Showing posts with label চতুরঙ্গ. Show all posts
Showing posts with label চতুরঙ্গ. Show all posts
Thursday, March 1, 2018
কোটার মাত্রাটা কি একটু বেশি? by সফিকুল সাজু

চাকরির
ক্ষেত্রে দেশের বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর জন্য কোটা একটি যৌক্তিক বিষয়। এটা
থাকতেই পারে। বিভিন্ন কারণে থাকাও উচিত। যেমন, অনগ্রসর জনগোষ্ঠী হিসেবে
নারী, প্রতিবন্ধী, বিভিন্ন পিছিয়ে থাকা জেলার নাগরিক ও সুযোগবঞ্চিত
জনগোষ্ঠী হিসেবে পাহাড়িরা কোটাসুবিধা পাওয়ার দাবি রাখেন। এছাড়া ভালো কাজের
স্বীকৃতিস্বরূপ রাষ্ট্রীয় প্রেষণা হিসেবে কোটার প্রচলন থাকা প্রয়োজন। যেমন,
মহান মুক্তিযুদ্ধে আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধারা পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-স্বজন,
এমন কি নিজের প্রাণ তুচ্ছ করে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন দেশমাতৃকার মুক্তির নেশায়।
কোন কিছু দিয়ে তাদের সে ঋণ শোধ হবে না। বোধ করি ঋণ শোধ করে দেব বললেও
তাদের প্রতি অসম্মান হবে। তবু দেশের নাগরিকদের উৎসাহ দেয়ার লক্ষ্যে
রাষ্ট্রীয় প্রেষণা হিসেবে আামাদের বীর যোদ্ধা ও তাদের উত্তরসূরীদের একটি
নির্দিষ্ট মাত্রায় কোটা সুবিধা দেওয়া উচিত। এটুকু মেনে নেওয়ার মত বোধশক্তি ও
মূল্যবোধ আমাদের শিক্ষিত তরুণদের থাকা উচিত।
আাবার শিক্ষিত মেধাবীদের যোগ্যতার নিরিখে চাকরি প্রদান করা একটি রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব। 'যোগ্যতা', 'পরীক্ষা', 'মূল্যায়ন'- শব্দগুলো যখন আসে, তখন মেধা কথাটাও চলে আসে। মেধা বাদ দিলে ওই শব্দত্রয় অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়ে। কিন্তু আমরা সে মেধাকে কতটুকু মূল্যায়ন করছি?
অগ্রাধিকারের বিষয়টি ভাবতে গিয়ে কোটাপ্রথাকে আমরা এমন পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছি যে, কোটা সুবিধাপ্রাপ্তদের প্রতি নেতিবাচক মনোভাব পোষণ করতেও তরুণ প্রজন্ম দুদণ্ড ভাবে না। কোটাকে এমন চরম পর্যায়ে না পৌঁছালে আামাদের মুক্তিযোদ্ধা, নারী এবং অন্যান্য সুবিধাভোগীরা কি অসন্তুষ্ট হতেন? মোটেও না, বরং তারাও এর একটা যৌক্তিক মাত্রা প্রত্যাশা করেন। আমাদের বিভিন্ন শ্রেণিকে অগ্রাধিকার দিতে গিয়ে মোট চাকরির ৫৫ শতাংশই চলে যাচ্ছে। মেধাবীদের জন্য থাকে ৪৫ শতাংশ মাত্র! যেখানে কোটা সম্পৃক্ত জনগোষ্ঠী মাত্র অর্ধকোটি, আর কোটা বহির্ভুত ১৫.৫ কোটি। অর্থাৎ একগুণ মানুষের জন্য অর্ধেক চাকরি আর একত্রিশগুণ (১৫.৫X২) মানুষের জন্য বাকি অর্ধেক। বাংলাদেশে উপজাতি ১৬ লাখ, মুক্তিযোদ্ধা পরিবার ২ লাখ, আনুমানিক সুবিধাভোগী জনগোষ্ঠী ২০ লাখ (সর্বোচ্চ), প্রতিবন্ধী ১৫ লাখ, এই মোট ৫১ লাখের জন্য চাকরির ৪৫ শতাংশ (নারী কোটা ব্যতীত) চলে যাচ্ছে । বাকি ১৫.৫ কোটির জন্য থাকে ৫৫ শতাংশ। এটা কতটা যৌক্তিক? নারী কোটাও এখন আর ১০ শতাংশ রাখার দরকার নেই (অতীত পরিস্থিতির তুলনায়)। কারণ, এখন আামাদের নারীরা অনেক এগিয়েছে, ক্ষেত্রেবিশেষে ছেলেদেরকেও ছাড়িয়ে গেছে তারা।
সর্বোপরি এই কোটার মাত্রাটা কি একটু বেশি হয়ে যাচ্ছে না? এটা সব মিলিয়ে তো কোনভাবেই এক-পঞ্চামাংশের বেশি হওয়া উচিত নয়, সেখানে বিদ্যমান অর্ধাংশেরও বেশি হচ্ছে কোটা। এভাবে হয়ত অনেকে শুনতে শুনতে সয়ে গেছেন। একটু ভিন্নভাবে বলি, মনে করুন, কোন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া মোট শিক্ষার্থীর ৫৫ শতাংশ যদি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা, শিক্ষক, কর্মচারী ও সংশ্লিষ্ট পরিবারের সন্তান হয়, আর ৪৫ শতাংশ দেশের সমস্ত জনগণের মধ্য থেকে, তবে তা কি মেনে নিতে পারবেন? যারা চাকরির ক্ষেত্রে কোটা পাচ্ছেন, তারাও কি পারবেন? একটু নিরপেক্ষভাবে চিন্তা করুন তো। আামি বিশ্বাস করি, যিনি দেশের জন্য জীবন বাজি রাখার মত মানসিক স্বচ্ছতা ও বিশালতা ধারণ করেন, তিনি কখনও কোটার মত সংকীর্ণ স্বার্থের মধ্যে সীমাবদ্ধ নন। কাজেই কোটাকে সংস্কার করে যৌক্তিক পর্যায়ে আনা হলে, মনে হয় না কোন বীর মুক্তিযোদ্ধা বা অন্য সুবিধাভোগীরা প্রতিবাদ করবেন। অন্তত যৌক্তিক দেশপ্রেমিকরা করবেন না। দেশটা আমাদের সবার। তাই আামাদের সব পক্ষকেই কিছু ছাড় দিতে হবে এবং ছাড় দেয়ার মানসিকতা লালন করতে হবে জাতীয় সমৃদ্ধির খাতিরে ।
সমৃদ্ধ দেশের জন্য আমাদের মানবসত্তাকে গুরুত্ব দিতে হবে। অতিমাত্রায় কোটাপ্রথার মত এমন অনিয়ম কখনও দেশের সুষ্ঠু সংস্কৃতি গড়ে তুলতে পারে না। আমরা আমাদের জাতীয় দর্শনকেই নিচু করে গড়ে তুলছি। আমাদের তরুণরাও এমন সংস্কৃতিতে দ্বিধান্বিত। তারা চরম অবিশ্বাস ও আাত্মবিশ্বাসহীনতায় ভুগছে। এটা আমাদের আশা-আকাঙ্ক্ষা ও জাতীয় স্বপ্নের সত্যিকার প্রতিফলন কখনও ঘটাবে না।
বর্তমান সরকারে থাকা দলটির হাতেই এই দেশ এসেছে। এদেশের বড় বড় সব অর্জন হয়েছে। অনেক চ্যালেঞ্জ বাস্তবায়িত হয়েছে। গণমানুষের আাস্থার জায়গা হিসেবে অসহায়রা বারবারই এই সরকারের কাছে এসেছে। আামার দৃঢ় বিশ্বাস, সরকার লাখো তরুণের এই আার্তনাদ শুনবে, এর একটা বিহিত করবে। এই তরুণদের অধিকাংশই মাঠে-ঘাটে-দোকানে কিংবা খালে-বিলে-কারখানায় কাজ করে দেশের অর্থনৈতিক ভিত গড়ে তোলা সাধারণ পরিবারের সন্তান। তাদের সংখ্যাটা বিশাল, অবদান বেশি, স্বপ্নও বিশাল, অথচ তাদের সুযোগ কম। তাই তাদের স্বপ্নকে মর্যাদা দিতে হবে। তবেই আামাদের জাতির জনকের প্রত্যাশা ও স্বপ্ন আালোর দেখা পাবে, তার দর্শন এগিয়ে যাবে।
লেখক : শিক্ষক, কবির হাট সরকারি কলেজ, নোয়াখালী
আাবার শিক্ষিত মেধাবীদের যোগ্যতার নিরিখে চাকরি প্রদান করা একটি রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব। 'যোগ্যতা', 'পরীক্ষা', 'মূল্যায়ন'- শব্দগুলো যখন আসে, তখন মেধা কথাটাও চলে আসে। মেধা বাদ দিলে ওই শব্দত্রয় অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়ে। কিন্তু আমরা সে মেধাকে কতটুকু মূল্যায়ন করছি?
