Showing posts with label HotTopic. Show all posts
Showing posts with label HotTopic. Show all posts

Saturday, August 15, 2015

সফট ড্রিংকসের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে হত্যা করা হয় দুই কিশোরীকে

বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টা। চারদিকে নীরবতা। মাদারীপুর সদর উপজেলার মস্তফাপুর ছোট্ট বাজারের পাশে পুকুর পাড়ে নীরবতা ভেদ করে চিৎকারের শব্দ ভেসে আসে! কিছুক্ষণ পরে এলাকাবাসী দেখতে পায় দুটি ছেলে দুটি মেয়েকে পাঁজাকোল করে ভ্যানে তুলে নিয়ে যাচ্ছে হাসপাতালে। হাসপাতালে নেয়ার পরেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে অষ্টম শ্রেণীপড়ুয়া দুই স্কুলছাত্রী। এ ঘটনায় সাতজনের নাম উল্লেখ করে ও কয়েকজনকে অজ্ঞাত আসামি করে হত্যা মামলা করা হয়েছে। নিহত এক কিশোরীর পিতা বিল্লাল শিকদার বাদী হয়ে গতকাল সদর থানায় মামলা করেছেন। গতকাল সকালে সরজমিন মস্তফাপুর গ্রামে গিয়ে জানা গেছে, সুমাইয়া ও হেপী মস্তফাপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী। সুমাইয়া মস্তফাপুর গ্রামের বেল্লাল শিকদারের মেয়ে এবং হেপী একই এলাকার হাবিব খানের মেয়ে। দুজনে এক সঙ্গে স্কুলে যেত, অন্তরঙ্গ সম্পর্ক ছিল দুজনের সঙ্গে। বৃহস্পতিবার দুপুরে খাবার খেয়ে প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয় দুই বান্ধবী। এরই মধ্যে সন্ধ্যার মধ্যে আকাশ ভেঙে দুই পরিবারের কাছে খবর আসে মৃত্যুর। দুই স্কুলছাত্রী নিহত হওয়ার ঘটনা এখন রহস্য দানা বেঁধেছে। উভয় পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, ধর্ষণের পরেই জোরপূর্বক বিষপানে হত্যা করা হয় দুই স্কুলছাত্রীকে। এরই মধ্যে বিষয়টি নিয়ে রহস্য উদঘাটনের কাজ শুরু করেছে পুলিশ ও সিআইডি। পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, সফট ড্রিংকসের সাথে বিষ মিশিয়ে হত্যা হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় রানাকে প্রধান আসামি করে ৬ জনের নামে একটি হত্যা মামলা করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় মস্তফাপুর বাজারের দর্জি দোকানদার সূর্য বেগম বলেন, বিকালে আমি দোকানে এসে চিৎকারের শব্দ শুনে তাকিয়ে দেখি দুইটি ছেলে দুটি মেয়েকে অচেতন অবস্থায় কোলে তুলে ভ্যানে নিয়ে যাচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শী আরেক দোকানদার জাহাঙ্গীর নাগাছি জানান, বিকালে আমি দেখি দুইটি ছেলে দুটি অসুস্থ মেয়েকে ভ্যানে তুলে হাসপাতালের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।
নিহত সুমাইয়ার মা আসমা বেগম জানান, আমার এক সুমাইয়া মারা গেছে। যদি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিচার হয় তাহলে হাজারো সুমাইয়া বেঁচে যাবে। আমি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের অবিলম্বে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই, যেন আমার সুমাইয়ার মতো কোন মেয়েকে অকালে প্রাণ হারাতে না হয়। নিহত হেপীর চাচি কেয়া বেগম ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের অবিলম্বে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
সুমাইয়ার পিতা বেল্লাল শিকদার দাবি করেন, তার মেয়েকে শারীরিক নির্যাতন করে খুন করা হয়েছে।
মস্তফাপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বোরহান উদ্দিন খান জানান, গত তিন দিন ধরে তারা স্কুলে অনুপস্থিত। তবে তারা মেধাবী ও শান্ত স্বভাবের ছিল।
ঘটনার পর পুলিশ শুক্রবার সকালে একই গ্রামের রানার মা সালমা বেগম এবং মেহেদির মা রহিমা বেগমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে সদর থানার পুলিশ। ঘটনার পর থেকেই মেহেদি ও রানাসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা পলাতক আছে। ধারনা করা হচ্ছে এই ঘটনার সাথে রানা ও মেহেদি জড়িত। রানা একই এলাকার শওকত খলিফার ছেলে এবং মেহেদী ফজলুল কবিরের ছেলে।
গতকাল আটককৃত শিপন ও রাকিব জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে, মেহেদি ও রানা নিহত দুই স্কুলছাত্রীকে ভ্যানে করে হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছে দেখে তারা হাসপাতালে আসে।
মাদারীপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শফিকুল ইসলাম রাজিব বলেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর বিস্তারিত জানা যাবে। তবে প্রাথমিকভাবে সুমাইয়ার শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে আঘাতের চিহ্ন ছিল।
মাদারীপুর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন জানান, এ ঘটনায় সুমাইয়ার পিতা বেল্লাল শিকদার বাদী হয়ে রানা ও মেহেদীসহ ৬ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, প্রাথমিক ময়নাতদন্তে জানা গেছে, সফট ড্রিংকসের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে খাওয়ানো হয়েছে। এতেই তাদের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের লাশ ময়নাতদন্ত করে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক মো. কামাল উদ্দিন বিশ্বাস বলেন, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় আনা হবে। যাতে কোন নিরীহ ব্যক্তি হয়রানির শিকার না হয় সেদিকে খেয়াল রাখা হচ্ছে।

