Friday, January 17, 2025
এআই দিয়ে তৈরি হবে সাপের বিষের ওষুধ
বাংলাদেশের মতো জনবহুল দেশে যদি সাপের বিষের ওষুধ সকলের ঘরে সর্দি-জ্বরের মতোই থাকে তাহলে সাপ নিয়ে চিন্তা কমবে। সাপ কামড়ানোর সঙ্গে সঙ্গেই তার ওষুধ দেওয়া হবে। ফলে চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার আগেই রোগী প্রাথমিকভাবে ভেঙে পড়বেন না। তার দেহে সাপের বিষের ওষুধ আগেই পৌঁছে যাবে। এআই ব্যবহার করে বিজ্ঞানীরা এমন প্রোটিন ডিজাইন করেছেন যা কোবরা এবং অন্যান্য বিষাক্ত সাপ কামড়ালে অ্যান্টি ভেনমের কাজ করবে।
গবেষকরা ১৫ জানুয়ারি নেচার পত্রিকায় জানিয়েছেন, এই প্রোটিনগুলো ইতিমধ্যেই ল্যাব পরীক্ষায় ইঁদুরের জীবন বাঁচিয়েছে। জার্মানির টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি অব ব্রাউনসউইগের একজন অ্যান্টিবডি গবেষক জানাচ্ছেন, এই প্রোটিনগুলো সত্যিই তাদের কাজ করছে। সাপে কামড়ানোর পর ইঁদুরগুলো বেঁচে আছে।
পরীক্ষাটির বাস্তব-জীবনের প্রয়োগের প্রতিনিধিত্ব করে রসায়নে ২০২৪ সালে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেছেন তিনজন বিজ্ঞানী। বর্তমান অ্যান্টিভেনম উৎপাদনকারীরা সাপকে দুধ দিয়ে তাদের মুখ থেকে বিষ বের করে আনেন। সেই বিষের একটি ছোট ডোজ ঘোড়া বা অন্যান্য বড় প্রাণীর মধ্যে ইনজেকশন করে দেওয়া হয়, যেখান থেকে উৎপাদকরা পরে অ্যান্টিবডি সংগ্রহ করে। অ্যান্টিভেনম তৈরি করা ব্যয়বহুল এবং সময়সাপেক্ষ, তাই বিজ্ঞানীরা অন্যান্য পদ্ধতির সন্ধান করছেন। বেকার এবং জেনকিন্স এআই দিয়ে এমন প্রোটিন ডিজাইন করেছেন যা সাপের বিষের ক্ষতিকারক প্রভাব কমাতে সাহায্য করবে। কোবরা টক্সিনের প্রাণঘাতী ডোজের পর গবেষক দলটি ২০টি ইঁদুরকে কাস্টম প্রোটিন দিয়ে ইনজেকশন দেয়।
জেনকিন্স বলছেন, আমরা পরীক্ষার ফল সম্পর্কে খুব খুব উত্তেজিত ছিলাম। এআই নির্মিত প্রোটিন ইঁদুরগুলোর দেহে কাজ করতে শুরু করেছিল।’
তবে জেনকিন্স এও জানিয়েছেন, নতুন অধ্যয়নটি সাপের বিষ প্রতিকারের প্রথম পদক্ষেপ মাত্র। আরো পরীক্ষা এবং প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে সফলতা আসবে বলে মনে করেন এই বিজ্ঞানী। সূত্র: সায়েন্স নিউজ

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাজায় যুদ্ধবিরতি: ইসরায়েল না হামাস—কে জিতল, কে হারল
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু গত মঙ্গলবার পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেননি। তবে এ যুদ্ধবিরতি ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে স্মরণকালের সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী ও বিধ্বংসী লড়াইয়ের অবসান ঘটাতে পারে। এ এমন এক লড়াই, যা ইসরায়েল-ফিলিস্তিন ছাপিয়ে গোটা মধ্যপ্রাচ্যে প্রভাব ফেলেছে। পাশাপাশি এ লড়াই কয়েক দশক ধরে চলতে থাকা ইসরায়েল-ফিলিস্তিন দ্বন্দ্বকে গোটা মধ্যপ্রাচ্যে কূলকিনারাহীন অস্থিরতার একেবারে প্রাণকেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।
ধ্বংসযজ্ঞ চালালেও ইসরায়েলের জন্য ‘সার্বিক জয়’ এখনো অধরা
এ যুদ্ধে ইসরায়েল কৌশলগতভাবে নানা সাফল্য অর্জন করার দাবি করতে পারে, যেমন ইসমাইল হানিয়াসহ হামাসের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের হত্যা, হামাসকে সমর্থন দেওয়া লেবাননের হিজবুল্লাহর ওপর, এমনকি ইরানে আক্রমণ চালিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের মেরে ফেলা ও ক্ষতিসাধন করা ইত্যাদি।
কিন্তু ইসরায়েল তার প্রধান দুই লক্ষ্য হাসিল করতে ব্যর্থ হয়েছে। এর একটি, হামাসকে নির্মূল করা। অন্যটি, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হাতে জিম্মি হওয়া সব ইসরায়েলিকে ফেরত আনা। গাজায় বিরামহীন নিষ্ঠুর হামলা ও ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে ইসরায়েল ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠনটিকে অনেকটাই দুর্বল করতে পেরেছে, কিন্তু তারা আজও টিকে আছে। আবার গাজায় আটক জিম্মিদের কেউ কেউ ইসরায়েলি বাহিনীর হামলাতেই নিহত হয়েছেন। কাউকে কাউকে হামাস নিজে থেকে মুক্তি দিয়েছে। ক্ষেত্রবিশেষে ইসরায়েলি সেনাদের অগ্রযাত্রার মুখে কিছু জিম্মিকে হামাস হত্যা করেছে।
গাজায় থাকা অবশিষ্ট জিম্মিদের দেশে ফিরিয়ে আনাকে নিজেদের ‘পবিত্র কর্তব্য’ হিসেবে দেখছে ইসরায়েল। এ কর্তব্য পালন করতে গিয়ে একতরফা চুক্তি মেনে বিপুলসংখ্যক ফিলিস্তিনি বন্দীকে মুক্তি দেওয়ার ‘যন্ত্রণা’ সইতে হবে তাকে। এর আগে কয়েক মাস ধরে আলোচনার পরও চুক্তি করতে না পারায় ইসরায়েলের ভেতরেও ক্ষতি হয়েছে অনেক।
প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু হামাসের সঙ্গে যুদ্ধে ‘সার্বিক বিজয়’ অর্জন ও গাজা থেকে সব জিম্মিকে দেশে ফেরানোর অঙ্গীকার করেছিলেন, তবে সেসব হয়নি। বিপরীতে দেশের অভ্যন্তরে ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছে তাঁকে। বিক্ষোভকারীদের মধ্যে ছিলেন কিছু জিম্মির পরিবারের সদস্যরাও। নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে সমালোচকদের অভিযোগ, জিম্মিদের দ্রুত ফিরিয়ে আনার বদলে তিনি নিজের রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিল করে চলেছেন। যদিও এসব অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছেন তিনি।
ইতিমধ্যে গাজায় ইসরায়েলের নৃশংস অভিযান বিশ্বজুড়ে দেশটিকে নিয়ে ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। আন্তর্জাতিক বিচারালয় (আইসিজে) ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গণহত্যা চালানোর অভিযোগ খতিয়ে দেখছেন। আর আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধে যুক্ত থাকার অভিযোগে নেতানিয়াহু, তাঁর সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং হামাসের একজন শীর্ষস্থানীয় কমান্ডারের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।
গাজার ধ্বংসস্তূপের মাঝেও হামাস টিকে আছে
হামাস বলেছে, ইসরায়েলে তাদের ৭ অক্টোবরের হামলার লক্ষ্য ছিল, ফিলিস্তিনিদের দুর্দশা ও স্বাধীনতার ইস্যুকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টিগোচরে নিয়ে আসা, ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে অব্যাহত দখলদারি চালিয়ে যাওয়ায় ইসরায়েলকে শাস্তি দেওয়া ও দেশটির কারাগারে বন্দী নিরীহ ফিলিস্তিনিদের ফিরিয়ে আনা।
ইসরায়েলে হামলা চালিয়ে হামাস তাদের প্রত্যাশিত ইস্যুতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নজর কাড়তে পেরেছে। তবে এর জেরে গাজায় ইসরায়েল যে তাণ্ডব শুরু করেছে, তাতে ফিলিস্তিনিদের বিপর্যয়কর মূল্য দিতে হয়েছে। এ মূল্য এমনই যে কোনো কোনো পরিবারের সবাই ইসরায়েলি বোমায় নিহত হয়েছেন, কেউ স্বামী-সন্তান-বাবা হারিয়েছেন, বাড়ির পর বাড়ি-স্কুল-হাসপাতাল ধ্বংস হয়েছে। সব মিলিয়ে নিহত ৪৬ হাজার মানুষ। তাঁদের বড় অংশই নারী ও শিশু। আর এ উপত্যকা পরিণত হয়েছে এক নরকপুরিতে। যত দূর চোখ যায় শুধু ধ্বংসস্তূপের প্রতিচ্ছবি।
