Sunday, November 13, 2011

কলকাতা by শুভ্র সাহা

'লকাতা' অবিভক্ত বাঙলা ও বাঙালির কৃষ্টি, বাঙালির শিল্প-সাহিত্য ও সভ্যতার এক গুরুত্বপূর্ণ তীর্থস্থান। আবার কলকাতা মানেই গঙ্গার ঘাট, ভোরের ট্রাম, চক্ররেল, হাওড়া ব্রিজ, টানা রিকশা। এমনই অজস্র চালচিত্রের শহর; রবীন্দ্রনাথ, সত্যজিতের এ শহরে যেমন বিছিয়ে রয়েছে ইতিহাসের হাজারো গলি-ঘুপচি, তেমনি জীবনের নানা রূপ-বৈচিত্র্যে কলকাতা একই সঙ্গে অন্ধকারাচ্ছন্ন এবং রঙিন। এ কারণেই হয়তো কবির ভাষায়, আমরা পাই 'এ কলকাতার মধ্যে আছে আরেকটা কলকাতা'।

জিমেইল হটমেইলে নতুন আয়োজন

তুন সেবা ও আকর্ষণীয় চেহারায় হাজির হচ্ছে জনপ্রিয় মেইল সেবা জিমেইল ও হটমেইল। প্রযুক্তি জায়ান্ট গুগল ও মাইক্রোসফট সম্প্রতি এ ঘোষণা দিয়েছে। গুগলের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত এক ভিডিওতে এ কথা জানানো হয়েছে। জিমেইলের বিশেষজ্ঞ ডিজাইনার জেসন কর্নওয়েল এই ভিডিওটি উন্মুক্ত করেছেন। জিমেইলের মুখপাত্র এন্ড্রেরা ফ্রান্ড জানান, নতুন ডিজাইনে ব্যবহারকারী উইন্ডো সাইজ পরিবর্তন, লেবেল সাইজ ও চ্যাট বক্স ইচ্ছেমতো গুছিয়ে নিতে পারবেন।

স্মার্টফোনে আসছে উবুন্টু

ম্পিউটার এবং ল্যাপটপ বা নেটবুকে ব্যবহৃত হলেও এবার সেলফোনেও জায়গা করে নিচ্ছে উবুন্টু অপারেটিং সিস্টেম [ওএস]। উবুন্টু প্রতিষ্ঠাতা মার্ক সাটলওর্থ জানিয়েছেন, টেলিভিশন এবং স্মার্টফোনের পাশাপাশি অন্যান্য মোবাইল ডিভাইস সমর্থক উবুন্টু ওএস ছাড়া হবে। বর্তমানে ট্যাবলেট কম্পিউটারের অধিকাংশই গুগলের অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম নির্ভর। এজন্যই উবুন্টুর নতুন সংস্করণ বাজারে আনার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

শিশুর ডায়াবেটিসে করণীয়

বিশ্বজুড়ে ১৫ বছরের নিচে ৭০ হাজার শিশু প্রতি বছর টাইপ-১ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হচ্ছে। ১৪ বছরের নিচে ৪ লাখ ৪০ হাজার টাইপ-১ শিশুর মধ্যে ২৫ শতাংশ রয়েছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায়। টাইপ-২ ডায়াবেটিস শিশুদের মধ্যে আগামী ১৫ বছরে ৫০ শতাংশ হারে বাড়বে বলে ধারণা।বড়দের ডায়াবেটিস হলে নিজেরাই এর নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। কিন্তু শিশুদের ক্ষেত্রে মা-বাবাকে নিতে হয় মুখ্য ভূমিকা। এ ক্ষেত্রে প্রথম পদক্ষেপ হওয়া উচিত ডায়াবেটিস প্রতিরোধের চেষ্টা করা। পরিবারের কারও ডায়াবেটিস থাকলে তার সন্তানেরও হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

দেশের মোট ডায়াবেটিক রোগীর মাত্র ২০ ভাগ চিকিৎসা পায়

৪ নভেম্বর প্রতি বছর 'বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস' পালন করা হয়। 'ডায়াবেটিস শিক্ষা ও প্রতিরোধ' থিমকে সামনে রেখে এবারও এ দিবসটি পালিত হচ্ছে। এবারের স্লোগান 'ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করুন. এখনই।' বাংলাদেশে ডায়াবেটিসের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে দেহঘড়ির সঙ্গে কথা বলেছেন বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক একে আজাদ খানষ টাইপ-১ ও ২ ডায়াবেটিসের মূল পার্থক্য কী?ষষ টাইপ-১ ডায়াবেটিসে অগ্ন্যাশয় একেবারেই ইনসুলিন তৈরি করতে পারে না। এটি সাধারণত শিশুদের হয়।

ডায়াবেটিস থেকে কিডনি রোগ

র্তমান বিশ্বে ডায়াবেটিস ভয়াবহ অসংক্রামক ব্যাধি এবং এর কারণে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে নানা রকম জটিলতা সৃষ্টি হয়। ডায়াবেটিসজনিত কিডনি রোগ এর মধ্যে অন্যতম। কিডনিতে প্রধানত ডায়াবেটিক নেফ্রোপ্যাথি হয়।ডায়াবেটিক নেফ্রোপ্যাথি : কিডনি সম্পূর্ণভাবে বিকল বা অকেজো হওয়ার কারণগুলোর মধ্যে উন্নত দেশে ডায়াবেটিসকে প্রধান এবং আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশে দ্বিতীয় প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

ডায়াবেটিসকে জানুন

ডায়াবেটিস এমন একটি অবস্থা যেখানে শরীর পরিমাণ মতো ইনসুলিন তৈরি করতে পারে না। পরিমাণে ঠিক থাকলেও তা সঠিকভাবে কাজ করতে পারে না। এ কারণে রক্তে গ্গ্নুকোজের মাত্রা বেড়ে যায়। অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসে বিভিন্ন ধরনের শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়।ল্যাবরেটরি ডায়াগনোসিসের ধারণাস্বাভাবিক : নাশতার আগে ৬ মিমোল/লি. বা তার কম; খাওয়ার ২ ঘণ্টা পর ৭.৮ মিমোল/লি. বা তার কম।প্রি ডায়াবেটিস : নাশতার আগে ৬.১ মিমোল/লি. থেকে ৬.৯ মিমোল/লি.। খাওয়ার ২ ঘণ্টা পর ৭.৮ থেকে ১১.১ মিমোল/লি.।

চবিতে কোরবানি হয়নি ফায়দা নিয়েছে শিবির by ফরহান অভি,

দুল আজহা উপলক্ষে তিন দিন ধরে পোলাও-মাংসসহ বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা ছিল চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে। বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা ছিল এতিমখানাগুলোতে পর্যন্ত। কিন্তু বিশেষ কোনো ব্যবস্থা তো দূরে থাক এক টুকরো মাংসের ব্যবস্থা পর্যন্ত করা হয়নি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) আবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য।পরীক্ষার কারণে চবির আবাসিক হল ও বেসরকারি ছাত্রাবাসের (কটেজ) প্রায় সহস্র শিক্ষার্থীকে এবার কোরবানির ঈদ উদযাপন করতে হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ে।

জাপানে জমকালো নৃত্যানুষ্ঠান by হানিফ খন্দকার

নৃত্যগুরু সাজু আহমেদ বাংলাদেশ থেকে ১৫ সদস্যের দল নিয়ে জাপানে যাবেন সিক্সথ এশিয়ান কাগুসিমা ইয়ুথ আর্ট কালাচারাল ফেস্টিভ্যালে অংশ নিতে। সহকারী নৃত্য পরিচালক হিসেবে আমিও সঙ্গী হলাম সেই দলের। ১১ অক্টোবর রাত ১১টায় একে একে দলের সব সদস্য পেঁৗছলেন শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। প্রথমবারের মতো জাপান যাওয়ার আনন্দে আমি তখন বিভোর। তবে টেনশনও যে লাগছিল না, তাও নয়। দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করছি, তাই পারফরম্যান্সটা যাতে সবচেয়ে ভালো হয় তা নিয়েও ছিল চিন্তা।

রাউজানে ধান কাটার ধুম by শফিউল আলম,

রাউজানে আমন ধান কাটার ধুম পড়েছে। উপজেলার পাহাড়ি ও উঁচু এলাকার কৃষকরা ঘরে তুলছেন পাকা আমন। তবে নিচু এলাকার জমির ধান ঘরে তুলতে আরও কয়েকদিন সময় লাগবে।সরেজমিনে ঘুরে পৌর এলাকার সুলতানপুরের ছত্রপাড়া এলাকার কৃষক গবী সুলতানকে নিজ জমি থেকে পাকা আমন ধান কাটতে দেখা গেছে। কৃষক সুলতান জানান, তিনি এবার ১ একর ৩০ শতক জমিতে পাইজাম ধানের চাষাবাদ করেছেন।

জীবনযাত্রার ব্যায় বাড়ছে by সারোয়ার সুমন

রে থরে সাজানো আছে আম, আঙুর, আপেল। নগরীর দেওয়ানহাটের ফুটপাতে ফলের এমন পসরা সাজিয়ে বসেছেন মতলব মিয়া। দিনের বেলায় বেচাকেনা শেষে রাতে ফলের ঝুড়ি বাসায় নিয়ে যান তিনি। এটাই নাকি সমস্যা বাড়িয়েছে তার। কারণ তার আট বছর বয়সী ছোট মেয়ে কুলসুম ফলের ঝুড়ি দেখলেই বায়না ধরে আঙুর খাওয়ার। অন্যের কাছে ফল বিক্রি করলেও নিজের মেয়ের মুখে আঙুর তুলে দিতে পারেন না মতলব মিয়া।

উইকেটের পেছনে নায়ক বাউচার by হাসনাত মুনীর

সেঞ্চুরির উচ্ছ্বাসে উইকেটের সামনে দাঁড়িয়ে শূন্যে লাফ দেওয়ার সুযোগ তার হয় কালেভদ্রে। উইকেটকিপার বলে বল হাতে উইকেট শিকারের উৎসব করার কোনো সুযোগই নেই। এর পরও মার্ক বাউচার নায়ক। তবে উইকেটের পেছনের নায়ক!সত্যিই তাই। শচীন টেন্ডুলকারের একটি সেঞ্চুরি নিয়ে যতটা কালি-কাগজের খরচ, জনসন কিংবা স্টেইনের একটি বিধ্বংসী বোলিং স্পেল নিয়ে যতটা সরগরম আলোচনা, ততটা কোথায় হাওয়ায় ভেসে বাউচারের নেওয়া একটি ক্যাচকে ঘিরে? কিংবা বাউচারের শকুনের চোখে করা স্টাম্পিংগুলো নিয়ে?

বার্সায় মেসির ডাবল সেঞ্চুরি by আতিক হাসান

গোলের সহজতম সুযোগ সামনে। নতুন এক মাইলফলকের হাতছানি। কিন্তু কী করলেন লিওনেল মেসি! পেনাল্টি থেকে গোল করতে পারলেন না। সেভিয়ার গোলরক্ষক তার শট দারুণ দক্ষতায় ঝাঁপিয়ে পড়ে রুখে দিলেন। এই ব্যর্থতা মেসির জন্য ছিল যথেষ্ট বিব্রতকর। তার এই ব্যর্থতায় দল জয়ের সুযোগ হারায়। যা বার্সেলোনাকে লীগ লড়াইয়ে শীর্ষস্থান থেকে ছিটকে দেয়। এই ব্যর্থতার পরপরই মেসির সঙ্গে যেন গোলের দারুণ এক ভাব তৈরি হয়েছে।

লস্ট ইন ট্রান্সলেশনঃ ফলোআপ, সামান্য জিজ্ঞাসা by আবিদ রহমান

হালে বেশ কদিন ধরে  গালাগাল খাচ্ছি। অশ্রাব্য ও ছাপার অনুপযোগী সব ‘মারফতি’গালি। ধর্মান্ধতা ও ধর্ম ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কিছু বলা যেন না-জায়েজ! ব্যতিক্রম মাত্র দু’জন। কোরিয়া থেকে জনাব আল-আমীন আর ঠিকানাবিহীন জনাব নুরে আলম যুক্তি-তর্কে নিজেদের ভিন্নমত জানিয়েছেন। মার্জিত এই দুই ভদ্রলোকের প্রতি কৃতজ্ঞ। অবশ্য বিপরীতে সহানুভূতি জানানো মানুষের সংখ্যাই বেশী।

হুমায়ূন আহমেদ সুইট সিক্সটি থ্রি by হাসান হাফিজ

বাংলা সাহিত্যের অপ্রতিদ্বন্দ্বী এক কথাকারের কথা বলছি। কিংবদন্তিতুল্য ব্যক্তিত্ব তিনি। তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে জনপ্রিয়তার শীর্ষে অবস্থান। রসায়নশাস্ত্রে অধ্যাপনা, এন্তার স্বর্ণপ্রসূ লেখালেখি, নাটক-চলচ্চিত্র পরিচালনা, ভেষজ উদ্ভিদ বাগানের উদ্যোক্তা, জাদুশিল্প, দুর্দান্ত আড্ডাবাজি- কতই না বিচিত্র পথের পথিক ৬৩ বছরেরএই তরুণ।

প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির অমিল by রথীন্দ্র নাথ রায়

ক্রিকেটের ধ্রুপদী সংস্করণ কোনটা? এক কথায় টেস্ট ক্রিকেট। কেবল ব্যাপ্তির কারণে নয়_ গভীরতা, বৈচিত্র্য এবং ইতিহাসের কারণেই এটা শ্রেষ্ঠ। কোনো দেশের দক্ষতা বিচারের জন্য সেরা মানদণ্ড টেস্ট ক্রিকেট। যদি তাই হয় তাহলে ক্রিকেটে বাংলাদেশের অবস্থান কোথায়? পারফরম্যান্স বিচারে অবশ্যই তলানির দিকে।বাংলাদেশের টেস্ট অভিষেক হয়েছে ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর। প্রতিপক্ষ ছিল ভারত। যে দলের নেতৃত্বে ছিলেন সৌরভ গাঙ্গুলী।

আমার কাছে যদি একটা টাইমমেশিন থাকত!: হুমায়ূন আহমেদ by বিপুল হাসান

সে এক বিশাল আয়োজন, ব্যয়বহুল প্রস্তুতি। স্বঘোষিত শেষ ছবি ‘ঘেটুপুত্র কমলা’র সেটকে আকর্ষণীয় ও সময়োপযোগী করে তোলার জন্য দীর্ঘ চার মাস ব্যয় করেছেন জনপ্রিয় কথাশিল্পী ও চলচ্চিত্রকার হুমায়ূন আহমেদ। নূহাশপল্লীর স্টুডিওতে সেই  সেট এখন শুটিংয়ের জন্য প্রস্তুত। বর্তমানে ব্রা‏হ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়াতে চলছে ছবিটির আউটডোরের শুটিং। ২ নভেম্বর থেকে নূহাশপল্লীতে শুরু হবে ইনডোর শুটিং।

প্রমীলাদের ক্রিকেট লড়াই

বিশ্বকাপ ক্রিকেটের সফল আয়োজনের সাত মাস পর ঢাকায় বসছে আরও একটি বহুজাতিক ক্রিকেট আসর। আগামী সোমবার থেকে ঢাকায় শুরু হচ্ছে মেয়েদের বিশ্বকাপ ক্রিকেটের বাছাইপর্ব। দশটি দেশের অংশগ্রহণে আইসিসির এই টুর্নামেন্ট নিশ্চিতভাবেই বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য মাইলফলক।পুরুষ বিশ্বকাপ ক্রিকেট আসর প্রথম বসেছিল ১৯৭৫ সালে। আর মেয়েরা বিশ্বকাপ খেলে তারও আগে, ১৯৭৩ সালে। মহিলা বিশ্বকাপের সর্বশেষ আসর বসেছিল ২০০৯ সালে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে। ওই আসরের শীর্ষ ৪ দল ২০১৩ বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে।

মালিবাগে বাসস্ট্যান্ড নেই

রাজধানীর মালিবাগ এলাকায় স্থায়ী কোনো বাসস্ট্যান্ড নেই। ফলে বিশৃঙ্খলভাবে চলাচল করছে বিভিন্ন রুটের বাস। মানা হচ্ছে না কোনো নিয়মনীতি। এ ক্ষেত্রে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্থানীয় এলাকাবাসীর। তবে সিটি করপোরেশন বলছে, আপাতত স্থায়ী কোনো বাসস্ট্যান্ড করার পরিকল্পনা তাদের নেই।রাজধানীর জনবহুল এলাকা মালিবাগ, মালিবাগ বাজার, মৌচাক, মালিবাগ মোড়, চৌধুরীপাড়ায় আজও গড়ে ওঠেনি কোনো স্থায়ী বাসস্ট্যান্ড। অথচ জনবহুল এ এলাকার মানুষ প্রতিদিন বাস, মিনিবাসে চড়ে রাজধানীর এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্তে চলাচল করে।

রিমান্ডে প্রেমিক রেহান-আদৃতা হত্যার দায় থেকে বাঁচতে আইনের বই পড়ি by আতাউর রহমান

'আদৃতাকে হত্যার পর চিন্তা করলাম, যা হওয়ার হয়ে গেছে। এখন আমাকে বাঁচতে হবে। তাই শক্ত হলাম। আইনের ছাত্র হওয়ায় হত্যাকাণ্ডের দায় থেকে বাঁচতে আইনের বই পড়া শুরু করলাম। আইনের ফাঁকগুলো খুঁজলাম। তাই থানা পুলিশ দু'দফা জিজ্ঞাসাবাদ করলেও তাদের সন্দেহের তালিকা থেকে বাদ পড়েছিলাম।'মডেলকন্যা তাহিয়া তাবাসসুম আদৃতা হত্যায় জড়িত প্রেমিক আশিস কর্মকার ওরফে রেহান গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে এসব তথ্য দেন।

ছিনতাই আতঙ্কে ঢাকায় ফেরা মানুষ

দের ছুটি শেষে ঢাকায় ফেরা মানুষ ছিনতাই আতঙ্কে রয়েছে। রাজধানীতে পুলিশ টহল চলছে ঢিলেঢালা। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে নেই পুলিশের রাত্রিকালীন চেকপোস্ট। ফাঁকা-প্রায় রাজধানীর কোথাও চোখে পড়ার মতো নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই। গ্রাম থেকে কর্মস্থলে ফিরে আসা মানুষের জন্যও নেই পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এ সুযোগে তৎপর হয়ে উঠেছে ছিনতাইকারীরা। এখন গ্রাম থেকে ঈদের ছুটি কাটিয়ে আসা মানুষের সঙ্গে থাকা গহনা আর মোবাইল ফোন টার্গেট করেই হামলে পড়ছে এসব দুর্বৃত্ত।

লাভ ৫ কোটি টাকা-ফুলবাড়িয়ার সন্তোষপুর

য়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও শেরপুর অঞ্চলের আওতায় বাংলাদেশ বন শিল্প উন্নয়ন করপোরেশন (বশিউক) ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ার সন্তোষপুর রাবার প্রকল্প চলতি অর্থবছরে লাভ করেছে ৫ কোটি ৪ লাখ টাকা।ফুলবাড়িয়া সদর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে পাহাড় বেষ্টনীতে ঘেরা আঁকাবাঁকা মেঠোপথ নাওগাঁও ইউনিয়নের সন্তোষপুর বনাঞ্চল এলাকায় ১ হাজার ৩৬ একর জমিতে এই রাবার বাগান অবস্থিত। এটি পর্যটকদের যেমন মন কেড়েছে, তেমনি রাবার কষ আহরণ করে রাবার তৈরিতে দেশের জাতীয় অর্থনীতিতে ব্যাপক অবদান রেখেছে।

যশোরের চামড়া হাটে ১০ কোটি টাকার বিকিকিনি

দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম চামড়ার মোকাম যশোরের রাজারহাটে শনিবার প্রায় ১০ কোটি টাকার চামড়া কেনাবেচা হলেও দাম গতবারের তুলনায় কম। স্থানীয় বাজারে নিম্নদরের কারণে এবার দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে কোরবানির পশুর চামড়া পাচারের আশঙ্কা আরও বেড়েছে। শনিবারের হাটে সীমান্ত এলাকার পাচারকারী চক্রের তৎপরতাও লক্ষ্য করা গেছে।

