Sunday, January 13, 2013

উইন্ডোজ লাইভ মেসেঞ্জার’ ব্যবহারের শেষ সময় ১৫ মার্চ!

ইনস্ট্যান্ট মেসেজ চ্যাট টুল ‘উইন্ডোজ লাইভ মেসেঞ্জার’-এর বিদায়ের তারিখ ঘোষণা করেছে বিশ্বের বৃহত্তম সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট। মাইক্রোসফট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২০১৩ সালের ১৫ মার্চ থেকে উইন্ডোজ লাইভ মেসেঞ্জার ব্যবহার বন্ধ করে দেওয়া হবে।

মুক্ত ইন্টারনেট আন্দোলনকর্মী সোয়ার্জের মৃত্যু (ভিডিও)

মাত্র ২৬ বছর বয়সে মারা গেলেন মুক্ত ইন্টারনেটের পক্ষে আন্দোলনকারী, রেডিট ওয়েবসাইটটির ডেভেলপার অ্যারন সোয়ার্জ। নিউ ইয়র্কের নিজের বাড়িতে তিনি গলায় ফাঁস নেন। শুক্রবার তাঁর মৃতদেহ পাওয়া যায়।

কদর বাড়ছে সস্তা স্মার্টফোনের

ক্রেতাদের কাছে সস্তা দামের স্মার্টফোনের কদর ক্রমেই বাড়ছে। আগামী তিন বছর স্মার্টফোনের কদর আরও বাড়বে বলেই এক খবরে জানিয়েছে বিবিসি।
২০১৬ সাল নাগাদ বিশ্ব বাজারের ৩১ শতাংশই থাকবে সস্তা স্মার্টফোনের দখলে।

ফেসবুকে জাকারবার্গকে বার্তা পাঠালে ১০০ ডলার!

চিঠি পাঠালে অর্থ খরচ হয়, কিন্তু ফেসবুকে বার্তা পাঠাতে? ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গকে কোনো বার্তা পাঠাতে চান? বার্তা পাঠানোর জন্য আপনার কাছ থেকে ফেসবুক কাটবে ১০০ মার্কিন ডলার।

খুনের বিচার দেখতে আদালতে কেটি হোমস!

বিচার চলছে আদালতে, দর্শকসারিতে হলিউডের অভিনেত্রী কেটি হোমস! চলচ্চিত্রের কোনো দৃশ্য নয়, বাস্তবেই এমনটি ঘটেছে। সম্প্রতি সবাইকে চমকে দিয়ে নিউ ইয়র্কের আদালতে হাজির হন কেটি হোমস।

পাকা রাঁধুনি কারিনা!

নজর-কাড়া সৌন্দর্য, সুনিপুণ অভিনয় দক্ষতা আর নিবেদিতপ্রাণ প্রেমিকা হিসেবে কারিনা কাপুর খানের সুখ্যাতি আছে। কিন্তু তিনি যে চমত্কার রাঁধতেও পারেন—এ তথ্যটা খুব কম মানুষই জানতেন। সম্প্রতি কারিনার সেই অপ্রকাশিত গুণের খবর জানিয়েছে জিনিউজব্যুরো।

নানা’র জন্য অমিতাভের অবাক করা উপহার!

নানা পাটেকরের অভিনয়ে মুগ্ধ বিস্ময়কর এক উপহার পাঠিয়েছেন তাঁকে। অমিতাভের পাঠানো এ বিস্ময়কর উপহার হচ্ছে-‘একটি বিশালাকৃতির ফুলের তোড়া’।

বিগ বস ৬ এর চ্যাম্পিয়ন উর্বশী ঢোলাকিয়া

বিগ বস ৬-এর চ্যাম্পিয়ন হলেন উর্বশী ঢোলাকিয়া। কালারস চ্যানেলে ১৯ জন প্রতিযোগীকে হারিয়ে এ খেতাব জিতলেন উর্বশী। খেতাব জেতায় ৫০ লাখ টাকা, গাড়ি, আর সুদৃশ্য ট্রফি পেয়েছেন ভারতীয় টেলিভিশন চ্যানেলের এ তারকা অভিনেত্রী।

দর্শক যতদিন চাইবেন ততদিনই অভিনয়: by শাহরুখ খান

দর্শকরা যতদিন চাইবেন ঠিক ততদিনই অভিনয়ে থাকবেন শাহরুখ খান। এখনো ভিন্ন ঘরানার চলচ্চিত্রে অভিনয় করার স্বপ্নে বিভোর বলিউডের এ অভিনেতা।

তাঁরা এখন পাঠ্যবইয়ে

শৈশব থেকে বৃক্ষ রোপণ করে চলেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের কার্তিক পরামানিক। শত বাধাবিপত্তি, প্রতিকূলতা পেরিয়ে এসএসসিতে জিপিএ-৫ পান চট্টগ্রামের দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী তৌফাতুর রাব্বী ও রাজশাহীর রোজিনা খাতুন।

চার রাষ্ট্রীয় ব্যাংকে খেলাপি ঋণ বেড়েছে অস্বাভাবিকভাবে

রাষ্ট্রমালিকানাধীন চার ব্যাংকের খেলাপি ঋণ অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। ২০১২ সালের নয় মাসে খেলাপি ঋণ বৃদ্ধির পরিমাণ সাত হাজার কোটি টাকারও বেশি। ১২ মাসের হিসাবে তা প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা হতে পারে বলে ব্যাংকগুলোর সূত্র বলছে।

প্রথম পর্বের আখেরি মোনাজাত আজ

জিকির-আজকার করে আর বয়ান শুনে বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় দিন কাটিয়েছেন লাখো মুসল্লি। আজ রোববার জোহরের নামাজের আগে আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ইজতেমার প্রথম পর্ব শেষ হবে।

আমার পুলাডি আর নাই আর নাই’

‘আমার পুলাডি আর নাই, আর নাই। আল্লাহ আমার একটা পুলারে দিয়া গেলে কী ক্ষতি হইত।’  দুই ছেলেকে হারিয়ে এভাবেই বিলাপ করছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের কাইতলা গ্রামের সাজেদা বেগম। দুই ছেলের ছবি বুকে নিয়ে বারবার মূর্ছা যাচ্ছিলেন।

বাহরাইনে আগুনে পুড়ে ১১ বাংলাদেশির মৃত্যু

বাহরাইনের রাজধানী মানামায় আগুনে দগ্ধ হয়ে ১৩ জন প্রবাসী কর্মী মারা গেছেন। এঁদের মধ্যে ১১ জনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। তাঁরা সবাই বাংলাদেশি। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

কোচদের সঙ্গে নাটকীয় চুক্তি

সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়েছিল বেলা ২টায়। সেটি শুরু হলো ঠিক দুই ঘণ্টা ১৫ মিনিট পর। মাঝে খবর রটে, দুই পক্ষের আলোচনা ভেঙে গেছে। চুক্তি হচ্ছে না।

অখুশি হোয়াটমোর!

দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে ঘোষিত পাকিস্তান ক্রিকেট দল নিয়ে নাকি মোটেও খুশি নন ডেভ হোয়াটমোর। দল নির্বাচনে তাঁর মতামত অগ্রাহ্য করার কারণে নির্বাচনী সভার মাঝপথেই নাকি সভাস্থল ত্যাগ করেছিলেন পাকিস্তান ক্রিকেট দলের এই অস্ট্রেলীয় কোচ।

ভারত-বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা পিএসএলে?

পাকিস্তানের ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি প্রতিযোগিতা পাকিস্তান সুপার লিগ-পিএসএলে খেলতে চান ভারতীয় ক্রিকেটাররা। মোট চারজন ভারতীয় ক্রিকেটার নাকি আইপিএল, বিপিএলের আদলে অনুষ্ঠেয় এই প্রতিযোগিতায় খেলার জন্য ইতিমধ্যেই পিসিবি বরাবর আবেদনপত্র পাঠিয়েছেন।

কোনো অভিযোগ নেই মরিনহোর

লা লিগায় চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনার চেয়ে রিয়াল মাদ্রিদের পয়েন্টের ব্যবধান এখন ১৮। মহাপ্রলয় ধরনের কিছু না ঘটে গেলে স্প্যানিশ লিগে লস ব্ল্যাঙ্কোসদের কোনো সম্ভাবনাই এখন আর অবশিষ্ট নেই।

জয় পেল শ্রীলঙ্কা

অবশেষে জয়ের মুখ দেখেছে শ্রীলঙ্কা। টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশ ও ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে হারের পর দ্বিতীয় ম্যাচে কোণঠাসা হওয়া সিংহের মতো ঘুরে দাঁড়িয়েছে লঙ্কানরা।

হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট

প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে নিজেকে একটু ভাল প্রমাণ করতে প্রয়োজন কিছু বাড়তি যোগ্যতা। এর জন্য একাডেমিক শিক্ষাই যথেষ্ট নয়। শুধুমাত্র গ্র্যাজুয়েশন থাকলেই যেকোন ভাল চাকরি পাওয়াটা অনেকটাই কষ্টকর।

ক্যাম্পাস সংবাদ- ক্যামব্রিয়ান স্কুল এ্যান্ড কলেজে নবীনবরণ

বিএসবি ফাউন্ডেশন পরিচালিত ক্যামব্রিয়ান স্কুল এ্যান্ড কলেজের উদ্যোগে ১১ জানুয়ারি ২০১৩ শুক্রবার বিকালে শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়াম মিরপুরে অনুষ্ঠিত হলো ২০১২ সালের পিএসসি, জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও বিএসবি ফাউন্ডেশন পরিচালিত প্রতিষ্ঠানসমূহে প্লে থেকে ৯ম শ্রেণী পর্যন্ত নবাগত শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠান।

নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং- কেন এই পথ চলা

সারাবিশ্বে প্রতিনিয়ত কমছে প্রাকৃতিক জ্বালানির পরিমাণ। তাই প্রয়োজন বিকল্প জ্বালানি। এক্ষেত্রে নিউক্লিয়ার বা পারমাণবিক জ্বালানির দিকে ঝুঁকছে সবাই। বাংলাদেশও সম্প্রতি পারমাণবিক জ্বালানি উৎপাদনে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

কুয়াশায় ক্যাম্পাস

পৌষ পার্বণে পিঠা খেতে বসে/খুশীতে বিষম খেয়ে আরো উল্লাস বাড়িয়েছে মনে /মায়ের বকুনী খেয়ে।’ পৌষের হিমেল হাওয়ায় পিঠা খাওয়ার ঐতিহ্য বাঙালীর পুরনো।

বিশ্ব অর্থনীতি ২০১৩

প্রত্যাশা আর আশঙ্কার মধ্য দিয়ে হাজির ২০১৩। অনেকেই এই বছরকে দুর্ভাগ্যের বছর হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। আনলাকি থার্টিনের ধারণা থেকে। ২০১৩ সাল সমগ্র মানবজাতির জন্য কেমন যাবে তা জ্যোতিষবিদদের সাথে সাথে পেশাগত সকল বিশ্লেষকেরই ভাবনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

অর্থনীতি ও জীবনমান উন্নয়ন

বাংলাদেশের মানুষের জীবন মান ক্রমাগত উন্নতির দিকে যাচ্ছে। মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণে মানুষের সক্ষমতা দিন দিন বাড়ছে। সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা পূরণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিশ্বের অনেক উন্নয়নশীল দেশ থেকে এগিয়ে।

হুমকির মুখে ভারতের শিল্প খাত

দিন দিন ঝুঁকির মুখে পড়ে যাচ্ছে ভারতের শিল্প খাত। ভারতের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি শিল্প খাত। কিন্তু এই খাতে বিনিয়োগের পরিমাণ কমে যাচ্ছে যা শুধু এই শিল্প খাতকেই হুমকির মুখে ফেলছে না, বরং ভারতের সামগ্রিক অর্থনীতিকেই প্রভাবিত করছে।

অর্থনীতির সূচকের আলোকে বাংলাদেশ অধ্যাপক by ড. মেসবাহউদ্দিন আহমেদ

বিশ্বে অর্থনৈতিকভাবে প্রবৃদ্ধি অর্জনকারী দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ পঞ্চম স্থানে অবস্থান করছে। সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জনের তালিকায় চীন, ব্রাজিল, সিঙ্গাপুর ও তুরস্কের পরেই রয়েছে বাংলাদেশ। নিঃসন্দেহে এটি আমাদের জন্য একটি ভাল ও আশাপ্রদ সংবাদ।

আহরণ

সাবেক সেনাপ্রধানের মুক্তি লাভ তুরস্কের সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল ইসমাইল হাককি কারাদায়ি সম্প্রতি কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। নব্বইয়ের দশকে তুরস্কের ইসলামপন্থী সরকারকে উৎখাতের অভিযোগে তাঁর বিচারও স্থগিত হয়েছে

বিশ্ববিদ্যালয়ে সন্ত্রাসী হামলা

বৃহস্পতিবার সকালে রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসিবিরোধী আন্দোলনকারীদের ওপর বহিরাগতদের হামলায় ক্যাম্পাসে ব্যাপক বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। জানা গেছে, একটি ছাত্র সংগঠনের নামধারী বহিরাগত সন্ত্রাসীরা আন্দোলনকারীদের ‘দুর্নীতিবিরোধী মঞ্চ’, মাইক ও ব্যাটারি ভাংচুর করে এবং শিক্ষকদের লাঞ্ছিত করে।

আখেরি মোনাজাত

আজ আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে টঙ্গী বিশ্ব এজতেমার প্রথম পর্ব। আগামী শুক্রবার শুরু হবে বিশ্ব এজতেমার দ্বিতীয় পর্ব। টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে প্রতিবছর অনুষ্ঠিত বিশ্ব এজতেমায় মুসল্লির সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে।

সম্ভাবনার দেশ- মিলু শামস

ক্রিস্টিন-ক্রিস্টোফার দম্পতি ইতালি থেকে এসেছে বাংলাদেশ দেখতে। ঢাকা থেকে যাত্রা শুরু করে সিলেট-শ্রীমঙ্গল, পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে সুন্দরবনের পথে পাড়ি জমিয়েছে। আমাদের সঙ্গে দেখা বান্দরবানে।

একুশ শতক- আরও একটু মনোযোগ দরকার by মোস্তাফা জব্বার

বিতর্কিত যোগাযোগমন্ত্রী আবুল হোসেনের পদত্যাগের পর নতুন মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে মোস্তাফা মুহম্মদ ফারুক কয়েক মাস তো কাটিয়ে দিলেন। সরকারও চার বছর পার করে পাঁচ বছরে যাত্রা শুরু করেছে। সময় খুব বেশি নেই। একটি বাজেটের ছয় মাস যাচ্ছে।

অজনপ্রিয় রাজনীতিবিদরা জনগণের কাছে কি বার্তা দেন by নুরুন্নাহার শিরীন

এই দেশে একটি অপ্রিয়-অনাকাক্সিক্ষত সত্যচিত্র জনপ্রিয়তা নেই, এমন রাজনীতিবিদগণ সদাসর্বদা অযথাই অপরাজনীতির ধন্দে ফেলেন জনতাকে ! অহরহই তাঁরা প্রবীণ-নবীন-নবিসদের মাঝে বক্তৃতা-বিবৃতি-বচন দান করে বেড়ান।

জীবন কথন- রণজি বিশ্বাস

বিজয় দিবসে কী কী করলেন? : ভোর চারটায় ঘুম থেকে উঠেছি। আগেরদিন গভীর রাতে ঘুমুতে যাওয়ার পরও। সাভারে গেছি জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদদের শ্রদ্ধা জানাবার জন্য, নিজের ক্ষুদ্রতা, খর্বতা ও অক্ষমতা আবিষ্কার করার জন্য যুদ্ধাপরাধী ও তাদের পালকপোষক-সমর্থকদের জন্য ক্রোধের ভাটায় আরও কয়লা ঢালার জন্য, চিন্তাচেতনা থেকে ময়লা তাড়িয়ে শপথকে আরও শাণিত করার জন্য।

‘উৎখাত’ রোগাক্রান্ত দেশের সরকারী বিশ্ববিদ্যালয় by আবদুল মান্নান

রাতেই বিভিন্ন টিভি পর্দার নিউজ বারে সংবাদটি পড়েছিলাম। রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করে আসছেন।

জাবেদের জয়ের পাল্লা ভারি, প্রচারে নিষ্প্রাণ উজ্জ্বল- চট্টগ্রাম ১২ উপনির্বাচন by বিকাশ চৌধুরী

আনোয়ারা থেকে ফিরে ॥ চট্টগ্রাম-১২ আনোয়ারা উপনির্বাচনের (আংশিক পটিয়া) বাকি আর মাত্র ৪ দিন। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী সাবেক সাংসদ ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবুর ছেলে সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের জয়ের পাল্লা ভারি।

স্বামী বিবেকানন্দের সার্ধশত জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠান শুরু- সংস্কৃতি সংবাদ

বর্ণিল আয়োজনে বিশ্ব মানবিকতার প্রতীক স্বামী বিবেকানন্দের সার্ধশত জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বর্ষব্যাপী অনুষ্ঠানমালার শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয় জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তনে শনিবার সকালে।

ভৈরব বিদ্যুত কেন্দ্র বাস্তবায়ন এখন অনিশ্চিত- অর্থের সংস্থান করতে পারেনি কাজ পাওয়া কোম্পানি

সরকারের অনুমোদনের প্রায় এক বছর পরও ভৈরব ৫৪ দশমিক ৫ মেগাওয়াট আইপিপি বিদ্যুত কেন্দ্রের জন্য অর্থসংস্থান করতে পারেনি কাজ পাওয়া কোম্পানিটি।

কেমন আছেন চা শ্রমিকরা ১ ॥ আট ঘণ্টা খেটে মেলে ৪৫ থেকে ৫৫ টাকা, মানবেতর জীবন- সব মৌলিক নাগরিক সুবিধাবঞ্চিত ॥ নারী-পুরুষ মজুরি বৈষম্য

দিন যায় দিন আসে। সময়ের আবর্তে পাল্টায় অনেক কিছুই। শুধু পাল্টায় না দেশের চা শ্রমিকদের জীবনচিত্র। তাদের দিকে মুখ তুলে তাকান না ভাগ্যদেবী। মজুরি বৈষম্যসহ ছুটিহীন, অস্বাস্থ্যকর কর্মপরিবেশ ও নিরাপত্তাহীনতায় দিন পার করতে হয় বাগানের সাধারণ শ্রমিকদের।

মাওলানা ইউসুফের বিরুদ্ধে গণহত্যা, লুণ্ঠনের প্রমাণ মিলেছে- যুদ্ধাপরাধী বিচার

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে জামায়াত নেতা মাওলানা একেএম ইউসুফের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্ত সংস্থা চারদিন তদন্ত করে হত্যা, গণহত্যা, লুণ্ঠন, অগ্নিসংযোগ, ধর্মান্তরিত করার প্রমাণ পেয়েছে।

আমাকে ছুঁইয়ো না...হরেক নাম, বিশ্ব জুড়ে কৌতূহল- লাজুক লতা লজ্জাবতী

সবুজ ছোট্ট পাতাগুলো খুবই মজার। এতই লাজুক যে সামান্য ছুঁয়ে দিলেই বুজে যায়। ফের মেলে ওঠে। গোলাপীর মিশ্রণে বেগুনী রঙের ফুল ফুটলে মিটিমিটি করে তাকায়।

নীলফামারীতে বিয়ে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণ- ফরিদপুরে স্কুলছাত্রী ধর্ষিত

 নীলফামারীতে শুক্রবার রাতে বিয়েবাড়ি থেকে তুলে নিয়ে ১২ বছরের এক কিশোরীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করেছে দুই বখাটে। ওই কিশোরীকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রথমে নীলফামারী সদর হাসপাতাল ও পরে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর রাশিয়া সফর ॥ পারমাণবিক বিদ্যুত কেন্দ্র নির্মাণ ও প্রতিরক্ষা বিষয় প্রাধান্য পাবে

পারমাণবিক বিদ্যুত কেন্দ্র নির্মাণ, প্রতিরক্ষা, শিক্ষা, সংস্কৃতিসহ বিভিন্ন বিষয়ে দ্বিপাক্ষিক সহায়তার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সোমবার তিনদিনের সফরে রাশিয়া যাচ্ছেন।

শীতের তীব্রতা কমছে, বেড়েছে তাপমাত্রা দশমিক ৮ ডিগ্রী

 দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পারদ আস্তে আস্তে উপরের দিকে উঠছে। শনিবার দশমিক ৮ ডিগ্রী বৃদ্ধি পেয়ে তা ৪.৮ ডিগ্রীতে উন্নীত হয়েছে। তবে সারাদেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা এখনও ১০ ডিগ্রী সেলসিয়াসের নিচে সীমাবদ্ধ রয়েছে।

শীতের তীব্রতা কমছে, বেড়েছে তাপমাত্রা দশমিক ৮ ডিগ্রী

 দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পারদ আস্তে আস্তে উপরের দিকে উঠছে। শনিবার দশমিক ৮ ডিগ্রী বৃদ্ধি পেয়ে তা ৪.৮ ডিগ্রীতে উন্নীত হয়েছে। তবে সারাদেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা এখনও ১০ ডিগ্রী সেলসিয়াসের নিচে সীমাবদ্ধ রয়েছে।

গ্রামে গ্রামে ঘুরে শিক্ষার প্রকৃত চিত্র দেখছেন শিক্ষামন্ত্রী- সিলেটে ব্যতিক্রমী সফর সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলছি, ভালমন্দ দুটোই বলছেন তাঁরা

দেশের শিক্ষায় ইতিবাচক পরিবর্তনের ধারা সূচিত করে এবার মফস্বলের শিক্ষার উন্নয়নের প্রকৃত অবস্থা দেখতে গ্রামে গ্রামে ঘুরে খোঁজখবর নিচ্ছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। এ লক্ষ্যে তিনি প্রায় এক সপ্তাহ ধরে সিলেটে অবস্থান করছেন।

সরকারী বিদ্যুত কেন্দ্রের ৫০ কোটি টাকার মাল ৬৬ লাখে বিক্রি!- চার ব্যক্তি চিহ্নিত ॥ মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে দুদক by মহিউদ্দিন আহমেদ

খুলনার ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানিব (ওজোপাডিকো) ৪ অফিসের প্রায় ৫০ কোটি টাকার পুরনো মালামাল মাত্র ৬৬ লাখ টাকায় বিক্রির প্রাথমিক প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বঙ্গবন্ধুর আদর্শের আইনজীবীদের এক থাকতে হবে- মতবিনিময় অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা

 প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়া এখন তত্ত্বাবধায়কের জন্য পাগল হয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু তত্ত্বাবধায়ক সরকার এলে তিনি কি পার পেয়ে যাবেন? বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমাকে এবং খালেদা জিয়াকে জেলে পুরেছিল।

বাহরাইনে আগুনে পুড়ে ॥ হত ১০ বাংলাদেশী- ০ এখনও নিখোঁজ ২০- ০ শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত by আজিজুর রহমান

ভাগ্যবদলাতে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ বাহরাইনে গিয়ে আগুনে পুড়ে লাশ হতে হলো ১০ বাংলাদেশী শ্রমিককে। রাজধানী মানামার মুখারকা এলাকায় অনুমোদনহীন একটি তিন তলা বাড়িতে শুক্রবার বিকেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে এই ১০ প্রবাসী বাংলাদেশী শ্রমিকের প্রাণহানি ঘটে।

বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক নারীর মৃত্যু

বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক নারী জাপানের কোতো ওকুবো গতকাল শনিবার জাপানে মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ১১৫ বছর। কর্মকর্তারা এ খবর জানিয়েছে।
মাত্র গত মাসেই বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক নারীর খেতাব পেয়েছিলেন তিনি। তার আগে এ খেতাবধারী ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের দিনা মানফ্রিদিনি। তার বয়সও ছিল ১১৫ বছর। গত ডিসেম্বরে তার মৃত্যুর পরই ওকুবো এ খেতাব পান।
ওকুবো ১৮৯৭ সালের ২৪ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন।
কিয়োডো নিউজ এজেন্সি জানায়, জাপানের দক্ষিণাঞ্চলের কাওয়াসাকি শহরের একটি নার্সিং হোমে ওকুবোর মারা যান। সিটি গভর্নমেন্ট তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন। তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে কর্তৃপক্ষ কিছুই জানায়নি।
তবে জিজি প্রেস জানায়, অসুস্থতার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে।
কাওয়াসাকি মিউনিসিপাল গভর্নমেন্ট বলেন, ওকুবো তার ছেলের সাথে সময় কাটাতে খুব পছন্দ করতেন। তার ছেলে ওই নার্সিং হোমেই তার সাথে থাকতেন।
উল্লেখ্য, বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে জীবিত বয়স্ক ব্যক্তিটিও জাপানের নাগরিক। তার নাম জিরোমোন কিমুরা। বয়স ১১৫ বছর।

আইনি সহায়তা

প্রথমেই নির্যাতনের শিকার মেয়েটি নিকটস্থ থানার ও পুলিশের কাছ থেকে সব রকম সহায়তা পাওয়ার অধিকারী। থানায় এজাহার নিতে না চাইলে নির্যাতনের শিকার মেয়েটির অভিভাবক কিংবা নির্যাতিত মেয়েটি নিজে বাদী হয়ে আদালতে নালিশি মামলা করতে পারে।

ধর্ষণের শিকার নারীর পরিচয় ছাপা যাবে না

সম্প্রতি সারা দেশে ঘটে যাওয়া কয়েকটি ধর্ষণের ঘটনায় জনমনে শঙ্কা তৈরি করেছে। প্রচলিত আইনে ধর্ষণের শাস্তি কী, বিচার-প্রক্রিয়া কী এবং আইনি সহায়তা কীভাবে পাওয়া যাবে, তা নিয়েই এ আয়োজন

হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা জরুরি by মো.আকবর হোসেন মৃধা

আমাদের দেশে হিন্দুধর্মাবলম্বীদের বিয়ে তাদের শাস্ত্রমতে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। হিন্দুধর্মাবলম্বীদের বৃহত্তম দেশ ভারত হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন ও বিচ্ছেদসংক্রান্ত আইন বহু আগেই (১৯৫৫) প্রণীত হয়ে বলব আছে। এমনকি ভারতের একজন বিধবাও দ্বিতীয় দার পরিগ্রহ করতে পারেন।

সত্যিই অবাক করার মতো by আয়শা খানম

সভাপতি, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ ১৯২৩ সালের প্রেক্ষাপট ও ২০১২-এর প্রেক্ষাপট এক নয়। মুসলিম আইনে নারীদের সম্পত্তি থেকে একবারে বঞ্চিত করার সুযোগ নেই। ছেলেদের সমপরিমাণ না পেলেও মেয়েরা কিন্তু সম্পত্তি পান। যদিও এখন আন্দোলন হচ্ছে সম্পত্তিতে নারী-পুরুষের সমানাধিকারের জন্য।

যুদ্ধের কাছে প্রেমের হার...

