Wednesday, December 4, 2013
সংবাদমাধ্যম নিয়ে ফরহাদ মজহার : মত প্রকাশের স্বাধীনতা, ঘৃণাযুক্ত বক্তব্য এবং আইনী মীমাংসার প্রশ্ন by বাধন অধিকারী
তবে আজকের এই লেখার উপজীব্যের স্বার্থেই গণমাধ্যম নিয়ে ফরহাদ মজহারের ওইদিনের গণমাধ্যম সংক্রান্ত আলাপটাকে খানিক বিচার করতে হবে আমাদের। পাঠক, এইতো কদিন আগের কথা, আপনাদের মনে আছে নিশ্চয়; ফরহাদ মজহার কিন্তু উৎসাহ জুগিয়েছেন এই তথ্যহীন-ভিত্তিহীন প্রচারণায় যে, হেফাজতের সমাবেশে হাজার হাজার মানুষকে গুলি করে মারা হয়েছিলো। তিনি কিন্তু চুপ করে ছিলেন, যখন শাহবাগের তরুণরা সবাই নাস্তিক না হয়েও নাস্তিক্যের অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছিলো। দেশব্যাপি ঘৃণাযুক্ত বক্তব্য (হেইট স্পিচ) প্রচার পেয়েছিলো। যাদের পক্ষে না দাঁড়ানোর কারণে তিনি আজকে গণমাধ্যম সংশ্লিষ্টদের অভিযুক্ত করছেন, সেই আমার দেশ, সেই দিগন্তই ছিলো এইসব ভিত্তিহীন প্রচারণার প্রাণভোমরা। আর শাসক শ্রেণীর সরকার-বিরোধী অংশের (আমার মতো অনেক মানুষের বিবেচনাতেই সরকার আর বিরোধী দল- দুই-ই শাসক শ্রেণীর অস্তর্গত) এইসব মিডিয়ার প্রচারণায় কেবল শাহবাগের তরুণদের ক্ষতি হয়নি; ক্ষতি হয় আওয়ামী লীগের ভোট ব্যাঙ্কেও। সবগুলো সিটি নির্বাচনে আওয়ামীলীগ নেতৃত্বাধীন জোট হেরে যায় বেহালভাবে। প্রতিশোধ নিতে আইনগত সন্ত্রাস চালিয়ে বন্ধ করে দেয়া হয় এইসব সরকারবিরোধী মিডিয়া।
আর এদিকে শাসকশ্রেণীর বিরোধীদলীয় অংশের হাতে তো আজ রাষ্ট্রের আইন নাই, নির্বাহী ক্ষমতা নাই, সেকারণে তারা শারীরিক সন্ত্রাস চালাচ্ছে। বোমা মারছে। খুব পরিস্কার কথা। আর সেই পরিস্কার কথাটা বলতে গিয়ে ফরহাদ মজহার ফাঁদে পড়েছেন। সরকারপন্থী মিডিয়াগুলো এবার সেই সময়ের আমার দেশ দিগন্ত টিভি কায়দায় মিথ্যা প্রচারণা করছে। সরকারবিরোধীরা করেছিলো ব্লগারদের বিরুদ্ধে, তাদের বানিয়েছিলো নাস্তিক। আজ সরকারপন্থীরা মিথ্যে প্রচারণা করছে ফরহাদ মজহারের বিরুদ্ধে, তাকে বানিয়েছে বোমাবাজ। একেই কি বলে ন্যাচারাল জাস্টিজ?
সে প্রশ্নে আমরা পরে আসছি। তারআগে একটা জরুরি দিক খেয়াল করতে হবে আমাদের। সেটা হলো; যে প্রতিশোধের রাজনীতির কথা বললাম, সেই রাজনীতিকেই ফরহাদ মজহার স্বাভাবিক বলে রায় দিলেন। তাহলে প্রশ্ন না উঠে যায় কোথায়, ফরহাদ মজহার শাসক শ্রেণীর বিরোধী দলীয় অংশের একজন প্রতিনিধি; যিনি প্রতিশোধকেই গন্তব্য বিবেচনা করেন? ফরহাদ ভাইয়ের মতে; শাহবাগের ছেলেমেয়েরা যুদ্ধাপরাধির ফাঁসি চেয়ে চিৎকার দিলে ফ্যাসিবাদ হয়; আর জামায়াত-শিবির একাত্তর টিভিতে বোমা মারলে তা একাত্তরের ভূমিকার দোষ হয়! এই বৈপরীত্যের পাঠ নেয়াই আদতে ফরহাদ মজহার পাঠ! ফরহাদ ভাইয়ের সূত্রেই পরিচিত হয়েছিলাম এ্যাডোয়ার্ড সাঈদের সঙ্গে। নিপীড়িতের পক্ষের আমৃত্যু লড়ে যাওয়া সেই সংগ্রামী বুদ্ধিজীবী সাঈদের জবানে প্রকৃত বুদ্ধিজীবী একা। না, জনবিচ্ছিন্ন নন তিনি। তবে ক্ষমতাবিচ্ছিন্ন। শাসক-শ্রেণী বিচ্ছিন্ন। ক্ষমতার বিপরীতে একাকী দাঁড়াতে পারেন যিনি, তিনিই সত্যিকারের বুদ্ধিজীবী। ফরহাদ মজহারের অন্য এক ক্ষমতাশক্তির পক্ষ হয়ে এখনকার এক ক্ষমতাশক্তির বিরুদ্ধে লড়ছেন। এটা দলবৃত্তি। বুদ্ধিবৃত্তি না। সেকারণেই এই বৃত্তি বড়জোর প্রতিশোধকেই নির্দিষ্ট করতে পারে। প্রতিশোধ-স্পৃহার উত্থান যেখানে, সেই জায়গাটাকে নির্দিষ্ট করতে পারে না।
