Saturday, November 17, 2018
জনগণের সরকার চাই by মরিয়ম চম্পা

প্রতিটা ভোট কেন্দ্রে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হলে ভালো ভোট হবে। কারণ পুলিশের প্রতি মানুষের আস্থা কমে গেছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইয়াসিন বলেন, নির্বাচনে ইভিএমটা সব কেন্দ্রে চালু করা উচিত। এতে ভোট কারচুপির কোনো সম্ভাবনা থাকে না। পাশাপাশি একটি সরকারকে ধারাবাহিকভাবে ক্ষমতায় রাখা হলে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে। নির্বাচনে জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার চাই।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্সের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ইব্রাহিম এইচআই বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে আমি সন্দিহান। কারণ এখন পর্যন্ত নির্বাচনের লেভেল প্লেইং ফিল্ড তৈরি হয়নি। বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের কোণঠাসা করতে গায়েবি মামলার প্রচলন নিঃসন্দেহে আতঙ্কের বিষয়। একটি দেশে সরকারের অপজিশন বা বিরোধী দল থাকবে এবং তাদের মত প্রকাশের স্বাধীনতা গণতন্ত্রের একটি অংশ। কিন্তু নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দলীয় প্রচারণায় ক্ষমতাসীন দল মাঠে থাকলেও প্রধান বিরোধী দল বিএনপিকে মাঠপর্যায়ে প্রচারণার সুযোগ দেয়া হয়নি। এই বৈষম্য থেকেই বোঝা যায় নির্বাচন কতটুকু সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে।
প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী আবিদ মাহমুদ বলেন, প্রথমবারের মতো ভোট দেবো। আমি চাইবো যেন আমার ভোটটি অন্য কেউ না দিতে পারে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী হৈমন্তী সরকার বলেন, আমি এখনো ভোটার হইনি। তবে, ভোটের বিষয়ে আমার কোনো আগ্রহ নেই। ভোটের প্রতি এই অনাগ্রহের জন্য বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও সংঘাতকে তিনি দায়ী করেন।
উত্তরা ইউনাইটেড কলেজের শিক্ষার্থী তৃষীতা ডিক্রুস বলেন, আমি নতুন ভোটার। তাই প্রথমবারের মতো ভোট দেয়ার সুযোগ পেলে অবশ্যই একজন যোগ্য ব্যক্তিকে ভোট দেবো। যে আমাদের সমস্যার কথা শুনবে এবং সমাধানে কাজ করবে। যে সরকারই ক্ষমতায় আসুক না কেন তার কাছে প্রত্যাশা থাকবে রাস্তার যানজট ও দুর্ঘটনা প্রতিরোধ করে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা। পাশাপাশি ঢাকা শহরের প্রত্যেকটি সিগনালে আরো বেশি সংখ্যক ট্রাফিক পুলিশ নিয়োগ দেয়া। কারণ বাসচালকরা এতটাই বেপড়োয়া যে আমরা সুস্থ-স্বাভাবিক মানুষরাই রাস্তা পার হতে ভয় পাই।
সমাজবিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মশিউর রহমান বলেন, প্রথম কথা হচ্ছে আমি একজন তরুণ ভোটার। বাংলাদেশের একজন সুনাগরিক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে প্রত্যাশা থাকবে নির্বাচনে একটি লেভেল প্লেইং ফিল্ড থাকুক। জীবনে প্রথমবার যেহেতু ভোট দেবো তাই অবশ্যই চাইবো যে আমার ভোটটি যেন আমিই দিতে পারি। নির্বাচনে মার্কা নয়, ব্যক্তির গুরুত্বই আমার কাছে অনেক বেশি।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী পি এম সুহেল বলেন, আমরা চাই একটি সুষ্ঠু ভোট হোক। নির্বাচনে কোনো হানাহানি না হোক। উৎসবমুখর পরিবেশে সবাই ভোট দিতে যাবে এবং ভালো একটি নেতৃত্ব যেন আসে। যে কিনা তরুণদের কথা শুনবে। আমরা চাই আওয়ামী লীগ বা বিএনপি নয়। জনগণের সরকার চাই।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র বিন ইয়ামিন বলেন, ছোটবেলা থেকেই দেখে এসেছি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক দলগুলো সংঘাতময় পরিবেশ সৃষ্টি করে। এগুলো দেখে মনে হয় যে তারা জনগণের স্বার্থ নয় নিজ স্বার্থটাকেই বড় করে দেখে এবং ক্ষমতায় আসার জন্য তারা যেকোনো কিছু করতে রাজি। রাজনৈতিক কালচার বা সংস্কৃতির কারণে বর্তমান তরুণদের মাঝে ‘আই হেইট পলিটিকস’ বিষয়টি চলে এসেছে। অনেক তরুণদের ফেসবুকে তারা লিখে রেখেছে যে আই হেইট পলিটিকস। এই ধারণার জন্য আমাদের দেশের কৃষ্টি কালচার এবং রাজনৈতিক দলের লোকেরাই দায়ী বলে আমি মনে করি। সৃজনশীল এবং মেধাভিত্তিক রাজনীতি চর্চার মধ্যে দিয়ে আগামী নির্বাচনটা যদি সম্পন্ন হয় তাহলে তরুণ সমাজ আই হেইট পলিটিকসের ধারণা থেকে বেরিয়ে আসবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সৌদি আরবের কাছে অস্ত্র বিক্রি বন্ধে মার্কিন সিনেটে প্রস্তাব
| সৌদি যুবরাজকে অস্ত্র বিক্রির তালিকা দেখাচ্ছেন ট্রাম্প (পুরনো ছবি) |
নতুন বিলটির পক্ষে প্রচার চালাচ্ছেন তিন জন রিপাবলিকান ও তিনজন ডেমোক্র্যাট সিনেট সদস্য। এর অন্যতম ডেমোক্র্যাট সিনেট সদস্য বব মেনেনদেজ। সিনেটের বৈদেশিক সম্পর্ক বিষয়ক কমিটির এই সদস্য বলেছেন, বৃহস্পতিবার ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন খাশোগি হত্যাকাণ্ডে সন্দেহভাজন ১৭ সৌদি নাগরিকের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলেও তা যথেষ্ট নয়। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, নিয়মিত ভুল করে যাওয়ার পর নিষেধাজ্ঞা, অস্ত্র বিক্রি ও তেল সরবরাহ বন্ধে আমাদের দাবিকে আরও জোরালো করে তুলেছে।
বিলটির আরেক প্রচারক রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম বিবৃতিতে বলেছেন, ইয়েমেনে বিভিন্ন কর্মকাণ্ড ও জামাল খাশোগির হত্যার জন্য সৌদি আরবকে দায়বদ্ধ করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায় এই আইন।
বিলটির পক্ষে প্রচার চালানো অপর দুই রিপাবলিকান সিনেটর হেলন টড ইয়াং ও সুসান কলিন্স। আর অপর দুই ডেমোক্র্যাট সদস্য হলেন জ্যাক রিড ও জেন শাহিন।
এর আগে ইয়েমেন যুদ্ধে ভূমিকা নিয়ে বাহরাইনের কাছে অস্ত্র বিক্রি বন্ধে সিনেটে বিল পাসের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে গত বৃহস্পতিবার পর্যন্তও সেই আইন পাস করতে পারেনি সিনেট।
বিতর্কের পর সিনেটরদের ভোটাভুটিতে কোনও বিল কংগ্রেসের অনুমোদন পেলে প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষরের পর তা যুক্তরাষ্ট্রের আইনে পরিণত হয়।
প্রসঙ্গত, সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যার জেরে সৌদি আরবের কাছে মার্কিন অস্ত্র বিক্রি বন্ধের দাবি জোরালো হয়ে উঠলেও তাতে সায় দেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করে আসছেন, দেশটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আরও অনেক উপায় রয়েছে। অস্ত্র বিক্রি বন্ধের সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আত্মঘাতী হবে বলেও মনে করেন তিনি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন রোধে চীন-রাশিয়া-কানাডার ভূমিকা সহায়ক নয়: গবেষণা

গত ৮ অক্টোবর ‘ইন্টারগভর্নমেন্টাল প্যানেল অন ক্লাইমেট চেঞ্জ’ (আইপিসিসি) তাদের মাইলফলক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছিল, বিশ্বের তাপমাত্রা বৃদ্ধির পরিমাণ যদি ১.৫ ডিগ্রির স্থানে আর মাত্র আধা ডিগ্রিও বেশি হয় তাহলে এমন কি সামুদ্রিক প্রবালের বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার মতো ঘটনাও ঘটতে পারে। নিঃশেষ হয়ে যেতে পারে পরাগায়নের জন্য প্রয়োজনীয় কীট-পতঙ্গ। বিশ্বের তাপমাত্রা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখাতে যা করণীয় তা বাস্তবায়ন করতে হবে আগামী অল্প কয়েক বছরের মধ্যেই। তা যদি না হয় তাহলে তাপমাত্রা বাড়তে থাকবে। সেক্ষেত্রে খরা, বন্যা, দুর্ভিক্ষ ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত হবে জীবন।
গার্ডিয়ান লিখেছে, বিশ্বের স্বল্পোন্নত দেশগুলোর মধ্যে বড় লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের ঘোষণা দেওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। কারণ তাদের শিল্প কারখানা কম। ফলে দূষণের মাত্রা কমানো তাদের পক্ষে সহজ। অপরদিকে চীনের মতো শিল্পোন্নত দেশগুলো কার্ব ডাই অক্সাইড নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণের জন্য কার্যত কিছুই করছে না। তাদের মতোই অবস্থা সৌদি আরব, রাশিয়া ও কানাডার। এই দেশগুলো তেল ও গ্যাসের সূত্রে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই অক্সাইড উৎপাদন করছে। এদের কারণে এই শতকের শেষে বৈশ্বিক তাপমত্রা বৃদ্ধির পরিমাণ হতে পারে পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি।
