Wednesday, April 30, 2025
বন্ধুকে ছাত্রলীগ সাজিয়ে পুলিশে দিয়ে তার প্রেমিকাকে ধর্ষণ ছাত্রদল নেতার!
মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) রাতে দূর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
ওসি জানান, মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার বিরিশিরি এলাকার এক রিসোর্ট থেকে অনৈতিক কাজে (ধর্ষণ) লিপ্ত থাকা অবস্থায় দুর্জয়কে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় রিসোর্টে দায়িত্বরত দুইজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। এ ছাড়া ভুক্তভোগীর হবু স্বামী ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী মো. মুন্না মিয়া ও ভুক্তভোগী সবাই থানা হেফাজতে আছেন।’
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নিজে বাদী হয়ে ফয়সাল আহমেদ দুর্জয়ের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণের মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সোমবার (২৮ এপ্রিল) বিকেলে ভুক্তভোগীর হবু স্বামী মুন্না মিয়া দূর্গাপুর ঘুরতে নিয়ে যান। পরে সন্ধ্যা হয়ে গেলে বিরিশিরি রিসোর্টে রুম ভাড়া নিয়ে রাত্রযাপন করেন। মঙ্গলবার দুপুরে মুন্না ব্যক্তিগত কাজে শহরে যান। কিছুক্ষণ পর দরজায় শব্দ পেয়ে ভুক্তভোগী তার স্বামী এসেছেন ভেবে দরজা খুলেন। তখন তিনি ফয়সাল আহমেদ দুর্জয়কে দেখতে পান। দুর্জয় তার হবু স্বামী মুন্নার বন্ধু হওয়ায় ভুক্তভোগীর পরিচিত ছিল। পরে কথা বলার জন্য তখন দুর্জয় রুমের ভেতরে যান। কথা বলার এক পর্যায়ে দুর্জয় তাকে ঝাপটে ধরেন এবং জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এ সময় তার ডাক চিৎকারে আশপাশের লোকজন ও পুলিশ তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
ধর্ষণ ও আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান বলেন, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদী ধর্ষণের মামলা দায়ের করেছেন। এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে বুধবার (৩০ এপ্রিল) সকালে দুর্জয়কে আদালতে সোপর্দ করা হবে। অন্য আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নেত্রকোনা জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক অনিক মাহবুব জানান, কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশে অনৈতিক কাজে লিপ্ত থাকায় দুর্গাপুর উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ন-আহ্বায়ক ফয়সাল আহমেদ দুর্জয়কে বহিষ্কার করা হয়েছে। ছাত্রদল কোনো অন্যায়কে প্রশ্রয় দেয় না।
![]() |
| অভিযুক্ত উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ফয়সাল আহমেদ দুর্জয়। ছবি : সংগৃহীত |
Saturday, January 11, 2025
এক দিন কাজ না পেলে চুলায় ভাত বসে না তাঁদের by পল্লব চক্রবর্তী
