Monday, February 17, 2025
সাগরপাড়ে ভেসে এলো রহস্যময় বাড়ি
এল সালভেদরের দক্ষিণাঞ্চলীয় লা পুনতিলা সৈকতে ঘটেছে এমন ভূতুড়ে ঘটনা। চোলোপানজা নামে পরিচিত সালভাদোরের একজন ইউটিউবার সর্বপ্রথম এই বাড়ির ভিডিও প্রকাশ্যে আনেন।
ইউটিউবসহ বিভিন্ন প্লাটফর্মে বাড়িটির ভিডিও পোস্ট করার পর তা ভাইরাল হয়ে যায়। তখন পর্যটকরা চম্বুকের মতো বাড়িটি দেখতে ছুটে আসতে থাকেন। অনেকেই হাজির হচ্ছেন পরিবারের সদস্যদের নিয়ে। তাদের ভাষায়, ঘুরে দেখার জন্য এই স্থানটা বেশ চমৎকার। আরও বেশি পরিমাণে মানুষের এখানে আসা উচিত।
ভিডিওতে দেখা যায়, পর্যটকরা ঘুরে ঘুরে বাড়ির ভেতরের অংশ দেখছেন। বাড়ির সিলিংয়ে স্টার অব ডেভিডের প্রতীকও দেখা যায়। আবার বাড়িটির দেয়ালে দেয়ালে বিভিন্ন রঙের গ্রাফিতিরও দেখা মেলে। ২০২১ সালে ধারণ করা ভিডিওতে, ভৌতিক এই বাড়িটি সাগরপাড়ে ভেসে আসার কোনো উত্তর জানা যায়নি। তবে মনে করা হয়, বাড়িটি সাগরতীরে থাকা এই বাড়ির রহস্যের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে হারিকেন মিচের নাম।
স্থানীয়দের দাবি, এটা আসলে একটি হোটেল ছিল। যার নাম হোটেল পুয়ের্তো ভেনচুরা। কেউ কেউ বিশ্বাস করেন, ১৯৯৮ সালে হারিকেন মিচ আঘাত হানার সময় হোটেলটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। আবার এটিকে এক সময় উপাসনালয় হিসেবে ব্যবহার করা হতো বলে বিশ্বাস করেন কেউ কেউ। তবে রাজধানী সান সালভাদোর থেকে ৭৫ কিলোমিটার দূরবর্তী এই বাড়ি রহস্যজাগানিয়াই হয়ে রয়েছে।
![]() |
| রহস্যময় সেই বাড়ি। ছবি : সংগৃহীত |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় শিক্ষা হলো সহনশীলতা -সমাবর্তন বক্তব্যে আলী রীয়াজ
সোমবার রাজধানী পূর্বাচলে বাংলাদেশ-চীন ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবেশন সেন্টারে আয়োজিত গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ-এর পঞ্চম সমাবর্তনে বক্তা হিসেবে শিক্ষার্থীর উদ্দেশে এসব কথা বলেন তিনি।
বক্তব্যের শুরুতে গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান আলী রীয়াজ। তিনি বলেন, ‘শুরুতে আমি গভীর শ্রদ্ধা জানাই ভাষা আন্দোলন, স্বাধীনতা যুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বীর শহীদদের। একই সঙ্গে গভীর সমাবেদনা জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের প্রতি।’
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, 'প্রতিযোগিতা কেবল এই দেশে যারা আপনার সঙ্গে আছেন, শুধু তাদের সঙ্গে নয়, আপনাকে প্রস্তুত হতে হবে সারাবিশ্বের মেধাবীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতার জন্য।’
রাষ্ট্রবিজ্ঞানী আলী রীয়াজ বলেন, ‘প্রযুক্তির প্রতিনিয়ত পরিবর্তন ঘটছে। সাইবার প্রযুক্তি, কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা, রোবট ও রোবোটিক্স মানুষের সক্ষমতাকে অনবরত চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় দরকার হবে শৃঙ্খলা। তার সঙ্গে দরকার হবে সৃষ্টিশীলতা। জ্ঞানের বিশাল ভাণ্ডারে আপনি কী নতুন কিছু যুক্ত করতে পারলেন এটাই বড় প্রশ্ন।’
যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির রাজনীতি ও সরকার বিভাগের ডিস্টিংগুইশড প্রফেসর আলী রীয়াজ বলেন, ‘আমাদের মনে রাখা দরকার, আমরা যে পৃথিবীতে বাস করি, সেই পৃথিবী আমাদের কাছে অর্পণ করা হয়েছে আগামী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেয়ার জন্য। এই সুরক্ষার দায়িত্ব আমার, এই সুরক্ষার দায়িত্ব আমাদের, এই সুরক্ষার দায়িত্ব আপনার। এর যতটা ভোগ করবো, তার চেয়ে উন্নত বিশ্ব আমাদের পরের প্রজন্মের জন্য তৈরি করতে পারছি কিনা সেটাই আমাদের বড় পরীক্ষা।’
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, ‘জ্ঞান আলোর পথ দেখায়। সেই জ্ঞানকে যুক্তির কষ্টিপাথরে যাচাই করতে না পারলে, সেই জ্ঞানের আলো আপনি ব্যবহার করতে পারবেন না। সাহসিকতার সঙ্গে বিরূপ সময় মোকাবিলা করতে না পারলে আপনি পেছনে থাকবেন।’
এ সময় শিক্ষার্থীদের প্রতি অন্যের জন্য আলোকবর্তিকা হওয়ার আহ্বান জানান এই রাষ্ট্রবিজ্ঞানী।
![]() |
| অধ্যাপক আলী রীয়াজ। |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাজায় শেষ পর্যন্ত জেনোসাইডই ঘটেছে by আসজাদুল কিবরিয়া
গাজায় ইসরায়েলি যুদ্ধাভিযানে ১৫ মাসে ৫০ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন; লাখ লাখ ফিলিস্তিনি আহত, পঙ্গু ও অক্ষম হয়ে গেছেন; সেখানকার ঘরবাড়ি, স্কুল-কলেজ, হাসপাতাল ও রাস্তাঘাট ধুলায় মিশে গেছে; সেখানকার মাটি ও পানি বিষাক্ত হয়ে গেছে। সব মিলিয়ে গাজাকে অবাসযোগ্য করে তোলা হয়েছে।
এই পুরো কর্মকাণ্ডকে ‘জেনোসাইড’ হিসেবে অভিহিত করা যায় কি না, তা নিয়ে ইতিহাসবিদ ও গবেষকদের মধ্যে এখন তর্ক চলছে। বলা দরকার যে ইংরেজি ‘জেনোসাইড’ শব্দের বাংলা প্রতিশব্দ ‘গণহত্যা’ প্রচলিত হয়ে গেলেও তাতে জেনোসাইডের ব্যাপ্তি ও তাৎপর্য প্রতিফলিত হয় না। ‘ম্যাস কিলিং’ বা ‘ম্যাস মার্ডার’কেও বাংলায় ‘গণহত্যা’ বলা হয়। অনেকে তাই জেনোসাইডকে বাংলায় ‘পরিকল্পিত গণহত্যা’ বলার পক্ষে। আবার অনেকে ‘জাতিগত নিধন’ বা ‘জাতিগত নির্মূলাভিযান’ বলতে চান, যদিও তা ‘এথনিক ক্লিনজিং’-এর বাংলা প্রতিশব্দ হিসেবে অধিকতর গ্রহণযোগ্য।
● ‘জেনোসাইড’ শব্দের বাংলা প্রতিশব্দ ‘গণহত্যা’ প্রচলিত হয়ে গেলেও তাতে জেনোসাইডের ব্যাপ্তি ও তাৎপর্য প্রতিফলিত হয় না।
● একটি মানবিক ও জাতি-সমষ্টির সত্তা হিসেবে গাজার আর কোনো অস্তিত্ব নেই। আর জেনোসাইড ঠিক এ রকমই হয়।
২.
