Sunday, June 1, 2025
যুদ্ধবিমান ভূপাতিত নিয়ে তোপের মুখে নরেন্দ্র মোদি
শনিবার (৩১ মে) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস তাদের প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদনে তেলঙ্গানার সেচমন্ত্রী ও সাবেক বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান পাইলট উত্তর কুমার রেড্ডি বলেন, সরকারকে এখন প্রকাশ করতে হবে পাকিস্তান কতটি ভারতীয় যুদ্ধবিমান গুলি করে ভূপাতিত করেছে। এই সত্য অস্বীকার করার সময় শেষ। চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ (সিডিএস) অনিল চৌহান নিজেই স্বীকার করেছেন বিমান ক্ষতির কথা। পুরো দেশ জানতে চাইছে সরকার কেন বিষয়টি লুকাচ্ছে।
সিডিএস অনিল চৌহান, যিনি ভারতীয় সেনাবাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তা, শাংরি-লা নিরাপত্তা সংলাপে সিঙ্গাপুরে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রথমবার সরাসরি স্বীকার করেছেন যে, অপারেশন সিঁদুরের সময় পাকিস্তানের হাতে ভারতীয় যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়েছে।
তিনি বলেন, কতগুলো বিমান ভূপাতিত হয়েছে তা গুরুত্বপূর্ণ নয়, বরং কেন এই ক্ষতি হলো তা বোঝা এবং সংশোধন করাই প্রয়োজন।
এর আগে, এয়ার অপারেশনসের মহাপরিচালক এয়ার মার্শাল একে ভারতী এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, যুদ্ধক্ষতি একেবারে স্বাভাবিক এবং যুদ্ধের অংশ।
তবে, এই স্বীকারোক্তির পর কংগ্রেস এই বিষয়ে সরব হয়েছে। দলের নেতা রাহুল গান্ধী অপারেশন সিঁদুরের ক্ষয়ক্ষতির সঠিক হিসাব জানতে চান এবং এ জন্য তারা সরকারের কাছে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন।
যদিও এই দাবিকে কেন্দ্র করে বিজেপি দলের পক্ষ থেকে তাদের তীব্র সমালোচনা এসেছে। বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র গৌরব ভাটিয়া রাহুল গান্ধীকে ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ এবং ‘নিশান-এ-পাকিস্তান’ বলে অভিহিত করেছেন।
পেহেলগামের সন্ত্রাসী হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ভারত পাকিস্তানের ইসলামাবাদে চালানো অভিযানের নাম অপারেশন সিঁদুর। এরপর দুই দেশের মধ্যে তীব্র সংঘাত শুরু হয়, যা চার দিনের যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে সাময়িক শান্তিতে পরিণত হয়।
বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারতের এই সামরিক ক্ষতির স্বীকারোক্তি এবং সরকারের বিষয়টি লুকানোর চেষ্টা জাতীয় রাজনীতি ও জনমতকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করেছে। সামরিক কৌশল থেকে শুরু করে সরকারের জবাবদিহিতার প্রশ্ন উঠেছে। আর এই বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
![]() |
| ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর সময় সামরিক ক্ষয়ক্ষতির স্পষ্টতা নিয়ে নরেন্দ্র মোদির দিকে আঙুল তুলছে ভারতের বিরোধী দলগুলো। ছবি : সংগৃহীত |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যেভাবে সাধারণ ভারতীয়রা হয়ে উঠল পাকিস্তানের গুপ্তচর
প্রতিক্রিয়ায় সীমান্তপারের জঙ্গি ঘাঁটিতে চালানো হয় পাল্টা হামলা— যার নাম ‘অপারেশন সিঁদুর’। তবে লড়াইটা এখানেই থেমে নেই। আর এর রেশ কাটতে না কাটতেই দেশজুড়ে চোখে পড়ছে আরেক অদৃশ্য যুদ্ধের চিহ্ন।
গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর তৎপরতায় গত এক মাসে রাজস্থান, মহারাষ্ট্র, দিল্লি, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, গুজরাট ও পাঞ্জাবে অন্তত ১৫ জন ভারতীয় নাগরিক গ্রেপ্তার হয়েছেন, যারা পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা ইন্টার সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্স (আইএসআই)-এর হয়ে তথ্য পাচারে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ।
শনিবার (৩১ মে) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি তাদের প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, তাদের কারও পেশা সরকারি চাকরি, কেউ প্রযুক্তিবিদ, কেউ ইউটিউবার, কেউ নিরাপত্তাকর্মী কিংবা সিমকার্ড বিক্রেতা— দেখলে কেউ ভাববেই না, এই চেনা মুখগুলো আদতে রাষ্ট্রবিরোধী মিশনে নিযুক্ত ছিল। অথচ ধরা পড়ার পর বেরিয়ে এসেছে এমন সব তথ্য, যা গোটা জাতির নিরাপত্তা ব্যবস্থাকেই প্রশ্নের মুখে দাঁড় করায়।
মোটি রাম জাট : সেনা ইউনিফর্মের আড়ালে বিশ্বাসঘাতকতা
সিআরপিএফ-এর এক নিম্নপদস্থ কর্মকর্তা হলেও গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনসংক্রান্ত তথ্য ছিল মোটি রাম জাটের কাছে। তদন্তে জানা গেছে, ২০২৩ সাল থেকেই তিনি আইএসআইয়ের একাধিক অপারেটিভের সঙ্গে আর্থিক বিনিময়ে তথ্য পাচার করছিলেন। মে মাসে দিল্লি থেকে গ্রেপ্তার করা হয় তাকে। এনআইএ এখন খতিয়ে দেখছে, ঠিক কোন ধরনের গোপন নথি বা মিশনের তথ্য তিনি ফাঁস করেছেন।
‘হানিট্র্যাপ’-এ ধরা পড়া নৌ-প্রকৌশলী
