Sunday, September 29, 2024
যেভাবে মার্কিন রাজনীতিবিদ, সামরিক কর্মকর্তা ও আইনজীবীদের যৌনতার ফাঁদে ফেলতেন এক নারী
আদালতের ভাষ্যমতে, ২০২০ সালের জুলাই থেকে ক্যামব্রিজ, ওয়াটারটাউন, ম্যাসাচুসেটস এবং ফেয়ারফ্যাক্স এবং ভার্জিনিয়াতে একাধিক যৌনালয় পরিচালনা করতেন হ্যান লি। যেখানে তিনি যৌনতার ভিত্তিতে একটি অপরাধ চক্র গড়ে তোলেন। তার এই যৌন সাম্রাজ্যের বিস্তারে তিনি এসব অঞ্চলে যাওয়া এশিয়ান নারীদের অবৈধভাবে যৌনকাজে প্ররোচিত করতেন। আদালত আরও জানিয়েছে, হ্যান লি এবং তার সহযোগীরা নারীদের বিমান সংস্থার সাথে যোগাযোগ করে তাদের যৌনালয়ে রাত্রিযাপনে নিয়ে যেতেন। যেন তারা অন্য কোথাও রাতযাপন করতে না পারে। মূলত এসব অঞ্চলে পা রেখেই হ্যান লি চক্রের হাতে ধরা পড়তেন এশিয়া থেকে যাওয়া নারীদের অনেকে। ব্যবসার গোপনীয়তা রক্ষা করতে তারা মূল কক্ষের বাইরে রাখতেন ভুক্তভোগী নারীদের। সেখান থেকে তাদের জোরপূর্বক এই কাজে বাধ্য করা হত বলে জানিয়েছে আদালত।
এই অবৈধ যৌনকর্মের জন্য গ্রাহকদের কাছ থেকে হ্যান লি ঘণ্টাপ্রতি ৩০০ থেকে ৬০০ ডলার নিতেন। তিনি নগদ অর্থ সংগ্রহ করতেন। তারা গ্রাহকদের আকৃষ্ট করার জন্য দুটো ওয়েবসাইট ব্যবহার করতেন। উভয় ওয়েবসাইটই অ্যাপয়েন্টমেন্টের মাধ্যমে দেওয়া যৌনকাজের জন্য একটি ফ্রন্ট হিসাবে উচ্চমানের স্টুডিওতে পেশাদার ফটোগ্রাফির জন্য নগ্ন মডেলের বিজ্ঞাপন দেওয়ার কথা স্বীকার করেছে। হ্যান লির বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ হচ্ছে, তিনি স্থানীয় যৌনালয়ের ফোন নম্বরগুলি রক্ষণাবেক্ষণ করতেন যার মাধ্যমে তার চক্র যাচাইকৃত গ্রাহকদের সাথে যোগাযোগ করতেন। বার্তার মাধ্যমে তারা সময় নির্ধারণ করতেন। গ্রাহকদের আকৃষ্ট করার জন্য তারা তাদের বিভিন্ন প্যাকেজের কথা জানাতেন। সেখানে নারী ভেদে ঘণ্টা হিসেবে অর্থের পরিমাণ নির্ধারিত করা হতো। যৌনবৃত্তির এসব আয় গোপন করার জন্য, হ্যান লি ব্যক্তিগত এবং তৃতীয় পক্ষের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে এবং পিয়ার-টু-পিয়ার ট্রান্সফারে কয়েক হাজার ডলার নগদ অর্থ জমা করেছিলেন বলে প্রসিকিউটররা জনিয়েছেন। আদালতের অভিযোগ পত্রে আরও বলা হয়েছে যে, তারা নিয়মিতভাবে যৌনবৃত্তি থেকে পাওয়া নগদ আয়ের কয়েক হাজার ডলারের উৎস গোপন করার জন্য মানি অর্ডার করত। এই মানি অর্ডারগুলোর মাধ্যমে তখন ম্যাসাচুসেটস এবং ভর্জিনিয়ায় অবস্থিত যৌনালয়ের ভাড়া মেটাতেন হ্যান লি।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রায় অর্ধেক জীবন কেটে গেলো জেলে! ৪৬ বছর পর নির্দোষ প্রমাণিত
সূত্র : হিন্দুস্থান টাইমস

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কি করবে হিজবুল্লাহ, ইসরাইল, ইরান!
অন্যদিকে হাসান নাসরাল্লাহকে শুক্রবার রাতে হত্যার পর থেকে লেবাননের ওপর অব্যাহতভাবে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরাইল। হিজবুল্লাহ যেন পুনর্গঠিত হতে না পারে এ জন্য তারা টার্গেট করে করে হামলা করছে। তবে বেশির ভাগ হামলা হচ্ছে সাধারণ জনবসতিতে। এ বিষয়ে বিবিসির নিরাপত্তা বিষয়ক প্রতিনিধি ফ্রাঙ্ক গার্ডনার বলছেন, হাসান নাসরাল্লাহকে হত্যা এবং লেবাননে ভয়াবহ হামলার প্রেক্ষিতে মধ্যপ্রাচ্যকে ব্যাপক ও অধিক পরিমাণে ধ্বংসাত্মক এক যুদ্ধের কাছাকাছি নিয়ে এসেছে ইসরাইল। এতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রও যুক্ত হয়ে পড়তে পারে। এখন কি ঘটতে পারে? এমন প্রশ্ন করে তিনি নিজেই উত্তর দিচ্ছেন- বিষয়টি ব্যাপকভাবে নির্ভর করে তিনটি মৌলিক প্রশ্নের উপর। তার প্রথমটি হলো- হিজবুল্লাহ এখন কি করবে? হামলার পর হামলায় বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছে হিজবুল্লাহ। তাদের কমান্ড কাঠামোকে ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে। শীর্ষ পর্যায়ের কমপক্ষে এক ডজন কমান্ডারকে হত্যা করা হয়েছে। বিস্ফোরণে তাদের পেজার ও ওয়াকিটকিগুলো ধ্বংস হয়েছে। বিমান হামলায় বেশির ভাগ অস্ত্র ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মধ্যপ্রার্চের নিরাপত্তা বিশ্লেষক মোহাম্মদ আল বাশা বলেন, হাসান নাসরাল্লাহ নিহত হওয়া এই গ্রুপের জন্য বড় ক্ষতি। বিশেষ করে অস্থিতিশীল হয়ে পড়তে পারে গ্রুপটি। অল্প সময়ের মধ্যে তাদের রাজনৈতিক ও সামরিক কৌশলে পরিবর্তন আসতে পারে। কিন্তু ইসরাইল বিরোধী এই গ্রুপটি হঠাৎ করেই লড়াই বন্ধ করবে বা ইসরাইলের সঙ্গে শান্তি স্থাপনের চেষ্টা করবে- এমনটা ভাবাও ভুল। এরই মধ্যে হিজবুল্লাহ লড়াই অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার করেছে। এখনও তাদের আছে হাজার হাজার যোদ্ধা। তাদের অনেকে সিরিয়া যুদ্ধ থেকে ফিরেছেন। তারা প্রতিশোধ নিতে চাইছেন। উল্লেখযোগ্য পরিমাণে ক্ষেপণাস্ত্রও আছে তাদের হাতে। তার মধ্যে বেশির ভাগই দূর পাল্লার। আগে থেকে নির্দেশিত স্থানে তা হামলা চালাতে পারে। এমনকি তেল আবিব ও অন্যান্য শহরেও আঘাত করতে সক্ষম এসব অস্ত্র। শিগগিরই এসব অস্ত্র ধ্বংস করে দিতে পারে ইসরাইল। তাই তার আগেই এগুলো ব্যবহার করার ওপর চাপ সৃষ্টি হতে পারে। যদি তারা এই অস্ত্র ব্যবহার করে ইসরাইলের ওপর হামলা চালায়। সেখানে বেসামরিক মানুষজন নিহত হন, তাহলে ইসরাইলের জবাব হতে পারে আরও ভয়ঙ্কর। লেবাননের অবকাঠামো মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিতে পারে তারা। এমনকি সেই লড়াই ইরান পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে।
দ্বিতীয় প্রশ্ন হলো- ইরান কি করবে? হাসান নাসরাল্লাহকে হত্যা করা হিজবুল্লাহর জন্য যেমন বড় আঘাত তেমনি ইরানের জন্যও বিরাট আঘাত। এ হত্যাকাণ্ডের পর ৫ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে ইরান। ইমার্জেন্সি সতর্কতা হিসেবে তারা তাদের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়েছে। তেহরানে এক গেস্টহাউজে জুলাই মাসে হামাসের প্রধান ইসমাইল হানিয়েকে হত্যা করেছে ইসরাইল। এই হত্যার এখনও কোনো বদলা নেয়নি ইরান। কিন্তু এখন যা ঘটছে তাতে ওই অঞ্চলে যারা কট্টরপন্থি আছেন, তাদেরকে কিছু একটা জবাব দেয়ার বিষয়ে ভাবাতে বাধ্য করবে। মধ্যপ্রাচ্যে ভারি অস্ত্রে সজ্জিত মিলিশিয়া মিত্র আছে। একে পশ্চিমারা ‘অ্যাক্সিস অব রেজিসট্যান্স’ হিসেবে আখ্যায়িত করে। হিজবুল্লাহ ছাড়াও ইয়েমেনে আছে হুতিরা। সিরিয়া ও ইরাকে আছে বহু গ্রুপ। ইসরাইল এবং ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিতে হামলা চালাতে এসব গ্রুপকে উৎসাহিত করতে পারে ইরান। তবে ইরান যেভাবেই এমন প্রতিক্রিয়া দেবে, তাতে একটি যুদ্ধ শুরুর আশঙ্কা আছে।
