Saturday, December 20, 2014
দেশ অস্বাভাবিক অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে

অনুষ্ঠানে প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন বিআইজিডির গবেষণাপ্রধান মিনহাজ মাহমুদ। তিনি বলেন, প্রধান দুটি রাজনৈতিক দলের বিদ্যমান রীতি-পদ্ধতি ও চর্চা এ দেশে আধুনিক ও সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তীব্র বাধা সৃষ্টি করছে। তাদের আচরণের কারণে অর্জিত সাফল্য বিপরীতমুখী ধারায় পরিচালিত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। দেশে গণতন্ত্রকে সুসংহত ও একে আরও বিকশিত করতে সামাজিক সমঝোতা অথবা জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা প্রয়োজন।
প্রতিবেদনে রাজনৈতিক অনুন্নয়নের কারণ, প্রধান দুই রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির অভ্যন্তরে গণতন্ত্রের মাত্রা, রাজনৈতিক সহিংসতা, অর্থ জোগানদাতা বেসরকারি খাতের সঙ্গে দলগুলোর ক্রমবর্ধমান যোগসূত্র, নারীদের অপ্রতুল ও বাঁধাধরা ভূমিকা বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
২০১৩ সালে রাজনৈতিক সহিংসতা বেড়েছে চার গুণ
প্রতিবেদনের তথ্য তুলে ধরে মিনহাজ বলেন, রাজনৈতিক বিকাশের তিনটি মৌলিক অংশ রাষ্ট্র গঠন, গণতান্ত্রিক জবাবদিহি ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং রাষ্ট্রীয় ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো জন্মলগ্ন থেকেই প্রধান দুই দলের প্রবল প্রভাবে বাধাপ্রাপ্ত হয়েছে। এর উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হলো গণতন্ত্র চর্চার ক্ষেত্রে বহুত্ববাদের ধীরগতি। তিনি রাষ্ট্রীয় ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ওপর দলগুলোর প্রভাবকে দলতন্ত্র বলে আখ্যা দেন।
মিনহাজ বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয় প্রতিনিধিদের দ্বৈত আচরণ দ্বারা দলতন্ত্র রাজনেতিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত করছে। এ থেকে উত্তরণে সুপারিশ হলো, নাগরিক সমাজের প্রতিষ্ঠানগুলোকে ক্ষমতায়ন করা। তিনি বলেন, রাজনৈতিক সহিংসতা মূলত দলপ্রণোদিত সহিংসতা। বিগত বছরের তুলনায় ২০১৩ সালে রাজনৈতিক সহিংসতা বেড়েছে প্রায় চার গুণ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংবিধানপ্রণেতা ড. কামাল হোসেন বলেন, প্রতিবেদনটি সময়োপযোগী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতাদের ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘তাঁরা প্রতিবেদনটির তথ্য অস্বীকার করেননি। এটি একটি ভালো দিক।’ তিনি বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমস্যার সমাধানের জন্য প্রধান দুই জোটকে সংলাপে বসার আহ্বান জানান। এতে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষকেও রাখার কথা বলেন। তিনি বলেন, সংলাপ কেবল একটি ইস্যুতে নয়, জাতীয় স্বার্থের সব ইস্যুতেই হতে হবে। সংলাপ বা রাজনীতিতে জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা কী? একজন দর্শকের এমন প্রশ্নের জবাবে ড. কামাল বলেন, ধর্মনিরপেক্ষতা মেনে আসতে পারলে তারা আসবে।
দলের ভালো ও যোগ্যদের প্রতিষ্ঠানে বসানো যেতে পারে: কামাল
ড. কামাল বলেন, দেশ স্বাভাবিক অবস্থায় নেই। স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে একটি উপায় খুঁজ বের করতে হবে। শুধু নির্বাচন হলেই হয় না। তিনি বলেন, ২০০৮ সালের নির্বাচনের পর যে প্রত্যাশা ক্ষমতাসীনদের কাছে ছিল, জনগণ তা পায়নি। কিছু অসন্তুষ্টি রয়ে গেছে। বিশিষ্ট এই আইনজীবী বলেন, দলের ভালো ও যোগ্যদের ভালো জায়গায় ও প্রতিষ্ঠানগুলোতে বসানো যেতে পারে। এটা কোনো সমস্যা নয়। কিন্তু অযোগ্য ও মেধাহীনদের বসানো হলে সেটা সমস্যা। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাম্প্রতিক অবস্থায় হতাশা প্রকাশ করে এ থেকে উত্তরণের জন্য সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
ক্ষমতাসীনেরা জাতিকে রক্ষা করেছেন: সুরঞ্জিত
আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন, ৫ জানুয়ারির নির্বাচন না হলে আরেকটি এক–এগারো তৈরি হতে পারত। সেটা থেকে ক্ষমতাসীনেরা জাতিকে রক্ষা করেছেন। তিনি বলেন, সংলাপের পরিবেশ তো তৈরি হতে হবে। স্বাধীনতার পক্ষের সঙ্গে পরাধীনতার সংলাপ হতে পারে না। যেমনটা আগুন-পানি আর তেল-জলে মেলে না। তিনি বিএনপিকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘এবার নির্বাচনে যাননি। তাই সংসদে যেতে পারেননি। তাতে কী হয়েছে? আগামীতে যাবেন। এ জন্য অবশ্য নতুন করে তাদের রাজনীতি নিয়ে ভাবতে হবে।’
আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের অপর সদস্য ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন বলেন, ‘বিএনপির বাইরের একটি দেশের ওহির ওপর নির্ভর করে নির্বাচনে যায়নি। এর দায় আওয়ামী লীগের নয়। নির্বাচনে না আসলে আওয়ামী লীগের কী করার আছে। সংলাপ চাইলে বিএনপিকে পূর্বশর্ত ছাড়া আসতে হবে।’ তিনি আশা প্রকাশ করেন, দেশের অর্থনীতি ও তথ্যপ্রযুক্তি খাত যেভাবে এগোচ্ছে, রাজনীতিও সেভাবে এগোবে। দলে পরিবারতন্ত্র এটা সময়ের চাহিদার সঙ্গে পরিবর্তন হবে। চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে তা ভালো হবে না।
এখন জরুরি নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠন: আমীর খসরু
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, দলের মধ্যে গণতন্ত্র অবশ্যই জরুরি। তবে এখন সবচেয়ে বেশি জরুরি একটি নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠন। কেননা এখন দেশে কোনো গণতান্ত্রিক সরকার নেই। তিনি বলেন, এতে চরমপন্থী ও মৌলবাদ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়ছে। পুলিশ আর প্রশাসনের ওপর নির্ভর করে সরকার চলছে। প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘বিএনপি কার সঙ্গে জোট করবে, সেটা তাদের ওপরই ছেড়ে দেওয়া উচিত। এখানে অন্য দলের বলার কিছু নেই।’
রাজনীতিবিদদের ভাষা সুন্দর করতে হবে: অধ্যাপক ইমতিয়াজ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, নির্বাচনে ত্রুটিগুলো দূর করতে হবে। রাজনীতিবিদদের ভাষা সুন্দর করতে হবে। রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে সুশাসনের অভাবকে লাভজনক বলে মন্তব্য করেন তিনি। সুশাসন থাকলে এই লাভ পাওয়া যায় না, ফলে এ দেশের শাসকেরা সুশাসনের থেকে দূরে থাকেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের কিছু কিছু জায়গা যেমন খুলনা ও সাতক্ষীরায় চরমপন্থীরা সক্রিয়। যদিও এটা সারা দেশে নয়, তার পরও এটি বড় সমস্যা।
মধ্যবিত্তরা দ্বৈত চরিত্রের কারণে ভূমিকা রাখতে পারছে না: বিনায়ক
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের গবেষণা পরিচালক বিনায়ক সেন বলেন, গণতন্ত্র কেবল বাংলাদেশের সমস্যা নয়, তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে এই সমস্যা বিদ্যমান। বাংলাদেশে রাজনীতি ও গণতান্ত্রিক শাসন একভাবে চলছে। কিন্তু এখানে অর্থনীতি ও সামাজিক উন্নয়নও অব্যাহত আছে। তিনি বলেন, এদেশে একটি মধ্যবিত্ত সমাজ আছে। এর সংখ্যাও বাড়ছে। তবে তাদের দ্বৈত চরিত্রের কারণে আগের মতো সমাজের এই অংশটি ভূমিকা রাখতে পারছে না। তিনি বলেন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন হলেও গণতন্ত্রের ক্ষেত্রে বাংলাদেশে উল্টোপথে যাত্রা করছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিআইজিডির নির্বাহী পরিচালক সুলতান হাফিজ রহমান।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যৌনকর্মীরা সমাজের মূলধারায় সম্পৃক্ত হতে চান


দুর্জয় নারী সংঘ ও বাংলাদেশ উইমেনস হেলথ কোয়ালিশন যৌথভাবে ‘যৌনকর্মীদের আত্মমর্যাদা, সামাজিক স্বীকৃতি ও বাঁচার অধিকার’ শীর্ষক এই জাতীয় সম্মেলনের আয়োজন করে। সম্মেলনে যৌনকর্মীরা বলেন, ‘বাংলাদেশে যত যৌনকর্মী আছেন, তাঁদের কেউ স্বেচ্ছায় এ পেশায় আসেননি। সমাজের প্রভাবশালী অংশের অনেকেই তাঁদের কাছে যান। এঁরা রাতের বেলা যৌনকর্মীদের কাছে গেলেও দিনের বেলা তাঁদের এড়িয়ে চলেন এবং বেশ্যা, পতিতা, খারাপ মেয়েছেলে, মাগী বলে গাল দেন। এরা কখনো যৌনকর্মীদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেন না।’
সম্মেলনে বলা হয় বাংলাদেশে এখন ৭৪ হাজার ৩০০ নারী যৌনপেশায় রয়েছেন। এঁদের ৫৪ শতাংশ যৌনপল্লিতে, ৪১ শতাংশ ভাসমান এবং ৫ শতাংশ হোটেলে কাজ করেন। জাতীয় সম্মেলনে সারা দেশ থেকে ৭০০-র মতো যৌনকর্মী আসেন। এঁদের অনেকের সঙ্গেই ছিল তাঁদের সন্তানেরা। যৌনকর্মী মায়েরা সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন। মুক্তি মহিলা সমিতির সভাপতি দৌলতদিয়া যৌনপল্লির মর্জিনা বেগম বলেন, দৌলতদিয়ায় ৮৮৬টি শিশু আছে। ২০০৪ সাল থেকে চলে আসা কর্মসূচির কারণে মাত্র ৩৮৩ শিশুকে পড়ালেখার সুযোগ করে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। বাকিরা বাইরে থেকে গেছে। তিনি আরও বলেন, ‘শিশু শিশুই। আপনার বাচ্চা হোক বা আমার বাচ্চাই হোক। তাহলে বৈষম্য কেন? যৌনপল্লির ছোট্ট একটা কামরায় মা কাস্টমার ঢোকাবে, না বাচ্চাটা পড়বে?’
‘খুশি হব, শান্তি পাব, প্লিজ আমার কথা একটু শোনেন’
সম্মেলনে দুজন যৌনকর্মী এ পেশায় তাঁদের যুক্ত হওয়ার ইতিহাস বলেন। এঁদের একজন বলেন, ‘আমি খুব খুশি হব, শান্তি পাব। প্লিজ আমার কথা একটু শোনেন।’ ওই কর্মী বলেন, পেটের দায়ে ঢাকায় এসে ঠিকে ঝির কাজ নিয়েছিলেন। একটি বাসায় গৃহকর্তা ও অন্যটিতে মালিকের দুই ছেলে তাঁকে যৌন নির্যাতন করে। গ্রামের বাড়িতে ফিরে যাওয়ার পর এক নারী ঢাকায় এক বাসায় ভালো বেতনে কাজ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বেচে দেয়।
অপর এক যৌনকর্মী বলেন, তিনি স্রেফ একটা গেঞ্জি আর হাফপ্যান্ট পরে ঢাকায় এসেছিলেন। এলাকার এক মহিলা তাঁকে মিরপুর মাজারে বকুলগাছের তলায় ফেলে চলে যান। কান্দুপট্টিতে সর্দারনীর ‘কাস্টমার’ ধরতে পারলে ভাত জুটত, নইলে মারধর। একপর্যায়ে তাঁকে সর্দারনী ‘কাস্টমার’ নিতে বাধ্য করে। বহুবার পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন। তখন অন্য যৌনকর্মীরা তাঁকে বোঝান, সমাজ আর তাঁকে গ্রহণ করবে না। একজনকে ভালোবেসেছিলেন, সন্তানও হয়েছে। কিন্তু সেই সন্তান স্বীকৃতি পায়নি।
নতুন আইন দরকার
সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইন কমিশনের সদস্য মো. শাহ আলম বলেন, যৌনকর্মীদের সুরক্ষায় নতুন আইন করা প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, বৈষম্যবিলোপ আইনের খসড়া হয়েছে। ওই আইনের একটি ধারায় বলা হয়েছে, বাবা-মায়ের পেশার কারণে কোনো শিশু শিক্ষা ক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার হবে না। বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড সার্ভিসেস ট্রাস্টের নির্বাহী পরিচালক সারা হোসেন যথাযথ পুনর্বাসন ছাড়া যৌনকর্মীদের উচ্ছেদ করা যাবে না বলে মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে সরকারের ন্যাশনাল এইডস ওএসটিডি গ্রোগাম, সেভ দ্য চিলড্রেন, ইউএনএইডসের কর্মকর্তারা বক্তব্য দেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সাতকানিয়ায় বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ৬

নিহত ব্যক্তিরা হলেন লোহাগাড়া উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নের ঠাকুরদীঘি এলাকার অমূল্য দাশ (৫০), একই ইউনিয়নের আলী সিকদারপাড়ার মো. শাহরিয়ার (১৫), কক্সবাজার সদর উপজেলার ঈদগাহ এলাকার জসিম উদ্দিন (৩৫), বাঁশখালী উপজেলার চাম্বল ইউনিয়নের সোনারখীল এলাকার শামশুল আলম (৬০), সাতকানিয়া উপজেলার ছদাহা ইউনিয়নের জানারপাড়া এলাকার মো. শোয়াইব (২২) ও মো. আবু ছৈয়দ (৩৫)। তাঁদের মধ্যে আবু ছৈয়দ অটোরিকশার চালক, অন্যরা যাত্রী।
প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তি ও পুলিশ জানায়, সন্ধ্যা ছয়টার দিকে পাটানীপুল এলাকায় কক্সবাজার থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী এস আলম পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি অটোরিকশার সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই পাঁচজনের এবং হাসপাতালে নেওয়ার পথে একজনের মৃত্যু হয়।
দোহাজারী মহাসড়ক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম কাওছার চৌধুরী দুর্ঘটনায় ছয়জনের মৃত্যুর খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও অটোরিকশা থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চট্টগ্রামে শতকোটি টাকার জায়গা বেদখল

