Saturday, December 14, 2013
গণবিশ্ববিদ্যালয় : এক অনন্য বিদ্যানিকেতন by মনসুর মুসা

লক্ষ্য : জ্ঞানভিত্তিক গণসমাজ গড়ে তোলার মৌলিক লক্ষ্যে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাক্রম প্রণীত হয়েছে। বাংলাদেশের জনগণকে জনশক্তিতে রূপান্তর করতে হলে শিক্ষার্থীদের দ্বিভাষিক যোগ্যতার অধিকারী হতে হবে। সেই লক্ষ্য অর্জনের জন্য এ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষার্থীকে আবশ্যিক বিষয় হিসেবে বাংলা ভাষা ও ইংরেজি ভাষা শিক্ষাদান করা হয়। শুধু ভাষা সাহিত্যের ছাত্রছাত্রীদের জন্য নয়, তাত্ত্বিক বিজ্ঞান, ফলিত বিজ্ঞান, কম্পিউটার প্রযুক্তি, ওষুধ ও চিকিৎসা প্রযুক্তিতে যারা উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেছেন, তাদের জন্যও এ বিষয়গুলো অবশ্যই পাঠ্য। দর্শন, নৈতিকতা ও পরিসংখ্যান- এ বিষয়গুলোর পঠন-পাঠনের ব্যবস্থা সচেতনভাবে অনুশীলন করা হয়। যে কোনো বিভাগের শিক্ষার্থী যদি সঙ্গীতের প্রেষণা নিয়ে ভর্তি হয়, এ বিশ্ববিদ্যালয়ে তাদের সুবিধার্থে বিশিষ্ট সঙ্গীত শিক্ষক নিয়োগ করে সঙ্গীত বিভাগের সুযোগ রাখা হয়েছে। এ ধরনের ব্যবস্থা প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে দূরে থাক, দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়েও দু-একটি ব্যতিক্রম ছাড়া, অন্যত্র নেই। আরবীয় সভ্যতার পরিচয় জানার জন্য আরবি শিক্ষারও ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। প্রাচ্যবিদ্যাকে পুনর্জাগরণের জন্য সংস্কৃতি পাঠেরও ব্যবস্থা আছে।
বিশ্বায়ন একটি জ্ঞানতাত্ত্বিক বাস্তবতা হিসেবে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত আছে। রাজনীতি ও জনপ্রশাসন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, ভাষা আন্দোলনের তাৎপর্য সংবলিত বিভিন্ন কোর্স আছে, যা ষাণ্মাসিক শিক্ষাক্রমে কোনো না কোনো কোর্সে রয়েছে। শিক্ষার্থীরা যেন গণবিচ্ছিন্ন হয়ে না পড়ে, সে জন্য শিক্ষাক্রমের মধ্যে গ্রামে অবস্থান করে গ্রামীণ জনগণের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে জ্ঞান ও সেবা গ্রহণ এবং বিতরণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। পাঠ্যক্রম : গণবিশ্ববিদ্যালয় মূলত স্বাস্থ্যবিদ্যা, ওষুধ বিজ্ঞান, কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং, জৈবপদার্থ বিজ্ঞানের প্রসারের উদ্দেশ্যে নিবেদিত। আইন বিদ্যা ও ব্যবসা-বাণিজ্য সমাজ জীবনের অপরিহার্য বিষয়। এ দুটো বিষয়ও শিক্ষাক্রমে যথাযথ গুরুত্বসহকারে পঠন-পাঠন করা হয়। পাঠ্যক্রম উন্নয়ন এ বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেকটি গতিশীল কর্ম। উন্নয়নশীলতাকে ধারণ করার জন্য রয়েছে শিক্ষকের বিশেষজ্ঞ জ্ঞান ব্যবহারের অপূর্ব সুযোগ। এ বিশ্ববিদ্যালয় গতানুগতিক বিশ্ববিদ্যালয় নয়, একটি অত্যাধুনিক বিশ্ববিদ্যালয়। আধুনিকের ব্যাখ্যা অর্থাৎ আমরা ধূমপান করি না- এ বিশ্ববিদ্যালয়ে কঠোরভাবে মান্য করা হয়। এখানে কেউ ধূমপান করে না। শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী কেউ না।
সংশ্লিষ্টতা ও সহযোগিতা : এই পরিকল্পনার বিভিন্ন পর্যায়ে গণবিশ্ববিদ্যালয় আশীর্বাদ লাভ করেছে দেশ-বিদেশের বহু খ্যাতনামা মানুষের। এ তালিকায় আছেন প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ আনিসুর রহমান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য, ইংরেজি বাংলা অভিধানের সংকলক অধ্যাপক জিল্লুর রহমান সিদ্দিকী, উপাচার্য অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম চৌধুরী, সাংবাদিক আতাউস সামাদ, ড. বিনায়ক সেন, ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, ড. মনোয়ার হোসেন, অধ্যাপক মুজাফ্ফর আহমেদ, মাহবু উর রহমান খান, ড. নওজেশ আহমেদ, অধ্যাপক মোঃ ইব্রাহিম, নুরুল কাদির খান, ড. পারভীন হাসান, ড. সালেহ উদ্দীন আহমেদ, সমাজকর্মী শিরিন হক, অধ্যাপক ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ, ড. আহমদ কামাল, ড. ফেরদৌস আজিম, ড. ফ্লোরা মজিদ, ড. সৈয়দা রওশন কাদির খান। প্রখ্যাত গণিতজ্ঞ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী জামাল নজরুল ইসলাম, শিক্ষাব্রতী, ভাষাসৈনিক ও শিশুসাহিত্যিক হালিমা খাতুন, কথাশিল্পী ও অধ্যক্ষ হোসনে আরা শাহেদ, শিক্ষাব্রতী জাহেদা খানম, মুক্তিযোদ্ধা ড. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, উপাচার্য আবুল কাসেম চৌধুরী, নোবেল বিজয়ী গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ ইউনূসসহ আরও অনেকেই।
গবেষণার সুযোগ : গবেষণা একজন শিক্ষককে পড়–য়া থেকে শিক্ষকে রূপান্তর করে। এ প্রক্রিয়া সম্পর্কে গণবিশ্ববিদ্যালয় সচেতন। শিক্ষকদের গবেষণার জন্য অধ্যয়নের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী শিক্ষার্থীদেরও এ ধরনের প্রকল্পে অংশগ্রহণের সুযোগ রাখা হয়েছে। বিজ্ঞান, বিশেষ করে চিকিৎসা বিজ্ঞানের জন্য যেমন প্রয়োজনীয় রাসায়নিক গবেষণাগার আছে, তেমনি আছে কম্পিউটার প্রশিক্ষণের জন্য কম্পিউটার ল্যাবরেটরি। ভাষাশিক্ষার জন্য ব্যবস্থা রাখা হয়েছে ভাষা গবেষণাগারের।
গণবিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কোচিং বিদ্যালয় কিংবা তকমা বিতরণে বিশ্বাস করে না। বিশ্বাস করে যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের মানুষ, বিশেষ করে গ্রামীণ মানুষ যাতে শিক্ষার সুযোগ পেয়ে সুদক্ষ মানুষের মতো মানুষ হতে পারে। পাঠ অভ্যাস গড়া : গ্রামীণ পরিবেশে নিত্য নতুন পাঠ্যবইয়ের অভাব থাকায় আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ তার বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের একটি ভ্রাম্যমাণ গ্রন্থাগার সপ্তাহে একদিন (সোমবার) গণবিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে অবস্থান করিয়ে শিক্ষার্থীদের কাছে বই সুলভ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করে গণবিশ্ববিদ্যালয়কে সহায়তা করে যাচ্ছেন। গণবিশ্ববিদ্যালয় দারিদ্র্য দূরীকরণের জন্য দরিদ্রদের প্রতি বেশি মনোযোগী। তবে এর মানে এই নয় যে, এখানে মধ্যবিত্ত, উচ্চবিত্ত কিংবা বিদেশীদের স্থান নেই। তাদের জন্য যথেষ্ট ব্যবস্থা আছে।
মিথস্ক্রিয়া ও জ্ঞানসৃষ্টি : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রাজধানী থেকে বহুদূরে শান্তি নিকেতনে নির্মাণ করেছিলেন একটি বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় যার নাম বিশ্বভারতী। সেই দৃষ্টান্তের সূত্র ধরে গণবিশ্ববিদ্যালয়ে একদিকে গ্রামীণ শিক্ষার্থীরা আসে, অপরদিকে বিশ্বখ্যাত পণ্ডিতেরা এ বিশ্ববিদ্যালয়ে আগমন করেন। তাদের মধ্যে অর্থপূর্ণ সংলাপ ও মিথস্ক্রিয়া হয়, যাতে করে গ্রামের দরিদ্র পরিবারের সন্তান-সন্ততিরা আধুনিক জীবনের মুক্তচিন্তা, বিজ্ঞান ভাবনা ও মহৎ মানুষের ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচিত হতে পারে।
