Monday, December 6, 2010
গল্পসল্প- ওরা ধান কুড়ানির দল... by মোছাব্বের হোসেন
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শিক্ষা- আদিবাসী পাহাড়ে বিশ্ববিদ্যালয় চাই by জাগরণ চাকমা
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জঙ্গি ও সন্ত্রাসীদের অর্থের মূল উৎস সৌদি আরব by উইকিলিকস
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাজনৈতিক আলোচনা- এমন বন্ধু থাকলে... by বদিউল আলম মজুমদার
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শিল্প-অর্থনীতি শেয়ারবাজারের সুন্দরী প্রতিযোগিতা-তত্ত্ব by ফারুক মঈনউদ্দীন
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সাক্ষাৎকার- খাদ্যনিরাপত্তার জন্য বিকল্প উপায় খুঁজতে হবে __মাহবুব হোসেন
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এমন বন্ধু থাকলে... by বদিউল আলম মজুমদার
ঢাকা সিটি করপোরেশনের নির্বাচন সম্পর্কে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেনের সাম্প্রতিক বক্তব্য (যুগান্তর, ৩ নভেম্বর ২০১০) পড়ে আমরা আশ্চর্য হয়েছি। তিনি দাবি করেছেন, কমিশন নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সব সময় প্রস্তুত ছিল এবং এখনো আছে। কিন্তু সরকারের অনীহার কারণেই ঢাকা সিটি করপোরেশনের নির্বাচন হলো না।
বিগত ২০০৪-০৮ সময়কালের বহু দাবি ও আন্দোলনের ফসল বর্তমান নির্বাচিত সরকার। এ আন্দোলনের পুরোভাগেই ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং তার প্রধান ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, যদিও চারদলীয় জোট সরকারের আমলের পাতানো নির্বাচন ঠেকানোর ব্যাপারে নাগরিক সমাজ ও গণমাধ্যমের ভূমিকা কোনোভাবে কম গুরুত্বপূর্ণ ছিল না। তাই শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গঠিত আওয়ামী লীগ দলীয় একটি নির্বাচিত সরকার প্রশাসনের সর্বস্তরে যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠানে বাধা হয়ে দাঁড়াবে—তা অভাবনীয় ও অবিশ্বাস্য। এর কোনো যৌক্তিকতা আমরা খুঁজে পাই না। বরং সরকারের কার্যক্রম দেখে আমাদের মনে আশঙ্কা জাগে: গণতন্ত্র কি আমাদের রাজনীতিবিদদের জন্য শুধুই স্লোগান? আর তা কি নিতান্তই জনগণকে ‘ঘুম পাড়ানোর’ গান?
বহু তূর্যনিনাদ বাজিয়ে গত ২৯ ডিসেম্বর, ২০০৮ নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনের উদ্দেশ্য ছিল গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার পুনঃপ্রবর্তন। কারণ, গণতন্ত্র আমাদের সাংবিধানিক অঙ্গীকার (অনুচ্ছেদ-১১) এবং এর জন্য আমরা অনেক আত্মত্যাগ করেছি। আর নির্বাচন গণতন্ত্রের পূর্বশর্ত, যদিও নির্বাচনই গণতন্ত্র নয়। সত্যিকারের গণতন্ত্র তথা গণতান্ত্রিক শাসনের কার্যকারিতা নির্ভর করে নির্বাচনের পর সরকারের আচরণ ও কার্যক্রমের ওপর।
নির্বাচন কমিশনারের মন্তব্য পড়তে গিয়ে একটি অতি পুরোনো ও জনপ্রিয় গানের কলির কথা মনে পড়ে যায়, ‘উইথ ফ্রেন্ডস লাইক দিজ, হু নিডস এনিমিস!’ অর্থাৎ, এমন বন্ধু থাকলে শত্রুর কী প্রয়োজন! (যতটুকু মনে পড়ে, বেশ কয়েক বছর আগে এ নিয়ে একটি সিনেমাও হয়েছিল।) আমাদের সরকার ও প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো গণতন্ত্রের নামে যা কিছু করছে এবং অতীতে করেছে, তা দেখে মনে হয় যেন গণতন্ত্রকে অকার্যকর এবং ধিক্কৃত করার জন্য তারাই যথেষ্ট—এর জন্য অন্য কোনো শক্তি ও শত্রুর প্রয়োজন নেই। তারা যেন গণতন্ত্র ‘সবচেয়ে খারাপ ধরনের পদ্ধতি...’—চার্চিলের এ কথাকে সত্য প্রমাণ করতে বদ্ধপরিকর। কারণ, তারা যে গণতন্ত্রের নামে খেলায়, বস্তুত প্রহসনে লিপ্ত, তার পরিণতি অশুভ হতে বাধ্য।
রাজনীতিবিদেরা আমাদের বোঝানোর চেষ্টা করছেন যে একমাত্র সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে সরকার গঠিত হলেই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায় এবং এরপর রূপকথার কেচ্ছার মতো যেন ‘এভরিওয়ান উইল লিভ হ্যাপিলি দেয়ারআফটার’—সবাই পরবর্তী সময়ে মহা সুখে বসবাস করবে। গণতন্ত্র কায়েমের জন্য আর কিছুই করার দরকার নেই। প্রান্তে নির্বাচিত সরকারের প্রয়োজন নেই।
অবশ্যই গণতন্ত্র কায়েম করার জন্য সংসদ নির্বাচন অতি অপরিহার্য। কিন্তু জাতীয় সংসদে ৩০০ জন নির্বাচিত এবং সংরক্ষিত আসনে ৪৫ জন নারী মনোনীত হলেই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায় না। কারণ, গণতন্ত্র হলো নির্বাচিত প্রতিনিধির মাধ্যমে জনগণের সম্মতির শাসন। অর্থাৎ স্বশাসন। আর যেখানে রাষ্ট্রক্ষমতা প্রয়োগের সুযোগ থাকে, সেখানে জনপ্রতিনিধিদের শাসন প্রতিষ্ঠিত হলেই স্বশাসন কায়েম হয়। তাই শুধু কেন্দ্রেই নয়, প্রশাসনের সর্বস্তরে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের শাসন প্রতিষ্ঠিত না হলে গণতন্ত্র বা স্বশাসন কায়েমের পথ সুগম হয় না। বরং এতে আংশিক এবং অনেকটা বিকৃত ধরনের গণতন্ত্রচর্চার সুযোগ সৃষ্টি হয়। কারণ, গণতন্ত্র আংশিক হয় না। আর বিকৃত গণতন্ত্র অকার্যকর ও অস্থিতিশীল না হয়ে পারে না।
আমাদের সাংবিধানিক পদ্ধতিতে সত্যিকার ও পরিপূর্ণ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সুস্পষ্ট পথরেখা দেওয়া আছে। সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেদে প্রশাসনের সব অংশ বা স্তরে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত প্রতিষ্ঠানের ওপর ‘স্থানীয় শাসনে’র ভার প্রদানের দ্বিধাহীন নির্দেশনা রয়েছে। অর্থাৎ, সাংবিধানিক নির্দেশনা অনুযায়ী নির্বাচিত জেলা পরিষদের ওপর জেলার, নির্বাচিত উপজেলা পরিষদের ওপর উপজেলার, নির্বাচিত ইউনিয়ন পরিষদের ওপর ইউনিয়নের, নির্বাচিত সিটি করপোরেশনের প্রতিনিধিদের ওপর নগরের এবং নির্বাচিত পৌর পরিষদের ওপর পৌর এলাকার শাসনকার্য পরিচালনার দায়িত্ব অর্পিত হওয়ার কথা। কারণ, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে ‘তৃণমূলের গণতন্ত্র’ প্রতিষ্ঠিত না হলে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পরিপূর্ণতা লাভ করে না, তা কার্যকর হওয়ার তো প্রশ্নই আসে না।
বলা বাহুল্য, সর্বস্তরে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই গণতন্ত্র গভীরতা অর্জন করে, প্রাতিষ্ঠানিক রূপ নেয় এবং সরকার পরিচালনায় জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়। ফলে রাষ্ট্রে প্রতিনিধিত্বশীল গণতন্ত্রের পরিবর্তে অংশগ্রহণমূলক গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়, যা নিঃসন্দেহে গণতন্ত্রের উন্নততর সংস্করণ। বস্তুত এর মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় সব ক্ষমতার ‘মালিক’ হিসেবে স্বীকৃত জনগণকে, যারা বাস্তবে ক্ষমতাহীন, ক্ষমতায়িত করার সুযোগ সৃষ্টি হয়। জনগণ আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার লাভ করে। একই সঙ্গে জনগণের কাছে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সরাসরি দায়বদ্ধতা প্রতিষ্ঠার পথ প্রশস্ত হয়।
এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে মেয়াদোত্তীর্ণ ঢাকা সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন যথাসময়ে অনুষ্ঠান না করে সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে সংবিধান লঙ্ঘন করছে (যদিও সম্প্রতি ২৬৯টি পৌরসভার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে)। জেলা পরিষদের নির্বাচন না করে তারা সংবিধানকে আরও নগ্নভাবে পদদলিত করছে। কারণ, সংবিধানের ১৫২(১) অনুচ্ছেদই জেলাকে ‘প্রশাসনিক একাংশ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে, যদিও শুধু আইনের মাধ্যমে অন্যান্য প্রশাসনিক স্তরকে প্রশাসনিক একাংশ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। তাই জেলা পরিষদের নির্বাচন এড়াতে হলে সংবিধান সংশোধন করতে হবে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত স্বাধীন বাংলাদেশে জেলা পরিষদের নির্বাচন একবারও অনুষ্ঠিত হয়নি। তবে অনেকেই মনে করেন, জেলা পরিষদের নির্বাচন নিয়মিতভাবে অনুষ্ঠিত হলে এবং ১৯৯১ সালে উপজেলা ব্যবস্থা বাতিল না করলে বাংলাদেশে ‘এমপিরাজ’ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হতো না এবং আমাদের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাও ভেঙে পড়ত না। ফলে আমাদের ইতিহাসও অন্য রকম হতো।
শুধু সংবিধান লঙ্ঘনই নয়, প্রশাসনিক একাংশ বা ইউনিট হিসেবে ঘোষিত স্তরগুলোতে যথাসময়ে নির্বাচন না করে আমাদের একের পর এক সরকার দেশের সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের প্রতিও বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করেছে। অনেকেরই স্মরণ আছে, উপজেলা পরিষদ বাতিলের পর দায়ের করা ‘কুদরত-ই-ইলাহী পনির বনাম বাংলাদেশ’ [৪৪ ডিএলআর (এডি)(১৯৯২)] মামলার রায়ে বিচারপতি সাহাবুদ্দীনের নেতৃত্বে গঠিত বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ১৯৯২ সালে স্থানীয় সরকারের সর্বস্তরে ছয় মাসের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের সর্বসম্মত রায় দেন। এ রায়ের ১৮ বছর পরও স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে আমাদের সরকারগুলো বিভিন্ন ধরনের টালবাহানায় লিপ্ত, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
উপরন্তু মেয়াদোত্তীর্ণ ঢাকা সিটি করপোরেশনের নির্বাচন না করে বর্তমান সরকার নিজেদের পাস করা আইনও অমান্য করছে। স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন, ২০০৯-এর ৩৪ ধারা অনুযায়ী, নতুন আইনের অধীনে গঠিত সিটি করপোরেশনের নির্বাচন, আইনটি বলবৎ হওয়ার ১৮০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত এই সময়সীমা গত এপ্রিল মাসে পার হয়ে গেছে।
প্রসঙ্গত, সময়মতো নির্বাচন না করার মাধ্যমে আইন অমান্য করেই যেন বর্তমান সরকার সন্তুষ্ট নয়, তারা সিটি করপোরেশন আইন লঙ্ঘন করার নতুন উদ্যোগ নিচ্ছে বলেও আশঙ্কা হয়। গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি স্থানীয় সরকার-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি ঢাকার মেয়র সাদেক হোসেন খোকাকে অপসারণ করে প্রশাসক নিয়োগ করার সুপারিশ করেছে (২৬ নভেম্বর, ২০১০)। সিটি করপোরেশন আইনের ৬ ধারা অনুযায়ী, ‘সিটি কর্পোরেশনের মেয়াদ শেষ হওয়া সত্ত্বেও, উহা (নির্বাচনের মাধ্যমে) পুনর্গঠিত সিটি কর্পোরেশনের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করিয়া যাইবে।’ অর্থাৎ, বিদ্যমান আইন অনুসারে মেয়র খোকাকে অপসারণের এখতিয়ার সরকারের নেই। এ ছাড়া আইনের ২৫ ধারামতে, প্রশাসক নিয়োগের বিধান শুধু নতুন সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।
যে দেশে একের পর এক সরকার সংবিধান লঙ্ঘন করে, কারণে-অকারণে আইন অমান্য করে এবং আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করে, সে দেশে আইনের শাসন আছে দাবি করা কতটুকু যৌক্তিক? আর যেখানে আইনের শাসন থাকে না, সেখানে জঙ্গলের শাসন বা দুঃশাসন প্রতিষ্ঠিত হতে বাধ্য। আর এর পরিণতিও সাধারণত মঙ্গলজনক হয় না।
এটি আজ সুস্পষ্ট যে, স্থানীয় সরকারব্যবস্থা এবং উপজেলার মতো নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানগুলো কার্যকর করার ব্যাপারে সরকার যেন এক ধরনের লুকোচুরিতে লিপ্ত। নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যাপারে তারা দোদুল্যমানতায় ভুগছে। আর চাপে পড়ে নির্বাচন দিলেও নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাত-পায়ে তারা শেকল পরিয়ে দিচ্ছে। উদাহরণস্বরূপ, সংবিধানবহির্ভূতভাবে এবং আদালতের নির্দেশ [আনোয়ার হোসেন মঞ্জু বনাম বাংলাদেশ ১৬ বিএলটি (এইচসিডি)(২০০৮)] অমান্য করে উপজেলা পরিষদে সাংসদদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা। সম্প্রতি আবার মন্ত্রিসভা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের উপজেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দুর্ভাগ্যবশত, এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হলেও সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অমান্য করা হবে। কারণ, কুদরত-ই-ইলাহী পনির বনাম বাংলাদেশ মামলার রায়ে বিজ্ঞ বিচারপতিরা সুস্পষ্টভাবে বলেছেন, ‘যদি সরকারি কর্মকর্তা বা তাঁদের তল্পিবাহকদের স্থানীয় প্রতিষ্ঠান পরিচালনার কাজে নিয়োজিত করা হয়, তা হলে এগুলোকে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান হিসেবে রাখা যুক্তিযুক্ত নয়।’ এ ছাড়া অনির্বাচিত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে প্রধান নির্বাহী হিসেবে নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যানের সমতুল্য করার এ অপচেষ্টার শোভনীয়তা নিয়েও অনেকের মনে গুরুতর প্রশ্ন রয়েছে।