আজ এ দৃশ্যের দেখা মেলে নেত্রকোনা শহরের তেরিবাজার এলাকায় প্রধান ডাকঘরের সামনে। শত বছর ধরে প্রতিদিন সকাল ৭টা থেকে ১০টা পর্যন্ত এখানে বসে দিনমজুরদের হাট। এখানে জেলার বিভিন্ন উপজেলাসহ পাশের ময়মনসিংহ ও কিশোরগঞ্জের অনেক উপজেলা থেকে তিন শতাধিক শ্রমিক আসেন সারা দিনের জন্য শ্রম বিক্রি করতে। হাট থেকে মালিকেরা দরদাম মিটিয়ে তাঁদের মধ্য থেকে কাউকে নিয়ে যান। আবার কেউ কাজ না পেয়ে বিষণ্ন মনে খালি হাতে ফিরে যান বাড়িতে।
সদর উপজেলার আমতলা ইউনিয়নের দুগিয়া গ্রাম থেকে ষাটোর্ধ্ব আবদুল আজিজ এসেছেন শ্রম বিক্রি করতে। সকাল নয়টা পর্যন্ত তিনি কোনো কাজ না পেয়ে বিষণ্ন মনে বসে ছিলেন। তাঁর সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, তাঁর বয়স যখন ২০ বছর ছিল তখন থেকেই এ স্থানে এসে শ্রম বিক্রি করেন। ৪০ বছর ধরে তিনি নিয়মিত শ্রম বিক্রি করছেন। এখন প্রতিদিন ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায় কাজ করেন। কিন্তু যে টাকা পান তাতে সংসার চলে না। সবকিছুর দাম বেশি হওয়ায় এই টাকা চাল-ডাল ও সবজি কিনতেই শেষ হয়ে যায়। সপ্তাহে পাতে মাছ মেলানো ভার। অবশ্য বছর ত্রিশেক আগেও ৫০ থেকে ৮০ টাকা রোজ উপার্জন করলে তা দিয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে চলা যেত বলে জানান তিনি।
আজিজের পাশে থাকা উপজেলার চল্লিশা থেকে শ্রম বিক্রি করতে এসেছেন মো. সাইফুল ইসলাম (৩৭)। আর্থিক অনটনের মধ্যেই তিনি স্নাতক পর্যন্ত লেখাপড়া করেছেন। ২০১৪ সালে নেত্রকোনা আবু আব্বাছ ডিগ্রি কলেজ থেকে যখন বিএ পরীক্ষা দেন তখন তাঁর বাবা শামছুদ্দিন মারা যান। এর পর থেকে তিনি সংসারের হাল ধরেন। তিনি গাজীপুরে স্কয়ার মাস্টারবাড়ী এলাকায় একটি প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তাকর্মীর চাকরি নেন। কিন্তু করোনাকালে চাকরি হারিয়ে বাড়িতে এসে বেকার হন। বিভিন্ন স্থানে ঘুরে কাজের সুযোগ না পেয়ে চার বছর ধরে তিনি নেত্রকোনা তেরিবাজার মোড়ে শ্রম বিক্রি করেন। এই রোজগার দিয়ে চলে তাঁর ছয় সদস্যের সংসার। ঘরে অসুস্থ মা হেলেনা আক্তারের (৬৬) ওষুধ, দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়া ছোট বোন ঋতুর লেখাপড়ার খরচ, তাঁর ছয় ও তিন বছরের দুই ছেলে এবং স্ত্রীর ভরণপোষণ মেটাতে গিয়ে এখন নাভিশ্বাস অবস্থায় আছেন বলে জানান তিনি।
সাইফুল মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, ‘ভাই, লেখাপড়া করে কোনো চাকরি পাইলাম না। অনেক জায়গায় ঘুরেছি। অভাবের সংসার, ঘরে ছয়জন মানুষ। তাই মানসম্মান নিয়া বইসা না থাইক্কা কামলার বাজারে আইয়া শ্রম বিক্রি করি। এতে কাজ বুঝে কোনো দিন ৪৫০ টাকা, কোনো দিন ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা পাই। এ দিয়াই কোনোরকমে সংসার চলাই। এক দিন কাম না পাইলে চুলাতে ভাত বসে না। না খেয়ে থাকতে হয়। তাই এক দিনের কামলা যাওয়ার জন্য কত যে মানুষের ব্যাকুলতা, এখানে কেউ না দাঁড়াইলে উপলব্ধি করতে পারত না।’
উলুয়াটি গ্রামের শ্রমিক মো. শামছু মিয়া (৫৯) জানান, তিনি ৪২ বছর ধরে রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করছেন। দুই ছেলে, এক মেয়েসহ পরিবারে তাঁর সদস্যসংখ্যা সাতজন। এক দিন কাজ না পেলে সংসার চলে না। প্রতিদিন তেরিবাজারে এসে ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকায় বিক্রি হন তিনি। আগে কাজের জন্য এত হাহাকার ছিল না। হাটে শ্রমিকের সংখ্যাও কম ছিল, তাই তুলনামূলক দামও বেশি ছিল। করোনার পর থেকে শ্রমিকের সংখ্যা বেড়ে গেছে।
