Showing posts with label ক্রিখেট খেলা. Show all posts
Showing posts with label ক্রিখেট খেলা. Show all posts
Wednesday, June 15, 2011
জয়ের খোঁজে অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট
মাত্র কয়েক দিন আগেও যে দলটার মাঠে নামা মানেই জয় একরকম নিশ্চিতই ছিল, সেই প্রবল পরাক্রমশালী অস্ট্রেলিয়া এখন যেন জয়ের স্বাদ-গন্ধও ভুলতে বসেছে। আজ ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে হারলে টানা ছযটি ম্যাচ হারার লজ্জাজনক নতুন রেকর্ড গড়ে ফেলবে অসিরা। অ্যাশেজ সিরিজের ভয়াবহ ব্যর্থতার পর এখন নিশ্চিতভাবেই সেই রেকর্ডের হাতছানি এড়াতে মরিয়া হয়েই মাঠে নামবে তারা। অন্যদিকে অ্যাশেজ সিরিজ ও প্রথম টি-টোয়েন্টিটা জেতার পর ইংল্যান্ড অনেকখানিই এগিয়ে থাকবে মানসিকভাবে।
অ্যাশেজ সিরিজের পর অনেকগুলো পরিবর্তন নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে অস্ট্রেলিয়ার টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট। মাইকেল ক্লার্ক আকস্মিকভাবে ক্রিকেটের এই সংক্ষিপ্ত সংস্করণটিকে বিদায় জানানোর পর অধিনায়কত্বের দায়িত্ব নিয়েছেন ক্যামেরন হোয়াইট। সহ-অধিনায়ক নির্বাচিত হয়েছেন টিম পেইন। দুটি নতুন মুখও দেখা গেছে অস্ট্রেলিয়া দলে। ডানহাতি মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান অ্যারোন ফিঞ্চ ও বাঁহাতি স্পিনার স্টিভ ওকেফি। দীর্ঘদিন পর দলে ফিরেছেন অসি স্পিডস্টার ব্রেট লি। কিন্তু এই পরিবর্তনগুলোও অস্ট্রেলিয়াকে এনে দিকে পারেনি কাঙ্ক্ষিত জয়টা।
সফরকারী ইংল্যান্ড অবশ্য এ বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ী দল। কিন্তু সেই দলের অনেকেই নেই এই অস্ট্রেলিয়া সফরে। তাতেও অবশ্য খুব বেশি অসুবিধায় পড়তে হয়নি ইংলিশদের। আজমল শাহজাদ আর মাইকেল ইয়ার্ডি বল হাতে প্রত্যাশার চেয়েও কিছুটা ভালো পারফরমেনস দেখিয়েছেন। মিডল অর্ডারে ইংল্যান্ডের একটা ভালো ভরসার জায়গা তৈরি করেছেন ইয়ন মরগান। প্রথম ম্যাচে তিনি খেলেছেন ৩৩ বলে ৪৩ রানের অসাধারণ এক ইনিংস। অভিষিক্ত ক্রিস ওয়াকেস বল হাতে ভালো পারফরমেনসের পর ব্যাট হাতেও খেলেছেন অপরাজিত ১৯ রানের ম্যাচ জয়ী ইনিংস। সব মিলিয়ে অস্ট্রেলিয়ার চেয়ে এ মুহূর্তে কিছুটা ভালো অবস্থানেই আছে ইংল্যান্ড।
বিশ্বকাপের আগে শেষ প্রস্তুতিতে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া দুই দলই চাইবে নিজেদের প্রস্তুতি ও মনোবল বৃদ্ধির কাজটা ভালোভাবে সেরে ফেলতে। বেশ কিছুদিনের লাগাতার সাফল্যের পর অনেকখানিই সুবিধাজনক অবস্থানে আছে ইংল্যান্ড। অন্যদিকে নিজেদের হারানো গৌরব ফিরে পেতে আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে অসিরা। ইংল্যান্ডের জয়ের ধারা অব্যাহত রাখা আর অস্ট্রেলিয়ার আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ার লড়াইয়ে কে জয়ী হয়—সেটাই এখন দেখার বিষয়।
অ্যাশেজ সিরিজের পর অনেকগুলো পরিবর্তন নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে অস্ট্রেলিয়ার টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট। মাইকেল ক্লার্ক আকস্মিকভাবে ক্রিকেটের এই সংক্ষিপ্ত সংস্করণটিকে বিদায় জানানোর পর অধিনায়কত্বের দায়িত্ব নিয়েছেন ক্যামেরন হোয়াইট। সহ-অধিনায়ক নির্বাচিত হয়েছেন টিম পেইন। দুটি নতুন মুখও দেখা গেছে অস্ট্রেলিয়া দলে। ডানহাতি মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান অ্যারোন ফিঞ্চ ও বাঁহাতি স্পিনার স্টিভ ওকেফি। দীর্ঘদিন পর দলে ফিরেছেন অসি স্পিডস্টার ব্রেট লি। কিন্তু এই পরিবর্তনগুলোও অস্ট্রেলিয়াকে এনে দিকে পারেনি কাঙ্ক্ষিত জয়টা।
সফরকারী ইংল্যান্ড অবশ্য এ বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ী দল। কিন্তু সেই দলের অনেকেই নেই এই অস্ট্রেলিয়া সফরে। তাতেও অবশ্য খুব বেশি অসুবিধায় পড়তে হয়নি ইংলিশদের। আজমল শাহজাদ আর মাইকেল ইয়ার্ডি বল হাতে প্রত্যাশার চেয়েও কিছুটা ভালো পারফরমেনস দেখিয়েছেন। মিডল অর্ডারে ইংল্যান্ডের একটা ভালো ভরসার জায়গা তৈরি করেছেন ইয়ন মরগান। প্রথম ম্যাচে তিনি খেলেছেন ৩৩ বলে ৪৩ রানের অসাধারণ এক ইনিংস। অভিষিক্ত ক্রিস ওয়াকেস বল হাতে ভালো পারফরমেনসের পর ব্যাট হাতেও খেলেছেন অপরাজিত ১৯ রানের ম্যাচ জয়ী ইনিংস। সব মিলিয়ে অস্ট্রেলিয়ার চেয়ে এ মুহূর্তে কিছুটা ভালো অবস্থানেই আছে ইংল্যান্ড।
বিশ্বকাপের আগে শেষ প্রস্তুতিতে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া দুই দলই চাইবে নিজেদের প্রস্তুতি ও মনোবল বৃদ্ধির কাজটা ভালোভাবে সেরে ফেলতে। বেশ কিছুদিনের লাগাতার সাফল্যের পর অনেকখানিই সুবিধাজনক অবস্থানে আছে ইংল্যান্ড। অন্যদিকে নিজেদের হারানো গৌরব ফিরে পেতে আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে অসিরা। ইংল্যান্ডের জয়ের ধারা অব্যাহত রাখা আর অস্ট্রেলিয়ার আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ার লড়াইয়ে কে জয়ী হয়—সেটাই এখন দেখার বিষয়।
Monday, March 28, 2011
আগুন আর রক্ত ঝরালেন লি
একজন অধিনায়ক বা একজন খেলোয়াড় তাঁর দলের জন্য কী করতে পারেন? এমন অনেক অধিনায়ক বা খেলোয়াড় আছেন, যাঁরা বলেন, দলের জন্য রক্ত পর্যন্ত দিতে প্রস্তুত। পরাজয়ের হাত থেকে দলকে বাঁচাতে পারেননি, তবে পরশু ভারতের বিপক্ষে সত্যিকার অর্থেই রক্ত দিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ান পেসার ব্রেট লি।
ম্যাচটা তখন অস্ট্রেলিয়ার হাত থেকে ছুটেই যাচ্ছিল। শেন ওয়াটসনের বলে যুবরাজের একটি বল বাউন্ডারির দিকে ছুটে চলেছে বুলেট গতিতে। হার না মানা মানসিকতায় বলের দিকে ছুটলেন লি। শেষ মুহূর্তে বাউন্ডারি বাঁচাতে ডাইভ দেন। বাউন্ডারি বাঁচাতে পারলেন না, বল গিয়ে লাগে তাঁর ভ্রুতে। কেটে যায় সঙ্গে সঙ্গেই। ঝরে পড়ে রক্ত।
কাটা ভ্রু নিয়ে মাঠের বাইরে চলে যান লি। মাঠে আর ফিরতে পারবেন বলে কেউ ভাবেনি। কিন্তু অনেকের ধারণাকে ভুল প্রমাণ করে চোখের কোণে ব্যান্ডেজ লাগিয়ে আবার মাঠে ফেরেন সিংহ-হূদয় লি। ম্যাচ শেষে লির এই চোয়ালবদ্ধ দায়বদ্ধতার প্রশংসা ঝরল অধিনায়ক রিকি পন্টিংয়ের, ‘ওর চোখে যে আগুন ছিল, আমাদের সবার যদি সে রকম থাকত; তাহলে ফলটা অন্যরকমই হতো।’
লি যে এদিনই এমন সিংহ-হূদয় হয়ে গেলেন, তা তো নয়। ২০০৫ সালে এজবাস্টনে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্টে দলের জন্য লড়েছেন ব্যাট হাতে। এবার বল হাতে চেষ্টা করেছেন। ব্যান্ডেজ বেঁধে মাঠে এসে অধিনায়কের ডাকে হাতে নিয়েছেন বল। শেষ পর্যন্ত কিছুই করতে পারেননি। এজবাস্টন টেস্টের মতো আরেকটি পরাজয়ই মেনে নিতে হয়েছে লিকে।
পন্টিং ম্যাচ শেষে বলেছেন, ‘অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটে তার অবদান অনেক। সে এমন এক খেলোয়াড়, যাকে আপনি দলে নিতে চাইবেনই। সে কখনোই শেষ চেষ্টা না করে থামে না, যা আজ রাতে (পরশু) দেখলেন।’
ম্যাচ জিতেছে ভারত। ম্যাচসেরা হয়েছেন যুবরাজ সিং। লির কোনো চেষ্টাই কাজে লাগেনি। তবে পরশু সবকিছুর পরও পাদপ্রদীপের আলোটা ছিল সম্ভবত ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপটা খেলে ফেলা লির ওপরই।
ম্যাচটা তখন অস্ট্রেলিয়ার হাত থেকে ছুটেই যাচ্ছিল। শেন ওয়াটসনের বলে যুবরাজের একটি বল বাউন্ডারির দিকে ছুটে চলেছে বুলেট গতিতে। হার না মানা মানসিকতায় বলের দিকে ছুটলেন লি। শেষ মুহূর্তে বাউন্ডারি বাঁচাতে ডাইভ দেন। বাউন্ডারি বাঁচাতে পারলেন না, বল গিয়ে লাগে তাঁর ভ্রুতে। কেটে যায় সঙ্গে সঙ্গেই। ঝরে পড়ে রক্ত।
কাটা ভ্রু নিয়ে মাঠের বাইরে চলে যান লি। মাঠে আর ফিরতে পারবেন বলে কেউ ভাবেনি। কিন্তু অনেকের ধারণাকে ভুল প্রমাণ করে চোখের কোণে ব্যান্ডেজ লাগিয়ে আবার মাঠে ফেরেন সিংহ-হূদয় লি। ম্যাচ শেষে লির এই চোয়ালবদ্ধ দায়বদ্ধতার প্রশংসা ঝরল অধিনায়ক রিকি পন্টিংয়ের, ‘ওর চোখে যে আগুন ছিল, আমাদের সবার যদি সে রকম থাকত; তাহলে ফলটা অন্যরকমই হতো।’
লি যে এদিনই এমন সিংহ-হূদয় হয়ে গেলেন, তা তো নয়। ২০০৫ সালে এজবাস্টনে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্টে দলের জন্য লড়েছেন ব্যাট হাতে। এবার বল হাতে চেষ্টা করেছেন। ব্যান্ডেজ বেঁধে মাঠে এসে অধিনায়কের ডাকে হাতে নিয়েছেন বল। শেষ পর্যন্ত কিছুই করতে পারেননি। এজবাস্টন টেস্টের মতো আরেকটি পরাজয়ই মেনে নিতে হয়েছে লিকে।
পন্টিং ম্যাচ শেষে বলেছেন, ‘অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটে তার অবদান অনেক। সে এমন এক খেলোয়াড়, যাকে আপনি দলে নিতে চাইবেনই। সে কখনোই শেষ চেষ্টা না করে থামে না, যা আজ রাতে (পরশু) দেখলেন।’
ম্যাচ জিতেছে ভারত। ম্যাচসেরা হয়েছেন যুবরাজ সিং। লির কোনো চেষ্টাই কাজে লাগেনি। তবে পরশু সবকিছুর পরও পাদপ্রদীপের আলোটা ছিল সম্ভবত ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপটা খেলে ফেলা লির ওপরই।
Thursday, February 17, 2011
ইডেনের জন্য কপিলের দুঃখ
ইডেন গার্ডেন ভারতের একটা বিশ্বকাপ ম্যাচও পায়নি, এটা নিয়ে কলকাতাবাসীর দুঃখের শেষ নেই। শুধু কলকাতা নয়, সারা বিশ্বের ক্রিকেট-সমাজই কমবেশি দুঃখিত। ইডেন তো আর এমনি এমনিই ক্রিকেটের ‘নন্দনকানন’ হয়ে ওঠেনি! ক্রিকেট সমঝদার লাখো দর্শকের আবেগ-উচ্ছ্বাসে ভেসে এখানে খেলার আনন্দই আলাদা। ভারতের একমাত্র বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক কপিল দেবের ইডেনের জন্য খুব খারাপ লাগছে। বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে সংস্কারকাজ শেষ করতে পারেনি বলে এই মাঠের মালিক ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব বেঙ্গল (সিএবি) তাঁর চোখে দায় এড়াতে পারে না। তবে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডও (বিসিসিআই) পার পায়নি বিশ্বের সর্বকালের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডারের হাত থেকে, ‘সময়মতো সিএবি সংস্কারকাজ করতে পারবে কি না বিসিসিআইয়েরও তো এটা দেখা উচিত ছিল।’ ‘ব্যক্তিগত’ রাগ-ক্ষোভ এখানে আসা একেবারেই ঠিক হয়নি জানিয়ে কপিল বলেছেন, ‘কেন জগমোহন ডালমিয়া বা পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে ইডেনে ভারতের বিশ্বকাপ ম্যাচ দেখা থেকে বঞ্চিত হতে হবে? কলকাতার মানুষের জন্য আমার খারাপ লাগছে।’ একটা টক শোতে কপিলের সঙ্গে ছিলেন আরও তিন বিশ্বকাপ অধিনায়ক—ভিভ রিচার্ডস, স্টিভ ওয়াহ ও ‘কলকাতার রাজপুত্র’ সৌরভ গাঙ্গুলী। সেখানে স্টিভ ওয়াহও কথা বলতে গিয়ে ডুবে যান ইডেনে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের স্মৃতির মধ্যে।
ট্রটের বিস্ময়, বিস্মিত প্রিয়র
বিস্ময় শব্দটি দুজনের কাছে নতুন। একজন বিস্ময়ের পর বিস্ময় উপহার দিয়ে চলেছেন। আরেকজন নিজেই বিস্মিত!
অ্যাশেজ শেষে যখন ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু হলো, তখন টি-টোয়েন্টি খেলছেন ম্যাট প্রিয়রও। তবে বিগ ব্যাশে। ইংল্যান্ডের এক নম্বর টেস্ট উইকেটকিপার যে অনেক দিন ধরেই অপাঙেক্তয় রঙিন পোশাকে! বিগ ব্যাশটা খেলেই দেশে ফিরে যাবেন, মাস দুয়েকের ছুটি কাটাতে। ইচ্ছে ছিল ঘুরে বেড়াবেন, আর বাড়িতে বসে আয়েশ করে বিশ্বকাপ দেখবেন। সেই প্রিয়রই কি না নিজেকে আবিষ্কার করলেন বিশ্বকাপ দলে!
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে থিতু হতে একদম সময় নেননি জোনাথন ট্রট। অভিষেক টেস্টেই সেঞ্চুরি, এরপর দ্রুতই আপন করে নিয়েছেন ইংল্যান্ডের তিন নম্বর জায়গাটা। ১৮ টেস্ট শেষে নামের পাশে ৫ সেঞ্চুরি, গড় ৬১.৫৩। কমপক্ষে ২০ ইনিংস খেলা ব্যাটসম্যানদের মধ্যে ট্রটের চেয়ে বেশি গড় আছে ক্রিকেট ইতিহাসে কেবল স্যার ডন ব্র্যাডম্যানেরই। বিস্ময়-জাগানিয়া পরিসংখ্যান, কিন্তু আঁটসাঁট রক্ষণ ও নিখুঁত টেকনিক মিলিয়ে তবু ব্যাখ্যা দাঁড় করানো যায়। কিন্তু এ ধরনের ব্যাটসম্যান কি এই যুগের ওয়ানডের সঙ্গে তাল মেলাতে পারবেন?
