Monday, August 11, 2025
গাজা সিটি দখলের পরিকল্পনায় দেশে–বিদেশে কাউকে পাশে না পেয়েও কেন অনড় নেতানিয়াহু
প্রস্তাবটি নিয়ে ইসরায়েলের সামরিক নেতৃত্ব ব্যাপক আপত্তি জানিয়েছিল। এ নিয়ে সতর্কও করা হয়েছিল। এরপরও পরিকল্পনাটি অনুমোদন করা হয়েছে। সামরিক নেতৃত্ব বলেছিল, এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হলে গাজায় মানবিক সংকট আরও বাড়বে এবং সেখানে থাকা ৫০ জিম্মির জীবন বিপন্ন হবে।
সামরিক অভিযান বিস্তৃত করার পরিকল্পনাটি এমন সময়ে করা হয়েছে, যখন কিনা বিশ্বে ইসরায়েলের প্রতি সমর্থন কমে গেছে। এমনকি গাজায় যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে ইসরায়েলি জনগণের সমর্থনও কমে গেছে।
তবু নেতানিয়াহু তাঁর পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে হাঁটছেন। কারণ, এর মধ্য দিয়ে তাঁর অন্ততপক্ষে একটি হলেও রাজনৈতিক ফায়দা হবে। সেটি হলো, এর মধ্য দিয়ে তিনি তাঁর রাজনৈতিক অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য লড়াই করার সময় পাবেন। তাঁর কট্টর ডানপন্থী জোটের সঙ্গীরাও চান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হোক।
নেতানিয়াহুর মিত্র আরও দুই উগ্রবাদী ইহুদি নেতা ইতামার বেন গভির এবং বেজালেল স্মোট্রিচ একাধিকবার হুমকি দিয়েছেন যে যুদ্ধ বন্ধ হলে তাঁরা জোট সরকার ভেঙে দেবেন। আর এই হুমকির মধ্য দিয়ে তাঁরা বারবারই যুদ্ধবিরতি আলোচনার অগ্রগতি আটকে দিয়েছেন।
বেন গভির এবং স্মোট্রিচ যা চান, সে তুলনায় নেতানিয়াহুর গাজা সিটি দখলের পরিকল্পনাটি কমই বলা চলে। কারণ, বেন গভির ও স্মোট্রিচ চান প্রথম ধাপে পুরো গাজা উপত্যকা দখল করে সেখানে নতুন করে ইহুদি বসতি স্থাপন শুরু করতে। আর শেষ পর্যন্ত তাঁরা পুরো ভূখণ্ডটিকে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করে নিতে চান। বৈঠকের আগে নেতানিয়াহু নিজেও যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সে তুলনায়ও তাঁর নতুন পরিকল্পনার পরিসর ছোট।
গত বৃহস্পতিবার ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেছিলেন, ইসরায়েল পুরো গাজার নিয়ন্ত্রণ নিতে চায়। তিনি এমনভাবে বলছিলেন, যেন অঞ্চলটি পুরোপুরি দখলের সিদ্ধান্ত ইতিমধ্যে নিয়ে ফেলেছেন।
তবে ইসরায়েলের নেতা এখন ধাপে ধাপে পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করেছেন। প্রথম ধাপের লক্ষ্য হলো, শুধু গাজা সিটির দখল নেওয়া। কাছাকাছি থাকা অন্যান্য শিবিরের দখল এখনই নেওয়া হবে না।
ধারণা করা হয়, ওই শিবিরগুলোতে ২০ ইসরায়েলিকে জিম্মি করে রাখা হয়েছে। নেতানিয়াহু খুব সচেতনভাবে অভিযান শুরুর জন্য দুই মাসের ঢিলেঢালা একটি সময়সীমা দিয়েছেন। অর্থাৎ এ সময়ের মধ্যে কূটনৈতিক চেষ্টার মাধ্যমে যুদ্ধবিরতি ও জিম্মি মুক্তির চুক্তির সুযোগ রাখা হয়েছে। পুরো পরিকল্পনা বাতিল করারও সুযোগ আছে।
তবে নেতানিয়াহুর উগ্র ডানপন্থী জোটের সহযোগীরা এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্ষুব্ধ। তারা বলছে, এই পরিকল্পনা যথেষ্ট নয়। তারা মনে করে, যুদ্ধের মাত্রা বাড়ানোটাই যথেষ্ট।
স্মোট্রিচের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানায়, ‘নেতানিয়াহুর যে প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভার অনুমোন পেয়েছে, সেটির কথা শুনলে ভালো লাগতে পারে। কিন্তু আসলে এটি আগের অবস্থারই পুনরাবৃত্তি। এই সিদ্ধান্ত না নৈতিক, না আদর্শিক, না জায়নবাদী।’
নেতানিয়াহুর সর্বশেষ পরিকল্পনাটি তাঁর জোটসঙ্গী বা ইসরায়েলের সামরিক নেতৃত্ব কারোরই পছন্দ হয়নি। দীর্ঘ ১০ ঘণ্টা ধরে ইসরায়েলি মন্ত্রিসভার বৈঠকটি হয়েছিল। ইসরায়েলের সামরিক প্রধান ইয়াল জামির সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে সরকারের পরিকল্পনার কঠোর বিরোধিতা করেন।
ইসরায়েলের শীর্ষ এই জেনারেল সতর্ক করেন, নতুন কোনো সামরিক অভিযান চালানো হলো, তা গাজায় থেকে যাওয়া ইসরায়েলি জিম্মিদের জন্য বিপজ্জনক হবে। এই পরিকল্পনা ইসরায়েলি সেনাদেরও ঝুঁকিতে ফেলবে বলে সতর্ক করেন তিনি।
ইয়াল জামির আরও বলেন, গাজা এমন একটি ফাঁদে পরিণত হবে, যা প্রায় দুই বছর অবিরাম লড়াইয়ে ক্লান্ত ইসরায়েলি বাহিনীর শক্তি আরও কমিয়ে দেবে এবং ফিলিস্তিনের মানবিক সংকটকে আরও গভীর করে তুলবে।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী যে উদ্বেগগুলো প্রকাশ করেছে, সেগুলো ইসরায়েলের সাধারণ মানুষেরও কথা। অনেক জরিপে দেখা গেছে, ইসরায়েলের বেশির ভাগ মানুষ চায়, যুদ্ধ বন্ধ হোক এবং জিম্মিদের ফিরিয়ে আনা হোক। তবে নেতানিয়াহুর সিদ্ধান্তটি সেনা বা সাধারণ মানুষের মতের সঙ্গে মিলছে না। বিশ্লেষকেরা বলছেন, নিজের রাজনৈতিক অবস্থান টিকিয়ে রাখাটাই এখন নেতানিয়াহুর মূল চিন্তা।
গাজা দখলের পরিকল্পনা নেতানিয়াহু এবং ইসরায়েলকে আন্তর্জাতিক মহলে এক অবিশ্বাস্য একাকিত্বের মধ্যে নিয়ে গেছে। গাজার যুদ্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের সমর্থন থাকা সত্ত্বেও উপত্যকাটিতে ক্রমবর্ধমান খাদ্যসংকট ও অনাহার বিশ্বজুড়ে ইসরায়েলের যুদ্ধের গ্রহণযোগ্যতাকে কমিয়ে দিয়েছে।
পরিকল্পনাটি ঘোষণার পর জার্মানি বলেছে, তারা ইসরায়েলের জন্য কিছু সামরিক সরঞ্জাম রপ্তানি স্থগিত করছে। এর মধ্য দিয়ে অন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোর জন্যও ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক আরও কমিয়ে আনার পথ তৈরি হয়েছে। জার্মানি হলো যুক্তরাষ্ট্রের পর ইসরায়েলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত মিত্র।
