Tuesday, November 18, 2025
জাতিসংঘ ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দিলে পিএ কর্মকর্তাদের হত্যার হুমকি ইসরাইলি নিরাপত্তা মন্ত্রীর
জাতিসংঘ ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দিলে পিএ কর্মকর্তাদের হত্যার হুমকি ইসরাইলি নিরাপত্তা মন্ত্রীর
জেরুজালেম পোস্টকে উদ্ধৃত করে প্রতিবেদনে বলা হয়, বেন গভির পিএ নেতাদের ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দিয়ে বলেন, যদি ফিলিস্তিনি সন্ত্রাসী রাষ্ট্র স্বীকৃতির প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয় এবং জাতিসংঘ ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়, তাহলে পিএ-এর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে টার্গেটেড হত্যার নির্দেশ দেওয়া উচিত।
এ মন্তব্যের নিন্দা জানিয়ে পৃথক বিবৃতিতে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ফিলিস্তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও প্রেসিডেন্টের কার্যালয়। এক্সে দেওয়া বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় বেন গভিরের মন্তব্যকে ‘পদ্ধতিগত উসকানি’ বলে উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি তার জবাবদিহিতা নিশ্চিতের আহ্বান জানায়। প্রেসিডেন্টের কার্যালয় জানিয়েছে, বেন গভিরের বক্তব্যের জন্য ইসরাইল সরকারই দায়ী।
এদিকে সোমবারের পরে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে গাজা যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব এবং যুক্তরাষ্ট্রের উপস্থাপিত আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী গঠনের পরিকল্পনা নিয়ে ভোট হওয়ার কথা রয়েছে। ওই প্রস্তাবে ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিশ্বস্ত পথনকশা সমর্থনের কথাও বলা হয়েছে।
বেন গভির বলেন, জাতিসংঘের ভোটে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র স্বীকৃতির উদ্যোগ এগোলে পিএ প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসকে গ্রেপ্তার করা উচিত। তার দাবি, ইসরাইলের কেটসিওত কারাগারে আব্বাসের জন্য একক সেল প্রস্তুত আছে।
ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেওয়া এবং পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বাহিনীর সঙ্গে নিরাপত্তা সমন্বয় চালালেও পিএ-এর নেতৃত্বাধীন একটি ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিপক্ষে ইসরাইলের শীর্ষ নেতারা বরাবরই অটল। জাতিসংঘের গাজা খসড়া প্রস্তাব থেকে ‘ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র’ শব্দবন্ধ বাদ দেওয়ার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে তেল আবিব। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও তার ডানপন্থী জোটের কাছে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে তিনি ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের বিরোধিতা থেকে সরে আসবেন না।
শনিবার আরও এক ধাপ এগিয়ে বেন গভির মিথ্যা দাবি ফিলিস্তিনি জনগণ বলে কিছু নেই। তার ভাষ্য, ফিলিস্তিনিরা ইসরাইলের ভূমিতে আরব দেশগুলো থেকে আসা অভিবাসীদের সমষ্টি এবং তারা সন্ত্রাস ও নৃশংসতা ছড়িয়েছে। তিনি তথাকথিত স্বেচ্ছায় অভিবাসন নীতিরও সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। যা সমালোচকদের মতে ফিলিস্তিনিদের জাতিগত নির্মূলের পরিকল্পনা।
নেতানিয়াহুর জোটের উগ্র ডানপন্থী অংশ থেকে শুরু করে অপেক্ষাকৃত মধ্যপন্থী বিরোধী নেতারাও সার্বভৌম ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিরোধিতায় একমত। ইসরাইলি নেতৃত্ব বহুবার জানিয়েছে, গাজার শাসনভার পিএ-এর হাতে হস্তান্তর করতে তারা রাজি নয়। তবে যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনায় পিএ-কে ভূমিকা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। শর্ত হলো তাদের গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার করতে হবে।
ওয়াশিংটন প্রস্তাবিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, গাজার শাসন তত্ত্বাবধান করবে আন্তর্জাতিক বোর্ড অব পিস। আর মাটিতে কাজ করবে প্রযুক্তিভিত্তিক একটি ফিলিস্তিনি প্রশাসন ও স্থিতিশীলতা বাহিনী। তবে হামাসসহ গাজার বিভিন্ন প্রতিরোধ গোষ্ঠী প্রস্তাবটি সমালোচনা করে বলেছে, এটি ফিলিস্তিনি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিদেশি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পথ খুলে দেবে। তারা জানিয়েছে, মানবিক সহায়তা ফিলিস্তিনি প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমেই জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে বিতরণ করতে হবে। পাশাপাশি তারা গাজার নিরস্ত্রীকরণ বা প্রতিরোধের অধিকার হ্রাসের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে এবং ইসরাইলের মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায় নির্ধারণে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা স্থাপনের আহ্বান জানিয়েছে।
![]() |
| ছবি: প্রথম আলো |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কেন্দ্রীয় সরকারের কাশ্মীর নীতির ব্যর্থতাই দিল্লির লালকেল্লা বিস্ফোরণ: মেহবুবা মুফতি
জম্মু–কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ছয় বছর কেটে গেছে। কাশ্মীরি জনতার সঙ্গে সরকার এখনো কোনো রকম আলোচনাই শুরু করল না। সব দরজা–জানালা তারা বন্ধ করে রেখেছে। সমস্যার সমাধানের পথে এগোনোর চেষ্টাও নেই। তল্লাশি আর তল্লাশি চলছে। নিরীহদের ধরপাকড়ও অব্যাহত। নিরাপত্তার দৃষ্টিকোণ ছাড়া আর কোনো উদ্যোগ চোখে পড়ে না।
মেহবুবা মুফতি বলেন, মানুষের মন জয়ের কোনো চেষ্টা নেই। তরুণেরা বিচ্যুতির পথে সরে যাচ্ছে। তৈরি হচ্ছে বিষাক্ত পরিবেশ। লালকেল্লার কাছে সাম্প্রতিক গাড়ি বিস্ফোরণে কাশ্মীর নীতির এই ব্যর্থতাই প্রতিধ্বনিত হয়েছে।
কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্দেশে মেহবুবা বলেন, ‘আপনারা গোটা বিশ্বকে বলে চলেছেন, কাশ্মীর স্বাভাবিক হয়ে গেছে। কিন্তু আপনারা প্রতিশ্রুতি পালন করলেন না। আপনাদের নীতি দিল্লিকেও অনিরাপদ করে তুলেছে।’
কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘কেন্দ্রীয় সরকারে কতজন প্রকৃত দেশপ্রেমিক আছেন, জানি না। উচ্চশিক্ষিত তরুণ, চিকিৎসক যদি এভাবে মৃত্যুবরণ করেন, শরীরে আরডিএক্স বিস্ফোরক বাঁধতে পারেন, তাহলে বুঝতে অসুবিধা হয় না, দেশটা কতখানি অনিরাপদ।’
কেন্দ্রীয় সরকারকে কটাক্ষ করে মেহবুবা বলেন, ‘হিন্দু–মুসলিম রাজনীতি করে আপনারা ভোটে জিততে পারেন। কিন্তু ভেবে দেখুন, দেশটা কোন রসাতলে যাচ্ছে।’
জম্মু–কাশ্মীরের শাসক দল ন্যাশনাল কনফারেন্সকে হারিয়ে বদগাম বিধানসভার উপনির্বাচনে জেতার পর পিডিপি নেত্রী গতকাল রোববার দলের নির্বাহী কমিটির বৈঠক ডেকেছিলেন। সেখানে তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের কাশ্মীর নীতির সমালোচনা করেন।
সরকারের উদ্দেশে মেহবুবা বলেন, যুদ্ধবাজ বিশ্বনেতাদের কথায় উদ্বুদ্ধ না হয়ে শীর্ষ নেতাদের উচিত গান্ধীজি ও অটল বিহারি বাজপেয়ীর দেখানো শান্তির পথে হাঁটা। সে জন্য নীতির বদল হওয়া জরুরি।
দিল্লির উদ্দেশে সাবেক এই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ভয়ের বাতাবরণ শেষ করুন। আত্মানুসন্ধান করুন। ভোটব্যাংকের রাজনীতি ছেড়ে প্রকৃত দেশপ্রেমিক হোন। কাশ্মীরি জনগণের দুঃখ–দুর্দশা কষ্ট অনুভব করুন। গুটিকয় মানুষের ভুলের জন্য সব কাশ্মীরি জনতাকে দোষারোপ করবেন না।’
