Wednesday, February 1, 2012

দৌলতদিয়া যৌনপল্লী মাদকের অভয়াশ্রম by জাকিয়া আহমেদ

প্রভাবশালী রাজনীতিক, পুলিশ প্রশাসন ও স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিদের নিয়মিত মাসোহারা দিয়ে দৌলতদিয়া যৌনপল্লী এখন মাদকের অভয়াশ্রমে পরিণত হয়েছে। যৌনপল্লীকে ঘিরে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন প্রকার মাদকের অর্ধশতাধিক দোকান। চা-মুড়ি, মুদি দোকানের মতো করেই এইসব মাদকের দোকান দিনের আলোতেই খোলা-মেলা ভাবে চলে।

রং চড়ানো ইতিহাস-২ by মাহমুদ শামসুল হক

ইতিহাসের নামে কল্পকাহিনী রচয়িতাদের মুখোশ খসে পড়ে এক সময়। কেউ ধরা পড়েন সমকালেই, কেউ বহু পরে, কেউ আবার হাজার বছর পরে। যারা নানা কারণে আড়ালে-আবডালে থেকে যান, তাদেরও খুঁজে বের করার কাজ বন্ধ থাকে না। কিন্তু এর ফাঁকে রং চড়ানো ইতিহাসের অনেক ভুল, খণ্ডিত-বিকৃত বার্তা পৌঁছে যায় পাঠকের কাছে।

জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে আন্তর্জাতিক চুক্তি by জাহাঙ্গীর আলম সরকার

গত ২৯ ডিসেম্বর ছিল ‘আন্তর্জাতিক জীববৈচিত্র্য’ দিবস। সারা বিশ্বে যথাযোগ্য মর্যাদায় দিনটি পালন করা হয়। আমাদের দেশের সংবাদ মাধ্যমে এসব দিবসে বিশেষ তথ্যসহ প্রাসঙ্গিক বিষয়ে লেখা ছাপানো হয়। বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষিতে পরিবেশের বিষয়টি বিচার করলে দেখা যাবে দেশটি পরিবেশসংক্রান্ত ঝুঁকির মধ্যে বসবাস করছে।

সংবাদ মাধ্যম, সরকার এবং নিজের পায়ে কুড়াল মারার প্রবাদ by শাহ আহমদ রেজা

রাষ্ট্রবিজ্ঞানে বলা হয়, সরকার, পার্লামেন্ট বা সংসদ এবং বিচার বিভাগের পাশাপাশি সংবাদপত্রও রাষ্ট্রের একটি প্রধান স্তম্ভ। ক্ষমতাসীন হওয়ার পর বছর না পেরোতেই আওয়ামী লীগ সরকার সম্প্রতি সে স্তম্ভটিকে আক্রমণ করে বসেছে। ‘আদা-জল’ খেয়ে নেমে পড়েছে সংবাদ মাধ্যমের বিরুদ্ধে।

যে আগুনে ভস্মীভূত হয়েছিল গণতন্ত্র by মনজুর আহমদ

পত্রিকার পাতায় ছবি দেখে শিউরে উঠলাম। দাউ দাউ করে জ্বলছে দৈনিক ‘আমার দেশ’-এর একটি কপি। সেই জ্বলন্ত কাগজটি হাতে নিয়ে উল্লাস করছে কয়েকজন তরুণ। ক্ষোভ নয়, ক্রোধের প্রকাশ নয়, ছবি দেখে মনে হলো পত্রিকা পোড়ানোর মহাআনন্দে তারা মাতোয়ারা। বাংলাদেশে এ দৃশ্য নতুন নয়।

আওয়ামী লীগ তাদের ক্রসফায়ারের ঐতিহ্য রক্ষা করছে by বদরুদ্দীন উমর

র্যাব ও পুলিশের ক্রসফায়ারের বিরুদ্ধে লেখালেখি, বিবৃতি, সভা, মিছিল ইত্যাদি অনেক হলেও এই ক্রসফায়ার বন্ধের কোনো আশু সম্ভাবনা যে নেই এটা এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্য থেকে সুষ্ঠুভাবেই বোঝা যায়। তিনি বলেছেন, তারাও ক্রসফায়ারের বিরোধী এবং ক্রসফায়ার এখন হচ্ছে না। আসল কথা হলো, পুলিশ আক্রান্ত হলে তারা আত্মরক্ষার জন্য গুলি করছে এবং তাতেই আক্রমণকারীদের মৃত্যু হচ্ছে।

প্রতি মাসে সরকার হারাচ্ছে শতকোটি টাকার রাজস্বঃ চিনি আমদানিকারক সিন্ডিকেটের পোয়াবারো

বাজার নিয়ে মন্ত্রীরা অনেক ইতিবাচক কথা বলে থাকেন। কিন্তু সেসব কথা মূল্যহীন প্রমাণ করে বাজারে পণ্যমূল্যের অস্থিরতায় বেসামাল সাধারণ মানুষ। এজন্য অতি মুনাফাখোর ব্যবসায়ীদের দায়ী করা হলেও সরকার তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার গরজ দেখায় না।

ওষুধের নতুন কারখানা ঘিরে অভিযোগঃ চাই সুস্থ ওষুধ প্রশাসন

রাজনৈতিক তথা দলীয় বিবেচনায় সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার বিষয়টি নতুন কিছু নয়। যে কোনো গণতান্ত্রিক সরকারের আমলে এ ধরনের ঘটনা স্বভাবতই সাধারণ মানুষের মনে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। অনেক সময় তা সরকারের জনপ্রিয়তা হ্রাস করতেও সহায়ক ভূমিকা রাখে।

আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে অভিনন্দন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও জ্বালানি উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই ইলাহীর দুর্নীতির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সংবাদ প্রকাশ করায় ক্ষমতাসীনদের রোষানলে পড়তে হবে—এটাই স্বাভাবিক। সম্প্রতি প্রকাশিত সংবাদটি শুধু আমি কেন, দেশের সব মানুষই পড়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছে।

গণমাধ্যমের ওপর উদ্যত খড়গঃ গণতন্ত্রের জন্য হুমকি

প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-এলাহীর বিরুদ্ধে ঘুষের অভিযোগ সম্পর্কে সংবাদ প্রকাশ করায় সম্প্রতি দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার ওপর সরকার সর্বশক্তি দিয়ে হুমকি, হামলা ও মামলার ঘটনা ঘটাচ্ছে। এ ঘটনা বাংলাদেশের রাষ্ট্রযন্ত্র ও গণমাধ্যমের ইতিহাসে নতুন ‘কালো অধ্যায়’-এর সৃষ্টি করেছে। একজন সংবাদকর্মী হিসেবে বিষয়টি জেনে সুদূর ফ্রান্সে বসে এর প্রতিবাদ জানাতে বাধ্য হলাম।

পরিবেশগত সাম্রাজ্যবাদ by ফাহমিদ উর রহমান

দুনিয়াজুড়ে এখন বিজ্ঞানীরা বলছেন, মানুষের অনভিপ্রেত কাজকর্ম ভূপৃষ্ঠ ও সমুদ্রের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে চলেছে। এ বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির (এষড়নধষ ডধত্সরহম) প্রতিক্রিয়ায় সমুদ্রের পানির উচ্চতা বাড়ছে, বিভিন্ন স্থানে মরুকরণ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

ফিরে দেখাঃ রুডইয়ার্ড কিপলিং by ইমরান রহমান

নোবেল জয়ী ইংরেজ লেখক ও কবি যোশেফ রুডইয়ার্ড কিপলিং ১৮৬৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর ব্রিটিশ-ভারতের বোম্বেতে জন্মগ্রহণ করেন। অসাধারণ সব শিশুসাহিত্য সৃষ্টি করে তিনি বিখ্যাত হয়ে আছেন। দ্য জাঙ্গল বুক, কিম, জাস্ট টু স্টরিস প্রভৃতি তার সাড়া জাগানো কবিতা।

এক কথা by মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান

দুটি বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কথাবার্তা—কিছুটা বাক-বিতণ্ডাও চলছে। বিষয় দুটি হলো, ক্রসফায়ার এবং আসামের স্বাধীনতা সংগ্রামী নেতা রাজখোয়াকে গ্রেফতার ও ভারতের কাছে হস্তান্তর। বিষয় দুটি নিয়ে আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহোদয়া খুব স্পষ্ট উক্তি করেছেন।

কোপেনহেগেনের মূষিক

পর্বতের মূষিকের চেয়ে কোপেনহেগেনের মূষিক কোনো দিক থেকেই বড় হতে পারেনি। কোপেনহেগেনের জলবায়ু সম্মেলন যত আড়ম্বর ও উচ্চাশা সৃষ্টি করেছিল, শেষ দিনের ঘোষণায় সে আশার কোনো প্রতিফলন ঘটেনি। উন্নয়নশীল দেশগুলোর আশাবাদী হওয়ার মতো কোনো প্রস্তাব বা কোনো চুক্তি পাওয়া যায়নি শিল্পোন্নত দেশগুলোর কাছ থেকে।

রাজনীতিতে বিএনপির ঘুরে দাঁড়ানো by এবনে গোলাম সামাদ

রাজনীতিতে ঘুরে দাঁড়াতে হলে বিএনপিকে করতে হবে কিছুটা আত্ম বিশ্লেষণ। প্রকাশ্যে না হলেও দলের মধ্যে আলোচিত হতে হবে নিজেদের ভুল-ভ্রান্তির কথা। যদিও বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার মূলে আছে বিদেশি শক্তির আনুকূল্য। কিন্তু কেবল বিদেশি শক্তির আনুকূল্যেই আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসতে পেরেছে এরকম সিদ্ধান্তে আসা ঠিক হবে না।

গত আমলের প্রায় দেড় হাজার মামলা প্রত্যাহারঃ ছাত্রদের মামলা কিন্তু রয়ে গেছে

সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের তাণ্ডবে সবাই যখন আতঙ্কগ্রস্ত, তখনই রুখে দাঁড়িয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগ্রামী ছাত্ররা। তারা ছাত্রসমাজের অকুতোভয় ঐতিহ্য বজায় রেখেই রাজপথে নেমে এসেছিল ২০০৭ সালের ২০-২২ আগস্ট। মিডিয়ার কল্যাণে দেশবাসী রুদ্ধশ্বাসে তা প্রত্যক্ষ করেছে।

ঢাকায় সশস্ত্র ভারতীয় নিরাপত্তারক্ষীঃ সরকার না জানার ভান করছে কেন?

ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিতে সেদেশের ৫০ সদস্যের একটি চৌকস কমান্ডো দল আসছে—এ তথ্য ভারতের গণমাধ্যমে পরিবেশিত হয়েছে কয়েকদিন আগে। এর সূত্র ধরে খবরটা বাংলাদেশের মিডিয়াতেও স্থান করে নিয়েছে। এখন দেখা যাচ্ছে, তারা আসছেন নয়, বরং এসে গেছেন।

এখন মৌসুম মামলার! by ফখরুজ্জামান চৌধুরী

শীতকালে আগে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ধুম আয়োজন হতো। বাইরে প্যান্ডেল টাঙিয়ে সার্কাস, কৃষি প্রদর্শনী, যাত্রা আর মাসব্যাপী শিল্প প্রদর্শনীর আয়োজন হতো। মাসব্যাপী প্রদর্শনীতে থাকত রকমারি জিনিসপত্রের সমাহার। ছোটবেলায় এসব প্রদর্শনীতে যেতাম বড়দের হাত ধরে। এক কোনায় থাকত সার্কাসের ব্যবস্থা।

জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতাই সমাধান by মোহাম্মদ মতিন উদ্দিন

সম্প্রতি সাংবাদিক এম আবদুল্লাহ বর্তমান জ্বালানি উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই এলাহী চৌধুরীসহ জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তা ও প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে ৩৫ কোটি টাকার সমপরিমাণ ৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঘুষ গ্রহণের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে বলে আমার দেশ পত্রিকায় ১৭ ডিসেম্বর একটি রিপোর্ট প্রদান করেন।

আশুরাঃ ঐতিহাসিক তাৎপর্য by ড. আফম খালিদ হোসেন

মহরম মাসের ১০ তারিখ ইতিহাসে ‘আশুরা’ নামে অভিহিত। প্রাচীনকালের নানা জনগোষ্ঠীর কাছে ‘আশুরা’ ছিল পবিত্র ও মর্যাদাপূর্ণ। ইহুদিদের কাছে ‘আশুরা’ জাতীয় মুক্তি দিবস হিসেবে পরিচিত। ‘আশুরা’র মর্যাদা ইসলামে ব্যাপকভাবে স্বীকৃত। মুসলমানরা রোজা পালনের মাধ্যমে ‘আশুরা’র মাহাত্ম্য স্মরণ করে থাকে।

সালতামামির উপাদান by আতাউস সামাদ

ক্যালেন্ডারে ২০০৯ খ্রিস্টাব্দ বলতে গেলে শেষ হলো। বছরটির আর মাত্র তিন দিন অবশিষ্ট আছে। বর্তমান মহাজোট তথা আওয়ামী লীগ সরকারও এ যাত্রায় ক্ষমতায় তাদের প্রথম বছর পুরো করবে আর সপ্তাহখানেক পর। কাজেই প্রায় সমাপ্ত বছরটি সালতামামির সঙ্গে সরকার ও দেশের রাজনীতির এক বছরের অর্জন-বিসর্জনের হিসাবও করছেন আগ্রহী এবং কৌতূহলী নাগরিকরা।

মালয়েশিয়া শ্রমিক নেবে নাঃ সরষের ভূত তাড়াতে হবে

বেশ কিছুদিন ধরে বাংলাদেশের রফতানি আয়ের প্রধান উত্স জনশক্তি রফতানি খাতটি বিপর্যয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল। আশঙ্কা করা হচ্ছিল যে, বিভিন্ন কারণে বিদেশে বাংলাদেশের শ্রমবাজার ভয়াবহ সঙ্কটে পড়তে যাচ্ছে। বিভিন্ন রিক্রুটিং এজেন্সির প্রতারণা, জনশক্তি রফতানি কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দুর্নীতি, বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোর অকর্মণ্যতা এই সম্ভাবনাময় খাতটিকে আক্ষরিক অর্থেই পথে বসিয়ে দেয়ার মতো অবস্থার দিকে ঠেলে দিয়েছে।

আগুপিছু ঘড়ির কাঁটাঃ এটাই শেষ তামাশা হোক

ঘড়ির কাঁটা আগের অবস্থানে ফিরিয়ে আনার সরকারি সিদ্ধান্তে হাফ ছেড়ে বেঁচেছে এদেশের মানুষ। মন্ত্রিসভার সর্বশেষ বৈঠকে আগামী ৩১ ডিসেম্বর রাত ১২টা থেকে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পিছিয়ে আনা হবে বলে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। অবশ্য আগামী ৩১ মার্চ থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ঘড়ির কাঁটা আবার এক ঘণ্টা করে এগিয়ে থাকবে।

সামনে অস্থির রাজনীতি: নাগরিক অভিমত-পুলিশের ধৈর্য ধরা কখনো বিজয় by এএসএম শাহজাহান

রাজনৈতিক সংঘাতকে কেন্দ্র করে গত কয়েক দিনে পুলিশের গুলিতে পাঁচটি প্রাণ ঝরে গেছে। এটা দুঃখজনক। কোন পরিস্থিতিতে পুলিশ গুলি করেছিল, গুলির কোনো বিকল্প ছিল কি না, তা নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে মতামত থাকতে পারে। কিন্তু এ কথা ঠিক যে বৃহত্তর জনস্বার্থে ধৈর্য ধরা এবং পিছু হটাই অনেক ক্ষেত্রে পুলিশের জন্য বিজয়। অতীতে অনেক ঘটনায় এমন দেখা গেছে।

সামনে অস্থির রাজনীতি: নাগরিক অভিমত-মীমাংসার একমাত্র পথ আলোচনা by সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী

রাজনীতি, অর্থনীতিসহ জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ সব বিষয় সংসদে আলোচনার মাধ্যমে মীমাংসার কোনো বিকল্প গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নেই। রাস্তায় রাজনৈতিক সংঘাত ও হানাহানি থেকে বের হয়ে আসারও এটাই একমাত্র পথ। স্বাধীনতার ৪০ বছর পরও দেশ যেভাবে চলছে, সেভাবে চলতে পারে না। চলা উচিত নয়। সবকিছুকেই ‘ইস্যু’ বানিয়ে রাস্তায় নামিয়ে আনা আর কত দিন চলবে! এটা তো এক সময় বন্ধ হতে হবে।

সামনে অস্থির রাজনীতি: নাগরিক অভিমত-আমাদের বেশি মূল্য দিতে হবে by মোজাফ্ফর আহমদ

রাজনৈতিক সংঘাত দেশকে যে পথে নিয়ে যাচ্ছে, সেখান থেকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতে আমাদের অনেক বেশি মূল্য দিতে হবে। আমরা একটি সাংঘর্ষিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে পড়ে যাচ্ছি। মানুষআতঙ্কিত হয়ে পড়ছে। এটা খুবই চিন্তার বিষয়।

