজে’ বইপড়া শেষ হল। স্কুল বন্ধ, কাগজের অভাব; আমার দিন কাটে হোগলার বনে ঘুরে, লাশকাটা সড়কে ঝাউগাছের শনশন শুনে, আর রবীন্দ্রনাথের ছিন্নপত্র পড়ে। ছিন্নপত্রের নদী বিদীর্ণ করে, হোগলার বনের মধ্যে সূর্যাস্তের রক্তিম আভা বিদীর্ণ করে, সুগন্ধা-বিষখালি-ধানসিঁড়ির লহর বিদীর্ণ করে আজিজ ভাইয়ের মুখটা মনে হয়, লাশকাটা ঘরে শুয়ে। চারদিকে ঝাউ আর ধান ক্ষেতের শনশন। আর কিছু নেই, কোথাও কিছু নেই।
আস্তে আস্তে টের পাই ছোট্ট এই শহরটার সাধারণ মানুষ মুসলিম লীগ, কংগ্রেস, হিন্দু মহাসভা এবং সোসালিস্ট পার্টির মধ্যে বিভক্ত। অধিকাংশ মুসলমান মুসলিম লীগে, অধিকাংশ হিন্দু হিন্দু মহাসভায়, অধিকাংশ হিন্দু এবং ছিটেফোঁটা মুসলমান কংগ্রেসে এবং জনাদুই হিন্দু মুসলমান সোসালিস্ট পার্টির অনুরক্ত। চাপা একটা রেষারেষি আছে, মধ্যে মধ্যে উত্তেজনা বাড়ে। দেশটার ভবিষ্যৎ কোথায় বুঝি না। বুঝি কোনো একদিন দেশটা স্বাধীন হবে। স্বাধীন হলে আমি কোথায় যুক্ত হব, এই চিন্তাটা কুয়াশার মতো কখনও কখনও দেখা দেয়, যাদের বই পড়ি রবীন্দ্রনাথ, শরৎচন্দ্র, প্রমথ চৌধুরী তাদের বইয়ের মানুষগুলো সংসারে আছে বুঝি, কিন্তু হাত দিয়ে ছুঁতে পারি না, দূরেই থেকে যায়। এর মধ্যে একদিন একটা বই হাতে এলো, মলাট ছেঁড়া, লেখকের নাম নেই, কেবল বইটার নাম আছে পদ্মা নদীর মাঝি। বইটা পড়ে আচ্ছন্ন হই, কদিন নদীর পাড়ে পাড়ে ঘুরি। যুদ্ধের তাণ্ডবে নৌকা উধাও, নৌকাহীন নদীতে আমি খুঁজি ইলিশ মাছধরা জেলেদের। মানচিত্রে পদ্মা খুঁজে পাই, ঝালকাঠি থেকে পদ্মা বহুদূর। একটা জীবনের মধ্যে প্রবেশ করি, যে জীবনটা মনে হয় চেনাজানা। রবীন্দ্রনাথ পড়তে ভালো লাগে, কিন্তু বইয়ের রবীন্দ্রনাথের আবহাওয়া আমার চারপাশে টের পাই না। তবু জেদি মাছির মতো রবীন্দ্রনাথ, শরৎচন্দ্র, প্রমথ চৌধুরীর শব্দের মধ্যে ঘুরতে থাকি। শব্দের সঙ্গে শব্দ মিলে শব্দের যে বুনন হয় তার তুলনা হয় না। আমার খিদে বাড়ে, শব্দের খিদে।
মানুষ কিভাবে মুসলমান হয়? কিংবা হিন্দু? মানুষ কিভাবে মুসলিম লীগার হয়? কিংবা কংগ্রেসী হয়? কিংবা সোসালিস্ট হয়? মানুষ এসব হওয়ার মধ্য দিয়ে কিভাবে পরস্পরকে ভালোবাসে? কিংবা ঘৃণা করে? কিংবা পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ করে? এসব প্রশ্নের মধ্যে আমি যখন রক্তাক্ত হচ্ছি, মহাযুদ্ধ থেকে উত্থিত রক্তের গন্ধে যখন চারপাশ সমাচ্ছন্ন, তখন স্কুল লাইব্রেরি থেকে আব্বার সৌজন্য একটা বই হাতে আসে। মোটাসোটা বই, টলস্টয়ের যুদ্ধ ও শান্তি, বাংলা বইয়ের পাশাপাশি, এই বইটি আমি এক মাস ধরে পড়ি। অসংখ্য চরিত্রের মধ্য দিয়ে কাহিনীর বুনন, একটা অপ্রতিরোধ্য গতিতে চরিত্রগুলো পরস্পরের সঙ্গে আবর্তিত, প্রতিটি চরিত্রের একটা প্রতি-চরিত্র আছে, ভালো ও মন্দের সঙ্গে, শুভ ও অশুভের সঙ্গে সবাই লিপ্ত, আমিও লিপ্ত হই অর্থের নিয়তির মধ্যে। আমি বুঝতে শুরু করি সাহিত্য মানে অর্থের মধ্যে প্রবেশ করা। এই ঘোরের মধ্যে যখন আমার বসবাস শুরু তখন, হঠাৎ একদিন, ঠিক করি; আমি লেখক হব। ছোট শহরটা একটা মহাদেশ হয়, সপ্ত সিন্ধু দশ দিগন্ত হয়, আমি তার মধ্যে হাঁটতে শুরু করি। ধুলাবালির মধ্যে, কাদামাটির মধ্যে আমি হাঁটতে থাকি, সে হাঁটার শেষ নেই। আমি সাহিত্যের অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে হাঁটছি, কোথাও পৌঁছব বলে।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইউক্রেন পূর্ব-পশ্চিমের যুদ্ধ ময়দান নয় : যুক্তরাষ্ট্র-ব্রিটেন
আইসিসি’তে ইয়ানুকোভিচের বিচার
