Tuesday, June 25, 2019
প্রথমবারের মতো সফল লিভার প্রতিস্থাপন বিএসএমএমইউতে

আজ বিএসএমএমইউয়ের মিল্টন হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া জানান, গতকাল সোমবার ওই যুবকের লিভার প্রতিস্থতাপনের ঘোষণা দেয়া হয়। এরপর আজ সকালে তা সম্পন্ন হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বিএমএ সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ডাক্তার শাহানা আক্তার রহমান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আতিকুর রহমান, হেপাটোবিলিয়ারি প্যানক্রিয়াটিক ও লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট সার্জারি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডাক্তার মো. জুলফিকার রহমান খানসহ ওই বিভাগের চিকিৎসক দলিল এনেসথেসিয়া, ক্যান আলসো জিয়া অ্যান্ড ইনটেনসিভ কেয়ার মেডিসিন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এ কে এম আক্তারুজ্জামানসহ অন্যান্য চিকিৎসকরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
লিভার প্রতিস্থাপনে সহযোগিতা করেছেন ভারতের খ্যাতনামা লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট সার্জন ড. বালাচান্দ্র মেননসহ তার চিকিৎসক দল।
আজ ভোর ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত অস্ত্রোপচার করা হয়। রোগীকে প্রথমে অ্যানেসথেসিওলজিস্ট দিয়ে অজ্ঞান করা হয়। প্রস্তুতি থেকে শুরু করে মোট ১৮ ঘণ্টা সময় লাগে। মোট ৬০ জনের টিম ঐতিহাসিক অস্ত্রোপচারে অংশ নেন।
রোগীকে মোট ২০ ব্যাগ রক্ত দেয়া হয়। এ রক্ত দেন ডাক্তাররা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ অস্ত্রোপচার সম্পর্কে সার্বক্ষণিক খোঁজ-খবর নেন বলে জানান বিএসএমএমইউ ভিসি। তিনি আরও বলেন, রোগীর জ্ঞান ফিরেছে। চোখ মেলে তাকিয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জাতীয় পার্টি নয়, আ.লীগই দালাল : জাপা মহাসচিব

মঙ্গলবার রাজধানীর এজিবি কলোনি কমিউনিটি সেন্টারে রংপুর ও রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় প্রতিটি জেলা, মহানগর, উপজেলা ও পৌর কমিটির নেতৃবৃন্দ বক্তৃতা করেন।
সভায় জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য মো. হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী এমপি, অ্যাডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, ফখরুজ্জামান জাহাঙ্গীর, আলমগীর সিরকার লোটন, মো. এমরান হোসেন মিয়া, জাফর ইকবাল সিদ্দিকী, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মেজর (অব.) আশরাফ উদ দৌলা, ড. নুরুল আজহার শামীম, নুরুল ইসলাম তালুকদার এমপি, পনির উদ্দিন আহমেদ এমপি, ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ইকবাল হোসেন রাজু, শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ এমপি, শওকত চৌধুরী, সরদার শাহজাহান, জহিরুল আলম রুবেল, নিগার সুলতানা রানী, শফিকুল ইসলাম শফিক, যুগ্ম মহাসচি গোলাম মোহাম্মদ রাজু, অ্যাডভোকেট তোফাজ্জেল হোসেন, আমিনুল ইসলাম ঝন্টু, সুলতান আহমেদ সেলিম, শফিউল্লাহ শফি, এসএম ইয়াসির, সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য সুলতান আহমেদ, মো. হেলাল উদ্দিন, খোরশেদ আলম খুশু, মো. জুলফিকার হোসেন, আবদুর রাজ্জাক খান, আনিসুর রহমান খোকন, লে. ক. (অব.) সাব্বির আহমেদ, আহাদ চৌধুরী শাহিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
মসিউর রহমান রাঙ্গা বলেন, পার্টিকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। জাতীয় পার্টি শক্তিশালী ছিল বলেই আওয়ামী লীগ জাতীয় পার্টির সাথে হাত মিলিয়েছে। আওয়ামী লীগে ৫ ভাগ, বিএনপিতে ৪ ভাগ কিন্তু জাতীয় পার্টি একভাগ। জাতীয় পার্টিতে কোনো কোন্দল বা দ্বন্ধ, বিভেদ নেই। হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নির্দেশে আমরা গোলাম মোহাম্মদ কাদেরের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ।
তিনি বলেন, ১৯৯৬ সালে জাতীয় পার্টির সমর্থন নিয়ে আওয়ামী লীগ ২১ বছর পর রাষ্ট্রক্ষমতা গ্রহণ করে। এরপর প্রতিটি নির্বাচনে জাতীয় পার্টি আওয়ামী লীগের পাশে থেকে নির্বাচন করেছে। কিন্তু আওয়ামী লীগ ক্ষমতা পেয়ে জাতীয় পার্টির সঙ্গে যে আচরণ করেছে, তা মেনে নেয়া যায় না। প্রতিটি ইউনিয়ন, উপজেলা নির্বাচনে জাতীয় পার্টি বিজয় ছিনিয়ে নিয়েছে। গতকালের বগুড়ার নির্বাচনে জাতীয় পার্টির জয়ের ধারাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে সরকারি দল।
মহাসচিব বলেন, রংপুর-রাজশাহী বিভাগে জাতীয় পার্টির ব্যাপক সমর্থন রয়েছে। এখন শুধু জাতীয় পার্টির সমর্থকদের সংগঠনের অধীনে সংঘবদ্ধ করতে হবে। অনেকেই দল ছেড়ে চলে গেছে, অনেকে নিষ্ক্রিয় অবস্থায় আছে। সবাইকে নিয়ে শক্তিশালী জাতীয় পার্টি গড়ে তুলতে হবে।
মসিউর রহমান রাঙ্গা বলেন, জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীদের সমর্থনপুষ্ট নেতাদেরই ২০২৩ সালের নির্বাচনে জাতীয় পার্টির মনোনয়ন দেয়া হবে। নেতাকর্মীরা চাইলে ৮টি বিভাগীয় কমিটি করা হবে, ওই কমিটির মাধ্যমেই বিভাগীয় রাজনীতি পারিচালনা করা হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘ফিলিস্তিনের জন্য’ ৫ হাজার কোটি ডলার সংগ্রহে কর্মশালা
![]() |
| পতাকা হাতে এক ফিলিস্তিনি শিশু |
মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ‘শান্তির লক্ষ্যে সমৃদ্ধি’ নামে যে পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে, এটি তার প্রথম ধাপ। জটিল রাজনৈতিক সমস্যাগুলো মোকাবিলার পরিবর্তে প্রথম ধাপে ফিলিস্তিনের জনগণের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নিশ্চিত করা এই পরিকল্পনার লক্ষ্য। এই বছরের শেষ নাগাদ পরিকল্পনার রাজনৈতিক অংশটি প্রকাশ করা হবে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই শান্তি পরিকল্পনাকে ‘শতবর্ষের চুক্তি’ নামে অভিহিত করেছেন। এর প্রণেতা ট্রাম্প-জামাতা জ্যারেড কুশনার। সম্মেলনের আগে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, দীর্ঘ সময় ধরে ফিলিস্তিনি জনগণ বিগত সময়ের অদক্ষ ব্যবস্থাপনায় বন্দী ছিল। ‘শান্তির লক্ষ্য সমৃদ্ধি’ পরিকল্পনা এমন একটি কাঠামো দেবে যার বাস্তবায়নের ফলে ফিলিস্তিনি জনগণ ও এই অঞ্চলের সবার জন্য এক উজ্জ্বল ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত হবে।
সমস্যা হলো, হোয়াইট হাউস নিজেই বিশ্বাস করে না এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সম্ভব। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও স্বীকার করেছেন, এই পরিকল্পনা ব্যর্থ হলে তিনি মোটেই বিস্মিত হবেন না। এই সন্দেহের কারণ, যাদের জন্য এই কর্মশালা, সেই ফিলিস্তিনিরা এই বৈঠকে উপস্থিত নেই। রাজনৈতিক জটিলতা এড়াতে ইসরায়েলকেও এই বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। মার্কিন চাপাচাপিতে মিসর, জর্দান ও মরক্কো উপস্থিত থাকছে। সৌদি আরব ও একাধিক উপসাগরের একাধিক আমিরাতের অর্থমন্ত্রীরাও থাকছেন। বিশ্ব ব্যাংক ও আইএমএফ তাদের পর্যবেক্ষক পাঠাবে বলে জানিয়েছে।
যে অর্থ এই বৈঠকে তোলা হবে, তার অধিকাংশই আসবে ধনী আরব দেশগুলো থেকে। পরিকল্পনা অনুযায়ী এই অর্থের অর্ধেক ব্যয় হবে অধিকৃত পশ্চিম তীর ও গাজার উন্নয়নের কাজে। কুশনার বলেছেন, তিনি চান এই অঞ্চলকে একটি প্রথম শ্রেণির পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে। পরিকল্পনার সবচেয়ে ‘সাহসী’ প্রস্তাব হলো ইসরায়েলের ভেতর দিয়ে পশ্চিম তীর ও গাজাকে সংযোগকারী একটি করিডর নির্মাণ। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ ও ইসরায়েলের সম্মতি ছাড়া এই করিডর কীভাবে নির্মাণ সম্ভব, সে কথা অবশ্য কুশনার ব্যাখ্যা করেননি। অধিকাংশ পর্যবেক্ষক মনে করেন, নিরাপত্তাজনিত কারণে ইসরায়েলের রক্ষণশীল সরকার কিছুতেই এই করিডরে সম্মত হবে না।
ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ বলেছে, তাদের অর্থনৈতিক সাহায্য চাই সে ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই। তবে সবার আগে চাই রাজনৈতিক অধিকার। এই পরিকল্পনার লক্ষ্য উৎকোচের মাধ্যমে ফিলিস্তিনি জনগণের মুক্তির সম্ভাবনাকে চিরতরে গলাটিপে হত্যা করা। গতকাল রোববার রামাল্লায় সাংবাদিকদের সঙ্গে এক আলাপচারিতায় ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রধান মাহমুদ আব্বাস বলেছেন, ‘আরব দেশগুলোর কাছ থেকে আমাদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে অর্থ চাইতে হবে কেন? সে কাজ তো আমিই করতে পারি।’
ফিলিস্তিনের সবচেয়ে ধনী ব্যবসায়ী মুনিব আল মাসরি বলেছেন, ‘আমাদের সমস্যা রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক নয়।’ একই কথা বলেছেন বিখ্যাত ফিলিস্তিনি বুদ্ধিজীবী হানান আশরাভি। তাঁর কথা, ‘আমরা দরিদ্র সে কথা ঠিক, কিন্তু আমাদের দারিদ্র্যের কারণ অব্যাহত ইসরায়েলি অধিগ্রহণ। আমাদের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিন, তারপর দেখুন আমরা কীভাবে দ্রুত সমৃদ্ধির পথে অগ্রসর হই।’
অধিকাংশ আরব ভাষ্যকারই বলছেন, কুশনার-প্রস্তাবিত এই বৈঠকের একটাই লক্ষ্য, অর্থের বিনিময়ে ফিলিস্তিনি জনগণের মুক্তির আকাঙ্ক্ষা গলাটিপে হত্যা। সে কাজে হাত লাগিয়েছে সৌদি আরবসহ কতিপয় শেখশাসিত উপসাগরীয় দেশ। তাদের লক্ষ্য মার্কিন সমর্থনে ইরানকে শায়েস্তা করা। সে জন্য যদি ফিলিস্তিনি জনগণের স্বাধীনতা হরণ করতে হয়, তাতে কোনো দ্বিধা নেই। ফিলিস্তিনের অর্থমন্ত্রী শুকরি বিশারা মিডল ইস্ট মনিটর পত্রিকাকে বলেছেন, ‘অর্থ নয়, আমাদের নিজেদের ভূমি ও স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিন।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অপ্রয়োজনীয় সিজার ঠেকাতে রিট আবেদন