অগ্রাধিকারের বিষয়টি ভাবতে গিয়ে কোটাপ্রথাকে আমরা এমন পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছি যে, কোটা সুবিধাপ্রাপ্তদের প্রতি নেতিবাচক মনোভাব পোষণ করতেও তরুণ প্রজন্ম দুদণ্ড ভাবে না। কোটাকে এমন চরম পর্যায়ে না পৌঁছালে আামাদের মুক্তিযোদ্ধা, নারী এবং অন্যান্য সুবিধাভোগীরা কি অসন্তুষ্ট হতেন? মোটেও না, বরং তারাও এর একটা যৌক্তিক মাত্রা প্রত্যাশা করেন। আমাদের বিভিন্ন শ্রেণিকে অগ্রাধিকার দিতে গিয়ে মোট চাকরির ৫৫ শতাংশই চলে যাচ্ছে। মেধাবীদের জন্য থাকে ৪৫ শতাংশ মাত্র! যেখানে কোটা সম্পৃক্ত জনগোষ্ঠী মাত্র অর্ধকোটি, আর কোটা বহির্ভুত ১৫.৫ কোটি। অর্থাৎ একগুণ মানুষের জন্য অর্ধেক চাকরি আর একত্রিশগুণ (১৫.৫X২) মানুষের জন্য বাকি অর্ধেক। বাংলাদেশে উপজাতি ১৬ লাখ, মুক্তিযোদ্ধা পরিবার ২ লাখ, আনুমানিক সুবিধাভোগী জনগোষ্ঠী ২০ লাখ (সর্বোচ্চ), প্রতিবন্ধী ১৫ লাখ, এই মোট ৫১ লাখের জন্য চাকরির ৪৫ শতাংশ (নারী কোটা ব্যতীত) চলে যাচ্ছে । বাকি ১৫.৫ কোটির জন্য থাকে ৫৫ শতাংশ। এটা কতটা যৌক্তিক? নারী কোটাও এখন আর ১০ শতাংশ রাখার দরকার নেই (অতীত পরিস্থিতির তুলনায়)। কারণ, এখন আামাদের নারীরা অনেক এগিয়েছে, ক্ষেত্রেবিশেষে ছেলেদেরকেও ছাড়িয়ে গেছে তারা।
সর্বোপরি এই কোটার মাত্রাটা কি একটু বেশি হয়ে যাচ্ছে না? এটা সব মিলিয়ে তো কোনভাবেই এক-পঞ্চামাংশের বেশি হওয়া উচিত নয়, সেখানে বিদ্যমান অর্ধাংশেরও বেশি হচ্ছে কোটা। এভাবে হয়ত অনেকে শুনতে শুনতে সয়ে গেছেন। একটু ভিন্নভাবে বলি, মনে করুন, কোন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া মোট শিক্ষার্থীর ৫৫ শতাংশ যদি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা, শিক্ষক, কর্মচারী ও সংশ্লিষ্ট পরিবারের সন্তান হয়, আর ৪৫ শতাংশ দেশের সমস্ত জনগণের মধ্য থেকে, তবে তা কি মেনে নিতে পারবেন? যারা চাকরির ক্ষেত্রে কোটা পাচ্ছেন, তারাও কি পারবেন? একটু নিরপেক্ষভাবে চিন্তা করুন তো। আামি বিশ্বাস করি, যিনি দেশের জন্য জীবন বাজি রাখার মত মানসিক স্বচ্ছতা ও বিশালতা ধারণ করেন, তিনি কখনও কোটার মত সংকীর্ণ স্বার্থের মধ্যে সীমাবদ্ধ নন। কাজেই কোটাকে সংস্কার করে যৌক্তিক পর্যায়ে আনা হলে, মনে হয় না কোন বীর মুক্তিযোদ্ধা বা অন্য সুবিধাভোগীরা প্রতিবাদ করবেন। অন্তত যৌক্তিক দেশপ্রেমিকরা করবেন না। দেশটা আমাদের সবার। তাই আামাদের সব পক্ষকেই কিছু ছাড় দিতে হবে এবং ছাড় দেয়ার মানসিকতা লালন করতে হবে জাতীয় সমৃদ্ধির খাতিরে ।
সমৃদ্ধ দেশের জন্য আমাদের মানবসত্তাকে গুরুত্ব দিতে হবে। অতিমাত্রায় কোটাপ্রথার মত এমন অনিয়ম কখনও দেশের সুষ্ঠু সংস্কৃতি গড়ে তুলতে পারে না। আমরা আমাদের জাতীয় দর্শনকেই নিচু করে গড়ে তুলছি। আমাদের তরুণরাও এমন সংস্কৃতিতে দ্বিধান্বিত। তারা চরম অবিশ্বাস ও আাত্মবিশ্বাসহীনতায় ভুগছে। এটা আমাদের আশা-আকাঙ্ক্ষা ও জাতীয় স্বপ্নের সত্যিকার প্রতিফলন কখনও ঘটাবে না।
বর্তমান সরকারে থাকা দলটির হাতেই এই দেশ এসেছে। এদেশের বড় বড় সব অর্জন হয়েছে। অনেক চ্যালেঞ্জ বাস্তবায়িত হয়েছে। গণমানুষের আাস্থার জায়গা হিসেবে অসহায়রা বারবারই এই সরকারের কাছে এসেছে। আামার দৃঢ় বিশ্বাস, সরকার লাখো তরুণের এই আার্তনাদ শুনবে, এর একটা বিহিত করবে। এই তরুণদের অধিকাংশই মাঠে-ঘাটে-দোকানে কিংবা খালে-বিলে-কারখানায় কাজ করে দেশের অর্থনৈতিক ভিত গড়ে তোলা সাধারণ পরিবারের সন্তান। তাদের সংখ্যাটা বিশাল, অবদান বেশি, স্বপ্নও বিশাল, অথচ তাদের সুযোগ কম। তাই তাদের স্বপ্নকে মর্যাদা দিতে হবে। তবেই আামাদের জাতির জনকের প্রত্যাশা ও স্বপ্ন আালোর দেখা পাবে, তার দর্শন এগিয়ে যাবে।
লেখক : শিক্ষক, কবির হাট সরকারি কলেজ, নোয়াখালী
Tuesday, February 20, 2018
এভারেস্ট চূড়ায় পৌঁছার চেয়ে জীবনের চূড়ায় পৌঁছানো কঠিন! by জুয়েল রানা

কবে
যাব পাহাড়ে আহারে, আহারে! গানটি যেন পাহাড়ে যেতে না পারার আমার আকুতিই
প্রকাশ করে। শৈশব থেকে আমৃত্যু জীবন-যুদ্ধে কত পাহাড়ই আমরা ডিঙাই।
নিত্যদিনের বেঁচে থাকার লড়াইয়ের কারণে খুব কম মানুষেরই প্রকৃতির পাহাড় বা
পর্বত দেখা কিংবা ডিঙানো সম্ভব হয়। যেমন গ্রামের স্কুল-কলেজ থেকে পড়ে
বাংলাদেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া আমার মতো মজুর, কুলি,
কৃষক ও মেহনতি মানুষের সন্তানদের যুগ যুগ ধরেই টিকে থাকার সংগ্রাম করে
যেতে হয়।
মানুষের বাসায় প্রাইভেট পড়িয়ে, কোচিংয়ে ক্লাস নিয়ে, বিক্রয়কর্মীর কাজ করে যুদ্ধ করতে হয় হলের গণরুমে একটি আসন, দুবেলা হলের তৈলাক্ত খাবার, ডাল ও পানির অভিনব মিশ্রণ, আজিজ সুপার বা নিউমার্কেটের ১৫০ টাকার একটি গেঞ্জি বা শার্ট, ১২০ টাকার স্যান্ডেল এবং পড়ালেখার খরচ জুগিয়ে পরিবারের জন্য কিছু পাঠানোর। সেই সাথে অসম সমাজ, ক্লাসের পড়াশুনা, পিতা-মাতার স্বপ্ন, ভালোবাসা পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা, শ্রেণিকক্ষে বা সহপাঠীদের সাথে পোশাক-পরিচ্ছদ ও জীবন-ধারনে খাপ খাওয়ানোর প্রতিবন্ধকতা সর্বোপরি সামাজিক বঞ্চনা তাদের কুরে কুরে খায়।
সবাই নিত্যদিনের এই বেঁচে থাকার লড়াইয়ে পেরে উঠে না, যেমন পেরে ওঠেনি আমাদের হোসেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হোসেন কিছুদিন আগেই আত্মহত্যা করেছে, যার মূল কারণ হলো আমাদের অসম সমাজের যাতাকল, নির্যাতন, অত্যাচার ও অবজ্ঞা। এভাবেই সংগ্রামী মানুষগুলো এক সময় নিজের ওপর বিশ্বাসটাও হারিয়ে ফেলে। কোনো কোনো সময় জীবন দিয়ে ধিক্কার জানাতে চায় আমাদের মতো তথাকথিত শিক্ষিত, সুশীল, শহুরে, স্মার্ট, উচ্চ বংশীয় ও পয়সাওয়ালা অমানুষদের। যদিও আত্মহত্যা কখনোই সমাধান নয়। আমাদের বেঁচে থেকে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। এই অন্ধ সমাজকে প্রতিনিয়ত চপেটাঘাত করতে হবে এবং উপড়ে ফেলতে হবে কলুষিত এই সমাজের শিকড়।
