Tuesday, August 13, 2019
কাশ্মীর: কারফিউর মধ্যে ঈদ, বড় মসজিদ-ঈদগাহ বন্ধ by শুভজ্যোতি ঘোষ
কেন কারফিউ, জবাব নেই
![]() |
| কাঁটাতার বসিয়ে বড় রাস্তায় বেরুনোর পথ বন্ধ করা হয়েছে। শ্রীনগরে বড় সব মসজিদ, ঈদগাহ বন্ধ রাখা হয়। |
ঈদের দিনেও গুলি
![]() |
| দিল্লিতে কাশ্মীরিদের সাথে ঈদের খাবার খাচ্ছেন লেখক, মানবাধিকার কর্মী অরুন্ধতি রয় |
![]() |
| শ্রীনগরে ঈদের দিনে সুনসান রাস্তা। বড় কোনো মসজিদেই ঈদের নামাজের অনুমতি দেওয়া হয়নি। |
![]() |
| কাশ্মীর উপত্যকা ছাড়ছেন ভারতের অন্যান্য জায়গা থেকে আসা শ্রমিকরা |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাশ্মীর: কী করতে পারে পাকিস্তান, ক্ষমতা কতদূর by শাকিল আনোয়ার

নাৎসিদের সাথে তুলনা
কূটনীতিই কি পাকিস্তানের একমাত্র পথ
কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানের কতটা গুরুত্ব দিতে পারে
চীন কতটুকু এগুতে পারে?
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গরুর দুধে যদি অ্যান্টিবায়োটিক পাওয়া যায়, তাহলে এর মাংস খাওয়া কতোটা নিরাপদ? by সানজানা চৌধুরী
অ্যান্টিবায়োটিক দেয়া গরুর মাংস কি নিরাপদ?
![]() |
| বহু মানুষের পছন্দের খাবারের তালিকায় রয়েছে গরুর মাংসের তরকারি। |
অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহার রোধে কি করছে সরকার?
![]() |
| বাংলাদেশে যে পদ্ধতিতে গরুর মাংস রান্না হয় তাতে ব্যাকটেরিয়া বাঁচেনা। |
অ্যান্টিবায়োটিক দেয়া গরুর মাংস খাওয়া যাবে কিভাবে?
![]() |
| কাঁচা গরুর মাংস কাটার সময় হাতে গ্লভস পরে নিতে হবে। |
সতর্কতা:
![]() |
| আধা কাঁচা মাংস খেলে মিট পয়জনিংয়ের আশঙ্কা থাকে। |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফ্রিজ ছাড়া মাংস সংরক্ষণ করা যাবে কীভাবে? জেনে নিন কিছু বিকল্প উপায়
![]() |
| মাংস সংরক্ষণের ক্ষেত্রে সেটাকে রেফ্রিজারেট করে রাখা সবচেয়ে সহজ ও নিরাপদ উপায়। |
![]() |
| পানিতে মাংস সেদ্ধ করে সংরক্ষণ করা যেতে পারে। |
![]() |
| মাছের শুটকির মতো গরুর মাংস সম্পূর্ণ শুকিয়ে সংরক্ষণ করা যায়। |
![]() |
| ডুবো তেলে মাংস সেদ্ধ করলে সেটা অনেকদিন পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায়। |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল, কাশ্মীরের স্বায়ত্বশাসন খর্ব করলেন ভারতের প্রেসিডেন্ট by পি কে বালাচন্দ্রন

সর্বসাম্প্রতিক এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হলো ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের জন্য প্রেসিডেন্টের আদেশ, যেখানে মুসলিম সংখ্যাগুরু জম্মু ও কাশ্মীর (জেঅ্যান্ডকে) রাজ্যের স্বায়ত্বশাসন নিশ্চিত করা হয়েছে।
গত ৬ আগস্ট সোমবার, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষে প্রেসিডেন্টের আদেশ অনুমোদনের জন্য একটি প্রস্তাব উত্থাপন করেন। পার্লামেন্টে যেহেতু সরকারের সার্বিক সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে এবং যেহেতু তারা দক্ষতার সাথে পার্লামেন্ট ব্যবস্থাপনা আয়ত্ব করেছে, তাই আগেই যেন বোঝা গিয়েছিল যে প্রেসিডেন্টের আদেশ অনুমোদিত হবে।
রাজ্য হারানো
কাশ্মীরের স্বায়ত্বশাসনের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেয়ার পর শাহ ঘোষণা দেন যে, জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যের মর্যাদা হারিয়েছে এবং এখন থেকে এটা কেন্দ্রীয় সরকারের অধীন ইউনিয়ন অঞ্চল হিসেবে বিবেচিত হবে এবং তাদের স্বায়ত্বশাসনের মাত্রা থাকবে খুবই সীমিত। জম্মু ও কাশ্মীর দুটো ভাগে বিভক্ত হবে। একটি অংশে থাকবে জম্মু জেলা ও কাশ্মীর উপত্যকা, অন্য অংশে থাকবে লাদাখ।
কাশ্মীরী নেতাদের গ্রেফতার এবং সেখানে ৩০,০০০ সেনা মোতায়েনের পর এই অঞ্চলটিতে আগাম রাজ্য নির্বাচন – যেটা সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে হবে বলে মনে করা হয়েছিল, সেটার সম্ভাবনা কমে গেছে। এই রাজ্য বর্তমানে কেন্দ্রের অধীন এবং এখানে গভর্নরের শাসন চলছে।
অনুচ্ছেদ ৩৭০
অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে ভারতের সাথে জম্মু ও কাশ্মীর যুক্ত হওয়ার পর থেকে এটা জরুরি ছিল যাতে এই রাজ্যের স্বায়ত্বশাসন নিশ্চিত করার জন্য সংবিধানে কিছু ‘ইন্সট্রুমেন্ট অব অ্যাকসেশান’ সংক্রান্ত বিশেষ অনুচ্ছেদ যুক্ত করা হয়। যখন মূলত ধর্মের ভিত্তিতে ভারত বিভক্ত হয়, তখন একমাত্র মুসলিম সংখ্যাগুরু রাজ্য ছিল জম্মু ও কাশ্মীর এবং সে কারণে রাজ্যটি মূলত আংশিকভাবে ভারতের সাথে যুক্ত হয়েছে।
ইন্সট্রুমেন্ট অব অ্যাকসেশান অনুযায়ী জম্মু ও কাশ্মীর শুধুমাত্র তিনটি বিষয় ভারত সরকারের কাছে সমর্পণ করেছে। সেগুলো হলো প্রতিরক্ষা, যোগাযোগ ও পররাষ্ট্র সম্পর্ক। কাশ্মীরের জন্য আলাদা সংবিধানের প্রসঙ্গ ছিল এবং ওই সংবিধান প্রণয়নের জন্য আলাদা অ্যাসেম্বলি গঠনের কথা ছিল।
সেই অনুযায়ী সাংবিধানিক অ্যাসেম্বলি গঠন করে আলাদা সংবিধান প্রণয়ন করা হয়। কাশ্মীরের সংবিধান প্রণয়নের পর, ওই কন্সটিটিউয়েন্ট অ্যাসেম্বলি বিলুপ্ত করা হয়।
ভারত ইন্সট্রুমেন্ট অব অ্যাকসেশান গ্রহণ করার পর গভর্নর জেনারেল লর্ড লুই মাউন্টব্যাটেন বলেছিলেন: “আমাদের সরকারের ইচ্ছা হলো কাশ্মীরের আইন শৃঙ্খলা বহাল হওয়া মাত্রই, কাশ্মীরের মাটি হামলাকারীদের (পাকিস্তানি উপজাতী) হাত থেকে মুক্ত হওয়া মাত্রই রাজ্যের সংযোজনের বিষয়টি জনগণের গণভোটের মাধ্যমে সমাধান করতে হবে”।
মাউন্টব্যাটেন গণভোটের যে প্রতিজ্ঞা করেছিলেন, সেটা ভারতের নেতারা পার্লামেন্টে বেশ কয়েকবার উত্থাপন করেছিলেন। তাদের মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুও ছিলেন।
ইন্সট্রুমেন্ট অব অ্যাকসেশানকে ভারতীয় সংবিধানের অংশ ঘোষণা করা হয় যাতে ভারত সরকার ও ভারতীয় পার্লামেন্টের সাথে সাথে কাশ্মীরের ক্ষমতাও পরিস্কারভাবে চিহ্নিত করা থাকে। ৩৭০ অনুচ্ছেদে দুই পক্ষের বিতর্কিত অধিকার ও বাধ্যবাধকতাগুলোর প্রতিফলন ঘটেছে বলে যুক্তি দেন হায়দ্রাবাদের নালসার ইউনিভার্সিটি অব ল’-এর ফায়জান মুস্তাফা।
অস্থায়ী না কি স্থায়ী?
