Showing posts with label নারীঅধিকার. Show all posts
Showing posts with label নারীঅধিকার. Show all posts

Monday, April 12, 2010

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিপীড়নবিরোধী ব্যবস্থা

বাংলাদেশে নারীর নিরাপত্তা ও মর্যাদা এখনো নাজুক। নারী-শিক্ষার্থীরাও এ থেকে মুক্ত নয়। ছাত্রের দ্বারা ছাত্রীর ওপর নিপীড়নের ঘটনা আমরা অতীতে দেখেছি। প্রায় সব কটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকের হাতে ছাত্রী-নিপীড়নের ঘটনাও ঘটতে দেখা গেছে। এসবের বিহিত ও প্রতিকারে আন্দোলন হয়েছে, তদন্ত কমিটি হয়েছে, কিন্তু কার্যত অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অভিযুক্ত ব্যক্তিদের কোনো শাস্তি হয়নি। অপরাধের বিরুদ্ধে শাস্তি যেখানে ন্যায়ের প্রথম রক্ষাকবচ, সেখানে শাস্তি না হওয়ায় নিপীড়নের মাত্রা ও পরিধি তাই আরও বাড়ছে।
প্রথম আলোর গত বৃহস্পতিবারের সংবাদ অনুযায়ী, দেশের স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যৌন নিপীড়নের ১২টি ঘটনা বিভিন্ন সময়ে আলোচিত হয়েছে। অথচ এগুলোর মধ্যে ১১টি ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিদের স্থায়ী শাস্তি হয়নি বা হলেও মামুলি সাজার পর তাঁরা পুনরায় পুনর্বাসিত হয়েছেন। কেবল একটি ক্ষেত্রে কিছু ছাত্রের বহিষ্কার এবং একজন শিক্ষকের চাকরিচ্যুতির নজির রয়েছে।
বলা বাহুল্য, শিক্ষক বা ছাত্রদের মধ্যে নগণ্যসংখ্যক ব্যক্তিরই এ ধরনের নৈতিক স্খলন ঘটে। কিন্তু এতে সার্বিক শিক্ষার পরিবেশ ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীর আস্থার সম্পর্কে চির ধরে। এর সামান্যই বাইরে প্রকাশিত হয় এবং অনেক ক্ষেত্রে নির্যাতিতকে বিপর্যস্ত মন নিয়ে চুপ হয়ে যেতে হয়। অথচ শাস্তি না হওয়ায় নির্যাতনকারীরা দিব্যি হয়রানিমূলক আচরণ চালিয়ে যেতে থাকে।
শিক্ষকতা বা ক্ষমতাশালী অবস্থানে থাকা ব্যক্তিদের হয়রানির প্রতিকারে আক্রান্ত ব্যক্তিদের পক্ষে সব সময় আদালতে যাওয়া সম্ভব হয় না। আবার বিদ্যমান আইনে নানা ধরনের যৌন হয়রানিকে চিহ্নিত করার ব্যবস্থাও নেই। এ জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন নিপীড়নবিরোধী নীতিমালা প্রণয়ন ও অভিযোগ সেল গঠনের দাবি উঠছে এবং তা জনপ্রিয়ও হয়ে উঠেছে। ২০০৮ সালে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন এ রকম একটি নীতিমালা তৈরি করে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পাঠায়। ২০০৯ সালে উচ্চ আদালতও হয়রানিবিরোধী দিকনির্দেশনা দেন। অথচ এ সবই যেন পড়ে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর স্বায়ত্তশাসিত হিমঘরে। ওদিকে নারী-শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠিত হয়নি, ঘটনা ঘটে চলেছে ঘটনার নিয়মে।
আমরা আশা করি, পরিস্থিতির গুরুত্ব অনুধাবন করে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কর্মস্থলে যৌন নিপীড়নবিরোধী নীতিমালা কার্যকর করা হবে। পাশাপাশি অভিযোগ দা