আজ মঙ্গলবার তিনি এ বিষয়ে রিট আবেদন করতে বিচারপতি বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চের অনুমতি নিয়েছেন।
আবেদনে বিবাদী করা হয়েছে, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড কাউন্সিলের সভাপতি এবং স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালককে।
আবেদনে অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ান অপারেশনের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বিবাদীদের ব্যর্থতা কেন অবৈধ হবে না এ মর্মে রুল জারির আর্জি জানানো হয়েছে। রুলে বিবেচনাধীন থাকা অবস্থায় যেসব বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে গর্ভবতী নারীদের অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ান অপারেশন বা সি সেকশন করে সেগুলো নিষিদ্ধে নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
২১ জুন প্রকাশিত বিবিসির প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন যুক্ত করে এই আবেদন করা হয়।
বিবিসির সেই প্রতিবেদনে বলা হয়, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ‘সেভ দ্য চিলড্রেন’ বলছে বাংলাদেশে গত দুই বছরে শিশু জন্মের ক্ষেত্রে সিজারিয়ানের হার বেড়েছে ৫১ শতাংশ।
বিষয়টিকে অপ্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচার উল্লেখ করে সংস্থাটি বলছে, এতে বাবা-মায়েদের সন্তান জন্মদানে ব্যাপক পরিমাণে খরচের ভার বহন করতে হচ্ছে।
সিজারিয়ানের কয়েকটি ঝুঁকি
সিজারিয়ানে সন্তান জন্মদানে রয়েছে নানা রকম ঝুঁকি, বলছে সেভ দ্য চিলড্রেন। সংস্থাটি তার কয়েকটি তুলে ধরেছে প্রতিবেদনে।
সংস্থাটি বলছে মা ও শিশু উভয়কেই এমন অস্ত্রোপচার ঝুঁকিতে ফেলে।
শিশু জন্মে অপ্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচারের ফলে ইনফেকশন ও মাত্রাতিরিক্ত রক্তক্ষরণ, অঙ্গহানি, জমাট রক্ত ইত্যাদির কারণে মায়েদের সুস্থতা ফিরে পেতে প্রাকৃতিক প্রসবের তুলনায় অনেক দীর্ঘ সময় লাগে।
এছাড়া সিজারিয়ানের কারণে প্রাকৃতিক জন্মের লাভজনক দিকগুলোও নষ্ট হতে পারে।
যেমন, শিশু মায়ের প্রসবের পথ দিয়ে যদি স্বাভাবিকভাবে বের হয় তাহলে তার শরীর কিছু ভালো ব্যাকটেরিয়া গ্রহণ করতে পারে।
এসব ব্যাকটেরিয়া শিশুর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে।
অস্ত্রোপচারের ফলে এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে সে যেতে পারে না। যার ফলে এই ভালো ব্যাকটেরিয়া সে পায় না।
এছাড়া মায়ের বুকের দুধ পান করার জন্য মায়ের সাথে শিশুর যে শারীরিক নৈকট্যে আসা দরকার সিজারিয়ান হলে সেটি প্রয়োজনের তুলনায় দেরিতে ঘটে।
কারণ মায়ের সুস্থ হয়ে ওঠার জন্য শিশুকে তখন কিছু সময় দুরে রাখা হয়।
একদম শুরুর দিকে মায়ের বুক দুধের বাড়তি উপকারিতা রয়েছে। তা থেকে সে বঞ্চিত হয়।
প্রতিবেদনে যা উঠে এসেছে
২০১৮ সালে বাংলাদেশি বাবা-মায়েরা অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান জন্মদানে খরচ করেছেন প্রায় চার কোটি টাকার বেশি।
জনপ্রতি গড়ে তা ছিল ৫১ হাজার টাকার বেশি। সিজারিয়ানে সন্তান জন্মদানের হার বাংলাদেশের বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে মারাত্মক হারে বেশি।
বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে যত শিশু জন্ম নেয় তার ৮০ শতাংশই হয় অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে।
সংস্থাটি আরও বলছে, ২০১৮ সালে যত সিজারিয়ান হয়েছে তার ৭৭ শতাংশই চিকিৎসাগতভাবে অপ্রয়োজনীয় ছিল। কিন্তু তারপরও এমন সিজারিয়ান হচ্ছে।
প্রতিবেদনটিতে আরো বলা হয়, ২০০৪ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত বাংলাদেশে প্রসবকালীন অস্ত্রোপচার ৪ থেকে ৩১ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।
সেভ দ্য চিলড্রেন এমন অপ্রয়োজনীয়ে প্রসবকালীন অস্ত্রোপচার ঠেকাতে ডাক্তারদের উপর নজরদারির পরামর্শ দিচ্ছে।
এমন প্রবণতার জন্য সংস্থাটি আংশিকভাবে বাংলাদেশের চিকিৎসা সেবা খাতের অব্যবস্থাপনাকে দায়ী করছে।
সংস্থাটি বলছে, কিছু অসাধু চিকিৎসক এর জন্য দায়ী, যাদের কাছে সিজারিয়ান একটি লাভজনক ব্যবসা।
বাংলাদেশে সেভ দ্য চিলড্রেনের ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর এবং নবজাতক ও মাতৃ-স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. ইশতিয়াক মান্নান বলছেন, ‘চিকিৎসক এবং চিকিৎসা সুবিধা আসলে প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে না গিয়ে অস্ত্রোপচার করতে অনুপ্রাণিত করে।’
ড. মান্নান আরো বলছেন, অস্ত্রোপচারের এই জনপ্রিয়তায় এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি করেছে যে, দিনকে দিন মায়েরা আরো বেশি এই অপ্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচারের দিকে ঝুঁকছেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রাথমিক সমাপনীতেও থাকছে না জিপিএ ৫ by আমানুর রহমান
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: আকরাম আল হোসেন গতকাল নয়া দিগন্তকে বলেন, সারা দেশে শিক্ষার মান এক ধরনের হওয়াই উচিত। প্রাথমিক শিক্ষাকেও মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের সাথে সঙ্গতি রেখেই মান নির্ধারণ করা হবে। এ ব্যাপারে আমাদের (প্রাথমিকের) নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের ব্যাপারে সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছি আমরা। উচ্চস্তরের সিদ্ধান্ত হলেই আমরাও কমিটি করে মান ও গ্রেড বণ্টন চূড়ান্ত করবে।
মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ২০০৯ সালে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা শুরু হলে প্রথমবার ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছিল সনাতন পদ্ধতি অর্থাৎ বিভাগ অনুসারে। পরের বছরই ইবতেদায়িকেও সমাপনীর আওতায় এনে পরীক্ষার ফলাফল জিপিএ-এর ভিত্তিতে ঘোষণা শুরু হয়। গত বছরও (২০১৮ সালের সমাপনী) এ নিয়মেই সমাপনীর ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এ বছর (২০১৯) সমাপনী পরীক্ষা থেকে ফলাফলের নতুন মান নির্ধারণ করে প্রকাশ করা হবে।
আন্তঃবোর্ড সমন্বয় সাবকমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা বোর্ড চেয়ারম্যান অধ্যাপক মুহম্মদ জিয়াউল হক গতকাল নয়া দিগন্তকে বলেন, পাবলিক পরীক্ষার মান নিয়ে একাধিক প্রস্তাবনা মন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করা হবে। দেশের শিক্ষার্থীরা যাতে আন্তর্জাতিকপর্যায়ে উচ্চতর ডিগ্রি নিতে গিয়ে বা বিদেশে ভালো কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে গিয়ে জটিলতায় না পড়ে, সেটিকে বিবেচনায় নিয়েই প্রস্তাবনা তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষা মন্ত্রীর কাছে উপস্থাপনের পর যেটিকে অনুমোদন দেয়া হবে সেটিই আমরা বাস্তবায়ন করব। আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠিত জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার ফলাফল সে অনুসারেই প্রকাশ করা হবে।
![]() |
| প্রাথমিক সমাপনী ও ইবতেদায়ি পরীক্ষায় কৃতিত্ব অর্জনকারীদের একটি অংশ |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সুন্দরবন নিয়ে দেনদরবার by দীন ইসলাম

ওই সভায় সুন্দরবন নিয়ে ইউনেস্কোর সুপারিশের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে। এজন্য ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ কমিটির বার্ষিক সভায়ও বাংলাদেশ থেকে উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল থাকবে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ফ্রান্স থেকে উচ্চ পর্যায়ের বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলটি ২৬ শে জুন রাতে ফিরবে। এরপর ১লা জুলাই আবার আজারবাইজানের উদ্দেশ্যে রওনা দেবে। এদিকে প্রাকৃতিক ঐতিহ্য সুরক্ষাবিষয়ক আন্তর্জাতিক পরিষদ দাবি করছে, রামপালের বিদ্যুৎকেন্দ্র রয়েল বেঙ্গল টাইগারের আবাস সুন্দরবনকে বিপদাপন্ন করবে। এ বিষয়ক একটি প্রতিবেদন গত ৭ই জুন আইইউসিএনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। এরপরই সরকারের তৎপরতা শুরু হয়। এর আগে সুন্দরবনকে ১৯৯৯ সালে জাতীয় ঐতিহ্য হিসেবে তালিকাভুক্ত করে ইউনেস্কো। তবে শুরু থেকেই সুন্দরবনের মাত্র ৬৫ কিলোমিটার দূরে রামপালে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ অন্যান্য উন্নয়ন প্রকল্পের বিরোধিতা করে আসছিল জাতিসংঘের এ সংস্থাটি। ২০১৬ সালে ইউনেস্কো ও আইইউসিএনের একটি যৌথ পর্যবেক্ষণের পর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সেন্টার প্রস্তাব দিয়েছিল, বিদ্যুৎকেন্দ্র সরিয়ে অন্য কোথাও নির্মাণের। এ ছাড়া সংস্থাটি সরকারকে অনুরোধ জানিয়েছিল সুন্দরবনকে সম্ভাব্য পরিবেশগত বিপদ থেকে সুরক্ষা দিতে সংশোধনমূলক পদক্ষেপ গ্রহণে সহায়তা করার জন্য তাদের আমন্ত্রণ জানাতে। তবে সরকার সবসময় দাবি করে আসছে, রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র সুন্দরবনকে বিপদাপন্ন করবে না। কিন্তু তা মানতে পারেনি ইউনেস্কো। শেষ পর্যন্ত সুন্দরবনের সুরক্ষায় সরকারের গৃহীত ব্যবস্থা নিয়ে অসন্তুষ্ট ইউনেস্কো লোনাপানির এ বনটিকে ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করে। বিশ্ব ঐতিহ্য কমিটির পর্যালোচনায় বলা হয়, বাংলাদেশ সরকার গত বছরের ৪ঠা ডিসেম্বর ইউনেস্কোর কাছে সুন্দরবন রক্ষায় নেওয়া উদ্যোগগুলো চিহ্নিত করে একটি প্রতিবেদন দেয়। এতে বলা হয়, সুন্দরবনের চারপাশে কোনো শিল্পকারখানার অনুমোদন দেওয়া হয়নি। সুন্দরবনসহ বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জন্য ২০৪১ সাল পর্যন্ত একটি কৌশলগত পরিবেশ সমীক্ষা প্রতিবেদন করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে সরকার। সুন্দরবনের মিষ্টি পানির প্রবাহ বাড়াতে গড়াই নদ খননের উদ্যোগ নিয়েছে। এ ছাড়া সুন্দরবন রক্ষায় বাংলাদেশ ও ভারত যৌথ উদ্যোগ নিয়েছে। একই সঙ্গে বাঘ রক্ষায় একটি কর্মপরিকল্পনাও তৈরি করেছে। ইউনেস্কোর নথিতে বলা হয়, বিশ্ব ঐতিহ্য মর্যাদাপূর্ণ সুন্দরবনের ওপর কী ধরনের প্রভাব পড়তে পারে, তার কোনো মূল্যায়ন না করেই বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণকাজ চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। শুধু তাই নয়, সুন্দরবনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে প্রবাহিত পায়রা নদীর ওপর দুটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের কাজ করা হচ্ছে। এতেও সুন্দরবন হুমকির মুখে পড়তে পারে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যেভাবে দুর্ঘটনায় পড়ে উপবন by ইমাদ উদ দীন ও আলাউদ্দিন কবির