৩৭০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে এই সংযোজন অস্থায়ী এবং অন্তর্বর্তীকালীন। তবে প্রফেসর মুস্তাফার মতে, এটা অস্থায়ী কারণ সংযোজনের বিষয়টি চূড়ান্তভাবে গণভোটের মাধ্যমে নির্ধারণের কথা ছিল।
প্রফেসর মুস্তাফা যুক্তি দেন যে, সংবিধানের একটা অনুচ্ছেদকে ‘অস্থায়ী’ বলার অর্থ এই নয় যে, সেটা অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য সেভাবেই থাকতে পারবে। তিনি উল্লেখ করেন যে, রিজার্ভেশান ফর দ্য শিডিউল কাস্টস আর উপজাতীদের বিষয়টিও অস্থায়ী হিসেবে বর্ণনা করা ছিল। একই রকম ছিল অফিসিয়াল ভাষা হিসেবে ইংরেজি ব্যবহারের বিষয়টিও। কিন্তু দুটোই পরে অব্যাহত থেকেছে।
কেন্দ্রের আইন জম্মু ও কাশ্মীরে প্রয়োগের বিষয়টিও ইন্সট্রুমেন্ট অব অ্যাকসেশানের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, যেখানে জম্মু ও কাশ্মীরের ‘কনসালটেশান’ এবং ‘কনকারেন্স’কে একত্রিত করা হয়েছে।
জম্মু ও কাশ্মীরকে সংবিধানে ‘বিশেষ মর্যাদা’ দেয়া হয়েছিল, কিন্তু এ ধরনের মর্যাদাপ্রাপ্ত রাজ্য আরও রয়েছে।
“৩৭১এ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নাগাল্যান্ডের বিশেষ মর্যাদা রয়েছে এবং পার্লামেন্টের কোন বিলই নাগাল্যান্ডের আইনসভায় অনুমোদিত না হলে সেটা ওই রাজ্যে প্রযোজ্য হবে না। এ ধরনের বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে ধর্ম সংক্রান্ত বিষয়, নাগাদের সামাজিক আচার, নাগা ঐতিহ্যগত আইন এবং আচরণবিধি, এখানকার জমি ও সম্পদের মালিকানা ও হস্তান্তর সংক্রান্ত বিষয়গুলো। এমনকি নাগাল্যান্ডের সিভিল ও অপরাধ বিচার প্রশাসনও ভারতীয় আইনের আওতামুক্ত। তাই, ভারতের পেনাল কোড, কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর ইত্যাদি আইনগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে নাগাল্যান্ডের জন্য প্রযোজ্য নয়”।
“একইভাবে ৩৭১ অনুচ্ছেদের অধীনে মহারাষ্ট্র এবং গুজরাটের জন্যও বিশেষ মর্যাদা রয়েছে। এই অনুচ্ছেদের অধীনে প্রেসিডেন্ট (মহারাষ্ট্রের) বিদর্ভা ও মারাথওয়াদা এবং (গুজরাটের) সাউরাষ্ট্র ও কুচের জন্য আলাদা বোর্ড গঠনের জন্য, এই এলাকাগুলোতে সমমাত্রায় তহবিল বিতরণের জন্য দুই রাজ্যের গভর্নরদের বিশেষ দায়িত্ব দিতে পারেন”।
মুস্তাফা আরও উল্লেখ করেন, “আরও বহু রাজ্যের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে আসাম (অনুচ্ছেদ ৩৭১বি), মনিপুর (অনুচ্ছেদ ৩৭১সি), অন্ধ্র প্রদেশ (অনুচ্ছেদ ৩৭১ ডি ও ই), মিজোরাম (অনুচ্ছেদ ৩৭১জি), অরুণাচল প্রদেশ (অনুচ্ছেদ ৩৭১ এইচ) এবং গোয়া (অনুচ্ছেদ ৩৭১আই)। সিকিমের ক্ষেত্রে এমনকি সুপ্রিম কোর্টের আদেশ নিষেধের কার্যকারিতা পর্যন্ত সীমিত করা আছে”।
অব্যাহত ক্ষয়প্রাপ্তি
চুক্তির বিশুদ্ধতা লঙ্ঘন করে ভারত সরকার অব্যাহতভাবে প্রেসিডেন্টের আদেশের মাধ্যমে ৩৭০ অনুচ্ছেদের পরিবর্তন করে গেছে।
মুস্তাফা বলেন, “১৯৫৪ সালে প্রেসিডেন্টের আদেশের মাধ্যে প্রায় পুরো সংবিধানই (অধিকাংশ সাংবিধানিক সংশোধনীসহ) জম্মু ও কাশ্মীরের জন্য সম্প্রসারিত করা হয়েছে। ইউনিয়ন লিস্টের ৯৭টি পয়েন্টের মধ্যে ৯৪টিই এখন জম্মু ও কাশ্মীরের জন্য প্রযোজ্য। সংবিধানের ৩৯৫টি অনুচ্ছেদের মধ্যে ২৬০টি অনুচ্ছেদই এই রাজ্যের জন্য এখন প্রযোজ্য। একইভাবে ভারতীয় সংবিধানের ১২টি শিডিউলের মধ্যে সাতটি এরই মধ্যে জম্মু ও কাশ্মীরের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয়েছে”।
৩৫এ অনুচ্ছেদ কি?
