Friday, May 11, 2018
এজেন্ট ব্যাংকের গ্রাহক এখন ১৪ লাখ by গোলাম মওলা

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত তিন মাসে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে নতুন গ্রাহক হয়েছেন ২ লাখ ৫৪ হাজার ৪৩০ জন। ২০১৮ সালের মার্চ শেষে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে নিবন্ধিত গ্রাহক দাঁড়িয়েছে ১৪ লাখ ৬৮ হাজার ৭৯৭ জনে। ২০১৭ সালের ডিসেম্বর শেষে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে নিবন্ধিত গ্রাহক ছিল ১২ লাখ ১৪ হাজার ৩৬৭ জন। ২০১৭ সালের জুন শেষে যা ছিল ৮ লাখ ৭২ হাজার ৮৬৫ জন। এই হিসাবে গত ৯ মাসে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে নতুন গ্রাহক হয়েছেন প্রায় ৬ লাখ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ৩ হাজার ২১৬টি এজেন্টের আওতায় ৪ হাজার ৯০৫টি আউটলেটের মাধ্যমে সারাদেশে এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা দিচ্ছে। এজেন্ট আউটলেটের সংখ্যার দিক থেকে ব্যাংক এশিয়া সবার শীর্ষে অবস্থান করছে।
২০১৮ সালের মার্চ মাস শেষে এজেন্ট ব্যাংকিং হিসাবে মোট জমার পরিমাণ (আমানত) দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৬৩৪ কোটি টাকা। ২০১৭ সালের ডিসেম্বর শেষে এজেন্ট ব্যাংকিং হিসাবে মোট জমার পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৩৯৯ কোটি টাকা। ফলে তিন মাসের ব্যবধানে আমানত বেড়েছে ২৩৫ কোটি টাকা। এই হিসাবে আমানতের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৬.৭৯ শতাংশ।
প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত তিন মাসে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে গড়ে গ্রাহক বেড়েছে ২০ দশমিক ৯৫ শতাংশ। একক ব্যাংক হিসাবে গত তিন মাসে সবচেয়ে গ্রাহক বেড়েছে বেশি ইসলামী ব্যাংকে। এই ব্যাংকটির গ্রাহক বাড়ার প্রবৃদ্ধি ১১৫২ দশমকি ১৬ শতাংশ। গত ডিসেম্বরে এই ব্যাংকটিতে গ্রাহক ছিল ১ হাজার ৩১৯ জন। মার্চে এসে দাঁড়িয়েছে ১৬ হাজার ৫১৬ জনে। তবে সংখ্যার দিক থেকে সবচেয়ে বেশি গ্রাহক এখন ডাচ বাংলা ব্যাংকের। এই ব্যাংকটির গ্রাহক এখন প্রায় ৯ লাখ।
বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এ পর্যন্ত ২০টি বাণিজ্যিক ব্যাংককে এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনার লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১৬টি ব্যাংক মাঠপর্যায়ে এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
ব্যাংকগুলো হলো, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক ও এবি ব্যাংক, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক, মধুমতি ব্যাংক, মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, মিডল্যান্ড ব্যাংক, দ্য সিটি ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক ও ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, দেশের অনেক ইউনিয়নেও পাওয়া যাচ্ছে এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা। এজেন্ট ব্যাংকিং নামের এইসব আউটলেট থেকে ব্যাংকের শাখার মতোই গ্রাহকরা নতুন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলছেন, তাতে ইচ্ছেমতো টাকা জমা ও উত্তোলন করছেন। যখন-তখন এক অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য অ্যাকাউন্টে টাকা স্থানান্তরও (দেশের ভেতর) করা যাচ্ছে। এমনকি এখান থেকে বিভিন্ন মেয়াদি আমানত প্রকল্পও চালু হচ্ছে। একইভাবে আমানতের টাকা প্রতি মাসে জমাও নেওয়া হচ্ছে, ইউটিলিটি সার্ভিসের বিলও পরিশোধ করা হচ্ছে এখান থেকেই। সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় সরকারি সব ধরনের ভর্তুকিও গ্রহণ করা হচ্ছে এই এজেন্ট ব্যাংক থেকেই। এ কারণে দিনদিন জনপ্রিয় হচ্ছে এই এজেন্ট ব্যাংকিং। ফলে লেনদেনের পাশাপাশি বাড়ছে গ্রাহক সংখ্যা।
এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ বলেন, ‘অনিয়ম দুর্নীতির কারণে পুরো ব্যাংকিং ব্যবস্থার ওপর মানুষের আস্থা কমলেও দেশের এজেন্ট ব্যাংকিং দিন দিন জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। এটা আমাদের জন্য ইতিবাচক। তবে, এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে হুন্ডি ব্যবসা হচ্ছে কি না তা খতিয়ে দেখার প্রয়োজন আছে।’
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে ব্যাংকিং সেবার আওতায় আনতে এজেন্ট ব্যাংকিং চালু করে বাংলাদেশ ব্যাংক। ২০১৩ সালের ৯ ডিসেম্বর এজেন্ট ব্যাংকিং নীতিমালা জারির পর ২০১৪ সালে প্রথম এ সেবা চালু করে বেসরকারি খাতের ব্যাংক এশিয়া।
এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র জি এম আবুল কালাম আজাদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘গ্রামীণ অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখছে এজেন্ট ব্যাংকিং। এই এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে জনগণকে ব্যয়সাশ্রয়ী, নিরাপদ ও আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর ব্যাংকিং সেবা দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গাইডলাইন অনুযায়ী প্রতিনিয়ত প্রসার ঘটছে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের।'
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) এক গবেষণা প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ছোট ব্যবসায়ীদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে এজেন্ট ব্যাংকিং। এই ব্যাংকিং এর সর্বোচ্চ ২৯ শতাংশ গ্রাহক ছোট ব্যবসায়ী। এর পরেই দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন গৃহিণীরা; যার পরিমাণ ১৮ শতাংশ। প্রতিবেদনের তথ্য মতে, মোট গ্রাহকের ৩ শতাংশ দিনমজুর এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ব্যাংকে হিসাব খুলেছেন। এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের ২৯ শতাংশ গ্রাহক ছোট ব্যবসায়ী। এছাড়া, মোট গ্রাহকের ৭ শতাংশ কৃষক। বিআবিএমের প্রতিবেদনে বলা হয়, এজেন্ট ব্যাংকিং এর ১৫ শতাংশ গ্রাহক সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবী, ৭ শতাংশ গ্রাহক শিক্ষার্থী।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের জনগোষ্ঠীকে রেমিটেন্স সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রেও এজেন্ট ব্যাংকিং অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। মার্চ পর্যন্ত ১৬ ব্যাংকের ৪ হাজার ৯০৫টি আউটলেটের মাধ্যমে গ্রাহকদের ২ হাজার ৬৭৪ কোটি টাকা রেমিট্যান্স দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে গ্রামাঞ্চলে বিতরণকৃত রেমিটেন্সের পরিমাণ ২ হাজার ৩৯৫ কোটি টাকা এবং শহরাঞ্চলে বিতরণকৃত রেমিটেন্সের পরিমাণ ২৭৮ কোটি টাকা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, শহরের তুলনায় গ্রামাঞ্চলে খোলা ব্যাংক হিসাবের সংখ্যা প্রায় ছয় গুণ বেশি। এজেন্ট ব্যাংকিং এর মাধ্যমে খোলা মোট হিসাব সংখ্যার ৬০ শতাংশেরও বেশি হিসাব খুলেছে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক। দ্বিতীয় এবং তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে ব্যাংক এশিয়া লি. এবং আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক।
এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ডাচ্-বাংলা ব্যাংকে এখন আট লাখ ৮৪ হাজার ৬৮০ জন গ্রাহকের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট রয়েছে। ব্যাংক এশিয়ায় রয়েছে তিন লাখ ৮০ হাজার ৯৩৬ জন গ্রাহক। আর আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকে রয়েছে ৮৩ হাজার ৭৮৪ জন গ্রাহকের ব্যাংক হিসাব।
এই বছরের মার্চ পর্যন্ত ৬টি ব্যাংক গ্রাহকদের ১২২ কোটি টাকার ঋণও দিয়েছে। চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রমের মধ্যে ব্যাংক এশিয়া তাদের এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ১১৭ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করেছে। আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক করেছে ৪ কোটি টাকার ঋণ বিতরণ।
জানা গেছে, এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটগুলো কোনও চেক বই বা ব্যাংক কার্ড ইস্যু করতে পারে না। এছাড়া, এজেন্টরা বৈদেশিক কোনও লেনদেনও করতে পারে না। এজেন্টদের কাছ থেকে ব্যাংকের কোনও চেকও ভাঙানো যায় না।
জানা গেছে, এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে গ্রাহক তার চলতি হিসাবে সর্বোচ্চ চার বার ২৪ লাখ টাকা নগদ জমা এবং সর্বোচ্চ দুটি লেনদেনে ১০ লাখ টাকা উত্তোলন করতে পারেন। সঞ্চয়ী হিসাবে সর্বোচ্চ দুবার আট লাখ টাকা নগদ জমা এবং সর্বোচ্চ তিন লাখ টাকা করে দুটি লেনদেনে ছয় লাখ টাকা উত্তোলন করতে পারেন। তবে রেমিট্যান্সের ক্ষেত্রে উত্তোলনসীমা প্রযোজ্য হয় না। দিনে দুবার জমা ও উত্তোলন করা যায়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অচিরেই মুক্তি পাচ্ছেন মাহাথির-পরবর্তী মালয়েশীয় প্রধানমন্ত্রী

