Monday, September 23, 2019
ইয়াংগুনে ৬ বছর ধরে বন্ধ করে রাখা হয়েছে ৮ মসজিদ

খবরে বলা হয়, সম্প্রতি ইয়াংগুনের বৌদ্ধদের পাশাপাশি অন্যান্য ধর্মালম্বীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শুরু করেছেন দেশটির সেনাপ্রধান জেনারেল হাইং। এমনই এক সাক্ষাতের সময় মেকটিলা ও ইয়ামেথিন জনপদের মুসলিমরা বন্ধ করে রাখা মসজিদগুলো চালু করার জন্য অনুমতি চান। এছাড়া আঞ্চলিক মুসলিম দায়িত্বশীলরা দেশটির স্টেট কাউন্সিলর অফিস, কমান্ডার-ইন-চিফ অফিস এবং সংস্কৃতি ও ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়েও পুনরায় মসজিদ খুলে দেয়ার জন্য চিঠি দিয়েছেন।
স্থানীয়রা সেনাপ্রধানের যোগাযোগের প্রচেষ্টাকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, সেনাপ্রধানের সাক্ষাতের উদ্দেশ্য তারা জানেন না। আর মসজিদ খুলে দেয়ার বিষয়ে সংস্কৃতি ও ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইউ সান উইন জানিয়েছেন, তারা এখনও এ চিঠিটি পাননি। তবে মিয়ানমারের ইসলামিক কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ইউ মং মং জানান, তিনি সেনাপ্রধানকে মসজিদগুলো খুলে দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
২০১৪ সালে মিয়ানমারের মান্ডলে তীব্র সাম্প্রদায়িক সহিংসতার মধ্যে মেকটিলা ও ইয়ামেথিন জনপদের মসজিদগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল। উল্লেখ্য, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনাদের নির্যাতনের শিকার হয়ে প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গা মুসলিম বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। এসব রোহিঙ্গা মুসলিমদের নিজ দেশে ফিরিয়ে নিতে এখনো কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়নি দেশটি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সৌদি আরবে হামলার ঝুঁকি ইরান কেন নেবে? by কাসরা নাজি
বাজির খেলায় ইরান
![]() |
| মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও বলেছেন, শনিবারের হামলা ছিল একটা যুদ্ধ ঘোষণা। |
ইরানের ভঙ্গুর অর্থনীতি
![]() |
| সৌদিরা বলছেন, ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দিক হিসেব করলে বোঝা যাবে সেটা ইয়েমেন থেকে আসতে পারে না। |
সৌদি সামরিক পদক্ষেপের বিপদ
উপসাগর উত্তপ্ত
![]() |
| ড্রোন হামলায় জ্বলছে সৌদি আরবের আবকাইক তেল শোধনাগার |
যুদ্ধের পটভূমিতে মার্কিন নির্বাচন
![]() |
| হরমুজ প্রণালীতে চলছে তেলবাহী জাহাজের বহর |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুক্তরাষ্ট্র নিয়ে বিভ্রমের অবসান সৌদি আরবের? by রবার্ট এফ. ওর্থ

এই পরিস্থিতিতে আসতে সহায়ক হয়েছে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের ভুল কিছু হিসাবনিকাশ। কিন্তু বর্তমানে যে উপসাগরীয় সংকট চলছে তা কেবল এই মার্কিন প্রশাসনের বিষয় নয়, কিংবা ইরানের বিরুদ্ধে এই প্রশাসনের ‘সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগে’র পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নয়। ২০০৩ সালে ইরাক আক্রমণের মধ্য দিয়ে যে বিপর্যয় নেমে এসেছিল, তখন থেকে যুক্তরাষ্ট্র ক্রমেই মধ্যপ্রাচ্য থেকে সরে যাচ্ছে। এর ফলে আমেরিকা এখন মধ্যপ্রাচ্যের তেলের ওপর এতটাই কম নির্ভরশীল যে, দেশটির কোনো প্রেসিডেন্ট সৌদি আরবকে রক্ষার জন্য অকাতরে সম্পদ আর রক্ত ব্যয় করার ঝুঁকি নেবে, এমনটা চিন্তা করাও কষ্টকর।
বহু দশক ধরেই উপসাগরীয় নেতারা দৃশ্যত বিশ্বাস করতেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ও বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ব্যয় করে আমেরিকান সমরাস্ত্র কেনায়, তারা প্রায় অভেদ্য হয়ে উঠেছে। তারা নিয়মিতই আমেরিকান কূটনীতিক ও জেনারেলদের বলে আসছেন, ইরানের ব্যাপারে আরও কঠোর হতে হবে যুক্তরাষ্ট্রকে। সৌদি আরবের তৎকালীন বাদশাহ আবদুল্লাহ ২০০৮ সালে তো বলেই দিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের উচিত ‘সাপের মস্তক কেটে ফেলা’। অর্থাৎ, ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালানো। ১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধ সৌদি আত্মবিশ্বাসকে আরও শক্তিশালী করেছে। সেবার যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ইরাকের সাবেক প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনকে দখলকৃত কুয়েত থেকে চলে যেতে বাধ্য করে।
কিন্তু আমেরিকান শক্তির ওপর এই আস্থার পেছনে হারিয়ে গেছে অনেক অস্বস্তিকর সত্য। সেটা হলো, ইরানের জনসংখ্যা ও সামরিক শক্তির তুলনায় উপসাগরীয় দেশগুলোর কিছুই নেই। আর যুক্তরাষ্ট্র ১০ হাজার মাইল দূরে অবস্থিত। যেকোনো যুদ্ধে উপসাগরীয় শহরগুলো হবে ইরানের প্রধান টার্গেট। আর ইরানের না হলেও, উপসাগরীয় দেশগুলোর শহরগুলো বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। দুবাইয়ে যদি একবার বোমা হামলা হয়, তাহলে বাণিজ্য, যোগাযোগ ও পর্যটনের নিরাপদ কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে দুবাইয়ের যে মর্যাদা, তা মুহূর্তেই চুরমার হয়ে যাবে।
এখন সেই দুঃস্বপ্নই দৃশ্যত সত্য হচ্ছে। গত শনিবার বেশ কয়েকটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র সৌদি আরবের ব্যয়বহুল আমেরিকান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিয়ে দেশটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুই তেল স্থাপনায় আঘাত হানলো। আর বিশ্বজুড়ে তেলের দাম গেল বেড়ে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ হয়তো সীমিত ছিলো। তবে যে বার্তা এই হামলা দিয়েছে, তা কিন্তু ছোটোখাটো নয়। সেটা হলো, ইরান যেকোনো মুহূর্তে উপসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক প্রাণভোমরায় হামলা চালাতে পারে।
কিন্তু এই ঘটনার পর যা ঘটেছে তা-ও রিয়াদের জন্য ভীতিকর। নিজের পরবর্তী নির্বাচনে জয়ের সম্ভাবনা বিনষ্ট করতে চান না ট্রাম্প। ফলে তিনি কোনো যুদ্ধে জড়াতে চান না। এ কারণেই হামলার পর হম্বিতম্বি করেই তিনি সেরেছেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও যদিও বলেছেন, এই হামলা যুদ্ধের সমতুল্য। কিন্তু মার্কিন প্রশাসন এই হামলার প্রতিক্রিয়া কী হবে, তা সৌদি আরবকেই নিতে বলছে। আর সৌদিরা সেই দায়িত্ব নিতে কিছুটা নারাজ।
এর ফলে কী ঘটতে পারে, তা বলার মতো সময় এখন আসেনি। ইরানের উস্কানি যদি শেষ অবদি চূড়ান্ত যুদ্ধে রূপ না নেয়, তাহলে ট্রাম্প প্রশাসন বা উপসাগরীয় প্রতিবেশীদের সঙ্গে কূটনীতিতে ইরান অত্যন্ত শক্তিশালী অবস্থানে থাকবে।
উপসাগরীয় রাজপরিবারগুলোকে রক্ষা করার যে অঙ্গীকার আমেরিকার, তার মূল ১৯৪৫ সালে। তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট সৌদি আরবের প্রথম বাদশাহ আবদুল আজিজ ইবনে সউদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন। শীতল যুদ্ধের সময় এই সম্পর্ক আরও জোরদার হয়। হ্যারি ট্রুম্যান থেকে জর্জ বুশ- সকল মার্কিন প্রেসিডেন্টই বিশ্বাস করতেন যে, সৌদি আরবের তেলক্ষেত্র রক্ষা করা কম্যুনিজমের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এই সম্পর্কে প্রথম আঘাত আসে ২০০১ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর অর্থাৎ ৯/১১-এর আক্রমণের পর। সেবার ১৯ জন বিমান ছিনতাইকারীর ১৫ জনই ছিলেন সৌদি। এরপর দ্বিতীয় আঘাত আসে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সময়। সেবার উপসাগরীয় নেতারা ভাবতে শুরু করেন, ২০১১ সালের আরব বসন্তের সময় ওবামা প্রশাসন তাদেরকে পরিত্যাগ করেছে। ডনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে পরিস্থিতি আবার আগের মতো ঘনিষ্ঠ দেখাতে শুরু করে। সৌদি ও আমিরাতিরা প্রথমে ভেবেছিল যে, ট্রাম্প অন্তত ওবামার চেয়েও কঠোর হবেন। বিশেষ করে, ইরান পারমাণবিক চুক্তি থেকে ট্রাম্প যখন যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নিলেন ও ইরানের ওপর ফের কড়া অবরোধ আরোপ করলেন, তখন যারপরনাই খুশি হয়েছিল সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।
কিন্তু সাম্প্রতিককালে, ট্রাম্পের বাগাড়ম্বর ও প্রকৃত পদক্ষেপের মধ্যে কোনো মিল দেখতে পাচ্ছেন না উপসাগরীয় নেতারা। ফলে তারা বেশ অস্বস্তিতে আছেন। জুনে, ট্রাম্প হুমকি দিলেন মনুষ্যবিহীন আমেরিকান ড্রোন ভূপাতিত করায় ইরানকে নিশ্চিহ্ন করে ফেলা হবে। কিন্তু পরক্ষণেই প্রতিশোধ নেওয়া থেকে সরে আসেন। নিজের কট্টরপন্থী জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টনকে বরখাস্ত করার যে সিদ্ধান্ত ট্রাম্প নিয়েছেন, তা এই ধারণার পালে হাওয়া দিয়েছে যে, ট্রাম্প কোনো যুদ্ধ চান না। তবে অনেকের আশঙ্কা দুর্ঘটনাবশত ঠিকই যুদ্ধে জড়াবেন ট্রাম্প।
আরব আমিরাতি নেতারা এখন নিজেরাই ভাবছেন আদৌ এই প্রেসিডেন্টের ওপর বিশ্বাস করা যায় কিনা। পারস্য উপসাগরে বেশ কয়েকটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা হলেও, আমিরাত সরাসরি ইরানকে দায়ী করা থেকে বিরত থেকেছে। এরপর সবার অলক্ষে ইরানে কূটনৈতিক প্রতিনিধি দল পাঠিয়েছে। পাশাপাশি ইয়েমেন থেকে নিজেদের বেশিরভাগ সেনা সরিয়ে নিয়েছে আমিরাত।
সৌদি আরবও কি একই পদক্ষেপ নেবে? ২০১৫ সাল থেকে ইয়েমেনে তারা এক ধ্বংসাত্মক যুদ্ধে লিপ্ত। উদ্দেশ্য ছিল ইরানকে শিক্ষা দেওয়া। সেই শিক্ষা এখন উল্টো তারাই পাচ্ছে। ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি মিলিশিয়ারা গত সপ্তাহে সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দায় শিকার করেছে। কেউই এই দাবি অতটা গুরুত্বের সঙ্গে আমলে নিচ্ছে না। কিন্তু এটিও সত্য হুতি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের দিকে ড্রোন ও মিশাইল হামলা ক্রমেই বাড়িয়েছে। সৌদিরা হয়তো এই উপলব্ধিতে আসতে বাধ্য হবে যে, কেবল কূটনীতির মাধ্যমেই এই যুদ্ধ সমাপ্তির দিকে আসবে।
ট্রাম্প হয়তো এখনও উপসাগরীয় দেশগুলোর এই আশা পূরণ করতে পারেন যে, তিনি ইরানকে নমনীয় করতে পারবেন। কিন্তু ট্রাম্পের নিষ্ক্রিয়তার কারণে হয়তো তারা একেবারে ভিন্ন একটি উপলব্ধিতেও পৌঁছাবে। তা হলো, তাদেরকে অবশ্যই আমেরিকান সাহায্য ছাড়াই ইরানকে মোকাবিলা করতে শিখতে হবে।
>>>লেখক: রবার্ট এফ. ওর্থ মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমসের সাবেক প্রতিবেদক। তার এই নিবন্ধ নিউ ইয়র্ক টাইমসের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পরিবেশ দূষণ: আমিনবাজার ল্যান্ডফিলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার নামে দূষণ করছে সিটি করপোরেশন?
![]() |
| আমিনবাজার ল্যান্ডফিল: বর্জ্য ব্যবস্থাপনার নামে পরিবেশ দূষণ? |
পানিতে ময়লা ফেলে পরিবেশসম্মত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সম্ভব?
![]() |
| আমিনবাজারের বর্জ্যের স্তুপ উচ্চতায় নয় মিটার যা প্রায় একটি দোতলা বাড়ির সমান |
বাড়ছে বর্জ্যের পরিমাণ
![]() |
| ল্যান্ডফিল থেকে ময়লা উপচে পড়ছে এখানকার পানিতেও |
![]() |
| বাংলাদেশ পরিবেশ আইনজীবি সমিতি (বেলা) এর প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সমুদ্রপৃষ্ঠে উচ্চতা বৃদ্ধি বাংলাদেশের জীবনযাত্রাকে অসম্ভব করে তুলছে