১৮ ওয়ানডেতে ৩ সেঞ্চুরি আর ৬ ফিফটি, গড় ৫৩.৬২। পরের ২ ইনিংসে ৪২ রান করতে পারলে ভেঙে যাবে ওয়ানডেতে দ্রুততম হাজার রানের বিশ্ব রেকর্ড। ওয়ানডের ট্রট চমকে দিয়েছেন ক্রিকেট-বিশ্বকেই। রহস্য কী এমন সাফল্যের? ট্রট জানালেন, রহস্য কোনো রহস্যময় কিছু না, ‘আমি যে কাজটা পারি, সেটাই ঠিকভাবে করার চেষ্টা করেছি। নিজের ব্যাটিংয়ে খুব বেশি পরিবর্তন আনিনি। ঘরোয়া ক্রিকেটেও এভাবে খেলেই প্রচুর রান করেছি, নিজের মতো করে খেলেই। বেসিকটা সব সময় ঠিক রাখি। কোচ, ব্যাটিং কোচ যা বলেন, সেসব মেনে চলার চেষ্টা করি। এই তো...।
বিস্ময়ের ধাক্কা খানিকটা কমে এসেছে। প্রিয়রের মনজুড়ে এখন প্রথম বিশ্বকাপ খেলার রোমাঞ্চ, ‘ভীষণ রোমাঞ্চিত আমি। বিশ্বকাপটা সব সময়ই অসাধারণ। আর সেটা যদি হয় উপমহাদেশে, এর চেয়ে ভালো কিছু হতে পারে না। খেলাটার জন্য এখানে যে আবেগ, যে ভালোবাসা, যে উত্তেজনা এর কোনো তুলনা হয় না।’
প্রিয়র তো রোমাঞ্চিত, কিন্তু স্টিভ ডেভিসের যে হূদয় ভেঙে গেল! গত সেপ্টেম্বরে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৬৭ বলে ৮৭ রান করার পর রঙিন পোশাকে জায়গা পাকা হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু ফর্ম হারালেন বড় বাজে সময়ে। অ্যাশেজে প্রিয়রের দুর্দান্ত ফর্মটাও কাল হলো ডেভিসের জন্য। শেষ হয়ে গেল বিশ্বকাপ-স্বপ্ন। প্রিয়রের কিন্তু সতীর্থের জন্য সহানুভূতি নেই বরং তিনি দারুণ পেশাদার, ‘ওয়ানডে ক্যারিয়ারের পুরোটাই আমাকে অনেকবার দলে আসা-যাওয়া করতে হয়েছে। এটা ইংল্যান্ড উইকেটকিপারদের পার্ট অ্যান্ড পার্সেল। ব্যাপারটা পরিষ্কার, যদি ভালো ব্যাটিং করেন, ভালো কিপিং করেন, তাহলে দলে থাকবেন। ভালো না করলে নয়।’
তো, কত দিন চলবে এই আসা-যাওয়া? এবারই যেমন ফেরার পর প্রথম দুই ম্যাচে শূন্য। পরের ম্যাচে একটা ফিফটি করায় তবু স্বস্তি পেয়েছেন, কিন্তু পরের তিন ম্যাচে আবার ব্যর্থ। এভাবে চলতে থাকলে তো আবার বাইরে যেতে সময় লাগবে না! প্রিয়র জানালেন, এটাই এখন তাঁর সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। টেস্টের মতো ওয়ানডে দলেও জায়গাটা নিরঙ্কুশ করতে চান এই বিশ্বকাপেই।
চ্যালেঞ্জ একটা ট্রটেরও আছে। ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ায় রানের ফোয়ারা ছুটিয়েছেন। এবার উপমহাদেশের উইকেটে স্পিন-পরীক্ষা। নিজের এই পরীক্ষা নেওয়ার জন্য নাকি ট্রটেরও তর সইছে না!
অ্যাশেজ শেষে যখন ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু হলো, তখন টি-টোয়েন্টি খেলছেন ম্যাট প্রিয়রও। তবে বিগ ব্যাশে। ইংল্যান্ডের এক নম্বর টেস্ট উইকেটকিপার যে অনেক দিন ধরেই অপাঙেক্তয় রঙিন পোশাকে! বিগ ব্যাশটা খেলেই দেশে ফিরে যাবেন, মাস দুয়েকের ছুটি কাটাতে। ইচ্ছে ছিল ঘুরে বেড়াবেন, আর বাড়িতে বসে আয়েশ করে বিশ্বকাপ দেখবেন। সেই প্রিয়রই কি না নিজেকে আবিষ্কার করলেন বিশ্বকাপ দলে!
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে থিতু হতে একদম সময় নেননি জোনাথন ট্রট। অভিষেক টেস্টেই সেঞ্চুরি, এরপর দ্রুতই আপন করে নিয়েছেন ইংল্যান্ডের তিন নম্বর জায়গাটা। ১৮ টেস্ট শেষে নামের পাশে ৫ সেঞ্চুরি, গড় ৬১.৫৩। কমপক্ষে ২০ ইনিংস খেলা ব্যাটসম্যানদের মধ্যে ট্রটের চেয়ে বেশি গড় আছে ক্রিকেট ইতিহাসে কেবল স্যার ডন ব্র্যাডম্যানেরই। বিস্ময়-জাগানিয়া পরিসংখ্যান, কিন্তু আঁটসাঁট রক্ষণ ও নিখুঁত টেকনিক মিলিয়ে তবু ব্যাখ্যা দাঁড় করানো যায়। কিন্তু এ ধরনের ব্যাটসম্যান কি এই যুগের ওয়ানডের সঙ্গে তাল মেলাতে পারবেন?
১৮ ওয়ানডেতে ৩ সেঞ্চুরি আর ৬ ফিফটি, গড় ৫৩.৬২। পরের ২ ইনিংসে ৪২ রান করতে পারলে ভেঙে যাবে ওয়ানডেতে দ্রুততম হাজার রানের বিশ্ব রেকর্ড। ওয়ানডের ট্রট চমকে দিয়েছেন ক্রিকেট-বিশ্বকেই। রহস্য কী এমন সাফল্যের? ট্রট জানালেন, রহস্য কোনো রহস্যময় কিছু না, ‘আমি যে কাজটা পারি, সেটাই ঠিকভাবে করার চেষ্টা করেছি। নিজের ব্যাটিংয়ে খুব বেশি পরিবর্তন আনিনি। ঘরোয়া ক্রিকেটেও এভাবে খেলেই প্রচুর রান করেছি, নিজের মতো করে খেলেই। বেসিকটা সব সময় ঠিক রাখি। কোচ, ব্যাটিং কোচ যা বলেন, সেসব মেনে চলার চেষ্টা করি। এই তো...।
বিস্ময়ের ধাক্কা খানিকটা কমে এসেছে। প্রিয়রের মনজুড়ে এখন প্রথম বিশ্বকাপ খেলার রোমাঞ্চ, ‘ভীষণ রোমাঞ্চিত আমি। বিশ্বকাপটা সব সময়ই অসাধারণ। আর সেটা যদি হয় উপমহাদেশে, এর চেয়ে ভালো কিছু হতে পারে না। খেলাটার জন্য এখানে যে আবেগ, যে ভালোবাসা, যে উত্তেজনা এর কোনো তুলনা হয় না।’
প্রিয়র তো রোমাঞ্চিত, কিন্তু স্টিভ ডেভিসের যে হূদয় ভেঙে গেল! গত সেপ্টেম্বরে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৬৭ বলে ৮৭ রান করার পর রঙিন পোশাকে জায়গা পাকা হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু ফর্ম হারালেন বড় বাজে সময়ে। অ্যাশেজে প্রিয়রের দুর্দান্ত ফর্মটাও কাল হলো ডেভিসের জন্য। শেষ হয়ে গেল বিশ্বকাপ-স্বপ্ন। প্রিয়রের কিন্তু সতীর্থের জন্য সহানুভূতি নেই বরং তিনি দারুণ পেশাদার, ‘ওয়ানডে ক্যারিয়ারের পুরোটাই আমাকে অনেকবার দলে আসা-যাওয়া করতে হয়েছে। এটা ইংল্যান্ড উইকেটকিপারদের পার্ট অ্যান্ড পার্সেল। ব্যাপারটা পরিষ্কার, যদি ভালো ব্যাটিং করেন, ভালো কিপিং করেন, তাহলে দলে থাকবেন। ভালো না করলে নয়।’
তো, কত দিন চলবে এই আসা-যাওয়া? এবারই যেমন ফেরার পর প্রথম দুই ম্যাচে শূন্য। পরের ম্যাচে একটা ফিফটি করায় তবু স্বস্তি পেয়েছেন, কিন্তু পরের তিন ম্যাচে আবার ব্যর্থ। এভাবে চলতে থাকলে তো আবার বাইরে যেতে সময় লাগবে না! প্রিয়র জানালেন, এটাই এখন তাঁর সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। টেস্টের মতো ওয়ানডে দলেও জায়গাটা নিরঙ্কুশ করতে চান এই বিশ্বকাপেই।
চ্যালেঞ্জ একটা ট্রটেরও আছে। ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ায় রানের ফোয়ারা ছুটিয়েছেন। এবার উপমহাদেশের উইকেটে স্পিন-পরীক্ষা। নিজের এই পরীক্ষা নেওয়ার জন্য নাকি ট্রটেরও তর সইছে না!
কলিংউডের ‘প্রিয় বাংলাদেশ’
টেস্ট ছেড়েছেন সদ্যই। ফর্ম ভালো যাচ্ছিল না। ওয়ানডেতেও যে ফর্ম যাচ্ছে, তাতে হয়তো এখান থেকেও অবসর নিতে বাধ্য হবেন। ক্যারিয়ারের এক কঠিন সময়ের মুখোমুখি পল কলিংউড এসে পৌঁছেছেন তাঁর প্রিয় বাংলাদেশে।
প্রিয় বাংলাদেশ! না, কলিংউডের কোনো আত্মীয়স্বজন এই বদ্বীপের ১৬ কোটি মানুষের ভিড়ে নেই। বাংলাদেশ আসলে তাঁর প্রিয় প্রতিপক্ষ। ওয়ানডেতে বাংলাদেশের বিপক্ষে তাঁর ব্যাটিং গড় যে ক্যারিয়ার গড়ের প্রায় দ্বিগুণ—৬৭.১৬!
আর সব ভুলে কলিংউড সব সময় মনে রাখেন ২০০৫ ট্রেন্টব্রিজের ম্যাচটি। আশরাফুলের ধুন্ধুমার ব্যাটিং ছাপিয়ে যে ম্যাচে নায়ক হয়ে গিয়েছিলেন কলিংউড। ব্যাট হাতে ৮৬ বলে ১১২ রান, বল হাতে ৩১ রানে ৬ উইকেট! ওয়ানডে ইতিহাসেরই ম্যাচে সেরা অলরাউন্ড পারফরম্যান্সের রেকর্ড।
কাল শেরাটনে কথাটা তুলতেই ধন্যবাদ দিয়ে বসলেন ব্রিটিশ ভদ্রলোক। গতবারও বাংলাদেশ সফরে চট্টগ্রাম টেস্টে সেঞ্চুরি করেছেন। বাংলাদেশের বিপক্ষে এত ভালো করার কারণটা কী?
বিগলিত কলিংউডের সরল জবাব, ‘হ্যাঁ, বাংলাদেশের বিপক্ষে আমার বেশ কয়েকটি ভালো পারফরম্যান্স আছে। কিন্তু এর পেছনে কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ নেই। এমন তো নয় আমি মাঠে নামার আগে চিন্তা করে নামি, বাংলাদেশকে পেয়েছি, আবার ভালো খেলব। আসলে হয়ে যায়।’
সেই হয়ে যাওয়াটা ভাগ্যের ব্যাপার বলেই মানছেন ওয়ানডেতে ৫০৩১ রান আর মিডিয়াম পেসে তোলা ১১০ উইকেটের মালিক। গত ১৯ ওয়ানডেতে মাত্র একটি ফিফটি করা কলিংউড অবশ্য নিজের ভবিষ্যৎ ভাগ্যের হাতে সঁপে দিতে রাজি নন। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে গত ওয়ানডে সিরিজে তাঁকে নেমে যেতে হয়েছে সাতে। ক্যারিয়ারের শেষবিন্দুতেই কি দাঁড়িয়ে আছেন আগামী মে মাসে ৩৬-এ পা দিতে চলা কলিংউড?
‘ওয়ানডে আর টি-টোয়েন্টিতে এখনো অনেক কিছু দেওয়ার আছে আমার। জাতীয় দলে খেলাটা আমি এখনো উপভোগ করছি’—অবসরের প্রচ্ছন্ন ইঙ্গিতটা উড়িয়ে দিলেন ‘কলি’।
এখনো ইংল্যান্ডের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক তিনিই। তাঁর নেতৃত্বেই গত বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছে ইংল্যান্ড; যেটি আইসিসির প্রথম কোনো টুর্নামেন্টে ক্রিকেটের আবিষ্কর্তাদের শিরোপা জয়। বড় টুর্নামেন্টে শিরোপা জিততে হলে কী করা চাই, সেই পরামর্শ তো কাছের মানুুষটার কাছ থেকেই নিতে পারেন অ্যান্ড্রু স্ট্রাউস।
কলিংউড অবশ্য মনে করছেন, বিশ্বকাপ জেতার টিপস তাঁর কাছ থেকে না নিলেও চলবে দলের ওয়ানডে অধিনায়কের, ‘স্ট্রাউস দারুণ করছে। ওয়ানডেতেও ভালো নেতৃত্ব দিচ্ছে। গত দুই বছরে আমরা সত্যি বেশ কয়েকটি ভালো সিরিজ খেলেছি। এ ধরনের বড় টুর্নামেন্টে আসলে প্রস্তুতি আর আত্মবিশ্বাস খুব গুরুত্বপূর্ণ। তা আমাদের আছে।’
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয় দলের মানসিকতায় ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছে বলেও জানালেন। ‘আমরাও পারি’ বিশ্বাসটা জন্মেছে, ‘এর আগে আমরা কোনো আইসিসি ইভেন্ট জিততে পারিনি, এটা অবশ্যই সবার মাথায় কাজ করত। আশা করা যায়, তা আর করবে না। এই দলের অনেকেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ছিল। তাই সবাই খুব আত্মবিশ্বাসী থাকবে।’
সবচেয়ে বেশি আত্মবিশ্বাসের তাজা বাতাস দরকার তাঁরই। জাত লড়াকু কলিংউড অবশ্য প্রস্তুত। মাত্রই জন্ম নেওয়া মেয়ের জন্যও তো একটা উপহার নিয়ে যেতে হবে দেশে!
প্রিয় বাংলাদেশ! না, কলিংউডের কোনো আত্মীয়স্বজন এই বদ্বীপের ১৬ কোটি মানুষের ভিড়ে নেই। বাংলাদেশ আসলে তাঁর প্রিয় প্রতিপক্ষ। ওয়ানডেতে বাংলাদেশের বিপক্ষে তাঁর ব্যাটিং গড় যে ক্যারিয়ার গড়ের প্রায় দ্বিগুণ—৬৭.১৬!
আর সব ভুলে কলিংউড সব সময় মনে রাখেন ২০০৫ ট্রেন্টব্রিজের ম্যাচটি। আশরাফুলের ধুন্ধুমার ব্যাটিং ছাপিয়ে যে ম্যাচে নায়ক হয়ে গিয়েছিলেন কলিংউড। ব্যাট হাতে ৮৬ বলে ১১২ রান, বল হাতে ৩১ রানে ৬ উইকেট! ওয়ানডে ইতিহাসেরই ম্যাচে সেরা অলরাউন্ড পারফরম্যান্সের রেকর্ড।
কাল শেরাটনে কথাটা তুলতেই ধন্যবাদ দিয়ে বসলেন ব্রিটিশ ভদ্রলোক। গতবারও বাংলাদেশ সফরে চট্টগ্রাম টেস্টে সেঞ্চুরি করেছেন। বাংলাদেশের বিপক্ষে এত ভালো করার কারণটা কী?
বিগলিত কলিংউডের সরল জবাব, ‘হ্যাঁ, বাংলাদেশের বিপক্ষে আমার বেশ কয়েকটি ভালো পারফরম্যান্স আছে। কিন্তু এর পেছনে কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ নেই। এমন তো নয় আমি মাঠে নামার আগে চিন্তা করে নামি, বাংলাদেশকে পেয়েছি, আবার ভালো খেলব। আসলে হয়ে যায়।’
সেই হয়ে যাওয়াটা ভাগ্যের ব্যাপার বলেই মানছেন ওয়ানডেতে ৫০৩১ রান আর মিডিয়াম পেসে তোলা ১১০ উইকেটের মালিক। গত ১৯ ওয়ানডেতে মাত্র একটি ফিফটি করা কলিংউড অবশ্য নিজের ভবিষ্যৎ ভাগ্যের হাতে সঁপে দিতে রাজি নন। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে গত ওয়ানডে সিরিজে তাঁকে নেমে যেতে হয়েছে সাতে। ক্যারিয়ারের শেষবিন্দুতেই কি দাঁড়িয়ে আছেন আগামী মে মাসে ৩৬-এ পা দিতে চলা কলিংউড?
