Saturday, December 12, 2015
ভায়রা ভাই হচ্ছেন দুই ভাই?
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চীনের শীর্ষ ধনী গুয়াংচ্যাং হঠাৎ নিখোঁজ!
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কোনো প্রকার হুমকি এলে সঙ্গে সঙ্গে অ্যাকশন : পুতিন
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জেঁকে বসার আগেই দমন করতে হবে আইএসকে -সাক্ষাৎকারে: রবার্ট গিবসন by রাহীদ এজাজ
![]() |
| রবার্ট গিবসন |
প্রথম আলো: দুই বিদেশি হত্যার পর বাংলাদেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি কীভাবে দেখেন?
রবার্ট গিবসন: বাংলাদেশে রাজনৈতিক সংঘাতের ইতিহাস আছে। তবে এবারই প্রথম বিদেশিদের ওপর হামলা হচ্ছে, বিদেশিরা খুন হয়েছেন, যা লজ্জাজনক। পশ্চিমা নাগরিকসহ শিয়া ও খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের ওপর সম্প্রতি যেসব হামলা হয়েছে, তার সব কটির দায় স্বীকার করেছে আইএস এবং এটি উদ্বেগের। আমি আশা করব, ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তাঝুঁকি থাকার বিষয়টি মেনে নিয়ে সরকার তা দূর করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। এরপর লোকজনকে এটা দেখাতে পারবে যে, কাজ ও বসবাসের জন্য বাংলাদেশ নিরাপদ। আইএস এখন পৃথিবীর সবচেয়ে জঘন্য সন্ত্রাসী সংগঠন, যা আল-কায়েদার উত্তরসূরি এবং পৃথিবীজুড়ে সন্ত্রাসের সঙ্গে যুক্ত গোষ্ঠীগুলোর সমর্থন আছে আইএসের প্রতি। কাজেই পুরো পৃথিবী যে ক্রমেই বিপজ্জনক হয়ে উঠছে, এটি আমাদের মেনে নিতে হবে। সেই সঙ্গে মাথায় রাখতে হবে আইএসের বৈশ্বিক উচ্চাকাঙ্ক্ষার বিষয়টিও। খিলাফত প্রতিষ্ঠা নয়, তাদের বৈশ্বিক উচ্চাভিলাষ প্রমাণিত হয়েছে বৈরুত, তিউনিস ও প্যারিসের নৃশংস হামলাগুলোতে। নিজেদের উগ্রবাদী মতাদর্শ প্রতিষ্ঠার জন্য আইএস পৃথিবীর প্রতিটি প্রান্তে নৈরাজ্য সৃষ্টি করে জীবনযাত্রা ব্যাহত করছে। তাই আমার বিশ্বাস, তৎপরতা চালানোর জন্য আইএস যেকোনো দেশকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করতে পারে। এ ধরনের গোপন সংগঠনগুলোর লোকজন কোথায় আছে আপনিও জানবেন না। কিন্তু তাদের উপস্থিতির প্রমাণ আপনি দেখবেন এবং এটিও বুঝতে পারবেন যে বাংলাদেশে তাদের প্রয়োজনীয় সমর্থনও আছে। তাই জঙ্গি সংগঠনটি বাংলাদেশে জেঁকে বসার আগেই তাদেরকে আমাদের দমন করতে হবে।
প্রথম আলো: আইএসের বাংলাদেশে উপস্থিতি সম্পর্কে আপনাদের কাছে থাকা তথ্য কতটা বিশ্বাসযোগ্য?
রবার্ট গিবসন: বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ঘটনাবলিতে আইএসের দায় স্বীকারের দাবি থেকেই এখানে তাদের উপস্থিতির প্রমাণ মেলে। কাজেই একটি শক্তি হিসেবে তাদের আবির্ভূত হওয়ার আভাস আছে। আমরা ফের ধর্মীয় সংখ্যালঘু কিংবা পশ্চিমা স্বার্থে আইএসের হামলা দেখতে চাই না। বাংলাদেশের সরকার, বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে আমাদের চমৎকার সম্পর্ক আছে এবং আমাদের কাছে যেসব তথ্য আছে, সেগুলো আমরা তাদের দিয়েছি।
প্রথম আলো: আপনারা আসলেই কি তথ্যগুলো দিয়েছেন?
রবার্ট গিবসন: অবশ্যই। আমাদের হাতে যেসব তথ্য ছিল, সবই আমরা সরকারকে দিয়েছি। কোনো কিছুই লুকিয়ে রাখিনি। যেহেতু এখানে আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নেই, তদন্ত চালানোর সামর্থ্যও আমাদের নেই। তা ছাড়া এসব আমাদের কাজও নয়। কাজটা করবে এখানকার গোয়েন্দা সংস্থা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে এ বিষয়ে আমরা যে তথ্য দিয়েছি, তার ভিত্তিতে তারা কাজ করতে পারে।
প্রথম আলো: আপনারা তথ্য দিয়েছেন কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন আছে!
রবার্ট গিবসন: লোকজনের যে বিভ্রান্তি আছে সেটি বুঝতে পারি। আমরা বলতে পারি না, গুলশানের ‘ক’ নম্বর সড়কের ‘খ’ নম্বর বাড়িতে আইএস আছে। এটি বলা আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। তারা যে সক্রিয়, এ নিয়ে যে তথ্য আমরা তাদের দিয়েছি, সেটির ভিত্তিতে কাজ করা এখানকার সরকার ও গোয়েন্দা সংস্থার দায়িত্ব। আমি যখন তাদের ঠিকানাই জানি না, তাহলে দেওয়ার সুযোগ কোথায়!
প্রথম আলো: বাংলাদেশের নিরাপত্তা নিয়ে বিভিন্ন দেশের শঙ্কা এবং বিভিন্ন ব্যক্তিকে জঙ্গিদের হত্যার হুমকি এ দেশের ব্যবসার পরিবেশের জন্য কি নেতিবাচক ভাবমূর্তি তৈরি করছে?
রবার্ট গিবসন: এখনই এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করা ঠিক হচ্ছে না। আমার ধারণা, শুরুতে এ বিষয়ে লোকজন বেশ সতর্ক ছিলেন। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে নিরাপত্তা জোরদারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং লোকজনও মেনে নিয়েছেন, ঠিক আছে ঝুঁকি হয়তো আছে, তবে এর সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে আমাকে চলতে হবে। পৃথিবী যে প্রতিনিয়ত আরও জটিল, ঝুঁকিপূর্ণ ও বিপজ্জনক হয়ে উঠছে, তা সবাই মানছেন। যুক্তরাজ্যের ব্যবসায়ীরা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে নিজেদের এবং ওই দেশগুলোর সমৃদ্ধির জন্য কাজ করছেন। আর ঝুঁকির কথা বিবেচনা করেই তাঁদের ব্যবসা করতে হয়। আর এ বিষয়ে যুক্তরাজ্যের ব্যবসায়ীদের অভিজ্ঞতাও রয়েছে। কাজেই হোটেল, বিমানবন্দরসহ যেসব জায়গায় তাঁদের চলাফেরা করতে হয়, সেখানে তাঁদের জন্য বাড়তি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হলে তাঁরা এখানে আসতে থাকবেন। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার সামর্থ্য আছে কি না সেটি জরুরি।
প্রথম আলো: বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুম ও বিরোধী নেতা-কর্মীদের হত্যা ইত্যাদি প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি এখন কেমন?