Friday, March 19, 2010

নারীর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি

বর্তমান বিশ্বে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, শিল্প-কৃষি, রাজনীতি-অর্থনীতি এবং সর্বোপরি কায়িক শ্রমের প্রতিটি ক্ষেত্রে নারীর ভূমিকা পুরুষের সমান। এর অতিরিক্ত ঘর-সংসারের যাবতীয় কাজ নারীই করে। সন্তান ধারণ ও প্রতিপালনের কাজও একান্তভাবে তাঁদেরই। নারীর এই ভূমিকার যথাযথ স্বীকৃতি না দিয়ে কোনো দেশের পক্ষেই এগিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। সে জন্যই আজ নারীর সমানাধিকারের প্রশ্নে দ্বিমতের অবকাশ নেই। কিন্তু পশ্চাত্পদ চিন্তাভাবনার কিছু লোক নারীকে যথাযথ মর্যাদা দিতে চায় না। তারা প্রকৃতপক্ষে মধ্যযুগীয় ধ্যানধারণায় আচ্ছন্ন হয়ে পুরো সমাজকে পেছনে ঠেলে দিতে চায়।
ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মুফতি ফজলুল হক আমিনী যে বলেছেন তাঁরা নারী-পুরুষের সমানাধিকার মানবেন না, সেটা আসলে সেই পশ্চাত্পদ ধ্যানধারণারই প্রকাশ। তাঁদের অচল কথা গ্রহণযোগ্য করার জন্য তিনি পবিত্র ধর্মের আশ্রয় নিয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা করেছেন, যা এক ধরনের সামাজিক অপরাধ। যারা ধর্মের নামে মানুষের অধিকার হরণের চেষ্টা করে, তাদের এ দেশবাসী সেই একাত্তরেই বর্জন করেছে। সে সময় পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক শাসকেরা বাঙালিত্বকে হিন্দুয়ানি আখ্যায়িত করে বাঙালির অধিকার আদায়ের সংগ্রাম গণহত্যার মাধ্যমে দমন করতে চেয়েছিল। কিন্তু তাদের সেই অপচেষ্টা ব্যর্থ করে মুক্তিসংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছে। ধর্মের অপব্যাখ্যা ও দোহাই দিয়ে রাজনীতির পরিণাম যে শুভ হয় না, সেটা সংশ্লিষ্ট সবার মনে রাখা দরকার।
তথাকথিত ‘দেশ ও ইসলামবিরোধী কর্মকাণ্ডের’ প্রতিবাদে আয়োজিত সমাবেশে মুফতি আমিনী শুধু নারীর সমানাধিকারের বিরুদ্ধেই সোচ্চার ছিলেন না, তিনি এমনকি এ ব্যাপারে হাইকোর্ট-সুপ্রিম কোর্টের সম্ভাব্য রায় মেনে না নেওয়ার ঘোষণাও দিয়েছেন। সর্বোচ্চ আদালতের প্রতি এই বিদ্বেষপূর্ণ উক্তি আইনের শাসনের পরিপন্থী। আদালত সেটা নিশ্চয়ই দেখবেন। শান্তিপূর্ণ নাগরিকদের উত্তেজিত করে হানাহানির দিকে ঠেলে দেওয়ার একটি পরিকল্পিত উদ্যোগ হিসেবে একে দেখা চলে।
ইসলামী ঐক্যজোট নারীর স্বাভাবিক চলাফেরার অধিকারও বন্ধ করতে চায়। তাদের এক কেন্দ্রীয় নেতা বলেছেন, ‘এই সরকার নারীদের অধিকারের নামে তাদের রাস্তায় নামাতে চায়, ঘরে বন্দী রাখতে চায় না।’ কী হাস্যকর কথা! পর্দাপ্রথার নামে নারীকে ঘরে বন্দী রাখার কোনো বিষয় যে ইসলামে নেই, সেটা শতবর্ষ আগেই বেগম রোকেয়া নারীশিক্ষার প্রসার ঘটিয়ে প্রমাণ করে গেছেন। আজ সেই মীমাংসিত বিষয় নিয়ে এক ধরনের লোক মাঠে নামতে চায়। তাদের আসল উদ্দেশ্য হলো প্রস্তাবিত নারীনীতির বিরোধিতা করা।
বাংলাদেশ এগিয়ে যেতে চায়। নারীর অবদান ছাড়া এটা সম্ভব নয়। এ জন্য নারীর সমানাধিকার ও ক্ষমতায়ন দরকার। কাজের সমান সুযোগ ও সমান কাজের জন্য নারী-পুরুষের সমান মজুরি প্রয়োজন। কোনো অজুহাতেই নারীকে সমাজে উপেক্ষিত রাখা যাবে না। আজ যৌতুকের জন্য, পারিবারিক সমস্যার জের ধরে অথবা প্রেম প্রত্যাখ্যানের জন্য এসিড ছুড়ে নারীর মুখ ঝলসে দেওয়া হয়। এর চেয়ে জঘন্য অপরাধ আর কী হতে পারে? নারীর প্রতি সব ধরনের সহিংসতা বন্ধ করতে হবে। নইলে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা যাবে না।
নারী-পুরুষের সমানাধিকার ছাড়া গণতন্ত্র কার্যকর হতে পারে না। মুফতি আমিনীর কথাগুলো তাই গণতন্ত্রবিরোধী এবং সে কারণে অগ্রহণযোগ্য।