ইউক্রেনের পলাতক প্রেসিডেন্ট ভিক্টর ইয়ানুকোভিচকে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চলাকালে ‘মারাত্মক অপরাধের’ অভিযোগে বিচার করতে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিসি) পাঠানোর পক্ষে ভোট দিয়েছে পার্লামেন্ট। মঙ্গলবার প্রস্তাবটি পার্লামেন্টে সর্বসম্মতভাবে পাস হয়। গত নভেম্বর থেকে ইউক্রেনে সরকার বিরোধী বিক্ষোভ চলেছে। গত সপ্তাহে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালালে পাল্টাপাল্টি সংঘাতে অন্তত একশ জনের মৃত্যু হয়। এই ঘটনাকে ‘গণহত্যা’ দাবি করে পলাতক ইয়ানুকোভিচকে এর জন্য দায়ী করা হয়েছে প্রস্তাবনায়।
দাঙ্গা পুলিশ বিলুপ্ত
ইউক্রেনে গত কয়েক মাসের সরকারবিরোধী বিক্ষোভে আন্দোলনকারীদের হতাহতের ঘটনায় দায়ী করে দেশটির দাঙ্গা পুলিশ বাহিনীকে ভেঙে দেয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে। পুলিশ অভিজাত ইউনিটি ‘বেরকুত’ ভেঙে দেয়ার বিষয়টি জানিয়েছেন ইউক্রেনের অস্থায়ী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরসেন আভাকোভ। বৃহস্পতিবার আজ এ নিয়ে বিস্তারিত তথ্য জানাতে ব্রিফিং করবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
গণহত্যার জন্য পুলিশ ক্ষমাপ্রার্থী
সরকারবিরোধী বিক্ষোভে তাদের সহকর্মীদের হাতে কেউ প্রাণ হারিয়েছেন। কেউ বা মার খেয়েছেন। কিয়েভের সাম্প্রতিক সেই হিংসার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে পুলিশ। পশ্চিম ইউক্রেনের এলভিভ শহরে দেখা যায় সেই বিরল দৃশ্য। রাজধানী থেকে দায়িত্ব সেরে ফেরার পরে বারকুট পুলিশ (ইউক্রেনের বিশেষ পুলিশ বাহিনী) ইউরোপীয় ইউনিয়নের সমর্থকদের মুখোমুখি হন। তাদের দেখেই প্রতিবাদীরা ‘শেম’ ‘শেম’ বলে চেঁচিয়ে ওঠেন। অফিসাররা তাদের শান্ত করেন। বলেন, তারা সরাসরি হত্যা করেননি। তবু এসেছেন ক্ষমা চাইতে। এএফপি, আলজাজিরা।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এবার সিন্ধুরত্নে বিস্ফোরণ!
ধোঁয়ায় জ্ঞান হারান পাঁচজন নাবিক। তাদের হেলিকপ্টারে নিয়ে এসে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে আইএনএস সিন্ধুরতেœ কোনো অস্ত্রশস্ত্র ছিল না। মেরামতের পর ডুবোজাহাজটিকে পরীক্ষামূলকভাবে চালানো হচ্ছিল। গত বছর আগস্টেই মুম্বাই বন্দরে বিস্ফোরণের ফলে ডুবে যায় নৌবাহিনীর ডুবোজাহাজ সিন্ধুরক্ষক। মারা যান ১৮ জন নাবিক।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পালিয়ে গেলেন ইংলাক
‘আমার সন্তানই যেন হয় নিষ্ঠুরতার শেষ দৃষ্টান্ত’
পরিস্থিতি অনেকটা কয়েক মাস আগের বাংলাদেশের মতো। থাইল্যান্ডেও সরকারবিরোধী আন্দোলনকে ঘিরে নির্বিচার হামলার শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। এমনকি শিশুরাও রেহাই পাচ্ছে না। এ পর্যন্ত মারা গেছে কমপক্ষে তিনটি শিশু। তায়াকম ইয়োস উবন কাঁদতে কাঁদতে বলছিলেন, ‘সবার কাছে আমি হাত জোড় করে বলছি, এসব বন্ধ করুন, আমার সন্তানই যেন হয় এমন নিষ্ঠুরতার শেষ দৃষ্টান্ত, থাইল্যান্ডের মাটিতে এমন যেন আর না ঘটে।’ ৩৩ বছর বয়সি তায়াকমের দুটি সন্তান মারা গেছে গ্রেনেড হামলায়? ৪ আর ৫ বছরের দুটি শিশু। প্রধানমন্ত্রী ইংলাক সিনাওয়াত্রার পদত্যাগের দাবিতে চলমান আন্দোলনে অংশ নিতে যায়নি, সরকার সমর্থকদের মিছিলেও ছিল না তারা। খালার সঙ্গে ব্যাংককের একটি মলে গিয়েছিল খাওয়া-দাওয়া করতে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গুপ্তধনে ধনী
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Thursday, February 27, 2014
ছাত্ররাজনীতি এখন লাভজনক ব্যবসা?