মানবজমিন ডেস্ক: অনেকটা প্রথম দেখায় প্রেমের মতো ঘটনা। দু’জনের মধ্যে সাক্ষাতের মাত্র এক সপ্তাহের মাথায় বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে প্রেমকে স্থায়ী রূপ দিয়েছেন সিরিয়ার তরুণ জুটি মাহমুদ আল কাসাব ও আয়ত আল কাসাব। এখনও খেলার বয়স পার হয়নি মাত্র ১৮তে পা দেয়া আয়াতের। নিজের বিয়ের দিনের সাজে সাজতেন খেলাচ্ছলে। দু’জনের স্বপ্ন ছিল স্বৈরশাসক মুক্ত সিরিয়া দেখার। ফলে পার্টটাইম যোদ্ধা হিসেবে কাজ করে যাচ্ছিলেন মাহমুদ। আর তার প্রেয়সী আয়ত। নারীদের যুদ্ধ করা এখনও সুযোগ না থাকায় স্বামী ও ভাইদের দিয়ে আসছিলেন উৎসাহ। অন্যরা যখন নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে দেশ থেকে পালাচ্ছিলেন আয়াত ও তার স্বামীর পরিবার তখন দেখতে শুরু করেন স্বাধীন এক সিরিয়ার স্বপ্ন। পালানোকে ঘৃণা করে রয়ে যান দেশে। এরই মধ্যে নিজেদের প্রথম সন্তানের আগমন গণনা শুরু করেন চটপটে আয়াত ও মাহমুদ। এমন সময় একদিন বোমার আঘাতে একহাতে মারাত্মক ক্ষত হয় আয়াতের। মাহমুদ সিএনএনকে বলেছেন, তখনই বুঝতে পারি আর বেশি দিন হাতে নেই প্রেয়সীর। এ যাত্রায় বাঁচলেও পরেরবার হয়তো প্রিয়তমাকে আর বাঁচানো যাবে না ঘাতক সরকারি বাহিনীর হাত থেকে। ঠিক এক সপ্তাহ পর তার আশঙ্কা সত্যে পরিণত হলো। বোমার আঘাতে ক্ষতবিক্ষত হয়ে গেল অন্তঃসত্ত্বা আয়াতের পুরো শরীর। নিজ হাতে অনাগত সন্তানসম্ভবা প্রিয়তমাকে কবর দিতে হলো স্বামী মাহমুদকে। সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ যত দীর্ঘ হচ্ছে ততই এভাবে প্রিয়তমা স্ত্রীকে হারাচ্ছেন নতবিবাহিত স্বামী। প্রেমিককে হারাচ্ছেন নবজীবনে প্রবেশের প্রত্যাশায় দিনগুনতে থাকা প্রেমিকা। অবশেষে স্রষ্টার কাছে নিহতদের শহীদি মর্যাদা লাভের প্রার্থনা করা ছাড়া আর কোন উপায় থাকে না আপনজন হারানোদের। যেমনটি বলছিলেন আয়াতের মাহমুদ ও মা আয়শা। এভাবে দীর্ঘ হচ্ছে স্বজন হারানোর লাইন। ইউনসেফের মতে সরাসরি ২৫ লাখ মানুষ ভুক্তভোগী হচ্ছেন সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের। যার মধ্যে বেশিরভাগই নারী ও শিশু। এ পর্যন্ত মারা গেছেন ৪০ হাজারের বেশি মানুষ। এর মধ্যেও বেসামরিক মানুষ বেশি। যার উল্লেখযোগ্য অংশ আবার নারী ও শিশু। এভাবে দিনের পর দিন শূন্য হচ্ছে কোন নবপরিণীতার বুক। স্ব্বামী হারাচ্ছেন প্রিয়তাম স্ত্রী। পিতামাতা হারাচ্ছেন বহু কষ্টে লালন-পালন করা সন্তান। তবুও ন্যূনতম ছাড় দিতে রাজি হচ্ছে না প্রেসিডেন্ট আসাদ ও তাকে সরানোর জন্য লড়াইরত বিদ্রোহীরা।

একটি অছিয়তনামা এবং বঞ্চিত কন্যাদের গল্প by তানজিম আল ইসলাম

বরগুনা জেলার আমতলী থানার একটি পরিবারের গল্প এটি। এ পরিবারের আদি পুরুষ একটি নিয়ম করে গেছেন। নিয়মটি হচ্ছে, তাঁর বংশের কোনো নারী তাঁদের সম্পত্তির ভাগ পাবেন না।

কথামালা

ফিফা র্যা ঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের অবস্থান এখন ১৬৫ বা এর কাছাকাছি। এক বছর পর বাংলাদেশকে ১০০ থেকে ১২০-র মধ্যে দেখতে চাই
ফুটবলে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে চান ডাচ কোচ লোডভিক ডি ক্রুইফ

ছেলেবেলায় তিনি

ছেলেবেলায় কেমন ছিলেন তাঁরা? বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনের তারকাদের নিয়ে ধারাবাহিক মাত্র ১২ বছর বয়সে সেভেন-এ-সাইড টুর্নামেন্ট খেলার সময় ছেলেটি নজর কাড়ে স্পেনের বড় বড় ক্লাবের স্কাউটের।

হারিয়ে যাবে ওয়ানডে?

ওয়ানডে ক্রিকেট হারিয়ে যাবে বলে যাঁদের আশঙ্কা, তাঁদের কাতারে সর্বশেষ এসে মিলেছেন অ্যাডাম গিলক্রিস্ট। আসলেই কি হারিয়ে যাবে ওয়ানডে?
তিন বছরের মধ্যেই বন্ধ হয়ে যাবে ওয়ানডে ক্রিকেট!

জার্সিরও অবসর!

ফুটবলার অবসরে গেলেন তো অবসরে তাঁর জার্সিও। স্বীকৃতি জানানোর এটাও একটা উপায় বিখ্যাত খেলোয়াড়দের সম্মান জানানোটা উত্তর আমেরিকায়, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের একটি রীতি। যেখানে প্রতিটি দলেরই আছে ‘হল অব ফেম’। যেখানে অন্তর্ভুক্ত করে সম্মান জানানো হয় সেসব দলের কিংবদন্তিদের।

কে লিওনেল মেসির হাতে আর কে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর হাতে এবার দেখতে চেয়েছিলেন ফিফা-ব্যালন ডি’অর ট্রফি। জানাচ্ছেন রাজীব হাসান মেসি রোনালদোর লড়াই যখন ব্যালটে!

কখনো শুনেছেন, শেখ হাসিনা ধানের শীষে ভোট দেন, কিংবা খালেদা জিয়া নৌকা মার্কায়? সূর্যও একেক দিন ভুল করে পুবের বদলে পশ্চিমে উঠে যেতে পারে, আহ্নিক গতি পাল্টে উল্টো দিকে ঘুরতে শুরু করতে পারে পৃথিবী, দারুণ দোস্তি হয়ে যেতে পারে বিড়াল আর ইঁদুরের; কিন্তু প্রথম সম্ভাবনা? নৈবচ নৈবচ!

ড্রোন হামলায় পাকিস্তানে নিহত ৬

পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় উপজাতি অধ্যুষিত এলাকা উত্তর ওয়াজিরিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন (চালকবিহীন বিমান) হামলায় ছয়জন নিহত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার এ হামলা চালানো হয়। তাদের দাবি, নিহত ব্যক্তিরা সবাই জঙ্গি।

কারাকাসের সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নে আগ্রহী ওয়াশিংটন

ভেনিজুয়েলার সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র। উভয় দেশ যদি আন্তরিক হয় সে ক্ষেত্রে সম্পর্ক জোরদারে সম্ভাব্য অনেক পথই খোলা আছে। এ কথা বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র বিভাগের মুখপাত্র ভিক্টোরিয়া নুল্যান্ড।

চেক প্রজাতন্ত্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন আজ

চেক প্রজাতন্ত্রে প্রথমবারের মতো সরাসরি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। আজ শুক্রবার ও কাল শনিবার ভোট নেওয়া হবে। অর্থনৈতিক মন্দা, সরকারি ব্যয় হ্রাস এবং দুর্নীতিপ্রবণ দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট ভাসলাভ ক্লাউস প্রায় এক দশক ধরে ক্ষমতায় রয়েছেন।

গান্ধীর চিঠির প্রদর্শনী ৩০ জানুয়ারি

মহাত্মা গান্ধীর বিভিন্ন চিঠি, কাগজপত্র ও আলোকচিত্র প্রদর্শনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। সবার জন্য উন্মুক্ত এ প্রদর্শনী আগামী ৩০ জানুয়ারি ভারতের জাতীয় মহাফেজখানায় (আর্কাইভ) শুরু হবে। বিবিসি গতকাল বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানিয়েছে।

চট্টগ্রামে ধর্ষণের পর তরুণীকে পাহাড় থেকে নিক্ষেপ

চট্টগ্রামে এক তরুণীকে ধর্ষণের পর পাহাড় থেকে ফেলে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। তরুণী পাহাড় থেকে গড়িয়ে একটি বাসার টিনের চালের ওপর পড়েন। স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে গুরুতর আহত অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।

চট্টগ্রামে হাইকোর্টের সার্কিট বেঞ্চ স্থাপনে আজ সুপ্রিম কোর্টের সভা by আশরাফ-উল আলম

চট্টগ্রামে হাইকোর্টের সার্কিট বেঞ্চ স্থাপনে আজ সোমবার সুপ্রিম কোর্টের ফুলকোর্ট সভায় আলোচনা হবে বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে। সুপ্রিম কোর্টের সম্মতি মিললেই চট্টগ্রামে হাইকোর্টের সার্কিট বেঞ্চ বসবে।

কলেজছাত্র মোমিন হত্যা মামলা-ওসি রফিক ও তাজের বিরুদ্ধে নতুন করে অভিযোগ গঠন

কলেজছাত্র কামরুল ইসলাম মোমিন হত্যা মামলার প্রধান আসামি ওসি রফিক ও শীর্ষ সন্ত্রাসী হাবিবুর রহমান তাজের বিরুদ্ধে নতুন করে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। আগামী ৬ জানুয়ারি মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ ধার্য করা হয়েছে।

আকাশ থেকে পড়ল ভারতীয় গবেষণার যন্ত্র

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় আকাশ থেকে আবহাওয়া গবেষণাবিষয়ক ভারতীয় এক কার্টন যন্ত্র মাটিতে পড়েছে। গত শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার চরপাড়া প্রাইমারি স্কুলের পাশের মাঠে কার্টনটি পড়ে। কার্টনের ভেতর রয়েছে বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রপাতি।

গণিত আর প্রোগ্রামিংয়ে সেরা ধনঞ্জয় by নুরুন্নবী চৌধুরী

আর্জেন্টিনার মার ডেল প্লাটায় চলছে প্রতিযোগিতা। বিশ্বের ১০০টি দেশের ৫৪৮ জন খুদে গণিতবিদ মনোযোগী হয়ে আছে গণিতের সমস্যা সমাধানে। ২০১২ সালের ৫৩তম আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডের (আইএমও) আসরে অংশ নিয়েছে বাংলাদেশের খুদে গণিতবিদেরাও।

ফরিদপুরে প্রাণবন্ত উৎসব by পান্না বালা

‘ভালো মানুষ, নাকি ভালো শিক্ষার্থী—এই দুটি লক্ষ্যের মধ্যে একটি বেছে নিতে বলা হলে আমরা আগে কোনটা বেছে নেব?’ উপস্থাপক এ প্রশ্নটি করেন গণিত উৎসবে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের। জবাবে প্রায় ৮০০ শিক্ষার্থী সমস্বরে বলে ওঠে, ‘আগে ভালো মানুষ হতে চাই।’

পতেঙ্গা ও পারকির চরে জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে

চট্টগ্রামের সমুদ্রঘেঁষা কাট্টলী থেকে পতেঙ্গা সৈকত এবং কর্ণফুলীর পূর্ব প্রান্তে আনোয়ারার পারকির চর সৈকত এলাকায় জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে রয়েছে। এ অবস্থায় চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ সমুদ্রসৈকতে ‘টুরিস্ট পুলিশ’ মোতায়েনের পরিকল্পনা নিয়েছে।

শিক্ষকদের প্রাণনাশের হুমকি- ছাত্রলীগের ফের হামলা

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনরত শিক্ষকদের ওপর ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা ফের হামলা চালিয়েছেন। এতে ২৫ জন শিক্ষক আহত হয়েছেন। এদিকে ক্লাস ও পরীক্ষা চালু না করলে প্রাণনাশের হুমকির মুখে আজ রোববার থেকে ক্লাসে ফেরার ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষকেরা।

পৌর নির্বাচন-ঝিনাইদহ ও রামগড়ে নির্বাচন বাতিল-সাভার ও পরশুরামের ইউনএও প্রত্যাহার

সহিংসতার কারণে ঝিনাইদহ এবং মনোনয়নপত্র জমা দিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগে রামগড় পৌরসভার নির্বাচনের তফসিল বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

হাইকোর্টের রুল-শিশুদের অঙ্গহানি ঘটিয়ে ভিক্ষাবৃত্তিতে বাধ্য করা বন্ধে কেন নির্দেশ নয়

শিশুদের অঙ্গহানি ঘটিয়ে ভিক্ষাবৃত্তিতে বাধ্য করা বন্ধে কেন কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হবে না, তার কারণ জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। গতকাল রবিবার বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী ও বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের বেঞ্চ স্বেচ্ছাপ্রণোদিত হয়ে এ আদেশ দেন।

দেশের প্রতিটি জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে : প্রধানমন্ত্রী

শিক্ষার সুযোগ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য দেশের প্রতিটি জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে গতকাল রবিবার জাতীয় সমাজসেবা দিবস ও সামাজিক নিরাপত্তাবলয় কার্যক্রমের উদ্বোধন করার সময় প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, �কার্যক্রম বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মতো মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

মালয়েশিয়ায় শ্রমিক প্রেরণ-ঢাকা ও বরিশালে নিবন্ধন আজ শুরু

সরকারি ব্যবস্থাপনায় মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠাতে নিবন্ধন কার্যক্রম আজ রবিবার শুরু হচ্ছে। প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে সারা দেশে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা ইতিমধ্যে বেহাল ইউনিয়ন তথ্যকেন্দ্রগুলো নিবন্ধন করার উপযোগী করে তুলেছেন।

যৌথ সভায় তরিকুল-জাতির আকাঙ্ক্ষার কথা প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে নেই

জাতির উদ্দেশে দেওয়া প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের সমালোচনা করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলাম বলেছেন, 'জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষার কোনো কথা তাঁর (প্রধানমন্ত্রীর) ভাষণে নেই। দেশের মানুষ আশা করেছিল, তাঁর ভাষণে বিদ্যমান সংকট নিরসন তথা নির্বাচনের কথা থাকবে।

শাহজালালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং-বিদেশি প্রতিষ্ঠান নয়, বিমানের কাছেই থাকছে by বিপ্লব রহমান

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের যাত্রী পরিষেবার (গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং) কাজ বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে দেওয়ার চিন্তা বাতিল করে দিয়েছে সরকার। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস থেকে কাজটি ফেরত নিয়ে বাইরের কোনো প্রতিষ্ঠানকে দেওয়ার বিষয়ে সম্প্রতি বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (সিভিল এভিয়েশন) সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছিল।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়-শিক্ষকদের ওপর ফের ছাত্রলীগের হামলা

বিভিন্ন দপ্তরে কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনরত শিক্ষকদের ওপর আবারও হামলা চালিয়েছে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। গতকাল শনিবার শিক্ষক লাউঞ্জে ঢুকে তারা এ হামলা চালায়। এ সময় তারা লাউঞ্জে ব্যাপক ভাঙচুর করে।

নিজেকেই দায়ী মনে হচ্ছে-বার কাউন্সিলে পরাজয় নিয়ে হাসিনার উষ্মা

স্বাধীনতার পর প্রথমবারের মতো গত বছর বাংলাদেশ বার কাউন্সিল নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত আইনজীবী প্যানেলের সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানোর অন্যতম কারণ ছিল নিজেদের কোন্দল। এ পরাজয় কতিপয় ব্যক্তির সুস্পষ্ট ষড়যন্ত্রের ফসল।

আইনজীবীদের সভায় প্রধানমন্ত্রী-তত্ত্বাবধায়ক সরকার এলে কি খালেদা পার পেয়ে যাবেন?

খালেদা জিয়ার তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, 'বিরোধীদলীয় নেতা এখন তত্ত্বাবধায়কের জন্য পাগল হয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু তত্ত্বাবধায়ক সরকার এলে কি তিনি পার পেয়ে যাবেন? গতকাল শনিবার গণভবনে আইনজীবীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমাকে ও খালেদা জিয়াকে জেলে পুরেছিল।

অভিমত-প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে আসেনি তত্ত্বাবধায়ক প্রসঙ্গ

মহাজোট সরকারের চার বছর পূর্তি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত শুক্রবার জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন। তাঁর ভাষণে আগামী নির্বাচন কোন পদ্ধতিতে হবে, সেই ব্যাপারে কোনো বক্তব্য ছিল না।

১০ বাংলাদেশির প্রাণ- কেড়ে নিল আগুন

বাহরাইনের রাজধানী মানামায় আগুনে পুড়ে ১০ বাংলাদেশিসহ ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। বাকি তিনজনের পরিচয় এখনো জানা যায়নি। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো চার বাংলাদেশি শ্রমিক। গত শুক্রবার বিকেলে মানামার মুখারাকা এলাকার একটি তিনতলা ভবনে এই আগুন লাগে।

ব্রিটিশ যুদ্ধবিমানের খোঁজ মিলেছে মিয়ানমারে

মিয়ানমারে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্রিটেনের ব্যবহৃত নামকরা স্পিটফায়ার যুদ্ধবিমানের একটি অংশ পাওয়া গেছে। গত ডিসেম্বর থেকে দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় কাচিন প্রদেশের মিৎকিনা এলাকায় খননকাজ শুরু করার পর অংশটি পাওয়া গেল।

উইকিলিকস: মার্কিন নথিতে এক-এগারো—৩- সামরিক বাহিনীর ওপর প্রচণ্ড চাপ by মশিউল আলম

২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি সকাল। বাংলাদেশে রাজনৈতিক অচলাবস্থা এমন কানাগলিতে গিয়ে ঠেকেছে যে সর্বশেষ পন্থা হিসেবে সামরিক হস্তক্ষেপের সম্ভাবনার জল্পনাকল্পনা তুঙ্গে উঠেছে।

মানবাধিকার কমিশনের সামনেও শিক্ষকদের কর্মসূচিতে বাধা

নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটকে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের কার্যালয়ের সামনেও অনশন কর্মসূচি পালন করতে দিচ্ছে না পুলিশ।