ফরহাদ ভাইয়ের প্রতি শ্রদ্ধা অক্ষুণ্ন রেখে বলছি; একাত্তর টেলিভিশনে মারা এই বোমার ভেতরে যে প্রতিশোধের আগুন তার জ্বালানি সরবরাহকারী তো দুই পক্ষই। যে পক্ষ আজ একাত্তরকে সরকারের দালাল বলে বোমা হামলা করছে, সেই পক্ষইতো তাদের সংবাদমাধ্যমগুলো বন্ধ হওয়ার আগে মনের মাধুরী মিশিয়ে হলুদ গল্প লিখে গেছে দিনের পর দিন। তখন কি ফরহাদ মজহার বলেছিলেন, সরকারপক্ষকে কথা বলতে না দিলে তো এগুলো বন্ধ হবেই! বলেছিলেন কি, বন্ধ হওয়াই উচিত! বলেননি। বলার কথাও নয়। কাজের কথা ছিলো দাঁড়ানো। অবস্থান নেয়া। উনি নিয়েছেন। সিরকারবিরোধী মিডিয়াগুলোর পক্ষে। আর আজ সরকারপক্ষীয়রা নির্বাহী ক্ষমতায় নয়, একেবারে ডিরেক্ট বোমায় আক্রান্ত হবার পর উনি বলছেন, এটাই উচিত ছিলো! মানে এটাই হবার ছিলো! এখানেই তিনি বুদ্ধিজীবী থেকে দলীয় চিন্তাবিদে পর্যবসিত হন, হারিয়ে ফেলেন বোমার ভেতরের মানসিক উপাদানগুলো; যার নির্মিতি খোদ ক্ষমতাদখলের রাজনীতির মধ্যেই।
টক শোর আলোচনার এক পর্যায়ে গিয়ে ফরহাদ ভাই বলেছেন, মত প্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষে তিনি। সেকারণে সরকারপন্থীরা যা করছে করুক না, তবে সরকারবিরোধী মিডিয়াগুলো বন্ধ করে দেয়া হলো কেন, সেটাই ফরহাদের অভিযোগ। এই অভিযোগের ভেতরেও রয়েছে, ক্ষমতা-রাজনীতির সীমাবদ্ধ অঞ্চল। উনি এই সরকার আর বিরোধীদের বাইরে এসে বলেননি; সরকারপক্ষীয় বা সরকারবিরোধী; যাই হোক না কেন, সবগুলো মিডিয়াই এন্টিপিপল (জনবিরোধী কিংবা এর সমার্থক শব্দ উনি উচ্চারণ করেছেন বটে, তবে তা কেবল বিরোধী দল-বিরোধী অর্থে। যেন বিরোধী দলটাই হলো মাস পিপল!)। তিনি বলেননি, সবগুলো বড় মিডিয়া হাসিনা-খালেদার কিংবা কথিত আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের, কিংবা বহুজাতিক কর্পোরেশনের পক্ষের রাজনীতি করে। ফরহাদ ভাই বলেননি, কেননা উনিও ওইসব পক্ষেরই কোনো একটার অন্তর্গত। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড চান। তার পক্ষের জন্য। সেটাই তাঁর কাছে নিরপেক্ষতা।
আর এ কারণেই বিপরীত পক্ষ তাঁকে একাত্তর-টেলিভিশন বিরোধী হিসেবে শনাক্ত করে। আখ্যা দেয় বোমাবাজ। তাঁকে ফাঁদ পেতে ধরার চেষ্টা করে। একাত্তরে বোমা হামলা যেমন করে বিরোধীদের কণ্ঠস্বর বিলীন করবার প্রতিক্রিয়া; ফরহাদ মজহারের জন্য বোমা-ফাঁদ পাতাও তেমনি ওনার মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া। এটাই প্রতিশোধের খেলা। এরই নামতো রাজনীতি। ক্ষমতা দখলের লড়াই। ফরহাদ মজহার বুদ্ধিজীবী থেকে সেই দখলদারিত্বের খেলায় বিরোধী অবস্থানে থাকা রাজনৈতিক শক্তির একজন বুদ্ধিবৃত্তিক হাতিয়ারে রূপান্তরিত হয়েছেন। সরকার-পক্ষীয়রা এবার তাই তাঁর বিরুদ্ধে তৎপর; আইনগত সন্ত্রাস চালাতে।
এরইমধ্যে এই আইনগত সন্ত্রাসের পক্ষে বুদ্ধিবৃত্তিক অস্ত্র সরবরাহ করেছেন আরেক মহাত্মা সলিমুল্লাহ খান। ক্ষমতাশক্তির সরকারপন্থী অংশের পক্ষে দলবৃত্তি করতে গিয়ে ফরহাদ মজহারের বক্তব্যকে রাষ্ট্রদ্রোহীতা আখ্যা দিয়েছেন তিনি। এবার এও বলা হতে পারে; ফরহাদ মজহার হেট স্পিচ ছড়িয়েছেন। একটা কমিউনিটি হিসেবে সাংবাদিকদের প্রতি ঘৃণা ছড়িয়েছেন। তাদের হামলার মদদ দিয়েছেন। তবে এইসব অভিযোগ সত্য নয়; আমরা যারা সেদিনের টক শো টা দেখেছি, তারা সবাই জানি। আর যদি সত্যি হয়ও, তাহলেও কি আমরা ফরহাদ মজহারকে সরকারের আইনগত সন্ত্রাসের হাতে ছেড়ে দেব? তাঁকে গ্রেপ্তার হয়রানি রিম্যান্ড করবে সরকার; আর আমরা চেয়ে চেয়ে দেখব? তারপর টক শো-তে গিয়ে বলব; ফরহাদ মজহার কেবল সরকার-বিরোধীদের পক্ষেই বলে। সরকারের পক্ষে কোনো অবস্থান নেয় না। তার গ্রেপ্তার-রিম্যান্ড-হয়রানি তো হবারই কথা! তার ফাঁসি হওয়া উচিত! না বলব না।