Friday, January 29, 2010

শ্রমবাজারে নারী ও সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা by জোবাইদা নাসরীন |

আমেরিকার কর্মক্ষেত্রগুলোতে অল্প কয়েক মাসের মধ্যেই নারীকর্মীরা সংখ্যার দিক থেকে পুরুষকর্মীদের ছাড়িয়ে যাবেন। কয়েকটি ধনী দেশে পেশাজীবী নারীরা এরই মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। ওইসিডির (অর্গানাইজেশন ফর ইকোনমিক কো-অপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট) দেশগুলোতে বিশ্ববিদ্যালয় গ্র্যাজুয়েট সংখ্যার দিক থেকে নারীরা পুরুষদের ছাড়িয়ে গেছে। আমেরিকাতে ২০১১ সালের মধ্যে ছেলেদের চেয়ে ২৬ লাখ বেশি মেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবে। স্ক্যান্ডেনেভিয়ান অঞ্চলের দেশগুলো নারীকর্মী নিয়োগে বিশ্বে প্রথম দিকে রয়েছে। এসব দেশে কর্মজীবী নারীদের সবচেয়ে কম সামাজিক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। (সূত্র: দি ইকোনমিস্ট) ধনী দেশগুলোর কর্মক্ষেত্রে নারীদের এই অগ্রগতির খবর নিঃসন্দেহে আমাদেরও আশাবাদী করে। বাংলাদেশকে ২০১৫ সালের মধ্যে সহস্রাব্দের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এমডিজি) অর্জন করতে হলে কর্মক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ বাড়ানোর বিষয়টি অত্যন্ত জরুরি।
বৈশ্বিক পরিপ্রেক্ষিতে, নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন সমসাময়িক কালের সবচেয়ে বড় অর্জনগুলোর একটি। কিছুদিন আগেও গৃহস্থালির মতো একঘেয়েমির কাজে নারীকে সবচেয়ে বেশি দেখা যেত। নারীর জন্য শুধু নির্দিষ্ট কিছু কাজই রাখা হতো পাবলিক পরিসরে। মনে করা হতো, বিয়ে ও সন্তান হওয়ার পর নারী তার ক্যারিয়ার ছেড়ে দেবে। এসব চিন্তায় কম-বেশি পরিবর্তন এসেছে। বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি নারী উত্পাদনমূলক নানা কাজে নিজেদের নিয়োজিত করেছে। শুধু চ্যালেঞ্জিং কাজেই নয়, চ্যালেঞ্জিং অনেক সিদ্ধান্তও আসছে নারীদের কাছ থেকে। এ ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন এখনো অনেকটাই অসম্পূর্ণ। সমস্যা রয়ে গেছে অনেক।
বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে বলা বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর কর্মক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ ক্রমান্বয়ে বাড়লেও তা এখনো বেশ কম। বর্তমান সরকারের আমলে মন্ত্রিসভাসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় স্থান পেয়েছে নারীরা। কিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ পদেও আছে তারা। কিন্তু বিশ্বব্যাংকের ২০০৮ সালের এক রিপোর্ট অনুযায়ী সব মিলে মাত্র ২৬ শতাংশ নারী অর্থনৈতিক কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে, যাদের বেশির ভাগই শ্রমিক। গার্মেন্টসশিল্পে অনেক বেশি নারীর সম্পৃক্ততা বাংলাদেশের নারীর অর্থনৈতিক কাজের সম্পৃক্ততার এ হারকে বাড়াতে সহায়তা করেছে। যদিও এ দেশে বেতন-কাঠামোতেও অনেকাংশে রয়েছে বৈষম্য। ঘরে-বাইরে নারীর অবৈতনিক শ্রম এখানে যুক্ত করা হয়নি।
