Thursday, August 20, 2015
সংসদীয় গণতন্ত্রে মন্ত্রিত্ব ও মন্ত্রিসভা by সৈয়দ আবুল মকসুদ
কোমলমতি বালক-বালিকারা টিভির পর্দায় দেশ-বিদেশের মন্ত্রীদের দেখে প্রতিদিন। তাদের কারও কারও মনে প্রশ্ন জাগতে পারে মন্ত্রিত্ব জিনিসটা আসলে কী? রূপকথার দেশের রাজা-উজিরের কথা আমরা ছোটবেলায় শুনেছি। রূপকথার দেশই আধুনিক রাষ্ট্র। এবং সেই উজিরই আধুনিক রাষ্ট্রে মন্ত্রী। এককালে যাদের বলা হতো প্রজা, এখন তাদের বলা হয় রাষ্ট্রের নাগরিক। রাষ্ট্র থাকলে মন্ত্রী থাকবেনই। রাষ্ট্রে যে পদ্ধতির সরকারই থাকুক না কেন, তাতে গণতন্ত্র থাকুক বা না থাকুক—মন্ত্রী থাকতেই হবে।
বঙ্গবন্ধুর প্রথম মন্ত্রিসভায় মন্ত্রী ছিলেন ১১ জন। সেটি ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বকালের সবচেয়ে নাজুক সময়। তখন তাঁর দলে মন্ত্রী করার মতো নেতা ছিলেন অন্তত জনা পঞ্চাশ। ওই মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানটি ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি স্মরণীয় ঘটনা। আমার মতো সামান্য মানুষের সৌভাগ্য হয়েছিল তাতে উপস্থিত থেকে তা প্রত্যক্ষ করার।
সংবিধান গৃহীত হওয়ার পরে ঐতিহাসিক সাধারণ নির্বাচন হয় ১৯৭৩ সালের মার্চে। সেই নির্বাচনী প্রচারাভিযানে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে মাস দুই সারা দেশে বহু জনসভায় তাঁর সফরসঙ্গী হওয়ার দুর্লভ সুযোগ আমার হয়েছিল। ভারতীয় ও পশ্চিমি মিডিয়ার সাংবাদিকেরাও কখনো থাকতেন। বঙ্গবন্ধুর মতো রাশভারী মানুষের মধ্যে একজন সহজ হাস্যরসিক মানুষ বাস করতেন। নতুন রাষ্ট্রে সীমাহীন সমস্যা। তাঁর বিরুদ্ধশক্তি সংখ্যায় অল্প হলেও খুবই সক্রিয় ও প্রতিহিংসাপরায়ণ। তার মধ্যেও তিনি হেলিকপ্টারে আমাদের সঙ্গে অতীতের তাঁর রাজনৈতিক জীবনের বহু ব্যাপারে স্মৃতিচারণামূলক গল্প করতেন। রসিকতা করতেন। নির্বাচনের সপ্তাহ খানেক পর তিনি তাঁর দ্বিতীয় মন্ত্রিসভা গঠন করেন। বঙ্গভবনে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানটি ছিল জমজমাট। বিদেশি কূটনীতিক, সাংবাদিকসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। তবে উপস্থিত ছিলেন না জাসদ, ন্যাপ প্রভৃতি পরাজিত দলগুলোর নেতারা। সম্ভবত আমাদের জিনে সংসদীয় গণতন্ত্রের উপাদান অনুপস্থিত। যা হোক, বঙ্গবন্ধুর দ্বিতীয় মন্ত্রিসভার মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীসহ আকার ছিল ১৯৯১-পরবর্তী প্রায় সব মন্ত্রিসভার তিন ভাগের এক ভাগ।
অখণ্ড ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে সংসদীয় পদ্ধতির মন্ত্রিসভা গঠিত হয় পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুর নেতৃত্বে ১৯৪৬ সালের ২ সেপ্টেম্বর। ভারতবর্ষ তখন ছিল আফগানিস্তান সীমান্ত থেকে মিয়ানমার পর্যন্ত বিস্তৃত, ওদিকে আসমুদ্রহিমাচল। ব্রিটিশ সরকার তখনো বিদায় নেয়নি, তবে নেওয়ার পথে। ভারতের জনগণের প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে তারা যেতে চান। আগস্ট মাসে তাঁরা কংগ্রেস ও মুসলিম লীগ নেতাদের ডেকে বলেন, আপনারা মিলেমিশে একটি মন্ত্রিসভা গঠন করুন। স্বাভাবিকভাবেই সবচেয়ে বড় দল কংগ্রেসের নেতা নেহরুকেই সরকারপ্রধান করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। জিন্নাহ নাখোশ। বহু দেনদরবার ও ঝগড়াঝাঁটির পর গঠিত হয় মন্ত্রিসভা। প্রকাণ্ড ভারতবর্ষ। এখনকার অনুপাতে হলে মন্ত্রিসভার সদস্য হওয়ার কথা ১ হাজার ২০০-এর কিছু বেশি। আমার কথা এখন সম্ভবত বিশ্বাস করবেন না অনেকেই। উপমহাদেশের প্রথম মন্ত্রিসভা গঠিত হয়েছিল ১৩ সদস্যবিশিষ্ট। পণ্ডিত নেহরুর সেই মন্ত্রিসভায় ছিলেন কংগ্রেসের সর্দার প্যাটেল, রাজেন্দ্র প্রসাদ, জগজীবন রাম, খ্রিষ্টান জন মাথাই, শিখ বলদেব সিং ও সি এইচ ভাবা এবং মুসলিম লীগের মন্ত্রীরা হলেন লিয়াকত আলী খান, আই আই চুন্দ্রীগর, আবদুর রব নিশতার, গজনফর আলী খান ও যোগেন্দ্রনাথ মণ্ডল।
এক বছর পরে ভারত ও পাকিস্তান যখন স্বাধীনতা অর্জন করে ১৯৪৭ সালের ১৪-১৫ আগস্ট, তখন দুই রাষ্ট্রেই সংসদীয় পদ্ধতির মন্ত্রিসভা গঠিত হয়। পাকিস্তানে প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খানের মন্ত্রিসভা এবং ভারতে প্রধানমন্ত্রী পণ্ডিত নেহরুর মন্ত্রিসভার সদস্যসংখ্যা ছিল ১৪-র কম। অন্যদিকে, যে ভূখণ্ড নিয়ে আজকের বাংলাদেশ, সেটি তখন পূর্ববঙ্গ বা পূর্ব পাকিস্তান প্রদেশ। এই প্রাদেশিক সরকারের মন্ত্রিসভা গঠিত হয়েছিল মুখ্যমন্ত্রী স্যার খাজা নাজিমুদ্দিনের নেতৃত্বে। তাঁর মন্ত্রিসভায় মন্ত্রী ছিলেন জনা আটেক। পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষের মন্ত্রিসভায় সদস্য ছিলেন সাত-আটজন। পূর্ব পাকিস্তানের দ্বিতীয় মুখ্যমন্ত্রী নূরুল আমীনের মন্ত্রিসভার আকারও ১০ ছাড়ায়নি।
বাংলার মাটিতে মন্ত্রিসভা গঠন নিয়ে গোলমাল চিরকালই হয়েছে। চুয়ান্নর ঐতিহাসিক নির্বাচনের পরে শেরেবাংলা ফজলুল হকের নেতৃত্বে যে মন্ত্রিসভা গঠিত হয় জনা কয়েককে নিয়ে, তার আয়ু ছিল কয়েক সপ্তাহ। টেন্ডার বিশেষজ্ঞ ছাত্র ও যুবনেতা, যাঁদের ছবিসংবলিত বিলবোর্ড ও ডিজিটাল ব্যানারে আজ ভরে গেছে প্রজাতন্ত্রের রাস্তাঘাট, গাছপালা ও বৈদ্যুতিক খাম্বা, তাঁদের অনেকেই জানেন না আওয়ামী লীগের প্রথম মন্ত্রিসভা গঠিত হয়েছিল মুখ্যমন্ত্রী আতাউর রহমান খানের নেতৃত্বে ১৯৫৬ সালের সেপ্টেম্বরে। শেখ মুজিবসহ যে কয়জন সেই কেবিনেটে মন্ত্রী ছিলেন, এখন বাংলাদেশে মন্ত্রিসভায় মন্ত্রীর সংখ্যা তার চেয়ে পাঁচ গুণ বেশি।
মাননীয় মন্ত্রীর একেবারে কাছে গিয়ে সালাম দিতে অথবা হ্যান্ডশেক করতে গিয়ে আজকাল হুমড়ি খেয়ে পড়ে অনেকেই হাত-পা পর্যন্ত ভাঙেন। কোনো মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ বিধাতার কৃপাদৃষ্টি পাওয়ার শামিল। গত ৪৫ বছরে বহু মন্ত্রীর সাহচর্য পেয়ে ধন্য হয়েছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তিন মন্ত্রিসভার মন্ত্রীদের অনেকেই ছিলেন আমার ঘনিষ্ঠ, বন্ধুস্থানীয় ও অনুজপ্রতিম। খালেদা জিয়ার মন্ত্রিসভারও অনেকে ছিলেন। কিন্তু আমার জীবনে প্রথম কোনো মন্ত্রীর হাতের পরশ পাই ১৯৫৪ সালে। ফজলুল হকের মন্ত্রিসভার কৃষক প্রজা পার্টির নেতা আবদুল লতিফ বিশ্বাস যেদিন মন্ত্রী হয়ে পায়জামা-শেরওয়ানি পরে পুলিিশ পাহারায় আমাদের বৈঠকখানায় গেলেন এবং আমার মাথায় হাত রাখলেন, সেদিন রোমাঞ্চিত হয়েছিলাম, সেই শিহরণ আমি এখনো অনুভব করি। তাতে বুঝতে পারি কেন মন্ত্রীর সামনে যাওয়ার জন্য আজ ধাক্কাধাক্কিতে অনেকে পাঞ্জাবি ছেঁড়েন, কেউ মোবাইল ফোন হারান, কেউ হাঁটু ভাঙেন, কেউ চশমা খোয়ান। যে লতিফ বিশ্বাসকে আমি এক হপ্তা আগে দেখেছি সাধারণ মানুষ, সাত দিন পরে শেরওয়ানি পরা অবস্থায় তাঁকে মনে হলো তিনি মানুষের বেশি কিছু—মন্ত্রী।