এখানে আমরা স্মরণ করতে পারি যে বিএনপির নেত্রী ছাত্রদলের নেতাদের শিক্ষাঙ্গনের হানাহানি ও নৈরাজ্য বন্ধের কথা বলেননি, বিশ্ববিদ্যালয়ে সরকারদলীয় ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের সন্ত্রাস মোকাবিলা করার কথা বলেননি। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যে সেশনজট চলছে, ঠিকমতো ক্লাস-পরীক্ষা হচ্ছে না, সে ব্যাপারে কিছু করার কথা বলেননি। তিনি তাঁদের প্রতি একটি প্রশ্নই রেখেছেন, ছাত্রদল কেন সরকারকে ফেলে দিতে পারল না। ছাত্রদলই যদি সরকারকে ফেলে দেবে, তাহলে বিএনপির প্রয়োজনটা কী? এই হলো ছাত্রসংগঠন তথা ছাত্রসমাজের প্রতি আমাদের রাজনৈতিক নেতৃত্বের আবদার। এই আবদার যে কেবল বিরোধী দল বিএনপি করেছে তা-ই নয়, ক্ষমতাসীন দলটি অন্য রকম আবদার নিয়ে হাজির হয়। সম্প্রতি একজন মন্ত্রী বলেছেন, বিরোধী দলের আন্দোলন মোকাবিলার জন্য ছাত্রলীগই যথেষ্ট। এর অর্থ দাঁড়ায় ছাত্রলীগ নামের সংগঠনের নেতা-কর্মীরা পড়াশোনা বাদ দিয়ে ছাত্রদের সমস্যা এড়িয়ে গিয়ে একটাই কাজ করবেন, তা হলো বিরোধী দলকে ঠ্যাঙানো। একদিকে তাঁরা সরকার উৎখাতের, অন্যদিকে বিরোধী দল ঠ্যাঙানোর হাতিয়ার হবেন।
এই হলেন আমাদের অতি বিজ্ঞ রাজনীতিকদের চিন্তাভাবনা। দেশ গোল্লায় যাক, ছাত্রদের পড়াশোনা লাটে উঠুক। কিন্তু রাজনৈতিক নেতৃত্ব ছাত্রসংগঠনকে তাঁদের ক্ষমতায় যাওয়ার ও থাকার সিঁড়ি হিসেবে ব্যবহার করবেনই। শিক্ষাঙ্গনের সমস্যা সমাধান হোক বা না হোক, শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন সচল থাকুক বা না থাকুক, সেসব নিয়ে তাঁদের মাথাব্যথা নেই। এক পক্ষ সরকারের বিরুদ্ধে ছাত্রদলকে নামাতে মরিয়া, আরেক পক্ষ বিরোধী দলের বিরুদ্ধে ছাত্রলীগকে দাঁড় করাতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। অছাত্র বা আদুভাইদের নিয়ে ছাত্রসংগঠন করার উদ্দেশ্য ছাত্ররাজনীতিকে সুস্থ ও সঠিক পথে নিয়ে আসা নয়, বরং ছাত্ররাজনীতির নাম ভাঙিয়ে রাজনৈতিক দলের উদ্দেশ্য চরিতার্থ করা। এ কাজটি কেবল বিরোধী রাজনৈতিক দলই করে থাকে তা-ই নয়, সরকারি দলও একই কাজ করে। যেহেতু তাদের হাতে সরকার, পুলিশ, প্রশাসন আছে, সেহেতু ছাত্রসংগঠনের ওপর ততটা নির্ভর করতে হয় না। কিন্তু বিরোধী দলের প্রধান হাতিয়ারই হয়ে ওঠে ছাত্রসংগঠন। অছাত্রদের নিয়ে ছাত্রসংগঠন করার রেওয়াজ শুরু হয় স্বাধীনতার পর থেকেই। ছাত্রনেতাদের যখন বিশ্ববিদ্যালয় পড়াশোনা শেষ হয়ে যায়, তখন নেতৃত্ব ধরে রাখার জন্য অন্য একটি বিষয়ে (এ ক্ষেত্রে গ্রন্থাগার বিজ্ঞানই ভালো দৃষ্টান্ত) ভর্তি হয়ে থাকেন। তাঁরা ভর্তি হন বটে, পাস করে বের হন না। বের হলেই ছাত্রনেতৃত্ব চলে যাবে।
পাকিস্তান আমলে নিয়মিত ছাত্ররাই ছাত্রসংগঠনের নেতৃত্ব দিতেন। শিক্ষাঙ্গনের সমস্যা নিয়ে আন্দোলন করতেন। এ দেশে ষাটের ও আশির দশকে যে দুটি ছাত্র আন্দোলন গড়ে ওঠে, দুটিই ছিল শিক্ষাকেন্দ্রিক, সরকারের গণবিরোধী শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে ছাত্ররা রাজপথে নেমে এসেছিলেন এবং জীবন দিয়েছিলেন। আশির দশকের পর ছাত্রদের সমস্যা নিয়ে ছাত্রদের বড় ধরনের কোনো আন্দোলন চোখে পড়ে না। রাজনৈতিক দলগুলো ছাত্রসংগঠনগুলোকে নিজেদের অনুগত ও বাধ্যগত সংগঠন হিসেবে পরিচালিত করতে চায়। এ কারণে তাঁদের কেউ সংগঠনের সাংবিধানিক অভিভাবক হন, কেউ বা সংগঠনের নেতৃত্বে কে আসবেন, তা ঠিক করে দেন। সম্মেলন করে কাউন্সিলরদের ভোটে ছাত্রনেতৃত্ব গঠনের রেওয়াজ অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে। মাঝখানে ছাত্রলীগ নির্বাচনের মাধ্যমে নেতৃত্ব দেওয়ার একটি মহড়া দিলেও পরবর্তীকালে ছাত্রদলকেই অনুসরণ করতে থাকে। সম্মেলন হবে, কাউন্সিলররা আসবেন, কিন্তু নেতৃত্ব বাছাই করবেন আপা বা ম্যাডাম। ছাত্রদল ও ছাত্রলীগ উভয় সংগঠন এখন পরিচালিত হচ্ছে প্রধানত অছাত্রদের দিয়ে। কমিটির মেয়াদ তিন থেকে চার বছর পার হলেও নতুন নেতৃত্ব গঠনের উদ্যোগ নেই। ছাত্রত্ব নেই, তবু তাঁরা ছাত্রনেতা।
