Monday, January 22, 2018
চা: একটি শব্দের ইতিবৃত by মাহমুদ ফেরদৌস

‘টি’ ও ‘চা’ দু’টিই কিন্তু চীনা শব্দ। এই শব্দ দু’টি পৃথিবীতে কীভাবে ছড়িয়েছে তার দিকে খেয়াল করলে বোঝা সম্ভব যে, ‘বিশ্বায়ন’ শব্দটি কেউ ব্যবহারের আগে পৃথিবীতে বিশ্বায়ন কীভাবে ঘটেছিল।
‘চা’ শব্দটি মূলত ছড়িয়েছে প্রাচীন সিল্ক রোডের ভূমি পথে।
অপরদিকে ‘টি’ শব্দটি ছড়িয়েছে সমুদ্র বা পানি পথে। চাকে ‘টি’ হিসেবে পরিচিত করার পেছনে ওলন্দাজ (ডাচ) বণিকদের বড় ভূমিকা ছিল। তারাই সুদূর চীন থেকে চা নিয়ে যান ইউরোপে।
‘চা’ শব্দটি চীনা ভাষার বহু সংস্করণেই ব্যবহৃত হয়। চীন থেকে চা যখন সড়ক পথে মধ্য এশিয়ায় ঢুকে পড়ে, তখন একে ‘চা’ই বলা হতো। ফার্সি ভাষায় এটি হয়ে যায় ‘চায়’। এটি নিশ্চিতভাবেই সিল্ক বাণিজ্য পথের বদৌলতে। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, সিল্ক রোডে ২০০০ বছর আগেও চা নিয়ে বাণিজ্য হতো।
ধীরে ধীরে পারস্য ছাড়িয়ে ‘চা’ শব্দটি পৌঁছে যায় অন্যত্র। হিন্দির মতো উর্দু আর রাশিয়ান ভাষায়ও এটি হয়ে উঠে ‘চায়ে,’ আরবিতে হয়ে যায় ‘সায়ে’। এমনকি সাব-সাহারান আফ্রিকান দেশগুলোতে চা ছড়িয়ে পড়ে। সাহিলি ভাষায় একে ‘চাই’ বলা হতে থাকে। জাপান ও কোরিয়ান ভাষায়ও চাকে সেই ‘চা’-ই বলা হয়। তবে পারস্য হয়ে অন্যত্র ‘চা’ শব্দটি ছড়িয়ে পড়ারও অনেক আগে থেকেই কোরিয়া ও জাপানে ‘চা’ শব্দটি ব্যবহৃত হতো।
এতক্ষণ তো ‘চা’র উপাখ্যান বলা হলো। কিন্তু চাকে ‘টি’ বলা হয় কেন? চীনা ভাষায় চা-কে একই বর্ণ দিয়েই লেখা হয়। কিন্তু এই ভাষার কিছু সংস্করণে ওই বর্ণকে বা অক্ষরকে উচ্চারণ করা হয় ভিন্নভাবে। এই কারণে একই শব্দকে বেশিরভাগ সংস্করণে ‘চা’ হিসেবে উচ্চারণ করা হলেও, কিছু সংস্করণে ‘টে’ বলা হতো। বর্তমান যুগের মান্দারিন (চীনা) ভাষায় একে ‘চা’ বলা হয়। তবে ভাষাটির ‘মিন নান’ সংস্করণে, যেটি চীনের উপকূলীয় ফুজিয়ান প্রদেশের মানুষ ব্যবহার করে, সেখানে চা-কে বলা হয় ‘টে’।
স্বাভাবিকভাবেই, সাগর তীরবর্তী উপকূলীয় অঞ্চলের সঙ্গে বাণিজ্য সমুদ্রপথে হতো। আর উপকূলীয় অঞ্চলের চীনা ভাষায় ‘টে’ শব্দটি ব্যবহার হওয়ায়, সমুদ্রপথের বণিকরা চাকে ‘টে’ হিসেবেই বর্ণনা করা শুরু করলেন। গোলন্দাজ বণিকরা তখন সমুদ্রপথেই চীনের সঙ্গে বাণিজ্য করতেন। ফলে, তাদের বদৌলতে ওই উপকূলীয় শব্দটি অর্থাৎ ‘টি’ পরিচিত হয়ে উঠে ইউরোপে। এটি সপ্তদশ শতকের কথা। ওয়ার্ল্ড আটলাস অব ল্যাঙ্গুয়েজ স্ট্রাকচার বইয়ে এটির বিস্তারিত বর্ণনা আছে।
এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্য তখন গোলন্দাজরাই করতো। পূর্ব এশিয়ায় গোলন্দাজদের প্রধান বন্দর ছিল ফুজিয়ান ও তাইওয়ান। এই দুই উপকূলীয় প্রদেশের চীনারা চাকে ‘টে’ হিসেবে উচ্চারণ করতো। আর তাই গোলন্দাজরা যখন ব্যপক হারে চা নিয়ে গেল ইউরোপে, তখন ফরাসি ভাষায় এটি হয়ে উঠে ‘টেঁ’, জার্মান ভাষায় ‘টী’ আর ইংরেজিতে ‘টি’।
আবার এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে বেশি ব্যবসা ওলন্দাজরা করলেও সবার আগে ব্যবসাটা শুরু করে কিন্তু পর্তুগিজরা। তাইওয়ান যখন ইউরোপের উপনিবেশ ছিল তখন দেশটির নাম ছিল ফরমোসা। এই নাম কিন্তু পর্তুগিজদের দেওয়া। পর্তুগিজ বণিকরা আবার ওলন্দাজদের মতো ফুজিয়ান দিয়ে বাণিজ্য করতো না। তারা ব্যবহার করতো ম্যাকাও। আর ম্যাকাওয়ে চা-কে ‘চাঁ’ বলা হতো। তাই ইউরোপে শুধু পর্তুগিজ ভাষাতেই চাকে ‘চা’ বলা হয়।
অর্থাৎ, যেসব অঞ্চলে চা সমুদ্রপথে পৌঁছালো, সেসব দেশে একে বলা হয় ‘টে’। শুধু পর্তুগিজ ব্যতিক্রম। আর যেসব দেশে সড়ক পথে বা সিল্ক রোডে ছড়িয়েছে চা, সেখানে একে ‘চা’-ই বলা হয়।
পৃথিবীতে খুল অল্প ভাষাই আছে যেখানে চা-কে ‘চা’ অথবা ‘টি’ বা এদের কাছাকাছি কিছু বলা হয় না। এসব ভাষাগুলো এমন সব অঞ্চলের ভাষা যেখানে চা প্রাকৃতিকভাবেই জন্মাতো। এ কারণে স্থানীয়রা নিজেরাই এই উদ্ভিদের নিজেদের মতো করে নাম দিয়েছিল। যেমন, বার্মিজ ভাষায় চা পাতাকে বলা হয় ‘লাকফাক’।
(কোয়ার্টজ অবলম্বনে)
"& still even today I hear the mournful tune of the Sanai"Say,Valiant,High is my head!I am the rebel,the rebel son of mother-earth!Ever-high is my head.O travellers on the road of destruction,Hold fast Ur hammer,pick up Ur shovel,Sing in unison & advance.We created in the joy of our arms.We shall now destory at the pleasure of our feet.‘O Lord,For eight years have I lived & never did I say my prayers & yet,did U ever refuse me my meals for thet?Ur mosques & temples are not meant for men,Men heve no right in them.The mollahs & the Priests Heve closed their doors under locks & keys.’Comrades, Hammer away at the closed doors Of those mosques & temples,& hit with Ur shovel mightily.For,climbing on their minarets,The cheats are today glorifying Selfishness & hypocrisy.& creatr a new universe of joy & peace.Weary of struggles,I,the great rebel,Shall rest in quiet only when I find The sky & the air free of the piteous groans of the oppressef.Only when the dattlefields are cleared of jingling bloody sabres Shall I,weary of struggles,rest in quiet,I,the great rebel.I am the rebel-eternal,I raise my head beyond this world,High,ever-erect & alone!
About: Dhumketo
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশকে হিলারির চাপ দেয়ার প্রমাণ পায়নি যুক্তরাষ্ট্র