নেতানিয়াহু এমন একটি পরিকল্পনাকে এগিয়ে নিচ্ছেন, যা কারোরই মন জোগাতে পারছে না। একদিকে যেমন বিদেশে ইসরায়েলের মিত্র, দেশের সামরিক নেতৃত্ব, যুদ্ধ থামাতে চাওয়া সাধারণ মানুষ—কারোরই সমর্থন পাচ্ছে না এটি। অপর দিকে নেতানিয়াহুর জোটের কট্টরপন্থী নেতারাও এই পরিকল্পনা নিয়ে অখুশি। তাঁরা মনে করছেন, পরিকল্পনাটি যথেষ্ট নয়।
এই পরিকল্পনার মধ্য দিয়ে আসলে সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবেন নেতানিয়াহু নিজেই। তাঁকে আরও কিছু সময় দিচ্ছে সেই অবশ্যম্ভাবী সিদ্ধান্ত এড়িয়ে যেতে, যেখানে তাঁকে হয় একটি সত্যিকারের যুদ্ধবিরতিতে রাজি হতে হবে (যা বন্দীদের প্রাণ বাঁচাতে পারে), নয়তো পূর্ণাঙ্গ সামরিক অভিযানে নামতে হবে (যা তাঁর জোটসঙ্গীদের সন্তুষ্ট করবে)।
এটিকে কৌশলগত পদক্ষেপ বললে কম বলা হয়ে যায়। এটি আরও বেশি কিছু। বলা চলে যুদ্ধকে দীর্ঘায়িত করতে এটি নেতানিয়াহুর একটি পুরোনো পদ্ধতি। আর তা হলো—নিজের রাজনৈতিক অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে গাজাবাসী ও ইসরায়েলি বন্দীদের দুর্ভোগে ফেলা এবং তাদের ক্ষতি করা।
![]() |
| ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। রয়টার্স, ফাইল ছবি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
৫ সংবাদকর্মী নিহত: ইসরায়েলি হামলায় নিহত হওয়ার আগে কী লিখে গেছেন সাংবাদিক শরীফ
স্থানীয় সময় গতকাল রোববার সন্ধ্যায় গাজা সিটির আল-শিফা হাসপাতালের প্রধান ফটকের বাইরে অবস্থিত তাঁবুতে এ হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় মোট সাতজন নিহত হন।
হামলায় নিহত অন্য সংবাদকর্মীদের মধ্যে রয়েছেন আল-জাজিরার সংবাদদাতা মোহাম্মদ কুরেইকেহ ও ক্যামেরা অপারেটর ইব্রাহিম জাহের, মোহাম্মদ নওফাল ও মোয়ামেন আলিওয়া।
২৮ বছর বয়সী আনাস আল-শরীফ ছিলেন আল-জাজিরা আরবির পরিচিত মুখ। তিনি গাজার উত্তরাঞ্চল থেকে ইসরায়েলের হামলা নিয়ে ধারাবাহিকভাবে প্রতিবেদন করছিলেন।
নিহত হওয়ার কিছুক্ষণ আগেই এক্সে (সাবেক টুইটার) শরীফ লিখেছিলেন, গাজা সিটির পূর্ব ও দক্ষিণ অংশে তীব্র ও লক্ষ্যকেন্দ্রিক বোমাবর্ষণ শুরু করেছে ইসরায়েল। এ ধরনের বোমাবর্ষণ ‘ফায়ার বেল্ট’ নামে পরিচিত।
শরীফের শেষ ভিডিওটি রাতের বেলা ধারণ করা। ভিডিওতে ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার তীব্র আওয়াজ শোনা যায়। হামলার পর মুহূর্তে কমলা আলোয় আলোকিত হয়ে ওঠে গাজার রাতের আকাশ।
গত ৬ এপ্রিল শরীফ একটি ‘শেষ বার্তা’ লেখেন। মৃত্যুর পর প্রকাশের জন্য এই বার্তা রেখে গিয়েছিলেন তিনি।
বার্তায় শরীফ লিখেছিলেন, তিনি যন্ত্রণার প্রতিটি ক্ষুদ্রতম রূপ অনুভব করেছেন। বারবার দুঃখ ও ক্ষতির স্বাদ পেয়েছেন।
শরীফ আরও লিখেছেন, ‘তবু আমি কখনো দ্বিধা করিনি সত্য যেমন আছে, ঠিক তেমনই, বিন্দুমাত্র বিকৃতি বা ভ্রান্তি ছাড়াই তুলে ধরতে। আমার একমাত্র আশা ছিল, আল্লাহ যেন সাক্ষী থাকেন তাঁদের প্রতি, যাঁরা নীরব থেকেছেন, যাঁরা আমাদের হত্যাকে মেনে নিয়েছেন, আর যাঁরা আমাদের শ্বাস পর্যন্ত রুদ্ধ করেছেন।’
শরীফ লিখেছেন, ‘আমাদের শিশু ও নারীদের ক্ষতবিক্ষত দেহও তাঁদের হৃদয়কে নড়াতে পারেনি, কিংবা দেড় বছরের বেশি সময় ধরে আমাদের জনগণের ওপর চলা হত্যাযজ্ঞ থামাতে পারেনি।’
শরীফ আশঙ্কা প্রকাশ করে লিখেছেন, স্ত্রী বায়ান, ছেলে সালাহ ও মেয়ে শামকে রেখে হয়তো তাঁর চলে যেতে হতে পারে। ছেলে-মেয়ের বড় হওয়াটা হয়তো তিনি দেখে নাও যেতে পারেন। এ জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।
আল-জাজিরার নিন্দা
ইসরায়েলি হামলায় নিজেদের পাঁচজন সংবাদকর্মীর একসঙ্গে নিহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে আল-জাজিরা।
এক বিবৃতিতে আল-জাজিরা বলেছে, এটা সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর আরেকটি নগ্ন ও পূর্বপরিকল্পিত হামলা।
বিবৃতিতে বলা হয়, গাজায় চলমান ইসরায়েলি হামলার ভয়াবহ পরিণতির মধ্যেই এই আক্রমণ চালানো হয়েছে। গাজায় বেসামরিক মানুষদের অবিরাম ও নির্মমভাবে হত্যা করা হচ্ছে। জোর করে অনাহারে রাখা হচ্ছে। পুরো সম্প্রদায়কে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হচ্ছে।
আল-জাজিরা বলেছে, গাজায় অন্যতম সাহসী সাংবাদিক শরীফ ও তাঁর সহকর্মীদের হত্যার নির্দেশ উপত্যকাটি দখল ও দখলদারির বিরুদ্ধে সোচ্চার কণ্ঠস্বরকে নীরব করার এক মরিয়া প্রচেষ্টা।
গাজায় চলমান গণহত্যা ও সংবাদকর্মীদের ইচ্ছাকৃতভাবে লক্ষ্যবস্তু বানানো বন্ধ করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়সহ সব প্রাসঙ্গিক সংস্থাকে সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে আল-জাজিরা।
শরীফ ও তাঁর সহকর্মীদের ওপর ইসরায়েলি হামলার সময় ঘটনাস্থল থেকে মাত্র এক ব্লক দূরে ছিলেন আল-জাজিরা ইংরেজির সংবাদদাতা হানি মাহমুদ। তিনি বলেন, গত ২২ মাসের যুদ্ধে সহকর্মী শরীফের মৃত্যুর খবর প্রচার করা ছিল তাঁর জীবনের সবচেয়ে কঠিন কাজ।
হানি মাহমুদ বলেন, গাজার ফিলিস্তিনিদের অনাহার, অপুষ্টি ও দুর্ভিক্ষ পরিস্থিতি নিয়ে নিরলসভাবে প্রতিবেদন করার কারণেই সাংবাদিকদের হত্যা করা হয়েছে। কেননা তাঁরা এ অপরাধের সত্যতা সবার সামনে তুলে ধরছিলেন।
