Monday, September 16, 2024
সংস্কারে দৃঢ়ভাবে পাশে থাকবে যুক্তরাষ্ট্র: ২০ কোটি ডলারের সহায়তা চুক্তি সই by মিজানুর রহমান
ওদিকে, তার আগে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় অর্থ ও বাণিজ্য উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে বৈঠক করে প্রতিনিধিদল। পরে অন্তর্বর্তী সরকারকে সহায়তায় ২০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অনুদানের চুক্তি স্বাক্ষর করে দুই দেশ। বৈঠক শেষে ইউএসএইডের উপ-সহকারী প্রশাসক অঞ্জলি কর জানান, সুশাসন, অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন, সামাজিক, মানবিক ও অর্থনৈতিক সুযোগ বৃদ্ধি খাতে ওই অর্থ অনুদান দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ সময় অর্থ উপদেষ্টা জানান, বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনাসহ কয়েকটি বিষয়ে আলোচনা হয়েছে মার্কিন প্রতিনিধিদের সঙ্গে। এর আগে দিনের শুরুতে পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সফররত ছয় সদস্যের মার্কিন প্রতিনিধিদল। এ নিয়ে পৃথক ফেসবুক বার্তায় দূতাবাসের তরফে বলা হয়, রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পেরে ভালো লেগেছে। আমরা আমাদের অংশীদার বাংলাদেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণ, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, মানবাধিকার সমুন্নত রাখা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় সহায়তা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। অর্থ ও বাণিজ্য উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে দূতাবাসের বার্তাটি ছিল এমন ‘বাংলাদেশের নবউদ্যমে প্রবৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাওয়াকে আমরা পৃষ্ঠপোষকতা করবো। এ লক্ষ্যে শীর্ষ অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে আলাপে আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও টেকসই উন্নয়নকে ঘিরে তাদের উদ্যোগ ও প্রচেষ্টাকে সহায়তা করার ক্ষেত্রে আমাদের সম্পৃক্ততার বিষয়গুলো আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে।
পাচার হওয়া অর্থ ফেরত বিষয়ে যে আলোচনা হলো: যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের সফরের বিষয়ে দুপুরে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় সাংবাদিক ব্রিফ করেন নবনিযুক্ত পররাষ্ট্র সচিব মো. জসীম উদ্দিন। তিনি জানান, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে দ্রুততম সময়ের মধ্যে অর্থনৈতিক সংস্কারের বিষয়টি বিশেষ অগ্রাধিকারে রয়েছে। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সংস্কার নিয়ে সরকারের ধারণা ও যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে এতে যুক্ত হতে পারে, তা নিয়ে ঢাকা সফররত উচ্চপর্যায়ের মার্কিন প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাধারণ আলোচনা হয়েছে। তিনি আরও জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার প্রক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র সহযোগিতা করতে আগ্রহী। পররাষ্ট্র সচিবের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সরকারের উচ্চ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদল সফররত যুক্তরাষ্ট্রের রাজস্ব ও অর্থ দপ্তরের সহকারী আন্ডার সেক্রেটারি ব্রেন্ট নেইম্যানের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদলটির সঙ্গে ভোজ-বৈঠকে মিলিত হয়েছিলো। লাঞ্চ শেষে পররাষ্ট্র সচিব জানান, অন্তর্বর্তী সরকার ইতিমধ্যে যেসব পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, সেগুলোর বিষয়ে প্রতিনিধিদলকে জানানো হয়েছে। সরকারের সংস্কার পরিকল্পনা সম্পর্কে তারা জানতে চেয়েছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে অর্থনৈতিক সংস্কারের বিষয়টি এ সরকারের বিশেষ অগ্রাধিকার বলে তাদের জানানো হয়েছে। আর্থিক ও রাজস্ব খাতের সংস্কারের কথা বলা হয়েছে। এসব বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সহযোগিতার ক্ষেত্র, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, শ্রম পরিবেশ, মানবাধিকার সুরক্ষা, রোহিঙ্গা সংকটসহ নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কোন কোন খাতে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে, জানতে চাইলে জসীম উদ্দীন বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে এক মাসের কিছুটা বেশি। আজ বৈঠকে পরিবর্তিত যে পরিস্থিতি ও সরকারের সংস্কার বিষয়ে যে ধ্যান-ধারণা এবং তাতে যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে অংশগ্রহণ করতে পারে, তা নিয়ে সাধারণ আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা আশা করি, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যথাযথ যোগাযোগ বাড়ানোর জন্য এই সফর একটি ভিত্তি। সামনে আমরা এই আলোচনাকে বিভিন্ন পর্যায়ে এগিয়ে নিয়ে যাবো। পাচার হওয়া টাকা ফেরত নিয়ে আলোচনা হয়েছে কিনা, জানতে চাইলে পররাষ্ট্র সচিব বলেন, আমরা বড় আকারে আর্থিক খাতে সংস্কার নিয়ে আলোচনা করেছি এবং পাচার হওয়া অর্থসহ অন্যান্য বিষয় নিয়ে প্রাথমিক কথাবার্তা হয়েছে। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের যে বিশেষায়িত জ্ঞান রয়েছে, সেটি হয়তো আমরা ব্যবহার করবো, কিন্তু আলাপ-আলোচনা সবে শুরু হয়েছে। এর চূড়ান্ত রূপ পেতে কিছুটা সময় লাগবে। পররাষ্ট্র সচিব বলেন, প্রতিনিধিদলের এই সফরে প্রথম যে আশ্বাস, সেটি হচ্ছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র কাজ করতে চায়। সেটারই প্রতিফলন হিসেবে সরকার গঠনের দ্বিতীয় মাসেই যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধিদল পাঠিয়েছে। দ্বিতীয়ত, আর্থিক সংস্কারের যেসব খাত চিহ্নিত করা হয়েছে, তার সবক’টি খাতে তারা সার্বিকভাবে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে। শ্রম আইন নিয়ে যেসব পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে, সেগুলো তাদের জানানো হয়েছে এবং এই আলোচনা অব্যাহত থাকবে। মার্কিন প্রতিনিধিদলের অন্যতম সদস্য এবং দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডনাল্ড লু ঢাকায় আসার আগে দিল্লি সফর করেছেন। এই সফরে ভারত থেকে কোনো বার্তা নিয়ে এসেছেন কিনা? জানতে চাইলে পররাষ্ট্র সচিব বলেন, এ বিষয়ে আজ কোনো আলোচনা হয়নি। বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশন আছে এবং ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশন আছে। আমরা যদি দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে চাই, এগুলো আমাদের জন্য প্ল্যাটফরম।
সংস্কার ও পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনতে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা
দেশ পুনর্গঠন, মৌলিক সংস্কার এবং পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনতে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। গতকাল সফররত দেশটির উচ্চপর্যায়ের এক প্রতিনিধি দল রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ সহায়তা চান। প্রধান উপদেষ্টা প্রতিনিধি দলকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের চ্যালেঞ্জসমূহের কথা উল্লেখ করে বলেন, তার সরকার দেশের অর্থনীতি পুনর্গঠন, সংস্কার এবং পুনরায় সচল করার পাশাপাশি আর্থিকখাতে সংস্কার এবং বিচার বিভাগ ও পুলিশসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান কার্যকর করার উদ্যোগ নিয়েছে। ছাত্রদের নেতৃত্বে সংঘটিত বিপ্লব বাংলাদেশে নতুন আশার সঞ্চার করেছে উল্লেখ করে প্রফেসর ইউনূস বলেন, বর্তমান সময়টি আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং আমাদের ইতিহাসে তাৎপর্যপূণ এক মুহূর্ত। প্রধান উপদেষ্টা তার সরকারের নেয়া সংস্কার রূপরেখা তুলে ধরে বলেন, ভোট কারচুপি প্রতিরোধে আমাদের সরকার দায়িত্ব নেয়ার কয়েক সপ্তাহের মধ্যে নির্বাচন কমিশন সংস্কার এবং বিচার বিভাগ, পুলিশ, জনপ্রশাসন, দুর্নীতি দমন কমিশন এবং সংবিধান সংশোধনের লক্ষ্যে ৬টি কমিশন গঠন করেছে। স্বৈরাচারী সরকারের ঘনিষ্ঠ দুর্নীতিগ্রস্ত লোকদের দ্বারা আত্মসাৎকৃত ও পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা দুর্নীতির এক গভীর সমুদ্রে নিমজ্জিত ছিলাম। তাই আমাদের সরকারকে দুর্নীতির মতো বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি ডিপার্টমেন্টের সহকারী আন্ডার সেক্রেটারি ব্রেন্ট নিম্যানের নেতৃত্বাধীন মার্কিন প্রতিনিধি দল প্রফেসর ইউনূসের নেতৃত্বের প্রশংসা করে তার নেতৃত্বে বাংলাাদেশে সংস্কার কার্যক্রমে সহায়তা করতে পারলে আনন্দিত হবে বলে জানায়। বৈঠকে মার্কিন কর্মকর্তারা জানায়, সংস্কার কর্মসূচিতে প্রযুক্তিগত ও আর্থিক বিষয়ে সহায়তা দিতে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র। ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকে আর্থিকখাতের সংস্কার, বিনিয়োগ, শ্রম পরিস্থিতি, রোহিঙ্গা সংকট এবং জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে অংশ নেয়ার লক্ষ্যে প্রধান উপদেষ্টার আসন্ন নিউ ইয়র্কে সফর নিয়ে আলোচনা হয়েছে। মার্কিন প্রতিনিধি দলের অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু, বাণিজ্য বিষয়ক সহকারী প্রতিনিধি ব্র্যান্ডন লিঞ্চ, ডেপুটি সহাকারী প্রশাসক অঞ্জলি কর, ট্রেজারি ডিপার্টমেন্টের ডিরেক্টর জেরোড মেসন। বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত ড. লুৎফে সিদ্দিকী, প্রধান উপদেষ্টার এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ, পররাষ্ট্র সচিব মো. জসিম উদ্দিন, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী উপস্থিত ছিলেন।
ছাত্র আন্দোলনের সময় দেয়ালে আঁকা গ্রাফিতির ছবি-সম্বলিত আর্টবুক উপহার: সফররত মার্কিন প্রতিনিধি দলকে গণঅভ্যুত্থানের সময় দেয়ালে ছাত্রদের আঁকা বর্ণিল ও বৈচিত্রময় গ্রাফিতির ছবি-সম্বলিত একটি আর্টবুক উপহার দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বইটিতে জুলাই-আগস্ট মাসে ছাত্রদের নেতৃত্বে বিপ্লব চলাকালে ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য শহর ও নগরের দেয়ালে তরুণ শিক্ষার্থীদের আঁকা সেরা কিছু শিল্পকর্মের ছবি স্থান পেয়েছে। ড. ইউনূস মার্কিন প্রতিনিধিদলের কাছে গ্রাফিতির ঐতিহাসিক তাৎপর্য তুলে ধরেন। বলেন, এসব গ্রাফিতিতে স্বৈরাচার শেখ হাসিনার পাশবিক শক্তিকে প্রতিহত করতে নৃশংস এক বাহিনীর মুখোমুখি আন্দোলন-বিক্ষোভে অংশ নেয়া শিক্ষার্থী ও যুবকদের দাবি-দাওয়া, আবেগ-অনুভূতি, আশা-আকাঙ্ক্ষা চিত্রিত হয়েছে। তিনি বলেন, আমি আপনাদের ঢাকার দেয়ালগুলো একবার ঘুরে দেখার অনুরোধ করবো। এসব গ্রাফিতি এখনো রাজধানীর দেয়ালে-দেয়ালে শোভা পাচ্ছে। এগুলো শুধু বিপ্লবের পরই নয়, আন্দোলন চলাকালেও শিক্ষার্থীরা সরকারি বাহিনীকে অমান্য করে এসব গ্রাফিতি আঁকেন। তরুণ চিত্রশিল্পীদের আঁকা-লেখায় ঢাকা সারা দুনিয়ার গ্রাফিতি রাজধানী হিসেবে পরিচিতি পায়। দেয়ালগুলো পরিণত হয় প্রতিবাদ-বিক্ষোভের বিশাল ক্যানভাসে। সরকারকে নানা শক্তিশালী বার্তা দিতে তারা বিভিন্ন সৃজনশীল ও হৃদয়গ্রাহী স্লোগান ও কবিতা লিখেছে। এসব বার্তা যেন বিপ্লবের চেতনা ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষার শিল্পিত প্রতিফলন। ছাত্ররা দেশবাসীর সমর্থন আদায়ে শিল্পকর্মের মাধ্যমে কীভাবে মুক্তির বার্তা পৌঁছে দিয়েছিল প্রধান উপদেষ্টা তা স্মরণ করে মার্কিন প্রতিনিধিদলকে বলেন, তরুণদের কাছে রং-তুলি কেনার মতো অর্থই ছিল না। সাধারণ মানুষ তাদের সহায়তায় এগিয়ে আসেন। ছাত্রদের মনের মাধুরী মিশিয়ে দেয়ালে-দেয়ালে ফুটিয়ে তোলা স্বপ্ন-বাসনার এসব নান্দনিক ও নজর-কাড়া চারুকলা গোটা ঢাকা শহরের চেহারা পাল্টে দেয়। এর মধ্যে অনেক গ্রাফিতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। প্রশংসা কুড়ায় সর্বস্তরের মানুষের।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘স্বৈরাচারের পতন শেষ নয়, এটা নতুন বাংলাদেশে যাওয়ার মাধ্যম’