তাঁরা এখন পাঠ্যবইয়েশৈশব থেকে বৃক্ষ রোপণ করে চলেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের কার্তিক পরামানিক। শত বাধাবিপত্তি, প্রতিকূলতা পেরিয়ে এসএসসিতে জিপিএ-৫ পান চট্টগ্রামের দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী তৌফাতুর রাব্বী ও রাজশাহীর রোজিনা খাতুন। তাঁদের কথা প্রথম প্রকাশিত হয় প্রথম আলোয়। বৃক্ষের প্রতি নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, সংগ্রামের কথা, অদম্য মেধার কথা জানতে পারে দেশবাসী। সেই সাফল্যের নায়কেরা এখন পাঠ্যবইয়ে। এবার ষষ্ঠ ও অষ্টম শ্রেণীর পাঠ্যবইয়ের পাতায় স্থান পেয়েছে তাঁদের সংগ্রামের কাহিনি, তাঁদের নায়ক হয়ে ওঠার কথা। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) এ স্বীকৃতিতে উৎফুল্ল ও গর্বিত কার্তিক পরামানিক, রোজিনা ও রাব্বী। আনন্দিত তাঁদের পরিবার, স্বজন ও এলাকার মানুষ। বৃক্ষপ্রেমী কার্তিক পরামানিকের সাফল্যের কাহিনি তুলে ধরা হয়েছে অষ্টম শ্রেণীর ইংলিশ ফর টুডে বইয়ে। বইয়ের ৫৮ পৃষ্ঠায় ‘এ ম্যান হু লাভস ট্রিজ’ শিরোনামে প্রকাশিত অধ্যায়ে কার্তিক পরামানিকের ১০ বছর বয়স থেকে গাছ লাগানোর কাহিনি বর্ণনা করা হয়েছে। রাব্বী ও রোজিনার কথা আছে ষষ্ঠ শ্রেণীর কর্ম ও জীবনমুখী শিক্ষা বইয়ের শিক্ষায় সাফল্য অধ্যায়ে। রোজিনার কাহিনি ছাপা হয়েছে ৫১ পৃষ্ঠায়। রাব্বীর কথা ৫২ পৃষ্ঠায়। দুজনেরই খবর ছাপা হয়েছিল ২০১০ সালের ১৬ মে প্রথম আলোর শেষের পাতায়। শিরোনাম ছিল, ‘রোজিনার জীবনে অন্য রকম পাওয়া’ ও ‘অবহেলার জবাব দিয়েছে রাব্বী’। সংবাদ দুটি হুবহু পাঠ্যবইয়ে তুলে দেওয়া হয়েছে। দুটি জীবনকথা শিক্ষার্থীদের মনোযোগ দিয়ে পড়তে বলা হয়েছে। পরে এ দুটির ওপর শিক্ষার্থীদের দলগত কাজ করে দুটি প্রশ্নের উত্তর বের করতে বলা হয়েছে। প্রশ্ন দুটি হলো: ১. রোজিনা আর রাব্বীর জীবনে শিক্ষার পথে কী কী বাধাবিপত্তি ছিল। ২. কেন রোজিনা আর রাব্বীকে ‘অদম্য মেধাবী’ বলা হয়েছে। রোজিনা ও রাব্বীর কাহিনি দুটি প্রকাশের পাশাপাশি বইয়ের ৫৩ পৃষ্ঠায় প্রথম আলোয় প্রকাশিত অদম্য মেধাবীদের সংবর্ধনার একটি দলগত ছবিও ছাপা হয়েছে। প্রথম আলো এ ধরনের আরও অনেক সাফল্যের নায়ককে খুঁজে বের করেছে, তাঁদের কাহিনি ছেপেছে। তাঁদের একজন পলান সরকার। ২০০৭ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রথম আলোর সাপ্তাহিক আয়োজন ‘ছুটির দিনে’ তাঁকে নিয়ে প্রচ্ছদ প্রতিবেদন প্রকাশ করে। শিরোনাম ছিল ‘বিনি পয়সায় বই বিলাই’। তিনি বই হাতে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়ান। সাধারণ মানুষের মধ্যে বই পড়ার তৃষ্ণা জাগিয়ে তুলতে জীবনভর কাজ করে চলেছেন। এর স্বীকৃতি হিসেবে ২০১১ সালে একুশে পদকে ভূষিত হন পলান সরকার। কার্তিক পরামানিক: বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী চরাঞ্চলের তারাপুর ঠুটাপাড়া গ্রামে। গাছপাগল এই মানুষটির বিশাল কর্মযজ্ঞের কথা প্রথম প্রকাশ করে প্রথম আলো। ‘বিশাল বিশাল বৃক্ষগুলো যেন একেকটি কার্তিকনামা’ শিরোনামে প্রতিবেদনটি ছাপা হয় ২০০৩ সালের ২ ডিসেম্বর। প্রতিবেদনটি লিখেন চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক আনোয়ার হোসেন। অষ্টম শ্রেণীর ইংরেজি বইয়ে ‘এ ম্যান হু লাভস ট্রিজ’ শিরোনামে প্রকাশিত কার্তিক পরামানিকের গল্পটি যে প্রথম আলোর ওই প্রতিবেদন থেকে নেওয়া, সে কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। বইয়ে বলা আছে, বাংলাদেশের দূরের এক প্রান্তের একটি গ্রাম তারাপুর। ওই গ্রামে বাস করেন কার্তিক পরামানিক নামের এক ব্যক্তি। কিন্তু তারাপুরের অবস্থান কোন জেলা ও উপজেলায়, তা উল্লেখ করা হয়নি। তবু কার্তিক পরামানিকের কথা পাঠ্যবইয়ে প্রকাশের কথা জেনে গেছে তাঁর গ্রাম ও পাশের এলাকাসহ জেলা সদরের মানুষ। তারাপুরসহ পাশের এলাকার মানুষ, বিভিন্ন উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা এ খবরে দারুণ খুশি। এমনই একজন তারাপুর বাজারের পাঠ্যপুস্তক বিক্রেতা সাইদুর রহমান। তিনি বলেন, ‘চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরে বই কিনতে গেলে পুস্তক বিক্রেতারা জানান, আমাদের গ্রামের কার্তিক পরামানিক এখন পাঠ্যপুস্তকে। এ কথা শুনে খুব আনন্দ ও গর্ব হয়েছে।’ সরকারের স্বীকৃতিতে খুশি কার্তিক পরামানিকও। শিবগঞ্জের মনাকষা বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষক খাইরুল ইসলাম বাড়ি এসে তাঁকে খবরটি জানান। এ ছাড়া বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক ফোনে তাঁকে অভিনন্দন জানান। প্রথম আলোর কাছে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে কার্তিক পরামানিক বলেন, ‘মানুষ, গাছগাছালি, পাখপাখালির আশীর্বাদ পেয়েছি বলেই আমি সমঞ্চানিত হয়েছি। আমার মূল্যায়ন হয়েছে। আর এসব কিছুই হয়েছে প্রথম আলোয় প্রতিবেদন প্রকাশের পর। জাতীয় পুরস্কার, চ্যানেল আই কৃষিপদকসহ নানা পুরস্কার পেয়েছি। অবশেষে পাঠ্যপুস্তকেও স্থান হলো। এখন থেকে সারা দেশের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক ও অভিভাবকেরাও আমার কথা জানতে পারবে। বৃক্ষের প্রতি তাদের ভালোবাসা বাড়বে। এই জীবনে এর চাইতে আর বড় পাওয়া কী হতে পারে!’ গত বুধবার জেলা সদরের চরমোহনপুর উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ একদল শিক্ষক-শিক্ষার্থী কার্তিক পরামানিকের বাড়ি গিয়ে তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। অভিনন্দন জানান চাঁপাইনবাবগঞ্জ বন্ধুসভার সদস্যরাও। তারাপুরের পাশের মনোহরপুর নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কৃষি বিষয়ের শিক্ষক, কার্তিক পরামানিকের বড় ছেলে স্বপন কুমার পরামানিক প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার বিদ্যালয়সহ সারা দেশের বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আমার বাবাকে নিয়ে পড়বে—বিষয়টি ভাবতেই গর্বে বুক ভরে উঠছে।’ রোজিনা খাতুন: নিজ গ্রামের মেয়ের নাম নিজের পাঠ্যবইয়ে দেখে আবরার শাহরিয়ার নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারে না। বাড়িতে সবাইকে দেখায়। এ নিয়ে সারা গ্রামে হইচই পড়ে যায়। সবাই খুঁজতে থাকে ষষ্ঠ শ্রেণীর কর্ম ও জীবনমুখী শিক্ষা বইটি। শাহরিয়ার রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার ধোপাপাড়া উচ্চবিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণীর শিক্ষার্থী। তার বাড়ি ধোপাপাড়া গ্রামে। একই গ্রামের মেয়ে মেধাবী রোজিনা। শাহরিয়ার বলে, ‘এ আমার গর্ব। আমার আনন্দ।’ রোজিনাদের বাড়ি ছিল গ্রামের রাস্তার পাশে অন্যের জমিতে। ছোট্ট একটি কুঁড়েঘরে থাকত এক ভাই ও এক বোনকে নিয়ে। বাবা-মা থাকতেন বারান্দায়। বাবা আবদুল লতিফ ভ্যান চালাতেন। মা রেনু বেগম কাজ করতেন ধানের চাতালে। পড়ার খরচ চালাতে না পেরে অষ্টম শ্রেণীতে থাকতেই বিয়ে দেওয়া হয় রোজিনাকে। এরপর যৌতুকের দাবিতে শুরু হয় স্বামীর নির্যাতন। তালাকের মাধ্যমে মুক্তি পায় রোজিনা। বাবার বাড়ি ফিরে আবার পড়াশোনা শুরু করে সে। মেধাবী এই ছাত্রীকে সাগ্রহে নবম শ্রেণীর মানবিক বিভাগে ভর্তি করে নেন ধোপাপাড়া বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা। চরম অভাবের মধ্যেই ২০১০ সালে ওই বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পায় রোজিনা। ফল প্রকাশের পরদিন ১৬ মে ‘রোজিনার জীবনে অন্য রকম পাওয়া’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন ছাপা হয় প্রথম আলোয়। প্রতিবেদনটি লেখেন রাজশাহীর প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ। খবরটি ছাপা হওয়ার পর ঢাকা মহিলা কলেজ কর্তৃপক্ষ রোজিনাকে ঢাকায় তাদের হোস্টেলে রেখে উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণীতে পড়াশোনার দায়িত্ব নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে। আর রোজিনার পড়াশোনার অন্যান্য খরচ বহন করার দায়িত্ব নেন তারেক উদ্দিন আহমেদ নামের একজন নৌ-প্রকৌশলী। ২০১২ সালে রোজিনা এইচএসসি পাস করেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা নার্সিং কলেজে ধাত্রীবিদ্যায় ডিপ্লোমা করছেন। গত বৃহস্পতিবার মুঠোফোনে রোজিনা বলেন, ‘আমি জীবনেও চিন্তা করিনি যে আমার জীবনের গল্প পাঠ্যবইয়ে তুলে দেওয়া হবে। আমার জীবনটা অনেক কষ্টের। তার পরও মনে হচ্ছে আমি আজ অনেক সুখী।’ রোজিনার মতো আনন্দিত তাঁর ধোপাপাড়া বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘এ আনন্দ প্রকাশ করার ভাষা নেই। কারণ, যে মেয়ের ভালো ফলাফলের জন্য আমার বিদ্যালয়ের কত সুনাম হলো, সেই মেয়ের গল্প আমরা আবার আমাদের শিক্ষার্থীদের পড়াচ্ছি।’ তৌফাতুর রাব্বী: চট্টগ্রাম দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী স্কুল থেকে অষ্টম শ্রেণীর পাট চুকানোর পর নবম শ্রেণীতে ভর্তি হওয়ার জন্য হন্যে হয়ে ঘোরে রাব্বী ও তার বাবা-মা। প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে দেখা করেও কোনো লাভ হয়নি। শেষ পর্যন্ত চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের তৎকালীন কমিশনার আলী আকবরের সুপারিশে রাব্বী ভর্তি হতে পেরেছিল চট্টগ্রাম পুলিশ ইনস্টিটিউট স্কুলে। সেই সময়ের কষ্ট নিয়ে ২০০৮ সালের মে মাসে প্রথম আলোর খোলা কলামে ছাপা হয়েছিল ‘একজন রাব্বীর সংগ্রাম ও উপলব্ধি’ শিরোনামে নিবন্ধ। জন্মগতভাবে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী রাব্বীর অপটিক নার্ভ বিকশিত হয়নি। পুলিশ ইনস্টিটিউট স্কুল থেকে ২০১০ সালে মানবিক বিভাগে জিপিএ-৫ পায় রাব্বী। তখন পুরো স্কুল তাকে নিয়ে আত্মহারা হয়ে পড়ে। তার বাবা ব্যাংকার মো. কামাল উদ্দিন ও মা তাহরীর-ই-শাহনাজ নগরের বাওয়া স্কুলের শিক্ষক। ছেলেকে নিয়ে তাঁদেরও কম যুদ্ধ করতে হয়নি। সেই যুদ্ধে সাফল্য আসে এসএসসিতে। ফল প্রকাশের পরদিন ১৬ মে ‘অবহেলার জবাব দিয়েছে রাব্বী’ শিরোনামে প্রথম আলোয় প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনটি লেখেন চট্টগ্রামের নিজস্ব প্রতিবেদক প্রণব বল। এই সংবাদটিই এবার ষষ্ঠ শ্রেণীর কর্ম ও জীবনমুখী শিক্ষা বইয়ে তুলে ধরা হয়েছে। মা শাহনাজ বইটি এনে রাব্বীকে পড়ে শুনিয়েছেন। শাহনাজ বলেন, ‘অনেক বড় একটি বিষয় এটি। কী যে ভালো লাগছে। আমার ছেলের সাফল্য ছোটরা পড়বে, এটা ভেবে খুব আনন্দ হচ্ছে।’ রাব্বী প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমঞ্চু আমাকে পড়ে শুনিয়েছেন। কী যে ভালো লাগছে বোঝানো যাবে না। সারা দেশের শিক্ষার্থীরা আমার কাহিনি পড়বে। এটা অনেক বড় পাওয়া, অনেক গর্বের। আরও আনন্দের বিষয় হলো, বইয়ে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ও বেগম রোকেয়ার জীবনকাহিনির সঙ্গে আমারটাও রয়েছে।’ ষষ্ঠ শ্রেণীর ওই বইয়ে ‘শিক্ষামাধ্যমে খ্যাতিমান হয়ে ওঠার গল্প’ রয়েছে। ৪৯ পৃষ্ঠায় ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ও ৫০ পৃষ্ঠায় বেগম রোকেয়ার গল্প আছে। এরপর আছে রোজিনা ও রাব্বীর জীবনকাহিনি। রাব্বী এবার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ ও আইন অনুষদের ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। তাঁর ইচ্ছা আইন নিয়ে পড়ার। রাব্বী বলেন, ‘আমার এই সংগ্রাম যদি ছোটদের পড়ালেখার প্রতি উদ্বুদ্ধ করে, তাহলে শান্তি পাব।’ প্রথম আলো ট্রাস্টের অদম্য মেধাবীদের ছবি: রোজিনা ও রাব্বীর মতো শত বাধাবিপত্তি ও দরিদ্রতা অতিক্রম করে ২০১১ সালের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছিল অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী। তাদের কথা প্রথম আলোর পাতায় তুলে এনেছিলেন সারা দেশে থাকা প্রথম আলোর প্রতিনিধিরা। ব্র্যাক ব্যাংক-প্রথম আলো ট্রাস্টের উদ্যোগে ওই অদম্য মেধাবীদের ২০১১ সালের ১২ ডিসেম্বর কারওয়ান বাজারে সিএ ভবনের মিলনায়তনে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। অতিথিদের সঙ্গে অদম্য মেধাবীদের ছবিসহ সংবাদ পরদিন ১৩ ডিসেম্বর ছাপা হয় প্রথম আলোর পৃষ্ঠা ৩-এ। অদম্য মেধাবীদের ওই ছবিটি ষষ্ঠ শ্রেণীর কর্ম ও জীবনমুখী শিক্ষা বইয়ের ৫৩ পাতায় ছাপা হয়েছে ‘শিক্ষাক্ষেত্রে সফল অদম্য মেধাবী শিরোনামে’।

তাঁরা এখন পাঠ্যবইয়েশৈশব থেকে বৃক্ষ রোপণ করে চলেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের কার্তিক পরামানিক। শত বাধাবিপত্তি, প্রতিকূলতা পেরিয়ে এসএসসিতে জিপিএ-৫ পান চট্টগ্রামের দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী তৌফাতুর রাব্বী ও রাজশাহীর রোজিনা খাতুন। তাঁদের কথা প্রথম প্রকাশিত হয় প্রথম আলোয়। বৃক্ষের প্রতি নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, সংগ্রামের কথা, অদম্য মেধার কথা জানতে পারে দেশবাসী। সেই সাফল্যের নায়কেরা এখন পাঠ্যবইয়ে। এবার ষষ্ঠ ও অষ্টম শ্রেণীর পাঠ্যবইয়ের পাতায় স্থান পেয়েছে তাঁদের সংগ্রামের কাহিনি, তাঁদের নায়ক হয়ে ওঠার কথা। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) এ স্বীকৃতিতে উৎফুল্ল ও গর্বিত কার্তিক পরামানিক, রোজিনা ও রাব্বী। আনন্দিত তাঁদের পরিবার, স্বজন ও এলাকার মানুষ। বৃক্ষপ্রেমী কার্তিক পরামানিকের সাফল্যের কাহিনি তুলে ধরা হয়েছে অষ্টম শ্রেণীর ইংলিশ ফর টুডে বইয়ে। বইয়ের ৫৮ পৃষ্ঠায় ‘এ ম্যান হু লাভস ট্রিজ’ শিরোনামে প্রকাশিত অধ্যায়ে কার্তিক পরামানিকের ১০ বছর বয়স থেকে গাছ লাগানোর কাহিনি বর্ণনা করা হয়েছে। রাব্বী ও রোজিনার কথা আছে ষষ্ঠ শ্রেণীর কর্ম ও জীবনমুখী শিক্ষা বইয়ের শিক্ষায় সাফল্য অধ্যায়ে। রোজিনার কাহিনি ছাপা হয়েছে ৫১ পৃষ্ঠায়। রাব্বীর কথা ৫২ পৃষ্ঠায়। দুজনেরই খবর ছাপা হয়েছিল ২০১০ সালের ১৬ মে প্রথম আলোর শেষের পাতায়। শিরোনাম ছিল, ‘রোজিনার জীবনে অন্য রকম পাওয়া’ ও ‘অবহেলার জবাব দিয়েছে রাব্বী’। সংবাদ দুটি হুবহু পাঠ্যবইয়ে তুলে দেওয়া হয়েছে। দুটি জীবনকথা শিক্ষার্থীদের মনোযোগ দিয়ে পড়তে বলা হয়েছে। পরে এ দুটির ওপর শিক্ষার্থীদের দলগত কাজ করে দুটি প্রশ্নের উত্তর বের করতে বলা হয়েছে। প্রশ্ন দুটি হলো: ১. রোজিনা আর রাব্বীর জীবনে শিক্ষার পথে কী কী বাধাবিপত্তি ছিল। ২. কেন রোজিনা আর রাব্বীকে ‘অদম্য মেধাবী’ বলা হয়েছে। রোজিনা ও রাব্বীর কাহিনি দুটি প্রকাশের পাশাপাশি বইয়ের ৫৩ পৃষ্ঠায় প্রথম আলোয় প্রকাশিত অদম্য মেধাবীদের সংবর্ধনার একটি দলগত ছবিও ছাপা হয়েছে। প্রথম আলো এ ধরনের আরও অনেক সাফল্যের নায়ককে খুঁজে বের করেছে, তাঁদের কাহিনি ছেপেছে। তাঁদের একজন পলান সরকার। ২০০৭ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রথম আলোর সাপ্তাহিক আয়োজন ‘ছুটির দিনে’ তাঁকে নিয়ে প্রচ্ছদ প্রতিবেদন প্রকাশ করে। শিরোনাম ছিল ‘বিনি পয়সায় বই বিলাই’। তিনি বই হাতে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়ান। সাধারণ মানুষের মধ্যে বই পড়ার তৃষ্ণা জাগিয়ে তুলতে জীবনভর কাজ করে চলেছেন। এর স্বীকৃতি হিসেবে ২০১১ সালে একুশে পদকে ভূষিত হন পলান সরকার। কার্তিক পরামানিক: বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী চরাঞ্চলের তারাপুর ঠুটাপাড়া গ্রামে। গাছপাগল এই মানুষটির বিশাল কর্মযজ্ঞের কথা প্রথম প্রকাশ করে প্রথম আলো। ‘বিশাল বিশাল বৃক্ষগুলো যেন একেকটি কার্তিকনামা’ শিরোনামে প্রতিবেদনটি ছাপা হয় ২০০৩ সালের ২ ডিসেম্বর। প্রতিবেদনটি লিখেন চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক আনোয়ার হোসেন। অষ্টম শ্রেণীর ইংরেজি বইয়ে ‘এ ম্যান হু লাভস ট্রিজ’ শিরোনামে প্রকাশিত কার্তিক পরামানিকের গল্পটি যে প্রথম আলোর ওই প্রতিবেদন থেকে নেওয়া, সে কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। বইয়ে বলা আছে, বাংলাদেশের দূরের এক প্রান্তের একটি গ্রাম তারাপুর। ওই গ্রামে বাস করেন কার্তিক পরামানিক নামের এক ব্যক্তি। কিন্তু তারাপুরের অবস্থান কোন জেলা ও উপজেলায়, তা উল্লেখ করা হয়নি। তবু কার্তিক পরামানিকের কথা পাঠ্যবইয়ে প্রকাশের কথা জেনে গেছে তাঁর গ্রাম ও পাশের এলাকাসহ জেলা সদরের মানুষ। তারাপুরসহ পাশের এলাকার মানুষ, বিভিন্ন উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা এ খবরে দারুণ খুশি। এমনই একজন তারাপুর বাজারের পাঠ্যপুস্তক বিক্রেতা সাইদুর রহমান। তিনি বলেন, ‘চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরে বই কিনতে গেলে পুস্তক বিক্রেতারা জানান, আমাদের গ্রামের কার্তিক পরামানিক এখন পাঠ্যপুস্তকে। এ কথা শুনে খুব আনন্দ ও গর্ব হয়েছে।’ সরকারের স্বীকৃতিতে খুশি কার্তিক পরামানিকও। শিবগঞ্জের মনাকষা বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষক খাইরুল ইসলাম বাড়ি এসে তাঁকে খবরটি জানান। এ ছাড়া বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক ফোনে তাঁকে অভিনন্দন জানান। প্রথম আলোর কাছে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে কার্তিক পরামানিক বলেন, ‘মানুষ, গাছগাছালি, পাখপাখালির আশীর্বাদ পেয়েছি বলেই আমি সমঞ্চানিত হয়েছি। আমার মূল্যায়ন হয়েছে। আর এসব কিছুই হয়েছে প্রথম আলোয় প্রতিবেদন প্রকাশের পর। জাতীয় পুরস্কার, চ্যানেল আই কৃষিপদকসহ নানা পুরস্কার পেয়েছি। অবশেষে পাঠ্যপুস্তকেও স্থান হলো। এখন থেকে সারা দেশের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক ও অভিভাবকেরাও আমার কথা জানতে পারবে। বৃক্ষের প্রতি তাদের ভালোবাসা বাড়বে। এই জীবনে এর চাইতে আর বড় পাওয়া কী হতে পারে!’ গত বুধবার জেলা সদরের চরমোহনপুর উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ একদল শিক্ষক-শিক্ষার্থী কার্তিক পরামানিকের বাড়ি গিয়ে তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। অভিনন্দন জানান চাঁপাইনবাবগঞ্জ বন্ধুসভার সদস্যরাও। তারাপুরের পাশের মনোহরপুর নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কৃষি বিষয়ের শিক্ষক, কার্তিক পরামানিকের বড় ছেলে স্বপন কুমার পরামানিক প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার বিদ্যালয়সহ সারা দেশের বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আমার বাবাকে নিয়ে পড়বে—বিষয়টি ভাবতেই গর্বে বুক ভরে উঠছে।’ রোজিনা খাতুন: নিজ গ্রামের মেয়ের নাম নিজের পাঠ্যবইয়ে দেখে আবরার শাহরিয়ার নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারে না। বাড়িতে সবাইকে দেখায়। এ নিয়ে সারা গ্রামে হইচই পড়ে যায়। সবাই খুঁজতে থাকে ষষ্ঠ শ্রেণীর কর্ম ও জীবনমুখী শিক্ষা বইটি। শাহরিয়ার রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার ধোপাপাড়া উচ্চবিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণীর শিক্ষার্থী। তার বাড়ি ধোপাপাড়া গ্রামে। একই গ্রামের মেয়ে মেধাবী রোজিনা। শাহরিয়ার বলে, ‘এ আমার গর্ব। আমার আনন্দ।’ রোজিনাদের বাড়ি ছিল গ্রামের রাস্তার পাশে অন্যের জমিতে। ছোট্ট একটি কুঁড়েঘরে থাকত এক ভাই ও এক বোনকে নিয়ে। বাবা-মা থাকতেন বারান্দায়। বাবা আবদুল লতিফ ভ্যান চালাতেন। মা রেনু বেগম কাজ করতেন ধানের চাতালে। পড়ার খরচ চালাতে না পেরে অষ্টম শ্রেণীতে থাকতেই বিয়ে দেওয়া হয় রোজিনাকে। এরপর যৌতুকের দাবিতে শুরু হয় স্বামীর নির্যাতন। তালাকের মাধ্যমে মুক্তি পায় রোজিনা। বাবার বাড়ি ফিরে আবার পড়াশোনা শুরু করে সে। মেধাবী এই ছাত্রীকে সাগ্রহে নবম শ্রেণীর মানবিক বিভাগে ভর্তি করে নেন ধোপাপাড়া বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা। চরম অভাবের মধ্যেই ২০১০ সালে ওই বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পায় রোজিনা। ফল প্রকাশের পরদিন ১৬ মে ‘রোজিনার জীবনে অন্য রকম পাওয়া’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন ছাপা হয় প্রথম আলোয়। প্রতিবেদনটি লেখেন রাজশাহীর প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ। খবরটি ছাপা হওয়ার পর ঢাকা মহিলা কলেজ কর্তৃপক্ষ রোজিনাকে ঢাকায় তাদের হোস্টেলে রেখে উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণীতে পড়াশোনার দায়িত্ব নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে। আর রোজিনার পড়াশোনার অন্যান্য খরচ বহন করার দায়িত্ব নেন তারেক উদ্দিন আহমেদ নামের একজন নৌ-প্রকৌশলী। ২০১২ সালে রোজিনা এইচএসসি পাস করেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা নার্সিং কলেজে ধাত্রীবিদ্যায় ডিপ্লোমা করছেন। গত বৃহস্পতিবার মুঠোফোনে রোজিনা বলেন, ‘আমি জীবনেও চিন্তা করিনি যে আমার জীবনের গল্প পাঠ্যবইয়ে তুলে দেওয়া হবে। আমার জীবনটা অনেক কষ্টের। তার পরও মনে হচ্ছে আমি আজ অনেক সুখী।’ রোজিনার মতো আনন্দিত তাঁর ধোপাপাড়া বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘এ আনন্দ প্রকাশ করার ভাষা নেই। কারণ, যে মেয়ের ভালো ফলাফলের জন্য আমার বিদ্যালয়ের কত সুনাম হলো, সেই মেয়ের গল্প আমরা আবার আমাদের শিক্ষার্থীদের পড়াচ্ছি।’ তৌফাতুর রাব্বী: চট্টগ্রাম দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী স্কুল থেকে অষ্টম শ্রেণীর পাট চুকানোর পর নবম শ্রেণীতে ভর্তি হওয়ার জন্য হন্যে হয়ে ঘোরে রাব্বী ও তার বাবা-মা। প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে দেখা করেও কোনো লাভ হয়নি। শেষ পর্যন্ত চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের তৎকালীন কমিশনার আলী আকবরের সুপারিশে রাব্বী ভর্তি হতে পেরেছিল চট্টগ্রাম পুলিশ ইনস্টিটিউট স্কুলে। সেই সময়ের কষ্ট নিয়ে ২০০৮ সালের মে মাসে প্রথম আলোর খোলা কলামে ছাপা হয়েছিল ‘একজন রাব্বীর সংগ্রাম ও উপলব্ধি’ শিরোনামে নিবন্ধ। জন্মগতভাবে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী রাব্বীর অপটিক নার্ভ বিকশিত হয়নি। পুলিশ ইনস্টিটিউট স্কুল থেকে ২০১০ সালে মানবিক বিভাগে জিপিএ-৫ পায় রাব্বী। তখন পুরো স্কুল তাকে নিয়ে আত্মহারা হয়ে পড়ে। তার বাবা ব্যাংকার মো. কামাল উদ্দিন ও মা তাহরীর-ই-শাহনাজ নগরের বাওয়া স্কুলের শিক্ষক। ছেলেকে নিয়ে তাঁদেরও কম যুদ্ধ করতে হয়নি। সেই যুদ্ধে সাফল্য আসে এসএসসিতে। ফল প্রকাশের পরদিন ১৬ মে ‘অবহেলার জবাব দিয়েছে রাব্বী’ শিরোনামে প্রথম আলোয় প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনটি লেখেন চট্টগ্রামের নিজস্ব প্রতিবেদক প্রণব বল। এই সংবাদটিই এবার ষষ্ঠ শ্রেণীর কর্ম ও জীবনমুখী শিক্ষা বইয়ে তুলে ধরা হয়েছে। মা শাহনাজ বইটি এনে রাব্বীকে পড়ে শুনিয়েছেন। শাহনাজ বলেন, ‘অনেক বড় একটি বিষয় এটি। কী যে ভালো লাগছে। আমার ছেলের সাফল্য ছোটরা পড়বে, এটা ভেবে খুব আনন্দ হচ্ছে।’ রাব্বী প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমঞ্চু আমাকে পড়ে শুনিয়েছেন। কী যে ভালো লাগছে বোঝানো যাবে না। সারা দেশের শিক্ষার্থীরা আমার কাহিনি পড়বে। এটা অনেক বড় পাওয়া, অনেক গর্বের। আরও আনন্দের বিষয় হলো, বইয়ে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ও বেগম রোকেয়ার জীবনকাহিনির সঙ্গে আমারটাও রয়েছে।’ ষষ্ঠ শ্রেণীর ওই বইয়ে ‘শিক্ষামাধ্যমে খ্যাতিমান হয়ে ওঠার গল্প’ রয়েছে। ৪৯ পৃষ্ঠায় ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ও ৫০ পৃষ্ঠায় বেগম রোকেয়ার গল্প আছে। এরপর আছে রোজিনা ও রাব্বীর জীবনকাহিনি। রাব্বী এবার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ ও আইন অনুষদের ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। তাঁর ইচ্ছা আইন নিয়ে পড়ার। রাব্বী বলেন, ‘আমার এই সংগ্রাম যদি ছোটদের পড়ালেখার প্রতি উদ্বুদ্ধ করে, তাহলে শান্তি পাব।’ প্রথম আলো ট্রাস্টের অদম্য মেধাবীদের ছবি: রোজিনা ও রাব্বীর মতো শত বাধাবিপত্তি ও দরিদ্রতা অতিক্রম করে ২০১১ সালের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছিল অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী। তাদের কথা প্রথম আলোর পাতায় তুলে এনেছিলেন সারা দেশে থাকা প্রথম আলোর প্রতিনিধিরা। ব্র্যাক ব্যাংক-প্রথম আলো ট্রাস্টের উদ্যোগে ওই অদম্য মেধাবীদের ২০১১ সালের ১২ ডিসেম্বর কারওয়ান বাজারে সিএ ভবনের মিলনায়তনে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। অতিথিদের সঙ্গে অদম্য মেধাবীদের ছবিসহ সংবাদ পরদিন ১৩ ডিসেম্বর ছাপা হয় প্রথম আলোর পৃষ্ঠা ৩-এ। অদম্য মেধাবীদের ওই ছবিটি ষষ্ঠ শ্রেণীর কর্ম ও জীবনমুখী শিক্ষা বইয়ের ৫৩ পাতায় ছাপা হয়েছে ‘শিক্ষাক্ষেত্রে সফল অদম্য মেধাবী শিরোনামে’।