রবার্ট গিবসন: কোনো মুক্ত সমাজেই বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুমের মতো বিষয়গুলো গ্রহণযোগ্য নয়। প্রায় নিয়মিতভাবে সরকার এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আমরা বিষয়গুলো তুলেছি। আর আমাদেরকে সব অভিযোগের যথাযথ তদন্তের আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জে সাত খুনের ঘটনা ছাড়া আলোচিত গুমের ঘটনাগুলোর তদন্তে কোনো অগ্রগতি নেই। কারা, কেন এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তা খুঁজে বের করা উচিত। এ ধরনের ঘটনাগুলোর সুরাহা না হওয়া গণতান্ত্রিক সমাজের জন্য ইতিবাচক ইঙ্গিত দেয় না।
প্রথম আলো: আসন্ন পৌর নির্বাচন দেশের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে কতটা পরিবর্তন আনবে?
রবার্ট গিবসন: ভোটাধিকারের মাধ্যমে লোকজনের প্রতিনিধি নির্বাচনের সুযোগের প্রেক্ষাপট থেকে ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জনগণের অধিকারের বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য নির্বাচন প্রক্রিয়ায় জড়িত সবাই কতটা গঠনমূলকভাবে নিজেদের দায়িত্ব পালন করছেন, সেটিও দেখার আছে। সেই সঙ্গে নির্বাচনের জন্য সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং নির্ভয়ে ভোটে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রার্থীদের মধ্যে আস্থা সৃষ্টিতে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
প্রথম আলো: গত এপ্রিলের তিন সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের অভিজ্ঞতা তো সুখকর নয়?
রবার্ট গিবসন: ওই নির্বাচন নিয়ে নানা পর্যায়ে হতাশা আছে। তবে আমাদের হতাশা কয়েকটি বিষয়ে। এটি তো স্পষ্ট হয়েছে যে ভোটারদের অংশগ্রহণের জন্য সহায়ক পরিবেশ তৈরি করতে নির্বাচন কমিশন ব্যর্থ হয়েছিল। অথচ ভোটের পরিবেশ নিয়ে ভোটারদের মধ্যে আস্থার পরিবেশ সৃষ্টির কাজটা নির্বাচন কমিশনের ছিল। একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের জন্য আমাদের একটি শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন দরকার এবং এ বিষয়টিতে আমরা উৎসাহ দিয়ে যাচ্ছি।
প্রথম আলো: দেড় দশকের মধ্যে দুই দফায় বাংলাদেশে প্রথমে উপ-হাইকমিশনার ও পরে হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এই সময়টাতে বাংলাদেশের পরিবর্তনটা কীভাবে দেখেন?
প্রথম আলো: ১৫ বছরের মধ্যে বাংলাদেশের পরিবর্তন, বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে পরিবর্তনের হাওয়া আমাকে বিস্মিত করে! ১৫ বছর আগে বাংলাদেশের গ্রামগুলোতে বিদ্যুৎ ছিল না, অভাব ছিল শিক্ষা ও সুপেয় পানির। জীবনের মৌলিক চাহিদা আর জীবনযাত্রা নিয়ে মানুষের স্পষ্ট ধারণা ছিল না। এবার এসে বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে দেখেছি স্বাস্থ্যকর পায়খানা, সুপেয় পানির প্রাচুর্য। সেই সঙ্গে পরিচ্ছন্নতা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে লোকজনের সচেতনতা আমাকে অবাক করেছে। আমার মতো অনেকের কাছে বিরাট এই পরিবর্তন খুব সহজেই চোখে পড়বে এবং দেশের জন্য এ এক বিরাট অর্জন। দ্বিতীয়ত, আমি যখন ঢাকা ছেড়ে যাই, তখন এত দালানকোঠা ছিল না। এখন তো ঢাকায় আকাশছোঁয়া দালানের ছড়াছড়ি। দেশজুড়ে ব্যাপক উন্নয়নের তৎপরতাও চলছে। প্রতিবছর সাড়ে ৬ শতাংশ হারে প্রবৃদ্ধি যথেষ্ট ভালো, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু আমি মনে করি, এই হার আরও বেশি হতে পারত। বারবার তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে ঘিরে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া বিঘ্নিত হওয়া, রাজনৈতিক সংঘাত, হরতাল, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এবং অবকাঠামোগত দুর্বলতার মতো চ্যালেঞ্জগুলোর কারণে বাংলাদেশের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন অর্জিত হচ্ছে না। আমি যখন আবার বাংলাদেশে ফিরব, তখন হয়তো এ সমস্যাগুলো থাকবে না বলে আশা রাখি।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিদেশিদের বাংলাদেশ ভ্রমণে সতর্কতা
![]() |
| জননিরাপত্তায় রাজধানীতে পুলিশি পাহারা |
আলী ইমাম মজুমদার: সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
majumder234@yahoo.com
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হত্যা মামলার আসামির পক্ষে বিলবোর্ড!