মুম্বাই নৌঘাঁটির ইঞ্জিনিয়ার রবীন্দ্র ভার্মা পাকিস্তানি নারী অপারেটিভদের সঙ্গে ফেসবুকভিত্তিক ‘হানিট্র্যাপ’-এ জড়িয়ে পড়েন। ‘পায়েল শর্মা’ ও ‘ইসপ্রীত’ নামের দুটি ভুয়া প্রোফাইলের মাধ্যমে সম্পর্ক গড়ে তোলার পর তিনি সাবমেরিনের নকশা, যুদ্ধজাহাজের অন্দরমহলের ছবি, শব্দ সংকেত ইত্যাদি হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে পাঠাতে থাকেন। তদন্তকারী সংস্থাগুলোর দাবি, সে জেনে শুনেই এ কাজ করেছে। বর্তমানে সে পুলিশের হেফাজতে।
ভ্রমণব্লগার থেকে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রে জড়ানো : জ্যোতি মালহোত্রা
জনপ্রিয় ভ্লগার জ্যোতি মালহোত্রা ঘুরে বেড়াতেন পাকিস্তানের অলিগলিতে, সঙ্গে থাকত সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষী। হরিয়ানা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তারের পর জানা যায়, পাকিস্তানি দূতাবাস ও আইএসআইয়ের তিনজন অপারেটিভের সঙ্গে তার সরাসরি যোগাযোগ ছিল। তার ফোন ও ল্যাপটপ থেকে ১২ টেরাবাইটের বেশি তথ্য উদ্ধার হয়েছে, যাতে ছিল গোপন চ্যাট, নথি ও ভ্রমণের পরিকল্পনা। মামলার তদন্ত এখন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা পরিষদের আওতায়।
সামরিক ছবি পাঠিয়ে টাকা নেওয়া স্বাস্থ্যকর্মী
গুজরাটের কচ্ছ জেলার স্বাস্থ্যকর্মী সাহদেব সিং গোহিল ভারতীয় সেনা ও বিএসএফ-এর ঘাঁটির ছবি ও ভিডিও পাকিস্তানে পাঠাতেন। হোয়াটসঅ্যাপে ‘আদিতি ভরদ্বাজ’ নামে এক নারীর সঙ্গে সম্পর্কের সূত্র ধরে তিনি এই কাজ করতেন বলে অভিযোগ। ধারণা করা হচ্ছে, ওই নারী ছিলেন আইএসআইয়ের একজন 'ডিপ্লয়েড অ্যাসেট'। সাহদেব এর বিনিময়ে পেয়েছেন ৪০ হাজার রুপি।
চাকরির আশায় চরবৃত্তিতে : হরিয়ানার চার যুবক
দবেন্দর সিং (পাঠিয়ালা), নওমান ইলাহী (পানিপত), আরমান ও তারিফ (নুহ)— এ চার তরুণ অর্থের বিনিময়ে সেনাঘাঁটি, অস্ত্রের ছবি, অবস্থান ইত্যাদি তথ্য হোয়াটসঅ্যাপে পাঠাতেন। তারিফকে গ্রেপ্তারের সময় মোবাইল থেকে পাকিস্তানি নম্বরের সঙ্গে চলমান হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট মুছে ফেলার চেষ্টা করতে দেখা যায়। পুলিশ বলছে, অর্থনৈতিক দুর্বলতার সুযোগ নিয়েই এদের টার্গেট করেছিল আইএসআই।
রাজস্থানের সরকারি কর্মকর্তা : বিদেশ সফরের রহস্য
শাকুর খান, জয়সলমের জেলার এক সরকারি কর্মচারী, যিনি সাতবার পাকিস্তান সফর করেছেন, কিন্তু তার কোনো পরিষ্কার ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। তিনি ছিলেন রাজ্যের সাবেক মন্ত্রী শালে মোহাম্মদের ব্যক্তিগত সহকারী। তার ডিভাইস থেকে পাওয়া গেছে মুছে ফেলা মেইল ও অর্থ লেনদেনের রেকর্ড। এখন এনআইএ ও র’ তার নেটওয়ার্ক বিশ্লেষণ করছে।
টেক-সচেতন চর : মোবাইল অ্যাপ বানিয়ে পাচার
পাঞ্জাবের প্রযুক্তিবিদ মোহাম্মদ মুর্তাজা আলী নিজেই একটি মোবাইল অ্যাপ বানিয়ে তথ্য পাচারের মাধ্যম হিসেবে সেটি ব্যবহার করতেন বলে অভিযোগ। উত্তরপ্রদেশের ব্যবসায়ী শাহজাদও সামরিক ঘাঁটির ভিডিও ও নথি পাঠাতেন পাকিস্তানি অপারেটিভদের কাছে।
সিমকার্ড পাচার ও ডিজিটাল চ্যানেল ব্যবহারের কৌশল
দিল্লি থেকে গ্রেপ্তার রাজস্থানের কাসিম ভারতীয় মোবাইল সিমকার্ড জোগাড় করে সেগুলো পাকিস্তানি অপারেটিভদের সরবরাহ করতেন। থানের এক যুবক হোয়াটসঅ্যাপ ও ফেসবুকের মাধ্যমে তথ্য পাচারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাদের কাছ থেকে জব্দ করা হয়েছে একাধিক মোবাইল, জাল কাগজপত্র ও টাকার লেনদেনের প্রমাণ।
অভিযানের পর নজরদারির চেহারা পাল্টে গেছে
পেহেলগাঁও হামলার পর চালানো অপারেশন সিন্দুর ভারতীয় সামরিক ও কূটনৈতিক মহলে চরম প্রতিক্রিয়া তৈরি করে। এরপর গোয়েন্দা সংস্থাগুলো অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার দিকেও নজর দেয়।
শুধু জয়সলমের জেলাতেই গত এক মাসে সন্দেহভাজন হিসেবে সাতজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। বিভিন্ন রাজ্যের সাইবার ইউনিট ও কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা র’-এর যৌথ অভিযানে ধরা পড়েছে গুপ্তচরবৃত্তির এই নেটওয়ার্ক।
তদন্তকারীরা বলছেন, পাকিস্তানি গোয়েন্দারা এখন আর শুধু সামরিক ঘাঁটির আশপাশে নয়— সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, অর্থনৈতিক দুর্বলতা, একাকীত্ব বা সরকারি চাকরির দুর্বল নিরাপত্তা ব্যবস্থার মতো বিষয়কেও অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে।
ফলে ‘দেশদ্রোহী’রা এখন কেবল সীমান্ত পেরিয়ে আসা মুখ নয়, বরং অনেক সময় তারা আমাদের মধ্যেই থাকে— একেবারে চেনা চেহারার অচেনা মিশনে।
![]() |
| পাকিস্তানি গোয়েন্দাদের হাতে ভারতের গোপন তথ্য তুলে দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন একাধিক ভারতীয় নাগরিক। ছবি : সংগৃহীত |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘পশ্চিমতীরে ইহুদি রাজ্য প্রতিষ্ঠা করবে ইসরাইল’
