Sunday, February 25, 2018
রাখাইনে আছে মাত্র ৭৯ হাজার রোহিঙ্গা -ইরাবতির প্রতিবেদন
![]() |
| ফাইল ছবি |
ইরাবতি উদ্বাস্তু হওয়া রোহিঙ্গাদের সংখ্যা বের করতে রাখাইনের তিনটি শহরের সরকারি প্রতিবেদন সংগ্রহ করে করেছে। ওই প্রতিবেদন তৈরি করেছে রাখাইনের জেনারেল অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ডিপার্টমেন্ট (জিএডি)।
এটি মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণাধীন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন একটি প্রতিষ্ঠান। জিএডির প্রতিবেদন ২০১৭ সালের অক্টোবরে প্রকাশিত হয়েছে। সংবাদমাধ্যমটি জিএডির প্রতিবেদন থেকে প্রাপ্ত পরিসংখ্যান বাংলাদেশের রোহিঙ্গা শিবিরের জাতিসংঘের মানবিক সহযোগিতাবিষয়ক সংস্থা ওসিএএইচএর তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে পর্যালোচনা করেছে। ওসিএইচএর তথ্যমতে, ২৫ আগস্ট থেকে ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত ৬ লাখ ৮৮ হাজার পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে নিবন্ধিত করা হয়েছে।
জিএডির প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেনাবাহিনীর নিপীড়ন শুরুর আগে মংডু, বুথিডং ও রাথিডংয়ে ৭ লাখ ৬৭ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা বাস করত। মংডুর একজন সরকারি কর্মকর্তা নিশ্চিত করেন, এই পরিসংখ্যান ২০১৬ সালে সংগ্রহ করা। এ তথ্যের সঙ্গে ওসিএইচএর আশ্রয়শিবিরে নিবন্ধনের তথ্য পর্যালোচনা করে বলা হয়, ওই সব এলাকা থেকে প্রায় ৯০ শতাংশ রোহিঙ্গাকেই দেশত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে। মাত্র ১০ শতাংশ এখনও সেখানে রয়েছে। তবে এই ৯০ শতাংশের মধ্যে যারা মারা গেছেন, নিখোঁজ হয়েছেন বা গ্রেফতার হয়েছে তাদের ধরা হয়নি।
পরিসংখ্যান পর্যালোচনায় উঠে এসেছে, আক্রান্ত এলাকাগুলো থেকে যে ১০ শতাংশ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আসেননি, তাদের সংখ্যা ৭৯ হাজারের মতো। ফলে বাকি প্রায় ৭ লাখ ৬৭ হাজারকেই জোর করে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। জিএডির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, রাথিডংয়ের ৬ শতাংশ, বুথিডংয়ের ৮৪ শতাংশ ও মংডুর ৯৩ শতাংশ জনসংখ্যাই ছিল রোহিঙ্গা। প্রতিবেদনে অবশ্য তাদের 'রোহিঙ্গা' বলে উলেল্গখ করা হয়নি। ওই প্রতিবেদনে তাদের 'বাংলাদেশি' লেখা হয়েছে।
জিএডির প্রতিবেদনে স্পষ্ট করে উলেল্গখ করা হয়নি- প্রতিটি শহরে রোহিঙ্গা ও রাখাইন জাতিগোষ্ঠীর কতটি গ্রাম রয়েছে। এতে শুধু মোট গ্রামের সংখ্যা উল্লেখ করা হয়। মংডু ও বুথিডংয়ের জিএডি কর্মকর্তাদের মতে, মংডুর ৩৬৪টি গ্রামের মধ্যে ২৭২টি রোহিঙ্গাদের, যা ওই এলাকার মোট গ্রামের ৭৪ শতাংশ। সেনাবাহিনীর নির্মূল অভিযানে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা অন্তত ৭০টি গ্রাম পুড়িয়ে দিয়েছে। বুথিডংয়ের ৩৩৯টি গ্রামের মধ্যে ১৩৭টিই রোহিঙ্গাদের, যা শহরটির মোট গ্রামের ৫১ শতাংশ। শহরটির এক উচ্চপদস্থ জিএডি কর্মকর্তা জানান, এখানকার অন্তত ৩০টি গ্রাম পুড়িয়ে ছাই করে দেওয়া হয়েছে।
রাথিডংয়ে রাখাইন জাতিগোষ্ঠীর লোকেরা সংখ্যাগুরু। আগস্টের সহিংসতা শুরুর আগে সেখানে ২২টি রোহিঙ্গা গ্রাম ছিল। রোহিঙ্গাদের কাছ থেকে জানা যায়, সেখানে এখন মাত্র দু-তিনটি গ্রাম টিকে আছে। বাকিগুলো পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
এদিকে প্রত্যাবাসন নিয়ে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারে তোড়জোড়ের মধ্যেই বাংলাদেশে অবস্থানরত ডক্টরস উইদাউথ বর্ডার্সের জরুরি ব্যবস্থাপনাবিষয়ক সমন্বয়ক কেট নোলার জানান, এখনও প্রতি সপ্তাহে বাংলাদেশে শতাধিক রোহিঙ্গা আসছেন। তিনি বলেন, আগের মতো বিশাল সংখ্যায় রোহিঙ্গাদের ঢল না নামলেও এখনও প্রতি সপ্তাহেই এ জনগোষ্ঠীর সদস্যরা নাফ নদ পাড়ি দিয়ে প্রবেশ করে চলেছেন। তারা রাখাইনে নিজেদের বাড়িতে নিরাপদ বোধ করেন না। সেখানে তাদের হয়রানির শিকার হতে হয়।
রাখাইনে ৩ বোমার বিস্ম্ফোরণ : এদিকে বিবিসির খবরে বলা হয়, রাখাইন রাজ্যের রাজধানী সিত্তেতে তিনটি বোমা বিস্ম্ফোরিত হয়েছে। এতে এক পুলিশ সদস্য সামান্য আহত হন। গতকাল ভোরে সিত্তে হাইকোর্ট প্রাঙ্গণসহ আশপাশের এলাকায় এ বিস্ম্ফোরণ ঘটে। এ হামলার পেছনে কে বা কারা রয়েছে, তা জানার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ। মাত্র তিন দিন আগে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর লাশিওতে এক বিস্ম্ফোরণে নিহত হন দু'জন ব্যাংক কর্মকর্তা।।
মিয়ানমার সেনাবাহিনীর রোহিঙ্গা নিধনযজ্ঞ চালানো রাখাইন রাজ্যের রাজাধানী সিত্তে। এই রাজ্যে আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) কথিত হামলার জবাবে সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে জাতিগত নিধন অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাকিস্তান মডেল? -আনন্দবাজার পত্রিকার সম্পাদকীয়

সেই সামরিক শাসনের ট্র্যাডিশন- রাজনীতিতে সেনাবাহিনীর অনুপ্রবেশ- শেষ অবধি পাকিস্তানকে কোথায় লইয়া গিয়াছে, জানিতে গবেষণা করিতে হয় না। ভারত ও পাকিস্তান- ১৯৪৭-এর আগস্টের দুই জাতকের যাত্রাপথ গত সাত দশকে যতখানি ভিন্ন হইয়াছে, রাজনীতির সহিত সামরিক বাহিনীর নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখিতে পারা এবং না পারা তাহার অন্যতম কারণ। লাহৌরের আখ্যানটি জরুরি, কারণ সাধারণ মানুষ সেনাবাহিনীকে কোন চোখে দেখিতেছে, তাহা যে নির্ণায়ক হইতে পারে না, এই আখ্যানটি সেই সাক্ষ্য দেয়। জওহরলাল নেহরুর ভারত সেনাবাহিনীকে রাজনৈতিক ক্ষমতা ও উচ্চাশা হইতে দূরে রাখিতে পারিয়াছিল। নরেন্দ্র মোদির ভারত কি নেহরু যুগের সেই অভিজ্ঞানটিকেও মুছিয়া দিতে তৎপর? ‘পাকিস্তান মডেল’-ই তাহার লক্ষ্য?
‘যে সেনাবাহিনীর নিরপেক্ষতার উপর নির্দ্বিধায় ভরসা করা চলে না, সেই বাহিনী দেশের পক্ষে অতি বিপজ্জনক।’ ১৯৪৮ সালের জানুয়ারিতে সেনাবাহিনীর সদস্যদের এক সমাবেশে এই কথাগুলো বলিয়াছিলেন জওহরলাল নেহরু। বিপিন রাওয়াত তখনও জন্মান নাই। কিন্তু, কথাগুলো নিশ্চয় তাহার শোনা। সেনাবাহিনীকে কেন নির্বাচিত সরকারের অধীনেই থাকিতে হইবে, কেন সেনার রাজনৈতিক উচ্চাশা থাকিতে পারে না- সে বিষয়ে ভারতে এতদিন নেহরুর মতবাদই গ্রাহ্য ছিল। সরকারের সামান্য সমালোচনা করিয়া জেনারেল কারিয়াপ্পা নেহরুর নিকট তিরস্কৃত হইয়াছিলেন এবং সেই তিরস্কারই সম্পর্কের সুর বাঁধিয়া দিয়াছিল। সেনাবাহিনী কখনও সীমারেখা অতিক্রম করে নাই। রাওয়াত অসমে গিয়া যে মন্তব্যগুলো করিয়া আসিলেন, তাহাতে এই রেখা ভাঙিবার চেষ্টাটি স্পষ্ট। এই প্রথম কোনো সেনাপ্রধানের বক্তব্যে ধর্মীয় বিভাজন এতখানি প্রকট, রাজনৈতিক আনুগত্যের সংকেত এত তীব্র। অনুমান করা চলে, সীমা অতিক্রম করিবার ছাড়পত্র তিনি প্রধানমন্ত্রীর অবস্থানে পড়িয়া লইয়াছেন।
সেনাপ্রধানের অনধিকারচর্চায় প্রধানমন্ত্রী প্রতিক্রিয়া জানান নাই। জানাইবেন, সেই ভরসাও ক্ষীণ। তাহার আমলে ভারতে সেনাবাহিনীর- অথবা, ‘সিয়াচেনের ঠাণ্ডায় দেশের সীমান্ত রক্ষায় অতন্দ্র জওয়ানের’- রাজনৈতিক ব্যবহার নজিরবিহীনভাবে বাড়িয়াছে। মানুষের মনে সেনাবাহিনীর প্রতি যে শ্রদ্ধা আছে, তাহাকে নিজেদের দিকে টানিয়া লইবার জন্য বিজেপির নেতারা সুকৌশলে সেনা ও সরকারের পরিচিতিকে ‘অদ্বৈত’ হিসাবে প্রতিষ্ঠা করিতে চেষ্টা করিয়া গিয়াছেন। জেনারেল ভি কে সিংহের মন্ত্রিত্বপ্রাপ্তিও বেনজির- সেনাপ্রধানের রাজনৈতিক উচ্চাশার এহেন স্বীকৃতি ভারত আগে কদাপি দেয় নাই। আশঙ্কা, রাওয়াতরা নিজেদের উচ্চাশা পূরণে আরো তৎপর। মোদি ভুলিয়াছেন, সংকীর্ণ রাজনৈতিক স্বার্থে সরকার ও সেনার মধ্যবর্তী পাঁচিলটি ভাঙিলে তাহার পরিণতি শেষ অবধি সুখকর হয় না। পাকিস্তান ঠেকিয়া শিখিতেছে। মোদির ভারত কি সেই বহুমূল্য শিক্ষা লইতে চাহে? পাকিস্তানই কি তাহার জীবনের ধ্রুবতারা?
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশী কর্মকর্তাদের নিন্দা ও সেনাবাহিনীকে অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে বলেছে আসু