মে মাসে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রকে উদ্ধৃত করে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সারকা এক প্রতিবেদনে দাবি করে, গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ থেকে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে অপসারণ না করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চাপ দিয়েছিলেন সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন। উইকিলিকস-এর ফাঁস করা নথিতেও একই অভিযোগ পাওয়া যায়।
এসব অভিযোগ ওঠার পর শীর্ষস্থানীয় একজন মার্কিন সিনেটর যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসনকে একটি চিঠি লেখেন। চিঠিতে বলা হয়, হিলারি ক্লিনটন পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে তদন্ত তুলে নিতে বাংলাদেশ সরকারকে চাপ দিয়েছিলেন। মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্রের সঙ্গে এ নিয়ে কথা হয়েছে বাংলা ট্রিবিউনের। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর তার নথি পর্যালোচনা সমপন্ন করেছে। এর ভিত্তিতে কংগ্রেশনাল কমিটিকে জানানো হয়েছে যে, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে তদন্ত তুলে নিতে পররাষ্ট্র দপ্তর বাংলাদেশ সরকারকে চাপ দিয়েছিল-এমন অভিযোগের পক্ষে কোনো নথি পাওয়া যায়নি। এ ধরনের যোগাযোগ বা কর্মকাণ্ডের কোনো নথি নেই।
সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন ও তার কর্মীরা যুক্তরাষ্ট্রের অফিসিয়াল চ্যানেল ব্যবহার করে ক্লিনটন গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ এবং ক্লিনটন ফাউন্ডেশনের দাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে সাহায্য করতে চেয়েছিলেন-এমন অভিযোগের ব্যাপারে তথ্য চেয়েছিলেন সিনেটর গ্রাসলে। সিনেটর গ্রাসলেকেও একইভাবে ‘প্রমাণ না পাওয়া’র কথা জানানো হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। গত বছরের জুনে পররাষ্ট্র দপ্তরের কাছে তিনি এ সমপর্কিত তথ্য চান।
নিজের লেখা চিঠিতে অভিযোগকারী এই সিনেটর বলেন, সাংবাদিকরা এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা কর বিভাগের এক নিরীক্ষায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র সজীব ওয়াজেদকে হুমকি দিয়েছিল। তাকে বলা হয়েছিল, ‘তিনি যদি তার মাকে এই তদন্ত বন্ধ করানোর ব্যাপারে উদ্যোগী না হন তাহলে তার বিরুদ্ধে কর ফাঁকির অভিযোগ এনে তদন্ত শুরু করা হবে।’
সিনেটর গ্রাসলে বলেন, ‘২০১৭ সালের ১১ই মে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিশ্চিত করেছেন যে, ২০১১ সালের মার্চে হিলারির অফিস থেকে ফোন করে গ্রামীণ ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে পুনর্বহাল করতে বলেন। এটা ক্লিনটন ফাউন্ডেশনে অনুদানের কারণে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনের কাছ থেকে বিশেষ সুবিধা পাওয়ার বিষয়টি প্রমাণ করে।’
যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসনের কাছে এ ধরনের বেশকিছু প্রশ্ন তোলেন সিনেটর গ্রাসলে। তিনি জানতে চান, ‘পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কোনো কর্মী প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বাংলাদেশের তদন্তের ব্যাপারে সজীব ওয়াজেদকে কর ফাঁকির অভিযোগসহ ফল বা পরিণতি বরণের কথা বলেছিলেন কিনা? বিষয়টি ইন্সপেক্টর জেনারেল বা বিচার বিভাগের পর্যালোচনার জন্য পাঠানো হয়েছিল কিনা? যদি না হয়ে থাকে, তাহলে কেন নয়?’ সিনেটর গ্রাসলে বলেন, সজীব ওয়াজেদের বক্তব্য অনুযায়ী, ২০১০ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে পররাষ্ট্র দপ্তরের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে তার দফায় দফায় কথাবার্তা হয়েছে।
এই সিনেটর বলেন, ‘সজীব ওয়াজেদ বলেছেন প্রতিটি বৈঠকেই অনিবার্যভাবে ইউনূসের তদন্তের বিষয়টি উঠে আসতো। এই তদন্ত বন্ধে তাকে চাপ দেয়া হতো।’ মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে অবশ্য তাদের এই তদন্তের ব্যাপারে বিস্তারিত কোনো তথ্য জানা যায়নি।
"& still even today I hear the mournful tune of the Sanai"Say,Valiant,High is my head!I am the rebel,the rebel son of mother-earth!Ever-high is my head.O travellers on the road of destruction,Hold fast Ur hammer,pick up Ur shovel,Sing in unison & advance.We created in the joy of our arms.We shall now destory at the pleasure of our feet.‘O Lord,For eight years have I lived & never did I say my prayers & yet,did U ever refuse me my meals for thet?Ur mosques & temples are not meant for men,Men heve no right in them.The mollahs & the Priests Heve closed their doors under locks & keys.’Comrades, Hammer away at the closed doors Of those mosques & temples,& hit with Ur shovel mightily.For,climbing on their minarets,The cheats are today glorifying Selfishness & hypocrisy.& creatr a new universe of joy & peace.Weary of struggles,I,the great rebel,Shall rest in quiet only when I find The sky & the air free of the piteous groans of the oppressef.Only when the dattlefields are cleared of jingling bloody sabres Shall I,weary of struggles,rest in quiet,I,the great rebel.I am the rebel-eternal,I raise my head beyond this world,High,ever-erect & alone!
About: Dhumketo
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘বিপজ্জনক অবস্থায় ফিরতে চায় না রোহিঙ্গারা’

কোনো অবস্থাতেই জোর করা যাবে না। নির্যাতিতদের ফের বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে ঠেলে দেয়া ঠিক হবে না মন্তব্য করে পশ্চিমা দূতরা পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে জানিয়েছেন, তারা নিজেরাও অনেকের সঙ্গে কথা বলেছেন। অনেকেই ফিরতে আগ্রহী, কিন্তু তারা কোনো বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে ফিরতে চায় না। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে মিয়ানমারের সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তি ফিজিক্যাল অ্যারেঞ্জমেন্ট সই হওয়ার প্রেক্ষাপটে ঢাকায় থাকা জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক ও উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাগুলোর প্রধানদের পরিস্থিতি সম্পর্কে জানাতে গতকাল পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী তাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় দুই পর্বে কূটনীতিকদের সঙ্গে কথা বলেন মন্ত্রী। সেখানে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম ও সচিব শহীদুল হকসহ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। মূলত রোহিঙ্গা ইস্যুতে আন্তর্জাতিক সমপ্রদায়কে আরো ঘনিষ্ঠভাবে পাশে পেতে এ ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়েছিল। শুরুতে পশ্চিমা দেশ, জোট ও সংস্থাগুলোর প্রতিনিধি ছাড়াও ভারত, চীন, জাপান, কেরিয়া, ভিয়েতনাম, লাওস, ফিলিপাইনসহ বিভিন্ন দেশের মিশন প্রধানদের ব্রিফ করেন মন্ত্রী। ইউরোপসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় তাদের প্রশ্ন এবং উদ্বেগের কথাগুলো সরকারের বিবেচনায় উপস্থাপন করেন। মন্ত্রী তাদের জিজ্ঞাসার জবাব এবং উদ্বেগ নিরসনে সরকারের পদক্ষেপ সম্পর্কে অবহিত করেন। পরে ওআইসি জোটের সদস্যদের ব্রিফ করেন মন্ত্রী। সেখানে প্যালেস্টাইনের দূত দৈনিক ৩০০ জনকে ফেরত পাঠানোর চুক্তি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, এ সংখ্যা না বাড়ালে প্রত্যাবাসন শেষ হতে এক থেকে দেড় যুগ লেগে যাবে! মন্ত্রী অবশ্য তার জবাবে প্রত্যাবাসন শুরুর ওপর জোর দেন। বলেন, আগে শুরু হোক। বাকিটা পরে দেখা যাবে। ব্রিফিং সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, রোহিঙ্গাদের ফেরাতে উৎসাহিত করতে জোর দেন কূটনীতিকরা। তারা বলেছেন, বাস্তুচ্যুতরা যেন রাখাইনে ফিরতে নিরাপদ বোধ করে, আস্থা ও ভরসা পায়- এমন পরিবেশ মিয়ানমারকেই নিশ্চিত করতে হবে। ব্রিফিংয়ে অংশ নেয়া দূত ও উন্নয়ন সংস্থার প্রায় সব প্রতিনিধিই তাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস পুনর্ব্যক্ত করেন। ব্রিফিং শেষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাহমুদ আলী জানিয়েছেন, এ প্রক্রিয়ায় জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরকে যুক্ত করা হবে। তাদের সঙ্গে এ নিয়ে একটি চুক্তি সই করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। মিয়ানমারও প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক সহায়তা নেবে। তবে তারা জাতিসংঘকে নয়, রেডক্রসকে যুক্ত করতে নীতিগত সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে। বৈঠক শেষে ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। সেখানে তিনি রোহিঙ্গাদের ফিরে যাওয়া নিরাপদ ও টেকসই করতে রাখাইন রাজ্যে প্রয়োজনীয় পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বলেন, এ জন্য সেখানে টেকসই উন্নয়ন দরকার। রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়া প্রক্রিয়ায় নিজেদের সমর্থন বজায় রাখার নিশ্চয়তাও দেন ভারতীয় দূত। বৃটিশ হাইকমিশনার অ্যালিসন ব্লেকও বলেন, তাদের ফিরে যাওয়ার বিষয়টি অবশ্যই টেকসই হতে হবে। আর এ জন্য তা ‘নিরাপদ, স্বেচ্ছায় ও সম্মানের’ সঙ্গে তাদের ফেরাতে হবে। মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাটও রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনের ওপর গুরুত্ব দেন। প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে বাংলাদেশকে মার্কিন সমর্থনের বিষয়টিও নিশ্চিত করেন তিনি।
প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় জাতিসংঘের সহায়তা নেবে সরকার: এদিকে ব্রিফিং শেষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী জানান, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় জাতিসংঘের সহায়তা নেবে বাংলাদেশ। জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থার সঙ্গে এ নিয়ে শিগগিরই চুক্তি করবে সরকার। মন্ত্রী বলেন, চুক্তির একটি খসড়া নিয়ে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার সঙ্গে আমরা আলোচনা করছি। চুক্তি সই হলে তারা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় যুক্ত হবে।’ কূটনৈতিক সূত্র বলছে, জাতিসংঘের পরামর্শেই শেষ পর্যন্ত ইউএনএইচসিআরকে প্রত্যাবসন প্রক্রিয়ায় যুক্ত করা হচ্ছে। রোহিঙ্গাদের ফেরানোর আগে তাদের যাচাই-বাছাইয়ের জন্য একটি ফরম রয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘এটি চূড়ান্ত হয়েছে। একটি পরিবারকে একটি ইউনিট হিসেবে গণ্য করা হবে। এ নিয়ে ফের তথ্য সংগ্রহ শুরু হবে বলেও জানান মন্ত্রী। তবে ২৩শে নভেম্বর বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সই হওয়া দ্বিপক্ষীয় অ্যারেঞ্জমেন্টের দুই মাসের মধ্যে অর্থাৎ ২৩শে জানুয়ারির মধ্যে প্রত্যাবাসন শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। আগামীকাল সেই ডেটলাইন মতে প্রত্যাবাসন শুরুর কথা জানিয়েছে মিয়ানমার। এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রত্যাবাসনের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে। কাজও অনেক দূর এগিয়েছে। তবে কবে রোহিঙ্গারা যাওয়া শুরু করবে এ নিয়ে আমি কোনো দিনক্ষণ বলা ঠিক হবে না। আমরা কাজ করছি। দেখা যাক কি হয়। এ নিয়ে যা কাজ হয়েছে আমি আমাদের বিদেশি কূটনীতিকদের সবই বলেছি। মন্ত্রী আরো বলেন, যেসব রোহিঙ্গার ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে, সেসব ঘরবাড়ি তৈরি করতে সহায়তা দিচ্ছে ভারত, চীন ও জাপান। মিয়ানমারের সঙ্গে তারা কাজ করতে সম্মত হয়েছে। আমরা ইউরোপিয়ান ইউনিয়নকে এ প্রক্রিয়ায় যুক্ত করার জন্য প্রস্তাব করেছি। আমরা চাই, মিয়ানমারের প্রতিবেশী পাঁচটি রাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা রাখাইন রাজ্য সফর করুন। তারা আগেও সফর করেছেন। প্রত্যাবাসন শুরু হলে আমিও সেখানে যাবো। উল্লেখ্য, গত ২৫শে আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত ছয় লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে। আর গত বছরের অক্টোবর থেকে জুলাই পর্যন্ত মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসে প্রায় ৯০ হাজার রোহিঙ্গা। এর আগে থেকে প্রায় তিন লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অবস্থান করছিল।
"& still even today I hear the mournful tune of the Sanai"Say,Valiant,High is my head!I am the rebel,the rebel son of mother-earth!Ever-high is my head.O travellers on the road of destruction,Hold fast Ur hammer,pick up Ur shovel,Sing in unison & advance.We created in the joy of our arms.We shall now destory at the pleasure of our feet.‘O Lord,For eight years have I lived & never did I say my prayers & yet,did U ever refuse me my meals for thet?Ur mosques & temples are not meant for men,Men heve no right in them.The mollahs & the Priests Heve closed their doors under locks & keys.’Comrades, Hammer away at the closed doors Of those mosques & temples,& hit with Ur shovel mightily.For,climbing on their minarets,The cheats are today glorifying Selfishness & hypocrisy.& creatr a new universe of joy & peace.Weary of struggles,I,the great rebel,Shall rest in quiet only when I find The sky & the air free of the piteous groans of the oppressef.Only when the dattlefields are cleared of jingling bloody sabres Shall I,weary of struggles,rest in quiet,I,the great rebel.I am the rebel-eternal,I raise my head beyond this world,High,ever-erect & alone!
About: Dhumketo
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
৮ ঘন্টা কি ঘুমাতেই হবে?