শৈশব থেকে বৃক্ষ রোপণ করে চলেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের কার্তিক পরামানিক। শত বাধাবিপত্তি, প্রতিকূলতা পেরিয়ে এসএসসিতে জিপিএ-৫ পান চট্টগ্রামের দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী তৌফাতুর রাব্বী ও রাজশাহীর রোজিনা খাতুন। তাঁদের কথা প্রথম প্রকাশিত হয় প্রথম আলোয়।

আরও ৫ মুসল্লির মৃত্যু- ইজতেমার ময়দানে মানুষের ঢল

আখেরি মোনাজাতে অংশ নিতে টঙ্গীর তুরাগতীরে বিশ্ব ইজতেমার ময়দানে মানুষের ঢল নেমেছে। লাখ লাখ মুসল্লি হেঁটে ইজতেমা ময়দানের দিকে আসছেন। মানুষের উপচে পড়া ভিড় ইজতেমা ময়দান পেরিয়ে আশপাশের সড়ক, অলিগলি ও বাড়িঘরে ছড়িয়ে পড়েছে।

চার রাষ্ট্রীয় ব্যাংকে খেলাপি ঋণ বেড়েছে অস্বাভাবিকভাবে by মনজুর আহমেদ

রাষ্ট্রমালিকানাধীন চার ব্যাংকের খেলাপি ঋণ অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। ২০১২ সালের নয় মাসে খেলাপি ঋণ বৃদ্ধির পরিমাণ সাত হাজার কোটি টাকারও বেশি। ১২ মাসের হিসাবে তা প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা হতে পারে বলে ব্যাংকগুলোর সূত্র বলছে।

পাঞ্জাবে আট দিনে ধর্ষণ মামলার রায়-শিশু ধর্ষণের পর হত্যা

ভারতের পাঞ্জাব রাজ্যে ধর্ষণের দায়ে এক ব্যক্তিকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মামলা দায়েরের আট দিনের মাথায় এ রায় দেওয়া হলো।
দণ্ড পাওয়া পবন দুবে তার ১৭ বছর বয়সী এক মেয়ে সহকর্মীকে অপহরণ করে দিল্লি নিয়ে যায়। সেখানে ১৫ দিন ওই মেয়ের ওপর যৌন নিপীড়ন চালায় সে।

মালিতে জরুরি অবস্থা জারি

মালিতে গত শুক্রবার জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। ইসলামপন্থী জঙ্গিদের বিরুদ্ধে ফরাসি সেনাদের সহায়তায় সরকারি বাহিনীর চলমান লড়াইয়ের মধ্যে অন্তর্বর্র্তী প্রেসিডেন্ট দিওনকাউন্দা ত্রায়োর এ ঘোষণা দেন। প্রাথমিকভাবে এ অবস্থা চলবে ১০ দিন।

যুক্তরাষ্ট্রে ইনফ্লুয়েঞ্জার মহামারি-সাত দিনে নিহত শতাধিক

যুক্তরাষ্ট্রে ইনফ্লুয়েঞ্জা মহামারির আকার ধারণ করেছে। দেশটির ২৪টি অঙ্গরাজ্যে সাত দিনে ইনফ্লুয়েঞ্জায় আক্রান্ত হয়ে শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) এ তথ্য জানিয়েছে।

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেল ষষ্ঠজন

দিল্লিতে বাসে গণধর্ষণ ও হত্যা মামলায় অভিযুক্ত ষষ্ঠ ব্যক্তি ছয় দিনের চিকিৎসা শেষে গত শুক্রবার হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে। অ্যাপেনডিসাইটিসের অস্ত্রোপচারের জন্য তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

অজগর মারার প্রতিযোগিতা!

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে গতকাল শনিবার থেকে শুরু হয়েছে অজগর মারার প্রতিযোগিতা। ফ্লোরিডার দক্ষিণে এভারগ্লেডস অঞ্চলের জলাভূমিকে হিংস্র প্রজাতির বার্মিজ অজগর থেকে মুক্ত করতেই এ ব্যতিক্রমী প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।

শাভেজকে দেখতে কিউবায় কির্চনার-উপহার বাইবেল ও ক্রুশ

আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট ক্রিস্তিনা ফার্নান্দেজ কির্চনার ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট হুগো শাভেজের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে শুক্রবার কিউবায় পেঁৗছেছেন। শাভেজ ছাড়াও কিউবার প্রেসিডেন্ট রাউল কাস্ত্রো ও তাঁর ভাই ফিদেল কাস্ত্রোর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন তিনি।

সমসাময়িক প্রসঙ্গ-আশার বছর নাকি শঙ্কার? by অনিরুদ্ধ আহমেদ

পশ্চিমের দেশগুলোতে ডিসেম্বর মাস হচ্ছে ছুটির মৌসুম। বড়দিন কিংবা ইংরেজি নববর্ষকে কেন্দ্র করে ছুটির মৌসুমে অনেকেই যেমন সপরিবারে বেড়াতে যান, তেমনি অনেকের বাড়িতে থাকে খাওয়ার নিমন্ত্রণ। বাঙালির বাড়িতে বিশেষত ভূরিভোজ চলে রীতিমতো আয়েশের সঙ্গে।

জেনোসাইড ডটার by মানিক রহমান

জেনোসাইডের বিপরীতে গণহত্যা অভিধাটা যথার্থ হওয়ার কথা নয়। তারপরও আমরা ব্যবহার করি, এক শব্দে প্রকাশ করার জন্য এর চেয়ে ভালো অভিধা নেই বলে। জেনোসাইড মানে উদ্দেশ্যমূলকভাবে কোনো জাতিকে বা জাতির একটি অংশ বা জাতির কোনো একটি সম্প্রদায়কে হত্যা করা।

উন্নয়ন-কল্যাণ রাষ্ট্র বিনির্মাণে এশিয়ার অগ্রগতি by গওসল আযম

১৯২১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নে সমাজতন্ত্রের আবির্ভাব এবং পৃথিবীর বেশ কয়েকটি দেশে এর সম্প্রসারণ সারাবিশ্বকে হতচকিত করেছে। ধনবাদী রাষ্ট্রগুলোর নেতারা মার্কসবাদের গোড়াপত্তন এবং সম্প্রসারণকে পুঁজিবাদের প্রতি চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করে সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে বৈরী আচরণ করেছে।

সাম্প্রতিক প্রসঙ্গ-বিপুল সম্ভাবনা :প্রয়োজন একটানা উন্নয়ন by নাসির আহমেদ

বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা-অসন্তোষ নিয়ে অনেকে হতাশা প্রকাশ করেন। এ ছাড়া দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে ধীরগতি, সুশাসনের পথে নানা অন্তরায় নিয়েও হতাশা প্রকাশ করেন তারা। এ হতাশা সংবাদমাধ্যমে যেমন মুদ্রিত, তেমনি টেলিভিশন টকশোগুলোতে উচ্চারিত হয় বারবার।

সাম্প্রতিক প্রসঙ্গ-বিপুল সম্ভাবনা :প্রয়োজন একটানা উন্নয়ন by নাসির আহমেদ

বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা-অসন্তোষ নিয়ে অনেকে হতাশা প্রকাশ করেন। এ ছাড়া দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে ধীরগতি, সুশাসনের পথে নানা অন্তরায় নিয়েও হতাশা প্রকাশ করেন তারা। এ হতাশা সংবাদমাধ্যমে যেমন মুদ্রিত, তেমনি টেলিভিশন টকশোগুলোতে উচ্চারিত হয় বারবার।

ভুয়া ফিজিওথেরাপিস্ট-ওদের কঠোর শাস্তি প্রাপ্য

ভুয়া ফিজিওথেরাপিস্ট, ভুয়া ডাক্তার, ভুয়া র‌্যাব, ভুয়া ডিবি পুলিশ_ এ ধরনের অনেক ভুয়ার সঙ্গে আমাদের বসবাস। এ ভুয়াদের ওপর জীবনকে সঁপে দিয়ে অনেকে মৃত্যু, দুঃখ-শোককে আলিঙ্গন করেন। অথচ এ জন্য ভুক্তভোগী মানুষটি দায়ী নয়। দায়ী কখনও সমাজ, কখনও রাষ্ট্রীয়-রাজনৈতিক ব্যবস্থা।

প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ-জরুরি প্রসঙ্গ অনুপস্থিত

মহাজোট সরকারের চার বছর পূর্তি উপলক্ষে শুক্রবার জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২০১৩ সাল ক্ষমতাসীন সরকারের মেয়াদ পূর্তির বছর। জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে এরই মধ্যে নির্বাচনী প্রস্তুতি শুরু হয়েছে দলগুলোর ভেতর।

ধর্ষণবিরোধী আইন-বার্মা কমিশনের কাছে ৬০ হাজার সুপারিশ

ভারতে ধর্ষণবিরোধী কঠোর আইন প্রণয়নে গঠিত বার্মা কমিশন বিষয়টি নিয়ে জনগণের কাছ থেকে প্রায় ৬০ হাজার সুপারিশ পেয়েছে। বেশির ভাগ সুপারিশেই ধর্ষণকারীর মৃত্যুদণ্ডের দাবি করা হয়।

কাশ্মীর সীমান্তে উত্তেজনা-পরিস্থিতির উন্নতি না হলে বিকল্প ভাববে ভারত-প্রয়োজনে নিরাপত্তা পরিষদে যাওয়ার ইঙ্গিত পাকিস্তানের

কাশ্মীরের বিতর্কিত সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা কমেনি। ভারত ও পাকিস্তানকে বিভক্তকারী নিয়ন্ত্রণ রেখার (এলওসি) দুই পাশে উভয় পক্ষ সেনা উপস্থিতি বাড়িয়েছে।

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ঘাঁটি গেড়েছে ফিলিস্তিনিরা

ইসরায়েল অধিকৃত পশ্চিম তীরের একটি এলাকায় তাঁবু খাটিয়ে ঘাঁটি গেড়েছে দুই শতাধিক ফিলিস্তিনি। ইসরায়েল এ এলাকা ছাড়তে গতকাল শনিবার তাদের এক ঘণ্টার সময় বেঁধে দেয়। তবে নির্ধারিত সময় পার হলেও ওই ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদে কোনো তৎপরতা ইসরায়েলের মধ্যে দেখা যায়নি।

শ্রীলঙ্কার প্রধান বিচারপতি শিরানিকে অভিশংসন

শ্রীলঙ্কার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি শিরানি বন্দরনায়েকেকে অভিশংসিত করার প্রস্তাব পার্লামেন্টে পাস হয়েছে। গত শুক্রবার এ প্রস্তাবের ওপর ভোটাভুটি হয়। প্রস্তাবের পক্ষে পড়েছে ১৫৫ আর বিপেক্ষে পড়ে ৪৯ ভোট।

বিন লাদেন হত্যাকাণ্ড-ছবি চেয়ে আবেদন যুক্তরাষ্ট্রের 'না'

ওসামা বিন লাদেনের মৃতদেহের ছবি প্রদর্শন না করার বিষয়ে অটল রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তাদের বক্তব্য, এসব ছবি প্রকাশ করা হলে তা জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। এ ব্যাপারে ফেডারেল আদালতে এক শুনানিতে গত বৃহস্পতিবার সরকার তাদের বক্তব্য জানিয়ে দেয়।

নেপালে বাস খাদে পড়ে নিহত ২৯

নেপালে বাস খাদে পড়ে অন্তত ২৯ জন মারা গেছে। আহত হয়েছে ১২ জন। গত শুক্রবার রাতে পশ্চিম নেপালের পাহাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে।

চীনে ভূমিধসে নিহত ৪৬

চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি গ্রামে ভূমিধসে শিশুসহ ৪৬ জন মারা গেছে। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে একই পরিবারের সাত সদস্য রয়েছে। ইউনান প্রদেশের গাওপো গ্রামে গত শুক্রবার এ ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম গতকাল শনিবার এ কথা জানায়।

বিতর্কিত এলাকা নিয়ে চীনের মানচিত্র প্রকাশ

চীন প্রথমবারের মতো বিতর্কিত দক্ষিণ চীন সাগরের দ্বীপসমূহের মালিকানা দাবি করে মানচিত্র প্রকাশ করেছে। এতে ১৩০টির বেশি দ্বীপপুঞ্জ ও ক্ষুদ্র আকৃতির দ্বীপকে চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সমুদ্রসীমা নিয়ে চলমান বিরোধের মধ্যেই সম্প্রতি এ মানচিত্র প্রকাশ করে চীন।

ফরাসি ব্যবসায়ীর দাবি-গাদ্দাফির কাছ থেকে পাঁচ কোটি ইউরো নেন সারকোজি

ফ্রান্সের সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলা সারকোজি তাঁর নির্বাচনী প্রচারকাজে লিবিয়ার সাবেক নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফির কাছ থেকে অবৈধভাবে পাঁচ কোটিরও বেশি ইউরো নিয়েছিলেন। জিয়াদ তাকিয়েদ্দিন নামের ফ্রান্সের এক ব্যবসায়ী এ দাবি করেছেন।

দামেস্কে রাজনৈতিক পালাবদলের আহবান মস্কোর

সিরিয়ায় রাজনৈতিক পালাবদলের প্রক্রিয়া শুরুর আহবান জানিয়েছে রাশিয়া। রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে গতকাল শনিবার এ আহবান জানানো হয়। তবে বাইরে থেকে হস্তক্ষেপ করে নয়, বরং সিরীয়রা নিজেরাই তাদের ভাগ্য নির্ধারণ করবে_এ ব্যাপারেও মস্কো তাদের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে।

কোয়েটায় বোমা হামলা-'সেনাবাহিনী নিরাপত্তার ভার নেবে, এরপর লাশ দাফন'

কোয়েটার নিরাপত্তা ভার সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর না করা পর্যন্ত বোমা হামলায় নিহত ব্যক্তিদের লাশ দাফন করবে না বলে জানিয়েছে শিয়াপন্থী হাজারা সম্প্রদায়ের লোকজন। গত বৃহস্পতিবার বেলুচিস্তানের রাজধানী কোয়েটার দুটি স্থানে পৃথক বোমা হামলায় ১১৬ জন নিহত হয়।

ওবামা-কারজাই সমঝোতা-এ বসন্তেই বেশির ভাগ যুদ্ধাভিযান শেষ করবে যুক্তরাষ্ট্র

আফগানিস্তানে এই বসন্তের মধ্যেই 'বেশির ভাগ' যুদ্ধাভিযানের ইতি টানবে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনে গত শুক্রবার এক বৈঠকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও যুক্তরাষ্ট্র সফরকারী আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাই এ ব্যাপারে একমত হয়েছেন।

বিশ্ব ইজতেমা-হয়ে উঠুক বিশ্ব মুসলিম ঐক্যের প্রতীক

দেশে বিরাজমান তীব্র শৈত্যপ্রবাহ উপেক্ষা করে টঙ্গীর তুরাগ তীরে সমবেত হয়েছে লাখো মুসল্লি। গত শুক্রবার আমবয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই জমায়েতের প্রথম পর্ব। আজ রবিবার আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে ইজতেমার প্রথম পর্ব।

প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ-মূল সংকট এড়িয়ে গেলে চলবে না

সরকারের চার বছর পূর্ণ হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে এই চার বছরে তাঁর সরকারের সাফল্যগুলো তুলে ধরেছেন। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার স্বার্থে আগামী নির্বাচনেও তাঁর দলকে বিজয়ী করার আহ্বান জানিয়েছেন।

একাত্তরের এই দিনে

* ঢাকায় প্রেসিডেন্ট ভবনে বঙ্গবন্ধু এবং প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের মধ্যে তিন ঘণ্টাব্যাপী এক বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে বঙ্গবন্ধু ধানমণ্ডির নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনাকালে বলেন, দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতিসহ জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তাঁর আলোচনা হয়েছে।

পবিত্র কোরআনের আলো-নূহ (আ.)-এর অবাধ্য পুত্র কিনআন শেষ পর্যন্ত সুপথের সন্ধান পেল না

৪০. হ্বাত্তা- ইযা- জা-আ আমরুনা- ওয়া ফা-রাত্তান্নূরু ক্বুলনা ইহ্মিল্ ফীহা মিন কুল্লিন যাওজাইনিছ্ নাইনি ওয়া আহ্লাকা ইল্লা মান ছাবাক্বা আ'লাইহিল ক্বাওলু ওয়া মান আ-মানা; ওয়া মা- আ-মানা মাআ'হূ ইল্লা- ক্বালীল; ৪১. ওয়া ক্বা-লার্কাবূ ফীহা বিছ্মিল্লা-হি মাজরি-হা- ওয়া মুরছা-হা; ইন্না রাব্বী লাগাফূরুর্ রাহীম।

বিশেষ সাক্ষাৎকার : এ কে আবদুল মোমেন-জেনোসাইডের মতো অপরাধতুল্য ইকোসাইড নিরসনে বিশ্ব সহযোগিতা প্রয়োজন

জাতিসংঘে বাংলাদেশের ভূমিকা, শান্তিরক্ষা বাহিনীসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কালের কণ্ঠের সঙ্গে কথা বলেছেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত ড. এ কে আবদুল মোমেন।

চরাচর-বীরচন্দ্র মাণিক্য গণপাঠাগার by জাহাঙ্গীর হোসেন অরুণ

রাজা আসে রাজা যায়। দু-একটি পাখি যেমন পালক ফেলে যায়, ঠিক রাজাদেরও দু-একজন কিছু কর্ম রেখে যান। ত্রিপুরার রাজা বীরচন্দ্র মাণিক্য তেমনই এক রাজা। শিল্পসাহিত্যের প্রতি তাঁর আসক্তি ছিল গভীর। এই রাজা মানুষের জন্য করেও গেছেন অনেক।

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি প্রভাব পড়বে অর্থনীতিতে by ইফতেখার আহমেদ টিপু

জ্বালানি তেলের দাম আরেক দফা বাড়ানো হলো। সরকারের নির্বাহী আদেশবলে ৩ ডিসেম্বর মূল্যবৃদ্ধির এই অপ্রিয় সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়। এর ফলে প্রতি লিটার ডিজেল ও কেরোসিনের দাম সাত টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। ৬১ টাকা থেকে দাম দাঁড়াল ৬৮ টাকা।

উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে বর্তমান সরকারের পদক্ষেপ by ড. মিল্টন বিশ্বাস

চলতি বছরের (২০১৩) ৬ জানুয়ারি মহাজোট সরকারের রাষ্ট্রক্ষমতার শেষ বছরের গণনা শুরু হলো। ২০০৯ সালের এই দিন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ হাসিনা শপথ গ্রহণ করেন। সেই বছরই পিলখানা হত্যাযজ্ঞসহ বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করে দেশ এগিয়ে নেওয়ার জন্য সচেষ্ট হতে হয় তাঁর মন্ত্রিপরিষদকে।

বিমানের দুর্দশার চালচিত্র by এ এম এম শওকত আলী

অনেক দিন ধরেই বিমানের আকাশে ওড়ার ক্ষমতা একবারে বন্ধ না হলেও বহুলাংশে হ্রাস পেয়েছে। বিমান ১৯৭২ সাল থেকেই কাজ শুরু করে। তৎকালীন পিআইএর অল্প কিছু এফ-২৯ নিয়ে এর যাত্রা শুরু। নামকরণ করা হয়েছিল বলাকা। বলাকার ছবি এখনো বিমানের উড়োজাহাজে দৃশ্যমান একটি স্থিরচিত্র।

হাসিনাকে জড়িয়ে ধরে কাঁদলেন রেহানা

 বঙ্গবন্ধুর হত্যা মামলার রায় কার্যকরের পর শুক্রবার দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছোট বোন শেখ রেহানা। দীর্ঘ ৩৪ বছর পর মা-বাবা, ভাইসহ আত্মীয়-পরিজনের আত্মস্বীকৃত খুনীদের ফাঁসির রায় কার্যকরের পর বিদেশে থাকার কারণে প্রাণে বেঁচে যাওয়া বঙ্গবন্ধুর এই দুই কন্যা মুখোমুখি হলে আবেগে জড়িয়ে পড়েন। একে অপরকে জড়িয়ে ধরে দু'বোন কেঁদেছেন অনেকৰণ।

দাফনের প্রতিবাদে গলাচিপায় মিছিল- দুই খুনীর লাশ

নিজস্ব সংবাদদাতা, গলাচিপা, ২৯ জানুয়ারি ফাঁসি কার্যকর হওয়া বঙ্গবন্ধুর দুই খুনী মেজর (অব) ল্যান্সার মহিউদ্দিন ও লে. কর্নেল (অব) আর্টিলারি মহিউদ্দিনের নিজ নিজ গ্রামে লাশ দাফনের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবারও এলাকায় মিছিল সমাবেশ অব্যাহত ছিল।