মেহবুবা বলেন, ২০১৯ সালের পর ছয় বছর কেটে গেছে। কাশ্মীরি ক্ষতে এখনো প্রলেপ পর্যন্ত দেওয়া হয়নি। লালকেল্লার কাছে বিস্ফোরণের কড়া নিন্দা করে তিনি বলেন, এমন ঘটনা যাতে আর না ঘটে, সে জন্য তদন্তে যাবতীয় সহযোগিতা করা উচিত।
![]() |
| পিডিপি নেত্রী মেহবুবা মুফতি। ছবি: এএনআই |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফিলিস্তিন রাষ্ট্রে জাতিসংঘ সমর্থন দিলে পিএ কর্মকর্তাদের বেছে বেছে হত্যা করা হবে: ইসরায়েলি মন্ত্রীর হুমকি
গতকাল সোমবার ওৎজমা ইয়েহুদিত দলের এক সভায় বক্তৃতাকালে বেন-গভির শীর্ষ পিএ কর্মকর্তাদের ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে উল্লেখ করেন। একাধিক ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম এ খবর জানিয়েছে।
বেন-গভিরের হুমকির বরাত দিয়ে জেরুজালেম পোস্টের খবরে বলা হয়, ‘যদি তারা ফিলিস্তিনি সন্ত্রাসী রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করে এবং জাতিসংঘ একটি ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়, তাহলে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের বেছে বেছে হত্যা করার নির্দেশ দেওয়াই উচিত হবে। কারণ, সবদিক থেকেই তাঁরা সন্ত্রাসী।’
ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে আলাদাভাবে বিবৃতি দিয়ে বেন-গভিরের এ মন্তব্যের তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়, ইসরায়েলের কর্মকর্তাদের এ ধরনের মন্তব্য পদ্ধতিগত উসকানি।
মন্ত্রণালয় থেকে এ ধরনের মন্তব্যের জন্য বেন-গভিরকে জবাবদিহির আওতায় আনতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধও জানানো হয়েছে।
ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে বলা হয়, বেন-গভিরের এ ধরনের মন্তব্যের দায় ইসরায়েল সরকারকে নিতে হবে।
গাজা যুদ্ধ শেষ করার জন্য প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত পরিকল্পনাকে সমর্থন জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের করা একটি খসড়া প্রস্তাবের পক্ষে গতকাল সোমবার ভোট দিয়েছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ।
এ প্রস্তাবে গাজা উপত্যকার নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য একটি আন্তর্জাতিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষা বাহিনী গঠনের অনুমোদনও দেওয়া হয়েছে।
প্রস্তাবে আরও বলা হয়েছে, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ সংস্কার কর্মসূচি শেষ করলে এবং গাজা পুনর্গঠনকাজ এগিয়ে গেলে ‘ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণ ও রাষ্ট্রগঠনে একটি বিশ্বাসযোগ্য পথ তৈরিতে’ সমর্থন দেবে জাতিসংঘ।
ফিলিস্তিনিদের ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রগঠনের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ থাকায় এ প্রস্তাব নিয়ে ইসরায়েল ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে।
বেন-গভির বলেছেন, জাতিসংঘের ভোটে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের ধারণা সামনে এগোলে ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসকে গ্রেপ্তার করা উচিত।
বেন–গভির দম্ভের সঙ্গে আরও বলেন, ‘কেৎজিয়ত কারাগারে তাঁর (মাহমুদ আব্বাস) জন্য একটি একক কারাকক্ষ প্রস্তুত রাখা হয়েছে।’
ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ (পিএ) ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা তদারক করে। তবে ইসরায়েলি নেতারা পিএর নেতৃত্বে কোনো ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে আপত্তি জানিয়ে রেখেছে।
বেন-গভির এর আগেও ফিলিস্তিনিদের নিয়ে উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন। এমনকি গত শনিবারই তিনি ফিলিস্তিনি বলে কোনো জনগোষ্ঠীর অস্তিত্বই নেই বলে দাবি করেছেন।
নিজের ওই মিথ্যা দাবিতে বেন-গভির বলেছিলেন, ‘ফিলিস্তিনি জনগণ বলে আসলে কিছু নেই। ফিলিস্তিনিদের বরং ইসরায়েলের ভূমিতে আরব দেশগুলো থেকে আসা অভিবাসীদের সমষ্টি বলে অভিহিত করা যায়, যারা সব জায়গায় সন্ত্রাস, হত্যাকাণ্ড ও হত্যাযজ্ঞের বীজ বপন করে।’
এই উগ্র ইহুদি নেতা ফিলিস্তিনিদের তাদের ভূমি ছেড়ে স্বেচ্ছায় অন্য কোথাও চলে যাওয়ার প্রস্তাবের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ প্রস্তাব দিয়েছিলেন।
সমালোচকেরা ফিলিস্তিনিদের স্বেচ্ছায় ভূমি ছাড়ার প্রস্তাবকে ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলের সুপরিকল্পিত জাতিহত্যার অংশ বলে বর্ণনা করেছেন।
বেন-গভির ও নেতানিয়াহু সরকারের জোটে থাকা অতি ডানপন্থী দলগুলো থেকে শুরু করে দেশটির মধ্যপন্থী বিরোধী নেতারা, নিজেদের মধ্যে যত বিরোধই থাকুক, একটি সার্বভৌম ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করতে দৃঢ়ভাবে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান নিয়েছেন।
নেতানিয়াহুর অর্থমন্ত্রী বেনজালেল স্মোট্রিচ কার্যত অধিকৃত পশ্চিম তীরের গভর্নরের দায়িত্বে আছেন। পশ্চিম তীর ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড। কিন্তু ইসরায়েল এখন অধিকৃত পশ্চিম তীরকে নিজেদের ভূখণ্ডের সঙ্গে একত্র করে ফেলতে চাইছে।
এ কাজে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ওপর চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করছেন স্মোট্রিচ। তিনি এটাকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের প্রতি সমর্থন বৃদ্ধির প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখাতে চাইছেন।
ইসরায়েল বারবার জানিয়েছে, তারা ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষকে গাজা উপত্যকায় সরকার পরিচালনার ক্ষমতা দিতে চাইছে না।
তবে গাজা নিয়ে মার্কিন প্রস্তাবনায় ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের ভূমিকার কথা বলা হয়েছে, যদিও এ জন্য তাদের যথেষ্ট ‘সংশোধনমূলক ব্যবস্থা’ নিতে হবে।
![]() |
| নেসেটে উগ্র দক্ষিণপন্থী ইসরায়েলি মন্ত্রী ইতামার বেন-গভির। জেরুজালেম, ১৩ অক্টোবর ২০২৫ ছবি: রয়টার্স |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হোয়াইট হাউসে সাবেক ‘জিহাদি কমান্ডার’, মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে নতুন বাজি by জাসিম আল-আজযাভি
মাত্র এক বছর আগেও আল-শারা ছিলেন এমন এক বিদ্রোহী, যাঁর মাথার দাম যুক্তরাষ্ট্রই ঘোষণা করেছিল এক কোটি ডলার। আর এখন তিনিই বসে আছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সামনে। ঘৃণিত শত্রু নয়; বরং মধ্যপ্রাচ্যের ভাঙাচোরা রাজনীতিকে নতুনভাবে সাজানোর সম্ভাব্য সহযোগী হিসেবে।
একজন জিহাদি কমান্ডার থেকে আল-শারার রাষ্ট্রপ্রধানে রূপান্তর সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে নাটকীয় রাজনৈতিক পালাবদলগুলোর একটি। একসময় ‘আবু মুহাম্মদ আল-জোলানি’ নামে পরিচিত এই লোক যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ইরাকে যুদ্ধ করেছেন। পরে আল-কায়েদার শাখা সংগঠন হায়াত তাহরির আল-শামের নেতৃত্বও দিয়েছেন। এমনকি একসময় তিনি মার্কিন বাহিনীর হাতে বন্দিও ছিলেন।
২০১৩ সালে তালিকাভুক্ত ছিলেন বৈশ্বিক সন্ত্রাসী হিসেবে। অথচ ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে তাঁর বাহিনীই মাত্র ১১ দিনে বাশার আল-আসাদের শাসনকে শেষ করে দিল। শেষ করে দিল অর্ধশতাব্দীর বেশি সময় ধরে চলা এক নিষ্ঠুর একনায়কতন্ত্র।
নানা প্রলোভন