ইসরাইল কি করবে? ঘনিষ্ঠ মিত্র যুক্তরাষ্ট্র সহ কমপক্ষে ১৩টি দেশ লেবাননে ২১ দিনের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব উত্থাপন করলেও ইসরাইল পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিয়েছে সামরিক অভিযান স্থগিত করার কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই। তারা মনে করছে, হিজবুল্লাহ এখন পশ্চাৎপদে আছে। তাই তাদের ক্ষেপণাস্ত্রের হুমকি বিনাশ না করা পর্যন্ত এই চাপ অব্যাহত রাখতে চায়। এখন দেখার বিষয় লেবাননে স্থল বাহিনী না পাঠিয়ে হিজবুল্লাহর হুমকি থেকে রেহাই পেতে পারে ইসরাইল। তাই স্থল অভিযান চালানোর প্রস্তুতি নিয়ে সীমান্তের কাছাকাছি পদাতিক বাহিনীর একটি ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করেছে ইসরাইল ডিফেন্স ফোর্সেস। কিন্তু সর্বশেষ যুদ্ধের পর হিজবুল্লাহ ১৮ বছর সময় পেয়েছে। এ সময়ে পরবর্তী যুদ্ধের জন্য তারা প্রশিক্ষণ নিয়েছে। মারা যাওয়ার আগে শেষ প্রকাশ্য জনসভায় হাসান নাসরাল্লাহ তার অনুসারীদের বলে যান, ইসরাইল বাহিনী যদি লেবাননের দক্ষিণ দিয়ে প্রবেশ করে তা হবে হিজবুল্লাহর জন্য একটি ঐতিহাসিক সুযোগ।
এ অবস্থায় ফ্রাঙ্ক গার্ডনার বলছেন, লেবাননে প্রবেশ করা আইডিএফের জন্য তুলনামূলক সহজ। কিন্তু গাজার মতো সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে অনেক লম্বা সময় লাগবে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরমে, নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া হলো খোমেনিকে: হিজবুল্লাহ প্রধান নিহত
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আঞ্চলিক উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করেছে। তা বিভিন্ন আকারে প্রকাশ পেতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন ইস্তাম্বুল জাইম ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর ইসলাম অ্যান্ড গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্সের পরিচালক সামি আল আরিয়ান। তিনি বলেন, আঞ্চলিক পর্যায়ে যুদ্ধ শুরু হয়ে যেতে পারে। তার অংশ হতে পারে ইরান। প্রতিশোধ নিতে লেবানন, ইয়েমেন, ইরাক ও অন্য স্থান থেকে হামলা হতে পারে। তিনি মনে করেন দৃশ্যত ইসরাইল একটি যুদ্ধ চাইছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের কয়েক সপ্তাহ আগে। এর মধ্যদিয়ে সেই যুদ্ধে তারা যুক্তরাষ্ট্রকে টেনে আনতে চাইছে। ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে যুক্তরাষ্ট্র সহ কোনো শক্তিধর দেশই থামাতে পারেনি বলে জাতিসংঘে শুক্রবার অনুশোচনা প্রকাশ করেছেন ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের পররাষ্ট্র বিষয়ক প্রধান জোসেপ বোরেল। একই দিন জাতিসংঘে অস্ট্রেলিয়া বলেছে, লেবাননকে আরেকটি গাজা হতে দেয়া যাবে না।
ওদিকে হাসান নাসরাল্লাহ নিহত হওয়ার পর হিজবুল্লাহ’র হাল কে ধরবেন তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। বলা হচ্ছে, মায়ের দিক থেকে কাজিন হাশিম সাফি আল দিন হতে পারেন তার উত্তরসূরি। তার জন্ম ১৯৬৪ সালে লেবাননের দক্ষিণে দিয়ের কানুন এন নাহরে। তিনি একজন প্রথম সারির শিয়া নেতা। হিজবুল্লাহ’র সিনিয়র কর্মকর্তা। এর আগে তিনি হিজবুল্লাহ’র সেক্রেটারি জেনারেল ছিলেন। সংগঠনে তাকে সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসেবে ভাবা হতো। তার ভাই আবদাল্লাহ সাফি আল দিন ইরানে হিজবুল্লাহ’র প্রতিনিধিত্ব করেন। হাশিম সাফি আল দিন পড়াশোনা করেছেন নাজাফ, ইরাক এবং ইরানের কোম নগরীতে। নাসরাল্লাহর পাশাপাশি তিনি পড়াশোনা করেছেন। লেবাননে ফিরেছেন ১৯৯৪ সালে। দ্রুত হিজবুল্লাহ’র উপরের র্যাংকে উঠে যান। যোগ দেন মজলিস আল শূরায়। এরপর অল্প সময়ের মধ্যে জিহাদ কাউন্সিলের প্রধান নিযুক্ত করা হয়।
জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যখন বিশ্বনেতারা শান্তির পক্ষে এবং যুদ্ধের বিপক্ষে কথা বলছিলেন, তখন শুক্রবার রাতভর লেবাননে ভয়াবহ হামলা চালায় ইসরাইল। এই হামলায় হাসান নাসরাল্লাহ নিহত হয়েছেন। ইসরাইলের দাবি, হাসান নাসরাল্লাহর সঙ্গে আলি কারাকি সহ বেশ কয়েকজন সিনিয়র নেতাও নিহত হয়েছেন। হিজবুল্লাহ’র দক্ষিণ ফ্রন্টের কমান্ডার আলি কারাকি। এর আগে ইসরাইল দাবি করে তারা লেবাননে হামলা চালিয়ে হিজবুল্লাহ প্রধান হাসান নাসরাল্লাহকে হত্যা করেছে। একে তারা বড় বিজয় হিসেবে দেখছে। এ খবর দিয়ে অনলাইন আল জাজিরা, বিবিসি বলছে, লেবাননে ইসরাইল আরও সেনা পাঠাচ্ছে। তারা লেবাননের ভেতরে স্থল পথে আগ্রাসন চালাতে পারে। উল্লেখ্য, গত বছর ৭ই অক্টোবর থেকে গাজায় যুদ্ধ শুরু করে ইসরাইল। তারপর থেকেই ইসরাইল এবং হিজবুল্লাহ’র মধ্যে পাল্টাপাল্টি যুদ্ধ চলছিল। হিজবুল্লাহ ইসরাইলের ভেতরে রকেট হামলা চালিয়েছে। তার জবাবে লেবাননের ভেতরে হিজবুল্লাহ’র অবস্থান লক্ষ্য করে ব্যাপক বোমা হামলা চালায় ইসরাইল। কিন্তু গত সোমবার থেকে ইসরাইল কঠোর অবস্থানে গিয়ে বেপরোয়াভাবে হামলা চালাচ্ছে লেবাননের ভেতরে। শুক্রবার রাতভর সেখানে ভয়াবহ বোমা হামলা চালিয়েছে তারা। শনিবারও হামলা অব্যাহত ছিল। শনিবার সকালেও তারা ইসরাইলের ভেতরে রকেট হামলা চালিয়েছে। আরও দক্ষিণে টার্গেট করেছে। কিন্তু ভয়াবহ এক অনির্দিষ্ট সময় এখন। একই সঙ্গে বিপজ্জনক। লেবাননে যেভাবে হামলা চালিয়েছে ইসরাইল, তা গাজার যুদ্ধের চিত্রকে সামনে নিয়ে আসে। একইভাবে তারা লেবাননে বাছবিচার না করেই বোমা হামলা চালাচ্ছিল। ইসরাইল ডিফেন্স ফোর্সেসের (আইডিএফ) প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল হারজি হ্যালেভি ৬২ সেকেন্ডের একটি সম্পাদিত ভিডিও বার্তায় বলেছেন, দীর্ঘ প্রস্তুতির পর ইসরাইলি সেনাবাহিনী লেবাননে (হাসান) নাসরাল্লাহ ও হিজবুল্লাহ’র প্রধান কার্যালয়ে টার্গেট করে হামলা চালিয়েছে। এটাই ছিল সঠিক সময়। আমরা এটা করেছি খুব মূল্যবান উপায়ে। এটাই আমাদের টুলবক্সের শেষ নয়। আমাদেরকে খুব পরিষ্কার হতে হবে। সামনে অগ্রসর হওয়ার আরও সক্ষমতা আছে আমাদের। তিনি আরও বলেন, মেসেজ ইজ ভেরি ক্লিয়ার। যে বা যারাই ইসরাইলি নাগরিকদের হুমকি দেবে আমরা জানি তাদেরকে কীভাবে শায়েস্তা করতে হয়। হোক সেটা উত্তরে, দক্ষিণে বা দূরে কোথাও।
শুক্রবার রাতভরও বেপরোয়া হামলায় ধ্বংসস্তূপের নিচে কি পরিমাণ মানুষ আটকে আছেন, কতোজনের মৃতদেহ তার নিচে চাপা পড়ে আছে, তা কেউ বলতে পারছেন না। এর মধ্যে আছে শিশু, নারী ও প্রবীণরা। সোমবার হামলা শুরুর পর থেকে কমপক্ষে ৭০০ মানুষ নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে এ সংখ্যা একেবারে সঠিক নয়। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ফিলিস্তিনি প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ মুস্তাফা ইসরাইলকে একটি দুর্বৃত্ত রাষ্ট্র হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি বলেছেন, গাজায় যুদ্ধাপরাধ, পশ্চিমতীর দখল করে রাখা এবং লেবাননের জনগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য অবশ্যই তাদের জবাবদিহি নিশ্চিত করা উচিত। গত বছর ৭ই অক্টোবর থেকে ইসরাইলের ভয়াবহ হামলায় গাজায় নিহতের সংখ্যা ৪১,৫৩৪ ছাড়িয়ে গেছে। এর মধ্যে লেবাননে সম্ভাব্য স্থল আগ্রাসন চালাতে ইসরাইলের উত্তরাঞ্চলে গত সপ্তাহের শুরুর দিকে দুই ব্যাটালিয়ন সেনা পাঠিয়েছে ইসরাইল। সর্বশেষ সেন্ট্রাল কমান্ড ডিফেন্সকে আরও শক্তিশালী করতে তারা আরও রিজার্ভ তিনটি ব্যাটালিয়ানকে পাঠিয়েছে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন লেবাননে ইসরাইলের স্থল হামলার বিষয়ে সতর্ক করেছেন। তিনি বলেছেন, স্থল হামলা থেকে বিরত থাকা উচিত ইসরাইলের। কারণ, এই যুদ্ধ তাহলে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এমনকি তা আরও বৃহত্তর রূপ নিতে পারে। ইসরাইলি সেনাবাহিনী বলেছে, লেবাননের বেকা ভ্যালিতে যোদ্ধাগোষ্ঠী হিজবুল্লাহ’র কয়েক ডজন অবস্থানস্থলকে টার্গেট করেছে তাদের যুদ্ধবিমান। এ ছাড়া দক্ষিণ লেবাননে বিভিন্ন এলাকায় হামলা চালিয়েছে। হামলা অব্যাহত আছে। কিন্তু লেবানন থেকে আল- জাজিরার সাংবাদিক বলছেন, হামলা হচ্ছে বেসামরিক জনগণের বসবাস আছে এমন ভবনগুলোতে। অন্যদিকে ইসরাইলের দাবি এসব ভবনে হিজবুল্লাহ অস্ত্র গুদামজাত করে রেখেছে। শুক্রবার রাতে এবং এর পরে যেসব হামলা হয়েছে তাতে কি পরিমাণ মানুষ হতাহত হয়েছেন তা জানা যায়নি। শনিবার সকালেও ভয়াবহভাবে যুদ্ধবিমান থেকে হামলা চালানো হচ্ছিল। অন্যদিকে হিজবুল্লাহ’র হাতে ইসরাইলি সেনাদের মতো অত্যাধুনিক অস্ত্র নেই। তারা টেলিগ্রাম চ্যানেলে দেয়া বিবৃতিতে বলেছে, ইসরাইলে তারা দুটি হামলা করেছে। তারা বলেছে, ইসরাইলের দক্ষিণ-পূর্বের শহর হাইফা থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে রামাত ডেভিড এয়ারবেজের ওপর একটি ফাদি-৩ ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। ইসরাইলি মিডিয়ায় বলা হয়েছে, হাইফাকে ঘিরে থাকা দুটি শহরে আকাশ থেকে সাইরেন বাজানো হয়। অন্যদিকে লেবাননের বেকা ভ্যালি থেকে আল-জাজিরার সাংবাদিক আসাদ বেগ বলেন, হিজবুল্লাহ’র শক্ত ঘাঁটি হিসেবে বিবেচনা করা হয় বেকা ভ্যালিকে। ফলে সবার দৃষ্টি এখন সেদিকে। পূর্বাঞ্চলীয় এবং পশ্চিমাঞ্চলীয় পাহাড়ি এলাকার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থান বেকা ভ্যালির। এর পাশেই রয়েছে সিরিয়া। ধারণা করা হয়, হিজবুল্লাহকে সিরিয়া অস্ত্র সরবরাহ দিয়ে থাকতে পারে।
ইসরাইলের হামলায় লেবাননে ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতি হলেও ইউনিভার্সিটি অব তেহরানের প্রফেসর মোহাম্মদ মারান্দি বলেন, হিজবুল্লাহকে সামরিকভাবে পরাজিত করার সক্ষমতা নেই ইসরাইলের। কারণ, সারা দেশে মাটির নিচ দিয়ে তাদের আছে হাজার হাজার কিলোমিটার টানেল। তাদের অবকাঠামো নিরাপদ। তাদের সেনারা প্রস্তুত। হিজবুল্লাহ’র সবচেয়ে দুর্বল জায়গা হলো বৈরুত। কারণ, সেখানে পশ্চিমা সব দেশের দূতাবাস, এনজিও অফিস। তার মতে, এর মধ্যদিয়ে ইসরাইলিরা শুধু নিজেদের ধ্বংস করছে না। সামষ্টিকভাবে পশ্চিমাদেরও ধ্বংস করছে।
যে অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে লেবাননে: ইসরাইলি মিডিয়ার খবরে বলা হচ্ছে কথিত বাংকার ধ্বংসকারী প্রায় ৮৫টি বোমা ব্যবহার করেছে ইসরাইলি সেনারা। এসব বোমা মাটি ভেদ করে অনেকটা ভেতরে প্রবেশ করে যেতে পারে। অনেকটা মাটির গভীরে গিয়ে তারপর বিস্ফোরিত হয় এই বোমা। মাটির নিচে থাকা স্থাপনা বা কোনো কংক্রিটের ভবনকে ধ্বংস করার ক্ষমতা আছে এর। প্রতিটি বোমার ওজন ২০০০ থেকে ৪০০০ পাউন্ডের মধ্যে। এই বোমা কংক্রিট ভেদ করে ৬ মিটার অথবা মাটি ভেদ করে ৩০ মিটার নিচে চলে যেতে পারে। তারপর বিস্ফোরিত হয়ে প্রচণ্ড কম্পন সৃষ্টি করে। তাতে ধসে পড়ে অবকাঠামো। ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাগুলোতে এই বোমা ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে জেনেভা কনভেনশন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হাসান নাসরুল্লাহর জীবনী
বিবৃতিতে বলা হয়, হিজবুল্লাহর সেক্রেটারি জেনারেল হাসান নাসরুল্লাহ সংগঠনটির মহান ও অমর শহীদ কমরেডদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন; যাদের তিনি ৩০ বছর ধরে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
মাত্র ৩২ বছর বয়সে ১৯৯২ সালে হিজবুল্লাহর প্রধান হন নাসরুল্লাহ। এর আগে ওই বছর গোষ্ঠীটির সাবেক প্রধান নেতা আব্বাস আল-মুসাওই ইসরায়েলি হেলিকপ্টার হামলায় প্রাণ হারান। হিজবুল্লাহ প্রধানের দায়িত্ব নেওয়ার পর মুসাবি হত্যার প্রতিশোধ নেওয়া ছিল হাসান নাসরুল্লাহর প্রথম কাজ। সে অনুযায়ী ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলে রকেট হামলার নির্দেশ দেন তিনি।
১৯৬০ সালে লেবাননের রাজধানী বৈরুতে জন্ম হয় হাসান নাসরুল্লাহর (৬৪)। বেড়ে উঠেছেন বৈরুতের পূর্বাঞ্চলীয় উপকণ্ঠের বুর্জ হামুদ এলাকায়। বাবা আবদুল করিম ছিলেন একজন সাধারণ সবজি বিক্রেতা। তার ৯ সন্তানের মধ্যে নাসরুল্লাহ ছিলেন সবার বড়।
নিজের জীবনের শুরুতে লেবাননের গৃহযুদ্ধ প্রত্যক্ষ করেছেন তিনি। মাত্র ১৫ বছর বয়সে শিয়াদের আমল আন্দোলনে যোগ দেন নাসরুল্লাহ। এক সময় কোরআনের দীক্ষা নিতে ইরাকে যান তিনি। কিন্তু ১৯৭৮ সালে নিজ দেশে ফিরে আসতে বাধ্য হন। কারণ ওই সময় শিয়া মুসলিমদের ওপর ইরাক সরকার চাপ প্রয়োগ করছিল।
১৯৮২ সালে লেবাননে স্থল হামলা চালায় দখলদার ইসরায়েল। ওই সময় ইসরায়েলিদের প্রতিহত করতে হিজবুল্লাহ নামের সশস্ত্র গোষ্ঠী তৈরি করে ইরানের চৌকস বিপ্লবী গার্ড। নাসরুল্লাহ তখন হিজবুল্লাহতে যোগ দেন। পরে সময়ে দলটির নেতৃত্বে আসেন তিনি।
নাসরুল্লাহ হিজবুল্লাহর দায়িত্ব নিয়ে তাদের সশস্ত্র গোষ্ঠীর পাশাপাশি রাজনৈতিক শক্তিতেও পরিণত করেন।
প্রসঙ্গক্রমে, হিজবুল্লাহর চাপে পড়ে ২০০০ সালে দখলদার ইসরায়েল তাদের সেনাদের লেবানন থেকে প্রত্যাহার করে নিতে বাধ্য হয়। ইসরায়েলি সেনারা সরে যাওয়ার মধ্যপ্রাচ্যে নাসরুল্লাহর গ্রহণযোগ্যতা অনেকটাই বৃদ্ধি পায়। তবে নাসরুল্লাহর ব্যক্তিগত ক্ষতিও কম হয়নি। ইসরায়েলি সেনাদের সঙ্গে লড়াইয়ে প্রাণ দিতে হয় তার বড় ছেলে হাদিকে।
নাসরুল্লাহ ইসরায়েল নিয়ে এক মন্তব্যে বলেছিলেন, আমি ইসরায়েলকে বৈধ রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বাস করি না কারণ এটি দখলদারিত্বের ওপর তৈরি হয়েছে।
লেবানন সরকারের কোনো দায়িত্বে নাসরুল্লাহ ছিলেন না। তবে দেশটির প্রশাসনের ওপর তার ব্যাপক প্রভাব ছিল। লেবাননের প্রধানমন্ত্রীর ওপরও প্রভাব বিস্তারে সক্ষমতা ছিল তার।
তাছাড়া নাসরুল্লাহর নেতৃত্বে হিজবুল্লাহ ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের যোদ্ধাদের পাশাপাশি ইরাক ও ইয়েমেনের মিলিশিয়াদের প্রশিক্ষণগত সহায়তা দিয়েছে। ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ব্যবহারের লক্ষ্যে ইরানের কাছ থেকে সংগ্রহ করা ক্ষেপণাস্ত্র ও রকেটের এক সমৃদ্ধ ভাণ্ডার রয়েছে হিজবুল্লাহর।
সর্বশেষ হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলের উত্তেজনা বেড়ে যায় গত বছরের ৮ অক্টোবর থেকে। ওই দিন ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে হামাসের রকেট হামলার জের ধরে গাজায় নজিরবিহীন তাণ্ডব শুরু করে দেশটি। ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি প্রদর্শনের অংশ হিসেবে মাঝেমধ্যেই ইসরায়েলের অভ্যন্তর ও দখলকৃত গোলান মালভূমি এলাকায় রকেট হামলা চালিয়ে আসছে হিজবুল্লাহ।
উল্লেখ্য, লেবাননে ইসরায়েলি দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্যই হিজবুল্লাহ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। সেখান থেকে নাসরুল্লাহ গোষ্ঠীটিকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। গোষ্ঠীটির সশস্ত্র শাখার আকার লেবাননের মূল সেনাবাহিনীর চেয়েও বড়। সামরিক শক্তিতে হিজবুল্লাহ লেবানিজ সশস্ত্র বাহিনীর চেয়েও শক্তিশালী। দেশটির ক্ষমতার অন্যতম ভারকেন্দ্র এই গোষ্ঠী।