‘হাসিমুখে’ শোকাবহ শ্রদ্ধাঞ্জলি! by একরামুল হুদা

ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিণের সভাপতি ইসমাঈল চৌধুরী সম্রাট। ছবি: প্রথম আলো
ঢাকা-৭ আসনের সাংসদ হাজি মো. সেলিম। ছবি: প্রথম আলো
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র
সাঈদ খোকন। ছবি: প্রথম আলো
‘কাঁদো বাঙ্গালী কাঁদো’—১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের ব্যানারের এক জায়গায় লেখা। এই লেখাটির পাশেই ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিণের সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটের হাসিমুখ ছবি। আরেকটি ব্যানারে বঙ্গবন্ধুসহ সেদিন নিহত বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সবার ছবি। লেখা ‘শেখ মুজিবুর রহমানের ৪০তম শাহাদাতবার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি’। এর পাশেই ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এম এ আজিজের হাসিমুখ ছবি। শুধু একটি বা দুটো ব্যানারে নয়। ছড়িয়ে আছে এমন অসংখ্য ব্যানার যেখানে শোক দিবসের শ্রদ্ধাঞ্জলি এবং বাণীর পাশে নেতা-কর্মীদের হাসিমুখ ছবি। তাহলে স্বভাবতই প্রশ্ন জাগে, নেতা-কর্মীরা কি শোক দিবসের মাহাত্ম্য অনুধাবন করতে পারেন না, নাকি নিছক প্রচারের জন্য এই আয়োজন যেখানে ব্যবহার করা হচ্ছে শোক দিবসকেও।
সরেজমিনে দেখা যায়, রাজধানীর জিরো পয়েন্ট, বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউর আওয়ামী লীগ অফিসের সামনে, পলাশী মোড় ও আজিমপুরে এমন অন্তত ১০০টি ব্যানার রয়েছে। আছে এমন পোস্টারও। এ সব ব্যানার ও পোস্টারে হাসিমুখে শোক দিবসের শ্রদ্ধাঞ্জলি জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি বায়জিদ আহম্মেদ খান, আওয়ামী প্রজন্ম লীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি সারোয়ার রহমান চৌধুরী, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন ও ঢাকা-৭ আসনের সাংসদ হাজি মো. সেলিমসহ আরও অনেক নেতা-কর্মী। সব ব্যানারেই বঙ্গবন্ধু ও এসব নেতার ছবি ছাড়াও আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের কেন্দ্রীয় অনেক নেতার ছবি আছে। আছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবিও। একটি ব্যানারে প্রধানমন্ত্রীরও হাসিমুখের ছবি ব্যবহার করা হয়েছে।  এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে সাঈদ খোকন ও ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট তাঁদের অনুমতি ছাড়া কর্মীরা তাঁদের ছবি ব্যবহার করেছেন বলে জানান। সাঈদ খোকন বলেন, এ ধরনের ছবি ব্যবহার করাটা অরুচিকর একটা ব্যাপার। নিজের হাসিমুখের ছবি ব্যবহার করার বিষয়টি সম্পর্কে জানেন হাজি মো. সেলিম। তিনি বলেন, ‘আমি দেখেছি। কিন্তু আমি এগুলো করি নাই, আমার কর্মীরা করেছে। তবে আমরা কর্মীদের বলছি। আগামী বছর থেকে এ রকম ছবি আর দেখা যাবে না।’ তবে এ ব্যাপারে কথা বলতে বায়জিদ আহমেদ খান ও এম এ আজিজের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের পাওয়া যায়নি।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে রাজনৈতিক বিশ্লেষক মীজানূর রহমান শেলী বলেন, ‘একদিকে আপনি বলবেন কাঁদো বাঙালি, কাঁদো। অন্যদিকে এমন হাস্যোজ্জ্বল ছবি দেবেন, সেটা কাম্য নয়। যাঁরা এটা তৈরি করেছেন হয় তাঁদের যথেষ্ট মনযোগ ছিল না, বা তাঁরা এর গুরুত্ব বুঝে উঠতে পারেননি।’ তিনি বলেন, হাসিমুখ থাকবে। শোককে শক্তিতে পরিণত করতে হবে। কিন্তু সেটা শোক দিবসের ব্যানারে নয়। সেটারও আলাদা দিবস বা সময় আছে।
ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এম এ আজিজ। ছবি: প্রথম আলো
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি বায়জিদ আহমেদ খান। ছবি: প্রথম আলো
২৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. সিরাজুল ইসলাম রাডো। ছবি: প্রথম আলো
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি বায়জিদ আহমেদ খান। ছবি: প্রথম আলো