কোচাশহরের হোসিয়ারি শিল্প-বছরে ২০০ কোটি টাকার শীতবস্ত্র উৎপাদন by শামীম রেজা ডাফরুল,

শীতের আগমনের শুরুতেই ব্যস্ত হয়ে পড়েছে গোবিন্দগঞ্জের কোচাশহর হোসিয়ারি শিল্পের কারিগররা। নাওয়া-খাওয়ার ফুরসত পর্যন্ত নেই। হোসিয়ারি শিল্প শহর হিসেবে খ্যাত কোচাশহরের ঘরে ঘরে এখন চলছে হোসিয়ারি মেশিনের খুটখাট আওয়াজে শীতবস্ত্র তৈরির কাছ। এ কাজে পুরুষদের পাশাপাশি গৃহবধূ, কিশোর-কিশোরী, যুবক-যুবতী, বৃদ্ধ-বৃদ্ধারাও শ্রম দিচ্ছেন সমানতালে।

সবজি বিপ্লবে গৃহবধূরা by ভবতোষ রায় মনা

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার গৃহবধূরা সংসারের পাশাপাশি বাড়ির পাশের পতিত জমিতে সবজি চাষ করে বাড়তি টাকা আয় করছেন এবং স্বাবলম্বী হয়ে উঠছেন। তারা চাষ করছেন বেগুন, লালশাক, পুঁইশাক, ডাঁটাশাক, জালি কুমড়া, লাউ, পুঁটিশাক, ধনেপাতাসহ বিভিন্ন রকম সবজি। সেই সবজি বাজারে বিক্রি করে তাদের হাতে এখন প্রচুর টাকা।
ফুলছড়ি উপজেলা সদর থেকে ৭ কিলোমিটার দূরে গজারিয়া ইউনিয়নের বাউসী বালুচর, নীলকুঠি গ্রামে গিয়ে দেখা যায় প্রতিটি বাড়ির আঙিনায় বিভিন্ন রকমের সবজির বাগান।

ফলোআপ-ডায়েরির পাতা থেকে by কেএম আজাদ রহমান,

হরে লেখাপড়া করে আদর্শ পেশা শিক্ষকতা করে মানুষ গড়ার কারিগর হিসেবে গ্রামেই থাকতে চেয়েছিলেন মেধাবী শিক্ষিকা শারমিন জাহান সুমু্। কিন্তু ঘাতকের বিকৃত রুচির লোলুপ দৃষ্টি তাকে বাঁচতে দেয়নি। মনের অব্যক্ত কথাগুলো নিজের ডায়েরির পাতায় পাতায় অজান্তেই ব্যক্ত করেছেন, যা এখন তার স্বামীসহ পরিবারের কাছে শুধুই স্মৃতি। "গ্রামে বসবাসের ইচ্ছাটা প্রবল হলো যখন বুঝলাম মাটির স্পর্শে থেকে মাকে চিনব, ভালোবাসব বলে। ধিক আমাকেই। মাটির গান শুনতে, তার কান্নাকে অনুভব করার বাসনা যে নেই তা বলাও ঠিক হবে না। তোমার আদর্শে আমায় গড়ে তোলো। মাটি আমার মা। তোমার আশ্রয়েই আমাকে যেতে হবে।

রেকর্ড গড়লেন নাবিলা by ইমদাদ হক

পারিবারিকভাবে ছোট্টবেলায় পড়ালেখায় হাতেখড়ি। বাবা মোঃ আবুল হোসেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক। মা পারভীন আখতার গৃহিণী। বাবার নির্দেশনা আর মায়ের যত্ন বুঝিয়ে দিয়েছিল পড়ালেখায় ভালো করতে হবে। তখন থেকেই পড়ালেখার প্রতি মনোযোগী। খেলাধুলাও সঙ্গে ছিল। ছিল দুরন্তপনার শৈশব। সুযোগ পেলেই বন্ধুদের সঙ্গে গান-বাজনা। তবে ক্লাসে প্রথম হওয়ার ব্যাপারে প্রথম থেকেই জেদি। এ ছাড়া চশমা চোখে আব্বুর পড়ানো আকর্ষণ করত। আদর্শ শিক্ষক হিসেবে সমাজে তার গ্রহণযোগ্যতা অনুপ্রাণিত করত। তাই ছোট্টবেলায়ই শিক্ষক হওয়ার বাসনা মনে চেপে বসে।

কবে জাগবে মানবিক বোধ! by সাকিলা মতিন মৃদুলা

'৯টা সিটও নেবেন। অন্য সিটেও মেয়ে বলে বাড়তি সুবিধা খুঁজবেন। সমান অধিকার বলে চিৎকার করবেন, আবার মেয়ে বলে সুযোগও নেবেন।' ভিড়ের ভেতর একটু সরে দাঁড়াতে বলায় এতগুলো মন্তব্য কিংবা বক্তব্য। 'ইস, যদি মেয়ে হতাম! প্রমোশন কনফার্ম।' 'আপনাদের কত সুবিধা! একটু মিষ্টি করে কথা বললেই কাজ হয়ে যায়।' শুধু কি বাসের ভিড় কিংবা কর্মস্থল? শিক্ষাজীবনও ব্যতিক্রম নয়। ঘুরে-ফিরে সেই একই কথা_ 'ও তো ফার্স্টক্লাস পাবেই। যেভাবে মিষ্টি করে কথা বলে, টিউটোরিয়ালে তো ফুল মার্কস।'

ত থ্য বি চি ত্র-তোতলামিতে পুরুষই এগিয়ে

স্বাভাবিকভাবে কথা বলার ক্ষেত্রে আড়ষ্টতা, বারবার কথা বলার চেষ্টা এবং কথা বলার সময় কখনও কখনও মুখের ও শরীরের আকৃতির পরিবর্তন_এসব লক্ষণ থাকলে ঠিকই আপনি বলে বসবেন লোকটি তোতলা। একজন মানুষ কেন তোতলা হয়? এর কিন্তু অনেক কারণ রয়েছে। মস্তিষ্ক কিংবা স্নায়ুতন্ত্রে ক্ষত সৃষ্টি হলে তোতলামি দেখা দিতে পারে। যদি সুষুম্নাকাণ্ডের ও স্নায়ুতন্ত্র থেকে মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালনে ব্যাঘাত ঘটে অথবা রোগীর খিঁচুনি বা তড়কা হয়, তা হলেও অনেক সময় কথা বলার গতি পরিবর্তন হয়ে যায়। চিকিৎসাবিজ্ঞানে একে 'নিউরোজেনিক স্ট্যাটারিং' বলে। এ নিয়ে বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, শয়ে মাত্র এক ব্যক্তি তোতলা হন।

র ঙ বে র ঙ-ত্বক ফেরাবে বুলেট!

দি এমন হতো, আপনার শরীরটা বুলেটপ্রুফ, তাহলে পথে-ঘাটে কারও গুলিতে অকালে প্রাণ হারাতে হতো না। তবে এটা আর নিছক স্বপ্ন নয়। বিজ্ঞানীরা ইতিমধ্যে তা প্রমাণও করেছেন। তারা জানিয়েছেন, বুলেটপ্রুফ পোশাকের মতো মানুষের ত্বককেও এখন বাস্তবে বুলেটপ্রুফ করে তোলা সম্ভব। সম্প্রতি নেদারল্যান্ডসের গবেষকরা জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং প্রক্রিয়ায় এমন চামড়া উদ্ভাবনে সফলও হয়েছেন। বিজ্ঞানীরা বলছেন, মানুষের ত্বক হবে ইস্পাতের চেয়ে দশগুণ বেশি শক্তিশালী। আর তা বুলেট ফেরানোর মতো শক্তিশালী হবে। মজার ব্যাপার হলো, মানুষের এ বুলেটপ্রুফ ত্বক তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে মাকড়সার জাল থেকে তৈরি সিল্ক এবং ভেড়ার দুধ!

আগামী বছর দুবাইয়ে নৃত্য করব

নন্দ প্রতিদিন প্রতিবেদকঈদ কেমন উদযাপন করলেন?এবারের ঈদটা অনেক মাস্তি করে ঢাকাতেই উদযাপন করেছি। ঈদের আগের দিন দেশের বাইরে থেকে ফিরেছি। এর পর বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে আড্ডায় মেতেছিলাম। অবসর সময়ে টিভিতে ঈদের আয়োজন দেখা_ এভাবেই কেটে গেছে ছুটির দিনগুলো।ষ ঈদের পর কাজ শুরু করেছেন?ঈদের পর আজ থেকে কাজ শুরু করেছি। এখন গাজীপুরের পাখিরট্যাকে রয়েছি। এখানে ভারতের জিটিভির জন্য নির্মিত 'শালা দুলাভাই' নামের একটি ধারাবাহিক নাটকের কাজ করছি। এতে আমার বিপরীতে রয়েছেন চঞ্চল চৌধুরী।

বাংলাদেশে 'দোহার'-এর নতুন অ্যালবাম by ওয়ালিউল মুক্তা

ম্পূর্ণ দেশীয় বাদ্যযন্ত্র আর বাঙালিয়ানার প্রাণসঞ্চারি গান করা দল কলকাতার 'দোহার'। এক যুগ ধরে পথচলা এ গানের দলটি বাংলাদেশের শ্রোতামহলে ব্যাপক নন্দিত হয়েছে। গত কয়েক বছর টিভি চ্যানেলের বিশেষ আয়োজনে গান পরিবেশন করে প্রশংসিত হয়েছে দলটি। শ্রোতাদের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা জানাতে বাংলাদেশে প্রকাশ করতে যাচ্ছে তাদের নতুন অ্যালবাম। আসছে বাংলা নববর্ষ বৈশাখে বাংলাদেশের একটি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান 'দোহার'-এর অষ্টম অ্যালবাম প্রকাশ করবে বলে জানা গেছে।

ঐতিহ্য রক্ষায় নবউদ্যোগ by গৌতম লাহিড়ী

কটাই আশার কথা যে, দিলি্ল সরকার গোটা শহরটাকেই 'হেরিটেজ সিটির' আওতায় আনতে চাইছে না। মূলত শহরের চারটি অঞ্চল_ মেহরলিশাহজাহানাবাদ নয়াদিলি্ল এবং নিজামুদ্দিনকে নিয়েই ঐতিহ্য নগরীর পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে। ভারতের হেরিটেজ সংরক্ষণ সংস্থা 'ন্যাশনাল ট্রাস্ট ফর আর্ট অ্যান্ড কালচারাল হেরিটেজ' অক্টোবর মাসে ভারতের পুরাতত্ত্ব বিভাগের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রস্তাব জমা দিয়েছেরাজধানী হিসেবে দিলি্লর একশ' বছর হয়ে গেল। রাজনীতির টানাপড়েনের বাইরে এক নতুন কৌতূহল নিয়ে শুরু হয়েছে টানটান উত্তেজনা।

জন্মদিন-বারবার আসুক ফিরে এই দিন আরও অনেক বছর by আলী যাকের

কটা সময় ছিল যখন আপনার নন্দিত নরকে আমাকে শঙ্খনীল কারাগারের প্রতি আকৃষ্ট করেছিল এবং তারপর আকৃষ্ট করেছিল আপনার আরও অনেক সৃজনশীল লেখার প্রতি। এরপর তো ইতিহাসই বলে দেবে যে, বহুব্রীহি, আজ রবিবার, ঈদ ভেকেশান এবং আরও সব অবিস্মরণীয় নাটক এক সেতুবন্ধ রচনা করেছিল নাট্যকার আর এই অভিনেতার মাঝে।এসব ভুলি কী করে?শুভ জন্মদিন, হুমায়ূন। বৃশ্চিক রাশির জাতকেরা সাধারণত একরোখা হয়, গোঁয়ার হয়, ক্রুদ্ধ হয়_ এ কথাগুলো শুনে এসেছি তাদের মুখে, যারা রাশিচক্র নিয়ে চিন্তাভাবনা করেন। আমিও বৃশ্চিক রাশির জাতক। একই মাসে আমাদের উভয়ের জন্ম। আমি জন্মেছি আপনার থেকে ঠিক ৭ দিন আগে, ৬ নভেম্বর।

চিঠিপত্র-দিবা কোচ সার্ভিস পুনরায় চালু করুন

সুন্দরবন সংলগ্ন জনপদের মানুষকে সিডর, আইলাসহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঙ্গে যুদ্ধ করে বেঁচে থাকতে হয়। শুধু তাই নয়, জীবনযুদ্ধে ছড়িয়ে পড়তে হয় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। এমনই হাজারো সমস্যা সঙ্গে নিয়ে বেঁচে আছে এ অঞ্চলের মানুষ। রাস্তাঘাটের বেহাল দশা, দেখার যেন কেউ নেই। এ অবস্থায় পরিবহন মালিক সমিতি সুন্দরবন সংলগ্ন সাধারণ মানুষের জীবন যাপনের কথা বিবেচনা করে প্রায় তিন যুগ ধরে দিবা-নৈশ কোচ সার্ভিস ব্যবস্থা চালু রেখেছে। যাত্রী চলাচলে কিছুটা নিরাপদ মনে করে মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা ছাড়াও পার্শ্ববর্তী এলাকার যাত্রীরাও এই পথে চলাচল করে। ঢাকা-চট্টগ্রামের উদ্দেশে এই পথে প্রতিদিন ৮-১০টি পরিবহন গাড়ি চলাচল করে।

ক্ষমতার দাপট by আনোয়ার হোসেন

বিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জে সভাটি আহ্বান করা হয়েছিল বিকেল ৩টায়। আহ্বায়ক জেলা প্রশাসক। উপস্থিত হয়েছিলেন দুটি উপজেলার চেয়ারম্যান, একাধিক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং এলাকার বিশিষ্টজনরা। আলোচনার বিষয় ছিল ১৯৯৭ সালে বিবিয়ানা গ্যাসফিল্ডের জন্য যে ভূমি হুকুমদখল করা হয়েছিল তার মালিকদের ক্ষতিপূরণ প্রদান। বিরোধীয় এলাকার পরিমাণ ৮৭ একর। এখন এ গ্যাসফিল্ড রয়েছে আমেরিকান কোম্পানি শেভরনের নিয়ন্ত্রণে। বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি গ্যাস তোলা হচ্ছে এ ফিল্ড থেকে। সভায় রাজনৈতিক নেতারাও ছিলেন।

রাজনীতি-এবারের রোডমার্চ হোক সংসদ অভিমুখে by শওগাত আলী সাগর

বিরোধীদলীয় নেতাকে অনুরোধ করতে চাই, যত বেশি ইচ্ছা রোডমার্চ করুন, জনগণ আপত্তি করবে না। বরং জনগণের সমর্থনের পাল্লাটা ক্রমে ভারীই হবে। তবে আগামীতে যে কোনো রোডমার্চের আগে সংসদ ভবন অভিমুখে একটা রোডমার্চ করুন। এই রোডমার্চে অংশ নেবেন কেবল দলীয় সংসদ সদস্যরা। আপনার নেতৃত্বে সেই রোডমার্চটি যাবে সংসদ অধিবেশনে'সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাতিল করে দেওয়া তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল ও সরকারের পদত্যাগের দাবিতে জনমত তৈরির জন্য চলতি মাসের শেষদিকে আবারও বিএনপির রোডমার্চ শুরু হবে। রোডমার্চ শেষ হলে নতুন কর্মসূচি আপনারা জানতে পারবেন।

স্বাস্থ্য খাত-চিকিৎসাও একটি সেবা by বদিউল আলম মজুমদার

স্তুত যুক্তরাষ্ট্রে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার আকাশচুম্বী খরচের কারণে সমাজের উচ্চবিত্ত ও নিম্নবিত্তের মধ্যকার দূরত্ব ক্রমাগতভাবে প্রকট হচ্ছে। তবে নিম্নবিত্তের কোনো মেধাবী সন্তান যদি ব্যয়বহুল নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারে এবং যা হওয়া সম্ভব, তাহলে পরিবারের আর্থিক দৈন্য তার লেখাপড়ার জন্য বাধা হয়ে দাঁড়ায় না। তেমনিভাবে কোনো কপর্দকহীন বাস্তুহারাও যদি হাসপাতালের জরুরি বিভাগে হাজির হয়, তাকেও হাসপাতাল সেবা দিতে বাধ্য। এ ছাড়া বাস্তুহারাদেরও সরকারি ও বেসরকারি উদোগে এখনও অনেক ধরনের সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়

উদ্ধারকৃত চার শিশু-কোথায় মিলবে ঠাঁই?

চারটি শিশুর ছবি ছাপা হয়েছে শনিবারের সমকালে। অভিভাবকরা কি ছবি দেখে তাদের চিনতে পেরে কেঁদে বুক ভাসিয়ে তেজগাঁওয়ের ভিকটিম সাপোর্ট কেন্দ্রে ছুটে গেছেন? এরা কি পথশিশু হিসেবেই বেড়ে উঠতে উঠতে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিল? সাধারণত হারিয়ে যাওয়া শিশুদের কারও ঠাঁই হয় সরকারি-বেসরকারি আশ্রয়কেন্দ্রে, কেউ ফিরে যায় পিতা-মাতার কাছে, আবার কেউ কেউ পথশিশু হিসেবে অনাদরে বেড়ে ওঠে। কোনো কোনো কন্যাশিশু নিষিদ্ধ পল্লীতেও আশাহীন ভবিষ্যৎকে আলিঙ্গন করতে বাধ্য হয়। আবার পাচারকারীদের হাতে পড়ে কত শিশু যে কোথায় হারিয়ে যায়, কেউ জানে না।

আদ্দু ঘোষণা-এখনও অনেক পথ বাকি

প্রতিবার সার্ক শীর্ষ সম্মেলনের আগে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর গণমাধ্যম ও নাগরিক সমাজে বাড়তি একটা আশাবাদ তৈরি হয়। অনেকেই ভাবতে বসেন, এবার নিশ্চয়ই দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর নেতারা অর্থপূর্ণ একটা উদ্যোগ নেবেন। সত্যি বলতে, আফগানিস্তান থেকে বাংলাদেশ, নেপাল থেকে মালদ্বীপ পর্যন্ত মানুষের মনে একটি ঐক্যবদ্ধ ও সফল দক্ষিণ এশিয়ার স্বপ্ন বহুদিন ধরেই গুঞ্জরিত হচ্ছে। শুধু বাণিজ্যিক-অর্থনৈতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রই নয়, সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে অবাধ সহযোগিতার একটি বিরাট ক্ষেত্র ইতিমধ্যে সার্ক দেশগুলোতে তৈরি হয়েছে। কিন্তু বরাবরের মতোই শীর্ষ সম্মেলন মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারে না।

বিএনপি : তাহিরপুর-ভেতরে বিভক্তিরেখা, বাইরে ঐক্য

তাহিরপুর বিএনপিতে এখন স্থিতিশীল অবস্থা বিরাজ করছে। টাকাওয়ালা লোকজন উপজেলা কমিটিতে পুনর্বাসিত হওয়ায় নেতা-কর্মীদের মতামত এখন তাদের পক্ষেই। তবে উপজেলা সভাপতি ও দলের মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে মতবিরোধ থাকায় মাঝেমধ্যে পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি পালিত হতে দেখা যায়। ভেতরে তুষের অনল থাকলেও উপজেলা সভাপতির বিরোধীরাও কমিটিকে মেনে নিয়ে তাদের নেতা কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য ও দলের গত সংসদ নির্বাচনের মনোনীত প্রার্থী ডা. রফিক চৌধুরীকে বর্তমান কমিটি মূল্যায়ন করছে না বলে অভিযোগ রয়েছে।