আনোয়ার ইব্রাহিম ও মাহাথির মোহাম্মদ একসময়ে মিত্র ছিলেন। কিন্তু রাজনৈতিক মতপার্থক্যের জেরে মাহাথির ১৯৯৮ সালে উপপ্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে আনোয়ার ইব্রাহিমকে বরখাস্ত করার পর দুর্নীতি ও সমকামিতার অভিযোগ তুলে কারাগারে ঢোকান। তবে রাজনৈতিক পালাবদলের ধারাবাহিকতায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও মাহাথিরের শিষ্য নাজিব রাজাককে হটাতে তারা আবার মিত্রে পরিণত হন।
শুক্রবার বন্দি অবস্থায় হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদের শপথ অনুষ্ঠান দেখেছেন আনোয়ার ইব্রাহিম। রাজার কাছ থেকে ক্ষমা ও কারাগার থেকে মুক্তি না পাওয়া পর্যন্ত কোনো সরকারি দায়িত্ব গ্রহণ করতে পারবেন না তিনি। তবে বিরোধী জোটের বিজয়ের পর আনোয়ারের মুক্তি এখন সময়ের ব্যাপার। মাহাথির বলেন, ‘আমরা খুব শিগগিরই তাকে মুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করবো। রাজা তাকে ক্ষমা করার পরপরই তাকে মুক্তি দেওয়া হবে।’
গত ৭ জানুয়ারি এতদিনের শত্রু আনোয়ারকে রাজনৈতিক বন্দি হিসেবে আখ্যায়িত করে মাহাথির বলেন, আনোয়ার তাকে কৃতজ্ঞতার বাঁধনে বেঁধেছেন। তিনি বলেন, ‘আমাকে গ্রহণ করা তার জন্য সহজ ছিল না। আনোয়ার ও তার পরিবার ২০ বছর ধরে অনেক ভুগেছে। আমি তাকে ধন্যবাদ জানাই।’
আটক হওয়ার সময় দেশটিতে মাহাথির-পরবর্তী সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনীতিবিদ হিসেবে ভাবা হতো আনোয়ারকে। মাহাথির কেবল তাকে বরখাস্ত করেই ক্ষান্ত হননি। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও সমকামিতার অভিযোগ এনে তাকে কারাগারে ঢোকান। আনোয়ার ইব্রাহিম সবসময় তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ধ্বংস করে দিতেই এসব মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। ২০১৪ সালে নাজিব রাজাকের সরকারও তার বিরুদ্ধে একই অভিযোগ আনে। কারণ এর বছরখানেক আগে সাধারণ নির্বাচনে কারাগার থেকে ছাড়া পেয়ে আনোয়ারের নেতৃত্বের বিরোধী জোট অপ্রত্যাশিত সাফল্য পেয়েছিল।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বয়সকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে by আহমেদ বায়েজীদ
![]() |
| মাহাথির মোহাম্মদ, রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ, বেজি সাইদ এসেবসি। তাদের কাছে বয়স কোন বাধা নয় |
প্রায় ৯৩ বছর বয়সে মাহাথিরের এই চমক অনেককেই বিস্মিত করেছে। তবে তিনি একা নন, বিশ্বে আরো অনেকে আছেন যারা বয়সকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে দিব্বি চালিয়ে যাচ্ছেন রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।
তালিকায় মাহাথিরের পরেই আসবে ব্রিটিশ রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের নাম। ১৯৫২ সালে রাজমুকুট পরা দ্বিতীয় এলিজাবেথের বর্তমান বয়স ৯২ বছর ১৯ দিন। মাহাথিরের এক বছর পর অর্থাৎ ১৯২৬ সালে জন্ম নিয়েছেন তিনি।
বর্ষীয়ান শাসকদের এই তালিকায় পরের নামটি তিউনিসিয়ার প্রেসিডেন্ট বেজি সাইদ এসেবসির। ২০১৪ সালে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেয়া সাইদ এসেবসির বর্তমান বয়স ৯১ বছর ৫ মাস। এর আগে তিউনিসিয়ার প্রধানমন্ত্রী হিসেবেও এক বছর দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।
উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম ইয়ং ন্যামের বয়স ৯০ বছর তিন মাস। ১৯৯৮ সাল থেকে তিনি প্রেসিডেন্ট পদে আছেন। অবশ্য দেশটির সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনের বয়স মাত্র ৩৬ বছর।
আর একমাস পরেই ৮৯ বছরে পা দিবেন কাতারের আমির শেখ সাবাহ আল আহদ আল জাবের আল সাবাহ। ১৯২৯ সালে জন্ম নেয়া শেখ সাবাহ ২০০৬ সালে আমির হিসেবে দায়িত্ব নেন।
ক্যামেরুনের প্রেসিডেন্ট পল বিয়ার বর্তমান বয়স ৮৫ বছর ২ মাস। ১৯৮২ সাল থেকে টানা প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন তিনি। বয়সে তার চেয়ে এক বছরের ছোট জাপানের স¤্রাট আকিহিতোর জন্ম ১৯৩৩ সালে, আর সিংহাসনে বসেছেন ১৯৮৯ সালে।
লেবাননের প্রেসিডেন্ট মাইকেল ওউন ৮৩ বছর ২ মাস ও ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস ৮২ বছর ৭ মাস বয়সে দায়িত্ব পালন করছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বর্তমান বয়স ৭১ বছর। যখন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন নিউ ইয়র্কের এই ধনকুবেরের বয়স ছিলো ৭০ বছর।
গত নভেম্বরে সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন জিম্বাবুয়ের ৩৭ বছরের শাসক রবার্ট মুগাবে। ক্ষমতা ছাড়ার সময় তার বয়স ছিলো ৯৪ বছর প্রায়। সেনাবাহিনী হস্তক্ষেপ না করলে হয়তো আরো অনেকদিন ক্ষমতা আকড়ে থাকতেন জিম্বাবুয়ের সাবেক এই প্রেসিডেন্ট।
এদের সবাই প্রমাণ করেছেন যে, বয়স কোন বাধা নয়। তাই আধুনিক মালয়েশিয়ার রূপকার মাহাথির মোহাম্মদ রাজনীতির দ্বিতীয় অধ্যায়ে এসেও হয়তো হতাশাবাদীদের চিন্তাকে ভুল প্রমাণ করে আবার হাল ধরবেন মালয়েশিয়ার উন্নয়নের অগ্রযাত্রার।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইয়াবা চক্রে এক কাতারে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী-বৌদ্ধ আর রোহিঙ্গারা

বাংলাদেশে প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা রয়েছে। গত আগস্টে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর হাতে নির্যাতন, নিপীড়ন, হত্যা, ধর্ষণ ও লুটপাটের শিকার হওয়া রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছে বাংলাদেশ। তাদের জন্য কক্সবাজারের কুতুপালংয়ে স্থাপিত হয়েছে শরণার্থী শিবির। বাংলাদেশ নিবিড় প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারের নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে। এরকম পরিস্থিতিতে মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে যাওয়া রোহিঙ্গাদের সম্পর্কে সতর্ক হয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। মাদককে কেন্দ্র করে শরণার্থী শিবিরগুলোতে গোলাগুলি, অপহরণ, মুক্তিপণ আদায়ের মত ঘটনা ঘটতে দেখা গেছে, যা ভঙ্গুর অবস্থায় থাকা শরণার্থী শিবিরগুলোর অবস্থা আরও করুণ করে তুলেছে। শামলাপুর রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে থাকা একজন নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি এএফপিকে বলেছেন, ‘অনেক তরুণ রোহিঙ্গা মাদক ব্যবসায়ীদের খপ্পরে পড়ছে। শরণার্থীদের ব্যবহার করা মাদক ব্যবসায়ীদের জন্য অনেক সহজ।’ ২০১৭ সালের আগস্ট থেকে অন্তত ১০০ জন রোহিঙ্গাকে মাদক ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে।
কক্সবাজারে মাদকের চালান উদ্ধারের ঘটনা ধাই ধাই করে বেড়েছে। মার্চে উদ্ধার করা হয়েছে ১৮ লাখ পিস ইয়াবা। তার কয়েকদিন পরেই নৌকায় পরিত্যাক্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে আরও ৯ লাখ পিস। রয়টার্স লিখেছে, যা ধরা পড়ে তার চেয়ে অনেক বেশি মাদক বাংলাদেশে প্রবেশ করে। বাংলাদেশের মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের প্রাক্কলন অনুযায়ী, এ বছর আড়াই থেকে ৩ কোটি পিস ইয়াবা বাংলাদেশে প্রবেশ করবে।
মিয়ানমারে কারা ইয়াবা উৎপাদন ও বিপণনের সঙ্গে জড়িত তা স্পষ্ট না হলেও, অন্তত সেখান থেকে ইয়াবা পাচারে যে সেনাবাহিনীর সদস্যরা জড়িত সে বিষয়ে জানতে পরেছে এএফপি। সোমবার মিয়ানমারের মংডুতে থাকা তল্লাসি চৌকিতে ২ লাখ ইয়াবা বড়িসহ আটক হয়েছে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর এক সদস্য। তার কাছ থেকে পাওয়া তথ্য থেকে সন্ধান পাওয়া গেছে আরও বড় মজুতের, যেখানে পাচারের জন্য ১৬ লাখ পিস ইয়াবা রাখা ছিল। ২০১৭ সালের অক্টোবরে যখন রাখাইন চরম উত্তপ্ত, তখনও মিয়ানমার সেনাবাহিনীর দুই সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তাদের কাছ থেকে জব্দ করা হয়েছিল প্রায় ২০ লাখ পিস ইয়াবা।
রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারের নাগরিকত্ব দেয়নি দেশটির সরকার। তবে রাখাইনের বৌদ্ধদের তারা নৃতাত্ত্বিক সংখ্যাঘুর স্বীকৃতি দিয়েছে। এতে খুব যে খুশি তার, তা নয়। কারণ রাখাইনের বৌদ্ধরা মনে করে, মিয়ানমারেr সংখ্যাগুরু গোষ্ঠী বামারদের তুলনায় তারা প্রান্তিক হয়ে পড়েছে। রোহিঙ্গা তাড়াতে রাখাইনের বৌদ্ধরা মিয়ানমার সেনাবাহিনীকে সহায়তা করলেও এই সম্পর্ক স্থিতিশীল নয়। তারা সেনাবাহিনীর ওপরও হামলা চালিয়েছে। সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে তাদের এমন অবস্থান এক যুগের ও বেশি সময় ধরে রয়েছে। এদের সংগঠন আরাকান আর্মি। কাচিনে জন্ম নেওয়া সংগঠনটি একই সঙ্গে চীন সমর্থিত ইউনাইটেড ওয়া স্টেট আর্মির (ইউডব্লিউএসএ) অংশ। পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, সম্প্রতি সিতওয়েতে চালানো হামলার সঙ্গে তারাই জড়িত। মিয়ানমারের বিদ্রোহীদের সংগঠন ‘নর্দার্ন অ্যালায়েন্সের’ বাকি সদ্যসদের মতো আরাকান আর্মিও মনে করে ঘোষিত অস্ত্র বিরতি ও অং সান সু চি সমর্থিত শান্তি সংলাপ আস্থা রাখার মতো নয়। ফলে রাখাইনে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে সর্বোত যুদ্ধই চালিয়ে যাচ্ছে তারা।
অন্যদিকে আরসার দাবি তারা রোহিঙ্গাদের পক্ষে লড়াই করা সংগঠন। মিয়ানমার সেনাবাহিনী গত বছরের আগস্টে রোহিঙ্গা উৎখাতে যে অভিযান শুরু করেছিল তা জায়েজ করিয়ে নিতে তাদের ওপর চালানো হামলার কথা বলেছিল তারা। মিয়ানমার সেনাবাহিনীর দাবি মোতাবেক, ওই হামলাগুলো চালিয়েছিল আরসা। আরসার বিরুদ্ধে জঙ্গিবাদ সংক্রান্ত প্রশ্ন উঠলেও সংগঠনটি বলেছিল, তাদের লড়াইয়ের সঙ্গে ইসলামি সন্ত্রাসবাদের কোনও সম্পর্ক নেই।
এএফপি বলছে, ইয়াবা ব্যবসাকে কেন্দ্র করে আঁতাত করেছে রোহিঙ্গা ও রাখাইনের বৌদ্ধরা। সরকারের বিরুদ্ধে কাজ করা দুই পক্ষের সশস্ত্র সংগঠনই অর্থায়নের জন্য ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িয়েছে। রাখাইনের বৌদ্ধরা মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সঙ্গে মিলে রোহিঙ্গাদের বাস্তুচ্যুত করেছিল। আর এখন মাদক ব্যবসায় তাদের সঙ্গেই কাজ করছে রোহিঙ্গারা। মিয়ানমারে মাদক নির্মূলে কাজ করা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন পুলিশ কর্মকর্তা এএফপিকে বলেছেন, ‘অস্ত্র কেনার জন্যই তারা একযোগে মাদক চোরাচালানে জড়িয়েছে।’
সাধারণ পাচারকারী থেকে ইয়াবার ডিলার হয়ে ওঠা একজন রোহিঙ্গা এএফপিকে বলেছে, ‘আমি পাঁচ বছর আগে স্থানীয় একজন ক্ষমতাবান ব্যক্তির মাধ্যমে এই কাজে জড়িয়েছি। যদি আমি না করি, তাহলে অন্য কেউ করবে।’ মাদক বিক্রির অর্থে ওই ব্যক্তি শরণার্থী শিবির ছেড়ে পরিবারসহ কক্সবাজার শহরের একটি ফ্ল্যাটে উঠেছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রোদে পুড়বে না ত্বক by আনিকা আলম
![]() |
| গোলাপজল ব্যবহার করতে পারেন রোদে পোড়া ত্বকের যত্নে |
- গোসল করার সময় কয়েক ফোঁটা গোলাপজল মিশিয়ে নিন পানিতে। সানবার্ন কমে যাবে।
- চায়ের লিকার ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করুন। ঠাণ্ডা লিকারে তোয়ালে ভিজিয়ে নিংড়ে নিন। রোদে পোড়া ত্বকের ওপর তোয়ালে দিয়ে রেখে দিন ৩০ মিনিট। কমে যাবে রোদে পোড়া দাগ।
- রোদে পোড়া ত্বকে সরিষার তেল মেখে নিন। ১ ঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলুন। কমে যাবে ত্বকের কালচে দাগ।
- আলুর রস দূর করতে পারে ত্বকের রোদে পোড়া দাগ। রাতে ঘুমানোর আগে আলু টুকরো করে ত্বকে ঘষুন। পরদিন সকালে ধুয়ে ফেলুন ঠাণ্ডা পানি দিয়ে। সরাসরি আলুর রস লাগালেও উপকার পাবেন দ্রুত।
- অ্যালোভেরা জেল সরাসরি ত্বকে লাগান। রাতে লাগিয়ে পরদিন সকালে ধুয়ে ফেলুন। কমে যাবে সানবার্ন।
- শসা টুকরো করে ঘষুন ত্বকে। দূর হবে রোদে পোড়া কালচে দাগ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শিক্ষার পেছনেই শেষ অভিভাবকের সম্বল by হাফিজ মুহাম্মদ