এদিকে ‘বাংলাদেশী খেদাও’ আন্দোলনের মূল নেতৃত্বদানকারীদের অন্যতম সংগঠন অল আসাম স্টুডেন্টস ইউনিয়ন (আসু) গতকাল গৌহাটিতে এক মিশ্র বিবৃতিতে বলেছে, আসামে অনুপ্রবেশ বন্ধে সেনাবাহিনী প্রধানের বক্তব্য আংশিক সমর্থনের পাশাপাশি বিরোধীতাও করেছে। আবার পৃথক এক বিবৃতিতে তারা জাতীয় নিবন্ধন সংক্রান্ত প্রক্রিয়ার বিষয়ে ঢাকায় বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের মন্তব্যের সমালোচনা করেছে। গতকাল আসাম ট্রিবিউন এই খবর দিয়ে বলেছে, আসু বাংলাদেশী কর্মকর্তাদের নিন্দা করে বলেছে, ঢাকার তরফে এধরণের মন্তব্য গ্রহনযাগ্য নয়। আসু মনে করে বাঙলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশ বন্ধে সেনাবাহিনীর একটি ভূমিকা আছে। সীমান্ত জুড়ে এবিষয়ে তাঁর উচিত তবে উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করা। বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, পৃকৃত সত্য হলো প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় অনুপ্রবেশ ইস্যুতে একটি সেমিনার আয়োজন করেছিল। এবং সেখানে সেনাবাহিনী প্রধান কিছু উৎসাহব্যঞ্জক পর্যবেক্সণ তুলে ধরেছিলেন। আমরা তার বিবৃতিকে ইতিবাচক অগ্রগতি বলে মনে করি। আবার সেনা প্রধান যেভাবে অভেধ অভিাবাসীদের সঙ্গে সমন্বয় করার বিষয়ে যে বক্কব্য রেখেছেন, তার আমরা বিরোধীতা করি। সেনা প্রধান অবৈথ অভিবাসনের সমস্যার বিষয়ে বাংলাদেশের ভূমি সংকটের উল্লেখ করেছেন, কিন্তু তিনি দৃশ্যত ভুলে গেছেন যে, যা ঘটছে তা অভেদ অভিাসন। আর সেটা বন্ধ করতে সংবিধান অনুযায়ী তাদেরই দায়িত্ব পালন করার কথা। সেনা প্রধান যেন বলতে চাইছেন যে, ভূমি সংকটের কারণে বাংলাদেশ থেকে মানুষ আসছে সেহেতু আসাম যদি ত্রিপুরায় পরিণত হয় তাহলেও আসামবাসীর উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। সেনা প্রধানের মুখে এধরণের মন্তব্য কেবল সীসান্ত জুড়ে অভেধ অভিাসনকেই আরো উৎসাহিত করতে পারে। বিবৃতিতে আরো বলা হয়, সেনা প্রধান বলেছেন, ইন্ডয়ানস এবং নন-ইন্ডয়ানসের মধ্যে কোনো পার্থক্য তৈরি করা উচিত নয়। এধরণের উপদেশ গ্রহণযোগ্য নয়।
আসু আরো বলেছে, ৮৫৫ জন শহীদের রক্তের বিনিময়ে আসাম চুক্তি হয়েছে, সুতরাং অনুপ্রবেশ সমস্যা এই আসাম চুক্তির আলোকে নিষ্পন্ন হতে হবে। তারা বলেছে, আইএম(ডিটি) অ্যাক্ট বাতিল হওয়ার পরে এআইডিএফ এর জন্ম হয়েছে। সুতরাং এটা সবারাই জানা যে, এই সংগঠনটি সবসময় অনুপ্রবেশকারীদের স্বার্থ রক্ষা করে আসছে।
এদিকে বিশিষ্ট ভারতীয় ভাষ্যকার মনোজ যোশী ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস পত্রিকায় লিখেছেন, জেনারেল রাওয়াতের বক্তব্য নিঃসন্দেহে এখতিয়ারবহির্ভূত, এমনকি তা অজ্ঞতাপ্রসূত। আসামের রাজনীতিতে কে কত জনপ্রিয় তা নিয়ে তাঁর মন্তব্য করা তার সাজে না। একটি দল অন্যটির চেয়ে দ্রুত জনপ্রিয় হওয়ার নানা কারণ থাকতে পারে। মনোজ যোশী পরিসংখ্যান তুলে ধরে বলেন, গত তিন বছরের নির্বাচনী ফলাফলে (আসাম বিধানসভার) দেখা যায়, এআইইউডিএফ ও বিজেপি কংগ্রেস এই তিন দলেরই আসন বেড়েছে বা কমেছে। ২০০৬, ২০১১ ও ২০১৬ সালের নির্বাচনে এআইএইউডিএফ পেয়েছিল যথাক্রমে ৯, ১২.৬ ও ১৩ শতাংশ, বিজেপি পেয়েছিল যথাক্রমে ৯, ১২ ও সাড়ে ২৯ শতাংশ ভোট। আসামে কংগ্রেস কখনও ৪০ ভাগ ভোটও পায়নি। কংগ্রেস পেয়েছে যথাক্রমে ৩১, ৩৯ ও ৩১ শতাংশ ভোট। একসময়ের বড় দল বিজিপির জনপ্রিয়তা কমে ২০০৬ সালে ২০ শতাংশে, ২০১১ সালে ১৬ শতাংশে এবং ২০১৬ সালে ৮ শতাংশে নেমে এসেছে। অন্যান্য দলের জনপ্রিয়তাও নিম্মমুখী, কমিউনিস্ট পাটির্র অস্তিত্বই বিলীন হতে চলেছে।
এমন প্রমাণ নেই যা দিয়ে সেনাপ্রধান বিপিন রাওয়াত অথবা অন্য কেউ দাবি করতে পারেন যে, বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তান ও চীন আসামে লোক ঢোকাচ্ছে। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সীমান্তের পুরোটাই কাঁটাতার দিয়ে ঘেরা এবং এরপরও যদি সেনাপ্রধান নিরাপত্তাসংকটের আশঙ্কা করলে তিনি বিএসএফ ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অবহিত করতে পারেন। জেনারেল রাওয়াত আগেও বিতর্কিত কথাবার্তা বলেছেন। মনে হচ্ছে তিনি রাজনৈতিক বক্তব্য দিয়ে কৌতূক করছেন। মনে হচ্ছে, সরকার তাঁকে ঠিকমতো তদারকি করছে না। আবার অবসরের পরে রাজনীতিতে আসার লোভ তিনি সামলাতে পারছেন না। ভারতের জন্য এমন কিছুই ভালো ফল বয়ে আনবে না।
মনোজ যোশী তাঁর নিবন্ধে অবশ্য বলেছেন, বর্তমানে এমন কোনো অবস্থা বিরাজমান নেই, যাতে বাংলাদেশ আসামের এই তথাকথিত অভিবাসীদের নিতে রাজি হবে। সেনাপ্রধান রাওয়াত তাঁর বক্তব্যে অবশ্য এটাও কবুল করেছেন যে, তাদের আর বের করে দেওয়া সম্ভব নয়,তাই তাদের মূল স্রোতে একীভূত করা এবং যারা সমস্যা সৃষ্টিকারী তাদের আলাদা করা দরকার।
আসামে অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত করার কাজ এখন বেশ ঝুঁকিপূর্ণভাবে চলছে। কিন্তু এর সঙ্গে সেনাবাহিনীর কাজের কোনো যোগসূত্র নেই। কাজটি কীভাবে করা হবে, তা সেনাবাহিনীর পরিধিতে পড়ে না। এবিষয়ে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন মন্তব্য’ না করে বিষয়টিকে সংবেদনশীলভাবে মোকাবেলা করা জরুরি বলেও তিনি মত দেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রতিবন্ধী পাঁচ ছেলেকে নিয়ে বিপাকে মোজাম্মেল by শাহ্ আলম শাহী

দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার ৪নং আটগাঁও ইউনিয়নের লোহাগাঁও গ্রাম। গ্রামের মৃত এমারউদ্দীনের ছেলে মোজাম্মেল হক ওরফে বুধু। আর বুধুর পরিবারে ৫ প্রতিবন্ধী ছেলে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মোজাম্মেল হক ওরফে বুধু ১৯৯৬ সালে দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুর গ্রামে আবেদ আলীর মেয়ে বিউটি আরা খাতুনকে বিয়ে করে।
বিয়ের কিছুদিন পর তাদের ঘরে এক এক করে ৬টি ছেলে সন্তানের জন্ম হয়। একমাত্র তৃতীয় ছেলে রিয়াদ (১৪) ছাড়া বাকি ৫টি ছেলে সন্তানই শারীরিক প্রতিবন্ধী। প্রতিবন্ধীরা হলেন, সবচেয়ে বড় ছেলে বিপ্লব (১৮), মিরাজ ওরফে রাসেল (১৫), রাজু (৯), রিশাত (৭) ও জীবন (৪)। একই পরিবারের ৫টি সন্তান শারীরিক প্রতিবন্ধী হয়ে জন্ম নেয়ায় গ্রামের কিছু কুসংস্কার মনের মানুষ ভালো চোখে দেখে না তাদের। সমাজে তারা ভালোভাবে খেলাধুলা, মেলামেশা এবং চলতে পারে না অনেকের সঙ্গে। অধিকাংশ সময় বাড়িতেই থেকে সময় কাটাতে হয় তাদের। প্রতিবন্ধী হওয়ায় পিতামাতাকেই দেখাশোনা করতে হয় তাদের। এদিকে সংসারের ৮ জন মানুষের মুখে অন্ন তুলে দিতে অসহায় পিতা মোজাম্মেল হক বুধুকে কাজ করতে হয় চায়ের দোকানে। প্রতিদিন হাজিরা ২০০ টাকা দিয়ে তার সংসার চালাতে হয়। মাত্র ২০০ টাকা দিয়ে ৮ জন মানুষকে দু’বেলা দু’মুঠো ভাত দেয়া দুষ্কর হয়ে দাঁড়িয়েছে মোজাম্মেলের। চাষাবাদের জন্য বিঘা খানিক জমি বর্গা চুক্তি দিয়ে চাষও করেন তিনি। জীর্ণশীর্ণ একমাত্র কুঁড়েঘরে একত্রে স্বামী-স্ত্রী ও ৬ সন্তানকে নিয়ে বসবাস করেন তারা। একই পরিবারের ৫ জন প্রতিবন্ধী মানুষ থাকার পরও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের বিমুখ আচরণে দীর্ঘদিন ধরে সরকার থেকে কোনো সুযোগ-সুবিধা পায়নি তারা। অবশেষে বোচাগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান ফরহাদ হাসান চৌধুরী ইগলুর প্রচেষ্টায় ২০১৫ সালের জুলাই মাস থেকে মিরজা ওরফে রাসেল মাসিক ৫০০ টাকা ও ২০১৭ সালের জুলাই মাস থকে বিব মাসিক ৬০০ টাকা করে অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা পাচ্ছে উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে। যা থেকে কিছুটা হলেও অভাব লাঘব হয়েছে তাদের।
প্রতিবন্ধীদের মা বিউটি খাতুন জানান, একটি স্বাভাবিক সন্তান মানুষ করতেও খুব কষ্ট করতে হয় কিন্তু পরপর ৫টি প্রতিবন্ধী সন্তানকে নিয়ে যে কি অমানুষিক কষ্ট-দুর্ভোগ পোহাতে হয় তা কেউ অনুভব করেনা! আমার প্রতিবন্ধী ৫ সন্তান যে কি শারীরিক যন্ত্রণায় ভুগেছে তা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। প্রতিবন্ধী হওয়ায় তাদের সঙ্গে কেউ মিশতে চায় না। খেলাধুলা করে না। বাড়ির বাইরে গেলে অন্যরা তাদের দেখে বিরূপ মন্তব্য করে। কিন্তু প্রতিবন্ধী হলেও তাদের বোঝা হিসেবে না নিয়ে অন্যান্য স্বাভাবিক সন্তানের মতোই মানুষ করতে হচ্ছে তাদের। সমাজের কিছু মানুষ নানা রকম কটূক্তি করে। সহ্য করেই শত দুঃখ-কষ্টের মাঝে দিন পার করতে হচ্ছে আমাদের। প্রতিবন্ধী হিসেবে জন্ম নিলেও প্রতিটি সন্তানকেই মায়ের মমতা দিয়ে ভালোবাসি আমি। তাদের লেখাপড়া জন্য ভর্তি করে দিয়েছি হাট মাধবপুর বুদ্ধি প্রতিবন্ধী স্কুলে। সপ্তাহে ৫ দিন স্কুলের অটোতে করেই নিজেই ৫ সন্তানকে স্কুলে নিয়ে যাই ও নিয়ে আসি। তারা এখন স্কুলে যেতে পেরে খুব খুশি। স্কুলে খেলার সাথী ও শিক্ষকদের সঙ্গে মিশতে পেরে তারা এখন স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছেন। প্রতিদিন বাড়িতেও পড়াতে বসাই তাদের।
বাবা-মায়ের ইচ্ছা যতটুকু সম্ভব লেখাপড়া করে তারা যেন সমাজের বোঝা না হয়ে নিজেরাই স্বাবলম্বী হতে পারে। বর্তমান সরকার প্রতিবন্ধীদের সমাজে বোঝা নয় সম্পদ হিসেবে দেখার কারণে এই পরিবারটির মনে আশা জেগেছে তাদের বাকি তিনটি সন্তানই প্রতিবন্ধী ভাতা পাবেন।
লোহাগাঁও গ্রামের বিশিষ্ট সমাজসেবক মিজানুর রশিদ জানান, বর্তমান সরকার যেভাবে প্রতিবন্ধীদের কল্যাণে এগিয়ে এসেছে, তাতে আমরা আশাবাদী এই পরিবারটির দীর্ঘদিনের অভাব অনটন দূর হবে। শুধু সরকার নয়, সমাজের বিত্তবান মানুষকে এদের পাশে এগিয়ে আসা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। ৪নং আটগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. কফিল উদ্দীন জানান, আমরা এই অসহায় পরিবারটির পাশে আছি এবং থাকবো। এদের জন্য যা করার দরকার আমাদের পরিষদ তা করবে। বোচাগঞ্জ উপজেলা সমাজসেবা অফিসার আহসান হাবিব জানান, একই পরিবারের ৫ জন প্রতিবন্ধী একটি ব্যতিক্রম বিষয়। ইতিমধ্যে সমাজসেবা অধিদপ্তর বোচাগঞ্জ অফিস থেকে দুজনের ভাতার ব্যবস্থা করা হয়েছে বাকি তিন জনকেও ভাতার আওতায় আনা হবে।
‘মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনে জন্য’ এই উক্তিটি যদি কোনো হৃদয়বান ব্যক্তি মন থেকে মনে করেন তাহলে সমাজের অবহেলিত এই অসহায় প্রতিবন্ধীদের পাশে এসে দাঁড়াবেন এটাই কাম্য প্রতিবন্ধী পরিবার ও সচেতন মহলের।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মার্চেই মধ্যম আয়ের দেশ হবে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারতের সেনাপ্রধানের মন্তব্য কোনো মানদণ্ডেই স্বাভাবিক নয় -দ্য হিন্দুর সম্পাদকীয়

তিনি বলেন, অন্য ইস্যুটি হলো সুপরিকল্পিত অভিবাসন। এটা ঘটার কারণ হলো আমাদের (ভারতের) পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রতিবেশী। এটি একটি প্রক্সি যুদ্ধের পর্যায়ে পড়ে। তিনি আরো বলেন, এই কৌশলকে সমর্থন করছে ‘আমাদের পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রতিবেশী’। তিনি এর মাধ্যমে সুস্পষ্টভাবে পাকিস্তান ও চীনকে বোঝাতে চেয়েছেন। সেনাবাহিনী একেবারে নীরব থাকে না। তবে তারা এসব ক্ষেত্রে স্বল্পভাষী। এমন বক্তব্য দেয়ার মাধ্যমে তাদের সেই অবস্থান থেকে বেরিয়ে আসার ঘটনা বিরল। প্রকৃতপক্ষে এরকম মন্তব্য করা থেকে নিজেরা বিরত থাকা ভারতীয় গণতন্ত্র ও সেনাবাহিনী উভয়ের জন্যই সুখকর। বিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগে ঔপনিবেশিক শাসন থেকে প্রতিবেশী অন্যান্য দেশও স্বাধীনতা অর্জন করে। তাদের তুলনায় ভারত সেনাবাহিনীকে সফলতার সঙ্গে রাজনীতি থেকে দূরে রেখেছে। এ বিষয়টি পণ্ডিতদের গবেষণার বিষয়।
সরকার থেকে আলাদা করার মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করায় উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে। জনগণের আস্থা অর্জন করছে তারা। সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ও উপ-আঞ্চলিক অস্থিরতার সময়ে তারা বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করতে এগিয়ে আসে। তাদেরকে মাঝে মাঝেই এসব কাজে ডাকা হয়। তাই বলে সেনাবাহিনীকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হতে দেবে সরকার এমন না। এক্ষেত্রে বাধা রয়েছে। এটা হলো ভারসাম্যতা, যাকে অবশ্যই মেনে চলতে হবে। এ জন্যই পররাষ্ট্র বিষয়ক নীতি ও অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে জেনারেল রাওয়াতের ‘সম্ভবত’ অপ্রস্তুত পর্যবেক্ষণ দুর্ভাগ্যজনক। তার এ বক্তব্যের ফলে ভারতের আঞ্চলিক প্রতিপক্ষের কাছ থেকে বিরোধিতাপূর্ণ ‘রিজয়েন্ডার’ আসার ঝুঁকি রয়েছে। দেশের ভেতরেই বৈরী প্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এরই মধ্যে কড়া প্রতিক্রিয়া এসেছে অল ইন্ডিয়া ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট থেকে। জেনারেল রাওয়াত অভিযোগ করেছেন যে, ভারতীয় জনতা পার্টি যতটা দ্রুত গতিতে আসামে প্রভাব বিস্তার করেছে তার চেয়ে বেশি গতিতে আসামে প্রভাব বিস্তার করছে অল ইন্ডিয়া ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট। তাই জেনারেল রাওয়াতের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছেন এ ফ্রন্টটির প্রধান মাওলানা বদরুদ্দিন আজমল। তিনি বলেছেন, সংবিধান যতটুকু দায়মুক্তি দেয় তার চেয়ে অনেক বেশিদূর গিয়েছেন জেনারেল রাওয়াত। আরেকটি রাজনৈতিক দলের প্রধান টুইট করেছেন। তিনি বলেছেন, রাজনৈতিক বিষয়ে মন্তব্য করা সেনাপ্রধানের কাজ নয়। জেনারেল রাওয়াতের মন্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তোলপাড় সৃষ্টি হওয়ার ঘটনা এটাই প্রথম নয়। এর আগে গত মাসে জেনারেল রাওয়াত জম্মু ও কাশ্মীরের সরকারি স্কুলগুলোর সমালোচনা করেন। তিনি দুটি মানচিত্রের কথা বলেন- ‘একটি হলো ভারতের এবং অন্যটি হলো জম্মু ও কাশ্মীর’। এর ফলে জম্মু ও কাশ্মীরের শিক্ষামন্ত্রী কড়া প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছিলেন। এমনকি যদি ওই বক্তব্যগুলো ‘গুড ফেইথ’ বা ভালো বিশ্বাস থেকেও দেয়া হয়, তাহলে বিষয়টি হলো, তা নিয়ে অপ্রয়োজনীয় বিতর্কের সৃষ্টি করতে পারে। এটা সেনাবাহিনীর দৃঢ়তা বৃদ্ধিতে কোনো সহায়ক হবে না। তারা যে রাজনীতির ঊর্ধ্বে একটি প্রতিষ্ঠান এমন একটি পূর্ণাঙ্গ ভাবমূর্তিও ক্ষুণ্ন হবে।
(দ্য হিন্দুতে প্রকাশিত সম্পাদকীয়র অনুবাদ)
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের তাগিদ

রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন ও বাংলাদেশের গণতন্ত্র’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় তারা এ তাগিদ দেন। স্কলার, প্রাক্তন সরকারি কর্মকর্তা, অর্থনীতিবিদ ও উন্নয়ন প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিবর্গের সমন্বয়ে গঠিত সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক সংগঠন ‘দ্য ঢাকা ফোরাম’ এ আলোচনার আয়োজন করে। সেখানে রাজনীতিবিদ, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা, আওয়ামী লীগ সরকারের প্রাক্তন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
ফোরাম প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্ব ও সঞ্চালনায় এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রাষ্ট্রদূত এম. সিরাজুল ইসলাম। আলোচনায় বক্তারা নির্বাচন ছাড়াও রোহিঙ্গা সংকট, প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়া সহ সম-সাময়িক বিষয়াদি নিয়ে কথা বলেন। তারা গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান। বক্তারা স্পষ্ট করেই বলেন, দেশের স্বার্থেই একাদশ সংসদ নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হতে হবে। কিন্তু এমন নির্বাচনের আশা এখনও দেখা যাচ্ছে না মন্তব্য করে তারা বলেন, একদল নির্বাচনী প্রচার শুরু করেছে। অন্য দল বন্দী। এমনকি একটি বড় দলের চেয়ারপারসনও জেলে। এতে জনমনে সন্দেহ তৈরির যথেষ্ট অবকাশ রয়েছে যে সবার অংশগ্রহণ ছাড়াই ক্ষমতাসীনরা নির্বাচন চায়।
অনুষ্ঠানে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা এম হাফিজউদ্দিন খান বলেন, বিদ্যমান পরিবেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের কোনো আশার আলো নেই। নির্বাচনের আগে সংসদ ভেঙে দেয়া ও নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের বিষয়টি আমলে নেয়ার তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের পরিবেশ তৈরিতে এখনও ইসি কোন পদক্ষেপ নেয়নি। তাদের কোনো তৎপরতাও নেই। বরং তারা বলছে নির্বাচনের শিডিউল ঘোষণার আগে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড করা যাবে না। এটা হতে পারে না। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের পরিবেশ তৈরি করা ইসি’র সাংবিধানিক দায়িত্ব উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ জন্য যা যা করা দরকার, তা-ই তাদের করতে হবে। প্রয়োজনে আইন সংশোধনের উদ্যোগ নিতে হবে। ভারতীয় সেনা প্রধানের সাম্প্রতিক বক্তব্যের বিষয়ে হাফিজউদ্দিন খান বলেন, এখনও ওই বক্তব্যের কোনো প্রতিবাদ হয়নি, এটা দুঃখজনক।
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা জাফরুল্লাহ চৌধুরী অভিযোগ করেন বাংলাদেশে সুষ্ঠু গণতন্ত্র আনার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা ভারত। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সরকার পরিবর্তন হলে ভারত নিরাপত্তার ঝুঁকিতে পড়ে যাবে। সেভেন সিস্টারে শান্তি থাকবে না। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাম্প্রতিক একটি বক্তব্যেও এটি বলেছেন। অনুষ্ঠানের সঞ্চালক বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর সালেহ উদ্দীন আহমেদ অবশ্য এখনই হাল ছেড়ে দেয়া ঠিক হবে না মন্তব্য করে বলেন, সবাই হতাশ হলে চলবে না। আমি আশাবাদী অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হবে। এটি দেশের জন্যই হতে হবে। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অনেক অর্জন রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ অর্জন ধরে রাখতে হলে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হতে হবে। গণতন্ত্র ও সুশাসন নিশ্চিত করতে হলে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন করতেই হবে। আলাপ-আলোচনার সুযোগ না থাকলে গণতন্ত্র ও সুশাসন থাকবে না।
সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন বলেন, আমাদের বড় ব্যর্থতা দেশে সরকার আছে কিন্তু জনগণ ভোট দিতে পারছে না। আমরা এমন এক পদ্ধতি চাচ্ছি, যার দ্বারা জনগণের পার্লামেন্ট গঠিত হয়। বর্তমান অবস্থায় সুশীল সমাজের কিছু করার নেই মন্তব্য করে তিনি বলেন, সবাই ভয়ভীতি আর আতঙ্কের মধ্যে আছে। গণতন্ত্র চর্চা না থাকলে চাটুকার আর দুর্নীতিবাজদের বিজয় হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, যেখানে জনগণের ভোটের অধিকার থাকে না সেখানে চাটুকারিতা থাকে। দুর্নীতি থাকে। নির্বাচনে চুরি বা দুর্নীতি সব দুর্নীতির জন্মদাতা। আজকে বাংলাদেশে চাটুকার আর দুর্নীতিপরায়ণরা একটা ক্লাস আর বাকি নাগরিকরা একটা ক্লাস। এ অবস্থার অবসান হতে হবে। বর্তমান ক্ষমতাসীনদের ভোটে যাওয়ার সাহস নেই মন্তব্য করে ব্যারিস্টার মইনুল বলেন, অনেকে স্বাধীনতার চেতনার কথা বলে। কিন্তু তাদের মনে রাখা উচিত স্বাধীনতার চেতনা সূর্য কিংবা চাঁদের আলো (সান লাইট বা মুন লাইট) নয়। গণতন্ত্রই স্বাধীনতার চেতনা। যারা গণতন্ত্রবিরোধী তারা স্বাধীনতার চেতনার বিপক্ষ শক্তি। তার মতে, তিনিসহ যারা গণতন্ত্র এবং জনগণের অধিকারের কথা বলেন তারাই প্রকৃত অর্থে স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি।
অনুষ্ঠানে অংশ নেয়া বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী সরকারি সুবিধা ব্যবহার করে নির্বাচনী প্রচার চালাচ্ছেন। আর বিরোধীরা ঘরেও অনুষ্ঠান করতে পারছেন না। ইসি বলছেন, তারা গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করবেন। কিন্তু তার কোনো আলামত নেই। ইসি’র ভূমিকা কী, এমন প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে ইসি কোনো পদক্ষেপ নেবে, তা বিশ্বাস করারও কোনো কারণ নেই। তিনি বলেন, দেশে একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সংসদও তাই একদলীয় হয়ে গেছে। বিএনপির ওই নেতা বলেন, প্রশাসন দলীয়করণের চরম মাত্রায় পৌঁছেছে। আর বিচার ব্যবস্থা, সেখানে প্রধান বিচারপতিকে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে। দেশ ছাড়তেও বাধ্য হয়েছেন তিনি।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরী বলেন, গণতন্ত্রের জন্য নির্বাচন অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু তার চেয়ে জরুরি হচ্ছে শক্তিশালী গণতান্ত্রিক কাঠামো এবং প্রতিষ্ঠান। এগুলো ছাড়া গণতন্ত্র চর্চা সম্ভব নয়। সবশেষ মার্কিন নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এত ক্ষমতাধর ব্যক্তি ট্রাম্প, কিন্তু তাকেও অভিবাসন বিল নিয়ে ধাক্কা খেতে হয়েছে। কারণ সেখানে ইনস্টিটিউশনস বা সিস্টেম রয়েছে।
সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব আলী ইমাম মজুমদার বলেন, ১৫ই ফেব্রুয়ারির নির্বাচনও হয়েছিল সংবিধানের কথা বলে। কোনো দলই তাদের নিজেদের দলের অভ্যন্তরে গণতন্ত্র চর্চা করে না মন্তব্য করে তিনি বলেন, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়ে আজ অবধি কোনো দল কথা বলেনি। যদিও এটি গণতন্ত্র চর্চার জন্য সবচেয়ে বড় বাধা। কারণ যখন যে দল ক্ষমতায় থাকে, তারা ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী করতে চায়। অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী বলেন, গণতন্ত্রের দুর্বলতার বড় কারণ নাগরিক সমাজের দুর্বলতা। জনগণ বুঝতে পারে নির্বাচন প্রহসন হবে। তিনি রাজনৈতিক দলের বাইরে নাগরিক সমাজের একটি নিরপেক্ষ ‘প্ল্যাটফর্ম’ গঠন করার পরামর্শ দেন।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধে কূটনীতিক সিরাজুল ইসলাম বলেন, ভবিষ্যতে একটি অবাধ, সুষ্ঠু, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের আশা অনেকটা নিভে গেছে। ৫ই জানুয়ারির মতো আরেকটি নির্বাচন হবে না, তা বিশ্বাস করার মতো উপাদান কমই আছে। কোনো দলের জন্য নয়, দেশের স্বার্থে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন জরুরি। তা না হলে দেশ বিপর্যয়ের মুখে পড়বে। ব্যারিস্টার রুমিনা ফারহানা বলেন, কোনো সভ্য রাষ্ট্রে নির্বাচন নিয়ে এমন অনিশ্চয়তা থাকে না। নির্বাচন কি আদৌ হচ্ছে? নির্বাচনটি কি রকম হবে? সেখানে কি বিরোধী দল অংশ নেবে? যদি অংশ নেয় তবে নির্বাচন কি অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে? আমি কি আমার ভোটটি দিতে পারবো? ভোটটি কি গণনা হবে? এমন প্রশ্ন কারো মুখে শোনা যায় না। কিন্তু আমাদের এখানে মুখে মুখেই তা শোনা যায়, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিরিয়া নিয়ে শক্তিধর দেশগুলোর মধ্যে যুদ্ধের আশঙ্কা

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
৩০ দিন পর হিজাব পরতে পারবে বেলজিয়ামের ছাত্রীরা

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পায়ে হাঁটার স্বপ্ন পূরণে কঠোর সাধনা

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গৌতায় হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে কোনো জোরালো প্রতিবাদ হচ্ছে না : এরদোগান

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আমানত ও ঋণ অনুপাত সীমায় ছাড় চান ব্যাংক উদ্যোক্তারা

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রশ্ন ছাপাতেই হেলাফেলা! by সাহাদাত হোসেন পরশ