প্রতিশ্রুতি : হবে হচ্ছে বক্তব্য

সুনামগঞ্জ-১ আসনের রতনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ থাকলেও তাঁর বিরোধীরাও স্বীকার করেছেন, তাঁর হাত ধরে নির্বাচনী এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার কিছুটা উন্নয়ন হয়েছে। তাহিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন খান বলেন, 'তাহিরপুরে এর আগে কোনো এমপি এত রাস্তাঘাট ও সেতু করেননি। আমার ইউনিয়নে এমপি সাহেব অনেক রাস্তা ও সেতু করেছেন।' উপজেলা সভাপতি অবশ্য এই কৃতিত্ব এমপিকে না দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে দেন। তিনি বলেন, গত বছর প্রধানমন্ত্রী তাহিরপুরে এসে যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন সেগুলোই এখন বাস্তবায়িত হচ্ছে। আর সেগুলোকে এমপি নিজের কৃতিত্ব হিসেবে দাবি করছেন।

আওয়ামী লীগ : নির্বাচনী এলাকা সুনামগঞ্জ-১ -ধরমপাশা-এমপি 'খাইমু লীগ' প্রতিষ্ঠা করেছেন! by শামস শামীম,

সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন রতন দলকে সংগঠিত করার পক্ষে নন। নিজের আখের গোছাতে মরিয়া হয়ে অবৈধভাবে বিভিন্ন সুবিধা নিতে ব্যস্ত তিনি। নিজ দলের নেতা-কর্মীদের দূরে রেখে বিএনপির সঙ্গে আঁতাত করে এই আসনের অন্তর্ভুক্ত জলমহাল, পাথরমহাল, বালুমহাল এবং শুল্কস্টেশনসহ বিভিন্ন স্থানে প্রভাব খাটিয়ে অবৈধ সুবিধা নিচ্ছেন। শুধু বিএনপির সঙ্গেই নয়, নিজ নির্বাচনী এলাকার বাইরের লোকজনকেও তাঁর ব্যবসায়িক পার্টনার করেছেন।

একাত্তরের এই দিনে

*কুমিল্লায় মুক্তিবাহিনী চাওড়া এলাকায় অবস্থানরত পাকিস্তানি সেনাদের ওপর তীব্র আক্রমণ চালায়। এই সংঘর্ষে দুজন পাকিস্তানি সেনা নিহত ও তিনজন আহত হয়। আক্রমণ শেষে মুক্তিযোদ্ধারা নিরাপদে নিজেদের ঘাঁটিতে ফিরে আসে।*৮ নম্বর সেক্টরে মুক্তিবাহিনী একদল পাকিস্তানি সেনাকে রাজাপুর নামক স্থানে অ্যামবুশ করে। এই অ্যামবুশে পাকিস্তানি বাহিনীর চারজন সেনা নিহত ও দুজন আহত হয়।*মুক্তিবাহিনী কুষ্টিয়া জেলার প্রতাপপুর এলাকায় পাকিস্তানি সেনাদের অ্যামবুশ করে। এই অ্যামবুশে পাকিস্তানি বাহিনীর ১১ জন সেনা নিহত ও চারজন আহত হয়।

কোনও নদী দেখিনি, দেখিনি জোনাকপোকা by মাহবুব মিঠু

গাড়ি চালাচ্ছিলাম আর সিডিতে গান বাজছিল, ‘তুমি যদি চাও মেঘে মেঘে আকাশটা সাজিয়ে দেব’। অসম্ভব ভাললাগা একটা গান। নতুন প্রজন্মের শিল্পী আরেফীন রুমীর গাওয়া। পাশের সিটে আমার ভাগ্নি বসা।বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজনেস ম্যানেজমেন্টের ‍উপরে ব্যাচেলর করছে। পিছনে আমার একমাত্র মেয়ে (যদিও ওর দাবি ও আমার ‘বিগ মা’) বেবি সিটে বসে আছে। কয়েকটি আধুনিক গানের পরে কিছু বাঙলা ফোক গানের রিমিক্স, কিছুটা ফিউশন বলা যেতে পারে হয়তো। ‘বলে দেনা প্রাণ সখি’ আমার খুবই পছন্দের একটা ফোক গান।

পবিত্র কোরআনের আলো-নবী লুত (আ.) ও তাঁর সীমা লঙ্ঘনকারী সম্প্রদায়ের কাহিনী

৮. ফাআখাযাতহুমুর্ রাজফাতু ফাআসবাহূ ফী রাবি্বহিম জা-ছিমীন।৭৯. ফাতাওয়াল্লা- আ'নহুম ওয়া ক্বা-লা ইয়া-ক্বাওমি লাক্বাদ আবলাগতুকুম রিছালাতা রাব্বী ওয়া নাসাহ্তু লাকুম ওয়ালা-কিল্লা তুহিব্বূনা ন্না-সিহীন।
৮০. ওয়া লূত্বান ইয্ ক্বা-লা লিক্বাওমিহী আতা'তূনাল ফাহিশাতা মা- ছাবাক্বাকুম বিহা- মিন আহাদিম্ মিনাল আ'-লামীন।৮১. ইন্নাকুম লাতা'তূনার্ রিজালা শাহ্ওয়াতাম্ মিন দূনিনি্নছায়ি; বাল আনতুম ক্বাওমুম্ মুছরিফূন।

মমতার 'পেট্রল বোমা' এবং জোট রাজনীতির বাধ্যবাধকতা by সুব্রত আচার্য্য

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কংগ্রেস সরকার থেকে সমর্থন প্রত্যাহারের হুমকি দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জাতীয় রাজনীতিতে 'পেট্রল বোমা' ছুড়েছেন। সেই বোমা বিস্ফোরণ কবে হবে, সেটা এখনো অনিশ্চিত। কিন্তু আপাত বোমা ছোড়ায় দেশটির রাজনীতি বেশ সরগরম অবস্থা বিরাজ করছে সন্দেহ নেই। মঙ্গলবার রাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সর্বশেষ হুমকি, 'পেট্রলের দাম এবার বাড়লেই সমর্থন প্রত্যাহার।' অর্থাৎ কেন্দ্রীয় সরকার থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের ১৯ জন নির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং চারজন মনোনীত সংসদ সদস্য সরকার থেকে সমর্থন প্রত্যাহারই করবেন।

সিরিয়ায় বাশার আল-আসাদের শেষরক্ষা হবে কি? by গাজীউল হাসান খান

সিরিয়ার সংগ্রামী জনতার গত সাত মাসের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে একটি রাজনৈতিক সমাধানে পেঁৗছানোর লক্ষ্যে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে রাশিয়ার ভেটো এবং আরব লীগের সীমাহীন প্রচেষ্টার ফলে এ যাত্রায় প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ বেঁচে গেলেও তাঁর শেষরক্ষা হবে কি না তা নিয়ে এখন বিভিন্ন মহল অত্যন্ত উদ্বিগ্ন। কারণ অবিলম্বে রক্তাক্ত সংঘর্ষের অবসান ঘটানোর লক্ষ্যে সিরিয়ার সরকার ২ নভেম্বর আরব লীগের প্রস্তাবিত বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যবস্থা মেনে নিলেও হত্যাকাণ্ড বন্ধ হয়নি। সেদিনও সিরিয়ার সশস্ত্র বাহিনীর হাতে হোমসের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে ২০ জন নিহত হয়েছে, যার মধ্যে ১৩ জন ছিল কারখানার শ্রমিক।

স্মরণ-(রাধারমণ দত্ত : ধামাইল গীত রচয়িতা)

শ্যাম কালিয়ার রূপে আমায় পাগল করল গো...। আনমনে গানের এই চরণটি আওড়াতে অনেককেই দেখেছি। কিন্তু আমরা অনেকেই এই গানের স্রষ্টা যে রাধারমণ দত্ত তা জানি না। রাধারমণ দত্ত লোকান্তর হওয়ার সাল নিয়ে মতভেদ আছে। অধিকাংশ গবেষকের মতে, তাঁর মৃত্যু তারিখ ২৬ কার্তিক, ১৩২২ বাংলা সন। সাধক কবি রাধারমণ দত্ত তাঁর জীবদ্দশায় সহস্রাধিক গীতিকবিতা (গান) লিখেছেন। লিখেছেন কয়েক শ ধামাইল গান। ধামাইল এমন এক গান, যা সমবেত নারীকণ্ঠে বিয়ের অনুষ্ঠানে গীত হয়। বিশেষত সিলেট অঞ্চলে একসময় এর প্রচলন খুব বেশি ছিল।

রঙ্গব্যঙ্গ-গোলাম আযমের কাল্পনিক সাক্ষাৎকার by মোস্তফা কামাল

কাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য জামায়াতের সাবেক আমির গোলাম আযমকে গ্রেপ্তারের সুপারিশ করেছে তদন্ত কমিটি। একসময় গোলাম আযমের বিচারের জন্য গণ-আদালত গঠন করা হয়েছিল। সেই আদালতে তাঁর ফাঁসির আদেশও হয়েছিল। প্রতীকী সেই আদেশে গণমানুষের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটেছিল। এখন আবার গোলাম আযম আলোচনায়। তাঁর কয়েকজন সহকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারপ্রক্রিয়া চলছে। গোলাম আযমের গ্রেপ্তার নিয়ে অনেক দিন ধরেই আলোচনা শোনা যাচ্ছে।

বৃত্তের ভেতরে বৃত্ত-বিষাক্রান্ত মানবদেহ : মনুষ্যসৃষ্ট বিপদ by দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু

দারিদ্র্যপীড়িত বাংলাদেশে জনস্বাস্থ্যসংক্রান্ত সুখকর সংবাদ বলতে গেলে খুব কম মেলে। জনস্বাস্থ্যের ব্যাপারে নানা রকম উদ্বেগজনক সংবাদ দারিদ্র্যপীড়িত জনগোষ্ঠীর জন্য উৎকণ্ঠার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল ও নানা দিকে পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীর বিড়ম্বনা এমনিতেই অন্তহীন। এর মধ্যে এসব নেতিবাচক সংবাদ আরো বেশি ব্যতিব্যস্ত করে তোলে। সাম্প্রতিক একটি গবেষণা প্রতিবেদনে জনস্বাস্থ্যসংক্রান্ত এমন কিছু সংবাদ জানা গেল, যা পিছিয়ে থাকা কিংবা দারিদ্র্যপীড়িতদের জন্য তো বটেই, দেশের জন্যও অধিকতর দুঃসংবাদ। বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে এই দুঃসংবাদ উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার মাত্রা বহু গুণ বাড়িয়ে দেওয়াটাই স্বাভাবিক।

উন্নয়ন-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতা by এ এম এম শওকত আলী

রকারি নীতি-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতার কুফল বহুবিধ। অর্থের অপচয় ছাড়াও অন্য সমস্যা হলো, যে উদ্দেশ্যে উন্নয়নমূলক নীতি বা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় তা বাস্তবায়নে দেরি হলে জনগণও যথাসময়ে সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়। দীর্ঘসূত্রতার জন্য উন্নয়নমূলক প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধি পায়। এর মধ্যে উন্নয়ন সহযোগীদের অর্থের সংস্থান থাকলে পরবর্তী পর্যায়ে এই সহযোগীরা পরবর্তী বছর অর্থের জোগান হ্রাস করে। অর্থের সময়মতো ব্যবহারে বাংলাদেশের অক্ষমতা রয়েছে বলে যুক্তি প্রদর্শন করে। দীর্ঘসূত্রতার একটা বড় কারণ হিসেবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ-প্রক্রিয়ায় লাল ফিতার দৌরাত্ম্যকে প্রধান অন্তরায় হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

নবজাতকের চিকিৎসা-নিশ্চিত করতে হবে দ্রুততম সময়ে

হাসপাতালের বিশেষায়িত ও সংরক্ষিত কক্ষের রোগীদের প্রতি অধিকতর নজর দিতে হয় চিকিৎসাকেন্দ্রকে। বিশেষ করে রোগী যদি হয় শিশু, তাহলে সেখানে যত্নে ত্রুটি থাকার কোনো সুযোগ নেই। পরিবেশও থাকতে হয় চিকিৎসার অনুকূলে। কিন্তু কালের কণ্ঠের একটি প্রতিবেদনে হাসপাতালগুলোর শিশু চিকিৎসাক্ষেত্রে দুরবস্থার যে বর্ণনা দেওয়া হয়েছে, তাকে হতাশাজনক বলতে হবে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে চিকিৎসায় অবহেলা। রাজধানীর স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ, শিশু হাসপাতাল, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালসহ বেশ কিছু হাসপাতালের তথ্য উপস্থাপিত হয়েছে সেই প্রতিবেদনে। একটি হাসপাতালকেও শিশু চিকিৎসার জন্য যুগের উপযোগী বলার সুযোগ নেই।

সার্ক শীর্ষ সম্মেলন-আদ্দু ঘোষণার পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন চাই

সার্ক শীর্ষ সম্মেলন শেষ হয়েছে। মালদ্বীপের আদ্দুতে অনুষ্ঠিত সম্মেলন শেষে ২০ দফা 'আদ্দু ঘোষণা' প্রদান করা হয়েছে। এতে দক্ষিণ এশিয়ার জনগণের কল্যাণে সাফটার দ্রুত বাস্তবায়ন, রেল ও সড়কপথে যোগাযোগ বাড়ানো এবং নতুন নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা, সন্ত্রাস নির্মূল, পর্যবেক্ষকদের সংলাপে অংশীদার করার বিষয় বিবেচনা, দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ ও জ্বালানি খাতে সহযোগিতা, গণমাধ্যমের ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতাসহ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এ ছাড়া সার্ক দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা চারটি চুক্তি সই করেছেন। সেগুলোর মধ্যে আছে পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণসংক্রান্ত দুটি চুক্তি, সার্ক বীজভাণ্ডার গঠন এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে দ্রুত সহযোগিতা করার বিষয়টি।

৯ দিন পর আজ লেনদেন শুরু

টানা ৯ দিন বন্ধ থাকার পর আজ থেকে দেশের উভয় শেয়ারবাজারে আবারও লেনদেন শুরু হচ্ছে। সর্বশেষ ৩ নভেম্বর ডিএসইতে গত ৩৪ মাসেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বনিম্ন লেনদেন হওয়ায় কিছুটা হলেও উদ্বিগ্ন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। তবে শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্ট ও বিশ্লেষকরা বলছেন, ঈদের আগে বিনিয়োগকারীদের উপস্থিতি কম থাকায় ওই লেনদেন ছিল স্বাভাবিক। ঈদের ছুটি শেষে সব বিনিয়োগকারী না ফেরায় চলতি সপ্তাহেও খুব বেশি লেনদেন বাড়ার সম্ভাবনা নেই বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে লেনদেন না বাড়লে তা নিয়ে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশ্লেষকরা। আগামী সপ্তাহ থেকে শেয়ারবাজারে লেনদেন বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিচ হ্যাচারির দুই কর্মকর্তাকে ২০ লাখ টাকা জরিমানা-শেয়ার আত্মসাৎ

সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের শেয়ার আত্মসাৎ করার দায়ে বিচ হ্যাচারির কোম্পানি সচিব নূর ইসলামকে ১৫ লাখ ও কম্পিউটার অপারেটর মোঃ আবদুল আলিমকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় গত সেপ্টেম্বরে এ জরিমানা করা হয়েছে বলে এসইসি সূত্র জানিয়েছে। সম্প্রতি এ জরিমানার তথ্য প্রকাশ করেছে এসইসি। তবে তারা কেউই জরিমানার অর্থ পরিশোধ করেননি।

বিচ হ্যাচারির দুই কর্মকর্তাকে ২০ লাখ টাকা জরিমানা-শেয়ার আত্মসাৎ

সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের শেয়ার আত্মসাৎ করার দায়ে বিচ হ্যাচারির কোম্পানি সচিব নূর ইসলামকে ১৫ লাখ ও কম্পিউটার অপারেটর মোঃ আবদুল আলিমকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় গত সেপ্টেম্বরে এ জরিমানা করা হয়েছে বলে এসইসি সূত্র জানিয়েছে। সম্প্রতি এ জরিমানার তথ্য প্রকাশ করেছে এসইসি। তবে তারা কেউই জরিমানার অর্থ পরিশোধ করেননি।

চামড়া ব্যবসায়ীদের আন্দোলনের হুমকি-ট্যানারি মালিকরা চামড়া কেনা শুরু করছেন আজ by আবু হেনা মুহিব

রাজধানী থেকে সংগৃহীত এ বছরের কোরবানির পশুর চামড়া ট্যানারি মালিকদের কাছে বিক্রি শুরু হচ্ছে আজ। পর্যায়ক্রমে আগামী সপ্তাহের মধ্যে সারাদেশ থেকে সংগৃহীত চামড়া ট্যানার্সদের কাছে বিক্রি করবেন কাঁচা চামড়া ব্যবসায়ীরা। দর নিয়ে বিভিন্ন বিতর্ক থাকলেও শেষ পর্যন্ত ন্যায্য দর পাবেন বলে আশা করছেন আড়তদার ব্যবসায়ীরা। তবে ট্যানারি মালিকদের কাছে প্রকৃত দর না পেলে এ নিয়ে আন্দোলনে যাওয়ার কথা বলেছেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক হাজি দেলোয়ার হোসেন।

আর্জেন্টিনার হতাশা

বার্সেলোনার মেসি এবং আকাশি-নীল জার্সির মেসি এক নয়_ তা যেন আরও একবার প্রমাণিত হলো। বার্সেলোনার জার্সিতে মেসি সফল আর আর্জেন্টিনার জার্সিতে ব্যর্থ_ এবারও এর ব্যতিক্রম হয়নি। আর এতেই বলিভিয়ার বিপক্ষে নিজেদের মাঠে আবারও পয়েন্ট ভাগাভাগি করতে হলো আর্জেন্টিনাকে। গত জুলাইয়ে কোপা আমেরিকায় নিজেদের মাঠে বলিভিয়ার সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেছিল। গত শুক্রবার বিশ্বকাপ বাছাইয়েও সেই বলিভিয়াই আর্জেন্টিনাকে হতাশায় ডুবিয়েছে। এবারও আর্জেন্টিনাকে জয় পেতে দেয়নি বলিভিয়া।

ব্রাজিলের টিকিট পেল না উত্তর কোরিয়া

তাসখন্দের পাখতাকোর মার্কাজি স্টেডিয়ামে উল্লাসের ঢেউ। ৪৯ মিনিটে উত্তর কোরিয়ার জালে তিমুর কাপাডজের গোলের পর সে ঢেউ ছড়িয়ে পড়েছে পুরো উজবেকিস্তান জুড়ে; কিন্তু ওই সময় পিয়ং ইয়ংয়ের কী অবস্থা? হতাশায় মুষড়ে পড়া এক নগরী যেন! ২০১০ দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপে যারা দোর্দণ্ড প্রতাপে খেলেছিল, তাদের ২০১৪ ব্রাজিল বিশ্বকাপ বাছাইয়ের মূল পর্বে যাওয়ার আগেই বিদায়। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে এশিয়া অঞ্চলের তৃতীয় রাউন্ডে শুক্রবার রাতে উজবেকিস্তানের তাসখন্দে স্বাগতিকদের কাছে তিমুরের একমাত্র গোলে হেরেছে উত্তর কোরিয়া।

বাংলাদেশ চ্যালেঞ্জ নিয়েছে

রাস্তার ওপাশের বিল্ডিংটার গায়ে এখনও খালি গায়ে ব্যাট-বল হাতে সাকিব, তামিম আর মাশরাফির পোস্টারটা জ্বলজ্বল করছে। মিরপুর স্টেডিয়ামের প্রধান ফটকে ঢোকার মুখেই একটি কোমল পানীয়র ওই বিজ্ঞাপন বোর্ডটি সাত মাস আগের বিশ্বকাপ মহাযজ্ঞের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। এর নিচেই রাস্তার মাঝখানে ডিভাইডারে নতুন করে সালমা-শুকতারাদের বোর্ড বসানো হয়েছে। পথচলতি মানুষকে মনে করিয়ে দেওয়া হচ্ছে_ আরও একটি মহাআসর হতে যাচ্ছে মিরপুরে। মুশফিক-সাকিবদের মতোই বড় বড় সব পোস্টার লেগেছে মিরপুরে। স্টেডিয়ামের ভেতরও মুশফিকদের ব্যবহৃত ড্রেসিংরুম ছেড়ে দেওয়া হয়েছে সালমাদের জন্য।

মিতব্যয়ী জীবনযাপনে অভ্যস্ত হোন by ড. মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান

মিতব্যয়ী হওয়া ইসলামি জীবনাদর্শের অনুপম শিক্ষা ও বিশেষ গুণ। ইসলামের দৃষ্টিতে মিতব্যয়িতা হচ্ছে ব্যয়ের ক্ষেত্রে মধ্যম বা মাঝামাঝি পন্থা অবলম্বন করা। কোনো কাজ ও কথায় সীমা অতিক্রম, বাড়াবাড়ি ও মাত্রাতিরিক্ত কিছু না করা মিতাচার। শৃঙ্খলাপূর্ণ নিয়মতান্ত্রিক দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় মধ্যমপন্থা অনুসরণ করাই ইসলামের নির্দেশ। অপচয় ও অপব্যয় মানুষের মন্দ স্বভাবের অন্তর্ভুক্ত। অপচয় হচ্ছে বৈধ কাজে প্রয়োজনের অতিরিক্ত ব্যয় করা, যাকে আরবিতে ‘ইস্রাফ’ বলে। আর অপব্যয় হচ্ছে অবৈধ কাজে ব্যয় করা, যাকে আরবিতে ‘তাব্যীর’ বলে। সুতরাং, অপচয় ও অপব্যয় না করে তা মানবকল্যাণে যথাসাধ্য ব্যয় করাই হচ্ছে প্রকৃত মানুষের কাজ। আল্লাহ তাআলা মুমিন মুসলমানের গুণাবলি বর্ণনা প্রসঙ্গে পবিত্র কোরআনে ইরশাদ করেছেন, ‘আর যখন তারা ব্যয় করে তখন তারা অপব্যয় করে না, কৃপণতাও করে না এবং তারা আছে এ দুয়ের মধ্যে মধ্যমপন্থায়।’ (সূরা আল-ফুরকান, আয়াত-৬৭)
ইসলাম প্রয়োজনের অতিরিক্ত অপব্যয় করাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে এবং আল্লাহভীরু মানুষকে তার নিজের ক্ষমতার মধ্যে ব্যয় সীমিত রাখার নির্দেশ দিয়েছে। অপাত্রে বিনা প্রয়োজনে অপরিমিত ব্যয় ক্ষতি ছাড়া কোনো কল্যাণ বয়ে আনতে পারে না; বরং বাহুল্য ব্যয়ে সাধারণত গর্ব, অহংকার, আত্মপ্রসাদের প্রদর্শনী হওয়ায় এ ধরনের অনৈতিক ত্রুটি সমাজের লোকজনের কাছে গোপন থাকে না। অপচয়কারীরা দোষী এ কারণে যে তারা নিজের অপ্রয়োজনে ব্যয় করছে, অথচ নিঃস্ব ও বিপদগ্রস্ত মানুষের প্রয়োজন মেটাতে সহায়তা করছে না। মানুষ তখনই মানুষ হয়, যখন সে অন্য মানুষের দুঃখ-কষ্টে সহানুভূতি দেখায়, বিপদে-আপদে সহায়তা করে।
দেশের ও আপামর জনসাধারণের সার্বিক কল্যাণের জন্য ধনসম্পদ ব্যয় করা উত্তম। তবে দেশ ও জাতির ক্ষতিকর ও অনিষ্টকর, যেমন—সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, বোমাবাজি, আত্মঘাতী হামলা প্রভৃতি ধ্বংসাত্মক কাজে ধনসম্পদ বা টাকাপয়সা ব্যয় করা ইসলাম অনুমোদন করে না। আল্লাহর অবাধ্যতার কাজে ব্যয় করা অপব্যয়, যদি তা একটি পয়সাও হয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘হে আদম সন্তান! তুমি যদি তোমার প্রয়োজনের অতিরিক্ত অর্থ আল্লাহর অভাবী বান্দাদের দারিদ্র্য বিমোচনে ও দীন ইসলামের কাজে খরচ করো, তাহলে এটি তোমাদের জন্য উত্তম।’ (তিরমিজি)
আল্লাহর খাঁটি বান্দা হতে হলে অপব্যয় ও অপচয় পরিহার করে মধ্যমপন্থা অবলম্বন তথা মিতাচারের পথ অনুসরণ করতে হবে। আজ যে অপচয়কারী-বিলাসী, কাল সে ভিখারি-পরমুখাপেক্ষী। পিতৃসম্পদে সম্পদশালী ব্যক্তি যেমন বেহিসেবি জীবনাচারের মাধ্যমে স্বল্প সময়ের ব্যবধানে দারিদ্র্যে পর্যবসিত হয়, তেমনি প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধশালী দেশও অপরিণামদর্শী ভোগ-বিলাসিতার কারণে দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র থেকে বেরিয়ে আসতে পারে না। ব্যয় করার ক্ষেত্রে মধ্যমপন্থা অবলম্বন করা মানুষের বুদ্ধিমত্তার পরিচায়ক। মহানবী (সা.) বাণী প্রদান করেছেন, ‘যে ব্যক্তি মিতব্যয়িতা অবলম্বন করে, আল্লাহ তাকে ধনী বানিয়ে দেবেন, আর যে ব্যক্তি বাহুল্য খরচ করবে, আল্লাহ তাকে গরিব বানিয়ে দেবেন।’ (কানজুল উম্মাল)
মিতব্যয়িতা এমন একটি সৌন্দর্য, যা মুমিনের জীবনের প্রতিটি কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত। এর মধ্যেই নিহিত রয়েছে আল্লাহর সন্তুষ্টি। তাই নবীপ্রেমিক হতে হলে অপচয় ও অপব্যয় করা যাবে না এবং ব্যয়ের ক্ষেত্রে মধ্যস্থতা ও সমতা বজায় রাখতে হবে। তাহলে সমাজ থেকে চরম ক্ষুধা, দারিদ্র্য, অভাব-অনটন ও বেকারত্ব অনেকাংশে কমে যাবে এবং পরবর্তী বংশধরেরা সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যে জীবন যাপন করতে পারবে। জীবনের প্রতিটি কাজে মিতাচার অবলম্বন ও বাহুল্য পরিহার করতে দিকনির্দেশনা দিয়ে পবিত্র কোরআনে অপচয় সম্পর্কে সুস্পষ্ট ঘোষণা করা হয়েছে, ‘আর তোমরা আহার করবে ও পান করবে, কিন্তু অপচয় করবে না; নিশ্চয়ই তিনি অপচয়কারীদের ভালোবাসেন না।’ (সূরা আল-আরাফ, আয়াত-৩১)
বর্তমান সমাজে যেসব ভয়ানক কৃত্রিম সংকট ও বাস্তব জীবন সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে, তা প্রকৃতপক্ষে মানুষের দ্বারাই সৃষ্ট এবং তার বেশির ভাগই অপচয় ও অপব্যয়ের কারণে। প্রাত্যহিক জীবনে বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস প্রভৃতি নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর ঘাটতির জন্য দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দুর্দশাগ্রস্ত মানুষ নিতান্ত দুঃখ-কষ্টের মধ্যে কালাতিপাত করছে। অহেতুক অজু-গোসলের নামে পানির অপচয় অনেকেই করে। অথচ মহানবী (সা.) নদীতে বসে অজু করলেও তা অপচয় করতে নিষেধ করেছেন।
সরকারি অফিস-আদালতে লাইট, ফ্যান, কাগজ-কলম, যানবাহন, কাঁচামালের ব্যবহারে অপচয় হয় বেশি। কেননা, ব্যবহারকারীকে এসবের ব্যয় বহন করতে হয় না। নগরজীবনে গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি ও অন্যান্য দ্রব্যের অপচয় গৃহভৃত্যদের দ্বারাই বেশি হয়। আর বিত্তবানেরা লাখ লাখ টাকা অপব্যয়ে বিলাসবহুল গাড়ি-বাড়ি ও শীতাতপ-নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র ব্যবহার করে; নিত্যনতুন পোশাকে ব্যয়বহুল সামাজিক অনুষ্ঠানে আলোকসজ্জা করে; প্রচুর পরিমাণে খাদ্যদ্রব্য অপচয় করে। অন্যদিকে তাদের বাড়ির আশপাশে গেটের সামনে, রাস্তাঘাটে, ফুটপাতে অসহায় লোকেরা অনাহারে-অর্ধাহারে দিন কাটায়; ছেঁড়া কাপড়ে জড়াজড়ি করে রাত্রি যাপন করে। ধর্মপ্রাণ লোকেরা যদি ইসলামের শিক্ষা অনুযায়ী অহেতুক অপব্যয় ও অপচয় রোধ করে মিতব্যয়ী জীবনযাপনে অভ্যস্ত হয়, তাহলে অনেক জটিল সমস্যা, খাদ্যপানীয় ও জ্বালানি-সংকট অনায়াসে দূরীভূত হতে পারে। পাশাপাশি নিজেদের মধ্যে নৈতিকতা ও মানবতাবোধ জাগাতে পারলে সমাজ থেকে চরম দারিদ্র্য, হতাশা ও নৈরাশ্য অনেকটা লোপ পাবে। অতএব, সব খাতে খরচ করার ক্ষেত্রে ব্যয়-সংকোচন করে মিতব্যয়ী হওয়ার অনুশীলন করা একান্ত প্রয়োজন। তাই ধর্মপ্রাণ মানুষের আত্মোপলব্ধি করা উচিত যে তার উপার্জন যেমন বৈধ হতে হবে, তেমনি আয়-ব্যয়ের মধ্যে সামঞ্জস্য রক্ষা করে দুর্নীতিমুক্ত জীবনযাপনে মিতব্যয়িতা অবলম্বন করা অবশ্যই শ্রেয়।
ড. মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান: বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক ও কলাম লেখক।
dr.munimkhan@yahoo.com

ঐশ্বরিয়ার কন্যা সন্তান চান তসলিমা

সাবেক বিশ্বসুন্দরী বলিউড তারকা ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের কন্যা সন্তান কামনা করেছেন বাংলাদেশি বিশিষ্ট লেখিকা তসলিমা নাসরিন।সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট টুইটারে দেওয়া এক বার্তায় তিনি লেখেন, 'আমি ঐশ্বরিয়া রাইকে ভালোবাসি। কিন্তু যখন আমি ঐশ্বরিয়ার কন্যা সন্তান কামনা করেছি, তখন মানুষ আমাকে জিজ্ঞেস করছে, আমি কেন ঐশ্বরিয়াকে ঘৃণা করি?'

এশিয়ার শেয়ারবাজারে বড় ধরনের দরপতন

রাজনৈতিক অনিশ্চয়তায় বিশ্ববাজার থেকে ইতালির ঋণ গ্রহণের ব্যয় বেড়ে যাওয়ার নেতিবাচক প্রভাবটা আগের দিন আমেরিকার শেয়ারবাজারে পড়েছিল। আর গতকাল তা বিস্তৃত হলো এশিয়ার শেয়ারবাজারে।
ইতালির বন্ডের সুদের হার বেড়ে যাওয়ার মধ্য দিয়েই দেশটির ঋণ নেওয়ার ব্যয় বৃদ্ধি প্রতিফলিত হয়েছে। এতে করে ইউরোপের অভিন্ন মুদ্রা ইউরো নিয়ে উদ্বেগের মাত্রাও বেড়ে গেছে।
এখন যদি ইতালি ১০ বছর মেয়াদি বন্ড ছেড়ে বিশ্ববাজার থেকে ঋণ নিতে চায়, তাহলে এই ঋণের জন্য দেশটিকে বার্ষিক ৭ শতাংশের বেশি হারে সুদ গুনতে হবে।
এ ৭ শতাংশ হারকে বিপজ্জনক পর্যায় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। গ্রিস, পর্তুগাল ও আয়ারল্যান্ডকেও তাদের বন্ডের সুদের হার এ পর্যায়ে উপনীত হওয়ার পর সাহায্যের জন্য হাত পাততে হয়েছিল।
গতকাল এশিয়ার প্রধান শেয়ারবাজারগুলোয় বড় ধরনের দরপতন হয়েছে। ব্যতিক্রম ছিল ব্যাংকক।
এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জন্য প্রতিনিধিত্বমূলক নির্দেশিকা হিসেবে খ্যাত এএসসিআই মূল্যসূচক (জাপান বাদ রেখে) সাড়ে ৩ শতাংশ পড়ে গেছে।
গতকাল টোকিও স্টক এক্সচেঞ্জের নিক্কি সূচক কমেছে ২ দশমিক ৯০ শতাংশ। তবে এশিয়ার বড় বাজারগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় পতন হয়েছে হংকংয়ে। সেখানকার হ্যাংসেং সূচক কমেছে সোয়া ৫ শতাংশ। হংকংয়ের শেয়ারবাজারকেই ইউরোপের অর্থনীতির সঙ্গে সবচেয়ে বেশি সম্পৃক্ত বলে বিবেচনা করা হয়।
এ ছাড়া সিউলের কসপি সূচক সাড়ে ৪ শতাংশ, সাংহাইয়ের সমন্বিত সূচক ১ দশমিক ৮০ শতাংশ, সিঙ্গাপুরের এসটি সূচক ২ দশমিক ৫ শতাংশ এবং সিডনির এসপি সূচক ২ দশমিক ৩৫ শতাংশ হারে কমেছে।
শেয়ারবাজারের নিম্নমুখী প্রবণতার বিপরীতে বিনিয়োগকারীরা আবারও স্বর্ণের দিকে ঝুঁকে পড়তে শুরু করেছেন।
এদিকে গতকালই খবর এসেছে যে বৈশ্বিক চাহিদা কমে যাওয়ার প্রভাবে অক্টোবর মাসে চীনের রপ্তানি আয় কমে গিয়েছে। যদিও গত বছরের অক্টোবরের তুলনায় এ বছর অক্টোবর মাসে চীনের পণ্য রপ্তানি প্রায় ১৬ শতাংশ বেড়েছে। তবে এ বছরের আগস্ট ও সেপ্টেম্বরের তুলনায় অক্টোবর মাসে চীনের রপ্তানি কমেছে যথাক্রমে সাড়ে ২৪ শতাংশ ও ১৭ দশমিক ৯০ শতাংশ।
অবশ্য একই সময়ে চীনের আমদানি বেড়েছে ২৮ দশমিক ৭০ শতাংশ। এর ফলে অক্টোবর মাসে চীনের বাণিজ্য উদ্বৃত্ত দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৭০০ কোটি ডলার।

পাকিস্তানে সহিংসতায় ছয়জন নিহত

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের উপজাতি-অধ্যুষিত এলাকায় গতকাল বৃহস্পতিবার ইসলামপন্থী জঙ্গি ও সরকারপন্থী স্থানীয় শান্তি কমিটির সদস্যদের সংঘর্ষে অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। স্থানীয়কর্মকর্তারা এ কথা জানান।
আফগানিস্তানের সীমান্ত-সংলগ্ন পাকিস্তানের ওই এলাকায় সরকারি বাহিনী ও পাকিস্তানি তালেবানের সঙ্গে সম্পৃক্ত জঙ্গিদের লড়াইয়ে ভয়াবহ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন করে আতঙ্ক দেখা দেওয়ায় গত মাসে ওই এলাকা থেকে ১৮ হাজারের বেশি মানুষ অন্যত্র পালিয়ে গেছে।
স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা রেহান গুল খাত্তাক বলেছেন, সংঘর্ষে নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে চারজন সরকারপন্থী স্থানীয় শান্তি কমিটির সদস্য ও দুজন জঙ্গি।

শাস্তির বিপক্ষে বাটের আপিল

স্পট ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার অপরাধে ৩০ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন লন্ডনের সাউথওয়ার্ক ক্রাউন আদালত, এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছেন সালমান বাট। বাটের আপিল করার কথা নিশ্চিত করেছেন তাঁর আইনজীবী ইয়াসিন প্যাটেল। তবে বাটের আপিল শুধু শাস্তি কমানোর জন্যই, পুরো রায়ের বিরুদ্ধে নয়।
গত বছর লর্ডস টেস্টে স্পট ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার অপরাধে পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক বাট ছাড়াও লন্ডনের আদালত মোহাম্মদ আসিফ ও মোহাম্মদ আমির এবং বাজিকর মাজহার মাজিদকে ১২, ৬ এবং ৩২ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন। তবে তিন ক্রিকেটার শাস্তির অর্ধেক ভোগ করার পরই শর্ত সাপেক্ষে ছাড়া পাবেন। শর্ত ভাঙলে আবারও জেলে যেতে হবে তাঁদের।

সাদি গাদ্দাফিকে আশ্রয় দিয়েছে নাইজার

লিবিয়ার প্রয়াত নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফির ছেলে সাদি গাদ্দাফিকে আশ্রয় দিয়েছে নাইজার। দক্ষিণ আফ্রিকায় দুই দিনের সফর শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে শুক্রবার নাইজারের প্রেসিডেন্ট মাহমাদু ইউসুফ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন, মানবিক কারণে মুয়াম্মার গাদ্দাফির ছেলে সাদি গাদ্দাফির আশ্রয় অনুমোদন করা হয়েছে। তবে গাদ্দাফির অন্য পলাতক ছেলে সাইফ আল ইসলামের অবস্থান সম্পর্কে তিনি কিছুই জানেন না। সাউথ আফ্রিকান প্রেস অ্যাসোসিয়েশন (এসএপিএ) নাইজারের প্রেসিডেন্টের এ স্বীকারোক্তি প্রকাশ করে। খবর : গার্ডিয়ান, রয়টার্স, টেলিগ্রাফ।

অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং লজ্জাজনক: ক্লার্ক

কেপটাউন টেস্টের প্রথম ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকাকে মাত্র ৯৬ রানে গুটিয়ে দিয়ে ১৮৮ রানে এগিয়ে গিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসে অভিষিক্ত প্রোটিয়া পেসার ফিলান্ডার, ডেল স্টেইন ও মরনে মরকেলের দুর্দান্ত বোলিংয়ে স্কোরবোর্ডে মাত্র ৪৭ রান জমা করতে পেরেছে অসি ব্যাটসম্যানরা। ব্যাট হাতে চরম হতাশাজনক এই পারফরমেন্সকে খুবই লজ্জাজনক বলে আখ্যায়িত করেছেন মাইকেল ক্লার্ক। প্রথম ইনিংসে ১৫১ রানের চমত্কার এক অধিনায়কোচিত ইনিংস খেলার পর গতকাল দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র দুই রানেই সাজঘরে ফিরেছেন এই অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক।
গতকাল কেপটাউন টেস্টের দ্বিতীয় দিনে মাত্র ২১ রানেই নয় উইকেট হারিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। শেষ উইকেটে নাথান লিওন ও পিটার সিডল ২৬টি রান যোগ না করলে হয়তো টেস্ট ক্রিকেটে সর্বনিম্ন স্কোরের লজ্জাও নিতে হত সফরকারীদের। দিন শেষে সংবাদ সম্মেলনে মাইকেল ক্লার্ক বলেছেন, ‘প্রথম সাত ব্যাটসম্যানকেই এর পুরো দায় নিতে হবে। যেভাবে আমরা ব্যাট করেছি, তা মোটেই ভালো ছিল না। আমাদের পুরো পারফরমেন্সটাই খুব লজ্জাজনক। মাত্র ৪৭ রানে অলআউট হওয়ার পেছনে কোনো অজুহাতও দেওয়া যেতে পারে না। আমি আমার ক্যারিয়ারে এ ধরনের দিন কখনো কাটাইনি। আশা করছি আর কখনো কাটাতেও হবে না।’ দক্ষিণ আফ্রিকান বোলারদের কিছুটা কৃতিত্ব স্বীকার করলেও নিজেরও কড়া সমালোচনা করেছেন ক্লার্ক। বলেছেন, ‘দলের অধিনায়ক হিসেবে, আর বিশেষত প্রথম ইনিংসে শতরান করার পর দ্বিতীয় ইনিংসে আমার নিজের বাজে পারফরমেন্সেরও সমালোচনা করা উচিত। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলাররা খুবই ভালো বোলিং করেছে। কিন্তু তার পরও এটা কখনোই মেনে নেওয়া যায় না।’
অস্ট্রেলিয়াকে ৪৭ রানে অলআউটের লজ্জায় ডোবানোর পর ব্যাট হাতেও শুরুটা ভালোভাবেই করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। মাত্র এক উইকেট হারিয়েই সংগ্রহ করেছে ৮১ রান। এখন আজ তৃতীয় দিনে জয়ের জন্য ১৫৫ রান দরকার স্বাগতিকদের। তবে তার পরও জয়ের আশা ছেড়ে দিচ্ছেন না ক্লার্ক। তিনি বলেছেন, ‘আমরা যে এখনো এই টেস্টটা জিততে পারি, তাতে আমার কোন সন্দেহ নেই। বোলারদেরকে খুবই নির্দিষ্ট এলাকা ধরে বল করে যেতে হবে। পিচের কোনো পরিবর্তন হয়নি। কাজেই এখনো আমরা তাদের কাজটা অনেক কঠিন করে তুলতে পারি।

