Saturday, August 23, 2014

পাকিস্তানে সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপের আশঙ্কা বেড়েছে

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে পার্লামেন্টের সামনে
সরকারবিরোধী বিক্ষোভস্থলেই গতকাল পিটিআইয়ের
কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠক হয়। এতে নেতৃত্ব দেন
দলের চেয়ারম্যান ইমরান খান। ছবি: এএফপি
বিশ্বব্যাপী সংঘাত প্রতিরোধে কাজ করা ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপ (আইসিজি) উদ্বেগ প্রকাশ করে বৃহস্পতিবার বলেছে, ইসলামাবাদে সেনাসদস্যরা বিক্ষোভকারীদের মুখোমুখি হওয়ায় পাকিস্তানে সেনা হস্তক্ষেপের আশঙ্কা বেড়েছে। পাকিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে এক মূল্যায়নে আইসিজি চলমান সংকটের বিষয়ে আইএসপিআরের প্রধান মেজর জেনারেল আসিম বাজওয়ার বক্তব্যের কথা উল্লেখ করেছে। রাজনীতিকদের ‘ধৈর্য ও প্রজ্ঞা’ দেখাতে ওই সেনা কর্মকর্তার আহ্বানের কথা উল্লেখ করে আইসিজি বলেছে, এটি সেনা হস্তক্ষেপের সম্ভাব্য ইঙ্গিত হতে পারে।
আসিম বাজওয়া ওই বিবৃতিতে সব অংশীজনদের প্রতি ধৈর্য, প্রজ্ঞা ও বিচক্ষণতা প্রদর্শন এবং বৃহত্তর জাতীয় ও জনস্বার্থে অর্থবহ সংলাপের মাধ্যমে চলমান অচলাবস্থার নিরসনের আহান জানান। আইসিজি বলছে, অতীত অভিজ্ঞতার কথা মাথায় রাখলে আসিম বাজওয়ার বক্তব্যে একটা সূক্ষ্ম ইঙ্গিত পাওয়া যায়। কারণ, রাজনীতিকরা বিচক্ষণতা দেখাতে ব্যর্থ হয়েছেন, এ ওজর দেখিয়ে সেনা হস্তক্ষেপের পথ সুগম করা হতে পারে। আইসিজির মূল্যায়নে বিদ্যমান পরিস্থিতির জন্য সরকারকেও কিছুটা দায়ী করা হয়। এতে বলা হয়, পাঞ্জাব প্রদেশের লাহোরে পাকিস্তান আওয়ামী তেহরিক (পিএটি) নেতা তাহির উল কাদরির সমর্থক ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষের জন্য সরকার দায় এড়াতে পারে না।
এ ছাড়া সরকার সময় থাকতে অন্তত কিছু এলাকার ভোট পুনর্গণনার বিষয়ে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) নেতা ইমরান খানের দাবি মেনে নিতে পারতো। তবে ইসলামাবাদে দুই দলের চলমান অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভের সময় সংযম দেখানোর জন্য সরকারের প্রশংসাও করেছে আইসিজি। আইসিজি বলেছে, গণতন্ত্র টিকিয়ে রাখতে হলে পাকিস্তানের রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্বকে সাংবিধানিক আদর্শের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো রক্ষা করা ও অর্থবহ আলোচনার উদ্যোগ নিতে হবে। সংগঠনটি পাকিস্তানের সরকার, বিরোধী দল ও নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে সংবিধান ও আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়ে বলেছে, অন্যথায় নিরাপত্তা-সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করা অসম্ভব হয়ে পড়বে।