তাইতো বেঁচে থাকার এ জীবন সংগ্রামে তিন বেলা ভোগ করাটাই হয়ে ওঠে মুখ্য; সেখানে জীবন উপভোগ যেন এক আকাশ- কুসুম কল্পনা। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন শিক্ষাসফরে অংশগ্রহণ, সহপাঠীদের সাথে কোথাও ঘুরতে যাওয়া, প্রিয়ার ভালোবাসা কিংবা নিজের মানসিক প্রশান্তির জন্য কিছু চিন্তা যেন কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের পূর্ণিমার চাঁদের মত একখানা ঝলসানো রুটি। এভাবেই একদিন মরে যায় পিপাসু সেই মন, ভালোবাসাপূর্ণ সেই কোমল হৃদয় এবং আমরা ধীরে ধীরে হয়ে উঠি এক একটা দানব; যে দানব গিলে ফেলে মনুষ্যত্ব, বিবেকবোধ, মানবতা এমন কি পুরো জগৎটাকে।
বিভাগীয় শিক্ষক জামাল স্যারের সহযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে প্রথম সেমিস্টারে ৫০০টাকা চাঁদা দিয়ে কুমিল্লা বার্ডে একবার শিক্ষাসফরে যাওয়ার সুযোগ হয়েছিল। এরপর আর কখনোই সহপাঠীদের সাথে ঘুরতে যাওয়ার সৌভাগ্য হয়নি নয়নাভিরাম সাজেক ভ্যালি, নীলগিরি, মাধবকুণ্ডের ঝর্ণা কিংবা কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকতে। মনে পড়ে, বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ বর্ষে বিভাগ থেকে তিন দিনের জন্য কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সে সময় বন্ধুদের সাথে সমুদ্র বিলাস আমার জন্য বিলাসিতাই ছিল। আজ যুক্তরাজ্যে বিশ্বের প্রথম সারির ১০০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটিতে এরাসমাস স্কলার হিসেবে পড়ালেখা করছি। এখানে ছুটির দিনে সবাই প্রকৃতি ভ্রমণে বের হয়। প্রতি সপ্তাহে না পারলেও মাসে অন্তত দু-একদিন আমিও অংশগ্রহণ করার দুঃসাহস করি।
গত ১৮ ফেব্রুয়ারি সহপাঠীদের অনুরোধ ও উৎসাহে ওয়েলস-এর সর্বোচ্চ মাউন্টেন স্নোডেন চূড়ায় ওঠার মনস্থির করি। ৩৫৬০ ফুট উচূ এই মাউন্টেনের চূড়ায় পৌঁছাতে স্বাভাবিক আবহাওয়ায় ৪-৫ ঘন্টা সময় লাগে। উল্লেখ্য, প্রথম এভারেস্ট বিজয়ী স্যার এডমুন্ড হিলারি 'স্নোডেন' মাউন্টেনেই অনুশীলন করেছিলেন। যাহোক আমাদের ৫ জনের দল সকাল ১০টায় 'স্নোডেন' মাউন্টেনে ওঠা শুরু করে। সকল প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে ৩ ঘণ্টা ৪০ মিনিটে আমরা মাত্র তিনজন ২৯৫০ ফুট পর্যন্ত উঠতে পেরেছিলাম। প্রচুর তুষারপাত, মেঘ ও খারাপ আবহাওয়ার কারণে ১৭ ফেব্রুয়ারি ৮২০ ফুট উচ্চতা থেকে বরফে পিছলে পড়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। তাই চূড়ায় যেতে সতর্ক করে দেওয়া হচ্ছে। চূড়ায় যেতে না পারলেও প্রথমবারের মতো পর্বতারোহণের অসাধারণ রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা হয়েছে। মেঘের সাথে মিতালি, পাথর, তুষারপাত, বাতাস ও বৃষ্টির সাথে যুদ্ধ। এ যেন সত্যি সত্যি বেঁচে থাকার লড়াই, একটু বিচ্যুত হলেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়তে হবে। নামতে নামতে আমি ভাবছিলাম, কত সহজে এত উঁচুতে উঠে গেলাম! অথচ আজকের এই মাউন্টেন দেখতে আসার পেছনে কত সময় ও পরিশ্রম লেগেছে! এ পর্যন্ত কতগুলো পাহাড়-পর্বত পাড়ি দিয়ে বর্তমানে পৌঁছেছি। জীবনের সংগ্রামটা পর্বতে বেঁচে থাকার সংগ্রামের চেয়ে ঢের। তেমনিভাবে উপলব্ধি করলাম, পর্বতের চূড়ার চেয়ে জীবনের চূড়ায় পৌঁছানো অনেক কঠিন। এই উপলব্ধির জন্য ধন্যবাদ জানাই আমার বন্ধু হারিন, নন্দিতা, টেইলর ও প্যাট্রিসিয়াকে।
লেখক: এরাসমাস মুন্ডুস স্কলার, শেফিল্ড বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাজ্য
মানুষের বাসায় প্রাইভেট পড়িয়ে, কোচিংয়ে ক্লাস নিয়ে, বিক্রয়কর্মীর কাজ করে যুদ্ধ করতে হয় হলের গণরুমে একটি আসন, দুবেলা হলের তৈলাক্ত খাবার, ডাল ও পানির অভিনব মিশ্রণ, আজিজ সুপার বা নিউমার্কেটের ১৫০ টাকার একটি গেঞ্জি বা শার্ট, ১২০ টাকার স্যান্ডেল এবং পড়ালেখার খরচ জুগিয়ে পরিবারের জন্য কিছু পাঠানোর। সেই সাথে অসম সমাজ, ক্লাসের পড়াশুনা, পিতা-মাতার স্বপ্ন, ভালোবাসা পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা, শ্রেণিকক্ষে বা সহপাঠীদের সাথে পোশাক-পরিচ্ছদ ও জীবন-ধারনে খাপ খাওয়ানোর প্রতিবন্ধকতা সর্বোপরি সামাজিক বঞ্চনা তাদের কুরে কুরে খায়।
সবাই নিত্যদিনের এই বেঁচে থাকার লড়াইয়ে পেরে উঠে না, যেমন পেরে ওঠেনি আমাদের হোসেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হোসেন কিছুদিন আগেই আত্মহত্যা করেছে, যার মূল কারণ হলো আমাদের অসম সমাজের যাতাকল, নির্যাতন, অত্যাচার ও অবজ্ঞা। এভাবেই সংগ্রামী মানুষগুলো এক সময় নিজের ওপর বিশ্বাসটাও হারিয়ে ফেলে। কোনো কোনো সময় জীবন দিয়ে ধিক্কার জানাতে চায় আমাদের মতো তথাকথিত শিক্ষিত, সুশীল, শহুরে, স্মার্ট, উচ্চ বংশীয় ও পয়সাওয়ালা অমানুষদের। যদিও আত্মহত্যা কখনোই সমাধান নয়। আমাদের বেঁচে থেকে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। এই অন্ধ সমাজকে প্রতিনিয়ত চপেটাঘাত করতে হবে এবং উপড়ে ফেলতে হবে কলুষিত এই সমাজের শিকড়।
তাইতো বেঁচে থাকার এ জীবন সংগ্রামে তিন বেলা ভোগ করাটাই হয়ে ওঠে মুখ্য; সেখানে জীবন উপভোগ যেন এক আকাশ- কুসুম কল্পনা। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন শিক্ষাসফরে অংশগ্রহণ, সহপাঠীদের সাথে কোথাও ঘুরতে যাওয়া, প্রিয়ার ভালোবাসা কিংবা নিজের মানসিক প্রশান্তির জন্য কিছু চিন্তা যেন কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের পূর্ণিমার চাঁদের মত একখানা ঝলসানো রুটি। এভাবেই একদিন মরে যায় পিপাসু সেই মন, ভালোবাসাপূর্ণ সেই কোমল হৃদয় এবং আমরা ধীরে ধীরে হয়ে উঠি এক একটা দানব; যে দানব গিলে ফেলে মনুষ্যত্ব, বিবেকবোধ, মানবতা এমন কি পুরো জগৎটাকে।