স্থানীয় সরকারের নির্বাচন নিয়ে টালবাহানার জন্য অনেকে অবশ্য নির্বাচন কমিশনকে দায়ী করেন। এ ব্যাপারে কমিশনকে দায়ী করা যুক্তিযুক্ত নয়। কারণ, সংবিধান (অনুচ্ছেদ ১১৯) কমিশনকে শুধু সংসদ ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়ে সর্বময় দায়িত্ব দিয়েছে। স্থানীয় পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত গ্রহণের দায়িত্ব সরকারের, যদিও নির্বাচন পরিচালনা করবে নির্বাচন কমিশন।
ঢাকা সিটি করপোরেশন নিয়ে সরকার টালবাহানা করছে। কারণ, সরকার এটিকে মর্যাদার লড়াই হিসেবে দেখছে। আর এখানেই সমস্যা। নির্বাচন যত দিন রুটিন বিষয়ে পরিণত না হবে, তত দিন নির্বাচনের তারিখ নিয়ে খেলা চলতেই থাকবে। নির্বাচনী ফলাফলকে অযাচিতভাবে প্রভাবিত করার অপচেষ্টাও অব্যাহত থাকবে। কারণ, কোনো নির্বাচনেই, বিশেষত নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে কেউ জিতবে, তা নিশ্চিত করে বলা যায় না। এ ছাড়া একটি গণতান্ত্রিক দেশে সারা বছর বিভিন্ন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং এর কিছুতে সরকারি দল জিতবে, কিছুতে হারবে—এটাই স্বাভাবিক। তাই নির্বাচনের দিনক্ষণ আগে থেকেই ঠিক করা থাকলে নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ নিয়ে এ ধরনের বেআইনি ও অনৈতিক খেলা বন্ধ হবে। উদাহরণস্বরূপ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি দুই বছর পর ‘২ নভেম্বর’ প্রতিনিধি পরিষদ নির্বাচন এবং প্রতি চার বছর পর নভেম্বরের ‘প্রথম মঙ্গলবার’ প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তবে দল-নির্বিশেষে আমাদের ‘রুলিং ক্লাস’ বা ক্ষমতাবান গোষ্ঠী যথাসময়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জনগণকে ক্ষমতায়িত করার সুযোগ সৃষ্টি করতে সম্মত হবেন কি না, তা নিয়ে অনেকেরই সন্দেহ রয়েছে। তবে স্মরণ রাখা প্রয়োজন, পাকিস্তানের ক্ষমতাধরেরাও বঙ্গবন্ধুর স্বায়ত্তশাসনের প্রস্তাবে রাজি না হয়ে পাকিস্তান নামক রাষ্ট্রের কবর খুঁড়েছিলেন।
পরিশেষে এটি সুস্পষ্ট যে, আমাদের দেশের অধিপতিরা নির্বাচন অনুষ্ঠানে বাধা প্রদান এবং একটি বলিষ্ঠ বিকেন্দ্রীকরণ কর্মসূচি গ্রহণে অনীহা প্রকাশের মাধ্যমে জনগণকে ক্ষমতায়িত করার কাজে বেআইনি ও অনৈতিকভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছেন। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার করে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে বর্তমান সরকারের পক্ষ থেকে এ ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি জনগণের সঙ্গে প্রতারণার সমতুল্য। আর সরকারের এসব অর্বাচীনতার কারণে গণতন্ত্রের ভিত শক্ত হচ্ছে না এবং এর কার্যকারিতাও নিশ্চিত হচ্ছে না; বরং এর মাধ্যমে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা বিকৃতরূপ ধারণ করছে এবং উগ্রবাদের জন্য উর্বর ক্ষেত্র প্রস্তুত হচ্ছে। ফলে ‘স্থানীয় নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে স্থানীয় সমস্যা সমাধানে’র পথও—কুদরত-ই-ইলাহী পনির বনাম বাংলাদেশ মামলার রায় স্থানীয় সরকারকে এভাবেই সংজ্ঞায়িত করেছে—প্রশস্ত হচ্ছে না। ‘পল্লিজীবনে গতিশীলতা’ আনা তথা ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ সৃষ্টির দিনবদলের সনদে প্রদত্ত অঙ্গীকারও বাস্তবায়িত হচ্ছে না। কারণ, অধিকাংশ সমস্যাই স্থানীয় এবং এগুলোর সমাধানও স্থানীয়। এ ছাড়া এসব অন্যায় ও অনৈতিকতার পরিণামও অকল্যাণকর হতে বাধ্য।
ড. বদিউল আলম মজুমদার, সম্পাদক, সুজন-সুশাসনের জন্য।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
খাদ্যনিরাপত্তার জন্য বিকল্প উপায় খুঁজতে হবে by মাহবুব হোসেন
মাহবুব হোসেনের জন্ম ১৯৪৫ সালের ২ জানুয়ারি নানাবাড়ি নদীয়ার কৃষ্ণনগরে। তিনি বড় হয়েছেন দাদাবাড়ি চুয়াডাঙ্গায়। ১৯৬৯ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর এবং ১৯৭৭ সালে ব্রিটেনের ক্যামব্রিজ ইউনিভার্সিটি থেকে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি বর্তমানে ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক হিসেবে কর্মরত। বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান বিআইডিএসের মহাপরিচালক হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন। দীর্ঘদিন তিনি যুক্ত ছিলেন আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের সঙ্গে। বাংলাদেশের খাদ্যনিরাপত্তা, কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ উন্নয়ন নিয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জার্নালে তাঁর শতাধিক গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে।
সাক্ষাৎকার নিয়েছেন এ কে এম জাকারিয়া
প্রথম আলো l বাজারে চালের দাম যথেষ্ট চড়া। সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাজার থেকে চাল সংগ্রহ না করার। সিদ্ধান্তটি যথাযথ বলে মনে করেন কি?
মাহবুব হোসেন l বর্তমান বাস্তবতায় সরকারের এই সিদ্ধান্ত ঠিক আছে। এ ধরনের সিদ্ধান্ত সাময়িক হওয়া উচিত। এটা কোনো স্থায়ী সিদ্ধান্ত নয়। সরকার চাল সংগ্রহ করে খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য। হঠাৎ কোনো দুর্যোগ হলে খাদ্যের সংকট মোকাবিলা করতে হয়। সরকারি মজুদ সে ক্ষেত্রে ভূমিকা পালন করে। অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য বিভিন্ন সময়ে ভিজিডি বা ভিজিএফের মতো কর্মসূচি চালাতে হয়। এ জন্য চালের মজুদ প্রয়োজন। আবার যদি কোনো কারণে হঠাৎ চালের দাম বাড়ে বা কমে, তখন সরকারের বাজারে অংশগ্রহণ জরুরি হয়ে পড়ে। চালের মজুদ বাড়িয়ে বা মজুদ ছেড়ে সরকার তখন ভূমিকা পালন করে। বর্তমানে যেহেতু বাজারে ধানের চাহিদা রয়েছে এবং কৃষক যথেষ্ট ভালো দামে বিক্রি করতে পারছেন, তাই এখন সরকারের চাল না কেনার সিদ্ধান্তকে সঠিক বলে মনে হয়। কারণ, সরকার চাল কেনা শুরু করলে দাম আরও বেড়ে যেতে পারে।
প্রথম আলো l কিন্তু আপনি যে খাদ্যনিরাপত্তার কথা বললেন, তার জন্য তো চাল মজুদ করা দরকার।
মাহবুব হোসেন l সরকার চাল সংগ্রহ করে দুভাবে—অভ্যন্তরীণ বাজার থেকে ও আন্তর্জাতিক বাজার থেকে। অভ্যন্তরীণ বাজার থেকে যে সংগ্রহ সরকার করে, তা মূলত মিলমালিকদের কাছ থেকে। কারণ, সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে কেনার মতো সাংগঠনিক ক্ষমতা সরকারের নেই। আমাদের দেশে কৃষির উন্নতি হলেও কৃষকের উন্নতি হয়নি। সাধারণত উৎপাদন বেশি হলে অভ্যন্তরীণ বাজার থেকে চাল সংগ্রহের ওপর জোর দেওয়া হয়, কৃষক যাতে যথাযথ দাম পান। এ বছর দেখা যাচ্ছে ধানের যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে। ফলে ধানের মণ এখন কৃষক পর্যায়ে ৭০০ থেকে শুরু করে ৯০০ টাকা পর্যন্ত ওঠানামা করছে। কৃষক যথেষ্ট ভালো দাম পাচ্ছেন। বোঝা যাচ্ছে, চাহিদা ও জোগানের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। এখন সরকার যদি অভ্যন্তরীণ বাজার থেকে চাল সংগ্রহ শুরু করে, তবে এই সীমিত জোগানে চাপ পড়বে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে চাল সংগ্রহ করাই সরকারের জন্য বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
প্রথম আলো l চাহিদা ও জোগানের মধ্যে পার্থক্য মানে এ বছর উৎপাদন কম হয়েছে?
মাহবুব হোসেন l কৃষিক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় তথ্য ও যথাযথ পরিসংখ্যানের ঘাটতি রয়েছে। ফলে উৎপাদনের যে পরিসংখ্যানই দেওয়া হোক না কেন, জোগানের তুলনায় যেহেতু চাহিদা বেশি, তাই এটা ধরেই নিতে হচ্ছে যে উৎপাদন কম হয়েছে।
প্রথম আলো l সরকারের কাছে খাদ্য মজুদ থাকার প্রয়োজনীয়তার কথা আপনি বললেন। আমাদের দেশে খাদ্যের যে চাহিদা, সে বিবেচনায় চালের মজুদ কী পরিমাণ থাকা উচিত?
মাহবুব হোসেন l বছরে ২৫ থেকে ৩০ লাখ টন খাদ্য সরকারের হাতে থাকা উচিত বলে মনে করি। আমাদের পুরো চাহিদা প্রায় তিন কোটি টন। এর মধ্যে দেড় কোটি টন কেনাবেচা হয়। সরকারের হাতে যদি ওই পরিমাণ চাল মজুদ না থাকে, তবে বাজারে প্রভাব বিস্তার করা সম্ভব হবে না। বর্তমানে সরকারের খাদ্য মজুদের ক্ষমতা ১২ থেকে ১৫ লাখ টন। মজুদের ক্ষমতা আরও বাড়ানো উচিত। তবে যথাযথ পরিকল্পনার মাধ্যমে বেল ইন ও বেল আউটের মাধ্যমে এই মজুদ ক্ষমতার মধ্য দিয়েও পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব। যখন প্রয়োজন পড়বে, তখন মজুদ ছেড়ে দিতে হবে, আবার সময় বুঝে মজুদ গড়তে হবে।
প্রথম আলো l আন্তর্জাতিক বাজারে চালের দামের এখন কী অবস্থা? সরকারের পক্ষে সেখান থেকে চাল সংগ্রহ কতটুক যৌক্তিক?
মাহবুব হোসেন l আন্তর্জাতিক বাজারে চালের দাম আমাদের অভ্যন্তরীণ বাজারের তুলনায় এখনো কিছুটা বেশি। প্রতি টন ৪০০ থেকে ৫০০ ডলারের মতো। আনা-নেওয়ার খরচ ধরলে দেশে প্রতি কেজি চালের দাম পড়বে প্রায় ৩৫ টাকা। সরকার এই দামে চাল কিনলে ভর্তুকি দিয়ে ওএমএসের মাধ্যমে গরিব মানুষের কাছে বিক্রি করতে পারে। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কম থাকলে বেসরকারি আমদানিকারকেরাই চাল আমদানি করতেন। ফলে সরকারকেই এখন আন্তর্জাতিক বাজার থেকে চাল সংগ্রহ করতে হবে। তবে একটা বিষয় পরিষ্কার করা দরকার, আন্তর্জাতিক বাজার থেকে চাল কেনা বা দেশের বাজার থেকে সরকারের চাল সংগ্রহ না করা—এসব বিষয় কখনোই স্থায়ী নীতি হতে পারে না। নীতি হতে হবে পরিবর্তনশীল। এ জন্য প্রয়োজন অব্যাহত পর্যবেক্ষণ ও পর্যালোচনা। পরিস্থিতি বুঝে যথাযথ পরিসংখ্যান বিবেচনায় নিয়ে পরিবর্তন করতে হবে। সামনে বোরো মৌসুমে ভালো উৎপাদন হবে বলে আশা করছি। তখন সরকারকেই হয়তো অভ্যন্তরীণ বাজার থেকে চাল সংগ্রহ করতে হবে।
প্রথম আলো l সামনে বোরো উৎপাদন ভালো হতে পারে, তা কিসের ওপর ভিত্তি করে বলছেন?
মাহবুব হোসেন l বোরো মৌসুমকে সামনে রেখে যে পরিমাণ বীজ বিক্রি হচ্ছে, তাতে আমি আশাবাদী যে বড় কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এবার বোরো উৎপাদন ভালো হওয়ার কথা।
প্রথম আলো l কিন্তু এ বছর বৃষ্টিপাত কম হয়েছে, তা ছাড়া বিদ্যুতের কারণে সেচও বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা আছে।
মাহবুব হোসেন l আমাদের দেশে সেচ পাম্পগুলোর ৮০ থেকে ৮৫ ভাগ চলে ডিজেলে। আর যেসব স্থানে সেচকাজে বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হয়, সেখানেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কৃষক বিদ্যুতের ওপর পুরো নির্ভর করেন না। বিদ্যুৎ ব্যবহার করলে হয়তো খরচ কমত, কিন্তু কৃষক ঝুঁকি না নিয়ে ডিজেল দিয়ে সেচের বিকল্প ব্যবস্থা করে রাখেন। বিদ্যুৎ এ ক্ষেত্রে খুব সমস্যা হবে বলে আমার মনে হয় না। তবে এ বছর কম বৃষ্টি হওয়ার যে প্রসঙ্গটি আপনি উল্লেখ করলেন, তা গুরুত্বপূর্ণ। বৃষ্টি কম হওয়ায় পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ ব্যাপারে এখনই বিএডিসির দায়িত্ব নেওয়া উচিত দেশের কোন অঞ্চলে পানির স্তর এখন কোন পর্যায়ে রয়েছে। তবে এখন কৃষকেরা আগাম আমন তুলে বোরো চাষের আগে আলু বা শাকসবজি চাষ করেন। বোরো ধান লাগানোর সময়টি তাই কিছুটা পিছিয়ে গেছে। কৃষক যদি ফেব্রুয়ারির দিকে বোরো চাষ শুরু করেন, তবে এপ্রিলের দিকে কিছু বৃষ্টিবাদল হলে মাঝে পাঁচ-ছয়টি সেচ দিলেই হবে। ফলে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কিছুটা কমতে পারে।
প্রথম আলো l দেখা যায়, ভালো উৎপাদন করে কৃষক দাম পান না, আবার কৃষক যখন দাম বেশি পান তখন এর চাপ পড়ে ভোক্তাদের ওপর। এর মধ্যে ভারসাম্য আনার উপায় কী?