রাবি প্রফেসর ইউনুস হত্যা মামলার রায়ে পরিবারের অসনত্মোষ

 রাজশাহী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের প্রফেসর, রাবি বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি ও সাবেক ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মোহাম্মাদ ইউনুস হত্যা মামলার রায়ে তীব্র অসনত্মোষ প্রকাশ করেছে তাঁর পরিবার। শুক্রবার বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলার রায়ের খবর পড়ে পরিবারের প েতাঁর মেয়ে সারা সুদীপা ইউনুস অসনত্মোষ প্রকাশ করেন।

হবিগঞ্জের সাবেক ডিসিকে ঘিরে লঙ্কাকা- কিবরিয়া হত্যায় জড়িত

নিজস্ব সংবাদদাতা, হবিগঞ্জ, ২৯ জানুয়ারি অবশেষে আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক অর্থমন্ত্রী শামস্ কিবরিয়া হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে অভিযুক্ত সাবেক ডিসি এমদাদুল হককে নিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে হবিগঞ্জে ঘটেছে এক লঙ্কাকা-।

বিদু্যত খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে নিউইয়র্কে রোড শো

নিউইয়র্ক, ২৯ জানুয়ারি বাংলাদেশের বিদু্যত ও জ্বালানি খাতে প্রত্যৰ বিদেশী বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা এবং বেসরকারী খাতের অংশগ্রহণ বাড়ানোর লৰ্যে 'বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট কনফারেন্স এ্যান্ড রোড শো অন পাওয়ার এ্যান্ড এনার্জি প্রজেক্টস' শীর্ষক দু'দিনব্যাপী সম্মেলন গতকাল নিইউয়র্কের ম্যারিয়ট মারকুইস হোটেলে শুরম্ন হয়েছে।

তিসত্মায় পানি কমছেই, নেমেছে ৩ হাজার কিউসেকে- সেচ চালানো কঠিন

নীলফামারী, ২৯ জানুয়ারি পানির ক্রমহ্রাসে আশা-নিরাশার দোলাচলের কবলে পড়েছে তিসত্মা। নদীর নাব্য এতটাই হ্রাস পেয়েছে যে এখন সেচ কার্যক্রম চালানোই কঠিন হয়ে পড়বে। সংশিস্নষ্টরা কখন যে কৃষকদের বিৰোভের মুখে পড়ে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হচ্ছে।

বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনীদের আপীলও খারিজ হবে আইনমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধু খুনীদের মধ্যে পলাতক ছয়জন আপীল আবেদন করলেও আদালতে তা মঞ্জুর হবে না বলে মনে করছেন আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ। তিনি বলেন, আইন অনুযায়ী আপীল আবেদন করার সময় বিলম্বের জন্য সুনির্দিষ্ট ও গ্রহণযোগ্য কারণ দেখাতে হয়।

সিঙ্গাপুরের আকাশে নিষিদ্ধ হচ্ছে বিমানের উড়োজাহাজ by ফিরোজ মান্না

এবার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ডিসি-১০ ও এয়ারবাস সিঙ্গাপুরের আকাশসীমায় নিষিদ্ধ হতে যাচ্ছে। আনত্মর্জাতিক সিভিল এভিয়েশন (আইকাও) বাংলাদেশের সিভিল এভিয়েশনকে এসএসসি (সিগনিফিকেন্ট সেফটি কনসার্ন) তালিকাভুক্ত করায় সিঙ্গাপুর সিভিল এভিয়েশন এ সিদ্ধানত্ম নিয়েছে।

মসজিদে মসজিদে শুকরিয়া আদায়

 শুকরিয়া, হে মহান রাব্বুল আলামিন তোমার দরবারে। জুমার নামাজের আগে খুৎবা এবং মোনাজাতে রাজধানীসহ সারাদেশের মসজিদে মসজিদে আলস্নাহর দরবারে শুকরিয়া জানিয়েছেন লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসলিস্ন।

কাক কুকুরের ডাকও শোনা যায় ন খুনীর বাড়ি

নিজস্ব সংবাদদাতা, গলাচিপা, ২৯ জানুয়ারি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় ফাঁসিতে মৃতু্যবরণকারী ল্যান্সার মহিউদ্দিন দুই যুগেরও আগে গলাচিপা উপজেলা শহরে শখ করে বাংলো প্যাটার্নে একটি বাড়ি নির্মাণ করেছিল।

বিএনপি চলতি অধিবেশনেই সংসদে যোগ দিচ্ছে

নবম জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বিএনপি ৬৬ দিন অনুপস্থিত। চলতি অধিবেশনেই যোগ দিচ্ছে বিএনপি। আগামী দু'একদিনের মধ্যে সংসদীয় দলের সভা ডাকবেন দলের চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া। সভায় সংসদে ফেরার দিন-তারিখ চূড়ানত্ম হবে।

'রক্তঋণ শোধে গৌরবান্বিত by শংকর কুমার দে

 বঙ্গবন্ধুর পাঁচ খুনীর ফাঁসির পর মামলা তদনত্ম করার সেই অতীত দিনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগাপস্নুত হয়ে পড়েন তদনত্মকারী কর্মকর্তা সিআইডির পুলিশ সুপার আবদুল কাহার আকন্দ। খুনীদের যে ফাঁসি দেয়া হলো এটা তাঁর তদনত্মের ফসল।

বিদেশে পলাতক ছয় খুনী অবস্থান পাল্টাচ্ছে বার বার

সোহেল রহমান মৃতু্যভয়ে ভয়ে ভীত হয়ে পড়েছে পলাতক ছয় খুনী। ফাঁসির দড়ি থেকে বাঁচার কৌশল হিসাবে বিদেশের মাটিতে বার বার অবস্থান পরিবর্তন করছে ধূর্ত খুনীর দল। মৃতু্যদ- কার্যকরের পর গণ মানুষের ধিক্কারে বিব্রত অবস্থায় রয়েছে খুনীর আত্মীয়স্বজনরা।

খুনীদের ফাঁসি এত দ্রুত কার্যকর হলো যে কারণে- নেপথ্য কাহিনী by গাফফার খান চৌধুরী

নিরাপত্তার কারণে বঙ্গবন্ধুর ৫ খুনীর ফাঁসি সময়মতো কার্যকর করা হয়েছে। খুনীদের সেলে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কারারৰীদের নানা প্রসত্মাব দেয়ার চেষ্টা করেছিল খুনীরা। অন্যদিকে জীবিত অবস্থায় খুনীদের মৃতু্যযন্ত্রণা থেকে মুক্তি দেয়ার বিষয়টিও সময়মতো ফাঁসি কার্যকর হওয়া অন্যতম কারণ।

ক্রীড়া উৎসব শুরু- এসএ গেমসের বর্ণাঢ্য উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী চোখ ধাঁধানো ডিসপ্লে, তুলে ধরা হলো দেশের সংস্কৃতি, গৌরবজনক মুক্তিযুদ্ধ

মনিজা রহমান ০ ১১তম এসএ গেমসের মাসকট দোয়েল পাখির নাম রাখা হয়েছে 'কুটুম'। মানে অতিথি। এদেশের মানুষ অতিথিবাৎসল্যের জন্য সারা পৃথিবীতে বিখ্যাত। তাই তো সেই চলমান কুটুম ১২ দিনের আসর উপভোগের জন্য আমন্ত্রণ জানালেন অতিথি সাত দেশ তো বটে, সারাবিশ্বে ছড়িয়ে থাকা সব মানুষকে। চলমান মঞ্চে গান গাইতে গাইতে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে ঢুকলেন বাংলাদেশের তিন সেরা সঙ্গীতশিল্পী_ সাবিনা ইয়াসমিন, এ্যান্ড্রু কিশোর ও শুভ্র দেব। খেলায় খেলায় মিলনমেলার সুর ছড়িয়ে দিলেন তারা সবার মধ্যে। শুক্রবার ১৭ বছর পর ১১তম এসএ গেমস আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশ আবার সুযোগ পেল আট দেশের শ্রেষ্ঠ ক্রীড়াবিদদের লড়াইয়ের আয়োজনের। বাংলাদেশের সংস্কৃতি, সবচেয়ে গৌরবজনক অধ্যায় মুক্তিযুদ্ধ তুলে ধরা হলো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজনে। সমৃদ্ধ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির পাশাপাশি ক্যালিসথেনিক ও এ্যাকুয়াটিক শো'র প্রদর্শনী জানিয়ে দেয় টেকনোলজির নবতম সংযোজনে পিছিয়ে নেই বাংলাদেশ।
এসএ গেমসের আয়োজক কমিটির প্রধান ও অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতের স্বাগতিক ভাষণের পর সাদা পায়রা উড়িয়ে গেমসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রঙ-বেরঙের বেলুন উড়তে থাকে স্টেডিয়ামজুড়ে। এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্টেডিয়ামে স্বাগত জানান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আহাদ আলী সরকার এবং বাংলাদেশ অলিম্পিক এ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ) সভাপতি ও সেনাবাহিনীপ্রধান জেনারেল আবদুল মুবীন। ৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানের শুরম্নতে পস্ন্যাকার্ডে লেখা হয় 'ওয়েলকাম টু ঢাকা'। দেশের শ্রেষ্ঠ ক্রীড়াবিদরা মশাল বহনের পর শপথবাক্য পাঠ করেন দেশের দুুই কৃতী ক্রীড়াবিদ জাতীয় ফুটবল দলের গোলরৰক আমিনুল হক এবং দেশের দ্রম্নততম মানবী নাজমুন নাহার বিউটি। মার্চপাস্টে বাংলাদেশের পতাকা বহন করেন কৃতী শূটার আসিফ হোসেন খান। শুক্রবার সকালে হোটেল সোনারগাঁওয়ে পতাকা উত্তোলন দিয়ে শুরম্ন হয় ১১তম এসএ গেমসের উদ্বোধনী দিন। আট দেশের জাতীয় পতাকা রাখা হয় এখানে। বিকেলে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, 'বাংলাদেশের জন্য এটি এক আনন্দের দিন। দেশবাসীকে অনুরোধ করব এসএ গেমস আয়োজনে সবাইকে সহযোগিতা করার জন্য।'
প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের পর শুরম্ন হয় মশাল র্যালি। শ্রীলঙ্কার এ্যাডামস পিকে থেকে মেঘনা ঘাট হয়ে মশাল এসে পেঁৗছায় স্টেডিয়ামে। প্রথমে মশাল হাতে নেন পাকিসত্মান অলিম্পিকে স্বর্ণজয়ী কৃতী এ্যাথলেট জিনাত আহমেদ। তার পর সাঁতারম্ন বজলুর রহমান, ক্রিকেটার রকিবুল হাসান, শূটার আতিকুর রহমান, বক্সার মোশারফ হোসেন, ফুটবলার জুয়েল রানা হয়ে মশাল পান লুৎফুন্নেসা হক বকুল। প্রবীণ এই ক্রীড়াবিদ দেশের পৰে প্রথম পাকিসত্মান অলিম্পিকে ৮০ মিটার হার্ডলসে স্বর্ণ জিতেছিলেন। লুৎফুন্নেসা হক বকুলের কাছ থেকে মশাল নেন যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোসত্মফা (বীরবিক্রম)। তার পর সেই মশাল শূটার কাজী শাহানা পারভিন ও এ্যাথলেট মাহবুব আলমের হাতে ওঠে। মাহবুব ছুটে গিয়ে মশাল তুলে দেন কিংবদনত্মি ফুটবলার এবং বর্তমানে বাফুফে ও সাফ সভাপতি কাজী সালাউদ্দিনের হাতে। তিনি চলনত্ম সিঁড়ি বেয়ে ওপরে উঠে মশাল জ্বালান।
দেশে দেশে মোর ঘর আছে... আমি সেই ঘর মরি খুঁজিয়া... কবির এই আহ্বানের মধ্যে আরম্ভ হয় আকর্ষণীয় সব ডিসপেস্ন। নীল-লাল-হলুদ রঙের পোশাকে প্রজাপতি সেজে সবাইকে আনন্দ দেয় শিশু-কিশোররা। 'শোন একটি মুজিবরের থেকে' 'তীর হারা ওই ঢেউয়ের সাগর' 'হেই সামালো ধান হো' 'বাঁধ ভেঙ্গে দাও' 'আলস্না মেঘ দে' 'জয় বাংলা বাংলার জয়' গানগুলোর সঙ্গে দুর্দানত্ম সব ডিসপেস্ন একদিকে সবাইকে যেমন চেতনায় উদ্দীপ্ত করে, তেমনি ভাসিয়ে দেয় বিস্ময়ের আনন্দে। এসএ গেমসের কোন আসরে অতীতে এর আগে এ্যাকুয়াটিক শো'র মতো চোখ ধাঁধানো পর্ব দেখা যায়নি। ৮ কোটি টাকা ব্যয়ে আতশবাজির মূর্ছনা মোহিত করে রাখে স্টেডিয়ামভর্তি দর্শকদের অনুষ্ঠান শেষ হবার অনেকৰণ পরও। চীন ও ফ্রান্সের কোরিওগ্রাফারদের অধীনে গত এক মাস দিন-রাত পরিশ্রম করেছেন স্কুল-কলেজের শিৰার্থী, বিভিন্ন সার্ভিসেস দলের সদস্য এবং সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বরেণ্য শিল্পীরা এই আয়োজনে।
ইংরেজদের বিরম্নদ্ধে তীর-ধনুক নিয়ে সাঁওতালদের বিদ্রোহ এবং সেই নাচোলের রানী ইলা মিত্রের সংগ্রাম সবাইকে জানিয়ে দেয় এ দেশের মানুষের সংগ্রামী ইতিহাস। ওয়াটার স্ক্রিনে ভেসে ওঠে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের সেই আবেগময় ঐতিহাসিক ভাষণ। তার পর বাংলাদেশের স্বাধীনতার সপৰের আমেরিকার রেডিসন স্কোয়ারে অনুষ্ঠিত ভারতের বিখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী রবিশঙ্কর ও বিখ্যাত ব্যান্ড বিটলসের ভোকালিস্ট জর্জ হ্যারিসনের সে দিনের কনসার্ট দেখানো হয়। এ আয়োজন একদিকে যেমন এই দু'জনের কাছে বাঙালীর কৃতজ্ঞতার প্রকাশ, অন্যদিকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সময়কার গৌরবময় ইতিহাস বিশ্বকে জানিয়ে দেয়া। ১১৮০০ স্কুল ছাত্রছাত্রী, ১৩০০ আনসার এবং ১০০০ সেনাসদস্য অংশ নেন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে। ঢাকার গুরম্নত্বপূর্ণ ৩০ স্থানে বড় পর্দায় গেমসের উলেস্নখযোগ্য অংশ জনসাধারণের জন্য প্রদর্শনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ টেলিভিশন ছাড়াও বেসরকারী সব টিভি চ্যানেল এসএ গেমসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার করে।

যে কারণে বিএনপি নেতাদের মুখে কথা নেই- খুনীদের ফাঁসি

রাজন ভট্টাচার্য বিপাকে বিএনপিসহ চার দলের শরিকরা! ৰমতায় থাকার সময় পুরস্কৃত পছন্দের ব্যক্তিরা নেই। তাই মিত্র শোকে পাথর দলের নেতারা। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুসহ পরিবারের সদস্যদের হত্যার অপরাধে খুনীদের ফাঁসি দেয়া হয়েছে।

ইসলামে নৈরাজ্য শত্রুতা চরমপন্থার কোন স্থান নেই প্রধানমন্ত্রী- স্বার্থান্বেষী মহল ইসলামকে উগ্রপন্থীদের ধর্ম হিসেবে চিহ্নিত করছে

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকার দেশের মসজিদগুলোকে প্রার্থনা ও কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে চায়। তিনি বলেছেন, ইসলাম হলো শানত্মি ও সমপ্রীতির ধর্ম । এখানে গোলযোগ, নৈরাজ্য, শত্রম্নতা ও চরমপন্থার কোন স্থান নেই।

চালের মূল্য বৃদ্ধির রাস টানতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার নির্দেশ- মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, স্বরাষ্ট্র ও খাদ্য মন্ত্রণালয়কে চিঠি by মিজান চৌধুরী

 চালের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধির রাস টানতে বাজারে নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও খাদ্য মন্ত্রণালয়কে ওই নির্দেশ দিয়ে চিঠি দেয়া হয়।

আনোয়ারা সৈয়দ হকের কলাম- এ কেমন দেশ

এ কেমন দেশ যেখানে কিশোরী মেয়েরা পাড়ার বখাটে ছেলেদের উৎপাত সহ্য করতে না পেরে বাধ্য হয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় ? এ কেমন দেশ যেখানে বখাটে ছেলের নামে পাড়ার মেয়েরা অভিযোগ করলেও সে ব্যাপারে অবিভাবকেরা কোন পদপে নেয় না ?

পরগাছা নয় নিজেই শিকড় ছড়িয়ে হব পূর্ণ বৃৰ- ধসালমা সেতারা

এখন এই প্রতিজ্ঞাই নারীদের হওয়া উচিত। নারী গৃহকর্মে কতটা নিপুণা, বিবাহিত জীবনে কতটা প্রেমিকা, কতটা সফল সহধর্মিণী, কতটা বধূ বা, বধূমাতা, কতটা মমতাময়ী মা, কতটা সেবিকা, এসব গণনার দিন গণকেসের খাতায় চলে গেছে বহু আগেই।

অন্দরে নির্বাসিত- বলতে চাই

বিশ শতক থেকে নারী-প্রগতির যুগ শুরম্ন হয়েছে। আজ আর তারা অবরোধবাসিনী নন। সমাজের সর্বেেত্রই তাদের বিচরণ, তাদের কার্যকারিতা সফলভাবে সম্পন্ন হচ্ছে। কিন্তু তার পরেও কি তারা সমঅধিকার পাচ্ছে? এ প্রশ্ন বিবেকবান মানুষকে অবশ্যই নাড়া দেয়।

পিংকির আত্মহনন by মোমিন মেহেদী

নিজ হাতে জীবন দেয়ার ঘটনা বাংলাদেশের অনেক জায়গায় অহরহ ঘটেছে। পিংকিও নিজের জীবন নিজে দেন। এর মুল কারণ হিসেবে আমি বলব, স্বাধীন দেশেও আমরা প্রকৃত যুক্তিশীল সমাজ গড়ে তুলতে পারিনি।

নিঃশঙ্ক পথিক রণেশ মৈত্র by মো. তহিরম্নল ইসলাম

৭৭তম জন্মদিন উপলৰে প্রখ্যাত রাজনীতিক-সাংবাদিক রণেশ মৈত্রের ওপর নানা গুণীজনের নানা দৃষ্টিভঙ্গিতে ৭৮টি লেখা নিয়ে প্রকাশিত হয়েছে 'নিঃশঙ্ক পথিক রণেশ মৈত্র : সাতাত্তরতম জন্মদিনের স্মারক' শীর্ষক বইটি।

পশ্চিমবঙ্গ লিটিল ম্যাগাজিন মেলা- মোহর চট্টোপাধ্যায়

জমজমাট ঠা-ায় রবীন্দ্রসদন চত্বর ঝলমল করে উঠল। চলতি বছরের ৮ জানুয়ারি থেকে শুরম্ন হলো দ্বাদশ লিটিল ম্যাগাজিন মেলা। চলল ১২ জানুয়ারি পর্যনত্ম। মেলার উদ্যোক্তা পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি।

আলরাইক- মূল : হর্হে লুইস বর্হেস

আমার এ গল্প আশ্চর্য এক আনন্দানুভূতির অভিজ্ঞতার মতো বাসত্মবধর্মী। ব্যক্তিগত দুলর্ভ স্মৃতির মুখচ্ছবি। রহস্যময় ও আত্মজৈবনিক। কিছুকাল আগে দৈনন্দিন জীবনযাপনের বিবর্তনের কোন এক সন্ধিণে এ ঘটনাটি ঘটেছিল।

মাদ্রিদে তিন বাঙাল by মুনতাসীর মামুন

হাশেম ভাই আর আমাকে সকালে জাগাননি। আড়মোড়া ভেঙ্গে উঠে দাঁড়াই। সূর্যের আলো মেঝেতে। ব্যালকনিতে দাঁড়াই। নরম রোদ। রাসত্মায় ব্যসত্মতা শুরম্ন হয়েছে। খানিক পর কিচেনে ঢুকতেই দেখি হাশেম ভাই ছুরি নিয়ে ব্যসত্ম।

এরিক সেগাল -এর জীবনী

এরিক সেগালের জন্ম একটি ইহুদী ধর্ম যাজকের পরিবারে। পরবতর্ীতে তিনি ব্রম্নকলিনের মিডওড হাইস্কুলে ভর্তি হন এবং সেই স্কুলের গ্রীষ্মকালীন কোর্স করতে মাঝে মাঝে ইউরোপ ঘুরে আসতেন।

ভালবাসলে কখনোই দুঃখিত বলতে নেই by কামরম্নল হাসান

অসাধারণ এই বাক্যের জন্ম জগৎজুড়ে আলোড়িত, প্রশংসিত ও আলোচিত। ভালবাসার একটি গল্প কাহিনী "লাভ স্টোরি" থেকে। লাভ স্টোরি সম্ভবত বিশ্বজুড়ে আলোচিত এমন একটি গল্প যার তীব্র আবেগ ছুঁয়ে যায় পাঠকের হৃদয়ে এবং এর ব্যাপ্তি ঘটে প্রত্যকের ব্যক্তিগত জীবনে।

প্রসঙ্গ ইসলাম নারীর মর্যাদা ও অধিকার অধ্যাপক by হাসান আবদুল কাইয়ূম

মানব সভ্যতা ভূপৃষ্ঠে বিকশিত হয়েছে প্রথম মানব হযরত আদম আলায়হিস্ সালাম ও প্রথম মানবী হযরত হাওয়া আলায়হাস্ সালামের মিলিত পরিশ্রমে। আদম নর, হাওয়া নারী। নর ও নারী মিলেই মানব জাতি।

বরিশালের গৌরনদীতে কয়েক ঘণ্টা অনেক অভিজ্ঞতা by ড. আর এম দেবনাথ

কীঠা, এর মধ্যেই সূর্যোদয়ের আগে ঘুম থেকে উঠে প্রস্তুত হয়ে যেতে হবে মতিঝিলে। সেখান থেকে সাতটায় যাত্রা শুরম্ন হবে। আমার নিজের আগ্রহ আছে তার ওপর বোর্ড সেক্রেটারি মোসাদ্দেক আলীর তাগিদ। যথাসময়ে হাজির হয়ে গেলাম মতিঝিল।

সোনার খাঁচার দিনগুলো by কাজী তামান্না

জীবনের সবচাইতে সুন্দর এবং আনন্দের সময় শৈশব ও কৈশোরকাল। মানুষের শৈশব জীবন তো উপভোগ করে বাবা-মা দাদা-দাদি নানা-নানি আপনজনেরা। শিশুর চলাফেরা হাসি-কান্না আধো আধো বোল পরম স্নেহ ভালবাসায় আপন-পর সকলেই ধারণ করে।

বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মাঘী পূর্ণিমা- শতদল বড়ুয়া

আজ শুভ মাঘী পূর্ণিমা। বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের কাছে আজকের পূর্ণিমা তিথি খুবই তাৎপর্যপূর্ণ এবং পূত-পবিত্র। কারণ এই পূর্ণিমা তিথি গৌতম বুদ্ধের মহাপরিনির্বাণ দিন ঘোষণার স্মৃতিবিজড়িত।

মন্দা ও অর্থনীতিবিদদের কথা by ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর

এ বছর জানুয়ারির ১২-এর সকালে ধূমায়িত কফির কাপ নিয়ে বসেছিলাম বস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের মু্যগার গ্রন্থাগারের লাগোয়া ছাত্র-শিক কেন্দ্রের এক কফি শপের জানালার পাশে। বরফ পড়া শীত সত্ত্বেও আকাশ নরম নীল।

'বিকৃতি ভাষা আন্দোলন মিউজিয়ামে', বেঙ্গলে চিত্রকলা প্রদর্শনী- সংস্কৃতি সংবাদ

'ভাষা আন্দোলন মিউজিয়াম' নামের প্রতিষ্ঠানটি বিকৃত ইতিহাস প্রচার করছে বলে অভিযোগ করেছে ভাষাসৈনিকদের সংগঠন একুশে চেতনা পরিষদ। বৃহস্পতিবার মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করা হয়।

