Saturday, September 5, 2009

বাংলালিংকের করপোরেট গ্রাহক হলো ডাকসার বাংলাদেশ

ডাকসার বাংলাদেশ সম্প্রতি ‘বাংলালিংক বিজনেস’ প্যাকেজের করপোরেট গ্রাহক হয়েছে। এ ব্যাপারে বাংলালিংক ও ডাকসার বাংলাদেশের মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি হয়েছে।
চুক্তি অনুযায়ী ডাকসার বাংলাদেশ তাদের গ্রাহকদের প্রয়োজনীয় বাণিজ্যিক যোগাযোগ সুবিধা দেবে।
এই চুক্তির আওতায় অন্যতম নেতৃস্থানীয় লজিস্টিক কোম্পানি ডাকসার বাংলাদেশ ‘বাংলালিংক বিজনেস’ প্যাকেজের বিশেষ ট্যারিফ সুবিধা ও মূল্য সংযোজিত সেবা উপভোগ করবে।
এই চুক্তির স্বাক্ষরের ফলে কোম্পানির যোগাযোগ ব্যয় উল্লেখযোগ্য পরিমাণে হ্রাস পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ডাকসার বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ সাদাকাত হোসাইন ও বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আহমেদ আবু দোমা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এ চুক্তিতে সই করেন।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ডাকসার বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ডেটিল জানিক, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) নিপুল চান্দিওয়ালা, নির্বাহী পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম সরকার, মানবসম্পদ ও প্রশাসন বিভাগের সহকারী ব্যবস্থাপক ওয়েজ হোসাইন মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন।
অন্যদিকে বাংলালিংকের করপোরেট সেলসের তোফাজ্জল হোসাইন, জাতীয় বিক্রয় ব্যবস্থাপক নাসার ইউসুফ, কি-অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার রিয়াজ উদ্দিন খান এবং করপোরেট সেলস্ অফিসার মো. দিদারুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

মেরিল স্প্ল্যাশ ফ্রেশনেস ফেস্টিভালের র্যাফল ড্র পারসোনার বিউটি ফ্যাশন শো

সম্প্রতি স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেডের আয়োজনে ঢাকার একটি হোটেলে ‘মেরিল স্প্ল্যাশ ফ্রেশনেস ফেস্টিভাল’-এর প্রথম র্যাফল ড্র অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন স্কয়ার টয়লেট্রিজের বিপণনপ্রধান মালিক মো. সাঈদ এবং পারসোনার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কানিজ আলমাস খান।
ফ্রেশনেস ফেস্টিভাল কার্যক্রমের আওতায় প্রথম পর্যায়ে জমা পড়া ১০ লক্ষাধিক খালি মোড়কের মধ্য থেকে লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত ৫০০ জনের প্রত্যেকে পাচ্ছেন একটি করে আকর্ষণীয় ফ্রেশনেস বক্স। ৪০ জন ক্রেতা নগদ ১০ হাজার টাকা এবং একজন সেরা ক্রেতা নগদ এক লাখ টাকা পুরস্কার পাচ্ছেন।
অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে মেরিল স্প্ল্যাশ ফ্রেশনেস ফেস্টিভালের দ্বিতীয় পর্যায়ের র্যাফল ড্র অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি মেরিল স্প্ল্যাশ বিউটি সোপের খালি মোড়কে নাম, ঠিকানা লিখে নিকটস্থ বিক্রেতার কাছে জমা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই প্রত্যেক ক্রেতার জন্য আগের মতোই নিশ্চিত উপহার থাকবে।
বাঙালি মেয়েদের স্নিগ্ধ সৌন্দর্যকে বড় পরিসরে তুলে ধরার লক্ষ্যে মেরিল স্প্ল্যাশ এবং পারসোনা একযোগে কাজ করার উদ্যোগ নিয়েছে। এরই প্রথম প্রয়াস হিসেবে এ বছর নভেম্বরে পারসোনা ও স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেড যৌথভাবে আয়োজন করতে যাচ্ছে ‘ফ্রেশ বিউটি ফ্যাশন শো’।
সারা দেশ থেকে নাম, ঠিকানাসহ পাঠানো মেরিল স্প্ল্যাশ বিউটি সোপের মোড়কগুলোর প্রেরকদের মধ্যে থেকে ‘ফ্রেশ ফেইস’ অর্থাত্ স্নিগ্ধ কন্যাদের এই বিশেষ আয়োজনের জন্য নির্বাচিত করা হবে। এর পাশাপাশি পারসোনা বিউটি পারলারগুলোও ‘ফ্রেশ বিউটি ফ্যাশন শো’-এর জন্য ফ্রেশ ফেইস নির্বাচনের কাজে অংশ নেবে।

