Saturday, March 31, 2018
একের পর এক পরাজয়ে দিশেহারা সৌদি আরব বিপজ্জনক খেলায় মেতেছে

এই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে যুবরাজ মুহাম্মদ বিন সালমান মার্কিন দৈনিক ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে দেয়া সাক্ষাতকারে আরো কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে ইরানের ওপর চাপ বাড়ানোর জন্য পাশ্চাত্যের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, "ইরানের ওপর আরো নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে আমরা সামরিক সংঘাত এড়াতে পারি। যদি এতেও আমরা সফল না হই তাহলে আগামী ১০ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে সৌদি আরব ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ করতে পারে।"
সৌদি যুবরাজের এ বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বাহরাম কাসেমি বলেছেন, অপরিণত সৌদি যুবরাজের অপরিপক্ক মন্তব্য মধ্যপ্রাচ্যে দেশটির অপরাধযজ্ঞের বিষয়ে জনমতকে বিভ্রান্ত করতে পারবে না। এই তরুণ যুবরাজ জানেই না যে, যুদ্ধ কী অথবা সে ইতিহাস পড়ে নি।" সৌদি যুবরাজ ইরানের শক্তি উপলব্ধি করতে পারে নি বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ইয়েমেন যুদ্ধে লজ্জাজনক পরাজয় ঢাকার জন্য সৌদি আরব পাগলের মতো অসংলগ্ন কথাবার্তা বলছে। সৌদি আরবের অভ্যন্তরে ইয়েমেনি যোদ্ধাদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা এবং ইয়েমেনিরা নিজেদের সীমান্তের ওপর নিয়ন্ত্রণ নেয়ায় সৌদি আরব কার্যত হতাশ হয়ে পড়েছে। এখন সৌদি কর্মকর্তাদের উচিত নিজেদের পরাজয় স্বীকার করা। এই পরাজয় সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের জন্যও সতর্ক সংকেত যাতে তারা ইয়েমেন যুদ্ধ থেকে নিজেদেরকে বিরত রাখে।
খ্যাতনামা আরব রাজনৈতিক বিশ্লেষক আব্দুল বারি আতাওয়ান বলেছেন, "ইয়েমেন যুদ্ধ সৌদি আরবের জন্য আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি ছাড়া আর কিছুই বয়ে আনেনি। এ ছাড়া, এটাও প্রমাণিত হয়েছে যে, সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে মোকাবেলায় ব্যর্থ। এসব লজ্জাজনক পরাজয়ের পর সৌদি আরব এখন বিপদজ্জনক খেলা শুরু করেছে।"
বাস্তবতা হচ্ছে, সৌদি আরব তার সাম্রাজ্য বিস্তার এবং দখলদার ইসরাইলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য মধ্যপ্রাচ্যে একের পর এক প্রক্সি কিংবা সরাসরি রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ শুরু করেছে। কিন্তু কোথাও বিজয়ের মুখ দেখেনি। ফিলিস্তিনের বিশেষজ্ঞ ও লেখক মুহাম্মদ ফার্স জারাদাত মনে করেন, মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার উপস্থিতি জোরদার করার জন্য সৌদি আরব যে বিপদজ্জনক খেলায় মেতেছে আজ হোক কাল হোক তা এক সময় সেই বিপদ রিয়াদের শাসকগোষ্ঠীকেই গ্রাস করবে।
বর্তমানে এ অঞ্চলের জাতিগুলোর কাছে আমেরিকার অশুভ লক্ষ্য উদ্দেশ্যের বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে গেছে এবং এটাও প্রমাণিত হয়েছে যে, সৌদি আরব ফিলিস্তিন ও লেবাননের প্রতিরোধ শক্তিগুলোকে ধ্বংস করার জন্য আমেরিকার হুকুমের গোলামী করছে। কিন্তু বর্তমানে পরিস্থিতি পাল্টে গেছে এবং সৌদি আরব মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে নিজেদের অনুকূলে আনতে পারবে না। কিছু অস্ত্র কিনে রিয়াদের আঞ্চলিক পরাশক্তি হওয়ার স্বপ্ন কখনই বাস্তবায়িত হবে না।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আসানসোলে প্রশাসনিক বৈঠক করলেন পশ্চিমবঙ্গের গভর্নর

প্রশাসনের কর্মকর্তারা গোলযোগপূর্ণ এলাকার বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে গভর্নরকে অবগত করেন। পরে আসানসোলের যেসব এলাকায় সহিংসতা সৃষ্টি হয় তার কিছু এলাকা পরিদর্শন করেন।
গভর্নর ত্রিপাঠি সাংবাদিকদের বলেন, শান্তির বার্তা দিতেই এখানে এসেছি। গভর্নর ত্রিপাঠি এদিন সংশ্লিষ্ট এলাকার সকলের উদ্দেশ্যে শান্তি, সম্প্রীতি ও পারস্পারিক সহিষ্ণুতা বজায় রাখার আহ্বান জানান।
এদিকে, আজ আসানসোল-রানিগঞ্জে যাওয়ার পথে কালনা মোড়ে পুলিশ রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদের বাধা দেয়। এসময় ক্ষুব্ধ কংগ্রেস সমর্থকরা রাজ্যে ক্ষমতাসীন তৃণমূল ও হিন্দুত্ববাদী বিজেপি’র বিরুদ্ধে ‘আসানসোলে দাঙ্গা সৃষ্টিকারী তৃণমূল-বিজেপি দূরহটো’, ‘আসানসোলের দাঙ্গা হল কেন, পুলিশ প্রশাসন জাবাব দাও’ বলে স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।
পুলিশি বাধা প্রসঙ্গে কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী বলেন, ‘ওরা বলছে ১৪৪ ধারা আছে, আমি বলছি জাতীয় সড়ক কী ১৪৪ ধারার আওতায় থাকতে পারে? এটা তো জাতীয় সড়ক। আমরা তো কোনো পাড়ায় ঢুকিনি, মহল্লায় ঢুকিনি। সরকারের এত ভয় কেন? যারা শান্তির কথা বলছে তাদেরকে ঘটনাস্থল থেকে দেড়/দুই কিলোমিটার দূরে আটকে দিয়ে সরকার কী বাহাদুরি দেখাচ্ছে? আজকে ওই ঘটনা কী ঘটতো যদি পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ, প্রশাসন সতর্ক থাকত?’
সম্প্রতি রামনবমীর শোভাযাত্রায় অস্ত্রমিছিল ও সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় গোলযোগপূর্ণ আসানসোল-রানীগঞ্জ এলাকার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক না হওয়ায় সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে ইন্টারনেট পরিসেবা বন্ধের মেয়াদ বাড়িয়ে আগামী ৪ এপ্রিল বেলা ২ টা পর্যন্ত করা হয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মালদ্বীপে ভারতের ব্যক্তিকেন্দ্রিক হস্তক্ষেপের ফল হতে পারে হিতে বিপরীত by পি কে বালাচন্দ্রন