যাঁরা রাজনীতি করেন, তাঁরা কখনো এমপি হবেন অথবা মন্ত্রী হবেন, সেটা খুব স্বাভাবিক। কিন্তু সংসদীয় গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে যাঁরা সত্যিকারের জননেতা, তাঁদের কাছে মন্ত্রিত্ব বড় ব্যাপার নয়। ৭ মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ‘আমি প্রধানমন্ত্রিত্ব চাই না।’ সেটি তাঁর কথার কথা ছিল না। আতাউর রহমান খানের মন্ত্রিসভায় তিনি শিল্প, বাণিজ্য, শ্রম ও দুর্নীতি দমনমন্ত্রী ছিলেন। সংসদীয় গণতন্ত্র দলীয় রাজনীতির গণতন্ত্র। দল হিসেবে আওয়ামী লীগকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। শেখ মুজিব আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, মাওলানা ভাসানী সভাপতি। মাওলানা মুজিবকে বললেন, তুমি এখন মন্ত্রী। দপ্তরে অনেক কাজ করতে হয়। দলের কাজে সময় দেবে কখন? তোমাকে দলে দরকার। মন্ত্রী হওয়ার বহু লোক আছে। মন্ত্রিত্বে ইস্তফা দাও।
ওই সময়ের বিপুল কাগজপত্র ঘেঁটে আমি দেখেছি, কোনো রকম গড়িমসি বা মান-অভিমান না করে শেখ মুজিব মন্ত্রিত্বে ইস্তফা দেন ১৯৫৭ সালের জুলাইতে। তিনি জানতেন, তাঁকে যেতে হবে বহুদূর। সচিবালয়ের শীতাতপনিয়ন্ত্রিত অপরিসর কামরা তাঁর জন্য নয়। তাঁকে যেতে হবে জনগণের কাছে। তাদের কল্যাণে, তাদের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে তাদের পাশে থাকতে হবে। দলের সাধারণ সম্পাদকের পদে থাকতে তিনি মন্ত্রিত্ব ছুড়ে ফেলে দেন।
সংসদীয় গণতন্ত্রে মন্ত্রিত্ব পাওয়া ও হারানো খুব স্বাভাবিক ব্যাপার। কিন্তু আজকাল অনেকে মনে করেন, মন্ত্রিত্ব গেলে সবই গেল, জীবনটাও গেল, শুধু দেহটা খাঁচার মতো পড়ে রইল। সম্প্রতি সপ্তাহ খানেক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে নিয়ে যে নাটকটি মঞ্চস্থ হলো, তা অনেকে উপভোগ করলেও আমি বিরক্ত হয়েছি। রাষ্ট্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদ কয়েকটির দুটিই তাঁকে দেওয়া হয়েছিল। ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদকের পদ এবং স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়নমন্ত্রী। সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের সাধারণ সম্পাদকের পদটি প্রধানমন্ত্রীর পরেই সবচেয়ে ক্ষমতাধর। প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তাঁকে সেখান থেকে সরাননি। তিনি খুবই সজ্জন এবং তাঁকে আমরা সৎ হিসেবে জানি। সে জন্য তাঁর আলস্যকে সবাই ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখেন।
সংসদীয় গণতন্ত্রে মাঝে মাঝে মন্ত্রিসভায় রদবদল করা প্রয়োজন। কাউকে বাদ দিতে হয়, কাউকে যোগ করতে হয়। মন্ত্রিত্ব কোনো মৌরসি পাট্টা নয়। অলস, অদক্ষ ও অসৎ মন্ত্রীদের বাদ দিলে সরকারের জনপ্রিয়তা বাড়ে। তবে বড় আকারের মন্ত্রিসভাই দক্ষ ও ভালো মন্ত্রিসভা নয়। অনেক সময় তা বিরাট বোঝার মতো।
সৈয়দ আশরাফকে মন্ত্রিসভা থেকে বাদ দেওয়ার পর তাঁর অনুরাগীদের যে প্রতিক্রিয়া ও সহানুভূতির প্রকাশ, তা যথোচিত ছিল না। সংসদীয় গণতন্ত্রের সঙ্গে তা সংগতিপূর্ণ নয়। কেউ কেউ ঘটনাটিকে যেভাবে বিশ্লেষণ করলেন, তাতে কোনো দায়িত্বশীলতা ছিল না। কেউ লিখল, তিনি ‘দেশান্তরি’ হচ্ছেন অভিমানে, একই দিনে কেউ লিখল, ‘চমক আসছে’ এবং তাঁকে সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর পরিবর্তে সংসদ উপনেতা ও উপপ্রধানমন্ত্রী করা হচ্ছে। সংবিধানে উপপ্রধানমন্ত্রীর পদ কোথায়? খবরের সূত্র কে? ধারণা করি, এ-জাতীয় সংবাদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিব্রত হয়ে থাকবেন। বিব্রত হয়ে থাকবেন সৈয়দ আশরাফ নিজেও। শেখ হাসিনা ও সৈয়দ আশরাফ উভয়েই নিজ নিজ কীর্তিমান পিতাকে নির্মমভাবে হারিয়েছেন। তাঁদের ওই জায়গাটি নিয়ে রাজনীতি না করা ভালো। তাঁদের মধ্যে বিবাদ বাধানো বা মনোমালিন্যের সৃষ্টি করা খুবই অন্যায়। তাঁরা মিলেমিশে উভয়েই সুস্থধারার রাজনীতি করুন, দেশের কল্যাণ করুন, সেটাই কাম্য।
সৈয়দ আবুল মকসুদ: গবেষক, প্রাবন্ধিক ও কলাম লেখক৷
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘ভেলকিবাজ মোদি ঈশ্বরকেও বোকা বানাতে পারেন’ -লালু প্রসাদ যাদব
টাইমস অব ইন্ডিয়া অনলাইনের এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিধানসভা নির্বাচন সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী মোদি বিহারের উন্নয়নের জন্য ১২৫ লাখ কোটি রুপি বরাদ্দ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। মূলত এই ঘোষণার প্রতিক্রিয়ায় লালু মোদিকে ভেলকিবাজ বলেছেন।
বিহারের নির্বাচনে বিজেপিকে ঠেকাতে আদাজল খেয়ে লেগেছে আরজেডি, জেডি (ইউনাইটেড) এবং কংগ্রেস। কিন্তু ‘ম্যাজিকম্যান’ খ্যাত মোদি ও বিজেপির সভাপতি অমিত শাহ বিহারে শক্ত ঘাঁটি গাড়তে চান। এই মুহূর্তে চলছে নেতাদের কথার তুবড়ি। প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি ঝরছে তাদের মুখ থেকে। আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার চেষ্টা চলছে।
বুধবার ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের এক সম্মেলনে বক্তব্য দেওয়ার সময় মোদিকে কঠোর ভাষায় আক্রমণ করেন লালু। তিনি বলেন, ‘তিনি (মোদি) সবাইকে বোকা বানাতে পারেন। এমনকি ভগবানকেও। কিন্তু নির্বাচনের আগে জনগণকে দেওয়া এই সরকারের একটি প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়েছে- এমন প্রমাণ দিতে পারবেন না মোদি।’
লালুর অভিযোগ, ‘নির্বাচনে ফায়দা তুলতে বিশেষ প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন মোদি। আগামী তিন মাস তার মুখে প্যাকেজের কথা শোনা যাবে। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পর এই ১৫ মাস তিনি কোথায় ছিলেন? এসব পুরোনো প্যাকেজ। তিনি বিহারের জনগণকে ধ্বংস করতে চান।’
বিজেপিকে সাম্প্রদায়িক দল হিসেবে অভিহিত করে লালু বলেন, ‘আমি মরব তবু কোনো সাম্প্রদায়িক শক্তিকে বিহার শাসন করতে দেব না।... যারা ধর্ম নিয়ে খেলছে, আমি তাদের ধ্বংস করব।’
উল্লেখ্য, তিন মাস পর বিহারে বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শরীরের বিশেষ স্থানের প্রতি আকর্ষণ হওয়ায় তাদের ধন্যবাদ দিলেন তসলিমা!