Friday, August 14, 2015

প্রকৌশলীকে বদির কিলঘুষি

বিতর্কিত সাংসদ আবদুর রহমান বদি এবার পেটালেন কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রকৌশলীকে। তাঁর নাম মোস্তফা মিনহাজ। গত বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় উপজেলা পরিষদে এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে নিজের সংসদীয় এলাকার মোট ১৯ বিশিষ্ট ব্যক্তি ও সরকারি কর্মকর্তাকে মারধর করলেন বদি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রত্যক্ষদর্শী সরকারি কর্মকর্তা ও চেয়ারম্যানদের কয়েকজন বলেন, বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলনকক্ষে মাসিক উন্নয়ন ও সমন্বয় সভা শুরু হয়। কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনের আওয়ামী লীগের সাংসদ আবদুর রহমান বদি এই মাসিক উন্নয়ন ও সমন্বয় সভার উপদেষ্টা। উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ছেনুয়ারা বেগমের সভাপতিত্বে এ সভায় অন্যান্যের সঙ্গে তিনিও সভায় উপস্থিত ছিলেন।
সভায় পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান গফুর উদ্দিন চৌধুরী সাম্প্রতিক বন্যায় তাঁর এলাকার গ্রামীণ অবকাঠামো ভেঙে পড়ার চিত্র তুলে ধরেন। এ সময় আরও কয়েকজন চেয়ারম্যান তাঁদের এলাকার ক্ষয়ক্ষতির বর্ণনা দেন। সাংসদ বদি তখন এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলীর বক্তব্য শুনতে চান। এ সময় ইউএনও হিল্লোল বিশ্বাস সাংসদকে জানান, উপজেলা প্রকৌশলী সভায় অনুপস্থিত। এই সভায় উপজেলা প্রকৌশলী এর আগেও অনুপস্থিত ছিলেন বলে অভিযোগ করেন কয়েকজন ইউপি চেয়ারম্যান। তখন সাংসদ সভাকক্ষ থেকে বেরিয়ে নিচতলায় উপজেলা প্রকৌশলী মোস্তফা মিনহাজের কার্যালয়ে যান। উপজেলা প্রকৌশলী নিজের কক্ষে কাজ করছিলেন। সাংসদ প্রকৌশলীর কাছে সমন্বয় সভায় না যাওয়ার কারণ জানতে চান। তিনি কিছু না বলতেই তাঁর শার্টের কলার ধরে কিলঘুষি মারতে থাকেন বদি। টানা-হেঁচড়ায় প্রকৌশলীর শার্ট ছিঁড়ে যায়। এরপর ক্ষুব্ধ বদি সভায় না গিয়ে নিজের গাড়িতে উঠে কক্সবাজারের দিকে চলে যান। সভাও পণ্ড হয়ে যায়।
সমন্বয় সভায় অন্যান্যের মধ্যে ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিল্লোল বিশ্বাস, পাঁচ ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী, নুরুল কবির চৌধুরী, আনোয়ার হোসেন চৌধুরী, গফুর উদ্দিন চৌধুরী, কামাল উদ্দিন এবং সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।
উপজেলা প্রকৌশলী মোস্তফা মিনহাজ তাঁকে মারধরের বিষয়টি প্রথম আলোর কাছে স্বীকার করে বলেন, ‘অন্য সভাগুলো বেলা সাড়ে ১১টায় শুরু হয়। তাই অফিসে বসে দাপ্তরিক কাজ করছিলাম। কিন্তু এর আগেই সাংসদ উপস্থিত হয়ে সভায় না যাওয়ার অজুহাত তুলে আমাকে মারধর করেন। এতে আমার শার্ট ছিঁড়ে যায়। এ ঘটনা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।’
জানতে চাইলে এলজিইডির কক্সবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলী মনজুরুল আলম বলেন, ‘হামলার ঘটনাটি শুনেছি। কেন তাঁকে মারধর করা হয়েছে, সে ব্যাপারে অনুসন্ধান চলছে।’
জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন বলেন, ‘যদি সাংসদ মারধর করে থাকেন, তা দুঃখজনক। প্রকৌশলীর সভায় না যাওয়াটাও দুঃখজনক।’
প্রকৌশলীর ওপর হামলার প্রসঙ্গ জানার জন্য একাধিকবার ফোন করেও সাংসদ আবদুর রহমান বদির বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাঁর মুঠোফোনটি গতকাল রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত বন্ধ পাওয়া যায়।
এর আগে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবরমতে, এ নিয়ে সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী, মুক্তিযোদ্ধা, ম্যাজিস্ট্রেট, আইনজীবী, বন কর্মকর্তা, শিক্ষকসহ ১৯ জন সাংসদ বদির হামলার শিকার হলেন। এর মধ্যে সড়ক ও জনপথ বিভাগের কক্সবাজারের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী আবদুল হালিম, উখিয়া উপজেলার সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা গোলামুর রহমান, কক্সবাজারের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী হাকিম আবদুর রহমান, টেকনাফের মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা, টেকনাফের শামলাপুর উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল মঞ্জুর, টেকনাফ পৌরসভার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক আবদুল জলিল ও পুলিন দে, কক্সবাজারের আইনজীবী রাখাল মিত্র, ইসলামী ব্যাংকের টেকনাফের সহকারী ব্যবস্থাপক গিয়াস উদ্দিন, টেকনাফের বন বিট কর্মকর্তা মুজিবুল হক, সাবরাং উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মফিজ দৌল্লা, টেকনাফ স্থলবন্দরের ব্যবসায়ী মো. আনোয়ার, মীর কামরুজ্জামান, কক্সবাজারের ঠিকাদার আতিকুল ইসলাম ও কক্সবাজার আদালত পুলিশের কনস্টেবল রতন অন্যতম।