সবচেয়ে অবাক কাণ্ড, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার যাদের স্বৈরাচারী সামরিক শাসক হিসেবে চিহ্নিত করতে ভালোবাসে, সেই সামরিক শাসনামলে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্র সংসদ নির্বাচন হলেও এখন আর সেটি হচ্ছে না। জিয়াউর রহমান ও এরশাদ দুই সামরিক শাসকই ডাকসুসহ সব বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচন দিয়েছিলেন এবং অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিরোধী দলের সমর্থক ছাত্রসংগঠন জয়ী হয়েছিল। কিন্তু গত দুই দশকের গণতান্ত্রিক সরকারগুলো ছাত্র সংসদ নির্বাচনের নামও মুখে আনেনি। অতীতে ছাত্রসংগঠনগুলোর নেতৃত্ব গড়ে উঠত ছাত্র সংসদ নির্বাচনে জয়ী নেতাদের নিয়েই। যাঁরাই ডাকসু, চাকসু, রাকসু প্রভৃতি ছাত্র সংসদে নির্বাচিত হতেন, তাঁরাই পরবর্তীকালে ছাত্রসংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্বে আসতেন। আবার কখনো ছাত্রসংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্য থেকেও ছাত্র সংসদের নেতা হতেন। এসব ছাত্রনেতা কেবল নিজের সংগঠনের নেতা-কর্মীদের কাছে আস্থাভাজন ছিলেন না, আস্থাভাজন ছিলেন দলমত-নির্বিশেষে সব ছাত্রসংগঠনের নেতা-কর্মীদের। দুর্ভাগ্যজনকভাবে গণতান্ত্রিক শাসনামলে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের প্রক্রিয়াটি বন্ধ হয়ে যায়। এ ব্যাপারে স্বাধীনতাবিরোধীদের দোসর বিএনপির সঙ্গে স্বাধীনতার চেতনাধারী আওয়ামী লীগের কোনো পার্থক্য নেই। আওয়ামী লীগ ডাকসুসহ সব ছাত্র সংসদ নির্বাচন দিয়ে এ পার্থক্য দৃশ্যমান করলে ছাত্রসমাজ উপকৃত হবে। দুই বড় দলের শীর্ষ নেত্রী তিন দশকের বেশি সময় ধরে দলের নেতৃত্বে থাকলেও ছাত্রসংগঠনের নেতৃত্ব গড়ে তোলার পথে প্রধান অন্তরায় হয়ে আছেন। সম্ভবত তাঁরা চান না যোগ্য ও দক্ষ নেতৃত্ব আসুক। তাঁরা চান অনুগত ছাত্রনেতৃত্ব। এই অনুগত ও বাধ্যগতদের দিয়ে আর যা-ই হোক, ছাত্ররাজনীতি এগিয়ে নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এই ছাত্ররাজনীতি সাধারণ ছাত্র বা শিক্ষার কোনো কল্যাণ করবে না। গোষ্ঠী ও ব্যক্তির স্বার্থ রক্ষা করবে।
মূলত ছাত্রদের কল্যাণে, ছাত্রদের স্বার্থে এবং ছাত্রদের সমস্যা সমাধানের জন্য নিয়োজিত হওয়া উচিত ছাত্ররাজনীতি। আজ দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, ছাত্ররাজনীতি আর ছাত্রদের স্বার্থ ও কল্যাণের চিন্তা করে না। এমনকি তারা রাজনৈতিক দলের স্বার্থ রক্ষা করতে ব্যর্থ হচ্ছে। প্রথম কথা হলো ছাত্ররাজনীতির কাছে রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রত্যাশা কী? এই প্রত্যাশা যদি দলকে ক্ষমতায় আনা এবং ক্ষমতা থেকে বিতাড়িত করা হয়, তাহলে সেটি ছাত্ররাজনীতি থাকে না। তাদের রাজনৈতিক দলেরই নেতৃত্বে এসেই সেই কাজটি করা উচিত। সম্প্রতি ছাত্রদলের নেতাদের সঙ্গে এক বৈঠকে খালেদা জিয়া কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে যে প্রশ্নটি করেছেন, সেই প্রশ্নটি সব ছাত্রসংগঠনের প্রায় সব ছাত্রনেতার উদ্দেশে করা যায়। করা উচিত। ছাত্রদল নেতাদের উদ্দেশে তিনি প্রশ্ন রেখেছেন, ‘তোমাদের এত বয়স, চাকরি করো না, ব্যবসা করো না, তোমরা চলো কীভাবে? তোমাদের পরিবার থেকে এখনো তোমাদের টাকা দেয়?’
