Monday, August 24, 2015
বঙ্গবন্ধু হত্যার সময়ের ভূমিকা স্পষ্ট করুন -ইনুর উদ্দেশে বিএনপি
বঙ্গবন্ধু হত্যার ক্ষেত্র তৈরির জন্য জাসদকে দায়ী করে রোববার আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিমের দেওয়া বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে আসাদুজ্জামান বলেন, হাসানুল হক ইনুকে ওই সময়ে তাঁর ভূমিকা স্পষ্ট করতে হবে। অন্যথায় সরকারের মন্ত্রিসভা থেকে তাঁর পদত্যাগ করা উচিত।
আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, সন্ত্রাস ও হত্যার মধ্য দিয়ে যাঁদের রাজনীতি শুরু, তাঁদের কাছ থেকে যদি গণতন্ত্র শিখতে হয়; তার চেয়ে দুর্ভাগ্য জাতির জন্য আর কিছু নেই। তিনি বলেন, দুদিন আগে বিএনপির চেয়ারপারসন দেশের অবরুদ্ধ গণতন্ত্রের বন্ধ কপাট খুলে দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। সরকারের একজন মন্ত্রী নিজের মন্ত্রিত্ব টিকিয়ে রাখতে চেয়ারপারসনের বক্তব্য খণ্ডন করে তাঁর স্বভাবসুলভ কটু কথা বলেছেন।
রিপন বলেন, ‘নিজেকে প্রচারে রাখতে ও প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণের জন্যই ইনুর মতো মন্ত্রীরা এসব কথা বলেন।’
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) মাহমুদুল হাসান, এএসএম আবদুল হালিম, দলের আইন বিষয়ক সম্পাদক জিয়াউর রহমান খান, কেন্দ্রীয় নেতা আবদুল লতিফ জনি, শামীমুর রহমান, আবদুস সালাম আজাদ প্রমুখ।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শফিউল্লাহ বেয়াদব, জাসদই বঙ্গবন্ধু হত্যার পথ পরিষ্কার করেছিল : শেখ ফজলুল করিম সেলিম
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু মারা যাবার পরেই শফিউল্লাহ বিপথগামী সৈনিকদের সঙ্গে রেডিও স্টেশনে গেলেন। কেন তিনি আদেশ দিলেন না, যারা ক্যান্টনমেন্ট থেকে বের হয়ে গেছে, তারা আর ঢুকতে পারবে না। এরা ক্যান্টনমেন্টে ঢুকলে এদের অ্যারেস্ট করা হবে। কিন্তু অ্যারেস্ট করা হলো না। তাকে (শফিউল্লাহ) নিয়ে আসল। ধানমন্ডি, কলাবাগান, হাজারীবাগ ও নিউমার্কেট থানা আওয়ামী লীগ আয়োজিত এই আলোচনাসভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা-১০ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফজলে নূর তাপস। সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, ধানমন্ডি থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি কামাল আহমেদ, কলাবাগান থানার সভাপতি নাজমুল করিম, হাজারীবাগ থানার সভাপতি ইলিয়াছুর রহমান, নিউ মার্কেট থানার সভাপতি জসিম উদ্দিন প্রমুখ।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জাপানে আগ্নেয়াস্ত্রের গুদামে বিস্ফোরণ
সাগামিহারা শহরের স্থানীয় ফায়ার সার্ভিসের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, গতকাল দিবাগত রাতে মার্কিন সেনাঘাঁটির আগ্নেয়াস্ত্রের একটি গুদামে আগুন লাগার খবর পাওয়া যায়। এতে দমকল কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তবে ওই গুদামের কাছাকাছি আর কোনো ভবন না থাকায় আগুন কোথাও ছড়িয়ে পড়তে পারেনি। গুদামটিতে আসলে কী ধরনের পদার্থ ছিল এবং আগুন লাগার সঠিক কারণ এখনো জানা যায়নি।
ওয়াশিংটন থেকে মার্কিন নৌ কমান্ডার বিল আরবান বলেন, সাগামিহারা শহরে মার্কিন সেনাঘাঁটির সাগামি ডিপোতে এই বিস্ফোরণ ও আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। এলাকাটি জাপানের রাজধানী টোকিও থেকে ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত।
ওয়াশিংটন থেকে দেওয়া এক ইমেইল বিবৃতিতে বিল আরবান বলেন, ‘এই বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ার আগেই অগ্নিনির্বাপণ কর্মীরা তা নিভিয়ে ফেলেন।’
এর আগে সকালে জাপানের ব্রডকাস্টিং করপোরেশন জানিয়েছিল, মার্কিন সেনাঘাঁটির সাগামি ডিপোতে পেট্রোলিয়াম জাতীয় পদার্থ ও গোলাবারুদ মজুত করে রাখা হতো।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গুজরাটে মুসলিম নেতা ও তার পুত্রকে গুলি করে হত্যা
সূত্রে প্রকাশ, ৫ সশস্ত্র দুষ্কৃতি ইলিয়াস খান পাঠানের রাজকোটের বাড়িতে এলোপাথাড়ি গুলি চালিয়ে হামলা করে। হামলাকারীদের কাছে আগ্নেয়াস্ত্রের পাশাপাশি ধারালো চাকু এবং লাঠি ছিল। হামলাকারীরা একটি গাড়িতে করে এসেছিল। ঘটনার পরে দ্রুত পালিয়ে যায় তারা।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ইলিয়াস খান পাঠানের বাড়িতে বসানো সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে দুষ্কৃতকারীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। যদিও এ নিয়ে এখনো কেউ গ্রেফতার হয়নি। পুলিশ অবশ্য কয়েকটি অস্ত্র উদ্ধার করেছে।