তিনি বলেন, স্বৈরাচারের পতন হয়েছে। কিন্তু অভিষ্টের বিবেচনায় মূল লক্ষ্য নতুন বাংলাদেশ। রাষ্ট্র সংস্কারের কথা আমাদের তরুণ প্রজন্ম বলছেন। বর্তমান ও আন্দোলনকে কেন্দ্র করে আমাদের কাছে যে চেতনা নতুন করে প্রস্ফুটিত হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে প্রভুত্ববাদ অবসান, সহনশীলতা, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ ও সবার জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা। টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক বলেন, স্বৈরাচারের পতন নিশ্চিত হয়েছে। কিন্তু এতেই সব শেষ নয়। স্বৈরাচারের পতন ছিল একটা মাধ্যম। নতুন নতুন জায়গায় যাওয়ার একটা মাধ্যম। সেই নতুন জায়গাটা হলো আমাদের নতুন বাংলাদেশ নির্মাণ করতে হবে। রাষ্ট্র সংস্কার ও রাজনৈতিক সমঝোতা করতে হবে। তিনি বলেন, রাজনৈতিক বিভাজনের কারণে আমাদের রাষ্ট্র কাঠামোতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণ হয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলো অকার্যকর করে দেয়া হয়েছে। সেগুলোকে কর্তৃত্ববাদ প্রতিষ্ঠার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। এই চর্চায় ত্রিমুখী আঁতাত কাজ করেছে। রাজনৈতিক শক্তি একদিক থেকে আমলাতন্ত্র আরেকদিক দিক থেকে। অন্যদিক থেকে বিনিয়োগকারীরা কাজ করেছেন। দুর্নীতি সহায়ক ও দুর্নীতিকে সুরক্ষা দেয়ার মতো রাষ্ট্র কাঠামো তৈরি হয়েছে। ফলে সমাজে বৈষম্য বেড়েছে। সেটাকে ধারণ করার জন্য আমাদের মৌলিক অধিকার হরণ করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে সমন্বয়কদের সহযোগিতা করার অনুরোধ জানিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন সবার আন্দোলন ছিল। পরবর্তী সময়ে এটাকে সর্বজনীন করতে হলেও আমাকে সবার কাছে যেতে হবে। তোষামোদি করা কি অপরাধ কিনা এটা জানতে চাই? এটা কি অপরাধ? এটা অপরাধ না। আমি যদি কারও সমালোচনা করতে পারি, আমি শর্তহীন প্রশংসাও করতে পারি। তিনি বলেন, পঞ্চগড়ে কেউ আমার নাম বেচে লাখ টাকা নিয়ে আসে সেটায় আমি প্রতিবাদ জানাতে পারি। এটার জন্য সবাইকে অসম্মান করলে আমাদের কাজের পরিধি কমে যায়। আমরা ডিমোরালাইজ্ড হই। আমরা ত্রাণ তুলি সেটাতে সমস্যা। শহীদদের স্মরণে অনুষ্ঠান করি সেটাতেও সমস্যা। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এ সমন্বয়ক বলেন, বর্তমান বাংলাদেশে এমন একটা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। রাতে ঘুমানোর আগে যাই একটু সমন্বয়কদের গালাগালি করে আসি। কমেন্টসে গালাগালি করে আসি। কারণ এটা সবচেয়ে সেইফ জোন। আমরা ভলান্টিয়ার বেসিসে কাজ করছি। আমরা অথরিটি না। আমরা সবার সহযোগিতা চাই। আমরা অথরিটি না, লিগ্যাল এনটিটি নই। মানুষ ডিভোর্সের সমস্যা থেকে শুরু করে সচিব পদবি চেঞ্জ করার জন্য আসেন। কিন্তু আমাদের অথরিটি নাই। যদি আমাদের কোনো ভুল থাকে সেটা কীভাবে সংশোধন করবো। সেটা কীভাবে অ্যাড্রেস করবো- সে বিষয়ে প্রপার সমাধান করেন। এটা হলে আমাদের জন্য কাজ করা সহজ হয়।
তরুণরা সুশীল সমাজের পরামর্শ চায় জানিয়ে তিনি বলেন, একটি রিয়েলিস্টিক এটিটিউড তৈরি হয়েছে। এটার দায়ভার সুশীল সমাজ এড়াতে পারে না। বুদ্ধিজীবীরা ১৯৭১, ২০২৪ এ ফেইল মারছেন। আমাদের ক্ষমতা বিমুখতা বা আমরা কেন ভয় পাই- এ দায়ভার সুশীল সমাজকে নিতে হবে। ২০২৪ যদি ’৯০ এর পুনরাবৃত্তি হয়, একাত্তরের পুনরাবৃত্তি হয়, ৫২’র পুনরাবৃত্তি হয় তাহলে আমাদের যে শক্তি বা সামর্থের জায়গা তৈরি হয়েছে সেটা আর কখনোই পুনরায় মঞ্চায়ন সম্ভব হবে না। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আরেক সমন্বয়ক আরিফ সোহেল বলেন, জনগণের ভাষা যেটা লড়াই ও প্রতিরোধের মাধ্যমে তৈরি হয়েছে সেটাকে আমরা ক্ষমতায় আসতে দেখিনি। আমাদের রাজনৈতিক দল থেকে পরিবারতন্ত্র সরাতে হবে। তিনি বলেন, জনগণের আকাক্সক্ষা তৈরি হয়েছে। এই আকাক্সক্ষার মধ্যদিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোকে একটি রূপান্তর করতে হবে। এই রূপান্তর কোনো মাইনাস প্রক্রিয়া না। গণঅভ্যুত্থানে যে স্পিরিট তৈরি হয়েছে সেটি দেখে থাকলে অনুধাবন করতে পারলে দলগুলোতে রূপান্তর ঘটবে। আমরা দেশের রাজনৈতিক দলগুলোতে রূপান্তর দেখতে চাই। আমরা এই বোঝাপড়া করতে চাই সবার সঙ্গে বসতে চাই। জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখপাত্র সামান্তা শারমিন বলেন, গণঅভ্যুত্থানের আকাক্সক্ষা কী ছিল সেই আলাপ আমরা শুনতে চাই। এরপরে আগামী বাংলাদেশের রূপরেখা আমরা সাজাতে চাই। কথাসাহিত্যিক সাদাত হোসাইন বলেন, শিল্প-সংস্কৃতির মধ্যদিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে হবে। শুভ বোধসম্পন্ন মানুষ তৈরি করতে হবে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জাহিদ মালেক পরিবারের ৬০০০ শতাংশ জমির খোঁজ by মারুফ কিবরিয়া
দুদক সূত্র জানায়, মানিকগঞ্জ জেলার বিভিন্ন মৌজায় কেনা এসব জমির মধ্যে জাহিদ মালেকের নামেই রয়েছে ২ হাজার ১৯৩.০৫৩ শতাংশ। তার ছেলে রাহাত মালেকের নামে ১ হাজার ৭৪২.০১৬ শতাংশ এবং ২ হাজার ১১৮.৭৮ শতাংশ জমি কেনা হয়েছে মেয়ে সিনথিয়া মালেকের নামে। বিপুল পরিমাণ এই জমির বাজার মূল্যও টাকার অঙ্কে হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারণা করছেন দুদকের অনুসন্ধান সংশ্লিষ্টরা। তবে জমির দলিল মূল্যে দাম অনেক কম দেখানো হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুদকের এক কর্মকর্তা মানবজমিনকে বলেন, আমরা সবে অনুসন্ধানটা শুরু করেছি। সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকালে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে বিপুল সম্পদের মালিক হওয়ার অভিযোগ রয়েছে আমাদের কাছে। এসব অভিযোগের অংশ হিসেবে মানিকগঞ্জে জাহিদ মালেক ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা সম্পদের তথ্য চেয়ে চিঠি দিয়েছিলাম। সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয় থেকে দেয়া তথ্য অনুযায়ী সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রীর এই জমিগুলোর তথ্য এসেছে।
দুদকের এই কর্মকর্তা আরও জানান, মানিকগঞ্জের জমি ছাড়াও ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় বাড়ি, ফ্ল্যাট থাকার তথ্য রয়েছে। এসব সম্পদের বিষয়েও ইতিমধ্যে খোঁজ নেয়া শুরু হয়ে গেছে। দুদক সূত্র জানায়, মানিকগঞ্জে জাহিদ মালেক ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে যে ছয় হাজার শতক জমি ছেলে রাহাত মালেকের নামে ৯১টি দলিল, মেয়ে সিনথিয়ার নামে ২২টি এবং জাহিদ মালেকের নামে রয়েছে ৪৬টি দলিল।
অনুসন্ধান সংশ্লিষ্ট দুদকের কর্মকর্তারা জানান, সরকারি ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেডের (ইডিসিএল) মানিকগঞ্জে কারখানা স্থাপনের জন্য একটি প্রকল্প পাস হয়েছিল। ২০২২ সালের ৫ই এপ্রিল জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে (একনেক) প্রকল্পটি পাস হয়। এতে মোট ব্যয় ধরা হয় ১ হাজার ৯০৫ কোটি টাকা। এরমধ্যে জমি অধিগ্রহণের জন্য ব্যয় ধরা হয় ১১৫ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। সরকারি অর্থায়নে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। বাস্তবায়নকাল ধরা হয়েছে ২০২২ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৭ সালের মার্চ পর্যন্ত। প্রকল্পের জন্য মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার জাগীর ইউনিয়নের মেঘশিমুল এলাকায় সাড়ে ৩১ একর জমি প্রস্তাব করা হয়। যেসব মৌজায় এসব জমি পড়েছে তার অধিকাংশই সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও তার ছেলে-মেয়েদের নামে। কিছু জমি মেয়ের স্বামীর নামেও দানপত্র করা হয়েছিল। প্রকল্প পাসের পর অধিগ্রহণ হলে তিনগুণ দামে জমিগুলো বিক্রি করতে পারবেন এমনটা পরিকল্পনায় ছিল তাদের। এতে সরকারের ১০০ কোটি টাকা ক্ষতি হবে বলে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে চিঠিও দিয়েছিলেন তৎকালীন জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আবদুল লতিফ। এর জের ধরে তাকে অপসারণের জন্য আন্দোলনও হয় জাহিদ মালেকের ফুপাতো ভাই শামীম মিয়ার নেতৃত্বে। পরে প্রকল্পটি স্থগিত হয়ে যায়।
অনুসন্ধান সূত্রে জানা যায়, মন্ত্রী থাকাকালীন ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে বিভিন্ন হাসপাতালের কেনাকাটা, নিয়োগ, পদোন্নতি, বদলি, পদায়ন, চিকিৎসাসেবা, চিকিৎসায় ব্যবহৃত ইক্যুইপমেন্ট, ওষুধ সরবরাহসহ বিভিন্ন প্রকল্পের উন্নয়নমূলক কাজে ভাগ বসিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন জাহিদ মালেক। সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। দুদক ছাড়াও বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটসহ (বিএফআইইউ) বিভিন্ন সংস্থা তদন্ত করছে।
সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগের শাসনামলে দুর্নীতির সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন জাহিদ মালেক। এসব দুর্নীতির মাধ্যমে গড়ে তুলেছেন সম্পদের পাহাড়। দুদকের অভিযোগের তথ্যমতে তার সম্পদের মধ্যে রয়েছে ঢাকার গুলশানে আলিশান বাড়ি, বনানীতে ১৪ তলা বিটিএ টাওয়ার, মানিকগঞ্জ শহরে ১০তলা বাণিজ্যিক ভবন, সভা সমাবেশ করার জন্য গড়েছেন শুভ্র সেন্টার। অভিযোগ রয়েছে, তার পরিবারের মালিকানাধীন থাকা অবস্থায় সানলাইফ ইন্স্যুরেন্সের লাখ লাখ গ্রাহকের অর্থ লোপাট করেছেন জাহিদ মালেক।
সূত্র আরও জানায়, সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের বিরুদ্ধে বৈশ্বিক মহামারি করোনাকালে করোনার টিকা, কিট, নকল মাস্ক বানিয়ে ও ভুয়া আমদানি দেখিয়ে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কয়েক হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগের তদন্ত শুরু হয়েছে। এমনকি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বিভিন্ন হাসপাতালের ক্রয়, নিয়োগ, পদোন্নতি, বদলি, পদায়ন, চিকিৎসাসেবা, চিকিৎসায় ব্যবহৃত ইক্যুইপমেন্ট, ওষুধ সরবরাহসহ বিভিন্ন প্রকল্পের উন্নয়নমূলক কাজে ভাগ বসিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন তিনি। দুর্নীতির এসব টাকা দিয়ে নামে-বেনামে ব্যবহার করে এক ডজনের বেশি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, করোনার মহামারিকালে মুন্সীগঞ্জের একটি কারখানায় এন-৯৫ নকল মাস্ক বানিয়ে ভুয়া আমদানি দেখিয়েছেন। এসব মাস্ক হাসপাতালের চিকিৎসকদের দেয়া হতো। এই কাজটির সঙ্গে সরাসরি সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ছেলে রাহাত মালিক, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব আসাদুল ইসলাম, আর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক ডাক্তার আবুল কালাম আজাদ মিলে হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এমন তথ্য করোনাকালে বিভিন্ন গণ্যমাধ্যমেও উঠে এসেছিল।
দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ বা টিআইবি’র করোনাকালীন এক গবেষণা প্রতিবেদনে দেখা গেছে, স্বাস্থ্য খাতে অনিয়ম, দুর্নীতি এবং অযোগ্যতার কারণে করোনাভাইরাস সংকট প্রকট হচ্ছে। এই দুর্যোগকালীন পরিস্থিতিতে ৫ থেকে ১০ গুণ বাড়তি দামে মানহীন মাস্ক, পিপিইসহ সুরক্ষা সামগ্রী সরকারিভাবে সরবরাহ করা হচ্ছে। সেজন্য এসব কেনাকাটার নিয়ন্ত্রণ একটি সিন্ডিকেটের হাতে থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে সেই প্রতিবেদনে।
টিআইবি’র অভিযোগ, একটি সিন্ডিকেট বিভিন্ন ফার্মের নামে সব ধরনের কেনাকাটা নিয়ন্ত্রণ করছে এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের একাংশ এতে জড়িত রয়েছে। বিভিন্ন হাসপাতালে এন-৯৫ মাস্ক লেখা মোড়কে সাধারণ সার্জিক্যাল মাস্ক সরবরাহ করার বিষয়কে তুলে ধরা হয়েছে। করোনাভাইরাস পরীক্ষার রক্ত সংগ্রহের টিউব, সিরিঞ্জ থেকে শুরু করে পিসিআর মেশিন কেনাসহ বিভিন্ন চিকিৎসা সামগ্রীর ক্ষেত্রে নানা ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়ার কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সর্বশেষ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে নির্বাচন কমিশনে জাহিদ মালেকের দেয়া হলফনামা সূত্রে জানা যায়, এই সময়ে তার আয় ও সম্পদ উভয়ই বেড়েছে। ২০০৮, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনের হলফনামা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বাড়ি বা অ্যাপার্টমেন্ট অথবা অন্যান্য ভাড়া, ব্যবসা, শেয়ার, সঞ্চয়পত্র ব্যাংক আমানত ও অন্যান্য বাবদ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বার্ষিক আয় আট কোটি ২৯ লাখ ৯৭ হাজার ২৫ টাকা, যা ২০০৮ সালে ছিল ৭১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৯১ টাকা। সেই হিসাবে গত ১৫ বছরে তার বার্ষিক আয় বেড়েছে সাত কোটি ৫২ লাখ ৬২ হাজার ৩৩৪ টাকা। অর্থাৎ গত ১৫ বছরে তার বার্ষিক আয় বেড়েছে ১১ দশমিক ৬৩ গুণ। ২০১৮ সালের হলফনামা অনুযায়ী তার বার্ষিক আয় ছিল দুই কোটি ২০ লাখ ৮৩ হাজার ২১১ টাকা। সেই হিসাবে গত পাঁচ বছরে তার বার্ষিক আয় বেড়েছে ছয় কোটি ৯ লাখ ১৩ হাজার ৮১৪ টাকা। অর্থাৎ গত পাঁচ বছরে তার বার্ষিক আয় বেড়েছে তিন দশমিক ৭৫ গুণ।
বেড়েছে অস্থাবর সম্পদও: হলফনামা থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ বছরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ বেড়েছে ১০ দশমিক ৩৭ গুণ এবং গত পাঁচ বছরে বেড়েছে অর্ধেকেরও বেশি। এবার নগদ টাকা, বৈদেশিক মুদ্রা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা টাকা, বন্ড ও ঋণপত্র, যানবাহন ও অন্যান্য বাবদ তার অস্থাবর সম্পদের আর্থিক মূল্য ৭০ কোটি ৩৩ লাখ ৬৬ হাজার ৬৬১ টাকা, যা ২০০৮ সালে ছিল ছয় কোটি ৭৮ লাখ ৫৩ হাজার ৫৭ টাকা। সেই হিসাবে গত ১৫ বছরে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর অস্থাবর সম্পদের আর্থিক মূল্য বেড়েছে ৬৩ কোটি ২২ লাখ ১৩ হাজার ৬০৪ টাকা।
২০১৮ সালে তার অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ছিল ৪২ কোটি ২৪ লাখ ৪৬ হাজার ৫৭১ টাকা। সেই হিসেবে গত পাঁচ বছরে তার অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ বেড়েছে ২৮ কোটি ৯ লাখ ২০ হাজার ৯০ টাকা, অর্থাৎ এক দশমিক ৬৬ গুণ বেশি।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নতুনের পথে বাংলাদেশ -ডন-এর মন্তব্য প্রতিবেদন
পররাষ্ট্রনীতিতে শেখ হাসিনা ভারতের আধিপত্যকে পুঁজি করাকে বেছে নিয়েছেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতাপ্রিয় মানুষের কাছে এই পরিস্থিতি ছিল নিঃশ্বাস বন্ধ হওয়ার মতো অবস্থা। এখন বাংলাদেশে ভারতের স্থান সংকুচিত হয়েছে। তবে এটা প্রমাণিত যে, তারা এখানে তাদের প্রভাব সুরক্ষিত রাখতে সব চেষ্টা করবে। ভারতের কাছে ৪ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ স্পর্শকাতর সীমান্ত এবং তাদের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে সক্রিয় বিদ্রোহীদের উপস্থিতিতে নিরাপত্তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ আগ্রহের বিষয়। ভারতের নেতাদের জন্য তাৎক্ষণিক চ্যালেঞ্জ হলো তাদের দেশে শেখ হাসিনার উপস্থিতি কীভাবে মোকাবিলা করবে। তিনি যতদিন দিল্লি থাকবেন ততদিন দিল্লির সঙ্গে ঢাকার সম্পর্কের উন্নতি হবে বলে মনে হয় না। দুই দেশ ২০১৩ সালে একটি প্রত্যর্পণ চুক্তি স্বাক্ষর করার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের অনেকে শেখ হাসিনাকে ফেরত দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তার ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে যে বিপুল সংখ্যক ফৌজদারি মামলা হয়েছে, তার মুখোমুখি দাঁড় করানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
ইজাজ আহমেদ চৌধুরী আরও লিখেছেন, যে ঘটনা বাংলাদেশে পরিবর্তন এনেছে তা বর্ণনা করতে গিয়ে হেরফের করে বর্ণনা করার চেষ্টা করছে ভারত। ভারতীয় গবেষক ও মিডিয়া বর্ণনা করছে যে, বাংলাদেশে যে পরিবর্তন এসেছে তা দেশটিকে মুসলিম উগ্রবাদের দিকে নিয়ে যাবে। বাংলাদেশে হিন্দুদেরকে টার্গেট করা হয়েছে। তবে এই অভিযোগের প্রায় পুরোটাই যে গুজব তা বিবিসি’র রিপোর্টে বলা হয়েছে। হাস্যকরভাবে, ভারতেই উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে ধর্মীয় নিপীড়ন। (বাংলাদেশের) এই পরিবর্তনে বিদেশিদের সম্ভাব্য জড়িত থাকার বিষয় প্রতিষ্ঠিত করতে মরিয়া ভারত। কিন্তু আসলে এই পরিবর্তন পুরোপুরি অভ্যন্তরীণ। শেখ হাসিনার নিপীড়নের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে আত্মত্যাগ করা ছাত্ররা বাংলাদেশে এই পরিবর্তন এনেছেন। তারা এটাকে অসম্মান দেখানোর চেষ্টা করছে।
রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা কখন ফিরবে তা পরিষ্কার নয়: এরই মধ্যে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর পরিস্থিতি এবং অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করার জন্য লড়াই করে যাচ্ছে। তারা সমস্যার সমাধান খুঁজছেন। প্রতিবাদ বিক্ষোভ শুরুর আগে থেকেই অর্থনীতি দুর্বল হয়ে গিয়েছিল। কয়েক সপ্তাহের প্রতিবাদ বিক্ষোভের ফলে দেশের গার্মেন্ট শিল্প বিশেষত আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে। সরকার এরই মধ্যে একটি টাস্কফোর্স গঠন করেছে। এর নাম দেয়া হয়েছে-‘রি-স্ট্যাটেজিজিং দ্য ইকোনমি অ্যান্ড মবিলাইজিং রিসোর্সেস ফর ইকুইট্যাবল অ্যান্ড সাসটেইন্যাবল ডেভেলপমেন্ট’।
রাজনৈতিকভাবে ক্ষত সারিয়ে তোলা দরকার। নির্বাচনের আগে বিচারবিভাগ, পুলিশ এবং নির্বাচন কমিশনে মৌলিক সংস্কার করতে চান ছাত্রনেতারা। এতে মনে হচ্ছে কিছু সময়ের জন্য নির্বাচন বিলম্বিত হতে পারে। আঞ্চলিকতার ক্ষেত্রে সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ১৯৮৫ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল সার্ক। তিনি চান বাংলাদেশ আসিয়ানের সদস্য হোক। তারপর তা সার্ক ও আসিয়ানের মধ্যে সম্পর্কের সেতু হিসেবে কাজ করবে।
এই পরিবর্তনের বিষয়ে পাকিস্তানের প্রতিক্রিয়া কেমন হওয়া উচিত? বাংলাদেশের জনগণের বিষয় কেয়ার করেন পাকিস্তানিরা। বাংলাদেশিরা যেমনটা চান তাদের রাজনৈতিক গন্তব্য নির্ধারণে নিজেদের অধিকারকে পূর্ণাঙ্গভাবে সম্মান করা উচিত পাকিস্তানিদের। পাকিস্তান এই ফ্যাক্ট থেকে সন্তুষ্ট হতে পারে যে, শেখ হাসিনা আর মিথ্যা বলার মতো জায়গায় নেই। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বিষাক্ত প্রচারণাও বন্ধ হতে পারে। ক্ষমতা থেকে শেখ হাসিনা সরে যাওয়ার ফলে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানিদের সামনে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে মেরামত করার একটি সুযোগ এসেছে। পাকিস্তানকে অবশ্যই বাস্তবতাভিত্তিক প্রত্যাশা করতে হবে যখন নতুন অন্তর্বর্তী সরকার দেশের ভেতরের বিভিন্ন বিষয়কে ঠিক করার চেষ্টা করছে। সম্প্রতি বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলে যে বন্যা হয়েছে তাতে বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে ভালো কাজ করেছে পাকিস্তান। দুই দেশই জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগকে উৎসাহিত করতে পারে। তরুণদের মধ্যে ‘এক্সচেঞ্জ’ করতে পারে। শেখ হাসিনার সময়ে এসব সুযোগ ছিল ব্লক করা। দুই দেশকেই পরিমিত পদক্ষেপে বাস্তবভিত্তিক প্রত্যাশা নিয়ে একে অন্যের দিকে উপযুক্ত উপায়ে এগিয়ে যেতে হবে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গুলিতে নিহত জামালের স্ত্রী চার সন্তান নিয়ে অসহায় by শুভ্র দেব
কামালের স্ত্রী ফাতেমা খাতুন গতকাল মানবজমিনকে বলেন, ১৫৩/১১ শান্তিনগর বটতলার ছোট একটি বাসায় স্বামী-সন্তান নিয়ে আমাদের বসবাস ছিল। এখনো সেখানেই আছি। স্বামীর রোজগারেই আমাদের ছয় সদস্যের পরিবার চলতো। আমি সামান্য আয় করতাম। এখন সেটিও নাই। ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি থাকার পর আমার কাজ চলে যায়। চার সন্তানের মধ্যে তিনজনই মেয়ে। ছেলেটা সবার ছোট। বড় মেয়ে আনিকার বিয়ে দিয়েছিলাম। কিন্তু তাকেও সাহায্য সহযোগিতা করতে হয়। দ্বিতীয় মেয়ে সুরভী আক্তার রামপুরা এলাকার একটি মাদ্রাসায় একাদশে পড়ে। তৃতীয় মেয়ে সুরাইয়া সেগুন বাগিচা বেগম রহিমা আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণি এবং ছেলে ইয়াছিন মালিবাগ চৌধুরী পাড়ার শেখ জনরুদ্দিন দারুল উলুম মাদ্রাসায় নাজেরা বিভাগে লেখাপড়া করছে। তিনি বলেন, ঘটনাটি ছিল গত ১৯শে জুলাইয়ের। কয়েকদিন ধরে টানা আন্দোলন ছিল ঢাকায়। বিভিন্ন স্থান থেকে শুধু গুলিতে নিহত হওয়ার খবর আসছিল। তাই ওইদিন আমার স্বামী সারাদিন বাসাতেই ছিলেন। মাগরিবের নামাজের পর ছেলে ইয়াছিনের জন্য কিছু খাবার ও কাপড় নিয়ে মাদ্রাসার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন। বটতলার বাসা থেকে বের হওয়ার কিছু সময়ের ভেতরে একটি ছোট্ট ছেলে এসে আমাদের জানায় আমার স্বামী কামাল গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এ খবর শুনে আমি ও আমার মেয়ে সুরাইয়া দৌড়ে ঘটনাস্থলে যাই। দেখি কিছু লোকজন আমার স্বামীকে সিএনজিতে করে তুলে নিয়ে যাচ্ছিল। তখন আমার মেয়ে সিএনজির পেছন পেছন দৌড়ে চিৎকার করে বলছিল ওনি আমার বাবা, তার মেয়ে আমি। আমাকে সঙ্গে নিয়ে যান। কিন্তু তারা সে কথা না শুনেই সিএনজি নিয়ে চলে যায়। তিনি বলেন, যখন আমার মেয়ে সিএনজি’র পেছন পেছন দৌড়াচ্ছিল তখন পুলিশ তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। যদিও সেই গুলি আমার মেয়ের শরীরে লাগেনি। একটি ছেলে তার হাত ধরে টান না দিলে হয়তো আমার মেয়েও পুলিশের গুলিতে মারা যেতো। এ সময় ঘটনাস্থলে আমার আরেক মেয়েও সেখানে আসে। তাকেও পুলিশ গুলি করতে চায়। তখন আশেপাশের সাধারণ মানুষ ও আমরা চিৎকার করে বলি আমরা সাধারণ মানুষ। আমাদের ওপর গুলি করবেন না।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে ফাতেমা খাতুন বলেন, পরে আমি ও আমার মেয়ে রিকশা করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যাই। হাসপাতালে গিয়ে আমার স্বামীকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করি। হাসপাতালের বিভিন্ন স্থানে খোঁজার পর মর্গে গিয়ে স্বামীকে খুঁজে পাই। দেখতে পাই মর্গে আমার স্বামীর গুলিবিদ্ধ নিথর দেহ পড়ে আছে। ততক্ষণে চিকিৎসকরা আমার স্বামীকে মৃত ঘোষণা করে অজ্ঞাত হিসাবে মর্গে মরদেহ রেখে দিয়েছেন। তার শরীরে হাত দিয়ে দেখতে পাই গুলি তার পিঠে লেগে পেট দিয়ে বেরিয়ে গেছে। গুলিবিদ্ধ স্থান থেকে রক্ত ঝরছে। ওইদিন স্বামীর মরদেহ দেখার জন্য মর্গের দায়িত্বে থাকা লোকদের পাঁচশ’ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিল। ফাতেমা বলেন, তখন কি করবো না করবো কিছুই ভেবে পাচ্ছিলাম না। হাসপাতালের বিভিন্ন জনের কাছে পরামর্শ নিতে যাই। তখন আমাদের বলা হয়। ঘটনাস্থল পল্টন থানাধীন। তাই আমাদেরকে পল্টন থানায় যোগাযোগ করতে হবে। এই কথা শুনে আমরা পল্টন থানায় যাই। কিন্তু থানায় গিয়ে দেখি গেট বন্ধ। ভেতরে প্রবেশ করতে পারিনি। উপায়ন্তর না পেয়ে রাতে আবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ফিরে আসি। সেখান থেকে ডেথ সার্টিফিকেট সংগ্রহ করি। তবে ওই রাতে আমাদের মরদেহ বুঝিয়ে দেয়া হয়নি। পরের দিন রাতে লাশ বুঝিয়ে দেয়া হয়। লাশ বুঝে পেয়ে তার দাফন করি।
