Tuesday, January 22, 2019
আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রের জন্য পরাজয় -মার্কিন থিংকট্যাংকের সতর্কবার্তা

হিন্দুস্তান টাইমসের খবরে বলা হয়েছে, গত মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প আফগানিস্তানে মার্কিন সেনার উপস্থিতি অর্ধেকে নামিয়ে আনার নির্দেশনা দিয়েছেন। আরেক সংঘাতপ্রবণ অঞ্চল সিরিয়া থেকেও পুরোপুরি মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা সরিয়ে নেয়ার নির্দেশনা দিলেন। এর আগে বিভিন্ন সময়ে তিনি আফগানিস্তান থেকে পুরোপুরি সেনা প্রত্যাহারের মনোবাসনা জানিয়েছিলেন। র্যান্ড করপোরেশনের রিপোর্টে বলা হয়েছে, আফগানিস্তানের প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক ২০০১ সালের পর থেকে বর্তমানে সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় রয়েছে। সেখানকার আঞ্চলিক অংশীদার রাশিয়া, ইরান, ভারত ও উজবেকিস্তান অতীতে আফগাস্তিানে হস্তক্ষেপ করেছে।
যুক্তরাষ্ট্র আকস্মিকভাবে দেশটি থেকে তাদের সেনা সরিয়ে নেয়ার ফলে আফগানিস্তানে এসব দেশগুলোর আবারো দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। কেননা আফগানিস্তানের অর্থনৈতিক ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়েছে। এই সুযোগে প্রতিবেশী দেশগুলো দেশটিতে অতীতের মতো প্রভাব বিস্তার করতে পারে।
২০০১ সাল থেকে কাবুলের সরকারকে সমর্থন দিয়ে আসছে রাশিয়া ও ইরান। তবে প্রতিবন্ধকতার মুখে সম্প্রতি তারা তালেবানকে সহায়তা দেয়া সীমিত করেছে। দীর্ঘদিন ধরে তালেবানরা পাকিস্তানি ভূখণ্ড ব্যবহার করছে। কোনো সতর্কতামূলক ব্যবস্থা ছাড়াই আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করলে পাকিস্তান তালেবানদের পৃষ্ঠপোষকতা করতে আরো উদার ভূমিকায় অবতীর্ণ হবে।
আফগাস্তিান থেকে যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের গুটিয়ে নিলে আরো কিছু পরিবর্তন ঘটতে পারে। দৃশ্যপট থেকে ন্যাটো সেনারাও বিদায় নিতে পারে। কাবুলে মার্কিন ও আন্তর্জাতিক বেসামরিক উপস্থিতি ব্যাপকভাবে হ্রাস পেতে পারে। পাশাপাশি দেশটিতে বিদেশি অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা কমে যাবে। কাবুলের সরকার ক্রমেই তাদের প্রভাব ও বৈধতা হারাতে শুরু করবে। বিপরীতে আল-কায়েদা ও ইসলামিক স্টেটের মতো জঙ্গি সংগঠনগুলো নিজেদের সংগঠিত করার সুযোগ পাবে। আবারো তারা যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূ-খণ্ডসহ আঞ্চলিক স্থাপনাগুলোতে হামলার চেষ্টা করবে।
বর্তমানে আফগানিস্তান সরকারের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় তালেবানদের বেশ আগ্রহী দেখা যাচ্ছে। কিন্তু মার্কিন সেনাদের উপস্থিতি কমলে জঙ্গি গোষ্ঠীটি যুক্তরাষ্ট্র ও আফগানিস্তান সরকারের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে। তারা আফগান জনগণ ও ভূ-খণ্ডের ওপর কর্তৃত্ব বৃদ্ধির প্রচেষ্টা চালাবে। যা আফগানিস্তানকে আবারো গৃহযুদ্ধের দিতে ঠেলে দেবে। এখন সব পক্ষই একমত হয়েছে যে, আফগান যুদ্ধে কোনো সামরিক সমাধানে পৌঁছা সম্ভব না। তবে এটা আংশিক সত্য। কোনো সতর্কতামূলক ব্যবস্থা ছাড়াই আফগানিস্তান ত্যাগ করলে তা হবে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অনেকটা পরাজয় মেনে নেয়ার মতো।
কাবুলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা বলেছেন, সামরিক বাহিনীর ওই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ভিতরে বিস্ফোরণে কমপক্ষে ১২৬ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছেন আটজন স্পেশাল কমান্ডো।
স্থানীয় কর্মকর্তারা বলেছেন, সেনা সদস্য ও জাতীয় প্রতিরক্ষা বিভাগের অনেক সদস্য রয়েছেন নিহতের মধ্যে। তবে সরকারিভাবে হতাহতের বিষয়ে কোনো নিশ্চিত তথ্য দেয়া হয় নি।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আবার কি মেতে উঠবে মুম্বইয়ের ড্যান্স বার!

সেখানে আর যাতায়াত নেই নর্তকী বা তাদের খদ্দেরদের। ড্যান্সবারকে কেন্দ্র করে যেসব দোকান গড়ে উঠেছিল আশপাশে তাও বন্ধ হয়ে গেছে। তবে সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টের দেয়া এক রায়ে নতুন জীবন পেতে পারে মুম্বইয়ের ড্যান্স বার। সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, ড্যান্সবার চলতে এবং সেখানে পানীয় চলতে পারে। এখন কি তবে জমে উঠবে আবার সেই ড্যান্সবার। এ নিয়ে টাইমস অব ইন্ডিয়া একটি বিশাল প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
২০০৫ সাল। তারই এক রাতে মুম্বইয়ের ভিলে পারলেতে অবস্থিত দীপা বার-এ অভিযান চালায় পুলিশ। ওই বারটির সঙ্গে বলিউড-ক্রিকেটার-জুয়াড়ি, আন্ডারওয়ার্ল্ডের কানেকশন থাকার কথা বেরিয়ে আসে পুলিশের তদন্তে। আটক করা হয় কয়েকজন নামীদামী তারকাকে। তদন্তে দেখা যায়, ওই বারটির একজন নর্তকী তারান্নুম জুয়াড়ি ও ক্রিকেটারদের মধ্যে যোগসূত্র স্থাপনের মাধ্যম হয়ে উঠেছেন।
এক সময় মুম্বইয়ের দাদার এলাকায় বিখ্যাত ছিল কারিশমা নামের ড্যান্স বার। তা এখন একটি পারিবারিক রেস্তোরাঁয় রূপ নিয়েছে। তবে গ্রান্ট রোডে অবস্থিত টোপাজ এখন একটি ‘অর্কেস্ট্রা বার’। ওয়ারলির কার্নিভাল ও দাদার এলাকার বেওয়াচ নামের বারগুলো এখন সব ‘অর্কেস্ট্রা বার’। তারা প্রতিটি প্রতি বছর প্রায় ৪ কোটি রুপির বড় ব্যবসা করছে। এর প্রতিটিতে কর্মরত ১৩০ জন মানুষ। তাদের আগে যে ব্যবসা ও কর্মী ছিল তা এখন অর্ধেক হয়ে গেছে। রাতারাতি চাকরি হারিয়েছেন ৬৫ হাজার নারী ও ৪৫ হাজার পুরুষ। তাদের অনেকেই শহর ছেড়ে গেছেন।
‘অর্কেস্ট্রা বার’গুলোতে লাইভ বিনোদনের ব্যবস্থা থাকে। সেটা হয় আইনগতভাবে অথবা চতুরতার সঙ্গে। এসব বার-এ গায়ক বা গায়িকা নয় এমন ব্যক্তিরা লাইভ ব্যান্ডের সঙ্গে অঙ্গ নাচান। গোঁ গোঁ শব্দ করেন। মঞ্চের পাশে নাচতে থাকেন উত্তেজিত ব্যক্তিরা। চলে অর্থ সংগ্রহের চেষ্টা অথবা কোনো গোপন চুক্তি করার চেষ্টা।
সাম্প্রতিক সময়ে মুম্বইয়ের এই বর্ণিল ড্যান্সবারগুলোর শাটার যখন বন্ধ হয়ে যায় তার আগে এটা ছিল মুম্বইয়ের বিনোদন শিল্পের এক অখন্ড অংশ। যাদের বয়স ৭০ এর কোটায় তারা শহরে ড্যান্স বারের আবির্ভাব দেখেছেন। আর নব্বইয়ের কোটায় যারা তারা শহরটি উদারীকরণ হতে দেখেছেন। ১৯৭২ সালে প্রথম ড্যান্স বার সোনিয়া মহল তার দরজা উন্মুক্ত করে। এটি নরিমন পয়েন্টে একটি অফিসের টাওয়ারে ছিল। এর মালিক ছিলেন একজন জগতিয়ানÑ তিনি হার্টের সমস্যাওয়ালা একজন বয়সী ভদ্রলোক। তিনি মাঝে মাঝেই মজা করতেন এ নিয়ে যে, ড্যান্সাররা হলেন তার পেসমেকার। শহরের একেবারের শুরুর ড্যান্সবারটি ডিজাইন করা হয়েছিল গ্লাস ব্যবহার করে। কিন্তু নর্তকীরা উপযুক্ত পরিবেশের অভাব বোধ করতেন। ফলে তাদেরকে ক্ষতিপূরণ দেয়া হতো। ড্যান্স বারের ছায়াঘেরা কোণার মধ্যে চুক্তি হতো অথবা চুক্তি ভঙ্গ হতো। ‘ভাই’দের জন্য অপেক্ষায় থাকতেন ‘যুবতীরা’। এসব স্থানে যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের কুখ্যাতরা যেতেন না তেমন না। এখানে উল্লেখ্য, দাউদ ইব্রাহিমের ভাই সাবির ও পাঠান গ্যাংদের মধ্যে প্রথম যে সংঘাত শুরু হয়েছিল তা ওই সোনিয়া মহলেই।
জগতিয়ান যে প্রবণতা শুরু করেছিলেন তা সহজেই লুফে নেয় উচ্চাভিলাষী শেঠিরা। তারা প্রচুর অর্থের মালিক ছিলেন। ঘাটকোপারের সুরেশ শেঠি আরো একধাপ এগিয়ে গেলেন। তিনি খুলে দিলেন একটি ক্লাব। নাম দিলেন মেঘরাজ। সেখানে বনি এমের জন্য নাচ করতেন বিকিনি পরা নর্তকীরা। অন্যদিকে মুম্বইয়ের কেন্দ্রীয় অঞ্চলে বিলাসবহুল সমুদ্র ড্যান্স বার শুরু করেন শেখর শেঠি। এই ড্যান্স বার এতটাই জনপ্রিয়তা পেয়ে যায় যে, এর বাইরে একজন পানওয়ালাও এক রাতে ৩০০ পান বিক্রি করতেন। প্রভাদেবীতে সঙ্গম নামে ড্যান্সবারে প্রথম চালু হয় ব্যাটারিচালিত মিনি ফ্যান, যাতে এগুলো দিয়ে ড্যান্সারদের কাছে অর্থ উড়িয়ে আনা যায়। পুলিশও এই বারটিকে খুব পছন্দ করতো।
এই ব্যবসায় কিছুটা ছন্দ পতন ঘঠায় টোপাজ বার অ্যান্ড রেস্তোরাঁ। এটি গ্রান্ট রোডে নোভেলটি সিনেমা হলের কাছে। এই বারটি মারবেল পাথর, গ্লাস ও মিরর ব্যবহার করে সমৃদ্ধশালী হিসেবে গড়ে তোলা হয়। এখানে ছিল তিনটি ভিআইপি হল। এর একটি ব্যবহার করতে পারতেন সাধারণ মানুষ। যা থেকে প্রতি রাতে গড়ে আয় হতো ৫ লাখ রুপি। এক সময়ে এই বারটি জনপ্রিয় ছিল ডায়মন্ড ব্যবসায়ী, বিদেশী পর্যটক, সফরকারী ক্রিকেটারদের কাছে। সেই বারটি এখন তারপুলিনের শিট ও দোকানপাটে ঢাকা পড়েছে। এখানকার কর্মী সংখ্যা ৭০ থেকে কমে ৩২ এ এসে দাঁড়িয়েছে।