‘কোনো প্রমাণ নেই’
শরীফকে ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যার কথা নিশ্চিত করে একটি বিবৃতি দিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দাবি, হামাসের একটি সেলের প্রধান ছিলেন শরীফ। ইসরায়েলি বেসামরিক নাগরিক ও সেনাদের ওপর রকেট হামলা পরিচালনায় তাঁর জড়িত থাকার অভিযোগ এনেছে তারা। তারা দাবি করেছে, তাদের কাছে তাঁর ফিলিস্তিনি সংগঠনটির সঙ্গে সম্পৃক্ততার সন্দেহাতীত প্রমাণসংবলিত নথি রয়েছে।
তবে মানবাধিকার সংস্থা ইউরো-মেড হিউম্যান রাইটস মনিটরের বিশ্লেষক মুহাম্মদ শেহাদা বলেন, শরীফের সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার কোনো প্রমাণ নেই। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে কাজ করাই ছিল তাঁর প্রতিদিনের রুটিন।
| ইসরায়েলি হামলায় নিহত সাংবাদিক আনাস আল-শরীফ। ছবি: শরীফের এক্স থেকে নেওয়া |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দু’মুঠো খাবারই এখন স্বপ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে গাজার মানুষের কাছে
সিএনএন জানিয়েছে, ক্রমবর্ধমান তথ্যের উপর ভিত্তি করে আইপিসির সতর্কতা প্রকাশ করে যে ব্যাপক অনাহার, অপুষ্টি এবং রোগ ক্ষুধাজনিত মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আইপিসি বলেছে, ‘সংঘাত এবং স্থানচ্যুতি তীব্রতর হয়েছে। খাদ্য এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র এবং পরিষেবার অ্যাক্সেস অভূতপূর্ব পর্যায়ে নেমে এসেছে।’
আইপিসি জানিয়েছে, স্বাস্থ্যকর্মীরা এপ্রিল থেকে জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময়ে তীব্র অপুষ্টিতে ভোগা ২০,০০০-এরও বেশি শিশুর চিকিৎসা করেছেন, যার মধ্যে ৩,০০০-এরও বেশি শিশু গুরুতর অপুষ্টিতে ভুগছিল। সর্বশেষ তথ্য ইঙ্গিত দেয় যে গাজা উপত্যকার বেশিরভাগ অংশে খাদ্য গ্রহণের জন্য এবং গাজা সিটিতে তীব্র অপুষ্টি দুর্ভিক্ষের সব সীমা অতিক্রম করা হয়েছে। যুদ্ধ বন্ধ করার জন্য ‘তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ’ নেয়ার এবং বৃহৎ আকারের মানবিক সাহায্যের অনুমতি দেয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে আইপিসির তরফ থেকে। মে মাসে, আইপিসি সতর্ক করে দিয়েছিল- গাজার প্রত্যেকেই ‘উচ্চ স্তরের তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার’ সম্মুখীন এবং দুর্ভিক্ষের ‘উচ্চ ঝুঁকিতে’ রয়েছে।
জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) এর জরুরি অবস্থা বিষয়ক পরিচালক রস স্মিথ বলেছেন, এটি স্পষ্টতই আমাদের চোখের সামনে, আমাদের টেলিভিশনের পর্দার সামনে একটি বিপর্যয় ঘটছে। এটি কোনও সতর্কতা নয়, এটি পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরাইলের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে প্রায় ৬০,০০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। জাতিসংঘের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, গাজায় ৪,৭০,০০০ এরও বেশি মানুষ, যার মধ্যে ৭১,০০০ পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু রয়েছে, যারা এখন অনাহারে।
২রা মার্চ থেকে ইসরাইলের পূর্ণাঙ্গ অবরোধের ফলে খাদ্য, ওষুধ, জ্বালানি এবং মানবিক সরবরাহ কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে। খাদ্য বিতরণ কেন্দ্রে পৌঁছানোর চেষ্টা করার সময় ১,০৬০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে। সোমবার, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প এই পরিস্থিতিকে ‘প্রকৃত দুর্ভিক্ষ’ বলে অভিহিত করেছেন। ইসরাইল ঘোষণা করেছে যে তারা গাজার কিছু অংশে প্রতিদিন ১০ ঘন্টা সামরিক অভিযান স্থগিত রাখবে যাতে ত্রাণ কনভয় নিরাপদে যাতায়াত করতে পারে।
জাতিসংঘ বলছে, মানবিক চাহিদা মেটাতে প্রতিদিন ৫০০-৬০০ ট্রাক প্রয়োজন, যদিও নীতি পরিবর্তনের পর থেকে মাত্র ১০০টি ট্রাক প্রবেশ করেছে।
সূত্র: এনডিটিভি

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাজায় আল জাজিরার ৫ সাংবাদিককে হত্যা করেছে ইসরাইল
মৃত্যুর পর একটি পোস্ট প্রকাশিত হয়, যা সম্ভবত আগে লেখা ছিল এবং তার বন্ধুর মাধ্যমে প্রকাশিত হয়। হামলার পরের দুটি গ্রাফিক ভিডিও, যা বিবিসি ভেরিফাই নিশ্চিত করেছে, তাতে দেখা যায় নিহতদের মৃতদেহ বহন করছে মানুষজন। সেখানে একজন মিডিয়া ভেস্ট পরিহিত ব্যক্তি জানান, একটি মৃতদেহ আল-শরীফের। আইডিএফ দাবি করেছে, আল-শরীফ সাংবাদিক সেজে ছিলেন এবং ইসরাইলি বেসামরিক নাগরিক ও সেনাদের বিরুদ্ধে রকেট হামলার জন্য দায়ী। তারা আরও বলেছে, এর আগেই তার সামরিক সম্পৃক্ততার গোয়েন্দা তথ্য প্রকাশ করা হয়। গত মাসে আল জাজিরা, জাতিসংঘ এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা সিপিজে পৃথক বিবৃতিতে আল-শরীফের জীবন হুমকিতে রয়েছে বলে সতর্ক করে। তার সুরক্ষার দাবি জানায় সিপিজে। সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী জোডি গিন্সবার্গ বিবিসিকে বলেন, ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হয়েছে যে নিহত সাংবাদিকরা আসলেই ‘সন্ত্রাসী’ ছিলেন।