যেসব দেশের দূষণ রোধের তৎপরতা তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধির মতো তাদের মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সেখানে জ্বালানি, শিল্প কারখানা ও কৃষি খাত থেকে দূষণের ঘটনা ঘটতে থাকলেও দেশটি কিছু মাত্রায় তা কমিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। কয়লা আমদানির অপর গুরুতরভাবে নির্ভরশীল অস্ট্রেলিয়ার অবস্থাও একই। বিশ্বের বড় অর্থনীতিগুলোর মধ্যে ভারতের অবস্থান ভালো। দেশটি এমনভাবে দূষণ নিয়ন্ত্রণ করছে যাতে তাপমাত্রা বৃদ্ধিকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ভেতরে রাখা যায়।
ইউরোপকে জলবায়ু পরিবর্তন রোধে নেতৃস্থানীয় হিসেব দেখা হয়। তাপমাত্রা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি বৃদ্ধিতে প্রভাব রাখার মতন দূষণ সেখানে কম। কিন্তু এটা সম্ভব হয়েছে মূলত হিসেবের প্রক্রিয়ার কারণে। তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখার বিষয়টি গণনা করা হয় উৎপাদনের স্থানে, উৎপাদিত পণ্য কোথায় ভোগ করা হচ্ছে সেই হিসেবে নয়। নেচার কমিউনিকেশনসে প্রকাশিত নিবন্ধে বলা হয়েছে, ইউরোপ তাপমাত্রা বৃদ্ধি সীমিত করার লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে নির্ধারিত ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের দ্বিগুণ তাপমাত্রা বৃদ্ধির মতো দূষণ ঘটিয়ে যাচ্ছে। নিবন্ধটি লিখেছেন অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইয়ান রোবিঔ ডু পন্ট বলেছেন। তার ভাষ্য, ‘এটা অদ্ভুত যে জলবায়ু পরিবর্তন রোধে যেসব দশকে নেতৃস্থানীয় মনে করা হয় তারা নিজেরাই কতটা কতটা পিছিয়ে।’
গার্ডিয়ান লিখেছে, দেশগুলোর ভূমিকার চিত্র এই নিবন্ধে উঠে এলেও এর বিতর্কিত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। কারণ প্যারিস এগ্রিমেন্টে তাপমাত্রা বৃদ্ধি ঠেকাতে কী পরিমাণ দূষণ কমাতে হবে সে বিষয়ে দেশেগুলোর ওপর কিছু চাপিয়ে দেওয়া হয়নি। দেশগুলো নিজেরাই লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে নিজেদের জন্য। এখন দেখা যাচ্ছে তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রভাব হ্রাসের জন্য নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের বদলে তারা সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোর নিজ নিজ সুবিধার কথা মাথায় রেখে ব্যাখ্যা দিচ্ছে।
এ সমস্যা কাটাতে প্রস্তাব করা হয়েছে, শেষ পর্যন্ত যদি তাপমাত্রা বৃদ্ধির পরিমাণকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে আটকে রাখতে হয় তাহলে আসলে ১.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজে নামতে হবে। এতে করে নিজেদের মতো ব্যাখ্যা সাজিয়ে দেশগুলো যেভাবে চলছে তা বন্ধ করা যাবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ক্ষমতায় গেলে যেসব কাজ করবে ঐক্যফ্রন্ট, জানালেন জাফরুল্লাহ by আব্দুল আলীম

ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, আমাদের জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনে জয়ী হলে কে প্রধানমন্ত্রী হবেন সেটা জানি না। সেটা আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়ার বিষয়। তবে এটা বলতে পারি সুন্দর বাংলাদেশ হবে। পরিবর্তন আসছে। বাতাস বদলে গেছে।
নৌকার পাল এবার ফিরে গেছে। তিনি বলেন, আমরা বাস্তবমূখী কাজ করতে চাই। আজগুবি কথা বলতে চাই না। যেমন ধরুন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ক্ষমতায় আসলে তিন মাসের মধ্যে ওষুধের দাম অর্ধেক হয়ে যাবে। ডায়াগনসিস করতে এখন যতো টাকা খরচ হয় তার চেয়ে অর্ধেক হয়ে যাবে। একটা কিডনির অপারেশন করতে দেড় থেকে ২ লাখ টাকায় হয়ে যাবে। বাংলাদেশের যেকোন জায়গা থেকে করাতে পারবেন। ৫ লাখ গ্রাজুয়েটের চাকরি দিতে চাই আমরা। কারণ একজন কৃষকের ছেলে হাল চাষ করতে পারে। কিন্তু আরেকজন গ্রাজুয়েট তা করতে পারে না। তার জন্য আমরা সুযোগ সৃষ্টি করব।
ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, নির্বাচনের জন্য আমাদের ইশতেহারের একটা ড্রাফ্ট করা হয়েছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে এটা চূড়ান্ত করা হবে। আমরা একটি জনকল্যাণকর শান্তির গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে চাচ্ছি। আমরা বিকেন্দ্রীকরণ করতে চাচ্ছি। এর মানে হল, ঢাকা শহরে আর একটিও সরকারি নতুন ভবন তৈরী হবে না। নতুন ভবনের প্রয়োজন হলে অন্যান্য শহরের করতে হবে। দুর্নীতি কমাতে হলে ঢাকাকে আর বড় করা যাবে না। কৃষক-শ্রমিক-ছাত্রদের কর্মসংস্থান চাই। আজকে বিচার বিভাগের বিচারকরা ৫ মাস বসে বিশ্রাম নেন। কেউ কি ৫ মাস চাকরি না করলে বেতন দেবে? বর্তমানে আমাদের দেশে বিচারকরা ৫ মাস কাজ না করে ঘুমিয়ে থাকেন। আর ৩০ লাখ মামলার জট পড়ে থাকে। এক্ষেত্রে বিচার বিভাগের স্বাধীনতার সঙ্গে সঙ্গে সংষ্কার করা হবে। আইনের অপপ্রয়োগ বন্ধ করা হবে। বর্তমান সরকার গায়েবী মামলা দিচ্ছে। আমিও ক্ষমতায় গেলে কি তাই করব? না, সেটা করব না।
তিনি বলেন, দুর্নীতি এমন জায়গায় পৌঁছেছে, এটা কমাতে হলে ব্যাপক সংস্কার প্রয়োজন। আমাদের নিয়ে আওয়ামী লীগ কি বললো, না বললো তাতে কিছু যায় আসে না। উন্নয়ন আরও দ্রুত গতিতে হবে। উন্নয়ন থামার কোন প্রশ্নই আসে না। আমরা কি পাগল? আমরা কি অশিক্ষিত? আমরা কম পড়ালেখা করেছি আওয়ামী লীগের চেয়ে? পদ্মা সেতু কি অর্ধেক করে ফেলে রাখব? রাখব না। কোন কাজই আমরা ফেলে রাখব না। তবে তাদের লুটের পয়সার একটা হিসাব নেবো।
তিনি বলেন, উন্নয়ন একদিনের জন্যও ব্যাহত হবে না। কোন প্রকল্প বন্ধ হবে না। তবে ঢাক ঢোল পিটিয়ে ডিজিটাল চেহারা দেখানো হবে না। চেহারা না দেখিয়ে মাঠে কাজ করা হবে। সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ সম্পর্কে তিনি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন আদায় করে নিতে হবে। সরকার সুষ্ঠু নির্বাচন দেবে না। আমরা সেটাই করব। দেশবাসীর প্রতি আজ্বান জানিয়ে এই মুক্তিযোদ্ধা বলেন, সবাই সমর্থন দেন, একটা সুষ্ঠু নির্বাচন করি। ভোটারদের ভোট দিতে আসতে দেন। তারপর নতুন সরকার আসলে তারা সিদ্ধান্ত নেবে কে প্রধানমন্ত্রী হবেন।
ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের খসড়া ইশতেহারে ৫টি দফা রয়েছে। এটা এখনো গৃহীত হয়নি। কিছুই হয়নি। তবে ইশতেহারের ফোকাস পয়েন্ট থাকবে কৃষক শ্রমিকের জীবন যাত্রার উন্নয়ন। গণতান্ত্রিক উপায়ে শান্তির বাংলাদেশ। যেখানে থাকুন না কেন, সমান সুযোগ পাবেন। সংসদ যা আছে, সেটা এখন থাকবে। তবে আমরা বিকেন্দ্রীকরণের কথা ভাবছি। হাজারটা দফা দেয়ার চেয়ে আমি ব্যক্তিগতভাবে বলবো, শেখ সাহেব ৬ দফা দিয়ে কাজ করেছে। আমরা ৫ দফা দিয়ে কাজ করব। সম্ভাব্য দফাগুলো উল্লেখ করে তিনি বলেন, শ্রমিকের ন্যায্য পাওনা দেয়া হবে। স্বাস্থ্য খাতে জিনিসপত্রের দাম অর্ধেকের চেয়ে কমানো হবে। শিক্ষিত বেকারের চাকরি দেয়া হবে। ৫ লাখ গ্রাজুয়েটের চাকরি দেয়া হবে। আইন ও বিচার বিভাগের সংস্কার করা হবে। বয়বৃদ্ধদের সুযোগ বৃদ্ধি করা হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের উত্তাপ বাড়ছে: বিজেপির রথযাত্রার পাল্টা মমতার পবিত্রযাত্রা

তিনটি রথেরই সূচনা করবেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। আর এই তিন রথ রাজ্যের ৪২টি লোকসভা কেন্দ্র পরিক্রমা করবে। রথ পরিক্রমার শেষে কলকাতায় হবে মহাসমাবেশ। সেই সভায় ভাষণ দেবেন নরেন্দ্র মোদিসহ বিজেপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। তবে এই রথ পরিক্রমা নিয়ে জোর কথার লড়াই শুরু হয়েছে। শুক্রবার তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির রথযাত্রাকে রাজনৈতিক রথযাত্রা উল্লেখ করে বলেছেন, বিজেপির রথযাত্রার পাল্টা তৃণমূল কংগ্রেস পবিত্র যাত্রা করবে। এদিন নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে দলের বর্ধিত কোর কমিটির বৈঠকে মমতা বলেছেন, বিজেপির রথ যে রাস্তা কলুষিত করবে, সেই রাস্তাতেই হবে তৃণমূলে কংগ্রেসের শান্তিযাত্রা বা পবিত্রযাত্রা।