ইসরায়েলের রিভিশনিস্ট বা সংশোধনবাদী ইতিহাসবিদ হিসেবে খ্যাত বেন্নি মরিসের ভাষ্যটা আগে জানা যাক। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ইসরায়েল গাজায় কোনো জেনোসাইড চালাচ্ছে না। হেগে (আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত বা আইসিসি) প্রসিকিউটর এবং ওমের বারটভ থেকে শুরু করে সব জ্ঞানী অধ্যাপক জেনোসাইড নিয়ে যা বলছেন, তা ভুল। (ইসরায়েল) সরকারের জেনোসাইড-বিষয়ক কোনো নীতি নেই, ইসরায়েলি নেতৃত্ব জেনোসাইড ঘটানোর বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেননি, ফিলিস্তিনিদের নিশ্চিহ্ন করার জন্য পরিকল্পিত কোনো উদ্দেশ্য নেই এবং সরকার বা সেনাপ্রধানদের কাছ থেকে সেনাবাহিনীর কাছে ফিলিস্তিনিদের হত্যা করার কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি।
ইসরায়েলি দৈনিক হারেৎজ–এর ইংরেজি সংস্করণে গত ৩০ জানুয়ারি প্রকাশিত এই নিবন্ধে মরিস অবশ্য এটা স্বীকার করেন, গাজায় যে ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ হয়েছে ও হচ্ছে, তাতে বিষয়টি হয়তো জেনোসাইডের পথে যাচ্ছে।
এর কিছুদিন আগে ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর হারেৎজ–এ (হিব্রু সংস্করণ) আরেক খ্যাতনামা ইতিহাসবিদ শ্লোমো স্যান্ড লিখেছেন, গাজায় ইসরায়েল ভয়াবহ নৃশংসতা চালিয়েছে, যুদ্ধাপরাধ করেছে। তারপরও এ সবকিছু মিলিয়ে জেনোসাইড সংঘটিত হয়নি। এই বক্তব্যের পক্ষে যুক্তি দিতে গিয়ে স্যান্ড গাজা যুদ্ধের সঙ্গে তুলনা করেছেন ফ্রান্সের আলজেরিয়া যুদ্ধ (১৯৫৪-১৯৬২) এবং যুক্তরাষ্ট্রের ভিয়েতনাম যুদ্ধে (১৯৬৫-১৯৭৩) লিপ্ত থাকার ঘটনাকে। স্যান্ডের ভাষ্যে, এ দুটি যুদ্ধে ফরাসি ও মার্কিন বাহিনী বেসামরিক জনগণের ওপর যে নৃশংসতা-বর্বরতা চালিয়েছে, তা গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর নৃশংসতার চেয়ে ভয়াবহ ছিল। তারপরও তাদের সেই হত্যাযজ্ঞকে জেনোসাইড হিসেবে অভিহিত করা হয়নি।
তবে জেরুজালেমের হিব্রু বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই অধ্যাপক ড্যানিয়েল ব্লাটম্যান ও অ্যামোস গোল্ডবার্গ স্যান্ডের যুক্তিকে গ্রহণযোগ্য মনে করেন না। তাঁরা বলেন, আলজেরিয়ায় ফরাসি ঔপনিবেশিক দখলদারির কালে (১৮৩০-১৮৭৫) ৫ থেকে ১০ লাখ আলজেরীয় ক্ষুধা ও রোগাক্রান্ত হয়ে বা পরিকল্পিতভাবে প্রাণ হারিয়েছিল। বেন কিরানানের ব্লাড অ্যান্ড সয়েল: আ ওয়ার্ল্ড হিস্টোরি অব জেনোসাইড অ্যান্ড এক্সট্রামিনেশন ফ্রম স্পার্টা টু দারফুর (২০০৭) বই থেকে উদ্ধৃতি টেনে তাঁরা বলেন যে ঔপনিবেশিক বসতি স্থাপনকালে ফরাসিরা যা করেছে, তা জেনোসাইডের সমতুল্য।
৩০ জানুয়ারি হারেৎজ–এর ইংরেজি সংস্করণে প্রকাশিত এক দীর্ঘ নিবন্ধে ব্লাটম্যান ও গোল্ডবার্গ বিশ্ব ইতিহাসে জেনোসাইডের বিভিন্ন উদাহরণ ও পটভূমি নিয়ে আলোকপাত করেছেন। তাঁরা এতে লিখেছেন যে লিও কুপার তাঁর জেনোসাইড: ইটস পলিটিক্যাল ইউজ ইন দ্য টোয়েন্টিথ সেঞ্চুরি (১৯৮২) বইয়ে বলেছেন, আলজেরিয়ার যুদ্ধের সময় ফরাসিরা যে নৃশংসতা ঘটিয়েছিল, তা হয়তো পরিকল্পিত গণহত্যার কাছাকাছি নিধনযজ্ঞ (জেনোসাইডাল ম্যাসাকার), তবে পূর্ণাঙ্গ জেনোসাইডের যাবতীয় মানদণ্ড পূরণ করে না।
ব্লাটম্যান ও গোল্ডবার্গ ভিয়েতনাম যুদ্ধের বিষয়ে স্যান্ডের অভিমতের সঙ্গে প্রবলভাবে দ্বিমত পোষণ করেন। তাঁরা এ ক্ষেত্রে রাসেল ট্রাইবু৵নালের বিষয়টি তুলে ধরেন। ১৯৬৬ সালে ব্রিটিশ দার্শনিক বার্ট্রান্ড রাসেল ভিয়েতনাম যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধাপরাধ অনুসন্ধান ও পর্যালোচনার জন্য যে গণ-ট্রাইব্যুনাল গঠন করেন, ফরাসি দার্শনিক জ্যঁ পল সাত্রে৴ তার প্রধান ছিলেন। অন্যদের মধ্যে ফরাসি লেখক সিমোন দ্য বোঁভেয়া ইতালির রাজনীতিবিদ লেলিও বাসো এবং যুগোস্লাভিয়ার মানবাধিকারকর্মী ভ্লাদিমির দেদিজা এতে যুক্ত ছিলেন।
এই গণ-ট্রাইব্যুনাল বিচার-বিশ্লেষণ শেষে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয় যে ভিয়েতনামে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী যা করেছে, তা জেনোসাইড অপরাধের প্রতিরোধ ও শাস্তিবিষয়ক ১৯৪৮ সালের জাতিসংঘ কনভেনশনের আলোকে জেনোসাইড। নির্বিচার বোমাবর্ষণ, বেসামরিক নাগরিকদের হত্যা, নিষিদ্ধ অস্ত্রের ব্যবহার, যুদ্ধবন্দীদের নিপীড়ন ও নির্যাতন এবং ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক স্থাপনা ও স্মারক ধ্বংস করায় মার্কিন সেনাবাহিনী জেনোসাইডের অপরাধে অপরাধী হয়েছে।
৩.
কয়েক শ বা কয়েক হাজার মানুষের ওপর নির্বিচার চালানো হত্যাযজ্ঞকে আইনিভাবে জেনোসাইডের অন্তর্ভুক্ত করতে গেলে এহেন হত্যাকাণ্ডের উদ্দেশ্য নির্ধারণ করতে হয়, যা বেশ কঠিন কাজ। জাতিসংঘের ১৯৪৮ সালের জেনোসাইড কনভেনশন অনুসারে এ রকম হত্যাযজ্ঞ দ্বারা আক্রান্ত জনগোষ্ঠীকে (যা কোনো জাতি, ধর্ম, বর্ণ বা গোত্র হতে পারে) ‘পুরোপুরি বা আংশিকভাবে ধ্বংস করার উদ্দেশ্য’ থাকতে হবে।
ব্লাটম্যান ও গোল্ডবার্গ বলেন, ‘উদ্দেশ্য’ (ইনটেন্ট) নির্ধারণের বিষয়টি কনভেনশনে যুক্ত করার পেছনে অন্যতম কারণ ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের যৌথ স্বার্থ। ঠান্ডা যুদ্ধ চলাকালে দুই পরাশক্তিই কিছুটা শঙ্কিত হয়েছিল এই ভেবে যে এই কনভেনশনের আলোকে তাদেরও কখনো–বা আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের (আইসিজে) কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হতে পারে—অতীতে সংঘটিত বা ভবিষ্যতে ঘটানো হতে পারে এমন সহিংসতার জন্য।
জেনোসাইড সংঘটিত হয়েছে কি না, তা নির্ধারণের জন্য আন্তর্জাতিক আদালত সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করে থাকে। এ কারণেই ১৯৯৫ সালের জুলাই মাসে বসনিয়ার সার্বদের দ্বারা বসনিয়ার মুসলমানদের স্রেব্রেনিৎসা জেনোসাইড এর একটি উদাহরণ। এ-সংক্রান্ত রায়ে বলা হয় যে জনগোষ্ঠীর আক্রান্ত অংশটিকে স্বতন্ত্র ও সুচিহ্নিত হতে হবে এবং তাদের নির্মূল করা হলে গোটা জনগোষ্ঠীর অস্তিত্বই হুমকির মুখে পড়তে পারে।
সাবেক যুগোস্লাভিয়ার যুদ্ধবিষয়ক দুটি রায়ে আইসিজে বলেছে যে ‘ধ্বংস করার উদ্দেশ্য’ প্রমাণের জন্য বিভিন্ন কর্মকাণ্ড ও আচরণকে এমন হতে হবে, যেগুলো অন্য কোনোভাবে যৌক্তিক ব্যাখ্যা করা যায় না। মানে এসব কর্মকাণ্ডের সবচেয়ে যৌক্তিক ব্যাখ্যা ‘ধ্বংস করার উদ্দেশ্য’হলেই হবে না, এসবের অন্য আর কোনো যৌক্তিক ব্যাখ্যা নেই, তা-ও দেখাতে হবে।
৪.