‘ওয়ানডে আর টি-টোয়েন্টিতে এখনো অনেক কিছু দেওয়ার আছে আমার। জাতীয় দলে খেলাটা আমি এখনো উপভোগ করছি’—অবসরের প্রচ্ছন্ন ইঙ্গিতটা উড়িয়ে দিলেন ‘কলি’।
এখনো ইংল্যান্ডের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক তিনিই। তাঁর নেতৃত্বেই গত বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছে ইংল্যান্ড; যেটি আইসিসির প্রথম কোনো টুর্নামেন্টে ক্রিকেটের আবিষ্কর্তাদের শিরোপা জয়। বড় টুর্নামেন্টে শিরোপা জিততে হলে কী করা চাই, সেই পরামর্শ তো কাছের মানুুষটার কাছ থেকেই নিতে পারেন অ্যান্ড্রু স্ট্রাউস।
কলিংউড অবশ্য মনে করছেন, বিশ্বকাপ জেতার টিপস তাঁর কাছ থেকে না নিলেও চলবে দলের ওয়ানডে অধিনায়কের, ‘স্ট্রাউস দারুণ করছে। ওয়ানডেতেও ভালো নেতৃত্ব দিচ্ছে। গত দুই বছরে আমরা সত্যি বেশ কয়েকটি ভালো সিরিজ খেলেছি। এ ধরনের বড় টুর্নামেন্টে আসলে প্রস্তুতি আর আত্মবিশ্বাস খুব গুরুত্বপূর্ণ। তা আমাদের আছে।’
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয় দলের মানসিকতায় ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছে বলেও জানালেন। ‘আমরাও পারি’ বিশ্বাসটা জন্মেছে, ‘এর আগে আমরা কোনো আইসিসি ইভেন্ট জিততে পারিনি, এটা অবশ্যই সবার মাথায় কাজ করত। আশা করা যায়, তা আর করবে না। এই দলের অনেকেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ছিল। তাই সবাই খুব আত্মবিশ্বাসী থাকবে।’
সবচেয়ে বেশি আত্মবিশ্বাসের তাজা বাতাস দরকার তাঁরই। জাত লড়াকু কলিংউড অবশ্য প্রস্তুত। মাত্রই জন্ম নেওয়া মেয়ের জন্যও তো একটা উপহার নিয়ে যেতে হবে দেশে!
সাতজন ব্যাটসম্যান খেলাবে শ্রীলঙ্কা
মিডল অর্ডার নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই কিছুটা সমস্যার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে শ্রীলঙ্কা। বিশ্বকাপজয়ী দলের অধিনায়ক অর্জুনা রানাতুঙ্গাও কিছুদিন আগে বলেছিলেন, এবারের বিশ্বকাপে মিডল অর্ডারই হবে শ্রীলঙ্কার প্রধান দুশ্চিন্তার কারণ। এ সমস্যা কিছুটা সামাল দেওয়ার জন্যই বোধহয় সাতজন ব্যাটসম্যান আর চারজন বোলার নিয়ে বিশ্বকাপের মূল একাদশ গড়তে যাচ্ছে লঙ্কানরা। গতকাল দলের রণকৌশল সম্পর্কে বলতে গিয়ে এ তথ্যটা জানিয়েছেন শ্রীলঙ্কান কোচ ট্রেভর বেলিস।
গত বছর শ্রীলঙ্কা অস্ট্রেলিয়া সফরে গিয়েছিল ছয়জন ব্যাটসম্যান আর পাঁচজন বোলার নিয়ে। সিরিজটা ২-১-এ জিতলেও সত্যিই মিডল অর্ডারের দৈন্যতা লুকাতে পারেনি তারা। শেষ ওয়ানডেটাতে অলআউট হয়েছিল মাত্র ১১৫ রানে। পরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজটাতে আবারও তারা ফিরে আসে ৭-৪ ফরম্যাটে। বিশ্বকাপেও এই রণকৌশল নিয়েই মাঠে নামতে যাচ্ছে লঙ্কানরা। কোচ ট্রেভর বেলিস বলেছেন, ‘আমাদের বিশ্বকাপ দলে আটজন ব্যাটসম্যান আছে। আর গত দু-তিন বছরে আমরা এই ৭-৪ ফরম্যাটেই খেলে আসছি। অ্যাঙ্গেলো ম্যাথিউ বোলার হিসেবে ভালো ভূমিকা রাখার পাশাপাশি ছয় নম্বরে ব্যাট হাতেও ভালো করবে বলে আশা করছি। অস্ট্রেলিয়া সফরে আমরা ফরম্যাট পরিবর্তন করেছিলাম। কিন্তু শ্রীলঙ্কায় আমরা ৭-৪ ফরম্যাটেই আমাদের সেরা খেলাটা খেলতে পারি।’
শ্রীলঙ্কা যদি শেষ পর্যন্ত এভাবেই মূল একাদশ সাজায়, তাহলে থিসারা পেরেরা দলে জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে সংশয় দেখা দিচ্ছে। কারণ, বল হাতে ভালো করলেও ব্যাট হাতে খুব একটা ধারাবাহিক থাকতে পারেননি এই লঙ্কান অলরাউন্ডার। আর নুয়ান কুলাসেকারা, দিলহারা ফার্নান্দোকে টপকে মূল পেসার হিসেবে দলে ঢোকাটাও বেশ কঠিনই হবে তাঁর জন্য। তবে নিশ্চিত করে না বললেও কিছু ম্যাচে তাঁকে খেলানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন লঙ্কান কোচ।
শ্রীলঙ্কার এই ৭-৪ ফরম্যাটে দল গোছানোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে জটিল হিসাব-নিকাশ কষতে হবে বোলার নির্বাচন করতে গিয়ে। চারজনের মধ্যে দুজন মোটামুটি নিশ্চিত। মুত্তিয়া মুরলিধরন আর লাথিস মালিঙ্গা। বাকি দুটি জায়গার জন্য লড়তে হবে অনেককে। মালিঙ্গার পেস আক্রমণের সঙ্গী হিসেবে নাম আসবে ফার্নান্দো আর কুলাসেকারার। ওদিকে চূড়ান্ত দলে আছেন আরও দুই স্পিনার। রঙ্গনা হেরেথ ও অজন্তা মেন্ডিস। নেদারল্যান্ডের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে চার উইকেট নিয়ে নিজের জায়গা কিছুটা পাকাই করে ফেলেছেন দিলহারা ফার্নান্দো। বাকি জায়গাগুলো তারা কীভাবে সমন্বয় করবে, এটা এখনো পুরোপুরি নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।
আর মিডল অর্ডার নিয়ে একেবারে আলাদা করে কিছু ভাবতে চাচ্ছেন না লঙ্কান কোচ। তিনি বলেছেন, ‘শুরুর দিকের ব্যাটসম্যানদেরই মূল ভূমিকাটা পালন করতে হবে। যদি তারা ব্যর্থ হয়, তখন পরবর্তীকালে প্রশ্নটা আসবে। দলে সাতজন ব্যাটসম্যান থাকছে। সবাইকেই নিজের নিজের দায়িত্বটা ভালোভাবে পালন করতে হবে।’ ক্রিকইনফো।
গত বছর শ্রীলঙ্কা অস্ট্রেলিয়া সফরে গিয়েছিল ছয়জন ব্যাটসম্যান আর পাঁচজন বোলার নিয়ে। সিরিজটা ২-১-এ জিতলেও সত্যিই মিডল অর্ডারের দৈন্যতা লুকাতে পারেনি তারা। শেষ ওয়ানডেটাতে অলআউট হয়েছিল মাত্র ১১৫ রানে। পরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজটাতে আবারও তারা ফিরে আসে ৭-৪ ফরম্যাটে। বিশ্বকাপেও এই রণকৌশল নিয়েই মাঠে নামতে যাচ্ছে লঙ্কানরা। কোচ ট্রেভর বেলিস বলেছেন, ‘আমাদের বিশ্বকাপ দলে আটজন ব্যাটসম্যান আছে। আর গত দু-তিন বছরে আমরা এই ৭-৪ ফরম্যাটেই খেলে আসছি। অ্যাঙ্গেলো ম্যাথিউ বোলার হিসেবে ভালো ভূমিকা রাখার পাশাপাশি ছয় নম্বরে ব্যাট হাতেও ভালো করবে বলে আশা করছি। অস্ট্রেলিয়া সফরে আমরা ফরম্যাট পরিবর্তন করেছিলাম। কিন্তু শ্রীলঙ্কায় আমরা ৭-৪ ফরম্যাটেই আমাদের সেরা খেলাটা খেলতে পারি।’
শ্রীলঙ্কা যদি শেষ পর্যন্ত এভাবেই মূল একাদশ সাজায়, তাহলে থিসারা পেরেরা দলে জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে সংশয় দেখা দিচ্ছে। কারণ, বল হাতে ভালো করলেও ব্যাট হাতে খুব একটা ধারাবাহিক থাকতে পারেননি এই লঙ্কান অলরাউন্ডার। আর নুয়ান কুলাসেকারা, দিলহারা ফার্নান্দোকে টপকে মূল পেসার হিসেবে দলে ঢোকাটাও বেশ কঠিনই হবে তাঁর জন্য। তবে নিশ্চিত করে না বললেও কিছু ম্যাচে তাঁকে খেলানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন লঙ্কান কোচ।
শ্রীলঙ্কার এই ৭-৪ ফরম্যাটে দল গোছানোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে জটিল হিসাব-নিকাশ কষতে হবে বোলার নির্বাচন করতে গিয়ে। চারজনের মধ্যে দুজন মোটামুটি নিশ্চিত। মুত্তিয়া মুরলিধরন আর লাথিস মালিঙ্গা। বাকি দুটি জায়গার জন্য লড়তে হবে অনেককে। মালিঙ্গার পেস আক্রমণের সঙ্গী হিসেবে নাম আসবে ফার্নান্দো আর কুলাসেকারার। ওদিকে চূড়ান্ত দলে আছেন আরও দুই স্পিনার। রঙ্গনা হেরেথ ও অজন্তা মেন্ডিস। নেদারল্যান্ডের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে চার উইকেট নিয়ে নিজের জায়গা কিছুটা পাকাই করে ফেলেছেন দিলহারা ফার্নান্দো। বাকি জায়গাগুলো তারা কীভাবে সমন্বয় করবে, এটা এখনো পুরোপুরি নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।
আর মিডল অর্ডার নিয়ে একেবারে আলাদা করে কিছু ভাবতে চাচ্ছেন না লঙ্কান কোচ। তিনি বলেছেন, ‘শুরুর দিকের ব্যাটসম্যানদেরই মূল ভূমিকাটা পালন করতে হবে। যদি তারা ব্যর্থ হয়, তখন পরবর্তীকালে প্রশ্নটা আসবে। দলে সাতজন ব্যাটসম্যান থাকছে। সবাইকেই নিজের নিজের দায়িত্বটা ভালোভাবে পালন করতে হবে।’ ক্রিকইনফো।
‘শ্রীলঙ্কাই অস্ট্রেলিয়ার প্রধান বাধা’
প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচেই ভারতের কাছে ৩৮ রানে হেরে গেছে অস্ট্রেলিয়া। বিশ্বকাপের মূল আসরেও স্বাগতিক হিসেবে ভারতকেই শিরোপা জয়ের অন্যতম দাবিদার হিসেবে গণ্য করছে অনেকে। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপজয়ী দলের অন্যতম দুই সদস্য মার্ক ওয়াহ ও ডেমিয়েন ফ্লেমিংয়ের মতে, ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা বা ইংল্যান্ড নয়, একমাত্র শ্রীলঙ্কাই অসিদের টানা চতুর্থবারের মতো বিশ্বকাপ জয়ের ক্ষেত্রে প্রধান প্রতিবন্ধকতা হিসেবে দাঁড়াতে পারে।
অস্ট্রেলিয়ার এক টেলিভিশন অনুষ্ঠানে এবারের বিশ্বকাপ কে জিততে পারে, এমন প্রশ্নের জবাবে ডেমিয়েন ফ্লেমিং বলেছেন, ‘উপমহাদেশের মাটিতে বিশ্বকাপ জেতাটা সব সময়ই কঠিন। কারণ, স্বাগতিক দলগুলো সেখানে খুবই ভালো খেলে। আমি বিশেষভাবে বলব স্পিন কিংবদন্তি মুত্তিয়া মুরলিধরনের কথা। সে সব সময়ই খুব ভালো বল করে। বিশেষত উপমহাদেশে। আর তার সঙ্গে বোলিং আক্রমণে অজন্তা মেন্ডিসও ভালো একটা অবদান রাখবে। আর তাদের ব্যাটসম্যানের তালিকাটাও বেশ লম্বা। তারা অনেক বড় স্কোরও তাড়া করতে পারবে।’
স্পিন বোলিংয়ের বিপরীতে অস্ট্রেলিয়ার মিডল অর্ডারের দুর্বলতার কথা স্বীকার করেছেন এই দুই সাবেক অসি ক্রিকেটার। শেষ মুহূর্তে ইনজুরির কারণে মাইক হাসির বিশ্বকাপ দলে না থাকতে পারাটা অস্ট্রেলিয়ার জন্য একটা অপূরণীয় ক্ষতি বলে উল্লেখ করেছেন মার্ক ওয়াহ। আর ফ্লেমিং বলেছেন, ‘ভারতের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচটা দেখে আমার মনে হলো, অস্ট্রেলিয়া যদি আবার শিরোপা জয়ের স্বাদ পেতে চায়, তাহলে মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যানদের আরও ভালোভাবে স্পিনারদের মোকাবিলা করতে হবে এবং দ্রুত রান করতে হবে।’
অস্ট্রেলিয়ার এক টেলিভিশন অনুষ্ঠানে এবারের বিশ্বকাপ কে জিততে পারে, এমন প্রশ্নের জবাবে ডেমিয়েন ফ্লেমিং বলেছেন, ‘উপমহাদেশের মাটিতে বিশ্বকাপ জেতাটা সব সময়ই কঠিন। কারণ, স্বাগতিক দলগুলো সেখানে খুবই ভালো খেলে। আমি বিশেষভাবে বলব স্পিন কিংবদন্তি মুত্তিয়া মুরলিধরনের কথা। সে সব সময়ই খুব ভালো বল করে। বিশেষত উপমহাদেশে। আর তার সঙ্গে বোলিং আক্রমণে অজন্তা মেন্ডিসও ভালো একটা অবদান রাখবে। আর তাদের ব্যাটসম্যানের তালিকাটাও বেশ লম্বা। তারা অনেক বড় স্কোরও তাড়া করতে পারবে।’