ইসরায়েলের দাবি, যুদ্ধে তারা ১৭ হাজারের বেশি হামাসের যোদ্ধাকে হত্যা করেছে। যদিও এর পক্ষে কোনো প্রমাণ দিতে পারেনি দেশটি।
জাতিসংঘের কর্মকর্তাদের হিসাবে, ইসরায়েল-হামাস ১৫ মাসের যুদ্ধে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন গাজার ২৩ লাখ বাসিন্দার ১৯ লাখই; শতকরা হিসেবে যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৯০ শতাংশ। বাস্তুচ্যুত এসব মানুষের একটি বড় অংশ ক্ষুধা ও রোগশোকের সঙ্গে লড়াই করছে; যাদের থাকতে হচ্ছে অস্থায়ী তাঁবুতে, ভীষণ রকমের অস্বাস্থ্যকর ও মানবেতর জীবনে।
ইসরায়েলের আগ্রাসন ও হামলায় গাজায় হামাসের শীর্ষস্থানীয় নেতারা নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া সংগঠনের মধ্যম সারির বেশ কয়েকজন কমান্ডার নিহত হয়েছেন ইসরায়েলি সেনাদের সঙ্গে লড়াইয়ে। হামাসের রকেটের মজুতও অনেকটা ফুরিয়ে এসেছে। ধ্বংস হয়ে গেছে বেশ কয়েকটি ভূগর্ভস্থ টানেল।
এত কিছুর পরও হামাস প্রভাবশালী সশস্ত্র সংগঠন হিসেবে নিজেকে টিকিয়ে রেখেছে ও ইসরায়েলি সেনাদের ওপর প্রাণঘাতী সব হামলা চালাচ্ছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন এ সপ্তাহে বলেছেন, যুদ্ধে হামাস যত যোদ্ধা হারিয়েছে, তার প্রায় সমসংখ্যক যোদ্ধাকে নতুন করে নিয়োগ দিয়েছে তারা।
দৃশ্যত হামাসকে শেষ করা ইসরায়েলের পক্ষে সম্ভব নয়। এমনকি ইসরায়েলের সঙ্গে লড়াইয়ে টিকে যাওয়া ও দেশটির কারাগার থেকে ফিলিস্তিনি বন্দীদের মুক্ত করে আনার পর সংগঠনটির জনপ্রিয়তা বাড়তে পারে। ৮০–এর দশকে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর সশস্ত্র সংগঠন হামাস ফিলিস্তিনি সমাজের সঙ্গে গভীরভাবে মিশে গেছে। গাজা ছাড়াও তার শক্ত উপস্থিতি রয়েছে পশ্চিম তীর ও লেবাননের শরণার্থীশিবিরগুলোতে।
বাইডেনের জন্য মাথাব্যথার, ট্রাম্পের জন্য বিজয়ের
গাজাযুদ্ধের জেরে বিশ্বজুড়ে ইসরায়েলবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষোভ হয় যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসগুলোতে। বিভক্তি দেখা দেয় মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ডেমোক্রেটিক পার্টির অভ্যন্তরে। পুরো বিষয় গত নভেম্বরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের জয়ে অবদান রাখে।
ইসরায়েলি সমর্থকেরা তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য প্রেসিডেন্ট বাইডেনের প্রশংসা করেন। তবে সমালোচকেরা নেতানিয়াহুর দুষ্কর্মে সমর্থন প্রদান ও ইসরায়েলকে অস্ত্র সহায়তা দিয়ে এ যুদ্ধকে দীর্ঘায়িত করায় বাইডেনের নিন্দা জানান।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যুক্তি দিতে পারেন, নির্বাচনের আগেই তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, শপথ গ্রহণের আগে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ বন্ধ করবেন। তাঁর সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন হয়েছে।
স্টিভ উইটকফ ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক দূত। তিনিও যুদ্ধবিরতিতে নিজস্ব পরিমণ্ডলে থেকে মধ্যস্থতা করেছেন। উইটকফ বলেন, ট্রাম্পের নির্বাচন যুদ্ধবিরতি প্রক্রিয়াকে গতিশীল করেছে। যদিও বাইডেন প্রশাসন বলছে, কয়েক মাস ধরে তাঁর নিবিড় প্রচেষ্টার ফলই হলো এ যুদ্ধবিরতি।
![]() |
| ইসরায়েলের নৃশংস হামলায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া গাজার একাংশ। গাজা, ফিলিস্তিন, ২ জানুয়ারি ২০২৫ ছবি: এপি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
উত্তেজনাপূর্ণ ৯৬ ঘণ্টা ইসরাইল-হামাস যুদ্ধবিরতি
যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র বিবিসিকে বলেছেন, কাতারের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হামাস এবং ইসরাইলের মধ্যস্থতাকারীদের মধ্যে পৃথক বৈঠকের পর উভয় পক্ষ গাজায় যুদ্ধবিরতি এবং জিম্মিদের মুক্তি দেয়ার চুক্তিতে সম্মত হয়েছে। কিন্তু চুক্তির শেষদিকে বেশ উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। সে সময় যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বার বার সতর্ক করে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করেন। এই চুক্তির ফলে গাজা শহর এবং দক্ষিণ গাজা থেকে লাখ লাখ বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি তাদের নিজেদের ঘরে ফিরে যেতে পারবেন। ফিলিস্তিনিদের জন্য চুক্তির অন্যতম দিক হলো, এর ফলে রাফাহ সীমান্ত দিয়ে প্রতিদিন ছয়শ’ ট্রাক ত্রাণ এবং চিকিৎসাসামগ্রী প্রবেশ করতে দেয়া হবে। গাজায় অবশিষ্ট হাসপাতালগুলোকে সচল রাখতে ৫০টি জ্বালানিভর্তি লরিও পাঠানো হবে বলে জানানো হয়েছে। এদিকে চুক্তির পর যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন- এই যুদ্ধবিরতি চুক্তি সম্ভব হয়েছে শুধুমাত্র নভেম্বরে তার ঐতিহাসিক বিজয়ের কারণে। বিবিসি ভেরিফাইয়ের গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, ২০২৩ সালের ৭ই অক্টোবর জিম্মি করা ২৫১ জনের মধ্যে এখনো গাজায় আছেন ৯৪ জন। এর মধ্যে ৬০ জন এখনো জীবিত এবং ৩৪ জন মৃত বলে ধারণা করা হচ্ছে। জেরুজালেম থেকে সাংবাদিক জানাহ ফিশার জানিয়েছেন, কয়েকটি পর্যায়ে এই চুক্তিটি বাস্তবায়ন করা হবে। প্রথম পর্যায়ে ছয় সপ্তাহের একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকবে। এ সময়ে হামাস ৩৩ জন জিম্মিকে মুক্তি দেবে। প্রতিজন ইসরাইলি জিম্মিকে মুক্তি দেয়ার বিনিময়ে ইসরাইল বেশ কয়েকজন ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দেবে।
স্বাগত জানালেন ট্রাম্প-বাইডেনসহ বিশ্বনেতারা: ঐতিহাসিক এই যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বহু দেশ। চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন তারা। যুদ্ধবিরতিতে মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর অন্যতম ছিল কাতার, যুক্তরাষ্ট্র ও মিশর। গাজা যুদ্ধের উত্তাপ ছড়িয়েছে গোটা মধ্যপ্রাচ্যে। যুদ্ধের শুরু থেকেই বেসামরিকদের লক্ষ্যবস্তু করেছে ইসরাইল। তাদের বিরুদ্ধে গোটা বিশ্ব জুড়ে প্রতিবাদের ঝড় উঠলেও তারা তাদের হত্যাযজ্ঞ থেকে পিছপা হয়নি। ২০২৩ সাল থেকেই একটি কার্যকর যুদ্ধবিরতির চুক্তি নিয়ে গভীর আলোচনা পর্যালোচনায় সরাসরি যুক্ত ছিল উল্লিখিত ওই তিন দেশ। তারা এই চুক্তিটিকে স্বাগত জানিয়েছে।
প্রাথমিকভাবে ছয় সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি শুরু হবে। এর মধ্যে ধীরে ধীরে গাজা থেকে সৈন্য প্রত্যাহার করে নেবে ইসরাইল। এ ছাড়া হামাসের হাতে থাকা জিম্মি এবং ইসরাইলি কারাগারে বন্দিদের মুক্ত করবে উভয় পক্ষ।