বিএনপির চেয়ারপারসনের অজানা নয় যে যাঁরা চাকরি করেন না এবং যাঁদের ছাত্রত্ব অনেক আগেই পার হয়ে গেছে, তাঁরাই ছাত্রনেতৃত্ব আঁকড়ে আছেন। তবে ছাত্রনেতাদের কাছে এ প্রশ্ন করার আগেই তাঁর নিজের কাছে প্রশ্ন করা উচিত এ অছাত্রদের কেন তিনি ছাত্রনেতৃত্বে রেখেছেন। একজন তরুণ, যাঁর ছাত্রত্ব নেই, তাঁকেই ছাত্রনেতৃত্ব দিয়ে অবৈধ আয়ের এবং অনৈতিক প্রভাব বিস্তারের সুযোগ করে দিয়েছেন। এত দিন ক্ষমতার রাজনীতিকে লাভজনক ব্যবসা হিসেবে চিহ্নিত করা হতো। মন্ত্রী, সাংসদ, উভয় পক্ষের রাজনীতিকেরা নিজেদের আচরণ ও কর্মকাণ্ডে তার প্রমাণও দিয়েছেন, দিচ্ছেন। হালে দেখা যাচ্ছে কেবল জাতীয় রাজনীতিই নয়, ছাত্ররাজনীতিও লাভজনক ব্যবসায় পরিণত হয়েছে। ক্ষমতায় থাকতে এ ব্যবসায় সরাসরি লাভবান হওয়া যায়, আর ক্ষমতার বাইরে থাকলে ভবিষ্যতের বিনিয়োগ হিসেবে কাজ করে। বিএনপির নেত্রী এবারের বিনিয়োগের সুফল পাওয়া যায়নি বলে আক্ষেপ করেছেন। ভবিষ্যতে ছাত্রদলকে দিয়ে সেই বিনিয়োগের লাভ সুদে-আসলে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করবেন নিশ্চয়ই।
সোহরাব হাসান: কবি, সাংবাদিক।
sohrab03@dhaka.net
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
খাঁচায় ঢুকছে সংসদ ভবন!
![]() |
| সংসদ ভবন |
এ কে এম জাকারিয়া: সাংবাদিক।
akmzakaria@gmail.com
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলা চর্চায় আমাদের অনীহা
মুস্তাফা জামান আব্বাসী: সাহিত্য-সংগীতব্যক্তিত্ব।
mabbasi@dhaka.net
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Wednesday, February 26, 2014
মিসর- কে হবেন প্রেসিডেন্ট, সিসি না সাবাহি by কামাল গাবালা

গত বছরের জুন মাসে মিসরজুড়ে বিক্ষোভের মুখে ইসলামপন্থী প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসিকে উচ্ছেদ করে সিসি আরবের সবচেয়ে জনবহুল দেশে বিপুল জনপ্রিয় হন।
মিসরীয়রা এখন যার যার রাজনৈতিক পক্ষ, মতামত ও আদর্শিক অবস্থান থেকে তর্ক ও আলোচনা চালাচ্ছে। সেসব আলোচনা প্রকাশ্যে উঠেও আসছে। এরই একটা উদাহরণ হলো ন্যাশনাল সালভেশন ফ্রন্ট আর তামারোদ মুভমেন্টের এক সারিতে চলে আসা। প্রথমটি গঠিত হয়েছিল ২০১২ সালের শেষে মুরসি প্রশাসনের বিরোধিতা করার জন্য আর গত বছরজুড়ে বিক্ষোভ সংঘটিত করে যাচ্ছিল তামারোদ, যার পরিণতি হলো মুরসির অপসারণ। এমনকি তাদের নামকরণও বোঝায় যে একই উদ্দেশ্যে তারা গঠিত। এবং অবশ্যই তাদের সঙ্গে ছিল নাসেরপন্থীসহ বিভিন্ন বামপন্থী গোষ্ঠী। এই বামপন্থীদের থেকেই এসেছেন সাবাহি।
মিসরের এখন প্রতিটি বাড়িতেই কান পাতলে শোনা যাবে সিসি আর সাবাহিকে নিয়ে আলোচনা। সব পরিবারই যেন একটি প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে: এই দুজনের কে হবেন মিসরের যোগ্যতম প্রেসিডেন্ট?