এতে কৃষিকাজ অসম্ভব হয়ে উঠেছে। লবণাক্ত পানির সঙ্গে বিভিন্ন রকম শস্য বা ফসল উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছে না। এক্ষেত্রে কৃষকদের পেশা পরিবর্তন করার সুযোগও সীমিত।
তাহলে সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা মানুষদের জন্য কি করা যেতে পারে; যারা বাংলাদেশের গ্রামে বসবাসকারী ধান উৎপাদনকারী কৃষক?
ঐতিহ্যগতভাবে বাংলাদেশী মানুষ কাজ করেন মৌসুমি বন্যার আগে-পরে। বছরের নির্দিষ্ট কিছু সময় তারা কৃষিকাজ করেন। পানির স্তর বৃদ্ধি পেলে আবার তারা জমিজমা থেকে সরে আসেন। আর জমিগুলো অকেজো হয়ে পড়ার কারণে তারা শহরমুখী হন কাজের সন্ধানে।
এই শতাব্দীর শেষ নাগাদ বাংলাদেশ উপকূলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ১.৫ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাবে বলে ধারণা করা হয়। সমুদ্রপৃষ্ঠের উঠানামার সঙ্গে সঙ্গে এতে মৌসুমী কার্যক্রম চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এখন প্রতি দশকে একবার বিপর্যয় সৃষ্টিকারী ঝড় ও অস্বাভাবিক জলোচ্ছ্বাস হয়। কিন্তু ২১০০ সাল নাগাদ এ ঘটনা প্রতি বছর নিয়মিতভাবে তিন থেকে ১৫ বার ঘটতে পারে। এর ফল হিসেবে গ্রামে বসবাসকারী মানুষকে পছন্দ বেছে নেয়া কঠিন হবে। হয়তো তাদেরকে উপায় পরিবর্তন করতে হবে। জীবনধারা পরিবর্তন করতে হবে। অন্য কোথাও তাদেরকে খুঁজতে হবে কাজ এবং থাকার স্থান।
যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও স্টেট ইউনিভার্সিটির অর্থনীতিবিদ চেন বলেন, জলবায়ু অধিক পরিমাণে অস্থিতিশীল হয়ে পড়ছে। তাই আমরা উচ্চ হারে ঘন ঘন অভিবাসন দেখছি। আগে যেখানে আমরা অভিবাসন দেখেছি বার্ষিক বন্যা অথবা নদীর তীর ভাঙনের জন্য, এখন আমরা দেখতে পাচ্ছি লবণাক্ত পানি জনপদে ঢুকে পড়ছে। আর তাতে দীর্ঘমেয়াদে পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এর ফলে ফসল উৎপাদন কঠিন হয়ে উঠছে। কারণ, লবণাক্ত পানির জন্য জমির প্রকৃতি স্থায়ীভাবে পাল্টে যাচ্ছে। তিনি বলেন, আগের দিনে মানুষ শহরে যেতেন দু’চার মাস কাজ করার জন্য, যখন বন্যা হতো। বন্যার পানি সরে যাওয়ার পর তারা শহর থেকে ফিরে যেতেন। কিন্তু এখন আর তা সম্ভব নয়। কারণ, মানুষ বুঝতে পারছে যে, গ্রামে ফিরে যাওয়া কোনো নির্ভরযোগ্য উপায় নয়।
কিছু মানুষের জন্য লবণাক্ত পানি সুযোগ নিয়ে আসে। যেখানে এক সময় ধান উৎপাদন হতো, এখন সেখানে চিংড়ি চাষ হচ্ছে। মাছ চাষের জন্য যথাযথ পরিবেশ সৃষ্টি করে দিচ্ছে লবণাক্ত পানি। তাই চেন বলেন, কৃষি উৎপাদন থেকে পেশা পরিবর্তনকারী মানুষের দিকে যখন আমরা তাকাই তখন মনে হয় তারা ভাল উৎপাদন করে যাচ্ছে মৎস্য খাত থেকে। এতে মনে হয় তারা মোটামুটি ভাল আছেন। কিন্তু তারা এই যে মোটামুটি ভাল আছেন, তা ভবিষ্যতে টেকসই হওয়া প্রয়োজন। এই মৎস্য চাষ কিভাবে টেকসই হবে? যদি বিপুল পরিমাণ মানুষ পেশা পরিবর্তন করে এদিকে ঝোঁকেন এবং যদি অধিক হারে লবণাক্ত পানি প্রবেশ করে তাহলে তাতে নতুন সমস্যা সৃষ্টি হবে। মানুষ বুঝতে পারবে না এমনভাবে অর্থনীতি পাল্টে যাবে।
(অনলাইন বিবিসিতে প্রকাশিত দীর্ঘ নিবন্ধের সংক্ষিপ্তসার)
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শামীম ঘুষ দিতো ডলারে by শুভ্র দেব

অনুসন্ধানে জানা গেছে, টেন্ডারবাজ গোলাম কিবরিয়া শামীম, যুবলীগ দক্ষিণের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া ও পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসানের ভয়ে গণপূর্ত অধিদপ্তরের ঠিকাদার থেকে শুরু করে কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও তটস্থ থাকতেন। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর শামীমের দৌরাত্ম শুরু হয়। এর আগে সে শিক্ষা ভবন কেন্দ্রীক টেন্ডারবাজি করত। তখন তাকে শেল্টার দিত জিসান। প্রথম দিকে জিসানের ভয়ভীতি দেখিয়ে ছোটখাটো টেন্ডার ছিনিয়ে নিত। কিন্তু ধীরে ধীরে জিসানের ছত্রছায়ায় হয়ে উঠে বেপয়োয়া। জিসানের নির্দেশ ও তার ক্যাডার বাহিনীকে কাজে লাগিয়ে আধিপত্য বিস্তার করার চেষ্টা করে। এ কাজে সে সফলও হয়ে যায়। অস্ত্রের ভয়ভীতি দেখিয়ে সে তার উদ্দেশ্য হাসিল করে নিত। তার কাজে যদি কোনো ঠিকাদার বা সংশ্লিষ্ট অফিসের কোনো কর্মকর্তা বাধা হয়ে দাঁড়াতেন তাকে বিদেশ থেকে জিসানই ফোন দিয়ে হত্যার হুমকি দিত। প্রাণের ভয়ে কেউ আর কথা বলত না। এভাবেই ধীরে ধীরে সে টেন্ডারবাজ শামীম হিসাবে পরিচিতি লাভ করে। তবে ২০১৩ সালের পর যুবলীগ দক্ষিণের প্রভাবশালী নেতার ছত্রছায়ায় সে আরও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠে। এরপর থেকে তার আর পেছনে তাকাতে হয়নি। যুবলীগ দক্ষিণের ওই দুই নেতা ছাড়াও কেন্দ্রীয় কমিটির নেতাদের নাম ভাঙ্গাত শামীম। নিজেকে কখনও যুবলীগ আবার কখনও আওয়ামী লীগ নেতা হিসাবে পরিচয় দিত।
অনুসন্ধানে জানা যায়, শামীম গণপূর্তের টেন্ডার নিয়ন্ত্রণের জন্য ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবশালী নেতা থেকে শুরু করে পূর্ত মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, গণপূর্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের নিয়ে বড় ধরনের একটি সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছিল। এই সিন্ডিকেটের সদস্যরাই শামীমকে কাজ পাইয়ে দিতো। এজন্য অবস্থান বুঝে সবার জন্যই ঘুষের ব্যবস্থা থাকত। সূত্র জানিয়েছে, গণপূর্তের টেন্ডার যেন শামীমকে পাইয়ে দেবার জন্যই তৈরি করা হত। প্রধান প্রকৌশলী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা টেন্ডারের শর্তাবলী এমনভাবে তৈরি করতেন অনেক বড় ও অভিজ্ঞ ঠিকাদাররা শর্তাবলী পড়েই আনফিট হয়ে যেতেন। এভাবে দিনের পর দিন কাজ না পেয়ে দীর্ঘদিন ধরে ঠিকাদারি করা প্রতিষ্ঠানগুলো এখন বন্ধ হওয়ার উপক্রম। অনেক ঠিকাদার গত কয়েক বছর ধরে কেনো কাজ পাননি। গতকাল সরজমিন পূর্ত অধিদপ্তরে গিয়ে একাধিক ঠিকাদারের সঙ্গে কথা বলে শামীমের দৌরাত্মের অনেক বিষয় উঠে এসেছে। এছাড়া ঠিকাদারদের দীর্ঘ দিনের ক্ষোভের বিষয়টিও প্রকাশ পায়। প্রায় দেড়শতাধিক নিবন্ধিত ঠিকাদারদের নিয়ে গঠিত বাংলাদেশ গণপূর্ত ঠিকাদার এসোসিয়েশন। টেন্ডারবাজ শামীমের কারণে এখানকার অনেক ঠিকাদারের ব্যবসা বন্ধ হওয়ার উপক্রম। র্যাবের হাতে শামীম আটক হওয়ার খবরের পর এই ঠিকাদাররা এখন নতুন করে স্বপ্ন দেখছেন। কাজ না থাকায় অনেক ঠিকাদারই এতদিন গণপূর্তের অফিসে আসেননি। কিন্তু গতকাল রোববার থেকে এসব ঠিকাদারদের আনাগোনা বেড়েছে। সবার মুখে এখন শুধু শামীমের নানা অপকর্মের কথা।
বাংলাদেশ কন্ট্রাক্টরস এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এসএম শাহ আলম মানবজমিনকে বলেন, গত কয়েক বছর ধরে গণপূর্তের ঠিকাদারিতে একক নিয়ন্ত্রণ ছিল। এই সমিতিতে দেড় শতাধিক ঠিকাদার রয়েছেন। অথচ গণপূর্তের বড় কোনো টেন্ডার হলে কোনো ঠিকাদারই জানত না। বছরের পর বছর ধরে এখানকার ঠিকাদাররা বেকার সময় কাটাচ্ছে। প্রধান প্রকৌশলী ও আরও কিছু কর্মকর্তার সঙ্গে যোগসাজশ করে জি কে বিপিএলের শামীম ও তার ঘনিষ্টরা সব কাজ ভাগিয়ে নিত। এমনকি ছোট ছোট কাজও প্যাকেজ তৈরি করে বড় অংকের টেন্ডার বানিয়ে শামীম নিয়ে যেত। পরে সেগুলো ভাগ করে তার ঘনিষ্টদের দিত। এসবের পেছনে মোটা অংকের ঘুষ লেনদেন হতো। শামীমের কাছ থেকে ঘুষ নিয়ে সাবেক কয়েকজন প্রধান প্রকৌশলী হাজার কোটি টাকার মালিক হয়ে গেছেন। তারা দেশে বিদেশে বাড়ি কিনেছেন। তিনি বলেন, কয়েক বছর ধরে গণপূর্তের টেন্ডারের দরপত্র আহবানের ক্ষেত্রে কিছু শর্তাবলী যোগ করে দিতো যাতে করে শামীমের প্রতিষ্ঠান ছাড়া অন্য প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করতে না পারে।
গণপূর্তের একাধিক নিবন্ধিত ঠিকাদার মানবজমিনকে বলেন, গণপূর্তে প্রধান প্রকৌশলী হিসাবে গত কয়েক বছর ধরে যারাই আসছেন তারা তাদের আত্মীয় স্বজন ঠিকাদারদেরকে কাজ পাইয়ে দিচ্ছেন। ছোটখাটো কাজ পাওয়ার আশা নাই। শামীম ঠিকাদারদের অফিসে কখনই আসেনি। অথচ ২০০৯ সাল থেকে সে টেন্ডার নিয়ন্ত্রণে আধিপত্য বিস্তার করে আসছে। যুবলীগের কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম ও দলের নাম ভাঙ্গিয়ে সে কাজ ভাগাচ্ছে। বিনিময়ে ওই নেতাদেরকে দিচ্ছে বড় অংকের টাকা। যখন কোনো কিছুতেই কাজ হয়না তখন সে শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসানকে দিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ফোন করায়। জিসান ফোন দিয়ে বলে দিলে আর কোনো কাজ আটকায় না। তিনি বলেন, টেন্ডারবাজিতে শামীম যে কত হাজার কোটি টাকার মালিক হয়েছে তার হিসাব নাই। ঢাকা শহরের কত জায়গায় যে তার ভবন, প্লট, ফ্ল্যাট আছে। নন্দী পাড়া ও আশে পাশের এলাকায় শত বিঘা জমি আছে।
বালিশকাণ্ডে শামীম: রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুত কেন্দ্রের কর্মকর্তাদের জন্য তিন হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে গ্রিন সিটি আবাসন পল্লী নির্মাণ করা হচ্ছে। এখানে ২০ তলা ও ১৬ তলার মোট ২০টি ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এসব ভবনের নির্মানের কাজের নিয়ন্ত্রণ ছিল শামীমের হাতে। বেশ কিছু কাজ তিনি নিজে করেছেন। অভিযোগ আছে কমিশন নিয়ে কয়েকটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে এসব ভবনের বেশ কিছু কাজ পাইয়ে দিয়েছেন শামীম। আর কাজ পাইয়ে দেয়ার জন্য সাবেক এক মন্ত্রী, একজন সচিব, সাবেক এক প্রধান প্রকৌশলী ও গণপূর্তের আরেক প্রকৌশলীকে দিয়েছেন মোট টেন্ডার মূল্যের তিন শতাংশ টাকা। এছাড়া তার সিণ্ডিকেটের প্রভাবশালী নেতাদেরকে আরও কিছু কমিশন দিয়েছেন।
সূত্র বলছে, কাজ ভাগিয়ে নিয়ে শামীম কমিশনের ভিত্তিতে অন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেন। কিছু কাজ তিনি নিজেই করেছেন। বিশেষকরে নির্মিত ভবনে আসবাবপত্র সরবরাহের কাজটি শামীম নিজেই করেছেন। এদিকে আবাসিক ভবনে আসবাবপত্র সরবরাহে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল কয়েকমাস আগে। আসবাবপত্র কেনা থেকে শুরু করে ভবনের উপরে উঠানো পর্যন্ত কয়েকগুন খরচ বেশি দেখানো হয়েছিলো। পত্রিকায় এধরনের রিপোর্ট প্রকাশ হওয়ায় এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। তোপের মুখে পড়ে সংশ্লিষ্টরা। পূর্ত মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিব ও পূর্ত অধিদপ্তরের একজন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীকে প্রধান করে দুটি কমিটি গঠন করা হয়। দুই কমিটিই ঘটনার তদন্ত করে সত্যতা পায়। কমিটি এ ঘটনায় ৩৪ জনকে দায়ী করে। ৩৬ কোটি ৪০ লাখ টাকার গড়মিল পায়। তদন্ত কমিঠির প্রতিবেদন জমা দেয়ার পর মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিলো ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানই এই টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।
টাকা পাচার হতো বিদেশে: এদিকে রিমাণ্ডে ডিবি কর্মকর্তাদের কাছে যুবলীগ নেতা খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া জানিয়েছেন ক্যাসিনো, চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজির টাকা পাঠাতেন বিদেশে পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসানের কাছে। এই তিনটি ক্ষেত্রেই জিসানের সম্পৃক্ততা ছিল। তাই এসব ক্ষেত্র থেকে আসা টাকার একটি অংশ প্রথমে মধ্যেপাচ্যের একটি দেশের ব্যাংকে পাঠানো হত। সেখানে এই টাকা রিসিভ করত পলাতক আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী নাদিম। পরে সেই টাকা পৌঁছে যেত জার্মানিতে থাকা জিসানের কাছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের সূত্র বের হবে আশাবাদী বৃটেন

এক প্রশ্নের জবাবে হাইকমিশনার বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের ভুক্তভোগী কেবল বাংলাদেশ নয়, এটি বৈশ্বিক সংকটও বটে। এ থেকে পরিত্রাণে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় নানা উপায়ে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রচেষ্টার সঙ্গে বৃটেনও রয়েছে। তিনি বলেন, সংকটের সমাধানে হয়ত কিছু সময় লাগছে। কিন্তু তার দেশ আশাবাদী নিশ্চয়ই এর একটি শান্তিপূর্ণ এবং টেকসই রাজনৈতিক সমাধান হবে। জনবহুল বাংলাদেশের জন্য অতিরিক্ত ১১ লাখ রোহিঙ্গা বড় বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে তারা এখানে অস্থায়ী আশ্রয়ে রয়েছে। বড় আয়তন ও অর্থনৈতিকভাবে ধনী কোন দেশে কিছু রোহিঙ্গাকে স্থানান্তর করা যায় কি-না? এ বিষয়ে বৃটেনের মতামত চাওয়া হলে হাই কমিশনার সাংবাদিকদের বলেন, এ ধরনের সিদ্ধান্তের বিষয় একক কোন দেশের উপর নির্ভর করে না। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সম্মিলিতভাবেই এ বিষয়ে ভাবতে হবে।
তবে সংকটের সবচেয়ে গ্রহনযোগ্য সমাধান হচ্ছে রোহিঙ্গাদের মাতৃভূমি রাখাইনে নিরাপত্তা ও মর্যাদার সঙ্গে ফিরে যাওয়া এবং সেখানে তাদের নির্বিঘ্ন বসবাস নিশ্চিত করা। বৃটেন সেই লক্ষ্যই কাজ করছে। এ সংক্রান্ত সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে ইউকে এইড প্রধান বলেন, রোহিঙ্গা ফুটবল নয়। তাদের স্থানান্তর নিয়ে ঠেলাধাক্কার বিষয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। রোহিঙ্গাদের জন্য রাখাইনে ‘সেফ জোন’ প্রতিষ্ঠা সংক্রান্ত বাংলাদেশের প্রস্তাব যেটি প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের ৭২তম অধিবেশনে দু’বছর আগে দিয়ে রেখেছেন (এটি এখনও প্রাসঙ্গিক বলে মনে করে ঢাকা) এ বিষয়ে বৃটেনের অবস্থান কি? হাই কমিশনার ডিকসন বলেন, ‘সেফ জোন’ প্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় উদ্যেগী হলে বৃটেন সঙ্গে থাকবে। তবে অতীত অভিজ্ঞতা বলছে, এমন উদ্যোগ জটিল ও সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। কক্সবাজারস্থ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কিছু এনজিও’র প্রশ্নবিদ্ধ কার্যক্রম সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে হাই কমিশনার বলেন, এনজিওগুলো জরুরী মানবিক সহায়তা নিশ্চিতে ভূমিকা রাখছে। তাদের ভূমিকা ক্যাম্পে অবস্থারতদের জরুরী স্বাস্থ্য সেবা, শিক্ষাসহ মানবিক চাহিদা পূরণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকা উচিত। সংবাদ ইউকে-এইড বাংলাদেশের প্রধান বলেন, ২০১৭ সাল থেকে বৃটেনের পক্ষ থেকে রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলায় যে সহায়তা দেয়া হয়েছে নতুন ঘোষণায় সেটি ২২৬ মিলিয়ন পাউন্ডে দাঁড়ালো।
৮৭ মিলিয়ন পাউন্ডের অতিরিক্ত সহায়তার ওই অর্থ রোহিঙ্গাদের মানবিক চাহিদার পাশপাশি রোহিঙ্গা সংকটের কারণে প্রভাবিক কক্সবাজারের স্থানীয় জনগণের জীবনে স্থিতিশীলতা নিশ্চিতে সহায়ক হবে। অতিরিক্ত এ অর্থায়ন রোহিঙ্গাদের খাদ্য, স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন, যৌন সহিংসতার শিকার ব্যক্তিদের সহায়তা ও কাউন্সেলিং প্রদান এবং অসহায় ব্যক্তিদের সুরক্ষা নিশ্চিত করবে। সংবাদ সম্মেলনে দেয়া লিখিত বক্তব্যে বৃটিশ সরকারের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিষয়ক সেক্রেটারি অলক শর্মার বক্তব্য তুলে ধরে বলা হয়, রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী যে মানবিক সংকটের সম্মুখীন হয়েছিল তার আকার পরিমাপ করা খুব কঠিন। ভয়াবহ নির্যাতনের সম্মুখীন হয়ে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা তাদের আবাসস্থল ছেড়ে পালিয়ে আসতে বাধ্য হন। বৃটিশ হাই কমিশনার রবার্ট ডিকসন এ প্রসঙ্গে বলেন, বৃটেন ও বাংলাদেশের মাঝে একটি দৃঢ় ও টেকসই অংশীদারিত্ব বিদ্যমান যা বাংলাদেশের মধ্যম আয়ের দেশ হয়ে ওঠার রূপান্তরের সঙ্গে গভীর থেকে গভীরতর হচ্ছে। রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ সরকার ও জনগণ যে অসাধারণ উদারতা এবং মানবতা প্রদর্শন করেছে আমরা ব্যাপকভাবে তার প্রশংসা করি- যোগ করেন হাই কমিশনার। বলেন, আমাদের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত এ সংকটের সমাধান বের করা, যেন রোহিঙ্গারা নিরাপত্তা ও মর্যাদার সঙ্গে স্বেচ্ছায় মিয়ানমারে ফিরে যেতে পারে। তাদের ফিরে যাওয়ার যথাযথ পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করতে বৃটেন অঙ্গীকারাবদ্ধ।
বৃটেনের অতিরিক্ত ৮৭ মিলিয়ন পাউন্ড সহায়তায় যা হবে: সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়- কক্সবাজারের হাজারো অসহায় বাংলাদেশি পরিবারের জন্য ২০ মিলিয়ন পাউন্ডের অধিক সহায়তা; সাড়ে ৪ লাখের অধিক রোহিঙ্গা শরণার্থীর সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ, বিশেষ করে সেই সব রোহিঙ্গা নারী ও শিশু যারা যৌন সহিংসতা, অপহরণ ও পাচারের শিকার; ২৭টি প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ও ভ্রাম্যমাণ ক্লিনিকের মাধ্যমে ৫ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে চিকিৎসা পরামর্শ প্রদান; আড়াই লাখের বেশি শরণার্থী এবং কক্সবাজারের ৫ লাখের বেশি স্থানীয়দের জন্য নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশনের ব্যবস্থা; এক বছরের জন্য ১ লাখ শরণার্থীর মৌলিক খাদ্য চাহিদা পূরণ এবং খাদ্য সুরক্ষিত রাখার জন্য দেড় লাখ পরিবারকে কন্টেইনার প্রদান এবং স্থানীয় বন উজাড় ঠেকাতে ৩১ হাজার পরিবারকে রান্নার জন্য গ্যাসের সুবিধা প্রদান।
উল্লেখ্য, বৃটেনের সহায়তায় কক্সবাজারে যেসব উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে তা দেখতে আগামী সপ্তাহে দেশটির সরকারের একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দলের বাংলাদেশ সফরের কথা রয়েছে। প্রতিনিধি দলটির সফরের বিস্তারিত এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মতিঝিল যেন ক্যাসিনো পল্লী