আল-শারার এই পরিবর্তনের গতি ছিল চোখধাঁধানো। গত বছর ওয়াশিংটন নিঃশব্দে তাঁর ওপর থেকে ‘সন্ত্রাসী’ তকমা তুলে নেয়। এদিকে হোয়াইট হাউস সফরের ঠিক কয়েক দিন আগে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ আল-শারা ও তাঁর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ওপর থেকে বাতিল করে নিষেধাজ্ঞা।
ট্রাম্পও স্বভাবসুলভভাবে বরণ করে নিয়েছেন এই সিরীয় নেতাকে। ট্রাম্পের ভাষায় আল-শারা এখন ‘কঠিন এক অঞ্চলের কঠিন মানুষ।’ তাঁর দেশ পুনর্গঠনের প্রচেষ্টার প্রশংসাও করেছেন ট্রাম্প।
মার্কিন প্রশাসন ইতিমধ্যে ‘সিজার আইন’-এর আওতায় আরোপিত নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে প্রত্যাহার করেছে। এখন কংগ্রেসে তা স্থায়ীভাবে বাতিলের উদ্যোগ নিচ্ছে। যা সিরিয়াকে পুনর্গঠনের জন্য শত শত কোটি ডলার বিনিয়োগের দরজা খুলে দিতে পারে। বিশ্বব্যাংকের হিসাবে সিরিয়ায় পুনর্গঠনের ব্যয় ২০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি হতে পারে। তাই আল-শারার সফরের অর্থনৈতিক গুরুত্ব নিঃসন্দেহে বিশাল।
তবে আল-শারার ওয়াশিংটন সফরের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ দিকটি অর্থনৈতিক নয়; বরং পুনর্মিলনের। বিশেষ করে ইসরায়েলের সঙ্গে। গোপন বৈঠকগুলোয় মার্কিন মধ্যস্থতাকারীরা চেষ্টা চালাচ্ছেন ১৯৪৮ সাল থেকে একপ্রকার যুদ্ধাবস্থায় থাকা দামেস্ক ও তেল আবিবের মধ্যে এমন একটি নিরাপত্তা চুক্তির, যা আগে কখনো ঘটেনি।
এই চেষ্টার মূল লক্ষ্য হলো দুই দেশের পারস্পরিক সীমান্তে একটি যৌথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা। আসাদ সরকারের পতনের পর থেকে ইসরায়েল নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণ দেখিয়ে গোলান মালভূমির একটি নিরস্ত্রীকৃত অঞ্চলে সেনা মোতায়েন করেছে। দামেস্ক চায় সেই সেনাদের ফিরিয়ে নেওয়া হোক। এদিকে ইসরায়েলের দাবি, সিরিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল নিরস্ত্রীকরণ করা হোক এবং সেখানে ইরানি প্রভাব পুরোপুরি শেষ করার নিশ্চয়তা দেওয়া হোক।
প্রাথমিকভাবে ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুরোপুরি স্বাভাবিকীকরণ নিয়ে আলোচনা করবে না সিরিয়া। যদিও ট্রাম্প প্রশাসন সিরিয়াকে আব্রাহাম চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে। তবে সেই আগ্রহকে আল-শারা উড়িয়ে দিয়েছেন ‘অবাস্তব’ বলে। এই জটিলতার মূল কারণও ধারণা করা যায়। তা হচ্ছে, গোলান মালভূমি। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই মালভূমি ১৯৬৭ সালে সিরিয়ার কাছ থেকে দখল করে ইসরায়েল। ১৯৮১ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে সংযুক্ত করে নেয় নিজেদের মানচিত্রে। ইসরায়েলের এই পদক্ষেপের স্বীকৃতি যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া দেয়নি কেউই।
বৈধতার বিনিময়ে গোলান মালভূমি?
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, চলমান আলোচনায় সিরিয়া গোলান মালভূমি ফেরত চাওয়ার দাবি জোরালোভাবে তুলছে না। তাদের দাবি সীমিত রয়েছে ইসরায়েলের সম্প্রতি দখল করা বাফার জোনগুলো থেকে সেনা প্রত্যাহারের মধ্যে। কিছু প্রতিবেদনে অবশ্য বলা হচ্ছে, দামেস্ক শান্তিচুক্তির পূর্বশর্ত হিসেবে অন্তত গোলানের এক-তৃতীয়াংশ ফেরত চায়। আবার কেউ কেউ ধাপে ধাপে সেনা প্রত্যাহার বা লিজ চুক্তির মতো জটিল প্রস্তাবও দিয়েছেন। অন্যদিকে ইসরায়েলি কর্মকর্তারা স্পষ্ট জানিয়েছেন, গোলানের ওপর ইসরায়েলের সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি না দিলে কোনো ধরনের চুক্তিই সম্ভব নয়।
আল-শারার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক মিত্র তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। তিনিও সম্পূর্ণ কূটনৈতিক স্বাভাবিকীকরণের বিরোধিতা করছেন। কারণ, এতে আঙ্কারার আঞ্চলিক প্রভাব কমে ইসরায়েল ও সৌদি আরবের প্রভাব বাড়তে পারে।
এদিকে সিরিয়ার সাধারণ মানুষ বিষয়টি নিয়ে যথেষ্ট সন্দিহান। দামেস্ক ও আলেপ্পোর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। অনেকের অভিযোগ, আল-শারা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়ার আশায় সিরিয়ার জমি বিকিয়ে দিচ্ছেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কাছে একটি বিষয় পরিষ্কার—পশ্চিমা চাহিদার সিরিয়া মানে ইরান ও তার ‘প্রতিরোধ জোটের’ জন্য এক ভয়াবহ ধাক্কা। যদি দামেস্ক তেহরান ও হিজবুল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে, তবে আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্য নাটকীয়ভাবে চলে যাবে ওয়াশিংটনের উপসাগরীয় মিত্র ও তেল আবিবের পক্ষে। নেতানিয়াহু বিষয়টি একেবারে স্পষ্টই বলেছেন, ইরান ও হিজবুল্লাহর দুর্বলতাই সিরিয়ার সঙ্গে আলোচনাকে ‘সম্ভব’ করে তুলেছে।
মূল প্রশ্ন হচ্ছে, আল-শারার হাতে কি যথেষ্ট রাজনৈতিক পুঁজি আছে নিজের প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের জন্য? তিনি এখনো একটি বিভক্ত দেশের শাসক, তাঁর নিরাপত্তা বাহিনীর আনুগত্যও প্রশ্নবিদ্ধ। তাঁর নিজের জোটের মধ্যেই তুরস্ক-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোর বিরোধিতা রয়েছে। একসময় জিহাদি কমান্ডার হিসেবে তাঁর অতীত তাঁকে আসাদকে উৎখাত করার সক্ষমতা দিয়েছে বটে; কিন্তু রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য প্রয়োজন ভিন্ন দক্ষতা।
বাজির মঞ্চে এক জিহাদি
আল-শারার হোয়াইট হাউস সফর খুবই ঝুঁকিপূর্ণ এক বাজি। এই বাজির অংশীদার আরও অনেকে। ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর বাজি হচ্ছে, অর্থনৈতিক প্রলোভন ও কূটনৈতিক স্বীকৃতির সমন্বয়ে তাঁরা এক সাবেক সন্ত্রাসী নেতাকে নির্ভরযোগ্য অংশীদারে রূপান্তর করতে পারবেন।
অন্যদিকে সদ্য ক্ষমতায় আসা সিরীয় প্রেসিডেন্ট বাজি ধরেছেন যে তিনি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও পুনর্গঠনের অর্থায়ন পেতে পারেন। সেটি নিজের দেশের জনগণকে সম্পূর্ণভাবে দূরে সরিয়ে না দিয়েই কিংবা সিরিয়ার দীর্ঘমেয়াদি ভূখণ্ডগত দাবি বিসর্জন না দিয়েই।
আল-শারা হয়তো মনে করছেন, যুদ্ধবিধ্বস্ত এক জাতির জন্য তিনি বাস্তববাদী পথই নিচ্ছেন; কিন্তু যে জনগণ এত ত্যাগ স্বীকার করেছে, তাদের কাছে এই বাস্তববাদই আত্মসমর্পণের মতো।
সামনের মাসগুলোই নির্ধারণ করবে আল-শারা স্বীকৃতি অর্জন করতে পারবেন কি না, আত্মসমর্পণ ছাড়া পুনর্গঠন এগিয়ে নিতে পারবেন কি না, স্বাধীনতা হারানো ছাড়া এবং বৈধতা অর্জন করতে পারেন বিশ্বাসঘাতকতা ছাড়া।
আপাতত আহমেদ আল-শারা দাঁড়িয়ে আছেন এক বিশাল কূটনৈতিক পরীক্ষার কেন্দ্রে। যা হয়তো অস্থির এক অঞ্চলকে স্থিতিশীল করবে, নয়তো নতুন করে আগুন জ্বালিয়ে দেবে এমন এক ভূমিতে, যা ইতিমধ্যেই সহ্য করেছে অগণিত যন্ত্রণা।
* জাসিম আল-আজযাভি, মধ্যপ্রাচ্যের সাংবাদিক ও টেলিভিশন উপস্থাপক। কাজ করেছেন এমবিসি, আবুধাবি টিভি ও আলজাজিরা ইংরেজিতে
- মিডিল ইস্ট মনিটর থেকে নেওয়া, ইংরেজি থেকে সংক্ষিপ্তাকারে অনূদিত
![]() |
| সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ১০ নভেম্বর ২০২৫ ছবি: এএফপি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সাত বছর আগে সাংবাদিক খাসোগি হত্যার পর প্রথম যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন সৌদি যুবরাজ
২০১৮ সালে ইস্তাম্বুলে সাংবাদিক এবং সৌদি রাজপরিবারের কট্টর সমালোচক জামাল খাসোগি হত্যাকাণ্ডের পর এটাই যুবরাজ সালমানের প্রথম যুক্তরাষ্ট্র সফর।