এ বছরের গোড়াতেই প্রথম নির্বাচিত প্রেসিডেন্টের তৈরি করা সংবিধান স্থগিত করে আধুনিক, নাগরিক ও গণতান্ত্রিক মিসরের লক্ষ্যে নতুন সংবিধান পাস হয়েছে। তা ছাড়া ইসলামপন্থী আমলের অভিজ্ঞতা ফিরে আসার যে ভয় সবকিছু আচ্ছন্ন করে ছিল, তা কাটিয়ে মিসরীয়রা এখন এমন একজন সেনানায়ক চায়, যিনি তাদের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষা করবেন। এই সেনানায়ক ‘ধর্মের’ লেবাসের আড়ালে ভেসে ওঠা পুনর্জীবিত সন্ত্রাসবাদকে মোকাবিলা করছেন। ২০১১ সালে হোসনি মোবারকের বিতাড়নের পর থেকে মিসরের অর্থনীতি যে নাটকীয় দুর্দশার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল, তা থেকেও উঠে আসার লক্ষণমিলছে।
এখনকার মিসরে সাবাহি ও সিসির (যিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য উর্দি খুলে নামবেন বলে ভাবা হচ্ছে) মধ্যে কে ভালো হবেন তা নিয়ে দোলাচলের সঙ্গে অতীতের দোলাচলের কোনো তুলনা চলে না। স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতো করে সাবাহিও একে বর্ণনা করেছেন ‘ভালো’ আর ‘উত্তমের’ মধ্যকার লড়াই বলে। গত বছরের ২৫ জানুয়ারির গণ-অভ্যুত্থান এবং তার সংশোধনে আসা ৩০ জুনের ঘটনার সমর্থক বিপ্লবীদের দৃষ্টিতে ব্যাপারটা এ রকমই। আজকের পরিস্থিতি ২০১২ সালের থেকে এখানেই আলাদা যে তখন মিসরীয়দের বেছে নিতে হচ্ছিল মুসলিম ব্রাদারহুডের প্রার্থী মোহাম্মদ মুরসি বনাম মোবারকের শাসনের প্রতিনিধি আহমেদ শফিকের মধ্যে। সে রকম অবস্থায় পরিস্থিতিটা ছিল ‘খারাপ’ আর ‘নিকৃষ্টের’ মধ্যকার প্রতিযোগিতার মতো। অথবা ব্যাপারটা ছিল যেন কলেরায় মরব নাকি প্লেগে মরব; তা বাছাই করে নেওয়ার প্রশ্ন।
মিসরে চলমান বিতর্কের বিষয় দুই প্রার্থীর মধ্যকার মিল ও ভিন্নতা নিয়ে। দুজনই জনপ্রিয় হওয়ায় বেছে নেওয়াও কঠিন হয়ে গেছে ভোটারদের পক্ষে। এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে সাবাহি বিনয়ের সঙ্গে বলেছেন যে আমি সব মিসরীয় ও সিসিকে বলছি, তিনি একজন উত্তম প্রার্থী, তবে আমিও ‘উত্তম’ প্রার্থী হতে পারি।
প্রখ্যাত মিসরীয় রাজনীতিবিদ মোহামেদ সালমাওয়ি এককথায় এভাবে বলেছেন, সাবাহি ও সিসি এই অর্থে মিসরীয়দের চোখে সম্পর্কিত যে উভয়ই তাঁদের মনে করিয়ে দিচ্ছে সাবেক জাতীয়তাবাদী প্রেসিডেন্ট গামাল আবদেল নাসেরের কথা। সিসি যেভাবে জনগণের ইচ্ছাকে তুলে ধরেছেন, যেভাবে তিনি আন্তর্জাতিক শক্তি ও ইসলামপন্থী গোষ্ঠীর বিপরীতে জনগণের স্বার্থকে গ্রহণ করেছেন, তাতে অনেক মিসরীয়র মনেই তাঁকে নাসেরের প্রতীক বলে মনে হয়।
অন্যদিকে সাবাহি হলেন নাসেরের সরাসরি অনুসারীদের মধ্যে প্রধানতম নাসেরপন্থী নেতা। বাল্যকাল থেকেই তিনি নাসেরপন্থার সঙ্গে যুক্ত এবং তাঁরই প্রতিনিধি হিসেবে চিত্রিত হন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে নাসেরপন্থী হিসেবে তিনি নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০১২ সালের নির্বাচনেও তিনি নাসেরপন্থী হিসেবেই তৃতীয় স্থান অর্জন করেন, যেমন এখন তিনি সংসদে নাসেরের ধারারই নেতার ভূমিকা পালন করছেন।
সালমাওয়ি আরও বলেন যে ২০১৪ সালের নির্বাচনী দৌড়ে সিসি আর সাবাহিই হবেন প্রধান প্রতিযোগী। এর অর্থ হলো, যে নাসের তাঁর পরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার আল সাদাতের আমলে ব্যাপকভাবে আক্রমণের শিকার হয়েছিলেন, সেই নাসেরের প্রত্যাবর্তন ঘটছে। এখন তাহরির স্কয়ারে নাসেরের পোস্টারের পাশে শোভা পাচ্ছে সিসির পোস্টার। আর তারা স্লোগান দিচ্ছে, ‘মুক্তি, ইনসাফ ও মানবতার সম্মান’-এর জন্য।
সাবাহি বলেছেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে আমার বিশ্বাস, সিসি একজন দেশপ্রেমিক ব্যক্তি এবং আমি তাঁর জন্য শুভকামনা ছাড়া অন্য কিছু বোধ করি না। কারণ, তিনি এক ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁকে নিরাপদ রাখার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো বর্তমানের মতোই তাঁর প্রতিরক্ষামন্ত্রীর অবস্থানে থেকে যাওয়া।’
সাবাহি যুক্তি দেন, চারপাশে ঘিরে থাকা লোকজনের চাপে যদি সিসি প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, তাহলে নির্বাচন
কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্য দিয়ে শেষ হবে। এই বামপন্থী রাজনীতিবিদ মনে করেন, প্রেসিডেন্ট হিসেবে সিসির নির্বাচিত হওয়া তেমন অবধারিত নয়, যদিও গণমাধ্যম ও অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষক তেমনটাই ভাবেন।
এরই মধ্যে প্রখ্যাত মিসরীয় সাংবাদিক মোহামেদ হাসানাইয়েন হেকেল নিজের অতীতের উক্তি সংশোধন করে বলেন যে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক সংকট কাটিয়ে উঠতে মিসরের দরকার অলৌকিক ঘটনা। এর আগে তিনি বলেছিলেন যে সিসিই ন্যায্য প্রার্থী। তিনি আরও বলেন, সিসি যদিও অনেক জনপ্রিয়তা উপভোগ করেন, তাহলেও অন্যান্য প্রার্থীও নিজেদের মনোনীত করতে সক্ষম হবেন। আর এটা ঘটতে হবে সত্যিকার নির্বাচনী প্রক্রিয়ায়।
হেকেল বলেন, সাবাহির মনোনীত হওয়া খুবই ন্যায়সংগত। কারণ, তাঁর রাজনৈতিক মেধা রয়েছে এবং ছাত্র আন্দোলনের কর্মী হওয়া থেকে শুরু করে পরের দিকে তিনি নিজেকে জাতীয় রাজনীতির জন্য যোগ্য হিসেবে বিকশিত করেছেন। তিনি আরও বলেন, সাবাহির তেমন আকাঙ্ক্ষা রয়েছে, রয়েছে রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও জনপ্রিয় সমর্থন। এই সমর্থন দিচ্ছে তরুণ উৎসাহী জনতা। এ কথা বলে
তিনি ইঙ্গিত করেন ২০১২ সালের নির্বাচনের কথা, যেখানে সাবাহি পেয়েছিলেন ৫০ লাখ ভোট। ওই নির্বাচনে সাবাহির সাফল্য বিস্ময়কর ছিল। কারণ, অন্য প্রার্থীরা বিপুল অর্থ ও যোগাযোগ বিনিয়োগ করে তাঁর জন্য পরিস্থিতি কঠিন করে তুলেছিলেন।
সিসির প্রেসিডেন্ট হওয়ার আকাঙ্ক্ষার পথে হুমকি হলো মোবারকের স্বৈরাচারী শাসনের সমর্থকদের পুনরাবির্ভাব। এরা যদি সিসিকে সমর্থন দেয়, তাহলে মিসরের ভেতরে ও বাইরে তাঁর প্রতিপক্ষ সুবিধা পাবে। আর তাহলে গত বছরের ৩০ জুন মিসরীয় সেনাবাহিনী মুরসিকে উচ্ছেদ করে যে বাহবা কুড়িয়েছিল, তাতে চিড় ধরবে।
কামাল গাবালা: মিসরের আলআহরাম পত্রিকাগোষ্ঠীর ব্যবস্থাপনা সম্পাদক।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মিসর- কে হবেন প্রেসিডেন্ট, সিসি না সাবাহি by কামাল গাবালা
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জঙ্গি দমনে জাতীয় ঐকমত্য প্রয়োজন
![]() |
| দণ্ডিত তিন জঙ্গিকে পুলিশের গাড়ি থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হয় |
গত পাঁচ বছরে জেএমবি, হুজিসহ বিভিন্ন জঙ্গি গ্রুপের সদস্যদের পাকড়াও করার ক্ষেত্রে সরকার বেশ সক্রিয় ছিল এবং এখনো আছে। তবে এ-ও বুঝতে হবে যে জাতীয় নিরাপত্তা কৌশলের ক্ষেত্রে এটি হলো একটি উপায়, একমাত্র নয়। আমরা যে কথাটির ওপর জোর দিই তা হলো, জঙ্গিবাদ মোকাবিলা করতে হলে এর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ও সামাজিক পদক্ষেপ নিতে হবে এবং তাতে দল-মতনির্বিশেষে সবাইকে একত্র করা জরুরি। সরকার জঙ্গিদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করছে, এটি অবশ্যই ভালো দিক। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক যে, এর সঙ্গে রাজনৈতিক মতৈক্য প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেই; বরং দোষারোপের রাজনীতি চলছে। সম্প্রতি পুলিশের গাড়ি থেকে জঙ্গি ছিনতাইয়ের যে ঘটনা ঘটল, তা নিয়েও অভিযোগের তির ছুড়ছে একে অপরের বিরুদ্ধে। এর অর্থ, জঙ্গিবাদের বিষয়টি কেউ-ই গুরুত্বের সঙ্গে নিচ্ছে না। এ থেকে দলীয় ফায়দা লোটার চেষ্টা চালাচ্ছে উভয় পক্ষ। আমাদের সমাজটি মারাত্মকভাবে বিভাজিত। রাজনৈতিকভাবে যেমন, তেমনি মতাদর্শিকভাবেও। যেসব গোষ্ঠী বা সংগঠন ধর্ম নিয়ে কাজ করে, তাদের মধ্যে একধরনের বিচ্ছিন্নতাবোধ কাজ করে। এর কারণ যা-ই হোক, রাষ্ট্র বা সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে সেই বিচ্ছিন্নতা বাড়তে না দেওয়া এবং তাদের মূলধারায় ফিরিয়ে আনা। কেননা, সামাজিক সংঘবদ্ধতাই রাষ্ট্রের নিরাপত্তার পূর্বশর্ত।
এম সাখাওয়াত হোসেন: নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও সাবেক নির্বাচন কমিশনার।
hhintlbd@yahoo.com
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দলবাজি নয়, বুদ্ধিবৃত্তিক আলোচনা চাই
