Saturday, April 19, 2025
ইসরায়েলের ‘অসম্ভব শর্ত’, প্রত্যাখ্যান করল ফিলিস্তিনি যোদ্ধারা
শুক্রবার (১৮ এপ্রিল) সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, হামাসের প্রধান আলোচক খলিল আল-হাইয়া অভিযোগ করেছেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এমন কিছু শর্ত দিয়েছে, যেগুলোর বাস্তবায়ন হলে যুদ্ধ থামবে না, বরং আরও বিস্তৃত হবে।
ইসরায়েলের সর্বশেষ প্রস্তাবে বলা হয়েছে, প্রাথমিকভাবে ১০ জন ইসরায়েলি জিম্মি মুক্তির বিনিময়ে ৪৫ দিনের যুদ্ধবিরতি দেওয়া হবে। এছাড়া হামাসের পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণ, কিছু ফিলিস্তিনি বন্দির মুক্তি, গাজায় মানবিক সহায়তার প্রবেশ এবং ভবিষ্যৎ আলোচনার সুযোগের কথাও উল্লেখ রয়েছে।
তবে এই প্রস্তাবকে সাফ অগ্রহণযোগ্য হিসেবে নাকচ করে দিয়েছে হামাস। খলিল আল-হাইয়া বলেন, আমরা কোনো এমন চুক্তি মানব না যা গণহত্যার ধারাবাহিকতা রক্ষা করে। অস্ত্র সমর্পণের প্রস্তাব বাস্তবতাবর্জিত। কারণ, প্রতিরোধ ও সশস্ত্র সংগ্রাম আমাদের দখলদারবিরোধী লড়াইয়ের অংশ। এটা ফিলিস্তিনিদের জন্মগত অধিকার।
তিনি আরও বলেন, এই প্রস্তাব আসলে ইসরায়েলের রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জনের একটি মাধ্যম। তারা মানবিক বিপর্যয় ও দুর্ভিক্ষ ব্যবহার করে আমাদের ওপর চাপ প্রয়োগ করতে চায়।
হামাসের দাবি, তারা এমন একটি চুক্তিতেই সায় দেবে যেখানে গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা পুরোপুরি প্রত্যাহার করবে এবং নিরীহ ফিলিস্তিনিদের গণহত্যা বন্ধের নিশ্চয়তা থাকবে।
প্রসঙ্গত, গত কয়েক সপ্তাহে ইসরায়েল গাজার প্রায় ৩০ শতাংশ এলাকা দখল করেছে। যুদ্ধবিরতির আলোচনার মাঝেই গাজায় চালানো ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছেন অন্তত দেড় হাজার ফিলিস্তিনি। অক্টোবর ২০২৩ থেকে শুরু হওয়া এই অভিযানে এখন পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন ৫০ হাজারের বেশি মানুষ, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু।
পরিস্থিতির ক্রমাগত অবনতির মাঝে এই প্রতিরোধ ও প্রত্যাখ্যান মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনার সম্ভাবনা তৈরি করছে।
![]() |
| অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের গণহত্যা বন্ধ ও সেনা প্রত্যাহারের প্রতিশ্রুতি ছাড়া কোনো ‘আংশিক চুক্তি’ মেনে নেওয়া হবে না বলে উল্লেখ করে হামাস। ছবি : সংগৃহীত |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাশ্মীর পাকিস্তানের ‘গলার শিরা’, ভারতের প্রতিক্রিয়া
বুধবার (১৭ এপ্রিল) ইসলামাবাদে নিযুক্ত পাকিস্তানি রাষ্ট্রদূতদের এক সম্মেলনে কাশ্মীর ও বেলুচিস্তান নিয়ে বক্তব্য দেন জেনারেল মুনির। তিনি বলেন, কাশ্মীর হলো ইসলামাবাদের গলার শিরা। পাকিস্তানিরা কখনো এটি ভুলবে না। খবর এনডিটিভি।
বেলুচ বিদ্রোহীদের উদ্দেশে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি আরও বলেন, বেলুচিস্তান পাকিস্তানের গর্ব! এটা এত সহজে কেউ কেড়ে নিতে পারবে না। ১০ প্রজন্মেও না।
তিনি পাকিস্তানের কূটনীতিকদের উদ্দেশে বলেন, আপনারা যেন দেশের ঐতিহ্য ও ইতিহাস ভুলে না যান। আপনাদের সন্তানের কাছে পাকিস্তানের গল্প তুলে ধরুন। আমাদের পূর্বপুরুষেরা বিশ্বাস করতেন, জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে আমরা হিন্দুদের থেকে আলাদা। এই বিশ্বাসই দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তি।
কাশ্মীর নিয়ে পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের এই বক্তব্যকে ‘অবৈধ দাবির প্রতিফলন’ বলে উল্লেখ করেছে ভারত।
বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) নিয়মিত সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, কাশ্মীর ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল। কোনো বিদেশি জিনিস কীভাবে গলার শিরা হতে পারে? বরং পাকিস্তান অবৈধভাবে যে অংশ দখল করে আছে, তার সঙ্গে হয়তো সম্পর্ক থাকতে পারে।
জেনারেল মুনিরের মন্তব্য এবং ভারতের পাল্টা জবাব- উভয়ই দুই দেশের মধ্যে কাশ্মীর ইস্যুতে কূটনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দুই প্রতিবেশী দেশের এই বিবৃতি আবারও কাশ্মীর সংকটকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনায় নিয়ে আসছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেতে পারে যদি এমন উত্তেজনাপূর্ণ বক্তব্য অব্যাহত থাকে।
![]() |
| ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এবং পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল অসীম মুনির। ছবি : সংগৃহীত |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
২১ শতকের ‘চেঙ্গিস খান’ হতে চান ইলন মাস্ক
সম্প্রতি ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল প্রকাশিত এক প্রতিবেদন ইঙ্গিত দিচ্ছে- মাস্ক যেন ২১ শতকের ‘চেঙ্গিস খান’ হয়ে উঠতে চাইছেন। তার লক্ষ্য : বিশ্বজুড়ে নিজের বংশ বিস্তার।
প্রসঙ্গত, চেঙ্গিস খান একসময় যুদ্ধ করে তৈরি করেছিলেন বিশাল সাম্রাজ্য, আর তার উত্তরসূরি ছড়িয়ে পড়েছিল দুনিয়ার নানা প্রান্তে। আধুনিক গবেষণায় দেখা গেছে, আজকের দিনে পৃথিবীর প্রায় ১ কোটির বেশি পুরুষ বহন করছেন চেঙ্গিস খানের জিন। ইতিহাস যেন নিজেকে পুনরাবৃত্তি করছে- তবে এবার তরবারির বদলে ব্যবহার হচ্ছে প্রযুক্তি, প্রভাব ও গোপন চুক্তি।
বর্তমানে ইলন মাস্কের সন্তানের সংখ্যা ১৪। এদের মা চারজন নারী- তার প্রাক্তন স্ত্রী লেখিকা জাস্টিন উইলসন, গায়িকা গ্রিমস, নিউরালিংকের ডিরেক্টর শিভন জিলিস এবং সাম্প্রতিক সময়ে আলোচনায় আসা ইনফ্লুয়েন্সার অ্যাশলে সেন্ট ক্লেয়ার। তবে গোপন সূত্র বলছে, এই সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।
মাস্কের সন্তান সংখ্যা কেবল ব্যক্তিগত পছন্দ নয়, বরং এটি তার বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গির অংশ। তার মতে, বিশ্বজুড়ে জন্মহার হ্রাস পাওয়া মানব সভ্যতার জন্য ভয়াবহ হুমকি। মানব জাতির বিলুপ্তি ঠেকাতে হলে আরও সন্তান দরকার, বিশেষ করে মেধাবী ও উদ্ভাবনী লোকদের, এমনটাই বারবার বলে আসছেন মাস্ক।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনের মূল ভিত্তি ২৬ বছর বয়সী ইনফ্লুয়েন্সার অ্যাশলে সেন্ট ক্লেয়ার, যিনি ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে মাস্কের ১৩তম সন্তানের জন্ম দেন- নামের রোমুলাস।
অ্যাশলে জানান, মাস্ক তাকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খুঁজে নেন, সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং তাকে সন্তান নেওয়ার প্রস্তাব দেন। পরে তাকে সন্তানের পরিচয় গোপন রাখতে একটি গোপনীয়তা চুক্তিতে সই করতে বলেন, যার বিনিময়ে দেওয়া হতো বিপুল অর্থ।
অ্যাশলে সেই চুক্তিতে সই না করে ঘটনা প্রকাশ্যে আনেন। তার বক্তব্য : আমি চাই না আমার সন্তান তার বাবার পরিচয় গোপনে জানুক। এটা তার অধিকার।
শুধু অ্যাশলে নন, মাস্ক একই ধরনের প্রস্তাব দিয়েছেন জাপানি ক্রিপ্টো ইনফ্লুয়েন্সার টিফানি ফং-কেও। ফং অবশ্য প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে বলেন, তিনি একটি স্বাভাবিক পরিবারে সন্তান জন্ম দিতে চান, গোপন ‘প্রজেক্টে’ নয়।
মাস্ক এসব অভিযোগকে ‘খারাপ মানের গসিপ’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, আমি আগেও বলেছি, জন্মহার কমে যাওয়াটা মানব সভ্যতার জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি। আমরা যদি পর্যাপ্ত সন্তান না নেই, তাহলে সমাজ বিলুপ্ত হবে।
তার বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি সন্তান জন্মকে ব্যক্তিগত বিষয় হিসেবে দেখেন না; এটি তার মতে একটি বৈশ্বিক দায়িত্ব। তাই ‘উন্নত জিন’ আছে এমন মানুষদের আরও বেশি সন্তান নেওয়া উচিত- এমনটি তিনি বিশ্বাস করেন।
ইতিহাসের পাতায় চেঙ্গিস খান যেমন একসময় রাজ্য জয়ের পাশাপাশি শত শত সন্তান রেখে গিয়েছিলেন, মাস্কের এই কর্মযজ্ঞ অনেকের কাছেই সেই দিকেই ইঙ্গিত করে। পার্থক্য শুধু, একসময় তলোয়ার ছিল মাধ্যম, এখন মাধ্যম হয়েছে প্রযুক্তি, প্রভাব এবং এক্স প্ল্যাটফর্ম।
বিশ্লেষকরা বলছেন, মাস্ক শুধু ব্যবসা বা উদ্ভাবনের ক্ষেত্রেই নয়, জেনেটিক উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রেও ইতিহাস গড়তে চান। এ যেন আধুনিক যুগের নতুন ধাঁচের সাম্রাজ্য বিস্তার।
![]() |
| ইলন মাস্ক ও তার পরিবার। পুরোনো ছবি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইসরায়েলি সেনারাই কি যুদ্ধ থামাতে চাইছে? by পাপলু রহমান
ইসরায়েলি সেনাদের মনস্তাত্ত্বিক ভাঙন
দীর্ঘদিনের যুদ্ধ একের পর এক সামরিক অভিযান ও সহিংসতার মধ্যে পড়ে ইসরায়েলি সেনাদের মধ্যে একটি বিশাল মনস্তাত্ত্বিক চাপ তৈরি হয়েছে। ইসরায়েলি বাহিনীর তথ্য মতে, যারা গণস্বাক্ষর কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন, তাদের মধ্যে প্রায় ১০ শতাংশ এখনো সক্রিয় রিজার্ভ সদস্য, আর বাকিরা অবসরপ্রাপ্ত।
তবে এসব সাবেক সেনারাও জানাচ্ছেন, তারা এই যুদ্ধকে সমর্থন করতে পারছেন না। এমনকি অনেকে সেনাবাহিনী থেকে সরে যাওয়ার জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে আহত হওয়ার পথও বেছে নিচ্ছেন। একটি জরিপে দেখা গেছে, ৬০ শতাংশ ইসরায়েলি নাগরিক বর্তমানে যুদ্ধের বিপক্ষে। এটা শুধু শারীরিক ক্লান্তি নয়, নৈতিক দ্বন্দ্বও বড় কারণ। দীর্ঘমেয়াদী দখলদারত্ব ও নিরীহ ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলা, বিশেষ করে শিশু ও বেসামরিক জনগণের হতাহতের চিত্র, অনেক ইসরায়েলি সৈন্যের বিবেককে নাড়া দিয়েছে।
গাজার বিভীষিকা ও বিশ্ব জনমত
গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি অবরোধ, অবৈধ বসতি সম্প্রসারণ ও হামলা বহুদিন ধরেই চলেছে। তবে ২০২৪ সালের সাম্প্রতিক অভিযানগুলোকে ইতিহাসের অন্যতম নৃশংস গণহত্যা বলছেন অনেক বিশ্লেষক। গাজায় একের পর এক বিমান হামলা, হাসপাতাল, স্কুল এমনকি শরণার্থী শিবিরেও হামলা হয়েছে। জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো একের পর এক বিবৃতি দিয়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনের নিন্দা জানিয়েছে। তবে এই চাপ সত্ত্বেও নেতানিয়াহুর সরকার বারবার যুদ্ধবিরতি ভেঙে নতুন অভিযান শুরু করেছে।
ফিলিস্তিনিদের প্রতিরোধ
একদিকে যখন ইসরায়েলি সেনারা ক্লান্ত ও বিভ্রান্ত, অন্যদিকে ফিলিস্তিনিদের প্রতিরোধ এখন আরও সংঘবদ্ধ। গাজা ছাড়িয়ে এখন পশ্চিম তীরেও ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে। জেনিন ব্রিগেড, আল কুদস ব্রিগেড ও নাবলুস ব্যাটেলিয়নের মতো গোষ্ঠীগুলো সক্রিয়ভাবে প্রতিরোধে জড়িত। সাম্প্রতিক এক হামলায় জেনিন ব্রিগেড আইইডি ব্যবহার করে ইসরায়েলি সাঁজোয়া যান ধ্বংস করেছে। এসব হামলা থেকে বোঝা যাচ্ছে, ফিলিস্তিনিরা এখন অনেক বেশি সংগঠিত, কৌশলী ও প্রস্তুত।
সেনা অভ্যুত্থানের শঙ্কা
সেনারা যখন যুদ্ধবিরতি ও শান্তির পক্ষে গণস্বাক্ষর দিচ্ছে, তখন নেতানিয়াহু প্রশাসন এদের উগ্রপন্থী বা দেশদ্রোহী আখ্যা দিচ্ছে। সরকার সেনাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করছে, কিন্তু এর ফলে সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরে বিভাজন আরও প্রকট হচ্ছে। অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন, ইসরায়েলের সেনা ও প্রশাসনের এ বিভাজন একটি সম্ভাব্য গৃহযুদ্ধ বা সামরিক অভ্যুত্থানের সূচনা হতে পারে। নেতানিয়াহু সরকার যুদ্ধ চালিয়ে যেতে মরিয়া হলেও, বাস্তবতা হচ্ছে— পর্যাপ্ত সেনা যোগাড় হচ্ছে না। যারা রিজার্ভ বাহিনীতে যোগ দিচ্ছেন, তারাও নানা অজুহাতে বাহিনী ছাড়ার চেষ্টা করছেন।
ইসরায়েলের বিচ্ছিন্নতা
ইসরায়েলের এই যুদ্ধনীতির বিরুদ্ধে এখন আন্তর্জাতিক মঞ্চেও বিরোধিতা বাড়ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেনের অবস্থান কিছুটা নরম হয়ে এসেছে। তুরস্ক, ইরান, কাতার, মালয়েশিয়াসহ অনেক মুসলিম দেশ প্রকাশ্যে ফিলিস্তিনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান বারবার বলেছেন, ফিলিস্তিনি জনগণের স্বাধীনতা ছাড়া শান্তি সম্ভব নয়। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে হামাস ও ইসলামিক জিহাদকে সমর্থন দিয়ে গাজায় প্রতিরোধ আরও জোরালো হয়েছে। ইয়েমেন থেকেও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইসরায়েলের অভ্যন্তরে আঘাত হানছে। সিরিয়ার সঙ্গে সীমান্ত উত্তপ্ত, লেবাননের হিজবুল্লাহর সঙ্গে সংঘর্ষ নিয়মিত হয়ে উঠছে। এ সবগুলো ফ্রন্ট একসাথে খুলে গেলে ইসরায়েলের পক্ষে এককভাবে সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়বে। ইসরায়েলের অভ্যন্তরেও রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতা প্রকট আকার ধারণ করেছে। প্রতিদিনই দেশজুড়ে সরকার বিরোধী বিক্ষোভ হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি ঘটেছে। বেকারত্ব, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও যুদ্ধের অবসাদ জনজীবনে হতাশা সৃষ্টি করেছে। ফলে জনমত এখন আর নেতানিয়াহুর পাশে নেই।
এ পরিস্থিতিতে অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করছেন, যদি দ্রুত একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতি ও শান্তি আলোচনা শুরু না হয়, তাহলে ইসরায়েল শুধু তার সামরিক শক্তি নয়, রাষ্ট্রীয় কাঠামোতেও ভয়াবহ ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে। ফিলিস্তিনিদের প্রতিরোধ এইবার শুধু প্রতিরক্ষা নয়, এটি তাদের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই। আর ইসরায়েলি সেনাদের যুদ্ধবিরতি চাওয়াও কেবল শান্তির পক্ষে নয়, এটি এক মানবিক মূল্যবোধের প্রকাশ।
![]() |
| ইসরায়েলি সেনাদের একাংশ গাজা যুদ্ধকে সমর্থন করতে পারছে না। ছবি: সংগৃহীত |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশ-পাকিস্তান সম্পর্কের নতুন যাত্রা নিয়ে যা বলছেন বিশ্লেষকরা
প্রায় ১৫ বছর পর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পাকিস্তানের পররাষ্ট্রসচিব আমনা বালুচের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রসচিব মো. জসীম উদ্দিন।
এদিন বিকালে এক ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রসচিব বলেন, একাত্তরে গণহত্যার জন্য পাকিস্তানকে ক্ষমা চাইতে বলেছে বাংলাদেশ। এ ছাড়া স্বাধীনতা-পূর্ব সম্পদ হিসেবে ৪২০ কোটি ডলার ফেরত চেয়েছে ঢাকা। ইসলামাবাদ এ বিষয়ে আলোচনায় রাজি হয়েছে বলেও জানান তিনি।
ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ বাড়িয়ে বাণিজ্যিক সম্পর্ককে এগিয়ে নেওয়ার আলোচনাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে উভয় পক্ষ। বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধির বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে, আলোচনা হয়েছে যোগাযোগ, পরিবহন, শিক্ষা ও কৃষিসহ অন্যান্য ইস্যু নিয়েও।
বৈঠক শেষে বেরিয়ে যাওয়ার সময় গণমাধ্যমকর্মীদের আলোচনা ফলপ্রসূ হওয়ার বার্তা দেন আমনা বালুচ। কেমন আলোচনা হয়েছে, গণমাধ্যমকর্মীদের এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি সংক্ষেপে জবাব দিয়েছেন, ‘নাইস।’
বাংলাদেশ-পাকিস্তান সম্পর্কের ভবিষ্যৎ
বৃহস্পতিবার আমনা বালুচ প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তোহিদ হোসেনের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেছেন।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্ভাবনা অনুসন্ধানে পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘কিছু প্রতিবন্ধকতা আছে। এসব কাটিয়ে ওঠার উপায় আমাদের খুঁজে বের করতে হবে এবং সম্পর্ক সামনে এগিয়ে যেতে হবে।’
এ সময় অতীতের বিষয়গুলো স্বীকার করে আমনা বালুচ বলেন, ‘বাংলাদেশ ও পাকিস্তাানকে অবশ্যই দুই দেশের মধ্যে সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর উপায় খুঁজে বের করতে হবে।'
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের নিজেদের আয়ত্তে বিশাল আন্তঃবাজার সম্ভাবনা আছে এবং আমাদের এটি ব্যবহার করা উচিত। আমরা প্রতিবার ‘বাস মিস' করতে পারি না।'
দুই দেশের বেসরকারি খাতের মধ্যে নিয়মিত পারস্পরিক যোগাযোগ এবং সব পর্যায়ে দুই দেশের মধ্যে সফর আয়োজন করা প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র সচিব আশা করেন, এপ্রিলের শেষ দিকে দেশটির উপ-প্রধানমন্ত্রী ইসহাক দারের আসন্ন সফর দুই দেশের সম্পর্ক আরো জোরদার করবে।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশনের ফাঁকে এবং ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে কায়রোয় ডি-৮ শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে তার বৈঠকের কথা স্মরণ করে বলেন, ‘দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের অগ্রগতির ক্ষেত্রে এগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।'
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সার্ক, ওআইসি ও ডি-৮-এর মতো বহুপাক্ষিক ও আঞ্চলিক ফোরামে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাবে।'
চলতি মাসের শেষ দিকে পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারের ঢাকা সফর করার কথা রয়েছে। তার এই সফর হতে যাচ্ছে ২০১২ সালের পর কোনো পাকিস্তানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রথম ঢাকা সফর।
৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্পর্কে পরিবর্তন আসে। পাকিস্তান থেকে পণ্য আমদানি শুরু হয়। পাকিস্তানের পণ্যবাহী জাহাজ আসে চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. সাব্বির আহমেদ বলেন, ‘একটি দেশের সঙ্গে আমাদের সমস্যা আছে, তাই বলে সম্পর্ক থাকবে না?’