পলাতকদের দেশে ফিরিয়ে আনতে ইন্টারপোলের সহায়তা নেয়া হবে আইনমন্ত্রী

 আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেছেন, পাঁচ খুনীর ফাঁসির মধ্য দিয়ে দীর্ঘ প্রতীৰার অবসান ঘটল। ইতিহাসের জঘন্যতম বিচার অনেক আগেই হওয়া দরকার ছিল। অতীতের সরকার বিচার চায়নি বরং খুনীদের পুরস্কৃত করেছে।

সচিবালয়ে আনন্দ মিছিল

 বঙ্গবন্ধুর পাঁচ খুনী ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ায় বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে পৃথক দু'টি আনন্দ মিছিল বের করা হয়। সচিবালয় সংযুক্ত পরিষদের ব্যানারে পৃথক দু'টি মিছিলের একটির নেতৃত্ব দেন মিলন-রম্নহুল আমীন এবং অন্যটির নেতৃত্ব দেন আরজ আলী।

সংসদের নারী আসনে সরাসরি নির্বাচন দাবি

সংসদে নারীর সংরৰিত আসনে সরাসরি নির্বাচনের দাবি করেছেন নারী প্রতিনিধিরা। পাশাপাশি উপজেলা পরিষদ অধ্যাদেশ ১৯৯৮ পর্যালোচনা করে উপজেলা ৰমতা স্বতন্ত্রতার বিষয়গুলো পুনর্বহাল এবং উপজেলা পরিষদ নিয়ে সম্প্রতি জারিকৃত পরিপত্রে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানদের দায়িত্বের বিষয় সুনির্দিষ্টভাবে উলেস্নখ করে সংশোধিত পরিপত্র পারিজর দাবি করেছেন তাঁরা।

টেকনাফ স্থল বন্দরে পণ্য ওঠানামা বন্ধ

কক্সবাজার সংবাদদাতা টেকনাফ স্থলবন্দরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধাওয়া পাল্টাধাওয়ার ঘটনায় মালামাল ওঠা-নামা বন্ধ রয়েছে । বুধবারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার আবারও স্থলবন্দরে নিয়োজিত শ্রমিক ও পণ্যবাহী ট্রলারের নাবিকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

ছাত্রলীগ নেতাকমর্ীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ আহত ২৫- পুরনো ঢাকা তিন ঘণ্টা অচল ককটেল বিস্ফোরণ, আতঙ্ক

জবি রিপোর্টার সরকারী কবি নজরম্নল কলেজে অনার্স প্রথম বর্ষে ভর্তি হতে আসা এক শিৰাথর্ীকে নিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ও কবি নজরম্নল কলেজ ছাত্রলীগ নেতাকমর্ীদের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ হয়েছে।

মওদুদের সংশয় ইসলামী দলগুলো আন্ডার গ্রাউন্ডে যাবে ?- পঞ্চম সংশোধনী মামলা

 পঞ্চম সংশোধনী বাতিল হলে ইসলামী দলগুলো রাজনৈতিক শক্তি হারাবে, এতে করে তারা আন্ডার গ্রাউন্ডে গিয়ে জঙ্গীবাদের সৃষ্টি করতে পারে। সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে দেয়া হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে বিএনপি মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন এবং তিন আইনজীবীর আবেদনের ওপর শুনানিতে তাদের আইনজীবী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ একথা বলেছেন।

'বিকৃতি ভাষা আন্দোলন মিউজিয়ামে', বেঙ্গলে চিত্রকলা প্রদর্শনী- সংস্কৃতি সংবাদ

 'ভাষা আন্দোলন মিউজিয়াম' নামের প্রতিষ্ঠানটি বিকৃত ইতিহাস প্রচার করছে বলে অভিযোগ করেছে ভাষাসৈনিকদের সংগঠন একুশে চেতনা পরিষদ। বৃহস্পতিবার মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করা হয়।

সচিবালয়ে আনন্দ মিছিল

 আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেছেন, পাঁচ খুনীর ফাঁসির মধ্য দিয়ে দীর্ঘ প্রতীৰার অবসান ঘটল। ইতিহাসের জঘন্যতম বিচার অনেক আগেই হওয়া দরকার ছিল। অতীতের সরকার বিচার চায়নি বরং খুনীদের পুরস্কৃত করেছে।

সচিবালয়ে আনন্দ মিছিল

 বঙ্গবন্ধুর পাঁচ খুনী ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ায় বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে পৃথক দু'টি আনন্দ মিছিল বের করা হয়। সচিবালয় সংযুক্ত পরিষদের ব্যানারে পৃথক দু'টি মিছিলের একটির নেতৃত্ব দেন মিলন-রম্নহুল আমীন এবং অন্যটির নেতৃত্ব দেন আরজ আলী।

বঙ্গবন্ধুর মাজারে হাজারো মানুষের ঢল, আনন্দ উলস্নাস

নিজস্ব সংবাদদাতা, গোপালগঞ্জ, ২৮ জানুয়ারি জাতির জনক বঙ্গবন্ধৃু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকা-ের বিচারের রায় কার্যকর হওয়ায় পর তাঁর জন্মস্থান গোপালগঞ্জ ও টুঙ্গিপাড়া আনন্দে ভাসছে।

ব্যাংকের পরিচালক হতে হলে সিআইবি'র রিপোর্ট উপস্থাপন করতে হবে


অর্থনৈতিক রিপোর্টার ব্যাংকের পরিচালক হতে হলে অবশ্যই বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্রেডিট ইনফরমেশন বু্যরোর (সিআইবি) হালনাগাদ রিপোর্ট উপস্থাপন করতে হবে।

খুনীদের রায় কার্যকর বিষয়ে মনত্মব্য নেই বিএনপির

 বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার রায় কার্যকর বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোন মনত্মব্য করেনি প্রধান বিরোধী দল বিএনপি। বৃহস্পতিবার জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের এক আলোচনাসভায় বিএনপি নেতারা আওয়ামী লীগ সরকারের কঠোর সমালোচনা করলেও সর্বোচ্চ আদালতের রায় নিয়ে কোন বক্তব্য কিংবা কোন ধরনের মনত্মব্য করেননি।

চট্টগ্রামে হকার-দোকান মালিক ফের সংঘর্ষ পুলিশের গুলি, টিয়ার শেল- আহত অর্ধ শতাধিক ১৪৪ ধারা জারি

চট্টগ্রাম অফিস ফুটপাথ দখলকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামের স্টেশন রোডে হকার-দোকান মালিকের মধ্যে বৃহস্পতিবার আবারও মারাত্মক সংঘর্ষে রণৰেত্র হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যা থেকে রাত অবধি কখনও টানা কখনও থেমে থেমে সংঘর্ষের ঘটনা চলার পর বৃহস্পতিবার সকাল থেকে আবারও সংঘর্ষ শুরম্ন হয়ে যায়।

চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধীরা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে- বিচার প্রক্রিয়া এক ধাপ এগিয়ে গেল

রাজন ভট্টাচার্য জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর খুনীদের বিচারের রায় কার্যকর করার মধ্য দিয়ে আরেক ধাপ এগিয়ে গেল যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া। বৃহস্পতিবার রায় কার্যকর করার পর পরই যুদ্ধাপরাধের সঙ্গে অভিযুক্তরাও নড়েচড়ে বসেছে।

পলাতক ছয় খুনীকেও দ্রম্নত ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ- ৪৬ মিশনকে নির্দেশ পাঠিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, রেড এ্যালার্ট জারি ইন্টারপোলে

সোহেল রহমান পাঁচ খুনীর মৃতুদ- কার্যকরের পর পলাতক ছয় খুনীকেও দু্রত দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বিদেশে অবস্থারত খুনীদের ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।

বায়ান্ন বাজার তিপ্পান্ন গলি

সৈয়দ সোহরাব অন্যান্য দিনের মতোই ছিল বৃহস্পতিবারের ভোরটি। সূর্য উঠেছে যথারীতি, ছিল পাখ-পাখালির কলকাকলি, বিদায় শীতে সূর্যের কিরণও বিলচ্ছিল উষ্ণতা। তারপরও এদিনের ভোরটি ছিল একটু আলাদা।

উৎফুলস্ন শিশু টোকাই থেকে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার

নিখিল মানখিন একবার নয়, বঙ্গবন্ধু পরিবারের যতজন শহীদ হয়েছেন, প্রত্যেক খুনীকে ততবার ফাঁসিতে ঝোলানো উচিত। তাদের ফাঁসির রায় কার্যকর করা উচিত ছিল জনসমৰে। ঐতিহাসিক খুনীদের প্রতি কারও মায়া-মমতা ও সমবেদনা থাকতে পারে না।

খুনীদের ফাঁসি জিয়ার লাশ- মুনীবের ফাঁসির ম্যাজিস্ট্রেট

শহীদ বুদ্ধিজীবী নিজামউদ্দিনের কন্যা রিমাকে হত্যাকারী খুনীদের ফাঁসি কার্যকর করেছিলেন তৎকালীন ম্যাজিস্ট্রেট মুহম্মদ জুলফিকার আলী।

জুতায় জুতায় ঢাকা ছিল খুনীদের কফিন

 বঙ্গবন্ধুর খুনীদের প্রতি দেশবাসীর বুকে এতটা ঘৃণা জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসেছিল যে, বৈরী রাজনৈতিক পরিবেশ আর আইনী প্রতিবন্ধকতার কারণে দীর্ঘ ৩৪ বছর মানুষ তা প্রকাশ করতে পারেনি। এবার তার বহির্প্রকাশ ঘটল।

হুমকি আইনমন্ত্রীকে

 আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদকে ফ্যাক্স মারফত হুমকি প্রদান করা হয়েছে। হুমকিতে বলা হয়েছে, "আইনমন্ত্রী সাহেব এই পত্রে সালাম দেওয়ার দরকার নাই। আপনাকে হুঁশিয়ার করে দিচ্ছি যে আপনি শেখ মুজিবুরের হত্যাকা-ের আসামিদের ফাঁসির আদেশ কার্যকর করিবেন না।

জুতায় জুতায় ঢাকা ছিলখুনীদের কফিন

বঙ্গবন্ধুর খুনীদের প্রতি দেশবাসীর বুকে এতটা ঘৃণা জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসেছিল যে, বৈরী রাজনৈতিক পরিবেশ আর আইনী প্রতিবন্ধকতার কারণে দীর্ঘ ৩৪ বছর মানুষ তা প্রকাশ করতে পারেনি। এবার তার বহির্প্রকাশ ঘটল।

কান্নায় ভেঙ্গে পড়লেন প্রধানমন্ত্রী

 জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবির সামনে দাঁড়িয়ে কেঁদে বুক ভাসালেন তাঁরই কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাধ না মানা অঝোর ধারার এ কান্না ৩৪ বছর ধরে বইয়ে বেড়ানো সব হারানোর তীব্র যন্ত্রণা থেকে মুক্তি, আর বিচার পাওয়ার প্রশানত্মির।

এসএ গেমসের পর্দা উঠছে আজ- প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধন byn মনিজা রহমান

 এসে গেল সেই মাহেন্দ্রৰণ। ২০০৬ সালের কলম্বো এসএ গেমস শুরম্নর পরের মুহূর্ত থেকে যে দিনটির অপেৰায় ছিল সবাই। ১১তম এসএ গেমসের পর্দা উঠছে আজ বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে।

খুনীদের ফাঁসির মাধ্যমে আইনের শাসন ফিরে পেল দেশ- আওয়ামী লীগ নেতাদের প্রতিক্রিয়া ৩২ নম্বরে শ্রদ্ধা নিবেদন

 বঙ্গবন্ধুর খুনীদের বিচারের রায় কার্যকর হওয়ায় সনত্মোষ প্রকাশ করেছে আওয়ামী লীগ। বৃহস্পতিবার জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন শেষে দেয়া প্রতিক্রিয়ায় দলটির জ্যেষ্ঠ নেতারা বলেছেন, খুনীদের ফাঁসির মাধ্যমে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হলো।

জেএমবির ৬ ক্যাডার বেকসুর খালাস, দু'জনের ফাঁসি- রাবির প্রফেসর ইউনুস হত্যা মামলার রায়


আনিসুজ্জামান, রাজশাহী ১৬৪ ধারায় প্রদত্ত স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দীর আলোকে দুই জেএমবি ক্যাডারকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃতু্যদণ্ড কার্যকরের আদেশ দিলেও একই জবানবন্দীতে উলিস্নখিত অপর ৬ জেএমবির ক্যাডারকে বেকসুর খালাস দিয়েছে রাজশাহী বিভাগীয় দ্রম্নত বিচার ট্রাইবু্যনাল আদালত। বৃহস্পতিবার বিকেলে ট্রাইবু্যনালের বিচারক মোঃ মঞ্জুরম্নল বাছিদ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের প্রফেসর, রাবি বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি ও সাবেক ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ ইউনুস হত্যা মামলায় উপরোক্ত রায় দেন।

জেএমবির ৬ ক্যাডার বেকসুর খালাস, দু'জনের ফাঁসি- রাবির প্রফেসর ইউনুস হত্যা মামলার রায়


আনিসুজ্জামান, রাজশাহী ১৬৪ ধারায় প্রদত্ত স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দীর আলোকে দুই জেএমবি ক্যাডারকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃতু্যদণ্ড কার্যকরের আদেশ দিলেও একই জবানবন্দীতে উলিস্নখিত অপর ৬ জেএমবির ক্যাডারকে বেকসুর খালাস দিয়েছে রাজশাহী বিভাগীয় দ্রম্নত বিচার ট্রাইবু্যনাল আদালত। বৃহস্পতিবার বিকেলে ট্রাইবু্যনালের বিচারক মোঃ মঞ্জুরম্নল বাছিদ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের প্রফেসর, রাবি বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি ও সাবেক ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ ইউনুস হত্যা মামলায় উপরোক্ত রায় দেন।

তিন লাখ টন গম দেবে রাশিয়া

 বাংলাদেশকে তিন লাখ মেট্রিক টন গম দেবে রাশিয়া । এ লৰ্যে শীঘ্রই সরকারী পর্যায়ে দু'দেশের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাৰরিত হবে। এ চুক্তির আওতায় রাশিয়া বাংলাদেশের কৃষি ও খাদ্য খাতে সহায়তা করতে ইচ্ছুক। বৃহস্পতিবার খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী ড. মোঃ আব্দুর রাজ্জাকের সঙ্গে সচিবালয়ে তাঁর অফিস কৰে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত ড. গেন্নাডি পি. ট্রোটসেনকো সাৰাত করে এ কথা বলেন।

ফাঁসি যেভাবে কার্যকর হলো

 বুধবার বেলা আড়াইটায় বঙ্গবন্ধুর ৫ খুনীর আত্মীয়স্বজনকে ডেকে পাঠানো হয়। এরপর পর্যায়ক্রমে খুনীদের আত্মীয়স্বজনরা কারাগারে গিয়ে খুনীদের সঙ্গে সাৰাত করেন। সাৰাতের পরই পুরো চেহারা পাল্টে যায় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে।

সংসদে শোকরানা মোনাজাত, কর্মসূচী স্থগিত

 জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের খুনীদের ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ায় সনত্মোষ প্রকাশ করে জাতীয় সংসদে শোকরানা মোনাজাত করা হয়েছে। একই সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সংসদের দৈনন্দিন সকল কার্যসূচী স্থগিত করে বৃহস্পতিবার সংসদ মুলতবি করা হয়।

মসজিদে মসজিদে বিশেষ দোয়া কামনা আজ

 জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকা-ের দীর্ঘ প্রতীৰিত রায় কার্যকর হওয়ায় দেশের সর্বসত্মরের মানুষ স্বসত্মি প্রকাশ করেছেন। খুনীদের ফাঁসি হওয়ায় বৃহস্পতিবার দেশের বিভিন্ন স্থানে সাধারণ মানুষ আনন্দ মিছিল, শোকরানা নামাজ আদায় এবং মিলাদ মাহফিল করেছে।

যে ১২ জলস্নাদে ফাঁসি কার্যকর করল ৫ খুনীর by শংকর কুমার দে

বঙ্গবন্ধুর ৫ খুনীর ফাঁসি যে ১২ জলস্নাদ কার্যকর করেছে তাদের কাছ থেকে চমকপ্রদ কাহিনী জানা গেছে। কনডেম সেল থেকে খুনীদের হ্যান্ডকাফ ও মুখম-লে যমটুপি পরিয়ে আনে তারাই। ফাঁসি কার্যকরের সেই রাতে জলস্নাদদের করানো হয় নানা পদের ভূরিভোজ।

জলস্নাদরা খুনীদের বলে রাসেলের কান্নায় তো তোমাদের মায়া জাগেনি- অনত্মিম মুহূর্তে by গাফফার খান চৌধুরী

 বঙ্গবন্ধুর পাঁচ খুনীর মধ্যে এক খুনী চিৎকার করে জীবনের শেষ ইচ্ছার কথা জানিয়ে ছিল। বলেছিল আমাকে মাফ করে দেন। আমাকে জেল থেকে ছেড়ে দেন। আমাকে আপনারা মাফ করে দেন। আমি দূরে কোথাও চলে যাব।

জাতীয় বেইমান মোশতাক by মামুন-অর-রশিদ

 মীরজাফর থেকে খন্দকার মোশতাক হত্যা, কু্য আর ষড়যন্ত্রের রাজনীতির এক সমানত্মরাল অধ্যায়। এখন থেকে ২শ' ৬৩ বছর আগের কথা। পলাশীর আম্রকাননে বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলা মীরজাফরের ষড়যন্ত্রে ইংরেজদের সঙ্গে যুদ্ধে পরাজিত হন।

প্রতিবাদ ঘৃণা আর বিৰোভের মধ্যে ৫ খুনীর লাশ দাফন- বিভিন্ন স্থানে আনন্দ মিছিল, মিষ্টি বিতরণ ইচ্ছা করে কবরডা খুঁইড়া ফ্যালাইয়া দেই_ এক বৃদ্ধার প্রতিক্রিয়া

ডেস্ক রিপোর্ট বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনীদের লাশ বৃহস্পতিবার তাদের নিজ নিজ গ্রামে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে দাফন করা হয়েছে। স্থানীয় জনগণ এই ঘৃণিত খুনীদের লাশ দাফন করতে বাধা দেয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ-র্যাব পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

নতুন ইতিহাস ফের বিজয়ী বাঙালী ৩৪ বছরের দীর্ঘ লড়াইয়ে- কলঙ্ক মুক্ত জাতির

পুবের আকাশে শুকতারা উঠতে তখন কয়েক ঘণ্টা বাকি। রাতের শেষ প্রহর তখন আকাশের গায়ে জেগে উঠতে শুরম্ন করেছে। তখনও ধানম-ির ৩২ নম্বর বাড়িটির সামনে দাঁড়িয়ে আছে নারী-পুরম্নষ।

গাড়ি ভাংচুর ও অগি্নসংযোগ

গাজীপুর সদর উপজেলার বোর্ডবাজার এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে বাসচাপায় গত সোমবার সকালে এক গার্মেন্টস শ্রমিক নিহত ও দশজন আহত হয়। এতে ুব্ধ শ্রমিকরা সড়ক অবরোধ করে ২৫টি গাড়ি ভাংচুর করে এবং ১৫টি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়।

ফুল ও ফল

আমি অনেকদিন যাবতই একটি বিষয় নিয়ে ভাবছি, আমার ভাবনার সেই বিষয়টি হলো আমাদের বাংলাদেশের বৃ। আমি যখনি কোন রাসত্মা বা পথ দিয়ে হাঁটি অথবা কোন গাড়িতে চড়ে কোথাও একটু ঘুরতে যাই তখন মনে মনে ভাবি আহ্ যদি আমাদের এই বাংলাদেশের প্রতিটি রাসত্মার দুই পাশে বিভিন্ন ধরনের ফুলগাছ যেমন বকুল,

সম্পাদক সমীপে- সিলেবাসের অনত্মরালে বই ব্যবসা

শরীয়তপুর জেলার সখিপুরে বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে চলছে সিলেবাস সাপস্নাইয়ের অনত্মরালে লাইব্রেরীর মালিক ও প্রধান শিকের মধ্যে চমৎকার বই ব্যবসা। সখিপুর উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ে সরকার কতর্ৃক বই প্রদানের পর সংশিস্নষ্ট বিদ্যালয় সিলেবাস তৈরি না করে লাইব্রেরীর মালিক ও প্রধান শিক মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

সন্ত্রাসীর শাসত্মি

পাকিসত্মানের লাহোরের একটি ঘটনার কথা জানা গেল প্রকাশিত এক খবর থেকে। সেখানে এক ব্যক্তি এক তরম্নণীকে বিয়ে করার প্রসত্মাব দিয়েছিল। বিয়েতে রাজি হয়নি ঐ তরম্নণী।

হিটলারের ১০টি দাঁত ফিলিং করা ছিল

হিটলারের দাঁতের অবস্থা ভাল ছিল না। তাঁর ১০টি দাঁতে ফিলিং করা ছিল। তাঁর দাঁতের অবস্থা ছিল খুব খারাপ। মাড়িতে ছিল ফোঁড়া। ঐ ফোঁড়া থেকে পুঁজ বের হতো। তাঁর মুখ থেকে বের হতো দুর্গন্ধ! সম্প্রতি প্রকাশিত এক খবর থেকে এসব তথ্য জানা যায়।

এনজিওর সাফল্যের মূলে মুক্তিযুদ্ধ ও মৌলবাদের সঙ্গী এনজিওরা- স্বদেশ রায়

আমরা এই যে দায়িত্ব নিতে শিখেছি। নিজের দায়িত্ব নিজে নেই। সরকারকে সহযোগিতা করার জন্যে আমরা কাজ করি। আমাদের এই চরিত্র অর্জনের মূলে কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ। মুক্তিযুদ্ধ আমাদের দায়িত্ব নিতে শিখিয়েছে। বিদেশে গেলে তারা অবাক হয়।

প্রথম দিনেই নতুন বই by মাহফুজুর রহমান মানিক

নতুন বছরে নতুন কাসের সাথে সাথে নতুন বই শিার্থীদের প্রত্যাশা। শিশুদের েেত্র এ প্রত্যাশা চিরন্তন সত্য। পৃথিবীটা তাদের কাছে নতুন। নতুন পৃথিবীতে সবকিছুতে নতুনই ভালবাসে শিশু। শিশুদের পড়ার জন্য চাই নতুন বই।

রাষ্ট্রীয় সম্মাননা দেয়া হোক

ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম অগি্নপুরুষ মাস্টার দা সূর্যসেনের সাথী, ঐতিহাসিক জালালাবাদ যুদ্ধের অন্যতম বীরযোদ্ধা বিপ্লবী বিনোদ বিহারী চৌধুরী ১০ জানুয়ারি শতবর্ষে পা রাখলেন।

একটি স্মারক বক্তৃতা স্মৃতি তর্পণ, না কিছু আপ্তবাক্য? by আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী

ঢাকায় একটি স্মারক বক্তৃতা শোনার আমন্ত্রণ পেয়েছিলাম। যার উপর স্মারক বক্তৃতা তিনি বাংলাদেশে প্রগতিশীল গণ সাংবাদিকতার একজন অগ্রদূত জহুর মোর শহাসেন চৌধুরী এবং যিনি স্মারক বক্তৃতাটি দিয়েছেন তিনি উপমহাদেশ খ্যাত সাংবাদিক ও কলামিস্ট কুলদীপ নায়ার।

একটি স্মারক বক্তৃতা স্মৃতি তর্পণ, না কিছু আপ্তবাক্য? by আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী

ঢাকায় একটি স্মারক বক্তৃতা শোনার আমন্ত্রণ পেয়েছিলাম। যার উপর স্মারক বক্তৃতা তিনি বাংলাদেশে প্রগতিশীল গণ সাংবাদিকতার একজন অগ্রদূত জহুর মোর শহাসেন চৌধুরী এবং যিনি স্মারক বক্তৃতাটি দিয়েছেন তিনি উপমহাদেশ খ্যাত সাংবাদিক ও কলামিস্ট কুলদীপ নায়ার।

একটি স্মারক বক্তৃতা স্মৃতি তর্পণ, না কিছু আপ্তবাক্য? by আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী

ঢাকায় একটি স্মারক বক্তৃতা শোনার আমন্ত্রণ পেয়েছিলাম। যার উপর স্মারক বক্তৃতা তিনি বাংলাদেশে প্রগতিশীল গণ সাংবাদিকতার একজন অগ্রদূত জহুর মোর শহাসেন চৌধুরী এবং যিনি স্মারক বক্তৃতাটি দিয়েছেন তিনি উপমহাদেশ খ্যাত সাংবাদিক ও কলামিস্ট কুলদীপ নায়ার।