১৭ই জানুয়ারি সেখানকার একজন কর্মী বলেন, ড্যান্স বার বন্ধ করার রায়ের ফলে আমাদের ব্যবসা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। টোপাজ কখন আবার তার জীবন ফিরে পাবে তা অনিশ্চিত। আমরা এখন এটা খুলি স্থানীয় সময় বিকাল ৩টায়। আমাদের আছে ১৫ জন সঙ্গীতশিল্পী। তারা রাত সাড়ে ৯টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত গান করেন।
ড্যান্স বারস এসোসিয়েশনের ভারত ঠাকুর বলেন, ভিলে পারলের দীপার মতো অনেক বড় বড় বার বন্ধ হয়ে গেছে। আমার জানামতে, ওই স্থানগুলো ভাড়া দেয়া হয়েছে যোগব্যায়ামের কেন্দ্র হিসেবে। আর মালিকরা চলে ব্যবসা গুটিয়ে নিয়ে চলে গেছেন রিয়েল এস্টেটের ব্যবসায়।
ওদিকে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট ১৭ই জানুয়ারি যে রায় দিয়েছেন তাতে নতুন করে আশা জেগে উঠেছে। তবে বার মালিকরা বলেছেন, রাত সাড়ে এগারটার মধ্যে বার বন্ধ করতে বলা হয়েছে। কোনো আপত্তিকর নাচ করা যাবে না বলে বলা হয়েছে। এসবই অনুৎসাহিত করার মতো বিষয়। ড্যান্স বার কারিশমার মালিক মানজিৎ সিং শেঠি বলেছেন, আমরা দাদার-এ ভাল ব্যবসা করছিলাম। এখন আমাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান একটি রেস্তোরাঁয় রূপ নিয়েছে। তা দিয়ে কোনোমতে বেঁচে আছি।
ভারত ঠাকুর বলেছেন, যেসব ড্যান্স বারে নর্তকীরা আপত্তিকর নাচ করবেন সেইসব বারের মালিকদের তিন বছরের জেল অনুমোদন করেছেন সুপ্রিম কোর্ট। তার প্রশ্ন, কোন নাচটা আপত্তিকর তা নির্ধারণ করতে পারে কে? এ নিয়ে কাজ করা ঝুঁকিপূর্ণ। তাই জেলে গিয়ে জীবন কাটানোর চেয়ে আমাদের এ ব্যবসা বন্ধ রাখাই ভাল।
২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি। এদিন নতুন সবেমাত্র নিজেদের দরজা খুলেছে তিনটি ড্যান্স বার। তবে এক বছরের মাথায় ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে ওই তিনটি বারই বন্ধ করে দেয় পুলিশ। অনিয়মের অভিযোগে পুলিশ তাদের লাইসেন্স বাতিল করে। পুলিশের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা ১৭ই জানুয়ারি বলেছেন, ওই তিনটি বার-এর কোনোটিকেই এখন পর্যন্ত অনুমোদন দেয়া হয় নি। তাদেরকে নতুন নিয়মের অধীনে লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে হবে। ওই বারগুলো চাহিদা পূরণ করতে পারে নি। তাই তাদেরকে লাইসেন্স দেয়া হয় নি- বলেছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিরিয়ায় রাতভর ইসরাইলের সামরিক হামলা

সোমবার ইসরাইলের প্রেসিডেন্ট রিউভেন রিভলিন বলেন, ইসরাইলের ভূমিতে প্রথমে রকেট হামলা চালিয়েছে ইরান। এর জবাবেই গতকালের এ হামলা পরিচালনা করে ইসরাইল।
সোমবার দিনের শুরুতে এক বিবৃতিতে ইসরাইলের সেনাবাহিনী বলেছে, আমরা সিরিয়া ভূখণ্ডে ইরানি কুদস’কে টার্গেট করে হামলা শুরু করেছি। ইসরাইলি বাহিনী বা ভূখণ্ডের ক্ষতি করে এমন বিষয়ে আমরা আগেই সিরিয়ান সশস্ত্র বাহিনীকে সতর্ক করেছি।
উল্লেখ্য, কুদস ফোর্স হলো ইরানের বিপ্লবী গার্ডসের বিদেশি অপারেশনের দায়িত্বে থাকা বাহিনী। সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ ও তার বাহিনীকে বড় সমর্থনদানকারী দেশের মধ্যে অন্যতম ইরান। ইসরাইলের দক্ষিণাঞ্চল ইলাত থেকে আল জাজিরার সাংবাদিক হ্যারি ফসেট বলেছেন, ইসরাইলি সেনাবাহিনী এমন হামলার কথা নিশ্চিত করেছে। এ ধরনের হামলা খুবই অস্বাভাবিক।
সিরিয়ার রাজধানী দামেস্ক থেকে প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেছেন, রাতের আকাশে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যেসব ভিডিও প্রকাশ পেয়েছে তাতে দেখা গেছে, শহরের কাছে ক্ষেপণাস্ত্রগুলোকে ভূপাতিত করা হয়েছে। সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সানা বলেছে, রোববার রাতে শত্রুদের টার্গেট বানচাল করে দিয়েছে দেশের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। তার অনেকগুলোকে ভূপাতিত করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত আর কিছু জানানো হয়নি।
রোববার আন্তঃসীমান্তে হামলার পর এ ঘটনা ঘটেছে। সিরিয়া বলেছে, তারা ইসরাইলি বিমানবাহিনীর আক্রমণের জবাব দিয়েছে। ইসরাইল বলেছে, তারা দখলীকৃত গোলান উপত্যকায় ছোড়া রকেট ভূপাতিত করেছে। তবে কোথা থেকে ওই রকেট ছোড়া হয়েছিল সে বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। গোলানের উত্তরাঞ্চলেই রয়েছে লেবাননের সীমান্ত।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মেয়েদের কুমারিত্ব নিয়ে কলকাতার অধ্যাপকের বক্তব্য নিয়ে যে কারণে বিতর্ক

লিখেছিলেন, একটি মেয়ে কুমারিত্ব নিয়ে জন্মায় এবং সেই কুমারি স্ত্রী দেবদূতের মতো। তবে অধ্যাপক সরকার সমালোচনার মুখে অনঢ় থেকেছেন। তিনি বলেছেন, আমাদের সকলের নিজের মত প্রকাশের স্বাধীনতা আছে। আমিও সেটাই করেছি। অন্যেরা তা গ্রহণ করবেন কি না, সেটা তাঁদের ব্যাপার। তবে নারীবাদীরা অধ্যাপকের রুচি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এমনকি শিক্ষকতা করার যোগ্য কিনা তিনি সেই প্রশ্নও তুলেছেন। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য মহিলা কমিশনের চেয়ারপারসন লীনা গঙ্গোপাধ্যায় বলেছেন, এক জন অধ্যাপক কীভাবে এমন কথা বলতে পারেন? তাঁর কাছ থেকে পড়–য়ারা কী শিক্ষা পাচ্ছে? উনি নিজের পরিবারের মহিলাদেরও কি এ ভাবেই দেখেন? যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী বলেছেন, আমরা কর্র্তৃপক্ষের কাছে এই ধরণের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানাব। অভিযুক্ত অধ্যাপকের সহকর্মীরাও যে পোস্টের সঙ্গে একমত নন তা জানিয়েছেন। সমাজকর্মী শাশ্বতী ঘোষ বলেছেন, ‘‘সিল্ড বটলের সঙ্গে তুলনা করলে তো উনি বোঝাতে চাইছেন, একটি করে ‘সিল্ড’ বোতল খুলে সেটাকে ব্যবহার করে আবার ফেলে দেওয়া। উনি কি সে-দিকেই সম্পর্কগুলিকে নিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত করছেন? তা হলে তো মানবিক সম্পর্কের কোনও জায়গা নেই।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রতিষ্ঠানবিরোধী থাকতে থাকতে আমরা ক্রমশ প্রতিষ্ঠানের ভেতরে ঢুকে পড়েছি -সাক্ষাৎকারে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় by সাজ্জাদ শরিফ

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইরান-ইসরাইল হামলা, পাল্টা-হামলা

ইসরাইলের সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল জোনাথান কনরিকাস বলেছেন, তার দেশের বাহিনী সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কের ভেতর ও আশেপাশের ইরানি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। এর মধ্যে শহরের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরও অন্তর্ভূক্ত। তার ভাষ্য, রাতভর চালানো এই হামলার লক্ষ্য ছিল গোলাবারুদ ডিপো, গোয়েন্দা চৌকি ও প্রশিক্ষণ শিবির।
দামেস্ক বিমানবন্দরে অবস্থিত ইরানি গুদামেও হামলা চালানো হয়েছে। কনরিকাস জানান, হামলার পর সেখানে ফের বিস্ফোরণ ঘটে। অর্থাৎ গোলাবারুদের বিস্ফোরণ হয়।
হামলা চালানোর সময় ইরানের বিমান-বিধ্বংসী অস্ত্র থেকে গোলা ছোড়া হলে, সেখানেও হামলা চালায় ইসরাইল, এমনটা দাবি করেছেন কনরিকাস। হামলার আগে ইসরাইল সিরিয়াকে বার্তা পাঠায় যে, ইসরাইল শুধু ইরানি বাহিনীকে টার্গেট করছে। সুতরাং, সিরিয়া ইসরাইলি বিমান লক্ষ্য করে যাতে গুলি না করে।
ইসরাইলের এই ব্যাপক হামলার কারণ হলো ইসরাইল দখলকৃত গোলান উপত্যকায় রোববার বিকেলে চালানো মধ্যম পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা। কনরিকাসের বক্তব্য, এই ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের তৈরি। এটি ছুঁড়েছেও ইরানি বাহিনী। তিনি যোগ করেন, এবারই প্রথম এত ভারি কোনো গোলা ইসরাইলে ছুড়েছে ইরান। এটি দামেস্কের নিকটবর্তী কোনো এলাকা থেকে ছোড়া হয়। এটি গোলান উপত্যকার ৫০ কিলোমিটারের কাছাকাছি। যদিও রাশিয়া এর আগে ইসরাইলকে আশ্বস্ত করেছিল যে, ইরানি বাহিনী ইসরাইলের এত কাছে আসবে না।
এদিকে রাশিয়ার রাষ্ট্র-চালিত সংবাদ সংস্থা রিয়া-নভোস্তি রাশিয়ার প্রতিরক্ষা নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, ইসরাইলের হামলায় ৪ সিরিয়ান সৈন্য নিহত ও ৬ জন আহত হয়েছে।
