Tuesday, October 8, 2013
আগুনের পরশমণি
![]() |
| পাষাণপুরীতে জেগে উঠছে প্রাণের স্পন্দন |
আনিসুল হক: সাহিত্যিক ও সাংবাদিক।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ছারপোকা
সৈয়দ আবুল মকসুুদ: গবেষক, প্রাবন্ধিক ও কলাম লেখক।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দুদক আইন কি পাস হবে না?
খুরশীদ আলম: প্যানেল আইনজীবী, দুদক।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভর্তি-শৃঙ্খলা ফিরবে কবে
তুহিন ওয়াদুদ: শিক্ষক, বাংলা বিভাগ। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর।
wadudtuhin@gmail.com
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাকিস্তানে জঙ্গিদের হাতে পরমাণু অস্ত্র! by আসিফ রশীদ

উদ্বেগের আরেকটি কারণ হল পাকিস্তানের আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চলগুলোয় কালোবাজারে পরমাণু সামগ্রী সহজলভ্য হয়ে ওঠা। জঙ্গিরা পরমাণু অস্ত্র ও এ-সংক্রান্ত প্রযুক্তি পেলে তার পরিণতি হতে পারে ভয়াবহ। আসলে নব্বইয়ের দশকেই পাকিস্তান পরমাণু সামগ্রীর চোরাচালানে জড়িয়ে পড়েছিল। দেশটির পরমাণু বিজ্ঞানীদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। এসব কারণে কিছু সামরিক ও পরমাণু বিশেষজ্ঞ পারমাণবিক নিরাপত্তার ব্যাপারে দেশটির ওপর আস্থাশীল নন। পাকিস্তানের স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যানিং ডিভিশনের মহাপরিচালক লে. জেনারেল কিদওয়াই একবার বলেছিলেন, সারাদেশে ১৫টি আণবিক প্রকল্পে কাজ করছেন ৭০ হাজারেরও বেশি বিশেষজ্ঞ। তাদের মধ্যে রয়েছেন ৮ হাজার সুপ্রশিক্ষিত বিজ্ঞানী। তাদের মধ্যে আবার ২ হাজারেরও বেশি বিজ্ঞানী এ বিষয়ে সূক্ষ্ম জ্ঞানের অধিকারী। এসব বিজ্ঞানীর একটি অংশ জঙ্গিদের পক্ষে কাজ করলে তাতে অবাক হওয়ার কিছু নেই।
আফগানিস্তানে যখন তালেবান সরকার ছিল, সে সময় আল কায়দা পাকিস্তানের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির জন্য সহায়তা চেয়েছিল। পাকিস্তানি বিজ্ঞানী সুলতান বশিরউদ্দিন মাহমুদ এবং চৌধুরী আবদুল মজিদ তালেবান ও আল কায়দাকে সহায়তা করতে চেয়েছিলেন। তারা ২০০১ সালের আগস্টে বিন লাদেনের সঙ্গে দেখা করেন এবং আফগানিস্তানে পারমাণবিক অস্ত্র নির্মাণের অবকাঠামো নিয়ে আলোচনা করেন। ১৯৯৯ সালে জেনারেল পারভেজ মোশাররফ এসব জঙ্গি সংগঠনকে নওয়াজ শরিফের বিরুদ্ধে ব্যবহার করেন। কারগিল যুদ্ধেও তাদের ব্যবহার করা হয়। এ যুদ্ধে দু’শরও বেশি আফগান তালেবান যোদ্ধা প্রাণ হারায়। এ ঘটনা তালেবান ও জঙ্গিদের সঙ্গে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একটি অংশের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের বিষয়টিও প্রমাণ করে।
পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে জঙ্গিবাদীদের অনুপ্রবেশের ব্যাপারে নীতিনির্ধারক ও সামরিক বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরেই চিন্তিত। আশংকা করা হয়, সেনাবাহিনীর ভেতরে কিছু জঙ্গি উপাদান পাঞ্জাবি তালেবান ও অন্যান্য সংগঠনকে পারমাণবিক স্থাপনাগুলোয় হামলা চালানোর বিষয়ে সহায়তা করতে পারে। পাকিস্তানের জঙ্গিবাদ, তালেবানিকরণ এবং সন্ত্রাসবাদ ‘রফতানি’ আফগানিস্তানেও অস্থিতিশীলতার সবচেয়ে বড় উৎস। ইতিপূর্বে করাচির নৌঘাঁটি, রাওয়ালপিন্ডির ওয়াহ অর্ডিন্যান্স ফ্যাক্টরি, সারগোদার দেরা গাজি খান পারমাণবিক কেন্দ্র এবং কামরার অ্যারোনটিক্যাল কমপ্লেক্সে এসব সংগঠনের কমান্ডো স্টাইলের হামলায় বোঝা যায়, পাকিস্তানের নিরাপত্তা অবকাঠামো বেশ দুর্বল এবং সশস্ত্র বাহিনীর উচ্চপদে জঙ্গিবাদীদের অনুপ্রবেশ ঘটেছে। ২০১১ সালের ২২ জুন ব্রিগেডিয়ার আলী খানকে