১. আখরোট : এই প্রকৃতিক উপাদানটির অন্দরে রয়েছে "ট্রাইপটোফেন" নামক একটি অ্যামাইনো অ্যাসিড, যা সেরাটোনিন এবং মোলাটোনিনের মতো স্লিপ হরমোনের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়। ফলে ঠিক মতো ঘুম না হওয়ার মতো সমস্যা কমে যেতে সময়ই লাগে। তাই তো যারা রাতের প্যাঁচা, তাদের রোজের ডেয়েটে আখরোটের অন্তর্ভুক্তি মাস্ট!
২. বাদাম : ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ এই খাবরটি নিয়মিত এক মুঠো করে খাওয়া শুরু করলে অনিদ্রার মতো সমস্যা দূর হতে সময়ই লাগে না। আসলে এই খনিজটি শরীরে প্রবেশ করার পর এমন খেল দেখাতে শুরু করে যে নিমেষে ঘুম এসে যায়। জার্নাল অব অর্থোমলিকিউলার মেডিসিন পত্রিকায় প্রকাশিত একটি গবেষণা পত্র অনুসারে শরীরে এই খনিজটির ঘাটতি দেখা দিলে একদিকে যেমন হাড়ের স্বাস্থ্যের অবনটি ঘটতে শুরু করে। সেই সঙ্গে ঠিক মতো ঘুমও আসতে চায় না। তাই শরীরে কোনো সময় যাতে ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখা উচিত।
৩. পনির : শুনতে অবাক লাগলেও একাধিক গবেষণায় একথা প্রমাণিত হয়ে গেছে যে ডিনারে নিয়মিত পনির বা যেকোনো ধরনের দুগ্ধজাত খাবার, যেমন দই, দুধ বা চিজ খাওয়া শুরু করলে দারুণ ঘুম হয়। আসলে প্রায় প্রতিটি ডেয়ারি প্রডাক্টেই প্রচুর মাত্রায় উপস্থিত থাকে ট্রাইপটোফেন, যা মেলাটোনিন হরমেনের ক্ষরণ বাড়িয়ে দিয়ে অনিদ্রার মতো সমস্যা দূর করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
৪. লেটুস শাক : স্বাদের কারণে বঙ্গ খাদ্যরসিকদের মধ্যে এই শাকটির বেশ কদর রয়েছে। তা আপনি খান তো লেটুস শাক? সেকি খান না! আরে ভাই এই ভুল কাজটি আর যেন করবেন না। পরিবর্তে আজ থেকেই সপ্তাহে ৩-৪ দিন লেটুস শাক খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন ঠিক মতো ঘুম না হওয়ার সমস্যা কমতে সময়ই লাগবে না। আসলে এই শকটিতে রয়েছে ল্যাকটুকেরিয়াম নামক একটি উপাদান, যা নিমেষে ঘুম আসতে সাহায্য করে। তাই এবার থেকে শুতে যাওয়ার আগে ৩-৪ টে লেটুস পতা একটা কাপ পানিতে ফেলে ১৫ মিনিট ফুটিয়ে নিন। সময় হয়ে গেলে আঁচটা বন্ধ করে পানিটা পান করেই শুয়ে পরুন। এমনটা নিয়মিত করতে থাকলে দারুণ উপকার পাবেন।
৫. মাছ : সম্প্রতি প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্র অনুসারে নিয়মিত মাছ খাওয়া শুরু করলে শরীরে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড এবং ভিটামিন বি৬-এর ঘাটতি দূর হয়। এই দুই পুষ্টিকর উপাদান, মেলাটোনিন হরমোনের ক্ষরণ বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
৬. চেরির জুস : স্ট্রেস এবং অন্যান্য নানা কারণে রাতের ঘুম উড়েছে? এদিকে এমন পরস্থিতিতে কি করবেন তাও ভেবে উঠতে পারছেন না? কোনো চিন্তা নেই বন্ধু! আজ থেকেই শুতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস করে চেরির জুস খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন ঘুম আসতে সময়ই লাগবে না। আসলে চিরির অন্দরেও রয়েছে এমন অনেক উপকারি উপাদান যা মেলাটোনিন হরমোনের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়। তাই তো ইনসমনিয়ায় ভুগতে থাকা রোগীদের নিয়মিত চেরির রস খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সাংবাদিকেরা পৃথিবীর সবচেয়ে খারাপ মানুষ by মাইকেল উলফ