এছাড়া সামরিক শাখার বাইরেও গোষ্ঠীটি লেবাননের সবচেয়ে বড় স্বাস্থ্য সেবা খাতের প্রতিষ্ঠাতা। শিক্ষা, সমাজ সেবার এমন কোনো খাত নেই যেখানে হিজবুল্লাহর পদচারণা নেই। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, তিনি মধ্যপ্রাচ্যে হিজবুল্লাহকে ইরানের সবচেয়ে বড় প্রক্সি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছেন।
![]() |
| হিজবুল্লাহ প্রধান হাসান নাসরুল্লাহ। ছবি : সংগৃহীত |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইসরায়েলকে ছাড় দিচ্ছে না প্রতিরোধ যোদ্ধারা
জবাবে ইসরায়েলের রামাত ডেভিড বিমানঘাঁটি ও পশ্চিমে আল-জালিল অঞ্চলের কাবরি বসতিতে ভয়াবহ হামলা চালায় প্রতিরোধ যোদ্ধারা। হামলায় ফাদি-১ ও ফাদি-৩ রকেট ব্যবহার করা হয়। এই খবর জানিয়েছে আল মায়াদিন টেলিভিশন।
শনিবার পৃথক এক বিবৃতিতে প্রতিরোধ যোদ্ধারা জানিয়েছে, এই হামলা গাজায় অবস্থানরত স্থিরপ্রতিজ্ঞ ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি সমর্থনের অংশ হিসেবে এবং লেবাননের শহর, গ্রাম ও বেসামরিক নাগরিকদের ওপর ইসরাইলের আক্রমণের প্রতিশোধে পরিচালিত হয়েছে।
দক্ষিণ লেবাননে আল মায়াদিনের সংবাদদাতা নিশ্চিত করেছেন যে, লেবানন থেকে দখলকৃত উত্তর ফিলিস্তিনের দিকে একাধিক রকেট ছোড়া হয়েছে এবং উত্তরের বিভিন্ন বসতিতে সাইরেন বেজে উঠেছে।
ইসরাইলি সংবাদ মাধ্যমও জানিয়েছে, হাইফার উত্তর-পূর্বাংশের বিভিন্ন বসতিতে সাইরেনের বেজে উঠেছে এবং পূর্ব, পশ্চিম ও মধ্য আল-জালিলের অধিকাংশ এলাকাতেই সাইরেনের শব্দ শোনা গেছে। ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা লেবাননের দিক থেকে আল-জালিল অঞ্চলে ১০টি রকেট নিক্ষেপ শনাক্ত করেছে এবং সেগুলো প্রতিহত করতে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে।
ফিলিস্তিনে অবস্থানরত আল মায়াদিনের সংবাদদাতা উল্লেখ জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় অঞ্চলে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। তিনি আরও জানিয়েছেন যে, মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে ১০০টিরও বেশি শহর, গ্রাম এবং বসতিতে সাইরেনের শব্দ শোনা গেছে এবং এক মিলিয়নেরও বেশি ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারী সারা রাত আশ্রয়কেন্দ্রে কাটিয়েছে।
মূলত এই হামলার মাধ্যমে লেবাননের দক্ষিণ, বেকা উপত্যকা এবং দক্ষিণ বৈরুতের বিভিন্ন এলাকায় চালানো ইসরাইলের ব্যাপক হামলা ও হিজবুল্লাহ প্রধান হত্যার জবাব দিচ্ছে যোদ্ধারা।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিপদে ইসরায়েলের অর্থনীতি, দুই যুদ্ধের ভারে ধসে পড়ার শঙ্কা
ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ইসরায়েল সরকার শেলি লোটানের দুই কর্মচারীকে সামরিক বাহিনীতে নিয়ে যায়। যে কর্মচারীদের ডাকা হয়নি, তাঁরা আরেক কর্মচারীর বাবা-মায়ের বাসার ভূগর্ভস্থ কক্ষে সেই স্টার্টআপের কার্যালয় সরিয়ে নেন। এরপর যা হওয়ার তা–ই হয়; বিনিয়োগের প্রবাহ একরকম শুকিয়ে যায়।
হামাসের সঙ্গে ইসরায়েলের যুদ্ধের এক বছর পূর্ণ হবে শিগগিরই। হামাসের সঙ্গে যুদ্ধ বিরতির লক্ষণ নেই বললেই চলে; এর মধ্যে শুরু হয়েছে লেবাননে হিজবুল্লাহ বাহিনীর ওপর হামলা। এই পরিস্থিতিতে লোটানের ব্যবসা কোনোভাবে টিকে আছে। সরকারের ওপর ক্ষোভ বাড়ছে লোটানের। সেই সঙ্গে অর্থনৈতিক চাপও বাড়ছে।
গত বছরের ৭ অক্টোবর হামাস বাহিনী ইসরায়েলে হামলা চালালে চলতি যুদ্ধের সূত্রপাত ঘটে। ইসরায়েলের অর্থনীতিতে এই যুদ্ধের প্রভাব নিয়ে খুব একটা আলোচনা হচ্ছে না। এই এক বছরের মধ্যে ইসরায়েলের ঋণমান অবনমন হয়েছে। মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) সংকুচিত হয়েছে। হাজার হাজার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে। অনেক মানুষের চাকরি গেছে; কোম্পানিগুলো দূরবর্তী জায়গা থেকে কাজ করিয়ে নিচ্ছে। সেই সঙ্গে রিজার্ভ সেনা হিসেবে যাঁরা ইসরায়েলি সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছেন, তাঁরা সৈনিক জীবনের সঙ্গে মূল ক্যারিয়ারের ভারসাম্য আনতে হিমশিম খাচ্ছেন।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর ২ লাখ ৮৭ হাজার নাগরিক রিজার্ভ সেনা হিসেবে যুদ্ধে যোগ দিয়েছেন। ইসরায়েলের জনসংখ্যা এক কোটির কম। অর্থাৎ দেশটির এক-চতুর্থাংশের বেশি মানুষ যুদ্ধক্ষেত্রে আছেন। এই পরিস্থিতিতে অর্থনীতি কীভাবে চলছে, তা বড় প্রশ্ন।
ইসরায়েলের অর্থনীতির বিশেষ দিক হলো তার বিশাল উচ্চ প্রযুক্তি খাত। এই খাতে যুদ্ধের তেমন প্রভাব না পড়লেও নির্মাণ ও কৃষি খাতে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে। এই দুটি খাত আবার অনুমতি নিয়ে ইসরায়েলের কাজ করতে আসা ফিলিস্তিনিদের ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল। গত বছরের ৭ অক্টোবরের পর এদের কাজের অনুমতি বাতিল করা হয়েছে। ফলে এই দুটি খাতে যুদ্ধের প্রভাব বেশ ভালোভাবেই অনুভূত হচ্ছে।
পর্যটন খাতের অবস্থা শোচনীয়। এই খাতের ব্যবসা কমেছে ৭৫ শতাংশের বেশি। জেরুজালেমের পুরোনো শহর এমনিতে পর্যটকে গিজগিজ করলেও সেই এলাকার অনেক দোকানের ঝাঁপ বন্ধ হয়ে গেছে।
জেরুজালেমের পুরোনো শহরে আয়মান শাওয়ারের পারিবারিক বেকারির ব্যবসা ৭ অক্টোবরের পর উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। আইসক্রিম বিক্রেতা আব্দুল কাদের আলামির ব্যবসাও শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে।
যুদ্ধের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই প্রতিরক্ষা ব্যয় বৃদ্ধি পায়। এই এক বছরে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যয় অন্তত দ্বিগুণ হয়েছে। দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সতর্ক বার্তা, ২০২৫ সালের মধ্যে ইসরায়েলের যুদ্ধজনিত ক্ষতি ৬৭ বিলিয়ন বা ৬ হাজার ৭০০ কোটি ডলারে উন্নীত হতে পারে। লেবাননে ইসরায়েলের চলমান হামলার আগেই এই পূর্বাভাস দিয়েছিল ইসরায়েলের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ফলে বাস্তব ক্ষতি এর চেয়ে অনেক বেশি হবে। পর্যটনের ওপর অতি নির্ভরশীল পুরোনো জেরুজালেমের অর্থনীতি রীতিমতো ধসে পড়েছে। সেখানে অনেক ফিলিস্তিনির ব্যবসা বন্ধ হয়ে গেছে। নিকট ভবিষ্যতে তাঁরা যে পুনরায় ব্যবসা চালু করবেন, তেমন সম্ভাবনাও নেই।
ইসরায়েলের গবেষণা প্রতিষ্ঠান শোরেশ ইনস্টিটিউশন ফর সোশিওইকোনমিক রিসার্চের প্রধান ড্যান বেন ডেভিড ওয়াশিংটন পোস্টকে বলেন, ইসরায়েলের অর্থনীতি বড় ধরনের বিপদে আছে; সরকারকে এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। এখন সরকারের সব মনোযোগ যুদ্ধ নিয়ে। এর অবসানের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।