উল্লেখ্য, ইসরাইল-ফিলিস্তিনের মধ্যে টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠায় পশ্চিমতীরে ইসরাইলের অবৈধ বসতি স্থাপনকে প্রধান বাধা হিসেবে দেখা হয়। নিয়মিত একে আন্তর্জাতিক আইনে অবৈধ ঘোষণা দিয়ে নিন্দা জানিয়ে আসছে জাতিসংঘ। এর ওপর ইসরাইল সরকার বৃহস্পতিবার যে নতুন ২২টি বসতি স্থাপনের ঘোষণা দিয়েছে তাতে আন্তর্জাতিক সমালোচনা তীব্র হয়েছে। শুক্রবার ইসরাইল কাটজের অফিস থেকে দেয়া এক বিবৃতিতে পশ্চিমতীরের দিকে ইঙ্গিত করে বলা হয়- এই ভূমিতে আমাদের অবস্থানকে ক্ষতিগ্রস্ত ও দুর্বল করার জন্য চেষ্টা করছে যোদ্ধাগোষ্ঠী। তাদের বিরুদ্ধে এটা একটি সুচিন্তিত জবাব। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রন ও তার সহযোগীদের জন্য এটা একটা পরিষ্কার বার্তা। সেটা হলো- তারা ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেবেন একটি কাগজে। কিন্তু ওই ভূমিতে আমরা একটি ইসরাইলি ইহুদি রাজ্য গড়ে তুলবো। তারা যে কাগজে স্বীকৃতি দেবেন তা ইতিহাসের আবর্জনার ডাস্টবিনে ছুড়ে ফেলা হবে।
অন্যদিকে ইসরাইল রাষ্ট্র মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। সমৃদ্ধ হবে। উল্লেখ্য, পশ্চিমতীরের উত্তরাঞ্চলে সা-নুর বসতির একটি আউটপোস্ট সফরকালে ইসরাইল কাটজ এসব মন্তব্য করেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী অ্যারিয়েল শ্যারনের অধীনে গাজা থেকে ইসরাইলকে সরে যাওয়ার অংশ হিসেবে ২০০৫ সালে সা-নুর খালি করে দেয়া হয়েছিল। ১৯৬৭ সাল থেকে পশ্চিমতীর দখল করে আছে ইসরাইল। ওদিকে শুক্রবার সিঙ্গাপুর সফরে ছিলেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রন। তিনি সেখানে বলেন, কিছু শর্তের অধীনে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেয়া শুধু নৈতিক দায়িত্বই নয় একই সঙ্গে রাজনৈতিকভাবেও অত্যাবশ্যকীয়।
নিউ ইয়র্কে জাতিসংয়ের প্রধান কার্যালয়ে জুন মাসে ইসরাইল-ফিলিস্তিন সংকট নিয়ে একটি দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের উপায় খুঁজতে আন্তর্জাতিক একটি কনফারেন্স হওয়ার কথা রয়েছে।
কনফারেন্সের প্রস্তুতি ঘনিষ্ঠভাবে জানেন প্যারিসের এমন একজন কূটনীতিক বলেছেন, এই সম্মেলনের উচিত ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিতে আরও অনেক দেশের জন্য পথ তৈরি করে দেয়া। এর আগে এপ্রিলে ম্যাক্রন বলেছিলেন, জুনে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেবে তার দেশ। ইসরাইল বৃহস্পতিবার নতুন আরও বসতি স্থাপনের ঘোষণা দেয়ায় একে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে বাধা সৃষ্টি বলে মন্তব্য করেছে বৃটেন। জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের মুখপাত্র বলেছেন, ইসরাইলের এই ঘোষণা দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান প্রক্রিয়াকে ভুলপথে ধাবিত করবে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জাতিসংঘে কড়া সতর্কতা: ইসরাইল যুদ্ধাপরাধ করছে
উল্লেখ্য, প্রায় তিন মাস গাজার বিরুদ্ধে অবরোধ সৃষ্টির পর গত সপ্তাহে কৌশলগতভাবে ত্রাণ সামগ্রী সরবরাহের অনুমতি দিয়েছে ইসরাইল। কিন্তু তা খুবই সামান্য। একে এক চামচ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এত সামান্য ত্রাণ নিয়ে গাজায় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। মানুষ ত্রাণ জমা রাখা গুদামে লুটপাট চালিয়েছে। জাতিসংঘকে পাশ কাটিয়ে নতুন করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল সমর্থিত বিতরণ কেন্দ্রে এই বিশৃঙ্খলায় গুলিতে কমপক্ষে দুই জন নিহত হয়েছেন। এমন অবস্থায় বিবিসিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে টম ফ্লেচার বলেন, আমরা দেখছি সীমান্তে অলস পড়ে আছে খাদ্য। সেগুলো সীমান্তের এপাড়ে অনাহারী মানুষের কাছে পৌঁছাতে দেয়া হচ্ছে না। আমরা শুনতে পাচ্ছি ইসরাইলি মন্ত্রীরা বলছেন, এটার মাধ্যমে গাজার জনগণের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে।
টম ফ্লেচার বলেন, খাদ্যকে এভাবে হাতিয়ার বানানোকে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে গণ্য করা যায়। এ বিষয়টি আদালত এবং ইতিহাসের বিচারকরা বিচার করবেন। ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও তার সরকারের কট্টরপন্থি মন্ত্রীরা পরামর্শ দিয়েছেন গাজাবাসীকে তৃতীয় কোনো একটি দেশে দেশান্তরী করতে। এ বিষয়ে ইসরাইলকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন টম ফ্লেচার। এ মাসের শুরুর দিকে ইসরাইলের উগ্রপন্থি অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ বলেছেন, আগামী ৬ মাসের মধ্যে গাজা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাবে। ফিলিস্তিনিরা এতটাই অসহায় হয়ে পড়বে যে, তারা অন্য কোথাও নতুন জীবন খুঁজতে মরিয়া হয়ে উঠবে। এই ভাষা, এই নীতি, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করার এই নীতি যেন কার্যকর করা না হয় তা নিশ্চিত করতে নেতানিয়াহুর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন টম ফ্লেচার।