১৯৫৪ সালে প্রেসিডেন্টের আদেশের মধ্য দিয়ে সংবিধানে ৩৫এ অনুচ্ছেদটি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল, যেখানে জম্মু ও কাশ্মীরের নাগরিকদের বিশেষ অধিকার ও সুবিধা দেয়া হয়েছে। এটাকে ৩৭০ অনুচ্ছেদের অধীনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই ৩৫এ অনুচ্ছেদ অন্তর্ভুক্ত করার মূল উদ্দেশ্য হলো রাজ্যকে অভিবাসী থেকে মুক্ত রাখা এবং বাইরের ক্রেতারা যাতে এখানকার চাকরি এবং অন্যান্য সুবিধা দখল করতে না পারে এবং এখানকার জাতিগত ও ধর্মীয় পরিস্থিতি যাতে বদলে দিতে না পারে।
সে কারণে ৩৫এ অনুচ্ছেদে কোন নারী বাইরের কোন পুরুষকে বিয়ে করলে তাকে রাজ্যের সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করেছে। এই নিয়মটির অধীনে এই ধরনের নারীরা রাজ্যে অধিকার হারাবে এবং তাদের উত্তরাধীকারীরাও ওই সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হবে।
এই অনুচ্ছেদ অনুসারে বাইরের কোন ব্যক্তি রাজ্য থেকে স্থানান্তর অযোগ্য কোন সম্পত্তি কিনতে পারবে না, সেখানে স্থায়ী বসতি গড়তে পারবে না, বা সেখানে রাষ্ট্র কর্তৃক ঘোষিত কোন স্কলারশিপ সুবিধা পাবে না। এই আইনের অধীনে জম্মু ও কাশ্মীর সরকার বাইরে থেকে জনবলও ভাড়া করতে পারবে না, যারা এখানকার অধিবাসী নয়।
আপত্তি
৩৫এ অনুচ্ছেদ নিয়ে দুটো আপত্তি রয়েছে। একটি হলো এটা বৈষম্যমূলক এবং অন্যটি হলো এটা পার্লামেন্টের মাধ্যমে সংবিধানে যুক্ত হয়নি বরং প্রেসিডেন্টের আদেশের মধ্য দিয়ে হয়েছে।
৩৫এ একমাত্র অনুচ্ছেদ নয়, যেটা প্রেসিডেন্টের আদেশের মাধ্যমে সংবিধানে যুক্ত হয়েছে এবং যেটা পার্লামেন্টে উত্থাপিত হয়নি। প্রফেসর মুস্তাফা উল্লেখ করেন যে, প্রেসিডেন্টের আদেশ ব্যবহারের কারণে ৩৭০ অনুচ্ছেদ অব্যাহতভাবে ক্ষয়ে গেছে।
১৯৫৪ সালে প্রেসিডেন্টের আদেশের মাধ্যে প্রায় পুরো সংবিধানই (অধিকাংশ সাংবিধানিক সংশোধনীসহ) জম্মু ও কাশ্মীরের জন্য সম্প্রসারিত করা হয়েছে। ইউনিয়ন লিস্টের ৯৭টি পয়েন্টের মধ্যে ৯৪টিই এখন জম্মু ও কাশ্মীরের জন্য প্রযোজ্য। সংবিধানের ৩৯৫টি অনুচ্ছেদের মধ্যে ২৬০টি অনুচ্ছেদই এই রাজ্যের জন্য এখন প্রযোজ্য। একইভাবে ভারতীয় সংবিধানের ১২টি শিডিউলের মধ্যে সাতটি এরই মধ্যে জম্মু ও কাশ্মীরের ক্ষেত্রেও প্রয়োগ করা হয়েছে। এই বিষয়গুলোকে যখন অধিকার মনে করা হচ্ছে, সে অবস্থায় প্রেসিডেন্টের আদেশে ৩৫এ অনুচ্ছেদের অন্তর্ভুক্তিকে কোনভাবেই ভুল বলা যাবে না।
দমনাভিযানের মধ্যে ঐক্য
এদিকে দিল্লি যখন কাশ্মিরের প্রধান দলগুলোর নেতাদের উপর দমন অভিযান জোরদার করেছে তখন তারা রাজ্যের বিশেষ মর্যাদা রাক্ষার জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই চালানোর অঙ্গীকার করেছেন। সরকার রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতির বিরুদ্ধে দুর্নীতি তদন্তের নোটিশ পাঠিয়েছে।
কার্ফু দীর্ঘায়িত হতে পারে বলে গুজব ছড়িয়ে পড়ায় আতংক দেখা দিয়েছে। হাসপাতাল ও জরুরি সেবা সংস্থাগুলোর প্রধানরা তাদের স্টাফদের জন্য কার্ফু পাস চেয়ে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠালেও তা প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।
সিনিয়র অফিসারদের জন্য স্যাটেলাইট ফোন বরাদ্দের কারণে আশংকা করা হচ্ছে মোবাইল ফোন ও ইন্টানেটের উপর নজিরবিহীন ব্লাকআউট আসছে।
রাজ্যের নেতাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী অর্থায়নের অভিযোগে দমন অভিযানের কারণে নেতৃত্ব কার্যত পঙ্গু হয়ে পড়ছে। ভারত-পন্থী নেতাদেরও দমনে নেমেছে সরকার। রোববার মেহবুবা মুফতি ও সাবেক এমপি ইঞ্জিনিয়ার রাশিদ ওই তালিকায় যুক্ত হয়।
রাজ্যের দুর্নীতি দমন ব্যুরো মেহবুবার আমলে জম্মু-কাশ্মির ব্যাংকে কথিত অবৈধ নিয়োগের জন্য নোটিশ পাঠিয়েছে। ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজিন্সি রশিদকে দিল্লি ডেকে পাঠিয়েছে।
মেহবুবা অভিযোগ করেন যে মূল ধারার নেতাদের ধ্বংস করার চেষ্টা করা হচ্ছে যেন তারা সম্মিলিতভাবে কোন প্রতিরোধ গড়ে তুলতে না পারেন।
এরই মাঝে মূলধারার সব নেতা এক হয়ে রাজ্যের বিশেষ মর্যাদা রক্ষার ব্যাপারে একটি প্রস্তাব পাস করেছেন।
ওই প্রস্তাবে বলা হয়েছে: যেকোন আক্রমণ, হামলার বিরুদ্ধে জম্মু-কাশ্মিরের পরিচয়, স্বায়ত্তশাসন এবং বিশেষ মর্যাদা রক্ষা ও সমর্থনের ব্যাপারে সকল দল ঐক্যবদ্ধভাবে তাদের ইচ্ছা প্রকাশ করেছে।
রোববার এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ন্যাশনাল কনফারেন্সের প্রেসিডেন্ট ফারুক আব্দুল্লাহ। এতে যোগ দেন ওমর আব্দুল্লাহ, মেহবুবা, পিপলস কনফারেন্সে নেতা সাজ্জাদ লোন, সিপিএমের ইউসুফ তারিগামি, আইএএস টপার থেকে রাজনীতিবিদে পরিণত হওয়া শাহ ফয়সাল ও কংগ্রেস নেতারা।
দলগুলো প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী ও অন্য দলগুলোর নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে চেয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রবল বাধার মুখে নতুন শ্রীলংকা-যুক্তরাষ্ট্র সামরিক চুক্তি সইয়ের প্রচেষ্টা by আনা পারারাজাসিঙ্গম

তবে এখন সোফা চুক্তি নিয়ে শ্রীলংকায় তীব্র বিরোধিতার সৃষ্টি হয়েছে। বিরোধীরা আশঙ্কা করছে, এর ফলে দ্বীপদেশটিতে মার্কিন ঘাঁটি প্রতিষ্ঠিত হবে এবং এতে করে দেশের সার্বভৌমত্বের সাথে আপস করা হবে। সোফা সই নিয়ে স্থানীয় বিরোধিতার কারণেই ২৭ জুন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওর শ্রীলংকা সফর বাতিল হয়। মধ্যপন্থী শ্রীলংকা ফ্রিডম পার্টির সভাপতি শ্রীলংকার প্রেসিডেন্ট মৈত্রিপালা সিরিসেনা তার দেশে আমেরিকান সৈন্যের উপস্থিতি প্রত্যাখ্যান করেছেন। শ্রীলংকার বর্তমান সেনাবাহিনীর কমান্ডার মহেশ সেনানায়েকের অবস্থানও একই। তিনি স্থানীয় মিডিয়াকে বলেছেন, তিনি সোফা সই করবেন না। শ্রীলংকার প্রতিরক্ষা সচিব জেনারেল (অব.) শান্ত কোটেগোড়াও সোফার বিরুদ্ধে আপত্তি উত্থাপন করে বলেছেন, শ্রীলংকায় বিদেশী সৈন্যের প্রয়োজন নেই। সাবেক প্রেসিডেন্ট রাজাপাকসার এসএলপিপির সাথে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত সিংহলি উগ্র জাতীয়তাবাদী দল এমইপি ও মার্কসবাদী জনতা বিমুক্তি পেরামুনাও সোফার বিরোধিতা করছে।