অর্থাৎ বিজেপির রথ যে রাস্তা ধরে যাবে, সেখানেই পরেরদিন পবিত্রযাত্রা করবে তৃণমূল। বিজেপির রথযাত্রাকে কটাক্ষ করে মমতা বলেছেন, ওটা তো রাবণ যাত্রা। সেই সঙ্গে তিনি খোঁচা দিয়ে বলেছেন, বিজেপির রথ তো এক একটি ফাইভস্টার হোটেল। মমতা অবশ্য এদিন নির্বাচনের প্রস্তুতি জোর কদমে শুরু করে দেয়ার জন্য দলীয় নেতা ও কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন। আগামী জানুয়ারিতে কলকাতায় সর্বভারতীয় নেতাদের নিয়ে যে চিবরোধী ফেডালের ফ্রন্টের সমাবেশ করতে চলেছেন মমতা তা নিয়েও এদিন বেশ কয়েকটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে বিজেপির রথযাত্রাই এখন তৃণমূল কংগ্রেসের বড় মাথা ব্যথার কারণ হয়ে উঠেছে। তাই এখন পর্যন্ত পুলিশ প্রশাসন অনুমতি দেয়নি। এজন্য রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব বেশ ক্ষুব্ধ। প্রয়োজনে আদালতে যাবার হুশিয়ারিও দিযেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।
অন্যদিকে বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায় হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন রথ যারা আটকাতে আসবে তাদের রথের চাকায় পিষ্ট করে দেয়া হবে। বিজেপি নেত্রী অবশ্য দাবি করেছেন রাজ্যে গণতন্ত্র বাঁচাতেই এই রথযাত্রা করছে বিজেপি। বিজেপির শীর্ষ স্থানীয় নেতাদের মতে, এই সুযোগেই গণসংযোগের কাজটা এগিয়ে নিতে চাইছে বিজেপি। তবে তৃণমূল কংগ্রেসের পাশাপাশি বাম দলগুলি অভিযোগ করেছে, বিজেপি রথযাত্রার নামে বিভেদের রাজনীতিকেই উসকে তোলার চেষ্টা করছে। আর তাই বাম দলগুলি রথযাত্রা ঠেকাতে মানববন্ধনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। বিজে নেতারা রথযাত্রার প্রস্তুতি জেলায় জেলায় বৈঠক করছেন। বিজেপর এক শীর্ষ নেতা এই প্রতিবেদককে বলেছেন, গত কয়েকটি নির্বাচনে যেভাবে বিজেপির ভোট বেড়েছে তাতে নেতারা পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে আশাবাদী। আর তাই অমিত শাহ ২২টি লোকসভা আসনকে পাখির চোখ করে নির্বাচনী যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘দ্য ওপেন সিক্রেট’

তাঁর ছবির কাহিনি আবর্তিত হয়েছে চার যুবক-যুবতীকে নিয়ে।
তারা ফিলমের ছাত্র। কলকাতার যৌন কর্মীদের নিয়ে একটি ডকুমেন্টরি করতে চায় তারা। আর সেই ডকুমেন্টরির শ্যুটিং করতে সোজা হাজির হয়ে যায় যৌনপল্লিতে। মুখোমুখি হয় এত দিন অদেখা ভয়ঙ্কর নিষ্ঠুর পৃথিবীর। নিজেদের এত দিনের সমস্ত মূল্যবোধ যেন ভেঙেচুরে যেতে থাকে। সমাজের বুকের মধ্যে লুকিয়ে থাকা ভণ্ডামিকে প্রত্যক্ষ করে তারা।
সৌম্যদীপ জানাচ্ছেন, ‘‘এই ছবিতে তরুণ অভিনেতাদের পাশাপাশি ৫ জন যৌনকর্মীও অভিনয় করেছেন। আসলে তো ‘অভিনয়’ নয়। নিজেদের সত্যি জীবনের বেদনাময় অভিজ্ঞতাই তাঁরা তুলে ধরেছেন ছবিতে।’’
মনিকা মোহনত প্রযোজিত এই হিন্দি ছবি এবারের কলকাতা ফিলম ফেস্টিভ্যালে নমিনেশন পেয়েছে। সে বিষয়ে বলতে গিয়ে ছবির কাস্টিং ডিরেক্টর শাহির রাজ জানালেন, এ জন্য তাঁরা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের প্রতি কৃতজ্ঞ। টেকনিক্যাল সমস্যায় ছবির প্রদর্শন আচমকাই বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছিল। অরিন্দম শীল নিজে বিষয়টি দেখার ব্যাপারে প্রতিশ্রুতি দেন। পরে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের সরাসরি হস্তক্ষেপে সমস্যা মিটে যায়।
ছবির শ্যুটিংয়ের কথা বলতে গিয়ে সৌম্যদীপ জানাচ্ছেন, ‘‘ছবির শ্যুটিংয়ে আসা এক যৌনকর্মীর কথা। যিনি বলছিলেন, ভালবাসাই পারে সমস্ত কিছুকে ঠিক করে রাখতে। সকলেরই উচিত একে অপরের সঙ্গে ভালাবাসায় জড়িয়ে থাকা।’’
কেবল ‘শরীর, শরীর’ নয়, এই অন্ধকার দুনিয়ার মানবীদেরও যে ‘মন’ রয়েছে সেটাই যেন ছবির পরতে পরতে ধরতে চেয়েছেন তিনি।
ছবির বাকি ‘সিক্রেট’ জানতে যে ছবিটি দেখতেই হবে, সে কথা মনে করিয়ে দিচ্ছেন সৌম্যদীপ।
সুত্র- এবেলা
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মালয়েশিয়া মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি বিলুপ্ত করার কথা ভাবছে
![]() |
| মালয়েশিয়ার ফেডারেল কোর্ট |
মৃত্যুদণ্ড রহিত করার আইন পাসের বিষয়টি গত নির্বাচনে মাহাথির মোহাম্মদের নেতৃত্বাধীন জোটের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল। জোটটি গত মে মাসে নির্বাচনে জিতে ক্ষমতায় আসে। মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি রহিত করে আইন পাস হয়ে গেলে মালয়েশিয়া হয়ে উঠবে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের হাতে গোনা কয়েকটি দেশের একটি যারা এমন আইন করেছে। কেয়ংয়ের ভাষ্য, ‘আমরা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছি এবং সেখান থেকে সরে আসার কোনও কারণ দেখছি না। এখন প্রশ্নটা হচ্ছে, আইনটি এই অধিবেশনেই পাস করানো সম্ভব হবে কি না সেটি।’ তার ভাষ্য, গবেষণা থেকে দেখা গেছে মৃত্যুদণ্ড অপরাধ সংঘটনের ক্ষেত্রে কোনও কার্যকর প্রতিরোধ তৈরি করে না।
আইন পাস করে স্থায়ী বন্দবস্তের চেষ্টা চললেও মালয়েশিয়াতে বর্তমানে সব ধরনের মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি কার্যকর স্থগিত রয়েছে। দেশটিতে মৃত্যুদণ্ডের সাজা কার্যকরের অপেক্ষায় রয়েছে এক হাজার ২৮১ জন বন্দি। এদের মধ্যে এক-চতুর্থাংশই হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত আর ৪৪ শতাংশ বিদেশি। এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ইরান, ইন্দোনেশিয়া ও নাইজেরিয়ার নাগরিক। ফিলিপাইন দূতাবাসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তাদের দেশের অন্তত ৫০ জন নাগরিকের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় হয়েছে।
হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের স্বজনরা মৃত্যুদণ্ডের বিধান রহিত করার আইনের বিরুদ্ধে। অধিকার কর্মী বিল কেয়ং এবং ডেপুটি পাবলিক প্রসিকিউটর কেভিন মোরাইসের স্বজনরা জানিয়েছেন, তারা চান না মৃত্যুদণ্ডের আইন রহিত করা হোক। গত সপ্তাহে ১১ মাস বয়সী একটি শিশুকে তার দেখভালকারী হত্যা করলে মৃত্যুদণ্ড রহিত না করার দাবি আরও জোরালো হয়। লিউ কেয়ং আল জাজিরাকে বলেছেন, এখানেই একটা ভারসাম্য আনতে হবে। এমন একটি ব্যবস্থা রাখতে হবে যাতে করে এ সংক্রান্ত বোর্ড কেস বাই কেস পর্যালোচনা করে দেখতে পারেন, কাদেরকে যাবজ্জীবন দেওয়া উচিত আর কাদেরকে আজীবন কারাবাসের দণ্ড দেওয়া উচিত।’ মৃত্যুদণ্ড রহিত করার পক্ষে কাজ করা সংগঠন ‘অ্যান্টি ডেথ পেনাল্টি কোয়ালিশন অব মালয়েশিয়ার’ বিবৃতিতেও বলা হয়েছে, তারা চান না মৃত্যুদণ্ড রহিত হয়ে গেলে সরকার সব মৃত্যুদণ্ডের সাজাপ্রাপ্ত আসামির ক্ষেত্রে গড়ে একই সিদ্ধান্ত নিক।
মালয়েশিয়ায় যারা মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি কার্যকরের অপেক্ষায় আছে তাদের তিন চতুর্থাংশই মাদক সংক্রান্ত অপরাধে অভিযুক্ত। এ বছরে শুরুর দিকেও ২০০ গ্রাম গাজা ও ১৫ গ্রাম হেরোইন পাওয়া গেলেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে মাদক কারবারি হিসেবে ধরে নেওয়া হতো। তাদের জন্য মৃত্যুদণ্ড বাধ্যতামূলক ছিল। কিন্তু সম্প্রতি সংশোধিত আইন অনুযায়ী, এমন অপরাধের ক্ষেত্রে অভিযুক্তকে যাবজ্জীবন বা ১৫ ঘা বেত মারার শাস্তির মধ্যে যে শাস্তি ঠিক মনে হয় তা ঘোষণার এখতিয়ার দেওয়া হয়েছে বিচারককে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কেন শুরু হলো না রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন? by শেখ শাহরিয়ার জামান