বিভাগীয় শিক্ষক জামাল স্যারের সহযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে প্রথম সেমিস্টারে ৫০০টাকা চাঁদা দিয়ে কুমিল্লা বার্ডে একবার শিক্ষাসফরে যাওয়ার সুযোগ হয়েছিল। এরপর আর কখনোই সহপাঠীদের সাথে ঘুরতে যাওয়ার সৌভাগ্য হয়নি নয়নাভিরাম সাজেক ভ্যালি, নীলগিরি, মাধবকুণ্ডের ঝর্ণা কিংবা কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকতে। মনে পড়ে, বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ বর্ষে বিভাগ থেকে তিন দিনের জন্য কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সে সময় বন্ধুদের সাথে সমুদ্র বিলাস আমার জন্য বিলাসিতাই ছিল। আজ যুক্তরাজ্যে বিশ্বের প্রথম সারির ১০০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটিতে এরাসমাস স্কলার হিসেবে পড়ালেখা করছি। এখানে ছুটির দিনে সবাই প্রকৃতি ভ্রমণে বের হয়। প্রতি সপ্তাহে না পারলেও মাসে অন্তত দু-একদিন আমিও অংশগ্রহণ করার দুঃসাহস করি।
গত ১৮ ফেব্রুয়ারি সহপাঠীদের অনুরোধ ও উৎসাহে ওয়েলস-এর সর্বোচ্চ মাউন্টেন স্নোডেন চূড়ায় ওঠার মনস্থির করি। ৩৫৬০ ফুট উচূ এই মাউন্টেনের চূড়ায় পৌঁছাতে স্বাভাবিক আবহাওয়ায় ৪-৫ ঘন্টা সময় লাগে। উল্লেখ্য, প্রথম এভারেস্ট বিজয়ী স্যার এডমুন্ড হিলারি 'স্নোডেন' মাউন্টেনেই অনুশীলন করেছিলেন। যাহোক আমাদের ৫ জনের দল সকাল ১০টায় 'স্নোডেন' মাউন্টেনে ওঠা শুরু করে। সকল প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে ৩ ঘণ্টা ৪০ মিনিটে আমরা মাত্র তিনজন ২৯৫০ ফুট পর্যন্ত উঠতে পেরেছিলাম। প্রচুর তুষারপাত, মেঘ ও খারাপ আবহাওয়ার কারণে ১৭ ফেব্রুয়ারি ৮২০ ফুট উচ্চতা থেকে বরফে পিছলে পড়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। তাই চূড়ায় যেতে সতর্ক করে দেওয়া হচ্ছে। চূড়ায় যেতে না পারলেও প্রথমবারের মতো পর্বতারোহণের অসাধারণ রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা হয়েছে। মেঘের সাথে মিতালি, পাথর, তুষারপাত, বাতাস ও বৃষ্টির সাথে যুদ্ধ। এ যেন সত্যি সত্যি বেঁচে থাকার লড়াই, একটু বিচ্যুত হলেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়তে হবে। নামতে নামতে আমি ভাবছিলাম, কত সহজে এত উঁচুতে উঠে গেলাম! অথচ আজকের এই মাউন্টেন দেখতে আসার পেছনে কত সময় ও পরিশ্রম লেগেছে! এ পর্যন্ত কতগুলো পাহাড়-পর্বত পাড়ি দিয়ে বর্তমানে পৌঁছেছি। জীবনের সংগ্রামটা পর্বতে বেঁচে থাকার সংগ্রামের চেয়ে ঢের। তেমনিভাবে উপলব্ধি করলাম, পর্বতের চূড়ার চেয়ে জীবনের চূড়ায় পৌঁছানো অনেক কঠিন। এই উপলব্ধির জন্য ধন্যবাদ জানাই আমার বন্ধু হারিন, নন্দিতা, টেইলর ও প্যাট্রিসিয়াকে।
লেখক: এরাসমাস মুন্ডুস স্কলার, শেফিল্ড বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাজ্য
Saturday, February 10, 2018
নির্বাচন-উৎসব এবং সুস্থ-অসুস্থ রাজনীতি by সাইফুল ইসলাম

বারো
মাসে তেরো পার্বণের দেশে আরো একটি জমজমাট উৎসব সম্ভবত নির্বাচন।
ভগবানগোলা, চণ্ডিমণ্ডপ, পঞ্চায়েতের আমলেও এ দেশের মানুষ আড্ডায় মশগুল হয়ে
গ্রামের বিচার-শালিস বা শাসন করতো। সম্ভবত তারই ধারাবাহিকতায় এখনো নির্বাচন
এলেই তাদের মধ্যে জেগে ওঠে দেশ শাসনের আকাঙ্খা। তাই মেতে ওঠে নির্বাচনী
উৎসবে।
তবে, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচন-উৎসব জমেনি। কারণ দেশের প্রধান দুই দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি ছিল দুই মেরুতে। একপক্ষ সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে নির্বাচন করবে বলে ঘোষনা দিল। অন্য পক্ষ সেই নির্বাচন ঠেকাবে বলে মাঠে নামল। ফলে ভণ্ডুল হয়ে গেল জনগণের নির্বাচন-উৎসব। তারপরেও নির্বাচনের নাম শুনলেই ‘ঢাক গুড় গুড়’ তালে পা নাচায় এদেশের মানুষ। যেমন তালে তালে পা নাচিয়ে চলেছে বর্তমানে।
জনসমর্থন বিএনপির খারাপ নয়, কিন্তু মাঠে নেই দলটির নেতারা। জনগণ তাদেরই ভোট দেবে- এমন আশা করে যেন 'গাছে কাঠাল গোফে তেল' দিয়ে ঘুমুচ্ছে তারা। ভাব দেখে মনে হয়না যে, যথা সময়ে তারা উঠে দাঁড়াতে পারবে।
এদিকে, সরকারি দল আওয়ামী লীগ তার নেতা নির্বাচনের কৌশল হিসেবে ‘অভূতপূর্ব’ এক নির্বাচনের আয়োজন করে চলেছে সারাদেশে। এ কৌশলে তারা ওয়ার্ড কমিটি, ইউনিয়ন/পৌর কমিটি, এমনকী থানা কমিটি, জেলা কমিটির নেতা নির্বাচন করে চলেছে। এই নির্বাচনের ডামাডোলে নির্বাচনী একটা পরিবেশ তৈরি হচ্ছে সারা দেশে।
আওয়ামী লীগের পারিবারিক ও রাজনৈতিক সমর্থকদের নিয়েই করা হচ্ছে ওই ভোটের ভোটার তালিকা। তবে, এর মধ্যে ঢুকে পড়ছেন অন্যরাও। যেমন, সিরাজগঞ্জের জাসদ নেতা সোহরাব হোসেন খোকার নাম উঠে গিয়েছিল কামারখন্দ থানা আওয়ামী লীগের ভোটার তালিকায়। কারণ, ১৪ দলের নেতা হিসেবে তিনি বেশ কিছুদিন ধরে ভোট দিয়ে আসছেন নৌকা মার্কায়। পরে অবশ্য বিভিন্ন জনের আপত্তিতে তার নাম বাদ দেওয়া হয়। কিন্তু যারা আপত্তি করছেন না বা চেষ্টা করছেন নিজেদের নাম আওয়ামী ভোটার তালিকায় তোলার; তারা সহজেই ওই তালিকায় উঠে পড়ছেন। বিএনপি, জামায়াতের লোকজন এভাবেই 'আওয়ামী লীগ' হয়ে পড়ছেন বলে অভিযোগ উঠছে। এ নিয়ে কখনো কখনো বিক্ষোভ, টুকটাক মারপিটের ঘটনাও ঘটছে।
আওয়ামী লীগের বিভিন্ন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে এ নির্বাচন হচ্ছে। পরে নির্বাচিত সভাপতি ও সম্পাদক কমিটির অন্য সম্পাদক ও সদস্যদের নির্বাচিত করবেন। ফলে আওয়ামী সংশ্লিষ্টরাও জড়িয়ে পড়ছেন নির্বাচনী তৎপরতায়। পোষ্টার, লিফলেট, ডিজিটাল সাইনে ছেয়ে যাচ্ছে এলাকা। দল বেধে বাড়ি বাড়ি গিয়ে চলছে ভোটের প্রচারণা। গুজব ছড়িয়ে পড়ছে ভোট কেনাবেচার। নির্দিষ্ট দিনে হচ্ছে ভোট। গণনা শেষে বিজয়ী প্রার্থীকে পরিয়ে দেওয়া হচ্ছে জয়ের মালা। আতশবাজী ফুটিয়ে উৎসব করা হচ্ছে। এ ভাবেই আওয়ামী লীগ নিজেরা নিজেরাই নির্বাচনী উৎসব করছে।