[পর্ব-৬]
হোয়াইট হাউজজুড়েই বারবার এই প্রশ্ন উঠতে থাকে যে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর ট্রাম্প তার অনিয়ন্ত্রিত ও উল্টোপাল্টা বক্তব্য সংবলিত টুইটার পোস্টগুলো চালু রাখবেন কি না। সবার কাছেই উত্তর ছিল- তিনি তা আগের মতোই রাখবেন। সরকার পরিচালনায় তিনি মৌলিক একটি বিষয় নিজ উদ্যোগে প্রবর্তন করেন। তা হলো, নিয়মিতভাবে, অনিয়ন্ত্রিত বিদ্বেষ ও ক্রোধের বিস্ফোরণ ঘটানো (যার শিকার হতেন তার আশপাশের ও মিডিয়ার লোকেরা)। প্রেসিডেন্টের প্রথম কাজগুলোর একটি ছিল সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির (সিআইএ) সাথে বৈঠক। শপথ গ্রহণের পরদিন ২১ জানুয়ারি, শনিবার এই বৈঠকটির আয়োজন করেন জ্যারেড কুশনার। প্রথম সরকারি পরিদর্শনে এদিন ভার্জিনিয়ার ল্যাংলিতে সিআইএ হেডকোয়র্টারে যান ট্রাম্প। স্টিভ ব্যাননের আশা ছিল, ট্রাম্প হয়তো সেখানে কিছু রাজনৈতিক চাল চালবেন। প্রেসিডেন্ট হিসেবে দেয়া প্রথম বক্তৃতাটি তাই সতর্কতার সাথে প্রস্তুত করা হলেও ট্রাম্প সিআইএর বিরুদ্ধে তার বিখ্যাত সব স্তবক ঢেলে দিলেন। মার্কিন গোয়েন্দা জগতের বিতর্ক, বিভিন্ন সময় গোপন তথ্য ফাঁস- সব কিছুই টেনে আনলেন। প্রায় ৩০০ সিআইএ কর্মকর্তা আর হোয়াইট হাউজ স্টাফদের সামনে ছিল সেই বক্তৃতা।
এই বক্তৃতাকে আমরা সহজেই এক মার্কিন প্রেসিডেন্টের ‘সবচেয়ে অদ্ভুত বক্তৃতা’ বলতে পারি। ট্রাম্প বললেন, ‘ওয়েস্ট পয়েন্ট যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অ্যাকাডেমি সম্পর্কে অনেক কিছু জানি। শিক্ষা বা শিক্ষাবিদদের ওপর আমার অগাধ বিশ্বাস। প্রায়ই বলি যে, আমার একজন চাচা ছিলেন ৩৫ বছর ধরে এমআইটির বিখ্যাত প্রফেসর। শিক্ষা বিষয়ে তার অনেক অবদান, তিনি একজন জিনিয়াস। তার প্রসঙ্গ এলে আমাকে প্রশ্ন করা হয়, ডোনাল্ড ট্রাম্পও কি অত্যন্ত মেধাবী? (আমি বলি) আস্থা রাখুন, আমিও স্মার্ট।’ ওই সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেল মাইক পম্পেও, শিগগিরই যাকে সিআইএর ডিরেক্টর নিয়োগ করা হবে। আরো অনেকের মতো তিনিও হতবুদ্ধি হয়ে গেলেন। ট্রাম্প বলে চলেন, ‘আপনারা জানেন আমি যখন যুবক ছিলাম; অবশ্য নিজেকে এখনো আমি যুবকই মনে করি; মনে হয় ৩০, ৩৫ কিংবা ৩৯ বছরের। কেউ যদি প্রশ্ন করে, আপনি কি যুবক? বলি, আমার মনে হয় তাই। নির্বাচনী প্রচারণার শেষ দিনগুলোতে আমি প্রতিদিন ৪, ৫ এমনকি ৭ জায়গায় গিয়েছি। ২৫ থেকে ৩০ হাজার লোকের সামনে বক্তৃতা করেছি। নিজেকে যুবকের মতোই মনে হয়েছে। আমার মনে হয়, আমরা সবাই যুবক।’ ‘আমি যখন যুবক ছিলাম, এই দেশে আমরা সব কিছুতে জিততাম; কিন্তু অনেক বছর ধরে আমরা বাণিজ্যে জিততে পারছি না, যুদ্ধে জিততে পারছি না। একটি সময় যুক্তরাষ্ট্র কখনোই যুদ্ধে হারত না বলে শুনেছি। কিন্তু এখন আমরা কোথাও জিততে পারছি না। আপনারা পুরনো সেই নিয়মটা জানেন যে, বিজয়ীরাই যুদ্ধক্ষেত্রের সব সম্পদের মালিক হবে। মনে করে দেখুন, আমি সব সময় বলি, তেল দখলে রাখা উচিত।’ এক সিআইএ কর্মী বোকার মতো প্রশ্ন করলেন, ‘কাদের তেল দখলে রাখা উচিত?’ ট্রাম্পের জবাব, ‘আমি ইরাকের বিষয়ে আগ্রহী ছিলাম না। ইরাক যুদ্ধের পক্ষে ছিলাম না। আপনাদের বলতে চাই, আমরা সেখানে গেলাম এবং ভুল পন্থায় বের হয়ে এলাম। সবসময়ই আমি বলেছি, তেলটা নিজেদের দখলে রাখুন। এখন সেটা বলছি অর্থনৈতিক কারণে; কিন্তু আপনারা যদি বিষয়টি নিয়ে চিন্তা করেন তাহলে বুঝতে পারবেন, আমরা তেল সম্পদ দখলে রাখতে পারলে আইএসের মোকাবেলা করতে হতো না। কারণ আইএসের অর্থের প্রধান উৎস তেল। তাহলে কেন আমরা তেল দখলে রাখলাম না? তবে হয়তো আমরা আবার সুযোগ পাবো। কিন্তু আসল বিষয় সেটাই যে, ওই সময়ই আমাদের তেল সম্পদ দখলে রাখা উচিত ছিল।’ এই বলে প্রেসিডেন্ট কিছুটা থামলেন। আত্মবিশ্বাস ও সন্তুষ্টি নিয়ে মুচকি হাসলেন। এরপর আবার বললেন, ‘সব কিছুর আগে আমি আপনাদের কাছে এসেছি। কারণ আপনারা জানেন যে, সংবাদমাধ্যমের সাথে আমার যুদ্ধ চলছে। তারা বিশ্বের সবচেয়ে খারাপ মানুষদের কাতারে আছে। তারা প্রচার করছে যে, গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সাথে আমার বিরোধ আছে। তাদের এ ধারণা ভুল প্রমাণিত করতে, তারা যা ভাবে তা মিথ্যা প্রমাণ করতে আমি প্রথমে আপনাদের কাছে এসেছি। উপস্থিত লোকদের সংখ্যার বিষয়ে আমাকে ধারণা দেয়া হয়েছিল।
গতকাল যে বক্তৃতা দিয়েছি সবাই কি তা পছন্দ করেছে? আপনারা হয়তো করতে বাধ্য; কিন্তু আমাদের বিশাল একটি সাধারণ জনগোষ্ঠী আছে। আপনারা দেখেছেন তাদের ভিড় (তারা স্বেচ্ছায় এসেছে)। আজ সকালে আমি ঘুম থেকে উঠে টিভিতে চোখ রাখলাম। তারা একটি খালি মাঠের দৃশ্য দেখিয়েছে; কিন্তু আমি তো সেই মাঠের দিকে তাকিয়েছি। আমার কাছে মনে হয়েছে, ১০ থেকে ১৫ লাখ লোক ছিল সেখানে। টিভিতে এমন একটি মাঠ দেখিয়েছে যেখানে আসলে কেউ ছিল না। এরপর বলল, ডোনাল্ড ট্রাম্পের আয়োজন ভালো হয়নি, লোক টানতে পারেননি। আমি বলছি, তখন বৃষ্টি ‘আসি আসি’ করছিল; কিন্তু বিধাতা দেখলেন এবং বললেন, তোমার আয়োজনে আমি বৃষ্টি দেবো না। এরপর বক্তৃতা শুরু করলাম। প্রথম বাক্যটি বলার সময় আমার গায়েও কয়েক ফোঁটা বৃষ্টি পড়ল। আমি বললাম, খুবই বাজে অবস্থা। তবে আমরা এর মধ্যেই অনুষ্ঠান চালিয়ে যাবো। সত্য কথা হলো দ্রুতই বৃষ্টি থেমে গেল। ‘না, বৃষ্টি থামেনি।’ ট্রাম্পের সফরসঙ্গী এক নারী কর্মকর্তা মুখ ফসকে বলে ফেললেন কথাটি। ভয় পেয়ে তাকালেন যে, ট্রাম্প শুনে ফেলেছেন কি না! কিন্তু ট্রাম্প বলেই চলছেন, ‘এরপর ঝকঝকে রোদ উঠল। (বক্তৃতা শেষ করে) আমি চলে এলাম। আমরা চলে আসার পর বৃষ্টি নামল। আরেকটি চমকপ্রদ ঘটনা ঘটেছে। ওভাল অফিসে ডক্টর মার্টিন লুথার কিংয়ের একটি ভাস্কর্য ছিল, যেটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। টাইম ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে আমি স্থান পেয়েছি ১৪ থেকে ১৫ বার। আমার বিশ্বাস টাইম ম্যাগাজিনের ইতিহাসে এটি একটি রেকর্ড। এক বছরে ১৫ বার! আমার মনে হচ্ছে এই রেকর্ড ভাঙা সম্ভব নয়, মাইক পম্পেও, আপনার কি মনে হয় ভাঙা সম্ভব?’ ‘না’ আতঙ্কিত কণ্ঠে জবাব দিলেন পম্পেও। ‘আপনারা জানেন, সেই টাইম ম্যাগাজিন বলেছে ডোনাল্ড ট্রাম্প ভাস্কর্যটি সরিয়েছে। জেকে... এমন নামের একজন টাইম ম্যাগাজিনে লিখেছে, আমি সেটি সরিয়েছি। আমি কখনোই এ কাজ করিনি। মার্টিন লুথার কিংকে আমি খুবই সম্মান করি। কিন্তু অসৎ মিডিয়ার কাজ এটি। আমি সততা পছন্দ করি, সেটি জানিয়ে দিতে চাই। বস্তুনিষ্ঠ রিপোর্টিং পছন্দ করি। শেষবারের মতো তাদের বলছি, আমি আপনাদের পছন্দ করি। আপনাদের যতটা সম্মান করি, আর কাউকে নয়। আপনারা ভালোভাবে কাজ করলে আমরা আবারো সবকিছুতে জিততে শুরু করব।’
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কার স্বার্থে ব্যাংক কোম্পানি আইনের সংশোধন? by জি. মুনীর

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এভাবে চলতে থাকলে অর্থনীতি ধসে পড়বে by পিয়াস সরকার