এদিকে, কলকাতার উগ্রপন্থী মুসলমানরা তসলিমার স্তন কেটে নেয়ার যে হুমকি দিয়েছে তা নিয়ে মোটেও চিন্তিত নন। ওরা আমার স্তন কেন আরো কিছু চাইলে দিতে পারি। অবশেষে আমার শরীরের বিশেষ স্থানের প্রতি আকর্ষণ হওয়ার তাদের ধন্যবাদ দেয়ার আগে আমাকে ভিসার মেয়াদটা যেন বাড়ানো হয়।
তসলিমা আরো বলেন, রেসিডেন্স পারমিটের মেয়াদ বৃদ্ধির ব্যাপারে তিনি আশাবাদী। ১৭ই আগস্ট তার পূর্বের পারমিটের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। বর্তমানে সুইডেনের নাগরিক তসলিমা বলেন, রেসিডেন্স পারমিটের মেয়াদ বৃদ্ধি না হওয়ার কথা আমি দুঃস্বপ্নেও ভাবতে পারি না।
ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানিয়েছে, সেখানে তসলিমার বসবাসের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তবে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। ৫২ বছর বয়সী এ লেখিকা বলেন, অতীতে এ ধরণের সাক্ষাতের জন্য আবেদন করলে একদিনের বেশি সময় লাগতো না। কিন্তু এখন ইতিমধ্যে ২ দিন হয়ে গেছে, কিন্তু আমি কোনো সাড়া পাইনি।
প্রসঙ্গত, ১৯৯৪ সালে ইসলাম ধর্মের অবমাননার অভিযোগে দেশত্যাগ করেন তসলিমা। সর্বশেষ ২০১৪ সালে ১ বছরের জন্য ভারতে অবস্থানের অনুমতি পেয়েছিলেন তিনি। যার মেয়াদ ১৭ই আগস্ট শেষ হয়েছে। যদিও ২০০৪ সাল থেকে তিনি ভারতে থাকছেন। ভারত তার ভিসার মেয়াদ নিয়মিতই বাড়িয়েছে। বেশ কয়েকবার তিনি ভারতে স্থায়ীভাবে থেকে যাবার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।
বিশেষ করে কলকাতায় থাকার ইচ্ছা তার বহুদিনের। এমনকি একসময় বাঙালি অধ্যুষিত এ শহরটিতে থাকতেনও তিনি। কিন্তু সেখানে তাকে নিয়ে বেশ কয়েকটি ইসলামপন্থী দল আন্দোলন শুরু করলে পশ্চিমবঙ্গ সরকার তাকে অন্যত্র চলে যেতে বলে। এরপর থেকে তিনি রাজধানী দিল্লিতে বসবাস করছেন।
তিনি জানান, ভারতে অবস্থানের অনুমতি না পেলে, পরিচয় সংকটে পড়বেন তিনি। যা তার লেখালেখি ও নারী অধিকার বিষয়ক লড়াইয়ে প্রভাব ফেলবে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বন্দুকযুদ্ধ নয়, আরজুকে হত্যা করা হয়েছে: সাংসদ তাপস
গত মঙ্গলবার ভোর সাড়ে চারটার দিকে র্যাবের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে মারা যান আরজু মিয়া (২৮)। গত সোমবার রাজা মিয়া (১৬) নামের এক কিশোরকে চুরির অভিযোগে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ ওঠে আরজু ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে। রাজা মিয়া হত্যা মামলার প্রধান আসামি ছিলেন আরজু মিয়া।
গতকাল বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করে হাজারীবাগের আওয়ামী লীগ নেতারা বলেন, বন্দুকযুদ্ধের নাটক সাজিয়ে আরজুকে হত্যা করা হয়েছে। তাঁরা এ ‘হত্যা’র সঙ্গে জড়িত র্যাব সদস্যদের শাস্তি দাবি করেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আরজুর কয়েকজন স্বজন, স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলরসহ হাজারীবাগ থানা আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের প্রায় ১০০ নেতা-কর্মী। লিখিত বক্তব্য পড়েন থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদেক হামিদ ওরফে সাজু।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, আরজু মিয়া কোনো অপরাধে জড়িত ছিলেন না, তাঁর বিরুদ্ধে কোনো মামলা বা জিডিও নেই। আর এলাকার স্বীকৃত মাদকসেবী রাজা মিয়াকে চুরির অভিযোগে স্থানীয় মানুষ মারপিট করলে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আরজুকে ফাঁসানো হয়েছে। এতে র্যাবের পাশাপাশি সরকারেরও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরজুর ভাই মাসুদ রানা বলেন, আরজু নিহত হওয়ার পর থেকে পরিবারের সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। তিনি বলেন, ‘মা আমারে বলছে, তুই কোনো মামলা-মোকদ্দমা করবি না। আমার এক ছেলেরে ক্রসে দিছে। ও রাজনীতি করত, আর তুই তো সাধারণ মানুষ। তোরে যে ক্রসে দেবে না, তার কী গ্যারান্টি?’
গতকাল বেলা দুইটার দিকে হাজারীবাগ পার্কে আরজু মিয়ার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। বৃষ্টিতে ভিজে সহস্রাধিক মানুষ জানাজায় অংশ নেন। সাংসদ ফজলে নূর তাপস ও সাবেক সাংসদ মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিনসহ হাজারীবাগ থানা ও ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা জানাজায় অংশ নেন। এরপর লাশ আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হয়। জানাজার সময় দেওয়া বক্তব্যে সাংসদ তাপস বিষয়টিকে হত্যাকাণ্ড দাবি করে ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চান।
সন্ধ্যায় প্রথম আলোর পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে সাংসদ ফজলে নূর বলেন, ‘আরজু নিরীহ-নিরপরাধ ছেলে। তাকে র্যাব ধরে নিয়ে গিয়ে মেরে ফেলেছে। ওখানে সেদিন যে ছেলেটা (রাজা) মারা গেছে, তার পরিবারই বলছে সে মাদকাসক্ত। সে চুরি করেছে, তাকে হয়তোবা লোকজন একটু মারধর করেছে। পরে তার (রাজার) আত্মীয় শামীমই তাকে বেশি মারধর করেছে। শামীম বুকের ওপর এমনভাবে ছেলেটাকে মেরেছে যে পরে সে মারা গেছে। ওটা একটা দুর্ঘটনা। আমরা এ জন্য দুঃখিত। এখানে আরজুর কোনো অপরাধ থাকলে তার জন্য আইন ছিল, বিচার হতো। কিন্তু এ রকম একটা ছেলে, যার কোনো ব্যাড রেকর্ড নাই, কোনো মামলা-জিডি পর্যন্ত নাই, সেই ছেলেটাকে ধরে নিয়ে গিয়ে সকালবেলায় মেরে দিল। এটা কোনো কথা হতে পারে? এটা তো কোনো যৌক্তিক ঘটনা হতে পারে না!’
এটিকে ‘বন্দুকযুদ্ধ’ হিসেবে র্যাব যে দাবি করছে, সে বিষয়ে সাংসদ তাপস বলেন, ‘এটা (বন্দুকযুদ্ধ) একটা তথাকথিত গৎবাঁধা কথা। এটার কোনো মানে হয় না। এটা বিশ্বাসযোগ্যও না। এ রকম একটা নিরীহ ছেলের মৃত্যু আমি কোনোভাবে মেনে নিতে পারছি না। আমি এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছি। প্রতিবাদ জানিয়েছে সকলে। আমরা এটার সুষ্ঠু বিচার চাই। আমি তো মনে করি, এটা নারায়ণগঞ্জে যে রকম একটা ঘটনা (সাত খুন) ঘটেছিল সে রকমই একটা পুনরাবৃত্তি, এ ছাড়া কিছু না।’
যোগাযোগ করা হলে র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার মুফতি মাহমুদ খান এসব অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করেন। প্রথম আলোকে তিনি বলেন, মঙ্গলবারই র্যাব এ বিষয়ে বক্তব্য দিয়েছে। এর বাইরে এ বিষয়ে র্যাবের বলার মতো কিছু নেই।
মঙ্গলবার কমান্ডার মুফতি এ বিষয়ে বলেছিলেন, সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে আরজুকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। এরপর তাঁকে নিয়ে র্যাব-২-এর একটি টহল দল অভিযানে যাচ্ছিল। এ সময় কয়েকজন দুর্বৃত্ত আরজু মিয়াকে ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালায়। তখন র্যাবের সঙ্গে তাদের গোলাগুলি হয়। একপর্যায়ে আরজু মিয়াকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়।
ওসি বদলি: গতকাল রাতে হাজারীবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাইনুল ইসলামকে বদলি করা হয়েছে। যোগাযোগ করা হলে পুলিশের রমনা বিভাগের উপকমিশনার আবদুল বাতেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘স্বাভাবিক নিয়মেই ওসিকে বদলি করা হয়েছে। হাজারীবাগ থানায় ওসি হিসেবে মাইনুলের দুই বছর পার হয়েছে।’
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ছাড়পত্র পেল সুরাইয়া
স্বাস্থ্য মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম হাসপাতালে উপস্থিত হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মা নাজমা বেগমের কোলে তুলে দেন সুরাইয়াকে। এ ছাড়া বাবা বাচ্চু ভূঁইয়ার হাতে সুরাইয়ার হাসপাতাল ছাড়ার পত্র তুলে দেন মন্ত্রী। এর আগে মন্ত্রী সুরাইয়ার সার্বিক খোঁজখবর নেন।
ছাড়পত্রের আনুষ্ঠানিকতার আগে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এক সংবাদ সম্মেলনে শিশু সুরাইয়ার মঙ্গল কামনা করে।