লন্ডন-ভিত্তিক সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস (এসওএইচআর) জানিয়েছে, হামলায় ২ সিরিয়ান নাগরিক সহ ১১ জন নিহত হয়েছে। সংস্থাটি বলছে, ইসরাইলের চালানো এই হামলা ছিল ২০১৮ সালের মে মাসের পর থেকে ক্ষয়ক্ষতির দিক দিয়ে সিরিয়ান সরকার ও তার মিত্রদের বিরুদ্ধে চালানো সবচেয়ে সহিংস ও তীব্র হামলা। প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের মে মাসে ইসরাইলের দিকে কয়েক ডজন রকেট নিক্ষেপের পর সিরিয়ায় ব্যাপক আকারে হামলা চালিয়েছিল ইসরাইল।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এখনো মান্টো




About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ by মাসুদ মিলাদ

- • জাহাজ নির্মাণশিল্প রক্ষায় দীর্ঘ মেয়াদে ব্যাংকঋণ পরিশোধের সুযোগ করে দিয়েছে সরকার।
- • ঋণের সুদের ওপর ৪ শতাংশ হারে ভর্তুকি দেওয়া হবে।
- • ১০ বছর মেয়াদে ঋণ পরিশোধের সুযোগ দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের হিসাবে, গত বছরের জুন পর্যন্ত ২৭টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জাহাজ নির্মাণশিল্পের অবকাঠামো উন্নয়ন খাতে ঋণের স্থিতি ছিল প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকা। এই ঋণ পরিশোধের চাপে জাহাজ নির্মাণ প্রতিষ্ঠানগুলো নতুন কার্যাদেশ নিতেও হিমশিম খাচ্ছিল। দেশে ব্যবহারের ছোট জাহাজ নির্মাণ করে এবং কর্মী ছাঁটাই করে খরচ কমিয়েও ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি প্রতিষ্ঠানগুলো।
এ শিল্পের উদ্যোক্তাদের জন্য সুখবর হয়ে আসে সরকারি নীতি ও আর্থিক সহায়তা। তিন বছর কোনো ডাউনপেমেন্ট পরিশোধ ছাড়া এবং ১০ বছর মেয়াদে (ত্রৈমাসিক কিস্তিতে) ঋণ পরিশোধের সুযোগ দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে সব পক্ষের সঙ্গে বৈঠক করে অর্থ মন্ত্রণালয় এ সিদ্ধান্ত নেয়। গত ৪ এপ্রিল বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সব তফসিলি ব্যাংককে এ সিদ্ধান্ত অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়। গত জুন থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ধাপে ধাপে বেশির ভাগ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে। আবার এ খাতে নেওয়া ঋণের সুদের ওপর ৪ শতাংশ হারে ভর্তুকি দেওয়ারও নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। সুদের ওপর ভর্তুকি প্রদান কার্যকর হলে এই শিল্প ঘুরে দাঁড়াবে বলে আশা করেন উদ্যোক্তারা।
বাংলাদেশের আগে চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ জাহাজ নির্মাণশিল্প সুরক্ষা দিতে নানা পদক্ষেপ নেয়। যেমন ভারত সরকার ২০১৬ সালের ১ এপ্রিল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত জাহাজের রপ্তানি মূল্যের ওপর ২০ শতাংশ হারে নগদ সহায়তা অনুমোদন করেছে। চীনের উদ্যোক্তারা স্বল্প সুদে ঋণের পাশাপাশি নিজেদের কাঁচামাল ব্যবহারে ভর্তুকি পাচ্ছে। মন্দা থেকে এই ভারী শিল্প খাতকে সুরক্ষা দিতে এসব উদ্যোগ নেওয়া হয় দেশগুলোতে।
জানতে চাইলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের নেভাল আর্কিটেকচার অ্যান্ড মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সাবেক অধ্যাপক খবিরুল হক চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, সরকারি উদ্যোগ খুবই আশাব্যঞ্জক। তবে নীতি সহায়তার পাশাপাশি জাহাজ নির্মাণশিল্পকে এগিয়ে নিতে আলাদা সংস্থা গঠন করা উচিত। তাহলে এই খাতের সমস্যা সময়মতো গুরুত্ব দিয়ে দেখা সম্ভব হবে। এখন হয়তো এক-দুটি প্রতিষ্ঠান রপ্তানি করছে। জাহাজ নির্মাণে সক্ষমতা থাকার পরও এই খাত যেন এক-দুটি প্রতিষ্ঠানে সীমাবদ্ধ না থাকে, সেটি দেখতে হবে।
জাহাজ নির্মাণ খাতের সুরক্ষা দিতে বাংলাদেশে এমন সময়ে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যখন বৈশ্বিক জাহাজ নির্মাণ খাতে প্রবৃদ্ধি ঊর্ধ্বমুখী। জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়নবিষয়ক সংস্থা আঙ্কটাডের রিভিউ অব মেরিটাইম ট্রান্সপোর্টের ২০১৮ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, একটানা পাঁচ বছর শ্লথগতির পর ২০১৭ সালে জাহাজ নির্মাণশিল্পে প্রবৃদ্ধি ঘটেছে। সবচেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধি হয়েছে গ্যাস পরিবহনকারী জাহাজে। বিশেষায়িত এই জাহাজের বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির হার ৭ শতাংশের বেশি। প্রবৃদ্ধিতে এর পরেই রয়েছে জ্বালানি তেল পরিবহনকারী জাহাজ।
জাহাজ নির্মাণে মান তদারককারী সংস্থা ফ্রান্সভিত্তিক ব্যুরো ভেরিতাসের বাংলাদেশের প্রধান কর্মকর্তা মো. হারুনর রশীদ প্রথম আলোকে বলেন, মন্দার পর ২০১৭ সাল থেকে বিশ্বজুড়ে জাহাজ নির্মাণশিল্পে ভালো প্রবৃদ্ধি হচ্ছে।
রপ্তানিমুখী জাহাজ নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব এক্সপোর্ট ওরিয়েন্টেড শিপ বিল্ডিং ইন্ডাস্ট্রিজ অব বাংলাদেশের (এইওএসআইবি) তথ্যানুযায়ী, দেশে রপ্তানিযোগ্য জাহাজ নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে ১০টি। গত ১০ বছরে ১৭ কোটি ডলারের ৪০টি জাহাজ রপ্তানি হয়েছে। এর মধ্যে ১১ কোটি ডলারের জাহাজ রপ্তানি হয় মন্দার আগে। বিশ্বের ১২টি দেশে এসব জাহাজ রপ্তানি করেছে তারা।
উত্থান-পতন
এ খাতের উদ্যোক্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বাংলাদেশ থেকে জাহাজ রপ্তানি শুরু হয় ২০০৮ সালে। ঢাকার আনন্দ শিপইয়ার্ড ডেনমার্কে এমভি স্টেলা মরিস নামের ছোট আকারের একটি জাহাজ রপ্তানি করে। এর পরেই যুক্ত হয় চট্টগ্রামের ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড। তারা জার্মানির গ্রোনা শিপিং কোম্পানির কাছ থেকে ৮৫ মিলিয়ন ডলারের আটটি জাহাজ নির্মাণের কার্যাদেশ পায়। এ দুটি প্রতিষ্ঠান যখন জাহাজ রপ্তানিতে যুক্ত হয়, তখন জাহাজ নির্মাণের বিশ্ববাজার ছিল চাঙা। রপ্তানির বাজার ধরতে তখন এগিয়ে আসে দেশীয় আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান। শুধু ২০০৮ সালে ৫০টি জাহাজ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি পায় দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো।
তবে পাঁচ বছরের মাথায় ইউরোপে আর্থিক সংকট শুরু হয়ে যায়। বাংলাদেশে উঠতি শিল্পটি বৈশ্বিক মন্দার কারণে আক্রান্ত হয়। কারণ, এই শিল্পে বড় রপ্তানি আদেশ আসত ইউরোপের দেশগুলো থেকে। আর্থিক সংকটের কারণে এ সময় ইউরোপের ব্যাংকগুলো জাহাজ নির্মাণ খাতে বিনিয়োগ কমিয়ে দেয়। ফলে ইউরোপের আমদানিকারকেরা বিশ্বের অনেক দেশের মতো বাংলাদেশেও তাদের অনেক রপ্তানি আদেশ বাতিল করতে বাধ্য হয়।
তবে রপ্তানি–বাণিজ্যের এ ধাক্কা সামাল দিতে রপ্তানিমুখী জাহাজ নির্মাণ প্রতিষ্ঠানগুলো দেশের বাজারের জন্য জাহাজ নির্মাণে ঝুঁকে পড়ে। কর্মী ছাঁটাই করে খরচ কমিয়ে আনে। পাশাপাশি ইউরোপের বাজারের বদলে আফ্রিকার বাজার ধরার চেষ্টা করে তারা। মধ্যপ্রাচ্যের জাহাজ রপ্তানির বাজারেও প্রবেশ করে। এ সময় চট্টগ্রামের ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে জাহাজ রপ্তানির বেশ কিছু কার্যাদেশ পায়। এরপরও ধাক্কা সামলে উঠতে পারেনি কেউ। তবে সরকারি নীতি সহায়তায় এই খাত এখন ঘুরে দাঁড়াবে বলে আশা করছেন উদ্যোক্তারা।
জানতে চাইলে এইওএসআইবির সাধারণ সম্পাদক ও ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাখাওয়াত হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, সরকারি উদ্যোগের কারণে এই শিল্পের সামনে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। ইউরোপ থেকেও এখন রপ্তানি আদেশ আসা শুরু হয়েছে। প্রায় ৮০০ কোটি টাকার চারটি বিশেষায়িত জাহাজের রপ্তানি আদেশ পাওয়ার কথা জানিয়ে এ উদ্যোক্তা বলেন, এখন রপ্তানি আদেশ পাওয়ার পর জাহাজ নির্মাণের জন্য ‘ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল’ দরকার। ব্যাংকগুলো এগিয়ে এলে নতুন নতুন রপ্তানি আদেশ পেতে সমস্যা হবে না।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গরু-ছাগলে স্বয়ংসম্পূর্ণ বাংলাদেশ by ইফতেখার মাহমুদ

- দেশে প্রতিবছর ২৫ শতাংশ হারে গবাদিপশুর খামার বাড়ছে।
- ছোট-বড় মিলিয়ে এখন খামারের সংখ্যা প্রায় ১২ লাখ।
- তিন বছরে দেশে গরু-ছাগলের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ২০ লাখ।
শুধু কোরবানি ঈদের আগে দেশে ২০ থেকে ২২ লাখ গরু-ছাগল বৈধ-অবৈধ পথে বাংলাদেশে আসত। সারা বছরে এই সংখ্যা ৩০ লাখে ছুঁয়ে যেত। ভারত থেকে গবাদিপশু আসা বন্ধ হওয়ার পর দেশে প্রতিবছর ২৫ শতাংশ হারে গবাদিপশুর খামার বাড়ছে। ছোট–বড় মিলিয়ে এখন খামারের সংখ্যা প্রায় ১২ লাখ। গত তিন বছরে দেশে গরু-ছাগলের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ২০ লাখ। পাশাপাশি মহিষের উৎপাদনও ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে।
চার বছর আগেও শুধু কোরবানির ঈদের সময় প্রায় ২২ লাখ গরু-ছাগল ভারত ও মিয়ানমার থেকে এসেছিল। গত ঈদে এসেছিল মাত্র দেড় লাখ। গত তিন বছরে চিত্র এমনই পাল্টেছে যে গত কোরবানির ঈদের হাটে প্রায় ১২ লাখ গরু-ছাগল অবিক্রীত ছিল।
এ ব্যাপারে বাংলাদেশ পল্লী কর্ম–সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) চেয়ারম্যান ও অর্থনীতিবিদ ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে দেখতে পেয়েছি, গবাদিপশু পালনে দ্রুত দারিদ্র্য বিমোচন হয়। একই সঙ্গে দেশের মাংসের চাহিদা মেটে, বিদেশি মুদ্রার সাশ্রয় হয়। ফলে গবাদিপশুর সংখ্যা বৃদ্ধি সামগ্রিকভাবে দেশের অর্থনীতি, বিশেষত গ্রামীণ অর্থনীতিকে বদলে দিচ্ছে।’
গরু-ছাগলের উৎপাদন বৃদ্ধির কারণে স্বাভাবিকভাবে এ খাতে বাংলাদেশের বৈশ্বিক অবস্থানেরও উন্নতি হয়েছে। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার ২০১৭ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ছাগলের সংখ্যা, মাংস ও দুধ উৎপাদনের দিক থেকে বাংলাদেশ বৈশ্বিক সূচকে ধারাবাহিকভাবে ভালো করছে। এই খাতে শীর্ষে রয়েছে ভারত ও চীন। বাংলাদেশ ছাগলের দুধ উৎপাদনে বিশ্বে দ্বিতীয়। আর ছাগলের সংখ্যা ও মাংস উৎপাদনে বিশ্বে চতুর্থ। সামগ্রিকভাবে ছাগল উৎপাদনে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দেশ হচ্ছে ভারত ও চীন। আর গরু-ছাগল-মহিষ-ভেড়া মিলিয়ে গবাদিপশু উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বের ১২তম।
শুধু উৎপাদনের দিক থেকেই নয়, গবাদিপশুর জাতগত বৈচিত্র্যের দিক থেকেও বাংলাদেশকে বেশ সমৃদ্ধিশালী দেশ বলছে এফএওসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা।
জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষিবিষয়ক সংস্থা এফএও এবং আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ) ২০১৫ সালের মূল্যায়ন অনুযায়ী, ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল বিশ্বের অন্যতম সেরা জাত। এ ছাড়া বাংলাদেশ ও ভারতের যমুনাপারি ছাগলকে বিশ্বের অন্যতম সেরা জাত হিসেবে মনে করছে সংস্থা দুটি।
পিকেএসএফের সহায়তায় দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল ও উত্তরাঞ্চলে ছাগল লালনপালন নিয়ে কাজ করে বেসরকারি সংস্থা ওয়েব ফাউন্ডেশন। তাদের হিসাবে, শুধু চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর ও রাজশাহীতে ২০ হাজার খামারে প্রায় ৫০ লাখ ছাগল লালনপালন করা হচ্ছে। এসব ছাগলের অধিকাংশই বাংলাদেশি ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের। পিকেএসএফের অর্থায়নে চলতি বছর গরু লালনপালন করা হয়েছে ১০ লাখ। যেগুলোর আবার বিমাও করা হয়।
গরু আমদানি কমে যাওয়ায় দেশি জাতের গরুর খামার করার হার বেড়ে গেছে। বিশেষ করে কোরবানি ঈদে দেশি গরুর বিক্রি বেড়ে যাওয়ায় এবং ভালো দাম পাওয়ায় এই অবস্থা তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বাংলাদেশের গবাদিপশুর জাতগত বৈচিত্র্য নিয়ে একটি গবেষণা করছেন। তাতে দেখা গেছে, বাংলাদেশের গরুর চারটি জাত বৈশ্বিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ উন্নত জাত। চট্টগ্রামের লাল গরু, পাবনা গরু, উত্তরবঙ্গের ধূসর গরু ও মুন্সিগঞ্জের মিরকাদিমের গরুর মাংসের মান ও স্বাদ এশিয়ার মধ্যে অন্যতম সেরা।
জানতে চাইলে ফজলুল হক প্রথম আলোকে বলেন, বাংলাদেশের গরু-ছাগল ছাড়াও ভেড়া, ঘোড়া ও মহিষের অনেকগুলো ভালো জাত আছে। সেগুলো থেকে উন্নত মানের জাত উদ্ভাবন করা সম্ভব। বিদেশ থেকে গরু আমদানি বন্ধ হওয়াকে ইতিবাচক বর্ণনা করে তিনি বলেন, দেশে নতুন নতুন গরুর খামার গড়ে উঠছে। সেখানে দেশি জাতের গরু-ছাগল পালিত হচ্ছে। এতে একই সঙ্গে দেশি জাতগুলো রক্ষা পাচ্ছে এবং এই শিল্পের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে।
বেসরকারি উদ্যোক্তারা এগিয়ে আসায় গরু–ছাগল লালনপালন, বিশেষ করে কেনাবেচায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বেড়ে গেছে। লালনপালনে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মাঠপর্যায়ের কর্মীরা কারিগরি সহায়তা দিচ্ছেন। বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে এই খাতে অর্থায়ন করছে বাংলাদেশ ব্যাংক ও পিকেএসএফ।
এ বছর শুধু পিকেএসএফের মাধ্যমে উৎপাদন হওয়া ১০ লাখ গরুর মধ্যে ৬ লাখ গরু বিক্রি হচ্ছে অনলাইন, সরাসরি খামার থেকে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি খামারিদের সংগঠন বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মারস অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে বিক্রি হচ্ছে দুই লাখ গরু।
বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মারস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শাহ ইমরান প্রথম আলোকে বলেন, ‘সরকারের উচিত বিদেশ থেকে গরু আমদানি চিরতরে বন্ধ করে দেওয়া। আর দেশি জাত উন্নয়নের গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়ানো। তাহলে দেশি জাত দিয়েই আমরা দেশের চাহিদা মিটিয়ে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারব।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যেমন ছিল নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক: সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী নতুন মন্ত্রীদের উদ্দেশে বলেন, অনেক বড় পরিবর্তন এনে নতুন মন্ত্রিসভা করেছি। নতুনদের স্থান দিয়েছি। আপনাদের ওপর যে আস্থা ও বিশ্বাস নিয়ে মন্ত্রিসভায় এনেছি, আশা করি, আপনারা সততা ও নিষ্ঠা নিয়ে প্রমাণ করবেন যে, আপনাদের ওপর আমার আস্থা ও বিশ্বাস সঠিক ছিল।
যদি সেটা না করতে পারেন তবে আমার উদ্দেশ্য সফল হবে না। অনেকে নানা কথা বলবে, শুনতে হবে, অনভিজ্ঞদের নিয়ে আসার কারণে এটা হয়েছে। এ কারণে আপনারা সততা রেখে চলবেন। বিত্ত-বৈভব অনেক করতে পারবেন। কিন্তু সেটা করতে গেলে পচে যাবেন। বৈঠকের শুরুতে টানা তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। ফুলেল শুভেচ্ছার পর মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীরা মন্ত্রিসভায় স্থান দেয়ায় প্রধানমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন। নিজেদের পরিচয় দেয়ার পাশাপাশি আগামীতে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত বক্তব্য দেন। বিভিন্ন এজেন্ডার মাঝখানে অনানুষ্ঠানিক কথা বলেন। বৈঠকে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শ. ম. রেজাউল করিম গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়াকে ঘিরে বঙ্গবন্ধুর নামে মডেল সিটি করার প্রস্তাব করেন। এ প্রস্তাবের স্বপক্ষে যুক্তি দিয়ে শ. ম. রেজাউল করিম বলেন, বিশ্বের ২০টির মতো দেশের স্বাধীনতার নায়ক এবং জাতীয় নেতা, যার নেতৃত্বে ওসব দেশ প্রতিষ্ঠিত হয়, সেসব দেশে তাদের নেতার নামে সিটি আছে। ভিয়েতনামে হো চি মিনের নামে হো চি মিন সিটি, যুক্তরাষ্ট্রে জর্জ ওয়াশিংটনের নামে ওয়াশিংটন সিটিসহ অনেক দেশেই জাতির পিতার নামে সিটি আছে। এরপর ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ চট্টগ্রামে নির্মাণাধীন কর্ণফুলী টানেল জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে নামকরণের প্রস্তাব করেন।
দেশের জন্য বঙ্গবন্ধুর অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এমনটা করার প্রস্তাব দেন তিনি। এদিকে আনুষ্ঠানিক বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কাজ ফেলে না রেখে তা দ্রুত করতে মন্ত্রিসভার নতুন সদস্যদের নির্দেশ দেন। বৈঠকের বিষয়ে সচিবালয়ে ফিরে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম। প্রথম বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার সদস্যদের উদ্দেশ্যে কী বলেছেন- জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী বরাবর যে কথাগুলো বলে আসছেন, সেগুলোই বলেছেন। প্রথম হলো দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। সব জায়গায় সুশাসন কায়েম করা। সততা ও দক্ষতা- এগুলোর সঙ্গে কাজ করা। জনবান্ধব জনপ্রশাসন তৈরি করা; মানে কাজ ফেলে রাখা যাবে না, দ্রুত শেষ করতে হবে। শফিউল আলম বলেন, বাংলাদেশকে একচল্লিশের (২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে রূপান্তর) জায়গায় নিয়ে যেতে হলে আমাদের স্পিডে কাজ করতে হবে।