তাহলে ফরহাদ মজহারের মতো, আমরাও বুদ্ধিবৃত্তিক কর্তব্য ভুলে সরকারের দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়নের অংশ হয়ে যাব। ব্যক্তিগতভাবে জানিয়ে রাখি; নির্বাহী আদেশে আমার দেশ বন্ধ করে দেয়ার পর প্রকাশ্যে তার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছি আমি। যদিও ওই পত্রিকাটা আমার কাছে আগাগোড়া হলদেটে! দগদগে হলুদ। আজ ফরহাদ মজহারের মতামতের প্রবল বিরোধী হয়েও তার বিরুদ্ধে পাতা সরকারপক্ষীয় ফাঁদের হাত থেকে তাকে বাঁচানোকেই তাই বুদ্ধিবৃত্তিক কর্তব্য হিসেবে নির্দিষ্ট করেছি। এমনকী ফরহাদ মজহার হেট স্পিচ ছড়াইলেও (যদিও আমার বিবেচনায় ফরহাদের বক্তব্য কোনোভাবেই হেট স্পিচ না) আমাদের সামগ্রিক মত প্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষের অবস্থানের নৈতিক পাটাতন থেকে তাঁর অধিকারের পক্ষে আমাদের দাঁড়াতে হবে।
এখানে একটু বিস্তারিত বলে রাখি। ফরহাদ মজহার রাষ্ট্রীয় হয়রানির শিকার হলে তার বিরুদ্ধে আমাদের দাঁড়াতে হবে; দিন দুয়েক আগে আমার এমন একটি স্ট্যাটাসের বিপরীতে ফেইসবুকে কথা হচ্ছিলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃ-বিজ্ঞান বিভাগের একজন প্রিয় শিক্ষকের সঙ্গে। উনি বলছিলেন, মত প্রকাশের স্বাধীনতা নির্বিচারী হতে পারে কিনা। যিনি বলছেন, তার দায়দায়িত্বের প্রশ্ন আছে কি নেই। আলাপটা যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে এগোয়নি। তবে এটা কে না জানে, দায়িত্বহীন মন্তব্য অনেক ক্ষতি করে ফেলে। হেইট স্পিচ কিংবা হার্ম স্পিচ, যা কিনা, কোনো নির্দিষ্ট জাতি-বর্ণ-লিঙ্গ-ধর্ম অথবা অন্য কোনো অর্থে একটা কমিউনিটির প্রতি বিদ্বেষ ছড়াতে ব্যবহার করা হয়, তার ফলাফল খুবই ভয়ঙ্কর হয়। এতে দাঙ্গা-সংঘর্ষ-রক্তপাত অব্দি হয়। তবে একক মন্তব্যকারীকে বিচ্ছিন্নভাবে এজন্য দায়ী করে কোনো লাভ হয় না। তাকে আইনের আওতায় নিয়েও সত্যিকারের ইতিবাচক কিছু হয় না। কেননা হেট স্পিসের ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার আগে নয় কিন্তু, ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনের পরিসর কাজ শুরু করে হেট স্পিস ছড়িয়ে পড়ার পরে। ততক্ষণে যা ক্ষতি হবার, তাতো হয়েই যায়। ইতিহাসের মুক্তিপন্থী-সমাজবাদীদের কাছে শিখেছি; যে বক্তব্য হেইট স্পিচ, হার্ম স্পিচ, তাকে ইতিবাচক মানবিক শুভ আর মঙ্গলের পক্ষের বক্তব্য দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। একটা হেট স্পিসের বিপরীতে ১০টা সমতা-ন্যায়ের পক্ষের বক্তব্য সামনে আনতে হবে। পাঠক খেয়াল করে দেখেছেন নিশ্চয়, হেইট স্পিসের ভাইরাস সবাইকে আক্রান্ত করে না। পাহাড়িদের বিরুদ্ধে কেউ এমন বক্তব্য ছড়ালেই কি আমি যাব, পাহাড়িদের ধ্বংস করতে? যাব না। অনেক মানুষ যাবে না। এই যারা যাবে না, তারা কিন্তু মানবীয়তার (দোহাই, আমাকে হিউম্যানিস্ট ভাববেন না) একটা পর্যায় অতিক্রম করেছে। সেকারণে হেট স্পিসের বিপরীতে আমাদের প্রতিরোধের অস্ত্র হলো, সমাজটাকে আরও মানবীয় করে তোলা। আরও মুক্ত করে তোলা। আরও শোষণহীন করে তোলা। যেন হেইট স্পিসের ভাইরাস মানুষকে আক্রমণ করতে না পারে। আইন করে তাকে বন্ধ করতে গেলে খুব একটা লাভ হবে না। আর তারও আগের কথা হলো, আইন মানেই তার রাজনৈতিক ব্যবহার হবে। কোনটা হেট স্পিচ, কোনটা হেইট স্পিচ না, তা নির্ধারিত হবে দলীয় কিংবা ক্ষমতাশালীর এজেন্ডার ভিত্তিতে। চোখের সামনেই উদাহরণ জ্বলজ্বল করছে। একাত্তরে বোমা হামলার প্রেক্ষাপটে ফরহাদের বক্তব্য সরকারপক্ষের কাছে ভয়ঙ্কর। তবে তাদের মন্ত্রী-এমপিরা হরতালকারীদের হত্যা করতে বললেও তা ভয়ঙ্কর হয় না।