Monday, August 10, 2015

ছাত্রলীগ তরুণ, ভুলত্রুটি হতেই পারে: আশরাফ

সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম
ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা বয়সে তরুণ এবং তাঁদের ‘ভুলত্রুটি’ হতেই পারে বলে মন্তব্য করেছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। বর্তমান বাংলাদেশে ছাত্র রাজনীতি করা খুব কঠিন হয়ে গেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। আজ রোববার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিনী শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব ও তাঁদের সন্তান শেখ কামালের জন্মদিন উপলক্ষে ছাত্রলীগের আলোচনা সভায় সৈয়দ এ মন্তব্য করেন। সম্প্রতি মাগুরায় ছাত্রলীগের দুই পক্ষের গোলাগুলিতে মা ও তাঁর পেটের শিশু গুলিবিদ্ধ হয়। ওই ঘটনায় এক বৃদ্ধ গুলিতে নিহত হয়েছেন। এ ঘটনার পর ছাত্রলীগের সমালোচনা হচ্ছে সবখানে।
সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘অনেকেই আপনার, পত্রপত্রিকাও দেখি, দলের লোকজনও, ছাত্রলীগকে নিয়ে টিটকারি দেয়। আমি অত্যন্ত ব্যথিত হই। এরা বয়সে তরুণ, ভুলত্রুটি হতেই পারে। কিন্তু তাদের অবজ্ঞা করা বা তাদের একেবারে সাধারণ মানুষের সমান সম্মানও দেখানো হয় না। তারপরও ছাত্রলীগ এগিয়ে যাচ্ছে।’
সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘ছাত্রলীগ মানে চাঁদাবাজি, ছাত্রলীগ মানে সন্ত্রাস, ছাত্রলীগ মানে হলো দখল, ছাত্রলীগ মানে যত ধরনের অপকর্ম হতে পারে সব বিশেষণই ছাত্রলীগ এবং ছাত্রলীগ নেতাদের পেছনে লাগানো হয়। এটা সাংঘাতিক অন্যায়। আবার এদেরকেই যদি বলেন-এরাই ভবিষ্যৎ। তাহলে ভবিষ্যৎ বলে তাদের যদি এখনই নিঃশেষ করি দেই; তাহলে আমাদের ভবিষ্যৎ, এই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কী হবে? ’
ছাত্রলীগের অবদানের কথা তুলে ধরে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আশরাফ বলেন, ‘আমরা যারা আওয়ামী লীগ করি, অনেকেই আমার যারা সহকর্মী, ছাত্রলীগের যে কনট্রিবিউশনটা তারা মানতে রাজি না। আমাদের রাজনীতি ছিল ছাত্রলীগের রাজনীতি। আজকে আমি এ পর্যায়ে এসেছি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হয়েছি। এ প্র্যাকটিস হয়েছে ছাত্রলীগের মধ্য থেকে। ছাত্রলীগ ছাত্রদের একটা রাজনৈতিক দল।’
আশরাফ বলেন, ‘পৃথিবীর সব দেশেই ছাত্র সংগঠন, রাজনীতি আছে। এখান থেকে ট্রেনিং হয় ভবিষ্যতের নেতার। দীর্ঘদিন যাবৎ ছাত্রলীগ সেই দায়িত্বটাই পালন করছে। প্রতিবছরই নতুন নতুন জাতীয় নেতা তারা সৃষ্টি করছে। এটার ধারাবাহিকতা রাজনীতির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘এক সময় আমরা যখন ছাত্র রাজনীতি করি তখন ছিল ছাত্র রাজনীতির স্বর্ণযুগ। এখন সেটা আর নাই। তার মধ্যেও আপনাদেরকে সেই স্বর্ণযুগে ছাত্রলীগকে নিয়ে যেতে হবে। এটা পারবেন শুধু আপনারাই।’
ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগ নেতা র আ ম ওবায়দুল মোক্তাদির চৌধুরী, এনামুল হক শামীম প্রমুখ। সভা পরিচালনা করেন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন।
==== প্রথম আলো পাঠকের মন্তব্য সহ ---------------------------------------
  • Motaleb hossain
    Motaleb hossain
    'তাদের একেবারে সাধারণ মানুষের সমান সম্মানও দেখানো হয় না।'' কি আশ্চর্য্য , তারা কি সাধারন মানুষ নাকি ?? তারাতো ছাত্রলীগ ।
     