গাজার ক্ষেত্রে কি ‘ধ্বংস করার উদ্দেশ্য’ প্রমাণ করা সম্ভব? এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে ব্লাটম্যান ও গোল্ডবার্গ বলেন, পারমাণবিক অস্ত্র প্রয়োগের চিন্তার বিষয়টি বাদ দিলেও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ ও সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োয়াভ গ্যালান্টসহ ইসরায়েলি রাজনীতিবিদ এবং ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তারা একাধিক বিবৃতিতে তাঁরা যে জেনোসাইড ঘটাতে ইচ্ছুক, সে রকম আভাস দিয়েছেন।
‘গাজায় নিরীহ কেউ নেই’, ‘আমরা এবার দ্বিতীয় নাকবা ঘটাব’ এবং আরও অনেক বক্তব্য এসেছে, যা সবই সংরক্ষিত আছে। এসব বক্তব্য-বিবৃতি গাজায় ইসরায়েলের জেনোসাইড ঘটানোর পক্ষে প্রমাণ হিসেবে দেখানো যায় বলে তাঁরা উল্লেখ করেছেন। এ ক্ষেত্রে তাঁরা জেনোসাইড-গবেষক ও বিশেষজ্ঞ উইলিয়াম স্ক্যাবাসের শরণ নিয়েছেন।
স্ক্যাবাসের যুক্তি হলো, হামলাকারী ও হত্যাকারীরা যদি জেনোসাইডমূলক বিবৃতি, নির্দেশ ও বক্তব্য দেন, তাহলে ‘ধ্বংস করার উদ্দেশ্য’ তথা জেনোসাইড ঘটানোর উদ্দেশ্য প্রমাণ করা সহজ। সে কারণেই আইসিজেতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকার করা অভিযোগ অত্যন্ত জোরালো বলে মনে করেন স্ক্যাবাস। কারণ, ইসরায়েলি সিদ্ধান্তপ্রণেতাদের জেনোসাইডমূলক অগণিত বক্তব্য যেমন আছে, তেমনি আছে তাঁদের কর্মকাণ্ডের ধরনও। গাজাবাসীকে পদ্ধতিগতভাবে অনাহারে রাখা, গাজার বিভিন্ন অবকাঠামো ধ্বংস করে দেওয়া, উত্তরাঞ্চলে জাতিগত নিধন ঘটানো এবং ‘নিরাপদ’ হিসেবে চিহ্নিত স্থানগুলোয় হামলা চালানো এসব কর্মকাণ্ডের অন্তর্ভুক্ত।
আবার ব্লাটম্যান ও গোল্ডবার্গ বলেন যে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই জেনোসাইড সংঘটনকারীরা তাঁদের কর্মকাণ্ডকে আক্রমণকারীদের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষামূলক পদক্ষেপ হিসেবে দাবি করে থাকেন। গাজার জেনোসাইডকে বেশির ভাগ ইসরায়েলি হামাসের ভয়াবহ আক্রমণের প্রতিরোধমূলক যুদ্ধ হিসেবেই বিবেচনা করেন।
গাজায় ইসরায়েল যা করেছে, তার সঙ্গে হিটলারের ইহুদি নিধনযজ্ঞের অনেক মিল পাওয়া যায় বলে উল্লেখ করেছেন ব্লাটম্যান ও গোল্ডবার্গ। ব্রিটিশ ইতিহাসবিদ ইয়ান কেরশ তাঁর ফেটফুল চয়েসেস: টেন ডিসিশনস দ্যাট চেঞ্জ দ্য ওয়ার্ল্ড, ১৯৪০-১৯৪১ বইয়ে দেখিয়েছেন যে নিধনযজ্ঞ পরিচালনার জন্য খোদ হিটলারের কাছ থেকে সরাসরি কোনো নির্দেশ জারি করা হয়নি, তবে নানা রকম বার্তা ও কথা–চালাচালির জটিল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সবুজ সংকেত দেওয়া হয়েছে, যা সহিংসতা বাড়াতে এবং হত্যাযজ্ঞের বিস্তার ঘটাতে ভূমিকা রেখেছে।
গাজায় জেনোসাইড ঘটানোর বিষয়টি আলোচনা করতে গিয়ে ব্লাটম্যান ও গোল্ডবার্গ মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলমানদের হত্যা ও বিতাড়নের বিষয়টি উল্লেখ করেছেন। তাঁরা বলছেন, ২০১৬ সাল থেকে সাড়ে আট লাখ রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে এবং ৯ হাজার রোহিঙ্গাকে হত্যা করা হয়েছে। অর্থাৎ সব বা বেশির ভাগ রোহিঙ্গাকে সশরীর নিধন করা হয়নি; বরং এক ক্ষুদ্রাংশকে হত্যা করা হয়েছে। তারপরও যুক্তরাষ্ট্র পুরো ঘটনাকে রোহিঙ্গা জেনোসাইড হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। হলোকাস্টের বাইরে এটা হলো যুক্তরাষ্ট্র-স্বীকৃত অষ্টম জেনোসাইড। এ জন্য মিয়ানমারকে আইসিজের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে গাম্বিয়া আরও কয়েকটি দেশের সমর্থনে।
ব্লাটম্যান ও গোল্ডবার্গ স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, সমষ্টিগতভাবে কোনো জনগোষ্ঠীর নিজ অস্তিত্ব নিয়ে বেঁচে থাকার সামর্থ্যকে ধ্বংস করে দেয়, এমন যেকোনো পদক্ষেপই হলো জেনোসাইড, এ জন্য ওই জনগোষ্ঠীর পূর্ণাঙ্গ নিধন জরুরি নয়। তাঁরা এ-ও বলেছেন যে গাজায় প্রায় ৪৭ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন, ১ লাখের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। ধ্বংসস্তূপের নিচে কতজন চাপা পড়েছেন, তার সঠিক তথ্য কখনোই জানা যাবে না। আর আক্রান্ত মানুষের বেশির ভাগই বেসামরিক নাগরিক।
জাতিসংঘের হিসাবে গাজার ৯০ শতাংশ মানুষ একাধিকবার বাস্তুচ্যুত হয়েছেন এবং মানবেতর জীবন যাপন করছেন, যা মৃত্যুহার বাড়িয়েছে। গাজায় শিশুহত্যা, ক্ষুধা, স্বাস্থ্য পরিষেবাসহ অবকাঠামো ধ্বংস করা, বেশির ভাগ ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়া, জাবালিয়া ও রাফাহর মতো শহর ধুলায় মিশিয়ে দেওয়া, উত্তর দিকের উপত্যকায় জাতিগত নিধন, গাজার সব বিশ্ববিদ্যালয় এবং বেশির ভাগ মসজিদ ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দেওয়া, সরকারি অবকাঠামোসহ স্থানীয় খাদ্য উৎপাদন ও পানি সরবরাহের অবকাঠামোর বিনাশ সাধন এবং অগণিত গণকবর—এ সবকিছুই জেনোসাইডের পরিষ্কার একটি ছবি তুলে ধরে বলে মন্তব্য করেছেন ব্লাটম্যান ও গোল্ডবার্গ। তাঁদের মতে, একটি মানবিক ও জাতি-সমষ্টির সত্তা হিসেবে গাজার আর কোনো অস্তিত্ব নেই। আর জেনোসাইড ঠিক এ রকমই হয়।
গাজায় জেনোসাইড ঘটানো হয়েছে উল্লেখ করে ইসরায়েলের এই দুই ইতিহাসবিদ অনেকটা আত্মসমালোচনার মতো করে বলেন, ‘আমাদের ইসরায়েলিদের উচিত হবে নিজ আয়নায় নিজেদের দেখা, যেখানে আমরা এমন একটা সমাজের প্রতিচ্ছবি দেখতে পাব, যে সমাজ নিজের নাগরিকদের হামাসের খুনে আক্রমণ থেকে রক্ষা করেনি এবং অপহৃত হওয়া নিজের পুত্র ও কন্যাদের অবহেলা করেছে। পাশাপাশি গাজায় এসব কর্মকাণ্ড ঘটিয়েছে। এই জেনোসাইড ইহুদিদের ইতিহাসে এখন থেকে চিরকাল একটি কালো দাগ হয়ে থাকবে। আমাদের এই বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হবে এবং আমরা যে ভয়াবহতা সঞ্চারিত করেছি, তার গভীরতা বুঝতে হবে।’
ব্লাটম্যান ও গোল্ডবার্গের নিবন্ধটি যখন প্রকাশিত হয়, তখন অশউইৎজ বন্দিশিবির মু্ক্তির ৮০ বছর উদ্যাপিত হচ্ছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে পোল্যান্ডের অশউইৎজে স্থাপিত কুখ্যাত বন্দিশিবিরটি ১৯৪৫ সালের ২৭ জানুয়ারি সোভিয়েত লালফৌজ মুক্ত করেছিল। এখানে লাখ লাখ ইহুদিকে ধরে এনে গ্যাস চেম্বারে ঢুকিয়ে হত্যা করেছিল নাৎসিরা। সেই ভয়াবহ স্মৃতি মনে করিয়ে দিয়ে ব্লাটম্যান ও গোল্ডবার্গ তাঁদের লেখার উপসংহার টেনেছেন এভাবে; ‘গাজায় যা হচ্ছে, তা হলোকাস্ট নয়। এখানে কোনো অশউইৎজ নেই, নেই কোনো ত্রেবলিঙ্কা। তবে এটা সেই একই ধরনের অপরাধ—জেনোসাইডের অপরাধ’।