সুতরাং, আমরা যারা ক্ষমতাশালীদের কোনো অংশেরই প্রতিনিধিত্ব করি না, তাদের দাঁড়াতে হবে যে কোনো মতামতের বিপরীতে রাষ্ট্রীয় হয়রানির বিরুদ্ধে। ব্যক্তি ফরহাদ মজহার নয়; নিজের মতামত প্রকাশকারী একজন নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকে যেন স্বাধীনতা ভোগ করে, সেই ন্যায়ভিত্তিক সমাজের প্রেরণার পক্ষে দাঁড়াতে গিয়েই আমাদের ফরহাদের হয়ে লড়তে হবে প্রয়োজনে; রাষ্ট্রযন্ত্রের বিরুদ্ধে। আদতে আমাদের নিজেদের প্রয়োজনেই দাঁড়াতে হবে। যেন আমার কথা বলার অধিকারটাও একদিন কেড়ে নিতে না পারে রাষ্ট্রযন্ত্র!
লেখক: সংবাদকর্মী
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অপরিণামদর্শিতার খেসারত মানুষ কেন দেবে? আন্দোলনের নামে সহিংসতা

বিরোধীদলীয় নেতা তাঁর কর্মীদের সাধারণ মানুষের জীবন ও সম্পদের ক্ষতি না করতে আহ্বান জানিয়েছেন। এই আহ্বান শুনে মনে পড়ে যায়, ‘এতক্ষণে অরিন্দম কহিলা বিষাদে!’ ইতিমধ্যে স্কুলগামী শিশু, ঘরফেরতা পেশাজীবী-গৃহবধূ, দিনমজুর বৃদ্ধ বীভৎস আগুনে পুড়ে অথবা গণশত্রু ককটেলের আঘাতে জীবন হারিয়েছেন। এ এমন মৃত্যু, যার কোনো সান্ত্বনা নেই; এ এমন মৃত্যু, কোনো মানুষেরই যা হওয়া উচিত নয়। অথচ যা হওয়া উচিত নয়, তা-ই ঘটছে। বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়ার এই আহ্বান তাই অপরিণামদর্শী সহিংসতার দায় লাঘব করতে পারে না।

এমনকি সরকারি বাহিনীর গুলিতেও আন্দোলনকারীসহ সাধারণ মানুষের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে যাচ্ছে। সরকার সমঝোতার পথ ছেড়ে পুলিশ-বিজিবি ও ক্যাডারদের দিয়ে রাজপথের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে চাইছে। এই কৌশলও অপরিণামদর্শী। কারণ, রাজনৈতিক সমস্যাকে এভাবে বলপ্রয়োগে সমাধান করা যায় না। এতে করে বিরোধীরা পাল্টা বলপ্রয়োগে উৎসাহী হয় ওঠে এবং সেটাই ঘটছে। প্রমাণিত হয়েছে, সরকারি বাহিনীগুলো বিরোধী দল দমনে যতটা দক্ষ, জননিরাপত্তা প্রদানে ততটাই ব্যর্থ। নইলে পুলিশের নাকের ডগাতেই একের পর এক নাশকতা ঘটা এবং অপরাধীদের অধরা থেকে যাওয়া কীভাবে সম্ভব হচ্ছে? বাসে অগ্নিদগ্ধ গীতা সেনের কণ্ঠে তাই দেশবাসীর মনের কথাটাই প্রকাশিত হয়েছে যে ‘আমরা অসুস্থ সরকার চাই না’।

বিরোধী দলকেই প্রথমে নাশকতা থেকে আন্দোলনকে আলাদা করতে হবে। আর সহিংসতাই যদি আন্দোলনের একমাত্র ভাষা হয়, তাহলে পরিস্থিতির অবনতির দায় তাদেরও ছাড়বে না।

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সহিংস রাজনীতি- চাই অহিংস নৈতিক শক্তির উত্থান by আলী রীয়াজ
সহিংসতা বাংলাদেশের রাজনীতিতে কোনো নতুন বিষয় নয়, কিন্তু গত কয়েক দিনের পরিস্থিতি থেকে এটা স্পষ্ট হয়ে গেছে যে এখনকার অবস্থা আগের কোনো পরিস্থিতির সঙ্গে আর তুলনীয় নয়। কয়েক বছর ধরেই রাজনীতিতে সহিংসতা বৃদ্ধি পাচ্ছিল এবং এ বছরের ফেব্রুয়ারির শেষে যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে জামায়াতে ইসলামীর তাণ্ডব ও নির্বিচার আক্রমণ তা আগের যেকোনো সময়কে ছাড়িয়ে যায়। কিন্তু গত কয়েক দিনের ঘটনা এর চেয়েও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। বিরোধী দলের ডাকা হরতাল ও অবরোধ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বিএনপি-জামায়াতের কর্মী ও সমর্থকদের নেতৃত্বে সারা দেশে তৈরি হয়েছে এক ভয়াবহ অবস্থা। সরকারের পক্ষ থেকে তা মোকাবিলায় গৃহীত পদক্ষেপ সাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি।
অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে আমার মনে হয়েছে যে সহিংসতার প্রকৃতি, মাত্রা ও পরিসরে বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটেছে, যা মানবিক বিবেচনায় যেমন, তেমনি রাষ্ট্র ও রাজনীতির বিবেচনায়ও সবার মনোযোগ দাবি করে। তিনটি বিষয়ের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য তাগিদ থেকে এ লেখা। প্রথমত, সহিংসতা ক্রমেই ভৌগোলিকভাবে বিস্তার লাভ করছে। অতীতে সরকারবিরোধী আন্দোলনের সময়, সেটা ১৯৯৪-১৯৯৬ কিংবা ২০০৬ সালেও সহিংস ঘটনা কার্যত বড় বড় শহরকেন্দ্রিক ছিল।
কিন্তু এখনকার ঘটনাবলি কেবল নগরকেন্দ্রিক নেই; গত এক মাসের সংবাদপত্র ও গণমাধ্যমের দিকে তাকানোই এটা বোঝার জন্য যথেষ্ট। সরকারের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি মোকাবিলার কৌশল হিসেবে কেবল আইন প্রয়োগকারী বাহিনীর ওপরই নির্ভর করা হচ্ছে। তাতে করে এসব সহিংতার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছেন আইন প্রয়োগকারী বাহিনীর সদস্যরা। সহিংসতার এ ধারা যদি অব্যাহত থাকে এবং তা ক্রমেই বৃদ্ধি পায়, তবে তা রাষ্ট্র ও একদল মানুষকে মুখোমুখি করে তুলবে কি না, সেটা বিবেচনায় নেওয়া দরকার। রাজনৈতিক মতপার্থক্যকে রাজনৈতিকভাবে সমাধান করার বদলে শক্তি প্রয়োগের ধারায় নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে বিরোধীরা কয়েক কদম এগিয়ে আছে। কিন্তু তাদের এ পদক্ষেপ রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎকে বিপন্ন করে তুলছে কি না, তারা কি সেটা ভেবে দেখেছে? গোটা রাষ্ট্রব্যবস্থার ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়লে গণতন্ত্রের প্রশ্নটি অবান্তর হয়ে পড়তে পারে।
অন্যদিকে, সরকারের অনমনীয়তা এবং মূল রাজনৈতিক কারণের দিকে দৃষ্টি না দেওয়ার নীতির সম্ভাব্য পরিণতির বিষয়ে সরকারের নীতিনির্ধারকেরা কতটা মনোযোগী, সেটাও একটা বড় প্রশ্ন। এই আশঙ্কা কি অমূলক যে এখন অবস্থা যা, তার আরও অবনতির অর্থ হবে যে দেশজুড়ে এক ‘অসম সংঘাতের’ (এসিমেট্রিক্যাল কনফ্লিক্ট) তৈরি হওয়া? যেকোনো ধরনের অসম সংঘাতের ক্ষেত্রে আপাতদৃষ্টে শক্তিশালী ও বৃহৎ শক্তি যদিও মনে করে যে তার বিজয় নিশ্চিত, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তা ঘটে না। কিন্তু তাতে রক্তক্ষয় ও প্রাণনাশের সংখ্যাই কেবল বাড়ে।
দ্বিতীয় বিষয়টি হলো, এ সহিংসতার রূপ দেখে মনে হয় যে তা দেশে ‘সহিংসতার কুটিরশিল্প’ তৈরি করে দিচ্ছে। গত কয়েক সপ্তাহে সহিংসতায় ব্যবহূত বোমা ও অন্যান্য বিস্ফোরক যে দেশের ভেতরে তৈরি, সেটার একটা ইতিবাচক দিক হলো, এখনো তা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। কিন্তু উদ্বেগের বিষয়, এগুলো তৈরির একধরনের শিল্প সৃষ্টি হচ্ছে এবং একে কেন্দ্র করে বাণিজ্য শুরু হয়েছে। কোনো দেশে এ ধরনের একটা সহজ বাণিজ্যের পথ উন্মুক্ত হলে এবং তার অনুকূল পরিবেশ থাকলে তা একসময় নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে বাধ্য। আজকে যারা এ কাজে উৎসাহ জোগাচ্ছে, কাল তাদের প্রতিপক্ষ তাদের বিরুদ্ধে এ কৌশল ব্যবহার করবে না, তার নিশ্চয়তা কোথায়? ভবিষ্যতে তা যে রাজনীতির বাইরে বিস্তৃত হবে না, সে নিশ্চয়তা কে কাকে দিচ্ছে?