গ্রেফতার করা হয় জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে। তার স্ত্রী সাংবাদিকদের কাছে নিশ্চিত করেন, ওসামা বিন লাদেন হত্যা এবং ওয়াজিরিস্তানে ড্রোন হামলার বিরোধী ছিলেন আলী খান। আইএসপিআরের (পাকিস্তান) সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আতহার আব্বাস এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, সেনাবাহিনীতে জেহাদি মতবাদের প্রবণতা এবং সন্ত্রাসী সংগঠনের সঙ্গে এর সম্পৃক্ততা সশস্ত্র বাহিনীর ক্ষতির কারণ হতে পারে। এ থেকেও বোঝা যায়, পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরে জঙ্গিবাদের উপাদান রয়েছে।
পাকিস্তানের জঙ্গিবাদ বিশেষজ্ঞ মুসা খান জালালজাই এক নিবন্ধে লিখেছেন, পাঞ্জাবি তালেবান ও তাদের মিত্ররা ইতিমধ্যেই সশস্ত্র বাহিনীর সদর দফতরে শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে তোলায় পাকিস্তানের পারমাণবিক প্রকল্প, গবেষণা চুল্লি এবং ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ প্রকল্পগুলো যে কোনো সময় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। ইতিপূর্বে পাকিস্তানের বিভিন্ন পারমাণবিক কেন্দ্রে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় এটা স্পষ্ট যে, পাঞ্জাবি তালেবান ও অন্যান্য জঙ্গি সংগঠন সশস্ত্র বাহিনীতে তাদের মিত্রদের সহায়তায় পারমাণবিক কেন্দ্রগুলোয় প্রবেশে সক্ষম। এছাড়া হামলার মাধ্যমেও এসব কেন্দ্রে প্রবেশ করা সম্ভব হতে পারে। ২০১১ সালে ইসলামাবাদ থেকে ২৫ মাইল দূরে অবস্থিত মিনহাস বিমান ঘাঁটিতে এক সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হামলা চালিয়েছিল, যেখানে একশ’রও বেশি পারমাণবিক ওয়ারহেড মজুদ ছিল। ওই সংঘর্ষে এক সৈন্য ও আট সন্ত্রাসী নিহত হয়।
পাকিস্তান ১৫ বছর আগে পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলেও তার পারমাণবিক অস্ত্রের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা এখনও দুর্বল। ২০১১ সালের ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টিক ম্যাগাজিনে প্রকাশিত এক নিবন্ধে বলা হয়, পাকিস্তানে পারমাণবিক অস্ত্রগুলো সিআইএ’র কাছ থেকে লুকানোর জন্য এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় সরিয়ে নেয়ার কাজ চলে খুবই নিম্ন নিরাপত্তা ব্যবস্থাধীনে, ভ্যানের মাধ্যমে। পাকিস্তানি সশস্ত্র বাহিনীর কাছে পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম সামরিক নিরাপত্তা আচ্ছাদিত বাহন না থাকাই এর কারণ বলে মনে করা হয়।
২০১০ সালে বেফার সেন্টার ফর সায়েন্স অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সের এক সমীক্ষায় পাকিস্তানের সামরিক ভাণ্ডার জঙ্গিবাদীদের দ্বারা বড় ধরনের হুমকির সম্মুখীন বলে সতর্ক করে দেয়া হয়। খ্যাতনামা পাকিস্তানি বিজ্ঞানী ড. পারভেজ হুদভয় সতর্ক করে দিয়েছেন, সেনাবাহিনীর ব্যারাকগুলোয় জঙ্গি মতবাদ ছড়িয়ে পড়ায় দেশের পারমাণবিক অস্ত্র জঙ্গিরা ছিনিয়ে নিতে পারে।
তবে পাঞ্জাবি তালেবান ও তাদের মিত্ররা এখনই ক্ষুদ্রাকৃতির অনুন্নত পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে বলে অনেক পাকিস্তানি বিশেষজ্ঞ মনে করেন। এর অর্থ হল, এসব অস্ত্র ইতিমধ্যেই জঙ্গি সংগঠনগুলোর হাতে এসেছে। ২০০৯ সালের ১৬ মে একটি ইসরাইলি ওয়েবসাইটে বলা হয়, ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে এই বলে সতর্ক করে দিয়েছেন যে, পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে অবস্থিত পারমাণবিক কেন্দ্রটি ‘ইতিমধ্যেই আংশিকভাবে’ ইসলামি জঙ্গিদের হাতে চলে গেছে। এ তথ্য সত্য হয়ে থাকলে তা ভাবনার বিষয় বৈকি!