● আসজাদুল কিবরিয়া লেখক ও সাংবাদিক
![]() |
| বিধ্বস্ত গাজায় ঘরে ফেরার চেষ্টা সাধারণ মানুষের। গাজা উপত্যকার উত্তরাঞ্চলীয় জাবালিয়া এলাকা, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ছবি: এএফপি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
৮০ বছরের ফিলিস্তিনিকে করা হলো ‘মানবঢাল’, পরে গুলিতে হত্যা -আল জাজিরা
অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্যমতে, গত বছরের মে মাসে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর নাহাল ব্রিগেডের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা গাজায় এই বৃদ্ধ ফিলিস্তিনির গলায় বিস্ফোরক বেঁধেছিলেন। এরপর তাঁকে ইসরায়েলি সেনাদের অগ্রভাগে থেকে গাজা এলাকার বাড়িতে বাড়িতে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
আট ঘণ্টা যাবৎ এই ফিলিস্তিনিকে দিয়ে এ কাজ করানো হয়। এরপর ইসরায়েলি সেনারা তাঁকে তাঁর স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে গাজা সিটির জেইতুন এলাকার বাড়ি থেকে পালানোর নির্দেশ দেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ইসরায়েলি সেনাদের তথ্যমতে, পালিয়ে যাওয়ার সময় ইসরায়েলের আরেকটি সেনা ব্যাটালিয়ন সড়কে এই বয়স্ক দম্পতিকে দেখতে পায়। তখন তাঁদের গুলি করা হয়। পরে তাঁরা ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
ইসরায়েলি সেনারা প্রথমে এই ফিলিস্তিনি দম্পতিকে গাজায় তাঁদের বাড়িতেই পান। তাঁরা আরবিভাষী ইসরায়েলি সেনাদের বলেছিলেন, তাঁদের চলাফেরায় সমস্যা আছে। এ কারণে তাঁরা বাড়ি থেকে পালিয়ে দক্ষিণ গাজায় যেতে পারছেন না।
এ অবস্থায় ইসরায়েলি সেনারা ৮০ বছর বয়সী অজ্ঞাতনামা পুরুষ ফিলিস্তিনিকে তাঁর বেতের লাঠির ওপর ভর দিয়ে তাঁদের সামনে সামনে হাঁটতে বাধ্য করেন। অন্যদিকে তাঁর স্ত্রীকে বাড়িতে আটকে রাখা হয়।
এক ইসরায়েলি সেনা বলেছেন, ইসরায়েলের দায়িত্বরত সেনা কমান্ডার এই ফিলিস্তিনি দম্পতিকে ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।
প্রতিপক্ষের গুলি বা বোমা হামলা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য ইসরায়েলি সেনারা এভাবে ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের মানবঢাল হিসেবে কাজ করতে বাধ্য করে থাকেন।
এক ইসরায়েলি সেনা বলেছেন, বয়স্ক ফিলিস্তিনি ব্যক্তি তাঁদের (ইসরায়েলি সেনা) আগে আগে প্রতিটি বাড়িতে প্রবেশ করেছিলেন। এর উদ্দেশ্য ছিল, বাড়ির ভেতরে বিস্ফোরক বা কোনো যোদ্ধা থাকলে, যাতে ইসরায়েলি সেনারা হতাহত না হন। তাঁদের পরিবর্তে ফিলিস্তিনি ব্যক্তিই যাতে হতাহত হন।
ফিলিস্তিনি বৃদ্ধকে বলা হয়েছিল, তিনি যদি ঠিকঠাকভাবে কাজ না করেন কিংবা আদেশ না মানেন, তাহলে তাঁর গলায় বাঁধা বিস্ফোরকের রশি ধরে টান দেবেন পেছনে থাকা ইসরায়েলি সেনা। বিস্ফোরণে তাঁর মাথা উড়ে যাবে।
বৃদ্ধ ফিলিস্তিনিকে আট ঘণ্টা ধরে মানবঢাল হিসেবে কাজ করতে বাধ্য করা হয়েছিল। এরপর তাঁকে তাঁর স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে দক্ষিণ গাজার কথিত মানবিক অঞ্চলের দিকে হেঁটে যাওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছিলেন ইসরায়েলি সেনারা।
প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ অনুসারে, মানবঢাল হিসেবে কাজ করতে বাধ্য হওয়া এই ফিলিস্তিনি ও তাঁর স্ত্রীর সংশ্লিষ্ট এলাকার সড়ক দিয়ে যাওয়ার তথ্য আশপাশে থাকা ইসরায়েলি সেনা ডিভিশনগুলোকে জানানো হয়নি।
এক ইসরায়েলি সেনা বলেছেন, প্রায় ১০০ মিটার পথ অতিক্রম করে এই দম্পতি ইসরায়েলের আরেকটি ব্যাটালিয়নের সামনে পড়েন। সঙ্গে সঙ্গে তাঁরা তাঁদের গুলি করেন। এভাবেই তাঁরা সড়কে মারা যান।
![]() |
| গাজা যুদ্ধ চলাকালে বেসামরিক ফিলিস্তিনিদের মানবঢাল হিসেবে ইসরায়েলি বাহিনী ব্যবহার করেছিল বলে অভিযোগ আছে। ছবি: রয়টার্স |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সেভেন সিস্টার্স নিয়ে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টা
রোববার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের বার্ষিক সম্মেলনের নৈশভোজে অংশ নিয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, দুই পাশে দুই মহাশক্তি আমাদের। ভারত আর চীন। তারা দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাবে। আমরা যেহেতু মাঝখানে আছি, আমাদের ফেলে যেতে পারবে না। তাদের বাতাসে আমরাও উড়তে থাকব। সেই থেকে আমার বদ্ধমূল ধারণা, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অতি চমৎকার তার অবস্থানের কারণে।
তিনি বলেন, ‘তখন দুই মহাশক্তির কথা বলেছিলাম, এখন আর দুই মহাশক্তির কথা বলি না। এখন চার মহাশক্তি। আমাদের অপূর্ব সুযোগ। আমাদের সামনে বিস্তীর্ণ মহাসাগর। আমাদের উপকূলভূমি সাগরের সঙ্গেই লাগোয়া উপকূল। এটি একটি মস্তবড় সুযোগ। পৃথিবীর দরজা আমাদের সামনে খোলা। আমরা এতদিন এটি ব্যবহার করতে জানিনি। এখন যেই মুহূর্তে এর ব্যবহার শুরু করব, আমাদের অর্থনীতিকে লোহার দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখলেও, বেঁধে রাখতে পারবে না।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমাদের উত্তরে সেই বিখ্যাত হিমালয় পর্বতমালা, যেখানে জমে আছে যাবতীয় শক্তি—হাইড্রো পাওয়ার। আমাদের কত শক্তি দরকার, সব ওখানে জমা আছে, হারিয়ে যাচ্ছে না। শুধু নেয়ার অপেক্ষায়, প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরির অপেক্ষায়, যাতে বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে যে দূরত্বটুকু আছে, তা অতিক্রম করা যায়।
ড. ইউনূস বলেন, ‘নেপাল বারবার বলছে, ‘আমাদের নিয়ে যাও, আমরা প্রস্তুত’। কিন্তু মাঝখানে ওইটুকু পথ অতিক্রম করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। আশা করি, তাদেরই অর্থনৈতিক কারণে তারা আমাদের সেই সুযোগ দেবে। এটা সবার মঙ্গলের জন্য। আমরা মহাসৌভাগ্যবান এক জাতি আমাদের অবস্থানের কারণে। তাহলে এই জাতির দুঃখ কেন থাকবে? এটা কি আমাদের কপালের দোষ, চরিত্রের দোষ, নাকি চিন্তার দোষ? যদি হয়ে থাকে, তাহলে সেগুলো থেকে মুক্ত হতে হবে। আমরা তড়িৎ গতি এগিয়ে যেতে চাই। এটি মহা শক্তিধর অর্থনীতি তৈরি হবে।
তিনি বলেন, ‘আজ কুমিরা থেকে টেকনাফ পর্যন্ত যে উপকূলভূমি রয়েছে, সেখানে যদি কাতারে কাতারে সব নৌবন্দর স্থাপন হয়, মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর পর্যন্ত যদি বিশ্বের সব জাহাজকে আশ্রয় দেওয়া যায়, তাহলে আমাদের আটকাবে কে?