তার ভাষায়, এটি একটি পুনরাবৃত্ত ধারা। শুধু এই যুদ্ধেই নয় কয়েক দশক ধরেই দেখা গেছে সাধারণত একজন সাংবাদিককে হত্যা করার পর ইসরাইল বলে যে তারা সন্ত্রাসী, কিন্তু এ দাবির পক্ষে খুব কম প্রমাণ দেয়। এটি প্রথম নয় যে আইডিএফ গাজায় আল জাজিরা সাংবাদিকদের হত্যা করেছে এবং পরে দাবি করেছে তারা হামাস-সংশ্লিষ্ট। গত বছরের আগস্টে ইসমাইল আল-গুল নিজের গাড়িতে বসে থাকার সময় বিমান হামলায় নিহত হন। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারিত ভয়াবহ ভিডিওতে তার মস্তক বিচ্ছিন্ন দেহ দেখা যায়। ওই হামলায় ক্যামেরাম্যান রামি আল-রিফি ও পাশ দিয়ে যাওয়া এক সাইকেল আরোহী কিশোরও নিহত হয়। সিপিজের হিসাবে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরাইলের সামরিক অভিযান শুরুর পর এ পর্যন্ত ১৮৬ জন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জাতিসংঘে কঠোর সমালোচনা, পক্ষান্তরে নেতানিয়াহুর সাফাই
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠকে বৃটেন, ফ্রান্সসহ একাধিক দেশ পরিকল্পনাটিকে আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের লঙ্ঘনের ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত করে নিন্দা জানায়। ডেনমার্ক, গ্রিস এবং স্লোভেনিয়া পরিকল্পনাটি বাতিলের আহ্বান জানিয়ে বলে, এ পরিকল্পনা জিম্মিদের মুক্তিতে কোনো সহায়ত হবে না। বরং তাদের জীবন আরও বিপদের মুখে ফেলবে। চীন এই পরিকল্পনাকে গাজার মানুষের প্রতি সামষ্টিক শাস্তি বলে আখ্যা দিয়েছে। আর রাশিয়া বেপরোয়াভাবে সংঘাত বৃদ্ধির বিরুদ্ধে সতর্ক করে। জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিব মিরোস্লাভ ইয়েনচা বলেন, এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে এটি গাজায় আরেকটি বিপর্যয় ডেকে আনবে, পুরো অঞ্চলে অস্থিরতা ছড়াবে এবং আরও বাস্তুচ্যুতি, হত্যাকাণ্ড ও ধ্বংসযজ্ঞ ঘটাবে। জাতিসংঘের মানবিক সংস্থার রমেশ রাজাসিংহম জানান, গাজার খাদ্যসংকট আর আসন্ন নয়- এটি সরাসরি অনাহার।
যুক্তরাষ্ট্র অবশ্য ইসরাইলের পক্ষ নিয়ে কথা বলে। মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডরোথি শিয়া বলেন, যুক্তরাষ্ট্র অবিরামভাবে জিম্মিদের মুক্তি ও যুদ্ধ শেষ করার চেষ্টা করছে। আর এই বৈঠক সেই প্রচেষ্টাকে ক্ষুণ্ন করছে। তিনি দাবি করেন, যুদ্ধ এখনই শেষ হতে পারে যদি হামাস জিম্মিদের মুক্তি দেয়। বৈঠকে অন্য সদস্যদের ইসরাইলের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ আনার সুযোগ নেওয়ার অভিযোগ তোলেন তিনি। একে তিনি সুস্পষ্টভাবে মিথ্যা বলে অভিহিত করেন। রবিবার পরে নেতানিয়াহুর দপ্তর জানায় যে, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ইসরাইলের পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেছেন। ইসরাইলের বিভিন্ন শহরে হাজারো মানুষ সরকারবিরোধী বিক্ষোভ করেছে। কারণ তারা মনে করে এই পরিকল্পনা জিম্মিদের জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলছে। সংবাদ সম্মেলনে নেতানিয়াহু বলেন, ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনীকে (আইডিএফ) গাজা সিটি এবং আল-মাওয়াসি এলাকার বাকি দুটি হামাস ঘাঁটি ধ্বংস করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
তিনি তিন ধাপের একটি পরিকল্পনার কথাও জানান, যাতে গাজায় সাহায্য বাড়ানো, মানবিক সহায়তার নিরাপদ করিডোর তৈরি, ইসরাইল ও অন্যান্য অংশীদারদের মাধ্যমে আরও বিমান থেকে ত্রাণ ফেলা এবং বিতরণ কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ানো অন্তর্ভুক্ত। এই বিতরণ কেন্দ্রগুলোর দায়িত্বে থাকবে বিতর্কিত মার্কিন-ইসরাইল সমর্থিত গাজা হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশন (জিএইচএফ)। জাতিসংঘ জানায়, মে মাসের শেষ দিকে জিএইচএফ সহায়তা কেন্দ্র স্থাপনের পর থেকে খাবারের খোঁজে ১৩৭৩ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নেতানিয়াহু অভিযোগ করেন, হামাস সহায়তার ট্রাকগুলো লুট করেছে এবং জিএইচএফ কেন্দ্রগুলোতে ফিলিস্তিনিদের মৃত্যুর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অনেক গুলি হামাসই চালিয়েছে। গাজায় বাকি থাকা ইসরাইলি জিম্মিদের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা কিছু না করলে, তাদের উদ্ধার করতে পারব না।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে নেতানিয়াহু বলেন, তারা হামাসের প্রচারণায় বিশ্বাস করছে। তিনি দাবি করেন, গাজার অপুষ্টিতে ভোগা শিশুদের কিছু ছবি, যা আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে, তা ভুয়া। যদিও যুদ্ধ চলাকালে ইসরাইল আন্তর্জাতিক সাংবাদিকদের গাজায় প্রবেশের অনুমতি দেয়নি। নেতানিয়াহু বলেন, দুই দিন ধরে বিদেশি সাংবাদিকদের আনার জন্য সামরিক বাহিনীকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। শনিবার থেকে অনাহার ও অপুষ্টিজনিত কারণে গাজায় আরও ৫ জন মারা গেছেন। ফলে হামাস-নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১৭। সংস্থাটি জানিয়েছে, ২০২৩ সাল থেকে ইসরাইলের সামরিক অভিযানে মোট ৬১,০০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘ভারতের বাঁধ নির্মাণ পর্যন্ত অপেক্ষা করব, শেষ হলেই ১০টি মিসাইল মারব’
তিনি বলেছেন, যদি পাকিস্তানের অস্তিত্ব হুমকির মুখোমুখি হয় এবং পাকিস্তান ধ্বংসের মুখে পড়ে, তাহলে পুরো বিশ্বের অর্ধেক ধসিয়ে দেব। এরপর নিজেরা ধ্বংস হবে। তিনি মূলত এই অঞ্চলে পারমাণবিক যুদ্ধের হুমকি দিয়েছেন।