এদিকে অনেক প্রার্থী নেতা নির্বাচিত হতে খরচও করছেন দু’হাত খুলে। সিরাজগঞ্জের আওয়ামী লীগ কর্মী লিটন জানালেন, পৌর কমিটির একটি ওয়ার্ডের এক সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী খরচ করেছেন ৩৫ লাখ টাকা। তিনি হিসাব কষে দেখালেন কী ভাবে কোথায় কোথায় এ খরচ হয়েছে। এসব নির্বাচনী খরচ আসছে কোথা থেকে? এমন প্রশ্নের উত্তরে লিটন জানালেন, বড় বড় নেতারা কেউ কেউ এ খরচ দিচ্ছেন তাদের গ্রুপ শক্তিশালী করার জন্য। আবার অনেকে নিজেরাও খরচ করছেন নেতা হওয়ার জন্য। খরচ করে কী লাভ? লাভ আছে- জানালেন লিটন। তিনি বললেন, তাদের ধারণা, নেতা হতে পারলেই কাজের ভাগ, ভিজিএফ, বিভিন্ন রিলিফের স্লিপ তাদের মাধ্যমে বিতরণ হবে। এ থেকে ‘টু-পাইস’ কামাই হতে পারে। না হলেও খরচের টাকা তুলে নেওয়ার ব্যবস্থা করে নেবেন তারা।
না প্রকাশ করতে না চাওয়া বিএনপি ও ১৪ দলের (আওয়ামী লীগ নয়) দুই নেতা জানালেন, তারাও পরোক্ষভাবে জড়িয়ে পড়েছেন এসব নির্বাচনে। গোপনে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন আওয়ামী লীগের নেতা নির্বাচনের জন্য, যাতে আওয়ামী লীগের ওই নেতা তাদের কথা শোনে, অন্তত সামাজিকভাবে অসন্মান না করে।
এক আওয়ামী লীগ নেতা দাবি করলেন, এভাবেই আওয়ামী লীগ অন্য রাজনৈতিক দলকে নিজের মধ্যে হজম করে ফেলছে, সারাদেশে একক রাজনৈতিক সংগঠনে পরিণত হচ্ছে। কিন্তু আরেক নেতা এতে দ্বিমত পোষণ করে বললেন, এতে রাজনৈতিক দলটি আর রাজনৈতিক দল থাকছে না, হয়ে পড়ছে সামাজিক সংগঠন। চর্চা হচ্ছে যেন-তেন সুস্থ-অসুস্থ রাজনীতির।
আসলে দল বড় হলেই শক্তিশালী হয়- এটা ঠিক নয়। বড় দল যদি রাজনীতি চর্চা না করে, তবে সে দল মুখ থুবড়ে পড়তে বাধ্য।
লেখক: সাংবাদিক
তবে, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচন-উৎসব জমেনি। কারণ দেশের প্রধান দুই দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি ছিল দুই মেরুতে। একপক্ষ সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে নির্বাচন করবে বলে ঘোষনা দিল। অন্য পক্ষ সেই নির্বাচন ঠেকাবে বলে মাঠে নামল। ফলে ভণ্ডুল হয়ে গেল জনগণের নির্বাচন-উৎসব। তারপরেও নির্বাচনের নাম শুনলেই ‘ঢাক গুড় গুড়’ তালে পা নাচায় এদেশের মানুষ। যেমন তালে তালে পা নাচিয়ে চলেছে বর্তমানে।
জনসমর্থন বিএনপির খারাপ নয়, কিন্তু মাঠে নেই দলটির নেতারা। জনগণ তাদেরই ভোট দেবে- এমন আশা করে যেন 'গাছে কাঠাল গোফে তেল' দিয়ে ঘুমুচ্ছে তারা। ভাব দেখে মনে হয়না যে, যথা সময়ে তারা উঠে দাঁড়াতে পারবে।
এদিকে, সরকারি দল আওয়ামী লীগ তার নেতা নির্বাচনের কৌশল হিসেবে ‘অভূতপূর্ব’ এক নির্বাচনের আয়োজন করে চলেছে সারাদেশে। এ কৌশলে তারা ওয়ার্ড কমিটি, ইউনিয়ন/পৌর কমিটি, এমনকী থানা কমিটি, জেলা কমিটির নেতা নির্বাচন করে চলেছে। এই নির্বাচনের ডামাডোলে নির্বাচনী একটা পরিবেশ তৈরি হচ্ছে সারা দেশে।
আওয়ামী লীগের পারিবারিক ও রাজনৈতিক সমর্থকদের নিয়েই করা হচ্ছে ওই ভোটের ভোটার তালিকা। তবে, এর মধ্যে ঢুকে পড়ছেন অন্যরাও। যেমন, সিরাজগঞ্জের জাসদ নেতা সোহরাব হোসেন খোকার নাম উঠে গিয়েছিল কামারখন্দ থানা আওয়ামী লীগের ভোটার তালিকায়। কারণ, ১৪ দলের নেতা হিসেবে তিনি বেশ কিছুদিন ধরে ভোট দিয়ে আসছেন নৌকা মার্কায়। পরে অবশ্য বিভিন্ন জনের আপত্তিতে তার নাম বাদ দেওয়া হয়। কিন্তু যারা আপত্তি করছেন না বা চেষ্টা করছেন নিজেদের নাম আওয়ামী ভোটার তালিকায় তোলার; তারা সহজেই ওই তালিকায় উঠে পড়ছেন। বিএনপি, জামায়াতের লোকজন এভাবেই 'আওয়ামী লীগ' হয়ে পড়ছেন বলে অভিযোগ উঠছে। এ নিয়ে কখনো কখনো বিক্ষোভ, টুকটাক মারপিটের ঘটনাও ঘটছে।
আওয়ামী লীগের বিভিন্ন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে এ নির্বাচন হচ্ছে। পরে নির্বাচিত সভাপতি ও সম্পাদক কমিটির অন্য সম্পাদক ও সদস্যদের নির্বাচিত করবেন। ফলে আওয়ামী সংশ্লিষ্টরাও জড়িয়ে পড়ছেন নির্বাচনী তৎপরতায়। পোষ্টার, লিফলেট, ডিজিটাল সাইনে ছেয়ে যাচ্ছে এলাকা। দল বেধে বাড়ি বাড়ি গিয়ে চলছে ভোটের প্রচারণা। গুজব ছড়িয়ে পড়ছে ভোট কেনাবেচার। নির্দিষ্ট দিনে হচ্ছে ভোট। গণনা শেষে বিজয়ী প্রার্থীকে পরিয়ে দেওয়া হচ্ছে জয়ের মালা। আতশবাজী ফুটিয়ে উৎসব করা হচ্ছে। এ ভাবেই আওয়ামী লীগ নিজেরা নিজেরাই নির্বাচনী উৎসব করছে।
এদিকে অনেক প্রার্থী নেতা নির্বাচিত হতে খরচও করছেন দু’হাত খুলে। সিরাজগঞ্জের আওয়ামী লীগ কর্মী লিটন জানালেন, পৌর কমিটির একটি ওয়ার্ডের এক সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী খরচ করেছেন ৩৫ লাখ টাকা। তিনি হিসাব কষে দেখালেন কী ভাবে কোথায় কোথায় এ খরচ হয়েছে। এসব নির্বাচনী খরচ আসছে কোথা থেকে? এমন প্রশ্নের উত্তরে লিটন জানালেন, বড় বড় নেতারা কেউ কেউ এ খরচ দিচ্ছেন তাদের গ্রুপ শক্তিশালী করার জন্য। আবার অনেকে নিজেরাও খরচ করছেন নেতা হওয়ার জন্য। খরচ করে কী লাভ? লাভ আছে- জানালেন লিটন। তিনি বললেন, তাদের ধারণা, নেতা হতে পারলেই কাজের ভাগ, ভিজিএফ, বিভিন্ন রিলিফের স্লিপ তাদের মাধ্যমে বিতরণ হবে। এ থেকে ‘টু-পাইস’ কামাই হতে পারে। না হলেও খরচের টাকা তুলে নেওয়ার ব্যবস্থা করে নেবেন তারা।
না প্রকাশ করতে না চাওয়া বিএনপি ও ১৪ দলের (আওয়ামী লীগ নয়) দুই নেতা জানালেন, তারাও পরোক্ষভাবে জড়িয়ে পড়েছেন এসব নির্বাচনে। গোপনে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন আওয়ামী লীগের নেতা নির্বাচনের জন্য, যাতে আওয়ামী লীগের ওই নেতা তাদের কথা শোনে, অন্তত সামাজিকভাবে অসন্মান না করে।
এক আওয়ামী লীগ নেতা দাবি করলেন, এভাবেই আওয়ামী লীগ অন্য রাজনৈতিক দলকে নিজের মধ্যে হজম করে ফেলছে, সারাদেশে একক রাজনৈতিক সংগঠনে পরিণত হচ্ছে। কিন্তু আরেক নেতা এতে দ্বিমত পোষণ করে বললেন, এতে রাজনৈতিক দলটি আর রাজনৈতিক দল থাকছে না, হয়ে পড়ছে সামাজিক সংগঠন। চর্চা হচ্ছে যেন-তেন সুস্থ-অসুস্থ রাজনীতির।
আসলে দল বড় হলেই শক্তিশালী হয়- এটা ঠিক নয়। বড় দল যদি রাজনীতি চর্চা না করে, তবে সে দল মুখ থুবড়ে পড়তে বাধ্য।
লেখক: সাংবাদিক
Thursday, June 27, 2013
বাজেট ২০১৩-১৪ ॥ প্রতিক্রিয়া ও সুপারিশ by ড. আবুল বারকাত ও ড. তৌফিক আহমদ চৌধুরী
(শেষাংশ)