তিনি আরও বলেন, ‘দুই পররাষ্ট্রসচিবের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে বলেই আমরা আমাদের পাওনা এবং গণহত্যার জন্য ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানাতে পেরেছি।’
তার অভিমত, ‘ভারত এখন আমাদের সঙ্গে যে আচরণ করছে, সেখানে পাকিস্তানের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক ভালো হলে আমাদের জন্য নতুন স্পেস তৈরি হবে। ব্যবসা-বাণিজ্যসহ নানা দিকে সুযোগ তৈরি হতে পারে।’
এ প্রসঙ্গে রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘আমাদের যে একটা স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি আছে, সেটা স্পষ্ট করতে হবে। আমরা চীনের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করছি। পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করছি।’
তিনি বলেন, ‘৫ আগস্টের পর যখন পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের জাহাজ যোগাযোগ শুরু হয়, তখন ভারতে প্রচুর শোরগোল হয়েছে। এটা আমরা চাই না। আমরা কোনো উত্তেজনাকর সম্পর্ক চাই না। আমরা ভারতের সঙ্গেও সম্পর্ক চাই। কিন্তু অন্য কোনো দেশের সঙ্গে সম্পর্ক বাদ দেওয়ার শর্তে নয়। বাংলাদেশ পাকিস্তান থেকে আর্টিলারি শেল কিনেছে। আমরা যদি চীনের থেকে পাকিস্তানে সস্তায় পাই, তাহলে সমস্যা কোথায়।’
সাবেক রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল (অব.) মো. শহীদুল হক বলেন, ‘একসময় জাতীয় স্বার্থের ওপর ভিত্তি করে আমাদের একটা স্বাধীন পরাষ্ট্রনীতি ছিল। কিন্তু গত ১৫ বছরে সেটা ভারতকেন্দ্রিক হয়ে গিয়েছিল।’
তার কথা, ‘আসলে সবার সঙ্গেই আমাদের সম্পর্ক রাখতে হবে। চীনের সঙ্গে, পাকিস্তানের সঙ্গে, ভারতের সঙ্গেও আমরা ভালো সম্পর্ক চাই। তবে সব হবে স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির ভিত্তিতে।’
এদিকে শেখ হাসিনার আমলেও পাকিস্তানের সঙ্গে একরকমের যোগাযোগ দেখা গেছে। ২০২৩ সালে শেখ হাসিনা পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফকে শুভেচ্ছা উপহার হিসেবে আম পাঠিয়েছিলেন। ২০১৯ ও ২০২০ সালে পাকিস্তানের তখনকার প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান শেখ হাসিনাকে ফোন করেন। তখন তাদের মধ্যে দুই দেশের সম্পর্কোন্নয়নে কথা হয়।
তবে সাবেক রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল (অব.) মো. শহীদুল হক একে জোরালো কূটনৈতিক সম্পর্ক হিসেবে দেখছেন না। তিনি বলেন, ‘আম পাঠানোর বিষয়টি হলো, তখন বাংলাদেশ থেকে দক্ষিণ এশিয়ার আরও কয়েকটি দেশে আম পাঠানো হয়। পাকিস্তানে আম পাঠানো ছিল তারই অংশ। লোক দেখানো। আর ইমরান খান ব্যক্তি হিসেবে বাংলাদেশের অনেক প্রশংসা করেছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময়ের ঘটনায় ক্ষমা চাওয়ার বিষয়েও কথা বলেছিলেন।’
সূত্র : ডয়চে ভেলে
![]() |
| পাকিস্তানের পররাষ্ট্র সচিব আমনা বালুচ ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রসচিব মো. জসীম উদ্দিন। ছবি : সংগৃহীত |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফিলিস্তিনের পক্ষে অবস্থান মানেই আমেরিকার চোখে হুমকি
এই অবস্থানকে কেন্দ্র করে মার্কিন সরকার এখন ভিসা আবেদনকারীদের অতীত কার্যকলাপ, বিশেষ করে গাজা ভ্রমণ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্য ঘিরে কঠোর নজরদারি চালাচ্ছে।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিশ্বজুড়ে মার্কিন দূতাবাস ও কনস্যুলার মিশনে পাঠানো একটি তারবার্তায় উল্লেখ করেছে—২০০৭ সালের ১ জানুয়ারি বা তার পর যে-সব ব্যক্তি গাজা ভ্রমণ করেছেন, তাদের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখতে হবে। বার্তাটি প্রথম হাতে পেয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
এই যাচাই-বাছাইয়ের আওতায় পড়বেন ভিসা আবেদনকারী সকল ব্যক্তি—হোক তারা সরকারি, কূটনৈতিক কিংবা বেসরকারি সংস্থার কর্মী। গাজায় তারা অল্প সময়ের জন্য গেলেও তা হিসাবের বাইরে নয়।
যদি কোনো আবেদনকারীর পোস্ট, মন্তব্য বা কার্যকলাপে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা বা পররাষ্ট্রনীতির জন্য ‘সন্দেহজনক বা ক্ষতিকর’ কিছু পাওয়া যায়, তাহলে তাকে ‘সিকিউরিটি অ্যাডভাইজরি ওপিনিয়ন’ বা এসএও দাখিল করতে হবে। এই এসএও হলো এক ধরনের আন্তঃসংস্থাগত তদন্ত যার মাধ্যমে নির্ধারিত হয়, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করছেন কিনা।
যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের আগে প্রত্যেক আবেদনকারীকে নিরাপত্তাজনিত কঠোর পর্যবেক্ষণের মধ্য দিয়ে যেতে হয়—এমনটাই জানিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র জানান, নিরাপত্তার স্বার্থে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া আমাদের দায়িত্ব।
তবে বিষয়টি নিয়ে তিনি বিস্তারিত কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
প্রসঙ্গত, ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের সময় থেকেই অভিবাসন ও ভিসা নীতিতে কঠোরতা আরোপ শুরু হয়। ১৯৫২ সালের অভিবাসন আইন অনুসারে, যদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মনে করেন কোনো ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতির জন্য ক্ষতিকর, তবে তার ভিসা বাতিল বা মার্কিন ভূখণ্ড থেকে বহিষ্কারের অধিকার সংরক্ষিত থাকে।
এমনকি মার্কিন স্থায়ী বাসিন্দা হয়েও কেউ ওই আইনের আওতায় ভিসা বাতিলের শিকার হতে পারেন—যেমনটা অতীতে ঘটেছে।
রয়টার্স বলছে, এই সাম্প্রতিক তারবার্তায় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও স্বাক্ষর করেছেন, যা বিষয়টির গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
এদিকে, ইসরায়েল-গাজা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে যারা ফিলিস্তিনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই তাদের মধ্যে অনেককে শিক্ষার্থী ভিসা থাকা সত্ত্বেও ফেরত পাঠিয়েছে, এমনকি কেউ কেউ আটকও হয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের এমন অবস্থানের সমালোচনা করেছেন দেশটির নাগরিক অধিকার সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংগঠন ও আইনজীবীরা। তারা বলছেন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর এটি সরাসরি হস্তক্ষেপ। কেউ যদি মানবিক কারণে ফিলিস্তিনের পক্ষে কথা বলেন, সেটিকে রাষ্ট্রীয় হুমকি হিসেবে দেখা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থি।
![]() |
| মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি : সংগৃহীত |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সাহাবি যুগে নির্মিত চীনের বিখ্যাত মসজিদ by আবিদ রাইহান
প্রায় দেড় হাজার বছর আগে প্রিয় নবীজির যুগেই চীনে ইসলামের আলো প্রবেশ করে। চীনে ইসলামের আলো বহন করে নিয়ে যান সাহাবি, তাবেয়ি এবং মুসলিম ব্যবসায়ীরা। এখনো চীনের বিশালসংখ্যক মানুষ ইসলাম ধর্মের অনুসারী। চীনের ক্যান্টন বন্দরের প্রাচীন হুয়াশেং মসজিদ সেই কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে আজও। ইতিহাস থেকে জানা যায়, খ্রিষ্টীয় ৬২৬ বা তৃতীয় হিজরির কাছাকাছি সময়ে ইসলাম প্রচারকরা চীন উপকূলে অবতরণ করেন। তাদের দলনেতা ছিলেন মক্কায় ইসলামের প্রথম যুগে ইসলাম গ্রহণকারী সাহাবি এবং নবীজির চাচা হজরত আবু ওয়াক্কাস (রা.)। তার সঙ্গে আরও তিনজন বিশিষ্ট সাহাবি ছিলেন। তিনি ক্যান্টন বন্দরে অবস্থান করেন। তার প্রতিষ্ঠিত মসজিদটি এখনো সমুদ্রতীরে মিনার উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে এবং এর অদূরেই রয়েছে তার ও কয়েকজন সাহাবির পবিত্র মাজার। কোনো কোনো গবেষকের মতে, হিজরি ষষ্ঠ সালে প্রিয়নবী (সা.) একটি প্রতিনিধিদল চীনে পাঠান। তৎকালীন সম্রাট তাদের সাদরে গ্রহণ করেন এবং মসজিদ নির্মাণ ও ইসলাম প্রচারের অনুমতি দেন। ১৩৩৫ খ্রিষ্টাব্দে চীন সম্রাট ইসলামকে ‘সত্য ও বিশুদ্ধ ধর্ম’ বলে ঘোষণা করেন।
চীন বিশ্বের অন্যতম জনসংখ্যাবহুল দেশ। চীনে মুসলিমরা তৃতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় জনগোষ্ঠী। কমবেশি চীনের সবখানেই মুসলমান রয়েছে, তবে তাদের অধিকাংশের বাস সিন জিয়াংয়ে। চীনের হুই, উইঘুর, কাজাক, উজবেক, তাজিক, তাতার, কিরগিজ, ডোংসিয়াং, সালার, বোনান প্রভৃতি সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর মধ্যে ইসলামের অনুসারীর সংখ্যা বেশি। ইসলামের সূচনালগ্ন থেকে চীনের মুসলমানদের রয়েছে হাজার বছরের ঐতিহ্য এবং তারা চীনে ছোট-বড় নানারকম মসজিদ তৈরি করেছেন। এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চীনে ৩০ হাজারের বেশি মসজিদ রয়েছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের শেখ জায়েদ বিন সুলতান আল নাহিয়ানের আর্থিক সংস্থার সহায়তায় চীনে এ শতাব্দীর শুরুতে (২০১৪) একটি অত্যাধুনিক শিল্পকলা, কারুকার্যমণ্ডিত ও বেশ ব্যতিক্রমধর্মী একটি বৃহৎ মসজিদ নির্মিত হয়। এখানে একসঙ্গে ছয় হাজার মুসল্লির নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা রয়েছে। এ ছাড়া চীনে বেশ কিছু প্রাচীন মসজিদ রয়েছে।
বিশিষ্ট সাহাবি আবু ওয়াক্কাস (রা.) নির্মিত হুয়াইশেং মসজিদ বিশ্বের প্রাচীনতম মসজিদগুলোর অন্যতম। মসজিদটি আনুমানিক ১৩০০ বছরেরও বেশি প্রাচীন। চীনা ভাষায় হুয়াইশেং অর্থ ‘পবিত্রতাকে স্মরণ করুন’। এজন্য মসজিদটিকে ‘স্মরণী মসজিদ’ বলা হয়। মসজিদটি ‘নুর টাওয়ার মসজিদ’ নামেও সুপরিচিত। কেননা প্রাচীনকালে এ মসজিদের সুউচ্চ মিনারে স্থাপিত বাতি বা ফানুস দেখে পার্শ্ববর্তী ঝুজিয়াং নদীতে চলাচলকারী নাবিকরা নৌপথের নির্দেশনা পেতেন। তাই মসজিদটিকে ‘বাতিঘর মসজিদ’ও বলা হয়।
হুয়াইশেং মসজিদের মিনার নির্মিত হয়েছিল আজান দেওয়ার প্রয়োজনে। ৩৬ ফুট উঁচু এ মিনারটি আবহাওয়ার পূর্বাভাস প্রদানের জন্যও ব্যবহৃত হতো। অগ্নিকাণ্ডসহ নানা বিপর্যয়ে হুয়াইশেং মসজিদ ক্ষতিগ্রস্ত হলে ১৩৫০ ও ১৬৯৫ সালে এটিকে পুনর্নির্মাণ করা হয়। তবে মসজিদের প্রাচীন মিনারটি এখনো অক্ষত আছে।
![]() |
| সাহাবি যুগে নির্মিত চীনের বিখ্যাত মসজিদ |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইসরাইলি হামলায় ফিলিস্তিনের আলোচিত ফটোসাংবাদিক ফাতিমা নিহত
গণমাধ্যমটি বলছে, হামলায় ফাতিমার আরও ছয় ভাইবোন নিহত হয়েছে। তার বাবা-মা আহত হলেও এখনও জীবিত রয়েছেন। তবে বাবার অবস্থা আশঙ্কাজনক। এখনও ফাতিমার বাবাকে তার সন্তানদের মৃত্যুর খবর দেয়া হয়নি। ফাতিমার মায়ের জ্ঞান থাকলেও কিছুটা বিমূঢ় হয়ে পড়েছেন। তার চাচাতো বোন সুওয়াইরকি মিডল ইস্টকে জানিয়েছেন, ফাতিমার মায়ের আঘাত সামান্য হলেও তিনি তার মেয়ের মৃত্যুতে হতবাক হয়ে গেছেন। কেননা তাকে নিয়ে তাদের স্বপ্ন ছিল। ফাতিমা তার চাচাতো বোনকে বলেছিলেন, তিনি অল্প অল্প করে অর্থ জমাচ্ছেন। যেন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পরিবারের সবাইকে নিয়ে পৃথিবী ভ্রমণে বের হতে পারেন। তার এই স্বপ্ন মুহুর্তের মধ্যেই মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী।
২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় হামলা শুরু করেছে তেল আবিব। দীর্ঘ ১৮ মাসে উপত্যকাটিকে প্রায় ধ্বংস করে দিয়েছে তারা। তাদের বোমার আঘাতে প্রাণ হারানো ফিলিস্তিনির সংখ্যা ইতিমধ্যেই ৫১ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। এর মধ্যে ফাতিমার অনেক নিকটাত্মীয় রয়েছে। পুরো যুদ্ধকালীন সময়ে ভয়াবহ মানসিক যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে গিয়েছেন ফাতিমা। তারপরেও তিনি তার বিয়ে নিয়ে খুব উচ্ছসিত ছিলেন। বেঁচে থাকলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে তার বাগদত্তা আজিজের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতেন তিনি।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশের সঙ্গে বৈঠকে সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিতের অঙ্গীকার প্রতিফলিত হয়েছে -পাকিস্তান
এতে আরও বলা হয়, উভয় দেশ দ্বিপক্ষীয় চুক্তিগুলো দ্রুত চূড়ান্তকরণ, নিয়মিত প্রাতিষ্ঠানিক সংলাপ এবং বাণিজ্য, কৃষি, শিক্ষা ও সংযোগ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছে। পাকিস্তান তাদের কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার সুযোগ দেয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। অন্যদিকে বাংলাদেশ মৎস্য ও সামুদ্রিক বিষয়ে কারিগরি প্রশিক্ষণের প্রস্তাব দিয়েছে। পাকিস্তানের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃত্তির প্রস্তাবে বাংলাদেশ কৃতজ্ঞতা স্বীকার করেছে এবং শিক্ষাখাতে আরও গভীর সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছে। সংযোগকে অগ্রাধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে বৈঠকে দুই পক্ষ করাচি ও চট্টগ্রামের মধ্যে সরাসরি নৌযান চলাচল শুরুর বিষয়টিকে স্বাগত জানায়। দুই পক্ষ সরাসরি আবার আকাশপথে যোগাযোগ চালুর ওপর গুরুত্ব আরোপ করে। ভ্রমণ ও ভিসা সহজীকরণে অগ্রগতির প্রতিও উভয় পক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করেছে। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সমপ্রতি ঢাকায় প্রখ্যাত পাকিস্তানি শিল্পীদের সাংস্কৃতিক পরিবেশনার প্রশংসা করেছে বাংলাদেশ।
অন্যদিকে পারস্পরিক সাংস্কৃতিক বিনিময় বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছে পাকিস্তান। ক্রীড়া, গণমাধ্যম ও সংস্কৃতিতে বড় পরিসরে সহায়তায় বিভিন্ন সমঝোতা স্মারক নিয়েও আলোচনা হয়েছে। তারা আরও বলেছে, বৈঠকে উভয় দেশ সার্কের কার্যক্রম পুনরুজ্জীবিত করার পক্ষে মত দিয়েছে। এ সময় কাশ্মীর ইস্যুতে জাতিসংঘের প্রস্তাব অনুসারে শান্তিপূর্ণ সমাধানের ওপর জোর দিয়েছে পাকিস্তান। এ ছাড়া বৈঠকে গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসন ও সেখানে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের নিন্দা জানানো হয়েছে। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র সচিব বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেছেন। বৈঠকে আঞ্চলিক সম্পৃক্ততা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে বাহ্যিক চাপমুক্ত রাখার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়। শিগগিরই পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মুহাম্মদ ইসহাক দারের বাংলাদেশ সফরের প্রত্যাশার কথা জানানো হয়। দুই দেশের মধ্যে পরবর্তী বৈঠক ২০২৬ সালে ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়।
বিশ্বে পূর্বশত্রুদের মিত্রে পরিণত হওয়ার অনেক উদাহরণ রয়েছে -প্রধান উপদেষ্টার উপপ্রেস সচিব
অন্তর্বর্তী সরকার প্রো-বাংলাদেশপন্থী পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করেছে দাবি করে প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বলেছেন, বিশ্বে পূর্বশত্রুদের মিত্রে পরিণত হওয়ার অনেক উদাহরণ রয়েছে। পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে ওঠা প্রশ্নের ব্যাখ্যায় শুক্রবার আবুল কালাম আজাদ মজুমদার তার ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে এ কথা বলেন।
বিশ্বে পূর্বশত্রুদের মিত্রে পরিণত হওয়ার উদাহরণ তুলে ধরে আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বলেছেন, ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড শতাব্দী ধরে অসংখ্য যুদ্ধ করেছে। কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে হাত মিলিয়েছে। একই যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র জাপানে বোমাবর্ষণ করেছিল, কিন্তু পরে তারা মিত্রে পরিণত হয়।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি কি পাকিস্তানপন্থী হয়ে যাচ্ছে? এমন প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছি আমরা। এ ধরনের প্রশ্ন আমাদের মোটেও অবাক করেনি। এমন কিছু মানুষ সব সময়ই থাকবে, যারা বাংলাদেশের স্বাধীন পরিচয়ে খুব কমই বিশ্বাস করবে।
প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব বলেন, আমাদের জবাব স্পষ্ট ছিল। অতীতে দেশের পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে যা–ই ঘটুক না কেন, এখন থেকে এটি বাংলাদেশপন্থী নীতি হবে, যা আমাদের নিজস্ব স্বার্থে পরিচালিত হবে।
এক প্রতিবেশীকে খুশি রাখতে অন্য প্রতিবেশী থেকে দূরে সরে যাওয়া একটি স্বাধীন জাতির পররাষ্ট্রনীতি হতে পারে না বলে মন্তব্য করেন আজাদ মজুমদার। তিনি বলেন, সফররত পাকিস্তানের পররাষ্ট্রসচিব আমনা বালুচকে দুই দেশের মধ্যকার অমীমাংসিত বিষয়গুলো স্মরণ করিয়ে দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার তার কথাগুলোকে কাজে রূপ দিতে ২৪ ঘণ্টার কম সময় নিয়েছে। একই সঙ্গে পারস্পরিক স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করতে সম্মতি জানিয়েছে।
আজাদ মজুমদার বলেন, বাংলাদেশ-পাকিস্তান সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টিকারী একটি আবেগঘন বিষয় হলো ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনীর গণহত্যা ও নৃশংসতার জন্য দেশটির পক্ষ থেকে ক্ষমা চাওয়ার দাবি। এমনকি পাকিস্তানের সুশীল সমাজ, গণমাধ্যম ও বুদ্ধিজীবীদের অনেকেই বিশ্বাস করতেন, ক্ষমা চাওয়া-সদিচ্ছা ও উদারতার একটি কাজ হবে। কিন্তু পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তর ও সামরিক আমলাতন্ত্র সর্বদা এই ধরনের কথার বিরোধিতা করেছে। তাই আনুষ্ঠানিকভাবে কখনো ক্ষমা চাওয়া হয়নি।
প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব জানান, বাংলাদেশ সম্পদের বিভাজনের বিষয়টির ওপরও জোর দিয়েছে, যা অতীতের শাসকদের কাছে ভুলে যাওয়া একটি বিষয় ছিল। অতীতে শাসকেরা এটি আলোচনার চেয়ে বিচ্ছিন্নতা পছন্দ করতেন।
তিনি বলেন, ১৯৭৪ সালের একটি অনুমিত হিসাব অনুযায়ী, পাকিস্তানের কাছে বাংলাদেশের পাওনা ৪ দশমিক ৩২ বিলিয়ন (৪৩২ কোটি) মার্কিন ডলার। অভ্যন্তরীণ মূলধন সৃষ্টি, বৈদেশিক ঋণ নিষ্পত্তি এবং বৈদেশিক আর্থিক সম্পদ ধরে রাখার অনুমিত হিসাবের ভিত্তিতে এটি নির্ধারণ করা হয়।
আজাদ মজুমদার বলেন, বাংলাদেশের আরও প্রায় ২০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার দাবি করেছে, যা ১৯৭০ সালের নভেম্বরে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশ/সংস্থা অনুদান দিয়েছিল। ১৯৭১ সালে আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তানের লাহোর শাখায় স্থানান্তরিত হওয়ার আগে এই অর্থ ঢাকায় স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তানের অফিসে পড়ে ছিল।
আজাদ মজুমদার তার পোস্টে আরও উল্লেখ করেন, আটকে পড়া পাকিস্তানিদের প্রত্যাবাসন আরেকটি বিষয় ছিল, যা দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ককে বাধাগ্রস্ত করেছিল। অতীতে পাকিস্তান তাদের লোকদের মাত্র এক লাখ ২৫ হাজার জন ফিরিয়ে নিয়েছিল। কিন্তু বাংলাদেশের ১৪টি জেলার ৭৯টি শিবিরে প্রায় ৩ লাখ ২৫ হাজার জন ছিল।
তিনি বলেন, এই বিষয়গুলোই দুই দেশের মধ্যে একটি সুস্থ ও ভবিষ্যৎমুখী দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের দিকে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে বাধা হিসেবে রয়ে গেছে। সমস্যা সমাধানের সর্বোত্তম বিকল্প হলো আলোচনা এবং অন্তর্বর্তী সরকার ঠিক এটাই করার চেষ্টা করছে। অনেক বছর পর বাংলাদেশ পাকিস্তানকে আলোচনায় এনেছে এবং পারস্পরিক সুবিধার জন্য ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্ভাবনা অন্বেষণ করার পাশাপাশি যথাযথভাবে বিষয়গুলো উত্থাপন করেছে।
উপ-প্রেস সচিব স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস গত ডিসেম্বরে মিশরে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে এক বৈঠকে অমীমাংসিত বিষয়গুলো সমাধানের আহ্বান জানান। বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বালুচের সঙ্গে বৈঠক করার সময় তিনি তার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেছেন। একই বৈঠকে অধ্যাপক ইউনূস এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক বিশাল সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর জন্য পাকিস্তানসহ প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্কের ওপর জোর দিয়েছেন।
তিনি বলেন, ভবিষ্যতের সুবিধার্থে অতীতের ইস্যুগুলো সমাধানের জন্য সম্ভবত এখন বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের এক সঙ্গে কাজ করা ও এগিয়ে যাওয়ার সময় এসেছে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সুড়ঙ্গের ওপাশে এখনো অন্ধকার by শামীমুল হক
বেশি কথায় সম্মান নষ্ট/বেশি হাসিতে অন্তর নষ্ট/বেশি আদরে সন্তান নষ্ট/বেশি চুনে পান নষ্ট/ বেশি নেতায় দেশ নষ্ট/বেশি লোভে জীবন নষ্ট/বেশি নুনে তরকারি নষ্ট/বেশি মসলায় স্বাদ নষ্ট/বেশি খাবারে পেট নষ্ট/বেশি আলোতে চোখ নষ্ট/বেশি সন্দেহে সম্পর্ক নষ্ট/বেশি কথায় দন্ত নষ্ট/ বেশি কথা বলিস না ভাই/বেশি কথা ভালো নয়-বাউল কবির এমন গান ছোটবেলায় অনেক শুনেছি। কিন্তু এ পর্যন্তই শেষ। মানুষ হিসেবে আমরা কতোটুকু প্রয়োগ করছি? নাকি উল্টো পথে হাঁটছি? সাম্প্রতিক সময়ে এমন অনেক বেশি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে বেশ। বেশি বাড় বাড়ায় শেখ হাসিনাকে সিংহাসন ছেড়ে পালাতে হয়েছে। বেশি কথা বলায় এখন কাঠগড়ায় দুই হাজার চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের সমন্বয়করা। বেশি বেশি নির্বাচন নির্বাচন করায় বিএনপিও প্রশ্নের মুখে। শেখ হাসিনার সরকারের প্রতি বেশি আনুগত্য দেখানোয় জাতীয় পার্টি এখন রেললাইনের বাইরে। ৫ই আগস্টের পর জামায়াতের অতিরিক্ত রাজনীতি নিয়েও জনমনে নানা প্রশ্ন। আবার নির্বাচনী রোডম্যাপ না দেয়া এবং বেশি বেশি সংস্কার করে আলোচনায় অন্তর্বর্তী সরকারও।
এক/এগোরোর সময় আলোচিত একটি কথা ছিল- সুড়ঙ্গের ওপাশে আলো দেখা যাবে কবে? রাজনীতি এখন সুড়ঙ্গের এপাশে। ওপাশে অন্ধকার। কিন্তু ওপাশে আলো দেখতে উদগ্রীব রাজনীতিকরা। সে লক্ষণ মোটেও এখন নেই। এ অবস্থায় দলগুলোও বিভক্ত হয়ে পড়েছে। বিএনপি ডিসেম্বরে নির্বাচন দাবি করেছে। এরমধ্যে প্রয়োজনীয় সংস্কারগুলো করার কথা বলছেন তারা। কিন্তু বিএনপি’র সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি। সংক্ষেপে যাকে এনসিপি বলা হয়। চব্বিশের আন্দোলনের ছাত্র নেতাদের গঠিত এনসিপি বলছে- মৌলিক সংস্কার ছাড়া তারা নির্বাচনে যাবে না। তাদের কথা সংস্কার ছাড়া নির্বাচনের দিকে গেলে সে নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না। শুধু তাই নয়, সে নির্বাচনে জাতীয় নাগরিক পার্টি অংশগ্রহণ করবে কি-না, সেটাও বিবেচনাধীন থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। নাহিদ ইসলাম আরও বলেছেন, মাঠ প্রশাসন আমাদের কাছে মনে হয়েছে নিরপেক্ষ আচরণ করছে না। বিভিন্ন জায়গায় জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চলছে, সেই জায়গায় প্রশাসন নিশ্চুপ। প্রশাসন বিএনপি’র পক্ষে রয়েছে। মাঠ পর্যায়ে যে চাঁদাবাজি চলছে সেখানেও প্রশাসন নিশ্চুপ। এই ধরনের প্রশাসন থাকলে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের জন্য একটি নিরপেক্ষ প্রশাসন, আমলাতন্ত্র এবং পুলিশ আমাদের ঠিক করতে হবে।
চমৎকার কথা বলেছেন, নাহিদ ইসলাম। ষোল বছরের আওয়ামী প্রশাসন আট মাসে বিএনপি’র হয়ে গেল? এটা কীভাবে সম্ভব? নাহিদ সরকারের উপদেষ্টা থাকার সময় কি আওয়ামী প্রশাসনের সবাইকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছেন? না! এমন ঘটনা তো ঘটেনি। তাহলে কোন যুক্তিতে তিনি বলছেন, প্রশাসন বিএনপি’র পক্ষে কাজ করছে। অনেকে তো বলছেন, এই প্রশাসনের অধীনে নির্বাচন হলে আর আওয়ামী লীগ নির্বিঘ্নে নির্বাচন করতে পারলে আওয়ামী লীগের পাল্লাই ভারী থাকবে। সে যাই হোক। ধরে নিলাম নাহিদের এটি রাজনৈতিক বক্তব্য। কিন্তু নির্বাচনে না যাওয়ার কথা কিসের ঈঙ্গিত দিলেন তিনি? নাহিদ আরও বলেছেন, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের জন্য নিরপেক্ষ প্রশাসন, আমলাতন্ত্র এবং পুলিশ ঠিক করতে হবে। নাহিদ ক্ষমতায় থাকতে তা করতে পারলেন না কেন? তাকে কি কেউ বাধা দিয়েছে? এখনো তো সরকারে ছাত্র প্রতিনিধি রয়েছে। তারাই বা এটা করছেন না কেন? এ প্রশ্ন কিন্তু এসে যায়। আর প্রশাসন বিএনপি’র পক্ষে বলে তিনি বুঝাতে চেয়েছেন?
ওদিকে সর্বশেষ নির্বাচন ইস্যুতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে হতাশা প্রকাশ করেছে বিএনপি। শেখ হাসিনা ও তার দোসরদের বিচার এবং সংস্কার কার্যক্রম দৃশ্যমান করে সংসদ নির্বাচন দিতে চায় সরকার। সরকারের তরফে বলা হয়েছে ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের ব্যবস্থা করা হবে। বৈঠকে বিএনপি জানিয়েছে, ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন সম্ভব। এরপরে নির্বাচন হলে জটিলতা বাড়বে। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সেদিন বলেছেন, প্রধান উপদেষ্টা সুনির্দিষ্ট করে নির্বাচনের ডেডলাইন দেননি। তিনি বলেছেন যে, ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে নির্বাচন শেষ করতে চান। আমরা পরিষ্কার করেই বলেছি যে, ডিসেম্বরের মধ্যেই যদি নির্বাচন না হয় তাহলে দেশে যে রাজনৈতিক পরিস্থিতি, অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং সামাজিক পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যাবে এবং সেটা তখন নিয়ন্ত্রণ করা বেশ কঠিন হবে। নির্বাচন নিয়ে বিএনপি’র প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে সরকারের তরফ থেকে বলা হয়-ফ্যাসিবাদ দোসরদের বিচার ও রাষ্ট্রীয় সংস্কারের কার্যক্রম দৃশ্যমান না করা পর্যন্ত নির্বাচন আয়োজন কঠিন। শিগগিরই এসব কার্যক্রমকে দৃশ্যমান করার উদ্যোগ ত্বরান্বিত করা হবে। জবাবে বিএনপি নেতারা সংস্কার নিয়ে বলেন, যে সমস্ত সংস্কার নিয়ে ঐকমত্য হবে তার মধ্যে যে সকল সংস্কার নির্বাচনের জন্য প্রয়োজন ততগুলো দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে এবং বাকিগুলো সনদ হিসেবে থাকবে। সেই সনদ বাস্তবায়নের জন্য যারাই ক্ষমতায় আসবে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে। কিন্তু সংস্কার ও বিচারের দোহাই দিয়ে নির্বাচনকে অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলতে পারবেন না। আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে বিচারের যে গতি, সংস্কারের যে গতি তাতে নির্বাচন নিয়ে জনমনে যথেষ্ট সন্দেহ সৃষ্টি হচ্ছে। বিএনপি পতিত ফ্যাসিবাদী দল ও সেই দলীয় সরকারের সঙ্গে যারাই যুক্ত ছিল তাদের বিচার দ্রুত করে রাজনীতির ময়দানকে জঞ্জালমুক্ত করারও দাবি জানিয়েছেন। একইসঙ্গে সরকারের সকল ইতিবাচক কর্মপ্রয়াসে সমর্থন প্রদান অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত পুনর্ব্যক্ত করে প্রয়োজনীয় সংস্কার দ্রুত সম্পন্ন করে ডিসেম্বরের মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ যথাশিগগিরই ঘোষণার মাধ্যমে জনমনে সৃষ্ট সকল বিভ্রান্তি অবসানের আহ্বান জানিয়েছে বিএনপি।
ওদিকে জামায়াতে ইসলামী আগামী রোজার আগে নির্বাচন দাবি করেছে। এক্ষেত্রে জামায়াত আর বিএনপি’র মধ্যে মাত্র দুই মাসের পার্থক্য। এ বিষয়টি আলোচনার মাধ্যমে শেষ করা যায়। তবে সব দলের কথার মধ্যে সংস্কার করার দাবি রয়েছে। তবে কতোটুকু সংস্কার করা হবে তা নিয়ে দলগুলোর মধ্যে মতানৈক্য রয়েছে। এনসিপি চায় আগে গণপরিষদ নির্বাচন হোক। তারপর এই গণপরিষদ সংবিধান গঠন করে সরে গেলে জাতীয় নির্বাচন হবে। এমনটা করতে গেলে কতো সময়ের প্রয়োজন? আর গণপরিষদইবা লাগবে কেন? দলগুলো এক হলে একটি সনদে স্বাক্ষর করে জাতীয় নির্বাচন দিলেই হয়ে যায়। সেই নির্বাচনে যে দল ক্ষমতায় যাবে সনদের স্বাক্ষর অনুযায়ী তারা সংস্কার করতে বাধ্য। অন্যথায় তাদের পরিণতিও আওয়ামী লীগের মতো হবে। তাই তারা সরকার গঠন করে সকল বিরোধী দলকে নিয়ে সংস্কার কার্যক্রম চালাবে। এমনটা করলে খুব দ্রুত কাজ শেষ হবে। এ মুহূর্তে নির্বাচনের জন্য যেসব সংস্কার দরকার সেগুলো করে নিলেই হয়। এটাতে যত তাড়াতাড়ি দলগুলো একমত হতে পারবে তত তাড়াতাড়ি সরকার নির্বাচন দিতে পারবে। অন্যথায় সরকার সংস্কারের জন্য আগামী জুনেও নির্বাচন দিতে পারবে না। সময় আরও বেশি যাবে। আরেকটি কথা সরকার ছাড়া সকল দল এক টেবিলে বসে নিজেরা সংস্কার নিয়ে আলোচনা করে সেই সংস্কার সরকারের হাতে তুলে দিলে আরও ভালো হয়। যেহেতু সরকারের গঠিত সকল সংস্কার কমিশনের রিপোর্ট এখন সরকারের হাতে। এ রিপোর্টগুলো নিয়ে একদিনে না সাতদিন বসে দলগুলো একমত হতে পারে।
বেশি বেশি কথা না বলে কাজে মন দিলেই মীমাংসা হয়ে যাবে। আর বেশি কথা বললে পরিণতি যা হবার হবে। এ পরিণতি কেউ ঠেকাতে পারবে না। দলগুলোকে এ নিয়ে এখনই ভাবতে হবে। একে অপরের বিরুদ্ধে কথা না বলে কাজের কাজ করতে হবে। সামনে এগিয়ে যেতে হবে। সুড়ঙ্গের ওপারে দ্রুত আলো দেখতে চাইলে অবশ্যই সবাইকে একমত হতে হবে। আর ঐকমত্য কমিশনের কাছে গিয়ে বলতে হবে আমরা সবাই আপনাদের দেয়া সংস্কার প্রস্তাবের এসব ক্ষেত্রে একমত হয়েছি। আপনারা এ পর্যন্তই করুন। বাকিটা সনদ আকারে করুন। এতে আমরা সবাই স্বাক্ষর দেবো। তাহলে সরকারও কোনো অজুহাত দেখাতে পারবে না। তবে সবার আগে একটি কথা বলতে হবে পতিত স্বৈরাচারের গণহত্যার বিচার দ্রুত করতে হবে। গুম, খুনের বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে নিতে হবে। বিশেষ করে তিনটি প্রহসনের নির্বাচনের বিচার দাবি অবশ্যই তুলতে হবে। ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা আরও বাড়াতে হবে। যাতে বিচার দ্রুত করা যায়। এটা করতে পারলে জীবনে আর কোনো দলই স্বৈরাচার হওয়ার সাহস দেখাবে না। যেমনটি আওয়ামী লীগ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মনে করেছিলেন আজীবন ক্ষমতায় থাকবেন। এমনভাবেই সংবিধানকে ঢেলে সাজিয়েছিলেন। তিনি একবারও ভাবেননি প্রায় দুইশ’ বছর শাসন করে বৃটিশদেরও এদেশ ছেড়ে যেতে হয়েছে আন্দোলনের মুখে। আর পৃথিবীর কোনো স্বৈরশাসকেরই শেষটা ভালো হয়নি-এটাও ভুলে গিয়েছিলেন বিদেশি মিডিয়ায় খ্যাতি পাওয়া নিষ্ঠুরতম স্বৈরাচার শেখ হাসিনা।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারতের মুসলিমরা রাজনৈতিকভাবে কেন ‘এতিম’ হয়ে গেল by জাকিয়া সোমান
সম্প্রতি সংসদের উভয় কক্ষে তুমুল বিতর্কের পর ওয়াক্ফ (সংশোধনী) বিল পাস হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী এটিকে সামাজিক ন্যায়বিচার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের পথে এক ‘ঐতিহাসিক মাইলফলক’ বলে ব্যাখ্যা করেছেন। অন্যদিকে কংগ্রেস এই বিলকে সংবিধানের মূলনীতি, ধারা ও চর্চার ওপর আঘাত বলে নিন্দা করেছে। সেই সঙ্গে তারা সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ জানানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
তবে একটা কথা মনে রাখতে হবে, এই বিল পাস হতো না, যদি না তথাকথিত মুসলিম-সমর্থক রাজনীতিবিদ চন্দ্রবাবু নাইডু, নীতীশ কুমার ও জয়ন্ত চৌধুরীর মতো নেতারা সমর্থন দিতেন। ফলে এটা স্পষ্ট, বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণতন্ত্রে মুসলমানরা আজ পুরোপুরি রাজনৈতিকভাবে অনাথ। বিচার চাওয়ার মতো আর কোনো নির্ভরযোগ্য রাজনৈতিক শক্তি তাদের পাশে নেই।
যেসব দল নিজেদের ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ বলে দাবি করে, তারাও অনেক সময় হিন্দুত্ববাদী রাজনীতিকে পরোক্ষভাবে এগিয়ে দিয়েছে। এর ফলে ধর্মের ভিত্তিতে বৈষম্যকে আইনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত করার পথ সুগম হয়েছে। এটি ভারতের সংবিধানিক অভিযাত্রার পথে এক অন্ধকার অধ্যায়।
ওয়াক্ফ হলো ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী একটি ধর্মীয় দানব্যবস্থা। কোনো ব্যক্তি তাঁর সম্পত্তি দরিদ্রদের কল্যাণে দান করেন। এরপর সেটি আর ব্যক্তিগত মালিকানায় থাকে না। সেই সম্পত্তি আল্লাহর নামে দান করা হয়। এই সম্পত্তির মাধ্যমে মসজিদ, মাদ্রাসা, কবরস্থান, স্কুল, হাসপাতাল ইত্যাদি পরিচালিত হয়। ১৯৯৫ সালের ওয়াক্ফ আইন অনুযায়ী এগুলো চলে। কেন্দ্রীয় ও রাজ্যস্তরের ওয়াক্ফ বোর্ডের মাধ্যমে এগুলোর তদারকি হয়। রাজ্য সরকারগুলো এই সংস্থাগুলোর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে। কোনো সমস্যা হলে তা ওয়াক্ফ ট্রাইব্যুনালে ওঠে।
স্বীকার করতে হবে, অনেক ওয়াক্ফ বোর্ডই দুর্নীতিগ্রস্ত বা অকার্যকর। অনেক জায়গায় বেসরকারি দখলদারি বা জমি জবরদখলের অভিযোগও রয়েছে। তবে এ রকম সমস্যা ভারতের সাধারণ জমি, জলাশয় বা বনভূমিতেও দেখা যায়। এই দখলদারির কারণে দরিদ্রদের পক্ষে ওয়াক্ফের সুবিধা পাওয়া কঠিন করে তোলে। ফলে ওয়াক্ফের মূল উদ্দেশ্যটাই বাধাগ্রস্ত হয়। তাই একটা সার্বিক সংস্কার দরকার। এই সংস্কার ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টে মামলা করে দাবি করেছেন অনেক সচেতন নাগরিক ও সংগঠন।
কিন্তু বর্তমান সরকার হঠাৎ মুসলমানদের কল্যাণের কথা বলে এত বড় উদ্যোগ নিচ্ছে—এটা সন্দেহজনক। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার মুসলিম সমাজকে না জানিয়ে, আলোচনায় না বসেই করা হলে, সেটাকে নিছক হাস্যকর বলে উড়িয়ে দেওয়া যেত। কিন্তু এর আড়ালে আরও গভীর শঙ্কা লুকিয়ে আছে। বাস্তবতা হলো, গত দশ বছরে সরকারের কোনো কার্যকলাপে মুসলমানদের প্রতি আন্তরিকতা দেখা যায়নি; বরং প্রতিনিয়ত বাড়ছে ঘৃণা, বিদ্বেষ আর বিভাজনের রাজনীতি।
গরু রক্ষার নামে গণপিটুনি, লাভ জিহাদ বা করোনা জিহাদের মতো কাল্পনিক ধোঁয়া তুলে মুসলমানদের হয়রানি করা হয়েছে। এসব ঘটনায় সরকার বরাবর নীরব থেকেছে। উত্তর প্রদেশে বুলডোজার এখন সরকারিভাবে শাস্তির প্রতীক হয়ে উঠেছে। মসজিদের নিচে মন্দির খোঁজার নামে হিন্দুত্ববাদী বাহিনীরা প্রশাসনের প্রশ্রয়ে যা খুশি তা–ই করছে। নির্বাচনের সময় মুসলিমবিদ্বেষী ভাষা ব্যবহার এখন যেন স্বাভাবিক ব্যাপার।
মোগল, মাছ-মাংস এসব শব্দই এখন মুসলমানদের বিপক্ষে ইঙ্গিত হয়ে উঠেছে। সংখ্যালঘু শিক্ষার্থীদের জন্য চালু থাকা বৃত্তি প্রকল্পগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ফুটপাতের মুসলমান ছোট ব্যবসায়ীদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। পার্কে শান্তিপূর্ণভাবে নামাজ পড়লেও পুলিশ গ্রেপ্তার করছে। এমনকি ঈদের নামাজ রাস্তায় পড়াও অনেক জায়গায় নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
এই বাস্তবতায় সরকার দাবি করছে, ওয়াক্ফ আইন সংশোধন করছে মুসলমানদের মঙ্গলের জন্য। কিন্তু আসল উদ্দেশ্য হলো, হিন্দু-মুসলিম বিভেদকে আরও উসকে দেওয়া। বিলটি পাস করানোর আগে টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে প্রচার চলেছে, মুসলমানরা নাকি হিন্দুদের জমি দখল করে নেবে ওয়াক্ফের নামে। এনডিএ জোট এই মিথ্যা প্রচারের মাধ্যমে বিহার নির্বাচনে সুবিধা নিতে চায়। এই বিল জমি ও সম্পত্তির ওপর বড় ধরনের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার হাতিয়ারও হতে পারে। কারণ, এই খাতে ইতিমধ্যেই বড় ধরনের দুর্নীতি বিদ্যমান।
এই ওয়াক্ফ সংশোধন বিল সরাসরি সংবিধানের মূল চেতনার ওপর আঘাত করেছে। এটি সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় স্বাধীনতার অধিকার লঙ্ঘন করে। সংখ্যালঘুদের নিজেদের প্রতিষ্ঠান পরিচালনার যে সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে, সেটিও এতে খর্ব হয়েছে। এই আইনে বলা হয়েছে, ওয়াক্ফ বোর্ডে অমুসলিম সদস্য রাখতে হবে। এই সিদ্ধান্ত একটা নির্দিষ্ট ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্য করে বৈষম্যমূলক হস্তক্ষেপ। সরকার যদি সত্যিই বৈচিত্র্য ও সমান অধিকার চায়, তাহলে তিরুপতি দেবস্থানম বোর্ডে কি মুসলমান, খ্রিষ্টান বা পার্সিদের নিয়োগ করবে? যদি সত্যিই সব ধর্মের জন্য এক আইন দরকার হয়, তাহলে তা হোক ইউনিফর্ম সিভিল কোডের আওতায়। সব ধর্মস্থলের জন্য এক নিয়ম হোক।
নতুন আইন অনুযায়ী, কেউ ওয়াক্ফ করতে চাইলে তাঁকে আগে কমপক্ষে পাঁচ বছর ধরে মুসলমান থাকতে হবে। এই বিধান করে ওয়াক্ফকে একধরনের বেসরকারি প্রকল্পের মতো সাজানো হয়েছে।
এই বিল আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। তবে আসল লড়াইটা সামাজিক ও রাজনৈতিক স্তরে হওয়া দরকার। যাঁরা ভারতীয় গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতায় বিশ্বাস করেন, তাঁদের এক হয়ে ঘৃণার রাজনীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোই এখন জরুরি। মুসলমানরাও তাঁদের দায়িত্ব এড়াতে পারেন না। গণতান্ত্রিক চেতনায় দৃঢ় কোনো নেতৃত্ব মুসলিম সমাজে এখন চোখে পড়ে না। এই দুর্বল নেতৃত্বই পুরো সম্প্রদায়ের এক বড় সমস্যা।
অবশ্য দমন-পীড়নের মুখে থাকা একটি জাতিগোষ্ঠীর কাছে সব সময়ে নেতৃত্বের দাবি তোলা অন্যায্যও বটে; কিন্তু পবিত্র কোরআনের বাণী মনে রাখতে হবে—আল্লাহ তাদেরই সাহায্য করেন, যারা নিজেরা নিজেদের সাহায্যে এগিয়ে আসে। ভারতীয় সংবিধান এখনো আমাদের আশার জায়গা, যেখানে একতা ও উন্নতির সুযোগ রয়েছে।
আমাদের দরকার এমন একটি বৃহত্তর গণ–আন্দোলন, যেখানে ধর্মের বিভাজন পেরিয়ে সবাই মিলে ঘৃণার রাজনীতির বিরুদ্ধে লড়বে। যেমনটা আমরা স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় দেখেছি। সিএএ-এনআরসি, লাভ জিহাদ আইন, আর এখন এই নতুন ওয়াক্ফ আইন—সবই দেখিয়ে দিচ্ছে যে এখন সময় হয়েছে মুসলমানদের মধ্যে এক শক্তিশালী, গণতান্ত্রিক চেতনার নেতৃত্ব গড়ে তোলার। নেতৃত্ব হোক মুসলিম, হোক বা অমুসলিম—যাঁরা আমাদের সংবিধান, সাম্য আর সহাবস্থানের পক্ষে কথা বলবেন, তাঁরাই হোক আমাদের ভরসা।
* জাকিয়া সোমান সহপ্রতিষ্ঠাতা, ভারতীয় মুসলিম মহিলা আন্দোলন
- দ্য ওয়্যার থেকে নেওয়া ইংরেজির অনুবাদ
| ভারতের জলন্ধরে প্রতিবাদ। ছবি: এএফপি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘দ্রুত অগ্রগতি না হলে রাশিয়া-ইউক্রেন শান্তি আলোচনা থেকে সরে যাবে যুক্তরাষ্ট্র’ -রাশিয়ার হামলা, নিহত ২
বৃহস্পতিবার ইউক্রেন এবং যুক্তরাষ্ট্র একটি স্মারকলিপি স্বাক্ষর করার পর এই মন্তব্য সামনে এসেছে। যেখানে বলা হয়েছে, অর্থনৈতিক চুক্তির অংশ হিসেবে ইউক্রেন পুনর্গঠনের লক্ষ্যে একটি বিনিয়োগ তহবিল প্রতিষ্ঠা করতে চায় উভয় দেশ। ২৬শে এপ্রিল থেকে এই চুক্তিটি বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানানো হয়েছে। নথিতে খনিজ সম্পদ সম্পর্কে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেয়া হয়নি। তবে আগে ফাঁস হওয়া এক নথি থেকে জানা যায়, চুক্তিটি ইউক্রেনের খনিজ সম্পদের সঙ্গে ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামো, সেই সঙ্গে তেল ও গ্যাসের নিয়ন্ত্রণ নেবে যুক্তরাষ্ট্র। ভবিষ্যতে যেকোনো যুদ্ধবিরতি সমর্থন করে কিয়েভকে নিরাপত্তার নিশ্চয়তা প্রদানের বিরোধিতা করে আসছে ওয়াশিংটন। স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, একটি মুক্তি, সার্বভৌম এবং নিরাপদ ইউক্রেনে বিনিয়োগ করতে চায় আমেরিকার জনগণ। এ ছাড়া দুই দেশের মধ্যে স্থায়ী শান্তি এবং তাদের জনগণ ও সরকারের মধ্যে টেকসই অংশীদারিত্ব চায় যুক্তরাষ্ট্র। এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, ফেব্রুয়ারিতে ট্রাম্পের সঙ্গে ওয়াশিংটনে সাক্ষাৎ করেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। সেখানে তাদের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। এতে দুই দেশের সম্পর্কে জটিলতা তৈরি হয় এবং সাময়িকভাবে তাদের দ্বিপক্ষীয় চুক্তিগুলো থমকে যায়। যা পুনরায় স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে।
ইউক্রেনের উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় শহরে রাশিয়ার হামলা, নিহত ২
ইউক্রেনের উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় শহর খারকিভ ও সুমিতে হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এতে ২ জন নিহত ও ২৭ জন আহত হয়েছে। শুক্রবার কিয়েভের কর্তৃপক্ষ এ কথা জানিয়েছে। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি। এতে বলা হয়, খারকিভের মেয়র ইগর তেরেখভ টেলিগ্রামে এক বার্তায় বলেছেন, শহরে একজন নিহত এবং ২৬ জন আহত হয়েছে। তিনি আরো বলেন, প্রাথমিক তথ্য অনুসারে, খারকিভে গুচ্ছবোমাসহ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের হামলা চালিয়েছে মস্কে। এই হামলায় ১৫টি অ্যাপার্টমেন্ট ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। খারকিভের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন এর আঞ্চলিক গভর্নর ওলেগ সিনেগুবভ। আঞ্চলিক সামরিক প্রশাসন টেলিগ্রামে এক বার্তায় জানিয়েছে, রাশিয়ার সীমান্তের কাছে সুমি শহরে ইরানের তৈরি শাহেদ ড্রোন ব্যবহার করে রাশিয়ার হামলায় একজন নিহত এবং একজন আহত হয়েছে। টেলিগ্রাম বার্তায় আরো বলা হয়েছে, রাশিয়া শহরের একটি বেসামরিক স্থাপনায় আঘাত করেছে। গত রোববার রাশিয়ার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সুমি শহরে কমপক্ষে ৩৫ জন নিহত এবং শতাধিক আহত হয়। বিশ্ব নেতারা এই হামলার নিন্দা জানিয়েছেন। এই হামলা ছিল চলতি বছরে ইউক্রেনে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বৃহৎ হামলা। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রুশ হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে সবচেয়ে ভয়াবহ হামলার মধ্যে একটি। তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে চলমান যুদ্ধবিরতির জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের আহ্বান সত্ত্বেও বিমান হামলা বেড়েছে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ধানমণ্ডিতে চাঁদাবাজি: আটক সেই যুবক ইজারাদারের লোক by সুদীপ অধিকারী
এর আগে পহেলা বৈশাখের আগের রাতে জিগাতলা বাসস্ট্যান্ড এলাকার ইবনে সিনা মেডিকেল ইমেজিং এর সামনে পার্ক করা একটি গাড়ি থেকে রসিদ দেখিয়ে টাকা আদায়ের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ওই ভিডিওতে দেখা যায়, সাদার ওপর কালো রঙের একটি শার্ট পরে হাতে সিটি করপোরেশনের ইজারাদার কোম্পানি জেডএস এন্টারপ্রাইজের রসিদ নিয়ে একটি প্রাইভেটকারের চালকের কাছে টাকা চাচ্ছেন আশরাফুল। ওই সময় প্রাইভেটকার মালিকের সঙ্গে ওই যুবকের কথা-কাটাকাটি হয়। প্রাইভেটকারের চালকের আসনে বসা ব্যক্তিটি ওই যুবককে বলছে- মাস্তানি করো। উত্তরে যুবক বলেন, ‘হ করতাছি, কোনো সমস্যা?’ এ সময় পাশে প্রাইভেটকারের মধ্যে থাকা এক মহিলা ওই যুবকের নাম জানতে চান। ?উত্তরে যুবক বলেন, ‘নাম দিয়ে কী হবে?’। এরপর প্রাইভেটকার চালক আবার বলছেন, রাস্তার উপর গাড়ি রাখছিলাম, ওরে চাঁদা দিলাম। ওর নাম দিয়ে কী হবে, এরপর আমি দেখতেছি। তখন ওই যুবক বলে, এরপর আসলে চেহারাটা সুন্দর করে আইসো, চুল নাড়িয়ে বলে- আমার একটা চুলও বাঁকা করতে পারবা না। ওই সময় ওই গাড়ির মধ্যে একটি বাচ্চার আওয়াজও পাওয়া যায়। ১৩ই এপ্রিল রাতের ওই ঘটনার ভিডিও মুহূর্তের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। অনেকেই ওই যুবকের শাস্তি দাবি করেন। কেউ আবার ওই গাড়িচালকদেরও আচরণের সমালোচনা করেন। এরপরই মঙ্গলবার রাতে ধানমণ্ডি থানার একটি মোবাইল টিম হাজারীবাগ থানা পুলিশের সহায়তায় হাজারীবাগ এলাকা থেকে আশরাফুলকে আটক করে। পরদিন ধানমণ্ডি থানায় দায়ের করা চাঁদাবাজি মামলায় তাকে আদালতে হাজির করে রিমান্ড চাওয়া হয়। এরই প্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর হাকিম এম এ আজহারুল ইসলাম আশরাফুলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। বর্তমানে ধানমণ্ডি থানায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
গতকাল সরজমিন জিগাতলার ওই আলোচিত লেকপাড়ে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে লোহার দণ্ডায়মান খাম্বাতে লাল বোর্ডে স্থায়ীভাবে উল্লেখ করা রয়েছে- এটা সিটি করপোরেশনের ইজারাকৃত নির্ধারিত গাড়ি পার্কিং এর জায়গা। ওই বোর্ডের নিচে হলুদ সাইনবোর্ডের ভেতরে লাল কালি দিয়ে বড় করে লেখা হয়েছে পার্কিং। তাতেও সিটি করপোরেশনের লোগো ও ইজারাদার ‘জেড.এস এন্টারপ্রাইজের’ নাম উল্লেখ করা রয়েছে। শুধু একটা জায়গায় নয় একাধিক জায়গায় এমনকি গাছেও টানানো রয়েছে পার্কিং এর সাইনবোর্ড। আর ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায় ওই গাড়িটি এই পার্কিং এর জায়গাতেই দাঁড়িয়ে ছিল। গতকাল ওই পার্কিং এর দায়িত্বে থাকা আব্দুর রহমান বলেন, চাঁদাবাজির অভিযোগে আটক আশরাফুল মাসিক ১০ হাজার টাকা বেতনে জেড.এস এন্টারপ্রাইজে চাকরি করে। ওকে রসিদ বুঝিয়ে দেয়া হয়। সেই রসিদ দিয়ে পার্ক করা গাড়ি থেকে আশরাফুল ঘণ্টা প্রতি ৩০ টাকা ও মোটরসাইকেল থেকে ২০ টাকা আদায় করতো। সে কোনো চাঁদাবাজ নয়। আব্দুর রহমান বলেন, মানুষ শুধু ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটাই দেখেছে। কিন্তু ভিডিওর আগে-পরের কিছুই জানে না কেউ। হ্যাঁ- আশরাফুল চুল ছেঁড়ার কথা বলে অবশ্যই অন্যায় করেছে। কিন্তু তাকে যে আগে আজেবাজে কথা বলে উত্তেজিত করা হলো, সেটাতো কেউ বললো না। ভিডিও ধারণকারীরা যে তাকে দেখে নেয়ার কথা বললো, মাস্তান বললো সে বিষয়ে কেউ কিছু বলে না। কোনো অপরাধ ছাড়াই তাকে আটক করে রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। এমন কী আমাদের সঙ্গে তার দেখা করতে পর্যন্ত দিচ্ছে না।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের কাছ থেকে ধানমণ্ডি ৭ নম্বর সেক্টরের পার্কিং জায়গা ইজারা নেয়া জেড.এস এন্টারপ্রাইজের মো. ওমর ফারুক ও মো. রিপন বলেন, আমরা যথাযথ প্রক্রিয়ায় সিটি করপোরেশন থেকে এই জায়গা ইজারা নিয়েছি। এখানে আজকে নয় অনেক আগে থেকেই সিটি করপোরেশন ইজারা দেয়। আগের সরকারের সময় যারা ইজারা নিয়েছিল সেই ফোর আর ট্রেডিং এর গোলাম রব্বানী হিরুর সাইনবোর্ড টানানো রয়েছে। এরপর গত বছরের নভেম্বর মাস থেকে আমরা ইজারা নিয়েছি। সেই সাইনবোর্ডও সব জায়গায় টানানো রয়েছে। এগুলো কী কারোর চোখে পড়েনি? সেদিন রাতে আমাদের ওই ছেলেটার ব্যবহার খারাপ ছিল সেটা আমরাই বলছি। কিন্তু সে কোনো চাঁদাবাজ নয়। এখন পর্যন্ত সেই ভিডিও করা লোকগুলোরও কোনো খোঁজ নেই। তারা অভিযোগ পর্যন্ত করেনি। এরপরও কোনো কিছু যাচাই-বাছাই না করেই চাঁদাবাজি মামলা দিয়ে তাকে রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। আমরা ওকে আটকের পর বারংবার কাগজপত্র নিয়ে থানায় গিয়েছি। সিটি করপোরেশন থেকে ইজারার কাগজ পাঠিয়েছে। কিন্তু তাতে কোনো ফল পাইনি। এমনকি আমাদের সঙ্গে দেখা পর্যন্ত করতে দেয়া হয়নি। এখন আমরা আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতের শরণাপন্ন হয়েছি। কিন্তু রিমান্ড শেষ না হওয়ায় কিছুই করা যাচ্ছে না। এ সময় দক্ষিণ সিটির কাছ থেকে ইজার নেয়ার কাগজও দেখায় তারা। গত বছরের ২৮শে নভেম্বর দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা উপ-সচিব কাইজার মোহাম্মদ ফারাবী স্বাক্ষর করা ওই কাগজে দেখা যায়- ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাধীন ধানমণ্ডি লেক ও লেক সংলগ্ন সেক্টর-৭ হতে ইজারা কার্যক্রম গ্রহণের পূর্ব সময় পর্যন্ত খাস আদায়ের জন্য গত বছরের ৪ঠা সেপ্টেম্বর এই বিষয়ে ১৫ নম্বর ওয়ার্ড সচিব, সার্ভেয়ার ও সম্পত্তি কর্মকর্তাকে নিয়ে একটি তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটিই খাস আদায়ের জন্য জেড. এস এন্টার প্রাইজের কাছে টাকা উঠানোর জন্য ইজারা দেন। ওই খাস টাকা বাবদ ১২ই মার্চ ৯ লাখ ৭ হাজার ২শ’ টাকা সিটি করপোরেশন বরাবর সোনালী ব্যাংকে জমা করার একটি চালানের কপিও মানবজমিনের কাছে রয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা কাইজার মোহাম্মদ ফারাবী মানবজমিন’কে বলেন, আসলে দেশের পটপরিবর্তনের পর আমাদের সিটি করপোরেশনে বেশ কিছু অস্থিরতা বিরাজ করছিল। এরই ধারাবাহিকতায় আমাদের কিছু টেন্ডার আটকে রয়েছে। আলোচিত ধানমণ্ডি-৭ নম্বরের সেক্টরের জায়গাটিও তারই আওতায়। মূলত ধানমণ্ডির রবীন্দ্র সরোবর, জিগাতলা ওই সবই ৭ নম্বর সেক্টরের আওতায়। আমরা আশা করছি কিছুদিনের মধ্যে ওই জায়গার টেন্ডার হয়ে যাবে। আর এই টেন্ডার না হওয়া পর্যন্ত ওই জায়গাটি জেড.এস এন্টার প্রাইজের কাছে ইজারা দেয়া হয়েছিল। আটক ওই যুবক ওই কোম্পানির লোক।
এ বিষয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ-ডিএমপি’র ধানমণ্ডি জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) শাহ মোস্তফা তারিকুজ্জামান মানবজমিন’কে বলেন, চাঁদা আদায়ের ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর তা আমাদেরও নজরে আসে। পরে আমাদের থানা পুলিশ অভিযুক্ত আশরাফুলকে আটক করে। তাকে আটকের পর আমরা প্রাইভেটকারের চালকদের জন্য অপেক্ষা করছিলাম। কিন্তু তাদের হদিস না পাওয়ায় এ বিষয়ে আশরাফুলসহ আরও ৪/৫ অজ্ঞাতনামা আসামি করে পুলিশ বাদী হয়ে ধানমণ্ডি থানায় একটি চাঁদাবাজি মামলা করে। যেহেতু সে আমাদের কাছে স্বীকার করেছে তার সঙ্গে আরও ৪/৫ জন জড়িত আছে সেই তথ্য জানতেই তাকে রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। সিটি করপোরেশনের ইজারার বিষয়ে তিনি বলেন, আমরাও বিষয়টি শুনেছি। পুরো বিষয় নিয়েই আমাদের তদন্ত চলছে। এখানে দেখার বিষয়- কতোটুকু জায়গা সিটি করপোরেশনের। তারা কী বাসস্ট্যান্ডের পাশে ইজারা দিতে পারে কিনা? ওই গাড়িটি কি ওই পার্কিং এর জায়গায় ছিল কিনা? সবই যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে। তিনি বলেন, এখানে আমাদের সঙ্গে কারোর তো কোনো শত্রুতা নেই। পুলিশ তার নিজের কাজ করছে। তদন্ত করে যা পাওয়া যাবে তা আদালতে পেশ করা হবে। আদালত সেই তদন্ত রিপোর্টের প্রেক্ষিতে কি আদেশ দিবেন সেটা আদালতের এখতিয়ার। এখানে আমাদের তেমন কিছুই করণীয় নয়। তাই সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ করবো তারা যেন আদালতের দ্বারস্থ হন। সবকিছু বিচারের ক্ষমতা একমাত্র আদালতের।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আল-আকসায় ইহুদিদের প্রবেশ ‘নজিরবিহীনভাবে’ বাড়ছে, কিসের ইঙ্গিত
ইসরায়েলের নিরাপত্তা বাহিনীর পাহারায় মসজিদ চত্বরে ইহুদিদের ঢুকতে দেখা যায়। ইহুদিদের কাছে এই স্থান ‘টেম্পল মাউন্ট’ নামে পরিচিত।
এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ইসরায়েল একসঙ্গে ৩০ জনের বেশি ইসরায়েলি ইহুদিকে ঢুকতে না দেওয়ার পুরোনো নীতি থেকে থেকে সরে এসেছে। ১৯৬৭ সালে ইসরায়েল এ স্থান দখল করে নেয়। এটি আন্তর্জাতিকভাবে দখলকৃত অঞ্চল হিসেবে স্বীকৃত।
আল-আকসা মসজিদের তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে রয়েছে ইসলামিক ওয়াক্ফ। সংস্থাটি জানায়, গত বুধবার ১ হাজার ২০০ ইসরায়েলি ইহুদি মসজিদ চত্বরে প্রবেশ করেন। গত সপ্তাহের সাপ্তাহিক ছুটি থেকেই ইহুদিদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব ‘পাসওভারের’ ছুটি শুরু হয়। পাসওভারের ছুটি শুরুর পর চার হাজারের বেশি ইহুদি নিয়ম লঙ্ঘন করে এ পবিত্র স্থানে প্রবেশ করেছেন।
ইসরায়েলি পুলিশ বলেছে, কর্মকর্তারা পরিদর্শনের নিয়ম ও একসঙ্গে সর্বোচ্চ কতজন দর্শণার্থী প্রবেশ করতে পারবেন, সে বিধি মেনে টেম্পল মাউন্টে (আল-আকসা) প্রবেশে সহায়তা করেছেন। এ সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়েছে সামগ্রিক দর্শণার্থীর সংখ্যা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার সক্ষমতার ভিত্তিতে।
কয়েক হাজার ইহুদি পুণ্যার্থীকে জেরুজালেমের ওল্ড সিটির লায়ন্স গেটে নেচে উল্লাস করতে দেখা যায়। এ সময় মুসলিমদের মসজিদে প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়।
ইসলামিক ওয়াক্ফের আন্তর্জাতিক বিষয়ক পরিচালক আউনি বাজবাজ বলেন, বুধবার এবং এর আগের কয়েক দিন আল-আকসা প্রাঙ্গণে যা ঘটেছে, তা নজিরবিহীন। এই দৃশ্যগুলো ভীতিকর।
আউনি আরও বলেন, ‘২০০৩ সালে ২৫৮ জন বসতি স্থাপনকারী এ প্রাঙ্গণে প্রবেশ করলেও আজকের দিনে সংখ্যাটা হঠাৎই অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে। হাজারো ইহুদি মসজিদ চত্বরে প্রবেশ করছে। আজ আমরা এমন এক পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছি, যা আগে কখনো হয়নি।’
পরিবর্তন, নাকি স্থিতাবস্থা
জেরুজালেমের প্রধান ইহুদি ধর্মীয় নেতা ধর্ম মেনে পবিত্র না হলে টেম্পল মাউন্টে (আল-আকসা প্রাঙ্গণে) ইহুদিদের উপাসনাকে নিষিদ্ধ করেছেন। আধুনিক পরিস্থিতিতে যে শর্ত পালন অসম্ভব মনে করা হয়। তবে অনেক রক্ষণশীল ইহুদি বসতি স্থাপনকারী এ অবস্থানের বিরোধিতা করেন। তাঁদের মতে, পবিত্র এ প্রাঙ্গণে ইহুদিদের উপাসনা করতে না দেওয়া বৈষম্যমূলক।
এর আগে ১৭৫৭ সালের উসমানীয় সাম্রাজ্যের এক ফরমানের প্রতি ইঙ্গিত করে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছিলেন, টেম্পল মাউন্টের স্থিতাবস্থায় পরিবর্তন হয়নি এবং হবেও না। ওই ফরমান অনুযায়ী, আল-আকসা মসজিদে অমুসলিমদের প্রবেশ নিষিদ্ধ এবং ইহুদিদের কেবল ওয়েস্টার্ন ওয়ালে প্রার্থনার অনুমতি দেওয়া হয়।
তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোয় এ স্থাপনায় ইহুদি বসতি স্থাপনকারীদের প্রবেশ ক্রমেই নিয়মিত ঘটনা হয়ে উঠেছে।
ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন–গভিরের মতো সরকারের কয়েকজন কর্মকর্তা আল-আকসা মসজিদে ইহুদিদের প্রার্থনার অনুমতি দিতে প্রকাশ্যে দাবি জানিয়ে আসছেন। বিভিন্ন উপলক্ষ ঘিরে উগ্র ডানপন্থী এ মন্ত্রীকে কয়েকবার মসজিদ প্রাঙ্গণে প্রবেশ করতে দেখা গেছে।
কিছু ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারী এ স্থানে আগের দুটি মন্দিরের আদলে নতুন মন্দির নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছে। তবে কেউ কেউ বলছেন, এমন উদ্যোগ নিলে আল-আকসা মসজিদ ধ্বংসের প্রয়োজন হবে। এই মসজিদ ইসলাম ধর্মের অন্যতম তিনটি পবিত্র স্থানের একটি।
টেম্পল মাউন্ট কর্তৃপক্ষ একটি উগ্র ডানপন্থী ইহুদি গোষ্ঠী, যারা আল-আকসা প্রাঙ্গণে একটি মন্দির বানানোর পক্ষে চাপ তৈরি করে আসছে। মঙ্গলবার সংস্থাটি বলেছে, পাসওভারের প্রথম তিন দিনে প্রায় তিন হাজার পুণ্যার্থী টেম্পল মাউন্টে প্রবেশ করেছেন।
ইসলামিক ওয়াক্ফের পরিচালক আউনি সতর্ক করে বলেন, আল–আকসা মসজিদকে ভাগ করে ফেলা ক্রমেই বাস্তবতা হিসেবে দেখা দিচ্ছে। তিনি এ পরিস্থিতিকে তুলনা করেন হেবরনের ইব্রাহিমি মসজিদের সঙ্গে। এটি এখন একই সঙ্গে একটি মসজিদ ও একটি সিনাগগ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। দুটিই নিয়ন্ত্রণ করছে ইসরায়েল।
আউনি বলেন, যদি গণমাধ্যমের ভাষায় বলতে হয়, এখানে ‘বর্ণবাদ’ বা ‘বিভাজন’ ঐতিহাসিক ও বর্তমান বাস্তবতায় পরিণত হয়েছে।
ইসলামিক ওয়াক্ফের পরিচালক জানান, গাজায় যুদ্ধ শুরুর পর পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে, আল–আকসা প্রাঙ্গণে ইহুদিদের ধর্মীয় কার্যকলাপকে উৎসাহিত করা হচ্ছে, যা অনেক সময় সরকারি সমর্থনও পাচ্ছে।
আউনি বলেন, এখন যা ঘটছে, ধর্মীয় উদ্দেশ্যের চেয়ে বরং উসকানি দেওয়াটাই এর পেছনে বেশি কাজ করছে।
![]() |
| উগ্রপন্থী বিভিন্ন ইহুদি গোষ্ঠী প্রায়ই তাদের সমর্থকদের নিয়ে পবিত্র আল-আকসার ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করে। ছবি: এএফপি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিশ্বমঞ্চে পৌঁছেছে গল্প, ফাতিমা রয়ে গেছেন গাজায় মাটির নিচে
ভয়ানক এই হামলায় একইঙ্গে তার পরিবারের আরও ১০ সদস্যও নিহত হন। তবে ফাতিমার জীবনের পথ থেমে গেলেও, থেমে যায়নি তার গল্পের পথচলা। বিশ্ববিখ্যাত কান চলচ্চিত্র উৎসবে আগামী মাসে প্রদর্শিত হবে তাকে নিয়ে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র।
বৃহস্পতিবার (১৭ এপ্রিল) মার্কিন বিনোদনমাধ্যম ভ্যারাইটির প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, কানে নির্বাচিত একটি তথ্যচিত্রের মূল চরিত্র ছিলেন ২৫ বছর বয়সী এই ফিলিস্তিনি আলোকচিত্রী। তিনি ছিলেন গাজার ইউনিভার্সিটি কলেজ অব অ্যাপ্লাইড সায়েন্সেসের স্নাতক। শুধু একজন সাংবাদিক বা আলোকচিত্রী হিসেবে নয়, ফাতিমা ছিলেন সেই কঠিন বাস্তবতার জীবন্ত সাক্ষী, যা দিনের পর দিন আরও নিষ্ঠুর হয়ে উঠছে গাজার মানুষের জন্য।
নিহত হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগেও তিনি ফেসবুকে নিজের বারান্দা থেকে গৃহীত একটি সূর্যাস্তের ছবি শেয়ার করে লিখেছিলেন, অনেক দিনের মধ্যে এটি প্রথম সূর্যাস্ত। এর আগে আরেকটি পোস্টে লিখেছিলেন, ‘অনিবার্য মৃত্যুর কথা বলতে গেলে, যদি আমি মারা যাই, আমি একটি উচ্চস্বরে মৃত্যু চাই, আমি চাই না যে আমি কোনো ব্রেকিং নিউজ স্টোরিতে থাকি অথবা কোনো দলের সঙ্গে কোনো সংখ্যায় থাকি। আমি এমন একটি মৃত্যু চাই যা বিশ্ব শুনতে পায়। এমন একটি চিহ্ন যা চিরকাল স্থায়ী হয়- অমর চিত্র যা সময় বা স্থান কেউই কবর দিতে পারবে না।’
তার এই আকাঙ্ক্ষা যেন সত্যিই হয়ে উঠল। ‘Put Your Soul on Your Hand and Walk’ শিরোনামের তথ্যচিত্রে প্রধান চরিত্র হিসেবে উঠে এসেছে ফাতিমার জীবন ও সংগ্রামের গল্প। ১১০ মিনিট দৈর্ঘ্যের এই ডকুমেন্টারিটি নির্মাণ করেছেন পরিচালক ফরহাদ ফারসি।
পরিচালক জানান, এটি মূলত গত এক বছরের মতো সময়জুড়ে ফাতিমা ও তার মধ্যে চলা কথোপকথনের ভিত্তিতে নির্মিত। এটি শুধু একটি চলচ্চিত্র নয়, বরং গাজায় চলমান গণহত্যার একটি জীবন্ত দলিল।
প্রসঙ্গত, এসিড (অ্যাসোসিয়েশন ফল দ্য ডিস্ট্রিবিউশন অব ইন্ডিপেনডেন্ট সিনেমা) বিভাগের অধীনে তথ্যচিত্রটি কানে প্রদর্শিত হবে।
এসিডের ওয়েবসাইটে দেওয়া বিবরণে পরিচালক ফারসি লেখেন, এই ফিল্ম একটি জানালা, যা খুলেছে ফাতমার সঙ্গে এক অলৌকিক সাক্ষাতে। সে গাজার ভেতরে আমার চোখ, আর আমি বাইরের পৃথিবীর সঙ্গে তার যোগাযোগ। আমি ভাবছি, এই সিনেমায় কাজ করাই কি তাকে টার্গেট হওয়ার অন্যতম কারণ হয়ে গেল না?
ফাতিমা যখন কানে অংশ নেওয়ার খবর পান, তখন ফারসি চেষ্টা করছিলেন তাকে কানে নিয়ে যাওয়ার পন্থা খুঁজতে। ফাতিমা তখন ভাবছিলেন, কীভাবে কানে গিয়ে আবার গাজায় ফিরে আসবেন। কিন্তু ভাগ্য তার পক্ষে ছিল না। গল্প পৌঁছাল বিশ্বমঞ্চে, কিন্তু ফাতিমা থাকলেন না সেই মুহূর্তের সাক্ষী হতে।
ফাতিমার প্রাণ বিসর্জনের ঘটনায় সাংবাদিক মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএর কমিশনার জেনারেল ফিলিপে লাজারিনি বলেন, ফিলিস্তিনি সাংবাদিকরা বীরত্বের সঙ্গে কাজ করে চলেছে, কিন্তু এর জন্য তাদের ভয়ংকর মূল্য দিতে হচ্ছে।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত গাজায় ২০৯ জন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন, যাদের কেউ ডিউটিতে ছিলেন, কেউ বাড়িতে।
ফাতিমা হাসোনা- একজন চিত্রসাংবাদিক, একজন কণ্ঠস্বর, একজন সাহসী হৃদয়। তার চোখ দিয়ে বিশ্ব দেখেছে গাজার বাস্তবতা। আজ তিনি নেই, কিন্তু তার গল্প বেঁচে আছে এবং সেটিই পৌঁছে গেছে কানের মতো বিশ্বমঞ্চে।
ফাতিমার সেই উচ্চস্বরে মৃত্যুই হয়তো আজ বিশ্বের কানে ধ্বনিত হচ্ছে।
![]() |
| ফিলিস্তিনি ফটোসাংবাদিক ফাতিমা হাসোনা। ছবি : সংগৃহীত |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নতুন গবেষণায় সামনে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য: গিজার গ্রেট পিরামিডের নীচে যীশুখ্রিস্টকে সমাহিত করা হয়েছিল
সেই মিশনের অংশ হিসেবে ইমেজিং সরঞ্জাম ব্যবহার করে ওয়ার্নার পিরামিডের ভিত্তিপ্রস্তরের গভীরে খোদাই করা মানবসৃষ্ট কক্ষগুলো সনাক্ত করেছেন। যীশুখ্রিস্টের সমাধি ও সিন্দুকটি যে গুপ্ত গুহায় রাখা, তার মুখ একটা বড় পাথর দিয়ে বন্ধ করা বলে জানিয়েছেন ওয়ার্নার। তাঁর সবচেয়ে আশ্চর্যজনক দাবিগুলোর মধ্যে একটি হল যে যীশু সম্ভবত এই স্থানে পাহাড়ে ধর্মোপদেশ দিয়েছিলেন। ২০২১ সালের শেষের দিকে, ওয়ার্নার এক দশকের গবেষণা মিশরের বিজ্ঞান অফিসে হস্তান্তর করেন। কর্তৃপক্ষ এই গবেষণার প্রশংসা করে এটিকে "সমস্ত মানবতার কল্যাণের জন্য বৈজ্ঞানিক বিপ্লব" বলে অভিহিত করেছেন। ২০২২ সালের অক্টোবরে, মিশরের পর্যটন ও পুরাকীর্তি মন্ত্রী আহমেদ ইসার সাথে একটি বৈঠকের পর, ওয়ার্নার দক্ষিণ প্যাসেজওয়ের নীচে অন্বেষণ অব্যাহত রাখার বিনিময়ে তার তথ্য বিনামূল্যে ভাগ করে নিতে সম্মত হন। ওয়ার্নারকে স্ক্যান পিরামিডস মিশনের একজন পরামর্শদাতা হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি দাবি করেছেন যে এই চুক্তি সত্ত্বেও, মিশন পরিচালনাকারী আন্তর্জাতিক দলটি এখনও মূল পাথরখণ্ডের বাইরের অংশটি স্ক্যান করার প্রতিশ্রুতি পালন করেনি।
ওয়ার্নার লেবাননের প্রধানমন্ত্রীর কাছে আন্তর্জাতিক জটিলতা এড়াতে আবেদন করেছেন। এই আবিষ্কারটি আরেকটি তত্ত্বের বিরুদ্ধে যায়। যেখানে দাবি করা হয়েছে যে যীশু খ্রিস্ট ক্রুশবিদ্ধ হওয়ার পর বেঁচে গিয়েছিলেন এবং ভারতে তাঁর শেষ দিনগুলো কাটিয়েছিলেন। একটি বই অনুসারে, যীশু কাশ্মীর উপত্যকায় ভ্রমণ করেছিলেন, যেখানে তিনি ধর্মের প্রচার করতেন। সেখানে প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মে তিনি মারা যান। শ্রীনগরের খানিয়ার এলাকায় অবস্থিত ইউজ আসাফ নামে এক সাধুর সমাধি রোজা বাল মাজার, বিংশ শতাব্দীতে আন্তর্জাতিক মনোযোগ আকর্ষণ করে। “Jesus Lived in India” এবং “Christ in Kashmir” এর মতো বইগুলোতে দাবি করা হয়েছিল যে ইউজ আসাফই হলেন যীশু খ্রিস্ট। জার্মান লেখক কার্স্টেন যুক্তি দিয়েছিলেন যে প্রাচীন গ্রন্থ এবং অপ্রামাণিক রেকর্ড ইঙ্গিত দেয় যে যীশু ভারতে যাত্রা করেছিলেন। কিন্তু এই সমস্ত দাবি ইতিহাসবিদ এবং ধর্মতত্ত্ববিদদের মধ্যে বিতর্ক তৈরী করেছে। মূলধারার খ্রিস্টধর্ম এই ধারণাটিকে প্রত্যাখ্যান করেছে। ওয়ার্নার বিশ্বাস করেন যে খ্রিস্টের দেহাবশেষ যদি সত্য প্রমাণিত হয় তা ধর্মকে নতুন আকার দিতে পারে এবং মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনতে পারে।
সূত্র : টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য: টানাপড়েনে ক্ষতিগ্রস্ত কারা?
যদিও বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেছেন, ভারত হঠাৎ করে ট্রান্সশিপমেন্ট বাতিল করলেও বাংলাদেশের সমস্যা হবে না। তবে ভারতের ট্রান্সশিপমেন্ট বাতিলে বাংলাদেশি পণ্য পরিবহন খরচ দুই হাজার কোটি টাকা বেড়েছে। আমরা যেসব পদক্ষেপ নিচ্ছি তাতে এ খরচ শূন্যের কোঠায় নামিয়ে একসময় মাইনাস টাকায়ও নিতে পারবো। বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, বিভিন্ন খাতের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা হয়েছে। নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় আমরা সংকট কাটানোর চেষ্টা করবো।
অবশ্য ট্রান্সশিপমেন্ট বাতিল ইস্যুতে বৃহস্পতিবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, ভারতের বন্দরগুলোতে যানজট তৈরি হচ্ছে। ওই জট কাটাতেই এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
ট্রান্সশিপমেন্ট হলো- এমন একটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক প্রক্রিয়া, যেখানে একটি দেশ তার পণ্য সরাসরি গন্তব্য দেশে না পাঠিয়ে মাঝপথে অন্য একটি দেশের বন্দর ব্যবহার করার মাধ্যমে রপ্তানি করে। একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করে পণ্য আমদানিও করা হয়। ২০২০ সালের ২৯শে জুন বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ট্রান্সশিপমেন্ট চুক্তি হয়। কিন্তু গত ৮ই এপ্রিল একতরফাভাবে সেই চুক্তি বাতিল করে ভারতের সেন্ট্রাল বোর্ড অব ইনডাইরেক্ট ট্যাক্সেস অ্যান্ড কাস্টমস (সিবিআইসি)।
কতটা ক্ষতি হবে বাংলাদেশের?
বিশ্লেষকরাও বলছেন, ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা বন্ধ হওয়ায় বাংলাদেশের তেমন কোনো সমস্যা হবে না। কারণ, বাংলাদেশ এই সুবিধা খুব বেশি ব্যবহার করতো না। তাছাড়া, বাংলাদেশ ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে নেপাল ও ভুটানেই বেশি পণ্য রপ্তানি করে। ভারত বলেছে, এই দুই দেশে পণ্য রপ্তানিতে ট্রান্সশিপমেন্ট বাতিলের প্রভাব পড়বে না। মূলত, ভারতের বিমানবন্দর ব্যবহার করে ইউরোপ-আমেরিকায় তৈরি পোশাকসহ ‘সামান্য কিছু পণ্য’ রপ্তানি করতো বাংলাদেশ। এখন সেই সুবিধাটুকুই বন্ধ।
কার্গো বন্ধের প্রভাব
ঢাকা থেকে ইউরোপগামী এয়ার কার্গোর স্পট রেট কেজিপ্রতি ৬.৩০ ডলার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬.৫০ ডলার। যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য পাঠাতে এখন কেজিপ্রতি ৭.৫০ থেকে ৮ ডলার গুনতে হচ্ছে, যেখানে ২০২৪ সালের আগস্টে এই রেট ছিল ৬.৯১ ডলার। অন্যদিকে কলকাতা থেকে কেজিতে এই খরচ মাত্র ৪ ডলার এবং মালদ্বীপ থেকে ৩.৫০ ডলার। রপ্তানিকারকদের এখন বাড়তি চার্জও গুনতে হচ্ছে। এসব চার্জের মধ্যে রয়েছে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের জন্য কেজিতে ২.৫০ টাকা, স্ক্যানিংয়ের জন্য কেজিতে ২ টাকা, আর ওয়্যারহাউজ স্টোরেজের ভাড়ার জন্য কেজিতে দৈনিক ২৫ পয়সা।
টিএডি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আশিকুর রহমান তুহিন বলেন, ব্যবসা পরিচালনার খরচ বেড়ে যাবে, লিড টাইম বাড়বে, এবং আমাদের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা কমে আসবে।
বাংলাদেশ গার্মেন্টস এক্সেসরিজ অ্যান্ড প্যাকেজিং ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশনের (বিজিএপিএমইএ) সভাপতি মো. শাহরিয়ার বলেন, ইইউতে কেজিতে প্রায় ৬ ডলার খরচে পণ্য পাঠাতে পারছেন। কিন্তু ফরোয়ার্ডাররা জানিয়েছেন, খরচ আরও বাড়বে। সরকার যদি অবিলম্বে বাড়তি কার্গো সার্ভিস চালু না করে এবং বিমানবন্দরের জট না কাটায়, প্রধান বাজারগুলো থেকে আমরা ছিটকে পড়বো।
কারা লাভবান আর কারা ক্ষতিগ্রস্ত?
মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে সুতা আনা বন্ধ হবে। এতে স্থানীয় শিল্প সুরক্ষা পাবে। আবার ভারত থেকে সমুদ্রপথে সুতা আমদানি করলে আর্থিকভাবে লাভ হবে। আবার স্থলপথের চেয়ে সমুদ্রপথে সময় খুব বেশি লাগবে না।
ভারত থেকে সুতা আমদানিতে মিথ্যা ঘোষণা ও কম মূল্যে সুতা রপ্তানির অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশের বস্ত্র খাতের ব্যবসায়ীরা। অর্থাৎ স্থলসীমান্তে বাংলাদেশ কাস্টমসে যে পরিমাণ সুতা আমদানির কথা বলা হয়, এর চেয়ে বেশি সুতা দেশে আসে। লোকবলের অভাবে সশরীরে পরিদর্শন করার সক্ষমতা কম কাস্টমস কর্তৃপক্ষের। এই সুযোগে ৩০ কাউন্টের সুতার চালানের ভেতরে ৮০ কাউন্টের সুতা আনার অভিযোগও আছে।
সুতার সূক্ষ্মতা ও স্থূলতা পরিমাপ হয় কাউন্ট দিয়ে। কিন্তু বাংলাদেশের স্থলবন্দরে সুতার সূক্ষ্মতা ও স্থূলতা মাপার পর্যাপ্ত যন্ত্রপাতি নেই। কয়েক বছর আগে বেনাপোল স্থলবন্দরে সুতার সূক্ষ্মতা ও স্থূলতা পরিমাপের জন্য যন্ত্রপাতি বসালেও দুই মাসের মাথায় তা অকেজো হয়ে যায়।
জানা গেছে, ভারতের কর্ণাটক, তামিলনাড়ু ও গুজরাট থেকে বাংলাদেশে সুতা আসে। সড়কপথে সুতা আসতে ১০-১২ দিন সময় লাগে। অন্যদিকে, চেন্নাই সমুদ্রবন্দর থেকে চট্টগ্রাম বন্দর পর্যন্ত আসতে সময় লাগে দুই সপ্তাহের মতো। আর সমুদ্রপথে পণ্য এলে তিন-চারদিন বেশি সময় লাগে। কিন্তু জাহাজে সুতা আনলে ভাড়া ১০ শতাংশ কম পড়ে।
ভারত হয়ে কতো কার্গো যেতো?
ফ্রেইট ফরওয়ার্ডার ও পোশাক রপ্তানিকারকদের তথ্যমতে, বাংলাদেশের সাপ্তাহিক এয়ার কার্গোর প্রায় ১৮ শতাংশ, অর্থাৎ প্রায় ৬০০ টন, ভারতের বিমানবন্দর দিয়ে পরিবাহিত হতো। ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত ৪৬২ মিলিয়ন ডলার মূল্যের ৩৪ হাজার ৯০০ টনের বেশি পোশাকপণ্য ভারত হয়ে যুক্তরাষ্ট্র, স্পেন, ইতালি, জার্মানি, ফ্রান্স, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়াসহ ৩৬টিরও বেশি দেশে পাঠানো হয়।
বাংলাদেশের কার্গো হ্যান্ডলিং ক্ষমতা
ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্গো হ্যান্ডলিংয়ের সক্ষমতা সীমিত। ২০২৪ সালে এই বিমানবন্দরে প্রায় ২ লাখ টন রপ্তানি পণ্য এবং প্রায় ৫০ হাজার টন আমদানি পণ্য প্রক্রিয়াজাত হয়। এসব পণ্য বহনকারী প্রধান এয়ারলাইনের মধ্যে রয়েছে- এমিরেটস এয়ারলাইন্স, কাতার এয়ারওয়েজ, টার্কিশ, সৌদিয়া, ইতিহাদ ও বিমান বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক ফ্লাইট কম এবং কার্গো চাহিদা কম থাকায় দেশের বাকি দু’টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর- সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-নগণ্য পরিমাণ কার্গো হ্যান্ডলিং করেছে।
সমাধান কিভাবে?
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সাবেক পরিচালক কাজী ওয়াহিদুল আলম মনে করেন, দ্রুততম সমাধান নির্ভর করছে ঢাকা বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল চালু করা এবং স্বল্পমেয়াদে কোনো তৃতীয় পক্ষের অপারেটরকে নিয়োগ দিয়ে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরকে কার্গো হ্যান্ডলিংয়ের উপযুক্ত করে তোলা। তিনি বলেন, থার্ড টার্মিনাল পুরোপুরি চালু হলে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো হ্যান্ডলিং সক্ষমতা তিন গুণ হয়ে বছরে ৫.৪৭ লাখ টনে উন্নীত হতে পারে। ঢাকা বিমানবন্দরের তিনটি স্ক্যানিং মেশিনের মধ্যে একটা প্রায় সবসময়ই অকেজো থাকে। মেশিনটি জরুরি ভিত্তিতে ঠিক করা দরকার।
উল্লেখ্য, স্থলবন্দর দিয়ে সুতা আমদানি বন্ধ করার দাবি অনেক দিনের। গত ফেব্রুয়ারি মাসে দেশে স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে অন্যতম বস্ত্র খাতের অন্যতম কাঁচামাল সুতা আমদানি বন্ধের দাবি জানায় বস্ত্রশিল্পমালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস এসোসিয়েশন (বিটিএমএ)।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যে সম্পদ বিক্রি করছেন নাদেল by ওয়েছ খছরু
দাবি করা হচ্ছে; ফ্ল্যাটে লুট করা হয়েছে। যাই ঘটুক দ্বিতীয় দফায় ভাঙচুরের ক্ষেত্র নাদেল নিজেই তৈরি করে দিয়েছেন। মৌলভীবাজারের এমপি ছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ ক’বছর রাজনীতি করেছেন ঢাকায়। এখনো আছেন ময়মনসিংহ বিভাগ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক নেতা হিসেবে। কিন্তু সিলেটেই নাদেলের সব। সিলেট আওয়ামী লীগে তার একটি বলয় রয়েছে। যেটি ছাত্রলীগের নুর হোসেন ব্লক বা দর্শন দেউরী গ্রুপ নামে পরিচিত। ঈদের পরপরই নগরের ধোপাদীঘিরপাড়ে নাদেলের ছবি সম্বলিত একটি ব্যানার নিয়ে কয়েক মিনিটের মিছিল করে ছাত্রলীগ কর্মীরা। এতেই ক্ষোভ দেখা দেয়। বিকালে ছাত্র-জনতার ব্যানারে নগরের ৭-৮ জন নেতার বাসায় ভাঙচুর করা হয়। নগরে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বেশি ভাঙচুর হয়েছে সিলেটের সাবেক মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী ও শফিউল আলম চৌধুরীর বাসায়। এ দুটি বাসায় ঘণ্টাব্যাপী ভাঙচুর করা হয়। এরপর থেকে সিলেটে শেকড় গেড়ে বসা নাদেল পিছুটান দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন দলীয় নেতারা। সিলেট নগরে নাদেলের সম্পত্তি ঢাকার তুলনায় খুবই কম। বিতর্ক এড়িয়ে বিগত দিনে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে তিনটি বাসার মালিক হয়েছেন। এ তিনটি বাসা তার নিজের নামে ছিল না। নিজের একান্ত অনুসারী ও আত্মীয়স্বজনের নামে এসব বাসা ক্রয় করেন। সিলেটে নাদেল অর্ধকোটি টাকার যে পাজেরো জিপ চালাতেন সেটিও তার নিজের নামে নয়। পরিবারের এক সদস্যের নামে ক্রয় করা। নাদেলের ঘনিষ্ঠজনরা জানিয়েছেন- গাড়িটি সম্প্রতি তিনি বিক্রি করতে চাইছেন। এ গাড়িটি শোরুমে রয়েছে। ৫ই আগস্টের পর সেটি নিরাপদ স্থান হিসেবে শোরুমে রাখা হয়। অর্ধকোটি টাকার মূল্যের এই গাড়ির দাম ১৯ লাখ টাকা পর্যন্ত উঠেছে। এ ছাড়া- নগরের ৮ নম্বর ওয়ার্ডসহ কয়েকটি এলাকায় থাকা তিনটি বাড়ি তিনি বিক্রির চেষ্টা করছেন। এই বাড়িগুলো যাদের নামে তারা সিলেটে রয়েছেন। সিলেটের সম্পত্তি বিক্রির কারণ কী- এ প্রশ্নের জবাবে তার এক ঘনিষ্ঠজন জানিয়েছেন- সিলেটে ছাত্র জনতার নামে দ্বিতীয় দফা বাড়িঘরে হামলার পর নাদেল পিছুটান দিয়েছেন। কারণ; দ্বিতীয় দফায় ঘটনার জন্য তাকে দায়ী করা হচ্ছে। এ ঘটনায় পুলিশ অন্তত ১৫ জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে। মামলায় জর্জরিত হননি এ রকম অনেক নেতা বাড়িঘরে ফিরেছিলেন। এ ঘটনার পর তারা ফের বাড়িঘর ছাড়া রয়েছেন। ফলে সবকিছু মিলিয়ে নাদেল সিলেটে ব্যাকফুটে রয়েছেন। এ ছাড়া ৮ মাস ধরে নাদেল ভারতে পলাতক। ওখানে সিলেট ও ময়মনসিংহ অঞ্চলের নেতাদের দেখভালের দায়িত্ব অনেকটা তার ওপর। যাকে যেভাবে পারছেন সহযোগিতা করছেন। ৯ই ডিসেম্বর সিলেটের ৫ নেতা কলকাতায় গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। ডাউকিতে গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় তাদের গ্রেপ্তার করার পর তাদের ছাড়িয়ে নিতে নিজেই শিলং আদালত পর্যন্ত দৌড়ঝাঁপ করেন। তাদের মুক্ত করার প্রক্রিয়ার খরচের এক অংশ তিনি বহন করেছেন।
নেতারা জানিয়েছেন- ভারতে থাকা সিলেট ও ময়মনসিংহ অঞ্চলের নেতাদের এখন অভিভাবক নাদেল। সংকটকালীন সময় অতিবাহিত করতে টাকার প্রয়োজনে তিনি সিলেটের সম্পদ বিক্রি করার চেষ্টা চালাচ্ছেন। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার সময় নাদেল আওয়ামী লীগের নেতা থাকলেও স্থানীয় রাজনীতিতে তার আধিপত্য ছিল না। তবে সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতের ঘনিষ্ঠজন হওয়ায় তিনি পরবর্তীতে ধীরে ধীরে দাপটবাজ নেতা হিসেবে নিজেকে মেলে ধরেন। ২০১৯ সালে নাদেল রাজনীতির মহা পরীক্ষায় পড়েছিলেন। ওই সময় নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হওয়ার প্রতিযোগিতা থেকে পিছিয়ে পড়া নালেদকে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক পর্যন্ত নিয়ে পৌঁছান প্রয়াত মুহিত। এরপর থেকে নাদেলকে পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। সিলেটে সবখানে তিনি আধিপত্য বজায় রেখে চলেন। দলের নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন- নাদেলের হাত ধরেই সিলেট ইন্টারন্যশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়াম, বাদাঘাতে নতুন কারাগার নির্মাণ, আবুল মাল আব্দুল মুহিত ক্রীড়া কমপ্লেক্স, সিলেট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ কয়েকটি বড় বড় উন্নয়ন হয়। আর এসব উন্নয়ন কাজে তার লোকজন এক তরফা প্রভাব খাটিয়েছেন। তারা সাব-ঠিকাদারিসহ নানা বিষয়ে হস্তক্ষেপ করে কোটি কোটি টাকা লুটে নিয়েছে। এ ছাড়া নগরের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের হাওলাদারপাড়াসহ কয়েকটি এলাকায় নাদেলের লোকজন নামে-বেনামে জমি দখল করেছেন। বাসা দখল করেছিলেন তারা। তবে এসব সম্পত্তি নাদেল নিজের নামে না করে নিজের কাছের আত্মীয়স্বজন ও একান্ত সহযোগীদের নামে করেন। ঘনিষ্ঠজনরা জানিয়েছে- সিলেটে নাদেলের পৈতৃক ভিটা সবাই চিনেন। এর বাইরে নাদেলের যেসব সম্পত্তি রয়েছে সেগুলো অনেকেই চিনেন না। হাউজিং এস্টেট এলাকার এক জনপ্রতিনিধি জানিয়েছেন- হাউজিং এস্টেটে নাদেলের পৈতৃক ভিটে ছাড়া আর কোনো সম্পদ নেই। এই সম্পদটি ফ্ল্যাট আকারে তিনি বিক্রি করে দিয়েছেন। অন্য এলাকায় কেমন সম্পদ রয়েছে সেটি হাউজিং এস্টেট এলাকার মানুষ জানেন না।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘বাবার অপদস্থ হওয়ার ভিডিও দেখে রাতে ঘুমাতে পারছি না’
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারী হাজী তোবারক আলী চৌধুরী (টিএসি) উচ্চবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কান্তি লাল আচার্যকে জোর করে পদত্যাগপত্রে সই করানোর ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় ফেসবুকে এ কথা লেখেন ওই শিক্ষকের কন্যা ভাবনা আচার্য। বাবাকে পদত্যাগপত্রে সই করানোর ঘটনার ভিডিও যুক্ত করে গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা সোয়া দুইটার দিকে তিনি ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন। ফেসবুকে তাঁর এই স্ট্যাটাস ছড়িয়ে পড়েছে। আজ শুক্রবার সকাল সোয়া ১০টা পর্যন্ত ফেসবুকে ৩ লাখ ৩৬ হাজার মানুষ ভিডিওটি দেখেছেন, শেয়ার করেছেন প্রায় ১ হাজার ৯০০ মানুষ।
কান্তি লাল আচার্যকে পদত্যাগে বাধ্য করার ঘটনাটি ঘটে গত বুধবার। অভিযোগ উঠেছে, ওই দিন স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মী এবং প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের একটি অংশ বিদ্যালয়ে মিছিল নিয়ে গিয়ে কান্তি লাল আচার্যকে ঘেরাওয়ের পর জোর করে পদত্যাগপত্রে সই নিয়েছেন।
কান্তি লাল আচার্যের তিন মেয়ের মধ্যে ভাবনা আচার্য সবার ছোট। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় স্নাতকোত্তর শ্রেণিতে পড়াশোনা করছেন। ভাবনা আচার্য ফেসবুক স্ট্যাটাসে লেখেন, ‘আমার বাবা কান্তি লাল আচার্য ৩৫ বছর ধরে ভাটিয়ারী হাজী তোবারক আলী উচ্চবিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। আমার বাবাকে গতকাল (বুধবার) কোনোরকম প্রমাণিত অভিযোগ ছাড়া বলপূর্বক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের পদ থেকে পদত্যাগ করানো হয়। আমার বাবার কী অপরাধ, কী সমস্যা, কিছু বলা হয়নি।’
ভাবনা আচার্য লেখেন, ‘জানেন, স্কুলে ঝামেলা হওয়ার আগে বাবাকে মানা করা হয় স্কুলে যেতে। বলছিল, স্কুলে গেলে অপমান হতে হবে। বাবা সেই কথার উত্তরে বলেন, আমি কোনো অন্যায় করিনি, আমার কোনো অপরাধ নেই। আমাকে পদ থেকে সরে যেতে বললে নির্দ্বিধায় আমি সরে যাব। তবুও আমি স্কুলে যাব। আমি কেন পালিয়ে বেড়াব। কেউ আমার অপরাধের প্রমাণ আনতে পারলে আনুক।’
ভাবনা আচার্য আরও লেখেন, ‘বাবাকে পদত্যাগ করানোর আগে স্কুলে ককটেল ফাটানো হচ্ছিল। আমার বাবা তখনো নির্ভীক। জোর করে সাইন করতে বলছিল এমন একটি কাগজে, যেখানে লেখা ছিল-দুর্নীতির অভিযোগে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করছি। বাবা নির্ভয়ে বলেছিল, আমি দুর্নীতি করিনি, এই পেজে আমি সাইন করব না। এমনিতেই পদত্যাগ করছি। সেই সময় বাবাকে একদল মারতে যায়। পরবর্তীতে, আরেকটি কাগজে লেখা হয়—ব্যক্তিগত কারণে পদত্যাগ করেছি।’
বাবাকে অপদস্থ করার এ ঘটনায় হতাশার কথা জানিয়ে ভাবনা লেখেন, ‘কী সুন্দর তাই না! আমার বাবা কত মানুষকে ঘরে রেখে পড়িয়েছেন, কত মানুষকে টাকা ছাড়া পড়িয়েছেন, কত মানুষের ফি মওকুফ করেছেন। আজ একজন শিক্ষকের এই পরিণতি!’