সংশ্নিষ্ট একাধিক কর্মকর্তাদের ভাষ্য- বর্তমানে যে পদ্ধতিতে প্রশ্নপত্র ছাপা হয়, তাতে প্রশ্ন ফাঁস মোকাবেলা করা কষ্টসাধ্য। এরই মধ্যে পাবলিক পরীক্ষা সংক্রান্ত জাতীয় মনিটরিং কমিটির সদস্যরা বিজি প্রেসের প্রশ্ন ছাপানোর পদ্ধতির বিষয়গুলো নিয়ে অনুসন্ধান করেছেন। তাদের পর্যালোচনায় এরই মধ্যে প্রশ্ন ছাপাতেই ত্রুটি ধরা পড়েছে বেশ কিছু। তারা বলছেন, যদি ছাপা হওয়া প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে হয়, তাহলে প্রশ্ন মুদ্রণ পদ্ধতি পুরোপুরি ডিজিটালাইজেশনের আওতায় আনতে হবে। বর্তমানে বিজি প্রেসে যেভাবে প্রশ্নপত্র ছাপা হয়, তাতে একটি প্রশ্নপত্রের পাণ্ডুলিপি গ্রহণ থেকে শুরু করে প্যাকেজিং হওয়া পর্যন্ত ২০০-২৫০ জন সম্পৃক্ত থাকেন সংস্থাটির। সার্বক্ষণিক প্রশ্নপত্র নিয়ে কাজ করেন তারা। সবাই তখন প্রশ্নটি দেখতে পারেন। এতে স্বাভাবিকভাবে প্রশ্নটি আয়ত্তে আনা সম্ভব তাদের পক্ষে। এবারের এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ছাপা হতে সময় লেগেছিল প্রায় দুই মাসের বেশি। প্রতিটি প্রশ্নের দুটি করে সেট ছাপা হয়েছিল। ছাপা হওয়ার পর প্রশ্নের প্রুফ দেখতে ১৫-২০ জনের একটি দল থাকে।
পাবলিক পরীক্ষা সংক্রান্ত জাতীয় মনিটরিং কমিটির সদস্য ঢাকা মহানগর পুলিশের ডিসির (উত্তর) দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত ডিআইজি নাজমুল হক সমকালকে বলেন, বর্তমানে যে পদ্ধতিতে প্রশ্নপত্র ছাপা হয়, তার পরিবর্তন করা জরুরি। ম্যানুয়ালি এত লোকের সংশ্নিষ্টতার ভেতর দিয়ে প্রশ্ন তৈরি করা হলে ফাঁস হওয়ার ঝুঁকি থাকবেই। কম লোকের সংশ্নিষ্টতার ভেতর দিয়ে প্রযুক্তির সহায়তা নেওয়া যেতে পারে। এ ব্যাপারে পুলিশের পর্যবেক্ষণ সংশ্নিষ্টদের জানানো হয়েছে। এ সংক্রান্ত তদন্ত কমিটিও হয়েছে। তারা এখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।
বিজি প্রেসে গতকাল সরেজমিন গিয়ে এ ব্যাপার কথা বলতে চাইলে প্রতিষ্ঠানটির উপপরিচালক আবদুল মালেককে পাওয়া যায়নি। পরে মোবাইলে একাধিকবার ফোন করলেও রিসিভ করেননি তিনি।
সংশ্নিষ্ট একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা সমকালকে বলেন, এখন পর্যন্ত তাদের মনে হয়েছে তিনভাবে এসএসসির প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে থাকতে পারে- এক. ছাপা হওয়ার প্রক্রিয়ায় জড়িত কোনো অসাধু চক্রের মাধ্যমে, দুই. প্রশ্নপত্র ট্রেজারি হয়ে কেন্দ্র পর্যন্ত যাতায়াতের সময়, তিন. প্রশ্নপত্র খোলার ঠিক আগ মুহূর্তে কারও মাধ্যমে। তবে তারা মনে করছেন, যে পদ্ধতিতে প্রশ্ন তৈরি করতে বিজি প্রেসে পাঠানো হয়, তাতে ছাপাখানায় আসার আগে প্রশ্ন ফাঁস হওয়ার সুযোগ কম। কারণ প্রশ্ন তৈরি করার জন্য আলাদা আলাদা প্রশ্ন প্রণেতা ও মডারেটর থাকেন। দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তারা সম্পৃক্ত। ১২টি পৃথক প্রশ্ন তৈরি করার পর লটারি করে তার মধ্যে থেকে দুটি নির্বাচন করা হয়। কোন দুটি ছাপা হওয়ার জন্য নির্বাচিত হয়েছে, তা কোনো মডারেটরের পক্ষে জানা সম্ভব নয়। দুটি প্রশ্ন নির্ধারিত হওয়ার পর তা ছাপানোর জন্য পরীক্ষার অন্তত দুই মাস আগে পাঠানো হয় বিজি প্রেসে। এরপর শুরু হয় ছাপার কাজ। ছাপা হওয়ার পর ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে প্রশ্ন পাঠানো হয় ট্রেজারিতে। এরপর ট্রেজারি হয়ে তা চলে যায় কেন্দ্রে। সংশ্নিষ্টরা এরই মধ্যে তথ্য পেয়েছেন এবার এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন বিজি প্রেসে ছাপানোর পর তার মূল প্লেট ধ্বংস করা হয়নি। কেন এই প্লেট রেখে দেওয়া হয়েছিল- গোয়েন্দাদের তার সদুত্তর দিতে পারেনি বিজি প্রেসের সঙ্গে সংশ্নিষ্টরা।
আট সুপারিশ :প্রচলিত পদ্ধতির আমূল পরিবর্তন করে প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে আটটি সুনির্দিষ্ট সুপারিশ করা হয়েছে। এই সুপারিশ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে এরই মধ্যে। তা হলো- এমসিকিউ বাতিল করতে হবে। পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়ন পদ্ধতি সংস্কার করতে হবে। পরীক্ষা সংক্রান্ত বর্তমান আইন সংশোধন করে প্রশ্ন ফাঁসে জড়িতদের বিচার করতে হবে বিশেষ ট্রাইব্যুনালে। প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত কোচিং সেন্টার স্থায়ীভাবে বন্ধ করা। পরীক্ষাকেন্দ্রে ছাত্র-ছাত্রীদের নির্ধারিত সময়ে তল্লাশি করে প্রবেশ করাতে হবে। কারও কাছে কোনো ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস পাওয়া গেলে তার পরীক্ষা বাতিল বলে গণ্য হবে ও তাকে আইনের আওতায় আনার কথাও বলা হয়। পরীক্ষার্থীদের অভিভাবকদেরও অধিক সচেতন হতে বলা হয়েছে।
কেন ডিজিটালাইশেজন হচ্ছে না প্রশ্নপত্র ছাপার পদ্ধতি :বিভিন্ন সময়ে প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে বিজি প্রেসের কর্মচারীদের আটক করা হয়। ২০১৪ সালে সরকারি ছাপাখানা বিজি প্রেসের অফসেট শাখার কর্মচারী আবদুল জলিলকে সোমবার আটক করা হয়। ২৮ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছিল তার কাছ থেকে। পরে জানা যায় সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও বিক্রি করে আবদুল জলিল ওই অর্থ পান। একই ঘটনায় বিজি প্রেসের কম্পোজিটর এ টি এম মোস্তফা, তার স্ত্রী লাবণী বেগম ও আরেক কর্মচারী শহীদুল ইসলাম ফকিরের নামও এসেছিল। ২০১৬ সালে উচ্চ মাধ্যমিকের প্রশ্ন ফাঁসে জড়িত থাকার অভিযোগে ৯ জনকে আটক করেছিল ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ওই সময় গোয়েন্দারা জানান, ওই চক্রের সঙ্গে বিজি প্রেসের এক অসাধু কর্মচারী জড়িত। পরীক্ষার প্রশ্নপত্র যখনই ছাপা হয়, তখনই ওই কর্মচারী প্রশ্ন মুখস্থের পর বাইরে জুয়েল নামের একজনকে লিখে দিত। এর পর জুয়েল তা দিত সাত্তারের কাছে। সাত্তারের মাধ্যমে তা চলে যেত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। বিজি প্রেসের এক কর্মকর্তা জানান, ২০১৪ সালে বিজি প্রেসের ছাপার কাজ পুরোপুরি ডিজিটাল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। ডিজিটালাইজেশন করতে অর্থ বরাদ্দের একটি প্রস্তাব সরকারের কাছে দেওয়া আছে। তবে সেটা পাস না হওয়ায় তাদের কার্যক্রম পুরোপুরি ডিজিটাল করা সম্ভব হয়নি এখনও।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ট্রাম্পের কর সংস্কারে বাফেটের লাভ ২৯ বিলিয়ন ডলার

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশ ও মুসলিম-বিরোধিতা বাড়তে পারে