গত ২৩ জুলাই মাগুরায় ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে মায়ের পেটে গুলিবিদ্ধ হয়ে সদর হাসপাতালে জরুরি অস্ত্রোপচারের পর সুরাইয়ার জন্ম।
২৬ জুলাই ভোর চারটার দিকে মা-বাবাকে ছাড়াই সুরাইয়াকে সংকটাপন্ন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসা হয়। কম ওজনের, সময়ের আগে জন্মানো শিশুটিকে নিয়ে ভীষণ দুশ্চিন্তায় ছিলেন হাসপাতালের চিকিৎসকেরা। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ১০ সদস্যের একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করে। চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ চেষ্টার পরও ওর শরীরে ধরা পড়ে জন্ডিস। রক্তে প্লাটিলেটের পরিমাণ কমতে শুরু করে দ্রুত। বুলেটের ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে পারলেও সংক্রমণের ধাক্কা কাটাতে পারবে কি না, তা নিয়ে নতুন করে সংশয় দেখা দেয়।
২৮ জুলাই চিকিৎসকেরা সুরাইয়াকে স্পেশাল কেয়ার বেবি ইউনিটে (স্ক্যাবু) নিয়ে যান। ২৯ তারিখ হাসপাতালে এসে পৌঁছান মা।
জন্মের ২৫ দিন পর প্রথমবারের মতো সুরাইয়াকে তার মায়ের মায়ের কোলে দেওয়া হয়। আজ ছাড়পত্র দেওয়া হলো।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সংসদ সদস্য পদ নিয়ে লতিফ সিদ্দিকীর রিট খারিজ
আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. এমদাদুল হক ও বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। গতকাল বুধবার এই আবেদনের ওপর শুনানি শেষ হয়।
গত বছরের সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে এক অনুষ্ঠানে হজ নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করায় লতিফ সিদ্দিকীর মন্ত্রিত্ব যায়। একই সঙ্গে নিজ দল আওয়ামী লীগ থেকে তিনি বহিষ্কৃত হন। দল থেকে বহিষ্কারের পর তাঁর সংসদ সদস্য পদ থাকবে কি না, তা মীমাংসার জন্য গত ১৩ জুলাই প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি দেন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। কমিশন ২৩ আগস্ট এ বিষয়ে শুনানির জন্য লতিফ সিদ্দিকীকে ডেকেছেন।
এরপর লতিফ সিদ্দিকী গত রোববার হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। এতে নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া স্পিকারের চিঠির কার্যকারিতা স্থগিতের আরজি জানানো হয়। একই সঙ্গে ওই চিঠি কেন অবৈধ ও অকার্যকর ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে রুলের আরজি জানানো হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার, আইনসচিব, কমিশন সচিবালয়ের উপসচিব (আইন) ও স্পিকারকে রিট আবেদনে বিবাদী করা হয়েছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘জামিনের জন্য আমার স্ত্রী মন্ত্রীকে ফোন করেনি’ -জামিনে মুক্তির পর সাংবাদিক প্রবীর সিকদার
‘কালকে আমাকে তিন দিনের রিমান্ডে নিল। জামিন নিয়ে আমার স্ত্রী কখনো মন্ত্রীকে ফোন করেনি। তবে মন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছে। সকালে আমি যখন কোর্ট দারোগার কাছে বসা, তখন এক পুলিশ কর্মকর্তা আমার স্ত্রীকে ডেকে নিয়ে যান। ওই পুলিশ কর্মকর্তা তাঁকে ডেকে নিয়ে ফোন ধরিয়ে দিয়ে বলেন, বৌদি একটু কথা বলেন। অপর প্রান্ত থেকে এক ভদ্রলোক পরিচয় না দিয়ে বলেন, বউমা কেমন আছেন। প্রবীর কেমন আছে। ফোনে তাকে বলা হয়, আমি জামিনের ব্যবস্থা করছি, জামিন হয়ে যাবে, চিন্তা কোরো না। এ কথার প্রেক্ষিতে আমার স্ত্রী তাঁর প্রতি ধন্যবাদ জানায়। তখন পর্যন্ত আমার স্ত্রী নিশ্চিত না যে সে কার সঙ্গে কথা বলেছে। তবে জামিনের কথা বলায় ধারণা করেছে যে প্রভাবশালী কেউ কথা বলেছেন।’
প্রবীর সিকদার বলেন, ‘মঙ্গলবার রিমান্ড মঞ্জুর হওয়ার পর পুলিশ আমাকে আর থানায় নিয়ে যায়নি। কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। বুধবার সকাল সাতটার দিকে আমি যখন দাঁত মাজছিলাম, তখন আমাকে জানানো হলো, থানা থেকে পুলিশ এসেছে নিয়ে যেতে। আমি বললাম, গোসল না করে যাওয়া সম্ভব নয়। আমি ভেবেছিলাম রিমান্ডে থাকব তিন দিন। এক শার্ট-প্যান্ট পড়ে থাকব। ওখানে গোসল করা হবে না। আমি গোসল শুরু করলে অন্তত ১০ বার আমাকে জেলগেটে যাওয়ার জন্য তাগাদা দেওয়া হয়। আমি সেভ ও নাশতা করতেও পারিনি। জেলগেটে এসে দেখতে পাই আমার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মনির হোসেন বসে আছেন। মনির আমাকে দেখে বলেন, দাদা কী বুঝতেছেন? আমি বলি, আপনি যদি আমাকে খুন করতে চান, তবে খুন করে ফেলুন, কিন্তু টর্চার করবেন না। এসআই মনির আমাকে বলেন, আপনার জামিনের ব্যবস্থা হয়ে যাচ্ছে। আমি তাঁর কথা বিশ্বাস করিনি। কারণ পুলিশ গ্রেপ্তার হওয়ার আগে কেমন আচরণ করে আর গ্রেপ্তার হওয়ার পরে কেমন আচরণ করে, তা তো আমি এই কদিনে টের পেয়েছি।’
জামিনের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রবীর সিকদার বলেন, ‘আজ আমাকে হাতকড়া পরায়নি। অথচ গত কয়েক দিন আমার দুই হাতেই হাতকড়া পরানো হয়েছে। আমি বললাম, আপনি হাতকড়া পরান। কিন্তু তিনি বলেন, মনে করেন আপনার জামিন হয়ে গেছে। তারপরও আমাকে হাতকড়া না পরিয়ে জেলগেট থেকে গাড়িতে ওঠাল এবং ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় ওসির রুমে নিয়ে যায়। আমাকে মনির বলে, দাদা এখন কী করবেন? আমি বলি, আপনিই জানেন আপনি কী করবেন। এসআই মনির বলেন, আমি তো ইন্টারোগেশন শেষ করে ফেলেছি। আমি বলি, কী রকম? তিনি বলেন, আমার কাজ শেষ।
‘এরপর আমাকে আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁরাই বাদী ও বাদীপক্ষের আইনজীবীদের খবর দিয়ে নিয়ে আসেন। আমার জামিনের আবেদন দেওয়া হলো। বাদীপক্ষের আইনজীবীরা বলেন, দাদা মনে কিছু কইরেন না, সব ব্যবস্থা হচ্ছে। আপনার জামিন হবে। আমরা ম্যাজিস্ট্রেটকে বলে যাচ্ছি। পরে আমি যখন আদালতে যাই, দেখলাম তাঁরা ম্যাজিস্ট্রেটের কক্ষ থেকে বের হয়ে গেলেন। তারপর আমার আইনজীবী জামিনের আবেদন করলেন। কোর্ট দারোগা কোনো আপত্তি করলেন না এবং আমার জামিন হয়ে গেল।’
নিজের নিরাপত্তার বিষয়ে প্রবীর সিকদার বলেন, ‘আমার নিরাপত্তা কে দেবে? এবার তো আমাকে বাঁচিয়েছে জনগণ। পাশাপাশি সরকারের শীর্ষমহলের নিশ্চয়ই হস্তক্ষেপ আছে। তাদের আমি ধন্যবাদ জানাই। তবে গণমানুষের কাছে আমার ঋণ থাকবে। তারা যদি মাঠে না নামত, তাহলে বিষয়টা আরও দীর্ঘায়িত বা আরও ভয়াবহ পরিস্থিতি হতে পারত। তারপরেও মামলাটা কিন্তু রয়েই গেল। এর জন্য আমার মনে হচ্ছে তাৎক্ষণিক পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য একটা সাময়িক উপশম করা হয়েছে। কিন্তু মামলা থেকে যাওয়ায় পরে ঝামেলা করা হতে পারে। আমার বিপদ কেটে গেছে, এটা আমি মনে করি না। দেশে-বিদেশে যেভাবে প্রতিক্রিয়া হয়েছে, গণমাধ্যম সোচ্চার ছিল। ফলে সাময়িক পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য হয়তো এটা করা হয়েছে। কিন্তু মামলাটি পুরোপুরি প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত আমি নিজেকে নিরাপদ মনে করছি না।’
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ব্যাংকক হামলার পেছনে বড় চক্র
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শুভ্রার শেষকৃত্য সম্পন্ন
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সাংবাদিক গ্রেফতারে কোণঠাসা হাসিনা: আনন্দবাজার পত্রিকা
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মোদি-শরিফ নতুন ইনিংস স্থায়ী হোক by সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রাশিয়ার বাইরে উফা শহরটার নাম কজন জানতেন, তাতে আমার ঘোরতর সন্দেহ আছে। কিন্তু যেহেতু সেখানে দু-দুটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন (ব্রিকস ও এসসিও) হলো এবং সেই সম্মেলনের আসরে আরও একবার ভারত ও পাকিস্তানের মিলন ঘটল, উফা তাই বিশেষ পরিচিতি পেয়ে গেল। প্রায় অর্ধশতাব্দী আগে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের তাসখন্দ শহরও (এখন উজবেকিস্তান) ঠিক এভাবে বিখ্যাত হয়েছিল ভারত-পাকিস্তান সন্ধি স্থাপন ও ঠিক তার পরের দিন ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রীর আচমকা মৃত্যুর কারণে। ভারত ও পাকিস্তানের মধুর ও তিক্ত সম্পর্কের ওঠানামার খতিয়ানে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন ও রাশিয়া এভাবেই আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে রয়েছে। ইতিহাস এভাবেই ঘুরে ঘুরে আসে।