ইলিয়াস খান পাঠান আগে গুজরাট কংগ্রেসের সংখ্যালঘু সেলের যুব নেতা ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি বিজেপির সিনিয়র নেতা বেঙ্কইয়া নাইডু এবং অরুণ জেটলির উপস্থিতিতে বিজেপিতে যোগ দেন। সম্প্রতি তাকে হজ কমিটির মেম্বার করা হয়েছিল। গুজরাটে নরেন্দ্র মোদি মুখ্যমন্ত্রী থাকার সময় তাকে বিজেপি’র সংখ্যালঘু শাখায় শামিল করা হয়।
সূত্র : রেডিও তেহরান।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পরমাণু শক্তিধর পাকিস্তান জানে কিভাবে আত্মরক্ষা করতে হয় : পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা 'র' পাকিস্তানে সন্ত্রাস ছড়ানোর কাজে জড়িত বলে অভিযোগ করে আজিজের দাবি এ ব্যাপারে তাদের কাছে প্রমাণ রয়েছে। অন্যদিকে, সন্ত্রাসবাদ নিয়ে ভারত পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যে কথা বলে তা অপপ্রচার ছাড়া অন্য কিছু নয় বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
আজিজের কটাক্ষ, প্রমাণ দেয়ার পরিবর্তে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রচার করাই ভারতীয়দের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।
আজিজ বলেছেন, নিজেদের শর্তেই পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে চায়। ভারত পাকিস্তানের সঙ্গে বাণিজ্য ও যোগাযোগ ছাড়া অন্য কোনও বিষয়ে আলোচনা চায় না। উল্লেখ্য, পাকিস্তান বরাবরই কাশ্মীর ইস্যু ছাড়া আলোচনায় নারাজ। এ প্রসঙ্গে তার যুক্তি, কাশ্মীর যদি কোনও ইস্যুই না হয় তাহলে ভারত সেখানে ৭০ হাজার সেনা মোতায়েন রেখেছে কেন।
আজিজের দাবি, কাশ্মীরের মানুষকে নিজেদের মতো সিদ্ধান্ত নিতে দেয়া উচিত। এ জন্য ভারতের উচিত সেখানে গণভোট করা।
উল্লেখ্য, ভারত-পাক জাতীয় নিরাপত্তা পর্যায়ের বৈঠক ভেস্তে গিয়েছে। এ প্রসঙ্গে আজিজ বলেছেন, সাম্প্রতিক ঘটনাক্রম থেকে ভারতের বোঝা উচিত তাদের কৌশল কাজ করছে না। পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনার ব্যাপারে ভারতকে আরো দায়িত্বশীল হতে হবে।
কাশ্মীর ইস্যুতে আলোচনায় অনড় থেকে এবং বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতাদের সঙ্গে আলোচনার অনুমতি না পেয়ে পাকিস্তান রবিবার ভারতের সঙ্গে নির্ধারিত জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা পর্যায়ের বৈঠক বাতিল করে।
পাকিস্তানের ওই সিদ্ধান্তকে দুর্ভাগ্যজনক আখ্যা দেয় ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বিকাশ স্বরূপ জানান, ভারত কোনো শর্ত আরোপই করেনি। পাকিস্তানের তরফে বৈঠক বাতিলের সিদ্ধান্ত খুবই দুর্ভাগ্যজনক।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মানবিকতার কাছে হার মানল মেসিডোনিয়া
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সবজি বেচে হাসপাতাল গড়লেন সুভাষিণী
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইগো কূটনীতি আঞ্চলিক শান্তির জন্য হুমকি
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এসব ছিটমহলবাসীর কী হবে? by তুহিন ওয়াদুদ
![]() |
| ত্রুটিপূর্ণ হওয়ার কারণে ছিটমহলবাসীর অনেক বড় একটি অংশ এখন হতাশায় নিমজ্জিত |
বাংলাদেশের অভ্যন্তরের বৃহৎ ছিটমহল দাশিয়ার ছড়া। ২০১১ সালের জরিপে বাদ পড়া ব্যক্তিদের বাস্তবতা বোঝার জন্য ঈদের আগের দিন গেলাম সেখানে। কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার খড়িবাড়ী বাজার থেকে দাশিয়ার ছড়া ছিটমহলে ঢুকেই ছোট কামাত এলাকায় এক বৃদ্ধকে দেখতে পেলাম। নাম মনমোহন রায়। জিজ্ঞাসা করলাম, ভারতে যাবেন, নাকি বাংলাদেশে থাকবেন? তিনি খুব হতাশ চিত্তে নাগরিকত্ব হারানোর কথা শোনালেন। তিনি জোর করে তাঁর বাড়ির ভেতরে আমাকে ডেকে নিলেন। অনেক পুরোনো কাগজপত্র ঘাঁটতে ঘাঁটতে তাঁর জমির দলিল বের করে এনে বললেন, ‘আমার বাবা ও তাঁর বাবা এখানেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন। ২০১১ সালের জরিপে আমাদের নাম নেই। আমরা এখন কোন দেশের তাহলে?’ মনমোহন রায়ের সঙ্গে কথা বলতেই তাঁর উঠানে আরও কয়েকজন উপস্থিত হলেন, যাঁদের নাম নেই ২০১১ সালের জরিপে। তাঁদের একজন সুদীপ রায় বলছিলেন, ‘আমরা এখন না ভারতের নাগরিক, না বাংলাদেশের নাগরিক।’ মনমোহন রায় ভারতে যেতে চেয়েছিলেন। পাশেই দাঁড়ানো কমলিনী রায়, শ্বশুরবাড়ি ভারতে। তাঁরও ইচ্ছা ভারতে যাওয়ার। ২০১১ সালের জরিপে তাঁর নাম না থাকার কারণে মনঃকষ্ট নিয়ে আছেন। তিনি এর সমাধান চান।