বাংলাদেশে পালিয়ে আসার পরে তাদের প্রত্যাবাসনের জন্য মিয়ানমারের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করে ঢাকা। অবশেষে ১৫ নভেম্বর তাদের ফেরত যাওয়ার তারিখ নির্ধারিত হয়। গত কয়েক দিন ধরে বাংলাদেশ সরকার এবং জাতিসংঘ সংস্থা আপ্রাণ চেষ্টা করেও রোহিঙ্গাদের তাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে ফেরত যেতে রাজি করাতে পারেনি।
গত মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার (১৩ থেকে ১৫ নভেম্বর) পর্যন্ত মোট ৬৭টি পরিবারের সাক্ষাৎকার নিয়েছে জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থা। একটি পরিবারও ফেরত যাওয়ার পক্ষে মত দেয়নি।
রোহিঙ্গাদের যেসব উদ্বেগ সবচেয়ে প্রকট তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে— নিরাপত্তা ও সুরক্ষা, জাতীয় ভেরিফিকেশন কার্ড, জীবনযাপনের ব্যবস্থা, চলাচলে স্বাধীনতা, সেটেলমেন্ট পরিকল্পনা এবং নাগরিকত্ব। এর কোনও ক্ষেত্রেই মিয়ানমার তাদের সুস্পষ্ট কোনও আশ্বাস দেয়নি।
নিরাপত্তা ও সুরক্ষা
সাম্প্রতিক এক সমীক্ষা অনুযায়ী গত বছরের ২৫ আগস্টের পর থেকে এ পর্যন্ত ২৫ হাজারের বেশি রোহিঙ্গাকে হত্যা করেছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। শুধু তা-ই নয়, তাদের বিরুদ্ধে হত্যা, গণহত্যা ও ধর্ষণকে ব্যবহার করা হয়েছে, যাতে করে রোহিঙ্গারা পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়।
এর মধ্যে দুই দফা মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে রোহিঙ্গাদের আলোচনা হয়েছে এবং উভয় ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ও সুরক্ষার ক্ষেত্রে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তার বিশ্বাসযোগ্য ব্যাখ্যা তাদের দেওয়া হয়নি।
জাতীয় ভেরিফিকেশন কার্ড
এই কার্ডের বিষয়ে রোহিঙ্গাদের ঘোরতর আপত্তি আছে। কিন্তু মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ তাদের প্রাথমিকভাবে এটি গ্রহণ করতে হবে, সেটি জানিয়ে দিয়েছে। এই কার্ড গ্রহণ করলে রোহিঙ্গারা নাগরিকত্ব না পেলেও অনেক ধরনের সুবিধা পাবে— এ ধরনের ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট নয় রোহিঙ্গারা।
জীবনযাপনের ব্যবস্থা
বেঁচে থাকার জন্য রাখাইনে অনেক ধরনের কাজ করার ওপর বিধিনিষেধ ছিল রোহিঙ্গাদের। তারা ফেরত গেলে বেঁচে থাকার জন্য কী কী করতে পারবে— এ বিষয়ে তাদের সম্পূর্ণভাবে অবহিত করেনি মিয়ানমার।
চলাচলে স্বাধীনতা
রাখাইনে রোহিঙ্গাদের চলাচলে স্বাধীনতা ছিল না। অনেক সময়ে তাদের বলা হয়েছে তারা তাদের গ্রামের বাইরে যেতে পারবে না। আবার অনেক সময়ে বলা হয়েছে বৃহত্তর জেলার বাইরে যেতে পারবে না। তারা চলাচলে স্বাধীনতার বিষয়ে সন্দিহান।
সেটেলমেন্ট পরিকল্পনা
গত আগস্টের পর প্রায় চার শ’র মতো গ্রাম পুড়িয়ে দিয়েছে মিয়ানমার সামরিক বাহিনী। ফলে অধিকাংশ রোহিঙ্গাদের থাকার কোনও জায়গা নেই। ঘরবাড়ি নষ্ট হওয়া রোহিঙ্গারা কোথায় থাকবে সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ঠ কোনও পরিকল্পনা রোহিঙ্গাদের কখনও বলেনি মিয়ানমার সরকার।
নাগরিকত্ব
রোহিঙ্গা সমস্যার মূল কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে নাগরিকত্ব সমস্যা এবং এই সমস্যা কীভাবে মিয়ানমার দূর করবে সেটি তারা কখনও রোহিঙ্গাদের জানায়নি। এর ফলে মিয়ানমার সরকারকে বিশ্বাস করতে পারছে না রোহিঙ্গারা।
গত বছরের ২৫ আগস্ট তাদের ওপর সামরিক বাহিনীর নির্মম নিপীড়ন শুরু হলে তারা দলে দলে বাংলাদেশে প্রাণ বাঁচানোর জন্য পালিয়ে আসে। গত এক বছরে সাত লাখ ২৩ হাজার রোহিঙ্গা পালিয়ে এসেছে বাংলাদেশে।
গত বছরের ২৩ নভেম্বর দুই দেশ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সংক্রান্ত একটি সমঝোতায় সই করে। এরপর বিভিন্ন পরিসরে দুই দেশের মধ্যে একাধিকবার এই বিষয় নিয়ে আলোচনা হলেও প্রত্যাবাসন শুরু করা যাচ্ছে না।
রোহিঙ্গাদের ভয় তারা ফেরত গেলে আবার তাদের ওপর নির্যাতন করা হবে।
গত বছর ২৫ আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে আসার আগে থেকেও আরও চার লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অবস্থান করছিল।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চট্টগ্রামে মনোনয়নযুদ্ধে বাবা-ছেলে দেবর-ভাবি ও চাচা-ভাতিজা by ইব্রাহিম খলিল

চট্টগ্রাম-১ মিরসরাই আসনে অটোমোবাইল শিল্প প্রতিষ্ঠান বড়তাকিয়া গ্রুপের চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম ইউসুফ ধানের শীষ প্রতীকে লড়তে বিএনপি থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। আবার তার ছেলে একই শিল্প প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়াজ মোর্শেদ এলিট নৌকা প্রতীকে লড়তে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন।
একই আসনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য, গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন ও তার ছেলে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান রুহেল।
চট্টগ্রাম-৯ কোতোয়ালি-বাকলিয়া ও চট্টগ্রাম-৮ বোয়ালখালী-চান্দগাঁও আসনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন ফরম কিনেছেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি ও তার ছেলে মজিবুর রহমান। এ আসন থেকে ধানের শীষে লড়তে বিএনপি থেকে মনোনয়ন ফরম কিনেছেন বিএনপি নেতা শামসুল আলম ও তার ছেলে শোয়াইব রিয়াদ।
চট্টগ্রাম-৫ হাটহাজারী সংসদীয় আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মেয়র এবং প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন ও তার পুত্র বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, সুপ্রিম কোর্টের তরুণ আইনজীবী ব্যারিস্টার মীর হেলাল।
চট্টগ্রাম-২ ফটিকছড়ি আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী ও সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর স্ত্রী ফারহাত কাদের চৌধুরী।
তারা দু’জনেই দেবর-ভাবি।
চট্টগ্রাম-৭ রাঙ্গুনিয়া আসনেও বিএনপি থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী ও তার চাচা বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী।
চট্টগ্রাম-১০ ডবলমুরিং আসন থেকে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন ফরম কিনেছেন বিএনপির সাবেক মেয়র এম মনজুর আলম। আবার তার ভাতিজা বর্তমান সংসদ সদস্য দিদারুল আলম চট্টগ্রাম-৪ সীতাকুণ্ড আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম কিনেছেন।
মিরসরাই আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী মনিরুল ইসলাম ইউসুফ বলেন, ভোটে বাপ-ছেলে কিংবা
মা-মেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা নতুন কোনো বিষয় নয়। আমার ছেলে বলে বিএনপির একটা ভোট তার দিকে যাবে না। আবার আমি তার বাবা বলে আওয়ামী লীগের একটা ভোট বিএনপিতে আসবে না।
মনিরুল ইসলাম ইউসুফ আরো বলেন, আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা। দেশের জন্য আমার অবদান আছে। বিএনপি মুক্তিযোদ্ধাদের দল। বিএনপি অবশ্যই আমাকে মনোনয়ন দেবে। মনোনয়ন পেলে আমিই জিতবো।
ছেলে নিয়াজ মোর্শেদ এলিট বলেন, আমি বাবার আদর্শের বাইরে গিয়ে রাজনীতি করছি। আদর্শের প্রশ্নে কোনো ছাড় নয়। দল থেকে মনোনয়ন পেলে ভোটের লড়াইয়ে জিততে যে কৌশলই নিতে হয় আমি সেটাই নেবো।
এলিট বলেন, সবাই জানেন মিরসরাইয়ে আওয়ামী লীগের মধ্যে গ্রুপিং আছে। আমার সঙ্গে কারও বিরোধ নেই। আমি মনোনয়ন পেলে উভয়পক্ষ আমার হয়ে কাজ করবে। একজন তরুণ হিসেবে যদি আমাকে মনোনয়ন দেয়া হয়, আমি অবশ্যই আসনটি জননেত্রী শেখ হাসিনাকে উপহার দিতে পারবো।
এ আসনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন ও ছেলে মাহবুবুর রহমান রুহেল। রুহেল বলেন, ‘বাবা মনোনয়ন পেলে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াব। কোনো কারণে যদি তিনি নির্বাচন না করেন সে ক্ষেত্রে মনোনয়নের ব্যাপারে কঠোর থাকবো আমি। প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তই আমাদের কাছে চূড়ান্ত।’