শেলি লোটান নিজের ব্যবসা পরিচালনার পাশাপাশি তিন সন্তানের লালন-পালন করেন। তাঁর স্বামী পাঁচ মাস ধরে সামরিক বাহিনীর রিজার্ভ সেনা হিসেবে যুদ্ধ করছেন। ইসরায়েলের বর্তমান পরিস্থিতিতে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল কোম্পানিগুলো স্টার্টআপে বিনিয়োগ করছে না। ফলে কোম্পানি পরিচালনায় হিমশিম খাচ্ছেন তিনি। কার্যালয় পরিবর্তন করতে গিয়ে যে ব্যয় তাঁর হয়েছে, তা সামলাতে তিনি রীতিমতো গলদঘর্ম হচ্ছেন। সেই সঙ্গে তাঁর জীবনযাত্রার ব্যয়ও কেবল বাড়ছে।
সম্প্রতি আরেক স্টার্টআপ কোম্পানির স্বত্বাধিকারীর সঙ্গে কফি পান করতে করতে তাঁরা ঠিক করেছেন, এখন সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ হলো, ব্যবসা গুটিয়ে নেওয়া। শেলি লোটান বলেন, ‘আমাদের এখন মনে হচ্ছে, এই মুহূর্তে তাৎপর্যপূর্ণ কিছু না ঘটলে অর্থনীতি শিগগিরই ধসে পড়তে পারে।’
তবে ইসরায়েল অর্থনীতি নিয়ে শঙ্কা যে কেবল গত বছরের ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হয়েছে, তা নয়। তার আগেই দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সুপ্রিম কোর্টকে দুর্বল করার উদ্যোগ নিলে বিক্ষোভ শুরু হয়। তখন দেশটির গণতান্ত্রিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। বিনিয়োগকারীদের মনেও শঙ্কা তৈরি হয়।
ইসরায়েলের অর্থনীতি এমনিতে যথেষ্ট শক্তিশালী। মূলত প্রযুক্তি ও গবেষণা খাতের বড় কেন্দ্র হিসেবে সে দেশে বিপুলসংখ্যক স্টার্টআপ কোম্পানির কার্যক্রম আছে। গবেষণা ও উন্নয়নের জগতে ইসরায়েল বড় এক নাম।
কিন্তু ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর থেকে পরিস্থিতি বদলে যেতে শুরু করে। হামাসের সঙ্গে যুদ্ধের শেষ দেখা যাচ্ছে না। এখন তার ওপর হিজবুল্লাহর সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ায় ইসরায়েলের অর্থনীতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে, তা নিয়ে দেশটির নাগরিকেরা শঙ্কিত। তাঁদের ভাষ্য, দুটি যুদ্ধের ভার এই অর্থনীতি নিতে পারবে না।
| ফিলিস্তিনের গাজায় বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। ফাইল ছবি: রয়টার্স |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ড. ইউনূসের ভাষণের সমালোচনা ও একটি নির্মোহ বিশ্লেষণ by নজরুল ইসলাম খোকন
প্রথমত, তার এ বক্তব্যের সাথে আমি একমত নই। আমি নিশ্চিত, আরো অনেকেই একমত পোষণ করবেন না। এটি না করার কারণ, কোনো গণ-বিপ্লব কখনো পরিকল্পনা করে হয় না। সেটিই যদি হবে তাহলে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে শেখ হাসিনা যে মন্তব্য করেছিলেন সেটিও পরিকল্পনারই অংশ হওয়ার কথা। কারণ, শেখ হাসিনার সেই মন্তব্যের পরই কিন্তু শান্তিপূর্ণ আন্দোলন হঠাৎ অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠতে দেখা যায়। এ ছাড়াও যেকোনো অভ্যুত্থান সফল হওয়ার নেপথ্যে কিছু ইমোশনাল এলিমেন্ট থাকতে হয়। এই অভ্যুত্থানের সবচেয়ে ইমোশনাল এলিমেন্ট তাহলে কী? সন্দেহাতীতভাবে বলা যায়, শহীদ আবু সাঈদের পুলিশের গুলির সামনে বুক পেতে দিয়ে জীবনোৎসর্গ করার মতো বীরত্ব। মূলত এরপরই শিক্ষার্থী এবং অভিভাবক গণ প্রতিবাদ মুখর হয়ে বিপ্লবী মানসিকতা নিয়ে রাস্তায় নেমে আসেন। এখন শহীদ আবু সাঈদের এই জীবনোৎসর্গকে আপনি কোন পরিকল্পনার অংশ বলবেন? কিংবা শহীদ মীর মুগ্ধ’র পুলিশের গুলিতে মাটিতে লুটিয়ে পড়ার আগে ‘পানি লাগবে পানি’ সেই হৃদয় বিদারক চিৎকারকে কোন পরিকল্পনা অংশ বলতে চান? সুস্থ মস্তিষ্কে এই ঘটনাগুলোকে পরিকল্পিত বলার কোনো সুযোগ নেই। তবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের এই আন্দোলন (পরবর্তীতে গণ-অভুত্থ্যান) যে অনেক গোছানো ছিলো সেটি নির্দ্বিধায় স্বীকার করতে হবে। কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে ৯ দফা এবং ৯ দফা থেকে ১ দফায় আসা পর্যন্ত পুরো আন্দোলনটিতে সমন্বয়করা যথেষ্ঠ দক্ষতা এবং পরিপক্কতার পরিচয় দিয়েছে নিশ্চিতভাবে বলা যায়। সেক্ষেত্রে অধ্যাপক ইউনূস এটিকে well designed না বলে well organized বললে হয়তো ব্যাপারটি সমালোচনার ক্ষেত্র তৈরি করতো না। প্রশ্ন হতে পারে, তাহলে এমন ভুল জনাব ইউনূস কেন করলেন? তিনি কি জ্ঞাতসারে করলেন নাকি অজ্ঞাতসারে করলেন? কিংবা তিনি কি আসলে অন্য কিছু বুঝাতে গিয়ে ভুল শব্দ চয়ন করে ফেলেছেন? এর উত্তর আসলে তিনিই ভালো দিতে পারবেন। এবার সমালোচকদের ব্যাপারে একটু বলি। কেউ কেউ দেখছি অধ্যাপক ইউনূসের এই বক্তব্যটি এমনভাবে লুফে নিয়েছেন মনে হয় যেন এমন একটি ভুলের জন্য তারা দীর্ঘ অপেক্ষায় ছিলেন! বলতে শুরু করেছেন, ওহ আচ্ছা তাহলে সব কিছুই দীর্ঘদিনের গভীর পরিকল্পনার( যেটিকে তারা মূলত ষড়যন্ত্র বলতে চাইছেন) অংশ! অর্থাৎ পতিত স্বৈরাচার যে গণহত্যা চালিয়েছে তার দায় চাপানোর মতো একজনকে তাহলে পাওয়া গেলো! আর তিনি হলেন ড. ইউনূস। ভাই, আপনারা ঘাপটি মেরে থাকা গণহত্যাকারীদের সমর্থক। এটুকু বোঝার জন্য রকেট সাইন্টিস্ট হওয়ার প্রয়োজন নেই। এবার চলেন, ইউনূসের আরো দুয়েকটি বক্তব্যের প্রসঙ্গে যাই যে বক্তব্যগুলো আমার ধারণা আমিতো বটেই অনেকেই ভালোভাবে নেননি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শপথ নিতে যেদিন প্যারিস থেকে এসে ঢাকা বিমানবন্দরে নেমে সাংবাদিকদের ব্রিফ করার এক পর্যায়ে তিনি বলেছিলেন, “আপনারা, আমার কথা শুনতে হবে, যদি না শোনেন তাহলে আমি থাকব না”, উনার মতো মানুষের র কাছ থেকে এ ধরনের বক্তব্য কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। স্যার, আমরা এতদিন আপনার কথা শুনেছি, এখন আপনি এবং আপনার উপদেষ্টাদের আমাদের ( অর্থাৎ গণমানুষের) কথা শুনতে হবে তবেই আপনার সরকারের ভুল করার সম্ভাবনা কম থাকবে। জাতির উদ্দেশে ভাষণে আপনি সরকারের মেয়াদ নিয়ে বলেছিলেন, “জনগণ যতদিন চাইবে ততদিনই আমরা থাকবো” । এটিও আপনার মারাত্মক ভুল বক্তব্য মনে করি। পৃথিবীতে কোনো সরকারই অনির্দিষ্ট মেয়াদের হয় না। কোনো সরকারের মেয়াদ অনির্দিষ্টকাল হতে পারে না। আপনার সরকারেরও একটা স্পষ্ট টাইম ফ্রেম অবশ্যই থাকতে হবে। মাস দেড়েক হওয়ার পরও আপনার সরকার জাতীর সামনে রাষ্ট্র পরিচালনার সুনির্দিষ্ট কোনো রূপরেখা কিংবা সময়সীমা প্রকাশ করতে ব্যর্থ হয়েছে যা বিপ্লব আর শহীদদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই সরকারের সমর্থকদের মধ্যে মারাত্মক হতাশা তৈরি করেছে। আপনাদের প্রতিটি ভুল পদক্ষেপ সমর্থকদের যেমন আশাহত করছে তেমনি পতিত গণ্যহত্যাকারী স্বৈরাচারের ঘাপটি মেরে থাকা সমর্থকদের উল্লসিত করছে। আমরা চাই, আপনি এবং আপনার সরকার সফল হোক। আপনারা ব্যর্থ হলে বাংলাদেশ ব্যর্থ হবে। সমালোচকদের উদ্দেশে বলি, আমি, আপনি বা যে কেউ ড. মুহাম্মদ ইউনূস কিংবা তার সরকারের উপদেষ্টাদের সংশোধনের উদ্দেশে সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু সমালোচনার উদ্দেশ্য যদি হয় ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে “ আগেই ভালো ছিলাম” টাইপের অর্থাৎ গণহত্যাকারীদের সমর্থনে, তাহলে এটা হবে দুর্ভাগ্যজনক।
ঢাকা, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৪
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
১লা অক্টোবর থেকে কাজ শুরু: কী সংস্কার, কতোদিন লাগবে?