আহত দেড় শতাধিক যাত্রীকে উদ্ধার করে আশপাশের বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে গুরুতর আহতদের সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে অন্তত ৪০ জন চিকিৎসা নিচ্ছেন। টানা ছয় দিন ঢাকার সঙ্গে সিলেটের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বন্ধ থাকার কারণে অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে চলাচল করছিল ট্রেনগুলো। উপবন দুর্ঘটনায় পড়ায় সিলেটের সঙ্গে সড়ক পথের পাশাপাশি রেল যোগাযোগও বন্ধ হয়ে যায়। এতে দুর্ভোগে পড়েন লাখো মানুষ। এদিকে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, দ্রুত উদ্ধার কাজ চলায় এবং ভেঙে যাওয়া সেতুর নিচে পানি কম থাকায় হতাহতের সংখ্যা কম।
রাত তখন প্রায় পৌনে ১২টা। যথা নিয়মেই শোনা যাচ্ছিল ট্রেন চলার শব্দ। স্থানীয় ইসলামাবাদ, নন্দনগর, মহলাল, খাদিমপাড়াসহ আশপাশের গ্রামবাসী অনেকেই তখন ঘুমে। আবার কেউ কেউ নিচ্ছিলেন ঘুমের প্রস্তুতি। বরমচাল রেলস্টশন সংলগ্ন কালামিয়া (ফুলেরতল) বাজারের অধিকাংশ ব্যবসায়ী দোকানপাট বন্ধ করে ফিরছিলেন নিজ বাড়িতে। ওই ব্যবসায়ীদের অনেকেই প্রত্যক্ষ করছিলেন তাদের চিরচেনা উপবন ট্রেনটির অচেনা দ্রুতগতি আর সাইরেন। হঠাৎ এমন দ্রুতগতি আর বিদঘুটে শব্দ শোনে তখন অনেকেরই মনে শঙ্কা জাগে। কিছু দূর যেতে না যেতেই হঠাৎ বিকট শব্দ। সঙ্গে সঙ্গেই পেছনের বগিতে অগ্নিস্ফুলিঙ্গ আর ধোঁয়ার কুণ্ডলি। বগিটি ব্রিজ থেকে ছিটকে পড়ে নিচের খালে। পর পর আরো পাঁচটি বগির তিনটি কাত হয়ে পড়ে যায় জমিতে। লাইনে কাত হয়ে পড়ে বাকি দুটি। বাতাসেই ভেসে আসে ট্রেনের যাত্রীদের গগনবিদারী চিৎকার। অন্ধকারের মধ্যে মানুষের বাঁচার আকুতি শুনে ছুটে আসতে থাকেন আশপাশের গ্রামের মানুষ। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে এলাকাবাসীর সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের মৌলভীবাজার ও সিলেট জেলার ১১টি ইউনিটসহ পুলিশ ও বিজিবি ঘটনাস্থলে পৌঁছে যাত্রীদের উদ্ধার কাজ শুরু করে। খবর পেয়ে মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসন ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তাদের সহায়তায় বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল থেকে বেশ কয়েকটি অ্যাম্বুলেন্স ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে যায়। স্থানীয় পিকআপ ভ্যান ও লেগুনা মালিক সমিতির লোকজনও তাদের গাড়ি দিয়ে উদ্ধার কাজে সহযোগিতা করেন। ব্যক্তি মালিকানাধীন গাড়ি নিয়েও ছুটে যান অনেকে। সময়ের ব্যবধানে দুর্ঘটনার খবর চাউর হলে কুলাউড়া উপজেলার ভাটেরা বরমচাল ব্রাহ্মণবাজার ইউনিয়নের বাসিন্দাসহ পুরো উপজেলার লোকজন দ্রুত ছুটতে থাকেন ঘটনাস্থলে। মধ্যরাতে পাহাড়ি এলাকায় প্রচণ্ড অন্ধকারের মধ্যে মুঠোফোনের আলো ও টর্চ লাইট জ্বালিয়ে শ’ শ’ মানুষ আহতদের উদ্ধার কাজে সহায়তা করেন। গভীর রাতেও ব্রাহ্মণবাজার সিলেট সড়কে যাত্রীসহ দুর্ঘটনায় হতাহতদের উদ্ধারে সহায়তাকারী লোকজন ও যানবাহনের ভিড় ছিল লক্ষণীয়। ইসলামাবাদ গ্রামের মো. জহির আলী, মো. জয়নাল আবেদীন, নন্দনগর গ্রামের নুরুল আমিন চৌধুরী তপু, মহলাল গ্রামের পারভেজ আহমদ, আহসান মিরাজসহ অনেকেই জানান দুর্ঘটনাস্থলের কাছেই তাদের বাড়ি। খাওয়া দাওয়া শেষ করে ঘুমাতে যাওয়ার আগে তারা হঠাৎ বড়ছড়া ব্রিজের পাশে ট্রেনের বিকট শব্দ শোনতে পান। ভয়াবহ দুর্ঘটনার দৃশ্য দেখে ৯৯৯ এর মাধ্যমে পুলিশকে খবর দেন স্থানীয়রা।
স্কাউট সদস্য হোসাইন আহমদ, সাব্বির আহমদ, কলেজ শিক্ষার্থী নাঈম আহমদ সুজন, আলতাফ মাহমুদ, ব্যবসায়ী সুলেমান আহমদ, বিমলেন্দু সেন কৃষ্ণ, মিনহাজ উদ্দিন আহমদ কমরু, মোক্তাদির হোসেন মনা বলেন আহত যাত্রীদের কান্নায় ওই এলাকার পরিবেশ ভারি হয়ে ওঠে। নন্দনগর টিকরা গ্রামের আব্দুল মন্নান মনা, কনা মিয়া ও মোতাহের মিয়া বলেন, রাতে আমাদের পরিবারের অনেকেই ঘুমিয়ে ছিলেন হঠাৎ বিকট শব্দ শুনে ছোট বড় সবাই বাইরে বের হয়ে আসে। উপবন ট্রেনের ক্যান্টিন ম্যানেজার মো. মানিক খান জানান ট্রেনটিতে অন্য দিনের চাইতে একটু বাড়তি চাপ ছিল যাত্রীদের। তাই নিয়মিত ১৫টি বগি থাকলেও আরো ২টি বাড়িয়ে ১৭টি বগি করা হয়েছিল। নন্দনগর গ্রামের ফারুক মিয়াসহ ওই গ্রামের একাধিক বাসিন্দা জানান, বড়ছড়া ব্রিজের ওপর ও ব্রিজের মুখের রেল স্লিপার, ফিশ্ল প্লেট ও পাতের নাট বল্টু দীর্ঘদিন থেকে নেই বললেই চলে। তাই ট্রেন ওই ব্রিজে উঠলেই বিকট শব্দ হতো। বিষয়টি তারা স্থানীয় রেল স্টেশনের কর্মকর্তাদের জানালেও তারা তা আমলে নেননি। ঘটনাস্থলে আসা ভাটেরা বাজার ও বরমচালের কালামিয়া (ফুলেরতল) বাজারের কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান অন্য দিনের চাইতে উপবন ট্রেনটি ওই দিন বেশ দ্রুতগামী ছিল। মনে হচ্ছিল ট্রেনটির বগিগুলো টেনেহিঁচড়ে সামনে এগোচ্ছে। এমন দৃশ্য দেখে আমাদের ভয় হয়েছিল। আমাদের সে ভয়ই বাস্তব হলো। তাদের কথার সত্যতা মিলে সরজমিনে।
রাত প্রায় আড়াটার দিকেও ঘটনাস্থলের কয়েক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে উদ্ধারকারী, যাত্রীদের স্বজন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যসহ স্থানীয় বাসিন্দাদের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়। সোমবার বিকাল পর্যন্ত ঘটনাস্থলের আশপাশের এলাকায় পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের নিরাপত্তা বেষ্টনী ছিল জোরদার। কুলাউড়া সদর হাসপাতাল, মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালসহ স্থানীয় হাসপাতালেও আহতদের খোঁজ নিতে প্রচণ্ড ভিড়ে হিমশিম খেতে হয় কর্তৃপক্ষের। একের পর এক অ্যাম্বুলেন্স আর গাড়ির সাইরেনে আতঙ্কিত হন গ্রাম-শহরের বাসিন্দারা। কুলাউড়া হাসপাতালের বারান্দার মেঝেতে সারিবদ্ধভাবে রাখা হয় ওই দুর্ঘটনায় নিহত ৪ জনের লাশ। আর স্থান সংকুলান না হওয়ায় মেঝেতে চলে আহতদের চিকিৎসা। গুরুতর আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে প্রেরণ করা হয় মৌলভীবাজার সদর বা সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।
ফায়ার সার্ভিসের সিলেট বিভাগের উপপরিচালক মোহাম্মদ আলী জানান, হতাহতের পরিসংখ্যান সঠিক করে বলা না গেলেও ৪জন নিহত ও শতাধিক আহত হয়েছেন। আমাদের ১১টি ইউনিটের সদস্যরা এখানে কাজ করেছেন। রোববার রাতেই দুর্ঘটনাকবলিত সব বগিই আমরা সার্চ করে দেখেছি। কোনো বগিতেই আহত কিংবা নিহত কোনো যাত্রীকে পাইনি। তারপরও আমরা ঘটনাস্থলে সোমবার দুপুর পর্যন্ত আরো সার্চ করি।
দুর্ঘটনার কারণে সিলেটের সঙ্গে সারা দেশের ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল। হঠাৎ এমন দুর্ঘটনায় প্রতিটি স্টেশনে অপেক্ষমাণ যাত্রীদেরও চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। ওই দিনই ভোরে ইঞ্জিনের সঙ্গে সংযুক্ত থাকা ১১টি বগি উদ্ধার করে কুলাউড়া স্টেশনে আনা হয়। পরে সাতটি বগি নিয়ে উপবন এক্সপ্রেস ঢাকা পৌঁছে।
সোমবার সকাল ও দুপুরের মধ্যে উদ্ধার হয় ৩টি বগি। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে খাদে পড়ে যাওয়া অন্য ৩টি বগি উদ্ধার করে রেললাইনটি সচল করার আন্তরিক প্রচেষ্টা চালান রেল বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
৪ সদস্যের তদন্ত কমিটি: সোমবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এসে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোজাম্মেল হক জানান ‘ট্রেন দুর্ঘটনার কারণ জানতে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ওই কমিটি ৩ দিনের মধ্যে দুর্ঘটনার কারণ জানাবেন। রেলওয়ের চিফ মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার (পূর্বাঞ্চল) মো. মিজানুর রহমানকে এই কমিটির প্রধান করা হয়েছে।’ কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল জলিল, সুজিত কুমার বিশ্বাস ও ময়নুল ইসলাম।
দিনের আলোতেই চালু হবে ট্রেন: রেল সচিব মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক, অতিরিক্ত সচিব মুজিবুর রহমান, রেলের মহাপরিচালক কাজী রফিকুল আলম, রেলওয়ের প্রধান প্রকৌশলী আবদুল জলিলসহ পুলিশ ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরে প্রধান প্রকৌশলী আবদুল জলিল গণমাধ্যমকে বলেন, ‘দুপুর ১২টার দিকে আখাউড়া থেকে রিলিফ ট্রেন এসে কাজ শুরু করেছে। সেতুর সংস্কারকাজ আর বগি উদ্ধারের কাজ শেষ হতে বিকাল হয়ে যাবে। তারপরই হয়তো সিলেটের পথে রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক করা যাবে। দিনের আলোতেই ওই রেল পথ চালু হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
নিহতদের পরিচয়: নিহত ৪ যাত্রীর মধ্যে ৩ জন নারী ও একজন পুরুষ। তাদের মধ্যে কুলাউড়া পৌরসভার টিটিডিসি এলাকার বাসিন্দা ও ঠিকাদার আবদুল বারির স্ত্রী মানোয়ারা পারভীন (৪৮) রয়েছেন। নিহত অন্যরা হলেন- সিলেটের মোগলাবাজারের আব্দুল্লাহপুর গ্রামের আবদুল বারির মেয়ে ফাহমিদা ইয়াসমিন ইভা (২০) ও বাগেরহাট জেলার মোল্লারহাট থানার ভাণ্ডারখোলা গ্রামের আকরাম মোল্লার মেয়ে সানজিদা আক্তার (২০)। এরা দু’জন সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজের নার্সিং ইন্সটিটিউটের ছাত্রী। নিহত পুরুষ যাত্রী মো. কাউছার আহমদ (২৬) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাছির নগর উপজেলার ধরমণ্ডল গ্রামের মৃত নুর হোসেনের ছেলে। নিহত ৪ জনেরই লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
যাত্রীদের বর্ণনা: ট্রেনের যাত্রী ছিলেন সিলেটের ফটোগ্রাফার কে এম এ তাহের। তিনি দুর্ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেন, আমি সিটে বসা, হঠাৎ হুমড়ি খেয়ে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েক যাত্রী আমার ওপরে পড়েন। বিকট শব্দ ও কান্নার আওয়াজ শুনি। ভাগ্যিস জানালার পাশে ছিলাম ঝুলন্ত বগি থেকে কোনো রকম মাথাটা বের করে পা বাড়ালেই দেখি আমি পানিতে। জাহেদ মিয়া, আলম মিয়া, মাসুদ আহমেদ, তোফায়েল, মিজানুর, আব্দুর রশীদ বলেন, চোখে ঘুম ঘুম ভাব, হঠাৎ ভূমিকম্পের মতো মনে হলো। কি যেন আমাদেরকে ট্রেনের পিছন দিক দিয়ে টেনে নিয়ে যাচ্ছে। এর পরই বিকট শব্দের পর আমরা দেখি রেললাইনের পাশের জমিতে পড়ে আছি। সঙ্গে সঙ্গে আমাদের সঙ্গে থাকা শিশু ও মহিলাদের আর্তনাদ শুনে উদ্ধার কাজে লেগে যাই। পাবনার মো. আল আমিন ও মো. সম্রাট পারভেজ জানান, তারা ১৪ জন মিলে সিলেটে মাজার জিয়ারতে আসেন। সড়কপথ বন্ধ থাকায় তারা ট্রেনের টিকিট কেটে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন। দুর্ঘটনার পর ভয়ে তারা ট্রেন থেকে নেমে টিকরা জামে মসজিদে আশ্রয় নেন। মসজিদে রাত কাটান। ভোর ৭টায় তারা সড়ক পথে আবার ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন।
সতর্কতার পরামর্শ বৃটেনের: ট্রেন দুর্ঘটনার বিষয়ে বাংলাদেশে অবস্থানরত বৃটিশ নাগরিকদের সতর্ক করেছে বৃটেনের ফরেন অ্যান্ড কমনওয়েলথ অফিস। সোমবার দিনের শুরুতে জারি এক সতর্ক বার্তায় বলা হয়- বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় জেলা মৌলভীবাজারের বরমচাল স্টেশনের কাছাকাছি স্থানে ২৩শে জুন একটি ট্রেন লাইনচ্যুত হয়ে বহু লোক আহত এবং কয়েকজন নিহত হয়েছেন। বৃটিশ সরকারের নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ওই সতর্কতায় আরো বলা হয়- বাংলাদেশে বিস্তৃত তবে অনেক পুরনো রেল নেটওয়ার্ক রয়েছে। বাংলাদেশে রেল ভ্রমণ অত্যন্ত ধীরগতির। দেশটিতে মাঝেমধ্যেই ট্রেন লাইনচ্যুতি এবং অন্যান্য রেল দুর্ঘটনা ঘটে। যেখানে অনেকে হাতাহত হন, মৃত্যুর ঘটনাও ঘটে। সর্বশেষ গত ২৩শে জুন মৌলভীবাজার জেলার ট্রেন লাইনচ্যুতির ঘটনাটি সতর্ক বার্তায় বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়। ওই ঘটনায় এ পর্যন্ত ৪ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন প্রায় শতাধিক। মধ্য রাতের ওই ঘটনায় পরদিন সন্ধ্যা অবধি সিলেটের সঙ্গে ঢাকা এবং চট্টগ্রামের রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল। বৃটেনের সতর্ক বার্তায় দেশটির নাগরিক যারা বাংলাদেশে অবস্থান করছেন বা ভ্রমণ করছেন তাদের উদ্দেশ্যে বলা হয়- কিছু কিছু ট্রেনে ফার্স্ট ক্লাস কম্পার্টমেন্ট রয়েছে, যা ভেতর থেকে আটকানো যায়। বিশেষ করে রাতে ভ্রমণের ক্ষেত্রে নিরাপত্তার স্বার্থে অবশ্যই কম্পার্টমেন্টের ওই লকগুলো ভালোভাবে আটকাতে হবে।
ট্রেন দুর্ঘটনায় দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি: সিলেট থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী আন্তঃনগর উপবন এক্সপ্রেস ট্রেন দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান করে দায়ী ব্যক্তিদের দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। গণমাধ্যমে প্রেরিত বিবৃতিতে সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী এই দাবি জানান। বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ রেলওয়ের পদে পদে যেভাবে অনিয়ম, দুর্নীতি, লুটপাট ও দায়িত্ব পালনে গাফিলতির মহোৎসব চলছে। এখানে দুর্নীতিবাজরা পুরস্কৃত হচ্ছে, সৎ অফিসাররা কোণঠাসা হয়ে পড়ছে। যাত্রীসেবার মান ও ট্রেনের গতি গাণিতিক হারে নিম্নমুখী হচ্ছে। অথচ সরকার প্রধান তথা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা রেলকে গতিশীল করতে প্রায় অর্ধশত যাত্রীবান্ধব প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রায় লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির বাস্তবায়ন করে এসব প্রকল্পে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য বিবৃতিতে দাবি জানানো হয়। যাত্রীকল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, এই রেল দুর্ঘটনায় দায়িত্ব পালনে গাফিলতিকারী অথবা ইঞ্জিনিয়ারিং ত্রুটি, ঠিকাদারের দুর্নীতি যারা দায়ী হোক না কেন, জড়িত তাদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করে দ্রুত বিচারের মুখোমুখি করা হোক। অন্যথায় বাংলাদেশ রেলওয়ের সামনে আরো বড় বড় বিপদ আসন্ন বলে বিবৃতিতে সতর্ক করেন তিনি। বিবৃতিতে তিনি আরো বলেন, আমরা কথায় কথায় যেকোনো বিষয়ে ভারতের উদাহরণ দিয়ে থাকি, ভারতে হলে এতক্ষণে রেলমন্ত্রী পদত্যাগ করতেন। দায়ী ব্যক্তিরাও ছাড় পেতেন না। তিনি এই দুর্ঘটনায় হতাহত প্রতিটি পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ও যথাযথ চিকিৎসা সুনিশ্চিত করার দাবি জানান।
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর শোক: কুলাউড়া উপজেলার বরমচাল এলাকায় উপবন এক্সপ্রেস ট্রেন দুর্ঘটনায় মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আবদুল মোমেন, এমপি। গণমাধ্যমে পাঠানো এক শোক বার্তায় মন্ত্রী শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিহতদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। ড. মোমেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুর্ঘটনা ও মৃত্যুর বিষয়ে গভীর শোক ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং আহতদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানের নির্দেশ দিয়েছেন। এ ছাড়া আমি যোগাযোগ মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ও রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজনের সঙ্গে আলাপ করেছি। শিগগিরই ব্রিজটি চালু হবে এবং আগামী ১ সপ্তাহের মধ্যে নির্মিত নতুন ব্রিজ উদ্বোধন করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তা ছাড়া বেসরকারি বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী মো. মাহবুব আলীকে বিমানের অতিরিক্ত ফ্লাইট চালুরও অনুরোধ করেছি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আমাদের হারকিউলিস by ইশতিয়াক পারভেজ