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন বলেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে দলের সঙ্গে আছি। দীর্ঘদিন চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। বিএনপির সরকারের আমলে বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ছিলাম। বর্তমানে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। হাটহাজারী আসন থেকে এবার নির্বাচন করে শেষ বয়সে নিজ এলাকার জন্য কিছু করতে চাই।
তার ছেলে বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, রাজনীতিবিদরা নির্বাচন করবে এটি স্বাভাবিক, হাটহাজারীতে আমার পিতা সবচেয়ে সিনিয়র ও অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ, দলের জন্যও তার যথেষ্ট অবদান রয়েছে। তাই তিনি এবার হাটহাজারী থেকে নির্বাচন করতে চান। আর আমি তরুণ হিসেবে দলের হয়ে দীর্ঘদিন যাবত কাজ করছি, সংগঠিত করেছি তৃণমূলকে। তরুণ হিসেবে যদি হাটহাজারী আসনে কাউকে মনোনয়ন দেয়, সে ক্ষেত্রে আমি পাবো দলীয় মনোনয়ন, জয়ের ব্যাপারেও আশাবাদী।
মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি বলেন, ‘নগরীর কোতোয়ালি-বাকলিয়া এবং বোয়ালখালী-চান্দগাঁও উভয় আসনে মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রেখেছি আমি। তাই দুটি আসন থেকেই মনোনয়ন ফরম নিয়েছি। একই আসন থেকে আমার ছেলেও মনোনয়ন নিয়েছে। তবে আমার বিশ্বাস মনোনয়ন আমিই পাব।’
ছেলে মজিবুর রহমান বলেন, বাবার ব্যবসা-বাণিজ্য সফলতার সঙ্গে পরিচালনা করলেও এলাকায় স্বতন্ত্র একটি ইমেজ গড়ে উঠেছে আমার। দলীয় সভানেত্রী যে সিদ্ধান্তই নেন, তা মাথা পেতে নেবো। তার বিশ্বাস, এবার তার ওপরই আস্থা রাখবে আওয়ামী লীগ।
এ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে লড়তে মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য শামসুল আলম ও তার ছেলে এমইবি ইন্ডাস্ট্রিজ কমপ্লেক্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শোয়াইব রিয়াদ।
শামসুল আলম বলেন, ‘২০০৮ সালের নির্বাচনে ষড়যন্ত্র করে আমাকে হারানো হয়েছিল। বিএনপির দুঃসময়ে মাঠে ছিলাম আমি। আশা করছি এটির মূল্যায়ন করবে দল। আমার ছেলে শোয়াইব রিয়াদ একই জোট থেকে মনোনয়ন ফরম নিলেও দল আমার ওপরই আস্থা রাখবে বলে বিশ্বাস আছে।’
শোয়াইব রিয়াদ বলেন, ‘রাজনীতিতে অনেক অবদান আছে আমার পরিবারের। ব্যক্তি হিসেবে মানুষের কাছে স্বতন্ত্র একটি গ্রহণযোগ্যতাও আছে আমার। দল যদি নতুনের ওপর আস্থা রাখে তবে আমি মনোনয়ন পাব বলে আশা করছি।’
চট্টগ্রাম-১০ ডবলমুরিং আসনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন ফরম নেয়া বিএনপির সাবেক মেয়র এম মনজুর আলম বলেন, পুরো নগরীতে আমাদের পরিবারের আলাদা একটি গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। সাবেক মেয়র হওয়ায় পুরো নগরীই আমার পরিচিত। তার পরও নগরীর ডবলমুরিং-পাহাড়তলী আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছি। আমার বিশ্বাস, এ আসনেই আমার ওপর আস্থা রাখবেন দলীয় সভানেত্রী।
দিদারুল আলম বলেন, ‘আমার চাচা নগরীর ডবলমুরিং আসন থেকে নির্বাচন করতে আগ্রহী। আমি মনোনয়ন ফরম নিয়েছি সীতাকুণ্ড থেকে। আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে আমাদের পরিবারের অবদান বিবেচনায় আনলে উভয়ই মনোনয়ন পাবো বলে বিশ্বাস করি।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জাতিসংঘে মিয়ানমারবিরোধী রেজ্যুলেশন গৃহীত by শেখ শাহরিয়ার জামান
![]() |
| টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপের পশ্চিমপাড় দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকছে রোহিঙ্গারা। টেকনাফের দিকে যাচ্ছেন এক রোহিঙ্গা বৃদ্ধা। হারিয়াখালী এলাকা থেকে তোলা ছবি।ছবি: বাংলা ট্রিবিউন |
শুক্রবার (১৬ নভেম্বর) এ বিষয়ে ভোট হয়। ১৪২টি দেশ এই প্রস্তাব সমর্থন করে, ১০টি দেশ বিরোধিতা এবং ২৬টি দেশ ভোট দানে বিরত থাকে।
থার্ড কমিটির রেজ্যুলেশনটি ৯৯টি দেশ কো-স্পন্সর করছে।
গত বছরেও থার্ড কমিটিতে রোহিঙ্গা সমস্যার বিষয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করে একটি রেজ্যুলেশন পাস হয়। ওই রেজ্যুলেশনটিও ৯৭টি দেশ কোস্পন্সর করেছিল।
রেজ্যুলেশনে বলা হয়েছে, রাখাইনে মুসলিমরা মিয়ানমারের স্বাধীনতার পূর্বেই প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম বসবাস করছে। ১৯৮২ সালের নাগরিকত্ব আইন পুনর্বিবেচনা করে রোহিঙ্গাদের পূর্ণ নাগরিকত্ব প্রদানের আহ্বান জানিয়ে মিয়ানমার সরকারকে বলা হয়েছে, রোহিঙ্গাদের ওপর যারা অত্যাচার করেছে, তাদেরকে বিচারের আওতায় আনার জন্য।
বর্তমান রেজ্যুলেশনে মিয়ানমারে মানবাধিকার লংঘন তদন্তের জন্য দ্রুততার সঙ্গে নিরপেক্ষ মেকানিজম প্রতিষ্ঠার ওপরে জোর দিয়ে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের মিলিটারির ওপরে যেন বেসামরিক সরকারের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়।
রাখাইনে সামরিক অভিযানের কারণে নিয়মতান্ত্রিকভাবে রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার লংঘন করা হচ্ছে এবং মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের কাছে আহ্বান জানানো হয়, এই অভিযান বন্ধের এবং এর জন্য যারা দোষী তাদেরকে বিচারের আওতায় আনার জন্য।
আরও বলা হয়, বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা যেন নিরাপদে ও মর্যাদার সঙ্গে রাখাইনে ফেরত যেতে পারে এবং রাখাইনে যেন জাতিসংঘসহ অন্যান্য সাহায্য সংস্থা কাজ করতে পারে।
রেজ্যুলেশনে জাতিসংঘের মহাসচিবকে ‘মিয়ানমার বিষয়ক বিশেষ দূত’ নিয়োগ দেওয়ার জন্য প্রশংসা করে বলা হয়েছে, জাতিসংঘ যেন মিয়ানমারকে সহায়তার প্রস্তাব করে।
এছাড়া, রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনসহ সব সমস্যা সমাধানের জন্য বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে সহযোগিতাকে উৎসাহিত করা হয়েছে।
রাখাইনে সহিংসতা বন্ধ, রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন, নাগরিকত্ব প্রদান, কফি আনান কমিশন রিপোর্টের পূর্ণ বাস্তবায়ন, রোহিঙ্গাদের নিজ গৃহে প্রত্যাবর্তনসহ বিভিন্ন বিষয় এই রেজ্যুলেশন অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এছাড়া, রোহিঙ্গাদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দ্রুত যাচাই-বাছাই করে ফেরত নেওয়ার জন্য এবং এ বিষয়টিও এই রেজ্যুলেশনে উল্লেখ আছে।
রোহিঙ্গা মুসলিম ও অন্যান্য নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠির মধ্যে অস্থিতিশীল ও নিরাপত্তাহীনতা পরিস্থিতি যাতে করে সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে পদক্ষেপ নেবারও আহ্বান জানানো হয়েছে।
এর আগে ২০১৫ সালে অং সান সুচি সরকার গঠনের আগে একই শিরোনামে ‘মিয়ানমারের মানবাধিকার পরিস্থিতি’ শীর্ষক একটি রেজ্যুলেশন গৃহীত হয়। সেখানে মিয়ানমারের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও গণতান্ত্রিক পরিবেশের ওপর জোর দেওয়া হয়েছিল। সেই রেজ্যুলেশনে ১৯টি প্যারার মধ্যে রোহিঙ্গা বিষয়ে শুধুমাত্র একটি প্যারা ছিল।
২০১৭ এর রেজ্যুলেশন
গত বছরের রেজ্যুলেশনে ৯৭টি দেশ কোস্পনসর ছিল। এছাড়া, অনেক দেশ আছে, যারা কোস্পনসর হয়নি, তারা এর পক্ষে ভোট দিয়েছে।
এই রেজ্যুলেশনের বিপক্ষে ভোট দিয়েছিল চীন, রাশিয়াসহ ১০টি দেশ এবং কোনও ভোট দেয়নি ভারত, ইন্দোনেশিয়াসহ ২৬টি দেশ। এর পক্ষে ভোট দিয়েছিল ১৩৫টি দেশ।
উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আনা রেজ্যুলেশনটির পক্ষে ১০৪টি দেশ ভোট দেয়, ১৩ টি দেশ বিপক্ষে এবং বাংলাদেশসহ ৩৭ জন কোনও ভোট দেয়নি।
২০১৫ সালের রেজ্যুলেশনের বিপক্ষে ভোট দিয়েছিল চীন, রাশিয়া, ইরান, উজবেকিস্থানসহ ১৩টি দেশ এবং কোনও ভোট দেয়নি ভারত, ইন্দোনেশিয়াসহ ৩৭টি দেশ।
২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে রাখাইনে মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর জাতিগত নিধন অভিযান শুরু হলে সাত লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আপিল করলেই খালেদা জিয়ার মনোনয়ন বৈধ!

দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান এর আগে সাংবাদিকদের কাছে আশঙ্কা ব্যক্ত করেছিলেন যে, খালেদা জিয়া যে দুটি মামলায় দণ্ডিত হয়েছেন, তার পূর্ণাঙ্গ রায় শিগগির পাওয়া যাবে না। তাতে অনেকের ধারণা ছিল তিনি আপিল করতে পারবেন না। কিন্তু জিয়া চ্যারিটেবল মামলার রায় পাওয়া গেছে। এখন আপিলের প্রস্তুতি চলছে। আপিলে দণ্ডের ওপর স্থগিতাদেশ চাওয়া হবে কিনা তা এখনো স্পষ্ট নয়। অন্যদিকে আশা করা হচ্ছে, জিয়া অরফানেজে হাইকোর্টের দশ বছরের সাজার পূর্ণাঙ্গ রায় তারা দ্রুত পাবেন।
এবং তারা আপিল করতে পারবেন।
এর আগে জিয়া অরফানেজ মামলায় নিম্ন আদালতের ৭ বছরের সাজার বিরুদ্ধে আপিলের সময় দণ্ড স্থগিত চাওয়া হয়নি। কারো কারো মতে তখন ভাবা হয়েছিল যে, তার জামিন মঞ্জুর হলে পরে দণ্ড স্থগিত চাওয়া হবে। আর জামিন না পেয়ে আদালত দণ্ড স্থগিত করে দিলে তখন কারাগারে থাকা সময়টার কর্তন বন্ধ হয়ে যাবে। কিন্তু এবারের আপিলে ইসি কি করে সেটাই গুরুত্বপূর্ণ।
সম্প্রতি রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে ইসি বলেছে, আপিলে সাজা স্থগিত না হলে মনোনয়নপত্র বাতিল হবে। অবশ্য একাধিক আইনজীবী ইসির এই সিদ্ধান্তকে এখতিয়ার বহির্ভূত বলে গণ্য করেছেন। তারা বলেন, রিটার্নিং অফিসারই মূল সিদ্ধান্ত নেবেন। তাদের মতে, এক-এগারোর আগে আপিল ফাইল করলেই তারা বিচারের ধারাবাহিকতা বলে গণ্য হতো।
প্রবীণ আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবদুল বাছেত মজুমদার এর আগে সাংবাদিকদের বলেছেন, তিনি মনে করেন আপিল দাখিল করেই খালেদা জিয়া আসন্ন নির্বাচনে দাঁড়াতে পারবেন। দণ্ডিত হওয়ার পরেও মোফাজ্জেল চৌধুরী মায়ার মন্ত্রীত্ব বৈধ ছিল বলেই মত দেন তিনি। তিনি মায়ার দুর্নীতি মামলায় আইনজীবী ছিলেন।
আগামী ২রা ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের তারিখ। এই নির্দিষ্ট দিনে রিটার্নিং অফিসার গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর ১৪ অনুচ্ছেদের বিধান অনুসারে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের কাজ শেষ করবেন।
মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের সময় আইন অনুসারে প্রার্থীগণ, তাদের নির্বাচনী এজেন্টগণ, প্রস্তাবকারী এবং সমর্থনকারী এবং প্রার্থী কর্তৃক নিযুক্ত (তিনি আইনজীবী হতে পারেন) অন্য কোনো ব্যক্তি উপস্থিত থাকতে পারবেন
আইন বলেছে, ‘তারা যদি মনোনয়নপত্র পরীক্ষা করে দেখতে চান, তবে তাদের যুক্তিসঙ্গত সুযোগ প্রদান করতে হবে।’ এরপর উপস্থিত সকলের সামনে রিটার্নিং অফিসার পরীক্ষা নিরীক্ষা করবেন। এবং কেউ কোনো মনোনয়নপত্র সম্বন্ধে আপত্তি উত্থাপন করলে তা নিষ্পত্তি করবেন। তাছাড়াও কোনো আপত্তির ভিত্তিতে অথবা স্বউদ্যাগে যুক্তিযুক্ত মনে করলে যে কোনো মনোনয়নপত্রের বৈধতা সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত অনুসন্ধান করতে পারবেন।
তফসিল পুনরায় না পেছালে এবং ২রা ডিসেম্বরে মনোনয়নপত্র আদৌ বাতিল হলে সেই আদেশের বিরুদ্ধে পরবর্তী তিনদিনের বা ৫ই ডিসেম্বরের মধ্যে ইসিতে আপিল করা যাবে। কমিশন সচিবালয় সচিবের নিকট স্মারকলিপি আকারে আপিল করতে হবে।
আইনে আরো বলা আছে, আপিলের ক্ষেত্রে মনোনয়নপত্র গ্রহণ বা বাতিলের তারিখ, আপিলের কারণ সংবলিত বিবৃতি এবং মনোনয়নপত্র বাতিল বা গ্রহণ আদেশের সত্যায়িত কপি সংযোজন করতে হবে।
উল্লেখ্য, আইন ও বিচারমন্ত্রী আনিসুল হক সমপ্রতি বলেছেন, দণ্ডতি ব্যক্তি নির্বাচনে যোগ্য হবেন কিনা সে বিষয়ে রায় আছে দুটি। আপিল চূড়ান্ত পর্যায়ে না যাওয়া পর্যন্ত একটি রায় বলছে নির্বাচনে অংশ নেয়া যাবে, অন্যটি বলেছে যাবে না। আইনজ্ঞরা দাবি করেন, আইনমন্ত্রীর মন্তব্যের প্রথম অংশটি অ্যাডভোকেট বাছেত মজুমদারের অভিমতের সঙ্গে যুক্তিযুক্ত। কিন্তু দ্বিতীয় যে রায় সেটি হাইকোর্টের একটি বিভক্ত রায়। সেখানে বিচারপতি খায়রুল হক বলেছেন, দণ্ড হলেই হলো, আপিলে খালাস না পাওয়া পর্যন্ত অযোগ্য থাকবেন। কিন্তু এটি আপিল বিভাগের রায় না হওয়ার কারণে এটি মানা বাধ্যকর নয়। বরং ওই মামলায় বিচারপতি জয়নুল আবেদিন আপিল বিভাগের রায়ের বরাতে ভিন্নমত দিয়ে বলেছেন, আপিল দায়ের করলেই চলবে। তাতেই নির্বাচন করা যাবে।
সংবিধানের ৬৬ (২গ) অনুচ্ছেদে বলা আছে নৈতিক স্খলনের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে ন্যূনতম দুই বছর কারাবাসে থেকে মুক্তির পর পাঁচ বছর পার না হলে কেউ নির্বাচনে যোগ্য হবেন না। কিন্তু বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা বলছে, দুর্নীতির মামলায় শাস্তিলাভের পর রাজনীতিকদের সংসদে রাখা না-রাখার ক্ষেত্রে আইনের চেয়ে রাজনীতিই বড় বিবেচ্য হয়ে ওঠে।
বিএনপি আমলে জনতা টাওয়ার দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত হওয়ার সাত বছর পরে ২০০০ সালে এরশাদ সংসদে অযোগ্য হন। খালেদা জিয়া তখন বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত এরশাদের বাড়িতে যান। বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট এরশাদের সাংসদ পদ খারিজের নিন্দা করেছিল। এর প্রতিক্রিয়ায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এরশাদের পক্ষ নেয়ার কারণে বিএনপির সমালোচনা করেছিলেন। শেখ হাসিনা বলেছিলেন, এসব খালেদা জিয়ার অসততা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সাইবার নিরাপত্তা মন্ত্রী জীবনেও কম্পিউটার চালাননি

বুধবার তিনি পার্লামেন্টে স্বীকার করেন যে, তিনি কম্পিউটার ব্যবহার করেন না। পার্লামেন্টের নি¤œকক্ষে বিরোধী দলীয় এক সদস্যের করা প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘২৫ বছর বয়স থেকেই আমি আমার কর্মচারী ও সচিবদের নির্দেশ দিয়ে চালিয়ে গেছি। এ কারণে আমি নিজে কম্পিউটার ব্যবহার করি না।’ তাকে এ-ও প্রশ্ন করা হয় যে, জাপানের পারমাণবিক স্থাপনাসমূহে ইউএসবি ড্রাইভ ব্যবহার করা হয় কিনা। কিন্তু এই প্রশ্নে তিনি দ্বিধায় পড়ে যান।
প্রতিক্রিয়ায় হতবিহবল হয়ে পড়েন বিরোধী দলীয় আইনপ্রণেতারা। মাসাতো ইমাই নামে এক বিরোধী দলীয় পার্লামেন্ট সদস্য বলেন, ‘এটি অবিশ্বাস্য যে জীবনে যিনি কম্পিউটার ছুঁয়েও দেখেননি, তাকেই আমাদের সাইবার নিরাপত্তা নীতিমালার জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।’
মন্ত্রীর এই মন্তব্যে অনলাইনেও ঝড় উঠেছে। এক টুইটার ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘তার কি কোনো লজ্জা বোধ হচ্ছে না?’ আরেকজন লিখেছেন, ‘এখন একটা কোম্পানির প্রধানও ব্যক্তিগত কম্পিউটার ব্যবহার করেন। আর তিনি জানেনই না যে, ইউএসবি কী!’ আরেকজন মজা করে বলেছেন যে, সাকুরাদা সম্ভবত নিজের ঘরানার সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে বিশেষজ্ঞ। তিনি বলেন, ‘কোনো হ্যাকার যদি মন্ত্রী সাকুরাদার কোনো তথ্য হ্যাক করতে চায়, তারা কোনো তথ্যই চুরি করতে পারবে না। এটি নিশ্চিতভাবেই সবচেয়ে শক্তিশালী নিরাপত্তা ব্যবস্থা!’