“আমাদের উত্তরে নেপাল। তাদের সৌভাগ্য, তারা হিমালয় পর্বতের পাদদেশে আছে। কিন্তু দুর্ভাগ্য হলো তারা সমুদ্রের দেখা পায় না। তাদের সমুদ্র দেখতে হলে আমাদের মাধ্যমে দেখতে হবে।”
তিনি বলেন ‘‘ভুটানের অবস্থাও একই। তাদেরও সমুদ্র দর্শনের সুযোগ নেই। তাদের সমুদ্র দেখতে হলে আমাদের মাধ্যমে আসতে হবে। তেমনিভাবে ভারতের পূর্বাঞ্চল—সেভেন সিস্টার্স—তাদের অবস্থাও একই। তাদের সমুদ্র দর্শন হয় না।
‘‘আমরা একসঙ্গে অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলতে পারি। আমাদের সমুদ্রবন্দর দিয়ে তাদের মালামাল আনা-নেয়া হবে, আমাদের মালামালও চলবে। এতে আমাদের অর্থনীতি এবং তাদের অর্থনীতি একসঙ্গে সমৃদ্ধ হবে।”

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাজা নিয়ে ‘মার্শাল প্লান’ দিল সৌদি প্রিন্স
তবে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের গাজা দখল ও ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক স্থানান্তরের পরিকল্পনা কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি বলেন, গাজা উপত্যকার জনগণকে তাদের মাতৃভূমিতেই থাকতে দিতে হবে এবং তাদের জন্য উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে।
শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সংবাদমাধ্যম আল আরাবিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রিন্স তুর্কি এসব কথা বলেন।
ট্রাম্পের পরিকল্পনার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান
মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে সৌদি আরবের সাবেক গোয়েন্দা প্রধান ট্রাম্পের প্রস্তাবকে সরাসরি ‘অকার্যকর’ ও ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, আমেরিকা যদি সত্যিই গাজার উন্নয়ন চায়, তাহলে তারা ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদ না করে পুনর্গঠনের জন্য সহায়তা করুক। গাজার জনগণকে তাদের ভূমি থেকে সরিয়ে দেওয়ার কোনো অধিকার কারও নেই।
আল আরাবিয়া নিউজের সাংবাদিক হ্যাডলি গ্যাম্বলকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, গাজা সমস্যার সমাধানের জন্য অনেক বিকল্প রয়েছে। আরব শান্তি উদ্যোগ তার মধ্যে অন্যতম। এটি একটি চমৎকার পরিকল্পনা, যা ইসরায়েল ও তার আরব প্রতিবেশীদের মধ্যে সংঘাতের চূড়ান্ত সমাপ্তি নিশ্চিত করতে পারে।
প্রিন্স তুর্কি আরও বলেন, গাজাকে একটি শান্তিপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে গড়ে তুলতে হলে সামরিক আগ্রাসন বন্ধ করতে হবে এবং সেখানকার জনগণকে মানবিক সহায়তা দিতে হবে।
গাজার জন্য ‘মার্শাল পরিকল্পনা’র প্রস্তাব
প্রিন্স তুর্কি গাজার পুনর্গঠনের জন্য দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপ পুনর্গঠনের মডেল অনুসরণের পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর মার্শাল পরিকল্পনার মাধ্যমে আমেরিকা ইউরোপ পুনর্গঠন করেছিল। কিন্তু তারা ইউরোপের জনগণকে সরিয়ে দেয়নি, বরং তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সুযোগ করে দিয়েছিল। একই মডেল গাজার জন্যও প্রযোজ্য হতে পারে।
উল্লেখ্য, মার্শাল পরিকল্পনা ছিল যুক্তরাষ্ট্রের একটি উদ্যোগ, যার মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বিধ্বস্ত ইউরোপের দেশগুলোকে আর্থিক সহায়তা দিয়ে পুনর্গঠন করা হয়েছিল। এতে প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দেওয়া হয়, যা বর্তমান মুদ্রামানে প্রায় ১৬০ বিলিয়ন ডলারের সমান। এর ফলে ইউরোপ দ্রুত অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন করতে সক্ষম হয়।
প্রিন্স তুর্কির মতে, যদি যুক্তরাষ্ট্র সত্যিই গাজা পুনর্গঠনে আগ্রহী হয়, তাহলে তাদের উচিত ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদ না করে অর্থনৈতিক সহায়তা দেওয়া। ফিলিস্তিনিদের জন্য একটি শক্তিশালী পুনর্গঠন পরিকল্পনা গ্রহণ করলেই কেবল শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব।
ট্রাম্পের বিতর্কিত ঘোষণা ও আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া
চলতি মাসের শুরুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণা দেন যে, গাজা দখল করে এটিকে ‘মধ্যপ্রাচ্যের রিভেরা’ বানানো হবে।
তিনি বলেন, আমরা গাজা উপত্যকাকে নতুন করে গড়ে তুলব এবং এটি হবে বিশ্বের সবচেয়ে আধুনিক শহরগুলোর একটি। তবে তার প্রস্তাবের সবচেয়ে বিতর্কিত অংশ ছিল ফিলিস্তিনিদের অন্যত্র পুনর্বাসনের পরিকল্পনা, যা ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছে।
ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, গাজার জনগণকে পাশের দেশগুলোতে পুনর্বাসিত করা হবে, যাতে সেখানে নতুন অবকাঠামো গড়ে তোলা যায়। কিন্তু ফিলিস্তিনি নেতারা একে ‘নব্য উপনিবেশবাদ’ বলে আখ্যা দিয়েছেন এবং স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন।
গাজার ভবিষ্যৎ ও আন্তর্জাতিক বিশ্লেষণ
গাজার ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে নানা আলোচনা চলছে। কেউ কেউ মনে করছেন, মার্শাল পরিকল্পনার মতো একটি প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে গাজা উপত্যকা দ্রুত পুনর্গঠিত হতে পারে। অন্যদিকে, অনেক বিশ্লেষক মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যদি ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদ করে গাজা পুনর্গঠনের চেষ্টা করে, তাহলে তা আরও বড় সংকট তৈরি করবে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, গাজার ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সিদ্ধান্তের ওপর। যদি সত্যিকার অর্থে পুনর্গঠনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়, তবে সেটি ফিলিস্তিনিদের মতামতকে গুরুত্ব দিয়েই করতে হবে। অন্যথায় এটি একটি নতুন রাজনৈতিক ও সামরিক সংকট সৃষ্টি করবে।
সৌদি আরবের কূটনৈতিক অবস্থান
সৌদি আরব দীর্ঘদিন ধরেই ফিলিস্তিন ইস্যুতে কূটনৈতিকভাবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। দেশটি ফিলিস্তিনিদের সার্বভৌমত্ব ও মাতৃভূমিতে বসবাসের অধিকারের পক্ষে রয়েছে। ট্রাম্পের দখল ও পুনর্বাসন পরিকল্পনার বিষয়ে সৌদি নেতৃত্বের কঠোর অবস্থান ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন আধিপত্য সৌদি স্বার্থের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
সৌদি প্রিন্সের এই বক্তব্য পশ্চিমা দেশগুলোর নীতিতে কোনো পরিবর্তন আনতে পারবে কি না, তা সময়ই বলে দেবে। তবে এটি স্পষ্ট যে, গাজার পুনর্গঠনের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে কৌশলগত মতভেদ রয়েছে।
ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা বর্তমানে ভয়াবহ মানবিক সংকটের মুখোমুখি। ইসরায়েলের অব্যাহত হামলায় ৪৮ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। প্রায় ৯০ শতাংশ অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে, যার মধ্যে হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও পানি সরবরাহ ব্যবস্থাও রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে গাজার পুনর্গঠনের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্যোগ প্রয়োজন।
সৌদি প্রিন্সের মার্শাল পরিকল্পনার মডেল একটি সম্ভাব্য সমাধান হতে পারে, তবে সেটি বাস্তবায়ন করতে হলে ফিলিস্তিনিদের স্বার্থকেই প্রধান্য দিতে হবে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনা যদি ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়, তাহলে সেটি আন্তর্জাতিক অস্থিরতা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। বিশ্ববাসীর চোখ এখন গাজার ভবিষ্যতের দিকে—তা কি সত্যিই পুনর্গঠিত হবে, নাকি আরও এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাবে?