জঙ্গিরা পারমাণবিক হামলা চালাতে পারে নানাভাবেই। কমান্ডো স্টাইলের হামলা হলে বিস্তৃত এলাকাজুড়ে তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়বে। কোনো পরমাণু চুল্লির ওপর বিমান বিধ্বস্ত করে হামলা চালানো হতে পারে। সাইবার আক্রমণও চালানো হতে পারে। সব ক’টিরই পরিণতি হবে ভয়াবহ। পাকিস্তানের পারমাণবিক কেন্দ্রে একটি ছোট হামলাও দেশটির চেহারা পাল্টে দেবে। বস্তুত পারমাণবিক অস্ত্র ও এ-সংক্রান্ত প্রযুক্তি সন্ত্রাসবাদীদের হাতে আসা শুধু সে দেশের জন্য নয়, বহির্বিশ্ব বিশেষ করে প্রতিবেশী দেশগুলোর জন্যও হুমকিস্বরূপ। কারণ জঙ্গি সংগঠনগুলোর রয়েছে আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক। যেহেতু পারমাণবিক অস্ত্র পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থাধীনে নেই, সেহেতু পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে জঙ্গি-সমর্থক জেনারেলরা কখনও ক্ষমতা দখল করলে স্বভাবতই অত্যন্ত বিপজ্জনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। কারণ তাদের তীব্র পাশ্চাত্য ও ভারতবিরোধী নীতির কারণে তারা এসব অস্ত্র ব্যবহারে তৎপর থাকবেন। বিশেষ করে যুদ্ধ হলে এক্ষেত্রে কোনো চেইন অব কমান্ড কাজ না করায় পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের ঝুঁকি বেশি।
পাকিস্তানি তালেবান গোষ্ঠী রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর শীর্ষ কমান্ডিং পদ দখল করতে না পারলেও তারা শক্তি প্রয়োগ করে অথবা সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরে তাদের লোকদের মাধ্যমে কোনো একটি পারমাণবিক স্থাপনার একটি ওয়ারহেড নিজেদের দখলে নিতে পারে। তখন তারা এর দ্বারা পাকিস্তান এমনকি বিশ্বকেও ব্ল্যাকমেইল করতে পারে।
এ প্রেক্ষাপটে সামনের দিনগুলোয় পাকিস্তানকে দীর্ঘমেয়াদি উৎকণ্ঠার সময় কাটাতে হবে বলেই মনে হয়।
আসিফ রশীদ : সাংবাদিক ও লেখক
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন চাই by ধীরাজ কুমার নাথ

কমিশনের পৃথক সত্তাকে প্রোজ্জ্বল করার লক্ষ্যে সরকার ২০০৯ সালে নির্বাচন কমিশন সচিবালয় অ্যাক্ট বা আইন প্রণয়ন করে কমিশনের সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করে। এভাবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রভাব থেকে মুক্ত করা হয় নির্বাচন কমিশনকে। বর্তমানে নির্বাচন কমিশনের ১০টি আঞ্চলিক অফিস, বিভাগীয় সদর দফতরে ৭টি এবং জেলা সদরে ৩টি কার্যালয় আছে। প্রায় ৮৩টি নির্বাচনী অফিস ৬৪টি জেলায় কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। সংক্ষেপে বলা যায়, নির্র্বাচন কমিশন একটি নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান, যা বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে সমুন্নত রাখার ক্ষেত্রে অমূল্য অবদান রাখতে পারে এবং যার পর্যাপ্ত অবকাঠামো বিরাজমান।
কিন্তু নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক দল এবং সুশীল সমাজের অনেক প্রতিনিধি এটিকে একটি শক্তিশালী নিরপেক্ষ সংস্থা হিসেবে বিবেচনা করেননি। একে সরকারের একটি ‘দীর্ঘহাত’ বলে অনেক সময় আখ্যায়িত করেছেন। অনেক ক্ষেত্রে হয়তো এমন অভিযোগ সঠিক নয়, আবার কিছু সময়ে তা দৃশ্যমানও হয়েছে। তবে সবচেয়ে হাসির খোরাক সৃষ্টি হয় যখন প্রধান নির্বাচন কমিশনার বিচারপতি আজিজের সমর্থনে বরিশালের কিছু মানুষ জাজেস কমপ্লেক্সে দুধ-কলা নিয়ে হাজির হয়েছিলেন। ঢাকার ব্যবসায়ীরা সাবেক এই প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে কোনো কিছু বিক্রি করতেই অপারগতা জানিয়েছিলেন। পৃথিবীর কোনো দেশে এ ধরনের আধা-বিচারিক প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে নিয়ে এমন কাণ্ড ঘটেছে বলে আমাদের জানা নেই।
এর মূল কারণ হচ্ছে, এমন একটি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের প্রধান বা সদস্য হওয়ার জন্য যে সততা ও চারিত্রিক দৃঢ়তা সম্পন্ন ব্যক্তিদের প্রয়োজন, অনেক সময় তা হয়েছে উপেক্ষিত। পক্ষান্তরে দলীয় সমর্থক ও দুর্বল মানসিকতার লোকজনকে এমন একটি রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার করা হয়েছে, যা অবশ্যই অনভিপ্রেত। তাই বিভিন্ন সময়ে অবাঞ্ছিত অভিযোগ উত্থাপিত হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির সুনাম ক্ষুণœ হয়েছে। তবে অনেক ভালো ও দক্ষ ব্যক্তিও কমিশনের বিভিন্ন পদে অধিষ্ঠিত হয়েছেন এবং তারা নির্বাচনী কর্মকাণ্ড ভালোভাবে পরিচালনা করে দেশের গণতন্ত্রকে সমুন্নত রাখার ক্ষেত্রে অবদান রেখেছেন। দেশবাসী তাদের কথা এখনও স্মরণ করে।
