Wednesday, September 5, 2018
কিডনী রোগের লক্ষণ

এনার্জি কমে যাওয়া, অনেক বেশি ক্লান্ত অনুভব করা অথবা মনোযোগের সমস্যা হওয়া :
কিডনির কর্মক্ষমতা যখন মারাত্মক ভাবে কমে যায় তখন রক্তে অপদ্রব্য হিসেবে টক্সিন উৎপন্ন হয়। এর ফলে আপনি দুর্বল ও ক্লান্ত অনুভব করেন এবং কোন বিষয়ে মনোযোগ দেয়াটা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। আরেকটা জটিলতা দেখা দিতে পারে, আর তা হচ্ছে এনেমিয়া। রক্তস্বল্পতার কারণেও দুর্বলতা বা অবসাদ গ্রস্ততার সমস্যা হতে পারে।
ঘুমের সমস্যা হওয়া:
যখন কিডনি রক্ত পরিশোধন করতে অপারগ হয় তখন রক্তের টক্সিন প্রস্রাবের মাধ্যমে বাহির হতে পারেনা বলে রক্তেই থেকে যায়। যার কারণে ঘুমের সমস্যা সৃষ্টি হয়। অবেসিটি বা স্থূলতার সাথে ক্রনিক কিডনি ডিজিজের যোগসূত্র আছে। এবং নিদ্রাহীনতা ক্রনিক কিডনি ডিজিজের একটি সাধারণ উপসর্গ।
ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া ও ফেটে যাওয়া:
সুস্থ কিডনি অনেক গুরুত্ব পূর্ণ কাজ করে থাকে। কিডনি শরীর থেকে বর্জ্য পদার্থ ও অতিরিক্ত তরল বাহির করে দেয়, লাল রক্ত কণিকা তৈরি করে, হাড়কে শক্তিশালী করে এবং খনিজ লবণের ভারসাম্য রক্ষা করে। শুষ্ক ও ফেটে যাওয়া ত্বক খনিজ ও হাড়ের অসুখের জন্য ও হতে পারে যা অ্যাডভান্স কিডনি রোগের সহগামী হিসেবে থাকতে পারে যখন কিডনি রক্তের পুষ্টি উপাদান ও খনিজ লবণের ভারসাম্য রক্ষা করতে পারেনা।
ঘন ঘন প্রস্রাব করা:
যদি আপনার প্রায়ই মূত্রত্যাগের প্রয়োজন হয় বিশেষ করে রাতের বেলায় তাহলে এটা কিডনি রোগের লক্ষণ। যখন কিডনির ছাঁকনি গুলো নষ্ট হয়ে যায় তখন প্রস্রাবের বেগ বৃদ্ধি পায়। ঘন ঘন মূত্রত্যাগ ইউরিন ইনফেকশনের ও লক্ষণ হতে পারে, পুরুষের ক্ষেত্রে প্রোস্টেট গ্লেন্ড বড় হয়ে গেলেও এই উপসর্গ দেখা দেয়।
প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত গেলে:
সুস্থ কিডনি সাধারণত ব্লাড সেল গুলোকে শরীরের ভিতরে রেখে রক্ত থেকে বর্জ্য পদার্থ মূত্র হিসেবে বাইর করে দেয়। যখন কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হয় তখন ব্লাড সেল বের হতে শুরু করে। প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যাওয়ার এই লক্ষণটির কিডনি রোগের সাথে সাথে টিউমার, কিডনি পাথর বা ইনফেকশনেরও ইঙ্গিত হতে পারে।
প্রস্রাবে বেশি ফেনা হলে:
প্রস্রাবে অনেক বেশি ফেনা দেখা দিলে বুঝতে হবে যে, প্রস্রাবের সঙ্গে প্রোটিন যাচ্ছে। ডিমের সাদা অংশ ফাটানো হলে যেমন ফেনা বা বাবেল হয় প্রস্রাবের এই বুদবুদ ও ঠিক সেই রকম। প্রস্রাবে অ্যালবুমিন নামক প্রোটিনের উপস্থিতির জন্যই এমন হয়। কিডনির ফিল্টার ড্যামেজ হয়ে গেলে প্রোটিন লিক হয়ে প্রস্রাবের সঙ্গে বের হয় বলে প্রস্রাবে ফেনা দেখা দেয়।
চোখের চারপাশে ফুলে গেলে:
যখন কিডনি অনেক বেশি লিক করে তখন প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন প্রস্রাবের সঙ্গে বের হয়ে যায় বলে চোখের চারপাশে ফুলে যায়।
পায়ের গোড়ালি ও পায়ের পাতা ফুলে গেলে:
কিডনির কার্যকারিতা কমে গেলে সোডিয়ামের পরিমাণ বেড়ে যায় ফলে পা এবং গোড়ালি ফুলে যায়। পায়ের নীচের অংশ ফুলে যাওয়া হার্ট, লিভার এবং পায়ের শিরার দীর্ঘমেয়াদী সমস্যার লক্ষণও হতে পারে।