![]() |
| সৌদি প্রিন্সের মার্শাল পরিকল্পনার মডেল একটি সম্ভাব্য সমাধান হতে পারে, তবে সেটি বাস্তবায়ন করতে হলে ফিলিস্তিনিদের স্বার্থকেই প্রাধান্য দিতে হবে। ছবি : সংগৃহীত |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
খনিজ নিয়ে ট্রাম্পের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান ইউক্রেনের
রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, এ অস্বাভাবিক চুক্তি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনের সব খনিজ সম্পদ, বিশেষ করে গ্রাফাইট, লিথিয়াম এবং ইউরেনিয়ামের ৫০ শতাংশ মালিকানা দাবি করেছে।
এ বিষয়ে মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, এই খনিজ সম্পদগুলো যুক্তরাষ্ট্র তাদের দেওয়া সহযোগিতার বিনিময়ে চায়। তবে, এ প্রস্তাবের মধ্যে সামরিক এবং আর্থিক সহায়তার বিষয়টি স্পষ্ট হয়নি।
এছাড়া, ইউক্রেনের এক কর্মকর্তা এবং এক জ্বালানি বিশেষজ্ঞ জানিয়েছেন, ট্রাম্প প্রশাসন শুধু ইউক্রেনের খনিজ সম্পদ নয়, তেল ও গ্যাসসহ অন্যান্য প্রাকৃতিক সম্পদও চেয়েছে।
ইউক্রেনীয় কর্মকর্তাদের মতে, এ প্রস্তাব অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনের সম্পদ আহরণ থেকে অর্জিত আয়ের ৫০ শতাংশের অধিকারী হবে, যা বর্তমানে ইউক্রেনের সামরিক ও প্রতিরক্ষা খাতে ব্যবহৃত হচ্ছে।
প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যানের পেছনে প্রধান কারণ হলো, এতে ইউক্রেনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কোনো গ্যারান্টি ছিল না। ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন, তবে এ চুক্তি ইউক্রেনের জন্য নিরাপত্তা সরবরাহের কোনো নিশ্চয়তা দিচ্ছে না।
এক ইউক্রেনীয় কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রস্তাবটির বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয় এবং ১৪ ফেব্রুয়ারি মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে ইউক্রেনের পক্ষ থেকে একটি পাল্টা প্রস্তাব পেশ করা হয়। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি জানিয়েছেন, তিনি ট্রাম্প প্রশাসনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং বলেছেন, এতে নিরাপত্তা গ্যারান্টি অন্তর্ভুক্ত ছিল না।
ইউক্রেনীয়রা মনে করেন, ১৯৯০-এর দশকে শীতল যুদ্ধের শেষে ইউক্রেনের পারমাণবিক অস্ত্র ত্যাগ করার সময় যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেন তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, কিন্তু তা পূর্ণরূপে বাস্তবায়িত হয়নি।
এছাড়া, ইউরোপীয় কূটনীতিকরা এ প্রস্তাবকে ঔপনিবেশিক যুগের মতো হিসেবে উল্লেখ করেছেন, যেখানে শক্তিশালী দেশগুলো ছোট ও দুর্বল দেশগুলোকে শোষণ করতে চেয়েছিল।
উল্লেখ্য, ইউক্রেনের খনিজ সম্পদের তালিকায় রয়েছে ১০৯টি উল্লেখযোগ্য ভাণ্ডার, যার মধ্যে তেল, গ্যাস, টাইটানিয়াম, লিথিয়াম এবং ইউরেনিয়াম রয়েছে। তবে, কিছু খনিজ ভাণ্ডার ইতোমধ্যেই রাশিয়ার দখলে বা যুদ্ধের প্রান্তিক এলাকায় রয়েছে।
![]() |
| মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউক্রেনকে সামরিক ও অর্থনৈতিক সহায়তা প্রদান করার বিনিময়ে খনিজ সম্পদের অর্ধেক হিস্যা পাওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। ছবি : সংগৃহীত |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাজায় ভয়াবহ যুদ্ধাপরাধের তথ্য ফাঁস করল ইসরায়েলি সেনা
রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আইয়ের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি এক ইসরায়েলি সেনা নিজেই ফাঁস করেছেন গাজায় সংঘটিত এক ভয়াবহ যুদ্ধাপরাধের তথ্য। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ‘হামাকোম’-এ প্রকাশিত একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, কিভাবে এক ৮০ বছর বয়সী ফিলিস্তিনি বৃদ্ধকে গলায় বিস্ফোরক বেঁধে আট ঘণ্টা ধরে হাঁটানো হয় এবং শেষ পর্যন্ত তাকেসহ তার স্ত্রীকে গুলি করে হত্যা করা হয়।
বৃদ্ধের গলায় বিস্ফোরক বেঁধে নির্যাতন
হামাকোমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজার জাইতুন এলাকায় অভিযানের সময় ইসরায়েলি সেনারা ওই বৃদ্ধকে বন্দি করে এবং তাকে তাদের জন্য একটি ‘মানব ঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে।
এক সেনা সংবাদমাধ্যমটিকে জানান, আমরা তাকে আমাদের সঙ্গে বাড়ি ও সুড়ঙ্গ তল্লাশির কাজে বাধ্য করি। তার গলায় বিস্ফোরক বাঁধা হয়েছিল এবং বলা হয়েছিল, যদি তিনি আমাদের সহযোগিতা না করেন বা পালানোর চেষ্টা করেন, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে তার মাথা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হবে।
এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে বৃদ্ধ আট ঘণ্টা ধরে সেনাদের সঙ্গে হাঁটতে বাধ্য হন। সেনাটি আরও জানান, তিনি ৮০ বছর বয়সী একজন বৃদ্ধ। তার পালিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা ছিল না এবং তিনি জানতেন, তার পেছনে থাকা সেনারা যে কোনো মুহূর্তে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে তাকে হত্যা করতে পারে।
অবশেষে গুলি করে হত্যা
প্রতিবেদনে বলা হয়, অভিযান শেষে ওই বৃদ্ধকে এবং তার স্ত্রীকে আল-মাওয়াসি এলাকায় চলে যেতে বলা হয়। তবে ইসরায়েলি সেনারা নিজেদের মধ্যে সমন্বয় না করায় অন্য একটি ব্যাটালিয়নের সেনারা তাদের শত্রু ভেবে গুলি করে হত্যা করে। পরে তাদের মরদেহ রাস্তার পাশে পড়ে থাকতে দেখা যায়।
গাজায় আরও ভয়াবহ যুদ্ধাপরাধের আশঙ্কা
এই ঘটনা গাজার যুদ্ধাপরাধের মাত্র একটি উদাহরণ। এর আগে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘দ্য গার্ডিয়ান’ ও ‘স্কাই নিউজ’-এর একাধিক প্রতিবেদনে গাজায় সংঘটিত ইসরায়েলি বাহিনীর যুদ্ধাপরাধের চিত্র উঠে এসেছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সামনের দিনগুলোতে আরও ভয়াবহ তথ্য প্রকাশিত হবে, যা ইসরায়েলের মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রমাণ হিসেবে কাজ করবে।
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত গাজা উপত্যকায় ৪৮ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডে মানবিক সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নীরবতার সুযোগ নিয়ে দখলদার বাহিনী একের পর এক যুদ্ধাপরাধ চালিয়ে যাচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
![]() |
| আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নীরবতার সুযোগ নিয়ে ইসরায়েলি সেনারা একের পর এক যুদ্ধাপরাধ চালিয়ে গেছে গাজা উপত্যকায় গত ১৫ মাস। ছবি : সংগৃহীত। |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্যারিসে জরুরি সম্মেলন করছেন ইইউ নেতারা: যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগ নিয়ে উদ্বেগ
২০১৫ সালে ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে একটি ব্যর্থ যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়। একে মিনস্ক চুক্তি হিসেবে অভিহিত করা হয়। সেই চুক্তি এখনো ইউরোপকে তাড়া করে ফেরে। ওই আলোচনার মধ্যস্থতা করেছিল ফ্রান্স ও জার্মানি। তাতে ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চল ডনবাসে যুদ্ধ বন্ধের চেষ্টা চালানো হচ্ছিল। ধারণা করা হচ্ছে এবার ইউক্রেনে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপকে একত্রিত করে ঐক্যবদ্ধ একটি উদ্যোগ নিশ্চিত করতে পারেন কিয়ের স্টারমার। তিনি এ মাসের শেষের দিকে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন হোয়াইট হাউসে। সেখানে ইউরোপিয়ান নেতাদের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে আলোচনা করবেন। কিয়ের স্টারমার ওয়াশিংটন থেকে ফিরে আসার পর জেলেনস্কিকে নিয়ে ইউরোপিয়ান নেতাদের আরও একটি বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। স্টারমার বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপকে একত্রিত রাখার জন্য কাজ করবে বৃটেন। বাইরের শত্রুদের দ্বারা তাদের জোটে ভাঙন ধরাতে দেয়া যাবে না। বর্তমান বিশ্বে এটাই বাস্তবতা। আমাদের জাতীয় নিরাপত্তায় এক প্রজন্মের মধ্যে এটা একটা মুহূর্ত। রাশিয়া থেকে যে হুমকি আসছে তা মোকাবিলা করতে হবে। পোল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাডোস্লা সিকোরস্কি বলেছেন, ইউরোপিয়ান নেতাদের সামিট আহ্বান করেছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রন। তবে ফরাসি প্রেসিডেন্ট এখনো এমন ঘোষণা দেননি।