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফেসবুক ব্যাটাই চোর by ডক্টর তুহিন মালিক
দুই. ফেসবুকের মতো সারা বিশ্বে জনপ্রিয় এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটির অপব্যবহার রোধকল্পে কোনো কার্যকরি পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হচ্ছি? এত মন্ত্রণালয়, এত মন্ত্রী, আর পুরো দেশকে ডিজিটাল ঘোষণা করেও কেন আমরা সাইবার অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করতে পারলাম না? তথ্যপ্রযুক্তির চরম উৎকর্ষতার যুগে আমরা শুধুই শিখেছি সব কিছু বন্ধ করে দিতে। ক্ষমতা পেলেই আমরা এটা বন্ধ, সেটা বন্ধ, ওকে মারো, ওকে কাটো ফর্মুলায় চলে যাই। অথচ এগুলো যদি বন্ধই করতে হয়, তবে দেশে মন্ত্রীদের কাজ বা দায়িত্ব কী? আসলে প্রযুক্তি বন্ধ করে নয়, বরং প্রযুক্তি দিয়েই প্রযুক্তির অপরাধ রোধ করতে হবে। জনগণের জানমালের নিরাপত্তার কথা বলে ফেসবুক, ভাইবার, হোয়াটসঅ্যাপ বন্ধ করে দেবেন, অঘোষিতভাবে ইন্টারনেটের গতি কমিয়ে দেবেন; আর বগুড়ায় শিয়া মসজিদে হামলা বন্ধ করতে পারবেন না কেন? কান্তজির মন্দিরের রাসমেলায় বোমা হামলাই বা ঠেকাতে পারলেন না কেন? সরকার কি একবারও ভেবে দেখে না যে, এগুলো বন্ধ করে তারা নিজেদের ‘ডিজিটাল সরকারের’ চরিত্রকেই হরণ করছে সবচেয়ে বেশি। প্রতিদিন রাস্তায় সড়ক দুর্ঘটনায় কত মানুষ মারা যাচ্ছে, তাই বলে কি সব যানবাহন বন্ধ করে দিতে হবে? রাজনীতিবিদেরা এ দেশে সমানে দুর্নীতি করে আসছে বলে কি রাজনীতিই বন্ধ করে দেবেন? প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে কি পরীক্ষা নেয়াই বন্ধ করে দেবেন? মন্ত্রীরা বলছেন, বাংলাদেশে ফেসবুক ব্যবহার করে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হয়, তাই ফেসবুক বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। কিন্তু টুইন টাওয়ার ধ্বংস করা হয়েছিল উড়োজাহাজ ব্যবহার করে, তাই বলে কি আমেরিকা উড়োজাহাজ বন্ধ করে দিয়েছে? আসলে একে একে ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়াকে পুরোপুরি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এবং কঠিন কঠিন আইন করে আর শাস্তি দিয়েও যখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না, তখন ঠুনকো নিরাপত্তার অজুহাত তুলে এগুলোকে বন্ধই করে দেয়া হলো। মানুষের কাছে সত্য ঘটনাগুলো পৌঁছানোর একমাত্র মাধ্যম হিসেবে যখন ফেসবুক টিকে রইল, তখন ফেসবুককে ধরে বলা হলো- ‘এই কেষ্ট ব্যাটাই চোর’।
তিন. গত ১৮ নভেম্বর যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত দু’জন প্রভাবশালী নেতার ফাঁসি ঘোষণার পর নাশকতার সতর্কতা হিসেবে ফেসবুকসহ ভাইবার ও হোয়াটসঅ্যাপ বন্ধ করে দেয়া হয়। তখন কোনো রকম বিন্দুমাত্র নিরাপত্তার হুমকির মোকাবেলাও করতে হয়নি সরকারকে। জনগণের মনে এভাবে ভীতি সৃষ্টি করে এই যে বন্ধ করে দেয়া হলো ফেসবুক, সেটা আর খোলার কোনো খবরই নেই। মন্ত্রীরা বলে বেড়াচ্ছেন, দেশে কোনো জঙ্গির অস্তিত্ব নেই। তাহলে ফেসবুক বন্ধ করলেন কেন? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বললেন, আমেরিকার চেয়েও নাকি বাংলাদেশ অনেক বেশি নিরাপদ। তাহলে তো আমেরিকাতে আমাদের আগেই ফেসবুক বন্ধ করা উচিত ছিল! সম্প্রতি ফ্রান্সে ভয়াবহ রক্তপাত ঘটেছে। কই, ফ্রান্স তো ফেসবুক বন্ধ করেনি; বরং তারা তাদের দক্ষতা, প্রযুক্তি ও মেধা দিয়ে সুদূর ব্রাসেলসে পালিয়ে থাকা প্যারিস হামলার মূল নায়ককে চারজন সঙ্গীসহ নির্মূল করেছে। তাহলে প্রশ্ন জাগে, প্রযুক্তি অপরাধ রোধে আমাদের বাহিনীগুলো কি এত দিনে কোনোই সক্ষমতা অর্জন করতে পারেনি?
চার. আইসিটি প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, সবুজ সঙ্কেত পেলেই ফেসবুক খুলে দেয়া হবে। এক কোটি ৭০ লাখ ফেসবুক ব্যবহারকারী ২২ দিন ধরে ট্রাফিক সিগন্যালের দিকে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে, কবে সবুজ সঙ্কেত দেখতে পাবে! আসলে এই সবুজ সঙ্কেতটি কোথা থেকে আসবে? ফেসবুক আসলে কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন? স্বরাষ্ট্র; পররাষ্ট্র; তথ্য, ডাক ও টেলিযোগাযোগ নাকি তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রণালয়? অথচ সবাই তো দেখি ফেসবুক নিয়েই অস্থির। দেশের সব মন্ত্রী দলবেঁধে বৈঠক করলেন ফেসবুক কর্তৃপক্ষের সাথে। ফেসবুকের দক্ষিণ এশিয়ার দু’জন স্টাফের বিপরীতে হাইপাওয়ারের বৈঠক করলেন আমাদের তিনজন মন্ত্রী, জেনারেল পদমর্যাদার পুলিশ কর্মকর্তা, ডজন দুয়েক সিভিল, পুলিশ ও আর্মি অফিসার! ফেসবুকের এই দু’জন স্টাফ এ দেশের হাইপ্রফাইল ব্যক্তিবর্গের কাউন্টার পার্ট হতে পেরে নিশ্চয়ই নিজেদের সৌভাগ্যবানই মনে করছেন। ফেসবুক কর্তৃপক্ষের কাছে বাংলাদেশ সরকার তিনটি জিনিস চেয়েছে- ১. বাংলাদেশে ফেসবুকের অ্যাডমিন বসাতে হবে, ২. ফেসবুক পোস্ট ফিল্টার করার সুযোগ অর্থাৎ কোনটা বাংলাদেশে দেখানো যাবে তা নিয়ন্ত্রণের সুযোগ থাকতে হবে এবং ৩. নিরাপত্তা বিষয়ে দ্বিপক্ষীয় চুক্তি করতে হবে। তা ছাড়া ফেসবুকের সাথে বৈঠকে আমাদের দেশের সাম্প্রদায়িক বা ধর্মীয় উসকানির বিষয় তুলে ধরা হয়। আমাদের সংস্কৃতির অবস্থানকে স্পষ্ট ভাষায় তুলে ধরা হয় তাদের সামনে। ফটোশপের মাধ্যমে বিকৃত ছবি প্রকাশ করার ঘটনায় তরুণীর আত্মহত্যার কথাও তাদের জানানো হয়। যেসব ফেসবুক পেজ থেকে অপরাধ চালানো হয় সেগুলো বন্ধ করা, আইপি ঠিকানা, পাসওয়ার্ডসহ নানা প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহের অনুরোধও জানানো হয়। কিন্তু বিপরীতে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বলেছে, তাদের কোম্পানির নীতিমালা ও যুক্তরাষ্ট্রের আইনের বাইরে তারা যেতে পারবে না। এ জন্য বাংলাদেশকে সুনির্দিষ্ট পদ্ধতিতে আবেদন করতে হবে। বাংলাদেশ চাইলে ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমেও সরকারিভাবে আবেদন করতে পারে। আসলে জুকারবার্গ নিজেও বাকস্বাধীনতার দেশের মানুষ। খোদ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও ইউরোপের দেশগুলোও জুকারবার্গের কাছ থেকে এটা আদায় করতে পারেনি। কেননা ফেসবুকের পলিসির সাথে এটা পুরোপুরি সাংঘর্ষিক। এটা করলে ফেসবুকের বিরুদ্ধে গোপনীয়তা ভঙ্গের অভিযোগে মিলিয়ন-বিলিয়ন ডলারের ক্ষতিপূরণের মামলার ঝুঁকিতে তারা পড়ে যাবে।