বলেন, ব্যাংকখাতে চলা দুর্নীতি অব্যাহত থাকলে দেশের অর্থনীতিতে ধস নামবে। আর শিক্ষাখাতের দুর্নীতি দেশকে পঙ্গু করে দেয়। ড. ইফতেখারুজ্জামান দুর্নীতি রোধে ব্যাপক সংস্কারের কথা বলেছেন। এজন্য নিরপেক্ষ বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনের পরামর্শ দিয়ে তাদের স্বাধীনভাবে কাজ করার ক্ষমতা দেয়ার কথাও বলেন। টিআইবি নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। তিনি বার্লিনভিত্তিক ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের আন্তর্জাতিক পরিচালনা পর্ষদেরও সদস্য। দীর্ঘদিন ধরে দেশের নানা খাতের দুর্নীতি নিয়ে কাজ করছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। এ সংস্থাটি দেশের বিভিন্ন খাতে জরিপ চালায়। পরে তা জনসম্মুখে প্রকাশ করে। মানবজমিন-এর পক্ষ থেকে তার মুখোমুখি হলে তিনি দুর্নীতি নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন। বিভিন্ন সময় সরকারের পক্ষ থেকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে উদ্বেগ প্রকাশ করা হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা না নেয়ার কথাও বলেন তিনি। দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিকভাবে আমাদের অগ্রগতি হয়েছে। আমরা একসময় সর্বনিম্নে ছিলাম। বর্তমানে আমরা বৈশ্বয়িক তালিকায় নিচের দিক থেকে পঞ্চদশ অবস্থানে। কিন্তু দক্ষিণ এশিয়ায় আমরা শুধুমাত্র আফগানিস্তান থেকে ভালো অবস্থানে। ইফতেখারুজ্জামান বলেন, সার্বিক বিবেচনায় আশাবাদী হওয়ার কোনো কারণ নেই। তিনি বলেন, এই সূচক যেহেতু আন্তর্জাতিক প্রেক্ষিতে হয়, তাই বলা যায় আমরা ভালো করার চেয়ে অন্যান্য কিছু দেশ খারাপ করেছে বেশি। সম্প্রতি শিক্ষামন্ত্রীর সহনীয় মাত্রায় ঘুষ গ্রহণের বক্তব্যকে তিনি মনে করেন এটি ঘুষকে বৈধতা দেয়ার শামিল। ড. ইফতেখার বলেন, শিক্ষাখাতে দুর্নীতি অন্যসব খাতের তুলনায় অধিক ঝুঁকিপূর্ণ এবং দীর্ঘমেয়াদি। প্রশ্নপত্র ফাঁস, টেক্সটবুক জালিয়াতি কিংবা অন্যায়ভাবে চাকরি দেয়ার মাধ্যমে দেশকে মেধাহীন করে তোলা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। বলেন, মন্ত্রীর এমন বক্তব্য অপারগতার দৃষ্টান্ত। এখন প্রশ্ন উঠতেই পারে এসব দুর্নীতির সঙ্গে সরকারদলীয় কেউ জড়িত কিনা? দুর্নীতিবাজদের মন্ত্রী সুরক্ষা দিতে চাইছেন কিনা? ড. ইফতেখার বলেন, মন্ত্রীর উচিত ছিল দুর্নীতিবাজদের শাস্তি নিশ্চিত করে সমাজে দৃষ্টান্ত স্থাপন করা। তিনি বলেন, প্রায় সব ব্যাংকই দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত। লুটপাটের সঙ্গে জড়িত। এভাবে চলতে থাকলে অচিরেই অর্থনীতি ধসে পড়বে। সাইবার অপরাধ সম্পর্কে ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে দিন দিন অপরাধপ্রবণতা বাড়ছে। আর এ অপরাধ রোধ করতে হবে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করেই। টিআইবি এক্ষেত্রে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কারণ আধুনিক হাতিয়ার ব্যবহারে পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত না হলে মৌলিক অধিকার বাক-স্বাধীনতা খর্ব হতে পারে। ৫৭ ধারার অপব্যবহারের মাধ্যমে সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি- পেশার মানুষ হয়রানির শিকার হয়েছেন। তাই আমরা সরকারকে পরামর্শ দিয়েছি সুনির্দিষ্ট বিধিমালা তৈরি এবং নিশ্চিত করার। তিনি বলেন, বিধিমালা তৈরিতে প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের সাহায্য নিতে পারে সরকার। প্রায়ই পত্র-পত্রিকায় দুর্নীতি দমন কমিশনের কতিপয় কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু সদস্যের দুর্নীতির চিত্র উঠে আসে। এ বিষয়টি নিয়ে বলবেন? এ প্রশ্নে ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, এটা এলার্মিং। যাদের হাতে অপরাধ নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব তারাই যদি দুর্নীতির সঙ্গে জড়িয়ে যান তাহলে স্বাভাবিকভাবেই অপরাধ বাড়বে। যার ফলে দীর্ঘমেয়াদি সমস্যার সৃষ্টি হবে। তবে আশার কথা হচ্ছে-সম্প্রতি দুদক দুর্নীতি প্রতিরোধে সোচ্চার। তারা চেষ্টা করছে দৃষ্টান্ত স্থাপনের। এটাকে সবার সমর্থন জানাতে হবে। তিনি বলেন, সর্বপ্রথম সাধারণ মানুষ পুলিশের কাছে যায়। সেখানে স্বজনপ্রীতি কিংবা অর্থের বিনিময়ে সেবা প্রদানের মাধ্যমে দুর্নীতিকে এক প্রকার প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়া হয়। টিআইবি’র কার্যক্রম দুর্নীতির চিত্র পরিবর্তনে কতটুকু ভূমিকা রাখতে পেরেছে? এ প্রশ্নে ইফতেখারুজ্জামান বলেন, চাহিদা সৃষ্টিকারী প্রতিষ্ঠান হলো টিআইবি। আমরা জনগণকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলতে উৎসাহ দেই। দুদক, বিচার বিভাগ, জাতীয় সংসদ, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, প্রশাসনসহ যাদের ওপর দুর্নীতি দমনের দায়িত্ব তাদের যথাযথ পরিবেশ সৃষ্টি করা টিআইবি’র কাজ। পাশাপাশি পরিবেশ সৃষ্টির জন্য আমরা গবেষণা ও বিভিন্ন পরামর্শের মাধ্যমে আইনি সংস্কারের প্রস্তাব বা সরকারের সঙ্গে কাজ করি। আমাদের কাজের ফলে বেশকিছু আইনি সংস্কার আনা সম্ভব হয়েছে। আমাদের এডভোকেসিতে দুদকের সৃষ্টি হয়েছে। আমাদের পরামর্শের ফলে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী কনভেনশনে স্বাক্ষরকারী দেশে পরিণত হয়েছে। তথ্য অধিকার আইন, তথ্য সুরক্ষা আইন সংসদে পাস হয়েছে। গতবছর থেকে বাংলাদেশ সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে ৯ই ডিসেম্বর দুর্নীতি বিরোধী দিবস পালনের। ড. ইফতেখার বলেন, আমি বলছি না, এর মাধ্যমে দুর্নীতি নির্মূল হয়ে যাবে। তবে এটা সরকারের দুর্নীতিবিরোধী সদিচ্ছার বহিঃপ্রকাশ। আরেক প্রশ্নের জবাবে ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, টিআইবি’র কাজ এবং অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা ওতপ্রোতভাবে জড়িত। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার মাধ্যমে দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরা সম্ভব। তিনি বলেন, অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা যতবেশি বিকাশ লাভ করবে ততবেশি দুর্নীতি বা অপরাধ নির্মূলে সাহায্য করবে। সেই বিবেচনায় আমরা বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছি। যেমন সেরা অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের পুরস্কৃতরা, অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ, অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ফেলোশিপ প্রদান ইত্যাদি। ইফতেখারুজ্জামান বলেন, মূলকথা হলো-অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা এবং দুর্নীতি দমনের আন্দোলন একই সূত্রে গাথা। ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের স্বপ্নের কথা বলতে গিয়ে ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার যে স্বপ্ন ছিল, সেই স্বপ্ন এখনো আমার অটুট রয়েছে। স্বাধীনতার স্বপ্নে দুর্নীতি নামক কোনো শব্দ ছিল না। আমার স্বপ্ন এমন একটা দেশ হবে- যেখানে মেধা, যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে দেশ গঠন হবে। দুর্নীতি নামক কোনো শব্দ থাকবে না। সুশাসন প্রতিষ্ঠা পাবে। সকল মানুষের সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা হবে।
"& still even today I hear the mournful tune of the Sanai"Say,Valiant,High is my head!I am the rebel,the rebel son of mother-earth!Ever-high is my head.O travellers on the road of destruction,Hold fast Ur hammer,pick up Ur shovel,Sing in unison & advance.We created in the joy of our arms.We shall now destory at the pleasure of our feet.‘O Lord,For eight years have I lived & never did I say my prayers & yet,did U ever refuse me my meals for thet?Ur mosques & temples are not meant for men,Men heve no right in them.The mollahs & the Priests Heve closed their doors under locks & keys.’Comrades, Hammer away at the closed doors Of those mosques & temples,& hit with Ur shovel mightily.For,climbing on their minarets,The cheats are today glorifying Selfishness & hypocrisy.& creatr a new universe of joy & peace.Weary of struggles,I,the great rebel,Shall rest in quiet only when I find The sky & the air free of the piteous groans of the oppressef.Only when the dattlefields are cleared of jingling bloody sabres Shall I,weary of struggles,rest in quiet,I,the great rebel.I am the rebel-eternal,I raise my head beyond this world,High,ever-erect & alone!
About: Dhumketo
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কখন হবে উত্তরের উপ-নির্বাচন by সালাহউদ্দিন বাবর

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শীতে কি গরম পানিই পান করা উচিত?