মাহবুব হোসেন l আসলে ধান বা চালের প্রকৃত দাম কী হবে, এটা সত্যিই এক বড় বিষয়। এর সঙ্গে অনেক বিষয় জড়িত। বিশেষ করে, কৃষিসংক্রান্ত যথাযথ তথ্য ও পরিসংখ্যান। এ ক্ষেত্রে আমাদের ঘাটতি রয়ে গেছে। এসব জানা থাকলে প্রকৃত চাহিদা কত, কী পরিমাণ ধান উৎপাদন করা উচিত, সেটা নির্ধারণ করা সম্ভব। আমরা এমনকি আমাদের দেশের জনসংখ্যা কত, তা নিয়েও বিভ্রান্তির মধ্যে রয়েছি। সম্প্রতি জাতিসংঘ বাংলাদেশের জনসংখ্যার যে হিসাব দিয়েছে, তার সঙ্গে দ্বিমত প্রকাশ করেছে সরকার। জনসংখ্যা কত, তা না জানলে চাহিদা জানা সম্ভব নয়। কত উৎপাদন করছি, তারও কোনো পরিসংখ্যান নেই। দেশে কত হেক্টর জমিতে আমন চাষ হয়, তা নিয়ে দুই রকম তথ্য পাওয়া যায়। পরিসংখ্যান ব্যুরোর নিয়মিত পরিসংখ্যানে বলা হচ্ছে, ৫৫ লাখ হেক্টরে আমন চাষ হচ্ছে, অন্যদিকে একই ব্যুরো কৃষি শুমারির তথ্য অনুযায়ী আমন চাষ হচ্ছে ৪৫ লাখ হেক্টর জমিতে। কৃষকের উৎপাদিত কৃষিপণ্যের যথাযথ মূল্য নিশ্চিত করা বা ভোক্তাদের যথাযথ মূল্যে কৃষিপণ্য পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করাসহ কার্যকর খাদ্য পরিকল্পনার জন্য যথাযথ পরিসংখ্যানের বিষয়টি খুবই জরুরি।
প্রথম আলো l জনসংখ্যা বেড়ে চলেছে। চাষের জমির পরিমাণ বাড়ছে না, বরং কমছে। এই অবস্থায় খাদ্যনিরাপত্তার ঝুঁকিও নিশ্চয়ই বাড়ছে?
মাহবুব হোসেন l প্রাকৃতিক সম্পদ সীমিত। দীর্ঘ মেয়াদে খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা কতটুকু সম্ভব, সে প্রশ্ন ওঠা খুবই স্বাভাবিক। জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে চাহিদা বাড়ার অর্থ দাঁড়াচ্ছে জোগান বাড়ানো। জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমলেও প্রতিবছর জনসংখ্যা বাড়ছে প্রায় ২০ লাখ। এ জন্য প্রতিবছর আমাদের প্রধান খাবার ধানের উৎপাদন বাড়ানো দরকার প্রায় পাঁচ লাখ টন। এখন আমাদের প্রধান ফসল হচ্ছে বোরো। গত ২০ বছরে সেচ, সার, বীজ—এসব ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হওয়ায় উৎপাদন বাড়ানো গেছে। বোরো ধানের ক্ষেত্রে উৎপাদন বাড়ানোর সুযোগ খুবই কম। শস্য-ব্যবস্থাপনা করে হয়তো সামান্য কিছু বাড়ানো যেতে পারে। বোরো চাষের জমি বাড়ানোর সুযোগও নেই। বন্যা বা খরার কারণে বৃষ্টিনির্ভর ধান আমনের উৎপাদন কমে যায়। আমন ধানের ওপর নির্ভর করাও কঠিন। ফলে খাদ্যনিরাপত্তার ক্ষেত্রে ঝুঁকি নিশ্চিতভাবেই রয়েছে। আমাদের বিকল্প পথের সন্ধান করতেই হবে।
প্রথম আলো l এই ঝুঁকি মোকাবিলার পথগুলো কী?
মাহবুব হোসেন l মার্চ থেকে অক্টোবর পর্যন্ত বৃষ্টিনির্ভর সময়ে আউশ ও আমন ধানের চাষ করা গেলে অর্থাৎ, দুটো ফসল করা গেলে হেক্টরপ্রতি নয় টন ধান উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব। এতে বাড়তি জনগোষ্ঠীর খাবারের চাহিদা আরও ১০ বছর বাড়ানো সম্ভব। তবে এ জন্য অল্প দিনে ওঠে, এমন জাতের বীজ উদ্ভাবন করা জরুরি। ১০০ দিনের মধ্যে ওঠে, এমন ধানের জাত উদ্ভাবনের দিকে গবেষকদের দৃষ্টি দেওয়া জরুরি। আর যা করা উচিত তা হলো, জনসংখ্যা কমানোর দিকে নজর দেওয়া। জনসংখ্যার বৃদ্ধি কমানো গেলে খাদ্যনিরাপত্তার ঝুঁকি কমবে। দেশের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করার মাধ্যমেও খাদ্যনিরাপত্তার ঝুঁকি কমানো যায়। দেখা গেছে, দেশের উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে ধান ও গমের মতো মূল খাদ্যগুলোর চাহিদা কমে। পঞ্চাশের দশকে যেখানে জাপানে মাথাপিছু চালের চাহিদা ছিল ১৪০ কেজি, বর্তমানে তা ৬০ কেজিতে এসে দাঁড়িয়েছে। আমাদের দেশে বর্তমানে চালের চাহিদা মাথাপিছু ১৭০ কেজি। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির বর্তমান হার বজায় রাখতে পারলে বাংলাদেশেও এই চাহিদা কমতে থাকবে। চালের পরিবর্তে মাছ, মুরগি, ডিম বা এ ধরনের খাবারের মাধ্যমে পুষ্টির চাহিদা পূরণের প্রবণতা বাড়বে। ধান উৎপাদনের চেয়ে এসব উৎপাদনে জায়গা অনেক কম লাগে।
প্রথম আলো l অর্থনৈতিকভাবে উন্নত হলে তো খাদ্য আমদানি করেও চলা সম্ভব।
মাহবুব হোসেন l আমাদের রপ্তানি আয় বাড়ছে, প্রবাসীদের মাধ্যমেও বিদেশি মুদ্রা দেশে আসছে। দেশে-বিদেশি মুদ্রার মজুদ বেড়েছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে কেনার ক্ষমতাও বেড়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, বিশ্ববাজারে সব সময় কেনার মতো খাদ্যপণ্য পাওয়া যাবে কি না। ২০০৭-০৮ সালে এ সমস্যা হয়েছিল। তখন আমাদের হাতে কেনার মতো অর্থ থাকলেও আন্তর্জাতিক বাজারে কেনার মতো চাল না থাকায় পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছিল। খাদ্যনিরাপত্তার ক্ষেত্রে জোগানের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে রাখার বিষয়টি তাই নিশ্চিত করা জরুরি।
প্রথম আলো l নিজের দেশে উৎপাদন করা ছাড়া জোগানের ওপর নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করার কোনো সুযোগ আছে কি?
মাহবুব হোসেন l বিশ্বে অনেক অনাবাদি জমি পড়ে রয়েছে। নিজেদের খাদ্য উৎপাদনের জন্য অনেক দেশ এখন আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে জমি লিজ নিচ্ছে। চীন, ভারত ও সিঙ্গাপুর এ ক্ষেত্রে অনেক এগিয়ে গেছে। এ ক্ষেত্রে আমাদেরও এগিয়ে আসা উচিত। বাংলাদেশের পক্ষেও বড় বড় জমি লিজ নেওয়া সম্ভব। কৃষিক্ষেত্রে আমাদের অভিজ্ঞতা রয়েছে। আমরা যদি আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে জমি লিজ নিয়ে আমাদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাই, সে দেশের শ্রমিক ব্যবহার করে তত্ত্বাবধানের কাজ করি, তবে প্রচুর শস্য উৎপাদন সম্ভব। এতে যে দেশগুলোর জমি লিজ নেওয়া হবে, সেখানে কৃষিক্ষেত্রে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা যাবে, যা দেশটির জন্যও লাভজনক হবে। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভূমিকার কারণে আফ্রিকার অনেক দেশে বাংলাদেশের যথেষ্ট সুনাম রয়েছে। আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে এ ব্যাপারে উদ্যোগী ভূমিকা পালন করতে হবে। সরকারের সঙ্গে সরকারের সমঝোতার মাধ্যমেই জমি লিজ নেওয়া সম্ভব। ব্র্যাক আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে কাজ করে, সেই অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, সরকার উদ্যোগ নিলে ব্র্যাকের মতো প্রতিষ্ঠানও এ ধরনের উদ্যোগ বাস্তবায়নে সরকারকে সহায়তা করতে পারে। সেখানে উৎপাদিত উদ্বৃত্ত কৃষিপণ্য আমরা সহজেই আমাদের দেশে আমদানি করতে পারব। খাদ্যের জোগানের ওপর আমাদের নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকবে।
প্রথম আলো l এখন উদ্যোগ নিলে কত বছরের মধ্যে এর সুফল পাওয়া সম্ভব বলে মনে করেন?
মাহবুব হোসেন l জমি লিজ নেওয়ার প্রক্রিয়া এখন শুরু করলে এর আনুষ্ঠানিকতা শেষ করতে কিছু সময় লাগবে। এরপর পরিকল্পনা প্রণয়ন, আমাদের কৃষিপ্রযুক্তি স্থানান্তর, সেখানকার স্থানীয় লোকজনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া ইত্যাদি শেষ করে উৎপাদনে যেতে ও সুফল পেতে ৮ থেকে ১০ বছর লাগবে। কিন্তু সে জন্য কাজটি শুরু করতে হবে এখনই।
প্রথম আলো l আপনাকে ধন্যবাদ।
মাহবুব হোসেন l আপনাকেও ধন্যবাদ।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শেয়ারবাজারের সুন্দরী প্রতিযোগিতা-তত্ত্ব
অনেকেরই ধারণা, কোনো প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বাড়লে সেই প্রতিষ্ঠানটি লাভবান হয়। কিন্তু প্রকৃত সত্য হচ্ছে, শেয়ারের দাম বাড়া বা কমার সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির লাভ-লোকসানের সামান্যতম সম্পর্কও নেই। এতে কেবল প্রতিষ্ঠানটির প্রতি মানুষ তথা বিনিয়োগকারীদের আস্থার প্রতিফলন ঘটায়। মূলত শেয়ারবাজারে কেনাবেচা হচ্ছে লাভের টাকা ঘরে তুলে বেশি দামে অন্য কাউকে সেটা গছিয়ে দেওয়া। এভাবে ক্রমাগত ঊর্ধ্বমুখী দর তুঙ্গে উঠে নিম্নমুখী হওয়ার সময় যাঁর হাতে শেয়ারগুলো থাকে, তাঁর হয় সর্বনাশ; বাকি যাঁরা দাম ওঠার সময় ছেড়ে মুনাফা ধরে নিয়েছেন, তাঁদের হয় পৌষ মাস। শেয়ারবাজারে মানুষের এই প্রবৃত্তিটির ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে আমেরিকান অর্থনীতিবিদ ও লেখক বার্টন জি ম্যালকিলের ‘আরও বড় নির্বোধ’ তত্ত্বে। তাঁর মতে, যেকোনো কারণেই হোক কোনো শেয়ারের দাম যৌক্তিক বা অযৌক্তিক হারে বাড়তে পারে এবং বাড়তে বাড়তে পৌঁছাতে পারে একটা অস্বাভাবিক পর্যায়ে। এমন অবস্থায় বিনিয়োগকারীরা আকাশছোঁয়া দামের অযৌক্তিকতা স্বীকার করেও সেটা কিনতে পারেন। কারণ, তাঁরা মনে করেন, ওই শেয়ারটি আরও বেশি দামে অন্য (অর্থাৎ তাঁর চেয়ে আরও বড় নির্বোধ) কারও কাছে বিক্রি করে দেওয়া যাবে। যদি সেটা সত্যিই ঘটে, তবে তাঁর পৌষ মাস। তাঁর ক্রেতাটি আর কারও কাছে বিক্রি করার আগেই আচমকা কোনো কারণে যখন শেয়ারটির মূল্যপতন শুরু হয়, তখন সেটি কেনার মতো আর কোনো বড় নির্বোধকে খুঁজে পাওয়া যায় না। আতঙ্কিত মানুষের বিক্রির চাপে তখন দাম কমতে থাকে ওপর থেকে ছেড়ে দেওয়া পাথরখণ্ডের মতো। অনেক বেশি দামে শেয়ার কিনে ক্রেতাটির তখন সর্বনাশ।
আমাদের বাজারে শেয়ারের পর্যাপ্ততার বিষয়টি সাম্প্রতিক কালে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। কারণ, সীমিতসংখ্যক শেয়ারের পেছনে ছুটছেন বিপুলসংখ্যক বিনিয়োগকারী। এতে করে শেয়ারবাজারে বিরাজ করছে মুদ্রাস্ফীতির মতো পরিবেশ। বিনিয়োগকারীর সংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে শেয়ারের সংখ্যাবৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করে সরকারি তরফ থেকেও বাজারে নতুন শেয়ার ছাড়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বেসরকারি খাতের নতুন শেয়ার বাজারে আনার বিষয়টি সরকারের ইচ্ছাধীন নয় বলে সরকারি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ছাড়ার উদ্যোগের কথা বিধৃত হয়েছে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীর তাগিদের মাধ্যমে। নতুন শেয়ার ছাড়ার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে বাজারে কখন নতুন শেয়ার আসবে, সে কথা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। কিন্তু তত দিনে স্রোতের মতো বাজারে ঢুকে পড়বেন আরও বহুসংখ্যক বিনিয়োগকারী। নব্বই দশকের মাঝামাঝি সময়ে শেয়ারবাজারে যে বিশাল জোয়ার এসে একসময় সেটা পর্যবসিত হয়েছিল বিধ্বংসী ভাটায়, তাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলেন অগণিত অভিজ্ঞতাহীন নব্য বিনিয়োগকারী। সে সময় প্রস্তুতিহীন বাজার এবং কাণ্ডজ্ঞানহীন বিনিয়োগকারীদের কার্যকলাপ নিয়ে বহু ধরনের সাবধানবাণী উচ্চারিত হয়েছিল, কিন্তু ফলোদয় হয়নি তাতে। সে তুলনায় অবশ্য এখনকার বাজার আরও সংহত, প্রস্তুত ও গভীর। দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন বিনিয়োগকারীর সংখ্যা তুলনামূলকভাবে বেশি, প্রাতিষ্ঠানিক প্রস্তুতি এবং তথ্যপ্রযুক্তির সমারোহও বিস্তৃত। ফলে দেড় দশক আগের দুঃস্বপ্ন এখন হয়তো আমাদের আর তাড়া করে বেড়ায় না। তবুও নতুন ও অনভিজ্ঞ বিনিয়োগকারীদের বিবেচনাহীন আচরণে আশঙ্কা থেকেই যায়।
শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের প্রধান পূর্বশর্তগুলো না মেনে, বাজার সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান আহরণ না করে, কোম্পানির আর্থিক অবস্থা, ব্যবসায়িক ইতিহাসের তথ্য না জেনে, এমনকি বাজার কার্যক্রমে ব্যবহূত বিভিন্ন শব্দের অর্থ বা সংজ্ঞা না বুঝেও বিপুলসংখ্যক বিনিয়োগকারী শেয়ারে অর্থলগ্নি করে বসে আছেন। শেয়ার কেনার ব্যাপারে এঁদের সিদ্ধান্ত নির্ভর করে গুজবের ওপর, কিংবা অন্যকে অনুসরণ করার প্রবণতা থেকে। ঠিক এ রকম অবস্থাকেই বিশ্বখ্যাত অর্থনীতিবিদ জন মেনার্ড কেইনস ব্যাখ্যা করেছিলেন পত্রিকার সুন্দরী প্রতিযোগিতার উদাহরণ দিয়ে। এই তুলনার মাধ্যমে তিনি দেখান যে অধিকাংশ মানুষ বিনিয়োগ করার সময় কোনো বিশেষ প্রতিষ্ঠানের আর্থিক অবস্থা কিংবা মুনাফার পূর্বাভাস বিবেচনা করেন না, তাঁদের মূল বিবেচনা নির্ভর করে অন্য বিনিয়োগকারীদের আচরণের ওপর। কেইনস তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ জেনারেল থিওরি অব এমপ্লয়মেন্ট ইন্টারেস্ট অ্যান্ড মানিতে শেয়ারবাজারের ওঠানামার প্রকৃতি বিশ্লেষণ করতে এই ধারণা উপস্থাপন করেছিলেন। কেইনস লক্ষ করেন, শেয়ারবাজারে মানুষের বিনিয়োগের সহজাত প্রবণতা তখনকার সময়ে লন্ডনের একটা কাগজের জনপ্রিয় সুন্দরী প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী পাঠকদের মানসিকতার সঙ্গে মিলে যায়।