বেগম রোকেয়া পদক প্রদান-নারীনীতি বাস্তবায়নে আন্তরিক হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান দেশে নারী সমাজের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি-২০১১ বাস্তবায়নে আন্তরিক হতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি গতকাল মঙ্গলবার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বেগম রোকেয়া দিবস ২০১১ উপলক্ষে রোকেয়া পদক প্রদান অনুষ্ঠানে এ আহ্বান জানান। তিনি বলেন, দেশের মোট জনগোষ্ঠীর অর্ধেক নারী সমাজের অংশ নেওয়া ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়।

আরণ্যক :৪০ বছর পেরিয়ে by সাইফুল ইসলাম

দীর্ঘদিন জনতার কাতারে যে কোনো সংগঠনের দাঁড়িয়ে থাকা কষ্টকর_ বিশেষ করে রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের। রাজনৈতিক দলে জনতার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে নেতা সৃষ্টি হয়, সে নেতার পরিচিতি-ইমেজ বাড়ে_ জনতার কাতার থেকে নেতা উঠে যায় অনেক ওপরে। তখন নেতা নিজেকে ক্ষমতাবান-বুদ্ধিমান মনে করে। সে নেতা আর নিচে নামতে চায় না, আসতে চায় না জনতার কাতারে।

সাক্ষাৎকার শামসুজ্জামান খান-বইমেলার আয়োজন সম্প্রসারিত করা উচিত by ইকবাল হাসান

বাঙালি জাতির মননের প্রতীক হিসেবে চিহ্নিত বাংলা একাডেমী। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের ফসল এই জাতীয় প্রতিষ্ঠান বাংলা ভাষা ও সাহিত্য গবেষণার জন্য প্রধানতম কেন্দ্র। ভাষা-সাহিত্য ও সংস্কৃতি গবেষণার পাশাপাশি গত প্রায় তিন দশকের অধিককাল মাসব্যাপী সফল বইমেলার আয়োজন করছে প্রতি বছর ১ ফেব্রুয়ারি থেকে।

সাক্ষাৎকার শামসুজ্জামান খান-বইমেলার আয়োজন সম্প্রসারিত করা উচিত by ইকবাল হাসান

বাঙালি জাতির মননের প্রতীক হিসেবে চিহ্নিত বাংলা একাডেমী। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের ফসল এই জাতীয় প্রতিষ্ঠান বাংলা ভাষা ও সাহিত্য গবেষণার জন্য প্রধানতম কেন্দ্র। ভাষা-সাহিত্য ও সংস্কৃতি গবেষণার পাশাপাশি গত প্রায় তিন দশকের অধিককাল মাসব্যাপী সফল বইমেলার আয়োজন করছে প্রতি বছর ১ ফেব্রুয়ারি থেকে।

শেষ প্রশ্ন by শেখ রোকন

অনেকে নিশ্চয় খেয়াল করেছেন, ব্রিটিশ সাপ্তাহিক ইকোনমিস্টের চলতি সংখ্যায় বাংলাদেশ বিষয়ক দুটি প্রতিবেদন রয়েছে। একটি সম্প্রতি ব্যর্থ হয়ে যাওয়া সেনা অভ্যুত্থান নিয়ে। কেবল বিষয় নয়, ওই অভ্যুত্থান অপচেষ্টার অন্যতম কুশীলব ইশরাক আহমেদের মন্তব্য থাকার কারণেও ওই প্রতিবেদন সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। এর স্পর্শকাতরতার কাছে হেরে যাওয়া অপর প্রতিবেদনটির বিষয় 'গ্রামীণের ব্যবসা সাম্রাজ্য' (গ্রামিন'স বিজনেস এম্পায়ার)।

ওয়ালস্ট্রিট আন্দোলনের বাংলাদেশি প্রেক্ষিত-রাজনীতি by ম. ইনামুল হক

'আমরা ৯৯%' আন্দোলনও সর্বগ্রাসী পুঁজিবাদ এবং তার সহোদর সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে সচেতন জনগণের প্রতিবাদ। এ প্রতিবাদ তথাকথিত 'সন্ত্রাসবাদ'-এর বিরুদ্ধে যুদ্ধরত খোদ যুক্তরাষ্ট্র থেকেই উত্থিত। তাই একে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ বলার সুযোগ নেই। বাংলাদেশের মতো দেশে 'আমরা ৯৯%' আন্দোলনের গুরুত্ব অত্যধিক।

এই ধৃষ্টতা ক্ষমার অযোগ্য-কণ্ঠস্বর by রাহাত খান

বিএনপি সংসদেও যায় না। কেন যায় না? সংসদে যাবে, জনগণের কথা সংসদের মাধ্যমে সারাদেশের মানুষের কাছে তুলে ধরবে, সে জন্যই তো মানুষ তাদের ভোটে নির্বাচিত করেছে। তারা সংসদে যায় না কেন? সংসদে তত্ত্বাবধায়ক পদ্ধতির সরকারসহ নানা জাতীয় ইস্যুতে সংলাপে যোগ দেওয়ার জন্য মহাজোট সরকারের তরফ থেকে বলতে গেলে তাদের প্রায় হাতে-পায়ে ধরা হয়েছে।

ওকসের ছয়েও ইংল্যান্ডের পরাজয়

মাত্রই নিজের দ্বিতীয় ম্যাচে খেলতে নেমেই রেকর্ড! ক্রিস ওকস তবু হাসতে পারলেন কই! ৬ উইকেট নিয়ে, বিদেশের মাটিতে ইংল্যান্ডের পক্ষে সেরা বোলিংয়ের রেকর্ড গড়েও যে দাঁড়াতে হলো পরাজিতদের কাতারে। দুঃখটা বহু গুণে বেড়ে যাচ্ছে আরেকটি কারণে, কাল ব্রিসবেনে ৫১ রানের এই পরাজয় মীমাংসা করে দিল সাত ম্যাচ সিরিজেরও। গত বছর মার্চের পর এই প্রথম কোনো ট্রফি জয় নিশ্চিত হলো অস্ট্রেলিয়ার। ৪-১-এ এগিয়ে যাওয়া অস্ট্রেলিয়ার জন্য শেষ দুটো ম্যাচ তাই কেবলই আনুষ্ঠানিকতার, বিশ্বকাপ-প্রস্তুতির।কুইন্সল্যান্ডের ‘বন্যার ম্যাচে’ জয় চেয়েছিলেন, সিরিজটাও শেষ করে ফেলতে চেয়েছিলেন এখানেই। শেন ওয়াটসনের চাওয়া পূরণ হয়েছে। কিন্তু ম্যাচটা শেষ পর্যন্ত দুই কুইন্সল্যান্ডার ওয়াটসন ও জনসনের হয়নি। দুজনই ব্যাট হাতে ১৬ রান করেছেন। ওয়াটসন তিনটি উইকেট নিলেও জনসন উইকেটশূন্য। তবে তিন ম্যাচ বিশ্রামের পর ফিরে এসে ৮ ওভারে রান দিয়েছেন মাত্র ২৯। কিছুদিন ধরে বন্যার মতোই রান দিতে থাকা জনসন নিজেকে ফিরে পাওয়ায় খুশি হওয়ার কথা অস্ট্রেলিয়ার।সিরিজ জয়ের দিনে অস্ট্রেলিয়া সুখবর পেয়েছে আরেকটি। অবশেষে রানে ফিরেছেন মাইকেল ক্লার্ক। তাঁর ৭৪ বলে করা ৫৪ রানের ইনিংসটিই অস্ট্রেলিয়ার ২৪৯ রানের ভিত্তি। ফিফটির পরপরই অবশ্য আউট হয়ে গেছেন ওকসের বলে। কাল গ্যাবার বাড়তি বাউন্সের উইকেটে এই ২১ বছর বয়সী পেসারের শিকার হয়েছেন ওয়াটসন, হোয়াইট, ডেভিড হাসি, জন হেস্টিংস আর ব্রেট লিও।লির পরপর দুই বলে প্রিয়র ও স্ট্রাউসের বিদায়ের মধ্যে দিয়ে শুরু করা ইংল্যান্ড ২২ রানে হারিয়ে ফেলেছিল প্রথম ৩ উইকেট। সেখান থেকে পিটারসেন-বেলের ৭৩ রানের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা। কিন্তু দুজনকেই নিজের পরপর দুই ওভারে ফেরান হেস্টিংস। একপর্যায়ে ১৪৫ রানে ৯ উইকেট পড়ে যায় ইংল্যান্ডের। ফিন ও অ্যান্ডারসন শেষ উইকেটে ৫৩ রানের জুটি গড়ে পরাজয়ের ব্যবধানই কমিয়েছেন। সান্ত্বনা ইংল্যান্ডের একটাই, ম্যাচ-সেরার পুরস্কার উঠেছে ওকসের হাতে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর অস্ট্রেলিয়া ৪৯.৩ ওভারে ২৪৯ (ক্লার্ক ৫৪, হাডিন ৩৭, ডেভিড হাসি ৩৪; ওকস ৬/৪৫, কলিংউড ১/৩৬, অ্যান্ডারসন ১/৪২, ফিন ১/৬১)।
ইংল্যান্ড ৪৫.৩ ওভারে ১৯৮ (পিটারসেন ৪০, বেল ৩৬, ফিন ৩৫; ওয়াটসন ৩/২৫, লি ২/২১, হেস্টিংস ২/৩৫)। ফল: অস্ট্রেলিয়া ৫১ রানে জয়ী। ম্যান অব দ্য ম্যাচ: ক্রিস ওকস।

সার্ক অর্থমন্ত্রীদের বৈঠক-অর্থনৈতিক ইউনিয়ন গঠন জরুরি

২০০৫ সালে অনুষ্ঠিত সার্ক শীর্ষ সম্মেলনে দক্ষিণ এশিয়াকে পর্যায়ক্রমে ইউরোপীয় ইউনিয়নের মতো সংস্থায় রূপান্তরের লক্ষ্যে 'দক্ষিণ এশিয়া অর্থনৈতিক ইউনিয়ন' গঠনের কথা উঠেছিল। কিন্তু এরপর ছয় বছর পেরিয়ে গেলেও এ ব্যাপারে উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি হয়নি।

বিচ্ছেদের ব্যথা সামলে নিয়েছেন

বৃটিশ কৌতুক অভিনেতা ব্রান্ডের সঙ্গে পপতারকা ক্যাটি প্যারির বিয়ে বিচ্ছেদের পর সমপ্রতি তিনি প্রথমবারের মতো জনসম্মুখে আসলেন। এ সময় তার স্নিগ্ধ হাসি দেখে পরিষ্কার বোঝা গেছে, তিনি বিচ্ছেদের ব্যথা ঠিকই সামলে নিয়েছেন। ৩০শে ডিসেম্বর ক্যাটির স্বামী রাসেল ব্রান্ড ডিভোর্সের জন্য আবেদন করার পর এই প্রথমবার ক্যাটি জনসম্মুখে আসলেন। জুয়েলারি ডিজাইনার বন্ধু মার্কুস মোলিনারির একটি স্বেচ্ছাসেবামূলক প্রতিষ্ঠানের অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ২৮শে জানুয়ারি রাতে লাস ভেগাসে যান নীল চুলো ক্যাটি। সেখানে সিন সিটির মিরেজ হোটেলের নাইট ক্লাবে অন্যদের সঙ্গে ছবি তুলতে পোজ দেন এই পপতারকা। সে সময় স্বল্প বসনা ক্যাটিকে হৃদয় হরণকারী বলেই মনে হচ্ছিলো বলে জানিয়েছেন উপস্থিত লোকজন। সেখানে ক্যাটিকে দেখে মুগ্ধ হয়েছেন প্যারিস হিলটনও। অনুষ্ঠান শেষে এক টুইটে ক্যাটির সৌন্দর্যের বর্ণনা দিয়েছেন প্যারিস।

গাগা থাকলে ম্যাডোনা থাকবেন না

পপ মনস্টার লেডি গাগার বিরুদ্ধে সম্মুখ সমরে নামলেন পপসম্রাজ্ঞী ম্যাডোনা। তিনি সরাসরি জানিয়ে দিলেন, যে অনুষ্ঠানে লেডি গাগা থাকবেন তাতে নিজের পায়ের ধুলোও ফেলবেন না ম্যাডোনা। অস্কার নাইট উপলক্ষে আয়োজিত আফটার অস্কার পার্টিতে গাগার উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠলে ম্যাডোনা জানান, গাগা যেসব পার্টিতে যাবেন  তিনি সেসবে  যাবেন না । মূলত এ কারণেই ম্যাডোনা যোগ দেবেন না আগামী মাসের কোন অস্কার আফটার পার্টিতে । গাগার প্রতি  ম্যাডোনার এই রোষ মূলত সৃষ্টি হয় গাগার ‘বর্ন দিস ওয়ে’ গানটি মুক্তির পর থেকে। ৫৩ বছর বয়সী পপকুইনের অভিযোগ, গাগার ‘বর্ন দিস ওয়ে’র কিছু অংশের সুর এবং কর্ড তার ‘এঙপ্রেস ইউরসেল্ফ’ গানের নকল। তখন থেকেই গাগার প্রতি মনে মনে ক্ষুব্ধ ম্যাডোনা। কিন্তু এবার মনের সব ক্ষোভ ঝেড়ে মুখ ফুটেই ম্যাডোনা বলে ফেললেন সব কথা। এদিকে ম্যাডোনার এই ধরনের মন্তব্যে গাগার কোন প্রতিক্রিয়া জানা না গেলেও ম্যাডোনার ঘনিষ্ঠজনরা কিছুটা অবাক হয়েছেন। তাদের একজন ‘ডেইলি মেইল’কে বলেন, এমনটা ম্যাডোনা কখনও করেন না। কোন চিরশত্রুর বেলায়ও তিনি কোনদিনই মুখ ফুটে তার ক্রোধ প্রকাশ করেন না, কিংবা তাদের বিরোধিতা করেন না। সিন পেন বা জেনিফার লোপেজের সঙ্গেও তিক্ত সম্পর্ক ম্যাডোনার, তবুও তারা একে অপরের সঙ্গে সৌজন্যমূলক ব্যবহারই তো করেন। বুঝতে পারছি না কেন এমনটা বললেন ম্যাডোনা।

তালেবানকে সহায়তা করছে পাকিস্তান: ন্যাটোর রিপোর্ট

পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সরাসরি তালেবানদেরকে সহায়তার অভিযোগ এনেছে ন্যাটো। দেশটির গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই গোপণ সম্পর্ক রাখছে তালেবান নেতাদের সঙ্গে বলে দাবি করা হয়েছে। পাকিস্তান কর্তৃপক্ষ ঊর্ধ্বতন তালেবান নেতাদের অবস্থান সম্পর্কে জানে বলেও ন্যাটোর ফাঁস হওয়া একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া ৪ হাজারেরও বেশি তালেবান যোদ্ধা, জঙ্গি সংগঠন আল-কায়েদার সদস্য, বিদেশী যোদ্ধা ও বেসামরিক মানুষের সাক্ষাৎকার নেয়া হয়েছে। ২৭ হাজারেরও বেশি প্রশ্নের উত্তরের ভিত্তিতে এ রিপোর্ট প্রস্তুত করেছে ন্যাটো।  বহুদিন ধরে তালেবানের সঙ্গে পাকিস্তানের যোগসূত্র রয়েছে বলে অভিযোগ আনা হলেও, পাকিস্তান বরাবরই এর তীব্র বিরোধিতা করেছে। এদিকে এসব জঙ্গি গোষ্ঠীর পরিচালিত হামলাগুলো সম্পর্কে পাকিস্তান কর্তৃপক্ষ আগে থেকেই জানে বলে অভিযোগ এনেছে ন্যাটো। এদিকে তালেবানরা আফগান জনগণের কাছ থেকে বিপুল সমর্থন পাচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে রিপোর্টে। মার্কিন প্রতিরক্ষা সদরদপ্তর পেন্টাগনের এক মুখপাত্র ক্যাপ্টেন জন কিরবি বলেছেন, রিপোর্টটি এখনও মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের হাতে আসেনি। তিনি বলেন, আমরা বহু আগে থেকেই পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই এর সঙ্গে কয়েকটি চরমপন্থী সংগঠনের সমপৃক্ততা রয়েছে বলে উদ্বিগ্ন ছিলাম। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি।