১. ওজন হ্রাস পাবে : অতিরিক্ত ওজনের কারণে চিন্তায় রয়েছেন? তাহলে আজ থেকেই গরম পানি খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন ফল পাবেন একেবারে হাতে নাতে। আসলে গরম পানি পান করলে হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে। ফলে শরীরে অতিরিক্ত চর্বি জমার সুযোগই থাকে না। শুধু তাই নয়, গরম পানি অ্যাডিপোস টিস্যু বা ফ্যাটেদের ভেঙে ফেলেও ওজন হ্রাসে সাহায্য করে।
২. কনস্টিপেশনের প্রকোপ কমায় : গরম পানি পানের অভ্যাস করলে ইনটেস্টাইনের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে ইনটেস্টাইনে জমে থাকা ময়লা শরীর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টায় লেগে পরে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই কনস্টিপেশনের মতো সমস্যা কমতে সময় লাগে না।
৩. শরীরের বয়স কমে : গরম পানি স্কিন সেলের ক্ষত সারিয়ে ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়। সেই সঙ্গে ত্বক টান টান হয়ে ওঠে এবং বলিরেখাও হ্রাস পায়। ফলে বয়সের কোনো ছাপই ত্বকের উপর পরতে পারে না। প্রসঙ্গত, শরীরে টক্সিনের মাত্রা যত কমে, তত শরীর এবং ত্বকের বয়সও হ্রাস পায়। আর গরম পানি যে এ কাজটা ভালোভাবেই করে তা নিশ্চয় আর বলে দিতে হবে না!
৪.ব্রণের প্রকোপ কমে : শরীরের অন্দরে ময়লা যত কম জমবে, তত ব্রণের বাড়বাড়ন্তও হ্রাস পাবে।। আর গরম পানি যে টক্সিনের বিরোধী, তা নিশ্চয় আর জানতে বাকি নেই! তাই ব্রণের প্রকোপ কমাতে সকাল বিকাল গরম পানি পান শুরু করুন। দেখবেন অল্প দিনেই ব্রণ এবং পিম্পলের মতো ত্বকের রোগ একেবারে সেরে যাবে।
৫. ঠান্ডা লাগা এবং গলা ব্যথার প্রকোপ কমায় : এই ধরনের শারীরিক সমস্যার চিকিৎসায় গরম পানির কোনো বিকল্প হয় না বললেই চলে। গরম পানি এক্ষেত্রে রেসপিরেটারি ট্রাক্টকে পরিষ্কার করে ঠান্ডা লাগা এবং গলার অস্বস্তি কমাতে বিশেষভাবে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে বন্ধ নাকও পুনরায় সচল হয়ে যায়।
৬. স্ট্রেস কমায় : গরম পানি পানের পর পরই সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেমের কর্মক্ষমতা বাড়তে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ব্রেন পাওয়ার বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। সেই সঙ্গে স্ট্রেস লেভেলও কমতে থাকে, নিয়ন্ত্রণে এসে যায় অ্যাংজাইটিও।
৭. শরীরকে বিষমুক্ত করে : যখন আমাদের রক্তে ক্ষতিকর টক্সিনের মাত্রা বাড়তে থাকে তখন কিডনিকে ওভার টাইম করে শরীর থেকে সেই টক্সিক উপাদনদের বার করে দিতে হয়। না হলেও হাজারো রোগ হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। এক্ষেত্রেও গরম পানি নানাভাবে সাহায্য করে থাকে। গরম পানি খাওয়া মাত্র শরীরের তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করে। ফলে ঘাম হতে শুরু হয়। আর ঘামের মাধ্য়মে টক্সিনগুলি বেরিয়ে যেতে শুরু করে। প্রসঙ্গত, গরম পানিতে যদি অল্প করে লেবুর রস মিশিয়ে খেতে পারেন তাহলে এক্ষেত্রে আরো উপকার পাওয়া যায়।
৮. চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় : চুলের গড়ায় থাকা নার্ভদের সচলতা বৃদ্ধি করতে গরম পানি বিশেষভাবে সাহায্য করে। ফলে গরম পানি খাওয়া মাত্র স্কাল্পে রক্ত চলাচল বেড়ে যায়। ফলে অক্সিজেন সমৃদ্ধি রক্ত চুলের গোড়ায় পৌঁছে গিয়ে চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।
৯. নার্ভাস সিস্টেম আরও কর্মক্ষম হয়ে ওঠে : গরম পানি খাওয়া মাত্র সারা শরীরে এমনকি মস্তিষ্কেও রক্তচলাচল বেড়ে যায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই নার্ভের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে ব্রেন পাওয়ার বেড়ে যায়।
১০. হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে : একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে খাবার খাওয়ার পর ঠান্ডা পানি খেলে পাকস্থলীর ভিতরের দেয়ালে ফ্যাটের পরিমাণ বাড়তে শুরু করে। ফলে ধীরে ধীরে পাকস্থলীর কর্মক্ষমতা কমে যায়। সেই সঙ্গে ইন্টেস্টিনাল ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও বৃদ্ধি পায়। তাই তো খাবার পর পর ঠান্ডা পানির পরিবর্তে হালকা গরম পানি খাওয়া পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। আসলে ঠান্ডা পানির কারণে সাধারণত যে যে সমস্যাগুলো হয়ে থাকে সেগুলো গরম পানি খেলে একেবারেই হয় না। সেই সঙ্গে হজম ক্ষমতারও উন্নতি ঘটে। ফলে বদ-হজম এবং গ্যাস-অম্বলের মতো সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠার কোনো সুযোগই পায় না।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অচল আমেরিকা অনড় ট্রাম্প

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রথম কিস্তির অর্থ ছাড় চীনের

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
১৮ হাজার কোটি টাকা রফতানি হারানোর শঙ্কা