মালদ্বীপের ঘটনা
মালদ্বীপে বিরোধী দলের নেতা মোহাম্মদ নাশিদের প্রতি পুরো সমর্থন দিয়ে ভারত সম্ভবত ভারত মহাসাগরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই দেশের বিরোধপূর্ণ পক্ষগুলোর মধ্যে মধ্যস্থতা করা ও শান্তি প্রতিষ্ঠার সোনালি সুযোগ হারিয়েছে। প্রকাশ্যে বিরোধী দলের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত ও প্রেসিডেন্ট আবদুল্লাহ ইয়ামিনের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণের মাধ্যমে মালদ্বীপের বিভক্ত ও দলকানা রাজনীতির পঙ্কিলতায় ভারত নিজেকে ডুবিয়ে ফেলেছে।
মালদ্বীপের রাজনৈতিক আনুগত্যের সংকীর্ণতা, প্রবল দুর্নীতি ও প্রতিষ্ঠানের প্রতি অশ্রদ্ধার কারণে ভারতের পক্ষে ক্ষমতায় থাকা কিংবা বিরোধী দলে থাকা কোনো নেতা, ব্যক্তি বা দলকে নিজেদের প্রতি একনিষ্ঠ দেখতে পাওয়া কঠিন হবে। প্রত্যেকেই ভারতকে সন্দেহের চোখে দেখবে। ভারত আনায়াসেই শান্তি প্রতিষ্ঠাকারী ও মধ্যস্থতাকারী হয়ে স্থিতিশীলতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা করতে পারত। এতে করে সে সবার মন জয় করতে পারত। কিন্তু দুঃখজনকভাবে সে তা করেনি।
ব্যক্তিবিশেষের প্রতি সমর্থন প্রদানের ফলে মালদ্বীপ সরকার ভারতের তহবিলপুষ্ট প্রকল্পগুলো বাতিল করে দিতে পারে কিংবা কার্যকর করা মন্থর করে দিতে পারে। হস্তক্ষেপ করছে না এমন দেশগুলোর প্রতি সরকার নজর দিতে পারে। কিন্তু এ ধরনের যেকোনো পদক্ষেপে ভারত ক্ষুব্ধ হয়ে সরকারকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করতে পারে। ভারতের জন্য ভালো হয় নিরপেক্ষ থেকে ক্ষমতায় যারাই থাকুক না কেন তাদের সাথেই কেবল কাজ করা। এ পন্থায় ভারত স্বেচ্ছাচারী বিরোধী দল থেকে নিজেকে সুরক্ষা করতে পারে, স্থানীয় রাজনৈতিক দল ও নেতাদের পক্ষ থেকে প্রতিহিংসামূলক পদক্ষেপ থেকে রক্ষা পেতে পারে।
মালদ্বীপের সাথে ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও ভৌগোলিক বন্ধনের কারণে দেশটিতে গঠনমূলকভাবে হস্তক্ষেপ করার দুর্দান্ত অবস্থানে ছিল ভারত। ভারতের এই অবস্থানের কাছাকাছিও অন্য কোনো দেশ ছিল না। চীন বা পাশ্চাত্যের অন্য কোনো দেশের এমন সুবিধাজনক অবস্থান নেই। প্রেসিডেন্ট আবদুল্লাহ ইয়ামিন, বিরোধী দলের নেতা মোহাম্মদ নাশিদসহ মালদ্বীপের সবাই ভারতকে বড়ভাই হিসেবে মেনে নিয়েছে। ভারতের বন্ধুসুলভ পরামর্শ সবই গ্রহণ করতে প্রস্তুত। কিন্তু এই চমৎকার সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে ব্যর্থ হয়েছে ভারত। জিএমআর বিমানবন্দর প্রকল্পটি বাতিল করায় ক্ষুব্ধ হয়ে মালদ্বীপ সরকারের সাথে মতবিনিময় বন্ধ করে দেয় ভারত। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে মালদ্বীপই একমাত্র দেশ, যেখানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এখনো সফর করেননি। বর্তমান সঙ্কটের ব্যাখ্যা করতে মালদ্বীপ যখন তার বিশেষ দূত ভারতে পাঠাতে চাইল, নয়া দিল্লি তাকে গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। মালদ্বীপের সংকট নিরসনে ভারত নিজেও বিশেষ দূত সেখানে পাঠাতে পারত। কিন্তু সে তা-ও করেনি।
জরুরি অবস্থা প্রত্যাহারের পর ভারত সেটির প্রশংসা করে নাশিদ ও ইয়ামিনকে একসাথে কাজ করার জন্য উদ্বুদ্ধ করতে পারত। কিন্তু নয়া দিল্লি এসব না করে ইয়ামিনের প্রতি কঠোর বার্তা দিয়েছে। তাকে ভারতের দাবিগুলো পূরণ করার জন্য চূড়ান্ত সময়মীমা বেঁধে দিয়েছে। এতে করে ভারত ও ইয়ামিন এমন এক স্থানে পৌঁছে যেতে পারে, যেখান থেকে তাদের ফেরার আর কোনো পথ থাকবে না। ভারতের অবস্থানের কারণে ইয়ামিন ২০১৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হতে ভোট বাগানোর জন্য মালদ্বীপের জাতীয়তাবাদী কার্ড ব্যবহার করতে পারেন। ছোট ও কৌশলগত অবস্থানে থাকায় বিভিন্ন রাষ্ট্রের প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা এড়িয়ে স্বাধীনতা রক্ষায় হিমশিম খেতে থাকা দেশটিতে জাতীয়তাবাদ ও ইসলাম হতে পারে প্রপাগান্ডার শক্তিশালী হাতিয়ার।
ভারতের বিবৃতি
ভারত ২২শে মার্চ এক বিবৃতিতে মালদ্বীপ সরকারের প্রতি সংবিধানের সব অনুচ্ছেদ পুনঃপ্রতিষ্ঠা; পূর্ণ স্বাধীনতা সহকারে সুপ্রিম কোর্ট ও বিচার বিভাগের অন্য সব বিভাগকে কাজ করতে দেয়া; পার্লামেন্টের অবাধ ও যথাযথ কার্যক্রম চালানোর সুযোগ প্রদান; ১লা ফেব্রুয়ারি দেয়া সুপ্রিম কোর্টের ফুল বেঞ্চের রায় বাস্তবায়ন; এবং পূর্ণাঙ্গ সুযোগ দিয়ে সত্যিকারের রাজনৈতিক সংলাপের প্রতি সমর্থন দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয, মালদ্বীপ সরকারে জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নির্বাচনের আগেই রাজনৈতিক ও সেইসঙ্গে আইনের শাসনের বিশ্বাসযোগ্য পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা। ভারত যখন বলে, তাদের নিরাপত্তা মালদ্বীপের শান্তি ও স্থিতিশীলতার সাথে সম্পর্কযুক্ত, তখন ভারতের এই বিবৃতিতে বলপ্রয়োগের সুস্পষ্ট ইঙ্গিত রয়েছে বলেই মনে হতে পারে।
মালদ্বীপের প্রত্যাঘাত
ভারতের এই বিবৃতির তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ জানিয়েছে মালদ্বীপ বলেছে, এই বিবৃতি তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের সামিল। শুক্রবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, মালদ্বীপ সরকার দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, সামপ্রতিক রাজনৈতিক ঘটনাবলী তাদের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিষয়। ফলে এসবের সমাধানও ঘরোয়াভাবে হওয়া উচিত। সূত্র: সাউথ এশিয়ান মনিটর
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইরানের সাহায্য ছাড়া সৌদি অবরোধ নস্যাৎ করা সম্ভব হতো না: কাতারি স্পিকার
![]() |
| কাতারের উপদেষ্টা পরিষদের স্পিকার আহমাদ বিন আবদুল্লাহ বিন জায়িদ আল-মাহমুদ |
তিনি বলেন, গত বছরের ৫ জুন কাতারের ওপর অবরোধ আরোপ করার পরপরই প্রতিবেশী ইরান তার আকাশ ও সমুদ্রসীমা দোহার জন্য উন্মুক্ত করে দেয়। ইরান এ সহযোগিতা না করলে কাতার তার লোকজন কিংবা পণ্য সামগ্রী বাইরে পাঠাতে পারত না। ইরান ও কাতারের মধ্যকার অব্যাহত সহযোগিতা ও সম্পর্কের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে আহমাদ বিন আবদুল্লাহ এসব কথা বলেন।
সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অনুষ্ঠিত সাম্প্রতিক আন্ত-সংসদীয় ইউনিয়নের ১৩৮তম অধিবেশনে যোগদানের অবকাশে সাংবাদিকদের সঙ্গে তিনি ইরান-কাতার সম্পর্ক নিয়ে কথা বলেন।
সন্ত্রাসবাদে সমর্থন এবং ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক রাখাসহ নানা অভিযোগে গত বছরের ৫ জুন সৌদি নেতৃত্বাধীন চারটি আরব দেশ কাতারের ওপর অবরোধ আরোপ করে। কিন্তু ইরান তাৎক্ষণিকভাবে কাতারের পাশে দাঁড়ায়। মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ তুরস্কও কাতারের সহযোগিতায় এগিয়ে আসে। প্রতিবেশীদের এ তৎপরতায় ক্ষুব্ধ হয় সৌদি আরব।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চীনে সেন্সরশিপের খড়গ, হয়রানির শিকার সাংবাদিক, আইনজীবী

সাংবাদিকরা মনে করছেন, তাদের উইচ্যাট একাউন্টের এক্সেস পেয়ে যাচ্ছে সরকারি কর্মকর্তারা। এর মধ্য দিয়ে তারা সাংবাদিকদের ওপর নজর রাখছে। একজন সাংবাদিক বলেছেন, অন্য শহরে আসা একজন সফররত বন্ধুর সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়ে উইচ্যাটে কথা বলার পর স্থানীয় কর্মকর্তারা ওই বন্ধুর পারিবারিক খোঁজখবর নিচ্ছেন। তাদের পরিবারে একজন সাংবাদিককে ঠাঁই না দেয়ার জন্য শাসিয়ে যাচ্ছেন। ওই সাংবাদিক সিপিজে’কে আরো বলেছেন, কর্মকর্তারা তাদের পূর্ণাঙ্গ নাম ও তাদের সংবাদ মাধ্যমের নাম নিয়ে নিচ্ছেন। এমন কড়াকড়ি নজরদারির অর্থ হলো, উইচ্যাট ও সিনা উইবো ব্যবহার ক্রমবর্ধমান হারে বাতিল করছেন সাংবাদিকরা। ওই সাংবাদিক বলেন, এর অর্থ হলো চীনে সাংবাদিককরা করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য। আমার সাক্ষাতকারের বিষয়টিও অত্যন্ত বিপদসঙ্কুল হয়ে পড়েছে। এটা কঠিন হলেও আমরা তো তা বন্ধ করতে পারি না। কারণ, এতে আমাদেরকে আরো বেশি পেশাদারিত্ব দেখাতে হয়। সৃষ্টিশীলতা দেখাতে হয়। অব্যাহত রাখতে হয় রিপোর্টিং।
চীনে যে শুধু ইন্টারনেট বা সামাজিক মিডিয়ার গলা টিপে ধরা হয়েছে তা-ই নয়। ফ্রান্সের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে পরিচালিত রেডিও ফ্রান্স ইন্টারন্যাশনালের চীনা প্রতিনিধি ফরাসি সাংবাদিক হেইকি শমিডট। মার্চের শুরুর দিকে তাকে আটক করে বেইজিং পুলিশ। প্রায় এক ঘন্টা তাকে আটকে রাখা হয। তার ভয়েস রেকর্ডার জব্দ করা হয়। এসব কথা সিপিজেকে বলেছেন ওই সাংবাদিক। হেইকি শমিডট বলেছেন, তাকে থামানো হয়। সংবিধান সংশোধনের ভোট নিয়ে একটি মলে লোকজনের সাক্ষাতকার নেয়ার বিষয়ে তাকে প্রশ্ন করা হয়।
আন্তর্জাতিক পর্যায়ের সাংবাদিকদের যখন দীর্ঘ সময় আটক রাখার চেয়ে তাদের দেশে ফেরত পাঠানো হয়, সেখানে স্থানীয় সাংবাদিক ও মিডিয়ার সোর্স, তাদের পরিবার ও আইনজীবীরা রয়েছেন আরো কঠিন ঝুঁকিতে।
চীনা বংশোদ্ভূত মার্কিন সাংবাদিক চেন সিয়াওপিংয়ের রিপোর্টের বদলা নিতে কর্তৃপক্ষ আপাতদৃষ্টে মনে হয় তার স্ত্রীকে তুলে নিয়ে গেছে। এরপর গুয়াংঝৌ শহরে তার বাড়ি থেকে কিভাবে তার স্ত্রী নিখোঁজ হলেন তা নিয়ে জানুয়ারিতে প্রামাণ্য ডকুমেন্ট উপস্থাপন করে সিপিজে। ১০ই ফেব্রুয়ারি পুলিশ আটক করে সু কিংন’কে। তিনি নিরপেক্ষ মানবাধিকার বিষয়ক গবেষক। তার নিউজ এজেন্সি সূত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এমন তথ্য দিয়েছে রেডিও ফ্রি এশিয়া। চীনের কমিউনিস্ট পার্টির সমালোচনা করে একটি লেখা পুনর্মুদ্রণ করেছিলেন সাংবাদিক সান লিন। তার বিষয়ে কয়েকদিন আগে রেডিও ফ্রি এশিয়াকে সাক্ষাতকার দেন সু কিন। এর কয়েকদিনের মধ্যেই সু কিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার পরিবারকে এ কথা জানিয়ে দেয় পুলিশ। আলোচিত এ দু’জনই এখনও জেলে রয়েছেন।
শুধু সাংবাদিকরাই নন। সাংবাদিক ও সরকারের সমালোচকদের প্রতিনিধিত্বকারী আইনজীবীরাও হয়রানির শিকার হচ্ছেন। ৬৪ তিয়ানওয়াং নিউজভিত্তিক ওয়েবআসিটের প্রকাশক হুয়াং কি’র প্রতিনিধিত্ব করছিলেন আইনজীবী সুই মুকিং। কিন্তু গুয়াংডং ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস তাকে নিষিদ্ধ করে ১২ই ফেব্রুয়ারি। স্থানীয় আইন মন্ত্রণালয় থেকে ওই আইনজীবীকে একটি নোটিশ পাঠানো হয়। তাতে অসভ্য, আক্রমণাত্মক কথাবার্তার জন্য তাকে নিষিদ্ধ করা হয়। সুই মুকিং সিপিজেকে বলেছেন, তাকে এভাবে নিষিদ্ধ করায় অন্য আইনজীবীরা আতঙ্কিত হবেন, যারা মানবাধিকারের পক্ষে কথা বলেন। মানবাধিকার বিষয়ক কর্মীদের কথা বলেন। রাজনৈতিক অপরাধের দায়ে অভিযুক্তদের পক্ষে কথা বলেন। চীনে জেলে আছেন সাংবাদিক ওয়াং শুরোং। তার প্রতিনিধিত্ব করছেন আইনজীবী লিন কিলেই। তিনি সিপিজেকে বলেছেন, সুই মুকিংকে নিষিদ্ধ করার পর তিনি চাপ অনুভব করছেন। তবে মানসিকভাবে তিনি প্রস্তুত আছেন। না হয় জেলই হবে। তিনি বলেন, আমি মনে করি আমি একজন আইনজীবী। আমার মক্কেলের পক্ষাবলম্বন করা আমার দায়িত্ব। আমার বেশির ভাগ মক্কেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ জনস্বার্থ বিরোধী অথবা সামাজিক ইস্যু নিয়ে কথা বলা। আমি তাদের পক্ষে কথা বলছি। আমি তাদের হয়ে কথা বলে যাবো।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুক্তরাষ্ট্রে সৌদি ক্রাউন প্রিন্স ও ইহুদি নেতাদের বৈঠক