গৃহবন্দী প্রেসিডেন্ট কন্যার আর্তি

গুলনারা কারিমভ
মধ্য এশিয়ার দেশ উজবেকিস্তানের প্রেসিডেন্টের মেয়ে গুলনারা কারিমভ। ওই অঞ্চলের ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের একজন বলে পরিচিত। কিন্তু নিজের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি এখন এক দুর্বিষহ গৃহবন্দী জীবনযাপন করছেন। পাচ্ছেন না ন্যূনতম চিকিৎসা-সুবিধাও। এসব জানিয়ে বহির্বিশ্বের কাছে সাহায্যের আর্তি জানিয়েছেন গুলনারা। খবর বিবিসির। রেকর্ড করে পাঠানো গোপন বার্তায় সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন রূপসী হিসেবে সুপরিচিত গুলনারা। ওই বার্তায় প্রেসিডেন্টের মেয়ে বলেন,
তিনি ও তাঁর কিশোরী মেয়ে ‘কুকুরের চেয়েও খারাপ’ অবস্থায় দিনযাপন করছেন। বিবিসির একজন সংবাদদাতা ওই রেকর্ড হাতে পেয়েছেন। বার্তায় গুলনারার তীব্র আকুতি, ‘আমাদের দ্রুত চিকিৎসার দরকার...যোগাযোগের সব পথ আটকাতে বাড়ির সবখানে লাগানো হয়েছে শত শত ক্যামেরা ও বিশেষ যন্ত্র। ভীষণ চাপ ও যন্ত্রণায় আছি আমরা।’ উজবেকিস্তানের মানবাধিকার রেকর্ড অনেক দিন ধরেই খারাপ।

শর্মিলা আবার গ্রেপ্তার

ইরম শর্মিলা
ভারতের মণিপুর রাজ্যে সেনাবাহিনীর বিশেষ ক্ষমতা প্রত্যাহারের দাবিতে প্রায় ১৪ বছর অনশনরত ইরম শর্মিলাকে (৪২) আত্মহত্যার চেষ্টার অভিযোগে আবার গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশে মুক্তি দেওয়ার মাত্র তিন দিনের মাথায় গতকাল শুক্রবার রাজ্যের রাজধানী ইম্ফল থেকে তাঁকে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ।
সূত্র জানিয়েছে, শর্মিলার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে। ‘মণিপুরের লৌহমানবী’ খ্যাত শর্মিলা ২০০০ সালের ৫ নভেম্বর থেকে অনশন করে আসছেন। তবে জোর করে তাঁর নাক দিয়ে তরল খাবার দেওয়া হতো। গত বুধবার কর্তৃপক্ষ শর্মিলাকে ছেড়ে দেওয়ার পর আবারও অনশন শুরু করেন তিনি। টাইমস অব ইন্ডিয়া

দেশে ফিরল মালয়েশীয় বিমানের ২০ আরোহীর লাশ

ইউক্রেনে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বিধ্বস্ত মালয়েশীয় এয়ারলাইন্সের এমএইচ-১৭ এর হতভাগ্য আরোহীদের মধ্যে ২০ মালয়েশীয় নাগরিকের লাশ শুক্রবার দেশে পৌঁছেছে। স্থানীয় সময় শুক্রবার সকাল দশটায় একটি বিশেষ বিমানে ওই লাশগুলো কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে পৌঁছায়। লাশগুলো সংগ্রহ করে ইউক্রেন থেকে প্রথমে নেদারল্যান্ডসে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে বিশেষ ফ্লাইট এমএইচ-৬১২৯ এ শুক্রবার কুয়ালালামপুর পৌঁছায় লাশগুলো।
বিশেষ সম্মানের সঙ্গে কুয়ালালামপুরের বিমানবন্দরে লাশগুলোকে গ্রহণ করে মালয়েশীয় কর্তৃপক্ষ। মালয়েশিয়ার পুত্রাজায়াতে নিহতদের শেষ সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমে তাদের নিজ নিজ ধর্মমতে সমাহিত করা হবে। এদিকে নিহত আরোহীদের প্রতি সম্মান দেখিয়ে মালয়েশিয়ায় ১ মিনিটের জন্য নীরবতা পালন করা হয়, অর্ধনমিত রাখা হয় জাতীয় পতাকা। পাশাপাশি দেহাবশেষ ফিরিয়ে আনাকে কেন্দ্র করে শোকের ছায়া নেমে এসেছে পুরো মালয়েশিয়ায়। মালয়েশিয়ান প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক সব মালয়েশীয় নাগরিককে এক হয়ে নিহতদের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছেন। মালয়েশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী দাতুক হিসামুদ্দিন বৃহস্পতিবার এক প্রেস কনফারেন্সে বলেন, ওই ঘটনায় নিহত ৪৭ মালয়েশীয় নাগরিকের মধ্যে শনাক্ত হওয়া ২০ জনের মৃতদেহ আনা হচ্ছে। এছাড়া আরও ৮টি মরদেহ নেদারল্যান্ডস সরকার শনাক্ত করতে পেরেছে। তাদের মরদেহ রোববার দেশে ফিরিয়ে আনা হবে। গত ১৭ জুলাই পূর্ব ইউক্রেন ও রাশিয়ার সীমান্তে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ২৯৮ জন আরোহীসহ মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট এমএইচ-১৭ বিধ্বস্ত হয়। ধারণা করা হয় ইউক্রেনের সরকারের বিরুদ্ধে লড়াইরত দেশটি রুশপন্থি বিচ্ছিন্নতাবাদীরা এ হামলার জন্য দায়ী। বিবিসি।