গ্রেস পিরিয়ড সুবিধা : ২০২১ সালে বিশ্বে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হওয়ার পর বিধান অনুযায়ী, পরবর্তী তিন বছর অর্থাৎ ২০২৪ সাল পর্যন্ত গ্রেস পিরিয়ড সুবিধা নিতে পারবে বাংলাদেশ। এরপর নিয়ম অনুযায়ী শুল্ক সুবিধাসহ অন্যান্য বিশেষ সুবিধা ছাড়ের প্রক্রিয়া কঠোর হতে শুরু করবে। এরপরও পরবর্তী তিন বছর অর্থাৎ ২০২৭ সালের মার্চ পর্যন্ত ক্রমহ্রাস মানহারে কিছু সুবিধা মিলবে। সব মিলিয়ে এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় প্রবেশের পরও বাংলাদেশের হাতে থাকবে প্রায় ১০টি বছর। এ সময়ের মধ্যে বিশ্ব বাণিজ্য প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে প্রয়োজনীয় সক্ষমতা অর্জন করা সম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এ প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ একাধিকবার যুগান্তরকে বলেছেন, এলডিসি থেকে বাংলাদেশ বের হয়ে গেলে রফতানি বাণিজ্যের ওপর একটা চাপ তৈরি হবে, এটা সত্যি। কিন্তু সেই চাপ মোকাবেলার সক্ষমতা উদ্যোক্তাদের তৈরি হয়েছে। আগামীতে এ সক্ষমতা আরও বাড়বে। এ নিয়ে শঙ্কার কোনো কারণ নেই। তিনি আরও বলেন, আমেরিকার বাজারে বাংলাদেশ উচ্চশুল্ক দিয়েই পণ্য রফতানি করছে। তারা আমাদের জিএসপি দেয় না। বাংলাদেশের রফতানি আয়ের সিংহভাগ আসে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশ থেকে। এলডিসি থেকে বের হলে ইইউতে জিএসপি থাকবে না, তখন বিকল্প হিসেবে আমরা তাদের সঙ্গে জিএসপি প্লাসে যাব। পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আমরা ফ্রি ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্টে (এফটিএ) যাব। আঞ্চলিক জোটগুলোয় বাংলাদেশের অংশগ্রহণ আরও জোরালো হবে।
অর্থনীতিবিদদের মন্তব্য : বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ কার্যালয়ের প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন যুগান্তরকে বলেন, ডব্লিউটিওর সুযোগ-সুবিধা হারানোর পর ঋণের ঝুঁকি বাড়বে। অতিরিক্ত শুল্ক পরিশোধ করতে হবে বিধায় রফতানি আয় কমবে। আঙ্কটাড ও সিপিডি যে হিসাব দেখিয়েছে, সেটি কোনো একটি বছরের তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে করেছে। এভাবে প্রতি বছর রফতানির পরিমাণ বাড়লে অতিরিক্ত শুল্ক পরিশোধের হারও বাড়তে থাকবে। এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ সুখবর হলেও রফতানি বাণিজ্যের জন্য এটা বড় শঙ্কারও কারণ। তবে তিনি আশা করছেন, ২০২১ সালে বাংলাদেশ এলডিসি থেকে বের হলেও এর গ্রেস পিরিয়ড সুবিধা পাবে ২০২৪ সাল পর্যন্ত। এরপরও পরবর্তী তিন বছর অর্থাৎ ২০২৭ সাল পর্যন্ত ক্রমহ্রাসমান হারে পাওয়া যেতে পারে। অর্থাৎ হাতে প্রায় ১০ বছর সময় পাচ্ছে বাংলাদেশ। এ সময়ে উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতে হবে। শ্রমিকের দক্ষতা ও উৎপাদনশীলতা- দুটোই বাড়ানোর সুযোগ থাকবে। পণ্যের বৈচিত্র্য ও গুণগত মান বৃদ্ধিরও সুযোগ থাকবে। ফলে সম্ভাব্য বিপর্যয় কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। পলিসি রিসার্চ ইন্সটিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, দেশের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক হচ্ছে রফতানি খাত। এলডিসি থেকে উত্তরণের পর এ খাতের প্রবৃদ্ধিতে বড় ধরনের ধাক্কা আসবে। কারণ তখন শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা থাকবে না। পাশাপাশি বিদেশি ঋণের উচ্চ সুদ দিতে হবে। ফলে আপাতদৃষ্টিতে এগুলো আমাদের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি দাবি করেন, এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার সক্ষমতা বাংলাদেশের রয়েছে। তিনিও মনে করেন, ভবিষ্যতে উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা বাড়বে, এটি আমরা বলতেই পারি। ফলে তাদের উৎপাদন ও রফতানি উভয়ই বাড়বে। এক প্রশ্নের জবাবে ড. মনসুর বলেন, এ ক্ষেত্রে আমরা ভিয়েতনামকে অনুসরণ করতে পারি। এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী সময়ে তারা (ভিয়েতনাম) বিশ্বের ৮০টি দেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করেছে। বাংলাদেশকেও সে পথে যেতে হবে। পাশাপাশি জিএসপির পরিবর্তে জিএসপি প্লাসসহ আরও বিকল্প পথ খুঁজতে হবে।
উদ্যোক্তাদের বক্তব্য : এলডিসি থেকে উত্তরণ-পরবর্তী সময়ে রফতানি খাতে ধাক্কা কিভাবে মোকাবেলা করা হবে- জানতে চাইলে বিজিএমইএর সভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, আপাতদৃষ্টিতে এটি উদ্যোক্তাদের মধ্যে শঙ্কা হিসেবে উঁকি দিলেও কার্যত তার নেতিবাচক প্রভাব খুব একটা আমাদের রফতানিতে পড়বে না। কারণ প্রস্তুতি গ্রহণের জন্য বাংলাদেশ বেশ লম্বা সময় পাবে। এ সময়ে নিশ্চয়ই আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প-কারখানার আধুনিকায়ন এবং সম্প্রসারণ হবে। উদ্যোক্তা, ব্যবস্থাপনা পর্যায় এবং শ্রমিকের দক্ষতা ও সক্ষমতা আরও বাড়বে। মালিক-শ্রমিকের মধ্যে সম্পর্কের উন্নতি ঘটবে। এর ফলে কারখানার অসন্তোষ দূর হবে এবং উৎপাদন বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে তৈরি পোশাকের উৎপাদনেও অনেক বৈচিত্র্য আসবে। পাশাপাশি অন্যান্য রফতানি পণ্যেরও বহুমুখীকরণ হবে। এতে আমাদের বাজার বাড়বে ও বিদেশে বাংলাদেশি পণ্যের চাহিদা তৈরি হবে। ফলে আমরা প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারব। আমরা তো মনে করি উত্তরণ-পরবর্তী সময়ে আমাদের রফতানির পরিমাণ আরও বাড়বে এবং আয়ও বাড়বে। রফতানি ক্ষতিগ্রস্ত হলে উন্নয়নশীল দেশে যাত্রার সার্থকতা কী- এমন প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশ রফতানিকারক সমিতির সভাপতি আবদুস সালাম মুর্শেদী যুগান্তরকে বলেন, সার্থকতা হচ্ছে তলাবিহীন ঝুড়ির বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে নিজেদের যোগ্যতা ও অর্জন দিয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। এতে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বাড়বে। তাছাড়া আমরা চাইলেই যেমন স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা (এলডিসি) থেকে বের হতে পারব না, তেমনি উন্নয়নশীল দেশেও নিজেদের ইচ্ছামতো পৌঁছাতে পারব না। এর জন্য বিশ্বব্যাংক ও জাতিসংঘ যেসব মানদণ্ডে এই স্বীকৃতি দিয়ে থাকে, তা অর্জন করতে হবে। এর কোনো একটির দুর্বলতা বা ঘাটতি থাকলে উত্তরণের সুযোগ নেই। বাংলাদেশের জন্য সুসংবাদ হচ্ছে- সংস্থাগুলোর বিবেচ্য বিষয়ের সব কটিতেই উত্তীর্ণ হতে পেরেছি আমরা। ফলে চলতি বছর মার্চে জাতিসংঘের চূড়ান্ত সভায় তারা যদি বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে ঘোষণা দেয়, তাহলে আমরা চাইলেও আর এলডিসিতে থাকতে পারব না। তিনি দাবি করেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ যখন একের পর এক উন্নত দেশে পরিণত হচ্ছে, সেখানে আমাদের সুযোগ থাকলে কেন আমরা পেছনে পড়ে থাকব?
রফতানি পণ্য : বিশ্ববাজারে বর্তমানে দেশে রফতানিযোগ্য পণ্যের সংখ্যা ৭৪৪টি। বিশ্বের ১৯৮টি দেশে এসব পণ্য রফতানি হচ্ছে। এর মধ্যে এককভাবে তৈরি পোশাক খাতই রফতানি অবদান রাখছে ৮১ শতাংশ। এ ছাড়া কৃষিপণ্য ও অ্যাগ্রো প্রসেস পণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, চামড়াজাত পণ্য ও জুতা, ইলেকট্রুনিক পণ্য, মূল্য সংযোজিত হিমায়িত মৎস্য, রাবার, রেশমসামগ্রী, সিরামিক পণ্য, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য (অটো পার্টস ও বাইসাইকেল), ওষুধ, ফার্নিচার, জাহাজ, প্লাস্টিক পণ্য, আসবাবপত্র, টেরিটাওয়েল, লাগেজ, গরু-মহিষের হাড়, নারকেলের ছোবড়া, আইটি পণ্য, কুঁচে, পাঁপড়, প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং, অমসৃণ হীরা ও জুয়েলারি, পেপার ও পেপার পণ্য, হস্ত ও কারুপণ্য, লুঙ্গি, তাঁত শিল্পজাত পণ্য ইত্যাদি।
রফতানির পরিসংখ্যান : চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ৪ হাজার ১০০ কোটি মার্কিন ডলার বা ৩ লাখ ৩২ হাজার কোটি টাকার রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত রয়েছে। যা গত ২০১৬-১৭ অর্থবছরের রফতানি আয়ের তুলনায় ১৭ দশমিক ৭০ শতাংশ বেশি। এর মধ্যে পণ্য খাতে রফতানি লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৭৫০ কোটি ডলার বা ৩ লাখ কোটি টাকা। এর মধ্যে শুধু তৈরি পোশাক খাত থেকেই প্রায় ২ হাজার ৮১৫ কোটি ডলার বা ২ লাখ ২৫ হাজার ২০০ কোটি টাকার রফতানি আয় আসবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। বাকি ৭৪ হাজার ৮০০ কোটি টাকার রফতানি আসবে অন্যান্য পণ্য থেকে। এ ছাড়া প্রথমবারের মতো রফতানি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়া সেবা খাত থেকে রফতানি লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩১৫ কোটি ডলার বা ২৮ হাজার কোটি টাকা। সেবা খাতের মধ্যে টুরিজম, ইঞ্জিনিয়ারিং ও আইসিটি খাতকে রফতানি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। রফতানি উন্নয়ন বু্যুরোর (ইপিবি) তথ্যমতে, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ৩ হাজার ৭০০ কোটি ডলার রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এর বিপরীতে আয় হয়েছিল ৩ হাজার ৪৮৩ কোটি ৫০ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার বা প্রায় ২ লাখ ৮২ হাজার ৯৭০ কোটি টাকা। যা এর আগের ২০১৫-১৬ অর্থবছরে রফতানি আয়ের তুলনায় ১ দশমিক ৬৯ শতাংশ বেশি। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের রফতানি আয় ছিল ৩ হাজার ৪২৫ কোটি ৭১ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বেনাপোল স্থলবন্দরে হ্যান্ডলিং শ্রমিকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সৌদি-ইসরাইল রেললাইন নির্মাণের পরিকল্পনা

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ছুটির দিনে রান্নাঘরে প্রধানমন্ত্রী

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
টার্নিং পয়েন্ট খালেদার মামলা by কাফি কামাল