![]() |
| রাশিয়ার উফা শহরে সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) সম্মেলনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের মোলাকাত |
সম্পর্কে ওঠানামা থাকেই। কিন্তু তা তৈলাক্ত বাঁশে বাঁদরের ওঠানামার অঙ্ক অথবা সাপ-লুডো খেলার মতো হওয়া উচিত নয়। নরেন্দ্র মোদি ও নওয়াজ শরিফের এই নতুন ইনিংস দীর্ঘস্থায়ী হলেই মঙ্গল কিন্তু জীবন তো থেমে থাকার নয়। চিরকালীন শত্রুতা নিয়ে ঘর যেমন করা যায় না, তেমনই প্রতিবেশীকেও অস্বীকার করার উপায় নেই। সন্দেহ, অবিশ্বাস ও শত্রুতা সত্ত্বেও তাই বারবার হাত মেলানোর প্রচেষ্টা এই সম্পর্কে দেখা গেছে। ১৯৯৯ সালে অটল বিহারি বাজপেয়ি ঐতিহাসিক বাসযাত্রায় লাহোর গিয়েছেন। অথচ তার পরপরই ঘটে যায় কারগিল-কাণ্ড। এই নওয়াজ শরিফই সেই সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। তাঁরই নাকের ডগায় তাঁরই সেনাপ্রধান জেনারেল পারভেজ মোশাররফ কারগিল ছকে ফেলে ক্রমেই তাঁকে দেশত্যাগে বাধ্য করবেন, নওয়াজ শরিফ তা টের পাননি। কারগিল চুকেবুকে গেলে ফের সেই মিলনের উদ্যোগ। আগ্রা শীর্ষ সম্মেলনে পারভেজ মোশাররফ এসেছিলেন। ২০০১ সাল। ব্যর্থ সফরের পর সেই বছরেরই ডিসেম্বরে আক্রান্ত হলো ভারতের সংসদ ভবন। ফের সেই অবিশ্বাস। ফের তিক্ততা। ফের সেই সন্দেহ ও শত্রুতার চোরাস্রোত। ২০০৮ সালের মুম্বাই আক্রমণ সম্পর্ককে আরও একবার তলানিতে নিয়ে আসে। আস্থা ও বিশ্বাস অর্জনের তাগিদে ভুটানের থিম্পুতে ২০১১ সালে পররাষ্ট্রসচিব পর্যায়ের বৈঠকে ঠিক হয়, দুই দেশই ইতিবাচক ও গঠনমূলক আলোচনা চালিয়ে যাবে। কিন্তু তা সত্ত্বেও নিয়ন্ত্রণরেখায় অবিরাম সংঘর্ষের ফলে দুই বছরের মধ্যেই তিতিবিরক্ত মনমোহন সিং জানিয়ে দেন, ‘দেয়ার কান্ট বি বিজনেস অ্যাজ ইউজুয়াল উইথ পাকিস্তান’।
বলেছিলেন বটে, কিন্তু মুখ ফিরিয়ে চিরকাল যে থাকা যায় না, সেই উপলব্ধিও ভারতীয় নেতৃত্বের ছিল। রাজনৈতিক পালাবদলের সময় নরেন্দ্র মোদি তাই সার্ক দেশের সবাইকে আমন্ত্রণ জানান ঐতিহাসিক শপথ গ্রহণের সাক্ষী হতে। সম্পর্কের রকমফেরে সে ছিল এক দারুণ উদ্যোগ। তাঁর ‘প্রতিবেশী প্রথম’ নীতি যে স্রেফ চমকই নয়, তিনি যে সুসম্পর্ক স্থাপনে একান্তই আন্তরিক, তার প্রমাণও মোদি রাখতে চেয়েছিলেন বন্ধ থাকা দ্বিপক্ষীয় আলোচনা শুরুর মাধ্যমে। কিন্তু আবারও তার কেটে গেল। পররাষ্ট্রসচিবের ইসলামাবাদ সফরের ঠিক আগে সেই সফর বাতিল করে দেন মোদি নিজেই। কারণ, কাশ্মীরের বিচ্ছিন্নতাবাদী হুরিয়াত কনফারেন্স নেতাদের সঙ্গে পাকিস্তানি হাইকমিশনার আলোচনায় বসেছিলেন।
এত দূর এগিয়েও মোদি যে কেন হুরিয়াতকে খাঁড়া করে পিছিয়ে এলেন, তার সংগত কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া কঠিন। এমন নয় যে এর আগে পাকিস্তানের কোনো হাইকমিশনার হুরিয়াত নেতাদের সঙ্গে কথা বলেননি। কতবার যে এ রকম কথাবার্তা হয়েছে, তা হয়তো গুনে শেষ করা যাবে না। পাকিস্তান অথবা পাক অধিকৃত কাশ্মীরের নেতাদের সঙ্গে কথা বলতে যাওয়ার অনুমতিও হুরিয়াত নেতাদের দেওয়া হয়েছে। তবু কেন সেই আচমকা সিদ্ধান্ত? আরও একটি প্রশ্ন উঠতেই পারে। গত এক বছরে পাকিস্তান এমন কিছুই কি করেছে, যাতে বন্ধ থাকা আলোচনা ফের শুরু করা যায়? হাফিজ সঈদকে শাস্তি দিতে পারেনি। লাকভিকেও না। কাশ্মীরে অনুপ্রবেশ বন্ধ করে জঙ্গিবাদের বিস্তার ঠেকাতে কুটোটি পর্যন্ত নাড়েনি। ভেঙে দেয়নি নিয়ন্ত্রণরেখার ওপাশের জঙ্গি ঘাঁটিগুলো। দাউদ ইব্রাহিমের টিকিও তারা আজ অবধি ছুঁতে পারেনি। সেই দাউদ, এক যুগ আগে পাকিস্তানের হাতে উপপ্রধানমন্ত্রী তথা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লালকৃষ্ণ আদভানির তুলে দেওয়া সন্ত্রাসী-তালিকায় প্রথম নামটি যার ছিল!
তাহলে? কেন ফের কথা বলার তাগিদ? কেনইবা উফায় আচমকা দ্বিপক্ষীয় আলোচনার চমক? কেনই বা যৌথ ঘোষণাপত্রে বহু ঘোষিত ১০ দফা প্রস্তাবের নতুন উত্থাপন? কোন সিদ্ধান্তটি তাহলে ঠিক আর কোনটা ভুল? আলোচনাকে প্রাধান্য দেওয়া যদি ঠিক হয়ে থাকে, তাহলে ছয় মাস আগে কথা বন্ধ করার সিদ্ধান্তটি ভুল ছিল ধরতে হবে। মজাটা হলো, এই নিয়ে এখন কারও মুখে কোনো কথা নেই।
সব দেশের মতো ভারতের রাষ্ট্রনীতিতেও কট্টর ও মধ্যপন্থীদের একটা সংঘাত আছে। নরেন্দ্র মোদি যে দলের নেতা, পাকিস্তানের ক্ষেত্রে সেই বিজেপির নীতিও বরাবরই কট্টর। কিন্তু দুই পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্রের মধ্যে সংঘাতের পরিণতি মারাত্মক হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে ইসলামি মৌলবাদী শক্তি যখন দিন দিন বেড়ে চলেছে। সেই উপলব্ধি মোদির যে হঠাৎ আজ হলো, তেমন মনে করারও কোনো কারণ নেই। অতএব ধরে নেওয়া যায়, বাস্তববাদী মোদি আলোচনাকেই একমাত্র উপায় বলে ধরে নিয়েছেন। আলোচনা বন্ধের সিদ্ধান্ত যে ভুল ছিল, এই পদক্ষেপ প্রকারান্তরে তারই স্বীকারোক্তি। এটা তাঁর বোধোদয়।
অস্বীকার করার উপায় নেই, পাকিস্তানও সন্ত্রাসের শিকার। এটাও ঠিক, পাকিস্তানের ভাগ্য নিয়ন্ত্রক কেউ একা নয়। সেখানে গণতান্ত্রিক উপায়ে নির্বাচিত সরকার রয়েছে। প্রবল পরাক্রান্ত সেনাবাহিনী আছে। স্বার্থান্বেষী গোয়েন্দা বিভাগ আইএসআই রয়েছে। আর রয়েছে ধর্মীয় মৌলবাদী সন্ত্রাসী শক্তির প্রবল উপস্থিতি। এই চতুর্মুখী শক্তির মধ্য থেকে একজনকে বেছে নিতে হলে গণতন্ত্রী ভারতকে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত পাকিস্তানি সরকারকেই বেছে নিতে হবে।
সম্পর্কে ওঠানামা থাকেই। কিন্তু তা তৈলাক্ত বাঁশে বাঁদরের ওঠানামার অঙ্ক অথবা সাপ-লুডো খেলার মতো হওয়া উচিত নয়। নরেন্দ্র মোদি ও নওয়াজ শরিফের এই নতুন ইনিংস দীর্ঘস্থায়ী হলেই মঙ্গল।
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়: প্রথম আলোর নয়াদিল্লি প্রতিনিধি।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘মত প্রকাশ ও আইন প্রয়োগ দুটোতেই বাড়াবাড়ি হচ্ছে’
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এবার বিক্রমাসিংহের কাছে ধরাশায়ী রাজাপক্ষে
![]() |
| মাহিন্দা রাজাপক্ষে |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হামলাকারী শনাক্ত, আবার বিস্ফোরণ
![]() |
| ব্যাংককে বিস্ফোরণে নিহত এক চীনা পর্যটকের মৃতদেহ গতকাল মর্গে শনাক্ত করার পর তাঁর স্বজনদের আহাজারি। এএফপি |
সোমবারের মতো গতকালের বিস্ফোরণের দায়ও কেউ স্বীকার করেনি। ব্যাংককের কেন্দ্রস্থলে সোমবার সন্ধ্যায় হিন্দু মন্দিরের সামনের রাস্তায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে এ পর্যন্ত ২৩ জন নিহত হয়েছে। আহত হয় শতাধিক। এদিকে মন্দিরে হামলায় শোকবিহ্বল হয়ে পড়েছে ব্যাংককবাসী। হামলায় আহত ব্যক্তিদের রক্ত দিতে দীর্ঘ সারি চোখে পড়েছে গতকাল। রক্ত দিতে আসা এমন এই থাই নারী রাভিওয়ান বলছিলেন, ‘ব্যাংককের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমি শঙ্কিত। এরপর কী ঘটবে তা জানি না।’About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পৃথিবীর ‘প্রথম ফুল’
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গণপিটুনিতে নিহতেরা তালিকাভুক্ত ডাকাত: পুলিশ
![]() |
| নরসিংদীর মনোহরদীতে গণপিটুনিতে আহত আমিনুলকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। ছবিটি মনোহরদী থানা থেকে তোলা। ছবি: মনিরুজ্জামান |
ফারুক মিয়ার বাড়ি মনোহরদীর গোতাশিয়া ইউনিয়নের নামাগোতাশিয়া গ্রামে। আমজাদের বাড়ি শিবপুর উপজেলার মাছিমপুর এলাকায়।
মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেনের ভাষ্য, হতাহত সবাই পুলিশের তালিকাভুক্ত ডাকাত। গণপিটুনিতে আহত আমিনুল নিহত ব্যক্তিদের পরিচয় নিশ্চিত করেছেন। বিভিন্ন থানায় তাঁদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। এর মধ্যে নিহত আমজাদ হোসেনের বিরুদ্ধে ডাকাতি, বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে শিবপুর থানায় সাতটি মামলা রয়েছে। নিহত ফারুকের বিরুদ্ধে মনোহরদী ও বেলাব থানায় ডাকাতির অভিযোগে মামলা রয়েছে। ডাকাতির অভিযোগে পালিয়ে যাওয়া রাজ্জাক ও মোশারফের বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।
গণপিটুনিতে আহত আমিনুলের তথ্যের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, শুকুন্দী-মনোহরদী সড়কের সুতারলরিকান্দা এলাকায় গতকাল রাত সোয়া আটটার দিকে একটি ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে ফারুক মিয়া, আমজাদ হোসেন, আমিনুল ইসলাম, রাজ্জাক মিয়া ও মোশারফ হোসেন নামের পাঁচজন যুবক আসেন। সেখানে তাঁরা সড়কের মাঝখানে গাছ ফেলে সিএনজিচালিত অটোরিকশা আটকান। পরে চালক ও যাত্রীদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন, নগদ টাকা নিয়ে নেয়। আশপাশের লোকজন এ সময় তাঁদের ঘিরে ফেলে। রাজ্জাক মিয়া ও মোশাররফ পালিয়ে যান। ফারুক, আমজাদ ও আমিনুলকে গণপিটুনি দেওয়া হয়। তাঁদের মধ্যে ফারুক ও আমজাদ মারা যান। আমিনুল এখন মনোহরদী থানায় রয়েছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ওচালানকে বাইরে রেখে বড় ঝুঁকি নিল তুরস্ক -রয়টার্সের বিশ্লেষণ
![]() |
| আবদুল্লাহ ওচালান |
আবদুল্লাহ ওচালান নামের এই ব্যক্তি কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি বা পিকেকে (পারতিয়া কারকেরেন কুর্দিস্তান) প্রতিষ্ঠাতাদের একজন। রাষ্ট্র তুরস্কের বিরুদ্ধে পিকেকে প্রথম অস্ত্র হাতে তুলে নেয় ১৯৮৪ সালে। তাদের বিচ্ছিন্নতাবাদী তৎপরতার ইতি ঘটাতে তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান ২০১২ সালে যে সংলাপ শুরু করেন, তাতে আঙ্কারার প্রধান প্রতিপক্ষ ছিলেন এই ওচালানই।
কিন্তু বর্তমানে তুর্কি যুদ্ধবিমানের পিকেকের শিবিরগুলোতে উপর্যুপরি বোমাবর্ষণ ও তুর্কি সেনাদের ওপর কুর্দি বিদ্রোহীদের হামলা জোরদার হওয়ার প্রেক্ষাপটে ওচালান গত মার্চ মাসে যে অস্ত্রবিরতির আহ্বান জানিয়েছিলেন, তা এখন আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছে। মর্মর সাগরে অবস্থিত ইমরালি দ্বীপের নির্জন কারাগারে থাকা ওচালানের কণ্ঠস্বরও এখন আর শোনা যাচ্ছে না।
যে কুর্দিপন্থীবিরোধী রাজনীতিকেরা ওই শান্তিপ্রক্রিয়ায় মধ্যস্থতা করছিলেন, তাঁদের পিকেকে নেতা ওচালানের সঙ্গে দেখা করতে দিচ্ছে না তুর্কি কর্তৃপক্ষ।
তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান গত মঙ্গলবার সামরিক বাহিনীর একটি অনুষ্ঠানে বলেন, ‘আমাদের দেশে একজন সন্ত্রাসীও অবশিষ্ট থাকা এবং (তাদের অস্ত্রগুলো) কংক্রিটের নিচে চাপা দেওয়া পর্যন্ত আমাদের যুদ্ধ চলবে।’ তাঁর এই অবস্থান তিনি শান্তিপ্রক্রিয়ার শুরুর দিনগুলোতে যে অবস্থান নিয়েছিলেন, তার সম্পূর্ণ বিপরীত। শান্তিপ্রক্রিয়ার সময় এরদোয়ান নানা স্লোগান তুলেছিলেন। এর মধ্যে ছিল ‘রক্তপাত থামাও, আমরা মায়েদের কান্না দেখতে চাই না।’
সাম্প্রতিক দিনগুলোতে তুরস্কে সহিংসতা ক্রমেই মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। গত ২০ জুলাই থেকে এ পর্যন্ত দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীরই অন্তত ২৬ সদস্যকে এই সহিংসতায় প্রাণ দিতে হয়েছে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দায় স্বীকার করেছে পিকেকে। ইস্তাম্বুলের লেখক ও কুর্দি গবেষক গারিথ জেনকিন্স বলেন, ‘সহিংসতা যদি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তাহলে রাষ্ট্র তুরস্ক বা পিকেকে কেউই আর সেটাকে বোতলে ভরতে সক্ষম হবে না।’
পিকেকের রাজনৈতিক গ্রুপগুলোর জোট অবশ্য অতি সম্প্রতি এক বিবৃতিতে তুরস্ক সরকার ও ওচালানের মধ্যে সংলাপ অবিলম্বে শুরুর আহ্বান জানিয়েছে। তবে রাজনৈতিক বন্দীদের মুক্তি ও একটি অস্ত্রবিরতি চুক্তিকে তারা পূর্বশর্ত হিসেবে দাঁড় করিয়েছে।
আঙ্কারা এই আহ্বানকে এখন পাত্তা দেবে না বলেই মনে হচ্ছে। শান্তিপ্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সরকারের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ‘শান্তিপ্রক্রিয়ায় ওচালান একজন খেলোয়াড়, এটা ঠিক। কিন্তু সমস্যাটা হচ্ছে, তাঁকে এতে ভূমিকা রাখতে হলে পিকেকে এবং এইচডিবিকে (কুর্দিপন্থীবিরোধী রাজনৈতিক দল) তাদের প্রতিশ্রুতিগুলো অবশ্যই বাস্তবায়ন করতে হবে। বাস্তবতা হচ্ছে—ওচালান যা চান, গ্রুপটি তা করেনি।’
পিকেকের মাঠপর্যায়ের জ্যেষ্ঠ নেতাদের মধ্যে ওচালান এখনো জনপ্রিয়। তবে দীর্ঘ অনুপস্থিতির কারণে তিনি এখন তরুণ গ্রুপগুলোর মধ্যে অতটা শ্রদ্ধাভাজন নন। এসব গ্রুপই সাম্প্রতিক সহিংসতাগুলোর পেছনে মূল ভূমিকা রাখছে বলে মনে করা হয়। তারপরও ওচালানের পক্ষ থেকে কোনো আহ্বান এলে পিকেকে যোদ্ধারা মানতে বাধ্য।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দুই ছাত্রলীগ নেতা 'বন্দুকযুদ্ধে' নিহত: সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স by আলমগীর হোসেন
এর আগে বাড্ডার আলোচিত আওয়ামী লীগের দুই নেতাসহ তিনজনকে হত্যার ঘটনায় রোববার রাতে স্থানীয় প্রভাবশালী বাড্ডা আওয়ামী লীগের শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক ফারুক মিলন ও আওয়ামী লীগ কর্মী নূর মোহাম্মদকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এর বাইরে চাঁদপুরে চাঁদা না পেয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের পিটিয়ে আহত করার ঘটনায়ও স্থানীয় যুবলীগ কর্মী মনির, লিটনসহ অন্তত আটজনকে পুলিশ গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে। দেশের আরও অনেক স্থানে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মী বা আওয়ামী লীগের নাম ভাঙানো বেশ কয়েকজন অপরাধীকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।
সরকারের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারা দেশে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে খুনোখুনি ও সন্ত্রাসের ব্যাপারে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন। অপরাধী কাউকে আশ্রয়-প্রশ্রয় বা তাদের পক্ষে তদবির না করতে মন্ত্রীদেরও হুশিয়ার করেন। বৈঠকে উপস্থিত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে খুনাখুনি ও সন্ত্রাসী কর্মকা-ের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেন বলেও নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে।
সচিবালয়ে মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যেও জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণের কথাটি ফুটে উঠেছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, অপরাধী যে-ই হোক, তাকে ছাড় দেয়া হবে না। মাগুরায় মাতৃগর্ভে শিশু গুলিবিদ্ধের ঘটনায় জড়িত অজিবর শেখ নিহত হওয়া প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মাগুরায় ঘটনাটি অত্যন্ত নৃশংস। ওই ব্যক্তি (অভিযুক্ত) এর আগেও অনেক গোলাগুলি করেছে। তাকে অনেক দিন ধরেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী খুঁজছিল। পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে ধরতে গেলে সে আত্মরক্ষার জন্য পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে লিপ্ত হয়ে নিহত হয়। বর্তমানে অপরাধ দমনে যা হচ্ছে, সবই আইন মেনে হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