নির্বাচন সমাগত। দেশবাসীর প্রত্যাশা, নির্বাচন কমিশন শক্তিশালী ভূমিকা পালন করবে। বড় কথা হচ্ছে, কোনো প্রকার পক্ষপাতিত্ব দেশবাসী বরদাশত করবে না। সবার জন্য সমান সুযোগের নিশ্চয়তা দিতে হবে। নির্বাচন কমিশন শুধু নিরপেক্ষ থাকলেই চলবে না, তার নিরপেক্ষতাকে দৃশ্যমানও করতে হবে। কথায় ও কাজে স্বচ্ছ হতে হবে, যেন বোঝা যায় কমিশনের কর্তাব্যক্তিরা নিরপেক্ষতা বজায় রাখছেন। কমিশন বলতে শুধু প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনারদের মনে করা সঠিক হবে না। নির্বাচন কমিশনের ১০টি আঞ্চলিক অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মীবাহিনী তাদের কাজে কোনো অবস্থাতেই পক্ষপাতিত্ব প্রদর্শন করতে পারবেন না। প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে এ কথা পরিষ্কারভাবে তার কর্মীবাহিনী এবং সব কর্মকর্তাকে বোঝাতে হবে। তারা যেন তা প্রতিপালন করেন, এ ব্যাপারে কমিশনকে অবশ্যই কঠোর হতে হবে। প্রথমে নিজের ঘরকে নিরপেক্ষ করতে হবে।
দ্বিতীয়ত, নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পরপরই সব রিটার্নিং অফিসারকে নিয়ন্ত্রণের এবং কর্মকাণ্ড পরিচালনার দায়িত্ব হবে নির্বাচন কমিশনের। তাদের চাকরি ন্যস্ত হবে কমিশনের ওপর। কমিশন নতুন করে ভাবতে পারে কাকে কোথায় রাখতে হবে অথবা কাকে বদলি বা প্রত্যাহার করতে হবে। বর্তমানে যা আলামত দেখা যাচ্ছে, তাতে মনে হয় নির্বাচন কমিশনে নিরপেক্ষতার স্বার্থে প্রচুর রদবদল করতে হবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জেলা-উপজেলা এবং অন্যান্য পর্যায়ের কর্মীবাহিনীর চাকরি নির্বাচন কমিশনের কাছে ন্যস্ত করতে হবে। এছাড়া নির্বাচন কমিশন ঠিক করবে আইন-শৃংখলা বাহিনীকে কীভাবে কোথায় নিয়োজিত করবে। প্রয়োজনে স্ট্রাইকিং ফোর্স ও রিজার্ভ বাহিনীকে জরুরি হস্তক্ষেপের জন্য প্রস্তুত রাখতে হবে। কমিশনকে এসব বিষয়ে এখনই কাজ শুরু করতে হবে এবং নির্বাচনকালীন সব বিশৃংখলা নিরাময়ের লক্ষ্যে প্রস্তুতি নিতে হবে।
তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, সরকারের সদিচ্ছা থাকতে হবে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন দেশবাসীকে উপহার দেয়ার। কমিশন যাতে সুষ্ঠুভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারে সেজন্য সব রাজনৈতিক দলেরই উচিত সহযোগিতার হাত প্রসারিত করা। আমাদের মতো দেশে প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলের একমাত্র লক্ষ্য হচ্ছে যে কোনো উপায়ে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত থাকা অথবা ক্ষমতায় যাওয়া। এ ব্যাপারেও কমিশনকে কঠোর হতে হবে। কুঠারকে কুঠার বলার সাহস ও সদিচ্ছা তাদের অবশ্যই থাকতে হবে।
চতুর্থ যে বিষয়টিতে সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা প্রাধান্য দিয়ে থাকেন তা হচ্ছে, নির্বাচনী আচরণবিধি প্রণয়ন এবং তা কঠোরভাবে প্রতিপালন করা। নির্বাচন কমিশন প্রণীত বিধিমালা অনুসরণ করতে বাধ্য সব প্রার্থী। অনেক সময় দেখা যায়, নির্বাচন কমিশনের কর্মীরা কোনো কোনো প্রার্থীর প্রতি দুর্বল, তাদের খারাপ কাজ দেখেও দেখেন না। আবার কারও ক্ষেত্রে রাস্তায় চলতে গেলেই দোষ-ত্র“টি খুঁজে পান। এমনটি হলে অভিযোগের আঙুল উত্থাপিত হবে কমিশনের দিকে। তাই রিটার্নিং অফিসার বা সহকারী রিটার্নিং অফিসারসহ প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার নিয়োগের ক্ষেত্রে যাতে কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্ব না হয় তার প্রতি সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে। নির্বাচন আচরণ বিধিমালায় টাকার খেলা কীভাবে বন্ধ করতে হবে, তা অবশ্যই কমিশনের কর্মকর্তাদের অজানা নয়। টাকা দিয়ে যেসব বণিক সংসদে বসার অভিলাষে বিভোর, তাদের অবশ্যই প্রতিরোধ করতে হবে কঠোর আচরণ বিধিমালা প্রণয়ন করে।
বর্তমান বাস্তবতায় দেশবাসীর একমাত্র আশা-ভরসার স্থল হচ্ছে নির্বাচন কমিশন এবং তাদের নিরপেক্ষতা ও সততা এবং দৃশ্যমান দক্ষতা। এক্ষেত্রে তাদের সহযোগিতা করতে প্রজাতন্ত্রের সর্বস্তরের কর্মচারী প্রস্তুত থাকবে, যদি তারা কমিশনের কাছ থেকে সাহস ও শক্তি পায়। পৃথিবীর প্রায় সব গণতান্ত্রিক দেশে নির্বাচন কমিশন সাহসী ভূমিকা রেখে থাকে এবং নির্বাচন কমিশনকে সবাই যমের মতো ভয় করে। ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জনাব টি এন সেসানের দায়িত্ব গ্রহণের আগে উত্তর প্রদেশে এক নির্বাচনী সংঘর্ষে ৯১ জন নিহত এবং কয়েক হাজার মানুষ পঙ্গু হয়েছিল। কিন্তু মি. সেসন নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর একটিও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। দাঙ্গাবাজদের নিরস্ত্র করা হয়েছে এবং তারা প্রশাসনের ভয়ে এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে। প্রশাসন নিরপেক্ষ ও কঠোর হলে সুযোগসন্ধানীরা পালানোর পথ খুঁজে বেড়ায়, রুদ্ধ হয় দুর্বৃত্তায়নের পথ।