তিনি আরো বলেন, মনে করেছিলাম ছেলে-মেয়েরা সরকারি চাকরি পাবে। তাদের একাডেমিক রেজাল্ট খুব ভালো। কিন্তু তা আর হচ্ছে না। এদিকে যারা ঘুষ দিতে পারেন তাদরে নাকি চাকরি হয়। বলেন, আমি যে বেতন পেতাম তা দিয়ে ছেলে-মেয়ের লেখাপড়া আর সংসারেই ব্যয় করেছেন। তাই চাকরির জন্য টাকা দেয়ার মতো কোনরকম সামর্থ্য তার নেই।
আবুল হাসান। মধ্যবিত্ত সংসারের ছেলে। একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ, এমবিএ সমাপ্ত করেছেন। তাও তিনবছর আগে শেষ হয়েছে। বাবা কৃষক আর মা গৃহিণী। অনেক কষ্ট করে তার বাবা-মা পড়ালেখার খরচ দিয়েছেন। তারা মনে করেছেন ছেলের পড়ালেখা শেষ হতেই চাকরি পেয়ে যাবেন। নিজের ব্যয়ভার বহন করে তাদেরও কিছু দিতে পারবেন। সেখানে তিনবছর চেষ্টা করেও একটি চাকরি পাননি। পরিশেষে টিওশনি করিয়ে নিজের ব্যয় বহন করতে পারলেও পরিবারে কোনো টাকা-পয়সা দিতে পারেন না। তার কৃষক বাবার জন্য বাকি দুই ছেলের পড়ালেখা এখন প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। আবুল হাসান বলেন, বাবা মনে করতো আমার পড়ালেখার পিছনে কষ্ট করে টাকা দিলে আমি আবার চাকরি পেয়ে দুই ভাইয়ের পড়াশোনা করাতে পারবো। সেখানে গত কয়েক বছর সরকারি-প্রাইভেট মিলিয়ে কতগুলো সরকারি-বেসরকারি চাকরিতে ইন্টারভিউ দিলাম। কোনোভাবেই সোনার হরিণ চাকরিটি ধরা দিচ্ছে না। কি করবো এখন তা ভেবে পাচ্ছি না।
একজন শিক্ষার্থীর পিছনে পিতা-মাতার প্রতিবছর কত টাকা ব্যয় হয় তা নিয়ে জরিপ করছে বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস)। তাদের সর্বশেষ ২০১৬ সালের প্রতিবেদন বলছে, একজন প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীর পিছনে প্রতিমাসে খরচ হয় ৭১৭৩ টাকা, মাধ্যমিকে ৬৪৯৮ টাকা, উচ্চমাধ্যমিকে ৯৫৯৮ টাকা, ডিগ্রি পর্যায়ে (পাস কোর্স) ২০৮৭২ টাকা এবং অনার্সে ২০৯২৪ টাকা। সে হিসেবে একজন প্রাথমিক শিক্ষার্থীর পিছনে বছরে খরচ হয় ৮৬০৭৬ টাকা, মাধ্যমিক পর্যায়ে ৭৭৯৭৬ টাকা, উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে ১১৫১৭৬ টাকা, ডিগ্রি (পাস কোর্স) ২৫০৪৬৪ টাকা এবং অনার্স পর্যায়ে ২৫১০৮৮ টাকা।
ব্যানবেইসের তথ্য অনুসারে, একজন শিক্ষার্থী তার চার বছরের অনার্স প্রোগ্রাম শেষ করেতই খরচ হয় ১০ লাখ টাকার উপরে। এর বাইরেও বিভিন্ন সময় অনেক আনুষঙ্গিক খরচ হিসেবে আরো টাকা ব্যয় করতে হয়। শিক্ষার্থীর শিক্ষার পিছনে এসব খরচের সিংহভাগই দিতে হয় পরিবারকে। কিছু অংশ আসে সরকারের শিক্ষা বরাদ্দ থেকে। আর কিছু শিক্ষার্থী টিওশনিসহ কোনো কোনো সময় কিছু টাকা উপার্জন করে ব্যয় করেন।
একজন শিক্ষার্থীর কি পরিমাণ অর্থ ব্যয় হচ্ছে তা জানতে ২০১৫ সালে দেশ প্রথমবারের মতো একটি জরিপ করে সরকারি সংস্থা বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)। তাদের তথ্যমতে, অভিভাবকরা প্রতি মাসেই একজন শিক্ষার্থীর স্কুল-কলেজের বেতন, ফি ও অন্যান্য খরচ ছাড়াই কেবল কোচিং ও প্রাইভেটের পেছনেই ব্যয় করেন ৩ থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত। জরিপ বলছে, একজন শিক্ষার্থীর বছরে তার শিক্ষার পেছনে যে টাকা ব্যয় হয়, তার ৩০ শতাংশই চলে যায় কোচিং এবং আর হাউস টিউটরের বেতন বাবদ। বিবিএস বলছে, সাধারণত শহরের শিক্ষার্থীরা কোচিং ও প্রাইভেট পড়তে গিয়ে বেশি টাকা খরচ করে আর তাদের খরচের হার ৩৩ ভাগ, আর গ্রামের শিক্ষার্থীরা ব্যয় করেন ২৬ ভাগ। একজন শিক্ষার্থীর মোট খরচের ৩৯ শতাংশ ব্যয় হচ্ছে কোচিং করতে গিয়ে। এ ছাড়া ২৪ শতাংশ ব্যয় হয় যাতায়াত খরচে। বই, খাতা, কলম এবং পোশাকে যাচ্ছে বাকি টাকা।
২০১২ সালের জুনে চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে চিটাগাং রিসার্চ ইনিশিয়েটিভ (সিআরআই) একটি গবেষণা করে। তখন তাদের গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, একজন শিক্ষার্থীর মোট খরচের ৩৯ ভাগ ব্যয় হয় কোচিং করতে গিয়ে। স্কুল শিক্ষাকে বিনামূল্যে ভাবা হলেও প্রতিটি পরিবার এখাতে প্রতি মাসে মোট ব্যয় করছে ৬ হাজার ৮৪ টাকা।
অনেক অভিভাবক বলেন, তাদের একজন সন্তানের শিক্ষাজীবনের পিছনে ব্যয় করতে হয় প্রায় ৩০ থেকে ৪০ লাখ টাকা। যেসব পরিসংখ্যান এসব তথ্য দিচ্ছে তারা শুধু শিক্ষা ব্যয় হিসাব করছে। প্রকৃত চিত্র অনেক বেশি হবে। কেননা এর বাহিরে তার বিভিন্ন জিনিসপত্র কেনাকাটা, হোস্টেল ব্যয় ইত্যাদি রয়েছে।
বিশিষ্টজনরা বলেন, পিতা-মাতার বিনিয়োগ থাকে কোনো প্রকার উৎকর্ষ পওয়ার আশা ছাড়াই। তারা কষ্ট করে, জীবনের সব আরাম-আয়েশ, আহ্লাদ ত্যাগ করে সন্তানকে মানুষ করেন। পড়ালেখা শেষ করে সন্তান যখন চাকরি না পেয়ে হতাশায় ভুগেন তখন পিতামাতার হিসাবে এটা তাদের জন্য বড় কষ্টকর।
বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের গবেষণা পরিচালক ড. গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, চাকরি না পাওয়াতে পরিবারের মধ্যে একধরনের অসন্তুষ্টি দেখা যায়। কোনো বাবা-মা চান না তাদের সন্তান বেকার থাকুক। এটাই প্রথম প্রত্যাশা থাকে। দ্বিতীয়ত তারা চান, তার সন্তান নিজের আয় দিয়ে নিজেই আত্মনীর্ভরশীল হোক। যখন বাবা-মা স্বল্প আয়ের কিংবা দরিদ্র হন তখন তাদের প্রত্যাশা বাড়ে। এবং তখন তারা চান সন্তান তাদের সহায়তা করবেন। খুব খারাপ অবস্থা হলে সেসব পিতা-মাতা চান তাদের বরণ-পোষণের দায়-দায়িত্ব নিবেন। এই যে আমাদের দেশে পিতা-মাতার প্রত্যাশা তার নিরিখে কাজ না হওয়াটা, কর্মহীন থাকাটা তাদের চিন্তিত করে। এ অবস্থায় বাবা-মা সন্তানের পিছনে বিনিয়োগ নিয়েও ভাবে। এই যে তাদের পিছনে এত পরিমাণ টাকা বিনিয়োগ করছেন তা না করে অন্য কোনো শিক্ষার পিছনে কিংবা দক্ষতার পিছনে করলে সম্ভাবনা বেশি থাকতো।
এ গবেষক আরো বলেন, শিক্ষার্থীদের পিছনে অভিভাবকের বিনিয়োগের কথা বিবেচনা নিয়ে সরকারকে শ্রমবাজারের চাহিদার নিরিখে শিক্ষা কাঠামো ওইভাবে সাজাতে হবে। সাধারণ শিক্ষায় গ্রাজুয়েট না রেখে দক্ষতা বিষয়ক শিক্ষা বেশি দেয়। যেমন- কারিগরি, ভোকেশনাল ও প্রযুক্তিগত শিক্ষা, বিভিন্ন ব্যবস্থাপনা। এইভাবে যখন শিক্ষার বিভিন্ন সুযোগ থাকবে তখন বাবা-মা তার সন্তানের সাধারণ শিক্ষার পিছনে বিনিয়োগ না করে অন্যধরনের আয়বর্ধক দক্ষতায় বিনিয়োগ করবে। যাতে একটা সম্ভাবনা নিয়েই থাকবে। আর এটার পিছনে সরকারের শিক্ষা কাঠামো সাজানোর একটা ভূমিকা থাকতে হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারতে ডাক বিভাগে নিয়োগের ক্ষেত্রে মাদ্রাসা ছাত্রদের বঞ্চনার অভিযোগ

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ব্রিটেন, ফ্রান্স ও জার্মানিকেও আমি বিশ্বাস করি না: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা

আমেরিকার আচরণ ও বেআইনি কর্মকাণ্ডকে কোনোভাবেই হাল্কা করে দেখার সুযোগ নেই উল্লেখ করে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা বলেন, আমেরিকার টার্গেট কোনো একটি দল বা ব্যক্তিকে উৎখাত করা নয় বরং ইরানের জনগণ ও দেশটির ইসলামি শাসন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করাই তাদের মূল উদ্দেশ্য। তিনি বলেন, ইরানে ইসলামি বিপ্লব বিজয়, ইসলামি সরকার প্রতিষ্ঠা এবং এদেশে আমেরিকার প্রভাব খর্ব হওয়ার কারণে ওয়াশিংটন ক্ষুব্ধ ও হতাশ এবং এ কারণেই তাদের শত্রুতা অব্যাহত রয়েছে। আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী আরো বলেছেন, শত্রুরা চায় ইরানে ইসলামি শাসন ব্যবস্থাকে উৎখাত করে বিপুল প্রাকৃতিক সম্পদের অধিকারী ও ভূ-কৌশলগত দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ এ দেশটির ওপর ফের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে। আমেরিকা গত ৪০ বছর ধরে নানা উপায়ে ও ছলচাতুরীর মাধ্যমে ইরানের ইসলামি সরকার ব্যবস্থার পতন ঘটানোর চেষ্টা করে আসছে।
পর্যবেক্ষকরা বলছেন, আমেরিকা পরমাণু সমঝোতা থেকে বেরিয়ে যাওয়ায় আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষ করে ইউরোপের সঙ্গে ইরানের সম্পর্ক কেমন হবে তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। তাদের মতে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বোকামীপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়ে প্রমাণ করেছেন, ইরান ও আমেরিকার সম্পর্কের বাস্তবতা উপলব্ধি করতে তিনি ব্যর্থ হয়েছেন। এর আগে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ওবামা ইরানের প্রতি বিদ্বেষ গোপন করে তাদের নীতিতে পরিবর্তন আনার কথা বলতেন কিন্তু তখনও ইরান প্রভাবিত হয়নি বা আমেরিকার দিকে ঝুঁকে পড়েনি। আর এখন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের হুমকিকেতো ইরান তোয়াক্কা করে না।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী এ ব্যাপারে বলেছেন, সাবেক প্রেসিডেন্ট ওবামা তার চিঠিতে কিংবা বিভিন্ন বক্তব্যে ইরানের ইসলামি শাসন ব্যবস্থার বিরুদ্ধে বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্য দিতেন অথচ দাবি করতেন ইসলামি শাসন ব্যবস্থাকে উৎখাত করা তার লক্ষ্য নয়।
বাস্তবতা হচ্ছে, ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকার ক্ষোভ ও হতাশার প্রধান কারণ হচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের শক্তিশালী উপস্থিতি যা কিনা সাম্রাজ্যবাদী বৃহৎ শক্তিগুলোর পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারা বুঝতে পেরেছে আমেরিকা, ইসরাইল ও সৌদি আরবের অশুভ লক্ষ্য বাস্তবায়নের সুযোগ ইরান দেবে না। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা তার বক্তব্যে পরমাণু সমঝোতা বাস্তবায়নের নানা দিক ও ইউরোপের নীতির ব্যাপারেও প্রশ্ন তুলে সতর্ক করে দিয়েছেন। তিনি বলেন, ব্রিটেন, ফ্রান্স ও জার্মানিকে আমি বিশ্বাস করি না।
যাইহোক, ইউরোপ যদি ইরানের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে মার্কিন অন্যায় দাবি মেনে নেয়ার জন্য পীড়াপীড়ি করে তাহলে বুঝতে হবে তারা আমেরিকার অনুগত হয়ে কাজ করছে। অবশ্য ইউরোপ এখন পর্যন্ত নিজেদেরকে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ দেখানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে তাদের মুখের কথা যথেষ্ট নয়। ইউরোপকে কাজেকর্মে এটা প্রমাণ করতে হবে আমেরিকার ইরান বিরোধী নীতিতে তারা শামিল হবে না। একজন মার্কিন বিশ্লেষক গিরিস পোর্টার এ ব্যাপারে বলেছেন, ওয়াশিংটনের অন্যায় নীতির কাছে ইউরোপ মাথা নত করবে কিনা সেটাই এখন দেখার বিষয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রশ্নফাঁস ইস্যু: রাজনৈতিক বিবেচনার কেন্দ্র ও ভেন্যু বাতিল হচ্ছে by নূর মোহাম্মদ

গত মঙ্গলবার সকালে ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের সভা কক্ষে আন্তঃশিক্ষাবোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক উপ-কমিটির সভায় প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে পরীক্ষা কেন্দ্রে ভেন্যু না রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এছাড়া নির্বাচনী বছর হওয়ায় বিজি প্রেসে কাজের চাপ বেড়ে যাবে। সে কারণে আগে ভাগেই প্রশ্ন ছাপার কাজ শেষ করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। আগের মতোই ১লা নভেম্বর পরীক্ষা শুরুর সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে আন্তঃ শিক্ষাবোর্ড সমন্বয় সাব কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেন, আমরা ভেন্যু রাখবো না। কেন্দ্রের সংখ্যাও কমিয়ে আনা যায় কিনা তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখবো। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে পরীক্ষার কাজ শেষ করবো। গত ৪ই এপ্রিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাবলিক পরীক্ষা সংক্রান্ত জাতীয় মনিটরিং কমিটির সভায় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব সোহরাব হোসাইন বলেন, কেন্দ্র থেকে ভেন্যুতে প্রশ্ন পৌঁছাতে দেরি হয়। প্রশ্নফাঁসসহ আরো বেশ কিছু অভিযোগ আমাদের কাছে আছে। ভেন্যু প্রয়োজনের বাতিল করা হবে। কেন্দ্রের সংখ্যা কমানো হবে। তিনি বলেন, এখন প্রশ্নসেট লটারির মাধ্যমে ২৫ মিনিট আগে নির্ধারিত হয়। সেই প্রশ্ন ভেন্যুতে পৌঁছাতে দেরি হয়। এসব কারণে ভেন্যু বাতিল হওয়ার দরকার বলে তিনি মত দেন। তিনি বলেন, চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষা যেভাবে হয়েছে এভাবে চললে, আগামীতে কেন্দ্রে কোনো পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেট রাখার প্রয়োজন হবে না। এজন্য সবার সহযোগিতা চান তিনি। সচিব বলেন, ফাঁসকারী মহলটি বসে নেই। তারা যদি একটু গ্যাপ পায় তবে আবারো প্রশ্নফাঁস শুরু করবে। এজন্য আমাদের সবার সজাগ থাকতে হবে। সভায় শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ স্বীকার করেছেন, বিভিন্ন চাপের কারণে ভেন্যুর অনুমোদন দিতে হয়। আগামীতে ভেন্যু তুলে দেয়া হবে। বৈঠকে ভেন্যু বাণিজ্যের জন্য সবাই ঢাকা বোর্ডের দিকে সবাই আঙুল তুলেন। তবে বৈঠকে উপস্থিত ঢাকা বোর্ডের সচিব শাহেদুল খবির এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করেনি।
বৈঠকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার শেখ নাজমুল আলম বলেন, প্রশ্ন ফাঁসের কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে যে কয়টি কারণ পেয়েছি তার মধ্যে বিতর্কিত কেন্দ্র ও ভেন্যুগুলো দায়ী। এবার এইচএসসি পরীক্ষায় ২৫ মিনিট আগে লটারির মাধ্যমে সেট নির্ধারণ হওয়ার এসব ভেন্যু নিয়ে আরো ঝামেলা হয়েছে। কারণ ২৫ মিনিটে কেন্দ্র প্রশ্ন পৌঁছানো যায়নি। এর আগে এসএসসি পরীক্ষায় ভেন্যুতে প্রশ্ন পৌঁছানোর সময় প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনা ঘটেছে। তিনি বলেন, মহানগরগুলোতে মনিটরিং করার মতো যথেষ্ট লোকবল থাকলেও মহানগরের বাইরে কেন্দ্রগুলো অনেক দূরে এবং এক কেন্দ্র থেকে আরেক কেন্দ্রে যেতে সময়ও বেশি লাগে এবং মনিটর করার লোকবলও যথেষ্ট থাকে না।
ঢাকা জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) ফৌজিয়া রহমান বলেন, কেন্দ্র থেকে ভেন্যুতে প্রশ্ন নিতে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে। কেন্দ্রে প্রশ্নের প্যাকেট খুলে ভেন্যুতে নেয়ার সময় প্রশ্ন ফাঁসের সুযোগ রয়েছে। তিনি ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ ও দোহার উপজেলার ভেন্যু নিয়ে প্র্রশ্ন তুলেন। সভা শেষে এই প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ভেন্যু বাতিল করা উচিত। না হলে ভেন্যুগুলোকে কেন্দ্রের অনুমোদন দেয়া হোক। ভেন্যু বাতিল করলে প্রশ্ন ফাঁসের ছিদ্র বন্ধ হয়ে যাবে।
সভায় শেখ নাজমুল আলম বলেন, প্রশ্নফাঁস নিয়ে সবাই শিক্ষামন্ত্রণালয়কে দায়ী করে। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। কারণ পরীক্ষার সব ব্যবস্থা করার দায়িত্বে থাকে বোর্ডগুলো। শিক্ষামন্ত্রণালয় কেবল তদারকি বা সহযোগিতা করে থাকে। অথচ সব দোষ যায় মন্ত্রণালয়ের ওপর। কিন্তু প্রশ্নফাঁস হয় বোর্ড দায়িত্ব নিতে চাই না। জবাবে সচিব মো. সোহরাব হোসাইন বলেন, আমরা অনেক পদক্ষেপ নিয়েছি। আরো নিবো। আপনাদের মতামত নিবো। তিনি আরো বলেন, মানসিকতার পরিবর্তন ছাড়াও বাংলাদেশের অনেক জায়গায় এখনো রাজনৈতিক বিবেচনায় পরীক্ষার কেন্দ্র নির্ধারণ হয়। এটা বন্ধ করতে হবে। অভিযোগ রয়েছে, রাজধানীসহ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে অসংখ্য পরীক্ষা কেন্দ্রের ভেন্যুর অনুমোদন দিয়েছে শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকরা। বিনিময়ে হাতিয়ে নিয়েছেন মোটা অঙ্কের টাকা। মূল কেন্দ্রে থেকে অনেক দূরে ভেন্যুর অনুমোদন দেয়া হয়েছে। বিশেষ করে ঢাকা বোর্ডের অধীন রাজধানীতে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে পরিচালিত স্কুল ও কলেজে ভেন্যুর অনুমোদন দেয়া হয়েছে। পাসের হার ও জিপিএ’র সংখ্যা বাড়াতে এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অলিখিতভাবে একে অপরের মধ্যে চুক্তি করেন। চুক্তি অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের বিশেষ সুবিধা দেয়া হয়। পাবলিক পরীক্ষা পরিচালনা সংক্রান্ত নীতিমালায় বলা হয়েছে, কোনো অবস্থাতেই বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত পরীক্ষা কেন্দ্র ছাড়া অন্য কোনো অননুমোদিত স্থানে পরীক্ষা দিতে পারবে না। বোর্ডের নীতিমালা অনুযায়ী অখণ্ড ক্যাম্পাসেই কেন্দ্রের অনুমোদন দেয়া হয়। তবে কেন্দ্র সংলগ্ন কোনো প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা নিতে হলে বোর্ড থেকে ভেন্যুর অনুমোদন নিতে হয়। ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (কেন্দ্র সচিব) প্রতি ভেন্যুতে একজন হল সুপার নিয়োগ দিবেন। তবে পরীক্ষার এই নীতিমালাকে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পাত্তাই দেয় না।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চুল পড়া বন্ধ করে পেঁয়াজের রস