পাঁচ. তবে ফেসবুকে সাম্প্রদায়িক বা ধর্মীয় উসকানি, দেশের সম্মানিত ব্যাক্তিদের বিরুদ্ধে কটূক্তি, ফটোশপের মাধ্যমে বিকৃত ছবি প্রকাশ, অনৈতিকতা, অশ্লীলতা, মিথ্যা প্রপাগান্ডা বা যৌন হয়রানি নিরসনকল্পে একটা নিয়ন্ত্রণ বলয় তৈরি করতেই হবে। এভাবে লাগামহীনভাবে ব্যক্তিচরিত্র হানি ও অশ্লীল প্রপাগান্ডা রোধ করা না গেলে সামাজিক এ যোগাযোগ মাধ্যমটি তখন আর সামাজিকই থাকবে না। তা ছাড়া ১৮ বছরের কম বয়সীদের জন্য ফেসবুক নিষিদ্ধ করে তাদের পড়ার টেবিলে বসাতে হবে। ভারত সরকার তাদের দেশে সার্ভার বসিয়ে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ফেসবুকের সাথে চুক্তি করেছে। গত সেপ্টেম্বরে প্রধানমন্ত্রী মোদি যুক্তরাষ্ট্র সফরকালে ফেসবুক সদর দফতর পরিদর্শন করেছেন। এক মাস পর ফেসবুক প্রধান মার্ক জুকারবার্গ ভারত সফর করে গেলেন। তবে ফেসবুকের সাথে ভারত সরকারের এই চুক্তিকে চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাইকোর্টে মামলা করেছেন ক্ষমতাসীন বিজেপির সাবেক নেতা কে এন গোবিন্দাচার্য্য। মামলার অভিযোগ হচ্ছে, এই চুক্তিতে ভারতীয় নাগরিকদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও তথ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ভারত সরকার ব্যর্থ হয়েছে। তা ছাড়া ওয়েবসাইটে আপলোড করা কনটেন্টের মেধাস্বত্ব অধিকার অবাধে ফেসবুক কর্তৃপক্ষকে কোনোরকম লাইসেন্স ছাড়াই দিয়ে দেয়া হয়েছে। এতে বিদেশী কোম্পানি এ নিয়ে ব্যবসা করবে আর ভারত সরকার কোনো বিনিময় ছাড়াই তাদের সবচেয়ে বড় এজেন্টে পরিণত হবে বলে অভিযোগ আনা হয়। দিল্লি হাইকোর্ট মামলাটি আমলে নিয়ে দ্রুত কেন্দ্রীয় সরকারকে চুক্তির কপি আদালতে জমা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তবে মামলাটি এখনো বিচারে নিষ্পত্তি হয়নি।
ছয়. মিথ্যা প্রপাগান্ডা সৃষ্টি করে মানুষকে হেয়প্রতিপন্ন করা থেকে রাষ্ট্রীয় একটা সুরক্ষা প্রত্যেকের জন্য নিশ্চিত করতে হবে। আমার ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজে কয়েক বছর ধরে অসংখবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও আমাদের জাতীয় নেতাদের নিয়ে কটূক্তি বন্ধ করতে পারিনি। এ জন্য হাজারো বন্ধুকে আনফ্রেন্ড ও ব্লকও করতে হয়েছে। আমার বিরুদ্ধে একাধিকবার তাবলিগ ও ইজতেমা নিয়ে মিথ্যা প্রচারণা চালিয়ে মামলা পর্যন্ত করা হয়েছে। অথচ আমি তখন দেশেই নেই। একুশে টিভির টকশোতে নাকি আমি এ কথা বলেছি বলে প্রচারণা চালিয়ে আমার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। অথচ ঘটনার ছয় মাস আগ থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় দেড় বছর ধরে আমি একুশে টিভির টকশোতে যাইনি। গত বছর লন্ডনে এক সেমিনারে আমার এক বক্তব্যের ভিডিও ফুটেজকে বিকৃত করে আমার বিরুদ্ধে একাধিক রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা করা হয়। কিন্তু এই ভিডিও ফুটেজটি ফেসবুক ও ইউটিউব ছাড়া লন্ডন বা বাংলাদেশের কোনো মিডিয়াতেই প্রকাশ করা হয়নি। অথচ যারা এটা বিকৃত করে ফেসবুক বা ইউটিউবে ছাড়ল, তাদের ধরার কোনো পদক্ষেপই নেয়া হলো না। এ নিয়ে আমি অসংখ্যবার ফেসবুক স্ট্যাটাসে এই মিথ্যা প্রপাগান্ডার বিরুদ্ধে সবাইকে সতর্ক করেও এই মিথ্যা প্রপাগান্ডা রোধ করতে পারিনি। বাধ্য হয়েই আমাকে তখন জাতীয় দৈনিকে লাখ টাকা খরচ করে বিজ্ঞাপন দিয়ে এই মিথ্যা প্রচারণার জবাব দিতে হয়।
সাত. একসময় দেশে রেডিও বাংলাদেশ আর বিটিভি ছাড়া ইলেকট্রনিক মিডিয়া বলতে আর কিছুই ছিল না। এখন ফেসবুকের বদৌলতে শিশু রাজিবের হত্যার প্রমাণ দেখা যায়। সদূর সৌদি আরব থেকে হত্যাকারীকে ফেসবুকের কল্যাণে শনাক্ত করে ধরে আনা সম্ভব হয়। সোশ্যাল মিডিয়ার কল্যাণেই এখনো আমরা ভালোকে ভালো আর খারাপকে খারাপ বলার একটা প্লাটফর্ম খুঁজে পাচ্ছি। অথচ গত ২০১৩ সালে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (সংশোধন) আইনে ন্যূনতম সাত বছর ও সর্বোচ্চ ১৪ বছর কারাদণ্ডের বিধান রাখলেও এ আইন শুধু ক্ষমতাসীনের রাজনৈতিক হীন উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার যন্ত্রে রূপ নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ও বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে গান করার অপরাধে এক তরুণকে জরিমানাসহ সাত বছরের সশ্্রম কারাদণ্ড দিয়েছে সাইবার অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। অথচ শুরু থেকেই এই বির্তকিত আইনের ৫৭ ধারা নিয়ে গণমাধ্যম ও সুশীলসমাজের প্রবল আপত্তি রয়েছে। কারণ, এটা সংবিধানে প্রদত্ত জনগণের মৌলিক অধিকার ও বাকস্বাধীনতার সাথে সাংঘর্ষিক একটা কালো আইন। এটাকে চ্যালেঞ্জ করে করা রিট মামলায় ২০১০ সালের ২৬ জুলাই হাইকোর্ট সরকারের বিরুদ্ধে রুল জারি করেছেন। যদিও সরকার এখন পর্যন্ত হাইকোর্টের এই রুলের জবাব দেয়ার প্রয়োজনও মনে করেনি। তবে এ আইনে অহরহ যে কাউকে শাস্তি দেয়া হচ্ছে ঠিকই।
আট. এ দিকে বিকল্প পথে ফেসবুক ব্যবহার করে সরকারের সমালোচনা করার অভিযোগে গত সপ্তাহে তিনজনকে গ্রেফতার করা হলো। ফেসবুক ব্যবহার করাকে ফৌজদারি অপরাধ গণ্য করে কোনো আইন করা হয়নি। তাই কেউ যদি ফেসবুক ব্যবহার করেই থাকে, তবে তার জেল হবে কেন? বিকল্প পথে ফেসবুকে যাওয়া যদি অপরাধ হয়, তবে বর্তমান সরকার তো বিকল্প পথে গিয়েই ক্ষমতায় টিকে আছে। আর সরকারের সমালোচনা করাই বা কেন দণ্ডনীয় অপরাধ হতে যাবে? সত্য কথা হচ্ছে, যারা মানুষকে দণ্ডের ভয় দেখাচ্ছেন, তারাই আবার প্রতিনিয়ত ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েই যাচ্ছেন। সরকারের মন্ত্রী, এমপি, মেয়র, আমলা, সাংবাদিক, সুশীলÑ কে নেই ফেসবুকে? সবাই হরেক রকমের প্রক্সি সার্ভার ব্যবহার করে বিকল্প পথেই ফেসবুক চালাচ্ছেন। প্রতিদিনই হুড়হুড় করে বাড়ছে এদের সংখ্যা। আসলে সরকারি সার্কুলার আর পরোয়ানা দিয়ে কি প্রযুক্তিকে আটকে রাখা সম্ভব হবে ২০১৫ সালের প্রযুক্তির এই বিশ্বে? আচ্ছা, ফেসবুক না হয় অপরাধী, কিন্তু তাই বলে ভাইবার ও হোয়াটসঅ্যাপ খুলছেন না কেন?