আমাদের দেশে এ ধরনের ‘পাবলিক ডিক্টেটর’ বড়ই অভাব। টক শোর মাধ্যমে আমি কিছু কিছু বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছি এবং আলোচনা শুনেছি। উদাহরণ হিসেবে আমি প্রাকৃতিক সম্পদ, বিশেষ করে গ্যাস-কয়লা উত্তোলন বিষয়ে বিতর্ক, নদীদূষণ কিংবা খাল খনন, এসবের উল্লেখ করতে পারি। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, আমাদের চ্যানেলগুলো অধিকাংশ ক্ষেত্রেই রাজনৈতিক বিষয়গুলো এমনভাবে উপস্থাপন করে, যেখানে মননশীল আলোচনা থাকে প্রায়ই অনুপস্থিত। তারা এমন সব আলোচককে নেমন্তন্ন করেন, যাঁরা ঘুরেফিরে আওয়ামী-বিএনপি ঝগড়ার আবর্তের বাইরে যেতে পারেন না। রাজনীতিতে যেমন এই দুই পরাশক্তির প্রবল উপস্থিতি, টক শোতে অংশ নেওয়া আলোচকেরাও নিজেদের সুশীল কোর্তার ভেতর থেকে কোনো একটি দলের প্রতি আনুগত্যের সনদটি বের করে নিয়ে আসেন। ব্যতিক্রম অবশ্য আছে কিছু কিছু। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, আলোচনা কিংবা বিতর্ক নোংরা দলবাজির চোরাবালিতে হারিয়ে যায়, দর্শক-শ্রোতাকে নতুন চিন্তার কোনো খোরাক জোগান দিতে পারে না। দলীয় সুশীলদের এসব জাবরকাটা দেখে ও শুনে টক শোর ওপর অনেকেই বীতশ্রদ্ধ হয়ে পড়েছেন। অনেককেই বলতে শোনা যায়, রাতের ঘুম নষ্ট করে আওয়ামী-বিএনপির ঝগড়া দেখার কোনো মানে হয় না। ঝগড়াঝাঁটি মাঝেমধ্যে এমন পর্যায়ে চলে যায়, তখন আর তা বিনোদনের পর্যায়েও থাকে না। আলোচনার মধ্যে হাতের আস্তিন গোটানো ও অশ্রাব্য গালমন্দও হতে দেখেছি আমরা। শোভনতার সীমা অতিক্রমকারীদের বর্জন করারও তেমন কোনো উদ্যোগ দেখা যায় না।
এখন অবস্থা এমন হয়েছে যে আলোচকদের নাম শুনেই কিংবা চেহারা দেখেই বলে দেওয়া যায়, তাঁরা বিভিন্ন পেশাজীবী পরিচয় থাকা সত্ত্বেও মূলত এই দলের কিংবা ওই দলের। অথচ নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি হিসেবে তাঁরা সত্যিকার অর্থেই নাগরিক ভাবনা তুলে ধরতে পারেন এবং জনমত গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারেন। এখানে একটি বিষয় লক্ষ করার মতো। আলোচকরা সবাই আলোচ্য বিষয়ের ব্যাপারে বিশেষজ্ঞ, তা জোর গলায় বলা যাবে না। অবস্থা এমন হয়েছে যে বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো বিষয়ে শিক্ষকতার চাকরি করলেই তাঁকে ওই বিষয়ের একজন বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। যেমন, রাষ্ট্রবিজ্ঞানের শিক্ষক মানেই রাজনীতি বিশেষজ্ঞ, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে শিক্ষকতার চাকরি করলেই তিনি আন্তরাষ্ট্র সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ, সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তা হলেই তিনি নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ, অবসরপ্রাপ্ত অসামরিক কর্মকর্তা হলেই তিনি জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞ, আর সাংবাদিক হলেই সবজান্তা। অথচ আমরা জানি যে সাহিত্যের শিক্ষক মাত্রেই সাহিত্যিক নন, বিজ্ঞানবিষয়ক লেখক হলেই তিনি বিজ্ঞানী হবেন না এবং নারী মাত্রই জেন্ডার-সংবেদনশীল নন। তাঁরা অনেক সময় এমনভাবে আলোচনা করেন, যা কিনা কষ্টকল্পিত এবং জোর করে জ্ঞান দেওয়ার মতো। টক শো উপস্থাপনার ক্ষেত্রেও সমস্যা আছে। উপস্থাপক অনেক ক্ষেত্রেই উপস্থাপিত বিষয়ের ওপর ‘হোমওয়ার্ক’ করে আসেন না। কী রকম প্রশ্ন করতে হবে এবং কখন সেই প্রশ্নটি করতে হবে, এটা অনেক সময় তাঁরা বোঝেন বলে মনে হয় না। সবচেয়ে বিরক্তিকর ঠেকে, যখন আলোচনা বেশ একটু প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে, ঠিক তখনই আলোচনা থামিয়ে উপস্থাপক বলেন, ‘এখন আমাকে একটি বিজ্ঞাপন বিরতিতে যেতে হবে’।
মহিউদ্দিন আহমদ: লেখক ও গবেষক।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1331)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
-
▼
2014
(9799)
-
▼
February
(405)
-
▼
Feb 28
(11)
- সাকিব, ক্রিকেট ও অন্যান্য
- ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখানো মানুষটি
- মাতৃভাষায় জুমার খুতবা
- কাজী শাহেদ আহমেদের জীবনের মোড়ক উন্মোচন by ড. রফিকু...
- খেয়াল গানের আধুনিক রূপকার নিয়ামত খাঁ সদারঙ্গ by মো...
- ফজল আমার আত্মার আত্মীয় by আল মাহমুদ
- আমাদের আসবাব ছিল রাশি রাশি বই by বোরহানউদ্দিন খান ...
- ইউক্রেন পূর্ব-পশ্চিমের যুদ্ধ ময়দান নয় : যুক্তরাষ্ট...
- এবার সিন্ধুরত্নে বিস্ফোরণ!
- পালিয়ে গেলেন ইংলাক
- গুপ্তধনে ধনী
-
▼
Feb 28
(11)
-
▼
February
(405)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...