- মেথি ও দই একসঙ্গে মিশিয়ে চুলে লাগান। মেথিতে রয়েছে লেসিথিন এবং নিকোটিনিক অ্যাসিড, যা চুলের পুষ্টির চাহিদা পূরণ করে। মেথি সারারাত ভিজিয়ে রাখুন পানিতে। পরদিন সকালে বেটে নিন। দই মিশিয়ে চুলের আগা থেকে গোড়া পর্যন্ত লাগিয়ে রাখুন ১ ঘণ্টা। ঠাণ্ডা পানি ও ভেষজ শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
- কারি পাতা ও নারকেল তেলের হেয়ার প্যাক চুল পড়া বন্ধ করতে পারে। কারি পাতায় রয়েছে বিটা-ক্যারোটিন, ফসফরাস ও নিকোটিনিক অ্যাসিড। কারি পাতার রস সংগ্রহ সঙ্গে নারকেল তেল মিশিয়ে চুলের গোড়ায় ঘষে ঘষে লাগান। কিছুক্ষণ পর মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে নিন চুল।
- চুল পড়া বন্ধ করতে পেঁয়াজের রসের জুড়ি নেই। পেঁয়াজের রস চুলের গোড়ায় ঘষে ঘষে লাগান। আধা ঘণ্টা অপেক্ষা করে শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে নিন চুল।
- আমলকী ছেঁচে নারকেলে তেলে ফুটিয়ে নিন। ঠাণ্ডা হলে চুলের গোড়ায় লাগিয়ে রাখুন। ১ ঘন্টা পর শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সুবিধাবঞ্চিত নারীদের নিয়ে ‘কালারস ফ্রম দ্য চরস’

প্রদর্শন কেন্দ্রে পাওয়া যাচ্ছে হাতে বোনা তাঁতের শাড়ি, সেলাইবিহীন সালোয়ার কমিজ, স্কার্ফ, ওড়না এবং দক্ষ কারুশিল্পীদের তৈরি বাংলার ঐতিহ্যবাহী নৌকাগুলোর ক্ষুদ্র সংস্করণ।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধনে রুনা খান বলেন, ‘ফ্রেন্ডশিপের কালারস ফ্রম দ্য চরস এর মূল ধারণাটি হলো, চরে বসবাসকারী সর্বাধিক প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন করা। তাদের আশা এবং শ্রমের মর্যাদা প্রদান করা এবং একই সঙ্গে পরিবেশবান্ধব উপায়ে প্রয়োজনীয় উৎপাদন করা।’
ফ্রেন্ডশিপ একটি প্রয়োজনীয়তাভিত্তিক বেসরকারী সংস্থা (এনজিও) যা প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কাজ করে। ২০০২ সালে রুনা খান কর্তৃক ফ্রেন্ডশিপ প্রতিষ্ঠিত হয় একটি ভাসমান হাসপাতালের উদ্ভাবনী ধারণা দিয়ে। তারপর ফ্রেন্ডশিপ ক্রমাগতভাবে তার স্বতন্ত্র সমন্বিত সামাজিক উন্নয়ন মডেল তৈরি করে প্রত্যন্ত এলাকায় নিয়মতি কাজ করে যাচ্ছে। যার মধ্যে রয়েছে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, সমন্বিত নাগরিকত্ব, স্থায়ী অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং সাংস্কৃতিক সংরক্ষণ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অপর্যাপ্ত সরকারি বরাদ্দ হিজড়াদের ভাগ্য পরিবর্তন ভূমিকা রাখে না by আমানুর রহমান রনি

জানা গেছে, হিজড়া জনগোষ্ঠী রাষ্ট্রীয়ভাবে অনেক সাহায্য পেয়ে থাকে- সমাজে এমন কথা প্রচলিত থাকলেও প্রকৃতপক্ষে একজন বয়স্ক হিজড়া মাসিক ভাতা হিসেবে পান মাত্র ছয়শ’ টাকা।
এ ব্যাপারে পুরান ঢাকার ব্যবসায়ী আসাদ আলমের বলেন, ‘হিজড়ারা প্রতি মঙ্গলবার দোকানে টাকা নিতে আসেন। হিজড়ারা এখন সরকারের কাছ থেকেও টাকা পায়, তারপরও রাস্তায় আসে। দোকানেও আসে চাঁদা নিতে।’
সমাজসেবা অধিদফতরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলাদেশে হিজড়ার সংখ্যা ১০ হাজার ৪শ’ জন। দেশের ১০ হাজার হিজড়ার মধ্যে ৫০-এর বেশি বয়সের দুই হাজার ৫০০ জন হিজড়া মাসে ৬০০ টাকা করে ভাতা পান, যা নিয়ে হিজড়াদের মধ্যেও ক্ষোভ রয়েছে। কারণ তাদের কাছে বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী এই ভাতা খুবই নগণ্য।
এদিকে হিজড়া জনগোষ্ঠীও এই ভাতা নিয়ে বিব্রত। তাদের বলছেন- ‘এই টাকা দিয়ে কিছুই হচ্ছে না। না খাওয়া, না বাসাভাড়া, না চিকিৎসা। কিন্তু সাধারণ মানুষ মনে করে- আমরা সরকারের কাছ থেকে অনেক টাকা পাই। তাই তারা এখন আর সাহায্য করতেও চায় না।’
সমাজসেবা অধিদফতরের তথ্যানুযায়ী, ২০১২-১৩ সালে হিজড়া জনগোষ্ঠীর জন্য বরাদ্ধ দেওয়া হয়েছিল ৭২ লাখ ১৭ হাজার টাকা, যা ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে ১১ কোটি ৩৫ লাখ টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। এসব অর্থ শিক্ষাখাত, বয়স্কভাতা, বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ ও প্রশিক্ষণোত্তর আর্থিক সহায়তা খাতে ব্যয় হচ্ছে।
হিজড়া জনগোষ্ঠীর শিক্ষার জন্য চারটি স্তরে উপবৃত্তি দেওয়া হয়। প্রাথমিকে ৩০০, মাধ্যমিকে ৪৫০, উচ্চমাধ্যমিকে ৬০০ এবং উচ্চতর স্তরে ১০০০ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে। বর্তমান অর্থবছরে সারাদেশে চারটি স্তরে উপবৃত্তি গ্রহণকারী হিজড়ার সংখ্যা ১৩৫০ জন। বর্তমানে আর্থসামাজিক প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী ১৯০০ জন। প্রশিক্ষণোত্তর সহায়তা গ্রহণকারীও ১৯০০ জন, যাদের প্রত্যেককে ১০ হাজার করে টাকা দেওয়া হয়, তবে সেই টাকা দিয়ে কেউ স্বাবলম্বী হয়েছেন এমন প্রমাণ খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে, প্রশিক্ষণ নিয়েছে এমন হিজড়া রয়েছে অসংখ্য।
রাজধানীর মগবাজারের পিয়ারাবাগে ভাড়া বাসায় থাকেন জোন্সা হিজড়া। তার কাছে জানা যায়, তিনি নিয়মিত বাংলামোটর ও কারওয়ান বাজার অঞ্চলে বিভিন্ন পরিবহনের যাত্রীদের কাছ থেকে টাকা তোলেন। জোন্সা ২০১৫ সালে মিরপুর ১০ নম্বরে ফাস্টফুড তৈরির প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন, তাই ১০ হাজার টাকাও পেয়েছেন। তবে ওই টাকা দিয়ে তিনি কিছুই করতে পারেননি। তা খরচ করে ফেলেছেন। জোন্সা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘যে টাকা দেওয়া হয়েছিল, তাতে একটা ভালো সেলাই মেশিনও হয় না। কাজ শিখেছি, কেউ কাজেও নেয় না। তাই বাধ্য হয়ে ভিক্ষা করে খাই।’
পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জীবন উন্নয়নে সমাজসেবা অধিদফতরে এই প্রকল্প তাই সফল হচ্ছে না বলে এই প্রকল্পের সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তারাও তা স্বীকার করেছেন। এ কারণেই হিজড়াদের জীবন মানেরও উন্নয়ন হচ্ছে না বলে তারা জানান।
প্রকল্পের পরিচালক আব্দুর রাজ্জাক হাওলাদার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা হিজড়াদের প্রশিক্ষণের পর তাদের যে মূলধন দেই, তা অপর্যাপ্ত। তবে কেউ আন্তরিক হলে এটা দিয়েও কিছু করা সম্ভব। অনেক হিজড়া নিজেরাই কিছু করার চেষ্টা করছেন। কিন্তু বেশিরভাগই প্রশিক্ষণ নিলেও তারা সেই অনুযায়ী পরবর্তীতে কাজ করছেন না। এজন্য কেবল হিজড়া জনগোষ্ঠী দায়ী না। আমরা এখনও তাদের জন্য সমাজ ও পরিবারকে সেভাবে তৈরি করতে পারিনি।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এক ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন

১৯৮১ সালে মাহাথির যখন প্রথমবার মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন তখন দেশটির পরিচিতি ছিল দরিদ্র হিসেবে। ২০০৩ সালে যখন তিনি স্বেচ্ছায় ক্ষমতা ছেড়ে দেন তখন দেশটি এশিয়ার শীর্ষ এক অর্থনীতি। নিজে আধুনিক মালয়েশিয়ার রুপকার খ্যাতি পাওয়ার পাশাপাশি ১৯৯৮ সালের এশিয়ার মন্দা কাটিয়ে দেশকে তুলে ধরেছেন অর্থনৈতিক বাঘ হিসেবে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী হয়ে নিজেকে মুসলিম বিশ্বের কণ্ঠস্বরে পরিণত করেছিলেন তিনি। আবার টুইন টাওয়ারে ৯/১১ হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধে সমর্থনও জানিয়েছিলেন মাহাথির।
২০০৩ সাল থেকে স্বেচ্ছায় ক্ষমতা ত্যাগ করা মাহাথির ২০১৬ সালে নিজের ইউনাইটেড মালয়েশিয়া ন্যাশনাল অর্গানাইজেশন (উমনো) ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন। ক্ষমতাসীন দলের প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাকের বিরুদ্ধে ৭০ কোটি ডলারের দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় তার বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছিলেন মাহাথির। ২০০৯ সাল থেকে ক্ষমতায় থাকা নিজের রাজনৈতিক শীষ্য নাজিবকে ক্ষমতা থেকে সরানোর প্রতিজ্ঞা করেছিলেন তিনি। যোগ দিয়েছিলেন এক সময় যাকে কারাগারে পাঠিয়েছিলেন সেই আনোয়ার ইব্রাহীমের দলে।
২০১৬ সালে আল জাজিরার মেহেদী হাসানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মাহাথির বলেছিলেন, নাজিব কক্ষচ্যুত হয়েছেন বলেই তার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন তিনি এবং নাজিব এমন অনেক কিছুই করেছে যা সত্যিকার অর্থেই ভুল। ফলাফল হিসেবে তিনি দেশকে অর্থনৈতিকভাবে, রাজনৈতিকভাবে খারাপ অবস্থানে নিয়ে গেছেন। বিশ্বজুড়ে তিনি বাজেভাবে পরিচিত হয়েছেন। সেকারণে তাকে চলে যেতে হবে।
মালয়েশিয়ার ভবিষ্যত সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে মাহাথির বলেন, নাজিব ক্ষমতায় থাকলে দেশ কুকুরে পরিণত হবে। দেশকে এই পরিণতি থেকে ঠেকাতে ৯২ বছর বয়সী মাহাথির যোগ দিয়েছিলেন বিরোধি জোটে। জোটের নেতা আনোয়ার ইব্রাহীমকে মাহাথির প্রশাসন কারাগারে পাঠিয়েছিল। অনেকেই বলেছিলেন, আনোয়ারকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সমকামের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
মাহাথির এক সময়ে সমালোচিত হয়েছিলেন অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা আইন নামে বিতর্কিত এক নিরাপত্তা আইন প্রবর্তনের মাধ্যমে। তার সমালোচকেরা বলে থাকনে এর মাধ্যমে তিনি সংবাদমাধ্যম, একটিভিস্ট, ধর্মীয় নেতা ও রাজনৈতিক বিরোধিদের প্রতি দমন চালানোর সুযোগ পেয়েছিলেন। এই আইনের মাধ্যমেই মাহাথিরের পরিবারের বিরুদ্ধে এক সময় দুর্নীতির অভিযোগ তোলা আনোয়ার ইবাহীমকে ‘শায়েস্তা’ করেছিলেন তিনি।
৭০ বছর বয়স্ক আনোয়ার এক সময় মাহাথিরের রাজনৈতিক শীষ্য ছিলেন। ১৯৯০ এর দশকে উপপ্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে তাকে বরখাস্ত করেন মাহাথির। পরে তাকে কারাদণ্ড দিয়ে জেলে ঢোকানো হয়। তারা আলাদা হয়ে যান।
তবে এখন আনোয়ার আর তার পরিবারের দুর্ভোগ নিয়ে সচেতন হয়ে উঠেছেন মাহাথির। মালয়েশিয়া ইনসাইটকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ‘আমি আনোয়ারের কষ্ট বুঝতে পারি। আমার প্রশাসনের সময়েই তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। আমাকে গ্রহণ করে আমার সঙ্গে হাত মেলানো তার জন্য সহজ নয়। আর কারাগারে পাঠানোয় শুধু আনোয়ার নয় তার পরিবারের সদস্যরাও চাপে পড়েছিল। তারা ২০ বছর ধরে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।
আনোয়ারের স্ত্রী ওয়ান আজিজাহ এখন মাহাথিরের জোটে। এখন তাকেই উপপ্রধানমন্ত্রী করার ঘোষণা দিয়েছেন মাহাথির। জোট গঠনের শর্ত হিসেবে সরকার গঠনের দুই বছরের মধ্যে আনোয়ারকে ক্ষমা করে দিয়ে তাকে প্রধানমন্ত্রী পদে বসাতে হবে। আগের ক্ষমতাসীন বারিসন ন্যাসিওনাল জোটভুক্ত দল উমনো একে রাজনৈতিক ‘সুবিধাবাদ’ বলে আখ্যা দিয়েছে। এখন বিরোধি জোটে থাকা মাহাথিরের দিকে সেই সুবিধাবাদের টেবিল উল্টে গেছে।
নির্বাচনের কয়েকদিন আগে মালেয়েশিয়ার কর্মকর্তারা মাহাথিরের বিরুদ্ধে গুজব ঠেকানো সংক্রান্ত আইন ভঙ্গের অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছেন। গত ২৭ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের প্রার্থীতা দাখিল করতে লঙ্কাওয়াই দ্বীপে যাওয়ার কথা ছিল মাহাথিরের। মূল ভূমি থেকে ৩০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমের দ্বীপটিতে যেতে বিমানে চড়েন তিনি। কিন্তু উড্ডয়নের আগে বৈমানিক বিমানে ত্রুটি আবিষ্কার করেন।বাতিল হয়ে যায় সেই ফ্লাইট। মাহাথির একে ‘নাশকতা’ আখ্যা দেন।
সরকারের নির্দেশে ওই ঘটনার তদন্ত শুরু করে মালয়েশিয়ার সিভিল এভিয়শন অথিরিটি। তারা এই ঘটনায় কোনও নাশকতা খুঁজে না পাওয়ার কথা জানিয়ে দাবি করে, চাকায় ছোটখাট ত্রুটির জন্য বিমানটি উড়তে পারেনি।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আজহারুদ্দিন রহমান ওই ত্রুটিকে ‘সাধারণ কারিগরি ত্রুটি’ আখ্যা দেন। আজহারুদ্দিন বলেন, বিমানে নাশকতার অভিযোগ খুবই ভয়াবহ আর তা মালয়েশিয়ার বিমান উড্ডয়ন এবং সর্বোপরি দেশের সুনামকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের উদ্বেগ

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাজনৈতিক ঋণে ব্যাংক খাতকে দেউলিয়া করেছে সরকার: বিএনপি
![]() |
| বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর |
বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের টাকা চুরি হয়েছে সরকারের মদদে। এ কারণেই এফবিআই বলেছে ব্যাংকের অর্থ চুরি করা লোকজন ব্যাংকের ভেতরেই অবস্থান করছে।
তিনি আরও বলেন, লুটপাটের কারণে ব্যাংকগুলো এখন তীব্র তারল্য সংকটে ভুগছে। আমানতকারীরা তাদের টাকা ফেরত নিতে চাইছে কিন্তু তাদের আমানত ফেরত দেয়া যাচ্ছে না। চেক দিলেও সময় মতো টাকা পাচ্ছে না গ্রাহকরা।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, শুধু ব্যাংকিং খাতে লোপাট নয়, বড় বড় মেগা প্রজেক্ট দুর্নীতি, শেয়ার বাজার দুর্নীতি করে দেশের অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দিয়েছে। বিএনপি ক্ষমতায় এলে আর্থিক খাতের এসব অনিয়ম ও দুর্নীতি তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনা হবে। এদের বিচার জনতার আদালতে অবশ্যই হবে।
এ সময়, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের ভূমিকার সমালোচনা করে তিনি বলেন, ব্যাংকখাতকে ধ্বংস করতে সরকার একের পর এক নতুন নিয়ম করছে। যাতে করে বড় বড় পুকুর চুরি করতে পারে। দেশের সবচেয়ে বড় ব্যাংক ইসলামী ব্যাংককে একটি বিশেষ গ্রুপের হাতে দিয়ে শেষ করে দেয়া হয়েছে। বেসিক ব্যাংক দেউলিয়া হয়ে গেছে।
'কয়েকটি ব্যাংক দেউলিয়ার কারণ সালমান'
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ফখরুল বলেন, ‘২০১৫ সনে ৫০০ কোটি টাকার বেশি ঋণ নিয়েছে এমন ১১ বড় ব্যবসায়ী গ্রুপের ১৫ হাজার কোটি টাকা পুনর্গঠনের নামে ঋণ নিয়মিত করে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। ফলে শীর্ষ খেলাপির তালিকা থেকে বাদ যায় আওয়ামী আশীর্বাদপুষ্ট কয়েকটি বড় গ্রুপ। যার মধ্যে একটি গ্রুপের কর্ণধার বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি খাত বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োজিত আছেন।'
সাংবাদিকরা জানতে চান ব্যাংকিং খাত দেউলিয়ার জন্য দায়ী ব্যক্তির পরিচয় জানতে চাইলে ফখরুল বলেন, ‘সেই ব্যক্তির নাম আপনারাও জানেন অবশ্য। তিনি আর কেউ নন ধনকুবের সালমান এফ রহমান। তিনি শুরু থেকেই সরকারি ব্যাংকই নয়, কয়েকটা বেসরকারি ব্যাংকককেও দেউলিয়ার পথে নিয়ে গিয়েছেন।’
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ড. আবদুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাশ্মিরিদের আজাদির স্বপ্ন কখনও পূরণ হবে না: ভারতীয় সেনাপ্রধান

জেনারেল বিপিন রাওয়াত বলেন, কিছু মানুষ ‘আজাদি’র নাম করে তরুণদের প্রতারিত করছে। কিন্তু কাশ্মিরে ‘সন্ত্রাসের’ বিরুদ্ধে পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে এবং সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে তারা কখনও জয়ী হবে না।
কাশ্মিরি তরুণদের অস্ত্র তুলে নেওয়া প্রসঙ্গে সেনাপ্রধান বলেন, ‘বন্দুক হাতে তুলে নেওয়া নিরীহ যুবকদের আজাদির নামে যারা মিথ্যা স্বপ্ন দেখাচ্ছেন তাদের বলতে চাই- এই রাস্তায় কিছুই পাওয়া যাবে না। তরুণদের বলতে চাই এ ধরনের লোকেরা আপনাদের উসকানি দিচ্ছে। কাশ্মিরি তরুণদের বলছি ‘আজাদি’ সম্ভব নয়, এটা হওয়ার নয়। অন্যদের উসকানিতে ভুল পথে যাবেন না।’
জেনারেল রাওয়াত হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ‘যারা আজাদির দাবি করছেন তাদের বিরুদ্ধে ভারতের লড়াই অব্যাহত থাকবে। যারা আজাদি চাচ্ছেন তারা ভালোভাবে জেনে নিন, এটা কখনও সম্ভব নয়।’
তিনি বলেন, ‘সেনাবাহিনী ওদের ক্রমশ দুর্বল করে দিচ্ছে। আমার মনে হয় একটি সন্ত্রাসী চক্র আছে এবং নয়া সন্ত্রাসীদের ভর্তি করার কাজও চলছে। আমি শুধু লোকদের এটা বলতে চাই যে, আপনারা সেনাবাহিনীর সঙ্গে লড়তে পারবেন না। সেনাবাহিনীর সঙ্গে লড়াই করে আপনারা কখনও জয়ী হতে পারবেন না।’
জেনারেল রাওয়াত বলেন, কাশ্মিরিদের বলতে চাই, আমরা কাউকে মেরে ফেলার জন্য খুশি নই। আপনারা সেনাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ালে সেনাবাহিনীও পাল্টা জবাব দেবে। কাশ্মিরিদের বুঝতে হবে নিরাপত্তা বাহিনী অতটা নিষ্ঠুর নয়। আপনারা সিরিয়া ও পাকিস্তানের দিকে দেখুন। তারা অনুরূপ পরিস্থিতিতে ট্যাংক ও বিমান শক্তি ব্যবহার করে। আমাদের সেনারা বড় উসকানি সত্ত্বেও বেসামরিক লোকজনদের হতাহতের ঘটনা এড়াতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালায়। তরুণদের ক্ষোভ আছে জানি, কিন্তু নিরাপত্তা বাহিনীর উপরে পাথর নিক্ষেপ করা কোনও পথ নয়।’
এদিকে, জম্মু-কাশ্মিরের নিরাপত্তা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে বুধবার সর্বদলীয় বৈঠক শেষে সব রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে রাজ্যে শান্তি বজায় রাখতে একতরফা যুদ্ধবিরতির পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি বলেন, আমরা সবাই এ বিষয়ে একমত হয়েছি, আমরা কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আবেদন জানাবো যে, সীমান্তে যুদ্ধবিরতির জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হোক। ২০০০ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী এমন উদ্যোগ নিয়েছিলেন।
তিনি বলেন, সংঘর্ষে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। এমন পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে যাতে রমজান ও অমরনাথ যাত্রা যাতে শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর কাছে রাজ্যের উদ্বেগের কথা জানানো হবে বলেও জানান মেহবুবা মুফতি।
এর আগে গত ৭ মে কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্দেশে কাশ্মির উপত্যকায় সহিংসতা বন্ধ করতে মধ্যমপন্থা খোঁজার আহ্বান জানান মেহবুবা। কাশ্মিরে সংঘর্ষের ফলে গরিব পরিবারের তরুণ ও সেনাসদস্যদের জীবন শেষ হচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, পার্স টুডে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নিজস্ব অর্থায়নেই হচ্ছে মডেল মসজিদ, টেন্ডার এ মাসেই by জামাল উদ্দিন