প্রতিযোগিতাটা ছিল এ রকম: কাগজে ছাপা হতো ১০০ জন সুন্দরীর ছবি, পাঠকদের তার মধ্য থেকে ছয়জন সেরা সুন্দরীকে নির্বাচন করে পাঠাতে হতো। সবচেয়ে বেশি ভোট পাওয়া সুন্দরীকে যাঁরা নির্বাচন করতেন, তাঁদের দেওয়া হতো পুরস্কার। ফলে নির্বাচনকারী পাঠকেরা চেষ্টা করতেন বেশির ভাগ পাঠক যাঁদের ভোট দেন, সেসব সুন্দরীকে নির্বাচিত করতে। অথচ অংশগ্রহণকারী পাঠকদের জন্য স্বাভাবিক আচরণ ছিল নিজের বিচারে যে ছয়জনকে বাকিদের চেয়ে বেশি সুন্দরী বলে মনে হয় তাঁর পক্ষে ভোট দেওয়া, কিন্তু তাতে বেশির ভাগ মানুষের দলভুক্ত না হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই সৌন্দর্য বিচারে পাঠকেরা নিজের বিবেচনাকে প্রাধান্য না দিয়ে বেশির ভাগ মানুষ যেদিকে ঝোঁকে, সেদিকে দলভুক্ত হতে চাইতেন।
কেইনস মনে করেন, বিনিয়োগকারীরাও সেই সুন্দরী প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের মতো কোম্পানির মৌলিক আর্থিক সূচকসমূহ, যথা: প্রত্যাশিত আয়, লাভ ইত্যাদি বিবেচনা উপেক্ষা করে নজর রাখেন বাজার তথা বেশির ভাগ বিনিয়োগকারী কোন দিকে যান, সেদিকে। ফলে বাজার হয়ে পড়ে অস্থিতিশীল। কারণ, বিনিয়োগের মূলনীতিগুলো তখন আর প্রাসঙ্গিক থাকে না। আর যাঁরা স্বল্প সময়ে খুব সফলতা লাভ করেন, তাঁরা বিবেচিত হন সৌভাগ্যবান হিসেবে এবং অধিকাংশ মানুষের মনস্তত্ত্ব সঠিকভাবে বিশ্লেষণ করতে সক্ষম হয়েছিলেন তাঁরা। কারণ, একটা শেয়ারের দাম যখন বাড়তে থাকে, তখন বহু বিনিয়োগকারী পাওয়া যায়, যাঁরা সেটা আরও বেশি দামে কিনতে প্রস্তুত থাকেন (আরও বড় নির্বোধ-তত্ত্ব অনুসারে)। বাজারে সাধারণত দুই ধরনের শেয়ার কেনা যায়: একটা হচ্ছে ক্রেতা যেটাকে সবচেয়ে ভালো মনে করেন, যেমন সঠিক মূল্যায়িত দামে অথবা খুব ভালো প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানের শেয়ার; আর অন্যটা হচ্ছে যেটাকে অন্যরা ভালো মনে করেন। কেইনস মনে করতেন, বেশির ভাগ মানুষ দ্বিতীয় ধরনের শেয়ার কিনতে চান, অর্থাৎ যেটিকে অন্যরা সুন্দর মনে করেন (সুন্দরী প্রতিযোগিতা-তত্ত্ব অনুসারে)। ফলে অধিকাংশ ক্রেতা যেদিকে ছোটেন, বাকিরা তাঁদের অনুসরণ করেন। এতে সেই শেয়ারের বাজার চড়ে যায়। বেশির ভাগ মানুষের এই প্রবণতাই কেইনসের সুন্দরী প্রতিযোগিতা-তত্ত্বের মূলকথা।
তবে কেইনসের এই দৃষ্টিভঙ্গির কারণে ধারণা করা ঠিক হবে না যে তিনি শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ কিংবা ফাটকাবাজারির বিরোধী ছিলেন। ফাটকাবাজির যে ক্ষণস্থায়ী কিছু সুফল আছে, কেইনস সে কথা অস্বীকার করেননি। তিনি বলতেন, এই প্রবণতা যেন ব্যবসায়ী উদ্যোগকে অতিক্রম করে আধিপত্য বিস্তার করতে না পারে, সে বিষয়ে সাবধান থাকতে হবে। তিনি বলেন, ‘ব্যবসায়ী উদ্যোগের স্থিতিশীল ধারায় বুদ্বুদের মতো ফাটকাবাজদের আবির্ভাব হলে হয়তো কোনো ক্ষতির আশঙ্কা নেই। কিন্তু ফাটকাবাজির ঘূর্ণাবর্তে যখন ব্যবসায়ী উদ্যোগ বুদ্বুদের মতো আবির্ভূত হয়, তখন অবস্থাটা হয়ে দাঁড়ায় মারাত্মক।’ দীর্ঘ মেয়াদে বিনিয়োজিত সম্পদ ধরে রাখলে কোনো ব্যবসায়ের উৎপাদনশীলতা এবং মুনাফার সম্ভাবনার বাস্তব রূপায়ণ সম্ভব হয়, কিন্তু স্বল্পমেয়াদি ফাটকাবাজারিতে প্রকৃত মূলধন বৃদ্ধির তেমন কোনো সুযোগ থাকে না, বরং সেটা হয়ে পড়ে জুয়া খেলার মতো। কেইনস বলেছেন, স্টক এক্সচেঞ্জ এবং শেয়ারবাজার যেন কোনোভাবেই জুয়ার আসরে পরিণত না হয়, সে ব্যাপারে সবিশেষ সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। অনেকেরই হয়তো জানা নেই, কেইনস নিজেও খুব সফল বিনিয়োগকারী ছিলেন। ১৯২৯ সালের শেয়ারবাজার ধসের পর তাঁর প্রায় সব বিনিয়োগ নষ্ট হয়ে গেলেও তিনি সে ক্ষতি পুনরুদ্ধার করে নিয়েছিলেন। ১৯৪৬ সালে মৃত্যুর সময় তাঁর সম্পদের পরিমাণ ছিল বর্তমান বাজারে প্রায় এক কোটি পাউন্ডের ওপর।
অর্থনীতিবিদ কেইনসের ধারণা ও দক্ষতা হয়তো আমাদের অভিজ্ঞতাহীন বিনিয়োগকারীরা পুরোপুরি আত্মস্থ করতে পারবেন না, কিন্তু তিনি সুন্দরী প্রতিযোগিতা-তত্ত্বের মাধ্যমে যে সহজ বার্তাটি আমাদের কাছে পৌঁছাতে চেয়েছেন, আমরা অন্তত সেটা স্মরণে রাখতে পারি, অর্থাৎ অন্ধের মতো বাজারের অধিকাংশ বিনিয়োগকারীকে অনুসরণ করার চেষ্টা না করি এবং স্টক মার্কেটে বিনিয়োগ যে তাঁর ভাষায় ‘পেশাদার বিনিয়োগের খেলা,’ সেটাকে জুয়া খেলায় পর্যবসিত না করি।
ফারুক মঈনউদ্দীন: লেখক ও ব্যাংকার।
fmainuddin@hotmail.com
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পীরের প্রাণঘাতী ‘চিকিৎসা’
৩০ নভেম্বর রিফাত হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে চিকিৎসকের কাছে না নিয়ে তহুরা বেগম নামের এক নারীর কাছে নেওয়া হয়, যিনি সিলেটের জামতলা এলাকায় থাকেন এবং জামতলার ‘পীরানি’ নামে পরিচিত। তহুরা বেগম যথারীতি ঘোষণা করেন, রিফাতের ওপর জিনের আছর হয়েছে। সেলামি হিসেবে নগদ ৭৭ হাজার টাকার বিনিময়ে পীরানি তহুরা বেগম ঝাড়ফুঁক, পানিপড়া খাওয়ানো, তেলমালিশ ইত্যাদি ‘চিকিৎসা’ চালান রিফাতের ওপর সারা রাত। রিফাত গুরুতর অসুস্থ হলে ভোররাতের দিকে তাঁকে প্রথমে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে নেওয়া হয়, সেখানে তাঁর অবস্থার আরও অবনতি হলে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।
কথিত পীরানির এই উদ্ভট ও প্রাণঘাতী ‘চিকিৎসা’, একটি গরু ও এক ভরি সোনা নিয়ে তাঁর অন্তর্ধান এবং রিফাতের মা ও মামাসহ পরিবারের লোকজনের আচরণের বিবরণ শনিবারের প্রথম আলোয় ছাপা হয়েছে। কোনো অজগণ্ডগ্রামের নিরক্ষর পরিবার নয়, একটি বিভাগীয় শহরে বসবাসরত বেশ সচ্ছল, শিক্ষিত একটি পরিবারের সদস্যরা কী গভীর কুসংস্কারে আচ্ছন্ন হয়ে আছেন, তা এ ঘটনা থেকে পরিষ্কারভাবে বোঝা যায়। রিফাতের মাসহ পরিবারের সদস্যরা অসুস্থ রিফাতকে চিকিৎসকের কাছে না নিয়ে ওই প্রতারক ‘পীরানি’র কাছে নিয়ে গিয়েছিলেন তাঁদের গৃহকর্মী রোকেয়া বেগমের (৩০) পরামর্শে। এটা বড়ই দুর্ভাগ্যজনক যে তাঁরা নিজেদের বিচারবুদ্ধি না খাটিয়ে একজন কুসংস্কারাচ্ছন্ন অশিক্ষিত নারীর পরামর্শকে গুরুত্ব দিয়েছেন। পুলিশ রোকেয়া বেগমকে আটক করেছে। আমাদের পরামর্শ, রোকেয়া বেগম কথিত পীরানি তহুরা বেগমের দালাল কি না, তা যেন খতিয়ে দেখা হয়। কারণ জানা যাচ্ছে, সিলেট শহরের বিভিন্ন এলাকায় তহুরা বেগমের নিয়োজিত দালাল রয়েছে, যারা অসুস্থ ও বিভিন্ন বালামুসিবতের শিকার লোকজনকে পীরানির কাছে যেতে প্ররোচিত করে।
পীরানি তহুরা বেগমকে পুলিশ এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি। তিনি সম্ভবত তাঁর কোনো ভক্ত-অনুসারীর আশ্রয়ে আত্মগোপনে আছেন। সে রকম হলে আমরা তাঁর আশ্রয়দাতার বোধোদয় কামনা করি: তহুরা বেগম মোটেও পীর নন, তিনি রিফাতের হত্যাকারী। তাঁকে ধরিয়ে দেওয়া উচিত। পুলিশেরও উচিত গ্রেপ্তার অভিযান জোরদার করা। তহুরা বেগমের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা একান্ত জরুরি। আর ঝাড়ফুঁক, তাবিজ-কবজ, পানিপড়া-তেলপড়াসহ যাবতীয় অবৈজ্ঞানিক ও ক্ষতিকর ‘চিকিৎসা’ প্রয়াসে যাঁরা বিশ্বাস করেন, রিফাতের এই মর্মান্তিক অকালমৃত্যুর মধ্য দিয়ে তাঁদের কুসংস্কারগুলো যেন দূর হয়।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিচারপতিদের সম্পদের বিবরণী
আমরা বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৬(৪) অনুচ্ছেদের আওতায় প্রণীত আচরণবিধি অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের সম্পদের বিবরণী প্রকাশে দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছি। সদ্য অবসরে যাওয়া বিচারপতি মো. ফজলুল করিম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নিয়েই সম্পদের বিবরণী প্রকাশের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। সে সময় প্রথম আলো ‘আমরা প্রধান বিচারপতির দিকে তাকিয়ে’ শীর্ষক সম্পাদকীয় লিখে তার সাধুবাদ জানিয়েছিল। তখন আইনবিদ শাহ্দীন মালিক প্রথম আলোতেই ঈষৎ বঙ্কিম-কটাক্ষে মন্তব্য করেছিলেন, ‘যত দিন খুশি আমরা যেন তাকিয়ে থাকি।’ তাঁর আশঙ্কাই সত্যে পরিণত হয়েছিল। আমরা লিখিতভাবে সাবেক প্রধান বিচারপতির প্রতি তাঁর সম্পদের বিবরণী প্রদানে আহ্বান জানিয়েছিলাম। কিন্তু সে আহ্বান নিষ্ফল রোদনে পরিণত হয়।
২০০৩ সালের সংশোধিত আচরণবিধিতে নির্দিষ্টভাবে সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের সম্পদের বিবরণী আদায়ে প্রধান বিচারপতিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। বলা আছে, প্রধান বিচারপতি আহ্বান জানালে সুপ্রিম কোর্টের বিচারকেরা সম্পদের বিবরণী দেবেন। সুতরাং প্রধান বিচারপতিকেই তা চাইতে হবে। আর সম্পদের বিবরণী প্রকাশ মানে রাষ্ট্রপতির কাছে নয়, দেশবাসী তা সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে দেখতে চায়। আগের প্রধান বিচারপতিরা তাঁদের ওপর অর্পিত সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন না করে অবসরে গেছেন। এই ধারার অবসান ঘটুক।
নিম্ন আদালতের বিচারকেরা জরুরি অবস্থায় সম্পদের বিবরণী দিয়েছিলেন। সেই বিবরণী ফিতাবন্দী থাকা অবস্থায় সুপ্রিম কোর্ট নতুন করে এবং বিস্তারিতভাবে সম্পদের বিবরণী চেয়ে চিঠি দিয়েছেন। সুপ্রিম কোর্টের এই দৃষ্টিভঙ্গি ও নিস্পৃহতা গ্রহণযোগ্য নয়। ধারণা করি, উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিচারক বহু আগেই তাঁদের সম্পদের বিবরণী জমা দিয়েছেন। অথচ তা যাচাই-বাছাইয়ের কোনো প্রক্রিয়া শুরু হয়নি।
সমাজে আয়ের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়, এমন জীবনব্যবস্থা ক্রমেই ‘সামাজিক’ স্বীকৃতি পেয়ে চলেছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে এটা আমাদের সংস্কৃতির গভীরে প্রোথিত হচ্ছে। রাজনীতিকেরা আশাভঙ্গের কারণ হয়েই থাকছেন। তবে সুপ্রিম কোর্টের কাছ থেকে অনুকরণীয় দৃষ্টান্তই প্রত্যাশিত। প্রতিবেশী দেশ ভারতে সুপ্রিম কোর্টের বিচারকেরা ইতিমধ্যে সম্পদের বিবরণী প্রকাশ করেছেন। এমনকি কয়েকজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারক স্বতঃস্ফূর্তভাবে এগিয়ে এসেছেন এবং তাঁদের সম্পদের বিবরণীও সুপ্রিম কোর্টের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে স্থান পেয়েছে। একই সঙ্গে আমরা অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদেরও সম্পদের বিবরণী প্রকাশের আহ্বান জানাই। সমাজে ন্যায় প্রতিষ্ঠায় তাঁদের দায় অবসর নিলেই চুকেবুকে যায় না। প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক বলেছেন, ‘বিচারকদের মনের স্বাধীনতা মরে গেলে কোনো সংবিধান বা ধর্মগ্রন্থ দিয়ে তা পুনরুদ্ধার করা সম্ভব নয়।’ খুবই মূল্যবান কথা। বিচারক-মনের এহেন স্বাধীনতার বহিঃপ্রকাশ ঘটানোর একটি উপায় হচ্ছে সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের সম্পদের বিবরণী প্রকাশ করা।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মুসলিম প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে ইরান শক্তি প্রয়োগ করবে না
মোত্তাকি বলেন, ‘প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে আমরা কখনো শক্তি প্রয়োগ করিনি এবং করবও না। কারণ, আমাদের প্রতিবেশীরা মুসলিম। এই অঞ্চলে তাঁদের শক্তি মানে আমাদের শক্তি। আর আমাদের শক্তিই তাঁদের শক্তি।’
এর আগে শুক্রবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন বলেন, ইরানের সন্দেহজনক পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র উদ্বিগ্ন। উদ্বিগ্ন ইরানের প্রতিবেশী দেশগুলোও।
হিলারির এ মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে মোত্তাকি উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার আহ্বান জানান। বিভেদ ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির জন্য বাইরের দেশগুলোর চেষ্টার ব্যাপারে প্রতিবেশীদের সতর্ক করে দেন।
মোত্তাকি বলেন, বিদেশি শক্তি এই অঞ্চলে নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় কোনো সহায়তা করবে না। তিনি বলেন, ‘নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা ইরানের জন্য খুব জরুরি। কারণ, আমরা (ইরান ও প্রতিবেশী উপসাগরীয় দেশগুলো) বিশ্বের বেশির ভাগ জ্বালানি সরবরাহ করি। জ্বালানি তেলের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিতে ইরান বদ্ধপরিকর।’