রাজস্ব আয় বৃদ্ধি আর একটি উল্লেখযোগ্য চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকারের নেয়া চলমান সংস্কার পদক্ষেপসমূহ সময়-নির্দিষ্ট হওয়া বাঞ্ছনীয়। বাজেট ঘাটতি অর্থায়নে সরকারকে অবশ্যই বেগ পেতে হবে।
রাজস্ব আয় বৃদ্ধি আর একটি উল্লেখযোগ্য চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকারের নেয়া চলমান সংস্কার পদক্ষেপসমূহ সময়-নির্দিষ্ট হওয়া বাঞ্ছনীয়। বাজেট ঘাটতি অর্থায়নে সরকারকে অবশ্যই বেগ পেতে হবে।
বাজেট ২০১৩-১৪ ॥ প্রতিক্রিয়া ও সুপারিশ by ড. আবুল বারকাত ও ড. তৌফিক আহমদ চৌধুরী
(শেষাংশ)
রাজস্ব আয় বৃদ্ধি আর একটি উল্লেখযোগ্য চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকারের নেয়া চলমান সংস্কার পদক্ষেপসমূহ সময়-নির্দিষ্ট হওয়া বাঞ্ছনীয়। বাজেট ঘাটতি অর্থায়নে সরকারকে অবশ্যই বেগ পেতে হবে।
রাজস্ব আয় বৃদ্ধি আর একটি উল্লেখযোগ্য চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকারের নেয়া চলমান সংস্কার পদক্ষেপসমূহ সময়-নির্দিষ্ট হওয়া বাঞ্ছনীয়। বাজেট ঘাটতি অর্থায়নে সরকারকে অবশ্যই বেগ পেতে হবে।
বাজেট ২০১৩-১৪ ॥ প্রতিক্রিয়া ও সুপারিশ by ড. আবুল বারকাত ও ড. তৌফিক আহমদ চৌধুরী
(শেষাংশ)
রাজস্ব আয় বৃদ্ধি আর একটি উল্লেখযোগ্য চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকারের নেয়া চলমান সংস্কার পদক্ষেপসমূহ সময়-নির্দিষ্ট হওয়া বাঞ্ছনীয়। বাজেট ঘাটতি অর্থায়নে সরকারকে অবশ্যই বেগ পেতে হবে।
রাজস্ব আয় বৃদ্ধি আর একটি উল্লেখযোগ্য চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকারের নেয়া চলমান সংস্কার পদক্ষেপসমূহ সময়-নির্দিষ্ট হওয়া বাঞ্ছনীয়। বাজেট ঘাটতি অর্থায়নে সরকারকে অবশ্যই বেগ পেতে হবে।
বাজেট ২০১৩-১৪ ॥ প্রতিক্রিয়া ও সুপারিশ by ড. আবুল বারকাত ও ড. তৌফিক আহমদ চৌধুরী
(শেষাংশ)
রাজস্ব আয় বৃদ্ধি আর একটি উল্লেখযোগ্য চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকারের নেয়া চলমান সংস্কার পদক্ষেপসমূহ সময়-নির্দিষ্ট হওয়া বাঞ্ছনীয়। বাজেট ঘাটতি অর্থায়নে সরকারকে অবশ্যই বেগ পেতে হবে।
রাজস্ব আয় বৃদ্ধি আর একটি উল্লেখযোগ্য চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকারের নেয়া চলমান সংস্কার পদক্ষেপসমূহ সময়-নির্দিষ্ট হওয়া বাঞ্ছনীয়। বাজেট ঘাটতি অর্থায়নে সরকারকে অবশ্যই বেগ পেতে হবে।
জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে দুই সরকারের দুই ভিন্ন অবস্থান by মমতাজ পাটোয়ারী
আমাদের জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে আওয়ামী
লীগ এবং বিএনপির দলীয় অবস্থান মোটেও এক রকম নয়, দুই দলের সরকারের ভূমিকা
কখনও এক রকম ছিল না বা নেই। নিকট অতীতের আয়নায় তাকিয়ে এই পার্থক্যের ছবিটা
ভাল করে দেখে নিতে পারি।
জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে দুই সরকারের দুই ভিন্ন অবস্থান by মমতাজ পাটোয়ারী
আমাদের জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে আওয়ামী
লীগ এবং বিএনপির দলীয় অবস্থান মোটেও এক রকম নয়, দুই দলের সরকারের ভূমিকা
কখনও এক রকম ছিল না বা নেই। নিকট অতীতের আয়নায় তাকিয়ে এই পার্থক্যের ছবিটা
ভাল করে দেখে নিতে পারি।
Saturday, June 22, 2013
বাজেট ২০১৩-১৪ ॥ প্রতিক্রিয়া ও সুপারিশ by ড. আবুল বারকাত ও ড. তৌফিক আহমদ চৌধুরী
(গতকালের পর)
৪২. ভূগর্ভস্থ পানির আর্সেনিক দূষণ একটি নীরব ঘাতক এবং বড় স্বাস্থ্য বিপর্যয়মূলক ইস্যু। কিন্তু সে তুলনায় আর্সেনিকমুক্ত সুপেয় পানি সরবরাহের কর্মসূচি যথেষ্ট গুরুত্ব পায়নি।
৪২. ভূগর্ভস্থ পানির আর্সেনিক দূষণ একটি নীরব ঘাতক এবং বড় স্বাস্থ্য বিপর্যয়মূলক ইস্যু। কিন্তু সে তুলনায় আর্সেনিকমুক্ত সুপেয় পানি সরবরাহের কর্মসূচি যথেষ্ট গুরুত্ব পায়নি।
জাতীয় সংসদের বাজেট বৃক্ততা ॥ অশালীন বক্তব্য প্রসঙ্গে by ড. মোঃ ফরহাদ হোসেন
গত ১৩ জুন ২০১৩ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে
বাজেট বিষয়ের ওপর আলোচনা করতে গিয়ে বিরোধীদলীয় সাংসদ সৈয়দা আসিফা আশরাফী
কয়েকটি বিষয়ের ওপর আলোকপাত করেছেন, যার অনেক কিছুই জাতি পূর্ব থেকে অবহিত
নয়।
একটি ‘ওয়েক-আপ কল’ by মুহম্মদ শফিকুর রহমান
ক’দিন আগে এলাকায় গিয়ে শুনলাম বিএনপিদলীয়
স্থানীয় এমপি হারুনুর রশীদ সংসদে বলেছেন, তিনি এলাকায় যেতে পারেন না। তাঁর
অভিযোগের তীরটি আওয়ামী লীগের দিকে।
একটি ‘ওয়েক-আপ কল’ by মুহম্মদ শফিকুর রহমান
ক’দিন আগে এলাকায় গিয়ে শুনলাম বিএনপিদলীয়
স্থানীয় এমপি হারুনুর রশীদ সংসদে বলেছেন, তিনি এলাকায় যেতে পারেন না। তাঁর
অভিযোগের তীরটি আওয়ামী লীগের দিকে।
একটি ‘ওয়েক-আপ কল’ by মুহম্মদ শফিকুর রহমান
ক’দিন আগে এলাকায় গিয়ে শুনলাম বিএনপিদলীয়
স্থানীয় এমপি হারুনুর রশীদ সংসদে বলেছেন, তিনি এলাকায় যেতে পারেন না। তাঁর
অভিযোগের তীরটি আওয়ামী লীগের দিকে।
Monday, February 11, 2013
যুদ্ধশিশুদের পাশ্চাত্যের অনেক পরিবার দত্তক নিয়েছিল by মুনতাসীর মামুন
একা সেই সময় তিনি যে কাজ করেছেন তা তুলনাহীন। বাংলাদেশের মানুষ এখনো তাঁকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। বাংলাদেশের বিজয়ের পরই গণহারে ধর্ষণের বিষয়টি একটি প্রধান সমস্যা হয়ে দেখা দেয়।
প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা ও ভাষা আন্দোলন by সরদার সিরাজুল ইসলাম
(খ) বাংলা ভাষাকে হত্যা করার একটি চক্রান্ত হিসেবে বাংলার আরবি অক্ষর প্রচলনের জন্য সরকারের নিন্দা।
(গ) বাংলাকে সংখ্যাগুরু জনসাধারণের ভাষা হিসেবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা
এবং পশ্চিম পাকিস্তানের জনগণ চাইলে উর্দুকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা।
একজন কসাই কাদের ও বাংলার বিদ্রোহ by আবদুল মান্নান
১৯৬৮ সালে যখন পাকিস্তানের লৌহমানব