একজন মানুষের কাছে এর চেয়ে বেশি আর কী চাওয়া যেতে পারে। অবিশ্বাস্য এই চিত্রনাট্য নিয়তিই বোধ হয় ঠিক করে রেখেছিল। সাকিব নিজেও কি এতোটা আশা করেছিলেন। বিশ্বখ্যাত ওয়েবসাইট ক্রিকইনফো তার এই পারফরম্যান্সের প্রশংসা করতে টেনেছে গ্রীক পুরাণের চরিত্র হারকিউলিসকে। আসলেইতো সাকিব আমাদের হারকিউলিস। পুরাণ থেকে ওঠে আসা চরিত্রইতো। রক্ত মাংসের মানুষ কি এমনটা করতে পারেন?
পাঠকরা এরই মধ্যে জেনে গেছেন, গতকাল তার ঘূর্ণীতেই সাউদাম্পটনের রোজ বোল স্টেডিয়ামে নাস্তানাবুদ হলো আফগানিস্তান। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে তার ৫১ ও মুশফিকুর রহীমের ৮৩ রানের উপর ভর করে ২৬২ রানের পুঁজি পায় বাংলাদেশ। পরে বল হাতে সাকিবের পাঁচ উইকেটে ৬২ রানের জয় পায় টাইগাররা। সাবিকের এনে দেয়া জয়ে বেঁচে থাকলো বাংলাদেশের সেমিফাইনালে খেলার স্বপ্ন। ৭ পয়েন্ট নিয়ে ফের মাশরাফিরা এখন পয়েন্ট তালিকার ৫ স্থানে।
স্কোরবোর্ডে পর্যাপ্ত রানের যোগান পেয়েই সাউদাম্পটনের রোজ বোল স্টেডিয়ামে টাইগার ভক্তরা দারুণ উৎফুল্ল। রশিদ খান উইকেট পাননি, এবার রানও পাবেন না বলে চিৎকার করছিলেন একজন। আরেকজন বললেন আজ সাকিব সব গুড়িয়ে দেবে! মাঠে দেশের প্রতি ভালবাসার টানে অন্ধের মত ছুটে আসা বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভক্তদের হতাশ করেননি সাকিব। ব্যাট হাতে ৫১ রানের পর বল হাতে ২৯ রানে নেন ৫ উইকেট। যা বিশ্বকাপে বিশ্বকাপের ইতিহাসে বাংলাদেশের কোনো বোলারের প্রথম পাঁচ উইকেট। সেখানেই শেষ নয়, তার আগেই জায়গা করে নিয়েছেন আরেক বিশ্ব রেকর্ডে। বিশ্বকাপে বল হাতে নিয়েছেন ৩৩ উইকেট সেই সঙ্গে করেছেন এক হাজার রান। পিছনে ফেলেছেন স্টিভ ওয়াহ, সানাৎ জয়সুরিয়াদের।
এদিন বাংলাদেশের ছুড়ে দেয়া ২৬২ রানের টার্গে তাড়া করতে নেমে ভালোই শুরু করেছিল আফগানিস্তান। বাংলাদেশের ওপেনিং জুটি ভেঙেছিল ২৩ রানে। কিন্তু আফগানদের দুই ওপেনার গুলবদিন নায়েব ও রহমত শাহ তোলেন ৪৯ রান। তখনই বল হাতে আক্রমনে এসে বাংলাদেশকে প্রথম সফলতা এনে দেন সাকিব। সেই শুরু, তার আগুনেই একে একে পুড়তে থাকে আফগানদের একটি জয়ের স্বপ্ন। যদিও মাটি কামড়ে পড়েছিল আফগানরা। কিন্তু অধিনায়কের আরেক অস্ত্র মোসাদ্দেক হোসেন এসে দলকে ফের স্বস্তি এনে দেন। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলতে পারেননি ইনজুরির কারণে। কিন্তু আগানদের বিপক্ষে ফিরে ব্যাট হাতে ঝড় তোলার পর বল হাতেও সফল এই তরুণ। ২৭ রান করা হাসমত উল্লাহ শাহিদিকে আউট করে দেখান সাজঘরের পথ। ৭৯ রানে দুই উইকেট হারালেও প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন অধিনায়ক গুলবদিন। স্কোর বোর্ডকে ১০০ ছাড়িয়ে নিয়ে যান তিনি। ফের চিন্তার ভাজ পড়তে থাকে টাইগার শিবিরে। আবারো রব উঠে উইকেটের। সেই সময় ফের সাকিব হারকিউলিসের মত হাজির হন তাদের ইচ্ছা পুরণ করতে। স্লি পয়েন্টে দুজন ফিল্ডার রেখে গুলবদিনের জন্য টোপ পাতলেন সাকিব, প্রথম বলেই পাতা ফাঁদে পা দিয়ে দিলেন আফগান অধিনায়ক। লিটন দাস দারুণ ক্যাচ বানিয়ে বিশ্বকাপের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে ১০০০ রান ও ৩০ উইকেটের ডাবল পূর্ণ করেন।
এরপর আফগানদের মেরুদ-টাই ভেঙে ফেলেন সাকিব। দুই বল পর আবারো আঘাত হানেন। উইকেটে ডুকে যাওয়া বলের গতি বুঝতে না পেরে মোহাম্মদ নবী আউট হলেন। ভারতের বিপক্ষে নবীই দলকে ৫২ রান করে দলকে জিতিয়ে দিচ্ছিলেন। তাকে হারিযে আফগানদের জয়ের আশাও তখন নিভুনিভু। শেষ দিকে হাল ধরেছিলেন সামিউল্লাহ শেনওয়ারি-নজিবুল্লাহ জাদরানের ৮ম উইকেট জুটি। মাত্র ৪৫ বলে ৫৬ রান তুলে ভয় দেখাচ্ছিলেন দুজনে। নজিবুল্লাহকে নিজের ৫ম শিকার বানিয়ে সে ভয়ও দূর করেছেন সাকিবই। এর আগে আসগর আফগানকেও ডিপ মিড উইকেটে বানিয়েছিলেন সাব্বির রহমানের ক্যাচ। বাংলাদেশের হয়ে বিশ্বকাপে কোন বোলারের প্রথম পাঁচ উইকেটের মালিক এখন তিনি। ২০১৫ বিশ্বকাপে তার সেরা শিকার ছিল ৪ উইকেট। পরেই আছেন ৪ উইকেট নেয়া মাশরাফি বিন মুর্তজা, শফিউল ইসলাম ও রুবেল হোসেন।
এর আগে টসে জিতে বাংলাদেশকে আগে ব্যাট করতে পাঠায় আফগানিস্তান। সাউদাম্পটনে স্পিন দিয়েই বাংলাদেশকে কাবু করতে চেয়েছিল আফগানিস্তান। স্পিনার মুজিব উর রহমান তাদের চাওয়া পূরণ করেছেন। কিন্তু বাংলাদেশও তাদের ঘূর্ণি ভালোভাবে সামাল দিয়েছে মুশফিকুর রহিম ও সাকিব আল হাসানের হাফসেঞ্চুরিতে। এদিন তামিম ইকবালের সঙ্গে ওপেনিংয়ে নেমেছিলেন লিটন। শুরুটা দেখেশুনে খেলছিলেন দুজন। আচমকা মুজিবের ঘূর্ণিতে আর থিতু হতে পারেননি লিটন। হাসমতউল্লাহ শহিদী ক্যাচটি কঠিন করে নেওয়ায় তা মাটিতে লেগেছিল কিনা সংশয়ে ছিলেন আম্পায়াররা। পরে থার্ড আম্পায়ার আউট দেন লিটনকে। তিনি মাঠ ছাড়েন ১৬ রান করে। তামিমের সঙ্গে তার জুটি ছিল মাত্র ২৩ রানের। এরপর সাকিব আসেন ক্রিজে। তামিমকে সঙ্গে নিয়ে লড়াই শুরু করেন। গড়ে তোলেন ৫৯ রানের জুটি। দেশের দুই সেরা ক্রিকেটারের এই জুটি বেশ স্বতিই দিচ্ছিল টাইগার শিবিরে। কিন্ত আগের ম্যাচেই ফিফটি হাঁকানো তামিম ফের খেললেন এলোমেলো শট। নবীকে ব্যাকফুটে কাট করতে গিয়ে বোল্ড হয়ে যান ৩৬ রান করে। রশীদের করা পরের ওভারের প্রথম বলে এলবিডাব্লিউর আবেদনে আঙুল তুলে দেন আম্পায়ার। সাকিব রিভিউ চান। দেখা যায়, বেলের ইঞ্চি চারেক ওপর দিয়ে চলে যেত বল। বেঁচে যান তিনি। এরপর সাকিব ও মুশফিক দলকে দ্রুত গতিতে রান এনে দিয়েছেন। তবে ফিফটির সামনে এসে একটু থমকে গিয়েছিলেন সাকিব। মোহাম্মদ নবীর ওভারে সিঙ্গেল নিয়ে বিশ্বকাপে নিজের তৃতীয় ফিফটি পূর্ণ করেন। অবশ্য এরপর নিজের নামের পাশে এক রান যোগ করেই ফিরে গেছেন সাজঘরে। ১৪৩ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এরপরই আউট হয়েছেন এই বিশ্বকাপে প্রথমবার পাঁচে নামা সৌম্য সরকার। এর আগে ৬ ম্যাচেই তিনি ছিলেন তামিমের ওপেনিং সঙ্গী। রিভিউ নিয়ে সৌম্য এলবিডাব্লিউর হাত থেকে রক্ষা পাননি। তবে লড়াই করে গেছেন মুশফিক।
সাকিবের সঙ্গে ৬১ রানের জুটি ভাঙার পর দলের হাল ধরেন মাহমুদুল্লাহকে নিয়ে। রিয়াদকে নিয়ে ৫৬ রানের জুটি গড়ে দলকে বিপদ মুক্ত করেন তিনি। দলের স্কোর বোর্ডে ২০৭ রানের সময় ২৭ রান করা রিয়াদ আউট হয়ে যান। ব্যাথা পেয়ে খেলতে পারছিলেন না তিনি। এরপর মোসাদ্দেককে নিয়ে মুশফিক গড়েন ৪৪ রানের জুটি। তাতেই দল পায় ২৫০ রানের দেখা। ৪৮.৩ ওভারের সময় ৮৩ রান করা মুশফিক আউট হন। এরপর এক ম্যাচ পর একাদশে ফেরা সৈকত আউট হন ৩৫ করে। মুজিব নিয়েছেন তিন উইকেট।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিশ্বকাপে অন্যন্য এক রেকর্ড সাকিবের

আফগানিস্তানের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে রেকর্ড গড়তে ২ উইকেট দরকার ছিল সাকিবের। ব্যাট হাতে হাফসেঞ্চুরি করার পর বল হাতে নিজের প্রথম ওভারেই আফগান ওপেনার রহমত শাহ’কে ফিরিয়ে রেকর্ডের একদম কাছে পৌঁছে যান তিনি।
এরপর নিজের পঞ্চম ওভারের প্রথম বলেই আফগান অধিনায়ক গুলবাদিন নায়েবকে লিটন দাসের ক্যাচে পরিণত করে বিশ্বরেকর্ড গড়েন দেশ সেরা এই ক্রিকেটার। একই ওভারে আফগান অলরাউন্ডার মোহাম্মদ নবীকে আউট করেন। পরে আসঘর আফগানকেও আউট করে বিশ্বকাপে নিজের উইকেটসংখ্যা ৩২-এ নিয়ে যান। শেষ স্পেলে বোলিং করতে এসে প্রথম বাংলাদেশি বোলার হিসেবে বিশ্বকাপে তুলেনেন পাঁচ উইকেট। গতকালের ২৬ রানে পাঁচ উইকেট সাকিবের ক্যারিয়ার সেরা বোলিং। এর আগে ঢাকায় জিম্বাবুয়েল বিপক্ষে ৪৭ রানে পাঁচ উইকেট নিয়েছিলেন সাকিব। ক্যারিয়ারে এটি দ্বিতীয় বারের মতো পাঁচ উইকেট।
বিশ্বকাপে ১০০০ হাজার রান কিংবা ৫০ উইকেটের কীর্তি আছে অনেক। কিন্তু ন্যূনতম রানের সঙ্গে ৩০ উইকেটের কীর্তি নেই আর কারও। এর আগে বিশ্বকাপে ন্যূনতম ৯০০ রানের সঙ্গে ২৫ উইকেট নিতে পেরেছেন মাত্র তিনজন। তারা হলেন- অস্ট্রেলিয়ার স্টিভ ওয়াহ, শ্রীলঙ্কার সনাথ জয়সুরিয়া ও সাকিব। তিন বিশ্বকাপে ৩৩ ম্যাচ খেলে ৯৭৮ রানের সঙ্গে ২৭ উইকেট পেয়েছিলেন অজি কিংবদন্তি স্টিভ ওয়াহ। অন্যদিকে ৫ বিশ্বকাপ মিলিয়ে ১১৬৫ রান ও ২৭ উইকেট পেয়েছিলেন জয়সুরিয়া। বাকি দুজন তো আগেই সাবেক হয়ে গেছেন। এর ফলে সাকিবের এই রেকর্ড অনেকদিন স্থায়ী হবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। এর আগে ক্রিকেটের মহামঞ্চে ব্যাট হাতে সাকিব ছাড়িয়ে গেছেন ভিভ রিচার্ডস, সৌরভ গাঙ্গুলী, মার্ক ওয়াহর মতো তারকাদের। সুযোগ এসেছিল আগের ম্যাচেই। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বিশাল টার্গেট তাড়া করেতে নেমে ৪১ বলে ৪১ রানে থেমে গেলে বাড়ে অপেক্ষা। আফগানিস্তানের বিপক্ষে এই মাইলফলকে যেতে তাই ৩৫ রান লাগতো সাকিব আল হাসানের। তিনে নেমে প্রতি ম্যাচেই ব্যাটিংয়ে ঝলক দেখানো সাকিব সাবলীল ব্যাট চালিয়ে দ্রুতই স্পর্শ করলেন তা। প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে সাকিবের নামের পাশে এখন এক হাজার বিশ্বকাপ রান। গতকাল ব্যক্তিগত ৫১ রানে সাকিব যখন সাজঘরে ফেরেন ততক্ষণে বিশ্বকাপে তার মোট সংগ্রহ
দাঁড়িয়েছে ১০১৬ রানে (২ সেঞ্চুরি ৭ হাফসেঞ্চুরি)। এর ৪৭৬ রানই চলতি বিশ্বকাপের।
এবারের বিশ্বকাপে ব্যাট হাতে ছয় ইনিংসে তিনটি অর্ধশতক ও দুটি সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন সাকিব। বিশ্বকাপে বাংলাদেশের জার্সিতে সবচেয়ে বেশি রান করায় সাকিবের পরেই আছেন মুশফিকুর রহিম। ২৬ ম্যাচে ৮৩৭ রান করেছেন তিনি। সাকিবের সমান ২৭ ম্যাচ খেলে তামিম আছেন ৬৮২ রানে। ২০০৭ বিশ্বকাপে প্রথমবার নেমেই ভারতের বিপক্ষে ফিফটি করেছিলেন সাকিব। এরপর খেলেছেন ২০১১ আর ২০১৫ বিশ্বকাপে। আগের তিন বিশ্বকাপ মিলিয়ে তার সংগ্রহ ছিল ৫৪৬ রান। বিশ্বকাপে ১০০০ রানের কৃতিত্ব দেখানো মাত্র ১৯৩ম ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান। এমন তালিকার ১৬তম স্থানে রয়েছেন সাকিব। তালিকায় সাকিবের পেছনে আছেন ভিভ রিচার্ডস (১০১৩), সৌরভ গাঙ্গুলী (১০০৬) ও মার্ক ওয়াহ (১০০৪)। বিশ্বকাপে সর্বাধিক ২২৭৮ রানের রেকর্ড ভারতীয় গ্রেট ব্যটসম্যান শচীন টেন্ডুলকারের।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বুথ থেকে টাকা চুরি করেছেন রাশিয়ার নাগরিকও by আহমেদ জায়িফ
![]() |
| ভ্লাদিস্লাভ সের্গিয়েভিচের পাসপোর্ট |
ঘটনা তদন্তের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ঢাকা মেট্রোপলিটন গোয়েন্দা পুলিশের কর্মকর্তারা বলছেন, ভ্লাদিস্লাভ যখন হোটেল সালিমারে ছিলেন তখন ২ জুন সন্ধ্যা পৌনে সাতটার দিকে আরও দুই বিদেশি ওই হোটেলে গিয়ে তার (ভ্লাদিস্লাভ সের্গিয়েভিচ) সঙ্গে দেখা করেন। এই দুজনের উপস্থিতি রেডিসন হোটেলের এটিএম বুথে পাওয়া গেছে। তবে তারা কোনো হোটেল ছিলেন, তাদের পরিচয় কি তা এখনো জানা যায়নি।
এ নিয়ে বুথ থেকে টাকা চুরির ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১০ বিদেশির সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে নিশ্চিত হয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তারা। এদের মধ্যে সাতজন ইউক্রেনের নাগরিক, একজন রাশিয়ার এবং দুজনের পরিচয় এখনো জানা যায়নি। এ ছাড়া ২ জুন মালয়েশিয়ান এয়ারলাইনসের একটি বিমানে করে বাংলাদেশ ছেড়ে যাওয়া আরও তিন ইউক্রেনের নাগরিক চুরির ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ছিলেন বলে মনে করছেন তারা।
গত ১ জুন সন্ধ্যায় খিলগাঁওয়ের তালতলা এলাকায় ডাচ্-বাংলার এটিএম বুথে ইউক্রেনের দুই নাগরিক টাকা চুরি করতে যান। তাঁদের একজন ধরা পড়লেও পালিয়ে যান আরেকজন। ওই দিন রাতেই রাজধানীর পান্থপথের হোটেল ওলিও ড্রিম হ্যাভেন থেকে ইউক্রেনের আরও পাঁচ নাগরিককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এই চক্রের একজন এখনো পলাতক। পরবর্তীতে জানা যায়, ৩০ মে বিকেলে তুর্কি এয়ারওয়েজের একটি বিমানে করে ইউক্রেন থেকে বাংলাদেশে আসেন সাত নাগরিক। পরদিনই ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের মধ্য বাড্ডার দুটি বুথ থেকে ৪ লাখ টাকা চুরি করেন। আর ১ জুন র্যাডিসন হোটেল, কাকরাইল, রামপুরার ডিআইটি সড়ক ও নিকুঞ্জ এলাকার ডাচ বাংলা ব্যাংকের এটিএম বুথে চুরি হয়। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত সাড়ে ১৬ লাখ টাকা চুরির খবর পাওয়া গেছে।
ডিবির তদন্ত কর্মকর্তারা বলছেন, তদন্ত করতে গিয়ে আরও কয়েকটি ব্যাংকের এটিএম বুথেও চুরি হয়েছে বলে তারা আভাস পাচ্ছেন। চুরি যাওয়া টাকার অঙ্কও বড়। কিন্তু একমাত্র ডাচ-বাংলা ব্যাংক ছাড়া অন্য কোনো ব্যাংক এ বিষয়ে কোনো তথ্য দেয়নি। তবে যেসব বুথ থেকে টাকা চুরি হয়েছে তার আশপাশের এলাকায় যেসব ব্যাংক রয়েছে এমন পাঁচটি ব্যাংক-ইউসিবি, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড, প্রিমিয়ার, সিটি ও ব্র্যাক ব্যাংকের কাছে ৩১ মে ও ১ জুনের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ তারা চেয়েছেন। এর মধ্যে কেবল সিটি ব্যাংক চিঠি প্রাপ্তির কথা স্বীকার করেছে। বাকি ব্যাংকগুলো এখনো সাড়া দেয়নি।
গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, গত ১৯ জুন বাংলাদেশের এটিএম যন্ত্রের সরবরাহকারী বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান এনসিআর করপোরেশনের পাঁচজন প্রতিনিধির সঙ্গে গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বৈঠক করেন। ওই বৈঠকের অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় প্রতিনিধিরা বলেছেন, চুরি যাওয়া যে অর্থের (১৬ লাখ) কথা বলা হচ্ছে এত অল্প পরিমাণ টাকা চুরির জন্য এই চক্র এ দেশে আসার কথা না। এর পরিমাণ আরও বেশি।
এটিএম বুথ থেকে টাকা চুরির ঘটনা তদন্ত করছেন ডিবির পূর্ব বিভাগের খিলগাঁও অঞ্চলের অতিরিক্ত উপকমিশনার শাহিদুর রহমান। প্রথম আলোকে তিনি বলেন, টাকা চুরির ঘটনায় জালিয়াত চক্রের দুটি গ্রুপ জড়িত ছিল বলে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে তাঁরা জানতে পেরেছেন। গ্রেপ্তার চারজনকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করে উল্লেখযোগ্য কোনো তথ্য পাননি। আদালত আরও চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। শিগগির তাদের আবারও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইস্তাম্বুলে এরদোগানের দলের ভরাডুবি

