Friday, July 27, 2018
বিতর্ক ছাপিয়ে এক ক্রিকেটারের কুর্সি জয়

১৯৯৬ সালের এপ্রিলে মধ্যপন্থি রাজনৈতিক দল পাকিস্তান তেহরিকে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করেন এবং এ দলটির জাতীয় নেতায় পরিণত হন তিনি। ২০০২ সালের অক্টোবরে জাতীয় পরিষদের একটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ইমরান খান। তারপর ২০০৭ সাল পর্যন্ত তিনি বিরোধী দলীয় একজন নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৩ সালের জাতীয় নির্বাচনে তিনি আবার নির্বাচিত হন। এ সময় পপুলার ভোটের হিসাবে তার দল দেশে দ্বিতীয় সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল হিসেবে উঠে আসে। তিনি নিজে দলের পার্লামেন্টারি নেতা।
ইমরান খানের পারিবারিক জীবন
ইমরান খান ১৯৫২ সালের ৫ই অক্টোবর জন্মগ্রহণ করলেও কোনো কোনো রিপোর্টে ২৫শে নভেম্বরকে উল্লেখ করা হয়। পরে জানা যায়, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের কর্মকর্তারা ভুল করে তার পাসপোর্টে জন্মদিন ২৫শে নভেম্বর উল্লেখ করেছেন। সিভিল ইঞ্জিনিয়ার ইকরামুল্লাহ খান নিয়াজি ও তার স্ত্রী শওকত খানমের একমাত্র ছেলে ইমরান খান। তার পিতৃপুরুষের আদিবাস পাঞ্জাবের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে মিয়ানওয়ালিতে। তারা পস্তুন সম্প্রদায়ের। তারা নিয়াজি গোত্রের অন্তর্ভুক্ত। তার মা পস্তুন উপজাতির বুরকি সম্প্রদায়ের। এ সম্প্রদায় থেকে পাকিস্তানের ইতিহাসে বহু সফল ক্রিকেটারের জন্ম হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেন ইমরানের কাজিন জাভেদ বুরকি, মাজিদ খান।
কৈশোরে ইমরান খান ছিলেন চুপচাপ ও লাজুক। তার ছিল চার বোন। পরিবার ছিল উচ্চ মধ্যবিত্তের। তারা শৈশবেই যথেষ্ট শিক্ষা পেয়েছিলেন।
রাজনীতিতে ইমরান
১৯৯৬ সালে তিনি নিজে প্রতিষ্ঠা করেন রাজনৈতিক দল পাকিস্তান তেহরিকে ইনসাফ (পিটিআই)। এ দল থেকে ১৯৯৭ সালে জাতীয় পরিষদের নির্বাচনে দুটি আসনে তিনি নির্বাচন করেন। একটি আসন হলো মিয়ানওয়ালি (আসন নং ৫৩) ও লাহোর (আসন নং ৯৪)। কিন্তু দুটি আসনেই তিনি হেরে যান। দুই আসনেই বিজয়ী হন পিএমএলএনের প্রার্থী। ১৯৯৯ সালে সামরিক অভ্যুত্থানে তখনকার প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফের কাছ থেকে ক্ষমতা কেড়ে নেন সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল পারভেজ মোশাররফ। ওই অভ্যুত্থানকে সমর্থন করেছিলেন ইমরান খান। তিনি বিশ্বাস করতেন মোশাররফ পাকিস্তান থেকে দুর্নীতি খতম করতে পারবেন। রাজনীতিকে মাফিয়ামুক্ত করতে পারবেন। ইমরান খান এক পর্যায়ে জানান, ২০০২ সালে তাকে প্রধানমন্ত্রী বানাতে চেয়েছিলেন পারভেজ মোশাররফ। কিন্তু তিনি সেই প্রস্তাব গ্রহণ করেননি। ২০০২ সালের অক্টোবরে জাতীয় পরিষদের ২৭২ আসনে নির্বাচন হয়। তাতে অংশ নেন ইমরান। নির্বাচনে তার দল সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট না পেলে জোট সরকার গঠনের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছিলেন তিনি। এ সময় তিনি মিয়ানওয়ালি থেকে নির্বাচিত হন। কিউবায় যুক্তরাষ্ট্রের বন্দিশিবির গুয়ানতানামো বে’তে পবিত্র কোরআন শরীফকে অবমাননা করা হয়েছে বলে মুসলিম বিশ্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি- এ কথা বলা হয় নিউজ উইকের এক প্রতিবেদনে। এরপর ২০০৫ সালের ৬ই মে তাকে এ ঘটনার জন্য ‘মোস্ট ডাইরেক্টলি রেসপনসিবল’ বলে আখ্যায়িত করে দ্য নিউ ইয়র্কার। ২০০৭ সালে তিনি পার্লামেন্টের ভিতরে ও বাইরে রাজনৈতিক বিরোধের মুখে পড়েন। ২০০৭ সালে জেনারেল পারভেজ মোশাররফ সেনাপ্রধানের পদ না ছেড়েই প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচনের ঘোষণা দেন। ৬ই অক্টোবর ওই নির্বাচন ঘোষণা করলে এর প্রতিবাদ করে পার্লামেন্ট থেকে ওই বছর ২রা অক্টোবর পদত্যাগ করেন ৮৫ জন এমপি। তারা গড়ে তুলেছিলেন অল পার্টিজ ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট। এর সঙ্গে যোগ দেন ইমরান খানও। তখনকার প্রেসিডেন্ট পারভেজ মোশাররফ পাকিস্তানে জরুরি অবস্থা জারি করেন। এরপর ৩রা নভেম্বর গৃহবন্দি করা হয় ইমরান খানকে। পরে সেখান থেকে পালিয়ে আত্মগোপন করেন ইমরান। পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদের একটি প্রতিবাদ বিক্ষোভে যোগ দিতে ১৪ই নভেম্বর প্রকাশ্যে আসেন তিনি। ওই বিক্ষোভ থেকে তাকে আটক করে জামায়াতে ইসলামীর ছাত্র বিষয়ক শাখার নেতাকর্মীরা এবং তার সঙ্গে খুব বাজে ব্যবহার করে। বিক্ষোভ যতদিন হয়েছে এ সময় তাকে আটক রাখা হয়েছে। তাকে পাঠানো হয় পাঞ্জাবের দেরা গাজি খান জেলে। সেখানে কয়েকদিন কাটানোর পর তিনি মুক্ত হয়ে বেরিয়ে আসেন। ২০১১ সালের ৩০শে অক্টোবর লাহোরে লক্ষাধিক সমর্থকের উদ্দেশে ভাষণ দেন ইমরান খান। এ সময় তিনি সরকারের নীতিকে চ্যালেঞ্জ করেন। ক্ষমতাসীন দলের বিরুদ্ধে পরিবর্তনের সুনামি আহ্বান করেন। একই বছর ২৫শে ডিসেম্বর তিনি করাচিতে আরেকটি সফল জনসভা করেন। এতেও কয়েক লাখ মানুষ যোগ দিয়েছিলেন। তখন থেকেই ক্ষমতাসীন দলগুলোর জন্য প্রকৃত হুমকি হয়ে উঠেন ইমরান খান। পাকিস্তানের রাজনীতিতে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে ফেলেন। ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউটের জরিপ বলে, জাতীয় ও প্রাদেশিক উভয় পর্যায়ে জনপ্রিয়তার দিক দিয়ে সবার শীর্ষে রয়েছে ইমরান খানের পিটিআই।
২০১২ সালের ৬ই অক্টোবর তিনি দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানের কোটাই গ্রামে যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন ক্ষেপণাস্ত্র হামলার প্রতিবাদে ইসলামাবাদে গাড়িবহরের এক বিক্ষোভে যোগ দেন। ২০১৩ সালের ২৩শে মার্চ তিনি নির্বাচনী নতুন স্লোগান ধরন। এর নাম দেন ‘নয়া পাকিস্তান রেভ্যুলুশন’। ২৯শে এপ্রিল দ্য অবজারভার ইমরান খান ও তার দল পিটিআইকে পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজের প্রধান বিরোধী হিসেবে আখ্যায়িত করে। ২০১৩ সালের ৩০শে এপ্রিল পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পাঞ্জাব) প্রেসিডেন্ট মানজুর ওয়াত্তু সম্ভাব্য জোট সরকারে ইমরান খানকে প্রধানমন্ত্রিত্ব প্রস্তাব করেন। পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজকে সরকার গঠন থেকে বিরত রাখতে ইমরান খানের পিটিআই এবং পিপিপিকে নিয়ে জোট গঠনের কথা ভাবছিলেন মানজুর ওয়াত্তু। কিন্তু তার প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন ইমরান। ২০১৪ সালে ইমরান খানকে পাকিস্তানের ভেতরে ও বাইরে একজন বিখ্যাত ব্যক্তি হিসেবে র্যাংকিং করে ইউগভ।