নয়. রাজনীতি করলে সমালোচিত হবেনই। এটা সারা বিশ্বেই সর্বত্র হচ্ছে। সব সময়ই হয়েছে, এখনো হচ্ছে। জনগণ রাজনীতিবিদের খুঁটিনাটি সব কিছুই খেয়াল রাখে। সেগুলো নিয়ে কথাও বলে, সমালোচনাও করে। কেউ বা প্রশংসা করে, কেউ আবার সমালোচনা করে। গণতান্ত্রিক বিশ্বে নেতারা কেউ কেউ আবার এটাকে উপভোগও করে। আমাদের দেশে সাধারণত রাজনীতিক নেতাদের ব্যক্তিজীবন নেই বললেই চলে। এলাকার হাজার হাজার মানুষের পদচারণায় স্থানীয় এমপিদের সদর আঙিনা মুখরিত থাকে। তাদের অন্দরমহল পর্যন্ত লোকারণ্য থাকে গভীর রাত পর্যন্ত। এ নিয়ে নেতারা জনসম্মুখে তা বলতে গর্ববোধও করেন। কিন্তু এভাবে সরকারের সমালোচকদের জেলে ঢুকিয়ে দেয়ার দণ্ডাদেশ জনমানুষের মনে চরম ভীতি ও উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। তা-ও আবার এই অপরাধে চরম গুরুদণ্ড প্রদান! এখন অবস্থা এমন যে, একটা চড়ও মারলাম না, কিন্তু ফেসবুকে একটা স্ট্যাটাস দেয়ার অপরাধে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে দেয়া হলো! গত বছর সেপ্টেম্বরে বিশ্বজুড়ে পত্রিকার পাতায় ছাপা হলো হোয়াইট হাউজের সামনে ওবামার ব্যঙ্গচিত্র হাতে নিয়ে বিক্ষোভের ছবিগুলো। এ রকম ব্যঙ্গাত্মক ছবি, কার্টুন প্রদর্শন বিশ্বজুড়ে গণমাধ্যমের একটা প্রধান উপকরণও বটে। তবে ব্যক্তিগত শালীনতা ভঙ্গ, অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ সমালোচনা কোনোভাবেই গণতন্ত্রের সাথে মানানসই হতে পারে না। নৈতিকতার স্বার্থেও এগুলো কখনো গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। আমাদের সংবিধানও ৩৯(২) অনুচ্ছেদে স্পষ্টতই বলে দিয়েছে যে, আইনের দ্বারা যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ সাপেক্ষে প্রত্যেক নাগরিকের বাক ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতা রয়েছে। তবে এ রকম আইনি বাধানিষেধও স্বেচ্ছাচারীমূলক হতে পারবে না বলে সংবিধান প্রটেকশন দিয়েছে। যে আইনই আমরা করি না কেন তা অবশ্যই যুক্তিসঙ্গত হতে হবে। আবার সমালোচকদেরও অবশ্যই একটা নির্দিষ্ট সীমারেখা মেনে চলতে হবে। এ দেশে আইনের আশ্রয় ও প্রতিকার লাভের সাংবিধানিক ও আইনি অধিকার সবার রয়েছে। অধিকার শুধু নেই সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ধর্ম অবমাননার বিচার চাইবার। এক দিকে সুদূর অস্ট্রেলিয়ায় বসে একজন শিক্ষক যখন প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ফেসবুকে কটূক্তি করলে বিদ্যুৎগতিতে তার শাস্তি হয়, অন্য দিকে মহান আল্লাহ ও মহানবী সা:-কে নিয়ে অশ্লীল ব্লগের কোনো বিচার হয় না এই দেশে। আসলে মানুষের চিন্তার স্বাধীনতাকে এভাবে রুখতে যাওয়া বড়ই বিপজ্জনক। অথচ সরকার ফেসবুক বন্ধ করেই জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দিতে চাইছে। ম্যানহোলের ঢাকনা বন্ধ না করে ফেসবুক বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। পা-কে জুতার মাপে কাটার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
লেখক : সুপ্রিম কোর্টের আইনজ্ঞ ও সংবিধান বিশেষজ্ঞ
drtuhinmalik@hotmail.com
About: Mids
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
১১০ কোটি টাকার সরকারি সম্পত্তি গ্রাসের অভিযোগ যার কাঁধে by জাবেদ রহিম বিজন
উপজেলা প্রশাসন ও ভূমি অফিস সূত্রে জানা যায়, জাল-ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে আশরাফ আলী ভূঁইয়া ১নং খাস খতিয়ানভুক্ত সরকারি সম্পত্তি আত্মসাৎ করছে বলে ২০১৪ সালের অক্টোবরে শহরের শেরপুরের বজলুর রহমান মেম্বার জেলা প্রশাসকের কাছে একটি অভিযোগ দেন। সদর সহকারী কমিশনার ভূমির নির্দেশে এ অভিযোগের তদন্ত করেন পৌর ভূমি অফিসের ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম। গত ২২শে এপ্রিল তিনি তার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন। যাতে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র ও রেকর্ড পর্যালোচনায় আশরাফ আলী ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সত্যতার একাধিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। কখনও কথিত নিলাম খরিদ, কখনও তথাকথিত বন্দোবস্ত কেইস, কখনও বা জাল দলিল তৈরি করে আশরাফ আলী ভূঁইয়া সরকারি-বেসরকারি বহু মূল্যবান সম্পত্তি গ্রাস করার চেষ্টায় লিপ্ত। প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকারি সম্পত্তির বেলায় তার জালিয়াতির হাত অধিকতর প্রশস্ত। ভুয়া, জাল ও বানোয়াট কাগজপত্রের ভিত্তিতে হাল জরিপে বিরাট অঙ্কের সম্পত্তি নিজ নামে রেকর্ড করে ফেলে সে। কোনো কোনো ভূমি বিভিন্ন লোকের কাছে বিক্রিও করে দেয়। প্রতিবেদনের সঙ্গে জালিয়াতির মাধ্যমে আশরাফ আলী ভূঁইয়ার নিজ নামে রেকর্ড করে নেয়া সরকারি ভূমির একটি বিবরণও দেয়া হয়। ওই বিবরণে দেখা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া মৌজার ৩২৪৫ ও ৩২৫৫ দাগের ১নং খাস খতিয়ানভুক্ত আনন্দবাজার বাঁশমহালের ১৯ শতক সরকারি ভূমি তথাকথিত বন্দোবস্ত কেইসমূলে আশরাফ আলী ভূঁইয়া তার বলে দাবি করে। এ ভূমির মূল্য ৪০ কোটি টাকা। একই মৌজার ৩৭১২ দাগের টান বাজারস্থ সরকারি দখলাধীন ৭.১৮ শতক জায়গা (বর্তমানে ভিপি কেইস নং-৩৬/৬৯-৭০ মূলে লিজকৃত) নিলাম খরিদ সূত্রে মালিকানা দাবি করে আশরাফ। যার মূল্য ১৫ কোটি টাকা। ব্রাহ্মণবাড়িয়া মৌজার ৩৫৭৯ ও ৩৫৮০ দাগের হকার্স মার্কেটে অবস্থিত ১নং খাস খতিয়ানভুক্ত ৫ কোটি টাকা মূল্যের ১.৬৯ শতাংশ ভূমি বন্দোবস্ত কেইস মূলে নিজের বলে দাবি করে সে। একই মৌজার ২৩৫৪, ২৩৬১, ১০৪৩, ১০৪৪ দাগের টিএরোডের ২৫.০৯ শতাংশ অর্পিত সম্পত্তি জাল দলিলের মাধ্যমে তার নিজের বলে দাবি করে। এ জায়গাটির মূল্য ২০ কোটি টাকা। ব্রাহ্মণবাড়িয়া মৌজার ৩১৫৬, ৩১৫৭, ৩১৫৮, ৩০৪৯, ৩০৫০ দাগে সরকারি ১ নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত আনন্দবাজার চালমহাল, নাথমহাল ও জোড়ামহাল এবং আনন্দবাজারের পেরীফেরী নকশার ৪৫-৫৪ এবং ১১০-১২৮নং পর্যন্ত ২৯টি সরকারি চান্দিনা ভিটির ১৫ কোটি টাকা মূল্যের ৬.