যাদের দেশ থেকেও নেই, তাদের দেশ দেওয়ার চেষ্টাতেই ছিটমহল বিনিময় হচ্ছে, কাউকে দেশহীন করার জন্য নয়। তাই যারা দেশহীন হয়ে পড়ার আশঙ্কার মধ্যে আছে, তারা কেউই যেন দেশহীন হয়ে না পড়ে।
কয়েক বাড়ি এগিয়ে গেলে বৃদ্ধা জাহানারার সঙ্গে কথা হলো। তিনিও জানালেন, অনেকেই বাদ পড়েছেন জনগণনা থেকে। তিনি বলছিলেন, ‘জরিপে বাদ পড়া লোকজন তো ইতিম হইল। তাদের এখন কোনো দেশ নাই। তবে একটু চেষ্টা করলেই এই ইতিমের মা-বাবা পাওয়া যাইবে। দুই দেশের সরকার যেন এদের মা-বাবাক আনি দেয়।’ আরও একটু এগিয়ে গেলে মোটরবাইক আর চালানো যায় না, এতটাই বেহাল দশা সড়কের। বাড়ির ভেতরের নারীর কাছে কণ্ঠ উঁচু করে জানতে চাইলাম, জরিপে এ বাড়ির কেউ বাদ পড়েছে নাকি? শরিফা নামের একজন এগিয়ে এসে বললেন, ‘আমারই তো নাম নাই।’ মেয়েকে দেখিয়ে দিয়ে বললেন, ‘এরও নাম নাই।’ জানতে চাইলাম আশপাশে আর কারও নাম বাদ পড়েছে নাকি। তিনি জানান, পাশের বাড়ি রফিকুলের নাম বাদ পড়েছে। রফিকুলের বাড়ি গেলাম। সেখানে গিয়ে শুনলাম তাঁর পরিবার, তাঁর ভাইয়ের পরিবারসহ অনেকেরই নাম নেই ২০১১ সালের জরিপে।
মুঠোফোনে কথা হচ্ছিল ছিটমহল বিনিময় সমন্বয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফার সঙ্গে। তিনিও জানান, অনেকেই বাদ পড়েছেন জরিপ থেকে। তিনি আমাকে একটু পাশেই মহির নামের একজনের নাম বাদ পড়ার কথা জানালেন। মহিরের বাড়ির উঠানে গিয়ে দেখি বেশ কয়েকজন বসে আছেন। তাঁদের অনেকেই বাদ পড়েছেন। মহিরের পরিবারের ১১ জনের কারও নাম নেই। জহুরুল, খালেকসহ অনেকেই বলছিলেন তাঁদের নাম না থাকার কথা। সেখানে সাইকেল চালিয়ে এসে দাঁড়ালেন আফসার আলী। কণ্ঠ থেকে গড় গড় করে ক্ষোভ ঝরে পড়ছে। তিনি দিল্লিতে চাকরি করেন। দিল্লি থেকে এসে দেখেন নাম নেই।
বাংলাদেশ-ভারত উভয় দেশের সরকারের প্রচেষ্টাই হচ্ছে ছিটমহলবাসীর সুবিধা নিশ্চিত করা। সেখানে কোনো ত্রুটি পরিলক্ষিত হলে সেটা যথাসময়ে দূর করাও ভীষণ প্রয়োজন। ২০১১ সালে যে জরিপ হয়েছে, তখন ভারতে যেতে চাওয়া মানুষের সংখ্যা ছিল ৭৪৩ জন। এখন সেই সংখ্যা ৯৭৯ জন। ২০১১ সালের জরিপ যে সম্পূর্ণরূপে অনুসরণ করা হচ্ছে, তা-ও নয়। আবার সেই জরিপের পর নতুন করে জন্ম নেওয়া এবং বৈবাহিক সূত্রে অধিকারপ্রাপ্তদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তাহলে যারা ২০১১ সালে বাদ পড়েছে, তারা কেন নতুন করে অন্তর্ভুক্ত হতে পারবে না। বাংলাদেশ-ভারত ছিটমহল বিনিময় সমন্বয় কমিটির বাংলাদেশ অংশের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘ছিটমহল বিনিময়ে যাঁরা নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তাঁদেরও অনেকেই বাদ পড়েছেন। ছিটমহল বিনিময় সমন্বয় কমিটি এবং স্থানীয়দের সহযোগিতা নিয়ে বাদ পড়া প্রকৃত ছিটমহলবাসীর নাম অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন।’ দািশয়ার ছড়ার স্থানীয়ভাবে নির্বাচিত ২০০২-২০০৭ মেয়াদের পঞ্চায়েতপ্রধান নজরুল ইসলাম বলেন, ‘বাড়ি বাড়ি গিয়ে জরিপের কাজ করে বাদ পড়া বৈধ ছিটমহলবাসীকে অন্তর্ভুক্ত করা হোক।’
কয়েক হাজার ছিটমহলবাসীর নাম বাদ পড়েছে ২০১১ সালের জরিপ থেকে। ৩১ জুলাইয়ের পর জরিপে বাদ পড়া ছিটমহলবাসীর অবৈধ অভিবাসীতে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা কম নয়। অবৈধ অভিবাসীদেরও নিজস্ব একটা দেশ থাকে। কিন্তু এরা হয়ে উঠবে দেশহীন। যাদের দেশ থেকেও নেই, তাদের দেশ দেওয়ার চেষ্টাতেই ছিটমহল বিনিময় হচ্ছে, কাউকে দেশহীন করার জন্য নয়। তাই যারা দেশহীন হয়ে পড়ার আশঙ্কার মধ্যে আছে, তারা কেউই যেন দেশহীন হয়ে না পড়ে; সেটাই আমরা বাংলাদেশ-ভারত উভয় রাষ্ট্রের কাছে আশা করি।
তুহিন ওয়াদুদ: শিক্ষক, বাংলা বিভাগ, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর।
wadudtuhin@gmail. com
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নগরপিতা একটু ভাববেন কি? by সজল চৌধুরী
আমাদের দেশের আজকের তরুণ প্রজন্মও কিন্তু থেমে নেই—থেমে নেই তাদের চিন্তাচেতনা। সদ্য পাস করা স্থপতি-পরিকল্পনাবিদদের মধ্যে একটু খেয়াল করলে দেখা যাবে, সবাই কোনো না কোনোভাবে তাঁদের নকশা করা স্থাপনাগুলোর মধ্যে সবুজের সমারোহ ঘটাচ্ছেন, পরিবেশ নিয়ে চিন্তা করছেন। স্থাপনার অভ্যন্তরে তাপমাত্রা ও শক্তির অপচয় কমানোর জন্য চিন্তা করছেন, গবেষণা করছেন; এমনকি সচরাচর এমনও দেখা যাচ্ছে, আমাদের নবীন স্থপতি-পরিকল্পনাবিদদের উদ্ভাবিত নকশা দেশে-বিদেশে স্থান করে নিচ্ছে, প্রশংসিত হচ্ছে অতি উচ্চপর্যায়ে। অথচ সেদিকে কোনো প্রকার ভ্রুক্ষেপ নেই আমাদের।