ব্যক্তিগত জীবন
১৯৯৫ সালের ১৬ই মে বৃটিশ এক ধনকুবেরের কন্যা জেমিমা গোল্ডস্মিথকে বিয়ে করেন ইমরান খান। ওই বিয়ের অনুষ্ঠান হয়েছিল প্যারিসে। আর অনুষ্ঠানটির স্থায়িত্ব ছিল মাত্র দুই মিনিট। এর এক মাস পরে ২১শে জুন তারা আবার ইংল্যান্ডের রিচমন্ড রেজিস্ট্রি অফিসে গিয়ে বিবাহের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন। জেমিমা গোল্ডস্মিথ ধর্মান্তরিত হয়ে মুসলিম হন। তাদের দুটি সন্তান রয়েছে। তারা হলো- সুলাইমান ইশা ও কাশিম। এক পর্যায়ে গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে, তাদের দাম্পত্য জীবন সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এর প্রতিবাদে পাকিস্তানের পত্রপত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেন জেমিমা। তাতে তিনি ওই গুজবকে প্রত্যাখ্যান করেন। কিন্তু সেই গুজবই বাস্তবে পরিণত হয়। ২০১৪ সালের ২২শে জুন ঘোষণা দেয়া হয় যে, তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটেছে। এর ফলে ৯ বছরের বিবাহিত জীবনের ইতি ঘটে। বলা হয়, পাকিস্তানের জীবনধারার সঙ্গে মানিয়ে উঠতে পারছিলেন না জেমিমা।
২০১৫ সালের জানুয়ারি। এবার পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত বৃটিশ সাংবাদিক রেহাম খানকে বিয়ে করেন ইমরান খান। ইসলামাবাদে তার নিজের বাসভবনে ওই বিয়ে হয়। ২২শে অক্টোবর তারা ঘোষণা দেন যে, বিবাহ বিচ্ছেদে যাচ্ছেন তারা।
২০১৬ সালের মাঝামাঝি, ২০১৭ সালের শেষের দিকে এবং ২০১৮ সালের শুরুর দিকে খবর ছড়িয়ে পড়ে যে, নিজের আধ্যাত্মিক উপদেষ্টা বুশরা মানিকাকে বিয়ে করেছেন ইমরান খান। তবে প্রথমে পিটিআইয়ে সহযোগী ও মানিকার পরিবারের সদস্যরা একে গুজব বলে উড়িয়ে দেন। গুজব ছড়িয়ে দেয়ার জন্য মিডিয়ার সমালোচনা করেন ইমরান। যে নিউজ চ্যানেল এই খবর প্রচার করেছিল তাদের বিরুদ্ধে একটি মামলা করে পিটিআই। ২০১৮ সালের ৭ই জুন পিটিআইয়ের কেন্দ্রীয় অফিস থেকে একটি বিবৃতি দেয়া হয়। তাতে বলা হয়, বুশরা মানিকাকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন ইমরান খান। তিনি সেই প্রস্তাব তখনও গ্রহণ করেননি। ২০১৮ সালের ১৮ই ফেব্রুয়ারি মানিকাকে ইমরান খান বিয়ে করেছেন বলে নিশ্চিত করে পিটিআই।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিইসির সঙ্গে বৈঠক: ব্যক্তিগত মত দেইনি, যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান জানিয়েছি

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত খুলনা ও গাজীপুর সিটি নির্বাচনের অনিয়মের বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়। বর্তমান ইসির অধীনেই সামনের নির্বাচনগুলো অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হবে বলে আশা প্রকাশ করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন বার্নিকাট। গাজীপুর সিটি নির্বাচন নিয়ে তার বক্তব্যের প্রেক্ষিতে সরকারের সমালোচনাকে গণতন্ত্রের সৌন্দর্য বলে মন্তব্য করেন তিনি। বার্নিকাট বলেন, এটা গণতন্ত্রের সৌন্দর্য্য। মার্কিন রাষ্ট্রদূত যা বলেন সে সম্পর্কে কিছুই জানেন না- সেটা আপনি বলতে পারেন। বাংলাদেশের সরকার আমার মন্তব্যে দ্বিমত করেছে। সেটা বলার সামর্থ্য তারা রাখেন। মার্কিন সরকার প্রতিউত্তর দিয়েছে, আমি এখানে ব্যক্তিগত কারণে কোনো মন্তব্য করিনি।
মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, আমি মার্কিন সরকারের হয়ে কথা বলেছি। সমালোচনাও মত প্রকাশের স্বাধীনতা, সমাবেশের স্বাধীনতার মতো গণতন্ত্রের অংশ। এটা সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত। সমালোচনার পরও সংলাপের সুযোগ আছে। সেই সুযোগ গ্রহণ না করলে বিঘ্ন ঘটতে পারে। তাই সংলাপ চালিয়ে চাওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান ইসির অধীনে অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যাপারে আশাবাদী কিনা এমন প্রশ্নে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, আমি সব সময় আশাবাদী। ভুল থাকতে পারে। বাংলাদেশের ইতিহাসে অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনের নজির আছে। গণতান্ত্রিক দেশগুলোতে খুঁজলে এমন উদাহরণ পাওয়া যাবে।
সরকারি কর্মকর্তাদের দায়িত্ব হচ্ছে এই প্রক্রিয়াকে উন্নত করা। আমি আশাবাদী বাংলাদেশ সেই লক্ষ্যেই এগিয়ে যাচ্ছে এবং যুক্তরাষ্ট্রও। বৈঠকের আলোচনা প্রসঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, আমরা নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিস্তর বিষয়ে কথা বলেছি। কীভাবে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করা যায় সেই বিষয়ে কথা হয়েছে। এটা চলমান সংলাপের অংশ। চিন্তাভাবনার বিনিময়ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অংশ। নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে যা সংশ্লিষ্ট। দীর্ঘ সময় বৈঠকের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের সময় স্বাচ্ছন্দ্যের বিষয়টিকে গুরুত্ব দেই। আমরা সব সময় অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পরামর্শ দেই। বৈঠকে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ, মার্কিন দূতাবাসের পলিটিক্যাল কাউন্সিলর বিল মোয়েলার, পলিটিক্যাল অফিসার রুম্মান দস্তগীর উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাট। বার্নিকাটের ওই উদ্বেগের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস ‘বিএনপির মুখপাত্রে’ পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। ফেসবুকে দেয়া স্ট্যাটাসে জয় লিখেন, যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান সরকারের নীতি হচ্ছে অন্য কোনো দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক না গলানো। তাই বক্তব্যটি বাংলাদেশে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসেরই বলে ধরে নেয়া যায়। বোঝাই যাচ্ছে দূতাবাসের কর্মকর্তাবৃন্দ তাদের বিএনপির বন্ধুদের সঙ্গে খুব বেশি সময় কাটাচ্ছেন আজকাল।