আবহমান গ্রামীণ ঐতিহ্য : গণবিশ্ববিদ্যালয় গ্রামভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয়। প্রতিবেশী গ্রামের বিত্তবান মানুষেরা শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার সুবিধার জন্য ছাত্রাবাস নির্মাণ করে তাদের বাসস্থানের সুযোগ করে দিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় তার নিজস্ব অর্থায়নেও ছাত্রছাত্রী নিবাস তৈরি করেছে। সম্প্রসারণশীল বিশ্ববিদ্যালয় : গণবিশ্ববিদ্যালয় একটি দ্রুত সম্প্রসারণশীল বিশ্ববিদ্যালয়। পড়াশোনার জন্য আছে একটি বিশেষায়িত গ্রন্থাগার, খেলার জন্য আছে বিস্তীর্ণ খেলার মাঠ। অদূর ভবিষ্যতে আধুনিক জিমনেশিয়াম করার চিন্তা আছে কর্তৃপক্ষের। গণবিশ্ববিদ্যালয় দারিদ্র্য দূরীকরণের অঙ্গীকারবদ্ধ একটি প্রতিষ্ঠান। সে জন্য এ বছর গ্রামীণ দরিদ্র পরিবারের কন্যা সন্তানের জন্য ৩০০ বৃত্তির প্রকল্প গ্রহণ করেছে। এতে করে গ্রামীণ মেধাবী ছাত্রীরা, ক্ষুদ্র জাতিসত্তার মেয়েরা উপযুক্ত শিক্ষায় শিক্ষিত হতে পারে।
গ্রামীণ দরিদ্র মানুষ যাতে একবিংশ শতাব্দীর মানুষ হিসেবে বিশ্বের অন্য দেশের সঙ্গে জ্ঞান-বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ হতে পারে এটাই গণবিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা।
অধ্যাপক মনসুর মুসা : সাবেক অধ্যাপক, আধুনিক ভাষা ইন্সটিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাদের কাদের কাদের হত্যা করেছিল? সবাই আমাদেরই স্বজন by মাহবুব কামাল

তদানীন্তন পাকিস্তানিরা ছিল এতই অসভ্য জাতি যে, তারা বিজ্ঞান বুঝত না, সোশ্যাল ডিনামিক্স বা সামাজিক গতি-প্রকৃতি সম্পর্কে তাদের ধারণা ছিল না। অসভ্যরা সাধারণত কী প্রদর্শন করে থাকে? শক্তি। এটা পেশির শক্তি হতে পারে, আবার অস্ত্রের শক্তিও। পাকিস্তানি শাসকদের হাতে অস্ত্র ছিল বলে তারা সেটাই প্রয়োগ করেছে। প্রকৃতপক্ষে, অস্ত্র পাকিস্তানিদের পরিণত করেছিল এক যুক্তিহীন (Irrational) জাতিতে। হত্যা এবং একমাত্র হত্যাই হয়ে উঠল তাদের রাজনৈতিক দর্শন। কিন্তু হত্যা কিংবা শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে যে সোশ্যাল ডিনামিক্সের স্বাভাবিক অগ্রসরমানতা রোধ করা যায় না, সেটা তাদের বুদ্ধিতে কুলোয়নি। তারা আসলে হেরে গেছে সমাজের গতিসূত্রের কাছে, বিজ্ঞানের কাছে।
কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, পাকিস্তানিরা না হয় একটা ভিন্ন জাতিকে নির্মূল করার ব্রত নিয়েছিল; বাঙালিদের মধ্য থেকে কেন একশ্রেণীর মানুষ তাদের সহযোগিতায় মাঠে নামল? বস্তুত বাঙালির মধ্য থেকেই কিছু সংখ্যক সহযোগীর কারণে পাকিস্তানিদের হত্যাযজ্ঞটা সর্বব্যাপী হতে পেরেছিল। পাকিস্তানি সেনাবাহিনী, বিশেষত যারা মুক্তিযুদ্ধের অব্যবহিত আগে এখানে এসেছিল, তাদের এ দেশ সম্পর্কে সম্যক কোনো ধারণা ছিল না। তাদের এক ধরনের এলিয়েন বলা যেতে পারে। বাঙালির সঙ্গে তাদের ভাষাগত অমিল তো ছিলই, এছাড়া বাংলাদেশের ভূগোল সম্পর্কে তাদের জ্ঞান ছিল সীমিত। বাঙালি নরাধমরাই তাদের এই শূন্যস্থান পূরণ করেছে। চিনিয়েছে কে মুক্তিযোদ্ধা আর কে হিন্দু। বুঝিয়েছে কোথায় আগুন দিতে হবে। স্বজাতির প্রতি এমন বিশ্বাসঘাতকতা খুঁজে পেতে হলে ইতিহাসকে বিস্তর ঘাঁটতে হবে। স্বাধীনতার আকাক্সক্ষা মানুষের সহজাত (Inharent); এমনকি একটি শিশুও বাবা-মার শাসন অমান্য করে স্বাধীনতা ভোগ করতে চায়। অথচ কিছু বাঙালি স্বাধীনতার এই স্পৃহাকে জলাঞ্জলি দিয়ে পাকিস্তানিদের অধীন থাকতে চেয়েছে। শুধু তাই নয়, তারা তাদের পরাধীনতাকে আরও গৌরবময় করতে চেয়েছে বাঙালি নিধনে পাকিস্তানিদের সহযোগিতা করে। কী বিচিত্র মানুষ! কী বিচিত্র তাদের স্বভাব! কী অদ্ভুত তাদের চিন্তা পদ্ধতি!
১৪ ডিসেম্বর যে আমরা শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস হিসেবে পালন করি, তার মানে এই নয় যে, শুধু এ দিবসটিতেই বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়েছিল। এটি একটি প্রতীকী দিবস। বস্তুত ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ থেকে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ক্যালেন্ডারের প্রতিটি দিনই একেকটি শহীদ দিবস। আর বধ্যভূমি? সারা বাংলাদেশই যেন এক বিশাল বধ্যভূমি। নাটোর জেলায় একটি বধ্যভূমি আছে, যেখানে এক বিকালেই ৬৯ জনের লাশ কবর দেয়া হয়েছে। সেখানে একটি টিনের ফলকে ৬৯ জন শহীদের নাম লেখা রয়েছে। বাকি সবাই অজ্ঞাত। এমন বধ্যভূমি ছড়িয়ে আছে রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলায়। আমরা কয়টি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করব, কয়টা নির্মাণ করব শহীদ মিনার? অথবা বলা যায়, ১৯৭১ সালে গোটা বাংলাদেশটাই যে বধ্যভূমি ছিল, সেটা কি অভয়ারণ্য হতে পেরেছে, নাকি তা এখনও বধ্যভূমিই?
এই ১৪ ডিসেম্বরে একটি অন্যরকম ভাবনা আমাকে আলোড়িত করছে। আজ থেকে একশ’ কি দুইশ’ বছর পর বাংলাদেশের ইতিহাসটি কেমন হয়ে ধরা দেবে তখনকার প্রজন্মের কাছে। এই মুহূর্তে মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রজন্মের মানুষ বেঁচে থাকতেই যেভাবে যুদ্ধাপরাধের বিচার বানচাল করার উদ্যোগ ও চেষ্টা চলছে, তাতে প্রশ্ন জাগাটাই স্বাভাবিক- মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম যখন আর থাকবে না, তখন কি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস অন্যরকম হয়ে যাবে? এমন একটা সময় কি আসবে, যখন রাজাকার-আলবদররাই হয়ে উঠবে দেশপ্রেমিক আর মুক্তিযোদ্ধারা রাষ্ট্রদ্রোহী? বঙ্গবন্ধু বিশ্বাসঘাতক আর জিয়াউর রহমান প্রকৃত নেতা? মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে চিরকালের জন্য অবিকৃত ও অবিকল রাখার স্বার্থে আমাদের করণীয় আছে অনেক কিছুই। সমাজবিজ্ঞানী, গবেষক থেকে শুরু করে আমাদের সবাইকে সযত্নে সংরক্ষণ করতে হবে মুক্তিযুদ্ধের দালিলিক প্রমাণাদি। বেশি বেশি করে লিখতে হবে প্রকৃত ঘটনা। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে এমন সমৃদ্ধ করে তুলতে হবে যাতে ভবিষ্যতের প্রজন্ম ভুল তথ্য দ্বারা পরিচালিত হতে না পারে। যুদ্ধাপরাধের বিচার সম্পন্ন করে তার প্রসিডিংসকেও করতে হবে ইতিহাসের বিষয়বস্তু। এসব কাজ করা না গেলে একদিন হয়তো সিরাজউদ্দৌলাহ হয়ে উঠবে দেশদ্রোহী আর মীরজাফর-ক্লাইভ দেশপ্রেমিক।
স্বাধীনতা যুদ্ধের শহীদদের রক্ত আপাতত বৃথাই রয়েছে। আমরা যারা জীবিত, তাদের যে কেউই ১৯৭১ সালে নিহত হতে পারতাম। সে ক্ষেত্রে আজকের যে স্লোগান- শহীদের রক্ত বৃথা যেতে দেব না- সেই শহীদের তালিকায় আমি, আপনি যে কেউই অন্তর্ভুক্ত হতে পারতাম। যে কোনো কারণেই হোক, আমরা যেহেতু বেঁচে রয়েছি, সেহেতু শহীদের রক্ত সফল করতে আমাদের সবাইকে সচেষ্ট হতে হবে।