ক্ষমতাসীন একে পার্টি নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগে মার্চের ফল বাতিল ঘোষণা করে।
নির্বাচনে একরেম ইমামোগলুর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিনালি ইলদিরিম পরাজয় স্বীকার করে নিয়েছেন। বিজয়ী প্রার্থীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট এরদোগান। এক টুইটে তিনি বলেছেন, একরেম ইমামোগলুকে অভিনন্দন জানাই, তিনি প্রাথমিক ফলাফলে বিজয়ী হয়েছেন। কিন্তু নির্বাচনে এই ফলকে প্রেসিডেন্ট এরদোগানের ওপর চরম এক আঘাত হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ, তিনি এর আগে বলেছিলেন, ইস্তাম্বুলে যিনিই জিতবেন তিনিই তুরস্ক জিতবেন। তারই কথার অনুরণন শোনা গেছে বিজয়ী ইমামোগলুর কণ্ঠে। তিনি বলেছেন, নির্বাচনের ফল বলছে ইস্তাম্বুল ও সারা দেশের জন্য নতুন এক যাত্রা শুরু হলো। আমরা ইস্তাম্বুলে নতুন একটি যুগ শুরু করছি। এতে থাকবে ন্যায়বিচার, সমতা ও ভালোবাসা। তার এ কথার অর্থ, তিনি বা তার দল শুধু ইস্তাম্বুল জয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। তারা পুরো তুরস্ককে জয় করার মানসে মাঠে নেমেছেন। আর সেখানেই প্রেসিডেন্ট এরদোগানের বড় ভয় থাকার কথা। তিনি একটি ব্যর্থ অভ্যুত্থান প্রচেষ্টায় রক্ষা পেয়েছেন। তারপর ক্ষমতাকে পোক্ত করেছেন সংবিধান সংশোধনীর মাধ্যমে। নিজের হাতে নিয়েছেন প্রচুর ক্ষমতা। কিন্তু তার সেই ক্ষমতার বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে বিরোধী পক্ষ। বিরোধীদের মত ও পথের সঙ্গে জনমত যে কীভাবে এক হয়ে উঠেছে সদ্য অনুষ্ঠিত ইস্তাম্বুলের মেয়র নির্বাচন তারই প্রমাণ। সারা দেশে যদি এমন অবস্থা সৃষ্টি হয় তাহলে এরদোগানের মসনদ কেঁপে উঠতে পারে। প্রেসিডেন্ট এরদোগানের সঙ্গে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন প্রাথমিক ফলাফলে নির্বাচিত মেয়র ইমামোগলু। তিনি বলেছেন, মিস্টার প্রেসিডেন্ট, আপনার সঙ্গে সম্প্রীতি বজায় রেখে কাজ করতে আমি প্রস্তুত। এরদোগানকে দেখা হয় আধুনিক সময়ে তুরস্কের সবচেয়ে শক্তিশালী নেতা হিসেবে। কিন্তু এই নির্বাচনের ফল তার ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বড় আঘাত বলে মন্তব্য করেছে বিবিসি। এতে বলা হয়েছে, নির্বাচনের ফল বলছে এরদোগান নতুন নির্বাচন আহ্বান করে ভীষণ বড় ভুল করেছেন। মার্চের নির্বাচনে ইমামোগলু মাত্র ১৩ হাজার ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছিলেন। কিন্তু এবার নির্বাচনে সেই ব্যবধান প্রায় ৮ লাখ ছুঁই ছুঁই। ফলে এরদোগানের দলের এবং তার নিজের ব্যক্তিদের বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে এতে। এর ফলে তার একে পার্টিতে বিভক্তি দেখা দিতে পারে। এরদোগান পরবর্তী যুগ নিয়ে আলোচনা ত্বরান্বিত হতে পারে। এ অবস্থায় ২০২৩ সালের আগে নির্বাচন হওয়ার শিডিউল রয়েছে। কিন্তু উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সেই নির্বাচন আগেভাগে চেয়ে বসতে পারে কোনো কোনো পক্ষ। তাই ইস্তাম্বুলের নির্বাচনের ফলকে অনেকেই পূর্বাভাস হিসেবে দেখতে পারেন।
কীভাবে বিরোধীরা বিজয়ী হলো? হ্যাঁ, একরেম ইমামোগলু মানুষের মাঝে ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দিতে পেরেছেন। কথা বলেছেন হাসিমুখে। এ ইস্যুই ব্যাপকভাবে কাজে দিয়েছে। বিরোধী দল রিপাবলিকান পিপল্স পার্টি (সিএইচপি) চূড়ান্ত দফায় দেখিয়ে দিয়েছে, কীভাবে প্রেসিডেন্টকে কাউন্টার বা মোকাবিলা করতে হবে। ইস্তাম্বুলকে শাসন করার জন্য সিএইচপিকে অপেক্ষা করতে হয়েছে ২৫ বছর। এই দীর্ঘ সময় তারা মনে করেছে, সফলতা অর্জনে তারা অক্ষম। কিন্তু এবার তারা উপযুক্ত ও মোক্ষম সুযোগ নিয়েছে।
নির্বাচনে প্রার্থী ছিলেন কারা?
রিপাবলিকান পিপল্স পার্টি ধর্মনিরপেক্ষ। ইস্তাম্বুলের বেলিকডুজু জেলায় এ দলের মেয়র ইমামোগলু (৪৯)। কিন্তু মার্চের নির্বাচনে তিনি মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার আগে খুব কম মানুষই তার নাম জানতেন এবং চিনতেন। অন্যদিকে এরদোগানের একেপি দলের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য বিনালি ইলদিরিম। তিনি ২০১৬ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। এ সময়ে তুরস্ক প্রেসিডেন্সিয়াল গণতন্ত্রে পরিণত হয়। নতুন পার্লামেন্টে ফেব্রুয়ারিতে তিনি স্পিকার নির্বাচিত হন। এর আগে পরিবহন ও যোগাযোগ বিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নওয়াজ শরিফকে মুরসির পরিণতি ভোগ করতে দেব না: মরিয়ম
![]() |
| মরিয়ম নওয়াজ |
গতকাল শনিবার লাহোরে এক সংবাদ সম্মেলনে মরিয়ম নওয়াজ বলেন, পাকিস্তান মিসর না। নওয়াজ শরিফ মোহাম্মদ মুরসি নন। তাই নওয়াজ শরিফকে তিনি মুরসির পরিণতি বরণ করতে দেবেন না।
সম্প্রতি আদালতের এজলাসে অসুস্থ হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন মোহাম্মদ মুরসি। অভিযোগ উঠেছে, যথাযথ চিকিৎসাসেবা না পাওয়ার কারণেই তিনি প্রাণ হারিয়েছেন।
৬৯ বছর বয়সী নওয়াজ শরিফ আল-আজিজিয়া দুর্নীতি মামলার দায়ে লাহোরের কোট লাখপাত জেলে সাত বছরের দণ্ড ভোগ করছেন। কারাবন্দী নওয়াজ শরিফও অসুস্থ। নওয়াজের স্বজনেরাও অভিযোগ করেছেন, কারাগারে নওয়াজ শরিফকে যথাযথ স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে না।
প্রয়াত মুরসির প্রসঙ্গ টেনে সংবাদ সম্মেলনে মরিয়ম নওয়াজ বলেন, নওয়াজ শরিফের শারীরিক অবস্থা এখন ভালো নয়। কারাগারের চিকিৎসকেরা জানেনও না এ সপ্তাহে তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন। তাঁর কোনো চিকিৎসাও করা হয়নি। মরিয়ম অভিযোগ করেন, তাঁর বাবার চিকিৎসায় গুরুত্ব দিচ্ছেন না চিকিৎসকেরা। তিনি বলেন, ‘নওয়াজ শরিফের শারীরিক প্রকৃত অবস্থার ৮০ শতাংশ আমাদের সামনে আনা হচ্ছে। পুরোটা আনা হচ্ছে না।’
মরিয়ম নওয়াজ বলেন, ‘আমরা আদালতের কাছে অনুরোধ করেছি যেন তাঁকে চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে নেওয়া হয়।’
![]() |
| পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ ও তাঁর কন্যা মরিয়ম নওয়াজ। ছবি: ফাইল ছবি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যত আঘাত এসেছে আওয়ামী লীগ ততই শক্তিশালী হয়েছে -প্রধানমন্ত্রী