নওয়াজের পদত্যাগ প্রত্যাখ্যান

পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ বা পিটিআই এবং ড. তাহিরুল কাদরির নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান আওয়ামী তেহরিক বা পিএটি-এর দাবিকে অসাংবিধানিক বলেছে দেশটির পার্লামেন্ট। বৃহস্পতিবার দেশটির পার্লামেন্ট সর্বসম্মতিক্রমে প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে এবং গণতন্ত্র রক্ষায় সংবিধান সমুন্নত রাখার পক্ষেও মত দিয়েছে। সংসদ পিটিআই এবং পিএটি-এর সব দাবিকে প্রত্যাখ্যান করেছে।
এ ছাড়া ইমরান খান এবং তাহিরুল কাদরির সাম্প্রতিক বক্তব্যের নিন্দাও জানিয়েছে সংসদ। সিনিয়র পার্লামেন্টারিয়ান মাহমুদ খান আচাকজেই সংসদে এ বিষয়টি উপস্থাপন করেন। এদিকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ বলেছেন, পার্লামেন্টে প্রতিনিধিত্বকারী বেশিরভাগ রাজনৈতিক দলই আমাদের সঙ্গে আছে। দেশটিতে সৃষ্ট রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের সিনিয়র সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি। সাংবাদিকদের নওয়াজ বলেন, সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী ১২টি রাজনৈতিক দলের ১১টি আমাদের সমর্থন করছে এবং তারা গণতন্ত্রের পক্ষে। এ ছাড়া সব গণতান্ত্রিক শক্তি এই ইস্যুতে এখন ঐক্যবদ্ধ হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। নওয়াজ আরও বলেন, সংকট উত্তরণের একমাত্র পথ সংলাপ।
আমরা সর্বোচ্চ সংযম দেখাচ্ছি। কারণ বিক্ষোভকারীদের মধ্যে নারী ও শিশুরাও রয়েছেন। বিক্ষোভের ব্যাপারে তারা সংবিধান অনুযায়ী কাজ করছেন বলে দাবি করে নওয়াজ শরিফ বলেন, আমি গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতেই প্রধানমন্ত্রী হয়েছি। দ্য ডন। মুলতানে ১৪৪ ধারা চলমান রাজনৈতিক উত্তেজনা নিরসনে পাকিস্তানের মুলতানে শুক্রবার ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। দু’দিনের জন্য সেখানে ১৪৪ ধারা জারি করেছে প্রশাসন। খবর ডননিউজের। এর আগে বৃহস্পতিবার পিটিআইর (পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ) ভাইস চেয়ারম্যান শাহ মাহমুদ কোরেশির বাড়িতে হামলা চালায় পিএমএল-এন’র (পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ) সমর্থকরা। জেলা পিএমএল-এন’র প্রধান বিলাল বাটের নেতৃত্বে চক দৌলতে কোরেশির বাড়ির গেটের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন দলের সমর্থকরা। এ সময় তারা কোরেশির ‘গণতন্ত্রবিরোধী’ অবস্থানের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন। ওই ঘটনার পর পিএমএল-এন’র স্থানীয় ৬০ কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে মুলতান পুলিশ। এদিকে দেশটির রাজধানী ইসলামাবাদে শুক্রবারও প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে পিটিআই ও পিএটি (পাকিস্তান আওয়ামী তেহরিক)।
পাক রাজনীতিতে নাক
গলাবে না যুক্তরাষ্ট্র
পাকিস্তানের বর্তমান রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা দেশটির অভ্যন্তরীণ ইস্যু। আর পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ কোনো বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র হস্তক্ষেপ করবে না বলে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র মেরি হার্ফ শুক্রবার সকালে সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘পাকিস্তানে সরকার ও বিরোধী- এই দু’পক্ষের মধ্যে যেকোনো আলোচনায় বা আলোচনা প্রক্রিয়ায় আমরা জড়িত নই। এমনকি দেশটির বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে কোনো মন্তব্য করাও অর্থহীন।’ এমনকি চলমান সংকট শান্তিপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে সম্পূর্ণ হবে এবং দেশটির নির্বাচিত সরকারের ধারাবাহিকতায় কোনো ছেদ পড়বে না বলে আশা করেন মেরি হার্ফ।
চলমান পরিস্থিতি নিয়ে ইসলামাবাদ এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে কোনো আলোচনা হয়েছে কিনা- জানতে চাইলে মেরি হার্ফ বলেন, ‘পাকিস্তানে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সম্প্রতি বেশ কয়েকবার দেশটির শীর্ষস্থানীয় সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। সে সময়ে পাকিস্তানের চলমান সংকট নিয়ে আলোচনা হয়ে থাকতে পারে বলে আমি আশা করছি।’ মাত্র একদিন আগে দেয়া বক্তৃতায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ বলেন, ‘পাকিস্তানের নির্বাচিত সরকারকে হটিয়ে অভ্যুত্থানের চেষ্টা চালানো হচ্ছে।’ মেরি হার্ফ সংবাদ সম্মেলনে স্পষ্ট করে বলেন, ‘নওয়াজ শরিফ নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী বলেই আমরা বিশ্বাস করি। আর নওয়াজের জায়গায় কোনো প্রধানমন্ত্রী এলে তাকেও নির্বাচিত হয়েই আসতে হবে।’