ভেস্তে যেতে পারে ফিলিস্তিনের পূর্ণ সদস্যপদের আবেদন

ফিলিস্তিনের পূর্ণ সদস্যপদের আবেদনের বিষয়ে মতৈক্যে পেঁৗছতে ব্যর্থ হয়েছে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অ্যাডমিশন কমিটি। সাত সপ্তাহের বৈঠকের পর গত শুক্রবার এ বিষয়ে কমিটি তাদের প্রতিবেদন চূড়ান্ত করে। মতৈক্য না হওয়ায় কোনো সুপারিশও করেনি কমিটি। এতে ফিলিস্তিনের সদস্যপদ পাওয়ার সম্ভাবনা আরও ক্ষীণ হয়ে গেল বলে ধারণা করা হচ্ছে। খবর রয়টার্স, সিএনএন, গার্ডিয়ান ও বিবিসি অনলাইনের।অ্যাডমিশন কমিটিতে কোনো সুরাহা না হওয়ায় ফিলিস্তিনের আবেদনটি এখন নিরাপত্তা পরিষদে চলে যাবে।

গ্রিসের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন লুকাস পাপাডেমোস

ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট লুকাস পাপাডেমোস গ্রিসের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন। দেশটির আধা রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা এথেন্স নিউজ এজেন্সি (এএনএ) গতকাল বৃহস্পতিবার এ কথা জানায়।
এএনএর এক প্রতিবেদনে ৬৪ বছর বয়সী পাপাডেমোসকে অন্তর্বর্তী সরকারের ‘নতুন প্রধানমন্ত্রী’ বলে উল্লেখ করে তাঁর জীবনী প্রকাশ করা হয়। তিনি বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী জর্জ পাপান্দ্রুর স্থলাভিষিক্ত হবেন।
পাপাডেমোস গতকাল সকালে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে যান। সেখানে দেশটির প্রধান দুই দলের নেতারা অন্তর্বর্তী সরকার গঠন নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রেসিডেন্ট ক্যারোলোস পাপৌলিয়াসের নেতৃত্বে নতুন অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের ব্যাপারে এই আলোচনা চলছে।
ঋণসংকট কাটাতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে সহায়তা প্যাকেজ পেতে এসব সংস্থার শর্ত অনুযায়ী ব্যয়সংকোচন নীতি গ্রহণ করে গ্রিস। বিষয়টি নিয়ে দেশটিতে অস্থিরতা শুরু হয়। এরপর দেশটিতে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের তোড়জোড় শুরু হয়। গ্রিসের প্রেসিডেন্ট কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন সরকার আজ দুপুরে শপথ নিতে পারে।

পাকিস্তানে সহিংসতায় ছয়জন নিহত

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের উপজাতি-অধ্যুষিত এলাকায় গতকাল বৃহস্পতিবার ইসলামপন্থী জঙ্গি ও সরকারপন্থী স্থানীয় শান্তি কমিটির সদস্যদের সংঘর্ষে অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। স্থানীয়কর্মকর্তারা এ কথা জানান।
আফগানিস্তানের সীমান্ত-সংলগ্ন পাকিস্তানের ওই এলাকায় সরকারি বাহিনী ও পাকিস্তানি তালেবানের সঙ্গে সম্পৃক্ত জঙ্গিদের লড়াইয়ে ভয়াবহ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন করে আতঙ্ক দেখা দেওয়ায় গত মাসে ওই এলাকা থেকে ১৮ হাজারের বেশি মানুষ অন্যত্র পালিয়ে গেছে।
স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা রেহান গুল খাত্তাক বলেছেন, সংঘর্ষে নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে চারজন সরকারপন্থী স্থানীয় শান্তি কমিটির সদস্য ও দুজন জঙ্গি।

কংগ্রেস-তৃণমূল কংগ্রেস জোটে দেখা দিয়েছে দ্বন্দ্ব

পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে এবার কেন্দ্রীয় ইউপিএ জোটের দুই প্রধান শরিক কংগ্রেস ও তৃণমূল কংগ্রেসের শরিকি দ্বন্দ্ব তীব্র হয়ে উঠেছে। ৩ নভেম্বর ভারতের ক্ষমতাসীন কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইউপিএ জোট সরকার শরিকদের সঙ্গে কোনো আলোচনা না করে একতরফাভাবে পেট্রলের মূল্য লিটারপ্রতি ১.৮২ পয়সা বাড়িয়ে দিলে তীব্র প্রতিবাদ জানান তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রতিবাদ জানিয়েই তিনি ক্ষান্ত হননি, হুমকিও দেন বর্তমান ইউপিএ সরকার থেকে প্রয়োজনে ইস্তফা দেওয়ার।
এই নিয়ে গত মঙ্গলবার তৃণমূলের সাংসদেরা দেখা করেন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে। প্রধানমন্ত্রী তখন জানিয়ে দেন, বর্ধিত পেট্রলের দাম কমানো সম্ভব নয়। এর পরই মমতা কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী প্রণব মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে কলকাতায় এক বৈঠকের পর জানিয়ে দেন, ভবিষ্যতে যদি ইউপিএ জোট সরকার পেট্রল, ডিজেল বা গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি করে, তবে তৃণমূল কংগ্রেস ইউপিএ সরকার থেকে বেরিয়ে আসবে।
মমতার এই হুমকিতে পাল্টা জবাব দিয়েছেন কংগ্রেসের সাংসদ অধীর চৌধুরী। বলেছেন, ‘পারলে সমর্থন তুলে নিক না তৃণমূল? আমরা তো কাউকে বেঁধে রাখিনি। এতে কেন্দ্রীয় সরকারের কোনো ক্ষতি হবে না।’ অধীর চৌধুরী বলেন, ‘আসলে এটা তৃণমূলের চাপ বাড়ানোর কৌশল। কেন্দ্রের কাছ থেকে তৃণমূল কিছু পাওয়ার জন্যই তৃণমূল এমন সব কথা বলছে।’
কংগ্রেসের আরেক সাংসদ দীপা দাসমুন্সী বুধবার বলেছেন, ‘তৃণমূল কেন্দ্রীয় সরকার থেকে বেরিয়ে এলেও সরকার পড়বে না। কিন্তু এরপর কী করে তৃণমূল রাজ্য সরকার চালায়, তা আমরা দেখব। তৃণমূলের সরকার ছাড়ার হুমকি এলে কেন্দ্রের কাছ থেকে আর্থিক প্যাকেজ আদায় করার অস্ত্র ছাড়া আর কিছু নয়। উনি কেন্দ্রীয় সরকারকে যতটা চাপ দেবেন, আমরাও ততটা চাপে রাখব রাজ্য সরকারকে।’

নিউইয়র্ক থেকে ওয়াশিংটন পদযাত্রা শুরু

যুক্তরাষ্ট্রের ‘ওয়াল স্ট্রিট দখল করো’ আন্দোলনে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। আন্দোলনকারীদের একটি দল নিউইয়র্ক থেকে ওয়াশিংটন ডিসি পর্যন্ত দীর্ঘ পদযাত্রা শুরু করেছে।
গত বুধবার দুপুরে ২২ জনের একটি দল জুকোটি পার্ক ত্যাগ করে। দলটি প্রতিদিন ২০ মাইল করে হেঁটে ২৩ নভেম্বর ওয়াশিংটন ডিসিতে পৌঁছাবে। নিউ জার্সি, পেনসিলভানিয়া, ডেলওয়ার ও মেরিল্যান্ডের ভেতর দিয়ে ২৪০ মাইল পথ পাড়ি দেবেন আন্দোলনকারীরা।
নিউজার্সি পৌঁছার সময় পদযাত্রা ঘিরে কড়া পুলিশ পাহারা ছিল লক্ষণীয়। আন্দোলনকারীরা নেচে-গেয়ে, থেমে থেমে স্লোগান দিয়ে নিউজার্সির মহাসড়ক ধরে এগোতে থাকেন। এ সময় তাঁদের হাতে ছিল যুক্তরাষ্ট্রের পতাকা। পদযাত্রা অগ্রসর হওয়ার সময় অনেককে গাড়ি থামিয়ে, ভেঁপু বাজিয়ে পদযাত্রার প্রতি সমর্থন জানাতে দেখা যায়।
‘আমরাই ৯৯ শতাংশ’, ‘এক শতাংশ ধনীরাই লোভী’—এ ধরনের স্লোগান দিতে দিতে আন্দোলনকারীরা এলিজাবেথ শহরে গিয়ে পৌঁছান। স্থানীয় অনেকেই পদযাত্রা দলটিকে শুকনো খাবার, সাবান, শ্যাম্পু, তাঁবু দিয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। সন্ধ্যার পর এলিজাবেথ শহরে সমবেত আন্দোলনকারীরা থেমে থেমে বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দেন।
পদযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের কাছে রয়েছে বহনযোগ্য সোলার প্যানেল। সেটি ব্যবহার করে তাঁরা ল্যাপটপ ও স্মার্টফোন চার্জ করছেন। সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে পদযাত্রার সর্বশেষ অবস্থা জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
এই পদযাত্রার কোনো নেতা বা মুখপাত্র নেই। পদযাত্রায় যোগদানকারী কেলি ব্রানন জানান, রাজধানী অভিমুখে দীর্ঘ পদযাত্রা কর্মসূচিতে পথে পথে আরও বহু মানুষ যোগ দেবেন।
২৩ নভেম্বর ওয়াশিংটন ডিসিতে প্রতিবাদ সমাবেশ করার কথা আন্দোলনকারীদের। ওই দিন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশের দেওয়া বিত্তশালীদের কর মওকুফের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার কথা। মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর আবারও এর মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এর প্রতিবাদে ২৩ নভেম্বরকে লক্ষ্য করে পদযাত্রা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক থেকে ওয়াল স্ট্রিট দখল করো আন্দোলন শুরু হয়েছে। নিউইয়র্কের বাণিজ্যকেন্দ্র ওয়াল স্ট্রিটের কাছাকাছি জুকোটি পার্কে দিন-রাত অবস্থান করছেন আন্দোলনকারীরা। দল ও নেতাবিহীন এ আন্দোলনে সামাজিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে সাধারণ জনতার সম্মিলিত ক্ষোভ ক্রমেই সোচ্চার হয়ে উঠছে।

নেপালে লরি খাদে পড়ে ১৮ তীর্থযাত্রী নিহত

নেপালের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে গতকাল বৃহস্পতিবার সড়ক দুর্ঘটনায় দুই শিশুসহ অন্তত ১৮ জন প্রাণ হারিয়েছে। পুলিশ জানায়, তীর্থযাত্রী বোঝাই একটি লরি সড়কের পাশের খাদে পড়ে গেলে ওই দুর্ঘটনা ঘটে।
হিন্দুধর্মাবলম্বী প্রায় ৪০ জন তীর্থযাত্রী নিয়ে লরিটি ভারত সীমান্তসংলগ্ন নেপালের দক্ষিণাঞ্চলীয় তরাই অঞ্চলে কোশি নদীর তীরে বরাহচিত্র মন্দিরে যাচ্ছিল। পথে চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে ওই দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশের ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল সুরেন্দ্র বাহাদুর জানান, ১০ বছরের এক বালক ও ১৪ বছরের এক কিশোরীসহ ১৬ জন মহিলা ও দুজন পুরুষ এতে প্রাণ হারায়।

ইসরায়েলের সাবেক প্রেসিডেন্টের আপিল খারিজ

ইসরায়েলের সাবেক প্রেসিডেন্ট মোসে কাতসাভের বিরুদ্ধে সাত বছরের কারদণ্ড বহাল রেখেছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। গত মার্চে দেশটির নিম্ন আদালত ধর্ষণের দায়ে কাতসাভকে সাত বছর কারাদণ্ড দেন। এর বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করেন কাতসাভ।
ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর রেডিওতে এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সাবেক প্রেসিডেন্ট কাতসাভের আপিল গতকাল বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্ট খারিজ করে দিয়েছেন। সুপ্রিম কোর্টের তিনজন বিচারক সর্বসম্মতিক্রমে কাতসাভের বিরুদ্ধে নিম্ন আদালতের রায় বহাল রাখেন।
দুই নারীকে ধর্ষণ, অধস্তন নারীকর্মীদের যৌন হয়রানি ও বিচারকের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ৬৫ বছর বয়সী কাতসাভকে গত বছরের ডিসেম্বরে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। ১৮ মাসের বিচার শেষে তাঁকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এই রায়ের বিরুদ্ধে তিনি আপিল করেন। কয়েক দিনের মধ্যে তাঁর সাজার মেয়াদ শুরু হবে।

কাসাবের মৃত্যুদণ্ড চায় পাকিস্তান

সন্ত্রাসী’ আজমল কাসাবের মৃত্যুদণ্ড দাবি করে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রেহমান মালিক গতকাল বৃহস্পতিবার বলেছেন, বিচার বিভাগীয় কমিশনের প্রস্তাবিত ভারত সফর ২৬/১১ হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিচারকাজ ত্বরান্বিত করতে সহায়তা করবে।
রেহমান মালিক মালদ্বীপের আদ্দুতে ভারতীয় সাংবাদিকদের বলেন, আজমল কাসাব সন্ত্রাসী। তাঁকে ফাঁসিতে ঝোলানো উচিত।
মালিক বলেন, পাকিস্তান সরকার বিচার বিভাগীয় কমিশনের ভারত সফর এবং কিছু প্রমাণ পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছে। তিনি বলেন, যদি ‘বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ’ পাওয়া যায়, তাহলে সেটা পাকিস্তানে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিচারকাজে সহায়তা করবে।
পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ওই কমিশন ভারতে যাবে। পাকিস্তানে বিচার-প্রক্রিয়ার জন্য কমিশনের পাওয়া তথ্য গুরুত্বপূর্ণ।’
বিচারকাজ কখন শেষ হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে রেহমান মালিক বলেন, যত শিগগির প্রতিবেদন আসবে, তত দ্রুত বিচার-প্রক্রিয়া শুরু হবে। তবে বিচার-প্রক্রিয়া কত দিন চলবে, তা বলার সময় এখনো আসেনি।
সন্ত্রাসী তালিকা থেকে কেন জামাত-উদ-দাওয়ার নাম বাদ দেওয়া হয়েছে? এ প্রশ্নের জবাবে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘তথ্য-প্রমাণ নয় এবং তাদের সন্ত্রাসী তালিকায় রাখার জন্য সুনির্দিষ্ট আইনি প্রমাণ প্রয়োজন।’
জামাত-উদ-দাওয়ার প্রতিষ্ঠাতা হাফিজ সাঈদের জামিন প্রসঙ্গে রেহমান মালিক বলেন, পাকিস্তানের সর্বোচ্চ আদালত তাঁকে জামিন দিয়েছেন। এ ব্যাপারে সরকার কোনো কিছু করতে পারে না। ২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বর ভারতের মুম্বাইয়ে সন্ত্রাসী হামলার মামলায় পাকিস্তানি জঙ্গি আজমল আমির কাসাবকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

তুরস্কে আবারও ভূমিকম্প, সাতজন নিহত

তুরস্কের পূর্বাঞ্চলের ভন শহরে গত বুধবার আবারও ভূমিকম্প হয়েছে। এতে সাতজন নিহত হয়েছে। ধসে পড়েছে অন্তত ২৫টি ভবন। ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েছে বহু মানুষ। মাত্র তিন সপ্তাহ আগে একই এলাকায় ভূমিকম্পের আঘাতে ছয় শতাধিক মানুষ নিহত হয়।
ইস্তাম্বুলভিত্তিক কানদিলি অবজারভেটরির তথ্য অনুযায়ী, বুধবার গ্রিনিচ মান সময় সন্ধ্যা সাতটা ২৩ মিনিটে ৫ দশমিক ৬ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভন শহর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে এনদ্রিমিত এলাকায়।
টেলিভিশনে সম্প্রচার করা চিত্রে দেখা গেছে, ভন শহরের বাসিন্দারা আতঙ্কিত হয়ে রাস্তায় ছোটাছুটি করছে। আহত ব্যক্তিদের অ্যাম্বুলেন্সে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে হাসপাতালে। ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। তবে কতজন আটকা পড়েছে, এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, এ সংখ্যা শতাধিক হবে। ইতিমধ্যে ২৩ জনকে জীবিত উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। উদ্ধার তৎপরতায় অন্তত ৩০০ কর্মী যোগ দিয়েছেন।
ঘটনাস্থল থেকে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আহমেত দাভুতাগ্লু বলেছেন, ধসে পড়া ২৫টি ভবনের মধ্যে ২২টিতেই কোনো মানুষ ছিল না। অন্য তিনটি ভবনের দুটি ছিল হোটেল। এই তিনটি ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধারে তৎপরতা চলছে। তবে ভূমিকম্প আঘাত হানার সময় হোটেল দুটিতে কতজন মানুষ ছিল, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
তুরস্কের বেসরকারি টেলিভিশনের খবরে বলা হয়েছে, ধসে পড়া ভবনগুলোর মধ্যে একটি ছয়তলা হোটেল রয়েছে। ওই ভবনে গণমাধ্যমকর্মী ও তুরস্কের রেড ক্রিসেন্ট কর্মীরা থাকতেন।
গত ২৩ অক্টোবর একই এলাকায় ৭ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্পে ছয় শতাধিক মানুষের প্রাণহানি এবং অন্তত চার হাজার ১৫০ জন আহত হয়।

ইরানের পারমাণবিক বোমা তৈরি বন্ধে বিশ্বকে কাজ করতে হবে

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, পরমাণু বোমা তৈরিতে ইরানকে বাধা দিতে বিশ্বকে অবশ্যই কাজ করতে হবে। ইরানের পরমাণু কার্যক্রম সম্পর্কে আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ) এক প্রতিবেদন প্রকাশের পর গতকাল বৃহস্পতিবার তিনি এ কথা বলেন।
গত মঙ্গলবার আইএইএ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, পরমাণু অস্ত্র তৈরির জন্য তেহরান কয়েকটি পরীক্ষা চালিয়েছে। এ ব্যাপারে তাদের কাছে বিশ্বাসযোগ্য তথ্য রয়েছে।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে নেতানিয়াহু বলেন, আইএইএর এই প্রতিবেদন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইরান যাতে পরমাণু বোমা তৈরি করতে না পারে, এ জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে কাজ করতে হবে। কারণ, ইরান পরমাণু বোমার অধিকারী হলে বিশ্বশান্তি ও মধ্যপ্রাচ্য চরম হুমকির মুখে পড়বে। তিনি বলেন, আইএইএর প্রতিবেদনে ইরানের পরমাণু কর্মসূচি সম্পর্কে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় তথা ইসরায়েলের অবস্থান সত্য বলে প্রমাণ হলো।
আগামী মাসে ইরানের পরমাণু স্থাপনায় হামলা!
আগামী মাসেই ইরানের পরমাণু স্থাপনায় হামলা চালাতে পারে ইসরায়েল। যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা নিয়ে এই হামলা চালানো হতে পারে। ব্রিটিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে ডেইলি মেইল এ খবর প্রকাশ করেছে।
জ্যেষ্ঠ ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘আমাদের ধারণা, বড়দিনের আগে বা আগামী বছরের শুরুতেই এই হামলা চালানো হতে পারে।’
ডেইলি মেইল-এর ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ইরানের ওপর হামলায় ইসরায়েলকে সহায়তা দিতে পারেন। আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ইহুদিদের সমর্থন পেতেই তিনি এটা করতে পারেন।
ইরান পরমাণু কর্মসূচি থেকে পিছু হটবে না
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদ গত বুধবার দেশটিতে এক জনসমাবেশে বলেছেন, তাঁরা পরমাণু কর্মসূচি থেকে পিছু হটবেন না।
আইএইএর প্রতিবেদন প্রকাশের পর প্রেসিডেন্ট আহমাদিনেজাদ এই প্রথম প্রতিক্রিয়া জানালেন।
প্রেসিডেন্ট আহমাদিনেজাদ বলেন, ‘চলমান পরমাণু কর্মসূচি থেকে ইরান এক বিন্দুও সরে আসবে না। ইরানের পরমাণু অস্ত্র তৈরির ব্যাপারে আইএইএর প্রকাশিত প্রতিবেদন বিশ্বকে ভুল ধারণা দিচ্ছে।’
আহমাদিনেজাদ আইএইএর কঠোর সমালোচনা করেন। সংস্থাটি যুক্তরাষ্ট্রের চাপেই এ রকম প্রতিবেদন তৈরি করেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মধ্যপ্রাচ্যে একমাত্র ইসরায়েলের পরমাণু অস্ত্র আছে। তবে তা কখনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি। ইসরায়েলসহ পাশ্চাত্য কয়েকটি দেশ দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির জন্য কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। তবে ইরান বারবার এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। তেহরান বলছে, শান্তিপূর্ণভাবে ব্যবহারের জন্য পরমাণু কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে তারা।

সবচেয়ে বেশি ব্যবহূত নাম স্টিভ জবস

২০১১ সালে ইংরেজি ভাষার সংবাদমাধ্যমে সবচেয়ে বেশি ব্যবহূত নাম অ্যাপলের সহপ্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবস। গত বুধবার প্রকাশিত টেক্সাস-ভিত্তিক গ্লোবাল ল্যাংগুয়েজ মনিটরের বিশ্বব্যাপী এক জরিপের ফলাফলে এ তথ্য জানা যায়।
জরিপের ফল অনুযায়ী সবচেয়ে বেশি ব্যবহূত শব্দ যুগল হলো ‘আরব বসন্ত’ ও ‘রাজকীয় বিয়ে’। সবচেয়ে বেশি ব্যবহূত একক শব্দের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে ‘দখল’ (অকুপাই) ও ‘ঘাটতি’ (ডেফিসিট)।
এ ব্যাপারে গ্লোবাল ল্যাংগুয়েজ মনিটরের প্রেসিডেন্ট পল জে জে পায়াক বলেন, ‘এ বছর আমাদের এই জরিপের ফলাফলে বিশ্বব্যাপী চলমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার ব্যাপক প্রতিফলন ঘটেছে। উন্নত বিশ্বের বেশির ভাগ দেশে এই অনিশ্চয়তার বিরূপ প্রভাব পড়েছে।’
নিউইয়র্কে ‘ওয়াল স্ট্রিট দখল করো’ আন্দোলন শুরু হওয়ার পর ইংরেজি ভাষার সংবাদমাধ্যমে ‘দখল’ শব্দটি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের দেশগুলোতে অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের সূত্র ধরে ‘ঘাটতি’ শব্দটিও সংবাদমাধ্যমে অন্যতম বহুল ব্যবহূত শব্দ হিসেবে স্থান করে নেয়।
ইংরেজি ভাষার সংবাদমাধ্যমে ব্যবহূত ব্যক্তির নামের ক্ষেত্রে স্টিভ জবসের নাম প্রয়াত আল-কায়েদা নেতা ওসামা বিন লাদেনের নামকে টপকে যায়। সংবাদ মাধ্যমে লাদেনের চেয়ে ৩০ শতাংশ বেশি ব্যবহূত হয়েছে স্টিভ জবসের নাম। গত অক্টোবরে ৫৬ বছর বয়সে স্টিভ জবস মারা যান। ওসামা বিন লাদেন নিহত হন এ বছরের ১ মে।

ভবিষ্যতে দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় ‘নতুন অধ্যায়ের’ সূচনা হবে

ভারত ও পাকিস্তানের দুই প্রধানমন্ত্রী ভবিষ্যতে দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় ‘নতুন অধ্যায়ের’ সূচনা করার ব্যাপারে প্রত্যাশী। গতকাল বৃহস্পতিবার মালদ্বীপের আদ্দু শহরে এক বৈঠকের পর দুই প্রধানমন্ত্রী এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সার্ক শীর্ষ সম্মেলন উপলক্ষে তাঁরা সে দেশ সফরে রয়েছেন।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইউসুফ রাজা গিলানি উভয়েই বলেন, দুই দেশের সম্পর্কে প্রায়ই যে টানাপোড়েন দেখা দেয়, এখন সে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। তবে তাঁদের পরবর্তী বৈঠকের বিষয়ে কোনো দিন-তারিখ দেওয়ার ব্যাপারে তাঁর অস্বীকৃতি জানান।
মনমোহন সিং সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের দুই দেশের ইতিহাসে নতুন অধ্যায় লেখার সময় এসেছে।’ তিনি বলেন, ‘পরবর্তী দফার আমাদের আলোচনা আরও বেশি ফলপ্রসূ হবে। দুই দেশের পরস্পর আরও ঘনিষ্ঠ হওয়ার ক্ষেত্রে সে আলোচনা হবে আরও বেশি বাস্তবসম্মত।’
ইউসুফ রাজা গিলানি বলেন, ‘আলোচনার বিষয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী সব সময় খোলামেলা। তাঁর মধ্যে লুকোছাপা বলে কিছু নেই। পরবর্তী দফায় যে আলোচনা হবে, তা দুই দেশের ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।’
সার্ক সম্মেলনে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি দুই নেতার এই আলোচনার ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু জানাননি তাঁরা।
তবে গিলানি বলেন, এক ঘণ্টার এ বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে তাঁদের। এমনকি বিরোধপূর্ণ কাশ্মীর নিয়েও আলোচনা হয়েছে। সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম-অধ্যুষিত কাশ্মীরের একটি অংশ ভারতে এবং অন্য অংশ পাকিস্তানে।
মনমোহন সিং অবশ্য বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক জোরদারে কিছু ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে এ ব্যাপারে আরও পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
১৯৪৭ সালে স্বাধীনতা লাভ করার পর এ পর্যন্ত দুই দেশের মধ্যে তিনবার যুদ্ধ হয়েছে। সে বৈরিতা এখন আর নেই বলে বর্ণনা করেছেন দুই দেশের নেতারা। তাঁরা বলেন, দুই দেশের আন্তসীমান্ত পরিস্থিতির বেশ উন্নতি হয়েছে। তবে তাঁদের শান্তি-প্রক্রিয়ায় প্রধান দুই অন্তরায় কাশ্মীর নিয়ে বিরোধ ও পাকিস্তানভিত্তিক সন্ত্রাসবাদ সমস্যার কোনো সমাধান হয়নি।
এর আগে বেশ কয়েকবার পাক-ভারত শান্তি-প্রক্রিয়ার উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা মাঝপথে থেমে গেছে। ২০০৮ সালে মুম্বাইয়ে সন্ত্রাসী হামলার জের ধরে দুই দেশের সম্পর্কের অবনতি ঘটে। স্থগিত হয়ে যায় শান্তি আলোচনা। এ বছর ফেব্রুয়ারিতে নতুন করে পাক-ভারত শান্তি আলোচনা শুরু হলেও তা বেশিদূর এগোয়নি। তবে এ আলোচনার ফলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যে অগ্রগতি হয়েছে।

স্পট ফিক্সিং থেকে সবার শিক্ষা নেওয়া উচিত-বললেন আকরাম

ম্যাচ পাতানোর ব্যাপারে পাকিস্তানিদেরই কেন সব সময় সন্দেহ করা হয়? কেবল পাকিস্তানিরাই দোষী?'_প্রশ্ন ওয়াসিম আকরামের। তার পরও যেহেতু সালমান বাট, মোহাম্মদ আসিফ ও মোহাম্মদ আমেরের বিরুদ্ধে সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে, তাঁদের শাস্তিটা প্রাপ্য বলেই মনে করেন সাবেক এ ফাস্ট বোলার। কিন্তু 'এই তিন পাকিস্তানিই বা কেন এই বিষপাত্র হাতে তুলে নিতে গেল'_আকরাম উপেক্ষা করতে পারছেন না এ প্রশ্নটাও।

সেরা চারে থাকলেই দেশে আরেকটি বিশ্বকাপ!

জ বাদে কালই পর্দা উঠছে মহিলা বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের। এতে আয়োজনের পাশাপাশি দলীয় সাফল্যও যদি এক মোহনায় মিশে যায়, তাহলে আরেকটি বিশ্বকাপ আয়োজনের সুযোগও মিলে যেতে পারে বাংলাদেশের! সেটি ২০১৩ সালে ভারতে অনুষ্ঠেয় মহিলা বিশ্বকাপের মূল পর্বের সহ-আয়োজক হওয়ার সুযোগ। সে জন্য শর্ত একটাই, এ বাছাই পর্বের সেরা চারটি দলের একটি হয়ে যেতে হবে মূল পর্বে।

আসাদের পতন ‘অনিবার্য’: যুক্তরাষ্ট্র

মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেফরি ফেল্টম্যান বলেছেন, সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের পতন ‘অনিবার্য’। এদিকে আরব বিশ্বের কয়েকটি দেশের নেতা ব্যক্তিগতভাবে যুক্তরাষ্ট্রকে জানিয়েছেন, তাঁরা প্রেসিডেন্ট আসাদকে পদত্যাগের পর রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন।
নিকট প্রাচ্যবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেফরি ফেল্টম্যান গত বুধবার মার্কিন সিনেটের পররাষ্ট্রবিষয়ক কমিটির সদস্যদের এ কথা জানান। সিরিয়ায় গত বুধবারও বিক্ষোভে সেনাবাহিনীর গুলিতে আটজন গণতন্ত্রকামী নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে আরও ২৫ জন।
ফেল্টম্যান বলেন, ‘আরব বিশ্বের প্রায় সব নেতা ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। তাঁরাও আমার সঙ্গে একমত যে প্রেসিডেন্ট আসাদের সময় শেষ হয়ে আসছে। সিরিয়ায় পরিবর্তন ও প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ অনিবার্য।’ তিনি বলেন, আরব বিশ্বের কয়েকটি দেশ প্রেসিডেন্ট আসাদকে রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়ার জন্য ইতিমধ্যে প্রস্তাব দিয়েছে। প্রেসিডেন্ট আসাদকে দ্রুত ও শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা ছাড়তে উদ্বুদ্ধ করতেই আরব নেতারা এ প্রস্তাব দেন।
যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের কাছে সিরিয়া চিঠি দেওয়ার পর সিনেট প্যানেলকে এসব কথা জানান ফেল্টম্যান। সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়ালিদ মুয়াল্লেমের পাঠানো ওই চিঠিতে অভিযোগ করা হয়, ওয়াশিংটন সিরিয়া ও এর জনগণের বিরুদ্ধে সশস্ত্র অস্ত্রধারী পক্ষগুলোকে উদ্বুদ্ধ করে যাচ্ছে।
সিরিয়ার ওপর জাতিসংঘের অবরোধ আরোপের ব্যাপারে বিশ্বনেতারা একমত হতে পারছেন না। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য চীন ও রাশিয়া সিরিয়ার ওপর অবরোধ আরোপে এখন পর্যন্ত বিরোধিতা করে আসছে। এদিকে ইউরোপীয় ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক গত বুধবার সিরিয়া সরকারকে কোনো ধরনের তহবিল না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সিরিয়ায় মার্চের মাঝামাঝি সময় থেকে প্রেসিডেন্ট আসাদের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ চলছে। এ বিক্ষোভ দমনে সেনাবাহিনী ব্যবহার করছে সরকার। জাতিসংঘের তথ্যমতে, সেনাবাহিনীর গুলিতে এ পর্যন্ত সাড়ে তিন হাজার মানুষ নিহত হয়েছে। দিনের পর দিন বিক্ষোভকারীদের হতাহতের সংখ্যা বেড়ে যাওয়া এবং পাশ্চাত্য অবরোধ সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত পদত্যাগের কোনো ইঙ্গিত দেননি প্রেসিডেন্ট আসাদ। তবে ২ নভেম্বর আরব লিগের পরিকল্পনা অনুযায়ী একটি রোডম্যাপে স্বাক্ষর করে সিরিয়া সরকার। এতে বিরোধীদের সঙ্গে আলোচনায় বসা, উত্তেজনাপূর্ণ শহরগুলো থেকে সেনা প্রত্যাহার এবং রাজবন্দীদের ছেড়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।
তবে এ প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালাচ্ছে সিরিয়ার সেনাবাহিনী। একটি মানবাধিকার সংগঠন জানিয়েছে, গত বুধবার সেনাদের গুলিতে অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছে। জাতিসংঘের তথ্যমতে, ২ নভেম্বর আরব লিগের পরিকল্পনা অনুযায়ী একটি রোডম্যাপে স্বাক্ষর করলেও এরপর গত মঙ্গলবার পর্যন্ত সেনাবাহিনীর গুলিতে অন্তত ৬০ জন নিহত হয়েছে।
সিরিয়া সরকারের মতে, এ রক্তপাতের জন্য ‘সন্ত্রাসী’ ও ইসলামের নামে জঙ্গিবাদ সৃষ্টিকারীরাই দায়ী। আর এ সন্ত্রাসীরা দেশের বাইরে থেকে নানাভাবে সহযোগিতা পেয়ে আসছে।

পাত্রপাত্রীর পেছনে গোয়েন্দাগিরি!

বিয়ের আগে পাত্র বা পাত্রীর সম্পর্কে খোঁজ নিতে ভারতে বেসরকারি গোয়েন্দাদের কাছে যাওয়ার প্রবণতা বাড়ছে। পাত্র বা পাত্রীর চরিত্র, যৌন সম্পর্কের তথ্য এবং আর্থিক ও পারিবারিক অবস্থার খুঁটিনাটি জানতে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সাহায্য চাওয়া হচ্ছে।ভারতে ইন্টারনেটের ব্যবহার সহজলভ্য হওয়ায় ভিন্ন ভিন্ন প্রান্তের নারী-পুরুষের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ছে। অনলাইন যোগাযোগের মাধ্যমে বিয়ের ঘটনাও বাড়ছে। তবে এ ধরনের বিয়েতে পরিবারের উদ্যোগ বা সংশ্লিষ্টতা খুব একটা থাকে না। মূলত এ কারণেই বিয়ের আগে পছন্দের পাত্র বা পাত্রীর সম্পর্কে ভালো করে জেনে নিতে চান পরিবারের সদস্যরা।

মেক্সিকোয় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ নিহত ৮

মেক্সিকোতে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফ্রান্সিসকো ব্লাকে মোরাসহ আটজন নিহত হয়েছেন।রাজধানীমেক্সিকো সিটির দক্ষিণে পার্বত্য এলাকায় গত শুক্রবার এ দুর্ঘটনা ঘটে। শক্তিশালী মাদকচক্রের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ছিলেন মোরা।দুর্ঘটনার পর সরকারের মুখপাত্র আলেজান্দ্রা সোতা টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে বলেন, 'দুর্ভাগ্যবশত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, তাঁর সব সফরসঙ্গী ও হেলিকপ্টারের ক্রুদের মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে।

চীনকে চোখ রাঙাতে অস্ট্রেলিয়ায় সামরিক ঘাঁটি গাড়ছে যুক্তরাষ্ট্র

স্ট্রেলিয়ার ডারউইনে স্থায়ী সামরিক ঘাঁটি গাড়ার চিন্তা করছে যুক্তরাষ্ট্র। আগামী সপ্তাহে অস্ট্রেলিয়া সফরকালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এ বিষয়ে ঘোষণা দিতে পারেন। টেলিগ্রাফ ও সিডনি মর্নিং হেরাল্ড পত্রিকা গত শুক্রবার এ খবর দিয়েছে। এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চীনের সরব উপস্থিতির পাল্টা জবাব হিসেবে এ উদ্যোগ নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।সিডনি মর্নিং হেরাল্ড জানায়, কয়েক বছর ধরেই প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকায় যুক্তরাষ্ট্র সেনা উপস্থিতি জোরদার করার পরিকল্পনা করছে। এ বিষয়টি বিবেচনায় এনেই ডারউইনে স্থায়ী ঘাঁটি করার ব্যাপারে অস্ট্রেলিয়া ইতিবাচক সাড়া দেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নাইজারের আশ্রয়ে সাদি গাদ্দাফি-ত্রিপোলিতে মিলিশিয়াদের সংঘর্ষে নিহত ২

লিবিয়ার সাবেক নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফির ছেলে সাদিকে রাজনৈতিক আশ্রয় দিয়েছে নাইজার। নাইজারের প্রেসিডেন্ট মাহমাদু ইউসুফের বরাত দিয়ে গত শুক্রবার দক্ষিণ আফ্রিকার সংবাদমাধ্যমগুলো এ খবর জানায়।দক্ষিণ আফ্রিকায় দুই দিনের সফর শেষে শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে ইউসুফ বলেন, মানবিক কারণে সাদি গাদ্দাফিকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। সাদিসহ যাঁরা তাঁর সঙ্গে লিবিয়া ছেড়ে নাইজারে পালিয়েছেন, তাঁদের শরণার্থীর মর্যাদা দেওয়া হবে।

আরব লিগে সিরিয়ার সদস্যপদ স্থগিত-১৬ নভেম্বর থেকে সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে

সিরিয়ার সদস্যপদ স্থগিত করেছে আরব লিগ। চলমান সহিংসতা বন্ধে প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ সংস্থার প্রস্তাবিত শর্তে রাজি না হওয়া পর্যন্ত এ স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে। সিরিয়ার বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথাও জানিয়েছে সংস্থাটি। এ ছাড়া দামেস্ক থেকে আরব দেশগুলোর রাষ্ট্রদূতদের প্রত্যাহারের হুমকিও দিয়েছে তারা।

কলকাতায় মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র উৎসব by সুব্রত আচার্য্য,

লকাতায় সপ্তদশ আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের মধ্যেই বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বিশেষ একটি চলচ্চিত্র উৎসবের ঘোষণা আসতে চলেছে। উৎসবের শেষ দিন ১৭ নভেম্বর এ ঘোষণা দিতে পারে রাজ্য সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর।সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল সূত্রে যানা যায়, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট, মুক্তিযুদ্ধের পূর্ব ও পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে নির্মিত পাঁচটি ছবি নিয়ে এই চলচ্চিত্র উৎসবের আয়োজন করা হবে। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে পরাস্ত করে 'বাংলাদেশ' নামের একটি স্বাধীন দেশের অভ্যুদয়ের ডিসেম্বর মাসে।

পাখি-গানের পাখি এশীয় তেলশালিক by সীমান্ত দীপু

বাংলাদেশে শালিক খুবই পরিচিত একটি পাখি। শালিক চেনেন না এমন মানুষ এ দেশে পাওয়া যাবে না। শহর-গ্রামে সব স্থানেই পাখিটির উপস্থিতি। ঘর থেকে বের হলেই গো-শালিক আর ভাত-শালিকের আনাগোনা চোখে পড়ে। বর্ষায় বাড়ির আশপাশের প্রায় সব গাছে দেখা যায় শালিকের বাসা।এ দুই জাতের শালিকের ভিড়ে অন্য জাতের শালিকের খোঁজ হয়তো আমরা কেউই রাখি না। খয়রালেজ কাঠশালিক, ঝুঁটি শালিক, গাঙ শালিক এই তিনটি প্রজাতিও আমাদের দেশে বেশ ভালো অবস্থায় আছে। গত বছর আমাদের সুন্দরবন থেকে শালিক পরিবারে একটি নতুন নাম যোগ হয়েছে। এর নাম বেগুনি পিঠ শালিক।

ইভা হত্যাকাণ্ড : জাকির পাঁচ দিনের রিমান্ডে-খুনির ফাঁসি চান ইভার মা by রাব্বী রহমান