খবরে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রে মোহাম্মদ বিন সালমান কট্টর ইসরাইলপন্থী দল আমেরিকান ইসরাইল পাবলিক অ্যাফেয়ার্স কমিটি (আইপাক), স্ট্যান্ড আপ ফর ইসরায়েল (এডিএল) ও জিউয়িল ফেডারেশন ফর নর্থ আমেরিকার (জেএফএনএ) নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এই দলগুলো ফিলিস্তিনে অবৈধ বসতি স্থাপন করার জন্য ইসরাইলকে লাখ লাখ ডলার আর্থিক সহায়তা প্রদান করে থাকে। ২০১২ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত মাত্র তিন বছরে অবৈধ বসতি স্থাপনের জন্য ইসরাইলকে ৬০ লাখ ডলার অর্থ সহায়তা দিয়েছিল এসব দলগুলো। এরা ফিলিস্তিনে অবৈধ বসতি-বিরোধী সংগঠন ‘বয়কট, ডিভেস্টমেন্ট অ্যান্ড স্যাঙ্কশন (বিডিএস)’ এর বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইসরাইলকে উস্কে দেয়। আর বিডিএস অসহিংসভাবে ইসরাইলের ওপর অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগ করে ফিলিস্তিনিদের মানবাধিকার ফিরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করে। বিডিএসকে নিষিদ্ধ করার জন্য ইহুদিবাদী দলগুলো লাখ লাখ ডলার ব্যায় করেছে।
এদিকে, মোহাম্মদ বিন সালমান ও ইহুদি নেতাদের বৈঠকের ঘটনা দু’দেশের মধ্যে উষ্ণ সম্পর্ক থাকার প্রমাণ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। কাতার বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মাহজুব জুবেইরি বলেন, ক্রাউন প্রিন্স সৌদি আরবকে নতুন রুপে উপস্থাপন করার চেষ্টা করছেন। আর ওয়াশিংটনের প্রবেশপথ নিয়ন্ত্রণ করে আইপাকসহ অন্য ইহুদিবাদী দলের নেতারা। মোহাম্মদ বিন সালমান এই কৌশল নিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রকে তিনি বোঝাতে চান, ইসরাইল ও ফিলিস্তিনে মার্কিন প্রশাসনের নেয়া যে কোন সিদ্ধান্তের প্রতি সৌদি আরবের সমর্থন রয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাপ্তাই হ্রদে মৎস্য আহরণে অভাবনীয় সাফল্য by আলমগীর মানিক

বিএফডিসি সূত্রে জানা গেছে, এ বছর বিগত বছরের চেয়ে অন্তত এককোটি টাকা বেশি অর্থাৎ প্রায় সাড়ে ১৩ কোটি টাকা রাজস্ব আয় হতে চলেছে। সর্বশেষ পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, রাঙ্গামাটি বিএফডিসিতে বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে ৫ থেকে সাড়ে ৫ লাখ টাকা রাজস্ব আয় হচ্ছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সর্ববৃহৎ কৃত্রিম জলাশয় কাপ্তাই হ্রদের ইতিহাসে রাজস্ব আয়ের এই হার হবে গত অর্ধশতাব্দীর মধ্যে সর্বোচ্চ। মৎস্য ব্যবস্থাপনায় বিএফডিসি কর্তৃক বিভিন্ন কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে হ্রদের মৎস্য উৎপাদন উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেয়েছে। ইতিমধ্যেই বিগত কয়েক বছরের অতীত রেকর্ড অতিক্রম করেছে কাপ্তাই হ্রদের সার্বিক চিত্র।
সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিএফডিসি ব্যবস্থাপনায় মৎস্য প্রজনন মৌসুমে অবৈধ মৎস্য আহরণ ও পাচার রোধ, মৎস্য আইন বাস্তবায়ন, কার্প জাতীয় মাছের পোনা অবমুক্তি এবং অভয়াশ্রমে কার্যকর ব্যবস্থাপনার ফলেই এমন সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়েছে। অথচ হ্রদ সৃষ্টির পর প্রথম কয়েক বছরের সাফল্যের ধারাবাহিকতাকে ব্যাহত করে বিগত কয়েক বছর এই হ্রদে মৎস্য উৎপাদন ও রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে আশানুরূপ সাফল্য না থাকায় হতাশ হয়ে পড়েছিল স্থানীয় প্রশাসন, মৎস্যজীবী ও সরকারের ঊর্ধ্বতন মহল। সূত্র মতে, এ বছর সাফল্যের যে ধারাবাহিকতা সৃষ্টি হয়েছে, তা আরো স্পষ্ট হতো যদি বিগত মওসুমে পাহাড়ধসের মতো বিপর্যয় বা কাপ্তাই বাঁধে পানি অপসারণের হার নিয়ে টানাপড়েন সৃষ্টি না হতো।
মৎস্যজীবীরা জানান, পাহাড়ধসের কারণে হ্রদের পানিতে যে প্রাকৃতিক প্রতিকূলতা দেখা দিয়েছে; তথা জেলেদের জাল প্রক্ষেপণে স্রোতের যে প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হচ্ছে তাতে সবাই মনে করেছিলেন এবার মাছ ব্যবসা লাটে উঠবে। কিন্তু সবার ধারণা মিথ্যা প্রমাণ করে রাজস্ব আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। এর অন্যতম কারণ হলো বেশি ওজনের কার্প জাতীয় মাছের আমদানি বৃদ্ধি এবং বিপণন ব্যবস্থায় দুর্নীতি অপনোদন।
বর্তমান সময়ে কাপ্তাই হ্রদের বিগত বছরগুলোর তুলনায় বিপুল পরিমাণ মাছ আহরিত হচ্ছে। কারণ হিসেবে জেলেরা জানিয়েছেন, বিগত বছরে গণহারে সৃষ্ট অবৈধ ঝাঁক অপসারণ, কঠোর নজরদারি, ব্যবসায়ী ও জেলেদের মধ্যে সচেতনতাবৃদ্ধি করায় তদুপরি তাদের সার্বিক সহযোগিতার ফলে মাছ আহরণ বন্ধ মৌসুমে মা মাছ নির্ঝঞ্ঝাটে ডিম ছেড়েছে কাপ্তাই হ্রদে। এতে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার অনেক বেশি পরিমাণে বড় মাছ বিশেষ করে রুই, কাতাল, মৃগেল, কালিবাউস, চিতল, বোয়াল, বাচা-পাবদাসহ ছয় ইঞ্চিরও বেশি পরিমাপের চাপিলা মাছ ধরা পড়ছে জালে।
স্থানীয় মৎস্যজীবী, ব্যবসায়ীসহ বিএফডিসি’র সূত্রে পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, বর্তমান সময়ে কাপ্তাই হ্রদ থেকে প্রতিদিন গড়ে ৩৫ থেকে ৪০ টন মাছ আহরিত হলেও রাঙ্গামাটি বিএফডিসি তথা মৎস্য অবতরণ ঘাটে মাছ আসছে গড়ে ১৮ থেকে ২০ টন। বাকি মাছগুলো স্থানীয় বাজারসহ নানা স্থান দিয়ে অন্যত্র পাচার হয়ে যাচ্ছে। এতে করে স্থানীয় বাসিন্দারা স্বল্পমূল্যে মাছ সংগ্রহ করতে পারছেন এবং এ অঞ্চলে আগত পর্যটকরাও কাপ্তাই হ্রদের মাছগুলোর স্বাদ গ্রহণ করতে পারছেন সাধ্যের মধ্যেই।
বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি)র রাঙ্গামাটি কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক নৌ-বাহিনীর কমান্ডার মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, এছর রাঙ্গামাটির কাপ্তাই হ্রদে অন্যান্য বছরের তুলনায় রেকর্ড পরিমাণ রাজস্ব আয় হবে। তিনি বলেন, নানা প্রতিকূলতা ও বৈরী পরিবেশের মধ্যেও সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সময়োগযোগী পদক্ষেপের কারণেই এই সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়েছে। তিনি জানান, আমাদের কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় আগামী অর্থবছরে কাপ্তাই হ্রদ থেকে অন্তত দ্বিগুণ পরিমাণ রাজস্ব আদায়ের সম্ভাবনা ইতিমধ্যেই সৃষ্টি হয়েছে। কারণ হিসেবে কমান্ডার আসাদ উল্লেখ করেন, বিগত বছরগুলোতে আমরা দেশের সমতল এলাকা থেকে কার্প জাতীয় মাছের পোনা সংগ্রহ করে রাঙ্গামাটিতে এনে কাপ্তাই হ্রদে অবমুক্ত করতাম। এতে করে প্রায় সময় পোনার একটি অংশ পরিবহনেই মারা যেত, আবার আরেকটি অংশ হ্রদের পানিতে অবমুক্তের কয়েকদিনের মধ্যেই মরে ভেসে উঠতো। সেই বিষয়টি সার্বিকভাবে অনুধাবন করেই সরকার রাঙ্গামাটিতে প্রায় ১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে সম্পূর্ণ দেশি প্রযুক্তিতে পোনা উৎপাদন কেন্দ্র তথা পূর্ণাঙ্গ হ্যাচারি স্থাপন করেছে। জেলার লংগদু উপজেলাধীন মারিশ্যাচর এলাকায় স্থাপিত এই হ্যাচারিতে দেশি প্রজাতির মাছের পোনা উৎপাদনে ইতিমধ্যেই আমরা আশানুরূপ সফলতা অর্জন করেছি। এই হ্যাচারির মাধ্যমেই আমরা বর্তমানে বছরে ৬০ টন মাছের পোনা উৎপাদন করতে পারছি। তিনি বলেন, আমরা বাহির থেকে ক্রয় করে মাত্র ২৫ থেকে ৩০ টন পোনা কাপ্তাই হ্রদে অবমুক্ত করলেও এ বছর আমাদের নিজস্ব হ্যাচারিতে উৎপাদিত আগের ক্রয় করার চেয়ে দ্বিগুণ মাছের পোনা কাপ্তাই হ্রদে অবমুক্ত করবো ইন্শাআল্লাহ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মোটরসাইকেল চালকদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানালো ট্রাফিক পুলিশ

ট্রাফিক পুলিশের ইনচার্জ মোঃ সালাউদ্দীন মামুন জানান, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় বড় ধরনের ক্ষতি এড়াতে হেলমেট পরিধানে জনগণকে সচেতন করতে এ ধরনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সম্প্রতি বান্দরবানে মটর সাইকেল দুর্ঘটনায় নিহতের হার বেড়ে যাওয়ায় হেলমেট পড়তে জনগণকে উৎসাহিত করতে পুলিশের পক্ষ থেকে এ ধরনের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বেশীর ভাগ মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় হেলমেট না পরার কারণে চালকরা মারা যায়। হেলমেট পড়া থাকলে অনেকাংশে বড় ধরনের আঘাতের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। তাই বান্দরবান ট্রাফিক পুলিশের পক্ষ থেকে এ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে, যাতে তাদের দেখে অন্যরা হেলমেট পড়তে উৎসাহিত হয়।
ট্রাফিক পুলিশের এ ধরনের ব্যতিক্রমী উদ্যোগে খুশি মটর সাইকেল চালকরাও। কিছু মোটরসাইকেল চালক জানান, পুলিশ সবসময় মোটর সাইকেল দাড় করিয়ে মামলা দেয় কিন্তু আজকে ফুল দিচ্ছে। তাই যারা হেলমেট ছাড়া গাড়ি চালায় পুলিশের উৎসাহ দেখে আজকে থেকে তারাও হেলমেট পড়ে গাড়ি চালাবে।
উল্লেখ্য, আজ দুপুরে শহরের বালাঘাটা এলাকায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় হেলমেট না পড়ায় মাথায় আঘাত পেয়ে ঘটনাস্থলেই এক চালকের মৃত্যু হয় এবং দুজন গুরুত্ব আহত হন। এর পর থেকে পুলিশের তৎপড়তা বেড়ে যায়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নদী যেখানে মরা খাল by আবদুল আলীম