মন্ত্রিসভার সদস্যদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনীতে আপনারা নিশ্চয়ই পড়েছেন, আমার দাদা তাকে যে কথাটা বলেছিলেন; যে কাজই করো না কেন, সিনসিয়ারিটি অব পারপাস অ্যান্ড অনেস্টি অব পারপাস। আমি মনে করি এই দুটি কথা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই মন্ত্রিপরিষদ এ কথাটি মনে রেখে যে কাজই করবে, নিষ্ঠার সঙ্গে ও সততার সঙ্গে কাজ করবে। প্রতিটি কাজ নিষ্ঠার সঙ্গে করতে হবে- এ কথাটি মনে রাখতে হবে। জনগণের প্রতি আমাদের যে দায়িত্ব, কর্তব্য রয়েছে- সেটা পালন করতেই আমরা এখানে এসেছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সততার শক্তি অপরিসীম, সেটা আমরা বারবার প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি। তাহলেই আমাদের দেশ এগিয়ে যাবে এবং যে অগ্রযাত্রা আমরা শুরু করেছি সেটা আমাদের এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। বৈঠকের শুরুতে আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের স্মৃতিচারণে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৈঠকের প্রথম এজেন্ডা হিসেবে সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম আজ আমাদের মাঝে নেই, এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। আশরাফকে ছোটবেলা থেকেই আমি চিনি, কামালের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিল। সে ছাত্রলীগ করতো। আমাদের মধ্যে একটা পারিবারিক সম্পর্কের মতোই ছিল। এ সময় প্রধানমন্ত্রী আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু সপরিবারে নিহত হওয়ার পর প্রবাসে আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করা এবং পরে দেশে এসে সৈয়দ আশরাফের রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। এদিকে একাদশ জাতীয় সংসদের উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রেসিডেন্ট যে ভাষণ দেবেন, তার খসড়া অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের বলেন, আইনগত বাধ্যবাধকতা আছে বছরের শুরুতে যে সংসদ বসে সেটাতে এবং সরকার গঠনের পর প্রথম বৈঠকে প্রেসিডেন্ট ভাষণ দেবেন। সেটা মন্ত্রিসভা ঠিক করে দেয় এবং তিনি চূড়ান্ত অনুমোদন দিলে সেটা সংসদে পাঠ করা হয়। তিনি বলেন, মূল ভাষণে ৭৫ হাজার শব্দ থাকছে। সংক্ষিপ্ত ভাষণে প্রায় ছয় হাজার শব্দ রাখা হয়েছে। বড় ভাষণটি টেবিলে দেয়া থাকবে। মূল ভাষণের একটি ইংরেজি সংস্করণও তৈরি করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল বিজয়ের পর গত ৭ই জানুয়ারি চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন শেখ হাসিনা। ২৪ জন মন্ত্রী, ১৯ জন প্রতিমন্ত্রী এবং তিনজন উপমন্ত্রীকে নিয়ে নতুন সরকারের মন্ত্রিসভা গঠন করেন তিনি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মামলার প্রস্তুতিতে ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীরা by কাফি কামাল

এখন কেন্দ্রের নির্দেশনা পেলে প্রার্থীরা একযোগে মামলা দায়ের করবেন। তবে কবে নাগাদ ট্রাইব্যুনালে মামলাগুলো দায়ের করা হবে সে ব্যাপারে পরিষ্কার কিছুই বলতে পারছেন না নেতারা। এদিকে নির্বাচনের পরপরই মামলার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ফ্রন্টের নেতারা। কিন্তু এখনো সে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়নি।
এখন তারা কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশনার অপেক্ষায় রয়েছেন। বিএনপির নীতিনির্ধারক ফোরামের দুই সদস্যসহ ধানের শীষের বেশ কয়েকজন প্রার্থী আলাপে এমন তথ্য জানিয়েছেন। তবে বেশ কয়েকজন নেতা জানিয়েছেন, মূলত রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছ থেকে কেন্দ্রভিত্তিক ভোটের ফলাফলের কাগজপত্র হাতে না পাওয়ায় মামলার উদ্যোগটি আটকে আছে। এ ছাড়া আলাদাভাবে তিনটি কমিটি গঠন করে মামলা-হামলা- গ্রেপ্তারের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করছে বিএনপি।
নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলার ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির দুই সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। অন্যদিকে বিএনপির দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী জানান, নির্বাচনী অনিয়ম ও মামলা-হামলার ঘটনার তথ্য-উপাত্ত নিয়ে ইতিমধ্যে পৌনে দুইশ’ আসনের প্রতিবেদন কেন্দ্রীয় দপ্তরে জমা হয়েছে। আশাকরি বাকি আসনগুলোর প্রতিবেদনও দুয়েকদিনের মধ্যে জমা পড়বে। ট্রাইব্যুনালে মামলার ব্যাপারে তিনি বলেন, এ ব্যাপারে দলীয় ফোরামে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়নি। সিদ্ধান্ত হলে এ ব্যাপারে উদ্যোগ নেয়া হবে। তবে গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা-৭ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মোস্তফা মোহসীন মন্টু বলেন, ট্রাইব্যুনালে মামলার জন্য বেশিরভাগ প্রার্থীই ইতিমধ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সেরেছেন। কিছু বিষয় এখন বাকি আছে। আমরা এসব নিয়ে আলোচনা করছি। চলতি সপ্তাহেই একযোগে মামলাগুলো দায়ের করা হবে।
জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম শীর্ষ নেতা ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছ থেকে কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফলের কাগজপত্র হাতে পাইনি। এসব কাগজপত্রের জন্য অপেক্ষা করছি। কাগজপত্র পেলেই মামলার উদ্যোগ নেয়া হবে। আগামী ৩০শে জানুয়ারি ট্রাইব্যুনালে মামলার শেষদিন। বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দিলে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, আগামী ৩০শে জানুয়ারির মধ্যে এসব কাগজপত্র যদি না দেয় তাহলে প্রমাণিত হবে দেশে আইন-আদালত বলতে কিছু নেই।
বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম-৫ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, বীরপ্রতীক জানান, ২০দলীয় জোটের প্রধান শরিক দল বিএনপির নির্দেশনা অনুযায়ী আমার নির্বাচনী আসনের সংশ্লিষ্ট তথ্য-উপাত্ত নিয়ে ৮ই জানুয়ারি একটি প্রতিবেদন ও সিডি জমা দিয়েছি। নির্বাচনে অনিয়মের চিত্র তুলে ধরে আমি টকশোতে কথা বলেছি, আমার কলাম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিয়মিত লিখছি। এখন আগামী দিনের পথচলা কী রকম হবে তা নিয়ে নির্দেশনার জন্য আমরা আমাদের ২০দলীয় জোটের প্রধান শরিক বিএনপির দিকনির্দেশনার অপেক্ষায় আছি। ধানের শীষের সঙ্গে ছিলাম, আছি, থাকবো।
জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর ও খুলনা-৫ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মিয়া গোলাম পরওয়ার জানিয়েছেন, তার নির্বাচনী আসনের ভোট কারচুপির তথ্য-প্রমাণসহ একটি প্রতিবেদন তিনি জমা দিয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে। সেই সঙ্গে অডিও-ভিডিওর একটি সিডিও জমা দেয়া হয়েছে। বিএনপির খুলনা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও যশোর সদর আসনে ধানের শীষের প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানান, নির্বাচনের পর তিনি নেতাকর্মীদের জামিন তৎপরতা নিয়ে বেশি ব্যস্ত ছিলেন। পরে কেন্দ্রের নির্দেশনা অনুযায়ী নানা তথ্য-উপাত্ত নিয়ে গত সপ্তাহে ১১ পৃষ্ঠার একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন তিনি। সেই সঙ্গে ছবি, অডিও-ভিডিও ক্লিপিংসহ একটি পেনড্রাইভ ও মামলার এফআইআর-রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে অভিযোগের কপিগুলোর সংযুক্তি দিয়েছেন। অমিত জানান, ট্রাইব্যুনালে মামলার ব্যাপারে প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। এখন কেন্দ্র থেকে নির্দেশনা পেলে মামলাটি দায়ের করবো।
যে ৮ বিষয়ের ভিত্তিতে প্রতিবেদন