ফাতেমা বলেন, স্বামীর মৃত্যুর পর এখন আমরা পুরোপুরি অসহায়। হঠাৎ করে এমন মুহূর্ত আসবে কখনো ভাবিনি। ব্যাংকে আমাদের জমানো কোনো টাকা নাই। ছেলে-মেয়েরা লেখাপড়া করে। তাদের লেখাপড়ার পেছনে বড় ধরনের খরচ আছে। বাসা ভাড়া দিতে হয়। চলতি মাসে ভাড়া দিতে পারিনি। খাবারের বন্দোবস্ত করবো নাকি বাসা ভাড়া দিবো। এখন পর্যন্ত কেউ ওভাবে সাহায্য সহযোগিতা করেনি। আদৌ সহযোগিতা পাবো কিনা জানি না। নির্দোষ স্বামী আমার। কেনই বা তাকে গুলি করে মেরে ফেলা হলো? এখন চার সন্তান নিয়ে আমি কি করবো, কোথায় যাবো? কে আমাদের পাশে দাঁড়াবে। প্রায় দুই মাসের মতো হয়ে গেল। নিজের বা সন্তানের জন্য কোনো চাকরিও জোগাড় করতে পারিনি। ভাবলাম বিআইডব্লিউটিএ’তে যোগাযোগ করলে একটা চাকরি পাওয়া যাবে। দু’দিন মতিঝিলের অফিসে গিয়ে কথা বলেছি। এখন আমাকে বলা হয়েছে চেয়ারম্যান বরাবর আবেদন করার জন্য। এ ছাড়া বলা হয়েছে কোনো সমন্বয়ক যদি সুপারিশ করে তাহলে চাকরি হতে পারে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
২ হাজার কিমি দূর থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানল ইসরায়েলে
ক্ষেপণাস্ত্রটি সফলভাবে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে দাবি করে তিনি বলেন, ইসরায়েল আয়রন ডোম ও অ্যারো ডিফেন্স সিস্টেম ব্যবহার করে কয়েক দফা চেষ্টা চালালেও ইয়েমেনের ওই ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করতে পারেনি।
রোববার টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক বিবৃতিতে ইয়েমেন সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র জানান, দেশের সশস্ত্র বাহিনী তেল আবিবের দক্ষিণে জাফা এলাকায় ইসরাইলি শত্রুর সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে একটি গুণগত অভিযান চালিয়েছে। এই হামলা ইয়েমেনের সামরিক সক্ষমতার প্রকাশ।
জেনারেল সারি বলেন, ইয়েমেনি বাহিনী নতুন একটি হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে অভিযান চালিয়েছে যা শত্রুর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এড়িয়ে লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছাতে সক্ষম হয়। ইসরাইলের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এই ক্ষেপণাস্ত্রকে প্রতিহত করতে ব্যর্থ হয়েছে।
জেনারেল সারি বলেন, ইয়েমেন থেকে ২০৪০ কিলোমিটার দূরে এই ক্ষেপণাস্ত্র মাত্র সাড়ে ১১ মিনিটে পৌঁছে যায়। এতে ইহুদিবাদীদের মধ্যে রাষ্ট্রীয়ভাবে ভীতি এবং আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ইসরায়েলি বাহিনীর সাইরেনের শব্দে ব্যাপক হুড়োহুড়ি করে অন্তত ২০ লাখ ইহুদিবাদী আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নেয়। ইসরায়েলের ইতিহাস এটি প্রথম এ ধরনের ঘটনা।
জেনারেল সারি বলেন, ইহুদিবাদী ইসরায়েল শত্রুদের বিরুদ্ধে ইয়েমেনের সামরিক বাহিনী যে অভিযান পরিচালনা করছে তার পঞ্চম ধাপের অংশ হিসেবে এ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। তিনি জানান, আমেরিকা এবং ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করেই হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের ভেতরে আঘাত করেছে।
গাজার জনগণের প্রতি ধর্মীয় নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব থেকে সংহতি প্রকাশের জন্য ইয়েমেনিরা ইহুদিবাদীদের বিরুদ্ধে লড়ছে বলেও উল্লেখ করেন জেনারেল সারি। তিনি সতর্ক করে বলেন, আগামী দিনগুলোতে ইহুদিবাদীরা এ ধরনের আরও হামলার আশা করতে পারে।
![]() |
| ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। ছবি : সংগৃহীত |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র ছাড়া ইসরায়েলের পরিকল্পনায় সমর্থন নয়’
নিজেদের অবস্থান জানিয়ে আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সংযুক্ত আরব আমিরাত ফিলিস্তিনকে একটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ছাড়া গাজা যুদ্ধে সমর্থন করতে প্রস্তুত নয়।’
এর আগে, গত মে মাসে, ইসরায়েল প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেতানিয়াহু গাজার জন্য একটি যুদ্ধ-পরবর্তী পরিকল্পনা অনলাইনে প্রকাশ করেন। নেতানিয়াহুর দাবি, এটি বাস্তবায়িত হলে ফিলিস্তিনিরা অতুলনীয় সমৃদ্ধি উপভোগ করবে। এই পরিকল্পনায় বন্দর, সৌর শক্তি, বৈদ্যুতিক গাড়ি উৎপাদন এবং নতুন আবিষ্কৃত গাজা গ্যাসফিল্ডের সুবিধা অন্তর্ভুক্ত ছিল।
নেতানিয়াহুর প্রস্তাবিত ওই পরিকল্পনায় যুদ্ধে বিজয়ের পর আগামী ২০৩৫ সালের মধ্যে ৩টি পর্যায়ে ধাপগুলো সম্পন্ন করার কথা বলা হয়েছিল।
সেই রোডম্যাপে বলা হয়েছে, গাজার ফিলিস্তিনিরা ইসরায়েলি দখলদারিত্বের অধীনে পরিকল্পনাটি চালাবে। যা সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, মিসর, বাহরাইন, জর্ডান এবং মরক্কোসহ আরব রাষ্ট্রগুলির একটি জোট তত্ত্বাবধান করবে।
নেতানিয়াহুর প্রস্তাবের প্রতিক্রিয়ায় নিন্দা জানিয়েছেন আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল্লাহ। তার মতে, এই পদক্ষেপটিতে বাস্তবায়ন বা অনুরূপ পদক্ষেপ নেওয়ার বৈধ কর্তৃত্বের অভাব রয়েছে। কেননা, গাজা পরিকল্পনা নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে কোনো পরামর্শ করা হয়নি।
আবদুল্লাহ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান আরও বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি উপস্থিতির স্বীকৃতি প্রদানের লক্ষ্যে যে কোনো পরিকল্পনায় জড়িত হতে অস্বীকার করে।
তিনি আরও বলেন, যখন একটি ফিলিস্তিনি সরকার গঠিত হবে যা ভ্রাতৃপ্রতিম ফিলিস্তিনি জনগণের আশা ও আকাঙ্ক্ষা পূরণ করবে। সততা, যোগ্যতা এবং স্বাধীনতার দ্বারা আলাদা হবে। তখন সংযুক্ত আরব আমিরাত সেই সরকারকে সব ধরনের সহায়তা করতে প্রস্তুত থাকবে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তারুণ্য সব সময় অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকবে
গতকাল রোববার বিকেলে ফেনী জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় আবদুল কাদের এ কথাগুলো বলেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন গতকাল ফেনীর পাশাপাশি মানিকগঞ্জ ও দিনাজপুরে ‘গণ-অভ্যুত্থানের প্রেরণায়, শহীদ পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ছাত্র-নাগরিক মতবিনিময় সভা’ করেছে। ৮ সেপ্টেম্বর থেকে জেলায় জেলায় গিয়ে মতবিনিময় সভা করছেন কেন্দ্রীয় সমন্বয়কেরা।
বিগত সময়ে ফেনীর মানুষেরা কথা বলতে পারেননি উল্লেখ করে মতবিনিময় সভায় আবদুল কাদের বলেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনার দোসররা মানুষদের অনেকটা জিম্মি করে রেখেছিল। যেন বসবাস ছিল জেলখানায়। তিনি আরও বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট হাসিনাকে হঠাতে পারলেও দেশ সংস্কার এখনো হয়নি, সেটার অনেক বাকি। আগামীর বাংলাদেশ সুশাসনের বাংলাদেশ। দখলদারির রাজনীতিতে কুঠারাঘাত করতে হবে। ক্যাম্পাসে দলীয় লেজুড়বৃত্তিক কোনো রাজনীতি থাকবে না। ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি থাকবে ছাত্রসংসদভিত্তিক। তারুণ্যের কোনো দল-মত নেই। তারা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ চায়, সুশাসনের বাংলাদেশ চায়।’
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক হামযা মাহমুদের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন আন্দোলনে ফেনীর মহিপালে নিহত শিক্ষার্থী শ্রাবণের বাবা নেসার আহমেদ। তিনি ছেলের কথা বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। নেসার আহমেদ বলেন, ‘এই হত্যার বিচার কঠোরভাবে হওয়া চাই। আর কারও মায়ের বুক খালি না হোক।
আমার একমাত্র পুত্রসন্তান এ আন্দোলনে শহীদ হয়েছে। বিচার ছাড়া আমাদের চাওয়ার আর কিছু নেই।’
সভায় আন্দোলনে গিয়ে নিহত ইকরাম হোসেনের ভাই ইমরান হোসেনও বক্তব্য দেন। এ ছাড়া কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক দলের প্রতিনিধিদের মধ্যে খালিদ হাসান, তাসনিয়া নওরিন, আলী আহমেদ আরাফ, মো. মহিউদ্দিন, জিয়া উদ্দিন আয়ান, মহিদুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠান শেষে ফেনী জেলায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত ও আহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করে খোঁজ নেন কেন্দ্রীয় নেতারা।
‘মামলা নিয়ে ব্যবসা শুরু করেছে’
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ঘিরে হওয়া মামলা নিয়ে একটি পক্ষ টাকার ব্যবসা শুরু করেছে বলে অভিযোগ করেছেন কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক সারজিস আলম। মানিকগঞ্জে আয়োজিত ছাত্র-জনতার মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, ‘নিহতের পরিবার থেকে দোষীদের বিরুদ্ধে মামলা করা হচ্ছে। বর্তমানে সেসব মামলায় টাকার ব্যবসা শুরু করেছে একটি পক্ষ। আপনি দেখতে পাবেন ওই মামলায় অনেক নির্দোষ মানুষের নাম দেওয়া হচ্ছে। আবার টাকা নিয়ে অপরাধীদের নাম কাটা হচ্ছে। এসব কাজ যে–ই করুক না কেন, আমাদের জায়গা থেকে এ বিষয়ে প্রতিবাদ করতে হবে।’
মানিকগঞ্জ শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত সভায় সারজিস আরও বলেন, ‘বিগত ১৬ বছরে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা অসংখ্য মানুষকে মিথ্যা মামলা দিয়েছেন; হাসিনার দোসররা অসংখ্য মানুষকে অন্যায়ভাবে জেলখানায় রেখেছিলেন। ডিবি অফিসে পাঠিয়েছিলেন। তাঁরা বিভিন্ন জায়গায় চাঁদাবাজি করেছেন। আজকেও যদি কিছু মানুষ অন্য কোনো রূপে এইগুলো করে, তাহলে তা–ও আমরা সমর্থন করি না।’ তিনি বলেন, যত দিন দেশে স্থিতিশীল অবস্থা না আসে, রাষ্ট্রীয় কাঠামো সংস্কার না হয় এবং সুষ্ঠু একটি নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত একটি সরকার গঠন না হওয়া পর্যন্ত সব ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