পূর্বধলার শ্যামগঞ্জের শ্রমিক জিল্লুর রহমান (৫৫) জানান, ৩৫ বছর ধরে কামলা দিচ্ছেন। আগে নিজের কিছু জমি ছিল, অভাবের কারণে সেগুলো বিক্রি করে দিয়েছেন। কামলা দিয়ে তিন মেয়ে ও এক ছেলেকে স্কুল–মাদ্রাসায় লেখাপড়া করাচ্ছেন। ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা মজুরিতে কাজ করেন তিনি। যেদিন যে কাজ পান, সে কাজই করেন। এক দিন কাজ না পেলে ভাত জোটে না তাঁর ঘরে। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, ‘বয়সের কারণে কাম করতে কষ্ট হয়। মানুষও আমারে কামে নিতে চায় না বয়স দেইক্খা।’
বর্তমান বাজারদরে প্রাপ্ত মজুরি দিয়ে জীবন কেমন চলছে, জিল্লুরের সঙ্গে যখন কথা চলছিল তখন পাশ থেকে মালনি এলাকার বরকত মিয়া, পুকুরিয়ার বিল্লাল শেখ, মাহমুদপুরের তাজুল ইসলামসহ কয়েকজন বলছিলেন, ‘এক দিন কাম না পাইলে উপবাস থাকতে হয়।’
সাতপাই রেলক্রসিং এলাকার শ্রমিক রহিম উদ্দিনকে দুর্ভাগ্যবশত আজ কেউ নেয়নি। তাই বাড়ি ফিরতে হচ্ছে খালি হাতে। তিনি বলেন, ‘বর্তমানে বাজারে জিনিসপত্রের দাম যেভাবে বাড়ছে, আমরার শ্রমের মজুরি কিন্তু বাড়ছে না। বরং কাজ কমছে, কামলা বাড়ছে। সপ্তাহে তিন-চার দিন কাম পাই। তা দিয়াই খুব কষ্টে দিন কাটাই। ১১০ টেহার পাঙাশ মাছ অহন ২০০ টেহায় কিনতে হয়। আগে দুপুরে হোটেলে ৪০ টেহা দিয়া ভাত খাওন যাইত। অহন ডিম দিয়া খাইলেও ৬০ টেহা লাগে।’
| এক দিন কাজ না পেলে তাঁদের অনেকের কপালেই খাবার জোটে না। আজ শুক্রবার সকালে নেত্রকোনা শহরের তেরিবাজার মোড় এলাকায়। ছবি: প্রথম আলো |
Sunday, November 18, 2018
ভালো নেই হুমায়ূন আহমেদের স্বপ্নের স্কুল by মজিবুর রহমান

এ ছাড়া ভেঙে পড়েছে বিদ্যালয়টির অবকাঠামোগত ব্যবস্থা। বিশেষ করে বিদ্যালয় ভবনের ছাদের ঢেউটিন ভেঙে ছিদ্র হয়ে যাওয়ায় বৃষ্টি হলেই পানি পড়ে। তাই বর্ষাকালে বিঘ্নিত হয় পাঠদান কার্যক্রম।
হুমায়ূন আহমেদ বেঁচে থাকতে সরকারের অনেক উচ্চপদস্থ ব্যক্তিরা বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করে নানা রকম আশ্বাস দিলেও বর্তমানে আর বিদ্যালয়টির খোঁজ নেন না কেউই।
এদিকে, শত প্রতিকূলতার মধ্যেও থেমে যায়নি হুমায়ূনের রেখে যাওয়া স্বপ্নের স্কুলের কার্যক্রম। হুমায়ূন আহমেদের প্রয়াণের পর তার স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন বিদ্যালয়টি পরিচালনার হাল ধরেন এবং তিনি নিজেই বিদ্যালয় পরিচালনার যাবতীয় ব্যয় নির্বাহ করে যাচ্ছেন।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৬ সালে শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন বিশিষ্ট অভিনেতা আসাদুজ্জামান নূর (বর্তমানে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী)। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পর মেহের আফরোজ শাওনের করা নকশা অনুযায়ী শুরু হয় ভবন নির্মাণের কাজ।