ফেরিওয়ালার প্রেমে মম

‘লেইস ফিতা লেইস ফিতা’ করে ডাক দিচ্ছেন এক ফেরিওয়ালা। তা শুনেই ঘর থেকে বেরিয়ে পড়ছেন অভিনেত্রী জাকিয়া বারী মম। ফিতা, চুড়ি, কানের দুল, গলার হার যা ইচ্ছা তাই কিনছেন সেই ফেরিওয়ালার কাছ থেকে। প্রায়ই সে ফেরিওয়ালা মমর বাড়ির রাস্তা দিয়ে যেতে যেতে ডাক দেন। লেইস ফিতা কিনতে কিনতে মম এক সময় সে ফেরিওয়ালার প্রেমেও পড়ে যান। তার সঙ্গে ঘর বাঁধার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন তিনি।
সম্প্রতি ‘ফেরিওয়ালা’ শিরোনামের একটি নাটক ফেরিওয়ালার প্রেমিকার চরিত্রে অভিনয় করেছেন জাকিয়া বারী মম। আর ফেরিওয়ালার চরিত্রে এবারই প্রথম অভিনয় করলেন সজল। হাস্যরসাত্মক ও প্রেম কাহিনীনির্ভর এ নাটকটি রচনা করেছেন খলিলুর রহমান ও পরিচালনা করেছেন মাইনুল ইসলাম খোকন। এতে অভিনয় প্রসঙ্গে মম বলেন, ‘নাটকটির গল্প যে কতটা সুন্দর তা দর্শক না দেখলে বুঝতে পারবেন না। সজলের সঙ্গে আমার অভিনয়ের অভিজ্ঞতা অনেক। এ নাটকে আমাদের ভিন্ন ধাঁচের উপস্থাপন দর্শকের ভালো লাগবে বলেই আমি বিশ্বাস করি।’ আসছে কোরবানির ঈদে নাটকটি একটি টিভি চ্যানেলে প্রচার হবে বলে নির্মাতা জানিয়েছেন।