সিএনজি গাড়ির ফ্রি চেকআপ করল রহিমআফরোজ

সম্প্রতি রহিমআফরোজ সিএনজি তেজগাঁও-গুলশান লিংক রোডে তাদের নতুন কনভার্সন ও সার্ভিস সেন্টারের উদ্বোধন উপলক্ষে ইতালিয়ান ইঞ্জিনিয়ার দ্বারা চার দিনব্যাপী সিএনজিচালিত গাড়ির ফ্রি চেকআপ কর্মশালার আয়োজন করে। এ কর্মশালায় শতাধিক সিএনজিচালিত গাড়ির বিস্তারিত পরীক্ষণ ও পর্যালোচনা করে পরামর্শ দেওয়া হয়।
এ ছাড়া কর্মশালায় অত্যাধুনিক প্রযুক্তির কনভার্সনের ফ্রি চেকআপ এবং এর সঠিক ব্যবহারের নির্দেশনাবলি সম্পর্কেও পরামর্শ দেওয়া হয়।

সিটিগ্রুপ সুইফটের বিষয়ে কর্মশালার আয়োজন

সিটিব্যাংক, এনএ বাংলাদেশ সম্প্রতি দেশের দক্ষিণাঞ্চলের ব্যবসায়রত বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর বিভিন্ন শাখা কর্মকর্তা, বৈদেশিক মুদ্রা বিভাগ এবং ঋণপত্র ও অন্যান্য বিভাগের কর্মকর্তাদের জন্য সুইফটের (সোসাইটি ফর ওয়ার্ল্ডওয়াইড ইন্টারব্যাংক ফিন্যান্সিয়াল টেলিকমিউনিকেশন) ওপর এক কর্মশালার আয়োজন করে।
কর্মশালাটির উদ্দেশ্য ছিল সুইফটের বিভিন্ন দিক ও ব্যবহার সম্পর্কে ব্যাংকারদের সম্যক ধারণা দেওয়া হয়।
খুলনা, বরিশাল, যশোর, কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ ও সাতক্ষীরা থেকে আসা অংশগ্রহণকারীরা খুলনায় অনুষ্ঠিত এ কর্মশালায় যোগ দেন।
এ ধরনের কর্মশালা আয়োজনের মধ্য দিয়ে সিটিগ্রুপ গ্রাহকদের জ্ঞানের পরিধি বাড়ানো এবং পেমেন্ট সেটেলমেন্ট ও ঋণপত্র ইস্যু করা সংক্রান্ত দৈনন্দিন জিজ্ঞাসার উত্তর দেওয়ার মাধ্যমে আরও উন্নত সেবা দিতে পারবে বলে আশা করে।
কর্মশালায় বলা হয়, এসব কর্মসূচির মাধ্যমে বাজার, জনপদ এবং ব্যাংকিং খাতের উন্নয়নে বাংলাদেশের একটি সামাজিক দায়িত্বশীল করপোরেট প্রতিষ্ঠান হিসেবে সিটিব্যাংক, এনএ সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