ডানপন্থী ইউনাইটেড ন্যাশনাল পার্টির (ইউএনপি) প্রধান প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিঙ্গেই শুধু সোফা নিয়ে নতুন করে আলোচনা চাচ্ছেন। ১০ জুলাই তার দলের সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকা পার্লামেন্টে তিনি বলেন, সোফা কোনো সামরিক চুক্তি নয়, এটি মার্কিন সৈন্যদের কিছু অধিকার ও সুবিধা দেয়ার চুক্তি।
তিনি বলেন, সোফা একটি শান্তিকালীন নথি। তিনি পার্লামেন্টকে আশ্বস্ত করে বলেন, শ্রীলংকার সার্বভৌমত্বকে হুমকির মুখে ফেলে, এমন কোনো চুক্তিকে তিনিও সমর্থন করবেন না।
অবশ্য সানডে টাইমসে ৩০ জুন ফাঁস হওয়া নথিতে বলা হয়েছে, এই চুক্তিতে সেনা সদস্য, সামরিক জাহাজ ও বিমানকে অবাধে শ্রীলংকায় চলাচল করতে দেয়ার অনুমতি রয়েছে। তাছাড়া মার্কিন সামরিক বাহিনীর কোনো সদস্য শ্র্রীলঙ্কায় অপরাধ করলে তার বিচার করতে পারবে না শ্রীলংকা। সোফা চুক্তিতে আবদ্ধ অন্যান্য দেশের নজির এক্ষেত্রে সামনে আসছে। বিশেষ করে হাইতিতে মার্কিন সৈন্যরা শিশুদের পতিতাবৃত্তির একটি চক্র পরিচালনা করলেও দেশটির কর্তৃপক্ষ ওই সৈন্যদের বিচার করতে পারেনি। ফলে আশঙ্কার সৃষ্টি হয়েছে, মার্কিন সৈন্যরা কোনো অপরাধ করলেও পার পেয়ে যেতে পারে।
আর সোফা নিয়ে আশঙ্কা প্রশমন করতে শ্রীলংকায় মার্কিন মিশন চুক্তিটির পক্ষে সাফাই গাওয়ার চেষ্টা করেছে। শ্রীলংকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত অ্যালাইনা টেপলিজ স্থানীয় মিডিয়াকে বলেন, প্রস্তাবিত চুক্তিতে লাল ফিতার দৌরাত্ম্য কিছুটা হ্রাস করার ব্যবস্থা রয়েছে। শ্রীলংকায় মার্কিন ঘাঁটি করার কোনো পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের নেই। কিন্তু তার মন্তব্য শ্রীলংকার জনগণের ভয় প্রশমিত করতে পারেনি।
শ্রীলংকায় চীনা উপস্থিতিতে ভীত হয়েই দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্র তার অবস্থান মজবুত করার উদ্যোগ নিয়েছে বলে অনেক শ্রীলংকান মনে করে।
সোফা নিয়ে প্রবল উন্মাদনা সৃষ্টি হওয়ায় এবং রাষ্ট্রদূতের মন্তব্য তা প্রশমিত করতে না পারায় বিক্রমাসিঙ্গের বেশ কষ্ট হচ্ছে তার অনুসারীদের বোঝাতে। ফলে সোফা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু করতে সমস্যা হচ্ছে। অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রের ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজিতে শ্রীলংকার তাৎপর্য অনুধাবন করে যুক্তরাষ্ট্র সোফা চুক্তির আশা ছেড়ে দেবে, এমন সম্ভাবনা ক্ষীণ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শান্তি প্রক্রিয়া বিনষ্ট করছে যারা by ড. জাফর নওয়াজ জসপাল

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আফগানিস্তান সঙ্কটের দ্রুত সমাধানের জন্য চাপ দিচ্ছেন। ২০২০ সালের নভেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য পরবর্তী মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগেই তিনি আফগানিস্তান থেকে পুরো মার্কিন সেনা বা এর একটা বড় অংশকে দেশে ফিরিয়ে নিতে চান। ২৯ জুলাই মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও জোর দিয়ে বলেন যে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আফগানিস্তানের অন্তহীন যুদ্ধের সমাপ্তি টানতে চান।
তিনি বলেন, ওয়াশিংটন চায় যাতে আফগানরা তাদের দেশকে ফেরত নেয় এবং আমাদের দিক থেকে বছরে সেখানে বহু বিলিয়ন ডলার ব্যয় যেন সাশ্রয় হয়। সে কারণে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ২০১৮ সালের ডিসেম্বর থেকে আফগানিস্তান সমস্যা নিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সাথে বিনিময় শুরু করেছেন।
ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউজের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আশ্বস্ত করেছেন যে, তিনি তালেবানদের বোঝানোর চেষ্টা করবেন যাতে তারা অস্ত্রবিরতিতে সম্মত হয় এবং কাবুল সরকারের ব্যাপারে তাদের অবস্থান বদল করে। তিনি জানান যে, তিনি ব্যক্তিগতভাবে তালেবানদের সাথে বৈঠক করবেন এবং তাদের বোঝাবেন যে আলোচনায় আফগানিস্তান সঙ্কটের একমাত্র সমাধান।
তবে, আফগানিস্তান শান্তি প্রক্রিয়া নস্যাৎ করতে যারা সচেষ্ট, তাদেরকে অবজ্ঞা করারও সুযোগ নেই। দোহাতে আন্ত:আফগান আলোচনায় এই আশা দেখা দিয়েছে যে, ঘানি সরকারের কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনার ব্যাপারে আফগান তালেবানরা তাদের অবস্থানের পরিবর্তন করছে। তারা এরই মধ্যে সাক্ষাত করেছে। তবে, সরকারের প্রতিনিধিরা ব্যক্তিগতভাবে আলোচনায় অংশ নিয়েছেন, আফগান সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে নয়।
রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে যে, পরবর্তী দফা আন্ত:আফগান সংলাপ অনুষ্ঠিত হবে নরওয়ের রাজধানী ওসলোতে। তাছাড়া, ইসলামাবাদ আফগানিস্তানের সমস্ত রাজনৈতিক পক্ষ এবং জাতিগত গ্রুপগুলোর সাথে যোগাযোগ রাখছে। জুনের শেষ সপ্তাহে ইসলামাবাদে আফগান রাজনৈতিক দল এবং জাতিগত গ্রুপগুলোর প্রতিনিধিদের ভুরবামে এক সংলাপে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। পরে, প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের আমন্ত্রণে প্রেসিডেন্ট ঘানিও ইসলামাবাদ সফর করেন।
তবে, দেশে সহিংসতা অব্যাহত থাকায় সমস্ত ইতিবাচক প্রচেষ্টাকেই অকার্যকর মনে হচ্ছে। ২৮ জুলাই প্রেসিডেন্ট ঘানির রানিং মেট এবং সাবেক গোয়েন্দা প্রধান আমরুল্লাহ সালেহ’র কাবুল অফিসে হামলা হয়। বোমার স্প্লিন্টারে সালেহ আহত হন, ২০ জন নিহত হয়, আহত হয় পঞ্চাশের বেশি।