এবার একটু ক্লাসরুমে ফিরে যাওয়া যাক। যখন কোনো স্থাপত্য-পরিকল্পনার ছাত্রছাত্রীকে নকশা প্রণয়ন কিংবা নগর সম্পর্কে প্রাথমিক জ্ঞান দেওয়া হয়—প্রথম শেখানো হয় বিন্যাস, ছন্দ, বৈচিত্র্য, ব্যাপকতা সম্পর্কে। যেমন ধরা যাক, আমাদের মানব শরীর যেখানে হাত-পা কিংবা কোনো অঙ্গ ছাড়া যেমন পরিপূর্ণ মানব শরীরের কল্পনা করা যায় না, ঠিক তেমনি একটি পরিপূর্ণ শহরকে ভাবা যায় না—সেখানকার সবুজ প্রাচীন আর নতুনের সহাবস্থান ব্যতিরেকে। আর যেকোনো একটির অভাবই যেকোনো শহরকে সর্বস্বান্ত করে দিতে পারে, যার প্রতিটির মূল্য অপরিসীম। অথচ আমাদের দেশে কিছুদিন পরপরই খবর আসে নতুন আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার ওপর ধ্বংসাত্মক মনোভাবের। আজ যখন উন্নত বিশ্বের একজন গবেষক ও অধ্যাপক অনেকের ভিড়ে শুধু বাংলাদেশকে পরিচয় করিয়ে দেন, স্থপতি লুই আই কানের মহান স্থাপত্যকর্ম আমাদের মহান জাতীয় সংসদ ভবনকে দেখিয়ে বলে ওঠেন, ‘এই হচ্ছে বাংলাদেশ এবং স্থপতি লুই আই কানের মহান স্থাপত্যকীর্তি, যা কিনা স্থাপত্যের গর্ব সমস্ত বিশ্বের জন্য’, তখন একজন বাংলাদেশি হিসেবে গর্বিত হই। আমরা অনেকেই হয়তো জানি না, সারা বিশ্বে যখন স্থাপত্য-পরিকল্পনা নিয়ে পড়ানো হয়, তখন বাংলাদেশের সংসদ ভবন এবং পুরোনো কিছু স্থাপত্য উদাহরণ হিসেবে শিক্ষার্থীদের সামনে তুলে ধরা হয়। দুঃখ হয় এমনি সময়ে যখন দেশের সংবাদপত্রগুলোয় শিরোনাম হয় সংসদ ভবনের চারপাশে সুউচ্চ প্রাচীর তোলার পরিকল্পনা কিংবা অপরিকল্পিত মেট্রোরেল বা নদী দখলের খবর। কিছুদিন আগে হোক্কাইডো বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো এক সেমিনারে দেখানো হয়েছিল ৩০০ বছরের পুরোনো লালবাগ কেল্লার স্থাপনা। এরপর খবর পেলাম পুরোনো প্রাচীর ভেঙে সেখানে গাড়ির পার্কিং করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। লজ্জায় মাথা হেঁট হয়ে যায়, অথচ আমরা বুঝতে শিখি না এই ঐতিহ্যবাহী স্থাপনাগুলোই নীরবে দাঁড়িয়ে আমাদের বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে শেখাচ্ছে। বুঝতে শিখি না দিনের পর দিন কী দিয়ে যাচ্ছে আমাদের আর বিশ্বের সামনে কী বলতে চাইছে ইট কংক্রিটের জঞ্জালে বেড়ে ওঠা এই শহরকে।
জানা গেছে, লালবাগের কেল্লার দেয়াল ভেঙে বাগান নষ্ট করে সেখানে যে পার্কিংয়ের জায়গা করা হচ্ছিল, সে কাজের সঙ্গে জড়িত রয়েছে খোদ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর। বিভিন্ন সেমিনারে, সভায় প্রদর্শিত হওয়া বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী স্থাপনাগুলো যখন বিশ্বের কাছে আবেগতাড়িত হয়, যখন কোনো অধ্যাপক স্থপতি-পরিকল্পনাবিদ ডেকে বলেন, ‘আমি তোমাদের বাংলাদেশ দেখতে চাই, তোমাদের স্থাপত্যগুলোকে উপলব্ধি করতে চাই’, ঠিক তখন আমাদের মাঠে নামতে হয় এসব মহামূল্যবান স্থাপত্যকে আমাদের নিজেদেরই হাত থেকে রক্ষার জন্য। আর এই লজ্জা রাখার জায়গা কোথায়? অথচ জাপানে দেখছি কী পরম মমতায় তারা রক্ষা করে চলছে সুপ্রাচীন গাছের গুঁড়ি থেকে শুরু করে শহরের প্রাচীন প্রতিটি ইট এমনকি প্রাচীন স্থাপত্যগুলোকে রক্ষার জন্য তারা তৈরি করেছে নিজস্ব কিছু আইন। কারণ, তারা জানে ও বিশ্বাস করে, মূলকে ভুলে গেলে নতুনকে বরণ করবে কীভাবে?
একটি সমুন্নত নগর গঠন করতে আসলে কী দরকার হয় প্রথম? গঠনমূলক ইচ্ছা ও সুপরিকল্পনা। আমরা অনেকেই জানি না, প্রতিবছর বাংলাদেশের প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর স্থাপত্য-পরিকল্পনা বিভাগগুলোতে ছাত্রছাত্রীরা তাদের বিভিন্ন শিক্ষাবর্ষে নগর স্থাপত্য এবং পরিকল্পনাকেন্দ্রিক বিভিন্ন নকশা প্রণয়ন করে থাকে, যেখানে ওই বিষয়ের অভিজ্ঞ শিক্ষক-শিক্ষিকারা সরাসরি তত্ত্বাবধান করে থাকেন। আমাদের দেশের নগর কর্তৃপক্ষ সেসব প্রকল্প থেকে খুব সহজে অন্তত নগর উন্নয়নকেন্দ্রিক গুরুত্বপূর্ণ সব ধারণা পেতে পারেন। এমনকি শ্রেণি প্রজেক্ট হিসেবেও বিশেষ বিশেষ প্রকল্প ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে বিতরণ করা যেতে পারে, সেখান থেকে আর কিছু না হলেও অকারণে অপরিকল্পিতভাবে কোনো স্থাপনা যেমন শহরের বুকে গড়ে উঠবে না, ঠিক তেমনি নির্বুদ্ধিতার জন্য সুপ্রাচীন ঐতিহ্যবাহী স্থাপনার কোনো অংশ ভেঙে সেখানে গাড়ি পার্কিংয়ের মতো অপরাধ ও অপরিকল্পনার কথা মাথায়ও আসবে না। আমাদের প্রয়োজন আমাদেরই বুঝতে হবে। আর এই সত্যটি আমাদের নবনির্বাচিত নগরপিতারা বুঝতে পারবেন কি?