দেশের মানুষের প্রতি কর্তব্য, ত্যাগ-তিতিক্ষা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে বলেই বার বার আঘাত আসা সত্ত্বেও আওয়ামী লীগ ৭০ বছর ধরে টিকে আছে। আওয়ামী লীগ দিনে দিনে যেভাবে শক্তিশালী হচ্ছে, তা ধরে রেখে দলকে আরও শক্তিশালী করে গড়ে তুলতে হবে। তাই দলের প্রতিটি নেতাকর্মীকে মুজিব আদর্শে দিক্ষিত হতে হবে। আমরা জাতির পিতার স্বপ্নের ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়ে তুলবোই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশ নেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, মোহাম্মদ নাসিম, ইতিহাসবিদ-কলামিস্ট অধ্যাপক মুনতাসির মামুন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ উত্তরের সভাপতি এ কে এম রহমতুল্লাহ, দক্ষিণের সভাপতি হাজী আবুল হাসনাত। সূচনা বক্তব্যে রাখেন, দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। আলোচনা সভা পরিচালনা করেন দলের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ ও উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন।
আওয়ামী লীগের জন্মদিনে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগের ইতিহাসের সঙ্গে দেশের মানুষের কল্যাণ, মুক্তি, স্বাধীনতা ও সকল অর্জনের ইতিহাস জড়িত। একটি দেশের জন্য আওয়ামী লীগের বিপুল নেতাকর্মীদের বিশাল আত্মত্যাগ রয়েছে। অন্য কোন রাজনৈতিক দল নেই যে দেশ ও দেশের মানুষের জন্য এতো আত্মত্যাগ যেটা আওয়ামী লীগ করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ১০ বছরে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির চিত্র দেশবাসীর সামনে তুলে ধরে বলেন, গত ১০ বছরে বাংলাদেশের চিত্রই পাল্টে গেছে। সারাবিশ্বে বাংলাদেশ এখন সম্মান পাচ্ছে, উন্নয়নের রোলমডেল হিসেবে স্বীকৃতি পাচ্ছে। আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করার অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছে। কিন্তু আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় এসেছে এদেশের মানুষ কিছু পেয়েছে। ৪১ ভাগ থেকে দারিদ্র্যের হার আমরা ২১ ভাগে নামিয়ে এনেছি। এই হার আরও নামাব। অনেক উন্নত দেশেও এখন দারিদ্র্যের হার ১৭/১৮ ভাগের মতো রয়েছে। সেসব উন্নত দেশ থেকে দারিদ্র্যের হার আমরা একভাগ হলেও নামাব, এ লক্ষ্য নিয়েই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।
আওয়ামী লীগের প্রতিটি নেতাকর্মীকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারণ করে জনকল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দলের প্রতিটি নেতাকর্মীকে মনে রাখতে হবে, এ দলটির উত্তরসূরীরা যেভাবে আত্মত্যাগ করে গেছেন, সকলকে তাঁদের আদর্শ নিয়ে চলতে হবে। বঙ্গবন্ধু বলতেন, উচ্চমানের চিন্তাভাবনা করবে, আর সাধারণভাবে জীবনযাপন করবে। যে কোন মহৎ অর্জনের পেছনে বড় ত্যাগের ঘটনা জড়িত আছে। তাই বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও নীতি মেনে কাজ করে যাচ্ছি বলেই দেশ আজ উন্নতির চরম শিকড়ে উন্নীত হয়েছে। আবেগ জড়িত কন্ঠে বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা বলেন, দেশের একেকটা যখন অর্জন হয়, মনে হয় আমার বাবা (বঙ্গবন্ধু) বেহেস্ত থেকে নিশ্চয়ই দেখছেন। তিনি দেখছেন বাংলাদেশের এখন কেউ আর না খেয়ে থাকে না, কেউ ছেঁড়া কাপড় পড়ে চলে না। তিনি বলেন, আমরা দেশের সকল মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছি। দেশের একটি মানুষ গৃহহীন থাকবে না, প্রতিটি মানুষকে আমরা ঘর তৈরি করে দেব। কারণ আমি সবসময় মনে করি, দেশের একটি মানুষ কষ্ট পেলে বঙ্গবন্ধুর আত্মা কষ্ট পাবে। আজ দেশের প্রতিটি মানুষের ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ। দেশের এই উন্নয়নের গতিধারা অব্যাহত রাখতে হবে। বার বার নির্বাচনে ভোট দিয়ে দেশসেবার সুযোগ প্রদানের জন্য ভোটারসহ দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। তারা আমাদের ওপর আস্থা-বিশ্বাস রেখেছে। বারবার নির্বাচনে ভোট দিয়ে আমাদের দেশ সেবার সুযোগ দিয়েছে। সরকারের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রয়েছে বলেই আমরা দেশের এতো উন্নয়ন করতে পেরেছি। তাই আমরা কোন অহমিকা করবো না, দেশের মানুষ সারাবিশ্বে যেন মাথা উঁচু করে মর্যাদা নিয়ে চলতে পারে- সেটাই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য। দেশবাসীর কাছ থেকে বিএনপি-জামায়াত জোটের বিশ্বাস-আস্থা হারিয়ে ফেলার কারণ উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ওয়ান ইলেভেনের পর ২০০৯ সালের নির্বাচনে খালেদা জিয়ার দল মাত্র ২৯টি আসন পেয়েছিল। জনগণের আস্থা-বিশ্বাস তারা হারিয়ে ফেলেছিল। ক্ষমতায় থাকতে বল্গাহীন দুর্নীতি, গ্রেনেড হামলা, জঙ্গীবাদ-সন্ত্রাসবাদ সৃষ্টি, হাওয়া ভবনের নামে দেশের মানুষের সম্পদ লুন্ঠন করে বিদেশে পাচার, দুঃশাসন সৃষ্টি এবং মানুষের সম্পদ লুট করে খাওয়ার ঘটনায় দেশের মানুষ বিএনপি-জামায়াত জোটের প্রতি অতিষ্ঠ ছিল। তাই তারা নির্বাচনে তাদের প্রত্যাখ্যান করে। আওয়ামী লীগকে শক্তিশালী ও জনগণের দলে পরিণত করতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দীর্ঘ আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে শেখ হাসিনা বলেন, মাওলানা ভাসানী যখন আওয়ামী লীগ ভেঙ্গে ন্যাপ করেছিল, তখন বঙ্গবন্ধু মন্ত্রী ছিলেন। দলকে শক্তিশালী করে গড়ে তুলতে জাতির পিতা মন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদ গ্রহণ করেন এবং সারাদেশ ঘুরে বেরিয়ে তিনি দলকে শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড় করিয়েছেন, গোটা জাতিকে স্বাধীনতার মন্ত্রে উজ্জীবিত ও ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন। আওয়ামী লীগ জন্মলগ্ন থেকেই জনগণের শোষণ-বঞ্ছণার কথা বলেছে, তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন ও কল্যাণে কাজ করে গেছে। প্রধানমন্ত্রী দেশের প্রতিটি নেতাকর্মীকে আত্মত্যাগের মানসিকতা নিয়ে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নিয়ে দেশসেবার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমরা দেশকে শুধু উন্নতিই করছি না, আমরা শতবছরের পরিকল্পনা দিয়েছি। আগামী একশ’ বছরের জন্য ডেল্টা প্লান দিয়েছি। আমরা ২০২০ সালে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী, ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করবো।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আমেরিকার তাবেদার ইউরোপীয় দেশগুলোর নিজস্ব স্বাধীনতা নেই: ইরান
![]() |
| সাইয়্যেদ আব্বাস আরাকচি |
আরাকচি পরমাণু সমঝোতার ব্যাপারে তার দেশকে দেয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ইউরোপের মারাত্মক গড়িমসির কথা তুলে ধরে বলেন, দুঃখজনকভাবে পরমাণু সমঝোতার ভিত্তিতে ইরান ও ইউরোপের দায়িত্ব ও অধিকারের মধ্যে কোনো ভারসাম্য নেই।
তিনি আরো বলেন, ইউরোপীয় কোম্পানিগুলো মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে ইরানের সঙ্গে লেনদেন করার সাহস দেখাতে পারছে না এবং এর অর্থ হচ্ছে, ইউরোপীয় দেশগুলোর কার্যত কোনো স্বাধীনতা বা সার্বভৌমত্ব নেই। আমেরিকার নির্দেশ অমান্য করে তাদের পক্ষে কিছু করা সম্ভব নয়।
মধ্যপ্রাচ্যের ঘটনাবলীর ব্যাপারে ব্রিটিশ সরকার আমেরিকার ইরান-বিরোধী অভিযোগের পুনরাবৃত্তি করে যে বক্তব্য দিচ্ছে সেকথা উল্লেখ করে আরাকচি তার ব্রিটিশ সমকক্ষকে বলেন, অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে ব্রেক্সিট নিয়ে লন্ডন এত বেশি ব্যস্ত রয়েছে যে, বিশ্বের ঘটনাবলী সম্পর্কে সঠিক বিশ্লেষণ করা তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। ইরানের উপ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রিটিশ মন্ত্রীকে বলেন, লন্ডনের এ ধরনের আচরণের ফলে ইরানি জনগণের মনে ব্রিটেন সম্পর্কে যে ঘৃণা রয়েছে তার মাত্রা আরো বেড়ে যাবে।
সাক্ষাতে ব্রিটিশ মন্ত্রী দাবি করেন, তার দেশসহ সবগুলো ইউরোপীয় দেশ ইরানের পরমাণু সমঝোতার প্রতি অটল রয়েছে এবং তেহরানও যেন এ সমঝোতায় অটল থাকে। মুরিসন এমন সময় এ দাবি করলেন যখন ইউরোপীয় দেশগুলো মুখে অটল থাকার কথা দাবি করা ছাড়া এ সমঝোতা রক্ষায় কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে।
![]() |
| রোববার তেহরানে আরাকচির সঙ্গে তার দপ্তরে সাক্ষাৎ করেন ব্রিটিশ উপ পররাষ্ট্রমন্ত্রী মুরিসন |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুক্তরাষ্ট্রের সাইবার হামলা ভণ্ডুল করে দিয়েছে ইরান!

গত সপ্তাহে দু’দেশের মধ্যে চরম উত্তেজনাকর মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে সাইবার হামলা চালিয়ে দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র ও রকেট উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা অকার্যকর করে দিয়েছে বলে মার্কিন গণমাধ্যমগুলোতে খবর প্রকাশিত হয়।
ইরানের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিমন্ত্রী মোহাম্মদ জাভেদ আজারারি জাহরোমি এক টুইটার বার্তায় বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র অনেক চেষ্টা করেছিল। কিন্তু, সেই হামলা সফল হয়নি।’
শনিবার মার্কিন গণমাধ্যমে দাবি করা হয় যে, চলতি সপ্তাহে তেহরান একটি মার্কিন ড্রোন বিমান ভূপাতিত করার পর ওয়াশিংটন ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ও একটি স্পাই নেটওয়ার্কে সাইবার হামলা চালিয়েছে।
ওয়াশিংটন পোস্ট জানায়, মার্কিন ড্রোনটিকে ভূপাতিত করার পর আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউএস সাইবার কমান্ডকে ইরানের বিরুদ্ধে সাইবার হামলার চালানোর অনুমোদন দেন।
সংশ্লিষ্টদের বরাত দিয়ে পোস্ট জানায়, এই সাইবার হামলায় ইরানের যেসব কম্পিউটার রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ করে সেগুলো বিকল হয়ে গেছে। তবে এতে কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
ইয়াহু দুজন সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানায়, যুক্তরাষ্ট্র কৌশলগত হমেুজ প্রণালীতে ইরানের যেসব স্পাইং নেটওয়ার্ক জাহাজগুলোকে ট্র্যাক করছে সেগুলোতে সাইবার হামলা চালিয়েছে।
এদিকে আজারারি স্বীকার করেন, ইরানকে সাইবার সন্ত্রাস মোকাবেলা করতে হয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি স্টাক্সনেট ও অবরোধের কথ তুলে ধরেন। ২০০৭ সালের নভেম্বরে স্টাক্সনেট ভাইরাসের মাধ্যমে ইরানের পরমাণু কার্যক্রমে হামলা চালানো হয়।
এই ভাইরাসটি সম্পর্কে জানা যায় ২০১০ সালে। সে সময় ইরানের নাতাঞ্জ শহরে একটি ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রে হামলার পর ধারণা করা হয় যে এটি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের তৈরি করা একটি ভাইরাস।
এছাড়াও, ইরানের নৌবাহিনীর একজন কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল হোসাইন খানজাদি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোনটি গুলি করে ভূপাতিত করা ট্রাম্প প্রশাসনের জন্যে একটি ‘চরম সতর্কবার্তা’।
এদিকে ইরানে সাইবার হামলার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র তার দেশে হামলার চেষ্টা করার জন্যে ইরানকে দায়ী করে যাচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সাইবার হামলা ঠেকাতে তেহরান এর নিজস্ব সাইবার সক্ষমতা বাড়িয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আজহারি ইরানের নতুন সাইবার ও ইন্টারনেট প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে বলেন, ‘গত বছর আমরা আমাদের জাতীয় ফায়ারওয়াল দেজফা দিয়ে প্রায় ৩ কোটি ৩০ লাখ সাইবার হামলা ঠেকিয়ে দিয়েছি।’
২০১৫ সালে তেহরানের সাথে করা পরমাণু চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্র সরে আসার পর থেকেই বৈরী দেশদুটির মধ্যে উত্তেজনা বেড়ে যায়।
সূত্র : এএফপি
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শ্রীলঙ্কার বৌদ্ধ ধর্মগুরু বললেন, মুসলিমদের পাথর মেরে হত্যা করা উচিত

জানা গেছে, গেল সপ্তাহে শ্রীলঙ্কার জাতীয় টেলিভিশন চ্যানেলে সম্প্রচারিত হয় নানারত্ন থিরোর এ ভাষণ। এতে এক মুসলিম চিকিৎসকের বিরুদ্ধে চার হাজার বৌদ্ধ নারীকে বন্ধ্যা করে দেয়ার অভিযোগ আনেন। এসময় মুসলিম মালিকানাধীন দোকান ও রেস্তোরাঁগুলো বর্জনেরও আহ্বান জানান তিনি।
দাবি করেন, এসব রেস্তোরাঁ বছরের পর বছর ধরে বৌদ্ধ ক্রেতাদের খাবারের সাথে বন্ধ্যাকরণ ওষুধ মিশিয়ে আসছে। নানারত্নের এ ভাষণের পর থেকে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে দেশটির মুসলিম জনগোষ্ঠির। গেল এপ্রিলে খ্রিস্ট ধর্মীয় ইস্টার উৎসবের প্রার্থনায় সন্ত্রাসী হামলার পর, শ্রীলঙ্কায় সাধারণ মুসলিম ও তাদের বাড়িঘর, মসজিদে হামলা চালায় বৌদ্ধ উগ্রবাদীরা। সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার আশঙ্কায় এখনও জরুরি অবস্থা জারি আছে দেশটিতে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
'মাদ্রাসা নয়, বরং সাধারণ শিক্ষা থেকেই জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পড়ার সংখ্যা বেশি': পুলিশের জরিপে তথ্য by ফারহানা পারভীন
![]() |
| হোলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলার রাতে |
কিন্তু এখন দেশটির সন্ত্রাসদমনে নিয়োজিত পুলিশই বলছে, জঙ্গীবাদে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের অতীত জীবন পর্যালোচনা করে তারা দেখেছেন যে তাদের অর্ধেকেরও বেশি আসলে মাদ্রাসায় নয়, বরং সাধারণ স্কুল-কলেজেই পড়াশোনা করেছে।
বাংলাদেশ পুলিশের অ্যান্টি-টেরোরিজম ইউনিটের এক প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, জঙ্গীবাদে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের ৫৬ শতাংশ আসছে সাধারণ শিক্ষা থেকে এবং ২২ শতাংশ মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে।
যারা বাংলাদেশের জঙ্গি কার্যকলাপ পর্যবেক্ষণ করেন - তারা বলছেন, 'জঙ্গি রিক্রুটকারীরা' এমন লোকদেরই রিক্রুট করে যারা সাধারণ শিক্ষায় পড়ালেখা করেছে এবং প্রযুক্তি সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখে।
পুলিশ বলছে, ২০১৫ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত তারা জঙ্গিবাদে জড়িত থাকার অভিযোগে ২৫০ জনেরও বেশি ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে, এবং এসব ব্যক্তিদের অতীত জীবন ও আর্থ-সামাজিক অবস্থান বিশ্লেষণ করে দেখেছেন তারা।
এতে তারা দেখেছেন, এদের মধ্যে ৫৬ শতাংশ রয়েছে যারা সাধারণ শিক্ষা অর্থাৎ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি স্কুল, কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করেছেন।
অ্যান্টি-টেরোরিজম ইউনিটের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ ইন্সপেক্টর মো. মনিরুজ্জামান বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন, "গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে মাত্র ২২ শতাংশ রয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষায় পড়াশোনা করা ব্যক্তি। তারা যে শুধুই মাদ্রাসা শিক্ষা থেকে এসেছে এমন নয়। "
অ্যান্টি-টেরোরিজম পুলিশের ঐ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাকি ২২ শতাংশ যারা রয়েছে তারা হয় অশিক্ষিত নয়ত ইংলিশ মিডিয়ামে পড়াশোনা করেছে।
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় ২০১৬ সালে গুলশানে হোলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলার পর হামলাকারীদের পরিচয় জেনে অনেকেই অবাক হয়েছিলেন।
কারণ তাদের বেশিরভাগই ছিল ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনা করা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, কারো কারো পারিবারিক অবস্থা ছিল অত্যন্ত সচ্ছল।
এর আগে পর্যন্ত জঙ্গিবাদ সম্পর্কে অনেকসময়ই গণমাধ্যমে খবর এসেছে যে যারা জঙ্গিবাদে জড়াচ্ছে - তাদের বেশিরভাগের 'ব্যাকগ্রাউন্ড' মাদ্রাসা শিক্ষার।
জঙ্গি তৎপরতা পর্যবেক্ষণকারী সংস্থাগুলো বলছে, বাংলাদেশে ১৯৮০-র দশকের দিকে যেসব জঙ্গি তৎপরতা ছিল সেটা মাদ্রাসাকেন্দ্রিক ছিল।
কিন্তু আন্তর্জাতিক জঙ্গিবাদের দিকে খেয়াল করলে দেখা যায়, সিরিয়া-ইরাকে ইসলামিক স্টেট গোষ্ঠীর উত্থানের পর থেকে বাংলাদেশে জঙ্গি রিক্রুটকারীরা সাধারণ শিক্ষায় পড়ালেখা করা এবং প্রযুক্তি সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখে - এমন ব্যক্তিদেরই রিক্রুট করছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধ বিষয়ক বিভাগের শিক্ষক খন্দকার ফারজানা রহমান বলছিলেন, সাধারণ শিক্ষা ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে জঙ্গিবাদে উদ্বুদ্ধ হওয়ার বিষয়টি বাংলাদেশে গত ১০ বছরে তৈরি হয়েছে।
বাংলাদেশের জঙ্গি তৎপরতা পর্যবেক্ষণ করেন নুর খান লিটন। তিনি বলছিলেন, বাংলাদেশে জেএমবির সদস্যের মধ্যেই সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিত ব্যক্তিরা ছিল। - যেটা উদ্বেগের বিষয়।
তিনি বলেন, "হরকাতুল জিহাদের মতো সংগঠনে মাদ্রাসা ছাত্রের বাইরে কেউ ছিল না। কিন্তু জেএমবিতে মাদ্রাসার পাশাপাশি পলিটেকনিক এবং সাধারণ শিক্ষা থেকে আসা লোকও ছিল। কিন্তু তার পরে নব্য-জেএমবি এবং আইএসের সময়কালটা দেখেন - সেখানে কিন্তু সাধারণ শিক্ষা থেকে আসা লোক বেশি।"
"এটা এই কারণে বিপজ্জনক যে আগে ধারণা ছিল - সমাজের অবহেলিত অংশ এবং পশ্চাৎপদ মাদ্রাসা শিক্ষা থেকেই জঙ্গিবাদে জড়াচ্ছে, কিন্তু আজকে আর এ কথা বলার সুযোগ নেই" - বলেন মি. খান।
![]() |
| ২০১৬ সালে হোলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় হামলাকারীদের বেশিরভাগই ছিল ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনা করা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাকিস্তানে ৩০০ কোটি ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা কাতারের