তৃতীয়ত, এই যে সহিংসতা, তা কি কারও নিয়ন্ত্রণের ভেতরে আছে? আজকে বিরোধীরা প্রকাশ্যে স্বীকার না করলেও হয়তো বলতে পারে যে অবস্থার পরিবর্তন ঘটলেই এর অবসান হবে। কিন্তু আমার আশঙ্কা, এ সহিংসতা শেষ পর্যন্ত নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতিতে বিশ্বাসীদের হাতে না-ও থাকতে পারে। কেননা, এ ধারা অব্যাহত থাকলে সহিংসতার মাত্রা বাড়বে এবং তা নতুন নতুন রূপ নেবে। এতে করে এর ওপর এমন শক্তির নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা নিয়মতান্ত্রিক সাংবিধানিক রাজনীতির জন্যই হুমকি হয়ে উঠতে পারে। বিরোধী দলের যেমন তা বিবেচনায় নেওয়া দরকার, তেমনি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে থাকা সরকারকেও তা অনুধাবন করতে হবে। একটি নির্বাচনই গণতন্ত্র ও রাজনীতির শেষ কথা নয়।
রাজনৈতিক মতপার্থক্যকে কেন্দ্র করে যে ভয়াবহ সহিংসতার পথে দেশ ইতিমধ্যে এগোতে শুরু করেছে, তার মাশুল গুনতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। এ পরিস্থিতির অবসান কেবল রাষ্ট্রশক্তি বা রাজনীতিবিদদের শুভবুদ্ধির উদয়ের আশায় বসে থাকলে হবে বলে মনে করার কারণ নেই। এ জন্য ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষকেই এগিয়ে আসতে হবে। তাদের অহিংস নৈতিক শক্তির চেয়ে বড় কোনো শক্তি নেই। তাদের মধ্য থেকেই এ দাবি সামনে রেখে সমবেত হতে হবে যে আমরা শান্তি চাই, আমরা ক্ষমতার লড়াইয়ে পড়ে আর মরতে চাই না। তাদের নৈতিক চাপ প্রয়োগ করা দরকার বিরোধীদের ওপরে যেমন, তেমনি সরকারি দলের ওপরেও। অহিংস নৈতিক শক্তির দরকার বাংলাদেশে, যা এর আগে এত বেশি করে আর কখনোই অনুভূত হয়নি।

আলী রীয়াজ: পাবলিক পলিসি স্কলার, উড্রো উইলসন ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর স্কলারস, ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শুভবুদ্ধির উদয় হোক- দেশ কোন দিকে যাচ্ছে?

অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, সমঝোতার আহ্বানই উপেক্ষিত হয়েছে এবং দুই পক্ষই নিজ নিজ অবস্থানে অনড় রয়েছে। দুই দফা অবরোধ কর্মসূচিতে গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রাণহানির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪০ জনে। এই অবস্থায় শান্তিপূর্ণ, অবাধ, অংশগ্রহণমূলক এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কেবল দুরূহ নয়, অসম্ভবও।
জাতীয় পার্টির নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা যদি শেষ পর্যন্ত বহাল থাকে, তবে দেশ যে নির্বাচনের দিকে যাচ্ছে, তা সব অর্থেই একদলীয় হিসেবেই বিবেচিত হবে। এ ধরনের একটি নির্বাচন দেশের জন্য কী ফল বয়ে আনবে?
গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু একটি নির্বাচনকে তখনই প্রকৃত নির্বাচন হিসেবে উল্লেখ করা যায়, যদি তা হয় অংশগ্রহণমূলক, শান্তিপূর্ণ ও অবাধ। এর একটির অনুপস্থিতিই নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতাকে প্রশ্নের মুখে ফেলবে। দেশের প্রধান বিরোধী দল যদি নির্বাচনে অংশ না নেয়, তবে সেটা আর যা-ই হোক অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হবে না। আর বিরোধী দল যখন সেই নির্বাচন ঠেকানোর আন্দোলন করছে, তখন নির্বাচন শান্তিপূর্ণ না হওয়ার আশঙ্কাই জোরালো হয়েছে।
আমরা আগেও বলেছি, আবারও বলি, গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য প্রয়োজন সবার কাছে গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন। আর এ ধরনের একটি নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য দেশের প্রধান দুটি রাজনৈতিক দল ও জোটের মতৈক্যে আসার কোনো বিকল্প নেই। নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে যে বিরোধ, তা আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের অযোগ্য নয়। কিন্তু যেকোনো সমঝোতা বা বিরোধ মেটানোর ক্ষেত্রে যেটা জরুরি, তা হচ্ছে আন্তরিকতা ও ছাড় দেওয়ার মানসিকতা। দেশের দুটি প্রধান রাজনৈতিক দল এই দুটি ক্ষেত্রেই চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে। দেশ আজ যে অনিশ্চিত অবস্থার মধ্যে এসে পড়েছে, এর দায় দুই পক্ষের হলেও একতরফা নির্বাচনকেন্দ্রিক সংঘাত ও সংঘর্ষের দায় প্রধানত সরকারকেই নিতে হবে। আমরা এখনো মনে করি, সমঝোতার সুযোগ শেষ হয়ে যায়নি। সরকারের শুভবুদ্ধির উদয় হোক।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নির্বাচন- রাষ্ট্রীয় সংকট ও রাষ্ট্রপতি by আলী ইমাম মজুমদার
About: Mids
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাজনীতি- কী হবে এখন? by ইনাম আহমদ চৌধুরী
About: Mids
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিশ্বায়নের কাল- ক্ষমতার লড়াইয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত ক্ষতি by কামাল আহমেদ
About: Mids
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নাগরিক মন্তব্য: গীতা সেন: শান্তিপ্রিয় জনতার মুখপাত্র
About: Mids
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মন্ত্রীদের পদত্যাগের নির্দেশ- ‘এক চুলও নড়ব না’ -এরশাদ
About: Mids
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এরশাদের সিদ্ধান্ত বদলের নেপথ্যে

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিএনপির রাজনীতি লাদেনের মতো: প্রধানমন্ত্রী
About: Mids
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এরশাদের বাসভবনের চারপাশে কড়া নিরাপত্তা
About: Mids
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কী দোষ ছিল স্বপনের?

স্বপন এখন খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি ইউনিটে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। স্বপনের একটাই প্রশ্ন, কী দোষ ছিল তাঁর? তাঁর পরিবার বলতে সাত বছরের মেয়ে স্বপ্ন। যে কি না, পঙ্গুত্ব বরণ করে ছয় মাস ধরে খুলনার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাই অবরোধের মধ্যেও মেয়ের চিকিৎসার খরচ জোগানোর তাগিদে ইজিবাইক নিয়ে বের হয়েছিলেন তিনি। দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে ঝলসে গেছে স্বপনের শরীরের ৭০ শতাংশ। এখন পর্যন্ত এলাকাবাসীর চাঁদায় কোনো রকমে তাঁর চিকিৎসা চলছে। আর্থিক সংকটের কারণে ঠিকমতো চিকিৎসাও করাতে পারছেন না তিনি।
হাসপাতালের বারান্দায় অসহ্য যন্ত্রণায় কাতর স্বপন চিকিৎসক ও দেখতে আসা লোকদের বলছিলেন, ‘যন্ত্রণা আর সহ্য হচ্ছে না। মনে হয়, তিনতলা থেকে লাফিয়ে পড়ি। কিছু একটা করেন আপনারা।’
স্বপন প্রথম আলোকে বলেন, ‘যাত্রী সেজে আমার গাড়িতে উঠে দুর্বৃত্তরা সোনাডাঙ্গা আল ফারুক সোসাইটির কাছে অন্ধকার স্থানে নেমে ভাড়ার টাকা দেওয়ার অভিনয় করে ইজিবাইক ও আমার গায়ে পেট্রল ছিটিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। আমি বাঁচার জন্য চিৎকার করে মাটিতে গড়াগড়ি দিই। পরে এলাকার মানুষ হাসপাতালে নিয়ে আসে। এখন জানি না আমার কী হবে, আমার পঙ্গু মেয়েটার কী হবে? আমার দোষ কী?’
খুলনা মেডিকেল কলেজের সহকারী রেজিস্ট্রার (সার্জারি) কমলেশ সাহা বলেন, স্বপনের শরীরের ৭০ শতাংশ পুড়ে গেছে। আস্তে আস্তে তাঁর শরীরের ক্ষত আরও বৃদ্ধি পাবে। এখনই উন্নত চিকিৎসা করানো না গেলে অবস্থার ক্রমাবনতি হবে, যা রোগীর জীবনের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
স্বপনের প্রতিবেশী ও বন্ধু নগরের নয়াবটি এলাকার ইজিবাইকচালক আযাদ জানান, টাকার অভাবে যার মুখে খাবার জোটে না, সে মানুষটির চিকিৎসা কীভাবে হবে? প্রতিবেশীরা চাঁদা তুলে কিছু ওষুধ কিনে দিয়েছেন। কিন্তু উন্নত চিকিৎসার সহায়তা করার সামর্থ্য তো তাঁদের নেই। তাই সরকারসহ সমাজের বিত্তবান মানুষের সহায়তা পেলে হয়তো জীবন ফিরে পাবেন দরিদ্র মানুষটি।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ক্ষমতার লড়াইয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত ক্ষতি
![]() |
| ক্ষমতার লড়াইয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত ক্ষতি |
কামাল আহমেদ: প্রথম আলোর বিশেষ প্রতিনিধি, লন্ডন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দক্ষিণ এশিয়ায় দ্বিতীয় সর্বনিম্ন কেন বাংলাদেশ?