জেনারেল আইয়ুব খান তার দেশ শাসনের দশ বছর পূর্তির যোগার যন্তর শুরু করে তখন
রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিব ও অন্যদের বিরুদ্ধে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা চলছিল।
মুক্তিযুদ্ধের ঊষালগ্নের উত্তাল দিনগুলো by মোহাম্মদ আফজাল হোসেন খোকা
৭ মার্চ বহুল প্রচারিত "দৈনিক জনকণ্ঠ"
পত্রিকায় প্রথম পৃষ্ঠার কলাম -৫ এ প্রকাশিত "৭ মার্চের ভাষণ পাকিস্তানী এক
মেজরের দৃষ্টিতে" সংবাদ প্রতিবেদনটি পাঠ করে আবেগে আপ্লুত হয়েছি।
স্বাধীনতার ঘোষক তত্ত্ব by মেজবাহউদ্দিন জওহের
নিয়াজির প্রেস সেক্রেটারি সিদ্দিক সালিক
তার উইটনেস টু সারেন্ডার গ্রন্থে লিখেছেন_ ২৫ মার্চ রাতে ঢাকায় যখন
পাকিস্তানী বাহিনীর 'প্রথম গুলিটি বর্ষিত হলো,
স্মরণ শহীদ প্রকৌশলী by নজরুল ইসলাম, আবদুল কাদের ফকির
তখন ১৯৪৭ সাল। আমি ম্যাট্রিক পরীক্ষার্থী।
জানুয়ারি মাসের দিকে শেখ মুজিবুর রহমান আসেন মাদারীপুর। মুসলমান ছাত্রদের
ভবিষ্যত রাজনীতি কর্মপন্থা নিয়া আলোচনা করলেন।
Subscribe to:
Posts (Atom)
BNM Special
BNM Archive
BNM Archive
- ▼ 2026 (2388)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (129)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
বিনোদন
শেষের পাতা
ক্রিকেট খেলা
মধ্যপ্রাচ্য
যুক্তরাষ্ট্র
দেশে দেশে
নির্বাচন
স্পেশাল প্রতিবেদন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আমার দেশ
আইন আদালত ও বিচার
ইসরায়েল
ফুটবল খেলা
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
ফিলিস্তিন
Lead
রাজধানী
আন্দোলন
অপরাধ
এক্সক্লুসিভ
ইরান
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
সাহিত্য
কালবেলা
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
চট্টগ্রাম
বিশাল বাংলা
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
হত্যা
নতুন বার্তা
ধর্ম
মুসলিম
যুক্তরাজ্য
স্মরণ
গল্প
রাশিয়া
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
জাতিসংঘ
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
সাক্ষাৎকার
মুক্তিযুদ্ধ
ইউরোপ
সৌদি আরব
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ইতিহাস
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
জামায়াতে ইসলামী
সোহরাব হাসান
অমানবিক
পশ্চিমবঙ্গ
আলোকিত চট্টগ্রাম
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
জাতীয় সংসদ
নারী ধর্ষণ
আনন্দ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
আফ্রিকা
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
মাদক
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
সংখ্যালঘু
যৌন আবেদনময়ী
তুরস্ক
প্রবাস
ছুটির দিনে
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
সৈয়দ আবুল মকসুদ
নকশা
আফগানিস্তান
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
বইপত্র
অন্য আলো
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
ছবি
প্রতারণা
ইউক্রেন
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
তরুণ প্রজন্ম
ব্যবসা বাণিজ্য
দুর্ঘটনা
অপহরণ
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
স্বাস্থ্য
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
Exclusive
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
হিন্দু
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
ইয়েমেন
রুদ্র মিজান
খুলনা
মানবকণ্ঠ
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
নেপাল
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
জ্যোতির্বিজ্ঞান
সড়ক দুর্ঘটনা
আলী রীয়াজ
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
রংপুর
শিল্প ও সাহিত্য
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
কক্সবাজার
এ এম এম শওকত আলী
ঢাকা
বন্ধুসভা
মিয়ানমার
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
ফ্রান্স
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
গবেষণা
মিসর
জীবনযাপন
বাংলাদেশ
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
শোক
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
শুভ্র দেব
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
কিশোরগঞ্জ
লেবানন
আবদুল মান্নান
কুমিল্লা
জাপান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
শিল্প
মুক্তমত
মাহমুদুর রহমান
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
পার্বত্য চট্টগ্রাম
ময়মনসিংহ
সংবাদ২৪.নেট
সীমান্ত সন্ত্রাস
ইরাক
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
যশোর
HotTopic
চিকিৎসা
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
তথ্য প্রযুক্তি
কলকাতা
মেহেদী হাসান
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
বরগুনা
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
আনু মুহাম্মদ
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
কুলদীপ নায়ার
ব্রাজিল
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
মারুফ কিবরিয়া
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মসজিদ
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
বরিশাল
আতাউর রহমান
আসাম
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
রোকনুজ্জামান পিয়াস
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
ফেনী
রণজিৎ বিশ্বাস
অরুণ কর্মকার
উত্তর কোরিয়া
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
জলবায়ু ও পরিবেশ
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
কালি ও কলম
তুহিন ওয়াদুদ
ইন্দোনেশিয়া
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
অপরাজিতা
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
রাজীব আহমেদ
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