কলোনিতে বসবাসকারী বাসিন্দারা জানান, বাসা বরাদ্দ বন্ধ রাখার একমাত্র কারণ হচ্ছে বর্তমান ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ বীমা কর্পোরেশনের জায়গাটি পানির দামে বিক্রি করে দেয়ার পাঁয়তারা করছে। আর না হয় বাসা বরাদ্দ বন্ধ রাখবে কেন? এর ফলে কলোনিতে বসবাসরত কর্পোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আতংকে দিন কাটাচ্ছে।
সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের কলোনিতে গিয়ে দেখা যায়, কলোনিতে স্যাঁতস্যাঁতে পরিবেশ। বাউন্ডারি দেয়ালগুলোর অবস্থা আরও করুণ। যে কোনো সময় ভেঙে পড়বে এমন। কলোনিটির ভেতরে উত্তরপাশের এলাকা এখন সন্ত্রাসী মাস্তানদের আড্ডাস্থল। এখানে প্রতিদিন বসে গাঁজা, মদ ও হেরোইনসেবীদের আড্ডা। ভবনগুলোর দিকে তাকালেই বোঝা যায় দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারে ছোঁয়া লাগেনি। এক ভবন থেকে অপর ভবনে যাওয়ার পথগুলোও আগাছায় ভরে গেছে। কলোনির মধ্যে থাকা মসজিদটিও সংস্কারের অভাবে জরাজীর্ণ হয়ে আছে। দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে প্রধান ফটকটি। জেনারেটর ভবন ও পানির পাম্পের রুমগুলোর অবস্থা আরও করুণ।
তবে নগরীর সিডিএ আবাসিক এলাকার ১৬নং রোডে অবস্থিত সাধারণ বীমা স্টাফ কলোনির একাধিক বাসিন্দা জানান, এ কলোনিটি বিক্রি করে দেয়ার ষড়যন্ত্র করছেন কর্পোরেশনের শীর্ষ পর্যায়ের একাধিক কর্মকর্তা। এর আগেও বীমা কর্পোরেশনের জায়গা অর্ধেক মূল্যে বিক্রি করে দেয়া হয়েছিল।
পানির দরে জায়গা বিক্রি : কলোনির একাধিক বাসিন্দা জানান, কয়েক বছর আগে খুলশীর ২৮ কাঠা জায়গা অর্ধেক মূল্যে বিক্রি করে দিয়েছে বীমা কর্পোরেশন। খুলশীর ওই জায়গাটি প্রায় ১৫ কোটি টাকার সম্পত্তি বিক্রি করেছে মাত্র ৮ কোটি টাকা দামে। জায়গাটি কিনেছেন ঢাকার এবিসি নামে একটি রিয়েল এস্টেট কোম্পানি। সাধারণ কর্পোরেশনের টাকার কোনো অভাব নেই অথচ মূল্যবান জায়গাটি পানির দরে বিক্রি করে দেয়ার পেছনে কিছু কর্মকর্তার হাত রয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
একাধিক মহিলা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমাদের ছেলেমেয়েরা পাশের বিভিন্ন স্কুলে পড়াশোনা করে। বাসা ছেড়ে দিয়ে আমরা কোথায় যাব। যে বেতন পাই তা দিয়ে সংসার চলে না। আবার বাসা ভাড়া কোথা থেকে দেব। তবে তারা ভয়ে কেউ নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি।
শত কোটি টাকার জায়গা বেদখল : চট্টগ্রামে বীমা কর্পোরেশনের পৃথক তিনটি কয়েকশ’ কোটি টাকার সম্পত্তি বেদখল হয়ে গেছে। বেদখল হওয়া জায়গাগুলো হচ্ছে নগরীর লালখান বাজার এলাকার আলপাইন হিল, পটিয়া টি এস্টেট এবং রাঙ্গামাটিতে একটি জায়গা বেদখল হয়ে আছে। আলপাইন হিল নামের জায়গাটির পরিমাণ প্রায় ১ একর। যার বর্তমান বাজার মূল্য কয়েকশ’ কোটি টাকা। তবে আলপাইন হিল জায়গার জন্য সাধারণ বীমা কর্পোরেশন বাদী হয়ে ২০০৭ সালে কেরামত আলী গংয়ের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম ২য় সাব জজ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নং ১৬৯/২০০৭। মামলাটি বর্তমানে শুনানি পর্যায়ে রয়েছে বলে বীমা কর্পোরেশনের কর্মকর্তারা জানান।
তবে অন্য দুটি জায়গা উদ্ধারের ব্যাপারে কর্পোরেশন একেবারে নীরব। পটিয়া উপজেলার ২৬ একর টি এস্টেট জায়গাটির অবস্থানও বীমা কর্পোরেশন শনাক্ত করতে পারেনি। এমনকি জায়গাটি কারা অবৈধভাবে দখল করে আছে এ ব্যাপারে তাদের কাছে কোনো তথ্য নেই। অথচ চল্লিশ বছর ধরে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন প্রতিবছর ট্যাক্স ও খাজনা দিয়ে আসছে।
মদ ও জুয়ার আসর : সন্ধ্যা হলেই কর্পোরেশনের কলোনিটিতে বসে মদ ও গাঁজার আসর। সরেজমিনে দেখা যায়, কলোনির উত্তর পাশের ভবনের সঙ্গে লাগোয়া একটি চৌকি ও ছাউনি দিয়ে গাঁজা, হেরোইন, ইয়াবা ও মদের আসর বানানো হয়েছে। সারারাত ধরে চলে মাদক সেবনের কর্মযজ্ঞ। একটি সূত্র জানায়, প্রতিদিন এ আসর থেকে বিক্রি হয় কয়েক লাখ টাকার ইয়াবা। স্থানীয় অনেকে কলোনিটিতে ইয়াবা কলোনি বলে ডাকেন। স্থানীয় সাকিল, রফিক, জনি ও বিপ্লব এদের বিরুদ্ধে অবৈধ মাদক বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। এরা সবাই এলাকার পাতি সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত। স্থানীয় লোকজন তাদের মুখ খুলতে সাহস পান না। ফলে তারা নির্বিঘ্নে চালিয়ে যাচ্ছে এসব অপকর্ম।
এ ব্যাপারে চট্টগ্রাম জোনের ইনচার্জ ও ডিজিএম খসরু দস্তগীর আলম যুগান্তরকে জানান, বিভিন্ন সময় ভূমিকম্প ও মেরামতের অভাবে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। বড় কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যয় নেমে এলে কিংবা প্রাণহানির ঘটনা ঘটলে এর দায়ভার কে নেবে? এর ফলে বিগত কয়েক বছর ধরে বাসা বরাদ্দ বন্ধ রাখা হয়েছে। বর্তমানে কলোনিতে যারা থাকছেন তারা সবাই নিজ নিজ দায়িত্বে থাকছেন। কোনো অঘটন ঘটলে সাধারণ বীমা কর্তৃপক্ষ তার দায়ভার নেবে না।
তিনি জানান, ২০১১ সালের ৪ অক্টোবর বুয়েটের ড. সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদের নেতৃত্বে একদল বিশেষজ্ঞ কলোনির দালানগুলো পরিদর্শন করেন। কিন্তু বিশেষজ্ঞদল ভবন পরীক্ষার জন্য ১৬ লাখ টাকা দাবি করেন। এতটাকা দাবি করায় সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের পক্ষে ভবনগুলো পরীক্ষা করা সম্ভব হয়নি। এরপর ২০১৩ সালের ২ মে প্রধান কার্যালয়ের এক নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে আবাসিক কলোনির বরাদ্দ বাতিল করা হয়।
কর্পোরেশনের বিভিন্ন জায়গা বেদখল থাকা প্রসঙ্গে খসরু দস্তগীর আলম বলেন, লালখানবাজারের আলপাইন হিল জায়গাটি নিয়ে মামলা চলছে। বিবাদীদের কাছে নোটিশ পাঠানো হয়েছে। তারা আদালতে আসছে না। ফলে মামলাটি দীর্ঘায়িত হচ্ছে। পটিয়া টি এস্টেটে আমরা দখলে যেতে পারছি না। আমি পটিয়া ভূমি অফিসকেও কয়েকবার চিঠি দিয়েছি। কিন্তু কাজ হয়নি। ফলে অনেক বছর ধরে জায়গাটির দখলে যেতে পারছি না। খুলশীর জায়গাটি কম মূল্যে বিক্রি সম্পর্কে তিনি বলেন, জায়গাটি ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে বিক্রি হয়েছে। এতে কর্পোরেশন লাভবান হয়েছে। জায়গাটি বিক্রি না করলে হয়তো এটিও বেদখল হয়ে যেত।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বগুড়ায় কিশোরীর সঙ্গে হ্যান্ডশেক করে প্রাণ হারাল কিশোর
পুলিশ ও গ্রামবাসী জানান, শুক্রবার বিকালে বগুড়া সদরের লাহিড়িপাড়া ইউনিয়নের নন্দীপাড়া স্কুল মাঠে ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করা হয়। খেলা শেষে পুরস্কার বিতরণকালে ওই গ্রামের সোলায়মান আলীর ছেলে রায়হান আলী দক্ষিণ নন্দীপাড়া গ্রামের এক কিশোরীর সঙ্গে হ্যান্ডশেক করে। এর প্রতিবাদ করা নিয়ে দুই গ্রামের জনগণের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে গুরুতর আহত রায়হান আলীকে শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৮টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
শনিবার সকালে রায়হানের মৃত্যুর খবর প্রচার হলে তার স্বজন ও গ্রামবাসী দক্ষিণ নন্দীপাড়া গ্রামের রাজ্জাক, রফিকুল, সাইফুল, আনিসার, কোব্বাদ ও সোহেলসহ কয়েকজনের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে। মারধরে রওশন, চায়না ও জ্যোৎস্না নামে তিন নারী আহত হন। তাদের মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সোহেলের বাড়িতে হামলার সময় সাতটি গরু, চারটি ছাগল ও দুটি বাইসাইকেল লুটের অভিযোগ উঠেছে। সদর থানার ওসি (তদন্ত) নূর-এ-আলম সিদ্দিকী জানান, নিহতের বাবা সোলায়মান আলী একটি হত্যা মামলা করেছেন। হত্যায় জড়িত দক্ষিণ নন্দীপাড়া গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে চয়নকে গ্রেফতার করা হয়। শনিবার সন্ধ্যায় এ খবর পাঠানোর সময় দুগ্রামের জনগণের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। গ্রেফতার এড়াতে অনেক পুরুষ বাড়ি থেকে পালিয়ে গেছেন। রায়হানের লাশ মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
৫ জানুয়ারির নির্বাচন নিয়ে একই অবস্থানে যুক্তরাষ্ট্র