স্পিন বোলিংয়ের বিপরীতে অস্ট্রেলিয়ার মিডল অর্ডারের দুর্বলতার কথা স্বীকার করেছেন এই দুই সাবেক অসি ক্রিকেটার। শেষ মুহূর্তে ইনজুরির কারণে মাইক হাসির বিশ্বকাপ দলে না থাকতে পারাটা অস্ট্রেলিয়ার জন্য একটা অপূরণীয় ক্ষতি বলে উল্লেখ করেছেন মার্ক ওয়াহ। আর ফ্লেমিং বলেছেন, ‘ভারতের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচটা দেখে আমার মনে হলো, অস্ট্রেলিয়া যদি আবার শিরোপা জয়ের স্বাদ পেতে চায়, তাহলে মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যানদের আরও ভালোভাবে স্পিনারদের মোকাবিলা করতে হবে এবং দ্রুত রান করতে হবে।’
Monday, January 17, 2011
ভারতের কোচ হবেন ফ্লেমিং
গ্যারি কারস্টেনের সঙ্গে চুক্তি শেষ হয়ে যাচ্ছে বিশ্বকাপের পর। কারস্টেনের দিক থেকেও চুক্তি বাড়ানোর বিশেষ কোনো আগ্রহ দেখা যাচ্ছে না। বিশ্বকাপের পর তাহলে ভারতের কোচ হবেন কে? স্টিভেন ফ্লেমিং—অনেকেরই মুখে ঘুরছে নিউজিল্যান্ডের সাবেক অধিনায়কের নাম।
ফ্লেমিং আপাতত ভারতেই আছেন। আইপিএলের দল চেন্নাই সুপার কিংসের কোচ তিনি। এ কারণেই নিউজিল্যান্ডের সাবেক ওপেনারের নামটা বেশি আসছে। চেন্নাই সুপার কিংসের (সিএসকে) অধিনায়ক ভারতেরই অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। এ দলটির সহমালিক ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সম্পাদক শ্রীনিবাসন। দুইয়ে দুইয়ে চার মিলিয়ে গুঞ্জন—ভারতের পরবর্তী কোচ হচ্ছেন ফ্লেমিং।
ভারতীয় দৈনিক দ্য টেলিগ্রাফ তো লিখেই দিয়েছে, ‘সিএসকে অধিনায়ক ধোনির সঙ্গে ফ্লেমিংয়ের সম্পর্কটা দারুণ। শ্রীনিবাসনের সঙ্গেও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক। সেপ্টেম্বরে হয়তো শ্রীনিবাসনই বিসিসিআইয়ের সভাপতি হয়ে যাবেন। এ কারণেই কারস্টেনের উত্তরসূরি ফ্লেমিং হয়ে গেলে বিস্ময়ের কিছু নেই।’
ফ্লেমিং আপাতত ভারতেই আছেন। আইপিএলের দল চেন্নাই সুপার কিংসের কোচ তিনি। এ কারণেই নিউজিল্যান্ডের সাবেক ওপেনারের নামটা বেশি আসছে। চেন্নাই সুপার কিংসের (সিএসকে) অধিনায়ক ভারতেরই অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। এ দলটির সহমালিক ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সম্পাদক শ্রীনিবাসন। দুইয়ে দুইয়ে চার মিলিয়ে গুঞ্জন—ভারতের পরবর্তী কোচ হচ্ছেন ফ্লেমিং।
ভারতীয় দৈনিক দ্য টেলিগ্রাফ তো লিখেই দিয়েছে, ‘সিএসকে অধিনায়ক ধোনির সঙ্গে ফ্লেমিংয়ের সম্পর্কটা দারুণ। শ্রীনিবাসনের সঙ্গেও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক। সেপ্টেম্বরে হয়তো শ্রীনিবাসনই বিসিসিআইয়ের সভাপতি হয়ে যাবেন। এ কারণেই কারস্টেনের উত্তরসূরি ফ্লেমিং হয়ে গেলে বিস্ময়ের কিছু নেই।’
১৯০ রান করেও জিতল ভারত
অসাধারণ, দারুণ এক জয় ভারতের—টিভি চ্যানেল টেন স্পোর্টসের বিশ্লেষক চারুশর্মার কথা এটা। ক্রিকেট ওয়েবসাইট ক্রিকইনফোর ধারাভাষ্যকার বললেন—দক্ষিণ আফ্রিকার আরেকটি অবিশ্বাস্য ব্যাটিং বিপর্যয়! কাল দক্ষিণ আফ্রিকার নিউ ওয়ান্ডারার্স স্টেডিয়ামে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ১ রানের মহানাটকীয় এক জয়ই পেল ভারত। সেই জয় এল মুনাফ প্যাটেলের হাত ধরে। ভারতকে জেতাতে ওয়ানডেতে ক্যারিয়ার সেরা (৪/২৯) বোলিং করেছেন এই ভারতীয় পেসার।
আরও পরিণত হয়ে ওঠার প্রমাণ দিয়ে ক্যারিয়ারের সেরা (৪/২২) বোলিং করেছেন লনওয়াবো সতসোবে। যুবরাজ, ধোনি, রায়না—ভারতের ব্যাটিং লাইনআপের চার থেকে ছয় তাঁরই শিকার। এভাবে যে মেরুদণ্ডটা ভাঙলেন, এরপর ভারত আর সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। অলআউট হয়েছে ১৯০ রানে।
সতসোবের জবাব দিলেন ভারতের মুনাফ। ৫ ম্যাচের সিরিজে ভারতকে সমতায় ফেরালেন ১-১-এ। শুরু করেছিলেন ওপেনার আমলাকে ফিরিয়ে দিয়ে। এরপর ক্রমেই ভয়ংকর হয়ে ওঠা স্মিথকে ফিরিয়ে দলকে ফিরিয়েছিলেন লড়াইয়ে। আর শেষ দুটি উইকেট নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকাকে উপহার দিয়েছেন অপ্রত্যাশিত পরাজয়।
সংক্ষিপ্ত স্কোর: ভারত ৪৭.২ ওভারে ১৯০/১০ (বিজয় ১৬, টেন্ডুলকার ২৪, কোহলি ২২, যুবরাজ ৫৩, ধোনি ৩৮, রায়না ১১, রোহিত ৯, হরভজন ৩, জহির ০, নেহরা ১, মুনাফ ৬*; সতসোবে ৪/২২, মরকেল ২/২৭, স্টেইন ২/৩৫, বোথা ১/৩৫)। দক্ষিণ আফ্রিকা: ৪৩ ওভারে ১৮৯ (স্মিথ ৭৭, আমলা ৪, ইনগ্রাম ২৫, ডি ভিলিয়ার্স ৮, দুমিনি ১৩, মিলার ২৭, বোথা ৪, পারনেল ১২, স্টেইন ৬, মর্কেল ৬, সতসোবে ১*; জহির ২/৩৭, মুনাফ ৪/২৯, নেহরা ১/৪০, হরভজন ১/৩২, রায়না ০/২৭, রোহিত ১/১২, যুবরাজ ০/৩)।
আরও পরিণত হয়ে ওঠার প্রমাণ দিয়ে ক্যারিয়ারের সেরা (৪/২২) বোলিং করেছেন লনওয়াবো সতসোবে। যুবরাজ, ধোনি, রায়না—ভারতের ব্যাটিং লাইনআপের চার থেকে ছয় তাঁরই শিকার। এভাবে যে মেরুদণ্ডটা ভাঙলেন, এরপর ভারত আর সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। অলআউট হয়েছে ১৯০ রানে।
সতসোবের জবাব দিলেন ভারতের মুনাফ। ৫ ম্যাচের সিরিজে ভারতকে সমতায় ফেরালেন ১-১-এ। শুরু করেছিলেন ওপেনার আমলাকে ফিরিয়ে দিয়ে। এরপর ক্রমেই ভয়ংকর হয়ে ওঠা স্মিথকে ফিরিয়ে দলকে ফিরিয়েছিলেন লড়াইয়ে। আর শেষ দুটি উইকেট নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকাকে উপহার দিয়েছেন অপ্রত্যাশিত পরাজয়।
সংক্ষিপ্ত স্কোর: ভারত ৪৭.২ ওভারে ১৯০/১০ (বিজয় ১৬, টেন্ডুলকার ২৪, কোহলি ২২, যুবরাজ ৫৩, ধোনি ৩৮, রায়না ১১, রোহিত ৯, হরভজন ৩, জহির ০, নেহরা ১, মুনাফ ৬*; সতসোবে ৪/২২, মরকেল ২/২৭, স্টেইন ২/৩৫, বোথা ১/৩৫)। দক্ষিণ আফ্রিকা: ৪৩ ওভারে ১৮৯ (স্মিথ ৭৭, আমলা ৪, ইনগ্রাম ২৫, ডি ভিলিয়ার্স ৮, দুমিনি ১৩, মিলার ২৭, বোথা ৪, পারনেল ১২, স্টেইন ৬, মর্কেল ৬, সতসোবে ১*; জহির ২/৩৭, মুনাফ ৪/২৯, নেহরা ১/৪০, হরভজন ১/৩২, রায়না ০/২৭, রোহিত ১/১২, যুবরাজ ০/৩)।
ব্র্যাডম্যানের মাথা থেকেই এক দিনের ম্যাচ
এক দিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট এল কীভাবে? কে-ই বা এর জনক? স্যার ডন ব্র্যাডম্যান—অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক বিল লরি বলে দিয়েছেন, ‘ওয়ানডে ক্রিকেট ব্র্যাডম্যানের মস্তিষ্কপ্রসূত।’
জীবনে কখনো ওয়ানডে খেলেননি। ওয়ানডে ক্রিকেট প্রথম অফিশিয়াল মর্যাদা পেয়েছে ১৯৭১ সালে। ব্র্যাডম্যান ক্রিকেট ছেড়েছেন এরও ২৩ বছর আগে। ব্র্যাডম্যান কীভাবে ওয়ানডে ক্রিকেটের উদ্ভাবক হলেন?
১৯৭১ সালে অ্যাশেজের তৃতীয় টেস্টটা অর্থ উপার্জনের উপলক্ষ হিসেবেই নিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু বৃষ্টিতে ভেসে গিয়েছিল তিনটি দিন। হতাশ হয়ে পড়েন অস্ট্রেলিয়ান কর্মকর্তারা। কীভাবে কিছু টাকা বানিয়ে নেওয়া যায়? চিন্তা ছিল এটাই। ঠিক তখনই টাকা বানানোর পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে আসেন ব্র্যাডম্যান।
অস্ট্রেলিয়ার তখনকার অধিনায়ক বিল লরি স্মৃতিচারণা করেন, ‘আমার স্মৃতি বলছে, স্যার ডোনাল্ড ব্র্যাডম্যান টাকা বানানোর একটা পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে এসেছিলেন তখন। আর তিনি এটা ভালোই পারতেন।’ ব্র্যাডম্যান তখন অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি ছিলেন।
অ্যাশেজের তৃতীয় টেস্টের পরিবর্তে ৫ জানুয়ারি, ১৯৭১ এক দিনের ক্রিকেটের ব্যবস্থা করেছিলেন অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট বোর্ডের তখনকার সভাপতি। আর সেটা ফলদায়কও হয়, ‘তখন প্রায় ৪৬ হাজার টিকিট বিক্রি হয় আর তা থেকে ৩০ হাজার মার্কিন ডলার আয়ও হয়। তখনকার হিসাবে ভালোই বলতে হবে। আমার যদ্দুর মনে পড়ে, আগে কোনো টিকিটই বিক্রি হয়নি। টেস্ট ম্যাচ বাতিল করে এক দিনের ম্যাচের আয়োজন করার ঘোষণা দেওয়ার পরই মানুষ মাঠে এসেছিল।’
ওই ম্যাচের আগে ইংল্যান্ডে ওয়ানডে ক্রিকেট খেলার হয়ে গেছে ৮ বছর। তবে অস্ট্রেলিয়ানরা এর আগে ওয়ানডে ক্রিকেট খেলেইনি। তবু সেই ম্যাচে জয়ের হাসি হেসেছিল অস্ট্রেলিয়াই। লরির স্মৃতিচারণা, ‘ওয়ানডে ক্রিকেট কীভাবে খেলতে হয়, তা জানতামই না আমরা। তিনটি স্লিপ নিয়ে ফিল্ডিং সাজিয়েছিলাম। পরে অবশ্য সব ঠিকঠাক করে নিয়েছি।
জীবনে কখনো ওয়ানডে খেলেননি। ওয়ানডে ক্রিকেট প্রথম অফিশিয়াল মর্যাদা পেয়েছে ১৯৭১ সালে। ব্র্যাডম্যান ক্রিকেট ছেড়েছেন এরও ২৩ বছর আগে। ব্র্যাডম্যান কীভাবে ওয়ানডে ক্রিকেটের উদ্ভাবক হলেন?
১৯৭১ সালে অ্যাশেজের তৃতীয় টেস্টটা অর্থ উপার্জনের উপলক্ষ হিসেবেই নিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু বৃষ্টিতে ভেসে গিয়েছিল তিনটি দিন। হতাশ হয়ে পড়েন অস্ট্রেলিয়ান কর্মকর্তারা। কীভাবে কিছু টাকা বানিয়ে নেওয়া যায়? চিন্তা ছিল এটাই। ঠিক তখনই টাকা বানানোর পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে আসেন ব্র্যাডম্যান।
অস্ট্রেলিয়ার তখনকার অধিনায়ক বিল লরি স্মৃতিচারণা করেন, ‘আমার স্মৃতি বলছে, স্যার ডোনাল্ড ব্র্যাডম্যান টাকা বানানোর একটা পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে এসেছিলেন তখন। আর তিনি এটা ভালোই পারতেন।’ ব্র্যাডম্যান তখন অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি ছিলেন।
অ্যাশেজের তৃতীয় টেস্টের পরিবর্তে ৫ জানুয়ারি, ১৯৭১ এক দিনের ক্রিকেটের ব্যবস্থা করেছিলেন অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট বোর্ডের তখনকার সভাপতি। আর সেটা ফলদায়কও হয়, ‘তখন প্রায় ৪৬ হাজার টিকিট বিক্রি হয় আর তা থেকে ৩০ হাজার মার্কিন ডলার আয়ও হয়। তখনকার হিসাবে ভালোই বলতে হবে। আমার যদ্দুর মনে পড়ে, আগে কোনো টিকিটই বিক্রি হয়নি। টেস্ট ম্যাচ বাতিল করে এক দিনের ম্যাচের আয়োজন করার ঘোষণা দেওয়ার পরই মানুষ মাঠে এসেছিল।’
ওই ম্যাচের আগে ইংল্যান্ডে ওয়ানডে ক্রিকেট খেলার হয়ে গেছে ৮ বছর। তবে অস্ট্রেলিয়ানরা এর আগে ওয়ানডে ক্রিকেট খেলেইনি। তবু সেই ম্যাচে জয়ের হাসি হেসেছিল অস্ট্রেলিয়াই। লরির স্মৃতিচারণা, ‘ওয়ানডে ক্রিকেট কীভাবে খেলতে হয়, তা জানতামই না আমরা। তিনটি স্লিপ নিয়ে ফিল্ডিং সাজিয়েছিলাম। পরে অবশ্য সব ঠিকঠাক করে নিয়েছি।
জমজমাট আবহেও অনিশ্চিত ম্যাচ
‘ওহ্...ভুলেই তো গিয়েছিলাম কালকে আবাহনী-মোহামেডান ম্যাচ’—আবাহনী-মোহামেডান ম্যাচের আগের দিন কেন এক দলের অধিনায়ক বলছেন এমন কথা!