সৌদি আরবের গোয়েন্দারা ইস্তাম্বুলে সৌদি দূতাবাসের ভেতর খাসোগিকে হত্যা করেছিলেন বলে অভিযোগ। এ হত্যাকাণ্ড বিশ্বজুড়ে তুমুল আলোড়ন তুলেছিল। অনেকে অভিযোগ করেছিলেন, খাসোগি হত্যাকাণ্ডের পেছনে যুবরাজ সালমানের হাত রয়েছে।
পরে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো এ সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছিল, যুবরাজই খাসোগিকে অপহরণ বা হত্যার অনুমোদন দিয়েছিলেন।
যুবরাজ সালমান খাসোগিকে হত্যার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেন। তবে তিনি সৌদি আরব সরকারের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা হিসেবে এ হত্যার দায় স্বীকার করেছিলেন।
খাসোগি হত্যার পর সাত বছরের বেশি সময় পেরিয়ে গেছে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনীতির দেশ যুক্তরাষ্ট্র এবং সবচেয়ে বেশি তেল উত্তোলনকারী দেশ সৌদি আরব নিজেদের মধ্যে সম্পর্ক নতুন করে এগিয়ে নিতে চাইছে।
ট্রাম্প গত মে মাসে সৌদি আরবে তাঁর সফরের সময় দেওয়া ৬০ হাজার কোটি ডলারের সৌদি বিনিয়োগ প্রতিশ্রুতির সুযোগ কাজে লাগাতে চাইছেন।
মে মাসের ওই সফরে ট্রাম্প সৌদি আরবে মানবাধিকার–সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা স্পষ্টভাবে এড়িয়ে গিয়েছিলেন। এবারও তিনি একই পথে হাঁটবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে যুবরাজ মোহাম্মদ আঞ্চলিক অস্থিরতার মধ্যে নিজ দেশের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা চাইছেন। একই সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি (এআই) এবং বেসামরিক খাতে একটি পারমাণবিক প্রকল্প চুক্তির পথে অগ্রসর হতে চাইছেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরব দীর্ঘদিন ধরেই এমন একটি সম্পর্ক বজায় রেখেছে, যেখানে সৌদি আরব যুক্তরাষ্ট্রের কাছে তাদের পছন্দমতো দামে তেল বিক্রি করবে এবং যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরবকে নিরাপত্তা দেবে।
![]() |
| মে মাসে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সৌদি আরব সফরে বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। ১৩ মে, ২০২৫ ছবি: রয়টার্স |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কালচে হয়ে যাচ্ছে মোগল আমলের লালকেল্লা
লালকেল্লা নিয়ে এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। ২০২১ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত গবেষণাটি করেছেন ভারত ও ইতালির গবেষকেরা। গত জুন মাসে বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী হেরিটেজ–এ গবেষণাটি প্রকাশ করা হয়। লালকেল্লার ওপর বায়ুদূষণের প্রভাব নিয়ে এটিই বড় পরিসরে করা প্রথম গবেষণা।
গবেষকেরা বলেছেন, বাতাসের বিভিন্ন দূষণকারী পদার্থ ও দুর্গটির দেয়ালের লাল বেলে পাথরের মধ্যে রাসায়নিক বিক্রিয়া হচ্ছে। এতে দেয়ালের ওপর শূন্য দশমিক শূন্য ৫ থেকে শূন্য দশমিক ৫ মিলিমিটার পুরু কালো আস্তরণ পড়ছে। এখনই যদি ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তাহলে দুর্গের দেয়ালে খোদাই করা কারুকাজের ক্ষতি হতে পারে।
বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরগুলোর মধ্যে একটি নয়াদিল্লি। গবেষণার জন্য ২০২১ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত শহরটির বায়ুর মান পরীক্ষা–নিরীক্ষা করা হয়। গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাতাসে থাকা দূষণ সৃষ্টিকারী অতি ক্ষুদ্র বস্তুকণা ‘পিএম–২.৫’ ও ‘পিএম–১০’ দেয়ালে এমন দাগ সৃষ্টি করার জন্য দায়ী।
১৭ শতকে লালকেল্লা নির্মাণ করেছিলেন মোগল সম্রাট শাহজাহান। ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন থেকে ভারতের স্বাধীনতার দিন এখান থেকেই জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছিলেন দেশটির প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু। তখন থেকে ভারতের প্রতি স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লা থেকে ভাষণ দেন দেশটির প্রধানমন্ত্রীরা।
এর আগে মোগল আমলের আরেক নিদর্শন তাজমহলও দূষণের কবলে পড়ার খবর সামনে আসে। ২০১৮ সালের ভারতের সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিলেন, বায়ু ও পানিদূষণের কারণে সাদা মার্বেল পাথরের স্থাপনাটি হলুদ ও সবুজাভ–বাদামি রং ধারণ করছে। ১৭ শতকের এই স্থাপনাটি সংরক্ষণ করতে সে সময় উত্তর প্রদেশ সরকারকে নির্দেশ দিয়েছিলেন আদালত।
![]() |
| লালকেল্লা। ফাইল ছবি: এএফপি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শেখ হাসিনার ফাঁসির রায় এবং তাঁর রাজনৈতিক মৃত্যু by জাহেদ উর রহমান
অপরাধকারীদের পতনের পর জাতি হিসেবে আমাদের ওপরে সেই অপরাধের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দায়িত্ব ন্যস্ত হয়েছে। প্রতিটি ন্যায়বিচার ভবিষ্যতে একই ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে নিবৃত্তকারী হিসেবে কাজ করে। শেখ হাসিনার অপরাধ এবং বিচার যেহেতু আন্তর্জাতিক মনোযোগ পেয়েছে, তাই একই ধরনের অপরাধ নিবৃত্তকারী হিসেবে এটার আন্তর্জাতিক প্রভাবও আছে।
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ ছিল, সেগুলো নেহাত হত্যা কিংবা নির্যাতন না, এগুলো মানবতাবিরোধী অপরাধ। শুধু জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময়ই না, তার শাসনামলের পুরোটা সময় গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের মতো অপরাধ সংঘটিত হয়েছে নিয়মিতভাবেই। এর বাইরেও বিএনপি নেতা-কর্মীদের ওপরে এবং একটা সময় পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামীর কর্মীদের ওপরেও পরিকল্পিতভাবে হেফাজতে নির্যাতন, গায়েবি মামলাসহ নানা রকম নিপীড়নও মানবতাবিরোধী অপরাধের আওতায় পড়বে।
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার প্রথম মামলাটির রায়ে প্রত্যাশিতভাবেই পাঁচটি অভিযোগের মধ্যে তিনটির জন্য তিনি সর্বোচ্চ শাস্তি, মৃত্যুদণ্ড পেয়েছেন। বাকি দুটির জন্য পেয়েছেন আমৃত্যু কারাদণ্ড।
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গণ-অভ্যুত্থান এক অভাবনীয় উদাহরণ হয়ে থাকবে পৃথিবীর ইতিহাসে। কোনো রকম মারণাস্ত্র ছাড়া রাষ্ট্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে শুধু নৈতিক শক্তিকে পুঁজি করে নেমে যাওয়া মানুষের ওপরে অকল্পনীয় বর্বরতা চালানো হয়েছে। সেই বিক্ষোভ দমনে শেখ হাসিনা ঠান্ডা মাথায় মারণাস্ত্র ব্যবহার করতে নির্দেশ দিচ্ছেন এমন ফোন রেকর্ড আছে।
আল-জাজিরা এবং বিবিসির মতো প্রতিষ্ঠান তাদের ডকুমেন্টারিতে সেই অডিও ব্যবহার করার জন্য নিজেরা ফরেনসিক টেস্ট করে নিশ্চিত হয়েছে সেটা তাঁরই কল রেকর্ড; কোনো প্রযুক্তির সহায়তায় তৈরি করা নয়।
শেখ হাসিনার প্রতিষ্ঠিত মাফিয়াতন্ত্রের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যাঁরা কোনো না কোনোভাবে যুক্ত ছিলেন, বিশেষ করে নিহত ব্যক্তিদের স্বজন, অন্ধ-বিকলাঙ্গ মানুষ, আহত ব্যক্তিদের নিশ্চয়ই বেশি নজর ছিল এই বিচারের প্রতি।
তবে আমরা স্মরণ করব, এই অভ্যুত্থানে শুধু নয়, আওয়ামী শাসনের দীর্ঘ ১৫ বছর (বিশেষ করে অবৈধভাবে ক্ষমতায় থাকার সাড়ে দশ বছর) বিরুদ্ধাচরণ করে নিপীড়নের শিকার অসংখ্য রাজনৈতিক নেতা-কর্মী ও অরাজনৈতিক ব্যক্তি এবং লুণ্ঠিত গণতন্ত্রের দেশে মানবাধিকার ও নাগরিক অধিকার বঞ্চিত হয়ে রীতিমতো প্রজায় পরিণত হওয়া কোটি কোটি মানুষেরও এই রায়ের প্রতি নজর ছিল। এই রায় নিশ্চয়ই ন্যায়বিচার নিশ্চিত করেছে। তবে প্রশ্ন আসতেই পারে, এই রায় কি শেষ পর্যন্ত প্রতীকী বিষয়ে পরিণত হবে?