বিকেল ৩টা ২০ মিনিটে এই অভিযান শুরু হয়। পুলিশের মতিঝিল বিভাগের এডিসি শিবলি নোমান বলেন, আমাদের কাছে তথ্য ছিল। তথ্য পেয়েই আমরা অভিযানের সিদ্ধান্ত নেই। আরামবাগ ক্লাবে গিয়ে দেখা যায় তালা ঝুলছে। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন। তালা ভেঙ্গে ভেতরে প্রবেশ করে অভিযান চালানো হয়। ভিক্টোরিয়া ক্লাবে অভিযানে মেলে নগদ ১ লাখ টাকা, মদ, বিয়ার, সীসা, জুয়া ও ক্যাসিনোর অবৈধ সরঞ্জাম। মতিঝিল জোনের ডিসি আনোয়ার হোসেন জানান, ক্লাবের ভেতরের পরিবেশ দেখে মনে হচ্ছে এখানেও নিয়মিত ক্যাসিনো বসত। আমাদের কাছে খবর আসা মাত্রই আমরা অভিযানে আসি। এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, চারটি ক্লাবই পুলিশের নাকের ডগায় ছিল, এটা অস্বীকারের কোনো উপায় নেই। এখান থেকে যাদের নাম আসবে তারা যতই প্রভাবশালী হোক, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। অভিযানে থাকা ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মতিঝিল বিভাগের সহকারী কমিশনার মিশু বিশ্বাস বলেন, ৯টি ডিজিটাল বোর্ড পাওয়া গেছে। ক্যাসিনো পাওয়া গেছে। সুসজ্জিত ও অত্যাধুনিক সুবিধাসম্পন্ন হলরুমে জুয়া খেলার ব্যবস্থা ছিল। অভিযানে ৯টি ক্যাসিনোর পাশাপাশি অসংখ্য জুয়া খেলার বোর্ডও পাওয়া গেছে। ক্লাবটি থেকে নগদ ১ লাখ টাকাও জব্দ করা হয়েছে।
ঐতিহাসিক মোহামেডানে দেখা মেলে ভয়ংকর চিত্র। আধুনিক সব সরঞ্জাম। লাখ টাকার টোকেন থেকে শুরু করে ১০ হাজার টাকার টোকেন। দেয়ালে নির্দিষ্ট করে লেখা খেলার নিয়ম। সর্বনিম্ন ১০ হাজার টাকার টোকেন। আর আছে ভিআইপি বোর্ড। যেখানে খেলার জন্য দিতে হয় সর্বনিম্ন দেড় লাখ টাকা। আর এসব ভিআইপি ক্যাবিনের জন্য আছে ভিআইপি পাস। ক্যাশ কাউন্টারে মিলে লিস্ট। একটি পাতা বিশ্লেষণ করে দেখা যায় ২০ জনের টাকার লেনদেনের হিসেব। যাতে মেলে সর্বোচ্চ ২০ লাখ ৮০ হাজার টাকার চিপস ও সর্বনিম্ন ৭০ হাজার টাকার চিপস কিনেছেন সেই ব্যক্তি। মোট ২০ জন কিনেছেন ১ কোটি ৩ লাখ ৪০ হাজার টাকার চিপস। এই দিনে ৮০ জনের অধিক লোক ক্যাসিনোতে আসেন। মোহামেডানে মেলে ডিজিটাল গেমিং মেশিন ১২ টা, মেন্যুয়াল বোর্ড ৯টি, ১০ টি ছোড়া, ওয়াকিটকি ১২ টি, ২ টি সিন্দুক, রোলিং বল ৬ টি, অসংখ্য চিপস-প্লেয়িং কার্ড। কার্ডগুলো ছিলো অনেক আধুনিক মানের। একটিতে আগুন লাগানোর চেষ্টা করা হলেও সেটিতে আগুন ধরেনি। ৪ টি ক্লাবেই দ্রব্যাদি সরিয়ে ফেলার দৃশ্য দেখা গেছে। মোহামেডানে দেখা যায় সরিয়ে ফেলা হয়েছে বিভিন্ন ছবি, ফ্রিজ। আর মেঝের ধুলা দেখে মনে হয় অনেক সিন্ধুক সরিয়ে ফেলা হয়েছে।
এদিকে পুলিশ প্রথমে অভিযান চালায় দিলকুশা ক্লাবে। ফকিরাপুল ও ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের অভিযানে আগেই সর্তক থাকায় দিলকুশা ক্লাবে কাউকে পাওয়া যায়নি। তবে ক্লাবটি থেকে ক্যাসিনো খেলার বোর্ডের পাশাপাশি নানা সামগ্রী উদ্ধার করেছে পুলিশ। অভিযানের কথা টের পেয়ে আগেই বিদ্যুতের লাইন কেটে রাখা হয়েছিল আরামবাগ ক্লাবে। বিদ্যুৎ না থাকায় ঘুটঘুটে অন্ধকার ছিল সেখানে। অন্ধকারে কিছুই দেখা যাচ্ছিল না। তবে সেখানে ক্যাসিনো চলে সেটা বোঝা যাচ্ছিল।
অন্ধকারের কারণে আরামবাগ ক্লাবের ভিতর থেকে ক্যাসিনো খেলার বোর্ড ছাড়া তেমন কিছু উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। দুটি বোর্ড উদ্ধার করেই ক্লাবটিকে সীলগালা করে দেয়া হয়েছে। এই ক্লাবটির সভাপতি ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিনের যুগ্ম সম্পাদক ও ৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মুমিনুল হক সাঈদ। তিনি সভাপতি দিলকুশ ক্লাবেরও। তার মালিকানাধীন দুটি ক্লাবেই ক্যাসিনোর সরঞ্জামাদি উদ্ধার করেছে পুলিশ। ভিক্টোরিয়া ক্লাবের সভাপতি নেসারউদ্দিন আহম্মেদ কাজল ও সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম তুহিন। এই ক্লাবের দায়ীত্বশীলদের দাবি জোড় করে তাদের কাছে ভাড়া নিয়ে এখানে ক্যাসিনো বসানো হয়েছে। কাজটি করেছেন দক্ষিণ যুবলীগের দুই নেতা। একই রকম ভাষ্য দিয়েছেন মোহামেডান স্পোটিং ক্লাবের ডাইরেক্টর ইনচার্জ লোকমান হোসেন ভুইয়া। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের জোরপূর্বক ক্যাসিনোকে ভাড়া দিতে বাধ্য করা হয়েছে। এই ক্যাসিনো কারা চালায় সেটা আমি জানি না। লোক মারফত আমাদের ভাড়ার টাকা দিয়ে যাওয়া হতো। এটা বন্ধে প্রশাসন দৃষ্টি দেয়ায় আমরা সত্যি খুশি। কারণ, ভাড়া হিসেবে দৈনিক যা আসত তা নিয়ে দৈনন্দিন খরচ মেটানো সম্ভব হতো না। খোজ নিয়ে জানাগেছে মোহামেডান ও দিলকুশায় ক্যাসিনো পরিচালনা করতেন নেপালের দুই নাগরিক।
এর আগে বুধবার মতিঝিলে অভিযান চালিয়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূইয়ার নিয়ন্ত্রণাধীন ইয়ংমেন্স ক্লাবে অভিযান চালায় র্যাব। সেখান থেকে বিপুল ক্যাসিনো সামগ্রি, নগদ অর্থ ও মাদক উদ্ধার করা হয়। পরে গুলশানের বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
স্বাস্থ্যের টাকার কুমিরদের ধরতে তৎপর দুদক by মারুফ কিবরিয়া