  • Md. Emran Hossain
    Md. Emran Hossain
    তাই বলে ছাত্র লীগের হাতে মায়ের পেটের সন্তান গুলা খাওয়াটাও ভুল ?
     
  • শিপন   ITALY
    শিপন ITALY
    আর সে ভুল যদি মানুষ মাড়ার হয় তা কিন্তু ক্ষমার যোগ্য নয়
     
  • hidden
    hidden
    চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, বন্দুকবাজি এগুলা কি ভুলের অংশ?
     
  • Hamid Shadin
    Hamid Shadin
    আমার মায়ের পেটের বাচ্ছাকে ও গুলি করবে? সেটা ও ভুল? না ভাই কিছুই বলার নেই।
     
  • hidden
    hidden
    হে হে হে। এইটা কি কইলেন????!!!!
     
  • hidden
    hidden
    এই আশকারা পেয়েই ছাত্রলীগ ক্রমে দিন দিন আরো বেপরোয়া হয়ে উঠছে।
     
  • hidden
    hidden
    আপনি ঠিকই বলেছেন, শুধু ছাএলীগের তরুনরা ভুল করতে পারে এবং এটা কোন অপরাধ না, অপরাধ হবে এই একই ভুল যদি ছাএদল, জামাত বা ছাএশিবিরের তরুনরা করে!
     
  • Andalib Khan
    Andalib Khan
    ছাত্রলীগের 'ভুল'এ বুলেটকন্যা সুরাইয়া মরতে মরতে বেঁচে গেছে। ছাত্রদলেরও একইরকম 'ভুলে' বাবার কোলে থেকেও বাঁচতে পারেনি শিশু মীম। রাজ্নীতিবিদদের কাছে যা 'ভুল' অন্যের কাছে তা মৃত্যু।
     
  • md.khorshed alam(shawpon)
    md.khorshed alam(shawpon)
    আপনারা আস্কারা দিলে তো আর বলার কিছু নেই।
     
  • hidden
    hidden
    ঠিকই বলেছেন। ছাত্রলীগ এগিয়ে যাচ্ছে। তবে সঠিক পথে নয়, ভুল পথে।
     
  • farhad
    farhad
    আমি ও তরুণ তাহলে আমি ও কি তাদের মত ভূল করতে পারব ?
     
  • Mohammad Nurul Amin
    Mohammad Nurul Amin
    আপনার কথা ঠিক আছে কিন্তু ছাত্রলীগ যেইভাবে নিজেদেরকে খাই-খাই লিগ এ পরিনত করেছে, তাতে বুঝা যায় ওনারা স্বর্ণযুগে থাকতে চাননা তাই উনাদের চোখে উনারা ডায়মন্ডের যুগ দেখেন!!
     
  • hidden
    hidden
    দুঃখ একটাই অামাদের মহান বিজ্ঞ নেতারা ভূলত্রুটি অার প্রকাশ্যে সন্ত্রাস-চাদাবাজির মধ্যে যে বিরাট পার্থক্য সেটা এখনও বোঝে না !!!
     
  • Shamim
    Shamim
    এসব মন্তব্য অপরাদিদের আরও উৎসাহীত করবে ।
     
  • hidden
    hidden
    ভুল ত্রুটির মধ্যে কি খুন খারাপি, টেন্ডার বাজি, কোপানি ইত্যাদি পরে নাকি?
     
  • FAZLE AZIM CHOWDHURY
    FAZLE AZIM CHOWDHURY
    একি কথা শুনি ;;;;
     
  • Akas
    Akas
    কলা জাহাঙ্গীর, সুব্রত বাইন, সুইডেন আসলাম, নারায়ানগঞ্জ সাত খুনের আসামী সহ সবাইকে তো আমি তরুণই দেখি। আর ৩/৪ সন্তানের বাপ ছাত্র নেতারা অবস্যই তরুণ। আমাদের সবাইকেই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখা উচিত। পাপকে ঘৃনা কর নয়। আমাদের মন্ত্রী সভাসদরা বরই মানবতাবাদী। যুদ্ধঅপরাধীরাও সবাই ১৯৭১ সালে তরুণ ছিল ভুল করেছিল, তাদেরও মাফ করে দেওয়া উচিত। আমাদের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট লাশকে শত টুকরাকারীকে ক্ষমা করে অনন্য দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন। সত্যিই আমার বঙ্গদেশের দ্বিতীয় কোনো উদাহরণ নেই।
     
  • মোঃ আমিনুল ইসলাম (নকলা)
    মোঃ আমিনুল ইসলাম (নকলা)
    এই বক্তব্য কোনভাবেই কাম্য হতে পারে না। তরুণরা জাতির ভবিষ্যৎ, তারা যদি ভুল করে তবে তাদের ভবিষ্যৎ যেমন অন্ধকার তেমনি জাতির ভবিষ্যতও অন্ধকার। এই বক্তব্যের পর ছাত্রলীগের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ অপকর্মের বৈধতা দেয়া হলো।
     
  • hidden
    hidden
    বোঝা গেল, মন্ত্রী মহোদয় ছাত্রলীগকে দারুন সমীহ করেন।
     
  • Helal ahmed. Qatar
    Helal ahmed. Qatar
    আশরাফ সাহেব, হাওয়া দিলেন
     
  • hidden
    hidden
    ছাএলীগের কোন দোষ নাই। সব দোষ আ.লীগ নেতাদের। কারন তারাই তো আশকারা দেয়, যেমন আজকে দিল।
     
  • hidden
    hidden
    মন্ত্রীত্ব টিকিয়ে রাখতে হলে এসব না বলে কোন উপায় নাই।
     
  • M. Ahmed
    M. Ahmed
    ভাই দুঃখ পাবার কিছু নাই। বাস্তবতা হচ্ছে অামরা অনেক কিছুর দিকেই তাকাই কিন্তু ভালমত দেখি না, অনেক কিছুই জানি কিন্তু মানি না, অনেক কিছুই পড়ি কিন্তু বুঝি না।
     
  • Tareq shamim
    Tareq shamim
    জানি আমাদের এই অভাগা জাতীর কপালে আরো ভয়ংকর ভুল-ত্রুটি অপেক্ষা করছে।
     
  • মোঃ আল আমিন মিয়া (চিলমারী)
    মোঃ আল আমিন মিয়া (চিলমারী)
    সার্টিফিকেট তো ধরাই দিলেন জনাব। এবার নতুন চমকের অপেক্ষায় দেশ।
     
  • Helal ahmed. Qatar
    Helal ahmed. Qatar
    আমরা যদি গণতান্ত্রিক দেশ-জাতি হতাম, তাহলে এই উক্তির কারণে তাঁকে পদত্যাগ করতে হতো...
     
  • Helal ahmed. Qatar
    Helal ahmed. Qatar
    ধন্যবাদ
     
  • Helal ahmed. Qatar
    Helal ahmed. Qatar
    নিশ্চয় পারবেন যদি আপনি ছাত্রলীগ হন, আর না হয় আপনাকে অস্ত্র উদ্ধারে নিয়ে......... অতবা ক্রসফায়ার........
     
  • Md. Masudul Hasan Shobhon
    Md. Masudul Hasan Shobhon
    অভিভাবকসূলক কথা শুনতে ভালো লাগে। তবে অভিবাববকদের কথা দায়িত্ব ও বিবেক বিবর্জীত হলে সন্তানের খারাপ কাজের গ্লানিও বয়ে বেড়াতে হয় চিরকাল। তাই অভিভাবকদের দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে সাবধান।
     
  • Monzur
    Monzur
    ...... আর বাতাস দিয়েন না!
     
  • মতিউর রহমান
    মতিউর রহমান
    এটা আবার বলা লাগে নাকি? সে জন্যই তো মায়ের পেট ফুটো হয়ে শিশুর শরীরে বুলেট ঢুকার পরও আমরা চুপচাপ আছি।
     
  • Farid-Abu Dhabi
    Farid-Abu Dhabi
    মানুষ মাত্রই ভুল আর ক্ষমা মহত্বের লক্ষন। দেন স্যার ছাত্রলীগের সব অন্যায় ক্ষমা করে দেন!!!!
     
  • joy narayan, (switzerland)
    joy narayan, (switzerland)
    "এরা বয়সে তরুণ, ভুলত্রুটি হতেই পারে।" আপনাকে বাবার মত সম্মান করি। দয়া করে এসব বলবেন না।
     
  • Md. Abu Shahin
    Md. Abu Shahin
    ছাত্রলীগের এই তরুনদের ভূলের শিকার আপনারা হলে তখন দেখতাম যে বড় বড় কথা কি করে বলেন। আসলে সব তো যায় জনগণেন উপর দিয়ে।
     
  • HELAL
    HELAL
    আওয়ামী লীগের একজন আদর্শবাদী নেতার মুখে এসব কথা মানায় না!
     
  • mahfuza bulbul
    mahfuza bulbul
    সরকারের সোনার তরুণ ছেলেদের জন্ম শুধু ভুল করার জন্য। সাধারণ মানুষ আজ পর্যন্ত তাদের সঠিক কাজ করতে দেখলো না।
     
  • Mohammed Shahed Parvez
    Mohammed Shahed Parvez
    "এখান থেকে ট্রেনিং হয় ভবিষ্যতের নেতার" এই কারনেই আমাদের দেশে গণতন্ত্র শুধু ভোটের দিনের জন্যেই সংরক্ষিত (ইদানিং এরও ব্যতিক্রম হচেছ)।
     
  • Anisur Rahman
    Anisur Rahman
    ও বাবা , দ‌লে একটু ক্ষমতা পে‌য়ে আবারও ছাত্রলী‌গের মানুষ হত্যা‌কে সা‌র্টি‌ফি‌কেট দি‌চ্ছেন। আপনার মে‌য়ে আর তার পে‌টে থাকা সন্তান‌কে যে দু‌নিয়ার ছাত্রলীগ/ছাত্রদল বো‌ঝেনা তা‌কে গু‌লি করা হ‌লেও কি তুচ্ছ ভুল ব‌লে চা‌লি‌য়ে দি‌বেন। আপনারা পা‌রেনও ব‌টে ।
     
  • Anisur Rahman
    Anisur Rahman
    আপনা‌কে তো একটু আলাদা আর ভা‌ল ম‌নে ক‌রে‌ছিলাম, শেষ পর্যন্ত আপ‌নিও!!
     
  • Shamim Ansary
    Shamim Ansary
    'তাদের একেবারে সাধারণ মানুষের সমান সম্মানও দেখানো হয় না।''....বুঝেগেছেন মনে হয়!
     
  • Md. Khairul Islam
    Md. Khairul Islam
    তারা আমার বোনকে ধর্ষন করবে আর বলবেন তারাতো তরুন নাবালক না?
     
  • hidden
    hidden
    ভাল তো ভাল না
     
  • farhad
    farhad
    ''এখান থেকে ট্রেনিং হয় ভবিষ্যতের নেতার" কি ধরনের নেতা বের হবে ভবিষ্যৎে ভাবতে গা শিউরে উটে !! যাদের কাছে মায়ের পেটের সন্তানও নিরাপদ নয় !!!
     
  • হিমেল
    হিমেল
    কারন ওরা ও যে আ:লীগই অংশ। দুনিয়াতে কি আর ছাত্র নাই নাকি ? কেন বার বার ওদের উস্কে দিচছেন। একদিন যে এই তরন ই ভুল করে আপনার পরিবারের ক্ষতি করবে না তার গ্যারানটি কি ?
     
  • hidden
    hidden
    আহা-হা কী অসাধারণ চিজ্। তা পিৎজা বানিয়ে আপনি খেতে পারেন আমাদের রুচি হবে কেন?
     
  • Izak
    Izak
    OMG!!!
     