কাতারের রাজধানী দোহায় এক সংবাদ সম্মেলনে কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান আল থানি বলেছেন, রোববার থেকে কার্যকর হবে যুদ্ধবিরতি। মধ্যস্থতাকারী দেশগুলো হামাস ও ইসরাইলের সঙ্গে এ বিষয়ে সরাসরি কাজ করছেন। প্রতিক্রিয়ায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, আমি যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করতে পারি; কেননা ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে জিম্মি বিনিময় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। যার মাধ্যমে গাজায় যুদ্ধ বন্ধ হবে। এই চুক্তির মাধ্যমে ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের জন্য মানবিক সহায়তা বৃদ্ধি করা হবে এবং ১৫ মাসের বেশি সময় ধরে যেসব জিম্মি আটক রয়েছে তারা তাদের পরিবারের সঙ্গে মিলিত হতে পারবে বলেও জানিয়েছেন বাইডেন। যুদ্ধবিরতিতে তার সরকারের কৃতিত্ব তুলে ধরেন বাইডেন। চুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ডনাল্ড ট্রাম্প। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি বলেছেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে জিম্মিদের জন্য একটি নতুন চুক্তি হয়েছে, তাদের খুব শিগগিরই মুক্তি দেয়া হবে। ধন্যবাদ!’ ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফরমের একটি পোস্টে তিনি আরও বলেন, ‘এই চুক্তি কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমার জাতীয় নিরাপত্তা দলের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ গাজায় যেন পুনরায় ‘সন্ত্রাসীদের’ আশ্রয়স্থল হতে না পারে সেজন্য ইসরাইলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাবে।’ বৃটেনের প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ের স্টারমার বলেছেন, কয়েক মাসের ভয়াবহ রক্তপাত এবং অসংখ্য প্রাণহানির পর, এটি সেই দীর্ঘস্থায়ী সংবাদ যার জন্য ইসরাইলি এবং ফিলিস্তিনি জনগণ মরিয়া হয়ে অপেক্ষা করেছে। তিনি আরও বলেন, যেসব নিরীহ ফিলিস্তিনিদের ঘরবাড়ি রাতারাতি যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে এবং যারা প্রাণ হারিয়েছেন তাদের জন্য এই যুদ্ধবিরতি মানবিক সহায়তার বিশাল সুযোগ সৃষ্টি করবে। এই মুহূর্তে গাজার দুর্দশা নিরসনে যুদ্ধবিরতির পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন স্টারমার। যুদ্ধবিরতির চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তনিও গুঁতেরা। তিনি বলেছেন, এই চুক্তি বাস্তবায়নে সমর্থন জানায় জাতিসংঘ। অগণিত ফিলিস্তিনিদের জন্য টেকসই মানবিক সরবরাহ বৃদ্ধি করার আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি। তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেন, যুদ্ধবিরতির চুক্তি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তিনি আরও বলেন, ইসরাইল-ফিলিস্তিন সংঘাত নিরসনে দ্বিরাষ্ট্র সমাধানের জন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে তুরস্ক। এক্স-এর একটি পোস্টে মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসিও গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং গাজায় দ্রুত মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেয়ার ওপর গুরুত্ব দিতে জোর দিয়েছেন। ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন বলেন, গাজায় যুদ্ধবিরতি এবং জিম্মি মুক্তি চুক্তিকে আমি আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাই। কেননা, জিম্মিরা তাদের প্রিয়জনদের সঙ্গে পুনরায় মিলিত হবে এবং গাজার বেসামরিক নাগরিকদের কাছে মানবিক সহায়তা পৌঁছাতে পারবে। বেলজিয়ামের প্রধানমন্ত্রী আলেকজান্ডার ডি ক্রু বলেন, বেশ কয়েক মাস ধরে চলা সংঘাতের পর, জিম্মিরা তাদের পরিবারের কাছে ফেরত যেতে পারবে। এ ছাড়া গাজার জনগণের জন্য প্রচুর স্বস্তি অনুভব করছি। এই যুদ্ধবিরতি সংঘাতের অবসান ঘটাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনালেনা বেয়ারবক বলেছেন, আশা করা যায় যে, কয়েক ঘণ্টার মধ্যে জিম্মিদের মুক্তি দেয়া হবে এবং গাজায় হত্যাযজ্ঞ বন্ধ হবে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
১৭ বছর পর মুক্ত লুৎফুজ্জামান বাবর
বাবরের নির্বাচনী এলাকা নেত্রকোনা-৪ আসনের নেতাকর্মীসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সংগঠনের হাজারো নেতাকর্মী মুক্ত বাবরকে বরণ করেন। গাড়ি, মোটরসাইকেল ও মানুষের ঢলে কারাগারের সামনের সড়কের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। কারামুক্ত হয়ে বাবর প্রথমে যান শেরেবাংলা নগরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজার জিয়ারত করতে। সেখান থেকে নিজের বাসায় যান তিনি।
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বাবর দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, সবার আগে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ বিষয়ে কোনো ছাড় নয়। জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও আহতদের প্রতি সমবেদনা জানান লুৎফুজ্জামান বাবর। গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকারের বিপক্ষে যা কিছু আসুক আমরা তা মোকাবিলা করবো।
লুৎফুজ্জামান বাবরকে স্বাগত জানাতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে অপেক্ষমাণ বিএনপি’র আন্তর্জাতিক বিষয়ক কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেন, তার (বাবর) বিরুদ্ধে আনিত সকল অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। কিন্তু ১৭ বছর উনার (বাবর) জীবন থেকে চলে গেছে সেটা কে ফেরত দিবে? তাই আমরা চাই, আওয়ামী লীগ ও গণহত্যাকারী দল যারা জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচারে গুলি চালিয়ে গণহত্যা করেছে তাদের কঠোর শাস্তি ও বিচার করতে হবে। তা না হলে আমাদের আন্দোলন চলবে। লিয়াকত হোসেন নামে নেত্রকোনা থেকে কেরানীগঞ্জে আসা এক বয়োবৃদ্ধ বলেন, আমি আগে কখনো ঢাকায় আসিনি। শুধু লুৎফুজ্জামানকে ফুলের মালা দেয়ার জন্য ও একনজর দেখার জন্য নেত্রকোনা থেকে কেরানীগঞ্জ কারাগারে এসেছি। নেত্রকোনার মদনগঞ্জের আব্দুল জলিল বলেন, বাবর তাদের প্রাণের নেতা তাকে একনজর দেখার জন্য তিনি মদনগঞ্জ থেকে কেরানীগঞ্জ কারাগারে এসেছেন। নেত্রকোনার আব্দুর রহিম জানান, জীবনে তিনি ঢাকা আসেননি শুধু লুৎফুজ্জামানকে ফুলের মালা দেয়ার জন্য ও একনজর দেখার জন্য নেত্রকোনা থেকে কেরানীগঞ্জ কারাগারে এসেছেন। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে থেকে মদনপুর উপজেলার বিএনপি’র সভাপতি নূরে আলম, মোহনগঞ্জ পৌরসভার আহ্বায়ক ফজলুল হক মাসুম, সদস্য সচিব গোলাম রাব্বানী গুলুসহ আরও বেশ কয়েকজন বলেন, আমাদের প্রাণের নেতা নেত্রকোনা-৪ আসনের (মদন-মোহনগঞ্জ-খালিয়াজুরী) সাবেক এমপি লুৎফুজ্জামান বাবরের মুক্তির খবরে আমাদের বিএনপি নেতাকর্মী, স্বজন ও এলাকার মানুষের মধ্যে আনন্দের জোয়ার বইছে। তার কারামুক্তিকে ঘিরে নির্বাচনী এলাকা ছাড়াও ময়মনসিংহ, নেত্রকোনায় অসংখ্য তোরণ নির্মাণ করা হয়েছে।
ওদিকে দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় অন্যদের মধ্যে বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, নির্বাহী কমিটির সদস্য হাবিবুর রশীদ হাবিব, মদন উপজেলা বিএনপি সভাপতি নুরুল আলম তালুকদার, খালিয়াজুরী উপজেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক আব্দুর রউফ স্বাধীন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