দ্য ডন জানিয়েছে, কাতারের আমির শেখ তামিমের নির্দেশনায় দেশটির উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান আল-সানি নতুন করে এই বিনিয়োগের ঘোষণা দেন। সঞ্চয় ও সরাসরি দু’ভাবে নতুন এই বিনিয়োগ কার্যকর করা হবে।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. আব্দুল হাফিজ শেখ নতুন করে বিনিয়োগের জন্য কাতারের আমিরকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
ইমরান খান প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই অর্থনৈতিক সঙ্কট মোকাবেলায় বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছেন। চীন, সৌদি আরবের মতো ধনী মিত্রদেশগুলো সফর করেছেন ইমরান। এসব দেশ থেকে অর্থনৈতিক সহযোগিতা আনতে ব্যাপক তৎপরতা চালাচ্ছে তার সরকার। কিছুদিন আগে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মাদ বিন সালমান পাকিস্তান সফর করে দেশটিতে দুই হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছেন। ইমরান খানের এই তৎপরতার ধারাবাহিকতায় এবারের কাতারের বিনিয়োগের ঘোষণা এলো।
কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, নতুন এই বিনিয়োগের মধ্য দিয়ে পাকিস্তান ও কাতারের অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব এখন ৯০০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘তিন বছরের বেশি ক্ষমতায় থাকবো না’

মাহাথির ওই সাক্ষাতকারে বলেছেন, যতদূর মনে পড়ে, আমি একটি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। বলেছিলাম, আমি পদত্যাগ করবো, যাতে আনোয়ার ইব্রাহিম আমার উত্তরসূরি হিসেবে ক্ষমতায় আসতে পারেন। তিনি বলেন, এই সরকারের জন্য তিনটি বছর প্রয়োজন। কারণ, মালয়েশিয়ার জাতীয় প্রবৃদ্ধির শতকরা ৮০ ভাগ থেকে ঋণ শতকরা ৫৪ ভাগে নামিয়ে আনতে এই সময় প্রয়োজন।
এ লক্ষ্য অর্জনের জন্য তিনি কি ক্ষমতায় থেকেই যাবেন কিনা? এমন প্রশ্নের উত্তরে মাহাথির বলেন, না। আমি তিন বছরের বেশি ক্ষমতায় থাকবো না।
ফেব্রুয়ারিতে আনোয়ার ইব্রাহিম বলেছেন, তিনি দু’বছরের বেশি সময়ের জন্য প্রধানমন্ত্রী হবেন না। এর মধ্য দিয়ে ড. মাহাথির মোহাম্মদের সঙ্গে তার বোঝাপড়া যে পাকাপোক্ত তারই প্রকাশ পেয়েছে। তিনি স্বীকার করেছেন, ড. মাহাথিরকে যথেষ্ট সময় দেয়া উচিত অত্যন্ত কঠিন সময়ে কার্যকর সরকার পরিচালনার জন্য। উল্লেখ্য, মালয়েশিয়ায় ১৪তম জাতীয় নির্বাচনের সময় পাকাতান জোটভুক্ত দলগুলো এই মর্মে একমত হয় যে, যদি তারা নির্বাচনে বিজয়ী হয় তাহলে ড. মাহাথির মোহাম্মদ দু’বছরের জন্য প্রধানমন্ত্রী থাকবেন। তারপর তিনি ক্ষমতা হস্তান্তর করবেন আনোয়ার ইব্রাহিমের কাছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফুটবল কুড়াতে গিয়ে ইসরাইলি সেনার গুলিতে পা হারালো ফিলিস্তিনি কিশোর

ফুটবল আনতে গিয়ে এভাবেই নিজের বাঁ পা হারায় ফিলিস্তিনি সালাহ। গত ২১শে মে’র ঘটনা এটি। এ খবর দিয়েছে দ্য মিডলইস্ট মনিটর।
শিশু বিষয়ক এনজিও ডিফেন্স ফর চিলড্রেন ইন্টারন্যাশনাল (ডিসিআইপি) অনুসারে, সালাহ পশ্চিম তীরের আল-খাদের গ্রামে বাস করে। ২১শে মে বিকালে বন্ধুদের সঙ্গে ফুটবল খেলতে গিয়ে ইসরাইলি সেনার গুলির শিকার হয় সে। গুলিবিদ্ধ হওয়ার ৪৫ মিনিটের মাথায় তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সালাহ ততক্ষণে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরেরদিন যখন তার জ্ঞান ফেরে তখন তার চারপাশে অবস্থান করছিল সেনারা। সে জানতে পারে, দু’টি অপারেশনের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে তাকে। চিকিৎসাকর্মীরা তাকে বলে যে, তার বাঁ পা আর নেই। সেটি কেটে ফেলতে হয়েছে। গুলিতে পায়ের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছিল।
গুলি করে ককটেল ছোড়ার মিথ্যা অভিযোগ
ডিসিআইপি আরো জানায়, চলতি বছর ইসরাইলি সেনাদের হামলায় গুরুতর আহত হয়েছে আরো এক ফিলিস্তিনি শিশু। ২৪শে জানুয়ারি পূর্ব জেরুজালেমের শুয়াফাত শরণার্থী শিবির থেকে প্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে বাজারে যাচ্ছিল ১৪ বছর বয়সী মোহাম্মদ কাওয়াসমিহ। তখন তাকে গুলি করে ‘আন্ডারকভার’ এক ইসরাইলি এজেন্ট।
কাওয়াসমিহ পরবর্তীতে জানায়, গুলিবিদ্ধ হওয়ায় তাকে সার্জারির মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে। তার পেট থেকে প্লীহা বের করে নিতে হয়েছে চিকিৎসকদের। চারদিন ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে থাকতে ছিল সে। কাওয়াসমিহ আরো জানায়, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার সময় তাকে ঘিরে ছিল ইসরাইলি সীমান্তরক্ষী পুলিশ। হাসপাতালের বিছানার সঙ্গে হাতকড়া দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছিল তার এক হাত। গুলি করার চারদিন পর ইসরাইলি সেনারা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এবং তার বিরুদ্ধে মোলোটোভ ককটেল ছোড়ার অভিযোগ আনে।
ডিসিআইপি জানায়, কাওয়াসমিহর বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে তাকে হিব্রু ভাষায় লেখা একটি বিবৃতিতে স্বাক্ষর করতে বলে ইসরাইলি সেনারা। কিন্তু কাওয়াসমিহ তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে ও ওই বিবৃতিতে স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতি জানায়। তাকে ৩১শে জানুয়ারি পর্যন্ত তাকে ঘিরে রাখে সেনারা। কিন্তু চিকিৎসার জন্য কাওয়াসমিহকে ২রা ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হাসপাতালে থাকতে হয়।
ডিসিআইপি অনুসারে, ২০১৪ সাল থেকে ইসরাইলি সেনারা ক্রমবর্ধমান হারে ফিলিস্তিনি শিশু-কিশোরদের লক্ষ্য করে প্রাণঘাতী হামলা চালাচ্ছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে প্রতিবাদের সময় এসব হামলা চালানো হয়। চলতি বছরে জানুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত ইসরাইলি সেনাদের উন্মুক্ত গুলিতে আহত হয়েছে অন্তত ৫৫ ফিলিস্তিনি শিশু।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
খালেদা জিয়া কী শিগগির মুক্তি পাচ্ছেন?

তাঁর বিরুদ্ধে মামলার সংখ্যা ৩৬। ৩৪টি মামলায় মিলেছে জামিন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে কটূক্তি এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত সংক্রান্ত দুই মামলায়ও মঙ্গলবার জামিন পেয়েছেন খালেদা।
যে দুই মামলায় খালেদা জিয়া জামিনের অপেক্ষায় আছেন তা হলো, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট ও জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলা। এই দুই মামলায় খালেদা জিয়ার মোট ১৭ বছরের কারাদণ্ড হয়েছে।
২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় পাঁচ বছরের সাজা হয় খালেদা জিয়ার। ওই দিনই তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে রাষ্ট্রপক্ষের আপিলে ওই মামলায় তাঁর সাজা বাড়িয়ে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন আদালত। আর গত বছরের ২৯ অক্টোবর জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় আদালত সাত বছরের কারাদণ্ড দেন খালেদা জিয়াকে।
খালেদ জিয়ার আইনজীবী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, 'খালেদা জিয়ার আর মাত্র দুইটি মামলায় জামিন বাকি। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, আইন তার নিজস্ব গতিতে চললে এবং সরকার কোনো হস্তক্ষেপ না করলে, আইন বহির্ভূত কোনো কাজ না করে আগামী দুই-তিন সপ্তাহের মধ্যে জামিনে বেরিয়ে আসতে পারবেন খালেদা জিয়া।' সরকার আগেও খালেদা জিয়ার মামলায় হস্তক্ষেপ করেছে বলে জানান এই আইনজীবী।
তিনি বলেন, 'আগামী রবিবার জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় আবার জামিনের কথা উল্লেখ করবো। জামিনের আবেদন আগেই করা আছে। দুই মাস সময় নেওয়া হয়েছিল শুনানির জন্য। সেই সময় এরইমধ্যে শেষ হয়েছে। আশা করছি আগামী এক সপ্তাহ বা ১০ দিনের মধ্যে এটি শেষ হবে। আর জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার জামিনের বিষয়টিও এক-দুই সপ্তাহের মধ্যে নিস্পত্তি হয়ে যাবে আশা করি।'
হাইকোর্ট ডিভিশনে থাকা জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলাটির শুনানি ৩০ জুনের পর হওয়ার কথা। আদালত ৩০ জুন পর্যন্ত সময় বেধে দিয়ে নথি তলব করেছিলেন। ওই সময়ের মধ্যে নথি না আসলেও জামিন শুনানির কথা রয়েছে।
অন্যদিকে, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলাটি রয়েছে আপিল বিভাগে। ওই মামলায় সাজার মেয়াদ বাড়িয়ে পাঁচ বছর থেকে ১০ বছর করায় আবার জামিন নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়। সাজা বাড়ানোর বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল গ্রহণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে জামিনেরও আবেদন রয়েছে।
ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, 'আইনি প্রক্রিয়ায় এই দুইটি মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন না পাওয়ার কোনো কারণ দেখছি না।' খালেদা জিয়ার মামলা আর জামিন সম্পর্কে মন্তব্য করতে নারাজ অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। তিনি বলেন, 'এটি সম্পূর্ণ আদালতের বিষয়।'
নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, 'খালেদা জিয়াকে আদালত শাস্তি দিয়েছেন। তিনি আইনি প্রক্রিয়ায় মুক্তি পেলে আমাদের কিছু করার নেই।' তিনি বলেন, 'বিএনপি জানে, খালেদা জিয়া অপরাধ করেছেন। তাই তাঁরা নানা কথা বলছেন। জামিনে মুক্তি পেলেও তিনি অপরাধী।'
খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ৩৬টি মামলার মধ্যে ২১টি আদালতের নির্দেশে স্থগিত। ১৩টি মামলা বিচারাধীন। আর দুইটি মামলায় দণ্ড হয়েছে তাঁর।
সূত্র : ডয়েচে ভেলে
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভূমিহীনদের জন্য আশ্রয়ণ প্রকল্পে জীর্ণ দশা by মুসবা তিন্নি

১৯৯৮ সালে গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার তরগাঁও ইউনিয়নের দেওনা গ্রামে ‘দেওনা আশ্রয়ণ প্রকল্পে’ হতদরিদ্র ৮০টি পরিবারকে মাথা গোঁজার ঠাঁই দেওয়া হয়েছিল। সেখানে বিনা পয়সায় ঘর পেয়ে ভালোই ছিলেন তাঁরা। কিন্তু কয়েক বছর যেতেই মরিচা পড়ে ঘরের চাল নষ্ট হয়ে যায়। দরজা-জানালা ভেঙেচুরে গেছে। বৃষ্টি হলে ফুটো চাল দিয়ে পড়া পানির যন্ত্রণা আর গরমে অসহ্য কষ্ট সহ্য করতে হয় তাঁদের। সরকার থেকে কোনো সহায়তা দেওয়া হচ্ছে না। অর্থাভাবে নিজেদের পক্ষেও ঘর ঠিক করা সম্ভব হচ্ছে না। এই প্রকল্পে মসজিদ, পুকুর, কবরস্থান, সমবায় সমিতির কার্যালয়সহ টিনের তৈরি ঘর রয়েছে ৮০টি। প্রতি ১০টি পরিবারের জন্য যৌথভাবে চারটি শৌচাগার ও দুটি গোসলখানা নির্মাণ করে দেওয়া হয়। এ ছাড়া কৃষিকাজের জন্য প্রতিটি পরিবারকে ৮ শতাংশ জমি বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু নির্মাণের পর আর দেখভাল না করায় সবকিছুই বেহাল হয়ে পড়ে। নির্মাণের পর থেকে প্রকল্পে কোনো সংস্কার করা হয়নি। শৌচাগার ও নলক‚পের অবস্থাও খারাপ। ৩২টি শৌচাগারের সব কটিই এখন বেহাল।
লক্ষণীয় বিষয় হলো, এই প্রকল্পে ৯৯ বছরের জন্য একটি পরিবারকে ঘর ও জমি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ এই ঘর ও জমির মালিক তাঁরাই। সে ক্ষেত্রে সব কটি ঘর ও শৌচাগার নষ্ট হয়ে যাওয়া এবং সেগুলো ঠিক না করার মধ্য দিয়ে এটি প্রমাণিত হয় যে তাঁরা সেই আশ্রয়কে নিজের বলে এখনো মনে করতে পারছেন না। তাঁরা এগুলো সংস্কারের জন্য সরকারি সহায়তার দিকেই চেয়ে আছেন। এই প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের সরকারের পক্ষ থেকে আগেভাগেই বোঝানো উচিত ছিল, এই সম্পদ তাঁদের, এগুলো তাঁদেরই সংস্কার করা উচিত। এখন যেহেতু সেখানকার বাসিন্দারা বলছে, সংস্কারের সামর্থ্য তাঁদের নেই, সেহেতু সরকারি খরচে সেখানকার ঘরবাড়ি সংস্কার করা যেতে পারে। তবে এই ঘর যে তাঁদেরই, এবং সেগুলো যে তাঁদেরই রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে, সে বার্তাও পরিষ্কারভাবে তাঁদের কাছে পৌঁছানো দরকার।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যন্ত্রণা থেকে বাঁচতে হাত কেটে ফেলতে চান বাজানদার by মরিয়ম চম্পা