দৃষ্টিনন্দন বিদ্যালয় ভবন নির্মাণ শেষে ২০০৬ সালে মাত্র ৪৮ জন শিক্ষার্থী নিয়ে শুরু হয় হুমায়ূন আহমেদের স্বপ্নের স্কুল শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠের পাঠদানের পথচলা।
বিদ্যালয় ভবনে রয়েছে মোট ১৪টি কক্ষ। এর মধ্যে ১২টি কক্ষে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। একটি কক্ষে রয়েছে হুমায়ূন আহমেদের পিতা ফয়জুর রহমান আহমেদ নামে বিশাল পাঠাগার। এ ছাড়া অন্য একটি কক্ষ অফিস রুম হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে ৩৪৯ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। আর তাদের পাঠদানের জন্য শিক্ষক রয়েছে ১৫ জন এবং কর্মচারী রয়েছে তিনজন।
বিদ্যাপীঠের প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামান জানান, ২০১০ সালে আমি হুমায়ূন স্যারের হাত ধরে এ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করি। স্যার বিদ্যালয়টি নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখতেন। তিনি আমাদের বলতেন, ‘তোমরা দেখে নিও, এ বিদ্যালয় একদিন সারা দেশে হইচই ফেলে দেবে। শহরের শিক্ষার্থীরাও একদিন এ স্কুলে লেখাপড়া করতে ছুটে আসবে।’ কিন্তু এরই মাঝে স্যার না ফেরার দেশে চলে যান। আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছি স্যারের সেই স্বপ্ন পূরণের জন্য।
বিদ্যালয়ের ফলাফল সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক জানান, বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার পর থেকে শতভাগ ফলাফল অর্জন করে আসছে। ২০১৭ সালের জেএসসি পরীক্ষায় ৬৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়ে সবাই উত্তীর্ণ হয়। এদের মধ্যে জিপিএ-৫ অর্জন করে ৪০ জন। এ বছর (২০১৮) এসএসসি পরীক্ষায় ৬৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়ে সবাই উত্তীর্ণ হয় এবং জিপিএ-৫ অর্জন করে ৯ জন। ভালো ফলাফল করতে অভিজ্ঞ শিক্ষকের প্রয়োজন। সময়মত বিদ্যালয়টি এমপিওভুক্ত না হওয়ায় অনেক অভিজ্ঞ শিক্ষক চাকরি পেয়ে অন্যত্রে চলে যাচ্ছেন।
তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, আমরা সব সময়ই শতভাগ রেজাল্ট করে আসছি। জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও আমাদের প্রতিষ্ঠান বারবার শ্রেষ্ঠ হয়েছে। কিন্তু বিদ্যালয়টি অদ্যাবধি এমপিওভুক্ত হচ্ছে না। বিদ্যালয়টির অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা জরুরি বলেও জানান তিনি।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠ প্রতিবছর জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষায় সন্তোষজন ফলাফল করছে। বিদ্যালয়টি এমপিভুক্তির জন্য সব ধরনের কার্যক্রম করা হচ্ছে।
Monday, March 5, 2018
হাওরের কৃষকরা আতঙ্কে

Sunday, March 26, 2017
ভুলে ভরা শ্রদ্ধাঞ্জলি, দায়ভার কার?

BNM Special
BNM Archive
BNM Archive
- ▼ 2026 (2056)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (129)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