পুনশ্চ : এ লেখাটির শিরোনাম অন্যরকম ছিল। লেখাটি শেষ করার পরপরই কাদের মোল্লার ফাঁসি কার্যকর হয়েছে। এই সেই কাদের, যিনি নির্বিচারে হত্যা করেছিলেন আমাদেরই স্বজনদের। অর্বাচীনের ধর্ম এই যে, সে পরিণাম ভেবে কাজ করে না। কাদের শুধু একজন নিষ্ঠুর ঘাতকই নন, তিনি একজন অর্বাচীনও বটে। এ ধরনের ব্যক্তির বেঁচে থাকার কোনো অধিকার নেই। এবারের শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের প্রাক্কালে এমন একজনের ফাঁসি কার্যকর করে আমরা জাতি হিসেবে সভ্যতার পক্ষেই অবস্থান নিয়েছি।
মাহবুব কামাল : সাংবাদিক
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সবকিছুই সম্ভব, সবাই যখন এক হয় by মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন

ধ্বংসের রাজনীতি সহজ কিন্তু গড়ার রাজনীতি কঠিন। এ দেশটির জন্ম দিয়েছে সাধারণ মানুষ এবং দেশটি গড়ার পেছনেও ভূমিকা সাধারণ মানুষেরই। আমেরিকার সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জার বাংলাদেশকে এক সময় বলেছিলেন ‘তলাবিহীন ঝুড়ি।’ এ দেশের মানুষ নিরন্তর পরিশ্রম করে এই বদনাম থেকে এটিকে বের করে এনেছে। তারপর বাংলাদেশকে বলা হল জঙ্গি রাষ্ট্র। আমরা প্রমাণ করলাম বাংলাদেশ জঙ্গি রাষ্ট্র নয়, বাংলাদেশ মডারেট মুসলিম রাষ্ট্র; এরপর এ দেশকে অপবাদ দেয়া হল দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন, এই অপবাদও আমরা ঘোচানোর চেষ্টা করছি। এখন বাকি আছে সন্ত্রাসী রাষ্ট্রের তকমা। রাজনৈতিক খেলা দেখে মনে হচ্ছে, আমাদের সেদিকেই নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
শেরেবাংলা একে ফজলুল হক পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালে হরহামেশাই তার সমালোচনা করত ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকা। একদিন তার এক ভক্ত এসে বললেন, ‘স্যার আজকে আনন্দবাজার পত্রিকা আপনার উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছে।’ শেরেবাংলা বললেন- তাই নাকি? তাহলে তো ভাবতে হবে আমি সঠিক পথে নেই; আমি মনে হয় ভুল করছি।’ যাই বলুন না কেন, যেভাবেই পরিস্থিতির মূল্যায়ন করেন না কেন- বাংলাদেশ সঠিক পথে নেই। রাজনীতির ভুল খেলার কারণে চোখের সামনে বাংলাদেশ অতলে তলিয়ে যাচ্ছে আর বাংলাদেশের এ পরিস্থিতির প্রশংসা করছে পার্শ্ববর্তী দেশের কিছু মিডিয়া। সবচেয়ে দুঃখজনক ব্যাপার হল, আইন-শৃংখলা বাহিনীকে জনগণের মুখোমুখি দাঁড় করান হচ্ছে আর আইন-শৃংখলা বাহিনী ও জনগণ মুখোমুখি হওয়া মানে রাষ্ট্রকে ভেতর থেকে ভেঙে দেয়া। রাষ্ট্রের মালিক জনগণ, রাষ্ট্রের ভিত্তিও জনগণ; কাজেই আইন-শৃংখলা বাহিনী ও জনগণের মুখোমুখি অবস্থান কোনোভাবেই কাম্য নয়, কাক্সিক্ষতও নয়। এই বিপজ্জনক খেলা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে সবাইকে। আল্লাহপাক পবিত্র কোরআনে বিবৃত করেছেন, ‘আমি সৃষ্টি করেছি মহাবিশ্ব, তাতে রেখেছি সুস্পষ্ট ভারসাম্য; যাতে ভারসাম্য লঙ্ঘিত না হয়।’ কেননা ভারসাম্য যেখানে থাকে না, সেখানে বিপর্যয় অবশ্যম্ভাবী হয়ে ওঠে। বাংলাদেশে প্রধান দুটি রাজনৈতিক দল একে অপরের ক্ষেত্রে ভারসাম্য। এর একটি বাদ দিয়ে অন্যটি চলতে পারে না। রাজনীতিতে প্রধানমন্ত্রী ভালোই খেলছিলেন। প্রত্যেকটি রাজনৈতিক খেলার চালে তিনি এগিয়ে ছিলেন। কিন্তু বিরোধী দলবিহীন নির্বাচনের খেলায় তিনি এগিয়ে থাকতে পারবেন বলে মনে হয় না, শেষ পর্যন্ত সবকিছু দ্রুত তার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে। তিনি নিজে, তার দল এবং দেশও বিপর্যয়ের সম্মুখীন হবে। সুতরাং সময় আছে পরিস্থিতি অনুকূলে আনার এবং পুনঃতফসিলের মাধ্যমে নির্বাচনে বিরোধী দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার।
গত কয়েক দিনে রাজনৈতিক সহিংসতা ছড়িয়েছে শহর-বন্দর, গ্রামগঞ্জ সর্বত্র। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ যে, পত্রিকায় খবর বেরিয়েছে, প্রায় ৩০ জেলার জেলা প্রশাসকরা নিরাপত্তা চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে। অনেক উপজেলা কার্যত প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। পুলিশ, বিজিবি দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ছে; সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবি উঠছে। গত কয়েক দিনের সহিংসতায় অনেক নিরীহ মানুষের জীবন প্রদীপ নিভে গেছে এবং এই মৃত্যুর মিছিল দিন দিন বাড়ছে, অনেক সম্পদও ধ্বংস হয়েছে এবং হচ্ছে। এভাবে একটি রাষ্ট্র চলতে পারে না- বিশেষ করে একটি রফতানিমুখী রাষ্ট্র। বিভক্তি ও বিভাজন নিয়ে কোনো জাতি সামনে এগোতে পারে না। দেশের রাজনীতিতে বিভক্তি ছড়িয়ে পড়েছে। এই বিভক্তি থেকে জাতিকে বের করে আনার কোনো উদ্যোগ দৃশ্যমান হচ্ছে না। রাজনৈতিক অনিশ্চয়তায় মানুষ চোখে শর্ষে ফুল দেখছে। কোথাও কোনো আশার বাণী তারা শুনতে পাচ্ছেন না, কেউ তাদের আশ্বস্ত করছে না; হরতালের পর হরতাল দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনীতিকে বিপর্যস্ত করে দিচ্ছে। সড়ক অবরোধ, বন্দর বন্ধ থাকায় রফতানি খাতে দেখা দেবে বিপর্যয়। এর প্রভাব পড়বে জাতীয় অর্থনীতিতে। ব্যাংকের লেনদেন দ্রুত কমে যাচ্ছে। শেয়ার বাজারে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে, সূচক দ্রুত নিচের দিকে নামছে। নিত্যপণ্যের মূল্য বাড়ছে। এর শেষ কোথায় কেউ জানে না। সরকার ও বিরোধী দল নির্বিকার। মানুষ যাবে কোথায়, কোনো পথ খুঁজে পাচ্ছে না।
বাংলাদেশ রফতানি আয় ও রেমিটেন্সের ওপর নির্ভরশীল একটা দেশ। মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপ-আমেরিকা থেকে টাকা না এলে বাংলাদেশের অর্থনীতির চাকা শ্লথ হয়ে যাবে। বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশ নিয়ে যেভাবে নেতিবাচক প্রচারণা হচ্ছে- ভবিষ্যতে রফতানি আয় ও রেমিটেন্সের ওপর এর মারাত্মক প্রভাব পড়বে। তখন এ দেশের ১৬ কোটি মানুষ কীভাবে খেয়ে-পরে বেঁচে থাকবে- এই চিন্তাটা কোনো রাজনীতিক করেন বলে মনে হয় না।
দেশের আবাসন ব্যবসা আজ ধ্বংসের পথে, ধ্বংসের পথে জনশক্তি রফতানি খাত; তৈরি পোশাক শিল্পের অবস্থাটাও ভালো নয়, ইউরোপ-আমেরিকা থেকে অর্ডার আসা ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে বলে ব্যবসায়ীরা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন। পর্যটন খাত মুখ থুবড়ে পড়ছে। এভাবে একের পর এক বেসরকারি খাত ক্ষতিগ্রস্ত হলে কর্মসংস্থান ব্যাহত হবে; মানুষ কর্ম হারিয়ে বেকার হবে, সামাজিক অস্থিরতা বৃদ্ধি পাবে। দেশের আইন-শৃংখলার অবনতি ঘটবে। এসব কি আমাদের রাজনীতিবিদরা ভাবেন? ভাবলে রাজনীতিতে এত বিভেদ-বিভক্তি ও বিভাজন কি তৈরি হতো?