এরই মধ্যে অবশ্য সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন তাওহীদুর রহমান আত্মসমর্পণ করলে তাকে আদালত কারাগারে প্রেরণ করেন। এছাড়া তার কার্যালয়ের হিসাব রক্ষক আনোয়ার হোসেন আত্মসমর্পণ করেন। তবে, এ পর্যন্ত দুর্নীতির অভিযোগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের যে কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে তারা কেউ গ্রেপ্তার হননি। বিশেষ করে, চলতি বছর আলোচিত হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আবজাল হোসেন ও তার স্ত্রী রুবিনা খাতুনের কোনো হদিস পাওয়া যায়নি। দুর্নীতির মাধ্যমে অঢেল সম্পদের মালিক হওয়া এই দম্পতির বিরুদ্ধেও মামলা করেছে দুদক।
এ বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য জানান, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রক্রিয়াধীন। তাছাড়া যাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে কেউ দুদকের চোখকে ফাঁকি দিতে পারবে না। দুদক এ বিষয়ে বেশ তৎপর।
দুদকের একটি সূত্র জানায়, এখন পর্যন্ত দুর্নীতির মামলায় আসামিরা ছাড়াও সংস্থাটির নজরে স্বাস্থ্যের আরো ডজনখানেক কর্মকর্তা-কর্মচারি রয়েছেন। যাদের বিরুদ্ধে টেন্ডার ও নিয়োগ বাণিজ্যসহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধেও অনুসন্ধান চলছে।
সূত্র জানায়, গত এপ্রিল মাস থেকে এখন পর্যন্ত স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার মালিক হওয়ার অভিযোগে ২৫ জনের বিরুদ্ধে পৃথক মামলা করেছে দুদক। এর মধ্যে কক্সবাজার মেডিকেলে দুর্নীতির দায়ে আবজাল দম্পত্তিসহ ১০ জন, সাতক্ষীরায় সিভিল সার্জনসহ ৯জন এবং রংপুর মেডিকেলের অধক্ষ্যসহ ৬জন রয়েছেন।
গত ২৬শে এপ্রিল কক্সবাজার মেডিকেল কলেজে অপ্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি কিনে সরকারের সাড়ে ৩৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মেডিকেল এডুকেশন শাখার সাবেক হিসাবরক্ষক আবজাল ও তার স্ত্রীসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক শহিদুর রহমান বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন-কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক ডা. মো. রেজাউল করিম (অবসর), অধ্যাপক ডা. সুবাস চন্দ্র সাহা, চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্য জনশক্তি উন্নয়ন এবং লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল রশিদ, রহমান ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের মিসেস রুবিনা খানম, কক্সবাজার জেলার হিসাবরক্ষক কর্মকর্তা সুকোমল বড়ুয়া, এসএএস সুপার সুরজিত রায় দাস (অবসরপ্রাপ্ত), কক্সবাজার জেলার হিসাবরক্ষক কর্মকর্তা পংকজ কুমার বৈদ্য, কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের হিসাবরক্ষক হুররমা অকতার খুকী, চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্য জনশক্তি উন্নয়নের সাবেক উচ্চমান সহকারী মো. খায়রুল আলম (বর্তমানে প্রধান সহকারী)। দুদক জানায়, অনুসন্ধানে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজে সরবরাহকৃত যন্ত্রপাতি ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি ক্রয় সংক্রান্ত বিভিন্ন অনিয়মের বিষয়ে আবজাল হোসেনের স্ত্রী রুবিনা খানমের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান রহমান ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের সংশ্লিতা পাওয়া যায়। রহমান ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল ২০১৬-১৭ ও ২০১৭-১৮ অর্থবছরে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজে সরবরাহকৃত যন্ত্রপাতি ও অন্যান্য সরঞ্জাম যাচাই করে ওই অনিয়মের তথ্য পায় দুদক।
এই মামলায় আসামি দশজন হলেও বিশেষ করে আবজাল হোসেন ও তার স্ত্রী রুবিনা খানমের অঢেল সম্পদের তথ্য ফাঁস হওয়ায় সবচেয়ে বেশি নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। দুদকের তথ্য মতে, এই দম্পতির নামে উত্তরা ১৩ নম্বর সেক্টরের ১১ নম্বর সড়কেই তাদের ৪টি পাঁচতলা বাড়ি ও একটি প্লট রয়েছে। ১১ নম্বর সড়কের ১৬, ৪৭, ৬২ ও ৬৬ নম্বর বাড়িটি তাদের নামে। সড়কের ৪৯ নম্বর প্লটটিও তাদের। মিরপুর পল্লবীর কালশীর ডি-ব্লকে ৬ শতাংশ জমি, মেরুল বাড্ডায় আছে আরও একটি প্লট। মানিকদি এলাকায় জমি কিনে বাড়ি করেছেন, ঢাকার দক্ষিণখানে আছে ১২ শতাংশ জায়গায় দোতলা বাড়ি। আবজালের নিজ জেলা ফরিদপুর শহরে টেপাখোলা লেকপাড়ে ফরিদের স’মিলের পাশে নিজে কিনেছেন ১২ শতাংশ জমি। ওই জমির প্রায় পাশাপাশি টেপাখোলায় ওই এলাকার কমিশনার জলিল শেখের আবাসন প্রকল্পে ৬ শতাংশ করে নিজে প্লট কিনেছেন দুটি। ফরিদপুরে ওইসব ভূ-সম্পদ ছাড়াও শহরের গোপালপুর এলাকার বনলতা সিনেমা হলের পাশে মাস্টার কলোনিতে ১৫ শতাংশ জায়গায় একটি একতলা বাড়ি ও ভাড়ায় চালিত ৩০টি সিএনজিচালিত অটোরিকশার মালিক এই আবজাল। রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, গুলশান, বনানী ও বারিধারায় আবজালের বাবা-মা, ভাই-বোন ও নিকট আত্মীয়দের নামে ২০টিসহ সারাদেশে তাদের প্রায় শতাধিক প্লট ও বাড়ি রয়েছে। এছাড়া মালয়েশিয়ায় ২ একর জমি, অস্ট্রেলিয়ায় ট্রাভেল এজেন্সি ব্যবসা-বাড়ি, কানাডায় কেসিনোর মালিকানা-ফার্ম হাউজ এবং যুক্তরাষ্ট্রে হোটেল রয়েছে তার। অ্যাকাউন্টস অফিসার থাকা অবস্থায় আবজাল ব্যবহার করেছেন লেক্সাস গাড়ি। গত ফেব্রুয়ারি মাসে এসব সম্পদের তথ্য ফাঁস হওয়ার পর আদালত এই দম্পতির সব সম্পদ ক্রোক করার আদেশ দেন। সে অনুযায়ী ব্যবস্থাও নেয় দুদক। তবে মামলার ৫ মাস কেটে গেলেও তাদের কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।
এদিকে, গত ৯ই জুলাই হাসপাতালের যন্ত্রপাতি কেনার নামে প্রায় ১৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাতক্ষীরার সাবেক সিভিল সার্জনসহ ৯জনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। এই মামলার অন্য আসামিরা হলেন, সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের তৎকালীন স্টোরকিপার এ কে এম ফজলুল হক, হিসাবরক্ষক আনোয়ার হোসেন, রাজধানীর ২৫/১ তোপখানা রোডের বেঙ্গল সায়েন্টিফিক অ্যান্ড সার্জিক্যাল কোম্পানির কর্ণধার ঠিকাদার মো. জাহের উদ্দিন সরকার, তার ছেলে মো. আহসান হাবিব, জাহের উদ্দিনের বাবা মার্কেন্টাইল ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের কর্ণধার হাজী আবদুস সাত্তার সরকার, তার ভগ্নিপতি ইউনিভার্সেল ট্রেড করপোরেশনের কর্ণধার মো. আসাদুর রহমান, জাহের উদ্দিন সরকারের নিয়োগকৃত প্রতিনিধি কাজী আবু বকর সিদ্দিক ও মহাখালী নিমিউ অ্যান্ড টিসির সহকারী প্রকৌশলী এ এইচ এম আবদুল কুদ্দুস। দুদক জানায়, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করে অসৎ উদ্দেশ্যে পূর্বপরিকল্পিতভাবে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালসহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের যন্ত্রপাতির কোনো ধরনের চাহিদাপত্র না থাকা সত্ত্বেও যন্ত্রপাতি কেনার উদ্যোগ নেন। জাল জালিয়াতি ও প্রতারণার আশ্রয়, অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ করে দরপত্র আহ্বান, দরপত্র সংগ্রহ, দরপত্র মূল্যায়ন ও কার্যাদেশ দিয়ে তিনটি মিথ্যা বিলের বিপরীতে মোট ১৬ কোটি ৬১ লাখ ৩১ হাজার ৮২৭ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।
অপরদিকে, স্বাস্থ্যখাতে দুর্নীতির দায়ে রংপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. নুর ইসলামসহ ৬ জনের বিরুদ্ধেও মামলা করেছে দুদক। ১২ই সেপ্টেম্বর রংপুর জেলা সমন্বিত কার্যালয়ে দায়েরকৃত ওই মামলার অন্য আসামিরা হলেন, রংপুর মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সারোয়াত হোসেন, বেঙ্গল সায়েন্টিফিক অ্যান্ড সার্জিকেল কোম্পানির মালিক মো. জাহের উদ্দিন সরকার, তার পিতা মার্কেন্টাইল ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল এর স্বত্বাধিকারী মো. আব্দুস সাত্তার সরকার, জাহের উদ্দিনের ছেলে আহসান হাবীব এবং বোন জামাই ইউনিভার্সেল ট্রেড করপোরেশনের মালিক আসাদুর রহমান।
দুদক জানায়, রংপুর মেডিকেল কলেজে ভারী যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জামাদির প্রয়োজন না থাকা সত্ত্বেও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনুমোদন না নিয়ে ক্রয়ের উদ্যোগ নেয়া হয়। এজন্য অধ্যক্ষ ডা. মো. নুর ইসলাম কর্তৃক বিধি বহির্ভূতভাবে বিভিন্ন কমিটি গঠন করে এবং যথাযথ চাহিদা ও সুনির্দিষ্টকরণ ছাড়াই দরপত্র আহবান করেন। পরবর্তীতে পছন্দের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘বেঙ্গল সায়েন্টিফিক অ্যান্ড সার্জিক্যাল কোম্পানিকে কার্যাদেশ প্রদান করেন। ২০১৮ সালের ২৩শে জুন কার্যাদেশ প্রদান করেন। কার্যাদেশ প্রাপ্তির পর শর্তানুযায়ী যন্ত্রপাতি সরবরাহ না করলেও নিজে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে বিল পাস করিয়ে ৪ কোটি ৪৮ লাখ ৮৯ হাজার ৩০০ টাকা টাকা আত্মসাৎ করেন। দুদকের অনুসন্ধানে দেখা যায়, আসামিরা শর্তানুযায়ী যন্ত্রপাতি সরবরাহ না করে অপ্রয়োজনীয় ও নিম্নমানের ব্যবহার অনুপযোগী যন্ত্রপাতি সরবরাহ করেছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাড়ির কাজ বন্ধ রাখতে ক্রসফায়ারের হুমকি! by মোহাম্মদ ওমর ফারুক

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রাজধানীর ভাষানটেক এলাকায় ৩১ জনের যৌথ মালিকানার একটি প্লটের নির্মাণ কাজ চলছিল। এই কাজ বন্ধ করতে কয়েকজন মালিকের বিরুদ্ধেও মিথ্যা মামলা দেয়া হয়েছে। স্থানীয় একটি চক্রের যোগসাজশে এ কাজ করেছেন এই কর্মকর্তা। যদিও বিষয়টিতে তিনি ষড়যন্ত্রের গন্ধ দেখছেন।
বিষয়টি নিয়ে ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে পুলিশ সদর দপ্তর ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে ডিএমপি কমিশনার বিষয়টি আমলে নিয়ে তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন। পুলিশের মিরপুর বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার শাহেন শাহ তদন্ত কাজ শুরু করেছেন। গত বৃহস্পতিবার তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এই প্রতিবেদককে। এদিকে আরো একটি অভিযোগ উঠে ওই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। জানা যায়, অভিযোগকারীসহ অন্যদের ডেকে নিয়ে অভিযোগ তুলে নিতে চাপও দিচ্ছেন তিনি। মীমাংসার জন্য চেষ্টা করছেন। তবে অভিযোগকারী জানান, মিরপুরের ডিসির অনুমতি নিয়ে গত বুধবার থেকে বাড়ির কাজ শুরু করেছেন তারা। এই বিষয়ে তিনি আর কথা বলতে রাজি হননি।
পুলিশ সদর দপ্তরে (স্মারক নং-১০৫৬) দেয়া অভিযোগ থেকে জানা যায়, ভাষানটেক থানার টোনারটেক মসজিদের পাশে ৫৮৫-সি নম্বর প্লটে একটি ভবনের নির্মাণকাজ চলছিল। ২০১৪ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর যৌথভাবে ওই জমি কেনেন ৩১ জন। গত বছরের ১৬ই জুলাই তারা নির্মাণকাজ শুরু করেন। এ বছরের ১৮ই এপ্রিল হঠাৎ পল্লবী জোনের সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার এসএম শামীম বাড়ির মালিকদের কাছে একটি চিঠি স্মারক নং-২১৯(২)এসি (পল্লবী জোন) পাঠান। ওই চিঠিতে তিনি বলেন, জহিরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি জমির মালিক পরিচয় দিয়ে অভিযোগ করেছেন। এজন্য বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য বাদী ও বিবাদীদের কাগজপত্র নিয়ে ২২শে এপ্রিল হাজির হতে বলেন এসএম শামীম। তবে এ চিঠি ইস্যুর একদিন পরই নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেন এসি শামীম।
জমির ৩১ মালিকের একজন নটরডেম কলেজের বাংলা বিভাগের প্রভাষক শহীদুল হাসান পাঠান। সবার পক্ষে তিনি পুলিশ সদর দপ্তরে করা আবেদনে বলেন, বাড়ির কাজ বন্ধ না করলে ওই পুলিশ কর্মকর্তা তাদের ক্রসফায়ারে দেয়ার হুমকিও দেন। এ সময় তারা রাজউকের অনুমোদিত নকশা নিয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত ভূমি কমিশনারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। ভূমি কমিশনার জমিতে কোনো সমস্যা নেই বলে জানান। পরে আবারও তারা কাজ শুরু করতে গেলে পুলিশ কর্মকর্তা শামীম ক্ষিপ্ত হন। গত ১৪ই জুন তাদের ৭ জনের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ (নং-৪৯৮) করা হয়। ওই অভিযোগে বলা হয়, গত ২৭শে জুলাই পল্লবীর ৯৫ নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ সভাপতি হাফিজুর রহমান সরদার, এসএম সাদিকুরসহ ৩০-৩৫ জন তাদের সাইনবোর্ড ফেলে দিয়ে নতুন সাইনবোর্ড লাগিয়ে দেন। বাড়ির কাজ করলে মেরে ফেলা হবে বলে হুমকি দেন তারা। মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলহাজতে পাঠানোরও হমকি দেয়া হয়। ওই দিনই মালিকদের কয়েকজন বিষয়টি এসি শামীমকে জানালে তিনি হাফিজুর রহমানের সঙ্গে টাকা-পয়সা দিয়ে মীমাংসা করতে বলেন। তা না হলে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হবে বলে হুমকি দেন। বিষয়টি ওই কর্মকর্তাকে জানালে তিনি বলেন, আপনারা মালিকরা প্রত্যেকে ৩ লাখ টাকা করে ৯০ লাখ টাকা হাফিজকে দিয়ে দেন। এতে রাজি না হওয়ায় পরদিনই মোস্তাফিজুর রহমান নামে স্থানীয় এক ব্যক্তিকে দিয়ে মালিকদের মধ্যে ৫ জনের নামে একটি মামলা করানো হয়। অভিযোগে বলা হয়, পুলিশ কর্মকর্তা শামীম এবং স্থানীয় কাউন্সিলর ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি হাফিজের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা রয়েছে। এসি শামীম নিজেই হাফিজের মাধ্যমে জহিরকে দিয়ে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে কাজ বন্ধ করে রেখেছেন।
পল্লবী জোনের সিনিয়র সহকারী পুলিশ কর্মকর্তা এসএম শামীম বলেন, এটা পুরোপুরি মিথ্যা। বাদী অন্য কারো প্ররোচনায় আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে। তিনি বলেন অভিযোগকারীকে আমি জিজ্ঞেস করেছি আমি আপনাকে ক্রসফায়ারে দেয়ার হুমকি দিয়েছি কিনা। ওই সময় অভিযোগকারী বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। তা ছাড়া অভিযোগকারী অভিযোগটি তুলে ফেলেছেন, আমার সঙ্গে তাদের কথা হয়েছে। আমি চারবার শ্রেষ্ঠ এসি পদক পেয়েছি। আমি এ কাজ করবো কেন?
অভিযোগটির তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা উপ-কমিশনার শাহেন শাহ বিষয়টি স্বীকার করে বলেন বিষয়টি তদন্তাধীন আছে। প্রমাণ পাওয়া গেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা দিয়ে কী তৈরি করা হচ্ছে by মুন্নী আক্তার
![]() |
| জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় |
কিভাবে হলো এতো বড় প্রকল্প?
প্রকল্প অধীনে যা তৈরি হবে
- •প্রতিটিতে ১ হাজার আসন বিশিষ্ট শিক্ষার্থীদের জন্য ৬টি আবাসিক হল।
- •দু'টি খেলার মাঠ।
- •৪ হাজার শিক্ষার্থীর ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন লেকচার থিয়েটার এবং পরীক্ষার হল ভবন।
- •৪ তলা বিশিষ্ট আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়া কমপ্লেক্স।
- •৬ তলা বিশিষ্ট গ্রন্থাগার।
- •একাডেমিক ভবন সম্প্রসারণ।
- •১০ তলা বিশিষ্ট প্রশাসনিক ভবন।
- •১০ তলা বিশিষ্ট আন্তর্জাতিক মানের গেস্ট হাউজ কাম পোস্ট গ্র্যাজুয়েট রিসার্চ হাউজ।
- •শিক্ষক, কর্মকর্তা, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী এবং পরিচ্ছন্ন কর্মীদের জন্য ১১তলা বিশিষ্ট আবাসিক টাওয়ার।
- •বৈদ্যুতিক লাইন সম্প্রসারণ এবং ট্রান্সফরমার স্থাপন।
- •পথচারীদের জন্য নান্দনিকতাপূর্ণ নিরাপদ রাস্তা।
'সবচেয়ে অস্বচ্ছ প্রকল্প'
![]() |
| উন্নয়ন প্রকল্প পাস হওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েব সাইটে এ সম্পর্কিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয় |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দক্ষিণ কোরিয়ার শ্রমবাজার: বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য কি সংকুচিত হয়ে পড়ছে?
যেভাবে দক্ষিণ কোরিয়ায় কর্মী নিয়োগ হয়
![]() |
| দক্ষিণ কোরিয়ায় বিদেশি কর্মীদের মধ্যে সংখ্যার দিক থেকে একসময় বাংলাদেশের কর্মীরা শীর্ষে থাকলেও এখন সেই স্থান নিয়েছে নেপাল ও ভিয়েতনামের কর্মীরা |
![]() |
| দক্ষিণ কোরিয়ার কারখানায় বিভিন্ন দেশের অনেক শ্রমিক কাজ করেন, যাদের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশিরাও |
দক্ষিণ কোরিয়ায় কর্মী নিয়োগের এখন কী অবস্থা?
![]() |
| ঢাকায় বাংলাদেশ কোরিয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে কোরিয়ান ভাষার পাঠদান চলছে |
কী বলছেন বাংলাদেশের কর্মকর্তারা?
![]() |
| দক্ষিণ কোরিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীদের সঙ্গে এমপ্লয়মেন্ট পয়েন্ট সিস্টেম নিয়ে মতবিনিময়ে করছেন দূতাবাসের কর্মকর্তারা |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
৭২ হাজার নারী ফিস্টুলায় আক্রান্ত: ভুল অস্ত্রোপচারে বাড়ছে রোগ by ফরিদ উদ্দিন আহমেদ

বিশেষজ্ঞরা জানান, প্রসবজনিত কারণে ৭৬ শতাংশ এবং অস্ত্রোপচারজনিত কারণে ২৪ শতাংশ নারী ফিস্টুলায় আক্রান্ত হচ্ছেন। আর অস্ত্রোপচারজনিত কারণের ৮০ শতাংশ জরায়ু অপসারণের ফলে এবং ২০ শতাংশ সিজার পরবর্তী আঘাতের কারণে ফিস্টুলায় আক্রান্ত হচ্ছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ ডাক্তার দ্বারা অপারেশনের মাধ্যমে ৮০ থেকে ৮৩ ভাগ ফিস্টুলা ঠিক করা সম্ভব বলে তার মত দিয়েছেন। তারা বলছেন, দেশে ইতিপূবে জাতীয় পর্যায়ে ফিস্টুলা বিষয়ে কোনো জরিপ চালানো হয়নি। কর্মকর্তারা ধারণা দিয়ে বলছেন, গত ১০ বছরে দেশে ফিস্টুলা রোগী দ্বিগুণ হয়েছে। ২০১৬ সালের আইসিডিডিআর,বি এক জরিপে দেখা গেছে, প্রতি হাজার বিবাহিত মহিলাদের শূন্য দশমিক ৪২ জন ফিস্টুলায় আক্রান্ত। সে হিসাবে ১৯ হাজার ৭৫৫ জন মহিলা ফিস্টুলা রোগে ভুগছেন। বছরে নতুন করে যোগ হচ্ছেন এক হাজার নারী।
ফিস্টুলা প্রতিরোধ না করে শুধু চিকিৎসা দিয়ে এ জটিলতা দূর করা সম্ভব হবে না। বাংলাদেশে চিকিৎসকদের মধ্যে গাইনি চিকিৎসক বেশি। এদের মধ্যে ফিস্টুলা চিকিৎসক নেই বললেই চলে। এই সংখ্যা মাত্র ২৫ থেকে ৩০ জন রয়েছেন। দেশে ৬৪ থেকে ৬৫ শতাংশ মায়েদের ডেলিভারি এখনও বাড়িতে হচ্ছে বলে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন। অন্যদিকে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, যেসব দেশে দক্ষ ব্যক্তির সহায়তা ছাড়া বাড়িতে ৫০ শতাংশের বেশি সন্তান প্রসব হয় এবং জনসংখ্যার ঘনত্ব বেশি, সেসব দেশে বছরে দুই হাজার নারী নতুন করে ফিস্টুলায় আক্রান্ত হন। এ হিসাবে বাংলাদেশে প্রতি বছর দুই হাজার ফিস্টুলা রোগী বাড়ছে। তবে নারীরা লজ্জা পান এবং গোপন রাখেন বলে ফিস্টুলার সঠিক পরিসংখ্যান জানা কঠিন। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার জরিপ মতে, বিশ্বে আনুমানিক ২ মিলিয়নেরও বেশি অর্থাৎ ২০ লাখ নারী ফিস্টুলা রোগে আক্রান্ত এবং প্রতিবছর আনুমানিক এক লাখেরও বেশি নারী নতুর করে এতে আক্রান্ত হচ্ছেন। বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়া ও উন্নয়নশীল দেশগুলোতে এর মাত্রা বেশি।
সূত্র জানায়, ন্যাশনাল ফিস্টুলা সেন্টার ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বছরে ২৫০ থেকে ৩০০ ফিস্টুলা রোগী সেবা নিচ্ছেন। এখানে আগে ১৬টি বেড ছিল। কিন্তু দিন দিন রোগীর সংখ্যা বাড়ায় কারণে বর্তমানে বেড সংখ্যা বাড়িয়ে ৩৫-এ উন্নীত করা হয়েছে। অন্যদিকে, বর্তমানে বিএসএমএমইউতে ৬টি বেড নিয়ে আলাদাভাবে ফিস্টুলা সেন্টার তৈরি করা হয়েছে। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে গত ২০১৫ সালের এপ্রিল থেকে এ সেন্টার থেকে এসব রোগীদের সেবা দেয়া হচ্ছে। প্রায় দু’বছরে দেড়শতাধিক জনের মতো রোগীকে সেবা দেয়া হয়েছে। সেন্টারে আসা রোগীরদের বেশির ভাগই দরিদ্র এবং গ্রামের বলে জানা গেছে। বিশেষজ্ঞরা জানান, অসচেতনতার কারণে মূলত নারীরা ফিস্টুলা রোগে আক্রান্ত হন। বাংলাদেশ শিশুমৃত্যুর হারে সাফল্য অর্জন করলেও নিরাপদ প্রসব এখনো নিশ্চিত করা যায়নি। অসতর্কতা, মেয়েদের অল্প বয়সে বিয়ে হওয়া, অদক্ষ দাইয়ের হাতে সন্তান প্রসব, সঠিক সময়ে চিকিৎসকের কাছে না যাওয়া এবং পরিবারের অবহেলার কারণে এখনো দেশের অনেক মা প্রসবকালীন সময়ে সঠিক সেবা পান না। ফলে নারীরা ফিস্টুলা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।
প্রতিরোধ: চিকিৎসকদের মতে, ফিস্টুলা একটি নিরাময়যোগ্য শারীরিক সমস্যা। দক্ষ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে এ সমস্যা নিরাময় সম্ভব। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ ডাক্তার দ্বারা অপারেশনের মাধ্যমে ফিস্টুলা ঠিক করা যায়। বাল্যবিয়েকে নারীজনিত ফিস্টুলার অন্যতম কারণ বলা হয়। বাল্যবিয়ে বন্ধে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। কম বয়সে গর্ভধারণ করলে ফিস্টুলা হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই উপযুক্ত পদ্ধতি গ্রহণ করে পরিণত বয়সে সন্তান নেয়া উচিত। উপযুক্ত প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মীর সহায়তায় প্রসব করালে ফিস্টুলা ঝুঁকি কম থাকে। বাধাগ্রস্ত প্রসবের ক্ষেত্রে দ্রুত স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিতে হবে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জাতীয় ফিস্টুলা সেন্টারসহ দেশের ১১টি সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিনামূল্যে ফিস্টুলা রোগীদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। ঢাকা এবং যশোরের আদ-দ্বীন হাসপাতাল, টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে কুমুদিনী হাসপাতাল এবং দিনাজপুরের পার্বতীপুরে ল্যাম্বসহ ৮টি বেসরকারি হাসপাতালে এনজেন্ডারহেলথ্? ফিস্টুলা রোগীদের চিকিৎসা সহায়তা দিচ্ছে। ঢাকায় এই রোগীদের জন্য একটি পুনর্বাসন কেন্দ্রও পরিচালিত হচ্ছে। সূত্র জানায়, নগরের ১৮/২ বকশীবাজারে প্রসবজনিত ফিস্টুলা রোগী চিকিৎসা, আরোগ্য ও পুনর্বাসন প্রকল্পের কার্যালয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ইউএনএফপিএর সহায়তায় পরিচালিত প্রকল্পের আওতায় এ পুনর্বাসন কেন্দ্রে ২৮ জন নারীর থাকার ব্যবস্থা আছে। কেন্দ্রের ভেতরেই বেকারি, সেলাই, রান্না, সবজির বাগান তৈরি, হাঁস মুরগি পালনসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ নেয়ার ব্যবস্থা আছে। প্রশিক্ষণ পেয়ে এক সময়ে সমাজচ্যুত এই নারীরা এখন অনেকটাই আত্মবিশ্বাসী।
ন্যাশনাল ফিস্টুলা সেন্টার ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের স্ত্রীরোগ ও প্রসূতিবিদ্যা বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান ডা. ফেরদৌসি ইসলাম লিপি জানান, বাড়িতে বাধাগ্রস্ত প্রসব কমাতে দরকার দক্ষ ধাত্রী। তাহলে ফিস্টুলা কমিয়ে আনা সম্ভব। প্রসবের সঠিক সময়ে পাটোগ্রাফ ব্যবহার করতে হবে। থাকতে হবে পূর্ব প্রস্তুতিও। মানুষের মধ্যে সচেতনতাই পারে এ রোগ থেকে মুক্তি দিতে। বিলম্বিত প্রসব রোধ করতে মায়েদের পার্শ্ববর্তী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করতে হবে। তিনি বলেন, বাধাগ্রস্ত ফিস্টুল কিছুটা কমলেও গাইনোকোলজিকাল অস্ত্রোপচারে বাড়ছে ফিস্টুলা। এজন্য চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ দিতে হবে। প্রসবজনিত ফিস্টুলা সংক্রান্ত জাতীয় কৌশলপত্র (২০১৭-২০২২) উদ্বোধনী এক অনুষ্ঠানে নার্সি ও মিডওইয়াফারি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) তন্দ্র সিকদার জানান, বাংলাদেশে ৭২ হাজার নারী ফিস্টুলা রোগের সমস্যয় ভুগছেন। আমাদের সচেতন হতে হবে। বাল্যবিবাহ রোধ করতে হবে। তাহলে এই রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঢাকার বস্তিগুলোতে সরকারি হিসাবে ঘর পৌনে ২ লাখ, বাস্তবে আরও বেশি by শেখ জাহাঙ্গীর আলম
![]() |
| কড়াইল বস্তি |
পরিসংখ্যান ব্যুরোর ২০১৪ সালের জরিপ অনুযায়ী, ঢাকায় বস্তি রয়েছে ৩ হাজার ৩৯৩টি। আর এসব বস্তিতে খানা বা ঘর বা পরিবার রয়েছে ১ লাখ ৭৫ হাজার ৯৩১টি।
তবে সরেজমিনে ঢাকার পাঁচটি বড় বস্তি ঘুরে খানার সংখ্যাসহ বসবাসকারীল সংখ্যা অনেক বেশি পাওয়া গেছে। দুই সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও বলছেন, জরিপের সঙ্গে বাস্তব পরিস্থিতির মিল নাও থাকতে পারে।
২০১৪ সালের বস্তিশুমারির পর গত ৫ বছরে দুই সিটিতে কতগুলো বস্তি রয়েছে বা এসব বস্তিতে কত মানুষ বসবাস করছে, এর কোনও হালনাগাদ হিসাব সংশ্লিষ্টদের কাছে নেই।
পরিসংখ্যান ব্যুরোর বস্তিশুমারি: পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ‘বস্তিশুমারি ও ভাসমান লোকগণনা জরিপ’ করে ২০১৪ সালে। সরকারি এই সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় বস্তি রয়েছে ১ হাজার ৬৩৯টি। এসব বস্তিতে খানা বা ঘর বা পরিবার রয়েছে ১ লাখ ৩৫ হাজার ৩৪০টি। খানাসদস্য ৪ লাখ ৯৯ হাজার ১৯ জন।
আর ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় ১ হাজার ৭৫৫টি বস্তিতে খানা (ঘর বা পরিবার) রয়েছে ৪০ হাজার ৫৯১টি। এসব ঘরে বসবাস করে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৫৬ জন।
দুই সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা যা বলছেন: ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের কাছে বস্তি ও বস্তিবাসীর সঠিক হিসাব নেই। যদিও দুটি করপোরেশনেরই সমাজকল্যাণ ও বস্তি উন্নয়ন বিভাগ রয়েছে।
সংস্থার কর্মকর্তারা বলছেন, সমাজকল্যাণ ও বস্তি উন্নয়ন বিভাগে লোকবল কম থাকায় বস্তি, ঘর ও বসবাসকারীর সংখ্যা নির্ণয়ের কাজ করা যাচ্ছে না।
ডিএনসিসির বস্তি উন্নয়ন কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন ভূঞা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বস্তিতে একটি খানা মানে একটি ঘর। একটি ঘরে একটি পরিবার বসবাস করে। ২০১৪ সালে পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) বস্তিশুমারি করেছিল। তাদের তথ্যের বাইরে আমাদের কাছে আর কোনও তথ্য নেই।’
ডিএসসিসির বস্তি উন্নয়ন কর্মকর্তা এ কে এম লুৎফুর রহমান সিদ্দীক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘দক্ষিণের বস্তিগুলোতে সঠিক কত ঘর আছে, আলাদা করে আমাদের কাছে তথ্য নেই। পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যই আমরা সংরক্ষণ করি। কারণ, তাদের তথ্য সঠিক বলে আমরা মনে করি।’
কড়াইল বস্তি: রাজধানীর মহখালী ও গুলশান এলাকার মাঝে ডিএনসিসির ১৯ ও ২০ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত এই বস্তির আয়তন প্রায় ৯৫ একর। এই জায়গার মালিকানায় একাধিক সরকারি সংস্থা থাকলেও অনেক আগে থেকেই এখানে ঘর তুলে নিম্ন আয়ের মানুষেরা বসবাস করছে।
কড়াইল বস্তির ১ নম্বর ইউনিটের বস্তি উন্নয়ন কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. জসিম উদ্দিন রিপন বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেন, ‘আমাদের হিসাব অনুযায়ী কড়াইল বস্তিতে মোট ১২ হাজার ঘর রয়েছে। মানুষ বসবাস করে প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার।’
তিনি বলেন, ‘বস্তিতে ২৪ হাজার ভোটার রয়েছে। এর মধ্যে ১ নম্বর ইউনিটে ১০ হাজার ভোটার ও ২ নম্বর ইউনিটে ১৪ হাজার ভোটার রয়েছে।’
বিবিএসের ২০১৪ সালের বস্তিশুমারি অনুযায়ী এই বস্তিতে ঘর বা খানা রয়েছে ১০ হাজার ২২২টি। এসব খানায় ৩৬ হাজার ৭১৯ জনের বসবাস। অর্থাৎ ৫ বছরের ব্যবধানে বস্তিটিতে ঘর বেড়েছে ১ হাজার ৭৭৮টি।
সাততলা বস্তি: মহাখালীতে জাতীয় জনস্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান, সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতাল, জাতীয় জনস্বাস্থ্য ও পুষ্টি প্রতিষ্ঠান, নিপসম, আইসিডিডিআরবিসহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের খালি জায়গায় গড়ে উঠেছে সাততলা বস্তি। এর কয়েকটি ভাগ রয়েছে। যেমন বাউন্ডারি বস্তি, দক্ষিণ পাড়া, স্টাফ মহল্লা, পোড়া বস্তি ও চৌধুরী পাড়া বস্তি।
সাততলা বস্তি উন্নয়ন কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. আবু ইউসুফ মৃধা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, আমাদের ২০১৫ সালের হিসাব অনুযায়ী সাততলা বস্তিতে মোট ১০ হাজার ৮০০ পরিবারের বসবাস। ঘর আছে ১১ হাজার। এসব ঘরে ৫২ হাজার ৯২০ জন মানুষের বসবাস। তিনি বলেন, ‘২০১৫ সালের পর এই বস্তিতে লোক সংখ্যা ও ঘরের সংখ্যা আরও বেড়েছে। তবে সেই হিসাব আমাদের কাছে নেই।’
বিবিএস বস্তিশুমারি বলছে, এই বস্তির ঘরসংখ্যা ৬ হাজার ৮৪৫টি। এসব ঘরে ৪ হাজার ৩৭৩টি পরিবারের বসবাস। জনসংখ্যা ২১ হাজার ৮৬৯। অর্থাৎ ৫ বছরের ব্যবধানে ৪ হাজার ১১৫টি ঘর বেড়েছে।
মিরপুর-২ নম্বর হাজী রোড ঝিলপাড় বস্তি: মিরপুর-২ নম্বরে কমার্স কলেজের পাশে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের জন্য বরাদ্দ জায়গায় গত ৩০ বছর আগে গড়ে উঠেছে হাজী রোড ঝিলপাড় বস্তি।
বস্তির উন্নয়ন কমিটির সভাপতি আব্দুল ওহাব বলেন, ‘বর্তমানে বস্তিতে ১ হাজার ৫০০টি ঘর রয়েছে। পুরো বস্তিতে বাড়িওয়ালা রয়েছে ২২০ জন। সাড়ে ৭ হাজার বস্তিবাসির মধ্যে ভোটার ১ হাজার ৫০০ জন।
বিবিএসের বস্তিশুমারি বলছে বস্তিটিতে ৫৩৪টি ঘর রয়েছে। এসব ঘরে ২ হাজার ১৮ জনের বসবাস। এখানেও ৫ বছরের ব্যবধানে ৯৬৬টি বেশি ঘরের হিসাব পাওয়া যায়।
কল্যাণপুর পোড়া বস্তি: মিরপুরের দক্ষিণ পাইক পাড়ায় কল্যাণপুর পোড়া বস্তিতে ৮টি ইউনিট রয়েছে। এসব ইউনিটে ঘর রয়েছে সাড়ে ৩ হাজার। বস্তি উন্নয়ন কমিটির সভাপতি আবুল কালাম বলেন, ‘বস্তিতে সাড়ে ১৭ হাজার মানুষ থাকে। এর মধ্যে ভোটার সাড়ে ৪ হাজার।’
বিবিএসের বস্তিশুমারির তথ্য অনুযায়ী, বস্তিটির ঘরসংখ্যা ২ হাজার ১৮৪টি। এখানে বাস করে ৮ হাজার ১২৯ জন। অর্থাৎ ৫ বছরের ব্যবধানে বস্তিতে ঘর বেড়েছে ১ হাজার ৩১৬টি।
মিরপুর-৬ নম্বর ঝিলপাড় বস্তি: মিরপুর ৬ ও ৭ নম্বর সেকশনে ঝিলপাড় বস্তি গড়ে উঠেছে প্রায় সাড়ে চার দশক আগে। স্থানীয় ওয়ার্ড কমিশনার অফিস সূত্রে জানা গেছে, বস্তিটিতে প্রায় ১৫ হাজার পরিবারের ৬০ হাজার সদস্য রয়েছে। এতে ১৫ হাজারের বেশি ঘর রয়েছে বলে জানান স্থানীয় নেতা ওয়াজেদ আলী সিকদার। তিনি জানান, এ বস্তিতে কোনও কমিটি নেই।
বিবিএসের বস্তিশুমারির হিসাবে বস্তিটিতে ৩ হাজার ২০১টি ঘর রয়েছে। এসব ঘরে ২০ হাজার ৯১৯ জনের বসবাস। অর্থাৎ ৫ বছরের ব্যবধানে এই বস্তিতে ১১ হাজার ৭৯৯টি বেশি ঘর পাওয়া যায়।
>>ছবি: সাজ্জাদ হোসাইন
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পৃথিবীতে বসবাসের উপযুক্ত সেরা ১০ শহর (ফটোস্টোরি)
সামাজিক স্থিতিশীলতা, স্বাস্থ্যসেবা, সংস্কৃতি ও পরিবেশ, শিক্ষা ও পরিকাঠামো আর স্বাস্থ্যসেবাকে প্রাধান্য দিয়ে তালিকাটি তৈরি হয়েছে। সেরা দশে অস্ট্রেলিয়া ও কানাডার তিনটি করে শহর আছে। এছাড়া জাপানের দুটি আর অস্ট্রিয়া ও ডেনমার্কের একটি করে শহর রয়েছে। ছবিতে দেখা যাক সেরা ১০টি শহর।

বিশ্বে বসবাসের উপযুক্ত সেরা ১০ শহরের মধ্যে সবার নিচে আছে দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার শহরটি। গতবারও এটি ছিল একই অবস্থানে।

তালিকার সেরা দশে স্থান পেয়েছে ইউরোপের দুটি শহর। এর মধ্যে ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেন এবারও আছে ৯ নম্বরে। শহরটির ভেস্টারব্রো এলাকা পর্যটকদের মধ্যে জনপ্রিয়। এখানকার স্যান্ডউইচ অতুলনীয়।

জাপানের রাজধানী টোকিওকে বলা হয় ভবিষ্যতের শহর। এটি আছে বসবাসের উপযুক্ত শীর্ষ ১০ শহরের তালিকায় ৮ নম্বরে।


প্রশান্ত মহাসাগর ঘেঁষে থাকা কানাডার ভ্যানক্যুভার গতবারের মতোই আছে ছয় নম্বরে।

কানাডার আলবার্তা প্রদেশের শহর ক্যালগ্যারি এবারের র্যাংকিংয়ে চার থেকে নেমে গেছে পাঁচে।

জাপানের ওসাকা শহরের বাসিন্দা ১ কোটি ৯০ লাখ। তালিকায় তিন নম্বর থেকে এটি নেমেছে চারে।


গতবারের মতোই তালিকার দুই নম্বরে আছে অস্ট্রেলিয়ার আরেক শহর মেলবোর্ন। ২০১৭ সাল পর্যন্ত ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের তালিকায় শীর্ষে ছিল এটি।

ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের দৃষ্টিতে ২০১৯ সালে বিশ্বে বসবাসের সবচয়ে উপযুক্ত শহর নির্বাচিত হয়েছে অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনা। গতবার এটি ছিল এক নম্বরে। আমেরিকাসহ বিভিন্ন দেশ থেকে অনেকে স্থায়ী হতে ভিয়েনায় পাড়ি জমায়। জাঁকালো স্থাপত্য, সবুজের সমারোহ ও ঐতিহ্যবাহী কফি শপের সুবাদে শহরটির খ্যাতি দুনিয়াজোড়া।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1331)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
September
(820)
-
▼
Sep 23
(27)
- ইয়াংগুনে ৬ বছর ধরে বন্ধ করে রাখা হয়েছে ৮ মসজিদ
- সৌদি আরবে হামলার ঝুঁকি ইরান কেন নেবে? by কাসরা নাজি
- যুক্তরাষ্ট্র নিয়ে বিভ্রমের অবসান সৌদি আরবের? by রব...
- পরিবেশ দূষণ: আমিনবাজার ল্যান্ডফিলে বর্জ্য ব্যবস্থা...
- সমুদ্রপৃষ্ঠে উচ্চতা বৃদ্ধি বাংলাদেশের জীবনযাত্রাকে...
- শামীম ঘুষ দিতো ডলারে by শুভ্র দেব
- রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের সূত্র বের হবে আশাবাদী বৃটেন
- মতিঝিল যেন ক্যাসিনো পল্লী
- স্বাস্থ্যের টাকার কুমিরদের ধরতে তৎপর দুদক by মারুফ...
- বাড়ির কাজ বন্ধ রাখতে ক্রসফায়ারের হুমকি! by মোহাম্ম...
- জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় দেড় হাজার কোট...
- দক্ষিণ কোরিয়ার শ্রমবাজার: বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য...
- ৭২ হাজার নারী ফিস্টুলায় আক্রান্ত: ভুল অস্ত্রোপচারে...
- ঢাকার বস্তিগুলোতে সরকারি হিসাবে ঘর পৌনে ২ লাখ, বাস...
- পৃথিবীতে বসবাসের উপযুক্ত সেরা ১০ শহর (ফটোস্টোরি)
- নগর কৃষি ও পরিবেশ সংক্ষরণে ছাদবাগান by অধ্যাপক ড. ...
- জলবায়ু পরিবর্তনে প্রভাব জৌলুশ হারাচ্ছে কুয়াকাটা by...
- একজন সফল নারী উদ্যোক্তা by রিপন আনসারী
- কৃষ্ণগহ্বরের ছবির নেপথ্যে ২৯ বছরের তরুণীর কৃতিত্ব ...
- পানির জন্য দিনে ১৪ কিলোমিটার পাড়ি দিতে হয় তাদের
- তিন লাক্সসুন্দরীর ‘বিউটি অ্যান্ড দ্য বুলেট’ শুরু
- ‘রোহিঙ্গারা বাংলাদেশি’ সুচির দুই রূপে বিস্মিত ক্যা...
- ফ্যাসিবাদের পথে ভারত by তারিক এ আল মাঈনা
- একাঙ্গি চাষে নতুন সম্ভাবনা by মাজহারুল হক লিপু
- সমালোচিত সোনাক্ষী
- তৎপর কিডনি সিন্ডিকেট
- দেশভাগ নিয়ে মিউজিয়াম হচ্ছে কলকাতায় by পরিতোষ পাল
-
▼
Sep 23
(27)
-
▼
September
(820)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...