যদিও সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান হিসেবে শুরুতে ড. শাহদীন মালিকের নাম ঘোষণা করা হয়েছিল। বিষয়ভিত্তিক অভিজ্ঞতা বিবেচনা করে তাদের এ দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এদিকে যারা এ কমিশনে থাকছেন তারা সবাই সম্পূর্ণ অবৈতনিক হিসেবে কাজ করবেন বলে জানা গেছে। কেউ কোনো ধরনের বেতন ভোগ করবেন না। এ বিষয়ে ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, আমাকে বলা হয়েছে সম্পূর্ণ অবৈতনিক। তাই আমি গ্রহণ করেছি। অন্যথায় এ দায়িত্ব নিতাম না। গঠিত ৬টি কমিশনের আগামী মঙ্গলবার থেকে কাজ শুরু করার কথা রয়েছে। পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে সংস্কারের সুপারিশ তারা সরকারের কাছে উপস্থাপন করবেন। সেই সুপারিশ রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করার কথা। তবে সংস্কার কাজ শুরু আর মাত্র একদিন বাকি থাকলেও এখনো দৃশ্যত কোনো কাজ দেখা যাচ্ছে না। বিশেষ করে কমিশনের প্রধান ছাড়া অন্য কোনো সদস্য এখনো যুক্ত করা হয়নি। প্রধান উপদেষ্টা জানিয়েছিলেন, এসব কমিশনের অন্য সদস্যদের নাম কমিশন প্রধানদের সঙ্গে আলোচনা করে ঠিক করা হবে। কমিশনগুলোর আলোচনা ও পরামর্শ সভায় উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, ছাত্র-শ্রমিক-জনতা আন্দোলনের প্রতিনিধি, নাগরিক সমাজ ও রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন। কবে নাগাদ কমিশনের অন্য সদস্যদের যুক্ত করা হবে সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।
রাষ্ট্রবিজ্ঞানী প্রফেসর নুরুল আমিন বেপারী মানবজমিনকে বলেন, ৬টি সংস্কার কমিশন গঠন করা হয়েছে। আমি মনে করি সংস্কার কমিশনকে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে সংস্কারের রূপরেখা দেয়া উচিত। তাহলে এটি টেকসই হবে। অন্যদিকে সংবিধানের বিষয়েও কথা হচ্ছে পুনর্লিখন না সংস্কার এসব বিষয়ে। পুনর্লিখন করতে হলেও রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত নিতে হবে। কারণ তারা না চাইলে এটি নির্বাচিত সরকার সংসদে পাস করবে না। নতুন সংবিধান কিন্তু সংসদে পাস করতে হবে। এ ছাড়াও এ কমিশনগুলোর মধ্যে কেউ কেউ শুরুতে বিতর্ক তৈরি করে ফেলেছেন। যেমন একজন বলেছেন, আওয়ামী লীগ ছাড়া নির্বাচন বৈধতা হবে না। তিনি বলবেন তবে বলার একটা স্পেস আছে। এখন না। তখন আলাপ আলোচনার মধ্যদিয়ে আসতে হবে যে কীভাবে আওয়ামী লীগ নির্বাচনে আসবে। খুব বুদ্ধি খাটিয়ে কথা বলতে হবে। তাদের কথার অনেক মূল্য আছে। গত ১৯শে সেপ্টেম্বর ৬ কমিশন প্রধানদের নিয়ে বৈঠক করেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সরকারের ৪ জন উপদেষ্টা ও তার বিশেষ সহকারী মাহফুজ আলম। বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেন, নির্বাচন ব্যবস্থা, পুলিশ, বিচার বিভাগ, দুর্নীতি দমন, জনপ্রশাসন এবং সংবিধান সংস্কারে যে ৬টি কমিশন গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে, তারা ১লা অক্টোবর থেকে কাজ শুরু করবেন। কাজ শেষে ৩১শে ডিসেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেবে বলে আশা করছে সরকার।
তারপর দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টামণ্ডলী রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংস্কারের ধারণা নিয়ে আলোচনা শুরু করবে। তারপর এ নিয়ে পরামর্শমূলক মতবিনিময় করা হবে; যেখানে সমাজের সব পর্যায়ের মানুষের প্রতিনিধিত্ব থাকবে। তবে কী কী বিষয়ে সংস্কার আনা হবে এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, এটির জন্যই কমিশন। তারা পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে কী কী সংস্কার করা দরকার। তবে এসব কমিশন নিয়ে কিছুটা অস্বস্তিতে রয়েছে রাজনৈতিক দলগুলো। বিশেষ করে সংবিধান সংস্কার কমিশন নিয়ে আপত্তি দেখা গেছে বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপির। ২১শে সেপ্টেম্বর দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সংবিধানের আমূল পরিবর্তন বা নতুন সংবিধানের জন্য জনগণের নির্বাচিত সংসদই শ্রেয়। সংবিধান সংস্কারে অন্তর্বর্তী সরকার যে উদ্যোগ নিয়েছে, তার জন্য উচিত ছিল বিপ্লবী সরকার করা। সেটি হয়নি। এই সংবিধানের অধীনে শপথ না নেয়া। সেটা তো হয়নি। সংবিধানের অধীনেই তো শপথ নিয়েছে। তাহলে ওই জিনিসটাকে (বর্তমান সংবিধান) সামনে রেখে সেভাবে (সংশোধন) করতে হবে। আমরা নিজেরাই দল থেকে উদ্যোগ নিচ্ছি, সংবিধানের কী কী পরিবর্তন হতে পারে, সেই কাজ শুরু করেছি। তিনি বলেন, সংবিধান পরিবর্তন করতে হলে আগে মানুষের কাছে যেতে হবে, তারা কীভাবে সংবিধানের পরিবর্তনটা চায়। আরেকটা বিষয় আছে, আমি-আপনি-আমরা কয়েকজন এক্সপার্ট মিলে করে দিলাম, সেটা একটা। কিন্তু সংবিধানের আমূল পরিবর্তন বা নতুন সংবিধান করতে হলে আপনাকে গণপরিষদ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে জনমতের বিষয়টি তো আছেই, তারপরে আইনগত দিকগুলোও দেখতে হবে। আমূল পরিবর্তনের জন্য জনগণের ‘ম্যান্ডেট’ সবচেয়ে নিরাপদ। এদিকে দুর্নীতি দমন সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. ইফতেখারুজ্জামান একটি বিদেশি গণমাধ্যমকে বলেছেন, আমি যতটুকু বুঝতে পারছি, এই কমিশনের কাজ হবে দুর্নীতি দমন কমিশনকে শক্তিশালী করা বা এটাকে কার্যকর করা। আমার নিজের অভিজ্ঞতা, গবেষণালব্ধ জ্ঞান এবং গুড প্যাকটিস যেগুলো আছে, সেগুলোকে বিবেচনায় রেখে বাংলাদেশের প্রেক্ষিত বিবেচনায় নিয়ে কাজ করতে হবে। ২০০৪ সালে দুর্নীতি দমন কমিশন গঠিত হয়েছে।
দুদক নিয়ে মানুষের যে প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির বিশাল ঘাটতি, সেটি বিবেচনায় নিয়ে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশের যে আমলাতান্ত্রিক প্রেক্ষিত, সেটি বিবেচনায় রেখে এবং ছাত্র-জনতার আন্দোলনের যে মূলমন্ত্র, রাষ্ট সংস্কারে সেটিও বিবেচনায় রাখতে হবে। কমিশনে যাদের সদস্য করা হবে, তাদের সঙ্গে আলোচনা করে আমরা একটি সুপারিশ করার চেষ্টা করবো। দুদককে রাজনৈতিক ও আমলাতান্ত্রিক প্রভাবমুক্ত করতে হবে। ছাত্র-জনতার আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন যাতে ঘটে, সেটা মাথায় রেখেই কাজ করতে হবে। এভাবে আমরা কাজটা শুরু করতে চাই। অন্যদিকে সম্প্রতি জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক অনুষ্ঠানে সংস্কার কাজ দীর্ঘ হতে পারে জানিয়ে নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, নির্বাচনী ব্যবস্থার সব দিক নিয়ে আমরা পর্যালোচনা করবো এবং তার ভিত্তিতে সুপারিশ প্রণয়ন করবো। এটা বাস্তবায়নের দায়িত্ব আমাদের নয়। ৯০ দিন আমাদের সময় দেয়া হয়েছে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছি- ডিএমপি কমিশনার
ডিএমপি কমিশনার বলেন, যার যার অবস্থান থেকে অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে এবং কাজের মধ্যদিয়েই জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে। আমি বিশ্বাস করি সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা এমন জায়গায় পৌঁছাতে পারবো যেখানে পুলিশ জনগণের আস্থার প্রতীক হবে। পুলিশের ওপর যে দায়িত্ব-কর্তব্য রয়েছে তা অন্য যেকোনো প্রতিষ্ঠান থেকে ভিন্ন। পুলিশ হলো রাষ্ট্রের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। আমরা রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা করি। স্থিতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি একটি দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও সার্বিক উন্নয়নের পূর্বশর্ত। কল্যাণ সভায় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ফোর্সের উদ্দেশ্যে যেসব দিকনির্দেশনা দেন সেগুলো ধারণ করে প্রত্যেক সদস্যকে তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের আহ্বান জানান ডিএমপি কমিশনার।