বাংলাদেশে বর্তমানে শ্রমবাজারের বিভিন্ন খাতে নারীর আগমন গত ১০ বছরে নিঃসন্দেহে অনেক বেড়েছে। তবে প্রতিবছর শ্রমবাজার থেকে নারীর ফিরে যাওয়ার সংখ্যাও অনেক। নারীদের একটি বৃহত্ অংশ শ্রমবাজার থেকে বিভিন্ন কারণে ঝরে পড়ে, যার বেশির ভাগেরই কোনো হিসাব পাওয়া যায় না। শুধু পারিবারিক ও সামাজিক মতাদর্শই নয়, শ্রমবাজার নারীর জন্য এখনো সব দিক থেকে অনুকূল নয় বলে নারীর এই বিপরীতমুখী যাত্রা। এখন অনেক চাকরির বিজ্ঞাপনে নারীদের আবেদন জানাতে উত্সাহিত করে ‘ওমেন আর এনকারেজড টু অ্যাপ্লাই’ লেখা থাকলেও নারীর জন্য কর্মক্ষেত্রগুলো খুব ‘এনকারেজিং’ থাকে না। বাস্তবে কর্মক্ষেত্রে নারীর জন্য অনুকূল পরিবেশ না থাকায় বহু নারী অনেক জায়গাতেই টিকে থাকতে পারে না; তারা বাধ্য হয় তাদের জায়গা ছেড়ে দিতে। ফলে আমাদের চাকরির বাজারে নারীর আগমন যেমন বাড়ছে, তেমনি এখান থেকে নারীর ঝরে পড়ার হারও নেহাত কম নয়।
শুধু বাংলাদেশেই নয়, বিশ্বজুড়ে চাকরির বাজার থেকে নারীর ঝরে পড়ার অন্যতম কারণ, চাকরিজীবী মায়েদের জন্য কর্মক্ষেত্রে পরিবারবান্ধব অবস্থা না থাকা। অনেক চাকরিজীবী মা শুধু ডে কেয়ার সেন্টার থাকায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কম বেতনেও কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। খোদ আমেরিকার অনেক জায়গাতেই সন্তানহীন নারীর আয় অনেক বেশি, কিন্তু যাদের সন্তান আছে, সেসব নারী অপেক্ষাকৃত কম উপার্জন করে (সূত্র: দি ইকোনমিস্ট)। এ বিষয়গুলো চিন্তা করে সুইডেন ও জার্মানির ৯০ শতাংশেরও বেশি কোম্পানি সুবিধামতো কর্মসময় করেছে। তারা নতুন নতুন পদ্ধতি আবিষ্কার করার চেষ্টা করছে, যাতে কর্মক্ষেত্রে নারীকর্মীর প্রয়োজনগুলো মেটানো যায়।
বাংলাদেশে কর্মক্ষেত্রে ডে কেয়ার সেন্টারের দাবি দীর্ঘদিনের। পাশাপাশি রয়েছে আরও কিছু সমস্যা। কর্মস্থলে যৌন হয়রানি, অসম বেতন এবং যাতায়াতের সমস্যার কারণে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে নারীর জন্য পুরোপুরি নিরাপদ ও অনুকূল কর্মক্ষেত্র করা যায়নি। এমনকি অনেক বড় গার্মেন্টস কারখানা এবং অফিসেও নারীর জন্য পৃথক টয়লেটের ব্যবস্থা করা হয়নি। দেশে এখন অনেক নারীই পরিবার ও সমাজের নানা বাধা জয় করে চাকরির বাজারে প্রবেশ করলেও সেখানে বিরাজমান সমস্যার কারণে ফিরে আসতে বাধ্য হচ্ছে। এসব বিষয়ের প্রতি এখনই নজর না দিলে বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়নের কাজ অনেক কঠিন হবে। সহস্রাব্দের উন্নয়ন লক্ষ্যগুলোর তৃতীয়টি হলো নারীর ক্ষমতায়ন ও নারী-পুরুষের সমতা বিধান। শ্রমবাজারকে নারীর জন্য অনুকূল করতে না পারলে কোনোভাবেই এই লক্ষ্যে পৌঁছানো যাবে না।
প্রতিবছর কত নারী শ্রমবাজারে, শিক্ষাঙ্গনে প্রবেশ করছে, কোন স্তরের পদে কাজ করছে, এর পাশাপাশি কত নারী এই শ্রমবাজার থেকে নিজেদের সরিয়ে নিচ্ছে, কেন নিচ্ছে, এগুলোর সুনির্দিষ্ট তথ্য সরকারের কাছে থাকা প্রয়োজন। শুধু তথ্যই নয়, নারীর জন্য অনুকূল কর্মক্ষেত্র সৃষ্টি করতে সরকারকেই আগে উদ্যোগ নিতে হবে। ২০১৫ সালের আর বেশি দেরি নেই। তাই বিষয়টির প্রতি মনোযোগী হওয়ার সময় এখনই।
জোবাইদা নাসরীন: শিক্ষক, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
zobaidanasreen@gmail.com