শ্রদ্ধা ভালবাসায় ওয়াহিদুল হক স্মরণ, মুক্তিযুদ্ধের বই প্রকাশনা- সংস্কৃতি সংবাদ

 শিৰাথর্ী, শিল্পী ও সংস্কৃতি কমর্ীদের পদচারণায় সদা মুখরিত থাকে ছায়ানট ভবন। অনুষ্ঠান আয়োজনেরও কোন কমতি থাকে না। তবে বুধবারের আয়োজনটি একেবারেই অন্যরকম ছিল। সকল বয়সের মানুষ এসেছিলেন প্রিয় ঠিকানায়।

হল উদ্ধারের দাবিতে জবি ক্যাম্পাসে তুলকালাম- সড়ক অবরোধ গাড়ি ভাংচুর আহত ১০

জবি রিপোর্টার আবাসিক সঙ্কট নিরসন ও বেদখল থাকা হল উদ্ধারের দাবিতে আবারও ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় তুলকালাম কা- ঘটিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিৰাথর্ীরা। বুধবারের এ ঘটনায় এক পুলিশ কনেস্টবলসহ আহত হয়েছে ১০ জন।

চট্টগ্রামে বিএনপির দু'গ্রম্নপে সংঘর্ষ, ধাওয়া পাল্টাধাওয়া- পাল্টা কমিটি গঠন

চট্টগ্রাম অফিস বিএনপির কেন্দ্র ঘোষিত চট্টগ্রাম উত্তর জেলা কমিটি নিয়ে তৃণমূল পর্যায়ে অসনত্মোষ ক্রমেই প্রকাশ্য রূপলাভ করছে। কমিটির পৰে-বিপৰে দু'টি অংশ এখন মুখোমুখি।

পিঙ্কি বান্ধবী ঝরণাকে দাদির হাতের আচার খাওয়াতে চেয়েছিল- দায়ীদের শাসত্মি দাবি করেছে পরিবার

ফজলে নোমানী স্কুল খুললেই পিঙ্কি তার সহপাঠী এবং প্রিয় বান্ধবী ঝরনাকে দাদির হাতের বানানো আচার খাওয়াবে বলে রেখেছিল। ঝরনা জানায়, তার উপস্থিতিতেই একদিন মুরাদের ডাকে সাড়া না দেয়ায় স্কুল থেকে ফেরার পথে মুরাদ তার গায়ে পানি ছুড়ে মারে।

শর্তসাপেৰে পুঁজি বাজারে সরাসরি তালিকাভুক্তি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের- নীতিনির্ধারকদের নতুন ভাবনা by রাজু আহমেদ

পুঁজিবাজারে বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের সরাসরি তালিকাভুক্তি নিয়ে নতুন করে ভাবছেন নীতি-নির্ধারকরা। এর আগে সরাসরি তালিকাভুক্তি বন্ধের সিদ্ধানত্ম নিলেও বাজারে বিদ্যমান শেয়ার সঙ্কট কাটাতে এখন শর্তসাপেৰে বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের জন্য ওই সুযোগ খোলা রাখার পৰে অবস্থান নিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)।

চোখ ধাঁধানো দীপ্তিতে ভাস্বর, স্বতন্ত্র এক কৰপথ- হৃদয়ের অকুণ্ঠ অর্ঘ্য দিয়ে যশোরে মধুকবিকে স্মরণ by সাজেদ রহমান

যশোর অফিস 'হলপ করে বলতে পারি, আমি দেখা দেব একটা বিশাল ধূমকেতুর মতো-' বন্ধু রাজনারায়ণ বসুকে একটি চিঠিতে লিখেছিলেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত। তাঁর এই আত্মঘোষণায় খাদ ছিল না। এ চিঠিটি যখন লেখা, তখনই তিনি খ্যাতি-অখ্যাতির তুঙ্গে।

খোকার শোডাউনে গরহাজির মির্জা সমর্থকরা- দ্বন্দ্ব আরও প্রকট হলো

বুধবার রাজধানীর মুক্তাঙ্গনে মহানগর বিএনপির বিশাল সমাবেশের মধ্যদিয়ে ঢাকা মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি সাদেক হোসেন খোকা ব্যাপক শোডাউন করেছেন।

ফিরলেন সোহেল তাজ- নেননি সরকারী প্রটোকল বললেন না কোন কথা

 দীর্ঘ আট মাস পর বুধবার দেশে ফিরেছেন মহাজোট সরকারের পদত্যাগী স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ। সরকারী প্রটোকল না নিয়ে ব্যক্তিগত গাড়িতেই তিনি বিমানবন্দর ত্যাগ করেন।

রাজধানীতে ঝুঁকিপূর্ণ ৩ হাজার ভবন দ্রম্নত ভেঙ্গে ফেলা হবে

 রাজধানীতে ভূমিকম্পে ঝুঁকিপূর্ণ ৩ হাজার ভবন দ্রম্নত ভেঙ্গে ফেলা হবে। এই লৰ্যে আগামী ২/১ দিনের মধ্যে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানানো হবে। এছাড়া অন্য ভবনগুলো বিল্ডং কোড অনুসরণ করে নির্মাণ করা হয়েছে কি না তাও পরীৰা করে দেখা হবে।

বসনত্ম কি এসে গেল!

সমুদ্র হক কবি পার্সি বিসি (পিবি) শেলী তাঁর কবিতায় লিখেছেন ' ইফ উইন্টার কামস, ক্যান সপ্রিং বি ফার বিহাইন্ড...'। এই তো দিনকয়েক আগেই কী শীতই না অনুভূত হয়েছিল! এবারের মাঘের শীতে যে বাঘ পালিয়ে লোকালয়ে আশ্রয় নিয়েছিল (যদিও সেই বাঘকে রা করা যায়নি) সেই খবর তো পত্রিকার পাঠকরা পড়েছেন।

গ্যাস রেশনিং প্রথম দিনের সরবরাহে তেমন উন্নতি হয়নি by রশিদ মামুন

 রেশনিংয়ের প্রথম দিনে গ্যাস সরবরাহর দৃশ্যমান কোন উন্নতি হয়নি। বুধবার নির্ধারিত ৬ এলাকার মধ্যে চারটিতে রেশনিং হয়েছে। ভালুকা এবং মুন্সীগঞ্জে রেশনিং করেনি শিল্প মালিকরা।

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাৰাত

রাষ্ট্রপতি মো. জিলস্নুর রহমানের সঙ্গে বুধবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সৌজন্য সাৰাত করেন। রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির বরাত দিয়ে বাসস জানায়, সাৰাতকালে তিনি তাঁর সম্প্রতি ভারত সফর এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহনের সঙ্গে বৈঠকের বিসত্মারিত রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।

যে কলঙ্ক মুক্ত হলো জাতি

মামুন-অর-রশিদ অতঃপর দীর্ঘ ৩৪ বছরের প্রতীৰার অবসান। শেষ পর্যনত্ম সকল অপকৌশলের দেয়াল ভেঙ্গে কার্যকর হতে যাচ্ছে সপরিবারে জাতির পিতাকে হত্যাকারীদের ফাঁসির রায়। পৃথিবীর ইতিহাসকে হতভম্ব করে জাতি রাষ্ট্রের স্থপতি, গর্ভবতী নারী আর শিশু হত্যাকারীদের দীর্ঘ ৩৪ বছরের বিভিন্ন সময় রাষ্ট্র-সরকার আর দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রকারীরা আশ্রয়-প্রশ্রয় আর পৃষ্ঠপোষকতা দেয়। খুনীদের দোসর আর বেনিফিসিয়ারী চক্র ইনডেমনিটি দিয়ে ন্যায় সত্য আর আইনের শাসনকে অবরম্নদ্ধ করে দিয়েছিল। বিচারের বাণী কেঁদেছে নীরবে-নিভৃতে। কিন্তু রাষ্ট্রৰমতার পালা বদলে ইনডেমনিটি প্রত্যাহার করে জাতির জনককে হত্যার বিচারের পথ উন্মুক্ত করা। কিন্তু এরপরও বিচারকার্য নিয়ে অনেক টালবাহানা হয়েছে। সর্বশেষ বুধবার খুনীদের রিভিউ আপীল আবেদন খারিজ হওয়ার পর জাতি জগদ্দল পাথরের মতো চাপিয়ে দেয়া অভিশাপ মুক্ত হলো।
শুধু আওয়ামী লীগই নয়, হাতেগোনা খুনীদের দোসর ও বেনিফিশিয়ারি ছাড়া গোটা দেশের মানুষই প্রত্যাশিত ফাঁসিতে নিঃশ্বাস ফেলেছে। ইতিহাসের দায়মুক্তিতে আজ সবাই উলস্নসিত, েআবেগতাড়িত। মৃতু্যঞ্জয়ী মুজিব আজ জীবনদর্শনে, বাঙালীর মুক্তির নিঃশ্বাসে, সমৃদ্ধ সোনার বাংলা বিনির্মাণে 'বাঙালীকে' যেন 'মানুষ' করে তুলেছে। সবুজ বাংলার সজীব ইতিহাসে চির অমরত্বের ভাষা আন্দোলন আর স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে ১৫ আগস্টের শোকাবহ মুজিব উপাখ্যানের নামই আজ 'বাংলাদেশ'। বীর বাঙালী আজ ন্যায়ের পতাকা উর্ধে তুলে ধরে বলতে পারবে 'জাতির জনককে হত্যার দায় চাপানো অভিশাপ থেকে আমরা মুক্ত।'

মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় কুঠারাঘাত ১৫ আগস্ট
রক্তৰরা ১৫ আগস্ট। বেদনাবিধুর ও কলঙ্কের কালিমায় কলুষিত বিভীষিকাময় ইতিহাসের সেই ভয়ঙ্কর দিনটির কথা স্মরণ করে এখনও শিহরিত হন দেশের মানুষ। বাংলাদেশ ও বাঙালীর গভীর মর্মস্পশর্ী শোকের এ দিনে কী ঘটেছিল? ৩৪ বছরেও বাঙালী জাতি তা একটি দিনের জন্যও ভোলেনি। একাত্তরের এ কৃষ্ণদিনে পরাজিত শক্তির ঘৃণ্য সর্বনাশা চক্রানত্মে একদল ঘাতকের পৈশাচিকতার বলি হয়েছিলেন ইতিহাসের মহানায়ক, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবার পরিজন। দেশীয় ও আনত্মর্জাতিক ষড়যন্ত্রে নিরপিশাচ ঘাতক দলের অদম্য রক্তপিপাসায় এদিন রক্তগঙ্গায় ভেসে গিয়েছিল বাঙালীর স্বাধিকার-স্বাধীনতা আন্দোলনের সূতিকাগার বঙ্গবন্ধুর অসম্ভব প্রিয় ঐতিহাসিক ধানম-ির ৩২ নম্বরের বাড়িটি। রাজনীতির সঙ্গে সামান্যতম সম্পৃক্ততা না থাকা সত্ত্বেও নারী-শিশুরাও রেহাই পায়নি ঘৃণ্য কাপুরম্নষ এ ঘাতকচক্রের হাত থেকে। বিদেশ থাকার জন্য প্রাণে বেঁচে যান কেবল বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা_ বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। এ দিনে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে নৃশংসভাবে হত্যার পিছনে কাজ করেছিল একটি জঘন্য চক্রানত্ম। চক্রানত্মে শরিক ছিল বিশ্বাসঘাতক আর পাকিসত্মানপ্রেমী কিছু নিমকহারাম। বাংলাদেশ নামক ভূখ-ের প্রতিষ্ঠাতা জাতির জনককে হত্যার পর পেরিয়ে গেছে ৩৪টি বছর। খুনী, খুনীদের দোসর এবং তাদের মদদদাতারা দীর্ঘ সময় ৰমতায় থাকায় বিচারের বাণী নীরবে কেঁদেছে। এ অপশক্তিরা বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার তো করেইনি, উল্টো আত্মস্বীকৃত খুনীদের প্রতিষ্ঠিত, পুরস্কৃত এবং বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দিয়ে খুনীদের সঙ্গে তাদের যোগসূত্রতার সুস্পষ্ট প্রমাণ রেখেছে। জাতি দীর্ঘ ৩৪ বছর পর পিতৃহত্যার বিচার পাচ্ছে।

কী ঘটেছিল সর্বনাশা সেই রাতে
'৭৫-এর ১৫ আগস্ট কালরাতে বঙ্গবন্ধুর ৩২ নম্বর বাড়িতে প্রত্যৰদশর্ীদের বরাতে বেরিয়ে আসে ওই ভয়াল রাতে বর্বরোচিত ঘটনার ভয়াবহ চিত্র। শিশুপুত্র রাসেলকে নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ও বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব ঘুমাচ্ছিলেন দোতলায় তাঁর বেডরম্নমে। তিনতলায় শেখ কামাল ও তাঁর স্ত্রী সুলতানা কামাল, শেখ জামাল, তাঁর স্ত্রী রোজী জামাল এবং বঙ্গবন্ধুর ভাই শেখ নাসের ঘুমিয়েছিলেন দোতলায়। বাড়ির নিচতলায় নিরাপত্তা রৰী, কাজের ছেলেসহ সবাই ডিউটিতে ছিলেন।
পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী খুনীরা তিনটি গ্রম্নপে বিভক্ত হয়ে ভোর পাঁচটার মধ্যেই তিন টার্গেট ঘেরাও করে ফেলে। আত্মস্বীকৃত খুনী মেজর ফারম্নক যখন রৰীবাহিনীকে ঠেকাতে ব্যসত্ম, ততৰণে সব টার্গেটে বিভিন্ন গ্রম্নপের ঝটিকা অপারেশন শুরম্ন হয়ে যায়। ১২টি ট্রাক ও কয়েকটি জীপে করে আক্রমণকারী ল্যান্সার ও আর্টিলারির প্রায় ৫শ' রাইফেলস টু্রপস আশপাশে ছেয়ে যায়। খুনীদের প্রধান টার্গেটই ছিল ৩২ নম্বর রোডের বঙ্গবন্ধুর বাড়ি। খুনী মেজর মহিউদ্দিন, মেজর হুদা, মেজর পাশা, মেজর নূরের নেতৃত্বে আউটার ও ইনার দুটি বৃত্তে ঘেরাও করে ফেলে ওই বাড়িটি। আনুমানিক সাড়ে পাঁচটার দিকে ৩২ নম্বর ভবনে আক্রমণ শুরম্ন হয়ে যায়। প্রথমে গেটে ঢুকতে গিয়েই গোলাগুলির সূত্রপাত হয়। তারপর তা প্রবল আকার ধারণ করে। ৩২ নম্বর ভবন থেকে পুলিশ গার্ডরা অবিরাম গুলি চালিয়ে সেনাদের আক্রমণে বাধা দিতে থাকে। এ সময় বঙ্গবন্ধু নিচের বারান্দায় বেরিয়ে আসেন এবং পুলিশদের ফায়ার বন্ধ করতে বলেন। এতে আক্রমণকারী সৈন্যরা বিনা বাধায় বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে প্রবেশের সহজ সুযোগ পেয়ে যায়। বঙ্গবন্ধু যখন গোলাগুলির মধ্যে আক্রানত্ম ছিলেন, তখন তিনি বাসা থেকে বিভিন্ন দিকে ফোন করতে সৰম হয়েছিলেন। তিনি পুলিশ কন্ট্রোল রম্নমে যোগাযোগ করতে চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু কেউ ফোন ধরছিল না। তিনি তাঁর মিলিটারি সেক্রেটারি কর্নেল জামিল উদ্দিনকে ফোনে পেয়েছিলেন। তাঁকে বলেন, 'জামিল তুমি তাড়াতাড়ি আসো। আর্মির লোক আমার বাসায় আক্রমণ করেছে। শফিউলস্নাহকে ফোর্স পাঠাতে বলো।' জামিল ফোন পেয়ে তাৎৰণিক ঘটনাস্থলে তাঁর প্রাইভেট লাল কার করে ছুটে যান ৩২ নম্বরে, কিন্তু সৈন্যদের গুলিতে বাসার কাছেই নিহত হন তিনি।
অনেক চেষ্টার পর সেনাপ্রধান জেনারেল শফিউলস্নাহকে পেয়ে যান বঙ্গবন্ধু। তাঁকে বলেন, 'শফিউলস্নাহ, আমার বাসা তোমার ফোর্স এ্যাটাক করেছে। কামালকে হয়ত মেরেই ফেলেছে। তুমি তাড়াতাড়ি ফোর্স পাঠাও।' জবাবে শফিউলস্নাহ বলেন, 'স্যার, ক্যান ইউ গেট আউট, আই এ্যাম ডুয়িং সামথিং।' এর পর ফোনে আর তাঁর সাড়া পাওয়া যায়নি। শফিউলস্নাহ ফোনে গুলাগুলির শব্দ শুনতে পান। তখন ভোর আনুমানিক ৫টা ৫০ মিনিট। কিন্তু শফিউলস্নাহ রাষ্ট্রপতির সাহায্যার্থে একটি সৈন্যও মুভ করাতে পারলেন না। ইতিহাসের নির্মম হত্যাকা- সংঘটিত হওয়ার পর রেডিওতে ভেসে এল খুনী মেজর ডালিমের পৈশাচিক ঘোষণা_ "শেখ মুজিবকে হত্যা করা হয়েছে।" এমন ঘোষণা শুনে হতভম্ব বাংলাদেশ, শোকে মুহ্যমান বাঙালী জাতি।
ওই ভয়াল মুহূর্তের যে ক'জন প্রত্যৰদশর্ী ছিলেন বঙ্গবন্ধুর বাড়ির কাজের ছেলে আবদুর রহমান শেখ ওরফে রমা উলেস্নখযোগ্য। প্রত্যৰদশর্ী হিসেবে তিনি এ ঘটনার বর্ণনা দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলা পরিচালনাকারী আদালতে। তাঁর এ বর্ণনা থেকে নেয়া হয়েছে পনেরো আগস্ট রাতের বর্বরোচিত ঘটনার ভয়াবহ চিত্র।
আবদুর রহমান রমার বর্ণনায়, '৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোর ৫টায় যখন বঙ্গবন্ধু নিহত হন, তখন আমি সেখানেই ছিলাম। ঘটনার দিন রাতে আমি এবং অপর কাজের ছেলে সেলিম দোতলায় বঙ্গবন্ধুর বেডরম্নমের সামনে বারান্দায় ঘুমিয়ে ছিলাম। আনুমানিক ভোর ৫টার দিকে হঠাৎ বেগম মুজিব দরজা খুলে বাইরে আসেন এবং বলেন যে, সেরনিয়াবাতের বাসায় দুষ্কৃতকারীরা আক্রমণ করেছে। তিনতলায় শেখ কামাল ও তাঁর স্ত্রী সুলতানা কামাল ঘুমিয়েছিলেন। শেখ জামাল ও তাঁর স্ত্রী রোজী এবং বঙ্গবন্ধুর ভাই শেখ নাসের ঘুমিয়েছিলেন দোতলায়। বঙ্গবন্ধু, বেগম মুজিব এবং শেখ রাসেল দোতলায় একই রম্নমে ঘুমিয়েছিলেন। বাড়ির নিচতলায় পিএ মহিতুল ইসলামসহ অন্যরা ডিউটিতে ছিলেন।
বেগম মুজিবের কথা শুনে তাড়াতাড়ি লেকের পারে গিয়ে দেখি কিছু আর্মি গুলি করতে করতে আমাদের বাড়ির দিকে আসছে। আবার বাসায় ঢুকে দেখি রিসেপশন রম্নমে পিএ মহিতুলের সঙ্গে বঙ্গবন্ধু কথা বলছেন। পিছনের সিঁড়ি দিয়ে দোতলায় গিয়ে দেখি বেগম মুজিব ছোটাছুটি করছেন। তিনতলায় গিয়ে কামাল ভাইকে উঠাই। তাঁকে বলি_ আমাদের বাসায় আর্মিরা আক্রমণ করেছে। কামাল ভাই তাড়াতাড়ি শার্টপ্যান্ট পরে নিচে নেমে যান। সুলতানাকে নিয়ে আমি দোতলায় আসি। একইভাবে জামাল ভাইকে উঠাই। তিনিও তাড়াতাড়ি শার্টপ্যান্ট পরে তাঁর মার রম্নমে যান। সঙ্গে তাঁর স্ত্রীও যান। এ সময় বাইরে প্রচ- গোলাগুলির শব্দ হচ্ছিল।
এক পর্যায়ে কামাল ভাইয়ের আর্তচিৎকার শুনতে পাই। একই সময় বঙ্গবন্ধু দোতলায় এসে রম্নমে প্রবেশ করেন এবং দরজা বন্ধ করে দেন। গোলাগুলি এক সময় বন্ধ হয়ে যায়। তারপর বঙ্গবন্ধু দরজা খুলে আবার বাইরে এলে আর্মিরা তাঁর বেডরম্নমের সামনে তাঁকে ঘিরে ফেলে। আর্মিদের লৰ্য করে অমিত তেজী বঙ্গবন্ধু বলেন, "তোরা কী চাস? কোথায় নিয়ে যাবি আমাকে?" বঙ্গবন্ধু সিঁড়ির দুই তিন ধাপ নামার পরে নিচের দিক থেকে ক'জন আর্মি বঙ্গবন্ধুকে গুলি করে। গুলি খেয়ে সঙ্গে সঙ্গে বঙ্গবন্ধু সিঁড়িতে লুটিয়ে পড়েন। আমি তখন আর্মিদের পেছনে ছিলাম। খুনীরা আমাকে জিজ্ঞাস করে, তুমি কি কর? উত্তরে আমি বলি, বাসায় কাজ করি। তারা আমাকে ভিতরে যেতে বলে।
আমি বেগম মুজিবের রম্নমের বাথরম্নমে গিয়ে আশ্রয় নেই। সেখানে বেগম মুজিবকে বলি, বঙ্গবন্ধুকে আর্মিরা গুলি করেছে। বাথরম্নমে শেখ কামালের স্ত্রী সুলতানা, শেখ জামাল ও তাঁর স্ত্রী রোজী, শেখ রাসেল, বেগম মুজিব ও বঙ্গবন্ধুর ভাই শেখ নাসের এবং আমি আশ্রয় নিই। শেখ নাসের ওই বাথরম্নমে আসার আগে তাঁর হাতে গুলি লাগে। তাঁর হাত থেকে তখনও রক্ত ঝরছিল। বেগম মুজিব শাড়ির অাঁচল ছিঁড়ে তাঁর রক্ত মুছতে থাকেন। এর মধ্যে আর্মিরা দোতলায় আসে এবং দরজা পিটাতে থাকলে বেগম মুজিব দরজা খুলে দেন।
আর্মিরা রম্নমের ভেতর ঢুকে পড়ে এবং শেখ নাসের, শেখ রাসেল, বেগম মুজিব এবং আমাকে নিচের দিকে নিয়ে যায়। সিঁড়িতে বেগম মুজিব বঙ্গবন্ধুর লাশ দেখে বলেন, আমি যাব না। আমাকে এখানেই মেরে ফেল। আর্মিরা তাঁকে দোতলায় তাঁর রম্নমের দিকে নিয়ে যায়। একটু পরেই ওই রম্নমে গুলির শব্দসহ মেয়েদের আর্তচিৎকার শুনতে পাই। আর্মিরা শেখ নাসের, রাসেল ও আমাকে নিচতলায় এনে লাইনে দাঁড় করায়। সেখানে সাদা পোশাকে এক পুলিশের লাশ দেখতে পাই। নিচে শেখ নাসেরকে লৰ্য করে আর্মিরা জিজ্ঞেস করে, তুমি কে? পরিচয় দিয়ে তাঁকে নিচতলার বাথরম্নমে নিয়ে যায়। একটু পরে গুলির শব্দ ও 'মাগে' বলে চিৎকার শুনতে পাই।
বঙ্গবন্ধুর শিশুপুত্র শেখ রাসেল মার কাছে যাবে বলে তখন কান্নাকাটি করছিল এবং পিএ মহিতুল ইসলামকে ধরে বলছিল, ভাই আমাকে মারবে না তো? এ সময় এক আর্মি শেখ রাসেলকে বলে, চল তোমার মার কাছে নিয়ে যাই। তাকেও দোতলায় নিয়ে যায়। একটু পরেই আর্তচিৎকার ও গুলির শব্দ শুনতে পাই। লাইনে দাঁড়ানো অবস্থায় সেলিমের হাত ও পেটে দুটি গুলির জখম দেখলাম। দেখলাম কালো পোশাক পরিহিত আর্মিরা আমাদের বাসার সব জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যাচ্ছে। ডিএসপি নুরম্নল ইসলাম ও পিএ মহিতুল ইসলামকে আহত অবস্থায় দেখি। এর পর আমাদের বাসার সামনে একটি ট্যাঙ্ক আসে। ট্যাঙ্ক থেকে কয়েক আর্মি নেমে বাড়ির ভেতরের আর্মিদের লৰ্য করে জিজ্ঞাস করে, ভেতরে কে আছে? উত্তরে ভিতরের আর্মিরা বলে, 'অল আর ফিনিশড।'
পরে জানা গেছে, মায়ের কাছে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে ঘৃণ্য খুনীরা শেখ রাসেলের মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে গুলি করে হত্যা করে। শুধু বঙ্গবন্ধুর বাসভবনই নয়, বঙ্গবন্ধুর পরিবারকে সমূলে নিশ্চিহ্ন করার ঘৃণ্য পরিকল্পনায় একই সময় শেখ ফজলুল হক মণি এবং আবদুর রব সেরনিয়াবাতের বাড়িতেও আক্রমণ চালিয়ে নিষ্ঠুরভাবে সবাইকে হত্যা করে। এ তিনটি বাড়িতেই এ দিন বইয়ে যায় রক্তগঙ্গা।
কিছু বিশ্বাসঘাতক রাজনীতিকের চক্রানত্ম, পরাজিত পাকিসত্মানী দোসরদের পরিকল্পনা এবং সেনাবাহিনীর একদল বিপথগামী উচ্চাভিলাষী সদস্যরা পৈশাচিক কায়দায় গুলি করে সেদিন বঙ্গবন্ধুকেই হত্যা করেনি, একসঙ্গে তিন বাড়িতে হামলা করে মেতে উঠেছিল অদম্য রক্তপিপাসায়। নিষ্ঠুর কায়দায় একে একে হত্যা করে বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব, তিন ছেলে মুক্তিযোদ্ধা শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শিশুপুত্র শেখ রাসেল, দুই পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজী জামাল, বঙ্গবন্ধুর অনুজ পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধা শেখ নাসের, ভগি্নপতি পানিসম্পদমন্ত্রী আবদুর রব সেরনিয়াবাত, তাঁর ছেলে আরিফ ও শিশুপৌত্র সুকানত্ম বাবু, ভাগ্নে যুবনেতা শেখ ফজলুল হক মণি, তাঁর অনত্মঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মণি, সেরনিয়াবাতের কন্যা বেবি সেরনিয়াবাত, আবদুর নঈম খান রিন্টু, বঙ্গবন্ধুর জীবন বাঁচাতে ছুটে আসা রাষ্ট্রপতির ব্যক্তিগত নিরাপত্তা কর্মকর্তা কর্নেল জামিলসহ কয়েক নিরাপত্তা কর্মকর্তা ও কর্মচারী।