  • Md.Asif Iqbal
    Md.Asif Iqbal
    সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম সাহেব সবসময় মদ খাওয়াটা ভুল নয় অভভাস ,আর তাই বুঝি আপনিকি ভুল আর অপরাধের পারথক্কো কি সেটা গুলিয়ে ফেলেছেন ??
     
  • ব্লগার মোহাম্মদ কাশেম
    ব্লগার মোহাম্মদ কাশেম
    এই টা অপরাধের লাইন্সের সামিল
     
  • mahfuza bulbul
    mahfuza bulbul
    ছাত্রলীগের এই সোনার তরুণ ছেলেরা নারীদের লাঞ্ছিত করলে হয় দুষ্টামি আর খুন, চাদাবাজী , টেন্ডারবাজি , সন্ত্রাসীকর্ম কাণ্ড করলে হয় ভুল ! আহারে সরকারের সোনার মাসুম ছেলে !
     
  • rasel
    rasel
    আমাদের সাংসদ, মন্ত্রীরা অযথা এমন সব কথা বলেন !!
     
  • Hafizur Rahman
    Hafizur Rahman
    দয়ার শরীরই বলতে হবে সৈয়দ দাহেবের। তবে সৈয়দ সাহেব, মাগুড়ার ছাত্রলীগের ঐ গুলিটা যদি আপনার স্ত্রীর পেট ছিদ্র হয়ে আপনার আনাগত সন্তানের বক্ষ ছিদ্র করলে আপনি কি পারতেন ক্ষমা করতে?
     
  • hidden
    hidden
    নেতা এমন হলে তার কর্মীরা আবার কেমন হবে?
     
  • Md. Mobarak Hossain
    Md. Mobarak Hossain
    লীগ সব অপকরমের হোতা, এটা ত সবাই জানি। একটা উদাহরন দিন না ইদানিং কার লীগ ভাল কিচু করেছে। What to say you yourself are other side of the coin..
     
  • hidden
    hidden
    এত্ত বড় মন্ত্রী কিন্তু তিনি ভুল আর অন্যায়ের পার্থক্য বোঝেন না, আফসোস।
     
  • hidden
    hidden
    যে দলের বীছন খারাপ তার ফল তো এমনই হওয়ার কথা,তাই নয় কি?ছাএলীগ কি অতীতেও ধোয়া তুলসিপাতা ছিল না কি?অতীতেও তারা নোংরামী কাজে এগিয়ে ছিল অন্য যেকোন দলের চেয়ে,এখন সীমাহীন নোংরামি করে এই তো পার্থক্য। আশরাফ সাহেব দয়া করে একটা সত্যি কথা বলবেন-ছাএ রাজনীতি স্বাধীনতার আগে ভাল ছিল না স্বাধীনতার পরে?
     
  • Mahadi
    Mahadi
    মনে হয়নি আশরাফ চলে গেলে বাংলাদেশের রাজনীতির তেমন ক্ষতি হত।
     
  • Yousuf Sheikh Manik
    Yousuf Sheikh Manik
    তাহলে আপনার মতে তরুনরা হত্যা করবে যা খুশি তাই করবে তাতে কোন সমস্যা নাই। তাহলে ইসলামী ছাত্রশিবিরের হাজার হাজার তরুণ ভাইকে কেনো জালিমের কারাগারে অন্যায়ভাবে আটকে রেখেছেন। তারা তো আপনার ছাত্রলীগের মত আর মানুষ হত্যা করেনি।
     
  • masud ahmed
    masud ahmed
    Mr Ashraf than why not you forgive those who killed your father because they also was young when they killed your father.
     
  • hidden
    hidden
    চাপাতিলীগ/ ছাত্রলীগের ভুলে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাজপথে কতজন নৃশংসভাবে খুন হয়েছে আন্দালিব ? ওই ভুলগুলো ভুলে যেতে চান?
     
  • hidden
    hidden
    ওরা তো মানুষ না ছাত্রলীগ, মানুষের সন্মান পাবে কেন?
     
  • hidden
    hidden
    ভাবছি এই দেশে আর থাকবো না। রুটি রোজগারের একমাত্র উপায় সরকারি চাকরী টা ছেড়ে দিয়ে বিদেশে চলে যাব। এই দেশটা এদের মত নেতা আর তাদের অনুসারীদের জন্যই উপযোগী। লজ্জা লাগে আমার! আপনাদের লাগেনা ভাই?
     
  • ফখরুদ্দিন
    ফখরুদ্দিন
    দয়া করে ছাত্ররাজনীতি বন্ধ করে দেন... বাংলাদেশে ছাত্ররাজনীতির কোনো প্রয়োজন আছে বলে মনে হই না
     
মন্ত