হাজারীবাগে ছাত্রলীগ নেতা আরজু নিহত : রাজধানীর হাজারীবাগে মোবাইল চুরির অভিযোগে নির্মমভাবে পিটিয়ে কিশোর রাজাকে হত্যায় জড়িত প্রধান আসামি ছাত্রলীগ নেতা মোঃ আরজু মিয়া র্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে হাজারীবাগ বেড়িবাঁধের বাড়ুইবাড়ী এলাকায় মান্নান প্রিন্সিপালের বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে। আরজু হাজারীবাগ থানা ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। হাজারীবাগ থানার ওসি মাইনুল ইসলাম বলেন, কিশোর রাজা হত্যার ঘটনায় তার বোন রেশমা বেগমের দায়ের করা মামলায় আরজু ছিলেন প্রধান আসামি। আরজু হাজারীবাগ গণকটুলী এলাকার একটি বাসায় পরিবারের সঙ্গে থাকতেন।
র্যাব-২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাসুদ রানা বলেন, সোমবার রাতে আরজুকে আটক করার পর ভোর রাতে তাকে নিয়ে বাকি আসামিদের গ্রেফতারে অভিযানে বের হয় র্যাবের একটি দল। র্যাব সদস্যরা হাজারীবাগের বেড়িবাঁধের কাছে বাড়ুইবাড়ী এলাকায় গেলে আগে থেকে লুকিয়ে থাকা আরজুর সহযোগীরা র্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি চালান। র্যাবও তখন পাল্টা গুলি চালাতে থাকে। গোলাগুলির সময় আরজু পালাতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হন। পরে সহযোগীরা পালিয়ে গেলে আরজুকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, রোববার রাতে আরজুর গণকটুলী লেনের বাসা থেকে মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপ চুরি হয়। পাশেই গণকটুলী লেনে ৪২ নম্বর বাসায় বাবা বাবুল মিয়ার সঙ্গে থাকতেন রাজা। ওই ফোন-ল্যাপটপ চুরির অভিযোগে আরজু সোমবার সকালে বাসা থেকে কিশোর রাজাকে সন্দেহবশে ধরে নিয়ে যান। এরপর আরজু তার বাসার প্রধান গেট বন্ধ করে সহযোগীদের সঙ্গে নিয়ে কিশোর রাজাকে নির্মমভাবে পেটাতে থাকেন। একপর্যায়ে রাজা সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে অচেতন অবস্থায় রাজাকে তার বাসায় রেখে যান আরজু। পরে রাজাকে তার স্বজনরা ঢামেক হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় রাজার বোন রেশমা বেগম সোমবার রাতে আরজুকে প্রধান আসামি করে ১৩ জনের বিরুদ্ধে হাজারীবাগ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার এজাহারভুক্ত তিন আসামি সাগর, মনির ও সুজনকে ওই রাতেই পুলিশ গ্রেফতার করে। অপর দিকে মূলহোতা ও প্রধান আসামি ছাত্রলীগ নেতা আরজুকে আটক করেছিল র্যাব-২ এর একটি দল। সোমবারের এ ঘটনার পর চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। প্রতিবাদের ঝড় ওঠে নানা মহলে।
রাজা হত্যায় মনিরুজ্জামান ও সুমন রিমান্ডে : আদালত প্রতিবেদক জানান, কিশোর রাজা হত্যায় গ্রেফতার হওয়া সাগর স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। অন্য দুই আসামি মনির ও সুজনকে তিন দিন করে রিমান্ড দেয়া হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যার পর হাজারীবাগের গণকটুলী এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করে পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হাজারীবাগ থানা পুলিশের এসআই অলিভ মাহমুদ মঙ্গলবার তিন আসামিকে আদালতে হাজির করেন। এদের মধ্যে সাগর স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
মাগুরায় ছাত্রলীগ নেতা নিহত : মাগুরা সংবাদদাতা মুসাফির নজরুল জানান, ক্ষমতাসীন দলের দুই গ্রুপের সহিংসতায় মাতৃগর্ভে শিশু গুলিবিদ্ধ এবং একজন নিহত হওয়ার ঘটনায় দায়ের করা মামলার তিন নম্বর আসামি মেহেদী হাসান আজিবর ওরফে আজিবর শেখ বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন। আজিবর বিলুপ্ত মাগুরা পৌর ছাত্রলীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ছিলেন। সোমবার রাত ১টার দিকে শহরের দোয়ারপাড় এতিমখানা এলাকায় পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে তিনি নিহত হন। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে দুইটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। মাগুরার পুলিশ সুপার (এসপি) এ কে এম এহসান উল্লাহ এ খবর নিশ্চিত করেছেন।
এসপি এহসান উল্লাহ জানান, আজিবরসহ একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ দোয়ারপাড় এতিমখানা এলাকায় অবস্থান করছে- এমন খবরের ভিত্তিতে মাগুরা পুলিশের একাধিক টিম তাকে আটক করতে সেখানে অভিযান চালায়। এ সময় সন্ত্রাসীরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে ছুড়তে পালানোর চেষ্টা করে। পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। পরে ঘটনাস্থলে আজিবর শেখের গুলিবিদ্ধ মরদেহ পাওয়া যায়। অন্য সন্ত্রাসীরা পালিয়ে গেছে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দুইটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করে। আগের দিন সন্ধ্যায় (সোমবার) মাগুরা শহরের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছিল শালিখা উপজেলার সীমাখালী এলাকা থেকে পুলিশের হাতে আজিবর গ্রেফতার হয়েছেন। কিন্তু পুলিশ বারবার বিষয়টি সাংবাদিকদের কাছে অস্বীকার করে আসছিল।
২৩ জুলাই মাগুরায় সরকার সমর্থকদের দুই পক্ষের সংঘর্ষকালে মাতৃগর্ভে থাকা শিশুসহ মা নাজমা গুলিবিদ্ধ এবং মমিন ভূইয়া নামে একজন নিহত হওয়ার ঘটনায় ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়। মামলায় বাদী নিহত মমিনের ছেলে রুবেল তার এজাহারে উল্লেখ্য করেছেন, আজিবরের আগ্নেয়াস্ত্রের ছোড়া গুলিতে মমিনের মৃত্যু হয়েছে। এ মামলার প্রধান আসামি জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সেন সুমনকে ২ আগস্ট গ্রেফাতার করা হয়। বর্তমানে তিনি মাগুরা ডিবি পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। এ পর্যন্ত মামলার ৯ আসামি গ্রেফতার হয়েছেন। দুই নম্বর আসামি মোহাম্মদ আলীসহ ছয়জনকে পুলিশ এখনও গ্রেফতার করতে পারেনি।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ব্রাজিলের প্রেসিডেন্টের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ- ‘দিলমা চলে যাও’
প্রেসিডেন্ট
দিলমা রুসেফের অভিশংসনের দাবিতে গত রোববার ব্রাজিলজুড়ে লক্ষাধিক মানুষের
বিক্ষোভ হয়েছে। দুর্নীতির সামাল দিতে ব্যর্থ হওয়া এবং অর্থনৈতিক অবস্থার
অবনতির জন্য ক্ষমতাসীন রুসেফ সরকারকে দায়ী করেছে বিক্ষোভকারীরা। খবর
বিবিসির।সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ হয়েছে সাও পাওলো শহরে। সেখানে সাড়ে তিন লাখ মানুষ অংশ নেয়। বিক্ষোভ হয়েছে রিও ডি জেনিরোর কোপাকাবানা সৈকতে এবং রাজধানী ব্রাসিলিয়ায়ও। বিক্ষোভকারীদের অনেকেই ব্রাজিলের ফুটবল দলের হলুদ জার্সি পরে অংশ নেয়। কণ্ঠে অনেকেরই ছিল জাতীয় সংগীত। তাদের বহন করা ব্যানারে লেখা ছিল ‘দিলমা চলে যাও’।
দেশে ব্যাপক হারে বেকারত্বের হার বেড়ে যাওয়া এবং মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাওয়াও দিলমার জনপ্রিয়তা কমার কারণ বলে মনে করা হয়। ব্রাজিলের একটি কোম্পানির করা সাম্প্রতিক এক জরিপে দেখা গেছে, দরিদ্র এলাকাগুলোতে রুসেফের জনপ্রিয়তা এখনো রয়ে গেছে। গত নির্বাচনে তাঁর বিজয়ে এসব এলাকার বড় ভূমিকা ছিল।
![]() |
| ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট দিলমা রুসেফের পদত্যাগের দাবিতে গতকাল রোববার দেশজুড়ে বিক্ষোভ করেন হাজার হাজার বিক্ষোভকারী। ছবিটি সাও পাওলো থেকে তোলা। ছবি: রয়টার্স |
বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়, রাজধানী ব্রাসিলিয়ায় সমবেত বিক্ষোভকারীরা জাতীয় সংগীত গাইছিল আর ‘দিলমা তুমি চলে যাও’ বলে স্লোগান দিচ্ছিল। একই চিত্র ছিল রিও ডি জেনেরিও, সাও পাওলোসহ ব্রাজিলের অন্য শহরগুলোতেও। অনেকেই ব্রাজিলের ফুটবল দলের হলুদ রঙের জার্সি পড়ে বিক্ষোভে যোগ দেয়।
আয়োজকদের দাবি, গতকাল দেশজুড়ে মোট ১৯ লাখ নাগরিক বিক্ষোভে অংশ নিয়েছে। তবে পুলিশের দাবি, বিক্ষোভকারীর সংখ্যা ছিল মাত্র সাড়ে তিন লাখ।
সাও পাওলোর বিক্ষোভে অংশ নিয়ে বিক্ষোভের আয়োজক সংগঠন ‘ভেম প্রা রুয়া’-এর নেতা রোজেরিও চেকুয়ার বলেন, ‘দুর্নীতি আমরা আর সইতে পারছি না। আইনসভা কংগ্রেসের যদি ন্যূনতম বোধ-বিবেচনা থাকে, তা হলে তারা দিলমাকে অভিশংসনের সিদ্ধান্ত নেবে।’