সম্মেলনে ভাষণে জর্ডানের বাদশাহ দ্বিতীয় আবদুল্লাহ বলেন, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের শান্তি আলোচনা অচলাবস্থা থেকে ফিরিয়ে আনতে হবে। তিনি বলেন, ‘ফিলিস্তিন ও ইসরায়েলের মধ্যে বিরোধের নিষ্পত্তি না করলে আমাদের এই অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে না।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
উইকিলিকসের ফাঁস করা তথ্যের সত্যতা নিয়ে সন্দিহান কারজাই
উইকিলিকসের ফাঁস করা তথ্যে উল্লেখ রয়েছে, ‘মার্কিন কূটনীতিকেরা বলেছেন, কারজাইয়ের একজন সহযোগী সুটকেসে করে পাঁচ কোটি ২০ লাখ ডলার দেশ থেকে সরিয়েছেন।’
এই তথ্যের সত্যতা নাকচ করে দিয়ে কারজাই বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি কর্মকর্তারা প্রতিদিন আমাদের সঙ্গে আলোচনা করছেন। প্রতিদিন তাঁরা এসে আমাদের কাছে এসে এ ব্যাপারে উদাহরণ তুলে ধরছেন। এমনকি পাঁচ হাজার ডলারের কোনো দুর্নীতির ঘটনা ঘটলেও তাঁরা এ বিষয়ে বলছেন। সে ক্ষেত্রে পাঁচ কোটি ২০ লাখ ডলার পাচারের মতো বড় ধরনের ঘটনার কথা তাঁরা বলবেন না কেন? একারণেই এসব তথ্যের সত্যতার ব্যাপারে আমার সন্দেহ আছে।’
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মুম্বাই হামলার তথ্যবিনিময়ের চুক্তি করে ভারত ও পাকিস্তান
২০০৯ সালে পাকিস্তানে নিযুক্ত তৎকালীন মার্কিন রাষ্ট্রদূত অ্যান প্যাটারসনের এক তারবার্তায় এ তথ্য রয়েছে। এতে বলা হয়েছে, হামলার এক মাস পর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ওই গোপন চুক্তি হয়। ওই তারবার্তায় সতর্ক করে দিয়ে বলা হয়, জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তাইয়েবা মুম্বাইয়ে হামলা চালিয়েছে। সংগঠনটি আবারও হামলা চালাতে পারে।
অ্যান প্যাটারসন গত বছরের তিন জানুয়ারি এই তারবার্তা ওয়াশিংটনে পাঠান। তারবার্তায় বলা হয়, ওই হামলায় ব্যবহূত বন্দুক ও গ্রেনেডের বিষয়ে ইসলামাবাদের করা তদন্তের তথ্য ভারতের সঙ্গে বিনিময় করতে রাজি হয় পাকিস্তান। প্যাটারসন লেখেন, পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ সুজা পাশা তাঁদের তদন্তের তথ্য ভারতের সঙ্গে বিনিময় করবে। তবে এসব তথ্য শুধু গোয়েন্দাদের মধ্যেই থাকবে, যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার (সিআইএ) এমন আশ্বাস পাওয়ার পরই তিনি এতে রাজি হন।
এই তারবার্তা পাঠানোর দুই দিন পর মুম্বাই হামলার তদন্তসংশ্লিষ্ট বেশ কিছু কাগজপত্র নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত পাকিস্তানের তৎকালীন হাইকমিশনারের কাছে হস্তান্তর করে ভারত। পরে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন দেশের কাছে হামলা-সংক্রান্ত তথ্য বিনিময় করা হয়েছে।
২০০৯ সালের ২ জানুয়ারি পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারির সঙ্গে বৈঠক করেন প্যাটারসন। ওই বৈঠকের পর ৫ জানুয়ারি ওয়াশিংটনে পাঠানো তারবার্তায় তিনি বলেন, ‘লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ সুজা প্রেসিডেন্ট জারদারিকে এ ব্যাপারে অবহিত করেছেন। প্রেসিডেন্ট জারদারি ভারতের সঙ্গে তথ্যবিনিময়ের ব্যাপারে একমত পোষণ করেছেন।’
প্যাটারসন তারবার্তায় আরও বলেন, মুম্বাই হামলার জন্য দায়ী জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তাইয়েবা ভারত, নেপাল, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে সক্রিয় রয়েছে। সংগঠনটির পরবর্তী সম্ভাব্য হামলা ঠেকাতে তথ্যবিনিময় ও সহযোগিতার জন্য আমাদের একটি মাধ্যম দরকার। শুধু মুম্বাই হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় নিয়ে আসা আমাদের লক্ষ্য নয়, আলোচনা শুরুর মাধ্যমে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা কমাতে চাই আমরা।
২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বর মুম্বাইয়ের হোটেল তাজমহল প্যালেস, হোটেল ওবেরয়সহ বেশ কয়েকটি স্থানে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয়। এতে ১৭৫ জন নিহত ও ৩০৮ জন আহত হন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কূটনৈতিক তারবার্তা মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির অংশ নয়: হিলারি
উইকিলকসে প্রকাশিত মার্কিন গোপন নথি সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন হিলারি। মধ্য এশিয়া ও বাহরাইন সফর শেষে গতকাল শনিবার ওয়াশিংটনে ফেরার সময় বিমানেই সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
হিলারি জানান, আগামী সপ্তাহগুলোতে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করবেন তিনি। উইকিলিকসে প্রকাশিত তারবার্তায় দেখা যায়, রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ভ্লাদিমির পুতিন, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নিকোলা সারকোজি, ইতালির প্রধানমন্ত্রী সিলভিও বারলুসকোনি, আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাইসহ অনেক বিশ্বনেতার নামে অপমানজনক মন্তব্য করা হয়েছে।
হিলারি ক্লিনটন বলেন, ‘খোলাখুলি আলোচনা না করলে দেশগুলো পরস্পরের ব্যাপারে ভালোভাবে জানতে পারবে না। পারস্পরিক স্বার্থে নতুন নীতিও গ্রহণ করতে পারবে না। আমি গত সপ্তাহে অনেক কথা বলেছি। কূটনীতি কী, সেটি বলার চেষ্টা করেছি আমি।
বিশ্বনেতাদের নামে মন্তব্য প্রসঙ্গে হিলারি বলেন, ‘যেগুলো প্রকাশ করা হয়েছে, সেগুলো অবশ্যই কূটনীতির ভাষা নয়। এসব বক্তব্য তারা সরাসরি আমাদের কাছ থেকে পায়নি। অনেক ক্ষেত্রেই তৃতীয় বা চতুর্থ মাধ্যম থেকে পেয়ে তা প্রকাশ করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বনেতাদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করছি। তাঁদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়তে সর্বোচ্চ চেষ্টাই করব। আমি বিশ্বাস করি, আমাদের পারস্পরিক আস্থা ও সম্পর্ক পুনঃস্থাপন করতে হবে।’
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফেসবুকে সিপিআই(এম) নেতারা
আগামী বছরের মে মাসে পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভার নির্বাচন হওয়ার কথা। ধারণা করা হচ্ছে, ১৯৭৭ সালের পর এবারই বামপন্থীদের চরম প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়তে হবে। কাজেই লড়াইয়ে জিততে দলের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া তরুণসমাজের সঙ্গে যতটা সম্ভব যোগাযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করছে বামপন্থীরা।
সিপিআই-এমের ছাত্র সংগঠন স্টুডেন্টস ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ার (এসএফআই) পশ্চিমবঙ্গ শাখার সাধারণ সম্পাদক কৌস্তভ চট্টোপাধ্যায় জানান, বন্ধু-বান্ধব ও সংগঠনের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে তিনি ফেসবুক ব্যবহার করেন এবং নির্বাচনী প্রচারণার জন্য এটি ব্যবহার করা যেতে পারে।
পশ্চিমবঙ্গের সিপিআই-এমের নেতা সুজন চক্রবর্তী, মইনুল হাসান, সমিক লাহিড়ি, মানব মুখার্জী ও শিল্পমন্ত্রী নিরুপম সেন নিয়মিত ফেসবুক ব্যবহার করেন। শুধু নতুন প্রজন্মের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য নয়, দলের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আক্রমণের জবাব দিতেও তাঁরা ফেসবুক ব্যবহার করছেন।
মানব মুখার্জির ফেসবুক অ্যাকাউন্টে সিপিআই-এমের কর্মীদের বিরুদ্ধে মাওবাদী-তৃণমূল কংগ্রেসের সহিংসতার বিষয়ে একাধিক নিবন্ধ পোস্ট করা আছে। আছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি ছবি। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, মাওবাদী-সমর্থিত পিপল কমিটি অ্যাগেইনস্ট পুলিশ অ্যাট্রোসিটিসের আহ্বায়ক ছত্রধর মাহাতোর সঙ্গে কথা বলছেন মমতা।
এসব কিছু থেকে বোঝাই যাচ্ছে, সিপিআই-এমের অবস্থান ও চিন্তা-চেতনায় ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। ১৯৮০ ও ‘৯০-এর দশকে কম্পিউটারের ঘোরতর বিরোধী ছিল দলটি। তখন তারা বলেছে, কম্পিউটার হলো, গরিবদের কর্মসংস্থান ছিনিয়ে নেওয়ার একটি যন্ত্র। কিন্তু এ নিয়ে এখন তাদের দৃষ্টিভঙ্গি সম্পূর্ণ ভিন্ন। পশ্চিমবঙ্গে শিল্পায়নের উদ্যোগে তথ্যপ্রযুক্তির খাতকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে ক্ষমতাসীন বামপন্থীরা। বিভিন্ন রাজ্যে নির্বাচনী পরাজয়ের পরিপ্রেক্ষিতে দলের ভিত্তি মজবুত করতে বিভিন্নমুখী পদক্ষেপ নিচ্ছে বামপন্থীরা।
পশ্চিমবঙ্গের পর্যটনমন্ত্রী মানব মুখার্জী বলেন, ফেসবুক ব্যবহারের বিষয়টি তাঁর একান্তই ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, দলীয় নয়। নতুন প্রজন্মের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেই তিনি ফেসবুক ব্যবহার করেন।
দলের রাজ্য কমিটির অপর সদস্য সমিক লাহিড়ি জানিয়েছেন, বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে যোগাযোগ রাখাতেই তিনি ফেসবুক ব্যবহার করেন। তবে মাঝেমধ্যে লোকজন সাম্প্রতিক বিষয় নিয়ে জানতে চাইলে তিনি জবাব দেন।
তবে দলীয় প্রচারণার ক্ষেত্রে ফেসবুক ব্যবহারের বিষয়টি স্বীকার করেছেন এসএফআই-নেতা কৌস্তভ চট্টোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেন, তাঁর দল কখনোই কম্পিউটারের বিরোধিতা করেনি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, সিপিআই-এমের নেতাদের ফেসবুক ব্যবহারের ঘটনা অবশ্যই একটি ইতিবাচক অগ্রগতি। তবে খুব দেরি হয়ে গেছে। তার পরও এটা ভালো যে তাঁরা বুঝতে পেরেছেন, কম্পিউটার শত্রু নয়।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নিজেদের রক্ষায় পদক্ষেপ নিয়েছে উইকিলিকস কর্তৃপক্ষ
গত শুক্রবার অজ্ঞাত স্থান থেকে অনলাইনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ এসব কথা বলেন। তাঁর এ সাক্ষাৎকার ব্রিটেনের প্রভাবশালী দৈনিক গার্ডিয়ান-এর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।
এদিকে অ্যাসাঞ্জ নতুন করে আরও তথ্য প্রকাশের ঘোষণা দিয়েছেন। গার্ডিয়ানকে তিনি বলেছেন, ভিনগ্রহের প্রাণী (এলিয়েন) ও অজ্ঞাত উড়ন্ত বস্তু (ইউএফও) সম্পর্কিত যুক্তরাষ্ট্রের গোপন তথ্যও তিনি প্রকাশ করবেন। তিনি তরুণ মার্কিন সেনা ব্রাডলি ম্যানিংকে ‘অপ্রতিদ্বন্দ্বী নায়ক’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, মার্কিন সেনাবাহিনীর গোয়েন্দা শাখার এই সেনাই সে দেশের গোপন দলিলপত্র উইকিলিকসের কাছে পাচার করেছেন। পুলিশ চলতি বছরের মে মাসে ম্যানিংকে গ্রেপ্তার করে।
অ্যাসাঞ্জ বলেছেন, তাঁকে কেউ হুমকি দিলে তা হত্যার প্ররোচনা হিসেবে বিবেচিত হবে। তিনি বলেন, ‘আমাদের জীবনের হুমকির বিষয়টি সবারই জানা। পরাশক্তির সঙ্গে পেরে উঠতে এ বিষয়ে আমরা যথাযথ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছি।’ নিজের নিরাপত্তাব্যবস্থা এরই মধ্যে বাড়ানো হয়েছে বলে তিনি জানান।
অ্যাসাঞ্জের আইনজীবী বলেছেন, যৌন নিপীড়নের অভিযোগে তাঁর মক্কেলকে সুইডেনের কাছে হস্তান্তরের সব প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে তিনি লড়বেন। তিনি আরও বলেন, তাঁর বিশ্বাস, বিদেশি শক্তিগুলো সুইডেনকে এ ব্যাপারে প্রভাবিত করছে।
এদিকে সুইডেন কর্তৃপক্ষ বলছে, তারা এরই মধ্যে ব্রিটেনের কাছে অ্যাসাঞ্জের বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার কাগজপত্র হস্তান্তর করেছে। ১০ দিনের মধ্যে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের জ্যেষ্ঠ রাজনীতিবিদ মাইক হুকাবি বলেছেন, যে ব্যক্তিই গোপন মার্কিন দলিল প্রকাশ করুক না কেন, তার বিচার করতে হবে।
আফগানিস্তান ও ইরাক যুদ্ধ নিয়ে মার্কিন সেনাবাহিনীর গোপন দলিল প্রকাশ করে উইকিলিকস বিশ্বব্যাপী আলোচনার ঝড় তোলে। সর্বশেষ তারা বিপুল পরিমাণ গোপন মার্কিন কূটনৈতিক বার্তা প্রকাশ করে। এ নিয়ে উইকিলিকস যুক্তরাষ্ট্রের তোপের মুখে পড়ে।
এর পর থেকেই তাঁকে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অ্যাসাঞ্জ দাবি করছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে নিজেদের জীবনের নিরাপত্তা নিজেরাই নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিল ওয়েবসাইট কর্তৃপক্ষ।