প্রথম আলো: ভারতীয় সেনাপ্রধান বলেছেন, চীনের সহায়তায় পাকিস্তান বাংলাদেশের মুসলমানদের ভারতে পাঠাচ্ছে। ভারতের সেনাপ্রধানদের মুখে সাধারণত রাজনৈতিক বক্তব্য শোনা যায় না। এমন মন্তব্যের পেছনে কী কারণ থাকতে পারে?
ইমতিয়াজ আহমেদ: এ ধরনের বক্তব্য দুঃখজনক ও অনাকাঙ্ক্ষিত। আমাদের দেখা দরকার যে তিনি কেন এ কথা বলেছেন। বক্তব্যটি পরিষ্কারভাবেই রাজনৈতিক, তাই এর পেছনে সেনাপ্রধানের নিজের রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা থাকতে পারে। তিনি অবসরে যাবেন, সরকারি দল বিজেপিকে হয়তো কোনো কারণে তুষ্ট করতে চাইছেন। ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর চলমান নির্বাচনের সঙ্গেও এর সম্পর্ক থাকতে পারে।
প্রথম আলো: এই মন্তব্য দ্বিপক্ষীয় ও আঞ্চলিক রাজনীতিতে কেমন প্রভাব ফেলতে পারে?
ইমতিয়াজ আহমেদ: আসলে বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশ বা এ ধরনের কথাবার্তা ভারতের রাজনৈতিক মহলে দীর্ঘদিন ধরে বলা হচ্ছে। এর মূল কারণ আসলে ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি। এই ইস্যুকে রাজনৈতিকভাবে কাজে লাগানো হয়। ক্রমাগত এসব বলার ফলে রাষ্ট্রীয় পরিমণ্ডলেও এর একটা প্রভাব পড়েছে। এসব বক্তব্য ভারতে বাংলাদেশ ও মুসলিমবিরোধী মনোভাব বাড়াতে সহায়তা করবে। বাংলাদেশের রাজনীতিতেও আমরা একই চর্চা দেখেছি ও দেখি। এখানেও ভারত-বিরোধিতার রাজনীতির চেষ্টা হয়। দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের উদ্যোগ সত্ত্বেও দেখা যাচ্ছে ওই মানসিকতার পরিবর্তন হয়নি। ভারতীয় সেনাপ্রধান যে মন্তব্য করেছেন তার সাম্প্রদায়িক ও রাজনৈতিক-দুই ধরনের প্রভাব পড়তে পারে। আগেই বলেছি ভারতে বাংলাদেশ ও মুসলমান-বিরোধিতা বাড়তে পারে। অন্যদিকে বাংলাদেশে বাড়তে পারে ভারত-বিরোধিতা। এ ধরনের মন্তব্য আসলে বাংলাদেশের ভারতবিরোধীদের খুশি করবে, কারণ একে তারা সহজেই কাজে লাগাতে পারবে।
প্রথম আলো: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্প্রতি চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক নিয়ে ভারতকে উদ্বিগ্ন না হতে বলেছেন। চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়ে ভারতের মধ্যে কি কোনো অস্বস্তি দেখা দিয়েছে? যে কারণে প্রধানমন্ত্রী ভারতকে আশ্বস্ত করলেন?
ইমতিয়াজ আহমেদ: আমাদের প্রধানমন্ত্রী সম্ভবত ভারতীয় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেছেন।
প্রথম আলো: তার মানে চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়ে ভারতের অস্বস্তি রয়েছে এবং সে কারণেই ভারতীয় সাংবাদিকেরা এমন প্রশ্ন করেছেন।
ইমতিয়াজ আহমেদ: আসলে চীন-ভারত সম্পর্কের বিষয়টি খুব জটিল।’ ৬২ সালের যুদ্ধের ছায়া এখানে ভূমিকা পালন করে। সেই যুদ্ধে পরাজয়ের বিষয়টিকে ভারত সব সময় মাথায় রাখে। ভারতের চলচ্চিত্র, সাহিত্য, বুদ্ধিবৃত্তিক আলোচনায় ও রাজনীতিতে এসব বিষয় চর্চা হয়। আবার বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় নিলে দেখবেন একক রাষ্ট্র হিসেবে ভারতের সবচেয়ে বেশি বাণিজ্য চীনের সঙ্গে। সাম্প্রতিক সময়ে ভারত থেকে যত শিক্ষার্থী বিদেশে পড়াশোনা করতে গেছে, সবচেয়ে বেশি গেছে চীনে। দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে ভারতের কোনো প্রতিবেশী দেশ যখন চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক বা বাণিজ্যিক সম্পর্ক করতে চায়, তখন ভারত তা মানতে ও পছন্দ করতে চায় না। আমাদের প্রধানমন্ত্রী সম্ভবত তাঁর বক্তব্যের মধ্য দিয়ে বোঝাতে চেয়েছেন যে তোমরা চীনের সঙ্গে যেমন উন্নয়নের স্বার্থে অর্থনৈতিক সম্পর্ক রক্ষা করো, আমরাও তা-ই করছি।
প্রথম আলো: ভারতের বিচলিত হওয়ার পেছনে কী কাজ করেছে বলে মনে করেন? চীনের প্রেসিডেন্টের সাম্প্রতিক বাংলাদেশ সফর, বিশাল আর্থিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি? নাকি চীন থেকে বাংলাদেশের সাবমেরিন কেনা?
ইমতিয়াজ আহমেদ: সমস্যা হচ্ছে ভারতের পররাষ্ট্রনীতি যে মাত্রায় পরিশীলিত হওয়া উচিত, কার্যত তেমন নয়। ভারত হয়তো ভেবেছিল গত নির্বাচনে তারা যেভাবে বর্তমান সরকারকে সমর্থন করেছে তাতে বাংলাদেশ তাদের চাওয়ার বাইরে কিছু করবে না। কিন্তু বাংলাদেশ চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করছে, তাদের কাছ থেকে সাবমেরিন কিনেছে-এসব হয়তো ভারত ভালো চোখে দেখছে না। যদি এমন ভেবে থাকে তবে বলতেই হবে যে ভারতে পররাষ্ট্রনীতির পরিপক্বতার অভাব রয়েছে।
প্রথম আলো: সাম্প্রতিক সময়ে আমরা দেখছি যে শ্রীলঙ্কা, নেপাল ও মালদ্বীপে ভারতের প্রভাব আগের তুলনায় কমেছে। এটা কেন হচ্ছে বলে মনে করেন?
ইমতিয়াজ আহমেদ: ভারতের চিন্তায় প্রতিবেশী দেশের দুটি মডেল রয়েছে বলে মনে হয়। একটি পাকিস্তান ও অন্যটি ভুটান। প্রতিবেশী দেশগুলোকে তারা এভাবেই দেখতে চায়। ভারতকে এটা বুঝতে হবে যে প্রতিবেশীদের এভাবে দেখা যায় না। বাংলাদেশ কোনোভাবেই পাকিস্তান নয়। বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বের সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়। আবার ভুটানের অনেক কিছু যেভাবে ভারত নিয়ন্ত্রণ করে, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে তা করা সম্ভব নয়। নেপাল ও শ্রীলঙ্কায় এসব করতে গিয়ে ভারত তার অবস্থানকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। সেসব দেশে ভারত-বিরোধিতা বেড়েছে। রাজনীতিতেও পরিবর্তন এসেছে। বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা বা নেপালের ক্ষেত্রে এখন দেখবেন যে সেখানকার রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখার ক্ষেত্রে একধরনের মতৈক্য হয়েছে। কিন্তু ভারত তার পররাষ্ট্রনীতিতে পরিবর্তন আনছে না। ভারত নিজে চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখবে কিন্তু প্রতিবেশী দেশগুলোকে তা করতে দেবে না-এমন নীতি পরিপক্বতার লক্ষণ নয়।
প্রথম আলো: কিন্তু চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক তো শুধুই অর্থনৈতিক নয়। সামরিক ক্ষেত্রে চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সহযোগিতা এবং সেখান থেকে সমরাস্ত্র কেনার বিষয়টি তো দীর্ঘ সময় ধরে চলে আসছে।
ইমতিয়াজ আহমেদ: বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের সম্পর্ক ঐতিহাসিক। কোনো দেশ যখন অস্ত্র কেনে তখন স্বাভাবিকভাবেই সে নিকট প্রতিবেশী দেশের চেয়ে আলাদা ও ভিন্ন ধরনের অস্ত্র কিনতে চায়। এটা ভারতের না বোঝার কোনো কারণ নেই। বিশ্বের সব দেশ তা-ই করে। আপনি এর আগে চীন থেকে সাবমেরিন কেনার কথা বলেছেন। ভারতের বোঝা উচিত যে এখন বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা নির্ধারিত হয়েছে। এই সমুদ্রসীমা পাহারার প্রয়োজন রয়েছে। জলদস্যুদের তৎপরতা ও অবৈধভাবে মাছ ধরা ঠেকানোর বিষয়টি খুবই জরুরি। এসব ঠেকাতে আমাদের নৌবাহিনীর জন্য অনেক জাহাজ কেনার চেয়ে সাবমেরিন কেনা অনেক সাশ্রয়ী উদ্যোগ। ভারত পারমাণবিক শক্তিধর একটি দেশ, শক্তিশালী নৌবাহিনী রয়েছে তাদের। এখন বাংলাদেশ চীন থেকে অস্ত্র কিনলে বা দুটি সাবমেরিন কিনলে ভারত যদি তা মেনে নিতে না পারে, তাহলে তো বিপদ।
প্রথম আলো: এই অঞ্চলের ভূরাজনীতিতে প্রভাব বিস্তার নিয়ে চীন-ভারতের প্রতিযোগিতার মধ্যে বাংলাদেশের মতো দেশগুলোর ভারসাম্য রক্ষার বিষয়টি তো খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
ইমতিয়াজ আহমেদ: আগেই বলেছি চীন-ভারত প্রতিযোগিতার কিছু মানসিক দিক রয়েছে, আবার রয়েছে কিছু কৌশলগত দিক। মানসিক দিক থেকে ভারতের অবস্থানের কিছু পরিবর্তন হচ্ছে। আসলে ভারতের ব্যবসায়ীরা চীনকে যতটা বোঝেন, ভারতের আমলারা তা বোঝেন না। ভারত চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত না হলেও ভারতের অনেক ব্যবসায়ী কিন্তু তা চান। এখন চীনের সঙ্গে একধরনের বিরোধ টিকিয়ে রাখার পেছনে কিছু কৌশলগত কারণ রয়েছে। ভারত যদি এটা দেখাতে পারে যে চীনের সঙ্গে তার বৈরিতা রয়েছে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র বা পশ্চিমের কাছ থেকে কিছু সুবিধা আদায় করা সম্ভব। ভারত এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে এর সুবিধা নিয়েছে। পারমাণবিক ও সামরিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা পাচ্ছে। ভারত জানে যে চীনের সঙ্গে বৈরিতা থাকলেও তারা একে সংঘাতের পর্যায়ে নিয়ে যাবে না। কৌশলগত কারণেও চীন-বিরোধিতা বা একটি বৈরিতার পরিস্থিতি জারি রাখা জরুরি।
