Tuesday, May 14, 2019
সালমান এফ রহমানের সঙ্গে মার্কিন সহকারী বাণিজ্যমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

দেশে বিনিয়োগ উৎসাহিত করা এবং ব্যবসা সহজীকরণের লক্ষ্যে সরকার যেসব উদ্যোগ বা ব্যবস্থা নিয়েছে, যার মধ্যে উন্নততর ব্যবসায়িক ও বিনিয়োগ পরিবেশ, ডিজিটাইজেশন, অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য চালু হওয়া ‘ওয়ান স্টপ সার্ভিস’- এর কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন তিনি। এছাড়া ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত দেশে পরিণত করার লক্ষ্যে বৈদেশিক বিনিয়োগ আরও বেগবান করতে সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাসমূহও ব্যাখ্যা করেন উপদেষ্টা। মার্কিন সহকারী মন্ত্রী ইয়ান স্টেফ বাংলাদেশের অসাধারণ অগ্রগতির প্রশংসা করেন। তিনি বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমেরিকান কোম্পানিগুলোর মধ্যে যে ক্রমবর্ধমান আস্থা ও আশাবাদ বিরাজ করছে, তা উপদেষ্টাকে অবহিত করেন।
মন্ত্রী জানান, মার্কিন বহু কোম্পানি বাংলাদেশে বিনিয়োগ কিংবা বিদ্যমান ব্যবসা সমপ্রসারণে আগ্রহী। এক্ষেত্রে তিনি বাংলাদেশের জ্বালানী, অবকাঠামো, তথ্যপ্রযুক্তি, এলএনজি খাত বিশেষ করে ড্রেজিং-এ মার্কিন কোম্পানিগুলোর আগ্রহের কথা উল্লেখ করেন। স্টেফ বাংলাদেশে মার্কিন কোম্পানিগুলোর জন্য ই-কমার্স ও ব্যাংকিং সিস্টেম সংক্রান্ত কিছু চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করেন। তিনি মেধাস্বত্ব লঙ্ঘন ও নকল (কাউন্টার ফেইট) পণ্যের প্রসঙ্গও বৈঠকে উত্থাপন করেন। জবাবে উপদেষ্টা বলেন, স্বল্পোন্নত (এলডিসি) দেশের তালিকা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের উত্তরণ শেষে মেধাস্বত্ব বিষয়ক বিধি বিধান যথাযথ প্রতিপালনসহ পরিবর্তিত পরিস্থিতি মোকাবিলার উদ্দেশ্যে একটি স্থায়ী সেল গঠন করা হয়েছে। নকল পণ্যের বিষয়ে তিনি বলেন, এ ধরনের কোনো গুরুতর ঘটনা তার নজরে আসেনি। তবে তিনি প্রতিনিধিদলকে আশ্বস্ত করেন যে, পণ্য নকল করার যে কোনো ঘটনার বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষ যথাযথ ব্যবস্থা নেবে। দুই দেশের মধ্যে বিনিয়োগ ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও বৃদ্ধি পাবে বলে বৈঠকে উভয় পক্ষ দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বাণিজ্য সচিবের সঙ্গে বৈঠক
মার্কিন সহকারি মন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলটি বিকালে বাণিজ্য সচিব মো: মফিজুল ইসলামের সঙ্গে বৈঠক করেন। বিকাল ৩টা থেকে সোয়া ৪টা অবধি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ওই বৈঠক হয়। বৈঠকে বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়। বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষণে বাংলাদেশ সরকারের যেসব নীতি ও পলিসি গ্রহণ করেছে সচিব মার্কিন প্রতিনিধি দলকে সে বিষয়ে অবহিত করেন। এক প্রশ্নের জবাবে সচিব সন্ধ্যায় মানবজমিনকে জানান, বৈঠকে মার্কিন প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে তাদের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর আগ্রহ দেখিয়েছে, তারা এ সংক্রান্ত বাধাসমূহ দূরীকরণের তাগিদ দিয়েছে। জবাবে সরকারের বিনিয়োগ বান্ধব কর্মসূচী তুলে ধরে বলা হয়েছে এ অঞ্চলে মার্কিন বিনিয়োগের আকর্ষণীয় গন্তব্য হতে পারে বাংলাদেশ। সচিব আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের জিএসপি সুবিধা ফিরে পেতে যে ১৬টি শর্ত দেয়া হয়েছিল বাংলাদেশ তার সবই পূরণ করেছে বলে মার্কিন প্রতিনিধি দলকে অবহিত করা হয়। তবে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি দল জিএসপি পূণর্বহাল বা এ সংক্রান্ত যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান নিয়ে কোন মন্তব্য বা প্রতিক্রিয়া দেখায়নি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
উত্তরখানে মা ও দুই সন্তানের লাশ উদ্ধার: হত্যা না আত্মহত্যা নানা রহস্য by শুভ্র দেব

রোববার ঢাকার উত্তরখান থানা পুলিশ ময়নারটেকের চাপানেরটেক এলাকার একতলা বাড়ির ভেতর থেকে বন্ধ থাকা ঘর থেকে মা জাহানার বেগম মুক্তা (৫০) তার ছেলে কাজী মহিব হোসেন রশ্মি (৩০) ও মেয়ে আফিয়া সুলতানা মিমের (১৮) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশের উর্দ্ধতন কর্মকর্তার পাশাপাশি সেখানে ছুটে যান পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ক্রাইম সিন, র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব), মহানগর গোয়েন্দা সংস্থা (ডিবি) ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) কর্মকর্তারা। তারা প্রত্যকেই ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছেন। কিন্তু বদ্ধ ঘরের ভেতর থেকে একই পরিবারের তিন সদস্যের মরদেহ উদ্ধারের পর নানা রহস্য তৈরি হয়েছে। কেউ কেউ বলছেন তারা মানসিকভাবে হতাশাগ্রস্ত ছিলেন এ কারণে আত্মহত্যা করেছেন। আবার কেউ কেউ বলছেন, তাদেরকে দুর্বৃত্তরা হত্যা করেছে। উত্তর খানের চার কাঠার প্লট, প্রয়াত গৃহকর্তার পেনশনের টাকা ও পৈত্রিক সম্পত্তি এ ‘হত্যাকাণ্ডের’র পেছণের কারণ হতে পারে। এছাড়া আত্মীয় স্বজনদের অসহযোগিতার বিষয়টিও সামনে আনছেন কেউ। তবে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে গৃহকর্তার পেনশনের টাকা, ঢাকায় কোটি টাকার জমি, চাকরি পাওয়ার যোগ্য ছেলে সন্তান থাকার পরও কেন একটি পরিবারের সবাই ‘আত্মহত্যা’ করতে যাবে। তাই আত্মহত্যার বিষয়টি অনেকের কাছে বিশ্বাসযোগ্য মনে হচ্ছে না।
যদিও পুলিশ বলছে বহিরাগত কেউ তাদেরকে হত্যা করেনি। তারা নিজেদের মধ্যে এই কাণ্ড ঘটিয়েছে। প্রথমে দুজনকে হত্যা করে পরে একজন নিজেই আত্মহত্যা করেছে।
এদিকে গতকাল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিহত তিনজনের ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। ময়নাতদন্তে তাদেরকে হত্যা করার আলামত পেয়েছেন ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসকরা। ছেলে মুহিব হাসানকে গলা কেটে, মা জাহানারা বেগম মুক্তাকে শ্বাসরোধে ও মেয়ে তাসফিয়া সুলতানা মিমকে গলায় গামছা পেঁছিয়ে হত্যা করা হয়েছে। ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. সোহেল মাহমুদ বলেন, ময়নাতদন্ত করে আমরা জানতে পেরেছি ছেলেকে মারা হয়েছে গলা কেটে। তার গলায় আমরা আঘাতের জখম পেয়েছি। আর মা-মেয়েকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। মায়ের গলায় ও পেটে আঘাতের চিহ্ন পেয়েছি। তিনি বলেন, আলামত দেখে আমাদের মনে হচ্ছে তাদেরকে হত্যা করা হয়েছে। তাদের ভিসেরা সংগ্রহ করে ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া ক্রাইম সিন ভিজিট করে মরদেহগুলো কিভাবে কি অবস্থায় পড়ে ছিল, বা ঘরের পরিস্থিতি কিভাবে ছিল সেটা দেখলে বিস্তারিত জানা যাবে। তবে ৭২ ঘণ্টা আগে হত্যাকাণ্ডটি হয়েছে। এই কারণে অনেক আলামত নষ্ট হয়ে গেছে বলেও জানান এই ফরেনসিক চিকিৎসক।
উত্তরখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, প্রাথমিকভাবে আমাদের মনে হচ্ছে ছেলে কাজী মহিব হোসেন রশ্মি প্রথমে তার মা ও বোনকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে। পরে সে নিজেই গলায় বটি চালিয়ে আত্মহত্যা করে। ঘটনাস্থল থেকে আমরা একটি রক্তমাখা বটি উদ্ধার করেছি। ছেলেটির গলায় আঘাতের চিহ্ন দেখে আমরা নিশ্চিত হয়েছি ডান হাত দিয়ে বটি ধরে বাম দিক থেকে গলার নরম অংশে আঘাত করেছে। আর ভেতর থেকে দরজাও বন্ধ ছিল। সুতরাং সেখানে বহিরাগত কেউ এসে এমনটা ঘটায়নি। যদি বাইরে থেকে তালা মারা থাকত তবে বিষয়টি নিয়ে আলাদাভাবে চিন্তা করা যেত। তিনি বলেন, তাদের ঘর থেকে পুলিশ একটি চিরকুটও উদ্ধার করেছে। তাতে লেখা আছে আমাদের মৃত্যুর জন্য আমাদের ভাগ্য ও আত্মীয় স্বজনদের অবহেলাই দায়ী। মৃত্যুর পর আমাদের অর্থ-সম্পত্তি দাতব্য প্রতিষ্ঠানে যেন দান করা হয়। আলাদাভাবে মা ছেলে এই লেখাটি লিখে নিচে তাদের নামও লিখেছেন।
পুলিশের তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, নিহতদের আত্মীয় স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে আমরা জানতে পেরেছি ছেলে-মেয়ে ও সংসার নিয়ে জাহানারা বেগম খুবই হতাশায় ভুগছিলেন। হতাশায় কেন ভুগছিলেন আর কেনই বা এমনটা ঘটালেন আমরা সেই তদন্তও করছি। সেখানে তিনটি কারণকে প্রাধান্য দিচ্ছি। প্রথমত, স্বামীর মৃত্যুর পর তার পেনশনের টাকা তোলার সময় আত্বীয় স্বজন কারো কোন সহযোগীতা না পাওয়া। ওই সময়টা তাদের খুব খারাপ অবস্থায় গেছে। দ্বিতীয়ত, মেয়েটা ছিল বুদ্ধি প্রতিবন্ধী। তার ভবিষ্যৎ ও বিভিন্ন অস্বাভাবিক কর্মকাণ্ডে জাহানারা বেগম খুবই চিন্তাগ্রস্ত ছিলেন। এছাড়া ছেলেটি অনেক দিন ধরে বেকার ছিলেন। আত্মীয়-স্বজন ভালো অবস্থানে থাকার পরও কেউ সহযোগীতা করেননি। পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, চলতি মাসেই জাহানারা বেগম ছেলে-মেয়েকে নিয়ে চাপানেরটেকের ওই এক তলা বাড়িতে ভাড়ায় উঠেন। এর আগে তারা কাফরুলের একটি বাসায় ভাড়ায় থাকতেন। জাহানারা বেগমের স্বামী ইকবাল হোসেন পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা ছিলেন। অবসরে যাওয়ার পর তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।
নিহত জাহানার বেগমের বাড়ি কুমিল্লার তিতাস উপজেলার বাড়ি কান্দিতে। তার বাবার নাম জহির উদ্দিন আহমেদ। ছেলে মহিব হোসেন রশ্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করেছেন। ৪০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন তিনি। মেয়ে তাসফিয়া সুলতানা মিম মানসিক প্রতিবন্ধি ছিল। পুলিশ সূত্র বলছে, জাহানারা স্বামীর মৃত্যুর পর দুই সন্তানকে নিয়ে ঢাকার কাফরুলের একটি বাসায় থাকতেন। কিন্তু সেখান থেকে প্রতিবেশীদের অসহযোগিতার কারণে আড়াই মাস আগে চলে যান ভৈরবের গ্রামের বাড়িতে। পরে রমজানের প্রথম দিকে ফের ঢাকা এসে তারা উত্তরখানের ওই বাসায় উঠেন। উত্তরখান এলাকায় তাদের চার কাঠার একটি জমি আছে। ওই জমিতেই একটি টিনশেড বাড়ি করার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু রোববার ইফতারের পর স্থানীয় লোকজন ওই বাসা থেকে পঁচা দুর্গন্ধ পেয়ে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ এসে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়।
উত্তরখানের যে বাসায় জাহানারা তার সন্তান নিয়ে থাকতেন ওই বাসার কেয়ারটেকার মাহবুব আলম বলেন, চলতি মাসেই তারা বাসায় উঠেছিলেন। বৃহস্পতিবার জাহানারা বেগম তার মেয়েকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে যাওয়ার সময় দেখা হয়েছিল। শনিবার বিকালে তাদের এক আত্মীয় আমাকে ফোন দিয়ে বলেন, তাদের খোঁজ খবর নেন। তিনি নাকি তাদেরকে ফোনে পাচ্ছেন না। তখন তাদের ঘরের সামনে গিয়ে দেখি ভেতর থেকে দরজা বন্ধ। তবে ঘরের একটি জানালা কিছুটা খোলা ছিল। ভেতরে গিয়ে দেখি রুমের ভেতর লাইট জ্বলছে আর ফ্যান ঘুরছে। পুরো জানালা খুলে দেখি মেঝের মধ্যে ছেলে পড়ে আছে আর মা মেয়ে খাটের মধ্যে। তারপর খবর দিলে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে। মাহবুব আরও বলেন, তাদের কোন আত্মীয়-স্বজন কাউকে কখনও আসতে দেখি নাই। নান্টু মিয়া নামের এক স্বজন বলেন, বৃহস্পতিবার তাদের সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলাম। এসে শুনি তারা ডাক্তারের কাছে গেছেন। শুক্রবার তাদেরকে ফোন করলে তারা ফোন ধরে নাই। নিহত জাহানারার দেবর মো. হাসান উল্লাহ বলেন, ভাই ছাড়া ভাবীর পরিবারের কেউ চাকরি করতেন না। ভাতিজাটাও বেকার ছিল আর মেয়েটা শারীরিক প্রতিবন্ধি ছিল। তার ভবিষ্যৎ নিয়ে সবাই খুব টেনশনে ছিল।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হাসপাতাল থেকে কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারে নেয়া হবে খালেদাকে -বিবিসিকে আইনমন্ত্রী

এতে বলা হয়েছে, কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে একটি নবনির্মিত ভবনকে অস্থায়ী আদালত হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিট্যাবল ট্রাস্ট মামলায় দণ্ডাদেশ পাওয়া বিএনপি প্রধান এখন ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, খালেদা জিয়াকে কেরানীগঞ্জ কারাগারে স্থানান্তরের ব্যাপারে চিকিৎসকদের ছাড়পত্রের নির্ভর করা হবে।
খালেদা জিয়াকে কবে নাগাদ কেরানীগঞ্জ কারাগারে স্থানান্তর করা হতে পারে?
এমন প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, " তাঁর চিকিৎসা হচ্ছে। ডাক্তার যখন বলবে যে তাঁর চিকিৎসা সম্পন্ন হয়ে গেছে, তখন তাঁকে নিয়ে যাওয়া হবে।"
আইনমন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়ার সবগুলি মামলা বিশেষ আদালতে ছিল। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের পাশেই। খালেদা জিয়া দোষী সাব্যস্ত করার আগে থেকেই কেন্দ্রীয় কারাগারের পাশে বিশেষ আদালত স্থানান্তর করে তাঁর বিচার কাজ চলছিল।
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে যেহেতু কেরানীগঞ্জে চলে গেছে সেজন্য সেখানে বিচারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
কিন্তু হাসপাতাল থেকে কারাগারে নেয়ার প্রক্রিয়া শুরু হলে খালেদা জিয়ার কি কোন স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি তৈরি হতে পারে?
আইনমন্ত্রী বলেন, " আমরা তো এমন কোন কথা বলি নাই যে কালকেই নিয়ে যাব, কালকেই বিচার শুরু হবে। ডাক্তাররা যতক্ষণ পর্যন্ত ছাড়পত্র না দেবে, ততক্ষণ পর্যন্ত তো আমরা বলি নাই যে তাকে জোর করে নিয়ে যাওয়া হবে।"
ডাক্তারদের ছাড়পত্রের উপর ভিত্তি করে খালেদা জিয়াকে কেরানীগঞ্জ কারাগারে নিয়ে যাওয়া হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, কেরানীগঞ্জ কারাগারের ভেতরে আদালত বসানো হয়েছে এবং সেখানেই খালেদা জিয়ার বিচার হবে।
খালেদা জিয়াকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তার কি বিশেষ কোন ঝুঁকি তৈরি হয়েছে?
এমন প্রশ্নের উত্তরে আইনমন্ত্রী বলেন, " ঝুঁকিপূর্ণ থাক আর না থাক, আমরা কোন ঝুঁকি নিতে চাইনা। ঝুঁকিপূর্ণ এমন কোন তথ্যাদি আমাদের কাছে নাই। কিন্তু আমরা সব ব্যাপারেই সিকিউরিটি কনসার্ন।"
তিনি বলেন, ঝুঁকি তৈরি হতে পারে এরকম কোন পরিস্থিতির সম্মুখীন সরকার হতে চায়না।
আইনমন্ত্রী বলেন, বিচারের সুবিধার্থে এবং নিরাপত্তার বিবেচনায় কেরানীগঞ্জে ইতোমধ্যে একটি ভার্চুয়াল কোর্ট তৈরি করা হয়েছে।
"সরকার যে ই-জুডিশিয়ারি স্থাপন করছে সেখানে একটি বিধান রাখা হচ্ছে যাতে হাই সিকিউরিটি কারাবন্দীরা কারাগার থেকে সাক্ষ্য দিতে পারে। সে কারণে কেরানীগঞ্জে কারাগারের ভেতরে আদালত স্থাপন করা হয়েছে," বলছিলেন আইনমন্ত্রী।
তিনি বলেন , ঢাকা শহরের ভেতরে বর্তমানে কোন কেন্দ্রীয় কারাগার নেই। যেহেতু কেন্দ্রীয় কারাগারটি কেরানীগঞ্জে স্থানান্তর করা হয়েছে সেজন্য খালেদা জিয়াকেও সেখানে স্থানান্তর করা হবে।
"খালেদা জিয়া একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামি। ওনাকে মুভ করার জন্য আগেও একটা স্পেশাল কোর্ট ছিল জেলখানার কাছে," বলছিলেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।
সূত্র : বিবিসি
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শরীয়তপুরের চার যুবক নিখোঁজ: ঋণ করে, জমি বেচে দালালদের টাকা দিয়েছিল ওরা

নিখোঁজ ওই চার যুবক হলেন- নড়িয়া উপজেলার ভূমখাড়া ইউনিয়নের পাটদল গ্রামের মৃত হাসেম মোল্যার ছেলে সুমন মোল্যা (২৬), দক্ষিণ চাকধ গ্রামের গৌতম দাসের ছেলে উত্তম দাস (২৩), হারুন হাওলাদারের ছেলে জুম্মান হাওলাদার (১৯) ও চাকধ গ্রামের মোর্শেদ আলী মৃধার ছেলে পারভেজ মৃধা (২২)। ওই নৌকায় থাকা দক্ষিণ চাকধ গ্রামের আলাউদ্দিন মকদমের ছেলে শিশির মকদম (২২) ও শিশিরের মামা নলতা গ্রামের মিন্টু মিয়া (৩০) তিউনিশিয়ার একটি আশ্রয় কেন্দ্রে আছেন।
ওই যুবকরা গতবছর রমজানের সময় স্থানীয় মানবপাচারকারী সদস্য কেদারপুর গ্রামের আক্কাছ মাদবরের সঙ্গে লিবিয়া যান।
নিখোঁজ যুবকদের পরিবারের সদস্যরা জানান, গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে তিউনিশিয়ার উপকূলের কাছে ভূমধ্যসাগরে অভিবাসীবাহী একটি নৌকা ডুবে যায়। ওই নৌকায় শরীয়তপুরের বেশ কয়েকজন যুবক ছিল। স্থানীয় মানবপাচারকারী দলের সদস্য আক্কাছ মাদবরের সঙ্গে ওই যুবকদের চুক্তি হয় লিবিয়া পৌঁছে দেয়ার জন্য। লিবিয়া পৌঁছে দিতে প্রত্যেকের কাছ থেকে ৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা করে নেয়া হয়েছে। লিবিয়া থেকে ইতালি পৌঁছে দেয়ার জন্য মাদারীপুরের অলিল হোসেন নামের এক দালালের সঙ্গে ওই যুবকদের চুক্তি হয়। তাকে দিতে হয়েছে প্রত্যেক যুবকের ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা। আলাল হোসেন ওই যুবকদের ইতালি পৌঁছে দেয়ার জন্য নৌকায় তুলে দেন।
রোববার দুপুরে নড়িয়ার দক্ষিণ চাকধ গ্রামের উত্তম দাসের বাড়ি গিয়ে দেখা যায়, ঘরের বারান্দায় বসে মা কবিতা রানি বিলাপ করছেন। আর বারবার মূর্ছা যাচ্ছিলেন। স্বজনরা সান্ত্বনা দেয়ার চেষ্টা করছেন। বিলাপ করতে করতে কবিতা বলছিলেন, আমার মানিকরে তোমরা আইন্না দেও। ও আইয়ে পাস করছে, ওরে কইছিলাম বিদেশ যাওনের দরকার নাই। দেশেই পড়ালেখা করে চাকরি করো। আমার কথা কেউ হোনে নাই। বড়লোক হওনের নেশায় ছেলেটারে হারাইলাম।
নিখোঁজ পাটদল গ্রামের সুমন মোল্যার বোন আঁখি আক্তার বলেন, আমাদের বাবা-মা নেই। গরিব মানুষ, এনজিও থেকে ঋণ তুলে টাকা ব্যবস্থা করে ভাইকে বিদেশ পাঠাইছিলাম। দালাল কইছিল এক মাস লিবিয়া থাকন লাগব। তারপর ইতালি যাইতে পারবো। কিন্তু এক বছর আগে ওরা যাওয়ার পর আর দালালকে পাই নাই। যে নৌকা ডুবে যায় ওই নৌকায় এলাকার শিশির মকদম ছিল। সে শুক্রবার রাতে ফোন করে নৌকা ডুবে যাওয়ার খবর জানান। তার কাছে ভাইয়ের নিখোঁজ হওয়ার খবর শুনতে পাইছি।
নিখোঁজ দক্ষিণ চাকধ গ্রামের জুম্মান হাওলাদারের বাবা হারুন হাওলাদার বলেন, জমি বিক্রি করে গত রমজানে দালাল আক্কাছ মাদবরের কাছে পাঁচ লাখ টাকা দেই। এক মাসের মধ্যে ইতালি পৌঁছে দেয়ার কথা। এর পর লিবিয়া থেকে ছেলে মাঝেমাঝে ফোন করে জানাতো দালালরা ওদের নির্যাতন করতো। পুনরায় আবার আড়াই লাখ টাকা পাঠাইছি। এখন আমার ছেলেটাই সাগরে ডুবে গেল।
শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের বলেন, এভাবে প্রবাসে যাওয়ার জন্য জীবনের ঝুঁকি নেয়া দুঃখজনক। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে। আমরাও নিখোঁজ যুবকদের বিষয়ে তথ্য জানতে মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ রাখছি। আর ওই যুবকদের পরিবার যদি দালালের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন তা হলে আইনগত পদক্ষেপ নেয়া যাবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভূমধ্যসাগর ট্র্যাজেডি: আমার সঙ্গে দুই ভাই ছিল বাঁচাতে পারিনি

অনেক চেষ্টার পর বিবিসি বাংলা তিউনিসিয়ার রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির একজন কর্মকর্তা মঞ্জি স্লেমের মাধ্যমে এই বাংলাদেশিদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে সক্ষম হয়। টেলিফোনে আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা দুজন বাংলাদেশি বিবিসির কাছে বর্ণনা করেছেন, কী ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার ভেতর দিয়ে তাদের যেতে হয়েছে, কীভাবে সাগরে মৃত্যুর মুখ থেকে তারা ফিরে এসেছেন:
সিজুর আহমেদ, সিলেট
ঢাকা থেকে দুবাই। দুবাই থেকে ত্রিপোলি। ছয় মাস আগে যাত্রা শুরু করি। দালাল ধরে আসি। দালাল বলেছিল যে, লিবিয়া থেকে লোকজন আবার ইটালি যাচ্ছে, তুমি কি যেতে চাও? বলেছিল, ওখানে লাইফ অনেক ভালো। আমি জমি বন্ধক রেখে সাত লাখ টাকা জোগাড় করে এখানে আসি। আমার সঙ্গে আমার মামাতো ভাই ও খালাতো ভাইও ছিল। ওরা সাগরে মারা গেছে আমার চোখের সামনে। আমি দক্ষিণ আফ্রিকায় ছিলাম। সেখান থেকে বাংলাদেশে এসে বেকার হয়ে পড়ি। দক্ষিণ আফ্রিকায় থাকতে চাইনি। একদিন আমার চোখের সামনে আমার সামনের দোকানের লোক মারা গেল। ওর দোকানের মাল লুটপাট করে নিয়ে গেল। ভয়ে চলে আসলাম। লাইফে অনেক রিস্ক। সাগর পাড়ি দিতে যে কোনো ঝুঁকি আছে, দালাল আমাদের সেটা বলেনি। বলেছে, অনেক ভালো সুবিধা, অনেক ভালো লাইন হয়েছে। বলেছে জাহাজে করে একেবারে ইটালিতে পৌঁছে দেবে। কীসের জাহাজ? আমাদের অনেক কষ্ট দিয়েছে। তিন মাস রাখছে একটা রুমে, ৮২ জন বাঙালি। একটা টয়লেট। আমাদের ঠিকমতো খেতে দেয় না। তিন দিনে একদিন খাবার দেয়। মারধর করে। গোসল করি নাই তিন মাস।
আমরা ছিলাম দেড়শ’ লোক। একটি মাছ ধরার ট্রলারে করে আমাদের মধ্যসাগরে নিয়ে যায়। সেখান থেকে ছোট নৌকায় তোলা হয়। দুটা নৌকা ছিল। একটা নৌকা শুনেছি ইটালি চলে গেছে। একটা নৌকায় তোলা হয়েছিল ৬০ জন। আর আমাদের নৌকায় তুলেছিল ৮০ জনের ওপরে। ছোট নৌকাটি পাঁচ আঙুল পানির ওপর ভেসে ছিল। ঢেউ উঠার সঙ্গে সঙ্গে নৌকা উল্টে গেছে। এরপর আমরা সাগরের পানিতে আট ঘণ্টা সাঁতার কেটেছি। যে নৌকাটি উল্টে যায়, সেটি ধরে আমরা ভেসে ছিলাম।
আমরা যে ৮০ জনের মতো ছিলাম, প্রতি পাঁচ মিনিটে যেন একজন করে লোক হারিয়ে যাচ্ছিল। এভাবে একজন একজন করে অনেক লোক হারালাম। ৮০ জন থেকে আমরা রইলাম আর অল্প কয়েকজন। সকাল হওয়ার পর দেখলাম আমরা মাত্র ১৪/১৫ জন লোক বেঁচে আছি। তখন হঠাৎ দেখি একটা মাছ ধরার ট্রলার। আমাদের মনে হলো আল্লাহ যেন আমাদের জন্য ফেরেশতা পাঠিয়েছে। আর যদি দশ মিনিট দেরি হতো আমরা সবাই মারা যেতাম। আমাদের হাত পা আর চলছিল না।
আমরা সবাই মিলে ‘হেল্প, হেল্প’ বলে চিৎকার করছিলাম। তারপর ওরা এসে আমাদের উদ্ধার করে। আমি এখন ভাবছি, এখান থেকে দেশে ফিরে গিয়ে কী করবো? দেশে তো অনেক টাকা-পয়সা লোকসান করে এসেছি। পরিবারকে পথে বসিয়ে এসেছি। এখন কোন মুখে দেশে যাব।
মাহফুজ আহমেদ, গোলাপগঞ্জ, সিলেট
ডিসেম্বর মাসের ১২ তারিখে আমি রওনা দেই। বাংলাদেশ থেকে প্রথম দুবাই যাই। সেখান থেকে আম্মান। সেখান থেকে আবার যাই তুরস্ক। তারপর তুরস্ক থেকে লিবিয়ার ত্রিপোলি। আমার আপন দুই ভাইও আমার সঙ্গে ছিল। আমরা দালালকে জনপ্রতি নয় লাখ টাকা করে দিই। আমার এই দুই ভাইকে বাঁচাতে পারিনি। ওরা মারা গেছে।
আমরা বুঝতে পারিনি এই পথে এত বিপদ। দালাল বলেছিল, মাছের জাহাজে করে সুন্দরভাবে আমাদের নিয়ে যাবে। আমরা অনেক টাকা খরচ করেছি। তিন ভাই মিলে ২৭ লাখ টাকা। জমি বিক্রি করে, আত্মীয়স্বজনের কাছে থেকে এই টাকা জোগাড় করি। এখন তো এই ভুলের মাশুল আর দিতে পারবো না। এখন আমি দেশে চলে যেতে চাই।
যে দালালের মাধ্যমে আমরা আসি, তাকে আগে থেকে চিনতাম না। সিলেটে সাইফুল নামে এক লোক, সে আমাদের পাঠিয়েছে। বাকি দালালরা লিবিয়ায়। এরা সবাই বাংলাদেশি। এরা লিবিয়ায় থাকে। একজন দালালের নাম রুম্মান। একজনের নাম রুবেল। আরেকজনের নাম রিপন। এদের বাড়ি নোয়াখালী। এই দালালদের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। তাদের ক্যাম্পেও আমরা ছিলাম। সেখানে আরও একশ-দেড়শ’ বাংলাদেশি এখনো আছে। সিলেট, হবিগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া, মাদারীপুর, ঢাকা- বিভিন্ন জায়গার লোক আছে সেখানে। এদের সঙ্গে আবার অন্য দেশের দালালরাও ছিল। আমার ধারণা, যে পরিস্থিতির শিকার আমরা হয়েছি, কয়েক মাস পর এই বাংলাদেশিরাও সেরকম অবস্থায় পড়বে।
আমি বাংলাদেশ সরকারকে এটা বলতে চাই, আমাদের যেন বাংলাদেশে ফিরিয়ে নেয়। আমাদের যেন দেশে ফিরিয়ে নিয়ে সাহায্য করে।
সূত্র: বিবিসি
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যে কারণে বাড়লো কলার দাম by মো.নজরুল ইসলাম

ভোক্তারা বলছেন, এমন চড়া দামে কলা বিক্রি দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষদের হাতের নাগালের বাইরে চলে গেছে। অভিযোগ করে বলছে, দিনের বেলা বাজার থেকে দুষ্প্রাপ্য হয়ে গেছে কলা। অর্থাৎ কলা নিয়ে কারসাজিতে মেতে উঠেছে কিছু অসাধু ব্যবাসায়ী।
প্রতিদিন সকাল থেকে ইফতারের আগ পর্যন্ত টাঙ্গাইলের মধুপুরসহ জেলার অন্যান্য বাজারগুলোতে পাওয়া কলা পাওয়া গেলেও দাম তুলনামূলক অনেক বেশী । দিনের শুরুতে হাট-বাজারে কেনাকাটা করতে এসে বাজারে কলা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন সাধারণ ক্রেতারা। তবে ইফতারের ২ ঘণ্টা আগে বাজারে আসছে কলা। আর সেই সময়ে হুমড়ি খেয়ে ক্রেতারা চড়া দামেই কিনছেন কলা। এসময় অসাধু ব্যবসায়ীরা চড়া মূল্যে বিক্রি করছেন কলা।
সম্প্রতি সরেজমিন দেখা যায়, মধুপুর উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে ভোক্তাদের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। গত শনিবার ও রোববার উপজেলার পৌরবাজার, চাপড়ি বাজার, শালিকা বাজার, জয়নাতলী ও আশ্রা বাজারসহ উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে কলা ব্যবসায়ীদের এমন কারসাজি করতে দেখা যায়। যার কারণে দরিদ্র ও নিম্ন দায়ের মানুষ তাদের ক্রয় ক্ষমতার বাহিরে চলে গেছে।
চাপড়ি হাটের কলা ব্যবসায়ী মো. আ: সালাম জানান, এবার কলা চাষ কম হয়েছে। অন্য দিকে খরচও ব্যাপক। যার জন্য দামও বেশী। মধুপুর থেকে গোবিন্দাসী হাটে আসা পাইকারি বিক্রেতা মো. জয়নাল শেখ জানান, কলা বাগানের মালিকদের কাছ থেকে চড়া দামে কলা কিনতে হয়। জলছত্র বাজারে দালাল, খাজনা ও পরিবহন খরচও বাড়তি। যার কারণে চড়া দামেই বিক্রি করতে বাধ্য হই।
মসজিদে ইফতারের জন্য গারোহাটে কলা কিনতে আসা মো.আবুল হোসেন জানান, রোজার আগে কলার দাম ছিল ১২ থেকে ২০ টাকা হালি। এখন রোজাকে কেন্দ্র করে তা বৃদ্ধি পেয়ে দ্বিগুণ। প্রশাসনের হাট-বাজারগুলো মনিটরিং না করায় সুযোগ নেয় অসাধু কলা ব্যবসায়ীরা। সুজনের জন্য সুনাগরিক এর সভাপতি ও অধ্যাপক মির্জা মহিউদ্দিন বলেন- পবিত্র মাহে রমজান মাস কে কেন্দ্র করে অসাধু কলা ব্যবসায়ীরা অতিমুনাফা লাভের আশায় তারা কলার দাম দ্বিগুণ বেশী নিচ্ছে। রমজান মাসে প্রশাসন যদি নিয়মিত মনিটরিং করত তাহলে ভোক্তাদের ভোগান্তি কম হতো।
ভোগ্য পণ্য মূল্য বৃদ্ধির বিষয়ে জানতে চাইলে মধুপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাসলিমা আহম্মেদ পলি জানান, রমজান মাসজুড়ে সাধারণ মানুষদের নিত্য প্রয়োজনীয় ভোগ্য পণ্য সামগ্রীর দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য উদ্দ্যোগ নেয়া হচ্ছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মিয়ানমারে সাংবাদিক হয়রানি, পালিয়ে বেড়াচ্ছেন একজন প্রধান সম্পাদক

সিপিজের রিপোর্টিংয়ে দেখা গেছে সশস্ত্র লড়াইয়ের খবর কাভারেজ দেয়ার বিষয়কে গলাটিপে ধরতে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ মাঝে মাঝেই ব্যবহার করে ‘আনলফুল এসোসিয়েশন অ্যাক্ট’। উল্লেখ্য, পশ্চিমাঞ্চলীয় রাখাইন রাজ্যের রাজনীতি, সমাজ ব্যবস্থা ও নিরাপত্তা নিয়ে নিয়মিত রিপোর্ট করে ডেভেলপমেন্ট মিডিয়া গ্রুপ। ওই রাখাইনেই বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে লিপ্ত রয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী। তারা নৃশংসতা চালিয়ে প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা মুসলিমকে দেশছাড়া করেছে। তারা এখন নির্মম অবস্থায় বসবাস করছে বাংলাদেশে।
সিপিজের দক্ষিণপূর্ণ এশিয়া বিষয়ক সিনিয়র প্রতিনিধি শন ক্রিসপিন বলেন, মিয়ানমারে সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতার এমন অবনতি হয়েছে যে, এখন একজন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার এড়ানোর জন্য আত্মগোপন করতে হচ্ছে। তার বিরুদ্ধে ‘আনডিসক্লোজড’ বা অজ্ঞাত অভিযোগ আনা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, সাংবাদিক অং মার্ম ও’র বিরুদ্ধে অবিলম্বে হয়রানি বন্ধ করা উচিত মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের। একই সঙ্গে কোনো প্রতিশোধের আতঙ্কমুক্ত হয়ে অব্যাহতভাবে রিপোর্ট করতে দেয়া উচিত তার নিরপেক্ষ মিডিয়া গ্রুপকে।
এরই মধ্যে সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রিত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে স্পেশাল ব্রাঞ্চ পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করেছে অং মার্ম ও’র সহকর্মী ও তার পরিবারের সদস্যদের। এর মধ্যে রয়েছেন তার স্ত্রী, মা, ভাই। তাদের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে অং মার্ম কোথায় আছেন। ইমেইলের মাধ্যমে এসব কথা সিপিজে’কে জানিয়েছেন তিনি। তিনি আরো বলেছেন, এ মাসের শুরুতে তার বাড়ি তল্লাশি করেছে পুলিশ। ওই সময়ে সামান্যর জন্য তিনি গ্রেপ্তার এড়াতে পেরেছেন।
অং মার্ম ও বলেছেন, ৫ ও ৬ মে সিতওয়ের এক নম্বর পুলিশ স্টেশনে এ মামলায় পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ডেভেডলমেন্ট মিডিয়া গ্রুপের সাংবাদিক নাই উইন সান এবং থেট নাইংকে। এসব জিজ্ঞাসাবাদের সময় কোন খবর বা কি অপরাধের জন্য এসব করছে সে বিষয়ে ইঙ্গিত দেয় নি পুলিশ।
মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর জনসংযোগ বিষয়ক শাখা দ্য ট্রু নিউজ ইনফরমেশন টিমের সঙ্গে তাদের মন্তব্যের জন্য ফোন করে সিপিজে। কিন্তু তারা কোনো জবাব দেয় নি। মিয়ানমারে মিডিয়া বিষয়ক যেকোনো বিরোধ মীমাংসার জন্য নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান মিয়ানমার প্রেস কাউন্সিল। তাদের কাছে এ মামলায় হস্তক্ষেপ চেয়ে ৮ই মে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন অং মার্ম ও। তিনি বলেছেন, আজ অবধি ওই পরিষদ এ চিঠির কোনো জবাব দেয় নি।
মিয়ানমারের সংবাদ মাধ্যমের ওপর ক্রমশ বাড়ছে সেনাবাহিনীর চাপ। তার একটি উদাহরণ হলো অং মার্ম ও। এ ছাড়া ১লা এপ্রিল দ্য ইরাবতী পত্রিকার বার্মিজ ভাষা সংস্করণের সম্পাদক ইয়ি নি’র বিরুদ্ধে অনলাইনে মানহানীর ফৌজদারি অভিযোগ দায়ে করেছে। এই অভিযোগ করা হয়েছে টেলিযোগাযোগ বিষয়ক আইনের ৬৬(ডি) ধারার অধীনে। এর আওতায় দু’ বছরের জেল হওতে পারে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাজা থেকে দৈনিক ১,০০০ ক্ষেপণাস্ত্র ছুটে আসতে পারে: ইসরাইল
ইসরাইলি ওয়েব সাইট 'ওয়ালা' জানিয়েছে, ইসরাইলি সামরিক বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘ গবেষণার পর নিশ্চিত হয়েছেন ভবিষ্যতে নতুন কোনো যুদ্ধ শুরু হলে গাজার হামাস ও ইসলামি জিহাদের পক্ষ থেকে প্রতিদিন এক হাজার ক্ষেপণাস্ত্র তাদের দিকে ছুটে আসবে।
এছাড়া গাজা থেকে ট্যাংক বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও বেলুন বোমার মোকাবেলাও করতে হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন ইসরাইলের সেনাবাহিনীর দক্ষিণাঞ্চলীয় কমান্ডের প্রধান মেজর জেনারেল হেরযি হালেভি। তিনি বলেছেন, তার বাহিনী এ ধরণের অস্ত্র মোকাবেলার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।
সাম্প্রতি সংঘাতের সময় ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস প্রথমবারের মতো ড্রোনের সাহায্যে ইসরাইলে হামলা চালিয়েছে। ইসরাইলি গণমাধ্যম বলছে, হামাসের ড্রোন থেকে ইসরাইলি সেনাবহরে একটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি স্পষ্ট নয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভানুয়াতুতে পাচার হওয়া ১০১ বাংলাদেশীকে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া

এতে আরো বলা হয়েছে, গত মাসে প্রত্যাবর্তন প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনার জন্য ভানুয়াতু যান বাংলাদেশী এক কূটনীতিক। স্থানীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে তিনি ওইসব বাংলাদেশীর কয়েকজনের সঙ্গে সাক্ষাত করেন। এ তথ্য দিয়েছেন বাংলাদেশী অভিবাসীদের প্রতিনিধি শাহিন খান ও অভিবাসন বিষয়ক একজন কর্মকর্তা।
ক্যানবেরায় বাংলাদেশ হাই কমিশনের একজন সেক্রেটারি নাহিদ আফ্রোজ। তিনি ইমেইলে জানিয়েছেন, ‘ইরেগুলার’ অবস্থায় থাকা ওইসব মানুষকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছি আমরা। আমরা মানব পাচার ও চোরাচালানে কোনো অবস্থায়ই প্রণোদনা দিতে পারি না।
ভানুয়াতুর অভিবাসন বিষয়ক কর্মকর্তা স্টিফেন উইলি বলেছেন, এসব বাংলাদেশীর অনেকের ভিসা ও ভ্রমণ সংক্রান্ত কাগজপত্রের মেয়াদ এরই মধ্যে শেষ হয়ে গেছে। যাদের মেয়াদ আছে, তাও অল্প সময়ের মধ্যে মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে যাবে। তিনি এক সাক্ষাতকারে বলেছেন, আমরা বুঝতে পারছি, এটি একটি মানবিক ইস্যু। তাই যতটা সম্ভব তাদেরকে আমরা সহায়তা করে যাচ্ছি। একই সঙ্গে তাদেরকে বাংলাদেশে ফিরে যেতে সহায়তা করছি। তিনি আরো বলেন, কয়েকজন বাংলাদেশী অভিবাসীকে ভানুয়াতুতে রেখে দেয়া হবে হাইকোর্টে চলমান বিচারের প্রত্যক্ষদর্শী বা সাক্ষী হিসেবে। কিন্তু ডকুমেন্টের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর তাদের বেশির ভাগকেই চলে যেতে হবে।
ওদিকে দেশে প্রত্যাবর্তনের প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছেন আটক ওইসব বাংলাদেশী। তারা বলছেন, বাংলাদেশে তাদের প্রচুর ঋণ আছে। দেশে ফিরলে ‘লোন শার্ক’ বা ঋণদাতাদের টার্গেটে পড়বেন তারা। শাহিন খানের দেয়া একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, আটক ওই ১০১ জন বাংলাদেশীর মধ্যে মাত্র ১৪ জন দেশে ফিরতে রাজি হয়েছেন। ওদিকে কাজ হারানো ও নির্যাতনের কারণে অভিবাসীরা ১৮ লাখ ডলার করে ক্ষতিপূরণ চেয়েছেন। শাহিন খান বলেন, ক্ষতিপূরণ না দেয়া পর্যন্ত আমরা আমাদের অবস্থান পরিবর্তন করবো না। কারণ, আমরা প্রচুর অর্থ হারিয়েছি। দেশে আমাদের অবস্থা অত্যন্ত বাজে। তিনি বলেন, দেশে ফিরলে বাংলাদেশ তাদেরকে কোনো পাওনা বা কাজ দেবে না। তাই তারা ওই ক্ষতিপূরণ চান ভানুয়াতুর কাছে।
শাহিন খান বলেছেন, গতমাসে তাদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে গিয়েছিলেন বাংলাদেশী কূটনীতিক নাহিদ আফ্রোজ। এ সময় তিনি তাদের সঙ্গে রুক্ষè আচরণ করেন বলে অভিযোগ তার। শাহিন খান বলেছেন, তিনি আমাদের দাবিকে প্রত্যাখ্যান করেছেন। বলেছেন, তাদেরকে দেশে ফিরতে হবে, না হয় মরতে হবে ‘উইদাউট কেয়ার’। এ অভিযোগের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেন নি নাহিদ আফ্রোজ। এসব অভিবাসীকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার বিষয়েও তিনি ইমেইলে কোনো প্রশ্নের উত্তর দেন নি। এ অবস্থায় স্টিফেন উইলি মনে করেন না, ভানুয়াতু সরকার এসব ব্যক্তিকে কোনো অর্থ পরিশোধ করবে না।
ওদিকে ভানুয়াতু সরকারের বিরুদ্ধেও অভিযোগ করেন শাহিন খান। তিনি বলেন, সরকার থেকে রেশন করে যে খাবার দেয়া হয় তা দিন দিন কমিয়ে দেয়া হচ্ছে। তবে এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন স্টিফেন উইলি। কিন্তু এসব অভিবাসী দীর্ঘ সময় ভানুয়াতুতে থাকায় তাদের আর্থিক সমস্যাকে আরো কঠিন করে তুলেছে। এ জন্যই তাদের অনেকেই দেশে ফিরতে চান না। শাহিন খান বলেন, আমরা এখানে আমাদের পরিবারগুলোর একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। আমাদেরকে এভাবে আটকে রাখায় একটি টাকাও আয় করতে পারছি না।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পরমাণু সমঝোতার কিছু ধারা স্থগিত রাখার অধিকার ইরানের আছে: রাশিয়া
ল্যাভরভ বলেন, ২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত পরমাণু সমঝোতার ভেতরেই স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে, যদি এতে স্বাক্ষরকারী বাকি পক্ষগুলো তাদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে ব্যর্থ হয় তাহলে ইরান তার দেয়া কিছু প্রতিশ্রুতি স্থগিত রাখতে পারবে। তিনি আরো বলেন, চীন ও রাশিয়া মনে করছে, যেকোনো মূল্যে পরমাণু সমঝোতা টিকিয়ে রাখতে হবে এবং ইরানের ওপর আমেরিকার পক্ষ থেকে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে।
গত ৮ মে ইরান পরমাণু সমঝোতার কিছু প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন স্থগিত রাখার কথা ঘোষণা করে। এর আওতায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম এবং ভারী পানি মজুদ সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতি ইরান আর মানবে না। আমেরিকা এ সমঝোতা একতরফাভাবে পরিত্যাগ করার এক বছর পর সমঝোতার কিছু ধারা বাস্তবায়ন করা থেকে বিরত থাকবে বলে ঘোষণা করল ইরান।
আমেরিকার পক্ষ থেকে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ২২৩১ নম্বর ইশতেহার লঙ্ঘনের প্রথম বার্ষিকীতে প্রেসিডেন্ট ড. হাসান রুহানি বলেন, ইরান আগামী দুই মাস সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ও ভারী পানি বিক্রি বন্ধ রাখবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইরান বিরোধী পদক্ষেপের ব্যাপারে আমেরিকাকে সতর্ক করল ইউরোপ

স্থানীয় সময় সোমবার বিকেলে ইইউ’র পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক শেষে এ সতর্কবাণী উচ্চারণ করেন ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান কর্মকর্তা ফেডেরিকা মোগেরিনি। তিনি বলেন, সামরিক দিক দিয়ে যেকোনো পদক্ষেপ নেয়ার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শন করতে হবে।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও সোমবার তার নির্ধারিত মস্কো সফর বিলম্বিত করে ব্রাসেলসে ছুটে যান। কিন্তু সেখানে ইরানের পরমাণু সমঝোতায় স্বাক্ষরকারী তিন দেশ জার্মানি, ফ্রান্স ও ব্রিটেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা পম্পেও’র সঙ্গে সাক্ষাৎ করেননি; এমনকি তারা তার সঙ্গে ছবি তুলতেও রাজি হননি। শেষ পর্যন্ত মোগেরিনি একাই পম্পেওর সঙ্গে বৈঠক করেন ও ফটোসেশনে অংশ নেন।
বৈঠকের পর মোগেরিনি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “পম্পেওকে আমরা সুস্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছি, আমরা একটি স্পর্শকাতর নাজুক সময় অতিক্রম করছি। ইউরোপীয় ইউনিয়ন সব সময় সংলাপ ও কূটনৈতিক উপায়ে সব সমস্যার সমাধানে বিশ্বাসী। ইরানের ক্ষেত্রেও একই কাজ করতে হবে।”
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে ‘সর্বোচ্চ চাপ’ প্রয়োগের যে নীতি গ্রহণ করেছেন মাইক পম্পেও’কে তার মূল হোতা বলে মনে করা হয়। এ ছাড়া, মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নিতে চান বলে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিমানে করে ভেনিজুয়েলায় মেডিক্যাল সামগ্রীর বিশাল চালান পাঠাল চীন
এর আগে গত মার্চ মাসে চীনের সরকারি বার্তা সংস্থা শিনহুয়া জানিয়েছিল, ৬৫ টন মেডিক্যাল সামগ্রী নিয়ে সেদেশের একটি বিমান ভেনিজুয়েলার রাজধানী কারাকাসের সিমন বলিভার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে। কারাকাসে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত লি বাওরং ওই চিকিৎসা সাহায্য ভেনিজুয়েলা সরকারের কাছে হস্তান্তর করেন।
এরপর গতমাসে চীন সরকার এ খবরের সত্যতা অস্বীকার করে যে, ওই বিমানটিতে করে বেইজিং ভেনিজুয়েলায় ১২০ জন সৈন্য এবং সামরিক সরঞ্জামও পাঠিয়েছে।
ভেনিজুয়েলায় গত প্রায় পাঁচ মাস ধরে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা চলছে। গত জানুয়ারি মাসে দেশটির সরকার বিরোধী নেতা হুয়া গুয়াইদো আমেরিকার পূর্ণ সমর্থন নিয়ে এক জনসভায় নিজেকে ভেনিজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেন। তার এ ঘোষণার পর আমেরিকাসহ বেশিরভাগ ইউরোপীয় দেশ গুয়াইদোর প্রতি সমর্থন জানায়।
তবে রাশিয়া, চীন, ইরান, তুরস্ক ও কিউবাসহ বিশ্বের বহু দেশ ভেনিজুয়েলার নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর প্রতি সমর্থন ঘোষণা করেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মাদুরো সরকারকে উৎখাতের জন্য ভেনিজুয়েলার ওপর অর্থনৈতিক চাপ জোরদার এবং একাধিকবার দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকি দিয়েছেন। তবে রাশিয়া ভেনিজুয়েলায় যেকোনো ধরনের বিদেশি হস্তক্ষেপের ব্যাপারে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে রেখেছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এক লিটার সাগরের পানিতে লাখ লাখ জীবাণু!

সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে শুরু করে সাগরের ৪ হাজার মিটার বা ১২ হাজার ফুট গভীরেও জীবাণুর সন্ধান মিলেছে। তিমি থেকে শুরু করে সমুদ্রের অন্যান্য প্রাণী, বিশেষ করে ক্রাস্টিসিন বা খোলযুক্ত প্রাণী যেমন কাঁকড়া, চিংড়ি ও শামুক জাতীয় প্রাণীরা এ জীবাণু দ্বারা সংক্রমিত হয়। অতি ক্ষুদ্র এসব জীবাণু সামুদ্রিক প্রাণীদের জীবনে এবং সাগরের রসায়নে কীভাবে ভূমিকা রাখে সেই বিষয়টিই গবেষকরা জানার চেষ্টা করছেন।
পৃথিবীর ৮০টি ভিন্ন ভিন্ন স্থান থেকে সাগরের পানির নমুনা সংগ্রহ করে বৈশ্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে সামুদ্রিক জীবাণুর সামগ্রিক চিত্র আঁকার চেষ্টা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইয়ো স্টেট ইউনিভার্সিটির গবেষকেরা। নতুন এই গবেষণা থেকে জীবাণুর যে খতিয়ান বিজ্ঞানীরা বের করেছেন, তা আগের হিসাবের চেয়ে প্রায় ১২ গুণ বেশি।
একটি তথ্য থেকে গবেষকেরা সবচেয়ে বেশি বিস্মিত হয়েছেন। আর সেটি হচ্ছে, যত রকমের জীবাণু পাওয়া গেছে সেগুলোর প্রাপ্তিস্থান ও পানির গভীরতা অনুযায়ী সব জীবাণুকে ৫টি ভাগে ভাগ করা যায়।
গবেষক এন গ্রেগরি বলেছেন, জীবাণুগুলোর জিন পরীক্ষা করার সময় আমরা লক্ষ্য করেছি যে, সাগরের বিভিন্ন অংশের জীবাণুর মধ্যে জিনগত অভিযোজন ঘটেছে।
তার মতে এই গবেষণার দ্বিতীয় বিস্ময়টি হচ্ছে, আর্কটিক সমুদ্রে প্রচুর মাত্রায় জীবাণুর উপস্থিতি পাওয়া।
পৃথিবীর মহাসাগরগুলো ভাইরাস বা জীবাণুতে পরিপূর্ণ। কিন্তু সাগরের প্রাণীদের স্বাস্থ্য এবং সাগরের সামগ্রিক রসায়নে এই জীবাণু কীভাবে প্রভাব ফেলে, তা নিয়ে খুব কমই জানা গেছে।
আগের যেসব আবিষ্কার ছিল তার মধ্যে এক ধরণের সামুদ্রিক জীবাণুর সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল যেটি সবুজ শ্যাওলাকে সংক্রমণ করতে পারে। মাত্র এক লিটার পরিমাণ সামুদ্রিক পানিতেও লাখ-লাখ জীবাণু থাকে। তবে, এসবের বেশিরভাগ জীবাণুই এখনও শনাক্ত করা হয়নি।
সর্বশেষ তথ্য বলছে, সাগরের ৯০ শতাংশ প্রাণীকেই এখনও শ্রেণীভুক্ত করা যায়নি। তাই, সাগরের জীবাণু নিয়ে আরও গভীরভাবে জানা প্রয়োজন। সূত্র: বিবিসি বাংলা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিলেটে সক্রিয় আদম ব্যবসার ৫০০ প্রতিষ্ঠান by ওয়েছ খছরু

এই অবস্থায় ভূমধ্যসাগর ট্রাজেডি নাড়া দিয়েছে সিলেটে। এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এখন ক্ষুব্ধ-বিক্ষুব্ধ মানুষ। সাগর ট্র্যাজেডির পর নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসনও। গতকাল থেকে সিলেটে ভুঁইফোড় এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান শুরু হয়েছে। সিলেটের জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নগরজুড়ে ৫টি ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান শুরু করা হয়। আর এই অভিযানে প্রায় ২৪ টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হানা দিয়ে কাগজপত্রের বৈধতা মিলেনি। ৮ জনকে তাৎক্ষণিক কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। অথচ এরা ইউরোপের বিভিন্ন দেশে মানুষ পাঠাতে নানা ব্যবসার ফাঁদ পেতে বসেছে। আর এদের ফাঁদে পা দিয়ে নিঃস্ব হওয়ার পাশাপাশি জীবন বিলিয়ে দিচ্ছে স্বপ্নাতুর যুবকগুলো। সিলেটের রাজা ম্যানশনে রয়েছে এসব ভুঁইফোড় ট্রাভেলস এজেন্সির অন্যতম হাট। এই মার্কেটে অন্তত ১০টি ট্রাভেলস এজেন্সি রয়েছে। এর মধ্যে একটি হচ্ছে ইয়াহিয়া ওভারসিজ। এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ভূমধ্যসাগর দিয়ে ইতালি পাড়ি জমাতে গিয়ে সিলেটের ৬ যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
গতকাল জেলা প্রশাসনের একটি টিম দুপুরের আগেই হানা দেয় রাজা ম্যানশনে। এ ম্যানশনের তৃতীয় তলায় গিয়ে তারা ইয়াহিয়া ওভারসিজ বন্ধ পান। আরো কয়েকটি প্রতিষ্ঠান অভিযানে টের পেয়েই বন্ধ করে দেয়া হয়। মালিকরাও আড়ালে যায়। তবে- প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন- রাজা ম্যানশনের এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি রয়েছে। ইয়াহিয়া ওভারসিজের মালিক এনামুল হক চৌধুরীকে খোঁজা হচ্ছে। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন। তার মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। মার্কেট সমিতির নেতারা জানিয়েছেন- যারাই মানুষের ভাগ্য নিয়ে এসব কর্মকাণ্ড করে যাবে তাদের কোনো ভাবেই ছাড় দেয়া হবে না। তারা এ নিয়ে বৈঠক করবেন। এবং যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে তাদের মার্কেট থেকে তাড়িয়ে দেবেন। প্রয়োজনে আইনের আশ্রয় নেবেন তারা। আটাব সিলেট জোনের সভাপতি আব্দুল জব্বার জলিল গতকাল বিকেলে মানবজমিনকে জানিয়েছেন- সিলেটের ৫ শতাধিক ভুঁইফোড় সংগঠন তারা চিহ্নিত করেছেন।
এই সংগঠনগুলো বিভিন্ন সময় আটাবের সদস্য হতে তাদের কাছে আবেদন করেছিলো। এই আবেদনের প্রেক্ষিতে তারা তালিকা প্রস্তুতি করে অনেক আগে থেকেই জেলা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। প্রায় ৬ মাস আগে দুইবার অভিযান চালানো হয়েছিলো। পরে জেলা প্রশাসনের অসহযোগিতার কারণে সেই অভিযান চলমান রাখা যায়নি। এবার ভূমধ্যসাগর ট্র্যাজেডির পর অভিযান শুরু করা হয়েছে। এই অভিযান অব্যাহত থাকলে সিলেট থেকে অবৈধ পথে আদম পাচার সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে দাবি করেন তিনি। সিলেটের সিটি মার্কেট, আল হামরা মার্কেট, ওয়েস্টওয়ার্ল্ড, রাজা ম্যানশন, ব্লুওয়াটার, কাকলী শপিং সেন্টার, সুবহানীঘাটের কয়েকটি মার্কেট এবং উপশহরের কয়েকটি মার্কেটে এসব প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। এর মধ্যে বেশির ভাগই হচ্ছে ইউরোপের আদম ব্যবসার দালাল। তারা মূলত সিলেটে লোক সংগ্রহ করে। এরপর টাকার এজেন্সির সঙ্গে মিলে বিভিন্ন দেশে অবৈধপথে মানুষ পাঠিয়ে থাকে।
সজল আহমদ, মিনার হোসেন সহ কয়েকজন যুবক গতকাল সিটি মার্কেটে অবস্থানকালে জানান- ওই মার্কেটের ৯ তলার একটি প্রতিষ্ঠান পোল্যান্ড পাঠানোর কথা বলে তাদের কাছ থেকে অনেক আগেই পাসপোর্ট নিয়েছে। দাবি করেছে ১১ লাখ টাকা। এর মধ্যে তারা প্রায় ৫০ হাজার টাকা অগ্রিম দিয়েছেন। টাকা ও পাসপোর্ট নিলেও গত ৬ মাস ধরে তাদের বিদেশ পাঠাচ্ছে। এখন পাসপোর্ট ফেরতও দিচ্ছে না। প্রথমে তারা বিশ্বাস করে টাকা ও পাসপোর্ট দিয়েছিলেন। এখন তারা দেখেন ওই প্রতিষ্ঠানটি ভুয়া। তারা কখনো কখনো নিজেরা ভিসা ও টিকিট তৈরি করে প্রতারণা করে বলে জানায় তারা।
এদিকে- গতকাল সকালে সিলেট জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হকের নেতৃত্বে এ অভিযানে রোজভিউ কমপ্লেক্সের আবিদ ওভারসিজকে ২০ হাজার, আসসালাম হজ্জ এবং ওমরা (প্যারাডাইস) ১৫ হাজার, আলকেফা ২০ হাজার, খাজা এয়ার ইন্টান্যাশনাল সর্ভিসকে ২০ হাজার, হোয়াইট ট্রাভেলস থেকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এ সময় ম্যাজিস্ট্রেট জানান- লাইন্সেস-নিবন্ধনবিহীন ট্রাভেলসগুলোতে অভিযান চালানো হচ্ছে। যতদিন পর্যন্ত এগুলো পুরোপুরি বন্ধ না হবে ততদিন এ অভিযান চলবে। একই সময় সিলেট নগরীর জিন্দাবাজার এলাকার ওয়েস্ট ওয়ার্ল্ড শপিং সিটির অবৈধ ট্রাভেলস এজেন্সিগুলোতে অভিযান চালিয়েছে প্রশাসন। গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. হেলাল চৌধুরীর নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ওয়েস্ট ওয়ার্ল্ড শপিং সিটি থেকে ৩ জন মানবপাচারকারী আটক করা হয় এবং তাদেরকে একমাসের কারাদন্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
আটককৃতরা হচ্ছেন- ইউসিএস এ্যাডুকেশনের হীরা, রিচ রিল্যাশন গ্রুপের মাহবুব এবং জাকির এডুক্যাশনের কর্মচারী। এসময় ম্যাজিস্ট্রেট মো. হেলাল চৌধুরী বলেন, মানবপাচার বন্ধে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে লাইন্সেস-নিবন্ধন বিহীন ট্রাভেলস গুলোতে অভিযান চালানো হচ্ছে। যতদিন পর্যন্ত এগুলো পুরোপুরি বন্ধ না হবে ততদিন ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চলবে। নগরীর আম্বরখানা এলাকায় অভিযান চালিয়েছে মোবাইল কোর্ট। এ সময় লাইসেন্স-নিবন্ধন না থাকায় কয়েকটি ট্র্যাভেলসকে মোটা অংকের জরিমানা করা হয়। সিলেট জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইরতিজা হাসানের নেতৃত্বে গতকাল সোমবার আড়াইটার দিকে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে আম্বরখানাস্থ আবুসাইদ এন্টাপ্রাইজকে ত্রিশ হাজার, ট্রাভেল টাইমকে পঁচিশ হাজার টাকা, জিলানী এয়ার ইন্টারন্যাশনালকে পাঁচ হাজার, মিরাজ এয়ার ইন্টারন্যাশনালকে বিশ হাজার, জে স্কয়ার কনসালটেন্সিকে বিশ হাজার, রেন্জার ইন্টারন্যাশলকে বিশ হাজার ও নিউ জান্নাত ট্রাভেলসকে ত্রিশ হাজার এবং ট্রাভেলস কর্মচারী আব্দুল্লাহ আল মামুনকে পনের দিনের ও নজমুল ইসলাম খানকে দশদিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারতে বিরোধী নেতাদের সরকার গঠনের লক্ষ্যে দৌড়ঝাঁপ by পরিতোষ পাল

আবার বিরোধীদের আরেকটি অংশ মনে করেন, কংগ্রেস ও বিজেপিকে দূরে রেখে আঞ্চলিক দলগুলোর সমন্বয়ে গঠন করা হবে নতুন সরকার। সেক্ষেত্রে বাইরে থেকে কংগ্রেসের সমর্থন নেয়ার পক্ষপাতী মমতার মতো কিছু নেতার। তবে সরকার গঠনের লক্ষ্য নিয়ে বিরোধী দলের নেতারা ইতিমধ্যেই দৌড়ঝাঁপ শুরু করে দিয়েছেন। অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ও তেলেগু দেশম নেতা চন্দ্রবাবু নাইডু গত বৃহস্পতিবার মমতার সঙ্গে সরকার গঠনের প্রাথমিক আলোচনা করে গিয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থনে নির্বাচনী প্রচারে অংশ নিয়ে চন্দ্রবাবু বলেছেন, মমতার নেতৃত্বে দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী চূড়ান্ত হবে। তিনিই সকলকে সংগঠিত করছেন। তিনি বলেছেন, মমতা বাংলার বাঘই শুধু নয়। দেশের বাঘিনী। তাকে প্রাণশক্তি দিন। জানা গেছে, মমতা-চন্দ্রবাবুর বৈঠকে অবিজেপি জোটের ন্যূনতম কর্মসূচি-সহ বেশকিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ইতিমধ্যেই চন্দ্র্রবাবু দিল্লিতে কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীর সঙ্গে দেখা করে ১৯শে মে ভোট শেষ হওয়ার দু’দিনের মধ্যে বিজেপি-বিরোধী দলগুলোকে নিয়ে বৈঠকে বসার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন।
এ যাবৎ হওয়া ভোটের ভিত্তিতে কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ অনুমান, বিজেপি ১৬০-১৭০টির বেশি আসন পাবে না। বিজেপির শরিক আকালি দলের নেতা নরেশ গুজরালও প্রকাশ্যে বলেছেন, বিজেপি গতবারের মতো একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না। নির্ভর করতে হবে শরিকদের উপরেই। এমন একটি আবহে কংগ্রেস ভোটের পরে মোদির জন্য সব পথ বন্ধ করে দিতে চাইছে। ভোট শেষ হলেই বিরোধীরা মিলে একযোগে রাষ্ট্রপতির কাছে একটি চিঠি নিয়ে যেতে চাইছেন। যাতে রাষ্ট্রপতি একক বড় দল হিসেবে আগেই বিজেপিকে সরকার গড়ার আমন্ত্রণ না জানান। তবে মমতা ও মায়াবতীর মতো নেত্রীরা এত আগেই রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার প্রস্তাবে রাজি নন। তবে বিরোধীরা যাতে দ্রুত অভিন্ন ন্যূনতম কর্মসূচি নিয়ে আলোচনায় বসে সে বিষয়ে মমতা আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বলে জানা গেছে। তবে ভোটের পরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যাতে সহযোগী জুটিয়ে সরকার গড়তে না পারেন, সে জন্য এখন থেকেই সক্রিয় হয়েছে কংগ্রেস। ইতিমধ্যেই কংগ্রেসের শীর্ষ নেতারা ভোট হয়ে যাওয়া কেন্দ্রগুলোর বুথ থেকে আসা রিপোর্ট খতিয়ে দেখে মনে করছেন, সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে অনেক পিছিয়ে থাকবে মোদির দল। এনডিএ’র শরিকদের নিয়েও সরকার গড়া কঠিন হবে। এই পরিস্থিতিতে কে চন্দ্রশেখর রাও, জগন্মোহন রেড্ডি, নবীন পট্টনায়কের উপরে ভরসা করতে হতে পারে বিজেপিকে। কিন্তু এই নেতারা যাতে মোদিমুখী না হন, সে জন্য এখন থেকেই চেষ্টা করতে হবে বলে কংগ্রেস সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ভোট পরবর্তী বিরোধীদের বৈঠকে এই সব নেতাদের হাজির করার জন্য চেষ্টা শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে।
এদিকে, তেলেঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতির নেতা কে চন্দ্রশেখর রাও আর একবার বিজেপি ও কংগ্রেসকে বাদ দিয়ে ‘ফেডারেল ফ্রন্ট’ গড়ার চেষ্টায় নেমেছেন। এর আগে যখন তিনি এ নিয়ে সক্রিয় হয়েছিলেন, তখন বিরোধী নেতারা বলেছিলেন, আসলে মোদির হাতে তামাক খাচ্ছেন তিনি। এবারেও সেই সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিরোধী নেতারা। ইতিমধ্যেই রাও কেরালায় গিয়ে সিপিআইএম নেতা বিজয়নের সঙ্গে বৈঠক করে এসেছেন। ডিএমকে নেতা স্ট্যালিনের সঙ্গে বৈঠক করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন। কেননা, স্ট্যালিন আগেই জানিয়েছেন, কংগ্রেসের নেতৃত্বেই বিরোধী জোট হবে। তবে কংগ্রেস সূত্রের খবর, কেসিআর আসলে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন। প্রধানমন্ত্রী পদ না পেলেও উপ-প্রধানমন্ত্রী হতে চান। সে বার্তা কেসিআর-এর পক্ষ থেকে দক্ষিণের কিছু দলকে দেয়া হয়েছে। তবে কংগ্রেস বোঝানোর চেষ্টা করছে, তাদের বাদ দিয়ে বিরোধী শিবিরের আঞ্চলিক দলগুলো সরকার গড়তে পারবে না। তবে বিরোধী শিবিরের সবচেয়ে বড় বিতর্ক নেতা কে হবেন? চন্দ্রবাবু নাইডুর মতো নেতারা চাইছেন মমতাই নেতৃত্ব দিন।
আবার স্ট্যালিন ও শরদ পাওয়ারের মতো নেতারা মনে করেন, রাহুলই হবেন যোগ্য নেতা। তবে উত্তর প্র্রদেশের বিরোধী নেতারা নিজেদের অঙ্কে মশগুল। বহুজন সমাজ পার্টির নেত্রী মায়াবতী স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, কংগ্রেস তথা রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটকে নিঃশর্ত সমর্থনের রাস্তায় তিনি হাঁটবেন না। উত্তরপ্রদেশে এসপি-বিএসপি জোটের সাফল্যের বিষয়ে আশাবাদী মায়াবতী। ভোটের পর ঝুলিতে যদি যথেষ্ট সংখ্যক আসন থাকে তবে অখিলেশ যাদবকে পাশে নিয়ে তিনি ঝাঁপাবেন প্রধানমন্ত্রিত্বের জন্য। এর আগে উত্তরপ্রদেশে ভোট প্রচার চলাকালীন বারবার এই ইঙ্গিত দিয়েছেন মায়াবতী। আপাত ভাবে প্রধানমন্ত্রিত্বের প্রশ্নে অখিলেশের সমর্থনও রয়েছে তার সঙ্গে। পর্যবেক্ষকদের মতে, বিরোধী জোট তৈরি হলেও প্রধানমন্ত্রিত্বের প্রশ্নে এই জোটের সব অঙ্ক ভেস্তে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। অবশ্য সব নির্ভর করছে ২৩শে মে’র ফল প্রকাশের উপরই।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ডা. প্রিয়াংকা হত্যা: সিলেটে তোলপাড় by ওয়েছ খছরু

প্রিয়াংকার স্বামী দিবাকর দেব কল্লোল পেশায় একজন প্রকৌশলী। তিনি ঢাকার একটি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করার পর সিলেটে চলে আসেন। চাকরি নেন সিলেটের লিডিং ইউনিভার্সিটিতে। চাকরিতে চারিত্রিক স্খলন জনিত কারণে কল্লোলের চাকরি যায়। বর্তমান কল্লোল নিজের বাসা নগরীর পশ্চিম পাঠানটুলার পল্লবি ‘সি’ ব্লকের ২৫ নম্বর বাসা বসবাস করে। বাসাতেই তিনি ফার্মের নিজস্ব অফিস খুলেছেন। পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে- কল্লোল ও প্রিয়াংকার পরিচয় অনেক আগেই। প্রায় ৬ বছর তারা একসঙ্গে প্রেম করার পর ভালোবেসেই নিজেরা নিজেদের পছন্দে একে অপরকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকে প্রিয়াংকা স্বামীর বাসাতে থেকেই পার্কভিউ মেডিকেল কলেজে শিক্ষকতা করতেন। মুলত ছেলে কল্লোল নিজের পছন্দে প্রিয়াংকাকে বিয়ে করায় বিষয়টি মেনে নেননি স্বামী কল্লোলের মা রত্না রানী দেব। এ নিয়ে বিয়ের পর থেকেই তাদের পরিবারে অশান্তি চলছে। কল্লোলের পিতা সিলেটের সওজের সাবেক কর্মকর্তা সুভাষ চন্দ্র দেব এই বিরোধ মেটাতে বারবার উদ্যোগ নেন। কখনো তিনি সফল আবার কখনো ব্যর্থ হন। কিন্তু ছেলের বউ হিসেবে প্রিয়াংকা সহ্য হচ্ছিলো না শাশুড়ি রত্নার। এর মধ্যে প্রিয়াংকার ছেলে সন্তানের জন্ম দেন।
এই সন্তানের বয়স এখন তিন বছর। এরপরও স্বামীর সঙ্গে প্রিয়াংকার বিরোধ কমেনি। এই বিরোধের এক পর্যায়ে প্রিয়াংকাকে হাসপাতালে চাকুরী করতে বারন করে দেন শাশুড়ি রত্না। অথচ তিনি তার নিজের ডাক্তার মেয়েকে ঠিকই চাকরিতে দেন। চাকুরী ছাড়ার নির্দেশ মেনে নিতে পারেননি প্রিয়াংকা। বিষয়টি নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে তাদের পরিবারের মধ্যে বিরোধ তীব্র হয়। এই বিরোধ সহ্য করতে না পেরে প্রিয়াংকা নিজের পিত্রালয়ে রাগ করে চলে যায়। কয়েক দিন আগে স্বামী কল্লোল রাগ মিটিয়ে প্রিয়াংকাকে নিজের বাড়িতে নিয়ে আসেন। প্রিয়াংকা ফিরে এলে তাদের মধ্যে বিরোধ কমেনি। বরং এই বিরোধ আরো চাঙ্গা হয়ে উঠে। প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন- প্রিয়াংকাকে কোনো ভাবেই সহ্য করতে পারছিলেন না শাশুড়ি রত্না। আর এ বিষয়টি নিয়ে অসহায় ছিলো কল্লোল। কারণ- প্রিয়াংকাকে ভালোবেসে বিয়ে করেছে কল্লোল। এই অশান্তির বিষয়টি তাদের আত্মীয়সহ বন্ধু-মহলও জানতো না। গত রোববার সকালে স্বামীর ঘর থেকে প্রিয়াংকার ঝুলন্ত দাশ উদ্ধার করা হয়। তবে- দরোজা খোলা ছিলো। অভিযোগ তোলা হয়- প্রিয়াংকাকে হত্যা করে লাশ সিলিংয়ের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। পুলিশ প্রিয়াংকার লাশ উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। সেখান থেকে ময়না তদন্ত শেষে লাশের শেষকৃত্য করা হয়।
এদিকে- ডা. প্রিয়াংকার মৃত্যুতে হত্যা মামলা দায়ের করে তাঁর পরিবার। প্রিয়াংকার বাবা হৃষিকেশ তালকদার বাদী হয়ে নগরীর জালালাবাদ থানায় রোববার সন্ধ্যায় এ মামলা দায়ের করেন। পুলিশ প্রিয়াংকার পিতার মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে রেকর্ড করে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পরপরই রাতে অভিযান চালিয়ে সিলেটের জালালাবাদ থানা পুলিশ প্রিয়াংকাকে খুনের দায়ে তার স্বামী দিবাকর দেব কল্লোল, শ্বশুর সুভাষ চন্দ্র দেব ও শাশুড়ি রত্না রানী দেবকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে থানায় নিয়ে যায়। পুলিশ জানায়- রাতে জিজ্ঞাসাবাদে তাদের মুখ থেকে অনেক তথ্য মিলেছে। তবে- রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাবাদ করলে আরো তথ্য বেরিয়ে আসবে। গতকাল সকালে জালালাবাদ থানা পুলিশ কল্লোল, শ্বশুর সুভাষ ও রত্নাকে সিলেট মহানগর হাকিম আদালত (এমএম-১) হাজির করে ৭ দিনের রিমান্ড চাইলে বিচারক জাহিদুর রহমান ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তবে- পুলিশ রিমান্ড শুনানি শেষে তাদের কারাগারে পাঠিয়ে দিয়েছে। আজ তাদের থানায় রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানা গেছে। সিলেটের জালালাবাদ থানার ওসি হারুন উর রশীদ মানবজমিনকে জানিয়েছেন- ডা. প্রিয়াংকাকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে জানিয়েছে তার পিতা মামলা দিয়েছেন।
এর প্রেক্ষিতে আমরা মামলা নিয়েছি। আদালত তিন আসামিকে রিমান্ডে দিয়েছেন। ঘটনাটি মর্মান্তিক। পুলিশ ন্যায় বিচারের স্বার্থে সব করবে বলে জানান তিনি। ডা. প্রিয়াংকার বাবা হৃষিকেশ তালকদার অভিযোগ করেন- ‘স্বামীসহ শ্বশুর বাড়ির লোকের পরিকল্পিতভাবে তার মেয়েকে হত্যা করেছেন। আগেও কয়েক বার তারা সবাই মিলে মেয়েটির উপর নির্যাতন চালায়। তাদের এই নির্যাতনের মাত্রা দিনে দিনে বেড়ে যাচ্ছিল। আমরা সামাজিক ভাবে উদ্যোগ নিয়ে তাদের নিয়ন্ত্রক করতে পারিনি।’ তিনি বলেন- ‘আমাকে মেয়েকে যারা হত্যা করেছে তাদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1372)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
May
(416)
-
▼
May 14
(16)
- সালমান এফ রহমানের সঙ্গে মার্কিন সহকারী বাণিজ্যমন্ত...
- উত্তরখানে মা ও দুই সন্তানের লাশ উদ্ধার: হত্যা না আ...
- হাসপাতাল থেকে কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারে নেয়...
- শরীয়তপুরের চার যুবক নিখোঁজ: ঋণ করে, জমি বেচে দালাল...
- ভূমধ্যসাগর ট্র্যাজেডি: আমার সঙ্গে দুই ভাই ছিল বাঁচ...
- যে কারণে বাড়লো কলার দাম by মো.নজরুল ইসলাম
- মিয়ানমারে সাংবাদিক হয়রানি, পালিয়ে বেড়াচ্ছেন একজন প...
- গাজা থেকে দৈনিক ১,০০০ ক্ষেপণাস্ত্র ছুটে আসতে পারে:...
- ভানুয়াতুতে পাচার হওয়া ১০১ বাংলাদেশীকে ফেরত পাঠানোর...
- পরমাণু সমঝোতার কিছু ধারা স্থগিত রাখার অধিকার ইরানে...
- ইরান বিরোধী পদক্ষেপের ব্যাপারে আমেরিকাকে সতর্ক করল...
- বিমানে করে ভেনিজুয়েলায় মেডিক্যাল সামগ্রীর বিশাল চা...
- এক লিটার সাগরের পানিতে লাখ লাখ জীবাণু!
- সিলেটে সক্রিয় আদম ব্যবসার ৫০০ প্রতিষ্ঠান by ওয়েছ খছরু
- ভারতে বিরোধী নেতাদের সরকার গঠনের লক্ষ্যে দৌড়ঝাঁপ b...
- ডা. প্রিয়াংকা হত্যা: সিলেটে তোলপাড় by ওয়েছ খছরু
-
▼
May 14
(16)
-
▼
May
(416)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...