দেশে নির্বিচারে সম্পদ ধ্বংস হচ্ছে, রেল লাইন উপড়ে ফেলা হচ্ছে, ট্রেন ও রেল স্টেশন জ্বালিয়ে দেয়া হচ্ছে, হাইওয়ের বেইলি ব্রিজ ভেঙে ফেলা হচ্ছে, রাস্তা কেটে দেয়া হচ্ছে, বিদ্যুৎ অফিস জ্বালিয়ে দেয়া হচ্ছে, একে অপরের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাংচুর ও আগুন ধরিয়ে দিচ্ছে, ব্যাংক, যানবাহন, শিল্প প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাংচুর হচ্ছে ও আগুন দেয়া হচ্ছে। এক কথায় মানুষ জানমাল ও ইজ্জত নিয়ে এক মহাআতঙ্কে আছেন। কিন্তু সরকারের ভাবখানা এমন যে, দেশে কিছুই হয়নি; সব ঠিক আছে।
রাজনৈতিক দল রাষ্ট্র ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য কৌশল অবলম্বন করবে এটা স্বাভাবিক। তবে সেই কৌশল হতে হবে গণতন্ত্রসম্মত। দেশের রাজনৈতিক দলগুলো ক্ষমতায় যাওয়ার অভিপ্রায়ে যে কৌশল অবলম্বন করছে, তা অবশ্যই বিপজ্জনক; এই কৌশল কোনোভাবেই ভালো ফল বয়ে আনবে না। রাষ্ট্রের মালিক জনগণ, তাদের জিম্মি করে রাজনীতি হতে পারে না। নির্বিচারে হত্যাও সমস্যা সমাধানের পথ নয়। নিরীহ মানুষ হত্যা করে ইরাক, আফগানিস্তান ও পাকিস্তান রাষ্ট্র হিসেবে ব্যর্থ রাষ্ট্রের তালিকায় নাম লিখিয়েছে; বাংলাদেশও তাদের পথ অনুসরণ করছে। এই ভয়াবহ পথ থেকে বাংলাদেশকে বের করে আনার নিয়ন্ত্রণ রাজনীতিবিদরা হারিয়ে ফেলছেন বলেই প্রতীয়মান হচ্ছে।
এখনও যে সময় ও সুযোগটুকু হাতে আছে, তার সর্বোত্তম ব্যবহার করতে হবে। রাজনৈতিক নেতৃত্বকেই সমাধানের পথ খুঁজতে হবে, বিজ্ঞ রাজনীতিবিদ যারা আছেন, তাদের এগিয়ে আসতে হবে। এ ক্ষেত্রে সরকারকে পালন করতে হবে অগ্রণী ভূমিকা। সরকারকে অনুধাবন করতে হবে, বিরোধী দলবিহীন নির্বাচন রাজনৈতিকভাবে তাদের জন্য ভালো ফল বয়ে আনবে না; এর মাধ্যমে গঠিত সরকার দেশে-বিদেশে গ্রহণযোগ্যতা পাবে না এবং এ সরকারের মেয়াদও হবে ক্ষণস্থায়ী, স্বাভাবিক কর্মকাণ্ডও এ সরকার সম্পাদন করতে পারবে না। উপরন্তু বদনামটা নিতে হবে পুরোপুরি সরকারি দলকেই।
অন্যদিকে বিরোধী দলকেও শান্তির পথে আসতে হবে, জনগণের ভোগান্তি হয় এমন রাজনৈতিক কর্মসূচি পরিহার করতে হবে। জনসম্পৃক্ততামূলক কর্মসূচি দিয়ে দাবি আদায়ের কৌশল নিতে হবে। এক্ষেত্রে বিরোধী দলের শীর্ষ নেতারা কোনো উদ্যান বা খোলা জায়গায় টানা অবস্থান নিয়ে তাদের দাবির ব্যাপারে জনমত সংগঠিত করতে পারেন। এতে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা সচল থাকবে এবং সরকারের ওপর নৈতিক চাপও বৃদ্ধি পাবে। বিরোধী দলকে স্মরণে রাখতে হবে, তাদের নির্বাচনকালীন সরকারের দাবিটি নিরেট গণতান্ত্রিক ও সর্বজনীন দাবি। এ দাবির প্রতি এ দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের সমর্থন রয়েছে। জ্বালাও-পোড়াওয়ের মাধ্যমে এ দাবি আদায়ের পথে হাঁটলে, ধীরে ধীরে দাবিটি জনগণের কাছে পানসে হয়ে যাবে; তারা এ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে। কাজেই শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমেই দাবি আদায়ের চিন্তা করতে হবে, যাতে প্রতিপক্ষ এটিকে কোনো বিচ্ছিন্ন আন্দোলন হিসেবে প্রমাণ করতে না পারে।
গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় সাধারণ মানুষের মুখের ভাষা উপলব্ধিতে আনাই দূরদর্শী নেতৃত্বের পরিচায়ক। সরকারের কোনো সিদ্ধান্ত পছন্দ না হলে প্রতিবাদের অধিকার সাধারণ মানুষের রয়েছে এবং এই প্রতিবাদ জরুরি; কারণ তা সরকারকে সঠিক পথে চালিত করতে সাহায্য করে। এটিই গণতন্ত্রের রীতি। গণতন্ত্রকে পরিপক্ব করতে হলে এ ভাষার প্রতি শাসকদের অবশ্যই সম্মান দেখাতে হবে। দেশ যাতে কোনোভাবেই দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক সংকটের কবলে না পড়ে, এর জন্য শাসকদলকেই পালন করতে হবে মুখ্য ভূমিকা। মনে রাখতে হবে, দেশ যদি সংকটে পড়ে সবাইকেই এর ফল ভোগ করতে।
মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন : রাজনৈতিক বিশ্লেষক
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বদ্ধচিন্তার খাপ থেকে মুক্তি দরকার by ফরহাদ মজহার

অথবা এর অর্থ জোগাচ্ছে সেই সব শ্রমিক, যারা দাসের মতো মধ্যপ্রাচ্যের কোনো কনস্ট্রাকশন কোম্পানিতে মরুভূমিতে পুড়ে মরছে। কিংবা মালয়েশিয়ায় বিপদসংকুল রাবার বাগানে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছে, সাপের কামড় খেয়ে প্রাণ হারাচ্ছে। কেউ ট্যাক্সি চালাচ্ছে নিউইয়র্কে, টরেন্টোতে; কেউ হোটেলের বাসন মাজছে বিলাতে। আবার কেউ রোমে, মাদ্রিদে, গ্রিসে কোনো রকমে টিকে আছে নিত্যদিনের অসম্ভব যুদ্ধে।
এই অসাম্য কুৎসিত। তরুণদের মধ্যে যারা এ অসম সম্পর্ক সম্বন্ধে ভাবতে সক্ষম, তারা অন্যদের তুলনায় সুবিধাভোগী হলেও কখনোই অহংকারী নন। তাদের রাজনৈতিক মতাদর্শ যাই হোক, তাদের ভাবনার দিগন্ত প্রসারিত থাকারই কথা, এটা অনায়াসেই অনুমান করা যায়। অন্যদিকে যারা জীবিতভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস নেয়ার প্রায় পুরো সময়টাই প্রাণ ধারণের জন্য লড়ে যাচ্ছেন, সেসব মেহনতি মানুষ অন্যদের প্রতি ক্রোধ আর হিংসা দ্বারা তাড়িত হয়ে থাকেন, এটা ভাবাও ঠিক নয়। যারা সমাজ ও ইতিহাসকে আর দশটা বিজ্ঞানের মতো নৈর্ব্যক্তিক জায়গা থেকে বিচার বিশ্লেষণ করতে সক্ষম, তারাও এই অসাম্যকে নিছকই নৈতিক অন্যায় বলে নিন্দা করে নিজেদের বিবেকের দায় থেকে মুক্তি পাওয়ার চেষ্টা করেন না। ইতিহাস বলে, আধুনিক যুগে আসলে শিক্ষিত শহুরে মধ্যবিত্ত শ্রেণীর একটি অংশের সচেতনতাই একটি রাজনৈতিক জনগোষ্ঠীকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা পালন করে। তাদের চিন্তা-চেতনা ও সংস্কৃতিই সমাজ, অর্থনীতি, রাজনীতি ও সংস্কৃতির নির্ধারক শক্তি হয়ে ওঠে।
তরুণ প্রজন্মের প্রতি আমার প্রশ্ন হচ্ছে, এমন কোনো চিন্তা, মতাদর্শ ও সংস্কৃতি আমরা তৈরি করতে পেরেছি কিনা, যা ১৬ কোটি মানুষকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারে। যদি সে মতাদর্শকে ‘জাতীয়’ হতে হয় তাহলে তার কেন্দ্রে শ্রমিক, কৃষক মেহনতি মানুষের স্বার্থের কথা থাকবে। শুধু অর্থনৈতিক স্বার্থ নয়, তাদের ধর্ম, সংস্কৃতি, লোকায়ত চিন্তা, বাংলাদেশের ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনাবলি সম্পর্কে তাদের নিজেদের মূল্যায়ন এবং সর্বোপরি নৈতিক মূল্যবোধ ও সংবেদনা- অর্থাৎ তাদের সজীব জীবনের সব বিষয়ই এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে বাধ্য। কিন্তু এ ব্যাপারে আমরা কতটা ‘মুক্ত’ চিন্তার অধিকারী? কতটা সাধারণ মানুষের উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠাকে তথাকথিত শিক্ষিত শ্রেণী আমলে নিতে রাজি? সাধারণ মানুষের ভাবনা-চিন্তার বিপরীতে কতটা নিজেদের চিন্তা ও আদর্শ সম্পর্কে আত্মপ্রত্যয়ী? আমার মনে হয়, শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেণী আত্মপ্রত্যয়ী হওয়া দূরে থাকুক, তারা কী বলে বা কী বলছে সে সম্পর্কে তাদের নিজেদের কোনো হুঁশ আছে বলে মনে হয় না।