প্রথম আলো: এমন একটি পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের মতো একটি দেশ কীভাবে একই সঙ্গে দুই বড় ও প্রতিদ্বন্দ্বী দেশের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখতে পারে?
ইমতিয়াজ আহমেদ: সম্পর্ককে ব্যাপকভাবে অর্থনীতিকেন্দ্রিক করে ফেলা উচিত। ভারত ও চীনকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক শীর্ষ সম্মেলন আয়োজনের উদ্যোগ নিতে পারে। এই তিন দেশের অর্থনৈতিক উদ্যোগে সব পক্ষই লাভবান হবে। বিশেষ করে ভারতে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। সেখানকার জনগণেরও অর্থনৈতিক উন্নয়নের আকাঙ্ক্ষা রয়েছে। বাংলাদেশের এখানে বড় ভূমিকা পালন করার সুযোগ রয়েছে। কারণ, এই বড় দেশ দুটির সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো শত্রুতা বা প্রতিযোগিতা নেই, ভূখণ্ডগত কোনো সমস্যাও নেই।
প্রথম আলো: রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর মিয়ানমারের বর্বরতা এবং শরণার্থী সংকটে আমরা দেখলাম ভারত ও চীন স্পষ্টতই মিয়ানমারের পক্ষ নিয়েছে। মিয়ানমারের সঙ্গে চীনের সম্পর্ক ঐতিহাসিক, কিন্তু ভারতের মিয়ানমারের পক্ষ নেওয়া বিস্ময়কর। বাংলাদেশ কেন ভারতকে পাশে পেল না?
ইমতিয়াজ আহমেদ: আমি মনে করি, ভারত আসলে বড় ভুল করেছে। রোহিঙ্গা ইস্যু ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নেতৃত্ব দেওয়ার ও ভূমিকা রাখার সুযোগ করে দিয়েছিল। ভারতের নীতিনির্ধারকেরা সেই সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয়েছেন। মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে যে ধরনের ঘটনা ঘটেছে, তা জাতি নিধন, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্বীকৃতি পেয়েছে। ভারত একাত্তর সালে বাংলাদেশের গণহত্যার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে যে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছিল ও সে জন্য দেশ হিসেবে বিশ্বে যে সম্মান ও মর্যাদা অর্জন করেছিল, রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে চুপ থেকে ভারত তার সেই অবস্থানকে অনেকটাই দুর্বল করেছে। ভারতের এটা বোঝা উচিত যে চীনের অর্থনৈতিক শক্তির ধারেকাছে যাওয়ার অবস্থায়ও ভারত নেই। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রেরও সেই অবস্থা নেই। ফলে অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতায় ভারত চীনের সঙ্গে পেরে উঠবে না। আর মিয়ানমারের সঙ্গে চীনের যে ঐতিহাসিক সম্পর্ক তাতে দেশটিকে ভারত চীনের কাছ থেকে নিজের বলয়ে আনতে পারবে না। মাঝখান থেকে রোহিঙ্গা ইস্যুতে ভারত বাংলাদেশের জনগণের সমর্থন হারিয়েছে এবং দেশটির ভূমিকা বাংলাদেশের জনগণকে হতাশ করেছে। চীন থেকে সাবমেরিন কেনা বা আর্থিক সাহায্য-সহযোগিতা নেওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে ভারত এমনটি করেছে কি না, কে জানে।
প্রথম আলো: রোহিঙ্গা ইস্যুতে চীনের ভূমিকাকে কীভাবে দেখছেন?
ইমতিয়াজ আহমেদ: চীন নিরাপত্তা পরিষদে রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারের পক্ষ নিয়ে ভেটো দিয়েছে। এরপর আমরা দেখেছি চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশে এসেছিলেন এবং সমস্যা সমাধানে তিন পর্যায়ের প্রস্তাব দিয়েছেন। মিয়ানমারে গিয়েও তিনি একই প্রস্তাব দিয়েছেন। এর ওপর ভিত্তি করেই শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ ও মিয়ানমার চুক্তি করেছে। আমরা দেখলাম যে চীন যে রকমই হোক একটি ভূমিকা পালন করেছে। ভারত কিন্তু কোনো ভূমিকা রাখতে পারল না।
প্রথম আলো: মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের যে চুক্তি হয়েছে তা কতটুকু কার্যকর হবে, সেই সংশয় কিন্তু দিনে দিনে জোরদার হচ্ছে। রোহিঙ্গা ইস্যুতে এখন বাংলাদেশের তরফে কিছু করণীয় আছে কী?
ইমতিয়াজ আহমেদ: আমরা দেখেছি যে রোহিঙ্গা ইস্যুতে ভারত ও চীনের অবস্থান কাছাকাছি। কিন্তু এই সংকট সমাধানে দেশ দুটির করণীয় রয়েছে। আমি মনে করি শুধু রোহিঙ্গা ইস্যুকে বিবেচনায় নিয়ে আমাদের প্রধানমন্ত্রীর উচিত বেইজিং ও দিল্লি সফর করা। এ ধরনের সফর অনেক ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
প্রথম আলো: বাংলাদেশ তো সব সময়ই দুই দেশের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা ও সংবেদনশীলতাকে বিবেচনায় নিয়েছে। সোনাদিয়ায় গভীর সমুদ্রবন্দর তৈরির জন্য চীনের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই করার সব উদ্যোগ নিয়েও বাংলাদেশ মূলত ভারতের আপত্তির কারণে তা করেনি।
ইমতিয়াজ আহমেদ: চীনের পররাষ্ট্রনীতির সঙ্গে অন্য দেশের পররাষ্ট্রনীতি ও কৌশলের পার্থক্য রয়েছে। চীন সম্পর্ক তৈরি করার জন্য সময় নিয়ে লেগে থাকে। কোনো কিছুতে বাধা এলে তারা তা বাদ দিয়ে নতুন কিছু করার চেষ্টা করে। পুরোনো কিছু নিয়ে তারা মাথা ঘামায় না। তারা অপেক্ষা করার নীতি নেয়। সোনাদিয়ার ব্যাপারে বাংলাদেশ রাজি হয়নি, এতে কিন্তু চীন দমে যায়নি বা এতে বিরক্তি প্রকাশ করেনি। চীনের প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশে এসেছেন এবং বিপুল সাহায্য-সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি নিয়েই এসেছেন। বাংলাদেশের উচিত এ ধরনের কাঠামো যাতে সবাই মিলে করা যায়, তেমন উদ্যোগ নেওয়া। প্রয়োজনে ভারত ও চীনের যৌথ বিনিয়োগেই গভীর সমুদ্রবন্দর হতে পারে। কারণ, বাংলাদেশে গভীর সমুদ্রবন্দর হলে তার ফল ভারত ও চীনসহ আশপাশের অনেক দেশই ভোগ করতে পারবে। কলম্বো সমুদ্রবন্দরে চীনের বড় বিনিয়োগ রয়েছে। সেই বন্দর কিন্তু ভারত ব্যবহার করছে। কারণ, বন্দর তো শুধু একটি দেশের সুবিধার জন্য তৈরি হয় না।
প্রথম আলো: সম্প্রতি দিল্লিতে এক সেমিনারে ভারতীয় বিশেষজ্ঞদের তরফেই বলা হয়েছে যে ভারতীয় কূটনীতিতে বাংলাদেশ যথাযথ মনোযোগ পায় না, অথচ এ অঞ্চলের ভূরাজনৈতিক বিবেচনায় বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাওয়া উচিত। আপনার মন্তব্য কী?
ইমতিয়াজ আহমেদ: ভারতীয় নীতিনির্ধারকেরা প্রতিবেশী দেশগুলোকে মানচিত্রের বিবেচনায় দেখেন। ভারতের তুলনায় বাংলাদেশ অনেক ছোট। কিন্তু এটা বুঝতে হবে যে মানচিত্র সবকিছু বলে না। সেখানে ভূরাজনৈতিক গুরুত্ব, কৌশলগত গুরুত্ব ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব-এসব দেখা যায় না। সিঙ্গাপুর বা দক্ষিণ কোরিয়ার আকার মানচিত্রে দেখে এর গুরুত্ব বিবেচনা করলে হবে না। বাংলাদেশ জনসংখ্যার দিক দিয়ে বিশ্বের সপ্তম বৃহত্তম দেশ। এত জনসংখ্যার একটি দেশকে যেকোনো বিবেচনাতেই উপেক্ষা করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়। ভারতকে বুঝতে হবে যে বাংলাদেশের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার সঙ্গে ভারতের স্বার্থ জড়িত আছে। বাংলাদেশের অনুন্নয়ন বা অস্থিতিশীল ভারতের জন্য ভালো কিছু নয়। বাংলাদেশ অনেক ক্ষেত্রেই ভারতের চেয়ে ভালো করছে। এখন ভারত কি এতে ঈর্ষান্বিত হবে নাকি এই অগ্রগতিকে সমর্থন করবে। ভারতকে বুঝতে হবে যে বাংলাদেশ বা প্রতিবেশীদের যেকোনো উন্নয়ন ভারতের নিজের স্বার্থেই জরুরি। ভারতীয় নীতিনির্ধারকদের এই বাস্তবতা মেনে নিয়ে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। মানচিত্র দেখে প্রতিবেশীদের বিবেচনা করার মানসিকতা থেকে সরে আসতে হবে।
প্রথম আলো: বাংলাদেশের গত একতরফা নির্বাচনকে ভারত কোনো রাখঢাক না করেই সমর্থন করেছিল। সামনে নির্বাচন আসছে। এবার ভারতের অবস্থান কী হতে পারে বলে মনে করেন?
ইমতিয়াজ আহমেদ: গত চার বছরে ভারতের কিছু অভিজ্ঞতা হয়েছে। সরকারি দলকে সহায়তা করলেই সবকিছু মিলবে-এমন ধারণা যে ভুল, তা হয়তো তারা টের পেয়েছে। আসলে আগে যে ধরনের নির্বাচন বাংলাদেশে হয়েছে তা করা গেছে আমাদের নিজস্ব রাজনীতির সমস্যার কারণে। এবার ভারত কোনো দলের পক্ষে সরাসরি থাকতে চাইবে বলে মনে হয় না। সব দলের অংশগ্রহণে নির্বাচনের দিকেই তাদের আগ্রহ থাকবে বলে মনে হয়।
প্রথম আলো: আপনাকে ধন্যবাদ।
ইমতিয়াজ আহমেদ: আপনাকেও ধন্যবাদ।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অধ্যক্ষ ও তদন্ত কমিটি