ধানের শীষের প্রার্থীদের আটটি বিষয়ের ভিত্তিতে প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশনা দিয়েছিল বিএনপি। সে নির্দেশনার ভিত্তিতে প্রার্থীরা নির্বাচনের দিন ও আগে-পরে হামলা, মামলা, গ্রেপ্তার, হয়রানি, হতাহত এবং ভোটকেন্দ্রে অনিয়ম ও কারচুপির তথ্য, লিখিত বর্ণনা, অডিও-ভিডিওসহ প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। কেন্দ্রীয় দপ্তর সূত্র জানায়, কেন্দ্রের নির্দেশ অনুযায়ী নির্বাচনে সহিংসতা, অনিয়ম, ভোট কারচুপিসহ ৮টি বিষয়ের তথ্য দিয়ে তৈরি করা হয়েছে এই প্রতিবেদন। বিষয়গুলো হচ্ছে-
৫. নির্বাচনের আগে-পরের সহিংসতায় সরকারি বাহিনী ও ক্ষমতাসীন দলের আক্রমণে ধানের শীষের নেতাকর্মী, সমর্থকসহ যারা নিহত, আহত ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাদের নাম-পরিচয়, ঠিকানা এবং আক্রান্তের ছবিসহ ঘটনার বিবরণ;
তথ্য সংগ্রহে বিএনপির তিন কমিটি গঠন
দলীয় সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সারা দেশে হামলা-মামলা ও লুটপাটের তথ্য সংগ্রহে আলাদা তিনটি কমিটি গঠন করেছে বিএনপি। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশনা অনুযায়ী ইতিমধ্যে কমিটিগুলো তাদের কাজ শুরু করে দিয়েছেন। সারা দেশে মামলা-হামলা ও গ্রেপ্তারের তথ্য সংগ্রহ ৬ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির আহ্বায়কের দায়িত্ব পেয়েছেন দলের যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। মামলা- গ্রেপ্তারের তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি আইনগত সুবিধার বিষয়টি দেখবে এই কমিটি। অন্যদিকে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সহিংসতা, আহত-নিহতের সংখ্যা, বাড়িঘর ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ, দলের কার্যালয় ভাঙচুর সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহে ৬ সদস্যবিশিষ্ট আরেকটি কমিটির আহ্বায়কের দায়িত্ব পেয়েছেন দলের প্রচার সম্পাদক শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানী। দলের স্বনির্ভরবিষয়ক সম্পাদক শিরীন সুলতানাকে আহ্বায়ক করে গঠিত কমিটি তথ্য সংগ্রহ করবে নারী প্রার্থী ও নেতা-কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা-মামলা বিষয়ে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ক্রিকেট জুয়ায় কাঁপছে দেশ by শুভ্র দেব

যে জিতবে পাবেন ৫ হাজার টাকা। ওভার শেষে বাজিতে জিতে বাবুল হাতে পান ৫ হাজার টাকা। শুধু বাবুল বা আল আমিনই নন বিপিএল নিয়ে মাঠের বাইরে এমন বাজিতে মজছেন বহু মানুষ। ক্রিকেট জুয়ায় জড়ানোর অভিযোগ আছে খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধেও। খেলার বাইরে এই অনৈতিক বাজি ঠেকাতে তৎপর বিপিএল কর্তৃপক্ষও। তাদের কর্মীরা চোখ রাখছেন গ্যালারিতে। মাঠে বসে জুয়া খেলারত অবস্থায় ২৪টি ম্যাচে ৪৫ জনকে আটক করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। তাদের মধ্যে ২০ জন বিদেশি নাগরিক। এছাড়া নেট দুনিয়ায় বাজি ধরা হয় এমন ১২টি সাইট বন্ধ করে দিয়েছে বিটিআরসি।
যদিও এসব সাইটের বেশির ভাগই প্রক্সি সার্ভারে চালাচ্ছে জুয়াড়িরা। বিপিএল নিয়ে বছর বছর বাড়ছে বাজিকরদের তৎপরতা। গতবছর ক্রিকেট খেলা নিয়ে বাজি ধরে ঢাকার বাড্ডায় এক শিক্ষার্থী হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ২০১৩ সালে বিপিএলের দ্বিতীয় আসরে জুয়াড়িদের ফাঁদে পড়ে স্পট ফিক্সিংয়ে ৫ বছরের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছিলেন বাংলাদেশের তারকা ক্রিকেটার মোহাম্মদ আশরাফুল। খেলা ঘিরে ছোট-বড় চায়ের দোকান, শহরের অলিগলি, ক্লাব, বার, এমনকি পাঁচ তারকা হোটেলে বসে বাজির আসর। বিপিএলের একেকটি ম্যাচে কোটি কোটি টাকার বাজি ধরা হচ্ছে।
রাজধানীর খিলগাঁওয়ের বাসাবো এলাকার একটি সিএনজি অটো রিকশার গ্যারেজে সন্ধ্যার পর থেকে জড়ো হন চালকরা। সেখানে সবাই মিলে বিপিএল এর ম্যাচ দেখেন। আড্ডা আলোচনার সঙ্গে ওভারে ওভারে চলে জমজমাট বাজি। প্রতি বাজিতে একশ থেকে পাঁচ শ’ টাকা লেনদেন হয়।
সেখানে বাজি ধরেন এমন একজন আবুল হোসেন বলেন, কয়েক বছর ধরেই বিপিএল খেলা নিয়ে আমরা বাজি খেলি। সারা দিন কাজ করে অবসর সময়ে এখানে বসে আড্ডার ফাঁকেই চলে বাজি। কেউ হারে কেউ জিতে। এখানে আমরা সবাই চালক। বাইরের কেউ আসে না।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবারের বিপিএলে বিদেশি তারকা খেলোড়ারের ছড়াছড়ি। তাই প্রথম ম্যাচ থেকেই বাজিকররা একটু বেশিই মেতেছেন। ভারত-পাকিস্তানের জুয়াড়িরা প্রথম থেকেই বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। বিপিএলকে সামনে রেখে অন্তত পাঁচ শতাধিক বিদেশি জুয়াড়ি দেশে অবস্থান করছেন বলে গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে। ৫ই জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া বিপিএলের প্রথম তিন দিনে মিরপুর স্টেডিয়াম থেকে ২০ জন জুয়াড়িকে আটক করা হয়েছে। তাদের প্রত্যেককে চার হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।
ক্রিকেট বাজিতে জড়িত এমন কয়েকজনের সঙ্গে আলাপকালে জানা গেছে নানা তথ্য। রাজধানীর একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর বলেন, বাজি খেলাটা মূলত প্রথম স্কুল জীবনে শুরু হয় নিজেদের ক্রিকেট খেলা থেকে। দুই দল যখন ক্রিকেট খেলতো তখন বন্ধুরা মিলে বাজি ধরতাম। এভাবেই ধীরে ধীরে এই লাইনে আসা। এখন বাজি ধরাটা যেন নেশায় পরিণত হয়েছে। অনেকবার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম বাজি ছেড়ে দেবো। কিন্তু বাজিকরদের ফোন আসায় আবার সেই ধারায় চলে যেতে হয়। একবার মেস ছেড়েছিলাম যাতে আর বাজি খেলতে না হয়। কিন্তু নতুন মেসে যেয়েও জড়িয়ে পড়ি বাজিতে। বাজি খেলে লাভ হয় কিনা জানতে চাইলে আরেকজন বলেন, দুইজন যেহেতু খেলছি লাভ লসতো হবেই। তবে লাভের টাকার ভাগিদার বেশি হয়। আর লাভের টাকা যতই বেশি হোক না কেন কোনো না কোনো ভাবে তা খরচ হয়ে যায়। আরেকজন আক্ষেপ করে বলেন, বাজির টাকায় আমার কেনা মোটরবাইক হয়েছে চুরি।
ল্যাপটপ কিনলাম সেটা বিক্রি করে হারা ম্যাচের টাকা পরিশোধ করলাম। বিপিএল সূত্রে জানা গেছে, এবারের বিপিএলে মাঠের ভেতরের জুয়াড়িদের রুখতে বেশ শক্ত অবস্থানে রয়েছে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল। কারণ, জুয়াড়িদের বেপরোয়া আচরণে অনেকটা অস্বস্তিতে আছে বিপিএল কর্তৃপক্ষ। তাই এই টুর্নামেন্টের অন্য দিকগুলোর মতো জুয়া ও জুয়াড়ি ঠেকানোতে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। পোশাকে ও সাদা পোশাকে দুর্নীতি দমন ইউনিটের সদস্যরা কাজ করছেন। এ ছাড়া খেলা চলাকালীন ভ্রাম্যমাণ আদালত ঘুরে বেড়ায় গ্যালারিতে। দীর্ঘসময় মোবাইল ফোনে ব্যস্ত থাকা দর্শকদের সন্দেহভাজন হিসাবে আটক করা হচ্ছে। যাচাই বাছাই করে যদি জুয়ার সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায় তবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। তবে কোনো খেলোয়াড় যাতে স্পট ফিক্সিংয়ে না জড়ায় সেদিকে বাড়তি নজরদারি রয়েছে।
খেলোড়ারদের হোটেল রুম, ড্রেসিং রুম, এমনকি মাঠেও যাতে কোনো জুয়াড়ি তাদেরকে প্রভাবিত করতে না পারে তার জন্য আলাদা আলাদা টিম কাজ করছেন। সব মিলিয়ে বিপিএলে বাজি রুখতে অন্তত সহস্রাধিক সদস্য কাজ করছেন। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক ও বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগের গভর্নিং কাউন্সিলিংয়ের সদস্য সচিব ইসমাঈল হায়দার চৌধুরী বলেন, বিপিএল জুয়া ও স্পট ফিক্সিং নিয়ে আমাদের অবস্থান খুবই স্ট্রিট। এসব কারণে আমরা এক বছর খেলা বন্ধ রেখেছি। এ বছর সিভিল ও ফরমাল পোশাকে প্রায় ১ হাজার কর্মী বাজি প্রতিরোধে কাজ করছে। হোটেল রুম থেকে শুরু করে, ড্রেসিং রুম, মাঠের ভেতরে নজরদারি চলছে। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজন বিদেশি জুয়াড়িকে আটক করা হয়েছে। যাদেরকে আটক করা হচ্ছে সঙ্গে তাদের জরিমানা করে থানায় নেয়া হচ্ছে। অনেককে জেলে পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, আইনে আছে এ ধরনের অপরাধে সর্বোচ্চ ৮/১০ দিনের জেল ও জরিমানা করা যাবে। পাশাপাশি আটক বিদেশিদের সঙ্গে সঙ্গে তাদের দেশে পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছে।