বিবিসি অনলাইনের খবরে বলা হয়েছে, দিলমার বিরুদ্ধে এটাই প্রথম বিক্ষোভ নয়। এর আগে তাঁর বিরুদ্ধে চলতি বছরের মার্চ ও এপ্রিলে বিক্ষোভ হয়েছে। সেসময়ও হাজার হাজার বিক্ষোভকারী বিক্ষোভে অংশ নেয়।
ব্রাসিলিয়ায় গতকালের বিক্ষোভে যোগ দেওয়া অবসরপ্রাপ্ত প্রকৌশলী এলিনো এলভিস ডি মোরায়েস বলেন, ‘আমরা পরিবর্তন চাই। মানুষ রাস্তায় না নামলে পরিবর্তন অসম্ভব।’
![]() |
| দুর্নীতির দায়ে ব্রাজিলের আইনসভা যেন দেশটির প্রেসিডেন্ট দিলমা রুসেফকে অভিশংসন করে—সেই দাবিতে গতকাল রোববার দেশজুড়ে বিক্ষোভ করে হাজার হাজার বিক্ষোভকারী। ছবিটি সাও পাওলো থেকে তোলা। ছবি: রয়টার্স |
আগামী বছর রিও ডি জেনেরিওতে গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক হওয়ার কথা। এ অবস্থায় ব্রাজিলের জন্য আরও কঠিন দিন আসছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
দেশটির রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন তেল কোম্পানি পেট্রোব্রাস নিয়ে দিলমা ও তাঁর দল বড় ধরনের আর্থিক কেলেঙ্কারি ঘটিয়েছে বলে সাধারণ নাগরিকদের অভিযোগ। একই সঙ্গে তাদের অভিযোগ, এক দশক ধরে ব্রাজিলের অর্থনীতি ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও এখন তা নিম্নমুখী হচ্ছে। অর্থনীতির এই অবস্থা দেশটির মধ্যবিত্তকে উদ্বিগ্ন করে তুলছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ডিএনডি খাল দখলদারদের তালিকা হয়, উচ্ছেদ হয় না by শরীফ সুমন
সরেজমিন দেখা গেছে, ডিএনডি বাঁধ এলাকার ফতুল্লার ওয়াপদার পুল এলাকায় ডিএনডি খাল দখল করে দোকান নির্মাণের পাঁয়তারা চলছে। একইভাবে সদর উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন খালটিও দখল করে অসংখ্য স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। লামাপাড়া নয়ামাটি এলাকায় রূপসী গ্রুপের গার্মেন্ট সংলগ্ন এলাকায় ডিএনডি খাল ভরাট করে সরু নালায় পরিণত করা হয়েছে। সিদ্ধিরগঞ্জের পাইনাদী পূর্বপাড়ায় মিজমিজি টিসি রোড সংলগ্ন এলাকায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতার আত্মীয় ইসহাক মিয়া নিষ্কাশন খাল (কংস নদী) ভরাট করে তার বাড়ির জন্য রাস্তা নির্মাণ করেছেন। একই অবস্থা ডিএনডির বিভিন্ন এলাকার খালগুলোর।
জানা গেছে, ১৯৬২-৬৮ সালে ৮ হাজার ৩৪০ হেক্টর জমি নিয়ে তৈরি করা হয় ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-ডেমরা (ডিএনডি) বাঁধ। ৩২ দশমিক ৮ কিলোমিটার ডিএনডি বাঁধের ভেতর ৫৬ বর্গকিলোমিটার এলাকায় অন্তত ২০ লাখ লোকের বাস। ইরি ধান চাষাবাদের জন্য ১৯৬৫ সালে ডিএনডি বাঁধ নির্মাণ শুরু হয়। তখন ডিএনডির ভেতরে সেচ প্রকল্প ছিল ৫ হাজার ৬৪ হেক্টর। সূত্র জানায়, ডিএনডি বাঁধের ভেতর কংস নদী এবং নলখালী খালের মতো ৯টি খাল ছিল; যা ডিএনডির ইরিগেশন প্রজেক্টে সেচ খাল হিসেবে ব্যবহার করা হতো। এসব খালের ছিল আরও ৯টি শাখা খাল। এছাড়াও ছিল ২১০টি আউটলেট, ১০টি নিষ্কাশন খাল। এসব খালের সর্বমোট দৈর্ঘ্য ছিল ১৮৬ কিলোমিটার। এর মধ্যে এক কিলোমিটার দীর্ঘ ইনটেক খাল, ১৩ কিলোমিটার দীর্ঘ মেইন ক্যানেল টার্ন আউট খাল ছিল। এর মধ্যে আবার চ্যানেল-১ খালের দৈর্ঘ্য ৭ দশমিক ৯০ কিলোমিটার, চ্যানেল-২ এর দৈর্ঘ্য ৫ দশমিক ৮০ কিলোমিটার, পাগলা খাল ৩ কিলোমিটার, জালকুড়ি খাল ২ দশমিক ১০ কিলোমিটার, শ্যামপুর খাল ২ দশমিক ৭০ কিলোমিটার, ফতুল্লা খাল ১ দশমিক ৮০ কিলোমিটার ও সেকেন্ডারি চ্যানেলের দৈর্ঘ্য ছিল ১০ কিলোমিটার। এসব খালের অধিকাংশই ভরাট হয়ে গেছে বলে ভুক্তভোগীরা জানান।
স্থানীয় সূত্র জানায়, আশির দশকের পর থেকে লোকজন ডিএনডি বাঁধের ভেতর জমি কিনে অপরিকল্পিতভাবে বাড়িঘর, ইটের ভাটা, ছোট-বড় শিল্প-কারখানা নির্মাণ করেন। কিন্তু জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের রক্ষণাবেক্ষণ না থাকায় খাল দখল ও ভরাট করে দোকানপাট, ঘরবাড়ি, কলকারখানাসহ বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে। এতে নিম্নাঞ্চলের রাস্তাঘাট, বাড়িঘর, দোকানপাট, স্কুল-কলেজ, মসজিদ-মাদরাসা, শিল্প প্রতিষ্ঠানসহ অন্যান্য স্থাপনা অল্প বৃষ্টিতেই হাঁটু পানিতে তলিয়ে যায়। এ নিয়ে এলাকাবাসী দীর্ঘদিন আন্দোলন করে আসছেন। দুর্ভোগ থেকে রক্ষা পেতে পানি নিষ্কাশনের দাবি জানিয়ে সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক আনিছুর রহমান মিঞার কাছে স্মারকলিপি দেন ফতুল্লার কায়েমপুরসহ কয়েকটি এলাকার বাসিন্দারা। ডিএনডির জলাবদ্ধতা নিরসনকল্পে পানি উন্নয়ন বোর্ড সম্প্রতি প্রায় ১০০ কিলোমিটার নিষ্কাশন খালের মধ্যে ৩৯ কিলোমিটার জায়গার ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করতে ১ কোটি ২০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়। তবে এই অর্থ শুধু কচুরিপানা পরিষ্কারেই শেষ হয়ে গেছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের ডিভিশন-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী আসিফ উদ দৌলা আলোকিত বাংলাদেশকে জানান, দেড় বছর আগে খাল ও অবৈধ দখলদারের তালিকা তৈরি করা হয়েছিল। সম্প্রতি দখলদারের সংখ্যা আরও বেড়েছে। আবারও অবৈধ দখলদারের তালিকা তৈরির কাজ চলছে। দুই মাসের মধ্যে নতুন তালিকা তৈরি করা সম্ভব হবে। তিনি আরও বলেন, অবৈধ দখলের বিষয়টি অস্বীকার করার উপায় নেই। তবে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করতে গেলে যে লজিস্টিক সাপোর্ট (অর্থ) প্রয়োজন, সেটা আমরা পাই না। নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজা আক্তার চৌধুরী জানান, অবৈধ দখলদার উচ্ছেদের লক্ষ্যে আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। শিগগিরই উচ্ছেদ অভিযান শুরু হবে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঘরের মেয়ে আর ফিরবে না, শোকের ছায়া নড়াইলে
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অভিজিৎ হত্যায় গ্রেফতার তৌহিদ মে থেকে ‘নিখোঁজ’
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1426)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
August
(765)
-
▼
Aug 20
(27)
- সংসদীয় গণতন্ত্রে মন্ত্রিত্ব ও মন্ত্রিসভা by সৈয়দ আ...
- ‘ভেলকিবাজ মোদি ঈশ্বরকেও বোকা বানাতে পারেন’ -লালু প...
- শরীরের বিশেষ স্থানের প্রতি আকর্ষণ হওয়ায় তাদের ধন্য...
- বন্দুকযুদ্ধ নয়, আরজুকে হত্যা করা হয়েছে: সাংসদ তাপস
- ছাড়পত্র পেল সুরাইয়া
- সংসদ সদস্য পদ নিয়ে লতিফ সিদ্দিকীর রিট খারিজ
- ‘জামিনের জন্য আমার স্ত্রী মন্ত্রীকে ফোন করেনি’ -জ...
- ব্যাংকক হামলার পেছনে বড় চক্র
- শুভ্রার শেষকৃত্য সম্পন্ন
- সাংবাদিক গ্রেফতারে কোণঠাসা হাসিনা: আনন্দবাজার পত্রিকা
- মোদি-শরিফ নতুন ইনিংস স্থায়ী হোক by সৌম্য বন্দ্য...
- ‘মত প্রকাশ ও আইন প্রয়োগ দুটোতেই বাড়াবাড়ি হচ্ছে’
- এবার বিক্রমাসিংহের কাছে ধরাশায়ী রাজাপক্ষে
- হামলাকারী শনাক্ত, আবার বিস্ফোরণ
- পৃথিবীর ‘প্রথম ফুল’
- গণপিটুনিতে নিহতেরা তালিকাভুক্ত ডাকাত: পুলিশ
- ওচালানকে বাইরে রেখে বড় ঝুঁকি নিল তুরস্ক -রয়টার্স...
- দুই ছাত্রলীগ নেতা 'বন্দুকযুদ্ধে' নিহত: সন্ত্রাসের ...
- ব্রাজিলের প্রেসিডেন্টের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ-...
- ডিএনডি খাল দখলদারদের তালিকা হয়, উচ্ছেদ হয় না by শর...
- ঘরের মেয়ে আর ফিরবে না, শোকের ছায়া নড়াইলে
- অভিজিৎ হত্যায় গ্রেফতার তৌহিদ মে থেকে ‘নিখোঁজ’
- রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করতে না দিলে, লাভ হয় জঙ্গিব...
- ‘মান যায় মন্ত্রীর, মামলা করে চেরাগ আলী’
- বিচারবহির্ভুত হত্যায় পরিস্থিতির উন্নয়ন হবে না: আসক
- তার রান্না খেতে চলে আসতেন ইন্দিরাও
- ‘মত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকতে হবে’
-
▼
Aug 20
(27)
-
▼
August
(765)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...






