উজান থেকে নেমে আসা বর্ষার পানি নামতে পারে না ভাটিতে। ফলে সামান্য বৃষ্টিতে নদীর পানি দুই কূল ছাপিয়ে জনপদে ঢুকে সৃষ্টি করছে জলাবদ্ধতার। প্রতি বছর অস্বাভাবিক বন্যায় ক্ষতি হচ্ছে ফসলের। পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করে হাজার হাজার মানুষ।
জেলা ত্রাণ ও কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, অকাল বন্যায় প্রতি বছর প্রায় ২০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়। সেই হিসাবে গত ১১ বছরে ক্ষতির পরিমাণ কয়েক শ’ কোটি টাকা। অথচ নদীগুলো সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেই। প্রতি বছর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে নদী খননের প্রস্তাব পাঠালেও কোনো পদক্ষেপ নেই সরকারের। নদীগুলোতে পানিপ্রবাহ সৃষ্টি করতে না পারলে আগামী ৩০ বছরের মধ্যে এ এলাকায় মরু পরিবেশ সৃষ্টি হবে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় পানি বিশেষজ্ঞরা।
ভারতীয় সীমানার অভ্যন্তরে সৃষ্টি হয়ে বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা দিয়ে জয়পুরহাট জেলায় প্রবেশ করেছে ছোট যমুনা ও চিরি নদী আর উত্তরের জেলা দিনাজপুর থেকে তুলসীগঙ্গা ও গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জের মাঠ থেকে হারাবতি নদীর সৃষ্টি। একসময় সারা বছর পানিতে ভরা থাকত নদীগুলো।
নৌকা চলত নিয়মিত, মাঝির গলায় উঠত গান আর দু-পারের কৃষি জমিতে সেচ চলত সেই পানি দিয়ে। নদীতে সারাবছর পানি থাকায় দু’পারের মানুষের সেতু বন্ধনের জন্য কিছুদূর পরপর তৈরি হয়েছে সেতু। দূরবর্তী এলাকার সঙ্গে যোগাযোগের জন্য সড়কপথের চেয়ে নদীপথ ব্যবহৃত হতো বেশি। পার্শ্ববর্তী জেলার সঙ্গে যোগাযোগের প্রধান মাধ্যমই ছিল এই নদীগুলো। শুষ্ক মৌসুমে নদীগুলো এখন খটখটে। সবুজে ভরে যায় তার বুক। বোরো মৌসুমে নদীর বুকে অগভীর নলকূপ বসিয়ে সেচকাজ করেন কৃষক।
১৯৮২ সালে তৎকালীন সরকারের আমলে তুলসীগঙ্গা নদী খনন কাজ শুরু হলেও পরে অজ্ঞাত কারণে তা বন্ধ হয়ে যায়। বাকি তিনটি নদী জন্মের পর কোনোদিনই খনন করা হয়নি বলে জানায় স্থানীয় পানি উন্নয়ন বিভাগ। দ্রুত পানি নিষ্কাশনের জন্য তৈরি স্লুইচ গেটগুলোও এখন অচল।
জয়পুরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী আপেল মাহমুদ জানান, প্রতি অর্থবছরই জেলার নদীগুলো খননের জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়। ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে ছোট যমুনা, তুলসীগঙ্গা, হারাবতি ও চিরি নদীর ১০২ কিলোমিটার খননের জন্য ১৩৪ কোটি টাকার একটি প্রস্তাব পাঠানো হয় কিন্তু সরকার ও দাতা সংস্থার টানাপড়েনের কারণে তা আজও বাস্তবায়িত হয়নি। বেসরকারিভাবেও নদী রক্ষায় নেই কোনো উদ্যোগ। পরিবেশ রক্ষার নামে দাতা সংস্থার কাছ থেকে প্রতিবছর কোটি কোটি টাকার ফান্ড সংগ্রহ করলেও নদী রক্ষায় এগিয়ে আসেনি কোনো এনজিও।
পানি উন্নয়ন বিভাগে কর্মরত পানি বিশেষজ্ঞরা জানান, নদী খনন করে পানিপ্রবাহ সৃষ্টি করতে না পারলে আগামী ৩০ বছরের মধ্যে এ অঞ্চলের প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা না হওয়ায় পরিবেশ বিপর্যয় ঘটবে। স্থায়ী মরুভূমিতে পরিণত হবে জয়পুরহাটসহ বিস্তীর্ণ এলাকা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দুটি স্বপ্নের মৃত্যু: মানিকগঞ্জে আতঙ্কের নাম হ্যালোবাইক by রিপন আনসারী

এই দুর্ঘটনার তিন দিন যেতে না যেতেই হ্যালোবাইকের চাপায় নিভে যায় আরেকটি স্বপ্ন। মঙ্গলবার সকালে প্রতিদিনের মতোই মানিকগঞ্জ শহরের পশ্চিম দাশড়া এলাকার বাসিন্দা ওমর ফারুকের শিশুপুত্র তিতুমীর একাডেমির প্লে গ্রুপের শিক্ষার্থী শোয়েব হোসেন স্কুলে যায়। স্কুল ছুটি শেষে খালার সঙ্গে রাস্তা পার হতে গেলে দ্রুতগামী একটি হ্যালোবাইক শিশুটিকে পেছন থেকে চাপা দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় শোয়েবকে নিয়ে যাওয়া হয় মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে। ঘণ্টাখানেক পর সকলকে কাঁদিয়ে চলে যায় না ফেরার দেশে। নিহত শোয়েবের বাবা ওমর ফারুক ঢাকায় গোয়েন্দা বিভাগে কর্মরত আছেন। আর মা সোমা আক্তার মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালের সেবিকা। দুর্ঘটনায় দুটি স্বপ্নের অকাল মৃত্যুতে এখন হ্যালোবাইক আতঙ্কে রয়েছে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা। হলি ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক মো. আকরাম হোসেন বলেন, মানিকগঞ্জ শহরে হ্যালোবাইকের উৎপাত অনেক বেড়ে গেছে। বাচ্চাদের নিয়ে স্কুলে আসা-যাওয়ার পথে এই ক্ষুদে যানবাহন খুবই বিরক্তকর। স্কুলের সামনে দিয়ে যেভাবে দ্রুতগতিতে এই যানগুলো চলাচল করে এতে বাচ্চাদের নিয়ে সবসময়ই আতঙ্কে থাকতে হয়। এ বিষয়ে পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ করা খুবই জরুরি বলে আমি মনে করি।
মানিকগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক লাভলু খান বলেন, স্কুল আর রাস্তার দূরত্ব জিরো মিটার। রাস্তার সঙ্গে স্কুল তারপরও হ্যালোবাইক যেভাবে বেপোরোয়া ভাবে চলাচল করে তা দেখার কেউ নেই। মানিকগঞ্জ শহরের বাসিন্দা সিনিয়র সাংবাদিক খোন্দকার আশরাফুন নবী বলেন, পর পর দুটি দুর্ঘটনায় দুই কোমলমতি শিশু নিহত হওয়ায় হ্যালোবাইক এখন শহরবাসীর কাছে আতঙ্কের নাম। অবৈধ এই যানবাহন শহরে যানজটের পাশাপাশি প্রায় দুর্ঘটনা ঘটিয়ে নাগরিক জীবন বিষিয়ে তুলেছে। গায়ে গায়ে লেগে থাকা হ্যালোবাইকের জন্য রাস্তায় হাঁটাচলা করাটাই এখন রীতিমতো বিপদ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
হলিফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক মো. গোলাম মোস্তফা বলেন, আমার স্কুলের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুর পর থেকে হ্যালোবাইক আমাদের কাছে একটি আতঙ্কের বিষয়। স্কুলের সামনে এবং শহরের মধ্য দিয়ে যেভাবে বেপরোয়াগতিতে হ্যালোবাইক চলাচল করছে তা নিয়ন্ত্রণে আনা জরুরি। এদিকে গত কয়েক দিনে হ্যালোবাইকের চাপায় দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় টনক নড়েছে পৌর কর্তৃপক্ষের। তারা শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে তল্লাশি চালাচ্ছে অবৈধ হ্যালোবাইক শনাক্তে। জানিয়েছেন, পৌরসভার তালিকায় সাড়ে ৫শ’ হ্যালোবাইক অনুমোদন দেয়া আছে। কিন্তু অনুমোদন ছাড়া এখনো অনেক হ্যালোবাইক রোডে চলছে বলে জানিয়েছেন এক পৌর কর্মকর্তা। সেগুলো শনাক্ত করা হচ্ছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মৃত্যুফাঁদ