দুই মাসের মধ্যে ব্যবসায়ীরা ইসিআর ব্যবহার না করলে আইনি ব্যবস্থা

আগামী দুই মাসের মধ্যে দেশের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বাধ্যতামূলকভাবে ‘ইলেকট্রনিক ক্যাশ রেজিস্টার বা ইসিআর’ ব্যবহার না করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ইসিআরবিষয়ক এক কর্মশালায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান ড. নাসিরউদ্দীন আহমেদ সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে গতকাল বুধবার এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘শুরুতে আমরা সবাইকে ইসিআর ব্যবহারের জন্য উদ্বুদ্ধ করতে চাই। আগামী এক-দুই মাস সেটাই করা হবে। তারপরও যদি কাজ না হয়, তাহলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ তো রয়েছেই।’
রাজধানীর কাকরাইলে আইডিইবি ভবনে কাস্টম, এক্সসাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের জন্য এ কর্মশালার আয়োজন করে। কমিশনার রেজাউল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনবিআরের সদস্য আবদুল মান্নান পাটোয়ারি। ব্যবসায়ীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি আমির হোসেন খান ও মহাসচিব এস এ কাদের কিরণ।
এনবিআর চেয়াম্যান বলেন, ইসিআরের মাধ্যমে হিসাব সংরক্ষণ অত্যন্ত সহজ। এ পদ্ধতি ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যবসায়ীরা হয়রানিমুক্তভাবে হিসাব সংরক্ষণ করতে পারবেন। এতে সরকারের রাজস্ব আদায়ের পরিমাণও বাড়বে। তিনি বলেন, সরকার এবারের বাজেটে রাজস্ব আহরণের বিষয়ে গুরুত্ব দিয়েছে। এরই অংশ হিসেবে বাধ্যতামূলকভাবে ইসিআর ব্যবহারকে উত্সাহিত করতেই কর্মশালায় আয়োজন করা হয়েছে।
চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে দেশের ছয়টি মহানগরে সেবাখাতসহ বড় ও মাঝারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের দৈনন্দিন লেনদেনের হিসাব সংরক্ষণে ইসিআর ব্যবহার ব্যাধ্যতামূলক করা হয়েছে। গত ১ জুলাই থেকে জেলা শহরের জন্য এ বিধান চালু করা হয়। আর ১১ জুন থেকে স্বর্ণকার ও রৌপ্যকার, স্বর্ণ ও রৌপ্যের দোকানদার এবং স্বর্ণপাকাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকেও একই পদ্ধতি ব্যবহার করে হিসাব সংরক্ষণ করতে বলা হয়েছে।

সাংবাদিকতার ওপর আঘাত -হামলাকারীদের শাস্তি দিতে হবে

চুয়াডাঙ্গার সরকারি দলের সাংসদের দুর্নীতি ও সন্ত্রাসী তত্পরতা সম্পর্কে পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশের পর ওই শহরের দুই সাংবাদিককে এলাকা ছেড়ে যেতে হয়েছে। তাঁরা জানতে পেরেছিলেন, তাঁদের ওপর শারীরিক আক্রমণ চালানো হবে, এমনকি প্রাণে মেরে ফেলাও বিচিত্র নয়।
সত্যিই আক্রমণ চালানো হয়েছে। প্রথম আলোর চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি শাহ আলমের বাড়িতে গত বুধবার রাতে ২০-২৫ জন সন্ত্রাসী রামদাসহ ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা করে। অবশ্য তারা তাঁকে পায়নি, কারণ এই সাংবাদিক আগেই বাড়ি ছেড়েছেন। তাঁর শিশুপুত্র ও শাশুড়িকে নিয়ে বাড়ির পেছনের পথ দিয়ে বেরিয়ে গিয়ে আত্মরক্ষা করতে হয়েছে তাঁর স্ত্রীকে। হামলাকারী সন্ত্রাসীদের মধ্যে স্থানীয় সাংসদের সাবেক গাড়িচালককে প্রত্যক্ষদর্শীরা চিনতে পেরেছে। এটা পরিষ্কার যে, সাংসদের পেটোয়া বাহিনীই ওই হামলা চালিয়েছিল। হামলার আগে সাংসদের ভাই চুয়াডাঙ্গার মেয়রের বাসায় তারা সভাও করেছিল বলে জানা গেছে। হামলাকারীদের মধ্যে ভাড়াটে খুনিও ছিল।
সাংবাদিকের বাড়িতে হামলার ঘটনায় স্থানীয় পুলিশ প্রথমে ছিল নির্বিকার। ঢাকা থেকে পুলিশ ও র্যাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের টেলিফোন-আদেশ পাওয়ার আগে পর্যন্ত তারা সক্রিয় হয়নি। হামলাকারীরা সাংবাদিকের বাড়ি তছনছ করে চলে যাওয়ার পরই কেবল তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে পরিষ্কার হয়, সরকারদলীয় স্থানীয় সাংসদের সন্ত্রাসী তত্পরতার বিরুদ্ধে সেখানকার আইন প্রয়োগকারী কর্তৃপক্ষ নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছে। বৃহস্পতিবার রাতেও চুয়াডাঙ্গার আরেক সাংবাদিকের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে সন্ত্রাসীরা। ওই শহরের সংবাদকর্মীদের মধ্যে এখন স্বাভাবিকভাবেই নিরাপত্তাহীনতার ভীতি সৃষ্টি হয়েছে, যা তাঁদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধার কারণ হচ্ছে।
কিন্তু দিনবদলের অঙ্গীকার করে এসেছে যে সরকার, তার আমলে এমনটি হওয়ার কথা নয়। তারা দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে বলে নির্বাচনী ইশতেহারে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। অবাধ তথ্যপ্রবাহ, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এই সরকারের লিখিত অঙ্গীকার। তথ্য অধিকার আইন পাস করেছে এই সরকার। অথচ একজন সাংসদের দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের খবর জনগণকে জানানোর দায়ে সাংবাদিকের বাড়িতে সন্ত্রাসী হামলা হচ্ছে, কিন্তু পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না—এর উত্তর কী?
শুধু তা-ই নয়, সাজানো মামলার আসামি বানিয়ে সাংবাদিকদের হয়রানির ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে। বিএনপির সঙ্গে ছাত্রলীগের সংঘর্ষের পর ছাত্রলীগের এক কর্মী যে মামলা করেছেন, তার আসামির তালিকায় প্রথম আলো ও আমার দেশ-এর চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিদের নাম ঢোকানো হয়েছে। তাঁদের একজনের বিরুদ্ধে ছিনতাই, অন্যজনের বিরুদ্ধে দা দিয়ে কোপানোর অভিযোগ আনা হয়েছে। আরেকটি মামলা করা হয়েছে মানহানির অভিযোগে। সংবাদকর্মীদের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ যে হাস্যকরভাবে অমূলক, তা জেনেও স্থানীয় পুলিশ ওই মামলা গ্রহণ করেছে। কারণ, মামলা করেছে সরকারদলীয় স্থানীয় সাংসদের লোক। তিনি নাকি চুয়াডাঙ্গাকে ফেনী বানাতে চান।
এছাড়া যশোরে জেলা আওয়ামী লীগের সহ-দপ্তর সম্পাদক এক সমাবেশে প্রথম আলোর সাংবাদিকের হাত-পা ভেঙে তাঁকে যশোর থেকে বিতাড়নের প্রকাশ্য ঘোষণা দিয়েছেন। জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান সম্পর্কে প্রথম আলোয় সংবাদ প্রকাশের কারণেই এই হুমকি।
একটি গণতান্ত্রিক সরকারের পক্ষে এমন ক্ষতিকর প্রবণতা আর হয় না। আমরা সরকারের ঊর্ধ্বতন মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। সংবাদমাধ্যমের ওপর দমন-পীড়ন চালানোর ফলে অতীতে প্রতিটি সরকারের ভাবমূর্তি ভীষণভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে। তবে শুধু সরকারের ভাবমূর্তিই নয়, জনগণের তথ্য জানার অধিকার, স্বাধীনভাবে জনগণকে তথ্য জানানোর অধিকার রক্ষার স্বার্থে সরকারকে এই ধরনের নেতিবাচক, হঠকারী ও সন্ত্রাসী তত্পরতা বন্ধ করার ব্যবস্থা নিতে হবে। চুয়াডাঙ্গার সাংবাদিকের বাড়িতে হামলাকারী সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করতে হবে, তাদের যারা লেলিয়ে দিয়েছেন তাঁদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা সরকারকে নিতে হবে।