দেশের বর্তমান ক্রান্ত্রিলগ্নে নির্বাচন কমিশনের সত্যিকার নিরপেক্ষ ও কঠোর ভূমিকা দেখতে চায় দেশবাসী। কমিশন নিরপেক্ষ ও শক্তিশালী হলে দেশের গণতন্ত্রের সুরক্ষায় বড় ধরনের অবদান রাখতে সক্ষম হবেন তারা।
ধীরাজ কুমার নাথ : তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা, সাবেক সচিব
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জাহাঙ্গীরনগর সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হচ্ছে by মোঃ মুজিবুর রহমান

সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাই শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পড়ালেখা করতে চায়। অভিভাবকরা তাদের সন্তানের পেছনে টাকা ঢালেন উজ্জ্বল শিক্ষাজীবনের প্রত্যাশায়। সরকারও বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষার্থীদের পেছনে বিপুল পরিমাণ টাকা খরচ করে চলেছে রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের অংশ হিসেবে। অথচ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখার কোনো পরিবেশই এখন দেখা যাচ্ছে না। বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার প্রধান দায়িত্ব উপাচার্যের হলেও এ ব্যাপারে শিক্ষকদেরও দায়িত্ব রয়েছে। কিন্তু শিক্ষকরাই এখন রয়েছেন নানামুখী আন্দোলনে। উপাচার্য ড. আনোয়ার হোসেনকে নিয়েই মূলত মূল আন্দোলন চলমান রয়ের্ছে কয়েক মাস ধরে। ড. আনোয়ার হোসেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন। ফলে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে তার নিয়োগকে শিক্ষকরা সহজভাবে মেনে নিতে পারছেন বলে মনে হয় না। দৃশ্যত উপাচার্যও সবাইকে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা করতে পারছেন না। এর আগে প্রায় একই ধরনের আন্দোলনের মুখে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক শরীফ এনামুল কবির তার পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর পর সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আনোয়ার হোসেনকে ভিসি হিসেবে নিয়োগ দেয়। আশা করা হয়েছিল নতুন উপাচার্য নিয়োগের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরে আসবে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে ড. আনোয়ার হোসেনকে উপাচার্য নিয়োগ করার পরও বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরে আসেনি। বরং পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। নতুন উপাচার্যকে অবরুদ্ধ হয়ে অফিসে দিন কাটাতে দেখা গেছে। তার বাসভবনের সামনেও শিক্ষকদের অবস্থান ধর্মঘট চলছে। এমনকি শিক্ষকদের কর্মসূচির মুখে উপাচার্য নিজেও বাসভাবনে প্রবেশ না করে সেখানেই সস্ত্রীক অবস্থান গ্রহণ করেন। এসব কর্মকাণ্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণœ করছে ব্যাপকভাবে। এ অবস্থায় শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ কী, তা এক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হয়েই রইল।
অতীতে দেশের প্রায় সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যত ধরনের আন্দোলন ও অস্থিরতা সৃষ্টি হতে দেখা গেছে, তার প্রায় সব ক’টির পেছনেই কোনো না কোনোভাবে শিক্ষার্থীদের কিছু অংশের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভূমিকা ছিল। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে যে অস্থিরতা বিরাজ করছে, তার পেছনে রয়েছে শিক্ষকদের প্রত্যক্ষ ভূমিকা। শিক্ষকরা ছাত্রছাত্রীদের পড়ানো বন্ধ করে দিয়ে উপাচার্য অপসারণের আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। আবার অস্থিতিশীল পরিস্থিতি কীভাবে স্বাভাবিক করা যায়, সে বিষয়ে উপাচার্যও তেমন কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছেন না।
এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিন নিয়োগকে কেন্দ্র করে রেজিস্ট্রার ও ডেপুটি রেজিস্ট্রারকে অবরুদ্ধ করে রাখার ঘটনাও ঘটে চলেছে। তাদের মুক্ত করার দাবিতে প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি পালন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স সমিতি। অন্যদিকে ‘শিক্ষা অধিকার মঞ্চ’ নামে শিক্ষার্থীদের একটি নতুন সংগঠন বিশ্ববিদ্যালয়ে মিছিল ও সংবাদ সম্মেলন করার উদ্দেশ্যে লিফলেটও বিতরণ করেছে বলে গণমাধ্যমে খবর বেরিয়েছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যে পড়ে সাধারণ শিক্ষার্থীরা চরম দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়ছে সন্দেহ নেই। সামনে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত ছুটিকে উপলক্ষ করে এরই মধ্যে অনেকেই হল ছাড়তে শুরু করেছে। অথচ এ বছর তাদের নিয়মিত ক্লাসই হতে পারল না। পরীক্ষা অনুষ্ঠানও বিঘিœত হয়েছে। স্থবির হয়ে পড়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম। এ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে কী করে একটি বিশ্ববিদ্যালয় সামনে এগিয়ে যাবে, তা আমাদের ভাবিয়ে তোলে।
দেশে আরও অনেক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। সেসব বিশ্ববিদ্যালয়েও প্রায়ই অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে দেখা যায়। কিন্তু জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে যে ধরনের লাগাতার অস্থিতিশীল পরিস্থিতি বিরাজ করছে, তা অভাবিত। মাঝখানে কিছুদিন শান্ত থাকার পর আবারও বিশ্ববিদ্যালয় অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির পেছনে কারণ যা-ই থাকুক না কেন, উপাচার্য ও শিক্ষকদের পাল্টাপাল্টি ও বিপরীতমুখী অবস্থান শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে আরও গভীর সংকট তৈরি করছে। এ দিকটিই গুরুত্বের সঙ্গে ভেবে দেখতে হবে সবাইকে।
বর্তমান উপাচার্য একজন খ্যাতিমান শিক্ষক। যারা আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন, তারাও বিশ্ববিদ্যালয়েরই গুণী শিক্ষক। যে কোনো বিষয়ে তাদের মধ্যে পরস্পর মতপার্থক্য দেখা দিতেই পারে। কিন্তু তাই বলে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনকে জিম্মি করে আন্দোলন-ধর্মঘট চলবে দীর্ঘমেয়াদে, এটা সমর্থন করা যায় না। আমরা চাই, উপাচার্য ও আন্দোলনরত শিক্ষকরা একসঙ্গে বসে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করবেন দ্রুত। শিক্ষামন্ত্রী নিজেও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্যা সমাধানের জন্য আলোচনার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। এসব নিয়ে পত্রপত্রিকায় অনেক লেখালেখি হয়েছে। কিন্তু কাজের কাজ হচ্ছে না কোনো কিছুতেই।
আমরা মনে করি, শিক্ষকদের সমস্যা শিক্ষকদেরই সমাধান করা উচিত। সেখানে কোনো তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ কাম্য নয়। অথচ বারবার দেখা যাচ্ছে, নিজেদের সমস্যা সমাধানে ব্যর্থ হয়ে উপাচার্য ও শিক্ষকরা অনাকাক্সিক্ষত কর্মসূচির পথ বেছে নিচ্ছেন। এর ফলে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে নেমে আসছে চরম অনিশ্চয়তা। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রমে দেখা দিচ্ছে স্থবিরতা। সৃষ্টি হচ্ছে সেশনজটের। এরই মধ্যে চলতি শিক্ষাবর্ষের অনার্সে ভর্তি কার্যক্রম নিয়েও সংশয় দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে জনমনে বিরূপ ধারণা সৃষ্টি হওয়ার আগেই শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনা হবে- এটাই প্রত্যাশা।
মোঃ মুজিবুর রহমান : সহযোগী অধ্যাপক, সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইতিহাসে নাম লেখাবার সুযোগ সমাগত by মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার

আবার রাজনীতির ধারাবাহিকতায় দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র যখন পথভ্রষ্ট হয়, রাজনীতি ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হয় সংকুচিত, স্বজনপ্রীতি ও দলীয়করণের চাপে সততা ও ন্যায়নীতি হয়ে পড়ে রুগ্ন, জাতীয় পরিচিতি নিয়ে দেখা দেয় দ্বন্দ্ব- ১৯৭৫-এর পর তেমন দুঃসময়ে সেনাবাহিনী থেকে রাজনীতিতে এসে স্বাধীনতাযুদ্ধের লড়াকু সেনানী জিয়াউর রহমান স্বজনপ্রীতি দূর করে, একদলীয় প্রবণতা থেকে রাজনীতিকে মুক্ত করে বহুদলীয় গণতান্ত্রিক ধারা চর্চার সুযোগ সৃষ্টি করে, বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদী ধারা তৈরি ও জনপ্রিয় করে ওই সংকটকালীন রাজনীতিতে অবদানমূলক ভূমিকা পালনের মধ্য দিয়ে দেশের মানুষের কাছে গ্রহণীয় হন। সামরিক বাহিনী থেকে রাজনীতিতে আগত নেতাদের সৃষ্টি করা দল ওই নেতার অবর্তমানে অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিলীন বা দুর্বল হয়ে গেলেও জাতির বিপদকালীন রাজনীতিতে জিয়ার সাহসী অবদানমূলক ভূমিকার কারণে তার সৃষ্ট দলটি তার মৃত্যুর পর আরও জনপ্রিয় হয়ে একাধিকবার নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করে। এসব কারণে এ দেশের রাজনীতির ইতিহাসের পাতায় জিয়া তার স্থান পান।