অসীম মুনির বলেন, ‘আমরা পারমাণবিক শক্তিধর দেশ। যদি আমরা মনে করি আমরা ধ্বংস হচ্ছি, তাহলে আমাদের সঙ্গে বিশ্বের অর্ধেককে ধসিয়ে নিয়ে যাব।’
দুই মাসের ব্যবধানে যুক্তরাষ্ট্র সফরে গেছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান। দেশটির রাজনৈতিক ব্যক্তিরা ও বিভিন্ন পর্যায়ের উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন তিনি।
চলতি বছরের মে মাসে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে চার দিনের সংঘাত হয়। এর আগে গত এপ্রিলে ভারত-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পেহেলগামে সশস্ত্র হামলায় ২৬ জন নিহত হন। ওই হামলার জেরে পাকিস্তানের সঙ্গে সিন্ধু নদ চুক্তি বাতিল করে ভারত।
তখন নয়াদিল্লি হুমকি দেয়, সিন্ধুর পানি আর পাকিস্তানকে দেওয়া হবে না।
এ নিয়ে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান যুক্তরাষ্ট্রের ওই অনুষ্ঠানে জানিয়েছেন, সিন্ধু নদীতে ভারতের বাঁধ নির্মাণ করার জন্য তারা অপেক্ষা করবেন। যখনই বাঁধটি বানানো শেষ হবে, তখনই মিসাইল মেরে এটি ধসিয়ে দেবেন।
অসীম মুনির বলেন, ‘আমরা বাঁধ নির্মাণের জন্য অপেক্ষা করব। যখন বানানো শেষ হবে; ১০টি মিসাইল মেরে এটি ধ্বংস করে দেব। সিন্ধু নদ ভারতের পারিবারিক সম্পত্তি নয়। আমাদের মিসাইলের কোনো অভাব নেই।’
অনুষ্ঠানে নৈশভোজে অংশ নেন তিনি। সেখানে উপস্থিত সূত্রগুলো দ্য প্রিন্টকে এসব তথ্য জানিয়েছে।
বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় ১৯৬০-এর দশকে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে সিন্ধু নদ চুক্তি হয়। এর মাধ্যমে সিন্ধুর অববাহিকা থেকে আসা তিনটি নদীর পানি পায় পাকিস্তান।
সূত্র : দ্য প্রিন্ট
![]() |
| পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনির। ছবি : সংগৃহীত |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
লন্ডনে গাজার পক্ষে বিক্ষোভ, গ্রেপ্তার ৪৬৬: অনাহার-অপুষ্টিতে ১০০ শিশুর মৃত্যু
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, বিক্ষোভকারীরা সড়কে বসে বিক্ষোভ করছেন এবং গাজা থেকে থাবা সড়াও বলে স্লোগান দিচ্ছেন। ভিডিওতে বিক্ষোভকারীদের পুলিশের কাছ থেকে পালাতে দেখা যায়। তখন তারা বলেন, শেইম অন ইউ। লন্ডনের মেট্রোপলিটন পুলিশ এক্সের এক পোস্টে নিশ্চিত করেছেন যে ৪৬৬ জন বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। স্থানীয় সময় রাত ৯টায় পার্লামেন্ট স্কয়ারের সামনে থেকে তাদের আটক করে পুলিশ। তাদের তরফে বলা হয়েছে, আটককৃতদের মধ্যে আটজনকে অন্য কারণে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যাদের পাঁচজন পুলিশের সঙ্গে অশোভন আচরণের জন্য আটক হয়েছেন।
বিক্ষোভের আয়োজনকারী গ্রুপ ডিফেন্ড আওয়ার জুরিস নামের এক্স অ্যাকাউন্টে বলেছে, বিক্ষোভে প্ল্যাকার্ড নিয়ে প্রায় ৮০০ জন অংশগ্রহণ করেন। যার অর্ধেকের বেশি বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে। একক বিক্ষোভ থেকে পুলিশ কর্তৃক এটাই বৃহত্তম গণগ্রেপ্তার। এতে আরও বলা হয়েছে, জনগণ সম্মিলিতভাবে গাজায় পরিচালিত গণহত্যা এবং প্যালেস্টাইন অ্যাকশন গ্রুপের ওপর নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করছে। জুলাই মাসে সন্ত্রাসবাদ আইন ২০০০ এর অধীনে প্যালেস্টাইন অ্যাকশনের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বৃটেন সরকার। যার কড়া নিন্দা জানিয়ে ধারাবাহিক বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে যাচ্ছে সংগঠনটি। জুনে এই গ্রুপের সদস্যরা একটি সামরিক বিমানঘাঁটিতে প্রবেশ করে দুটি বিমানের ক্ষতি করার পর এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
অনাহার-অপুষ্টিতে গাজায় ১০০ শিশুর মৃত্যু
গাজার ওপর ইসরাইলের চাপিয়ে দেওয়া অনাহার ও অপুষ্টিতে এ পর্যন্ত ১০০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বিশ্ববাসীর জন্য গাজার এমন পরিস্থিতি লজ্জাজনক এবং ধ্বংসাত্মক মাইলফলক বলে অভিহিত করেছে সেভ দ্য চিলড্রেন নামের শিশু অধিকার বিষয়ক সংগঠন। পাশাপাশি শিশুদের প্রতি এমন নিষ্ঠুর আচরণের জন্য ইসরাইলের নিন্দা জানিয়েছে সংগঠনটি। বলেছে, ইসরাইলের চাপিয়ে দেয়া দুর্ভিক্ষের ফলেই এসব শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন আল জাজিরা।
এক বিবৃতিতে মধ্যপ্রাচ্য, উত্তর আফ্রিকা এবং পূর্ব ইউরোপের জন্য দাতব্য সংস্থার আঞ্চলিক পরিচালক আহমেদ আলহেন্দাওয়ি বলেন, আমরা এমন এক পৃথিবী বানিয়েছি যেখানে না খেয়ে ১০০ শিশুর মৃত্যু হলো। অথচ তাদের বাঁচাতে মাত্র কয়েক মাইল দূরে সীমান্ত ক্রসিংয়ে অপেক্ষা করছে খাবার, পানি ও চিকিৎসা সামগ্রী। ইসরাইলি কর্তৃপক্ষের পরিকল্পনাতেই গাজার শিশুরা অনাহারে-অপুষ্টিতে মারা যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। বলেন, সম্পূর্ণভাবে অনুমানযোগ্য এবং এড়িয়ে যাওয়ার মতো একটি ট্র্যাজেডি এটি। যা নিয়ে কয়েক মাস ধরেই সতর্ক করে আসছিল মানবাধিকার সংস্থাগুলো।
আলহেন্দাওয়ি যোগ করেন, প্রায় দুই বছরের যুদ্ধ এবং জীবন রক্ষাকারী সহায়তার অভাব শিশুদের মৃত্যু, দুর্ভোগ এবং ভঙ্গুর ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দিয়েছে। যার সবই সম্পূর্ণভাবে প্রতিরোধ করা যেত। তিনি বলেন, সকল প্রমাণেই ইঙ্গিত মিলছে যে ক্ষুধাকে যুদ্ধাস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছে ইসরাইলের সরকার। যা আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী যুদ্ধাপরাধ। তার ভাষ্য, গাজার মানুষদের কাছে খাদ্য ও প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছতে দিতে বাধ্য ইসরাইল।