মার মেয়েকে ওই খুনি জাকির যেভাবে মেরেছে, আমি সেভাবে তার মৃত্যু দেখতে চাই। ও আমার নিষ্পাপ, অবুঝ ও মাসুম সন্তানের চোখে গরম পানি ঢেলেছে, তাকে ধর্ষণ করেছে। আমি নিজের চোখে ওই শয়তানটার ফাঁসি দেখতে চাই। এই শূন্য বুক কেউ আর পূরণ করতে পারবে না। হাহাকার আজীবন বয়ে বেড়াতে হবে। কিন্তু এর পরও ঘাতক যদি শাস্তি পায়, তবে কিছুটা হলেও নিজেকে বোঝাতে পারব। মেয়ের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে অন্তত এইটুকু বলতে পারব_মা রে, তোর খুনি সাজা পেয়েছে।'

প্রাথমিক ও এবতেদায়ির ফলও গ্রেডিং পদ্ধতিতে-পরীক্ষার্থী ২৬ লাখ, শুরু ২৩ নভেম্বর by অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য

প্রাথমিক বিদ্যালয় ও এবতেদায়ি মাদ্রাসার সমাপনী পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আগামী ২৩ নভেম্বর। ইতিমধ্যে রুটিন ঘোষণা করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এ বছর বিদ্যালয় থেকে অংশ নিচ্ছে ২৩ লাখ ১৬ হাজার ৮৪২ জন পরীক্ষার্থী। আর মাদ্রাসা থেকে অংশ নিচ্ছে তিন লাখ ২০ হাজার ৯৮১ জন ছাত্রছাত্রী। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিসংখ্যানে এ তথ্য বেরিয়ে এসেছে।সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, চলতি বছর থেকে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার ফল গ্রেডিং পদ্ধতিতে প্রকাশ করা হবে। আর এর মধ্য দিয়ে দেশের পরীক্ষা পদ্ধতির ফল থেকে প্রথম বিভাগ, দ্বিতীয় বিভাগ ও তৃতীয় বিভাগ উঠে গেল। বিদ্যালয় ও মাদ্রাসা মিলে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২৬ লাখ ৩৭ হাজার ৮২৩।

দাবায় মকাদ্দেসের আরেকটি তামাশা by শাহজাহান কবির

পমহাদেশের প্রথম গ্র্যান্ড মাস্টার হয়ে বাংলাদেশে যে খেলাটাকে অনেক উঁচুতে নিয়ে গিয়েছিলেন নিয়াজ মোর্শেদ, সেই দাবা অঙ্গন এখন তামাশার জায়গায় পরিণত হয়েছে। প্রিমিয়ার লিগের মতো আসর নিয়ে গতকালও ঘটেছে লোক হাসানোর মতো ঘটনা। কাল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বেলা ৩টায় লিগ শুরু হওয়ার কথা, অথচ খেলোয়াড়রা ফেডারেশন ভবনে গিয়ে জানতে পারলেন খেলা হচ্ছে না।

নাটোরে চামড়া কিনে ব্যবসায়ীরা বিপাকে by রেজাউল করিম রেজা,

ত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা কাঁচা চামড়া নিয়ে আসছেন দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম কাঁচা চামড়ার বাজার নাটোরের বেদ্য বেলঘরিয়া এলাকায়। আর লাভের আশায় নাটোরের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা চলতি বাজার দর অনুসারে চামড়া কিনে পড়েছেন বিপাকে। ট্যানারি মালিকরা চামড়ার দর বেঁধে না দেওয়ায় স্থানীয় ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমতো দরে চামড়া কিনছেন। ফলে কাঁচা চামড়া নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় কম দামে চামড়া বেচতে বাধ্য হচ্ছেন তাঁরা।

চামড়া পাচারের আশঙ্কা গৌরনদীতে by মো. গিয়াস উদ্দিন মিয়া,

রিশালের গৌরনদী, আগৈলঝাড়া ও উজিরপুরের চামড়া ব্যবসায়ীরা কোরবানির চামড়া নিয়ে মহাবিপাকে পড়েছেন। চামড়ার চাহিদা না থাকায় ব্যবসায়ীদের সংরক্ষণ ব্যয় বেড়ে গেছে। তাঁদের অভিযোগ, ঢাকার ট্যানারি মালিকদের চামড়া ক্রয়ের অভিনব কৌশলে চরম বিপাকে পড়েছেন তাঁরা। এ সুযোগে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ভারতে চামড়া পাচারের কাজে নেমেছেন।গৌরনদীর টরকী বন্দরের হাওলাদার চামড়ার আড়তের মালিক ফিরোজ হাওলাদারসহ একাধিক ব্যবসায়ী জানান, সারা বছর চামড়া ক্রয়-বিক্রয় করতে গিয়ে প্রতিবছরই অনেক টাকা বকেয়া থাকে ট্যানারি মালিকদের কাছে।

লোকসান দিয়েছেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা-যশোরের রাজারহাটে ১০ কোটি টাকার চামড়া কেনাবেচা by ফখরে আলম,

ক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সবচেয়ে বড় চামড়ার হাট যশোরের রাজারহাটে গতকাল শনিবার প্রায় ১০ কোটি টাকার কোরবানির পশুর চামড়া বিক্রি হয়েছে। তবে গতবারের চেয়ে এবার কম দামে চামড়া বিক্রি হওয়ায় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা লোকসানের মুখে পড়েছেন। এ ছাড়া যেসব এতিমখানা ও মাদ্রাসা কোরবানির পশুর চামড়া বিক্রির টাকার ওপর নির্ভরশীল, সেসব প্রতিষ্ঠানের আয় এবার অনেক কম হয়েছে।যশোর জেলা চামড়া ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন মুকুল জানান, হাটে ৩০ হাজার গরু ও ২৫ হাজার ছাগলের চামড়া বিক্রি হয়েছে। গরুর চামড়া বিক্রি হয়েছে প্রতি ফুট ৭৫ থেকে ৮০ টাকায়। ছাগলের চামড়া বিক্রি হয়েছে ৫৫ থেকে ৬০ টাকায়।

মন্দাভাব কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর আশা by রাশেদুল তুষার

দুল আজহার ৯ দিনের ছুটি শেষে আজ রবিবার আবার লেনদেন শুরু হচ্ছে পুঁজিবাজারে। লেনদেন শুরু হওয়ার আগে আতঙ্কে আছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। বিশেষ করে ঈদ-পূর্ববর্তী সপ্তাহে গত তিন বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন গড় লেনদেনের রেকর্ড হওয়ায় চলতি সপ্তাহের বাজারের আচরণ কেমন হবে, তা নিয়ে শঙ্কিত তাঁরা। তবে হতাশার মধ্যেও তারল্য সংকট কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যাশা করছেন বাজার বিশ্লেষকরা। ব্যাংকগুলোর ডিসেম্বর ক্লোজিংয়ের আগে বাজার পরিস্থিতি ভালো হবে বলে আশা করছেন তাঁরা।

আইনে আছে, প্রয়োগ নেই-'মার্কেট মেকার' হতে পারে শেয়ারবাজারের রক্ষাকবচ by তৌহিদুল ইসলাম মিন্টু

স্টকব্রোকার, বিনিয়োগকারী, অর্থায়নকারী ছাড়াও বিশ্বের বড় বড় শেয়ারবাজারে সেবাদানকারী বিশেষ ধরনের ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। নিউ ইয়র্ক স্টক এঙ্চেঞ্জে এদের বলা হয় স্পেশালিস্ট আর নাসডাকে এরা 'মার্কেট মেকার' হিসেবে পরিচিত। এদের কাজ হলো বাজারে অর্থের প্রবাহ বাড়ানো, যৌক্তিক দামে শেয়ারের মানসম্মত ও প্রতিযোগিতামূলক লেনদেনের মাধ্যমে বাজার স্থিতিশীল রাখা। বাংলাদেশের সিকিউরিটিজ আইনেও 'মার্কেট মেকারের' কথা উল্লেখ রয়েছে। তবে এদের তৈরি করার কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি কখনো। শেয়ারবাজার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মার্কেট মেকাররা হতে পারত অস্থিতিশীল এ বাজারের জন্য রক্ষাকবচ।

টিসিবির তিন হাজার টন চিনি নিয়ে বন্দরে ভিড়েছে জাহাজ by আসিফ সিদ্দিকী,

বশেষে পরিশোধিত চিনি আমদানি শুরু করেছে সরকারি প্রতিষ্ঠান ট্রেডিং করপোরেশন বাংলাদেশ (টিসিবি)। সাড়ে ১২ হাজার টন চিনি আমদানি চুক্তির বিপরীতে প্রথম চালানের তিন হাজার টন চিনি নিয়ে 'চিন শোয়ে ল' জাহাজটি এখন চট্টগ্রাম বন্দরে অবস্থান করছে। ৯ হাজার টন চিনি নিয়ে দ্বিতীয় জাহাজ 'জাল ভাহিনী' আসছে ২৫ নভেম্বর।আগে টিসিবি দেশীয় কারখানা থেকে উৎপাদিত চিনি সংগ্রহ করে ভর্তুকি দিয়ে কমমূল্যে ভোক্তাদের কাছে বিক্রি করত। এবারই প্রথম আমদানীকৃত চিনি দিয়ে দেশের চিনির বাজার স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করছে সরকার। বাজার স্থিতিশীল রাখতে চিনি আমদানির উদ্যোগের নানা কথাবার্তা বলা হলেও এত দিন তা কার্যকর হয়নি।

সিডিএর ডিটি বায়েজীদ সংযোগ সড়ক-১৪ বছরেও নির্মাণকাজ শেষ না হওয়ায় তদন্তে নামছে দুদক by ভুঁইয়া নজরুল,

চার বছরের সড়ক নির্মাণকাজ ১৪ বছরেও শেষ করতে না পারায় চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) বাস্তবায়নাধীন ডিটি বায়েজীদ সংযোগ সড়ক প্রকল্পটি নিয়ে তদন্তে নামছে দুর্নীতি দমন কমিশন। এরই মধ্যে প্রকল্পের অধীনে খরচ হয়েছে ২৮ কোটি টাকা এবং সরকারি কোষাগারে ফেরত গেছে পাঁচ কোটি টাকা। ১৯৯৭ সালে শুরু হওয়ার পর ২০১০ সালের জুন পর্যন্ত চলে এ প্রকল্পের কাজ। এরপর থেকে অর্ধসমাপ্ত এ প্রকল্পের কাজ বন্ধ রয়েছে।

লোকমানের শোকসভায় বক্তারা-আসামিদের ধরা না হলে নরসিংদীবাসী রাজপথে নামবে by সুমন বর্মণ,

রসিংদী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মতিন ভূঞা বলেছেন, 'এমপি সাহেব, আপনি একজন রাজনীতিবিদ। লোকমান হোসেনও ছিলেন রাজনীতিবিদ। তাই লোকমান হত্যার দায়িত্ব আপনার কাঁধে তুলে নিতে হবে। যদি প্রশাসনের কোনো গাফিলতি থাকে তা দূর করতে হবে। আসামিদের ধরুন। তা না হলে নরসিংদীবাসী রাজপথে নামবে। আমরা রাজপথ বন্ধ করতে চাই না। হরতাল দিয়ে মানুষের ভোগান্তি সৃষ্টি করতে চাই না। আমরা লোকমান হত্যার বিচার চাই। তাঁর পরিবারের নিরাপত্তা চাই।'

মহিলা বিশ্বকাপ ক্রিকেট-আয়োজনে প্রস্তুত বাংলাদেশ by সঞ্জয় সাহা পিয়াল

তুলনায় বারবার সাত মাস আগের আইসিসি বিশ্বকাপের কথা এসে যেতে পারে। মনে পড়ে যেতে পারে, টিকিটের জন্য আটচলি্লশ ঘণ্টা আগে থেকে ব্যাংকের সামনে লাইনে দাঁড়ানোর কথা। তাই আগেই বলে রাখা ভালো, আজ বাদে কাল মিরপুরে দশ দলকে নিয়ে যে আসর শুরু হচ্ছে সেটা মহিলা বিশ্বকাপ ক্রিকেটের বাছাই, যেখানে খেলা দেখার জন্য টিকিট কাটার দরকার নেই, সময় করে মিরপুর স্টেডিয়ামের সামনে গেলেই পাস দিয়ে দেওয়া হবে। অর্থ নয়, সমর্থকদের ইচ্ছা আর উপস্থিতিই আশা করছে বিসিবি। 'এটা বিশ্বকাপ নয়, মহিলা বিশ্বকাপের বাছাইপর্ব। বিশ্বকাপের মতো জমকালো আয়োজন হয়তো আমরা করতে পারব না।

ঢাকামুখী মানুষের পথে পথে ভোগান্তি :গলাকাটা ভাড়া by সোহেল মামুন

বারও কর্মচঞ্চল হয়ে উঠল রাজধানী ঢাকা। অফিস-আদালতে কাজের ব্যস্ততা, শিক্ষার্থীদের কোলাহলে মুখর রাজধানীর ক্যাম্পাসগুলো। ঈদ আনন্দ শেষে কর্মস্থলে যোগ দিতে ৮০ ভাগের বেশি মানুষ গতকাল শনিবারের মধ্যে ঢাকায় ফিরেছেন। এবার নাড়ির টানে বাড়ি যাওয়ার মতোই সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে রাজধানীমুখী ফিরতি যাত্রায়। মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, অতিরিক্ত পরিবহনের চাপে ফেরিঘাটে অচলাবস্থা, দূরপাল্লার বাস সংকটসহ নানা ঝক্কি-ঝামেলা মোকাবেলা করে গতকাল শনিবার মানুষ রাজধানীতে ফিরেছেন। ঢাকায় আসার কোনো পরিবহন না পেয়ে ক্ষুব্ধ যাত্রীরা বিকল বাসে আগুন দিয়েছেন_ এমন ঘটনাও ঘটেছে।

সন্ত্রাসীদের ঈদ সফর পুলিশে তোলপাড় by সাহাদাত হোসেন পরশ

দের আগে রাজধানী ঘুরে গেছে পলাতক দুই শীর্ষ সন্ত্রাসী। ভারতে পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমাম হোসেন ও মোহাম্মদ আলী ঈদের আগে সীমান্তপথে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। আলী বিজয়নগরে এক গাড়ি ব্যবসায়ীর সঙ্গে বৈঠক করে নিয়মিত তার শিষ্যদের টাকা দেওয়ার নির্দেশ দিয়ে যায়। মূলত গুলশানে দুই বিশিষ্ট ব্যবসায়ীকে হত্যার টার্গেট নিয়ে তারা রাজধানীতে আসে। ঈদে গরু ব্যবসায়ী সেজে যশোর ও ফেনী দিয়ে তারা সীমান্ত পার হয়। ২ কোটি টাকার চুক্তিতে রাজধানীতে পা রাখে ইমাম হোসেন ও মোহাম্মদ আলী।

দুর্নীতি বাড়ছে নিষ্ক্রিয় দুদক by হকিকত জাহান হকি

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) একটি নিষ্ক্রিয় সংস্থায় পরিণত হয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দুর্নীতি দমনে কোনো কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না দুদক। তাদের অভিযোগ, সরকারের রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং দুদকে সাহসী নেতৃত্বের অভাবেই সংস্থাটির আজ এ পরিণতি। সেনা সমর্থিত বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে দুর্নীতির অভিযোগে সমাজের রাঘববোয়ালদের বিরুদ্ধে দুদক অভিযান চালিয়েছিল। যদিও দুদকের সে সময়কার কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। বর্তমানে আর সেরকম কিছু লক্ষ্য করা যায় না। দুর্নীতিবিরোধী অভিযান না থাকার কারণে সমাজে দুর্নীতি বাড়ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এরই মধ্যে দু'একজন মন্ত্রীর বিরুদ্ধেও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।

শিশু ফকিরের থেরাপি প্রাণ গেল গৃহবধূর-জ্বলন্ত মোমবাতি, ব্লেডে চিকিৎসা! by মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন,

জ্বরের চিকিৎসার জন্য ২০ বছর বয়সী গৃহবধূকে নিয়ে যাওয়া হয় 'পীর' মামা ফকিরের কাছে। পাঁচ বছর বয়সী মামা ফকির শুরু করে 'থেরাপি'। জ্বলন্ত মোমবাতি রোগীর মুখে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। ধারালো ব্লেড ধরে টান দেওয়া হয় দুই হাতের কনুই পর্যন্ত। যন্ত্রণায় গৃহবধূ চিৎকার শুরু করেন। দুই হাত রক্তে রঞ্জিত হয়ে যায়। পীর এবার হাতে তুলে নেয় তেঁতুলগাছের ডাল। শুরু হয় বেদম প্রহার। টানা পাঁচ ঘণ্টা চলে এই থেরাপি। একপর্যায়ে সংজ্ঞা হারান গৃহবধূ। 'যা, বাইত লই যা; সব ঠিক অই যাব' বলে চিকিৎসা শেষ করে পীর। নিজ বাড়িতে দুই দিন অসহ্য যন্ত্রণায় কাটে গৃহবধূর।

৮০ হাজার বাংলাদেশির নীরব কান্না মালদ্বীপে-শেখ হাসিনাও শুনলেন না! by মেহেদী হাসান,

বাড়িত থাইক্যা ছেলে ফোনে কয়-বাবা, তুমি কেমন আছো? আমি বলি, খুব ভালা বাবা, কত সুন্দর দেশ, সাগরের মধ্যে! এরপর সে কয়, আমিও আইসা তোমার সাথে কাজ করমু। আমি উত্তর দেই, জীবনেও আমি তোরে বিদেশে আইতে দিমু না। ছেলে বলে, ভালাই যখন, কেন আইতে দিবা না? আমি কোনো জবান খুঁইজ্যা পাই না।' গতকাল শনিবার সকালে আদ্দুর ইকুয়েটরিয়াল ভিলেজ হোটেলে কালের কণ্ঠকে কথাগুলো বলছিলেন ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার শিবেন চন্দ্র সরকার।বয়স ৫০ পেরোয়নি।

প্রথমবার এমপি হয়েই 'ধরাকে সরা জ্ঞান' by পাভেল হায়দার চৌধুরী

প্রথমবারের মতো নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের কর্মকাণ্ডে বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে নতুন সংসদ সদস্যরাই বেশি জড়াচ্ছেন। আর এতে দল ও সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলে দাবি করেন কেন্দ্রীয় ও তৃণমূলের দায়িত্বশীল নেতারা। ২০০৮ সালের নির্বাচনে পুরনো-নতুনের সম্মিলনে নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি চালুর লক্ষ্যে আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা প্রায় ১০০ নতুন নেতাকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন দেন। তাঁদের বেশির ভাগ বিজয়ী হলেও দলের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছেন বলে সমালোচনা হচ্ছে। তাঁদের জন্য দলের বিব্রতকর অবস্থার কথা গণমাধ্যমে প্রায়ই স্বীকার করছেন জ্যেষ্ঠ নেতারা।

অনুসন্ধান-কেনাকাটায় চুরির ধুম by শফিকুল ইসলাম জুয়েল

কেনাকাটার রসিদে আছে টিউবারসুলিন ইনজেকশনের একটি সিরিঞ্জের দাম এক হাজার ৩৭০ টাকা। দোকানে খোঁজ নিয়ে জানা গেল, সিরিঞ্জটির দাম আসলে মাত্র ১০০ টাকা। একইভাবে জানা গেছে, ২৫ টাকার ডিসপোজেবল হ্যান্ডগ্লাভস কিনে রসিদে দাম দেখানো হয়েছে ৪৪০ টাকা। দুই হাজার ৫০০ টাকা দামের ব্যাকটেরিয়াল পেপটনের প্যাকেট নাকি কেনা হয়েছে ১০ হাজার ৩০০ টাকায়। যে সেমি অটোমেটিক ফিলিং মেশিনের বাজারমূল্য ৯০ হাজার টাকা, তার ক্রয়মূল্য দেখানো হয়েছে চার লাখ ৯৮ হাজার টাকা। ছয় হাজার ৬৫০ টাকা দামের প্রতি লিটার অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোঙ্াইড জেল কিনে দাম দেখানো হয়েছে ১৮ হাজার ৯৫০ টাকা।

নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদঃ বন্ধুবিদায় by হুমায়ূন আহমেদ

৭ বছরের পুরোনো বন্ধু, সুখ ও দুঃখদিনের সঙ্গীকে বিদায় জানিয়েছি। আমাদের বন্ধুত্বকে কেউ সহজভাবে নেয়নি। পারিবারিকভাবে তাকে কুৎসিত অপমান করা হয়েছে। তার পরও বন্ধু আমাকে ছেড়ে যায়নি। আমেরিকায় এসে তার সঙ্গে সম্পর্ক ছেদ করতে হলো। হায় রে আমেরিকা! বুদ্ধিমান পাঠক নিশ্চয়ই ধরে ফেলেছেন, আমি সিগারেট-বন্ধুর কথা বলছি। ৩৭ বছরের সম্পর্ক এক কথায় কীভাবে বাতিল হলো, তা বলার আগে জীবনের প্রথম সিগারেট টানার গল্পটা করা যেতে পারে।

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির জেরঃ বেড়ে যাচ্ছে পণ্য পরিবহনের ট্রাক ভাড়া by আবুল হাসনাত

প্রায় দুই মাসের ব্যবধানে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি করায় যাত্রী ও পণ্য পরিবহনব্যয় আরেক দফা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। আর পরিবহনব্যয় বেড়ে গেলে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন পণ্যের দামও বেড়ে যাবে। গত ১০ নভেম্বর মধ্যরাতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় সরকার। নতুন দর অনুযায়ী প্রতি লিটার অকটেন ৮৯, পেট্রল ৮৬, ডিজেল ও কেরোসিন ৫৬ এবং ফার্নেস তেলের দাম ৫৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাসভাড়া নিয়ে মালিকদের সেই পুরোনো খেলা! by আনোয়ার হোসেন

#>> ডিজেলের দাম বাড়ায় প্রতি কি.মিতে ভাড়া বাড়ার কথা ৫ পয়সা।
#>> মালিকেরা খুচরা যন্ত্রাংশ, মুনাফা, আনুষঙ্গিক খরচ ধরে আরও বেশি ভাড়া বাড়ানোর চাপ দিচ্ছে।
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সুযোগে পরিবহনমালিকেরা আবারও ভাড়া বাড়ানোর ক্ষেত্রে তাঁদের অন্য সব দাবি যুক্ত করে বাসভাড়া বাড়িয়ে নিতে চাইছেন। আজ রোববার যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগমন্ত্রীর সঙ্গে মালিক-শ্রমিকদের বৈঠক হতে পারে।

হিলিতে চোরাচালানিতে শিশুদের ব্যবহার বাড়ছে by আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ ও আনোয়ার পারভেজ

কাল সাতটা। হিলি স্থলবন্দর। মাঝখানে রেললাইন। ওপারে ভারতের দক্ষিণ দিনাজপুরের হিলি থানা। এপারে বাংলাদেশের দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার বাংলা হিলি। রেললাইনের এপারে কয়েক মাসের শিশুসন্তান বুকে জড়িয়ে দাঁড়িয়ে আছেন এক মহিলা। ওপার থেকে পিঠে বোঝা নিয়ে এদিক-ওদিক উঁকিঝুঁকি দিয়ে দৌড়ে এল দুটি শিশু। দৃশ্যত অপেক্ষমাণ ওই নারী তাদের মা।

সামাজিক ব্যবসা অন্তর্ভুক্ত হলো ইইউতেও by শওকত হোসেন

ম্মেলনের শেষ পর্বে ছিল একটি প্যানেল আলোচনা। বিষয় ছিল সামাজিক ব্যবসার জন্য একটি রাজনৈতিক রূপরেখা খুঁজে বের করা। কিছু প্রশ্নের জবাব দিলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এর পরই আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মেলন সমাপ্তি ঘোষণার কথা। কিন্তু জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিব থমাস স্টেলজার সঞ্চালকের কাছ থেকে এক মিনিট সময় চেয়ে নিয়ে বললেন, ‘আপনারা অধ্যাপক ইউনূসের কথা শুনুন। কারণ, তিনি হচ্ছেন আশাবাদের সবচেয়ে টেকসই উৎস। তিনি সব সময় আশার কথা শোনান, পথ বলে দেন।’

বিডি ফুডসের হেরোইন পাচার মামলার তদন্তের আট বছরঃ প্রধান আসামি বদরুদ্দোজা মোমিন কোথায়, সিআইডি জানে না by প্রশান্ত কর্মকার

ট বছর ধরে ঝুলে আছে পণ্য রপ্তারির আড়ালে লন্ডনে ৭৫ কেজি হেরোইন পাচারের মামলার তদন্ত। এ পর্যন্ত পাঁচজন তদন্ত কর্মকর্তা বদল ছাড়া এ-সংক্রান্ত মামলা দুটির আর কোনো অগ্রগতি নেই। অভিযোগ রয়েছে, জামায়াতপন্থী বড় এক ব্যবসায়ী আসামি হওয়ায় বিগত চারদলীয় জোট সরকারের আমলে এই মামলার তদন্তের ক্ষেত্রে ব্যাপক গাফিলতি ছিল সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের। বর্তমান সরকারের আমলেও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। আদালত সূত্র জানায়, মামলার তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে আদালতকে অবহিত করাও হয় না দীর্ঘদিন ধরে।

রাজনৈতিক ‘সমাজসেবক’ এবং খ্রিষ্টানদের জমি দখল by মাসুদ রানা

গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলায় ‘সমাজসেবক’ রফিকুল ইসলাম ওরফে সিজুর বিরুদ্ধে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের দুই ব্যক্তির জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। এই ‘সমাজসেবক’ উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল ইসলামের বড় ভাই। মাইনুল নিজেকে রাজনৈতিকভাবে স্থানীয় সাংসদ মেহের আফরোজের ঘনিষ্ঠ বলে দাবি করেন। কালীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আড়াই শতাধিক খ্রিষ্টান পরিবার শত বছর ধরে বাস করছে। ভুক্তভোগীরা বলছেন, সংখ্যালঘু হওয়ায় তাঁরা ক্ষমতাসীনদের নির্যাতনের শিকার।

বহুদিন বাদে জলঢুপি কমলা by আবদুল ওয়াদুদ

মলালেবুর ভারে নুয়ে পড়েছে ডালটা। বাঁশের খুঁটিতে ঠেকা দিয়ে রাখা, যেন ভেঙে না পড়ে। পাশের গাছগুলোর শাখাও ভরে আছে পাকা-আধপাকা অজস্র কমলায়। এই কমলাগাছগুলো বিয়ানীবাজারের জলঢুপ পাড়িয়াবহরের কমলাচাষি আবদুল ওয়াহিদের বাগানের। বহুদিন পর এ বছর জলঢুপের প্রতিটি কমলাবাগানেই ফলন হয়েছে প্রচুর। ফলের ভারে নুয়ে পড়েছে বাগানের কমলাগাছের শাখাগুলো। এবারের ফলনে চাষিরাও উৎফুল্ল।

পৌনে তিন বছরে সৌদি আরবে গেছেন মাত্র ৩০ হাজার বাংলাদেশি, আর ফিরেছেন ৫০ হাজারঃ পুরোনো শ্রমবাজার বন্ধ, নতুন খোঁজ মেলেনি by আশিস সৈকত ও শরিফুল হাসান

বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানির সবচেয়ে বড় বাজার সৌদি আরব। ১৯৯৭ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত প্রতিবছর গড়ে দেড় থেকে দুই লাখ লোক দেশটিতে গেছেন। কিন্তু গত পৌনে তিন বছরে সেখানে গেছেন মাত্র ৩০ হাজার বাংলাদেশি; আর একই সময়ে ফিরেছেন ৫০ হাজার। এই হিসাব প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে পাওয়া। জনশক্তি রপ্তানির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, জনশক্তি রপ্তানি খাতে গত তিন দশকের মধ্যে এমন বিপর্যয় আর হয়নি।
বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শ্রমবাজার মালয়েশিয়াতেও একই অবস্থা। দুই বছর ধরে দেশটিতে জনশক্তি রপ্তানি বন্ধ। একই অবস্থা কুয়েতেও। মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ এই দেশটিও এখন বাংলাদেশ থেকে লোক নিচ্ছে না। অথচ আগে গড়ে প্রতিবছর ৩০ হাজার থেকে ৪০ হাজার বাংলাদেশি সেখানে যেতেন।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এই তিন দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে সব ধরনের উদ্যোগই নেওয়া হয়েছে। তবে জনশক্তি রপ্তানিকারকদের দাবি, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এই তিনটি শ্রমবাজার ধরে রাখতে সরকারের চেষ্টার পরও কোনো সফলতা আসেনি।
শুধু সৌদি আরব, মালয়েশিয়া ও কুয়েতই নয়; লিবিয়ায়ও লোক পাঠানো বন্ধ। ইরাকে অনেক সম্ভাবনার কথা শোনা গেলেও বাস্তবতা উল্টো।
আর নতুন শ্রমবাজার খোঁজার চেষ্টায়ও সফলতা নেই। এ ব্যাপারে পররাষ্ট্র ও প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের নিয়ে সরকার পাঁচটি কমিটি করে। কমিটি নতুন বাজারের খোঁজে বিভিন্ন দেশ সফরও করে, কিন্তু নতুন কোনো শ্রমবাজার খুঁজে পাওয়া যায়নি। এখন পর্যন্ত শুধু সংযুক্ত আরব আমিরাতকে কেন্দ্র করেই টিকে আছে বাংলাদেশের শ্রমবাজার।
জনশক্তি রপ্তানির এমন চিত্র হতাশাজনক উল্লেখ করে এ খাতের ব্যবসায়ীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। সম্প্রতি জনশক্তি রপ্তানিকারকদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিসের (বায়রা) এক অনুষ্ঠানে ব্যবসায়ীরা এ জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর পদত্যাগও দাবি করে। বায়রার সভাপতি আবুল বাশার গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাদের ব্যবসা বন্ধ হয়ে গেছে। ক্ষুব্ধ সদস্যরা নানা ধরনের প্রশ্ন করেন, জবাব দিতে পারি না।’
সম্প্রতি প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটিও এ বিষয়ে সরকারের কাছে প্রতিবেদন চেয়ে পাঠায়। কমিটি গত ১০ বছরে বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানির পরিসংখ্যান, সমস্যা ও সম্ভাবনা সম্পর্কে মন্ত্রণালয়ের কাছে জানতে চায়। এরপর মন্ত্রণালয় থেকে ২১ পৃষ্ঠার একটি প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে সংসদীয় কমিটির কাছে।
সংসদীয় কমিটির সভাপতি আনিসুল ইসলাম মাহমুদ প্রথম আলোকে বলেন, সৌদি আরব, কুয়েত ও মালয়েশিয়া ছিল বাংলাদেশের মূল বাজার। কিন্তু এই বাজারগুলোতে জনশক্তি রপ্তানি কেন কমে গেছে, তা মন্ত্রণালয়ের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল। মন্ত্রণালয় প্রতিবেদন দিয়েছে। কমিটি এ প্রতিবেদন পর্যালোচনা করেছে। এখন একটি সুপারিশমালা তৈরি করে মন্ত্রণালয়কে দেওয়া হবে।
বায়রার মহাসচিব আলী হায়দার চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, ‘শ্রমবাজারগুলো চালু করতে কূটনৈতিক কোনো উদ্যোগই কাজে আসছে না। সংসদীয় কমিটি যদি নতুন কিছু করতে পারে, তাহলে আমরা স্বাগত জানাব।’
জনশক্তি রপ্তানির এমন দুরবস্থা কেন, জানতে চাইলে আলী হায়দার চৌধুরী বলেন, ‘এটি গড়ে উঠেছে বেসরকারি খাতের ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে। কিন্তু এখন বেসরকারি খাতের ব্যবসায়ীদের পাশ কাটিয়ে সরকার সবকিছু করার চেষ্টা করছে। এটি একটি বড় সমস্যা। আর মধ্যপ্রাচ্যসহ অনেক জায়গায় আমাদের ভাবমূর্তির সংকট আছে। এই সংকট কাটাতে সরকারি ও বেসরকারিভাবে সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে।’
প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিশ্ববাজারে বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর হার অর্ধেকে নেমে এসেছে। ২০০৭ সালে আট লাখ ৩২ হাজার ৬০৯ জন এবং ২০০৮ সালে আট লাখ ৭৫ হাজার ৫৫ জন কর্মী বিদেশে গিয়েছিলেন। ২০০৯ সালে যান চার লাখ ৭৫ হাজার ২৭৮ জন। ২০১০ সালে এ সংখ্যা আরেক দফা কমে দাঁড়ায় তিন লাখ ৯০ হাজার ৭০২ জনে। তবে এ বছর কিছুটা বাড়তির দিকে।
আশঙ্কাজনক পরিস্থিতি সৌদি আরবে: সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০০৮ সালে এক লাখ ৩২ হাজার ১২৪ জন কর্মী, ২০০৭ সালে দুই লাখ চার হাজার ১১২ এবং ২০০৬ সালে এক লাখ নয় হাজার ৫১৩ জন কর্মী সৌদি আরবে গেছেন। কিন্তু ২০০৯ সালে মাত্র ১৪ হাজার এবং গত বছর মাত্র সাত হাজার কর্মী সেখানে গেছেন।
সৌদি আরব এখন লোক নিচ্ছে নেপাল ও ভারত থেকে। শুধু জনশক্তি রপ্তানি কমানো নয়, সৌদি আরব বাংলাদেশি শ্রমিকদের কাজের অনুমতিপত্রও (আকামা) বদল করতে দিচ্ছে না। তাই দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে ছয় থেকে সাত লাখ কর্মীকে।
সংসদীয় কমিটিকে দেওয়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরবে বেশির ভাগ সরকারি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে সৌদিকরণ কর্মসূচি এবং ভিসার ক্ষেত্রে কোটাব্যবস্থা চালুর কারণে সেখানে জনশক্তি রপ্তানি কমে গেছে। এ ছাড়া সৌদি আরবে বর্তমানে প্রায় ২০ লাখ কর্মী কর্মরত থাকায় বাংলাদেশ কোটার সমস্যায় পড়েছে। এর বাইরে দক্ষ জনশক্তির বিপরীতে অদক্ষ জনশক্তি পাঠানো এবং কারিগরি জ্ঞানহীন স্বল্প শিক্ষিত শ্রমিকদের পাঠানোর কারণেও সৌদি আরবের শ্রমবাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
মালয়েশিয়া: এ দেশে ২০০৯ সাল থেকে জনশক্তি রপ্তানি বন্ধ। ২০০৮ সালে এক লাখ ৩১ হাজার ৭৬২ জন, ২০০৭ সালে দুই লাখ ৭৩ হাজার ২০১ এবং ২০০৬ সালে ২০ হাজার ৪৬৯ জন বাংলাদেশি কাজ করতে যায় সেখানে।
মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রপ্তানি বন্ধের কারণ সম্পর্কে মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার কারণে মালয়েশিয়া বাংলাদেশ থেকে লোক নেওয়ার ওপর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। তবে গত বছরের মে মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মালয়েশিয়া সফরের সময় এ ব্যাপারে ওই দেশের সরকারের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।
দরজা বন্ধ কুয়েতে: ১৯৯১ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত গড়ে ২৫ হাজার লোক কুয়েতে গেছেন। ২০০১ সালের পর তা ক্রমশ বাড়তে থাকে এবং প্রতিবছর ৩০ হাজার থেকে ৪০ হাজার লোক কুয়েতে যেতে থাকেন। ২০০৯ সালে এসে তা একরকম বন্ধই হয়ে যায়। ২০০৯ সালে মাত্র ১০ জন লোক কুয়েতে গেছেন। ২০১০ সালে গেছেন ৪৮ জন।
কুয়েতের জনশক্তি সমস্যা সমাধানে গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কুয়েত সফর করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী কুয়েতের আমিরের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার অনুরোধ জানান। তবে ইতিবাচক কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কুয়েতে বর্তমানে প্রায় আড়াই লাখ বাংলাদেশি কাজ করছেন। কিন্তু সেখানকার শ্রমবাজারে বর্তমানে প্রভাব বিস্তারকারী মিসর, ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার কর্মীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশিরা টিকতে পারছেন না। বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য বড় সমস্যা ভাষা না জানা। কুয়েতে বেশির ভাগ সরকারি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ‘কুয়েতাইজেশন’ কর্মসূচিও একটি বড় সমস্যা।
বন্ধ লিবিয়ার বাজার: বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর মধ্যপ্রাচ্যের শ্রমবাজার যখন বন্ধ ছিল, তখন জনশক্তি রপ্তানিকারকদের আশার আলো ছিল লিবিয়া। কিন্তু প্রায় দুই বছর ধরে এই দেশটিতেও লোক পাঠানো বন্ধ। এ বছরের মার্চে যুদ্ধাবস্থা শুরুর পর দেশটি থেকে প্রায় ৪০ হাজার লোককে ফিরে আসতে হয়।
আরব আমিরাতকেন্দ্রিক বাজার: তিন বছর ধরে বাংলাদেশের শ্রমবাজার একেবারেই আরব আমিরাতকেন্দ্রিক। ২০০৮ সালে চার লাখ ১৯ হাজার ৩৫৫ জন কর্মী সংযুক্ত আরব আমিরাতে গেছেন। ২০০৯ সালে এই সংখ্যা কিছুটা কমে হয় দুই লাখ ৫৮ হাজার ৩৪৮ এবং ২০১০ সালে দুই লাখ তিন হাজার ৩০৮ জন কর্মী সেখানে কাজ নিয়ে গেছেন। এ বছরও দুই লাখ লোকের সেখানে কর্মসংস্থান হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে সংযুক্ত আরব আমিরাতের পরিস্থিতি স্বাভাবিক উল্লেখ করা হয়েছে।
নতুন বাজার নেই: সরকারের পক্ষ থেকে বারবার নতুন বাজারের কথা বলা হচ্ছে। প্রচলিত শ্রমবাজারের বাইরে গত বছর নতুন ১৬টি দেশের তালিকা করে বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়। দেশগুলো হলো: জাপান, হংকং, তাইওয়ান, ইতালি, বেলজিয়াম, জার্মানি, স্পেন, রোমানিয়া, বুলগেরিয়া, চেক প্রজাতন্ত্র, পোল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, বতসোয়ানা ও জিম্বাবুয়ে। এই দেশগুলোর পরিস্থিতি দেখতে প্রবাসী ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদের নিয়ে পাঁচটি দলও গঠন করা হয়। কমিটির সদস্যরা অনেক দেশ সফর করলেও নতুন বাজার খুঁজে পাননি।
কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়ানোর দাবি: জনশক্তি রপ্তানিকারকদের দাবি, মধ্যপ্রাচ্যে বর্তমান সরকারের কূটনীতি পুরোপুরি ব্যর্থ। এ কারণেই বাংলাদেশিদের জন্য মধ্যপ্রাচ্যের বাজার যেমন বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, তেমনি সেখানে থাকা বাংলাদেশিদেরও নানা দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। তাই কূটনৈতিক উদ্যোগ দ্রুত বাড়ানো দরকার।
তবে বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও প্রবাসীকল্যাণসচিব জাফর আহমেদ খান প্রথম আলোকে বলেন, ‘২০০৯ ও ২০১০ সালের চেয়ে জনশক্তি রপ্তানির পরিস্থিতি এখন অনেক ভালো। এ বছর পাঁচ লাখ লোক বিদেশে যাবেন বলে আমরা আশা করছি। আর বন্ধ বাজারগুলো চালু করতে সব ধরনের চেষ্টাই চলছে। মালয়েশিয়ায় অবৈধ শ্রমিকদের বৈধকরণ চলছে। সেটি শেষ হলে আবার শ্রমবাজার চালু হতে পারে। সৌদি আরবের একটি প্রতিনিধিদল এ বছর বাংলাদেশ ঘুরে গেছে। এই বাজারটিও চালু হয়ে যাবে। অন্য বাজারগুলোও চালুর চেষ্টা চলছে।’