লিবিয়াবাসীর হৃদয়ে অমর হয়ে থাকবেন গাদ্দাফি

আফ্রিকার লৌহমানব কর্নেল মুয়াম্মার গাদ্দাফিকে ক্ষমতাচ্যুত করে নির্মমভাবে হত্যা করা হলেও তিনি লিবিয়ার জনগণের হৃদয়ে অমর হয়ে আছেন। প্রজাদরদি এই শাসককে তার জনগণের মন থেকে মুছে ফেলতে অনেক কিছুই করা হয়েছে। গাদ্দাফির মৃতদেহকে রাতের আঁধারে মরুভূমির অজ্ঞাত স্থানে দাফন করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ঘৃণার জন্ম দিতে দেশের ভিতরে পেশিশক্তির ব্যবহারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার চরিত্রের ওপর কালিমা লেপন করে অনেক প্রচারণাই চালানো হয়েছে। কিন্তু কোন কিছুই যেন হালে পানি পাচ্ছে না। গাদ্দাফি মহানুভবতা ও প্রজা তোষণ নীতির মাধ্যমে জনগণের যে ভালবাসা কুড়িয়ে ছিলেন তা যেন সবকিছুকেই ছাপিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে লিবিয়ায় ক্ষমতাসীন পশ্চিমা মদতপুষ্ট এনটিসি যোদ্ধাদের দেখানো মৃত্যু ভয়কে তুচ্ছ করে অনেক লিবিয়ানই গাদ্দাফি বন্দনায় মেতে উঠছেন। দিন যতই অতিবাহিত হচ্ছে লিবিয়াবাসী ততই গাদ্দাফির প্রতি তাদের ভালবাসা প্রকটভাবে প্রকাশ করছে। কোন ভয় বা ক্ষতির আশঙ্কাই যেন তাদের ভালবাসার অভিব্যক্তি প্রতিহত করতে পারছে না। সুযোগ পেলেই পাথরচাপা আগুনের মতো বেরিয়ে আসছে। কিছু লিবিয়াবাসী প্রাণভয়ে এনটিসি’র বিপ্লবকে মুখে সমর্থন করলেও মন দিয়ে এখনও তারা প্রয়াত নেতা গাদ্দাফিকেই ভালবাসেন। আর এনটিসিকে তারা পশ্চিমাদের দালাল এবং লিবিয়া সমাজের উচ্চাবিলাসী, ক্ষমতালিপ্সু ও বিশ্বাসঘাতক অংশ বলেই মনে করেন। এক্ষেত্রে এনটিসি’র দেশ শাসনে ব্যর্থতা ও নিপীড়কের ভূমিকা লিবিয়াবাসীকে বার বার গাদ্দাফির শাসনামলের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে। এ জন্য বেশির ভাগ লিবিয়াবাসীই তাদের মোবাইল ফোনে প্রিয় নেতা গাদ্দাফির ছবি ধারণ করে বেড়ান। সুযোগ পেলেই তারা গাদ্দাফির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধায় মাথা এলিয়ে দেন। সমপ্রতি বনি ওয়ালিদে গাদ্দাফি সমর্থকদের পুনরুত্থানের মধ্য দিয়ে সাধারণ লিবিয়াবাসীর মনের কথাই বেরিয়ে এসেছে। রাজধানী ত্রিপোলি থেকে ১৭০ কিলোমিটার দূরে বিস্তীর্ণ মরুভূমির এই শহরটি গাদ্দাফি সরকারের সর্বশেষ শক্তিশালী ঘাঁটি ছিল। সেখানকার প্রায় সব বাসিন্দাই এখনও গাদ্দাফিকে জীবন দিয়ে ভালবাসেন। তারা বর্তমান সরকারের নেতৃত্ব মেনে নিলেও তাদের হৃদয় জুড়ে গাদ্দাফি অমর হয়ে আছেন। এই শহরের কয়েকজন বাসিন্দার বক্তব্যে তেমনটিই ফুটে উঠেছে। সালাহউদ্দিন আল ওয়ারকেলি (১৯) মুয়াম্মার গাদ্দাফি তাদের হৃদয়ে রয়েছেন বলে জানান। কেউ যদি অন্য কথা বলে সে মিথ্যা বলেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। এই টগবগে যুবক লিবিয়া বিপ্লবের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘বিপ্লব কি? নতুন সরকার ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নিকোলাস সারকোজি ও কিছু ইউরোপীয় দেশের প্রতিনিধিত্ব করে। লিবিয়াবাসীর নয়।’ প্রকাশ্যে এই শহরের বাসিন্দারা ১৭ই ফেব্রুয়ারির বিপ্লবকে সমর্থন করলেও একান্তে তারা ঠিকই গাদ্দাফির শাসনকে স্মরণ করেন। কারণ সে সময়ে এই শহরের যুবকদের সেনাবাহিনীতে চাকরি দেয়াসহ বাসিন্দাদের বসবাসের জন্য বাড়ি নির্মাণ করে দেয়া হয়েছিল। এছাড়াও তারা অনেক সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতেন। এক কথায় বনিওয়ালিদের বাসিন্দারা গাদ্দাফির শাসনামলে রাজার হালেই ছিলেন। বোবকর (২৪) নামের এক আইনের ছাত্র বলেন, ‘আমরা বিপ্লব গ্রহণ করতে বাধ্য হয়েছি। তবে এখনও ৯৯ ভাগ মানুষ গাদ্দাফিকে ভালবাসেন। লিবিয়া অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফাউজি আবদেলানি বানওয়ালিদে গাদ্দাফি বাহিনীর পুনরুত্থানের খবর নাকচ করে দিলেও সেখানে গাদ্দাফির প্রতি জনগণের ভালবাসার বিষয়টি যেমন উপেক্ষা করতে পারেন নি তেমনি বিশ্ব মিডিয়ার চোখকেও অন্যদিকে প্রবাহিত করতে পারেন নি। ফলে গাদ্দাফি যে লিবিয়ানদের হৃদয়ে আজও বেঁচে আছেন তা প্রকাশ হয়ে পড়েছে।

দামেস্কের শহরতলি সেনাবাহিনীর পুনর্দখলে

সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কের শহরতলির লড়াইয়ে বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ সমর্থিত নিরাপত্তা বাহিনী। তারা সেখানকার বেশ কয়েকটি এলাকা পুনরায় দখল করে নিয়েছে। বিদ্রোহীরা ওই এলাকা তিন দিন দখলে রাখতে সক্ষম হলেও নিরাপত্তা বাহিনী সেটা আবার দখল করে নিয়েছে। এতে কমপক্ষে ১০০ জন নিহত হয়েছে বলে মানবাধিকার কর্মীরা জানিয়েছেন। এদিকে আসাদকে পদ ত্যাগের আহ্বান জানিয়ে নিরাপত্তা পরিষদে প্রস্তাব আনার ব্যাপারে শীর্ষ পশ্চিমা এবং আরব কূটনীতিকরা প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন। মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন দামেস্কের আশপাশের এলাকাতে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে লড়াইয়ে সোমবার ২৫ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া দেশের অন্য এলাকাতেও সংঘর্ষে অনেকে হতাহত হয়েছে। হোমস এবং আশপাশের এলাকাতে সেনাবাহিনীর অভিযানে এরা হতাহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। সিরিয়ার ভেতরে আসলে কি ঘটছে সেটা নিশ্চিত করা বেশ কঠিন হয়ে পড়েছে। কেননা সরকার সেখানে কোন বিদেশী সাংবাদিককে ঢুকতে দিচ্ছে না। আরব লীগ চাইছে নিরাপত্তা পরিষদে তাদের পরিকল্পনাকে ভিত্তি করে একটি প্রস্তাব পাস করা হোক। আরব লীগের ওই পরিকল্পনায় আসাদকে তার সহকারীর কাছে ক্ষমতা ত্যাগ করে নির্বাচনের জন্য আহ্বান জানানো হয়েছিল। আরব লীগের মহাসচিব নাবিল এলারাবি এবং কাতারের প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়টি মঙ্গলবার জাতিসংঘে উত্থাপনের কথা ছিল। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন, বৃটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইলিয়াম হেগ এবং ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যালেইন জাপে ব্যক্তিগতভাবে আরব লীগের উদ্যোগে সমর্থন জানানোর কথা ছিল।

সাড়ে ১২ হাজার মুরগি নিধন

একটি খামারের সাড়ে ১২ হাজার বার্ডফ্লু আক্রান্ত মুরগি নিধন এবং ১০ হাজার ডিম ধ্বংস করা হয়েছে। মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার জয়রায় এ ঘটনা ঘটে। গত কয়েক দিনে জাগীর ইউনিয়নের জয়রা এলাকার এমএস পোল্ট্রি অ্যান্ড হ্যাচারি’র তিন শতাধিক মুরগি মারা যায়। বিষয়টি খামারের পক্ষ থেকে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদের জানানো হয়। এরপর ঐ ফার্মের মুরগিগুলো পরীক্ষা করে বার্ডফ্লু আক্রান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেন তারা। পরে রাত ১০টার দিকে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারিরা মুরগি নিধন কার্যক্রম শুরু করে। বুধবার ভোর ৫টা পর্যন্ত ওই খামারের ১২ হাজার ৭শ ১৪টি মুরগি নিধন ও ১০ হাজার ৩শ ৬৫টি ডিম বিনষ্ট করা হয়। এরপর সেগুলো খামারের পাশেই মাটি চাপা দেওয়া হয়।

কবিতা উৎসব শুরু

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি চত্বরে আজ থেকে শুরু হয়েছে ২ দিনব্যাপী জাতীয় কবিতা উৎসব। বেলা ১১টায় উৎসবের উদ্বোধন করেন কবি সৈয়দ শামসুল হক। জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সঙ্গীতের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠানের শুরু হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- ঢাকা বিশ্বাবিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপিত ড. আনোয়ার হোসেন, জাতীয় কবিতা পরিষদের সভাপতি হাবিবুল্লাহ সিরাজী, সাধারণ সম্পাদক আসলাম সানি এবং  জাতীয় কবিতা পরিষদের নির্বাহী কমিটির অন্যান্য সদস্যরা। এর আগে র‌্যালির মাধ্যমে এর আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। র‌্যালি শেষে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম, শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন, শিল্পী কামরুল হাসানের সমাধিতে এবং কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এরপর উৎসবের শুরু হয়।

পাকিস্তানি বিমান হামলায় ২০ তালেবান জঙ্গি নিহত

পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় উপজাতি অধ্যুষিত এলাকায় পাকিস্তানি যুদ্ধবিমানের অব্যাহত বোমা হামলায় তালেবান জঙ্গিদের কয়েকটি গোপণ আস্তানা সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে। এ ঘটনায় প্রাথমিকভাবে কমপক্ষে ২০ তালেবান জঙ্গি নিহত হওয়া খবর পাওয়া গেছে। তবে, নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানা গেছে। ওরাকাজি এলাকার তালেবানের গোপণ আস্তানগুলোতে কয়েকটি জেট যুদ্ধবিমান হামলা চালায়। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কমপক্ষে ৪টি আস্তানায় আঘাত হানা হয়েছে। এক সেনা কর্মকর্তার বরাতে বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, তেহরিক-এ-তালেবানের (টিটিপি) গোপণ আস্তানা হিসেবে ব্যবহৃত হত ওই অঞ্চলটি। তাদের কমান্ডার ছিল মোল্লা তুফান ও মহিউদ্দিন। এ বিমান হামলায় মহিউদ্দিন নিহত হয়েছে বলে বিভিন্ন রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। আফগানিস্তানের সীমান্ত-সংলগ্ন এলাকায় পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনীর এটিই সর্বশেষ হামলার ঘটনা।

অর্থনীতিতে সংকট নেই বললেন অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, অর্থনীতিতে কোন সংকট নেই। গণমাধ্যম ও সুশীলসমাজ যে সংকটের কথা বলেছে তা একেবারেই ঠিক নয়। তবে বিশ্বমন্দার কারণে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে কিছুটা মন্থর গতি রয়েছে। আজ বুধবার সকালে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন দি ফেডারেশন  অফ বাংলাদেশ চেম্বার্স অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) আয়োজিত ‘দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে’ মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
এর আগে মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে অর্থনীতি কালো ছায়ার মধ্যে রয়েছে বলার একদিন পর একথা বললেন অর্থমন্ত্রী। এফবিসিসিআই সভাপতি একে আজাদের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মঞ্জুর এলাহী, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. নাসিরউদ্দিন আহমেদ, অর্থনীতিবিদ ড.কাজী খলিকুজ্জামান, সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. মোস্তাফিজুর রহমান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আনু মুহাম্মাদ, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ তারেকসহ ব্যবসায়ী নেতারা।

ম্যান ইউ-ম্যান সিটি সমতায়

নগর প্রতিদ্বন্দি ম্যানচেস্টার সিটির সাথে সমতা আনল ইংলিশ জায়ান্ট ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। স্ট্রোক সিটিকে ২-০ গোলে হারাল ফার্গুসনের দল। দিনের অন্য ম্যাচে এভারটনের কাছে ১-০ হেরে গেছে পয়েন্ট টেবিলে শীর্ষে থাকা ম্যানচেস্টার সিটি। ম্যান ইউ’র জয় এবং ম্যান সিটির হারের ফলে উভয়ই ২৩ খেলায় ১৭ টি জয় ৩টি ড্র এবং ৩টি হারে ৫৪ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে উঠে গেল। ম্যান সিটি আগেই শীর্ষস্থানে ছিল। গত ম্যাচে জয়ের ফলে সিটিকে ধরে ফেলল ম্যান ইউ। সাবেক ম্যান ইউ মিডফিল্ডার ড্যারন গিবসনের গোলে এভারটন সিটিকে হারায়। অন্যদিকে, স্ট্রোক সিটির সাথে ম্যাচে দুটি পেনাল্টি গোলে সহজ জয় তুলে নেয় ম্যান ইউ। ৩৮ মিনিটে জাভিয়ার হার্নান্দেজ এবং ৫৩ মিনিটে বারবাতোভের পেনাল্টিতে গোল দু’টি করেন।

সুর পাল্টেছেন বিদ্যা

বলিউড বাদশা শাহরুখ খান হয়তো তার আরও একজন বন্ধু এবং ফ্যানকে হারালেন। শাহরুখভক্ত বিদ্যা এখন নিজের সুর পাল্টে সালমানের গুণগান গাইছেন। সালমান নাকি বিদ্যার কাছে সেরা নায়ক। বিদ্যার এই হঠাৎ মতপার্থক্যের কারণ কি হতে পারে তা নিয়ে শুরু হয়ে গেছে জল্পনা। এমনকি বিদ্যার বাবাও সালমানের খুব বড় ফ্যান বলে জানিয়েছেন তিনি। বলিউড বাদশার সঙ্গে তার জংলি বিল্লি প্রিয়াঙ্কার অফ স্ক্রিন কেমিস্ট্রি নিয়ে বহুদিন থেকেই নানান গল্প শুরু হয়েছিল বলিউডে। জি সিনে অ্যাওয়ার্ডসের সঞ্চালনায়ও কিং খানের সঙ্গে ছিলেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। আর তার প্রস্তুতির জন্য ভোর ৩টা পর্যন্ত রিহার্সেল চলছিল শাহরুখের বাংলোতে। সেরা অভিনেত্রীর জন্য বিদ্যা  এবং প্রিয়াঙ্কা দু’জনেই মনোনীত ছিলেন। প্রিয়াঙ্কার ‘সাত খুন মাফ’ তেমনভাবে দর্শকদের মন জয় করতে পারেনি। সেখানে বছরজুড়ে আলোচনায় থাকা বিদ্যার ‘ডার্টি পিকচার’ ছিল বাম্পার হিট। জি-এর মঞ্চে পপুলার ও জুরি ক্যাটিগরিতে সেরা অভিনেত্রীর সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার জিতে নেন বিদ্যা। স্বভাবতই একটা ঠাণ্ডা লড় াইয়ের সূচনা হয়েছে বলিউডের দুই তারকার মধ্যে। বলিউডে ক্যাট ফাইট নতুন কিছু নয়। জি-এর মঞ্চে সেরা হলেও বাদশার কাছে এখন সেরা কে? প্রিয়াঙ্কা না বিদ্যা? ঠিক একই প্রশ্ন বিদ্যার কাছেও। শাহরুখ না সালমান?

অ্যাওয়ার্ড পেলেন অপি

জার্মান একাডেমিক এঙচেঞ্জ সার্ভিসের আওতায় স্কলার অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন অভিনেত্রী অপি করিম। জার্মানের বুনেবর্গে অ্যানহাল্ট ইউনিভার্সিটিতে ল্যান্ডস্ক্যাপ আর্কিটেকচারে ইন্টারন্যাশানাল মাস্টার্স প্রোগ্রামের থার্ড সেমিস্টারের সমাপনী পরীক্ষায় কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের জন্য তাকে এ পুরস্কার দেয়া হয়। শেষ বর্ষের পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করায় অ্যানহাাল্ট ইউনিভার্সিটি থেকে তাকে অ্যাওয়ার্ড ফর এঙামপ্লেরি পারফর্মেন্স প্রদান করে। ইউনিভার্সিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. আয়নার কেজলার আনুষ্ঠানিকভাবে সোমবার সন্ধ্যয় ক্যাম্পাস অডিটোরিয়ামে তার হাতে পুরস্কারটি তুলে দেন। এই অ্যাওয়ার্ডের মধ্যে রয়েছে রয়েছে স্কলার সার্টিফিকেট, ক্রেস্ট এবং প্রাইজমানি ১০০০ ইউরো। একাডেমিক রেজাল্টের পাশাপাশি সামগ্রিক কর্মকান্ড মূল্যায়নের পর তাকে তাদের ব্যাচের অ্যাওয়ার্ড ফর এঙামপ্লেরি পারফর্মেন্স প্রদানের জন্য মনোনীত করা হয়। পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে অ্যানহাল্ট ইউনিভার্সিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট আয়নার কেজলার অপি করিমকে একটি বড় সম্পদ বলে উল্লেখ করেন। তার পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, অপি করিমকে বিভিন্ন প্রজেক্ট ও থিসিসের কাজে আরো দেড় মাস জার্মানিতে থাকতে হবে। মার্চে তার দেশে ফেরার সম্ভাবনা আছে। 

মন্দা সত্বেও বাংলাদেশের পণ্যের চাহিদা রয়েছে: ইইউ রাষ্ট্রদূত

বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (ইইউ) রাষ্ট্রদূত উইলিয়াম হ্যানা বলেছেন, বাংলাদেশের রফতানি ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। ইউরোপে মন্দা বিরাজ করা সত্বেও বাংলাদেশের পণ্যের চাহিদা রয়েছে। এটি এ দেশের অর্থনীতিকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। আজ কনফরমিটি অ্যাসেসম্যান্ট ফর এশিয়ান ডেভলপিং ইকোনোমিস শীর্ষক দুই দিনব্যাপি আন্তর্জাতিক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বিশেষ অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন। বাংলাদেশ অ্যাক্রিডিটিশন বোর্ড (বিএসটিআই), বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ট অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউট ও ইউনাইটেড ন্যাশনাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভলাপম্যান্ট অর্গানাইজেশন কর্মশালাটি যৌথভাবে আয়োজন করেছে। কর্মশালয় এশিয়ার মোট দশটি দেশ অংশগ্রহণ করছে। এরমধ্যে রয়েছে-আফগানিস্তান, চীন, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ, লাউস, কম্বডিয়া, ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের প্রতিনিধি।

আজ থেকে বাড়তি দামে বিদ্যুৎ বিক্রি শুরু

আজ থেকে বাড়তি দামে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী বিদ্যুৎ বিক্রি শুরু হয়েছে। পাইকারিতে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৩ টাকা ৭৪ পয়সা। আগে এর দাম ছিল ৩ টাকা ২৭ পয়সা। খুচরা পর্যায়ে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৭ দশমিক ০৯ শতাংশ বেড়ে তা ৫ টাকা ০২ পয়সা হচ্ছে। যা আগে ছিল ৪ টাকা ৭১ পয়সা। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান সৈয়দ ইউসুফ হোসেন আগেই বিদ্যুতের দাম বাড়ার ঘোষণা দেন। গত ১ নভেম্বর পিডিবি বিদ্যুতের দাম বাড়ার প্রস্তাব বিইআরসিতে পাঠায়। বিদ্যুতের দাম বাড়ানো না হলে বিশাল ভর্তুকি সরকারের একার পক্ষে দেওয়া সম্ভব নয়। এ জন্য পিপিবি ৬ মাস পর পর ১২ শতাংশ হারে দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করে। প্রতি বছর পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির হার দাঁড়াবে ২৫ দশমিক ৩০ শতাংশ। গত ২৪ নভেম্বর বিদ্যুতের পাইকারি দাম এবং ২২ ডিসেম্বর গ্রাহক পর্যায়ে পৃথকভাবে দুই দফায় বাড়ানোর ঘোষণা দেয় বিইআরসি। প্রথম দফায় যা ১ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়। দ্বিতীয় দফায় এ দাম বুধবার থেকে কার্যকর হয়েছে। ১ ডিসেম্বর থেকে প্রথম দফায় বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয় ১৬ দশমিক ৭৯ ভাগ। ১ ফেব্রুয়ারি থেকে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে ১৪ দশমিক ৩৭ ভাগ। 

ইভিএমকে সহজবোধ্য করতে বুয়েটকে নির্দেশ দিল ইসি

ইভিএমকে আধুনিক ও ভোটারদের কাছে আরো সহজবোধ্য করতে বুয়েটকে নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।  আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) একটি নতুন মডেল ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তারা চিন্তা করছে ওই মেশিনের সাহায্যে ফলাফল প্রিন্টের ব্যবস্থা করার। নতুন মডেল এ বছরের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে উপস্থাপনের জন্য বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য প্রযুক্ত ইন্সটিটিউটকে বলা হয়েছে। ইভিএমের জন্য আলাদা একটি প্রকল্প নেয়ার কথা উল্লেখ করে একজন কমিশনার বলেছেন, বর্তমানে নির্দিষ্ট সফটওয়ারে ইভিএম জনপ্রিয় হলেও তাতে ভোটগ্রহণের পর বিভিন্ন পরামর্শ পাওয়া গেছে। এ কারণে আগামীর জন্য ‘স্মার্ট মডেল’ করা হচ্ছে। ভোটের ফল প্রিন্ট দেওয়ার ব্যবস্থার পাশাপাশি ব্যালট ইউনিটের বোতামের ওপরে প্রতীক দেখানোর ব্যবস্থাও রাখা হবে।

তসলিমার নতুন বই ‘নির্বাসনে’

বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরিনের নতুন বই এসেছে বাজারে। বইয়ের নাম নির্বাসনে। বইটি ইতোমধ্যে কলকাতার বই মেলায় পাওয়া যাচ্ছে। আজ বিকেলে ইউবিআই অডিটেরিয়ামের অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে নির্বাসন বইটির মোড়ক উন্মোচন করবেন সাহিত্যিক নবারণ ভট্টাচার্য, সুজাত ভদ্রসহ কলকাতার বেশ কয়েকজন বুদ্ধিজীবী এবং মানবাধিকার কর্মী। তসলিমা নতুন বইয়ের তুলে ধরেছেন, ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে কিভাবে, সরকারের কোন-কোন সংস্থা কিংবা কেন্দ্রীয় সরকারের দিল্লির সেফ হাউজ থেকে কিভাবে তাকে ভারত থেকে ’নির্বাসিত’ করা হলো। তিনি বর্তমানে ইউরোপে অবস্থান করছেন। পিপলস বুক সোসাইটি বা পিবিএস বইটির প্রকাশও করেছে। তসলিমা ঘনিষ্ট শিবানী মুখোপাধ্যায় বইটির প্রকাশক। ২২৮ পৃষ্ঠার এই আত্মজীবনীর দাম ১৪০ টাকা।  আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের আগে একটি বই এত সংখ্যক বিক্রি হওয়ার নজির না থাকলেও প্রকাশকরা  মনে করছেন দশ-বারো হাজার ’নির্বাসন’ বইটি বিক্রি হবে। জানা গেছে, তসলিমা কলকাতা বই মেলায় আসতে চেয়েছিলেন। সেখানকার সরকারের তরফ থেকে সংকেত না পাওয়া আসতে পারেননি।

ভাষা আন্দোলনের ষাট বছর-সূচিত হোক ভাষা-চেতনার নবযাত্রা

বছর ঘুরে আবার এলো বাঙালির ভাষা আন্দোলনের স্মারক ফেব্রুয়ারি মাস। ১৯৫২ সালে ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন করতে গিয়ে এ মাসে রক্ত দিয়েছিলেন ভাষা শহীদরা। ২১ ফেব্রুয়ারির সেই রক্তদান বৃথা যায়নি, পরাধীন দেশে অর্জিত হয়েছিল ভাষার অধিকার। আর এ আন্দোলনের প্রভাব সঞ্চারিত হয়েছিল কালান্তরে।

স্মরণ-স্মৃতিতে সমুজ্জ্বল আবদুল্লাহ আলমুতী

আজ ৩০ নভেম্বর। কৃতী বিজ্ঞান লেখক, মনস্বী শিক্ষাবিদ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব ড. আবদুল্লাহ আলমুতী শরফুদ্দীনের ত্রয়োদশ মৃত্যুবার্ষিকী। পঞ্চাশের দশকের প্রথমার্ধে রাজশাহী কলেজে পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপনার মধ্য দিয়ে আবদুল্লাহ আলমুতীর কর্মজীবন শুরু।

দূরদেশ-পাকিস্তানের মেমোগেট: কে হারে, কে জেতে? by আলী রীয়াজ

মার্কিন সেনাধ্যক্ষ এডমিরাল মাইক মালেনকে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে স্বাক্ষরবিহীন যে চিঠিটি এ বছরের মে মাসে পাঠানো হয়েছিল সেটা কে লিখেছিলেন তা এখন সবারই জানা। যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ব্যবসায়ী মনসুর এজাজ চিঠির লেখক ও বার্তাবাহক।

স্বাস্থ্যসেবা-‘নো ফ্রি লাঞ্চ’ নিয়ে কিছু কথা by এ বি এম আবদুল্লাহ

গত ২ নভেম্বরে প্রথম আলোয় নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের ‘নো ফ্রি লাঞ্চ’ শীর্ষক একটি লেখা প্রকাশিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের মতো একটি ধনী দেশের স্বাস্থ্য-ব্যবস্থা ও তার চিকি ৎসা-ব্যয় সম্পর্কে লেখক তাঁর অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের অন্যতম উন্নত ও ধনী দেশ। স্বাস্থ্যসেবায় তাদের মান শীর্ষস্থানীয়। কিন্তু জনগণকে বিনা মূল্যে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার কোনো ব্যবস্থাই তাদের নেই।

কালের পুরাণ-সব মন্ত্রীই উত্তম! by সোহরাব হাসান

শেষ পর্যন্ত শেখ হাসিনা মুখে স্বীকার না করলেও মেনে নিলেন তাঁর মন্ত্রিসভা ঠিকমতো চলছিল না। তিনি নিশ্চয়ই মন্ত্রিসভার শোভা বাড়ানোর জন্য দুজন মন্ত্রী নেননি। তাঁদের নিশ্চয়ই সেই কাজে লাগাবেন, আগের মন্ত্রীদের দিয়ে যা হচ্ছিল না। সোমবার রাতে টেলিভিশনে এই খবর প্রচারের সময় এটিএন বাংলার প্রতিবেদক বললেন, প্রায় তিন বছরের মাথায় এই মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণে চাঞ্চল্য থাকলেও চমক নেই।

কুমিল্লা সিটি করপোরেশন-নির্বাচনকে সামনে রেখে ত্রিশঙ্কু অবস্থা by তোফায়েল আহমেদ

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অনেক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা-দুর্ঘটনার পাশাপাশি কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচন বর্তমান সময়ে জাতীয় গণমাধ্যমের অন্যতম প্রধান আলোচিত বিষয়। নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর থেকে গণমাধ্যমে যে বিষয়গুলো সবিস্তারে প্রতিফলিত হয়েছে এবং ব্যাপক পাঠক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে, তা হচ্ছে সম্ভাব্য মেয়র ও কিছু কিছু কাউন্সিলার প্রার্থীর বিতর্কিত পরিচিতি। কুমিল্লার নাগরিক সমাজে একটি ব্যাপক হতাশা লক্ষ করা যাচ্ছে।

রাজনৈতিক দল কতকাল এঁদের আশ্রয় দেবে?-নাম তাঁর ‘পাহাড়ি সেলিম’

নাম তাঁর ‘পাহাড়ি সেলিম’। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগও পাহাড়প্রমাণ। তাঁর দাপটের উ ৎস ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের একটি উপজেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়কের পদ। ক্ষমতার যোগাযোগ তাঁকে পদবান করেছে, পদ তাঁকে ক্ষমতাবান করেছে। উপজেলা চেয়ারম্যানের পদ তাঁর এই ক্ষমতাচর্চারই হাতিয়ার মাত্র। তিনি ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফোরকান উদ্দিন সেলিম মৃধা। স্থানীয়দের কাছে তিনি ‘পাহাড়ি সেলিম’ নামে পরিচিত।

জন-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন নেই-মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ

দেশের মানুষ মন্ত্রিসভার উপযুক্ত রদবদল আশা করেছিল। কিন্তু এ পর্বেও তা হলো না। বরং স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মন্ত্রীরা ভালোভাবেই কাজ করছেন। কেউ ব্যর্থ নন। মন্ত্রিত্ব কোনো মেয়াদি চাকরি নয়। কিন্তু চারদিকে এত সমালোচনা সত্ত্বেও মন্ত্রিসভা থেকে অভিযুক্তরা বাদ না পড়ায় মানুষ আশাহত হয়েছে।

এই দিনে-বক্তাবলী গণহত্যা ও প্রতিরোধ দিবস

বক্তাবলী গণহত্যার কথা কি মনে আছে? এবং প্রতিরোধের? একাত্তরে এই দেশে যে কটি গণহত্যা সংঘটিত হয়েছিল, বক্তাবলী তার মধ্যে অন্যতম। যদিও দেশে গণহত্যার সঠিক তথ্য স্বাধীনতার চল্লিশ বছরেও জাতির সামনে উত্থাপিত হয়নি। কোনো সরকারই তা করেনি। কোনো রাজনৈতিক দলও এ নিয়ে ভেবেছে বলে মনে হয় না। কারণ, ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য হয়তো এর কোনো প্রয়োজন পড়ে না।

সহজিয়া কড়চা-সাইড নিতেই হবে by সৈয়দ আবুল মকসুদ

ফরাসি অস্তিত্ববাদী দার্শনিক জাঁ-পল সার্ত্রে ১৯৮০-তে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এক মধ্যরাতে। রাত দেড়টার দিকে। নানা রকম শারীরিক সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ছিলেন অনেক দিন। তাঁর মৃত্যুর সংবাদ যখন সংবাদপত্রের অফিসে আসে তখন পত্রিকার শুধু মেকআপ শেষ নয়, ছাপার কাজ চলছিল।

জলবায়ু পরিবর্তন-বিপন্নতা নিয়ে ব্যবসা নয় by ম এম খালেকুজ্জামান

ডিজাস্টার ফিকশন মুভি ২০১২ গত বছর মুক্তি পাওয়া আলোচিত চলচ্চিত্রগুলোর একটি। ঘরোয়া ডিভিডি প্লেয়ারে কিংবা আধুনিক সিনেপ্লেক্সের বড় পর্দায় আরও জীবন্তভাবে ধ্বংসযজ্ঞ প্রত্যক্ষ করার রুদ্ধশ্বাস অনুভূতি নিয়েছেন অনেকেই। পর্বতসমান বিশাল বিশাল ঢেউ ধেয়ে আসছে লোকালয়ের দিকে, আর তার আঘাতে দ্রুতই ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে দিল্লি থেকে ওয়াশিংটন তাবৎ বড় বড় শহর।

নগর দর্পণ: চট্টগ্রাম-সময় বদলায়, সবাই বদলান না by বিশ্বজিৎ চৌধুরী

চট্টগ্রাম শহরের রেয়াজুদ্দিন বাজার এলাকায় একজন প্রৌঢ় মাংস বিক্রেতা আছেন, যিনি ক্রেতাদের সঙ্গে দরদস্তুর করার সময় নানা রকম রসিকতা করতে অভ্যস্ত। তাঁর কাছে হয়তো এটা ‘মনোরঞ্জন’-এর একটি পদ্ধতি, কারণ এসব কথাবার্তায় তাঁর ক্রেতাদের মধ্যে কেউ কেউ বিকৃত আনন্দ লাভ করেন। কাউকে এমনকি এ ধরনের অশ্লীল কথাবার্তা বলতে তাঁকে প্রলুব্ধ করতেও দেখেছি।

গতকাল সমকাল-একজন প্রবীণ ঢাকাবাসীর ঢাকাকে লেখা একটি চিঠি by ফারুক চৌধুরী

প্রিয় ঢাকা, তোমাকে কোনো দিন এমনিভাবে চিঠি লেখার অবকাশ হয়নি। যখন থেকে তোমাকে জেনেছি, তখন থেকেই কেন জানি তুমি আমার সত্তার একটি বিরাট অংশজুড়ে অবস্থান নিয়েছিলে। আজ তোমার বয়স ৪০০ আর আমার ৭৮। বয়সের এই ব্যবধান সত্ত্বেও আজ থেকে ৬২ বছর আগে, ১৯৪৯ সালের হেমন্তের এক স্নিগ্ধ রৌদ্রস্নাত প্রভাতে, তোমার সঙ্গে আমার প্রথম পরিচয়ের দিনটি থেকে তুমি হয়ে উঠেছিলে আমার আত্মার আত্মীয়।

হাইকোর্টের নির্দেশনাগুলো বাস্তবায়িত হোক-জরুরি চিকিৎসা

গুরুতর অসুস্থ ব্যক্তিকে হাসপাতাল বা ক্লিনিকে নেওয়া হলে জরুরি ভিত্তিতে তাঁকে চিকিৎসা দেওয়াই স্বাভাবিক কর্তব্য। কিন্তু আমাদের দেশের হাসপাতাল-ক্লিনিকগুলোতে রোগীর ভর্তিসংক্রান্ত প্রক্রিয়ায় বিলম্বের কারণে রোগীর চিকিৎসা যথাসময়ে শুরু হয় না। জরুরি বিভাগে অপেক্ষমাণ রোগীর ভর্তি-প্রক্রিয়ায় কালক্ষেপণের ফলে মৃত্যু ঘটেছে—এমন অভিযোগও বিরল নয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অপরিপক্ব কূটনীতি-টিপাইমুখ বাঁধ

প্রস্তাবিত টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে ভারতীয় পদক্ষেপের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানাতে যেমন ব্যর্থ হয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, তেমনি পুরো বিষয়টি মোকাবিলায়ও তারা অপরিপক্বতার পরিচয় দিয়েছে। টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণের উদ্দেশ্যে ভারতের জাতীয় জলবিদ্যুৎ সংস্থা (এনএইচপিপি), রাষ্ট্রায়ত্ত জলবিদ্যুৎ সংস্থা ও মণিপুর রাজ্য সরকারের মধ্যে ২৩ অক্টোবর যৌথ বিনিয়োগ চুক্তি হয়। বহুল আলোচিত তিস্তা নদীর পানি বণ্টন চুক্তি আটকে যাওয়ার পর ভারতের এই উদ্যোগ আমাদের উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

রসকারণ-কোন দিকে চক্কর কাটবেন? by আব্দুল কাইয়ুম

স্কুলে শরীরচর্চা ক্লাসে শিক্ষক বলতেন, মাঠে পাঁচ চক্কর দাও। ধাঁধায় পড়তাম, চক্কর কাটব কোন দিকে, বাঁয়ে না ডানে? কোনটা সুবিধা? লক্ষ করেছি ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় দৌড়বিদেরা সব সময় বাঁ দিকে (ঘড়ির কাঁটার বিপরীতে) চক্কর দেন। আমরাও তাই করতাম। কিন্তু বাঁ দিকে চক্কর কাটার সুবিধাটা কী? এর পেছনে বিজ্ঞান আছে।

একটি আদর্শ কর্মমুখর দিন by ফিউশন রহমান

সকাল ৮: ৩০ ঘুম থেকে জাগরণ।
সকাল ৮: ৪৫ কঠিন সিদ্ধান্তের মুখোমুখি—গোসল করব, নাকি করব না?
সকাল ৮: ৫০ মনে হচ্ছে করা উচিত।

যেমন শ্বশুর তেমন জামাই by ভি এস নাইপল

হোটেলমালিক রামলগন হাঁ করে একবার গণেশের মুখের দিকে, আরেকবার থালার দিকে তাকাচ্ছিল। গণেশের খাওয়া শেষ হতেই জিজ্ঞেস করল, ‘সাহেব, পেট ভরেছে?’ ‘ভরেছে,’ আঙুল দিয়ে থালা চাটতে চাটতে বলল গণেশ। ‘আমি বুঝি, সাহেব। বাবা মারা যাওয়ার পর আপনার তো আর আপন কেউ রইল না। একা একা অনেক কষ্ট হয় আপনার।’ বলেই চলেছে রামলগন, ‘সেই পাঁচ বছর বয়স থেকে কাজ করে খাচ্ছি। একা।

টিপাইমুখ বাঁধ বিষয়ে রস+আলোর প্রস্তাববাঁধ ভেঙে দাও, বাঁধ ভেঙে দাও, বাঁধ... by আদনান মুকিত

বর্তমানে মানুষের মুখে মুখে আলোচিত হচ্ছে টিপাইমুখে বাঁধ দেওয়ার বিষয়টা। টিপাইমুখে বাঁধ দিলে দেশের লাভ হবে কি হবে না, তা নিয়ে সন্দেহ থাকলেও টিভি চ্যানেলগুলো যে লাভবান হচ্ছে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। বাঁধ হোক, আর না হোক, টিভিতে টক শো হচ্ছে।

সড়কে মৃত্যুফাঁদ-কর্তৃপক্ষের টনক নড়বে কবে?

এমনিতেই রাস্তাঘাটে জীবনের নিরাপত্তা নেই। গাড়িচালকদের বেপরোয়া গাড়ি চালানোর কারণে যাত্রীদের অনেকটাই প্রাণ হাতে নিয়ে চলাচল করতে হয়। তার ওপর যদি সেই সড়কপথই হয় মৃত্যুফাঁদ, তাহলে? মহাসড়কগুলো যেন একেকটি মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। সাম্প্রতিক প্রবল বর্ষণের পর রাস্তাঘাট চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

চারদিক-ভাইবে রাধারমণ বলে...

‘জলে গিয়াছিলাম সই/ কালো কাজলের পাখি দেইখা আইলাম কই...’, ‘কারে দেখাবো মনের দুঃখ গো/ আমি বুক চিড়িয়া/ অন্তরে তুষের অনল জ্বলে গইয়া গইয়া...’, ‘ভ্রমর কইও গিয়া/ শ্রীকৃষ্ণ বিচ্ছেদের অনলে অঙ্গ যায় জ্বলিয়ারে ভ্রমর/ তারে কইও গিয়া...’, ‘ভাইবে রাধারমণ বলে শোনরে কালিয়া...’ এমন অসংখ্য জনপ্রিয় গানের স্রষ্টা সিলেটের মরমী বৈষ্ণব সাধক কবি রাধারমণ দত্ত।

সরল গরল-চীন-ভারতের ‘পানিযুদ্ধ’ ও বাংলাদেশ by মিজানুর রহমান খান

চীন ও ভারতের মধ্যে একটি ‘পানিযুদ্ধ’ ক্রমশ স্পষ্ট হয়ে উঠছে। সেই যুদ্ধে বাংলাদেশের অবস্থান কী হবে, তা নির্ধারণে এখনই সচেতন মহলের চিন্তাভাবনা করা উচিত। বাংলাদেশ পানি নিয়ে এখন ভারতের সঙ্গে যে যুক্তিতে কথা বলছে, সেই তেতো যুক্তিগুলোই তারা চীনের সঙ্গে ভবিষ্যতে মধুর করে তুলবে। আর তখন তা চীনের কাছে তেতো লাগবে।

গোধূলির ছায়াপথে-‘পুড়িব একাকী’ by মুস্তাফা জামান আব্বাসী

কী লিখছেন? এই মাত্র লেখা শেষ করলাম ‘পুড়িব একাকী’। ৩৩০ পৃষ্ঠা প্রিয় কবিকে নিয়ে ফিকশন। জীবনের গল্পটি তুলে এনেছি, রং চড়াইনি। প্রজাপতির পাখা রেঙে উঠেছে। ফিকশন, ইতিহাস নয়। বিদ্রোহ ও সুন্দরের কারণে হিন্দুরা অনুভব করছেন, মুসলমানরা আঁকড়ে ধরতে চাইছেন একমাত্র নকিব, কমরেডরা খুঁজেছেন বঞ্চিতের জয়গান উদ্গাতাকে।

স্থানীয় সরকার-ঢাকাকে ভাগ করবেন না by বদিউল আলম মজুমদার

গত ২৩ নভেম্বর সরকার স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন, ২০০৯-এর সংশোধনকল্পে জাতীয় সংসদে বিল উত্থাপন করেছে। বিলটির উদ্দেশ্য মূলত ঢাকা মহানগরকে ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণে বিভক্ত করে দুজন উপযুক্ত ব্যক্তি বা সরকারি কর্মকর্তাকে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা। প্রধান বিরোধী দল সরকারের এ সিদ্ধান্তের বিরোধী।

বাংলাদেশের ৪০ বছর-অতীতের ভাবনা ও ভবিষ্যতের সম্ভাবনা by মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান

গত শতকে মুসলিম মধ্যবিত্তের উত্থান ছিল এক যুগান্তকারী ঘটনা। ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ তারা উপমহাদেশের উত্তর-পূর্ব ও উত্তর-পশ্চিম অংশো মুসলিমপ্রধান অঞ্চলে নতুন কয়েকটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবি পাস করে। তা সত্ত্বেও এক দশকের কম সময়ে তারা একক পাকিস্তান পায়। ১৯৪৮ সালে পূর্ববাংলার তরুণ ছাত্ররা বাংলাকে দুটি রাষ্ট্রভাষার অন্যতম হিসেবে স্বীকৃতির দাবি জানায়। ১৯৫৬ সালের সংবিধানে তাদের সেই দাবি স্বীকৃত হয়।

খুনিদের কঠোর শাস্তি দিতে হবে-বখাটের হাতে মুক্তিযোদ্ধা বাবা খুন

যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছিলেন বরিশালের মুক্তিযোদ্ধা মো. জিন্নাত আলী। দুঃস্বপ্নেও কি ভেবেছিলেন যে স্বাধীন দেশে সন্তান নির্বিঘ্নে চলাফেরা করবে, এটা চাইতে গিয়ে প্রাণ হারাতে হবে বাবাকে? মো. জিন্নাত আলীর এই মৃত্যুর জবাব কী?
জিন্নাত আলীর কলেজপড়ুয়া মেয়ের ওপর বখাটে সন্ত্রাসীদের অবিরাম উপদ্রবের বিবরণ ছাপা হয়েছে বোরবারের প্রথম আলোয়।

ভোক্তা ও উৎপাদক—উভয়ের স্বার্থ রক্ষিত হোক-ধান-চালের দাম

সারা বিশ্বে যখন অর্থনৈতিক মন্দা চলছে, তখন বাংলাদেশে ধানের ফলন ভালো হওয়া নিশ্চয়ই আশাব্যঞ্জক খবর। গত দুই বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও ধানের উৎপাদন বেড়েছে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, আগামী বোরো উৎপাদনও ভালো হবে।
প্রশ্ন হলো, ধানের ভালো ফলনে কৃষক লাভবান হচ্ছে কি না? ভোক্তারাই তার সুবিধা কতটা পাচ্ছে? কৃষক তখনই লাভবান হবে, যখন উৎপাদন-ব্যয়ের চেয়ে পণ্যের দাম বেশি থাকবে।

ঈদের আগে অজ্ঞান পার্টি তৎপর

রাজধানীকে এ অভিশাপ থেকে মুক্ত করার দায়িত্ব নিন দীর্ঘদিন ধরে, বিশেষ করে রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন জনবহুল এলাকায় এক নিষ্ঠুর অপরাধ সংঘটিত হতে দেখা যাচ্ছে। মানুষের ভিড়ের মধ্যে, পুলিশের নাকের ডগায় মলম নামে একাধিক চেতনানাশক ওষুধ ব্যবহারের মাধ্যমে নিরীহ মানুষকে সর্বস্বান্ত করে টাকা-পয়সা ও মূল্যবান সামগ্রী হাতিয়ে নিচ্ছে দুর্বৃত্তরা। এ ধরনের অপরাধীদের নামকরণ হয়েছে অজ্ঞান পার্টি।

চরাচর-জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়ি by ফখরে আলম

৬ নম্বর দ্বারকানাথ ঠাকুর লেনের জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি কোথায় তা কলকাতার অনেকেই জানেন না। ঠাকুরবাড়ির আশপাশেও দ্বারকানাথ লেনের নাম লেখা নেই। বাজারের শেষ মাথায় জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি। ঠাকুরবাড়ির আশপাশে জমজমাট সব ব্যবসাকেন্দ্র। বেশির ভাগই অবাঙালিদের দোকান। তারা রবীন্দ্রনাথ পাঠ করেনি।

আলোকের এই ঝরনাধারায় (পর্ব-৩৭)-মায়ের আলমারি খুলে তাঁর শাড়িগুলো স্পর্শ করে দেখতাম by আলী যাকের

গেণ্ডারিয়া থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার জন্য আমাদের কিছু রাহা খরচ বরাদ্দ ছিল। আমার জন্য লোহারপুলের গোড়া থেকে সদরঘাট হয়ে গুলিস্তান এবং গুলিস্তান থেকে হেঁটে বিশ্ববিদ্যালয় আর ঝুনু কাঠের পুলের ওপর দিয়ে ধোলাইখাল পেরিয়ে সেখান থেকে রিকশায় ইউনিভার্সিটি। দুজনের দুই পথ এই কারণে যে প্রথমত দুজনের দুই ভিন্ন সময়ে ক্লাস ছিল আর ঝুনু মেয়ে বলে রিকশায় যাওয়ার বিশেষ সুযোগ পেত।

শেকড়ের ডাক-সুশাসন তো নেই-ই, তার ওপর এসব কী হচ্ছে? by ফরহাদ মাহমুদ

কথায় বলে, 'চোরায় না শোনে ধর্মের কাহিনী।' চোরা তথা অপরাধীরা ধর্মের কথা তো শোনেই না, সমাজের কোনো হিতোপদেশও শোনে না। এদের একমাত্র কাজ অন্যের অনিষ্ট করে নিজের সম্পদ বাড়ানো। এসব চোর, বদমাশ, খুনি, ডাকাত, দুষ্কৃতকারী তথা অসামাজিক চরিত্রগুলোর কবল থেকে দেশবাসীকে রক্ষা করা রাষ্ট্রের কর্তব্য। রাষ্ট্র সে জন্য আইন প্রণয়ন করে।

অর্থনীতির হালচাল ও মন্ত্রীদের পরামর্শ by হায়দার আকবর খান রনো

একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীরা যে ধরনের আবোল-তাবোল কথা বলে চলেছেন, তা এক ধরনের হাস্যরস সৃষ্টি করেছে। কম খাওয়ার উপদেশ বা সপ্তাহে এক দিন বাজার না করার প্রেসক্রিপশন দেশব্যাপী বেশ কৌতুকের জন্ম দিয়েছে। বেশ কয়েকজন মন্ত্রী একটু বেশি বাচাল। ফলে কখন কী বলে ফেলেন, তা হয়তো তাঁরা নিজেরাও বোঝেন না।

আশীর্বাদ ও অনাসৃষ্টির বৃষ্টি-দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় মনোযোগী হতে হবে

বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টি হওয়াটাই স্বাভাবিক। কিন্তু প্রাকৃতিক নানা পরিবর্তনের কারণে এমন টানা বৃষ্টির অভিজ্ঞতা ছিল না। গত কয়েক দিনের টানা বর্ষণে তাই একদিকে যেমন জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত, তেমনি টানা বর্ষণের ফলে যে দুর্ভোগ দেখা দিতে পারে, সেই দুর্যোগ মোকাবিলায় যে আমাদের কোনো প্রস্তুতি নেই_তার প্রমাণ আবার মিলল। গত শনিবার থেকেই মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে সারা দেশে টানা বৃষ্টিপাতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। নাগরিক জীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ।

দাঙ্গাক্ষুব্ধ লন্ডন-প্রশমিত হোক ক্ষোভের আগুন

সেরা গণতান্ত্রিক ও শান্তিপ্রিয় দেশ হিসেবে দাবিদার যুক্তরাজ্য এখন অস্বস্তিকর পরিস্থিতি মোকাবিলা করছে। টোটেনহামে ডুগান নামের ২৯ বছরের এক তরুণ পুলিশের গুলিতে নিহত হওয়ার পর লন্ডন উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। টোটেনহাম এলাকায় ঘটে যাওয়ার ঘটনার সূত্র ধরে গোটা লন্ডনেই এ উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে।

পবিত্র কোরআনের আলো-আবিসিনিয়ার উদারপ্রাণ খ্রিস্টানরা কোরআন তিলাওয়াত শুনে কেঁদেছিল

৮৩. ওয়া ইযা ছামীঊ মা উনযিলা ইলার্ রাসুলি তারা আ'ইউনাহুম তাফীদ্বু মিনাদ্দাময়ি' মিম্মা আ'রাফূ মিনাল হাক্কি; ইয়াক্বূলূনা রাব্বা-না আ-মান্না ফাক্তুবনা মাআ'শ্ শা-হিদীন। ৮৪. ওয়া মা লানা লা নু'মিনু বিল্লাহি ওয়া মা জাআনা মিনাল হাক্কি ওয়া নাত্বমাউ' আন ইয়ুদখিলানা, রাব্বানা আ-মান্না ফাক্তুবনা মাআ'শ্ শা-হিদীন।

দূরের দূরবীনে-বহির্বিশ্বের দূতাবাস, রাষ্ট্রদূত ও রাজনীতি by অজয় দাশগুপ্ত

রাষ্ট্রদূত পদটিকে বাঙালি কেন জানি গভীর সম্মানের সঙ্গে দেখতে ভালোবাসে। ভয়ে ভয়ে বলি, অনেক মন্ত্রী-মিনিস্টারের চেয়েও এ পদের মর্যাদা অধিক। এর কারণ হয়তো অনেক। তবে মনে হয় রাষ্ট্র ও দূত মিলিয়ে যে ভাবমূর্তি, সেটাই বেশি কার্যকর। আরেকটি হচ্ছে, এঁরা দেশে থাকেন না।

চালচিত্র-পুরান ঢাকার নস্টালজিয়া ও নগরায়ণের বলি! by শুভ রহমান

চলি্লশের দশকে ঢাকা ছিল ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের প্রাণকেন্দ্র। তরুণ সাহিত্যিক সোমেন চন্দ ফ্যাসিবাদবিরোধী সংগ্রামে আত্মনিবেদিত থেকে দুর্বৃত্তদের পৈশাচিক হামলায় শহীদ হন। সে ১৯৪২ সালের ৮ মার্চ। তারপর সব সময় লড়াকু এক শহর হিসেবেই ঢাকার ক্রমবিকাশও হয়েছে প্রধানত মননে ও মেধায়।

চরাচর-সিরাজকান্দির ঐতিহাসিক জাহাজমারা যুদ্ধ by শফিউদ্দিন তালুকদার

১৯৭১ সালের ১১ আগস্ট। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে একটি দুঃসাহসিক ঘটনা ঘটে টাঙ্গাইল জেলার ভূঞাপুরের নিকরাইল ইউনিয়নের মাটিকাটার দক্ষিণ-পশ্চিমে যমুনা নদীর পূর্ব পাড়ে সিরাজকান্দি ঘাট নামক স্থানে। যে ঘটনার মাধ্যমে সারা দেশ, এমনকি সারা বিশ্বের মানুষ সেদিন অবাক বিস্ময়ে জেনেছে ভূঞাপুরের মুক্তিযোদ্ধাদের অবিস্মরণীয় কাহিনী।

স্বাস্থ্যসেবা বনাম ডাক্তারদের দলবাজি by ড. মুহাম্মদ আশকার ইবনে শাইখ

গত ৬ আগস্ট কালের কণ্ঠে 'ডাক্তারদের দলবাজিতে বেতাল হাসপাতাল' শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনটি নতুন করে দেশের স্বাস্থ্যসেবাসংক্রান্ত আরো কিছু প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। সচেতন মানুষ মাত্রেরই জানা আছে, বিগত চারদলীয় জোট সরকারের শাসনামলে 'ড্যাব' নামক চিকিৎসকদের সংগঠনটির কারো কারো নেতিবাচক কর্মকাণ্ড কী পরস্থিতির সৃষ্টি করেছিল। কিন্তু বর্তমান মহাজোট সরকারের আমলেও এর কি কোনো পরিবর্তন হয়েছে? না, হয়নি।

ইতি-নেতি-এই সামাজিক অস্থিরতার দায় কাউকে না কাউকে নিতেই হবে by মাসুদা ভাট্টি

চারদিকে তাকালে মনে হয়, এক ভয়ানক অস্থির সময়ের ভেতর আমরা বাস করছি। যে ধর্মের দোহাই দিয়ে দেশে রাজনীতি চলছে, চলছে নানা রকম অমানবিক কর্মকাণ্ড, সে ধর্মও যেন থামিয়ে রাখতে পারছে না এই অস্থিরতাকে। নইলে রোজার মাসেও কেমন করে মানুষ নামছে লোভের পসরা নিয়ে, কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার প্রকল্প নিয়ে?

সাদাকালো-প্রাদেশিকতা বনাম স্বতন্ত্র রাজ্য তেলেঙ্গানা by আহমদ রফিক

'প্রাদেশিকতা' শব্দটির বিশেষ অর্থবোধক চরিত্রের সঙ্গে আমাদের অর্থাৎ একদা পাকিস্তানবাসী বাঙালির পরিচয় খুব কম নয়। ১৯৪৭ সালের আগস্টে দেশবিভাগ সূত্রে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর থেকেই মুসলিম লীগ নেতাদের মুখে এ শব্দটির রাজনৈতিক তাৎপর্য-ব্যাখ্যা অনেক দেখা গেছে।

অনুমোদনহীন নৌযান-নিরাপদ করতে হবে আমাদের নৌপথ

বর্ষা মৌসুম আসা মানেই দেশে নৌ দুর্ঘটনা বেড়ে যাওয়া। দেশের অভ্যন্তরীণ নৌপথে যাত্রীবাহী নৌযানের দুর্ঘটনা বেড়ে যায় বর্ষা মৌসুমে। কিছুদিন আগে রাজধানীর সদরঘাটে ট্রলারডুবির ঘটনা ঘটেছে। অভ্যন্তরীণ রুটে চলাচলকারী যাত্রীবাহী নৌযান ছাড়াও রয়েছে মালামাল পরিবহনকারী নৌযান। যাত্রীবাহী অনেক নৌযানের যেমন ফিটনেস সার্টিফিকেটসহ চলাচলের অনুমোদন নেই, তেমনি মালামাল পরিবহনকারী অনেক নৌযানেরও চলাচলের অনুমোদন নেই।

ছাত্রলীগের তাণ্ডব-এই অপতৎপরতা আর কতকাল চলবে

'সন্ত্রাসী' ও 'ছাত্রলীগ' কি শেষ পর্যন্ত সমার্থক শব্দ হিসেবে অভিধানে ঠঁাঁই পেতে যাচ্ছে? বর্তমান মহাজোট ক্ষমতায় আসার পর ছাত্রলীগের কর্মকাণ্ড থেকে এটাই প্রতীয়মান হয় যে ছাত্রলীগ অর্থই সন্ত্রাসী। সন্ত্রাসীরাই ছাত্রলীগে নাম লেখায় অথবা যে ছাত্রলীগে নাম লেখায় সে-ই সন্ত্রাসী হয়ে যায়_এমনটিও অনেকে মনে করতে পারেন। 'যে যায় লঙ্কায়, সে হয় রাবণ।' ঠিক যেন সে রকমই, যে ছাত্রলীগে যোগ দেয় সে-ই যেন সন্ত্রাসী হয়ে যায়।

খেলাপি ঋণ বাড়ছে-ব্যাংক ব্যবস্থাপনাকে উন্নত করতে হবে

বাংলাদেশ ব্যাংকের বারবার তাগাদা সত্ত্বেও ব্যাংকগুলোয় বড় বড় খেলাপি ঋণের পরিমাণ কমছে না। দেশের শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপির কাছে মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে তা আরো বেড়েছে। গত জুন মাসে শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপির কাছে ব্যাংকগুলোর পাওনা টাকার পরিমাণ ছিল ১৪ হাজার ৬৭০ কোটি ৩০ লাখ টাকা। সেপ্টেম্বর শেষে এর পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ৯৩০ কোটি ৭০ লাখ টাকা। অর্থাৎ খেলাপি ঋণগ্রহীতাদের কাছে ব্যাংকের পাওনা বেড়েছে আরো ২৬০ কোটি টাকারও বেশি।

জীবন দিলেন বিনিয়োগকারী-শেয়ার কেলেঙ্কারির হোতাদের বিচার হলো না

বেকারত্বে জর্জরিত এই দেশে লাখ লাখ যুবক একটু লাভের মুখ দেখার আশায় পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করেছে। পৃথিবীর সব দেশের পুঁজিবাজারেই মানুষ তা-ই করে থাকে। বৃহৎ ও মাঝারি বিনিয়োগকারীদের পাশাপাশি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও বিনিয়োগ করে থাকেন।

চরাচর-শৈলবানি দার্জিলিং by আলফাজ চৌধুরী

দার্জিলিং শব্দের উৎপত্তি তিব্বতীয় ভাষায় দুটি শব্দ থেকে। প্রথম শব্দটি দর্জে, যার অর্থ হলো দেবরাজ ইন্দ্রের হাতে থাকা শস্ত্র-বজ্র। দ্বিতীয় শব্দটি হলো লিং, অর্থাৎ জায়গা। বজ্রপাতের জায়গা মানেই দার্জিলিং। দার্জিলিং সম্বন্ধে আরেকটি কথা প্রচলিত আছে, তা হলো- লেপচা উপজাতীয় ভাষায় 'দার-জু-লয়াং'; যার অর্থ সৌন্দর্যের দেবী, কামদেব জায়া, রতির নিবাসস্থান। তিব্বতের এক লামারও নাম ছিল দরজে, যিনি ১৭৫৬ সালে পর্বতের এক উচ্চ নির্জন শৃঙ্গের ওপর একটি মঠ স্থাপন করেন, যা বর্তমানে দার্জিলিংয়ের 'অবজারভেটরি হিল'।

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নিয়ে শঙ্কা by ইফতেখার আহমেদ টিপু

কঠিন সংকটে দেশের অর্থনীতি। চলছে চরম অস্থিরতা। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও কমছে আশঙ্কাজনকভাবে। আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি হওয়ায় বাধ্য হয়ে ব্যাংক থেকে দফায় দফায় টাকা ধার নিয়ে দেশ চালাতে হচ্ছে সরকারকে। ভর্তুকির চাপে বিপর্যস্ত দেশের অর্থনীতি।

গহন গহীন-ক্রীড়াঙ্গনে কিসের এই কালো ছায়া! by ফখরুজ্জামান চৌধুরী

সফলতা-বুভুক্ষু বাংলাদেশ ক্রীড়াঙ্গন আকারে-প্রকারে ছোট হলেও মাঝেমধ্যে চমকপ্রদ ঘটনার জন্ম দিয়ে শুধু দেশবাসী নয়, ক্রীড়ামোদী বিশ্ববাসীরও নজর কাড়ে। বর্তমান সময়ে, অবাধ তথ্যপ্রবাহের সুযোগে তথ্য-মহাসড়ক দিয়ে পৃথিবীর প্রত্যন্ত অঞ্চলের খবরটিও অজানা থাকে না। এসব নতুন কোনো তথ্য নয়। সময় যত যাবে, বিশ্ব তথ্য-প্রগতির পথে আরো এগিয়ে যাবে।

সময়ের প্রতিধ্বনি-দেশকে সংঘাতের দিকে ঠেলে দেবেন না by মোস্তফা কামাল

দেশের মানুষের কথা এখন আর কেউ ভাবে না। দেশ কোথায় গেল, দেশের মানুষের কী হলো, তা নিয়ে কারো মাথাব্যথা নেই। প্রধান দুটি রাজনৈতিক দলের এখন মূল টার্গেটই হচ্ছে পরস্পরকে ঘায়েল করা। বিরোধীপক্ষ চায় যেকোনো উপায়ে সরকারকে টেনেহিঁচড়ে ক্ষমতা থেকে নামাতে।

পবিত্র কোরআনের আলো-মুনাফিকদের সমালোচনা ও জাকাত বিতরণের আটটি খাতের বিবরণ

৫৭. লাও ইয়াজিদূনা মাল্জাআন আও মাগা-রা-তিন আও মুদ্দাখালান লাওয়াল্লাও ইলাইহি ওয়া হুম ইয়াজমাহূন।
৫৮. ওয়া মিনহুম্ মান ইয়্যাল্মিযুকা ফিস-সাদাক্বাতি; ফাইন উ'ত্বূ মিনহা, রাদ্বূ ওয়া ইন লাম ইউ'ত্বাও মিনহা ইযা হুম ইয়াছ্খাত্বূন।

বিপর্যয়ের মুখে অর্থনীতি? by হায়দার আকবর খান রনো

আমাদের সংবিধানে রাষ্ট্রীয় মূলনীতি হিসেবে সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা ফিরে এসেছে। হাইকোর্টের একটি রায়ের দ্বারা সংবিধান তার আদি চরিত্র ফিরে পেয়েছিল। কিন্তু মহাজোট সরকার সেই জায়গায় থাকেনি। তারা ১৫তম সংশোধনী এনে নতুন করে বেশ কাটাছেঁড়া করেছে। সংবিধানকে বর্তমান শাসক শ্রেণী নিজের মতো করে সাজিয়েছে।

জন্মদিনের শ্রদ্ধাঞ্জলি-এস এম সুলতান : কীর্তিমানের মুখচ্ছবি

যশোরের নড়াইলের মাসিমদিয়া গ্রামে এক কৃষক পরিবারে শেখ মুহাম্মদ সুলতান ১৯২৩ সালের ১০ আগস্ট জন্মগ্রহণ করেন। দারিদ্র্যের মধ্যে পাঁচ বছর পার হওয়ার পর তাঁকে নড়াইলের ভিক্টোরিয়া কলেজিয়েট স্কুলে ভর্তি করানো হয়। কিছুদিনের মধ্যে তাঁকে স্কুল ছেড়ে বাবার সঙ্গে শুরু করতে হয় রাজমিস্ত্রির কাজ।

মাছ কি জনস্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ? by ড. আনোয়ারা বেগম শেলী

মাছে-ভাতে বাঙালি'_বহু প্রাচীন এই পরিচিতি আমরা গর্বের সঙ্গে বহন করে চলেছি। আমাদের জনগোষ্ঠীর প্রাণিজ আমিষের যে চাহিদা রয়েছে, তার ৬০ শতাংশেরই জোগান দেয় মাছ। খাদ্য হিসেবেও মাছ আমাদের পছন্দের তালিকার শীর্ষে অবস্থান করে। উপরন্তু পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য হিসেবে কর্মক্ষম ও সুস্থ জীবন নির্বাহ করার অপার সুযোগ এনে দেয়। কিন্তু আমাদের খাদ্যবাজারে হঠাৎ করে নতুন এক দুর্যোগ দেখা দিয়েছে। খাদ্যে প্রতিনিয়তই বিষ মেশানো হচ্ছে।

চারদিক-শতবর্ষে চট্টগ্রাম সমিতি ও মেজবান

বছরজুড়েই তো ছিল নানা অনুষ্ঠান। চট্টগ্রাম সমিতি, ঢাকা তাদের ১০০ বছর পূর্ণ করল এ বছর। সমিতির জন্য এটি একটি বিরাট সাফল্য তো বটেই, চট্টগ্রামের মানুষের জন্যও এটি একটি বড় আনন্দের ব্যাপার। চট্টগ্রাম সমিতি চলতি বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে বছরজুড়ে শতবর্ষ উদ্যাপন করে।

সিটি করপোরেশন-ঢাকা বাঁচানোর শেষ আর্তনাদ by আবদুল মান্নান

অনেক অনুনয়-বিনয়, অনুরোধ-আবদার, আহ্বান-প্রতিবাদ সত্ত্বেও মনে হচ্ছে, ঐতিহাসিক ঢাকা শহর স্বাধীন বাংলাদেশের রাজধানী (সিটি করপোরেশন) বিভাজনের দ্বারপ্রান্তে। এমন একটা আইন সংসদে উত্থাপিত হয়েছে। পাস হলেই প্রশাসনিক তরবারি চলবে রাজধানীর ওপর দিয়ে। তারপরই দুই টুকরা এই ঐতিহাসিক শহর। এই খণ্ডিত ঢাকা যাঁদের স্বার্থ রক্ষা করবে, তাঁরা ইতিমধ্যে ছুরি-চাকুতে শাণ দিতে শুরু করেছেন।

মিলন দিবস-তরুণেরাই পথ দেখাবে by সেলিনা আখতার

১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর তৎকালীন স্বৈরশাসক জেনারেল এরশাদের ভাড়াটে ঘাতকের বুলেট মিলনের জীবনপ্রদীপ নিভিয়ে দিয়েছিল। মিলন আর কোনো দিন ফিরবে না। এমন শাশ্বত সত্য মেনে নিয়ে হূদয়ের গভীরতম বেদনা পাথরচাপা দিয়ে আজও বেঁচে থাকার কঠিন প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছি। নভেম্বর মাস এলে নতুন করে হূদয় ভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে। মন কেঁদে কেঁদে খুঁজে বেড়ায় মিলনের অস্তিত্ব। বারবার অশ্রুজলে ঝাপসা হয়ে আসে চোখের দৃষ্টি।

নাগরিক সমাজ-নতুন দক্ষিণ এশিয়ার স্বপ্ন by কুলদীপ নায়ার

বিশাল, ব্যাপক, কলরবমুখর, কিন্তু শৃঙ্খলাপূর্ণ। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো থেকে স্বেচ্ছাসেবী বেসরকারি সংস্থা ও নাগরিক সমাজের কর্মীরা জড়ো হয়েছিলেন ঢাকায়, সর্বমোট প্রায় ১৫ হাজার। পাকিস্তান ও ভারত থেকেও যোগ দিয়েছিলেন অনেকে। দক্ষিণ এশীয় সোশ্যাল ফোরামে মিলিত হয়েছিলেন সবাই।

বিশেষ সাক্ষাৎকার-আমাদের কোনো পরামর্শ নেওয়া হয় না by রাশেদ খান মেনন

রাশেদ খান মেননের জন্ম ১৮ মে ১৯৪৩ সালে, ফরিদপুরে। পৈতৃক বাড়ি বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায়। পড়াশোনা করেছেন ঢাকা কলেজিয়েট স্কুল, ঢাকা কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। ষাটের দশকের ছাত্রনেতা, ডাকসুর সহসভাপতি ও ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি ছিলেন। ১৯৬৪ সালে জেলখানা থেকে পরীক্ষা দিয়ে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন।

এ অন্যায় সহ্য করা যায় না-ভোজ্যতেলের দাম

আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলের দাম যখন কমছে, তখন আমাদের দেশের ভোজ্যতেল পরিশোধনকারীরা একজোট হয়ে সয়াবিন তেলের দাম আরও এক দফা বাড়িয়ে দিলেন। এ ব্যাপারে সবচেয়ে গুরুতর কথা হলো, ভোজ্যতেল ব্যবসায়ীদের ইচ্ছেমতো দাম বাড়ানোর এই যুক্তিহীন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। বস্তুত তাদের ওপর সরকারের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই।

তৃণমূলে গোপন ব্যালটে নেতা নির্বাচন করুন-কুমিল্লায় স্বচ্ছ প্রার্থীর সংকট

তৃণমূলের রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় ওপর থেকে চাপিয়ে দেওয়ার খারাপ পরিণতি সমাজে নানাভাবে স্পষ্ট হয়ে উঠছে। কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে স্বচ্ছ ভাবমূর্তির প্রার্থী-সংকট দেশের বিরাজমান রাজনীতির রুগ্ণতা ও বন্ধ্যত্বের কথাই স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে। পত্রিকার খবর অনুযায়ী, কুমিল্লায় আওয়ামী লীগ-বিএনপিসহ বিভিন্ন দলের সমর্থিত সম্ভাব্য প্রার্থীরা হত্যাকাণ্ড, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির দায়ে অভিযুক্ত।

ছিটমহল : রাষ্ট্রহীন নাগরিকের দুর্ভোগচিত্র by এস এম আব্রাহাম লিংকন

আমাদের দেশ সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্পে পাকিস্তানের করতলগত হয়ে ছিল প্রায় সাড়ে ছয় দশক। সাড়ে ছয় দশক আগে পূর্ব বাংলার নাগরিকরা পূর্ব পাকিস্তান নামে অধীনতা লাভ করি। আমরা ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পাকিস্তানের অন্তর্গত হলেও বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতের ১১১টি এবং ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহলের অধিবাসীরা নিজেদের ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

সময়ের প্রতিধ্বনি-এখন প্রয়োজন মন্ত্রিসভার পুনর্গঠন by মোস্তফা কামাল

বতর্মান মন্ত্রিসভায় কয়জন মন্ত্রী আছেন, যাঁদের কোনো দুর্নাম নেই? মন্ত্রণালয় পরিচালনার ক্ষেত্রে যাঁরা সফল, তাঁদের সংখ্যাও কিন্তু হাতে গোনা। অর্থমন্ত্রী এ এম এ মুহিত, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ এখন পর্যন্ত সফল এবং তাঁদের বিরুদ্ধে কোনো দুর্নাম নেই। তবে অর্থমন্ত্রীর কিছু বেফাঁস কথায় মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। কেউ কেউ অবশ্য বয়সের কারণে তাঁকে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখতে চান।

ঈদের আগে বেতন বোনাস-নিশ্চিত করুন পোশাক শ্রমিকদের পাওনা

ঈদের আগে শ্রমিকদের বেতন-বোনাস পরিশোধ নিয়ে একটি অশুভ সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিয়েছেন পোশাকশিল্প মালিকরা। তাঁরা ধারণা করছেন, গত বছর ঈদের আগে বেতন ও বোনাস পরিশোধ নিয়ে যেখানে অল্পসংখ্যক কারখানায় সমস্যা তৈরি হয়েছিল, সেখানে এ বছর সংখ্যাটি ৩০০ ছাড়িয়ে যেতে পারে। শিল্প পুলিশের পক্ষ থেকেও বলা হয়েছে, ৪১০টি কারখানায় এ সংকট দেখা দিতে পারে।

শেয়ারবাজারে দরপতন-বিনিয়োগে সতর্ক হতে হবে

আবার শেয়ারবাজার অস্থির হয়ে উঠেছিল। কিন্তু রাস্তায় বিনিয়োগকারীদের ক্ষোভ প্রকাশের পরদিনই সোমবার ঘুরে দাঁড়ায় ঢাকার শেয়ারবাজার। আগের দিন যে বাজার ছিল দরপতনের, সেই বাজারেই সোমবার ফিরে আসে চাঙ্গাভাব। দিনের শুরুতেই সূচক বেড়ে যায় ১০০ পয়েন্টের বেশি। শেয়ারবাজারের এই ঘুরে দাঁড়ানোয় ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা যেমন খুশি হবেন, তেমনি আশার আলো দেখবেন দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারীরাও।

পবিত্র কোরআনের আলো-দাউদ ও ঈসা নবী বনি ইসরাইলের অবাধ্যদের অভিশাপ দিয়েছেন

৭৭. ক্বুল ইয়া-আহ্লাল কিতা-বি লা-তাগলু ফী দীনিকুম গাইরাল হাক্কি ওয়ালা তাত্তাবিঊ' আহ্ওয়া-আ ক্বাওমিন ক্বাদ দ্বাল্লূ মিন্ ক্বাবলু ওয়া আদ্বাল্লু কাছীরাওঁ ওয়া দ্বাল্লূ আ'ন ছাওয়া-য়িছ ছাবীল।  ৭৮. লুয়ি'নাল্লাযীনা কাফারূ মিম্ বানী ইছরাইলা আ'লা লিছা-নি দা-ঊদা ওয়া ঈ'ছাব্নি মারইয়ামা; যা-লিকা বিমা আ'সাওঁ ওয়াকা-নূ ইয়া'তাদূন।

বর্ষায় জলাবদ্ধতাই ঢাকার নিয়তি by ধরিত্রী সরকার সবুজ

দুই দিনের বৃষ্টিতেই রাজধানীর বেশ কিছু অংশের রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে গেল। জলাবদ্ধতা গ্রাস করল ঢাকা নগরীর বড় বড় সড়ক ও লোকালয়। বৃষ্টির পানি জমা হয়ে রাজধানীবাসীর জীবনযাত্রা ফেলে দিল চরম দুর্ভোগের মধ্যে। বর্ষাকালে ঢাকা নগরীতে এ দৃশ্য কিন্তু নতুন নয়। কয়েক বছর ধরে বর্ষাকালে ভারি বৃষ্টিপাত হলেই মাঝেমধ্যে এ দৃশ্যের অবতারণা হয়। কারণ অপরিকল্পিত ঢাকা নগরীতে বৃষ্টির পানি বের হওয়ার উপযুক্ত কোনো পথ নেই।

বিশেষ সাক্ষাৎকার : মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম-সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনী দৃঢ় করতে হবে

এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম ১৯৬১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে এমএ ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর তিনি প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন একই বিশ্ববিদ্যালয়ে। পরবর্তী সময়ে সিভিল সার্ভিস অব পাকিস্তানে (সিএসপি) যোগ দেন। পাকিস্তান ও বাংলাদেশ আমলে তিনি সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন।

চারদিক-সেপ্টেম্বর হায় একাত্তর

তুই কোথায় যাবি? তোর পেটে বাচ্চা, তুই গর্ভবতী কুকুর। তোর কোনো ভয় নেই। তুই তো মানুষ না যে তুই প্রাণের ভয় করবি। উঁচু জাত, বর্ণের বিভেদ—এসব তো সভ্যতার উপকরণ। এই তলোয়ার বানানো হয়েছে সভ্যতা রক্ষার জন্য। ঈশ্বরকে ধন্যবাদ দে যে এই অস্ত্র দিয়ে তোর গলা কাটা হবে না। কারণ, তুই তো সর্বশ্রেষ্ঠ জীব না। মাজহাব কী, তুই জানিস না। তুই সন্ধ্যা আহ্নিক করিস না। তুই স্বাধীনতার প্রয়োজন বুঝিস না।

পরিবর্তন-খালেদা জিয়া ও আমাদের বিএনপি-ভাবনা by সৈয়দ বদরুল আহ্সান

এই কিছুদিন আগে ঈদ উপলক্ষে বেগম খালেদা জিয়া আমাদের জানিয়ে দিলেন যে দেশবাসী ভালো অবস্থায় নেই এবং তাদের এ অবস্থার কারণে তিনিও ভালো নেই। এরই মধ্যে আবার তাঁর দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলে দিলেন যে সরকার পরিবর্তন ছাড়া দেশ সংকটমুক্ত হবে না। অবশ্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কথাটা বললেন আওয়ামী লীগের সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের ইদানীংকালের একটি মন্তব্যের সূত্র ধরে।

পার্বত্য চট্টগ্রাম-সংঘাত বন্ধে সমঝোতাই পথ by হরি কিশোর চাকমা

পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসীদের মধ্যে ভ্রাতৃঘাতী সংঘাত ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। দূরত্ব বাড়ছে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে। বর্তমানে পার্বত্য চট্টগ্রামে তিনটি রাজনৈতিক দল সক্রিয় রয়েছে। সেই সুযোগে কিছু সশস্ত্র গ্রুপও নানা অপকর্মে তৎপর বলে শোনা যায়।

অর্থনীতি-সাধ্যাতীত ব্যয় এবং আর্থিক সংকট by এম এ তসলিম

কিছুদিন আগে দেশের অর্থনৈতিক সংকট নিয়ে আলোচনার জন্য কয়েকজন অর্থনীতিবিদকে নিয়ে একটি বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল। সংকটটি যে ধীরে ধীরে গভীরতর হচ্ছে, বড় আকার ধারণ করছে, বৈঠকে তাঁরা সে আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

সিরিয়া-অশনিসংকেত by রবার্ট ফিস্ক

এই সপ্তাহে তাহলে ‘আরব বসন্ত’ আরব লিগকেও আক্রান্ত করল? নাকি তা ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের কায়দায় ধনী ও খুদে রাষ্ট্র কাতারের দিকে ঝুঁকে পড়েছে? আরব দুনিয়ার ইতিহাসে আরব লিগের মতো নির্বোধ, অক্ষম ও উদ্ভট সংস্থা আর দেখা যায়নি। হঠাৎ সংস্থাটি ইঁদুর থেকে সিংহ হয়ে সিরিয়াকে আরব লিগ থেকে বহিষ্কারের হুংকার দিচ্ছে। গত বৃহস্পতিবার আরব লিগ সিরিয়ার সদস্যপদ রহিত করার ঘোষণা দেয়।

রাজনীতি-বাংলাদেশে ‘নির্বাচিত একনায়কত্ব’ by মইনুল ইসলাম

২০১১ সালের ৪ নভেম্বর এই নিবন্ধটি লিখতে শুরু করেছি ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর তারিখকে স্মরণ করে, যেদিন বাংলাদেশের সংবিধানটি সংসদে গৃহীত হয়েছিল। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জনের ১০ মাস ১৯ দিনের মধ্যেই জাতিকে একটি গণতান্ত্রিক সংবিধান উপহার দিতে পারা বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বাধীন সরকারের ঐতিহাসিক সাফল্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

আইনি জটিলতা দূর করার উদ্যোগ নিন-কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচন

সামান্য ভুলভ্রান্তির কারণে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। নব গঠিত এই সিটি করপোরেশনের নির্বাচন শুরুতেই বাধাগ্রস্ত হোক তা কাম্য হতে পারে না। সমস্যাটি দ্রুত দূর করার ব্যাপারে সে কারণেই সংশ্লিষ্ট সবার মনোযোগ প্রয়োজন।

প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনবল সৃষ্টি করতে হবে-শ্রমবাজারে সংকট

বহির্বিশ্বে জনশক্তি রপ্তানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এক গভীর সংকটের মধ্য দিয়ে চলেছে। গত তিন দশকের মধ্যে এমন সংকট আর কখনো আসেনি। নিম্ন আয়ের বিপুল জনসংখ্যা অধ্যুষিত ছোট্ট এই দেশের জন্য এটি সত্যিই এক বড় উদ্বেগের বিষয়।

চরাচর-ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জীবনচিত্র by বনরূপা

অভিযোগটি পুরনো যে এক শ্রেণীর দুর্নীতিবাজ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগসাজশে একটি প্রভাবশালী মহল বছরের পর বছর পাহাড়িদের ভিটেমাটি থেকে উৎখাতে লিপ্ত। সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিকের প্রতিবেদনে এ বিষয়ে ব্যাপক তথ্য প্রকাশিত হয়। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জীবন চিত্র নানা বৈষম্যে পিষ্ট। পাহাড়িদের মাতৃভাষায় শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ আমাদের দেশে এখনো তৈরি হয়নি। শুধু রাজশাহীতে সাঁওতালদের নিজস্ব ভাষায় লেখাপড়া করার জন্য একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে।

জন্মদিনের শুভেচ্ছা-রামেন্দু মজুমদার নেপথ্যের প্রাণপুরুষ by মামুনুর রশীদ

রামেন্দু মজুমদারকে আমি দেখি ১৯৬৪ সালে। খুবই দূর থেকে দেখা। তাঁর বড় ভাই রণেন্দু মজুমদার ছিলেন ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষক। আমি তখন প্রথম বর্ষের ছাত্র। নাটক হবে। নাটকে শিক্ষক-ছাত্রদের একসঙ্গে অংশগ্রহণ করার রীতি ছিল। নির্দেশক ছিলেন আরেকজন শিক্ষক-ভ্রাতা রাকিবুদ্দিন আহমেদ।

কল্পকথার গল্প-'ঊন ভাতে দুনো বল, বেশি খেলে...' by আলী হাবিব

না, এই পাবলিককে নিয়ে আর কোনো আশা নেই। এই পাবলিককে দিয়ে কিচ্ছু হবে না। এই পাবলিকের আছেটা কী? অতীত নেই, বর্তমান নেই। ভবিষ্যৎ অন্ধকার। পাবলিকের ভালো করতে গেলে উল্টো ফল হয়। 'উল্টো বুঝলি রাম'-এর মতো পাবলিক উল্টো বুঝে বসে থাকে। পাবলিক এমন এক চিজ, যে নাকি আগে থেকেই একটা প্রি-কনসেপশন নিয়ে বসে থাকে! পাবলিক এটার ওপর করে খায়। বিষয় একটা ছেড়ে দিন। পাবলিক অমনি সেটাকে চটকে দেবে।

জুঁইয়ের হার না মানা কথা! by জাহিদুর রহমান ও ওমর ফারুক

মনে পড়ে হাওয়া আক্তার জুঁইয়ের কথা! নরসিংদী সরকারি কলেজে দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রী সে। বেশীদিন আগের ঘটনা নয়। গত ৪ ডিসেম্বর বর্বরতার শিকার হয়ে সংবাদ শিরোনামে উঠে এসেছিলেন জুঁই। লেখাপড়া করতে চাওয়াই কাল হয়েছিলো তাঁর।

একুশে স্মরণে-প্রথম প্রকাশ

আমাদের সাহিত্য অঙ্গনে যাঁর যাঁর অবস্থানে তাঁরা প্রতিষ্ঠিত। বিভিন্ন প্রজন্মের এই কথাসাহিত্যিকেরা বলেছেন তাঁদের প্রথম বই প্রকাশের অভিজ্ঞতা-অনুভূতি লেখক হওয়ার স্বপ্ন থেকে বই প্রকাশ করিনি সেলিনা হোসেন ১৯৬৯ সালে আমার প্রথম বই প্রকাশিত হয়। বইটির নাম উৎস থেকে নিরন্তর। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় গল্প লেখার অভ্যাস ছিল।

ক্ষমতায়ন-ভারত-পাকিস্তান আমাদের প্রতিবেশী। দক্ষিণ এশিয়ার এ দুটি দেশেরই স্পিকার এখন নারী

মীরা কুমার স্পিকার, লোকসভা, ভারত ভারতের লোকসভার স্পিকার হওয়ার আগে নিজেকে একজন আইনজীবী ও কূটনীতিবিদ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন মীরা কুমার। ২০০৪ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত সোশ্যাল জাস্টিস অ্যান্ড এমপাওয়ারমেন্ট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করা মীরা কুমারের জন্ম ১৯৪৫ সালের ২১ মার্চ ভারতের বিহারে। ২০০৯ সালে ভারতের লোকসভার প্রথম নারী স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব নেন মীরা কুমার।

বয়স আমার হার মেনেছে by মুজিবুর রহমান

আঙ্গুরবালা বয়সের ভারে খানিকটা ন্যুব্জ। ঠিকমতো হাঁটাচলা করতে পারেন না। বয়স ৭৮ পেরিয়ে গেছে। পান না বয়স্ক ভাতা বা বিধবা ভাতা। বেঁচে থাকার কাছে বয়সকে হার মানিয়েছেন। জীবিকা নির্বাহে তিনি এ বয়সে প্রতিদিন টিউশনি (ছাত্র পড়িয়ে) করে চলেছেন। কমলগঞ্জ উপজেলার পতনউষার ইউনিয়নের জনতা নার্সারিতে বসবাসরত বৃদ্ধ আঙ্গুরবালার জীবনসংগ্রামের চিত্র এটি।

টমেটো চাষে সফল শাকেরা by রুহুল বয়ান,

পাহাড়ের ঢালে টমেটো চাষ করে লাখপতি হলেন শাকেরা আক্তার। কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার পাহাড়ের ঢালে ২০ শতক জমিতে টমেটো চাষে করেন তিনি। ফলন হয় বাম্পার। লাভবান হওয়ায় মুখে হাসি ফুটেছে শাকেরার।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের চারপাশে পাহাড়ঘেরা দুটি গ্রামের নাম উত্তরকুল ও দক্ষিণকুল। এ দুই গ্রামের লোকজন পাহাড়ের ভেতরে পানের বরজ ও ধান চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন।

৫৮ বছর বয়সে কম্পিউটার শিক্ষা-শেখার কোনো বয়স নেই by সুমেল সারাফাত

বয়স ৫৮ বছর। সেই বয়সে গ্রামের একজন নারী কম্পিউটার শিখছেন। বাগেরহাট জেলার মংলা উপজেলার মিঠেখালী গ্রামের একজন হোসনে আরা। হোসনে আরার মুখ থেকেই শোনা যাক তাঁর কম্পিউটার শেখার গল্প... ২০০৮ সালের ডিসেম্বর মাসে ঢাকা থেকে এই গ্রামেরই মেয়ে সাদেকা হাসান তাঁদের বাড়িতে ‘আমার দেশ আমার গ্রাম’ নামে একটি প্রকল্পের মাধ্যমে মহিলাদের নিয়ে কাজ শুরু করলেন।

একুশের চাওয়া একুশের পাওয়া-বাংলা হলো রাষ্ট্রভাষা by আহমদ রফিক

অখণ্ড ভারতীয় উপমহাদেশে চল্লিশের দশকে ধর্মভিত্তিক ও স্বাতন্ত্র্যবাদী রাজনীতির প্রভাব এত প্রবল হয়ে ওঠে যে বাঙালি মুসলমান ভাষা ও জাতিচেতনা নিয়ে বড় একটা মাথা ঘামায়নি। তারা এখন বিচ্ছিন্ন স্বতন্ত্র ভুবনের স্বপ্নে মগ্ন। সে ভুবনে প্রতিযোগিতাহীন আর্থসামাজিক উত্থান। আর্থসামাজিক বৈষম্য থেকে মুক্তি।

কিডনি রোগ-নগরে শুচিতা ও স্বাস্থ্য সমস্যা by তৃপ্তি বালা

আমাদের সমস্যা অনেক, সমাধানের সুযোগ অনেক। মানসিকতার ঘাটতিও যে অনেক, সে কারণে কাঙ্ক্ষিত একটা অবস্থায় যাওয়া অনেক সময়ই সুদূরপরাহত মনে হয়। কষ্ট হয়, ভাবতে খারাপ লাগে, একজন মানুষের জীবনে নিজের চাওয়া-পাওয়া, মৌলিক দাবি-দাওয়া-অধিকারগুলোর ন্যূনতম একটি অবস্থা অর্জিত হবে না। মানুষ হিসেবে বাঁচার, সন্তানদের বাঁচিয়ে রাখা, একটা ভালো জীবনের স্বপ্ন দেখানোর সুযোগ-সমন্বয়-দৃষ্টান্ত কোনো কিছুই নিজের সীমার মধ্যে নেই।

পরিবেশ-চট্টগ্রাম: উপেক্ষিত বাংলার রানি by আমিনুল ইসলাম

কিছুদিন আগে প্রথম আলোতে (১৪ জানুয়ারি) ‘ইট পুড়ছে বন, লোকালয় ও হাসপাতালের পাশে’ শিরোনামে কক্সবাজারের রামু উপজেলার একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। প্রভাবশালী ব্যক্তিদের দ্বারা ধ্বংস হচ্ছে চট্টগ্রামের পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। চট্টগ্রামে পাহাড় কাটা একটি নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে গেছে।

মাতৃভাষা-প্রিয় বাংলার দীনদশা by মশিউল আলম

হার্বি হাউস, স্কাই রেস্টুরেন্ট, হোটেল গিভেন্সি ইন্টারন্যাশনাল, সুরেন অ্যান্ড কোং, রঘু অ্যান্ড কোং, কোনাক প্রপার্টিজ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড, শেয়ার অ্যান্ড কেয়ার ডেভেলপারস লিমিটেড, ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড, ডক্টরস ফার্মা, কোয়ালিটি ট্রেডিং কোম্পানি, নর্দার্ন ইউনিভার্সিটি, এফ কবির অ্যান্ড কোম্পানি, জ্যাড রু টেকনোলজি, ইমপেরিয়াল পেইন্টস, আরএফএল ডোর, এমএইচ ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল...।

পশ্চিমবঙ্গে বাংলাদেশি বইয়ের পথের বাধা দূর হোক-কলকাতায় বইয়ের উৎসব

ঢাকার বাংলা একাডেমী প্রাঙ্গণে বিখ্যাত বইমেলা শুরু হওয়ার লগ্নে আরেকটি বইমেলা চলছে কলকাতায়। গত ২৫ জানুয়ারি শুরু হওয়া এই বইমেলায় বরাবরের মতো বাংলাদেশি বইয়ের সম্ভার নিয়ে বাংলাদেশও উপস্থিত। গতকাল মঙ্গলবারের প্রথম আলোর সংবাদ বলছে, বরাবরের মতোই উপচে পড়া ভিড় কলকাতা বইমেলার বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে।

চাই সহিষ্ণু রাজনৈতিক সংস্কৃতি-সংঘাত পরিহার করুন

রাজধানী ঢাকায় দুই প্রধান রাজনৈতিক দলের সংঘাত এড়ানো সম্ভব হয়েছে। পুলিশ এ জন্য সাধুবাদ পেতে পারে। তবে আসল ধন্যবাদ পাওয়ার দাবিদার উভয় দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। কারণ তাঁরা সহনশীল না হলে বা দলের উচ্ছৃঙ্খল কর্মীদের রাশ টেনে না ধরলে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সাধ্য কী শান্তি বজায় রাখে।

কালান্তরের কড়চা-হেলেনের জন্য ট্রয়ের যুদ্ধ, লাদেনের জন্য আফগান যুদ্ধ, জয়ী হচ্ছে কে? by আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী

গত শতকে ভিয়েতনামে দিয়েনবিয়েনফুর যুদ্ধে যখন ফরাসিরা চরম মার খায় এবং আমেরিকা 'কমিউনিস্ট' ভিয়েতকঙ সন্ত্রাসীদের হটানোর নামে ফরাসিদের বদলে সে দেশে মার্কিন সৈন্য নামায়, তখন ব্রিটিশ মনীষী বার্ট্রান্ড রাসেল একটি প্রশ্ন তুলেছিলেন, 'আমেরিকার হাতে অ্যাটম বোমা আছে জানি।

প্রধানমন্ত্রীর কাছে পদ্মা সেতু তৈরির প্রস্তাব মালয়েশিয়ার

মালয়েশিয়া সরকার পদ্মা সেতু প্রকল্পে পূর্ণ অর্থায়নসহ সেতু নির্মাণের প্রস্তাব দিয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর অবকাঠামোবিষয়ক বিশেষ দূত (ভারত ও দক্ষিণ এশিয়া) দাতো সেরি এস সামি ভেল্লু গতকাল মঙ্গলবার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তাঁর কার্যালয়ে সাক্ষাৎকালে এ প্রস্তাব দেন। বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় স্থান পায়। খবর বাসসের।

বীর মুক্তিযোদ্ধা-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না

৩০১ স্বাধীনতার চার দশক উপলক্ষে খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে ধারাবাহিক এই আয়োজন। মো. আবদুল মতিন, বীর প্রতীক দুর্বার এক প্রতিরোধযোদ্ধা খুব ভোরে গোলাগুলির শব্দে মো. আবদুল মতিন সতর্ক হলেন। দ্রুত তৈরি হয়ে একজন সহযোদ্ধাকে সঙ্গে নিয়ে বেরিয়ে পড়লেন নিজেদের প্রতিরক্ষা অবস্থান দেখতে। শেষে গেলেন মেশিনগান পোস্টে।

চলে গেলেন সিদ্দিকা কবীর

রান্না খাদ্য পুষ্টি এবং সিদ্দিকা কবীর’স রেসিপি অনুষ্ঠানখ্যাত পুষ্টিবিদ অধ্যাপক সিদ্দিকা কবীর আর নেই। গতকাল মঙ্গলবার দুপুর সোয়া ১২টায় ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে ৮১ বছর বয়সে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি...রাজিউন)।

এখনো উত্তরণের পথ খুঁজছে এসইসি

শেয়ারবাজারের চলমান সংকট ও তা থেকে উত্তরণের উপায় খুঁজতে আবারও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নিয়ে প্রায় আড়াই ঘণ্টা বৈঠক করল সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। বৈঠক শেষে বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার মতো সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপের কথা জানাতে পারেনি এসইসি।

লাল-সবুজের পাশে-নীল টুপি, লাল-সবুজ হূদয় by আনিসুল হক

আবিদজান থেকে শুরু করেছিলাম যাত্রা। আবার এসে পৌঁছালাম আইভরি কোস্টের এই বাণিজ্যিক রাজধানীতে। মধ্যখানে ছয় দিনে আমরা সড়কপথে ভ্রমণ করেছি দুই হাজার কিলোমিটার—টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়ার মধ্যকার দূরত্বের দ্বিগুণ।
আবিদজানে আছে বাংলাদেশের নৌবাহিনীর দুটো নৌযান।

৮ মাসে ২৬৬ কোটি টাকা আয় থেকে বঞ্চিত-ইনকামিং কলের দাম বাড়ানোর সুফল পাচ্ছে না বিটিআরসি by অনিকা ফারজানা

বিদেশ থেকে আসা কলের দাম (ইনকামিং কলের টার্মিনেশন রেট) বাড়ানোর সুফল পাচ্ছে না সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। এর কারণ দামের বর্ধিত অংশ ভাগাভাগির ব্যবস্থা না রাখা। এতে প্রতিষ্ঠানটি গত আট মাসে ২৬৫ কোটি ৭৩ লাখ ২৪ হাজার ৬০২ টাকা আয় থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

অর্থনীতির কালো ছায়া

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত জাতীয় সংসদে গতকাল মঙ্গলবার বলেছেন, ‘আমরা প্রতিনিয়ত অর্থনীতির একটি কালো ছায়ার মধ্যে রয়েছি।’ অর্থনীতির এই কালো ছায়ার বিবরণ দিয়েছেন ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি এ কে আজাদ। গতকালই আরেকটি অনুষ্ঠানে তিনি বলেছেন, চাহিদানুযায়ী গ্যাস ও বিদ্যুৎ না পাওয়ায় এবং ব্যাংকের উচ্চ সুদের কারণে ব্যবসায়ীরা নিষ্পেষিত হচ্ছেন।

সামনে অস্থির রাজনীতি-সংঘাত নয়, রাজপথে থাকতে চায় বিএনপি by তানভীর সোহেল

এখনই সংঘাতে যেতে চায় না বিএনপি। তবে রাজপথ দখলে রাখতে নির্দিষ্ট বিরতিতে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি নিয়ে সক্রিয় থাকবে দলটি।  গত ২৯ ও ৩০ জানুয়ারি বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোটের কর্মসূচিতে পুলিশের গুলিতে পাঁচজন নিহত হওয়ার পরও এ নিয়ে কঠোর কোনো কর্মসূচির কথা ভাবছে না বিএনপি। হরতাল না দেওয়ায় বিএনপির নীতিনির্ধারকেরা নিজ দল ও জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের সমালোচনার মুখে পড়েন।

সামনে অস্থির রাজনীতি-আ.লীগ পাল্টা কর্মসূচি নিয়ে মাঠে থাকবে by জাহাঙ্গীর আলম

রাজপথ ছাড়বে না ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। বিরোধী দলের কর্মসূচির বিপরীতে পাল্টা কর্মসূচি নিয়ে মাঠে থাকবে দলটি। আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী সূত্রে এ অবস্থানের কথা জানা গেছে। দলের শীর্ষস্থানীয় নেতারা জানান, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহাল নিয়ে বিরোধী দল মাঠ গরম করতে চাইলে যুদ্ধাপরাধীদের দ্রুত বিচার, ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলা ও ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার বিচারের দাবিতে দল ও জোটগত কর্মসূচি দেওয়া হবে।

কপিরাইট লঙ্ঘন প্রসঙ্গে by মুহম্মদ নূরুল হুদা

ভাষার মাস একুশে ফেব্রুয়ারি আসছে। দেদার বই বেরোবে, লঙ্ঘিত হবে দেদার কপিরাইটও। বাংলাদেশে প্রকাশনা ছাড়াও সঙ্গীত, কম্পিউটার, চিত্রকর্মসহ নানা ক্ষেত্রে এই লঙ্ঘন চলছে। তবে সরকারি-বেসরকারি তত্পররতাও শুরু হয়েছে এর প্রতিবিধানের জন্য। সম্প্রতি একাধিক টাস্কফোর্স অভিযান শুরু করেছে। স্রষ্টা ও নির্মাতারা সংঘবদ্ধ হচ্ছেন।

দক্ষিণের আশা ব্রি ধান ৪৭ by ড. মোঃ মোশাররফ হোসেন ও এম এ কাসেম

চারদিকে এখন দিন বদলের স্লোগান। তবে স্লোগানের চেয়ে চ্যালেঞ্জিং হলো এর বাস্তবায়ন। এ প্রেক্ষাপটে দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের কৃষকদের জন্য একটি আশার বার্তা নিয়ে এসেছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি)।
যেখানে লবণাক্ততার দরুন কৃষকরা উচ্চফলনশীল ধান চাষ করতে পারতেন না, সেখানে নতুন দিনের সূচনা করতে পারে ব্রি ধান৪৭।

প্রকৃতির বৈরিতা বেড়েই চলেছে by প্রকৌশলী এসএম ফজলে আলী

আজ সারা বিশ্বে হাহাকার উঠেছে প্রকৃতির জন্য। এ ধরার বুকে মানুষ নামের প্রাণীটি বেঁচে থাকবে কিনা। তবে এর জন্য প্রাণী নিজে কম দায়ী নয়। মানুষ নিজেই তার কর্মকাণ্ডে এ ধ্বংস ডেকে আনছে। কিছু ভোগবাদী মানুষের অর্থের লোলুপতার জন্য আজ এ হাল। বিগত পঞ্চাশের দশকে দেখেছি প্রকৃতি মানুষের বান্ধব হিসেবে কাজ করেছে।

পরিবেশ প্রতিমন্ত্রীর আশাবাদ ও প্রাসঙ্গিক কিছু কথা by ড. তারেক শামসুর রেহমান

কোপেনহেগেনে সদ্য শেষ হওয়া জলবায়ু সম্মেলন নিয়ে পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী একটি সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন গত ২২ ডিসেম্বর, যা পরদিন যথারীতি সংবাদপত্রে ছাপাও হয়। তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কোপেনহেগেনে গিয়েছিলেন। বিশাল এক প্রতিনিধিদলের তিনিও ছিলেন একজন সদস্য।

অবৈধ পণ্যের আমদানি বেড়েছেঃ বন্দর ব্যবস্থাপনা ঢেলে সাজানো দরকার

দেশের আমদানি-রফতানির প্রধান প্রবেশদ্বার চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে অবৈধ পণ্য আমদানি আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। সরকার বিভিন্ন সময়ে এ ব্যাপারে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার কথা বললেও তেমন কোনো ফলোদয় হয়নি। বালির বাঁধে রোধ করা যায়নি বানের পানি।

রাষ্ট্রদূত পদে রাজনৈতিক নিয়োগ বাড়ছেঃ কূটনৈতিক ক্ষেত্রে ক্ষতি হতে পারে

বিভিন্ন দেশে অবস্থিত বাংলাদেশের মিশনগুলোতে রাজনৈতিক বিবেচনায় রাষ্ট্রদূত এবং হাইকমিশনার নিয়োগ দেয়ার প্রবণতা আগেও ছিল। বর্তমান সরকারের আমলে তা মাত্রাছাড়া রূপ নিয়েছে। বর্তমান সরকারকে ক্ষমতায় আসতে নানাভাবে সহায়তা করার পুরস্কার হিসেবে এসব নিয়োগ দেয়া হচ্ছে বলে মনে করা হয়।

স্বশিক্ষিত বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবন by আইয়ুব হোসেন

‘স্বশিক্ষিত লোকমাত্রই সুশিক্ষিত’— বাংলাভাষার সুসাহিত্যিক মননশীল লেখক প্রমথ চৌধুরীর সুখ্যাত ও বহুল উচ্চারিত এ বাক্যটি কম-বেশি সবাই জানেন। তিনি তার প্রবন্ধসংগ্রহ বইয়ের একটি রচনায় এ বাক্যটি উল্লেখ করেছিলেন।