কারা উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি প্রিজন্স-ঢাকা বিভাগ) মো. জাহাঙ্গীর কবির জানিয়েছেন, লুৎফুজ্জামান বাবরের সঙ্গে আরও পাঁচজন মুক্তি পেয়েছেন। তারা হলেন- কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-১ থেকে বিমান বাহিনীর উইং কমান্ডার (অব.) সাহাবুদ্দিন আহম্মদ, কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ থেকে এনএসআইয়ের সাবেক ফিল্ড অফিসার আকবর হোসেন খান, সিইউএফএলের সাবেক এমডি মহসিন উদ্দিন তালুকদার, এনএসআইর সাবেক ডিজি ও ডিজিএফআইয়ের সাবেক ডাইরেক্টর মেজর জেনারেল (অব.) রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী এবং কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন মেজর (অব.) এম লিয়াকত হোসেন।
উল্লেখ্য, ২০০৭ সালের ২৮শে মে গ্রেপ্তার হন বিএনপি সরকারের সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর। এরপর বিভিন্ন মামলায় তার দণ্ড হয়। এর মধ্যে দুটি মামলায় তার মৃত্যুদণ্ডাদেশ হয় এবং একটিতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়। তবে গত বছরের ৫ই আগস্ট ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর মামলাগুলো থেকে একে একে খালাস পান বাবর। এর মধ্যে গত ২৩শে অক্টোবর দুর্নীতির মামলায় ৮ বছরের দণ্ড থেকে এবং মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলার মামলা থেকে গত ১লা ডিসেম্বর খালাস পান তিনি। সবশেষ চট্টগ্রামে আলোচিত ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় গত মঙ্গলবার যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের দায় থেকে খালাস পাওয়ার পর কারামুক্ত হন সাবেক এই প্রতিমন্ত্রী।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বেপরোয়া শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘ইমন বাহিনী’ by সুদীপ অধিকারী
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ধানমণ্ডি এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, ধানমণ্ডি ৪ নম্বর রোডের ৩৯ নম্বর বাড়ির ডাক্তার মল্লিক আব্দুল্লাহ’র ছেলে শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমন।
আলোচিত চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলা এবং সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদের ভাই সাঈদ আহমেদ ওরফে টিপু হত্যা মামলার অন্যতম আসামি ইমন। ১৯৯৮ সালের ১৮ই ডিসেম্বর বনানীর ১৭ নম্বর রোডের আবেদীন টাওয়ারে ট্রামস ক্লাবের নিচে সোহেল চৌধুরীকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় তার ভাই তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী সেই সময় গুলশান থানায় মামলা করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, হত্যাকাণ্ডের কয়েক মাস আগে চলচ্চিত্র প্রযোজক ও ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের সঙ্গে সোহেল চৌধুরীর কথাকাটাকাটি হয়। এর প্রতিশোধ নিতে সোহেল চৌধুরীকে হত্যা করা হয়। ঘটনার রাতে সোহেল তার বন্ধুদের নিয়ে ট্রাম্পস ক্লাবে ঢোকার চেষ্টা করেন। তাকে ভেতরে ঢুকতে বাধা দেয়া হয়। রাত আড়াইটার দিকে আবারো তিনি ঢোকার চেষ্টা করেন। তখন সোহেলকে লক্ষ্য করে ইমন, মামুন, লিটন, ফারুক ও আদনান গুলি চালায়। এরপর থেকেই আন্ডারওয়ার্ল্ডে আলোচিত হয়ে ওঠে ইমন। নিজের ঘনিষ্ঠ সহযোগী পাং বাবুসহ একাধিক হত্যাকাণ্ডের পর ২০০৪ সালে র?্যাবের ধাওয়া খেয়ে কলকাতায় পালিয়ে যায় ইমন। ঢাকায় এক ব্যবসায়ীর কাছে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা চাওয়ার পর ফোনের সূত্র ধরে বাংলাদেশের সিআইডি পুলিশ কলকাতা পুলিশকে বিষয়টি জানালে ২০০৭ সালের ৮ই ডিসেম্বর কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি ফ্ল্যাট থেকে কলকাতা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। ২০০৮ সালের ৭ই মার্চ কলকাতা পুলিশ ইমনকে বাংলাদেশ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। সেই থেকেই মোহাম্মদপুর ও তেজগাঁও থানার আটটি মামলায় কুমিল্লা জেলা কারাগারে বন্দি ছিলেন পুলিশের তালিকার শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমন। সর্বশেষ ২০২২ সালের ১১ই এপ্রিল তাকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তর করা হয়। জেলে থেকেই তিনি পুরো এলাকার সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন। তিনি জেলে থাকলেও তার বাহিনীর সদস্যরা সক্রিয় ছিল। কেউ বাড়ি নির্মাণ করলেই বাহিনীর সদস্যরা মোটরসাইকেল মহড়া দিয়ে চাঁদা দাবি করতো। শুধু চাঁদাবাজি নয় জেলে বসেই একাধিক হত্যাকাণ্ডও চালিয়েছে এই ইমন। স্বার্থের দ্বন্দ্বের কারণে ২০২৩ সালের ১৮ই সেপ্টেম্বর রাত ১০টার দিকে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকায় নিজের একসময়ের বন্ধু শীর্ষ সন্ত্রাসী তারিক সাঈদ মামুনের ওপর নিজের সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে এলোপাতাড়ি গুলি চালায় ইমন। সেই গুলি লেগে মোটরসাইকেল আরোহী ভুবন চন্দ্র শীলের মৃত্যু হয়। এর আগে ২০১৩ সালে ৪৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সভাপতি আফজাল হোসেন সাত্তার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায়ও কারাগারে থেকেই ইমনের নাম আসে। দীর্ঘ ১৭ বছর কারাগারে থাকার পর গত জুলাই বিপ্লবের পর ১৫ই আগস্ট দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটে কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পায় অপরাধ জগতের ক্যাপ্টেন ইমন।
যেভাবে ময়লার ব্যবসা দখলে নেয় ইমন বাহিনী: পশ্চিম ধানমণ্ডির এক নারী বলেন, আমরা এই এলাকায় ২০ বছরের বেশি সময় ধরে মানুষের বাসাবাড়ি থেকে ময়লা টানছি। সিটি করপোরেশনের কাগজপত্র সব আছে আমাদের। এরপরও যে দল যখন ক্ষমতাই আসে তখন তাদের ওয়ার্ড নেতাদের মাসোয়ারার একটা ভাগ দিতে হয়। কিন্তু ৫ই আগস্টের পর কয়েকজন লোক এসে নিজেদের ইমনের লোক পরিচয় দিয়ে আমাদের বলেন- আজ থেকে এই এলাকার ময়লার ব্যবসা ইমন ভাইয়ের। তোমরা এখন থেকে কর্মচারী। মাস গেলে বেতন পাবে। আর টাকা আমরা উঠাবো। ষাটোর্ধ্ব এই নারী বলেন, আমরা ছিলাম মালিক আর এখন আমরা হয়ে গেছি কামলা (কর্মচারী)। সব কাজ আমরা করি আর বাসাবাড়ি থেকে স্লিপ দিয়ে টাকা তোলে ইমনের লোক। বেতন তো ঠিকমতো দেয়ই না। উল্টো দুই মাসে ৩০ হাজার টাকা কেটে নিয়েছে। প্রতিটি এলাকাতেই ইমনের লোক ময়লার ব্যবসা দখলে নিয়েছে। তিনি বলেন, আমরা গরিব মানুষ। আমাদের ওপর এসব নির্যাতনের কথা যার কাছে বলতে যাই- সেই বলে- চুপ থাকো, এরা ভালো মানুষ না। জানে মেরে ফেলবে। কাজ করে খাচ্ছো- এটাই অনেক। থানা পুলিশও এই ইমন বাহিনীর বিরুদ্ধে কথা বলতে বিরক্তি প্রকাশ করে বলেও জানান ময়লা ব্যবসায়ী।