ক্ষুধা কমে গেলে:
এটা খুবই সাধারণ সমস্যা কিন্তু শরীরে টক্সিনের উৎপাদন বৃদ্ধি পেলে কিডনির কার্যকারিতা কমে যাওয়ার ফল স্বরূপ ক্ষুধা কমে যায়।
মাংসপেশীতে খিঁচুনি হলে:
কিডনির কর্মক্ষমতা নষ্ট হলে শরীরের ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্যহীনতা এবং মাংসপেশিতে খিল লাগার সমস্যা দেখা দেয়। যেমন- ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের মাত্রা কমে গেলেও মাংসপেশিতে খিল লাগার সমস্যা দেখা দেয়।
এছাড়াও বমি বমি ভাব, বমি হওয়া, নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ হওয়া, শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া, সব সময় ঠাণ্ডা অনুভব করা, মাথা ঘোরা, কোমর ও পায়ে ব্যাথা হওয়া ইত্যাদি উপসর্গগুলোও দেখা দিতে পারে। যদি উপরোক্ত উপসর্গগুলো দেখা যায় তাহলে ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করে সিমপল ইউরিন টেস্ট (ACR) এবং ব্লাড টেস্ট (eGFR) করিয়ে আপনার কিডনির কোন সমস্যা আছে কিনা সেটা নিশ্চিত হতে পারেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আবারো বাড়ছে মরণনেশার বিস্তার by রুদ্র মিজান

জুলাই মাসে দেশের সীমান্ত এলাকাসহ অন্যান্য স্থানে অভিযান চালিয়ে ৫০ কোটি ৪৭ লাখ ২৫ হাজার টাকা মূল্যের বিভিন্ন প্রকারের চোরাচালান ও মাদক দ্রব্য জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, মাদকের মধ্যে সবচেয়ে বেশি হচ্ছে ইয়াবা। চট্টগ্রাম-টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে জুলাই মাসে আমদানি করা ইয়াবার মধ্যে ২,৩৭,৭২৮ পিস জব্দ করা হয়েছে। এছাড়াও ৪,৩০১ বোতল বিদেশি মদ, ৩০০ লিটার বাংলা মদ, ৯৬৩ ক্যান বিয়ার, ২১,৭২৬ বোতল ফেনসিডিল, ১,১৪২ কেজি গাঁজা, দুই কেজি ৩০০ গ্রাম হেরোইন, ১,৪৭,৩০০টি এ্যানেগ্রা-সেনেগ্রা ট্যাবলেট, ১৭,১৮০টি নেশাজাতীয় ইনজেকশন জব্দ করা হয়। সীমান্ত এলাকায় পরিচালিত এসব অভিযানে ১৫৬ জনকে আটক করে থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
মাদকের বিস্তার ঘটছিল ভয়াবহভাবে। প্রতি মাসে বিজিবির অভিযানেই ১২ থেকে ২১ লাখ ইয়াবা জব্দ হয়েছে। জানুয়ারি মাসে বিজিবির অভিযানে জব্দ করা হয়েছে ১২ লাখ ৭৪ হাজার ৪৫৮ পিস ইয়াবা। ফেব্রুয়ারি মাসে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৮৮ লাখ ১১ হাজার ৫১৯ পিসে। এপ্রিলে মাদক প্রতিরোধে তুলনামূলকভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বেড়ে যায়। তারপর মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হয় অভিযান। ওই মাসে বিজিবির অভিযানে ৭ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৬ পিস ইয়াবা জব্দ হয়। অভিযানের কারণে তাৎক্ষণিকভাবে মাদক বেচা-বিক্রি কমে যায়। ওই সময়ে কমে যায় মাদক আমদানিও। জুন মাসে বিজিবির অভিযানে ১ লাখ ৮৫ হাজার ৮৩৮ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়।
সম্প্রতি আবার মাদক আমদানি বাড়ছে বলে সূত্রে জানা গেছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাজধানী ঢাকার অলিতে-গলিতে ছিল মরণ নেশা মাদকের বিস্তার। মে মাসে অভিযানের আগে এপ্রিলে ডিএমপির বিভিন্ন থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে ১২১৫টি। গ্রেপ্তার করা হয়েছিল ১৮৭৮ জনকে। ওই মাসে ঢাকায় ৬ লাখ ৬৮ হাজার ৩৬২টি পিস ইয়াবা জব্দ করে পুলিশ। তার আগের মাস মার্চে মামলা হয় ১৪১৯টি। গ্রেপ্তার করা হয় ২০৫৫ জনকে। পুলিশের অভিযানে জব্দ করা হয় ৮ লাখ ৮২ হাজার ৩১৮ পিস ইয়াবা।