মার্কিন রাষ্ট্রদূত অনিয়মের তদন্ত সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন: সচিব
বার্নিকাটের সঙ্গে বৈঠকের পর ইসি সচিব সাংবাদিকদের জানান, আগামী তিন সিটি নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পর্কে মার্কিন রাষ্ট্রদূত জানতে চেয়েছেন। সিইসি বলেছেন, আমরা সার্বিক প্রস্তুতি সভা করেছি। গতকাল পুলিশ কমিশনার ও বিভাগীয় কমিশনারদের সঙ্গে সার্বিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি। তিনজন কমিশনারকে দায়িত্ব দেয়া আছে এবং তারা সেখানে অবস্থান করছেন। নির্বাচনের পরিবেশ ভালো আছে। ওনাকে অবহিত করা হয়েছে।
সচিব আরো জানান, সিটি নির্বাচনের ধারাবাহিকতায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পর্কেও মার্কিন রাষ্ট্রদূত জানতে চেয়েছেন। আমরা বলেছি আমাদের প্রস্তুতি আইন ও সংবিধান মোতাবেক যেভাবে হওয়া দরকার সেভাবে এগিয়ে যাচ্ছি। তবে সংসদ নির্বাচন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়নি। সিটি নির্বাচনের আগে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের আগমনকে অস্বাভাবিক কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে সচিব বলেন, স্বাভাবিকভাবে মার্কিন রাষ্ট্রদূত এদেশ ছেড়ে শিগগিরই চলে যাবেন। এটা ওনার বিদায়ী সাক্ষাৎ বলা যায়। যেহেতু এখন দেশে নির্বাচন বড় ঘটনা। সে বিষয়ে জানতে চেয়েছেন।
খুলনা ও গাজীপুর নির্বাচনে কারচুপির বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি বলে জানান সচিব। তিনি বলেন, খুলনা ও গাজীপুরে নির্বাচন নিয়ে ওনারা কিছু বলেননি। নির্বাচনে যে সমস্ত অনিয়ম হয়ে থাকে সেগুলো কীভাবে তদন্ত করা হয় এবং তদন্তের পরে কি কি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। সিইসি বলেছেন, খুলনাতে যে অনিয়ম হয়েছে সেগুলোর তদন্ত হয়েছে। প্রতিবেদনের আলোকে সংশ্লিষ্ট নির্বাচন অফিসার এবং পুলিশ অফিসারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
সম্প্রতি গাজীপুরের নির্বাচনে কারচুপির ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। তার উদ্বেগের প্রেক্ষিতে একজন কমিশনার কারচুপির প্রমাণ চেয়েছিলেন। গতকালে বৈঠকে কোনো প্রমাণ চাওয়া হয়েছে কিনা- জানতে চাইলে সচিব বলেন, এটা কূটনীতির কথার জায়গা না। এ বিষয়ে কোনো কথা হয়নি। যেহেতু উনি একজন কূটনীতিক। তিনি কথা না বললে আমরা প্রশ্ন তুলি না। সিটি নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে অভিযোগের বিষয়ে কোনো কথা হয়েছে কিনা- জানতে চাইলে সচিব বলেন, একটি গণতান্ত্রিক দেশে বিভিন্ন ধরনের বক্তব্য রাখতে পারে। উনারা কিছু বক্তব্য দিয়েছেন, আমাদেরও কিছু বক্তব্য থাকতে পারে। সবগুলো আমাদের নলেজে আছে। যেসব পদক্ষেপ নেয়ার কথা আমরা দ্রুত নেব। তিন সিটি নিয়ে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, নির্বাচন কমিশনের যে প্রস্তুতি আছে সিটি নির্বাচন সুষ্ঠু, সুন্দর ও উৎসবমুখর পরিবেশে হবে বলে মার্কিন রাষ্ট্রদূত আশা প্রকাশ করেছেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এমন ভোট সিলেট আগে দেখেনি by রোকনুজ্জামান পিয়াস

বাংলাদেশের নির্বাচনী প্রচারণার ইতিহাস বলে, সব সময় সরকারবিরোধী পক্ষই নির্বাচন বানচালের অভিযোগ আনে। কিন্তু সিলেটে এক্ষেত্রেও নতুন মাত্রা যোগ করেছে। আওয়ামী লীগ প্রার্থী বদর উদ্দিন কামরান নিজেই নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনছেন। এজন্য তিনি তার প্রতিপক্ষের ওপর দায়ভার চাপাচ্ছেন। তবে নির্বাচনী মাঠের এসব নেতিবাচক কার্যক্রমের পাশাপাশি কিছু ইতিবাচক দিকও রয়েছে এবার।
প্রথমবারেরমতো বর্ষা মৌসুমে কাদা-পানি মাড়ানো ছাড়াই নির্বিঘ্নে প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন প্রার্থীরা। ভোটাররা যানজটের ভোগান্তি থেকেও কিছুটা মুক্তি পেয়েছেন। গত নির্বাচনে প্রার্থীদের ইশতেহারে শুধু পরিকল্পনার কথা তুলে ধরা হয়েছিলো। কিন্তু এবার পরিকল্পনার পাশাপাশি সাবেক মেয়ররা অতীতে নগরীর উন্নয়নে তাদের গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রমের কথাও তুলে ধরেছেন। ভোট ভাগাভাগিতেও নতুন মাত্রা পেয়েছে এবারের সিলেট সিটি করপোরেশ নির্বাচনে। এবারই প্রথম মেয়র পদে সর্বোচ্চ সংখ্যক ৭ জন মেয়র পদে প্রার্থী হয়েছেন, যদিও বিএনপি’র বিদ্রোহী প্রার্থী বদরুজ্জামান সেলিম পরবর্তীতে দলীয় প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে মাঠ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।
২০০১ সালের ৩১শে জুলাই সিলেট পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করা হয়। এরপর থেকে এ মহানগরীর নগরপিতার আসনে বসেছেন দু’জন। একজন আওয়ামী লীগের বদর উদ্দিন কামরান, অপরজন বিএনপি’র আরিফুল হক চৌধুরী। এর মধ্যে কামরান ছিলেন ২ মেয়াদে টানা ১০ বছর। এরপর ২০১৩ সালে নগরের দায়িত্ব নেন আরিফুল হক চৌধুরী। এবার চতুর্থবারের মতো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে এ সিটিতে। দেশের অন্যান্য সিটির মতো এখানেও দলীয় প্রতীকে প্রথম মেয়র নির্বাচন।