১৮ই মার্চ প্রথম দফায় দুই মাসের যুদ্ধবিরতি একতরফাভাবে ভঙ্গ করে ইসরাইল। এরপরই তারা গাজায় ভয়াবহ হামলা চালায়। হত্যা করে হাজার হাজার ফিলিস্তিনি বেসামরিক মানুষকে। এর মধ্য দিয়ে তারা পুরো গাজাকে ইসরাইলি সেনাদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে নেয়ার লক্ষ্য স্থির করেছে। ইসরাইল সরকার অবশ্য এরই মধ্যে দাবি করেছে তারা একাজে সফল হয়েছে। সেখানে ইসরাইল যে ক্রমবর্ধমান হারে সহিংসতা চালাচ্ছে তাতে ইউরোপের দেশগুলোর বিবেক জাগ্রত হয়েছে। তারা অবস্থান পরিবর্তন করেছেন। হত্যাযজ্ঞ অব্যাহত রাখলে ও ত্রাণ পুরোপুরি চালু করার অনুমতি না দিলে ইসরাইলের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেয়ার হুমকি দিয়েছে তারা। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ১৪ই মে টম ফ্লেচার বলেছেন, গাজায় গণহত্যা বন্ধে অবশ্যই এ পরিষদকে ব্যবস্থা নিতে হবে। মাঠপর্যায় থেকে তার সহকর্মীরা যেসব তথ্য দিয়েছেন সেগুলো তিনি তুলে ধরেন। তিনি বলেন- সহকর্মীরা বলছেন গাজাবাসীকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করা হচ্ছে। তাদেরকে অনাহারে রাখা হচ্ছে। তাদেরকে নির্যাতন করা হচ্ছে। গণহারে মানুষকে হত্যা করা হচ্ছে। এর আগে রোয়ান্ডা, সেব্রেনিৎসা এবং শ্রীলঙ্কায় আমরা কোনো দায়িত্ব পালন করিনি বলে বিশ্ববাসী অভিযোগ করেছে। এখনও বিশ্ববাসী গণহত্যা বন্ধ করার জন্য ব্যবস্থা নেয়ার দাবি তুলেছেন। নিরাপত্তা পরিষদে আমার এবং বিশ্ববাসীর এখনকার প্রশ্ন- আপনারা কি এই গণহত্যা বন্ধে কোনো ব্যবস্থা নেবেন? আমাদেরকে ইতিহাস খুব কড়া বিচার করবে এবং এই বিচার হতেই হবে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মার্কিন প্রস্তাবের প্রতিক্রিয়া: গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতি ও ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার চায় হামাস
হামাস শনিবার এক বিবৃতিতে এ কথা জানিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক দূত স্টিভ উইটকফের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবের বিষয়ে তাঁরা মধ্যস্থতাকারীদের কাছে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে হামাস।
হামাসের প্রস্তাব অনুযায়ী, তাঁরা ১০ জীবিত জিম্মি ও ১৮ জনের মরদেহ ইসরায়েলের কাছে হস্তান্তর করতে রাজি। বিনিময়ে ইসরায়েলকে ফিলিস্তিনি বন্দীদের মুক্তি দিতে হবে। এই শর্তগুলো স্টিভ উইটকফের প্রস্তাবের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘এই প্রস্তাবের লক্ষ্য স্থায়ী যুদ্ধবিরতি, গাজা থেকে সব (ইসরায়েলি) সেনা প্রত্যাহার এবং আমাদের জনগণের জন্য মানবিক সহায়তার অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করা।’ হামাস জানায়, ‘জাতীয় পর্যায়ের আলোচনার পরই আমরা এই সিদ্ধান্তে এসেছি।’
বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে সরাসরি কোনো সংশোধনীর কথা বলা হয়নি। তবে বিষয়সংশ্লিষ্ট এক ফিলিস্তিনি কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানান, হামাস প্রস্তাবে কিছু সংশোধনের প্রস্তাব দিয়েছে। তা সত্ত্বেও সামগ্রিকভাবে তাদের প্রতিক্রিয়া ইতিবাচক।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দপ্তর হামাসের প্রতিক্রিয়ার বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।
গত বৃহস্পতিবার ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছিল, গাজায় জিম্মিদের পরিবারের সঙ্গে এক বৈঠকে নেতানিয়াহু বলেন, ইসরায়েল উইটকফের প্রস্তাব গ্রহণ করেছে; কিন্তু তাঁর দপ্তর এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি।
গত মার্চে যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার পর থেকে হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে বেশ কয়েকবার আলোচনা হলেও গভীর মতপার্থক্যের কারণে কোনো সমাধান আসেনি।
ইসরায়েল বলছে, যুদ্ধ থামাতে হলে হামাসকে সম্পূর্ণ নিরস্ত্র হতে হবে। ভেঙে ফেলতে হবে তাদের সামরিক ও প্রশাসনিক কাঠামো। গাজায় এখনো থাকা ৫৮ জিম্মিকে ফেরাতে হবে।
অন্যদিকে হামাস বলছে, তারা অস্ত্র সমর্পণ করবে না; বরং ইসরায়েলকে গাজা থেকে সেনা সরাতে হবে এবং যুদ্ধ বন্ধে প্রতিশ্রুতি দিতে হবে।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, ইসরায়েলি হামলা গাজায় এখন পর্যন্ত ৫৪ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে পুরো উপত্যকা।
প্রতি ২০ মিনিটে গাজায় একটি শিশু নিহত বা আহত হচ্ছে: জাতিসংঘ
ফিলিস্তিনের গাজায় ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু করার পর সেখানে ৫০ হাজারের বেশি শিশু নিহত বা আহত হয়েছে।
জাতিসংঘের শিশু তহবিল ইউনিসেফ এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে। সংস্থাটি হুঁশিয়ার করে বলেছে, এ উপত্যকায় ফিলিস্তিনিদের দুর্দশার মাত্রা দিন দিন খারাপ থেকে আরও খারাপ হচ্ছে।
ইউনিসেফ গত মঙ্গলবার এ বিবৃতি প্রকাশ করে। এতে আরও বলা হয়, গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলার সবচেয়ে বেশি মূল্য দিচ্ছে শিশুরা। সেখানে প্রতি ২০ মিনিটে গড়ে একটি শিশু হয় নিহত, না হয় আহত হচ্ছে।
ইউনিসেফের প্রধান ক্যাথরিন রাসেল বলেন, ‘মারাত্মক লঙ্ঘন (আইনের)। অবরুদ্ধে ত্রাণ। ক্ষুধা। বাড়িঘর, স্কুল, হাসপাতাল—সব বিধ্বস্ত। এটা শৈশবকে ধ্বংস করা। জীবনেরই ধ্বংস। এরা শিশু—এরা সংখ্যা নয়। এভাবে কোনো শিশুর বেঁচে থাকার কথা নয়। আর একটি শিশুও নয়।’
বিবৃতিতে ইউনিসেফের মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকাবিষয়ক আঞ্চলিক পরিচালক এদুয়ার বেগবেদে বলেন, ‘এই (গত) সপ্তাহান্তে ৭২ ঘণ্টায় দুটি ভয়াবহ হামলার চিত্র গাজায় শিশুদের ওপর নির্মম যুদ্ধের অমানবিক মূল্য আরেকবার স্পষ্ট করে তুলেছে।’