এদিকে বিপিএল বাজি বন্ধ করতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের দুর্নীতি দমন ইউনিট ১২টি বিদেশি বেটিং সাইট বাংলাদেশে বন্ধের জন্য চিঠি দিয়েছিল ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সাইবার ক্রাইম ও নিরাপত্তা বিভাগকে। সাইবার ক্রাইম ইউনিট সেসব সাইট বন্ধের জন্য চিঠি সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে অবগত করেছে। ইতিমধ্যে সেসব সাইট বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। বন্ধ করা সাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বেটিং সাইট রেবটওয়ে ডটকম, বেটফ্রিড ডটকম, ডাফাবেট ডটকম, বেটফেয়ার ডটকম, সাইট ৩৬৫ ডটকম, ৮৮ স্পোর্টস ডটকম, ইউনিবেট ডটকম, বেট ভিক্টর ডটকম, নেটবেট ডটকম, টাইটানবেট ডটকম, উইনার ডটকম ও পেডি পাওয়ার ডটকম। এদের মধ্যে বেটিং সাইট ৩৬৫ ডটকম যেকোনো ধরনের খেলার বাজির জন্য জনপ্রিয়। বিশ্বের ২০০টি দেশের ১ কোটি ৯০ লাখের বেশি বাজিকর নিয়মিত এই সাইট ব্যবহার করেন। তবে বাংলাদেশে এসব সাইট বন্ধ করে দেয়ার পরও থেমে নাই জুয়াড়িরা। ভিপিএন, প্রক্সি সার্ভার ও অ্যাপ দিয়ে তারা এই সাইটগুলো ব্যবহার করছেন।
লেনদেনের জন্য তারা ব্যাংক থেকে শুরু করে পেপাল, পেওনিয়ার, মাস্টার, ডেবিট ও ক্রেডিটকার্ড ব্যবহার করছেন। এ ছাড়া বিভিন্ন দেশের অনলাইনভিত্তিক কার্ড ও ক্রিপকারেন্সিতে লেনদেন চলছে। বিশ্বের প্রায় ২৮টি দেশের মুদ্রায় তাদের লেনদেন হচ্ছে বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সাইবার ক্রাইম ও নিরাপত্তা বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার নাজমুল ইসলাম মানবজমিনকে বলেন, প্রক্সির মাধ্যমে যদি জুয়া খেলে এগুলো আটকানোর পথ তেমন একটা নাই। এই দিকে আমাদের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এগুলো আটকানোর জন্য বিপিএলের আলাদা একটি কমিটি রয়েছে। তারাই এগুলো দেখভাল করবে। তারপরেও তারা চাইলে পুলিশ তাদের সাহায্য করবে। কিন্তু বিপিএল কমিটির পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আমাদের কিছুই জানানো হয়নি।
মোবাইলে, ম্যাসেঞ্জারে ও সরাসরি অনেকে জুয়ার সঙ্গে জড়িত রয়েছেন। এবারে আসর চলাকালে এ ধরনের অপরাধে কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে কিনা এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, মাঠের বাইরে জুয়া চলে ঠিক। কিন্তু মাঠে ম্যাচ চলাকালীনও অনেক জুয়ার কার্যক্রম চলে। এগুলো বের করা উচিত বিপিএল কমিটির। এর সঙ্গে পুলিশের এটা টিমও কাজ করলে ভালো হতো। পুলিশ সদরদপ্তরের এআইজি সোহেল রানা মানবজমিনকে বলেন, শুধু জুয়া নয় যেকোনো ধরনের অপরাধ রোধে পুলিশ বাহিনী কাজ করে যাচ্ছে। বিপিএল নিয়ে মাঠে ও মাঠের বাইরে জুয়া চলছে বলে আমরা ইতিমধ্যে অবগত হয়েছি। পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট এ নিয়ে কাজ করছে। যদি কাউকে হাতেনাতে আটক করা যায় তবে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি বলেন, এটি একটি মানসিক ব্যাধি। তাই এটি প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
সমাজ বিজ্ঞানী নেহাল করিম মানবজমিনকে বলেন, যারা বাজি ধরে এটা তাদের রুচির বিষয়। তাদের কাছে হয়তো এত অর্থ আছে খরচ করার জায়গা পাচ্ছে না তাই বাজি ধরে খরচ করে। বাজি ধরার মূল উপাদান টাকা। যার টাকা আছে সে বাজি ধরবে। তিনি বলেন, ধীরে ধীরে পশ্চিমা সংস্কৃতি আমাদের সংস্কৃতিকে গ্রাস করছে। একসময় আমাদের দেশে যারা ডাংগুলি খেলত তারাই এখন পোল খেলে। কারণ হিসাবে তিনি বলেন, উন্নত দেশে যেভাবে বৈধভাবে অনেক কিছু করার সুযোগ আছে আমাদের দেশে এমন ব্যবস্থা নাই। তাই চুরি করে অনেকেই জুয়া খেলছে। অনেকটা গোপনীয়তা বজায় রাখার জন্য তাদেরকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা আটকও করতে পারছেন না।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘ইতিবাচক ধারায়’ ফিরলে ছাত্রদলকে সহাবস্থানের সুযোগ দেবে ছাত্রলীগ

সভায় ছাত্র সংগঠনগুলোর মধ্যে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগ ও জাসদ ছাত্রলীগ ছাড়া অন্য সব সংগঠন হলের বাইরে ফ্যাকাল্টিতে ভোটকেন্দ্র স্থাপন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতের জন্য ভোটকেন্দ্রে সিসি টিভি স্থাপন, ক্ষমতার ভারসাম্য, সহাবস্থান ও প্রার্থিতার ক্ষেত্রে বয়স শিথিলের দাবি করে। অন্যদিকে ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসাইন ছাড়া সভায় উপস্থিত থাকা অন্য নেতারাও প্রার্থিতার ক্ষেত্রে বয়স শিথিল করে ৩০ বছর করার দাবি করেন।
অন্যদিকে সাদ্দাম হোসাইন যারা কেবল নিয়মিত ছাত্র তাদেরই নির্বাচনে অংশ নেয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন। এছাড়া ছাত্রলীগ হলে ভোটকেন্দ্র স্থাপনের দাবি করে। এদিকে সভা শেষে ভিসি অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, সভায় গঠনতন্ত্র ও আচরণবিধি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। গঠনতন্ত্র নিয়ে যে সুপারিশ করা হয়েছে তা সিন্ডিকেট সভায় উঠবে।
সেখানে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। এসময় তিনি আগামী মার্চে নির্বাচন প্রদানের আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, আমরা একটা কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের মূল্যায়নের ওপর ভিত্তি করে তফসিল দেয়া হবে। আমরা এবং আমাদের সিন্ডিকেট সদস্যরা একটা বিষয়ে একমত যে, যারা ভোট দিতে পারবে তারা যেন প্রার্থী হতে পারে। আচরণবিধির বিষয়ে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. নাসরীন আহমাদকে নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা সে বিষয়টি দেখবেন। জানা গেছে, সভায় যারা দ্বিতীয়বারের মতো মাস্টার্স করছে, যারা ডাকসু এবং হল সংসদের ফি দেয়, এদেরকে ভোটার করার দাবি জানান ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক লিটন নন্দী। তিনি সান্ধ্যকালীন ছাত্রদেরও ভোটার করার দাবি জানান। এসময় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী বলেন, তাদেরকে অন্তর্ভুক্ত করা হলেও চাকরির বয়সের (৩০) সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ভোটার করা হোক। আর সেখানেই এর বিরোধিতা করে কেবল নিয়মিত শিক্ষার্থীদের নির্বাচনের পক্ষে মত দেন ছাত্রলীগের ঢাবি শাখার সাধারণ সম্পাদক। আলোচনাসভা শেষে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সব কার্যক্রম হল কেন্দ্রিক তাই ভোটকেন্দ্র হলের মধ্যে করা হোক।
ক্যাম্পাসে সহাবস্থান আছে কিন্তু ছাত্রদলকে ইতিবাচক ধারায় আসতে হবে। তাহলে তারা সহাবস্থান করতে পারবেন। বয়স নিয়ে তিনি বলেন, যে কেউ প্রার্থী হতে পারে। তবে তাদের বয়সসীমা ৩০ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, ছাত্রদল অন্তর্কোন্দলের কারণে ক্যাম্পাস ছেড়েছে। তাদের মধ্যে যারা নিয়মিত শিক্ষার্থী তারা প্রভোস্টের মাধ্যমে হলে থাকলে আমাদের সমস্যা নেই। ডাকসু নির্বাচনে নিয়মের বাইরে দুর্নীতি করে এখানে কোনো কিছু হওয়া সম্ভব নয়। ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আকরাম হোসাইন বলেন, ছাত্রদলসহ সব ছাত্র সংগঠনের পক্ষে থেকে মধুর ক্যান্টিন, আবাসিক হলগুলোতে সহাবস্থানের দাবি করা হয়েছে। ভোটার এবং প্রার্থিতার ক্ষেত্রে যারা ডাকসুর ফি প্রদান করে তাদের সবাইকে সুযোগ দিতে হবে। এখানে কোনো প্রতিবন্ধকতা করা যাবে না। ভোটকেন্দ্র একাডেমিক ভবনে স্থানান্তরের জন্য গঠনতন্ত্র সংশোধনের দাবি জানানো হয়েছে বলে তিনি জানান। পাশাপাশি ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের মাধ্যমে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও বিশ্বাসযোগ্য করার দাবি জানানো হয়েছে সংগঠনটির পক্ষ থেকে। তার পাশে উপস্থিত থাকা ছাত্রলীগ নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ক্যাম্পাসে আসলে ছাত্রলীগ নেতারা আমাদের নেতাকর্মীদের বিভিন্ন সময় মারধর করে। এসময় তিনি ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রত্যাশা করেন। তিনি ডাকসুর সভাপতির (ভিসি) ক্ষমতার ভারসাম্য আনা এবং ক্ষমতার বিকেন্দ্রীয় করার দাবিও জানান।