শেখ হাসিনার জীবদ্দশায় তাঁকে দেশে এনে রায় কার্যকর করা যাবে, এই সম্ভাবনা এখনো দেখা যাচ্ছে না। ভারত সরকার যেভাবে তাঁর আশ্রয় ও নিরাপত্তা বিধান করছে তাতে এটা প্রায় নিশ্চিত যে ভারত শেখ হাসিনাকে ফেরত দেবে না। ভারতের মানসিকতার প্রমাণ পেতে পারি স্বয়ং প্রধান উপদেষ্টাসহ বাংলাদেশ বারবার আপত্তি জানানোর পরও ভারত শেখ হাসিনাকে ক্রমাগত বাংলাদেশের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক কথা বলায় বাধা দিচ্ছে না। এমনকি রায় ঘোষণার আগের দিনও তিনি তাঁর বক্তব্যে গণ-অভ্যুত্থানের শক্তিগুলোর বিরুদ্ধে মারাত্মক সব হুমকি দিয়েছেন।
মৃত্যুদণ্ডবিরোধী অবস্থানের কারণে জাতিসংঘ এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে ফেরানোর জন্য ভারতের ওপর চাপ তৈরি করা প্রায় অসম্ভব হবে। তবে বাংলাদেশ সরকারের উচিত হবে সরাসরি ভারত সরকারের ওপর শেখ হাসিনাকে হস্তান্তরের জন্য চাপ তৈরি করা। ভারত সরকারকে ভাবতে হবে, তারা যদি শেখ হাসিনার সময়ের মতো শুধু একজন ব্যক্তি বা একটি দলের সঙ্গে সম্পর্ক না করে একটি টেকসই দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক তৈরির জন্য বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করতে চায়, তাহলে শেখ হাসিনার ব্যাপারে তাদের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে হবে।
শেখ হাসিনার বিচার নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে কিছু প্রশ্ন তৈরি হতেই পারে। জাতিসংঘসহ পশ্চিমা বিশ্ব মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে। এটা ছাড়াও মানবতাবিরোধী অপরাধের মতো কোনো অপরাধে কারও অনুপস্থিতিতে বিচার আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের বরখেলাপ হিসেবেই দেখা হয়। রোম স্ট্যাটিউটেও কোনো অভিযুক্তের বিরুদ্ধে বিশেষ পরিস্থিতিতে অভিযোগ নিশ্চিতকরণের শুনানি কারও অনুপস্থিতিতে হতে পারে, কিন্তু মূল বিচার এবং শুনানি অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
আমরা আশা করতে পারি, সরকার, বিশেষ করে প্রধান উপদেষ্টা তাঁর আন্তর্জাতিক অবস্থানকে ব্যবহার করে এসব চাপ সামাল দিতে পারবেন। জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনকে দিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করানো শেখ হাসিনার বিচারের ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী সরকারের একটা অসাধারণ সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচিত হবে।
সেই তদন্তের রিপোর্টে সংস্থাটি জানিয়েছিল, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় বাংলাদেশে উচ্চমাত্রায় মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়েছিল। এসব অপরাধের সিদ্ধান্ত, নেতৃত্ব, পরিচালনা এবং সমন্বয়ের ক্ষেত্রে শেখ হাসিনাই ছিলেন প্রধান ব্যক্তি।
সময়ই বলবে শেখ হাসিনাকে এনে রায় কার্যকর করা যাবে কি না, তবে সেটা করা না গেলেও এই রায়ের মাধ্যমে এটা নিশ্চিত হলো শেখ হাসিনার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এখানেই শেষ হচ্ছে। দল হিসেবে আন্তর্জাতিক আদালতে আওয়ামী লীগের বিচার হওয়ার কথা আলোচনায় আছে। আলোচনার সুবিধার জন্য যদি এটা ধরেও নিই যে, সেই বিচারে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে সংগঠন হিসেবে মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রমাণ না পেয়ে দলটিকে নিষিদ্ধ করা হলো না।
তারপরও এটা বলতেই হচ্ছে যে, বয়স শেখ হাসিনার পক্ষে নেই। আর এই রায়ের পর সেই প্রেক্ষাপট তৈরি হলেও বাংলাদেশে ফিরে এসে শেখ হাসিনার পক্ষে দলের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করা এবং নেতৃত্ব দেওয়া একেবারেই অসম্ভব হবে বলে মনে হয়। কিছু অডিও বক্তব্যের মাধ্যমে (তাঁর পরাজিত চেহারা দেখাবেন না বলে তিনি ভিডিও বার্তায় আসবেন না সম্ভবত) তিনি হয়তো উসকানি দিয়ে যেতে পারবেন, যা আদতে তাঁর দলের প্রতি নেতিবাচক প্রভাবই ফেলবে।
শেখ হাসিনা এবং তাঁর ক্ষমতার কেন্দ্রে থাকা মানুষদের অনেকটা চেনা আছে বলেই এটা অপ্রত্যাশিত নয় যে তিনিসহ সেই সময়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে জড়িতরা কোনোভাবে তাঁদের দায় স্বীকারের আশপাশেও যাবেন না। কিন্তু দলটির সমর্থকদের একটা বড় অংশ এখনো শেখ হাসিনা এবং তাঁর সহযোগীদের অপরাধের মাত্রা এবং ব্যাপ্তি অনুধাবন করছেন না; এটা হতাশার। এই রায় সাধারণ সমর্থকদের মনে কিছু ভিন্ন চিন্তার উদ্রেক করবে বলে আশা করতে চাই আমরা।
মানুষ রাষ্ট্র তৈরি করেছিল এমন একটা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে, যার মাধ্যমে সব মানুষ কিছু নিয়মনীতির মধ্যে বসবাস করবে এবং এর ব্যত্যয় হলে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার মাধ্যমে রাষ্ট্র ও সমাজে নজির স্থাপিত হবে। কোনো রাষ্ট্র যদি ন্যায়বিচার করতে ব্যর্থ হয়, বিশেষ করে মানবতাবিরোধী অপরাধের মতো ক্ষেত্রে, সেটা সেই রাষ্ট্রের আর যেকোনো বিচার করার অধিকারকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে। আমরা স্মরণ রাখব মার্টিন লুথার কিং এর বিখ্যাত উক্তি—‘যেকোনো অবিচারই সব ক্ষেত্রে ন্যায়বিচারের জন্য হুমকি।’
* জাহেদ উর রহমান, শিক্ষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক
- মতামত লেখকের নিজস্ব

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ডেমোক্র্যাটদের ক্ষমতায় ফেরা কি সহজ হবে
যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শহর নিউইয়র্কে ৩৪ বছর বয়সী এক ডেমোক্র্যাট সমাজতান্ত্রিক প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। অন্যদিকে ভার্জিনিয়ায় সাবেক একজন সিআইএ কর্মকর্তা প্রথম নারী গভর্নর হয়েছেন।
আবার নিউ জার্সিতে গভর্নর পদে নৌবাহিনীর সাবেক এক হেলিকপ্টার পাইলট প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-সমর্থিত রিপাবলিকান প্রার্থীকে পরাজিত করে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছেন।
ডেমোক্রেটিক পার্টির জয়ী এ তিনজন হলেন নিউইয়র্ক শহরে জোহরান মামদানি, ভার্জিনিয়ায় অ্যাবিগেইল স্প্যানবার্গার ও নিউ জার্সিতে মিকি শেরিল।
তিন প্রার্থীর এ জয় ডেমোক্র্যাটদের ভবিষ্যৎ পথনির্দেশ নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে—২০২৬ সালের গুরুত্বপূর্ণ মধ্যবর্তী নির্বাচনে ও নির্বাচনের পরে দলের নেতৃত্ব কারা নেবেন—মধ্যপন্থি নাকি বামপন্থিরা? প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ও ২০২৮ সালের ভোটের আগে কোনো নির্দিষ্ট নেতৃত্ব না থাকায় ডেমোক্র্যাটরা এখন ভাবছেন, কীভাবে তারা একটি স্পষ্ট বার্তা দেবেন, নিজেদের ভাবমূর্তি পুনর্গঠন করবেন ও ভোটারদের ফিরিয়ে আনার নতুন কৌশল তৈরি করবেন।
কেউ কেউ মনে করেন, জনগণের জীবনযাত্রার ব্যয়সংকট মোকাবিলায় মনোযোগ বাড়িয়ে ডেমোক্র্যাটরা এ লক্ষ্য অর্জন করতে পারেন। অন্যরা বলেন, ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আরও জোরালো রাজনৈতিক অবস্থান নেওয়া হবে জরুরি।
জাপানে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত ও শিকাগোর সাবেক মেয়র রাহম ইমানুয়েল বিবিসিকে বলেন, ‘এটা (ডেমোক্রেটিক পার্টির তিন প্রার্থীর বিজয়) ট্রাম্প ও রিপাবলিকানদের বিরুদ্ধে জনরায়ের প্রতিফলন, আমাদের প্রতি সমর্থনের নয়।’
ইমানুয়েল আরও বলেন, ডেমোক্র্যাটদের জন্য প্রথম শিক্ষা ছিল, তারা নিজেদের ভুলে হোঁচট খাননি। তারা জনগণের বাস্তব উদ্বেগ নিয়ে কথা বলেছেন। এমন কোনো সাংস্কৃতিক বিতর্কে জড়াননি যেখানে জেতা অসম্ভব।
ডেমোক্র্যাটরা এ নির্বাচনের আগে বছরজুড়ে ছিলেন দিশাহারা। গত বছরের নভেম্বরে তারা শুধু হোয়াইট হাউসই হারাননি; কংগ্রেসের দুই কক্ষ, সব গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গরাজ্য এবং শ্রমজীবী, সংখ্যালঘু ও তরুণ ভোটারদের একাংশের সমর্থনও হারিয়েছেন।
নিউইয়র্ক টাইমসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ডেমোক্র্যাটদের ৪৫ লাখ নিবন্ধিত ভোটার রিপাবলিকান পার্টিতে যোগ দিয়েছেন।
যদিও ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা এখনো ৪০ শতাংশের নিচে, ডেমোক্র্যাটদের জনপ্রিয়তাও এ গ্রীষ্মে গত ৩৫ বছরের মধ্যে সর্বনিম্নে নেমে গেছে।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের জুলাইয়ের এক জরিপে দেখা গেছে, ৬৩ শতাংশ ভোটার ডেমোক্রেটিক পার্টি সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা পোষণ করেন। ১৯৯০ সালের পর এটি সর্বোচ্চ।
তবে চলতি বছরের ভোটগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে, জনগণের অর্থনৈতিক কষ্টের বিষয়ে নিজেদের বার্তা স্পষ্ট করায় ডেমোক্র্যাটদের জন্য পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করেছে।
ডেমোক্র্যাটরা এ নির্বাচনের আগে বছরজুড়ে ছিলেন দিশাহারা। গত বছরের নভেম্বরে তারা শুধু হোয়াইট হাউসই হারাননি; কংগ্রেসের দুই কক্ষ, সব গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গরাজ্য এবং শ্রমজীবী, সংখ্যালঘু ও তরুণ ভোটারদের একাংশের সমর্থনও হারিয়েছেন।
ডেমোক্রেটিক পার্টির কর্মকর্তা ও কৌশলবিদরা বলছেন, দলটির প্রার্থীদের ভাবাদর্শ ভিন্ন হলেও নিউইয়র্ক, নিউ জার্সি ও ভার্জিনিয়ায় প্রচারের মূল বিষয় ছিল জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো। এ বিষয়ে সবাই বিশেষভাবে মনোযোগ দিয়েছেন।
জোহরান মামদানি চালিয়েছেন এক বামপন্থি জনমুখী প্রচার; যেখানে মূল প্রতিশ্রুতি ছিল বাড়িভাড়া স্থিতিশীল রাখা, বিনা ভাড়ায় বাসযাত্রা ও সর্বজনীন শিশুযত্ন। এসবের অর্থায়ন হবে ধনীদের ওপর নতুন কর বসিয়ে।
মিকি শেরিল মনোযোগ দিয়েছেন বিদ্যুৎ ও গ্যাসের মতো খাতে খরচ কমানোর বিষয়ে। অন্যদিকে স্প্যানবার্গার তুলে ধরেছেন কীভাবে ট্রাম্প প্রশাসনের বাজেট কাটছাঁট ভার্জিনিয়ার হাজারো সরকারি কর্মীর জীবনে বিশৃঙ্খলা বয়ে এনেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও গবেষক সাইমন বাজেলন ২০২৪ সালে ডেমোক্র্যাটদের পরাজয়ের কারণ বিশ্লেষণ করে সম্প্রতি একটি গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘ভোটাররা চান, তাদের নির্বাচিত নেতারা জীবনযাত্রার ব্যয়সংকট সমাধানে সময় ও শক্তি ব্যয় করুন।’
পাঁচ লাখের বেশি ভোটারের মতামত বিশ্লেষণ করে বাজেলন দেখেছেন, ডেমোক্র্যাটরা গণতন্ত্র, গর্ভপাত ও সাংস্কৃতিক ইস্যুতে খুব বেশি মনোযোগ দিয়েছিলেন। অথচ জনগণ চেয়েছেন জীবনযাত্রার খরচ, সীমান্তনিরাপত্তা ও জননিরাপত্তা নিয়ে কথা শুনতে।
বাজেলন আরও বলেন, ডেমোক্রেটিক পার্টির সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন মুদ্রাস্ফীতির ঝুঁকি বুঝতে দেরি করেছে। ভোটারদের বলা হয়েছে, ‘অর্থনীতি ভালো চলছে’, কিন্তু বাস্তবে মানুষ প্রতিদিনের খরচে কষ্ট পাচ্ছিলেন। ‘বাইডেনোমিকস’-এর প্রচারণা ফল দেয়নি, অর্থনৈতিক পরিসংখ্যানের কথাও মানুষকে বিশ্বাস করাতে পারেনি। অন্যদিকে জীবনযাপনের ব্যয় বেড়েই গেছে, জনগণও তা মনে রেখেছেন।
আগামী বছরের মধ্যবর্তী নির্বাচন ট্রাম্পের জন্যও বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ, সাধারণত এ সময়ের ভোট ক্ষমতাসীন দলের জনপ্রিয়তার ওপর জনরায় হিসেবে দেখা হয়। ট্রাম্প দাম কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে নির্বাচিত হলেও মুদ্রাস্ফীতি এখনো হোয়াইট হাউসের মাথাব্যথা।
বাজেলনের মতে, ‘জনগণকে বোঝানোর চেষ্টা বন্ধ করতে হবে যে তাদের ভাবনা ভুল। গণতন্ত্রে জনমতকেই গুরুত্ব দিতে হবে। নইলে আমরা এমন লোকদের কাছে হারব, যারা গণতন্ত্রকেই গুরুত্ব দেন না।’
মঙ্গলবারের নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের বিজয়ের পর রিপাবলিকানরা, এমনকি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও দৃশ্যত স্বীকার করেছেন, অর্থনৈতিক বার্তা নিয়ে লড়াইয়ে তারা পিছিয়ে পড়েছেন। নির্বাচনের পরদিন বুধবার ভোরে ট্রাম্প রিপাবলিকান সিনেটরদের হোয়াইট হাউসে ডেকে ইতিহাসের দীর্ঘ সময় ধরে চলমান সরকারি অচলাবস্থার (শাটডাউন) সমাধান বিষয়ে বৈঠক করেছেন।
হোয়াইট হাউসের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ ও ট্রাম্পের সাবেক রাজনৈতিক পরিচালক জেমস ব্লেয়ার বুধবার পলিটিকোকে বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট পুরো পরিস্থিতি খুব কাছ থেকে দেখছেন। তিনি জানেন যে অর্থনীতিকে ভালো করতে সময় লাগে। কিন্তু সব মূল বিষয় ঠিক আছে।’
ডেমোক্র্যাটরা বলছেন, ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে তাদের মূল ইস্যু হবে ট্রাম্পের অর্থনীতি। তাদের আশা, অন্তত কংগ্রেসের একটি কক্ষ তারা পুনরুদ্ধার করতে পারবেন। রিপাবলিকান পার্টির নেতৃত্বাধীন কংগ্রেস ট্রাম্পকে নির্বিঘ্নে তার নীতিমালা বাস্তবায়নে সাহায্য করছে এবং নির্বাহী ক্ষমতার সম্প্রসারণেও বাধা দিচ্ছে না।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ট্রাম্পের আরোপিত বৈশ্বিক শুল্কের চাপ আসলে পড়ছে মার্কিন আমদানিকারকদের ওপরে, যা মুদ্রাস্ফীতি আরও বাড়িয়েছে। অন্যদিকে, শাটডাউনের কারণে সরকারি নানা কর্মসূচি বন্ধ থাকায় লাখো মার্কিন নাগরিক খাদ্যসহায়তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, অথচ স্বাস্থ্য বীমার প্রিমিয়াম বাড়ছে।
ডেমোক্রেটিক ন্যাশনাল কমিটির উপনির্বাহী পরিচালক লিবি স্নাইডার বলেন, ‘লোকজন একসঙ্গে অনেক অর্থনৈতিক আঘাত পাচ্ছেন। এটা একক কোনো সংকট নয়; বরং একাধিক সমস্যার চাপ একত্রে পড়ছে।’
তবে স্থানীয় পর্যায়ে অর্থনীতিকে তুলে ধরাই সব সময় যথেষ্ট নয়। কারণ, ডেমোক্রেটিক পার্টি এখন বড় পরিসরে বামপন্থি ও মধ্যপন্থি—এ দুই দিকই আঁকড়ে আছে। কিন্তু ২০২৮ সালের নির্বাচনে নেতৃত্ব বাছাইয়ের সময় তাদের এক দিক বেছে নিতেই হবে।
রিপাবলিকান কৌশলবিদ ম্যাট গোরম্যান বলেন, এই দিক (ডেমোক্র্যাটদের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পথ বা কৌশল) নির্ভর করবে আগামী বছরের প্রাইমারি নির্বাচন ও ২০২৮ সালের নির্বাচনের প্রস্তুতির ওপর। তার মতে, ডেমোক্র্যাটদের অর্থ ও শক্তি এখন বামপন্থি ঘরানার দিকে ঝুঁকেছে।
রিপাবলিকানদের উচিত হবে জীবনযাত্রার খরচ কমানোর বার্তাকে কেন্দ্র করে সেই ভোটারদের টানার চেষ্টা করা; যাদের কাছে ট্রাম্প জনপ্রিয় ছিলেন।
রিপাবলিকানরা এরই মধ্যে জোহরান মামদানির জয়কে কাজে লাগিয়ে বলছে, ডেমোক্রেটিক পার্টি এখন সোভিয়েতধারার কমিউনিস্টদের দখলে চলে যাচ্ছে। বুধবার ফ্লোরিডার এক ব্যবসায়ী ফোরামে ট্রাম্প বলেছেন, দুই দলের পার্থক্য এখন ‘কমিউনিজম বনাম সাধারণ জ্ঞানবুদ্ধি’র মধ্যে সীমিত।
মধ্যপন্থি চিন্তাধারার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘থার্ড ওয়ে’-এর সহপ্রতিষ্ঠাতা ম্যাট বেনেট বলেন, ডেমোক্র্যাটদের ভেতরেও এখন বিতর্ক শুরু হয়েছে, ট্রাম্প ও দক্ষিণপন্থি জনতুষ্টিবাদীদের মোকাবিলা কি বামপন্থি জনতুষ্টিবাদ দিয়েই করা উচিত?
এদিকে অনেক ডেমোক্র্যাটই জোহরান মামদানির মতো নতুন প্রজন্মের প্রার্থীদের আগমনকে স্বাগত জানাচ্ছেন। তবে তাদের মতে, শুধু তরুণ মুখই সমাধান নয়। ২০২৪ সালের অশান্ত প্রচারের পর ভোটারদের আস্থা ফিরে পাওয়াই এখন মূল কাজ।
রান ফর সামথিং নামের সংগঠনের সহপ্রতিষ্ঠাতা অ্যামান্ডা লিটম্যান বলেন, ‘মানুষ এখন আমাদের বিশ্বাস করে না। তারা মনে করে, আমরা আমাদের প্রতিশ্রুতি রাখব না।’ নতুন ডেমোক্র্যাটদের রাজনীতিতে আসার জন্য প্রস্তুত বা প্রার্থী হতে উৎসাহিত করে থাকে সংগঠনটি।
যেসব এলাকায় ডেমোক্র্যাটরা ভোট হারিয়েছেন, সংগঠনটি এরই মধ্যে পাঁচ কোটি ডলারের কর্মসূচি নিয়েছে সেসব জায়গায় দলটির প্রতি আস্থা ফিরিয়ে আনতে।
লিটম্যান বলেন, ‘আমাদের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য হলো, নতুন মুখ যুক্ত করে দলের ভাবমূর্তি পুনর্গঠন করা।’
সেই নতুন মুখটা বামপন্থি হবে, নাকি মধ্যবামপন্থি ঘরানার? এটাই এখন বড় প্রশ্ন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিদেশে থাকা নিজেদের একমাত্র সামরিক ঘাঁটি কেন নীরবে ছাড়ল ভারত
দুই দশকের বেশি সময় আগে ভারত ওই বিমানঘাঁটি তৈরি করেছিল এবং এটি পরিচালনা করত। এটি ছিল বিদেশের মাটিতে ভারতের একমাত্র পূর্ণাঙ্গ বিমানঘাঁটি।
শুধু বিদেশে পূর্ণাঙ্গ ঘাঁটি হিসেবে নয়; বরং মধ্য এশিয়ায় ভারতের শক্তিশালী সামরিক উপস্থিতি, বিশেষ করে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিবেশী পাকিস্তানের ওপর কৌশলগত প্রভাব বিস্তারের সুযোগ এনে দিয়েছিল এই ঘাঁটি।
এ ঘাঁটির মাধ্যমে রাশিয়া ও চীনের মতো শক্তিধর দেশের প্রভাববলয়ে থাকা অঞ্চলের ওপরও নিজেদের প্রভাব দেখাতে পারত ভারত।
আইনি ঘাঁটি থেকে ভারতের সরে আসার ফলে দেশটির ওপর কী প্রভাব পড়তে পারে, তা দেখে নেওয়া যাক—
আইনি বিমানঘাঁটি
তাজিকিস্তানে একটি কৌশলগত স্থানে অবস্থিত এই বিমানঘাঁটি ভারতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আফগানিস্তানে তালেবানের বিরুদ্ধে নর্দার্ন অ্যালায়েন্সের লড়াইয়ের সময় তাদের সহায়তা করতে ভারত প্রথম আইনি বিমানঘাঁটিতে সেনা মোতায়েন করেছিল।
২০২১ সালের আগস্টে তালেবান আবার কাবুল দখল করলে ভারত এই বিমানঘাঁটি ব্যবহার করে আফগানিস্তান থেকে নিজেদের নাগরিকদের সরিয়ে এনেছিল।
এটি আফগানিস্তানের ওয়াখান করিডর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। আফগানিস্তানের এই করিডর পাকিস্তাননিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর এবং চীনের শিনজিয়াং প্রদেশের সঙ্গে সীমানা ভাগ করে নিয়েছে।
এই বিমানঘাঁটি মূলত তৈরি করা শুরু হয়েছিল সাবেক সোভিয়েত আমলে। সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পর সেটি করুণ দশায় পড়ে। দুই দশকের বেশি সময় ধরে ভারত সেটির সংস্কার করেছে। এ জন্য ব্যয় হয়েছে প্রায় আট কোটি ডলার।
সংস্কারের মধ্যে ছিল ৩ হাজার ২০০ মিটার দীর্ঘ রানওয়ে মেরামত ও উন্নয়ন। এ ছাড়া এই ঘাঁটিকে যুদ্ধবিমান ও ভারী মালবাহী উড়োজাহাজ ওঠানামার উপযোগী করে গড়ে তোলা, উড়োজাহাজ রাখার হ্যাঙ্গার, জ্বালানি ডিপো এবং এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল ব্যবস্থা নির্মাণ করা হয়েছিল।
২০০২ সালের তাজিক সরকারের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় চুক্তির আওতায় এসব করা হয়েছিল। বিমানঘাঁটির অধিকাংশ সংস্কারকাজ করেছিল দ্য বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশন।
একসময় ভারত সেখানে প্রায় ২০০ সেনা ও বিমানবাহিনীর সদস্য মোতায়েন করেছিল। তাঁদের সঙ্গে ছিল কয়েকটি সুখোই–৩০ এমকেআই যুদ্ধবিমান।
তাজিক সরকারের সঙ্গে করা দ্বিপক্ষীয় চুক্তির মেয়াদ শেষ হয় ২০২২ সালে। তার পর থেকে ভারত ধীরে ধীরে বিমানঘাঁটি থেকে তাদের লোকজন ও সামগ্রী প্রত্যাহার করা শুরু করে।
বিমানঘাঁটি ছাড়ার কারণ
ভারত সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে বলেছে, বিমানঘাঁটির সংস্কার ও উন্নয়নের জন্য তাজিকিস্তানের সঙ্গে তাদের একটি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি ছিল। কয়েক বছর ধরে এই চুক্তি কার্যকর ছিল। চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ২০২২ সালে অবকাঠামো তাজিকিস্তান সরকারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
ভারত বুঝতে পারছিল, রাশিয়া ও চীনের চাপের কারণে তাজিকিস্তান সরকার বিমানঘাঁটি নিয়ে ভারতের সঙ্গে চুক্তি নবায়নে অনিচ্ছুক।
এ কারণে ভারত সেখান থেকে ধীরে ধীরে নিজেদের উপস্থিতি প্রত্যাহার করে নিতে থাকে। তাদের এ প্রত্যাহার কার্যক্রম নীরবে হয়েছে। মাত্র গত মাসে এ নিয়ে জানাজানি হয়।
ভারতের ওপর এর প্রভাব কী
আইনি বিমানঘাঁটি ছিল বিদেশে ভারতের একমাত্র পূর্ণাঙ্গ বিমানঘাঁটি। এটি এমন একটি অঞ্চলে অবস্থিত ছিল, যা ভারতের জন্য কেবল মধ্য এশিয়ায় উপস্থিতি নয়; বরং সেখানে দীর্ঘ মেয়াদে নিজেদের প্রভাব বিস্তারের সুযোগ।
পাশাপাশি কৌশলগত দিক থেকেও এর গুরুত্ব ছিল। কারণ, এর অবস্থান চীনের শিনজিয়াং প্রদেশ এবং আফগানিস্তানের বাদাখশান প্রদেশে অবস্থিত ওয়াখান করিডরে।
করিডরটি সরু, স্থলবেষ্টিত এলাকা। করিডরটি পূর্বে চীনের শিনজিয়াং প্রদেশের সঙ্গে, উত্তরে তাজিকিস্তানের সঙ্গে এবং দক্ষিণে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের সঙ্গে সীমানা ভাগ করে নিয়েছে।
যেকোনো দেশের জন্য বিদেশের মাটিতে নিজেদের সামরিক ঘাঁটি সব সময়ই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
কারণ, এর ফলে ঘাঁটি যে দেশে অবস্থিত, শুধু সে দেশেই প্রবেশাধিকার পাওয়া যায়, এমনটা নয়। বরং সেই দেশের প্রতিবেশী অঞ্চলগুলোতেও প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা যায়।
যদি এটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে অবস্থিত হয়, তবে এমন একটি ঘাঁটি প্রায়ই দেশের নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা কার্যক্রমের শূন্যস্থান পূরণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