আলহেন্দাওয়ি বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে গাজায় খাদ্য পৌঁছানোর বিষয়টি নিশ্চিত করার পাশাপাশি সর্বত্র আন্তর্জাতিক আইন প্রয়োগ করতে বাধ্য থাকতে হবে। আইনি দায়িত্ব পালনে এই অবহেলা আমাদের সকলের উপর বর্তায়। এটি আমাদের মানবতার ওপর একটি নৈতিক দাগ এবং বিশ্ববাসীর জন্য লজ্জার।
প্রসঙ্গত, ইসরাইলি হামলা শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত তীব্র ক্ষুধায় নিহত হয়েছেন ২১৭ জন। যাদের মধ্যে এই ১০০ শিশুও রয়েছে। এর নিন্দা জানিয়েছে জাতিসংঘ। এছাড়া সম্প্রতি গাজায় পূর্ণ দখল প্রতিষ্ঠার ইসরাইলি পরিকল্পনার বিষয়ে রোববার নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। এদিকে গাজায় যুদ্ধ সম্প্রসারণে ইসরাইল জুড়ে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। এতে যোগ দিয়েছেন জিম্মি পরিবারের সদস্যরাও। তাদের দাবি অবিলম্বে যুদ্ধ বন্ধ করে নিরাপদে জিম্মিদের ফিরিয়ে আনতে হবে। গাজায় যুদ্ধ রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলে মনে করছেন তারা।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নারীর ভোটাধিকার বাতিল চেয়ে যাজকদের মন্তব্যে হেগসেথের সমর্থন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট
ভিডিওতে একটি খ্রিষ্টান জাতীয়তাবাদী গির্জার একাধিক যাজক মত দেন, নারীদের আর ভোট দেওয়ার অনুমতি দেওয়া উচিত নয়।
গত বৃহস্পতিবার রাতে এক্সে পুনঃপ্রকাশ করা হেগসেথের পোস্টে দেখা গেছে, তিনি খ্রিষ্টান জাতীয়তাবাদী এক যাজকের সঙ্গে গভীর ও ব্যক্তিগত সম্পর্ক রাখেন, যাঁর ধর্ম ও নারীর ভূমিকা বিষয়ে চরমপন্থী দৃষ্টিভঙ্গি আছে।
হেগসেথ তাঁর পোস্টে সিএনএনের প্রায় সাত মিনিটের এক প্রতিবেদন নিয়ে মন্তব্য করেন। কমিউনিয়ন অব রিফর্মড ইভানজেলিক্যাল চার্চেসের (সিআরইসি) সহপ্রতিষ্ঠাতা ডগ উইলসনের কর্মকাণ্ড নিয়ে এই প্রতিবেদন তৈরি করেছে সিএনএন। প্রতিবেদনে উইলসনস চার্চের একজন যাজক মার্কিন সংবিধান থেকে নারীর ভোটাধিকার বাতিলের পক্ষে মত দেন। অন্য আরেকজন যাজক বলেন, তাঁর প্রত্যাশিত ‘আদর্শ সমাজে’ মানুষ পরিবারভিত্তিক ভোট দেবে। ভিডিওতে একজন নারী সদস্যকেও বলতে শোনা যায়, তিনি তাঁর স্বামীর প্রতি অনুগত।
ভিডিওটি পোস্ট করে হেগসেথ লিখেছেন, জীবনের সব ক্ষেত্রে খ্রিষ্টধর্মের বিধান প্রভাব বিস্তার করবে। হেগসেথের পোস্টে ১২ হাজারের বেশি লাইক ও ২ হাজারের বেশি শেয়ার হয়। কিছু ব্যবহারকারী ভিডিওতে থাকা যাজকদের মতের সঙ্গে একমত হলেও অনেকে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর খ্রিষ্টান জাতীয়তাবাদী ধারণা প্রচারের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
তবে প্রগ্রেসিভ ইভানজেলিকাল সংগঠন ‘ভোট কমন গুড’-এর নির্বাহী পরিচালক ও যাজক ডগ পাগিট বলেন, ভিডিওতে প্রচারিত মতামত শুধু ‘খ্রিষ্টানদের এক ক্ষুদ্র প্রান্তিক অংশের’ ধারণা এবং হেগসেথের এগুলো প্রচার করাকে তিনি ‘খুবই বিরক্তিকর’ বলে উল্লেখ করেন।
পেন্টাগনের প্রধান মুখপাত্র শন পারনেল গত শুক্রবার অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে বলেছেন, হেগসেথ এমন ‘একটি চার্চের গর্বিত সদস্য’, যা সিআরইসির সঙ্গে যুক্ত। তিনি উইলসনের অনেক লেখা ও শিক্ষাকে অত্যন্ত মূল্যায়ন করেন।
গত মে মাসে হেগসেথ তাঁর ব্যক্তিগত যাজক ব্রুকস পোটেইগারকে পেন্টাগনে আমন্ত্রণ জানান। সেখানে তিনি সরকারি কর্মঘণ্টায় একাধিক খ্রিষ্টান প্রার্থনাসভার প্রথমটি পরিচালনা করেন। প্রতিরক্ষা দপ্তরের কর্মী ও সামরিক সদস্যরা বলেন, তাঁরা এ অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্র সরকারি ই–মেইলে পেয়েছিলেন।
সিএনএনের প্রতিবেদনে উইলসন বলেন, ‘আমি এ দেশকে একটি খ্রিষ্টান দেশ হিসেবে দেখতে চাই এবং চাই বিশ্বও খ্রিষ্টান বিশ্ব হোক।’
![]() |
| মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। ছবি: এএফপি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এবার ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিতে যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া: গাজা দখলের পরিকল্পনা অবিলম্বে বাদ দিন -জাতিসংঘের মানবাধিকারপ্রধান
বৃহস্পতিবার অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি আলবানিজ এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলছেন, এটি একটি সার্বভৌম সিদ্ধান্ত। এ জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুমোদনের কোনো প্রয়োজন নেই।
এক প্রশ্নের জবাবে আলবানিজ বলেন, তাঁর সরকার অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় স্বার্থে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেবে। সম্প্রতি ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য ও কানাডা ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়ার পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করলে অস্ট্রেলিয়ার ওপরও চাপ বৃদ্ধি পায়।