ভবন নির্মাণে চাঁদাবাজি: ধানমণ্ডি, জিগাতলা, এলিফ্যান্ট রোড, নিউমার্কেট, লালমাটিয়া, তেজগাঁও ও মোহাম্মদপুর এলাকার অংশবিশেষ এলাকায় নতুন ভবন নির্মাণের সময়ে চাঁদা আদায়ে সবচেয়ে বেশি শোনা যায় ইমনের নাম। ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হলেই সেখানে গিয়ে ২০/৩০টি মোটরসাইকেল নিয়ে মহড়া দেয় ইমনের লোকজন। তাদের দাবি করা চাঁদার টাকা না দিয়ে কাজ শুরু করতে পারে না ব্যক্তি বা রিয়েল এস্টেট কোম্পানির লোক। এমনই এক ভুক্তভোগী ধানমণ্ডি-১৯ নম্বর স্টার কাবাবের পেছনের রাস্তার এক ভবন মালিক। পুরাতন ভবন ভেঙে কোম্পানির মাধ্যমে নতুন ভবন নির্মাণ করছেন তিনি। প্রাণ ভয়ে নিজের নাম প্রকাশ না করলেও তিনি বলেন, আমি এখানে গত বছর থেকে ভবন নির্মাণের কাজ শুরু করেছি। মাসখানেক আগে সন্ধ্যা বেলা হঠাৎ ৩০/৪০টা মোটরসাইকেল নিয়ে একদল যুবক এসে হাজির। তারা আমার শ্রমিকদের কাজ বন্ধ করতে বলে আমাকে খবর দিতে বলে। আমি অন্য কাজে তখন বাইরে ছিলাম। তারা নিজেদের শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমনের লোক দাবি করে আমার কাছে সিকিউরিটি মানি হিসেবে চাঁদা দাবি করে। আমি তাদেরকে বলি আমার কাছে কোনো টাকা নেই। আমি চাঁদা দিতে পারবো না। তখন আমাকে বলা হয়- চাঁদা না দেয়া পর্যন্ত একটা ইটও গাঁথা যাবে না। এমন কী আমাকে হত্যার হুমকিও দেয়া হয়। আমি তাই ভয়ে আপাতত কাজ বন্ধ রেখেছি। তিনি বলেন, আমি আশপাশের অনেক ভবন মালিকের সঙ্গে কথা বলেছি- ইমন বাহিনীর সদস্যদের নাকি চাঁদা না দিয়ে কেউ এই এলাকায় কাজ করতে পারে না।
ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চাঁদাবাজি: ধানমণ্ডি এলাকার ছোট থেকে শুরু করে বড় বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানেও শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমনের নামে ওঠে মাসিক চাঁদা। তার লোকজনকে চাঁদা না দিয়ে দোকান খুলতে পারে না কেউ। পশ্চিম ধানমণ্ডির রায়ের বাজারের ফিরোজ নামে এক দোকান মালিক বলেন, গত আগস্ট মাসেই ইমনের লোকজন এসে আমাদের বলে গেছে- সকলকে চাঁদা দিতে হবে। তা না হলে কেউ বাজারে ব্যবসা করতে পারবে না। তিনি বলেন, শুধু এই বাজার নয় আশপাশের সব ব্যবসায়ীকেই ইমন বাহিনীকে চাঁদা দিতে হয়। মার্কেট, শপিংমল থেকে শুরু করে বাজার কমিটি সবই তার বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে। আর চাঁদার টাকা না দেয়ার জন্যই সব শেষ মাল্টিপ্ল্যান সেন্টারের দুই ব্যবসায়ী এলিফ্যান্ট রোড কম্পিউটার সোসাইটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এহতেশামুল হক ও সভাপতি ওয়াহিদুল হাসান দীপুকে সকলের সামনে রাস্তায় ফেলে এলাপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে ইমনের লোকজন।
এসব বিষয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) রমনা জোনের উপ-কমিশনার মাসুদ আলম বলেন, সন্ত্রাসী যত ক্ষমতাশালীই হোক না কেন আমরা কাউকে ছাড় দিবো না। অভিযোগ পেলে পুলিশ অবশ্যই ব্যবস্থা নিবে। এলিফ্যান্ট রোডের ঘটনার বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি মাসখানেক আগের মাল্টিপ্ল্যান সেন্টারের কমিটির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে একটি বিরোধ চলছিল। সে কারণে অথবা অন্যকোনো কারণেও দুই ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে আহত করা হতে পারে। তবে ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে নিউমার্কেট থানায় করা মামলায় দাবি করা হয়েছে- ইমন বাহিনীর দাবিকৃত চাঁদার টাকা না দেয়ায়ই মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ নিতে প্রকাশ্যে দুই ব্যবসায়ী নেতাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয়। আমরা পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। অভিযুক্তদের কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না। ডিএমপি’র গোয়েন্দা দক্ষিণ বিভাগের যুগ্ম কমিশনার মোহাম্মদ নাসিরুল ইসলাম বলেন, আমরা মূলত পুলিশের গোয়েন্দা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে থাকি। যেখানে যেই গোয়েন্দা তথ্য পাই সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিই। আমাদের সেই গোয়েন্দা তথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ড বা ওপেন যারা আছে তাদের কারোর বিরুদ্ধে অভিযোগ পেলে আমরা যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
এ বিষয়ে ডিএমপি’র অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) রেজাউল করিম মল্লিক বলেন, কেউ অবৈধ কোনো কাজ করলে ইমামুল হাসান ওরফে পিচ্চি হেলাল, সানজিদুল ইসলাম ইমনসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী সে যেই হোক তাকে অবশ্যই আইনের আওতায় আসতে হবে। তিনি বলেন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, ছিনতাইকারী, চিহ্নিত চাঁদাবাজ ও মাদক ব্যবসায়ীদের ধরতে গোয়েন্দা পুলিশের অভিযান ২৪ ঘণ্টা অব্যাহত রয়েছে। কোনো অপরাধীকে আইনের আওতায় আনতে ব্যক্তিগতভাবে তিনি রক্তচক্ষুকে ভয় পান না বলেও জানান।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিদায়ী ভাষণ: ট্রাম্পের অধীনে ‘বিপজ্জনক’ অলিগার্ক সম্পর্কে আমেরিকানদের সতর্ক করলেন বাইডেন
এতে বলা হয়, স্থানীয় সময় বুধবার রাতে ওভাল অফিস থেকে আমেরিকানদের উদ্দেশে বিদায়ী ভাষণ দেন বাইডেন। ওভাল অফিস থেকে এবার পঞ্চমবারের মতো ভাষণ দিলেন তিনি। এর আগে ২০২৪ সালের জুলাই মাসে ভাষণ দিয়েছিলেন মার্কিন বিদায়ী প্রেসিডেন্ট। এবারই হয়তবা প্রেসিডেন্ট হিসেবে জীবনের সর্বশেষ ভাষণ দিয়েছেন বাইডেন। আর এ ভাষণেই আমেরিকানদের সতর্ক করেছেন তিনি।
জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে ৮২ বছর বয়সী বাইডেন বলেছেন, আজ আমেরিকায় চরম সম্পদ, ক্ষমতা ও প্রভাবের একটি অলিগার্কি বিকশিত হচ্ছে যা আমাদের সমগ্র গণতন্ত্র, মৌলিক অধিকার এবং স্বাধীনতাকে হুমকির মুখে ফেলেছে।
আজ, আমেরিকায় চরম সম্পদ, ক্ষমতা এবং প্রভাবের এক অভিজাততন্ত্র রূপ নিচ্ছে যা আমাদের সমগ্র গণতন্ত্র, আমাদের মৌলিক অধিকার এবং স্বাধীনতাকে সত্যিই হুমকির মুখে ফেলেছে এবং সকলের এগিয়ে যাওয়ার জন্য ন্যায্য সুযোগ তৈরি করেছে।
বাইডেন আরও বলেন, আমেরিকার মূল ধারণা হচ্ছে- সকলেরই ন্যায্য সুযোগ পাওয়ার অধিকার রয়েছে। কঠোর পরিশ্রম এবং প্রতিভা একজনকে যতদূর নিয়ে যেতে পারে। আমরা কখনই এই অপরিহার্য সত্য থেকে বিচ্যুত হতে পারবো না।
১৯৬১ সালে হোয়াইট হাউস ত্যাগ করার সময় সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোয়াইট আইজেনহাওয়ারস সামরিক-শিল্প সম্পর্কে যে সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন, তার প্রতি ইঙ্গিত করে বাইডেন বলেন, আমি একটি প্রযুক্তি-শিল্প কমপ্লেক্সের সম্ভাব্য উত্থান সম্পর্কে সমানভাবে উদ্বিগ্ন। কেননা তা আমাদের দেশের জন্য প্রকৃতপক্ষে বিপদ ডেকে আনতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ ভুল তথ্য এবং বিভ্রান্তিকর তথ্যের নীচে চাপা পড়ছে বলে মন্তব্য করেছেন বাইডেন। তিনি বলেছেন, আমেরিকানরা ভুল তথ্য এবং বিভ্রান্তিকর তথ্যের তুষারধ্বসের নিচে চাপা পড়ছে, যা ক্ষমতার অপব্যবহারের ন্যায্যতা দিচ্ছে। এর মাধ্যমে গণমাধ্যম তার স্বাধীনতা হারাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। বাইডেন বলেন, ক্ষমতা লাভের জন্য বলা মিথ্যা দিয়ে সত্যকে ঢেকে ফেলা হচ্ছে। ক্ষমতার অপব্যবহার থেকে সন্তান, পরিবার এবং গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে সামাজিক প্ল্যাটফর্মগুলোকে জবাবদিহিতার আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