আফগানিস্তানে শান্তি প্রক্রিয়ার বিরোধীরা পুরো শান্তি প্রক্রিয়াকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে কারণ আফগানিস্তানে শান্তি কায়েম হলে সেটা আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর জন্য ভালো হবে না এবং পাকিস্তান-বিরোধী শক্তিগুলোর জন্যও ভালো হবে না।
৩০ জুলাই পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কোরেশি দাবি করেন যে, “আমরা বলছি যে, সীমান্তের অন্য পাশে সন্ত্রাসীদের আস্তানা রয়েছে। সেখান (আফগানিস্তান) থেকে মানুষ এসে পাকিস্তানের ভেতরে (সন্ত্রাসী) তৎপরতা চালাচ্ছে”।
তাই উপসংহারে বলতে হয়, শান্তিপূর্ণ আফগানিস্তান শুধু আফগানদের জন্যই জরুরি নয়, বরং পাকিস্তানসহ প্রতিবেশী দেশগুলোর জন্যও এটা সমান গুরুত্বপূর্ণ। তবে সব কিছুর উর্ধ্বে আন্ত:আফগান সংলাপের ধারাবাহিকতা যুদ্ধ বিধ্বস্ত আফগানিস্তানে শান্তি আনার ব্যাপারে একটা আশা তৈরি করেছে।
>>>ড. জাফর নওয়াজ জসপাল ইসলামাবাদের কায়েদে আজম ইউনিভার্সিটির স্কুল অব পলিটিক্স অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল রিলেশান্সের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিরোধী দলগুলোর জোট আছে, ঐক্য নেই by সালমান তারেক শাকিল

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাশিয়া-ভারত-পাকিস্তান: পরিবর্তিত সমীকরণ

কিন্তু আফগানিস্তানে প্রবেশের এই চেষ্টা করতে গিয়ে রাশিয়ার মতো বাস্তববাদী অংশীদারকে হারিয়েছে ভারত। সোভিয়েত ইউনিয়নের সাথে ভারতের যে গভীর সম্পর্ক ছিল, সেখানে উভয়েরই একটা সমাজবাদী বিশ্ব দৃষ্টিভঙ্গি ছিল। ট্যাঙ্ক থেকে নিয়ে জঙ্গি বিমান – ভারতকে সব রকমের সামরিক সরঞ্জাম দিয়েছিল তারা। ১৯৭১ সালে ভারত-সোভিয়েত চুক্তির কারণেই বাংলাদেশে হস্তক্ষেপের সাহস পেয়েছিল ভারত। ১৯৮৮ থেকে ১৯৯১ সাল সময়কালে ভারতে নিজেদের একটি কে-৪৩ পারমাণবিক শক্তি চালিত ক্রুজ মিসাইল সাবমেরিনও মোতায়েন রেখেছিল রাশিয়া, যেটা ছিল দুই দেশের কৌশলগত সম্পর্কের একটা উজ্জ্বল উদাহরণ। কিন্তু সোভিয়েত ইউনিয়ন পতনের সাথে সাথেই ক্রমশ শক্তিশালী হয়ে ওঠা চীনের সামনে নিজেকে দুর্বল ভাবতে শুরু করলো ভারত। অন্যদিকে পাকিস্তানের সাথেও ঘনিষ্ঠতা বাড়ছিল যুক্তরাষ্ট্রের। এ অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রের দিকে ইউ-টার্ন নিলো ভারত।
এই বাঁক বদলের কারণে নব্বইয়ের দশকে ইন্দো-রাশিয়ান অর্থনৈতিক সম্পর্ক পুরো ভেঙ্গে পড়লো। সামরিক ও প্রযুক্তিগত সমঝোতাও ধসে গেলো। আজ যদিও সামরিক সরঞ্জাম কেনার মাত্রা বাড়িয়েছে ভারত, কিন্তু সম্পর্কের সেই মাত্রাটা আর ফিরে আসেনি।
এই পরিবর্তিত ভূ রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীনের সাথে ঘনিষ্ঠতা গড়ে তোলার চেষ্টা করেছে রাশিয়া। তারা এখন একে অন্যের উদ্বেগে সহযোগিতা করার চেষ্টা করছে। যেমন, পুতিন ২০১৬ সালে চীনে অনুষ্ঠিত জি-২০ সম্মেলনে বলেছিলেন যে, দক্ষিণ চীন সাগরে বাইরের হস্তক্ষেপে শুধু ক্ষতিই বাড়বে। আর অন্যদিকে, চীনের আনুষ্ঠানিক অবস্থান হলো রাশিয়ার বৈধ নিরাপত্তা উদ্বেগগুলোকে পশ্চিমা শক্তিগুলোর বিবেচনায় নেয়া উচিত।
আবার আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র সফল হলে সেটা রাশিয়ার জন্য নেতিবাচক হতো। তালেবান ও পাকিস্তানে তাদের সমর্থকদের জন্যও সেটা ভালো হতো না। রাশিয়া এখানে এমন একটা পথ বেছে নিয়েছে, সেটা বৈশ্বিক ক্ষমতার ভারসাম্যের মধ্যে তাদের স্বার্থ হাসিল করবে। ফলে দক্ষিণ এশিয়াকে ভারতের দৃষ্টিতে না দেখে, আফগান প্রিজমের ভেতর দিয়ে এ অঞ্চলকে দেখার কৌশল নিয়েছে রাশিয়া। ফলে রাশিয়া এখানে ২০১৬ সালে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভূমিকা রাখতে শুরু করেছে এবং আফগান শান্তি আলোচনার উদ্যোগ নিয়েছে, যেটাকে তারা বলছে ‘মস্কো প্রসেস’।
মজার ব্যাপার হলো প্রথম বৈঠকে রাশিয়া, চীন ও পাকিস্তান অংশ নিয়েছিল। পরে অনেক উত্থান পতনের পর ২০১৭ সালে এসে আফগান সরকার, ভারত ও মধ্য এশিয়ার কিছু দেশ এতে যুক্ত হয়। পরের বছর তালেবানদেরও সমমানের পক্ষ হিসেবে এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, এবং সে কারণে কাবুল বৈঠক বয়কট করে।
আফগানিস্তানের ব্যাপারে রাশিয়া-পাকিস্তান সহযোগিতার অর্থ হলো সেখান থেকে ভারতের স্বার্থকে দূর করে দেয়া। এখানে ভারত নিজেও নিজেকে দূরে সরিয়ে রেখেছে, কারণ তারাই একমাত্র দেশ যারা তালেবানদের সাথে আলোচনার চেষ্টা করেনি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, রাশিয়া, ও ইরান সবাই আলোচনায় অংশ নিয়েছে। নাকি তালেবানরাই ভারতের সাথে আলোচনায় আগ্রহী নয়?
আফগান-ইরান সমাধানের ব্যাপারে ভারতের যে একতরফা অবস্থান, সেখানে আঞ্চলিক পক্ষগুলোর স্বার্থ ও নিরাপত্তা উদ্বেগকে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। সে কারণে তারা এ অঞ্চলে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে। সবকিছু যদি এভাবেই চলতে থাকে, এবং যতক্ষণ না ভারত আফগানিস্তানের ব্যাপারে তাদের বিচ্ছিন্নতার নীতি পরিত্যাগ করতে রাজি হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের পরস্পরের কাছাকাছি আসার সুযোগ রয়েছে, আর তাদের সাথে থাকবে চীন ও রাশিয়া। আর রাশিয়া যেহেতু পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সরাসরি প্রতিবেশী, আর তাদের মাঝখানে বন্ধুত্বপূর্ণ মধ্য এশিয়ার দেশগুলো রয়েছে, সে কারণে এই বন্ধুত্বের সম্পর্কটি স্থলপথে ভারতের রাশিয়ায় যাওয়াকে প্রায় অসম্ভব করে তুলবে। ভারতের জন্য রাশিয়ায় পৌঁছার সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম পথ হলো সেখানে দক্ষিণ চীন সাগর এবং নর্দার্ন সি রুট।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘এশিয়ান যুগ’ এবং চীন ও ভারতের ভূমিকা by রবি বুথথালিঙ্গম