মাদকের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান শুরু হলে মে মাসে ঢাকায় জব্দ করা হয় ১২ লাখ ৬৪ হাজার ৯৩৬ পিস ইয়াবা। ওই মাসে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয় ১৫৭১টি। গ্রেপ্তার করা হয় ২৬১৬ জনকে। মে মাসে অভিযানকালে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাত থেকে রক্ষা পেতে আত্মগোপনে চলে যায় মাদক ব্যবসায়ীরা। তারপর জুন মাসে মাদক বিক্রেতারা ভিন্ন কৌশলে সক্রিয় ছিল। তবে প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি ঢাকায় প্রায় বন্ধ ছিল বলে গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে। জুন মাসে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয় ১৪৩৫টি। গ্রেপ্তার করা হয় ২৫৪২ জনকে। ওই মাসে ৩ লাখ ১৬ হাজার ২৯৭ পিস ইয়াবা জব্দ করে ডিএমপি পুলিশ। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে শুরু করেছে মরণ নেশা মাদক বিক্রি। জুলাই মাসে ডিএমপি পুলিশের অভিযানে জব্দ করা হয়েছে ৩ লাখ ৭৪ হাজার ৫৭৬ পিস ইয়াবা। মামলা হয়েছে ১৬৩১টি। গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৩০৯১ জনকে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের পর গা ঢাকা দিয়েছিল মাদক ব্যবসায়ীরা। মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের হিসেবে গত ১৫ই মে থেকে ১৬ই জুলাই পর্যন্ত ওই অভিযানে নিহত হয়েছে ২০২ জন। অভিযান চলাকালে প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি প্রায় বন্ধ হয়ে গেলেও আবার বাড়ছে মরণ নেশা মাদক-বাণিজ্য।
এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ডা. মোহিত কামাল বলেন, অনেকে ব্যক্তিগত, পারিবারিক নানা অসঙ্গতি, মানসিক চাপের কারণে মাদক গ্রহণ করেন। আবার কেউ কেউ কৌতূহল থেকে, কেউ অজ্ঞতার কারণে। স্লিম হওয়ার জন্য মাদক গ্রহণ করেন। শুধু আইন প্রয়োগ করে এই মরণ নেশার হাত থেকে সমাজকে রক্ষা করা কঠিন। এজন্য অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে। সন্তাদের খোঁজখবর রাখতে হবে। তাদের সঙ্গে বন্ধুতা করতে হবে। সবাইকে সচেতভাবে এগিয়ে গেলে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করলে মাদক প্রতিরোধ সম্ভব বলেই মনে করেন তিনি।
এ বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি সোহেল রানা বলেন, মাদক ব্যবসায়ীরা যত কৌশল অবলম্বন করুক। পুলিশ এ বিষয়ে তৎপর রয়েছে। মাদক প্রতিরোধে পুলিশ সক্রিয়। প্রতিদিনই মাদক বিক্রেতাদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। মাদক জব্দ করা হচ্ছে। তবে মাদক প্রতিরোধের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সবাইকে সচেতনভাবে এগিয়ে আসতে হবে বলে মনে করেন তিনি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1406)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ▼ 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...