বিদায়ী সংবাদ সম্মেলনে মজিনা ছিলেন অনেকটা আবেগাপ্লুত। ঢাকা-ওয়াশিংটন সম্পর্কে এই মুহূর্তে বেশ টানাপোড়েন চলছে বলে কোনো কোনো মহলের মন্তব্য পুরোপুরি নাকচ করেন তিনি। মজিনা বলেন, ‘দুই দেশের সম্পর্ক এই মুহূর্তে অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে গভীর, বিস্তৃত ও জোরালো। কেননা দুই দেশের মধ্যে অংশীদারিত্ব প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছে। মার্টিন লুথার কিং বলেছেন, লক্ষ্য হল প্রাইস তার মানে হল অংশীদারিত্ব। আমার দৃষ্টিও সেই দিকেই।’
বাংলাদেশের ব্যাপারে বরাবরের মতোই উচ্চাশা ব্যক্ত করে মজিনা বলেন, ‘আমি যে বাংলাদেশকে চিনি তা মোটেও গরিব নয়, সমৃদ্ধ এক দেশ। এই দেশে আছে কয়লা ও প্রাকৃতিক গ্যাসের বিশাল মজুদ। এই দেশ আগামীতে এশিয়ার টাইগার হবে। এই টাইগারের চার পা হল পোশাক তথা বস্ত্রশিল্প, চামড়া শিল্প, ওষুধ শিল্প এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাত।’
বাংলাদেশে দায়িত্ব পালন শেষে আজ রোববার তিনি যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়ে যাচ্ছেন। বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনের পর তিনি মূলত দীর্ঘ কূটনীতিক ক্যারিয়ার থেকে অবসরে যাচ্ছেন। তবে অবসরের পর তিনি কিছু একটা করবেন। তবে সেটা যদি বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হয় তবে খুশি হবেন বেশি। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে আমার দায়িত্ব পালনকালে সবচেয়ে বড় অর্জন হল যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে অংশীদারিত্ব প্রতিষ্ঠায় প্রাতিষ্ঠানিকতা দিতে সমর্থ হওয়া। সবচেয়ে বড় হতাশার ব্যাপার হল মার্কিন পিসকোরকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনতে না পারা।’ উল্লেখ্য, মজিনা পিসকোরের একজন সাবেক স্বেচ্ছাসেবক। বাংলাদেশে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্সিয়া ব্ল–ম বার্নিকাট দায়িত্ব গ্রহণ করতে জানুয়ারির শেষদিকে ঢাকা আসছেন।
ড্যান মজিনা বলেন, বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনকালে তিনি প্রতি বছর চারবার যুক্তরাষ্ট্র সফরে গেছেন। প্রতিবারেই তিন সপ্তাহ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে কাটিয়েছেন। এই সময়টায় তার দেশের বিভিন্ন স্থানে গিয়ে বাংলাদেশের পক্ষে জোরালো ওকালতি করেছেন। বাংলাদেশ মানে যে শুধু রাজনৈতিক অস্থিরতা আর রানা প্লাজার দেশ নয়, সেটা জানানো তার দায়িত্ব বলে তিনি মনে করেছেন।
শেষবেলায় মজিনা বাংলাদেশের শুধু প্রশংসাই করেছেন তা নয়। বরং বাংলাদেশের সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরে বলেছেন, রাজনৈতিক অস্থিরতা, দুর্নীতি, সুশাসনের অভাব এসব সীমাবদ্ধতা এদেশের রয়েছে।
বাংলাদেশের ৬৪ জেলা সফর করা মজিনার দায়িত্ব পালনকালের উল্লেখযোগ্য দিক। তিনি বলেছেন, ‘৬৪ জেলা সফর করে আমি খুবই উপভোগ করেছি। বিশেষ করে মানুষে উষ্ণতা অতুলনীয়। এ সময়ে সরকার আমাকে পুলিশি নিরাপত্তাসহ সার্বিক সহযোগিতা দিয়েছে। আমি সার্কিট হাউসে থেকেছি যদিও নিজ খরচে তবুও সরকারের সহযোগিতা ছিল।’ মজিনা স্মৃতিচারণ করে বলেন, ‘আমি ও আমার স্ত্রী কোনো বিষয়েই একমত হই না। কিন্তু একটা বিষয়ে একমত হয়েছি যে, বাংলাদেশে সবচেয়ে সুন্দর পথ হল রাজশাহী থেকে দিনাজপুর যাওয়ার পথ, যার একদিকে হলুদ শর্ষেক্ষেত আর অন্য পাশে সবুজের বিশাল সমারোহ।’
বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে জাদু আছে উল্লেখ করে মজিনা বলেন, এই ম্যাজিক দেখিয়ে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সাফল্য এনেছে। ১৯৭১ সালে প্রতি নারী যেখানে গড়ে ছয় দশমিক তিনটি সন্তান জন্ম দিতেন; আগামী বছর প্রতি নারী গড়ে দুই দশমিক একটি সন্তান জন্ম দেবে।’ কোনো দেশে স্বেচ্ছায় জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ সত্যিই অভাবনীয়।
তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতির বাংলাদেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে গড়ে তোলা বিরাট সাফল্য। এখন বছরে ৫০ হাজার টন খাদ্য শ্রীলঙ্কায় রফতানি করবে বাংলাদেশ। এটা হল কৃষির এক বিপ্লব।’ শেষ সংবাদ সম্মেলন শুরুর আগে মজিনা গ্রামে কৃষকের সঙ্গে কথা বলছেন এমন একটি ভিডিও ফুটেজ দেখানো হয়।
তার আমলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অংশীদারিত্ব প্রতিষ্ঠার উল্লেখ করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ৩৭৮ ফুট দীর্ঘ জাহাজ দিয়েছে নৌবাহিনীকে যার নাম ‘সমুদ্র জয়’। যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও একটি বৃহৎ জাহাজ আসবে শিগগিরই। ফলে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সবচেয়ে বড় দুই জাহাজই হবে যুক্তরাষ্ট্রের। তার ভাষায়, এই অংশীদারিত্ব বাংলাদেশের জলসীমায় ডাকাতি কমিয়েছে ৭০ শতাংশ।
মজিনা আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশের বস্ত্র খাত কর্মপরিবেশ ও শ্রমমানের উন্নয়নে বর্তমানে যে পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে তাতে এই দেশ সফল হবে। বাংলাদেশের পোশাক হবে বিশ্বের সেরা ব্র্যান্ড। তার মতে, এই মুহূর্তে বাংলাদেশের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হল পোশাক খাতের পরিবর্তন সফলভাবে সম্পন্ন করা। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে তার দায়িত্ব পালনকালে হিলারি ক্লিনটনের বাংলাদেশ সফর ও অংশীদারিত্ব চুক্তি সই করা এবং এই চুক্তির পরিপ্রেক্ষিতে অংশীদারি সংলাপ ও নিরাপত্তা সংলাপ হওয়া অর্জন হিসেবে দেখেন। পাশাপাশি, টিকফা চুক্তি সই করাকেও এক অর্জন হিসেবে অভিহিত করেন তিনি।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাজপথ দখলে নামবে বিএনপি
বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার জন্য দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আজকালের মধ্যে সিনিয়র কয়েকজন নেতার সঙ্গে বসবেন। সেখানেই এ কর্মসূচি চূড়ান্ত হবে। ৫ জানুয়ারিকে ‘কালো দিবস’ আখ্যা দিয়েছে বিএনপি। এদিন অনুষ্ঠেয় সমাবেশে কালো পতাকা হাতে ব্যাপক শোডাউনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মাঝে ৫ জানুয়ারির নির্বাচনকে নেতিবাচকভাবে তুলে ধরতে চায় দলটির নেতারা। বিএনপির নীতিনির্ধারণী সূত্রে জানা গেছে এসব তথ্য।
জানা গেছে, ৫ জানুয়ারির আগেই রাজপথে নামা যায় কিনা সে বিষয়ে আলোচনা চলছে বিএনপিতে। ২৯ বা ৩০ ডিসেম্বর ‘গণতন্ত্র রক্ষার শোভাযাত্রা’ বা ‘মার্চ ফর ডেমোক্রেচি’র মতো কর্মসূচির চিন্তাভাবনা রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এ ধরনের কর্মসূচি দেয়া যায় কিনা তা নিয়ে কয়েকজন সিনিয়র নেতা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করছেন। খালেদা জিয়া সম্মতি দিলে ২৭ ডিসেম্বর গাজীপুরের জনসভা থেকে এ ধরনের কর্মসূচি ঘোষণা করার সম্ভাবনা রয়েছে।
জানতে চাইলে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান যুগান্তরকে বলেন, ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের মাধ্যমে এদেশের গণতন্ত্রকে হত্যা করা হয়েছে। ওইদিনটি দেশের ইতিহাসে একটি কালো দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। যে গণতন্ত্রের জন্য আমরা মুক্তিযুদ্ধ করেছি ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সে গণতন্ত্রকে অকার্যকর করা হয়েছে। জনগণের রায়ে নয়, তাদের মতামতকে অগ্রাহ্য করে আওয়ামী লীগ ক্ষমতা দখল করে বসে আছে।
তিনি বলেন, এ দিনে অবশ্যই দলের পক্ষ থেকে কর্মসূচি দেয়া হবে। সে কর্মসূচিতে সাধারণ মানুষের ব্যাপক সমর্থন থাকবে বলে আশা করি।
সূত্র জানায়, ৫ জানুয়ারির কর্মসূচির ব্যাপারে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিতে শনিবার নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মহানগর নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৈঠকে মহানগর আহ্বায়ক মির্জা আব্বাস, সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, বরকতউল্লা বুলু, যুগ্ম-আহ্বায়ক আবদুল আউয়াল মিন্টু ও সদস্য সচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, উপস্থিত নেতাদের মতের ভিত্তিতে ৫ জানুয়ারি ঢাকায় বড় ধরনের সমাবেশ করার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়। রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যান বা নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এ সমাবেশ করার স্থান ঠিক করা হয়। সমাবেশের অনুমতি চেয়ে সরকারের কাছে আবেদন করা হবে। সরকার ওইদিনের সমাবেশের অনুমতি না দিলে পরের দিন ৬ জানুয়ারি থেকে টানা হরতাল দেয়ার পক্ষে সবাই মত দেন। সেক্ষেত্রে টানা তিন দিনের হরতাল দেয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়। সূত্র জানায়, প্রাথমিকভাবে নেয়া এসব কর্মসূচি নিয়ে আজ-কালের মধ্যে দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে বৈঠক করবেন নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের কয়েক নেতা। সেখানেই কর্মসূচি চূড়ান্ত করা হবে।
সূত্র জানায়, সরকার শেষ পর্যন্ত ৫ জানুয়ারির সমাবেশ করতে অনুমতি দিলে সেখানে ব্যাপক শোডাউন করা হবে। ওই সমাবেশ থেকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানে দ্রুত নির্দলীয় সরকারের দাবি মেনে নিতে সরকারকে শেষ আলটিমেটাম দিতে পারেন খালেদা জিয়া। আলটিমেটামের মধ্যে দাবি মেনে না নিলে পরবর্তীকালে টানা কর্মসূচি দেয়ার চিন্তাভাবনা রয়েছে তাদের।
এদিকে ৫ জানুয়ারি সরকারের প্রতি অনাস্থা জানানোর প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে দলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের এমন নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে। ওইদিনের কর্মসূচি সফল করতে গত সপ্তাহে মহানগর যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন খালেদা জিয়া। তাদের সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, যে কোনো সময় আন্দোলনের ডাক আসতে পারে। তাই সবাইকে প্রস্তুত থাকতে হবে। এর আগে দলের স্থায়ী কমিটি, ভাইস চেয়ারম্যান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা, যুগ্ম-মহাসচিব, সাংগঠনিক সম্পাদক ও ২০ দলীয় জোটের শীর্ষনেতা, দল সমর্থিত চিকিৎসক সংগঠন, প্রকৌশলী, শিক্ষাবিদ ও পেশাজীবী নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন খালেদা জিয়া। সবশেষ ১৮ ডিসেম্বর নব্বইয়ের ছাত্রনেতাদের সক্রিয় করার লক্ষ্যে ছাত্র কনভেনশনে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন খালেদা জিয়া। আগামীকাল রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউটে মুক্তিযোদ্ধা দলের সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন তিনি।
এদিকে খালেদা জিয়ার নির্দেশের পর মহানগর বিএনপির পাশাপাশি অন্য অঙ্গসংগঠনগুলো ৫ জানুয়ারি নিয়ে পৃথক প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে প্রস্তুতি নেয়ার ক্ষেত্রে তারা কিছুটা কৌশলের আশ্রয় নিচ্ছে। প্রকাশ্যে কর্মসূচির ব্যাপারে গণমাধ্যম বা মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের কিছুই জানানো হচ্ছে না। আগেই কর্মসূচি সম্পর্কে সরকার অবহিত হয়ে গেলে তাতে বাধাসহ নেতাকর্মীদের গণহারে গেফতার করতে পারে। তাই অনেকটা গোপনে নেয়া হচ্ছে প্রস্তুতি।
জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল যুগান্তরকে বলেন, ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে একটি অবৈধ স্বৈরাচার সরকারের উত্থান হয়েছে। ওইদিন দলের চেয়ারপারসনের ডাকে সাড়া দিয়ে দেশের মানুষ ভোটকেন্দ্র যায়নি। ওই নির্বাচন ছিল ইতিহাসের এক কলংকজনক নির্বাচন। ৫ জানুয়ারি ২০ দলের পক্ষ থেকে যে কর্মসূচি দেয়া হবে তাতে সাধারণ মানুষ শুধু সমর্থন দেবে না তারা রাজপথে নেমে এ সরকারের প্রতি অনাস্থা জানাবে বলে আশা করেন তিনি।
মহানগরের এ নেতা বলেন, ২০ দলীয় জোট নেত্রী যে কর্মসূচি ঘোষণা করবেন তা পালনে মহানগরসহ দলের সব অঙ্গসংগঠন প্রস্তুত রয়েছে। এবার গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে এ সরকারের পতন নিশ্চিত করে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দেশে আবারও গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনা হবে।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
২০২১ সালের মধ্যেই ভারতকে মুসলিম খ্রিস্টান মুক্ত করা হবে
বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে রাজেশ্বর সিং বলেন, ইন্ডিয়া ইন্ডিপেনডেন্টস অ্যাক্ট পড়–ন, তাতে লেখা আছে, ভারত হিন্দুদের এবং পাকিস্তান মুসলিমদের। তারা আরও বলেন, ভারত মুসলমানদের জন্য নয়, পাকিস্তান আছে, বাংলাদেশ আছে, আপনারা সেখানে গিয়ে থাকুন। খ্রিস্টানদের নিয়ে তার মতামত হল, এখানে তাদের শাসন নেই। যখন তাদের শাসন ছিল, তখন তারা থাকতে পারতেন। যদি ভারতীয় খ্রিস্টান হয়, তাহলে তাদের হিন্দু হয়ে থাকতে হবে। বিদেশী হলে, তাদের ফিরে যেতে হবে। এটা আমাদের সত্য অনমনীয় নীতি। ডেইলি মেইল।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুক্তরাষ্ট্র-কিউবা নতুন সম্পর্কের দশ জিজ্ঞাসা
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বলেছেন, কিউবাকে বিচ্ছিন্ন রাখার নীতি সেকেলে ও অকার্যকর হয়ে পড়েছে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ অর্জন বা দেশটির অভ্যন্তরীণ মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক উন্নয়ন ঘটেনি। ওবামা প্রশাসন মনে করে বিচ্ছিন্ন নয়, সম্পর্কযুক্ত থাকলেই মার্কিন লক্ষ্য পূরণে তা অধিক ফলপ্রসূ হবে। তাছাড়া ল্যাটিন আমেরিকায় মার্কিন প্রভাব বজায় রাখতে কিউবাকে বাইরে রাখা যাবে না। এটা যুক্তরাষ্ট্র-কিউবা সম্পর্ক নয়, যুক্তরাষ্ট্র-বিশ্ব সম্পর্ক।
২. অবরোধ কি শেষ?
না, কিউবার ওপর থেকে মার্কিন অবরোধ সম্পূর্ণ উঠবে না। ওবামা তার নিজের আমলে অন্তত তা পারছেন না। কারণ এর জন্য কংগ্রেসের অনুমোদন দরকার। ওবামা চাইলেও কংগ্রেস শিগগিরই তা করছে না।
৩. কূটনৈতিক সম্পর্ক কেমন হবে?
হাভানায় মার্কিন দূতাবাস খোলার অর্থ ১৯৬১ সালে বন্ধ হয়ে যাওয়া কূটনৈতিক সম্পর্ক আবার চালু হওয়া। এতদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন উপায়ে কিউবা সরকারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করত। এখন অফিসিয়ালি রাষ্ট্রদূতের মাধ্যমে করা হবে। দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের সরকারি সফর পুনরায় শুরু হবে।
৪. কিউবার নান্দনিক সৈকতগুলোতে আমেরিকানরা ঘুরতে পারবে?
আপাতত তা পারছেন না। আমেরিকানদের কিউবা ভ্রমণ নিষিদ্ধ ছিল। ২০০৯ ও ২০১১ সালে ওবামা প্রশাসন পরিবার, সাংবাদিকতা, ধর্ম ও শিক্ষার কাজে কিছু লোককে হাভানা ভ্রমণের অনুমোদন দেয়। নতুন সম্পর্কে মানুষের তালিকাটা প্রশস্ত হবে। কিন্তু পর্যটনের জন্য কংগ্রেসের অনুমোদন লাগবে।
৫. মার্কিন কালো তালিকায় কিউবার নামের কী হবে?
এটা বিবেচনাধীন রয়েছে। ওবামা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন, রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস চালানো কালো তালিকা থেকে কিউবার নাম বাদ দেয়ার বিষয়ে পুনর্বিবেচনা করতে এবং ছয়মাসের মধ্যে রিপোর্ট দিতে। ১৯৮২ সালে কিউবাকে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়।
৬. ফেসবুক চালাতে পারবে?
কিউবায় ফেসবুক নিষিদ্ধ। সবার জন্য ইন্টারনেট ব্যবহারের অনুমোদন নেই। নতুন সম্পর্কের ফলে দেশটির টেলিকমিউনিকেশন খাতে মার্কিন বিনিয়োগ বাড়বে ও হার্ডওয়্যার-সফটওয়্যার রফতানি হবে। কিউবানদের ইন্টারনেট ব্যবহারের আওতায় আনতে যুক্তরাষ্ট্র চেষ্টা চালাবে।
৭. বাণিজ্য খাত কতটা উন্মুক্ত হবে?
হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, কিউবার টেলিকমিউনিকেশন খাতের পাশাপাশি অবকাঠামোগত উন্নয়ন, পণ্য ও কৃষিদ্রব্যে সহযোগিতা করা হবে। কিউবার প্রাইভেট সেক্টরে ব্যাপক উন্নয়ন আনতে আশাবাদী যুক্তরাষ্ট্র।
৮. মানবাধিকার কতটা উন্নত হবে?
হোয়াইট হাউস বলছে, কিউবার মানবাধিকার পরিস্থিতি শিগগিরই উন্নতির পথে আসবে না। রাতারাতি স্বাধীন পরিবেশ ফিরিয়ে আনার ইচ্ছাও ওবামা রাখেন না। তবে চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার আগে কিউবার প্রেসিডেন্ট রাউল ক্যাস্ত্রোর সঙ্গে কথা বলে মানবাধিকার ও গণতন্ত্র নিয়ে ওবামা উদ্বেগ জানিয়েছেন। ওয়াশিংটন মনে করছে সুসম্পর্ক রাখাটাই এখনকার কাজ।
৯. ফিদেল ক্যাস্ত্রো কতটা প্রাসঙ্গিক?
হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, কিউবার সাবেক নেতা ফিদেল ক্যাস্ত্রো এই আলোচনায় অন্তর্ভুক্ত নন। তার ভাই ও বর্তমান প্রেসিডেন্ট রাউল ক্যাস্ত্রোই নীতিনির্ধারক। রাউলই এই চুক্তির কর্তৃপক্ষ।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফিদেল ক্যাস্ত্রো কোথায়?