৮২ শতাংশ ভূমি তথাকথিত বন্দোবস্ত কেইস মূলে আশরাফ নিজের বলে দাবি করে। ১নং খাস খতিয়ানভুক্ত সরকারি দখলাধীন আনন্দবাজার বুটপট্টি ও নৌকাঘাটের জায়গা, যার সঙ্গে আনন্দ বাজার পেরীফেরী নকশার কয়েকটি দোকান এবং আনন্দবাজার মসজিদের নামে দীর্ঘমেয়াদি বন্দোবস্তকৃত ১৫ কোটি টাকা মূল্যের ৭ শতাংশ ভূমি তথাকথিত নিলাম খরিদ সূত্রে আশরাফ তার বলে দাবি করে। এ ভূমি ৩১৩৮ দাগে অবস্থিত। আনন্দবাজার মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান বলেন, তাদের মসজিদের নামে বন্দোবস্ত দেয়া জায়গাটি আশরাফ তার পৈতৃক বলে দাবি করে মামলা করে। এ মামলায় সে ডিসিকেও আসামি করে। মসজিদের এ জায়গা নিয়ে আমাদের অনেক হয়রানি করেছে সে।
পৌর ভূমি অফিসের ভূমি সহকারী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, আশরাফ আলী ভূঁইয়া একটা জালিয়াত। আমি তদন্তে এমনই প্রমাণ পেয়েছি।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ড. আশরাফুল আলম বলেন, আমরা তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর আশরাফকে একাধিকবার নোটিশ করেছি। কিন্তু সে উপস্থিত হয়নি। সে তার স্ত্রীর মাধ্যমে লিখিত বক্তব্য জমা দিয়েছে। আমরা এখন বিষয়টি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পাঠিয়ে দেবো। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে আশরাফ আলী ভূঁইয়া। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে দেয়া তার লিখিত বক্তব্যে বলে, কোনো সময়ই সে দলিলপত্র জাল করেনি। কারও জায়গাও আত্মসাৎ করেনি। তার শত্রুপক্ষীয় লোকজন লোভের বশবর্তী হয়ে এ মিথ্যা অভিযোগ এনেছে। আশরাফ আলী ভূঁইয়ার বাড়ি শহরের শিমরাইকান্দি এলাকায়। তার পিতার নাম আবদুল জব্বার ভূঁইয়া।
About: Mids
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দেড় মাসে ১০ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে হামলা
![]() |
| হোসেনী দালানে বোমা হামলা - ফাইল ছবি |
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার দিনাজপুরে একটি মন্দিরে ও ঢাকায় এক খ্রিষ্টান পরিবারে হামলা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। রাত সাড়ে ৮টায় ডাবোর ইউনিয়নের জয়নন্দ গ্রামে দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলায় আন্তর্জাতিক কৃষ্ণ ভাবনামৃত সংঘের (ইসকন) মন্দিরে বোমা হামলা ও গুলি বর্ষণের ঘটনা ঘটে। এ সময় মন্দিরে কীর্তন, ধর্মসভা চলছিল। এ ঘটনায় সন্দেহমূলক দুইজনকে আটক করা হয়েছে। কাহারোল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর রহমান জানান, ঘটনার ক্লু উদঘাটনের জন্য তদন্ত চলছে। এর কয়েক দিন আগে গত ৫ই ডিসেম্বর একই উপজেলায় কান্তজিউর মন্দির প্রাঙ্গণে রাসমেলার একটি যাত্রা প্যান্ডেলে ককটেল হামলার ঘটনা ঘটে। রাত ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় পরপর তিনটি বিস্ফোরণ হয়। এতে অন্তত ১০ জন আহত হন। ওই ঘটনারও ক্লু উদঘাটন করতে পারেনি পুলিশ। যদিও সন্দেহমূলকভাবে পাঁচ জনকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।
গত ৫ই অক্টোবর ঈশ্বরদীর ব্যাপটিস্ট মিশনের ‘ফেইথ বাইবেল চার্চ অব গড’ এর পাদরি লুক সরকারকে শহরের নিজের ভাড়া বাসায় গলা কেটে হত্যার চেষ্টা করা হয়। এ ঘটনার পর অজ্ঞাত কয়েক জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন তিনি। হামলার পর লুক সরকার জানান, ধর্মীয় কারণেই তার ওপর হামলা হয়েছে। ওই এলাকায় খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের লোকজনের ওপর এর আগে হামলার কোনো ঘটনা ঘটেনি। ঘটনার সময় সকালে ঘুম থেকে উঠে প্রার্থনা করছিলেন তিনি। এ সময় তিন ব্যক্তি ঘরে ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার গলা কাটার চেষ্টা করে। তার আগে পরিবারের অন্য সদস্যদের পাশের একটি কক্ষে আটকে রাখে তারা। এ ঘটনায় ছয় জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ বিষয়ে ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিমান কুমার দাস জানান, এ পর্যন্ত সাত জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে দুই জেএমবি সদস্য ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি দিয়েছে। তারা প্রত্যক্ষভাবে এ ঘটনায় জড়িত বলে জানান তিনি।
গত ১৮ই নভেম্বর ফাদার পিয়েরো পারোলারি (৫০) নামে এক ইতালীয় নাগরিককে গুলি করে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। দিনাজপুর শহরের মির্জাপুর বিআরটিসি বাস ডিপোর সামনে সকাল পৌনে ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পিয়েরো পারোলারি পেশায় একজন চিকিৎসক। তিনি শহরের সুইহারী কাথলিক মিশন চার্চের ফাদার। দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে দিনাজপুর মিশনে কর্মরত রয়েছেন। এ ঘটনায় জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মাহবুব আলম ভুট্টুসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে জানতে চাইলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি’র উপ-পরিদর্শক বজলুর রশীদ জানান, তদন্ত চলছে। এখনও এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মাহবুব আলমকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও বাকি দুইজনকে এখনও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি বলে জানান তিনি।