সজল চৌধুরী: (বর্তমানে জাপানের হোক্কাইডো বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘হিউম্যান এনভায়রনমেন্টাল সিস্টেমের ওপর গবেষণারত); সহকারী অধ্যাপক, স্থাপত্য বিভাগ, চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম।
sajal_c@yahoo.com
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফ্রান্সে ট্রেনে জঙ্গি হামলা রুখে দিলেন দুই মার্কিন
![]() |
| স্পেনসার স্টোন, অ্যালেক স্কারলাটোস |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইউরোপে সংকটে শরণার্থীরা
অভিবাসী না শরণার্থী: কাতারভিত্তিক টেলিভিশন ও অনলাইন সংবাদ প্রতিষ্ঠান আল-জাজিরা বৃহস্পতিবার ঘোষণা দিয়েছে, তাদের উপস্থাপক ও লেখকেরা গ্রিস উপকূলে আশ্রয়প্রার্থী মানুষের খবর পরিবেশনের সময় এখন থেকে আর ‘অভিবাসী’ শব্দটি ব্যবহার করবেন না। এ ক্ষেত্রে ‘শরণার্থী’ শব্দটিই বেশি উপযোগী। কারণ, এসব শরণার্থীর বেশির ভাগই নিজ দেশে চলমান সহিংসতা থেকে বাঁচার জন্য পালিয়ে ইউরোপমুখী হচ্ছে। ‘অভিবাসী’ শব্দটির সাধারণ অর্থ: মৌসুমি কাজের খোঁজে বা উন্নততর জীবনযাত্রার সন্ধানে এক দেশ থেকে আরেক দেশে ভ্রমণ। অন্যদিকে জাতিসংঘ নির্ধারিত সংজ্ঞা অনুযায়ী ‘শরণার্থী’ শব্দটির অর্থ: বর্ণ, ধর্ম, জাতীয়তা এবং কোনো সামাজিক বা রাজনৈতিক সংগঠনের বা মতাদর্শের অনুসারী হওয়ার কারণে দেশান্তরি ব্যক্তি।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আর্কাইভস আইন: সময়ের চাকা উল্টো দিকে ঘোরানো নয় by মুহাম্মদ লুৎফুল হক
সুষ্ঠু নথি ব্যবস্থাপনার সাহায্যে সব সরকারি কার্যালয়কে সরকারের কাছে দায়বদ্ধ করা, একই সঙ্গে সরকারকে জনগণের কাছে দায়বদ্ধ করা, সরকারি নথির প্রতি জনগণের বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধি করা, দেশের ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করা, জাতীয় আর্কাইভসকে দেশের নথি ব্যবস্থাপনার সর্বোচ্চ সংস্থা হিসেবে নির্ধারণ করে একে উপযুক্ত দায়িত্ব ও ক্ষমতা প্রদান করা।
সম্প্রতি বাংলাদেশ সরকার আর্কাইভস প্রশাসন ও নথি ব্যবস্থাপনা বিষয়ে আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে। এই আইনের একটি ‘চূড়ান্ত খসড়া’ আমাদের নজরে এসেছে। খসড়ায় লক্ষ করেছি যে আইনটি এককভাবে জাতীয় আর্কাইভস প্রশাসন ও দেশের নথি ব্যবস্থাপনাসংশ্লিষ্ট হচ্ছে না। একই অধিদপ্তরের আওতাধীন হওয়ায় এর সঙ্গে জাতীয় গ্রন্থাগারকেও সংযুক্ত করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আর্কাইভস প্রশাসন ও নথি ব্যবস্থাপনা বিষয়ে সর্বোচ্চ সংস্থা, ইন্টারন্যাশনাল কাউন্সিল অন আর্কাইভসের (আইসিএ) নির্দেশাবলিতে উল্লেখ আছে, ‘নথি ও আর্কাইভস সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রতিটি দেশ এক বা একাধিক আইন প্রণয়ন করতে পারে তবে আইনের ধারা হতে হবে স্বচ্ছ ও সংগতিপূর্ণ।’ আমরা একই আইনে আর্কাইভস প্রশাসন, নথি ব্যবস্থাপনা ও গ্রন্থাগার প্রশাসনকে যুক্ত করলে তা যৌক্তিক হবে না বরং সময়ের চাকাকে উল্টো দিকে ঘোরানোর নজির সৃষ্টি হবে।
খসড়া আইনের আর্কাইভস অংশটি পর্যালোচনা করলে মনে হয় যে এটি তৈরিতে যে পরিমাণ প্রস্তুতি গ্রহণ করা প্রয়োজন ছিল তা করা হয়নি। এও মনে হয়নি যে এটির প্রস্তুতিতে আন্তর্জাতিক নির্দেশাবলি বা মান অনুসরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শঙ্কা হয় যে আইনটি বর্তমান অবস্থায় গৃহীত হলে আমাদের প্রত্যাশা পূরণে সফল নাও হতে পারে।
খসড়া আইনটিতে মূলত জাতীয় আর্কাইভসকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এতে সারা দেশের নথি ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে বিশেষ কিছু উল্লেখ নেই। লাটভিয়ার আর্কাইভস আইনে নথি সৃষ্টিকারী সংস্থার জন্য প্রযোজ্য বাধ্যবাধকতার লম্বা তালিকা দেওয়া আছে। ভারতীয় আর্কাইভস আইনে প্রতিটি নথি সৃষ্টিকারী সংস্থায় একজন করে রেকর্ডস অফিসার নিয়োগ বাধ্যতামূলক। আইনে তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সুনির্দিষ্টভাবে বর্ণিত আছে। এই অফিসার সংস্থার নথি সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডের জন্য জাতীয় আর্কাইভসের প্রধানের কাছে দায়বদ্ধ থাকেন। জাতীয় আর্কাইভস নথি সৃষ্টিকারী সংস্থা ও রেকর্ডস অফিসারদের নেতৃত্বদানের মাধ্যমে সারা দেশের আর্কাইভস ও নথি ব্যবস্থাপনার নেতৃত্ব দিতে পারে। আইসিএর নির্দেশিকায় উল্লেখ আছে, ‘সারা দেশের নথি ব্যবস্থাপনার পদ্ধতি ও নেটওয়ার্কের উন্নয়ন সহজতর করার জন্য জাতীয় আর্কাইভসকে সরকারের ভেতর ও বাইরের আর্কাইভস সংশ্লিষ্ট সংস্থাসমূহকে নেতৃত্বে দিতে হবে।’
সাধারণভাবে এই আইন সরকারি, আধা সরকারি ও সরকারি অর্থে পরিচালিত সংস্থাসমূহের জন্য প্রযোজ্য হয়। তবে বেসরকারি ও সামাজিক সংস্থার ক্ষেত্রে এই আইনের কতটুকু প্রযোজ্য হবে তারও উল্লেখ থাকে। আইসিএর নির্দেশিকায় উল্লেখ আছে, ‘আর্কাইভস আইনের পরিধি অবশ্যই সুনির্দিষ্টভাবে নির্ধারণ করতে হবে। সরকারি সংস্থা ছাড়াও জনসম্পৃক্ততা আছে এমন সব সংস্থাকে এই আইনের আওতায় আনার বিষয়টি বিবেচনায় আনতে হবে।’ আমাদের দেশে তথ্য অধিকার আইন প্রচলিত আছে। সরকারি কার্যালয়ের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থাগুলোকেও এই আইনের আওতায় আনা হয়েছে। বেসরকারি সংস্থাসমূহে উন্নত নথি ব্যবস্থাপনা না থাকলে জনগণের তথ্য অধিকার কার্যত ব্যর্থ হবে। তাই আর্কাইভস আইনে এই বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে হবে।