একাডেমি ভবন থেকে বের হয়ে সাকিব আল হাসান কথাটা বললেন মজা করেই। তবে মোহামেডান অধিনায়কের এই কৌতুকেই ফুটে উঠছে সময়ের বাস্তবতা। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর ম্যাচ নিয়ে সারা দেশ দুই ভাগ হয়ে যাওয়ার দিন পেরিয়েছে অনেক আগেই। তবু পয়েন্ট টেবিলে দুই দলের পিঠোপিঠি অবস্থানের কারণে এবার যেটুকু উত্তেজনা, সেটুকুও মিলিয়ে গেছে বিশ্বকাপের উত্তেজনায়। প্রিয় ক্লাবের জয়ের চেয়ে বিশ্বকাপ দলটা কেমন হচ্ছে, মাশরাফি বিন মুর্তজা থাকছেন কি না, এগুলো নিয়ে মানুষের চিন্তা অনেক বেশি। মোহামেডানের অধিনায়ক জাতীয় দলেরও অধিনায়ক, বিশ্বকাপটা নিশ্চয়ই তাঁর ভাবনার বেশির ভাগ জুড়ে।
সাকিবের কথায় বিস্মিত না হওয়ার আরেকটা কারণ, তাঁর ধরনটাই এমন। চাপ ব্যাপারটা তাঁর কাছে অনাহূত। প্রতিপক্ষ আবাহনী হোক বা ওরিয়েন্ট-বিকেএসপি, ভাবনায় পরিবর্তন খুব বেশি হবে না। সাকিবের মুখেই শুনুন, ‘আবাহনী-মোহামেডান ম্যাচের উত্তেজনার কথা শুনেছি, কিন্তু নিজের কাছে কখনো আলাদা কিছু মনে হয়নি।’ সাকিবকে চিনে থাকলে বুঝতে পারবেন, বলার জন্য বলা নয়, এগুলো তাঁর মনের কথাই।
মনের কথা বলে ফেলায় বিশ্বাসী সাকিব আজকের ম্যাচের সম্ভাবনা নিয়ে বললেন, ‘আমরা পুরোপুরি সামর্থ্য অনুযায়ী খেলতে পারলে আবাহনীর জেতার কোনো চান্স নাই। আমরা খারাপ খেললেই কেবল ওরা জিততে পারে।’ দুই দলের খেলোয়াড় তালিকা দেখলে মোহামেডানকে এগিয়ে রাখবেন যে কেউ। কিন্তু চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর বিপক্ষে প্রতিপক্ষকে এভাবে উড়িয়ে দেওয়া, এই দুই দলের কোন অধিনায়ক কবে এমনটা করতে পেরেছেন! এই হলেন সাকিব।
তবে কাগজে-কলমের হিসাবকে আবার পাত্তাই দিলেন না খালেদ মাহমুদ। আবাহনীর কোচ তাকাতে বললেন পয়েন্ট টেবিলের দিকে, ‘মাঠের পারফরম্যান্সে আমরাই এখনো লিগের সেরা দল। আর কাগজে-কলমে আমরা পিছিয়ে এটাও মানতে রাজি নই। ওদের তামিম হয়তো বেশি বিপজ্জনক, কিন্তু আমাদের কায়েসও (ইমরুল) দারুণ ধারাবাহিক। গত বছর ওয়ানডেতে ৫ জন সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারীদের একজন ও। ওদের সাকিব ম্যাচ উইনার, আমাদের মাহমুদউল্লাহও অসাধারণ ফর্মে আছে। স্পিনে ওদের এনামুল আছে, আমাদের আছে রফিক। পেস বোলিংয়ে তো আমরাই এগিয়ে। তো শক্তিতে খুব পার্থক্য নেই, যে দল চাপ বেশি সামলাতে পারবে তারাই জিতবে।’
মাহমুদের দাবির সাক্ষ্য দেয় পয়েন্ট টেবিলেও। মোহামেডানের চেয়ে এক পয়েন্ট এগিয়ে শীর্ষে আবাহনী। গাজী ট্যাংকের কাছে হারের পাশাপাশি মোহামেডান টাই করেছে প্রাইম দোলেশ্বরের সঙ্গে। ৯ ম্যাচে আবাহনীর একমাত্র পরাজয় কলাবাগানের বিপক্ষে। আজ জিতলে ৩ পয়েন্ট এগিয়ে যাবে আবাহনী, শিরোপা জয়ে যে ব্যবধানটা শেষ পর্যন্ত হতে পারে অমূল্য। মোহামেডান জিতলে তো শীর্ষেই উঠে যাবে। সুপার লিগে জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা না থাকলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়তো মোহামেডানরই হবে। তামিম-সাকিবরা থাকতে থাকতেই তাই লিগের বাকি দুই ম্যাচ জিততে চাইবে মোহামেডান।
উত্তেজনা আগের মতো নেই। তবে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর কাছে হারা যাবে না, এই মানসিকতা ঠিকই আছে। সঙ্গে বিদেশি খেলোয়াড় কোটা নিয়ে গতকালের দ্বন্দ্বও যোগ করেছে নতুন উত্তেজনা। জমজমাট এক ম্যাচের রসদ প্রস্তুত, কিন্তু ম্যাচটা হবে কি না, সেটিই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।
একাডেমি ভবন থেকে বের হয়ে সাকিব আল হাসান কথাটা বললেন মজা করেই। তবে মোহামেডান অধিনায়কের এই কৌতুকেই ফুটে উঠছে সময়ের বাস্তবতা। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর ম্যাচ নিয়ে সারা দেশ দুই ভাগ হয়ে যাওয়ার দিন পেরিয়েছে অনেক আগেই। তবু পয়েন্ট টেবিলে দুই দলের পিঠোপিঠি অবস্থানের কারণে এবার যেটুকু উত্তেজনা, সেটুকুও মিলিয়ে গেছে বিশ্বকাপের উত্তেজনায়। প্রিয় ক্লাবের জয়ের চেয়ে বিশ্বকাপ দলটা কেমন হচ্ছে, মাশরাফি বিন মুর্তজা থাকছেন কি না, এগুলো নিয়ে মানুষের চিন্তা অনেক বেশি। মোহামেডানের অধিনায়ক জাতীয় দলেরও অধিনায়ক, বিশ্বকাপটা নিশ্চয়ই তাঁর ভাবনার বেশির ভাগ জুড়ে।
সাকিবের কথায় বিস্মিত না হওয়ার আরেকটা কারণ, তাঁর ধরনটাই এমন। চাপ ব্যাপারটা তাঁর কাছে অনাহূত। প্রতিপক্ষ আবাহনী হোক বা ওরিয়েন্ট-বিকেএসপি, ভাবনায় পরিবর্তন খুব বেশি হবে না। সাকিবের মুখেই শুনুন, ‘আবাহনী-মোহামেডান ম্যাচের উত্তেজনার কথা শুনেছি, কিন্তু নিজের কাছে কখনো আলাদা কিছু মনে হয়নি।’ সাকিবকে চিনে থাকলে বুঝতে পারবেন, বলার জন্য বলা নয়, এগুলো তাঁর মনের কথাই।
মনের কথা বলে ফেলায় বিশ্বাসী সাকিব আজকের ম্যাচের সম্ভাবনা নিয়ে বললেন, ‘আমরা পুরোপুরি সামর্থ্য অনুযায়ী খেলতে পারলে আবাহনীর জেতার কোনো চান্স নাই। আমরা খারাপ খেললেই কেবল ওরা জিততে পারে।’ দুই দলের খেলোয়াড় তালিকা দেখলে মোহামেডানকে এগিয়ে রাখবেন যে কেউ। কিন্তু চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর বিপক্ষে প্রতিপক্ষকে এভাবে উড়িয়ে দেওয়া, এই দুই দলের কোন অধিনায়ক কবে এমনটা করতে পেরেছেন! এই হলেন সাকিব।
তবে কাগজে-কলমের হিসাবকে আবার পাত্তাই দিলেন না খালেদ মাহমুদ। আবাহনীর কোচ তাকাতে বললেন পয়েন্ট টেবিলের দিকে, ‘মাঠের পারফরম্যান্সে আমরাই এখনো লিগের সেরা দল। আর কাগজে-কলমে আমরা পিছিয়ে এটাও মানতে রাজি নই। ওদের তামিম হয়তো বেশি বিপজ্জনক, কিন্তু আমাদের কায়েসও (ইমরুল) দারুণ ধারাবাহিক। গত বছর ওয়ানডেতে ৫ জন সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারীদের একজন ও। ওদের সাকিব ম্যাচ উইনার, আমাদের মাহমুদউল্লাহও অসাধারণ ফর্মে আছে। স্পিনে ওদের এনামুল আছে, আমাদের আছে রফিক। পেস বোলিংয়ে তো আমরাই এগিয়ে। তো শক্তিতে খুব পার্থক্য নেই, যে দল চাপ বেশি সামলাতে পারবে তারাই জিতবে।’
মাহমুদের দাবির সাক্ষ্য দেয় পয়েন্ট টেবিলেও। মোহামেডানের চেয়ে এক পয়েন্ট এগিয়ে শীর্ষে আবাহনী। গাজী ট্যাংকের কাছে হারের পাশাপাশি মোহামেডান টাই করেছে প্রাইম দোলেশ্বরের সঙ্গে। ৯ ম্যাচে আবাহনীর একমাত্র পরাজয় কলাবাগানের বিপক্ষে। আজ জিতলে ৩ পয়েন্ট এগিয়ে যাবে আবাহনী, শিরোপা জয়ে যে ব্যবধানটা শেষ পর্যন্ত হতে পারে অমূল্য। মোহামেডান জিতলে তো শীর্ষেই উঠে যাবে। সুপার লিগে জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা না থাকলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়তো মোহামেডানরই হবে। তামিম-সাকিবরা থাকতে থাকতেই তাই লিগের বাকি দুই ম্যাচ জিততে চাইবে মোহামেডান।
উত্তেজনা আগের মতো নেই। তবে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর কাছে হারা যাবে না, এই মানসিকতা ঠিকই আছে। সঙ্গে বিদেশি খেলোয়াড় কোটা নিয়ে গতকালের দ্বন্দ্বও যোগ করেছে নতুন উত্তেজনা। জমজমাট এক ম্যাচের রসদ প্রস্তুত, কিন্তু ম্যাচটা হবে কি না, সেটিই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।
আবারও সেই নিউজিল্যান্ড
দিনের প্রথম ওভারের শেষ বল ছিল সেটি। অফ স্টাম্পের একটু বাইরে পিচ করা বলটি ছেড়ে দিতে চেয়েছিলেন ব্রেন্ডন ম্যাককালাম কিন্তু তাঁকে চমকে দিয়ে বল ঢুকল ভেতরে। প্যাডে আঘাত। পাকিস্তানিদের আবেদনে সাড়া দিয়ে উঠে গেল ড্যারিল হার্পারের তর্জনী। শূন্য রানে নিজেদের মূল ব্যাটসম্যানটিকে হারাল নিউজিল্যান্ড। সকালেই পাওয়া গেল দিনের পূর্বাভাস!
লোয়ার-মিডল অর্ডার ঘুরে দাঁড়ানোয় রক্ষা। ওয়েলিংটন টেস্টের প্রথম দিনে নিউজিল্যান্ডের স্কোরটা যা একটু ভদ্রস্থ দেখাচ্ছে ছয়-সাত-আট নম্বর ব্যাটসম্যানের তিনটি ক্যামিও ইনিংসের সৌজন্যে। এক থেকে পাঁচের মধ্যে রান করেছেন কেবল একজনই—রস টেলর। টপ-অর্ডারের আরেকটি ব্যর্থতার কারণে নিউজিল্যান্ড তখন ১০০ থেকে ২ রানের দূরত্বে থাকতেই হারিয়ে ফেলেছে ৪ উইকেট। টেলরের ৭৮, প্রায় দুই বছর পর টেস্ট খেলতে নামা জেমস ফ্রাঙ্কলিনের সঙ্গে পঞ্চম উইকেটে তাঁর ৬৮ রানের জুটি মান বাঁচিয়েছে স্বাগতিকদের।
নিউজিল্যান্ড আজ কোথায় গিয়ে থামবে সেটি নির্ভর করছে ড্যানিয়েল ভেট্টোরি আর রিস ইয়াংয়ের ওপর। এরই মধ্যে এই জুটি ৬৬ রান তুলে অবিচ্ছিন্ন আছে। অনেক দিন পর ভেট্টোরিকেও বেশ সাবলীল দেখাচ্ছে উইকেটে।
দিনের নায়ক পাকিস্তানি পেসাররাই, যাঁরা শুরু থেকে সহজ সূত্র মেনে বল করে গেছেন। বেশি কারিকুরি নয়, নিয়ন্ত্রিত বোলিং, সঙ্গে কন্ডিশনের সদ্ব্যবহার। অন্যদিকে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরা গত টেস্টের শেষ সেশনে অলআউট হওয়া থেকেও কিছু শেখেননি বলেই মনে হচ্ছে। এই ম্যাচের আগে ভেট্টোরি আর কোচ জন রাইট যে ধৈর্যটা দেখতে চেয়েছিলেন দলের মধ্যে, অন্তত টপ-অর্ডার সেটি দেখাতে ব্যর্থ। পাঁচ ব্যাটসম্যানেরই উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেওয়া সে কথাই বলছে। শুধু ম্যাককালাম হয়েছেন এলবিডব্লু।
ম্যাককালাম অবশ্য দাবি করতে পারেন, তিনি দুর্ভাগ্যের শিকার। রিপ্লে দেখে মনে হয়েছে, বল অনেক ওপরে ছিল। নিউজিল্যান্ড কিন্তু এ নিয়ে বেশি ট্যাঁ-ফোঁ করার সুযোগ পাবে না। কারণ গুলের পরের ওভারেই মার্টিন গাপটিলের ব্যাটের কানা ছুঁয়ে বল জমা পড়েছিল উইকেটরক্ষকের হাতে। হার্পার এবার দিয়েছেন নটআউট!
দিনের প্রথম সেশনের প্রথম ঘণ্টাটাই গুল এভাবে ত্রস্ত করে রাখলেন কিউই ব্যাটসম্যানদের। ধারাবাহিকতার পুরস্কার হিসেবে ব্যাটিং-অর্ডারে প্রমোশন পেয়ে তিনে নামা কেন উইলিয়ামসনও তাঁর শিকার হলে ৮০ রানে ২ উইকেট হারিয়ে লাঞ্চে যায় নিউজিল্যান্ড।
পরের সেশনের প্রথম ঘণ্টাটি ছিল তানভির আহমেদের। পরপর দুই বলে মার্টিন গাপটিল আর জেসি রাইডারকে আউট করে হ্যাটট্রিকের সামনেও গিয়েছিলেন এই পেসার। রাইডার টানা দ্বিতীয় ইনিংসে পেলেন ‘গোল্ডেন ডাক’।
এর পরই টেলর আর ফ্রাঙ্কলিনের প্রতিরোধ। কিন্তু সেট হয়ে যাওয়ার পর মাত্র ১৪ রানের ব্যবধানে দুজন ফিরে গেলে নিউজিল্যান্ড পরিণত হয় ৬ উইকেটে ১৮০ রানে। ভেট্টোরি-ইয়াংয়ের প্রতিরোধে শেষ বিকেলে আর কোনো বিপদের মুখে পড়েনি নিউজিল্যান্ড। আজ পাকিস্তান দ্রুত লেজটা ছেঁটে ফেলতে চাইবে। আর আদনান আকমল চাইবেন, শেষ চার উইকেট পতনের অন্তত তিনটিতে যেন তাঁর ভূমিকা থাকে। কাল পাঁচটি ক্যাচ ধরা এই উইকেটরক্ষক যে তাহলে গড়বেন ডিসমিসালের নতুন বিশ্ব রেকর্ড।
লোয়ার-মিডল অর্ডার ঘুরে দাঁড়ানোয় রক্ষা। ওয়েলিংটন টেস্টের প্রথম দিনে নিউজিল্যান্ডের স্কোরটা যা একটু ভদ্রস্থ দেখাচ্ছে ছয়-সাত-আট নম্বর ব্যাটসম্যানের তিনটি ক্যামিও ইনিংসের সৌজন্যে। এক থেকে পাঁচের মধ্যে রান করেছেন কেবল একজনই—রস টেলর। টপ-অর্ডারের আরেকটি ব্যর্থতার কারণে নিউজিল্যান্ড তখন ১০০ থেকে ২ রানের দূরত্বে থাকতেই হারিয়ে ফেলেছে ৪ উইকেট। টেলরের ৭৮, প্রায় দুই বছর পর টেস্ট খেলতে নামা জেমস ফ্রাঙ্কলিনের সঙ্গে পঞ্চম উইকেটে তাঁর ৬৮ রানের জুটি মান বাঁচিয়েছে স্বাগতিকদের।
নিউজিল্যান্ড আজ কোথায় গিয়ে থামবে সেটি নির্ভর করছে ড্যানিয়েল ভেট্টোরি আর রিস ইয়াংয়ের ওপর। এরই মধ্যে এই জুটি ৬৬ রান তুলে অবিচ্ছিন্ন আছে। অনেক দিন পর ভেট্টোরিকেও বেশ সাবলীল দেখাচ্ছে উইকেটে।
দিনের নায়ক পাকিস্তানি পেসাররাই, যাঁরা শুরু থেকে সহজ সূত্র মেনে বল করে গেছেন। বেশি কারিকুরি নয়, নিয়ন্ত্রিত বোলিং, সঙ্গে কন্ডিশনের সদ্ব্যবহার। অন্যদিকে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরা গত টেস্টের শেষ সেশনে অলআউট হওয়া থেকেও কিছু শেখেননি বলেই মনে হচ্ছে। এই ম্যাচের আগে ভেট্টোরি আর কোচ জন রাইট যে ধৈর্যটা দেখতে চেয়েছিলেন দলের মধ্যে, অন্তত টপ-অর্ডার সেটি দেখাতে ব্যর্থ। পাঁচ ব্যাটসম্যানেরই উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেওয়া সে কথাই বলছে। শুধু ম্যাককালাম হয়েছেন এলবিডব্লু।
ম্যাককালাম অবশ্য দাবি করতে পারেন, তিনি দুর্ভাগ্যের শিকার। রিপ্লে দেখে মনে হয়েছে, বল অনেক ওপরে ছিল। নিউজিল্যান্ড কিন্তু এ নিয়ে বেশি ট্যাঁ-ফোঁ করার সুযোগ পাবে না। কারণ গুলের পরের ওভারেই মার্টিন গাপটিলের ব্যাটের কানা ছুঁয়ে বল জমা পড়েছিল উইকেটরক্ষকের হাতে। হার্পার এবার দিয়েছেন নটআউট!
দিনের প্রথম সেশনের প্রথম ঘণ্টাটাই গুল এভাবে ত্রস্ত করে রাখলেন কিউই ব্যাটসম্যানদের। ধারাবাহিকতার পুরস্কার হিসেবে ব্যাটিং-অর্ডারে প্রমোশন পেয়ে তিনে নামা কেন উইলিয়ামসনও তাঁর শিকার হলে ৮০ রানে ২ উইকেট হারিয়ে লাঞ্চে যায় নিউজিল্যান্ড।
পরের সেশনের প্রথম ঘণ্টাটি ছিল তানভির আহমেদের। পরপর দুই বলে মার্টিন গাপটিল আর জেসি রাইডারকে আউট করে হ্যাটট্রিকের সামনেও গিয়েছিলেন এই পেসার। রাইডার টানা দ্বিতীয় ইনিংসে পেলেন ‘গোল্ডেন ডাক’।
এর পরই টেলর আর ফ্রাঙ্কলিনের প্রতিরোধ। কিন্তু সেট হয়ে যাওয়ার পর মাত্র ১৪ রানের ব্যবধানে দুজন ফিরে গেলে নিউজিল্যান্ড পরিণত হয় ৬ উইকেটে ১৮০ রানে। ভেট্টোরি-ইয়াংয়ের প্রতিরোধে শেষ বিকেলে আর কোনো বিপদের মুখে পড়েনি নিউজিল্যান্ড। আজ পাকিস্তান দ্রুত লেজটা ছেঁটে ফেলতে চাইবে। আর আদনান আকমল চাইবেন, শেষ চার উইকেট পতনের অন্তত তিনটিতে যেন তাঁর ভূমিকা থাকে। কাল পাঁচটি ক্যাচ ধরা এই উইকেটরক্ষক যে তাহলে গড়বেন ডিসমিসালের নতুন বিশ্ব রেকর্ড।
‘বিশ্বকাপের’ ম্যাচ মেলবোর্নে
সেই জানুয়ারি, সেই মাঠ, সেই দুই দল। ওয়ানডে ক্রিকেট যখন চার দশক পূর্তি করছে, সেই সময় মেলবোর্নে মুখোমুখি অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ড। যে চার দশকের পালাবদলে এক দিনের ক্রিকেট দেখেছে রঙিন পোশাক, সাদা বল, রঙিন টিভি। যুক্ত হয়েছে পাওয়ার প্লে, এসেছে হক আই, সুইচ হিট...আরও কত কী! একটা জিনিস অবশ্য পাল্টায়নি—জয়ের জন্য অস্ট্রেলিয়ার উদগ্র আকাঙ্ক্ষা। যে ‘জয়’ কিছুদিন হলো অস্ট্রেলিয়ার জন্য সবচেয়ে বড় মরীচিকার নাম। টেস্ট, ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি মিলে গত ২৭ ম্যাচে যারা জিতেছে মাত্র সাতটি!