পরবর্তী সময়ে এ সুযোগ পান রাজনীতিতে অনভিজ্ঞ জিয়াপত্নী ও গৃহবধূ খালেদা জিয়া। ১৯৯০-এর দশকে এরশাদ শাসনামলে সামরিক শাসন যখন দীর্ঘায়িত হয়, দুর্নীতি পায় প্রাতিষ্ঠানিকতা, নির্বাচন প্রহসনে পরিণত হওয়ায় ভোটাররা ভোট কেন্দ্রে যেতে নিরুৎসাহিত বোধ করেন, তেমন এক সময়ে বেগম জিয়ার সামনে দেশের রাজনীতিকে সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরিয়ে আনার সুযোগ আসে। অনেক রাজনৈতিক দল যখন সামরিক সরকারের পাতা ফাঁদে পড়ে আন্দোলনবিমুখ হয়, প্রলোভনের টোপ গিলে অনেক রাজনৈতিক নেতা যখন দেশপ্রেম জলাঞ্জলি দিয়ে পরোক্ষভাবে ক্ষমতাসীনদের পরোক্ষ সমর্থন দেন, অনেক বড় দলও সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলন থেকে হঠাৎ সরে এসে নির্বাচনে অংশ নিয়ে সামরিক সরকারকে নির্বাচন করতে সুবিধা করে দেয়, রাজনীতির বেচাকেনার মাঠে তেমন এক সংকটকালে বেগম জিয়া সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলনে অনড় ও আপসহীন ভূমিকা পালনের মধ্য দিয়ে নিজের ভাবমূর্তি গড়ে গণতান্ত্রিক রাজনীতির ইতিহাসে নিজের স্থান করে নেন। তার সামরিক শাসনবিরোধী আপসহীন ভূমিকায় পরবর্তীকালে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে এরশাদের সামরিক সরকারের অবসান ঘটে।
বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাও গণতান্ত্রিক ধারার রাজনীতিতে ১৯৭৫-পরবর্তী বিশৃংখল আওয়ামী লীগকে গঠনমূলকভাবে পরিচালনা করে স্বাধীনতাযুদ্ধে প্রধান ভূমিকা পালনকারী এ দলটিকে শক্তিশালী করে তোলেন। ১৯৯৪-১৯৯৬ সালে নির্দলীয়-নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবিতে সরকারবিরোধী আন্দোলন করে সে আন্দোলনে সফলতা পাওয়ার মধ্য দিয়ে তিনি নিজের ভাবমর্যাদা প্রতিষ্ঠা করেন। প্রথম সাংবিধানিক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত সপ্তম সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে এ নেত্রী ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগকে ২১ বছর পর আবারও ক্ষমতায় এনে গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে জনপ্রিয়তা প্রমাণের মধ্য দিয়ে নিজের স্থান করে নেন। পরবর্তী সময়ে তিনি অত্যন্ত বিচক্ষণতার সঙ্গে সুকৌশলে ২০০৭ সালের রাজনৈতিক সুনামি মোকাবেলা করে নবম সংসদ নির্বাচনে জনগণকে দিন বদলের প্রতিশ্র“তি দিয়ে আবারও বিশাল বিজয় নিয়ে সরকার গঠন করে দেশ পরিচালনার সুযোগ পান। গণতান্ত্রিক রাজনীতির ধারাবাহিকতায় অবদান রেখে শেখ হাসিনাও বাংলাদেশী রাজনীতির ইতিহাসে নিজের স্থান করে নেন।
গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তিত হলে ওই স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক নেতাদের অবদান অবিস্মরণীয় হয়ে ওঠে না। কেবল জাতীয় রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টি হলে তারা ওই সংকট থেকে জাতিকে মুক্ত করার মধ্য দিয়ে রাজনীতিতে স্মরণীয় হয়ে ওঠেন। মহাজোট আমলে উচ্চ আদালতের একটি বিভক্ত রায়ের সংক্ষিপ্ত আদেশের একাংশের ওপর ভিত্তি করে জনমতের তোয়াক্কা না করে জাতীয় সংসদে এককভাবে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী পাস করে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করে দলীয় সরকারের অধীনে সংসদ নির্বাচনের ব্যবস্থা করায় জাতি এক সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক সংকটের মধ্যে পড়েছে। বিরোধী দলগুলো সরকারি দলকে বিশ্বাস করছে না। তারা মনে করছে, দলীয় সরকারের অধীনে অবাধ নির্বাচন করার মতো পরিবেশ এখনও দেশে তৈরি হয়নি। সে কারণে নির্দলীয় সরকারের অধীনে সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবিতে প্রধান বিরোধী দলের নেতৃত্বে গঠিত ১৮ দলীয় জোট ধারাবাহিক আন্দোলন গড়ে তুলেছে। সরকার এ আন্দোলন দমন করে শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নেয়ায় দেশবাসী এক নিশ্চিত রক্তপাত ও দীর্ঘমেয়াদি সহিংসতার আশংকার মধ্যে রয়েছেন। এ অবস্থায় শীর্ষ রাজনৈতিক নেতাদের সামনে জাতিকে উল্লিখিত সংকট থেকে উদ্ধার করার সুযোগ এসেছে। কোনো রাজনৈতিক নেতা তার মেধা ও দূরদর্শিতা ব্যবহার করে আসন্ন সংকট থেকে জাতিকে উদ্ধার করে একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন উপহার দিতে পারলে ওই নেতা একদিকে কেবল দেশবাসীর প্রশংসাভাজনই হবেন না, সেই সঙ্গে দেশের রাজনীতির ইতিহাসে নিজের নামটিও লেখাবার বিরল সুযোগ পাবেন।