হোয়াইট হাউসে থাকাকালীন সংঘটিত অপরাধের জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্টদের যেন শাস্তির আওতায় আনা হয়, সেজন্য সাংবিধানিক সংশোধনীরও আহ্বান জানিয়েছেন বাইডেন।
তিনি বলেন, আমাদের সংবিধান সংশোধন করতে হবে। যেন এটা স্পষ্ট করে বলা যায় যে, দেশের কোনো প্রেসিডেন্টই ক্ষমতায় থাকাকালীন অপরাধের শাস্তি থেকে মুক্ত নন। প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা সীমাহীন নয়। তিনি নিরঙ্কুশ নন এবং তা হওয়া উচিতও নয় বলে ভাষণে উল্লেখ করেন যুক্তরাষ্ট্রের বিদায়ী ওই প্রেসিডেন্ট।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অপহরণের পর গর্তে পুঁতে মুক্তিপণ: দুই লাখ টাকায় ছাড়া পেলো সেই শিশুটি
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ১৫ সেকেন্ডের এই ভিডিও ১০ই জানুয়ারি কক্সবাজারের উখিয়ার অজ্ঞাত স্থানে ধারণ করা। ভিডিও’র শিশুটির নাম মোহাম্মদ আরাকান (৬)। সে থাইংখালী-১৯ নম্বর রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরের সি ১৫ ব্লকের বাসিন্দা আবদুর রহমান ও আনোয়ারা বেগমের ছেলে। ৮ই জানুয়ারি আরাকান ক্যাম্পের খেলার মাঠ থেকে নিখোঁজ হয় সে। এরপর ১০ই জানুয়ারি তার মা-বাবা এই ভিডিও বার্তা পান।
নিখোঁজ আরাকানের সন্ধানে এর আগেই তার মা-বাবা থানায় জিডি করেছিলেন। ভিডিও বার্তা পাওয়ার পর তারা নিশ্চিত হন, তাদের ছেলেকে অপহরণ করা হয়েছে। অপহরণকারীরা আরাকানের মুক্তির বিনিময়ে ৭ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। অপহরণকারীদের কথা অনুযায়ী দেখিয়ে দেয়া স্থানে প্রথমে ৫০ হাজার টাকা দিয়ে আসেন আরাকানের স্বজনরা। এতেও আরাকানকে না ছাড়ায় ধারদেনা করে আরও ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেন তারা। ১৪ই জানুয়ারি রাত সাড়ে ১১টার দিকে কুতুপালং এলাকার এমএসএফ হল্যান্ড হাসপাতালের সামনে শিশুটিকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় ফেলে দিয়ে চলে যায় সন্ত্রাসীরা।
শিশুটির বাবা আবদুর রহমান বলেন, ৮ই জানুয়ারি বেলা ২টার দিকে এপিবিএন অফিসসংলগ্ন খেলার মাঠে খেলতে গিয়ে আর ফেরেনি আরাকান। দুইদিন ধরে আরাকানের সন্ধানে তারা বিভিন্ন ক্যাম্পে ঘুরেছেন। পুলিশের কাছেও গেছেন। এপিবিএনের কাছে সাহায্য চেয়েছেন। এরপর ১০ই জানুয়ারি দু’টি মুঠোফোন নম্বর থেকে কল দিয়ে বলা হয়, তার ছেলেকে অপহরণ করা হয়েছে। ছাড়িয়ে নিতে হলে ৭ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিতে হবে। টাকা না পেলে ছেলেকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দেন তারা। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলেও উখিয়া থানার ওসি মো. আরিফ হোসেন বলেন, শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছিল। পুলিশ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন আমাদের রক্তের ওপর দিয়ে করতে হবে
তিনি আলেমদের উদ্দেশ্য করে বলেন, আওয়ামী লীগ শাহবাগ ও মতিঝিল থেকে আলেমদের ক্লিয়ার করেছিল, আল্লাহ তাদের বাংলাদেশ থেকে ক্লিয়ার করে দিয়েছে। এখন সময় এসেছে আলেম সমাজকে ঘুরে দাঁড়ানোর। একটি সময় ছিল আপনারা কোরআন ও হাদিসের কথা বলতে পারতেন না। আপনাদের শুধু নেয়া হতো অনুষ্ঠানে কোরআন তিলাওয়াত ও মোনাজাতের জন্য। সমাজের গুরুত্বপূর্ণ কোনো সিদ্ধান্ত আপনারা মতামত দিতে পারতেন না, মতামত নেয়া হতো সুদখোর, ঘুষখোর ও বাটপারদের। তাই আজ সমাজের এত অধঃপতন হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আলেমদের কাছে আমাদের অনেক প্রত্যাশা রয়েছে। আপনারা এখন বুক উঁচু করে সঠিক কথা বলেন। মসজিদভিত্তিক সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করুন। সমাজের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে মতামত দেন। সমাজব্যবস্থাকে অধঃপতনের হাত থেকে মুক্ত করতে হবে।
দেবিদ্বার ইসলামিয়া ফাযিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মো. আলাউদ্দিন সরকারের সভাপতিত্বে ও প্রভাষক আল আমিনের সঞ্চালনায় ওই মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন সুলতানপুর ইসলামিয়া ফাযিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা কবির আহমেদ, জয়পুর ইসলামিয়া ফাযিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মো. আলমগীর হোসেন, দেবিদ্বার কেন্দ্রীয় মসজিদের খতিব মুফতি মো. আশরাফুল আলম ওবাইদী, বৈসরকোট ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মো. তাবদুল হক, দেবিদ্বার দারুল উলুম মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা হাফেজ মো. আবু তাহের, ধামতী ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার প্রভাষক মাওলানা মো. ছালেহ আহমদ মুনিরী, ওয়াহেদপুর ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার প্রভাষক মাওলানা জালাল উদ্দিন ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উপজেলা সমন্বয়ক মো. মোহতাদির যারিফ সিক্ত প্রমুখ।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাজায় পূর্ণমাত্রার যুদ্ধবিরতি: হামাস-ইসরাইলের চুক্তিকে স্বাগত জানালেন ট্রম্প-বাইডেনসহ বিশ্ব নেতারা
১৫ মাস ধরে চলা গাজা যুদ্ধের উত্তাপ ছড়িয়েছে গোটা মধ্যপ্রাচ্যে। যুদ্ধের শুরু থেকেই বেসামরিকদের লক্ষ্যবস্তু করেছে ইসরাইল। তাদের বিরুদ্ধে গোটা বিশ্ব জুড়ে প্রতিবাদের ঝড় উঠলেও তারা তাদের হত্যাযজ্ঞ থেকে পিছ পা হয়নি। ২০২৩ সাল থেকেই একটি কার্যকরী যুদ্ধবিরতির চুক্তি নিয়ে গভীর আলোচনা পর্যালোচনায় সরাসরি যুক্ত ছিল উল্লিখিত ওই তিন দেশ। তারা এই চুক্তিটিকে স্বাগত জানিয়েছে।
প্রাথমিকভাবে ছয় সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি শুরু হবে। এর মধ্যে ধীরে ধীরে গাজা থেকে সৈন্য প্রত্যাহার করে নেবে ইসরাইল। এছাড়া হামাসের হাতে থাকা জিম্মি এবং ইসরাইলি কারাগারে বন্দিদের মুক্ত করবে উভয় পক্ষ।
কাতারের রাজধানী দোহায় এক সংবাদ সম্মেলনে কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান আল থানি বলেছেন, আগামী রোববার থেকে কার্যকর হবে যুদ্ধবিরতি। তিনি বলেন, মধ্যস্থতাকারী দেশগুলো হামাস ও ইসরাইলের সঙ্গে এ বিষয়ে সরাসরি কাজ করছেন।