অন্য শারাপোভা

বিখ্যাত ডিজাইনার মার্ক জ্যাকবসের তৈরি করা সাদা ফ্রক। সাদা হাই হিল জুতা। হাতে সাদা ব্যাগ। কাঁধের ওপর ছড়িয়ে থাকা সোনালি চুল। অনুষ্ঠানে প্রবেশ করা মাত্র সবার চোখ তার ওপর। তিনি মারিয়া শারাপোভা। রুশ রূপসী। একই সঙ্গে কত রূপ তার। চোখ তো টাটাবেই। তাই খুব স্বাভাবিকভাবেই যাবতীয় আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠেন তিনি। বুধবার রাতে নিউইয়র্কের দ্য নিউ মিউজিয়ামে একটি চ্যারিটি শো’তে সব আলো একাই কেড়ে নিয়েছিলেন শারাপোভা। আয়োজকরা মহাখুশি। তার উপস্থিতি যে পাঁচ কোটি ৪০ লাখ ডলার অর্থ সংগ্রহে সহায়তা করেছে তাদের। বিশ্বজুড়ে স্তন ক্যান্সারের চিকিৎসা এবং মহিলাদের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়াতে খরচ হবে এই অর্থ।
টেনিস কোর্টের বাইরে শারাপোভা যখন মহৎ উদ্দেশ্যে নিজেকে সমর্পিত করেছেন, মার্কিন কৃষ্ণকলি সেরেনা উইলিয়ামস তখন র‌্যাকেট ফেলে হাতে তুলে নিলেন মাইক্রোফোন। যে শহরে অনুষ্ঠানে আলো ছড়ান শারাপোভা সেই নিউইয়র্কেই অন্য এক অনুষ্ঠানে গান গাইলেন সেরেনা। কোমর দোলালেন গানের সুরে। যদিও স্বীকার করেছেন, ‘গান গাওয়া বাপু আমার কম্মো নয়।’ পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের একটি জনপ্রিয় টিভি শো’র সঞ্চালক ডেভিড লেটারম্যানের সঙ্গে টেনিসও খেললেন সেরেনা। হাই হিল জুতা, কালো টপ এবং সাদা-কালো স্কার্ট পরেই কোর্টে নেমে পড়েন কৃষ্ণকলি। টেনিসের বাইরেও যে একটা জীবন আছে এবং সেই জীবনে শারাপোভা-সেরেনা যে মুক্ত বিহঙ্গ, তা এ দুই রুশ-মার্কিন টেনিস তারকা দেখিয়ে দিলেন। ওয়েবসাইট।