আত্মপ্রত্যয়ী হতে হবে কেন? এই অর্থে আত্মপ্রত্যয়ী যে, জনগণ যদি ভুল চিন্তা করে বা মতাদর্শিক বিচারে পশ্চাৎপদ থাকে, নিজের চিন্তার জায়গা থেকেই তাদের সঙ্গে কথাবার্তা বলা ও সঠিকভাবে অবশ্যই বোঝানো সম্ভব। কিংবা নিজে শিক্ষিত হয়ে ওঠারও সুবিধা। জনগণের চেয়ে ভালো শিক্ষক আর কেউই হতে পারে না। যদি আমরা নিজেদের সাধারণ মানুষের সঙ্গে একাত্ম গণ্য করি, সাধারণ মানুষের সঙ্গে চিন্তার পার্থক্য হওয়ার কথা নয়। অর্থাৎ নিজেদের যদি একই রাজনৈতিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত গণ্য করি, তাহলে সংখ্যাগরিষ্ঠ রাজনৈতিক বয়ান তৈরি করা কঠিন হতে পারে না। কিন্তু যারা নিজেরা চিন্তার গোঁড়ামিতে ভোগে, নিজেরা চিন্তা করার ক্ষমতা হারিয়েছে, যাদের বুদ্ধির জগৎ মরুভূমিতে পরিণতি হয়েছে, বালু ছড়ানো ছাড়া তাদের আর বিশেষ কোনো প্রতিভাব অবশিষ্ট নেই। তারা আত্মপ্রত্যয়ী হতে পারে না। তারা যে রাজনীতি সামনে নিয়ে আসে, তাকে বলা যায় আতংকবাদ। আবারও বলি, সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা ভুল ও পশ্চাৎপদ চিন্তা থাকতেই পারে, কিন্তু কারবারটা মানুষের সঙ্গেই হতে হবে, মানুষের সঙ্গেই করতে হবে, কোনো বিমূর্ত মতাদর্শের সঙ্গে নয়। যারা জীবন্ত মানুষের দৈনন্দিন জীবনের লড়াই সংগ্রাম থেকে জাত চিন্তা মোকাবেলা করতে অক্ষম, তারাই নানা মতাদর্শিক জুজুর ভয় দেখায়। একসময় এটা ছিল কমিউনিজম। আজ ইতিহাসের কী প্রহসন, সেটা হয়েছে ইসলামী জঙ্গিবাদ। সোজা কথায় ইসলাম। শিক্ষিত মধ্যবিত্তের যে অংশ নিজেদের খামাখা প্রগতিশীল ভাবে, তারা ইসলামের ভয়ে ভীত! এই ভীতি রীতিমতো কৌতুককর।
আজ আমরা কথায় কথায় জাতি এই চায়, জাতি ওই চায়, অনায়াসে ‘জাতি’ নিয়ে হাজার প্রকার চাওয়ার কাহিনী ফেরি করি, বাগাড়ম্বর করি। জাতিকে দিয়ে বহু কিছু চাওয়াই, নিজে যা চাই তা জাতির নামে বলি। ‘জাতি’ বিমূর্ত কিছু নয়, জীবন্ত মানুষ নিয়েই জাতি। আর জাতির চিন্তা অনড় বা অপরিবর্তনীয় কিছু নয়। জাতি ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান চেয়েছিল, ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ, আগামী দিনে কী চাইবে জানি না, কিন্তু কোনো জাতীয়তাবাদ চাইবে বলে মনে হয় না। জাতিকে অখণ্ড ভারতের সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা চলতে পারে, কিংবা বিপরীতে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টাও কোনো অংশে কম তীব্র হবে না। পুঁজিতান্ত্রিক গোলকায়নের এই কালে আন্তর্জাতিকতাবাদের আবেদন থাকবে। সেটা ইসলাম হোক, কিংবা হোক কমিউনিজম।
রাজনৈতিক মতাদর্শ বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও অস্থিতিশীলতার বড় কারণ হয়ে উঠেছে। একটু যদি আমরা খেয়াল করি তাহলে দেখব সমাজে যে বিভক্তি, বিভাজন, রক্তপাত, রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস ও নির্বিচারে গুলি, হরতাল, অবরোধ, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ, লাশের উৎসব- সবকিছুর হোতা হচ্ছে সেই শ্রেণী, যারা অর্থনৈতিকভাবে সুবিধাভোগী। রাজনৈতিক দলগুলো দুর্নীতি করে, লুটপাট করে, এগুলো আমাদের জানা। কিন্তু যে রাজনৈতিক মতপার্থক্যের কথা বলে আজ দেশ গৃহযুদ্ধের দিকে ধাবিত হচ্ছে, সেটা তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংক্রান্ত বিতর্ক। এই বিতর্কের কোনো গুরুত্ব নেই, সেটা আমার দাবি নয়। কিন্তু এত রক্ত ও এত লাশের পরও এমন কোনো মতাদর্শিক বয়ান গড়ে ওঠেনি, যা বিভক্তি ও বিভাজনের বাইরে একটা ঐক্যের জায়গা শনাক্ত করতে পারে। আমাদের নিশ্চয়ই চোখ নষ্ট হয়নি। যদি না হয়, আমরা অনায়াসেই দেখব রাজনীতির পক্ষাপক্ষ যেভাবে স্থির হয়েছে, তার কোনো পক্ষেই কৃষক বা শ্রমিক দৃশ্যমানভাবে হাজির নেই। তাদের কোনো পক্ষে সম্পৃক্ত হওয়ার কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ নেই। বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিণতি কী হবে জানি না, কিন্তু এই অনুপস্থিতি ইঙ্গিত করে যে আমরা ঠিক পথে যাচ্ছি না। আমরা ঠিকই একটি খাদের কিনারে এসে পড়েছি। এজন্য নয় যে, খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনা সংলাপ করছেন না। এই জন্য যে, আমরা এমন একটি মধ্যবিত্ত শ্রেণীর কবলে পড়েছি, যে শ্রেণী চিন্তার দিক থেকে প্রাচীন ও অন্তঃসারশূন্য। নতুনভাবে চিন্তার ক্ষমতা তার নেই। বাংলাদেশে এখনকার যে রাজনৈতিক বাস্তবতা, সেই পরিপ্রেক্ষিতে রাজনীতিতে আস্থা রাখা দুঃসাধ্য। এটা একটি জনগোষ্ঠীর জন্য খুবই বিপজ্জনক পরিস্থিতি, কিন্তু বাস্তবতা এটাই। যারা রাজনীতি করেন, তারা প্রধানত কোনো না কোনো দল করেন। সেটা দোষের নয়। কিন্তু সংকীর্ণ দলীয় স্বার্থ যখন বিবেক ও চিন্তার ক্ষমতাকে রুদ্ধ করে দেয়, তখন সেটা একটি জনগোষ্ঠীর অধঃপতনের কারণ হয়ে ওঠে।
এই দ্রুত অধঃপতন আমরা দ্রুত রুদ্ধ করতে পারব কিনা? আমি মনে করি, সেটা সম্ভব যদি আমরা চিন্তার পদ্ধতি হিসেবে খাঁজকাটা পাথুরে মতাদর্শ থেকে শুরু না করে সাধারণ মানুষের দাবি-দাওয়ার দিকে আন্তরিকভাবে কান পাততে শিখি। শুধু অর্থনৈতিক দাবি-দাওয়ার কথা বলছি না। পুরনো অন্ন, বস্ত্র, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাসস্থানের দাবি থাকুক, কিন্তু এগুলো অর্থনৈতিক দাবি। সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক দাবি সমান গুরুত্বপূর্ণ। সম্ভবত এ সময় অনেক বেশি নির্ধারক। এ বিবেচনা থেকেই আমি সব সময় বলছি, ধর্ম বনাম ধর্মনিরপেক্ষতার যে পাথুরে বিভাজন আগাম অনুমান করে রাজনীতির নীতি ও কৌশল নির্ণয়ের পুরনো পদ্ধতি নিয়ে আমরা চলি, তা নতুন করে পর্যালোচনা করা দরকার। কেউ চাক বা না চাক, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কারণে ইসলাম একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক মতাদর্শ হিসেবে হাজির রয়েছে। এর বেগ বাংলাদেশে রুদ্ধ করা কঠিন। কিন্তু তা আমাদের এগিয়ে নেবে নাকি পিছিয়ে দেবে তা নির্ভর করে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন ও ইহলৌকিক লড়াই-সংগ্রামে তাকে আত্মস্থ করার ওপর। ‘ইসলাম’ কোনো একাট্টা একরকম ব্যাপার নয়। যারা ইসলামপন্থী তারা তাদের জায়গা থেকে কথা বলবেন, সে অধিকার তাদের আছে। কিন্তু চিন্তা ও বুদ্ধিবৃত্তির জায়গা থেকে যে কাজ দরকার সেটা হচ্ছে, কী ধরনের চিন্তা সমাজকে পিছিয়ে দেয় আর কী চিন্তা এগিয়ে নিয়ে যায়, খোলা মনে সেই তর্ক করা। আলোচনাকে ইসলামী মৌলবাদ বনাম প্রগতিশীলতা নামক বদ্ধ খাপের মধ্যে পুরে ফেলা নয়। ওতে আমরা বদ্ধ জায়গাতেই বন্দি হয়ে থাকব।
আগামী দিনে বাংলাদেশকে সামনে এগিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে তরুণরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দেবেন; দর্শন, বুদ্ধি, জ্ঞানবিজ্ঞান, সংস্কৃতিসহ সবকিছুতেই। প্রধানত রাজনৈতিক নেতৃত্বের বিষয়েই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি, কারণ সব ক্ষেত্রে একটি জনগোষ্ঠীর চিন্তা ও চৈতন্যের সারসত্তা রাজনৈতিকতার মধ্য দিয়েই পরিস্ফুট হয়। রাজনীতির যে দুর্বৃত্তায়ন ও দুর্দশা ঘটেছে, তার কারণে রাজনীতির পক্ষে গলা ফুলিয়ে কিছু বলা কঠিন। কিন্তু ইতিহাস শিক্ষা দেয়, রাজনৈতিকভাবেই একটি জনগোষ্ঠী পরাধীন চিন্তা ও পরাধীনতা থেকে মুক্ত হতে পারে; নিজেদের পথ নিজেদের নির্ণয় করার আর কোনো শর্টকাট পথ আছে বলে আমার জানা নেই।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘ছাড় না দিলে এই মধ্যস্থতা সফল হবে না’ by রিয়াজুল ইসলাম দীপু

বিভিন্ন সময়ের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ১৯৭০ সালের নির্বাচনেও মধ্যস্থতার জন্য উদ্যোগ করেছিল জাতিসংঘ। সেটি সফল হয়নি। ১৯৭১ যুদ্ধের সময়ও মধ্যস্থতার জন্য উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। সেটিও সফল হয়নি। ৯৬ সালেও একই অবস্থা দেখতে পেয়েছি। দুঃখজনক হলেও সত্য যে, সংঘাত ছাড়া আমাদের কোন সরকারকেই নমনীয় হতে দেখা যায় নি। ২০০৬ সালেও আওয়ামী লীগের আবদুল জলিল ও বিএনপি’র আব্দুল মান্নান ভুইয়া সমঝোতায় আসার চেষ্টা করেছিলেন। ছাড় দেয়ার মনোভাব না থাকায় তা সফল হয়নি। এরকরফা কোন নির্বাচন হলে তা শেখ হাসিনার জন্য আত্মঘাতী হবে। নির্বাচনটি দেশীয় বা আর্ন্তজাতিকভাবে গ্রহনযোগ্য হবে না। নির্বাচন দিয়ে ক্ষমতায় টিকে থাকার সম্ভাবনাও কম। ইতিমধ্যে বিরোধী দলের দুই সপ্তাহের অবরেধে দেশের কাঠামো ভেঙ্গে পড়েছে। ভোগন্তিতে পড়েছে সাধারণ জনগণ। পঞ্চদশ সংশোধনীকে চলমান সংকটের মূল কারণ বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্ট থেকে বলা হয়েছিল আগামী দুটি নির্বাচন কেয়ার টেকার সরকারের অধীনে করা যেতে পারে। শেখ হাসিনা তা মেনে নিলে দেশ এতটা সংঘাতে যেত না। আসলে রাষ্ট্রের নেতৃত্বস্থানীয় ব্যক্তিরা ক্ষমতাকেই বড় করে দেখছেন, এটাই মূল সমস্যা। হুসেই মুহম্মদ এরশাদের অবস্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তার অবস্থান এখনও প্রশংসনীয় হলেও নিশ্চিত হওয়া কঠিন। তিনিও এক সময় একতরফা নির্বাচন করেছিলেন। শেষ পর্যন্ত দেখা যাক তার অবস্থান পরিবর্তন হয় কি না।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিএমএইচ থেকে বিশেষ বার্তায় এইচ এম এরশাদ : আমি অসুস্থ নই, গ্রেফতারের জন্য আটকে রাখা হয়েছে

জাতীয় পার্টি সূত্রে জানা গেছে, এখন এরশাদকে দেশের বাইরে পাঠিয়ে দেয়ার চেষ্টা চলছে। আর তার অনুপস্থিতিতে জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে রওশন এরশাদকে একতরফা নির্বাচনের সহযাত্রী করতে সব ধরনের তত্পরতা চালিয়ে যাচ্ছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। এ লক্ষ্যে গতকাল
দিনভর রওশনের গুলশানের বাসভবনে দফায় দফায় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সন্ধ্যায় রওশনের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা গওহর রিজভী এবং আওয়ামী লীগ নেতা শিল্পমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, রওশনকে ৪৭টি আসন দিতে চায় আওয়ামী লীগ। কিন্তু এ ব্যাপারে পূর্ণ নিশ্চয়তার অপেক্ষায় রয়েছেন রওশন।
তবে গতকাল সন্ধ্যায় পাঠানো বিশেষ বার্তায় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ঘোষিত তফসিলে জাতীয় পার্টি আসন্ন জতীয় সংসদ নির্বাচনে যাবেন না বলে আবারো খোলাসা করে জানিয়েছেন। সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে তাকে চিকিত্সার নামে আটকে রাখার নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেছেন, ‘আমি জাতীয় পার্টির সব নেতাকর্মীকে ধৈর্য ধরার এবং ঐক্যবদ্ধ থাকার নির্দেশ দিচ্ছি। আমি কাউকে আমার মুখপাত্র নিযুক্ত করিনি। একজন নেতা (মুজিবুল হক চুন্নু) পার্টির মুখপাত্র হিসেবে বিবৃতি দিচ্ছেন বলে শুনেছি। তিনি যদি এটা করে থাকেন, তাহলে এর দায়িত্বও তার নিজের। এবং এটি তার নিজস্ব মতামত হিসেবে বিবেচিত হবে। পার্টির শৃঙ্খলাবিরোধী যে কোনো কাজের জন্য আমি যে কারো বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারি।’
এরশাদ বলেন, ‘পার্টির মহাসচিব রুুহুল আমিন হাওলাদার ও আমার ভাই এবং পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য জিএম কাদের আমার কাছ থেকে প্রাপ্ত দিকনির্দেশনা দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে পৌঁছে দেবেন। ববির মাধ্যমে আমি গণমাধ্যমকে আমার বক্তব্য জানাবো। অন্য কারো বক্তব্য, বিবৃতি এবং প্রচারণায় আপনারা বিভ্রান্ত হবেন না।’
তিনি আরো বলেন, ‘সব দলের অংশগ্রহণ ছাড়া জাতীয় পার্টি কোনো নির্বাচনে অংশ নেবে না। এজন্য ইতোমধ্যেই আমাদের দলের প্রার্থীরা তাদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখার স্বার্থেই এটা দরকার বলে তিনি মনে করছেন।
এদিকে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে ছাড়া জাতীয় পার্টির বিকল্প চেয়ারম্যান হিসেবে কাউকে মেনে নেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন দলের মহাসচিব এবিএম রুুহুল আমিন হাওলাদার।
গতকাল সন্ধ্যায় বনানীতে দলের চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘এইচ এম এরশাদ যতদিন আছেন ততদিন দলে বিকল্প চেয়ারম্যান মেনে নেয়া হবে না। এরশাদই চেয়ারম্যান থাকবেন।’
নির্বাচনে অংশ নেয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনে না যাওয়ার ব্যাপারে এরশাদের সিদ্ধান্তে আমরা অটল। দেশ ও জাতির স্বার্থে সব দলের অংশগ্রহণ ছাড়া নির্বাচনে না যাওয়ার ঘোষণা দেয়ায় এরশাদ এখন সিএমএইচে। আমরা ঐক্যবদ্ধ আছি। প্রয়োজনে কঠোর কর্মসূচি দেব। রাতে একটি বৈঠক শেষে কর্মসূচি সম্পর্কে জানানো হবে।’ মনোনয়ন প্রত্যাহার প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘২৯০টি আসনে জাতীয় পার্টি মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিল। দলের সবাই মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন বলে খবর পেয়েছি। রাতে জানানো হবে কত আসনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার হয়েছে।’ এ সময় জাতীয় পার্টির মহাসচিব পটুয়াখালী-১ আসন থেকে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন।
এর আগে গতকাল দুপুরে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং এইচ এম এরশাদের ছোট ভাই জিএম কাদের অভিযোগ করে বলেছেন, এরশাদকে অস্বাভাবিকভাবে হাসপাতাল নেয়া হয়েছে। বেলা সাড়ে ১১টায় গুলশানে হাওলাদার কমপ্লেক্সে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ অভিযোগ করেন। এ সময় পার্টির মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার উপস্থিত ছিলেন। প্রেস ব্রিফিং চলাকালে উপস্থিত নেতাকর্মীরা রুহুল আমিন হাওলাদারকে সরকারের দালাল দালাল বলে স্লোগান দিতে থাকে।
সাবেক মন্ত্রী জিএম কাদের বলেন, পার্টি চেয়ারম্যান এরশাদকে স্বাভাবিকভাবে হাসপাতালে নেয়া হয়নি। তিনি জানান, নির্বাচনে অংশ না নেয়ার ব্যাপারে এরশাদ তার সিদ্ধান্তে অটল রয়েছেন। তিনি (এরশাদ) আজকের (গতকাল) মধ্যে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের জন্য সবাইকে নির্দেশ দিয়েছেন। এ নির্দেশ অমান্য করা হলে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে বলেও সতর্ক করে দেন। রওশন এরশাদ দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কি-না, জানতে চাইলে কাদের বলেন, পার্টির চেয়ারম্যান এখনো জীবিত এবং দেশেই আছেন। কাজেই কাউকে ভাইস চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেয়ার সম্ভাবনা নেই। চেয়ারম্যান দেশের বাইরে গেলে কাউকে দায়িত্ব দেয়া হবে কি-না, সেটি পরের ব্যাপার।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাজনীতিকদের শুভবুদ্ধির উদয় হোক by রোজিনা আক্তার

আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিশ্বের দরবারে স্বাধীন ও সাহসী জাতি হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর ইতিহাস। এই ইতিহাস সম্পর্কে সঠিক ও নির্ভুল তথ্য জানা আমাদের প্রতিটি নাগরিকের কর্তব্য। স্বাধীনতার অনেক বছর পর আমার জন্ম। তাই স্বাধীন দেশের স্বাধীন নাগরিক হিসেবে আমি গর্বিত। এই গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের কথা প্রথম শুনি আমার পরিবার থেকে, তারপর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে।
মুক্তিযুদ্ধ দেখিনি কিন্তু মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ছবি-নাটক দেখে, বই পড়ে মুক্তিযোদ্ধা, বুদ্ধিজীবী ও একাত্তরে শারীরিকভাবে নির্যাতিত নারীর সঙ্গে কথা বলে, তাদের মুখ থেকে সেই আগুনঝরা দিনগুলোর কথা জেনেছি। এসব ঘটনা আমাকে অনেক বেশি আলোড়িত করে। যখন একজন মুক্তিযোদ্ধা বলেন—‘এই হাতে অস্ত্র ধরেছি, শত্রুসেনা খতম করেছি; তখন নিজের অজান্তেই চলে যাই সেই সময়ের কাছে। যখন একজন মুক্তিযোদ্ধা নারী তার ত্যাগের কথা ও নির্যাতনের কথা করুণ কণ্ঠে বর্ণনা করেন, তখন চোখের সামনে ভেসে উঠে সেই বিভীষিকাময় দিনগুলোর কথা। মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস না জানলে কারও মধ্যেই দেশপ্রেম বা দেশাত্মবোধ তৈরি হবে না। জাগবে না দেশের প্রতি প্রকৃত সম্মান। একজন বুদ্ধিজীবী, মুক্তিযোদ্ধা বা বীরাঙ্গনা দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য নিজেদের সবকিছু উজাড় করে দিয়েছেন, দেশপ্রেমের জীবন্ত উদাহরণ হিসেবে জাতির কাছে স্মরণীয়-বরণীয় হয়েছেন। তারা তখনও সংগ্রাম করেছেন, এখনও করছেন। তাই পরিবারের পাশাপাশি চাই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা, এরপর মিডিয়ার ভূমিকা। প্রযুক্তির যুগে মিডিয়াই পারে সঠিক ইতিহাস জাতির কাছে তুলে ধরতে।
কষ্ট হয় যখন দেখি একজন মুক্তিযোদ্ধা দীনহীন অবস্থায় চরম আর্থিক সঙ্কটে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। একজন মুক্তিযোদ্ধা নারী তার প্রাপ্য সম্মান থেকে বঞ্চিত হন। অন্যদিকে একজন ঘাতক দালাল দেশের প্রশাসনে সম্মানিত পদে বসে দেশের পতাকা গাড়িতে লাগিয়ে বুক ফুলিয়ে ঘুরছে। আসলে দেশপ্রেম বা দেশের প্রতি ভালোবাসা কখনও জোর করে তৈরি হয় না, এটা নিজের ভেতর জন্ম নেয়, যেমনি নিয়েছিল ’৭১-এ। নিজের অস্তিত্বের জন্য মানুষ তখনও অশুভ শক্তির কাছে হার মানেনি, এখনও মানবে না। আজকে লড়াই করে দেশ স্বাধীন হয়েছে বলে আমরা নিজেদের জন্য শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পারছি। সে হিসেবে আমাদেরও উচিত দেশের প্রতি দায়িত্ববোধ সঠিকভাবে পালন করা। দেশ আমাকে কী দিয়েছে এটা না ভেবে, নিজের স্বার্থকে বড় করে না দেখে দেশের উন্নতির জন্য কাজ করে যাওয়া প্রতিটি সুনাগরিকের দায়িত্ব ও কর্তব্য। আজ দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা বিরাজ করছে। রাজনীতিবিদদের উচিত ক্ষমতার লোভ ও নিজের স্বার্থকে বড় করে না দেখে দেশের মানুষের কল্যাণের কথা ভেবে কাজ করা। আমাদের দেশের শাসকগোষ্ঠী ও রাজনীতিবিদরা যতদিন না দেশের মানুষের সবার আগে না ভেবে নিজেদের ক্ষমতালোভী করে প্রকাশ করবে, ততদিন দেশের মানুষকে নতুন করে বারবার স্বাধীনতা খুঁজতে হবে। মহান বিজয় দিবস সামনে রেখে রাজনীতিবিদদের শুভবুদ্ধির উদয় হোক, দেশে শান্তি ফিরে আসুক—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘লুটপাটতন্ত্র বন্ধ করলে মুক্তিযুদ্ধের মূলমন্ত্র পূর্ণতা পাবে’

রাজনৈতিক সংকটের মোকাবিলায় বিদেশীদের কূটনৈতিক পদক্ষেপ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দুই দল নিজেদের দাবিতে অনড় থেকে সমাধান চাইছে। এটা সম্ভব নয়। তাই সমাধানের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। ছাড় দিতে পারলে নিজেরাই সমস্যার সমাধান করা যেত। কিন্তু তা করতে পারে নি শাসকদলগুলো। ফলে এখন কূটনীতিকরা হস্তক্ষেপ করে আমাদেরকে একটা লজ্জাজনক অবস্থায় ফেলেছে।
জামায়াত-শিবিরের রাজনৈতিক মোকাবিলার উপায় প্রসঙ্গে এই বাম রাজনীতিক বলেন, জামায়াত-শিবিরের বাড়বাড়ন্ত অবস্থা শাসক দলগুলোর আপোষকামিতার ফল। জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলার জন্য গণতান্ত্রিক শাসন কাঠামো ও গণমুখী অর্থনীতি গড়ে তোলা দরকার। কিন্তু তা গড়ে ওঠেনি এবং তার দিকে ক্ষমতাসীন দলগুলো মনোযোগীও নয়। এই বিষয়ে জনগণের এগিয়ে আসা প্রয়োজন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘হাসিনা ঘুঘু দেখেছে ফাঁদ দেখেননি, এবার ফাঁদ দেখাতে হবে’

গতকাল বিকালে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক রথখলা ময়দানে জেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।
বঙ্গবীর শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনার বিচার হবে, এমন বিচার হবে আপনি তা ভাবতেও পারেন না। আপনি লাফালাফি বন্ধ করেন, আর দেশটাকে জ্বালাবেন না। আপনার জন্য দেশে যতো অশান্তি। আপনি যদি পঞ্চদশ সংশোধনী না আনতেন, তাহলে দেশে এ অশান্তি হতো না। এতো মানুষ মারা যেতো না। কাজেই এর সব দায়দায়িত্ব আপনাকেই নিতে হবে। আপনি অবিলম্বে পদত্যাগ করেন। আপনাকে বাংলার মানুষ চায় না।
বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী শেখ হাসিনাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বলেন, আপনি এতো জনপ্রিয় হলে পদত্যাগ করে নির্বাচনে জনপ্রিয়তা যাচাই করুন। সখিপুর-বাসাইলে পারবেন না, আপনার গোপালগঞ্জেই আমি ভোটে দাঁড়িয়েই এর প্রমাণ করব।
তিনি বলেন, শাহবাগে ৩ মাস আপনি পোলাও-মাংস খাইয়েছেন। আর আমার দেশের গরিব নিরন্ন মুসলমান আল্লাহর বিরুদ্ধে যারা কথা বলেছে, তার প্রতিবাদ করতে শাপলা চত্বরে গিয়েছিল, আল্লাহর পথে একরাত তাদেরকে থাকতে দেন নাই। বাতি নিভিয়ে দিয়ে তাদেরকে গুলি করে মেরেছেন। আপনার কবরের বাতি আল্লাহ নিভিয়ে দেবে। কাদের সিদ্দিকী আরও বলেন, জনগণ ভোট চায় না, তারপরও হাসিনা ভোট করতে চায়। গায়ের জোরে ভোট করে খালেদা জিয়া ৪২ দিন ছিলেন। আপনি না হয় ৪২ দু’গুনে ৮৪ দিন বড়জোর থাকতে পারবেন।
বঙ্গবীর খালেদা জিয়ার সমালোচনা করে বলেন, ঘরে বসে অবরোধ আর দিয়েন না। মানুষ পোড়ানোর অবরোধ করবেন না। অবরোধ অবরোধ খেলা আর খেলবেন না। সাহস থাকলে বাইরে আসেন, শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করুন।
বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিষয়ে ভারতের ভূমিকা বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা বড় ভাই চাই না, মুরব্বি চাই না। প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ভারতের বন্ধুত্ব চাই, খবরদারি নয়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কার অধীনে জাতীয় নির্বাচন মূল সঙ্কট সেখানেই by আমীর খসরু
About: Mids
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সুজাতা হাসিনার ভাবনা by আমিরুল ইসলাম কাগজী
About: Mids
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঢাকা বেড়াতে আসাই কাল হলো শান্তর by মোর্শেদ নোমান
About: Mids
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গুলিবিদ্ধ শিশুটি রাস্তায় পড়ে ছিল ১৫ মিনিট! by কাজী আনিছ
About: Mids
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সংকট উত্তরণ- বাংলাদেশ প্যারাডক্স by উইলিয়াম বি. মাইলাম
About: Mids
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কালের পুরাণ- কোথায় র্যাব, কোথায় পুলিশ, কোথায় সরকার? by সোহরাব হাসান
About: Mids
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নতুন পাসপোর্টের প্রিন্ট বন্ধ, দুর্ভোগ চলছে by দীন ইসলাম

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার : জামায়াত-শিবিরকে দেখা মাত্র গুলি করতে বললেন ‘মুরগি শাহরিয়ার’
About: Mids
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশীদের জন্য হজে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ by সালমান ফরিদ
About: Mids
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আজও বৈঠক চলছে রওশনের বাসায়

বৈঠকে অংশ নিয়েছেন জিয়াউদ্দিন আহমেদ, আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, কাজী ফিরোজ রশিদ, লিলি হাসনাত প্রমুখ। তবে গতকালের মতো আজও বৈঠক নিয়ে মুখ খুলছেন না তাঁরা।