পর্যবেক্ষকদের মতে, ছোটখাটো দু’-একটি অভিযোগ ছাড়া পূর্বের তিনটি নির্বাচন মোটামুটি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ছিলো। নগরবাসী ও প্রার্থী নিজেরাও সে কথা স্বীকার করছেন। গণসংযোগে বারবার তারা উল্লেখও করছেন বিষয়টি। বলছেন, সিলেট সম্প্রীতির শহর। শান্তিপ্রিয় মানুষের বসবাস। রাজনৈতিক ভেদাভেদ ভুলে মানুষ এ ঐতিহ্যকে লালন করেছে। কিন্তু এবার নির্বাচনকে কেন্দ্র করেই সেই সম্প্রীতি নষ্ট হচ্ছে। এ অভিযোগ প্রায় প্রত্যেক প্রার্থীর। বিশেষ করে, প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্রার্থী আওয়ামী লীগের বদর উদ্দিন কামরান ও বিএনপি’র আরিফুল হক চৌধুরী একে-অপরের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগে লিপ্ত।
প্রার্থীদের এসব অভিযোগ ছাড়াও মাঠ পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, সিলেটে এবার এমন কিছু ঘটনা ঘটছে যা এ সিটির মানুষের কাছে একেবারেই নতুন। ইতিমধ্যে বেশকিছু ঘটনায় মানুষ বিস্মিত। প্রতিদিনই ঘটে যাওয়া এসব নেতিবাচক ঘটনায় নগরবাসী তাদের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য হারানোর আশঙ্কা করছেন।
বুধবারও সিলেটে ককটেল হামলায় আহত হয়েছেন পুলিশের এক উপ-পরিদর্শক (এসআই)। আহত এসআই রায়হান আহমদ দক্ষিণ সুরমার কদমতলী ফাঁড়িতে কর্মরত। ওইদিন রাত সাড়ে ৯টার দিকে দক্ষিণ সুরমার হুমায়ুন রশীদ চত্বর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খায়রুল ফজল জানান, রাতে থানা থেকে মোটরসাইকেলযোগে কদমতলী ফাঁড়িতে যাচ্ছিলেন এসআই রায়হান। হুয়ায়ুন রশীদ চত্বর এলাকায় যাওয়ার পর একদল যুবক মিছিল সহকারে এসে তাকে লক্ষ্য করে কয়েকটি ককটেল নিক্ষেপ করে। ককটেল বিস্ফোরণে রায়হান আহত হন।
তাকে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। এদিকে কারা বা কোন প্রার্থীর পক্ষে মিছিল নিয়ে এসে হামলা করা হয়েছে সে বিষয়টি নিশ্চিত হতে না পারলেও বিএনপি’র ৪৮ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে অবশ্য ঘটনার পরপরই কেউ কেউ মন্তব্য করেছিলো, বিরোধীপক্ষের বিরুদ্ধে নতুন মামলা সাজাতে এ ঘটনা। গত ২৪শে জুলাই ভোররাতে পুলিশ আটক করে বিএনপি প্রার্থী আরিফুল হকের প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট ও ঘনিষ্ঠজন জুরেজ আবদুল্লাহ গুলজারকে।
তাকে আগের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ২২শে জুলাই আওয়ামী লীগ মেয়র প্রার্থী কামরানের একটি নির্বাচনী ক্যাম্পে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায়ও অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে মামলা করে পুলিশ। সোমবার ভোররাতে আরিফের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব কেন্দ্রীয় বিএনপি’র ক্ষদ্র ঋণ বিষয়ক সহ-সাধারণ সম্পাদক আবদুর রাজ্জাককে গ্রেপ্তারে তার বাসায় অভিযান চালানো হয়। তাকে না পেয়ে তার ছেলে রুম্মান রাজ্জাককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বিএনপি’র দাবি, তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই। একই রাতে সিলেট ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি সাঈদ আহমদ, ছাত্রদল নেতা এনামুল হক ও জুনেল আহমদকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। এর আগে ধানের শীষ প্রতীকের কর্মী বাদল, রাসেল, সুমনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ১৯শে জুলাই এক সংবাদ সম্মেলন থেকে বের হয়ে আসার পর পুলিশ কেন্দ্রীয় বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ ও মেয়র প্রার্থী আরিফুল হকের গাড়িতে তল্লাশি করে। দুই কর্মীকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে ২১শে জুলাইয়ে সিলেট পুলিশের উপ-কশিনার (দক্ষিণ) এর কার্যালয়ের সামনে অবস্থানের জের ধরে শতাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করে পুলিশ।
১৮ই জুলাই বিকাল ৪টার দিকে নগরের মাছিমপুর এলাকায় কাউন্সিলর প্রার্থী মোস্তাক আহমদ ও ফারুক আহমদের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে একজন আহত হয়। এলাকাবাসী জানায়, মারামারি, ভাঙচুর ছাড়াও ওই সময় তারা বন্দুকের গুলির শব্দ শোনেন। এদিকে গত নির্বাচনে বিএনপি’র সঙ্গে জোটবদ্ধ নির্বাচন করলেও এবার পৃথকভাবে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে জামায়াত। সিলেটে এটাও জোট রাজনীতির নতুন মেরুকরণ। এসব ঘটনার পাশাপাশি এবার নগরীতে উন্নয়নের ছোঁয়াও অনেকটা নতুনরূপে ধরা দিয়েছে। নির্বাচনের সামনে সে বিষয়গুলোও গুরুত্ব পাচ্ছে। নগরবাসীর দীর্ঘদিনের ভোগান্তি জলাবদ্ধতা অনেকটা নিরসন হয়েছে।
অপ্রীতিকর ঘটনার প্রেক্ষিতে সিলেট আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী বদরউদ্দিন আহমদ কামরান বলেন, বিএনপি ও জামায়াতের কাজ হচ্ছে আগুন দেয়া, বোমা নিক্ষেপ করা। তারা এই সংস্কৃতি থেকে এখনো বের হতে পারেনি। তারা শুরু থেকেই নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে এ ধরনের ঘটনার জন্ম দিচ্ছে। এদিকে পুলিশের ওপর ককটেল নিক্ষেপের ঘটনায় হতবাক হয়েছেন বিএনপি’র মেয়র প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি গতকাল নগরীর শাহী ঈদগাহ্ এলাকায় গণসংযোগকালে বলেন- কারা এই ধরনের ঘটনা ঘটাচ্ছে সেটি খুঁজে বের করা দরকার।
এসব ঘটনায় অযথা কাউকে হয়রানি করা উচিত নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি খায়রুল ফজল মানবজমিনকে জানিয়েছেন- পুলিশ হামলাকারীদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চালাচ্ছে। এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে সে কারণে ওই এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে বলে জানান তিনি। অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার পরিতোষ ঘোষ জানিয়েছেন, পুলিশ কাউকে হয়রানি করছে না। যারা ঘটনা ঘটাচ্ছে, পুলিশ আইন অনুসারে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে। সিলেট সুজন সভাপতি ফারুক মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আগে থেকেই যদি নির্বাচন কমিশন কঠোর অবস্থানে থাকতো, তাহলে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতো না।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এরশাদ কী বলতে চেয়েছিলেন?

এরশাদের এবারের ভারত সফর ছিল হাই প্রোফাইল। চার দিনের সফরে পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন তিনি। বৈঠক করেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং, প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে। এর আগে সম্প্রতি আওয়ামী লীগ ও বিএনপির প্রতিনিধিদল ভারত সফর করে আসে। নির্বাচনের বছরে এসব সফর নিয়ে রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক আর কৌতূহলের শেষ নেই। এমন পটভূমিতে এরশাদ ভারত যাওয়ার পরও ছড়িয়ে পড়ে নানা আলোচনা। ভারতের নীতিনির্ধারকদের তিনি কী বলেছেন, ভারতই বা কী বার্তা দিলো তাকে? মনে করা হচ্ছিলো সংবাদ সম্মেলনে তার কিছুটা হলেও খোলাসা করবেন তিনি। এমনিতে বাংলাদেশের রাজনীতিতে এরশাদ বরাবরই আলোচিত এক চরিত্র। এই ৯০ বছর বয়সেও তিনি প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছেন। আগামী নির্বাচনে তার ভূমিকা কী হবে তা নিয়ে প্রশ্ন আর কৌতূহল দুটোই রয়েছে।
গত নির্বাচনের আগে ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে হঠাৎ করেই বেঁকে বসেছিলেন এরশাদ। প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিতে বলেছিলেন। কিন্তু তাকে অসুস্থ হয়ে যেতে হয়। তার স্থান হয় হাসপাতালে। আর মঞ্চে আবির্ভাব ঘটে তার স্ত্রী রওশন এরশাদের। নির্বাচনের পর অবশ্য এরশাদ সবকিছু মেনে নেন অথবা মেনে নিতে হয়। গতকাল এরশাদের সংবাদ সম্মেলনে না যাওয়ার সঙ্গে ২০১৩ সালের ডিসেম্বরের অসুস্থতার কী কোনো যোগসূত্র আছে। জাতীয় পার্টির কয়েক নেতার কাছে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তারা বলেন, থাকতে পারে, আবার নাও থাকতে পারে। এরশাদের ব্যাপারে আসলে সবকিছুতেই অনিশ্চয়তা। সবকিছুতেই নাটকীয়তা। না হয় একটি সংবাদ সম্মেলন নিয়েই বা কেন এত নাটক হবে।
এরশাদের অনুপস্থিতিতে লিখিত বক্তব্যে জাতীয় পার্টি মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশ যেন বজায় থাকে সেটা ভারত চায়। পাশাপাশি ভারত বাংলাদেশে সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন প্রত্যাশা করে। তিনি বলেন, ভারতীয় নেতৃবৃন্দ আশ্বাস দিয়েছেন বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক ধারা অব্যাহত রাখতে তাদের নৈতিক সমর্থন সব সময় থাকবে। হাওলাদার বলেন, আপনারা জানেন- আমাদের এ ভারত সফর নিয়ে দেশে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে। অনেক জল্পনা ও কল্পনারও সৃষ্টি হয়েছে। প্রশ্ন এসেছে কেন আমরা হঠাৎ করে এ সফরে গেলাম।
সেখানে কার সঙ্গে আমাদের আলোচনা হয়েছে, কি আলোচনা হয়েছে, এই সফরে দেশ বা আমাদের দলের জন্যই বা কি অর্জন হয়েছে? আমরা এ সফর নিয়ে দেশবাসী ও মিডিয়াকে ধূম্রজালের মধ্যে রাখতে চাই না বলেই আজকের এই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সবকিছু অবহিত করতে চাই। ভারতীয় নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন, তাদের সরকার ও জনগণ বাংলাদেশের সঙ্গে বিরাজমান সুসম্পর্ক আরো সুদৃঢ় দেখতে চায়। তারা একান্তভাবে প্রত্যাশা করেছেন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশ যেন বজায় থাকে।
আরো বলেছেন, ভারত সবসময়ই বাংলাদেশে সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন প্রত্যাশা করে। ভারতীয় নেতৃবৃন্দ বাংলাদেশের সাংবিধানিক ধারা অব্যাহত রাখায় জাতীয় পার্টির ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ বলেছেন, জাতীয় পার্টি বিরোধী দলে থেকেও সরকারের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। এটি একটি বিরল দৃষ্টান্ত। বিরোধী দল মানে শুধু বিরোধিতাই করবে- সরকারের সঙ্গে কোনো দায়িত্ব পালন করতে পারবে না- এই প্রচলিত ধারা থেকে জাতীয় পার্টি বেরিয়ে আসতে পেরেছে। এটা আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে।
এই দৃষ্টান্ত আগামীতে হয়তো আরো অনেক গণতান্ত্রিক দেশ গ্রহণ করতে পারবে। রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, আমরা জানিয়েছি যে, বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে জাতীয় পার্টি সব সময় সোচ্চার থাকবে। আমরা এখন আসন্ন নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। আমরা বলেছি, অত্যন্ত বিরূপ পরিস্থিতির মধ্যেও জাতীয় পার্টি নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড আমরা পাইনি। তবুও নির্বাচন থেকে সরে যাইনি। আমাদের সাংগঠনিক অবস্থা আগের চেয়ে অনেক সুসংগঠিত। তাই আশা করছি, আমরা আগামীতে সরকার গঠন করতে পারবো।
ভারতীয় নেতৃবৃন্দ দেশ পরিচালনায় আমাদের অতীতের অভিজ্ঞতার প্রশংসা করেছেন। পাশাপাশি আগামী নির্বাচনে আমাদের সাফল্য কামনা করেছেন। সংবাদ সম্মেলনের শেষদিকে রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, আমরা সংবাদ সম্মেলন থেকে আপনাদের একটি বিষয় জানাতে চাই, বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর পক্ষে জাতীয় পার্টির প্রার্থীকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে নির্দেশ দিয়েছি। একই সঙ্গে আমাদের সকল নেতাকর্মী ও সমর্থকদের আওয়ামী লীগ প্রার্থী সাদেক আবদুল্লাহর পক্ষে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আমার কিছু কয়লা ছিলো by লুৎফর রহমান রিটন

কয়লাগুলো ময়লা ছিলো
ময়লা ধুতে গেলাম ধোপার বাড়ি।
ধোপার ছিলো চারটি গাধা
তিনটা কালো একটা শাদা
একটা গাধার কী নূরানী দাঁড়ি!
উঠলো হেসে বসুন্ধরা
তিনটা গাধা চশমা পরা
চারটে গাধাই দারূণ ম্যাজিক জানে-
কয়লাগুলো ধোয়ার তরে
ওরা কী সব কাণ্ড করে
আমি অধম বুঝি না তার মানে!
কয়লাগুলো কালো ছিলো
ধোপাটা খুব ভালো ছিলো
কিন্তু ধোপা দেয় না ডেলিভারি!
ভাগ্য দোষে খেলাম ধরা
অবশেষ কী আর করা
কপাল ঠুকে করছি আহাজারি।
বললো ধোপা- শোনো গো দাদা
অবাক কাণ্ড! চারটে গাধা
কয়লা ধোবার ভান করেছে নিতি!
(চারটে গাধাই কয়লা খেকো!
সজাগ থেকো সজাগ থেকো
নইলে তোমার কয়লা হবে ‘স্মৃতি’।)
অটোয়া, ২৬ জুলাই, ২০১৮
সূত্র- ফেসবুক থেকে নেয়া
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পদত্যাগী মন্ত্রীর ক্ষমা না চাওয়ায় ঢাকায় নেপালি শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ by ফরিদ উদ্দিন আহমেদ

সীমায়াদব (সীমা) এমবিবিএস ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী। আলোচনা প্রসঙ্গে তিনি মানবজমিনকে বলেন, আমরা এখানে অনেক নিয়ম-শৃঙ্খলার মধ্যে পড়াশোনা করি। নিয়মিত পরীক্ষা দেই। ক্লাস করি। একটা সিস্টেমের মধ্যে আছি। যথেষ্ট নিরাপত্তায় আছি। কিন্তু উনি (মন্ত্রী শের বাহাদুর তামাং) যেটা বলেছেন, এটা একেবারেই ঠিক না। উনার এই মন্তব্য করার আগে যাচাই-বাছাই করা দরকার ছিল। উনি তার আত্মীয়দের মাধ্যমে কি শুনেছেন, তা মোটেই ঠিক না।
তার এ ধরনের কথা বলার আগে ভাবা উচিত ছিল। তিনি তা করেননি। বাংলাদেশে আমরা নেপালি অনেক শিক্ষার্থী পড়াশোনা করি। তাদের অবস্থাটা কি মন্ত্রী অনুধাবন করেননি। হুট করে মনে যা এসেছে বলে দিয়েছেন। আমরা এর প্রতিবাদ জানাই। একই প্রতিষ্ঠানের একই বর্ষের আরেক নেপালি শিক্ষার্থী আইয়ুশ শ্রেষ্টা। আইয়ুশ বলেন, মন্ত্রী এত খারাপ একটা মন্তব্য করেছেন, তার পদত্যাগ করাই উচিত ছিল এবং তাই করেছেন। একই সঙ্গে সরি (দুঃখ) প্রকাশ করার দরকার ছিল।
উনি তা করেননি। মন্ত্রী একজন জনপ্রতিনিধি। জনপ্রতিনিধি হয়ে এ ধরনের মন্তব্য কোনোক্রমে গ্রহণযোগ্য নয়। এখানে আমরা যারা পড়াশোনা করি এবং ইতিপূর্বে যারা পড়াশোনা শেষ করে চিকিৎসক হয়ে দেশে ফিরেছেন তাদের কাছে এরকম কথা কোনোদিনই শুনিনি। উনি (মন্ত্রী) না বুঝেই এধরনের মন্তব্য করেছেন। বাংলাদেশে যারা আমরা পড়াশোনা করি, মন্ত্রীর উচিত ছিল আমাদের সঙ্গে কথা বলা। উনি তা করেননি। যাচাই-বাছাই ছাড়াই বলে দিয়েছেন। এটা ঠিক না। আমরা বাংলাদেশে অনেক নেপালি ছাত্রছাত্রী পড়াশোনা করি। ওদের নিয়ে জনপ্রতিনিধি হিসেবে চিন্তা করার দরকার ছিল। মন্ত্রী একটি বড় পদ। উনি যেটা বলবেন মানুষ সেটা শুনবে। সুতরাং এই পদে থেকে এধরনের খারাপ মন্তব্য করা উচিত নয় বলে শিক্ষার্থী আইয়ুশ শ্রেষ্টা মনে করেন। বিদেশে পড়তে এসে ফরেন শিক্ষার্থী হিসেবে যদি কোনো সমস্যার মুখোমুখি হই তা মন্ত্রী হাইলাইটস করতে পারতেন। কিন্তু তিনি তা না করে একটি অশালীন-আপত্তিকর মন্তব্য করে বিতর্কের জন্ম দিলেন। এটা সমর্থনযোগ্য নয়।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে পড়তে আসা নেপালি ছাত্রীদের নিয়ে অশালীন-আপত্তিকর মন্তব্যের জেরে শেষ পর্যন্ত পদত্যাগে বাধ্য হয়েছেন দেশটির আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী। গত ২৪শে জুলাই কাঠমাণ্ডুতে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলন ডেকে উত্তেজনা ও বিতর্ক ঠেকাতে তিনি তার পদত্যাগের ঘোষণা দেন। তার দু’দিন আগে একটি অনুষ্ঠানে নেপালি মন্ত্রী তামাং বলেছিলেন বাংলাদেশের মেডিকেলে পড়তে যাওয়া নেপালি ছাত্রীরা একটি সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য নিজেদের বিক্রি করে দেয়।
তিনি অনেকের কাছ থেকে এটি শুনছেন বলেও দাবি করেন। মন্ত্রীর আপত্তিকর ওই বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে পড়ে। এতে বাংলাদেশ ও নেপাল উভয় দেশে সমালোচনার ঝড় উঠে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ঢাকাস্থ নেপালের রাষ্ট্রদূতকে সোমবার তলব করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মন্ত্রীর বক্তব্যের কড়া প্রতিবাদ জানিয়ে তা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়। ঢাকায় থাকা নেপালি শিক্ষার্থী কূটনৈতিক জোনে থাকা নেপাল দূতাবাস ঘেরাও করে এবং মন্ত্রীর অশালীন বক্তব্যের জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা এবং পদত্যাগের দাবি করে।
তারা এ নিয়ে দূতাবাসে একটি স্মারকলিপিও দেয়। কাঠমাণ্ডুতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মাশফি বিনতে শামস মানবজমিনকে বলেন- বাংলাদেশে বর্তমানে নেপালের প্রায় ১৫ শতাধিক মেডিকেল স্টুডেন্ট রয়েছে। বছরের পর বছর ধরে নেপালি শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশে মেডিকেল পড়তে যাচ্ছে। কেউই কোনোদিন এমন অভিযোগ তুলেনি। মন্ত্রীর আচমকা এ মন্তব্যে সর্বত্র সমালোচনার ঝড় উঠে। ঢাকার তীব্র অসন্তোষের পর মন্ত্রী পদত্যাগ করেন। নেপালের মন্ত্রী শের বাহাদুর তামাং গত রোববার দেশটির একটি এডুকেশন ইনস্টিটিউটে বক্তৃতা করছিলেন। সেখানে তিনি অন্য অনেক বিষয়ে কথা বলেন। এক পর্যায়ে বাংলাদেশে পড়তে আসা শিক্ষার্থীদের প্রসঙ্গ তুলেন। তার বক্তব্যটি ছিল ঠিক এরকম- ‘বাংলাদেশে এমবিবিএস কোর্সে পড়তে যাওয়া নেপালের ছাত্রীরা নিজেকে বিক্রি করে দিয়ে থাকেন। তারা নিজেকে বিক্রি করে একটি সার্টিফিকেট অর্জন করেন।’ আরেকটি সূত্র বলছে, বাংলাদেশে মেডিকেল ছাড়া আরো বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দুই থেকে তিন হাজার শিক্ষার্থী পড়াশোনা করেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাছের শেকড় কীভাবে পাল্টে দিলো নারীর ভাগ্য
![]() |
| সিউইড ব্যবসা আগের মতো লাভজনক না হলেও এটি এই নারীদের অর্থনৈতিক মুক্তির পথ দেখিয়েছে। |
ব্যাপক চাহিদার কারণে তানজানিয়ার আধা স্বায়ত্ব শাসিত দ্বীপদেশ জাঞ্জিবারে এই সিউইড একটি বড় ব্যবসায় পরিণত হয়েছে। এবং এটি চাষাবাদে প্রধান ভূমিকা রাখছেন নারীরা।
ভোর হতে না হতেই একদল নারী মাথার উপর দড়ি ও লাঠি নিয়ে সমুদ্র সৈকতের দিকে হেঁটে যান এবং যে অংশে জোয়ারের পানি কম আসে সেখানে এই সিউইড বুনে দেয়।
তারা প্রথমে হাটু সমান পানিতে নেমে সৈকতের বালুর মধ্যে লাঠিগুলো নির্দিষ্ট দূরত্বে গেঁথে দেন।
তারপর সিউইডের ছোট ছোট টুকরোগুলোকে পাশাপাশি দড়ি দিয়ে বেধে ওই মালাটি একেকটি লাঠির সঙ্গে বরাবর টান টান করে মেলে দেন।
মাত্র ছয় সপ্তাহে এই ছোট চারাগুলো দশগুণ পর্যন্ত বেড়ে যায় এবং তখনই ফসল তোলার জন্য এগুলো প্রস্তুত হয়।
এরমধ্যে কিছু খাওয়া হয় তবে বেশিরভাগই শুকিয়ে স্থানীয় দালালদের মাধ্যমে রপ্তানি করা হয়।
এই সিউইডের চাষাবাদ এই নারীদের শুধু কাজের জায়গা নয় বরং বাস্তবতা থেকে একটু পালাবার ফুরসত দেয়।
এটাই তাদের, কৌতুক বলে অট্টহাসিতে ফেটে পড়ার জায়গা। যেখানে ইচ্ছামতো গালগল্পও করা যায়।
নব্বইয়ের দশকের প্রথম দিকে যখন সৈকতে এই সিউইডের চাষাবাদ শুরু হয়, তখন পুরুষরা মনে করতেন যে এই কাজ করে কোন লাভ নেই।
তারা মাছ ধরা বা পর্যটন সংশ্লিষ্ট কাজ করতেই পছন্দ করতেন। কেউ কেউ এটাও চান না যে তাদের স্ত্রী এমন কাজ করুক।
এর কারণ হিসেবে পূর্ব উপকূলীয় পাজে গ্রামের এক কমিউনিটি নেতা মোহাম্মদ জালে বলেন,
"আমি মনে করি এই সিউইডের ব্যবসা পরিবার পরিকল্পনায় উৎসাহিত করে। কারণ সমুদ্র সৈকতে ঘন্টা পর ঘণ্টা থাকা এরপর বাড়ির কাজ করার পর নারীরা খুব ক্লান্ত হয়ে যায়। তখন তারা সন্তান নেয়ার সময় করতে পারেনা"।
এসব ভেবে মিস্টার জালে শুরুতে তার প্রথম স্ত্রীকে অন্যদের সাথে যেতে অনুমতি দেননি। পরে তার স্ত্রী অনেক দুঃখ পেয়ে কান্নাকাটি করলে তিনি রাজি হন।
এই মুসলমান অধ্যুষিত দ্বীপে সিউইডের চাষ নারীমুক্তির একটি বড় শক্তি হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে।
কেননা এর আগ পর্যন্ত গ্রামের বেশিরভাগ নারী শুধুমাত্র অন্ত্যোষ্টিক্রিয়া এবং বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে কিংবা অসুস্থ আত্মীয়ে সঙ্গে দেখা করার জন্য বাড়ি বাইরে যেতে পারতো।
![]() |
| সিউইড বা সামুদ্রিক শিকড় চাষ করে অর্থনৈতিক মুক্তির পথ খুঁজে পেয়েছেন জাঞ্জিবারের নারীরা। |
সামুদ্রিক জীববিজ্ঞানী ফ্লাওয়ার সুয়া জানান, "এই সিউইড চাষ করার জন্য নারীরা বাইরে বের হওয়ায় শুরুতে অনেক স্বামী তাদের স্ত্রীদের তালাক দেয়ার হুমকি দিতো। কিন্তু যখন তারা দেখলো এই ব্যবসা থেকে বাড়িতে পয়সা আসছে। তখন তারা ধীরে ধীরে সেটা মেনে নেয়।"
এখন সেখানকার নারীরা বাড়ির বাজার করার দায়িত্ব স্বামীর ওপর চাপিয়ে নিজেদের পণ্য বাজারে বিক্রি করতে যান। অনেকে আবার বাসে করে রাজধানীতেও আসেন।
তাদের শ্রমের কারণে খুব দ্রুত এই পরিবারগুলো সন্তানদের জন্য স্কুলের বই, ইউনিফর্ম, আসবাবপত্র, ভাল খাবার কেনা থেকে শুরু করে বাড়ির ছাদে ছনের পরিবর্তে ঢেউটিন বসাতে সক্ষম হয়েছেন।
দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চল উপকূলীয় বুয়েলেও গ্রামের সিউইড কৃষক সাফিয়া মোহাম্মদ, এই কাজের মাধ্যমে নিজের জীবনে আমূল পরিবর্তন আনতে পেরেছেন।
তার একটি দোকান আছে যেখানে তিনি সিউইডের সাবান, জ্যাম এবং চাটনি বিক্রি করেন। সম্প্রতি নিজের উপার্জন দিয়ে তিনি তার ছেলেদের একটি মাছ ধরার নৌকা এবং একটি স্কুটার কিনে দিয়েছেন।
পরিবারের জন্য তৈরি করেছেন একটি বড় বাড়ি। এখন তার মেঝেতে চকচকে টাইলস বা ছাদে কারুকার্যময় কার্নিশ। তবে তার গর্বের জায়গা জুড়ে তার সন্তানেরা। তিনি বলেন,
"আমার মোট চার সন্তান। আমি সেই ১৯৮৫ সালে বিয়ে করেছি। এবং আমি আমার স্বামীর একমাত্র স্ত্রী।"
সাফিয়া বলেন, একদিন হয়তো তাকেও স্বামীর দ্বিতীয় স্ত্রীকে গ্রহণ করতে হতে পারে। তবে তিনি সাফ জানিয়ে দেন, এক্ষেত্রে নতুন স্ত্রীকে অন্য কোথাও ঘুমাতে হবে- তার বাড়িতে নয়।
পাজে গ্রামের এই শান্ত পরিবেশে এমন অনেক ধরণের ঘরোয়া নাটকগুলো উন্মোচিত হতে থাকে। যার অনেকগুলো দিয়ে ধারাবাহিক নাটক বানানো সম্ভব। বহুবিবাহের মতো এখানে তালাকও যেন অনেক সাধারণ ব্যাপার।
২০১৫ সালের নির্বাচনে ভোটে অংশ নেয়ার জন্য সেইসঙ্গে যে রাজনীতিবিদকে ভোট দিতে স্বামীরা মানা করেছিলেন তাদের পক্ষে ভোট দেয়ার কারণে দ্বীপটির প্রায় ৫০জন নারীকে তালাক দিয়েছিলেন তাদের স্বামী।
এখন দ্বীপটির অনেক নারী তাদের আর্থিক স্বাধীনতা দেখে উদ্বুদ্ধ হয়েছে।
অভিজ্ঞ ব্যবসায়ী সাফিয়ার মত ওয়ানাইশা মাকামেও সিউইড চাষ থেকে তার উপার্জিত অর্থ বাড়ি বানানোর পেছনে বিনিয়োগ করেন। তার নির্মানাধীন বাড়িটি দেখে অনেকেই মনে করেন যে এটা হয়তো তিনি তার ছেলেমেয়েদের জন্য বানিয়েছেন।
তবে মিসেস মাকামের মতে, এটি তিনি বানিয়েছেন শুধুমাত্র নিজের জন্য। যদি স্বামী তাকে তালাক দেয়, তাহলে তিনি এই বাড়িতে থাকবেন।
এটা তাদের জন্য অনেকটা বীমা নীতির মতো। যেখানে পুরুষরা বিবাহ বিচ্ছেদের পর নারীদের কোন ভরনপোষণ দিতে চান না। মিসেস মাকামে বলেন,
"জাঞ্জিবারে বিয়ে টিকে থাকার কোন নিশ্চয়তা নেই। যদি আমাদের স্বামীরা অন্য নারীর প্রেমে পড়ে যান তাহলে তারা পাগল হয়ে যান। তারা হুট করে আমাদের বাড়ি থেকে চলে যেতে বলে।"
এ ছাড়াও এই গ্রামের নারীদের প্রতিনিয়ত লড়াই করতে হয় জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের সঙ্গে।
জাঞ্জিবার দ্বীপপুঞ্জের বেশিরভাগ সিউইড জন্মায় পেমবা দ্বীপে। বিশেষ করে যেখানে সমতল প্রশস্ত সৈকতের পরিবর্তে পাথুরে খাড়ি রয়েছে।
এ কারণে জলীয় তাপমাত্রা বাড়তে থাকলেও সিউইডগুলো তেমন একটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়না।
তবে ২০১১ সালের পর থেকে টানা তিন বছর এই পাজে গ্রামে সিউইড জন্মানো বন্ধ হয়ে যায়। ধীরে ধীরে আবার সেগুলো জন্মানো শুরু হয়।
তবে সেগুলো ছিল শুধুমাত্র নিম্নমানের স্পিনোসাম প্রজাতির সিউইড। যাতে সামান্য পরিমানে কারাজিনান উপাদান থাকে যেটা শুধুমাত্র খাবার, প্রসাধনী এবং ওষুধ ঘন করার উপাদান হিসাবে ব্যবহার করা যায়।
এ কারণে বর্তমানে এই ব্যবসাটি আগের মতো আর লাভজনক নেই।
আরেকটি খারাপ দিক হল, গরমকালে যখন সমুদ্রের পানির তাপমাত্রা বেড়ে যায় তখন সেখানে নীল-সবুজ রঙা কিছু শেওলা জন্মায়।
![]() |
| সৈকতে হাঁটু সমান পানিতে নেমে বালুর মধ্যে লাঠিগুলো নির্দিষ্ট দূরত্বে গেঁথে দেন, তাতে জড়িয়ে দেন সিউইডের মালা। |
এ কারণে এখন পাজে গ্রামের অনেক নারী এই ব্যবসা ছেড়ে দিয়েছেন। ২০ বছর আগে যেখানে ৪৫০জন সিউইড কৃষক ছিলেন, এখন সেটা কমে দেড়শ জনে দাঁড়িয়েছে।
মিসেস মাকামের প্রতিবেশী রেজিকি। সাত সন্তানের বিশাল পরিবারের জন্য তার ভীষণ সাহায্যের প্রয়োজন। কিন্তু তিনি সিউইডের ব্যবসা ছেড়ে সমুচা বিক্রির কাজ শুরু করেছেন।
অন্য যে নারীরা সৈকতে সিউইড চাষ করতেন এখন তারা হস্তশিল্পের কাজে যুক্ত হয়েছেন। সেগুলো তারা সৈকতে রৌদ্যস্নান করতে আসা পর্যটকদের কাছে বিক্রি করেন।
তবে এটা তারা সবাই এক বাক্যে স্বীকার করেন যে, ওই সিউইড ব্যবসাই তাদের ঘরের বাইরে কাজ করার সুযোগ করে দিয়েছে।
সামুদ্রিক জীববিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন সিউইডকে আরও লাভজনক করার সবচেয়ে ভালো উপায় হল কটনি চাষ করা- এটি গভীর শীতল পানিতে জন্মানো মূল্যবান জাতের শেকড় যাতে বেশি পরিমানে কারাজিনান উপাদানটি রয়েছে।
তবে এখানেও একটা সমস্যা আছে। আর তা হল, এই কাজের জন্য নৌকার প্রয়োজন- আর এই নারীরা জানেন না কিভাবে সাঁতার কাটতে হয়।
তবে সেই বাঁধা কাটিয়ে উঠতে পাশের মুঙ্গনি গ্রামের অনেকেই লাইফ জ্যাকেট পরে সাতার শিখতে সমুদ্রের বিশাল ঢেউয়ের মধ্যে নামছেন।
প্রথম প্রথম অনেকেই ভয়ে কুকড়ে যান। তবে তাদের ভাষ্য হল, একজন পুরুষ যদি সাতার দিতে পারে, আমরা কেন পারব না?
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গজারিয়ায় যেভাবে হত্যা করা হয় নর্থসাউথের ছাত্র পায়েলকে

গতকাল দুপুরে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সভা কক্ষে মিডিয়া ব্রিফিংয়ে মুন্সীগঞ্জ পুলিশ সুপার নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পায়েলের মৃত্যুর রহস্যের কথা তুলে ধরে বলেন, হানিফ পরিবহনের ঢাকা মেট্রো-ব-৯৬৮৭ নম্বরের সেই বাসটিকে জব্দ এবং হানিফ পরিবহনের মালিক পক্ষকে পায়েল হত্যা মামলায় জড়িত করা হবে।
তিনি জানান, গেটের দরজায় আঘাত পেয়ে জ্ঞান হারানোর পর বাসের চালক, হেলপার ও সুপার ভাইজার মিলে নদীতে ফেলে হত্যা করেছে মেধাবী ছাত্র সাইদুর রহমান পায়েল (২১)কে। ১৬৪ ধারায় আদালতের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বাসের সুপার ভাইজার জনি। গত ২১শে জুলাই চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাওয়ার পথে গজারিয়ার পথে প্রসাব করতে নামে পায়েল। এরপর গত ২৩শে জুলাই সকাল সাড়ে ৮টার দিকে গজারিয়ার ফুলদি নদীতে ভেসে ওঠে পায়েলের লাশ। এ ঘটনায় বাসের চালকসহ তিনজনকে আটক করা হয় বলে জানান জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জায়েদুল আলম।
তিনি আরো জানান, নর্থসাউথ ইউনিভার্সিটির বিবিএ’র পঞ্চম সেমিস্টারের মেধাবী ছাত্র ছিলেন পায়েল। চট্টগ্রামের বাড়িতে ছুটি কাটিয়ে দুই বন্ধু শান্ত ও আদরকে সঙ্গে করে হানিফ বাসে চড়ে ঢাকার উদ্দেশে ২১শে জুলাই রাত সোয়া ১০টায় হানিফ পরিবহনের বাসে করে রওনা হন পায়েল। ২২শে জুলাই ভোর ৪টার দিকে গজারিয়ার ভাটের চর ব্রিজের কাছে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে নামেন পায়েল। বন্ধুরা ঘুমিয়ে থাকলেও কিছুটা পথ পর, জেগে সুপারভাইজারের কাছে পায়েলের কথা জানতে চায় বন্ধুরা। পায়েল পরের গাড়িতে আসবে বলে জানান, গাড়ির চালক, হেলপার ও সুপার ভাইজার।
গত ২৩শে জুলাই সকালে গজারিয়ার ফুলদি নদীতে ভেসে ওঠে পায়েলের লাশ।
আর লাশ উদ্ধারের পর, নাক মুখ থেতলানো ও রক্তের চিহ্ন দেখে পায়েলের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করেন পুলিশ। পরে ২৪শে জুলাই পুলিশের সহযোগিতায় গজারিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা করেন পায়েলের মামা গোলাম সারোওয়ার্দী বিপ্লব।
এই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে বাসের চালক জামাল হোসেন, হেলপার ফয়সাল এবং সুপার ভাইজার জনিকে গ্রেপ্তার করলে তারা জানান, পায়েল দৌড়ে বাসে উঠতে চাইলে দরজায় বাড়ি খেয়ে নাক, মুখ ফেটে গিয়ে অজ্ঞান হয়ে বাইরে পড়ে যায় এবং পায়েলকে তারা মৃত ভেবে নদীতে ফেলে দেয়ার কথা আদালতে স্বীকার করেন সুপার ভাইজার জনি।
এ সময়ে আরো উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মুস্তাফিজুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. আশফাকুজ্জামান, গজারিয়া থানার ওসি হারুন অর রশিদসহ পুলিশের বিভিন্ন কর্মকর্তা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1402)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
-
▼
2018
(7025)
-
▼
July
(220)
-
▼
Jul 27
(8)
- বিতর্ক ছাপিয়ে এক ক্রিকেটারের কুর্সি জয়
- সিইসির সঙ্গে বৈঠক: ব্যক্তিগত মত দেইনি, যুক্তরাষ্ট্...
- এমন ভোট সিলেট আগে দেখেনি by রোকনুজ্জামান পিয়াস
- এরশাদ কী বলতে চেয়েছিলেন?
- আমার কিছু কয়লা ছিলো by লুৎফর রহমান রিটন
- পদত্যাগী মন্ত্রীর ক্ষমা না চাওয়ায় ঢাকায় নেপালি শিক...
- গাছের শেকড় কীভাবে পাল্টে দিলো নারীর ভাগ্য
- গজারিয়ায় যেভাবে হত্যা করা হয় নর্থসাউথের ছাত্র পায়েলকে
-
▼
Jul 27
(8)
-
▼
July
(220)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...