যুক্তরাষ্ট্র হয়তো আর ইউরোপের জন্য সহায়তা দেবে না এমন উদ্বেগ তুলে ধরে শনিবার একটি ‘আর্মি অব ইউরোপ’ সৃষ্টির আহ্বান জানিয়েছেন জেলেনস্কি। মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্সে তিনি বলেছেন, কনফারেন্সে ভাষণ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স। এতে তিনি পরিষ্কার করেছেন যে, ইউরোপ এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পুরনো বন্ধুত্ব শেষ হয়ে যাচ্ছে। ফলে ইউরোপকে এটা নতুন করে মেরামত করতে হবে। জেলেনস্কি আরও বলেন, তাদেরকে বাইরে রেখে পর্দার আড়ালে কোনো চুক্তি হলে তা কখনো মেনে নেবে না ইউক্রেন। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে শান্তি সংলাপে সম্মত হওয়ার পর এমন মন্তব্য করেছেন জেলেনস্কি। সপ্তাহের শুরুতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন যে, পুতিনের সঙ্গে তার দীর্ঘ সময় ফোনে কথা হয়েছে এবং ইউক্রেনে একটি ‘উদ্ভট যুদ্ধ’ বন্ধে অবিলম্বে সংলাপ হবে। সেই সংলাপ শুরু হবে অবিলম্বে। পরে নিজের পরিকল্পনা সম্পর্কে জেলেনস্কিকে অবহিত করেন ট্রাম্প। এ সময় ট্রাম্পকে আস্থাশীল দেখায় যে, তার নেতৃত্ব ইউক্রেনে শান্তি চুক্তির পথ দেখাতে পারবে। উল্লেখ্য, কমপক্ষে তিন বছর ধরে মস্কো ও ওয়াশিংটনের মধ্যে কোনো কথা হয় না। এরপর পুতিনের সঙ্গে ট্রাম্পের ফোন এই নীরবতাকে ভেঙে দিয়েছে। তবে ট্রাম্পের ওই ঘোষণাকে কেউ কেউ হতাশাজনক বলে মনে করছেন। তার এ ঘোষণাকে ২০১৮ সালে হেলসিঙ্কিতে পুতিনের সঙ্গে ট্রাম্পের সাক্ষাতের কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে।
তখন তারা প্রায় দুই ঘণ্টা রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন। তারপর যৌথ সংবাদ সম্মেলন করেন। তাতে ২০১৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রাশিয়ার হস্তক্ষেপের যে অভিযোগ তা থেকে রাশিয়ার পক্ষাবলম্বন করেন। ২০১৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো রিপোর্ট দেয় যে, ডেমোক্রেট প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনের বিরুদ্ধে ট্রাম্পকে জিতিয়ে আনতে নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করেছিল রাশিয়া। এমন রিপোর্টের পরেও ট্রাম্প রাশিয়ার পক্ষ নেন।
ওদিকে ১২ই ফেব্রুয়ারি ট্রাম্প ও পুতিনের মধ্যে ফোনে কথা হওয়ার পর রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে শনিবার ফোন করেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি মাইকেল ম্যাকল বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, কয়েকদিনের মধ্যে সৌদি আরবে ট্রাম্প প্রশাসনের সিনিয়র কর্মকর্তাদের সঙ্গে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যস্থতাকারীদের শান্তি আলোচনা শুরু হবে। হাউস ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটির চেয়ারম্যান ম্যাকল বলেন, সৌদি আরবের এই সংলাপে জেলেনস্কিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে তিনি জানেন।
শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্প, পুতিন এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির মধ্যে এই সাক্ষাতের আয়োজন করেছে সৌদি আরব। কিন্তু তার একদিন আগে ইউরোপিয়ান গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে আক্রমণ করে কথা বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স। তিনি বলেছেন, ইউরোপ মহাদেশ যে বড় হুমকি মোকাবিলা করছে তা রাশিয়া বা চীন থেকে আসছে না। সেই হুমকি তাদের অভ্যন্তরীণ। মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্সে বক্তব্যে তিনি ট্রাম্প প্রশাসনের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন। বলেন, ইউরোপকে অবশ্যই তার নিজস্ব প্রতিরক্ষার পথ গড়ে তুলতে হবে। শনিবার একই কনফারেন্সে বৃটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড ল্যামি বলেছেন, পুতিন সরে যাবেন না। ন্যাটোর ২৩টি দেশ বর্তমানে তাদের জাতীয় প্রবৃদ্ধির কমপক্ষে শতকরা ২ ভাগ প্রতিরক্ষায় ব্যবহার করছে। এটা ইতিবাচক দিক।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নতুন রাজনৈতিক দল: সম্পাদক পদ নিয়ে টানাপড়েন
ছাত্রদের নতুন দলের কমিটিতে আহ্বায়কের দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে এক নম্বর সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম। যিনি বর্তমানে অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার এবং আইসিটি উপদেষ্টা। দলের দায়িত্ব নেয়ার আগে নাহিদ উপদেষ্টা পরিষদ থেকে পদত্যাগ করবেন। নাহিদের বিষয়ে ঐকমত্য হলেও সদস্য সচিব পদ নিয়ে বিভক্ত ছাত্র আন্দোলনের নেতারা। একটি অংশ চাইছে নতুন দলের সদস্য সচিব হবেন ডাকসুর সাবেক সমাজসেবা সম্পাদক আখতার হোসেন। যিনি জাতীয় নাগরিক কমিটির বর্তমান সদস্য সচিব। আরেক অংশ চাইছে আন্দোলনের নেপথ্যের অন্যতম মুখ আলী আহসান জুনায়েদকে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা শিবিরের সাবেক এ সভাপতি বর্তমানে নাগরিক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্বে রয়েছেন। এ ছাড়াও এ পদের দাবিদার রয়েছেন আরও দুজন-তারা হলেন নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। আখতার ও জুনায়েদের মধ্য থেকে কেউ এ পদে না আসতে পারলে এদের নাম বিবেচনায় রাখা হয়েছে। আবার আখতার-জুনায়েদ দুজনের কাউকে চান না এমন একটি অংশও রয়েছে নাগরিক কমিটিতে। যারা নাসীরকে এ পদে দেখতে চান। এ ছাড়াও উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের অনুসারীরা চান শীর্ষ চার পদের একটিতে মাহফুজের বড় ভাই সাবেক ছাত্রদল নেতা মাহবুব আলম মাহিরকে স্থান দেয়া হোক। এসবের পেছনে উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের সম্পৃক্ততা নিয়েও আলোচনা রয়েছে নাগরিক কমিটির মধ্যে। তারা মনে করেন, সদস্য সচিব পদে মাহফুজ এমন কাউকে বসাতে চান যাকে তিনি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। যদিও মাহফুজের অনুসারীরা এমন দাবি ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছেন।
জুলাই অভ্যুত্থান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে শুরু হলেও এতে সর্বাত্মক অংশগ্রহণ ছিল শেখ হাসিনাবিরোধী রাজনৈতিক শক্তিগুলোর। আবার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটিতে থাকা বেশির ভাগ নেতাই গণতান্ত্রিক ছাত্র শক্তির নেতা ছিলেন। এটি ডাকসু’র সাবেক সমাজসেবা সম্পাদক আখতার হোসেনের একটি রাজনৈতিক প্ল্যাটফরম। আন্দোলনে ছাত্রশিবিরের বর্তমান নেতাকর্মী ছাড়াও সাবেক নেতাদের একটি অংশের প্রত্যক্ষ অংশীদারিত্ব ছিল। যাদের অনেকে পরবর্তী জাতীয় নাগরিক কমিটিতে যোগ দিয়েছেন। এ ছাড়া বামপন্থি ছাত্রসংগঠনগুলোরও একটি অংশের অংশীদারিত্ব ছিল আন্দোলনে। তারাও আছেন নাগরিক কমিটিতে কিন্তু ১৭ই জুলাই থেকে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার পেছনে নিজেদের ভূমিকার কথা বলে শিবির থেকে নাগরিক কমিটিতে আসা নেতারা তাদের হিস্যা চাইছেন। তাই নতুন রাজনৈতিক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির শীর্ষ পদের একটি তাদের দাবি। কিন্তু নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব আখতার হোসেনের অনুসারীদের দাবি শিবিরের কাউকে এ পদে আনা হলে শুরুতেই দলটি গ্রহণযোগ্যতা হারাবে। তাই এ পদে আখতারই ভালো পছন্দ হতে পারে। আর আহ্বায়ক পদে নাহিদ ইসলামের বিষয়ে দুই পক্ষেরই ঐকমত্য রয়েছে।
একটি অংশের অনুপস্থিতিতে গতকালকের বৈঠকে নতুন দলের কেন্দ্রীয় কমিটির জন্য ৭৫ জনের মতো নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে। ২৪শে ফেব্রুয়ারির আগে কমিটির আকার ২০০ এর কম বেশিতে উত্তীর্ণ করা হবে বলে জানা গেছে। কমিটির সদস্য সচিব পদ নিয়ে যখন আখতার ও জুনায়েদ অনুসারীরা বিভাজিত তখন নাগরিক কমিটি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন নতুন দলের কমিটিতে নিজেদের ৫০ শতাংশ করে প্রতিনিধি নিশ্চিত করতে চাইছেন। ওদিকে সারা দেশে নাগরিক কমিটি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন যে কমিটি দিচ্ছে বেশির ভাগ কমিটিতেই ছাত্রশিবিরের সাবেক নেতাদের বড় অংশদারিত্ব রয়েছে বলে একটি অংশের দাবি। তারা মনে করেন, তৃণমূল থেকে কেন্দ্রে তাদের সমর্থন না থাকলে নতুন দলকে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে। অন্যদিকে গতকালকের বৈঠক বয়কট করা অংশটি আগামী ২২শে ফেব্রুয়ারি জুলাই বিপ্লবী কাউন্সিলের ব্যানারে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এক সমাবেশের ডাক দিয়েছে। এতে জুলাই বিপ্লবের ১৩৫ সংগঠনসহ নানা সংগঠনের মানুষ অংশ নেবে বলে আয়োজকরা জানিয়েছেন। এ সমাবেশ থেকে সরকারকে তিন দফা দাবি জানানো হবে। দাবিগুলো হলো- পিলখানা, শাপলা ও জুলাই গণত্যার বিচার; আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধ এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা। এ সমাবেশ সফল ও ব্যর্থ হওয়ার ওপর নির্ভর করছে নতুন দলের ভাগ্যে কী ঘটতে যাচ্ছে। যারা আলাদা সমাবেশ ডেকেছেন তারা এটিতে সফল হলে ওইদিনই রাজনৈতিক দলের ঘোষণা দিতে পারেন বলেও আলোচনা আছে।
গতকাল সন্ধ্যায় জাতীয় নাগরিক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব মানবজমিনকে বলেন, নতুন রাজনৈতিক দল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, জাতীয় নাগরিক কমিটি ও জুলাই অভ্যুত্থানে অংশ নেয়া নাগরিকদের নিয়ে গঠিত হবে। এটি নাগরিক কমিটির একক কোনো সিদ্ধান্ত নয়। সবার ঐকমত্যের ভিত্তিতে কমিটি চূড়ান্ত করা হবে। কমিটি কতো সদস্যের হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, একটি রাজনৈতিক দলের কমিটি হিসেবে ২০০ এর কম বেশি হতে পারে। আর নেতৃত্ব নিয়ে বিরোধের বিষয়ে তিনি বলেন, নেতৃত্ব নিয়ে তাদের মধ্যে কোনো বিরোধ নেই। একটি পক্ষ আখতার হোসেন ও আলী আহসান জুনায়েদকে মুখোখুখি দাঁড় করানোর চেষ্টা করছেন। আশা করি এটি কেটে যাবে। ঐক্যবদ্ধভাবে রাজনৈতিক দল গঠন করা হবে।
এদিকে জাতীয় নাগরিক কমিটির আরেক যুগ্ম সদস্য সচিব নাম প্রকাশ না করার শর্তে মানবজমিনকে বলেন, শুরুতে এমন আস্থার সংকট তৃণমূলে বিভ্রান্তি তৈরি করবে। সাধারণ মানুষও আস্থা হারাবে নতুন দলের প্রতি। আমরা চাই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নেতৃত্ব নির্বাচিত হোক। কিন্তু কেউ কেউ এ পদে একমাত্র নিজেই যোগ্য বলে ধরে নিচ্ছেন। যেটি ঠিক নয়। তিনি বলেন, ইনক্লুসিভ পলিটিক্স করতে এসে পদের জন্য গো ধরে বসে থাকা কোনো সংগঠনের জন্য সুখকর নয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক নেতা বলেন, একটি অংশ শীর্ষ চার পদের দুটিই চায়। কিন্তু আমাদের চিন্তা করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে তার গ্রহণযোগ্যতা আছে কিনা। আমরা শুরুতে সংগঠনকে বিতর্কিত করতে চাই না। আরেক শীর্ষ নেতা বলেন, সংগঠনে আমাদের বিশাল কন্ট্রিবিউশন রয়েছে। আমাদের অনুসারী অনেক রয়েছেন। নির্বাচন দিলে আমাদের লোকই এ পদের জন্য নির্বাচিত হবেন। কিন্তু সেখানে নির্দিষ্ট কাউকে সরাসরি মনোনীত করার বিরোধী আমরা। ওদিকে গত শনিবার রাত থেকে আখতার ও জুনায়েদের অনুসারীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্ট্যাটাস দিচ্ছেন। কেউ লিখছেন আখতারকেই তারা নেতা মানেন আর কাউকে নয়। কেউ লিখছেন- আখতারকে মাইনাস করতে চায় কে? বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখ্য সংগঠক আব্দুল হান্নান মাসুদ লেখেন- আমার ফ্যাসিবাদবিরোধী রাজনীতিতে আসা আখতার হোসেনের হাত ধরেই। এদেশের প্রতি, দেশের মানুষের প্রতি উনার ভালোবাসা সবসময় আমাদের মুগ্ধ করেছে। ঢাবি ক্যাম্পাসে একক নেতৃত্বে ছাত্রলীগ নামক সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সবসময় রুখে দাঁড়িয়েছেন। বারবার হামলার সম্মুখীন হয়েছেন, আহত হয়েছেন, কারারুদ্ধ হয়েছেন। কিন্তু সঙ্গীদের একমুহূর্তের জন্যও ছেড়ে যাননি। কোনো যদি-কিন্তু ছাড়া সচেতন নাগরিক হিসেবে আখতার হোসেনের পাশে আছি। অন্যদিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক সানজানা আফিফা অদিতি এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে লেখেন, নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের মধ্যে সংগঠনগুলোর প্রধান পদগুলোতে কাদের দায়িত্ব দেয়া হবে তা অবশ্যই ওই সংগঠনের সকলের মতামতের ভিত্তিতে নির্ধারণ করতে হবে। অন্তত প্রথম দশজনের সিদ্ধান্ত মানুষের ওপর ছেড়ে দিতে হবে। আগের মতোই যদি একজন দুইজনই সব সিদ্ধান্ত নেয় তাহলে সেই নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের সঙ্গে আমার যাত্রা দীর্ঘায়িত করবো না।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সন্তানের পিতৃত্ব দাবি লেখিকার ইলন মাস্ক যা বললেন
সন্তানের নিরাপত্তার কথা ভেবেই এতদিন এই তথ্য গোপন করা হয়েছিল। তবে স্থানীয় একটি ট্যাবলয়েড এই খবর প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নিলে অ্যাশলে এ বিষয়ে মুখ খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আমি এর আগে আমার সন্তানের সুরক্ষার কথা ভেবে আসল তথ্য প্রকাশ করেনি, কিন্তু সম্প্রতি ট্যাবলয়েডগুলো এ তথ্য প্রকাশ করতে চায়, তা যতই হুমকিমূলক হোক। ইলন মাস্কের ওই সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ার পর অ্যাশলে সরাসরি কোনো উত্তর দেয়ার পরিবর্তে অনলাইনে তার তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, ইলন বেশ কয়েকদিন ধরে তোমার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছি, কিন্তু তুমি কোনো উত্তর দাওনি। যদিও পরবর্তীতে এই মন্তব্যটি পরে তিনি মুছে ফেলেছেন। অ্যাশলের প্রতিনিধি ব্রায়ান গ্লিকলিচ পরে নিশ্চিত করেছেন যে, অ্যাশলে এবং মাস্ক ব্যক্তিগতভাবে শিশুটির অভিভাবকত্ব নিয়ে কাজ করছেন। অযৌক্তিক জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে সন্তানের মঙ্গলের জন্য সর্বোত্তম পন্থায় চুক্তিতে পৌঁছানোর আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি। ক্লেয়ারের দাবির পর এক ভক্ত তাকে সরাসরি এক্সে প্রশ্ন করায় হাসির ইমোজি দিয়ে তার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন স্বয়ং ইলন মাস্ক।
যদি অ্যাশলের দাবি সত্য হয়, তা হলে চারটি সম্পর্ক থেকে ১৩তম সন্তানের পিতা হবেন টেসলার নির্বাহী পরিচালক। প্রসঙ্গত, মোট ১২ সন্তানের জনক মাস্ক। তার প্রথম স্ত্রীর নাম জাস্টিন উইলসন। এই ঘরে ইলন মাস্কের মোট পাঁচ সন্তান রয়েছে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিশ্বের প্রথম ঘোষিত সমকামী ইমাম, দক্ষিণ আফ্রিকায় গুলি করে খুন করল দুষ্কৃতিকারীরা
তবে প্রাথমিকভাবে অনুমান, মুহসিনের হত্যা আসলে টার্গেট কিলিং। আন্তর্জাতিক লেসবিয়ান, গে, বাইসেক্সুয়াল, ট্রান্স এবং ইন্টারসেক্স অ্যাসোসিয়েশন এই হত্যার নিন্দা করেছে। ১৯৯৬ সালে নিজেকে সমকামী বলে ঘোষণা করেছিলেন মুহসিন হেনড্রিকস। তাঁর জন্ম দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউনে। এই শহরের কাছে সমকামীদের জন্য আল ঘুরবাহ নামের একটি মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন এই ইমাম। ২০২২ সালে 'দ্য র্যাডিক্যাল' নামে একটি তথ্যচিত্রের বিষয় হেনড্রিকস পূর্বে তাঁর বিরুদ্ধে প্রাণনাশের হুমকির কথা উল্লেখ করেছিলেন।
তিনি সংবাদপত্র গার্ডিয়ানকে বলেছিলেন যে, তাঁকে দেহরক্ষী নিয়োগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি কখনও আক্রমণকে ভয় পাননি এবং বরাবর সত্যের ওপর জোর দিয়ে গেছেন। ২৯ বছর বয়স পর্যন্ত হেনড্রিকস আরবি ভাষার শিক্ষক এবং ফ্যাশন ডিজাইনার হিসেবে কাজ করতেন। মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণকারী হেনড্রিকস আগে একজন নারীকে বিয়ে করেছিলেন, সন্তান জন্ম দিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর বাবার মৃত্যুর আট বছর পর পরিবারের কাছে হেনড্রিকসের সমকামী সত্তা প্রকাশ্যে আসে, ফলে তার বিবাহবিচ্ছেদ হয়।
সূত্র: লাইভমিন্ট

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1398)
-
▼
2025
(3281)
-
▼
February
(308)
-
▼
Feb 17
(12)
- সাগরপাড়ে ভেসে এলো রহস্যময় বাড়ি
- বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় শিক্ষা হলো সহনশীলতা -সমাবর্তন ব...
- গাজায় শেষ পর্যন্ত জেনোসাইডই ঘটেছে by আসজাদুল কিবরিয়া
- ৮০ বছরের ফিলিস্তিনিকে করা হলো ‘মানবঢাল’, পরে গুলিত...
- সেভেন সিস্টার্স নিয়ে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টা
- গাজা নিয়ে ‘মার্শাল প্লান’ দিল সৌদি প্রিন্স
- খনিজ নিয়ে ট্রাম্পের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান ইউক্রেনের
- গাজায় ভয়াবহ যুদ্ধাপরাধের তথ্য ফাঁস করল ইসরায়েলি সেনা
- প্যারিসে জরুরি সম্মেলন করছেন ইইউ নেতারা: যুক্তরাষ্...
- নতুন রাজনৈতিক দল: সম্পাদক পদ নিয়ে টানাপড়েন
- সন্তানের পিতৃত্ব দাবি লেখিকার ইলন মাস্ক যা বললেন
- বিশ্বের প্রথম ঘোষিত সমকামী ইমাম, দক্ষিণ আফ্রিকায় গ...
-
▼
Feb 17
(12)
-
▼
February
(308)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...