এ খবর দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি বলছে, ঐতিহাসিক এ ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, আমি যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করতে পারি কেননা ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে জিম্মি বিনিময় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। যার মাধ্যমে গাজায় যুদ্ধ বন্ধ হবে। এই চুক্তির মাধ্যমে ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের জন্য মানবিক সহায়তা বৃদ্ধি করা হবে এবং ১৫ মাসের বেশি সময় ধরে যেসকল জিম্মি আটক রয়েছে তারা তাদের পরিবারের সঙ্গে মিলিত হতে পারবে বলেও জানিয়েছেন বাইডেন।
প্রথম পর্যায়ে ছয় সপ্তাহের একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকবে। এ সময়ে হামাস ৩৩ জন জিম্মিকে মুক্তি দেবে। প্রতিজন ইসরাইলি জিম্মিকে মুক্তি দেয়ার বিনিময়ে ইসরাইল বেশ কয়েকজন ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দেবে।
এই চুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি বলেছেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে জিম্মিদের জন্য একটি নতুন চুক্তি হয়েছে, তাদের খুব শীঘ্রই মুক্তি দেয়া হবে। ধন্যবাদ!’ ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মের একটি পোস্টে তিনি আরও বলেন, ‘এই চুক্তি কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমার জাতীয় নিরাপত্তা দলের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ- গাজায় যেন পুনরায় ‘সন্ত্রাসীদের’ আশ্রয়স্থল হতে না পারে সেজন্য ইসরাইলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাবে।’
এক বিবৃতিতে বৃটেনের প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ের স্টারমার বলেছেন, কয়েক মাসের ভয়াবহ রক্তপাত এবং অসংখ্য প্রাণহানির পর, এটি সেই দীর্ঘস্থায়ী সংবাদ যার জন্য ইসরাইলি এবং ফিলিস্তিনি জনগণ মরিয়া হয়ে অপেক্ষা করেছে। তিনি আরও বলেন, যেসব নিরীহ ফিলিস্তিনিদের ঘরবাড়ি রাতারাতি যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে এবং যারা প্রাণ হারিয়েছেন তাদের জন্য এই যুদ্ধবিরতি মানবিক সহায়তার বিশাল সুযোগ সৃষ্টি করবে। এই মুহূর্তে গাজার দুর্দশা নিরসনে যুদ্ধবিরতির পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন স্টারমার।
হামাস-ইসরাইল যুদ্ধবিরতির চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুঁতেরা। তিনি বলেছেন, এই চুক্তি বাস্তবায়নে সমর্থন জানায় জাতিসংঘ। অগণিত ফিলিস্তিনিদের জন্য টেকসই মানবিক সরবরাহ বৃদ্ধি করার আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।
তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেন, যুদ্ধবিরতির চুক্তি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তিনি আরও বলেন, ইসরাইল-ফিলিস্তিন সংঘাত নিরসনে দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের জন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে তুরস্ক।
এক্স-এর একটি পেস্টে মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসিও গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং গাজায় দ্রুত মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেয়ার ওপর গুরুত্বের দিতে জোর দিয়েছেন।
ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডের লেইন বলেছেন, গাজায় যুদ্ধবিরতি এবং জিম্মি মুক্তি চুক্তিকে আমি আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাই। কেননা জিম্মিরা তাদের প্রিয়জনদের সঙ্গে পুনরায় মিলিত হবে এবং গাজার বেসামরিক নাগরিকদের কাছে মানবিক সহায়তা পৌঁছাতে পারবে। তিনি আরও বলেন, যুদ্ধবিরতি সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যে আলোর আশা দেখিয়েছে। সেখানের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে অপরিসীম দুর্ভোগ সহ্য করে আসছে। উভয় পক্ষকেই যথাযথভাবে এই চুক্তি বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। কেননা তাদের কূটনৈতিক আলাপ-আলোচনাই একটি সমাধানের পথ স্থির করবে।
বেলজিয়ামের প্রধানমন্ত্রী আলেকজান্ডার ডি ক্রু বলেছেন, বেশ কয়েক মাস ধরে চলা সংঘাতের পর, জিম্মিরা তাদের পরিবারের কাছে ফেরত যেতে পারবে। এছাড়া গাজার জনগণের জন্য প্রচুর স্বস্তি অনুভব করছি। এই যুদ্ধবিরতি সংঘাতের অবসান ঘটাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি।
জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনালেনা বেয়ারবক বলেছেন, আশা করা যায় যে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে জিম্মিদের মুক্তি দেয়া হবে এবং গাজায় হত্যাযজ্ঞ বন্ধ হবে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইউল্যাবে কোণঠাসা জুলাই অভ্যুত্থানের পক্ষের শিক্ষার্থীরা by পিয়াস সরকার
গত ২৯শে ডিসেম্বর ইউল্যাব প্রশাসন দুই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে ‘গ্রাফিতি অঙ্কন’কে অপরাধ হিসেবে গণ্য করে। শাস্তিস্বরূপ শিক্ষার্থীদের ৩১শে ডিসেম্বরের মধ্যে গ্রাফিতিগুলো মুছে ফেলার আল্টিমেটাম দেয়া হয়। রেজিস্ট্রার কর্তৃক অনুমোদিত একটি নির্দেশনায় গ্রাফিতি আঁকার অভিযোগে দুই শিক্ষার্থীকে ‘প্রবেশন’-এ রাখা হয়। শিক্ষার্থীদের দাবি- এই সিদ্ধান্ত জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের চেতনাকে অসম্মান করে। ঐতিহাসিকভাবে গণ-অভ্যুত্থানের সময় গ্রাফিতি একটি শক্তিশালী প্রতিরোধের মাধ্যম ছিল, যা শহর জুড়ে প্রতিবাদের প্রতীক হয়ে দাঁড়ায়। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়টির ভিসি ইমরান রহমান শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে নেয়া শাস্তি প্রত্যাহারের ঘোষণা ই-মেইলের মাধ্যমে দেন। কিন্তু শিক্ষার্থীরা বলছেন, তাতে কোনো ক্ষমা বা ভুল স্বীকারের তথ্য ছিল না। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ে। শিক্ষার্থীদের দাবি- জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনাকে অসম্মান এবং আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের হয়রানির দায় নিয়ে ভিসি’র পদত্যাগ; ফ্যাসিবাদের দোসর এবং দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের ট্রাস্টি বোর্ড থেকে অপসারণ; ডিসিপ্লিনারি কমিটি ও প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যদের পদত্যাগ; কোড অফ কন্ডাক্টের যৌক্তিক সংস্কার এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতা-ব্যক্তি স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সকল কালো আইন বিলোপ করতে হবে।
শিক্ষার্থীরা ১লা জানুয়ারি বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। আন্দোলনকারীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুষ্ঠু পরিবেশ এবং শিক্ষার্থীদের প্রতি ন্যায্যতা নিশ্চিত করতে ভিসি’র পদত্যাগ অত্যাবশ্যক বলে দাবি করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ফ্যাসিবাদ-সংশ্লিষ্ট এবং দুর্নীতিগ্রস্ত সদস্যদের ট্রাস্টি বোর্ড থেকে অপসারণের কথা বলেন। এর আগের দিন ৩১শে ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সলিমুল্লাহ খানসহ বেশ কয়েকজন শিক্ষক একটি যৌথ বিবৃতি দেন। তারা গ্রাফিতিকে মত প্রকাশের শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে আখ্যা দিয়ে বলেন, শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে নেয়া শাস্তিমূলক পদক্ষেপ অনৈতিক এবং গণ-অভ্যুত্থানের স্পিরিটের প্রতি অসম্মানজনক। তারা দাবি করেন, বিদ্যমান আচরণবিধি সংশোধন করে শিক্ষার্থীদের মত প্রকাশের অধিকার সুরক্ষিত করতে হবে।