মোশতাক-জিয়ার
ইনডেমনিটি আইন
বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার রহিত করতে কুখ্যাত ইনডেমনিটি সংবিধানে আনেন জেনারেল জিয়া । একাত্তরের পরাজিত শক্তির ঘৃণ্য সর্বনাশা চক্রানত্মে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর স্বাধীন বাংলাদেশ ডুবে গিয়েছিল অমানিশার অন্ধকারে। মুহূর্তেই দেশ হয়েছিল নেতৃত্বহীন আর রাষ্ট্র হয়েছিল পথচু্যত। ভেঙ্গে পড়ে সামরিক বাহিনীর চেন অব কমান্ড। এ সুযোগে খুনীচক্র ও মদদদাতা এবং কিছু উচ্চাভিলাষী সামরিক কর্মকর্তাদের মধ্যে শুরম্ন হয় অভু্যত্থান পাল্টাঅভু্যত্থানপর্ব। চলে রক্তের হোলিখেলা। সর্বশেষ খুনীদের বাঁচাতে জারি করা হয় কুখ্যাত ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ। আর ৩৪ বছর পর ইতিহাসের নিষ্ঠুরতম এ হত্যাকা- সম্পর্কে বেরিয়ে আসছে নানা অজানা তথ্য।
পৈশাচিক হত্যাকা-ের মাত্র ক'দিনের মধ্যেই মীরজাফর খন্দকার মোশতাক কতর্ৃক জিয়াউর রহমানকে সেনাপ্রধান নিয়োগ, আত্মস্বীকৃত খুনীদের নিরাপদে দেশত্যাগের সুযোগ দেয়া, ৭ নবেম্বর কথিত বিপস্নবের নামে সামরিক শাসন দিয়ে ৰমতা দখল, এরপর বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনীদের পুরস্কৃত করা, একাত্তরের ঘাতক ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধ করা এবং যুদ্ধাপরাধীদের কারাগার থেকে মুক্ত করে তাদের নিয়ে জেনারেল জিয়ার দল গঠন স্পষ্ট হয়_ বঙ্গবন্ধুকে কারা এবং কেন হত্যা করেছে।
অতি গোপনেই ১৯৭৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর কুখ্যাত অর্ডিন্যান্সটি জারি করে খোন্দকার মোশতাক। ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার ভয়েই তা প্রকাশ করা হয়নি। একটা এক্সটা অর্ডিনারি গেজেট নোটিফিকেশন আকারে প্রকাশ পেয়েছিল এবং গোপনে। এ গোপন অধ্যাদেশটির মাধ্যমে মেজরদের সকল প্রকার হত্যা খুনের অপরাধকে সম্পূর্ণভাবে ৰমা এবং তাদের আইনের উর্ধে রাখার ব্যবস্থা করা হয়। কেবল খুনী রশিদ-ফারম্নকই এ আইনটির প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেননি, মোশতাক তার নিজের চলার পিচ্ছিল পথে একটা নিরাপত্তা খুঁটি হিসেবেও কাজ করেছিলেন। কিন্তু অক্টোবরের শেষ দিকে মোশতাক, ফারম্নক-রশিদ গং পরিষ্কারভাবে আভাস পেল দেশে একটি অভু্যত্থান অত্যাসন্ন।
৩ নবেম্বরে খালেদ মোশারফ ও শাফায়াত জামিলের নেতৃত্বে সামরিক অভু্যত্থানে মোশতাকের পতন ঘটে। পরে পাল্টা অভু্যত্থানে খালেদ মোশারফ নিহত হন, ৰমতার মসনদে আসীন হন জেনারেল জিয়া। তাঁর আমলে ১৯৭৯ সালের সংসদে বিচারের পথ বন্ধ করতে জারি করা কুখ্যাত ইনডেমনিটি অধ্যাদেশকে সংবিধানে অনত্মভর্ুক্ত করা এবং বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে বিষোদগার প্রমাণ হয় এ নিষ্ঠুর হত্যাকা-ের মূল বেনিফিশিয়ারি কারা। আর মুজিব হত্যায় জিয়ার সম্পৃক্ততার প্রশ্নটিও বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় বার বার এসেছে। এ মামলার অন্যতম আসামি কর্নেল ফারম্নক ১৯৯৬ সালের ১৯ ডিসেম্বর ম্যাজিস্ট্রেটকে দেয়া স্বেচ্ছা জবানবন্দীতে বলেছেন, 'আলাপের মাধ্যমে তিনি (জিয়া) আমাকে লৰ্য করে বলেছিলেন দেশ বাঁচানোর জন্য কিছু একটা করা দরকার। ....তোমরা কিছু পারলে কর।' আসামি তাহেরউদ্দিন ঠাকুর তাঁর জবানবন্দীতে বলেন যে, জিয়া দু'বার এসেছিল মোশতাকের কাছে। তারা জোরপূর্বক ৰমতা বদলাতে অস্থির হয়ে পড়েছিল। এরপর জিয়ার পথ অনুসরণ করেন প্রথমে এরশাদ পরে জিয়ার স্ত্রী খালেদা জিয়া। সেই থেকে দীর্ঘ ২১টি বছর বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার শুধু বন্ধই নয়, খুনীদের অভয়ারণ্যে পরিণত করা হয়েছিল বাংলাদেশকে।
ইনডেমনিটি অধ্যাদেশটিকে সংবিধানের ৫ম সংশোধনীর মাধ্যমে অনত্মভর্ুক্ত করে বৈধতার সিল দেয়া হয় দ্বিতীয় জাতীয় সংসদের প্রথম বৈঠকে ১৯৭৯ সালের ৩ এপ্রিল।

খুনীদের রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা
বঙ্গবন্ধু হত্যাকা-ের পর ঘাতকচক্রকে বিদেশে পালিয়ে যেতে সহায়তা করে খন্দকার মোশতাক আহমেদের সরকার। আর জিয়াউর রহমান রক্তপিপাসু হিংস্র খুনীদের প্রায় সবাইকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চাকরি দিয়ে পুরস্কৃত ও পুনর্বাসিত করেন। পরবতর্ীতে জেনারেল এরশাদ ও জিয়াউর রহমানের স্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াও একই পথ অনুসরণ করে খুনীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় ও পুরস্কৃত এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে সুযোগসুবিধা দিয়েছেন। অন্যদিকে দেশবাসীকে বঞ্চিত করেছেন পিতৃহত্যার বিচার পাওয়ার সাংবিধানিক অধিকার থেকে। বিচার পেতে ৩৪টি বছর অপেৰা করতে হলেও খুনীদের পুনর্বাসনে কার কি ভূমিকা, আর এই নিষ্ঠুর হত্যাকা-ের নেপথ্যের নায়ক ও বেনিফিশিয়ারি কারা তা দেশবাসীর সামনে এখন দিবালোকের মতোই স্পষ্ট।
১৯৭৬ সালের ৮ জুন জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধু হত্যাকা-ের সঙ্গে জড়িত ১২ খুনীকে বিদেশে বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দিয়ে পুরস্কৃত ও পুনর্বাসিত করেন। এর আগে খুনী ডালিম, আজিজ পাশা, শাহরিয়ার রশিদ, আহমেদ শরিফুল হোসেন, বজলুল হুদা, নুর চৌধুরী, রাশেদ চৌধুরী, এ কে এম মহিউদ্দিন, নাজমুল হোসেন, কিসমত হোসেন, খায়রম্নজ্জামান ও মাজেদের চাকরি সামরিক বাহিনী থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ন্যসত্ম করা হয়। তাদের নিয়োগ দেয়া হয় বিভিন্ন দূতাবাসে।
এর মধ্যে খুনী ডালিমকে চীনে, আজিজ পাশাকে আর্জেন্টিনা ও মহিউদ্দিনকে আলজেরিয়ায় প্রথম সচিব, শাহরিয়ারকে ইন্দোনেশিয়ায়, বজলুল হুদাকে পাকিসত্মানে, রাশেদ চৌধুরীকে সৌদি আরবে, নূর চৌধুরীকে ইরান ও আহমেদ শরিফুল হোসেনকে কুয়েতে দ্বিতীয় সচিব এবং কিসমতকে আবুধাবিতে, খায়রম্নজ্জামানকে মিসরে, নাজমুলকে কানাডায়, মাজেদকে সেনেগালে তৃতীয় সচিব পদে নিয়োগ দেয়া হয়। পরবতর্ীতে তারা আরও বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশ দূতাবাসে চাকরি করেছে। ১৯৮০ সালে খুনীদের চাকরি পররাষ্ট্র ক্যাডার সার্ভিসে অনত্মভর্ুক্ত করে সরকারী সকল সুযোগসুবিধা গ্রহণের পথ উন্মুক্ত করা হয়। তবে খুনী ফারম্নক ও রশিদ সরকারী চাকরি নেয়নি।
১৯৮০ সালের ১৭ জুন ঢাকায় একটি ব্যর্থ সামরিক অভু্যত্থান হয়। তখন খুনী হুদা পাকিসত্মানে ও শাহরিয়ার ইন্দোনেশিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের দ্বিতীয় সচিব এবং ডালিম চীনে প্রথম সচিব পদে নিযুক্ত ছিল। এই অভু্যত্থানে জড়িত থাকার দায়ে আটক হতে পারে আশঙ্কায় বজলুল হুদা, শাহরিয়ার রশিদ খান ও ডালিম কর্মস্থল ছেড়ে তখন পালিয়ে যায়। অভু্যত্থানে জড়িত থাকার অভিযোগে আজিজ পাশাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে ওই মামলায় সে রাজসাৰী হয়ে ছাড়া পায় এবং রোমে বাংলাদেশ দূতাবাসে আবার কূটনীতিকের দায়িত্ব পায়। এছাড়া দেশে অবাধে যাতায়াতসহ জিয়াউর রহমানের কাছ থেকে নানা রাষ্ট্রীয় সুযোগসুবিধা গ্রহণ করে খুনীরা।

ইনডেমনিটি বাতিলের মুহূর্ত
'৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর দীর্ঘ ২১ বছর ৰমতাসীন জিয়া-এরশাদ-খালেদা জিয়ার সরকার জাতিকে মিথ্যার ধূম্রজালে আটকে রেখে পিতৃহত্যার বিচারের পথ বন্ধ রেখেছিল। কিন্তু ১৯৯৬ সালে বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হানিসার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ ৰমতায় এসেই ওই ধারণাটি ভুল প্রমাণ করে। ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ সাধারণ একটি আইন এবং সংসদে সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা দিয়েই তা বাতিল করা যেতে পারে এই সত্য উদঘাটন করে।
সে অনুযায়ী দীর্ঘ ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালের ১২ নবেম্বর কুখ্যাত ইনডেমনিটি অধ্যাদেশটি সংসদে বাতিল হবার পরই বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের পথে থাকা সকল বাধা অপসারিত হয়। ওইদিন সংসদে হত্যাকা-ের বেনিফিশিয়ারি বিএনপি-জামায়াত অনুপস্থিত থাকলেও জাতীয় পার্টির সদস্যরা তা সমর্থন করে। ১৪ নবেম্বর রাষ্ট্রপতি এ বিলে সম্মতি দেন।

বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার প্রক্রিয়া শুরম্ন
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে জাতীয় সংসদে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ সংসদে বাতিল হওয়ার পরপরই বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার প্রক্রিয়া শুরম্ন হয়। ট্রাইবু্যনালে নয়, বরং সাধারণ আইনে বিচার করার ঘোষণা দিয়ে মহানুভবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টানত্ম স্থাপন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা। এর আগে আওয়ামী লীগ ৰমতায় আসার পরপরই ১৯৯৬ সালের ১২ আগস্ট বিশেষ ৰমতা আইনে কর্নেল ফারম্নকসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। একই বছরের ২ অক্টোবর ধানম-ি থানায় বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার এজাহার দাখিল করা হয়। ১২ নবেম্বর সংসদে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিলের পর ১৯৯৭ সালের ১৫ জানুয়ারি ফৌজদারি কার্যবিধির ১২০ (বি), ৩০২/৩৪ এবং ২০১ ধারায় মামলার চার্জশীট দাখিল করা হয়। ২০ জানুয়ারি গ্রেফতার করা আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়।
এর ধারাবাহিকতায় ১৯৯৭ সালের ৩ ফেব্রম্নয়ারি পলাতক আসামিদের নামে গ্রেজেট নোটিস জারি, ১ মার্চ ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের পাশে বিশেষ এজলাস গঠন করে বিচারক করা হয় কাজী গোলাম রসুলকে। রাষ্ট্রপৰের বিশেষ পিপি হন প্রবীণ আইনজীবী সিরাজুল হক। একই বছরের ১২ মার্চ বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার বিচার কাজ শুরম্ন হয়। ৭ এপ্রিল মামলার অভিযোগ গঠন, ৬ জুলাই সাৰ্য শুরম্ন হয়ে '৯৮ সালের ২০ জুলাই সাৰ্যপ্রমাণ শেষ হয়। ১২ আগস্ট সওয়াল জবাব শেষে রায় প্রদানের তারিখ ঘোষণা করা হয়। এরই মধ্যে ৮ নবেম্বর আসামি বজলুল হুদাকে ব্যাঙ্কক থেকে ফেরত আনা হয় এবং ওইদিনই রায়ে আসামিদের ফায়ারিং স্কোয়াডে মৃতু্যদ-ের আদেশ দেয়া হয়। একই বছরের ১১ নবেম্বর হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্সের জন্য পাঠানো হয়। নানা আইনী জটিলতা পেরিয়ে ২০০০ সালের ২৮ জুন হাইকোর্টের মামলার শুনানি শুরম্ন হয় এবং ১৪ ডিসেম্বর হাইকোর্ট থেকে দ্বিমতে বিভক্ত রায় ঘোষণা করে।
বিভক্তি রায় নিষ্পত্তিতে ২০০১ সালের ১২ ফেব্রম্নয়ারি তৃতীয় বিচারপতির আদালতে শুনানি শুরম্ন হয়। ১৯ এপ্রিল শুনানি শেষে তৃতীয় বিচারপতির সিদ্ধানত্ম ঘোষণার মধ্য দিয়ে হাইকোর্ট পর্যায়ে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার বিচার প্রক্রিয়ার সমাপ্তি হয়। তৃতীয় বিচারপতি ১২ আসামির মৃতু্যদ-াদেশ বহাল রেখে তিনজনকে খালাস দেন। চূড়ানত্ম রায়ে মৃতু্যদ- বহাল থাকা ১২ আসামির মধ্যে পরে ওই বছরই কারাবন্দী চার আসামি আপীল বিভাগে লিভ টু আপীল করে। ২০০৭ সালে মৃতু্যদ-াদেশপ্রাপ্ত অপর আসামি ল্যান্সার একেএম মহিউদ্দিন আহমেদকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরিয়ে আনা হয়। সর্বশেষ চলতি বছরের ৪ অক্টোবর আপীল বিভাগের বিচারপতি তাফাজ্জাল ইসলামের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি বেঞ্চ গঠন করা হয় এবং ৫ অক্টোবরে লিভ টু আপীল শুনানি শুরম্ন হয়। ১২ অক্টোবর শুনানি শেষে ১৯ নবেম্বর রায় ঘোষণার দিন ধার্য করা হয়। সুপ্রীমকোর্ট হাইকোর্টের ফাঁসির আদেশ বহাল রাখে। সর্বশেষ খুনীদের রিভিউ আবেদন খারিজ হয়ে যাওয়ার পরই শেষ নিয়তি হয় ফাঁসির রজ্জু। খুনীদের দীর্ঘ ৩৪ বছরের নানা চক্রানত্ম-ষড়যন্ত্রের বেড়াজাল ডিঙ্গিয়ে বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনীদের মৃতু্যদ-াদেশ কার্যকর দেখতে এখন অধীর অপেৰায় গোটা দেশবাসী।

শেষ পর্যনত্ম দুর্বিষহ স্মৃতি হয়েই রইল মিরপুর টেস্ট- দায়িত্বহীন ব্যাটিংয়ে উল্টো বিপর্যয় টাইগারদের by আরিফুর রহমান বাবু

 কত হিসেব-নিকেশ। কত আলোচনা-পর্যালোচনা। কত জল্পনা-কল্পনা। সব ভুল-সব মিথ্যা। তামিম ইকবালের অতিমানবীয় উইলোবাজি হঠাৎই আশা জাগিয়েছিল। ভাবা হচ্ছিল, চট্টগ্রামের পর মিরপুরেও টাইগাররা পেছন থেকে ভারতের কাছাকাছি চলে আসবে।

সন্তু লারমাকে লৰ্য করে গাড়িবহরে তিন দফা গুলি- দেহরৰীসহ আহত ৪ ইউপিডিএফকে দায়ী করল জনসংহতি

 খাগড়াছড়িতে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ চেয়ারম্যান জ্যোতিরিন্দ্র বেধিপ্রিয় লারমা ওরফে সন্তু লারমাকে লৰ্য করে তাঁর গাড়িবহরে তিন দফা সশস্ত্র হামলা ও গুলি চালিয়েছে দুষ্কৃতকারীরা।

যত ভাল কাজই করি বিরোধীদলীয় নেত্রী বিরোধিতা করবেনই- সংসদে প্রশ্নোত্তরে প্রধানমন্ত্রী

বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশ যে ৰতিগ্রসত্ম হচ্ছে, সে সম্পর্কে বিরোধীদলীয় নেত্রী খালেদা জিয়া সচেতন আছেন কিনা সে ব্যাপারে প্রশ্ন তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, "আমি যত ভাল কাজই করি, বিরোধীদলীয় নেত্রী তার বিরোধিতা করবেনই।

ঢাকায় হাই রেড জারি

 সারাদেশে রেড এ্যালার্ট ও রাজধানী ঢাকায় হাই রেড এ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। বিশেষ করে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার ও তার আশপাশের এলাকায় নেয়া হয়েছে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা। কারাগারের আশপাশের প্রতিটি ভবনের ছাদে বসানো হয়েছে ভিডিও ক্যামেরা।

পাঁচ খুনীর ফাঁসি জাতি কলঙ্কমুক্ত রাত ১২টা ১ মিনিটের পর পর্যায়ক্রমে মেজর (অব) বজলুল হুদা, লে. কর্নেল (বরখাসত্ম) সৈয়দ ফারম্নক রহমান, লে. কর্নেল (অব) মহিউদ্দিন আহম্মেদ (আর্টিলারি), লে. কর্নেল (অব) সুলতান শাহরিয়ার রশিদ খান ও লে. কর্নেল (অব) একেএম মহিউদ্দিন আহম্মেদের (ল্যান্সার) ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে

গাফফার খান চৌধুরী কড়া নিরাপত্তার মধ্যে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বঙ্গবন্ধুর হত্যা মামলার ৫ আসামির ফাঁসির রায় কার্যকরা করা হয়েছে। রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে পর্যায়ক্রমে শুরম্ন হয় ফাঁসি কার্যকরের প্রক্রিয়া।

যুক্তরাষ্ট্রের সমাজে নতুন মূল্যবোধ- কুনত্মল রা

মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই সব জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে একটি বহুল প্রতীৰিত ও বিতর্কিত প্রশ্নের উত্তর মিলবে মার্কিন নাগরিকদের সামনে; আর সেটি হলো 'একজন পুরম্নষ কি আরেক পুরম্নষকে অথবা একনারী কি আরেক নারীকে বিয়ে করে ঘর-সংসার করতে পারবে? প্রায় ৪০ বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে সমলিঙ্গের বিয়ে এবং সম্পর্কের বৈধতা নিয়ে আইনি লড়াই চলছে, রৰণশীল ও উদারতাবাদীদের মধ্যে তর্কযুদ্ধ হয়েছে কিন্তু গোটা জাতি কোন নির্দিষ্ট সিদ্ধানত্মে পৌছাতে পারেনি।

চিলির রাজনীতির নেপথ্যে সিআইএ! by শামীম আহমেদ

চিলির মেদ মাংস তবিত মুখ ঝঞ্ঝাতানায়, অত্যাচারের চিহ্ন বুকে নিয়ে পম্পায় শত শহিদ, আমি খুঁজে পাই স্বজাতির রক্ত অগি্নশোধিত প্রতিটি বিন্দু। _পাবলো নেরম্নদা পুঁজিবাদী বুর্জোয়া গণতন্ত্রের শুরম্ন থেকেই মার্কস, লেনিনবাদ ধ্বংসের পাঁয়তারায় লিপ্ত।

কমিউনিস্ট আন্দোলন কোন্্ পথে? by কামরম্নল হাসান

ভারতের বর্তমান পুঁজিবাদী গণতান্ত্রিক ধারায় কমিউনিস্ট পার্টির ভূমিকা অত্যনত্ম গুরম্নত্বপূর্ণ এবং কঠিন। বৃহৎ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের কারণে বিভিন্ন রাজ্যের ছোট দল এবং বৃহৎ দুই রাজনৈতিক শিবিরের আধিপত্য দেশটির রাজনীতিক অঙ্গনে কমিউনিস্ট পার্টির ভূমিকাকে আরও মুখ্য করে তুলেছে।

ইরাকে বস্ন্যাকওয়াটার by এমদাদ হোসেন ভূঁইয়া

সারাবিশ্বে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থরৰায় কাজ করছে 'বস্ন্যাকওয়াটার' গার্ড। ইরাক যুদ্ধের সময় বিষয়টি সবচেয়ে পরিষ্কার হয়ে ওঠে। ২০০৩ সালে তারা সবচেয়ে বড় অংকের একটি ঠিকাদারি পায়।

বাংলাদেশের সম্ভাবনার ইভেন্ট- মহিলা ক্রীড়াবিদদের নিয়েই প্রত্যাশা বেশি

দৰিণ এশিয়ার অলিম্পিক বলে খ্যাত এসএ গেমসে অতীতে প্রতিবার পুরম্নষ ফুটবলে স্বর্ণ আশা করা হয়েছে। ব্যতিক্রম কেবল এই বার। অথচ বাফুফের বর্তমান নির্বাহী কমিটিকে অনেকে বলে থাকেন ড্রিম টিম।

পদকপ্রত্যাশী বাংলাদেশ হকি দল!

দেশের মাটিতে অনুষ্ঠিতব্য গেমসে সেরা সাফল্য উপহার দিতে চায় বাংলাদেশ হকি দল। জার্মান কোচের অধীনে দীর্ঘদিনের অনুশীলনে মাঠের পারফরম্যান্সে নিজেদের সেরা প্রমাণ করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা।