Saturday, July 25, 2026

ইরানের জোড়া চমক: বদলে দিল যুদ্ধের সমীকরণ

মার্কিন সংবাদ ও বিশ্লেষণধর্মী ওয়েবসাইট 'ভক্স'-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—লড়াইয়ের ময়দানে ইরানের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের শুরুর দিকের সব হিসেবনিকেশ চরম প্রশ্নের মুখে পড়েছে। তেহরান এখনও তাদের ড্রোন আর ক্ষেপণাস্ত্র শক্তির বড় একটি অংশ অক্ষত রেখেছে। রক্তক্ষয়ী এই যুদ্ধ যত গড়াবে, মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন বাহিনীর বিপদ ততই বাড়বে।

ইরানের সরকারি বার্তা সংস্থা ইরনা শনিবার (২৫ জুলাই) জানিয়েছে, ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে পদাতিক সেনা পাঠাতে এখনও নারাজ। সেনা হতাহতের ঘটনা বাড়লে দেশে যে রাজনৈতিক ঝড় উঠবে, তা নিয়ে তিনি চিন্তিত। কিন্তু এতে অঞ্চলে থাকা মার্কিন সেনাদের ওপর ঝুঁকির আঁচ বিন্দুমাত্র কমছে না। গত জুনের তথ্যমতে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটির বেশিরভাগই এখনও সুরক্ষিত আছে এবং যুদ্ধপূর্ব ক্ষেপণাস্ত্র মজুতের প্রায় ৭০ শতাংশই তেহরানের হাতে রয়ে গেছে।

গত এপ্রিলের প্রথম অস্ত্রবিরতির পর থেকে সাম্প্রতিক দিনগুলো মার্কিন বাহিনীর জন্য সবচেয়ে মারাত্মক প্রমাণিত হয়েছে। জর্দান ও ইরাকে ইরান-সংশ্লিষ্ট হামলায় তিন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে 'অপারেশন এপিক ফিউরি' শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ১৭ মার্কিন সেনা প্রাণ হারায়। জবাবে যুক্তরাষ্ট্রও হামলা জোরদার করেছে; যার মধ্যে তাবরিজের সেই ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিও রয়েছে, যেখান থেকে জর্দানে হামলা চালানো হয়েছিল বলে ওয়াশিংটনের দাবি।

সাম্প্রতিক দিনে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার পাশাপাশি বাহরাইন, কুয়েত ও কাতারের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়েছে ইরান। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজেও আঘাত হানা হয়েছে, যার ফলে এই পথে জাহাজ চলাচল উল্লেখযোগ্য ভাবে কমে গেছে।

হরমুজ প্রণালীতে নৌচলাচল অচল করে দেওয়ার ইরানীয় সক্ষমতা যদি এই যুদ্ধের প্রথম চমক হয়, তবে পুরো অঞ্চলজুড়ে ছড়িয়ে থাকা মার্কিন ঘাঁটি ও জ্বালানি স্থাপনায় অব্যাহতভাবে আঘাত হানার ক্ষমতা বজায় রাখাটা ছিল ওয়াশিংটনের জন্য দ্বিতীয় বড় চমক।

যুদ্ধের শুরুতে মার্কিন বাহিনী তেহরানের ক্ষেপণাস্ত্রের আওতার বাইরে থাকতে বাহরাইন, ইউএই ও কাতার থেকে কিছু সেনা ও সরঞ্জাম জর্দান এবং দখলকৃত ভূখণ্ডে সরিয়ে নিয়েছিল। কিন্তু স্যাটেলাইট ছবি ও খবরে স্পষ্ট দেখা গেছে, ওই ঘাঁটিগুলোও ইরানীয় হামলায় ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, সীমিত কয়েকটি ঘাঁটিতে গাদাগাদি করে সেনা ও সরঞ্জাম রাখায় মার্কিন সেনাদের ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকি আরও বেড়ে গেছে।

খুব দ্রুতগতির এবং দিক পরিবর্তন করতে পারা ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের কারণে মার্কিন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাগুলো অভূতপূর্ব চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। ইরান হয়তো এ কাজে রাশিয়া বা চীনের কাছ থেকে গোয়েন্দা তথ্য দিয়ে সহায়তা পাচ্ছে বলে মার্কিন কর্মকর্তারা দাবি করছেন।

তবে ক্ষেপণাস্ত্র বিশেষজ্ঞ নিকোল গ্রাজুয়েস্কি মনে করেন, এই নিরবচ্ছিন্ন হামলা প্রমাণ করে যে ইরানের সামরিক শক্তি ওয়াশিংটনের কল্পনার চেয়েও অনেক বেশি। যুক্তরাষ্ট্রের প্রাথমিক দাবির তোয়াক্কা না করে তেহরান তাদের শক্তি ধরে রেখেছে এবং বিমান হামলার তীব্রতা কিছুটা কমায় তারা সক্ষমতা পুনর্গঠনের সুযোগও পেয়ে গেছে।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের নিজেদের প্রতিরোধমূলক ক্ষেপণাস্ত্রের মজুতে টান পড়েছে। সেন্ট্রাল ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের তথ্যমতে, এপ্রিলের অস্ত্রবিরতির আগেই ওয়াশিংটন তাদের মোট ২,৩০০ প্যাট্রিওট ক্ষেপণাস্ত্রের ১,০০০টির বেশি এবং থাড ক্ষেপণাস্ত্রের ৫০ থেকে ৮০ শতাংশই খরচ করে ফেলেছে। এসব প্রতিরক্ষা সামগ্রীর ঘাটতি মেটাতে অনেক মাস সময় লাগবে। বিশেষ করে ইরানের তৈরি সস্তা আত্মঘাতী ড্রোনের আকাশজুড়ে আধিপত্য যুক্তরাষ্ট্রের ঐতিহ্যগত আকাশসীমার শ্রেষ্ঠত্বকে খাদের কিনারে এনে দাঁড় করিয়েছে।

প্রতিবেদনে স্পষ্ট বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের নিজেদের মাটিতে গিয়ে সরাসরি যুদ্ধ বা দখল করার শক্তি ইরানের নেই; কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের বুকেই মার্কিন বাহিনীকে দূরপাল্লার অস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে দীর্ঘমেয়াদে রক্তাক্ত এবং কোণঠাসা করে রাখার মতো যথেষ্ট শক্তি তেহরানের অক্ষত রয়েছে।

ইরানি ড্রােন বহর
ইরানি ড্রােন বহর। সংগৃহীত

মুখের ক্যানসার কেন বাড়ছে, প্রতিরোধে করণীয় by অধ্যাপক ড. অরূপ রতন চৌধুরী

বাংলাদেশে মুখগহ্বরের ক্যানসারে আক্রান্ত রোগী অনেক বেশি। নতুন রোগীও বাড়ছে। খাদ্যনালি বা মুখগহ্বরের কোনো অংশে ক্যানসার হলে এক পর্যায়ে রোগীর জন্য খাবার গ্রহণ কষ্টকর হয়ে পড়ে।

যেসব অভ্যাসের কারণে মুখগহ্বরের সরাসরি ক্ষতি হয়, সেগুলো সম্পর্কে সচেতন হওয়া আবশ্যক। যেমন তামাক মুখগহ্বর ও খাদ্যনালির শত্রু। তামাক ও তামাকজাত দ্রব্যের কারণে মুখগহ্বরের ও খাদ্যনালির কোষে ক্ষত সৃষ্টি হতে থাকে। এই ক্ষত থেকেই একসময় ক্যানসার হয়।

মুখে কেন ক্যানসার হয়

* সিগারেট, ই-সিগারেট, পান, সুপারি, চুন, জর্দা, গুল, খইনি—সবই মুখগহ্বর ও খাদ্যনালির ক্যানসারের জন্য দায়ী।

* আমাদের দেশে যত মানুষ মুখগহ্বর ও খাদ্যনালির ক্যানসারে আক্রান্ত, তাঁদের ৮০-৯০ শতাংশেরই তামাক বা তামাকজাত পণ্য সেবনের কারণ রয়েছে।

* কেউ কেউ মদপানও করেন। যাঁরা মুখগহ্বর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ব্যাপারে যত্নশীল নন কিংবা যাঁদের দাঁতের অংশ অত্যধিক ধারালো, তাঁদের ঝুঁকি বেশি।

* প্রক্রিয়াজাত খাবারেও হতে পারে।

* ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে না রাখলে মুখের ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি অন্যদের চেয়ে বেশি।

উপসর্গ ও শনাক্ত

যদি মুখে ঘা তৈরি হয় ও চিকিৎসার পরও দুই থেকে তিন সপ্তাহ স্থায়ী হয়, তবে অবশ্যই বায়োপসি বা মাংসের টিস্যু পরীক্ষা করা প্রয়োজন। কারণ, মুখের ঘা বা সাদা ক্ষতকে বলা হয় ক্যানসারপূর্ব ক্ষত।

ডায়াবেটিস, হৃদ্‌রোগ, উচ্চ রক্তচাপ, রিউমাটিক ডিজিজ, পরিপাকতন্ত্রের রোগ, দীর্ঘদিন স্টেরয়েড ওষুধ খান, কৃত্রিম দাঁত ব্যবহার করেন, ধূমপান করলে অবশ্যই দাঁত ও মুখে যেকোনো ঘা দেখা দেওয়ামাত্র চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

যদি দেখেন মুখগহ্বরের ক্ষত বা ঘা শুকাচ্ছে না, রক্তক্ষরণ বা গিলতে অসুবিধা হচ্ছে, সব সময় গলায় কোনো কিছুর উপস্থিতি অনুভূত হচ্ছে, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। মুখগহ্বরের কোষকলায় অস্বাভাবিক পরিবর্তন লক্ষ করুন।

প্রতিরোধে করণীয়

* তামাক ও তামাকজাত পণ্য সেবন বন্ধ করুন।

* দুবেলা ব্রাশ ও খাওয়ার পর ভালোভাবে কুলকুচি করুন।

* দাঁতের কোনো অংশ ধারালো থাকলে চিকিৎসা করান।

* প্রচুর ফল, শাকসবজি ও আয়রনসমৃদ্ধ খাবার খান।

* ফাস্টফুড বা প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলুন।

* অতিরিক্ত অ্যাসিডিটি থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

* অতিরিক্ত ঝাল বা গরম খাবার ও পানীয় বর্জন করুন।

* সব ধরনের মাদক ও অ্যালকোহল বর্জন করতে হবে।

* অধ্যাপক ড. অরূপ রতন চৌধুরী, দন্তবিশেষজ্ঞ

বাংলাদেশে মুখগহ্বরের ক্যানসারে আক্রান্ত রোগী অনেক বেশি, নতুন রোগীও বাড়ছে
বাংলাদেশে মুখগহ্বরের ক্যানসারে আক্রান্ত রোগী অনেক বেশি, নতুন রোগীও বাড়ছে। ছবি: পেক্সেলস

যে কারণে কথায় কথায় অ্যান্টিবায়োটিক খাবেন না by ডা. কাকলী হালদার

১৮-২৪ নভেম্বর বিশ্ব অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) সচেতনতা সপ্তাহ। ‘অ্যাক্ট নাউ: প্রোটেক্ট আওয়ার প্রেজেন্ট, সিকিউর আওয়ার ফিউচার’ বা ‘এখনই পদক্ষেপ নিন: বর্তমানকে রক্ষা করুন, সুরক্ষিত করুন ভবিষ্যৎ’—এই প্রতিপাদ্য আজকের বিশ্ব স্বাস্থ্য প্রেক্ষাপটে এক গভীর তাৎপর্য বহন করে।

অ্যান্টিমাইক্রোবায়াল রেজিস্ট্যান্স কী

অ্যান্টিমাইক্রোবিয়ালস রেজিস্ট্যান্স বা এএমআর এক নীরব মহামারি, যা চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রগতিকে হার মানাচ্ছে। এতে আমাদের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ চিকিৎসাশাস্ত্র উভয়ই হুমকির মুখে পড়ছে মারাত্মকভাবে।