এদিকে, পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ গ্রেপ্তার হয়েছেন, না আটক আছেন, সে ব্যাপারে সুস্পষ্ট কোনো বক্তব্য না দেওয়ায় নেতা-কর্মীরা মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদারের ওপর ক্ষিপ্ত। গতকাল জাতীয় পার্টির বিভিন্ন সূত্র থেকে বলা হয়েছিল, নির্বাচনে যাওয়া প্রসঙ্গে আজ শনিবার জাতীয় পার্টি সংবাদ সম্মেলন করে অবস্থান পরিষ্কার করবে। তবে বার বার চেষ্টা করেও মহাসচিবের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না সাংবাদিকেরা। দলের শীর্ষ নেতারাও সংবাদ সম্মেলন নিয়ে কোনো কথা বলছেন না।
রওশনের বাসায় গতকাল দিনভর তত্পরতা
এদিকে গতকাল দিনভর রওশন এরশাদের গুলশানের বাসায় আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলুসহ দলের একাংশ দফায় দফায় বৈঠক করে। সন্ধ্যা সোয়া সাতটার দিকে তাঁর বাসায় যান আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতা তোফায়েল আহমেদ ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা গওহর রিজভী। তাঁরা প্রায় ৪০ মিনিট সেখানে ছিলেন। এ সময় হঠাত্ রওশনের বাসার সামনে র্যাব ও পুলিশের উপস্থিতি বেড়ে যায়। কিছুক্ষণ পর আবার চলে যায়। তোফায়েল আহমেদ ওই বাসা থেকে বেরিয়ে সিএমএইচে গিয়ে এরশাদের সঙ্গে দেখা করেন বলেও রাতে খবর বের হয়।
রওশনসহ পাঁচ মন্ত্রী-উপদেষ্টা নির্বাচনে
দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৪৮ আসনে জাপার প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। এরপর ৩ ডিসেম্বর এরশাদ আকস্মিক নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা এবং পরদিন দলের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র তুলে নিতে নির্দেশ দেন। কিন্তু তাঁর স্ত্রী রওশন এরশাদসহ সরকারে থাকা জাপার পাঁচজন মন্ত্রী-উপদেষ্টা গতকাল শেষ দিনেও মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি। এর মধ্য দিয়ে রওশন এরশাদের নেতৃত্বে জাপার একটি অংশের নির্বাচনে থেকে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে উঠেছে। বেশ কিছু আসনে গতকাল শেষ দিনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে জাপাকে আসন ছেড়ে দিয়েছেন। এর মধ্যে দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য রওশন এরশাদ (ময়মনসিংহ-৪), আনিসুল ইসলাম মাহমুদ (চট্টগ্রাম-৫ আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত), জিয়াউদ্দিন আহমেদ ববলু (চট্টগ্রাম-৯), মুজিবুল হক চুন্নু (কিশোরগঞ্জ-৩), সালমা ইসলাম (ঢাকা-১) অন্যতম।
তবে জাপার মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার ও তাঁর স্ত্রী রত্না আমিন হাওলাদার গতকাল মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। আর এরশাদ এবং জি এম কাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আবেদন করলেও তা গৃহীত হয়নি। আর জাপার সভাপতিমণ্ডলীর আরেক সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ প্রথম আলোকে বলেছেন, তিনি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। কিন্তু রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় বলছে, তাঁর মনোনয়ন বহাল আছে।
এরশাদকে নির্বাচনে ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়ে সরকার বিকল্প হিসেবে রওশন-আনিস-বাবলুর নেতৃত্বে জাপার একটি অংশকে নির্বাচনে রাখার কৌশল নেয়। তাঁদের সঙ্গে সরকার ১০ দিন ধরে নানা দেনদরবার ও গোপন সমঝোতা করে বলে দলীয় সূত্রগুলো জানায়।
এরপর গত বৃহস্পতিবার এরশাদ নির্বাচন কমিশনে চিঠি দিয়ে দলীয় প্রতীক লাঙ্গল কাউকে বরাদ্দ না দিতে অনুরোধ জানান। এর ১২ ঘণ্টার মধ্যে বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ৪০ মিনিটে এরশাদকে তাঁর বাসা থেকে ‘আটক’ করে সিএমএইচে নেওয়া হয়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগের আহ্বান বি. চৌধুরী, রব ও কাদের সিদ্দিকীর

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দুই দলের প্রস্তাবে যা আছে-
About: Mids
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ড. সুমিত গাঙ্গুলির বিশ্লেষণ- সামরিক বাহিনী ক্ষমতা গ্রহণে অনাগ্রহী
About: Mids
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
টবি ক্যাডম্যানের সংবাদ সম্মেলন
About: Mids
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কোনো শর্টকাট নেই
আনিসুল হক: সাহিত্যিক ও সাংবাদিক।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
স্থায়ী সাংবিধানিক সমাধানে কিছু প্রস্তাব
মঈন ফিরোজী: আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মানুষ হত্যার পরিণতি ভয়াবহ
ড. মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান: বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক, গবেষক ও কলাম লেখক।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আস্থা ভোটে জয় ইতালির প্রধানমন্ত্রী লেত্তার
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিমান দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেলেন রাহুল গান্ধী
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় সিক্ত ম্যান্ডেলা
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1373)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
-
▼
2013
(14877)
-
▼
December
(526)
-
▼
Dec 14
(29)
- গণবিশ্ববিদ্যালয় : এক অনন্য বিদ্যানিকেতন by মনসুর মুসা
- কাদের কাদের কাদের হত্যা করেছিল? সবাই আমাদেরই স্বজন...
- সবকিছুই সম্ভব, সবাই যখন এক হয় by মোহাম্মদ বেলায়েত ...
- বদ্ধচিন্তার খাপ থেকে মুক্তি দরকার by ফরহাদ মজহার
- ‘ছাড় না দিলে এই মধ্যস্থতা সফল হবে না’ by রিয়াজুল ই...
- সিএমএইচ থেকে বিশেষ বার্তায় এইচ এম এরশাদ : আমি অসুস...
- রাজনীতিকদের শুভবুদ্ধির উদয় হোক by রোজিনা আক্তার
- ‘লুটপাটতন্ত্র বন্ধ করলে মুক্তিযুদ্ধের মূলমন্ত্র পূ...
- ‘হাসিনা ঘুঘু দেখেছে ফাঁদ দেখেননি, এবার ফাঁদ দেখাতে...
- কার অধীনে জাতীয় নির্বাচন মূল সঙ্কট সেখানেই by আমীর...
- সুজাতা হাসিনার ভাবনা by আমিরুল ইসলাম কাগজী
- ঢাকা বেড়াতে আসাই কাল হলো শান্তর by মোর্শেদ নোমান
- গুলিবিদ্ধ শিশুটি রাস্তায় পড়ে ছিল ১৫ মিনিট! by কা...
- সংকট উত্তরণ- বাংলাদেশ প্যারাডক্স by উইলিয়াম বি. মা...
- কালের পুরাণ- কোথায় র্যাব, কোথায় পুলিশ, কোথায় সরকা...
- নতুন পাসপোর্টের প্রিন্ট বন্ধ, দুর্ভোগ চলছে by দীন ...
- যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার : জাম...
- বাংলাদেশীদের জন্য হজে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ b...
- আজও বৈঠক চলছে রওশনের বাসায়
- প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগের আহ্বান বি. চৌধুরী, রব ও ...
- দুই দলের প্রস্তাবে যা আছে-
- ড. সুমিত গাঙ্গুলির বিশ্লেষণ- সামরিক বাহিনী ক্ষমতা ...
- টবি ক্যাডম্যানের সংবাদ সম্মেলন
- কোনো শর্টকাট নেই
- স্থায়ী সাংবিধানিক সমাধানে কিছু প্রস্তাব
- মানুষ হত্যার পরিণতি ভয়াবহ
- আস্থা ভোটে জয় ইতালির প্রধানমন্ত্রী লেত্তার
- বিমান দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেলেন রাহুল গান্ধী
- শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় সিক্ত ম্যান্ডেলা
-
▼
Dec 14
(29)
-
▼
December
(526)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...