এ মামলা ঘিরে সরকার ও বিরোধী শিবিরে জোর প্রস্তুতি চলছে। বিএনপিতে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা। শনিবার রাতেও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এ নিয়ে দীর্ঘসময় কথা বলেছেন নিজের আইনজীবীদের সঙ্গে। দলের নেতারাও এ মামলার ভবিষ্যৎ নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনা করছেন। রায় কী হবে এবং রায়ের পর পরিস্থিতি কোন্দিকে গড়াবে সেটাই বিএনপি নেতাদের উদ্বেগের প্রধান কারণ।
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলাটি এখন একেবারেই চূড়ান্ত পর্যায়ে। যেকোনো দিন এ মামলার বিচার কার্যক্রম শেষ হয়ে যাবে। তবে রায় কবে হবে তা হলফ করে বলা কঠিন। মামলার রায় পরবর্তী পরিস্থিতির ব্যাপারে গভীর নজর রাখছে সরকারপক্ষও। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় দল ও প্রশাসনকে প্রস্তুত করা হচ্ছে। আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক টিমের সফরের সময়ও তৃণমূল পর্যায়কে এ ব্যাপারে দিকনির্দেশনা দেয়া হবে। অতীতে বিরোধী দলের আন্দোলন প্রশাসন কঠোর হস্তে দমন করেছে। এক্ষেত্রে সংগঠনকে তেমন কোনো প্রয়োজন হয়নি সরকারের। আগামীতেও প্রশাসন দিয়েই পরিস্থিতি সামাল দেয়ার চেষ্টা চলবে। তবে রায় বিরুদ্ধে গেলেও খালেদা জিয়ার সামনে আপিলের সুযোগ থাকবে। সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট এবং আপিল বিভাগে যেতে পারবেন তিনি। বাংলাদেশে সাধারণত দুর্নীতির মামলায় নিম্ন আদালতে কারো সাজা হলেও তিনি নির্বাচনের অযোগ্য হন না। নির্বাচনে যোগ্যতা-অযোগ্যতার বিষয় আসে চূড়ান্ত রায়ের পর। কিন্তু এক্ষেত্রে আইন সংশোধনের মাধ্যমে নিম্ন আদালতে সাজার পরই নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণার বিধান করার চিন্তা সরকারের একটি অংশের মধ্যে রয়েছে। তবে এ নিয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
এই যখন অবস্থা তখন ট্রাস্ট মামলায় বিচারের গতি-প্রকৃতি ও নতুন করে ১৪টি মামলা বিশেষ আদালতে স্থানান্তর নিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে নানা উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা। বিএনপি নেতারা বলছেন, মামলার রায় ও আগামী দিনে দলের নেতৃত্ব নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন নয়। খালেদা জিয়াকে শারীরিক ও মানসিকভাবে হয়রানি নিয়েই তাদের সব উদ্বেগ। দলটির কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যায়ের নেতারা অভিযোগ করে বলছেন, বছরের পর বছর ধরে মামলার জট তৈরি হয়েছে নিম্ন আদালতে। সেদিকে সরকারের তেমন নজর না থাকলেও বিশেষভাবে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের মামলাগুলোয়। বিশেষ আদালতের মাধ্যমে ট্রাস্ট মামলার কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে প্রতি সপ্তাহের একাধিক দিন। তার প্রতিটি হাজিরার দিন নির্বিচারে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে নেতাকর্মীদের। দায়ের করা হচ্ছে নতুন নতুন মামলা। সম্প্রতি নতুন করে খালেদা জিয়ার ১৪টি মামলা স্থানান্তর করা হয়েছে বিশেষ আদালতে। সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল নেতা ও সরকারের মন্ত্রী-এমপিরা মামলার রায় নিয়ে আগাম বক্তব্য দিচ্ছেন। বিষয়গুলো স্বাভাবিক হিসেবে নিতে পারছেন না বিএনপির নেতাকর্মীরা। পাশাপাশি রাজনৈতিক মহলে ঘুরপাক খাচ্ছে নানা গুঞ্জন। সবখানে এখন একই প্রশ্ন- ট্রাস্ট মামলার রায় খালেদা জিয়ার বিপক্ষে গেলে কি করবে বিএনপি? আগামী জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কিইবা হবে তাদের কৌশল? নেতৃত্বের আনুষ্ঠানিক ব্যাটনই থাকবে কার হাতে? এমন পরিস্থিতিতে শনিবার রাতে নিজের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আইনজীবীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন খালেদা জিয়া। সে বৈঠকে ডাক পেয়েছিলেন জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় অন্য দুই আসামি কাজী সলিমুল হক কামাল ও শরফুদ্দিনের আইনজীবী আহসান উল্লাহ। ১৮ই জানুয়ারি আদালতে যুক্তিতর্ক করতে গিয়ে খালেদা জিয়ার মনোযোগ কেড়েছেন তিনি। অন্যদিকে ট্রাস্ট মামলার রায় নিয়ে সরকারের মন্ত্রীদের বক্তব্যগুলোকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে বিএনপি। শুক্রবার কক্সবাজারের চকরিয়ায় ক্ষমতাসীন জোটের শরিক দল জাতীয় পার্টির নেতা ও এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী মশিউর রহমান রাঙ্গার দেয়া একটি বক্তব্যের (১৫ দিনের মধ্যে খালেদা জিয়াকে জেলে যেতে হবে) সমালোচনা করে গতকাল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি টুইট করেছেন খালেদা জিয়া। মামলার রায় নিয়ে রাঙ্গার এ বক্তব্যকে ‘আদালত অবমাননা’ আখ্যায়িত করে টুইটে তিনি লিখেছেন, “শুক্রবার, জানুয়ারি ১৯, পত্রিকায় এসেছে, বিনাভোটের এক প্রতিমন্ত্রী বলেছে, ‘১৫ দিনের মধ্যে খালেদা জিয়াকে জেলে যেতে হবে।’ বিচারাধীন মামলার রায় ঘোষণা আদালত অবমাননা নয় কি? বিচার বিভাগের স্বাধীনতা রক্ষায় মাননীয় প্রধান বিচারপতি কি ব্যবস্থা নিচ্ছেন, জনগণ সেইদিকে সতর্ক নজর রাখছে।”
বিএনপি নেতা ও বিএনপি চেয়ারপারসনের আইনজীবীরা বলছেন, খালেদা জিয়া বাংলাদেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী। দুইবার বিরোধীদলীয় নেতার দায়িত্ব পালন করেছেন সংসদে। ব্যক্তিগতভাবে নির্বাচনের লড়াইয়ে হারের নজির নেই তার জীবনে। দেশের শীর্ষ দুই রাজনৈতিক দলের একটির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। বিরোধী জোটের শীর্ষ নেত্রী। সবসময় আদালতের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এসেছেন তিনি। দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার মানসিকতা যে তার নেই এটাও প্রমাণ করেছেন বারবার। সর্বোপরি খালেদা জিয়া একজন ৭৩ বছর বয়স্ক নারী। তারপরও কোন সৌজন্য আচরণ পাচ্ছেন না তিনি।
বিএনপি নেতা ও খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের অভিযোগ, আদালত প্রাঙ্গণে মানসম্মত দূরে থাক, মহিলাদের জন্য সাধারণ মানের কোনো ‘ওয়াশ রুমের’ ব্যবস্থা নেই। কিন্তু ৭৩ বছর বয়স্ক দেশের একজন বিশিষ্ট নারী খালেদা জিয়াকে সপ্তাহে তিনদিন (১৬, ১৭ ও ১৮ই জানুয়ারি) একটি অস্থায়ী আদালতে পূর্ণ কার্যদিবস হাজির থাকতে হচ্ছে। মায়ের মৃত্যুবার্ষিকীর দিনও আদালতে কেটেছে খালেদা জিয়ার। পুত্র কোকোর মৃত্যুবার্ষিকীর দিনও তাকে থাকতে হবে আদালতে।
বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, সরকারের মন্ত্রীদের বক্তব্যে বোঝা যাচ্ছে রায় কি হবে তারা জানে। বিচারাধীন একটি বিষয়ে এমন মন্তব্যকে আমি আদালত অবমাননা বলে মনে করি। বিএনপি সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রিজভী আহমেদ বলেন, চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মামলা পরিচালনার ধরন ও আওয়ামী লীগ নেতা এবং সরকারের মন্ত্রীদের বক্তব্যে এটা পরিষ্কার যে, আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার যে প্রতিশোধের রাজনীতি তা বাস্তবায়নের একটি প্রক্রিয়া চলছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, আগামী মাসেই জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায় হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। একই মামলার দ্বিতীয় আসামি বিএনপির দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা তারেক রহমান। একই আদালতে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট-সংক্রান্ত দুর্নীতির আরেকটি মামলার বিচারকাজও দ্রুত এগোচ্ছে। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায়ের ওপর নির্ভর করবে রাজনীতির গতি-প্রকৃতি ও আগামী জাতীয় নির্বাচনের ধরন। তবে পরিস্থিতি মোকাবেলায় কৌশল নির্ধারণ করছে বিএনপিও। আগামী নির্বাচন ঘিরে দিল্লির সঙ্গেও যোগাযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করছেন খালেদা জিয়া।
"& still even today I hear the mournful tune of the Sanai"Say,Valiant,High is my head!I am the rebel,the rebel son of mother-earth!Ever-high is my head.O travellers on the road of destruction,Hold fast Ur hammer,pick up Ur shovel,Sing in unison & advance.We created in the joy of our arms.We shall now destory at the pleasure of our feet.‘O Lord,For eight years have I lived & never did I say my prayers & yet,did U ever refuse me my meals for thet?Ur mosques & temples are not meant for men,Men heve no right in them.The mollahs & the Priests Heve closed their doors under locks & keys.’Comrades, Hammer away at the closed doors Of those mosques & temples,& hit with Ur shovel mightily.For,climbing on their minarets,The cheats are today glorifying Selfishness & hypocrisy.& creatr a new universe of joy & peace.Weary of struggles,I,the great rebel,Shall rest in quiet only when I find The sky & the air free of the piteous groans of the oppressef.Only when the dattlefields are cleared of jingling bloody sabres Shall I,weary of struggles,rest in quiet,I,the great rebel.I am the rebel-eternal,I raise my head beyond this world,High,ever-erect & alone!
About: Dhumketo
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1402)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
-
▼
2018
(7025)
-
▼
January
(1086)
-
▼
Jan 22
(16)
- চা: একটি শব্দের ইতিবৃত by মাহমুদ ফেরদৌস
- বাংলাদেশকে হিলারির চাপ দেয়ার প্রমাণ পায়নি যুক্তরাষ...
- ‘বিপজ্জনক অবস্থায় ফিরতে চায় না রোহিঙ্গারা’
- ৮ ঘন্টা কি ঘুমাতেই হবে?
- সাংবাদিকেরা পৃথিবীর সবচেয়ে খারাপ মানুষ by মাইকেল উলফ
- কার স্বার্থে ব্যাংক কোম্পানি আইনের সংশোধন? by জি. ...
- এভাবে চলতে থাকলে অর্থনীতি ধসে পড়বে by পিয়াস সরকার
- কখন হবে উত্তরের উপ-নির্বাচন by সালাহউদ্দিন বাবর
- শীতে কি গরম পানিই পান করা উচিত?
- অচল আমেরিকা অনড় ট্রাম্প
- প্রথম কিস্তির অর্থ ছাড় চীনের
- ১৮ হাজার কোটি টাকা রফতানি হারানোর শঙ্কা
- বেনাপোল স্থলবন্দরে হ্যান্ডলিং শ্রমিকদের কর্মবিরতি ...
- সৌদি-ইসরাইল রেললাইন নির্মাণের পরিকল্পনা
- ছুটির দিনে রান্নাঘরে প্রধানমন্ত্রী
- টার্নিং পয়েন্ট খালেদার মামলা by কাফি কামাল
-
▼
Jan 22
(16)
-
▼
January
(1086)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...