অ্যান্টিমাইক্রোবায়াল রেজিস্ট্যান্সের মানে ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ছত্রাক ও পরজীবীগুলো সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ধ্বংসকারী ওষুধে প্রতিরোধী হয়ে ওঠা। ফলে একসময় যেসব সংক্রমণ সহজেই সারানো যেত, সেসবই আবার প্রাণঘাতী হয়ে উঠছে।

মূল কারণ কী

এ সমস্যার মূলে বিশেষ করে আছে অ্যান্টিবায়োটিক ও অ্যান্টিফাঙ্গালের যথেচ্ছ ব্যবহার, যা অণুজীবদের বিবর্তনে সাহায্য করছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ডিরেক্টর জেনারেল ড. টেড্রোস আধানম ঘেব্রেইসাসও বলেছেন, ‘অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রগতিকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে, যা বিশ্বব্যাপী পরিবারগুলোর স্বাস্থ্যকে হুমকির মুখে ফেলছে।’

একটি সাধারণ সংক্রমণ যখন চিকিৎসার অসাধ্য হয়ে ওঠে, তখন অস্ত্রোপচার, ক্যানসার থেরাপি বা অঙ্গ প্রতিস্থাপনের মতো জীবন রক্ষাকারী চিকিৎসাগুলোও খুব ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে।

করণীয়

এ মুহূর্তে ‘অ্যাক্ট নাউ’ বা এখনই পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। তবে কেবল বিজ্ঞানী বা চিকিৎসকদের ওপর নির্ভর করা নয়, বরং এ লড়াইয়ে আমাদের প্রত্যেকের ভূমিকা রয়েছে।

১. সচেতন ব্যবহার: চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার বা কোর্স অসম্পূর্ণ রাখা যাবে না। মনে রাখতে হবে, অ্যান্টিবায়োটিক কেবল ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণের ক্ষেত্রেই কার্যকর। ভাইরাসজনিত রোগে অ্যান্টিবায়াটিক অকার্যকর।

২. পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা: সংক্রমণ রোধের জন্য নিয়মিত হাত ধোয়া, নিরাপদ খাদ্য গ্রহণ ও টিকা নেওয়া অপরিহার্য। এটি অণুজীবের বিস্তার রোধ করে এবং অ্যান্টিবায়োটিকের প্রয়োজনীয়তা কমায়।

৩. নতুন উদ্ভাবনে বিনিয়োগ: সরকার ও সংস্থাগুলোর উচিত নতুন অ্যান্টিবায়োটিক ও রোগনির্ণয়ের উন্নত প্রযুক্তির গবেষণায় আরও বেশি বিনিয়োগ করা।

শেষ কথা

‘প্রোটেক্ট আওয়ার প্রেজেন্ট’ মানে হলো আমাদের বর্তমান চিকিৎসাব্যবস্থা, যার ওপর আমরা নির্ভর করি, তাকে সচল ও সুরক্ষিত রাখা। আর ‘সিকিউর আওয়ার ফিউচার’ মানে হলো এমন একটি ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা, যেখানে আমাদের শিশুরা যেন সাধারণ সংক্রমণে মারা না যায়।

অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স একটি বৈশ্বিক সমস্যা, যার জন্য প্রয়োজন একীভূত ও বহুক্ষেত্রীয় পদক্ষেপ। এখনই সম্মিলিতভাবে কাজ করার মাধ্যমে আমরা এই নীরব হুমকি মোকাবিলা করতে পারি এবং মানবতার জন্য একটি স্বাস্থ্যকর ও সুরক্ষিত ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে পারি।

* ডা. কাকলী হালদার, সহকারী অধ্যাপক, মাউক্রোবায়োলজি বিভাগ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ, ঢাকা

https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla%2F2025-11-24%2F8ye2l7oh%2Fpexels-photo-3683088.jpg?rect=202%2C0%2C2178%2C1452&w=622&auto=format%2Ccompress&fmt=avif
চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার বা কোর্স অসম্পূর্ণ রাখা যাবে না। ছবি: পেক্সেলস