‘শুক্রবার আমরা ভিডিওতে দেখেছি, খান ইউনিসে আল-নাজ্জার পরিবারের পোড়া ও ছিন্নভিন্ন শিশুদের মরদেহ ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে টেনে বের করা হচ্ছে। ১২ বছরের নিচে ১০ ভাইবোনের মধ্যে শুধু একটি বেঁচে আছে বলে জানা গেছে, তা–ও গুরুতর আহত অবস্থায়।’
‘সোমবার ভোরে আমরা গাজা সিটির একটি জ্বলন্ত স্কুলে আটকে পড়া এক ছোট শিশুর ছবি দেখেছি। ভোরের ওই হামলায় অন্তত ৩১ জন নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে, যাদের মধ্যে ১৮টি শিশু।’
‘এই শিশুরা, যাদের জীবন কখনোই শুধু সংখ্যায় রূপান্তরিত হওয়ার কথা নয়, তারাই এখন এক দীর্ঘ, বিভীষিকাময় তালিকার অংশ হয়ে গেছে। শিশুদের বিরুদ্ধে গুরুতর (মানবাধিকার) লঙ্ঘন করা হচ্ছে, ত্রাণ অবরুদ্ধ, ক্ষুধা, বারবার জোরপূর্বক স্থানচ্যুতি ঘটছে এবং হাসপাতাল, পানি সরবরাহব্যবস্থা, স্কুল ও বাড়িঘর ধ্বংস হয়ে গেছে। মূলত গাজা উপত্যকায় জীবনই ধ্বংস হয়েছে।’
মারাত্মক লঙ্ঘন (আইনের)। অবরুদ্ধে ত্রাণ। ক্ষুধা। বাড়িঘর, স্কুল, হাসপাতাল—সব বিধ্বস্ত। এটা শৈশবকে ধ্বংস করা। জীবনেরই ধ্বংস। এরা শিশু—এরা সংখ্যা নয়। এভাবে কোনো শিশুর বেঁচে থাকার কথা নয়। আর একটি শিশুও নয়।----—ক্যাথরিন রাসেল, ইউনিসেফের প্রধান
‘১৮ মার্চ যুদ্ধবিরতি (ইসরায়েল ও হামাসের) শেষ হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৩০৯টি শিশু নিহত হয়েছে এবং ৩ হাজার ৭৩৮টি শিশু আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। অক্টোবর ২০২৩ থেকে মোট ৫০ হাজারের বেশি শিশু নিহত বা আহত হয়েছে। আর কত শিশুর লাশ লাগবে? আর কত ভয়াবহতা সরাসরি সম্প্রচারিত হলে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় সত্যিকার অর্থে এগিয়ে আসবে, তাদের প্রভাব ব্যবহার করবে এবং এ নির্মম শিশু হত্যাযজ্ঞ বন্ধ করতে সাহসী ও সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপ নেবে?’
‘ইউনিসেফ আবারও সংঘাতরত পক্ষগুলোকে সহিংসতা বন্ধ, বেসামরিক নাগরিকদের—বিশেষ করে শিশুদের রক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন ও মানবিক আইনের প্রতি সম্মান দেখানো, মানবিক সহায়তা অবিলম্বে প্রবেশের (গাজায়) অনুমতি এবং সব জিম্মিকে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে।’
‘গাজায় শিশুদের নিরাপত্তা দরকার। তাদের দরকার খাদ্য, পানি ও ওষুধ। তাদের দরকার যুদ্ধবিরতি। কিন্তু এর চেয়েও বেশি দরকার—এই নৃশংসতা স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে এখনই সম্মিলিত পদক্ষেপ।’
![]() |
| গাজা নগরের একটি বাড়িতে ইসরায়েলি হামলার পরের দৃশ্য। ৩০ মে ২০২৫ ছবি: রয়টার্স |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাজায় বিতরণ করা বিতর্কিত সংস্থা জিএইচএফের ত্রাণের বাক্সে কী আছে
যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় মধ্যাহ্নের প্রচণ্ড গরমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার পর ক্ষুধার্ত গাজাবাসীর কপালে যেসব খাদ্যসামগ্রী জুটেছে, এটি তারই একটি নমুনা।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল পরিচালিত বিতর্কিত গাজা হিউম্যানিটেরিয়ান ফাউন্ডেশন (জিএইচএফ) দাবি করেছে, তারা গত মঙ্গলবার থেকে অসহায় ফিলিস্তিনিদের মধ্যে ১৪ হাজার বাক্স খাবার বিতরণ করেছে। ত্রাণ সংস্থাগুলোর মতে, চলমান গণ-অনাহার মোকাবিলায় এই সংখ্যা একেবারেই যৎসামান্য।
গাজা হিউম্যানিটেরিয়ান ফাউন্ডেশন যুক্তরাষ্ট্রের মদদপুষ্ট একটি সংগঠন। গাজা উপত্যকায় ত্রাণ বিতরণের দায়িত্ব নিতে সংগঠনটিকে ইসরায়েল অনুমোদন দিয়েছে।
নতুন এই ত্রাণব্যবস্থা খাদ্য বিতরণ–ব্যবস্থাকে মাত্র কয়েকটি কেন্দ্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ করে ফেলেছে। এসব কেন্দ্র আবার পাহারা দেন বেসরকারি মার্কিন নিরাপত্তা কর্মীরা। এ ব্যবস্থা জাতিসংঘ নেতৃত্বাধীন ত্রাণ সংস্থাগুলোর কাছ থেকে বিতরণ কার্যক্রম কেড়ে নিতে চায়।
জাতিসংঘ ও অন্যান্য প্রধান মানবিক সংস্থা বারবার এই নতুন ত্রাণব্যবস্থার সমালোচনা করেছে এবং বলেছে, এটি গাজার ২১ লাখ মানুষের প্রয়োজন মেটাতে পারবে না। উল্টো সেখানকার মানুষের ওপর আধিপত্য বজায় রাখতে ইসরায়েলকে খাদ্যনিয়ন্ত্রণকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের সুযোগ দেবে।
সংস্থাগুলো সতর্ক করে বলেছে, ত্রাণ সংগ্রহ করতে আসা মানুষের সঙ্গে ইসরায়েলি সেনাদের সংঘর্ষ বেধে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
তবে এসব সমালোচনা প্রত্যাখ্যান করে ইসরায়েল উল্টো হামাসের বিরুদ্ধে ত্রাণ চুরির অভিযোগ তুলেছে। দেশটি বলেছে, হামাস যাতে ত্রাণ সরিয়ে নিতে না পারে, সে জন্য গাজায় খাদ্য প্রবেশে অবরোধ আরোপ করেছে তারা।
কিন্তু ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রামের নির্বাহী পরিচালক সিন্ডি ম্যাককেইন এমন অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, অধিকাংশ লুট হওয়া ত্রাণ অসহায় ফিলিস্তিনিরাই নিচ্ছে।
সিন্ডি মার্কিন সম্প্রচার নেটওয়ার্ক সিবিসিকে চলতি সপ্তাহের শুরুতে বলেন, মানুষ মরিয়া হয়ে আছে। তারা বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) ট্রাক আসতে দেখলেই ছুটে যায়। এর সঙ্গে হামাস বা কোনো ধরনের সংঘটিত অপরাধের কোনো সম্পর্ক নেই।