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সবার জন্য নাগরিক পেনশন! by তোফায়েল আহমেদ

ড. তোফায়েল আহমেদ: নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি ও সমাজতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক
tofail101@gmail.com
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চীন দেশের রঙ্গ by আতাউর রহমান

এক. চীন দেশের লি ওয়াংয়ের প্রতিবেশীর দুই বউ, দুজনেই মোটামুটি সুন্দরী। লি ওয়াং উক্ত প্রতিবেশীর বড় বউয়ের কাছে প্রেম নিবেদন করে গালিগালাজ খেল, কিন্তু ছোট বউ কর্তৃক তার প্রেম প্রত্যাখ্যাত হলো না। ঘটনাচক্রে কিছুদিন পর প্রতিবেশী হঠাৎ পটোল তুললে সে ছোট বউয়ের পরিবর্তে বড় বউকেই বিয়ে করে বসল। অতঃপর বন্ধুবান্ধব ও পরিচিত লোকজনের ক্রমাগত প্রশ্নের উত্তরে সে জানাল, ‘ছোট বউ চরিত্রহীনা; কিন্তু বড় বউ সতী-সাধ্বী, পরপুরুষ প্রেম নিবেদন করলে তাকে গালিগালাজ করে, তাড়িয়ে দেয়। ওকে বিয়ে করব না তো করব কাকে?’
দুই. লি শাওচি নামে আরেক চীনা বিয়ে করেছে। ওর মনে সন্দেহ, বউয়ের বয়স অনেক বেশি, যদিও দেখায় কম। কিন্তু বউ কিছুতেই বয়স বেশি স্বীকার করতে চায় না। জিজ্ঞেস করলেই বলে, ‘বাইশ কি তেইশ’। একদিন সে এক বুদ্ধি খাটাল। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার পূর্বমুহূর্তে রান্নাঘরের দিকে যেতে যেতে বলতে লাগল, ‘যাই, রান্নাঘরে গিয়ে লবণের বয়ামটা ঢেকে রেখে আসি। নইলে ইঁদুরে সব লবণ খেয়ে সাবাড় করে ফেলবে।’ বউ এটা শুনে আনমনে বলে উঠল, ‘চল্লিশ বছর ধরে এই শহরে আছি; ইঁদুরে লবণ খায়, এটা কোনো দিন শুনিনি।’ ব্যস, তার যা জানার জানা হয়ে গেল।
তিন. একটি সমৃদ্ধ চীনা রেস্তোরাঁর ঠিক পাশেই এক গরিব লোকের লন্ড্রি দোকান ছিল। লোকটা প্রতিদিন তার ভাতের বাটিসহযোগে রেস্তোরাঁর যতটা সম্ভব কাছে চেয়ার নিয়ে বসত এবং খেতে খেতে রেস্তোরাঁর ক্ষুধা উদ্রেককারী সুঘ্রাণ শুঁকত। একদিন সে তার প্রতিবেশীর কাছ থেকে একটি বিল পেল, সেটাতে লেখা ছিল ‘খাদ্যের সুঘ্রাণ নেওয়ার জন্য’। সে তার লন্ড্রিতে ফিরে গিয়ে ক্যাশবাক্স নিয়ে বেরিয়ে এল এবং প্রতিবেশীর কানের কাছে সেটা ঘর্ঘর শব্দে বাজাতে বাজাতে প্রতিবেশীর উদ্দেশে বলল, ‘আমি এতদ্বারা আমার টাকার শব্দ শুনিয়ে আপনার খাদ্যের ঘ্রাণের বিল পরিশোধ করলাম।’
চার. নিউইয়র্কের চায়না টাউনে সব দোকানই চীনাদের। তো জনৈক পর্যটক একদা চায়না টাউনে পরিভ্রমণকালে একটি দোকানের সামনে সাইনবোর্ডে ‘লারস ওলাফসেনস লন্ড্রি’ দেখতে পেয়ে কৌতূহলবশত ভেতরে প্রবেশ করল। কারণ, মালিকের নামটি চীনা নয়, বরং ওটা স্পষ্টতই সুইডিশ নাম। ভেতরে প্রবেশ করে সে কাউন্টারের পেছনের বুড়ো চীনাকে জিজ্ঞেস করল, ‘আপনিই বুঝি লন্ড্রির মালিক? কিন্তু আপনার নাম তো লারস ওলাফসেন হওয়ার কথা নয়।’ বুড়ো একগাল হেসে জবাব দিল, ‘আপনি ঠিকই ধরেছেন। ব্যাপার হচ্ছে বহু বছর পূর্বে আমি যখন ইমিগ্র্যান্ট হয়ে এ দেশে আসি, তখন নিবন্ধন অফিসে লাইনে দাঁড়িয়েছি। আমার সামনে এক ইউরোপিয়ান ভদ্রলোক। নিবন্ধনকারী মহিলা তাঁকে নাম জিজ্ঞেস করাতে তিনি বললেন ‘লারস ওলাফসেন’। অতঃপর আমার পালা; নাম জিজ্ঞেস করতেই আমি বললাম, ‘সেম তিং (Sem Ting) ওটাই আমার নাম। কিন্তু তিনি বুঝলেন ‘সেইম থিং (Same thing)। অতএব আমিও নিবন্ধিত হলাম লারস ওলাফসেন নামে এবং অদ্যাবধি ওই নামটিই আমি বহন করে চলেছি।’ অতঃপর চীনের সিনচিয়াং প্রদেশের উইঘুর জাতিসত্তার ঘরে ঘরে সুপরিচিত নাসিরুদ্দিন আফেন্দির রসগল্প। প্রসঙ্গত, ইংরেজি ভাষায় একটি শব্দ ইনুএনডো (Innuendo), যেটার অর্থ হচ্ছে কটাক্ষ বা বক্রোক্তি। দয়া করে আপনারা কেউ গল্পগুলোতে ‘ইনুএনডো’ খোঁজার চেষ্টা করবেন না। আমার একমাত্র লক্ষ্য হচ্ছে আপনাদের কিছু বিমল আনন্দের খোরাক জোগানো।
এক. সিংহাসনে আরোহণ করে চীনের নতুন রাজা রাজ্য নিয়ে কখনো মাথা ঘামাতেন না। বিদেশি দূতদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি আবোল-তাবোল বকতেন। তিনি একবার আফেন্দিকে তাঁর উপদেষ্টা নিযুক্ত করলে আফেন্দি প্রস্তাব করলেন, ‘আপনি সিংহাসনে বসলে আমি আপনার পায়ে একটা লম্বা দড়ি বেঁধে দড়ির অপর প্রান্ত ধরে থাকব এবং আপনি কোনো বেফাঁস কথা বললেই আমি দড়ি ধরে টান দেব। তখন আপনি চুপ করে যাবেন।’ রাজা সানন্দে সম্মতি দিলেন। পরদিন প্রতিবেশী এক দূত রাজার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি দূতকে জিজ্ঞেস করে বসলেন, ‘আপনার দেশের বিড়াল ও কুকুরেরা কি খুব হাসিখুশি? গরু আর ছাগলেরাও কি খুব শান্ত ও সুস্থ?’ আফেন্দি তৎক্ষণাৎ রাজার দড়ি ধরে টান দিয়ে তাঁকে চুপ করিয়ে দূতকে ব্যাখ্যা দিলেন, ‘আমাদের রাজা একজন অতি বিজ্ঞ ব্যক্তি, তাঁর কথার অর্থ সাধারণভাবে বোঝা দুরূহ। তিনি বিড়াল ও কুকুর বলতে আপনার দেশের সামরিক ও বেসামরিক কর্মচারীদের এবং গরু ও ছাগল বলতে ওখানকার জনসাধারণকে বোঝাচ্ছেন।’ দূত এতে সন্তুষ্ট হয়ে প্রস্থান করলেন। অতঃপর রাজা রাগত কণ্ঠে আফেন্দিকে বলতে লাগলেন, ‘আমার কথার অর্থ যদি সঠিকই ছিল, তাহলে তুমি আমার পায়ের দড়ি ধরে টান দিলে কেন? তোমাকে আমি শূলে চড়াব।’ অনেক কষ্টে আফেন্দি সেই যাত্রা রক্ষা পেয়েছিলেন।
দুই. একবার স্থানীয় এক জমিদার নাসিরুদ্দিন আফেন্দিকে ডেকে নিয়ে প্রশ্ন করেছিলেন, ‘আচ্ছা বলতে পারো, প্রজারা সাক্ষাতে আমার প্রশংসা আর অসাক্ষাতে নিন্দা ও টিটকারি করে কেন?’ আফেন্দি প্রত্যুত্তরে বললেন, ‘হুজুর, আমার বেয়াদবি নেবেন না। এর কারণ কিন্তু আপনিই। আপনি কথা বলেন এক রকম আর কাজ করেন তার উল্টোটা। তাই আপনার মোসাহেব প্রজারা আপনাকে সন্তুষ্ট রাখতে আপনার সামনে গুণকীর্তন করলেও পেছনে আপনাকে গালমন্দ ও টিটকারি করে মনের ঝাল মিটিয়ে নেয়।’ কথাগুলো খুব গম্ভীরভাবে বলে আফেন্দি সেখান থেকে চলে এলেন। প্রসঙ্গত, চীনাদের মধ্যে যে সমস্ত মজাদার অযৌক্তিক বিশ্বাস প্রচলিত, সেগুলোর কতক হচ্ছে: ১. গোঁফ রাখা দুর্ভাগ্যের কারণ; ২. সবুজ টুপি মানে আপনার স্ত্রী আপনার সঙ্গে প্রতারণা করছে; ৩. ৪ সংখ্যাটা অপয়া, কিন্তু ৮ সংখ্যাটা খুবই উত্তম।
আতাউর রহমান ডাক বিভাগের সাবেক কর্মকর্তা
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বস্তিতে নারীর স্বাস্থ্যসেবা

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুক্তরাষ্ট্রের নির্লিপ্ততা ও সামরিকীকরণের বিপদ by হাভিয়ের সোলানা

ইংরেজি থেকে অনূদিত। স্বত্ব: প্রজেক্ট সিন্ডিকেট
হাভিয়ের সোলানা ন্যাটোর সাবেক মহাসচিব
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জাটকা ধরায় নিষেধাজ্ঞা

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নিষেধাজ্ঞায় না দমলে কিমকে ‘ফেইজ টু’ হুমকি ট্রাম্পের

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাক-ভারত সীমান্তে ১৫ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি গোলাবর্ষণ

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মেধা পাচার রোধে পদক্ষেপ চাই

মুন্নাফ হোসেন
সহকারী শিক্ষক, ফুলবাড়িয়া
ময়মনসিংহ
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশে কোনো সুকুমার রায় নেই by বদরুদ্দীন উমর

বদরুদ্দীন উমর : সভাপতি, জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1331)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
-
▼
2018
(7025)
-
▼
February
(1210)
-
▼
Feb 25
(40)
- রাখাইনে আছে মাত্র ৭৯ হাজার রোহিঙ্গা -ইরাবতির প্রতি...
- পাকিস্তান মডেল? -আনন্দবাজার পত্রিকার সম্পাদকীয়
- বাংলাদেশী কর্মকর্তাদের নিন্দা ও সেনাবাহিনীকে অনুপ্...
- প্রতিবন্ধী পাঁচ ছেলেকে নিয়ে বিপাকে মোজাম্মেল by শা...
- মার্চেই মধ্যম আয়ের দেশ হবে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী
- ভারতের সেনাপ্রধানের মন্তব্য কোনো মানদণ্ডেই স্বাভাব...
- অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের তাগিদ
- সিরিয়া নিয়ে শক্তিধর দেশগুলোর মধ্যে যুদ্ধের আশঙ্কা
- ৩০ দিন পর হিজাব পরতে পারবে বেলজিয়ামের ছাত্রীরা
- পায়ে হাঁটার স্বপ্ন পূরণে কঠোর সাধনা
- গৌতায় হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে কোনো জোরালো প্রতিবাদ হ...
- আমানত ও ঋণ অনুপাত সীমায় ছাড় চান ব্যাংক উদ্যোক্তারা
- প্রশ্ন ছাপাতেই হেলাফেলা! by সাহাদাত হোসেন পরশ
- ট্রাম্পের কর সংস্কারে বাফেটের লাভ ২৯ বিলিয়ন ডলার
- বাংলাদেশ ও মুসলিম-বিরোধিতা বাড়তে পারে
- অধ্যক্ষ ও তদন্ত কমিটি
- সবার জন্য নাগরিক পেনশন! by তোফায়েল আহমেদ
- চীন দেশের রঙ্গ by আতাউর রহমান
- বস্তিতে নারীর স্বাস্থ্যসেবা
- যুক্তরাষ্ট্রের নির্লিপ্ততা ও সামরিকীকরণের বিপদ by ...
- জাটকা ধরায় নিষেধাজ্ঞা
- নিষেধাজ্ঞায় না দমলে কিমকে ‘ফেইজ টু’ হুমকি ট্রাম্পের
- পাক-ভারত সীমান্তে ১৫ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি গোলাব...
- মেধা পাচার রোধে পদক্ষেপ চাই
- বাংলাদেশে কোনো সুকুমার রায় নেই by বদরুদ্দীন উমর
- হার্ট ভালো রাখার টিপস by ডা. সামিয়া তাসনীম
- মানসিক চাপ শত্রু নাকি বন্ধু by ডা. সাইফুন্ নাহার
- যেভাবে জীবিত হবে মৃত মানুষ!
- শান্তিনিকেতনে একদিন by শারমিন সেলিম তুলি
- প্রস্রাবে ফেনা? কঠিন কঠিন রোগের আলামত!
- অনলাইন দুনিয়ায় বাংলা ভাষা
- বইমেলায় দৃষ্টিজয়ীদের বই by শওকত আলী রতন
- তারিক রামাদানের কারাবাস : বিচারব্যবস্থার অনিয়ম by ...
- নারী অধিকার আদায়ের ভুয়া ক্রুসেডার by আজাজ আশরাফ
- মানবতা এক ভয়াবহ মোড়ে by আলমগীর মহিউদ্দিন
- তাহলে সরকার কী করবে? by ড. আবদুল লতিফ মাসুম
- গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেলের ইয়াবা রুটে বাংলাদেশ! by গোলা...
- দরকার নতুন ধরনের শিক্ষা বোর্ড by মাসুম বিল্লাহ
- খালেদার মামলা, মোটিভ এবং গণতন্ত্র by মিনা ফারাহ
- যুক্তরাষ্ট্র-চীন প্রযুক্তিযুদ্ধ, বুদ্ধিবৃত্তিক সম্...
-
▼
Feb 25
(40)
-
▼
February
(1210)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