ধর্ম মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের তত্ত্বাবধানে মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রগুলো নির্মাণ করবে গণপূর্ত অধিদফতর। এ প্রকল্প বাস্তবায়নের মেয়াদকাল ধরা হয়েছে ২০১৭ সালের এপ্রিল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত। ৬৪টি জেলা সদর ও পাঁচটি সিটি করপোরেশনে চারতলা বিশিষ্ট এবং ৪৭৫টি উপজেলা সদরে তিনতলা বিশিষ্ট মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। এছাড়া উপকূলীয় ১৬টি এলাকায় নিচতলা ফাঁকা রেখে চারতলা বিশিষ্ট মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে।
জানা গেছে, মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রগুলোতে বিভিন্ন রকমের নাগরিক সুবিধার ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। উপকূলীয় এলাকার মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের নিচতলায় দুর্যোগের সময় ‘সাইক্লোন সেন্টার’ হিসেবেও ব্যবহার করার সুযোগ থাকবে। মডেল মসজিদ ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রগুলোতে মোট চার লাখ ৪০ হাজার ৪৪০ জন পুরুষ এবং ৩১ হাজার ৪০০ জন মহিলার নামাজ পড়ার সুবিধা রাখা হচ্ছে। কোরআন-হাদিসের জ্ঞান অর্জনের লক্ষ্যে ৩৪ হাজার পাঠকের জন্য লাইব্রেরি সুবিধা রাখা হয়েছে। এসব লাইব্রেরিতে প্রতিদিন ছয় হাজার ৮০০ গবেষক গবেষণা করতে পারবেন। প্রতিদিন ৫৬ হাজার মুসল্লির দাওয়াতি কার্যক্রম পরিচালনার সুবিধাও থাকবে। প্রতিবছর ১৪ হাজার শিক্ষার্থীর কোরআন হিফজ করার সুবিধা ছাড়াও ১৬ হাজার ৮০০ শিশুর প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা অর্জনের ব্যবস্থাও রাখা হবে।
এছাড়াও দুই হাজার ২৪০ জন দেশি-বিদেশি অতিথির আবাসনের সুবিধাও থাকবে এসব কেন্দ্রে। মৃতদেহ গোসলের ব্যবস্থা ছাড়াও হজযাত্রী ও ইমামদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রগুলোতে।
ধর্ম মন্ত্রণালয় সূত্র আরও জানায়, বাংলাদেশে প্রায় তিন লাখ মসজিদ রয়েছে। এসব মসজিদের সিংহভাগই স্থানীয় জনগণের আর্থিক সহায়তায় প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত হচ্ছে। বর্তমান সরকারের ২০১৪ সালের নির্বাচনি ইশতেহারে প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় একটি করে উন্নত মসজিদ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি ছিল। ২০১৫ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় পরিদর্শনের সময় ওই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে লাইব্রেরি, গবেষণা কক্ষ, ইসলামিক সাংস্কৃতিক কার্যক্রম, শিশু শিক্ষা কার্যক্রম, পুরুষ ও মহিলাদের পৃথক নামাজ কক্ষ, দেশি-বিদেশি মেহমানদের আবাসন ব্যবস্থা, মৃতদেহ গোসলের ব্যবস্থা, হজযাত্রীদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ইত্যাদি সুবিধা সম্বলিত মডেল মসজিদ নির্মাণের নির্দেশনা প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী। ২০১৬ সালে জুনে সৌদি আরব সফরে গিয়ে সৌদি বাদশাহর সঙ্গে আলোচনায় দেশব্যাপী মডেল মসজিদ নির্মাণের বিষয়টি তুলে ধরেন তিনি। এরপর সৌদি সরকার এ প্রকল্পে সহযোগিতার আশ্বাস দেয়। পরে ২০১৭ সালের ২৫ এপ্রিল এ প্রকল্পের জন্য জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে (একনেক) ৯ হাজার ৬২ কোটি ৪১ লাখ টাকার অনুমোদন দেওয়া হয়। এরমধ্যে আট হাজার ১৬৯ কোটি ৭৯ লাখ ৩৫ হাজার টাকা সৌদি সরকারের দেওয়ার কথা। বাকি ৮৯২ কোটি ৬১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা খরচ করার কথা বাংলাদেশ সরকারের।
সূত্র জানায়, একনেকে অনুমোদন হওয়ার এ প্রকল্পে সৌদি অর্থায়নের বিষয়টি অজ্ঞাত কারণে অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালক (যুগ্ম সচিব) মুহাম্মদ আব্দুল হামিদ জমাদ্দার বলেন, ‘সৌদি আরব অর্থ দেবে না- এমন কোনও কথা তারা বলেনি। আমরা এখনও আশাবাদী তারা এ প্রকল্পে অর্থ সহায়তা দেবে।’
তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে আরও বলেন, ‘আমরা নিজস্ব অর্থায়নেই মডেল মসজিদ নির্মাণের কাজ শুরু করে দিয়েছি। এ মাসেই ঢাকাসহ দেশের আটটি বিভাগীয় শহরে ১০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণের জন্য টেন্ডার আহ্বান করা হবে। এ বছরের মধ্যেই এসব মসজিদ ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের নির্মাণ কাজ শুরু করার ইচ্ছা আছে।’
এ ব্যাপারে ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘তৃণমূল পর্যন্ত ইসলাম ধর্মের সঠিক প্রচার-প্রসার, ধর্মীয় সভা সেমিনার আয়োজন ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে জাতিকে সঠিক দিক নির্দেশনা প্রদান, হজযাত্রীদের প্রশিক্ষণ, হামদ-নাত-ক্বেরাত প্রতিযোগিতা তথা ইসলামিক সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা, ইসলামিক রিসার্চ, ইমাম মুয়াজ্জিনের ট্রেনিং, সামাজিক সমস্যা- বাল্য বিবাহ, যৌতুক ও মাদকসহ নানা সমস্যার সামাজিক সমাধানে আলেমদের কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে এ মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র একটি গুরুত্বপূর্ণ প্লাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।’ এ দেশের সর্বস্তরের আলেমদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতেও এ প্রকল্প অনেক বড় ভূমিকা রাখবে বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রী।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাজনীতিতে খালেদা জিয়ার ৩৪ বছর by আদিত্য রিমন
![]() |
| খালেদা জিয়া (ফাইল ছবি) |
তবে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বর্তমানে তিনি পুরান ঢাকার কারাগারে বন্দি। তার রাজনৈতিক জীবনের শুরুতে ছিল স্বামী জিয়াউর রহমানকে হারানোর বেদনা, আর রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের ৩৪ বছরে এসে নিজেই বন্দি হয়ে আছেন কারাগারে। কারাবন্দি এ নেত্রীর রাজনীতির ৩৪ বছর উদযাপনে শুক্রবার (১১ মে) নয়াপল্টনে দলের কার্যালয়ে কর্মসূচি পালন করবে বিএনপি।
![]() |
| রাজনীতিতে খালেদা জিয়ার ৩৪ বছর উপলক্ষে বিএনপির প্রকাশিত পোস্টার থেকে নেওয়া ছবি |
চেয়ারপারসনের প্রচার বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ১৯৮৩ সালে সাত-দলীয় জোট গঠন করে জেনারেল এরশাদের স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে আপসহীন সংগ্রাম শুরু করে। এরশাদের স্বৈরশাসন অবসানের লক্ষ্যে পরিচালিত দীর্ঘ সংগ্রামে খালেদা জিয়া অবৈধ এরশাদ সরকারের সঙ্গে কোনও প্রকার আপোস করেননি। বিভিন্ন সময়ে নিষেধাজ্ঞামূলক আইনের দ্বারা তার স্বাধীন গতিবিধিকে বাধাগ্রস্ত করা হয়েছিল। জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর আট বছরে সাত বার অন্তরীণ করা সত্ত্বেও জেনারেল এরশাদকে ক্ষমতাচ্যুত কারার আন্দোলনে সক্রিয় নেতৃত্ব দেন খালেদা জিয়া।
৩৪ বছরের রাজনৈতিক জীবনে বহুবার সংকটের মুখে পড়েছেন খালেদা জিয়া। নব্বইয়ের গণআন্দোলনের পর বিশেষ করে ২০০৮ সালের পর থেকে আদালতের আদেশে যেমন তার স্বামীর সময়ে পাওয়া বাড়ি হারাতে হয়েছে, তেমনি ছোট সন্তান আরাফাত রহমান কোকোর লাশও তাকে দেখতে হয়েছে। ২০১৫ সালে ৩ মাসের অবরোধ চলাকালে তার বিরুদ্ধে আগুন সন্ত্রাসের অভিযোগ ওঠে। যদিও বিএনপির নেতারা বরাবরই বলে এসেছেন, ‘আগুন সন্ত্রাস ক্ষমতাসীনদের কৌশল।’
জাতীয়তাবাদী ঘরানার বুদ্ধিজীবী অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ মনে করেন, ‘বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসে খালেদা জিয়ার অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্য। বর্তমানে দেশের জনপ্রিয়তম নেত্রী তিনিই। নির্বাচন করে কখনোই নিজের আসনে হারতে হয়নি বিএনপির চেয়ারপারসনকে।’
জানা যায়, দলের পক্ষ থেকে খালেদা জিয়ার বিগত দিনের সাফল্য তুলে ধরলেও আগামী একাদশ জাতীয় নির্বাচনে তার অংশগ্রহণ অনেকটাই অনিশ্চিত। বিএনপি গত তিন মাস ধরে তার মুক্তি দাবি করলেও, নির্বাচনে তিনি আদৌ অংশ নিতে পারবেন কিনা- এই প্রশ্ন এখনও রয়ে গেছে।
দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রায় প্রতিদিনই বলে আসছেন, ‘আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হওয়ার প্রথম শর্ত খালেদা জিয়ার মুক্তি। তাকে মুক্তি না দিলে এই দেশে কোনও নির্বাচন হতে পারে না।’
প্রসঙ্গত, গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত হয়ে নাজিম উদ্দিন রোড়ের পুরানা কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন খালেদা জিয়া। আগামী মঙ্গলবার আপিলবেঞ্চে তার জামিন শুনানির কথা রয়েছে।
বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সারা বাংলাদেশ জনপ্রিয়তম নেত্রীর জন্য অপেক্ষা করছে। দেশের কোটি কোটি মানুষ তার মুক্তির অপেক্ষার প্রহর গুণছে। তার নেতৃত্বেই গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।’
বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রচার বিভাগ থেকে জানা গেছে, বেগম খালেদা জিয়া ১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট দিনাজপুর জেলার জলপাইগুড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা ইস্কান্দার মজুমদার ব্যবসা উপলক্ষে জলপাইগুড়িতে বসবাস করতেন। তার আদি নিবাস ছিল ফেনী জেলার ফুলগাজী থানায়। ১৯৪৭ সালে ভারত ভাগের পর জলপাইগুড়িতে চা ব্যবসা ছেড়ে তিনি দিনাজপুর শহরে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন।
দিনাজপুর মিশনারি স্কুলে খালেদা জিয়া প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন এবং পরে ১৯৬০ সালে দিনাজপুর বালিকা হাইস্কুল থেকে এসএসসি পাস করেন। ওই বছরই তৎকালীন ক্যাপ্টেন (পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রপতি) জিয়াউর রহমান সঙ্গে তার বিয়ে হয়।
খালেদা জিয়ার দুই ছেলের মধ্যে বড় তারেক রহমান এখন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। বর্তমানে তিনি লন্ডনে আছেন। আর ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি মালয়েশিয়া একটি হাসপাতালে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান। খালেদা জিয়া বর্তমানে নানা ধরনের শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছেন।
উল্লেখ্য, রাজনীতিতে খালেদা জিয়ার ৩৪ বছর পূর্তি উপলক্ষে ‘দেশনেত্রীর রাজনীতি, সংগ্রাম ও সফলতা’ শীর্ষক আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। শুক্রবার (১১ মে) বিএনপির নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ অনুষ্ঠান হবে। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট: যেভাবে স্পেসএক্স’র সর্বাধুনিক রকেট পেলো বাংলাদেশ
![]() |
| বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট নিয়ে মহাকাশে উড়বে ফ্যালকন ৯ রকেটের সর্বশেষ সংস্করণ ব্লক-৫ |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যেন ২৯ বছর বয়সী এক জাদুকর