এসময় ছাত্রদল নিয়মিত মধুর ক্যান্টিনে যাবে বলে ঘোষণা দেন আকরাম হোসাইন। ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক লিটন নন্দী বলেন, ভোটকেন্দ্র ক্যাম্পাসের একাডেমিক ভবনে আনার জন্য প্রশাসনের কাছে অধিকাংশ ছাত্র সংগঠন দাবি জানিয়েছেন। আমরাও একই দাবি জানিয়েছি। একই সঙ্গে যারা ডাকসু ও হল সংসদের জন্য ফি দেন, তাদেরকে ভোটার ও প্রার্থী করার দাবি জানানো হয়েছে। সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন প্রিন্স বলেন, আমরা ক্যাম্পাসে ভোটকেন্দ্র করার দাবি জানিয়েছি। যাতে সবার জন্য সহাবস্থান থাকে। রিটার্নিং কর্মকর্তা ও আচরণবিধি কমিটির বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা শুনেছি যারা এই দুই কমিটিতে দায়িত্ব পেয়েছেন তারা সবাই একটা দলের। আমরা চাই সব সংগঠনের নেতাদের পরামর্শ নিয়ে এসব কমিটি গঠন করা হোক।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ক্ষমতার এ দফায় কী চাইছেন শেখ হাসিনা

সমালোচনার ক্ষুরধার জবাব দেওয়া যার সহজাত, তার এই মৌনতা অনেককেই অবাক করেছে।
শনিবারের ভাষণে শেখ হাসিনা বরঞ্চ চতুর্থ দফার শাসনে তিনি কী করতে চান, তার একটি ইঙ্গিত দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। বলেছেন, এবারেও তার প্রধান লক্ষ্য হবে মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন। সেইসাথে জোরালো ইঙ্গিত দিয়েছেন দুর্নীতি এবং মাদক সমস্যাকে তিনি বিশেষভাবে টার্গেট করবেন।
পরের দিন অর্থাৎ আজ (রোববার) সচিবালয়ে গিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের কাছে দুর্নীতি এবং মাদক নিয়ে তার মনোভাব স্পষ্ট করেছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. রওনক জাহান মনে করেন, প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন নিয়ে বিরোধীদের আলোচনাকে ঘুরিয়ে ভিন্ন জনপ্রিয় কিছু ইস্যুর দিকে নিয়ে যেতে চাইছেন যেগুলো সাধারণ মানুষের কাছে গুরুত্বপূর্ণ - দুর্নীতি, মাদক ইত্যাদি।
"সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উন্নয়ন নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে, সুশাসন তেমন গুরুত্ব পায়নি। এবার মনে হয় তিনি সেই বিষয়টিকে সামনে আনতে চাইছেন।"
"দেশের সবাই জানে প্রধানমন্ত্রী একচ্ছত্র ক্ষমতাধর, তার দলও পুরোপুরি তার ওপর নির্ভরশীল, অতএব তিনি সবাইকে ব্যক্তিগতভাবে আশ্বাস দিতে চাইছেন তিনি এবার সুশাসন দেবেন।"
সেই ইঙ্গিত শেখ হাসিনা দিয়েছিলেন মন্ত্রিসভা গঠনের পরপরই।
"মন্ত্রিসভাকেও তিনি বলেছেন আমি তোমাদের ওপর নজর রাখবো। বার্তা দিতে চেয়েছেন যে জবাবদিহিতা তিনি এবার আদায় করে নেবেন।"
ড. জাহান মনে করেন, শেখ হাসিনা তার এবার তার মন্ত্রীদের কাছ থেকে নিজেকে কিছুটা দুরে রাখার চেষ্টা করছেন যাতে তার হুমকি বিশ্বাসযোগ্য হতে পারে।
'ইতিহাসে জায়গা চাইছেন শেখ হাসিনা'
সিনিয়র সাংবাদিক এবং প্রধানমন্ত্রী তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী মনে করেন, প্রধানমন্ত্রী হাসিনা এ দফায় এমন কিছু করতে চান যাতে তিনি ইতিবাচক একটি ইতিহাসের অংশ হতে পারেন।
"যে মাত্রার জয় তার হয়েছে তাতে তিনি আপ্লুত, তাই তিনি জনগণকে প্রতিদান দিতে উদগ্রীব।"
"রেকর্ড চতুর্থবারের মত প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন তিনি । এটাই হয়তো তার শেষ প্রধানমন্ত্রীত্ব।
তিনি হয়তো চাইছেন যে তার বাবার মতো ইতিহাসে যেন অবশ্যই তার জায়গা হয়।"
মি চৌধুরীর মতে, সে কারণেই দুর্নীতি এবং মাদকের মত ইস্যুকে প্রধান একটি টার্গেট করেছেন তিনি।
'শাসন ব্যবস্থা তো ব্যক্তি নির্ভর হতে পারেনা'
কিন্তু যে সুশাসনের কথা শেখ হাসিনা বলছেন তার বাস্তবায়নের জন্য তাকে নির্ভর করতে হবে তার দলের লোকের ওপর, প্রশাসনের ওপর, পুলিশের ওপর। সেখানে তো কোনো পরিবর্তন হয়নি। তাহলে তার এসব কথায় মানুষ কতটা ভরসা করতে পারবে?
ইকবাল সোবহান চৌধুরী মনে করেন, দলের ভেতর এবং বাইরে যে অসামান্য কর্তৃত্ব প্রধানমন্ত্রী প্রতিষ্ঠা করেছেন, ব্যক্তিগতভবে যে নৈতিক উচ্চতা বজায় রেখেছেন তাতে তিনি চাইলে লক্ষ্য অর্জন সম্ভব।
"প্রথম কথা এখন পর্যন্ত দুর্নীতির প্রশ্নে ব্যক্তিগতভাবে তিনি কোনো বিতর্কে পড়েননি। এরপর তার দল তার ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল। বিরোধী দল এখন অত্যন্ত দুর্বল। তাকে চ্যালেঞ্জ করার মতো কেউ নেই। কাকে তিনি ভয় পাবেন?"
"আর মাথা যখন কাজ করে, হাতে-পায়ে কিছু সমস্যা থাকলেও খুব সমস্যা হয়না।"
তবে কিছুটা সন্দিহান ড রওনক জাহান। "সফল হবেন কিনা তা কোটি টাকার প্রশ্ন।"
"একজন ব্যক্তি যত ভালো নেতাই তিনি হোন না কেন, একটি শাসন ব্যবস্থা তো ব্যক্তি নির্ভর হতে পারেনা।"
তাঁর মতে, সবকিছু একটি 'সিস্টেমের' মধ্যে আনতে হবে, প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা তৈরি করতে হবে। তার মতে, সেটাই একটি সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
"নেতা যতই ভালো হোন, তিনি তো একজন ব্যক্তি। প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো শক্ত না হলে, একজন ব্যক্তির পক্ষে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়," বলছেন তিনি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গণতন্ত্রের আয়নায় নিজেকে দেখুন -প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে দুদু

দুদু বলেন, ৩০ তারিখে যে নির্বাচন হয়েছে এটা লজ্জার নির্বাচন। নির্বাচনের নামে একটি তামাশা হয়েছে দেশে। এটাকে নির্বাচন বলা যায় না। কোনো সুষ্ঠু স্বাধীন গণতান্ত্রিক জাতি এবং এদেশের মানুষও এটাকে মেনে নেয়নি।
আমাদের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় লাভে তিনি বিজয় উৎসবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে এক প্রকার যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন। আমি তাকে সর্মথন করতাম যদি তিনি নির্বাচনের আগে পদত্যাগ করতেন।
প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা করে তিনি বলেন, এদেশের সবচেয়ে বড় দুর্নীতিটা হয়েছে ২০১৮ সালের ৩০শে ডিসেম্বর। এই নির্বাচনকে ভোট ডাকাতি বলেন, ভোট চুরি বলেন যাই বলেন, এরকম একটি নির্বাচনকে যারা জায়েজ করে তারা দুর্নীতির বিচার করতে পারবেন, দুর্নীতি বাদ দিতে পারবেন এটা আমরা মনে করি না।
তিনি বলেন, ৩০ তারিখে ভোট হয়নি, ভোট হয়েছে ২৯ তারিখ মধ্যরাতে। ৩০ তারিখে ভোট হলে আপনাকে অভিনন্দন জানাতাম। আপনি পুলিশকে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামিয়ে রেখেছেন। পুলিশ এখন সমাজে মুখ দেখাতে পারে না। আমার প্রশ্ন পুলিশ তো সরকারি চাকরি করে। কেনো তাকে এরকমভাবে ব্যবহার করলেন। আপনারা র্যাব, ডিসি, এসপি ইএনও, টিএনও যারা মর্যাদাশীল, জাতির সামনে এতো ছোট করলেন কেনো? তাদেরকে কেনো বাধ্য করলেন তথাকথিত ভোট নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে?
আয়োাজক সংগঠনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন সভাপতিত্বে এবং বিএনপি নেতা মোহাম্মদ শাহজাহান কামালের সঞ্চালনায় প্রতিবাদ সভায় বিএনপি’র প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন সহ-শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক হেলেন জেরিন খান, নির্বাহী কমিটির সদস্য হায়দার আলী লেলিন, মো. শাফিন, জিনাফের সভাপতি লায়ন মিয়া, মো. আনোয়ার, ছাত্রদলের সহ-সভাপতি এজমল হোসেন পাইলট প্রমুখ বক্তব্য দেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1330)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
January
(487)
-
▼
Jan 22
(15)
- আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রের জন...
- আবার কি মেতে উঠবে মুম্বইয়ের ড্যান্স বার!
- সিরিয়ায় রাতভর ইসরাইলের সামরিক হামলা
- মেয়েদের কুমারিত্ব নিয়ে কলকাতার অধ্যাপকের বক্তব্য ন...
- প্রতিষ্ঠানবিরোধী থাকতে থাকতে আমরা ক্রমশ প্রতিষ্ঠা...
- ইরান-ইসরাইল হামলা, পাল্টা-হামলা
- এখনো মান্টো
- ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ by মাসুদ মিলাদ
- গরু-ছাগলে স্বয়ংসম্পূর্ণ বাংলাদেশ by ইফতেখার মাহমুদ
- যেমন ছিল নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক: সততার সঙ্গে ...
- মামলার প্রস্তুতিতে ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীরা by কাফি...
- ক্রিকেট জুয়ায় কাঁপছে দেশ by শুভ্র দেব
- ‘ইতিবাচক ধারায়’ ফিরলে ছাত্রদলকে সহাবস্থানের সুযোগ ...
- ক্ষমতার এ দফায় কী চাইছেন শেখ হাসিনা
- গণতন্ত্রের আয়নায় নিজেকে দেখুন -প্রধানমন্ত্রীর উদ্দ...
-
▼
Jan 22
(15)
-
▼
January
(487)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...