আত্মহত্যার চেষ্টার কথা অস্বীকার করলেন ন্যান্সি

‘আমি আত্মহত্যার চেষ্টা করিনি। এটা আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার’- সম্প্রতি ফোনে যুগান্তরকে এমনই জানালেন কণ্ঠশিল্পী ন্যান্সি। যুগান্তর প্রতিবেদক তার সঙ্গে দেখা করতে চাইলে তিনি বলেন, ‘পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠলে আমি আপনাদের সময় দেব।’ দুইদিন হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে সংকট কেটে গেলে ঢাকার মগবাজারের বাসায় ফিরেছেন তিনি। এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘আমার স্বামীর সঙ্গে কোনোরকম ঝামেলা নেই। আমরা দু’জনই সুখে আছি।’ সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরে তিনি স্বামী নাজিমুজ্জামান জায়েদের সঙ্গে বুধবার ঘুরতেও বেরিয়েছেন বলে জানান তিনি।
আলাপচারিতায় তিনি বলেন, ‘আমি মোটেও অসুখী নই। একটি মহল আমার ক্যারিয়ারের ক্ষতি করার জন্য আত্মহত্যার চেষ্টার খবর ছড়িয়েছে।’ ন্যান্সি জানান, চলতি বছরের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় সন্তান নায়লার আগমনের পর থেকেই রাতে তার ঘুম হতো না। সে জন্য চিকিৎসকের পরামর্শে ঘুমের ওষুধ খেতেন তিনি। ঘটনার দিন ঘুম না আসাতে এক সঙ্গে পাঁচটি ঘুমের ট্যাবলেট খান তিনি। এরপরই অসুস্থ হয়ে পড়েন। যদিও ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডাক্তার জাকির হোসেন তখন সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ন্যান্সি দুই দফায় ৬০টি ঘুমের ট্যাবলেট খেয়েছেন বলে তাকে জানিয়েছেন। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ন্যান্সি বিষয়টি পুরোপুরি অস্বীকার করেন।

থাই অভ্যুত্থানের নেতা প্রধানমন্ত্রী হলেন

প্রাইয়ুথ শান-ওশা
থাইল্যান্ডের সামরিক অভ্যুত্থানের নেতা জেনারেল প্রাইয়ুথ শান-ওশা দেশটির নতুন প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার জান্তা-নিয়ন্ত্রিত পার্লামেন্ট তাঁকে প্রধানমন্ত্রী পদে নির্বাচিত করে। খবর এএফপি, রয়টার্স ও বিবিসির। একতরফা এ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে থাইল্যান্ডে সামরিক বাহিনীর ক্ষমতা আরও সুরক্ষিত হলো বলে মনে করা হচ্ছে।
৬০ বছর বয়সী সেনাপ্রধান শান-ওশার নেতৃত্বে গত ২২ মে থাইল্যান্ডে রক্তপাতহীন এক অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ইংলাক সিনাওয়াত্রার নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করা হয়। জেনারেল শান-ওশাকে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করার বিপক্ষে কেউ ভোট দেননি। তিনিই ছিলেন একমাত্র প্রার্থী। মোট ১৯৭ সদস্যের পার্লামেন্টে তাঁর পক্ষে ১৯১টি ভোট পড়েছে।

মহারাষ্ট্রের দুই বোনের ফাঁসি স্থগিত

রেনুকা,সীমা
ভারতের মহারাষ্ট্রের দুই বোনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা আপাতত স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আদালতের এক আদেশে বলা হয়েছে, আদালত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত তাঁদের ফাঁসি কার্যকর করা বন্ধ রাখতে হবে। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার। ভিক্ষা করানোর উদ্দেশ্যে ১৩ শিশুকে অপহরণের পর নয়জনকে হত্যার দায়ে ২০০১ সালে ফাঁসির রায় হয় মহারাষ্ট্রের দুই বোন রেনুকা কিরণ সিন্ধে (৪৫) ও সীমা মোহন গবিতের (৩৯)।
রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণ ভিক্ষার আবেদন করলেও তা গত ৩১ জুলাই নাকচ করে দেওয়া হয়েছে। দণ্ড কার্যকর করা হলে, তাঁরা হবেন ফাঁসিতে ঝোলা ভারতের প্রথম নারী অপরাধী। দুই নারী আদালতে দায়ের করা এক পিটিশনে বলেছেন, প্রাণভিক্ষার আবেদনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত দিতে রাষ্ট্রপতি অতিরিক্ত সময় নিয়েছেন। এই অযথা সময় ক্ষেপণের কারণেই শাস্তি কমিয়ে যাবজ্জীবন করার আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা। হাইকোর্টের দুই বিচারপতির বেঞ্চ গতকাল বলেন, ওই পিটিশনের ওপরে শুনানি করা এবং সিদ্ধান্ত দেওয়ার এখতিয়ার আদালতের রয়েছে। ওই অহেতুক বিলম্বের বিষয়ে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারকে ব্যাখ্যা দেওয়ারও নির্দেশনা দিয়েছেন আদালত।