এর আগে দুপুরে শিল্পকলা একাডেমিতে সারজিস আলমসহ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একটি দল মানিকগঞ্জে আন্দোলনে আহত ও নিহতদের পরিবারের সঙ্গে মতবিনিময় করে। ঢাকা থেকে আসা এই দলে আরও ছিলেন আবদুল্লাহ সালেহীন (ঢাবি), সামিয়া মাসুদ (ঢাবি), মুবাশ্বিরুজ্জামান হাসান মৃধা (ঢাবি), মেহরাব হোসেন (জাবি), মো. হৃদয় হোসেন (জবি), আদিনা খান (নিউ ক্যাসল আইন একাডেমি), খন্দকার রায়হান (ঢাকা কলেজ), কাজী ইসমাইল হোসেন (ঢাবি), কাজী জুবায়ের (এআইইউবি) প্রমুখ। পরে মানিকগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের সঙ্গেও সভা করেন সমন্বয়ক দলের সদস্যরা।
এ সভায় সারজিস বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যেসব সদস্য সরাসরি এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং যাঁদের বিরুদ্ধে তথ্যপ্রমাণ (এভিডেন্স) আছে, আইনগতভাবে তদন্তের মাধ্যমে তাঁদের অবশ্যই বিচার হতে হবে। অন্যায় অন্যায়ই; কাজেই যে দোষী, তাঁর বিচার হতে হবে।
অপকর্মে লিপ্ত হলে আইনি ব্যবস্থা
দিনাজপুরের মতবিনিময় সভায় কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘যাঁরা সমন্বয়ক পরিচয়ে কোনো প্রকার অপকর্মে লিপ্ত হবেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আমরা বহু আন্দোলন–সংগ্রামের মধ্য দিয়ে একটি নতুন স্বাধীন রাষ্ট্র পেয়েছি। এই রাষ্ট্র সংস্কারের দায়িত্বও আমাদের। এই মুহূর্তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’
দিনাজপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট মাঠে আয়োজিত সভায় তরিকুল ইসলাম আরও বলেন, বর্তমানে সমন্বয়কদের নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করে একটি অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির অপচেষ্টা চলছে। আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের লোকজন এখনো ষড়যন্ত্রের চেষ্টা করছেন। তিনি বলেন, ‘কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক ব্যতীত বাংলাদেশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কোথাও কোনো সমন্বয়ক বা কমিটি নেই। ৫ আগস্টের আগে আন্দোলনের স্বার্থে আমরা অনেক জায়গায় কমিটি দিয়েছিলাম। কিন্তু পরবর্তী সময়ে আর কোনো কমিটি দেওয়া হয়নি এবং হবে না। আপনারা যেমন স্বতঃস্ফূর্তভাবে আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছিলেন, যদি আবারও ডাক আসে, বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থীরা হাতে হাত রেখে রাজপথে ঝাঁপিয়ে পড়বেন।’
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক আবু সাঈদ লিওন, সহসমন্বয়ক মুনঈম ইসলাম, এসআই শাহিন, সজিব ইসলাম, মিশু আলী সুহাস, রেদওয়ান ইসলাম, রংপুর বিভাগীয় সমন্বয়ক রকিব মাসুদ, সদস্য রিফাত ইসলাম। দিনাজপুরে আন্দোলনে নিহত রবিউল ইসলামের স্বজনের পাশাপাশি কয়েকজন আহত শিক্ষার্থীও সভায় উপস্থিত ছিলেন।
সভায় আরেক সমন্বয়ক আবু সাঈদ বলেন, ‘আমাদের নয়া রাজনীতির বন্দোবস্ত করতে হবে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কোনো রাজনৈতিক সংগঠন নয়। আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীরা শিক্ষার্থী। জনমানুষের অধিকার নিয়ে কাজ করতে চাই আমরা। আমরা শিক্ষাসহ দেশের প্রতিটি সেক্টরকে রাজনৈতিক শৃঙ্খল থেকে বের করে আনতে চাই।’
এর আগে দুপুর সাড়ে ১২টায় দিনাজপুর হাজী দানেশ বিশ্ববিদ্যালয় মিলনায়তনে মতবিনিময় সভা করেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কেরা।
[প্রতিবেদন তৈরিতে তথ্য দিয়েছেন প্রতিনিধি, ফেনী, মানিকগঞ্জ ও দিনাজপুর]
| ছাত্র–জনতার আন্দোলনে হতাহত ব্যক্তিদের পরিবারের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক সারজিস আলম। গতকাল মানিকগঞ্জেছবি: প্রথম আলো |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাম বিচে গুলি, নিরাপদে আছেন ট্রাম্প
আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের প্রার্থী ট্রাম্প। এই নির্বাচনে তাঁর প্রচারের কাজে নিয়োজিত শিবির এক বিবৃতিতে বলেছে, স্থানীয় সময় রোববার ট্রাম্প যেখানে অবস্থান করছিলেন, তার কাছাকাছি এলাকায় গুলির ঘটনাটি ঘটে। তবে তিনি নিরাপদে আছেন। আপাতত এর বেশি কিছু জানানো যাচ্ছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, গোলাগুলির ঘটনার সময় ফ্লোরিডার ওয়েস্ট পাম বিচে নিজের গলফের মাঠে খেলছিলেন ট্রাম্প। এই মাঠটি মার–এ–লাগো এলাকায় তাঁর বাড়ি থেকে খুব একটা দূরে নয়। গোলাগুলির পর গলফের মাঠটি দ্রুত নিরাপত্তার আওতায় নেওয়া হয়।
তবে এই গুলি কে চালিয়েছে, তা এখনো জানা যায়নি। ট্রাম্পকে লক্ষ্য করেই যে গুলি চালানো হয়েছে—তাৎক্ষণিকভাবে এমন আভাসও পাওয়া যাচ্ছে না। কয়েকটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই গলফের মাঠের কাছে বিতণ্ডায় জড়িয়েছিলেন দুই ব্যক্তি। তাঁরাই একে–অপরের ওপর গুলি চালিয়েছেন।
তারপরও এই গোলাগুলি ট্রাম্পের নিরাপত্তার জন্য বড় উদ্বেগের বিষয়। কারণ, মাত্র দুই মাস আগেই পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যে এক নির্বাচনী সমাবেশে বক্তৃতা দেওয়ার সময় তাঁর ওপর গুলি চালানো হয়েছিল। সে সময় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান তিনি। গুলিতে কানে আঘাত পেয়েছিলেন ট্রাম্প।
ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট। দেশটিতে বর্তমান ও সাবেক প্রেসিডেন্টদের নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করে সিক্রেট সার্ভিস। পেনসিলভানিয়ার ঘটনার পর এই বাহিনীর সক্ষমতা নিয়ে বড় সমালোচনা দেখা দিয়েছিল। এর জেরে পদত্যাগ করতে হয়েছিল বাহিনীর প্রধানকে। এ ছাড়া অন্তত পাঁচজন সদস্যকে প্রশাসনিক ছুটিতে পাঠানো হয়েছিল।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘রাক্ষুসী’ যমুনার পেটে শত শত ঘরবাড়ি-ফসলি জমি
রোববার সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, চলতি বন্যায় সদর উপজেলার কাওয়াকোলা ইউনিয়নের সয়াশিখা, বর্ণি, কৈগাড়ী দোড়তা, কাজিপুরের খাসরাজবাড়ি ইউনিয়নের শানবান্ধা ঘাট থেকে বিশুরিগাছা ঘাট ও শাহজাদপুরের জালালপুর ইউনিয়নের পাঁচিল, হাটপাঁচিল, জালালপুর, সৈয়দপুর ও চৌহালী উপজেলার বাঘুটিয়া ইউনিয়নের চরসলিমাবাদ দক্ষিণপাড়ায় যমুনা নদীতে তীব্র ভাঙন দেখা দেয়। ভাঙনরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড জিওব্যাগ ফেললেও বর্ষা মৌসুমে সেটা কোনো কাজেই আসেনি। যমুনার ভাঙনে জেলার চারটি উপজেলায় আট শতাধিক বসতবাড়ি ও প্রচুর পরিমাণে ফসলি জমি বিলীন হয়ে গেছে। এর মধ্যে দুই তলা একটি বিল্ডিং, সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা এবং ৭০ বছরের পুরাতন কবরস্থানও রয়েছে।
সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার কাওয়াকোলা ইউনিয়নের কৈগাড়ী দোরতা গ্রামের ওক চান বলেন, ‘আমার ৮ শতক জায়গার ওপরে দুইটি ঘর ও একটি গরুর গোয়াল ছিল। নদীতে সব বিলীন হয়েছে। আমার প্রায় ২ লাখ টাকার মতো ক্ষতি হয়েছে। বর্তমানে পরিবার নিয়ে সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পে আছি।’
কাওয়াকোল ইউপি চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান (জিয়া মুন্সি) বলেন, ‘নদীভাঙনে জেলার মানচিত্র থেকে মুছে যেতে চলেছে এই ইউনিয়ন। ভাঙনরোধে পাউবো কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। কাওয়াকোলা ইউনিয়নের হাট বয়ড়া, দৌগাছী, বড় কয়রা, ছোট কয়রা, কৈগাড়ী দড়তা, চণ্ডল বয়ড়া ও বেড়াবাড়ি গ্রামে নদীভাঙন তীব্র আকার ধারণ করে। এরই মধ্যে অনেক গ্রাম নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। চলতি বছর এখন পর্যন্ত ৩ শতাধিক ঘরবাড়ি নদীতে চলে গেছে।
শাহজাদপুর উপজেলার কৈজুরী ইউনিয়নের হাঁটপাচিল গ্রামে নিজের দোতলা বিল্ডিং চোখের সামনে নদীতে বিলীন হতে দেখেছেন কোবাদ মাস্টার। তিনি বলেন, ‘নদীতে পানি বৃদ্ধি ও নামার সময় তীব্র ভাঙন দেখা দেয়। আমার একটি দোতলা বাড়ি এবং পাশেই বিশাল গরুর খামার নদীগর্ভে চলে গেছে।’
কৈজুড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন খোকন বলেন, ‘এবারের বন্যায় হাটপাচিলে তীব্র ভাঙন শুরু হয়েছে। ভাঙন কবলিত এলাকার ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন ইউএনও।’
শাহজাদপুরের জালালপুর ইউনিয়নের পাকড়তলা গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত কালাম শেখ বলেন, ‘সিরাজগঞ্জ পাউবোর ১৪ জন ঠিকাদার সমন্বিতভাবে যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তীর সংরক্ষণ বাঁধ নির্মাণকাজ শেষ করতেন, তাহলে বর্ষায় আমাদের ৫ শতাধিক ঘর নদীতে বিলীন হতো না।
ভাঙনে ভিটামাটি হারানো কুলসুম বেগম বলেন, ‘নদীভাঙন অব্যাহত রয়েছে। নদী সবকিছু কেড়ে নিয়ে আমাদের সর্বস্বান্ত করে দিয়েছে। গৃহহারা হয়েছে অনেক পরিবার। খেয়ে না খেয়ে কোনো রকমে জীবন পার করছি। কেউ সাহায্য করতে এলো না। আমরা মরে গেলে কী কারও কিছু হবে?’
জালালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুলতান মাহমুদ বলেন, ‘বছরের পর বছর ধরে এ অঞ্চলে ভাঙন চলে আসছে। এক মাসে এ এলাকার প্রায় ২০০ বসতভিটা ও ৩০০ একর ফসলি জমি বিলীন হয়েছে। যমুনায় ভাঙনের তীব্রতা আরও বেড়েছে। ভাঙন শুরু হয়েছে পার্শ্ববর্তী কৈজুরী ইউনিয়নের হাটপাচিল গ্রামেও। মানুষ নিঃস্ব হচ্ছে। ভাঙনরোধে বাঁধ নির্মাণ প্রকল্প দিলেও তিন বছরেও তা শেষ হয়নি। শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. কামরুজ্জামান বলেন, ‘জালালপুর ও কৈজুরী ইউনিয়নের হাটপাচিল এলাকায় ভাঙন দেখা দিলে সেখানে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। দুটি এলাকায় চলতি বন্যায় অন্তত ৪৫ থেকে ৫০টি বাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙন কবলিতদের তালিকা তৈরির নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তাদের সহযোগিতা করা হবে।’
চৌহালী উপজেলা ইউএনও মাহবুব হাসান বলেন, ‘পানি বৃদ্ধির সময় ভাঙন দেখা দিয়েছিল। আমরা জিওব্যাগ ফেলে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করেছি। কবরস্থানের কিছু অংশ ভেঙে গেছে। কিছু মরদেহ নদীতে পড়েছে। পরে স্বজনেরা মরদেহ উদ্ধার করে অন্যত্র কবর দিয়েছেন।’ সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশরী রঞ্জিত কুমার সরকার বলেন, ‘২০২১ সালে যমুনার ভাঙনরোধে শাহজাদপুরের এনায়েতপুর থেকে কৈজুরী পর্যন্ত সাড়ে ৬ কিলোমিটার নদীতীর রক্ষাবাঁধ নির্মাণকাজ শুরু হয়। ৬৫০ কোটি টাকার এ প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেও মাত্র অর্ধেক কাজ শেষ হয়েছে। প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।’

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
৩ শ’ ছররা গুলি মজিদের শরীরে: ‘টাকার অভাবে সুচিকিৎসা করতে পারছে না পরিবার’

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাস্তবতা আর চ্যালেঞ্জ জেনেও শান্তর বড় স্বপ্ন
বাস্তবতা আর চাওয়া!
শান্ত: এটা অবশ্যই আমাদের জন্য অনেক চ্যালেঞ্জিং সিরিজ হতে যাচ্ছে। তবে একটা ভালো সিরিজের পর অবশ্যই একটা বাড়তি আত্মবিশ্বাস দলের ভেতর আছে, দেশের মানুষের মধ্যেই আছে। প্রত্যেক সিরিজই একটা সুযোগ। আমরা দুইটা ম্যাচই জেতার জন্য খেলবো। জেতার জন্য যে জিনিসগুলো গুরুত্বপূর্ণ, প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ আমাদের লক্ষ্য থাকবে কাজটা আমরা ঠিকঠাক করতে পারছি কিনা। আমাদের কাজ ঠিকমতো করতে পারলে ভালো ফল সম্ভব তবে চ্যালেঞ্জিং।
ভারতে উইকেটের চ্যালেঞ্জ?