প্রথমত কোনো জাতিকে বিকশিত হতে হলে এর নেতাদের অবশ্যই তাদের দেশের জন্য উদ্দীপনা সৃষ্টিকারী ভিশন থাকতে হবে। এটা চীন ও ভারতের উভয়ের মধ্যেই স্পষ্টভাবে বিদ্যমান রয়েছে। প্রেসিডেন্ট শি জিনপিঙের ‘চীনা স্বপ্ন’ দর্শন ও চীনা জাতীয় নব-উদ্দীপনা চীনা জনগণকে আলোড়িত করেছে। ভারতে সদ্য পুনঃনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ‘নয়া ভারত’ বিষয়ক তার দর্শন ইতোমধ্যেই জোরালোভাবে তুলে ধরেছেন। আর তার দেশের ৫০ ভাগের বেশি লোকের বয়স ২৫ বছরের নিচে।
দ্বিতীয়ত, মৌলিকভাবে চীন ও ভারতের ভিশন একে অপরের সাথে সঙ্ঘাতমূলক নয়। উভয়ের ভিশনেই তাদের জনগণের সমৃদ্ধি ও সার্বিক কল্যাণের দিকে নজর দেয়া হয়েছে। উভয় জাতিই আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শান্তি ও পারস্পরিক সমঝোতার ভাষায় কথা বলে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, চীন-ভারত সহযোগিতার জন্য শক্তিশালী উদ্দীপক হলো উভয় দেশের প্রতি জোরালো বহিরাগত হুমকির অস্তিত্ব।
এসব হুমকি ভূ-রাজনৈতিক নয়, বরং সেগুলো জলবায়ু পরিবর্তন, অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী রোগের মতো অস্তিত্বগত। উভয়টিই বিপুল সংখ্যায় বিশ্বের জনসংখ্যা হ্রাস করে দিতে পারে। উল্লেখ্য, দুই দেশের মোট জনসংখ্যা বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৪০ ভাগ।
ভারত ও চীনের ভিশন সঙ্ঘাতমূলক না হলেও দুই দেশ কি তাদের নিজ নিজ লক্ষ্য অর্জনের জন্য এমন কোনো পদক্ষেপ কি গ্রহণ করবে যার ফলে তাদের মধ্যে সঙ্ঘাতের সৃষ্টি হয়? বস্তুত এমনটা হয়েছে, এ ধরনের সমস্যার অনেক উদাহরণ রয়েছে। এসব ইস্যু সত্যিই ব্যবস্থাপনাযোগ্য। আর অস্তিত্বগত হুমকিকে পরাজিত করার জন্য মূল লক্ষ্যের দিকে তাকানো ছাড়াই তারা তা করতে পারে। এর জন্য প্রয়োজন দৃঢ় অর্থনৈতিক শক্তি ও চরম বৈজ্ঞানিক উদ্ভাবন।
এ কারণে মারাত্মক মতপার্থক্য এড়িয়ে পারস্পরিক সম্প্রীতির মাধ্যমে প্রতিযোগিতা/সহযোগিতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার দিকেই মনোযোগী হতে হবে চীন ও ভারতকে। আফ্রিকার একটি প্রবাদবাক্য আছে: দরজায় যখন ঝড় আঘাত হানছে, তখন কোনো পারিবারিক কলহ নয়।
তৃতীয়ত, ভারত ও চীন কিভাবে এ ধরনের অর্থনৈতিক পেশীশক্তি ও বৈজ্ঞানিক উদ্ভাবন নির্মাণ করতে পারে? শুরুতে বিশ্বের প্রথম ও তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির এই দুই দেশের প্রয়োজন বিশ্বব্যাংকের ভাষায় পিপিপির আলোকে ব্যাপক ও গভীর অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততা। এ ব্যাপারে ভারত আছে সুবিধাজনক অবস্থায়। দেশটির অর্থনীতির চীনের এক-পঞ্চমাংশ। তারা উন্নয়ন রেখায় এক দশক পিছিয়ে আছে। ফলে চীনা বিনিয়োগ, উদ্যোগ ও প্রযুক্তি থেকে ভারত উপকৃত হতে পারে। আবার দ্বিপক্ষীয়, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিষয়ে ভারতের সাথে সম্পৃক্ত হওয়ার মাধ্যমে চীন কিভাবে লাভবান হতে পারে, তার ৫টি ক্ষেত্র এখানে উল্লেখ করছি।
প্রথমত, চীনা প্রস্তাবিত বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ উচ্চাভিলাষী, এটি ব্যাপকভাবে গৃহীত হয়েছে। তবে এটি চীনের সার্বিক ঝুঁকিও বাড়িয়ে দিয়েছে দ্রুত। চীনের অভ্যন্তরীণ ঋণ, অতিরিক্ত সামর্থ্য ও উচ্চ মূলধনের ফলাফল অনুপাত বিশ্লেষণ করলে এর মানে হবে এই যে চীনের ভবিষ্যত বিনিয়োগ অবশ্যই হবে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও অনেক বেশি মুনাফামূলক। ভারত এসব শর্ত পূরণ করতে পারবে। ভারত অবকাঠামো খাতে বিপুল বিনিয়োগ গ্রহণ করতে পারবে, রাজনৈতিকভাবে সে স্থিতিশীল। দেশটির আর্থিকব্যবস্থা নিয়ন্ত্রিত, আইনগত কাঠামোর ফলে এখানে বিনিয়োগে ঝুঁকি কম। ভারতের বিশাল বাজারও লাভজনক বিবেচিত হতে পারে।
দ্বিতীয়ত, চীন একটি জটিল দেশ এবং অন্য দিক থেকে ভারতও তাই। তবে চীনা শিল্প, বিশেষ করে টেলিকম ও ই-কমার্স দেখিয়ে দিয়েছে, তারা কিভাবে চীনের জন্য লাভজনক হতে পারে। চীনও ভারতে উৎপাদিত সামগ্রী থেকে ফায়দা হাসিল করতে পারে।
তৃতীয়ত, আঞ্চলিক পর্যায়ে রিজিওন্যাল কমপ্রেহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ (আরসিইপি) চীন, ভারত, জাপান ও আসিয়ান দেশগুলোর জন্য ভালো সম্ভাবনা সৃষ্টি করতে পারে। এই অঞ্চল ইতোমধ্যেই বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুততম গতির প্রবৃদ্ধি সৃষ্টি করেছে।
চতুর্থত, আঞ্চলিক পর্যায়ে চীন ও ভারতের কানেকটিভিটি ও অবকাঠামো অনেক কম ব্যয়ে অর্জন করতে পারে। তখন প্রতিবেশী দেশগুলো দেখবে যে এই দুই দেশ সহযোগিতা যেমন করতে পারে, প্রতিযোগিতাও করতে পারে। এটা হবে সবার জন্য মূল্যবান ও নতুন অভিজ্ঞতা।
সবশেষে আসে আধুনিক বিজ্ঞানের কথা। নিধামের ইতিহাসের মতো এটিই আমাদের একই শিক্ষা দেয়। জেন মেশিন নামের বইতে নোবেল পুরস্কারজয়ী রসায়নবিদ অধ্যাপক বেনকি রামকৃষ্ণান বলেছেন, প্রতিযোগিতা ও সহযোগিতার মধ্যে পার্থক্য খুব একটা পরিষ্কার নয়। এমনকি বিজ্ঞানীরা যখন প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়, তখন আসলে তারা একজনে অপরজনের আবিষ্কারের সহায়তা গ্রহণ করে। এর মাধ্যমে তারা একে অপরকে সাহায্য করে।
অর্থাৎ পানির দুষ্প্রাপ্যতা, বিশৃঙ্খলাপূর্ণ নগরায়ন, রোগের বোঝা, বয়স/জেন্ডার ভারসাম্যহীনতাসহ নানা অভিন্ন সমস্যা মোকাবিলায় চীন ও ভারতের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার বিপুল ক্ষেত্র রয়ে গেছে। কেবল বৈজ্ঞানিক উদ্ভাবনই ওইসব অস্তিত্বগত সমস্যা মোকাবিলার জন্য অভিন্ন ও ব্যয় সাশ্রয়ী সমাধানের ব্যবস্থা করতে পারে। স্নায়ুযুদ্ধের প্রবল উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন যদি মহাকাশবিষয়ে একে অপরকে সহযোগিতা করতে পারে, তবে ভারত ও চীন কেন এ ধরনের সহযোগিতায় ইতস্ততা করবে?