গত ১৪ জুন আমি ডাক্তার স্যারদের বলেছি, এভাবে বারবার অপারেশন করাতো সম্ভব না। আমার বাচ্চাটা বড় হচ্ছে। তাকে স্কুলে ভর্তি করিয়েছি। তার একটা ভবিষ্যত আছে। তাছাড়া আমার এই হাত দুটো কোনো কাজেই আসছে না। এ হাত দিয়ে আমি কিছু করতে পারছি না। বরং উল্টা শারীরিক যন্ত্রণা ভোগ করছি। এরচেয়ে বরং আমার হাত দুটো কব্জি থেকে কেটে বাদ দিয়ে দেন। তাহলে আমি একদিকে যেমন যন্ত্রণার হাত থেকে বাঁচতে পারবো। একই সাথে স্বাভাবিকভাবে জীবনযাপন করতে পারবো। পায়ের দিকে শেকড়ের পরিমান কম আছে। আপনারা বরং আমার দু পায়ের অপারেশন করেন। যাতে আমি অন্তত চলাফেরা করতে পারি।
ডাক্তার স্যারেরা বলেছেন, ‘আমরা এটা পারবো না। আপনার হাত কেটে বাদ দিতে হলে অন্য হাসপাতালে গিয়ে অপারেশন করে বাদ দিতে হবে’। ওনারা (ডা.) এটার স্থায়ী সমাধান করতে পারবে না। বারবার অপারেশন করবে আর এভাবে হয়তো আমাকে যন্ত্রণা ভোগ করতে হবে। এভাবে কতোদিন জীবন যাপন করা যায়। এ বিষয়ে আমার স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যদের ইতিবাচক মতামত রয়েছে। এখন যে হাত আছে সেটা থাকা না থাকা সমান কথা। এটা থাকলে আরো বারতি কষ্ট পেতে হয়। অনেক কষ্ট হয়। হাতের শেকড় যত বড় হচ্ছে আমার হাতও ততো ভাড়ি হয়ে যাচ্ছে। আমি এ কষ্ট থেকে মুক্তি চাই। এই কষ্ট আর সহ্য করতে পারছি না।
এ বিষয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের সমন্বয়কারী ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, রোগীর কথায়তো আমরা চলবো না। আমাদের কথানুযায়ী আমরা আগাবো। রোগী যদি হাত কেটে ফেলতে চায় সেটাতো আমরা করবো না। আমাদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রোগীর যেটা ভালো হয় সেটাই করবো। কাজেই আমরা তাকে হাত কাটার বিষয়ে বলিনি। আমরা তার হাতের অপারেশন করে শেকড়গুলো ফেলে দিবো। সে দিকেই আমরা আগাচ্ছি। একজন মানুষের হাত চট করেই কাটা যায় না। এর কিছু নিয়ম কানুন আছে। চাইলেই হাত কেটে বাদ দেয়া যায় না। যখন এটা জরুরী বা লাইফ রিস্ক হয় তখন সেটা ভেবে দেখা হয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সরকারের দীর্ঘমেয়াদি ঋণে আটকে যাচ্ছে ব্যাংকের তহবিল by আশরাফুল ইসলাম

আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ঘাটতি অর্থায়নে দেশের ব্যাংকব্যবস্থা থেকে ঋণ নেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৭ হাজার ৩৬৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ নেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২৮ হাজার ৯৪ কোটি টাকা। আর স্বল্পমেয়াদি ১৯ হাজার ২৭০ কোটি টাকা; অর্থাৎ ব্যাংকব্যবস্থা থেকে প্রায় ৬০ শতাংশ দীর্ঘমেয়াদি এবং ৪০ শতাংশ স্বল্পমেয়াদি ঋণ নেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, ৮-৯ বছর আগেও ব্যাংকব্যবস্থা থেকে সরকার স্বল্প মেয়াদে বেশি ঋণ নিত। বলা চলে বেশির ভাগ ঋণই নেয়া হতো স্বল্প মেয়াদ অর্থাৎ ১ বছরের কম সময়ের জন্য। ২৮ দিন, ৬৪ দিন, ২৮০ দিন ও ৩৬৪ দিন মেয়াদের জন্য সরকার বেশি হারে ঋণ নিত। কিন্তু সরকারের এ ঋণ নেয়ার ধরন পাল্টায় ২০০৯ সাল থেকে। আর্থিক ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার দোহাই দিয়ে সরকার স্বল্পমেয়াদি ঋণের পরিবর্তে বেশি হারে দীর্ঘমেয়াদি ৫ বছর, ১০ বছর, ১৫ বছর ও ২০ বছর মেয়াদি বেশি হারে ঋণ নিতে থাকে। বর্তমানে ২৮ দিন মেয়াদের ঋণ নেয়া বন্ধ রয়েছে। প্রসঙ্গত, ব্যাংকব্যবস্থা থেকে সরকার দু’টি পদ্ধতিতে ঋণ নেয়। এর মধ্যে একটি ট্রেজারি বিল ও অপরটি ট্রেজারি বন্ড। এক বছরের কম সময়ের জন্য ঋণকে ট্রেজারি বিল বলা হয়। আর এক বছরের বেশি সময়ের জন্য নেয়া ঋণ হলো ট্রেজারি বন্ড।
দীর্ঘ মেয়াদে ঋণ নেয়ায় সরকারের পুঞ্জীভূত ঋণের স্থিতি বাড়তে থাকে। এতে এক দিকে যেমন ব্যাংকের তহবিল দীর্ঘ মেয়াদে সরকারের কোষাগারে আটকে যাচ্ছে, পাশাপাশি বেসরকারি খাতে ব্যাংকের বিনিয়োগ সক্ষমতা কমে যাচ্ছে। অন্য দিকে মূল্যস্ফীতির যাঁতাকলে পড়ে প্রকৃত অর্থে ব্যাংকের মূলধনও ক্ষয় হয়ে যাচ্ছে। কারণ ১০০ টাকা দিয়ে যে পণ্য আজ কেনা যাবে, ১০ বছর বা ২০ বছর পর ১০০ টাকায় ওই পণ্য অর্ধেকও কেনা যাবে না। এভাবেই ক্ষয় হয়ে যাচ্ছে ব্যাংকের মূলধন।
ব্যাংকব্যবস্থা থেকে গত দুই বছরে সরকারের ঋণ নেয়ার পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, গত অর্থবছরে (২০১৭-১৮) সরকার বাজেট ঘাটতি অর্থায়নে দীর্ঘ মেয়াদে ৫৩ শতাংশ ও স্বল্প মেয়াদে ৪৭ শতাংশ ঋণ নেয়। চলতি অর্থবছরের (২০১৮-১৯) বাজেটে দীর্ঘ মেয়াদে ৫৭ শতাংশ ও স্বল্প মেয়াদে ৪৩ শতাংশ ঋণ নেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে দীর্ঘ মেয়াদে ঋণ নেয়ার লক্ষ্যমাত্রা ৫৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৬৮ শতাংশ করা হয়েছে। বিপরীতক্রমে স্বল্প মেয়াদে ঋণ নেয়ার লক্ষ্যমাত্রা ৪৩ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩২ শতাংশ করা হয়েছে। এভাবেই দীর্ঘ মেয়াদে ঋণ নেয়ার পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছে।
চলতি অর্থবছরের বাজেটের বেশির ভাগ অর্থাৎ ৫১ হাজার ৩৪০ কোটি টাকাই বরাদ্দ রাখা হয়েছিল সুদ পরিশোধের জন্য, যা কিনা অনুন্নয়ন বাজেটের একক খাত হিসেবে সর্বোচ্চ ১৮ শতাংশ। আর সামগ্রিক বাজেটের ১১ দশমিক ১ শতাংশ। কিন্তু সংশোধিত বাজেটে তা ৪৮ হাজার ৭০০ কোটি টাকা করা হয়েছে। এর মধ্যে অভ্যন্তরীণ ঋণের সুদ ছিল ৪৫ হাজার ২৭৮ কোটি টাকা। আর আগামী অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে ৫৭ হাজার ৭০ কোটি টাকা ঋণের সুদ পরিশোধের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে; যা অনুন্নয়ন বাজেটের ১০ দশমিক ৯ শতাংশ এবং একক খাত হিসেবে তৃতীয় সর্বোচ্চ। এর মধ্যে অভ্যন্তরীণ ঋণের সুদ পরিশোধের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫২ হাজার ৭৯৭ কোটি টাকা।
বিশ্লেষকরা জানান, দীর্ঘ মেয়াদে ঋণ নেয়ার লক্ষ্যমাত্রা সরকার না কমালে একসময় বেসরকারি খাতে ঋণ কমে যাওয়ায় নতুন নতুন শিল্পকারখানা স্থাপন কমে যাবে। ফলে কাক্সিক্ষত হারে কর্মসংস্থান বাড়বে না। বেড়ে যাবে বেকারত্বের হার; যা জাতীয় প্রবৃদ্ধিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। এ কারণে বাজেট ঘাটতি কমিয়ে এনে বিকল্প অর্থের সংস্থান বাড়াতে হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
১৬ বছর নিখোঁজ থাকার পর...
বিদ্যালয়ে খেলাধুলার একটি স্থাপনা নাজুকভাবে তৈরি হয়েছে বলে সন্দেহ হয়েছিল দেং শিপিংয়ের। তাই এটি অনুমোদন করেননি তিনি। এ কারণেই তাঁকে হত্যা করা হয় বলে সন্দেহ পুলিশের।
পুলিশ বলছে, নির্মাণকাজে জড়িত এক ব্যক্তি দেংকে হত্যা করে মাটিতে পুঁতে ফেলার কথা স্বীকার করেছেন। ২০০৩ সালের জানুয়ারি মাসে এ ঘটনা ঘটে বলে পুলিশ জানায়। এই হত্যায় জড়িত সন্দেহভাজন ছয়জনকে আটক করা হয়েছে।
বিবিসি অনলাইনের খবরে জানানো হয়, স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার চীনের শিংহুয়াং মিডল স্কুলের ভেতর দেংয়ের মরদেহ পাওয়া যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ফুটেজে দেখা গেছে, বিদ্যালয়ের ওই অংশ ঘিরে রেখেছেন তদন্ত কর্মকর্তারা।
দেংয়ের ছেলে স্থানীয় গণমাধ্যমকে বলেন, তাঁর বাবাকে ওই স্কুলে খেলার জায়গা আছে কি না, তার তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। দেং স্কুলের খেলার জায়গার নির্মাণকাজে জড়িত দু সাওপিং নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ করেন। চীনের হংশিং নিউজকে দেংয়ের ছেলে বলেন, খেলার জায়গার নির্মাণকাজে অধ্যক্ষের আত্মীয়স্বজন জড়িত ছিলেন। দেং নির্মাণকাজের গুণগত মান নিয়ে অভিযোগ করেন। তিনি নির্মাণকাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়ায় সই করতে রাজি হননি। কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানান। পরে তিনি নিখোঁজ হন।
এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে তদন্ত চলছে।
![]() |
| ১৬ বছর আগে স্কুলপ্রাঙ্গণে হত্যার পর পুঁতে ফেলা হয় শিক্ষকের মরদেহ। পরে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। ছবি: বিবিসির সৌজন্যে |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1426)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
June
(697)
-
▼
Jun 25
(25)
- প্রথমবারের মতো সফল লিভার প্রতিস্থাপন বিএসএমএমইউতে
- জাতীয় পার্টি নয়, আ.লীগই দালাল : জাপা মহাসচিব
- ‘ফিলিস্তিনের জন্য’ ৫ হাজার কোটি ডলার সংগ্রহে কর্মশালা
- অপ্রয়োজনীয় সিজার ঠেকাতে রিট আবেদন
- প্রাথমিক সমাপনীতেও থাকছে না জিপিএ ৫ by আমানুর রহমান
- সুন্দরবন নিয়ে দেনদরবার by দীন ইসলাম
- যেভাবে দুর্ঘটনায় পড়ে উপবন by ইমাদ উদ দীন ও আলাউদ্দ...
- আমাদের হারকিউলিস by ইশতিয়াক পারভেজ
- বিশ্বকাপে অন্যন্য এক রেকর্ড সাকিবের
- বুথ থেকে টাকা চুরি করেছেন রাশিয়ার নাগরিকও by আহমেদ...
- ইস্তাম্বুলে এরদোগানের দলের ভরাডুবি
- নওয়াজ শরিফকে মুরসির পরিণতি ভোগ করতে দেব না: মরিয়ম
- যত আঘাত এসেছে আওয়ামী লীগ ততই শক্তিশালী হয়েছে -প্রধ...
- আমেরিকার তাবেদার ইউরোপীয় দেশগুলোর নিজস্ব স্বাধীনতা...
- যুক্তরাষ্ট্রের সাইবার হামলা ভণ্ডুল করে দিয়েছে ইরান!
- শ্রীলঙ্কার বৌদ্ধ ধর্মগুরু বললেন, মুসলিমদের পাথর মে...
- 'মাদ্রাসা নয়, বরং সাধারণ শিক্ষা থেকেই জঙ্গিবাদে জ...
- পাকিস্তানে ৩০০ কোটি ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা কাতারের
- ‘তিন বছরের বেশি ক্ষমতায় থাকবো না’
- ফুটবল কুড়াতে গিয়ে ইসরাইলি সেনার গুলিতে পা হারালো ফ...
- খালেদা জিয়া কী শিগগির মুক্তি পাচ্ছেন?
- ভূমিহীনদের জন্য আশ্রয়ণ প্রকল্পে জীর্ণ দশা by মুসবা...
- যন্ত্রণা থেকে বাঁচতে হাত কেটে ফেলতে চান বাজানদার b...
- সরকারের দীর্ঘমেয়াদি ঋণে আটকে যাচ্ছে ব্যাংকের তহবিল...
- ১৬ বছর নিখোঁজ থাকার পর...
-
▼
Jun 25
(25)
-
▼
June
(697)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...