শান্ত: উনারা কি চিন্তা করছে এটা তো আমি বলতে পারবো না কিন্তু আমাদের স্পিন ও পেস ভালো একটা অবস্থানে আছে। ওই দলের সঙ্গে যদি তুলনা করেন অভিজ্ঞতার দিক থেকে আমাদের পেসাররা ওদের থেকে তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে আছে। স্পিন ওয়াইজ হয়তো কাছাকাছি আছে। অভিজ্ঞতার দিক থেকে ওই দলকে এগিয়ে রাখবো। স্পিনারদের দিক থেকে কাছাকাছি আছে। যেহেতু যেকোনো কন্ডিশনে বল করার অভিজ্ঞতা আছে আমাদের স্পিনারদের। আমি এটুকু বলতে পারি পেসার, স্পিনার এবং ব্যাটার যারাই খেলবেন প্রত্যেকে শতভাগ দেবেন। পাঁচদিন ভালো খেলতে পারলে রোমাঞ্চকর হবে।
ভারতে স্পিনাররা ব্যবধান গড়ে দিতে পারে কিনা?
শান্ত: ব্যবধানটা আসলে তখনই গড়া সম্ভব যখন আমরা পুরো দল হিসেবে খেলবো। শুধু স্পিনারদের দায়িত্ব তা না ব্যাটসম্যান এবং পেস বোলার তাদেরও সমান দায়িত্ব। পুরো দল হিসেবে খেলাটা গুরুত্বপূর্ণ।
আপনার (শান্ত) নিচের ব্যাটিং ফর্ম?
শান্ত: আমার ব্যক্তিগত লক্ষ্য বাংলাদেশ দল জিতুক। আমার ইচ্ছা ব্যাটার হিসেবে যেন দলে অবদান রাখতে পারি। ওটার জন্য যে রকম প্রস্তুতির দরকার ছিল আমি নিতে পেরেছি। আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো যেন অবদান রাখতে পারি।
দেশের মানুষের প্রত্যাশা, কোনো ফলাফল?
শান্ত: আমি একটু আগে যেটা বললাম সিরিজ চ্যালেঞ্জিং হবে। যদি র্যাঙ্কিং দেখেন ওরা আমাদের চেয়ে অনেক এগিয়ে আছে। সম্প্রতি আমরা ভালো খেলছি। ভালো সিরিজ পার করে এসেছি। আমাদের লক্ষ্য হবে কীভাবে পাঁচদিন ভালো খেলতে পারি। ফলটা শেষ দিনে লাস্ট সেশনে গিয়ে হয়। পাঁচদিন ভালো ক্রিকেট খেলতে পারলে লাস্ট সেশনে সুযোগ থাকে কোন দল জিতবে।
ভারতের মাটিতে প্রথম জয়ের সুযোগ কতোটা?
শান্ত: এটা একটা সুযোগ। প্রত্যেকে ম্যাচ জেতার জন্য খেলবো। সুযোগ থাকবে জেতার। কিন্তু যেটা বললাম আগে এত লম্বা চিন্তা না করে শক্তি অনুযায়ী যেন ভালো ক্রিকেট খেলতে পারি পাঁচদিন। এটা গুরুত্বপূর্ণ।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
স্বৈরাচারের পতনই সব শেষ নয়: ইফতেখারুজ্জামান
বিশ্ব গণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে রোববার ধানমন্ডির টিআইবি কার্যালয়ে আয়োজিত ‘নতুন বাংলাদেশে গণতন্ত্র ও সুশাসন: তরুণদের প্রত্যাশা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি। মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ ও আবু বাকের মজুমদার, জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখপাত্র সামান্তা শারমিন, সদস্য আরিফুল ইসলাম আদীবসহ তরুণ পেশাজীবী, গণমাধ্যমকর্মী ও শিক্ষার্থীরা। ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ইতিহাসের শিক্ষা হচ্ছে, ইতিহাস থেকে কেউ শিক্ষা নেয় না। এটা আরেকবার প্রমাণ হয়েছে। যে কারণে পদদলিত হতে হয়েছে স্বৈরাচারকে।
তিনি বলেন, স্বৈরাচারের পতন হয়েছে। কিন্তু অভিষ্টের বিবেচনায় মূল লক্ষ্য নতুন বাংলাদেশ। রাষ্ট্র সংস্কারের কথা আমাদের তরুণ প্রজন্ম বলছেন। বর্তমান ও আন্দোলনকে কেন্দ্র করে আমাদের কাছে যে চেতনা নতুন করে প্রস্ফুটিত হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে প্রভুত্ববাদ অবসান, সহনশীলতা, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ ও সবার জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা।
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, স্বৈরাচারের পতন নিশ্চিত হয়েছে। কিন্তু এতেই সব শেষ নয়। স্বৈরাচারের পতন ছিল একটা মাধ্যম। নতুন নতুন জায়গায় যাওয়ার একটা মাধ্যম। সেই নতুন জায়গাটা হলো আমাদের নতুন বাংলাদেশ নির্মাণ করতে হবে। রাষ্ট্র সংস্কার ও রাজনৈতিক সমঝোতা করতে হবে। তিনি বলেন, রাজনৈতিক বিভাজনের কারণে আমাদের রাষ্ট্র কাঠামোতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণ হয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলো অকার্যকর করে দেয়া হয়েছে। সেগুলোকে কর্তৃত্ববাদ প্রতিষ্ঠার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। এই চর্চায় ত্রিমুখী আঁতাত কাজ করেছে। রাজনৈতিক শক্তি একদিক থেকে আমলাতন্ত্র আরেকদিক দিক থেকে। অন্যদিক থেকে বিনিয়োগকারীরা কাজ করেছেন। দুর্নীতি সহায়ক ও দুর্নীতিকে সুরক্ষা দেয়ার মতো রাষ্ট্র কাঠামো তৈরি হয়েছে। যার ফলে সমাজে বৈষম্য বেড়েছে। সেটাকে ধারণ করার জন্য আমাদের মৌলিক অধিকার হরণ করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে সমন্বয়কদের সহযোগিতা করার অনুরোধ জানিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন সবার আন্দোলন ছিল। পরবর্তী সময়ে এটাকে সর্বজনীন করতে হলেও আমাকে সবার কাছে যেতে হবে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এ সমন্বয়ক বলেন, বর্তমান বাংলাদেশে এমন একটা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। রাতে ঘুমানোর আগে যাই একটু সমন্বয়কদের গালাগালি করে আসি। কমেন্টসে গালাগালি করে আসি। কারণ এটা সবচেয়ে সেইফ জোন। আমরা ভলান্টিয়ার বেসিসে কাজ করছি। আমরা অথরিটি না। আমরা সবার সহযোগিতা চাই। আমরা অথরিটি না, লিগ্যাল এনটিটি নই। মানুষ ডিভোর্সের সমস্যা থেকে শুরু করে সচিব পদবি চেঞ্জ করার জন্য (আমাদের কাছে) আসেন। কিন্তু আমাদের অথরিটি নাই। যদি আমাদের কোনো ভুল থাকে সেটা কীভাবে সংশোধন করবো। সেটা কীভাবে অ্যাড্রেস করবো- সে বিষয়ে প্রপার সমাধান করেন। এটা হলে আমাদের জন্য কাজ করা সহজ হয়।
তরুণরা সুশীল সমাজের পরামর্শ চায় জানিয়ে তিনি বলেন, একটি রিয়েলস্টিক এটিটিউড তৈরি হয়েছে। এটার দায়ভার সুশীল সমাজ এড়াতে পারেন না। বুদ্ধিজীবীরা ১৯৭১, ২০২৪ এ ফেইল মারছেন। আমাদের ক্ষমতা বিমুখতা বা আমরা কেন ভয় পাই- এ দায়ভার সুশীল সমাজকে নিতে হবে। ২০২৪ যদি ৯০ এর পুনরাবৃত্তি হয়, একাত্তরের পুনরাবৃত্তি হয়, ৫২’র পুনরাবৃত্তি হয় তাহলে আমাদের যে শক্তি বা সামর্থের জায়গা তৈরি হয়েছে সেটা আর কখনোই পুনরায় মঞ্চায়ন সম্ভব হবে না। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আরেক সমন্বয়ক আরিফ সোহেল বলেন, জনগণের ভাষা যেটা লড়াই ও প্রতিরোধের মাধ্যমে তৈরি হয়েছে সেটাকে আমরা ক্ষমতায় আসতে দেখিনি। আমাদের রাজনৈতিক দল থেকে পরিবারতন্ত্র সরাতে হবে। তিনি বলেন, জনগণের আকাঙ্খা তৈরি হয়েছে। এই আকাঙ্খার মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোকে একটি রূপান্তর করতে হবে। এই রূপান্তর কোনো মাইনাস প্রক্রিয়া না। গণঅভ্যুত্থানে যে স্পিরিট তৈরি হয়েছে সেটি দেখে থাকলে অনুধাবন করতে পারলে দলগুলোতে রূপান্তর ঘটবে। আমরা দেশের রাজনৈতিক দলগুলোতে রূপান্তর দেখতে চাই। আমরা এই বোঝাপড়া করতে চাই সবার সঙ্গে বসতে চাই। জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখপাত্র সামান্তা শারমিন বলেন, গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্খা কী ছিল সেই আলাপ আমরা শুনতে চাই। এরপরে আগামী বাংলাদেশের রূপরেখা আমরা সাজাতে চাই। কথাসাহিত্যিক সাদাত হোসাইন বলেন, শিল্প-সংস্কৃতির মধ্য দিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে হবে। শুভ বোধসম্পন্ন মানুষ তৈরি করতে হবে। সাংবাদিক সিমু নাসের, ফারাবী হাফিজ আলোচনায় অংশ নেন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইংলিশ চ্যানেলে বোটডুবি, ৮ জনের মৃত্যু

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শাহজালালে কার্গো ব্যয় বেশি, প্রতিবেশী দেশে ঝুঁকছেন ব্যবসায়ীরা by এম এম মাসুদ
দেশি ও বিদেশি ব্যবসায়ীদের অভিযোগে ২০২১ সালে বিমানবন্দরের কার্গো এভিয়েশন পরিদর্শন করার সময় এসব অনিয়ম দেখেছেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান। এ সময় তিনি এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের কড়া সমালোচনা করেন এবং এক্সপ্লসিভ ডিডেক্টিভের (ইডিএস) স্ক্যানিং মেশিনের মেরামতের তাগিদ দেন।
গত মার্চ মাস পর্যন্ত বাংলাদেশের ৮ হাজার টন পণ্য ভারতের বিমানবন্দর হয়ে তৃতীয় কোনো দেশে পাঠানো হয়েছে। বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে এ ধরনের কার্গো ভারতে যায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এভাবে চললে কার্গো বাজার দিল্লির হাতে চলে যেতে পারে। বর্তমানে ৪০০ টন রপ্তানিযোগ্য পণ্য সংরক্ষণের সক্ষমতা থাকলেও সাধারণ সময়ে দৈনিক শিপমেন্ট গড়ে ৮০০ টন এবং ব্যস্ত সময়ে ১ হাজার ২০০ টনে পৌঁছে যায়। এতে ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজ।
সংশ্লিষ্টদের মতে, পণ্য পাঠানোতেও হয়রানি পোহাতে হয়। কর্তৃপক্ষের অদক্ষতা, দুর্নীতি-লুটপাট দেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরটির গ্রেড উন্নয়নে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও দক্ষ জনবল ছাড়াই কার্গো শাখার কাজ পরিচালনা নিয়ে নানা প্রশ্ন তুলেছে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো। অনিয়মের কারণে এয়ার কার্গো সিকিউরিটি এসিসি-৩ ও আরএ-৩ সনদ বন্ধ করে দেয়ারও নজির আছে।
রপ্তানিকারকরা বলছেন, ঢাকা বিমানবন্দরে বিলম্ব এবং অত্যধিক হ্যান্ডলিং ব্যয়ের কারণে দেশের রপ্তানি প্রতিযোগিতাকে হ্রাস করছে এবং প্রতিবেশী ভারতকে উপকৃত করছে। উচ্চমূল্যের বাইরেও ফ্রেইট ফরোয়ার্ডাররা অভিযোগ করেছেন, ঢাকা বিমানবন্দরের চারটি কার্গো স্ক্যানারের মধ্যে মাত্র দুটি সচল থাকে। এ ছাড়া বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কার্গো হ্যান্ডলিং আরও বেশি মসৃণ করা এবং সেজন্য আধুনিক যন্ত্রপাতি নিয়ে আসার দাবি জানিয়েছেন তারা। এসব বিষয় যদি সমাধান করা যায়, তাহলে প্রতিবেশী দেশ হয়ে কার্গো পাঠানোর প্রয়োজন হবে না বলে মনে করেন তারা।
এ ব্যাপারে বাফার সহ-সভাপতি নুরুল আমিন বলেন, গুদামে জায়গার অভাব ও মেয়াদোত্তীর্ণ যন্ত্রপাতির কারণে তীব্র যানজট দেখা দিয়েছে। চাহিদার সঙ্গে তাল মেলাতে পারছে না। ঢাকা বিমানবন্দরে ইডিএস ত্রুটির কারণে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। তিনি বলেন, কার্গো হ্যান্ডলিংয়ের জন্য ঢাকা দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম ব্যয়বহুল বিমানবন্দর। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ১০০ টনের কার্গো ফ্লাইট পরিচালনা করতে ২০ থেকে ২৫ হাজার ডলার খরচ হয়। অথচ ভারতের প্রধান বিমানবন্দরগুলোতে মাত্র ১২০০ থেকে ২ হাজার ডলার খরচ হয়। দামের এই পার্থক্য এবং অপর্যাপ্ত গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের কারণে দেশের প্রধান বিমানবন্দরটি রপ্তানিকারক এবং এয়ারলাইন্সগুলোর কাছে বিরক্তির কারণ হয়ে উঠেছে। জরুরি সংস্কার ছাড়া রপ্তানি আয় হারাতে থাকবে দেশ।