সভায় অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন) ফারুক আহমেদ বলেন, আমাদের এমনভাবে কাজ করতে হবে যেন পরিবারের প্রতিটি সদস্য গর্ব করে বলতে পারে যে আমার পরিবারে একজন পুলিশ সদস্য রয়েছে। আমরা যে পরিবর্তনের কথা বলছি সেখানে সবার অংশীদারত্ব থাকতে হবে। উপস্থিত পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, যে যেই শাখায় কর্মরত আছেন বা যে যেই দায়িত্বে আছেন তাকে সেই শাখার ফোর্সের কল্যাণে কাজ করতে হবে। কাজের মাধ্যমে নিজেদের প্রমাণ করতে হবে। অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মো. ইসরাইল হাওলাদার বলেন, আমরা একটা ট্রানজিশন পিরিয়ড পার হয়ে এসেছি। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে নিজেকে সর্বদা প্রস্তুত রাখতে হবে। এই পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ডিএমপি কমিশনারের নেতৃত্বে একটি টিম হিসেবে কাজ করে আমাদের জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে। অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) খোন্দকার নজমুল হাসান পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা সবাই অধিকার সচেতন। নিজেদের অধিকার সম্পর্কে সচেতনতার পাশাপাশি নিজেদের দায়িত্ব সম্পর্কেও সচেতন হতে হবে। দায়িত্ব পালনকালে সাধারণ জনগণের সঙ্গে ভালো আচরণ করতে হবে এবং নিজেদের মধ্যে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। রাস্তায় যানবাহন নিয়ন্ত্রণে ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করতে হবে। অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (লজিস্টিকস্, ফিন্যান্স অ্যান্ড প্রকিউরমেন্ট) হাসান মো. শওকত আলী বলেন, আমরা জনগণের প্রতিপক্ষ নই, আমাদের জনগণের জন্যই কাজ করতে হবে। শক্তি প্রয়োগের ক্ষেত্রে অবশ্যই বিধি-বিধান মেনে করতে হবে। এ ছাড়াও লজিস্টিকস সংক্রান্ত উপস্থাপিত যাবতীয় সমস্যা অচিরেই সমাধান করা হবে মর্মে তিনি আশ্বাস প্রদান করেন। সভায় ডিএমপি’র বিভিন্ন পদমর্যাদার সদস্যরা তাদের সুনির্দিষ্ট কিছু সমস্যা ও চাহিদার কথা ডিএমপি কমিশনারের কাছে পেশ করেন। কমিশনার সবার বক্তব্য মনোযোগসহকারে শোনেন এবং প্রত্যেকটি সমস্যা সমাধানের ব্যাপারে সবাইকে আশ্বস্ত করেন। সভা শেষে ডিএমপি কমিশনার ফোর্সের ব্যারাক ও মেস পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন। কল্যাণ সভায় অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার, যুগ্ম পুলিশ কমিশনার, সংশ্লিষ্ট উপ-পুলিশ কমিশনার ও পিওএম (উত্তর, দক্ষিণ, পশ্চিম) বিভাগের পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর আস্থা প্রশ্নহীন রাখার চ্যালেঞ্জ তাদেরকেই নিতে হবে’
তারেক রহমান বলেন, আমরা আজ এমন একটা পরিবেশে সমবেত হয়েছি যেখানে কারও কোনো ভয় নেই। আমরা আমাদের কথা বলার জন্য একইসঙ্গে আমরা অন্যের কথা শোনবার জন্য একত্রিত হয়েছি। অথচ মাত্র ক’দিন আগেও এই দেশের মানুষ দলমত নির্বিশেষে কথা বলতে পারতো না। বিগত ১৬ বছর ধরে আমরা আমাদের কষ্টের কথাও স্বাধীনভাবে বলতে পারতাম না। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের অত্যাচারে অতিষ্ঠ ছিল দেশের মানুষ। কীভাবে বাংলাদেশের মানুষের অধিকারগুলো ছিনিয়ে নেয়া হয়েছিল, তাদের ন্যায্য অধিকার হরণ করা হয়েছিল।
ঝিনাইদহ জেলায় জাতীয়তাবাদী দলের অনেক নেতাকর্মী আছেন যাদেরকে আমরা হারিয়েছি। মিরাজুল ইসলাম মির্জা, দুলাল ও পলাশসহ বহু নেতাকর্মীকে হারিয়েছি। ফ্যাসিস্ট সরকার পতনেও এই জেলার মানুষ সাব্বির ও প্রকৌশলী রাকিবুল বুকের তাজা রক্ত দিয়েছে। দেশের মানুষ গত ৫ই আগস্ট এই স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকারকে হটিয়েছে। জনগণের আন্দোলনের মুখে যে স্বৈরাচার জনগণের বুকের ওপর চেপে বসেছিল, সেই স্বৈরাচার পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। এই কৃতিত্ব বাংলাদেশের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের কৃতিত্ব। তিনি বলেন, আজকে যখন স্বৈরাচার পালিয়ে গেছে, তখন দেশের জনগণের দাবি ছিল দেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সৃষ্ট শূন্যতা পূরণের জন্য একটি নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের। গত ১৬ বছরে এই জুলাই-আগস্টে যে মানুষগুলো আন্দোলনে গিয়েছে, যে মানুষগুলো সবকিছু উজাড় করে দেশকে স্বৈরাচারমুক্ত করেছে, আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য জীবনবাজি রেখে যারা যুদ্ধ করেছে, তাদের এই আত্মত্যাগ সেদিনই সফলতা লাভ করবে, যেদিন এদেশের মানুষ নির্বাচনের মাধ্যমে তাদের রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পাবে। আজ আমাদের সেই প্রতিজ্ঞা নিতে হবে, বাংলাদেশকে ফিরিয়ে আনতে হবে একটি স্বাভাবিক মঞ্চে। যা দেশের মানুষ প্রত্যাশা করে। দলমত নির্বিশেষে নিজেদের জীবনের নিরাপত্তা প্রত্যাশা করে। প্রতিটি শিশু, প্রতিটি শিক্ষার্থী নিরাপত্তা ও শিক্ষাগ্রহণের যে গ্যারান্টি চায়, প্রতিটি কৃষক তাদের অবদানের যে স্বীকৃতি চায়, এই সকল কিছু সরকার গঠনের মাধ্যমে ধীরে ধীরে সকল কিছু প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।
ঝিনাইদহ জেলা বিএনপি সভাপতি এম এ মজিদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনার সঞ্চালনায় সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, বিএনপি’র খুলনা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক জয়ন্ত কুমার কুণ্ডু, সহ-তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক আমিরুজ্জামান খান শিমুল, মীর রবিউল ইসলাম লাভলু, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, ঝিনাইদহ জেলা বিএনপি’র আক্তারুজ্জামান আক্তার, মুন্সি কামাল আজাদ পাননু, আব্দুর মজিদ বিশ্বাস, সাজেদুর রহমান পপ্পু, শাহজাহন আলী, এড. শামসুজ্জামান লাকী, আলমগীর হোসেন চেয়ারম্যান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইউনূস স্যার কিছু ভুল বলেননি, তবে... by শায়ের খান
তাঁর পোষা কুকুর বাচ্চা দিয়েছে। ঘর বানালেন কুকুরের। ঘরের দরজা বানালেন দু'টো। একটা ইয়া বড়, মা কুকুরের জন্য আর আরেকটা একটু ছোট, বাচ্চাদের জন্য। পরদিন দেখেন বড় দরজা দিয়ে ছোট্ট বাচ্চা বের হচ্ছে আর ছোটটা দিয়ে মা।

নিউটন
ভুল করেছিলেন বিজ্ঞানী আর্কিমিডিসও। রাজা তাঁকে নির্দেশ দিলেন নতুন বানানো মুকুটের সোনা আসল নাকি নকল, সেটা গবেষণা করে বের করতে। চিন্তায় পড়লেন আর্কিমিডিস। কোনো সমস্যাকেই তিনি সমস্যা ভাবেননি। গোসল করতে গিয়ে বাথটাব থেকেই বের করে ফেললেন মুকুটের সমাধান। খুশিতে ন্যাংটো হয়েই রাজপ্রাসাদের দিকে দিলেন দৌড়। রাজপথ দিয়ে ন্যাংটো হয়ে দৌড়ে চিৎকার করে করে বলতে লাগলেন- ইউরেকা! ইউরেকা!! যার অর্থ- পেয়েছি! পেয়েছি!! রাজ মুকুটের সোনার চিন্তায় ফিজিক্সের বিশাল আবিস্কার করেছিলেন আর্কিমিডিস। তবে জনসমক্ষে তাঁর ন্যাংটো হয়ে দৌড়ানো ঠিক হয়নি।

আর্কিমিডিস
বিজ্ঞানী গ্যালিলিওর ওপর জীবনভর শাস্তিটা নেমে আসে যখন তিনি বলেছিলেন- 'সূর্য স্থির, পৃথিবী তার চারদিকে ঘোরে।' এটা মেনে নিতে পারেননি তখনকার চার্চের ধর্মগুরুরা। শাস্তি পান বিজ্ঞানী জীবনভর। গ্যালিলিও তাত্ত্বিকভাবে সম্পূর্ণ ঠিক না বললেও তার সময়ের জন্য তিনি সঠিক ছিলেন। আসলে পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘোরে ঠিকই, কিন্তু সূর্য স্থির না, সেটাও চলমান। এটা পড়েছি পবিত্র কোরআনে।

গ্যালিলিও
অ্যামেরিকার নাসাও একই কথা বলেছে। আর গ্যালিলিওকে শাস্তি দিয়ে চার্চ যা করেছিলো, তা ছিলো পুরোপুরি বাকশালী কায়দার ফ্যাসিজম।
ভুল সব বিজ্ঞানীদের হয়, হয়েছে। বিজ্ঞানী স্যার ইউনূসেরও হতে পারে। সম্প্রতি জাতিসংঘে সফল সফরে আমাদের বিজ্ঞানী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের দু'টো কথা সবার নজর কেড়েছে। তিনি প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের সামনে বিপ্লবী ছাত্র-জনতার প্রতিনিধি মাহফুজকে পরিচয় করিয়ে দেন বিপ্লবের 'মাস্টারমাইন্ড' হিসেবে। আর এরসাথে যোগ করেন- 'বিপ্লবটা ছিলো নিখুঁত ও বিস্তৃতভাবে সুপরিকল্পিত।' সাথে সাথে বাংলাদেশে সদ্য পতিত স্বৈরাচারের ওত পেতে থাকা দোসররা কথাগুলো লুফে নেয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় তোলে তোলপাড়।

তাহলে ইউনূস স্যার কি কিছু ভুল বলেছিলেন? না, স্যার ভুল বলেননি মোটেও। কিন্তু সামান্য ভুল করেছেন। কেনো? বলছি।
পশ্চিম বা ইউরোপ বিগত দুই দশক ভুগেছে ইসলামোফোবিয়ায়। এখন তারা সেই জায়গা থেকে বের হয়ে আসার পথে আছে। পাশ্চাত্যে এখনো 'মাস্টারমাইন্ড' কথাটা আল কায়েদা'র বিন লাদেনের নামের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। বাংলাদেশেও।
প্রিয় ইউনূস স্যার, আপনাকে এই শব্দটাই বলতে হলো? আপনি কি বলতে পারতেন না 'মেইন ডিজাইনার' বা 'ইনিভিজিবল আর্কিটেক্ট' জাতীয় কিছু ? আমি ইংরেজিতে তেমন ভালো না। আপনিই ভালো বুঝবেন। দ্বিতীয় কথায় আসি। ‘হঠাৎ করেই কোনোকিছু হয়নি, এটা ছিলো বিস্তৃত নিখুঁত ও সুপরিকল্পিত’- কথাটায় পশ্চিমারা চমকে উঠেনি তো ? তাদের চোখে তো নাইন ইলেভেনও ‘হঠাৎ করেই কোনোকিছু না, সেটা ছিলো বিস্তৃত নিখুঁত ও সুপরিকল্পিত’। তার উপর স্যার আপনি যে নারী সমন্বয়ককে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন, সে পরে গেছে হিজাব ও বোরখা। পশ্চিমারা আবার অন্যকিছু ভাববে না তো স্যার ? একটু খেয়াল রাখবেন। আপনিই কিন্তু এখন এদের নেতা স্যার । এমনিতেই তো বিগত সরকার নিজ স্বার্থে জঙ্গি-টঙ্গি সব বলে বাইরে দেশের ভাবমূর্তির বারোটা বাজিয়ে রেখেছে।
স্যার, আপনাকে বলছি । বাংলাদেশে হাসিনা বিরোধী আন্দোলন চলেছে ১৫ বছর ধরে। ২০১২- ২০১৩ সালের হাসিনাবিরোধী আন্দোলন যারা দেখেনি, তারা আন্দোলন কী জানেই না। সেটা আপনি জানেন। পুরো বাংলাদেশ হয়ে পড়েছিলো অচল। যদি ভারত সরাসরি হস্তক্ষেপ না করতো, সেই বছরই নির্বাচনে বিদায় নিতে হতো ফ্যাসিস্ট সরকারকে । নিতে হতোই। কিন্তু দেশে হলো ফলস নির্বাচনের ফলস সরকার।
এরপর শুরু হলো সেই ভয়াবহ গুম-খুনের উৎসব। হাজারে হাজারে খুন-গুম। লাখে লাখে মামলা, গ্রেপ্তার। শুরু হলো মেগা প্রজেক্টের নামে লক্ষ কোটি টাকা লুটতরাজ। কেউ প্রতিবাদ করলেই তাকে বিএনপি- জামায়াত- জঙ্গি ট্যাগ লাগানো হতো। ২০১৮ সালের নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে স্কুল শিশুদেরও জামায়াত শিবির বলে হেলমেট বাহিনী দিয়ে শায়েস্তা করা হলো। লুটতরাজের টাকায় পদ্মা সেতু বানিয়ে সেখান থেকে বেগম খালেদা জিয়া'কে টুস করে পানিতে ফেলে দেয়া আর আপনাকে পদ্মার পানিতে চুবুনি দেয়ার মতো অসভ্য কথা শুনতে হলো জাতির।

তারপর ? তারপর ছাত্র-জনতা-গৃহিণী-শিশু সবাই এক ভীতিকর রাজ্যে বাস করতে লাগলো। সেখান থেকে নিজেকে ও দেশকে উদ্ধারে সবাই যার যার মতো বুদ্ধি আঁটতে লাগলো। ছাত্রছাত্রীরা চমৎকার এক বুদ্ধি এঁটে অরাজনৈতিকভাবে জনতার বিপ্লবকে এগিয়ে নিয়ে গেলো আর সবাই সম্মিলিতভাবে হটিয়ে দিলো স্বৈরাচার।

কিন্তু স্যার, আপনি এই বিপ্লবকে বারবার 'ছাত্রদের বিপ্লব' বলে সাধারণ জনতার সাথে তাদের দূরত্ব বাড়িয়ে দিচ্ছেন বলে অনেকে অভিযোগ করছেন। এতে ছাত্র-ছাত্রীরাও নাকি বিব্রত হচ্ছে। এদেশে ঊনসত্তরের গণ-আন্দোলন থেকে স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলন সবগুলোর অগ্রভাগে ছিলো ছাত্র-ছাত্রীরাই। কই তখন তো ছাত্র-ছাত্রীদের আলাদাভাবে হাইলাইট করা হয়নি? তারা সেটা চায়ওনি। আপনাকে এসব বুদ্ধি কে দেয় স্যার? আমি তো জানি আপনি নিজেই একজন মাস্টারমাইন্ড। ক্ষুদ্র ঋণের জনক।

প্রিয় ইউনূস স্যার, আপনাকে সম্মান করি একজন অসম্ভব প্রতিভাধর বিজ্ঞানী হিসেবে। আপনি আমাদের গর্ব। আপনি বিশ্বেরও গর্ব। কিন্তু মনে রাখতে হবে, আপনি এখন ১৮ কোটি মানুষের অভিভাবকও। আপনাকে এখন পাবলিকলি যা ইচ্ছা তা বললে বা করলে চলবে না। আপনি বিজ্ঞানী হলেও চাইলেই এখন নিউটনের মতো একই ঘরে ২টা কুকুরের জন্য আলাদা আলাদা দরজা বানাতে পারবেন না। চাইলেই পারবেন না আর্কিমিডিসের মতো বাথটাব থেকে উঠেই সো-জা বিজয় সরণী দিয়ে দৌড় দিতে।
আপনার ওপর গণতন্ত্রকামী মানুষ চেয়ে আছে স্যার। আপনি দেশকে উপযুক্ত সংস্কার করে গণতন্ত্রের মহাসাগরে দেশকে ভাসিয়ে তুলুন । তুলে দিন নির্বাচিত দক্ষ নাবিকের হাতে। আপনি তা পারবেন। এবং আমি দায়িত্ব নিয়ে বলছি- বাংলাদেশের যে কয়জন এই কাজটা পারবে, তাদের সেই ক্লাসে আপনার রোল নম্বর- এক । জনতা আপনার পাশে আছে। আপনি সবাইকে সাথে নিয়ে কাজটা করে দেখিয়ে দিন।
মহান আল্লাহ আমাদের সহায় হোন।
লেখক : নাট্যকার - ফিল্মমেকার
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাজার পর লেবাননে নৃশংসতায় মেতেছে ইসরাইল
সোমবার হামলা চালানো শুরুর পর থেকে কমপক্ষে ৭০০ মানুষ নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে এ সংখ্যা একেবারে সঠিক নয়। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ফিলিস্তিনি প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ মুস্তাফা ইসরাইলকে একটি দুর্বৃত্ত রাষ্ট্র হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি বলেছেন, গাজায় যুদ্ধাপরাধ, পশ্চিমতীর দখল করে রাখা এবং লেবাননের জনগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য অবশ্যই তাদের জবাবদিহি নিশ্চিত করা উচিত। গত বছর ৭ই অক্টোবর থেকে ইসরাইলের ভয়াবহ হামলায় গাজায় নিহতের সংখ্যা ৪১,৫৩৪ ছাড়িয়ে গেছে। এর মধ্যে লেবাননে সম্ভাব্য স্থল আগ্রাসন চালাতে ইসরাইলের উত্তরাঞ্চলে গত সপ্তাহের শুরুর দিকে দুই ব্যাটালিয়ন সেনা পাঠিয়েছে ইসরাইল। সর্বশেষ সেন্ট্রাল কমান্ড ডিফেন্সকে আরও শক্তিশালী করতে তারা আরও রিজার্ভ তিনটি ব্যাটালিয়ানকে পাঠিয়েছে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন লেবাননে ইসরাইলের স্থল হামলার বিষয়ে সতর্ক করেছেন। তিনি বলেছেন, স্থল হামলা থেকে বিরত থাকা উচিত ইসরাইলের। কারণ, এই যুদ্ধ তাহলে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এমনকি তা আরও বৃহত্তর রূপ নিতে পারে। ইসরাইলি সেনাবাহিনী বলেছে, লেবাননের বেকা ভ্যালিতে যোদ্ধাগোষ্ঠী হিজবুল্লাহর কয়েক ডজন অবস্থানস্থলকে টার্গেট করেছে তাদের যুদ্ধবিমান। এ ছাড়া দক্ষিণ লেবাননে বিভিন্ন এলাকায় হামলা চালিয়েছে। হামলা অব্যাহত আছে। কিন্তু লেবানন থেকে আল জাজিরার সাংবাদিক বলছেন, হামলা হচ্ছে বেসামরিক জনগণের বসবাস আছে এমন ভবনগুলোতে। অন্যদিকে ইসরাইলের দাবি এসব ভবনে হিজবুল্লাহ অস্ত্র গুদামজাত করে রেখেছে। শুক্রবার রাতে এবং এর পরে যেসব হামলা হয়েছে তাতে কি পরিমাণ মানুষ হতাহত হয়েছেন তা জানা যায়নি। শনিবার সকালেও ভয়াবহভাবে যুদ্ধবিমান থেকে হামলা চালানো হচ্ছিল।
অন্যদিকে হিজবুল্লাহর হাতে ইসরাইলি সেনাদের মতো অত্যাধুনিক অস্ত্র নেই। তারা টেলিগ্রাম চ্যানেলে দেয়া বিবৃতিতে বলেছে, ইসরাইলে তারা দুটি হামলা করেছে। তারা বলেছে, ইসরাইলের দক্ষিণ-পূর্বের শহর হাইফা থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে রামাত ডেভিড এয়ারবেজের ওপর একটি ফাদি-৩ ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। ইসরাইলি মিডিয়ায় বলা হয়েছে, হাইফাকে ঘিরে থাকা দুটি শহরে আকাশ থেকে সাইরেন বাজানো হয়। অন্যদিকে লেবাননের বেকা ভ্যালি থেকে আল জাজিরার সাংবাদিক আসাদ বেগ বলেন, হিজবুল্লাহর শক্ত ঘাঁটি হিসেবে বিবেচনা করা হয় বেকা ভ্যালিকে। ফলে সবার দৃষ্টি এখন সেদিকে। পূর্বাঞ্চলীয় এবং পশ্চিমাঞ্চলীয় পাহাড়ি এলাকার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থান বেকা ভ্যালির। এর পাশেই রয়েছে সিরিয়া। ধারণা করা হয়, হিজবুল্লাহকে সিরিয়া অস্ত্র সরবরাহ দিয়ে থাকতে পারে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1426)
- ► 2025 (3281)
-
▼
2024
(2551)
-
▼
September
(772)
-
▼
Sep 29
(13)
- যেভাবে মার্কিন রাজনীতিবিদ, সামরিক কর্মকর্তা ও আইনজ...
- প্রায় অর্ধেক জীবন কেটে গেলো জেলে! ৪৬ বছর পর নির্দো...
- কি করবে হিজবুল্লাহ, ইসরাইল, ইরান!
- মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরমে, নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নে...
- হাসান নাসরুল্লাহর জীবনী
- ইসরায়েলকে ছাড় দিচ্ছে না প্রতিরোধ যোদ্ধারা
- বিপদে ইসরায়েলের অর্থনীতি, দুই যুদ্ধের ভারে ধসে পড়া...
- ড. ইউনূসের ভাষণের সমালোচনা ও একটি নির্মোহ বিশ্লেষণ...
- ১লা অক্টোবর থেকে কাজ শুরু: কী সংস্কার, কতোদিন লাগবে?
- জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছি- ডিএমপি কমিশনার
- ‘অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর আস্থা প্রশ্নহীন রাখার চ্য...
- ইউনূস স্যার কিছু ভুল বলেননি, তবে... by শায়ের খান
- গাজার পর লেবাননে নৃশংসতায় মেতেছে ইসরাইল
-
▼
Sep 29
(13)
-
▼
September
(772)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