আইনে দেশের আর্কাইভস প্রশাসন ও নথি ব্যবস্থাপনায় সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ কে হবে এবং তার দায়িত্ব, কর্তব্য, ক্ষমতা ইত্যাদি কেমন হবে, তা উল্লেখ থাকে। বেশির ভাগ দেশেই জাতীয় আর্কাইভস নথি ব্যবস্থাপনার সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ হিসেবে নির্ধারিত হয়। তবে কোনো কোনো দেশে এ বিষয়ে আলাদা কর্তৃপক্ষ গঠিত হয়েছে।
জাতীয় আর্কাইভস, দেশের নথি ব্যবস্থাপনা ও সরকারের মধ্যে সমন্বয় সাধন এবং প্রচলিত পদ্ধতিগুলোর উন্নয়নের জন্য আর্কাইভস আইনে একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠনের বিধান আছে। ইউনেসকোর নির্দেশাবলিতে উল্লেখ আছে, ‘নথির উৎসের অনন্য চরিত্র এবং বৈচিত্র্যের কারণে [আর্কাইভস প্রশাসন ও নথি ব্যবস্থাপনায়] একটি সংগঠন থাকা জরুরি, যার পরামর্শ প্রদান, সমন্বয় সাধন, তত্ত্বাবধান এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা থাকবে। প্রয়োজনে এটি আর্কাইভসসমূহে ব্যবহারোপযোগী কর্মপদ্ধতির সাধারণ মানদণ্ড সূত্রবদ্ধ করতে সক্ষম হবে। এর আইনগত পরিধি জাতীয় আর্কাইভসের সংগঠন, কর্মকাণ্ড এবং উন্নয়নে প্রভাব বিস্তার করে এমন সকল গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পর্যন্ত বিস্তৃত থাকবে।’ প্রণিতব্য আইনে এ ধরনের উপযুক্ত উপদেষ্টা পরিষদ এবং তাকে কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় বিধান থাকতে হবে। আইসিএ এবং ইন্টারন্যাশনাল রেকর্ড ম্যানেজমেন্ট ট্রাস্ট (আইআরএমটি)-এর নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়েছে যে আদর্শিকভাবে পরিষদের সদস্যসংখ্যা কম হবে এবং তাদের যোগ্যতা ও আগ্রহের ভিত্তিতে নির্বাচন করা হবে।
এই আইনটি প্রণয়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিনীতভাবে অনুরোধ করব যে আপনাদের প্রচেষ্টাটি যাতে সর্বাত্মকভাবে সফল হয়, এ জন্য আপনারা এ বিষয়ে ইউনেসকো, আইসিএ, আইআরএমটি এবং অন্যান্য উন্নত দেশের নির্দেশাবলিগুলো অনুসরণ করুন। ভারতের আর্কাইভস আইন প্রণয়নের জন্য গঠিত পরিষদের কর্মকাণ্ড আপনাদের সাহায্যে আসতে পারে বিবেচনায় নিচে সংক্ষিপ্ত একটি পরিসংখ্যান উল্লেখ করলাম। তাদের কার্যকালে তারা ১২টি স্টেট ভ্রমণ করেছিল, এর জন্য তাদের ১০ হাজার মাইল পথ পরিক্রম করতে হয়। তারা প্রতি স্টেটে সংশ্লিষ্ট ১০-১২ জন করে মোট ১৩৬ জনের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করে। তারা ১১টি মন্ত্রণালয় এবং এদের অধীন ২৫৩টি সংস্থা পরিদর্শন করে। দেশের আর্কাইভস প্রশাসন ও নথি ব্যবস্থাপনার প্রকৃত চিত্র পাওয়ার জন্য ৭৫টি প্রশ্নের একটি প্রশ্নমালা প্রচার করে। পরিষদ ১৭ বার সভায় মিলিত হয় এবং শেষে ১২৪ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
নথি ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। ২০০৯ সালে বিশ্বব্যাংকের জরিপে উল্লেখ আছে, ‘বাংলাদেশে নথি ব্যবস্থাপনা গুরুত্বের দিক থেকে খুব নিম্নে। এতে সরকারের কর্ম সম্পাদন ও সেবা প্রদান ব্যাহত হচ্ছে এবং টেকসই আইসিটি পদক্ষেপ গ্রহণে দুর্বলতা থাকছে।’ পূর্ণাঙ্গ ও আধুনিক আর্কাইভস আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের ওপরই নির্ভর করছে নথি ব্যবস্থাপনার দৈন্যদশা থেকে উত্তরণের পথ।
মুহাম্মদ লুৎফুল হক: গবেষক।
lutful55@gmail.com
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হার্ডড্রাইভের জায়গা নেবে ডিএনএ?
![]() |
| ডিএনএতে হাজারো বছর ধরে তথ্য সংরক্ষণ করে রাখা যায় |
ডিএনএতে তথ্য সংরক্ষণ করে রাখার সম্ভাব্যতা পরীক্ষা করে দেখছেন গবেষকেরা। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকেরা দীর্ঘ সময় ধরে ডিএনএতে সংরক্ষিত তথ্য ডাউনলোড করার একটি পরীক্ষা চালিয়েছেন। তাঁরা বলছেন, পরবর্তী লক্ষ্য হচ্ছে এক বিন্দু তরলের ওপর ভাসমান ডিএনএ তন্তু থেকে তথ্য খুঁজে বের করে আনার পদ্ধতি বের করা।
প্রধান গবেষক রবার্ট গ্র্যাস বলেন. কম্পিউটারের যেমন বাইনারি ভাষা আছে, তেমনি ডিএনএর একটি পৃথক ভাষা আছে। ডিএনএর ভাষা বাইনারি ভাষার চেয়ে পৃথক। কম্পিউটারের হার্ডড্রাইভ মূলত তথ্য উপস্থাপনের ক্ষেত্রে ওয়ান ও জিরো কোড হিসেবে ব্যবহার করে। কিন্তু ডিএনএর কোড লেথা হয় চারটি রাসায়নিক নিউক্লিওটাইড সিকোয়েন্সের ওপর। নিউক্লিওটাইড এক ধরনের জৈবিক অণু যা মনোমার এবং ডিএনএ ও আরএনএর সাব ইউনিট হিসেবে কাজ করে। নিউক্লিওটাইড কোষে শক্তির প্যাকেট নিয়ে যায় নিউক্লিওসাইড ট্রাইফসফেটের (এটিপি, জিটিপি, সিটিপি এবং ইউটিপি) আকারে যা বিপাকীয় প্রক্রিয়াতে মূল ভূমিকা পালন করে থাকে।
গবেষকেদের দাবি, ক্ষুদ্র পরিসরে অনেক বেশি তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে ডিএনএ। এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হল-স্থায়িত্ব।
গবেষক গ্র্যাস বলেন, তত্ত্ব অনুযায়ী, এক আউন্সের চেয়েও কম ডিএনএতে তিন লাখ টেরাবাইটের বেশি তথ্য সংরক্ষণ করে রাখা যায়। গবেষকেরা বলেন, হাজারো বছরের পুরোনো ডিএনএ আজও পরীক্ষা করে তথ্য বের করা যায়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বান্দরবানে প্রতিবছর পাহাড়ধসে মৃত্যু: ঝুঁকিতে বসবাসকারীদের সরানোর উদ্যোগ নেই by বুদ্ধজ্যোতি চাকমা
![]() |
| বান্দরবান জেলা শহরের নিউ গুলশান এলাকায় পাহাড়ের পাদদেশে বসতঘর। গত বৃহস্পতিবার এই ঘরের ওপর পাহাড় ধসে পড়ে মারা যায় এক শিশু :প্রথম আলো |
সরেজমিনে দেখা গেছে, শহরের ইসলামপুর, কাশেমপাড়া, নিউ গুলশান, বনরূপা, সিদ্দিকনগর ও লাঙ্গিপাড়ায় পাহাড়ের ঝুঁকিতে বসবাস করছে কয়েক শ পরিবার। বেড়া আর টিনের ছাউনির দেওয়া ঘরগুলোর কিছু পাহাড়ের পাদদেশে, কিছু খাঁজে। এসব ঘরে পরিবার-পরিজন নিয়ে বসবাস করছে নিম্নআয়ের লোকজন।
সিদ্দিকনগরে পাহাড়ে ঝুঁকিতে বাস করা রবিউল আলম ও আবু হোসেন মোল্লা বলেন, ‘আমরা জানি, এখানে ঝুঁকি আছে। কিন্তু কী করব? আমরা গরিব মানুষ। আর কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই।’
বান্দরবানের মৃত্তিকা সংরক্ষণ ও পানি বিভাজিকা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মাহবুবুল ইসলাম বলেন, পাহাড়ি পরিবেশে লাগসই বসতি গড়ে না তোলা, নির্বিচারে বন কেটে ভূমিতে চাষাবাদ করে মাটি ক্ষয় করা, পাহাড় কাটা, অধিকসংখ্যক অবৈধ ইটভাটায় মাটি ও বন কেটে জ্বালানি ব্যবহার, পানির উৎস থেকে প্রাকৃতিক পাথর সরিয়ে ফেলার কারণে পাহাড়ধস হচ্ছে। এসব নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে ভবিষ্যতে পাহাড়ধসের মাত্রা আরও বাড়তে পারে।
২০১৩ সালের সেপ্টেম্বরে জেলা প্রশাসনের করা এক জরিপে বলা হয়েছে, জেলার সাতটি উপজেলায় ২ হাজার ৩৩৪ পরিবারের ১২ হাজার ৭২৭ জন মারাত্মক ঝঁুকিপূর্ণ অবস্থায় পাহাড়ের ঢালে ও পাদদেশে বসবাস করছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে বসবাসকারী লামা উপজেলায়—১ হাজার ৪২২ পরিবার। এ ছাড়া আলীকদমে ৩৪০, রুমায় ২৩২ ও বান্দরবান সদরে ১৪৭ পরিবার ঝুঁকিতে রয়েছে।
জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, ২০১৩ সালের জরিপের চেয়েও বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে বসতি স্থাপনকারীর সংখ্যা বেড়ে গেছে। এ জন্য লামায় ছয়জনের মৃত্যুর ঘটনার পর পাহাড়ের ঢালে ও পাদদেশে ঝঁুকিপূর্ণভাবে বসবাসকারীদের হালনাগাদ তালিকা তৈরি করার জন্য সম্প্রতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, বান্দরবানে ব্যাপক আকারে পাহাড়ধস শুরু হয়েছে ১৯৯৯ সাল থেকে। ওই বছর আগস্টে আজিজ নগরে চিউরতলী এলাকায় এক রাতে শতাধিক পাহাড়ধসে পড়ে। সেখানে তিনজন নিহত ও ১২ জন আহত হন। তবে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে থাকে ২০০৯ সাল থেকে। ওই বছর আজিজনগরে তিন পরিবারের ১১ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এরপর ২০১২ সালে লামা ফাইতং ও নাইক্ষ্যংছড়িতে ৩৭ জন নিহত হন। এ ছাড়া ২০১১ ও ২০১৩ সালে দুজন করে ও ২০১৪ সালে তিনজনের মৃত্যু হয়। চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে সিদ্দিকনগরে একজন, জুনে বনরূপায় দুই শিশু ও ৩১ জুলাই লামায় ছয়জনের মৃত্যু হয়।
লামার ইউএনও খালেদ মাহমুদ বলেন, বৃষ্টি হলেই ঝুঁকিতে বসবাসকারীদের সরে যেতে মাইকিং করা হয়। এরপরও না সরলে উপজেলা প্রশসনের দল গিয়ে তাদের আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে আসে। কিন্তু দিনে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে এলেও রাতে তারা আবার ঘরে ফিরে যায়। এ কারণে দুর্ঘটনা ঘটছে।
জানতে চাইলে জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মনসুরুর রহমান বলেন, ২০১২ সালে ৩৭ জনের মৃত্যুর পর পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। ওই তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে পাহাড়ে বসতি স্থাপন বন্ধ করা, পাহাড়ি পরিবেশে লাগসই ঘরবাড়ি নির্মাণ, ইটভাটার সংখ্যা কমিয়ে আনা, ঝুঁকিতে বসবাসকারীদের সরিয়ে নেওয়া, পাহাড় কাটা বন্ধ করে বনায়ন কার্যক্রম ত্বরান্বিত করাসহ বেশ কিছু সুপারিশ করা হয়। কিন্তু প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের তৈরি করা এ সুপারিশ বাস্তবায়নে প্রশাসন থেকেই কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
জেলা প্রশাসক মিজানুল হক চৌধুরী বলেন, পাহাড় ও নদীতীরবর্তী এলাকায় বসবাসকারীদের তালিকা পাওয়া গেলে পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। বিষয়টি ইতিমধ্যে ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে জানানো হয়েছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এনকেফালাইটিস ভাইরাস ঝুঁকিতে উপকূলের শিশুরা by প্রণব বল
গবেষণা প্রতিবেদনটি বাংলাদেশ জার্নাল অব চাইল্ড হেলথে গত বছর প্রকাশ করা হয়। চট্টগ্রামের ছয়জন চিকিৎসক এ গবেষণায় যুক্ত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশুস্বাস্থ্য ও ফিজিক্যাল মেডিসিন বিভাগের পাঁচজন এবং চট্টগ্রাম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইউএসটিসি) রোগতত্ত্ব বিভাগের একজন চিকিৎসক রয়েছেন।