বলার অপেক্ষা রাখে না যে, চলমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় এ সুযোগ কেবল দেশের প্রধান দুই নেত্রীরই ব্যবহারের সম্ভাবনা বেশি। দেশের অন্য নেতাদের পক্ষে এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা কম। এ ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে সহজেই এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে আলোচ্য সংকটের সমাধানের মধ্য দিয়ে একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন উপহার দিয়ে ওই নির্বাচনে দলীয় জয়-পরাজয় যা-ই হোক না কেন, সে ফলাফল মেনে উদার মনের পরিচয় দিয়ে রাষ্ট্রনায়কোচিত ভূমিকা পালন করে বাংলাদেশী রাজনীতির ইতিহাসে নিজ আসনকে উজ্জ্বল করে তোলা সম্ভব। তিনি সহজ ও শান্তিপূর্ণ পথে আলোচ্য সমস্যার সমাধান করে ফেললে বেগম জিয়ার পক্ষে আর এ সংকট থেকে লাভবান হওয়ার সুযোগ থাকবে না। তবে প্রধানমন্ত্রী যদি সহজ পথে না গিয়ে বিরোধীদলীয় আন্দোলন দমন করে শক্তি প্রয়োগ এবং সহিংসতা ও রক্তপাতের মধ্য দিয়ে একতরফা নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন, তাহলে এ সংকট উত্তরণে বেগম জিয়া ভূমিকা পালনের সুযোগ পাবেন। সেক্ষেত্রে ১৮ দলীয় জোটনেত্রী হিসেবে তিনি যদি দেশবাসীকে তার দাবির পক্ষে সম্পৃক্ত করে বৃহত্তর আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারকে নির্দলীয় সরকারের অধীনে সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি মেনে নিতে বাধ্য করে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করাতে সক্ষম হন, তাহলে একজন বিচক্ষণ রাজনৈতিক নেতা হিসেবে তার পক্ষে রাজনীতির ইতিহাসের পাতায় অধিকতর উজ্জ্বল হয়ে ওঠা সম্ভব হবে।
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য-বিবৃতি শুনে মনে হয়, তিনি রাষ্ট্রনায়কোচিত ভূমিকা পালনের চেয়ে ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করার দিকে বেশি মনোযোগী। দেশের স্বার্থের চেয়ে সংকীর্ণ দলীয় স্বার্থে অধিক মনোযোগী হয়ে প্রধানমন্ত্রী কি ইতিহাসের পাতায় নাম উজ্জ্বল করার সুযোগটি বিরোধীদলীয় নেত্রীর দিকেই ঠেলে দিচ্ছেন? লক্ষণীয়, রাজনীতির সাম্প্রতিক খেলায় বিরাধীদলীয় নেত্রী বিচক্ষণতার পরিচয় দিচ্ছেন। বিশেষ করে সরকারি নেতাদের ‘আন্দোলনের মুরোদ নেই’ ধরনের অনেক খোঁচা খেয়েও বিরোধী দলের পক্ষ থেকে বড় ধরনের আন্দোলন কর্মসূচি না দিয়ে তিনি জনগণকে নিজ দাবির পক্ষে সভা-সমাবেশ ও অহিংস কর্মসূচির মধ্য দিয়ে অধিকতর সম্পৃক্ত করার কর্মসূচি দীর্ঘায়িত করে বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়েছেন। এখন দেখার বিষয়, প্রধানমন্ত্রী কিছুটা নমনীয় হয়ে জয়-পরাজয়ের বিষয়টিকে প্রাধান্য না দিয়ে নির্দলীয় সরকারের অধীনে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের ব্যবস্থা করে যদি রাষ্ট্রনায়ক হওয়ার সুযোগ কাজে না লাগান, তাহলে বেগম জিয়া ১৮ দলীয় জোটের আন্দোলনের মাধ্যমে শেষ মুহূর্তে জোরালো চাপ সৃষ্টির মাধ্যমে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের ব্যবস্থা আদায় করে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করে ইতিহাসে নিজের নাম উজ্জ্বল করতে পারেন কি-না।
বর্তমান পরিস্থিতিতে দুই নেত্রীর সামনেই চলমান সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধান করে ইতিহাসে নিজ নাম উজ্জ্বল করার সুযোগ সমাগত। প্রধানমন্ত্রী আন্তরিক হলে খুব সহজেই এ কৃতিত্ব অর্জন করতে পারেন। কিন্তু বিরোধীদলীয় নেতার জন্য সুযোগ এলে তাকে অনেক আন্দোলন-সংগ্রাম ও ত্যাগের মধ্য দিয়ে হয়তো এ কৃতিত্ব অর্জন করতে হবে। আর কিছুদিন পরই দেশবাসী বুঝতে পারবেন, আলোচ্য সংকট সমাধানের খেলায় কে সফল ভূমিকা রেখে রাজনীতির ইতিহাসের পাতায় তার নাম উজ্জ্বল ও স্থায়ী করতে পারবেন।
ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার : অধ্যাপক, রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কঙ্গোর মাদার তেরেসা সিস্টার অ্যাঞ্জেলিকা
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1426)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
-
▼
2013
(14877)
-
▼
October
(362)
-
▼
Oct 08
(9)
- আগুনের পরশমণি
- ছারপোকা
- দুদক আইন কি পাস হবে না?
- ভর্তি-শৃঙ্খলা ফিরবে কবে
- পাকিস্তানে জঙ্গিদের হাতে পরমাণু অস্ত্র! by আসিফ রশীদ
- শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন চাই by ধীরাজ কুমার নাথ
- জাহাঙ্গীরনগর সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হচ্ছে by...
- ইতিহাসে নাম লেখাবার সুযোগ সমাগত by মুহাম্মদ ইয়াহ্ই...
- কঙ্গোর মাদার তেরেসা সিস্টার অ্যাঞ্জেলিকা
-
▼
Oct 08
(9)
-
▼
October
(362)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...