এমন বক্তব্য সেতুর বশরুজ্জামান গোল চত্বর এলাকায় ট্রাফিক ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণে কর্মরত ট্রাফিক ইন্সপেক্টর অচ্যুত দাশগুপ্তের। শুধু তিনি নন, একই বক্তব্য ওই চত্বরের পুলিশ বক্সে কর্মরত ট্রাফিক সার্জেন্ট আজিজ, এএসআই সুবল ও কনস্টেবল অনিলেরও।
তারা বলেন, নানা অনিয়মের কারণে এই গোল চত্বরে ট্রাফিক আইন নিয়ন্ত্রণ করা খুবই কষ্টকর। বলতে গেলে প্রতিদিন যানজট নিরসনের মাধ্যমে সড়ক সচল রাখতে গলদঘর্ম হতে হচ্ছে। তার উপরে নেই প্রয়োজনীয় লোকবল। ফলে প্রায়ই কোনো না কোনো দুর্ঘটনা এই চত্বর দুটিতে ঘটছেই।
তারা জানান, দক্ষিণ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার থেকে নগরীতে প্রবেশ ও বাহির পথে প্রায় সময়ই বাস-ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী সিএনজি, ট্যাক্সি, ভ্যান, রিকশাকে চাপা দেয়। এই চত্বরে প্রতিবছর বড় ধরনের ১৮-২০টি দুর্ঘটনা ঘটে। এরমধ্যে কোনো কোনো মাসে ৪-৫টি, আবার কোনো কোনো মাসে ২-৩টি, আবার কোনো মাসে হয়তো ঘটে না এমনও হয়ে থাকে। কিন্তু ছোট ও মাঝারি ধরনের দুর্ঘটনা লেগেই আছে। আর এসব দুর্ঘটনায় প্রাণহানির পাশাপাশি আহত হয়ে পঙ্গুত্ববরণও করতে হয় যাত্রীদের।
ট্রাফিক ইন্সপেক্টর অচ্যুত দাশগুপ্ত জানান, সর্বশেষ শনিবার বাঁশখালী থেকে নগরমুখী আসা বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সিএনজি ট্যাক্সি ও রিকশা ভ্যানকে চাপা দিলে ৬ যাত্রী গুরুতর আহত হয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এর আগে ১৭ই মার্চ যাত্রীবাহী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়। এতে এক যাত্রী নিহত ও ২০-২১ জন যাত্রী আহত হয়। এরপর ১২, ৯ ও ৩ মার্চ তিনটি দুর্ঘটনা ঘটে। এর আগে ২৪শে জানুয়ারি এবং ফেব্রুয়ারি মাসে পৃথক পৃথক দুর্ঘটনায় ৩ যাত্রী নিহত ও অর্ধশতাধিক যাত্রী আহত হন। তিনি বলেন, যাত্রীবাহী বাসের পাশাপাশি পণ্যবাহী ট্রাক-কাভার্ডভ্যান দুর্ঘটনার শিকার হয় বেশি। এর কারণ সড়কের মাঝে যে ডিভাইডার রয়েছে তা নিরাপদ নয়। ট্রাক-কাভার্ডভ্যানের সঙ্গে আইল্যান্ড লেগে যায়। তাছাড়া সেতু নামার পথে সড়কে কোনো স্পিডব্রেকার না থাকায় প্রায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয় বাস-ট্রাকও কাভার্ডভ্যান। তার উপরে গোল চত্বরগুলো অপ্রশস্ত। এ অবস্থায় সড়কের ওপর চালকরা দাঁড় করিয়ে রাখে শত শত বাস ও ট্রাক। এসব সরানোর জন্য চাপ দিলে তার চেয়ে ওপর মহল থেকে চাপ আসে আরও বড় ধরনের। যার কারণে মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে শাহ আমানতের গোল চত্বর দুটি।
সরজমিনে দেখা যায়, কর্ণফুলী নদীর এপার-ওপারে সংযোগ স্থাপনকারী চার লেনের শাহ আমানত সেতু দিয়ে দক্ষিণ চট্টগ্রাম, পর্যটন নগরী কক্সবাজার ও পার্বত্য জেলা বান্দরবানের ১৯টি সড়কের গাড়ি যাতায়াত করছে। সঙ্গে পণ্যবাহী ট্রাক কিংবা দূরপাল্লার বাস তো আছেই। এই সেতুর দুই পাশে নির্মিত ত্রুটিপূর্ণ গোল চত্বর দুটি সরিয়ে নিতে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী দু’বছর আগে নির্দেশ দিয়ে গেলেও সেটি এখনো সরানো হয়নি। বরং, দুর্ঘটনা রোধে সড়ক বিভাগ গোল চত্বরটির চতুর্দিক আরও চার ফুট আকারে ছোট করে। এতে দুর্ঘটনা তো কমেইনি, বরং বেড়েছে। গোল চত্বরের চারপাশে সব ধরনের যানবাহন যাত্রী তোলার প্রতিযোগিতায় লিপ্ত থাকায় দুর্ঘটনা এড়ানো যাচ্ছে না বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। স্থানীয় লোকজন জানান, গোল চত্বরের চারপাশে সব সময় বাস, সিএনজি ট্যাক্সি বা রিকশার চালকরা যাত্রী উঠানোর জন্য সড়কের ওপর দাঁড়িয়ে থাকেন। এতে দুর্ঘটনা যেমন ঘটে তেমনি যানজটের সৃষ্টি হয়। যানজট নিরসন ও দুর্ঘটনা রোধে গোল চত্বর এলাকাটিতে চারমুখী সড়কে ৪টি ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা (সিসিটিভি) স্থাপন করা হলেও তেমন কোনো পরিবর্তন আসেনি। ট্রাফিক বিভাগের দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের চোখের সামনেই প্রবেশ ও বাহির পথটিতে সব সময় যানজট লেগেই থাকে। শাহ আমানত পুলিশ বক্সের সামনে সিএনজি ট্যাক্সিচালক মোহাম্মদ হারুন বলেন, দক্ষিণ চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও বান্দরবান জেলা থেকে আসা যাত্রীদের ভাড়ায় উঠানোর জন্য, ঝুঁকি নিয়ে দাঁড়াতে হয়। সড়কের ওপর না দাঁড়ালে যাত্রী পাওয়া যায় না বলে জানান ওই চালক।
সিএনজি ট্যাক্সির লাইনম্যান মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন বলেন, শহর এলাকার যাত্রীদের উঠানোর জন্য চালকরা পাগল হয়ে পড়ে। অনেকবার বারণ করেও চালকদেরকে রোধ করা যায় না। দুর্ঘটনায় সিএনজি ট্যাক্সির ক্ষতি ছাড়াও চালকও মারা গেছে। তবুও সড়কের ওপর দাঁড়িয়ে যাত্রী নেওয়া বন্ধ হয়নি।
তিনি বলেন, ট্রাফিক বিভাগের দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের গাফিলতি, দায়িত্বজ্ঞানহীনতা ও অনিয়মের কারণেই সেখানে অব্যবস্থাপনা সৃষ্টি হয়। ট্রাফিক পুলিশ চাইলে মুহূর্তের মধ্যে তা বন্ধ করতে পারে।
সড়ক ও জনপথ বিভাগের চট্টগ্রাম জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী রাশেদুল আলম বলেন, চালকদের অদক্ষতাই গোল চত্বরে দুর্ঘটনার মূল কারণ। চালকরা গাড়ি ছাড়ার আগে যেমন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে না, তেমনি ট্রাফিক আইনও মানে না। সড়কের ওপর গাড়ি দাঁড়িয়ে রেখে যাত্রী উঠানামা করে। ফলে দুর্ঘটনা ঘটছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
৬১ বছরের পুরনো রাজউকের ‘টাওয়ার ঘড়ি’ নতুন রূপে ফিরছে by দীন ইসলাম

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সৌদি যুবরাজ চান মার্কিন সেনারা সিরিয়ায় থাকুক

বৃহস্পতিবার ‘টাইম’কে দেয়া দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে বিন সালমান বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি মার্কিন সেনারা যদি দীর্ঘ মেয়াদে নাও থাকে তবে তাদের অন্তত মধ্য-মেয়াদে সিরিয়ায় অবস্থান করা উচিত।” এর কয়েক ঘণ্টা আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ওহাইও’র রিচফিল্ডে এক সমাবেশে উল্লসিত জনতার উদ্দেশে ঘোষণা করেন যে, শিগগিরি সিরিয়া থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করা হবে।
ট্রাম্প বলেন, “খুব শিগগিরি আমরা সিরিয়া থেকে চলে আসব। এখন থেকে অন্যরা দায়েশের বিষয়টি দেখভাল করুক। খুব শিগগিরি আমরা সিরিয়া থেকে বেরিয়ে আসছি।”
আমেরিকা এবং তার পশ্চিমা কয়েকটি মিত্র দেশ ২০১৪ সাল থেকে সিরিয়ায় দায়েশের বিরুদ্ধে বিমান চালিয়ে আসার দাবি করছে। তবে তাদের হামলায় এ পর্যন্ত দায়েশের বড় কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে -এমন নজির নেই বরং বহুসংখ্যক বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে। সিরিয়ায় অভিযান পরিচালনার জন্য আমেরিকা ও তার মিত্ররা জাতিসংঘ কিংবা সিরিয়া সরকারের কাছ থেকে কোনো অনুমতি নেয় নি। এর বিরুদ্ধে সিরিয়া সরকার বার বার প্রতিবাদ করেছে এবং জাতিসংঘকে চিঠি দিয়ে মার্কিন কথিত অভিযান বন্ধের অনুরোধ জানিয়েছে। এছাড়া, উগ্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর উত্থান ও সিরিয়ায় ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর জন্য সৌদি আরবকেও দায়ী করছে দামেস্ক সরকার।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশ ও ইরানের সুদৃঢ় বন্ধন আরো মজবুত হবে -আয়াতুল্লাহ আরাফি

আয়াতুল্লাহ আরাফি বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা দিবস এবং স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার যোগ্যতা অর্জনের জন্য বাংলাদেশ সরকার ও জনগণকে শুভেচ্ছা জানান। তিনি শিক্ষা খাতে বাংলাদেশকে বিভিন্ন সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
আয়াতুল্লাহ আরাফি তার তিন দিনের বাংলাদেশ সফরকালে গত মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রেজভীর সঙ্গে বৈঠক এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। বৈঠকে ইরানের রাষ্ট্রদূত ড. আব্বাস ভয়েজি, আল মোস্তফা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক হুজ্জাতুল ইসলাম শাহাবুদ্দীন মাশায়েখি এবং ইরান দূতাবাসের গণমাধ্যম ও গণসংযোগ কর্মকর্তা খন্দকার মো. মাহফুজুল হক উপস্থিত ছিলেন। সফরকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও আলেম সমাজের সঙ্গে মতবিনিময় ছাড়াও ঢাকাস্থ সরকারি আলিয়া মাদরাসা পরিদর্শন করেন। এ সময় মাদরাসার পাঠাগার উন্নয়নে আল মোস্তফা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে দুই হাজার ইউরো প্রদান করেন। এ ছাড়া রোহিঙ্গদের সহায়তার জন্য তিনি ২০ হাজার ডলার দেন। বৃহস্পতিবার ভোরে তিনি তেহরানের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘উন্নয়ন অন্বেষণে’র আশংকা- বেসরকারি খাতে বিনিয়োগের স্থবিরতা দীর্ঘ হতে পারে

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সহযোগিতা পেলে রিয়াদ এখন আমাদের দখলে থাকত: ইয়েমেনি নেতা মোহাম্মাদ আলী হুথি

মোহাম্মাদ আলী হুথি আরও বলেছেন, "আমরা এখন যেসব ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করছি সেগুলো রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার তৈরি। অতীতে সংগ্রহ করা ওই সব ক্ষেপণাস্ত্রকে আরও কার্যকরি করে তোলা হয়েছে।" ইয়েমেনে অব্যাহত সৌদি আগ্রাসনের বিষয়ে বিশ্বের কোনো কোনো দেশের নিরবতার সমালোচনা করেন তিনি।
ইয়েমেনের এই নেতা বলেন, "আমরা ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ছি বলে কোনো কোনো দেশ আমাদের সমালোচনা করছে। আমরা নিজেদের রক্ষার জন্য এ পদক্ষেপ নিচ্ছি। এ বিষয়ে কিছু দেশের সমালোচনা সত্যিই বিস্ময়কর।"
তিনি বলেন, যতদিন ইয়েমেনে শত্রুদের আগ্রাসন ও অবরোধ অব্যাহত থাকবে ততদিন ইয়েমেনিরা নিজেদের রক্ষায় সব ধরণের পন্থা অবলম্বন করবে।
ইয়েমেনে আভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে অজুহাত করে ২০১৫ সালের ২৬ মার্চ থেকে দেশটিতে হামলা চালাচ্ছে সৌদি আরব। সৌদি নেতৃত্বাধীন হামলায এ পর্যন্ত অন্তত ছয় লাখ মানুষ হতাহত হয়েছে বলে ইয়েমেনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মাহিদ হত্যা: তদন্তে আলো ফেলে একটি রিকশার ছবি by চৌধুরী মুমতাজ আহমদ