আইনি বিমানঘাঁটি ছিল ভারতের একমাত্র পূর্ণাঙ্গ কার্যকর বিদেশি সামরিক ঘাঁটি। এটি এমন একটি ঘাঁটি, যার জন্য ভারত গত দুই দশকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে মানবসম্পদ ও অর্থ ব্যয় করেছে।
আইনি বিমানঘাঁটি থেকে ভারতের উপস্থিতি প্রত্যাহার দেশটির জন্য বড় এক ধাক্কা হতে পারে, বিশেষ করে এটি ওয়াখান করিডরের কাছাকাছি অবস্থিত হওয়ায়। করিডরটি নিরাপত্তা ও সম্ভাব্য বাণিজ্যিক কারণে চীন ও পাকিস্তানের জন্য ভূরাজনৈতিক গুরুত্ব বহন করে।
কয়েকটি দেশের সঙ্গে সামরিক সহায়তা চুক্তি থাকলেও বিদেশে ভারতের আর কোনো পূর্ণাঙ্গ সামরিক ঘাঁটি নেই।
![]() |
| ভারতের একটি সুখোই-৩০ যুদ্ধবিমান। ফাইল ছবি: রয়টার্স |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
৪ চিকিৎসকের রেজিস্ট্রেশন বাতিল

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামানের মৃত্যুদণ্ড, সম্পদ বাজেয়াপ্তের আদেশ, চৌধুরী মামুনের ৫ বছর কারাদণ্ড
বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ আজ সোমবার রায়ে এই আদেশ দেন।
এই ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
রায়ে ট্রাইব্যুনাল শহীদদের পরিবারকে এবং আহতদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশনাও দিয়েছেন।
শেখ হাসিনাকে প্রত্যপর্ণের জন্য ভারতকে চিঠি দেবে সরকার: আইন উপদেষ্টা
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার রায়কে ন্যায় প্রতিষ্ঠার শ্রেষ্ঠ ঘটনা বলে মন্তব্য করেছেন আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল। একইসঙ্গে তিনি বলেছেন শেখ হাসিনাকে এ দেশে প্রত্যাপর্নের জন্য ভারতের কাছে আবারও চিঠি দেবে সরকার।
আজ সোমবার রায়ের পর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের কাছে তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়ায় আইন উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।
পৃথিবীর যেকোনো আদালতে এই সাক্ষ্যপ্রমাণ দিলে প্রত্যেকে একই শাস্তি প্রাপ্ত হবে: তাজুল ইসলাম
বাংলাদেশ সাফল্যের সাথে বিচারকাজ করেছে বলেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। মানবতাবিরোধী অপরাধে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির মামলার রায়ের প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ কথা বলেন।
আজ সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তাজুল ইসলাম বলেন, ‘বাংলাদেশ সকল আন্তর্জাতিক নর্মস, আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড মেইনটেইন করে ক্রাইমস এগেইনস্ট হিউম্যানিটির মতো কমপ্লেক্স অপরাধের বিচার করতে সক্ষম এবং বাংলাদেশ সাফল্যের সাথে সেটা করেছে।’
যে ধরনের সাক্ষ্যপ্রমাণ এই আদালতে উপস্থাপিত হয়েছে বিশ্বের যেকোনো আদালতের স্ট্যান্ডার্ডে এই সাক্ষ্য প্রমাণগুলো উতরে যাবে বলে মন্তব্য করেন তাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘পৃথিবীর যেকোনো আদালতে এই সাক্ষ্যপ্রমাণ উপস্থাপন করা হলে আজকে যেসব আসামিকে শাস্তি প্রদান করা হয়েছে তারা প্রত্যেকেই একই শাস্তি প্রাপ্ত হবে।’
জুলাই শহীদেরা ন্যায়বিচার পেয়েছে: অ্যাটর্নি জেনারেল
জুলাই বিপ্লবের শহীদেরা ন্যায়বিচার পেয়েছে, রাষ্ট্র ন্যায়বিচার পেয়েছে। রায়ের পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে এই প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।
অ্যাটর্নি জেনারেল আরও বলেন, এই মামলার দুইজন আসামিকে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একজন আসামি, যিনি রাজসাক্ষী হিসেবে নিজেকে আদালতের সামনে উপস্থাপন করেছেন, সার্বিক বিবেচনায় আদালত তাকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন।
অ্যাটর্নি জেনারেল আরও বলেন, ‘আমরা মনে করি শহীদদের প্রতি, দেশের প্রতি, এ দেশের মানুষের প্রতি, গণতন্ত্রের প্রতি, সংবিধানের প্রতি, আইনের শাসনের প্রতি এবং আগামী প্রজন্মের প্রতি দায়বদ্ধতা পরিশোধের স্বার্থে এ রায় একটি যুগান্তকারী রায়। এই রায় প্রশান্তি আনবে। এ রায় ভবিষ্যতের জন্য একটি বার্তা। এ রায় বাংলাদেশের ন্যায়বিচার এবং আইনের শাসনের জন্য একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে।’
যেদিন থেকে শেখ হাসিনা গ্রেপ্তার হবেন সেদিন থেকে সাজা কার্যকর হবে বলেও জানান অ্যাটর্নি জেনারেল।
এক্সকাভেটর নিয়ে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে যাওয়া বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ
দুটি এক্সকাভেটর নিয়ে রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বর সড়কের শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ি ভাঙতে যাওয়া বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দিয়েছে সেনাবাহিনী ও পুলিশ।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিউমার্কেট থেকে মিরপুরমুখী সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
আজ সোমবার দুপুরের দিকে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের সামনের মিরপুর সড়কে দুটি এক্সকাভেটর দেখা যায়।
![]() |
| শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামাল। ছবি: কোলাজ |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1402)
-
▼
2025
(3281)
-
▼
November
(209)
-
▼
Nov 18
(11)
- জাতিসংঘ ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দিলে পিএ কর...
- কেন্দ্রীয় সরকারের কাশ্মীর নীতির ব্যর্থতাই দিল্লির ...
- ফিলিস্তিন রাষ্ট্রে জাতিসংঘ সমর্থন দিলে পিএ কর্মকর্...
- হোয়াইট হাউসে সাবেক ‘জিহাদি কমান্ডার’, মধ্যপ্রাচ্য ...
- সাত বছর আগে সাংবাদিক খাসোগি হত্যার পর প্রথম যুক্তর...
- কালচে হয়ে যাচ্ছে মোগল আমলের লালকেল্লা
- শেখ হাসিনার ফাঁসির রায় এবং তাঁর রাজনৈতিক মৃত্যু by...
- ডেমোক্র্যাটদের ক্ষমতায় ফেরা কি সহজ হবে
- বিদেশে থাকা নিজেদের একমাত্র সামরিক ঘাঁটি কেন নীরবে...
- ৪ চিকিৎসকের রেজিস্ট্রেশন বাতিল
- শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামানের মৃত্যুদণ্ড, সম্পদ বাজে...
-
▼
Nov 18
(11)
-
▼
November
(209)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...