ইসরায়েল যে চারটি ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্র চালুর ঘোষণা দিয়েছিল, তার মধ্যে এ পর্যন্ত মাত্র দুটি চালু হয়েছে। দুটিই দক্ষিণাঞ্চলের বিধ্বস্ত রাফায়। সেখান এখন খুব অল্প ফিলিস্তিনি বসবাস করেন।
কেবল প্রাণে বাঁচার জন্য ফিলিস্তিনিদের এসব এলাকায় যেতে হচ্ছে। গত মঙ্গলবার খান ইউনিস শহরের বাইরের তাঁবু থেকে হাজার হাজার মানুষ ইসরায়েলি সামরিক সীমা অতিক্রম করে বিতরণ কেন্দ্রে যান।
একপর্যায়ে রাফার এক কেন্দ্রে ফিলিস্তিনিরা ভিড় জমালে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। ইসরায়েল তিন মাস ধরে ত্রাণের গাড়ি ঢুকতে না দেওয়ায় গাজার বাসিন্দাদের ওপর বিপর্যয় নেমে এসেছে। যেন তারই বহিঃপ্রকাশ এই বিশৃঙ্খলা।
সে সময় ত্রাণের একটি বাক্স পাওয়ার জন্য ছোটাছুটি করতে গিয়ে কমপক্ষে তিনজন ফিলিস্তিনি নিহত হন। আহত হন অনেক ক্ষুধার্ত পুরুষ, নারী ও শিশু।
ত্রাণ সংস্থাগুলো এসব কেন্দ্রের অবস্থান নিয়ে সমালোচনা করেছে। তারা বলেছে, সব কেন্দ্র এক জায়গায় বসিয়ে ফাউন্ডেশন মানবিক নীতিমালা লঙ্ঘন করছে। ফলে গাজার অন্যান্য এলাকার মানুষের এখানে এসে ত্রাণ সংগ্রহ করা অনেক কঠিন হবে।
জিএইচএফের মতে, তাদের বিতরণ করা প্রতিটি খাবারের বাক্স প্রায় ছয়জন মানুষের জন্য সাড়ে তিন দিন চলার উপযোগী করে বানানো হয়েছে।
তবে কয়েকজন ফিলিস্তিনি মিডল ইস্ট আইকে বলেন, তাঁরা যে ত্রাণের বাক্স পেয়েছেন, তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই অপ্রতুল।
প্রতিটি বাক্সে ভিন্ন ভিন্ন জিনিস ছিল। বেশির ভাগ বাক্সে যেসব খাদ্যসামগ্রী ছিল, তা হলো এক লিটার তেল, দুই কেজি চাল, চার কেজি আটা, এক কেজি শিম, চার কৌটা টুনা মাছ, এক কৌটা আঙুর পাতায় মোড়ানো খাবার, এক বোতল খুবানির (অ্যাপ্রিকট) জেলি, এক বাক্স বিস্কুট, ছয় প্যাকেট স্প্যাগেটি ও এক বাক্স টি-ব্যাগ।
মিডল ইস্ট আইয়ের সঙ্গে কথা বলা কোনো ফিলিস্তিনি বোতলজাত পানি, রান্নার জ্বালানি, ওষুধ, কম্বল, সাবান, কাপড় কাচার গুঁড়া সাবান বা নারীদের স্যানিটারি প্যাড পাননি।
এ ছাড়া কেউই শিশুর জন্য প্রয়োজনীয় দুধ, খাবার, ডায়াপার ও বেঁচে থাকার জন্য জরুরি জিনিসপত্র পাননি বলে জানান।
বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি আবদুল্লাহ সুলেমান আল-সাদুদিও এমন একটি ত্রাণের বাক্স সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছেন। গত বুধবার তিনি বলেন, ‘আমরা শুধু আমাদের সন্তানদের খাওয়াতে চাই। আমরা এখন কী করব? আমাদের প্রতি একটু দয়া করুন। এটা অন্যায়।’
জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থীবিষয়ক সংস্থার (ইউএনআরডব্লিউএ) প্রধান খুবই সামান্য এই খাদ্যসামগ্রী দেওয়ার নিন্দা জানিয়েছেন এবং ইসরায়েলের বিতরণব্যবস্থাকে ‘নৃশংসতা থেকে দৃষ্টি ঘোরানোর চেষ্টা’ বলে অভিহিত করেছেন। গত বুধবার তিনি বলেন, ‘ইসরায়েল প্রস্তাবিত ত্রাণ বিতরণ মডেলটি মৌলিক মানবিক নীতির সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।’
চলতি বছরের শুরুতে সুইজারল্যান্ডে নিবন্ধিত এই গাজা হিউম্যানিটেরিয়ান ফাউন্ডেশনের নেতৃত্ব নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা রয়েছে। তবে ধারণা করা হচ্ছে, একদল বেসরকারি মার্কিন নিরাপত্তা কর্মী, সাবেক সেনা কর্মকর্তা ও মানবিক সাহায্য কর্মকর্তারা এটি পরিচালনা করেন।
এই সংগঠনের দুর্ভিক্ষকবলিত এলাকায় খাদ্য বিতরণের কোনো অভিজ্ঞতা নেই। কে বা কারা এতে অর্থায়ন করছে, সেটিও স্পষ্ট নয়। কারণ, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল উভয়েই এই ফাউন্ডেশনকে অর্থ দেওয়ার কথা অস্বীকার করেছে।
![]() |
| গাজা উপত্যকার দক্ষিণ রাফা শহরে গাজা হিউম্যানিটেরিয়ান ফাউন্ডেশনের বিতরণ করা বাক্সের খাদ্যসামগ্রী দেখাচ্ছেন এক ফিলিস্তিনি। ২৭ মে, ২০২৫ ছবি: রয়টার্স |
![]() |
| রাফার একটি সরকারি স্কুলে খাবার সংগ্রহের জন্য এসেছেন বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিরা, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ছবি: এএফপি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইসরায়েলের বাধায় পশ্চিম তীর সফরে যেতে পারছেন না সৌদিসহ পাঁচ আরব পররাষ্ট্রমন্ত্রী
জর্ডানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘আগামীকাল রোববার রামাল্লায় ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকে যোগ দিতে যাওয়া প্রতিনিধিদলের সফর আটকে দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণযোগ্য নয়, আমরা এর নিন্দা জানাই।’
সৌদি আরব, মিসর, জর্ডান, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের ওই সফরে অংশ নেওয়ার কথা ছিল। তাঁদের সঙ্গে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও আরব লিগের মহাসচিবেরও থাকার কথা ছিল।
ইসরায়েল গতকাল শুক্রবার রাতে ঘোষণা দেয়, তারা [আরব পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের] সফরে কোনো ধরনের সহযোগিতা করবে না। অধিকৃত পশ্চিম তীরের স্থল ও আকাশপথের নিয়ন্ত্রণ ইসরায়েলের হাতে থাকায় দেশটির অনুমতি ছাড়া কোনো বিদেশির সেখানে যাওয়া সম্ভব নয়।