আজ শুরু সাত ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের আগে অত্যন্ত জরুরি আত্মবিশ্বাসটুকুর কিছুটা অস্ট্রেলিয়া অবশ্য পেয়েছে গত টি-টোয়েন্টি ম্যাচে। যদিও মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে নিজেদের সাম্প্রতিক রেকর্ড অস্ট্রেলিয়ার জন্য হতে পারে ভয়ের কারণ। এ মাঠের সর্বশেষ নয় ওয়ানডের ছয়টিতেই হেরেছে অস্ট্রেলিয়া। এরই মধ্যে আবার অস্ট্রেলিয়া ঘন ঘন নেতৃত্ব বদলের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। পন্টিং, এর পর ক্লার্ক, ক্যামেরন হোয়াইট; আজ আবার ক্লার্ক। চোটের কারণে এই সিরিজে খেলা হচ্ছে না পন্টিংয়ের।
অবশ্য ক্লার্কের জন্য দলকে উজ্জীবিত করাটা খুব একটা কঠিন হওয়ার কথা নয়। ১৯ জানুয়ারি বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দল ঘোষণার শেষ দিন। এর আগে এই একটিই ম্যাচ। বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্ন পূরণ করতে চাইলে নিজেদের উজাড় করে দেওয়ার বিকল্প কী! দলে ফিরে এসেই অধিনায়ক অ্যান্ড্রু স্ট্রাউস যেমন এরই মধ্যে সতীর্থদের কাছে এই বার্তা পৌঁছে দিয়েছেন, ‘পরিস্থিতি একটু নাজুক। কারণ সাত ম্যাচ সিরিজের প্রথমটির পরই বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করতে হবে। এটা তাই সবার জন্যই কঠিন পরিস্থিতি।’
তবে এমন তো নয়, এই ম্যাচের ওপরই নির্ভর করছে সবার ভাগ্য। দুই দেশের নির্বাচকই বিশ্বকাপের ১৫ জনের বেশির ভাগ ক্রিকেটারকে এরই মধ্যে ঠিক করে ফেলেছেন। দু-একটা জায়গা নিয়ে সিদ্ধান্তহীনতা। এই ম্যাচ ঠিক করে দেবে সেটাই। অনেকের জন্যই তাই আজকের ম্যাচটি বিশ্বকাপের ম্যাচ!
আজ শুরু সাত ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের আগে অত্যন্ত জরুরি আত্মবিশ্বাসটুকুর কিছুটা অস্ট্রেলিয়া অবশ্য পেয়েছে গত টি-টোয়েন্টি ম্যাচে। যদিও মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে নিজেদের সাম্প্রতিক রেকর্ড অস্ট্রেলিয়ার জন্য হতে পারে ভয়ের কারণ। এ মাঠের সর্বশেষ নয় ওয়ানডের ছয়টিতেই হেরেছে অস্ট্রেলিয়া। এরই মধ্যে আবার অস্ট্রেলিয়া ঘন ঘন নেতৃত্ব বদলের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। পন্টিং, এর পর ক্লার্ক, ক্যামেরন হোয়াইট; আজ আবার ক্লার্ক। চোটের কারণে এই সিরিজে খেলা হচ্ছে না পন্টিংয়ের।
অবশ্য ক্লার্কের জন্য দলকে উজ্জীবিত করাটা খুব একটা কঠিন হওয়ার কথা নয়। ১৯ জানুয়ারি বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দল ঘোষণার শেষ দিন। এর আগে এই একটিই ম্যাচ। বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্ন পূরণ করতে চাইলে নিজেদের উজাড় করে দেওয়ার বিকল্প কী! দলে ফিরে এসেই অধিনায়ক অ্যান্ড্রু স্ট্রাউস যেমন এরই মধ্যে সতীর্থদের কাছে এই বার্তা পৌঁছে দিয়েছেন, ‘পরিস্থিতি একটু নাজুক। কারণ সাত ম্যাচ সিরিজের প্রথমটির পরই বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করতে হবে। এটা তাই সবার জন্যই কঠিন পরিস্থিতি।’
তবে এমন তো নয়, এই ম্যাচের ওপরই নির্ভর করছে সবার ভাগ্য। দুই দেশের নির্বাচকই বিশ্বকাপের ১৫ জনের বেশির ভাগ ক্রিকেটারকে এরই মধ্যে ঠিক করে ফেলেছেন। দু-একটা জায়গা নিয়ে সিদ্ধান্তহীনতা। এই ম্যাচ ঠিক করে দেবে সেটাই। অনেকের জন্যই তাই আজকের ম্যাচটি বিশ্বকাপের ম্যাচ!
ঝুলে থাকল মাশরাফির ভাগ্য
একের পর এক শট খেলে নেট বোলারদের মাঠের চারপাশে আছড়ে ফেলছেন, অনুশীলন দেখতে আসা দর্শকের তুমুল করতালি। জাতীয় দলের অনুুশীলন কাল মাতিয়ে রাখলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। কিন্তু দেশ তো তাঁকে এভাবে দেখতে চায় বিশ্বকাপ মাতাতে।
রানিং-ব্যাটিং তো শুরু করেছেন। কিন্তু যেটা আসল, সেই বোলিং-ই যে এখনো শুরু করতে পারেননি! বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দল ঘোষণার বাকি আরও তিন দিন। তবে এই কদিনে যেহেতু অবস্থান নাটকীয় পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই, তা ছাড়া দল অনুমোদনের আনুষ্ঠানিকতা আছে, কালই বিসিবির কাছে মাশরাফির মেডিকেল রিপোর্ট জমা দিয়েছেন ফিজিও মাইকেল হেনরি। রিপোর্টে কী আছে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। তবে একটি সূত্রে জানা গেছে, সপ্তাহ খানেকের মধ্যে শর্ট রানআপে বোলিং করতে পারবেন মাশরাফি, পুরো রানআপে বোলিং করতে পারবেন ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে। তার পরও মাশরাফিকে রাখা হবে কি না, চূড়ান্ত হবে ১৭ ফেব্রুয়ারি বিসিবির টেকনিক্যাল কমিটির সভায়।
কোচ জেমি সিডন্স কিন্তু মনেপ্রাণেই মাশরাফিকে চাইছেন। তবে সে হতে হবে কেবল পুরো ফিট মাশরাফি, ‘মাশরাফির কোনো বিকল্প হয় না। গত সিরিজে বা গত ১০ বছর সে যেভাবে খেলেছে, তাতে ওর কোনো বিকল্প নেই। তা ছাড়া আমাদের সম্ভাব্য ফাস্ট বোলারদের মধ্যে কেবল ওরই বিশ্বকাপ খেলার অভিজ্ঞতা আছে। ও-ই আমাদের সবচেয়ে অভিজ্ঞ ও সেরা বোলার। কিন্তু সমস্যা হলো ও ফিটের কাছাকাছিও নয়। যদিও পুনর্বাসন-প্রক্রিয়ায় আছে, কিন্তু হাতে সময় বেশি নেই। নির্বাচকদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে দ্রুত। দলের জন্য ও ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ বলেই আমরা এত অপেক্ষা করছি, অন্য কেউ হলে হয়তো অপেক্ষাই করতাম না। কিন্তু ফিট না থাকলে আর কী-ই বা করা যাবে।’
মাশরাফি কিন্তু হাল ছাড়ছেন না। টানা তৃতীয় বিশ্বকাপ খেলতে মরিয়া বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি পেসার, ‘আজকে ৮০ ভাগ রানিং করেছি, আগের চেয়ে অবস্থা অনেক ভালো। ব্যথাটা ও রকম নাই। সময় লাগবে, তবে সবকিছু ভালোমতোই এগোচ্ছে। ফিজিও যেসব কাজ দিচ্ছে, সেসব করতে সমস্যা হচ্ছে না বলেই আশা করছি তাড়াতাড়িই বোলিং করতে পারব। আমি বিশ্বকাপ খেলতে চাই, এ জন্য শতভাগ ঝুঁকি নিতে হলেও আমি রাজি।’
কিন্তু বিশ্বকাপই কি সবকিছু, এত ঝুঁকি নিয়ে খেলে কি ক্যারিয়াটাকেও ঝুঁকিতে ফেলে দিচ্ছেন না? চোটের সঙ্গে লড়াইয়ে অভিজ্ঞ মাশরাফি প্রশ্নটিকে হেসেই উড়িয়ে দিলেন, ‘আমার যে চোট, এতে ক্যারিয়ার ঝুঁকির কিছু নেই। যদি আমার লিগামেন্ট ছিঁড়েও যায় তাহলেও গ্রাফটিং পুরোটাই করতে হবে। অপারেশন একই। যেটা হতে পারে, এটা আগেও হয়েছে। ক্যারিয়ার শেষ হওয়ার কোনো ঝুঁকি নেই।’
শেষ পর্যন্ত মাশরাফি যদি ফিট হয়েও ওঠেন, তাহলেও তো ম্যাচ অনুশীলনের ঘাটতি থেকে যাবে। সেটিও আবার ভোগাতে পারে বাংলাদেশকে। তবে আবারও অতীত অভিজ্ঞতাই সাহস দিচ্ছে বিশ্বকাপে ১০ উইকেটের মালিককে, ‘এর আগের চোটের সময়ও দুই মাস বসে ছিলাম। ছয় সপ্তাহ পর খেলতে নেমেছি। দুই ম্যাচ পরই সব ঠিক হয়ে গেছে। তা ছাড়া আমাদের এখানে যে অনুশীলনটা হয়, সেটা ম্যাচের মতোই। বিশ্বকাপের আগে আমাদের প্রস্তুতি ম্যাচও আছে। মনে হয় না তাই সমস্যা হবে।’
কিন্তু মাশরাফির এ কথায় কতটা আস্থা পাবেন নির্বাচকেরা? উত্তর মিলবে হয়তো ১৭ ফেব্রুয়ারি।
রানিং-ব্যাটিং তো শুরু করেছেন। কিন্তু যেটা আসল, সেই বোলিং-ই যে এখনো শুরু করতে পারেননি! বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দল ঘোষণার বাকি আরও তিন দিন। তবে এই কদিনে যেহেতু অবস্থান নাটকীয় পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই, তা ছাড়া দল অনুমোদনের আনুষ্ঠানিকতা আছে, কালই বিসিবির কাছে মাশরাফির মেডিকেল রিপোর্ট জমা দিয়েছেন ফিজিও মাইকেল হেনরি। রিপোর্টে কী আছে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। তবে একটি সূত্রে জানা গেছে, সপ্তাহ খানেকের মধ্যে শর্ট রানআপে বোলিং করতে পারবেন মাশরাফি, পুরো রানআপে বোলিং করতে পারবেন ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে। তার পরও মাশরাফিকে রাখা হবে কি না, চূড়ান্ত হবে ১৭ ফেব্রুয়ারি বিসিবির টেকনিক্যাল কমিটির সভায়।
কোচ জেমি সিডন্স কিন্তু মনেপ্রাণেই মাশরাফিকে চাইছেন। তবে সে হতে হবে কেবল পুরো ফিট মাশরাফি, ‘মাশরাফির কোনো বিকল্প হয় না। গত সিরিজে বা গত ১০ বছর সে যেভাবে খেলেছে, তাতে ওর কোনো বিকল্প নেই। তা ছাড়া আমাদের সম্ভাব্য ফাস্ট বোলারদের মধ্যে কেবল ওরই বিশ্বকাপ খেলার অভিজ্ঞতা আছে। ও-ই আমাদের সবচেয়ে অভিজ্ঞ ও সেরা বোলার। কিন্তু সমস্যা হলো ও ফিটের কাছাকাছিও নয়। যদিও পুনর্বাসন-প্রক্রিয়ায় আছে, কিন্তু হাতে সময় বেশি নেই। নির্বাচকদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে দ্রুত। দলের জন্য ও ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ বলেই আমরা এত অপেক্ষা করছি, অন্য কেউ হলে হয়তো অপেক্ষাই করতাম না। কিন্তু ফিট না থাকলে আর কী-ই বা করা যাবে।’
মাশরাফি কিন্তু হাল ছাড়ছেন না। টানা তৃতীয় বিশ্বকাপ খেলতে মরিয়া বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি পেসার, ‘আজকে ৮০ ভাগ রানিং করেছি, আগের চেয়ে অবস্থা অনেক ভালো। ব্যথাটা ও রকম নাই। সময় লাগবে, তবে সবকিছু ভালোমতোই এগোচ্ছে। ফিজিও যেসব কাজ দিচ্ছে, সেসব করতে সমস্যা হচ্ছে না বলেই আশা করছি তাড়াতাড়িই বোলিং করতে পারব। আমি বিশ্বকাপ খেলতে চাই, এ জন্য শতভাগ ঝুঁকি নিতে হলেও আমি রাজি।’
কিন্তু বিশ্বকাপই কি সবকিছু, এত ঝুঁকি নিয়ে খেলে কি ক্যারিয়াটাকেও ঝুঁকিতে ফেলে দিচ্ছেন না? চোটের সঙ্গে লড়াইয়ে অভিজ্ঞ মাশরাফি প্রশ্নটিকে হেসেই উড়িয়ে দিলেন, ‘আমার যে চোট, এতে ক্যারিয়ার ঝুঁকির কিছু নেই। যদি আমার লিগামেন্ট ছিঁড়েও যায় তাহলেও গ্রাফটিং পুরোটাই করতে হবে। অপারেশন একই। যেটা হতে পারে, এটা আগেও হয়েছে। ক্যারিয়ার শেষ হওয়ার কোনো ঝুঁকি নেই।’
শেষ পর্যন্ত মাশরাফি যদি ফিট হয়েও ওঠেন, তাহলেও তো ম্যাচ অনুশীলনের ঘাটতি থেকে যাবে। সেটিও আবার ভোগাতে পারে বাংলাদেশকে। তবে আবারও অতীত অভিজ্ঞতাই সাহস দিচ্ছে বিশ্বকাপে ১০ উইকেটের মালিককে, ‘এর আগের চোটের সময়ও দুই মাস বসে ছিলাম। ছয় সপ্তাহ পর খেলতে নেমেছি। দুই ম্যাচ পরই সব ঠিক হয়ে গেছে। তা ছাড়া আমাদের এখানে যে অনুশীলনটা হয়, সেটা ম্যাচের মতোই। বিশ্বকাপের আগে আমাদের প্রস্তুতি ম্যাচও আছে। মনে হয় না তাই সমস্যা হবে।’
কিন্তু মাশরাফির এ কথায় কতটা আস্থা পাবেন নির্বাচকেরা? উত্তর মিলবে হয়তো ১৭ ফেব্রুয়ারি।
অস্ট্রেলিয়াকে ২৯৫ রানের টার্গেট দিল ইংল্যান্ড
চব্বিশ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অ্যাশেজ জয়ের পর এবার সাত ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজেও শুভসূচনা করেছে ইংল্যান্ড। কেভিন পিটারসেনের ৭৮ ও অধিনায়ক অ্যান্ড্রু স্ট্রাউসের ৬৩ রানের উপর ভর করে অস্ট্রেলিয়ার সামনে ছুঁড়ে দিয়েছে ২৯৫ রানের টার্গেট।
টসে জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ইংলিশ অধিনায়ক অ্যান্ড্রু স্ট্রাউস। শুরুটাও করেছিলেন দুর্দান্তভাবে। উদ্বোধনী জুটিতে স্টিভ ডেভিসকে নিয়ে মাত্র ১২ ওভারেই যোগ করেন ৯০ রান। কিন্তু এরপর ৪২ রান করা ডেভিসকে বোল্ড করে ইংলিশ শিবিরে প্রথম আঘাতটা হানেন ডেভিড হাসি। বেশিক্ষণ উইকেটে থাকতে পারেন নি অ্যাশেজ হিরো জনাথন ট্রট। দুই ওভার পরেই ফিরে গেছেন মাত্র ৬ রান করে। দলীয় ১৩১ রানের মাথায় স্ট্রাউসের ৬৫ বলে ৬৩ রানের অসাধারণ ইনিংসটির ইতি টানেন ব্রেট লি। স্ট্রাউসের বিদায়ের পর কিছুটা আশার আলো দেখতে পেয়েছিলেন অসি সমর্থকরা। কিন্তু ততক্ষণে উইকেটে জাঁকিয়ে বসেছেন কেভিন পিটারসেন। বড় কোন পার্টনারশিপ না গড়তে পারলেও ইয়ান বেল, টিম ব্রেসনানকে সঙ্গে নিয়ে তিনি বেশ ভালোমতোই সচল রেখেছিলেন রানের চাকা। ৪৩ ওভার শেষে ইংল্যান্ডের সংগ্রহ দাঁড়িয়েছিল ২৫৬ রান। ব্যাটিং পাওয়ার প্লের সুবিধাটা তখনো না নেওয়ায় সবাই অনুমান করেছিলেন যে, অনায়াসেই তিন শতাধিক রান ছাড়িয়ে যাবে ইংলিশরা। কিন্তু পিটারসেন ৭৮ রান করে দুর্ভাগ্যবশত রানআউটের শিকার হওয়ায় ব্যাটিং পাওয়ার প্লের ফায়দাটা ঠিকমতো তুলতে পারে নি ইংল্যান্ড। শেষপর্যন্ত ইংল্যান্ডের ইনিংস শেষ হয় ২৯৪ রানে।
টসে জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ইংলিশ অধিনায়ক অ্যান্ড্রু স্ট্রাউস। শুরুটাও করেছিলেন দুর্দান্তভাবে। উদ্বোধনী জুটিতে স্টিভ ডেভিসকে নিয়ে মাত্র ১২ ওভারেই যোগ করেন ৯০ রান। কিন্তু এরপর ৪২ রান করা ডেভিসকে বোল্ড করে ইংলিশ শিবিরে প্রথম আঘাতটা হানেন ডেভিড হাসি। বেশিক্ষণ উইকেটে থাকতে পারেন নি অ্যাশেজ হিরো জনাথন ট্রট। দুই ওভার পরেই ফিরে গেছেন মাত্র ৬ রান করে। দলীয় ১৩১ রানের মাথায় স্ট্রাউসের ৬৫ বলে ৬৩ রানের অসাধারণ ইনিংসটির ইতি টানেন ব্রেট লি। স্ট্রাউসের বিদায়ের পর কিছুটা আশার আলো দেখতে পেয়েছিলেন অসি সমর্থকরা। কিন্তু ততক্ষণে উইকেটে জাঁকিয়ে বসেছেন কেভিন পিটারসেন। বড় কোন পার্টনারশিপ না গড়তে পারলেও ইয়ান বেল, টিম ব্রেসনানকে সঙ্গে নিয়ে তিনি বেশ ভালোমতোই সচল রেখেছিলেন রানের চাকা। ৪৩ ওভার শেষে ইংল্যান্ডের সংগ্রহ দাঁড়িয়েছিল ২৫৬ রান। ব্যাটিং পাওয়ার প্লের সুবিধাটা তখনো না নেওয়ায় সবাই অনুমান করেছিলেন যে, অনায়াসেই তিন শতাধিক রান ছাড়িয়ে যাবে ইংলিশরা। কিন্তু পিটারসেন ৭৮ রান করে দুর্ভাগ্যবশত রানআউটের শিকার হওয়ায় ব্যাটিং পাওয়ার প্লের ফায়দাটা ঠিকমতো তুলতে পারে নি ইংল্যান্ড। শেষপর্যন্ত ইংল্যান্ডের ইনিংস শেষ হয় ২৯৪ রানে।
ভেট্টোরির সেঞ্চুরিতে শক্ত অবস্থানে নিউজিল্যান্ড
ওয়েলিংটন টেস্টের প্রথম দিনে ১৮০ রানেই ছয় উইকেট হারিয়ে বেশ ভালো রকম চাপের মুখে পড়েছিল নিউজিল্যান্ড। গতকালই সপ্তম উইকেট জুটিতে ৬৫ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে সেই বিপর্যয় কিছুটা সামলে নিয়েছিলেন অধিনায়ক ডেনিয়েল ভেট্টোরি ও রিস ইয়ং। আজ দ্বিতীয় দিনে তাঁরা এই জুটিটাকে টেনে নিয়ে গেছেন ১৩৮ রান পর্যন্ত। ১১০ রানের অসাধারণ অধিনায়কোচিত এক ইনিংস খেলেছেন ভেট্টোরি। ভেট্টোরির এই সেঞ্চুরির সুবাদে প্রথম ইনিংসে নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ৩৫৬ রান। গতকালের আরেক অপরাজিত ব্যাটসম্যান ইয়ং আউট হয়েছেন ৫৭ রান করে। জবাবে ব্যট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে দুই উইকেট হারিয়ে ১৩৪ রান নিয়ে দিন শেষ করেছে পাকিস্তান।
আজ দ্বিতীয় দিনে নিশ্চিতভাবেই খুব তাড়াতাড়ি নিউজিল্যান্ডকে গুটিয়ে দেওয়ার আশা করেছিলেন পাকিস্তানি বোলাররা। কিন্তু দিনের শুরুতে অনেকটা সময় তাঁদের হতাশ করেছেন ভেট্টোরি আর ইয়ং। ব্যাট করেছেন প্রায় ২৪ ওভার। স্কোরবোর্ডে তিন শতাধিক রান জমা করে ধরে রেখেছেন ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ। শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানকে আনন্দের উপলক্ষ এনে দিতে সক্ষম হয়েছেন তানভির আহমেদ। ৩১৮ রানের মাথায় ইয়ংকে বাধ্য করেছেন উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিতে। ইয়ং আউট হয়ে গেলেও একাই লড়াই চালিয়ে গেছেন ভেট্টোরি। টেম সোউদি ও ব্রেন্ট আর্নেল খুব বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি উইকেটে। স্কোরবোর্ডে ৩৫৬ রান জমা করে শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে তিনি আউট হয়েছেন আবদুর রেহমানের বলে।
নিউজিল্যান্ডের ৩৫৬ রানের জবাবে প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তানও লড়ছে সমানে সমানে। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই মোহাম্মদ হাফিজ মাত্র ১ রান করে আউট হয়ে গেলেও দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ১৩২ রানের জুটি গড়ে সেই বিপর্যয় সামলে নিয়েছেন তৌফিক উমর ও আজহার আলী। তবে দিনের শেষ বলে ৭০ রান করা উমরকে আউট করে কিউই শিবিরে আশা জাগিয়ে রেখেছেন ভেট্টরি। আজহার ৬২ রান করে অপরাজিত আছেন।
আজ দ্বিতীয় দিনে নিশ্চিতভাবেই খুব তাড়াতাড়ি নিউজিল্যান্ডকে গুটিয়ে দেওয়ার আশা করেছিলেন পাকিস্তানি বোলাররা। কিন্তু দিনের শুরুতে অনেকটা সময় তাঁদের হতাশ করেছেন ভেট্টোরি আর ইয়ং। ব্যাট করেছেন প্রায় ২৪ ওভার। স্কোরবোর্ডে তিন শতাধিক রান জমা করে ধরে রেখেছেন ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ। শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানকে আনন্দের উপলক্ষ এনে দিতে সক্ষম হয়েছেন তানভির আহমেদ। ৩১৮ রানের মাথায় ইয়ংকে বাধ্য করেছেন উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিতে। ইয়ং আউট হয়ে গেলেও একাই লড়াই চালিয়ে গেছেন ভেট্টোরি। টেম সোউদি ও ব্রেন্ট আর্নেল খুব বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি উইকেটে। স্কোরবোর্ডে ৩৫৬ রান জমা করে শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে তিনি আউট হয়েছেন আবদুর রেহমানের বলে।
নিউজিল্যান্ডের ৩৫৬ রানের জবাবে প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তানও লড়ছে সমানে সমানে। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই মোহাম্মদ হাফিজ মাত্র ১ রান করে আউট হয়ে গেলেও দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ১৩২ রানের জুটি গড়ে সেই বিপর্যয় সামলে নিয়েছেন তৌফিক উমর ও আজহার আলী। তবে দিনের শেষ বলে ৭০ রান করা উমরকে আউট করে কিউই শিবিরে আশা জাগিয়ে রেখেছেন ভেট্টরি। আজহার ৬২ রান করে অপরাজিত আছেন।
শচীনের দক্ষিণ আফ্রিকা সফর শেষ
প্রায় নয় মাস পর ওয়ানডে ক্রিকেটের আঙ্গিনায় ফিরে এসেছিলেন লিটল মাস্টার শচীন টেন্ডুলকার। ফিরে এসেই নতুন এক রেকর্ডে নাম লিখিয়েছেন ভারতের এই ব্যাটিং আইকন। গতকাল দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেটি খেলার পর তিনি ভাগ বসিয়েছেন জয়সুরিয়ার সবচেয়ে বেশি ওয়ানডে (৪৪৪) খেলার রেকর্ডে। সিরিজের প্রথম ওয়ানডেটি ১৩৫ রানের বিশাল ব্যবধানে হেরে গেলেও দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ১ রানের অসাধারণ এক জয় পেয়েছে তাঁর দল। কিন্তু এতকিছুর পরও দীর্ঘদিন পর ওয়ানডে জগতে এই প্রত্যাবর্তনটা সুখকর হলো না টেন্ডুলকারের। গতকাল নতুন করে হাঁটুর ইনজুরির কবলে পড়েছেন তিনি। ব্যাট হাতে ৪৪ বলে ২৪ রানের সংক্ষিপ্ত একটা ইনিংস খেলতে পারলেও ফিল্ডিংয়ের সময় আর মাঠেই নামতে পারেন নি। আর এ ইনজুরিতেই শেষ হয়ে গেছে শচীনের দক্ষিণ আফ্রিকা সফর। তিন ম্যাচ বাকি থাকতেই দেশে ফিরে আসতে হচ্ছে তাঁকে। শচীনের বদলী হিসেবে দলে নেওয়া হয়েছে উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান পার্থিব প্যাটেলকে।
টেন্ডুলকারের এই ইনজুরিতে ভয়ানক দুশ্চিন্তায় পড়ে গেছে ভারতীয় শিবির। তাদের দুশ্চিন্তা যতোটা না দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে এই ওয়ানডে সিরিজটাকে ঘিরে, তারচেয়েও অনেকগুন বেশি বিশ্বকাপ নিয়ে। উপমহাদেশে আয়োজিত এই বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পেতে হলে এ সময়ের সেরা ব্যাটসম্যান টেন্ডুলকারের উপরই যে অনেকখানি নির্ভর করতে হবে তাদের।
টেন্ডুলকারের এই ইনজুরিতে ভয়ানক দুশ্চিন্তায় পড়ে গেছে ভারতীয় শিবির। তাদের দুশ্চিন্তা যতোটা না দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে এই ওয়ানডে সিরিজটাকে ঘিরে, তারচেয়েও অনেকগুন বেশি বিশ্বকাপ নিয়ে। উপমহাদেশে আয়োজিত এই বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পেতে হলে এ সময়ের সেরা ব্যাটসম্যান টেন্ডুলকারের উপরই যে অনেকখানি নির্ভর করতে হবে তাদের।
Saturday, January 15, 2011
এবার ‘টেস্ট’ খেলবে নিউজিল্যান্ড
তিনি ছিলেন আদর্শ টেস্ট ওপেনার। উত্তরসূরিদের সাদা পোশাকে ‘টি-টোয়েন্টি’ খেলতে দেখে নিজেকে আর সামলাতে পারেননি মার্ক রিচার্ডসন। ৩৮ টেস্ট খেলা সাবেক কিউই ব্যাটসম্যান সরাসরিই বলে দিলেন, টি-টোয়েন্টিতে মনোযোগ বেশি বলেই নিউজিল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরা এমন সব বুনো শট খেলছে। জন রাইট সরাসরি এভাবে বলেননি তবে হ্যামিল্টনে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিংকে কিউই কোচ বলছেন, ‘অগ্রহণযোগ্য।’ এক সেশনে ১০ উইকেট হারানোটা মূল আপত্তি নয়, রিচার্ডসনের মতো রাইটও মেনে নিতে পারছেন না শিষ্যদের আউট হওয়ার ধরন।
‘গ্রহণযোগ্য’ ব্যাটিং কোনটা, সেটা বোঝানোর জন্য রাইটের চেয়ে আদর্শ লোক অবশ্য নিউজিল্যান্ডে খুব একটা পাওয়া যাবে না। উইকেটে পড়ে থাকার কাজটা যে তিনিও খারাপ করতেন না! ওয়েলিংটনে কাল শুরু দ্বিতীয় টেস্টে নিউজিল্যান্ড রাইট-রিচার্ডসনদের কথা মেনে সত্যিই ‘টেস্ট’ খেলতে পারবে কি না, সেটা সময়ই বলবে। তবে কাজটা সহজ হবে না মোটেও। চার বছর পর একটা টেস্ট সিরিজ জয়ের জন্য যে মরিয়া পাকিস্তান! বিতর্কজর্জরিত দলটি প্রায় অর্ধডজন শীর্ষ ক্রিকেটারকে ছাড়াই হ্যামিল্টনে কিউইদের উড়িয়ে দিয়ে আরও একবার চমকে দিয়েছে ক্রিকেট-বিশ্বকে।
হ্যামিল্টন টেস্ট যখন চলছে, কাতারের দোহায় তখন চলছে আসিফ-আমির-বাটদের ভাগ্যপরীক্ষা। শুধু কি ওই তিনজনের? ভাগ্যপরীক্ষা ছিল তো আসলে পাকিস্তান ক্রিকেটেরই। ক্রিকেটারদের মাথায় তাই শুধু হ্যামিল্টন নয়, ছিল দোহাও। এ জন্যই হ্যামিল্টনের জয়টা নিয়ে বেশি উচ্ছ্বসিত কোচ ওয়াকার ইউনুস, ‘এমন নয় যে আমরা খুব খারাপ ক্রিকেট খেলছিলাম, কিন্তু বিতর্ক আমাদের পিছু ছাড়ছিল না। একই সঙ্গে এসব সামলানো ও ক্রিকেটে মন দেওয়া খুব কঠিন। আমি সত্যিই ছেলেদের নিয়ে গর্বিত। প্রতিদিন সকালে ওরা ইতিবাচক মানসিকতা নিয়ে ঘুম থেকে উঠেছে এবং নিজেদের কাজটা ঠিকঠাক করেছে।’
জন রাইটের সমালোচনা কিন্তু মাথা পেতে নিয়েছেন রস টেলর। কিউই সহ-অধিনায়ক মানছেন শুধু কোচের পরামর্শ নয়, ক্যারিয়ার থেকেও অনেক কিছুই শেখার আছে, ‘সব ব্যাটসম্যানের উচিত খুব ভালোভাবে নিজের দিকে তাকানো, আমিও অবশ্যই এর মধ্যে পড়ি। জনের কোচিংয়ের ধরন ও দর্শনে টেস্ট ক্রিকেট খুব গুরুত্বপূর্ণ। নিউজিল্যান্ডের হয়ে দারুণ সফল টেস্ট ক্যারিয়ার ছিল তাঁর, মানসিকভাবে ছিলেন শক্তিশালী। আশা করি, সেটার প্রভাব আমাদের ওপর পড়বে।’
প্রভাবটা খুব দ্রুত পড়াটা জরুরি। না হলে যে দেশের মাটিতে টানা দ্বিতীয় হোয়াইটওয়াশের (গত মার্চে করেছিল অস্ট্রেলিয়া) লজ্জায় পড়তে হবে নিউজিল্যান্ডকে!
‘গ্রহণযোগ্য’ ব্যাটিং কোনটা, সেটা বোঝানোর জন্য রাইটের চেয়ে আদর্শ লোক অবশ্য নিউজিল্যান্ডে খুব একটা পাওয়া যাবে না। উইকেটে পড়ে থাকার কাজটা যে তিনিও খারাপ করতেন না! ওয়েলিংটনে কাল শুরু দ্বিতীয় টেস্টে নিউজিল্যান্ড রাইট-রিচার্ডসনদের কথা মেনে সত্যিই ‘টেস্ট’ খেলতে পারবে কি না, সেটা সময়ই বলবে। তবে কাজটা সহজ হবে না মোটেও। চার বছর পর একটা টেস্ট সিরিজ জয়ের জন্য যে মরিয়া পাকিস্তান! বিতর্কজর্জরিত দলটি প্রায় অর্ধডজন শীর্ষ ক্রিকেটারকে ছাড়াই হ্যামিল্টনে কিউইদের উড়িয়ে দিয়ে আরও একবার চমকে দিয়েছে ক্রিকেট-বিশ্বকে।
হ্যামিল্টন টেস্ট যখন চলছে, কাতারের দোহায় তখন চলছে আসিফ-আমির-বাটদের ভাগ্যপরীক্ষা। শুধু কি ওই তিনজনের? ভাগ্যপরীক্ষা ছিল তো আসলে পাকিস্তান ক্রিকেটেরই। ক্রিকেটারদের মাথায় তাই শুধু হ্যামিল্টন নয়, ছিল দোহাও। এ জন্যই হ্যামিল্টনের জয়টা নিয়ে বেশি উচ্ছ্বসিত কোচ ওয়াকার ইউনুস, ‘এমন নয় যে আমরা খুব খারাপ ক্রিকেট খেলছিলাম, কিন্তু বিতর্ক আমাদের পিছু ছাড়ছিল না। একই সঙ্গে এসব সামলানো ও ক্রিকেটে মন দেওয়া খুব কঠিন। আমি সত্যিই ছেলেদের নিয়ে গর্বিত। প্রতিদিন সকালে ওরা ইতিবাচক মানসিকতা নিয়ে ঘুম থেকে উঠেছে এবং নিজেদের কাজটা ঠিকঠাক করেছে।’
জন রাইটের সমালোচনা কিন্তু মাথা পেতে নিয়েছেন রস টেলর। কিউই সহ-অধিনায়ক মানছেন শুধু কোচের পরামর্শ নয়, ক্যারিয়ার থেকেও অনেক কিছুই শেখার আছে, ‘সব ব্যাটসম্যানের উচিত খুব ভালোভাবে নিজের দিকে তাকানো, আমিও অবশ্যই এর মধ্যে পড়ি। জনের কোচিংয়ের ধরন ও দর্শনে টেস্ট ক্রিকেট খুব গুরুত্বপূর্ণ। নিউজিল্যান্ডের হয়ে দারুণ সফল টেস্ট ক্যারিয়ার ছিল তাঁর, মানসিকভাবে ছিলেন শক্তিশালী। আশা করি, সেটার প্রভাব আমাদের ওপর পড়বে।’
প্রভাবটা খুব দ্রুত পড়াটা জরুরি। না হলে যে দেশের মাটিতে টানা দ্বিতীয় হোয়াইটওয়াশের (গত মার্চে করেছিল অস্ট্রেলিয়া) লজ্জায় পড়তে হবে নিউজিল্যান্ডকে!