ফিদেল ক্যাস্ত্রো সর্বশেষ জনসম্মুখে এসেছেন চলতি বছরের ৮ জানুয়ারি একটি আর্ট গ্যালারি পরিদর্শনে। সর্বশেষ গত অক্টোবরে নিউইয়র্ক টাইমস সম্পাদকীয়র জবাবে ফিদেল ক্যাস্ত্রোর নামে কিউবার রাষ্ট্রীয় পত্রিকায় একটি কলাম ছাপা হয়। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, অসুস্থতার কারণেই তিনি এ ব্যাপারে কিছুই বলতে পারছেন না। অথবা ভাইয়ের সিদ্ধান্তে তার অমত নেই।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কার লাভ কার ক্ষতি স্বপ্ন সংশয়ে কিউবা
আমি এখনও স্তব্ধ! খবরটা নিয়ে এখনও চিন্তা করছি বললেন রোনালদো রদ্রিগেজ (৪৪)। রাজধানীর ভেদাদো জেলায় গাড়ি পরিষ্কারের কাজ করেন তিনি। রোনালদো বলেন, সত্যিই আমি এই ধাঁধার রহস্য এখনও উদ্ধার করতে পারিনি। প্রেসিডেন্ট রাউল ক্যাস্ত্রো এই ঐতিহাসিক খবরটা বুধবার খুব সংক্ষেপে জানিয়েছেন। আমাদের পত্রিকায় এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু আসেনি। স্নায়ুযুদ্ধকাল হতে শত্রুতার জালে জড়িয়ে থাকা যুক্তরাষ্ট্র-কিউবার সম্পর্কের শীতলতা নাটকীয়ভাবে উষ্ণতায় ফিরেছে যখন মার্কিন এজেন্ট অ্যালন গ্রসকে মুক্তি দিয়েছে হাভানা। অন্যদিকে কিউবার তিন গুপ্তচরকে মুক্তি দিয়েছে ওয়াশিংটন। একইসঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কালো তালিকা থেকে কিউবার নাম বাদ দেয়ার ব্যাপারে বিবেচনার নির্দেশ দিয়েছেন। সবচেয়ে বড় খবর হচ্ছে পাঁচ দশকের বেশি সময় (৫৩ বছর) পর হাভানায় আবার দূতাবাস খোলার ঘোষণা দিয়েছেন ওবামা।
এবার নোবেল পাওয়ার যোগ্য হলেন ওবামা
টেলিভশনের সামনে আনন্দাশ্র“ ফেলে উল্লাস করছেন ৬২ বছল বয়সী ম্যানুয়েল রামোস। ৫৪ বছর আগে ফিদেল ক্যাস্ত্রোর বিপ্লবের সময় তার বাবা-মা কিউবা ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন। এখন তিনি চাইলে যুক্তরাষ্ট্রে যেতে পারবেন বা যুক্তরাষ্ট্র থেকে স্বজনরা আসতে পারবেন। এই অঞ্চলে এতদিনে শান্তি আসবে। ট্যাক্সি ড্রাইভার ইয়োরদানিস হেরেরা বলেন, এবার আমাদের অনেক উন্নতি হবে। আমেরিকা থেকে টাকা আসবে। ইলেকট্রিশিয়ান আরমানদো রদ্রিগেজ (৪৯) আশা করেন এখন দেশে আমেরিকার বিনিয়োগ হবে, পর্যটকরা আসবে। এতে অনেক লাভ হবে। তিনি বলেন, এবার ওবামা নোবেল পাওয়ার যোগ্য হয়েছেন। ২০০৯ সালে যখন ওবামা শান্তিতে নোবেল পেয়েছিলেন, তখন তার এই সম্মান পাওয়ার যোগ্যতা নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন।
নতুন বিপ্লবের জন্য কিউবা কতটা প্রস্তুত?
কিউবার ১ কোটি ১০ লাখ মানুষ স্বপ্ন দেখছে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নে দেশটি ব্যাপক উন্নতির পথে যাবে। কঠোর কমিউনিস্ট শাসনের আষ্টেপৃষ্টে আর ওয়াশিংটনের অর্থনৈতিক অবরোধে মৃতের মতো দেশটি নতুন করে চাঙা হয়ে উঠবে। কিন্তু নতুন এই বিপ্লবের জন্য কতটা প্রস্তুত কিউবা? বিশ্লেষকরা বলছেন, অর্থনৈতিকভাবে উন্নয়নের পথে উঠলেও রাজনৈতিক স্বাধীনতা কিছুই পাবে না কিউবানরা। ২০০৮ সালে ফিদেল ক্যাস্ত্রোর কাছ থেকে যখন তার ভাই রাউল ক্যাস্ত্রো দেশের ক্ষমতা নিলেন, তখন থেকে বেশ কিছু অর্থনৈতিক সংস্কার এসেছে। পাঁচ লাখ শ্রমিক রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণের বাইরে গিয়ে ব্যক্তিগত উদ্যোক্তা হওয়ার সুযোগ পেলেন। প্রথমবারের মতো নিজের বাড়ি ও গাড়ি কেনার অধিকার পেলেন কিউবানরা। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন সম্পর্কের ফলে দেশটিতে আমেরিকান বিনিয়োগ ঘটবে। দেশটির টেলিকমিউনিকেশন খাতে বড় পরিবর্তন আসবে বলে মনে করা হচ্ছে। বর্তমানে দেশটির মাত্র ৫ শতাংশ জনগণ ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারে। মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহার নিষিদ্ধ। গত বছর শুধু ই-মেইল ব্যবহারের সুযোগ দেয়া হয়েছে। তাই মানবাধিকার, রাজনৈতিক নিপীড়ন ও সামগ্রিক জীবনমানের উন্নয়নে কতটা অগ্রগতি হবে তা অনেকটাই অনিশ্চিত। তবে ফিদেল ক্যাস্ত্রো যে বিপ্লব শুরু করেছিলেন তার ভাই রাউল ক্যাস্ত্রোর হাতে তা নতুনভাবে আবর্তিত হয়ে উন্নতি ও প্রগতির পথে যাবে এমনটাই মনে করছেন দেশটির নতুন প্রজন্ম।
হাভানার পর্যটন, ওয়াশিংটনের টেলিকম
৫৩ বছর ধরে নিষেধাজ্ঞা থাকার পর সম্প্রতি কিউবা এবং আমেরিকার মধ্যকার বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে নেয়া হয়েছে। কিন্তু এ নিষেধাজ্ঞা উঠানোয় কিউবা কিংবা আমেরিকার অর্থনীতিতে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে কোন দেশ প্রকৃতপক্ষে বেশি লাভবান হবে তা নিয়ে রয়েছে আলোচনা ও বিতর্ক। উভয় দেশের অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এখনও কিউবার বেশির ভাগ ব্যবসা, শিল্প, অর্থনীতি রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণাধীন। তারপরও ভাগ্য সুপ্রসন্ন হলে (যদিও অর্থনীতির সূচকে এই ভাগ্য সুপ্রসন্ন বলে কিছু নেই) ছোট ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আমদানি বাণিজ্যের ক্ষেত্রে হয়তো লাভবান হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আমেরিকাস সোসাইটি এবং কাউন্সিল অব দ্য আমেরিকাসের পলিসি ডাইরেক্টর ক্রিস্টোফার সাবাতিনি বলেন, আমরা কিউবায় খুব বড় ধরনের কার্যকারিতা কিংবা অর্থনৈতিক পরিবর্তন আশা করি না। সাবাতিনি আরও বলেন, কিউবা কোনোভাবেই বিনিয়োগের জন্য কোনো স্বর্গ নয়। কেননা আগামী বছর নাগাদ কিউবার অর্থনীতি ৩% বৃদ্ধি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে এখন থেকে কিউবান আমেরিকান ৫০০ ডলারের পরিবর্তে ২০০০ ডলার পর্যন্ত ব্যক্তিগতভাবে নিজ দেশে পাঠাতে পারবেন। ফলে জনগণের স্পেন্ডিং পাওয়ারের ক্ষেত্রে অবশ্যই পরিবর্তন হবে। তবে, কিউবার পর্যটন শিল্পে ব্যাপক উন্নতি হবে। কেননা এই নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার ফলে কিউবার ট্র্যাভেলস ব্যবসায়ীদের ব্যবসা বৃদ্ধি পাবে। এতে উভয় দেশের ট্যুরিস্ট লাভবান হবে। এদিকে নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার ফলে একজন আমেরিকান কিউবা থেকে ৪০০ ডলার পর্যন্ত জিনিস কিউবা থেকে নিয়ে যেতে পারবেন যার মধ্যে অবশ্য ১০০ ডলারের অ্যালকোহল সামগ্রী থাকবে। অবশ্য এই ১০০ ডলারের ভেতরে কিউবার বিখ্যাত রম এবং সিগারও থাকছে।
এই নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার ফলে আমেরিকার টেলিকমস ইন্ডাস্ট্রি সবচেয়ে বেশি লাভবান হবে। কেননা বারাক ওবামার প্রশাসন জানে কিউবাতে এখনও টেকনোলজির ক্ষেত্রে তেমন অগ্রগতি সাধিত হয়নি। আমেরিকা সেই সুযোগে কিউবাতে টেকনোলজি ইন্ডাস্ট্রি থেকে বিপুল পরিমাণে রেভিনিউ উঠিয়ে নেবে, পাশাপাশি কিউবা এর ফলে টেকনোলজির ক্ষেত্রে আধুনিকায়ন ও এই সেক্টর উন্নয়নের সুযোগ পেয়ে যাবে। এএফপি, নিউইয়র্ক টাইম, ওয়াশিংটন পোস্ট, টেলিগ্রাফ
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘৫ই জানুয়ারির নির্বাচন নিয়ে স্টেট ডিপার্টমেন্টের অবস্থানের হেরফের হয়নি’ -ড্যান ডব্লিউ মজিনা

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শাহজালালে অস্ত্রধারী ছাত্রলীগ কর্মী গ্রেপ্তার

উপপরিদর্শক আরও জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মোশাররফ ওই দিনের ঘটনার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। পরে বিকেলে তাঁকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর হিমাদ্রী শেখর রায়ের আহত হওয়ার মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য মামলায়ও তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হবে। গত ২০ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় সুমন চন্দ্র দাস নামের ছাত্রলীগের এক কর্মী নিহত হন। ওই দিনই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এক জরুরি সিন্ডিকেট সভা ডেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করে। সংঘর্ষের ঘটনায় সিলেট মহানগর পুলিশের জালালাবাদ থানায় একটি হত্যা মামলাসহ চারটি মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় এ পর্যন্ত ৩৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যৌন প্রতারণার ফাঁদে হাজারো পুরুষ

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাঁচ বছর পর পিলখানায় প্রধানমন্ত্রী

এর আগে সকাল নয়টার দিকে প্রধানমন্ত্রী বীর উত্তম আনোয়ার হোসেন প্যারেড গ্রাউন্ডে পৌঁছালে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান ও বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ তাঁকে স্বাগত জানান। পরে বিজিবি সদস্যরা প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার দেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী বিজিবি সদস্যদের কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করেন।
কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে বীরত্বপূর্ণ ও কৃতিত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি হিসেবে বিজিবি সদস্যদের মধ্যে ১০ জনকে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ পদক, ২০ জনকে রাষ্ট্রপতি বর্ডার গার্ড পদক, ১০ জনকে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ সেবা পদক, ২০ জনকে রাষ্ট্রপতি বর্ডার গার্ড সেবা পদক প্রদান করা হয়। প্রধানমন্ত্রী পদকপ্রাপ্তদের পদক পরিয়ে দেন।
কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানের প্যারেড গ্রাউন্ডে বিজিবি সদস্যদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আপনারা দেশপ্রেম ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন, বাহিনীর সুনাম ও মর্যাদা সমুন্নত রাখবেন।’ তিনি বলেন, ‘বিজিবির সদস্যদের ওপর দেশের সীমান্ত রক্ষায় মহান দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে। সীমান্তে দায়িত্বপালনের ক্ষেত্রে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আপনারা অনেক বেশি সাফল্য দেখাতে সক্ষম হয়েছেন। চোরাচালান, মাদক পাচার, নারী-শিশু পাচার এবং সীমান্ত অপরাধ অনেকাংশে হ্রাস পেয়েছে। প্রত্যাশা থাকবে আগামীতে এ সাফল্য আরও বৃদ্ধি পাবে।’
৫ জানুয়ারির নির্বাচনের সময় বিজিবির ভূমিকার প্রশংসা করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচালে সন্ত্রাসীদের নৈরাজ্য সৃষ্টির অপতৎপরতা আপনারা কঠোরভাবে প্রতিহত করেছেন।’ এ সময় নির্বাচনকালীন সংহিসতায় নিহত বিজিবি সদস্যদের কথা স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী।
২০০৯ সালের ২৫-২৬ জানুয়ারি পিলখানায় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডকে এ বাহিনীর ইতিহাসে কালো অধ্যায় হিসেবে আখ্যা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সে সময় কতিপয় বিপথগামী ও উচ্ছৃঙ্খল বিডিআর সদস্য তথাকথিত বিদ্রোহের নামে বিশৃঙ্খলা ও নৃশংস হত্যাকাণ্ড চালিয়েছিল। আমরা ৫৭ জন অফিসারসহ ৭৪টি মূল্যবান প্রাণ হারিয়েছি।’ এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আপনাদের সহযোগিতায় ওই অবস্থা কাটিয়ে উঠেছি, বিচার সম্পন্ন করেছি। চক্রান্তকারীদের সব অপতৎপরতা আমরা ধৈর্য ও সর্তকতার সঙ্গে মোকাবিলা করেছি, যা আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হয়েছে।’
বিজিবি পুনর্গঠনে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পিলখানার মর্মান্তিক ঘটনার পর আমরা এ বাহিনীর শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে এবং একটি আধুনিক ও যুগোপযোগী সীমান্তরক্ষী বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ আইন-২০১০ পাস করেছি। এ জন্য ব্যাপক সংস্কার ও উন্নয়নমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি।’ তিনি বলেন, বিজিবির নতুন সাংগঠনিক কাঠামো অনুযায়ী চারটি রিজিয়ন সদর দপ্তর স্থাপন করে কমান্ড বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে এ বাহিনীকে গতিশীল ও বেগবান করা হয়েছে। বিজিবির গোয়েন্দা সংস্থাকে শক্তিশালী করতে বর্ডার গার্ড সিকিউরিটি ব্যুরো স্থাপন করা হয়েছে। চারটি নতুন সেক্টর স্থাপন করা হয়েছে। অনুমোদিত নতুন ১৫টি ব্যাটালিয়নের মধ্যে ১০টি স্থাপন করা হয়েছে।
এই পিলখানায় ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি রক্তাক্ত বিদ্রোহে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হন। পিলখানা থেকে বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়েছিল দেশের নানা প্রান্তের বিভিন্ন ইউনিটেও, যার অবসান ঘটে ২৭ ফেব্রুয়ারি।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পার্বত্য অঞ্চলে ড. মিজানুর রহমানকে অবাঞ্চিত ঘোষনা

সমাবেশে বক্তারা বলেন, গত ১৮ই ডিসেম্বর ঢাকায় জাতিসংঘ ইউনিভার্সাল পিরিউডিক রিভিউর (ইউপিআর) আদিবাসি শীর্ষক সেমিনারে মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে বাঙালিদেরকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হোক। তাঁর বক্তব্যের প্রতিবাদে ছাত্রপরিষদের নেতারা বলেন, ড. মিজানুর রহমান জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান। অথচ তার কার্যকলাপ কথাবার্তা অমানবিক, অসাংবিধানিক এবং সাম্প্রদায়িক উস্কানিমূলক। কারণ বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে একজন নাগরিক দেশের যে কোন জায়গায় বসবাস করার অধিকার রাখে।
সমাবেশে বক্তারা আরো বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে উপজাতীয় সন্ত্রাসীরা যে অর্ধলক্ষ নিরিহ বাঙালি হত্যা করেছে, অগনিত বাঙালি গ্রাম জ্বালিয়ে দিয়েছে, বাঙালি নারীকে ধর্ষণ করেছে, নিয়মিত গুম,খুন ও অপহরনের মত সন্ত্রাসী কর্মকান্ড এখনো চালিয়ে যাচ্ছে, তিনি কি এগুলো দেখেননা। একটি জাতীয় কমিশনের প্রধান হয়ে কোন বিবেকের তাড়নায় লক্ষ বাঙালিকে বাপ-দাদার ভিটে মাটি ছাড়া করার পরামর্শ দেয়। ড.মিজানুর রহমান বিদেশী দালাল গোষ্ঠি এবং সন্তু লারমাদের এজেন্ডা বাস্তবায়নে প্রতিনিয়ত বাঙালিদের বিরুদ্ধে কাজ করে যাচ্ছে। এসব ষড়যন্ত্রমুলুক কাজ করার জন্য পার্বত্য অঞ্চল থেকে ড. মিজানুর রহমান, খুশি কবির, সুলতানা কামাল, সালমা জাহান, সাদেকা হালিম ও সঞ্জিব গংদেরকে অবাঞ্চিত ঘোষনা করেন।
দালালরা যদি সেনাবাহিনী এবং বাঙালিদের নিয়ে ষড়যন্ত্র করা অব্যহত রাখে তাহলে বাঙালি ছাত্র পরিষদ পার্বত্য অঞ্চলের সকল বাঙালিদের সাথে নিয়ে ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলার হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন ছাত্রপরিষদ নেতারা।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নদীর জায়গায় তৈরি করা হচ্ছে পুকুর

গত বৃহস্পতিবার সরেজমিনে দেখা যায়, মিল্কীপুর গ্রামের দক্ষিণ পাশে গোলশামারী দহ নামক স্থানে করতোয়া নদীর প্রায় তিন একর জায়গা দখল করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এ জন্য ভ্যানে করে বিভিন্ন জায়গা থেকে মাটি এনে এখানে ফেলা হচ্ছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে মিল্কীপুর গ্রামের এক ব্যক্তি বলেন, শিহাবুল এলাকায় প্রভাবশালী। চোখের সামনে নদী দখল হলেও তাঁর ভয়ে কোনো প্রতিবাদ করা যাচ্ছে না।
জানতে চাইলে শিহাবুল ইসলাম বলেন, ‘আমার নিজের জমি নদীর মধ্যে গিয়েছিল, তা বের করে নিয়ে পুকুর করছি। তবে দু-চার শতক নদীর জমিও থাকতে পারে। এটা আর তেমন দোষের কী।’
শিবগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান ওয়ারেছ আলী বলেন, ঘটনা এ রকম হলে তা বড় ধরনের অন্যায় এবং দ্রুত এর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এ সম্পর্কে স্থানীয় প্রশাসনের নজরদারি জরুরি বলে মন্তব্য করেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আবুল বাশার।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রবিউল ইসলাম জানান, নদীতে বাঁধ দিয়ে পুকুর বানানোর বিষয়টি তিনি জানেন না। এটাকে অবৈধ উল্লেখ করে তিনি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আধুনিক সান্তার রহস্য উপহার

সান্তার বাহনটি টেনে নিয়ে যায় বলগা হরিণ। সারা বিশ্বের শিশুদের তালিকা আছে তার কাছে। তালিকা ধরে ধরে তিনি প্রতিটি শিশুর ঘরে ঘরে উপহার বিতরণ করে আসেন। তাই শিশুরা সান্তা কজ বলতেই পাগল।
শিশুদের সাথে সাথে বড়রাও সান্তা কজ নিয়ে মাতামাতি করেন। এবার কয়েকদিন পরই শুরু হচ্ছে বড়দিন উৎসব। এর আগেই অর্থাৎ গত শনিবার যুক্তরাষ্ট্রে ঘটে গেলো আশ্চর্য্য এক কাণ্ড।
হ্যাঁ, সাদা চুল আর সাদা দাড়িওয়ালা এক লোক এসে প্রবেশ করলেন ম্যারিলউস কফি শপে। তবে মাথায় সান্তার মতো লম্বা টুপি নয়, ছিলো রাখাল টুপি। কফি শপে প্রবেশ করেই কোনো কথা নেই, পকেট থেকে ১৫টি চকচকে খাম বের করলেন। কাউন্টারের পেছনে থাকা কর্মীদের প্রত্যেকের হাতে একটি করে ধরিয়ে দিলেন। এরপর ভেলকিবাজির মতো উধাও হয়ে গেলেন সেই রহস্যমানব।
পরে কর্মীরা খামগুলো খুলে দেখেন প্রতিটিতে ১০০ ডলার করে রাখা। কড়কড়ে এ নোটগুলো দেখে কর্মীরা হতবাক। কে এই রহস্য মানব, কি কারণেই বা তাদেরকে উপহার দিলেন?
কফি শপের ম্যানেজার ভিকটোরিয়া গ্র্যান্ডি ক্যাপ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, বেনামি খামগুলোর ওপর লাল রঙের ছাপ দিয়ে লেখা ‘মেরি ক্রিস্টমাস’। আমার কোনো কর্মীরা তাকে চিনতে পারেনি। তবে এক কর্মী জানিয়েছে, তাকে সান্তা কজের মতো দেখাচ্ছিলো।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন শপের কর্মী অ্যালেক্স ডুউকেটি। তিনি বলেন, তার মাথায় ছিলো তামাটে রঙের রাখাল টুপি। আর ছিলো সান্তার মতোই সাদা চুল ও দাড়ি।
এর দুই দিন পর। অর্থাৎ সোমবারের ঘটনা। একই এলাকায় অন্য একটি কফিশপে আবারো হাজির হলেন সেই রহস্য সান্তা কজ। ডানকিন নামের এ কফি শপেও আট কর্মীর মধ্যে বিতরণ করে গেলেন একই রঙের খাম। কর্মীরা জানান, তারাও লোকটির মাথাভর্তি ছিলো সাদা চুল এবং মুখে সাদা দাড়ি দেখেছেন। তবে এবার রাখাল টুপি নয়, গোল একটি টুপি পরে এসেছিলেন রহস্যসান্তা।
সূত্র: গালফ নিউজ
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
৭ সন্তানসহ ৮শিশু খুন : ঘাতক মা আটক

অস্ট্রেলিয়ার পুলিস সূত্রে খবর, নিজের বাড়ি থেকে শুক্রবার আট শিশুকে খুন করার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় ওই নারীকে। তার গ্রেফতারির সময় ঘরের মধ্যে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল আটটি শিশুর মৃতদেহ। বয়স ১৮ মাস থেকে ১৫ বছরের মধ্যে। মৃত শিশুদের মধ্যে ৭ জনই সম্ভবত ওই নারীর সন্তান। আততায়ী নারীর বাড়ি থেকে বেশ কিছু ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের সন্দেহ, শিশুদের হত্যা করার জন্য ব্যবহার করা হয়েছিল ওই ছুরিগুলো। গ্রেফতারির সময় ওই নারীও ছুরিকাহত ছিল। অভিযুক্তার তুতোবোন লিসা থাইডে জানিয়েছেন নারীর ২০ বছরের আরেক ছেলে বাড়ি ফিরে আবিষ্কার করে মরে পরে রয়েছে তার ভাই-বোনরা।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাকিস্তানে ৮৫ জনের ফাঁসি চূড়ান্ত
এদিকে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল রাহেল শরিফ কট্টর ৬ সন্ত্রাসীর মৃত্যুদণ্ডে সই করেছেন। ১৬ ডিসেম্বর পেশোয়ারের আর্মি পাবলিক স্কুলে জঙ্গি হামলায় ১৪১ জন নিহত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে পাকিস্তানে প্রাণদণ্ড স্থগিত রাখার বিষয়টি তুলে নেন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ। তারপরই সই করা হল এ দণ্ডাদেশ। পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ বিভাগের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সামরিক আদালত এ ৬ ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করেছে। অবশ্য বিবৃতিতে তাদের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। কিন্তু পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট পারভেজ মোশাররফ এবং সেনা সদর দফতরের হামলার সঙ্গে জড়িত ছিল এ ৬ ব্যক্তি। রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে শুক্রবার রাত ৩টায় এ ৬ ব্যক্তির প্রাণদণ্ড কার্যকর করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এদের এরই মধ্যে কারাগারে নিয়ে আসা হয়েছে। সামরিক বাহিনীর একটি টিম কারাগারটিও পরির্দশন করেছে। এদিকে প্রেসিডেন্ট মামনুন হোসাইন বৃহস্পতিবার ১৭ জনের প্রাণভিক্ষার আবেদন নাকচ করে দিয়েছেন। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করায় ওই ১৭ ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছিল। এদের মধ্যে ১০ জন পাঞ্জাবের, ছয়জন সিন্ধু এবং একজন খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের বাসিন্দা। প্রাণভিক্ষার আবেদন প্রত্যাখ্যাত হওয়ায় শিগগিরই তাদের দণ্ড কার্যকর করা হবে। এছাড়া এরই মধ্যে প্রায় ৪০০ প্রাণভিক্ষার আবেদন খতিয়ে দেখতে শুরু করেছেন উপ-সচিব (আইন)। সোমবারের মধ্যে এ কাজ শেষ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ওদিকে খাইবার পাকতুনখোয়া প্রদেশের বিভিন্ন কারাগারে আটক প্রাণদণ্ডপ্রাপ্ত কয়েদিদের আত্মীয়রা তাদের সঙ্গে দেখা করতে শুরু করেছেন। প্রাণদণ্ডের কার্যকর করার ওপর থেকে বিধিনিষেধ তুলে নেয়ার পর তারা দেখা করতে শুরু করেন। এ প্রদেশের বিভিন্ন কারাগারে প্রাণদণ্ডপ্রাপ্ত প্রায় ৩০০ ব্যক্তি রয়েছে।
দীর্ঘদিন ব্যবহৃত না হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে এ প্রদেশের কারাগারগুলোর ফাঁসিকাষ্ঠ মেরামত শুরু হয়েছে। পেশোয়ারের কেন্দ্রীয় কারাগারের চিকিৎসক ও ম্যাজিস্ট্রেটদের একটি তালিকাও তৈরি করা হয়েছে। পাকিস্তানে বিমান, স্থল ও ড্রোন হামলায় উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় উপজাতি অধ্যুষিত এলাকায় দু’দিনে ৬৮ জঙ্গি নিহত হয়েছে। এর মধ্যে শুক্রবারই মারা গেছে ৪০ জঙ্গি।
পেশোয়ারের একটি স্কুলে ১৩২ শিশুসহ ১৪১ জনকে হত্যার পর জঙ্গিবিরোধী অভিযান জোরদার করেছে সামরিক বাহিনী। সামরিক বাহিনী জানায়, বৃহস্পতিবার এবং শুক্রবার খাইবার এজেন্সি অঞ্চলে বিমান ও স্থল হামলা চালানো হয়। এতে বৃহস্পতিবার স্থল অভিযানে ১০ জঙ্গি এবং বিমান হামলায় ১৭ জঙ্গি মারা যায়।
এরপর শুক্রবারের অতর্কিত অভিযানে মারা যায় আরও ৩২ জঙ্গি। তারা খাইবার থেকে আফগানিস্তান পালিয়ে যাচ্ছিল। অভিযানে তিন নিরাপত্তাকর্মীও আহত হয়েছেন। জঙ্গিরা তাদের সহযোগীদের লাশ ফেলে পালিয়ে গেছে। পাকিস্তানে যে দুটি অঞ্চলে সামরিক বাহিনী জঙ্গিবিরোধী অভিযান চালাচ্ছে তার একটি খাইবার এবং অন্যটি উত্তর ওয়াজিরিস্তান। এদিকে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সীমান্তের জিরোলাইনে ড্রোন হামলায় অন্তত ৮ জন তালেবান যোদ্ধা নিহত হয়েছে। শুক্রবার এ হামলা চালানো হয়। হামলাস্থলটি আফগানিস্তানের নানগরহার প্রদেশের নাঝিয়ান প্রদেশে অবস্থিত। এটি পাকিস্তানের তালেবান অধ্যুষিত খাইবার সীমান্তে। গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, নাঝিয়ান জেলার কোর্ট গ্রামে তালেবানদের একটি অবস্থান লক্ষ্য করে হামলাটি চালানো হয়। এদিকে পেশায়ারে সেনাবাহিনী পরিচালিত স্কুলে জঙ্গি হামলার ঘটনায় এক নারীসহ সন্দেহভাজন চারজনকে আটক করেছে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী। শুক্রবার পাঞ্জাবের ভাওয়াল এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। খবর ডনের।
সন্দেহভাজন এই চারজনকে মোবাইল ট্রাকিংয়ের মাধ্যমে আটক করা হয়েছে। তাদের সিমকার্ড ওই হামলার সময় ব্যবহার করা হয়েছিল বলে নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে। সিমকার্ডটি একজন নারীর নামে রেজিস্ট্রেশন করা। তাকেও আটক করা হয়েছে। ওই সিমবিক্রেতা স্থানীয় একজন ডিলারকেও জিজ্হাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের পুলিশ ইন্সপেক্টর জেনারেল নাসির দুরানি জানিয়েছেন, প্রাপ্ত প্রমাণের ভিত্তিতে তার দল তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সুন্দরবনে আন্তর্জাতিক সংস্থার সুপারিশে পদক্ষেপ নেয়া হবে
এদিকে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্যের ক্ষতির বিষয়ে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) মংলার আহ্বায়ক মো. নূর আলম জানান, জলজপ্রাণীর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে যা দৃশ্যমান নয়। বনের এ ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে শুরুতেই যে উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন ছিল তা করা হয়নি। অগণিত গাছের শ্বাসমূল তেলে আবৃত হয়ে আছে- যা অপসারণ করা কতটা সম্ভব তা ভাববার বিষয়।
তিনি জানান, বনের বৃক্ষরাজির শ্বাসমূলসহ বন্যপ্রাণীর খাবারের উৎস বন্যঘাস লতায় তেল লেগে থাকার ফলে বনের ইকো সিস্টেম ভেঙে পড়ছে। বন্যপ্রাণী বিশেষ করে হরিণের খাদ্যাভাব দেখা দেবে- গভীর সংকটে পড়বে সুন্দরবনের উদ্ভিদ।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ড. লিলন হত্যার মূল হোতা উজ্জ্বল ভারতে
রাজশাহী জেলা যুবদলের দুই নেতা ও এক ছাত্রদল নেতা সীমান্তের জিরোপয়েন্টে গিয়ে মাঝে মাঝেই উজ্জ্বলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করছেন এমন তথ্যও দিয়েছেন একাধিক সূত্র। শুক্রবারও জেলা ছাত্রদলের এক যুগ্ম আহ্বায়ক উজ্জ্বলের সঙ্গে জিরোপয়েন্টে দেখা করেছেন। তার এই অবস্থান সম্পর্কে পুলিশ অবগত বলে জানান ড. লিলন হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মতিহার থানার ওসি আলমগীর হোসেন। ১৫ নভেম্বর বিকাল সোয়া ৩টার দিকে নগরীর চৌদ্দপায়ায় বাসার সামনে সন্ত্রাসীরা কুপিয়ে হত্যা করে ড. শফিউল ইসলাম লিলনকে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের পরপরই পুলিশ ও র্যাব হত্যাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে একযোগে মাঠে নামে। এরই অংশ হিসেবে ২২ নভেম্বর রাজশাহী ও গাজীপুর থেকে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত কাটাখালি পৌর যুবদলের সভাপতি আরিফুল ইসলাম মানিকসহ ৬ জনকে গ্রেফতার করে র্যাব-৫ এর সদস্যরা। পরের দিন গ্রেফতারকৃতদের মিডিয়ার সামনে হাজির করা হলে তারা স্বীকারোক্তিতে বলেন, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বলের পরিকল্পনা ও সহায়তায় ড. লিলনকে খুন করা হয়। কিলিং মিশনে অংশগ্রহণকারীরা গ্রেফতারের পরপরই টের পেয়ে গাঢাকা দেন উজ্জ্বল। র্যাব তাকে গ্রেফতারে রাজশাহীর কাজলায় তার বাসাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়েছে। কিন্তু উজ্জ্বলকে গ্রেফতার করতে পারেনি। তার সঙ্গে কিলিং মিশনের অন্যতম হোতা হুন্ডি ও অস্ত্র ব্যবসায়ী জামাই বাবুও রয়েছেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। সূত্রগুলো থেকে আরও জানা যায়, ২২ নভেম্বর রাতে যুবদল নেতা উজ্জ্বল দুই সঙ্গীসহ রাজশাহীর চরমাঝারদিয়াড় সীমান্তপথে ভারতে প্রবেশ করেন। তিনি বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার জলঙ্গি থানার সীমান্তবর্তী গ্রাম শেখপাড়ায় অবস্থান করছেন। মাদক ও অস্ত্র ব্যবসার সুবাধে শেখপাড়ার প্রভাবশালী কয়েকজন চোরাকারবারির সঙ্গে আগে থেকেই উজ্জ্বলের গভীর যোগাযোগ ও সখ্য রয়েছে। সেখানে থেকেই জিরোপয়েন্টে এসে উজ্জ্বল সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ অব্যাহত রেখেছেন। শেখপাড়া গ্রামে বাংলাদেশের মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক সহজলভ্য হওয়ায় দলীয় লোকজন ছাড়াও সহযোগীদের সঙ্গে উজ্জ্বলের যোগাযোগ অটুট রয়েছে। উজ্জ্বল সীমান্তের এই ভারতীয় গ্রামে বসেই তার রাজনীতি ও অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা করছেন বলে জেলা বিএনপির এক নেতা জানিয়েছেন।
ওই নেতার মতে, মূলত মতিহার থানা পুলিশের সঙ্গে উজ্জ্বলের রয়েছে গভীর সম্পর্ক। মাদক ও অবৈধ অস্ত্র কারবারের কারণে পুলিশের সঙ্গে উজ্জ্বলের রয়েছে আর্থিক লেনদেন। আর এ কারণেই হাতের নাগালে পেয়েও পুলিশ উজ্জ্বলকে গ্রেফতার না করে নিরাপদে চলে যেতে দিয়েছে। এখনও উজ্জ্বলের সঙ্গে পুলিশের যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে সূত্রটি নিশ্চিত করেছে। ড. লিলন হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও মতিহার থানার ওসি আলমগীর হোসেন যুগান্তরকে বলেন, যুবদল নেতা উজ্জ্বলকে পুলিশ খুঁজছে। তাকে গ্রেফতারে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হলেও তাকে ধরতে পারেনি পুলিশ। এছাড়া উজ্জ্বলের সহযোগী জামাই বাবু বা হুন্ডি বাবুকেও পুলিশ গ্রেফতারে চেষ্টা করছে। তবে তিনি জানান, উজ্জ্বল রাজশাহী এলাকাতে নেই বলে তারা নিশ্চিত হয়েছেন। রাজশাহী সীমান্তের ওপারে উজ্জ্বল অবস্থান করছে এমন তথ্য পাওয়া গেলেও পুলিশের কিছু করার নেই বলে তিনি জানান।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিংড়ায় আলীগ-বিএনপি সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ ৩১

দুপুর ১টার দিকে সরেজমিন বেড়াবাড়ী গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, বন্দুক যুদ্ধে ছররা গুলিতে বিভিন্ন হাসপাতালে আহত ২৮ জন চিকিৎসা নেয়ার চেষ্টা করছে। এরা হলেন- একই গ্রামের বাসিন্দা সেন্টু (২৪), আছমা খাতুন (৪০), রেজাউল (২৫), স্বপন (২৭), খোরশেদ আলম (৬০), শফিকুল ইসলাম (২৬), তফিজ উদ্দিন (৩৫), ফেরদৌস প্রামাণিক (৩২), আবদুল আলিম (২০), কাওসার আলী (২৮), জামাল হোসেন (২০), মজনু মোল্লা (২২), সোহরাব হোসেন সর্দার (২০), সবুজ সর্দার (২২), গোলজার মোল্লা (৫০), আকাশ তালুকদার (১৭), সোহাগ তালুকদার (২৫), আনিসুর রহমান (৩২), আফসার প্রামাণিক (৫০), রানা আহম্মেদ (২৪), আবদুর রহিম (২২), সাইদুর রহমান (২৫), সুজন (২২), আলম মোল্লা (৩৫), মুকুল প্রামাণিক (২৫), রফিকুল ইসলাম (৪৩), জহুরুল ইসলাম (৩০) ও আতিকুর রহমান (২৪)। আহতরা বেশির ভাগই বিএনপিপন্থী মোল্লাপাড়ার আমজাদ গ্র“পের সদস্য বলে জানা গেছে।
পুলিশ দুপুরে একটি বন্দুক, অব্যবহৃত গুলি ও একটি রামদাসহ গোয়ালপাড়া গ্র“পের প্রধান সাইফুল ইসলাম, তার সহকারী দানেশ আলী ও আসালত প্রামাণিককে আটক করেছে। আটক সাইফুল ইসলাম নিজেকে জেলা যুবলীগের নেতা পরিচয় দিলেও জেলা যুবলীগ নেতা জাহিদুল ইসলাম ভোলা বলেছেন, সাইফুল যুবলীগ নয় আওয়ামী লীগের রাজনীতি করেন। তবে স্থানীয়রা দাবি করেন, আহতরা রাজনৈতিক দলের কর্মী হলেও শুক্রবারের সংঘর্ষের সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক সম্পর্ক নেই।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফিলিস্তিনের গাজায় ফের ইসরাইলি বিমান হামলা শুরু

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
২০০ কোটি টাকার সম্পত্তি দখল
আমিন জুট মিলের ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) খান কামরুল ইসলাম যুগান্তরকে জানান, ১৯৮০ সালে জিয়াউর রহমান আমিন জুট মিল এলাকা পরিদর্শনে আসলে শ্রমিকরা তাদের আবাসন সমস্যার কথা তার কাছে তুলে ধরেন। এ সময় তিনি বলেন, মিলের অনেক জায়গা আছে। আপনারা নিজ উদ্যোগে ঘর তুলে এখানে বসবাস করতে পারেন। এত শ্রমিকের আবাসনের ব্যবস্থা করে দেয়া সম্ভব নয়। এরপর থেকে শ্রমিকরা ঘর তুলে বসবাস শুরু করেন। শ্রমিকরা চাকরি ছেড়ে চলে গেলে তাদের বানানো ঘর বহিরাগতদের কাছে বিক্রি করে (কোনো ধরনের দলিলপত্র ছাড়া) দেন। এভাবেই মিলের অনেক জায়গা বহিরাগত, সাবেক শ্রমিক বা তাদের পরিবারের কাছে বেদখল হয়ে আছে। মিলের বেদখল হয়ে যাওয়া জমি উদ্ধার প্রসঙ্গে খান কামরুল ইসলাম বলেন, মিলের কিছু জায়গার বিএস খতিয়ান নেই। জায়গাসংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে ও বিএস সংশোধনীর জন্য মিলের পক্ষ থেকে মামলা করা হয়েছে। মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত অবৈধ দখলদার ও স্থাপনা উচ্ছেদ করা যাচ্ছে না। তবে মিল কর্তৃপক্ষ মিলের জায়গা পুনরুদ্ধারে সচেষ্ট রয়েছে। মিলের জায়গা বসবাসকারীদের সবাইকে ভাড়াটিয়া চুক্তির আওতায় নিয়ে আসা হবে।
মিলের কিছু কর্মকর্তা ও সিবিএ নেতার যোগসাজশে দখল করার বিষয়ে তিনি বলেন, কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। সাবেক শ্রমিক নেতাদের বিরুদ্ধেও এ ধরনের অভিযোগ রয়েছে।
জানা যায়, ১৯৫৩ সালে চট্টগ্রামের হাটহাজারী সড়কের পাশে প্রায় ৮০ একর জায়গার ওপর এ মিলটি প্রতিষ্ঠা করেন পাকিস্তানি শিল্পোদ্যোক্তা আমিন উদ্দিন। শুরু থেকে এ মিলটি লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপ নেয়। ১৯৭১-এ স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপরই মালিক আমিন উদ্দিন পশ্চিম পাকিস্তানে চলে যান। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ওই শিল্পোদ্যোক্তা আর ফিরে না আসায় সরকার আমিন জুটমিলকে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানে অন্তর্ভুক্ত করে নবরূপে আমিন জুট মিল চালু করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর গবেষণা কেন্দ্র পরিচালিত সাম্প্রতিক এক জরিপে আমিন কলোনিকে চট্টগ্রামের সবচেয়ে বেশি জনবসতির বস্তি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এখানকার প্রতি শতক জায়গার দাম ১২ লাখ টাকা। সে হিসাবে বেদখল হওয়া জায়গায় দাম প্রায় ২০০ কোটি টাকা। জানা যায়, বাংলাদেশ পাটকল কর্পোরেশনের (বিজেএমসি) অধীন আমিন জুট মিলের ৮০ একর জায়গা রয়েছে। এ জায়গার ১৫ একরজুড়ে গড়ে ওঠা বস্তিতে প্রায় ৬০ হাজার ঘর রয়েছে। এখানে কাঁচা ও পাকা ঘরে ৬০-৭০ হাজার পরিবার বাস করে। প্রতিটি ঘরের ভাড়া ৮০০ থেকে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত। সেই হিসাবে প্রতি মাসে গড়ে ১০০০ টাকা করে ভাড়া আদায় করা হলে ৬০ হাজার ঘর থেকে মাসে ভাড়া উঠে ৬ কোটি টাকা। এ টাকা আমিন জুট মিলের সিবিএ কর্মকর্তা-কর্মচারী ও জুট মিলের অসাধু কর্মকর্তাদের পকেটে যায়। এখানে অবৈধ বসতঘর ও প্লট বানিয়ে তা বহিরাগতদের কাছে ভাড়া ও দখল স্বত্বেও বিক্রি করা হয়েছে। কলোনিবাসী জুট মিলের বিদ্যুৎ ও পানির অবৈধ সংযোগও নিয়েছে। গভীর নলকূপও রয়েছে এখানে। বসবাসকারীদের বেশিরভাগই বিভিন্ন জেলা থেকে আগত নিু আয়ের মানুষ। জানা যায়, ১৯৭৮ সাল থেকে মূলত এই দখল প্রক্রিয়া শুরু হয়। ’৯১ সালের পর দখলের এ মাত্রা আরও বেড়ে যায়। কলোনিজুড়ে রয়েছে ওয়াসা ও পিডিবির অবৈধ সংযোগ। ৩০ থেকে ৪০ হাজার পরিবার এসব অবৈধ সংযোগের আওতায় আছে। ১২৪ ও ১২৭ দাগে অবৈধ বসতিঘরগুলোতে জুট মিলের পানি ও বিদ্যুৎ সংযোগের পাশাপাশি গভীর নলকূপও রয়েছে। মিল এলাকায় শান্তিনগরের পশ্চিম পাশে ও মোহাম্মদপুর নগরের উত্তর পাশে ৫ একর ৫৩ শতাংশ জায়গাজুড়ে একটি খেলার মাঠের চারপাশে ২৫টি প্লটে গড়ে উঠেছে ২০০ থেকে ৩০০টি অবৈধ বসতঘর। এখানকার প্রতিটি প্লট বিক্রি করা হয়েছে ৫৫ লাখ টাকা থেকে ৬০ লাখ টাকায়। প্লট বেচাকেনায় লেনদেন হয়েছে প্রায় ১৫ কোটি টাকা। মাঠের উত্তর পাশে একটি কাঁচাবাজারসহ তিনটি মার্কেট স্থাপন করা হয়েছে। এসব মার্কেটের দোকানের মূল্য আনুমানিক ১৫ কোটি টাকা। শ্রমিক কোয়ার্টারের উত্তর পাশে আরও ৫ একর জায়গায় গড়ে উঠেছে অবৈধ বসতঘর। এছাড়া জুট মিলের উত্তর গেটের পাশজুড়ে নির্মিত হয়েছে কয়েকটি গ্যারেজ ও দোকানঘর। আমিন জুট মিল সিবিএ সভাপতি মহাব্বত আলী বলেন, আমাদের আগে যারা সিবিএর নেতৃত্বে ছিলেন তারাই এসব দখলসংক্রান্ত কর্মের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিলেন। আবদুল খালেক নামে আমাদের সাবেক সিবিএ নেতা জুট মিলের ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের যোগসাজশে কারখানার বহু জায়গা বহিরাগতদের কাছে বিক্রি করে দিয়েছেন। তাদের সম্পৃক্ততায় মিল এলাকার প্রায় দশ একর জায়গা বহিরাগতদের হাতে চলে গেছে।
এমন অভিযোগ অস্বীকার করে শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবদুল খালেক বলেন, আমার সময়কালে আমি কোনো জায়গা দখল বা বিক্রি করিনি। সিবিএ নেতা মহাব্বত আলী নিজেই ১২৪ নম্বর দাগে আমিন কোয়ার্টারের সামনে অবৈধভাবে জায়গা দখল করে বাড়ি নির্মাণ করছেন। এছাড়া তিনি মসজিদের জায়গা দখল, ফুটবল খেলার মাঠের পাশে ২০০-৩০০ ঘর বানিয়ে বিক্রি করেছেন। জুট মিলের উত্তর গেটে রাস্তার পাশ গ্যারেজ নির্মাণ করে সেখান থেকে প্রতি মাসে ৬০ হাজার টাকা ভাড়া আয় করছেন। আমিন জুট মিলের জায়গা বেদখল হয়ে যাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে প্রতিষ্ঠানের সাবেক উপমহাব্যবস্থাপক জসিম উদ্দিন বলেন, আমিন জুট মিলের অনেক জায়গা বেদখলে রয়েছে এটা অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই। কিন্তু প্রশাসন অসহায়। রাজনৈতিক নেতাদের পৃষ্ঠপোষকতায় প্রভাবশালীরা এসব দুষ্কর্মে রয়েছে। সিবিএ নেতৃত্বে যারাই আসেন তারাই দখল উৎসবে মেতে উঠেন।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাকিস্তানে স্কুলে হামলার পর ২ জঙ্গির ফাঁসি কার্যকর

সূত্র: বিবিসি বাংলা
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিশেষ তদন্ত প্রস্তাব নাকচ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের
বিশেষ তদন্ত প্রস্তাব নাকচ : সূত্র জানায়, গত সেপ্টেম্বরে বেসরকারি ব্যাংকগুলো পরিদর্শনের দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যাংক পরিদর্শক বিভাগ-১ থেকে পরিচালকদের ঋণের বিষয়ে একটি বিশেষ তদন্ত পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এ বিষয়ে তৈরি করা হয় একটি বিশেষ কর্মপরিকল্পনাও। এতে অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রান্তিকে বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে একযোগে শুধু পরিচালকদের ঋণের বিষয়ে একটি বিশেষ তদন্ত পরিচালনা করার কাঠামো ঠিক করা হয়। এ বিষয়ে তদন্তের জন্য ব্যাংকের কোন পরিচালকের কোন শাখায় ঋণ রয়েছে সেসব তথ্যও সংগ্রহ করা হয়। তদন্তের মাধ্যমে পরিচালকরা ওইসব ঋণ নেয়ার ক্ষেত্রে কী ধরনের অনিয়ম করেছেন তা খুঁজে বের করার কথা। কিন্তু এ প্রস্তাবটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহীদের কাছে উপস্থাপন করা হলে তা অনুমোদন করা হয়নি। গভর্নর অন্য নির্বাহীদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রস্তাবটি নাকচ করে দিয়েছেন।
প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী কেন্দ্রীয় ব্যাংক বছরভিত্তিক তথ্যের ভিত্তিতে ব্যাংকগুলোতে তদন্ত করে। কোনো অভিযোগ পেলে তা বিশেষভাবে খতিয়ে দেখা হয়। এর বাইরে কোনো ইস্যু এলে উপরের নির্দেশে বা কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রয়োজন মনে করলে বিশেষ তদন্ত পরিচালনা করে। এর আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংক উত্তরাঞ্চলের চালের চাতালের ঋণ, পুরনো জাহাজ কেনায় ঋণ, এলটিআর (লোন এগেইনস্ট ট্রাস্ট রিসিপ্ট বা আমদানির জন্য সহজ শর্তের ঋণ), গ্রাহক সেবার অনিয়ম, মানি চেঞ্জারদের অনিয়মের বিষয়সহ আরও নানা বিষয়ে বিশেষ তদন্ত পরিচালনা করেছে। এসব ক্ষেত্রে দুই বা তিন সদস্যের একাধিক পরিদর্শক দল গঠন করে একসঙ্গে ব্যাংকগুলোতে পাঠানো হয়।
পরিচালকদের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা ওই ধরনের একটি বিশেষ তদন্ত করতে চেয়েছিলেন। দুই বা তিন সদস্যের একাধিক পরিদর্শক দল গঠন করে একসঙ্গে প্রায় সবগুলো ব্যাংকে এ তদন্ত হতো। প্রস্তাব অনুযায়ী অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর- এ তিন মাস ব্যাংক পরিদর্শন বিভাগের কর্মকর্তারা শুধু পরিচালকদের ঋণ নিয়েই তদন্ত করতেন। প্রস্তাবটি নাকচ করায় সেটি আর হল না।
তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একটি সূত্র জানিয়েছে, এখন না হলেও ভবিষ্যতে এ ধরনের একটি বিশেষ তদন্ত হয়তো হবে। কেননা, একবার যেহেতু এ বিষয়ে একটি নথি উপস্থাপিত হয়েছে, ভবিষ্যতে সময় সুযোগ এলে এটি আবারও উপস্থাপিত হবে। তখন হয়তো এ ধরনের প্রস্তাব আর আটকে রাখা যাবে না।
সমালোচনার ভয় : সূত্র জানায়, ওই প্রস্তাব নাকচ করার সময় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহীরা বলেছেন, শুধু ব্যাংক পরিচালকদের ঋণ নিয়ে একটি বিশেষ তদন্ত করা হলে সমালোচনা হবে। অনেকে মনে করতে পারে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক শুধু শুধু নিজ থেকেই পরিচালকদের অনিয়ম খুঁজে বের করছে। এতে পরিচালকদের একটি অংশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওপর ক্ষুদ্ধ হবে। এছাড়া ব্যাংক পরিচালকদের একটি বড় অংশেরই সরকারের ওপর মহলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে। তারা উচ্চপর্যায় থেকেও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। ফলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক তদন্ত করে পাওয়া অনিয়মগুলোর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারবে না। এ কারণে বিশেষ ধরনের তদন্ত না করে নিয়মিতভাবে তদন্তের মাধ্যমে পাওয়া অনিয়মগুলোর বিরুদ্ধে বিচ্ছিন্নভাবে ব্যবস্থা নিলে তা হবে আরও বেশি কার্যকর। এ কারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংক পরিচালকদের ঋণের বিষয়ে বিশেষ তদন্ত করা থেকে বিরত থেকেছে।
এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আবু হেনা মোহা. রাজী হাসান বলেন, শুধু পরিচালক নয়, যে কোনো বিষয়ে অভিযোগ পেলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে থাকে। এখনও নিচ্ছে, ভবিষ্যতেও নেয়া হবে।
পরিচালকদের ঋণের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ বিষয়টি আগে থেকেই আমাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। প্রতি তিন মাস পরপর ব্যাংকগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগে পরিচালকদের ঋণের বিষয়ে তথ্য পাঠিয়ে থাকে। ওইগুলো সমন্বয় করে নিয়মিত পরিচালকদের ঋণ তদারকি করা হয়।
সূত্র জানায়, পরিচালকদের প্রভাবে ওপর মহলের চাপের কারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নজরে আসার পরেও বেসিক ব্যাংকের জালিয়াতির বিরুদ্ধে যথাসময়ে ব্যবস্থা নেয়া যায়নি। একই ঘটনা ঘটেছে সোনালী ব্যাংকের হলমার্ক জালিয়াতির ক্ষেত্রেও। বর্তমানে একটি বেসরকারি ব্যাংকে জালিয়াতির ঘটনা শনাক্ত করার পরেও একই কারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কোনো ব্যবস্থা নিতে পারছে না।
অনিয়মের পাহাড় : সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে বিশেষ করে বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে পরিচালকদের বেআইনি হস্তক্ষেপের মাত্রা ভয়াবহ রকম বেড়ে গেছে। এভাবে তারা ব্যাংক থেকে নিচ্ছে নানা ধরনের বেআইনি সুবিধা- যা একদিকে আমানতকারীদের স্বার্থকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে, অন্যদিকে ব্যাংকিং ব্যবস্থায় সুশাসনকে বাধাগ্রস্ত করছে।
গত কয়েক বছরে ব্যাংকগুলোতে পরিচালকদের হস্তক্ষেপে বেশ কিছু আলোচিত জালিয়াতির ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে কিছু পরিচালকের স্বার্থ-সংশ্লিষ্টতায় সোনালী ব্যাংকে ঘটেছে হলমার্ক কেলেংকারি। বেসিক ব্যাংকের চেয়ারম্যান আবদুল হাই বাচ্চুর সরাসরি যোগসাজশে হয়েছে নজিরবিহীন লুটপাট। কয়েকটি ব্যাংকের পরিচালকদের সংশ্লিষ্টতায় ঘটেছে বিসমিল্লাহ গ্র“পের জালিয়াতি। পরিচালকদের হস্তক্ষেপে গত বছর অগ্রণী ব্যাংকের সিএসআরের টাকা নিয়ে নয়ছয় হয়েছে। প্রাইম ব্যাংক পরিচালকদের স্বার্থে সিএসআরের টাকায় কিনেছে ক্রিকেট ক্লাব। শাহজালাল ব্যাংকে বেনামি ঋণ নিয়ে পরিচালকদের আন্তঃকলহ প্রকাশ্যে রূপ নিয়েছে। পছন্দের লোককে পরিচালক করা নিয়ে দ্বন্দ্বে জড়িয়েছে মার্কেন্টাইল ব্যাংক। ফার্মার্স ব্যাংক পরিচালককে বেআইনি সুবিধা দেয়ায় এমডিকে জরিমানা দিতে হয়েছে। ইউনাইটেড কর্মাশিয়াল ব্যাংকে পরিচালকদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট ঋণের কোনো গতি হয়নি। এবি ব্যাংকে পরিচালকদের হস্তক্ষেপে বেনামি ঋণ দেয়ার ঘটনা ধরা পড়েছে। প্রিমিয়ার ব্যাংক পরিচালকের হস্তক্ষেপে গ্রাহকের হিসাব থেকে টাকা আÍসাতের ঘটনা ঘটেছে। এর বাইরেও পরিচালকরা নিজ ব্যাংকে আমানত রেখে বাড়তি সুদ আদায়, কম সুদে ঋণ নেয়া, নিজস্ব ভবন ব্যাংকের কাছে বাড়তি টাকায় ভাড়া দেয়া, বেনামে ব্যাংকের বিভিন্ন কাজ করে বাড়তি মুনাফা নেয়ার ঘটনাও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তদন্তে উদঘাটিত হয়েছে।
এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মাহফুজুর রহমান বলেন, পরিচালকদের ঋণের ব্যাপারে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নিয়মিতভাবে তদারকি করা হয়। কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তাও তদন্ত করে দেখা যায়। এ কারণে বিশেষ আর কোনো তদন্তের প্রয়োজন পড়ে না।
বিএবির প্রতিক্রিয়া : এসব বিষয় নিয়ে বেসরকারি ব্যাংকের উদ্যোক্তা পরিচালকদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (বিএবি) চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার যুগান্তরকে বলেন, নতুন নতুন বিধান করে পরিচালকদের বিপাকে ফেলা হচ্ছে। পরিচালকদেরও একটি সামাজিক মর্যাদা রয়েছে। তাদেরকে টার্গেট করে কিছু করা হলে সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন হচ্ছে। এটি বিব্রতকর। তিনি আরও বলেন, যারা ব্যাংকের পরিচালক তারা প্রত্যেকেই ভালো ব্যবসায়ী হিসেবে সমাজে প্রতিষ্ঠিত। তিনি পরিচালকদের হস্তক্ষেপে অনিয়মের ঘটনাগুলোকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে মন্তব্য করেন।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বেচাকেনায় ধস

এ প্রসঙ্গে ব্যবসায়ীরা বলেছেন, দীর্ঘদিন ধরেই বেচাকেনায় মন্দা চলছে। সংগঠিতভাবে ব্যবসায়ীরা কেউ মুখ খুলছেন না। তারা এর নাম দিয়েছেন ‘নীরব মন্দা’। তাদের মতে, এই পরিস্থিতিতে দেশের ব্যবসায়ীদের ভালো থাকার সুযোগ নেই। রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক আস্থাহীনতার কারণে দীর্ঘসময় ধরেই ভালো যাচ্ছে না তাদের ব্যবসা-বাণিজ্য। এটি দৃশ্যমান না হলেও প্রকৃত চিত্র হচ্ছে, সার্বিক ব্যবসায়িক পরিস্থিতি স্মরণকালের মধ্যে ভয়াবহ নীরব মন্দায় আক্রান্ত। এই অবস্থা বেশি দিন চলতে থাকলে মন্দার প্রকাশ্য রূপটা বেরিয়ে পড়বে। তার আগেই এর সমাধান দরকার।
সূত্র জানায়, মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৩৪ দশমিক ৭৫ শতাংশই আসে ব্যবসা খাত থেকে। পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, হোটেল-রেস্তোরাঁ, শিল্প, নির্মাণ, রিয়েল এস্টেট, ভাড়া ও অন্যান্য ব্যবসায়িক খাত এই অংশের জোগান দেয়। কিন্তু এ খাতেই চলছে চরম সংকট। পরিকল্পনা কমিশন তথ্য দিয়েছে দেশে মাথাপিছু আয় ১১৯৫ ডলারে উন্নীত হয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে মাথাপিছু ওই আয় মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়াতে পারছে না। ব্যবসায়ীরা দাবি করছেন, আয় যেটুকু বেড়েছে মূল্যস্ফীতি তা খেয়ে ফেলছে। আর মাথাপিছু আয়ের একটি বড় অংশই যাচ্ছে ধনীদের পকেটে।
ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইএর তথ্য মতে, ব্যবসায়িক খাতে ছোট-বড় সব মিলিয়ে প্রায় সাড়ে তিন কোটি ব্যবসায়ীর প্রতিনিধিত্ব রয়েছে। এর মধ্যে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা হবে ২৫ লাখের বেশি। সার্বিক পরিস্থিতি মন্দা হওয়ায় জনগোষ্ঠীর বড় এ অংশটির এখন ত্রিশঙ্কু দশা। এর নেপথ্যের কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীরা বলেছেন, ব্যবসা পরিচালনায় একদিকে উপর্যুপরি ট্যাক্স, শুল্ক ও ভ্যাটের বোঝা, অন্যদিকে পুঁজি বিনিয়োগে নেয়া ব্যাংক ঋণের চড়া সুদ ও গলাকাটা সার্ভিস চার্জ প্রতিনিয়ত রক্ত ঝরাচ্ছে ব্যবসার। সেই সঙ্গে সেবা উপকরণের দাম বৃদ্ধি, পরিবহনে দীর্ঘসূত্রতা আর ঘাটে ঘাটে উপরি খরচও ব্যবসার আয়কে সংকুচিত করে দিচ্ছে। সবচেয়ে বড় কারণ হচ্ছে, মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ায় তারা পণ্য কেনা কমিয়ে দিয়েছেন।
সরেজমিন দেখা গেছে, মন্দা সত্ত্বেও বিক্রির আশায় ব্যবসায়ীরা দোকানের পসরা খুলে বসছেন ঠিকই। কিন্তু আয়-ব্যয়ের খাতায় হিসাব মেলাতে গিয়েই বাধছে যত গণ্ডগোল। এমন পরিস্থিতিতে ব্যবসায় নতুন পুঁজি খাটানো দূরের কথা, অনেকে পুরনো পুঁজি ভেঙে ব্যবসা সংকুচিত করে আনছেন। কেউ আবার চলমান ব্যবসা টিকিয়ে রাখবেন কিনা তা নিয়েও ভুগছেন সিদ্ধান্তহীনতায়। যারা সুদিনের অপেক্ষায় কোনো মতে ব্যবসাটি আঁকড়ে ধরে আছেন, তাদের অনেককেই ব্যয়ের ক্ষেত্রে সংযমী কৌশল বেছে নিতে হয়েছে। এর ফলে অনেক ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানকেই ছাঁটাই করতে হয়েছে দীর্ঘদিনের পুরনো কর্মীদের।
সরেজমিন রাজধানীর বিভিন্ন মার্কেট, শপিংমল, রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠান, হোটেল-রেস্তোরাঁ ঘুরে ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে বর্তমান ব্যবসা-বাণিজ্যের এসব চিত্র উঠে এসেছে।
মানুষের চাহিদা বাড়াতে হলে আয় বাড়াতে হবে- মন্তব্য করে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ যুগান্তরকে বলেন, আয় বাড়াতে হলে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে। এর জন্য দেশে বেকারের চেয়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ হতে হবে বেশি। তাহলে ভোক্তারা কর্ম পরিবর্তন করে প্রতিযোগিতামূলক আয়ের পথে এগোতে পারবে। কিন্তু সেই সুযোগ কম হওয়ায় তাদের আয় বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। যে কারণে মানুষের ভোগব্যয়ের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠনের সভাপতি কাজী আকরাম উদ্দিন আহমদ যুগান্তরকে বলেন, ব্যবসার পরিবেশ কিংবা ব্যবসা-বাণিজ্য যতোটা খারাপ দাবি করা হচ্ছে আসলে ততোটা নয়।
তবে এফবিসিসিআইএর আরেক সাবেক সভাপতি আবদুল আউয়াল মিন্টু যুগান্তরকে বলেন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পূর্ব শর্ত হচ্ছে রাজনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতা। দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা না থাকলে ব্যবসায় বিনিয়োগে আস্থার সংকট তৈরি হয়। মূলত ব্যবসায়ীরা এখন দীর্ঘমেয়াদি আস্থার সংকটে ভুগছেন।
সরেজমিন খুচরা ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানের চিত্র : রাজধানীর মগবাজারের ওয়ারলেস গেটসংলগ্ন বিশাল সেন্টার। ৮ ডিসেম্বর, বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর ১২টার চিত্র। এ মার্কেটের ২০টি দোকানের কোনোটিতেই নেই ক্রেতা। দোকানের কর্মচারীরা ডিসপ্লে সাজিয়ে বসেছেন ঠিকই। কিন্তু ক্রেতার দেখা না মেলায় অনেককেই এ দোকান থেকে সে দোকানে পায়চারী করতে দেখা গেছে।
কথা হয় প্রিয়া ডিপার্টমেন্টাল স্টোরের একাধিক বিক্রয় প্রতিনিধির সঙ্গে। বেচাবিক্রি কেমন- প্রতিবেদকের এমন প্রশ্নের জবাবে একজন বলে ওঠেন, নিজের চোখেই তো দেখলেন। এরপর আর কি বলব। মানুষের চাহিদা কমে গেছে, না কেনাকাটা কমিয়ে দিয়েছে বলা মুশকিল। শুধু জানি মালিকের ব্যবসা ভালো যাচ্ছে না।
রাজধানীর মৌচাকে অবস্থিত বিলাসবহুল ফরচুন সুপার মার্কেট। মেইন রোড-সংলগ্ন এক্সেলেটরসমৃদ্ধ সুপরিসর এই মার্কেটেও ক্রেতার দেখা নেই। এটি গত ৮ ডিসেম্বর দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে বেলা ১টার চিত্র। এই মার্কেটে চারটি ফ্লোরে প্রায় ৪৫০টি দোকান রয়েছে। টপফ্লোরে ফুড আইটেমের কয়েকটি দোকানে স্কুল-কলেজ পড়–য়া কিছু শিক্ষার্থীকে অলস সময় কাটাতে দেখা গেছে। এছাড়া এ মার্কেটের হাতেগোনা দু-একটি ছাড়া অধিকাংশ দোকানই ছিল ক্রেতাশূন্য। দোকানিরা জানান, এভাবেই চলছে এ মার্কেটের বেচাকেনা।
জানতে চাইলে মার্কেটের দোতলায় অবস্থিত শাড়ির বাজারের ম্যানেজার আবু বকর সিদ্দিকী জানান, স্মরণকালের ভয়াবহ মন্দা যাচ্ছে ব্যবসা-বাণিজ্যে। কিন্তু কেউ বলছে, কেউ বলছে না। বাস্তবতা হচ্ছে ব্যবসার পরিস্থিতি দিন দিন খুবই খারাপের দিকে যাচ্ছে। ফলে ব্যয় কমাতে এরই মধ্যে ৫ জন কর্মচারী থেকে ২ জনে নামিয়ে আনা হয়েছে। আগে যেখানে প্রতি মাসের বিক্রি ৭ থেকে ৮ লাখ টাকায় ওঠানামা করত, সেখানে তা কমতে কমতে নভেম্বর মাসজুড়ে তা নেমে এসেছে মাত্র ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার মধ্যে। তার আগের মাসের বিক্রি মাত্র ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা। অথচ দোকানে প্রতিদিন খরচই আছে ৪ হাজার টাকা। ফলে প্রতি মাসেই লোকসান হচ্ছে। তিনি বলেন, এ পরিস্থিতি শুধু আমাদের দোকানের নয়, এ মার্কেটের প্রায় সবার অবস্থাই এক।
এরপরের গন্তব্য ছিল রাজধানীর মৌচাক, আনারকলি ও সেন্টার পয়েন্ট মার্কেট। এর মধ্যে মৌচাকে বেশকিছু ক্রেতার আনাগোনা চোখে পড়লেও বেশিরভাগ ক্রেতাকেই দেখা গেছে সিজনাল পণ্যের দোকানে। অর্থাৎ শীতের পোশাকের দোকানেই ছিল ক্রেতাদের সরব উপস্থিতি। জুয়েলারি, কসমেটিক্স, ইমিটেশন, জুতা, সাধারণ পোশাক, শাড়ির দোকান, ক্রোকারিজ কিংবা অন্যান্য দোকানে ক্রেতার দেখা মিলেছে কদাচিৎ।
জানতে চাইলে আনারকলি সুপার মার্কেটের প্রোপ্রাইটার সিরামিক পণ্য বিক্রেতা মিজানুর রহমান জানান, মানুষ আগে নিত্যপণ্যের চাহিদা পূরণ করে। তারপর উদ্বৃত্ত থাকলে শৌখিন পণ্য কেনায় আগ্রহ দেখায়। বছর দেড়েকের বেশি হবে এ ব্যবসায় মন্দা চলছে। আগে যেখানে ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা মাসে বিক্রি হতো। এখন তা নেমে এসেছে ৪ থেকে ৫ লাখ টাকায়। আগে কর্মচারী রেখেছিলাম তিনজন। এখন খরচ বাঁচাতে একজনকে বাদ দিয়ে ছোট ভাইকেও ব্যবসায় আনতে হয়েছে।
বেলা ২টায় গন্তব্য কনকর্ড টুইন টাওয়ার মার্কেটে। ঘণ্টাব্যাপী এ মার্কেটে অবস্থান করে দেখা যায়, ফরচুন কিংবা বিশাল সেন্টারের মতোই অবস্থা এ মার্কেটেও। এখানকার সাড়ে ৪০০ দোকানের মধ্যে ক্রেতার উপস্থিতি দেখা গেছে হাতেগোনা কয়েকটি দোকানে।
বিক্রেতাদের দাবি, দেশে ব্যবসার পরিস্থিতি এখন সিজনাল বা মৌসুমভিত্তিক হয়ে পড়েছে। সারা বছর ব্যবসার স্থিতিশীলতা আর দেখা যাচ্ছে না। এ চিত্র শুধু মগবাজার, মৌচাক, মালিবাগ, শান্তিনগরে সীমাবদ্ধ নয়। নিউমার্কেট, এলিফ্যান্ট রোড, মিরপুর, মহাখালী, টিকাটুলী, উত্তরা, গুলশান, বারিধারায় অবস্থিত সব মার্কেট ও শপিংমলেই অভিন্ন পরিস্থিতি। বেচাকেনায় এখন ভয়াবহ মন্দা চলছে। এ মন্দা থেকে রেহাই পাচ্ছে না ফুটপাতের ব্যবসাও। আবার এটি শুধু ঢাকাতেই সীমাবদ্ধ নয়। সারা দেশেই একই অবস্থা বিরাজ করছে। আয়ের তুলনায় নিত্যপণ্যের খরচ, শিক্ষা ও চিকিৎসায় ব্যয় বেড়ে যাওয়া মানুষ অযাচিত খরচ কমিয়ে দিচ্ছে বলে তারা দাবি করেন।
এ প্রসঙ্গে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতির ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) সাবেক সভাপতি মীর নাসির হোসেইন বলেন, সুষ্ঠু ব্যবসায়িক পরিবেশ ছাড়া ব্যবসার প্রসার হবে না। আস্থার সংকট দূর না হলে বিনিয়োগ বাড়বে না। অলস টাকা মোভিলাইজড না হলে অর্থনীতিও চাঙ্গা হবে না।
আসবাবপত্র : অর্থনৈতিক মন্দায় দেশের আসবাবপত্র শিল্পেও মন্দা নেমে এসেছ। ভয়ানকভাবে কমে গেছে আসবাবপত্র বিক্রির পরিমাণ। আগে যেখানে প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যবসা বাড়ানোর জন্য নতুন নতুন শাখা খুলত, এখন উল্টো আগের শাখাগুলোই বন্ধ করার উপক্রম হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে দ্বীন টিম্বার ইন্ডাস্ট্রি ইন্টারন্যাশনাল প্রাইভেট লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. শামসুল হক জানান, দেশের অর্থনীতিতে নীরব মন্দা চলছে। এ মন্দার কবল থেকে কোনো ব্যবসায়ীই বাদ যাচ্ছে না। বছর বছর বাড়ছে ভ্যাট, ট্যাক্স ও শুল্কের বোঝা। সেই সঙ্গে উপর্যুপরি গ্যাস, বিদ্যুৎ ও প্রযুক্তি সেবার মূল্যবৃদ্ধি এবং কর্মচারীর বেতন বৃদ্ধির কারণে ব্যবসার ব্যয় বেড়েছে, মুনাফা কমে গেছে। তিনি দাবি করেন, বড় ব্যবসায়ীরা কোনো মতে টিকে থাকলেও ক্ষুদ্র ও মাঝারি পুঁজির ব্যবসায়ীদের পরিস্থিতি নাজুক।
আবাসন খাত : সবচেয়ে নাজুক আবাসন খাতের ব্যবসায়ীদের অবস্থা। বিভিন্ন রিয়েল এস্টেট কোম্পানি রাজধানী ও আশপাশের এলাকায় হাজার-হাজার ফ্ল্যাট বানিয়ে রাখলেও ক্রেতা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এসব তৈরি ফ্ল্যাটে দীর্ঘদিন ধরে গ্যাস-বিদ্যুতের সংযোগ দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। ফলে এগুলো বিক্রিও হচ্ছে কম। এদিকে তৈরি ফ্ল্যাটের বিপরীতে ব্যাংক ঋণ থাকায় ঋণের অংক বেড়ে গিয়ে উদ্যোক্তার খরচ বাড়িয়ে দিচ্ছে। প্লটের ব্যবসায়ও দারুণ মন্দা। এ পরিস্থিতিতে প্লট কিংবা ফ্ল্যাট বিক্রি করতে না পারায় আবাসন খাতের কোম্পানিগুলোর আয় কমে গেছে। ফলে ব্যয় কমাতে তারা প্রতিষ্ঠানের অনেক কর্মী ছাঁটাইয়ে বাধ্য হচ্ছে। চলমান মন্দায় ছোটখাটো আবাসন প্রতিষ্ঠান সবচেয়ে বেশি ক্ষতির স্বীকার হলেও বড় বড় কোম্পানিগুলোতেও এর ধাক্কা লেগেছে।
বর্তমানে আবাসন শিল্পের সঙ্গে সংশিষ্ট আনুষঙ্গিক ২৬৯টি খাতের বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি কমে গেছে। এর প্রভাব পড়েছে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রে। এই শিল্পে বরং আগের নিয়োগ দেয়া জনবলই ছাঁটাই করা হচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি বড় আবাসন কোম্পানির মালিক বলেন, তাদের প্রতিষ্ঠানে আগে ২৫ জন প্রকৌশলী কাজ করতেন। এখন আছেন ১১ জন। তাদেরও বিশেষ কোনো কাজ নেই। কারণ এখন কেবল একটি প্রকল্প চলছে। তিনি আরও বলেন, বছর পাঁচেক আগেও প্রতি বছর আমরা বিজ্ঞাপন দিয়ে কর্মী নিয়োগ দিতাম। এ ছাড়া বিভিন্নজনের অনুরোধে অনেককে নিয়োগ দেয়া হতো। কিন্তু এখন ছাঁটাই করতে হচ্ছে।
সুপারশপ ব্যবসায় ধস : ১৩ বছরে ৬টি প্রতিষ্ঠান সুপারশপ ব্যবসায় এসেছে। ৩০ জন উদ্যোক্তা মিলে এই প্রতিষ্ঠানগুলো গড়ে তুলেছেন। দেশের মোট খুচরা ব্যবসায় এর হিস্যা মাত্র ২ শতাংশ। এক ডজনের বেশি আউটলেট রয়েছে মাত্র তিনটি প্রতিষ্ঠানের। জোরেশোরে শুরু করেও ব্যবসা গুটিয়ে নেয়ার নজির রয়েছে এখানে। বর্তমানে মন্দার কারণে ব্যবসাটি ছেড়ে দেয়ার কথাও ভাবছেন কেউ কেউ।
জানা গেছে, সুপারশপ ‘স্বপ্ন’-তে পুঁজি বিনিয়োগ করে বিপাকে পড়েছে এসিআই। প্রতিষ্ঠানের ঋণের কিস্তি পরিশোধে এসিআই গ্র“পের মুনাফার একটি অংশ ব্যয় হচ্ছে। এর প্রভাব পড়ছে গ্র“পের সার্বিক মুনাফায়। ব্যবসায়িক সংকটে রয়েছে আরেক সুপারশপ নন্দন। পাঁচটি আউটলেটের মধ্যে ধানমণ্ডির একটিই কেবল চালু আছে। বাকি সব আউটলেটই এখন বন্ধ।
সুপারশপ ব্যবসা সম্প্রসারণের প্রতিবন্ধকতা সম্পর্কে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ শিল্পের শুরুতেই বড় ধরনের বিনিয়োগ করতে হয়। পছন্দের জায়গায় ভবন ভাড়া নিয়ে বা ক্রয় করে এ ব্যবসা শুরু করা খুবই ব্যয়বহুল। পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে তাদের বড় অঙ্কের শুল্ক দিতে হচ্ছে। আর পণ্য বিক্রির ওপর ২ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করেছে সরকার। বিনিয়োগের তুলনায় মুনাফাও কম। বিনিয়োগের রিটার্ন পেতে অনেক সময় লাগে।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কোনো দলকে ক্ষমতায় বসাতে কাজ করে না যুক্তরাষ্ট্র : মজিনা

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1420)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
-
▼
2014
(9799)
-
▼
December
(1878)
-
▼
Dec 20
(62)
- দেশ অস্বাভাবিক অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে
- যৌনকর্মীরা সমাজের মূলধারায় সম্পৃক্ত হতে চান
- সাতকানিয়ায় বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ৬
- চট্টগ্রামে শতকোটি টাকার জায়গা বেদখল
- বগুড়ায় কিশোরীর সঙ্গে হ্যান্ডশেক করে প্রাণ হারাল কিশোর
- ৫ জানুয়ারির নির্বাচন নিয়ে একই অবস্থানে যুক্তরাষ্ট্র
- রাজপথ দখলে নামবে বিএনপি
- ২০২১ সালের মধ্যেই ভারতকে মুসলিম খ্রিস্টান মুক্ত কর...
- যুক্তরাষ্ট্র-কিউবা নতুন সম্পর্কের দশ জিজ্ঞাসা
- ফিদেল ক্যাস্ত্রো কোথায়?
- কার লাভ কার ক্ষতি স্বপ্ন সংশয়ে কিউবা
- ‘৫ই জানুয়ারির নির্বাচন নিয়ে স্টেট ডিপার্টমেন্টের অ...
- শাহজালালে অস্ত্রধারী ছাত্রলীগ কর্মী গ্রেপ্তার
- যৌন প্রতারণার ফাঁদে হাজারো পুরুষ
- পাঁচ বছর পর পিলখানায় প্রধানমন্ত্রী
- পার্বত্য অঞ্চলে ড. মিজানুর রহমানকে অবাঞ্চিত ঘোষনা
- নদীর জায়গায় তৈরি করা হচ্ছে পুকুর
- আধুনিক সান্তার রহস্য উপহার
- ৭ সন্তানসহ ৮শিশু খুন : ঘাতক মা আটক
- পাকিস্তানে ৮৫ জনের ফাঁসি চূড়ান্ত
- সুন্দরবনে আন্তর্জাতিক সংস্থার সুপারিশে পদক্ষেপ নেয়...
- ড. লিলন হত্যার মূল হোতা উজ্জ্বল ভারতে
- সিংড়ায় আলীগ-বিএনপি সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ ৩১
- ফিলিস্তিনের গাজায় ফের ইসরাইলি বিমান হামলা শুরু
- ২০০ কোটি টাকার সম্পত্তি দখল
- পাকিস্তানে স্কুলে হামলার পর ২ জঙ্গির ফাঁসি কার্যকর
- বিশেষ তদন্ত প্রস্তাব নাকচ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের
- বেচাকেনায় ধস
- কোনো দলকে ক্ষমতায় বসাতে কাজ করে না যুক্তরাষ্ট্র : ...
- সনিতে ‘সাইবার হামলার সমুচিত জবাব দেয়া হবে’
- অস্ট্রেলিয়ায় ৮ শিশুকে হত্যা, ‘মা’ গ্রেপ্তার
- বিমান হামলায় শীর্ষ কয়েক আইএস নেতা নিহত
- যেভাবে সুসম্পর্কের পথে যুক্তরাষ্ট্র ও কিউবা
- সেরে উঠছেন সোনিয়া
- ফিলিস্তিনের প্রস্তাবে সমর্থন দেবে না যুক্তরাষ্ট্র
- ৫০০ ছেলের প্রেমে পড়েছেন সোনম
- অভিনয় গান প্রযোজনা অতঃপর...
- ‘জিয়াউর রহমান ওয়ে’র পক্ষে আদালতের রায়
- ‘দুই প্রধান দলের কর্মকাণ্ড গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় বড় ...
- বিজয়ের মাসে অন্য এক কিসিঞ্জার by মহসীন হাবিব
- লিমা সম্মেলন থেকে কী পেল বিশ্ব by তারেক শামসুর রেহমান
- কর আহরণ ও প্রদানের সংস্কৃতি সমুন্নত হোক by ড. মোহা...
- কথা নিষিদ্ধ করা যায়, চিন্তা যায় না by মাহবুব কামাল
- সুন্দরবন বিপর্যয়ে সরকারের তীব্র সমালোচনা -ন্যাশনাল...
- যুক্তরাষ্ট্র-কিউবা ঐতিহাসিক নতুন যুগের সূচনা
- তেলে মাখা গাছপালা মারা যাওয়ার আশঙ্কা পরিবেশ ও বনমন...
- ভোজ্য তেলের দাম নিয়ে লুকোচুরি
- সুন্দরবনে ডুবে যাওয়া ট্যাংকার নিয়ে রহস্য
- ‘জগ্লুল আহ্মেদ চৌধূরী ছিলেন আপাদমস্তক দলনিরপেক্ষ...
- কোটচাঁদপুরের ব্র্যাক ব্যাংক কর্মকর্তা অপহরণ- দুই ল...
- পুলিশের ধরপাকড়ে ওসমানীনগরে আতঙ্ক by ওয়েছ খছরু
- অবরোধ-অসহযোগের মতো কর্মসূচি চায় জামায়াত by আহমেদ জ...
- কাকরাইল মসজিদ থেকে আটক তাবলীগের ২৪ কর্মী কারাগারে
- কান্না থামছে না পাকিস্তানে
- প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মজিনার সাক্ষাতের সম্ভাবনা কম
- সুন্দরবনের তেল অপসারণে সহায়তায় বিশেষজ্ঞ পাঠাবে জাত...
- হামিদ-মোদি বৈঠক, তিস্তা ও সীমান্ত চুক্তি সমাধানে আ...
- ‘গুলি করেই থামেনি, বুট দিয়ে হাতের আঙুল থেঁতলে দেয়া...
- দাম বাড়ছে গ্যাসের- এক চুলা ৭০০, দুই চুলা ৮০০ টাকা ...
- সিপিএ ও আইপিইউ পদ টাকায় কিনেছে সরকার: মঈন খান
- প্রেমে মজেছেন পুতিন
- আনফ্রেন্ড করলাম, এবার ব্লক -রুবেল-হ্যাপির ফোনালাপ
-
▼
Dec 20
(62)
-
▼
December
(1878)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...