সাকুরাদা এই পদে এসেছেন মাত্র এক মাস হলো। প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে দলের প্রধান হিসেবে পুনর্নিবাচিত হলে মন্ত্রীসভা পুনর্গঠন করা হয়। তখনই তাকে এই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। সাইবার নিরাপত্তা ছাড়াও, অলিম্পিক ইস্যুতেও আইনপ্রণেতাদের ব্রিফ করতে গিয়ে ঝামেলায় পড়তে হয়েছে তাকে। অথচ, আর টোকিওতে এই মহাযজ্ঞ শুরু হতে আর দুই বছরও বাকি নেই।
এই মাসের শুরুর দিকে তিনি দাবি করেন, এই মাসের শেষের দিকে টোকিওতে একটি সভায় উত্তর কোরিয়ার ক্রীড়া মন্ত্রীর অংশগ্রহণের ব্যাপারে তার কাছে কোনো তথ্য নেই। অথচ, জাপানে উত্তর কোরিয়ার কোনো কর্মকর্তার প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, এই বিষয়ে তিনি জানতেন না। কিন্তু তার এক সহযোগী হস্তক্ষেপ করলে তিনি দ্রুতই উল্টো ঘুরে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবহিত।
আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির প্রধান থমাস বাখ উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনকে মার্চে চিঠি লিখেছেন যাতে টোকিও অলিম্পিকে তার দেশের ক্রীড়াবিদরা অংশ নিতে পারেন। কিন্তু সাকুরাদা বলছেন, তিনি এ নিয়েও কিছু জানেন না। তিনি বলেন, ‘এই ইস্যুতে নাক গলানোটা আমার পক্ষে সমীচীন হবে না। এটা আমার ক্ষমতা বলয়ের বাইরে।’ তবে প্রশ্নের জবাব দিতে এই বেহাল দশার জন্য বিরোধী দলের এমপিকে দায়ী করেছেন সাকুরাদা। তার বক্তব্য, এমপি রেনো মুরাতা তাকে আগেভাগে এই প্রশ্ন হস্তান্তর করেননি।
রেনো তাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, ২০২০ অলিম্পিক ও প্যারা অলিম্পিক আয়োজনের খরচ কেন্দ্রীয় সরকার কতটা বহন করবে। জবাবে তিনি বলেন, ১৫০০ ইয়েন! অর্থাৎ মাত্র ১৩ ডলার! অথচ, বাস্তবে সরকার ব্যয় করবে ১৫০০০ কোটি ইয়েন!
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভোটে আছি থাকবো -সম্পাদকদের ঐক্যফ্রন্ট নেতারা

বললেন, ভোটে আছি, ভোটে থাকবো। আলোচনায় এক সিনিয়র সাংবাদিক জানতে চাইলেন, ঠিক এই মুহূর্তে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব কি-না? ড. কামাল হোসেন এক বাক্যে জবাব দেন- চ্যালেঞ্জ। গতকাল বিকালে রাজধানীর গুলশানে হোটেল লেকশোর-এ সম্পাদকদের সঙ্গে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় চলে প্রায় তিন ঘণ্টা। কেন ঐক্যফ্রন্ট গঠন হলো। কেন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংলাপে গেলেন। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকাই বা কি? আলোচনায় ঘুরেফিরে এসেছে এসব ইস্যুই। একজন সিনিয়র সাংবাদিক প্রশ্ন রাখেন- সরকারের স্লোগান উন্নয়ন। আপনাদের স্লোগান কি হবে তা এখনো বলেননি। অপর একজন সিনিয়র সাংবাদিক বলেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সংলাপ যেহেতু সফল হয়নি।
এজন্য আরপিও অনুযায়ী প্রেসিডেন্টের কাছে আপনাদের যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। ড. কামাল হোসেন তার বক্তব্যে বলেন, আমরা একদিনের গণতন্ত্র নয়, প্রকৃত গণতন্ত্র চাই। গণতন্ত্রের ঘাটতি কোথায় তা আমাদের দেখতে হবে। গত ১০ বছরের মধ্যে ৫ বছরের অবস্থা কী ছিল সেটা মূল্যায়ন করা দরকার। আমরা নেতিবাচক অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে চাই। জনগণ মৌলিক বিষয়গুলোতে ঐক্যবদ্ধ। আমরা গণতন্ত্র চাই। নির্বাচন চাই। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের সঙ্গে সংলাপে যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তার একটিও রাখেননি। ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আমরা শেষদিন পর্যন্ত নির্বাচনে থাকবো। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংলাপের পর এ পর্যন্ত ৪০৯টি মামলা হয়েছে। এতে আসামি করা হয়েছে ২ হাজার নেতাকর্মীকে। অসংখ্য গায়েবি মামলা হয়েছে। এতে ৫ লাখ আসামি করা হয়েছে।
মতবিনিময় অনুষ্ঠানে এক সম্পাদক বলেন, নির্বাচনে যেতে হবে। নির্বাচনে থাকতে হবে। বিএনপি গত নির্বাচন বয়কট করে মস্তবড় ভুল করেছে। এতে শুধু বিএনপির ক্ষতি হয়নি রাষ্ট্রের বিরাট ক্ষতি হয়েছে। মামলা মোকদ্দমা হচ্ছে এটা আমরা দেখছি। নিয়মিতই লিখছি। আরেক সম্পাদক বলেন, মানুষ ভোট দিতে চায়। কিন্তু তাদের মধ্যে আশঙ্কা রয়েছে তারা ভোট কেন্দ্রে যেতে পারবে কিনা? ভোট দিতে পারবে কিনা? তিনি বলেন, মানুষ গণতন্ত্রের প্রতি বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছে। একটা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে এই বিশ্বাস ফিরিয়ে আনা সম্ভব।
মতবিনিময় অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ড. কামাল হোসেন ও ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ড. কামাল হোসেন বলেন, সম্পাদকদের সঙ্গে প্রায় তিন ঘণ্টা মতবিনিময় হয়েছে। সেখানে খুবই মূল্যবান আলোচনা হয়েছে। কারণ সম্পাদকরা বিভিন্ন বিষয়ে তাদের মতামত দিয়েছেন। অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন পেতে আমাদের কাছ থেকে তারা কী আশা করেন, সে বিষয়ে তারা দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। ড. কামাল বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের ক্ষেত্রে সরকারের যেমন কর্তব্য রয়েছে তেমনি আমরা যারা বিরোধী শক্তি আছি, নির্বাচন করতে যাচ্ছি তাদেরও কর্তব্য রয়েছে। তিনি বলেন, সম্পাদকদের সঙ্গে আমাদের মতবিনিময়ের উদ্দেশ্য ছিল কি কি জিনিস তারা অতীতে দেখেছেন সেই অভিজ্ঞতার আলোকে আলোচনা করা। ঐক্যফ্রন্টের এই শীর্ষ নেতা বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে সরকারের যেসব বিষয় আমরা চিহ্নিত করেছি সেগুলো আলোচনায় উঠে এসেছে। আশা করি- সংবাদপত্রগুলো সেসব বিষয়ে সজাগ দৃষ্টি রাখবে। বৈঠকে নির্বাচন কীভাবে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে সে ব্যাপারে সম্পাদকদের মতামত জানতে চেয়েছেন ঐক্যফ্রন্ট নেতারা। বৈঠক শেষে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য আমরা সব ধরনের পরামর্শ চেয়েছি সম্পাদকদের কাছে।
এ মতবিনিময়ে সাংবাদিকদের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন- নিউজ টুডে’র সাবেক সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ, দৈনিক প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান, দৈনিক মানবজমিন-এর প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, নিউএইজ সম্পাদক নূরুল কবীর, আমাদের নতুন সময়-এর সম্পাদক নাঈমুল ইসলাম খান, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী, সাপ্তাহিক সম্পাদক গোলাম মোর্তুজা, ডেইলি স্টারের প্ল্যানিং এডিটর শাখাওয়াত লিটন, ইনকিলাবের যুগ্ম সম্পাদক মুন্সী আবদুল মান্নান, সিনিয়র সাংবাদিক আমীর খসরু। অন্যদিকে ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন- ড. কামাল হোসেন, ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক, মাহমুদুর রহমান মান্না, ডাকসুর সাবেক ভিপি সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ।
সাংবাদিকদের মধ্যে এছাড়া উপস্থিত ছিলেন- ঢাকা ট্রিবিউন সম্পাদক জাফর সোবহান, এএফপির ব্যুরো চিফ শফিকুল আলম, বাংলাদেশ প্রতিদিন যুগ্ম সম্পাদক আবু তাহের, যুগান্তর চিফ রিপোর্টার মাসুদ করিম, সমকাল চিফ রিপোর্টার লোটন একরাম। ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিশেষ সম্পাদক আসাদুজ্জামান রিপন, গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসীন মন্টু, ঐক্যফ্রন্ট নেতা জগলুল হায়দার আফ্রিক প্রমুখ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তেরেসা মে’র সরকারের টালমাটাল অবস্থা

এরপরই এ পদে নিয়ে আসা হয় ডমিনিক রাবকে। এর আগে তিনি বৃটেনের গৃহায়ণ ও স্থানীয় সরকারবিষয়ক মন্ত্রী ছিলেন। পদত্যাগ করা অন্য মন্ত্রীরা হচ্ছেন, ইস্থার ম্যাকভি, সুয়েল্লা ব্রেভারম্যান ও শৈলেশ বড়া। এছাড়া পদত্যাগ করেছেন, কনজারভেটিভ পার্টির এমপি রনিল জয়বর্দেনা ও এনি ম্যারি। এনি ম্যারি বলেছেন, এখন এটি তেরেসা মের নেতৃত্বের সময় নয়। পদত্যাগের ধাক্কায় তেরেসা মের সরকার টালমাটাল পরিস্থিতিতে পড়ল।
শৈলেশ বড়া ছিলেন বৃটেনের উত্তর আয়ারল্যান্ড বিষয়ক মন্ত্রী। ব্রেক্সিট ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী যে চুক্তি করছেন তাতে হতাশা প্রকাশ করেছেন তিনি। শৈলেশ জানিয়েছেন, এ চুক্তির আওতায় বৃটেনের অর্ধেকটা ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভেতরে থাকবে। আবার অর্ধেকটা থাকবে বাইরে। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে সাতটায় পদত্যাগ করেন শৈলেশ বড়া। প্রধানমন্ত্রী তেরেসাকে উদ্দেশ্য করে তার মন্তব্য, তিনি অনির্দিষ্টকাল বৃটেনের পায়ে শেকল পরাতে চাইছেন। ২০১৬ সালের ব্রেক্সিট গণভোটে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে থাকার পক্ষে ভোট দিয়েছিলেন শৈলেশ বড়া। সমালোচনায় নেমেছেন লেবার পার্টি নেতারাও। লেবার নেতা স্যার কেইর স্টারমার বলেছেন, এখন এটি সপষ্ট যে প্রধানমন্ত্রীর তার মন্ত্রিসভার সমর্থনও নেই।
এদিকে কনজারভেটিভ নেতা জ্যাকব রেস-মগ প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মের ওপরে অনাস্থা জানিয়ে ১৯২২ কমিটির কাছে চিঠি দিয়েছেন। অনেকেই একে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তেরেসা মের বিদায় ঘণ্টা হিসেবে দেখছেন। ১৯২২ কমিটির বর্তমান প্রধান হচ্ছেন ব্রাডি। তার ক্ষমতা রয়েছে থেরেসা মের বিরুদ্ধে একটি অনাস্থা ভোটের আয়োজন করার। তবে এজন্য এমপিদের শতকরা ১৫ ভাগকে (৪৮ জনকে) তার কাছে চিঠি লিখে অনাস্থা ভোটের জন্য আবেদন করতে হবে। তাহলে তেরেসা মে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে থাকবেন কি না তা নির্ধারণে ভোটের আয়োজন করা হবে। অনাস্থা ভোটেও যদি প্রধানমন্ত্রী জয়ী হতে না পারেন তাহলে তাকে এ পদ থেকে সরে দাঁড়াতে হবে এবং পুনরায় নির্বাচনের আয়োজন করা হবে। জ্যাকব রেস-মগ পার্লামেন্টের বাইরে অবস্থানরত সাংবাদিকদের বলেছেন, এ চুক্তির খসড়াটি একটি ব্যর্থতা এবং ব্রেক্সিটের জন্য হুমকিসরূপ। তিনি বলেন, আপনি একটি বিষয় শুরু করেন আর কেউ আপনাকে অনুসরণ না করে তাহলে সেটি খুব ভালো বিষয় নয়। যদি ৪৮টি চিঠি না যায় তাহলে এটি আমার জন্য খুব সুখকর হবে না। সরকারের উচিত ব্রাসেলসে গিয়ে ইইউকে জানানো যে, বৃটেন কোনো চুক্তি ছাড়াই বেরিয়ে আসবে এবং ওয়ার্ল্ড ট্রেড অর্গানাইজেশনের নিয়ম মেনেই বাণিজ্য করবে। সাবেক ব্রেক্সিট মন্ত্রী ও সিনিয়র কনজারভেটিভ ব্যাকবেঞ্চার স্টিভ বেকার বলেছেন, আমরা ব্রেক্সিটের নীতি নির্ধারণের সর্বাত্মক চেষ্টা করেছি, কখনো প্রধানমন্ত্রী পরিবর্তনের চেষ্টা করিনি। কিন্তু এখন অনেক দেরি হয়ে গেছে। আমাদের একজন নতুন নেতা দরকার।
উল্লেখ্য, ব্রেক্সিট চুক্তির খসড়াতে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালের মার্চেই ইইউ ছাড়বে বৃটেন। এ চুক্তিতে বিচ্ছেদের বিষয়গুলো যুক্ত করা হয়েছে। বলা হয়েছে, ৩৯ বিলিয়ন ডলারের আর্থিক নিষ্পত্তির কথাও। এ ছাড়া ব্রেক্সিটের পর বৃটেন যখন ইইউ থেকে বেরিয়ে যাবে তখন দেশটির নাগরিকদের অধিকার সম্পর্কে নানা প্রতিশ্রুতি এতে যুক্ত করা হয়েছে। ডয়েচে ভেলে জানিয়েছে, ৫৮৫ পাতার এই চুক্তির খসড়ার আসল কথা হলো তথাকথিত ‘ব্যাকস্টপ’ সংক্রান্ত বোঝাপড়া। ২০১৯ সালের ২৯শে মার্চ ইইউ থেকে বিচ্ছেদের পর আচমকা অচলাবস্থা এড়াতে ২১ মাস পর্যন্ত এক অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থার প্রস্তাব আগেই রাখা হয়েছিল। এই সময়কালে বৃটেন ইইউ-র সদস্য দেশ ইইউ-র শুল্ক এলাকার মধ্যে থাকতে পারবে। এভাবে উত্তর আয়ারল্যান্ড সীমান্তে কোনো ব্যাঘাত ঘটবে না। যেকোনো সদস্য দেশের মতো বৃটেন বেশ কিছু দায়িত্ব পালন করবে।
এর আগে মে জানিয়েছিলেন, বুধবার রাতে বেক্সিট নিয়ে ৫ ঘণ্টার উত্তপ্ত বিতর্কের পর ব্রেক্সিট ইস্যুতে মন্ত্রিপরিষদের সমর্থন পেয়েছেন তিনি। তবে বেশ কয়েকজন কনজারভেটিভ ব্যাকবেঞ্চারদের উদ্দেশ্যে তেরেসা মের উপর অনাস্থা ভোট আয়োজনের আহবান জানান। চুক্তির পক্ষে অবস্থান নিয়ে তেরেসা মে বলেন, তার মাথা থেকে হৃদয় পর্যন্ত বলছে এই চুক্তিটি সঠিক আছে। তবে তিনি যদি এ পরিকল্পনা নিয়ে অগ্রসর হতেই থাকেন তাহলে তার বিরুদ্ধে কয়েক দিনের মধ্যে অনাস্থা ভোট ডাকার হুমকি দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নপন্থিরা। আর এমনি এক সময়ে তেরেসা মে প্রথম তার মন্ত্রিপরিষদে ঝাঁকুনি খেলেন। মন্ত্রীদের পদত্যাগে ভীষণ চাপের মুখে পড়লেন প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে। তাকে সতর্ক করা হয়েছে। বলা হয়েছে, বৃটিশরা এর চেয়ে ভালো কিছুর দাবিদার।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1421)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
-
▼
2018
(7025)
-
▼
November
(232)
-
▼
Nov 17
(14)
- জনগণের সরকার চাই by মরিয়ম চম্পা
- সৌদি আরবের কাছে অস্ত্র বিক্রি বন্ধে মার্কিন সিনেটে...
- বৈশ্বিক উষ্ণায়ন রোধে চীন-রাশিয়া-কানাডার ভূমিকা সহা...
- ক্ষমতায় গেলে যেসব কাজ করবে ঐক্যফ্রন্ট, জানালেন জাফ...
- পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের উত্তাপ বাড়ছে: বিজেপির রথযাত...
- ‘দ্য ওপেন সিক্রেট’
- মালয়েশিয়া মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি বিলুপ্ত করার কথা ভাবছে
- কেন শুরু হলো না রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন? by শেখ শাহরি...
- চট্টগ্রামে মনোনয়নযুদ্ধে বাবা-ছেলে দেবর-ভাবি ও চাচা...
- জাতিসংঘে মিয়ানমারবিরোধী রেজ্যুলেশন গৃহীত by শেখ শা...
- আপিল করলেই খালেদা জিয়ার মনোনয়ন বৈধ!
- সাইবার নিরাপত্তা মন্ত্রী জীবনেও কম্পিউটার চালাননি
- ভোটে আছি থাকবো -সম্পাদকদের ঐক্যফ্রন্ট নেতারা
- তেরেসা মে’র সরকারের টালমাটাল অবস্থা
-
▼
Nov 17
(14)
-
▼
November
(232)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...