জনস্বাস্থ্য
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
নিবন্ধ
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
কুষ্টিয়া
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
জাতীয় নাগরিক পার্টি
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
উচ্চশিক্ষা
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
চারু শিল্প
দিল্লি
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
কাতার
বিজ্ঞান
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
প্রযুক্তি
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
আদিবাসী
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
কালের খেয়া
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
কানাডা
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
ঝড় ও দুর্যোগ
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
শিশির মোড়ল
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আরব আমিরাত বা দুবাই
আলম শাইন
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
হুমায়ূন আহমেদ
আবুল হাসনাত
আল আমিন
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
লাতিন আমেরিকা
হারুন হাবীব
অমিত বসু
ওমর ফারুক
জার্মানি
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
সুদান
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
কাজী হাফিজ
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
ব্যবসা
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
আবু সালেহ আকন
ইসলাম
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
দক্ষিণ কোরিয়া
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
লিবিয়া
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
আসজাদুল কিবরিয়া
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
উইঘুর মুসলিম
এম শাহজাহান
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
জোহরান মামদানি
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মহাকাশচারী
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
Hot Topic
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
Fantastic
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
ইতালি
নিয়ন আলোয়
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
গ্রিনল্যান্ড
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
ইহুদি
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
কিশোর আলো
ডিডাব্লিউ
নরসিংদী
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
জলবায়ু পরিবর্তন
ঝালকাঠি
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
যৌন অপরাধ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
WikiInterview
আকবর হোসেন
ইসলামী ছাত্রশিবির
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
চুয়াডাঙ্গা
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
গণমাধ্যম
ধর্মঘট
স্পেন
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
খ্রিষ্টধর্ম
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
গদ্যকার্টুন
পিরোজপুর
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
জন্মদিন
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
তিউনিসিয়া
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
প্রবাসী শ্রমিক
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
শিশুমৃত্যু
সুশাসনের জন্য নাগরিক
সোমালিয়া
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কলম্বিয়া
কুতুবদিয়া নিউজ
কুয়েত
চট্টগ্রাম বন্দর
চিঠিপত্র
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দুর্যোগ
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
বেলজিয়াম
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মরক্কো
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
হংকং
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
ওমান
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
চুক্তি
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বন্য প্রাণী
বিশ্বকাপ ফুটবল
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সমাজ
সামাজ
সুজন সুপান্থ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
জঙ্গি
জর্দান
জাদুঘর
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
নরওয়ে
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শেরপুর
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সিঙ্গাপুর
সুইডেন
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
অ্যান্টার্কটিকা
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পানিসম্পদ
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
রাজবাড়ী
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অমানবিকতা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পুলিশ
পেরু
পোল্যান্ড
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আব্বাস আরাগচি
আলজেরিয়া
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইলহান ওমর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রিস
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাত্রদল
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নীহারুল ইসলাম
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বাহরাইন
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলগেরিয়া
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রকিব হাসান
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট