Monday, August 17, 2020
জার্মান সাবমেরিনের লেজার ছবিতে অক্ষত ‘ভুতুড়ে জাহাজ’
এনওএএ' র এক প্রত্নতত্ত্ববিদ জো হয়েট বলেন, "এটা আমার দেখা সমুদ্রের তলায় থাকা কোনও ইউ-নৌকার সেরা এবং বিশদ ছবি। এটি একটি চমত্কার অত্যাশ্চর্য ছবি.. আমার কাছে এটি সম্ভবত একটি নতুন যুগের শুরু।"
তিনি আরো বলেন, "এখন আমরা সামুদ্রিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সাথে এমন এক পর্যায়ে রয়েছি যেখানে আমরা এমন কিছু উপায়ে সেই জিনিস দেখতে পারি যা আমরা আগে পারিনি। আমাদের লক্ষ্য এই অজানা গল্পগুলিকে সমুদ্রের তলা থেকে তুলে ভূপৃষ্ঠে আনা”।
সার্ভেটি দুই গ্রীষ্মকাল আগে শুরু হয়। এনওএএ এবং অন্যান্য সংস্থাগুলির প্রযুক্তিবিদ ও সামুদ্রিক প্রত্নতাত্ত্বিকরা ওক্রাকোক, এন.সি. থেকে ৩৫ মাইল দূরে এই ডুবে যাওয়া নৌকার ধ্বংসাবশেষের পরিষ্কার ছবি পাওয়ার জন্য কাজ করছিলেন।
অন্য আরো বিষয়ের মধ্যে ৭৪ বছর আগে তলিয়ে যাওয়া নৌকার অবশিষ্টাংশ সম্পর্কে কিছুটা পরিষ্কার ছবি পেতে এবং বেশ কিছু জড়িত প্রশ্নের উত্তর খোঁজার জন্য একটি জটিল লেজার স্ক্যানও আয়োজিত হয়।
স্ক্যানে ধরা পড়েছে যে ৭৪ বছর পরও রহস্যজনকভাবে অক্ষত রয়েছে একটি সাবমেরিন। হয়েট বলেন, কোনও যুদ্ধের যে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে জাহাজটি বা নীচে কিছুর ধাক্কা খেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে এমন কোনও প্রমাণ মেলেনি। এটা একেবারেই অনিয়ন্ত্রিত একটি ডুবে যাওয়ার ঘটনা।
কিন্তু জাহাজের ক্রু দের বেরিয়ে যাওয়ারও কোন ইঙ্গিত নেই ছবিতে। হয়েট বলেন, ইউ-নৌকায় কিছু অব্যাহতি যন্ত্রপাতি আছে। "আমরা স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি যে যে সব হ্যাচ সিল করা হয়েছে। সুতরাং সমগ্র ক্রু সদস্যরা জাহাজেই ছিল," বলেন তিনি।
ছবিটির জন্য উজ্জ্বল সবুজ এবং নীল রং বেছে নেওয়া হয়েছে যাতে রঙের বৈপরীত্য এবং স্বচ্ছতা দেখানো যায়, জানিয়েছেন এনওএএ'র অফশোর মনিটর ন্যাশনাল মেরিন স্যানচুয়ারির সুপারভাইজার ডেভিড ডব্লিউ অ্যালবার্গ।
ইউ -৫৭৬ এক প্রকার VIIC জার্মান সাববেরিন। ইউ -৫৭৬ জার্মানির সম্পত্তি হলেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এর যত্ন নেয়ার ব্যাপারে সম্মত হয়েছে বলে এনওএএ জানিয়েছে। এই সাবমেরিনটি ২০১৪ সালে প্রথম ওই স্থানে দেখা গেলেও ২০১৬ সালের আগে পর্যন্ত তা নিয়ে কাজ হয়নি। সাবমেরিনটি ১৯৪২ সালের ১৫ জুলাই তলিয়ে যায়।
সেই দিনে বিকেলে, ক্যাপিটেনলুট্যান্ট হেইনিকে একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তিনি এমন এক দুর্বল, দুর্ভাগ্যজনক নৌকায় ছিলেন যা প্রায় এক বা দু'দিন আগে বিমানের আক্রমণে ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। এই আক্রমণে একটি ব্যালাস্ট ট্যাঙ্ক নষ্ট হয়ে যায় এবং নৌকোর ভেসে থাকা বা ডুবে থাকার ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়।
হেইনিক (২৯), প্রথম বিশ্বযুদ্ধে নিহত হন এমন একজন জার্মান নৌবাহিনী অফিসারের ছেলে। তিনি একজন অভিজ্ঞ, পর্যবেক্ষণকারী কমান্ডার যিনি প্রায় এক দশক ধরে নৌবাহিনীতে কাজ করছিলেন। ১৯৪২ সালের ১৬ জুন ফ্রান্সের সেন্ট নাজাইরে থেকে বিশাল কংক্রিট ইউ-নৌকায় ২৯ দিনের জন্য সমুদ্রে ছিলেন।
![]() |
| জার্মান সাবমেরিনের লেজার ছবিতে অক্ষত ‘ভুতুড়ে জাহাজ’ |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যে ৫ সিনেমায় সত্যি সত্যি শারীরিক সম্পর্ক করেন নায়ক-নায়িকারা!

জেনে নেওয়া যাক তেমননি পাঁচটি ছবির নাম-
১. লাভ (Love):
২০১৫ সালে মুক্তি পেয়েছিল এই ফরাসি ছবিটি। যেখানে একাধিকবার অন্তরঙ্গ দৃশ্য দেখানো হয়েছে। তার উপর ছবিটি ছিল থ্রি ডি। ফলে বড়পর্দায় রীতিমতো জীবন্ত হয়ে উঠেছিল সেসব দৃশ্য। যা উপভোগ করেছিলেন সিনেমাপ্রেমীরা।
২. সংস (Songs):
২০০৪ সালের এই ব্রিটিশ রোম্যান্টিক ছবিতে নায়ক-নায়িকার ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের সেই দৃশ্য ব্যাপক সাড়া ফেলে দিয়েছিল। ছবির নায়ক-নায়িকা বাস্তবেই ক্যামেরার সামনেই দৈহিক সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন।
৩. নিমফোম্যানিয়াক (Nymphomaniac):
এই ছবিতে আবার নগ্নতা ও যৌনতাকে তুলে ধরেছিলেন নায়িকার ডামি। নায়িকা নিজে মিলনের দৃশ্যে ছিলেন না। তাই সে সব দৃশ্যে তার শরীরকেই পর্দায় দেখানো হয়েছিল। ২০১৩ সালে মুক্তি পাওয়া এই ছবির এক-একটি দৃশ্য শরীরের উষ্ণতা বাড়িয়ে দিয়েছিল সিনেমাপ্রেমীদের।
৪. ইন্টিমেসি (Intimacy):
দুই অচেনা মানুষ যারা জড়িয়ে পড়েছিলেন শারীরিক সম্পর্কে। এই হল ছবির গল্প। আর শুধু ক্যামেরার সামনেই নয়, ছবির স্বার্থে অফ ক্যামেরাও একাধিকবার যৌনতায় লিপ্ত হন নায়ক-নায়িকা। ক্যামেরার সামনে নিজেদের অভিব্যক্তিকে আরও সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলতেই নাকি এই প্রয়াস।
৫. অ্যান্টিক্রাইস্ট (Antichrist):
ভুতুড়ে এই ছবিতে যেমন ভয়ে গায়ে কাঁটা দেবে, ঠিক তেমনই এর যৌন দৃশ্য বাড়িয়ে তুলবে শরীরের উষ্ণতা। বিনোদনে ভরপুর এই ছবি ২০০৯ সালে বক্স অফিসে দারুণ ব্যবসা করেছিল।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হিন্দু পণ্ডিতদের জন্য কাশ্মিরে তাদের বাড়িঘরে ফেরা বিকল্প নয় by উমর মনজুর শাহ

মুসলিম কাশ্মিরি তরুণরা ভারতীয় শাসন থেকে তাদের রাজ্যকে মুক্ত করার জন্য সীমান্ত অতিক্রম করে পাকিস্তানে গিয়ে অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ নিয়ে আসে। বেশ কয়েকটি জঙ্গি সংগঠন কট্টরপন্থী ইসলামি দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করে। তারা মদের দোকান বন্ধ করার দাবি জানায়, সিনেমা হলগুলো পুড়িয়ে দেয়, হিন্দুদের এলাকা ত্যাগ করতে বলে।
দক্ষিণ কাশ্মিরের সোপিয়ান অঞ্চলের (এখনো এলাকাটি জঙ্গিদের জন্য প্রাণবন্ত এলাকা) অধিবাসী ভাটের পরিবার আরো হাজার হাজার হিন্দু পরিবারের মতো রাতের গভীরে তাদের বাড়িঘর, ফসলভরা ক্ষেত, গবাদি পশু ফেলে পালিয়ে যায়।
উপত্যকার হিন্দুদের বেশির ভাগই ছিল ব্রাহ্মণ, তাদের বলা হতো পণ্ডিত। ১৯৮৯ সালের শেষ দিকে আজাদি আন্দোলন সহিংস হয়ে ওঠলে তারা বাড়িঘর ত্যাগ করে। ওই সময় জঙ্গিদের হাতে প্রায় ২০০ পণ্ডিত নিহত হয়।
সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী ভারতে বর্তমানে প্রায় ৬০ হাজার নিবন্ধিত কাশ্মিরি অভিবাসী পরিবার রয়েছে। জম্মুতে বাস করছে প্রায় ৩৮,১১৯টি নিবন্ধিত কাশ্মিরি অভিবাসী পরিবার, দিল্লিতে ১৯,৩৩৮টি, অন্যান্য ভারতীয় রাজ্যে ১,৯৯৫টি পরিবার।
কাশ্মির থেকে পালানোর পরপরই ভাট হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চল জম্মুতে একটি বিজ্ঞান কলেজে ভর্তি হন। তিনি গ্রাজুয়েশন শেষ করে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি নেন, নিজ সম্প্রদায়ের এক মেয়েকে বিয়ে করেন।
এখন তিনি দুই সন্তানের পিতা। তিনি কাশ্মিরে ফিরে যেতে আগ্রহী নন। কাশ্মিরি হিন্দুদের বেশির ভাগের মনে এখন এ ধরনের ভয়ই বিরাজ করছে।
সাউথ এশিয়ান মনিটরকে ভাট বলেন, আমি সেখানে গিয়ে মরতে চাই না। আমি চাই না আমার সন্তানেরা নিহত হোক স্রেফ এই কারণে যে তাদের বাবা তার শৈশবের বাড়িতে ফিরে যেতে চেয়েছিল।
জম্মু ও কাশ্মির সরকার কাশ্মিরি পণ্ডিতদের ফিরিয়ে নিতে বেশ কয়েকটি অর্থনৈতিক ও চাকরির প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। এসব প্যাকেজ ছাড়াও সরকার এমন ধারণা সৃষ্টির চেষ্টা করছে যে কাশ্মিরে স্বাভাবিক অবস্থা বিরাজ করছে। কিন্তু তাতেও কাজ হচ্ছে না। তারা সত্য জানে। আর সেজন্যই ফিরতে রাজি হচ্ছে না।
জঙ্গি নেতা বুরহান ওয়ানি ২০১৬ সালের জুলাই মাসে এনকাউন্টারে নিহত নয়। তার হত্যার পর উত্তাল হয়ে ওঠে কাশ্মির। ফলে স্বাভাবিক অবস্থা ফেরানোর প্রয়াস স্তম্ভ হয়ে যায়। ছয় মাস ধরে চলা রাজপথের বিক্ষোভে ৯০ জন নিহত ও ১১ হাজারের বেশি লোক আহত হয়।
এই সময় দক্ষিণ কাশ্মিরে একটি পণ্ডিত অভিবাসী ক্যাম্পে পাথর দিয়ে হামলা চালায় মুসলিম তরুণেরা। সরকারি চাকরি পেয়ে ক্যাম্পগুলোতে বসবাসকারী প্রায় ১৯ শ’ কাশ্মিরি পণ্ডিত পালিয়ে যায়।
ভাট বলেন, জীবন-মৃত্যু যেখানে অবিচ্ছিন্ন এবং যেখানে অনিশ্চয়তা ও বিশৃঙ্খলা লেগে আছে, সেখানে তার সন্তানেরা বাস করুক, তা তিনি চান না।
তিনি বলেন, সরকার যদি কাশ্মিরে আমাদের জন্য সোনা আর হীরায় মোড়ানো প্রাসাদও নির্মাণ করে, তবুও সেখানে যাব না। আমরা আমাদের নিরাপত্তাকেই বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকি। আমরা জানি না, কে আমাদের ঘরে ঢুকে আমাদের গুলি করে হত্যা করবে। বন্দুকধারীরা হতে পারে জঙ্গি কিংবা সরকারি সৈন্য। আমাদের ভাবনা আমাদের জীবন।
অবশ্য অপর কাশ্মিরি পণ্ডিত গিরদারি লাল পাণ্ডিত প্রতি বছরের জুলাই মাসে কৌশলে কাশ্মিরে যান। তিনি মধ্য কাশ্মিরে তার গ্রামে এক মাস বসবাস করেন, ফিরে আসেন নীরবে। অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মী লাল তার সন্তান আর নাতি-নাতনিদের সাথে দিল্লিতে বাস করেন।
তিনি বলেন, কাশ্মিরে ফিরে যেতে আমার পরিবারকে রাজি করাতে পারছি না। তারা কেন সেখানে যাবে? আমাদের জন্য সেখানে কী আছে? তার চোখেমুখে ক্রোধ ফুটে ওঠে।
তিনি আরো বলেন, সরকার যে অর্থনৈতিক প্যাকেজ ঘোষণা করেছে, তা খুবই সামান্য। আর উদ্বাস্তুদের নিরাপত্তা নিয়ে সরকার কিছুই ভাবছে না।
তিনি এসএএমকে বলেন, আমরা কাশ্মিরি জঙ্গিদের নতুন প্রবণতা দেখছি। চরমপন্থা নতুন মাত্রায় দেখা যাচ্ছে। এখন সেখানে খিলাফত প্রতিষ্ঠার ডাক দেয়া হচ্ছে। বিষয়টি এখন আর রাজনৈতিক নয়।
২০১৭ সালের ১৫ মার্চ কাশ্মিরি জঙ্গি নেতা জাকির রাশিদ ভাট ওরফে মুসা (তিনি ছিলেন আল কায়েদার আনসার গুজওয়াট-উল-হিন্দের নেতা) একটি ভিডিও প্রকাশ করে শরিয়া আইন ও ইসলামের শ্রেষ্ঠত্ব প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান।
জাকির ভিডিওতে বলেন, কাশ্মিরের অনেক লোক ইসলাম-নিষিদ্ধ জাতীয়তাবাদী যুদ্ধে নিয়োজিত। কেবল শরিয়া আইন প্রতিষ্ঠা করা উচিত।
বুরহান ওয়ানির মৃত্যুর পর জাকির হয়ে পড়েন জঙ্গিবাহিনীর নতুন মুখ।
জঙ্গিরা পরে পাথর নিক্ষেপকারী তরুণদের প্রতি ‘শরিয়াতিয়া শাহাদাত’ শ্লোগান দেয়ার আহ্বান জানান। পাকিস্তান এই দাবির পক্ষে নয়। এটি জাতি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বিশ্বজুড়ে ওঠা ধ্বনি। তারা একটি ইসলামি খিলাফত প্রতিষ্ঠা করতে চায়।
জঙ্গিরা ২০১৭ সালের ১০ জুলাই দক্ষিণ কাশ্মিরের অনন্তবাগ জেলায় অমরনাথ তীর্থযাত্রীদের বহনকারী একটি বাসকে টার্গেট করে। এতে ছয় নারীসহ সাত তীর্থযাত্রী নিহত হয়। এছাড়া আরো ১৯ তীর্থযাত্রী আহত হয়। ২০০০ সালের পর তীর্থযাত্রীদের ওপর এটি ছিল সবচেয়ে ভয়াবহ হামলা। ওই বছর তীর্থযাত্রীদের একটি বেইজ ক্যাম্পে গ্রেনেড হামলায় ২১ জন নিহত হয়েছিল।
প্রতি বছর জুলাই ও আগস্ট মাসের মধ্যবর্তী সময়ে ৬০ দিনের একটি যাত্রায় অংশ নেয় ৫ লাখের বেশি হিন্দু। একে বলে অমরনাথ যাত্রা। তারা হিন্দুদের ধ্বংসের দেবতা শিবকে পূজা করে।
তীর্থযাত্রীরা সমুদ্র স্তর থেকে ৩,৮০০ মিটার উঁচু অমরনাথ গুহায় যায়। এখানে একটি ৯ ফুট লম্বা শিবের একটি প্রতীক রয়েছে। এটি হিন্দু দেবতাদের মধ্যে অন্যতম শ্রদ্ধাভাজন।
নয়া দিল্লি ভিত্তিক সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার ২৩ বছর বয়স্ক অমিত রায়না বলেন, তার মা-বাবা কাশ্মির ত্যাগ করে দিল্লিতে যখন বসবাস করতে যান, তখন তার জন্মও হয়নি। তিনি টেলিভিশনে দেখেছেন কাশ্মিরে বিপুল সবুজ বন, জলাধার, রাজসিক পর্বতমালা। কিন্তু নিজের চোখে দেখেননি।
তিনি বলেন, টেলিভিশনে আমি সহিংসতা, মৃত্যু, গ্রেনেড বিস্ফোরণ, বন্দুকযুদ্ধও দেখেছি। তাহলে আমি কেন সেখানে যাব?