ইফতেখারুজ্জামান: নির্বাহী পরিচালক, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সারদা-কাণ্ডে উত্তাল পশ্চিমবঙ্গ
অমর সাহা: প্রথম আলোর কলকাতা প্রতিনিধি।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
থাই সেনাবাহিনীর গণঅভ্যুত্থান সমর্থন করা উচিত : সুথেপ
সরকারি কর্মচারীদের বিক্ষোভে আহ্বান
থাইল্যান্ডের সরকারবিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণের জন্য সরকারি কর্মচারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা। সোমবার কর্মক্ষেত্রে যোগ না দিয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের বিক্ষোভে অংশ নেয়ার আহ্বান জানান বিক্ষোভকারীদের দলনেতা সুথেপ থাউঙসুবান। টানা ৯ দিনে থাই রাজধানী ব্যাংকক সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের কাছে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। সেখানকার মন্ত্রণালয়, সচিবালয়, সেনা সদর দফতর সবকিছুই এখন বিক্ষোভকারীদের দখলে।
ব্যাংককে কারফিউ
থাইল্যান্ডের চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চরম আকার ধারণ করায় দেশটির প্রধানমন্ত্রী ইংলাক সিনাওয়াত্রাকে অজ্ঞাত স্থানে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য দেয়া হয়নি। পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনা করে রাজধানী ব্যাংককে রাত্রিকালীন কারফিউ জারি করা হয়েছে। জানমালের নিরাপত্তা রক্ষার জন্য জনগণকে ঘরের বাইরে বের হতে নিষেধ করেছে থাই সরকার। রাত ১০টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত এ নির্দেশ বলবৎ থাকবে। চলতি সপ্তাহে দেশটিতে বিক্ষোভকেন্দ্রিক সহিংসতায় চারজন নিহত হয়েছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইউক্রেনে আগাম নির্বাচন দাবি
আলোচনায় ইউক্রেন সরকার
বিক্ষোভের মুখে রাজধানী কিয়েভে সৃষ্ট অচলাবস্থা নিরসনে আলোচনায় বসতে যাচ্ছে ইউক্রেন সরকার ও বিরোধীরা। সোমবারই এই আলোচনা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার ভাদিমির রিব্যাক জানিয়েছেন, চলমান সংকটের ব্যাপারে সব পক্ষকেই এই আলোচনায় মতামত ব্যক্ত করার সুযোগ দেয়া হবে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে ব্যবসায় সংক্রান্ত চুক্তি সই করতে প্রত্যাখ্যান করায় প্রেসিডেন্ট ভিক্টর ইয়ানুকভিচের সরকারের বিরুদ্ধে গত সপ্তাহে রাস্তায় নামে বিরোধীরা। এএফপি, আল জাজিরা, সিএনএন রয়টার্স।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিসির প্রেসিডেন্ট পথ সুগম
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মুরসির উৎখাত ভুল ছিল
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1406)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
-
▼
2013
(14877)
-
▼
December
(526)
-
▼
Dec 04
(20)
- সংবাদমাধ্যম নিয়ে ফরহাদ মজহার : মত প্রকাশের স্বাধীন...
- অপরিণামদর্শিতার খেসারত মানুষ কেন দেবে? আন্দোলনের ন...
- সহিংস রাজনীতি- চাই অহিংস নৈতিক শক্তির উত্থান by আল...
- শুভবুদ্ধির উদয় হোক- দেশ কোন দিকে যাচ্ছে?
- নির্বাচন- রাষ্ট্রীয় সংকট ও রাষ্ট্রপতি by আলী ইমাম...
- রাজনীতি- কী হবে এখন? by ইনাম আহমদ চৌধুরী
- বিশ্বায়নের কাল- ক্ষমতার লড়াইয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত ক্ষ...
- নাগরিক মন্তব্য: গীতা সেন: শান্তিপ্রিয় জনতার মুখপাত্র
- মন্ত্রীদের পদত্যাগের নির্দেশ- ‘এক চুলও নড়ব না’ -এরশাদ
- এরশাদের সিদ্ধান্ত বদলের নেপথ্যে
- বিএনপির রাজনীতি লাদেনের মতো: প্রধানমন্ত্রী
- এরশাদের বাসভবনের চারপাশে কড়া নিরাপত্তা
- কী দোষ ছিল স্বপনের?
- ক্ষমতার লড়াইয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত ক্ষতি
- দক্ষিণ এশিয়ায় দ্বিতীয় সর্বনিম্ন কেন বাংলাদেশ?
- সারদা-কাণ্ডে উত্তাল পশ্চিমবঙ্গ
- থাই সেনাবাহিনীর গণঅভ্যুত্থান সমর্থন করা উচিত : সুথেপ
- ইউক্রেনে আগাম নির্বাচন দাবি
- সিসির প্রেসিডেন্ট পথ সুগম
- মুরসির উৎখাত ভুল ছিল
-
▼
Dec 04
(20)
-
▼
December
(526)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...