একটি মোবাইল দোকানের কর্মচারী ছবিটি তোলেন। রিকশার ছবিটিকে সামনে রেখেই তদন্ত এগুতে শুরু করে। পুলিশ তাদের নিজস্ব বিভিন্ন সূত্রের প্রয়োগ করে সন্ধান চালায় ছবির রিকশাটি খুঁজতে। সফলও হয়। রিকশার সন্ধান মেলে, সন্ধান মেলে চালকেরও। আখালিয়ায় সিটি কাউন্সিলর মখলিসুর রহমান কামরানের বাসার পাশের মজনু মিয়ার গ্যারেজ থেকে আটক করা হয় রিকশাচালক জয়নাল আবেদীন ভাণ্ডারিকে। ব্যাটারিচালিত ওই রিকশা চালকের বাড়ি দিনাজপুরে। ঘটনার রাতে তিনিই মাহিদকে বন্দর থেকে রিকশায় তুলেন। সেখান থেকে পাঠানটুলা হয়ে নিয়ে আসেন কদমতলিতে। পুলিশকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য দেন ভাণ্ডারি। জানান, কালো রঙের পালসার মোটরসাইকেলে আসা একদল তরুণই হামলা চালিয়েছিল মাহিদের ওপর। রিকশাচালকের বর্ণনা মতে, লম্বা চুলের লিকলিকে শরীরের এক তরুণ মোটরসাইকেলটি চালাচ্ছিলো। অন্ধকারে এর বেশি কিছু আর ঠাহর করতে পারেননি ওই রিকশাচালক। অন্ধকারে দেখা আবছা সে বর্ণনাই পুলিশের সামনে আলোর রেখা তৈরি করে দেয়। পুলিশ এবার নতুন উদ্যমে মাঠে নামে। রিকশাচালকের দেয়া বর্ণনামতো চালক আর মোটরসাইকেলের খোঁজ চলতে থাকে নগরজুুড়ে। সফল হয় পুলিশ। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে দক্ষিণ সুরমার ভার্থখলা কবরস্থানের পাশ থেকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে দক্ষিণ সুরমার ভার্থখলা এলাকার সোয়াব মির্জার ছেলে মির্জা আতিক, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার তায়েফ মুহাম্মদ রিপনকে। আতিকের স্বীকারোক্তি অনুসারে মাহিদকে ছুরিকাঘাতে ব্যবহৃত ছোরাও উদ্ধার করে পুলিশ। বুধবার রাত ১টার দিকে গ্রেপ্তার করা হয় আরো এক ছিনতাইকারী বারখলার বাসিন্দা রাসেলকে।
অপরাধ তদন্তে জ্যোতির্ময় সরকারের ঝুলিতে আরো অনেক সাফল্য জমা আছে। ‘সূত্রহীন’ এ মামলাকে তিনি চ্যালেঞ্জ হিসেবেই নেন। তাছাড়া এ মামলাটি বিশেষ কারণে তার হৃদয়ে রক্তক্ষরণও ঘটাচ্ছিলো। নিজে যে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাঠ নিয়ে গায়ে পুলিশের পোশাক জড়িয়েছেন নিহত মাহিদ আল সালামও সেই শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) ছাত্র। মাহিদ যেন তারই ছোট ভাই। সিলেট নগরীর মদিনা মার্কেট এলাকার অ্যাডভোকেট এম এ সালামের ছেলে শাবির অর্থনীতি বিভাগের ২০০৮-০৯ সেশনের শিক্ষার্থী মাহিদ আল সালাম ২০১১-১২ সেশনে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। চাকরির সাক্ষাৎকার দেয়ার জন্য ঢাকায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে রোববার মধ্যরাতে বেরিয়েছিলেন তিনি। পথে নগরীর কদমতলি এলাকায় ছিনতাইকারীদের কবলে পড়েন তিনি। উরু ও হাঁটুর পেছনে ছুরিকাঘাতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মৃত্যু হয় তার। সে রক্তক্ষরণ নিজের হৃদয়ে টের পেয়েছিলেন একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র এসএমপির এডিসি জ্যোতির্ময় সরকার। নিজেই নিজের সামনে এ রহস্যের শেষ দেখার চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন। সফলও হন।
পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়া মির্জা আতিক হত্যার দায় স্বীকার করে বুধবার আদালত ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে। তার ভাষ্যমতে, মূলত ছিনতাইয়ে বাধা প্রধান করায়ই মাহিদকে হত্যা করা হয়েছে। দুটো মোটরসাইকেলে করে তারা চারজন মাহিদের পথ রোধ করে। তারপর মাহিদের কাছ থেকে তার জিনিসপত্র ছিনিয়ে নিতে থাকে। মাহিদ তাদের বাধা দেন। তখনই ছুরির আঘাতে থামিয়ে দেয়া হয় তাকে। পরে ছিনতাইকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
ছিনতাই কাজে জড়িত চারজনকে আসামি করেই মামলা হয়েছে দক্ষিণ সুরমা থানায়। মামলায় আসামি করা হয় ৪ জনকে। পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়া নাহিদ, রিপন, রাসেলের পর মামলার অপর আসামি ভার্থখলার শাকিল আহমদের সন্ধানে রয়েছে পুলিশ। সেই মূল ঘাতক বলে জানা গেছে। শিগগিরই তারও নাগাল মিলবে বলে পুলিশের আশা।
এসএমপির অতিরিক্ত উপ-কমিশনার জ্যোতির্ময় সরকার রহস্য উদ্ঘাটনের পেছনে নিজের একক কৃতিত্ব মানতে চান না। তিনি মানবজমিনকে বলেন, এটা টিমওয়ার্ক। সকলের মিলিত প্রচেষ্টায়ই অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাজায় গণহত্যা; নিরাপত্তা পরিষদে জরুরি বৈঠক, তদন্ত চান গুতেরেস
![]() |
| ‘ফিলিস্তিনি ভূমি দিবস’ উপলক্ষে গাজাবাসীর অবস্থান কর্মসূচিতে ইসরাইলের হামলা |
গতকাল ‘ফিলিস্তিনি ভূমি দিবস’ উপলক্ষে ইসরাইল সীমান্তে গাজার অধিবাসীরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন এবং ওই কর্মসূচি বানচাল করতে ইসরাইল ব্যাপক হত্যাকাণ্ড চালায়। এতে অন্তত ১৬ জন নিহত ও ১,৫০০ ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন।
গাজা পরিস্থিতিতে কুয়েতের অনুরোধে গতকাল নিরাপত্তা পরিষদ জরুরি বৈঠকে বসে। বৈঠকে কুয়েতের রাষ্ট্রদূত মানসুর আল-ওতাইবি গাজা পরিস্থিতিকে “অত্যন্ত বিপজ্জনক' বলে মন্তব্য করেন।
ভূমি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বিক্ষোভ-মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি মোকাবেলায় ইহুদিবাদী ইসরাইল গাজা সীমান্তে ট্যাংক এবং অন্তত ১০০ স্নাইপার মোতায়েন করে। এসব সেনাকে তাজা গুলি ও হত্যাকাণ্ড চালানোর মতো যেকোনো ধরনের পদক্ষেপ নেয়ার কর্তৃত্ব দেয়া হয়।
গতকালের বৈঠকে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত রিয়াদ মানসুর বলেছেন, তিনি আশা করেন গাজার অধিবাসীদের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ-কর্মসূচিতে ইসরাইল যে ঘৃণ্য গণহত্যা চালিয়েছে সে বিষয়ে জাতিসংঘ তার দায়িত্ব পালন করবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
খালেদা জিয়ার অসুস্থতার খবরে উৎকণ্ঠিত বিএনপি by কাফি কামাল

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কয়েকদিন ধরে হাঁটুর ব্যথায় ভুগছেন খালেদা জিয়া। ব্যথার কারণে জ্বরও এসেছিল। বিএনপি চেয়াপারসন খালেদা জিয়াকে কারাগারেই চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। সেখানে তাকে সার্বক্ষণিক চিকিৎসকের অধীনে রাখা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সিভিল সার্জনের নেতৃত্বে একটি চিকিৎসক টিম তার শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন। রয়েছেন একজন ডিপ্লোমা নার্সও। কারা সূত্র জানায়, ২৮শে মার্চ অসুস্থতাজনিত কারণেই খালেদা জিয়াকে আদালতে হাজির করা সম্ভব হয়নি। এরপর থেকেই তার চিকিৎসা সংক্রান্ত বিষয়ে তৎপরতা বাড়ানো হয়। গত বৃহস্পতিবার রাতে খালেদাকে দেখতে কারাগারে যান ঢাকার সিভিল সার্জন। তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের খোঁজ-খবর নেন। সংশ্লিষ্টদের এ বিষয়ে পরামর্শ দেন। সূত্র জানায়, কয়েকদিন ধরে খালেদা জিয়া কথাবার্তাও বলেছেন অন্যান্য দিনের চেয়ে কম। কারাগারে খালেদা জিয়ার নিয়মিত চিকিৎসক মাহমুদুল হাসান গণমাধ্যমকে জানান, খালেদা জিয়ার বয়স ৭৩ বছর। এই বয়সে তো কিছু সমস্যা থাকেই। এ ছাড়া আগে থেকেই তিনি ব্যাক পেইন, হাঁটুতে ব্যথা ও আর্থাইটিসে ভুগছেন। সেই সমস্যাগুলোর কারণে মাঝেমধ্যেই শরীর খারাপ হতে পারে। কিন্তু যেমন বলা হচ্ছে, তেমন কোনো অসুস্থতা নেই। আমরা সার্বক্ষণিক তাঁর খবর রাখছি। আমি আজও দেখে এসেছি। খালেদা জিয়ার বড় ধরনের কোনো সমস্যা নেই। তিনি আগের চেয়ে অনেক ভালো আছেন। এ বিষয়ে কারা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত আইজি প্রিজন কর্নেল ইকবাল হাসান মানবজমিনকে জানান, খালেদা জিয়া আগে থেকেই বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন। এসব সমস্যা একটু বেড়ে গিয়েছিল। যে কারণে তিনি অসুস্থবোধ করছিলেন। এখন তিনি সুস্থ আছেন। কারা বিধি অনুসারে তাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা দেয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। সূত্রমতে, খালেদা জিয়ার পিঠ, হাঁটুতে ব্যথা বেড়েছিল। দীর্ঘদিন থেকেই তিনি আর্থ্রাইটিসে ভুগছিলেন। বিএনপির কেন্দ্রীয় দপ্তর সূত্র জানায়, খালেদা জিয়ার সঙ্গে বুধবারই মহাসচিব মির্জা আলমগীরের দেখা করার কথা ছিল। কিন্তু সেদিন বিএনপি চেয়ারপারসন শারীরিকভাবে অসুস্থবোধ করছেন জানিয়ে পরদিন দেখা করার কথা বলেন কারা কর্তৃপক্ষ। পরে বৃহস্পতিবার তিনটার দিকে নির্ধারিত সাক্ষাতের জন্য মহাসচিব কারাগারের উদ্দেশ্যে রওনা দিলে চেয়ারপারসনের একান্ত সচিবের মাধ্যমে কারাকর্তৃপক্ষ জানিয়ে দেন সাক্ষাৎ হবে না। অন্যদিকে বিএনপি চেয়ারপারসনের একান্ত সচিব আবদুস সাত্তার বলেন, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে আমরা পুরোপুরি অন্ধকারে রয়েছি। প্রকৃত অবস্থা কিছুই জানি না। বিএনপি চেয়ারপারসনকে বুধবার আদালতে হাজির করার কথা থাকলেও তার অসুস্থতার কথা বলে তাকে আদালতে হাজির করেনি কারাকর্তৃপক্ষ। তারই প্রেক্ষিতে ম্যাডামের চার জন ব্যক্তিগত চিকিৎসক প্রয়োজনীয় নিয়মরীতি মেনে তার সঙ্গে সাক্ষাতের চেষ্টা করেছেন। কিন্তু তারা সাক্ষাৎ করতে পারেননি। নির্ধারিত সাক্ষাতের কথা থাকলেও বৃহস্পতিবার দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাক্ষাতের সুযোগ পাননি। তিনি বলেন, সার্বিক বিষয়ে দলের মহাসচিব সংবাদ সম্মেলন করেছেন। আমরা প্রকৃত তথ্য জানতে চাই। ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী উন্নত চিকিৎসার জন্য পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে জামিন চাই। ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের পরামর্শ ও তার নিজের মতামতের ওপর নির্ভর করেই কোথায় চিকিৎসা নেবেন সেটা দেখা যাবে।
আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিএনপি চেয়ারপারসনের আইনজীবীদের ধারণা ছিল দ্রুততম সময়ের মধ্যেই তিনি জামিন পাবেন। অন্যদিকে খালেদা জিয়াকে কারাগারে পাঠানোর পরপর উন্নত চিকিৎসার নামে সরকার তাকে বিদেশ পাঠিয়ে দিতে পারে- এমন একটি গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছিল। বিএনপি নেতাদের মধ্যেও এমন একটি আশঙ্কা ছিল। বিএনপি নেতারা জানান, সরকার মনে করেছিল খালেদা জিয়াকে কারাগারে পাঠানোর পর তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে রাজনীতিতে ইমেজ সংকটে ফেলা যাবে। অন্যদিকে নেতাকর্মীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরির মাধ্যমে ভাঙন ধরানো যাবে। কিন্তুকারাগারে পাঠানোর পর খালেদা জিয়ার জনপ্রিয়তার পারদ দিনদিন ঊর্ধ্বমুখী। দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে ঐক্যও এখন যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি মজবুত। ফলে দলে ভাঙন ধরানো ও খালেদা জিয়ার ইমেজ ক্ষুণ্ন করতে সরকারের কৌশল কাজে আসেনি। নেতারা জানান, খালেদা জিয়া এমনিতে বয়স্ক, তার ওপর তিনি অতীতে হাঁটুর অপারেশনসহ বিদেশে উন্নত চিকিৎসা নিয়েছেন। ফলে তার অসুস্থতা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি, নেতাকর্মীদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি ও বিএনপিকে অন্ধকারে রেখে উন্নত চিকিৎসার নামে তাকে বিদেশ পাঠানোর অপকৌশলটি বাস্তবায়নের চেষ্টা করতে পারে। গত কয়েকদিনে সে আশঙ্কাটিই আবার সামনে নিয়ে এসেছে সরকার। খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকরা কয়েকবার কারাগারে গেলেও কারাফটক থেকে তাদের ফেরত আসতে হয়। কারা কর্মকর্তারা তাদের বলেন, প্রয়োজন হলে তারাই খবর দেবেন। যেখানে অসুস্থতার কারণে খালেদা জিয়াকে আদালতে আনা হয়নি, মহাসচিবের সঙ্গে নির্ধারিত সাক্ষাৎ বাতিল করা হয়েছে, সিভিল সার্জনের নেতৃত্বে তার শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে সেখানে তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের সাক্ষাৎ এবং শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুযোগ দেয়া হচ্ছে না।
সরকারকে সন্দেহ বিএনপির
এদিকে কারাগারে খালেদা জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে সরকারের প্রতি সন্দেহ প্রকাশ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। গতকাল সকালে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এ সন্দেহ প্রকাশ করেন। মির্জা আলমগীর বলেন, কারাগারে আমাদের নেত্রী খালেদা জিয়ার অসুস্থতার বিষয়টিকে আমরা স্বাভাবিকভাবে নিতে পারছি না। অন্য স্বৈরাচাররা যেভাবে প্রতিপক্ষকে অপসারণ করার চেষ্টা করে, সেই ধরনের অপসারণ করার চেষ্টা এখানে হতে পারে বলে আমি আশঙ্কা করি। বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা তার (খালেদা জিয়া) স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বিগ্ন-উৎকণ্ঠিত। সেজন্য অতি দ্রুত তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের দিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও উন্নত চিকিৎসার জন্য মুক্তি দিয়ে সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করতে সরকারের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি। মির্জা আলমগীর বলেন, কারাগারে যে পরিবেশে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে রাখা হয়েছে, তা তার প্রাপ্য নয়। খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে একটি পরিত্যক্ত, জীর্ণ, স্যাঁতসেঁতে ভবনে আটক রাখা হয়েছে। সেখানে অন্য কোনো বন্দি নেই। তাঁর প্রতি ন্যূনতম সৌজন্যবোধ না দেখিয়ে জেলে নেয়ার প্রথম তিন দিন তাঁকে কোনো ডিভিশন দেয়া হয়নি। এখন যে ডিভিশন দেয়া হচ্ছে সেখানেও ন্যূনতম সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। সুচিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। তাতে তার স্বাস্থ্যের অবস্থা অবনতির দিতে যাচ্ছে বলেই আমরা আশঙ্কা করছি। তার যে খাবারটা দেয়া হয় সেটা সঠিকভাবে পরীক্ষা করা হয় কিনা আমরা বলতে পারি না। সরকারের উচিত বিষয়টা খোলাসা করা। আমরা অবিলম্বে তাঁর স্বাস্থ্যের অবস্থা সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট সংবাদ চাই। অবিলম্বে তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক দিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা এবং সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করুন। তিনি বলেন, এই সরকারের অধীনে দেশনেত্রী নিরাপদ নন। তার কারারুদ্ধ অবস্থায় অসুস্থ হওয়াটাকে কোনো মতেই আমরা স্বাভাবিকভাবে মেনে নিতে পারি না। মির্জা আলমগীর বলেন, আমাদের সুস্পষ্ট প্রস্তাব হচ্ছে- অবিলম্বে তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের তার স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ব্যবস্থা করতে হবে। তাদের সুপারিশ অনুযায়ী পবরর্তী চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে অবিলম্বে মুক্তি দেয়ার জন্য সরকারকে আহ্বান জানাচ্ছি। তিনি অভিযোগ করে বলেন, সুপরিকল্পিতভাবে দেশনেত্রীকে রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে দেয়ার চক্রান্ত চলছেই। এই সরকার অবৈধভাবে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই সুপরিকল্পিতভাবে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে তাঁকে হয়রানি করছে এবং সর্বশেষ কারারুদ্ধ করেছে। এখন জামিন ঠেকাতে চেষ্টা করছে। যেভাবেই হোক, তাঁকে কারারুদ্ধ করে রাখার জন্য প্রতিটি বিষয়কে বিলম্বিত করা হচ্ছে। কারামুক্তিকে বিলম্বিত করা হচ্ছে। সরকারের উদ্দেশ্য একটাই, বিরোধী দলকে স্তব্ধ করে দেয়া এবং দেশের জনপ্রিয় নেত্রীকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখা। নীল নকশার একদলীয় শাসনব্যবস্থা তারা নিরঙ্কুশ করতে চায়। আজকে বিশ্বে স্বীকৃত হয়েছে, বাংলাদেশে একটা স্বৈরাচার সরকার রয়েছে। মুক্তি পেলে উন্নত চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠানো হবে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা সুনির্দিষ্টভাবে বলেছি- এখন তার নিঃশর্ত মুক্তি চাই। যাতে তার উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা দেশে হোক বিদেশে হোক আমরা করতে পারি। যেহেতু খালেদা জিয়া এর আগে দেশের বাইরেও চিকিৎসা করিয়েছেন, সেহেতু মুক্তি পেলে তিনিই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। বিএনপি প্যারোলে খালেদা জিয়ার মুক্তি চাইছে কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা প্যারোলে মুক্তির কথা বলিনি। আমরা বলেছি তাকে মুক্তি দিতে হবে। মুক্তি তো তার প্রাপ্য। উনার জামিন হয়ে গেছে ইতিমধ্যে। এখন তাকে মুক্তি দেয়া যেতে পারে। মুক্তি পেয়ে তিনি দেশে হোক, বিদেশে হোক চিকিৎসা নেবেন। খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ স্থগিত হওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা আবার সাক্ষাৎ চাইব। কিন্তু তারা এখন কাউকে সাক্ষাৎ করতে দিচ্ছেন না। উল্লেখ্য, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় গত ৮ই ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের কারাদণ্ড দেন বিশেষ আদালত। তারপর থেকেই পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের পরিত্যক্ত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি রয়েছেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ড. মামুন আহমেদ ও সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী উপস্থিত ছিলেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সবই বদলায় কেবল ভোটের চেহারা বদলায় না

বৃহস্পতিবার দেশের ১৩৩টি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচনের চিত্র এরইমধ্যে সংবাদপত্রে প্রকাশিত হয়েছে। পুরোটা অবশ্য পত্রিকায় আসেনি। এ নির্বাচনে প্রকাশ্যে অস্ত্রের মহড়ার ঘটনা ঘটেছে। গুলিতে প্রাণ গেছে একজনের। পুলিশসহ আহত হয়েছেন অনেকে। যথারীতি কেন্দ্র দখল আর ব্যালক পেপার ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। জাল ভোটতো এখন ডাল-ভাত। বহু জায়গায় বিরোধী প্রার্থীর এজেন্টদের বের করে দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মাঝপথে ভোট বর্জনের ঘটনাও ঘটেছে অনেক। কোথাও যে ভোট শান্তিপূর্ণ হয়নি তা নয়। কোন কোন এলাকার চিত্র মোটামুটি শান্তিপূর্ণ ছিলো। কোথাও কোথাও ভোট হয়েছে গোলযোগ ছাড়া। কিন্তু মোটাদাগে জোর-জবর দস্তির আরেকটি স্থানীয় নির্বাচন প্রত্যক্ষ করলো বাংলাদেশের মানুষ।
ভোটের এই হাঙ্গামার চিত্র অবশ্য বিশেষ কোন রাজনৈতিক দলের ক্ষমতায় থাকার সময়কার নয়। যে দলই ক্ষমতায় থাকুক ভোটের ছবি ওই একটাই। রাতের বেলাতেই এলাকার নিয়ন্ত্রণ নেয়ার চেষ্টা করে প্রভাবশালী প্রার্থীরা। চলে ভোটের কেনা-বেচা। ইদানীং অবশ্য সকাল সকাল ব্যালট পেপার ছিনতাইয়েরও চল হয়েছে। বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্মের পেছনে ব্যালট পেপারের ঐতিহাসিক ভূমিকা ছিলো। ’৭০ এর নির্বাচনে এ অঞ্চলের জনগণ নিরঙ্কুশভাবে বঙ্গবন্ধুকে এবং আওয়ামী লীগকে ভোট দেয়। ওই নির্বাচনে মূলত পাকিস্তান রাষ্ট্রের মৃত্যুই ঘোষণা করা হয়েছিলো।
স্বাধীন বাংলাদেশের শুরুর দিকে অনুষ্ঠিত নির্বাচনগুলো ছিলো বিতর্কিত। সামরিক শাসনামলে নির্বাচনের নামে নানা তামাশা হয়েছে। ‘হ্যাঁ,’ ‘না’ ভোটের নাটকও দেখেছে এদেশের মানুষ। এরশাদের পতনের পর প্রথমবারের মতো জাতীয় নির্বাচন ছিল মোটামুটি বিতর্ক মুক্ত। সে নির্বাচনে সামান্য ব্যবধানে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করে বিএনপি। ওই সরকারের আমলে অনুষ্ঠিত স্থানীয় সরকার আর উপ-নির্বাচনগুলোতে দেখা যায় সে একই দৃশ্য। জোর জবরদস্তি আর সহিংসতার নির্বাচন। মাগুরার উপ-নির্বাচনের জাল-জালিয়াতিতো সে সময়কার সব রেকর্ডই ভেঙে দিয়েছিল। এরই ধারবাহিকতায় যেন অনুষ্ঠিত হয় ১৫ই ফেব্রুয়ারির ভোট। ৫ই জানুয়ারির জাতীয় নির্বাচনেও ছিল একই দৃশ্য পুনরায় মঞ্চায়ন। এর আগে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত তিনটি জাতীয় নির্বাচন ছিল মোটামুটি গ্রহণযোগ্য। এর একটিতে বিএনপি এবং দু’টিতে আওয়ামী লীগ জয়ী হয়। পরাজিত পক্ষ এসব নির্বাচন নিয়ে টুকটাক প্রশ্ন তুললেও আন্তর্জাতিক মহল এবং সাধারণভাবে জনগণ এসব নির্বাচনকে গ্রহণ করেছে।
স্থানীয় নির্বাচনে বারবারই হাঙ্গামার একই দৃশ্য দেখা গেছে। আগে স্থানীয় নির্বাচনগুলো দলীয় প্রতীক ছাড়াই হতো। কিন্তু কয় বছর ধরে দলীয় প্রতীকে এসব নির্বাচন হচ্ছে। ধারণা করা হয়েছিলো, দলীয় প্রতীক বিশেষ করে সরকারি দল সমর্থিত প্রার্থীদের কোন্দল নিরসনে ভূমিকা রাখবে। আখেরে অবশ্য তাতে তেমন কোনো লাভ হয়নি। বহু জায়গাতেই প্রতীকের বাইরে সরকারি দলের অনেক নেতা নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন। যেখানে ক্ষমতাসীন দল সমর্থিত একাধিক প্রভাবশালী প্রার্থী ছিলেন সেসব এলাকায় সহিংসতার মাত্রা বরাবরই বেশি ছিলো। স্থানীয় প্রশাসনকেও নানা ঝক্কি-ঝামেলা মোকাবিলা করতে হয়েছে।
পর্যবেক্ষকরা বলছেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে বহু কিছুরই ইতিবাচক বদল হয়েছে। কিন্তু ভোটের চেহারার তেমন কোনো বদল হয়নি। বদল যতটুকু হয়েছে তা আরো খারাপ পরিস্থিতিরই ইঙ্গিত দেয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আসানসোলে ছেলে হারানোর পরও ইমামের শান্তির ডাক

খবরে বলা হয়, মঙ্গলবার শহরের রেলপাড় এলাকায় সাম্প্রদায়িক সহিংসতা চলার পর ইমাদুল রশিদির ছেলে সিবতুল্লাহ রশিদিকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে বুধবার রাতে তার মৃতদেহ পাওয়া যায়। বৃহস্পতিবার নিশ্চিত হওয়া যায় যে, এই মৃতদেহ সিবতুল্লাহ রশিদির।
সন্দেহ করা হচ্ছে, দশম শ্রেণির পরীক্ষার্থী সিবতুল্লাহ রশিদিকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। মাওলানা রশিদি বলেন, ‘আমার ছেলেকে একদল দুর্বৃত্ত তুলে নিয়ে যায়। আমার বড় ছেলে তখন পুলিশকে বিষয়টি জানায়। কিন্তু তাকে পুলিশ স্টেশনে বসিয়ে রাখা হয়। পরে আমরা জানতে পারি যে, পুলিশ একটি মৃতদেহ উদ্ধার করেছে।’
বৃহস্পতিবার বিকালে স্থানীয় ঈদগাহ ময়দানে সিবতুল্লাহ রশিদির জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে ইমাম রশিদি শান্তির ডাক দেন। তিনি বলেন, ‘আমি শান্তি চাই। আমার ছেলে চলে গেছে। আমি চাই না আর কোনো পরিবার তাদের প্রিয় কাউকে হারাক। আমি চাই না আর কোনো ঘর পুড়ে ছারখার হোক।’ তিনি পরে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে বলেন, ‘আমি জানাযায় উপস্থিত সবাইকে বলেছি, আমার ছেলে হত্যার জন্য কেউ যদি কোনো ধরনের প্রতিশোধ নিতে যায়, আমি আসানসোল ছেড়ে চলে যাবো। আমি তাদের বলেছি যে, আপনারা যদি আমাকে ভালোবাসেন, তাহলে কেউ একটা আঙুলও তুলবেন না।’
ইমাম রশিদি বলেন, জনগণের উদ্দেশ্যে শান্তির বার্তা দেয়াটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তিনি বলেন, ‘আসানসোলের মানুষ এমন নয়; এটা একটা ষড়যন্ত্র।’
আসানসোলের মেয়র জিতেন্দ্র তিওয়ারি বলেন, সিবতুল্লাহ রশিদির হত্যাকাণ্ড নিয়ে স্থানীয় মুসলমান যুবকরা উত্তেজিত ছিল। তাদেরকে শান্ত করতে ইমাম সাহেবের বার্তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তিনি বলেন, ‘আমরা ইমাম সাহেবকে নিয়ে গর্বিত। নিজের ছেলে হারানোর যন্ত্রণায় দগ্ধ হওয়া সত্ত্বেও, তিনি শান্তির ডাক দিয়েছেন।’
আসানসোলের ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোহাম্মদ নাসিম আনসারি বলেন, ‘এটি শুধু পশ্চিমবঙ্গের জন্যই নয়, পুরো দেশের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।’ তার ভাষ্য, ‘ইমাম রশিদি এই এলাকায় জনপ্রিয়। তিনি যদি শান্তি ডাক না দিতেন, তাহলে আসানসোলে আগুন জ্বলতো।’
বৃহস্পতিবার হিন্দুত্ববাদী শাসক দল বিজেপির কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়কে সহিংসতা উপদ্রুত আসানসোলে ঢুকতে দেয়নি পুলিশ। রাম নবমীর একটি অনুষ্ঠান চলাকালে ধর্মীয় সংঘাত ছড়িয়ে পড়ায় আসানসোলজুড়ে উত্তেজনা বিরাজ করছিল।
সংগীতশিল্পী থেকে রাজনীতিক হওয়া বাবুল সুপ্রিয়কে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করা ও একজন পুলিশ কর্মকর্তার গায়ে হাত তোলার অভিযোগে তালিকাভুক্তও করেছে স্থানীয় পুলিশ। বিজেপি নেতা লকেট চট্টোপাধ্যায় ও অন্যদেরকেও আসানসোলে ঢুকতে দেয়নি পুলিশ। এ সময় বিজেপি কর্মীরা পুলিশের সঙ্গে সংঘাতে জড়ায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সশস্ত্র কমব্যাট বাহিনীকে মোতায়েন করা হয়।
সোমবার থেকে আসানসোল-রানীগঞ্জ এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছিল। পুলিশ তখন থেকেই নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রেখেছে। এখন পর্যন্ত ১৮ জনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। বুধবার পশ্চিম বঙ্গ সরকারের কাছ থেকে এ নিয়ে প্রতিবেদন চেয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিলেটে বেপরোয়া ছিনতাই সিন্ডিকেট by ওয়েছ খছরু

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চার বন্ধুর ছিনতাই মিশনে খুন হয় মাহিদ by ওয়েছ খছরু

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ওদের পরিবারের স্বপ্ন চুরমার by ফরিদউদ্দিন আহমেদ

এ বিষয়ে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ নাঈম হাসান মানবজমিনকে বলেন, তাদের প্রত্যেকের লাশ গ্রামের বাড়িতে পাঠানো হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ছাত্রদের দুটি বাসে করে এবং ঢাকা থেকে মাইক্রোবাসে নিহতদের বাড়িতে গেছে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা। তিনি বলেন, ওই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে ক্ষতিপূরণ চেয়ে মামলা করা হবে এবং পুলিশও মামলা করেছে। তিনি বলেন, ওই ঘটনার পর শিক্ষার্থীরা আহতদের চিকিৎসার জন্য ১৫ থেকে ১৬ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা করে। এর সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় ফান্ড থেকেও কিছু সহায়তা করা হয় তাদের। কিন্তু তারা তো বেঁচে নেই। এই টাকাগুলো হয়তো তাদের পরিবারকে দেয়া হবে। কারণ, তাদের পরিবারের আর্থিক অবস্থা খুবই করুণ বলে এই শিক্ষক মন্তব্য করেন। এ বিষয়ে বার্ন ইউনিটের প্রধান সমন্বয়কারী ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, শুরু থেকেই তাদের অবস্থা সংকটাপন্ন ছিল। শাহিনের ৮৩ শতাংশ, দীপ্তের ৫৪ এবং হাফিজের ৫৮ শতাংশ বার্ন হয়েছিল। তাদের সবারই শ্বাসনালী পুড়ে গিয়েছিল। এ ধরনের রোগীকে বাঁচানো খুবই ক্রিটিক্যাল। তবুও আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। কিন্তু তারা চলে গেল।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1331)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
-
▼
2018
(7025)
-
▼
March
(1701)
-
▼
Mar 31
(29)
- একের পর এক পরাজয়ে দিশেহারা সৌদি আরব বিপজ্জনক খেলা...
- আসানসোলে প্রশাসনিক বৈঠক করলেন পশ্চিমবঙ্গের গভর্নর
- মালদ্বীপে ভারতের ব্যক্তিকেন্দ্রিক হস্তক্ষেপের ফল হ...
- ইরানের সাহায্য ছাড়া সৌদি অবরোধ নস্যাৎ করা সম্ভব হত...
- চীনে সেন্সরশিপের খড়গ, হয়রানির শিকার সাংবাদিক, আইনজীবী
- যুক্তরাষ্ট্রে সৌদি ক্রাউন প্রিন্স ও ইহুদি নেতাদের ...
- কাপ্তাই হ্রদে মৎস্য আহরণে অভাবনীয় সাফল্য by আলমগীর...
- মোটরসাইকেল চালকদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানালো ট্রাফিক প...
- নদী যেখানে মরা খাল by আবদুল আলীম
- দুটি স্বপ্নের মৃত্যু: মানিকগঞ্জে আতঙ্কের নাম হ্যাল...
- মৃত্যুফাঁদ
- ৬১ বছরের পুরনো রাজউকের ‘টাওয়ার ঘড়ি’ নতুন রূপে ফিরছ...
- সৌদি যুবরাজ চান মার্কিন সেনারা সিরিয়ায় থাকুক
- বাংলাদেশ ও ইরানের সুদৃঢ় বন্ধন আরো মজবুত হবে -আয়াতু...
- ‘উন্নয়ন অন্বেষণে’র আশংকা- বেসরকারি খাতে বিনিয়োগের ...
- সহযোগিতা পেলে রিয়াদ এখন আমাদের দখলে থাকত: ইয়েমেনি ...
- মাহিদ হত্যা: তদন্তে আলো ফেলে একটি রিকশার ছবি by চৌ...
- গাজায় গণহত্যা; নিরাপত্তা পরিষদে জরুরি বৈঠক, তদন্ত ...
- খালেদা জিয়ার অসুস্থতার খবরে উৎকণ্ঠিত বিএনপি by কাফ...
- সবই বদলায় কেবল ভোটের চেহারা বদলায় না
- আসানসোলে ছেলে হারানোর পরও ইমামের শান্তির ডাক
- সিলেটে বেপরোয়া ছিনতাই সিন্ডিকেট by ওয়েছ খছরু
- চার বন্ধুর ছিনতাই মিশনে খুন হয় মাহিদ by ওয়েছ খছরু
- ওদের পরিবারের স্বপ্ন চুরমার by ফরিদউদ্দিন আহমেদ
- আলবিরার এ কেমন মৃত্যু
- শাবি অধ্যাপকের সঙ্গে প্রতারণা এক নাইজেরিয়ান আটক
- সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ব্যবহার কমাতে চায় বাংলাদেশ
- খালেদাকে বিদেশ নেয়ার দরকার হলে নিয়ম মেনে তাই হবে
- গ্রুপ-উপগ্রুপে বিভক্ত বিয়ানীবাজার ছাত্রলীগ by মিলা...
-
▼
Mar 31
(29)
-
▼
March
(1701)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...