গবেষণায় যুক্ত চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশুস্বাস্থ্য বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক প্রণব কুমার চৌধুরী বলেন, এনকেফালাইটিস ভাইরাস সংক্রমণের শিশুদের প্রতি দুজনের একজন মারা যাচ্ছে। তবে নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না উপকূলীয় এলাকায় ঠিক কী কারণে শিশুরা এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। তিনি বলেন, এ ভাইরাস সংক্রমণের শিকার হলে শিশুদের জ্বর ও খিঁচুনি হয়। মাঝে মাঝে তারা অচেতন হয়ে পড়ে। কোনো শিশুর এসব লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া বা তাকে হাসপাতালে ভর্তি করাতে অভিভাবকদের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
প্রণব কুমার চৌধুরী বলেন, দুই বছরের কম বয়সী শিশুরা এ রোগ থেকে সুস্থ হলেও তাদের মধ্যে কিছু স্থায়ী সমস্যা দেখা দেয়। কানে কম শোনা, চোখে কম দেখাসহ নানা শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে।
গবেষণা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, জানুয়ারি, এপ্রিল এবং অক্টোবর মাসে শিশুদের এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা বেশি। ২০০৯ এবং ২০১০ সালে এনকেফালাইটিস ভাইরাস সংক্রমণের শিকার ৬৬৬টি শিশু চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়। এর মধ্যে ৪২১টি গ্রামের ও ১৪৪টি শহরের। ২০০৯ সালে ভর্তি হওয়া ৩১২টি শিশুর মধ্যে ৪৬ শতাংশ এবং ২০১০ সালে ভর্তি হওয়া ৩৫৪টি শিশুর মধ্যে ৫৬ শতাংশই মারা যায়। চিকিৎসকেরা জানান, গত বছর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এনকেফালাইটিস ভাইরাস সংক্রমণের শিকার হওয়া ৮৪টি শিশু মারা গেছে।
গবেষণায় যুক্ত চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশুস্বাস্থ্য বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাসির উদ্দিন মাহমুদ বলেন, ১২ মাস থেকে ৬০ মাস বয়সী শিশুরা এনকেফালাইটিস ভাইরাসে বেশি সংক্রমিত হচ্ছে। হাসপাতালে ভর্তি হওয়া শিশুদের বেশির ভাগই আসছে দক্ষিণ চট্টগ্রামের উপকূলীয় এলাকা আনোয়ারা, বাঁশখালী, পটিয়া, চকরিয়া ও কক্সবাজার থেকে। তিনি জানান, এ ভাইরাসের টিকা বাজারে পাওয়া যায়। শিশু ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর চিকিৎসকের পরামর্শে টিকা দেওয়া যেতে পারে। তিনি বলেন, সরকার চাইলে পাইলট প্রকল্প হিসেবে দক্ষিণ চট্টগ্রামের কোনো উপজেলায় বিনা মূল্যে এনকেফালাইটিস ভাইরাসের টিকাদান কর্মসূচি চালু করতে পারে।
গবেষণায় যুক্ত ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফিজিক্যাল মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক প্রভাত চন্দ্র বড়ুয়া, শিশুস্বাস্থ্য বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম, সহযোগী অধ্যাপক সনৎ কুমার বড়ুয়া এবং ইউএসটিসির রোগতত্ত্ব বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আবু হেনা মোস্তফা কামাল।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শওকত মাহমুদকে ৮০ দিনের রিমান্ডে চায় পুলিশ
শওকত মাহমুদের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন মেজবাহ বলেন, রোববার ঢাকা সিএমএম আদালতে শওকত মাহমুদের বিরুদ্ধে পল্টনের পাঁচ মামলা ও মতিঝিলের তিন মামলায় ১০ দিন করে মোট ৮০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে পুলিশ। আদালত শুনানির জন্য সোমবার দিন ধার্য করেছে।
চলতি বছরের শুরুর দিকে দিকে বিএনপির হরতাল-অবরোধ চলাকালে পল্টন ও মতিঝিল থানায় ওই মামলাগুলো দায়ের করা হয়। তবে বিএনপি এবং সাংবাদিক নেতারা এসব মামলাকে সরকারের ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেছে।
গত ১৮ আগস্ট রাজধানীর পান্থপথের একটি কনভেনশন সেন্টার থেকে শওকত মাহমুদকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
রমনা থানায় দায়ের করা একটি মামলায় তাকে তিন দিনের রিমান্ড দেয় আদালত। রিমান্ড শেষে গত ২২ আগস্ট ঢাকা মহানগর হাকিম ওয়ায়েজ কুরুনী খান চৌধুরি তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
তাকে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে রাখা হয়েছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1330)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
August
(765)
-
▼
Aug 24
(17)
- বঙ্গবন্ধু হত্যার সময়ের ভূমিকা স্পষ্ট করুন -ইনুর উদ...
- শফিউল্লাহ বেয়াদব, জাসদই বঙ্গবন্ধু হত্যার পথ পরিষ্ক...
- জাপানে আগ্নেয়াস্ত্রের গুদামে বিস্ফোরণ
- গুজরাটে মুসলিম নেতা ও তার পুত্রকে গুলি করে হত্যা
- পরমাণু শক্তিধর পাকিস্তান জানে কিভাবে আত্মরক্ষা করত...
- মানবিকতার কাছে হার মানল মেসিডোনিয়া
- সবজি বেচে হাসপাতাল গড়লেন সুভাষিণী
- ইগো কূটনীতি আঞ্চলিক শান্তির জন্য হুমকি
- এসব ছিটমহলবাসীর কী হবে? by তুহিন ওয়াদুদ
- নগরপিতা একটু ভাববেন কি? by সজল চৌধুরী
- ফ্রান্সে ট্রেনে জঙ্গি হামলা রুখে দিলেন দুই মার্কিন
- ইউরোপে সংকটে শরণার্থীরা
- আর্কাইভস আইন: সময়ের চাকা উল্টো দিকে ঘোরানো নয় b...
- হার্ডড্রাইভের জায়গা নেবে ডিএনএ?
- বান্দরবানে প্রতিবছর পাহাড়ধসে মৃত্যু: ঝুঁকিতে বসবা...
- এনকেফালাইটিস ভাইরাস ঝুঁকিতে উপকূলের শিশুরা by প্রণ...
- শওকত মাহমুদকে ৮০ দিনের রিমান্ডে চায় পুলিশ
-
▼
Aug 24
(17)
-
▼
August
(765)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...