জঙ্গিদের আত্মপ্রকাশের পর গত ৩০ বছরে জম্মু ও কাশ্মিরে প্রায় এক লাখ লোক মারা গেছে। তাদের মধ্যে রয়েছে বেসামরিক লোকজন, জঙ্গি, সেনাবাহিনীর সদস্য। পাকিস্তান ও ভারত উভয়েই কাশ্মির দাবি করছে।
১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর থেকেই ভারত ও পাকিস্তান উভয়ের কাছে কাশ্মির স্পর্শকাতর ইস্যু হিসেবে বিরাজ করছে। পরমাণু শক্তিধর দেশ দুটি কাশ্মির নিয়ে তিনটি প্রধান যুদ্ধ করেছে।
![]() |
| কাশ্মিরের মধ্যাঞ্চলে হিন্দু মন্দির মাতা খের ভবানীতে পূজা দিচ্ছেন কাশ্মিরি পন্ডিরা, ছবি: উমর আসিফ |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অ্যাসিডিটি হলেই ওষুধ নয়, সমাধান করুন ঘরোয়া উপায়ে

ভারতের পুষ্টিবিদ নমামি আগারওয়াল অ্যাসিডিটি কমানোর বিষয়ে বেশ কয়েকটি পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি অ্যাসিডিটির ব্যাখ্যা করে বলেছেন, অম্লতা হল শরীরের অতিরিক্ত অ্যাসিড উৎপাদনের ফলে সৃষ্ট সমস্যা। খাবারের পাচনের জন্য শরীরের অ্যাসিডের প্রয়োজন হলেও অ্যাসিডের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হলে গ্যাস, অম্লতা, পেট ফাঁপা, পেটে ব্যথা, অ্যাসিড রিফ্লাক্স এবং আরও অনেক সমস্যাই দেখা যায়।
বিভিন্ন কারণেই অম্লতা হতে পারে। খাওয়ার ভুল অভ্যাস, মসলাযুক্ত বা তৈলাক্ত খাবারের অত্যধিক ব্যবহার, শারীরিক ক্রিয়াকলাপের অভাব, চাপ এবং শরীরে জলের অভাব এর কিছু সাধারণ কারণ।
অম্লতা, পেট ফাঁপা এবং অন্যান্য অন্যান্য উপসর্গগুলি হ্রাস করার জন্য কয়েকটি সহজ এবং ঘরোয়া উপায় হলো-
খাবার ভালো করে চিবিয়ে খান:
আপনি কি জানেন যে হজমের প্রক্রিয়া শুরু হয় মুখের মধ্যে থেকেই? সঠিক হজমের জন্য খাদ্য সঠিকভাবে চিবানো গুরুত্বপূর্ণ। সঠিকভাবে খাদ্য চিবানো না হলে মুখের মধ্যে উৎসেচকের কাজ কমে যেতে পারে। যার ফলে অম্লতার সমস্যা হতে পারে।
এক গ্লাস ঠান্ডা দুধ:
ঠান্ডা দুধ অম্লতা নিয়ন্ত্রণ করার একটি চমৎকার উপায়। দুধ প্রকৃতিতে ক্ষারীয় এবং এইভাবেই তা পেটের মধ্যে পিএইচ ভারসাম্য বজায় রাখে।
জোয়ান:
বাবা-মা এবং ঠাকুমা দিদাদের আমলেরও আগে থেকে এই একটা প্রতিকার বারেবারেই সুপারিশ করা হয়েছে। যখনই গ্যাস, অম্লতা বা পেট ফাঁপার সমস্যা অনুভব করবেন এক গ্লাস জলে আধা চা চামচ জোয়ান দিয়ে ফুটিয়ে নিন, তারপর ছেঁকে নিন, একটু লেবু ও লবন দিন এবং খেয়ে ফেলুন। জোয়ানের অ্যান্টি অ্যাসিডিক বৈশিষ্ট্য অম্লতা এবং এর লক্ষণগুলি কার্যকরভাবে হ্রাস করতে সহায়তা করে।
মিন্ট ছাঁচ বা পুদিনা বাটার মিল্ক:
পেটের অ্যাসিড হ্রাস করার জন্য মিন্ট ছাঁচ বা বাটারমিল্ক আরেকটি চমৎকার প্রতিকার। পুদিনা চমৎকারভাবে অ্যাসিড কমিয়ে ফেলে।
উপরোক্ত প্রতিকারগুলির পাশাপাশি সুস্থ থাকা, প্রাকৃতিক এবং ঘরে তৈরি খাবার খাওয়াও অম্লতা কমাতে সহায়তা করতে পারে। অ্যান্টাসিড বা এ জাতীয় ওষুধের নিয়মিত ব্যবহারের ফলে অ্যাসিড রিবাউন্ড হতে পারে। এটি আপনার সমগ্র গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ট্র্যাক্টকেও প্রভাবিত করে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1331)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ▼ 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...