এয়ার কার্গো সহজলভ্য করার দাবি এফবিসিসিআইয়ের: জাতীয় অর্থনীতিতে কৃষির গুরুত্ব তুলে ধরে এফবিসিসিআইয়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, রপ্তানি বাড়াতে বিমান ভাড়া, কার্গো প্রাপ্তি, কাস্টমসসহ সব ধরনের প্রতিবন্ধকতা দূর করতে হবে। পাশাপাশি উপযুক্ত পলিসি এবং নির্ভুল তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার গুরুত্ব আরোপ করা হয়। বিমানবন্দরে এক্সপ্লোসিভ ডিটেকশন স্ক্যানার (ইডিএস) মেশিনসহ কারিগরি সক্ষমতা বৃদ্ধির সুপারিশ করা হয়। পাশাপাশি রপ্তানি বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে বিমানের ভাড়া বা ফ্রেইট কস্ট যৌক্তিক পর্যায়ে রাখা উচিত বলে উল্লেখ করা হয়।
বিজিএমইএ’র পরিচালক ও টিএডি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আশিকুর রহমান তুহিন বলেন, মাঝে মাঝে পোশাক ক্রেতারা কম লিড টাইম দিয়ে অর্ডার দেয়। তখন লিড টাইম ধরার জন্য বাড়তি খরচ করে এসব পণ্য এয়ারফ্রেইটের মাধ্যমে রপ্তানি করতে হয়েছে। এ ছাড়া ঢাকায় ইইউ রুটের জন্য এয়ারফ্রেইটের হার কেজিতে ২.৪ ডলার থেকে বেড়ে ৫-৫.৫ ডলার হয়েছে।
স্প্যারো গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শোভন ইসলাম বলেন, দিল্লি বিমানবন্দর বর্তমানে এয়ার কার্গো ও যাত্রী, উভয় ধরনের ফ্লাইটের জন্য ঢাকা বিমানবন্দরের চেয়ে বেশি সাশ্রয়ী। তিনি বলেন, ঢাকা থেকে নিউ জার্সি পর্যন্ত এয়ারফ্রেইটের খরচ দাঁড়ায় কেজিতে ৬ ডলার, যেখানে দিল্লি বিমানবন্দর থেকে মাত্র ৪ ডলার। একইভাবে ঢাকা থেকে নিউ ইয়র্ক পর্যন্ত এয়ারফ্রেইটের খরচ কেজিতে ৮ ডলার, যেখানে দিল্লি বিমানবন্দর থেকে এটি মাত্র ৫ ডলার। এ ছাড়া ঢাকা থেকে মাদ্রিদ বা লন্ডনে এয়ারফ্রেইট খরচ কেজিতে ৫.৫ ডলার, যা দিল্লি বিমানবন্দর থেকে মাত্র ৪ ডলার।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ায় চাঞ্চল্য ফিরেছে: অসন্তোষ নিরসনে শ্রম সংক্রান্ত অভিযোগ পর্যবেক্ষণ কমিটি আশুলিয়ায়
সকাল ১০টায় শ্রম সংক্রান্ত অভিযোগ পর্যবেক্ষণ কমিটির সদস্যরা প্রথমে আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকার অনন্ত গ্রুপ পরিদর্শন করেন। পরবর্তীতে তারা পার্শ¦বর্তী হা-মীম গ্রুপ পরিদর্শনে যান। সেখানে ১১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির সদস্যরা শ্রমিক মালিকসহ পোশাক খাতে জড়িত সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তিদের সঙ্গে কথা বলেন। পরিদর্শনকালে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এবং শ্রম সংক্রান্ত অভিযোগ পর্যবেক্ষণ ও পর্যালোচনা কমিটির আহ্বায়ক সবুর হোসেন বলেন, গত বুধবার ১১ সদস্যবিশিষ্ট এই কমিটি গঠন করা হয়। পরদিন কমিটির কার্যপরিধি ও কার্য পরিচালনার বিষয় নিয়ে সভা করা হয়। সভার সিদ্ধান্ত অনুসারে শিল্পাঞ্চলের উদ্ভূত পরিস্থিতি নিরসনের লক্ষ্যে সকল অভিযোগ শুনতেই সরজমিন এসেছি। আশা করছি এখন থেকে পরিস্থিতির উন্নতি হবে। সব কারখানা ধীরে ধীরে খুলে দেয়া হবে। কোনো দাবিতে সড়ক ও কাজ বন্ধ করার কোনো প্রয়োজন নেই। সবুর হোসেন আরও বলেন, কারখানার মালিক, শ্রমিকসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দাবি, আপত্তি, অভিযোগ তারা জানতে চান। এসব জানানোর জন্য হটলাইন ১৬৩৫৭ নম্বর চালু করা হয়েছে। সেইসঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ, ই-মেইল আইডি ও ডাকযোগেও অভিযোগ জানানো যাবে। শ্রম সংক্রান্ত অভিযোগ পর্যবেক্ষণ কমিটির সদস্যরা মালিক শ্রমিক উভয় পক্ষেরই অভিযোগ শুনে সরকারকে অবহিত করবেন। যে সকল দাবি পূরণ করা যায় তা দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে। গতকাল সকালে আশুলিয়ার অধিকাংশ পোশাক কারখানার শ্রমিকরা শান্তিপূর্ণভাবে কাজে যোগ দিয়েছেন। এর ফলে বেশির ভাগ কারখানা উৎপাদনে ফিরলেও বন্ধ রয়েছে প্রায় ২০টি কারখানা। এর মধ্যে শ্রম আইন ২০০৬ এর ১৩ (১) ধারায় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রয়েছে ১৮টি, বাকি দু’টি কারখানায় সাধারণ ছুটি চলছে। সকালে শিল্পাঞ্চলের পোশাক কারখানায় দেখা যায়, সকাল ৮টা থেকে খোলা কারখানার শ্রমিকরা কর্মস্থলে যোগ দিয়ে উৎপাদন শুরু করে। নাশকতা ও সহিংসতা এড়াতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে পুলিশ। সকালে আশুলিয়ার কাঠগড়া, জিরাবো, নরসিংহপুর, জামগড়া এলাকায় দেখা যায়, বিভিন্ন কারখানার সামনে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। সড়কে টহল দিচ্ছেন সেনাবাহিনী, বিজিবি ও র্যাব সদস্যরা। কারখানার মালিকপক্ষ জানায়, সকালে ৪ থেকে ৫টি কারখানায় শ্রমিক প্রবেশ করলেও বিভিন্ন দাবিতে উৎপাদন বন্ধ রাখেন তারা। পরে মালিকপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে তারাও কাজে যোগ দিয়ে উৎপাদন শুরু করেন। শিল্প পুলিশ-১ এর পুলিশ সুপার সারোয়ার আলম বলেন, বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ এর ১৩(১) ধারায় ১৮টি বন্ধ এবং দু’টি কারখানায় সাধারণ ছুটি রয়েছে। এর বাহিরে শিল্পাঞ্চলের সকল কারখানায় স্বাভাবিক রয়েছে উৎপাদন কার্যক্রম। শিল্পাঞ্চলে যেকোনো ধরনের অপ্রতিকর ঘটনা এড়াতে কারখানাগুলোর সামনে মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য। এ ছাড়া শিল্পাঞ্চলে যৌথবাহিনীর টহল অব্যাহত রয়েছে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাবনায় শিক্ষার্থীদের মিছিলে গুলি করা সন্ত্রাসীরা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে
একটি মামলার বাদী নিহত জাহিদের বাবা চর বলরামপুরের দুলাল উদ্দিন মাস্টার এবং অপরটির বাদী পাবনা শহরের যুগিপাড়ার মো. সুজন। প্রথম মামলাতে ১০৩ ও দ্বিতীয়টিতে ১২৪ জনকে আসামি করা হয়। দুই মামলা মিলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এ পর্যন্ত ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। ঘটনা ঘটার ৪০ দিন পার হলেও মূল আসামিরা গ্রেপ্তার না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা। তবে পুলিশ বলছে, আমরা তৎপর; যেকোনো সময় ভালো সংবাদ দিতে পারবো। ৫ই আগস্টের পর থেকেই লাপাত্তা পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের পদধারী নেতা এবং ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নেতারা।
সেদিন কি ঘটেছিল?
৪ঠা আগস্ট বেলা ১১টা থেকে পাবনা সরকারি অ্যাডওয়ার্ড কলেজ থেকে বিশাল বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা আব্দুল হামিদ রোডের ট্রাফিক মোড়ে তাদের ঘোষিত কর্মসূচি পালন করছিলেন। সে সময় তাদের কর্মসূচিতে দুই প্রান্ত থেকে হামলা চালানো হয়। এক প্রান্তে তৎকালীন এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম ফারুক প্রিন্সকে দলবল নিয়ে পিস্তল হাতে গুলি ছুড়তে দেখা যায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সে ভিডিও ভাইরাল হয়। এ নিয়ে জেলা জুড়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা এখনো চলছে। অপর প্রান্তে যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক শিবলী সাদিক ও তার লোকজন শিক্ষার্থীদের ওপর গুলি চালানোর চেষ্টা করে। বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা তাদের ধাওয়া দিলে তারা পিছু হটে। শিক্ষার্থীরা যুবলীগের ওই নেতার অফিস ভাঙচুর করে। এ ঘটনার পর দ্বিতীয় দফায় ভাঁড়ারা ইউপি’র সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ খান ও তার লোকজন সশস্ত্র অবস্থায় হামলা চালায়। তাদের সেই গুলি চালানোর দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। এরপর জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক প্রচার সম্পাদক কামিল হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান মিন্টু, আব্দুল আহাদ বাবু, পৌর মেয়র শরীফ উদ্দিন প্রধান, আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল্লাহ আল মামুন, রুহুল আমিনসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা পিস্তল ও শটগান দিয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর নির্বিচারে গুলি চালায়। এ ঘটনায় দু’জন শিক্ষার্থীসহ তিনজনের মৃত্যু হয়।
এদিকে ঘটনার পর থেকে শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগের নেতাদের গুলি করার বেশ কয়েকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হতে থাকে। একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ‘পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য গোলাম ফারুক প্রিন্স আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে পিস্তল নিয়ে গুলি ছুড়তে ছুড়তে শিক্ষার্থীদের মিছিলে ধাওয়া করছেন। তার পাশে অনেকের হাতে শটগান, লোহার রড, জিআই পাইপ ছিল। এ ছাড়াও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সাবেক পৌর মেয়র কামরুল হাসান মিন্টু, জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক শিবলী সাদিক, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তাজুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র শরীফ উদ্দিন প্রধান, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক প্রচার সম্পাদক কামিল হোসেন, আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ বেশ কয়েকজন নেতাকে শটগান ও পিস্তলসহ দেখা গেছে। সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সোহেল হাসান শাহীন, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম পাকন ও সদস্য নজরুল ইসলাম সোহেলের কাছেও অস্ত্র দেখা গেছে।
আন্দোলনে পাবনার সমন্বয়ক মো. শাওন হোসেন বলেন, ঘটনার ৪০ দিন পার হলেও মূল আসামিরা গ্রেপ্তার হচ্ছে না। এটা দুঃখজনক। আমরা এ বিষয়ে পুলিশের সঙ্গে সার্বক্ষণিক গ্রেপ্তারের জন্য যোগাযোগ করে যাচ্ছি। গ্রেপ্তার না হলে খুব তাড়াতাড়ি আমরা নিজেরা মিটিং করে সিদ্ধান্ত নেবো অন্য কিছুর। আরেক সমন্বয়ক ফাহাদ হোসেন বলেন, পাবনায় গত ৪ঠা আগস্ট ছাত্র-জনতার শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচিতে নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র দ্বারা স্থানীয় এমপি থেকে শুরু করে অনেক নেতারা মুহুর্মুহু গুলিবর্ষণ করেছে। গুলি করে যারা হত্যা করেছে তাদের গ্রেপ্তার করে দ্রুত ফাঁসি কার্যকরের দাবি জানাই।
জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদের পাবনা জেলা শাখার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার মো. নাসিম বলেন, ছাত্রদের শান্তিপূর্ণ মিছিলে যারা নির্বিচারে গুলি করে তারা কোনো সময় দেশপ্রেমিক নাগরিক নয়। তাদের সবাইকে সন্ত্রাসী বলতে হবে। তৃণমূলের কর্মীদের মাঠে নামাতে না পেরে নেতারা অবৈধ অস্ত্র দিয়ে গুলি করে হত্যা করা ন্যক্কারজনক কাজ। এটা আওয়ামী লীগের দেউলিয়াত্বের শামিল। এদেরকে ধরে দ্রুত বিচারে ফাঁসি দিতে হবে। পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বলেন, আমরা ইতিমধ্যে ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এ বিষয়ে সার্বক্ষণিক কাজ করে যাচ্ছে। খুব তাড়াতাড়ি ভালো সংবাদ দিতে পারবো হয়তো। পাবনার সব থানার কার্যক্রম এখন পুরোপুরি স্বাভাবিক। এদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। সেদিন আমিও সেখানে ডিউটিতে ছিলাম। ভাঁড়ারার সাঈদ চেয়ারম্যান ও তার লোকজন যেভাবে গুলি করে হত্যা করেছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এখনো খালেদা জিয়ার নামে ৩০ মামলা by রাশিম মোল্লা