২রা জানুয়ারি কোনো সদুত্তর না পাওয়ায় দুই শিক্ষার্থী অনশন শুরু করেন। এদিন মধ্যরাতে ইউল্যাবের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা ভিসি ও প্রো-ভিসি’র পদত্যাগের জন্য আল্টিমেটাম দিয়ে আন্দোলন সাময়িকভাবে স্থগিত করেন। তবে প্রশাসন আল্টিমেটামের সময়সীমা পার হওয়া সত্ত্বেও কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। ফলে দু’জন শিক্ষার্থী বাধ্য হয়ে অনশন কর্মসূচি শুরু করেন। রাতে অনশনে থাকা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসুদের মধ্যস্থতায় রেজিস্ট্রার এবং আন্দোলনকারীদের মধ্যে বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) বা শিক্ষা মন্ত্রণালয় একটি তদন্ত কমিটি গঠনের কথা বলা হয়। রিপোর্ট প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত ভিসি তার দায়িত্ব পালন থেকে বিরত থাকবেন এবং প্রো-ভিসি শুধু কার্যনির্বাহী দায়িত্ব পালন করবেন। আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হবে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো ব্যক্তি প্রকাশ্যে রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব করবে না। আন্দোলনকারীরা আপত্তিকর গ্রাফিতি সরিয়ে দেবে এবং এজন্য দুঃখ প্রকাশ করবে। আন্দোলনকারীরা আন্দোলন প্রত্যাহার করে ক্যাম্পাসে স্বাভাবিক কার্যক্রম ফিরিয়ে আনবে।
কিন্তু বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভিসিকে তার দায়িত্ব থেকে বিরত থাকার কথা থাকলেও, পরের দিন তিনি সকল শিক্ষার্থীকে একটি ই-মেইল পাঠান। ই-মেইলে তিনি আন্দোলনের সমাপ্তি ঘোষণা করেন এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির প্রয়াস চালান। তিনি আন্দোলনকারীদের প্রতি তিরস্কারমূলক মন্তব্য করে প্রতিবাদের পরিবর্তে প্রশাসনের প্রতি আনুগত্যের পরামর্শ দেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে শিক্ষার্থীদের ছবি অ্যাপ করে লেখা হয়- উই স্ট্যান্ড উইথ ভিসি স্যার, সেভ ইউল্যাব, রেসপেক্ট টিচার্স ইত্যাদি স্লোগান।
বুধবার তদন্ত কমিটির সদস্যরা প্রশাসন এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। এতে ছিলেন ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখপাত্র উমামা ফাতেমাসহ আরও দু’জন। শিক্ষার্থীরা জানান, আমরা তদন্তকারী কমিটিকে তথ্য দিয়েছি, আমাদের দাবি জানিয়েছি। আন্দোলনের সম্মুখে থাকা এক শিক্ষার্থী বলেন, ২০১০ সালের প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় আইনে বলা হয়েছে, ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্যরা এমন কিছু করতে পারবেন না যাতে তা জাতীয় স্বার্থের বিরুদ্ধে যায়। তারা জাতীয় স্বার্থ ভঙ্গ করেছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়টির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এক শিক্ষার্থী বলেন, গত বুধবার আমাদের বিভাগের শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে শিক্ষকদের মেইল করা হয়। সেই মেইলে আমরা নানাবিধ অন্যায়ের বিষয়টি তুলে ধরেছি। এই মেইলে দেখা যায়, ভিসি অধ্যাপক ইমরান রহমান সাম্প্রতিক আন্দোলনে যেসব শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন তাদের ইন্ট্রারগেশন সেলে পাঠান। এই সেলটাকে তারা আয়নাঘরের সঙ্গে তুলনা করেন। সেখানে মানসিক চাপ দেয়া, অশ্রাব্য কথা বলেন। ভিসি ভারতীয় একজন শিক্ষক সুদীপ চক্রবর্তীকে নিয়োগ দেন। যিনি ৩০শে জুলাই দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান। যার কোনো পিএইচডি ডিগ্রিও ছিল না। তারা বলেন, কয়েকজন শিক্ষক আছেন যাদের এখনো বেশ কিছু শিক্ষককে রানিং শিক্ষক হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে। কিন্তু আট বছরেও তারা কোনো ক্লাস নেননি। বিদেশি শিক্ষকদের শুধুমাত্র প্রোফাইল শো করা হচ্ছে।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগের ভিত্তিতে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ট্রাস্টি বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান কাজী নাবিল আহমেদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলে ধরেন। তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও একাধিক সংসদীয় কমিটির সদস্য ছিলেন। তিনি জেমকন গ্রুপের মালিক ও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সাবেক সভাপতি। তার বিরুদ্ধে রয়েছে নানা অপকর্মের অভিযোগ। সরকারি-বেসরকারি ভূমি দখল, মামলা দিয়ে স্থানীয়দের হয়রানি, মন্দির দখল, নদী দখল ইত্যাদি। বিশ্ববিদ্যালয়টির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান কাজী আনিস আহমেদ জুলাই বিপ্লবে বিরোধী অবস্থান নেন। শেখ হাসিনাপন্থি প্রচারে মোটা অংকের অর্থ ব্যয়ের অভিযোগ রয়েছে। নেত্র নিউজের সংবাদ অনুযায়ী, কাজী আনিস তার মালিকানার দুবাইভিত্তিক কোম্পানির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের একটি ডানপন্থি লবিং কোম্পানির সাহায্যে ওয়াশিংটনের রাজনৈতিক মহলে শেখ হাসিনার ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার চেষ্টা চালিয়েছেন।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কোনো মন্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগও কোনো ধরনের অফিসিয়াল মন্তব্য করতে রাজি হননি। এ বিষয়ে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এসএমএ ফায়েজ বলেন, এই মুহূর্তে এ বিষয়ে কথা বলতে চাচ্ছি না। যেহেতু তদন্ত চলমান। তিনি তদন্ত প্রতিবেদন আসার পরই যথাযোগ্য ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানান।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1331)
-
▼
2025
(3280)
-
▼
January
(191)
-
▼
Jan 17
(10)
- এআই দিয়ে তৈরি হবে সাপের বিষের ওষুধ
- গাজায় যুদ্ধবিরতি: ইসরায়েল না হামাস—কে জিতল, কে হারল
- উত্তেজনাপূর্ণ ৯৬ ঘণ্টা ইসরাইল-হামাস যুদ্ধবিরতি
- ১৭ বছর পর মুক্ত লুৎফুজ্জামান বাবর
- বেপরোয়া শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘ইমন বাহিনী’ by সুদীপ অধিকারী
- বিদায়ী ভাষণ: ট্রাম্পের অধীনে ‘বিপজ্জনক’ অলিগার্ক স...
- অপহরণের পর গর্তে পুঁতে মুক্তিপণ: দুই লাখ টাকায় ছাড়...
- আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন আমাদের রক্তের ওপর দিয়ে করতে...
- গাজায় পূর্ণমাত্রার যুদ্ধবিরতি: হামাস-ইসরাইলের চুক্...
- ইউল্যাবে কোণঠাসা জুলাই অভ্যুত্থানের পক্ষের শিক্ষার...
-
▼
Jan 17
(10)
-
▼
January
(191)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