বুধবার অনুষ্ঠিত পার্লামেন্ট নির্বাচন ছিল মালয়েশিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। তাই সারা বিশ্ব তাকিয়ে ছিল দেশটির দিকে। জরিপ নানা মতামতকে উপেক্ষা করে মাহাথির প্রমাণ করে দিলেন তিনিই পারেন। তিনিই পারেন মালয়েশিয়ার নেতৃত্ব দিতে। ২২২ আসনের পার্লামেন্টে তার নির্বাচনী জোট পাকাতান হারাপান (এলায়েন্স অব হোপ) পেয়েছে ১১৩ আসন। এককভাবে সরকার গঠন করতে হলে এ সংখ্যা যথেষ্ট। কারণ, সরকার গঠন করতে হলে একটি দলকে কমপক্ষে ১১২টি আসন পেতে হয়। এর থেকেও একটি আসন বেশি পেয়েছে পাকাতান হারাপান। ফলে মালয়েশিয়া ঝুলন্ত পার্লামেন্টের দিকে যাচ্ছে এমন পূর্বাভাস মিথ্যা প্রমাণ হয়ে গেল। অন্যদিকে ভরাডুবি ঘটেছে ক্ষমতাসীন বারিশান ন্যাশনাল (বিএন) দলের। তারা পেয়েছে মাত্র ৭৯টি আসন। বাদবাকি আসন পেয়েছে অন্যান্য দল। এখন প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাকের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ শেষ হয়ে যেতে পারে। এমনই আভাস মিলেছে বিভিন্ন মিডিয়ায়। তাকে দলের নেতৃত্ব থেকেও সরিয়ে দেয়া হতে পারে। তা ছাড়া তার বিরুদ্ধে ‘১-এমডিবি’ রাষ্ট্রীয় তহবিল থেকে যে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আছে তারও নতুন করে তদন্ত হতে পারে। বিচার করা হতে পারে। তাতে তিনি অভিযুক্ত হলে পেতে পারেন শাস্তি। তিনি নির্বাচনের ফল মেনে নিয়েছেন। ৪৮ বছর বয়সী একজন ডাক্তার সুভা সেলভান বলেছেন, দেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের ফলে আমি আশা করি দেশে ভবিষ্যতে ভালো কিছু দেখতে পাবো। আমরা আশা করি ভবিষ্যৎ সরকার হবে উন্নততর, অবাধ, মুক্ত ও ঐক্যবদ্ধ। ওদিকে বুধবার গভীর রাতে নির্বাচনের ফল প্রকাশ হতে থাকে। সঙ্গে সঙ্গে রাতের মালয়েশিয়ার রাস্তার দৃশ্য পাল্টে যেতে থাকে। হাজার হাজার উৎসুক মানুষ রাস্তায় নেমে উল্লাস করতে থাকে।
বিজয় নিশ্চিত বুঝতে পেরে বৃহস্পতিবার দিনের একেবারে শুরুতে সংবাদ সম্মেলন করেন মাহাথির। সেখানে তিনি বলেন, হ্যাঁ এখনো আমি বেঁচে আছি। আমার জোট কোনো প্রতিশোধ নেবে না। তবে আইনের শাসন প্রবর্তন করবে। এ সময় তিনি উল্লাসরত নেতাকর্মী সমর্থকদের বলেন, দু’দিনের সরকারি ছুটি দেয়া হবে। তবে এই ছুটি বিজয়ীদের জন্য নয়।
মালয়েশিয়ায় সবচেয়ে বেশি দিন ক্ষমতায় থাকা সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির। তিনিও বারিশান ন্যাশনাল জোটের প্রধান ছিলেন। তখন ১৯৮১ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত একটানা ২২ বছর ক্ষমতায় ছিলেন। আর এ সময়েই একটি দরিদ্র দেশ মালয়েশিয়াকে বিশ্বের উন্নত দেশের কাতারে নিয়ে গেছেন। অনেকেই তার সমালোচনা করেন। কিন্তু তিনি মালয়েশিয়াকে যা দিয়েছেন তাতে দেশটি বিশ্বজোড়া খ্যাতি পেয়েছে। এখন উন্নয়নশীল অনেক দেশের মানুষ সেখানে কাজ খুঁজেতে পাড়ি জমান। এ জন্য মাহাথিরের নেতৃত্বে থাকা মালয়েশিয়া হয়ে ওঠে এশিয়ান টাইগারদের অন্যতম। ১৯৯০ এর দশকের পর এ অঞ্চলের যেসব দেশের অর্থনীতির দ্রুত বিস্তার ঘটে তাদেরকে এশিয়ান টাইগারস হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। তবে কেউ কেউ তাকে কর্তৃত্ববাদী বলে আখ্যায়িত করেন। কারণ, তিনি বিতর্কিত নিরাপত্তামূলক আইন ব্যবহার করে তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে জেলে ভরেছেন। সবচেয়ে বেশি সমালোচিত হয়েছেন তার অধীনে থাকা উপ-প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম ইস্যুতে। প্রথমে তিনি তাকে বরখাস্ত করেন।
তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও সমকামিতার অভিযোগ আনা হয়। সমকামিতার অভিযোগে তাকে জেলে ঢুকান। এটা এমন একটি সময়ে ঘটে যখন আনোয়ার ইব্রাহিম অর্থনীতি ও রাজনীতিতে সংস্কার দাবি করেছিলেন। নাজিব রাজাকের রাজনৈতিক গুরুও মাহাথির মোহাম্মদ। তারই প্রচ্ছন্ন সমর্থনে ২০০৮ সালে প্রধানমন্ত্রী হন নাজিব। কিন্তু দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত হন তিনি। অভিযোগে বলা হয় তিনি ‘১-এমডিবি’ তহবিল থেকে প্রায় ৭০ কোটি ডলার নিজের ব্যক্তিগত ব্যাংক অ্যাকাউন্টে নিয়েছেন। তবে নাজিব এসব অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন। কিন্তু তদন্তে যাতে তিনি ধরা না পড়েন এজন্য তদন্ত করতে পারেন এমন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কর্মকর্তাদের তিনি সরিয়ে দেন। তখনও বিএন পার্টির সঙ্গে যুক্ত মাহাথির। নাজিবের এই দুর্নীতি দেখে তিনি ঠিক থাকতে পারেননি। তাই ২০১৬ সালে তিনি ওই দল থেকে বেরিয়ে আসেন। যোগ দেন হাকাতান হারাপানের সঙ্গে। ওই সময় তিনি বলেছিলেন, দুর্নীতিকে তিনি সমর্থন দিতে দেখেছেন তার দলকে। তাই তিনি বিব্রত বিএনের বিষয়ে। এরপর জানুয়ারিতে তিনি ঘোষণা দেন, আবারও রাজনীতির মাঠে নামবেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এজন্য পুরনো ‘শত্রু’ আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে হাত মেলান। চুক্তি হয় মাহাথির নির্বাচিত হলে দু’বছর প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করবেন। এর মধ্যে আইন সংশোধন করে বর্তমান জেলবন্দি আনোয়ার ইব্রাহিমকে বের করে আনবেন। তারপর তার হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করবেন।
২০০৩ সালের অক্টোবরে অবসরের সময় তিনি বলেছিলেন, আমি অসন্তুষ্ট। কারণ, সফল হওয়ার জন্য আমি যেসব অর্জন করতে চেয়েছিলাম তার সামান্যই অর্জন করতে পেরেছি। অনেককে অবাক করে দিয়ে মাহাথির স্বীকার করেছেন, তিনি জীবনে অনেক ভুল করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে আনোয়ার ইব্রাহিমকে বরখাস্ত করা। ক্ষমতায় থাকার সময় নিয়ে লেখা একটি বইয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী আবদুল্লাহ বাদাইয়ি বলেছেন, মাহাথির তার নিজের পথেই চলেন এবং তিনি বিশ্বাস করেন তার পথই একমাত্র পথ।
সে যাই হোক, এবারের বিজয়ের পর এটা বলাই যায়, মাহাথিরের বয়স ৯২ নয়। তিনি যেন ২৯ বছর বয়সী এক জাদুকর।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1400)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
-
▼
2018
(7025)
-
▼
May
(700)
-
▼
May 11
(37)
- এজেন্ট ব্যাংকের গ্রাহক এখন ১৪ লাখ by গোলাম মওলা
- অচিরেই মুক্তি পাচ্ছেন মাহাথির-পরবর্তী মালয়েশীয় প্র...
- বয়সকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে by আহমেদ বায়েজীদ
- ইয়াবা চক্রে এক কাতারে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী-বৌদ্ধ ...
- রোদে পুড়বে না ত্বক by আনিকা আলম
- শিক্ষার পেছনেই শেষ অভিভাবকের সম্বল by হাফিজ মুহাম্মদ
- ভারতে ডাক বিভাগে নিয়োগের ক্ষেত্রে মাদ্রাসা ছাত্রদে...
- ব্রিটেন, ফ্রান্স ও জার্মানিকেও আমি বিশ্বাস করি না:...
- প্রশ্নফাঁস ইস্যু: রাজনৈতিক বিবেচনার কেন্দ্র ও ভেন্...
- চুল পড়া বন্ধ করে পেঁয়াজের রস
- সুবিধাবঞ্চিত নারীদের নিয়ে ‘কালারস ফ্রম দ্য চরস’
- অপর্যাপ্ত সরকারি বরাদ্দ হিজড়াদের ভাগ্য পরিবর্তন ভূ...
- এক ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন
- ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের উ...
- রাজনৈতিক ঋণে ব্যাংক খাতকে দেউলিয়া করেছে সরকার: বিএনপি
- কাশ্মিরিদের আজাদির স্বপ্ন কখনও পূরণ হবে না: ভারতীয়...
- নিজস্ব অর্থায়নেই হচ্ছে মডেল মসজিদ, টেন্ডার এ মাসেই...
- রাজনীতিতে খালেদা জিয়ার ৩৪ বছর by আদিত্য রিমন
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট: যেভাবে স্পেসএক্স’র সর্বাধুনি...
- যেন ২৯ বছর বয়সী এক জাদুকর
- ইরানকে থামাতে পুতিনের প্রতি আহ্বান থেরেসা মে’র
- শ্রম ও ইপিজেড আইনে ব্যাপক সংস্কার হচ্ছে -কূটনৈতিক ...
- ‘নির্বাচন কমিশনকে আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন’ by রশ...
- হাসান সরকারের ঘনিষ্ঠরাই টার্গেট by কাফি কামাল
- ‘বন্ধ হয়ে যেতে পারে পাট থেকে পলিথিন উৎপাদন প্রকল্প...
- পরাজয় জেনে অপপ্রচার চালাচ্ছে ১৪ দল -খুলনায় সংবাদ স...
- সেই আসামিকে সেফহোমে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি
- ২৮শে জুনের মধ্যে গাজীপুর সিটি নির্বাচনের নির্দেশ
- মহাকাশে বাংলাদেশ by কাজী সোহাগ
- কেসিসি নির্বাচন: উত্তাপ ছড়াচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর...
- ৯ বছরে ২ লাখ কোটি টাকা লুট -বিএনপি
- সিন্ডিকেটে বাড়ছে চিনি পিয়াজের দাম
- স্ত্রীর ব্যাপারে রাজউকের জিজ্ঞাসা, শাকিব খানের জবা...
- তদন্তেই ঘুরপাক খাচ্ছে চট্টগ্রামের পারভেজ হত্যা মামলা
- ১ লাখ ৭৩ হাজার কোটি টাকার এডিপি অনুমোদন
- ধামরাইয়ে দুটি সেতুতে ফাটল ধস ঠেকাতে বালুর বস্তা
- 'ইসরাইল-ইরান' প্রচণ্ড যুদ্ধ শুরু
-
▼
May 11
(37)
-
▼
May
(700)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...