বিএনপি’র আইনবিষয়ক সম্পাদক ও খালেদা জিয়ার অন্যতম আইনজীবী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল মানবজমিনকে বলেন, সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানা ও আদালতে ৩৭টি মামলা করেন। আসলে বেগম জিয়ার বিরুদ্ধে যতগুলো মামলা আছে, তার সবই ভিত্তিহীন। দেশে আইনের শাসন কায়েম থাকায় বিএনপি চেয়ারপারসন পাঁচ মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন। বাকি যে মামলাগুলো আছে, সেসব মামলা থেকেও তিনি শিগগিরই আইনগতভাবে মুক্তি পাবেন।
২০০৭ সালের ৯ই ডিসেম্বর দুদকের তৎকালীন সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম কানাডিয়ান প্রতিষ্ঠান নাইকোর সঙ্গে অস্বচ্ছ চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতিসাধন ও দুর্নীতির অভিযোগে তেজগাঁও থানায় খালেদা জিয়াসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। আদালত এই মামলায় ১২ই সেপ্টেম্বরের মধ্যে মামলার তদন্ত কর্মকর্তাসহ রাষ্ট্রপক্ষের সব সাক্ষীকে হাজির করতে দুদককে নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু দুদক সাক্ষীদের হাজির করেনি বলে জানান জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের নেতা এডভোকেট ওমর ফারুক ফারুকী। তিনি মানবজমিনকে বলেন, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী দুদক সাক্ষী হাজির করতে পারেনি। যে কারণে আদালত এই মামলার পরবর্তী তারিখ আগামী ২৪শে সেপ্টেম্বর রেখেছেন। এ ছাড়া আগামী ৩১শে অক্টোবর হত্যা, নাশকতা ও রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে দায়ের করা ১১ মামলার তারিখ রয়েছে। ঢাকার নিম্ন আদালতে মামলা পরিচালনাকারী খালেদার জিয়ার আইনজীবী এডভোকেট মাসুদ আহমেদ তালুকদার মানবজমিনকে বলেন, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে হওয়া মামলাগুলো ছিল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আসলে তার নামে হওয়া কোনো মামলারই ভিত্তি নেই। বিগত সময় বিচার বিভাগে সরকারের প্রভাব থাকায় আইনের শাসন ছিল না। যে কারণে ভিত্তিহীন মামলাগুলোও চলেছে। কিছু কিছু মামলা প্রয়োজন মতো দ্রুতগতিতে তারিখ পড়েছে। আবার কোনো কোনো মামলায় স্লো গতিতে চলেছে। তিনি বলেন, বিচার বিভাগের উচিত খালেদা জিয়ার মামলাগুলো দ্রুত শুনানি করে শেষ করা।
খালাস পাওয়া ৫টি মামলার মধ্যে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুবুল হকের আদালত চারটি এবং অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেনের আদালত একটি মামলা খারিজ করে তাকে খালাসের আদেশ দেন। মামলার বাদীরা আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন। কয়েক বছর আগে মামলার বাদী এবি সিদ্দিকী মারা গেছেন। এ অবস্থায় খালেদা জিয়াকে মামলা থেকে খালাসের আবেদন করেন তার আইনজীবীরা। পরে আদালত তাকে মামলাগুলো থেকে খালাসের আদেশ দেন। ২০১৬ সালের ৩০শে আগস্ট ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গাজী জহিরুল ইসলাম ভুয়া জন্মদিন পালনের অভিযোগে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন। ২০১৬ ও ২০১৭ সালে বাংলাদেশ জননেত্রী পরিষদের সভাপতি এবি সিদ্দিকী চারটি মামলা করেন।
জানা যায়, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতি, নাশকতা, অগ্নিসংযোগ, হত্যা, রাষ্ট্রদ্রোহ, ঋণখেলাপি ও মানহানির মতো অভিযোগে মামলা হয়েছে। সবচেয়ে বেশি মামলা হয়েছে ২০১৫ সালে। পুলিশ, সরকারি দলের নেতাকর্মী ও আইনজীবীরা এসব মামলা করেন। ২০০৭-০৮ সালের জরুরি অবস্থায় ৪টি মামলা হলেও বাকিগুলো পরবর্তী সময়ের।
আদালত ও আইনজীবীদের দেয়া তথ্যমতে, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে এখনো বিচারাধীন মামলা রয়েছে তিনটি, স্থগিত ১৪টি, আদালতে অভিযোগপত্র জমা পড়েছে ৩টির, বাকিগুলো তদন্তাধীন রয়েছে। অন্যান্য মামলায় জামিনে আছেন খালেদা জিয়া।
আইনজীবীদের দেয়া তথ্যমতে, খালেদা জিয়ার ৩৭টি মামলার মধ্যে দুর্নীতির পাঁচটি, মানহানির ৫টি, রাষ্ট্রদ্রোহ ও ঋণখেলাপির একটি করে। বাকিগুলো হত্যা, নাশকতা, অগ্নিসংযোগ, বোমা হামলা, মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের নিয়ে কটাক্ষ, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত, ‘মিথ্যা’ জন্মদিন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগে মামলা হয়েছে। ঢাকায় ২৮টি ও ঢাকার বাইরে ৯টি মামলা হয়েছে।
খালেদা জিয়ার মামলার তালিকা বিশ্লেষণে দেখা যায়, এক-এগারো পরবর্তী সময়ে সবচেয়ে বেশি মামলা হয়েছে ২০১৫ সালে। ২০১৩, ১৪, ১৬ সালেও বেশ কয়েকটি মামলা হয়েছে। ঢাকাসহ কুমিল্লা, খুলনা, নড়াইল ও পঞ্চগড়ে সরকারদলীয় নেতাকর্মীরা এসব মামলা করেন। জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট, নাইকো, গ্যাটকো ও বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতির এই চারটি মামলা সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে করা হয়েছে। জিয়া অরফানেজ ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে সাজা দেয়া হয়েছিল।
অগ্নিসংযোগ ও নাশকতার অভিযোগে কুমিল্লায় তিন মামলা, ঋণখেলাপির অভিযোগে মামলা, রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে মামলা, গুলশানে বোমা হামলার অভিযোগে মামলা, ২০১৪-১৫ সালে হত্যার অভিযোগে মামলা, রাজধানীর দারুস সালাম থানায় নাশকতার ৮ মামলা, রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানায় ৩ মামলা, ঢাকার বাইরে মানহানির মামলা, খুলনায় অগ্নিসংযোগের মামলা, পঞ্চগড়ে নাশকতার মামলা, সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী এডভোকেট জয়নুল আবদীন বলেন, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ৩৭ মামলার সবই রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শূন্য থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
দৌলতগঞ্জ বাজারে বিছানাপট্টিতে পৈতৃক একটি দোকান ছিল ফারুকের। বিছানা ও ছাতা বিক্রি করতো। মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। বাবার নাম নুরু মিয়া। কান্দিরপাড় ইউপির ইরুয়াইন গ্রামে তার বাড়ি। সাবেক মন্ত্রী তাজুল ইসলামের শ্যালক মহব্বত আলীর হাত ধরে স্বেচ্ছাসেবক লীগের রাজনীতিতে জড়িতে পড়েন। পরবর্তীতে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে বিনা ভোটে নির্বাচিত হন। এরপর ভাগ্যের চাকা খুলতে থাকে তার। ২০১৬ সালে তাজুল ইসলাম ওই ইউনিয়ন সফরকালে কান্দিরপাড় ইউনিয়নকে মডেল ইউনিয়ন ঘোষণা করেন। পরবর্তী পর্যায়ে আবারো চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ইউনিয়নে রয়েছে তার নিজস্ব বাহিনী। তার বিভিন্ন লাইসেন্সে এলজিইডি বড় বড় কাজ করতো। প্রত্যেকটি কাজের মান নিম্নমানের। কয়েক বছর আগে পৌর এলাকার পশ্চিমগাঁও সাহা পাড়া রাস্তার পাশে একটি পুকুর ক্রয় করে। রাতারাতি পুকুর ভরাট করে। অত্যাধুনিক ডিজাইনের ৬ তলা একটি বিল্ডিং নির্মাণ করে। নাম দেয়া হয় চেয়ারম্যান ভিলা। এর পূর্বে এলাকায় বিলাসবহুল একটি বাগানবাড়ী নির্মাণ করে।
স্থানীয়রা বলেন, ফারুকের রয়েছে শত শত একর সম্পত্তি। গত ৩ বছর আগে দৌলতগঞ্জ বাজারে এক্সিম ব্যাংকের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের বহুতল বিশিষ্ট একটি মার্কেট ক্রয় করেন। এরপর আলোচনায় আসেন তিনি। রাতারাতি চলাফেরা পরিবর্তন আসে। একাধিক মডেলের গাড়ি রয়েছে তার। বিছানাপট্টি নাম বাদ দিয়ে চেয়ারম্যান গলি নামকরণ করা হয়। কয়েক মাস পূর্বে চেয়ারম্যান আড়াই কোটি টাকা ব্যয়ে থানার সামনে একটি বিশাল সম্পত্তি ক্রয় করে। ওই সম্পত্তিতে একটি মার্কেট তৈরি করে। রড সিমেন্ট ও টিনের দোকান দেয়া হয়। এলাকায় রয়েছে তার নিজস্ব বাহিনী। তার বিরুদ্ধে কেউ কথা বললে সন্ত্রাসীদের দিয়ে ধরে এনে নির্যাতন চালাতো।
দৌলতগঞ্জ বাজারে রুহুল আমিন নামে জনৈক ব্যবসায়ী। এলাকায় পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ চলছে। বিরোধকে কেন্দ্র করে তার সন্ত্রাসীদের দিয়ে পুকুর ও বেড়ির মাছ বছরের পর বছর দখল করে নেয়। ২০০০ সালে খালের পাশে রাস্তা তৈরি করবে বলে ৫০টি তালগাছ কেটে নিয়ে যায়। পরবর্তী পর্যায়ে ওই খাল দিয়ে আর রাস্তা তৈরি করেনি। এ ছাড়াও তার বড় বড় ৫০টি গাছ সন্ত্রাসীদের দিয়ে কেটে নিয়ে যায়। তার বিরুদ্ধে ৭-৮টি মামলা করেন চেয়ারম্যান ফারুক। ২০১৭ সালে রুহুল আমিন থানায় মামলা করতে গেলে তৎকালীন ওসি মামলা নেয়নি। শুধু রুহুল আমিন নয় এলাকার অনেকেই বলেন, ফারুক চেয়ারম্যান হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে কেউ কথা বলার সাহস পেতো না। কেউ তার বিরুদ্ধে কথা বললে তার সন্ত্রাসী বাহিনীদের দিয়ে তাকে এলাকা ছাড়া করতো। গত ৫ই আগস্ট ছাত্র- জনতার আন্দোলনের কারণে আওয়ামী লীগ সরকার পদত্যাগ করে পালিয়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে তারাও পালিয়ে যায়। বিক্ষুব্ধ জনতা তার চেয়ারম্যান বাসভবন, বাজারে বিভিন্ন দোকান ব্যাপক ভাঙচুর করে। পলাতক ও মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অশান্ত মণিপুর: মন্ত্রীর বাসভবনে বোমা বিস্ফোরণ by সেবন্তী ভট্টাচার্য

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1426)
- ► 2025 (3281)
-
▼
2024
(2551)
-
▼
September
(772)
-
▼
Sep 16
(20)
- সংস্কারে দৃঢ়ভাবে পাশে থাকবে যুক্তরাষ্ট্র: ২০ কোটি ...
- ‘স্বৈরাচারের পতন শেষ নয়, এটা নতুন বাংলাদেশে যাওয়ার...
- জাহিদ মালেক পরিবারের ৬০০০ শতাংশ জমির খোঁজ by মারুফ...
- নতুনের পথে বাংলাদেশ -ডন-এর মন্তব্য প্রতিবেদন
- গুলিতে নিহত জামালের স্ত্রী চার সন্তান নিয়ে অসহায় b...
- ২ হাজার কিমি দূর থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানল ...
- ‘স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র ছাড়া ইসরায়েলের পরিকল্পন...
- তারুণ্য সব সময় অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকবে
- পাম বিচে গুলি, নিরাপদে আছেন ট্রাম্প
- ‘রাক্ষুসী’ যমুনার পেটে শত শত ঘরবাড়ি-ফসলি জমি
- ৩ শ’ ছররা গুলি মজিদের শরীরে: ‘টাকার অভাবে সুচিকিৎস...
- বাস্তবতা আর চ্যালেঞ্জ জেনেও শান্তর বড় স্বপ্ন
- স্বৈরাচারের পতনই সব শেষ নয়: ইফতেখারুজ্জামান
- ইংলিশ চ্যানেলে বোটডুবি, ৮ জনের মৃত্যু
- শাহজালালে কার্গো ব্যয় বেশি, প্রতিবেশী দেশে ঝুঁকছেন...
- শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ায় চাঞ্চল্য ফিরেছে: অসন্তোষ নিরসন...
- পাবনায় শিক্ষার্থীদের মিছিলে গুলি করা সন্ত্রাসীরা এ...
- এখনো খালেদা জিয়ার নামে ৩০ মামলা by রাশিম মোল্লা
- শূন্য থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
- অশান্ত মণিপুর: মন্ত্রীর বাসভবনে বোমা বিস্ফোরণ by স...
-
▼
Sep 16
(20)
-
▼
September
(772)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