ইসরায়েলের এক কর্মকর্তা সিএনএনকে বলেন, ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষ (পিএ) একটি উসকানিমূলক বৈঠকের আয়োজন করতে যাচ্ছিল। ইসরায়েল এমন কোনো পদক্ষেপে সহযোগিতা করবে না, যা তার নিরাপত্তার জন্য হুমকি। তিনি কিছুটা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষকে সব ধরনের চুক্তির লঙ্ঘন বন্ধ করতে হবে। এর দ্বারা তিনি ঠিক কোন কোন চুক্তির কথা বলেছেন, তা স্পষ্ট নয়।
১৯৬৭ সালে ছয় দিনের যুদ্ধের পর জর্ডানের কাছ থেকে পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেম দখল করে নেয় ইসরায়েল। ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষের প্রধান কার্যালয় ইসরায়েল অধিকৃত পশ্চিম তীরের রামাল্লায় অবস্থিত। ১৯৬৭ সালের পর থেকে সৌদি আরবের কোনো পররাষ্ট্রমন্ত্রী এখন পর্যন্ত রামাল্লা সফর করেননি। এই পরিস্থিতিতে ৫০ বছরের মধ্য প্রথম সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে আগামীকাল রোববার প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহানের রামাল্লা সফরের ঘোষণা এসেছিল। কিন্তু বিষয় সংশ্লিষ্ট একটি সৌদি সূত্র সিএনএনকে জানিয়েছে, ইসরায়েলের নিষেধাজ্ঞার ঘোষণার পর প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহানের রামাল্লা সফর স্থগিত করা হয়েছে।
গতকাল পশ্চিম তীরে একটি নতুন বসতি স্থাপনা এলাকায় গিয়ে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ বলেন, ‘আমরা ফিলিস্তিনে একটি ইহুদি ইসরায়েলি রাষ্ট্র গড়ে তুলব।’ আন্তর্জাতিক সমর্থনে কাগজে-কলমে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার চেষ্টা সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘এই কাগজ ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হবে, আর ইসরায়েল রাষ্ট্র হবে আরও সমৃদ্ধ।’
গত বৃহস্পতিবার পশ্চিম তীরের জুদিয়া ও সামারিয়া অঞ্চলে নতুন করে আরও ২২টি বসতি স্থাপনের ঘোষণা দিয়েছে ইসরায়েল। ‘রুট ৪৪৩’ ধরে এসব বসতি গড়ে উঠবে। সড়কটি মোদিইন হয়ে জেরুজালেম ও তেল আবিবকে যুক্ত করেছে। নতুন বসতি স্থাপনের পাশাপাশি গত কয়েক বছরে পূর্ব জেরুজালেম ও পশ্চিম তীরে যেসব অবৈধ বসতি গড়ে উঠেছে, সেগুলোকেও অনুমোদনের ঘোষণা দিয়েছে দেশটি। হামাস ও ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষ ইসরায়েলের এই সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্ভবত দুই সপ্তাহ আগে মন্ত্রিপরিষদের এক গোপন বৈঠকে নতুন বসতি স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু জানানো হয়েছে বৃহস্পতিবার। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ ও ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ গতকাল মন্ত্রিসভার এই সিদ্ধান্ত জানান। স্মোট্রিচ নিজেই পশ্চিম তীরের কেদুমিম বসতিতে থাকেন।
কাটজ নতুন বসতি স্থাপনের সিদ্ধান্তকে ‘কৌশলগত পদক্ষেপ’ বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, এর মধ্য দিয়ে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ঠেকানো যাবে, যার প্রতিষ্ঠা ইসরায়েলের জন্য হুমকি হতে পারে।
আগামী জুনে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সৌদি আরব ও ফ্রান্স যৌথভাবে একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করছে। ইসরায়েল-ফিলিস্তিন দ্বিরাষ্ট্র সমাধানের প্রক্রিয়া আবারও সক্রিয় করা এই সম্মেলনের লক্ষ্য।
গাজা যুদ্ধ শুরুর আগে সৌদি আরব ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেওয়ার দ্বারপ্রান্তে চলে এসেছিল বলে অনেকে মনে করেন। তবে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান স্পষ্ট বলেছেন, স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ছাড়া ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেওয়া হবে না।
![]() |
| সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহান। সৌদি আরবের রিয়াদে এক সংবাদ সম্মেলনে, ১৪ মে ২০২৫ ছবি: রয়টার্স |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইরানের উচ্চমাত্রার ইউরেনিয়ামের মজুত ৪০৮ কেজি, যা নজিরবিহীন: আইএইএ
বিশ্বব্যাপী পরমাণু শক্তির নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ এবং পর্যবেক্ষণমূলক ব্যবহারের তদারকি-বিষয়ক সংস্থা আইএইএ আজ শনিবার এক প্রতিবেদনে এসব দাবি করেছে। আইএইএর প্রতিবেদনটি এমন এক সময়ে প্রকাশ করা হয়েছে, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন পরমাণু চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছে। তেহরান বলছে, তাদের পরমাণু কর্মসূচির উদ্দেশ্য সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ।
জাতিসংঘের পরমাণু নজরদারি সংস্থাটি জানিয়েছে, ১৭ মে পর্যন্ত ইরান ৬০ শতাংশ মাত্রায় সমৃদ্ধ ৪০৮ দশমিক ৬ কেজি ইউরেনিয়াম মজুত করেছে। পারমাণু অস্ত্র নেই—এমন যেকোনো দেশের ক্ষেত্রে উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ এই পরিমাণ ইউরেনিয়াম মজুত নজিরবিহীন ঘটনা। ফেব্রুয়ারির সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এই মজুতের পরিমাণ প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়ে ১৩৩ দশমিক ৮ কেজিতে পৌঁছেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ৯০ শতাংশ মাত্রায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ হলেই তা পরমাণু অস্ত্র তৈরির জন্য উপযুক্ত। ফলে ইরানের এ অগ্রগতি আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ তৈরি করেছে। আইএইএর গোপনীয় প্রতিবেদনটি বিভিন্ন সংবাদ সংস্থার হাতে এসেছে। এতে বলা হয়েছে, সংস্থাটির নজরদারির বাইরে তিনটি স্থানে গোপনে পারমাণবিক কার্যক্রম চালিয়েছে তেহরান। সংস্থাটি বিষয়টিকে ‘গভীর উদ্বেগের’ বলে উল্লেখ করেছে।
তবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি দেশটির দীর্ঘদিনের অবস্থান পুনরায় তুলে ধরে বলেন, তেহরান পারমাণবিক অস্ত্রকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে মনে করে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান পারমাণবিক আলোচনায় ইরানের প্রধান আলোচক আরাগচি টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে বলেন, ‘যদি বিষয়টা পারমাণবিক অস্ত্র হয়, তাহলে হ্যাঁ, আমরাও এ ধরনের অস্ত্রকে অগ্রহণযোগ্য বলে মনে করি।’ তিনি আরও বলেন, ‘এই বিষয়ে আমরা তাদের [আইএইএ] সঙ্গে একমত।’
২০১৫ সালে ছয় বিশ্ব শক্তি ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তি করেছিল ইরান। এই চুক্তির আনুষ্ঠানিক নাম জয়েন্ট কম্প্রিহেনসিভ প্ল্যান অব অ্যাকশন (জেসিপিওএ), যা সংক্ষেপে ইরান পরমাণু চুক্তি নামে পরিচিত। ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রম নজরদারি করার জন্য এই চুক্তি করা হয়েছিল, যাতে দেশটি পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে।
চুক্তি করার বিনিময়ে ইরানের ওপর থেকে কিছু নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে সম্মত হয়েছিল পশ্চিমা দেশগুলো। কিন্তু ২০১৮ সালে তৎকালীন ট্রাম্প প্রশাসন এই চুক্তি থেকে একতরফা বের হয়ে যায়। ফলে চুক্তিটি বাতিল হয়ে যায়। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ক্ষমতায় এসে চুক্তিটি নবায়নের জন্য জোর চেষ্টা চালিয়েছিলেন। কিন্তু সফল হননি। গত জানুয়ারিতে ট্রাম্প দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতায় এসে তেহরানের সঙ্গে নতুন পরমাণু চুক্তির চেষ্টা করছেন। এরই মধ্যে দেশ দুটির কর্মকর্তাদের মধ্যে ওমান ও অস্ট্রিয়ায় কয়েক দফায় অপ্রত্যক্ষ বৈঠক হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার ট্রাম্প বলেছেন, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র রাখতে পারবে না। তিনি আরও বলেন, তাঁরা নিজেকে ধ্বংস করতে চায় না। বরং তাঁরা একটি চুক্তি করতে চায়। তিনি যোগ করেন, ‘আমরা যদি এমন একটি চুক্তি করতে পারি, যার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে বোমা বর্ষণ করতে হবে না, তাহলে সেটা খুব ভালো হবে।’
আইএইএর সর্বশেষ প্রতিবেদনটি সংস্থার ৩৫ সদস্যবিশিষ্ট গভর্নিং বোর্ডের অনুরোধে তৈরি করা হয়েছে। এতে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স এবং জার্মানি ইরানকে আন্তর্জাতিক পারমাণবিক চুক্তির লঙ্ঘনকারী হিসেবে ঘোষণার পথে এগোতে পারে। এ নিয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদেও ইরানবিরোধী প্রস্তাব উত্থাপন হতে পারে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এই ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ একটি কৌশল, যার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আলোচনায় চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক হামেদ মোসাভি আল–জাজিরাকে বলেন, ‘উভয় পক্ষই আলোচনায় সুবিধাজনক অবস্থান নিতে চেষ্টা করছে। ইরানের জন্য পারমাণবিক অগ্রগতি একটি চাপ তৈরির হাতিয়ার।’
মোসাভির মতে, ‘৬০ শতাংশ ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কোনো অস্ত্র তৈরির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রকে চাপ দিয়ে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার কৌশল।’
![]() |
| আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসি তেহরানে এক প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন। ইরান, ১৭ এপ্রিল ২০২৫ ছবি: রয়টার্স |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1422)
-
▼
2025
(3281)
-
▼
June
(301)
-
▼
Jun 01
(8)
- যুদ্ধবিমান ভূপাতিত নিয়ে তোপের মুখে নরেন্দ্র মোদি
- যেভাবে সাধারণ ভারতীয়রা হয়ে উঠল পাকিস্তানের গুপ্তচর
- ‘পশ্চিমতীরে ইহুদি রাজ্য প্রতিষ্ঠা করবে ইসরাইল’
- জাতিসংঘে কড়া সতর্কতা: ইসরাইল যুদ্ধাপরাধ করছে
- মার্কিন প্রস্তাবের প্রতিক্রিয়া: গাজায় স্থায়ী যুদ্ধ...
- গাজায় বিতরণ করা বিতর্কিত সংস্থা জিএইচএফের ত্রাণের ...
- ইসরায়েলের বাধায় পশ্চিম তীর সফরে যেতে পারছেন না সৌদ...
- ইরানের উচ্চমাত্রার ইউরেনিয়ামের মজুত ৪০৮ কেজি, যা ন...
-
▼
Jun 01
(8)
-
▼
June
(301)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...