সবাই যখন এক মঞ্চে
বন্যার প্রবল স্রোতের তোড়ে বাঁধ ভেঙে যেতে পারে, কিন্তু মানুষের ভালোবাসার শক্তি আরও বেশি। সেটি কখনোই ভাঙে না। তারই প্রমাণ মিলছে। অস্ট্রেলিয়ার বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বানে সাড়া দিচ্ছেন ক্রিকেটের কেভিন পিটারসেন থেকে টেনিসের রজার ফেদেরার। রুলস ফুটবলের ক্লাবগুলো থেকে শুরু করে অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় ফুটবল দলও।
সোমবার অস্ট্রেলিয়ান ওপেন শুরুর আগের দিন আয়োজন করা হয়েছে ‘র্যালি ফর রিলিফ’ শিরোনামের বিশেষ প্রদর্শনী ম্যাচের। সেখানে অংশ নেবেন ফেদেরার, নাদাল, অ্যান্ডি রডিক, কিম ক্লাইস্টার্সরা। টিকিটের মূল্য ধরা হয়েছে ২০ অস্ট্রেলিয়ান ডলার। পাশাপাশি তহবিলে যে কেউ দান করতে পারবেন। রডিক যেমন এরই মধ্যে ১০ হাজার ডলার দান করেছেন।
পরশু টি-টোয়েন্টি ম্যাচে তাৎক্ষণিকভাবে দর্শকদের কাছ থেকে ২৫ হাজার অস্ট্রেলিয়ান ডলার সংগ্রহ করা হয়। লি-জনসনের মতো তারকারা দানবাক্স নিয়ে ঘুরেছেন গ্যালারিতে। দুই দলের ক্রিকেটাররাও তাঁদের ম্যাচ ফি দিয়ে দেন। ৩০ জানুয়ারি ব্রিসবেনের ওয়ানডে থেকে পাওয়া অর্থের পুরোটাই বন্যার্তদের সাহায্যার্থে খরচ করা হবে বলে জানিয়েছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। শেন ওয়ার্ন একাদশ বনাম মাইকেল ভন একাদশ একটি প্রীতি টি-টোয়েন্টি ম্যাচও হওয়ার কথা। পিটারসেন এরই মধ্যে অ্যাশেজ জয়ের কিছু স্মারক নিলামের মাধ্যমে বিক্রির ঘোষণা দিয়েছেন।
অস্ট্রেলিয়া ফুটবল দলের তারকা টিম কাহিলও নিলামে তুলছেন বেশ কিছু স্মারক। এশিয়ান কাপ ফুটবলে বিশেষ জার্সি পরবে অস্ট্রেলিয়া দল। তাতে লেখা থাকবে বন্যার্তদের জন্য দান করার আহ্বান। অস্ট্রেলিয়ার রুলস ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন এরই মধ্যে বন্যার্তদের জন্য সরকারি সাহায্য তহবিলে ৫ লাখ ডলার দিয়েছে।
অস্ট্রেলিয়াকে কাঁপিয়ে দেওয়া স্মরণকালের অন্যতম ভয়াবহ এই বন্যায় প্রায় ১৫ জন মারা গেছে। প্লাবিত হয়েছে কুইন্সল্যান্ডের ৭০টি শহর, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ২ লাখেরও বেশি মানুষ। আর্থিক দিক দিয়ে এই বন্যার কারণে ১০০ কোটি অস্ট্রেলিয়ান ডলার ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সোমবার অস্ট্রেলিয়ান ওপেন শুরুর আগের দিন আয়োজন করা হয়েছে ‘র্যালি ফর রিলিফ’ শিরোনামের বিশেষ প্রদর্শনী ম্যাচের। সেখানে অংশ নেবেন ফেদেরার, নাদাল, অ্যান্ডি রডিক, কিম ক্লাইস্টার্সরা। টিকিটের মূল্য ধরা হয়েছে ২০ অস্ট্রেলিয়ান ডলার। পাশাপাশি তহবিলে যে কেউ দান করতে পারবেন। রডিক যেমন এরই মধ্যে ১০ হাজার ডলার দান করেছেন।
পরশু টি-টোয়েন্টি ম্যাচে তাৎক্ষণিকভাবে দর্শকদের কাছ থেকে ২৫ হাজার অস্ট্রেলিয়ান ডলার সংগ্রহ করা হয়। লি-জনসনের মতো তারকারা দানবাক্স নিয়ে ঘুরেছেন গ্যালারিতে। দুই দলের ক্রিকেটাররাও তাঁদের ম্যাচ ফি দিয়ে দেন। ৩০ জানুয়ারি ব্রিসবেনের ওয়ানডে থেকে পাওয়া অর্থের পুরোটাই বন্যার্তদের সাহায্যার্থে খরচ করা হবে বলে জানিয়েছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। শেন ওয়ার্ন একাদশ বনাম মাইকেল ভন একাদশ একটি প্রীতি টি-টোয়েন্টি ম্যাচও হওয়ার কথা। পিটারসেন এরই মধ্যে অ্যাশেজ জয়ের কিছু স্মারক নিলামের মাধ্যমে বিক্রির ঘোষণা দিয়েছেন।
অস্ট্রেলিয়া ফুটবল দলের তারকা টিম কাহিলও নিলামে তুলছেন বেশ কিছু স্মারক। এশিয়ান কাপ ফুটবলে বিশেষ জার্সি পরবে অস্ট্রেলিয়া দল। তাতে লেখা থাকবে বন্যার্তদের জন্য দান করার আহ্বান। অস্ট্রেলিয়ার রুলস ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন এরই মধ্যে বন্যার্তদের জন্য সরকারি সাহায্য তহবিলে ৫ লাখ ডলার দিয়েছে।
অস্ট্রেলিয়াকে কাঁপিয়ে দেওয়া স্মরণকালের অন্যতম ভয়াবহ এই বন্যায় প্রায় ১৫ জন মারা গেছে। প্লাবিত হয়েছে কুইন্সল্যান্ডের ৭০টি শহর, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ২ লাখেরও বেশি মানুষ। আর্থিক দিক দিয়ে এই বন্যার কারণে ১০০ কোটি অস্ট্রেলিয়ান ডলার ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
শাহরিয়ারের পর শামসুর
জাতীয় দলের ব্যাটসম্যানরা নিয়মিতই রান পাচ্ছেন প্রিমিয়ার লিগে কিন্তু সেঞ্চুরির হিসাব করলে জাতীয় দলের বাইরের ব্যাটসম্যানদেরই আধিপত্য বেশি। কাল পর্যন্ত লিগের ৫১টি ম্যাচে ১৩টি সেঞ্চুরি। বিশ্বকাপের ২৩ জনের দলের মাত্র দুজন আছেন সেঞ্চুরিয়ানদের তালিকায়—শাহরিয়ার নাফীস ও তামিম ইকবাল।
এই দুজনের মধ্যে আবার দুটি সেঞ্চুরি করে এগিয়ে গাজী ট্যাংকের শাহরিয়ার। কাল লিগে নিজের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি করে তাঁর সঙ্গী ২৩ জনের দল থেকে বাদ পড়া মোহামেডানের শামসুর রহমান।
সকালে ঘন কুয়াশার কারণে তিনটি ম্যাচের দৈর্ঘ্যই কমে নেমে এসেছে ৩৫, ৩৩ ও ২৫ ওভারে। সেঞ্চুরি হওয়া তাই কঠিনই ছিল কাল। সেই কঠিন কাজটাই করেছেন শামসুর। সঙ্গে ফয়সালের ঝোড়ো হাফ সেঞ্চুরি ও সাকিবের ‘ক্যামিও’ যোগ হয়ে মিরপুরে ৩৫ ওভারেই ৬ উইকেটে ২৫৯ রান তুলে ফেলে মোহামেডান। হারলেও ২২৬ রান করে ভালোই জবাব দিয়েছে কলাবাগান। অন্য দুই ম্যাচে আবাহনী ৬ রানে বিমানকে এবং ভিক্টোরিয়া ৭১ রানে প্রাইম দোলেশ্বরকে হারিয়েছে।
৬০ রানে ৩ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর মোহামেডানকে ধরাছোঁয়ার বাইরে নিয়ে গেছে সাকিব ও ফয়সালের সঙ্গে শামসুরের দুটি জুটি। সাকিবের (২৯ বলে ৩২) সঙ্গে ৬৯ রানের চতুর্থ উইকেট জুটিটি শুরুর ধাক্কা সামলানোর কাজ করেছে। এই ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে পঞ্চম উইকেটে ফয়সালের (৪৪ বলে ৫২) সঙ্গে ১১৯ রানের জুটিটি ছড়িয়েছে রানের ফোয়ারা। ইনিংসের দুই বল বাকি থাকতে অফ স্পিনার মাহমুদুলের বলে লং অনে ক্যাচ দিয়ে আউট হয়েছেন শামসুর, ততক্ষণে তাঁর নামের পাশে ৮৬ বলে ১০০ (৯টি চার ও ৪টি ছয়)।
কলাবাগানের ইনিংসে সাতজন ২০ বা এর বেশি রান করলেও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি কেউই। সর্বোচ্চ ৩৭ করেছেন আরিফুল ও শরীফ। সাকিবের ৪ উইকেটে নিশ্চিত হয়েছে ৯ ম্যাচে মোহামেডানের সপ্তম জয়।
ফতুল্লায় আবাহনী-বিমান ম্যাচটা ভালোই জমেছিল। শেষ ওভারে হাতে ২ উইকেট নিয়ে ১৩ রান প্রয়োজন ছিল বিমানের। তারা তুলতে পেরেছে ৬ রান। ৯ ম্যাচে অষ্টম জয় তুলে আবাহনী তাই পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষেই আছে এখনো।
বিকেএসপির ম্যাচটা ২৫ ওভারের হয়ে গেলেও প্রাইম দোলেশ্বরের দুর্দশার চিত্র বদলায়নি। মাত্র ৯৫ রানে অলআউট হয়ে ৯ ম্যাচে অষ্টম পরাজয়ের স্বাদ পেয়েছে প্রিমিয়ারে নবাগত দলটি। মোহামেডানের সঙ্গে ‘টাই’ থেকে মাত্র ১ পয়েন্ট পাওয়া দোলেশ্বরের অবনমন প্রায় নিশ্চিতই বলা যায়।
এই দুজনের মধ্যে আবার দুটি সেঞ্চুরি করে এগিয়ে গাজী ট্যাংকের শাহরিয়ার। কাল লিগে নিজের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি করে তাঁর সঙ্গী ২৩ জনের দল থেকে বাদ পড়া মোহামেডানের শামসুর রহমান।
সকালে ঘন কুয়াশার কারণে তিনটি ম্যাচের দৈর্ঘ্যই কমে নেমে এসেছে ৩৫, ৩৩ ও ২৫ ওভারে। সেঞ্চুরি হওয়া তাই কঠিনই ছিল কাল। সেই কঠিন কাজটাই করেছেন শামসুর। সঙ্গে ফয়সালের ঝোড়ো হাফ সেঞ্চুরি ও সাকিবের ‘ক্যামিও’ যোগ হয়ে মিরপুরে ৩৫ ওভারেই ৬ উইকেটে ২৫৯ রান তুলে ফেলে মোহামেডান। হারলেও ২২৬ রান করে ভালোই জবাব দিয়েছে কলাবাগান। অন্য দুই ম্যাচে আবাহনী ৬ রানে বিমানকে এবং ভিক্টোরিয়া ৭১ রানে প্রাইম দোলেশ্বরকে হারিয়েছে।
৬০ রানে ৩ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর মোহামেডানকে ধরাছোঁয়ার বাইরে নিয়ে গেছে সাকিব ও ফয়সালের সঙ্গে শামসুরের দুটি জুটি। সাকিবের (২৯ বলে ৩২) সঙ্গে ৬৯ রানের চতুর্থ উইকেট জুটিটি শুরুর ধাক্কা সামলানোর কাজ করেছে। এই ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে পঞ্চম উইকেটে ফয়সালের (৪৪ বলে ৫২) সঙ্গে ১১৯ রানের জুটিটি ছড়িয়েছে রানের ফোয়ারা। ইনিংসের দুই বল বাকি থাকতে অফ স্পিনার মাহমুদুলের বলে লং অনে ক্যাচ দিয়ে আউট হয়েছেন শামসুর, ততক্ষণে তাঁর নামের পাশে ৮৬ বলে ১০০ (৯টি চার ও ৪টি ছয়)।
কলাবাগানের ইনিংসে সাতজন ২০ বা এর বেশি রান করলেও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি কেউই। সর্বোচ্চ ৩৭ করেছেন আরিফুল ও শরীফ। সাকিবের ৪ উইকেটে নিশ্চিত হয়েছে ৯ ম্যাচে মোহামেডানের সপ্তম জয়।
ফতুল্লায় আবাহনী-বিমান ম্যাচটা ভালোই জমেছিল। শেষ ওভারে হাতে ২ উইকেট নিয়ে ১৩ রান প্রয়োজন ছিল বিমানের। তারা তুলতে পেরেছে ৬ রান। ৯ ম্যাচে অষ্টম জয় তুলে আবাহনী তাই পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষেই আছে এখনো।
বিকেএসপির ম্যাচটা ২৫ ওভারের হয়ে গেলেও প্রাইম দোলেশ্বরের দুর্দশার চিত্র বদলায়নি। মাত্র ৯৫ রানে অলআউট হয়ে ৯ ম্যাচে অষ্টম পরাজয়ের স্বাদ পেয়েছে প্রিমিয়ারে নবাগত দলটি। মোহামেডানের সঙ্গে ‘টাই’ থেকে মাত্র ১ পয়েন্ট পাওয়া দোলেশ্বরের অবনমন প্রায় নিশ্চিতই বলা যায়।
Subscribe to:
Posts (Atom)
BNM Special
BNM Archive
BNM Archive
- ▼ 2026 (1966)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (129)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
বিনোদন
শেষের পাতা
ক্রিকেট খেলা
যুক্তরাষ্ট্র
দেশে দেশে
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
আমার দেশ
ইসরায়েল
ফুটবল খেলা
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
ফিলিস্তিন
Lead
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
ইরান
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
চট্টগ্রাম
বিশাল বাংলা
কালবেলা
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
মুসলিম
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
জাতিসংঘ
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
সাক্ষাৎকার
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
ইউরোপ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
সৌদি আরব
ইতিহাস
প্রতিবেদন
জামায়াতে ইসলামী
সোহরাব হাসান
অমানবিক
পশ্চিমবঙ্গ
আলোকিত চট্টগ্রাম
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
জাতীয় সংসদ
নারী ধর্ষণ
আনন্দ
খেলাধুলা
বিজ্ঞান ও গবেষণা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
আফ্রিকা
মাদক
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
সংখ্যালঘু
প্রবাস
ছুটির দিনে
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
সৈয়দ আবুল মকসুদ
তুরস্ক
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
আফগানিস্তান
গোল্লাছুট
বইপত্র
অন্য আলো
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
ইউক্রেন
দুর্ঘটনা
অপহরণ
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
স্বাস্থ্য
ফূটবল খেলা
হিন্দু
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
নেপাল
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
জ্যোতির্বিজ্ঞান
সড়ক দুর্ঘটনা
আলী রীয়াজ
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
কক্সবাজার
এ এম এম শওকত আলী
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
Exclusive
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
গবেষণা
বাংলাদেশ
মিসর
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
শোক
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
শুভ্র দেব
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
জীবনযাপন
লেবানন
আবদুল মান্নান
জাপান
রঙের মেলা
ইয়েমেন
ঐতিহ্য
শিল্প
কুমিল্লা
মুক্তমত
মাহমুদুর রহমান
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
ময়মনসিংহ
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
যশোর
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
চিকিৎসা
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
কলকাতা
মেহেদী হাসান
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
তথ্য প্রযুক্তি
বরগুনা
আনু মুহাম্মদ
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
ব্রাজিল
অস্ট্রেলিয়া
মারুফ কিবরিয়া
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
মসজিদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
রোকনুজ্জামান পিয়াস
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
উত্তর কোরিয়া
একরামুল হক
জলবায়ু ও পরিবেশ
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
তুহিন ওয়াদুদ
কালি ও কলম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
কুষ্টিয়া
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
জাতীয় নাগরিক পার্টি
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
নিবন্ধ
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
জনস্বাস্থ্য
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
উচ্চশিক্ষা
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
প্রযুক্তি
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কাতার
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
ঝড় ও দুর্যোগ
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
শিশির মোড়ল
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
হুমায়ূন আহমেদ
আবুল হাসনাত
আল আমিন
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
হারুন হাবীব
অমিত বসু
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জার্মানি
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
লাতিন আমেরিকা
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
আরব আমিরাত বা দুবাই
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
ব্যবসা
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
দক্ষিণ কোরিয়া
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
লিবিয়া
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
ইসলাম
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
আসজাদুল কিবরিয়া
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
Hot Topic
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
Fantastic
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
জোহরান মামদানি
নিয়ন আলোয়
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
মহাকাশচারী
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
নরসিংদী
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
জলবায়ু পরিবর্তন
ঝালকাঠি
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
যৌন অপরাধ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
কিশোর আলো
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
WikiInterview
আকবর হোসেন
ইসলামী ছাত্রশিবির
ইহুদি
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
চুয়াডাঙ্গা
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
ধর্মঘট
স্পেন
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গণমাধ্যম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
প্রবাসী শ্রমিক
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
সোমালিয়া
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কলম্বিয়া
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
চিঠিপত্র
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
বেলজিয়াম
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
হংকং
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কুয়েত
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
চুক্তি
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
ওমান
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শেরপুর
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সিঙ্গাপুর
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
রাজবাড়ী
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অমানবিকতা
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
পোল্যান্ড
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আলজেরিয়া
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রিস
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নীহারুল ইসলাম
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রকিব হাসান
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট