Showing posts with label মুফতি এনায়েতুল্লাহ. Show all posts
Showing posts with label মুফতি এনায়েতুল্লাহ. Show all posts

Friday, January 17, 2014

শিক্ষার্থীদের প্রহার নয় by মুফতি এনায়েতুল্লাহ

শিশু শিক্ষার ক্ষেত্রে শিক্ষাবান্ধব আনন্দদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে
শিক্ষকতা পেশায় জড়িত থাকার সুবাদে অভিভাবকদের নানা অনুযোগ ও অভিযোগ কর্মজীবনের নিত্যসঙ্গী। অভিভাবকদের অভিযোগের অন্যতম হলো শিক্ষার্থীদের প্রহারজনিত। অথচ শিক্ষার্থীদের ওপর শিক্ষকের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন সরকারিভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ইসলামও নির্দয়ভাবে শিক্ষার্থীদের প্রহারকে সমর্থন করে না। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের অন্যায়, ভুল কিংবা পড়াশোনায় অমনোযোগী হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। এর জন্য সংশিল্গষ্ট শিক্ষার্থীর অভিভাবকের পাশাপাশি সংশিল্গষ্ট শিক্ষকরাও সহনীয় মাত্রায় শিক্ষার্থীকে শাসন করে থাকেন। এটা নিয়ে অভিভাবকরাও উদ্বিগ্ন নন; কিন্তু শিক্ষার্থীদের বেদম প্রহার করে জখম করা কিংবা পিটিয়ে মেরে ফেলার মধ্যে কী মঙ্গল থাকতে পারে, এটা বোধগম্য নয়। শিক্ষার্থীর মঙ্গলকামী কোনো শিক্ষক এমন জঘন্য কাজ করতে পারেন না। শিশুদের বা অন্য কাউকে প্রহার করা সম্পর্কে হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) হতে বর্ণিত, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, 'যে ব্যক্তি কাউকে অন্যায়ভাবে প্রহার করবে কিয়ামতের দিন তার থেকে এর প্রতিশোধ গ্রহণ করা হবে।'-তাবারানি আল্লামা ইবনে খালদুন ছাত্রদের প্রহার ও কঠোরতাকে ক্ষতিকর বলে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, 'প্রহার ও কঠোরতার কারণে শিশুদের মাঝে মিথ্যা বলার মানসিকতা সৃষ্টি হয়। তাদের আত্মমর্যাদাবোধ ও উচ্চ চেতনা দূর হয়ে যায়। শিক্ষকের মারধর থেকে বাঁচার জন্য তারা নানা অপকৌশল, মিথ্যা ও প্রতারণার আশ্রয় গ্রহণ করে। পরবর্তীকালে এসব ত্রুটি তাদের মধ্যে বদ্ধমূল হয়ে যায়। উত্তম চরিত্র ও সুন্দর মানসিকতার পরিবর্তে অসৎ চরিত্র ও অনৈতিকতার ভিত রচিত হয় তাদের মাঝে।' আমাদের শিক্ষকের মনে রাখা দরকার, শরিয়তের দৃষ্টিতে শিশুরা সব ধরনের দায়ভার ও জবাবদিহিতা থেকে মুক্ত। তারা শারীরিকভাবে যেমন দুর্বল তেমনি মানসিকভাবেও কোমল। তাই তাদের সঙ্গে কোমল আচরণ করতে হবে। তাদের শিক্ষাদান করতে হবে স্নেহ-মমতা দিয়ে। এ ক্ষেত্রে কঠোরতা পরিহার করে নম্রতা ও কোমলতা অবলম্বন করতে হবে। হাদিসে আছে, হজরত আয়েশা (রা.) হতে বর্ণিত, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, 'আল্লাহতায়ালা কোমল আচরণকারী, তিনি সর্বক্ষেত্রে কোমলতাকে ভালোবাসেন।' -সহিহ বোখারি
ইমাম মুহিউদ্দীন নববি (রহ.) শিক্ষকের জন্য করণীয় বিষয় সম্পর্কে দীর্ঘ আলোচনায় বলেন, 'শিক্ষকের উচিত তার ছাত্রের সঙ্গে নরম ব্যবহার করা, তার প্রতি সদয় হওয়া। তার কোনো ভুল হলে বা অসৌজন্যমূলক আচরণ প্রকাশ পেলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখা। বিশেষত শিশু-কিশোরদের বেলায়।' আগেকার দিনের শিক্ষার্থীরা গুরুগৃহে শিক্ষা গ্রহণ করত। সেখানে শিক্ষক পরম স্নেহে ছাত্রকে শিক্ষা প্রদান করতেন। শাসন করতেন, তবে তা সীমা ছাড়িয়ে যেত না। তাদের শাসনের মুখ্য উদ্দেশ্য ছিল শিক্ষার্থীকে আদর্শবান করে গড়ে তোলা। বর্তমানে শিক্ষা অর্জনের সে পরিবেশ ও মনমানসিকতা যে একেবারে বিলীন হয়ে গেছে তা নয়। সরকারি-বেসরকারি অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এখনও শিক্ষার্থীরা পরমানন্দে শিক্ষা অর্জন করছে। সেখানে প্রচুর শিক্ষক-শিক্ষিকা আছেন, যারা অপত্য স্নেহে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করে থাকেন। এ কারণে প্রায়শই বলা হয়ে থাকে, ভালো বিদ্যালয় শিশু শিক্ষার্থীদের কাছে বাড়ির চেয়েও আপন। সেখানে শিক্ষকদের স্নেহ-ভালোবাসায় কঠিন বিষয়ও ছাত্রছাত্রীদের কাছে আনন্দদায়ক হয়ে ওঠে। হাসি-আনন্দে সময় কাটে শিক্ষার্থীদের।
শারীরিক ও মানসিক শাস্তি প্রদানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কাছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ভীতিকর স্থানে পরিণত করার প্রবণতাকে আমরা সমর্থন করতে পারি না। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এমন পরিবেশ সৃষ্টি করা উচিত, যাতে শিক্ষার্থীরা সেখানে থাকতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। নিষ্ঠুরভাবে প্রহার করলে আর যা-ই হোক শিক্ষার্থীর প্রতি শিক্ষকের ভালোবাসার প্রকাশ ঘটে না। শিক্ষার্থীদের প্রতি একশ্রেণীর শিক্ষকের এই আচরণ সম্পূর্ণ অমানবিক। এ বিষয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ, শিক্ষক সংগঠন, অভিভাবক ও প্রশাসনসহ সংশিল্গষ্ট সবাইকে তৎপর হতে হবে। শিক্ষক নামধারী কোনো মায়া-মমতাহীন ব্যক্তির স্থান যাতে শিক্ষায়তনগুলোতে না হয় সে ব্যাপারেও কর্তৃপক্ষকে খেয়াল রাখতে হবে। ইসলামের দৃষ্টিতে রাগান্বিত অবস্থায় শিশুদের প্রহার করা অন্যায়। এ প্রসঙ্গে এক হাদিসে এসেছে, হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) হতে বর্ণিত, রাসূলে কারিম (সা.) ইরশাদ করেছেন, 'তোমরা শিক্ষাদান করো, সহজ ও কোমল আচরণ করো; কঠোর আচরণ করো না। যখন তুমি রাগান্বিত হবে তখন চুপ থাক। যখন তুমি রাগান্বিত হবে তখন চুপ থাক। যখন তুমি রাগান্বিত হবে তখন চুপ থাক (এ কথা তিনবার বললেন)।' -মুসনাদে আহমদ
শিশু শিক্ষার্থীদের প্রহার সম্পর্কে হাকিমুল উম্মত আশরাফ আলী থানভী (রহ.) বলেন, 'কখনও রাগান্বিত অবস্থায় শিশুকে প্রহার করবে না। পিতা ও শিক্ষক উভয়ের জন্যই এ কথা।' বিখ্যাত ইসলামী স্কলার মুফতি শফি (রহ.) বলেছেন, 'শিশুদের প্রহার করা খুবই ভয়াবহ। অন্যান্য গুনাহ তওবার মাধ্যমে মাফ হতে পারে। কিন্তু শিশুদের ওপর অত্যাচার করা হলে এর ক্ষমা পাওয়া খুবই জটিল। কেননা এটা হচ্ছে বান্দার হক। আর বান্দার হক তওবার মাধ্যমে মাফ হয় না_ যে পর্যন্ত না যার হক নষ্ট করা হয়েছে সে মাফ করে। এদিকে যার ওপর জুলুম করা হয়েছে সে হচ্ছে অপ্রাপ্ত বয়স্ক। অপ্রাপ্ত বয়স্কের ক্ষমা শরিয়তের দৃষ্টিতে গ্রহণযোগ্য নয়। এ জন্য এ অপরাধের মাফ পাওয়া খুবই জটিল। তাই শিশুদের প্রহার করা এবং তাদের সঙ্গে মন্দ ব্যবহার করার বিষয়ে সাবধান হওয়া দরকার।'
শিশু শিক্ষার ক্ষেত্রে এসব ধর্মীয় দিকনির্দেশনা ও নীতি-নৈতিকতার বিষয়টি বাদ দিলেও শিশুদের প্রহারের অশুভ প্রতিক্রিয়া সমাজে নানাভাবে পরিলক্ষিত হয়। যেমন যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সুনামের সঙ্গে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে আসছে, শিক্ষার্থী প্রহারের দু'একটি ঘটনা তার সুনাম নষ্ট করে দেয়। সে সঙ্গে শিশুদের শিক্ষার প্রতি বিরূপ মানসিকতা সৃষ্টি হয়। ফলে এ অভিযোগ প্রায়ই শোনা যায় যে, বাচ্চারা বিদ্যালয়ে যেতে চায় না_ শিক্ষকের মারধর ও কঠোরতার কারণে। অন্যদিকে মানুষ গড়ার কারিগর শিক্ষকদের ব্যাপারেও এ দুর্নাম রটে যায় যে, তারা সবাই ছাত্রদের প্রহার করেন। গুটিকয়েক শিক্ষকের জিঘাংসা ও অজ্ঞতামূলক আচরণের কারণে গোটা শিক্ষক সমাজকে দুর্নাম বহন করতে হয়। তাই আমরা আশা করব, আমাদের শিক্ষকরা শিশু শিক্ষা প্রদানের ক্ষেত্রে সহনীয় আচরণ করবেন, কোমলমতি এসব শিক্ষার্থীর স্নেহ, ভালোবাসা ও মায়া-মমতা দিয়ে তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নির্মাণে সচেষ্ট হবেন। নতুন শিক্ষা বছরের সূচনালগ্নে শিক্ষক সমাজের কাছে এ প্রত্যাশা রইল।
মুফতি এনায়েতুল্লাহ : শিক্ষক ও কলাম লেখক
muftianaet@gmail.com

Friday, July 12, 2013

রমজানে কোরআন তেলাওয়াত by মুফতি এনায়েতুল্লাহ

রোজার অন্যতম উদ্দেশ্য হচ্ছে আল্লাহর নৈকট্য অর্জন। তাই আমাদের উচিত হলো এ মাসে বেশি বেশি ইবাদত-বন্দেগি করা। রোজা পালন ও নামাজ আদায়ের পাশাপাশি কোরআন তেলাওয়াতে মনোযোগী হওয়া।

Friday, June 21, 2013

উত্তরাধিকার সম্পদ বণ্টনে ইসলাম by মুফতি এনায়েতুল্লাহ

মিরাস বা উত্তরাধিকারের অর্থ হলো, একের অনুপস্থিতিতে অন্যের অধিকার। সে হিসেবে কারও মৃত্যুর পর অন্যের যে অধিকার জন্মায় তাকে উত্তরাধিকার বলে। একজনের জীবদ্দশায় কারও সম্পদে কখনও অন্যজনের অধিকার জন্মায় না।

Friday, June 7, 2013

কন্যাশিশুর ভ্রূণ হত্যা করবেন না by মুফতি এনায়েতুল্লাহ

দিন দুয়েক আগে ঘটনাটি রাজধানীর এক ক্লিনিকে দেখা। ক্লিনিকের রিসিপশনে বসে কাঁদছে এক নারী। তার স্বামী কাগজপত্র নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করছেন। কিছুক্ষণ পরপর স্বামী ওই নারীর কাছে এসে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করছেন।

Friday, February 8, 2013

কৃতজ্ঞ বান্দাকে আল্লাহ ভালোবাসেন by মুফতি এনায়েতুল্লাহ

আল্লাহতায়ালা কর্তৃক প্রদত্ত যাবতীয় নিয়ামতের শোকরিয়া আদায় তথা কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন হচ্ছে এমন একটি কাজ, যা আল্লাহতায়ালা ভালোবাসেন। যে আল্লাহর শোকরিয়া আদায় করে না আল্লাহ তার মুখাপেক্ষী নন। বরং শোকরিয়া আদায়ে রয়েছে প্রভূত কল্যাণ। কৃতজ্ঞতা মানব চরিত্রের এক উত্তম গুণ।

Friday, February 1, 2013

ধর্ষণ রোধে দরকার নৈতিকতার জাগরণ by মুফতি এনায়েতুল্লাহ

বেশ কিছুদিন ধরে সংবাদপত্রে ধর্ষণের সংবাদগুলো বেশ গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ পাচ্ছে। ধর্ষণের ভয়াবহতা বিশ্লেষণে সর্বত্র এটা এখন আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। সবার একটাই চাওয়া_ ধর্ষককে কঠোর শাস্তির সম্মুখীন করতে হবে। এ কথা সবাই স্বীকার করে, ধর্ষণের ফলে একজন নারীর সম্মান ক্ষুণ্ন হয়।

Friday, January 25, 2013

দুনিয়ার শান্তি ও পরকালীন মুক্তির পথ by মুফতি এনায়েতুল্লাহ

হজরত মুহাম্মদ (সা.) হলেন সর্বশেষ ও সর্বোত্তম নবী ও রাসূল (সা.)। তার ওপর ইমান রাখা ও তাকে নিজের জীবনের চেয়ে বেশি ভালোবাসা প্রত্যেক মুমিনের একান্ত কর্তব্য।

Friday, January 18, 2013

শান্তিময় সমাজ গঠনে তবলিগ by মুফতি এনায়েতুল্লাহ

নবী-রাসূলদের মূল দায়িত্ব ছিল দাওয়াত এবং তবলিগ। নবুয়তের দরজা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর নবীরা যে কাজ করতেন, সে কাজের দায়িত্ব পড়ে মুসলিম উম্মাহর ওপর। হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) নির্দেশ দিয়েছেন, 'তার একটি বাক্য যদি কারও জানা থাকে, তা অন্যদের পেঁৗছে দিতে।'

Friday, January 11, 2013

বিশ্ব ইজতেমা- আত্মনিবেদনের অনুশীলন by মুফতি এনায়েতুল্লাহ

শৈত্যপ্রবাহ ও তীব্র শীতকে সঙ্গী করেই আজ ফজরের নামাজের পর আম বয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হবে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের আনুষ্ঠানিকতা। অবশ্য গত বুধবার বাদ জোহর থেকেই মাঠে খিত্তাওয়ারি বয়ান ও তালিম চলছে। আজ ইজতেমা মাঠে স্মরণকালের বৃহৎ জুমার জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

Tuesday, January 8, 2013

হিলা বিয়ে প্রসঙ্গে ইসলাম by মুফতি এনায়েতুল্লাহ

তিন তালাকপ্রাপ্তাকে তালাকদাতা স্বামীর জন্য হালাল করার উদ্দেশ্যে অন্য ব্যক্তির সঙ্গে এই শর্তে বিয়ে দেয় যে, ওই ব্যক্তি বিয়ের পর তাকে তালাক দেবে। এই বিয়েকে হিলা বিয়ে বলে। ইসলামে এ ধরনের বিয়ের কোনো সুযোগই নেই। অথচ মুসলিম সমাজে অনুপ্রবিষ্ট এই ফিতনায় জাতি আজ ক্ষতবিক্ষত।

Friday, January 4, 2013

মানবতার কল্যাণে স্বেচ্ছায় রক্তদান by মুফতি এনায়েতুল্লাহ

রক্তদানের ব্যাপারে ইসলামে কোনো বিধিনিষেধ নেই। রক্ত বিক্রয় বৈধ নয়। কিন্তু বিনামূল্যে রক্ত না পেলে রোগীর জন্য তা কেনা বৈধ; তবে রক্ত বিক্রেতা গুনাহগার হবেন। স্বাস্থ্যবিজ্ঞানীদের মতে, একজন সুস্থ মানুষ প্রতি তিন মাস অন্তর অন্তর রক্তদান করতে পারে, এতে তার শারীরিক কোনো সমস্যা হয় না।

Monday, December 31, 2012

শিশুর মানসিক বিকাশে প্রিয় নবী (সা.) by মুফতি এনায়েতুল্লাহ

দেশের সার্বিক উন্নয়ন মূলত নির্ভর করে মানবসম্পদ উন্নয়নের ওপর। মানবজাতির সর্বকালের শ্রেষ্ঠ সম্পদ হচ্ছে শিশু। আর শিশুর পরিপূর্ণ বিকাশের মাধ্যমে মানবসম্পদ উন্নয়নের ভিত্তি তৈরি হয়।

Friday, December 28, 2012

নারী নির্যাতন গর্হিত অপরাধ by মুফতি এনায়েতুল্লাহ

সাম্প্র্রতিককালে সংঘটিত অন্যতম ঘৃণ্য এক অপরাধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদমুখর দিলি্লর জনতা। এক সপ্তাহ আগে নয়াদিলি্লর বাসে গণধর্ষণের পর এক ছাত্রীকে বাস থেকে ফেলে দেওয়ার মর্মান্তিক ঘটনার পর থেকে প্রতিবাদের যে ঝড় বইছে, তা যেন ক্রমেই ছড়িয়ে পড়ছে ভারতের সীমানা ছেড়ে বিশ্বজুড়ে।

Wednesday, December 26, 2012

দীনের দাওয়াত :কৌশল ও বাস্তবতা by মুফতি এনায়েতুল্লাহ

 যুগে যুগে প্রত্যেক নবী আলাইহিস সালাম তাঁদের দাওয়াতি কার্যক্রমে যেসব রীতিনীতি ও পদ্ধতি অনুসরণ করেছেন এবং যতটুকু কিয়ামত পর্যন্ত মানবগোষ্ঠীর দাওয়াতি কাজের জন্য প্রয়োজনীয় তা-ই পবিত্র কোরআনুল কারিমে বলে দেওয়া হয়েছে এবং হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) তা ব্যাখ্যা করেছেন ও বাস্তবায়ন করেছেন।

Friday, December 21, 2012

সামাজিক অবক্ষয় :নতুন করে ভাবুন by মুফতি এনায়েতুল্লাহ

স্বাভাবিক নিয়মে অন্য দিনগুলোর মতো গত শুক্রবারকেও বরণ করে গোটা দুনিয়া। কিন্তু আমেরিকার অধিবাসীরা দিনের সূর্যকে বিদায় জানায় শোকে মুহ্যমান হয়ে। অন্যান্য দিনের মতোই গত শুক্রবারের সকাল ছিল শান্ত ও শীতল। কোমলমতি নিষ্পাপ শিশুরা এসেছিল তাদের প্রিয় স্কুলে।

Friday, December 7, 2012

আমাদের বিজয় ও স্বাধীনতা by মুফতি এনায়েতুল্লাহ

দীর্ঘ নয় মাস মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত হয় আমাদের বিজয় ও স্বাধীনতা। পাকিস্তানি শাসন, শোষণ, নির্যাতন ও নিপীড়নের নাগপাশ থেকে মুক্ত হয়ে একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্য স্বাধীনতার সংগ্রামে এ দেশের জনগণ জীবনবাজি রেখে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল।

Thursday, December 6, 2012

আমরা গালি না দেই by মুফতি এনায়েতুল্লাহ

চিন্তা ও কল্পনা করে বুদ্ধি যা নিশ্চিত করে, জিহ্বা তা-ই বর্ণনা করতে সক্ষম। জিহ্বা ছাড়া অন্য কোনো ইন্দ্রিয়ের এরূপ শক্তি নেই। এ জন্য জিহ্বা যা প্রকাশ করে, মন তা হৃদয়ের মধ্যে প্রবেশ করিয়ে এক নতুন ভাব সৃষ্টি করে। যেমন_ কোনো কিছু পড়ার সময় জিহ্বা প্রকাশ করে, আর মন তা আঁকড়ে ধরে।

Friday, November 30, 2012

হে আল্লাহ! তুমি আমাদের হেফাজত করো by মুফতি এনায়েতুল্লাহ

গত সপ্তাহে আশুলিয়ায় স্মরণকালের ভয়াবহ অগি্নকাণ্ডে ১১১ জন পোশাক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে চট্টগ্রামের বহদ্দারহাটে নির্মাণাধীন ফ্লাইওভারের গার্ডারের নিচে চাপা পড়ে মারা গেছে ১৬ জন। একদিনে এত মানুষের মৃত্যুর ঘটনায় শোকে মুহ্যমান হয়ে যায় পুরো দেশ।

Friday, November 23, 2012

ইসরায়েলি বর্বরতার শেষ কোথায়? by মুফতি এনায়েতুল্লাহ

ফিলিস্তিন হচ্ছে পৃথিবীর অন্যতম প্রাচীনতম পবিত্র ভূমি। ফিলিস্তিনের মূল কেন্দ্র হচ্ছে জেরুজালেম। সেখানে রয়েছে হজরত দাউদ (আ.) এবং হজরত সোলায়মান (আ.) কর্তৃক নির্মিত পৃথিবীর প্রাচীন মসজিদ বায়তুল মোকাদ্দাস। এ ছাড়া রয়েছে অসংখ্য নবীর (আ.) স্মৃতি এবং কবর।

Wednesday, November 21, 2012

পোশাকে ইসলামী মূল্যবোধ by মুফতি এনায়েতুল্লাহ

মানুষের একটি সহজাত প্রবৃত্তি লজ্জাবোধ। আর সব ধর্মের অনুসারীই এ বিষয়ে একমত যে, মানুষ তার শরীরকে প্রকাশ্যে আবৃত রাখবে। ইসলামও তাই বলে। সৌন্দর্য বৃদ্ধি, প্রতিকূল আবহাওয়া থেকে রক্ষা, লজ্জাস্থান ঢেকে রাখা ও নিজেকে বিশেষভাবে চিহ্নিত করার লক্ষ্যেই মানুষ পোশাক ব্যবহার করে থাকে।