অস্ট্রেলিয়া সরকার জানিয়েছে, স্বীকৃতির সঙ্গে কিছু শর্ত থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে ইসরায়েলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, হামাসকে গাজার নিয়ন্ত্রণ ত্যাগ করা এবং ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষের সংস্কার।
সরকারি সূত্র জানিয়েছে, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার এবং ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের সঙ্গে ইতিমধ্যে এ বিষয়ে আলোচনা করেছেন আলবানিজ।
ইতিমধ্যে ১৪০টির বেশি দেশ ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। তবে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্যের মধ্যে শুধু চীন ও রাশিয়াই ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দিয়েছে। আগামী সেপ্টেম্বরে ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য স্বীকৃতি দিলে বাকি থাকবে যুক্তরাষ্ট্র।
আজ শুক্রবার ফলকার টুর্ক সতর্ক করে বলেন, এমন পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করবে এবং আরও ব্যাপক ভোগান্তির জন্ম দেবে।
জাতিসংঘ মানবাধিকার কার্যালয়ের জারি করা এক বিবৃতিতে টুর্ক বলেন, এ পরিকল্পনা ‘আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের (আইসিজে) সেই রায়ের পরিপন্থী; যেখানে বলা হয়েছে ইসরায়েলকে যত দ্রুত সম্ভব দখলদারির অবসান ঘটাতে হবে।’
মানবাধিকারপ্রধান আরও বলেন, এ পদক্ষেপ ইসরায়েল–ফিলিস্তিন সংকটের দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান ও ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারেরও পরিপন্থী।
টুর্ক বলেন, ‘এ পর্যন্ত পাওয়া সব প্রমাণ বলছে, এ নতুন উত্তেজনা আরও ব্যাপকভাবে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি, আরও হত্যাযজ্ঞ, অসহনীয় কষ্ট, অযৌক্তিক ধ্বংসযজ্ঞ ও যুদ্ধাপরাধ ডেকে আনবে।’ তিনি জোর দিয়ে বলেন, গাজায় যুদ্ধ এখনই শেষ হতে হবে এবং ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনিদের ‘শান্তিতে পাশাপাশি বসবাসের সুযোগ দিতে হবে।
টুর্ক ইসরায়েল সরকারকে যুদ্ধ বাড়ানোর বদলে গাজায় মানবিক সহায়তার ‘পূর্ণ ও বাধাহীন প্রবাহ’ নিশ্চিত করে স্থানীয় জনগণের জীবন রক্ষায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান।
ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠীর হাতে আটক সব জিম্মিকে ‘অবিলম্বে ও নিঃশর্ত মুক্তি’ দেওয়ার পাশাপাশি ইসরায়েলের হাতে অবৈধভাবে আটক ফিলিস্তিনিদেরও মুক্তির দাবি জানান জাতিসংঘের শীর্ষস্থানীয় এই কর্মকর্তা।
ফলকার টুর্ক সতর্ক করে বলেন, ‘এ যুদ্ধ আরও তীব্র করার বদলে ইসরায়েল সরকারকে গাজার বেসামরিক মানুষের জীবন রক্ষায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করা উচিত। সংঘাত বাড়তে থাকলে তা শুধু ভোগান্তি ও ধ্বংসযজ্ঞ দীর্ঘায়িত করবে।’
![]() |
| অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ। ছবি: এএফপি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রুশনারা আলীর পদত্যাগ, আমার যত কষ্ট! by রেজা আহমদ ফয়সল চৌধুরী
একজন ব্রিটিশ এমপি হওয়া কম কথা নয়। আমি নব্বইয়ের দশকে যখন লন্ডনে আসি তখন রুশনারা আলী, আনোয়ারা আলী (আমার স্ত্রী) হাসনা মতূর্জা, শিল্পি, সলিসিটর, জুলি বেগম, লন্ডনের একটি কলেজের লেকচারার, ব্যারিস্টার জোসনা মিয়াসহ আরো অনেক মেয়ে ছিল তরুণী। তাদের গ্রুপের এবং সমসাময়িক প্রত্যকটি মেয়েই ছিল জিনিয়াস। আমিও তখন টগবগে তরুণ। সদ্য বাংলাদেশ থেকে এসেছি। যারা লন্ডনে নতুন আসে তাদেরকে বলা হয় ফ্রেসী। আমার চালচলন, স্টেপ কাট চুল, কানে দুল, ছেড়া টাউজার দেখে অনেকের ধারণা ছিল আমি লন্ডনে জন্ম ও বেড়ে উঠা এক নষ্ট তরুণ। আমার অবস্থা দেখে বাবা-মাকে জিজ্ঞেস করতেন এর এই অবস্থা কেন? আমাকে জিজ্ঞেস করতেন তোমার এই অবস্থার কারণ কি? বাবাকে বলতাম বাবা এটি তো এ যুগের স্টাইল বা ফ্যাশন। বাবা বলতেন ছেড়া প্যান্ট পরা ফ্যাশন? বাবা ভাবতেন আমার আর পাগল হতে বেশি বাকি নেই। সে যাক, সেই সময়ে তখন পূর্ব লন্ডনের ডেভেনেন্ট সেন্টারে আমরা দেশ বিকাশের বাংলাদেশ মেলার আয়োজন করতাম, সেই মেলায় অনেক মেয়েরা আসতো। লন্ডনে বড় হওয়া ছেলে মেয়েদের বাংলাদেশি সংস্কৃতির প্রতি ছিল প্রচণ্ড রকমের টান। অনেক ছেলেমেয়ের সাথে মেলাতেই পরিচয়। কথা বলতাম। তারপর ইটিশপিটিশ। লক্ষ্য করতাম ওদের চোখে মুখে পড়া-লেখার স্বপ্ন। রুশনারা আলী অক্সফোর্ডে, আনোয়ারা আলী ক্যামব্রিজে পড়াশোনার জন্য চলে যায়। আমি লন্ডন শহরের ব্যস্ততার মধ্যেও তাদের খুঁজি, কিন্তু পাই না। আমার খোঁজার কারণ ছিল অন্যটি। লাইন মারা অর্থাৎ প্রেম করা। ওরা যে ওদের ক্যারিয়ার গড়তে বিশ্বের নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে চলে গেছে সে খবর আমার কাছে ছিল না। মাঝে মধ্যে দেখা হতো। সে যাক, রুশনারা আলীকে এক সময় আবিস্কার করলাম সাবেক এমপি উনা কিং এর সাথে। উনা কিং এমপি থেকে বিদায় নেয়ার পর ইস্ট লন্ডনের স্টেপনীও বেথনালগ্রীন এলাকায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত একজন এমপি হওয়ার সুযোগ আসে। সে সুযোগে আমার স্ত্রী আনোয়ারা আলী তখন এমপি প্রার্থী- রেইসে। দলের ইন্টারনাল ভয়াবহ পরিস্থিতিতে হঠাৎ রেইস থেকে থেমে যায়, সে রেইসে আজকের রুপা হক এমপিও ছিলেন। সে অনেক লম্বা কাহিনি। রুশনারা আলীর এমপি হওয়ার পথ অনেকটাই উজ্জ্বল হয়ে উঠে। রুশ এমপি হলেন। মাঝে মধ্যেই বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দেখা সাক্ষাৎ হয়। কমিউনিটির বিভিন্ন সমস্যা সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলি। রুশ এমপি হওয়ার পর কনজারভেটিব দল টানা ১৫ বছর ক্ষমতায়, বৃটেনে তখন কনজারভেটিব দলের জয় জয়কার। লেবার পার্টি ক্ষমতায় যেতে পারছে না। অবশেষে বরিস জনসনের ভুমিধ্বস বিজয়ের পর সরকার গঠন এবং করোনার সময় বৃটিশ জাতির সাথে বরিস জনসের মিথ্যাচার, প্রধানমন্ত্রী থেকে পদত্যাগ। অল্পদিনের জন্য লিজ ট্রাসের প্রধানমন্ত্রী হওয়া। পরবর্তীতে ইন্ডিয়ান বংশোদ্ভূত ঋষি সুনাকের প্রধানমন্ত্রী হওয়া বৃটিশ জাতি কনজারভেটিব দলের উপর ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে উঠে। যার ফলে লেবার পার্টি কেয়ার স্টারমারের নেতৃত্বে ভুমিধ্বস বিজয় অর্জন করে সরকার গঠন করে। সরকার গঠনের মাত্র এক দুই মাসের মাথায় এন্ট্রি করাপশন মন্ত্রী টিউলিপ সিদ্দিকী করাপশনের অভিযোগ মাথায় নিয়ে পদত্যাগ করেন। বাকি ছিলেন রুশনারা আলী। আমার একটি উচু ধারণা ছিল রুশকে দিয়ে। কারণ রুশ কম কথা বলেন, অক্সফোর্ডে পড়াশোনা করেছেন। রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা সবই আছে। কিন্ত শেষ পযর্ন্ত পচা শামুকে পা কাটবেন তা ছিল আমার কল্পনার বাইরে। আমার বাবা আমাকে বলেছিলেন তুমি যদি বৃটেনে পলিটিক্যাল সেলেব্রেটি হতে চাও তাহলে কয়েকটি বিষয় তোমার মধ্যে থাকতে হবে। এক, অর্থনৈতিক সততা। দুই, নারী ঘটিত সততা। তুমি বৃটিশ মন্ত্রী এমপি, যত্রতত্র প্রেমপ্রীতি করতে পারবা না। তা ছাড়া বাংলাদেশের রাজনীতিবিদদের মতো অর্থনৈতিক কেলেঙ্কারি করতে পারবে না। তুমি মন্ত্রী-তুমি এমপি মিথ্যা কথা বলতে পারবা না। মিথ্যা কথা বলবা ধরা খাবা, জিন্দেগী শেষ। সাবেক ফরেন সেক্রেটারি রবিন কুক তার সেক্রেটারির সাথে প্রেম প্রীতি শুরু করে দিলেন। অনেকটা প্রভাব কাটিয়ে প্রেম করেছেন বিয়েও করেছেন। কাউকে প্রেমের জন্য আপনি জোর করতে পারেন না। আপনার ক্ষমতা দিয়ে ঐ যে সাবেক আওয়ামী লীগের প্রতিমন্ত্রী ডাক্তার মুরাদের মতো র্যাব পাঠিয়ে হোটেলে আনার হুমকি দিতে পারেন না। প্রেম সবাই কম বেশি করে
আমিও এই জীবনে প্রেম করেছি। কিন্তু আজ পযর্ন্ত কোনো মহিলাকে গিয়ে বলিনি নিজ থেকে আপনাকে আমি ভালোবাসি। কাউকে জোর করিনি। মহিলারা আমাকে বলেছেন। অতএব আমার এ ক্ষেত্রে কোনো দোষ নেই। দ্বিতীয়ত অর্থনৈতিক সততা শত অভাবের মধ্যেও ধরে রেখেছি। কারো একটি টাকা মারিনি। মারার চিন্তাও করিনি। লন্ডনে আমারও বাড়ি আছে। অর্থাৎ আমার বলতে আমার স্ত্রীর। দেখাশোনা করতে হয়। একটি বাড়িতে এজেন্ট আমাদেরকে ঠকিয়েছে। ১৫/২০ বছর ভাড়া খুবই কম দিয়েছে। কিন্ত মিথ্যা কথা বলে বাড়ি থেকে বের করতে পারিনি। এক বিবেকের তাড়না, দুই যেহেতু স্ত্রী বৃটিশ রাজনীতির সাথে জড়িত এবং পেশায় ডাক্তার অতএব কোনো রকমের অন্যায় কাজ করা যাবে না। সাবধানতা অবলম্বন করতে হয়। মাঝে মধ্যে ফ্রাস্টেশনে ভুগি। দেখি যারা দুনম্বরি করে তারাইতো ভালো আছে।
শেষ কথা: টিউলিপকে নিয়ে স্বপ্ন দেখেছিলাম- টিউলিপ বৃটেনের প্রধানমন্ত্রী না হতে পারলে লন্ডনের মেয়র হওয়া কোনো বিষয় না, কিন্তু মা খালাদের ভ্রষ্ট রাজনীতি টিউলিপকে ধ্বংস করে দিয়েছে। রুশনারা আলীর রাজনৈতিক ক্যারিয়ারেরও ইতি টানতে হলো সামান্য কিছু টাকার লোভে। অথচ রুশনারা আলী রাষ্ট্রের কোনো টাকা মারেননি বাংলাদেশের রাজনীতিবিদ অথবা আমলাদের মত। তিনি তার বাড়ি থেকে ভাড়াটিয়া বিদায় করেছেন মিথ্যা বলে এবং ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছেন, এটাই তার অপরাধ। সেই অপরাধকে স্বীকার করে নিয়ে তিনি বিদায় নিলেন। তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন তিনি আশা করেন রুশ ব্যাক বেঞ্চে অর্থাৎ পার্লামেন্টের পিছনের সারিতে বসে সরকারকে সহযোগিতা করবেন। সান্ত্বনার বানী-আর কি। ভালো থেকো প্রিয় রুশনারা আলী। তোমার পদত্যাগ আমাকে খুবই কষ্ট দিয়েছে। রাত ১১/ ১২ টায় কমিউনিটির বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে কথা বলে জ্বালাতন করেছি। রুশনারা আলীর একটি গুন আছে তিনি ফোন ধরেন। না ধরলে ফোন ব্যাক করেন।
লেখক: সভাপতি ইউকে বাংলা প্রেস ক্লাব,
ব্যবস্থাপনা পরিচালক, চ্যানেল ইউরোপ আইপিটিভি
www.channeleurope.tv
ইমেইল: channeleuropetv@yahoo.com

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1400)
-
▼
2025
(3281)
-
▼
August
(188)
-
▼
Aug 11
(10)
- গাজা সিটি দখলের পরিকল্পনায় দেশে–বিদেশে কাউকে পাশে ...
- ৫ সংবাদকর্মী নিহত: ইসরায়েলি হামলায় নিহত হওয়ার আগে ...
- দু’মুঠো খাবারই এখন স্বপ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে গাজার মান...
- গাজায় আল জাজিরার ৫ সাংবাদিককে হত্যা করেছে ইসরাইল
- জাতিসংঘে কঠোর সমালোচনা, পক্ষান্তরে নেতানিয়াহুর সাফাই
- ‘ভারতের বাঁধ নির্মাণ পর্যন্ত অপেক্ষা করব, শেষ হলেই...
- লন্ডনে গাজার পক্ষে বিক্ষোভ, গ্রেপ্তার ৪৬৬: অনাহার...
- নারীর ভোটাধিকার বাতিল চেয়ে যাজকদের মন্তব্যে হেগসেথ...
- এবার ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিতে যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া:...
- রুশনারা আলীর পদত্যাগ, আমার যত কষ্ট! by রেজা আহমদ ...
-
▼
Aug 11
(10)
-
▼
August
(188)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...