এ ঘটনার পর বাবা অসুস্থ হয়ে গেছেন উল্লেখ করে ভাবনা লেখেন, ‘একজন শিক্ষকের এই অপমান! পৃথিবীতে একমাত্র হীন জাতি আমরা, যারা পদে পদে শিক্ষকদের টার্গেট করে এই অপমানজনক পরিস্থিতি উপহার দিচ্ছি।’
তাঁর এই স্ট্যাটাসে সকাল সোয়া ১০টা পর্যন্ত কমেন্ট করেছেন ১৩৯ জন। তাঁদের প্রায় সবাই এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বিচার দাবি করেছেন। এ বিষয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণও করেন অনেকে।
বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিদ্যালয়ের পরিচালনায় গঠিত অ্যাডহক কমিটির সভাপতির পদ নিয়ে প্রধান শিক্ষকের ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীরা। কমিটির বর্তমান সভাপতি জামায়াত–সমর্থিত মহিউদ্দিন আহমেদ। বুধবার প্রধান শিক্ষককে পদত্যাগপত্রে সই করানোর সময় মহিউদ্দিন আহমেদও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। তাঁকেও অনেকটা জিম্মি করে রাখা হয়। তাঁর এক আত্মীয়ের মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে বিএনপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে। পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করানোর পর ভাটিয়ারী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল আনোয়ারের গাড়িতে করে কান্তি লাল আচার্যকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হয়।
ঘটনার পর ভাটিয়ারী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নুরুল আনোয়ার প্রথম আলোকে বলেন, কান্তি লাল আচার্য দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়টির ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ জন্য বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মী, প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁর পদত্যাগ দাবি করে মিছিল-সমাবেশ করেন। উত্তেজিত জনতার চাপে প্রধান শিক্ষক পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন। এখন তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফখরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, এ ঘটনার তদন্তে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ তাঁকে প্রধান করে একটি কমিটি গঠন করেছেন। আগামী চার কর্মদিবসের মধ্যে ঘটনাটি তদন্ত করে বোর্ড কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে লিখিত প্রতিবেদন দেওয়া হবে। ঘটনার বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী শিক্ষক কান্তি লাল আচার্য প্রথম আলোকে বলেন, বিদ্যালয়ের ঘটনার পর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। একই সঙ্গে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং ভয় ও আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। তাঁকে নিয়ে তাঁর পরিবারের সবাই উদ্বিগ্ন।
![]() |
| পদত্যাগপত্রে জোর করে সই নেওয়া হয় তোবারক আলী চৌধুরী (টিএসি) উচ্চবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কান্তি লাল আচার্যের(মাঝে সাদা শার্ট) কাছ থেকে। গত বুধবার দুপুরে তোলা। ছবি: প্রথম আলো |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তিন শর্তে বাকি জিম্মিদের মুক্তি দিতে চায় হামাস
ওই কর্মকর্তার নাম খলিল আল–হায়া। তিনি গাজায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে হামাসের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। টেলিভিশনের সম্প্রচার করা বক্তব্যে আল–হায়া বলেন, ইসরায়েল যে অন্তর্বর্তী যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রস্তাব দিয়েছে, তার সঙ্গে একমত নয় হামাস। কারণ, গত মাসে গাজায় নতুন করে যে ভয়াবহ হামলা শুরু হয়েছে, এই চুক্তির মাধ্যমে তা থামানোর প্রক্রিয়া আরও বিলম্বিত করবে ইসরায়েল।
নিজেদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য পূরণের জন্য ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও তাঁর সরকার আংশিক চুক্তিকে ব্যবহার করতে চাচ্ছেন বলে উল্লেখ করেন হামাসের এই নেতা। তিনি বলেন, ‘ওই চুক্তির ভিত্তিই হলো (ফিলিস্তিনিদের) ধ্বংস ও অনাহারে রাখার মাধ্যমে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া। এমনকি সব জিম্মির জীবনের বিনিময়ে হলেও তারা তা করতে চায়।’
ইসরায়েল সরকারের হিসাবে, গাজায় এখনো ৫৯ জন জিম্মি হামাসের হাতে বন্দী রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে মাত্র ২৪ জন জীবিত আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। খলিল আল-হায়া বলেন, যুদ্ধ বন্ধ, ফিলিস্তিনি কারাবন্দীদের মুক্তি এবং গাজা পুনর্গঠন—এই তিন শর্ত বাস্তবায়নের বিনিময়ে হামাসের হাতে বন্দী থাকা বাকি সব জিম্মিকে মুক্তি দিতে ‘বড় পরিসরে আলোচনার’ জন্য প্রস্তুত রয়েছেন তাঁরা।
২০২৩ সালের অক্টোবরে যুদ্ধ শুরুর পর গত ১৯ জানুয়ারি থেকে গাজায় যুদ্ধবিরতি শুরু হয়। পরে ১৮ মার্চ যুদ্ধবিরতি ভেঙে আবার হামলা শুরু করে ইসরায়েল। এই সময়ে মধ্যে ৩৮ জিম্মিকে মুক্তি দিয়েছিল হামাস। উপত্যকাটিতে আবার যুদ্ধবিরতির জন্য মিসরের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে আলোচনা চলছে। তবে সেই আলোচনায় এখন পর্যন্ত সামান্যই অগ্রগতি দেখা গেছে।
এমন পরিস্থিতিতে জিম্মিদের মুক্তি দেওয়ার জন্য হামাসের প্রতি হুঁশিয়ারি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের মুখপাত্র জেমস হেউইট। তিনি বলেছেন, ‘হামাসের বক্তব্য থেকে বোঝা যাচ্ছে, তারা শান্তির প্রতি আগ্রহী নয়, বরং চিরস্থায়ী সহিংসতা চাচ্ছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন যে শর্তগুলো দিয়েছে, তাতে কোনো বদল আসেনি—জিম্মিদের মুক্তি দিন, না হয় নরকের মুখে পড়ুন।’
এদিকে যুদ্ধ বন্ধ নিয়ে আলোচনার মধ্যেও গাজায় চরম নৃশংসতা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী। গতকাল বৃহস্পতিবার গাজায় প্রায় ৪০টি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে তারা। এদিন উপত্যকাটিতে নিহত হয়েছেন অন্তত ৩২ জন। স্থানীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, ১৮ মাসের বেশি সময় ধরে চলা ইসরায়েলের হামলায় গাজায় অন্তত ৫১ হাজার ৬৫ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ১ লাখ ১৬ হাজার ৫০৫ জন। হতাহত ব্যক্তিদের মধ্যে বেশির ভাগই নারী ও শিশু।
| ইসরায়েলের হামলায় বিধ্বস্ত উত্তর গাজার জাবালিয়া এলাকা। ফাইল ছবি: রয়টার্স |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মেলোনির সঙ্গে বৈঠকে ট্রাম্প বললেন, ‘১০০ শতাংশ নিশ্চিত, চুক্তি হবে’
যুক্তরাষ্ট্রের বড় বাণিজ্যিক অংশীদার ইইউ। ওয়াশিংটনের ঘনিষ্ঠ মিত্র ইউরোপের দেশগুলো। এরপরও ২ এপ্রিল ইইউর সদস্যদেশগুলোর ওপর ২০ শতাংশ পাল্টা শুল্ক আরোপ করেছিলেন ট্রাম্প। সেই শুল্ক বর্তমানে স্থগিত থাকলেও ভবিষ্যৎ ফাড়া কাটানোর জন্য ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে সমঝোতার পথ ধরেছে জোটটি।
এরই অংশ হিসেবে গতকাল বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি। শুল্কযুদ্ধ শুরুর পর এই প্রথম ইউরোপের শীর্ষ পর্যায়ের কোনো নেতা যুক্তরাষ্ট্র সফরে গেলেন। দুজনের সাক্ষাতের সময় ট্রাম্প বলেন, ‘১০০ শতাংশ নিশ্চিত, একটি চুক্তি হবে। এটি হবে একটি ন্যায্য চুক্তি।’ জবাবে মেলোনি বলেন, ‘অবশ্যই।’
হোয়াইট হাউসে এ সাক্ষাতে ট্রাম্প বলেন, ‘সবাই একটি চুক্তি করতে চায়। আর তারা যদি একটি চুক্তি করতে না চায়, তাহলে আমরা তাদের জন্য চুক্তি করব।’ ট্রাম্প বলেন, তাঁর আশা আগামী তিন–চার সপ্তাহের মধ্যে সব দেশের সঙ্গে চুক্তি করবেন তিনি।
এর আগে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নিয়ে কড়া সমালোচনা করেছিলেন ট্রাম্প। তিনি বলেছিলেন, এই জোট তৈরি করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতি করার জন্য। আর ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় মেলোনি বলেছিলেন, এই শুল্ক ইউরোপীয় ইউনিয়নের মতোই যুক্তরাষ্ট্রেরও ক্ষতি করবে।
![]() |
| হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে বৃহস্পতিবার ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে জর্জিয়া মেলোনি। ছবি: এএফপি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চাপাতি ঠেকিয়ে রাজধানী জুড়ে ছিনতাই করতো চক্রটি
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তারা শুধু মিরপুর এলাকায় নয়, রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ছিনতাই করে। মিরপুর এলাকায় চুরি-ছিনতাইয়ের ঘটনা জানিয়ে তিনি বলেন, এই এলাকায় একসময় চুরি-ছিনতাই-ডাকাতির প্রবণতা বেশি ছিল। ৫ই আগস্ট একটা পরিবর্তিত অবস্থার পর এসে আমরা এখানে যোগদান করি। আমরা যোগদানের পর আমাদের একটা থিম ছিল এ ধরনের অপরাধ যেন না হতে পারে। পূর্বে যারা এ ধরনের অপরাধ সংঘটিত করেছে তাদের একটা প্রোফাইল রেডি করি। সেই প্রোফাইল অনুযায়ী আমরা বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করি। আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে এটা আমাদের চলমান প্রক্রিয়া। আমরা চেষ্টা করছি পল্লবী এলাকায় মানুষ যেন শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতে পারে সেজন্য আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। মিরপুর এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কোনো নজরদারি আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিভিন্ন স্থানে শীর্ষ সন্ত্রাসীরা বিভিন্ন নামে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে। কিন্তু আমরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা যৌথভাবে তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে অভিযান চালাচ্ছি।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইরানে কেন যুদ্ধ শুরু করছে না ইসরাইল: নিউ ইয়র্ক টাইমসের রিপোর্ট
নিউ ইয়র্ক টাইমস বলছে, ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে মে মাসে হামলা করার পরিকল্পনা ইসরাইলি কর্মকর্তারা প্রস্তুত করেন সম্প্রতি। তারা এই হামলা চালাতে প্রস্তুতও ছিল। তাদের আশা ছিল, যুক্তরাষ্ট্র তাদের সমর্থন দেবে। এ হামলা প্রস্তাবের লক্ষ্য ছিল ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির প্রক্রিয়াকে এক বছর বা তারও বেশি সময় পিছিয়ে দেয়া যাবে। কিন্তু ইরানের প্রতিশোধমূলক হামলা থেকে শুধু ইসরাইলের প্রতিরক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তাই প্রয়োজন হবে না। একই সঙ্গে এটা নিশ্চিত করতে হবে যে, ইসরাইলের হামলা সফল হয়েছে। এ জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে তারা কেন্দ্রীয় চরিত্রে রাখতে চেয়েছে। কিন্তু প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সামরিক হামলার পরিবর্তে এখনকার মতো কূটনীতিকেই বেছে নিয়েছেন। ওদিকে ২০১৫ সালে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ইরানের সঙ্গে ঐতিহাসিক পারমাণবিক চুক্তি করেন। ট্রাম্প প্রথম দফায় ক্ষমতায় এসেই সেই চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে বের করে আনেন। এবার দ্বিতীয় মেয়াদে তিনি মধ্যপ্রাচ্যে আরেকটি যুদ্ধ এড়ানোর জন্য চেষ্টা করছেন। এ জন্য তেহরানের সঙ্গে সংলাপকে উন্মুক্ত রেখেছেন। পারমাণবিক কর্মসূচিতে একটি চুক্তি করার জন্য দু’এক মাস সময় দিয়েছেন ডেডলাইন হিসেবে। এ মাসের শুরুর দিকে ইসরাইলকে তিনি সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দিয়েছেন। বলেছেন, ইরানে হামলায় সমর্থন দেবে না যুক্তরাষ্ট্র। গত সপ্তাহে ওয়াশিংটন সফর করেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। এ সময় তার সঙ্গে আলোচনা হয় ট্রাম্পের। ওভাল অফিসের সেই মিটিংয়ের পর ঘোষণা আসে যে, ইরানের সঙ্গে আলোচনা শুরু করছে যুক্তরাষ্ট্র। ওদিকে মিটিংয়ের পর হিব্রু ভাষায় লেখা এক বিবৃতিতে নেতানিয়াহু বলেন, ইরানের সঙ্গে চুক্তি তখনই কাজ করবে, যদি চুক্তিতে স্বাক্ষরকারীদেরকে ইরানের সব স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের তত্ত্বাবধানে প্রবেশ করতে দেয়, ওইসব স্থাপনাকে উড়িয়ে দেয়, গুঁড়িয়ে দেয়। নিউ ইয়র্ক টাইমসের চারজন সাংবাদিক এ বিষয়ে কাজ করেন। তারা ইসরাইলের গোপন সামরিক পরিকল্পনা সম্পর্কে জানেন এমন বেশ কিছু কর্মকর্তার কাছ থেকে তথ্য পান, ট্রাম্প প্রশাসনের ভেতরকার গোপনীয় আলোচনাকে উদ্ধৃত করেন। যারা সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন তারা নাম প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার পরিকল্পনা করেছে ইসরাইল। কীভাবে বোমা হামলা করা হবে সেই মহড়া দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় এমন হামলা হলে অথবা যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা ছাড়াই হামলা হলে তাতে কী পরিমাণ ক্ষতি হবে তার হিসাবনিকাশ করেছে। গত বছর ইরান অনেকটা দুর্বল হয়ে যাওয়ার পর সেখানে হামলার পরিকল্পনা বাড়ে ইসরাইলি সরকারের ভেতরে।
গত বছর এপ্রিলে ইসরাইলে হামলা করে ইরান। কিন্তু তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের বেশির ভাগই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলি প্রতিরক্ষাকে ভেদ করে ইসরাইলে হামলা করতে সক্ষম হয়নি। অন্যদিকে গত বছর ইসরাইলি সামরিক হামলায় ইরানের গুরুত্বপূর্ণ মিত্র হিজবুল্লাহও ম্লান হয়ে যায়। ওদিকে পালিয়ে যান সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ। এর মধ্যদিয়ে হিজবুল্লাহ ও তেহরানের একটি মিত্রের বিদায় হয়। ইরান থেকে অস্ত্র পাচারের মূল রুট বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। ইরান ও সিরিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে যায়। একই সঙ্গে ইরান যেসব স্থাপনাকে ব্যবহার করতো ক্ষেপণাস্ত্র জ্বালানি তৈরিতে তাও ধ্বংস হয়ে যায়। ফলে দেশটির নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সক্ষমতা কিছু সময়ের জন্য খর্ব হয়। ফলে প্রাথমিকভাবে নেতানিয়াহুর পক্ষ নিয়ে তার সিনিয়র কর্মকর্তারা মার্কিন কর্মকর্তাদেরকে তাদের পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত করেন। তারা বলেন, ইরানের ভূগর্ভস্থ পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে যৌথ ইসরাইলি কমান্ডো অভিযানে বোমা হামলা করা হবে। ইসরাইল আশা করেছিল এই প্রচেষ্টায় জড়িত হবে মার্কিন যুদ্ধবিমান। তবে ইসরাইলি কর্মকর্তারা বলেন, এই কমান্ডো অপারেশন অক্টোবরের আগে প্রস্তুত হবে না। কিন্তু আরও দ্রুত এই হামলা চালাতে চেয়েছেন নেতানিয়াহু। ইসরাইলি কর্মকর্তারা বোমা হামলা বিস্তৃত করার একটি প্রস্তাব সামনে এগিয়ে দেন। বলা হয়, তাতে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা লাগবে। প্রাথমিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের কিছু কর্মকর্তা ইসরাইলি পরিকল্পনা অধিক পরিমাণে বিবেচনার জন্য উন্মুক্ত ছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান জেনারেল মাইকেল ই কুরিল্লা এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইকেল ওয়াল্টজ দু’জনেই আলোচনা করেছেন- ট্রাম্প যদি পরিকল্পনায় সমর্থন দেন তাহলে কীভাবে ইসরাইলের হামলায় কার্যকরভাবে সাহায্য করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্র ওদিকে ইয়েমেনে ইরানসমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ তীব্র করেছে। হোয়াইট হাউসের আশীর্বাদে এমন সময়ে জেনারেল কুরিল্লা সামরিক সরঞ্জাম মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো শুরু করেন। যুদ্ধবিমান বহনকারী দ্বিতীয় জাহাজ কার্ল ভিনসন বর্তমানে অবস্থান করছে আরব সাগরে। লোহিত সাগরে অন্য জাহাজ হ্যারি এস ট্রুম্যানের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার কথা তার। এ ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে দুটি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র ব্যাটারি এবং একটি টার্মিনাল হাই অলটিটিউড এরিয়া ডিফেন্স সিস্টেম মোতায়েন করা হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে।
ইরানের ভূ-গর্ভস্থ পারমাণবিক কর্মসূচিকে ধ্বংস করে দিতে যথেষ্ট এমন ৩০ হাজার পাউন্ডের বোমা বহনে সক্ষম বি-২ বোমারু। এমন প্রায় দুই ডজন বি-২ মোতায়েন করা হয়েছে ভারত মহাসাগরে ডিয়েগো গার্সিয়া ঘাঁটিতে। বাড়তি যুদ্ধবিমান ইসরাইলের ঘাঁটিতে মোতায়েনের কথা বিবেচনা করা হয়। হুতিদের বিরুদ্ধে হামলায় ব্যবহারের জন্য এসব সামরিক সরঞ্জাম ব্যবহার করার কথা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র মনে করে লোহিত সাগরে শিপিং জাহাজে হামলা চালিয়েছে হুতিরা। তাদের বিরুদ্ধে ১৫ই মার্চ থেকে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু মার্কিন কর্মকর্তারা প্রাইভেটলি বলেছেন, ইরানে ইসরাইলের সামরিক হামলায় এসব অস্ত্র ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। যদিও ইরানে হামলায় এসব অস্ত্র ব্যবহারের কর্তৃত্ব দেয়নি যুক্তরাষ্ট্র; তবু ইসরাইল জানে যে, ইরানের কোনো মিত্রদের হামলা থেকে প্রতিরক্ষার জন্য মার্কিন যুদ্ধবিমান হাতের নাগালে থাকবে। ইরানে সামরিক হামলায় ইসরাইলকে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনের বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ওপেন ছিলেন বলে বেশ কিছু লক্ষণ দেখা গেছে। দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছে যে, তারা হুতিদের অস্ত্র এবং গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে। একই সঙ্গে হুতিদের ওপর ইরানের কিছুটা নিয়ন্ত্রণও আছে। ইয়েমেনের হুতিদের হামলা বন্ধ করতে ১৭ই মার্চ হুঁশিয়ারি দেন ট্রাম্প। তিনি একই সঙ্গে ইরানকে বলেন, তারা হুতিদের ওপর নিয়ন্ত্রণ রেখেছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1406)
-
▼
2025
(3281)
-
▼
April
(427)
-
▼
Apr 19
(23)
- ইসরায়েলের ‘অসম্ভব শর্ত’, প্রত্যাখ্যান করল ফিলিস্তি...
- কাশ্মীর পাকিস্তানের ‘গলার শিরা’, ভারতের প্রতিক্রিয়া
- ২১ শতকের ‘চেঙ্গিস খান’ হতে চান ইলন মাস্ক
- ইসরায়েলি সেনারাই কি যুদ্ধ থামাতে চাইছে? by পাপলু র...
- বাংলাদেশ-পাকিস্তান সম্পর্কের নতুন যাত্রা নিয়ে যা ব...
- ফিলিস্তিনের পক্ষে অবস্থান মানেই আমেরিকার চোখে হুমকি
- সাহাবি যুগে নির্মিত চীনের বিখ্যাত মসজিদ by আবিদ রা...
- ইসরাইলি হামলায় ফিলিস্তিনের আলোচিত ফটোসাংবাদিক ফাতি...
- বাংলাদেশের সঙ্গে বৈঠকে সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিতের অঙ্গ...
- সুড়ঙ্গের ওপাশে এখনো অন্ধকার by শামীমুল হক
- ভারতের মুসলিমরা রাজনৈতিকভাবে কেন ‘এতিম’ হয়ে গেল by...
- ‘দ্রুত অগ্রগতি না হলে রাশিয়া-ইউক্রেন শান্তি আলোচনা...
- ধানমণ্ডিতে চাঁদাবাজি: আটক সেই যুবক ইজারাদারের লোক ...
- আল-আকসায় ইহুদিদের প্রবেশ ‘নজিরবিহীনভাবে’ বাড়ছে, কি...
- বিশ্বমঞ্চে পৌঁছেছে গল্প, ফাতিমা রয়ে গেছেন গাজায় মা...
- নতুন গবেষণায় সামনে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য: গিজার গ্রে...
- বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য: টানাপড়েনে ক্ষতিগ্রস্ত কারা?
- যে সম্পদ বিক্রি করছেন নাদেল by ওয়েছ খছরু
- ‘বাবার অপদস্থ হওয়ার ভিডিও দেখে রাতে ঘুমাতে পারছি না’
- তিন শর্তে বাকি জিম্মিদের মুক্তি দিতে চায় হামাস
- মেলোনির সঙ্গে বৈঠকে ট্রাম্প বললেন, ‘১০০ শতাংশ নিশ্...
- চাপাতি ঠেকিয়ে রাজধানী জুড়ে ছিনতাই করতো চক্রটি
- ইরানে কেন যুদ্ধ শুরু করছে না ইসরাইল: নিউ ইয়র্ক টাই...
-
▼
Apr 19
(23)
-
▼
April
(427)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...