আশা করা যায়, দুই নেতা দুই দেশের মধ্যে প্রতিযোগিতা/সহযোগিতার ভারসাম্য পুনঃনির্ধারণ করতে পারে, চীন-ভারত সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্রে শক্তিশালী ও সৃষ্টিশীল আইডিয়া সৃষ্টি করতে পারে।
>>>লেখক: কোষাধ্যাক্ষ, অনারারি ফেলো, ইনস্টিটিউট অব চায়নিজ স্টাডিজ, দিল্লি
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নেটফ্লিক্সে মজবে আরব বিশ্ব? by অর্ণব সান্যাল
চলতি মাসের ১৩ তারিখ আরবি ভাষায় ‘জিন’ নামের একটি অতিপ্রাকৃত ঘটনাধর্মী সিরিজের প্রচার শুরু করেছে নেটফ্লিক্স। ভিডিও স্ট্রিমিং ওয়েবসাইটটি এত দিন ইংরেজি বা অন্যান্য বিদেশি ভাষার ছবি ও সিরিজ দিয়ে আরব অঞ্চলে গ্রাহক টানার চেষ্টা করেছিল। এবার স্থানীয় গ্রাহকদের কথা মাথায় রেখে তৈরি করা হচ্ছে দেশি কনটেন্ট। অর্থাৎ আরব অঞ্চলের পরিচালক, চিত্রনাট্যকার ও অভিনেতা-অভিনেত্রীদের নিয়ে ছবি তৈরি করা হচ্ছে। এর মূল উদ্দেশ্য, স্থানীয় গ্রাহকদের আকর্ষণ করা। আরব অঞ্চলের ক্রমবর্ধমান বাজার দখল করতে চাইছে নেটফ্লিক্স।
আইএইচএস মারকিট নামের একটি গবেষণা সংস্থা জানাচ্ছে, আরব বিশ্বে ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হচ্ছে অনলাইন ভিডিও স্ট্রিমিং ব্যবসা। বর্তমানে আরব অঞ্চলে অনলাইন ভিডিও স্ট্রিমিং ওয়েবসাইটগুলোর গ্রাহক প্রায় ১৮ লাখ। তবে গত বছর গ্রাহক বেড়েছে প্রায় ৪৫ শতাংশ। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ফ্রস্ট অ্যান্ড সুলিভান বলছে, মধ্যপ্রাচ্যের মোট জনসংখ্যার ৮৫ থেকে ৯০ শতাংশ টেলিভিশনেই বিনোদন খোঁজেন। আর ভিডিও স্ট্রিমিং ওয়েবসাইটের গ্রাহক ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ। ২০১৬ সাল থেকে নেটফ্লিক্স চালু আছে এই অঞ্চলে। এবার প্রতিষ্ঠানটি এই বাজার দখল করতে স্থানীয় ছবি ও সিরিজ তৈরিতে বিনিয়োগ করছে। নিজেদের প্রকৃত গ্রাহকসংখ্যা না জানালেও এর মাধ্যমে নিজেদের বাজার অংশীদারত্ব উল্লেখযোগ্য হারে বাড়াতে পারবে বলে মনে করে নেটফ্লিক্স।
![]() |
| আরব বিশ্বের জনগণকে আকৃষ্ট করতে স্থানীয়ভাবে তৈরি কনটেন্টের প্রচার শুরু করেছে নেটফ্লিক্স। লক্ষ্য একটাই, আরব অঞ্চলের বাজার দখল করা। ছবি: রয়টার্স |
ব্রিটিশ সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্ট বলছে, নেটফ্লিক্স এখন নিত্যনতুন স্থানীয় কনটেন্ট তৈরির দিকে মনোযোগ দিচ্ছে। মিসরে মোবাইল ফোনে ব্যবহার উপযোগী সাশ্রয়ী প্যাকেজ নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। তবে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের বাইরে নেটফ্লিক্সের অবস্থা ততটা সুবিধার নয়। সেখানে স্টারজ প্লে রমরমা। এখন এই বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করবে নেটফ্লিক্স।
![]() |
| আরবি ভাষায় ‘জিন’ নামের একটি অতিপ্রাকৃত ঘটনাধর্মী সিরিজের প্রচার শুরু করেছে নেটফ্লিক্স। ছবি: সংগৃহীত |
সংবাদমাধ্যম ফরচুন বলছে, সিরিজটিতে পশ্চিমা সংস্কৃতির প্রতিফলন দেখা গেছে বলে অভিযোগ করা হচ্ছে। বিশেষ করে মদ্যপান ও কিশোর-কিশোরীদের চুমু খাওয়ার দৃশ্য নিয়েই আপত্তি উঠেছে। যদিও নেটফ্লিক্স আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে বলেছে, জর্ডানের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিবিরোধী কিছু দেখানোর উদ্দেশ্য তাদের নেই এবং এই সিরিজের মধ্য দিয়ে আরব অঞ্চলের তরুণ সম্প্রদায়ের জীবনের একটি রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। তবে এতে প্রতিবাদের আগুন নিভছে না। জর্ডানের গণমাধ্যম বিশ্লেষক সাদ হাতার বলছেন, আরব বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় আধুনিক চিন্তাভাবনায় নিজেদের কয়েক ধাপ এগিয়ে রাখে জর্ডান। তবে আদতে পরিস্থিতি তেমন নয়। দেশটিতে প্রচারিত হলিউডের অনেক ছবিতেই এসব বিষয় দেখানো হয়ে থাকে। কিন্তু যখন তা স্থানীয়ভাবে তৈরি সিরিজে দেখানো হচ্ছে, তখনই প্রতিবাদের ঝড় উঠছে।
![]() |
| ‘জিন’ সিরিজের কলাকুশলীরা। ছবি: সংগৃহীত |
রক্ষণশীল আরব সমাজের বিক্ষোভ ঠেলে নেটফ্লিক্স কতটুকু এগোতে পারবে, তা বলা মুশকিল। এটি ঠিক যে আরব বিশ্বের বাজার পুরোপুরি দখল করতে পারলে আখেরে নেটফ্লিক্সেরই লাভ। কিন্তু সে ক্ষেত্রে কিছু বিষয়ে আপসও করতে হতে পারে। সৌদি সাংবাদিক জামাল খাশোগির হত্যাকাণ্ড নিয়ে কথা বলায় এরই মধ্যে নেটফ্লিক্সকে ‘প্যাট্রিয়ট অ্যাক্ট উইথ হাসান মিনহাজ’ নামের জনপ্রিয় কমেডি শোয়ের একটি পর্ব সরিয়ে ফেলতে হয়েছে। সৌদি আরব রাষ্ট্রীয়ভাবে এ নিয়ে আপত্তি তুলেছিল। তাতেই আত্মসমর্পণ করে নেটফ্লিক্স।
সামনের দিনগুলোয় এমন আপত্তি যে আরও বাড়বে না, তার নিশ্চয়তা কে দেবে? কারণ, এসব সমস্যা এক দিনে সমাধান হওয়ার নয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বৌদ্ধ মতবাদের আঘাতে রক্তাক্ত শ্রীলংকার মুসলিমরা by আনা পারারাজাসিঙ্গম

যদিও ইস্টার সানডেতে হামলার শিকার হয়েছিল খ্রিস্টানরা, কিন্তু এখন মুসলিমদের বিরুদ্ধে যে হামলা ও সহিংসতা চলছে, সেখানে সবার সামনে রয়েছে বৌদ্ধ ভিক্ষুরা। ২০১৪ ও ২০১৮ সালে যারা মুসলিম বিরোধী সহিংসতায় জড়িয়ে পড়েছিল, তারা এখন ইস্টার সানডের কারণে মুসলিম বিরোধী সহিংসতা চালানোর ক্ষেত্রে বড় একটা অজুহাত পেয়ে গেছে।
মুসলিম-বিরোধী সহিংসতা দমনে নজর দিচ্ছে না রাষ্ট্র
ইস্টার সানডে হামলার পর প্রিভেনশান অব টেররিজম অ্যাক্টের অধীনে শত শত মুসলিমকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই আইনে ওয়ারেন্ট বা তথ্য প্রমাণ ছাড়াই গ্রেফতার ও বন্দি করে রাখার অধিকার দেয়া হয়েছে পুলিশকে। ২৩ মে সিংহলী বৌদ্ধপন্থী পত্রিকা হিসেবে পরিচিত দিভাইনা তাদের প্রথম পাতায় একটি রিপোর্ট ছাপে যেখানে অভিযোগ করা হয়েছে যে, একজন মুসলিম চিকিৎসক ৪০০০ বৌদ্ধ নারীকে বন্ধ্যা করে দিয়েছেন। দুই দিন পর, এই অভিযোগের কোন প্রমাণ না পাওয়া সত্বেও সেগু শিহাবদিন মোহাম্মদ শাফি নামের ওই ডাক্তারকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর পুলিশ তখন অভিযোগের তথ্য প্রমাণ সরবরাহের আহ্বান জানায়।
পরিস্থিতির আরও অবনতি হয় যখন উত্তেজিত জনতা বেশ কিছু মুসলিমের সম্পত্তি ধ্বংস করে।
প্রথমবারের মতো মুসলিম নেতারা সম্মিলিতভাবে এর প্রতিবাদ করার সিদ্ধান্ত নেন। সরকারের মন্ত্রীদের পদ থেকে এবং দুই প্রদেশের গভর্নরের পদ থেকে পদত্যাগ করেন তারা। ক্যাবিনেটের সিনিয়র সদস্য ও শ্রীলংকা মুসলিম কংগ্রেসের (এসএলএমএম) নেতা রাউফ হাকিম জানিয়েছেন যে, উগ্র জাতীয়তাবাদীদের দমনে সরকার কোন পদক্ষেপ না নেয়ায় সরকারকে চাপ দেয়ার কৌশলের অংশ হিসেবে তারা পদত্যাগ করেছেন।
সহিংসতা দমনে সরকারের অনীহার বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়ে গেছে, যখন চলমান মুসলিম-বিরোধী সহিংসতার মধ্যেই গত ২৩ মে বিবিএসের প্রধান গালাগোদা আত্থে নানাসারা থেরোকে রাষ্ট্রপতি ক্ষমা ঘোষণা করে মুক্তি দেন। মুসলিম বিরোধী সহিংসতা উসকে দেয়ার একাধিক অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
সিংহলী বৌদ্ধদের আধিপত্য
রাউফ হাকিমের দাবি হলো উগ্র জাতীয়তাবাদীদের নিয়ন্ত্রণের কোন চেষ্টা হওয়ার সম্ভাবনা কম এবং সে কারণের সংখ্যালঘুদের ক্ষতি বাড়বে এবং সেটা বিরোধীদের হাতকে আরও শক্তিশালী করবে। এর কারণ হলো শ্রীলংকার উত্তর-ঔপনিবেশিক ইতিহাস এমন আদর্শের ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে যে, সেখানে সিংহলী বৌদ্ধদের আধিপত্যকে সমর্থন করা হয়েছে। এবং যে দলই এই আদর্শের প্রতি ‘দুর্বলতা’ দেখিয়েছে, পরের নির্বাচনে তারা অসুবিধায় পড়ে গেছে।
সিংহলীদের আধিপত্য
সিংহলী বৌদ্ধদের আধিপত্যের কারণে অসুবিধায় থাকা শ্রীলংকান মুসলিমরা তাদের অধিকারের দাবি না জানিয়ে বরং প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে যুক্ত হয়ে নিজেদের সম্প্রদায়ের জন্য ছাড় পাওয়ার চেষ্টা করছে। সিংহলী-প্রধান দুই রাজনৈতিক দল মধ্য বামপন্থী শ্রীলংকা ফ্রিডম পার্টি (এসএলএফপি) এবং ডান-ঘেঁষা ইউনাইটেড ন্যাশনাল পার্টি (ইউএনপি) উভয়ের কাছেই এই অবস্থানটা মোটামুটি গ্রহণযোগ্য। মুসলিম নেতারা এই দলগুলোকে মুসলিম ভোটারদের ভোটগুলো পাওয়ার ব্যবস্থা করেছে এবং প্রতিদানে তারা সরকারে অংশ নিয়েছে। পরে, এই ভোট ব্যাংকগুলো আগের দলগুলোর সাথে থাকেনি বরং নিজেদের একটা মুসলিম দল শ্রীলংকা মুসলিম কংগ্রেসের (এসএলএমএম) সাথে চলে এসেছে। যে দল এসএলএমএমকে বেশি সুবিধা দেবে, তাদেরকে সরকার গঠনে সহায়তা করেছে এসএলএমএম। কোন বামপন্থী, মধ্যমপন্থী বা ডানপন্থী আদর্শের কাছে দায়বদ্ধ থাকেনি তারা। শ্রীলংকা রাষ্ট্র ও তামিল জনগণের মধ্যে যুদ্ধের সময় মুসলিম সম্প্রদায় সিংহলী প্রধান রাষ্ট্রের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। তাদের এ কৌশল তাদেরকে যুদ্ধের সময় টিকে থাকতে সহায়তা করে এবং তাদের বিকাশেও সহায়তা করে।
বৌদ্ধদের বিজয়াকাঙ্ক্ষা
শ্রীলংকা রাষ্ট্রের তামিল-বিরোধী পদক্ষেপ – যার মধ্যে আইনি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ রয়েছে, এই পদক্ষেপের যৌক্তিকতা হলো পাবলিক সার্ভিস ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে তাদের প্রতিনিধিত্ব আনুপাতিক হারে হয়নি। অন্যদিকে মুসলিম-বিরোধী মনোভাব গড়ে ওঠার কারণ হলো সিংহলী বৌদ্ধদের চেয়ে মুসলিমদের জনসংখ্যা দ্রুত বাড়ছে এবং এ কারণে সিংহলী বৌদ্ধরা তাদের আধিপত্য হারাতে পারে। সেই সাথে, এটাও মনে করা হয় যে, জনসংখ্যার অনুপাতের চেয়ে বেশি অর্থনৈতিক শক্তি অর্জন করেছে মুসলিমরা এবং তারা মানুষকে ইসলামে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা করছে, এবং তারা একটা বিচ্ছিন্ন গ্রুপ যারা শ্রীলংকার মূলধারার সংস্কৃতির সাথে মিশতে পারেনি।
আধিপত্য, অলীক ধারণা এবং বিজয়ের আকাঙ্ক্ষার কারণে শ্রীলংকার বৌদ্ধরা হয়তো মুসলিমদের বিরুদ্ধে আরও সহিংসতাকে উসকে দেবে, যেটা শ্রীলংকার ভঙ্গুর রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে হয়তো আরও দুর্বল করে দিতে পারে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1372)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
August
(1053)
-
▼
Aug 13
(21)
- কাশ্মীর: কারফিউর মধ্যে ঈদ, বড় মসজিদ-ঈদগাহ বন্ধ by...
- কাশ্মীর: কী করতে পারে পাকিস্তান, ক্ষমতা কতদূর by শ...
- গরুর দুধে যদি অ্যান্টিবায়োটিক পাওয়া যায়, তাহলে ...
- ফ্রিজ ছাড়া মাংস সংরক্ষণ করা যাবে কীভাবে? জেনে নিন...
- ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল, কাশ্মীরের স্বায়ত্বশাসন খর্ব কর...
- প্রবল বাধার মুখে নতুন শ্রীলংকা-যুক্তরাষ্ট্র সামরিক...
- শান্তি প্রক্রিয়া বিনষ্ট করছে যারা by ড. জাফর নওয়াজ...
- বিরোধী দলগুলোর জোট আছে, ঐক্য নেই by সালমান তারেক শ...
- রাশিয়া-ভারত-পাকিস্তান: পরিবর্তিত সমীকরণ
- ‘এশিয়ান যুগ’ এবং চীন ও ভারতের ভূমিকা by রবি বুথথাল...
- নেটফ্লিক্সে মজবে আরব বিশ্ব? by অর্ণব সান্যাল
- বৌদ্ধ মতবাদের আঘাতে রক্তাক্ত শ্রীলংকার মুসলিমরা by...
- ‘হামার ঈদ বানের পানিতে ভাসি গেল’
- বাংলাদেশের দরজায় কড়া নাড়ছে আইএস by স্বদেশ রায়
- ব্রিটেনে ১৫ মিনিট বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের যে প্রভাব পড়েছে
- ভারত ও পাকিস্তানের এখন জোরালো আলোচনায় বসার সময় by ...
- চলছে, এটা কি চলা? by রাবাত আলী
- যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর অবস্থান ভারতের সাথে উত্তেজনা ব...
- কূটনৈতিক দাবা by ইন্দ্রানি বাগচি
- অবরুদ্ধ কাশ্মীরে ঈদ: 'ঈদ নয়, এটা এবার শোক'
- কাশ্মীর: তরুণদের জঙ্গিবাদে উদ্বুদ্ধ হওয়ার পেছনে য...
-
▼
Aug 13
(21)
-
▼
August
(1053)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...