গত বৃহস্পতিবার দি ইনডিপেন্ডেন্ট-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অ্যাসাঞ্জ সম্ভবত দক্ষিণ ইংল্যান্ডের কোনো এক জায়গায় অবস্থান করছেন। ব্রিটেনের পুলিশ তাঁর অবস্থান সম্পর্কে অবগত আছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চার মাসে এডিপির মাত্র ১৪ শতাংশ বাস্তবায়িত
এই সময়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো পাঁচ হাজার ৪০১ কোটি টাকা ব্যয় করতে সমর্থ হয়েছে। তবে তিনটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ কোনো অর্থ খরচ করতে পারেনি।
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
এদিকে চলতি অর্থবছরের সংশোধিত এডিপি প্রণয়নের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে। গত ২৪ নভেম্বর পরিকল্পনা কমিশনের কার্যক্রম বিভাগ থেকে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে চিঠি দিয়ে সংশোধিত এডিপি প্রণয়নের নীতিমালা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
পরিকল্পনামন্ত্রী এ কে খন্দকার গত বৃহস্পতিবার প্রথম আলোকে বলেন, আগামী জানুয়ারি মাস থেকে সংশোধিত এডিপি প্রণয়নের কাজ শুরু হবে।
জানা গেছে, সংশোধিত এডিপিতে চলমান এডিপির বরাদ্দহীন কোনো প্রকল্প রাখা হবে না। চলমান দারিদ্র্য নিরসন কৌশলপত্র ও ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মূল ধারণার আলোকে সংশোধিত এডিপিতে প্রকল্প গ্রহণ করা হবে। এ ছাড়া দারিদ্র্য বিমোচন ও অবকাঠামো খাতের প্রকল্পগুলো সংশোধিত এডিপিতে প্রাধান্য দেওয়া হবে।
আইএমইডি সূত্রে আরও জানা গেছে, জুলাই-অক্টোবর সময়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর অনুকূলে নয় হাজার ৯৪০ কোটি টাকা ছাড় করা হয়েছিল। এর বিপরীতে মাত্র ৫৪ শতাংশ খরচ করা সম্ভব হয়েছে।
এদিকে চলতি অর্থবছরের চার মাসের এডিপি বাস্তবায়ন পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, টাকার অঙ্কে খরচ বাড়লেও গত বছরের তুলনায় বাস্তবায়নের হার কিছুটা কমেছে।
গত অর্থবছরে একই সময়ে ১৬ শতাংশ এডিপি বাস্তবায়ন করা হয়েছিল। ব্যয় হয়েছে চার হাজার ৯৪০ কোটি টাকা। ২০০৮-০৯ ও ২০০৭-০৮ অর্থবছরে এই সময়ে এডিপি বাস্তবায়ন হয়েছিল যথাক্রমে ১৩ ও ১১ শতাংশ।
এ বছরের প্রথম চার মাসে স্থানীয় মুদ্রায় দুই হাজার ৯২২ কোটি টাকা এবং প্রকল্প সহায়তার দুই হাজার ১৮ কোটি টাকার খরচ করা সম্ভব হয়েছে।
আইএমইডি সূত্রে জানা গেছে, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ ও সরকারি কর্মকমিশন সচিবালয় জুলাই-অক্টোবর সময়কালে কোনো অর্থ খরচ করতে পারেনি। এ বছর প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অনুকূলে ৪০ কোটি ৪৫ লাখ টাকা, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের অনুকূলে ৩৬ কোটি টাকা ও সরকারি কর্মকমিশন সচিবালয়ের অনুকূলে এক কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে।
এ ছাড়া আটটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের অনুকূলে বরাদ্দের ৫ শতাংশের নিচে অর্থ খরচ করেছে। এগুলো হলো: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় (দশমিক ০৯ শতাংশ), নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় (১ শতাংশ), বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয় (১ শতাংশ), অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (১ শতাংশ), মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ (১ শতাংশ), সেতু বিভাগ (২ শতাংশ), পরিসংখ্যান বিভাগ (৩ শতাংশ), দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ বিভাগ (৪ শতাংশ)।
টাকার অঙ্কে বেশি খরচ করেছে এমন শীর্ষ পাঁচটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ হলো: স্থানীয় সরকার বিভাগ (এক হাজার ৩৩০ কোটি টাকা), প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় (৭১৫ কোটি টাকা), স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় (৫১৬ কোটি টাকা), বিদ্যুৎ বিভাগ (৪৪৪ কোটি টাকা) এবং সড়ক ও রেলপথ বিভাগ (২৯৪ কোটি টাকা)।
চলতি অর্থবছরে ৩৮ হাজার ৫০০ কোটি টাকার এডিপি গ্রহণ করা হয়েছে। এবারের এডিপিতে মোট ৯১৬টি প্রকল্প রয়েছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুক্তরাষ্ট্রে নভেম্বরে বেকারত্বের হার সর্বোচ্চে
যুক্তরাষ্ট্রের শ্রম বিভাগ বলেছে, বেকারত্বের হার বেড়ে যাওয়ায় মন্দা-পরবর্তী অর্থনীতির পুনরুদ্ধার বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এদিকে বেকারত্বের এ হার প্রকাশিত হওয়ার পরপরই শেয়ারবাজারে ব্যাপক দরপতন ঘটে। নভেম্বর মাসে নতুন চাকরির সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে ৩৯ হাজার। কিন্তু অক্টোবরে নতুন চাকরির সুযোগ সৃষ্টি হয়েছিল এক লাখ ৭২ হাজার।
এদিকে বেকারত্বের উচ্চ হার যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে বাজে প্রভাব সৃষ্টি করতে পারে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশ্লেষকেরা।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দুই প্রতিষ্ঠানের লেনদেন স্থগিত
প্রতিষ্ঠান দুটি হলো এইচআর টেক্সটাইল ও সায়হাম টেক্সটাইল।
ডিএসই সূত্রে জানা যায়, আজ এইচআর টেক্সটাইলের প্রতিটি শেয়ারের দাম ১২৬ টাকা ৫০ পয়সা বা ১২ দশমিক ৪২ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। এক হাজার ৪০ টাকা থেকে এক হাজার ১৪৫ টাকার মধ্যে আজ লেনদেন হয় প্রতিষ্ঠানটির প্রতিটি শেয়ার।
অপরদিকে সায়হাম টেক্সটাইলের প্রতিটি শেয়ার আজ ৯ দশমিক ৯৯ শতাশং বা ১৯৯ টাকা ৭৫ পয়সা বাড়ে। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিটি শেয়ার দুই হাজার ৫০ টাকা থেকে দুই হাজার ১৯৯ টাকা ৫০ পয়সার মধ্যে বিক্রি হয়।
দাম বাড়ার ফলে দুটি প্রতিষ্ঠানই দাম বাড়ায় শীর্ষ ১০-এর তালিকায় স্থান করে নেয়।
এদিকে ডিএসইর পক্ষ থেকে অস্বাভাবিক দাম বাড়ার কারণ জানতে চাওয়ার জবাব দিয়েছে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান। এগুলো হলো, ব্র্যাক ব্যাংক, এইচআর টেক্সটাইল, ট্রাস্ট ব্যাংক, পিপলস ইনস্যুরেন্স, বিআইএফসি, সিটি ব্যাংক ও রিপাবলিক ইনস্যুরেন্স। ডিএসইর অনুসন্ধানের জবাবে প্রতিষ্ঠানগুলো জানায়, সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ারের দাম বাড়ার পেছনে কোনো স্পর্শকাতর তথ্য তাদের কাছে নেই।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঢাকায় প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল ৮৬ টাকায় বিক্রি হবে
বোতলজাত তেলের দাম খোলা তেলের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্যের চেয়ে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত বেশি হবে।
আজ রোববার বিকেলে সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী ফারুক খানের সঙ্গে ভোজ্যতেল পরিশোধন কারখানা-মালিকদের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠক শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের এসব কথা জানান।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এবার টি-টোয়েন্টি নেই
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রথম বিভাগ ক্রিকেট
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শোকস্তব্ধ কিশোরগঞ্জ
স্বামীর মৃত্যুর খবরে শোকে পাথর স্ত্রী স্বপ্না। মেয়ে মীমকে কোলে নিয়ে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কেঁদে চলেছেন। কিশোরগঞ্জ শহরের হারুয়া এলাকার বাসিন্দা মুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত কানু মিয়ার ছেলে মাহবুব আলমকে নিয়ে কিশোরগঞ্জবাসী গর্ব করত আর এখন করছে বিলাপ। গোটা কিশোরগঞ্জে শোকের ছায়া। ছেলের মৃত্যুর খবর পেয়ে সকালে পাগলের মতো ছেলের লাশ আনতে ঢাকায় চলে গেছেন মা হালিমা খাতুন। সংসারের হাল ছিল মাহবুব আলমের কাঁধে। ছেলের করুণ মৃত্যুতে বৃদ্ধ মায়ের মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়েছে। বাড়ি হারুয়ায় হলেও তিনি বেশির ভাগ সময় থাকতেন শ্বশুরবাড়ি বত্রিশ এলাকায়।
খেলাধুলায় নিবেদিত মাহবুব আলম কিশোরগঞ্জের ক্রীড়াঙ্গনে ছিলেন খুব জনপ্রিয়। সব ধরনের খেলা নিয়েই তাঁর আগ্রহ ছিল। যেকোনো প্রয়োজনে ঝাঁপিয়ে পড়তেন।
মাহবুব আলমের বন্ধুরা মুষড়ে পড়েছেন। তাঁদেরই একজন শফিকুর রহমান (কাজল) বলছিলেন, ‘ওর অভাব কোনো দিন পূরণ হওয়ার নয়।’ তাঁর আরেক বন্ধু মারুফ আহমেদের ভাষায়, ‘মাহবুব বড় মাপের ক্রীড়াবিদ। অহমিকা ছিল না তার।’ কিশোরগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক এম এ বারী খান ভুলতেই পারছেন না মাহবুবের কথা, ‘ভদ্র, বিনয়ী মাহবুব সব সময় ক্রীড়া সংস্থার খবর নিত। নতুন প্রজন্মকে খেলাধুলায় আনতে চাইত।’
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাকিস্তানের চোখ চীনে
১৬তম এশিয়ান গেমসের সময় গুয়াংজু গিয়েছিলেন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) পরিচালক জাভেদ মিয়াঁদাদ। ভেন্যু হিসেবে গুয়াংজু নজর কেড়েছে সাবেক এই কোচ ও অধিনায়কের। গুয়াংজু থেকে ফিরে এসে তিনি এ ব্যাপারে পিসিবির কাছে একটা প্রতিবেদন দিয়েছেন বলে খবর সিনহুয়ার। যে প্রতিবেদনে বোর্ডকে তিনি পরামর্শ দিয়েছেন, ‘কালক্ষেপণ না করে এই ইস্যুতে (চীনকে নিরপেক্ষ ভেন্যু করার ব্যাপারে) অবিলম্বে আমাদের সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।’
চীনে ক্রিকেটের ভালো সম্ভাবনার কথা জানিয়ে সে দেশের ক্রিকেট অবকাঠামোর উন্নয়নে কৌশলগত সহযোগিতার পরামর্শও দিয়েছেন মিয়াঁদাদ। প্রস্তাব রেখেছেন, চীনের তরুণদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য সাবেক ক্রিকেটারদের একটা দলকে চীনে পাঠানোর।
নিরাপত্তাজনিত কারণে বিদেশি দলগুলোর আপত্তির মুখে ২০০৯ সালের মার্চ মাস থেকে পাকিস্তানের মাটিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট হয়নি। অচিরে তা হওয়ার সম্ভাবনাও নেই। এ অবস্থায় স্থায়ী একটা নিরপেক্ষ ভেন্যুই সমস্যার সমাধান দিতে পারে পিসিবিকে। চীনকেই সে স্থায়ী নিরপেক্ষ ভেন্যুর কথা ভাবছে পাকিস্তান।
১২ ডিসেম্বর ঢাকায় এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) বৈঠকে ২০১২ এশিয়া কাপের ভেন্যু হিসেবে আসতে পারে গুয়াংজুর নাম। পাকিস্তানও চায়, তাদের নিরপেক্ষ ভেন্যু হওয়ার আগে গুয়াংজুতেই হোক এশিয়া কাপ ক্রিকেট।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দিনের সেরা সিদ্দিকুর
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পরিশ্রমের ফল পাচ্ছেন রাজ ভাই
বাঁহাতি স্পিনারদের মধ্যে প্রথম হ্যাটট্রিকম্যান বলে নয়, রাজ ভাই অনেক কারণেই ব্যতিক্রম। আমি দলে আসার পর কখনোই দেখিনি উনি খুব খারাপ বল করেছেন। মাঝখানে অ্যাকশনের কারণে একটু সমস্যা হয়েছিল। কিন্তু নিউজিল্যান্ড সিরিজ থেকে উনি আবার ছন্দে ফেরা শুরু করেছেন। অ্যাকশন বদলালে ছন্দে ফিরতে সময় লাগবে স্বাভাবিক। সেই সময়টা পার করে উনি আবার আগের জায়গায় ফিরে আসছেন বলে মনে হচ্ছে।
রাজ ভাইয়ের মধ্যে কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন দেখছি আমি। আগে উনি শুধু জোরের ওপর বল করতেন, এখন আস্তে বল করতে পারেন, ফ্লাইটটাও অনেক ভালো দিচ্ছেন। অনেক বৈচিত্র্যও এনেছেন বোলিংয়ে। আগে হয়তো উইকেটের জন্য বল করতেন, এখন সেটা করেন না। এটাই সবচেয়ে ভালো দিক মনে হয় আমার। উইকেটের জন্য বল করলেই উইকেট পাওয়াটা বেশি কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায়। ওয়ানডেতে যদি চিন্তা করি, রান না দিয়ে বল করব, উইকেট এমনিতেই আসবে।
রাজ ভাই নিউজিল্যান্ড সিরিজ থেকেই এটা ধারাবাহিকভাবে করছেন। আরেকটা কথা—ওনার বড় গুণ উইকেট নেওয়ার অসাধারণ ক্ষমতা। খুব কম সময়ই দেখেছি যে উনি উইকেট পাননি। ম্যাচ হিসাব করলেও দেখবেন অন্যদের তুলনায় রাজ ভাইয়ের উইকেট অনেক বেশি।
আগেও অনেকবার বলেছি, রাজ ভাই ও আমি সব সময় নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনা করে বল করি। আজ উইকেটটা এমন, এখানে এই বলটা ভালো হচ্ছে বা ওটা হচ্ছে না...সব সময়ই এই মতামতগুলো আদান-প্রদান হয়। এসবের জন্য লম্বা সময় ধরে কথা বলার দরকার নেই। শুধু বলা, এ রকম হলে ও রকম হচ্ছে, আপনি একটু এটা করে দেখতে পারেন—এই তো!
শুরু থেকেই দেখেছি রাজ ভাই দলের কথা খুব ভাবেন। এখনো কোনো কিছু মনে হলে আমাকে এসে বোঝান, তোর এটা করা উচিত, এটা করলে মনে হয় ভালো হয়। তাঁর মধ্যে নেতৃত্বগুণ আছে, যেটা মাঠের মধ্যে দারুণ কাজে লাগে। কেউ মানসিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়লে কাছে গিয়ে হয়তো বলেন, ‘ভাই ছাড়িস না। ধরে রাখ...।’ একজন সিনিয়র ক্রিকেটারের এ রকম ভূমিকা দলের জন্য অনেক বড় ব্যাপার।
মানসিকভাবে খুবই শক্ত রাজ ভাই। অ্যাকশনে সমস্যা হওয়ার পর সেটা বদলে ফিরে আসা, তারপর আবার একই পরিস্থিতিতে পড়ে আবারও কামব্যাক করা—দু-দুবার এ রকম পরিস্থিতির মধ্যে পড়া এবং সেটা ভালোভাবে সামলে ওঠা ভীষণ কঠিন কাজ। এটা রাজ ভাইয়ের বিশেষ গুণ, এখানে উনি ব্যতিক্রমও। অ্যাকশন বদলে ফেরার পর খুব বেশি খেলোয়াড় কিন্তু সফল হয় না। ব্যাটিংয়ে ছোটখাটো অনেক টেকনিক বদলানো যায়, কিন্তু বোলিং অ্যাকশন খুব বেশি বোলার বদলায় না। ড্যানিয়েল ভেট্টোরির অ্যাকশন দেখেন, সেই শুরুতে যেমন ছিল, এখনো তেমনই আছে।
একটা জায়গায় মুত্তিয়া মুরালিধরনের চেয়েও আমাদের রাজ ভাইকে এগিয়ে রাখব আমি। মুরালিকে অনেক বিতর্কের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে ঠিক, কিন্তু তাঁকে কখনো অ্যাকশন বদলাতে হয়নি। রাজ ভাইকে সেটা করতে হয়েছে। কাজটা খুবই কঠিন ছিল। আমি নিজে দেখেছি বল করতে করতে তাঁর আঙুল ছিলে গিয়েছিল, তার পরও থামেননি। কখনো নতুন বলে, কখনো পুরোনো বলে বল করেই গেছেন। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে সেই কষ্টেরই ফল পেলেন রাজ ভাই। সিরিজে ম্যাচ আছে আরও তিনটি। বাংলাদেশের বাঁহাতি স্পিনের সামনে জিম্বাবুয়ের ব্যাটসম্যানরা যেভাবে ভেঙে পড়ছে, সিরিজ জয়ের লক্ষ্যে রাজ ভাই-ই হতে পারেন আমাদের বড় অস্ত্র।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কুক পোড়ালেন অস্ট্রেলিয়াকে
ব্যাটিং-স্বর্গ অ্যাডিলেডে ২ উইকেটে ৩১৭ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিন শেষ করা ইংল্যান্ড এরই মধ্যে ৭২ রানের লিড পেয়ে গেছে। হাতে ৮ উইকেট। কাল সারা দিন পুড়তে পুড়তে ক্লান্ত-বিধ্বস্ত অস্ট্রেলীয় বোলাররা আজ উজ্জীবিত হওয়ার রসদ পাবেন সামান্যই।
কাল দিনের শুরুটা অবশ্য ভালোই হয়েছিল অস্ট্রেলিয়ার। তৃতীয় বলেই ডগ বলিঞ্জারের বলে বোল্ড হয়ে ফিরে যান স্ট্রাউস। তিন নম্বরে নামা জোনাথন ট্রটকেও দ্রুত ফেরাতে পারত অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু ৬ রানে রানআউটের হাত থেকে বেঁচে যান ট্রট। আগের দিন কিন্তু এমনই একটা রানআউট থেকে শুরু হয়েছিল অস্ট্রেলিয়ার আকস্মিক পতন।
ট্রট জীবন পেয়েছেন আরও দুবার। ১২ রানে গালিতে তাঁর ক্যাচ ফেলেছেন মাইক হাসি। পরেরবার বেঁচে গেছেন ব্র্যাড হাডিনের সৌজন্যে। ভাগ্যের পরশ পেয়ে ট্রট যেন দ্রুতই টানা দ্বিতীয় সেঞ্চুরির দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন। শেষ পর্যন্ত ৭৮ রানে তাঁকে ফিরিয়েছেন রায়ান হ্যারিস। ততক্ষণে অবশ্য কুকের সঙ্গে ১৭৩ রানের জুটি গড়া হয়ে গেছে তাঁর।
ট্রট সেঞ্চুরি হাতছাড়া করলেও কুক ভুল করেননি। একেবারেই নিখুঁত একটা ইনিংস খেলেছেন। ডোহার্টিকে চার মেরে পূর্ণ করেছেন ১৫তম সেঞ্চুরি। ১৩৬ রানের ইনিংসটি এখন টানা দ্বিতীয় ডাবল সেঞ্চুরির রূপ পাওয়ার অপেক্ষায়।
প্রায় নিখুঁত বলতে হবে পিটারসেনের ইনিংসটাকেও। একবারই একটু অসহায় মনে হয়েছে তাঁকে। ডোহার্টিকে এগিয়ে এসে ড্রাইভ করতে গিয়ে বল ব্যাটের কানায় লেগে উঠে গিয়েছিল ক্যাচ। ভাগ্য ভালো জায়গামতো ওত পেতে ছিল না কোনো অস্ট্রেলীয় হাত। এ ঘটনা বাদ দিলে পিটারসেন চার বছর আগে অ্যাডিলেডে তাঁর ১৫৮ রানের ইনিংসটার কথাই যেন মনে করিয়ে দিয়েছেন।
কুক-পিটারসেনের অবিচ্ছিন্ন এই ১৪১ রানের জুটি বড় বিপদের পূর্বাভাসই দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়াকে। দিন শেষে কুক সাংবাদিকদের বলেছেন, অস্ট্রেলিয়াকে সামান্য সুযোগ দেওয়ার বোকামি তাঁর দল করবে না। ১৫০তম টেস্টে খেলতে নেমে প্রথম বলে আউট হওয়া পন্টিংয়ের জন্য সম্ভবত আরও বিস্মরণযোগ্য দুঃস্মৃতিই অপেক্ষা করছে উপহার হিসেবে!
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বারোদাতেও গম্ভীর-আলো
তিন ম্যাচেই জয়, অধিনায়কত্বের প্রথম সিরিজে দুই ম্যাচ বাকি থাকতেই শিরোপা জিতে নেওয়া—গম্ভীরের মুখে চওড়া হাসিটা খুব মানায়। আগের ম্যাচেই অপরাজিত ১৩৮ রানের ইনিংস খেলা গম্ভীর কাল বারোদায় করলেন অপরাজিত ১২৬। সঙ্গে ফর্মে থাকা বিরাট কোহলির যোগ্য সাহচর্য এবং বোলারদের নিখুঁত বোলিং—তিনে মিলে তৃতীয় ওয়ানডেতেও নিউজিল্যান্ডকে নাস্তানুবাদ করে ছাড়ল ভারত। জয় ৯ উইকেটের। উইকেটের দিক থেকে বারোদার রিলায়েন্স স্টেডিয়ামে এটাই ভারতের বড় জয়।
টসে হারা নিউজিল্যান্ড প্রথমে ব্যাট করে ৯ উইকেটে তোলে ২২৪ রান। দিনের দ্বিতীয় বলেই ব্রেন্ডন ম্যাককালামকে শূন্য রানে বিদায় করেন বিশ্রাম শেষে দলে ফেরা জহির খান। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট খোয়াতে থাকা নিউজিল্যান্ডের স্কোর একসময় হয়ে গিয়েছিল ১০৬/৭। এর পরও স্কোর ২২৪ রানে পৌঁছায় জেমস ফ্রাঙ্কলিন ও নাথান ম্যাককালামের ৯৪ রানের জুটিতে। নাথান ৪৩ রান করে আউট হলেও ফ্রাঙ্কলিন শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ছিলেন ৭২ রানে।
উদ্বোধনী জুটিতেই ১১৫ রান তুলে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয় ভারত। ভেট্টোরির সরাসরি থ্রোয়ে বিজয় রানআউট হওয়ার পর অবিচ্ছিন্ন ১১৪ রানের জুটি গড়ে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন গম্ভীর-কোহলি। গম্ভীরের নবম সেঞ্চুরি আর বিরাট কোহলির দশম ফিফটিতে (৬৩*) ভারত জয়ে পৌঁছায় ৬৩ বল বাকি থাকতেই। গম্ভীরের ১১৭ বলে খেলা ইনিংসটায় মুক্তোর মালা হয়ে আছে ১৬টি চার। ২ ছক্কা ৬ চারে কোহলির রান ৬৩ বলে ৭০।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
নিউজিল্যান্ড: ৫০ ওভারে ২২৪/৯ (ফ্রাঙ্কলিন ৭২*, নাথান ৪৩; ইউসুফ ২/২৭, জহির ২/৩১, অশ্বিন ২/৪৯)। ভারত: ৩৯.৩ ওভারে ২২৯/১ (বিজয় ৩০, গম্ভীর ১২৮*, কোহলি ৬৩*)।
ফল: ভারত ৯ উইকেটে জয়ী। ম্যান অব দ্য ম্যাচ: গৌতম গম্ভীর।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আশরাফুলকে চেয়েছিলেন সাকিব-সিডন্স
বিশ্বস্ত সূত্রের খবর, দ্বিতীয় ওয়ানডের দলে মোহাম্মদ আশরাফুলকে আরেকটা সুযোগ দিতে চেয়েছিলেন কোচ ও অধিনায়ক। তাঁদের চিন্তাভাবনায় আশরাফুলের জন্য বিকল্প জায়গাও ছিল। পাওয়ার প্লের ব্যাটিংয়ে যেহেতু রান তোলার উদ্দেশ্যটা প্রতি ম্যাচেই ব্যাহত হচ্ছে, সিডন্স চেয়েছিলেন আশরাফুলের শট খেলার প্রবণতাকে ওই জায়গায় কাজে লাগাতে। চার নম্বর থেকে নামিয়ে আশরাফুলকে তাই প্রয়োজনে সাত নম্বরে খেলানোর পরিকল্পনা করেছিলেন কোচ। সে ক্ষেত্রে রকিবুল দলে এলেও মাহমুদউল্লাহর জায়গা নিয়ে থেকে যেতেন আশরাফুল, দলে আসতেন না নাঈম ইসলাম। এমন পরিকল্পনায় সায় ছিল সাকিবেরও। কিন্তু বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা কমিটির প্রধান এনায়েত হোসেন ও প্রধান নির্বাচক রফিকুল আলমের ‘পরামর্শে’ শেষ পর্যন্ত মাঠের বাইরে রাখা হয় আশরাফুলকেই। প্রথম ম্যাচে আশরাফুলের বাজে শট খেলে আউট হওয়াটাকে ক্ষমার অযোগ্য মনে হয়েছিল তাঁদের কাছে।
সিরিজের শুরুতে সিডন্স আশরাফুলকে জানিয়েছিলেন, সামর্থ্যের প্রমাণ দিতে অন্তত প্রথম তিনটি ম্যাচে খেলানো হবে তাঁকে। নিজের সে কথা রাখতেই হয়তো কোচ আশরাফুলকে আরেকটি সুযোগ দিতে চেয়েছিলেন। সাকিবও মনে করেছেন, এক ম্যাচ খেলিয়েই বাদ দিলে আশরাফুলের ওপর অবিচার করা হয়। শেষ পর্যন্ত নিজেদের ইচ্ছা বাস্তবায়ন করতে না পেরে কিছুটা বিব্রত বোধ করে থাকতে পারেন সাকিব-সিডন্স। হয়তো সে কারণেই নিজে না বলে ম্যাচের আগের রাতে দলের আরেক খেলোয়াড়কে দিয়ে ফোনে আশরাফুলের কাছে বাদ পড়ার কারণ ব্যাখ্যা করেছেন অধিনায়ক।
কোচ সিডন্স সে কাজটাই করতে চেয়েছিলেন পরদিন, মানে দ্বিতীয় ওয়ানডের দিন সকালে। কিন্তু কোচের কথা বলার আহ্বানে আশরাফুল সাড়া তো দেনইনি, উল্টো নাকি রূঢ় ভাষায় শুনিয়ে দিয়েছেন কিছু কটু কথা। কারন যাই হোক, তিন ম্যাচ খেলানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে যে কোচ এক ম্যাচ পরই দল থেকে কাউকে বাদ দিয়ে দেন, তাঁর প্রতি তো ক্ষুব্ধ হওয়ারই কথা! বাদ পড়া নিয়ে সাকিবের ওপর কোনো রাগ নেই আশরাফুলের। তবে একটি সূত্রের দাবি, কোচ চাইলেও আশরাফুলকে দলে নেওয়ার ব্যাপারে নীরব ছিলেন সাকিব।
বিসিবির সভাপতি আ হ ম মোস্তফা কামাল দুই দিন আগেই বলেছিলেন, একাদশ নির্বাচন হয় কোচ-অধিনায়কের ইচ্ছাতে এবং ভবিষ্যতেও তা-ই হবে। এ কথা বলার এক দিন পরই যখন সাকিব-সিডন্স পছন্দমতো দল পেলেন না, দল নির্বাচন নিয়ে প্রশ্নটা থেকেই যাচ্ছে। কাল এ ব্যাপারে জানতে চাইলে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি প্রধান নির্বাচক রফিকুল আলম, ‘সিরিজ চলছে। আমাদের এখন সামনে তাকাতে হবে। এসব নিয়ে মন্তব্য করতে চাই না।’ কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি সাকিবও। তবে ক্রিকেট পরিচালনা কমিটির প্রধান এনায়েত হোসেন উড়িয়ে দিয়েছেন অভিযোগটা, ‘কোচ-অধিনায়কের সঙ্গে কয়েক দফা সভা করে সর্বসম্মতিতেই একাদশ নির্বাচিত হয়েছে এবং আমি মনে করি, দ্বিতীয় ওয়ানডের দলে পরিবর্তন আনাতে ভালোই হয়েছে।’
আশরাফুলের জায়গায় সুযোগ পেয়ে গত ম্যাচে রকিবুল রান পেয়েছেন। এদিক দিয়ে আশরাফুলকে বাদ দিয়ে হয়তো বাহবাই কুড়াচ্ছেন নির্বাচকেরা। কিন্তু প্রশ্নটা সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা প্রমাণের নয়, দল নির্বাচনে অধিনায়ক-কোচের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটানোর। বাইরে থেকে বদলে দেওয়া দল জিতেছে বলেই এ নিয়ে কেউ কথা বলছে না, নইলে জোর করে চাপিয়ে দেওয়া দল অধিনায়ককে কেমন প্রতিক্রিয়াশীল করে তোলে, সেটা তো জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডের পরই দেখা গেছে।
আগামীকালের তৃতীয় ওয়ানডের দল নিয়ে কাল কোনো কথা বলতে রাজি হননি কোচ, অধিনায়ক কিংবা নির্বাচকেরা। তবে এ ম্যাচে ব্যাটসম্যানদের মধ্যে কোনো অদলবদল হওয়ার সম্ভাবনা নেই। বোলারদের মধ্যেও আলোচনায় কেবল পেসার মাশরাফি বিন মুর্তজা। অ্যাঙ্কেল ইনজুরি থেকে ফেরার পর প্রথম দুই ম্যাচে নিষ্প্রভ থাকলেও কোচ-অধিনায়ক কালকের ম্যাচেও খেলাতে চান মাশরাফিকে। সিডন্স তো বললেনও, পুরোপুরি ছন্দে আসতে আরও কয়েকটা ম্যাচ আর প্র্যাকটিস সেশন দরকার মাশরাফির।
কী অদ্ভুত! যেন যুদ্ধ করে করে যুদ্ধ শেখা! মহড়ার দরকার নেই। আন্তর্জাতিক ম্যাচে নামার আগে মাশরাফির যে ম্যাচ প্র্যাকটিসেরও দরকার, সেটা কি ভুলেই ছিলেন সবাই?
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মেসি-রোনালদোর জোড়া গোলে বার্সা-রিয়ালের জয়
ওসাসুনার বিপক্ষে এই ৩-০ গোলের জয় পেতে মাঠের বাইরের অনেক ঝক্কি-ঝামেলা পোহাতে হয়েছে বার্সেলোনাকে। বিমান কর্মকর্তাদের ধর্মঘটের কারণে ম্যাচটি এক দিন পেছানোর সুপারিশ করেছিল তারা। কিন্তু ওসাসুনা ম্যাচ পেছানোতে রাজি না হওয়ায় তড়িঘড়ি করে ট্রেনে-বাসে চেপে শিষ্যদের নিয়ে রওনা দেন পেপ গার্দিওলা। কিক অফের মাত্র ৫ মিনিট আগে মাঠে পৌঁছান মেসিরা। পরে খেলা ৪৫ মিনিট পিছিয়ে দেওয়া হলেও এই ক্লান্তিকর যাত্রার ধকল তারা সামলে উঠতে পারবে কি না, তা নিয়ে আশঙ্কায় ছিল অনেকেই। প্রথমে কিছুক্ষণ তাদের খেলায় ক্লান্তির ছাপটা টের পাওয়া গেলেও খুব দ্রুতই ছন্দে ফেরে কাতালানরা। ২৬ মিনিটে মেসির পাস থেকে গোল করে বার্সাকে এগিয়ে দেন পেদ্রো। দুই মিনিট পর গোল পেয়ে যেতে পারতেন মেসিও। কিন্তু তার বাঁ পায়ের জোরালো শট ফিরে আসে গোলপোস্টে লেগে। ব্যবধান বাড়ানোর বেশ কটি সুযোগ পেয়েছিলেন ডেভিড ভিয়াও। কিন্তু সেগুলো থেকে গোল করতে পারেননি এই স্প্যানিশ স্ট্রাইকার। অবশ্য গোল করতে না পারলেও দ্বিতীয়ার্ধের ৬৫ মিনিটে ভিয়ার পাস থেকেই বার্সার দ্বিতীয় গোলটি করেন মেসি। ৮৪ মিনিটে পেনাল্টি থেকে তৃতীয় গোলটিও করেন এই আর্জেন্টাইন ফুটবল জাদুকর।
রিয়াল মাদ্রিদ মাঠের বাইরের এ ধরনের কোনো ঝামেলায় না পড়লেও ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে জয় পেতে বেশ ঘাম ঝরাতে হয়েছে মরিনহোর শিষ্যদের। প্রথম গোলের দেখা পেতে রিয়ালকে অপেক্ষা করতে হয়েছে ৭৩ মিনিট পর্যন্ত। এর আগে ৬৫ মিনিটে মিডফিল্ডার ডেভিড আলবেলডা লাল কার্ড দেখায় ভ্যালেন্সিয়া পরিণত হয়েছিল ১০ জনের দলে। ৭৩ মিনিটে মেসুত ওজিলের পাস থেকে রিয়ালকে স্বস্তির গোলটা এনে দেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। খেলা শেষের কয়েক মিনিট আগে আরেকটা গোল করে রিয়ালের জয় নিশ্চিত করেছেন এই পর্তুগিজ উইঙ্গার।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাল্লেকেলে টেস্টে বৃষ্টির জয়
এমন ম্যাড়ম্যাড়ে ড্র নিশ্চয়ই প্রত্যাশা করেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ বা শ্রীলঙ্কা। কিন্তু পাল্লেকেলেতে মজার অভিজ্ঞতাই হয়েছে এ দুই দলের! টেস্টের পাঁচ দিনে খেলা হয়েছে মাত্র ১০৩.৩ ওভার। আর প্রথমে ব্যাট করতে নামা ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংসই শেষ পর্যন্ত শেষ হয়নি! নিষ্প্রাণ ড্রয়ের ঘোষণা আসার সময় সফরকারীদের সংগ্রহ ছিল ৮ উইকেটে ৩০৩ রান।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দুই ধাপ নিচে শ্রীলঙ্কা
শ্রীলঙ্কার অবনমনের কারণে ওপরে উঠে গেছে অ্যাশেজ লড়াইয়ে থাকা ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া। দল দুটির অবস্থান যথাক্রমে তৃতীয় ও চতুর্থ। র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ দুটি জায়গায় অবশ্য কোনো পরিবর্তন আসেনি। যথারীতি শীর্ষস্থান দখলে রেখেছে ভারত। আর দ্বিতীয় স্থান অক্ষুণ্ন রেখেছে দক্ষিণ আফ্রিকা।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
খবর, প্রথম আলোর- দলীয় স্বার্থ বড় করে দেখবেন না ___প্রধানমন্ত্রী
তিনি বিরোধী দলের উদ্দেশে বলেন, ‘ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপের মাধ্যমে জনগণকে কষ্ট দেবেন না। দেশের সম্পদ ধ্বংস করবেন না। আসুন, অমিত সম্ভাবনার বাংলাদেশকে আমরা বিশ্বসভায় মর্যাদার আসনে অভিষিক্ত করতে যার যার অবস্থান থেকে একযোগে কাজ করি।’ সংসদে যোগ দেওয়ার অনুরোধ করে বিরোধী দলকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সংসদে আসুন, যতক্ষণ খুশি কথা বলতে পারবেন। সে সুযোগ আপনাদের আছে।’About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মার্কিন কূটনীতিকদের গোপন তারবার্তাঃ পাকিস্তানে জঙ্গি নির্মূলে ১০-১৫ বছর লাগবে
ইসলামাবাদে নিযুক্ত সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত অ্যান প্যাটারসন গত বছর ফেব্রুয়ারিতে ওয়াশিংটনকে পাঠানো এক তারবার্তায় এ কথা বলেন। সম্প্রতি ওয়েবভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম উইকিলিকসে এ তারবার্তা প্রকাশ করা হয়। অ্যান প্যাটারসন ওয়াশিংটনকে সতর্ক করে দিয়ে ওই তারবার্তায় বলেন, ‘আমরা যেহেতু যুক্তরাষ্ট্র ও এর বাহিনীর ওপর পাকিস্তানভিত্তিক হামলা প্রতিরোধে কাজ করছি, তাই আমাদের স্বচ্ছ ধারণা থাকা উচিত, আল-কায়েদা এখন পাকিস্তানে তাদের নিরাপদ স্বর্গ করার চেয়েও বেশি কিছু করতে চাইছে।’About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অধ্যাপক ইউনূসের অর্থ স্থানান্তর : গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যাখ্যা
অধ্যাপক ইউনূসের বিরুদ্ধে নিজের একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচারের অভিযোগ-সংক্রান্ত সংবাদ বিশ্বের বিভিন্ন পত্রিকায় ছাপানো হয়েছে। একটি সংবাদ সংস্থার খবরের শিরোনাম এমন ছিল, 'স্ট্যাশিং অব হান্ড্রেড মিলিয়ন ডলার বাই নোবেল লরিয়েট প্রফেসর ইউনূস'।About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শিল্প-অর্থনীতি 'সময় এসেছে মাথা তুলে দাঁড়াবার' by ড. শামসুল আলম
গ্রিসের মহা আর্থিক মন্দা কাটিয়ে ওঠার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন এই কিছুদিন আগে এমন শত বিলিয়ন ডলারের সহায়তা দিয়েছে। এই প্রেক্ষাপটেই বিবেচনায় নিন, ২০০০-০৮ পর্যন্ত সময়ে বাংলাদেশসহ ৪৯টি স্বল্পোন্নত দেশ বৈদেশিক সহায়তা ঋণ পেয়েছে মাত্র ৩৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রকৃতি- 'কিয়োটো প্রটোকল ভেস্তে যাচ্ছে, কানকুনে কী হবে' by মোস্তফা হোসেইন
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আলোচনা- 'মেয়েদের লাঞ্ছনা বন্ধ করতে কঠোর হতে হবে' by আতাউস সামাদ
মোবাইল কোর্ট বসিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু শাস্তি দেওয়া হচ্ছে। ফলে আশা করা হচ্ছিল যে নারী ও কিশোরীদের উত্ত্যক্ত এবং যৌন হয়রানি করা কমে আসবে। কিন্তু পরিতাপের বিষয়, এখন পর্যন্ত তা হয়নি। বরং ওই বিকৃত যৌন মানসিকতার কিশোর, যুবক ও বয়স্ক লোকদের দ্বারা উৎপাত ও অত্যাচার সম্প্রতি যেন বেড়ে গেছে। About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1403)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
-
▼
2010
(9402)
-
▼
December
(884)
-
▼
Dec 06
(39)
- গল্পসল্প- ওরা ধান কুড়ানির দল... by মোছাব্বের হোসেন
- শিক্ষা- আদিবাসী পাহাড়ে বিশ্ববিদ্যালয় চাই by জাগরণ ...
- জঙ্গি ও সন্ত্রাসীদের অর্থের মূল উৎস সৌদি আরব by উই...
- রাজনৈতিক আলোচনা- এমন বন্ধু থাকলে... by বদিউল আলম ম...
- শিল্প-অর্থনীতি শেয়ারবাজারের সুন্দরী প্রতিযোগিতা-তত...
- সাক্ষাৎকার- খাদ্যনিরাপত্তার জন্য বিকল্প উপায় খুঁজত...
- এমন বন্ধু থাকলে... by বদিউল আলম মজুমদার
- খাদ্যনিরাপত্তার জন্য বিকল্প উপায় খুঁজতে হবে by মাহ...
- শেয়ারবাজারের সুন্দরী প্রতিযোগিতা-তত্ত্ব
- পীরের প্রাণঘাতী ‘চিকিৎসা’
- বিচারপতিদের সম্পদের বিবরণী
- মুসলিম প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে ইরান শক্তি প্রয়োগ করব...
- উইকিলিকসের ফাঁস করা তথ্যের সত্যতা নিয়ে সন্দিহান কা...
- মুম্বাই হামলার তথ্যবিনিময়ের চুক্তি করে ভারত ও পাকি...
- কূটনৈতিক তারবার্তা মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির অংশ নয়: ...
- ফেসবুকে সিপিআই(এম) নেতারা
- নিজেদের রক্ষায় পদক্ষেপ নিয়েছে উইকিলিকস কর্তৃপক্ষ
- চার মাসে এডিপির মাত্র ১৪ শতাংশ বাস্তবায়িত
- যুক্তরাষ্ট্রে নভেম্বরে বেকারত্বের হার সর্বোচ্চে
- দুই প্রতিষ্ঠানের লেনদেন স্থগিত
- ঢাকায় প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল ৮৬ টাকায় বিক্রি হবে
- এবার টি-টোয়েন্টি নেই
- প্রথম বিভাগ ক্রিকেট
- শোকস্তব্ধ কিশোরগঞ্জ
- পাকিস্তানের চোখ চীনে
- দিনের সেরা সিদ্দিকুর
- পরিশ্রমের ফল পাচ্ছেন রাজ ভাই
- কুক পোড়ালেন অস্ট্রেলিয়াকে
- বারোদাতেও গম্ভীর-আলো
- আশরাফুলকে চেয়েছিলেন সাকিব-সিডন্স
- মেসি-রোনালদোর জোড়া গোলে বার্সা-রিয়ালের জয়
- পাল্লেকেলে টেস্টে বৃষ্টির জয়
- দুই ধাপ নিচে শ্রীলঙ্কা
- খবর, প্রথম আলোর- দলীয় স্বার্থ বড় করে দেখবেন না _...
- মার্কিন কূটনীতিকদের গোপন তারবার্তাঃ পাকিস্তানে জঙ্...
- অধ্যাপক ইউনূসের অর্থ স্থানান্তর : গ্রামীণ ব্যাংকের...
- শিল্প-অর্থনীতি 'সময় এসেছে মাথা তুলে দাঁড়াবার' by ড...
- প্রকৃতি- 'কিয়োটো প্রটোকল ভেস্তে যাচ্ছে, কানকুনে কী...
- আলোচনা- 'মেয়েদের লাঞ্ছনা বন্ধ করতে কঠোর হতে হবে' b...
-
▼
Dec 06
(39)
-
▼
December
(884)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...