গত ২৬শে নভেম্বর বগুড়ার শিবগঞ্জের হরিপুরে শিয়া মুসলিমদের আল মোস্তফা মসজিদে দুর্বৃত্তদের এলোপাতাড়ি গুলিতে একজন নিহত এবং তিনজন আহত হন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মুসল্লিরা তখন নামাজ আদায় করছিলেন। তারা যখন সিজদায় তখন তিন যুবক গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনার কোন ক্লু উদঘাটন করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ ঘটনার পর আইএসের পক্ষ থেকে এ হামলার দায় স্বীকার করা হয়। ঘটনার পর পুলিশ সন্দেহভাজন কয়েকজনকে আটক করলেও সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য উদঘাটনের খবর দিতে পারেনি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরিফুর রহমান মণ্ডল বলেন, তদন্ত চলছে। শিগগিরই ঘটনার ক্লু উদঘাটন ও জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হবে।
গত ২৫শে নভেম্বর সন্ধ্যায় রংপুরের ব্যাপটিস্ট চার্চ সংঘের ফাদার রেভারেন্ড বার্নাবাস হেমব্রেম জানান, তিনিসহ দশজন খ্রিষ্টান ধর্মীয় পাদরি এবং এনজিও কর্মীকে চিঠির মাধ্যমে হত্যার হুমকি দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এতে বলা হয়েছে, যা খাওয়ার খেয়ে নেন, তারপর আপনাকে পৃথিবী থেকে যেতে হবে। যারা খ্রিষ্টান ধর্ম প্রচার করে তাদের এক এক করে হত্যা করা হবে। এ বিষয়ে রংপুরের পুলিশ সুপার আবদুর রাজ্জাক বলেন, হুমকি দাতাদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। সেই সঙ্গে হুমকির শিকার পাদরিদের নিরাপত্তা দেয়া হচ্ছে।
গত ২৩শে অক্টোবর বোমা হামলায় রক্তাক্ত হয় পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী তাজিয়া মিছিল। হামলায় মারা যান দুই জন। আহত হন শতাধিক মানুষ। এ ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা করে পুলিশ। এ ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার সন্দেহভাজন আসামি আলবানী মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সঙ্গে দারুসসালাম এলাকায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মারা যায়। মহররমের রাতে পুরান ঢাকায় শিয়া ধর্মাবলম্বীদের উপাসনালয় ‘ইমামবাড়া’ হোসেনি দালানে তাজিয়া মিছিলের প্রস্তুতিকালে গভীর রাতে বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। শিয়া সম্প্রদায়ের চারশো বছরের ঐতিহ্যবাহী তাজিয়া মিছিলে আগে এ ধরনের হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর শিয়া সম্প্রদায়ের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
এদিকে রংপুরে কাউনিয়া উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের চৈতারমোড়ে গত ১০ই নভেম্বর মধ্যরাতে মাজার শরিফের খাদেম রহমত আলীকে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় মাসুদ রানা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানান কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, মাসুদসহ দুইজনকে আটক করা হয়েছে। অপর আসামিকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ছাড়াও ঢাকায় বাড্ডা এলাকায় পীর খিজির খান, রাজাবাজারে ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব নুরুল ইসলাম ফারুকী, গোপীবাগে কথিত পীর লুৎফুর রহমানসহ ছয়জনকে হত্যার ঘটনা ঘটে।
গত বৃহস্পতিবার ভোরে ঢাকার তেজগাঁও থানার মহাখালীর আরজতপাড়ার ২৬ নম্বর বাড়িতে এক খ্রিষ্টান পরিবারের সদস্যদের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। দুর্বৃত্তরা বাসার গ্রিল কেটে ভেতরে ঢুকে গুলি বর্ষণ করে ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ওই পরিবারের তিনজনকে আহত করেছে। পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, খ্রিষ্টান হওয়ার কারণেই তাদের উপর এই হামলার ঘটনা ঘটেছে। যদিও পুলিশ মনে করছে এটি ডাকাতির ঘটনা। এ বিষয়ে পুলিশের তেজগাঁও জোনের উপ-কমিশনার (ডিসি) বিপ্লব কুমার সরকার বলেন, ঘটনাস্থল আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তার করতে তৎপরতা চালাচ্ছে পুলিশ। এটি ডাকাতির ঘটনা বলেই মনে করেন তিনি।
একের পর এক এ ধরনের হামলার ঘটনায় উদ্বিগ্ন নিরাপত্তা সংশ্লিষ্টরাও।
নিরাপত্তা বিশ্লেষক ইন্সটিটিউট অব কনফ্লিক্ট, ল অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট স্টাডিজের নির্বাহী পরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) আবদুর রশীদ বলেন, এসব হামলা যারা করে তারা ইসলাম ধর্মের শিয়া সুন্নির যে ন্যাচারাল ভাগ রয়েছে তা তারা মূল্যায়িত করে না। ঐতিহাসিকভাবেই বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রতির দেশ। মৌলবাদীরা এই সম্প্রতি নষ্ট করতে চোরাগোপ্তা হামলা চালাচ্ছে। এসব চোরাগোপ্তা হামলা চালিয়ে বাংলাদেশে দুর্বৃত্তরা বড় ধরনের সহিংসতা করতে পারবে না বলে মনে করেন পুলিশের সাবেক মহা পরিদর্শক (আইজিপি) নুরুল হুদা। তিনি বলেন, এসব ঘটনা রোধে গোয়েন্দা নজরদারি আরও বাড়ানো দরকার। একইসঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও সজাগ ও সতর্ক হতে হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধ বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. জিয়া রহমান বলেন, জঙ্গিবাদ একটি আন্তর্জাতিক সংকট। তবে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসীদের কর্মকাণ্ড নেই। তিনি বলেন, সন্ত্রাসীরা অনেক সূক্ষ্ম পরিকল্পনা করে এসব সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করছে। আমাদের পুলিশ এর আগে এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলা করেনি। এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় তাদের আরও আধুনিক করে গড়ে তোলা উচিত।
About: Mids
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘র্যাব পরিচয়ে’ রুয়েট ছাত্রলীগ নেতাকে অপহরণ
‘নিখোঁজ’ সাইফুজ্জামান সোহাগ রুয়েট মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক। তার বাড়ি রাজশাহী নগরীর রাজপাড়ার তেরোখাদিয়া পশ্চিমপাড়ায়।
এদিকে অপহরণের দুইদিন পরও সোহাগের কোন সন্ধান না পাওয়ায় গতকাল সকালে রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সম্মেলন কক্ষে পরিবারের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করে তাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে।
সাইফুজ্জামান সোহাগের পিতা আক্কাস উজ জামান বলেন, বুধবার রাত ৩টার দিকে ১৫ জনের মতো একটি দল একটি সাদা মাইক্রোবাসে করে এসে র্যাব বলে পরিচয় দিয়ে বাড়ির গেট খুলতে বলে। আমরা প্রথম দিকে গেট খুলতে চায়নি। অনেক জোরাজুরির পর গেটখোলার সঙ্গে সঙ্গে তারা তিন তলায় আমার ছেলে সোহাগের ঘরে যায় এবং ওর ল্যাপটপ খুলে কী কী আছে দেখতে থাকে।
তিনি আরও বলেন, ওই সময় তাকে এবং তার স্ত্রীকে কয়েকজন মিলে ঘিরে রাখে। তারা কথাও বলতে দেয়নি, ছেলের ঘরেও যেতে দেয়নি। কিছুক্ষণ পর ল্যাপটপ ও ক্যামেরাসহ সোহাগকে তারা ধরে নিয়ে যায়।
এ সময় কোথায় নিয়ে যাচ্ছে জানতে চাইলে আমাদের বলেছে, ‘সকালে থানায় খোঁজ করবেন।’
সোহাগ বিবাহিত ছিলেন। তার স্ত্রী ঢাকায় মেডিকেল কলেজের ছাত্রী। খবর পেয়ে ওইদিন বাসায় এসে সে দেখেছে, তার গয়নাও পাওয়া যাচ্ছে না।
সোহাগের পিতা বলেন, ‘আমরা বৃহস্পতিবার সকালে রাজপাড়া থানায় খোঁজ নিতে গেলে বলা হয়েছে, আমার ছেলে সেখানে নেই। পুলিশ নাকি কিছুই জানে না। র্যাবের কাছেও গিয়েছি। তারা বলেছে, রাতে নাকি আমাদের এলাকায় কোন অভিযানই চালায়নি।’
অপরদিকে সোহাগের শ্বশুর রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক শেখ রেজাউর রহমান দুলাল মানবজমিনকে জানান, ‘র্যাব-ডিবি পুলিশ কেউ এ ব্যাপারে কিছু বলতে পারছে না। তার ও সোহাগের পিতার কারও সঙ্গে শত্রুতা নেই। তাই কারা অপহরণ করে নিয়ে গেল এ ব্যাপারে নিজে থেকে কাউকে সন্দেহ করতে পারছেন না। অপহরণের সময় ওরা র্যাব পরিচয়ে বাড়িতে এসেছিল। এদের মধ্যে ৫ জন র্যাবের হাফ জ্যাকেট এবং একজন ডিবি জ্যাকেট পরিধান করে ছিলেন। যারা সবাই মধ্যবয়সী ছিলেন।’
গতকাল বিকালে অভিযোগ করা হলে র্যাব-৫ এর একটি টিম বাড়িতে এসে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। র্যাব-৫ উপ অধিনায়ক মেজর সালাম জানান, তাদের কোন দল সোহাগকে গ্রেপ্তারে অভিযানে যায়নি। ওর বাবা আমাদের অভিযোগ দিয়ে গেছেন। আমরা সোহাগের ফোন নাম্বার রেখেছি, ঘটনাস্থলও পরিদর্শন করা হয়েছে। এ ছাড়া ট্র্যাক করে দেখার চেষ্টা করছি আসলে কি হয়েছে।
সাইফুজ্জামান সোহাগের মা শিরিন জামান জানান, ‘র্যাব পরিচয়ে যারা এসেছিল, তারা সোহাগের সঙ্গে তার সহপাঠী এক ছাত্রীর (নাবিলার) বিষয়ে কথা বলেছে।’
রুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুর রহমান হিমেলও সোহাগের বিষয়ে বিশেষ কিছু জানাতে পারেননি। তিনি বলেন, ‘আমরা ঘটনা শুনেছি। দলের নেতাকর্মীদের কাছে খোঁজ নিয়েছে। দলের কারও সঙ্গে সোহাগের মনোমালিন্য হয়েছে বলে শুনিনি।’
এ ঘটনায় সোহাগের পিতা একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন জানিয়ে রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুর রহমান মানবজমিনকে বলেন, ‘আমরা এখনও তার খোঁজ পাইনি। তবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’
গতকাল সংবাদ সম্মেলনে সোহাগের পিতা বলেন, ‘আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। ছেলে যদি অপরাধ করেও থাকে, তাহলে তাকে আদালতে সোপর্দ করে আইনের আওতায় আনা হোক।’
তবে ঘটনার দুই দিন পর সংবাদ সম্মেলন করে ছেলে অপহরণের অভিযোগ করায় নানা সন্দেহ দেখা দিয়েছে। পারিবারিক কোন্দল কিংবা বিপিএল এর বাজি খেলাকে কেন্দ্র করেও অপহরণের ঘটনা ঘটতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে।
About: Mids
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘বাক স্বাধীনতা সংকুচিত হওয়ায় মানুষ ভেবে চিন্তে কথা বলছে’
About: Mids
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঢাকায় আসছে মার্কিন প্রতিনিধি দল
প্রতিনিধি দলে রয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্র অধিদফতরের কাউন্সিলর ও রাষ্ট্রদূত থমাস শ্যানন, যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিশা দেশাই বিসওয়াল ও দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী মনপ্রীত সিং আনন্দ।
এ সফরে মার্কিন প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ সরকারের কর্তাব্যক্তি ও সংসদ সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। সেই সঙ্গে সুশিল সমাজের সঙ্গেও কথা বলবেন তারা।
মার্কিন প্রতিনিধি দলের এ সফর বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নিরাপত্তা, বাণিজ্য, উন্নয়ন ও সন্ত্রাস দমন ইস্যুগুলোতে পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্র আরও সম্প্রসারিত করবে বলে আশা প্রকাশ করেছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ।
দু’দিনের সফর শেষে এ প্রতিনিধি দল সোমবার (১৪ ডিসেম্বর) শ্রীলঙ্কার উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করবে।
About: Mids
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1421)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
December
(688)
-
▼
Dec 12
(12)
- ভায়রা ভাই হচ্ছেন দুই ভাই?
- চীনের শীর্ষ ধনী গুয়াংচ্যাং হঠাৎ নিখোঁজ!
- কোনো প্রকার হুমকি এলে সঙ্গে সঙ্গে অ্যাকশন : পুতিন
- জেঁকে বসার আগেই দমন করতে হবে আইএসকে -সাক্ষাৎকারে: ...
- বিদেশিদের বাংলাদেশ ভ্রমণে সতর্কতা
- হত্যা মামলার আসামির পক্ষে বিলবোর্ড!
- ফেসবুক ব্যাটাই চোর by ডক্টর তুহিন মালিক
- ১১০ কোটি টাকার সরকারি সম্পত্তি গ্রাসের অভিযোগ যার ...
- দেড় মাসে ১০ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে হামলা
- ‘র্যাব পরিচয়ে’ রুয়েট ছাত্রলীগ নেতাকে অপহরণ
- ‘বাক স্বাধীনতা সংকুচিত হওয়ায় মানুষ ভেবে চিন্তে ক...
- ঢাকায় আসছে মার্কিন প্রতিনিধি দল
-
▼
Dec 12
(12)
-
▼
December
(688)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...










